• ১৪ মাঘ ১৪৩২, রবিবার ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

AI

বিদেশ

পেন্টাগনের পাশে হঠাৎ পিজ়ার ভিড়! ইরানে হামলার ইঙ্গিত?

আমেরিকার পেন্টাগনের কাছাকাছি পিজ়ার দোকানগুলিতে হঠাৎ করেই বেড়েছে ভিড়। এই অস্বাভাবিক দৃশ্য ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা। অনেকেরই প্রশ্ন, তবে কি খুব শীঘ্রই বড় কোনও সামরিক পদক্ষেপ নিতে চলেছে আমেরিকা? বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে পরিস্থিতি যখন এমনিতেই উত্তপ্ত, তখন এই খবর নতুন করে আলোড়ন ফেলেছে।পেন্টাগন পিজ়া রিপোর্ট নামে একটি এক্স অ্যাকাউন্ট দাবি করেছে, ভার্জিনিয়ার আর্লিংটনে মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের সদর দফতরের আশপাশের একাধিক পিজ়ার দোকানে স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি ক্রেতা দেখা যাচ্ছে। ওই অ্যাকাউন্টে লেখা হয়েছে, পেন্টাগনের কাছাকাছি পিজ়ার দোকানগুলিতে আচমকা ভিড় বেড়ে গিয়েছে।ইন্টারনেটে এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই পুরনো একটি তত্ত্ব ফের আলোচনায় এসেছে। বহু বছর ধরে চলে আসা তথাকথিত পেন্টাগন পিজ়া ইনডেক্স অনুযায়ী, যখনই পেন্টাগন বা আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা দফতরে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ চলে, তখন আশপাশের পিজ়ার দোকানগুলিতে অর্ডার বেড়ে যায়। অনেকের ধারণা, জরুরি বৈঠক বা বড় সামরিক সিদ্ধান্তের সময়ই এমন দৃশ্য দেখা যায়।গত বছরের জুন মাসেও এমন একটি ঘটনা নজরে এসেছিল। মধ্যপ্রাচ্যে বড়সড় হামলার ঠিক আগের সন্ধ্যায় পেন্টাগনের কাছাকাছি পিজ়ার দোকানগুলিতে হঠাৎ বিপুল ভিড় দেখা গিয়েছিল বলে দাবি করা হয়। সেই ঘটনার কথা তুলে ধরে অনেকেই বলছেন, এবারও তেমন কিছু হতে চলেছে।যদিও বিশেষজ্ঞদের একাংশ এই তত্ত্ব মানতে নারাজ। তাঁদের মতে, পিজ়ার অর্ডার বাড়ার পিছনে অনেক সাধারণ কারণ থাকতে পারে। এর সঙ্গে আন্তর্জাতিক রাজনীতি বা যুদ্ধের কোনও সরাসরি যোগ নেই বলেই মত তাঁদের। তবু সামাজিক মাধ্যমে জল্পনা থামছে না।এমনও দাবি উঠেছে যে, যদি কোনও হামলার পরিকল্পনা থেকে থাকে, তবে তা শুক্রবার বাজার বন্ধ হওয়ার পরেই হতে পারে। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে হঠাৎ ধাক্কা লাগার আশঙ্কা কমবে বলে মত কিছু ব্যবহারকারীর। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি।এই জল্পনার মধ্যেই আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, ইরানে আন্দোলনকারীদের উপর অত্যাচার হলে আমেরিকা চুপ করে থাকবে না। ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান নাকি আন্দোলনকারীদের হত্যা বন্ধ করেছে এবং ফাঁসির পরিকল্পনাও নেই।এছাড়া তিনি ইরানের বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে বলেছেন, তারা যেন আন্দোলন চালিয়ে যায়, সাহায্য আসছে। অন্যদিকে, আমেরিকা নিজের নাগরিকদের দ্রুত ইরান ছাড়ার পরামর্শও দিয়েছে। সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে পরিস্থিতি যে ক্রমেই আরও জটিল হয়ে উঠছে, তা স্পষ্ট।

জানুয়ারি ১৫, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে বন্ধ আকাশপথ, যুদ্ধের দোরগোড়ায় মধ্যপ্রাচ্য?

ইরানে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। বিক্ষোভ, প্রশাসনের কড়া অবস্থান এবং বিদেশি হুমকির মধ্যেই এবার আকাশপথ বন্ধ করে দেওয়া হল। ইরানের এয়ারস্পেস বন্ধ হওয়ায় বহু বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছে। একই সঙ্গে দেশের ভিতরে সরকার-বিরোধী আন্দোলনের তীব্রতাও বাড়ছে। বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দেওয়ার হুমকি দিয়েছে প্রশাসন। অন্য দিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের নাগরিকদের রক্ষা করতে প্রয়োজনে সে দেশে হামলার হুমকি দিচ্ছেন। সব মিলিয়ে ইরান এখন গভীর সংকটের মধ্যে দাঁড়িয়ে।বুধবার জানা যায়, সাময়িকভাবে ইরানের আকাশসীমা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শুধু ইরান থেকে ওড়া এবং ইরানের উদ্দেশে যাওয়া আন্তর্জাতিক বিমানগুলিকেই ওঠানামার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। অন্যান্য সব ধরনের বিমান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪ সূত্রে এই তথ্য জানা গিয়েছে। তবে হঠাৎ কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, তা নিয়ে ইরান প্রশাসনের তরফে কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।সূত্রের খবর, সম্ভাব্য বিমান হামলার আশঙ্কাতেই আকাশপথ বন্ধ করা হয়েছে। শুধুমাত্র জরুরি আন্তর্জাতিক বিমানকে বিশেষ অনুমতি নিয়ে চলাচলের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের পিছনে মার্কিন হামলার আশঙ্কাই বড় কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।ইতিমধ্যেই ইরানে আন্দোলনকারীদের মৃত্যুর সংখ্যা দুই হাজার ছাড়িয়েছে। সেই আবহেই ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের যুবসমাজকে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার বার্তা দিয়েছেন এবং জানিয়েছেন, সাহায্য আসছে। বিভিন্ন সূত্রে খবর, আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সেনা সরানো শুরু করেছে।অন্য দিকে, ইরানও পাল্টা হুঁশিয়ারি দিতে পিছপা হয়নি। প্রতিবেশী দেশগুলিতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার হুমকি দিয়েছে তেহরান। একই সঙ্গে ইরাক থেকে কুর্দিশ বাহিনী ইরানে ঢোকার চেষ্টা করতে পারে বলেও আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি দ্রুত সংঘাতের দিকে এগোচ্ছে কি না, তা নিয়েই এখন বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ। মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তেজনা শেষ পর্যন্ত বড় যুদ্ধের রূপ নেয় কি না, সেদিকেই তাকিয়ে গোটা বিশ্ব।

জানুয়ারি ১৫, ২০২৬
বিদেশ

নোবেল না পেয়েই রাগ! ভেনেজুয়েলার পর এবার মধ্যরাতে সিরিয়া আক্রমণ ডোনাল্ড ট্রাম্পের

থামার কোনও লক্ষণ নেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। ভেনেজ়ুয়েলার পর এবার সিরিয়ায় হামলা চালাল আমেরিকা। মধ্যরাতে সিরিয়ার একাধিক এলাকায় অভিযান চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে মার্কিন প্রশাসন। ট্রাম্পের দাবি, ইসলামিক স্টেট জঙ্গিগোষ্ঠীর ঘাঁটি লক্ষ্য করেই এই হামলা চালানো হয়েছে।ডিসেম্বরের পর জানুয়ারিতে ফের সিরিয়ায় সামরিক অভিযান চালাল আমেরিকা। গত ডিসেম্বরেই সিরিয়ার উপর বড়সড় অভিযান চালিয়েছিল মার্কিন সেনা। সেই অভিযানে দুজন মার্কিন সেনা ও এক জন অনুবাদক নিহত হন। ওই অভিযানের নাম ছিল অপারেশন হক আই স্ট্রাইক। এবার সেই একই অভিযানের আওতায় ফের হামলা চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড একটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, সিরিয়া জুড়ে সক্রিয় আইসিস জঙ্গিদের লক্ষ্য করেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। তবে এই হামলায় কত জন আইসিস জঙ্গি নিহত হয়েছে, সে বিষয়ে কোনও নির্দিষ্ট তথ্য জানানো হয়নি।মার্কিন সেনার তরফে আরও জানানো হয়েছে, এই অভিযানে তাদের এক সহযোগী বাহিনী সাহায্য করেছে। তবে সেই বাহিনী সিরিয়ার সেনা না অন্য কোনও গোষ্ঠী, তা স্পষ্ট করা হয়নি। এই বিষয়ে পেন্টাগনও কোনও মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। বর্তমানে সিরিয়ায় এক হাজারেরও বেশি মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে।উল্লেখ্য, গত ১৩ বছর ধরে গৃহযুদ্ধ চলছে সিরিয়ায়। ২০২৪ সালে প্রেসিডেন্ট বাসার আল আসাদ ক্ষমতাচ্যুত হন। তাঁর জায়গায় ক্ষমতায় আসেন বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নেতা আহমেদ আল সারাহ। নতুন সিরিয়া সরকার বর্তমানে আইসিস বিরোধী অভিযানে আমেরিকার সঙ্গে সহযোগিতা করছে।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
বিদেশ

১৯৮৯-এর পানামার পর ফের ইতিহাস! ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযান

শনিবার ভেনেজুয়েলায় বড়সড় সামরিক হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই অভিযানের কথা স্বীকার করে জানান, এটি ছিল ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে একটি ব্যাপক সামরিক আক্রমণ। তাঁর দাবি, এই অভিযান মার্কিন আইনরক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করেই চালানো হয়েছে।গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর উপর চাপ বাড়াচ্ছিল ওয়াশিংটন। আমেরিকার অভিযোগ, মাদুরো সরকার মাদক পাচার চক্র এবং অপরাধী গোষ্ঠীগুলিকে প্রশ্রয় দিচ্ছে, যার ফলে সেই অপরাধ আমেরিকার মাটিতেও ছড়িয়ে পড়ছে। যদিও এই সমস্ত অভিযোগ বারবার অস্বীকার করেছে ভেনেজুয়েলা সরকার।এই হামলাকে লাতিন আমেরিকায় আমেরিকার প্রথম সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, ১৯৮৯ সালের পর। ওই বছর পানামায় সামরিক অভিযান চালিয়ে তৎকালীন শাসক ম্যানুয়েল নরিয়েগাকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিয়েছিল আমেরিকা। সেই অভিযান এখনও মার্কিন সামরিক ইতিহাসে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।১৯৮৯ সালের ডিসেম্বরে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ অপারেশন জাস্ট কজ নামে পানামায় সেনা পাঠানোর নির্দেশ দেন। সেই অভিযানে প্রায় ২০ হাজার মার্কিন সেনা অংশ নিয়েছিল। সরকারি হিসেবে, সেই অভিযানে ৫১৪ জন পানামার সেনা ও সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। যদিও মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, মৃতের সংখ্যা হাজারের কাছাকাছি ছিল। আমেরিকারও ২৩ জন সেনা প্রাণ হারান।সেই সময় পানামার শাসক নরিয়েগা আশ্রয় নিয়েছিলেন ভ্যাটিকানের দূতাবাসে। তাঁকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করতে দূতাবাসের বাইরে জোরে জোরে রক গান বাজিয়েছিল মার্কিন সেনা। এই অভিনব কৌশল বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। শেষ পর্যন্ত ১১ দিন পর নরিয়েগা আত্মসমর্পণ করেন এবং তাঁকে আমেরিকায় নিয়ে গিয়ে মাদক পাচারসহ একাধিক অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।এবার সেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হতে চলেছে কি না, তা নিয়েই উদ্বেগ বাড়ছে। ভেনেজুয়েলা নিয়ে আমেরিকার এই সামরিক পদক্ষেপ লাতিন আমেরিকার রাজনীতিতে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করেছে।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৬
দেশ

দৃশ্যমানতা প্রায় শূন্য, কুয়াশার চাদরে ঢাকা দিল্লি, অচল জনজীবন

ঘন ধোঁয়াশার চাদরে ঢেকে গিয়েছে দেশের রাজধানী দিল্লি। দৃশ্যমানতা নেমে এসেছে প্রায় শূন্যে। তার জেরে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। কুয়াশার কারণে বাতিল করা হয়েছে ১২৮টি বিমান পরিষেবা। পাশাপাশি প্রায় ২০০টি উড়ানের সময়সূচি বদল করা হয়েছে। ব্যাহত হয়েছে রেল চলাচলও। বহু দূরপাল্লার ট্রেন দেরিতে চলছে। সব মিলিয়ে চরম অস্বস্তিতে রাজধানীবাসী।আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৭টায় দিল্লির বাতাসের গুণগত মান বা একিউআই ছিল ৪০৩, যা ভয়ানক খারাপ বলে ধরা হয়। ঘন কুয়াশার জেরে দিল্লি বিমানবন্দরের আশপাশে দৃশ্যমানতা নেমে আসে মাত্র ১২৫ মিটারে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে মৌসম ভবনের তরফে দিল্লিতে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এদিন দিল্লির সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পৌঁছয় ২২ ডিগ্রিতে।রবিবার থেকেই মৌসম ভবন পূর্বাভাস দিয়েছিল, দিল্লি-সহ উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে আগামী কয়েক দিন ঘন কুয়াশা থাকবে। হিমাচল প্রদেশ, পঞ্জাব, হরিয়ানা, চণ্ডীগড় এবং উত্তরপ্রদেশে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কুয়াশার দাপট চলবে বলে জানানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সকালবেলায় অপ্রয়োজনে বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। গাড়ি চালানোর সময় ফগ লাইট ব্যবহার এবং অত্যন্ত সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।কুয়াশার প্রভাব পড়েছে রেল পরিষেবাতেও। সকাল থেকেই শতাধিক ট্রেন নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে চলছে। রবিবার সন্ধ্যা থেকেই নয়ডা ঘন কুয়াশায় ঢেকে যায়। দৃশ্যমানতা মারাত্মকভাবে কমে যাওয়ায় এবং তীব্র ঠান্ডার কারণে জেলা প্রশাসন ২৯ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত সমস্ত স্কুলে ছুটি ঘোষণা করেছে।এদিকে কুয়াশার সঙ্গে সঙ্গে লাফিয়ে বেড়েছে দূষণের মাত্রাও। কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের রিপোর্ট অনুযায়ী, দিল্লির গড় একিউআই ৪০৩। আনন্দ বিহারে একিউআই পৌঁছেছে ৪৫৯, যা সবচেয়ে খারাপ। ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একিউআই ছিল ৩১৭, আইআইটি দিল্লিতে ৩৬২, লোধি রোডে ৩৫৯ এবং চাঁদনী চকে ৪২৩। দূষণ ও কুয়াশার এই জোড়া আঘাতে দিল্লিতে শ্বাস নেওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫
দেশ

দিল্লিতে কুয়াশা ও দূষণের তাণ্ডব, জারি করা হল হলুদ সতর্কতা

দিল্লিতে কুয়াশা ও দূষণের জেরে স্বাভাবিক জীবন আজও ব্যাহত। মৌসম ভবনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী দিনগুলোতেও আকাশ কুয়াশাচ্ছন্ন থাকবে। ২৮ ও ২৯ ডিসেম্বর ঘন কুয়াশা দেখা যাবে, তবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে তা কমতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।শুক্রবার সকালেই দিল্লির বাতাসের সামগ্রিক গুণমান সূচক (AQI) ৩৩২-তে পৌঁছেছে, যা নির্দেশ করে রাজধানীর বাতাস প্রায় ভয়াবহ পর্যায়ে। সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি দেখা গেছে নরেলা ও জাহাঙ্গীরপুরী (৪১৭), নেহরুনগর (৪০২), মুন্ডকা (৩৭৫), জেএলএন স্টেডিয়াম (৩৪০), আইজিআই বিমানবন্দর ও দ্বারকা সেক্টরে (২৪৮)।ধোঁয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা অনেকাংশে কমে গেছে, জনজীবনও ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে। শিশু ও প্রবীণদের জন্য বাতাস বিশেষভাবে ক্ষতিকারক হয়েছে, অনেকেই চোখজ্বালা ও ক্রমাগত কাশির সমস্যায় ভুগছেন।দূষণ মোকাবিলার জন্য দিল্লিতে সর্বোচ্চ স্তরের নিয়ন্ত্রণবিধি জারি রয়েছে। প্রশাসন জল স্প্রে করে দূষণ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। এছাড়া, ক্লাউড সিডিং-এর তিনটি ট্রায়াল ব্যর্থ হয়েছে, যার ফলে প্রায় ১.০৭ কোটি টাকা খরচ হয়েছে, কিন্তু দূষণ কমানো সম্ভব হয়নি।শনিবারও দিল্লি ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা। মৌসম ভবন হলুদ সতর্কতা জারি করেছে রবিবার ও সোমবারের জন্য। ভোরের সময় দৃশ্যমানতা কম থাকার কারণে ট্রেন ও বিমান চলাচলে সমস্যা দেখা দিতে পারে। যাত্রীদের বিমান ছাড়ার আগে সময় দেখে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫
কলকাতা

বড় চমক কলকাতা মেট্রোর! এবার বিমানবন্দর থেকে সরাসরি দক্ষিণ কলকাতা

নতুন বছর শুরুর আগেই কলকাতার যাত্রীদের জন্য বড় সুখবর দিল কলকাতা মেট্রো। আগামী ১৫ ডিসেম্বর থেকে শহরের জয় হিন্দ বিমানবন্দর স্টেশন থেকে সরাসরি দক্ষিণ কলকাতার শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা চালু হচ্ছে। প্রাথমিক ভাবে পরীক্ষামূলক ভাবে এই পরিষেবা শুরু করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে মেট্রো কর্তৃপক্ষ।মেট্রো সূত্রে জানা গিয়েছে, সোম থেকে শুক্রবার পর্যন্ত প্রতিদিন দুটি করে সরাসরি ট্রেন চলবে। একটি ট্রেন চলবে সকালবেলার ব্যস্ত সময়ে এবং অন্যটি চলবে রাতে। এই পরিষেবা চালু হলে বিমানবন্দরে নামা যাত্রীদের আর নোয়াপাড়া স্টেশনে ট্রেন বদলাতে হবে না। ফলে যাত্রা হবে অনেকটাই স্বচ্ছন্দ এবং সময়ও বাঁচবে।এতদিন বিমানবন্দর থেকে এসপ্ল্যানেড, কালীঘাট, মহানায়ক উত্তম কুমার কিংবা শহিদ ক্ষুদিরামের দিকে যেতে হলে নোয়াপাড়ায় ট্রেন বদল করা ছিল বাধ্যতামূলক। এতে যাত্রীদের ভোগান্তি হত। নতুন এই পরিষেবায় সেই সমস্যা অনেকটাই কমবে বলে মনে করছে মেট্রো রেলওয়ে।সূচি অনুযায়ী, প্রথম সরাসরি মেট্রো ট্রেনটি সকাল ৯টা ৩৬ মিনিটে জয় হিন্দ বিমানবন্দর স্টেশন থেকে ছাড়বে। দ্বিতীয় ট্রেনটি ছাড়বে রাত ৯টায়। দুটি ট্রেনই নোয়াপাড়া হয়ে শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত যাবে। তবে মাঝপথে যাত্রীদের কোথাও ট্রেন পরিবর্তন করতে হবে না।মেট্রো কর্তৃপক্ষের আশা, এই পরীক্ষামূলক পরিষেবার মাধ্যমে বিমানবন্দর থেকে দক্ষিণ কলকাতা এবং শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ আরও উন্নত হবে। যাত্রীদের চাহিদা এবং পরিষেবার সাফল্য বিচার করে ভবিষ্যতে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে মেট্রো রেলওয়ে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫
কলকাতা

কলকাতায় কি তবে দিল্লির থেকেও ভয়ানক ‘গ্যাস চেম্বার’? রাতে AQI অস্বাভাবিক মাত্রায়

বায়ু দূষণের কথা উঠলেই সাধারণত প্রথমে লক্ষ্য থাকে দিল্লির দিকে। কিন্তু এবার সেই দিল্লিকেও পেছনে ফেলে দিল কলকাতা। শহরের ফুসফুস বলে পরিচিত ময়দান এলাকার বাতাস মঙ্গলবার রাতে এতটাই দূষিত হয়েছিল যে একিউআই-এর হিসাবে দিল্লিকেও ছাড়িয়ে যায়।মঙ্গলবার রাত আটটা নাগাদ ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের আশপাশে AQI ধরা পড়ে ৩৪২। যা স্বাভাবিক মাত্রার বহু গুণ বেশি। একই সময়ে দিল্লির AQI ছিল ২৯৯। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছেকলকাতায় এমন ভয়ানক দূষণ হঠাৎ কীভাবে?পরিবেশ প্রযুক্তিবিদ সোমেন্দ্রমোহন ঘোষ স্পষ্ট ভাষায় বলেন, এটা পুরোপুরি আমাদের গাফিলতি। দিল্লির ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া হয়নি। তাঁর অভিযোগ, ময়দান চত্বরে যেভাবে নির্মাণকাজ চলছে, বিশেষ করে মেট্রোর কাজ, সেখানে ধুলো নিয়ন্ত্রণের নিয়ম মানা হচ্ছে না। কাজ ঢেকে রাখা হয়নি, ধুলো উড়লে জল ছেটানোর ব্যবস্থাও নেই। তাঁর দাবি, এটা রাজ্য সরকারের নজরে রাখা উচিত ছিল।এছাড়াও মা ফ্লাইওভারের উপর দিয়ে পুরনো ডিজেল গাড়ির চলাচল নিয়ন্ত্রণ না করার অভিযোগও তোলেন তিনি। তাঁর মতে, এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রও দায় এড়াতে পারে না। তিনি আরও বলেন, শীতকালে দূষণ বাড়ে ঠিকই, কিন্তু এতটা বেড়ে দিল্লিকেও ছাড়িয়ে যাবেএটা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা উল্লেখ করে সোমেন্দ্রমোহন জানান, ১৫ মাইক্রোগ্রাম প্রতি ঘনমিটার দূষণকেই বিপজ্জনক বলা হয়। সেখানে ভারতের মানদণ্ড ৬০ মাইক্রোগ্রাম, যা নিজেদের মধ্যেই অনেক বেশি। আর ময়দানে তার চেয়েও বহু গুণ বেশি মাত্রা ধরা পড়েছে। তাঁর কথায়, ওই এলাকায় মানুষের যাওয়া কমানো উচিত। বিশেষ করে বাচ্চা ও বয়স্কদের দূরে থাকতে হবে। ধুলিকণা ফুসফুসে গিয়ে হার্টের ক্ষতি করতে পারে।পরিবেশবিদদের মতে, যদি ময়দানেই এমন অবস্থা, তাহলে কলকাতার ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলোর দূষণ পরিস্থিতি আরও ভয়ানক হতে পারে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
দেশ

নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাতের পর বড় ঘোষণা, ভারতেই হবে এশিয়ার সর্ববৃহৎ এআই বিনিয়োগ

মাইক্রোসফট আগামী চার বছরে ভারতে ১৭.৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করতে চলেছে। সংস্থার সিইও সত্য নাদেলা এক্স হ্যান্ডেলে জানিয়েছেন, এই বিনিয়োগের লক্ষ্য হলো ভারতের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) বাজারকে শক্তিশালী করা এবং দেশের এআই-ফার্স্ট ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো ও দক্ষতা তৈরি করা।নাদেলা জানিয়েছেন, এই বিনিয়োগ চলতি বছরের শুরুতে ঘোষিত ৩ বিলিয়ন ডলারের উপর ভিত্তি করে করা হচ্ছে। ২০২৬ সালের শেষের দিকে প্রকল্পের কাজ জোর কদমে শুরু হবে।মাইক্রোসফটের এই ঘোষণা তারই আগে এসেছে, যখন নাদেলা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীও সোশাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রে বিশ্ব ভারতকে শ্রদ্ধার চোখে দেখে। তিনি বলেন, মাইক্রোসফটের এই বিনিয়োগ ভারতের তরুণদের জন্য বড় সুযোগ এবং উদ্ভাবনের মাধ্যমে তারা পৃথিবীকে আরও উন্নত করতে পারবে।Thank you, PM @narendramodi ji, for an inspiring conversation on Indias AI opportunity. To support the countrys ambitions, Microsoft is committing US$17.5Bour largest investment ever in Asiato help build the infrastructure, skills, and sovereign capabilities needed for pic.twitter.com/NdFEpWzoyZ Satya Nadella (@satyanadella) December 9, 2025ভারতে মাইক্রোসফটের এই ১৭.৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১.৫ লক্ষ কোটি টাকা। এটি এশিয়ায় সংস্থার সর্ববৃহৎ বিনিয়োগ হিসেবে ধরা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
বিদেশ

বিমানবন্দরের মাথার ওপর ঘোরাফেরা ড্রোন, মুহূর্তে বন্ধ সব ফ্লাইট! তদন্তে সেনা-পুলিশ

নেদারল্যান্ডসের আইন্দহোভেন বিমানবন্দরে হঠাৎ করেই দেখা মিলল একাধিক ড্রোনের। আর সেই দৃশ্য চোখে পড়ে যেতেই মুহূর্তে থমকে গেল বিমানবন্দরের সম্পূর্ণ বিমান চলাচল। শনিবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ নেদারল্যান্ডসের ব্যস্ত এই বিমানবন্দরে ড্রোন দেখা যাওয়ার পরেই চরম সতর্কতা জারি করা হয়। পরিস্থিতি যে কতটা গুরুতর ছিল, তা বোঝা যায় ডাচ প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রুবেন ব্রেকেলমান্সের বিবৃতি থেকে। তিনি এক্স-এ জানান, ডিফেন্স কাউন্টার-ড্রোন ইউনিট, পুলিশ এবং সামরিক বাহিনী ইতিমধ্যেই এলাকায় মোতায়েন হয়েছে এবং যে কোনও মুহূর্তে হস্তক্ষেপের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।আইন্দহোভেন বিমানবন্দরটি সাধারণ যাত্রীবাহী বিমান ছাড়াও সামরিক উড়ানের কেন্দ্র হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। সেই কারণেই ড্রোনের উপস্থিতিকে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, ঠিক কোথা থেকে এবং কী উদ্দেশ্যে ড্রোনগুলি উড়ছিল। তার আগে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বিমান ওঠানামা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়।এর আগের দিনও একই ধরনের ড্রোন দেখা গিয়েছিল ভলকেল এয়ারবেসের আকাশে। সেই সময় ডাচ সেনা সরাসরি গুলি চালিয়ে ড্রোন নামানোর চেষ্টা করে। ফলে টানা দুই দিন ধরে ড্রোন দেখা যাওয়ায় বিষয়টি আরও রহস্যজনক হয়ে উঠেছে। শুধু নেদারল্যান্ডস নয়, সাম্প্রতিক সপ্তাহে ইউরোপের আরও বেশ কয়েকটি দেশে বিমান চলাচলে ড্রোনের কারণে বিঘ্ন ঘটে। ডেনমার্ক, নরওয়েসহ একাধিক দেশের বিমানবন্দরেও এমন ঘটনা ন্যাটোকে নতুন করে চিন্তায় ফেলেছে।এটিই প্রথম নয়। এ বছরের সেপ্টেম্বরেই পোল্যান্ড ও রোমানিয়ার আকাশে রুশ ড্রোন আটক করা হয়েছিল। এমনকি তিনটি রুশ যুদ্ধবিমান এস্তোনিয়ার আকাশসীমায় প্রবেশ করায় ন্যাটোর সতর্কবার্তা আরও জোরালো হয়। ফলে আইন্দহোভেনের এই ঘটনা সেই আশঙ্কাকে আরও ঘনীভূত করছে।যদিও ড্রোন দেখা গেলেই বিমানবন্দর বন্ধ করতে হয়, এমন কোনও বাধ্যবাধকতা নেই। তবে আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী, ড্রোন দেখা গেলে বিমান ওঠা-নামা সাময়িক বন্ধ রেখে পরিস্থিতি যাচাই করা হয়, যাতে কোনও সম্ভাব্য সংঘর্ষ এড়ানো যায়। ফলে যাত্রীদের ভোগান্তি হলেও, সুরক্ষার স্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত নেয় সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।এখন তদন্তের মূল লক্ষ্যএই ড্রোনগুলি কি শুধুই সাধারণ ব্যক্তি বা গ্রুপের অপকর্ম, নাকি এর পেছনে রয়েছে আন্তর্জাতিক গুপ্তচরবৃত্তি বা নাশকতার বড় কোনও চক্র? ডাচ প্রশাসন ও সেনা এখন সেই সম্ভাবনাই সব দিক থেকে খতিয়ে দেখছে।

নভেম্বর ২৩, ২০২৫
রাজ্য

১৯৪৭-এ এক টাকায় মিলত সপ্তাহের বাজার, সোনার দাম কত ছিল জানেন?

১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছিল ভারত। তখন এক টাকার মূল্য ছিল অপরিসীমযা দিয়ে মিলত সপ্তাহের বাজার। ১ টাকা দিয়ে ১-২ কেজি গম, হাফ কেজি ঘি বা এক সপ্তাহের শাকসবজি কিনে নেওয়া যেত অনায়াসে। চাল ছিল ১২ পয়সা, ময়দা ১০ পয়সা, ডাল ২০ পয়সা ও চিনি ৪০ পয়সা প্রতি কেজি। ঘি মিলত ৭৫ পয়সায়।সেই সময় একটি সাইকেলের দাম ছিল মাত্র ২০ টাকা, যা এখন প্রায় ১০-১২ হাজার টাকা। সোনা ছিল আরও সস্তা১৯৪৭ সালে ১০ গ্রাম সোনার দাম ছিল ৮৮.৬২ টাকা, যা এখন এক লক্ষ টাকারও বেশি। পেট্রোলের দাম ছিল মাত্র ২৭ পয়সা, আর আজ তা প্রায় ১০৫ টাকা।তৎকালীন দিল্লি-মুম্বই বিমান ভাড়া ছিল ১৪০ টাকা এবং একমাত্র এয়ার ইন্ডিয়াই বিমান পরিষেবা দিত। গত ৭৯ বছরে পণ্য ও পরিষেবার দাম আকাশছোঁয়া হলেও সেই সময়ের এক টাকার কেনাকাটার স্মৃতি আজও বিস্ময় জাগায়।

আগস্ট ১৫, ২০২৫
দেশ

দিল্লি Aiims এ ভয়াবহ আগুন! তুমুল চাঞ্চল্য হুলস্থূল কান্ড

রাজধানীর অল ইন্ডিয়া ইন্সটিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস (AIIMS)এর মাদার অ্যান্ড চাইল্ড ব্লক এবং ট্রমা সেন্টারের নিকটবর্তী ট্রান্সফরমার-এ বৃহস্পতিবার দুপুরে দুই দফা অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ছড়িয়ে পড়ে চূড়ান্ত চাঞ্চল্য। তবে দমকলের দ্রুত পদক্ষেপে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয় এবং যদিও এদিনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর মেলেনি।প্রথম ঘটনাটি ঘটে মাদার অ্যান্ড চাইল্ড ব্লকএ। বিকেল প্রায় ৫টা ১৫ মিনিট নাগাদ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দমকলের একাধিক ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। হাসপাতালের কর্মীরা দমকলকর্মীদের সঙ্গে মিলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। এর আগে দুপুর প্রায় ৩টে ৩৪ মিনিটে ট্রমা সেন্টারের কাছে থাকা ট্রান্সফরমারএ আগুন লাগে। দিল্লি ফায়ার সার্ভিস (DFS) সূত্রে জানা যায়, ঘটনাস্থলে মোট আটটি দমকল ইঞ্জিন পাঠানো হয়। দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এই ঘটনাতেও কোন হতাহতের খবর নেই।দমকল বিভাগের এক আধিকারিক জানান, ট্রমা সেন্টারের ট্রান্সফরমারে আগুন লাগে। আমরা খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।

আগস্ট ১৪, ২০২৫
দেশ

আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনা: শিশুদের শনাক্ত করতে বড় সমস্যা, এখনও হস্তান্তর ১৫৯ দেহ

সুরাটের নানাবাওয়া পরিবার ৩৬ বছর বয়সী আকিল এবং ৩১ বছর বয়সী স্ত্রী হান্না ভোরাজির নামাজ-এ-জানাজা (জানাজা) সম্পন্ন হয়। বুধবার ভোরে ফোন করে জানায় যে বোয়িং ড্রিমলাইনার দুর্ঘটনায় তাদের সাথে মারা যাওয়া তাদের মেয়ে সারার মৃতদেহ শনাক্ত করা হয়েছে। আত্মীয়স্বজনরা চার বছর বয়সী মেয়ের দেহাবশেষ দাবি করতে আহমেদাবাদে ছুটে যান। যাতে তাকে তার বাবা-মায়ের পাশে দাফন করা যায়।আহমেদাবাদ-লন্ডন AI-171 বিমান দুর্ঘটনার প্রায় এক সপ্তাহ পর, সারার সন্ধানে দেখা যাচ্ছে যে পুড়ে যাওয়া দেহাবশেষের মধ্যে নাবালকদের শনাক্ত করা কতটা কঠিন। বুধবার পর্যন্ত, ডিএনএ ম্যাচিং এবং শনাক্তকরণের পরে ১৫৯টি মৃতদেহ আত্মীয়দের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সারা ছাড়াও, এই মৃতদেহগুলির মধ্যে কেবল একজন নাবালিকা ছিল ফাতিমা শেঠওয়ালা, যার বয়স ১৮ মাস।বিমান সংস্থার তালিকা অনুসারে, AI-171-এ ১২ বছরের কম বয়সী ১৩টি শিশু ছিল, যার মধ্যে তিনজন এখনও ২ বছর পূর্ণ করেনি। আরও বেশ কয়েকজনের বয়স ১১ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে।এই ধরনের দুর্যোগে অপ্রাপ্তবয়স্কদের শনাক্ত করার জন্য ডিএনএ প্রযুক্তি ব্যবহারে অসুবিধা ব্যাখ্যা করে গুজরাটের সরকারি ডেন্টাল কলেজের ফরেনসিক দন্ত বিশেষজ্ঞ ডঃ জয়শঙ্কর পিল্লাই বলেন, শিশুদের শরীরের ভর কম থাকে এবং তাই টিস্যুর ক্ষতি হয় এবং লম্বা হাড় তাপের সংস্পর্শে আসে। তবে দাঁত বেশি শক্তিশালী হওয়ায় তাপ সহ্য করতে পারে।তবে অপ্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে এটিও জটিল। শিশুদের যে কোনও দাঁত থেকে ডিএনএ বের করা যেতে পারে, কিন্তু আগুন লাগার সময় সামনের দাঁত ব্যবহার করা যায় না কারণ তাপ তাদের নষ্ট করে দেয়। তাই আমরা মোলার থেকে ডিএনএ নিই। ছয় বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে, আমরা স্থায়ী মোলার পেতে পারি না... তাদের বেশিরভাগই দুধের দাঁত থাকে, এবং কখনও কখনও সেগুলিও নষ্ট হয়ে যায়। কারণ খিলানটি খুব ছোট। তাই আমরা চোয়ালে একটি ছেদ তৈরি করি এবং ভিতরে স্থায়ী মোলার তৈরি করার চেষ্টা করি, পিল্লাই বলেন, যার বিভাগের সাথে ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগ দাঁতের ডিএনএ বের করতে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের দাঁতের চার্ট তৈরি করতে সাহায্য করার জন্য যোগাযোগ করেছিল।একজন ফরেনসিক কর্মকর্তা বলেছেন যে দুর্ঘটনার পরে যে আগুন লেগেছিল তা খুব অল্প সময়ের মধ্যে ১৬০০ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি তাপমাত্রায় পৌঁছেছিল। সুতরাং, কিছু ব্যক্তির জন্য কেবলমাত্র আংশিক ডিএনএ প্রোফাইল পাওয়া যায়, যাদের আমরা সন্দেহ করি যে তারা নাবালক, কর্মকর্তা বলেন, আরও বলেন যে আত্মীয়দের সাথে নিঃসন্দেহে নির্ভুলতার সাথে মেলানো কঠিন।আকিলের বাবা আবদুল্লাহ স্মরণ করিয়ে দেন যে তিনজন ৬ জুন, ঈদুল আযহার একদিন আগে, এক আকস্মিক পরিদর্শনে এসেছিলেন। এটা একটা ছোট ভ্রমণ ছিল। আমরা জানতাম না যে এটাই তাদের শেষ হবে, কাঁদতে কাঁদতে আবদুল্লাহ বলেন, যিনি বিমানে পরিবারকে নামিয়ে দিতে আহমেদাবাদ গিয়েছিলেন।ভদোদরায়, আসিফ শেঠওয়ালা তার নাতনি ফাতিমার জন্য শোক প্রকাশ করেছেন। যার দেহাবশেষ বুধবার শনাক্ত করা হয়েছে, যখন তার মা সাদিকার মৃতদেহ এখনও পাওয়া যায়নি। আসিফ বলেন, ফাতিমা তার লন্ডন-ভিত্তিক ছেলের একমাত্র সন্তান। সাদিকা এবং ফাতিমা আমার ছোট ছেলের বিয়েতে বেড়াতে এসেছিলেন। তারা প্রায় ২০ দিন ধরে এখানে ছিলেন এবং তাদের ফেরার টিকিট অনেক আগেই বুক করা হয়েছিল।ডিএনএ সরবরাহ করার পাশাপাশি, দাঁতের দেহাবশেষ একজন ব্যক্তির আনুমানিক বয়স নির্ধারণেও সাহায্য করে। যা শনাক্তকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সূত্র প্রদান করে। আহমেদাবাদ দুর্ঘটনায় এটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় প্রাপ্তবয়স্কদের জন্যও, বিস্ফোরণ এবং আগুনের ফলে উদ্ধার করা বেশিরভাগ ডিএনএ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল।ডঃ পিল্লাই বলেন, ফরেনসিক ওডন্টোলজি বিভাগ এক থেকে ছয় বছর বয়সী বেশ কয়েকজন প্রাপ্তবয়স্ক যাত্রীর দাঁতের ডিএনএ সংগ্রহ করেছে অথবা ডেন্টাল চার্টিং করেছে এবং অন্তত কিছু ভুক্তভোগীর বয়স মূল্যায়ন করেছে। এরপর এই বয়সের যাত্রীদের জন্য ফ্লাইট ম্যানিফেস্টের সাথে তুলনা করা হয়েছে। কিছু শিশুর ক্ষেত্রে, আমরা দ্বিতীয় মোলার বিকশিত হতে দেখেছি, যা স্পষ্ট করে দিয়েছিল যে তারা তিন থেকে ছয় বছর বয়সী। এটি অনুসন্ধানকে সংকুচিত করতে সাহায্য করেছে। তারপর তাদের ডিএনএ নমুনা তাদের আত্মীয়দের সাথে মেলানো যেতে পারে।যারা খবরের জন্য অপেক্ষা করছেন তাদের মধ্যে রয়েছে ভদোদরার ভাহোরা পরিবার। তারা দুর্ঘটনায় তিন সদস্যকে হারিয়েছে। সোমবার ইয়াসমিনের মৃতদেহ হস্তান্তর করা হলেও, পারভেজ এবং তার ৪ বছর বয়সী মেয়ে জুভেরিয়ার দেহাবশেষ এখনও পাওয়া যায়নি। প্রাক্তন আইপিএস অফিসার এবং ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ, ডঃ কেশব কুমার বলেছেন, পরিবারগুলির আশা হারানো উচিত নয়। বিমান দুর্ঘটনাটি প্রায় বোমা বিস্ফোরণের মতো ছিল। যেখানে ৫৪,০০০ লিটার বিমান জ্বালানি এক ঘন্টারও বেশি সময় ধরে জ্বলছিল। উৎপন্ন তাপের পরিমাণ শরীরের জন্য ক্ষতিকর। আমরা ভাগ্যবান হব যদি ভালো নমুনা পাওয়া যায়। কিন্তু যদি একটি দাঁতও পাওয়া যায়, তাহলে ডিএনএ পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। ফরেনসিক পরীক্ষা খড়ের গাদায় সূঁচ পাওয়ার মতো। কিন্তু একজন তদন্তকারী হিসেবে, আমি বলতে পারি যে ম্যাচ পাওয়ার সম্ভাবনা ১০০%। ডিএনএ হাজার হাজার বছর টিকে থাকতে পারে এবং প্রয়োজনে ধ্বংসাবশেষে ডিএনএর আরও চিহ্ন থাকবে। গুজরাট পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন যে তারা দুর্ঘটনাস্থল থেকে একাধিক নমুনা সংগ্রহ নিশ্চিত করেছেন।

জুন ১৯, ২০২৫
দেশ

ভয়াবহ মর্মান্তিক প্লেন দুর্ঘটনা আহমেদাবাদে, ২৪২ জনের প্রান সংশয়ের আশঙ্কা

আহমেদাবাদে ঘটে গেল এক ভয়ঙ্কর বিমান দুর্ঘটনা। বৃহস্পতিবার দুপুরে লন্ডনের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিমানটি (ফ্লাইট নম্বর AI171) ওড়ার মাত্র ৯ মিনিট পরই ভেঙে পড়ে। ঘটনাস্থল ছিল আহমেদাবাদ বিমানবন্দরের কাছেই। মেডিক্যাল কলেজ হস্টেলের ওপর বিমানটি। ওই বিমানে মোট ২৪২ জন যাত্রী ছিলেন। তাদের মধ্যে অনেকের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। যদিও নির্দিষ্ট সংখ্যা এখনও জানা যায়নি। দুর্ঘটনাটিকে ভয়ানক বলে সম্বোধন করেছে বিমান পরিবহনমন্ত্রী রাম মোহন নাইডু। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ ও বিমান পরিবহনমন্ত্রীকে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে এই ঘটনার পুরো পর্যবেক্ষণ করার নির্দেশ দিয়েছেন। আপাতত আহমেদাবাদ বিমানবন্দরের সব ধরনের উড়ান স্থগিত রাখা হয়েছে এবং এয়ার ইন্ডিয়া ও তদন্তকারী সংস্থাগুলি এই দুর্ঘটনার পূর্ণ তদন্ত শুরু করেছে।

জুন ১২, ২০২৫
রাজ্য

বাগডোগরায় রানওয়ে ছাড়িয়ে ঘাসজমিতে ঢুকে গেল বায়ুসেনার বিমান, জখম চালক ও ক্রু

গতকাল বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বাগডোগরা বিমানবন্দরে দুর্ঘটনার কবলে পড়ল বায়ুসেনার বিমান। পাক ১১টা ৫৮মিনিট নাগাদ বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে বিমানবন্দর চত্বর। ছুটোছুটি শুরু হয়ে যায় বায়ুসেনা, অ্যাম্বুল্যান্স ও দমকলকর্মীদের। জানা যায়, দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে বায়ুসেনার এএন-৩২ বিমান। বায়ুসেনার উদ্ধারকারী দল, দমকলকর্মীরা মিলে দূর্ঘটনাগ্রস্ত বিমান থেকে চালক সহ ৬ জনকে উদ্ধার করে। আহতদের একজন চালক এবং একজন ক্রু রয়েছেন। এদের ব্যাংডুবি সামরিক বিভাগের বেস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিষয়টি নিয়ে বায়ুসেনা কর্তৃপক্ষ মুখে কুলুপ এঁটেছে। দুর্ঘটনার কারণ জানতে ভারতীয় বায়ুসেনা তড়িঘড়ি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। বায়ুসেনা এবং পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত ১১ টা ৫৮ মিনিটে এএন-৩২ বিমানটি বাগডোগরা বিমানবন্দরের রানওয়েতে নামার সময় নিয়ন্ত্রন হারিয়ে রানওয়ে ছেড়ে প্রায় ঘাসজমির মধ্যে ২২০ ফুট ঢুকে যায়। সঙ্গে সঙ্গে বিকট শব্দ ও ধুলো উড়তে দেখা যায়। দুর্ঘটনাস্থলের কাছেই বিমানবাহিনীর ডিভিওআর রয়েছে। খবর পাওয়া মাত্রই বায়ুসেনার দমকল, অ্যাম্বুল্যান্স, মেডিকেল টিম, উদ্ধারকারী দল, বায়ুসেনার আধিকারিকরা পৌঁছে যান। বিমানের পাইলট, কো পাইলট ও ৪ জন ক্রু সহ মোট ৬ জন ছিলেন। আহত হয়েছেন একজন পাইলট ও একজন ক্রু। তাঁরা সামরিক হাসপাতালে ভর্তি থাকলেও আঘাত গুরুতর নয় বলেই জানা গিয়েছে। তবে রানওয়েতে দুর্ঘটনা ঘটলেও বাগডোগরা বিমানবন্দরে যাত্রীবাহী বিমান চলাচল করতে কোনও সমস্যা হয়নি। শুক্রবার সব বিমানই স্বাভাবিক ভাবে চলাচল করেছে। অন্যদিকে শুক্রবার হরিয়ানার পঞ্চকুলায় ভেঙে পড়ে ভারতীয় বায়ুসেনার একটি যুদ্ধবিমান। দৈনন্দিন প্রশিক্ষণের সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে। যুদ্ধবিমান থেকে নিরাপদে বেরিয়ে আসতে পেরেছেন চালক।

মার্চ ০৮, ২০২৫
রাজ্য

কলকাতা বিমানবন্দরের কাছ থেকে টন টন বেআইনি শব্দবাজি উদ্ধার, বিরাট চাঞ্চল্য

কলকাতা বিমানবন্দর থানার পুলিশ বিমাবন্দরের এক নম্বর গেট থেকে প্রায় ৩০-৩৫ টন নিষিদ্ধ শব্দবাজি বাজেয়াপ্ত করেছে। গোপন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ এক নম্বর গেট এলাকা থেকে একটি লরি আটক করে। ওই লরি তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ শব্দবাজি বাজেয়াপ্ত করা হয়। লরির চালক জহিরুল হককে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, লরিটি বারুইপুরের চম্পাহাটি থেকে আসছিল এবং বেলঘড়িয়া এক্সপ্রেসওয়ে ধরে আসামের দিকে যাচ্ছিল। লরির চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গেছে যে এই বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ শব্দবাজি আসামের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। ধৃত লরিচালককে আজ ব্যারাকপুর আদালতে পেশ করা হয়।

মার্চ ০৭, ২০২৫
কলকাতা

মেট্রোপথে জুড়তে চলেছে কলকাতা বিমানবন্দর, নোয়াপাড়া থেকে ঘুরে গেল ট্রায়াল মেট্রো

মেট্রো যাত্রীদের জন্য আরও একটি সুখবর। মেট্রোতে কলকাতার নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন আরও জোরালো হল। কারণ, নোয়াপাড়া-জয় হিন্দ বিমানবন্দর লাইনের (৭.০৪ কিমি) ইউপি এবং ডিএন উভয় লাইনেই প্রথম পূর্ণাঙ্গ ট্রায়াল রান সফলভাবে পরিচালিত হয়েছে। ৭৬তম প্রজাতন্ত্র দিবসের ঠিক আগে, আজ, শুক্রবার নোয়াপাড়া থেকে এই ট্রায়াল রান শুরু হয়েছিল। রেক নং এমআর ৪০৮ দিয়ে মেট্রো কর্মী, কর্মকর্তা এবং কৌতূহলী দর্শকরা তাদের সামনে ইতিহাস তৈরি হতে দেখেছেন।এই ট্রায়াল রানের সময় মেট্রো রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজার পি উদয় কুমার রেড্ডি, অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। পুরো ট্রায়াল রানের সময় মোটরম্যানের ক্যাবে শ্রী রেড্ডি উপস্থিত ছিলেন। জয় হিন্দ বিমান বন্দর মেট্রো স্টেশনে যাওয়ার পথে, রেকটি দম দম ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে থামে এবং জেনারেল ম্যানেজার এই স্টেশনটি পরিদর্শন করেন।ট্রায়াল রেকটি শেষ পর্যন্ত ১২:৩১ মিনিটে জয় হিন্দ বিমান বন্দর মেট্রো স্টেশনে পৌঁছায়। মেট্রো কর্মকর্তা এবং সেখানে উপস্থিত কর্মীরা রেকটিকে স্বাগত জানালে। জয় হিন্দ বিমান বন্দর মেট্রো স্টেশনটিও পরিদর্শন করেন এবং মেট্রোর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাকে এই স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম এবং কনকোর্স স্তরে উপলব্ধ বিভিন্ন যাত্রী সুবিধা স্থাপনের কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন। এই প্রান্তে প্রথম ট্রায়াল রান সম্পন্ন হওয়ার জন্য জেনারেল ম্যানেজার সকলকে অভিনন্দন জানান।পরিদর্শন সম্পন্ন করার পর, জয় হিন্দ বিমান বন্দর মেট্রো স্টেশনের উর্ধ্বতন মেট্রো কর্মকর্তাদের সাথে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমস্ত মুলতুবি কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন। ফিরতি যাত্রার সময়, রেকটি জয় হিন্দ মেট্রো স্টেশন থেকে দুপুর ১:৫৭ মিনিটে যাত্রা শুরু হয়েছিল এবং দুপুর ২:২১ মিনিটে নোয়াপাড়া মেট্রো স্টেশনে পৌঁছায়। জেনারেল ম্যানেজার এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এই স্টেশনটি চালু হলে কলকাতা এবং শহরতলির মানুষকে বিমানবন্দরে পৌঁছানোর জন্য একটি আধুনিক পরিবহন ব্যবস্থা প্রদানের ক্ষেত্রে একটি বিপ্লবী পদক্ষেপ হবে।ইয়েলো লাইনের নোয়াপাড়া এবং জয় হিন্দ বিমান বন্দরের মধ্যে অবস্থিত এই স্টেশনের প্রধান বৈশিষ্ট্য:-১. মোট স্টেশনের সংখ্যা-৪টি (নোয়াপাড়া, দম দম ক্যান্টনমেন্ট, যশোর রোড, জয় হিন্দ বিমান বন্দর)।২. জয় হিন্দ বিমান বন্দর এশিয়ার বৃহত্তম ভূগর্ভস্থ মেট্রো স্টেশনগুলির মধ্যে একটি হতে চলেছে।৩. জয় হিন্দ বিমান বন্দর স্টেশনটি অরেঞ্জ লাইন এবং ইয়েলো লাইনের সংযোগকারী স্টেশন হবে।৪. জয় হিন্দ বিমান বন্দর স্টেশনে ১৮০ মিটার দৈর্ঘ্যের ৫টি প্ল্যাটফর্ম থাকবে।৫. জয় হিন্দ বিমান বন্দর স্টেশনের কনকোর্স এলাকা ১৪৬৪৫ বর্গমিটার।৬. জয় হিন্দ বিমান বন্দর স্টেশনে প্ল্যাটফর্ম স্তর এবং কনকোর্স স্তরের মধ্যে ৬টি সিঁড়ি, ১২টি এসকেলেটর এবং ৬টি লিফট থাকবে।৭. একটি সাবওয়ে (দৈর্ঘ্য ৩৩০ মিটার এবং প্রস্থ ১০.৫ মিটার) যশোর রোডকে জয় হিন্দ বিমান বন্দর স্টেশনের সঙ্গে সংযুক্ত করবে। এই সাবওয়েতে ২ নম্বর প্রবেশ-প্রস্থান পথ রয়েছে যা কনকোর্স অবৈতনিক এলাকাটিকে বারাসত পার্শ্বের দিকে, ২.৫ নম্বর বিমানবন্দর গেট (যশোর রোড হাইওয়ের কাছে) সংযুক্ত করবে।৮. এই সাবওয়েতে ৩টি এসকেলেটর, ২টি লিফট এবং ২টি সিঁড়ি থাকবে।৯. আরেকটি সাবওয়ে (দৈর্ঘ্য ২৭০ মিটার এবং প্রস্থ ১৩ মিটার) বিমানবন্দরকে জয় হিন্দ বিমান বন্দরের সঙ্গে সংযুক্ত করবে। এই সাবওয়েতে ৩ নম্বর রয়েছে। প্রবেশ-প্রস্থানের ব্যবস্থা থাকবে যা NSCBI বিমানবন্দর (বিমানবন্দরের আগমন গেট নং ১) দিয়ে আসা যাত্রীদের এবং পার্কিং এলাকা থেকে আসা যাত্রীদের জন্য সুবিধা প্রদান করবে।১০. এই সাবওয়েতে ৪টি লিফট, ৬টি এসকেলেটর এবং ৩টি সিঁড়ি থাকবে।১১, এই সাবওয়েতে যাত্রীদের সুবিধার্থে ৯০ মিটার দৈর্ঘ্যের ট্রাভেলেটর থাকবে।১২. যশোর রোড এবং দমদম ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনগুলিতে ১৮০ মিটার দৈর্ঘ্যের দুটি প্ল্যাটফর্ম থাকবে এবং লিফট, এসকেলেটর ইত্যাদির মতো আধুনিক যাত্রী সুবিধা থাকবে।১৩. নোয়াপাড়া মেট্রো স্টেশনটি ব্লু লাইন এবং ইয়েলো লাইনের মধ্যে যাত্রী বিনিময় স্থান হবে।১৪. নোয়াপাড়া থেকে জয় হিন্দ বিমান বন্দর পর্যন্ত ভূগর্ভস্থ কার্শেড পর্যন্ত এই অংশের মোট দৈর্ঘ্য ৭.০৩ কিলোমিটার। এর মধ্যে ১.৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ভূগর্ভস্থ এবং ৫.২৩ কিলোমিটার ভায়াডাক্টে থাকবে।

জানুয়ারি ২৪, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

রবি হাঁসদার গোলে ফুটবলে ভারত সেরা বাংলা, ইতিহাস গড়লেন বর্ধমানের সোনার টুকরো ছেলে

ফুটবলে ফের শীর্ষে বাংলা। ফিরে পেল হারানো গৌরব। সন্তোষ ট্রফির সেমিফাইনালে সার্ভিসেসকে ৪-২ গোলে উড়িয়ে সন্তোষ ট্রফির ফাইনালে উঠেছিল। জোড়া গোল করেছিলেন পূর্ব বর্ধমানের ছেলে রবি হাঁসদা। রবির ছটায় শেষমেষ ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন হল বাংলা। রবি মান রাখলো বাংলার। একইসঙ্গে সন্তোষ ট্রফিতে ১২টি গোল করে বিশেষ রেকর্ড করল রবি হাঁসদা। এই নিয়ে ৩৩ বার সন্তোষ ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হল বাংলা। শেষ সাফল্য় ছিল ২০১৬-১৭ সালে। দীর্ঘ দিন ধরে বাঙালির ফুটবল নিয় দৈন্য়দশা চলছে। জাতীয় দলে বাঙালি ফুটবলার এখন খুঁজে বেড়াতে হয়। দীর্ঘ বছর ধরে সন্তোষ ট্রফিও হাতছাড়া হয়ে আসছিল। অবশেষে সন্তোষ ট্রফিতে বাংলা চ্যাম্পিয়ন হল। বছরের শেষ দিনে মান-মর্যাদার ফুটবল প্রতিযোগিতার ফাইনালে কেরলকে ১-০ গোলে বাংলা। ফাইনখেলা শেষ হওয়ার মুহূর্তে গোল করলেন রবি হাঁসদা। টুর্নামেন্টে ১২ গোল করে রীতিমতো সকলের নজর কারলেন বর্ধমানের রবি। গড়লেন ইতিহাস। এদিন হায়দরাবাদের গাচ্চিবৌলি স্টেডিয়ামে আক্রমণাত্মক ঢংয়েই শুরু করে বাংলা। রবি হাঁসদার উপরই ভরসা রেখেছিলেন বাংলার কোচ সঞ্জয় সেন। লাগাতার আক্রমণে দীর্ঘসময় গোলের মুখ খুলতে পারেননি রবিরা। গোলের সুযোগ পেয়েছিল কেরলও। গোলের সন্ধানে বাংলা টানা আক্রমণ শানিয়ে গিয়েছে কেরলের রক্ষণে। ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে গোল করে নায়ক সেই রবি। তার আগে থেকেই টানা আক্রমণ চলছিল কেরল রক্ষণে। মাঠের বাঁ প্রান্ত থেকে ভেসে আসে বিষাক্ত ক্রস। সেখান থেকে হেডে বল চলে আসে রবির পায়ে। কেরল ডিফেন্সকে স্তম্ভিত করে দিয়ে ছিটকে বেরিয়ে আসেন রবি।

জানুয়ারি ০১, ২০২৫
দেশ

প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, এইমসে সনিয়া, প্রিয়াঙ্কা, আসছেন রাহুল

প্রয়াত ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা নিয়ে দিল্লির ভর্তি করা হয়েছিল প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে। আজ রাতেই দিল্লির এমসে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। এইমসে পৌঁছান সনিয়া গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা। মনমোহন সিংয়ের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ২০০৪ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তিনি।পঞ্জাবের গাহতে জন্মগ্রহণ করেন মনমোহন সিং। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় পড়াশুনা করেছেন। অধ্যাপনা করেছেন জহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে। রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্ণরও ছিলেন। অর্থনীতিতে পন্ডিত ব্যক্তি ছিলেন মনমোহন সিং। দেশ ও আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে তিনি দক্ষতার সঙ্গে বিচরণ করছেন। মনমোহন সিংয়ের প্রয়াণের খবর পেয়েই দিল্লির AIIMS-এ পৌঁছোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, কর্ণাটক থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা হন রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জন খাড়গেরা। মনমোহন সিংয়ের মেয়ে এবং স্ত্রীও এইমস-এ রয়েছেন। অন্যদিকে, কর্ণাটকের বেলাগাভিতে চলমান CWC সভা মাঝপথে বাতিল করেছে কংগ্রেস। শ্বাসকষ্টজনিত অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাঁকে। শুধু ভারতে নয়, গোটা বিশ্বের স্বনামধন্য অর্থনীতিবিদদের মধ্যে অগ্রগণ্য তিনি। তাঁর অর্থনৈতিক অভিজ্ঞতার প্রেক্ষিতে তাঁকে রাজনীতিতে আসার আমন্ত্রণ জানানো হয়। নরসিমা রাওয়ের মন্ত্রিসভায় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। মনমোহন সিং ২০০৪ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তাঁকে অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার বলে অভিহিত করলেও প্রধানমন্ত্রী থেকে তাবড় বিজেপি নেতৃত্ব শোকপ্রকাশ করেছেন। সজ্জন, ভদ্র, সৎ প্রধানমন্ত্রী হিসাবেই দেশের জনতা মনে রাখবেন মনমোহন সিংকে।তিনিই প্রথম এবং একমাত্র রাজনীতিবিদ যিনি লোকসভা নির্বাচনে না জিতে রাজ্যসভা সদস্য হয়ে দুবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। এরপরেও তিনি রাজ্যসভার মাধ্যমে কংগ্রেসের রাজনীতিতে নিজের উপস্থিতি বজায় রেখেছিলেন। তাঁর সরকারের অনরাত্মা ছিলেন সনিয়া গান্ধী।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২৪
দেশ

পশ্চিমবঙ্গের প্রবীণ মানুষদের কাছে ক্ষমা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী! কেন এমন বললেন নরেন্দ্র মোদি?

কল্যানীর এইমসের একাধিক স্বাস্থ্য পরিষেবার সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সূচনা লগ্নেই ক্ষমা চাইলেন পশ্চিমবঙ্গের সত্তোরোর্ধ প্রবীণদের কাছে। ক্ষমা চেয়েছেন দিল্লির প্রবীণদের কাছেও। কিন্তু কেন এই ক্ষমা?নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, আমি পশ্চিমবঙ্গের ৭০ বছরের ঊর্ধ্বে সকল প্রবীণ মানুষ এবং দিল্লির ৭০ বছরের ঊর্ধ্বে সকল প্রবীণ মানুষদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। কারণ আমি আপনাদের সেবা করতে পারবো না। আমি তাদের কাছে ক্ষমা চাইছি কারণ আমি জানি তাঁরা কেমন আছেন, সেই তথ্য আমি সংগ্রহ করি, কিন্তু আপনাদের সাহায্য করতে পারবো না। এর কারণ দিল্লি এবং পশ্চিমবঙ্গের সরকার আয়ুষ্মান যোজনার সাথে যুক্ত হচ্ছে না।70 वर्ष से ऊपर के सभी बुजुर्गों को आयुष्मान योजना के दायरे में लाने की अपनी गारंटी को आज धन्वंतरि जयंती पर पूरा कर मुझे बहुत संतोष मिला है। pic.twitter.com/SkDd71zTNl Narendra Modi (@narendramodi) October 29, 2024রাজনৈতিক রেষারেষির কারণে চিকিৎসা না পাওয়ার জন্য যে তিনি ক্ষমা চাইছেন তাও স্পষ্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী। নরেন্দ্র মোদি বলেন, রাজনৈতিক স্বার্থে নিজেদের রাজ্যের অসুস্থ মানুষদের কষ্টে রাখার প্রবণতা যেকোনও মানবিক মনোভাবের বিরোধী এবং তাই আমি পশ্চিমবঙ্গের প্রবীণ মানুষদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী, দিল্লির প্রবীণ মানুষদের কাছেও ক্ষমাপ্রার্থী। দেশের মানুষদের সেবা করার ইচ্ছা আমার আছে, কিন্তু রাজনৈতিক ব্যবস্থার দেওয়াল আমাকে দিল্লি এবং পশ্চিমবঙ্গের প্রবীণ মানুষদের সেবা করতে বাধা দিচ্ছে।

অক্টোবর ৩০, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

ঈশান কোনে মেঘ দেখছেন সঞ্জু! তিরুঅনন্তপুরমে কিউয়িদের উড়িয়ে ৪-১ সিরিজ় জয় ভারতের

বিশ্বকাপের আগে বোলার ও ফিল্ডিংয়ের বাস্তব পরীক্ষা নিতে টস জিতে আগে বোলিং বেছে নিয়েছিলেন ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। শিশির বাড়লে অর্শদীপ সিংহ, বরুণ চক্রবর্তীরা রান সামলাতে পারেন কি না, সেটাই ছিল লক্ষ্য। কিন্তু পরিকল্পনার মাঝেই দৃশ্যপট বদলে দিলেন ঈশান কিশন। ব্যাট হাতে ঝড় তুলে তিরুঅনন্তপুরমে নিউ জ়িল্যান্ডকে ৪৬ রানে হারিয়ে ৪-১ ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি সিরিজ় জিতে নিল ভারত।ভারত তোলে ৫ উইকেটে ২৭১ রানটি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ স্কোর। জবাবে কিউয়িদের ইনিংস থামে ১৯.৪ ওভারে ২২৫ রানে। ম্যাচে দুদল মিলিয়ে ওঠে ৪৯৬ রান ও ৩৬টি ছক্কাটি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে যা নতুন নজিরের শামিল।দুবছরের বেশি সময় পর জাতীয় দলে ফেরা ঈশান কিশন যেন প্রমাণ করতেই নেমেছিলেন। তিন নম্বরে নেমে ৪৩ বলে নিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক শতরান পূর্ণ করেন তিনি। ৬টি চার ও ১০টি ছক্কায় সাজানো ইনিংসে কিউয়ি বোলারদের কার্যত ছেলেখেলা বানান ঈশান। তাঁকে দুর্দান্ত সঙ্গ দেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। ৩০ বলে ৬৩ রানের ইনিংসে ৪টি চার ও ৬টি ছক্কা মারেন সূর্য। তৃতীয় উইকেটে দুজনে ৫৭ বলে ১৩৭ রানের বিধ্বংসী জুটি গড়েন।এর পর পাঁচ নম্বরে নেমে হার্দিক পাণ্ড্য করেন ১৭ বলে ৪২। শেষ দিকে রিঙ্কু সিংহ ও শিবম দুবে নামেন শুধু আনুষ্ঠানিকতা সারতে। কিউয়ি বোলারদের মধ্যে কিছুটা নিয়ন্ত্রিত ছিলেন লকি ফার্গুসন (৪১ রানে ২ উইকেট), বাকিরা ভারতীয় ব্যাটিং তাণ্ডবের সামনে অসহায় দেখিয়েছেন।লক্ষ্য তাড়ায় নিউ জ়িল্যান্ডের শুরুটা নড়বড়ে হলেও ফিন অ্যালেন (৩৮ বলে ৮০) এবং রাচিন রবীন্দ্র (১৭ বলে ৩০) লড়াই জিইয়ে রাখেন। অ্যালেন আউট হওয়ার পরই ভেঙে পড়ে কিউয়িদের ইনিংস। মাঝের ওভারগুলোতে উইকেট তুলে ম্যাচ ভারতের দিকে ঘুরিয়ে দেন অর্শদীপ ও অক্ষর পটেল।চাপের মুখে ড্যারেল মিচেল চেষ্টা করলেও একা কিছু করার ছিল না। শেষ পর্যন্ত ভারতের বোলারদের মধ্যে উজ্জ্বলতম পারফরম্যান্স অর্শদীপের৫১ রানে ৫ উইকেট। টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে এটাই তাঁর প্রথম পাঁচ উইকেট। অক্ষর নেন ৩৩ রানে ৩ উইকেট। হার্দিক কার্যকর হলেও বুমরাহ ও বরুণ প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হন, যা বিশ্বকাপের আগে ভাবনার জায়গা রেখে গেল।সব মিলিয়ে, ঈশানের শতরান আর অর্শদীপের পাঁচ উইকেটদুটোই একসঙ্গে এনে দিল ভারতের বড় জয় এবং আত্মবিশ্বাসী সিরিজ় সমাপ্তি।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

২৭ জনের মৃত্যু! এখনও নিখোঁজ বহু! এক সপ্তাহ পরে সিট গঠন, প্রশ্ন পুলিশের ভূমিকা নিয়ে

আনন্দপুরের নাজিরাবাদের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখনও বহু মানুষ নিখোঁজ। শুক্রবার রাতের দিকে ঘটনাস্থল থেকে আরও দুজনের দেহাংশ উদ্ধার করেছে দমকল ও পুলিশের যৌথ দল। এই নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৭-এ। এই পরিস্থিতির মধ্যেই অবশেষে ওই কারখানার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট গঠন করল বারুইপুর জেলা পুলিশ। অগ্নিকাণ্ডের এক সপ্তাহ পরে সিট গঠন হওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে, এতদিন পরে কেন তদন্তে এই তৎপরতা।গত রবিবার গভীর রাতে আনন্দপুরের নাজিরাবাদ এলাকার ওই কারখানায় আগুন লাগে। রাত প্রায় ৩টে নাগাদ কারখানার গুদাম অংশে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এরপর টানা প্রায় ৩২ ঘণ্টা ধরে আগুন নেভানোর চেষ্টা চলে। ১২টি ইঞ্জিন নিয়ে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় নামেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয় দমকলকে। আগুনের তীব্রতায় কারখানার ভিতরেই আটকে পড়েন বহু শ্রমিক। দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকা আগুনে তাঁদের আর্তনাদ শোনার কোনও সুযোগই পাননি কেউ।ভয়াবহ এই ঘটনার এক সপ্তাহ পরে অবশেষে সিট গঠনের সিদ্ধান্ত নেয় বারুইপুর জেলা পুলিশ। আগুনে পুড়ে প্রায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাওয়া ওই কারখানাতেই এবার তদন্ত চালাবে বিশেষ দল। পাঁচ সদস্যের এই সিটের নেতৃত্বে রয়েছেন বারুইপুর জেলা পুলিশের সুপার শুভেন্দু কুমার। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন এক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ডিএসপি (ক্রাইম), ডিইবি-র এক ইন্সপেক্টর এবং আরও এক জন ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার আধিকারিক।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ফরেন্সিক রিপোর্ট খতিয়ে দেখা, ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে মৃতদের পরিচয় নিশ্চিত করা, কারখানায় কী ধরনের নিরাপত্তার ঘাটতি ছিল এবং কীভাবে আগুন এত দ্রুত ছড়ালসব দিকই খতিয়ে দেখবে সিট। উল্লেখ্য, এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই নামজাদা একটি মোমো প্রস্তুতকারী সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। জলাভূমি বুজিয়ে কারখানা তৈরির অভিযোগও সামনে এসেছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে ওই সংস্থার ম্যানেজার ও ডেপুটি ম্যানেজারকে গ্রেফতার করেছে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ। তদন্ত আরও গভীর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

দিল্লি যাওয়ার আগে বিস্ফোরক চিঠি মমতার! ভোটার তালিকা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

সোমবার বিকেলে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দফতরে যাচ্ছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে থাকবেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগেই রবিবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে একটি চিঠি পাঠালেন মুখ্যমন্ত্রী। চিঠির মূল বিষয়, পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন প্রক্রিয়া।চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, বাংলায় ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন যে পদ্ধতি অনুসরণ করছে, তা জনপ্রতিনিধিত্ব আইন এবং নির্বাচনী বিধির পরিপন্থী। তাঁর দাবি, এই প্রক্রিয়ার জেরে সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন। মমতার চিঠি অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত সমস্যায় ১৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। কয়েক মাস আগে তৃণমূলের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনে যে তালিকা জমা দেওয়া হয়েছিল, সেখানে মৃতের সংখ্যা ছিল প্রায় ৪০। নতুন চিঠিতে সেই সংখ্যা অনেকটাই বেড়েছে।মমতা আরও লিখেছেন, ভারতের নির্বাচনী ইতিহাসে এই প্রথম পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৮,১০০ জন মাইক্রো-অবজার্ভার মোতায়েন করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, এই নিয়োগের কোনও আইনি ভিত্তি নেই। শুরু থেকেই বাংলায় নির্বাচনী রোল সংশোধনের ক্ষেত্রে ERO এবং AERO-দের ভূমিকার পক্ষে সওয়াল করে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী। চিঠিতেও সেই প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেছেন, ভোটার তালিকা সংশোধনের একমাত্র আইনগত ক্ষমতা ERO এবং AERO-দের। অথচ সেই ক্ষমতা খর্ব করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।চিঠিতে আরও প্রশ্ন তোলা হয়েছে, দেশের অন্য রাজ্যগুলিতে যেখানে SIR প্রক্রিয়া চলছে, সেখানে কেন এই ধরনের মাইক্রো-অবজার্ভার মোতায়েন করা হয়নি। শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেই কেন আলাদা নিয়ম প্রয়োগ করা হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি ত্রিপুরা ক্যাডারের চার জন আইএএস অফিসার-সহ একাধিক পর্যবেক্ষক নিয়োগ নিয়েও আপত্তি জানানো হয়েছে।মমতার অভিযোগ, কিছু পর্যবেক্ষক বেআইনিভাবে CEO অফিস থেকে নির্বাচন কমিশনের পোর্টালের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তথ্য বদলের চেষ্টা করছেন। এর ফলে বহু যোগ্য ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়ছে এবং তাঁদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। তাঁর মতে, SIR প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। চিঠিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের কাছে এই বিষয়গুলির তাৎক্ষণিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।একই আইন সারা দেশে প্রযোজ্য হলেও পশ্চিমবঙ্গে আলাদা নিয়মে ভোটার তালিকা সংশোধন করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। মমতার দাবি, এই প্রক্রিয়া গণতন্ত্র এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী। নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপ করে মানুষের আস্থা ও মানবাধিকার রক্ষার আবেদন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

‘বাঁচাও’ চিৎকার, তারপর ভয়াবহ পতন! তিনতলা থেকে ফেলে খুন বৃদ্ধা ভাড়াটিয়াকে

ভাড়াটিয়াকে তিনতলার ছাদ থেকে ফেলে খুনের অভিযোগ উঠল বাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি দক্ষিণ ২৪ পরগনার রবীন্দ্রনগর থানার অন্তর্গত সন্তোষপুর শান্তিনগরের বিবেক দল এলাকায়। মৃত বৃদ্ধার নাম শেফালী মান্না। বয়স ৭৬ বছর।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শেফালী মান্না অভিযুক্ত বাসুদেব ঘোষের বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকতেন। সোমবার দুপুর আনুমানিক ১টা ১৫ মিনিট নাগাদ আচমকাই এলাকায় বাঁচাও বাঁচাও চিৎকার শোনা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই দেখা যায়, দুতলার ছাদ থেকে ওই বৃদ্ধা নীচে পড়ে গিয়েছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, বাড়ির মালিক বাসুদেব ঘোষ ইচ্ছাকৃতভাবেই তাঁকে ছাদ থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন।রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথমে রবীন্দ্রনগর থানায় খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুরুতর আহত অবস্থায় বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের বাড়িতে সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। সেই ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে এবং তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃতার পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়। প্রাথমিক তদন্তের পর বাসুদেব ঘোষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করা হয়েছে। মঙ্গলবার তাঁকে আলিপুর আদালতে তোলা হয়।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক অভিযোগ ছিল। অতীতে তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল বলে জানা যাচ্ছে। আবার এমন গুরুতর অভিযোগ ওঠায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এলাকাবাসীর বক্তব্য, দোষী ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
রাজ্য

তদন্ত এনআইএ-র হাতে, মুর্শিদাবাদে পুলিশ সুপার বদল! নবান্নের বড় সিদ্ধান্ত

বেলডাঙার অশান্তির ঘটনার পর রাজ্য পুলিশের শীর্ষস্তরে বড়সড় রদবদল। শুক্রবার ওই ঘটনার তদন্তভার পায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। তার পরের দিনই বদল করা হয় মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপারকে। এর পর শনিবার নবান্ন থেকে একযোগে ২২ জন আইপিএস পদমর্যাদার আধিকারিকের বদলির নির্দেশ জারি করা হয়। শহর ও জেলার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে এই রদবদল ঘিরে প্রশাসনিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ধৃতিমান সরকারকে। কুমার সানি রাজকে পাঠানো হয়েছে রাজ্য পুলিশের বিশেষ শাখা এসএসআইবি-তে। ধৃতিমান সরকার এর আগে ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরের মতো জেলায় পুলিশ সুপার হিসেবে কাজ করেছেন।শুধু মুর্শিদাবাদ নয়, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটেও গুরুত্বপূর্ণ বদল হয়েছে। যুবভারতী কাণ্ডের পরে সাসপেন্ড হওয়া তৎকালীন ডিসি অনীশ সরকারের জায়গায় ডিসি পদে দায়িত্ব পেয়েছেন পুষ্পা। বনগাঁর পুলিশ সুপার দীনেশ কুমারকে করা হয়েছে ডিসি (উত্তর)। ডিসি (দক্ষিণ শহরতলি) বিদিশা কলিতাকে পাঠানো হয়েছে বনগাঁর পুলিশ সুপার হিসেবে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন চারু শর্মা। ডিসি (পূর্ব) পদে আনা হয়েছে জসপ্রীত সিংকে। ডিসি (পূর্ব শহরতলি) হয়েছেন অমিত বর্মা এবং ডিসি (দক্ষিণ) হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দীপক সরকারকে।এছাড়াও বারাসতের পুলিশ সুপার প্রতীক্ষা ঝারখরিয়াকে দার্জিলিং জেলার পুলিশ সুপার করা হয়েছে। অমিত পি জাভালগিকে পাঠানো হয়েছে আইজি, বারাসত রেঞ্জে। অলোক রাজোরিয়া পেয়েছেন ডিআইজি, বর্ধমান রেঞ্জের দায়িত্ব। মুর্শিদাবাদের প্রাক্তন পুলিশ সুপার আরিশ বিলালকে পাঠানো হয়েছে এসএসআইবি-তে। প্রদীপ কুমার যাদবকে বদলি করে এসএসআইবি, উত্তরবঙ্গ সদর দফতরে পাঠানো হয়েছে।বেলডাঙা অশান্তির পর একের পর এক প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে স্পষ্ট, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না রাজ্য সরকার।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

স্কটিশ চার্চ কলেজে রহস্যমৃত্যু! হস্টেল থেকে উদ্ধার ছাত্রীর নিথর দেহ

স্কটিশ চার্চ কলেজের এক ছাত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কলেজ চত্বরে। মৃত ছাত্রীর নাম ঋষিতা বণিক। তিনি স্কটিশ চার্চ কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন এবং কলেজের হস্টেলেই থাকতেন। অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে হস্টেল থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঋষিতার বাড়ি ত্রিপুরায়। গত ২৪ জানুয়ারি হঠাৎই হস্টেলে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পেটে তীব্র যন্ত্রণা শুরু হলে প্রথমে তাঁকে হস্টেলের সিক রুমে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় দ্রুত আরজি কর হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে সেখানে পৌঁছনোর আগেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে চিকিৎসকেরা জানান।পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, বিষক্রিয়ার কারণেই ছাত্রীর মৃত্যু হতে পারে। তবে ঠিক কী কারণে এই মৃত্যু, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে না পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে। হস্টেলের অন্যান্য পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলছে পুলিশ। পাশাপাশি, মৃত ছাত্রীর পরিবারের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে।সূত্রের খবর, ঋষিতা বেশ কিছুদিন ধরেই মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। তিনি কোনও ওষুধ সেবন করেছিলেন বলেও প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে। সেই ওষুধ থেকেই বিষক্রিয়া হয়ে থাকতে পারে বলে অনুমান। তবে যদি খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণে মৃত্যু হয়ে থাকে, তা হলে অন্য কেউ কেন অসুস্থ হননি, সেই প্রশ্নও উঠছে। সব দিক খতিয়ে দেখেই তদন্ত এগোচ্ছে পুলিশ।উল্লেখ্য, প্রায় এক বছর আগে স্কটিশ চার্চ কলেজে একটি গুরুতর অভিযোগ ঘিরে শোরগোল পড়ে যায়। এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের অশ্লীল বার্তা পাঠানোর অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ ছিল, ওই অধ্যাপক মূলত দরিদ্র পরিবারের ছাত্রীদের টার্গেট করতেন এবং কাজ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁদের অনুপযুক্ত বার্তা পাঠাতেন। সেই ঘটনায় পড়ুয়াদের বিক্ষোভের জেরে অভিযুক্ত অধ্যাপককে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। বর্তমান ঘটনার সঙ্গে ওই ঘটনার কোনও যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থা।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

আনন্দপুর ট্র্যাজেডিতে বড় ঘোষণা, মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা দেবেন প্রধানমন্ত্রী

আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে প্রত্যেক মৃতের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে অগ্নিকাণ্ডে যাঁরা আহত হয়েছেন, তাঁদের জন্য ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্যের কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার নিজের এক্স হ্যান্ডলে এই ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। মৃতদের পরিবারগুলির প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তিনি।রবিবার গভীর রাতে আনন্দপুরের একটি গুদামে ভয়াবহ আগুন লাগে। ঘটনার চার দিন পর পর্যন্ত মোট ২৫ জনের দেহাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সব মিলিয়ে ঠিক কতজনের মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। আগুন লাগার দুদিন পর ডেকরেটিং গুদামের মালিক গঙ্গাধর দাসকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে ওই গুদামের সঙ্গে যুক্ত মোমো কোম্পানির বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। শেষ পর্যন্ত নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ ওই মোমো কোম্পানির দুই আধিকারিককে গ্রেফতার করেছে।এই ঘটনার প্রেক্ষিতে শুক্রবার আনন্দপুরে মিছিল করেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি মৃতদের পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ, সরকারি চাকরির দাবি তোলেন। পাশাপাশি মোমো কোম্পানির মালিককে গ্রেফতার না করার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।এদিকে, আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ড নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করেন। এক্স হ্যান্ডলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, পশ্চিমবঙ্গের আনন্দপুরে সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ড অত্যন্ত দুঃখজনক। যাঁরা তাঁদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। এরপর তিনি জানান, মৃতদের পরিবারকে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে ২ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে এবং আহতদের দেওয়া হবে ৫০ হাজার টাকা করে।এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও মৃতদের পরিবারগুলির জন্য সাহায্যের ঘোষণা করেছিলেন। তিনি জানান, প্রত্যেক মৃতের পরিবারের একজনকে সিভিক ভলান্টিয়ারের চাকরি দেওয়া হবে।প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সামাজিক মাধ্যমে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে লেখেন, আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীকে তিনি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছেন। এই আর্থিক সাহায্য শোকস্তব্ধ পরিবারগুলিকে কঠিন সময়ে মানসিক শক্তি জোগাবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তাঁর বক্তব্য, এই উদ্যোগ আবারও প্রমাণ করল যে সংকটের সময়ে প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের মানুষের পাশে রয়েছেন।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

ভোটার তালিকা শুনানিতে হইচই, কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে সরাসরি সংঘাত কাউন্সিলরের

এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরে শুনানি কেন্দ্রে হুলস্থুল কাণ্ড। অভিযোগের কেন্দ্রে কলকাতা পুরসভার ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর তথা মেয়র পরিষদের সদস্য অসীম বসু। শরৎ বোস রোডের একটি বেসরকারি স্কুলে ভোটার তালিকা সংক্রান্ত শুনানি চলাকালীন তিনি সেখানে পৌঁছন। তারপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ।গত কয়েক দিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল, শুনানিতে আসা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা নথি নিচ্ছেন, কিন্তু তার বদলে কোনও রসিদ দেওয়া হচ্ছে না। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই কাউন্সিলর অসীম বসু শুনানি কেন্দ্রে যান বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, সেখানে পৌঁছেই তিনি নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়েন। এমনকী, রসিদ না দিলে কোনও নথি জমা না দিতে শুনানিতে আসা মানুষজনকে নির্দেশ দেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের দাবি, কাউন্সিলর এবং তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েক জন এভাবে শুনানি কেন্দ্রে ঢুকে পড়তে পারেন না। বিষয়টি শান্তভাবে আলোচনা করা যেত। তাঁদের আরও বক্তব্য, এই ঘটনার ফলে শুনানির কাজ ব্যাহত হচ্ছে এবং দেরি হচ্ছে।ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূল কাউন্সিলর অসীম বসু বলেন, মানুষ কীভাবে প্রমাণ করবেন তাঁরা কোন কোন নথি জমা দিয়েছেন, যদি কোনও রসিদ না দেওয়া হয়। তাঁর দাবি, সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে নথি নেওয়ার পর রসিদ দিতে হবে। তা সত্ত্বেও কেন এই অনিয়ম চলছে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। রসিদ না দিলে প্রয়োজনে শুনানি বন্ধ করে দেওয়ার কথাও বলেন কাউন্সিলর।এই ঘটনাকে ঘিরে ভবানীপুর এলাকায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal