• ২০ ভাদ্র ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

বিরোধী অভিযোগ

রাজ্য

'এসএসসি-র নয়া নিয়োগ পরীক্ষায় ফের দাগিদের সুযোগ', বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর

নয় বছর পর আবারও হতে চলেছে স্কুল সার্ভিস কমিশনের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা। কিন্তু পরীক্ষার আগেই উঠছে একাধিক প্রশ্নআসন্ন পরীক্ষা কি সত্যিই হবে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ? আর কি দেখা যাবে না অনিয়ম, কারও চোখের জল? প্রায় ৬ লক্ষ প্রার্থীর ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে এই পরীক্ষার ওপর। তবু রাজনৈতিক মহলে সংশয় কাটছে না।এই পরিস্থিতিতেই আসানসোলে গিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, এখনও ১৫২ জন দাগি প্রার্থীকে অ্যাডমিট কার্ড দেওয়া হয়েছে এবং তাঁরা পরীক্ষায় অংশ নেবেন। যদিও তাঁদের নাম প্রকাশ্যে আনা হয়নি। শুভেন্দুর কথায়, ১৯৫৮ জন দাগি শিক্ষক-শিক্ষিকার মধ্যে ১৮০৬ জনের নাম প্রকাশ করেছে কমিশন। কিন্তু ১৫২ জনকে বাদ রাখা হয়েছে না, বরং তাঁদের পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এ এক প্রহসনের পরীক্ষা। প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে, টাকা নিয়ে কেন্দ্র ঠিক হয়েছে, তৃণমূল নেতারা পুলিশের সহযোগিতায় গোটা প্রক্রিয়াকে ভণ্ডুল করছে। এর ফল কিছুই হবে না, হবে কেবল অশ্বডিম্ব।অন্যদিকে, পরীক্ষা শুরুর ঠিক আগে শনিবার সাংবাদিক বৈঠক করেন এসএসসি চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার। তিনি জানান, এবারের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা মোট ৫ লক্ষ ৬৫ হাজার। এর মধ্যে ৭ সেপ্টেম্বর নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বসবেন ৩ লক্ষ ১৯ হাজার ৯১৯ জন প্রার্থী। আর ১৪ সেপ্টেম্বর একাদশ-দ্বাদশের জন্য বসবেন ২ লক্ষ ৪৬ হাজার জন। প্রথম দিনে গোটা রাজ্যে থাকছে ৬৩৬টি পরীক্ষা কেন্দ্র, দ্বিতীয় দিনে ৪৭৮টি কেন্দ্র।অর্থাৎ, দীর্ঘ বিরতির পর শুরু হতে চলা শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে প্রশাসন আশাবাদী হলেও বিরোধীরা মনে করছে এর মধ্যেও লুকিয়ে আছে অনিয়মের ছাপ

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৫

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

চিনুন একটুকরো অচেনা বাংলাকে! রইল দুর্গাপুজোয় মন ভাল করা সেরা ৫ অফবিট ট্রাভেল ডেস্টিনেশন

দুর্গাপুজোর ছুটি মানেই বাঙালির বেড়ানোর পরিকল্পনা। দিঘা, পুরী কিংবা দার্জিলিংয়ের মতো জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্রে প্রতি বছরই পুজোর সময় উপচে পড়ে ভিড়। ফলে পরিবার নিয়ে নিরিবিলিতে কয়েকটা দিন কাটানোর সুযোগ অনেক সময়ই মেলে না। তাই এবার যদি ভিড় এড়িয়ে প্রকৃতি, পাহাড়, সমুদ্র কিংবা বাংলার ইতিহাস-ঐতিহ্য উপভোগ করতে চান, তাহলে বেছে নিতে পারেন বাংলার কয়েকটি তুলনামূলক অফবিট গন্তব্য। রইল এমনই পাঁচ জায়গার হদিশ।দাওয়াইপানি, দার্জিলিংদার্জিলিং শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে পাহাড়ের কোলে অবস্থিত ছোট্ট গ্রাম দাওয়াইপানি। পর্যটকদের ভিড় থেকে অনেকটাই দূরে এই গ্রাম থেকে দেখা যায় কাঞ্চনজঙ্ঘার মনোরম প্যানোরামিক দৃশ্য। দিনের বিভিন্ন সময়ে সূর্যের আলোয় পাহাড়ের রং বদলে যাওয়ার দৃশ্য এখানকার অন্যতম আকর্ষণ।জঙ্গলঘেরা পরিবেশ, নিরিবিলি সকাল এবং পাহাড়ি পথে হাঁটার সুযোগসব মিলিয়ে পুজোর ছুটিতে শান্তিতে সময় কাটানোর জন্য দাওয়াইপানি হতে পারে আদর্শ ঠিকানা।কলকাতা থেকে প্রায় ৬২৪ কিলোমিটার দূরে এই পাহাড়ি গ্রাম। ট্রেনে গেলে নিউ জলপাইগুড়ি (NJP) স্টেশনে নেমে প্রায় ৭৬ কিলোমিটার সড়কপথ পাড়ি দিতে হয়। বিমানপথে নিকটতম বিমানবন্দর বাগডোগরা। দাওয়াইপানিতে বেশ কিছু হোমস্টে রয়েছে। সেখানে প্রতি রাতে মাথাপিছু আনুমানিক ১,২০০ থেকে ২,৫০০ টাকা খরচ হতে পারে। চার দিনের সফরে যাতায়াত ও থাকা-খাওয়া মিলিয়ে মাথাপিছু প্রায় ১০ থেকে ১৪ হাজার টাকা খরচ হতে পারে।বাগুরান জলপাই, পূর্ব মেদিনীপুরদিঘা বা মন্দারমণির ভিড় এড়িয়ে সমুদ্রের ধারে কয়েকটা দিন কাটাতে চাইলে পূর্ব মেদিনীপুরের বাগুরান জলপাই হতে পারে ভালো বিকল্প। কাঁথি মহকুমার এই তুলনামূলক কম পরিচিত সমুদ্রসৈকত ঘিরে রয়েছে সবুজ ঝাউবন। সৈকতে প্রায়ই দেখা মেলে লাল কাঁকড়ার।ভোরের শান্ত পরিবেশে সমুদ্রের ধারে হাঁটা কিংবা বিকেলে সূর্যাস্ত উপভোগসব মিলিয়ে নিরিবিলি সমুদ্রভ্রমণের জন্য জায়গাটি বেশ আকর্ষণীয়। রাতে সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দে তৈরি হয় অন্যরকম আবহ।কলকাতা থেকে বাগুরান জলপাইয়ের দূরত্ব প্রায় ১৬০ কিলোমিটার। হাওড়া থেকে ট্রেনে কাঁথি গিয়ে সেখান থেকে টোটো বা অটো করে পৌঁছনো যায়। সৈকতের কাছে রয়েছে বেশ কিছু সাধারণ রিসর্ট ও হোমস্টে। প্রতি রাতে মাথাপিছু আনুমানিক ৮০০ থেকে ১,৮০০ টাকা খরচ হতে পারে। চার দিনের সফরে মোট খরচ দাঁড়াতে পারে প্রায় ১০ থেকে ১৪ হাজার টাকা।বরন্তি, পুরুলিয়াপাহাড়, জলাশয়, জঙ্গল এবং আদিবাসী সংস্কৃতির স্বাদ একসঙ্গে পেতে চাইলে পুরুলিয়ার বরন্তি হতে পারে পুজোর ছুটির অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য। বিহারীনাথ ও পাঞ্চেত পাহাড়ের মাঝে অবস্থিত এই ছোট্ট গ্রামটির অন্যতম প্রধান আকর্ষণ মুরাডি লেক।পাহাড় ও জঙ্গলে ঘেরা জলাশয়ের ধারে সূর্যাস্তের দৃশ্য পর্যটকদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করে। পাশাপাশি ঘুরে দেখা যায় অযোধ্যা পাহাড়। স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগও রয়েছে। সময় ও সুযোগ থাকলে ছৌ নৃত্যের অনুষ্ঠানও উপভোগ করা যেতে পারে।কলকাতা থেকে বরন্তির দূরত্ব প্রায় ২৬৫ কিলোমিটার। ট্রেনে আসানসোল পৌঁছে সেখান থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার সড়কপথে বরন্তি যাওয়া যায়। এলাকায় রয়েছে ইকো-রিসর্ট ও গ্রামীণ হোমস্টে। প্রতি রাতে মাথাপিছু প্রায় ১,২০০ থেকে ২,৫০০ টাকা খরচ হতে পারে। চার দিনের সফরে মাথাপিছু আনুমানিক খরচ ১২ থেকে ১৪ হাজার টাকা।কোচবিহার রাজবাড়িপুজোর ছুটিতে প্রকৃতির পাশাপাশি ইতিহাস ও বাংলার ঐতিহ্য উপভোগ করতে চাইলে গন্তব্য হতে পারে কোচবিহার। কোচবিহার রাজবাড়িকে ঘিরে রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস। রাজবাড়ির দুর্গাপুজোর ঐতিহ্যও বহু পুরনো। ফলে কলকাতার ব্যস্ততা থেকে দূরে গিয়ে বাংলার প্রাচীন পুজোর রীতি ও রাজপরিবারের ইতিহাসের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ মিলবে।রাজবাড়ির পাশাপাশি ঘুরে দেখা যেতে পারে প্রাচীন মদনমোহন মন্দির। সময় হাতে থাকলে কাছাকাছি ডুয়ার্সের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রেও ঘুরে আসা যায়।কলকাতা থেকে কোচবিহারের দূরত্ব প্রায় ৬৮০ কিলোমিটার। ট্রেনে সরাসরি কোচবিহার স্টেশনে পৌঁছনো সম্ভব। বিমানপথে বাগডোগরা গিয়ে সেখান থেকে সড়কপথে কোচবিহার যাওয়া যায়। পর্যটকদের জন্য রয়েছে পর্যটন লজ, হোমস্টে ও বাজেট হোটেল। প্রতি রাতে মাথাপিছু প্রায় ১,০০০ থেকে ৪,০০০ টাকা খরচ হতে পারে। চার দিনের সফরে মোট খরচ আনুমানিক ১৬ থেকে ১৮ হাজার টাকা হতে পারে।টাকি, উত্তর ২৪ পরগনাপুজোর ছুটিতে একটু অন্যরকম অভিজ্ঞতা চাইলে উত্তর ২৪ পরগনার টাকিও হতে পারে আকর্ষণীয় গন্তব্য। ইছামতী নদীর তীরে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে অবস্থিত এই শহরের দুর্গাপুজোর অন্যতম আকর্ষণ বিজয়া দশমীর বিসর্জন।দশমীর দিন ইছামতী নদীতে ভারত ও বাংলাদেশের প্রতিমা কাছাকাছি সময়ে বিসর্জন দেওয়ার দৃশ্য দেখতে প্রতি বছরই বহু মানুষের সমাগম হয়। প্যান্ডেল বা আলোর চাকচিক্যের বদলে এই ঐতিহ্যবাহী বিসর্জনই টাকির অন্যতম প্রধান আকর্ষণ।কলকাতা থেকে টাকির দূরত্ব প্রায় ৭৫ কিলোমিটার। লোকাল ট্রেনে টাকি রোড স্টেশনে পৌঁছে যাওয়া যায়। সড়কপথেও রয়েছে যোগাযোগের সুবিধা। থাকার জন্য রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পর্যটনের লজ, নদীর ধারের রিসর্ট এবং বাজেট হোমস্টে। প্রতি রাতে মাথাপিছু আনুমানিক ১,২০০ থেকে ৩,৫০০ টাকা খরচ হতে পারে। চার দিনের সফরে মাথাপিছু মোট খরচ প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার টাকার মধ্যে হতে পারে।পুজোর ছুটিতে এবার একটু অন্যরকম ভ্রমণদুর্গাপুজোর ছুটিতে একই পরিচিত পর্যটনকেন্দ্রে ভিড়ের মধ্যে সময় কাটানোর বদলে এবার চাইলে বেছে নিতে পারেন এই পাঁচ গন্তব্যের যে কোনও একটি। দাওয়াইপানিতে পাহাড় ও কাঞ্চনজঙ্ঘা, বাগুরান জলপাইয়ে সমুদ্র, বরন্তিতে পাহাড়-জঙ্গল ও জলাশয়, কোচবিহারে ইতিহাস-ঐতিহ্য কিংবা টাকিতে বাংলার ঐতিহ্যবাহী বিসর্জনপুজোর ছুটিতে মিলতে পারে একেবারে ভিন্ন ধরনের ভ্রমণের অভিজ্ঞতা।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬
রাজ্য

২০২৬ সালের কৌশিকী অমাবস্যা কবে? জেনে নিন তারাপীঠের বিশেষ পুজোর দিনক্ষণ

ভাদ্র মাসের অমাবস্যা তিথি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই তিথিতে স্নান, দান, পিতৃতর্পণ-সহ নানা ধর্মীয় আচার পালনের রীতি রয়েছে। তবে পশ্চিমবঙ্গে ভাদ্র অমাবস্যার আলাদা মাহাত্ম্য রয়েছে। বিশেষ করে বীরভূমের তারাপীঠে এই অমাবস্যা কৌশিকী অমাবস্যা বা তারা রাত্রি হিসেবে বিশেষভাবে পালিত হয়। এই উপলক্ষে মা তারার দর্শন ও পুজো দিতে দূরদূরান্ত থেকে বহু ভক্ত তারাপীঠে ভিড় করেন।১০ না ১১ সেপ্টেম্বরকবে কৌশিকী অমাবস্যা?২০২৬ সালের কৌশিকী অমাবস্যার তারিখ নিয়ে অনেকের মধ্যেই বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। কারণ, অমাবস্যা তিথি শুরু হচ্ছে ১০ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৩৩ মিনিটে। এই তিথি শেষ হবে ১১ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার সকাল ৮টা ৫৬ মিনিটে।তবে কৌশিকী অমাবস্যার মূল তাৎপর্য অমাবস্যার রাতকে ঘিরে। সেই কারণে তারাপীঠে কৌশিকী অমাবস্যার প্রধান পুজো ও বিশেষ রাত্রিকালীন অনুষ্ঠান হবে ১০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রাতেই। অর্থাৎ, ২০২৬ সালে কৌশিকী অমাবস্যার বিশেষ রাত হিসেবে ধরা হচ্ছে ১০ সেপ্টেম্বরের রাতকে।কেন তারা রাত্রি নামে পরিচিত কৌশিকী অমাবস্যা?কৌশিকী অমাবস্যার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে রয়েছে তারাপীঠের নাম। বীরভূমের এই ঐতিহ্যবাহী শক্তিসাধনার ক্ষেত্রটি মা তারার অন্যতম প্রধান সাধনভূমি হিসেবে পরিচিত। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, কৌশিকী অমাবস্যার রাতে মা তারার আরাধনা করলে ভয়, সংকট ও নেতিবাচকতার বিরুদ্ধে লড়াই করার মানসিক শক্তি লাভ করা যায়।এই বিশেষ রাতে তারাপীঠ মন্দির ও সংলগ্ন এলাকায় পুজো, আরতি এবং বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালিত হয়। রাতভর চলে মা তারার আরাধনা। ভক্তদের পাশাপাশি সাধকরাও মন্ত্রজপ, ধ্যান ও সাধনায় মগ্ন থাকেন।কৌশিকী অমাবস্যায় কী করেন ভক্তরা?এই তিথিতে ভক্তরা মা তারা বা মা কালীর পুজো করেন। প্রদীপ জ্বালানো, মন্ত্রজপ, নামস্মরণ এবং ধ্যানের পাশাপাশি অনেকে দরিদ্র ও অসহায় মানুষদের খাবার ও বস্ত্র দান করেন। পিতৃপুরুষের উদ্দেশে তর্পণও এই দিনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় আচার।অনেকেই এই দিন জীবনের নেতিবাচক চিন্তা ও অভ্যাস থেকে বেরিয়ে আসার সংকল্প নেন। তবে তন্ত্রসাধনার মতো বিশেষ ধর্মীয় আচার অভিজ্ঞ গুরু বা সাধকের নির্দেশ ছাড়া না করাই শ্রেয়। সাধারণ ভক্তরা বাড়িতেই সহজভাবে মা তারা বা মা কালীর পুজো, দীপদান ও নামস্মরণ করতে পারেন।বাড়িতে কীভাবে করবেন কৌশিকী অমাবস্যার পুজো?কৌশিকী অমাবস্যার সন্ধ্যায় স্নান করে পুজোর স্থান পরিষ্কার করে মা তারা বা মা কালীর ছবি কিংবা মূর্তির সামনে প্রদীপ জ্বালানো যেতে পারে। এরপর লাল ফুল, ফল ও মিষ্টি নিবেদন করে পারিবারিক রীতি অনুযায়ী মন্ত্রজপ বা নামস্মরণ করা যায়।ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, পুজোয় বাহ্যিক আড়ম্বরের চেয়ে ভক্তি, একাগ্রতা ও নিষ্ঠাকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। পুজোর শেষে পরিবারের সুখ-শান্তি, মঙ্গল এবং সমস্ত বিপদ থেকে রক্ষার জন্য মা তারার কাছে প্রার্থনা করতে পারেন ভক্তরা।তাই ২০২৬ সালের কৌশিকী অমাবস্যার বিশেষ রাত্রিকালীন পুজো ও তারাপীঠের মূল অনুষ্ঠান হবে ১০ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার রাতে। যদিও অমাবস্যা তিথি পরের দিন, অর্থাৎ ১১ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা ৫৬ মিনিট পর্যন্ত থাকবে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬
দেশ

দুর্গাপুজোয় আমিষ বিতর্কে নতুন বিস্ফোরণ! বাগেশ্বর বাবাকে কী বললেন পরমাত্মানন্দ?

দুর্গাপুজোয় বাঙালির আমিষ খাওয়া নিয়ে বাগেশ্বর বাবা তথা ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রীর মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক থামার নাম নেই। এবার তাঁকে তীব্র আক্রমণ করলেন পরমাত্মানন্দজী মহারাজ। তাঁর দাবি, কে কী পরবেন, কীভাবে চলবেন বা কী খাবেন, তা ঠিক করে দেওয়ার অধিকার বাগেশ্বর বাবার নেই।বাগেশ্বর বাবাকে বাচাল ছেলে বলেও কটাক্ষ করেন পরমাত্মানন্দ মহারাজ। তাঁর কথায়, বাঙালির খাবার নিয়ে এভাবে নির্দেশ দেওয়া এক ধরনের অসভ্যতা। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, দুর্গাপুজোর সময়ে বাঙালি নিজের পছন্দমতো মাছ-মাংস খাবেন। তাঁর বক্তব্য, পুজোর কয়েক দিন বাঙালি কচি পাঠার ঝোল, ইলিশ মাছের ভাপা, মাছের কাটলেট বা মাংসের নানা পদ খেতেই পারেন। দেবতাকে মাছ-মাংস দিয়ে ভোগ দেওয়ার বিষয়েও আপত্তি থাকা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।পরমাত্মানন্দ মহারাজের আরও দাবি, অন্য রাজ্যের মানুষকে বাগেশ্বর বাবা নিজের মতো করে ধর্মের কথা বলতে পারেন। কিন্তু বাঙালিকে সেইভাবে বোঝাতে গেলে বাঙালি তা মেনে নেবে না। তাঁর বক্তব্য, শাস্ত্রে দেবীকে মদ্য মাংস বলি প্রিয়া বলা হয়েছে। তাই বাঙালির ধর্মীয় রীতি ও খাবারের সংস্কৃতিকে অন্য জায়গার নিরামিষ ভাবনার সঙ্গে মিলিয়ে দেখা উচিত নয়।বাগেশ্বর বাবার আমিষবিরোধী মন্তব্যের প্রসঙ্গে উপস্থিত ভক্তদের মধ্যেও প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। মোবাইলের আলো জ্বেলে তাঁরা পরমাত্মানন্দ মহারাজের বক্তব্যকে সমর্থন করেন বলে জানানো হয়েছে।এই বক্তব্যের মধ্যেই সিপিএমকেও কটাক্ষ করেন পরমাত্মানন্দ মহারাজ। তিনি বলেন, রাজ্যে দীর্ঘ ৩৪ বছরের সিপিএম শাসনের শেষের দিকেও ব্রিগেড সমাবেশে বিপুল মানুষের উপস্থিতি দেখা গিয়েছিল। কিন্তু মানুষের সেই উপস্থিতি সত্ত্বেও পরে রাজনৈতিক ক্ষমতার পরিবর্তন হয়। এই প্রসঙ্গ টেনে তিনি বাগেশ্বর বাবাকেও কটাক্ষ করেন। তাঁকে হনু বাবা বলেও মন্তব্য করেন মহারাজ।এর আগে রাজ্য সফরে এসে দুর্গাপুজোয় বাঙালির আমিষ খাওয়া নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন বাগেশ্বর বাবা তথা ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রী। তিনি দাবি করেছিলেন, নবরাত্রির সময়ে পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপুজোর মণ্ডপের পিছনে আমিষ রান্না করা হয় এবং সেখানে নানা ধরনের খাবার তৈরি হয়, যা তাঁর পছন্দ নয়।এই মন্তব্যের পরেই বাঙালিকে পাখণ্ডী বা ভণ্ড বলেও আক্রমণ করেছিলেন বাগেশ্বর বাবা বলে অভিযোগ। আমিষভোজীদের বহিষ্কার করার বার্তাও তিনি দিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁর সেই বক্তব্য ঘিরে রাজ্যজুড়ে বিতর্ক তৈরি হয়।বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যের পর রাজ্যের মন্ত্রী, বিধায়ক থেকে বিজেপির একাধিক নেতাও জানান, ওই মন্তব্য তাঁর ব্যক্তিগত মত। অন্যদিকে, বাঙালির ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার অভিযোগ তুলে বাগেশ্বর বাবার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করে কংগ্রেস।ফলে দুর্গাপুজোয় আমিষ খাওয়া নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্কে এবার নতুন করে উত্তাপ ছড়াল পরমাত্মানন্দ মহারাজের মন্তব্যে। বাগেশ্বর বাবার বক্তব্যের বিরোধিতা করে তিনি বাঙালির নিজস্ব খাদ্যাভ্যাস ও ধর্মীয় রীতির পক্ষে জোরালো সওয়াল করেছেন।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬
রাজ্য

নিহত আপ্তসহায়কের মা-ই কি নন্দীগ্রামে বিজেপির মুখ? জোর জল্পনা রাজনৈতিক মহলে

নন্দীগ্রাম মানেই হাইভোল্টেজ রাজনৈতিক লড়াই। তার উপর এবার সেখানে উপনির্বাচন। ফলে স্বাভাবিকভাবেই গোটা বাংলার রাজনৈতিক মহলের নজর এখন নন্দীগ্রামের দিকে। উপনির্বাচনকে সামনে রেখে বিজেপি ইতিমধ্যেই নিজেদের মতো করে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। অন্যদিকে, তৃণমূল শিবিরে এখনও সেই তৎপরতার ছবি দেখা যাচ্ছে না বলে দাবি রাজনৈতিক মহলের।রেয়াপাড়ার বিধায়ক কার্যালয়ে কেন্দ্র ও রাজ্য নেতৃত্বের উপস্থিতিতে বিজেপির একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়েছে। সেখানে সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী কে হবেন, তা নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি। এর মধ্যেই সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে একাধিক নাম নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।রাজনৈতিক মহলে সবচেয়ে বেশি চর্চায় রয়েছে হাসি রথের নাম। তিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নিহত আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের মা। জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই হাসি রথ রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। সেই কারণেই তাঁকে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে বলে খবর।চন্দ্রনাথ রথকে ঘিরেও রয়েছে একটি মর্মান্তিক ঘটনা। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর শপথ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে আততায়ীদের গুলিতে তাঁর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথ নিহত হন বলে জানানো হয়েছে। সেই চন্দ্রনাথের মা হাসি রথের নাম এবার নন্দীগ্রামের সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় উঠে আসায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।তবে শুধু হাসি রথই নন, বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে অঞ্জন ভারতী, মেঘনাদ পাল এবং প্রলয় পালের নামও শোনা যাচ্ছে। তিনজনই তমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপির পরিচিত কার্যকর্তা। ফলে শেষ পর্যন্ত কার নাম নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের জন্য বেছে নেওয়া হয়, সে দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল।তমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি মলয় সিনহা জানিয়েছেন, দলের সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। তবে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে প্রার্থী কে হবেন, তা রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বই ঘোষণা করবে। এই বিষয়ে তাঁর কিছু বলার নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি।অন্যদিকে, নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনকে ঘিরে তৃণমূলের মধ্যে এখনও তেমন কোনও তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না বলে দাবি রাজনৈতিক মহলের। এমনকি প্রশাসনের ডাকা সর্বদলীয় বৈঠকেও তৃণমূলের উপস্থিতি দেখা যায়নি বলে জানা গিয়েছে।বিজেপি সরকার গঠনের পর থেকেই পূর্ব মেদিনীপুরে তৃণমূলের সাংগঠনিক পরিস্থিতি নিয়েও নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। জেলার তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশ জোড়াফুল প্রতীক থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে নিচ্ছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। এরপর থেকে জেলার নেতাদের তেমন কোনও বড় রাজনৈতিক কর্মসূচিতেও দেখা যাচ্ছে না বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি।এর মধ্যে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা রামনগরের প্রাক্তন বিধায়ক অখিল গিরিকে দু-একটি বৈঠকে দেখা গিয়েছিল। কিন্তু উপনির্বাচন ঘোষণার পর তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না বলে দাবি করা হয়েছে। তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। দলের অন্য নেতাদেরও ফোনে পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ।সব মিলিয়ে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের আগে বিজেপি যখন প্রার্থী বাছাই ও সাংগঠনিক প্রস্তুতিতে ব্যস্ত, তখন তৃণমূল শিবিরের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। হাসি রথের নাম কি শেষ পর্যন্ত বিজেপির প্রার্থী তালিকায় জায়গা পাবে, নাকি অন্য কোনও পরিচিত মুখকে বেছে নেওয়া হবে, এখন সেটাই দেখার। একইসঙ্গে নন্দীগ্রামে তৃণমূলের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কোন দিকে যায়, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬
বিদেশ

কোমরে শিকল, রাস্তায় টেনে নিয়ে যাওয়া হল কিশোরীকে! ভিডিও ভাইরাল হতেই হতবাক নেটিজেন

বাংলাদেশের সিলেট নগরীতে ১৬ বছরের এক কিশোরীকে কোমরে শিকল বেঁধে রাস্তায় নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সেই ঘটনার ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। ভিডিয়োতে কিশোরীকে শিকল দিয়ে টেনে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখা যায় বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে তালিবানি কায়দা চলছে বলেও কেউ কেউ অভিযোগ তুলেছেন।ঘটনার সূত্রপাত সোমবার। শাহজালালপুরের ডি-ব্লক মসজিদ মার্কেটের একটি দোকানে চুরির চেষ্টা করা হয়েছিল বলে ১৬ বছরের ওই কিশোরীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। ব্যবসায়ীরা তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন বলে জানা গিয়েছে।এর পর রাত ১১টা নাগাদ কিশোরীর কোমরে শিকল বাঁধা হয় বলে অভিযোগ। তাকে রাস্তায় হাঁটিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই ঘটনার ভিডিয়ো পরে সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিয়োতে কিশোরীকে কাঁদতে কাঁদতে হাঁটতে দেখা যায় এবং কয়েক জন তাকে শিকল ধরে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ।ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। পরে স্থানীয়রা কিশোরীকে উদ্ধার করে শাহপরাণ থানার পুলিশের কাছে নিয়ে যান।ভিডিয়োটি ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশও নড়েচড়ে বসে। মঙ্গলবার ভিডিয়ো দেখে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করার পর তিন জনকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। ধৃতদের নাম জাকির হোসেন, তাঁর ভাই মোজাক্কির হোসেন এবং বুরহান উদ্দিন।শাহপরাণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মহম্মদ মনির হোসেন জানিয়েছেন, সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিয়োর ভিত্তিতেই অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।অন্য দিকে, কিশোরীর বিরুদ্ধেও চুরির চেষ্টার অভিযোগে মামলা হয়েছে। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে তাকেও আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।ঘটনাটি ঘিরে এখন একাধিক প্রশ্ন উঠছে। চুরির অভিযোগ থাকলেও আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে কিশোরীর সঙ্গে এমন আচরণ করা হল কেন, সেই প্রশ্নই সামনে এসেছে। ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসার পর পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপে তিন জন গ্রেফতার হলেও গোটা ঘটনা নিয়ে বিতর্ক এখনও অব্যাহত।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬
রাজ্য

শর্মিষ্ঠার কোনও খোঁজ নেই, অপেক্ষা ডিএনএ রিপোর্টের! শুভ্রাংশুর নতুন ছবিতে বাড়ল উৎকণ্ঠা

নেপালে হড়পা বানের পর নিখোঁজ শর্মিষ্ঠা রায়। প্রায় দুই সপ্তাহ কেটে গেলেও এখনও তাঁর কোনও সন্ধান মেলেনি। প্রশাসন থেকে বিদেশ মন্ত্রক, এমনকি কাঠমান্ডুতে ভারতীয় দূতাবাসেও যোগাযোগ করেছেন পরিবার। কিন্তু এখনও কোনও ইতিবাচক খবর মেলেনি বলে জানা গিয়েছে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে স্ত্রী শর্মিষ্ঠাকে সঙ্গে নিয়ে একটি সাদা-কালো ছবি নিজের প্রোফাইলের ছবি করেছেন প্রাক্তন বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়। সেই ছবি ঘিরেই নতুন করে নানা প্রশ্ন ও জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে ওই ছবি দেখে শর্মিষ্ঠার বিষয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যায় না।ঘটনার সূত্রপাত গত ২১ অগস্ট। হাওড়ার একটি ভ্রমণ সংস্থার মাধ্যমে কয়েক জন সহযোগীর সঙ্গে নেপালে গিয়েছিলেন শর্মিষ্ঠা। ২৫ অগস্ট রাতেও স্বামীর সঙ্গে তাঁর স্বাভাবিক কথাবার্তা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু পরের দিন, ২৬ অগস্ট নেপালে হড়পা বান আসার পর থেকেই তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর আর তাঁর সঙ্গে পরিবারের কোনও যোগাযোগ হয়নি।স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চালিয়ে যান শুভ্রাংশু। নেপালের পরিস্থিতির দিকে নজর রাখতে থাকেন তিনি। পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বিভিন্ন সরকারি দফতরেও যোগাযোগ করেন।ভবানী ভবন থেকে স্থানীয় থানা, বিদেশ মন্ত্রকসব জায়গাতেই শর্মিষ্ঠার খোঁজে যোগাযোগ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কাঠমান্ডুতে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত শর্মিষ্ঠার কোনও নিশ্চিত সন্ধান মেলেনি।এর মধ্যেই নেপালে উদ্ধার হওয়া কয়েকটি পরিচয়হীন দেহ শনাক্ত করার প্রক্রিয়াও চলছে। পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য পরিবারের সদস্যদের ডিএনএ নমুনা পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই পরীক্ষার চূড়ান্ত রিপোর্ট এখনও হাতে আসেনি।ফলে এক দিকে শর্মিষ্ঠার সন্ধান না মেলা, অন্য দিকে ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্টের অপেক্ষাসব মিলিয়ে পরিবারের উৎকণ্ঠা আরও বেড়েছে। তার মধ্যেই শুভ্রাংশুর সাদা-কালো ছবি সামাজিক মাধ্যমে নজর কাড়ায় নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।শুভানুধ্যায়ীদের একাংশ ওই ছবিকে উদ্বেগের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। তবে শর্মিষ্ঠার বিষয়ে কোনও চূড়ান্ত তথ্য এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট এবং নেপালে চলা অনুসন্ধানের পরেই গোটা বিষয়টি আরও স্পষ্ট হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬
রাজ্য

জলপাইগুড়ির স্কুলে প্রধান শিক্ষককে মারধর! ঘটনার নেপথ্যে আসলে কী, তদন্তে শিক্ষা দপ্তর

জলপাইগুড়ির জেলা স্কুলে প্রধান শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে স্কুলশিক্ষা দপ্তর। ঘটনার আগে ঠিক কী হয়েছিল, ছাত্রদের সঙ্গে প্রধান শিক্ষকের কী নিয়ে সমস্যা হয়েছিল এবং কেন পরিস্থিতি এতটা উত্তপ্ত হয়ে উঠল, তা খতিয়ে দেখতে বুধবার স্কুলে পৌঁছন জেলা স্কুল পরিদর্শকের নেতৃত্বাধীন দল।স্কুল পরিদর্শক সুজিত সরকারের নেতৃত্বে এদিন তদন্ত শুরু হয়। স্কুলে গিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেন পরিদর্শক দলের সদস্যরা। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী কারা ছিলেন, ছাত্রদের কী অভিযোগ ছিল এবং প্রধান শিক্ষককে মারধরের আগে পরিস্থিতি কেন নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি, সেই সব বিষয় জানতে চাওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।শিক্ষা দপ্তর সূত্রে খবর, গোটা ঘটনার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কী ভাবে পরিস্থিতি বদলেছিল, তা খতিয়ে দেখে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। জলপাইগুড়ির জেলা স্কুল পরিদর্শককে এই নির্দেশ দিয়েছেন স্কুলশিক্ষা দপ্তরের সচিব বিনোদ কুমার।মঙ্গলবার শিক্ষক দিবস উপলক্ষে স্কুলে বিশেষ খাওয়াদাওয়ার আয়োজনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। স্কুলের মিড ডে মিলের ঘরে ওই আয়োজন হয়েছিল। কয়েক জন ছাত্র সেখানে উঁকি দেওয়ায় তাঁদের প্রধান শিক্ষক মারধর করেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগকে কেন্দ্র করেই পরে ছাত্রদের একাংশ প্রধান শিক্ষকের উপর চড়াও হয় বলে জানা গিয়েছে।অভিযোগ, ছাত্ররা প্রধান শিক্ষককে মারধর করে তাঁর মাথায় আঘাত করে। এর পর স্কুল চত্বরে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ স্কুলে পৌঁছয়। পরে পুলিশই প্রধান শিক্ষককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে তিনি জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।প্রধান শিক্ষক ধর্মুচাঁদ বারুইয়ের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক অভিযোগ উঠেছিল বলে জানা গিয়েছে। বিভিন্ন সময়ে স্কুলের শিক্ষক, অভিভাবক এবং ছাত্রদের একাংশ তাঁর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন বলেও দাবি করা হয়েছে। তবে সেই অভিযোগগুলির সঙ্গে মঙ্গলবারের ঘটনার কী সম্পর্ক রয়েছে, তা-ও তদন্ত করে দেখছে শিক্ষা দপ্তর।এখন মূল প্রশ্ন, শিক্ষক দিবসের আয়োজন ঘিরে ঠিক কী থেকে এত বড় অশান্তি তৈরি হল এবং প্রধান শিক্ষককে মারধরের আগে স্কুলে কী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। তদন্তকারী দলের রিপোর্টেই সেই প্রশ্নগুলির উত্তর মিলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬
কলকাতা

গেরুয়ার অসম্মান বরদাস্ত নয়! যাদবপুরের মঞ্চ থেকে ‘শিকড়-সহ উপড়ে ফেলার’ হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

বাংলায় দাঁড়িয়ে গেরুয়ার অসম্মান কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না বলে বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার গেরুয়া সম্মান যাত্রা শেষে যাদবপুরের এইট বি বাসস্ট্যান্ডের মঞ্চ থেকে তিনি বলেন, গেরুয়াকে যারা অপমান করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে। একই সঙ্গে কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি-র মতো স্লোগান নিয়েও কড়া বার্তা দেন তিনি।যাদবপুরের মঞ্চে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু বলেন, তিনি এই এলাকায় দাঁড়িয়ে একটি শপথ নিয়েছেন। তাঁর বক্তব্যে কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি স্লোগান এবং কয়েকটি রাজনৈতিক অবস্থানের প্রসঙ্গ উঠে আসে। যারা গেরুয়া নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে শিকড়-সহ উপড়ে ফেলার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।এর পাশাপাশি নিজের রাজনৈতিক জীবনের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, ২০১১ সালে কমিউনিস্ট সরকারকে সরানোর লক্ষ্য নিয়ে তিনি পণ করেছিলেন। পরে নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ২০২৬ সালে জামাতি সরকারকে সরানোর কথাও তিনি বলেছিলেন বলে দাবি করেন। তাঁর বক্তব্য, মানুষের সহযোগিতায় সেই লক্ষ্য পূরণ হয়েছে।যাদবপুরের মঞ্চ থেকেই শুভেন্দু বলেন, স্বামী বিবেকানন্দ, শ্রীচৈতন্য এবং প্রণবানন্দের ভূমিতে গেরুয়ার গুরুত্ব আরও বাড়বে। বক্তব্যের শেষে তিনি বার বার বলেন, গেরুয়াই হবে।এদিনের গেরুয়া সম্মান যাত্রা শুরু হয়েছিল গোলপার্ক থেকে। মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। শঙ্খধ্বনি এবং উলুধ্বনিতে মিছিলের পরিবেশ বদলে যায়। গেরুয়া পতাকা হাতে মিছিলে হাঁটেন সাধু-সন্তরাও।মিছিলে শুভেন্দুর পাশে ছিলেন রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী তাপস রায়। উপস্থিত ছিলেন যাদবপুরের বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায়ও। পদ্মশ্রী কার্তিক মহারাজকেও শুভেন্দুর পাশে মিছিলে হাঁটতে দেখা যায়।মিছিল যাদবপুরের এইট বি বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছনোর পর বন্দে মাতরম গানে অংশ নেন উপস্থিত সকলে। এরপর মঞ্চে উঠে বক্তব্য রাখেন শুভেন্দু। সেখান থেকেই গেরুয়ার অসম্মান এবং দেশবিরোধী স্লোগান নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন তিনি।শুভেন্দুর এই বক্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। গেরুয়া সম্মান যাত্রা এবং তার শেষে মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বক্তব্যকে ঘিরে আগামী দিনে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ে কি না, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal