• ৬ ভাদ্র ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

DA

রাজ্য

বঙ্গে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ

ভোটের বঙ্গে রাজনৈতিক অশান্তির পাশাপাশি নতুন করে চিন্তা বাড়িয়ে তুলছে রাজ্যের ঊর্ধ্বমুখী করোনা সংক্রমণ। স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় লাফিয়ে বেড়েছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। একদিনে নতুন করে কোভিড-১৯-এ সংক্রমিত ৩৬৪৮ জন। বৃহস্পতিবারও এই সংখ্যা ছিল প্রায় ২৮০০। অর্থাৎ দৈনিক সংক্রমণ বাড়ল প্রায় ৮০০। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার ছোবলে মৃত্যু হয়েছে রাজ্যের ৮ জনের। সংক্রমণের হারে সবচেয়ে এগিয়ে কলকাতা। এখানে দৈনিক আক্রান্ত ৬৭৫ জন। স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান বলছে, একদিনে রাজ্যে আক্রান্তের তুলনায় সুস্থতার হার অনেক কম। ২৪ ঘণ্টায় ১১৪৬ জন সুস্থ হয়ে ফিরেছেন। করোনা থেকে সুস্থতার হার এ নিয়ে দাঁড়াল ৯৫.২২ শতাংশ। এখনও পর্যন্ত মহামারির কামড়ে মৃত্যুর মুখে পড়েছেন রাজ্যের ১০,৩৭৮ জন। এই মুহূর্তে রাজ্যে অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা ১৮, ৬০৩, যা গত দিনের তুলনায় প্রায় ৩০০০ বেশি। কলকাতার পরই যেসব জেলার করোনা পরিসংখ্যানে মাথাব্যথা বাড়ছে, তা হল উত্তর ২৪ পরগনা, এখানে একদিনেই সংক্রমিত হয়েছেন ৬৫৭ জন। দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আচড়ে পড়ার পর বৃহস্পতিবারই সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী। যদিও বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় ভোটের প্রচারে ব্যস্ত থাকায় এই বৈঠকে ছিলেন না। বাংলার তরফে ছিলেন মুখ্যসচিব। তাতে নানা সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনা হয়েছে ভ্যাকসিন সরবরাহ নিয়েও। বাংলায় টিকাকরণের কী পরিস্থিতি, ভোটযুদ্ধের মাঝে সতর্কতা কতটা নেওয়া হচ্ছে, সেসব নিয়ে সংশয় থাকছে। তার উপর এই লাগামহীনভাবে সংক্রমণ বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের আশঙ্কা বাড়ছে।

এপ্রিল ০৯, ২০২১
কলকাতা

ভোটের আগের দিন উত্তপ্ত কসবা

ভোটের আগের দিনই রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল কসবা বিধানসভা কেন্দ্র। দিনেদুপুরে ঘরবাড়ি ভাঙচুর, বিজেপি প্রার্থী ইন্দ্রনীল খাঁর উপর হামলার ঘটনায় কাঠগড়ায় তৃণমূল। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভোটের কয়েকদিন আগে থেকেই কসবার ৬৭নং ওয়ার্ড এলাকায় দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য বাড়ছে। বিজেপিকে ভোট না দেওয়ার হুমকি দিয়ে বারবার তাঁদের উপর চাপ দেওয়ার অভিযোগ উঠল স্থানীয়দের তরফে। তবে শুক্রবার এলাকার অশান্তির মাঝে এলাকায় কোথাও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দেখা যায়নি। ফলে নির্বাচনী আবহে কসবার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারা।কসবা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে একুশের ভোটে লড়ছেন তৃণমূল প্রার্থী জাভেদ খান, বিজেপির ইন্দ্রনীল খাঁ এবং সিপিএমের শতরূপ ঘোষ। ৬৭ নং ওয়ার্ড এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, বারবারই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বাড়ি বাড়ি ঢুকে বিজেপিকে ভোট না দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। শুক্রবার সকালের দিকেও ছবিটা একই ছিল। রামঠিকারী মাঠ এলাকায় জনা ২০ যুবক বাইক নিয়ে একই কথা বলে তাঁদের। আর সেই হুমকি দিতে দিতেই তারা বাড়িতে হামলা চালায়, ভাঙচুর করে। সেখানে উপস্থিত এক যুবককে রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ।ঘটনার খবর পেয়ে বিকেলের দিকে সেখানে যান বিজেপি প্রার্থী ইন্দ্রনীল খাঁ, সিপিএমের শতরূপ ঘোষ। শতরূপের অভিযোগ, এলাকায় কয়েকদিন ধরে অশান্তির খবর পেয়েও উদাসীন থানা। কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে কসবা থানার ওসিকে অপসারণের দাবি তোলেন তিনি। বিজেপি প্রার্থী ইন্দ্রনীল খাঁর অভিযোগ, তিনি নিজে থানায় গিয়ে অভিযোগ করেছেন, বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা এর প্রতিকার চেয়ে বিক্ষোভেও শামিল হয়েছেন। তা সত্ত্বেও পুলিশ পদক্ষেপ করছে না বলে অভিযোগ। এ নিয়ে পালটা ফিরহাদ হাকিমের বক্তব্য, তৃণমূল নয়, বিজেপির তরফেই এলাকার শান্তি বিঘ্নিত করার চেষ্টা হয়েছে। ভোটের আগে বিজেপিই সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে কসবায়।

এপ্রিল ০৯, ২০২১
দেশ

দেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১ লক্ষ ১৫ হাজারের বেশি, মৃত ৬৩০

গত বছর এই সময়ই ভারতে প্রভাব বাড়াতে শুরু করেছিল করোনা। আর এখন এই মারণ ভাইরাস নতুন করে জাঁকিয়ে বসেছে। গত বছরও আক্রান্তের যে সংখ্যাটার সাক্ষী হয়নি দেশ, সেটাই হল এবছর। দিন দুয়েক আগেই দৈনিক সংক্রমণ ছাড়িয়েছিল এক লক্ষের গণ্ডি। এবার তা আরও বাড়ল। পাল্লা দিয়ে ঊর্ধ্বমুখী মৃতের সংখ্যাও।বুধবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১ লক্ষ ১৫ হাজার ৭৩৬ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এর বেশিরভাগটাই যে মহারাষ্ট্রের সেটা বলাই বাহুল্য। গত ২৪ ঘণ্টায় সে রাজ্যে আক্রান্ত ৫৫ হাজারেরও বেশি। মহারাষ্ট্র ছাড়াও পঞ্জাব, কর্নাটক, ছত্তিশগড়, দিল্লি, উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যগুলিও রীতিমতো উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ২৮ লক্ষ ১ হাজার ৭৮৫ জন। এদিকে একদিনে এই মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারালেন ৬৩০ জন। দেশে মোট মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ৬৬ হাজার ১৭৭ জন। এই সংখ্যা আগের দিনের থেকে অনেকটাই বেশি। লাফিয়ে বাড়ছে অ্যাকটিভ কেসের সংখ্যাও। বর্তমানে করোনার চিকিৎসাধীন ৮ লক্ষ ৪৩ হাজার ৪৭৩ জন।পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ৫৯ হাজার ৮৫৬ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে ১ কোটি ১৭ লক্ষ ৯২ হাজার ১৩৫ করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন। টিকা পেয়েছেন ৮ কোটি ৭০ লক্ষ ৭৭ হাজার ৪৭৪ জন। টিকাকরণের পাশাপাশি চলছে টেস্টিংও। আইসিএমআর-এর রিপোর্ট বলছে, গতকাল ১২ লক্ষেরও বেশি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। তবে শুধু বাড়তে থাকা সংক্রমণই নয়, চিন্তা বাড়াচ্ছে করোনার নয়া স্ট্রেনও। স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানাচ্ছে, পঞ্জাবে ৮০ শতাংশ মানুষের সংক্রমণের কারণ ব্রিটেন থেকে আসা স্ট্রেন। নির্বাচন, কৃষক বিক্ষোভের মতো কারণে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে বলেো দাবি স্বাস্থ্য মন্ত্রকের।

এপ্রিল ০৭, ২০২১
দেশ

দেশে প্রথমবার দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পেরোল ১ লক্ষ

করোনা দ্বিতীয় ঢেউয়ে নাজেহাল দেশ। এই প্রথমবার দেশে দৈনিক করোনা আক্রান্ত হলেন লক্ষাধিক। মৃতের সংখ্যা পাঁচশো ছুঁইছুঁই। বিশেষজ্ঞদের কথায়, নিজেদের উদাসীনতার ফল ভুগছে আমজনতা। উদ্বেগ বাড়াচ্ছে দৈনিক আক্রান্তের চেয়ে কম কোভিড জয়ীর সংখ্যা। দৈনিক সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যা সংক্রমিতের প্রায় অর্ধেক।উনিশের শেষের দিক থেকেই বিশ্বজুড়ে তাণ্ডব দেখাচ্ছে করোনা ভাইরাস। চলতি বছরের প্রথমদিকে সামান্য আশার আলো দেখা গিয়েছিল। বাজারে কোভিড টিকা আসার পরই মনে করা হচ্ছিল এবার হয়তো মহামারির শেষ,কিন্তু কোথায় কী! আমজনতার উদাসীনতার খেসারত দিচ্ছে গোটা দেশ। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সোমবারের রিপোর্ট বলছে, একদিনে দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ৩ হাজার ৫৫৮ জন। ফলে দেশে সর্বমোট আক্রান্তের সংখ্যা হল ১ কোটি ২৫ লক্ষ ৮৯ হাজার ৬৭ জন। তাঁদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ১৬ লক্ষ ৮২ হাজার ১৩৬জন।সংক্রমণের প্রথমভাগে সুস্থতার হার আশার আলো দেখিয়েছিল। দৈনিক আক্রান্তের চেয়ে বেশি মানুষ করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে উঠছিলেন। কিন্তু সংক্রমণের দ্বিতীয় ধাক্কায় সেই হিসেবও গণ্ডগোল হয়ে গেল। গত ২৪ ঘণ্টায় যেখানে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা লক্ষাধিক, সেখানে একদিনে কোভিডজয়ীর সংখ্যা মোটে ৫২ হাজার ৮৪৭ জন। ফলে দেশে চিকিৎসাধীন করোনা রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭ লক্ষ ৪১ হাজার ৮৩০ জন।চোখ রাঙাচ্ছে মৃত্যুও। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ৪৭৮ জনের। ফলে দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ১ লক্ষ ৬৫ হাজার ১০১ জন। প্রথমবারের মতো এবারও সংক্রমণের শীর্ষে সেই মহারাষ্ট্র। পরিস্থিতি সামাল দিতে জারি হয়েছে নাইট কার্ফু। বিহারে ১০ তারিখ পর্যন্ত বন্ধ স্কুল। ওডিশায় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। তবে আমজনতার হুঁশ ফেরেনি।

এপ্রিল ০৫, ২০২১
দেশ

দেশে ৭ মাসে সর্বোচ্চ দৈনিক সংক্রমণ, বাড়ছে আতঙ্ক

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায় ক্রমেই নাজেহাল দেশের করোনা পরিস্থিতি। গত বছর সেপ্টেম্বরে দৈনিক সংক্রমণ যেমন শিখরে পৌঁছেছিল, ফের সে রকম পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে দেশে। এর মোকাবিলা কী ভাবে হবে, তা নিয়ে চিন্তা বাড়ছে কেন্দ্র এবং বিভিন্ন রাজ্য প্রশাসনের। এ জন্য রাত্রিকালীন কার্ফুও জারি করা হয়েছে বেশ কিছু রাজ্যে। এখনই লকডাউনের কথা ভাবছে না বলে জানানো হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে যদিও জানিয়েছেন, এ ভাবে চলতে থাকলে শীঘ্রই লকডাউন জারি হতে পারে সে রাজ্যে।গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৯ হাজার ১২৯ জন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্ত হলেন ১ কোটি ২৩ লক্ষ ৯২ হাজার ২৬০ জন। গত বছর ১৭ সেপ্টেম্বর দেশের দৈনিক সংক্রমণ হয়েছিল ৯৭ হাজার। তার পর থেকে তা কমতে শুরু করে। কমতে কমতে এক সময় ১০ হাজারে নীচেও নেমেছিল দেশের দৈনিক সংক্রমণ। কিন্তু গত কয়েক সপ্তাহে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সংক্রমণকে ফের এই পর্যায়ে পৌঁছে দিয়েছে। দেশের দৈনিক সংক্রমণের অর্ধেকেরও বেশি মহারাষ্ট্রে। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৭ হাজার ৯১৩ জন। গত বছরেও এতটা করুণ অবস্থা হয়নি সেখানে। কর্নাটকেও গত কদিনে লাফিয়ে বেড়েছে সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় তা প্রায় ৫ হাজার। ছত্তিশগড়ে ৪ হাজার ছাড়িয়েছে। এই সপ্তাহের শুরু থেকে বাড়তে বাড়তে দিল্লিতে শনিবার নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন সাড়ে তিন হাজারের বেশি। ভোট নিয়ে ব্যস্ত তামিলনাড়ুতেও তা তিন হাজার ছাড়াচ্ছে। উত্তরপ্রদেশেও প্রায় ৩ হাজার। গুজরাত, মধ্যপ্রদেশ, পঞ্জাবে সংক্রমণ আড়াই থেকে তিন হাজারের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। হরিয়ানা তেলঙ্গানা, রাজস্থান, পশ্চিমবঙ্গেও দৈনিক সংক্রমণ গত কদিনে লাফ দিয়ে বেড়েছে। কেরলে অবশ্য একই মাত্রায় হচ্ছে সংক্রমণ। মূলত এই কটি রাজ্যতেই করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রভাব বেশি দেখা যাচ্ছে।করোনার দ্বিতীয় ঢেউ দেশের দৈনিক মৃত্যুও বাড়িয়ে দিয়েছে বেশ কয়েক গুণ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ৭১৪ জনের। গত বছর অক্টোবর নাগাদ এই সংখ্যক দৈনিক মৃত্যুর সাক্ষী শেষবারের মতো থেকেছে দেশ। প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস পর দৈনিক মৃত্যু ফের এই পর্যায়ে পৌঁছে গেল। ৭১৪ জনের মধ্যে মহারাষ্ট্রেই মৃত্যু হয়েছে ৪৮১ জনের।রাজ্যেও করোনা সংক্রমণ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। শেষ ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৭৩৩ হয়েছে। যেখানে এপ্রিলের প্রথম দিনে সংক্রমণ ছিল ১ হাজার ২৭৪, দৈনিক সংক্রমণের হার ৪.৯৪ শতাংশ বেড়ে একলাফে ৬.৪২ শতাংশে পৌঁছে গিয়েছে।কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনায় সংক্রমণ সর্বাধিক। দুই জেলায় আক্রান্ত হয়েছেন যথাক্রমে ৫১৩ ও ৩৩১ জন। ফলে রাজ্যে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৭ হাজার ৬৯২ হয়েছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২১
দেশ

ত্রাস করোনা, দেশে একদিনে আক্রান্ত ৭২ হাজার

দ্বিতীয় ঢেউ, নিত্যনতুন স্ট্রেনের হামলা, এবং সেই সঙ্গে অসাবধানতা। যার জেরে ভারতে নতুন করে ত্রাস হয়ে উঠছে করোনা ভাইরাস। একটা সময় দেশের যে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যাটা ১০ হাজারের নিচে নেমে এসেছিল, সেটাই আবার নতুন করে রেকর্ড গড়ার পথে। স্রেফ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৭২ হাজারের বেশি মানুষ এই মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে সাড়ে চারশোর বেশি মানুষের। এই আক্রান্তের সংখ্যাটা চলতি বছরের তো বটেই, গত ৬-৭ মাসের মধ্যেই সর্বোচ্চ।বৃহস্পতিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৭২ হাজার ৩৩০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে প্রায় ২৬ হাজার বেশি। আপাতত দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ২২ লক্ষ ২১ হাজার ৬৬৫ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মোট মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ৬২ হাজার ৯২৭ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৪৫৯ জনের। এই সংখ্যাটা আগের দিনের থেকে অনেক বেশি।এই বিরাট সংখ্যক আক্রান্তের সংখ্যার একটা বড় অংশ মহারাষ্ট্রের হলেও অন্য রাজ্যগুলিও কম যাচ্ছে না। বিশেষ করে ভোটমুখী রাজ্যগুলিতে লাগাতার বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। সেই সঙ্গে গুজরাত, মধ্যপ্রদেশ, পঞ্জাবের ছবিটাও সুখকর নয়। তবে, এসবের মধ্যে স্বস্তি দিচ্ছে করোনাজয়ীর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ৪০ হাজার ৪৫৯ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের থেকে অনেক অনেক কম। যার ফলে দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস একধাক্কায় বেড়ে দাঁড়াল ৫ লক্ষ ৮৪ হাজার ৫৫ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ১৪ লক্ষ ৭৪ হাজার ৬৮৩ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে মোট টিকা পেয়েছেন ৬ কোটি ৫১ লক্ষ ১৭ হাজার ৮৯৬ জন।

এপ্রিল ০১, ২০২১
কলকাতা

রাজধানী এক্সপ্রেস মামলায় ৭ দিনের এনআইএ হেপাজত ছত্রধরের

ভুবনেশ্বর-দিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেস মামলায় তৃণমূল নেতা ছত্রধর মহাতোর এনআইএ হেপাজতের মেয়াদ বাড়ল। আগামী ৬ এপ্রিল পর্যন্ত তাঁর হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছে এনআইএ বিশেষ আদালত। রবিবার লালগড়ে ছত্রধরের বাড়িতে হানা দিয়ে ৪০ জনের এনআই দল তাঁকে গ্রেপ্তার করে। সেদিন এনআইএ বিশেষ আদালত বন্ধ থাকায় ছত্রধরকে তোলা হয় ব্যাঙ্কশাল আদালতে । ১৪ দিনের হেপাজত চাওয়া হলেও ২ দিনের এনআইএ হেপাজত দেয় ব্যাঙ্কশাল আদালত।বাম আমলে পুলিশি সন্ত্রাস বিরোধী জনসাধারণের কমিটির নেতা ছত্রধরকে জেল থেকে ছাড়ার দাবি ওঠে। ২০০৯-এর ২৭ অক্টোবর সেই দাবিতে ঝাড়গ্রামের বাঁশতলা স্টেশনে রাজধানী এক্সপ্রেস আটকানো হয়। মামলা দায়ের হয় ছত্রধরের বিরুদ্ধেও। ২০০৯ সালে তাঁর বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা দায়ের হয়। যেখানে লালগড়ের সিপিএম নেতা প্রবীর মাহাতো খুনের ঘটনায় ছত্রধর-সহ মোট ৩৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের ধারায় মামলা দায়ের হয়। ২০১০ সালে তাঁদের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করে পুলিশ। পরে ছত্রধর জামিনও পান। এনআইএ-র দাবি, রাজধানী এক্সপ্রেস মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া কয়েক জন ছত্রধরের নাম নিয়েছেন। তাই ছত্রধরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বারবার ডাকা হচ্ছিল। কিন্তু তিনি আসছিলেন না। সেই কারণেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের হেপাজত মঞ্জুর করে এনআইএ বিশেষ আদালত।

মার্চ ৩০, ২০২১
টুকিটাকি

দোলের রং উঠবে, ত্বক আর চুলের লাভও হবে, জেনে নিন সহজ উপায়

দোলের রং সারা মুখে ভর্তি, স্নানের সময় বার বার সাবান দিয়ে ধুয়েও কোনও ভাবে যাচ্ছেই না, অফিস যেতে সমস্যা, না, রং তোলা মোটেই খুব কঠিন বিষয় নয়। হাতের কাছে থাকা কয়েকটা উপাদান দিয়েই সহজেই তুলে ফেলা যায় রং। কিন্তু এর অনেকগুলিই আবার ত্বকের জন্য ততটা নিরাপদ নয়। তা হলে? দেখে নেওয়া যাক, রং তোলার কিছু সহজ প্রক্রিয়া, যারা ক্ষতি তো করবেই না, বরং এগুলিতে উপকার হবে ত্বকের।লেবুর ব্যবহার: একটু হালকা রং তোলার জন্য লেবুর বিকল্প নেই। লেবু, মধু, জলপাই তেল আর হলুদ আছে এমন ফেস প্যাক ব্যবহার করে রং তুললে ত্বকের স্বাভাবিক ঔজ্জ্বল্য ফিরে আসে। ত্বকের নমনীয়তাও বাড়ে।ডিম: রং খেলার নাম করে মাথায় ডিম ফাটানোর রেওয়াজ আজকের নয়। অনেকেরই দাবি, এতে চুলের উপকার হয়। কথাটা খুব ভুলও নয়। চুলের এবং মাথার ত্বকের রং তুলতে ডিমের হলুদ অংশ খুবই পারদর্শী। এই হলুদ অংশ রং লাগা জায়গাগুলিতে মাখিয়ে রেখে, পরে তা হালকা শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে তুলে ফেললেই হল। রং পরিষ্কার।বিয়ার: পানীয় হিসেবে দোলের দিনে অনেকেরই পছন্দ। কিন্তু শুধু পানীয় হিসেবে নয়, এর ব্যবহার হতে পারে রং তোলার ক্ষেত্রেও। চুলের রং আর মুখের রং তুলতে বিয়ার ব্যবহার করা যেতেই পারে। এতে চুলের এবং ত্বকের উভয়েরই উপকার হয়। শুধু বিয়ার দিয়ে রং সাফ করার আগে, এক বোতল এই পানীয়ের সঙ্গে এক চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিতে পারলে ভাল হয়।

মার্চ ২৯, ২০২১
দেশ

দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়াল ১ কোটি ২০ লক্ষের, একদিনে মৃত ২৯১

কোনওভাবেই যেন বাগে আনা যাচ্ছে না করোনা সংক্রমণকে। পাঁচ রাজ্যে ভোট ও দেশজুড়ে হোলির আবহে সোমবার একলাফে ফের অনেকখানি বাড়ল আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। এদিন সংক্রমিতের সংখ্যা ছাড়াল ৬৮ হাজারের গণ্ডি। যা চলতি বছরে সর্বোচ্চ। সবচেয়ে বেশি চিন্তায় ফেলছে মহারাষ্ট্র। ফলে ভ্যাকসিন এলেও লকডাউনের পথে হাঁটতে হচ্ছে একাধিক শহরকে।সোমবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৬৮ হাজার ২০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে কয়েক হাজার বেশি। ফলে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ২০ লক্ষ ৩৯ হাজার ৬৪৪ জন। উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ঊর্ধ্বমুখী অ্যাকটিভ কেসও। দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস একধাক্কায় বেড়ে দাঁড়াল ৫ লক্ষ ২১ হাজার ৮০৮-এ। একইসঙ্গে মারণ ভাইরাস এখনও কাড়ছে বহু মানুষের প্রাণ। দেশে মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ৬১ হাজার ৮৪৩ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ২৯১ জনের। দেশজুড়ে টিকাকরণ শুরু হওয়ার পর থেকে করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধজয়ের ইঙ্গিত মিলেছিল। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যানেও দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসা কোভিড গ্রাফের ছবিটা অনেকটাই স্বস্তি দিচ্ছিল। কিন্তু অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসে ভর করে করোনাবিধি লঙ্ঘন করাই কাল হয়ে উঠছে। হোলি উৎসব পালনের কারণে যাতে সংক্রমণ না ছড়ায়, তার জন্য প্রকাশ্যে রং খেলায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ওডিশা প্রশাসন। চণ্ডীগড়ের বিভিন্ন পার্কেও হোলি খেলা যাবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে প্রত্যেকটি রাজ্যকে টেস্টিংয়ে জোর দিতে বলা হয়েছে। এমন উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে শক্তি জোগাচ্ছেন কোভিডজয়ীরাই। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন মাত্র ৩২ হাজার ২৩১ জন।

মার্চ ২৯, ২০২১
বিদেশ

একদিনে ১১৪ জনকে গুলি করে মারল মায়ানমারের সেনা

রক্তস্নাত মায়ানমার নিয়ে সারা বিশ্বের উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। শনিবার একদিনে অন্তত ১১৪ জনের মৃত্যুর পরে একযোগে বারোটি দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর তরফে যৌথ বিবৃতি দিয়ে তীব্র নিন্দা করা হয়েছে জুন্টার নিষ্ঠুরতার। গত দুমাস ধরেই গণতন্ত্রকামীদের থামাতে নির্বিচারে তাদের উপরে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু সংখ্যার বিচারে সবচেয়ে নারকীয় হত্যালীলা চলেছে শনিবার।মায়ানমারের সেনা আগেই পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছিল, যদি গণতন্ত্রকামীরা ফের পথে নামে তাহলে সরাসরি মাথায় গুলি করবে তারা। উল্লেখ্য, এতদিন পর্যন্ত প্রতিবাদীদের মাথা লক্ষ্য করেই গুলি চালাতে দেখা গিয়েছে মায়ানমার সেনাকে। কিন্তু এই প্রথম সরাসরি এমন হুমকি দিয়েছিল তারা। সেদেশের সরকারি টিভি চ্যানেলেই এই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল। পরে রাজপথে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ শুরু হলে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে থাকে সেনা। দেশের ৪৪টি শহরে সেনার গুলিতে লুটিয়ে পড়তে থাকেন প্রতিবাদীরা। তাদের মধ্যে বহু নাবালক-নাবালিকারাও ছিল। রীতিমতো লোকবসতির মধ্যে ঢুকে গুলি চালানোর কথা জানা গিয়েছে। এক তেরো বছরের কিশোরীকে তার বাড়ির মধ্যেই গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ইতিমধ্যেই সেনার গুলিতে মৃতের সংখ্যা চারশো ছাড়িয়ে গিয়েছে। ঘটনার নিষ্ঠুরতায় বিস্মিত গোটা বিশ্ব। আমেরিকা, জাপান, ব্রিটেন ও অস্ট্রেলিয়া-সহ বারোটি দেশের তরফে পেশ করা বিবৃতিতে জুন্টার এহেন আচরণের তীব্র নিন্দা করে বলা হয়েছে, যে কোনও পেশাদার সেনাবাহিনী সব সময় আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে কাজ করে। মানুষকে রক্ষা করাই তাদের কাজ। ক্ষতি করা নয়। আমরা মায়ানমারের সেনার কাছে আর্জি জানাচ্ছি হিংসা থেকে বিরত হয়ে মায়ানমারের মানুষদের সঙ্গে সম্পর্ক পুনরুদ্ধার করার।

মার্চ ২৮, ২০২১
রাজ্য

নিজের গড়েই আক্রান্ত সৌমেন্দু অধিকারী, ভাঙা হল গাড়ি, আহত চালক

নিজেদের গড়ে আক্রান্ত অধিকারী পরিবারের ছোট ছেলে সৌমেন্দু। অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত প্রায় ৩০ জন দুষ্কৃতী ব্যাপক ভাঙচুর চালায় তাঁর গাড়িতে। মারধর করা হয় সৌমেন্দু অধিকারীর গাড়ির চালককেও। অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বিজেপি নেতা সৌমেন্দু। প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শুরুর কিছুক্ষণ পর থেকেই রাজ্যের একাধিক বুথ থেকে অশান্তির খবর প্রকাশ্যে আসে। হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। শালবনিতে আক্রান্ত হন বামপ্রার্থী। এসবের মাঝে পূর্ব মেদিনীপুরের সাবাজপুট এলাকায় আক্রান্ত হন সৌমেন্দু অধিকারী। প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্ট হওয়ায় এদিন সকালে একাধিক বুথে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছিলেন তিনি। জানা গিয়েছে, একটি বুথে ঢোকার সময় সাবাজপুট এলাকায় তাঁর পথ আটকায় একদল দুষ্কৃতী। ব্যাপক ভাঙচুর করা হয় তাঁর গাড়িতে। মারধর করা হয় তাঁর গাড়ির চালক গোপাল সিংকে। চোখের পাশে চোট লাগে তাঁর।সৌমেন্দু জানিয়েছেন, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি রামগোবিন্দ দাসের নেতৃত্বে বুথ জ্যাম করার খবর পেয়ে সাবাজপুট গিয়েছিলেন তিনি। সেই সময়ই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা পরিকল্পনামাফিক হামলা চালিয়েছে তাঁর গাড়িতে। কাঁথি থানার আইসিকে দালাল বলে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, কাঁথি থানার আইসি সকাল থেকে বুথে বুথে গিয়ে ভোট করানোর চেষ্টা করছেন। আসলে তৃণমূল বুঝে গিয়েছে ওদের হার নিশ্চিত। তাই এসব করছে। তিনি জানিয়েছেন, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা না পর্যন্ত তিনি ঘটনাস্থল ছেড়ে যাবেন না।

মার্চ ২৭, ২০২১
বিদেশ

বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য জেলে গিয়েছেন, মুজিববর্ষের অনুষ্ঠানে স্মৃতিচারণ মোদির

মুজিববর্ষ উদযাপনে আমন্ত্রিত হয়ে শুক্রবার সাড়ে দশটা নাগাদ দুদিনের সফরে ঢাকা পৌঁছন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ীই তিনি ঢাকা বিমানবন্দরে নামেন। শাহজালাল বিমানবন্দরে তাঁকে পুষ্পস্তবক দিয়ে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে তাঁকে গার্ড অফ অনার দেওয়া হয়। তারপর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী জানান, পরাধীন বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য তিনিও লড়াই করেছিলেন।ঢাকা-নয়াদিল্লির সম্পর্কে নতুন দিগন্তের সূচনা করে এদিন প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, পরাধীন বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য আমিও লড়াই করেছিলাম। মুক্তি যুদ্ধের জন্য সহযোগীদের সঙ্গে সত্যাগ্রহ করে জেলে গিয়েছিলাম আমরা। এই লড়াইয়ে কৃষক, জওয়ান, শিক্ষক ও চাকুরিজীবী সবাই একসঙ্গে এসে মুক্তিবাহিনী গঠন করে লড়াই করেছেন। এদিন রাজধানী ঢাকার সভামঞ্চে মুজিব চিরন্তন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে মোদি বলেন, এই সংগ্রামে ভারতীয় জওয়ানদের অনেক রক্ত ঝরেছে। মুক্তিযুদ্ধে শহিদ ভারতীয় জওয়ানদের আমি শ্রদ্ধা জানাই। সেসময় পাকিস্তানের সেনারা অকথ্য অত্যাচার চলিয়েছিল। এহেন পরিস্থিতিতে লড়াই চলিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু মুজিবর রহমান। আমাদের উন্নয়নের লক্ষ্যে একসঙ্গে অগ্রসর হতে হবে। এদিন পাক মদতপুষ্ট সন্ত্রাসবাদ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, আমরা দুই দেশ গণতন্ত্রের শক্তিতে বলীয়ান। আমাদের সন্ত্রাসবাদীদের রুখে দিতে হবে। একসঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে উন্নয়নের পথে আমরা এগিয়ে যাব। আজকের দিন আমার কাছে স্মরণীয়। আমরা করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বাংলাদেশকে সাহায্য করেছি। আমাদের ভ্যাকসিন বাংলাদেশের কাছে পৌঁছেছে, এতে আমি খুশি।শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিশ্বে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।উল্লেখ্য, ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস। এ বছর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের শতবর্ষ। মুজিববর্ষ হিসেবে পালন করছেন বাংলাদেশবাসী। এই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে মাস কয়েক আগেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। করোনা পরিস্থিতি দেখেশুনে পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থে আমন্ত্রণ গ্রহণ করে সফরসূচি নিশ্চিত করা হয়। সেইমতো শুক্রবার সকালেই ঢাকা পৌঁছে যান নরেন্দ্র মোদি। করোনা মহামারি শুরুর পর ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর এটাই হবে প্রথম বিদেশ সফর।

মার্চ ২৬, ২০২১
দেশ

ফের নিয়ন্ত্রণের বাইরে দেশের করোনা গ্রাফ

এতদিন পরিস্থিতি ছিল উদ্বেগজনক। এবার তা রীতিমতো ভয়াবহ আকার নিচ্ছে। স্রেফ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৫৯ হাজারের বেশি মানুষ করোনা ভাইরাসের কবলে পড়েছে। যা স্পষ্টতই প্রমাণ দিচ্ছে, এই মারণ ভাইরাস ভারতে দ্বিতীয়বার হানা দিয়েছে।করোনার ডবল মিউট্যান্ট স্ট্রেন ইতিমধ্যেই ছড়িয়েছে ২৮টি রাজ্যে। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি মহারাষ্ট্রে। স্রেফ গত ২৪ ঘণ্টায় মারাঠাভূমে আক্রান্ত হয়েছেন ৩০ হাজারের বেশি মানুষ। এর মধ্যে খালি মুম্বইয়ে একদিনে আক্রান্ত ৫ হাজার। অন্যান্য কয়েকটি রাজ্যেও পরিস্থিতি ভয়াবহ। বিশেষ করে কেরল-তামিলনাড়ুর মতো ভোটমুখী রাজ্যে। বাংলাতেও গতকাল ফের ৫০০ জনের বেশি আক্রান্ত হয়েছেন।সার্বিকভাবে শুক্রবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৫৯ হাজার ১১৮ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে কয়েক হাজার বেশি। ফলে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ১৮ লক্ষ ৪৬ হাজার ৬৫২ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মোট মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ৬০ হাজার ৯৪৯ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ২৫৭ জনের। এই সংখ্যাটা আগের দিনের থেকে খানিকটা বেশি।এদিকে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার ফলে ঝড়ের গতিতে বাড়ছে অ্যাকটিভ কেস। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ৩২ হাজার ৯৮৭ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের অর্ধেক। ফলে দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস একধাক্কায় বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ২১ হাজার ৬৬ জন। গত বেশ কয়েকদিন সংখ্যাটা নিয়মিত হারে বাড়ছে।

মার্চ ২৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

ছোট্ট ভামিকার সঙ্গে খুনসুটি অনুষ্কার

আন্তর্জাতিক নারী দিবসে নতুন ছবি শেয়ার করলেন বিরাট কোহলি । বিরাটের ছবিতে অনুষ্কা শর্মা এবং ছোট্ট ভামিকাকে দেখা যাচ্ছে একসঙ্গে। ছোট্ট ভামিকার মুখ প্রকাশ্যে না আনলেও, মায়ের সঙ্গে মেয়ের খুনসুটির ছবি প্রকাশ করেন বিরাট কোহলি। এদিকে বিশ্ব নারী দিবসে বিরাটের পাশাপাশি করিনা কাপুর খানও তাঁর দ্বিতীয় সন্তানের ছবি প্রকাশ করেন। মেয়েরা পারে না এমন কোনও কাজ নেই। এমনই একটি শক্তিশালী ক্যাপশন যোগ দিয়ে দ্বিতীয় সন্তানের ছবি শেয়ার করেন করিনা কাপুর খান।সন্তানের জন্মের আগে থেকেই বিরাট, অনুষ্কা জানিয়ে দেন, সন্তানের মুখ তাঁরা প্রকাশ করবেন না। সেই অনুযায়ী, সন্তানের জন্মের পরপরই অনুষ্কাকে নিয়ে চুপিসাড়ে হাসপাতাল থেকে চলে যান বিরাট কোহলি। হাসপাতাল থেকে চুপিসাড়ে চলে গেলেও, মেয়ের নাম প্রকাশ করেন বিরাট। জানান, দুর্গার আরেক নাম ভামিকা। সেই অনুযায়ী, তাঁরাও মেয়ের নাম রেখেছেন ভামিকা। বিরাট, অনুষ্কার মেয়ের ছবির জন্য নেটিজেনদের একাংশের মধ্যে জোর জল্পনা শুরু হলেও, সদ্যোজাতর মুখ দেখাননি বিরুষ্কা।

মার্চ ০৮, ২০২১
কলকাতা

নারী দিবসে রাজপথে মিছিল মমতার

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শহর ছাড়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রাজপথে নামছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার আন্তর্জাতিক নারী দিবস। শুক্রবার তৃণমূলের প্রার্থিতালিকা প্রকাশের দিনই তিনি জানিয়েছিলেন ৮ মার্চ নারী দিবস উপলক্ষে রাস্তায় হাঁটবেন। কলেজ স্ট্রিট থেকে ডোরিনা ক্রসিং পর্যন্ত মিছিল করবেন তিনি। প্রতি বছরই এই দিন মিছিল করেন তৃণমূল নেত্রী। তবে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভোটের আগে এই মিছিল যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।রাজ্যে নারীরা সুরক্ষিত নন, তৃণমূলের আমলে রাজ্যে নারীদের উপর অত্যাচার বেড়েছে নারী সুরক্ষা নিয়ে বার বারই বিজেপি-র তোপের মুখে পড়তে হয়েছে শাসক দলকে। রবিবার ব্রিগেডের মঞ্চ থেকেও নারী সুরক্ষা নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব। ঘটনাচক্রে ব্রিগেড সমাবেশের পর দিনই নারী দিবস। তাই এই পালনের মধ্য দিয়ে মমতা গেরুয়া শিবিরকে পাল্টা বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করতে পারেন বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল। এটাও উল্লেখযোগ্য যে, এ বারের নির্বাচনে প্রার্থিতালিকায় ৫০ শতাংশ মহিলাকে রেখেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো।

মার্চ ০৮, ২০২১
রাজ্য

রাজ্যের কোন বিধানসভা কেন্দ্রে কবে ভোট, জানতে পড়ুন

এবার রাজ্যে ভোটগ্রহণ শুরু ২৭ মার্চ, শেষ দফা ২৯ এপ্রিল। এক মাস ধরে মোট ৮ দফায় নির্বাচন। ভোটের ফলপ্রকাশ ২ মে। কবে কোথায় ভোট দেখে নেওয়া যাক একনজরে।প্রথম দফা ২৭ মার্চ (৩০টি আসন)পুরুলিয়া (৯টি)- বান্দোয়ান, বলরামপুর, বাঘমুণ্ডি, জয়পুর, পুরুলিয়া, মানবাজার, কাশীপুর, পারা, রঘুনাথপুর। বাঁকুড়া (৪টি)- শালতোড়া, ছাতনা, রানিবাঁধ, রাইপুর। ঝাড়গ্রাম (৪টি)- নয়াগ্রাম, গোপীবল্লভপুর, ঝাড়গ্রাম, বিনপুর। পশ্চিম মেদিনীপুর (৬টি আসন)- দাঁতন, কেশিয়াড়ি, খড়গপুর গ্রামীণ, গড়বেতা, শালবনি, মেদিনীপুর। পূর্ব মেদিনীপুর (৭টি আসন)- পটাশপুর, কাঁথি উত্তর, ভগবানপুর, খেজুরি, কাঁথি দক্ষিণ, রামনগর, এগরাদ্বিতীয় দফা ১ এপ্রিল (৩০টি আসন)বাঁকুড়া (৭টি)- তালডাংরা, বাঁকুড়া, বড়জোড়া, ওন্দা, বিষ্ণুপুর, কোতুলপুর, ইন্দাস, সোনামুখী। পশ্চিম মেদিনীপুর (৯টি)- খড়গপুর সদর, নারায়ণগড়, সবং, পিংলা, ডেবরা, দাসপুর, ঘাটাল, চন্দ্রকোনা, কেশপুর। পূর্ব মেদিনীপুর (৯টি)- তমলুক, পাঁশকুড়া পূর্ব, পাঁশকুড়া পশ্চিম, ময়না, নন্দকুমার, মহিষাদল, হলদিয়া, নন্দীগ্রাম, চণ্ডীপুর। দক্ষিণ ২৪ পরগনা (৪টি)- গোসাবা, পাথরপ্রতিমা, কাকদ্বীপ, সাগর।তৃতীয় দফা ৬ এপ্রিল (৩১টি আসন)হাওড়া (৭টি)- উলুবেড়িয়া উত্তর, উলুবেড়িয়া দক্ষিণ, শ্যামপুর, বাগনান, আমতা, উদয়নারায়ণপুর, জগৎবল্লভপুর। হুগলি (৮টি)- জাঙ্গিপাড়া, হরিপাল, ধনেখালি, তারকেশ্বর, পুরশুড়া, আরামবাগ, গোঘাট, খানাকুল। দক্ষিণ ২৪ পরগনা (১৬টি)- বাসন্তী, কুলতলি, কুলপি, রায়দিঘি, মন্দিরবাজার, জয়নগর, বারুইপুর পূর্ব, ক্যানিং পশ্চিম, ক্যানিং পূর্ব, বারুইপুর পশ্চিম, মগরাহাট পূর্ব, মগরাহাট পশ্চিম, ডায়মন্ড হারবার, ফলতা, সাতগাছিয়া, বিষ্ণুপুর।চতুর্থ দফা ১০ এপ্রিল (৪৪টি আসন)হাওড়া (৯টি)- বালি, হাওড়া উত্তর, হাওড়া মধ্য, শিবপুর, হাওড়া দক্ষিণ, সাঁকরাইল, পাঁচলা, উলুবেড়িয়া পূর্ব, ডোমজুড়। হুগলি (১০টি)- উত্তরপাড়া, শ্রীরামপুর, চাঁপদানি, সিঙ্গুর, চন্দননগর, চুঁচুড়া, বলাগড়, পাণ্ডুয়া, সপ্তগ্রাম, চণ্ডীতলা। দক্ষিণ ২৪ পরগনা (১১টি)- সোনারপুর দক্ষিণ, ভাঙড়, কসবা, যাদবপুর, সোনারপুর উত্তর, টালিগঞ্জ, বেহালা পূর্ব, বেহালা পশ্চিম, মহেশতলা, বজবজ, মেটিয়াবুরুজ। কোচবিহার (৯টি)- মেখলিগঞ্জ, মাথাভাঙা, কোচবিহার উত্তর, কোচবিহার দক্ষিণ, শীতলকুচি, সিতাই, দিনহাটা, নাটাবাড়ি, তুফানগঞ্জ। আলিপুরদুয়ার (৫টি)- কুমারগ্রাম, কালচিনি, আলিপুরদুয়ার, ফালাকাটা, মাদারিহাট।পঞ্চম দফা ১৭ এপ্রিল (৪৫টি আসন)উত্তর ২৪ পরগনা (১৬টি)- পানিহাটি, কামারহাটি, বরানগর, দমদম, রাজারহাট-নিউটাউন, বিধাননগর, রাজারহাট-গোপালপুর, মধ্যমগ্রাম, বারাসত, দেগঙ্গা, হাড়োয়া, মিনাখাঁ, সন্দেশখালি, বসিরহাট দক্ষিণ, বসিরহাট উত্তর, হিঙ্গলগঞ্জ। নদিয়া (৮টি)- শান্তিপুর, রানাঘাট উত্তর-পশ্চিম, কৃষ্ণগঞ্জ, রানাঘাট উত্তর-পূর্ব, রানাঘাট দক্ষিণ, চাকদহ, কল্যাণী, হরিণঘাটা। পূর্ব বর্ধমান (৮টি)- খণ্ডঘোষ, বর্ধমান দক্ষিণ, রায়না, জামালপুর, মন্তেশ্বর, কালনা, মেমারি, বর্ধমান উত্তর। জলপাইগুড়ি (৭টি)- ধুপগুড়ি, ময়নাগুড়ি, জলপাইগুড়ি, রাজগঞ্জ, ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি, মাল, নাগরাকাটা। কালিম্পং (১টি)- কালিম্পং। দার্জিলিং (৫টি আসন)- দার্জিলিং, কার্শিয়াং, মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি, শিলিগুড়ি, ফাঁসিদেওয়া।ষষ্ঠ দফা ২২ এপ্রিল (৪৩টি আসন)উত্তর দিনাজপুর (৯টি)- চোপড়া, ইসলামপুর, গোয়ালপোখর, চাকুলিয়া, করণদিঘি, হেমতাবাদ, কালিয়াগঞ্জ, রায়গঞ্জ, ইটাহার। নদিয়া (৯টি)- করিমপুর, তেহট্ট, পলাশিপাড়া, কালীগঞ্জ, নাকাশিপাড়া, চাপড়া, কৃষ্ণনগর উত্তর, নবদ্বীপ, কৃষ্ণনগর দক্ষিণ। উত্তর ২৪ পরগনা (১৭টি)- বাগদা, বনগাঁ উত্তর, বনগাঁ দক্ষিণ, গাইঘাটা, স্বরূপনগর, বাদুড়িয়া, হাবড়া, অশোকনগর, আমডাঙা, বীজপুর, নৈহাটি, ভাটপাড়া, জগদ্দল, নোয়াপাড়া, বারাকপুর, খড়দহ, দমদম উত্তর। পূর্ব বর্ধমান (৮টি)- ভাতার, পূর্বস্থলী দক্ষিণ, পূর্বস্থলী উত্তর, কাটোয়া, কেতুগ্রাম, মঙ্গলকোট, আউশগ্রাম, গলসি।সপ্তম দফা ২৬ এপ্রিল (৩৬টি আসন)দক্ষিণ দিনাজপুর (৬টি)- কুশমণ্ডি, কুমারগঞ্জ, বালুরঘাট, তপন, গঙ্গারামপুর, হরিরামপুর। মালদহ (৬টি)- হবিবপুর, গাজোল, চাঁচল, হরিশচন্দ্রপুর, মালতীপুর, রতুয়া। মুর্শিদাবাদ (১১টি)- ফরাক্কা, সামশেরগঞ্জ, সুতি, জঙ্গিপুর, রঘুনাথগঞ্জ, সাগরদিঘি, লালগোলা, ভগবানগোলা, রানিনগর, মুর্শিদাবাদ, নবগ্রাম, খড়গ্রাম। পশ্চিম বর্ধমান (৯টি)- পাণ্ডবেশ্বর, দুর্গাপুর পূর্ব, দুর্গাপুর পশ্চিম, রানিগঞ্জ, জামুড়িয়া, আসানসোল দক্ষিণ, আসানসোল উত্তর, কুলটি, বারাবনি। কলকাতা (৪টি)- কলকাতা বন্দর, ভবানীপুর, রাসবিহারী, বালিগঞ্জ।অষ্টম দফা ২৯ এপ্রিল (৩৫টি আসন) মালদহ (৬টি)- মানিকচক, মালদহ, ইংলিশবাজার, মোথাবাড়ি, সুজাপুর, বৈষ্ণবনগর। মুর্শিদাবাদ (১১টি)- খড়গ্রাম, বড়ঞা, কান্দি, ভরতপুর, রেজিনগর, বেলডাঙা, বহরমপুর, হরিহরপাড়া, নওদা, ডোমকল, জলঙ্গি। কলকাতা (৭টি)- চৌরঙ্গি, এন্টালি, বেলেঘাটা, জোড়াসাঁকো, শ্যামপুকুর, মানিকতলা, কাশীপুর-বেলগাছিয়া। বীরভূম (১১টি)- দুবরাজপুর, সিউড়ি, বোলপুর, নানুর, লাভপুর, সাঁইথিয়া, ময়ূরেশ্বর, রামপুরহাট, হাঁসন, নলহাটি, মুরারই।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২১
দেশ

বাংলা-সহ ৫ রাজ্যের নির্বাচনের দিন ঘোষণা আজই

বাংলা-সহ চার রাজ্য এবং এক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা আজই। বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ সাংবাদিক সম্মেলন করে ভোটের দিন ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন।দিন কয়েক আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অসমের একটি সভায় ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, বাংলা-সহ পাঁচ রাজ্যে ভোট ঘোষণা হতে পারে আগামী ৭ মার্চ। কিন্তু সূত্রের খবর, অতদিন পর্যন্ত অপেক্ষা নয়। আজই ঘোষণা হয়ে যেতে পারে পাঁচ রাজ্যের নির্বাচন। বাংলা ছাড়াও অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরিতে একসঙ্গে নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার কথা। সবকটি রাজ্যেরই বিধানসভার মেয়াদ শেষ হচ্ছে মে মাসে। LIVE: #ElectionCommissionOfIndia announcing the schedule for holding General Elections to the Legislative Assemblies of Assam, Kerala, Puducherry, Tamil Nadu West Bengal. #AssemblyElections2021 #ECI https://t.co/yS9EwLsH5w Election Commission of India #SVEEP (@ECISVEEP) February 26, 2021ইতিমধ্যেই বাংলা-সহ পাঁচ রাজ্য ঘুরে ভোটপ্রস্তুতি খতিয়ে দেখেছে কমিশনের ফুল বেঞ্চ। এরাজ্যের সমস্ত জেলাশাসক, প্রশাসনিক কর্তা এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকরা। কোভিডের জন্য নিযুক্ত নোডাল অফিসার অর্থাৎ রাজ্যের স্বাস্থ্য সচিবের সঙ্গেও কথা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের। রাজ্যের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে গিয়ে ভোটের নিরাপত্তা নিয়ে দিল্লিতে পর্যালোচনা বৈঠকও সেরে ফেলেছে কমিশন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদেরও রাজ্যে আসা শুরু হয়ে গিয়েছে। এক কথায়, রাজ্যের নির্বাচনের সমস্ত প্রস্তুতিই মোটামুটি সারা। বাংলার নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাটাকে বড়সড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে কমিশন। শুরু থেকেই এরাজ্যের উপর রয়েছে বাড়তি নজর।শোনা যাচ্ছে, বাংলায় ন্যূনতম ৭ দফায় ভোট করাতে চায় কমিশন। প্রয়োজনে দফা বাড়ানোও হতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২১
কলকাতা

আজ হুগলির জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রধান বিষয়সমূহ:

● আজ রেল এবং মেট্রোর বহু প্রকল্পের শিল্যান্যাস এবং বাস্তবায়্ণ হতে চলেছে। আমি বাংলার উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য অনেক শুভ কামনা দিতে চাই। ● বিশ্বের যেসব দেশগুলি দারিদ্র দূরীকরণ করেছে তাদের ক্ষেতে দেখা গিয়েছে পরিকাঠামোর উন্নয়ন। ● আমাদের দেশেও অনেক আগেই আধুনিক পরিকাঠামো উন্নয়ন হওয়া দরকার ছিল কিন্তু হয়নি। তাই এখন এই বিকাশের সব সম্ভবনার দিকেই জোর দেওয়া হচ্ছে। ● উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা আমাদের মূল লক্ষ্য। সব ধরনের যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। ● পশ্চিমবঙ্গেও একই কাজ হচ্ছে। রেলপথ সম্প্রসারণ, ইলেকট্রিক ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ফ্রেট করিডর থেকে অভূতপূর্ব লাভ পাবে পশ্চিমবঙ্গ। নতুন উদ্যোগ ও সম্ভাবনার দিক খুলে যাবে। ● কিষান ট্রেনের সুবিধা ছোট ছোট কৃষকরাও পাচ্ছেন। ফল, সবজি, দুধ, মাছ ইত্যাদি সামগ্রী দেশের বড় বড় বাজারে পৌঁছে যাচ্ছে।● হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, হুগলির জন্য আজ অনেক বড় দিন। মেট্রোর নতুন পথে হাজার হাজার মানুষ উপকৃত হবে। কলকাতা যাওয়ার জন্য আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা হবে এখন থেকে। ● ঋষি অরবিন্দ, মতিলাল রায়, রাসবিহারী বোস, কানাইলাল দত্তের মত মানুষ এখানে জন্মেছেন। এই মাটিতেই রামকৃষ্ণ পরমহংস জন্মেছেন। বহু মনীষী এই মাটিতেই জন্মেছেন। ● কিন্তু এখানে পরিকাঠামো বেহাল করে দেওয়া হয়েছে। বঙ্কিমচন্দ্র ভবনের অবস্থা খুব খারাপ। সেই বঙ্কিম ভবন যেখানে বন্দে মাতরম রচিত হয়েছিল। যা অনুপ্রাণিত করেছিল বিপ্লবীদের। ● বহু অন্যায় হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে। এর পিছনে রয়েছে ভোটব্যাংকের রাজনীতি। এই রাজনীতি বাংলায় মানুষকে দুর্গা পূজা করা থেকে বাধা দেয়। এই সব লোকেদের কখনও ক্ষমা করা হবে না। আজ আমি বাংলার মানুষকে আশ্বাস দিতে চাই বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলার সংস্কৃতি নিয়ে গর্ব করবেন। কেউ ভয় দেখাবে না। বিজেপি সোনার বাংলা তৈরির জন্য কাজ করবে। এখানে সংস্কৃতি মজবুত হবে। সব কিছুর সম্মান হবে। সবার বিকাশ হবে। তুষ্টিকরণ হবে না। তোলাবাজি মুক্ত বাংলা হবে। ● স্বাধীনতার আগে বাংলা অন্য রাজ্য থেকে এগিয়ে ছিল। কিন্তু যাঁরা বাংলায় শাসন করেছেন তাঁরা বাংলার এই হাল বানিয়েছেন। মা মাটি মানুষ বলে উন্নয়নের পথ রুদ্ধ করেছেন। ● গ্রামে গ্রামে প্রকল্পের টাকা পৌঁছায় না। তোলাবাজি হয়ে যায়। তাই তৃনমূলের নেতাদের অর্থ বেড়েছে। সাধারণ মানুষ গরিব হয়েছে।● এখানে কৃষক সম্মান নিধির টাকা পায়না মানুষ। ● আয়ুষ্মান ভারতের টাকা থেকে আজও বঞ্চিত বাংলার মানুষ। ● বাংলার ঘরে ঘরে জল পৌঁছে দেওয়ার জন্য জল জীবন মিশন প্রকল্প চালু হয়েছে। বাংলার জন্য এই প্রকল্প খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারহ দেড়-পৌনে দু-কোটি পরিবারের মধ্যে মাত্র দুলক্ষ ঘরে নল থেকে জলের সুবিধা রয়েছে। এই প্রকল্পে ৩ কোটি ৬০ লক্ষ ঘরে দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্র সরকার চাপ দেওয়ার পরে মাত্র ৯ লক্ষ ঘরে এই সুবিধা হয়েছে। এর থেকেই স্পষ্ট তৃনমূল সরকার কতটা উদাসীন। পশ্চিমবঙ্গের মানুষের শুদ্ধ পানীয় জল পাওয়ার অধিকার আছে কি নেই? কিন্তু সব ঘরে জল পৌঁছানোর জন্য ১৭০০ কোটি টাকার বেশি টাকা তৃণমূল সরকারকে দিয়েছে। ৬০৯ কোটি টাকা মাত্র তৃণমূল খরচ করেছে। বাকি টাকা কারচুপি করেছে। এটাই প্রমাণ করে তৃণমূল সরকার পশ্চিমবঙ্গের মানুষদের জন্য সহানুভূতি নেই। ● পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গড়তে হবে আসল পরিবর্তনের জন্য। যে স্বপ্ন আজকের যুবসমাজ দেখছে। ● বিগত কিছু বছরের অব্যবস্থা কি হাল করেছে রাজ্যের। হুগলি নদীর দুপাশে জুট, স্টিলের কারখানা ছিল। কিন্তু আজ কি হাল তা আপনারা দেখছেন। ● কলকাতা এখন বদলে গিয়েছে। বাংলার মানুষকে এখন কাজ করার জন্য অন্য রাজ্যে যেতে হচ্ছে। এর জন্য দায়ী এখানের সরকার। বিজেপি সরকার তৈরি হয়েই সব ঠিক করবে। বিকাশ হবে। ● বন্ধুগণ একটা সময় ছিল যখন পশ্চিমবঙ্গের জুট গোটা দেশে সরবরাহ হত। এর সঙ্গে পাট চাষীদের রোজগার জড়িয়ে ছিল। বিজেপি সরকার কেন্দ্রে এসে জুট নিয়ে ভাবনা চিন্তা করেছে। ● হুগলির আলু চাষি, ধান চাষিদের লুটেছে তৃণমূল। যতদিন না প্রক্রিয়াকরণ শিল্প গড়ে উঠছে, বিক্রি করার স্বাধীনতা পাচ্ছে এই অবস্থা পরিবর্তন হবে না। ● এর জন্য দায়ী সিন্ডিকেট, কাটমানি। ভাড়া বাড়ি নিতে হলেও কাটমানি দিতে হয়। এই ধারনা, এই পরিস্থিতির বদল চাই। ● যতদিন এখানে সিন্ডিকেট রাজ, তোলাবাজি, কাটমানি, শাসন প্রশাসন গুন্ডাদের আশ্রয় দেবে ততদিন এখানে উন্নয়ন হবে না। ● এর বদল ঘটানোর জন্য সব জায়গায় আওয়াজ উঠছে আর নয় অন্যায়। আসল পরিবর্তন চাই। ● আমরা সবাই মিলে এখানে শ্রমিক, কৃষক, যুবকদের সেই সুবিধা দেব।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২১
কলকাতা

আজ বঙ্গে মোদি, বাংলায় টুইট করলেন নিজেই

প্রায় বছর দশেকের প্রতীক্ষার অবসান। অবশেষে আজ দরজা খুলছে দক্ষিণেশ্বর মেট্রোর। সোমবার বিকেলে ভার্চুয়াল মাধ্যমে কলকাতা মেট্রোর সম্প্রসারিত অংশের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । মূল অনুষ্ঠান হবে হুগলির সাহাগঞ্জে। সেখানেই থাকবেন মেট্রোর জেনারেল ম্যানেজার মনোজ জোশীও। থাকছেন মেট্রোর ইঞ্জিনিয়ার এবং উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। সরকারি প্রোটোকল মেনে এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। যদিও তিনি অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন না বলেই খবর। উদ্বোধনকে সামনে রেখে দক্ষিণেশ্বর স্টেশনটিকেও সাজানো হয়েছে। বঙ্গে আসার কয়েক ঘণ্টা আগে বাংলায় টুইট করে প্রকল্প উদ্বোধনের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নিজে। সঙ্গে বাংলায় তিনি অন্যান্য প্রকল্পের কথাও জানিয়েছেন।সোমবার থেকেই নোয়াপাড়ার সঙ্গে জুড়বে বরাহনগর এবং দক্ষিণেশ্বর। ফলে মঙ্গলবার থেকে দক্ষিণেশ্বর থেকে কবি সুভাষ পর্যন্ত যুক্ত হয়ে যাচ্ছে পাতালপথে। এ নিয়ে রবিবার বাংলাতে টুইটও করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি লিখেছেন, আপনারা জেনে খুশি হবেন, বরাহনগর ও দক্ষিণেশ্বরের নবনির্মিত স্টেশনদুটিতে অনেক অত্যাধুনিক সুযোগসুবিধা রয়েছে। যা সহজ জীবনযাত্রার জন্য আরও সহায়ক হবে। এই স্টেশনগুলোতে রয়েছে দৃষ্টিনান্দনিকতার ছোঁয়া।টুইটে প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, এই প্রকল্পের মাধ্যমে মা কালীর দুটি পবিত্র মন্দির কালীঘাট ও দক্ষিণেশ্বরের মধ্যে যোগাযোগ আরও উন্নত হবে। এই মন্দিরগুলো প্রাণবন্ত ভারতীয় সংস্কৃতির প্রতীক।সোমবার উদ্বোধন হলেও যাত্রীদের জন্য ওই স্টেশনগুলি চালু হবে অর্থাৎ মঙ্গলবার। নয়া স্টেশন যুক্ত হলেও সর্বোচ্চ ভাড়ায় কোনও বদল হচ্ছে না। ফলে কবি সুভাষ থেকে ২৫ টাকাতেই পৌঁছনো যাবে দক্ষিণেশ্বর পর্যন্ত। আপনারা জেনে খুশি হবেন, বরাহনগর ও দক্ষিণেশ্বরের নবনির্মিত স্টেশন দুটিতে অনেক অত্যাধুনিক সুযোগ সুবিধা রয়েছে যা সহজ জীবনযাত্রার জন্য আরো সহায়ক হবে । এই স্টেশনগুলিতে রয়েছে দৃষ্টিনান্দনিকতার ছোঁয়া। pic.twitter.com/MLMka3iw01 Narendra Modi (@narendramodi) February 21, 2021

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২১
রাজ্য

একই জেলায় সভা শাহ ও মমতার

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দুদিনের সফরে আজ রাজ্যে আসছেন। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাতে দিল্লি থেকে কলকাতা বিমান বন্দরে পৌঁছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিউটাউনে পাঁচতারা হোটেলে যাবেন এবং সেখানে রাত্রিবাস করবেন। আগামীকাল সকালে পাঁচতারা হোটেল থেকে রাসবিহারী অ্যাভিনিউয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। রাসবিহারী অ্যাভিনিউ পৌঁছে ভারত সেবাশ্রম সংঘ পরিদর্শনে যাবেন। এরপর সেখান থেকে বেরিয়ে রেসকোর্স হেলিপ্যাড ময়দানে পৌঁছে হেলিকপ্টারে গঙ্গাসাগরের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন। গঙ্গাসাগরে পৌঁছে কপিল মুনির আশ্রমে গিয়ে আশ্রম দর্শন করবেন। এরপর এক দরিদ্র পরিবারে মধ্যাহ্নভোজন করবেন। মধ্যাহ্নভোজনের পর গঙ্গাসাগর হেলিপ্যাড ময়দানে এসে হেলিকপ্টারে নামখানায় পৌঁছবেন। সেখানে নামখানা ময়দানে পরিবর্তন যাত্রার সূচনা করে কাকদ্বীপ রেল স্টেশন পর্যন্ত পরিবর্তন যাত্রায় অংশ নেবেন।এরপর কাকদ্বীপ থেকে হেলিকপ্টারে কলকাতায় আসবেন। বিকেলে কলকাতায় এসে বিবাদীবাগ পৌঁছে সেখানে ফ্রিডম ফাইটার বাইক যাত্রার সূচনা করবেন। বিবাদীবাগ থেকে শেক্সপিয়ার সরণি পৌঁছে শ্রী শাহ অরবিন্দ ভবন পরিদর্শনে যাবেন। এরপর শহরের দুটি পাঁচতারা হোটেলে দুটি বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তারপর কলকাতা বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।এদিকে বৃহস্পতিবারই দক্ষিণ ২৪ পরগনার পৈলানে জনসভা করবেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে থাকবেন তৃণমূল যুবর সর্বভারতীয় সভাপতি তথা ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একই জেলায় দুই প্রান্তে দুই প্রতিপক্ষের রাজনৈতিক কর্মসূচি। একই দিনে জবাব দেওয়ার সুযোগ। পাল্টা আক্রমণের ক্ষেত্র তৈরি করা। আবার ২২ ফেব্রুয়ারি হুগলির ডানলপে সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানেই ২৪ ফেব্রুয়ারি তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনসভা করবেন।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 18
  • 19
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • 26
  • 27
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? বিষয়টা হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী। আসল অভিমুখের সমস্যা দেখুন।

মানবিক আচরণ করুন, পার্কস্ট্রিটের ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে কুণালফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই পার্কস্ট্রিটের ওই ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। এদিন তিনি ওই পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। একই সঙ্গে পার্কস্ট্রিট থানার পুলিশের কাছেও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মানবিক আচরণের আবেদন জানান তিনি।কুণাল ঘোষের বক্তব্য, ফুটপাথে বসবাসকারী মানুষও সমাজেরই অংশ। তাঁদের সঙ্গে সহানুভূতিশীল ও মানবিক আচরণ করা প্রয়োজন। বিশেষ করে কোনও পরিবারের শিশু, মহিলা বা অসহায় সদস্যদের বিষয়টি বিবেচনা করে প্রশাসনের আরও সংবেদনশীল হওয়া উচিত বলেই মনে করেন তিনি।অগ্নিমিত্রা পালের আচরণ ও মন্তব্য প্রসঙ্গে কুণালের বক্তব্যের মূল সুর ছিলকোনও সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে অসহায় মানুষকে হেয় বা অপমান করা উচিত নয়। ফুটপাথে কেন কোনও পরিবারকে থাকতে হচ্ছে, সেই বৃহত্তর সামাজিক ও মানবিক সমস্যাটিও প্রশাসনকে দেখতে হবে। সামাজ মাধ্যমে এক ব্যক্তির প্রশ্নের উত্তরে কুনাল ঘোষ লেখেন, দিল্লী বা লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? রাস্তায় ভিক্ষুক এ বিষয়টার থেকেও গুরুত্বপূর্ন হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী বলেন কুনাল ঘোষ।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাম ও তৃণমূল শিবির থেকে অগ্নিমিত্রা পালের সমালোচনা শুরু হয়েছে। বাম নেত্রী কনীনিকা ঘোষও পুরমন্ত্রীর আচরণের নিন্দা করেছেন।যদিও রাজনৈতিক চাপানউতোরের মাঝেই অগ্নিমিত্রা পালের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচি। তাঁর দাবি, ওই পরিবারের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই পুরমন্ত্রী পদক্ষেপ করেছিলেন। বিষয়টিকে নেগেটিভ ভাবে তুলে ধরা হচ্ছে বলেও দাবি তাঁর।ফলে ফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্ক ক্রমেই রাজনৈতিক তরজায় পরিণত হয়েছে। একদিকে ফুটপাথবাসী পরিবারের প্রতি মানবিক আচরণের দাবি, অন্যদিকে তাঁদের নিরাপত্তার যুক্তিদুই ভিন্ন অবস্থানকে ঘিরেই এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি।

আগস্ট ২৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

যুবভারতীতে লাল-হলুদ ঝড়, বাগানকে উড়িয়ে ২২ বছর পর ডুরান্ড ইস্টবেঙ্গলের

২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফের ট্রফি ঘরে তুলল ইস্টবেঙ্গল। ডার্বির মঞ্চে এমন একতরফা জয় যে লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছেও ছিল প্রায় অবিশ্বাস্য। আর সেই জয়ের কেন্দ্রে একটাই নামএডমুন্ড লালরিনডিকা। দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে তিনিই হয়ে উঠলেন রাতের নায়ক।গ্রুপ পর্বে মোহনবাগানের কাছে হারের যন্ত্রণা ছিল ইস্টবেঙ্গলের। ফাইনালের মঞ্চে সেই হারের জবাব দেওয়ার সুযোগও ছিল। কিন্তু জবাবটা যে এতটা নির্মম হবে, তা সম্ভবত কেউই ভাবেননি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তুলে মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যেই তিন গোল করে ইস্টবেঙ্গল কার্যত ম্যাচের ভাগ্য লিখে ফেলে।শুরুটা করেন বিপিন সিংহ। মোহনবাগানের রক্ষণ তখনও নিজেদের মধ্যে সামলে ওঠার চেষ্টা করছে। সেই সুযোগেই ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ পৌঁছে যায় বিপজ্জনক জায়গায়। বিপিনের গোলের পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে লাল-হলুদ আক্রমণ। মুহূর্তের মধ্যে জোড়া গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন এডমুন্ড।৩-০ পিছিয়ে গিয়ে মোহনবাগান কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল। মনবীর সিংহ ব্যক্তিগত দক্ষতায় একটি গোল শোধও করেন। কিন্তু সেই প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ফের গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন এডমুন্ড। এক ফাইনালের প্রথমার্ধেই চার গোলতার মধ্যে তিনটি একই ফুটবলারের! যুবভারতীর গ্যালারিতে তখন কার্যত লাল-হলুদ উৎসব।দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ছিল ইস্টবেঙ্গলের হাতে। সবুজ-মেরুন আক্রমণে সেই ধার দেখা যায়নি, যা একটি ডার্বি ফাইনালে প্রত্যাশিত। বরং ইস্টবেঙ্গল সুযোগ পেলেই দ্রুত আক্রমণে উঠে এসেছে এবং আরও গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। শেষ পর্যন্ত ৪-১ স্কোরলাইনেই শেষ হয় ম্যাচ।ইস্টবেঙ্গলের সাফল্যের অন্যতম বড় কারণ ছিল দলের সামগ্রিক সংগঠন। মাঝমাঠে মহম্মদ রশিদ ছিলেন অসাধারণ। বল নিয়ন্ত্রণ, পাসিং এবং খেলা পরিচালনায় বারবার তিনি মোহনবাগানের ছন্দ নষ্ট করেছেন। তাঁর সঙ্গে জিকসন সিংহ, আনোয়ার আলি এবং জয় গুপ্তারাও নিজেদের দায়িত্ব নিখুঁত ভাবে পালন করেন।অন্যদিকে মোহনবাগানের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে দাঁড়ায় রক্ষণ। শুভাশিস বসু, আলবের্তো রদ্রিগেজ়দের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব বারবার প্রকট হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের দ্রুত আক্রমণের সামনে তাঁরা অনেক সময়ই দিশেহারা হয়ে পড়েন। বিশেষ করে তৃতীয় ও চতুর্থ গোলের ক্ষেত্রে রক্ষণভাগের ভুল চোখে পড়ার মতো।মাঝমাঠেও মোহনবাগান প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেনি। আপুইয়া এবং অনিরুদ্ধ থাপা কার্যত নিষ্প্রভ ছিলেন। আক্রমণে জেমি ম্যাকলারেনও একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। মনবীর গোল করলেও দলকে ম্যাচে ফেরানোর মতো ধারাবাহিকতা তৈরি করতে পারেননি।ফাইনালের আগে মোহনবাগানের ক্লান্তি নিয়ে আলোচনা ছিল। শিলংয়ে সেমিফাইনাল, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং কর্দমাক্ত মাঠে খেলার ধকলসবই ছিল। কিন্তু ডার্বির মতো বড় ফাইনালে সেই ক্লান্তিকে অজুহাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ইস্টবেঙ্গলও একই টুর্নামেন্টের চাপ সামলে মাঠে নেমেছিল, অথচ তাদের ফুটবলারদের মধ্যে ছিল অনেক বেশি তাগিদ, ক্ষুধা এবং জয়ের মানসিকতা।আর সেই মানসিকতারই সবচেয়ে বড় প্রতিফলন এডমুন্ডের হ্যাটট্রিকে। তিন গোল করে শুধু ম্যাচের সেরা ফুটবলারই হলেন না, ডুরান্ডের ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গলের প্রত্যাবর্তনের রাতটিকেও নিজের নামে লিখে দিলেন তিনি।মজার বিষয়, ম্যাচের বিভিন্ন পরিসংখ্যানে মোহনবাগান কিছু ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও তার কোনও প্রভাব পড়েনি স্কোরলাইনে। কারণ ফুটবল শুধু বল দখল বা শটের সংখ্যা দিয়ে জেতা যায় নাবড় ম্যাচে প্রয়োজন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সুযোগকে গোলে পরিণত করার ক্ষমতা। সেই পরীক্ষায় রবিবার সম্পূর্ণ সফল ইস্টবেঙ্গল।২২ বছর আগে শেষ বার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর দীর্ঘ অপেক্ষা, হতাশা এবং একের পর এক অসম্পূর্ণ স্বপ্ন। সেই অপেক্ষার অবসান হল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে হারিয়েই। ফলে এই জয় শুধু একটি ট্রফি জয় নয়লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে এটি দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফিরে পাওয়া গৌরবের রাত।একদিকে এডমুন্ডের হ্যাটট্রিক, অন্যদিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের বিপর্যয়সব মিলিয়ে যুবভারতীতে রবিবারের ডার্বি যেন হয়ে রইল এক লাল-হলুদ ঝড়ের রাত।তবে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মনে হয়তো শেষ পর্যন্ত একটাই আক্ষেপ থেকে গেলচার নয়, আরও কয়েকটি গোল হতে পারত!

আগস্ট ২৩, ২০২৬
টুকিটাকি

কাঁচা কুমড়ো না পাকা কুমড়ো, কোনটি বেশি উপকারী?

কুমড়ো বাঙালির রান্নাঘরের অতি পরিচিত একটি সবজি। কাঁচা সবুজ কুমড়ো হোক বা পাকা হলুদ-কমলা কুমড়ো, দুটিরই রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। তবে পরিপক্বতার সঙ্গে কুমড়োর পুষ্টি উপাদানে কিছুটা পরিবর্তন ঘটে। বিশেষ করে পাকা কমলা কুমড়ো বিটা-ক্যারোটিনের অন্যতম ভালো উৎস হিসেবে পরিচিত।কাঁচা কুমড়োতে তুলনামূলকভাবে ভিটামিন C-এর পরিমাণ বেশি থাকতে পারে। এতে ক্যালোরিও কম, ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণের খাদ্যতালিকায় এটি রাখা যেতে পারে। কিছু জাতের অপরিপক্ব কুমড়োতে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট কার্যকারিতাও দেখা যায়। তবে কাঁচা কুমড়ো রান্না করে খাওয়াই ভালো, কারণ তাতে হজম সহজ হয়।অন্যদিকে, পাকা হলুদ বা কমলা কুমড়োর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল প্রচুর বিটা-ক্যারোটিন। শরীর এই উপাদানকে ভিটামিন A-তে রূপান্তর করে। ফলে চোখের স্বাস্থ্য, ত্বক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে পাকা কুমড়ো উপকারী। এতে লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও রয়েছে। রান্না করলে কুমড়োর বিটা-ক্যারোটিন শরীর তুলনামূলক সহজে শোষণ করতে পারে।কুমড়োকে ক্যানসারের ওষুধ বা নিশ্চিত প্রতিরোধক বলা যায় না। তবে এতে থাকা ক্যারোটিনয়েড, পলিফেনল, ভিটামিন C ও E এবং খাদ্যআঁশ শরীরকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে কুমড়ো খাওয়া উপকারী হতে পারে।কুমড়োর বীজেও রয়েছে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর অসম্পৃক্ত চর্বি, জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন E। হৃদ্স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক পুষ্টির জন্য এগুলি গুরুত্বপূর্ণ।পুষ্টিগত বিচারে বিটা-ক্যারোটিনের জন্য পাকা কমলা কুমড়ো কিছুটা এগিয়ে থাকলেও কাঁচা কুমড়োকেও খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কারণ নেই। অল্প তেলে রান্না করে, অতিরিক্ত ভাজা বা চিনি এড়িয়ে কুমড়ো খাওয়াই ভালো। সব মিলিয়ে, বিভিন্ন ধরনের সবজি, ডাল ও স্বাস্থ্যকর খাবারের সঙ্গে কুমড়ো রাখলেই মিলবে বেশি সুষম পুষ্টি।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ওয়াকফ-অশান্তির মামলায় নাম, এবার তৃণমূল ছেড়ে অধীরের হাত ধরে কংগ্রেসে ইনজামুল! কেন এই দলবদল?

ওয়াকফ সংশোধিত আইনকে কেন্দ্র করে অশান্তির ঘটনার পর থেকেই বিতর্কে ছিলেন ধুলিয়ানের পুরপ্রধান ইনজামুল ইসলাম রাজা। এবার সেই ইনজামুলই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিলেন। রবিবার প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর হাত ধরে কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। তাঁর এই দলবদল ঘিরে মুর্শিদাবাদের রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।গত বছর সংশোধিত ওয়াকফ আইনকে কেন্দ্র করে জঙ্গিপুরের সামশেরগঞ্জ, সুতি এবং ধুলিয়ানে অশান্তি ছড়িয়েছিল। সেই ঘটনায় ইনজামুল ইসলাম রাজার বিরুদ্ধে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বর্তমানে সেই মামলা চলছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইনজামুল। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।রবিবার ধুলিয়ানের কাঞ্চনতলা ঘাটে কংগ্রেসের যোগদান সভায় বড়সড় দলবদল হয়। ইনজামুল ইসলাম রাজার পাশাপাশি ধুলিয়ান পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান খায়রুল আলম, কাউন্সিলর শরিফ শেখ, ফারহানা খাতুন-সহ একাধিক কাউন্সিলর এবং তৃণমূলের কর্মীরা কংগ্রেসে যোগ দেন। একই দিনে মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি ওবায়দুর রহমানও কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।ইনজামুলের দলবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপির দক্ষিণ মালদহ সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি মিলন ঘোষ কটাক্ষ করে দাবি করেন, তৃণমূলের দুর্নীতি থেকে বাঁচতেই অনেকে দলবদল করছেন। সামশেরগঞ্জের অশান্তিতে যাঁদের নাম উঠেছিল, তাঁরাও নিজেদের বাঁচাতে দল পরিবর্তন করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে দলবদল করেও তাঁরা আইনি পরিস্থিতি থেকে রেহাই পাবেন না বলেও দাবি করেন বিজেপি নেতা।বিজেপির এই অভিযোগ অবশ্য সরাসরি খারিজ করেছেন ইনজামুল ইসলাম রাজা। তাঁর দাবি, সামশেরগঞ্জের অশান্তির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ ছিল না। রাজনৈতিক কারণে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। সেই মামলার বিরুদ্ধে তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের এই ভাঙন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ধুলিয়ান পুরসভার একাধিক জনপ্রতিনিধির একসঙ্গে দলবদল স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে ওয়াকফ-অশান্তির মামলা চলার মধ্যেই ইনজামুলের কংগ্রেসে যোগদান ঘিরে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।এ দিনের যোগদান সভায় উপস্থিত ছিলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী, দক্ষিণ মালদহের সাংসদ ইশা খান চৌধুরী, ফরাক্কার বিধায়ক মনিরুল ইসলাম এবং জঙ্গিপুর মহকুমা কংগ্রেসের সভাপতি আলফাজুদ্দিন বিশ্বাস-সহ জেলা ও ব্লক স্তরের কংগ্রেস নেতৃত্ব।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ বাংলায় এত বড় বিনিয়োগ! জাহাজ শিল্পে পাঁচ প্রকল্পের সূচনায় বাড়ল আশার আলো

পশ্চিমবঙ্গে জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের ভবনে পাঁচটি সম্প্রসারণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এই পাঁচটি প্রকল্পে মোট ৩৪০৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।এই উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে রাইচক CPR, টিম্বার পন্ট শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, দামোদর শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, রেডিয়াল ফোরজিং প্ল্যান্ট এবং ৩০০০ টন ওপেন-ডাই ফোরজিং প্রেস প্রকল্প। জাহাজ নির্মাণের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা উৎপাদনের ক্ষেত্রেও এই প্রকল্পগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে বাংলায় বিনিয়োগ আনার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের ভূমিকার প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, বাংলায় শিল্প গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় জমি, দক্ষ মানবসম্পদ, পরিকাঠামো এবং কাঁচামাল রয়েছে। এতদিন এই সম্ভাবনাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার একসঙ্গে কাজ করলে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, নতুন সরকারের আমলে কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ের ফলে উন্নয়নের গতি আরও বাড়ছে।সীমান্ত সুরক্ষার প্রসঙ্গও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য জমি দেওয়া কোনও রাজনৈতিক বিষয় নয়, বরং রাজ্য সরকারের দায়িত্ব বলেই মন্তব্য করেন তিনি। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় জমির প্রায় ৯০ শতাংশ হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা জনগণনা সংক্রান্ত কাজও ফের শুরু হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে রাজ্যে বেকারত্ব কমাতে শিল্পায়ন এবং বড় বিনিয়োগের উপর জোর দেওয়ার কথা বলেন তিনি।গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকার জমি এবং পরিকাঠামো সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ৩৪০৪ কোটি টাকার এই বিনিয়োগ দিয়েই উদ্যোগ শেষ নয়, আগামী দিনে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে।জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদনের পাশাপাশি এই ধরনের শিল্প প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাকে ফের দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে বার্তা দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

মহাকাশে বদলে যাচ্ছে ভারতের ছবি! স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে কী বললেন মোদী?

জাতীয় মহাকাশ দিবসে দেশের মহাকাশ ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার দেশের প্রথম সারির মহাকাশ স্টার্টআপগুলির প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে স্টার্টআপগুলির উদ্যম, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং নতুন ভাবনার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবন আরও সহজ করতে মহাকাশ প্রযুক্তির নতুন ব্যবহার খুঁজে বার করার পরামর্শ দেন তিনি।মোদী বলেন, মহাকাশ প্রযুক্তিকে শুধু প্রচলিত কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানেও এই প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, সেই বিষয়ে নতুন করে ভাবার পরামর্শ দেন তিনি।ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ নিয়েও স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের আত্মবিশ্বাস এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার প্রশংসা করে তিনি সরকারি নীতির ধারাবাহিকতার উপর জোর দেন। তাঁর বক্তব্য, সরকারের সিদ্ধান্তের উপর মহাকাশ ক্ষেত্রে কাজ করা সংস্থাগুলির যে আস্থা তৈরি হয়েছে, তা ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি।বিশ্বের মহাকাশ অর্থনীতিতে ভারতকে আরও বড় জায়গায় নিয়ে যাওয়ার কথাও বলেন মোদী। তাঁর আশা, আগামী দিনে মহাকাশ ক্ষেত্রে কোনও বড় প্রযুক্তিগত সাফল্য এলেই বিশ্বের নজর ভারতের স্টার্টআপগুলির দিকে ঘুরবে। ভারতীয় সংস্থাগুলি যেন বিশ্ব মহাকাশ ক্ষেত্রে নিজেদের শক্তিশালী পরিচয় তৈরি করতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এগোতে হবে বলে বার্তা দেন তিনি।মহাকাশ স্টার্টআপ, মহাকাশ সংস্থা এবং বৃহত্তর প্রযুক্তি ক্ষেত্রের মধ্যে আরও বেশি সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বিদেশে কাজ করা ভারতীয় দক্ষ পেশাদারদের দেশে ফিরে আসার প্রবণতাকেও ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর মতে, ভারতে এমন পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন, যাতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দক্ষ মানুষ মহাকাশ ক্ষেত্রে কেরিয়ার গড়ার জন্য ভারতকে অন্যতম সেরা ঠিকানা হিসেবে বেছে নেন।মোদীর বক্তব্য, ভারতীয় মহাকাশ স্টার্টআপগুলির দ্রুত বৃদ্ধি আগামী দিনে বিশ্বের প্রতিভাবান পেশাদারদের আকৃষ্ট করতে পারে। শুধু দেশের প্রতিভা নয়, গোটা বিশ্বের দক্ষ মানুষকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যেই এগোতে হবে। জাতীয় মহাকাশ দিবসে প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তায় মহাকাশ ক্ষেত্রে ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

আবার নিম্নচাপের চোখরাঙানি! রবিবার থেকে মঙ্গলবার ভিজবে বাংলা, কোথায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা?

রবিবার থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় ফের বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা। উপকূলের দিকে ইতিমধ্যেই মেঘ ঢুকতে শুরু করেছে। ফলে রবিবার থেকে বৃষ্টি বাড়তে পারে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি চলতে পারে।গত সপ্তাহে নিম্নচাপের জেরে প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়েছিল দক্ষিণবঙ্গ। কলকাতা-সহ প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি হয়েছিল। বহু জায়গায় জল জমে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে। এর মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে ফের একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। অগস্ট মাসে এটি তৃতীয় নিম্নচাপ বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। নতুন এই নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নতুন নিম্নচাপটি বাংলা ও ওড়িশা উপকূলের কাছে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উপকূলবর্তী এবং পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টি বেশি হতে পারে। কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে নিম্নচাপের মূল প্রভাব পড়তে পারে ওড়িশা এবং ছত্তীসগঢ়ে।দক্ষিণবঙ্গের পর মঙ্গলবার থেকে উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে।বৃহস্পতিবারও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ফলে সপ্তাহের শুরু থেকেই ফের বৃষ্টির দাপট দেখা দিতে পারে বাংলায়। নতুন নিম্নচাপের গতিপথ এবং শক্তি বদলালে বৃষ্টির পূর্বাভাসেও পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ব্রাজিল ম্যাচ বয়কটের ডাক বাইচুংয়ের, ‘স্থানীয় রাজনীতি’ বলে উড়িয়ে দিল ব্রাজিল! যুবভারতীর ম্যাচ ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক

৩ অক্টোবর কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভারত বনাম ব্রাজিলের বহু প্রতীক্ষিত ফুটবল ম্যাচ। বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবল দলের বিরুদ্ধে ভারতের মাঠে নামার খবরে ইতিমধ্যেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু ম্যাচ যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে বিতর্কও। একদিকে এই ম্যাচ আয়োজনকে ঘিরে বিপুল খরচ এবং দেশের ফুটবল পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, অন্যদিকে এর জন্য ঘরোয়া ফুটবল সূচি ও জাতীয় দলের পরিকল্পনায় প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ।এই পরিস্থিতিতেই ভারতীয় ফুটবলের কিংবদন্তি বাইচুং ভুটিয়া সরাসরি ব্রাজিল ম্যাচ বয়কটের ডাক দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, একটি মাত্র প্রদর্শনী ম্যাচের পিছনে বিপুল অর্থ খরচ না করে সেই টাকা দীর্ঘমেয়াদি ভাবে ভারতীয় ফুটবলের উন্নয়নে বিনিয়োগ করা উচিত। বাইচুংয়ের মতে, এমন ম্যাচের পিছনে অর্থ ব্যয় করলে তা দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎকে এগিয়ে নেওয়ার বদলে উল্টে পিছিয়ে দিতে পারে।বাইচুংয়ের কথায়, ম্যাচ বয়কট করলে একটি স্পষ্ট বার্তা যাবে। ভবিষ্যতে এই ধরনের বড় ম্যাচ আয়োজনের আগে ফেডারেশনকে আরও সতর্ক হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।বিপুল খরচ, প্রশ্নের মুখে ঘরোয়া ফুটবলকলকাতায় ব্রাজিলকে নিয়ে ম্যাচ আয়োজন করতে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ কোটি টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। ম্যাচের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ব্রাজিলের পর্যবেক্ষক দল যুবভারতী পরিদর্শনও করেছে। স্টেডিয়ামের পরিকাঠামো নিয়ে তাদের তরফে কিছু উদ্বেগের কথাও উঠে এসেছে।এর পাশাপাশি সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে ভারতীয় ফুটবলের ঘরোয়া কাঠামো নিয়ে। ব্রাজিল ম্যাচকে কেন্দ্র করে আইএসএলের সূচি পিছিয়ে যাওয়ার জল্পনা তৈরি হয়েছে। ফলে ক্লাবগুলির প্রস্তুতি এবং গোটা মরসুমের পরিকল্পনা নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।অন্যদিকে ফিফা এশিয়ান কাপের বিষয়টিও নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। একই সময়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ এবং অন্যান্য সূচির সংঘাতের কারণে ভারত এশিয়ান কাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। যদিও এই বিষয়ে ব্রাজিল ফুটবল কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও নিশ্চিত তথ্য তাদের কাছে নেই বলেই জানানো হয়েছে।বাইচুংয়ের প্রশ্নএক ম্যাচের জন্য এত টাকা কেন?বাইচুং ভুটিয়ার যুক্তি, ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে ৯০ মিনিটের ম্যাচ নিঃসন্দেহে ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে বড় আকর্ষণ। কিন্তু সেই আবেগের বাইরে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা ভাবতে হবে।তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, যদি এত বড় অঙ্কের অর্থ হাতে থাকে, তবে তা আগামী কয়েক বছরের জন্য দেশের ক্রীড়া পরিকাঠামো, প্রতিভা অন্বেষণ, প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরিতে বিনিয়োগ করা যায় না কেন? তাঁর মতে, সেই বিনিয়োগ থেকে ভবিষ্যতে কমনওয়েলথ গেমস বা অলিম্পিক্সের মতো মঞ্চে পদক পাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।এবার পাল্টা বার্তা ব্রাজিলেরভারতীয় ফুটবল মহলে যখন ম্যাচ বয়কট নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে, তখন ব্রাজিলের ফুটবল কর্তাদের বক্তব্য পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের অভ্যন্তরে এই ম্যাচ নিয়ে কী ধরনের বিতর্ক চলছে, তা নিয়ে ব্রাজিল কর্তৃপক্ষ বিশেষ চিন্তিত নয়। ম্যাচের সূচি পরিবর্তনেরও কোনও সম্ভাবনা নেই।বয়কট নিয়ে ব্রাজিলের তরফে বিশেষ মাথাব্যথা নেই বলেও ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। বরং এই ধরনের বক্তব্যকে স্থানীয় রাজনৈতিক বা অভ্যন্তরীণ বিতর্কের অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের দাবি।এশিয়ান কাপ থেকে ভারতের নাম প্রত্যাহারের বিষয়েও ব্রাজিল কর্তৃপক্ষের কাছে কোনও স্পষ্ট তথ্য নেই বলে জানা গিয়েছে। ফলে ভারতের অভ্যন্তরীণ ফুটবল পরিস্থিতির সঙ্গে ব্রাজিলের কলকাতা সফরকে যুক্ত করার কোনও কারণ দেখছে না পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।ভারত আমাদের সমর্থন করেছে, বলছে ব্রাজিলব্রাজিল দলের পক্ষ থেকে রড্রিগো কেতানোও এই ম্যাচের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর বক্তব্যের মূল সুরভারত বিশ্বকাপের সময়ে ব্রাজিলকে যে সমর্থন দিয়েছে, তার জন্য তারা কৃতজ্ঞ। কলকাতায় ম্যাচ আয়োজনকে তাই শুধু বাণিজ্যিক বা প্রদর্শনী ম্যাচ হিসেবে দেখছে না ব্রাজিল।ব্রাজিলের তরফে জানানো হয়েছে, এই ম্যাচে তারা নিজেদের সেরা ফুটবল উপহার দিতে চায়। অর্থাৎ ভারতের মাটিতে এসে শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা সারাই তাদের লক্ষ্য নয়; বরং ভালো পারফরম্যান্স করে ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে তুলতে চায় তারা।স্টিমাচের কটাক্ষেও বাড়ছে বিতর্কব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন ভারতের প্রাক্তন কোচ ইগর স্টিমাচও। তাঁর বক্তব্য, দেশের ঘরোয়া লিগ এবং জাতীয় দলের পরিকল্পনার মধ্যে এখনও প্রয়োজনীয় সামঞ্জস্য তৈরি হয়নি। সেই সমস্যা সমাধান না করে ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনার মতো দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ আয়োজন করা হলে তা ভারতীয় ফুটবলের জন্য উল্টে অস্বস্তির কারণ হতে পারে।অর্থাৎ একদিকে বাইচুংয়ের আর্থিক অগ্রাধিকারের প্রশ্ন, অন্যদিকে স্টিমাচের ঘরোয়া ফুটবলের কাঠামো নিয়ে অভিযোগসব মিলিয়ে ৩ অক্টোবরের ম্যাচ এখন শুধুমাত্র একটি ফুটবল ম্যাচে সীমাবদ্ধ নেই।ম্যাচ হবে, বিতর্কও চলবে?একদিকে ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে যুবভারতীতে ভারতকে দেখার স্বপ্নে ফুটবলপ্রেমীরা উত্তেজিত। অন্যদিকে দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎ, বিপুল খরচ, আইএসএলের সূচি এবং জাতীয় দলের পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন প্রাক্তন ফুটবলার ও কোচেরা।ব্রাজিলের তরফে অবশ্য এখনও পর্যন্ত বার্তা স্পষ্টতারা ম্যাচ খেলতে প্রস্তুত এবং সূচি বদলের কোনও পরিকল্পনা নেই। ফলে ৩ অক্টোবর যুবভারতীতে ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা যেমন বাড়ছে, তেমনই তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিতর্কও। এখন দেখার, শেষ পর্যন্ত মাঠের ৯০ মিনিট কি সমস্ত বিতর্ককে ছাপিয়ে যেতে পারে, নাকি ম্যাচ শেষ হওয়ার পরও ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে এই প্রশ্নগুলি আরও জোরালো হয়ে ওঠে।

আগস্ট ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal