Containment Zone: কলকাতায় বাড়ছে কনটেনমেন্ট জোন
মহানগরীতে লাগামছাড়া করোনা সংক্রমণ। সংক্রমণে রাশ টানতে কলকাতায় মাইক্রো কনটেন্টমেন্ট জোনের ঘোষণা মেয়র ফিরহাদ হাকিমের। কলকাতার ১৪ ওয়ার্ডে ২৫ মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন। অধিকাংশ ফুলবাগান, মানিকতলা, ট্যাংরা এলাকায় । আবাসনে ৪-৫ জন পজিটিভ হলে মাইক্রো কনটেন্টমেন্ট জোন ঘোষণা করা হয়েছে। করোনা মোকাবিলায় ৩টি সেফ হোম চালু করল পুরসভা।কাঁকুরগাছির ৩১ নম্বর ওয়ার্ড মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোন ঘোষণা হয়েছে। এটি কলকাতা পুরসভার ৩ নম্বর বরোর অন্তর্গত। এই এলাকাটিকে মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোন ঘোষণা করা হয়েছে। তবে মঙ্গলবার সকালে ওই এলাকায় গিয়ে দেখা গিয়েছে, তখনও পর্যন্ত পুলিশের তরফে কোনও ব্যারিকেড করে দেওয়া হয়নি।তবে আরও একটি বিষয় দেখা গিয়েছে। মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোনের ভিতরেই রয়েছে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার। মঙ্গলবার সকালেও সেটিকে খোলা দেখা গিয়েছে। যদিও সেটি খোলা থাকারই কথা। তবে সেখানে অনেককেই আসতে দেখা গিয়েছে, যেটা ভয়ের। পুরকর্মীরা এদিন সকালে এলাকা সাফাই করেছেন। তবে বাড়তি কোনও উদ্যোগ নেই। তবে বিভিন্ন আবাসনের গেটে নো মাস্ক নো এন্ট্রি বোর্ড টাঙানো আছে।কলকাতায় পরিস্থিতি সামাল দিতে আগেই কনটেইনমেন্ট জোন ঘোষণা করেছেন মেয়র। এবার ঘোষণা করলেন মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোন। রাশ টানতে কলকাতায় ২৫ টি মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোন ঘোষণা করা হয়েছে। এক্ষেত্রে একটি আবাসনের ৪-৫ জন সংক্রমিত হলেই, সেটি মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোন হিসাবে ঘোষণা করা হয়।

