• ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার ১৫ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Calcutta High Court

কলকাতা

শেষ মুহূর্তে বড় স্বস্তি! আদালতের রায়ে একুশে জুলাইয়ের সভাস্থল পেল কালীঘাট তৃণমূল

একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবসের সমাবেশ কোথায় হবে, তা নিয়ে কয়েক দিন ধরেই চলছিল জোর রাজনৈতিক টানাপোড়েন। শেষ পর্যন্ত সেই বিতর্কে ইতি টানল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চ কালীঘাট তৃণমূলকে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভা করার অনুমতি দিয়েছে। তবে এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত মেনে।আদালতে প্রথমে কালীঘাট তৃণমূলের পক্ষ থেকে হাজরায় সভা করার প্রস্তাব মানা হয়নি। পরে ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনেও সভা করার আবেদন জানানো হলেও আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করেনি। এরপর আদালত রাজ্যের কাছে বিকল্প জায়গার বিষয়ে মত জানতে চায়। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ওয়েলিংটনের সুবোধ মল্লিক স্কোয়ারের প্রস্তাব দেওয়া হয়। সেখানে নির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষের সভা করা সম্ভব বলেও জানানো হয়।কালীঘাট তৃণমূলের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে দাবি করেন, তাঁদের আবেদন অনেক আগে করা হলেও অনুমতি দেওয়া হয়নি। অথচ পরে আবেদন করা অন্য সংগঠনকে সভার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, তাঁদের ক্ষেত্রে আলাদা নিয়ম কেন প্রযোজ্য হবে, সেই প্রশ্নেরও উত্তর পাওয়া যায়নি।আদালতে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শহিদ মিনারে অন্য একটি রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি রয়েছে। অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরকে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে সীমিত সংখ্যক সমর্থক নিয়ে সভা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভা করার প্রস্তাব দেন। তিনি জানান, এই জায়গাটি দুই কর্মসূচির মধ্যে যথেষ্ট দূরত্ব বজায় রাখবে। তবে নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে সমর্থকের সংখ্যা সীমিত রাখতে হবে।প্রথমে তিন হাজার মানুষের অনুমতির কথা উঠলেও রাজ্য আপত্তি জানায়। পরে আদালত আড়াই হাজার সমর্থক নিয়ে সভা করার অনুমতি দেয়। একই সঙ্গে জানানো হয়, সভা বিকেল সাড়ে তিনটার মধ্যে শেষ করতে হবে।শুনানির সময় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় একুশে জুলাইয়ের ঐতিহাসিক গুরুত্বের কথাও তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, এই দিনের সঙ্গে তাঁদের আবেগ জড়িয়ে রয়েছে। আগের দিনের বিক্ষোভে কর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগও আদালতের সামনে তোলা হয়।সব দিক বিবেচনা করে শেষ পর্যন্ত বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে শর্তসাপেক্ষে একুশে জুলাইয়ের শহিদ সমাবেশের অনুমতি দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। ফলে দীর্ঘ জল্পনার অবসান ঘটলেও, রাজনৈতিক উত্তাপ যে এখানেই থামছে না, তা স্পষ্ট।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

হাইকোর্টের চাপে শেষ পর্যন্ত কণ্ঠের নমুনা দিলেন অভিষেক! এবার কি বড় বিপদ?

হাইকোর্টের নির্দেশের পর শেষ পর্যন্ত কণ্ঠের নমুনা দিতে হল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বিধাননগর আদালতে প্রায় পাঁচ মিনিট ধরে তাঁর কণ্ঠস্বর রেকর্ড করা হয়েছে। এবার সেই নমুনা যাবে ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য। এই রিপোর্টকে ঘিরেই রাজনৈতিক এবং আইনি মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।সূত্রের খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে একটি পাতার লেখা দুবার পড়তে বলা হয়। একবার স্বাভাবিক গলায় এবং আর একবার ধীরে। সেই রেকর্ডিং একটি মেমোরি কার্ডে সংরক্ষণ করা হয়েছে। পরে সেটি ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। তদন্তকারীদের লক্ষ্য, মামলার সঙ্গে যুক্ত অডিয়োর কণ্ঠস্বরের সঙ্গে এই নমুনার মিল রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করা।জানা গিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা মেনে কোনও নির্দিষ্ট বক্তৃতা হুবহু পড়ানো হয়নি। অভিযোগে উল্লিখিত কিছু শব্দ ব্যবহার করে একটি নতুন লেখা তৈরি করা হয়েছিল। সেই লেখাই পড়ে শোনান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।পুরো প্রক্রিয়ার ভিডিও রেকর্ডিংও করা হয়েছে। আদালতে পৌঁছনো থেকে শুরু করে কণ্ঠের নমুনা দেওয়া পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ ক্যামেরাবন্দি করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, ভবিষ্যতে এই প্রক্রিয়া নিয়ে যাতে কোনও প্রশ্ন না ওঠে, সেই কারণেই সমস্ত কিছু নথিভুক্ত করা হয়েছে। নমুনা সংগ্রহের পর প্রয়োজনীয় নথিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বাক্ষরও নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রেকর্ডিং এবং ভিডিওর বিশেষ ডিজিটাল পরিচিতিও তৈরি করা হয়েছে, যাতে ফরেন্সিক পরীক্ষার সময় তথ্যের অখণ্ডতা বজায় থাকে।এই মামলার অভিযোগকারী রাজীব সরকারের দাবি, তদন্তের কাজ সঠিক দিকেই এগোচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, মামলার সঙ্গে যুক্ত একটি তালিকা এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি। অভিযোগ অনুযায়ী, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একটি জনসভায় জেলা, ব্লক এবং ওয়ার্ডভিত্তিক একটি তালিকার কথা বলেছিলেন। সেই তালিকাতেই বহু মানুষের নাম ছিল বলে অভিযোগকারীর দাবি। তদন্তে সেই তালিকারও খোঁজ চলছে বলে তিনি জানিয়েছেন।এখন সকলের নজর ফরেন্সিক রিপোর্টের দিকে। কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষার ফল এই মামলার তদন্তে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে, তা নিয়েই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ নিয়ে চরম টানাপোড়েন! এবার আদালতের দ্বারস্থ কালীঘাট তৃণমূল

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও বাড়ল। ধর্মতলায় সভার অনুমতি না মেলায় এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। পুলিশের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছে তারা। ফলে একুশে জুলাইয়ের সভা কোথায় হবে, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এর আগে কালীঘাট তৃণমূল এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরের আবেদন খারিজ করে দেয় কলকাতা পুলিশ। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, ধর্মতলার মতো ব্যস্ত এলাকায় সভার অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়। এরপর বিকল্প জায়গার অনুমতি চেয়ে রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালকের সঙ্গে দেখা করেন ঋতব্রতপন্থীরা। গান্ধীমূর্তির পাদদেশে সভা করার অনুমতিও চাওয়া হয়। তবে সেই আবেদনেও ইতিবাচক সাড়া মেলেনি।এই পরিস্থিতিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। তাদের দাবি, একুশে জুলাই তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। তাই সভা আয়োজনের জন্য উপযুক্ত জায়গার অনুমতি প্রয়োজন।একুশে জুলাই দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি। উনিশশো তিরানব্বই সালে মহাকরণ অভিযানের সময় গুলিতে নিহত তেরো জনের স্মৃতিতে প্রতি বছর এই কর্মসূচি পালন করা হয়। সেই ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণেই ধর্মতলায় শহিদ দিবসের সভার আয়োজন করা হয়ে থাকে।তবে এবার পরিস্থিতি অনেকটাই ভিন্ন। দলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং নেতৃত্ব নিয়ে মতবিরোধের আবহে একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি নতুন মাত্রা পেয়েছে। দলের সাংগঠনিক শক্তি ধরে রাখা এবং কর্মীদের একজোট করার লক্ষ্যেই এবারের সমাবেশকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে কালীঘাট তৃণমূল।ইতিমধ্যেই ধর্মতলায় সভার প্রস্তুতির জন্য কয়েকজন নেতা জায়গা পরিদর্শনে গেলে সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। এরপর কলকাতা পুলিশ জানিয়ে দেয়, ওই এলাকায় সভার অনুমতি দেওয়া হবে না। সেই সিদ্ধান্তের পরই আইনি পথ বেছে নিয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। এখন আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে কড়া বার্তা হাইকোর্টের! আর এড়ানো যাবে না, দিতেই হবে কণ্ঠস্বরের নমুনা

কলকাতা হাইকোর্টে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংক্রান্ত মামলায় নতুন মোড় এল। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিল, ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্ধারিত দিনেই কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে হবে। তদন্তকারী সংস্থাকে সহযোগিতা করা তাঁর আইনি দায়িত্ব বলেও আদালত জানিয়েছে।ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলায় তদন্তের স্বার্থে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠস্বরের নমুনা চেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। এর আগে একাধিকবার দিন নির্ধারণ করা হলেও তিনি নমুনা দিতে যাননি। তাঁর দাবি ছিল, সংশ্লিষ্ট মন্তব্য যে তাঁরই, তা তিনি অস্বীকার করেননি। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।শুক্রবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য এই যুক্তি মানতে রাজি হননি। তিনি স্পষ্ট বলেন, আদালতের নির্দেশ মেনে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। তদন্তের স্বার্থে তদন্তকারী সংস্থাকে পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দেন তিনি।শুনানির সময় বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও গত আট জুলাই কেন হাজির হননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতের নির্দেশ থাকা অবস্থায় ফের নতুন মামলা করারও সমালোচনা করেন তিনি। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, আদালতের নির্দেশকে এভাবে উপেক্ষা করা ঠিক নয়।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী আদালতে জানান, কণ্ঠস্বর দিতে আপত্তি নেই। শুধু কেন এই নমুনা প্রয়োজন, সেই বিষয়েই প্রশ্ন তোলা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর আর্জি ছিল, এই কণ্ঠস্বরের নমুনা যেন অন্য কোনও মামলায় ব্যবহার করা না হয়।তবে সেই আবেদনেও সায় দেয়নি আদালত। বিচারপতি জানিয়ে দেন, আগামী পনেরো জুলাই দুপুর বারোটায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছে, নমুনা দিতে যাওয়ার সময় তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং কোনও ধরনের হেনস্থার ঘটনা যাতে না ঘটে, তা প্রশাসনকে দেখতে হবে।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে অভিষেককে বিচারপতির কড়া প্রশ্ন! ‘রক্ষাকবচ পেয়েও তদন্তে সহযোগিতা করছেন না কেন?’

পরবর্তী শুনানির আগে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ মামলাকে ঘিরে আবারও কলকাতা হাই কোর্টে হাজির হলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মামলার দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হলেও শুনানির সময় তদন্তে সহযোগিতা না করার অভিযোগ তোলে রাজ্য। সেই প্রেক্ষিতেই বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য প্রশ্ন তোলেন, আদালতের রক্ষাকবচ থাকা সত্ত্বেও কেন তদন্তে সহযোগিতা করা হচ্ছে না। তিনি মন্তব্য করেন, কণ্ঠস্বরের নমুনা তদন্তকারীদের দেওয়া উচিত। আগামী শুক্রবার ফের এই মামলার শুনানি হবে।আগামী আট জুলাই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের কথা রয়েছে। তার আগে মঙ্গলবার এই মামলার শুনানিতে বিচারপতি জানতে চান, আদালতের সুরক্ষা পাওয়ার পরও তদন্তে সহযোগিতা করতে আপত্তি কোথায়। জবাবে অভিষেকের আইনজীবী বলেন, সংশ্লিষ্ট বক্তব্য যে তাঁর মক্কেলেরই, তা আগেই স্বীকার করা হয়েছে। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তা নেই।অন্যদিকে, রাজ্যের আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, শুধুমাত্র মৌখিক স্বীকারোক্তির উপর নির্ভর করে তদন্ত এগোনো সম্ভব নয়। কণ্ঠস্বরের বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও আদালতের দ্বারস্থ হওয়ায় তদন্তে বিলম্ব হচ্ছে বলেও অভিযোগ তোলা হয়। রাজ্যের বক্তব্য, আদালতের রক্ষাকবচ পাওয়ার পর তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করা প্রত্যাশিত হলেও এই ক্ষেত্রে তা হচ্ছে না।বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় করা একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছিল। অভিযোগ, সেই বক্তব্য উসকানিমূলক ছিল। প্রথমে বিধাননগর থানায় মামলা দায়ের হলেও পরে তদন্তভার যায় সিআইডির হাতে। ইতিমধ্যে এই মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে। এবার তদন্তের স্বার্থে তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে চাইছে তদন্তকারী সংস্থা। যদিও অভিষেকের দাবি, সংশ্লিষ্ট বক্তব্য নিজের বলে তিনি আগেই স্বীকার করেছেন। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। সেই কারণেই তিনি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। তবে এখনও এই মামলার চূড়ান্ত রায় হয়নি এবং বিষয়টি বিচারাধীন।

জুলাই ০৭, ২০২৬
কলকাতা

তিলোত্তমা মামলায় বিস্ফোরণ! ভিসেরা নমুনা নষ্টের অভিযোগে সামনে চাঞ্চল্যকর চিঠি, আদালতে বড় পদক্ষেপ পরিবারের

তিলোত্তমা ধর্ষণ ও খুনের মামলায় ফের সামনে এল নতুন বিতর্ক। এবার রাজ্য ফরেনসিক পরীক্ষাগারে ভিসেরা পরীক্ষার জন্য রাখা নমুনা নষ্ট ও বদলে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ তুলেছে তিলোত্তমার পরিবার। এই অভিযোগের ভিত্তি একটি চিঠি, যা সম্প্রতি তিলোত্তমার বাবার কাছে পাঠিয়েছেন এক প্রাক্তন ফরেনসিক আধিকারিক।পরিবারের দাবি, ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে রাজ্য ফরেনসিক বিভাগের তিন আধিকারিক তিলোত্তমার ভিসেরা নমুনা নষ্ট করেছেন। আরও অভিযোগ, তিলোত্তমার লিভার, কিডনি ও পাকস্থলীর যে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল, তা পরে বদলে ফেলা হয়। এই নমুনাগুলির মাধ্যমে তদন্তকারীরা জানতে চেয়েছিলেন, তিলোত্তমার শরীরে কোনও বিষক্রিয়া হয়েছিল কি না বা তাঁকে ঘুমের ওষুধ দেওয়া হয়েছিল কি না। কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী, সেই গুরুত্বপূর্ণ নমুনা আর আগের অবস্থায় ছিল না।চিঠিতে আরও দাবি করা হয়েছে, রাজ্য ফরেনসিক পরীক্ষাগার থেকে কেন্দ্রীয় ফরেনসিক পরীক্ষাগারে পাঠানোর সময়ও ভিসেরা নমুনা বদলে দেওয়া হয়। এমনকি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে এই কাজ হয়েছে বলেও ওই চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা এখনও স্বাধীনভাবে প্রমাণিত হয়নি।তিলোত্তমার পরিবারের সিদ্ধান্ত, এই চিঠি শিয়ালদহ আদালতে বিচারকের কাছে জমা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে আদালতের কাছে আবেদন জানানো হবে, যাতে অভিযোগগুলির সত্যতা খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়।চিঠিতে আরও দাবি করা হয়েছে, তৃণমূল সরকারের আমলে খুন হওয়া বিজেপি ও সিপিএম কর্মীদের একাধিক মামলায়ও একই তিন আধিকারিক ভিসেরা নমুনা নষ্ট করেছিলেন। এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে। তবে অভিযোগগুলির বিষয়ে এখনও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনও সরকারি প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।

জুলাই ০২, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের বড় ধাক্কা! কণ্ঠস্বরের নমুনা মামলায় রক্ষাকবচ দিল না হাই কোর্ট, সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি

কণ্ঠস্বরের নমুনা সংক্রান্ত মামলায় কলকাতা হাই কোর্টে বড় ধাক্কার মুখে পড়লেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ কোনও অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দিতে রাজি হননি। শুধু তাই নয়, মামলাটি থেকে নিজেও সরে দাঁড়ান তিনি। ফলে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংক্রান্ত এই মামলায় অভিষেকের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়ে উঠল।ঘটনার সূত্রপাত নির্বাচনী প্রচারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বক্তব্যকে ঘিরে। সেই বক্তব্যে তিনি ডিজে বাজানো নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়। তদন্তে নেমে সিআইডি অভিষেকের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করার সিদ্ধান্ত নেয়। মঙ্গলবার সেই নমুনা সংগ্রহের দিন নির্ধারিত ছিল।এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গত সপ্তাহে বিচারপতি কৌশিক চন্দ মামলা করার অনুমতি দিলেও নির্ধারিত দিনে শুনানি হয়নি। পরে দ্রুত শুনানির জন্য মামলাটি বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে ওঠে।শুনানির সময় অভিষেকের আইনজীবী আদালতে জানান, তাঁর মক্কেল স্বীকার করছেন যে বক্তব্যে শোনা যাওয়া কণ্ঠস্বর তাঁরই। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। এর জবাবে বিচারপতি জানতে চান, যদি কণ্ঠস্বর নিজের বলেই স্বীকার করা হয়, তাহলে তদন্তকারী সংস্থাকে নমুনা দিতে আপত্তি কোথায়? পাশাপাশি তিনি স্পষ্ট করেন, তদন্তকারী সংস্থা কীভাবে তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করবে, তা আদালত নির্ধারণ করতে পারে না।এরপর বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ জানান, একই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত আরেকটি মামলা ইতিমধ্যেই অন্য একটি এজলাসে বিচারাধীন রয়েছে। সেই কারণেই তিনি এই মামলার শুনানি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন। ফলে মামলাটি এখন প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হবে। তিনি ঠিক করবেন, কোন বেঞ্চে এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী আদালতে আরও বলেন, আগে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তদন্তে সহযোগিতা করার শর্তে রক্ষাকবচ দেওয়া হয়েছিল। এখন কণ্ঠস্বরের নমুনা না দিলে তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ উঠতে পারে। তবে সেই যুক্তিতে সাড়া দেয়নি আদালত। মঙ্গলবারের শুনানিতে কোনও অন্তর্বর্তী সুরক্ষা না পাওয়ায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনি অবস্থান আরও চাপে পড়ল বলে মনে করছেন আইন মহলের একাংশ।

জুন ৩০, ২০২৬
কলকাতা

জয়প্রকাশ মজুমদারের বিপদ আরও বাড়ল! এবার মামলার শুনানি থেকেও সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি

জেলবন্দি তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদারের আইনি লড়াইয়ে নতুন মোড় এল। তাঁর জামিনের আবেদন নিয়ে শুনানির আগেই কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ মামলাটি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত জানান। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি এই মামলা না শোনার কথা জানিয়েছেন। ফলে এখন এই মামলার শুনানি কোন বিচারপতির এজলাসে হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধান বিচারপতি।জয়প্রকাশ মজুমদার বর্তমানে বাড়ি দখলের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে জেলবন্দি। তাঁর জামিনের আবেদন নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত শুনানির আগেই বিচারপতির সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তে মামলায় নতুন জটিলতা তৈরি হয়েছে।চলতি মাসের তিন তারিখ সল্টলেক এলাকা থেকে জয়প্রকাশ মজুমদারকে আটক করে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। পরে বাড়ির মালিকের অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ, দীর্ঘ বারো বছর ধরে একটি বাড়ি দখল করে রাখা হয়েছিল। বাড়ির মালিক ভাড়া চাইতে গেলে তাঁকে হুমকি দেওয়া হত বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।গ্রেপ্তারের পর পুলিশ জয়প্রকাশ মজুমদারকে নিয়ে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালাতে যায়। সেই সময় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত জনতার একাংশ তাঁর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখায় এবং তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার ঘটনাও ঘটে।গ্রেপ্তারের পর আইনি সুরাহার জন্য তিনি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়ে জামিনের আবেদন করেন। সেই মামলার শুনানির আগেই বিচারপতি ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে সরে দাঁড়ানোয় মামলার পরবর্তী শুনানি নিয়ে নতুন করে অপেক্ষা শুরু হয়েছে। এখন প্রধান বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী নতুন বেঞ্চে এই মামলার শুনানির দিন নির্ধারিত হবে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

কাকভোরে তল্লাশি, তারপর আদালতের বড় সিদ্ধান্ত! বাড়ল সুমিত রায়কে ঘিরে রহস্য

যে সুমিত রায়কে খুঁজতে পুলিশ ভোরবেলা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছিল, সেই সুমিত রায়কে কোনও স্বস্তি দিল না কলকাতা হাইকোর্ট। জমি দুর্নীতি মামলায় তাঁর আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে আদালত। ফলে তাঁকে ঘিরে আইনি চাপ আরও বাড়ল বলে মনে করা হচ্ছে।পুলিশের দাবি, তদন্ত চলাকালীন সুমিত রায়ের মোবাইলের শেষ অবস্থান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির আশপাশে পাওয়া গিয়েছিল। সেই সূত্র ধরেই সেখানে তল্লাশি চালানো হয়। তবে তারপর থেকে এখনও পর্যন্ত সুমিত রায়ের কোনও খোঁজ মেলেনি।বৃহস্পতিবার বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। আদালত নির্দেশ দিয়েছে, আগামী সোমবার মামলার সমস্ত তথ্য হলফনামা আকারে জমা দিতে হবে।মামলার সূত্রপাত এক ব্যক্তির অভিযোগ থেকে। অভিযোগকারী দাবি করেছেন, জমি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁর কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরে জমি দেওয়া হয়নি। তদন্তে আরও অভিযোগ উঠেছে, জাল দলিল তৈরি করে একাধিক মানুষের কাছ থেকে টাকা তোলা হয়েছে।শুনানির সময় বিচারপতি পর্যবেক্ষণ করেন, এটি কোনও একক ঘটনা নয়। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রায় ৩০০টি প্লটকে ঘিরে এই মামলার যোগ রয়েছে এবং একাধিক ব্যক্তি এতে জড়িত থাকতে পারেন।মামলাকারীর আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, রাজনৈতিক কারণেই সুমিত রায়কে নিশানা করা হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ থাকলে ব্যাঙ্কের নথি খতিয়ে দেখা হোক। অন্যদিকে সরকারি পক্ষের আইনজীবী জানান, তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে এবং অভিযুক্তের বাড়ি থেকে জাল দলিলও উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি।উল্লেখ্য, এই মামলায় এর আগেই প্রাক্তন বিধায়ক সুজয় হাজরাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তদন্তকারীদের দাবি, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই সুমিত রায়ের নাম সামনে আসে। অভিযোগ, দুজন মিলে জমি সংক্রান্ত প্রতারণার মাধ্যমে টাকা সংগ্রহ করতেন। যদিও এই সমস্ত অভিযোগ এখনও আদালতে বিচারাধীন।

জুন ২৫, ২০২৬
কলকাতা

“কণ্ঠস্বর আমারই” স্বীকার অভিষেকের, তবু নমুনা কেন চাইছে তদন্তকারী সংস্থা?

কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, যে অডিয়ো নিয়ে তদন্ত চলছে, সেই কণ্ঠস্বর যে তাঁরই, তা তিনি কখনও অস্বীকার করেননি। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।বৃহস্পতিবার কলকাতা হাই কোর্টে এই সংক্রান্ত আবেদন করার অনুমতি দেয় আদালত। বিচারপতি কৌশিক চন্দ জানান, আগামী সোমবার মামলার শুনানি হবে।ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার তদন্তে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে চায় সিআইডি। এর আগে বিধাননগর আদালত নির্দেশ দিয়েছিল, আগামী ৩০ জুন ম্যাজিস্ট্রেট এবং ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের উপস্থিতিতে অভিষেকের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। সেই নির্দেশ অনুযায়ী নোটিস দিতে বুধবার রাতে তাঁর কালীঘাটের বাড়িতে যায় সিআইডি।উল্লেখ্য, লোকসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ৪ তারিখ ডিজে বাজবে। সেই মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই বিধাননগর সাইবার থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট সামাজিক মাধ্যমের লিঙ্ক, ভিডিও এবং অন্যান্য তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করছে তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই মামলার কেস ডায়েরিও হস্তান্তর করা হয়েছে।এদিকে সই জালিয়াতি মামলাতেও চাপ বাড়ছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ছটার মধ্যে তাঁকে ভাবনীভবনে সিআইডির দফতরে হাজিরা দিতে হবে। ফলে একই দিনে দুই পৃথক মামলাকে ঘিরে রাজনৈতিক ও আইনি মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

জুন ২৫, ২০২৬
কলকাতা

গ্রেফতারের আশঙ্কায় হাইকোর্টে ছুটলেন মানস ভুঁইঞা! হঠাৎ কী এমন ঘটল?

রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চার কেন্দ্রে মানস ভুঁইঞা। চাকরি দেওয়ার নামে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ সামনে আসতেই এবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী। সম্ভাব্য গ্রেফতারের আশঙ্কা থেকেই তিনি আদালতের কাছে রক্ষাকবচ চেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।অভিযোগ, এক মহিলাকে সেচ দফতরের বাংলোয় চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। এর বিনিময়ে কয়েক লক্ষ টাকা নেওয়া হয় বলেও দাবি অভিযোগকারীর। পরে ওই মহিলা কিছুদিন কাজও করেন। এমনকি বেতনও পান। কিন্তু হঠাৎ করেই তাঁকে আর কাজে যোগ দিতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।এই ঘটনার পর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তের খবর সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়।এই পরিস্থিতিতেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন মানস ভুঁইঞা। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে তাঁর পক্ষ থেকে আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। গ্রেফতারের আশঙ্কা থেকেই আগাম আইনি সুরক্ষা চাওয়া হয়েছে বলে আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে।সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক তৃণমূল নেতা, জনপ্রতিনিধি এবং প্রাক্তন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। সেই আবহে মানস ভুঁইঞার আদালতের দ্বারস্থ হওয়া নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা বাড়িয়েছে। এখন আদালত এই আবেদনের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহল ও প্রশাসনিক সূত্রের।

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশ যেতে চাইলেন অভিষেক, হাইকোর্টে বড় ধাক্কা! বিচারপতির এক মন্তব্যেই বদলে গেল সমীকরণ

চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে তাঁর আবেদনের দ্রুত শুনানির আর্জি খারিজ করে দিল আদালত। ফলে নির্ধারিত নিয়ম মেনেই মামলার শুনানি হবে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন বিচারপতি।জানা গিয়েছে, এক সপ্তাহের জন্য বিদেশে গিয়ে চোখের চিকিৎসা করাতে চান অভিষেক। সেই অনুমতি চেয়ে তিনি হাইকোর্টে আবেদন করেন। এদিন তাঁর আইনজীবী আদালতের কাছে দ্রুত শুনানির অনুরোধ জানান। কিন্তু বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য সেই আবেদন গ্রহণ করেননি। তিনি জানান, মামলার তালিকায় যে ক্রমে বিষয়টি রয়েছে, সেই অনুযায়ীই শুনানি হবে। আলাদা করে দ্রুত শুনানির সুযোগ দেওয়া হবে না।অভিষেকের চোখের সমস্যা নতুন নয়। কয়েক বছর আগে এক সড়ক দুর্ঘটনায় তাঁর বাঁ চোখের নীচে গুরুতর আঘাত লাগে এবং চোখের হাড় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেই ঘটনার পর থেকে একাধিকবার দেশে ও বিদেশে চিকিৎসা করাতে হয়েছে তাঁকে। বিভিন্ন সময়ে অস্ত্রোপচারও হয়েছে।তবে এবার তাঁর বিদেশযাত্রার আবেদন ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং সাম্প্রতিক কয়েকটি তদন্তের আবহে এই আবেদন বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। বিধায়কদের স্বাক্ষর জালিয়াতি মামলায় ইতিমধ্যেই তাঁকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে তদন্তকারী সংস্থা।অন্যদিকে একটি হুমকি সংক্রান্ত মামলায় তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের নির্দেশও দিয়েছে আদালত। আগামী ৩০ জুন তাঁকে আদালতে উপস্থিত হয়ে নমুনা দিতে হবে বলে জানা গিয়েছে।এই পরিস্থিতিতে বিদেশে চিকিৎসার জন্য অভিষেকের আবেদন নিয়ে শেষ পর্যন্ত আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের।

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

মেসি-কাণ্ডে বড় স্বস্তি! অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে হাইকোর্টে কী হল জানলে চমকে যাবেন

মেসি সফর ঘিরে বিতর্কের মামলায় আপাতত স্বস্তি বজায় থাকল প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের। তাঁর বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগের প্রেক্ষিতে আগে যে রক্ষাকবচ দেওয়া হয়েছিল, তা এখনই বাতিল করতে রাজি হয়নি হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। ফলে অন্তত পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত স্বস্তিতেই থাকছেন তিনি।মঙ্গলবার ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। অরূপ বিশ্বাসকে দেওয়া রক্ষাকবচের বিরুদ্ধে আবেদন করেছিলেন যুবভারতী বিতর্কের অন্যতম অভিযুক্ত শতদ্রু দত্ত। তাঁর পক্ষের আইনজীবীরা আদালতে দাবি করেন, অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তদন্তে বিশেষ অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না।অন্যদিকে অরূপ বিশ্বাসের আইনজীবী আদালতে জানান, তদন্ত চলার সময় অভিযোগকারী পক্ষের এই ধরনের আবেদন গ্রহণযোগ্য নয়। আদালতের নির্দেশ মেনে তদন্ত এগোচ্ছে এবং আইনি প্রক্রিয়াও অনুসরণ করা হচ্ছে।শুনানির সময় আদালত জানতে চায়, অরূপ বিশ্বাস তদন্তে সহযোগিতা করছেন কি না। এর উত্তরে রাজ্যের আইনজীবী জানান, প্রাক্তন মন্ত্রী নিয়মিত তদন্তে সহযোগিতা করছেন এবং তদন্তকারী আধিকারিকদের ডাকে হাজিরাও দিচ্ছেন।রাজ্যের এই বক্তব্যের পর ডিভিশন বেঞ্চ মামলার শুনানি আপাতত মুলতুবি রাখে। আগামী দুই জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। এর ফলে আপাতত অরূপ বিশ্বাসের রক্ষাকবচ বহাল থাকছে।এই মামলার সূত্রপাত গত বছরের মেসি সফরকে কেন্দ্র করে। আর্জেন্টাইন ফুটবল তারকার ভারত সফর ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ থাকলেও অনুষ্ঠানে চরম বিশৃঙ্খলার অভিযোগ ওঠে। বহু দর্শক অভিযোগ করেন, টাকা খরচ করেও তাঁরা প্রত্যাশিত অভিজ্ঞতা পাননি। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং ব্যাপক ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।ঘটনার পর আয়োজকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। সেই সময় মেসির সফরের অন্যতম উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত গ্রেপ্তার হন। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে তিনি অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি ছিল, প্রভাব খাটিয়ে মেসির কাছাকাছি পৌঁছেছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী এবং সেই কারণেই গোটা ব্যবস্থাপনায় সমস্যা তৈরি হয়েছিল।যদিও এই সমস্ত অভিযোগ অরূপ বিশ্বাসের পক্ষ থেকে অস্বীকার করা হয়েছে। তদন্ত এখনও চলছে। ফলে শেষ পর্যন্ত মামলার মোড় কোন দিকে ঘোরে, তা নিয়ে রাজনৈতিক ও ক্রীড়া মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুন ২৩, ২০২৬
কলকাতা

দলে ভাঙন, রাজনীতিতে চাপ! এরই মধ্যে বিদেশযাত্রার অনুমতি চাইলেন অভিষেক

চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে এই সংক্রান্ত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। প্রায় এক সপ্তাহের জন্য দেশের বাইরে যাওয়ার অনুমতি চেয়েছেন তিনি। আগামীকাল এই মামলার শুনানি হতে পারে বলে আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অতীতে একাধিকবার চিকিৎসার প্রয়োজনে বিদেশে গিয়েছেন। বিভিন্ন মামলার কারণে তদন্তকারী সংস্থার নজরদারির মধ্যে থাকায় বিদেশ সফরের আগে আদালতের অনুমতি নেওয়া তাঁর জন্য বাধ্যতামূলক হয়ে উঠেছে।এর আগে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী বিদেশে যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থাকে জানাতে হতো অভিষেক ও তাঁর স্ত্রীকে। সেই নিয়ম মেনেই অতীতে বিদেশে চিকিৎসার জন্য আবেদন করেছিলেন তিনি। পরে আদালতের অনুমতি পেয়ে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে বিদেশ সফরও করেন।বর্তমানে একটি নির্বাচনী প্রচার সংক্রান্ত মামলায় আদালতের নির্দেশ রয়েছে যে, বিচারালয়ের অনুমতি ছাড়া তিনি দেশের বাইরে যেতে পারবেন না। সেই কারণেই এবার সরাসরি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অভিষেক। তাঁর বক্তব্য, চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়া প্রয়োজন।উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০১৬ সালে একটি সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতরভাবে আহত হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই দুর্ঘটনায় তাঁর বাঁ চোখের নিচের অংশে মারাত্মক আঘাত লাগে এবং চোখের হাড় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর থেকে দীর্ঘদিন ধরে চোখের সমস্যায় ভুগছেন তিনি।গত কয়েক বছরে দেশের বাইরে একাধিক জায়গায় চিকিৎসা করিয়েছেন অভিষেক। একাধিক অস্ত্রোপচারও হয়েছে তাঁর চোখে। চিকিৎসকদের পরামর্শেই আবারও বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এখন নজর আদালতের সিদ্ধান্তের দিকে। চিকিৎসার প্রয়োজনে বিদেশ সফরের অনুমতি মেলে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী শুনানির পরই বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

জুন ২৩, ২০২৬
কলকাতা

কত টাকা উঠেছিল? আদালতের এক প্রশ্নেই নতুন করে চর্চায় ইন্দ্রনীল-মধুছন্দা

দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শো-কে কেন্দ্র করে ওঠা প্রতারণার অভিযোগে নতুন মোড় এল আদালতে। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন এবং তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেন আগাম জামিনের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। সোমবার সেই মামলার শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল আদালত।বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের বেঞ্চ রাজ্যকে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। আগামী ৪ জুলাইয়ের মধ্যে সেই রিপোর্ট জমা দিতে হবে। পাশাপাশি অভিযোগের ভিত্তিতে কত টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে, সেই তথ্যও আদালতকে জানাতে বলা হয়েছে।অভিযোগ, ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে দুর্গাপুজোর বিশেষ প্রিভিউ শো-এর জন্য উচ্চ মূল্যে পাস বিক্রি করা হয়েছিল। মধুছন্দা সেনের সংস্থা এই পাস বিক্রির সঙ্গে যুক্ত ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক পর্যটন সংস্থার পরামর্শদাতা জয়দীপ মুখোপাধ্যায় বউবাজার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।সোমবার আদালতে শুনানির সময় বিচারপতি জানতে চান, এই প্রক্রিয়ায় ঠিক কত টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে। রাজ্যের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিষয়টি এখনও তদন্তাধীন এবং তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে।মামলাকারীর আইনজীবীর দাবি, গত দুই বছর ধরে নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে পাস দেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়াই ইউনেস্কোর নাম এবং পরিচিতি ব্যবহার করা হয়েছে। পাশাপাশি ইউনেস্কোর নিয়ম অনুযায়ী বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে তাদের নাম বা পরিচিতি ব্যবহারের অনুমতি ছিল না বলেও আদালতে দাবি করা হয়।অন্যদিকে ইন্দ্রনীল সেন ও মধুছন্দা সেনের আইনজীবীর বক্তব্য, ইউনেস্কো কখনও এই বিষয়ে কোনও অভিযোগ করেনি। তাঁদের দাবি, প্রিভিউ শো-এর সঙ্গে ইউনেস্কোর নাম যুক্ত থাকলেও পাসে সেই পরিচিতি ব্যবহার করা হয়নি।দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, অর্থের বিনিময়ে ডোনার পাস দেওয়া হলে তা বাণিজ্যিক ব্যবহারের মধ্যেই পড়ে কি না। আদালতের এই পর্যবেক্ষণ মামলাটিকে নতুন গুরুত্ব দিয়েছে।তবে আপাতত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আগামী দুই সপ্তাহ কোনও কঠোর পদক্ষেপ করা হবে না বলে রাজ্যের পক্ষ থেকে আদালতে মৌখিক আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এখন তদন্ত রিপোর্টের দিকেই নজর রয়েছে সকলের।

জুন ২২, ২০২৬
কলকাতা

হকার উচ্ছেদে বড় ব্রেক! হাই কোর্টের নির্দেশে আপাতত বন্ধ অভিযান

রেলের জমিতে বেআইনি দখলদার ও হকার উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে আপাতত স্বস্তি পেলেন হকাররা। যাদবপুরে রেলের জমিতে উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া মামলায় কলকাতা হাই কোর্ট আগামী ১৭ জুন পর্যন্ত অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করেছে। ফলে ওই সময় পর্যন্ত হকার উচ্ছেদে কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না বলে আদালত জানিয়েছে।গত কয়েক দিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন রেল স্টেশন ও সংলগ্ন এলাকায় বেআইনি দখলদার এবং হকার উচ্ছেদের অভিযান চালাচ্ছিল রেল কর্তৃপক্ষ। শিয়ালদহ, হাওড়া, দমদম-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে রেল সুরক্ষা বাহিনী ও রেল পুলিশ যৌথভাবে অভিযান শুরু করে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই যাদবপুর স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হয়।রবিবার গভীর রাতে যাদবপুরে রেলের জমিতে গড়ে ওঠা বিভিন্ন অবৈধ নির্মাণ এবং হকার উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে অশান্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। এরপর ক্ষতিগ্রস্ত হকারদের একাংশ আদালতের দ্বারস্থ হন।বুধবার হকারদের পক্ষে আইনজীবী শামিম আহমেদ জরুরি ভিত্তিতে বিষয়টি আদালতের নজরে আনার আবেদন জানান। সেই আবেদন গ্রহণ করে বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্য মামলা দায়েরের অনুমতি দেন এবং ১৭ জুন পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযানের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করেন।আদালত আরও জানিয়েছে, হাওড়া, কোন্নগর, ডানকুনি-সহ বিভিন্ন এলাকায় হকার উচ্ছেদ সংক্রান্ত যে মামলাগুলি দায়ের হয়েছে, সেগুলির শুনানি একসঙ্গে করা হবে। এর ফলে রেলের জমিতে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে রাজ্যজুড়ে চলা একাধিক মামলার নিষ্পত্তি একই প্রক্রিয়ায় হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।আগামী ১৭ জুন মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। সেই দিন আদালত কী নির্দেশ দেয়, এখন সেদিকেই নজর হকার, রেল কর্তৃপক্ষ এবং রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১১, ২০২৬
কলকাতা

হাইকোর্টে বড় ধাক্কা! আজই সিআইডি দফতরে হাজিরার নির্দেশ অভিষেককে

সই জাল মামলায় কলকাতা হাইকোর্টে বড় ধাক্কা খেলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। বৃহস্পতিবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৌশিক চন্দ নির্দেশ দেন, অভিষেককে এদিন সন্ধ্যা ৬টার মধ্যেই সিআইডির সদর দফতর ভবানীভবনে হাজিরা দিতে হবে। একই সঙ্গে আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে তাঁকে।উল্লেখ্য, এর আগে সিআইডির তিনটি তলব এড়িয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। সেই প্রেক্ষিতে আদালত জানায়, তদন্ত প্রক্রিয়াকে আর বিলম্বিত করা যাবে না। বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী, তদন্তকারী সংস্থা প্রয়োজন মনে করলে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে এবং তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও নিতে পারবে।তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) জন্য সাময়িক স্বস্তির খবরও রয়েছে। আদালত তাঁকে আগামী ১৪ দিনের জন্য রক্ষাকবচ দিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না। তবে সেই সুরক্ষার শর্ত হিসেবে তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।শুনানির সময় সিআইডির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, এই মামলায় অভিযোগ সাধারণ কোনও সূত্র থেকে আসেনি। সংশ্লিষ্ট বিধায়করাই অভিযোগ দায়ের করেছেন। তদন্তে ইতিমধ্যেই কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে বলেও আদালতে জানানো হয়। তাই এই পর্যায়ে কোনও বিশেষ সুরক্ষা দেওয়া উচিত নয় বলে সওয়াল করেন তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবী (Abhishek Banerjee)।অন্যদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী আদালতে জানান, তাঁর মক্কেল হাজিরা দিতে প্রস্তুত রয়েছেন। তবে তিনি বর্তমানে কলকাতার বাইরে থাকায় কিছুটা সময় চাওয়া হয়েছিল। আদালতে তাঁর আইনজীবী জানান, প্রয়োজন হলে পরদিনও হাজিরা দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু বিচারপতি স্পষ্ট বলেন, তদন্তে সহযোগিতা করতে হলে আজই হাজিরা দিতে হবে।বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, যেহেতু অভিষেক নিজেই তদন্তে সহযোগিতার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন, তাই তাঁকে হাজিরা দিতেই হবে। সেই কারণেই একদিকে রক্ষাকবচ দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে তদন্তে সহযোগিতা নিশ্চিত করার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছে।এদিকে এই মামলার আইনি লড়াই নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রথম দিকে মামলায় অভিষেকের পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন প্রবীণ আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে পরে তিনি সরে দাঁড়ান। এরপর বৃহস্পতিবার আদালতে অভিষেকের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য।হাইকোর্টের এই নির্দেশের পর এখন নজর ভবানীভবনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাজিরা এবং তদন্তের পরবর্তী গতিপ্রকৃতির দিকে।

জুন ১১, ২০২৬
রাজ্য

অরূপ বিশ্বাসকে বড় ধাক্কা হাইকোর্টে! বিচারপতির কড়া নির্দেশে বাড়ল চাপ

মেসিকাণ্ডে গ্রেফতারির আশঙ্কা করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। তবে আদালত তাঁকে কোনও রক্ষাকবচ দেয়নি। বুধবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পুলিশের ডাকে হাজিরা দিতেই হবে অরূপ বিশ্বাসকে। হাজিরার অন্তত আটচল্লিশ ঘণ্টা আগে নোটিস দিতে হবে পুলিশকে। তদন্তে কোনও স্থগিতাদেশ নয়, তদন্ত নিজের গতিতেই চলবে। একই সঙ্গে তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।আদালত অরূপ বিশ্বাসের উপর একাধিক শর্তও আরোপ করেছে। বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী, আদালতের অনুমতি ছাড়া তিনি রাজ্যের বাইরে যেতে পারবেন না। তাঁকে নিজের পাসপোর্ট নিম্ন আদালতে জমা রাখতে হবে। পাশাপাশি কোনও সাক্ষীকে প্রভাবিত করা বা ভয় দেখানোর চেষ্টা করা যাবে না বলেও স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে আদালত।শুধু অরূপ বিশ্বাসকেই নয়, পুলিশকেও বেশ কিছু নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। বিচারপতি জানিয়েছেন, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারের তত্ত্বাবধানে এই ঘটনার তদন্ত হবে। কীভাবে এমন পরিস্থিতি তৈরি হল, তার নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে। চার সপ্তাহের মধ্যে তদন্তের রিপোর্ট আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এই মুহূর্তে গ্রেফতারের মতো কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়ার কথাও জানিয়েছে আদালত।শুনানির সময় অরূপ বিশ্বাসের আইনজীবী আদালতের কাছে আবেদন করেন, তাঁর মক্কেলকে নিরাপত্তা দেওয়া হোক। আদালত এ বিষয়ে পর্যবেক্ষণ করে জানায়, অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে অন্য কোনও মামলা রয়েছে কি না, সে বিষয়েও তথ্য জমা দিতে হবে।এ দিনের শুনানিতে গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, এই ঘটনায় রাজ্যের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিচারপতির প্রশ্ন, কীভাবে একজন রাজনৈতিক নেতা আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ফুটবলারের এত কাছাকাছি পৌঁছে গেলেন? এতে তাঁর নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়নি কি? দেশের অন্য জায়গায় এমন ঘটনা ঘটেনি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।বিচারপতি আরও বলেন, সেদিন মাঠে বহু দর্শক ও মেসি-সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। নিরাপত্তাজনিত কারণে মেসিকে আগেভাগে অনুষ্ঠানস্থল ছাড়তে হয়েছিল। ফলে বহু মানুষের প্রত্যাশা ভেঙে যায় এবং গোটা ব্যবস্থাপনায় চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।শুনানির সময় বিচারপতি জানতে চান, পুলিশ বারবার দেখা করতে বললেও অরূপ বিশ্বাস কেন যাচ্ছেন না। উত্তরে তাঁর আইনজীবী জানান, আদালত রক্ষাকবচ দিলে তিনি পরদিনই তদন্তে যোগ দেবেন।অন্যদিকে রাজ্যের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, অরূপ বিশ্বাস প্রভাবশালী ব্যক্তি হওয়ায় তিনি তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করতে পারেন অথবা সাক্ষীদের প্রভাবিত করতে পারেন। রাজ্যের আইনজীবী আরও জানান, এর আগেও পুলিশ তাঁকে নোটিস পাঠিয়েছিল, কিন্তু তিনি সেই নোটিসের জবাব দেননি। তাই তাঁকে বিশেষ কোনও রক্ষাকবচ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।তবে সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি জানান, এই মুহূর্তে অরূপ বিশ্বাসকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজন রয়েছে বলে আদালত মনে করছে না। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, যে ঘটনার অভিযোগ প্রায় ছয় মাস পরে দায়ের করা হয়েছে, সেখানে এতদিন পর সাক্ষীদের ভয় দেখানোর আশঙ্কা কতটা বাস্তব, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।সব মিলিয়ে মেসিকাণ্ডে তদন্ত চলবে, তবে আপাতত গ্রেফতারের আশঙ্কা থেকে কিছুটা স্বস্তি পেলেও আদালতের কড়া নজরদারি এবং একাধিক শর্তের মুখে পড়লেন অরূপ বিশ্বাস। এই মামলার পরবর্তী শুনানি এবং তদন্তের অগ্রগতি এখন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের বিশেষ নজরে।

জুন ১০, ২০২৬
রাজ্য

সই জাল বিতর্কে চাপ বাড়ছে অভিষেকের! গ্রেফতারির আশঙ্কায় হাইকোর্টে ছুটলেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতা

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে তীব্র বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে বিধানসভার তথাকথিত সই জাল কাণ্ড। এই ঘটনায় এবার সরাসরি আইনি চাপে পড়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তদন্তের মুখে পড়ে গ্রেফতারির আশঙ্কায় তিনি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন এবং একই সঙ্গে সিআইডি-র তদন্ত প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের করা আবেদনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য যে নোটিশ পাঠানো হয়েছে, তা আইনসম্মত নয়। বিচারপতি অপূর্ব সিংহ রায়ের বেঞ্চ তাঁর আবেদন গ্রহণ করে মামলাটি শুনানির অনুমতি দিয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, আগামী শুক্রবার এই মামলার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হতে পারে।সমস্ত বিতর্কের সূত্রপাত বিধানসভায় তৃণমূলের সংসদীয় দলের একটি চিঠিকে ঘিরে। ওই চিঠিতে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা, অসীমা পাত্র ও নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডেপুটি লিডার এবং ফিরহাদ হাকিমকে চিফ হুইপ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। চিঠিটি বিধানসভার স্পিকারের কাছে জমা পড়ার পর তা যাচাই করতে গিয়ে একাধিক অসঙ্গতি সামনে আসে।তদন্তে উঠে আসে, তালিকাভুক্ত ৭০ জন বিধায়কের মধ্যে অন্তত ১৪ জনের ক্ষেত্রে স্বাক্ষরের জায়গায় শুধুমাত্র বড় হাতের অক্ষরে নাম লেখা রয়েছে। আরও কয়েকজন বিধায়কের সই নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। অভিযোগ, তাঁদের অনুমতি বা উপস্থিতি ছাড়াই স্বাক্ষর দেখানো হয়েছে। এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই বিষয়টি রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।আরও পড়ুনঃ মূল উপড়ে তৃণ ভূপতিত! পরিষদীয় দলের নিয়ন্ত্রণ বিদ্রোহীদের হাতে, বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন ঋতব্রতঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে রাজ্য সরকার তদন্তভার সিআইডি-র হাতে তুলে দেয়। তদন্ত শুরু হওয়ার পর গত শনিবার সিআইডি-র একটি বিশেষ দল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে গিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ দেয়। সেই নোটিশে নির্দিষ্ট দিনে ভবানী ভবনে হাজির হওয়ার নির্দেশ ছিল। কিন্তু নির্ধারিত দিনে হাজিরা না দিয়ে অভিষেক তদন্তকারী সংস্থার কাছে অতিরিক্ত সময় চান। এরপরই তিনি আইনি পথে এগিয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন।এই মামলার রাজনৈতিক দিকটিও যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। সম্প্রতি এক সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, তৃণমূলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাই প্রথম এই জাল স্বাক্ষরের অভিযোগ তুলে বিধানসভার স্পিকারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পরপরই দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে ওই দুই বিধায়ককে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বহিষ্কার করা হয়।আরও পড়ুনঃ হেভিওয়েট-র ওয়েট লস, ভাইপো-র মত হেলমেট পরে আদালতে বর্ধমানের কাকারাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ঘটনা শুধুমাত্র একটি প্রশাসনিক বা সাংগঠনিক বিতর্ক নয়; বরং এটি রাজ্যের শাসকদলের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার লড়াই এবং নেতৃত্বের প্রশ্নকেও সামনে এনে দিয়েছে। একদিকে তদন্তের জাল ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে, অন্যদিকে আদালতের দ্বারস্থ হয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কার্যত আইনি লড়াইয়ের ময়দানে নেমেছেন।এখন সকলের নজর আগামী শুক্রবারের হাইকোর্ট শুনানির দিকে। আদালত সিআইডি-র তদন্তে হস্তক্ষেপ করে কি না, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও অন্তর্বর্তী সুরক্ষা পান কি না, এবং এই বিতর্কের রাজনৈতিক অভিঘাত কতদূর গড়ায়তা নিয়েই জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে।

জুন ০৩, ২০২৬
কলকাতা

আরজি কর মামলায় বড় মোড়! ঘটনাস্থল ফের সিল করার নির্দেশ আদালতের

আরজি কর মামলায় ফের নতুন মোড়। নির্যাতিতার পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল ফের পরিদর্শনের আবেদন জানানো হয়েছিল। সেই মামলার শুনানিতে কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ঘটনাস্থল পুনরায় সিল করার নির্দেশ দিয়েছে।মঙ্গলবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ এবং বিচারপতি শম্পা সরকারের বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। শুনানির সময় সিবিআই-এর আইনজীবী রাজদীপ মজুমদার জানান, যেখানে ঘটনা ঘটেছিল বলে দাবি করা হচ্ছে, সেই সেমিনার হল এখনও সিল করা রয়েছে।তবে নির্যাতিতার পরিবারের আইনজীবী জয়ন্ত নারায়ণ আদালতে দাবি করেন, ঘটনাটি সেমিনার হলে ঘটেনি। তাঁর বক্তব্য, হাসপাতালের সপ্তম তলায় সন্দীপ ঘোষের ব্যক্তিগত ঘর এখনও সিল করা হয়নি। সেই কারণেই পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল আবার পরিদর্শনের অনুমতি চাওয়া হয়েছে।শুনানিতে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন সিবিআই-এর তদন্তকারী অফিসার সীমা পাহুজা। বিচারপতিরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, কোন কোন জায়গা সিল করা হয়েছে। উত্তরে তিনি জানান, যেখানে দেহ উদ্ধার হয়েছিল, সেই সেমিনার রুম সিল করা হয়েছে।এরপর বিচারপতি শম্পা সরকার জানতে চান, তদন্তের সময় অন্য কোনও জায়গা সিল করার প্রয়োজন মনে হয়নি কি না। তখন সিবিআই-এর আইনজীবী জানান, নিম্ন আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী সেমিনার হলকেই ঘটনাস্থল ধরা হয়েছিল। পাল্টা বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ বলেন, নিম্ন আদালত তো সিবিআই-এর দেওয়া তথ্য ও প্রমাণের উপর নির্ভর করেই নির্দেশ দেয়।মামলাকারীর আইনজীবী আরও দাবি করেন, সিবিআই-এর রিপোর্টে নতুন কোনও তথ্য নেই। সেখানে শুধু তদন্তে কী কী করা হয়েছে, সেটাই উল্লেখ করা হয়েছে। সেই কারণেই পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল সরাসরি ঘুরে দেখার অনুমতি চাওয়া হয়েছে।এই মামলার শুনানির পর আবারও আরজি কর কাণ্ড নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তদন্তের বিভিন্ন দিক নিয়ে এখন রাজনৈতিক ও আইনি মহলে জোর চর্চা চলছে।

মে ১৯, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

সমুদ্রের নিচে আমেরিকার গোপন হামলা! ইরানের ঘাঁটি উড়িয়ে দিল নতুন মারণাস্ত্র, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ল। এবার সমুদ্রপথে নতুন অস্ত্র ব্যবহার করে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ নৌঘাঁটিতে হামলার দাবি করেছে আমেরিকা। মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি, তাদের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও যুদ্ধে সামুদ্রিক ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। এই অভিযানে ইরানের একটি ডুবোজাহাজ এবং জাহাজ রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র ধ্বংস করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। হামলার একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে সেই ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড সমাজমাধ্যমে জানিয়েছে, রবিবার মানববিহীন সামুদ্রিক ড্রোন ব্যবহার করে ইরানের বন্দর আব্বাসে অভিযান চালানো হয়। তাদের দাবি, তিনটি সামুদ্রিক ড্রোন দিয়ে ইরানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ নৌঘাঁটিতে সফল হামলা চালানো হয়েছে। এই অভিযানের ফলে হরমুজ প্রণালী এলাকায় ইরানের সামরিক সক্ষমতায় বড় ধাক্কা লেগেছে বলেও দাবি করেছে আমেরিকা।প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ছোট মানববিহীন জলযান দ্রুত গতিতে জলের উপর দিয়ে এগিয়ে গিয়ে একটি স্থাপনার সঙ্গে ধাক্কা মারে। তার পরেই প্রবল বিস্ফোরণ ঘটে এবং আগুনের বিশাল গোলা আকাশে ছড়িয়ে পড়ে। মার্কিন দাবি, ওই বিস্ফোরণে জাহাজ রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্রের বড় অংশ ধ্বংস হয়ে যায়।এই হামলার আগে থেকেই হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত ছিল। আমেরিকার অভিযোগ, ইরান একাধিক বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালাচ্ছে। সম্প্রতি একটি মালবাহী জাহাজেও হামলার ঘটনা সামনে এসেছে। অন্যদিকে মার্কিন বাহিনীও টানা কয়েক দিন ধরে ইরানের বিভিন্ন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর দাবি করেছে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই ঘোষণা করেছিলেন, হরমুজ প্রণালীতে ইরানি জাহাজের বিরুদ্ধে আবারও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পাশাপাশি ওই জলপথ ব্যবহারকারী জাহাজের জন্য নতুন শুল্ক আরোপের কথাও জানান তিনি। এর পাল্টা জবাবে ইরান বাহরিন, জর্ডান এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির একাধিক জাহাজকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত আরও জটিল হয়ে উঠেছে এবং আন্তর্জাতিক মহলেও উদ্বেগ বাড়ছে।

জুলাই ১৪, ২০২৬
দেশ

ইরানের হামলায় মৃত্যু ভারতীয় নাবিকের! আগুনে জ্বলল তেলবাহী জাহাজ, বাড়ছে যুদ্ধের উত্তাপ

যত দিন যাচ্ছে, ততই জটিল হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি। আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে সংঘাত আরও তীব্র আকার নিচ্ছে। এর মধ্যেই হরমুজ প্রণালীর কাছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির দুটি তেলবাহী জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা সামনে এসেছে। এই হামলায় এক ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও আটজন। তাঁদের মধ্যে ছয়জন ভারতীয় এবং দুজন ইউক্রেনের নাগরিক। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, আহতদের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।জানা গিয়েছে, ওমানের জলসীমায় হরমুজ প্রণালীর দক্ষিণ অংশ দিয়ে যাওয়ার সময় মোমবাসা এবং আল বাহিয়াহ নামে দুটি তেলবাহী জাহাজকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়। নিহত ভারতীয় নাবিক মোমবাসা জাহাজে কর্মরত ছিলেন। হামলার পর দুই জাহাজেই আগুন লাগে। পরে সেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ওমানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস এবং ভারতের বিদেশ মন্ত্রক পুরো ঘটনার উপর নজর রাখছে।ঘটনার পর কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। তাদের দাবি, এই হামলা আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি। দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।অন্যদিকে, ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস দাবি করেছে, ওই দুটি জাহাজ তাদের সতর্কবার্তা অমান্য করেছিল। তাদের অভিযোগ, জাহাজগুলি নেভিগেশন ব্যবস্থা বন্ধ রেখে নিষিদ্ধ পথ ব্যবহার করার চেষ্টা করছিল। সেই কারণেই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে তেহরান। একই সঙ্গে তাদের অভিযোগ, আমেরিকা বাণিজ্যিক জাহাজগুলিকে ভুল পথে চলাচলে উৎসাহ দিচ্ছে, যার ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে।এদিকে আমেরিকাও টানা সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ইরানের উপকূলীয় নজরদারি ব্যবস্থা, ড্রোন ঘাঁটি এবং ক্ষেপণাস্ত্র পরিকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করতেই এই অভিযান চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালীতে চলাচলকারী জাহাজের উপর নতুন কর আরোপের কথাও জানিয়েছে আমেরিকা। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত আরও বড় আকার নিতে পারে বলেই আশঙ্কা বাড়ছে।

জুলাই ১৪, ২০২৬
দেশ

অনশনে সোনম, উদ্বেগে ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর অভিনেতা! কী এমন বললেন ওমি বৈদ্য?

কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে ককরোচ জনতা পার্টি। নিট-সহ একাধিক পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ তুলে শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিও জানিয়েছে তারা। এই আন্দোলনের অংশ হিসেবেই অনির্দিষ্টকালের অনশনে বসেছেন সমাজকর্মী ও গবেষক সোনম ওয়াংচুক। দীর্ঘ অনশনের জেরে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন থ্রি ইডিয়টস ছবির অভিনেতা ওমি বৈদ্য।সম্প্রতি সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে দেখা করেন ওমি বৈদ্য। পরে সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তায় তিনি জানান, সোনমের শারীরিক অবস্থা নিয়ে তিনি গভীরভাবে চিন্তিত। তাঁর কথায়, দীর্ঘ অনশনের কারণে সোনমের যেন কোনও অঘটন না ঘটে, সেটাই তিনি চান।ভিডিও বার্তায় ওমি বৈদ্য সকলকে সোনম ওয়াংচুকের আন্দোলনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানার আবেদন জানান। তাঁর দাবি, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা, লাদাখের স্বায়ত্তশাসন এবং পরিবেশ রক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আন্দোলন করছেন সোনম। এই বিষয়গুলি সম্পর্কে মানুষের আরও সচেতন হওয়া প্রয়োজন।ককরোচ জনতা পার্টির দাবি, অনশন শুরুর পর থেকে সোনম ওয়াংচুকের ওজন প্রায় আট কেজি কমে গিয়েছে। রক্তে শর্করার মাত্রাও কমে গেছে বলে জানা গিয়েছে। তবুও তিনি নিজের অবস্থান থেকে সরে আসেননি।ভিডিও বার্তায় আবেগঘন সুরে ওমি বৈদ্য বলেন, আমি চাই না ফুনসুখ ওয়াংড়ু মারা যান। উল্লেখ্য, থ্রি ইডিয়টস ছবির ফুনসুখ ওয়াংড়ু চরিত্রটি বাস্তবের সোনম ওয়াংচুককে অনুপ্রেরণা করেই তৈরি হয়েছিল। অভিনেতা আরও বলেন, আপনি তাঁর সঙ্গে একমত না-ও হতে পারেন, কিন্তু তাঁর মতো একজন অনুপ্রেরণাদায়ক মানুষকে হারানো উচিত নয়।শেষে তিনি সকলকে সমাজ ও দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি থ্রি ইডিয়টস-এর জনপ্রিয় সংলাপের ঢঙে নিজের বক্তব্য শেষ করেন ওমি বৈদ্য।

জুলাই ১৪, ২০২৬
রাজ্য

সুখবর লাখো মানুষের জন্য! আয়ুষ্মানে নাম না থাকলেও মিলবে বিনামূল্যে চিকিৎসা, সামনে এল নতুন পরিকল্পনা

রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই বহু মানুষ নাম নথিভুক্ত করতে শুরু করেছেন। তবে এই প্রকল্পের সুবিধা সবাই পাবেন না। নির্দিষ্ট কিছু শর্তের ভিত্তিতে আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে। ফলে অনেকেই এই প্রকল্পের বাইরে থেকে যাচ্ছেন। তাঁদের জন্যই নতুন স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্প চালুর কথা জানিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন, খুব শীঘ্রই চালু হবে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্প। এই প্রকল্পেও পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নগদহীন চিকিৎসার সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, যাঁরা আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের আওতায় আসবেন না, তাঁরাই মূলত মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। আয়ুষ্মান ভারতের নির্দিষ্ট যোগ্যতার তালিকায় যাঁদের নাম নেই, যাঁদের পাকা বাড়ি রয়েছে অথবা নির্দিষ্ট শ্রমভিত্তিক পেশার সঙ্গে যুক্ত নন, তাঁদের অনেকেই এই প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।তবে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্পে কীভাবে আবেদন করতে হবে, সেই বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আবেদন প্রক্রিয়ার রূপরেখা এখনও তৈরি হচ্ছে। আগে যাঁদের স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে নাম ছিল, তাঁদের তথ্য সরাসরি নতুন প্রকল্পে যুক্ত করা হবে কি না, নাকি নতুন করে আবেদন করতে হবে, তা এখনও নির্ধারিত হয়নি।সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। খুব শীঘ্রই আবেদন পদ্ধতি, যোগ্যতার শর্ত এবং প্রয়োজনীয় নথি সম্পর্কে বিস্তারিত ঘোষণা করা হবে। ফলে যাঁরা আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা পাবেন না, তাঁদের আপাতত সরকারি ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুলাই ১৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপের আগে বড় চমক! ইংল্যান্ড ম্যাচে মেসিদের বিশেষ অস্ত্রে সায়, তোলপাড় ফুটবল বিশ্ব

বিশ্বকাপের শুরু থেকেই আর্জেন্টিনাকে ঘিরে নানা আলোচনা চলছে। এবার সেমিফাইনালের আগে নতুন করে সেই বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে। জানা গিয়েছে, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচে নিজেদের সৌভাগ্যের গাঢ় নীল জার্সি পরার অনুমতি চেয়েছিল আর্জেন্টিনা। সেই আবেদন মঞ্জুর করেছে ফিফা। ফলে বুধবারের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পরিচিত নীল-সাদা জার্সির বদলে গাঢ় নীল জার্সিতেই মাঠে নামতে পারে লিওনেল মেসিদের দল।এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ফুটবল মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ নকআউট ম্যাচে গাঢ় নীল জার্সি পরে খেলতে নেমে অতীতে একাধিকবার জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। সেই কারণেই এই জার্সিকে সৌভাগ্যের প্রতীক বলে মনে করেন অনেক সমর্থক ও ফুটবলপ্রেমী।উনিশশো ছিয়াশি সালের বিশ্বকাপে দিয়েগো মারাদোনার নেতৃত্বে ইংল্যান্ডকে হারানোর সময়ও আর্জেন্টিনার গায়ে ছিল গাঢ় নীল জার্সি। পরে উনিশশো আটানব্বই সালের বিশ্বকাপেও একই রঙের জার্সি পরে ইংল্যান্ডকে হারিয়েছিল তারা। অন্যদিকে, দুই হাজার দুই সালের বিশ্বকাপে নীল-সাদা জার্সি পরে মাঠে নেমে ইংল্যান্ডের কাছে হেরে যেতে হয়েছিল আর্জেন্টিনাকে।এই কারণেই সেমিফাইনালের আগে আবার সেই গাঢ় নীল জার্সি পরার আবেদন জানায় আর্জেন্টিনা। অনুমতি মেলায় অনেকেই মনে করছেন, এটি দলের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে বড় ভূমিকা নিতে পারে। যদিও ম্যাচের ফল শেষ পর্যন্ত নির্ভর করবে মাঠের পারফরম্যান্সের উপরই।আর্জেন্টিনার ফুটবল সংস্কৃতিতে সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে বিশেষ জার্সি বা নির্দিষ্ট রীতিনীতি মানার প্রচলন রয়েছে। এই বিশ্বাসকে তারা কাবালা নামে চেনে। সেই বিশ্বাস থেকেই এবারও গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে গাঢ় নীল জার্সি বেছে নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা এর আগে পাঁচবার মুখোমুখি হয়েছে। তার মধ্যে তিনটি ছিল নকআউট ম্যাচ। এবার চতুর্থ নকআউট লড়াইয়ে আবারও মুখোমুখি দুই ফুটবল শক্তি। এখন দেখার, ইতিহাসের সৌভাগ্য নাকি মাঠের লড়াই শেষ পর্যন্ত কোনটি জয় এনে দেয় মেসিদের।

জুলাই ১৪, ২০২৬
রাজ্য

বনদফতরের চাকরিতে বড় বদল! মুখ্যমন্ত্রীর এক ঘোষণাতেই বদলে গেল নিয়োগের নিয়ম

বনদফতরের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তনের ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, এবার থেকে বনদফতরের নিয়োগ হবে পুলিশ নিয়োগ পর্ষদের মাধ্যমে। এই সিদ্ধান্তের ফলে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বাড়বে বলেই মনে করছে প্রশাসনের একাংশ। অতীতে বনদফতরের নিয়োগ নিয়ে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগের পর এই ঘোষণা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।মঙ্গলবার সল্টলেকের বনবিতানে অরণ্য উৎসবের উদ্বোধনে এসে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বনদফতরের কর্মীরা অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে কর্মীর অভাব এবং পরিকাঠামোর ঘাটতি রয়েছে। এই পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তন করা হবে। তিনি বনমন্ত্রী মনোজ ওরাওঁকে নির্দেশ দেন, কোথায় কত শূন্যপদ রয়েছে এবং কী কী পরিকাঠামোর প্রয়োজন, তার বিস্তারিত তালিকা তৈরি করে মুখ্য সচিবের কাছে জমা দিতে। সেই তালিকার ভিত্তিতেই নতুন নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হবে।মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানান, বনদফতরের সমস্ত নতুন নিয়োগ পুলিশ নিয়োগ পর্ষদের মাধ্যমে করা হবে। তাঁর দাবি, এতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় থাকবে এবং যোগ্য প্রার্থীরাই সুযোগ পাবেন।উল্লেখ্য, তৃণমূল সরকারের আমলে বন সহায়ক পদে নিয়োগ নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। প্রায় দুই হাজার শূন্যপদে নিয়োগের ক্ষেত্রে অস্বচ্ছতার অভিযোগ ওঠে। পরে কলকাতা হাই কোর্ট পুনরায় সাক্ষাৎকার নেওয়ার নির্দেশ দেয়। সেই ঘটনার পর থেকেই বনদফতরের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে থাকে।অনুষ্ঠান থেকে আগের সরকারেরও কড়া সমালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, বন ও জঙ্গলের উন্নয়নে কোনও কাজ করা হয়নি। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রামের মতো বনাঞ্চল আজ নানা সমস্যায় জর্জরিত। আকাশপথে সেই এলাকাগুলি দেখলে পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট বোঝা যায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।অরণ্য সপ্তাহ উপলক্ষে রাজ্যজুড়ে সাত কোটি পঞ্চাশ লক্ষ গাছ লাগানোর লক্ষ্যও ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। পঞ্চায়েত সদস্যদের এক হাজার করে এবং বিধায়কদের এক লক্ষ করে গাছ লাগানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

জুলাই ১৪, ২০২৬
রাজ্য

বঙ্গোপসাগরে ফের ট্রলার বিপর্যয়! মৃত্যুর মুখ থেকে কীভাবে ফিরলেন ১৩ মৎস্যজীবী?

ফের বঙ্গোপসাগরে ট্রলার দুর্ঘটনা ঘিরে আতঙ্ক ছড়াল উপকূল জুড়ে। তবে এবার বড় বিপদ থেকেও অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে গেলেন ১৩ জন মৎস্যজীবী। মাঝসমুদ্রে ট্রলার ডুবে গেলেও পাশ দিয়ে যাওয়া অন্য একটি মাছ ধরার ট্রলারের তৎপরতায় সকলকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এই ঘটনায় স্বস্তি ফিরলেও কয়েক দিন আগের ভয়াবহ ট্রলার দুর্ঘটনার স্মৃতি আবারও তাজা হয়ে উঠেছে।স্থানীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, কাকদ্বীপের বাসিন্দা লক্ষ্মীনারায়ণ দাসের এফবি সিদ্ধিবিনায়ক নামে একটি ট্রলার ১৩ জন মৎস্যজীবীকে নিয়ে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়েছিল। সোমবার রাতে মাছ ধরে ফেরার পথে বকখালি উপকূল থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে আচমকা আবহাওয়া খারাপ হয়ে যায়। প্রবল ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলারের নিচের অংশ ফেটে জল ঢুকতে শুরু করে। অল্প সময়ের মধ্যেই ট্রলারটি ডুবতে থাকে।বিপদ বুঝে মৎস্যজীবীরা চিৎকার করে সাহায্য চান। সেই সময় কাছাকাছি থাকা অন্য একটি মাছ ধরার ট্রলার দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। উদ্ধারকারীদের তৎপরতায় ডুবন্ত ট্রলার থেকে ১৩ জন মৎস্যজীবীকেই নিরাপদে তুলে আনা সম্ভব হয়। যদিও এফবি সিদ্ধিবিনায়ক ট্রলারটি সমুদ্রের জলে তলিয়ে যায়। এখনও সেটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।উদ্ধার হওয়া মৎস্যজীবীদের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এরপর তাঁদের উপকূলে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। সকলেই নিরাপদে ফিরে আসায় পরিবার ও প্রশাসন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে। তবে পরপর ট্রলার দুর্ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে মৎস্যজীবীদের মধ্যে।উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগেই বঙ্গোপসাগরে মা কালী নামে একটি ট্রলার নিখোঁজ হয়ে যায়। শঙ্করপুর বন্দর থেকে ১৫ জন মৎস্যজীবীকে নিয়ে রওনা হওয়ার পর ট্রলারটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে বকখালি উপকূলের কাছে উল্টে থাকা অবস্থায় সেটি উদ্ধার হয়। সেই ঘটনায় ৯ জনের দেহ উদ্ধার হলেও এখনও ৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। নতুন এই দুর্ঘটনার পর সমুদ্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

জুলাই ১৪, ২০২৬
কলকাতা

ফের বড় ধাক্কা সুপ্রতিম সরকারের! রাতারাতি সরিয়ে দিল রাজ্য, পুলিশে ব্যাপক রদবদল

রাজ্য পুলিশে ফের বড় রদবদল করল সরকার। মঙ্গলবার জারি হওয়া নির্দেশে একাধিক আইপিএস এবং রাজ্য পুলিশ পরিষেবার আধিকারিকের দায়িত্ব বদল করা হয়েছে। এই রদবদলের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্ত হল প্রাক্তন কলকাতা পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকারকে অপরাধ তদন্ত দফতরের অতিরিক্ত মহানির্দেশকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া। তাঁকে এবার টেলিকম শাখার অতিরিক্ত মহানির্দেশকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অপরাধ তদন্ত দফতরের নতুন প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেলেন নটরাজন রমেশবাবু।একইসঙ্গে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ পদে আনা হয়েছে সৎ ও দক্ষ আধিকারিক হিসেবে পরিচিত কে জয়রামনকে। তাঁকে অর্থনৈতিক অপরাধ দমন শাখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার পদ থেকেও সরানো হয়েছে ত্রিপুরারি অথর্ভকে। তাঁর জায়গায় নতুন পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নিলেন অমিত রাঠোর।বারুইপুরের সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করেও প্রশাসন কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে। সেখানে কর্মরত দুই অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের মধ্যে পিনাকি দত্তকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় অতীশ বিশ্বাসকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছাতে দেরি হওয়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পরই এই বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচন ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে সুপ্রতিম সরকারকে কলকাতা পুলিশ কমিশনারের পদ থেকে সরানো হয়েছিল। পরে তাঁকে অপরাধ তদন্ত দফতরের অতিরিক্ত মহানির্দেশক করা হয়। এছাড়া ভিনরাজ্যে নির্বাচন পর্যবেক্ষকের দায়িত্বও পালন করেছিলেন তিনি।এবার তাঁকে টেলিকম শাখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই শাখা রাজ্য পুলিশের যোগাযোগ ব্যবস্থা ও ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক পরিচালনা করলেও প্রশাসনিক গুরুত্বের বিচারে এটি তুলনামূলকভাবে কম গুরুত্বপূর্ণ পদ বলে পুলিশ মহলের একাংশের মত।

জুলাই ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal