• ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩, শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

রাজনীতি

রাজনীতি

ভাইপোকে খোকাবাবু বলে কটাক্ষ দিলীপের

কে গুন্ডা সে তো পঞ্চায়েত নির্বাচনেই আমরা দেখেছি। সোমবার ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে অভিষেকের গতকালের মন্তব্যের পালটা আক্রমণ করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, অভিষেক ৭ কোটি টাকার বাড়িতে থাকে, কনভয়ে ২৫টা গাড়ি ও আরও অনেক কিছু থাকে তাই কে মাফিয়া বোঝাই যাচ্ছে। হতাশা চরম পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে বলে এসব বলছেন। আদর করে ভাইপো বললে আপত্তি কোথায়। আমি ভাইপো বলি না। আমি খোকাবাবু বলছি। ওঁকে খোকাবাবু বলব না তো কী! উনি কোলে চড়ে রাজনীতিতে এসেছেন, এখনও কোলেই আছেন। দিল্লিতে যুবরাজকে পাপ্পু বলা হয়। পাপ্পু বলা হবে। ভাইপো বললে ক্ষতি কি হয়েছে? চিৎকার চেঁচামিচি করে কিছু হবে না। লোক জানেন সব কিছু। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূলকে ভাঙার চেষ্টা করে কোনও লাভ নেইঃ সুজিত তিনি আরও বলেন, যে লোকেরা পার্টির জন্য প্রাণ দিল তারা আজ ব্রাত্য আর উনি কোলে চড়ে এসে সাংসদ হয়ে গেলেন। বিগত ১০ বছরে প্রাইভেট প্রপাটি বানানো হয়েছে। বাসিন্দাদের কালিঘাট থেকে বের করে জায়গা দখল করা হয়েছে। আমাকে গুন্ডা, মস্তান বলা হয়েছে। সাধারণ মানুষের জন্য যা করছি তা যদি গুন্ডামি হয় তবে তাই। আমি সবে গুন্ডামি শুরু করেছি। গুন্ডামির কিছুই দেখেননি এখনও। অভিষেকের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ নেওয়া হবে কিনা তা আইনজীবীরা দেখছেন। তবে ক্ষমতায় এসে এই ধরনের ভাষা ব্যবহার করা উচিত নয়। মানুষ সব দেখছেন ও বুঝছেন। মানুষ তুলতেও পারে-ফেলতেও পারেন।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
রাজনীতি

তৃণমূলকে ভাঙার চেষ্টা করে কোনও লাভ নেইঃ সুজিত

তৃণমূলকে ভাঙার চেষ্টা চলছে। ওসব করে কোনও লাভ নেই। ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই বলে মন্তব্য করলেন রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসু। তৃণমূলের তরফ থেকে রবিবার হলদিয়ার কদমতলা থেকে সিটি সেন্টার পর্যন্ত একটি মিছিলের আয়োজন করা হয়। এদিনের মিছিলে সুজিত বসু ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূলের হলদিয়া টাউনের নেতৃত্ব। সুজিত বসু আরও বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই আমাদের নেত্রী। আবার সরকার হবে। নন্দীগ্রামের আন্দোলন, সিঙ্গুরের আন্দোলন দেখেছেন। দিদিকে আমার নেত্রী মানি। তাঁর বিকল্প একমাত্র তিনিই। আরও পড়ুন ঃ লিফটে উঠলে ৩৫ টা পদের অধিকারী হতামঃ অভিষেক কেন্দ্রীয় সরকারকে তাঁর কটাক্ষ, কৃষকদের উপর লাঠিচার্জ হচ্ছে। জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়েছে, ওরা গরীবের কথা ভাবে না। বিজেপি কিছু নেতা যাদের ক্লাব জেতার ক্ষমতা নেই, তারা বড় বড় কথা বলছে। সোনার বাংলা করতে গেল ত্রিপুরা, গুজরাটের করুন। বাংলা নিয়ে ভাবতে হবে না।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
রাজনীতি

লিফটে উঠলে ৩৫ টা পদের অধিকারী হতামঃ অভিষেক

কর্মী হোক বা নেতা, তৃণমূল কংগ্রেসে কেউ প্যারাশুটে নামেনি। লিফটে ওঠেনি। রবিবার সাতগাছিয়ার জনসভা থেকে নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীর উদ্দেশে এভাবেই আক্রমণ শানালেন ডায়মন্ড হারবারের তৃ্ণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আরও বলেন, আপনারা যাঁরা এসেছেন কজন প্যারাশুটে নেমেছেন। কজন লিফটে উঠেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের নাম তৃণমূল কংগ্রেস। এটা মাথায় রাখতে হবে। দল সকলের কাছে মায়ের মতো। তৃণমূল কংগ্রেস সকলের মা। মায়ের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করলে ছেড়ে কথা বলবেন? নিজে উচ্চাকাঙক্ষী হয়ে অন্য দলের হয়ে তাবেদারি তল্পিবাহক হলে ছেড়ে কথা বলবেন? মায়ের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা সহ্য করা যায় না। একটা বাংলা ছবির সংলাপ আছে, বউ হারালে বউ পাওয়া যায়, মা হারালে পাওয়া যায় না। বিশ্বাসঘাতকতা করলে কড়ায়-গণ্ডায় জবাব দেওয়া হবে। যতই নাড়ো কলকাটি নবান্নে আবার হাওয়াই চটি। পদ নয় পতাকা, নেত্রীর নাম মমতা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাতারাতি তৈরি হয়নি। একে ওকে দিয়ে মন্তব্য করিয়ে লাভ হবে না। ৩৪ বছরের তমশাচ্ছন্ন পশ্চিমবঙ্গের সূর্য মমতা। লড়াই করতে আসলে ঝলসে যাবেন। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যপাল সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণে ডাকতে পারেন মুখ্যমন্ত্রীকে, দাবি সৌমিত্র খাঁয়ের তৃণমূল কংগ্রেসে রাতারাতি কেউ নেতা হয়নি। কর্মী হোক বা নেতা- কেউ প্যারাশুটে নামেননি। লিফটেও ওঠেননি। লিফটে উঠলে একটা বিধানসভার সদস্য হয়ে থাকতেন না। কেউ কেউ অনেক কিছু বলে। গণতান্ত্রিক দেশে বলতেই পারেন। আমি প্যারাশুটে নামলে ৩৫টা পদের অধিকারী হতাম। প্যারাশুটে নামলে দক্ষিণ কলকাতায় লড়তাম, যেখানে আমি থাকি। ২০১৪ সালে প্রার্থী হয়েছি ডায়মন্ড হারবারের। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ ছিলেন প্রয়াত সৌমেন মিত্র। তাঁর জমানায় কোনও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। অভিষেক এই প্রসঙ্গে বলেন, প্রার্থী হওয়ার পর মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়েছি। কেউ বলছে জল নেই, বিদ্যুৎ নেই। তবুও ময়দান ছেড়ে যাইনি। আপনাদের ভালবাসায় ৭১ হাজার ভোটে জিতেছিলাম। সবচেয়ে কম ভোটের মার্জিন ছিল এই জেলায়। জেতার পর বুথে বুথে পৌঁছনোর চেষ্টা করেছি। সেই ডায়মন্ডবারবার গতবার ৭ লক্ষ ৯১ হাজার ভোট পেয়েছি। ৩ লক্ষ ২২ হাজার ভোটে জিতেছি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির উদ্দেশে বলেন, বিজেপির ছোট- বড় নেতারা একটাই কথা বলে ভাইপো। বুকে পাটা থাকলে আমার নাম নিয়ে দেখান। ভাববাচ্যে কথা বলে লাভ নেই। নাম নিয়ে বলার সাহস নেই। কারণ, মুকুল রায় বলেছিল, আমি নাকি বিশ্ববাংলা কোম্পানির মালিক। তারপর তাকে আদালতে ল্যাজেগোবরে হতে হয়েছিল। যে যখন আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে, তাঁকেই হাই কোর্ট পর্যন্ত টেনে নিয়ে গিয়েছি। সবসময় আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়েছি। তাই তারা আমার নাম নেওয়ার সাহস পায় না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম নেওয়ার ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীরও নেই। এরপরেই তিনি বলেন, কৈলাস বিজয়বর্গীয়র ছেলে আকাশ বিজয়বর্গীয় গুন্ডা। দিলীপ ঘোষ গুন্ডা মাফিয়া। সুনীল দেওধর বহিরাগত। কৈলাস বিজয়বর্গীয় বহিরাগত। আমার দিদি কী করেছে আর তোমার মোদি কী করেছে, হোক প্রতিযোগিতা। তিনি আরও বলেন, আমফানে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্য সরকার আমফানের জন্য ইতিমধ্যেই সাত হাজার কোটি টাকা খরচ করেছে। দলে থেকে অনেকেই খারাপ কাজ করছেন বলেও দাবি করেন যুব তৃণমূলে সভাপতি। ডায়মন্ড হারবারে আর দলবিরোধী কাজ সমর্থন করা হবে না বলে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের হুঁশিয়ার করেছেন অভিষেক।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
রাজনীতি

রাজ্যপাল সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণে ডাকতে পারেন মুখ্যমন্ত্রীকে, দাবি সৌমিত্র খাঁয়ের

রাজ্যের যা পরিস্থিতি তাতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে যে কোনও দিন রাজভবনে রাজ্যপালের ডাক পেতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। রবিবার এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। ৭ ডিসেম্বর উত্তরকন্যা অভিযানের ডাকও দিয়েছেন তিনি। শাসকদলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বলেছেন, পরিস্থিতি যা তাতে কদিন পর তৃণমূল বলে কোনও দলই থাকবে না। যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি জানান, শুভেন্দু অধিকারীর পর এবার সুব্রত মুখার্জী লাইনে আছে। আরো ৫৮ জন তৃণমূল বিধায়ক বিজেপিতে আসার জন্য প্রস্তুত। আরও পড়ুন ঃ বছরের শেষটা মোটেও ভাল যাচ্ছে না তৃণমূলেরঃ দিলীপ সৌমিত্র দৃঢ়তার সঙ্গে বলেছেন, আগামী এক মাসের মধ্যে তৃণমূল সরকার মুখ থুবড়ে পড়বে। অন্যদিকে, বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁয়ের মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন তৃণমূল এমপি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, সৌ্মিত্র যে অঙ্ক জানে না, আমি সেটা জানতাম না। দিলীপ ঘোষের সঙ্গে থেকে ওর মাথাটা খারাপ হয়ে গেছে।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
রাজনীতি

বছরের শেষটা মোটেও ভাল যাচ্ছে না তৃণমূলেরঃ দিলীপ

এই ডিসেম্বর মাসটা খুব গুরুত্বপূর্ণ তৃণমূলের কাছে। প্রতিদিনের মতো রবিবার সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে এই মন্তব্য করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন, আমি কাল যেটা বলেছি তৃণমূলে ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট শুরু হয়েছে। তাঁরা এখন ভাঙন ঠেকাতে মরিয়া। যে নেতারা কোনও্দিন বাইরে বেরোন না, তাঁরা বেরোতে আরম্ভ করেছেন। ডিসেম্বর মাসটা তৃণমূলের জন্য খুব চাপের। বছরের শেষটা মোটেও ভাল যাচ্ছে না তৃণমূলের।তৃণমূল দলটাই আর থাকবে না। এরপরই ৭ তারিখের সভা প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, মানুষ অনেক আশা করেছিলেন। কিন্তু জঙ্গলমহলে কোনও উন্নতিই ঘটেনি মমতা সরকারের আমলে। তাই মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। এখন জঙ্গলমহলে পড়ে থাকলেও কিছু হবে না।শেষ চেষ্টা করে দেখছেন। মিহির গোস্বামীর বিজেপিতে যোগদান প্রসঙ্গে সাংসদ বলেন, মিহির গোস্বামী অভিমানে দলত্যাগ করেছেন। এরকম আরো হবে। ফের বাংলাকে গুজরাট বানানোর শপথ নেন তিনি। বলেন, গুজরাটে শিল্প হয়েছে, শিক্ষা হয়েছে, উন্নতি হয়েছে। তাই বাংলাকে গুজরাট বানাবই। এছাড়াও শুভেন্দু ইস্যুতে দিলীপের বক্তব্য, টিএমসি-র কাউকে বহিষ্কার করার মত শক্তি নেই। তাহলে তো ফাঁকা হয়ে যাবে। সেজন্য আজকে তাঁরা কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন না। এখন কিছু করতে গেলে পার্টি একবারে টুকরো টুকরো হয়ে যাবে। আরও পড়ুন ঃ আগামী ৬ তারিখ পাহাড়ে বিমল গুরুং জেপি নাড্ডা আসার আগে মুখ্যমন্ত্রীর সভা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা নিয়মিত তো সভা করছি। ওনারা সবে নেমেছেন। কারণ, তৃণমূলের ভাষণ শুনতে লোকে আসে না। বিভিন্ন জায়গা থেকে , দূর দূর থেকে লোক নিয়ে আসতে হয়। তাই একবার পরীক্ষা করে নিচ্ছেন কি পরিস্থিতি। এখন ঘর সামলান আগে, তারপর সভা করবেন। গতকাল অনুকূল ঠাকুরের পুত্রের সঙ্গে কৈলাশ বিজয়বর্গীয় সাক্ষাৎ নিয়ে দিলীপের মন্তব্য, যত ধার্মিক সংগঠন আছে তাঁদের সমস্যা শোনা, তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করার কাজটা আমাদের পার্টি সব সময় করে থাকে। গতকাল মালদহের নেতৃত্বের সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠকে কয়েকজন নেতৃত্বের অনুপস্থিতি নিয়ে বলেন, ওনারা একটু দেখে নিচ্ছেন কে আছেন, কে নেই। এই মাসেই দুধ-জল সব আলাদা হয়ে যাবে।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
রাজনীতি

আগামী ৬ তারিখ পাহাড়ে বিমল গুরুং

আগামী ৬ তারিখ পাহাড়ে আসতে চলেছেন বিমল গুরুং। শনিবার এমনটাই জানালেন রোশন গিরি। শনিবার বাগডোগরা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান রোশন। রোশন গিরিকে স্বাগত জানাতে ভিড় জমায় গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার বিমল গুরুংপন্থীরা। তিনি বলেন, বিজেপি পাহাড়ের জন্য কিছু করেনি। পাহাড় সমস্যার স্থায়ী সমাধান করেনি। যে পার্টি গোর্খাল্যান্ড সমর্থন করবে, তাকেই আমরা সমর্থন করব। নরেন্দ্র মোদি , অমিত শাহ যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা পালিত হয়নি। তাই আমরা দিদিকে সমর্থন করছি। গুরুংয়ের নেতৃত্বে সাধারণ মানুষের বিশ্বাস আছে। বিনয় তামাংয়ের সময় পাহাড়ে গণতন্ত্র হরণ হয়েছে। এছাড়াও স্বজনপোষণ হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। রোশন দাবি করেন, বিমল গুরুংয়ের পাশে মানুষ রয়েছে। তারা পাহাড়ের মানুষের আবেগের সাথেই আছেন। প্রসঙ্গত, দীর্ঘ তিন বছর পর পাহাড়ে এলেন রোশন গিরি। বেশ কয়েকদিন যাবৎ বিমল রোশনরা পাহাড়ে আসবেন এমন গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। কিছুদিন আগে কলকাতায় প্রকাশ্যে এসেছিলেন বিমল গুরুং। রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের কাজকর্মের ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন গুরুং। রবিবার কার্শিয়াং মোটর স্ট্যান্ডে সভা করার কথা তার। পার্বত্য এলাকা বিমল গুরুংয়ের এবং গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার পতাকায় সাজিয়ে তোলা হয়। সূত্রের খবর, বিমল এবং রোশন আগামী সপ্তাহেও সিবচুতেও একটি সভা করবেন। আরও পড়ুন ঃ কালো রক্ত যত আছে, সব বিজেপিতে যাক , ফের বিস্ফোরক কল্যাণ গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার বিনয় তামাংপন্থী নেতা অনিত থাপার বক্তব্য, ভারত গণতান্ত্রিক দেশ। সবার সব জায়গায় যাওয়ার অধিকার আছে। বিগত তিন বছরের চেষ্টায় শান্তি ফিরচ্ছে পাহাড়ে। পাহাড় সকলের জন্য, যে কেউ আসতে পাহাড়ে। তবে আশার পেছনে কি উদেশ্য রয়েছে তা জানতে হবে। পাহাড়ে নতুন করে কোনো অশান্তি বরদাশ্ত করা হবে না।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
রাজনীতি

কালো রক্ত যত আছে, সব বিজেপিতে যাক , ফের বিস্ফোরক কল্যাণ

শুভেন্দু অধিকারী প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে শালীনতার সীমা ছাড়ালেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কালো রক্ত যত আছে, সব বিজেপিতে যাক, এভাবেই শুভেন্দুর মন্ত্রিসভা ছাড়া ইস্যুতে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ। ্তিনি আরো বলেন, উনি নিজের ইচ্ছায় মন্ত্রিত্ব ছেড়েছেন। বাংলায় যে যেখানেই জিতেছেন তিনিই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দেখিয়ে জিতেছেন। এরাজ্যের ২৯৪টি আসনের মধ্যে তাঁর আসনটিও পড়ে। আরও পড়ুন ঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল ত্যাগী কথা শুনে সকলে দলত্যাগ করছেনঃ লকেট প্রসঙ্গত, শুক্রবারই রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। এছাড়াও একের পর এক সরকারি পদ থেকেও ইস্তফা দিয়ে চলেছেন তৃণমূলের এই দাপুটে নেতা। অন্যদিকে, ওই দিনই দিল্লি গিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়ক মিহির গোস্বামীও। এছাড়াও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শাসকদল ছেড়ে অনেক নেতা-কর্মীই বিজেপিতে যুক্ত হচ্ছেন বলে দাবি গেরুয়া শিবিরের। বিজেপি নেতাদের দাবি, আগামী দিনে তৃণমূল ছেড়ে একাধিক বিধায়ক, নেতা বিজেপিতে আসবেন।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
রাজনীতি

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল ত্যাগী কথা শুনে সকলে দলত্যাগ করছেনঃ লকেট

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাঁকুড়াতে বলেছিলেন , তৃণমূল ত্যাগী। আর এখন তাঁদের নেতারা দলত্যাগ করছেন। শনিবার ধনেখালির দশঘড়ায় চায়ে পে চর্চায় যোগ দিয়ে জনসংযোগ করেন তিনি। সেখানে এই মন্তব্য করলেন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিত্ব ছাড়াকে সমর্থন শীলভদ্রর তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন, তৃণমূলের ভিতরে দ্বন্দ্ব আগেই শুরু হয়েছিল। যেসব নেতা ভাবছিলেন কী করবেন , তাঁরা তৃণমূল ত্যাগী কথাটা শুনে দলত্যাগ শুরু করেছেন। তৃণমূলকে ত্যাগ করছেন। আগামীদিনে আরও বড় বড় সব মাথারা বের হবেন। তৃণমূলে ২ জন ছাড়া আর কেউ থাকবে না। পিসি আর ভাইপো ছাড়া আর কেউ থাকবে না। জোড়া ফুলে জোড়া মালিক ছাড়া আর কেউ থাকবে না। শুভেন্দু অধিকারীর নাম না করে তাঁর বক্তব্য, ২০১৯ লোকসভা ভোটে বিজেপি ১৮টা আসন জিতেছে। আগামীতে বিজেপিই ক্ষমতায় আসছে। আমরা জানি যে, বিজেপিই সরকারে আসছে। তাই আমরা চাই যে, ভালো ভালো মানুষগুলো বিজেপির সঙ্গে থাকুক। তাহলেও মানুষও আরও বেশিভাবে আমাদের পাশে থাকবে, সঙ্গে থাকবে। বিজেপি আগেও জিতেছে, আগামীতেও জিতবে। সবাইকে নিয়েই আমরা একসাথে ভালোভাবে কাজ করব। এদিন লকেট চট্টোপাধ্যায় স্বচ্ছ ভারত অভিযানে অংশগ্রহণ করে ঝাড়ু হাতে ঝাট দেন। লকেট জানান বুথে বুথে, ব্লকে ব্লকে, মণ্ডলে মণ্ডলে এই অভিযান হবে। তিনি বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধেও স্বচ্ছতা অভিযান জারি রয়েছে। যাঁরা দুর্নীতিযুক্ত নেতা আছেন, তাঁদের এই বাংলা থেকে বের করতে হবে।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিত্ব ছাড়াকে সমর্থন তৃণমূল বিধায়কের

শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিত্ব ত্যাগ নিয়ে মন্তব্য করে জল্পনা বাড়ালেন বারাকপুরের বিধায়ক শীলভদ্র দত্ত। তিনি বলেছেন, যা করেছেন, ঠিক করেছেন। আমি ওঁর ফ্যান। এরপর তিনি জল্পনা বাড়িয়ে বলেন, ভবিষ্যতে ঠিক করব, কোন দলে থাকব। কয়েকদিন আগেই শীলভদ্রবাবু দল নিয়ে তাঁর অসন্তোষের কথা প্রকাশ্যে বলেছিলেন। আরও পড়ুন ঃ বিজেপিতে যোগ দিলেন মিহির গোস্বামী তিনি টিম পিকে-র নাম না করে বাজারি কোম্পানি তাঁকে রাজনীতির জ্ঞান দিচ্ছে, তিনি তা মেনে নিতে পারছেন না, এই বিরক্তিও গোপন রাখেননি। এমনকী এও ঘোষণা করে দিয়েছেন যে পরবর্তী বিধানসভায় তিনি আর লড়বেন না। বারাকপুর থেকে তৃণমূল প্রার্থী হবেন অন্য কেউ। মুকুল রায় ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ছিলেন তিনি। দল তাকে একবার সাসপেন্ডও করেছিল। তিনি আজ হোক বা কাল, সে পথেই যাবেন, এ বিষয়ে প্রায় নিশ্চিত রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
রাজনীতি

বিজেপিতে যোগ দিলেন মিহির গোস্বামী

অবশেষে তৃৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন কোচবিহার দক্ষিণের বিধায়ক মিহির গোস্বামী। প্রসঙ্গত, শুক্রবার তিনি তৃণমূলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকেও ইস্তফা দিয়েছেন। এদিন তিনি দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে গিয়ে কেন্দ্রের শাসকদলে যোগদান করেন। তাঁর যোগদানের সময় উপস্থিত ছিলেন দলের রাজ্যের পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়, সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক ও অর্জুন সিং। কৈলাস বিজয়বর্গীয় তার গলায় উত্তরীয় পড়িয়ে দলে বরণ করে নেন। বিজেপিতে যোগ দিয়ে মিহির গোস্বামী বলেন, আমি ইতিমধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেস থেকে ইস্তফা দিয়েছি৷ আমাদের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গে যে অনাচার চলছে, দুর্নীতি ও ঠিকাদারি সংস্থার রাজত্ব তৈরি হয়েছে তার প্রতিবাদেই আমার এই সিদ্ধান্ত। স্বাধীনতার পর থেকে বাম ও ডানপন্থী উভয় জামানায় উত্তরবাংলার প্রতি যে বঞ্চনা, ধারাবাহিকভাবে যে অবহেলা হয়ে এসেছে তার প্রতিবাদে আমার ধর্মযুদ্ধ বলতে পারেন ৷ রাজনৈতিক জীবনের প্রান্তে এসে, আমি আমার বাংলার নতুন দিনের ভোট দেখতে চাই। আমার দৃঢ় বিশ্বাস প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজির নেতৃত্বে আমরা উত্তরবঙ্গের মানুষ সুদিন দেখতে পাব ৷ আরও পড়ুন ঃ মারের বদলা মারের নিদান দিলীপের প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগে থেকে দলের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয় কোচবিহার দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক মিহির গোস্বামীর। বারবার দলের নেতা-মন্ত্রী এমনকী মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিধায়ক। দলের তরফে প্রথমে বিষয়টিকে গুরুত্ব না দিলেও পরবর্তীতে একাধিক নেতা কথা বলেন মিহিরবাবুর সঙ্গে। এই পরিস্থিতিতে প্রকাশ্যে আসে বিজেপি সাংসদ নিশীথ প্রামাণিকের সঙ্গে মিহির গোস্বামীর ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা। তখন থেকেই শুরু কানাঘুষো। অনেকের মনেই ধারণা তৈরি হয়, সাংগঠনিক পদত্যাগের পাশাপাশি এবার মিহিরবাবু দলবদলও করতে চলেছেন। কিন্তু এতদিন পর্যন্ত এই জল্পনাকে প্রশ্রয় দেননি বিধায়ক। বরং বারবারই জানিয়েছেন, দলবদল নিয়ে কখনওই কিছু ভাবেননি তিনি। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার দলের প্রতি অভিমান ব্যক্ত করে একটি ফেসবুক পোস্ট করেন বিধায়ক। সেখানেই লেখেন, আজ এই তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে আমার যাবতীয় সম্পর্ক ছিন্ন করতে চাই। আমি আশা করছি, আমার দীর্ঘদিনের সাথী, বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীরা আমাকে মার্জ্জনা করবেন।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
রাজনীতি

মারের বদলা মারের নিদান দিলীপের

এবার মারের বদলা মারের নিদান দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। শুক্রবার উত্তর ২৪ পরগনার গোপালনগর হাই স্কুল মাঠে এক জনসভা থেকে এই হুঙ্কার দিয়ে তিনি বলেছেন, বিজেপির কোনও কর্মীর গায়ে হাত পড়লে উল্টো হাত লাগাবেন। খালি গায়ে, খালি হাতে কেউ বাড়ি থেকে বের হবেন না। আপনাদের মেরে দিয়ে কেউ দাদাগিরি করবে, চুপচাপ কেউ চলে আসবেন না। মার খেয়ে ফোনও করবেন না, তাহলে আর থানায় যাব না, হাসপাতালেও যাব না। ওরা দুটো দিলে চারটে দিয়ে আসবেন। পিঠে দাগ নিয়ে ওরা বাড়ি যাবে, হাসপাতালে যাবে, থানায় যাবে। আমরা যাব না। তিনি দাবি করেন, তৃণমূল সাহায্য করছে সিপিএমকে। এখন পাড়ায় পাড়ায় তৃণমূল কর্মীরা সিপিএমের পতাকা লাগাচ্ছে। পার্টি অফিসের চাবি দিচ্ছে খোলা জন্য। প্রয়জনে চা খাওয়ার টাকাও দিচ্ছে। তিনি আরো দাবি করেন, এখন কানা সিপিএমের কাঁধে ভর দিয়ে চলছে ল্যাংড়া কংগ্রেস। দিদি প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যা সিপিএমের জন্য কালিঘাটে পুজো দিচ্ছেন। আরও পড়ুন ঃ মন্ত্রিত্ব ছেড়ে কী বললেন শুভেন্দু? এদিন তিনি বলেন, কোন ভদ্র মানুষ তৃণমূল করে না। আমার কাছে এইমাত্র একটা খবর আসল, দেখুন কিভাবে দিদির ঘর ভাঙছে। তৃণমূলের শেষের শুরু হয়ে গিয়েছে। তৃণমূলে আর কেউ থাকবে না। তিনি আরও বলেন, দিদিমনি বলতেন বদলা নয়, বদল হবে। কেন আমাদের ১২০জন কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে? তার জবাব কে দেবে? ২৮ হাজার মামলা দেওয়া হয়েছে আমাদের কর্মীদের। হাজার হাজার লোক বাড়ি ছাড়া, হাজার হাজার লোক জেলে আছে। তাঁদের একটাই দোষ তাঁরা বিজেপি করে। মার খেতে হবে, হাত পা ভেঙে দেবে। তাই আমি বলছি বদল তো হবেই বদলাও হবে।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
রাজনীতি

মন্ত্রিত্ব ছেড়ে কী বললেন শুভেন্দু?

জল্পনার অবসান। শুক্রবার ২৭ নভেম্বর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে চিঠি লিখে সব মন্ত্রিত্ব ছাড়লেন শুভেন্দু অধিকারী। সরকারি নিরাপত্তা ছেড়ে অন্যান্য পদগুলিও তিনি ছেড়েছেন বলে খবর। রাজ্যপালকেও অবিলম্বে পদত্যাগপত্র অনুমোদন দিতেও আর্জি জানান শুভেন্দুবাবু। রাজ্যবাসীর সেবা করার সুযোগ দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতাও জানিয়েছেন তিনি। ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি শুধু বলেছেন, চাপমুক্ত হলাম। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় টুইটে লিখেছেন, সংবিধান মেনেই পদক্ষেপ করব। তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, শুভেন্দু দল ছাড়েননি। দল তাঁর সঙ্গে কথা বলার যে দায়িত্ব আমাকে দিয়েছিল তাও তুলে নেয়নি। দুবার কথা বলেছি। নেত্রীকেও জানিয়েছি। আবার তাঁর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করব। মন্ত্রিত্ব ছাড়া ওঁর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। গতকাল এইচআরবিসি-র পদ ছাড়ার পর জেড ক্যাটেগরি-সহ সরকারি নিরাপত্তাও ছেড়েছেন শুভেন্দুবাবু।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
রাজনীতি

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে জোকার বলে কটাক্ষ দিলীপের

নাম না করে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে জোকার বলে কটাক্ষ করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। শুক্রবার তিনি বঁনগায় চা চক্রে যোগ দেন। তিনি আরও বলেন, ওনার মুখ থেকে এখন অনেক জোকস শুনতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হয়েও আহাম্মকের মতো কথা বলছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তিনি আক্রমণ করে বলেন, এদের কান ধরে নামিয়ে দিতে হবে। তৃণমূল নেতাদের কথা মানুষ বিশ্বাস করে না। রাজনীতিতে থাকার কোনও অধিকার নেই এদের। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূল ছাড়লেন মিহির গোস্বামী মিহির গোস্বামীর দল ছাড়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তৃণমূলে কোনও ভদ্রলোক থাকতে পারবেন না। বিশ্বজিৎ দাস ও দুলাল বর তৃণমূল ছেড়ে চলে এসেছেন। অন্যান্য ভদ্রলোকেরাও দল ছেড়ে দেবেন,

নভেম্বর ২৭, ২০২০
রাজনীতি

তৃণমূল ছাড়লেন মিহির গোস্বামী

এই তৃণমূল তাঁর দল নয়। তাই তার সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করাই শ্রেয়। ফেসবুক পোস্টে সেই আক্ষেপ প্রকাশ করেই দলের সঙ্গে সম্পর্ক ঘুচিয়ে ফেলার বার্তা স্পষ্ট করে দিলেন মিহির গোস্বামী। তিনি আরও লিখেছেন , বাইশ বছর আগে যে দলটির সঙ্গে যোগ দিয়েছিলাম, আজকের তৃণমূল সেই দল নয়। এই দলে আমার জায়গা নেই। তাই আজ এই তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে আমার যাবতীয় সম্পর্ক ছিন্ন করতে চাই। আমি আশা করছি, আমার দীর্ঘদিনের সাথী, বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীরা আমাকে মার্জ্জনা করবেন।তিনি আরও লিখেছেন, গত ৩ অক্টোবর তৃণমূল কংগ্রেসের যাবতীয় সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে এও জানিয়েছিলাম, দলনেত্রীর নির্দেশ পেলে আমি বিধায়ক পদ থেকেও ইস্তফা দিতে পারি। তারপর প্রায় দুমাস হতে চলল আমি যেমন নিজের বিবেকের সঙ্গে ও নিজের যুক্তিবোধের সঙ্গে চিন্তন-মন্থন করেছি তেমনই আমার ভাবনাকে মানুষের সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিয়মিত শেয়ার করেছি। আরও পড়ুন ঃ সিপিএম ও বিজেপি লোভী ও ভোগী, তৃণমূল ত্যাগীঃ মমতা তিনি আরও লিখেছেন, যে সব মানুষ আমার ভাবনাকে যুক্তিযুক্ত ভেবে স্বাগত জানিয়েছে তাঁদের উদ্দেশ্যেই আবার বলি, গত দশ বছর যে তৃণমূল দলের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে দলের মধ্যে বারবার অবহেলিত ও অপমানিত হয়েছি, দলের রাজ্য নেতৃত্ব তাতে নীরব ও প্রচ্ছন্ন মদত যুগিয়ে গিয়েছেন, দলনেত্রীকে সেসব কথা বারংবার জানিয়েও পরিস্থিতির ইতরবিশেষ হয়নি।

নভেম্বর ২৬, ২০২০
রাজনীতি

সিপিএম ও বিজেপি লোভী ও ভোগী, তৃণমূল ত্যাগীঃ মমতা

বাঁকুড়ার সভা থেকে একযোগে সিপিএম ও বিজেপিকে আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার বাঁকুড়ার শুনুকপাহাড়ী ময়দানে ছিল দলের কর্মীসভা। সেখানে তিনি বলেন, সিপিএম হল লোভী, বিজেপি হল ভোগী ও তৃণমূল হল ত্যাগী। লোকসভা ভোটের সময় জগাই-মাধাই-গদাই এক হয়েছিল। সিপিএম-এর হার্মাদরাই আজ রং পরিবর্তন করে বিজেপি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আপনারা কি সিপিএম-এর সেদিনের অত্যাচার ভুলে গেছেন। সেদিনের লড়াইয়ের কথা ভুলে গেছেন। আমি কিন্তু ভুলিনি। বাঁকুড়ার ছেলেমেয়েরা আগে ভয়ে বাড়ি থেকে বের হতে পারত না। কিন্তু আজ সেই বাঁকুড়া শান্তিতে আছে। বিজেপিকে আক্রমণ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অন্য সময় পাত্তা নেই। আর আজ যখন বাংলার মানুষ শান্তিতে বাস করছে তখন মানুষের শান্তি কেড়ে নেওয়ার জন্য দিল্লি কা লাড্ডু কয়েকজনকে বাংলায় পাঠিয়েছে। তাঁরা কেউ বাংলার লোক নয়। বাইরের লোক। আপনাদের সব লুটে নেবে। কিন্তু যখন নির্বাচন আসবে তখন দেখবেন আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দিচ্ছে। এলাকায় লুকিয়ে লুকিয়ে টাকা দিচ্ছে। পুলিশের বিভিন্ন এজেন্সিতে যারা কাজ করে তাদের মাধ্যমেও টাকা দেওয়া হচ্ছে বলে শুনেছি। আরও পড়ুন ঃ অনুব্রতর গড়ে চ্যালেঞ্জ দিলীপের বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, ১০০ দিনের কর্মীরা সঠিক সময় টাকা পাচ্ছেন না। কারণ সেই টাকা সুদে খাটাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। তাঁর কথায়, কেন্দ্র বাংলা থেকে করের টাকা নিয়ে যায়। সেই টাকাই আবার রাজ্যকে দেয়। আলাদা করে কিছুই দেয় না। জনসভা থেকে নাম না করে দিলীপ ঘোষকেও কটাক্ষ করতে পিছপা হননি মমতা। তাঁর খোঁচা, কেউ কেউ বলছেন গোমূত্র খেলে করোনা হবে না। তিনি তো খেয়েছিলেন. তাহলে তাঁর কীভাবে করোনা হল? বিজেপির রাজ্য সভাপতির গোমূত্র থেকে সোনা তৈরির মন্তব্য নিয়েও কটাক্ষ করলেন তিনি। বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের বাঁকুড়া সফর নিয়ে মমতার খোঁচা, বাঁকুড়ায় এসে পাঁচতারা হোটেলের খাবার খেয়েছেন তিনি। এভাবে কি মানুষের কাছে আসা যায়? এছাড়াও নাম না করে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কেও বিঁধলেন তিনি। তাঁর কথায়, কিছু মানুষের কোনও কাজ নেই সকাল থেকে শুধু টুইট করে যান। উল্লেখ্য,বাংলা কৃষকদের কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা না দেওয়ার নিয়ে রাজ্য সরকারকে বিঁধেছিলেন রাজ্যপাল। পালটা মমতার দাবি, আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি, কৃষকদের প্রকল্পের টাকা চেয়ে কেন্দ্রকে চিঠি দিয়েছিলাম। বলেছিলাম, রাজ্যকে টাকা পাঠিয়ে দিন, আমরা কৃষকদের দিয়ে দেব। কিন্তু তাঁরা টাকা পাঠায়নি।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
রাজনীতি

অনুব্রতর গড়ে চ্যালেঞ্জ দিলীপের

বাংলাকে কাশ্মীরের সঙ্গে তুলনা করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বুধবার সকালে বীরভূমের সিউড়িতে এক চা চক্রে যোগ দিয়ে দিলীপবাবু বলেন, পশ্চিমবঙ্গে এসে সব জঙ্গি আশ্রয় নিচ্ছে। মুর্শিদাবাদে ২৩ বার জঙ্গি ধরা পড়ল। সারা রাজ্যে জাল বিস্তার করেছে এই জঙ্গিরা। বীরভূমেও বোমা বিস্ফোরণ হয়েছে। এখানেও জঙ্গি ধরা পড়েছে। কাশ্মীরেও এত জঙ্গি ধরা পড়ে না। পশ্চিমবঙ্গ হয়ে গিয়েছে দ্বিতীয় কাশ্মীর। এ জন্যই বাংলার মানুষ আগামী বিধানসভা ভোটে পরিবর্তন চাইছেন। তিনি আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে উপদ্রুত জেলা হচ্ছে বীরভূম। পার্টি অফিসে ঝুড়ি ঝুড়ি বোমা পাওয়া যাচ্ছে। এখানে পার্টির নেতার বাথরুমের মধ্যে বস্তায় বোমা পাওয়া যায়। একটাই কারখানা চলে, বোমার কারখানা। জেলাজুড়ে বোমা, আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হচ্ছে। বীরভূমে দাঁড়িয়েই তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে চ্যালেঞ্জও ছুঁড়েছেন দিলীপ ঘোষ। বলেছেন, লোকসভা ভোটে সিউড়ি পুরসভার ২১টার মধ্যে ১৮টা আসনেই লিড নিয়েছে বিজেপি। দম থাকলে আগামি ইলেকশন জিতে দেখান। ওদের খাতা খোলাই সমস্যা করে দেব।আমি বীরভূমে দাঁড়িয়ে চ্যালেঞ্জ করে যাচ্ছি, ওদের খাতা খোলারও সমস্যা করে দেব। কে ঢাক বাজাবে, কে ধামসা বাজাবে সময় এলে দেখতে পাবেন। পাশাপাশি তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেন, পুলিশ প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে ক্ষমতা ধরে রাখার চেষ্টা করছে ৷ যদি হিম্মত থাকত ১১৮টি পুরসভার নির্বাচন বাকি রয়েছে, সেগুলি করিয়ে দিত। আরও পড়ুন ঃ জনসভায় ধর্ষণ নিয়ে অশালীন মন্তব্য অগ্নিমিত্রার তিনি এদিন আরও বলেন, বিজেপির কর্মসূচি অনুসরণ করছে তৃণমূল। অমিত শাহ আদিবাসী পরিবারের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারার পর তাঁকে অনুসরণ করে মুখ্যমন্ত্রী গেলেন। রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম দিলীপ ঘোষের মন্তব্যের পালটা প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বলেছেন, যেখানে ক্ষমতায় নেই সেখানে কাশ্মীর দেখছে বিজেপি। আর যে রাজ্যে ক্ষমতায় আছে সেখানে কাশ্মীর করার চেষ্টা করছে বিজেপি। উত্তরপ্রদেশে এনকাউন্টার করে খুন করা হচ্ছে।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
রাজনীতি

জনসভায় ধর্ষণ নিয়ে অশালীন মন্তব্য অগ্নিমিত্রার

ধর্ষণ নিয়ে বেলাগাম ও অশালীন মন্তব্য করলেন বিজেপি রাজ্য মহিলা মোর্চার সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। মঙ্গলবার তমলুকে বিজেপির ডাকা জেলাশাসকের দফতর ঘেরাও ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি ছিল। সেখানে ধর্ষণ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করতে গিয়ে কু মন্তব্য করে বসলেন অগ্নিমিত্রা। তিনি বলেন, মালদহতে দুদিন আগে একটা ৬ বছরের বাচ্চাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। তারকেশ্বরেও একই ঘটনা। কারা ধর্ষণ করছে জানেন? বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই তৃণমূল পার্টির যারা সদস্য বা সমর্থক, তারা ধর্ষণ করছে। দিদিমণি এদের বলে দিয়েছেন, শোন রে, তোদের তো চাকরি দিতে পারিনি! তাই এন্টারটেনমেন্টের জন্য শরীর গরম হয়ে গেলে তোরা গিয়ে ধর্ষণ করবি। তোরা গিয়ে ধর্ষণ কর। আর আমি মহিলাদের ক্ষতিপূরণের টাকা দিয়ে দেব। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দুকে নিয়ে কী বললেন সৌগত? তার এই মন্তব্যের সমালোচনায় সরব হয়েছেন সমাজের বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। এর আগেও ধর্ষণ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন বিজেপি নেত্রী। অগ্নিমিত্রার তোপ, রাজ্যে চাকরি-বাকরি নেই। ধর্ষণটাও একটা শিল্পের পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। এরপরেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে হুঙ্কার দেন অগ্নিমিত্রা, ১০ বছর ধরে বাংলায় যে অন্যায় চলছে তার হিসেব ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে নেবে বিজেপি।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দুকে নিয়ে কী বললেন সৌগত?

শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সোমবার ২৩ নভেম্বর ২০২০ দ্বিতীয়বার বৈঠক করেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সৌগত রায়। তারপরেও নন্দীগ্রামের বিধায়ককে নিয়ে সংবাদমাধ্যমে জল্পনা থামেনি। বৈঠকের পর আশাবাদী কিনা এ প্রশ্নের উত্তরে সৌগতবাবু বলেছিলেন, নিরাশাবাদী নন। আজ, মঙ্গলবার তৃণমূল ভবনে তিনি বলেন, শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে একবার কেন দশবার আলোচনায় বসতে পারি। আপনাদের মুখোমুখিও হতে পারি দশবার। কিন্তু বৈঠকে কী হয়েছে বা ফের কবে বৈঠক হবে কিনা সে ব্যাপারে কিছু বলব না। আর উনি তো দলেই আছেন। দলবিরোধী কিছু বলেননি। এ থেকে বুঝে নিন উনি দলবিরোধী কিছু বলতে চান না। গতকালও উনি পরিবহণ দফতরে গিয়েছিলেন। উঠে আসে সাধন পান্ডে-পরেশ পাল বাকযুদ্ধ ও অনুব্রত মণ্ডলকে সিদ্দিকুল্লা চৌধুরির মানতে না চাওয়ার প্রসঙ্গ। সৌগতবাবু বলেন, দলের মধ্যে থেকে কেউ কাউকে নিয়ে কিছু বলুন সেটা কাম্য নয়। তবে রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রে বিষয়টি নতুন নয়। দলে যাঁরা এগুলি সামলান তাঁরা নিশ্চিত দেখবেন। তবে এ সব অ্যাডজাস্ট করে নিতে হয়। কিছু ক্ষেত্রে তা দ্রুত হয়ে যায়, কিছু ক্ষেত্রে সময় লাগে। সৌগতবাবু বলেন, আমি সংবাদমাধ্যমকে গতকাল বলি শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কথা বলব। মনে হয় ভুল করেছিলাম জানিয়ে। কেন না তারপর যেভাবে সংবাদমাধ্যম আমার গাড়ির পিছু নিল তাতে এই বয়সে আমি অভ্যস্ত নই। তা সত্ত্বেও বলেছি, বৈঠক হয়েছে, উনি মেদিনীপুরে চলেও গিয়েছেন।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
রাজনীতি

মঙ্গলকোটে অনুব্রত মণ্ডলের অনুগত হয়ে কাজ করতে প্রস্তুত নইঃ সিদ্দিকুল্লা

বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের অধীনে মঙ্গলকোটে কাজ করতে পারবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিলেন স্থানীয় বিধায়ক তথা মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। মঙ্গলবার বর্ধমানে পুলিশ সুপার এবং জেলাশাসকের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। তিনি বলেন, দল বললে কাজ করতেই হবে। তাহলে আমাকে মঙ্গলকোটে কাজ করার পূর্ণ স্বাধীনতা দিতে হবে। আমি অনুব্রত মণ্ডলের অনুগত হয়ে কাজ করতে প্রস্তুত নই। এটা আমি পরিষ্কার বলে দিলাম। আমি ওর মেজাজ চিনি। জানি। আরও পড়ুন ঃ অগ্নিমিত্রা পলের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কড়া জবাব বৈশাখীর গত নির্বাচনেও তারা কী করেছে সকলে জানে। সংবাদমাধ্যম জানে। আমি মঙ্গলকোটে গেলে স্বাধীনভাবে কাজ করব। উনি বড় খেলোয়াড়। ওনার কথা আমি কী বলব? আমি ওই পর্যায়ের খেলোয়াড় নই। মারামারি করতে চাই না। কেউ করুক তাও চাই না। এভাবে আমি মঙ্গলকোটে হাত পোড়াতে যেতে পারব না। মঙ্গলকোটের বিধায়ক আরও বলেন, বিজেপির লোকেরা আমাকে খবর দিচ্ছে সাহেব নিরুপায় হয়ে বিজেপিতে গিয়েছি। আমরা আসলে বিজেপি না। তিনি আরও বলেন, মঙ্গলকোটের অজয় নদে ২২ টি বালি ঘাট আছে।এগুলি বৈধ ঘাট।কিন্তু সেখানে একই স্লিপ দিয়ে এক গাড়ির জায়গায় বেশী সংখ্যক বালি বোঝাই গাড়ি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এতে সরকারের রিভিনিউ মার খাচ্ছে। একের পর এক তার অনুগামীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে। তাদের গাঁজা কেস দেওয়া হচ্ছে। এদিন তিনি পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখার্জির কাছে ৯ জনের তালিকা দেন। যাঁরা জেলে আছে।তারা সবাই তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থক। অথচ অনুব্রত মণ্ডলের প্রতিনিধিরা তাদের মামলা দিচ্ছে। মিথ্যা মামলায় তারা জেল খাটছে। অনেকেই এখনো ঘরছাড়া। তারা ভয়ে ঘর ঢুকতে পারছে না। এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন। দলকে জানিয়েছেন। এখন তিনি ঘরছাড়া তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকদের ঘর ঢোকাতে পারেন।কিন্তু তাতে অশান্তি হতে পারে।সেই জন্য তিনি যাচ্ছেন না। এলাকার ৯০ শতাংশ লোক তাঁর সঙ্গে আছেন। শুধুমাত্র দশ শতাংশ লোক যাঁরা ক্ষমতায় আছেন তাঁরা ছাড়া।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
রাজনীতি

অগ্নিমিত্রা পলের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কড়া জবাব বৈশাখীর

বিধানসভা ভোটের আগে দলের কাজে শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে যতই সক্রিয় করে তোলার চেষ্টা হোক না কেন, দলের মধ্যেকার বিরোধ যেন কিছুতেই মিটছে না। সম্প্রতি বিজয়া সম্মিলনীতে শোভনকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও বৈশাখীকে আমন্ত্রণ না করা নিয়ে জল অনেকদূর পর্যন্ত গড়ায়। সে প্রসঙ্গে বিজেপির মহিলা মোর্চার সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পল বলেন, এই ঘটনা মোটেই অস্বাভাবিক নয়। সব অনুষ্ঠানে সকলে আমন্ত্রিত হবেন, এমন নয়। তাছাড়া বৈশাখী নিশ্চয়ই শোভন চট্টোপাধ্যায়ের সমান মর্যাদা আশা করতে পারেন না। অগ্নিমিত্রা পলের এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে এবার পালটা জবাব দিলেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। অগ্নিমিত্রা পাল যখন বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন, তাঁর একটাই পরিচয় ছিল, তিনি একজন ফ্যাশন ডিজাইনার। যতদূর আমি জানি, আপনার কোনও রাজনৈতিক পরিচয় ছিল না। কখনও কোনও রাজনৈতিক ভূমিকাও পালন করেননি। তা সত্ত্বেও বিজেপি মহিলা মোর্চার প্রধানের মতো গুরুদায়িত্ব পেয়েছেন। আরও পড়ুন ঃ ভোল পালটে ছত্রধর মাহাতোকে দলে যোগ দেওয়ার বার্তা দিলীপের উনি বোধহয় অবগত নন। আমি ওয়েবকুপার জেনারেল সেক্রেটারি পদে ছিলাম। অনৈতিক, অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি। পেজ ৩-তে আমার কখনও নাম আসেনি। পুরুলিয়া থেকে বর্ধমান, গোসাবা থেকে গড়িয়া, ধর্মতলা থেকে যাদবপুর পর্যন্ত ঘুরেছি, ভোটে টিকিট পাওয়ার জন্য নয়, আমার দলের সদস্যপদ বাড়ানোর জন্য। গার্হস্থ্য হিংসা, শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে লড়ার চেষ্টা করেছি। কিছু ছবি পোস্ট করে জনসমর্থন পাইনি। মিটিং-মিছিলে অংশ নিয়ে মানুষের ভালবাসা অর্জন করেছি। আপনার পূর্বসূরী লকেট চট্টোপাধ্য়ায় সুহৃদয়ে আমায় বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে আমন্ত্রণ জানাতেন। যার জন্য ওঁকে শ্রদ্ধা করি। তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষও সে দলে আমার অবস্থান স্বীকৃতি দিয়েছেন। আপনার মন্তব্যে আমি ব্যথিত। কোনও বিরোধী দল নয়, আমার দলের সহকর্মীই আমাকে সমালোচিত করলেন। আমার কোনও গডফাদার নেই। মুকুল রায়, শোভন চট্টোপাধ্য়ায়, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে রাজনৈতিক মূল্যবোধ শিখেছি। বিজেপিতে রামলালজি, শিবপ্রকাশজি, মেননজি, অমিতাভদার থেকে অনেক উৎসাহ পেয়েছিশোভন আমার মেন্টর, আমি ওঁকে শ্রদ্ধা করিলকেট, রূপা, ভারতী ঘোষদের পছন্দ করি, যাঁরা আমার মতো একজন ক্ষুদ্র নেতাকে অনুপ্রাণিত করতে পারেন।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 34
  • ...
  • 37
  • 38
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

উপনির্বাচনের আগে বড় সিদ্ধান্ত কমিশনের, ‘তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম ও জোড়াফুল প্রতীক ফ্রিজ

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় নাম এবং নির্বাচনী প্রতীক আপাতত ফ্রিজ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী এবং বিরোধী গোষ্ঠীকেউই আসন্ন উপনির্বাচনে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নাম বা দলের জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না।দলীয় নাম ও প্রতীকের মালিকানা নিয়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিরোধের জেরেই এই অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বিষয়টি বর্তমানে প্রতীক সংক্রান্ত নির্দেশের ১৫ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে বিবেচনাধীন রয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত দুই পক্ষকেই পৃথক পরিচয় এবং আলাদা নির্বাচনী প্রতীকে উপনির্বাচনে লড়তে হবে।কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, দুই গোষ্ঠীকেই তিনটি করে পছন্দের দলের নাম এবং তিনটি করে প্রতীকের বিকল্প জানাতে বলা হয়েছে। ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টার মধ্যে সেই তালিকা জমা দিতে হবে। এরপর কমিশন দুই পক্ষের জন্য পৃথক নাম ও প্রতীক বরাদ্দ করবে।নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূলের দলীয় পরিচয় ও প্রতীক নিয়ে এই বিরোধ আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দুই পক্ষই নিজেদের তৃণমূল কংগ্রেসের বৈধ প্রতিনিধি বলে দাবি করেছে। কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পরই স্পষ্ট হবে দলীয় নাম ও সংরক্ষিত প্রতীকের অধিকার কার হাতে থাকবে।ততদিন পর্যন্ত উপনির্বাচনে কোনও গোষ্ঠীই অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নাম বা জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

‘কোনও যোগ্য উপভোক্তা অন্নপূর্ণার সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন না', জন্মদিনে মোদীর গ্যারান্টিতে উচ্ছ্বাস মহিলাদের

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বাংলায় পালিত হল অন্নপূর্ণা দিবস। এই উপলক্ষে অন্নপূর্ণা যোজনার আওতায় রাজ্যের ১.৫৮ কোটি মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে মাসিক ৩ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সল্টলেকে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের প্রতিটি যোগ্য মহিলা যাতে এই প্রকল্পের সুবিধা পান, তা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।এদিন কলকাতার সল্টলেকে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি ঘোষণা করেন, প্রতি বছর ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন অন্নপূর্ণা দিবস হিসেবে পালন করা হবে। তাঁর বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী রাজ্যে মহিলাদের মাসিক ৩ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়ার এই প্রকল্প চালু করা হয়েছে।অন্নপূর্ণা যোজনা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একটি আর্থিক সহায়তা প্রকল্প। এই প্রকল্পের আওতায় যোগ্য মহিলাদের সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রী জানান, সেপ্টেম্বর মাসের কিস্তির টাকা ১.৫৮ কোটি উপভোক্তার মধ্যে অধিকাংশের অ্যাকাউন্টে ইতিমধ্যেই পাঠানো হয়েছে। বাকি উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টেও বৃহস্পতিবারের মধ্যে পৌঁছে যাবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।কোনও যোগ্য মহিলা যেন বঞ্চিত না হন, বার্তা মোদিরঅনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, গত ১২ বছরে রাজ্যের মানুষের অন্যতম বড় অভিযোগ ছিল, কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক প্রকল্পের সুবিধা সময়মতো তাঁদের কাছে পৌঁছত না। আগের তৃণমূল সরকারের নাম উল্লেখ না করেই তিনি বলেন, এর ফলে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছিলেন দরিদ্র পরিবারগুলি। তবে বর্তমানে বিজেপি সরকার আটকে থাকা প্রকল্পগুলির কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।মোদির কথায়, বাংলার মহিলাদের হাতে যেমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা থাকা প্রয়োজন, তেমনই এগিয়ে যাওয়ার সাহসও থাকা দরকার। সেই লক্ষ্য পূরণে অন্নপূর্ণা যোজনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, কোনও মায়ের কাছে এই ৩ হাজার টাকা সন্তানের পড়াশোনার খরচ হতে পারে। কোনও বোনের কাছে তা ওষুধ কেনা কিংবা সংসারের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার কাজে লাগতে পারে। পরিবারের ছোট-বড় নানা সিদ্ধান্ত নেওয়ার পাশাপাশি মহিলারা সংসারের একাধিক দায়িত্ব সামলান। নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচের চিন্তা কমলে তাঁদের আত্মবিশ্বাসও বাড়বে বলে মন্তব্য করেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, মা, বোন ও মেয়েদের জীবনের প্রতিটি পর্যায়ের সমস্যার সমাধান করাই সরকারের অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে। অন্নপূর্ণা যোজনার মাধ্যমে বাংলার মহিলাদের জীবনে নতুন শক্তি যোগ হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। এই প্রকল্পে কোনও মধ্যস্থতাকারী বা কাটমানি নেই বলে উল্লেখ করে মোদি বলেন, একজন যোগ্য মহিলাও যাতে প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করতে সরকার নিরন্তর কাজ করছে।প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ৫০ লক্ষ উপভোক্তার তালিকা তৈরির ঘোষণাএদিনের অনুষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা নিয়েও বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, বাংলায় এই প্রকল্পের আওতায় ৫০ লক্ষ উপভোক্তার তালিকা তৈরির কথা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, প্রকল্পের আওতায় তৈরি হতে চলা সমস্ত নতুন বাড়ির মালিকানা থাকবে মহিলাদের হাতে।মহিলাদের উপর অত্যাচার রুখতে কমিশন গঠনের দাবি মুখ্যমন্ত্রীররাজ্যে মহিলাদের উপর অপরাধ ও অত্যাচারের প্রসঙ্গও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। শুভেন্দু অধিকারী জানান, গত চার মাসে রাজ্যে মহিলাদের উপর অত্যাচারের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে একটি কমিশন গঠন করা হয়েছে।রাজ্যের কোনও মহিলাকে যাতে অত্যাচারের শিকার হতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে বিজেপি সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি, নেশামুক্ত বাংলা গড়ে তুলতে মহিলাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী।বাল্যবিবাহ ও কিশোরী মাতৃত্ব নিয়ে উদ্বেগরাজ্যে বাল্যবিবাহ এবং কিশোরী মাতৃত্বের পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, এই ক্ষেত্রে মুর্শিদাবাদ ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে রয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দেন, তাঁর সরকারের আমলে ১৮ বছরের কম বয়সি কোনও মেয়ের বিয়ে হতে দেওয়া হবে না। যাঁরা এই ধরনের বিয়ে দিয়েছেন বা বিয়েতে সহযোগিতা করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

প্রদীপের আলোয় তৈরি প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি! মোদীর জন্মদিনে বাংলার বুকে এলাহি আয়োজন চমকে দিতে বাধ্য

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিন উপলক্ষে অভিনব উদ্যোগ পুরুলিয়ায়। এক লক্ষ প্রদীপ জ্বালিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিশাল প্রতিকৃতি তৈরি করে তাঁকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানো হল। আশীর্বাদ কা দিয়া অনুষ্ঠানের অঙ্গ হিসেবে পুরুলিয়া ইনডোর স্টেডিয়ামে এই বিশেষ আয়োজন করা হয়।প্রায় ২,৫০০ বর্গফুট এলাকা জুড়ে তৈরি করা হয়েছে নরেন্দ্র মোদীর এই বিশাল প্রতিকৃতি। ঝাড়খণ্ডের ১১ জন শিল্পী তিন দিন ধরে পরিশ্রম করে বিভিন্ন রঙের এক লক্ষ প্রদীপ ব্যবহার করে এই শিল্পকর্ম তৈরি করেছেন। প্রদীপ দিয়ে তৈরি এই প্রতিকৃতি অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।শিল্পী সুজয় কুমার জানিয়েছেন, ঝাড়খণ্ডের বোকারো, গিরিডি ও হাজারিবাগের ১১ জন শিল্পী এই কাজে অংশ নিয়েছেন। সাধারণত বিভিন্ন উপকরণ কিংবা বর্জ্য সামগ্রী ব্যবহার করে মোজাইক শিল্প তৈরি করা হয়। তবে এবার প্রায় এক লক্ষ প্রদীপ ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি তৈরি করা হয়েছে।উল্লেখ্য, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন থেকে শুরু করে দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া পর্যন্ত নরেন্দ্র মোদীর জনজীবনের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে। সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবেই পুরুলিয়ায় এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন বলে জানা গিয়েছে।স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এ বছর পুরুলিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন বিশেষভাবে উদযাপন করা হচ্ছে। সেবা সংকল্প অভিযান-এর অধীনে বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। আশীর্বাদ কা দিয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সেই কর্মসূচির সূচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে প্রদীপ জ্বালিয়ে এই বিশাল প্রতিকৃতি তৈরি ঘিরে পুরুলিয়ায় উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

দায়িত্ব বাড়লেও বদলায়নি শিকড়ের টান! ১৫০ বছরের মনসা মেলায় পুতুলের দোকানে বিকিকিনিতে ব্যস্ত বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহা

বিধায়ক হয়েছেন, বেড়েছে দায়িত্ব। কিন্তু শৈশবের স্মৃতি আর পরিবারের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা পুরনো ঐতিহ্য আজও অমলিন। বীরভূমের সাঁইথিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের প্রায় ১৫০ বছরের পুরনো মনসা পুজোর মেলায় পরিবারের সঙ্গে পুতুলের দোকানে বসে সেই কথাই যেন মনে করিয়ে দিলেন বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহা। ভাইদের সঙ্গে দোকান সামলাতে দেখা গেল তাঁকে।বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহার কাছে এই মেলা শুধুমাত্র পুজো বা উৎসবের জায়গা নয়। তাঁর শৈশবের বহু স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে এই মেলার সঙ্গে। ছোটবেলায় বাবার হাত ধরে দেউচা রঘুনাথপুরের এই মেলায় আসতেন তিনি। মেলায় তাঁর বাবা দোকান বসাতেন। বাবার সঙ্গে সেই দোকানে বসে খদ্দের সামলানো, মেলার ভিড় দেখা সবই ছিল তাঁর ছোটবেলার পরিচিত অভিজ্ঞতা।সময়ের সঙ্গে বদলেছে জীবন। শৈশবের সেই দিনগুলি পেরিয়ে বর্তমানে সাঁইথিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহা। বেড়েছে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দায়িত্বও। তবে সেই পরিবর্তনের মধ্যেও পুরনো মেলার সঙ্গে সম্পর্ক অটুট রেখেছেন তিনি।এবার মনসা পুজো উপলক্ষে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মেলায় ফিরে পুতুলের দোকানে বসেন বিধায়ক। ভাইদের সঙ্গে দোকান সামলানোর সময় তাঁকে দেখতে ভিড় জমান মেলায় আসা মানুষজন। কেউ দূর থেকে তাঁকে দেখেন, আবার কেউ এগিয়ে এসে কথা বলেন। রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে পরিবারের সঙ্গে তাঁর এই উপস্থিতি নজর কাড়ে স্থানীয়দের।কৃষ্ণকান্ত সাহার বক্তব্য, দায়িত্ব ও পদ একজন মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনতে পারে, কিন্তু শিকড় এবং শৈশবের স্মৃতি কখনও মুছে যায় না। বাবার সঙ্গে কাটানো দিনগুলি এখনও তাঁর মনে গভীরভাবে গেঁথে রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।প্রায় দেড়শো বছরের পুরনো এই মেলায় পরিবারের দোকান আর শৈশবের স্মৃতি যেন ফের একসূত্রে বাঁধল বিধায়ককে। জনপ্রতিনিধি হওয়ার পরেও পুরনো ঐতিহ্যের সঙ্গে তাঁর এই সংযোগ স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
দেশ

ব্রিকসের পর হঠাৎ শি জিনপিংয়ের স্ট্রোক? ভাইরাল দাবিতে তোলপাড়, কী বলল দিল্লি?

ভারতের মাটিতে সদ্য শেষ হয়েছে ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন। সম্মেলনে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-সহ একাধিক রাষ্ট্রনেতা যোগ দেন। শি ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে ব্রিকসের দুই অধিবেশনেও অংশ নেন। কিন্তু সম্মেলন শেষ হওয়ার পরই তাঁর স্বাস্থ্য নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি দাবি ছড়িয়ে পড়ে।চিনের গণতন্ত্র পার্টির চেয়ারম্যান ওয়ানজুন শিয়ে সামাজিক মাধ্যমে দাবি করেন, দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়ার সময় শি জিনপিং অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন এবং তাঁর স্ট্রোক হয়েছিল। তাঁর আরও দাবি, পরে বিশেষ বিমানে শিকে চিনে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে তাঁর চিকিৎসা করা হয়। তবে এই দাবির পক্ষে কোনও চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি বা সরকারি প্রমাণ সামনে আসেনি। ভারতের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনগুলিও জানিয়েছে, দাবিটি স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি।এদিকে চিনের সরকারি তথ্যের সঙ্গে ভাইরাল দাবির বেশ কিছু অমিল রয়েছে। চিনের বিদেশ মন্ত্রকের সরকারি বিবরণ অনুযায়ী, শি জিনপিং ১২ সেপ্টেম্বর ব্রিকসের প্রথম অধিবেশনে এবং ১৩ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় অধিবেশনে অংশ নেন। দুই অধিবেশনেই তিনি বক্তব্য রাখেন এবং অন্যান্য রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।চিনের বিদেশ মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, ১৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে শি জিনপিং ব্রিকস সম্মেলনে তাঁর কর্মসূচি শেষ করে বেজিংয়ের উদ্দেশে রওনা দেন। অর্থাৎ সরকারি নথিতে তাঁর সফর নির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই শেষ হওয়ার কথা জানানো হয়েছে।শুধু শি জিনপিং নন, ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়া একাধিক রাষ্ট্রনেতা দেশে ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলেও সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন পোস্ট ছড়ায়। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসার স্বাস্থ্য নিয়েও এমন আলোচনা শুরু হয়।এই ধরনের দাবির বিরুদ্ধে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে সতর্ক করা হয়েছে। মন্ত্রকের তথ্য যাচাই সংক্রান্ত শাখা সামাজিক মাধ্যমে একাধিক রাষ্ট্রনেতার অসুস্থতা নিয়ে ছড়ানো পোস্টকে ভুয়ো এবং বিভ্রান্তিকর বলে সতর্ক করেছে। মানুষকে এই ধরনের বিভ্রান্তিকর পোস্টে বিশ্বাস না করারও বার্তা দেওয়া হয়েছে।তবে শি জিনপিংয়ের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও সতর্কতার সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। কারণ তাঁর স্ট্রোক, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা অস্ত্রোপচারের দাবি কোনও সরকারি সূত্র নিশ্চিত করেনি। একই সঙ্গে চিনের সরকারও এমন কোনও স্বাস্থ্যগত ঘটনার কথা ঘোষণা করেনি। ফলে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো ওই দাবিকে এই মুহূর্তে নিশ্চিত খবর হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।অন্যদিকে, ব্রিকস সম্মেলনে শি জিনপিংয়ের উপস্থিতি এবং তাঁর বক্তব্যের বিষয়ে চিনের সরকারি নথি রয়েছে। সম্মেলনের পর তাঁর বেজিং ফেরার বিষয়টিও চিনের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে। ফলে শি জিনপিংয়ের স্বাস্থ্য নিয়ে ছড়ানো দাবির সত্যতা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।সব মিলিয়ে, ব্রিকস সম্মেলনের পর শি জিনপিংয়ের অসুস্থতা নিয়ে যে দাবি ছড়িয়েছে, তার কোনও স্বাধীন ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ এখনও সামনে আসেনি। অন্যদিকে, বিদেশ মন্ত্রক একাধিক রাষ্ট্রনেতাকে নিয়ে ছড়ানো অসুস্থতার দাবিকে ভুয়ো বলে সতর্ক করেছে। তাই এই মুহূর্তে শি জিনপিংয়ের স্ট্রোক বা জরুরি অস্ত্রোপচারের দাবিকে সত্য বলে ধরে নেওয়ার কোনও ভিত্তি নেই।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
দেশ

নিজের জন্মদিনে বাংলার মহিলাদের জন্য মোদীর বড় বার্তা! বললেন, ‘আপনাদের ভরসাই আমার শক্তি’

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ৭৬তম জন্মদিনে বাংলার মহিলাদের উদ্দেশে বিশেষ বার্তা দিলেন তিনি। বাংলার মা-বোনেরা তাঁকে যে ভাবে ভালবাসা ও ভরসা দিয়েছেন, সেই কথাই নিজের বক্তব্যে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, বাংলার মহিলাদের ভরসা তাঁকে শক্তি জুগিয়েছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলার মা-বোনেরা সবসময় তাঁকে ভালবাসা ও স্নেহ দিয়েছেন। তাঁদের আত্মীয়তার অনুভূতি তাঁকে সবসময় শক্তি জুগিয়েছে। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে, বাংলার মহিলাদের ভরসাই তাঁর শক্তি। পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও বাংলার মহিলাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন তিনি।এ দিন বাংলায় অন্নপূর্ণা যোজনার টাকাও উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানোর কর্মসূচি রয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসের ৩ হাজার টাকা সরাসরি উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে পাঠানোর কথা জানিয়েছে রাজ্য সরকার। এ বার প্রায় ১ কোটি ৫৮ লক্ষ মহিলা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন বলে সরকারি ভাবে জানানো হয়েছে।অন্নপূর্ণা যোজনার প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংসারে মহিলাদের উপর অনেক দায়িত্ব থাকে। পরিবারের প্রয়োজনীয় বিষয়গুলি সামলানোর পাশাপাশি তাঁদের নিজেদের প্রয়োজনও রয়েছে। হাতে কিছু অর্থ থাকলে জরুরি খরচ নিয়ে তাঁদের চিন্তা কমে এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ে। সেই লক্ষ্যেই এই ধরনের আর্থিক সহায়তার কথা তুলে ধরেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের কাজের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত বেশি কাজ করা এবং কম কথা বলা। বাংলার মহিলাদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তাঁদের পরিশ্রম ও পরিবারের প্রতি দায়িত্বের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।এ দিন বাংলায় পিএম বিশ্বকর্মা প্রকল্প নিয়েও বিশেষ কর্মসূচি রয়েছে। কলকাতায় এই প্রকল্পের তৃতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। দেশের ঐতিহ্যবাহী কারিগর ও শিল্পীদের আর্থিক ও অন্যান্য সহায়তা দেওয়াই এই প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য।এই প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন ধরনের ঐতিহ্যবাহী পেশার সঙ্গে যুক্ত কারিগর ও শিল্পীরা প্রশিক্ষণ, সরঞ্জাম কেনার সহায়তা এবং ঋণের সুবিধা পেতে পারেন। প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী, যোগ্য উপভোক্তাদের প্রথম ধাপে ১ লক্ষ টাকা এবং পরে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জামানতবিহীন ঋণের সুযোগ রয়েছে। ঋণের সুদের হার ৫ শতাংশ।ফলে মোদীর জন্মদিনে বাংলায় একদিকে অন্নপূর্ণা যোজনার আর্থিক সহায়তা, অন্য দিকে পিএম বিশ্বকর্মা প্রকল্পের বর্ষপূর্তিদুই কর্মসূচিই বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। বাংলার মহিলাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা এবং কারিগরদের জন্য প্রকল্পের সুবিধা ঘিরে এ দিন রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছে। অন্নপূর্ণা যোজনার সেপ্টেম্বরের অর্থসাহায্য এবং বিশ্বকর্মা প্রকল্পের কর্মসূচিদুই ক্ষেত্রেই সরকারি ঘোষণাই এখন মূল বিষয়।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

পথ খরচ নিতে গিয়েই ফাঁদে! চার দশক পর কলকাতা পুলিশের জালে মাওবাদী নেতা আকাশ

পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা এলাকার বাসিন্দা অসীম মণ্ডল ওরফে আকাশ ওরফে তিমির ওরফে মনোজকে পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ সূত্রের দাবি, তাঁর মাথার দাম ছিল এক কোটি টাকা। দীর্ঘ প্রায় চার দশক ধরে পুলিশের নজর এড়িয়ে থাকার পর অবশেষে তাঁর গ্রেপ্তারি ঘিরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোরে পটাশপুর এলাকার কোনও একটি জায়গা থেকে আকাশকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ, এক পূর্ব পরিচিত ব্যক্তির কাছ থেকে পথ খরচ নেওয়ার জন্য সেখানে গিয়েছিলেন তিনি। সেই সময় কলকাতা পুলিশের টাস্ক ফোর্সের হাতে ধরা পড়েন তিনি। তাঁর কাছ থেকে দুটি ব্যাগ উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। সেই ব্যাগে মাওবাদী সংগঠনের বই, পুস্তিকা এবং কিছু বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম ছিল বলে জানা যাচ্ছে। তবে এই গ্রেপ্তারি নিয়ে রাজ্য পুলিশের তরফে এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা থানার ফুলচক এলাকার বাসিন্দা অসীম মণ্ডল ছাত্রজীবন থেকেই অতি বামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। পরে তিনি পিপলস ওয়ার গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত হন। সারেঙ্গা, গোয়ালতোড়-সহ জঙ্গলমহলের বিভিন্ন এলাকায় সংগঠনের কাজ করার পাশাপাশি ঝাড়খণ্ডের পূর্ব সিংভূম জেলার গুড়াবান্দা এলাকাতেও দীর্ঘদিন সক্রিয় ছিলেন বলে অভিযোগ।২০০৪ সালে সিপিআই মাওবাদী সংগঠন তৈরি হওয়ার পর জঙ্গলমহলে ফিরে সক্রিয় ভাবে সংগঠনের কাজ শুরু করেন অসীম। লালগড় আন্দোলনের সময়ও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। পরে ২০১০ সালে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সম্পাদকের দায়িত্ব পান তিনি। বাংলা, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা নিয়ে গঠিত আঞ্চলিক কমিটির সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর।কিষানজির মৃত্যুর পর মাওবাদী সংগঠনে তাঁর সক্রিয়তা আগের মতো ছিল না বলে তদন্তকারীদের দাবি। এরপর জঙ্গলমহল ছেড়ে ঝাড়খণ্ডে গা ঢাকা দেন আকাশ। দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর পর ফের বাংলায় আসার চেষ্টা করেন তিনি বলে পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে।সম্প্রতি ঝাড়খণ্ডে পুলিশের অভিযানে মাওবাদী সংগঠনের কয়েক জন সদস্য গ্রেপ্তার হন। তাঁদের মধ্যে তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং এক জন আত্মসমর্পণ করেন বলে জানা যায়। এরপর বাংলার মাওবাদী সংগঠনের সশস্ত্র কাঠামোও দুর্বল হয়ে পড়ে বলে তদন্তকারীদের দাবি।পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, আকাশ দীর্ঘদিন জঙ্গলে থাকার পর শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। উচ্চ রক্তচাপ এবং কোমরের ব্যথার কারণে প্রায় চার দশক পর তিনি জঙ্গল ছেড়ে বেরিয়ে আসেন বলে তদন্তকারীদের দাবি। জঙ্গলে একটি একে-৪৭ এবং কিছু নথিপত্র রেখে তিনি গাড়িতে করে বাইরে বেরিয়েছিলেন বলেও পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে।এর পর আরও কয়েক জন মাওবাদী সদস্য পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদে আকাশ আত্মসমর্পণ করবেন না বলে জানিয়েছিলেন বলে তদন্তকারীদের দাবি। বরং কিছুদিন বাইরে থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ফের জঙ্গলমহলে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁর। সেই পরিকল্পনার মধ্যেই পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হলেন তিনি।তদন্তকারীদের দাবি, আত্মগোপনের জন্য পরিচিত এবং আত্মীয়দের কয়েক জনের কাছে আশ্রয় নেওয়ার কথা ভেবেছিলেন আকাশ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সন্দেহ এড়াতে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন তিনি। কখনও জায়গা বদল, কখনও ছদ্মবেশসব রকম ভাবে পুলিশের নজর এড়ানোর চেষ্টা চলছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। গ্রেপ্তারের আগে তাঁর কাছে প্রায় দেড় লাখ টাকা নগদ ছিল বলেও ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে জানা যাচ্ছে।আকাশের স্ত্রীও পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুর এলাকার বাসিন্দা বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তিনিও মাওবাদী সংগঠনের সক্রিয় সদস্য ছিলেন বলে অভিযোগ। ২০১০ সালে কলকাতা পুলিশের টাস্ক ফোর্স তাঁকে গ্রেপ্তার করেছিল বলে জানা যায়। বর্তমানে তিনি জেলে রয়েছেন।আকাশের গ্রেপ্তারের পর বাংলা, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশায় মাওবাদী দমনে যুক্ত নিরাপত্তা সংস্থাগুলির কাছে এই ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকা এক মাওবাদী নেতার গ্রেপ্তারের পর তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া নথি ও বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। সেগুলি থেকে সংগঠনের বর্তমান বা অতীত কার্যকলাপ সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যায় কি না, এখন সেদিকেই নজর তদন্তকারীদের।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
কলকাতা

১৩ বছর পর ফের খুলবে মহাকরণের দরজা? মুখ্যমন্ত্রীর ঘর তৈরির কাজ শেষের পথে

পুজোর আর বেশি দিন বাকি নেই। তার আগেই রাজ্য প্রশাসনের ঠিকানায় বড় বদলের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। দীর্ঘ ১৩ বছর পর ফের মহাকরণ থেকে প্রশাসনিক কাজ শুরু করার প্রস্তুতি চলছে। পূর্ত দফতর সূত্রে খবর, আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী-সহ ছয় মন্ত্রীর ঘর তৈরির কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।মহাকরণে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ের কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি-সহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েক জন আমলার জন্যও ঘর তৈরির কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ফলে পুজোর আগেই মহাকরণে প্রশাসনিক কাজকর্মের একটি বড় অংশ শুরু হতে পারে বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে।মহাকরণে সংস্কারের কাজ কতটা এগিয়েছে, তা নিয়ে আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন পূর্তমন্ত্রী অজয় পোদ্দার। সূত্রের খবর, বৈঠকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ১০ অক্টোবরের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর ঘর এবং আরও পাঁচ মন্ত্রীর ঘর প্রস্তুত করার বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে।প্রাথমিক ভাবে যে তালিকা সামনে এসেছে, তাতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পাশাপাশি দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, শঙ্কর ঘোষ, শারদ্বত মুখোপাধ্যায় এবং অজয় পোদ্দারের জন্য মহাকরণে ঘর তৈরির কাজ চলছে। মহাকরণের তৃতীয় তলায় মুখ্যমন্ত্রী-সহ মন্ত্রীদের বসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।শুধু মন্ত্রীদের ঘর নয়, প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ আধিকারিকদের জন্যও মহাকরণে জায়গা প্রস্তুত করা হচ্ছে। এর ফলে ভবিষ্যতে রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ফের ঐতিহ্যবাহী এই ভবন থেকে পরিচালিত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।মহাকরণ সংস্কারের সামগ্রিক দায়িত্ব আদানি গোষ্ঠীর হাতে দেওয়া হতে পারে বলেও জল্পনা রয়েছে। তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এবং কী ভাবে সংস্কারের কাজ এগোবে, তা নিয়ে এখনও বিস্তারিত প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গিয়েছে।মহাকরণের সঙ্গে রাজ্যের প্রশাসনিক ইতিহাসের সম্পর্ক দীর্ঘ দিনের। ২০১৩ সালে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সময়ে রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক দফতর মহাকরণ থেকে নবান্নে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ব্রিটিশ আমলে তৈরি এই ঐতিহাসিক ভবনের সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েই সেই সময় প্রশাসনের মূল কেন্দ্র সরানো হয়েছিল।এর পর দীর্ঘ সময় ধরে মহাকরণ সংস্কারের কাজ চললেও তা সম্পূর্ণ হয়নি। সাম্প্রতিক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ১৩ বছর পরেও সংস্কারের একটি বড় অংশ অসম্পূর্ণ রয়েছে।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর মহাকরণকে ফের প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা সামনে আসে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী শপথ নেওয়ার পর থেকেই মহাকরণে তাঁর জন্য ঘর তৈরির প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল।এখন সেই প্রস্তুতিতেই আরও গতি এসেছে। ১০ অক্টোবরের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ঘরগুলির কাজ শেষ করার লক্ষ্য নেওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, পুজোর আগেই কি নবান্নের বদলে মহাকরণ থেকে প্রশাসনিক কাজ শুরু করবেন মুখ্যমন্ত্রী? আপাতত সেই দিকেই নজর রয়েছে।মহাকরণে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ের কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার পর মন্ত্রী ও আমলাদের ঘর তৈরির কাজও দ্রুত এগোচ্ছে। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ হলে বহু বছর পর ফের মহাকরণে রাজ্য প্রশাসনের ব্যস্ততা দেখা যেতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal