• ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রবিবার ১৭ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Facebook Post

রাজনীতি

পুরভোটে তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্বের আবহে '২০১৯' মনে করালেন দেবাংশু ভট্টাচার্য

রাজ্যে ১০৮ পুরসভা নির্বাচনের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দেওয়াও সম্পূর্ণ হয়েছে। এই নির্বাচনী আবহে প্রধান আলোচনায় বিষয়ে হয়ে উঠেছে তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্ব। গত কয়েকদিনে সংঘাতের যথেষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে। আর এবার সেই বিতর্ক আরও বাড়িয়ে দিলেন তৃণমূলের অন্যতম মুখপাত্র তথা যুব সাধারণ সম্পাদক দেবাংশু ভট্টাচার্য।একদিকে যখন ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে তৃণমূল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ে উৎসবে মেতেছে, তখন দেবাংশু মনে করিয়ে দিলেন, ২০১৯ কিন্তু সময়ের অপেক্ষা। বৃহস্পতিবার ফেসবুকে এক বিস্ফোরক পোস্ট করেছেন তিনি। এমনকী কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিও জানিয়েছেন তিনি, যা দল- বিরোধী মত বলেই দাবি রাজনৈতিক মহলের। তাঁর এই পোস্ট ঘিরে চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।শুধু তাই নয়, দেবাংশু বলেছেন, আরেকবার ২০১৮ হলে আরেকটা ২০১৯ কিন্তু সময়ের অপেক্ষা.. বারবার সবটা ২০২১ এর মতো হবে না। তাঁর উল্লেখ করা এই সবকটি বছরের একটা বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে।২০১৮-তে পঞ্চায়েত নির্বাচনে শাসক দলের বিরুদ্ধে ভুরি ভুরি অভিযোগ উঠেছিল। বিভিন্ন জায়গায় মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি বিরোধীরা। আর তারপরই ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বড়সড় ধাক্কা খায় তৃণমূল শিবির। বাংলায় চমক দিয়ে ১৮ টি আসন পায় বিজেপি। রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করে, পঞ্চায়েত নির্বাচনে শাসক দলের দাদাগিরিই কাল হয়ে দাঁড়িয়েছিল।আর এবার পুরভোটের ক্ষেত্রেও সেই ছায়া দেখা যাচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বিরোধীরা। ইতিমধ্যেই একাধিক জায়গায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছে তৃণমূল। সেই আবহেই ২০১৯-এর কথা মনে করিয়ে কোনও বিশেষ ইঙ্গিত দিয়ে রাখেলন দেবাংশু।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
রাজনীতি

Manoranjan Bapari: বিধায়কের ফেসবুক পোস্ট নিয়ে বিভ্রান্তি হুগলির তৃণমূলে, মুচকি হাসছে গেরুয়া শিবির

ফেসবুক পোস্ট থেকে বিরাম নেই বলাগড়ের তৃণমূল বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারীর। তাঁর সোশাল মিডিয়ায় লাগাতার পোস্ট অস্বস্তিতে ফেলছে দলকে। এমনকী জনপ্রিয় স্লোগান খেলা হবে তুলে ধরে সরাসরি তিনি বিঁধেছেন বলাগড়ের দলীয় নেতৃত্বের একাংশকে। যা নিয়ে ক্ষুব্ধ দলের কেউ কেউ। রিক্সাচালক সাহিত্যিকের এমন ফেসবুক পোস্ট দেখে মুচকি হাসছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপির হাতে নির্বাচন-পরবর্তী হিংসায় আক্রান্ত এবং শয্যাশায়ী তৃণমূল কর্মী বাপ্পা ঘোষ কিছুতেই বিধায়কের খেলা হবে মানতে পারছেন না।আরও পড়ুনঃ এবার দলের কর্মীদের দিয়ে পায়ে জুতো গলিয়ে বিতর্কে বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়কবলাগড়ের তৃণমূল বিধায়কের বিতর্কিত ফেসবুক পোস্ট তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এনেছে। তাঁর আক্রমণের তিরে প্রাক্তন বিধায়ক তথা বর্তমানে তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক অসীম মাঝি, হুগলি জেলা পরিষদের স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ তথা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ব্লক সভাপতি নবীন গঙ্গোপাধ্যায়। প্রাক্তন বিধায়ককে নির্বোধ বলতেও ছাড়েননি, গদ্দার ও বেইমান তকমা তো রয়েছে! বিধায়ক বলেছেন, যাঁরা ভেবেছিলেন লোকসভা ভোটে ৩৬ হাজার ভোটে পিছিয়ে থাকা আসনে আমি হারব, আমি জেতায় তাঁরা সহ্য করতে পারছেন না। তাঁরা ভোটের সময় কাজ করেনি, বরং অন্য প্রার্থীকে ভোট দিতে বলেছে। আমি দলের জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বকে গোটা বিষয় জানিয়েছি। বিধায়কের ফেসবুক পোস্ট দেখে তৃণমূল কর্মীরাও বিভ্রান্ত।জিরাট কলেজের সামনে ফ্লেক্সে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবির নীচে অসীম মাঝি ও শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ছিল। জানা গিয়েছে, ওই ফ্লেক্স সরিয়ে নিতে নির্দেশ দেন বিধায়ক। তা সরিয়ে শৌচাগারের কাছে রাখা হয়। তা দেখে দলনেত্রীকে অসম্মানের অভিযোগে অধ্যক্ষের কাছে প্রতিবাদ জানান ছাত্র-ছাত্রীরা। পরে ফের তা লাগানো হলেও তৃণমূল নেতৃত্বই পরে গিয়ে ফ্লেক্সটা খুলে নেয়। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ওই ফেসবুকে শেয়ার করেছেন বিধায়ক। যদিও তাঁর প্রচারে অংশ না নেওয়ার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতেই সরব হয়েছে দলের একাংশ। সাধারণ কর্মীদের বিভিন্ন পোস্টে দেখা যাচ্ছে কীভাবে মনোরঞ্জন ব্যাপারীর সমর্থনে দিন-রাত খেটেছেন অসীম মাঝি, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়রা।আরও পড়ুনঃ এই শ্রাবণে...তোমার জন্যে গতকাল ফেসবুক পোস্টে মনোরঞ্জন ব্যাপারী লিখেছিলেন, যারা বন্দুক রিভলবার দেখিয়ে ভোটে জেতে তাদের জনগনের প্রতি কোন দায়বদ্ধতা থাকে না । তাঁরা মনে করে ওইভাবে বার বার জিতে যাবে। আমি তেমন ভাবে জিতি নি, জিততে চাই না। আমি জিতেছি মা মাটি মানুষের নেত্রী দিদি মমতা ব্যানার্জীর আশীর্বাদ আর আপনাাসায়। একাংশ মনে করছে বিধায়কের এই পোস্ট বিজেপির অভিযোগকে শক্ত করেছে। কারা বন্দুক, রিভলবার নিয়ে ভোটে জয়ী হয় সেই প্রশ্ন উঠেছে।আরও পড়ুনঃ ঘাটাল বাঁচাতে মুখ্যমন্ত্রীর মাস্টার প্ল্যান কী?শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও ভোটের সময় বন্দুক দেখিয়ে নমিনেশনে বাধাদানের কথা বিধায়ক লিখেছেন ফেসবুকে। যদিও বিধায়কের মন্তব্য নিয়ে কিছু বলতে রাজি নন শান্তনু এবং প্রাক্তন বিধায়ক অসীম মাঝি। বিরোধীদের কটাক্ষ, বলাগড়ে বহিরাগত বিধায়ক হওয়ায় বিপাকে পড়েছে তৃণমূল। তাঁর দলে থাকা নিয়েই সংশয়ে রাজনৈতিক মহল।আরও পড়ুনঃ পঞ্চায়েত অফিসে ঢুকে প্রধানকে শাসানোর অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধেদলের শীর্ষ নেতৃত্বের হস্তক্ষেপ চেয়ে সোচ্চার আক্রান্ত তৃণমূল কর্মী বাপ্পা ঘোষ। ভোটের ফলপ্রকাশের পর বাপ্পা ঘোষ, তাঁর ভাই বাপন-সহ জনা পঁচিশ তৃণমূল কর্মীর উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছিল বিজেপির বিরুদ্ধে। বাপ্পার পেটে ছুরি চালানো হয়, বাপনের কাঁধে হাঁসুয়া দিয়ে কোপ মারা হয়। থানায় যে এফআইআর দায়ের হয় তাতে সাত নম্বরে নাম রয়েছে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি বেচু নায়েকের। বেচুবাবু মনোরঞ্জন ব্যাপারীর বক্তব্য ফেসবুকে শেয়ার করছেন! বাপ্পা ঘোষ জানান, তার উপর হামলার পরদিন বিধায়ক বাড়িতে এসেছিলেন। তারপর আর খোঁজ নেননি। সেদিন রাতে বিধায়ককে ফোনে পাইনি। বিধায়কের সঙ্গী শ্যামাপ্রসাদ রায় বন্দ্যোপাধ্যায় ফোন ধরে বলেছিলেন, দেখছি। তখন রাত ১১টা। কিন্তু হামলার খবর পেয়েই ছুটে এসেছিলেন শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। বিপদে তাঁকে ছাড়া কাউকে পাশে পাইনি। তিনিই প্রথমে চুঁচুড়া ও পরে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করান, প্রয়োজনীয় রক্তের চাহিদা মিটিয়ে প্রাণ রক্ষা করেছেন। নাহলে কী যে হত! বাপ্পার বক্তব্য, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলের কয়েকজন আমার পরিবারকে দেখছেন। এখনও আমি অসুস্থ। অথচ আক্ষেপ যে মণ্ডল সভাপতি অভিযুক্ত তাঁর বাড়িতে পুলিশ পর্যন্ত যায়নি। কেন যায়নি সেটা আজ তাঁর ফেসবুক পোস্ট দেখে বুঝছি।

আগস্ট ১০, ২০২১
রাজনীতি

Soumitra Khan: ফের ফেসবুকে পোস্ট করে কাকে বার্তা দিলেন সৌমিত্র খাঁ?

জল দুধের সাথে বন্ধুত্ব করল এবং নিজের স্বরূপ ত্যাগ করে দুধের সঙ্গে মিশে গেল। ফেসবুকে ফের দীর্ঘ পোস্ট দিলেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। আর তাঁর এই পোস্ট ঘিরেই নতুন করে জল্পনা শুরু হতে চলেছে। সাংসদের ব্যাখ্যা, শিক্ষা ও শিক্ষিত ছাত্রের মধ্যে রাজনীতিবিদরা ঢুকে পড়েছেন। বেনোজলরা এখন চাকরি পেয়ে যাচ্ছে। সেটাই বলতে চেয়েছেন। তবে, রাজনৈতিক মহলে কিন্তু ইতিমধ্যেই তাঁর এই পোস্ট ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার রাতে যখন দিল্লিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিচ্ছেন বাংলার চার সাংসদ, তখন যুবমোর্চার সভাপতি থেকে ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন সৌমিত্র খাঁ। রাতে আবার জানান, বিএল সন্তোষ, অমিত শাহ ও তেজস্বী সূর্যের নির্দেশে ইস্তফার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করছেন! মাঝে আবার ফেসবুক লাইভে এসে শুভেন্দু অধিকারী ও রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে নিশানা করেন বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ। বলেন, যিনি বলছেন তাঁর নেতৃত্বে সব কিছু হয়েছে। আমি এলাকায় না প্রবেশ করে জিতেছি। আমার মনে হয়েছে যুবমোর্চার পদ দিয়েছে দল। লড়াই করেছি। এই যিনি বিধানসভার দলনেতা হয়েছেন তিনি নিজেকে জাহির করছেন, দলকে নয়। যেভাবে চলছে তাতে যুবমোর্চার সভাপতি হিসেবে লড়াই করা মুশকিল হয়ে উঠছে। এখন যিনি নেতা হয়েছেন পুরো ফোকাস এক জায়গায় চলে গিয়েছে। তিনি দিল্লি যাচ্ছেন বারবার। নেতাদের ভুল বুঝিয়ে প্রমাণ করতে চাইছেন তিনিই সবচেয়ে বড় নেতা। তিনি একসময় তৃণমূলে বড় নেতা দেখিয়েছেন। সৌমিত্রের কথায়, মাননীয় সভাপতিকে বললেও অর্ধেকটা বোঝেন, অর্ধেকটা বোঝেন না। বাংলা বিজেপি যেভাবে চলছে, তাতে ভালো কিছু হবে না। নতুন নেতা এসে দিল্লির নেতৃত্বকে বিভ্রান্ত করেছেন। দলটা একটা জেলার মধ্যে চলে যাচ্ছে। পরিষ্কার বলছি, নরেন্দ্র মোদি যতদিন বাঁচবেন বিজেপি করব।এরই মধ্যে ফের একবার ফেসবুক পোস্ট করে নতুন করে জল্পনার সৃষ্টি করলেন সৌমিত্র।

জুলাই ১০, ২০২১
কলকাতা

Dilip Ghosh: ফেসবুকে বেসুরোদের কড়া বার্তা দিলীপের

মুকুল রায় (Mukul Roy) দল ছাড়ার পর নতুন করে ভাঙনের আশঙ্কায় গেরুয়া শিবির। তৃণমূলের দিকে আর কারা এবার পা বাড়াতে চলেছেন? মুকুল রায়ের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন কারা? এটা নিয়েই কার্যত আতঙ্কে এখন বঙ্গ বিজেপি। এই পরিস্থিতিতে ফেসবুক পোস্টে সুর চড়ালেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। প্রয়োজন পড়লে দলই বহিষ্কার করবে কর্মীদের, এমনই হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি।রবিবার দুপুর সাড়ে বারোটা নাগাদ ফেসবুক পোস্ট করেন মেদিনীপুরের সাংসদ। তাতে লেখা, দল ছাড়াটা অনেকের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। বিজেপি সেই লোকেদের উপর নির্ভর করে যাঁরা রক্ত দিয়ে, ঘাম ঝড়িয়ে দলটাকে দাঁড় করিয়েছে। বিজেপিতে থাকতে হলে ত্যাগ তপস্যা করতে হবে। যারা শুধু ক্ষমতা ভোগ করতে চান, তাঁরা বিজেপিতে থাকতে পারবেন না, আমরাই রাখব না।বিজেপির অন্দরে ক্ষোভ-বিক্ষোভ, বেসুরোদের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। তার মধ্যেই মুকুল রায়ের মতো শীর্ষ নেতার দল ছেড়ে যাওয়াটা দলের কাছে যেমন বড় ধাক্কা তেমনই আশঙ্কারও। তাঁর দলত্যাগে দলে যেন কোনও প্রভাব না পড়ে সেদিকে তাই সতর্ক গেরুয়া শিবির। তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর মুকুল রায় বলেছেন, বিজেপি ছেড়ে অনেকেই চলে আসবেন। প্রবীণ এই রাজনীতিকের এহেন মন্তব্য নিয়ে বিজেপির অন্দরে আশঙ্কা তাই আরও বেড়েছে। মুকুল দল ছাড়ার চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই তাঁরই অনুগামী হিসাবে পরিচিত বাগদার বিজেপি বিধায়ক (BJP) বিশ্বজিৎ দাস ও নোয়াপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক সুনীল সিংরা বেসুরো। কিছুদিন আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় দল বিরোধী পোস্ট করার পর শনিবার বিকেলে তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষের সঙ্গে আবার দেখা করে এসেছেন বিজেপির রাজ্য কমিটির আমন্ত্রিত সদস্য তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় (Rajib Banerjee)। এই পরিস্থিতি শক্ত হাতে মোকাবিলা করতেই ফেসবুক পোস্টে কর্মী-সমর্থকদের কড়া বার্তা দিলেন দিলীপ ঘোষ, তা বলাই বাহুল্য।

জুন ১৩, ২০২১
রাজ্য

রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না করে খোঁচা উদয়নের

সম্প্রতি বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের কয়েকটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে জল্পনা ছড়িয়ে পড়েছে। আর তার সূত্র ধরেই এবার নাম না করে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে খোঁচা দিলেন বিধায়ক উদয়ন গুহ। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, হয় জলে (সেচ) অথবা জঙ্গলে (বন) না হলে পদ্মফুলে, যত মত তত পথ। উদয়ন গুহ তাঁর ফেসবুক পোস্টে কারও নাম উল্লেখ করেননি ঠিকই। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যের মুখ্যসচিব ও ডিজিকে তলব অসাংবিধানিক বলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিবকে চিঠি কল্যাণের তবে তাঁর এই পোস্ট যে আদতে বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে খোঁচা দিয়েই করা, সে বিষয়ে কোনও মতপার্থক্য থাকতে পারে না বলেই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহলের অনেকেই। কারণ, একসময় রাজ্যের সেচ দপ্তর সামলাতেন মন্ত্রী রাজীব। আর বর্তমানে রাজ্যের বনমন্ত্রী তিনি। এছাড়া শুক্রবার শ্রীরামকৃষ্ণের বাণীকে হাতিয়ার করে যত মত তত পথ মন্তব্য করেছিলেন বিদ্রোহী মন্ত্রী। তাই উদয়ন গুহ যে আদতে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কেই খোঁচা দিয়েছেন তা স্পষ্ট।

ডিসেম্বর ১২, ২০২০
কলকাতা

সুদ সমেত ফেরত দেওয়ার হুমকি দিলীপের

বৃহস্পতিবার ডায়মন্ড হারবারে যাওয়ার পথে দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার শিরাকোলে বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার কনভয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে৷ তার পরেই ফেসবুকে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের হুমকির সুর৷ ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, আমি বলছি পেটান, ততটাই পেটান যতটা পড়ে সহ্য করতে পারবেন৷ লাল ডায়েরিতে সব লিখে রাখছি৷ আরও পড়ুন ঃ আগুন নিয়ে খেলবেন না , মমতাকে হুশিয়ারি ধনকড়ের সুদ সমেত ফেরত দেব আমরা৷ বদল হবে, বদলাও হবে। পরে যতটা সহ্য করতে পারবেন, ততটাই মারুন৷ সব সুদ সমেত ফেরত দেব। সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্দেশে এমনই হুমকি দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ৷ ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছেন, লাল ডায়েরিতে তিনি সব লিখে রাখছেন৷ যদিও দিলীপের এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ৷ তাঁর অভিযোগ, সরাসরি হুমকি দিচ্ছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি৷

ডিসেম্বর ১১, ২০২০
রাজনীতি

অগ্নিমিত্রা পলের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কড়া জবাব বৈশাখীর

বিধানসভা ভোটের আগে দলের কাজে শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে যতই সক্রিয় করে তোলার চেষ্টা হোক না কেন, দলের মধ্যেকার বিরোধ যেন কিছুতেই মিটছে না। সম্প্রতি বিজয়া সম্মিলনীতে শোভনকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও বৈশাখীকে আমন্ত্রণ না করা নিয়ে জল অনেকদূর পর্যন্ত গড়ায়। সে প্রসঙ্গে বিজেপির মহিলা মোর্চার সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পল বলেন, এই ঘটনা মোটেই অস্বাভাবিক নয়। সব অনুষ্ঠানে সকলে আমন্ত্রিত হবেন, এমন নয়। তাছাড়া বৈশাখী নিশ্চয়ই শোভন চট্টোপাধ্যায়ের সমান মর্যাদা আশা করতে পারেন না। অগ্নিমিত্রা পলের এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে এবার পালটা জবাব দিলেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। অগ্নিমিত্রা পাল যখন বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন, তাঁর একটাই পরিচয় ছিল, তিনি একজন ফ্যাশন ডিজাইনার। যতদূর আমি জানি, আপনার কোনও রাজনৈতিক পরিচয় ছিল না। কখনও কোনও রাজনৈতিক ভূমিকাও পালন করেননি। তা সত্ত্বেও বিজেপি মহিলা মোর্চার প্রধানের মতো গুরুদায়িত্ব পেয়েছেন। আরও পড়ুন ঃ ভোল পালটে ছত্রধর মাহাতোকে দলে যোগ দেওয়ার বার্তা দিলীপের উনি বোধহয় অবগত নন। আমি ওয়েবকুপার জেনারেল সেক্রেটারি পদে ছিলাম। অনৈতিক, অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি। পেজ ৩-তে আমার কখনও নাম আসেনি। পুরুলিয়া থেকে বর্ধমান, গোসাবা থেকে গড়িয়া, ধর্মতলা থেকে যাদবপুর পর্যন্ত ঘুরেছি, ভোটে টিকিট পাওয়ার জন্য নয়, আমার দলের সদস্যপদ বাড়ানোর জন্য। গার্হস্থ্য হিংসা, শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে লড়ার চেষ্টা করেছি। কিছু ছবি পোস্ট করে জনসমর্থন পাইনি। মিটিং-মিছিলে অংশ নিয়ে মানুষের ভালবাসা অর্জন করেছি। আপনার পূর্বসূরী লকেট চট্টোপাধ্য়ায় সুহৃদয়ে আমায় বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে আমন্ত্রণ জানাতেন। যার জন্য ওঁকে শ্রদ্ধা করি। তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষও সে দলে আমার অবস্থান স্বীকৃতি দিয়েছেন। আপনার মন্তব্যে আমি ব্যথিত। কোনও বিরোধী দল নয়, আমার দলের সহকর্মীই আমাকে সমালোচিত করলেন। আমার কোনও গডফাদার নেই। মুকুল রায়, শোভন চট্টোপাধ্য়ায়, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে রাজনৈতিক মূল্যবোধ শিখেছি। বিজেপিতে রামলালজি, শিবপ্রকাশজি, মেননজি, অমিতাভদার থেকে অনেক উৎসাহ পেয়েছিশোভন আমার মেন্টর, আমি ওঁকে শ্রদ্ধা করিলকেট, রূপা, ভারতী ঘোষদের পছন্দ করি, যাঁরা আমার মতো একজন ক্ষুদ্র নেতাকে অনুপ্রাণিত করতে পারেন।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
রাজ্য

রাজনীতি থেকে স্বেচ্ছাবসর নিলে কেমন হয়? শুভ্রাংশু রায়ের ফেসবুক  পোস্ট ঘিরে জল্পনা

রাজনীতি থেকে স্বেচ্ছাবসর নিলে কেমন হয়? বীজপুরের বিজেপি বিধায়ক শুভ্রাংশু রায় বৃভস্পতিবার নিজের ফেসবুক ওয়ালে এমনই একটি পোস্ট করেছেন। তাঁর এই পোস্ট ঘিরে তীব্র জল্পনা শুরু হয়েছে। তবে কি বিজেপি ছেড়ে রাজনীতি থেকে অবসর নিতে চলেছেন তিনি। রাজনৈতিক মহলে এমনই জল্পনা শুরু হয়েছে তাঁর এই পোস্টকে কেন্দ্র করে। আরও ্পড়ুনঃ মণীশ শুক্লা খুনের ঘটনায় ব্যারাকপুর ও টিটাগড় পুরসভার প্রশাসককে জেরা সিআইডি র প্রসঙ্গত , মুকুল রায় দলে যোগ দেওয়ার অনেকদিন পরে দলের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির পদ পেলেও শুভ্রাংশু কো্নও পদ পাননি। এছাড়াও দলের কাজে তাঁকে খুব একটা সক্রিয় হতে দেখা যায়নি। এর পাশাপাশি উত্তর ২৪ পরগনায় বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে শুভ্রাংশু কিছুটা হলেও ্কো্নঠাসা। এর জেরেই এই পোস্ট কিনা , তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

অক্টোবর ১৫, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

জাহাঙ্গিরকে নিশানা করে শুভেন্দুর কড়া বার্তা! ফলতায় ভোটের আগে বাড়ল রাজনৈতিক উত্তাপ

২১ মে ফলতা বিধানসভায় পুনর্নির্বাচন। তার আগেই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথম রাজনৈতিক সভা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। আর সেই সভা থেকেই তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান এবং তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি।ফলতার সভা থেকে শুভেন্দু বলেন, কোথায় পুষ্পা? দেখা পাওয়া যাচ্ছে না কেন? এবার কাউকে অশান্তি করতে দেওয়া হবে না। ২০২১ সালের ভোট পরবর্তী হিংসার প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টে ১৯ জন কুখ্যাত অপরাধীর নাম ছিল, সেখানে জাহাঙ্গির খানের নামও রয়েছে। সেই সমস্ত অভিযোগের তদন্ত হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন মুখ্যমন্ত্রী।উল্লেখ্য, ফলতা বিধানসভার একাধিক বুথে ইভিএম কারচুপির অভিযোগ উঠেছিল। সেই পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে গোটা ফলতা বিধানসভায় পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দেয় নির্বাচন কমিশন। আগামী ২১ মে সেখানে ভোটগ্রহণ হবে।ভোটের আগে বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পণ্ডার সমর্থনে প্রচারে গিয়ে শুভেন্দু আরও বলেন, ওই ডাকাতটা কোথায়? পুষ্পা না কী যেন নাম! সাধারণ নির্বাচনের সময় যত অভিযোগ এসেছে, সব কিছুর ব্যবস্থা হবে।এদিন নাম না করেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দুর দাবি, ফলতায় এসে বহু মানুষ তাঁকে জানিয়েছেন, ভাইপো যতদিন ছিলেন, ততদিন মানুষ ঠিকমতো ভোট দিতে পারেননি। তবে এবার শান্তিপূর্ণ ভোট হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।শুধু তাই নয়, ফলতায় বিজেপি জিতলে এলাকার জন্য বিশেষ উন্নয়ন প্যাকেজ ঘোষণা করা হবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। বিজেপি প্রার্থীকে এক লক্ষ ভোটে জেতানোর আহ্বানও জানান তিনি।সভা থেকে শুভেন্দু আরও দাবি করেন, কলকাতায় একাধিক সম্পত্তির তথ্য তাঁর হাতে এসেছে। তিনি বলেন, মাননীয় ভাইপোবাবু, কলকাতায় ২৪টি সম্পত্তির তথ্য পেয়েছি। আমতলায় বিশাল অফিস রয়েছে। সব হিসাব হবে।অভয়ার প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু অভিযোগ করেন, আগের সরকারের সময় প্রমাণ লোপাট এবং ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। সেই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রীর আরও অভিযোগ, ডায়মন্ড হারবার এলাকায় যাঁরা অত্যাচার ও অশান্তির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাঁদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। তিনি জানান, পুলিশকে কল রেকর্ড এবং হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেউ রেহাই পাবেন না বলেও কড়া বার্তা দেন শুভেন্দু অধিকারী।

মে ১৬, ২০২৬
কলকাতা

সুইসাইড অ্যাটাক করে শুভেন্দুকে খুনের হুমকি! রাতারাতি পুলিশের জালে সন্দেহভাজন

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে আত্মঘাতী হামলা চালিয়ে খুনের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। একটি ইমেলের মাধ্যমে এই হুমকি পাঠানো হয়। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়তেই দ্রুত তদন্তে নামে পুলিশ। ইতিমধ্যেই এক সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৪ তারিখ ভবানীপুর থানায় একটি ইমেল আসে। ওই ইমেলে আবিদা আলি নামে এক মহিলার নাম ব্যবহার করা হয়েছিল। সেখানে দাবি করা হয়, আল কায়দার সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে এবং মুখ্যমন্ত্রীর উপর আত্মঘাতী হামলা চালানো হবে।এই অভিযোগ সামনে আসতেই তৎপর হয় পুলিশ। তদন্তে নেমে গার্ডেনরিচ থানার সাহায্যে শুক্রবার রাতে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতের নাম হাসনিন ইকবাল। পুলিশের দাবি, জেরায় সে স্বীকার করেছে যে ব্যক্তিগত আক্রোশের কারণেই আবিদা আলির নাম ব্যবহার করে এই ইমেল পাঠানো হয়েছিল।পুলিশ আরও জানিয়েছে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে এর আগেও এই ধরনের একাধিক ভুয়ো এবং বিভ্রান্তিকর ইমেল পাঠানোর অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।লালবাজারের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ভুয়ো তথ্য ছড়ানো বা আতঙ্ক তৈরির চেষ্টা করলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ জানিয়েছে, এই ধরনের অপরাধে জড়িত কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তদের চিহ্নিত করার কাজ শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুর কেন্দ্রের বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই ওই এলাকায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছিল। এই হুমকির ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশাসন আরও সতর্ক হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

মে ১৬, ২০২৬
রাজ্য

মাঝরাতে তৃণমূল নেতার বাড়িতে পুলিশের হানা! গ্রেপ্তার বিধায়কের দাদা, চাঞ্চল্য ক্যানিংয়ে

মাঝরাতে বাড়িতে পুলিশি অভিযান ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল ক্যানিংয়ে। গ্রেপ্তার করা হল ক্যানিং পশ্চিমের তৃণমূল বিধায়ক পরেশরাম দাসের দাদা উত্তম রায়কে। তিনি ক্যানিং ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি। পুলিশ সূত্রে দাবি, গ্রেপ্তারের সময় বাধা দেওয়া হয়েছিল। অন্যদিকে ধৃতের পরিবারের অভিযোগ, বাড়ির মহিলা সদস্যদেরও মারধর করা হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, উত্তম রায়ের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন-সহ একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযোগ, ভোটের ফলপ্রকাশের দিন ৪ মে ক্যানিং এলাকায় গুলি চলার ঘটনায় তাঁর নাম জড়িয়েছে। ওই ঘটনায় এক বিজেপি কর্মী আহত হয়েছিলেন বলে দাবি পুলিশের। এলাকায় ভয় এবং আতঙ্কের পরিবেশ তৈরির অভিযোগও রয়েছে ধৃতের বিরুদ্ধে।শুক্রবার গভীর রাতে ক্যানিং থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা উত্তম রায়ের বাড়িতে পৌঁছয়। তারপর তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন ক্যানিং পশ্চিমের তৃণমূল বিধায়ক পরেশরাম দাস। তিনি বলেন, রাতে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার বদলে সকালে থানায় ডাকা যেত। তাঁর অভিযোগ, যেভাবে মহিলা সদস্যদের সঙ্গে আচরণ করা হয়েছে, তা গণতন্ত্রের পরিপন্থী।যদিও উত্তম রায়ের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে পরিবার। তৃণমূল বিধায়কের দাবি, যেসব ধারায় মামলা করা হয়েছে, তা হওয়া উচিত হয়নি।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার ধৃতের শারীরিক পরীক্ষা করানোর পর আলিপুর আদালতে তোলা হবে। তদন্তের স্বার্থে তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাতে পারে পুলিশ।এদিকে, অন্য একটি ঘটনায় কয়লার ডিও থেকে তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে অন্ডাল ব্লক তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি কাঞ্চন মিত্রকে। অভিযোগ, তৃণমূল সরকারের আমলে কয়লার ডিও থেকে টাকা তোলার পাশাপাশি এলাকায় ভয় দেখানো এবং জমি কারবারের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি। একই মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন মহম্মদ মোজাম্মেল নামে আরও এক ব্যক্তি। শুক্রবার রাতে অন্ডাল থানার পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করে।রাজ্যের একাধিক জেলায় তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক পুলিশি পদক্ষেপ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

মে ১৬, ২০২৬
কলকাতা

‘নেপথ্যের আসল কারিগর মিঠুন’! মুখ্যমন্ত্রীর মুখে বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি

ছাব্বিশের ভোটের আগে বাংলাজুড়ে লাগাতার প্রচার করেছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। একের পর এক সভা, বৈঠক এবং প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত বাংলায় বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করেছে বিজেপি। সেই জয়ের পর এবার বিজেপির তারকা প্রচারক মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে দেখা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।শনিবার সকালে নিউটাউনে মিঠুন চক্রবর্তীর বাড়িতে যান শুভেন্দু। ডায়মন্ড হারবারে প্রশাসনিক বৈঠকে যাওয়ার আগেই তিনি মহাগুরুর সঙ্গে দেখা করেন। সেখানে প্রায় এক ঘণ্টা কথা হয় দুজনের মধ্যে।মিঠুনকে বিজেপির জয়ের অন্যতম নেপথ্য কারিগর বলেই উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু বলেন, বাংলাকে বাঁচানো, হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনা এবং মা-বোনেদের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন মিঠুন চক্রবর্তী। গত কয়েক মাস ধরে তিনি একের পর এক সভা, বৈঠক ও প্রচার করেছেন। শুধু বড় মঞ্চ নয়, মাইক্রো স্তরেও কাজ করেছেন তিনি।শুভেন্দুর কথায়, জনগণের আশীর্বাদ এবং দলের সিদ্ধান্তে তিনি মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন ঠিকই, কিন্তু এই জয়ের পিছনে যাঁদের সবচেয়ে বড় ভূমিকা রয়েছে, তাঁদের মধ্যে অন্যতম মিঠুন চক্রবর্তী।কেন আচমকা মিঠুনের বাড়িতে গেলেন, সেই কারণও স্পষ্ট করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, জয়ের পর মিঠুন চক্রবর্তী তাঁর সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন। তখনই শুভেন্দু বলেন, তিনি নিজেই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মিঠুনের বাড়িতে গিয়ে দেখা করবেন। সেই প্রতিশ্রুতি রাখতেই শনিবার সকালে নিউটাউনে যান তিনি।এই বৈঠকের পর রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়, তবে কি বিজেপি সরকারে কোনও বড় দায়িত্ব পেতে চলেছেন মিঠুন চক্রবর্তী? যদিও সেই জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, কোনও পদ নিয়ে মিঠুনের আগ্রহ নেই। দল তাঁকে ইতিমধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা শুনে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন মিঠুন চক্রবর্তী। হাসিমুখে শুভেন্দুর কাঁধে হাত রেখে তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গ এর থেকে ভালো মুখ্যমন্ত্রী পেতে পারত না। শপথ নেওয়ার পর থেকেই শুভেন্দু কাজ শুরু করে দিয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।মিঠুন আরও বলেন, আগামী দিনেও মানুষ বুঝতে পারবেন শুভেন্দু অধিকারী কেমনভাবে রাজ্য চালাচ্ছেন। তাঁর কথায়, শুভেন্দু একজন যোদ্ধা এবং তিনি সবসময় তাঁর পাশে থেকে লড়াই করবেন।উল্লেখ্য, এর আগেও নতুন বিজেপি সরকারের প্রশংসা করেছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। শনিবার তাঁর বাড়ি থেকে বেরিয়েই ডায়মন্ড হারবারের উদ্দেশে রওনা দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

মে ১৬, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগেই ফলতায় বড় ধাক্কা! গ্রেপ্তার জাহাঙ্গির ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা, চরম উত্তেজনা এলাকায়

পুনর্নির্বাচনের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। তার আগেই ফলতায় চরম রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়াল। গ্রেপ্তার হলেন তৃণমূল নেতা এবং ফলতা পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি সাইদুল খান। তিনি পুষ্পা জাহাঙ্গির খানের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। ফলতা থানার পুলিশ শুক্রবার গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সাইদুল খানের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা এবং রাজনৈতিক হিংসা ছড়ানোর মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছিল। সেই অভিযোগের তদন্তে নেমেই পুলিশ তাঁর বাড়িতে হানা দেয় এবং গ্রেপ্তার করে।এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে তৃণমূলের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী আগামী ২১ মে ফলতায় পুনর্নির্বাচন হবে। ভোট গণনা হবে ২৪ মে। এর মধ্যেই রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন হয়েছে। তৃণমূলকে সরিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী শনিবার ডায়মন্ড হারবারে প্রশাসনিক বৈঠক করবেন। এরপর ফলতায় তাঁর কর্মিসভা রয়েছে। আগামী ১৯ মে প্রচারের শেষ দিনে ফলতায় মুখ্যমন্ত্রীর রোড শো হওয়ার কথাও রয়েছে। ফলে বিজেপি কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ তুঙ্গে।এই আবহেই দীর্ঘদিন পর শুক্রবার প্রকাশ্যে দেখা গেল ফলতার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানকে। সকালে তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে শ্রীরামপুরে নিজের দলীয় কার্যালয়ে যান। উল্লেখ্য, ২৯ এপ্রিল ওই অফিস থেকেই ভোট পরিচালনা করেছিলেন তিনি।বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর ওই দলীয় কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠেছিল বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে। সেখানে বিজেপির পতাকাও লাগানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। শুক্রবার ফের নিজের অফিসে গিয়ে জাহাঙ্গির খান দাবি করেন, তিনি কোথাও পালিয়ে ছিলেন না।জাহাঙ্গির বলেন, বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে। সেই কারণেই এলাকার শান্তি বজায় রাখতে তিনি প্রকাশ্যে আসেননি। তাঁর কথায়, পুলিশ তাঁকে বাড়িতে ফিরিয়ে এনেছে বলে যে দাবি করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি এতদিন বাড়িতেই ছিলেন।ফলতায় পুনর্নির্বাচনের আগে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

মে ১৬, ২০২৬
দেশ

আজ দুপুরে থমকে যেতে পারে ওলা-উবার-সুইগি! দেশজুড়ে গিগ কর্মীদের বড় ধর্মঘট

আজ, ১৬ মে দেশজুড়ে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন গিগ কর্মীরা। পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। ওলা, উবার, সুইগি, জোম্যাটো-সহ বিভিন্ন অ্যাপভিত্তিক সংস্থার সঙ্গে যুক্ত চালক ও ডেলিভারি কর্মীরা দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কাজ বন্ধ রাখার আবেদন জানিয়েছেন।গিগ কর্মীদের দাবি, লাগাতার মূল্যবৃদ্ধি এবং জ্বালানির খরচ বাড়তে থাকায় বর্তমান আয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে উঠছে। গিগ অ্যান্ড প্ল্যাটফর্ম সার্ভিস ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের বক্তব্য, পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধি দেশের প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ গিগ কর্মীর জীবনে সরাসরি প্রভাব ফেলছে। প্রতিদিন দীর্ঘ সময় ধরে রাস্তায় কাজ করতে হওয়ায় ডেলিভারি কর্মী ও ক্যাব চালকদের খরচ অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে।ইউনিয়নের অভিযোগ, জ্বালানির দাম বাড়লেও সংস্থাগুলি তাদের পারিশ্রমিক বাড়াচ্ছে না। সেই কারণে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া বৃদ্ধির দাবি তুলেছেন তারা। সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলির কাছে প্রতি কিলোমিটারে ন্যূনতম ২০ টাকা সার্ভিস চার্জ বাড়ানোর দাবি জানানো হয়েছে।গিগ কর্মীদের একাংশের দাবি, দ্রুত কোনও সমাধান না হলে বহু কর্মী কাজ ছাড়তে বাধ্য হবেন। ইউনিয়নের প্রতিনিধি নির্মল গোরানা জানিয়েছেন, মহিলা কর্মী, ডেলিভারি এজেন্ট এবং চালকেরাই সবচেয়ে বেশি সমস্যার মধ্যে রয়েছেন। প্রচণ্ড গরম, যানজট এবং দীর্ঘ সময় কাজের চাপের মধ্যে প্রতিদিন ১০ থেকে ১৪ ঘণ্টা কাজ করতে হচ্ছে তাদের।আজকের ধর্মঘটের ফলে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ক্যাব পরিষেবা এবং খাবার সরবরাহে প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যাত্রী এবং সাধারণ গ্রাহকদেরও সমস্যায় পড়তে হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

মে ১৬, ২০২৬
কলকাতা

ডায়মন্ড হারবারে শুভেন্দুর হাইভোল্টেজ এন্ট্রি! অভিষেকের গড়ে কী বড় ঘোষণা করতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী?

প্রথম বড় প্রশাসনিক বৈঠক করতে এদিন ডায়মন্ড হারবারে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুপুর ১টায় পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। পাশাপাশি ডায়মন্ড হারবার এলাকার বিধায়কদেরও ওই বৈঠকে ডাকা হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর। মুখ্যমন্ত্রীর এই সফর ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তীব্র জল্পনা শুরু হয়েছে।জানা গিয়েছে, ডায়মন্ড হারবার, সুন্দরবন এবং বারুইপুর পুলিশ জেলার শীর্ষ পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই বৈঠকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরাও উপস্থিত থাকবেন বলে খবর। এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি থেকে শুরু করে চলতি উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলির অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে।এছাড়াও ডায়মন্ড হারবার লোকসভা এলাকার বিধায়কদের নিয়েও আলাদা বৈঠক করতে পারেন শুভেন্দু অধিকারী। বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের কাজ কতদূর এগিয়েছে, কোথায় কী সমস্যা রয়েছে এবং আগামী দিনে কীভাবে উন্নয়নের গতি বাড়ানো যায়, তা নিয়েও পর্যালোচনা হতে পারে বলে সূত্রের দাবি। প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, এই বৈঠক থেকেই একাধিক নতুন প্রকল্প বা উন্নয়নমূলক কর্মসূচির ঘোষণা করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী।মুখ্যমন্ত্রী ডায়মন্ড হারবারে পৌঁছনোর সময় বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থক উপস্থিত থাকতে পারেন বলে অনুমান করা হচ্ছে। সেই কারণে গোটা এলাকায় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলা। যে আবাসিক হোটেলে প্রশাসনিক বৈঠক হওয়ার কথা, সেখানে ইতিমধ্যেই নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।রাজনৈতিক দিক থেকেও এই সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লোকসভা কেন্দ্র হিসেবে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে ডায়মন্ড হারবার। ডায়মন্ড হারবার মডেলকে সামনে রেখে একসময় প্রচারে জোর দিয়েছিল তৃণমূল। সেই কেন্দ্র থেকেই নতুন মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক কর্মসূচি শুরু হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।ডায়মন্ড হারবারের কর্মসূচি শেষ করে এদিন ফলতায়ও যাওয়ার কথা রয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর। সেখানে ভোটের আগে একটি কর্মিসভায় যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে দলীয় সূত্রে খবর।

মে ১৬, ২০২৬
দেশ

বড় সুখবর! সময়ের আগেই দেশে ঢুকছে বর্ষা, গরম থেকে মিলবে স্বস্তি

প্যাচপ্যাচে গরম থেকে খুব শীঘ্রই মিলতে পারে স্বস্তি। সময়ের আগেই দেশে ঢুকতে চলেছে বর্ষা। এমনই বড় ঘোষণা করেছে আবহাওয়া দফতর। মৌসম ভবনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২৬ মে দেশের মূল ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে পারে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু। সাধারণত ১ জুন কেরলে বর্ষা ঢোকে। তবে গত বছরের মতো এবারও নির্ধারিত সময়ের আগেই বর্ষার আগমন ঘটতে পারে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আজ থেকেই আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে বর্ষার প্রবেশ শুরু হচ্ছে। দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে একটি সুস্পষ্ট নিম্নচাপ ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। তার জেরেই সক্রিয় হয়েছে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু। এর প্রভাবে উত্তরবঙ্গে আগামী কয়েকদিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।আবহাওয়াবিদদের মতে, পূর্ব মধ্যপ্রদেশ এবং তামিলনাড়ু উপকূলে দুটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি পশ্চিম মধ্যপ্রদেশ থেকে উত্তর বাংলাদেশ পর্যন্ত একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে। সেই অক্ষরেখা উত্তরপ্রদেশ, বিহার এবং উত্তরবঙ্গের উপর দিয়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতির জেরেই উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।আজ উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোচবিহার, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। দার্জিলিং-সহ পাহাড়ি এলাকাতেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলেও সতর্ক করেছে আবহাওয়া দফতর।আগামীকাল রবিবার উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। আলিপুরদুয়ার জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবারও উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ঝড়-বৃষ্টি চলবে। মঙ্গলবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে বলে পূর্বাভাস।অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে আপাতত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তবে পশ্চিমের কিছু জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে। বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে বইতে পারে দমকা ঝোড়ো হাওয়া।কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই আগামী কয়েকদিন গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া বজায় থাকবে। আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। কোথাও কোথাও বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হলেও বৃষ্টির সম্ভাবনা খুব কম।আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ৬০ থেকে ৯৪ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় ১৬.৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে মহারাষ্ট্রের আমরাবতীতে। সেখানে পারদ পৌঁছেছিল ৪৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। অন্যদিকে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল অসমের হাফলংয়ে, ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।আন্দামান-নিকোবর, উত্তরবঙ্গ এবং সিকিমে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। এখন সকলের নজর, কবে বাংলায় পুরোপুরি বর্ষার প্রবেশ ঘটে।

মে ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal