• ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ১৯ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

বিদেশ

বিদেশ

হাসপাতালের বিছানায় মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই, খালেদা জিয়াকে নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও সংকটজনক হয়ে উঠছে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা। হাসপাতাল সূত্রে খবর, তাঁর শরীর আগের তুলনায় আরও দুর্বল হয়েছে। তবে চিকিৎসকদের মতে, অল্প হলেও চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন ৮০ বছরের এই নেত্রী। শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় সম্প্রতি তাঁকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস ও চোখের সমস্যায় ভুগছেন।দেশি ও বিদেশি চিকিৎসকদের একটি বিশেষ মেডিক্যাল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে তাঁর চিকিৎসা চলছে। যদিও এখনও পর্যন্ত বড় কোনও উন্নতির খবর মেলেনি। শুক্রবার তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনায় দেশজুড়ে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করে বিএনপি। একই সঙ্গে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুস ও দেশবাসীর কাছে খালেদা জিয়ার জন্য প্রার্থনার অনুরোধ জানান। শনিবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকেও তাঁর জন্য প্রার্থনা করা হয়।এই কঠিন সময়ে মায়ের পাশে থাকতে চাইছেন খালেদা জিয়ার ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বর্তমানে লন্ডনে রয়েছেন। দেশে ফিরতে চাইলেও রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে এখনও ফেরা সম্ভব হয়নি তাঁর পক্ষে। নিজের ফেসবুক পোস্টে তারেক রহমান লিখেছেন, এমন সংকটের সময় মায়ের পাশে থাকার ইচ্ছা যে কোনও সন্তানের মতো তাঁরও আছে। কিন্তু এই বিষয়টি একক সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করছে না বলেও তিনি জানিয়েছেন।এক সপ্তাহ আগে, গত ২৩ নভেম্বর গুরুতর অসুস্থ হয়ে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি হন খালেদা জিয়া। হাসপাতাল সূত্রের খবর, চিকিৎসায় সামান্য সাড়া মিললেও তাঁর অবস্থা এখনও অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিএনপির তরফেও জানানো হয়েছে, এই মুহূর্তে প্রার্থনাই একমাত্র ভরসা।

নভেম্বর ২৯, ২০২৫
বিদেশ

ভূমিকম্প ও সুনামির তাণ্ডবে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া, মৃতের সংখ্যা ছুঁল ২৪৮

ভূমিকম্প ও সুনামির জোড়া আঘাতে বিধ্বস্ত ইন্দোনেসিয়া। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও বহু মানুষ আটকে থাকার আশঙ্কা। প্রসাশনের আশঙ্কা, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এখনও পর্যন্ত সরকারি ভাবে ২৪৮ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে, নিখোঁজ রয়েছেন ১০০ জনেরও বেশি মানুষ। শনিবার উদ্ধারকাজ চালাতে গিয়ে চরম সমস্যায় পড়ছেন উদ্ধারকারীরা। বহু এলাকা একেবারেই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে।সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সেন্ট্রাল টাপানুলি সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলে। ভেঙে পড়েছে রাস্তা ও সেতু, ছিঁড়ে গিয়েছে বিদ্যুতের লাইন ও মোবাইল নেটওয়ার্ক। তাই আকাশপথে উদ্ধার সামগ্রী ও ত্রাণ পাঠাতে হচ্ছে। ভারী যন্ত্রপাতির অভাবেও উদ্ধারকাজ ধীরগতিতে চলছে।পশ্চিম সুমাত্রার আগাম জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে আরও মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতীয় বিপর্যয় বাহিনী। ফলে মৃতের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। বহু পরিবার এখনও প্রিয়জনের খোঁজে দিশেহারা।গত এক সপ্তাহ ধরে চলা টানা মৌসুমি বৃষ্টির কারণে উত্তর সুমাত্রার একাধিক নদী উপচে পড়ে। পাহাড়ি গ্রামে ভয়াবহ বন্যা নেমে আসে। স্রোতের তোড়ে ভেসে যায় বহু মানুষ। হাজার হাজার বাড়ি, স্কুল ও সরকারি ভবন জলের নীচে তলিয়ে যায়। এখনও বহু জায়গায় জল নামেনি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে অনেক সময় লাগবে বলে আশঙ্কা প্রশাসনের।

নভেম্বর ২৯, ২০২৫
বিদেশ

ভারত পালিয়েছে নাকি পাকিস্তান নাটক করেছে? অক্সফোর্ড বিতর্কে তীব্র টানাপড়েন

লন্ডনের বিখ্যাত অক্সফোর্ড ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিতর্ক হওয়ার কথা ছিল। বিতর্কের বিষয় ছিল ভারতের পাকিস্তান নীতি কি শুধুই জনতাকে খুশি করার কৌশল? কিন্তু বিতর্ক শুরু হওয়ার আগেই হঠাৎ নাটকীয় মোড় নেয় গোটা পরিস্থিতি। পাকিস্তান অভিযোগ তোলে, শেষ মুহূর্তে ভারতের প্রতিনিধিরা নাকি বিতর্ক থেকে সরে দাঁড়ান। এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আনে পাকিস্তান হাই কমিশন।পাকিস্তানের তরফে জানানো হয়, তাঁদের বক্তারা ইতিমধ্যেই লন্ডনে পৌঁছে গিয়েছিলেন এবং অক্সফোর্ডে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু সেদিন সকালে অক্সফোর্ড ইউনিয়ন জানায়, ভারতের তিন বক্তাই নাকি বিতর্কে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পাকিস্তানের পক্ষ থেকে বলা হয়, এতে তারা একপ্রকার ওয়াকওভার পেয়ে যায়।এই বিতর্কে পাকিস্তানের প্রতিনিধি হিসেবে থাকার কথা ছিল প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী হিনা রব্বানি খর, ব্রিটেনে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফয়সাল এবং প্রাক্তন সেনা অফিসার জুবায়র মাহমুদ হায়াতের। ভারতের দিক থেকে বক্তা হিসেবে নাম ছিল প্রাক্তন সেনাপ্রধান মনোজ নারাভানে, রাজনীতিক সুব্রহ্মণ্যম স্বামী এবং রাজস্থানের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী শচীন পাইলটের।পাকিস্তানের একটি সংবাদ চ্যানেলের সঞ্চালক ওয়াজাহাত কাজমি এই ঘটনাকে পাকিস্তানের বুদ্ধিবৃত্তিক জয় বলেও দাবি করেন। তিনি বলেন, ভারতের পক্ষ কম যোগ্য বিকল্প বক্তা পাঠাতে চেয়েছিল।তবে এই সমস্ত অভিযোগ সরাসরি উড়িয়ে দিয়েছেন ভারতীয় আইনজীবী ও বক্তা J Sai Deepak। তিনি জানান, অক্সফোর্ড ইউনিয়ন আগেই তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে বক্তা হিসেবে নিশ্চিত করেছিল। নারাভানে ও স্বামীকেও প্রথমে নিশ্চিত করা হয়েছিল। পরে অক্সফোর্ড ইউনিয়ন জানায়, ওই দুজন আসতে পারবেন না এবং বিকল্প নাম দিতে বলা হয়।সাই দীপক জানান, তিনি বিকল্প দেওয়ার আগেই অক্সফোর্ড ইউনিয়ন নিজেরাই সুচেল সেঠ ও প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদীর সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁদের রাজি করায়। কিন্তু শেষ মুহূর্তে দুজনই অল্প নোটিশের কারণে নাম প্রত্যাহার করেন।শিবসেনা সাংসদ প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদীও বিষয়টি স্পষ্ট করে বলেন, অক্সফোর্ড ইউনিয়ন তাঁকে অনেক আগেই আমন্ত্রণ জানালেও শেষ মুহূর্তে আচমকা মেল করে হাজির থাকার কথা জানানো হয়। এই অগোছালো ব্যবস্থাপনায় তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে অংশ নিতে রাজি হননি। তাঁর দাবি, পাকিস্তান এই ঘটনাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে ভুলভাবে তুলে ধরছে।এই ঘটনায় নতুন করে ভারত-পাকিস্তান কূটনৈতিক টানাপড়েন এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে মুখরক্ষা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।

নভেম্বর ২৯, ২০২৫
বিদেশ

এক রাতেই বদলে গেল দেশের চেহারা, শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডব

ক্রমে ভয়াল রূপ নিয়েছে ঘূর্ণিঝড় দেতোয়া। শ্রীলঙ্কা জুড়ে ব্যাপক ধ্বংসলীলা চালাচ্ছে এই শক্তিশালী ঝড়। বহু বছর পর এমন ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে পড়েছে দ্বীপরাষ্ট্রটি। একের পর এক প্রাণহানির খবর সামনে আসছে। এখনও পর্যন্ত সরকারি হিসেবে মৃত্যু হয়েছে ৫৬ জনের, তবে উদ্ধারকারীদের আশঙ্কা সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ২১ জন। টানা ভারী বৃষ্টিতে একাধিক এলাকায় ধস নেমেছে। শহর থেকে গ্রাম সর্বত্র বন্যার জল ঢুকে পড়েছে। বহু ঘরবাড়ি ভেসে গিয়েছে। প্রায় ৪৪ হাজার মানুষ ঘরছাড়া হয়ে পড়েছেন। জলস্তর এখনও বাড়ছে।দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশাসনকে দ্রুত উদ্ধার ও ত্রাণ কাজে নামার নির্দেশ দিয়েছেন শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি অনুরা কুমারা দিশানায়েকে। ২০২৫ সালের বাজেট থেকে জরুরি ত্রাণের জন্য ১.২ বিলিয়ন টাকা তাৎক্ষণিক সাহায্যের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতি সামাল দিতে আরও ৩০ বিলিয়ন টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রশাসনিক কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য নতুন নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা সদর দফতরে খোলা হয়েছে বিশেষ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ, চালু করা হয়েছে দশটি জরুরি হটলাইন।ভারি বৃষ্টিতে কার্যত বিপর্যস্ত পরিবহন ব্যবস্থা। রাজধানী কলম্বোর বহু গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। দক্ষিণ এক্সপ্রেসওয়ের একাধিক অংশে যান চলাচল বন্ধ। খারাপ দৃশ্যমানতার কারণে বেশ কিছু বিমান তিরুঅনন্তপুরম, কোচিন ও মাত্তালায় ঘুরিয়ে দিতে হয়েছে।এই বিপদের সময়ে শ্রীলঙ্কার পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত। শুরু হয়েছে অপারেশন সাগর বন্ধু। শুক্রবার ভারতের পক্ষ থেকে ত্রাণসামগ্রী ও জরুরি সাহায্য পাঠানো হয়েছে শ্রীলঙ্কায়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শ্রীলঙ্কাকে সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় দেতোয়ার কারণে যাঁরা প্রিয়জন হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি তাঁর গভীর সমবেদনা রইল। সব ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের নিরাপত্তা ও দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন তিনি।শ্রীলঙ্কা সরকারের তথ্য অনুযায়ী, খারাপ আবহাওয়ার জেরে ১২,৩১৩টি পরিবারের ৪৩,৯০০ জনেরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। দেশজুড়ে এখনও চলছে উদ্ধার ও ত্রাণের কাজ।

নভেম্বর ২৯, ২০২৫
বিদেশ

দুবাই-আবুধাবিতে আর যাওয়া যাবে না? পাকিস্তানিদের ভিসা নিয়ে বড় ধাক্কা

অপরাধমূলক কাজে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগে পাকিস্তানি নাগরিকদের ভিসা দেওয়া কার্যত বন্ধ করে দিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। সম্প্রতি পাকিস্তানের সেনেটের মানবাধিকার সংক্রান্ত কমিটির বৈঠকে এই তথ্য প্রকাশ্যে আনেন সে দেশের অতিরিক্ত স্বরাষ্ট্রসচিব Salman Chaudhry। তিনি জানান, একবার এই ধরনের নিষেধাজ্ঞা জারি হলে তা প্রত্যাহার করানো অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। পাকিস্তানের প্রথম সারির সংবাদপত্র Dawn-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, পরিস্থিতি ইতিমধ্যেই অত্যন্ত জটিল পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে।অভিবাসন সংক্রান্ত কাজের সঙ্গে যুক্ত এইসাম বাইগের দাবি, সমস্যার মূল কারণ হল বহু পাকিস্তানি নাগরিক কাজের ভিসা না নিয়ে ভিজিট ভিসায় এসে ভিক্ষাবৃত্তি ও বেআইনি কাজকর্মে জড়িয়ে পড়ছেন। এই প্রবণতাই আমিরশাহি প্রশাসনকে কড়া পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করেছে। বর্তমানে শুধু ব্লু ও কূটনৈতিক পাসপোর্টধারীদের ক্ষেত্রেই সীমিত পরিসরে ভিসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।পাকিস্তানের সেনেটের মানবাধিকার কমিটির চেয়ারপার্সন Samina Mumtaz Zehri জানিয়েছেন, অত্যন্ত অল্প সংখ্যক নাগরিক বহু বাধা পেরিয়ে ভিসা পাচ্ছেন। তার আগেই ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে পুলিশের দেওয়া চরিত্র শংসাপত্র বাধ্যতামূলক করেছিল আমিরশাহি প্রশাসন।গালফ দেশগুলির মধ্যে বিশেষ করে Dubai ও Abu Dhabi বহু বছর ধরেই পাকিস্তানি ভ্রমণকারী ও কর্মপ্রার্থীদের পছন্দের গন্তব্য। প্রতি বছর গড়ে ৮ লক্ষেরও বেশি পাকিস্তানি নাগরিক উপসাগরীয় ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিতে কাজের খোঁজে ভিসার জন্য আবেদন করেন। কিন্তু নতুন এই নিষেধাজ্ঞায় কার্যত থমকে যেতে বসেছে সেই প্রবাহ।২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে আমিরশাহি, Saudi Arabia ও আরও কয়েকটি উপসাগরীয় দেশ অন্তত পাকিস্তানের ৩০টির বেশি শহরের বাসিন্দাদের জন্য অনির্দিষ্টকালের ভিসা নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। বিদেশে ভিক্ষাবৃত্তি, পাচার, মাদক ব্যবসা ও মানবপাচারের মতো গুরুতর অপরাধে পাকিস্তানি নাগরিকদের বারবার ধরা পড়ার পরই এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।এই পরিস্থিতি নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথাও প্রকাশ্যে এনেছেন জনপ্রিয় পডকাস্টার Nadir Ali। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, সৌদি আরব ও দুবাই একসময় যেখানে পাকিস্তানিদের কাছে স্বপ্নের গন্তব্য ছিল, এখন সেখানে ভিসা পাওয়াই প্রায় অসম্ভব। এমনকি তিনি নিজেও IIFA Awards অনুষ্ঠানে যেতে গিয়ে মারাত্মক সমস্যার মুখে পড়েছিলেন। তাঁর দাবি, ক্রমবর্ধমান ভিক্ষাবৃত্তির ঘটনায় সৌদি সরকার পাকিস্তানকে একাধিকবার সতর্কও করেছে।উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে পাকিস্তানের অন্যতম বড় বাণিজ্যিক অংশীদার এই আমিরশাহিই এবং সেখানে বিপুল সংখ্যক পাকিস্তানি প্রবাসী দীর্ঘদিন ধরে বসবাস ও কাজ করছেন। ফলে এই ভিসা সংকট শুধু ভ্রমণ কিংবা চাকরি নয়, আর্থিক লেনদেন ও দুই দেশের সম্পর্কের উপরেও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। লক্ষ লক্ষ পাকিস্তানি যুবকের সামনে এখন একটাই প্রশ্নমধ্যপ্রাচ্যের দরজা কি সত্যিই ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে?

নভেম্বর ২৮, ২০২৫
বিদেশ

হোয়াইট হাউসের গুলিকাণ্ডের পরই বিস্ফোরক ঘোষণা, তৃতীয় বিশ্বের দরজা বন্ধ করে দিলেন ট্রাম্প!

হোয়াইট হাউসের কাছেই দুই ন্যাশনাল গার্ড সদস্যকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই বিশ্ব রাজনীতিতে কার্যত মাইগ্রেশন বোমা ফেললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার ট্রুথ সোশ্যালে বিস্ফোরক ঘোষণায় তিনি জানিয়েছেন, তৃতীয় বিশ্বের সমস্ত দেশ থেকে স্থায়ীভাবে অভিবাসন বন্ধ করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, এতে মার্কিন ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে পুনরুদ্ধার করার সুযোগ পাবে। এই সিদ্ধান্তের জেরে বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ চাকরিপ্রার্থী, পড়ুয়া ও নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচতে পালিয়ে আসা মানুষের ভবিষ্যৎ কার্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়ল।ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, প্রযুক্তিগত দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র যতই এগিয়ে যাক না কেন, লাগামছাড়া অভিবাসন নীতি সেই সমস্ত সাফল্য ও নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান নষ্ট করেছে। তাঁর কথায়, তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলি থেকে সমস্ত ধরনের অভিবাসন স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে, বাইডেন আমলে হওয়া লক্ষ লক্ষ অবৈধ প্রবেশ বাতিল করা হবে, এমনকি যাঁরা দেশের নেট অ্যাসেট নন বা যাঁরা দেশের প্রতি আনুগত্য দেখাতে অক্ষম, তাঁদেরও দেশছাড়া করা হবে। পাশাপাশি অ-নাগরিকদের জন্য সমস্ত ফেডারাল সুবিধা ও ভর্তুকি বন্ধ করার ঘোষণাও করেছেন তিনি। এমনকি যাঁদের নাগরিকত্ব দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তি নষ্ট করছে বলে মনে হবে, তাঁদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন ট্রাম্প।এই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগেই হোয়াইট-এর কয়েক ব্লক দূরে ঘটে ভয়াবহ গুলির ঘটনা। দুই ন্যাশনাল গার্ডের সদস্য সারাহ বেকস্ট্রম ও অ্যান্ড্রু উলফকে খুব কাছ থেকে গুলি করা হয়। ২০ বছরের সারাহ বেকস্ট্রমের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন ২৪ বছরের উলফ। অভিযুক্ত হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ২০২১ সালে আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আসা ২৯ বছরের রহমনুল্লাহ লাকানওয়ালকে। হামলার প্রকৃত উদ্দেশ্য এখনও স্পষ্ট নয় বলেই জানিয়েছে প্রশাসন।গুলিকাণ্ডের পরই কার্যত কড়া পদক্ষেপ করেছে US Citizenship and Immigration Services। সমস্ত আফগান নাগরিকের অভিবাসন সংক্রান্ত আবেদন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে। সংস্থার বক্তব্য, দেশের নিরাপত্তাই এই মুহূর্তে একমাত্র লক্ষ্য।এই ঘটনার ঠিক আগেই ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে ২০২১ সালের আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সময়ের একটি ছবি পোস্ট করেন, যেখানে অসংখ্য আফগান নাগরিককে সামরিক বিমানে তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। সেই পোস্টে তিনি কটাক্ষ করে লেখেন, শত শত হাজার মানুষ যাচাই ছাড়াই ঢুকে পড়েছিল যুক্তরাষ্ট্রে, আর তার জন্য দায়ী ক্রুকড জো বাইডেন।থ্যাঙ্কসগিভিং উপলক্ষে করা আরেকটি তীব্র ভাষার পোস্টেও ট্রাম্প অভিবাসন নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন। তাঁর দাবি, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি নাগরিকের সংখ্যা ৫ কোটি ৩০ লক্ষের বেশি এবং তাঁদের বড় অংশ ব্যর্থ রাষ্ট্র, জেলখানা, মানসিক হাসপাতাল, গ্যাং ও ড্রাগ কার্টেল থেকে এসেছে। তিনি আরও বলেন, একজন গ্রিন কার্ডধারী অভিবাসী যদি বছরে ৩০ হাজার ডলার আয় করেন, তবে তাঁর পরিবার বছরে প্রায় ৫০ হাজার ডলার সরকারি সুবিধা পায়যা মার্কিন নাগরিকদের ওপর বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।ট্রাম্পের অভিযোগ, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই ধরনের রিফিউজি বোঝা আমেরিকায় সামাজিক অবক্ষয়ের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেব্যর্থ স্কুল, বাড়তে থাকা অপরাধ, হাসপাতালে ভিড়, আবাসনের সঙ্কট ও বিপুল ঘাটতি তারই ফল। এমনকি মিনেসোটায় সোমালিয়া থেকে আসা উদ্বাস্তুদের দাপট নিয়েও তীব্র মন্তব্য করেছেন তিনি।বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এই ঘোষণার বাস্তবায়ন হলে অভিবাসন ব্যবস্থা, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং মানবাধিকার প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রকে চরম বিতর্কের মুখে পড়তে হবে। একই সঙ্গে বিশ্বের বহু দেশের পড়ুয়া, কর্মপ্রার্থী ও রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীদের জীবনে নেমে আসতে পারে গভীর অনিশ্চয়তা।

নভেম্বর ২৮, ২০২৫
বিদেশ

সজীব-পুতুলও দণ্ডিত! তিন মামলায় বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে জেল

ঢাকার আদালত বুধবার একটি চাঞ্চল্যকর রায় ঘোষণা করে। বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির তিনটি মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে ২১ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। প্রতিটি মামলায় তাঁকে ৭ বছর করে সাজা দেওয়া হয়েছে। একই মামলায় তাঁর পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়কে ৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া তাঁর কন্যা সায়েমা ওয়াজেদ পুতুলও একটি মামলায় ৫ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করবেন।এই তিন মামলায় মোট ৪৭ জনকে আসামি করা হলেও ব্যক্তি হিসেবে সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩। এই তালিকায় শুধু শেখ হাসিনা, জয় ও পুতুলই নয়, রয়েছেন হাসিনার শাসনকালের বিভিন্ন মন্ত্রী ও আমলারা। প্রাক্তন গৃহ উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এবং গৃহ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের প্রাক্তন সহকারী সচিব পূরবী গোলদারও এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।মামলার সূত্র অনুযায়ী, ঢাকার পূর্বাচলের নতুন শহর প্রকল্পের প্লট বরাদ্দে দুর্নীতি এবং সম্পদের অবৈধ ব্যবহারই মূল অভিযোগ। এছাড়া দেশ ছাড়ার পরও নানা গুরুতর অভিযোগের মুখে পড়েছেন শেখ হাসিনা। এর মধ্যে রয়েছে জুলাই অভ্যুত্থানে ছাত্র আন্দোলনের ওপর গুলি চালানো, মানবতাবিরোধী কার্যকলাপ এবং আয়নাঘর সংক্রান্ত দুর্নীতি। কিছু অভিযোগে তথ্য গোপন করে কর ফাঁকির কথাও বলা হয়েছে।বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদার, বিচারপতি মহম্মদ শফিউল আলম মাহমুদ এবং বিচারক মহম্মদ মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী এই রায়ে মন্তব্য করেন যে, দোষ প্রমাণিত হওয়ায় সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো। তবে আওয়ামি লীগ ইতিমধ্যেই এই বিচারের বিরোধিতা করেছে। তারা অভিযোগ করেছে, ক্যাঙারু আদালতের নামে বিচার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ প্রভাবিত এবং যেখানে আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ নেই, তা কখনই ন্যায়বিচার হতে পারে না।এই রায় ঘিরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই রায়ের ফলে রাজনৈতিক মহলে দুশ্চিন্তা এবং বিতর্ক আরও বাড়বে।

নভেম্বর ২৭, ২০২৫
বিদেশ

ইমরান কি বেঁচে আছেন? মধ্যরাতে মৃত্যু-গুঞ্জনে কেঁপে উঠল দেশ

দুবছরেরও বেশি সময় ধরে কারাবন্দি পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে ঘিরে বুধবার রাতভর ছড়িয়ে পড়ে ভয়াবহ গুঞ্জন। অনেকেই দাবি করতে শুরু করেন, তিনি নাকি জেলের ভিতরেই খুন হয়েছেন। এমনকী তাঁর দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ-এর একাংশ নেতা-কর্মীও প্রকাশ্যে সেই দাবি করেন। মুহূর্তের মধ্যে গোটা পাকিস্তান জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক ও উত্তেজনা। তবে শেষ পর্যন্ত এই জল্পনায় জল ঢালল আদিয়ালা জেল কর্তৃপক্ষ।এক বিবৃতিতে আদিয়ালা জেলের তরফে জানানো হয়, ইমরান খানের মৃত্যুর খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং গুজব মাত্র। তিনি বর্তমানে জেলেই রয়েছেন এবং তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসাও দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করা হয়। একইসঙ্গে জেল কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, তাঁকে অন্য কোথাও সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার খবরও সম্পূর্ণ মিথ্যা।এই মৃত্যুগুজবের মধ্যেই মুখ খোলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ। তিনি দাবি করেন, ইমরান খান জেলে সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন এবং তাঁকে এমন খাবার দেওয়া হয়, যা নাকি পাঁচতারা হোটেলেও সব সময় মেলে না। তাঁর জন্য আলাদা খাট, শীতের জন্য পশমের কম্বল এবং নিজের পছন্দের টিভি দেখার ব্যবস্থাও রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।যদিও এই দাবি মানতে নারাজ ইমরানের পরিবার। তাঁর বোন এবং ছেলেদের অভিযোগ, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে নির্জন কক্ষে অমানবিক অবস্থায় রাখা হয়েছে। তাঁদের দাবি, নিয়ম অনুযায়ী পরিবার সপ্তাহে একবার দেখা করতে পারলেও সেই সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। এই নিয়ে তাঁরা সরাসরি অভিযোগ তুলেছেন বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে। ফলে কে সত্যি বলছে আর কে মিথ্যা, তা নিয়েই এখন পাকিস্তান জুড়ে তুমুল বিতর্ক।প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রীয় উপহার বিক্রি এবং একাধিক আর্থিক দুর্নীতির মামলায় ২০২৩ সাল থেকে জেলবন্দি রয়েছেন ইমরান খান। ২০২২ সালে অনাস্থা ভোটে ক্ষমতা হারানোর পর থেকেই তাঁর রাজনৈতিক জীবন কার্যত অগ্নিপরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি তাকে ঘিরে এই মৃত্যু-গুঞ্জন নতুন করে গোটা পাকিস্তানে রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়িয়ে দিয়েছে।

নভেম্বর ২৭, ২০২৫
বিদেশ

ফের পাক হামলা, এক রাতেই খুন ৯ শিশু! উত্তপ্ত আফগান সীমান্ত

আফগানিস্তানে ফের বোমা হামলা পাকিস্তানের। মধ্যরাতের নিস্তব্ধতা চিরে আচমকাই বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠল সীমান্তবর্তী এলাকা। সেই হামলায় প্রাণ গেল নয়-নয়টি শিশু এবং এক মহিলার। আফগান তালিবান সরকারের মুখপাত্র জবিউল্লা মুজাহিদ জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের বাড়িতে সরাসরি বোমা ফেলেছে পাকিস্তানি বাহিনী। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন বালক এবং চারজন বালিকা। এক মুহূর্তে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল কয়েকটি পরিবার।মুজাহিদ তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, পাকিস্তানি বাহিনী নিরীহ মানুষের ঘরে বোমা ফেলেছে। ৯ শিশু এবং এক মহিলা শহিদ হয়েছেন। আফগান সরকার এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। বলেছে, কোনও সামরিক লক্ষ্য নয়, এই হামলা ছিল স্পষ্টভাবে বেসামরিকদের ওপর। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগও তুলেছে কাবুল।সংবাদ সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও চার আফগান নাগরিক। তবে পাকিস্তানের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া নেই। সীমান্তেই যে উত্তেজনা দিন দিন বাড়ছে, তা আর আড়াল করা যাচ্ছে না।গত মাস থেকেই ডুরান্ড লাইন ঘিরে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। দুই দেশই একে অন্যকে দোষারোপ করছে। ইসলামাবাদের দাবি, আফগানিস্তান টিটিপিকে আশ্রয় দিচ্ছে এবং তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিচ্ছে না। এক্ষেত্রে পাকিস্তান চাইছে, সীমান্ত বরাবর একটি বাফার জোন তৈরি হোক।কাবুল অবশ্য টিটিপিকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে জানিয়েছে, ডুরান্ড লাইন নিয়ে পাকিস্তানের দাবিই অবৈধ। ফলে তিন দফা শান্তি বৈঠকেও কোনও সুরাহা আসেনি। আর তারই মাশুল আবারও দিতে হল নিরীহ মানুষকে।এই ঘটনার মধ্যেই পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ ভারত ফ্যাক্টর টেনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, ভারতের হাতের পুতুল হয়ে নাচছে আফগানিস্তান। পাশাপাশি তালিবানকে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেনআক্রমণ করলে তার ৫০ গুণ জবাব দেবে পাকিস্তান।ফলে সীমান্তে আগুন আরও জ্বলছে। আর দুই দেশের রাজনৈতিক অন্ধকারে একের পর এক নিশ্চিহ্ন হচ্ছে শিশুর মুখ, ঘরের আলো, অগণিত স্বপ্ন।

নভেম্বর ২৫, ২০২৫
বিদেশ

বিমানবন্দরের মাথার ওপর ঘোরাফেরা ড্রোন, মুহূর্তে বন্ধ সব ফ্লাইট! তদন্তে সেনা-পুলিশ

নেদারল্যান্ডসের আইন্দহোভেন বিমানবন্দরে হঠাৎ করেই দেখা মিলল একাধিক ড্রোনের। আর সেই দৃশ্য চোখে পড়ে যেতেই মুহূর্তে থমকে গেল বিমানবন্দরের সম্পূর্ণ বিমান চলাচল। শনিবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ নেদারল্যান্ডসের ব্যস্ত এই বিমানবন্দরে ড্রোন দেখা যাওয়ার পরেই চরম সতর্কতা জারি করা হয়। পরিস্থিতি যে কতটা গুরুতর ছিল, তা বোঝা যায় ডাচ প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রুবেন ব্রেকেলমান্সের বিবৃতি থেকে। তিনি এক্স-এ জানান, ডিফেন্স কাউন্টার-ড্রোন ইউনিট, পুলিশ এবং সামরিক বাহিনী ইতিমধ্যেই এলাকায় মোতায়েন হয়েছে এবং যে কোনও মুহূর্তে হস্তক্ষেপের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।আইন্দহোভেন বিমানবন্দরটি সাধারণ যাত্রীবাহী বিমান ছাড়াও সামরিক উড়ানের কেন্দ্র হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। সেই কারণেই ড্রোনের উপস্থিতিকে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, ঠিক কোথা থেকে এবং কী উদ্দেশ্যে ড্রোনগুলি উড়ছিল। তার আগে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বিমান ওঠানামা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়।এর আগের দিনও একই ধরনের ড্রোন দেখা গিয়েছিল ভলকেল এয়ারবেসের আকাশে। সেই সময় ডাচ সেনা সরাসরি গুলি চালিয়ে ড্রোন নামানোর চেষ্টা করে। ফলে টানা দুই দিন ধরে ড্রোন দেখা যাওয়ায় বিষয়টি আরও রহস্যজনক হয়ে উঠেছে। শুধু নেদারল্যান্ডস নয়, সাম্প্রতিক সপ্তাহে ইউরোপের আরও বেশ কয়েকটি দেশে বিমান চলাচলে ড্রোনের কারণে বিঘ্ন ঘটে। ডেনমার্ক, নরওয়েসহ একাধিক দেশের বিমানবন্দরেও এমন ঘটনা ন্যাটোকে নতুন করে চিন্তায় ফেলেছে।এটিই প্রথম নয়। এ বছরের সেপ্টেম্বরেই পোল্যান্ড ও রোমানিয়ার আকাশে রুশ ড্রোন আটক করা হয়েছিল। এমনকি তিনটি রুশ যুদ্ধবিমান এস্তোনিয়ার আকাশসীমায় প্রবেশ করায় ন্যাটোর সতর্কবার্তা আরও জোরালো হয়। ফলে আইন্দহোভেনের এই ঘটনা সেই আশঙ্কাকে আরও ঘনীভূত করছে।যদিও ড্রোন দেখা গেলেই বিমানবন্দর বন্ধ করতে হয়, এমন কোনও বাধ্যবাধকতা নেই। তবে আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী, ড্রোন দেখা গেলে বিমান ওঠা-নামা সাময়িক বন্ধ রেখে পরিস্থিতি যাচাই করা হয়, যাতে কোনও সম্ভাব্য সংঘর্ষ এড়ানো যায়। ফলে যাত্রীদের ভোগান্তি হলেও, সুরক্ষার স্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত নেয় সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।এখন তদন্তের মূল লক্ষ্যএই ড্রোনগুলি কি শুধুই সাধারণ ব্যক্তি বা গ্রুপের অপকর্ম, নাকি এর পেছনে রয়েছে আন্তর্জাতিক গুপ্তচরবৃত্তি বা নাশকতার বড় কোনও চক্র? ডাচ প্রশাসন ও সেনা এখন সেই সম্ভাবনাই সব দিক থেকে খতিয়ে দেখছে।

নভেম্বর ২৩, ২০২৫
বিদেশ

তুরস্ক-যোগ, কাতার-যোগ—হামাসের ‘আন্তর্জাতিক জাল’ ভাঙার দাবি মোসাদের

ইউরোপ জুড়ে হামাসের গোপন জঙ্গি নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়ার দাবি করল ইসরায়েলের গোপনচর সংস্থা মোসাদ। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দফতর জানিয়েছে, ইউরোপের বিভিন্ন দেশে জটিল ও সমন্বিত অভিযানের মাধ্যমে এই জঙ্গি কাঠামো ধ্বংস করা হয়েছে। জার্মানি, অস্ট্রিয়া-সহ একাধিক দেশে অভিযানের ফলে ধরা পড়েছে বহু জঙ্গি-সহযোগী এবং উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল অস্ত্রভাণ্ডার। মোসাদের দাবি, এই অস্ত্রগুলি ইসরায়েল এবং ইউরোপে অবস্থিত ইহুদি সংগঠনগুলির উপর হামলা চালানোর জন্যই লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। নির্দেশ পেলেই হামলার প্রস্তুতি ছিল বলেই মনে করছে ইসরায়েল।অভিযোগ, হামাসের ইউরোপের নেটওয়ার্ক তৈরিতে তুরস্কের কিছু সদস্যও ভূমিকা নিয়েছিল। তাদের মাধ্যমে পরিকল্পিত হামলার সূত্র মিলেছে। শুধু তাই নয়, কাতারে থাকা হামাস নেতৃত্বও ইউরোপের জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে সরাসরি যুক্তএমন দাবি করেছে মোসাদ।অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় গত সেপ্টেম্বর একটি বিশেষ অভিযানে বড় সাফল্য মেলে। সেখানে লুকিয়ে রাখা ছিল বিস্ফোরক, হ্যান্ডগান-সহ একাধিক অস্ত্র। তদন্তে উঠে আসে, এই অস্ত্রগুলি ছিল হামাস সদস্য মোহাম্মদ নাইমের। তিনি হামাসের শীর্ষ নেতা বাসেম নাইমের ছেলে। অভিযোগ, বাবা ও ছেলের যৌথ নির্দেশেই ইউরোপে তৈরি হচ্ছিল গোপন জঙ্গি নেটওয়ার্ক। কাতারে তাদের বৈঠকের তথ্যও পেয়েছে তদন্তকারীরা।মোসাদের দাবি, ৭ অক্টোবর গাজায় হামলার পর থেকেই হামাস নতুন করে ইউরোপ-সহ বিভিন্ন দেশে জঙ্গি পরিকাঠামো গড়ে তুলতে উঠে পড়ে লাগে। ইরান ও ইরানপন্থী সংগঠনগুলির মতোই ইউরোপে সেল তৈরি, সদস্য সংগ্রহ এবং অস্ত্র মজুতের কাজ চলছিল বহুদিন ধরেই। বহুবার অস্বীকার করলেও, কাতার-নির্ভর হামাস নেতৃত্বের সন্ত্রাসে জড়িত থাকার প্রমাণ আগেও মিলেছে বলে দাবি ইস্রায়েলের।বর্তমানে বহু দেশের যৌথ তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছে, ইউরোপ, পশ্চিম এশিয়া এবং তুরস্ক-সহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে হামাসের আর কে কে এই নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে সাহায্য করেছে।

নভেম্বর ২৩, ২০২৫
বিদেশ

ভারত–পাক সংঘর্ষকে ‘লাইভ ল্যাব’ বানাল চিন! মার্কিন রিপোর্টে বিস্ফোরক দাবি

কথায় আছেকারও সর্বনাশ, কারও পৌষমাস। ভারতপাকিস্তানের উত্তপ্ত পরিস্থিতি যেন সেই পুরনো কথাকেই আবার নতুন করে মনে করিয়ে দিল। কারণ সদ্য প্রকাশিত মার্কিনচিন অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা পর্যালোচনা কমিশনের এক রিপোর্টে উঠে এসেছে বিস্ফোরক তথ্য। সেখানে দাবি করা হয়েছে, গত মে মাসের ভারতপাক সংঘর্ষকে নাকি নিজেদের আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম পরীক্ষা করার আদর্শ সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করেছিল বেজিং।রিপোর্টে স্পষ্ট ভাষায় বলা হয়েছে, চিন প্রথমবারের মতো বাস্তব যুদ্ধে তাদের অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র সিস্টেম প্রয়োগ করেছে। এর মধ্যে ছিল জে-১০ ফাইটার জেট, PL-15 লংরেঞ্জ ক্ষেপণাস্ত্র এবং HQ-9 এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। সহজ কথায়, ভারতপাক সংঘর্ষ হয়ে উঠেছিল চিনের সামরিক গবেষণার এক লাইভ ল্যাবরেটরি।রিপোর্টের আরও দাবিএই পরীক্ষার পর জুন মাসে চিন পাকিস্তানকে প্রস্তাব দেয় নতুন করে আরও উন্নত অস্ত্র কেনার, যার মধ্যে ছিল ৪০টি জে-৩৫ পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান, কেজে-৫০০ বিমান এবং সম্পূর্ণ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। অর্থাৎ বেজিং পাকিস্তানকে আরও গভীরভাবে নিজেদের সামরিক গ্রাহক এবং পরীক্ষার ক্ষেত্র বানাতে চাইছে।তবে প্রশ্ন উঠেছেএই পরীক্ষায় চিনের কতটা সাফল্য মিলেছে? ওয়াকিবহাল মহলের ব্যাখ্যা একেবারেই উৎসাহব্যঞ্জক নয়। কারণ পাকিস্তান ভারতবিরোধী অভিযানে চিনের তৈরি PL-15 ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করলেও দেখা যায় সেটি আছড়ে পড়ার পরও বিস্ফোরিত হয়নি। ভারত সীমান্তের এক গ্রামে প্লাস্টিক মোড়কের মতো অক্ষত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় সেই ক্ষেপণাস্ত্রটি। এটি চিনের প্রযুক্তির দুর্বলতা হিসেবে আন্তর্জাতিক মহলে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।এছাড়া পাকিস্তানের জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমানযা চিনের সহায়তায় তৈরিভারতীয় বায়ুসেনার আঘাতে ধুলিসাৎ হয়ে যায়। এই ঘটনাও বেজিংয়ের সামরিক শক্তির বাস্তব চিত্র সামনে আনে।রিপোর্টটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে অপারেশন সিঁদুরের প্রেক্ষিতে। উল্লেখ্য, ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে লস্কর-সমর্থিত সংগঠন TRF-এর হামলায় নিহত হন ২৬ নিরস্ত্র মানুষ। তার জবাবে ৭ মে ভারত ভোররাতে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের নয়টি জঙ্গিঘাঁটি ধ্বংস করে। পাকিস্তান পাল্টা বেসামরিক এলাকা ও সেনা ঘাঁটিতে হামলা চালায়, কিন্তু ভারত শুধু প্রতিরোধই করেনিপ্রত্যাঘাত করে পাকিস্তানের অন্তত ১১টি বায়ুসেনা ঘাঁটি তছনছ করে দেয়। সেই অভিযানে মারা যায় ১০০-র বেশি জঙ্গি এবং প্রায় ৩৫-৪০ জন পাক সেনা। টিকে থাকতে না পেরে শেষ পর্যন্ত ইসলামাবাদই যুদ্ধবিরতির আর্জি জানায়।এই পরিস্থিতির মাঝেই মার্কিন রিপোর্টের দাবিচিন নাকি পর্দার আড়ালে পাকিস্তানের মাধ্যমেই নিজেদের অস্ত্রের কার্যক্ষমতা যাচাই করে নিয়েছে। তবে প্রযুক্তির একাধিক ব্যর্থতা প্রমাণ করছে, বেজিংয়ের স্বপ্নের আধুনিক যুদ্ধকৌশল হয়তো বাস্তব পরীক্ষার আগুনে ততটা টেকেনি।

নভেম্বর ২২, ২০২৫
বিদেশ

যুদ্ধে হার, এবার কি প্রতিশোধ? আফগানিস্তানে সরকার বদলের হুমকি দিল পাকিস্তান

পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমানায় উত্তেজনা নতুন নয়। কিন্তু এবার যেন পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ মোড় নিয়েছে। আফগানিস্তানের তালিবান সরকারের বিরুদ্ধে সরাসরি সরকার ফেলে দেওয়ার হুমকি দিল পাকিস্তান। ইসলামাবাদের বক্তব্য, যদি তালিবান সমঝোতার পথে না আসে এবং পাকিস্তানের নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রস্তাব মানতে অস্বীকার করে, তবে কাবুলে সরকারবিরোধী শক্তিকে প্রকাশ্যে সমর্থন দেবে তারা।নিউজ১৮-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, আফগানিস্তানপাকিস্তান সংঘর্ষে মধ্যস্থতা করা তুরস্কের আধিকারিকদের সামনেই পাকিস্তান এই কঠোর বার্তা দিয়েছে। ইসলামাবাদ অভিযোগ করেছে, তালিবান তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি)-কে আশ্রয় দিচ্ছে এবং পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হামলার জায়গা করে দিচ্ছে। পাক সেনা চায়, টিটিপির সব নেতা হস্তান্তর করুক আফগানিস্তান, এবং সীমান্ত বরাবর ডুরান্ড লাইনে বাফার জোন তৈরি হোক।কিন্তু আফগানিস্তান সেই দাবি সরাসরি উড়িয়ে দিয়েছে। কাবুলের বক্তব্য, টিটিপির সঙ্গে তাদের কোনও সম্পর্ক নেই, এবং তারা কখনওই সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীকে নিজের দেশের মাটি ব্যবহার করতে দেয় না। সেই অবস্থান থেকেই কোনো লিখিত চুক্তিতে যেতে রাজি হয়নি তালিবান সরকার। আর এই অচলায়তনের মধ্যেই পাকিস্তান প্রকাশ্যে হুমকি দিলএই সরকার না মানলে কাবুলে নতুন সরকার গঠনে তারা সক্রিয় ভূমিকা নেবে।শুধু কথাই নয়, পাকিস্তান ইতিমধ্যেই গোপনে যোগাযোগ শুরু করেছে আফগানিস্তানের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ও বহু প্রভাবশালী নেতার সঙ্গে। নাম রয়েছে হামিদ কারজাই, আশরাফ গনি, আহমেদ মাসুদ, এমনকি নর্দার্ন অ্যালায়েন্সের নেতা আব্দুল রশিদ দোস্তমেরও। আইএসআই-র তরফে তাঁদের পাকিস্তানে আশ্রয়ের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে বলেও সূত্রের দাবি। লক্ষ্য একটাইপাকিস্তানের মাটি থেকেই সরকারবিরোধী শক্তিকে উসকে তালিবানকে ক্ষমতাচ্যুত করা।গত কয়েক মাসে তুরস্ক ও কাতারের মধ্যস্থতায় তিন দফা বৈঠক হয়েছে ইসলামাবাদ ও কাবুলের মধ্যে। কিন্তু একটিও বৈঠক কাজে দেয়নি। পাকিস্তান দাবি জানিয়ে গিয়েছে, আর তালিবান জবাব দিয়েছে স্পষ্ট ভাষায়টিটিপিকে তারা আশ্রয় দেয়নি এবং ডুরান্ড লাইন নিয়ে পাকিস্তানের দাবি মানা সম্ভব নয়।এই অবস্থায় দুই দেশের সম্পর্ক এমন উত্তপ্ত জায়গায় পৌঁছেছে, যা দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে ভয়াবহভাবে প্রভাবিত করতে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

নভেম্বর ২১, ২০২৫
বিদেশ

‘খুনিদের সরকার চাই না!’—চিৎকারে কেঁপে উঠল নেপাল, রাস্তায় তরুণদের সাথে ওলির কর্মীদের খণ্ডযুদ্ধ

নেপালে ফের অশান্ত জেন জি আন্দোলন। গত সেপ্টেম্বরে যে জনবিক্ষোভ ইউএমএলকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিয়েছিল, সেই আন্দোলনের তরুণেরা আবার পথে নামলেন। আর তাঁদের সামনে দাঁড়াতেই মাঠে নেমে পড়েছেন কেপি শর্মা ওলির দল কমিউনিস্ট পার্টি অফ নেপাল (ইউএমএল)-এর নেতাকর্মীরা। দুই পক্ষের সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দেশের একাধিক জায়গা। পরিস্থিতি এতটাই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় যে বৃহস্পতিবার কয়েকটি এলাকায় কার্ফু জারি করতে বাধ্য হয় প্রশাসন।বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই সিমারা চকে জড়ো হতে শুরু করেছিলেন জেন জি আন্দোলনকারীদের বড় একটি দল। যথেষ্ট উত্তেজনা ছড়ানো পরিবেশের মধ্যেই পুলিশ বলপ্রয়োগ করে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। সিমারা বিমানবন্দরের দিকেও ততক্ষণে জমে উঠেছে ভয়ার্ত উত্তেজনা। সেখানে ইউএমএল নেতাকর্মীদের সঙ্গে জেন জি তরুণদের ধস্তাধস্তি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়।সংঘর্ষের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন ওলির দলের দুই শীর্ষ নেতামহেশ বসনেট এবং শঙ্কর পোখারেল। দুজনেই সেদিন কাঠমান্ডু থেকে বিমানে সিমারায় পৌঁছান একটি দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে। তাঁদের আগমনের খবর ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক মাধ্যমে প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দেন জেন জি-র জেলা সমন্বয়ক সম্রাট উপাধ্যায়। মুহূর্তের মধ্যেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।বিমানবন্দরে মহেশ-শঙ্কর জুটি নামতেই জেন জি বিক্ষোভকারীরা স্লোগান তোলেনখুনিদের সরকার চাই না। আর সেই স্লোগানকে ঘিরেই চোখের পলকে শুরু হয়ে যায় সংঘর্ষ। দুই পক্ষের মধ্যে ইট-পাটকেল ছোড়া, ঠেলাঠেলি, ধাক্কাধাক্কিসব মিলিয়ে এলাকাজুড়ে যুদ্ধংদেহী পরিস্থিতি তৈরি হয়। আহত হন অন্তত ছয় জন জেন জি কর্মী। তাঁদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বড় বাহিনী মোতায়েন করে এবং শহরের গুরুত্বপূর্ণ অংশে জারি হয় কার্ফু। নেপালে ফের দাঁত-নখ বের করে উঠছে তরুণদের জেন জি আন্দোলনএটা যেন ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

নভেম্বর ২০, ২০২৫
বিদেশ

হোয়াইট হাউসে ঢুকতেই চমক! ট্রাম্পের ছেলের স্বপ্নপূরণ করলেন রোনাল্ডো

বিশ্ব ফুটবলের মহাতারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো যেখানে যান, সেখানেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠেন। এবার তাঁর উপস্থিতিতে সরগরম হয়ে উঠল আমেরিকার হোয়াইট হাউস। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আয়োজিত বিশেষ ডিনার পার্টিতে আচমকাই হাজির ছিলেন পাঁচবারের ব্যালন ডিঅরজয়ী রোনাল্ডো। উপস্থিত অতিথিদের অনেকেই তাঁর আগমন সম্পর্কে আগে জানতেন না। কিন্তু সবচেয়ে বেশি উচ্ছ্বাস দেখা গেল ট্রাম্পের কনিষ্ঠ পুত্র ব্যারন ট্রাম্পের চোখে।মাত্র ১৯ বছর বয়সি ব্যারন নাকি বহুদিন ধরেই রোনাল্ডোর প্রবল ভক্ত। ট্রাম্প নিজেই হেসে বললেন, তাঁর ছেলে রোনাল্ডোকে এতটাই পছন্দ করে যে, আজকের সাক্ষাৎ যেন ব্যারনের জন্য স্বপ্নপূরণ। তাই রোনাল্ডোকে সামনে পেয়ে ব্যারনের উচ্ছ্বাস লুকোনোই যাচ্ছিল না। প্রেসিডেন্ট হাসতে হাসতে বলেন, ব্যারন অবশেষে রোনাল্ডোর সঙ্গে দেখা করতে পারল। আশা করি এবার ব্যারন তার বাবাকে একটু বেশি সম্মান করবে! আমার কারণেই তো স্বপ্ন পূরণ হলো তার।ডিনারটিতে ছিলেন সৌদি আরবের যুবরাজ মহম্মদ বিন সলমনও। রোনাল্ডো বর্তমানে সৌদি ক্লাব আল নাসেরে খেলেন এবং সৌদির ফুটবল প্রচারে তাঁর ভূমিকা অপরিসীম। তাই যুবরাজের উপস্থিতিতে রোনাল্ডোর অংশগ্রহণ অনেকেই আগেই আন্দাজ করেছিলেন। ইস্ট রুমে যুবরাজ ও ট্রাম্পের কাছেই আসন ছিল রোনাল্ডোর।এই বিশেষ সন্ধ্যায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্বের আরও বহু বরেণ্য ব্যক্তিত্বঅ্যাপল সিইও টিম কুক, টেসলার প্রতিষ্ঠাতা এলন মাস্ক, ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো, আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স প্রমুখ। এত নামকরা মানুষদের ভিড়েও যে রোনাল্ডোই সবচেয়ে বেশি নজর কাড়লেন, তা বলাই বাহুল্য।উল্লেখযোগ্য, আগামী বছরই আমেরিকা ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজন করবে। তাই ওয়াশিংটনে রোনাল্ডোর উপস্থিতিকে অনেকেই প্রতীকী মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন। তবে ব্যারন ট্রাম্পের জন্য দিনটি শুধুই আনন্দেরকারণ তাঁর GOAT অবশেষে তাঁর হাতের নাগালেই দাঁড়িয়েছিলেন।

নভেম্বর ১৯, ২০২৫
বিদেশ

অতিথিকে ‘বিব্রত’ করতে মানা প্রেসিডেন্টের! খাশোগ্গি হত্যায় সলমনকে রক্ষা করলেন ট্রাম্প?

জামাল খাশোগ্গি হত্যাকাণ্ডের পর এই প্রথম বার আমেরিকায় পা রাখলেন সৌদি আরবের যুবরাজ মহম্মদ বিন সলমন। ওভাল অফিসে তাঁর পাশেই বসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়ে দিলেন, খাশোগ্গি হত্যার বিষয়ে যুবরাজ কিছুই জানতেন না। উপস্থিত সাংবাদিকরা যখন সেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন, তখনই ট্রাম্প বলে ওঠেন, অতিথিকে বিব্রত করার কোনও প্রয়োজন নেই। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক আলোচনা।ট্রাম্প প্রকাশ্যে যুবরাজকে ঢাল দিয়ে বলেন, খাশোগ্গি অত্যন্ত বিতর্কিত চরিত্র ছিলেন এবং অনেকেই তাঁকে পছন্দ করতেন না। তিনি আরও যোগ করেন, আপনি কাউকে পছন্দ করুন বা না করুন, ঘটনা তো ঘটেই থাকে। কিন্তু যুবরাজ এ সম্পর্কে কিছুই জানতেন না, এবং এই বিষয়টি এখানেই শেষ করে দেওয়া উচিত। ট্রাম্পের এই বক্তব্যে স্পষ্টই বোঝা গিয়েছেওভাল অফিসে সৌদি যুবরাজকে কোনও বিতর্কে জড়াতে তিনি রাজি নন।সলমনও এই ঘটনায় মুখ খোলেন। তিনি জানান, খাশোগ্গির মৃত্যু অত্যন্ত পীড়াদায়ক ঘটনা। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ভুল না ঘটে, সেই কারণে সৌদি প্রশাসন নিজের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করেছে। তাঁর বক্তব্যএটা একটি বড় ভুল এবং অত্যন্ত বেদনাদায়ক।২০১৮ সালের ২ অক্টোবর ইস্তানবুলের সৌদি দূতাবাসে খুন হন ওয়াশিংটন পোস্ট-এর সাংবাদিক জামাল খাশোগ্গি। দ্বিতীয়বার বিয়ের জন্য প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করতে গিয়ে আর ফিরতে পারেননি তিনি। সৌদি রাজপরিবার, বিশেষ করে যুবরাজের তীব্র সমালোচক ছিলেন খাশোগ্গি। তাঁর রহস্যমৃত্যু প্রকাশ্যে আসতেই তুরস্ক-সহ একাধিক দেশ সলমনকে দায়ী করে। আমেরিকাও সেই অভিযোগের সুরে সুর মিলিয়েছিল।ওয়াশিংটনের আদালতে খাশোগ্গির স্ত্রী হ্যাটিস চেঙ্গিজ এবং মানবাধিকার সংগঠন DAWNএর দায়ের করা মামলাতেও যুবরাজকে কাঠগড়ায় তোলা হয়। যদিও শেষ পর্যন্ত আদালত তাঁকে ক্লিনচিট দেয়। তখনই প্রশ্ন উঠেছিলমধ্যপ্রাচ্যে সৌদি আরবের অস্ত্র-চুক্তি ও কৌশলগত গুরুত্ব কি খাশোগ্গির রক্তরেখা মুছে দিচ্ছে?ওভাল অফিসে ট্রাম্পের আচরণ সেই সন্দেহকেই আবার উসকে দিল। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের উপর চাপ বাড়াতে সৌদি আরবকে পাশে রাখা ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য অত্যন্ত জরুরি। তাই তিনি প্রকাশ্যেই যুবরাজকে যেকোনও বিতর্ক থেকে দূরে রাখতে চাইছেন। খাশোগ্গি হত্যার একাধিক প্রশ্নের মুখোমুখি করার বদলে তাঁকে রক্ষা করাই যেন এখন মার্কিন কূটনীতির নতুন সমীকরণ।

নভেম্বর ১৯, ২০২৫
বিদেশ

হাসিনার অনুপস্থিতিতেই মৃত্যুদণ্ড? রাষ্ট্রসংঘের কড়া প্রশ্ন বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থাকে

জুলাই বিক্ষোভে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে যে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, সেই রায়ের বিরুদ্ধে এবার সরব হল রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কমিশন। আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্ন উঠছেএই বিচার কি আদৌ ন্যায়সঙ্গত? সব মিলিয়ে মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে তৈরি বিচারব্যবস্থা ও তাঁর ক্যাঙারু আদালত বলতে শুরু করেছেন অনেকেই। কারণ, আদালত ঘোষণার আগেই যেন স্ক্রিপ্ট লিখে ফেলা হয়েছিলহাসিনা ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের ফাঁসির সাজা।রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কমিশনের মুখপাত্র রবিনা সামদাসানি এক বিবৃতিতে জানান, এই রায় নিয়ে তাদের গভীর উদ্বেগ রয়েছে। তাঁর কথায়, গত বছরের বিক্ষোভ দমনের সময় যে ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছিল, সেই ঘটনার সঠিক বিচার অত্যন্ত প্রয়োজন। কিন্তু বাংলাদেশের আদালতের বিচারপ্রক্রিয়া সম্পর্কে রাষ্ট্রসংঘের হাতে যথেষ্ট তথ্য নেই। তবুও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে বিচার হওয়া উচিতএটাই তাঁদের বার্তা।রবিনা আরও বলেন, অভিযুক্ত শেখ হাসিনা আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। অনুপস্থিতিতেই তাঁকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে রাষ্ট্রসংঘ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়যে পরিস্থিতির মধ্যেই হোক না কেন, তারা এমন বিচারকে সমর্থন করে না। তাঁদের আশা, বাংলাদেশ সত্যিকারের ন্যায়বিচারকে গুরুত্ব দিয়ে পরিস্থিতি সামলাবে।রাষ্ট্রসংঘের পাশাপাশি হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। সংস্থার মহাসচিব অ্যাগনেস কালামার্ড একেবারে সরাসরি মন্তব্য করেছেনজুলাই বিক্ষোভের সময় মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা সত্যিই ভয়াবহ ছিল, কিন্তু সেই অপরাধের বিচার হতে হবে সুষ্ঠুভাবে। এই বিচারপক্রিয়া না সঠিক, না আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে হয়েছে। তাঁর কথায়, মৃত্যুদণ্ড এমনিতেই অত্যন্ত নিষ্ঠুর, অমানবিক ও অপমানজনক শাস্তি। আধুনিক কোনও ন্যায়বিচার ব্যবস্থায় মৃত্যুদণ্ডের জায়গাই নেই।সব মিলিয়ে, আন্তর্জাতিক সমাজের একাংশের চোখে পুরো বিচার ব্যবস্থাটাই এখন প্রশ্নের মুখে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেই এই রায় আরও অস্থিরতা বাড়াতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

নভেম্বর ১৮, ২০২৫
বিদেশ

মদিনায় আগুনে পুড়ল ৪২ উমরাহ যাত্রীর দেহ! অধিকাংশই ভারতীয়—বাসে বেঁচে ফিরলেন মাত্র ১ জন

সৌদি আরবের মদিনার কাছে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় নিভে গেল কমপক্ষে ৪২টি প্রাণ। উমরাহ হজে যাওয়া ভারতীয় তীর্থযাত্রীদের নিয়ে মক্কার পথে যাচ্ছিল বাসটি। ভারতীয় সময় অনুযায়ী সোমবার রাত প্রায় একটা বেজে তিরিশ মিনিট নাগাদ মুফরিহাট এলাকায় একটি ডিজেল ট্যাঙ্কারের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় বাসটির। প্রচণ্ড ধাক্কার পর মুহূর্তের মধ্যে আগুন ধরে যায় পুরো গাড়িতে। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই বাসটি আগুনের গোলায় পরিণত হয়, আর তাতেই মৃত্যু হয় অধিকাংশ যাত্রীর।সৌদি পুলিশের প্রাথমিক রিপোর্ট বলছে, দুর্ঘটনার সময় প্রায় সবাই ঘুমিয়ে ছিলেন। আগুন লাগার পর কেউ বেরোনোর সুযোগই পাননি। বাসটিতে ১১ জন মহিলা ও ১০ জন শিশু ছিলএমনটাই জানা গিয়েছে। মৃতদের অধিকাংশই ভারতের হায়দরাবাদের বাসিন্দা। এমন ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দেহগুলি এতটাই পুড়ে গিয়েছে যে কারও পরিচয় নির্ণয় করতেও বড়সড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছেন তদন্তকারীরা। এই মর্মান্তিক ঘটনায় বেঁচে গিয়েছেন মাত্র একজনমহম্মদ আব্দুল শোয়েবযিনি এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।ঘটনার পর শোকপ্রকাশ করেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর। তিনি জানিয়েছেন, রিয়াধের ভারতীয় দূতাবাস এবং জেদ্দার কনস্যুলেট ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছে এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দিচ্ছে। হায়দরাবাদের সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়াইসি দ্রুত মৃতদেহগুলো ভারত ফেরাতে কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।অন্যদিকে, তেলঙ্গনার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি বলেন, রাজ্য সরকার পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। দিল্লি ও জেদ্দার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। পরিবারগুলিকে সাহায্যের জন্য জরুরি ভিত্তিতে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। শুরু হয়েছে একাধিক হেল্পলাইন নম্বরও।তেলঙ্গনা সরকারের হেল্পলাইন নম্বর: +91 7997959754, +91 9912919545জেদ্দা কনস্যুলেটের নম্বর: 8002440003সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল দেহ শনাক্তিকরণ। দেহগুলি এতটাই অগ্নিদগ্ধ যে DNA পরীক্ষার মতো জটিল প্রক্রিয়া ছাড়া পরিচয় জানা প্রায় অসম্ভব। ফলে দেহ দেশে ফেরানোও দীর্ঘ সময় নিতে পারে। ইতিমধ্যেই কূটনৈতিক স্তরে তৎপরতা বেড়েছে, কারণ পরিবারগুলির একমাত্র দাবিযেন দ্রুত প্রিয়জনদের দেহ বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়।

নভেম্বর ১৭, ২০২৫
বিদেশ

ফাঁসি! মানবতা বিরোধী অপরাধে দোষী শেখ হাসিনা—বাংলাদেশে নজিরবিহীন রায়

বাংলাদেশের রাজনীতি যেন মুহূর্তে ঝড়ের চোখে ঢুকে গেল। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সোমবার ঘোষণা করল সেই রায়, যার জন্য দেশজুড়ে উত্তেজনা তুঙ্গে ছিলমানবতা বিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আদালত তিনটি ধারায় তাঁকে দোষী ঘোষণা করে সরাসরি ফাঁসির সাজা শুনিয়েছে। সেই সঙ্গে একই অপরাধে ফাঁসির দণ্ড দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকেও। বাংলাদেশ পুলিশের প্রাক্তন আইজি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনও দোষী প্রমাণিত হয়েছেন গণহত্যার মামলায়।রায় ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আদালত চত্বরের বাইরে এক অদ্ভুত নীরবতা নেমে আসে। তারপরই শুরু হয় দেশজোড়া তাণ্ডব। ঢাকার রাস্তায় বিক্ষোভ, ককটেল বিস্ফোরণ, আগুন লাগানোসব মিলিয়ে যেন বিস্ফোরণের মতো ছড়িয়ে পড়ে খবরটি। আদালতে ৪৫৩ পাতার রায় পড়তে সময় লাগলেও, রায়ের অভিঘাত সরাসরি গিয়ে লাগে রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে।আদালত জানায়, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকার সময় একাধিক গণহত্যা, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে বলে তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। বহু সাক্ষ্য-প্রমাণ, ভিডিও ফুটেজ, গোপন নথি আদালতে পেশ করা হয়। বিচারক স্পষ্ট করে বলেন, এটি ইতিহাসে নথিবদ্ধ হওয়ার মতো অপরাধ। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ সংগঠিত হয়েছে।প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকেও একই ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ফাঁসির সাজা দেওয়া হয়েছে। পুলিশের সাবেক আইজি আবদুল্লাহ আল-মামুনও দোষী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। আদালতের মন্তব্যতিনজনের সমন্বিত ভূমিকার কারণেই এই ভয়াবহ ঘটনাগুলো দেশের নাগরিকদের জীবনে গভীর ক্ষত তৈরি করেছে।রায়ের পরই ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। আদালত চত্বরে অতিরিক্ত পুলিশ, সেনা ও র্যাব নামানো হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রায় ঘিরে প্রচুর বিভ্রান্তি ও আতঙ্ক ছড়িয়েছে। আওয়ামী লিগ সমর্থকেরা রায়কে রাজনৈতিক প্রতিশোধ বলে দাবি করেছেন, অন্যদিকে সরকার সমর্থকেরা বলছেনএটা ইতিহাসের বিচার।বাংলাদেশের রাজনৈতিক আকাশে যে ঝড় চেপে বসেছে, তার রেশ এখন শুধুই রাস্তায় নয়সরাসরি দেশের ভবিষ্যতের ওপরও পড়ে যাচ্ছে।

নভেম্বর ১৭, ২০২৫
বিদেশ

শেখ হাসিনার পরিবারের ইতিহাস এবার মুছে ফেলবে কে? ধানমন্ডি ৩২-এ রহস্যময় তৎপরতা

বাংলাদেশে যেন ইতিহাসের এক ভয়াবহ পুনরাবৃত্তি। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতা বিরোধী মামলার ৪৫৩ পাতার রায় পড়া চলছে আদালতে, আর ঠিক সেই সময়েই ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বাড়ির সামনে দেখা গেল দুটি পে-লোডার। দৃশ্যটি ছড়িয়ে পড়তেই মুহূর্তে তোলপাড় বাংলাদেশ। প্রশ্ন উঠলঅন্তর্বর্তী ইউনূস সরকার কি তবে বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সমস্ত চিহ্ন মুছে ফেলতে চাইছে?পুলিশ সূত্রে পাওয়া তথ্য আরও উদ্বেগ বাড়ায়। জানা গেছে, ধানমন্ডির বাড়ির যে অংশ এখনও দাঁড়িয়ে রয়েছে, সেটি সম্পূর্ণ ভেঙে গুঁড়িয়ে দিতেই এই পে-লোডার আনা হয়েছিল। কিন্তু বাড়ির দিকের পুলিশি ব্যারিকেডে আটকে যায় তারা। এরপরই তাঁদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এলাকায় তখন উত্তেজনা টগবগ করছে।এদিকে কয়েক মিনিটের মধ্যেই পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সেনা ও পুলিশের কার্যত মুখোমুখি সংঘর্ষ বেঁধে যায়। ব্যারিকেড তুলে বিক্ষোভ থামাতে চাইলে ক্ষুব্ধ জনতা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করে। দুটি পক্ষের সংঘর্ষে বহু বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তাকর্মী আহত হয়েছেন বলে খবর।পটভূমিটা আরও জটিল। ২০২৪ সালের ৫ অগস্ট আওয়ামী লিগ সরকারের পতনের পর, এবং শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাতের অন্ধকারে পে-লোডার এনে ভেঙে ফেলা হয়েছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি-বিজড়িত এই ৩২ নম্বর বাড়ি। পরে তাতে আগুন লাগানো হয়। দেশজুড়ে সেই ঘটনার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া হয়েছিল। আর এবার আবারও, ঠিক রায়ের দিন, পে-লোডার নিয়ে বাড়ির সামনে হাজির হওয়ায় সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে।শেখ হাসিনার রায়কে কেন্দ্র করে কয়েকদিন ধরে উত্তপ্ত বাংলাদেশ। ঢাকার রাস্তায় ককটেল বোমা ফাটছে, সিলেট-ময়মনসিংহ-কুষ্টিয়া মিলিয়ে সাতটি বাস, ভ্যান, এমনকি অ্যাম্বুল্যান্সেও আগুন ধরানো হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের এক উপদেষ্টার বাড়িতেও হামলা হয়েছে। নিষিদ্ধ আওয়ামী লিগ রবিবার থেকেই সারাদেশে শাটডাউন ডেকেছে।অবস্থা এতটাই ভয়ংকর যে ৫৫ হাজার পুলিশকে মোতায়েন করতে হয়েছে। সেনা ও বিজিবি নেমেছে রাস্তায়। প্রশাসন জানিয়ে দিয়েছেকোথাও আগুন লাগানো বা ককটেল ছোড়া দেখা গেলে সরাসরি গুলি চালানো হবে।এমতাবস্থায় ধানমন্ডি ৩২-এ পে-লোডারের উপস্থিতি শুধু উত্তেজনা নয়এক ভয়াবহ রাজনৈতিক সংকেতও বয়ে আনছে। বঙ্গবন্ধুর বাড়ির অবশিষ্টাংশ ভাঙার চেষ্টা আসলে প্রতীকীদেশের প্রতিষ্ঠাতা পরিবারটিকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার আরেক প্রচেষ্টা কি? রায় ঘোষণার মাঝেই এমন দৃশ্য পুরো বাংলাদেশকে নতুন করে টালমাটাল করেছে।

নভেম্বর ১৭, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 10
  • ...
  • 21
  • 22
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

হঠাৎ ইডি দফতরে হাজির, রাতেই গ্রেফতার সোনা পাপ্পু

দীর্ঘ সাড়ে তিন মাস লুকিয়ে থাকার পর অবশেষে ইডির হাতে গ্রেফতার হলেন সোনা পাপ্পু ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দার। সোমবার হঠাৎই কলকাতার ইডি দফতরে হাজিরা দেন তিনি। প্রায় সাড়ে দশ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।এর আগে একাধিকবার তলব করা হলেও হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছিলেন সোনা পাপ্পু। জানা গিয়েছে, অন্তত ছবার ইডির নোটিস উপেক্ষা করেছিলেন তিনি। তবে সোমবার সকালে ইডি দফতরে পৌঁছে তিনি দাবি করেন, কোনও অন্যায় করেননি। এমনকি তাঁর বিরুদ্ধে থানায় তোলাবাজির কোনও অভিযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন।গত ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকুরিয়ার কাঁকুলিয়া রোডে এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। স্থানীয়দের দাবি, সেই সময় গুলিও চলেছিল। ওই ঘটনার পর থেকেই আলোচনায় আসে সোনা পাপ্পুর নাম। কিন্তু ঘটনার পর থেকেই কার্যত উধাও হয়ে যান তিনি। পুলিশ দীর্ঘদিন খোঁজ চালিয়েও তাঁর হদিশ পায়নি। যদিও মাঝেমধ্যেই নিজের সমাজমাধ্যমে ভিডিও বার্তা দিতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।তদন্তে উঠে আসে জমি দখল, বেআইনি নির্মাণ এবং প্রতারণার অভিযোগ। এই মামলার তদন্তে নামে ইডি। তদন্ত চলাকালীন সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী জল কামদারকে গ্রেফতার করা হয়। পরে গ্রেফতার হন কলকাতা পুলিশের আধিকারিক শান্তনু সিনহা বিশ্বাসও। তদন্তকারীদের দাবি, এই দুই অভিযুক্তের সঙ্গে সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল।এদিকে তদন্তের সময় একাধিক তৃণমূল নেতার সঙ্গে সোনা পাপ্পুর ছবি প্রকাশ্যে আসে। প্রাক্তন বিধায়ক দেবাশিস কুমারের সঙ্গেও তাঁর ছবি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়।সোমবার আচমকাই ইডি দফতরে হাজির হয়ে যান সোনা পাপ্পু। দীর্ঘ জেরার পর রাতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এখন তাঁকে আদালতে তুলে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাতে পারে ইডি।

মে ১৮, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুর থেকেই মমতার রাজনীতির শেষের বার্তা? বিস্ফোরক শুভেন্দু

ভোটের পর ভবানীপুরে ধন্যবাদ জ্ঞাপন সভা করতে গিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার ভবানীপুরের ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডে সভা করেন তিনি। সেখান থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন, গত ১৫ বছরে ভবানীপুরের মানুষ জানতেন না একজন বিধায়কের কাজ কী।শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, এতদিন ভবানীপুরে ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। এবার মানুষ বুঝতে পারবেন একজন বিধায়ক কীভাবে কাজ করেন। তিনি বলেন, এখন ভবানীপুরের মানুষের ভাই বিধায়ক হয়েছেন। আগামী এক মাসের মধ্যে ভবানীপুরের ৮টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৭টিতে বিধায়ক অফিস খোলা হবে বলেও ঘোষণা করেন তিনি।একইসঙ্গে এলাকার মানুষকে আশ্বস্ত করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা সরাসরি জানানোর জন্য বিশেষ মোবাইল নম্বর এবং ইমেল ব্যবস্থা চালু করা হবে। কেউ কোনও সমস্যা বা অভিযোগের মুখে পড়লে সরাসরি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন বলেও জানান শুভেন্দু।সভা থেকে সিন্ডিকেট রাজ, তোলাবাজি এবং গুন্ডাবাজির বিরুদ্ধেও কড়া বার্তা দেন তিনি। শুভেন্দুর দাবি, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে এই ধরনের ঘটনা হয় না এবং ভবানীপুরেও তা হতে দেওয়া হবে না।এদিন শুভেন্দু আরও দাবি করেন, ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে মিত্র ইনস্টিটিউশন বুথে ভোট দেন, সেই চারটি বুথেই তিনি লিড পেয়েছেন। এখানেই থামেননি তিনি। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে বলেন, যিনি নিজের বুথেই জিততে পারেন না, বাংলার মানুষ তাঁকে পথ দেখিয়ে দিয়েছে। টাটা বাই বাই, আপনার রাজনীতির দিন শেষ, সভা থেকে এমন মন্তব্যও করেন শুভেন্দু অধিকারী।কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমকেও নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, চেতলা গার্লস স্কুলের পাঁচটি বুথেও বিজেপি লিড পেয়েছে।শেষে ভবানীপুরের মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, মানুষের এই সমর্থনের ঋণ তিনি শোধ করবেন। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এলাকার উন্নয়ন এবং মানুষের প্রতিশ্রুতি পূরণের কাজ শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

মে ১৮, ২০২৬
কলকাতা

“পুলিশের গায়ে হাত পড়লে ছাড় নয়”, পার্ক সার্কাস কাণ্ডে কড়া শুভেন্দু

পার্ক সার্কাসে পুলিশের উপর হামলার অভিযোগের পর কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার প্রতিবাদ কর্মসূচির সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সোমবার সকালে সাউথ ইস্ট ডিভিশনের ডেপুটি কমিশনারের দপ্তরে যান মুখ্যমন্ত্রী।সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট ভাষায় জানান, পুলিশের উপর কোনও ধরনের হামলা বরদাস্ত করা হবে না। তিনি বলেন, পাথর ছোড়া শ্রীনগরেও বন্ধ হয়েছে। কলকাতাতেও বন্ধ হওয়া দরকার। যদি কেউ মনে করেন আগের সরকারের মতো পুলিশকে হাত-পা বেঁধে রাখা হবে, তাহলে ভুল ভাবছেন।মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, গুণ্ডামি বা অসামাজিক কাজকর্মের বিরুদ্ধে সরকার কড়া পদক্ষেপ নেবে। পুলিশমন্ত্রী হিসেবেও তিনি স্পষ্ট করে বলেন, পুলিশের গায়ে হাত পড়লে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শুধু গ্রেপ্তার নয়, অভিযুক্তদের শাস্তি নিশ্চিত করতেও সরকার নজর রাখবে।শুভেন্দু আরও বলেন, পুলিশ আহত হবে আর মুখ্যমন্ত্রী এসি ঘরে বসে থাকবে, সেই দিন শেষ। কোনও পুলিশ কর্মী আক্রান্ত হলে আমি নিজে বিষয়টি দেখব এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের মতে, এই বক্তব্যের মাধ্যমে পুলিশকে আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করার বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। অতীতে রাজ্যে একাধিকবার পুলিশের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। তৃণমূল আমলেও বিভিন্ন ঘটনায় পুলিশকে ইটবৃষ্টির মুখে পড়তে হয়েছিল। এমনকি সেই সময় এসআই তাপস চৌধুরীর মৃত্যুর ঘটনাও বড় বিতর্ক তৈরি করেছিল।প্রাক্তন ডেপুটি পুলিশ কমিশনার সত্যজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানিয়েছেন, সংবিধানের ১৪ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা সরকারের দায়িত্ব। কেউ যদি পুলিশের উপর হামলা চালায় বা সরকারি কাজে বাধা দেয়, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মে ১৮, ২০২৬
কলকাতা

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পর এবার অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার! মাসে ৩ হাজার টাকা পাবেন কারা?

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য মন্ত্রিসভা। সোমবার নবান্নে বিজেপি সরকারের দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই প্রকল্পে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৈঠকের পর পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানান, খুব শীঘ্রই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের জন্য একটি পোর্টাল চালু করা হবে। তারপরই প্রকল্পটি কার্যকর করা হবে।রাজ্য সরকার স্পষ্ট জানিয়েছে, যাঁরা বর্তমানে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পাচ্ছেন, তাঁরা সকলেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের আওতায় আসবেন। তাঁদের প্রত্যেকের অ্যাকাউন্টে মাসে মাসে ৩ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। এছাড়াও সরকারের কাছে জমা পড়ে থাকা প্রায় ৯১ লক্ষ আবেদন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সমীক্ষার ভিত্তিতে নতুন উপভোক্তাদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে জানা গিয়েছে।মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যাঁরা সিএএ-র জন্য আবেদন করেছেন, তাঁরাও এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি ট্রাইবুনালে আবেদনকারীদেরও অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের আওতায় আনা হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে কারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না, সেই বিষয়ে এখনও বিস্তারিত কিছু জানায়নি সরকার।সরকারি সূত্রে খবর, যাঁরা এখনও লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের উপভোক্তা নন, তাঁদের আলাদা করে আবেদন করতে হবে। নতুন পোর্টাল চালু হওয়ার পর সেখানে নাম নথিভুক্তির সুযোগ থাকবে।এদিনের মন্ত্রিসভার বৈঠকে সপ্তম পে কমিশন, ধর্মীয় ভাতা-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সেই বৈঠকের পরই নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল ঘোষণা করেন, আগামী ১ জুন থেকেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের সুবিধা চালু করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।রাজ্যে সরকার বদলের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই জানিয়েছিলেন, কোনও সামাজিক প্রকল্প বন্ধ করা হবে না। বরং সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য আরও নতুন প্রকল্প আনা হবে। অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নিয়ে সরকারের এই ঘোষণা ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজ্যজুড়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মে ১৮, ২০২৬
ব্যবসা

১০০ টাকার পথে ডলার? টাকার নতুন রেকর্ড পতনে চাপে দেশবাসী

সোমবার বাজার খুলতেই ফের বড় ধাক্কা খেল ভারতীয় টাকা। এক মার্কিন ডলারের দাম পৌঁছে গেল ৯৬ টাকা ২৫ পয়সায়। এর ফলে টাকার দাম আরও ৪৪ পয়সা কমে সর্বকালীন রেকর্ড পতন ঘটল। অর্থনীতিবিদদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণেই টাকার উপরে চাপ ক্রমশ বাড়ছে।গত ৪ মার্চ প্রথমবার যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে ডলারের দাম ৯২ টাকার গণ্ডি পেরিয়ে যায়। তখন এক ডলারের দাম হয়েছিল ৯২ টাকা ১৭ পয়সা। তারপর থেকেই টাকার দামে একের পর এক পতন দেখা যাচ্ছে। গত ১২ মে এক ডলারের দাম পৌঁছেছিল ৯৫ টাকা ৫৮ পয়সায়। এবার সেই রেকর্ডও ভেঙে সোমবার টাকার দাম নেমে দাঁড়াল ৯৬ টাকা ২৫ পয়সায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরান এবং আমেরিকার সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়েছে। তার সরাসরি প্রভাব পড়ছে ভারতের অর্থনীতিতে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা এবং ইজরায়েল। দীর্ঘ সংঘর্ষের পর আপাতত যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। হরমুজ প্রণালী ঘিরে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ভারতও তার প্রভাব থেকে বাদ যাচ্ছে না।তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রীয় সরকার এবং ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক সক্রিয় হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। অর্থনৈতিক চাপ সামলাতে একাধিক পদক্ষেপের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।এদিন শুধু টাকার দামই নয়, বড় ধাক্কা খেয়েছে দেশের শেয়ার বাজারও। বাজার খোলার পর প্রায় ৯৫০ পয়েন্ট পড়ে যায় সেনসেক্স। একইসঙ্গে বড় পতন দেখা যায় নিফটিতেও। যদিও পরে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ায় বাজার। সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ বিএসই সেনসেক্স ৬৪৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৭৪ হাজার ৫৯২ দশমিক ৯৯-এ। নিফটি ২০৬ পয়েন্ট নেমে দাঁড়ায় ২৩ হাজার ৪৩৭ দশমিক ২০-এ। ব্যাঙ্ক নিফটিতেও বড় ধস দেখা যায়। প্রায় ৬৮৫ পয়েন্ট কমে ব্যাঙ্ক নিফটির অবস্থান হয় ৫৩ হাজার ২৪ দশমিক ৭৫।অর্থনীতিবিদদের আশঙ্কা, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে আগামী দিনে টাকার উপরে আরও চাপ বাড়তে পারে। ফলে সাধারণ মানুষের খরচ থেকে শুরু করে আমদানি, জ্বালানির দাম এবং বাজারের উপরেও তার বড় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

মে ১৮, ২০২৬
রাজ্য

বৃষ্টি বিদায়, ফিরছে ভয়ংকর গরম! জৈষ্ঠ্য পড়তেই হাঁসফাঁস অবস্থা দক্ষিণবঙ্গে

মে মাসের শুরুতে টানা মেঘলা আকাশ, ঝড়-বৃষ্টি এবং ঠান্ডা হাওয়ার জেরে দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা অনেকটাই স্বাভাবিকের নীচে ছিল। সন্ধে নামলেই একাধিক জেলায় শুরু হচ্ছিল ঝড়-বৃষ্টি। ফলে বৈশাখের তীব্র গরম থেকে খানিকটা স্বস্তি পেয়েছিল রাজ্যবাসী। কিন্তু জৈষ্ঠ্য মাস পড়তেই বদলাতে শুরু করেছে আবহাওয়া। ধীরে ধীরে বাড়ছে গরম এবং অস্বস্তি।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, এই সপ্তাহে দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। কলকাতার তাপমাত্রা আপাতত ৩৬ থেকে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে। দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রির মধ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা প্রায় ৪০ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারে বলেও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।কলকাতায় আপাতত বৃষ্টির সম্ভাবনা কম থাকলেও দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, হুগলি এবং উত্তর ২৪ পরগনায় আগামী দুদিন ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে বৃষ্টি হলেও গরম এবং গুমোট অস্বস্তি থেকে খুব একটা স্বস্তি মিলবে না বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া একেবারেই আলাদা। দক্ষিণবঙ্গে যখন বাড়ছে গরম, তখন উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলা ভাসছে বৃষ্টিতে। সোমবার এবং মঙ্গলবার হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে। বুধবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে পূর্বাভাস। বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে আগামী তিন দিন বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।

মে ১৮, ২০২৬
রাজ্য

উদয়ন ঘনিষ্ঠদের একের পর এক গ্রেফতার! থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করলেন দিনহাটার প্রাক্তন পৌরপ্রধান

দিনহাটা পুরসভার বিল্ডিং প্ল্যান দুর্নীতি মামলায় ফের বড় পদক্ষেপ করল পুলিশ। তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন পৌরপ্রধান গৌরীশঙ্কর মাহেশ্বরী এদিন নিজে থেকেই দিনহাটা থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। এরপরই তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গতকাল থেকেই তাঁকে খুঁজছিল তদন্তকারীরা।এর মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল উদয়ন গুহ ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেত্রী এবং দিনহাটা পুরসভার কর্মী মৌমিতা ভট্টাচার্যকে। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তিনি পুরসভায় কাজ করছিলেন। অফিস থেকে বাড়ি ফেরার সময় পুলিশ তাঁকে আটক করে। এরপরই গৌরীশঙ্কর মাহেশ্বরীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।পুলিশ সূত্রে খবর, গৌরীশঙ্কর মাহেশ্বরী দিনহাটা পুরসভার পৌরপ্রধান থাকাকালীন বিল্ডিং প্ল্যান অনুমোদন নিয়ে একাধিক অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসে। পরে দলের চাপেই তিনি পৌরপ্রধান পদ থেকে ইস্তফা দেন বলে রাজনৈতিক মহলে দাবি।মৌমিতা ভট্টাচার্য এবং গৌরীশঙ্কর মাহেশ্বরী দুজনেই প্রাক্তন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহর ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। তাই তাঁদের গ্রেফতারের পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। এই দুর্নীতির তদন্তে আরও কার নাম সামনে আসতে পারে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই জেলায় উদয়ন গুহকে দেখা যাচ্ছে না বলে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। এই মামলার তদন্তে তাঁর নাম জড়ায় কি না, তা নিয়েও বাড়ছে গুঞ্জন।অন্যদিকে, নদিয়াতেও তৃণমূলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে পদক্ষেপ করেছে পুলিশ। তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে কৃষ্ণনগর এক নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ সরজিৎ বিশ্বাসকে। তিনি দিগনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধানও ছিলেন।

মে ১৮, ২০২৬
কলকাতা

চাকরিপ্রার্থীদের ভিড়ে উপচে পড়ল জনতার দরবার! তারপরই নবান্নে শুভেন্দুর হাইভোল্টেজ বৈঠক

সোমবার নবান্নে বসছে বিজেপি সরকারের দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার বৈঠক। তার আগেই সল্টলেকের দলীয় কার্যালয়ে জনতার দরবারে হাজির হলেন শুভেন্দু অধিকারী। সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ তিনি সেখানে পৌঁছন। উপস্থিত ছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায়ও। দলীয় কর্মী-সমর্থকরা শুভেন্দুকে স্বাগত জানান। এরপর সাধারণ মানুষের বিভিন্ন অভাব-অভিযোগ শুনতে শুরু করেন তিনি। প্রথম দিনেই সেখানে চাকরিপ্রার্থীদের ভিড় চোখে পড়ে।সূত্রের খবর, জনতার দরবার শেষ করেই শুভেন্দু অধিকারী নবান্নে যাবেন। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক রয়েছে। বিএসএফকে জমি হস্তান্তর-সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা। পাশাপাশি দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে আর জি কর কাণ্ড, নারী নির্যাতন, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি, পে কমিশন এবং বকেয়া ডিএ নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলেও জানা গিয়েছে।গত সপ্তাহেই বিজেপি সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বিএসএফকে জমি হস্তান্তর, আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প-সহ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পে যুক্ত হওয়া, সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা পাঁচ বছর বাড়ানো এবং অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার চালুর মতো সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়। তাই দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন কী ঘোষণা হতে পারে, তা নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে সরকারি কর্মী থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে।মুখ্যমন্ত্রী আগেই জানিয়েছেন, সুশাসন এবং নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়েই এগোবে নতুন সরকার। পাশাপাশি কেন্দ্র ও রাজ্যের যৌথ প্রকল্পের সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।সরকারি কর্মীদের সবচেয়ে বড় নজর এখন বকেয়া ডিএ এবং সপ্তম বেতন কমিশনের দিকে। আগের সরকারের সময় সুপ্রিম কোর্ট বকেয়া ডিএ মেটানোর নির্দেশ দিলেও পুরো টাকা এখনও মেলেনি। ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের একাংশের বকেয়া দেওয়া হলেও ২০০৮ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত ডিএ এখনও বাকি রয়েছে।নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সরকারি কর্মীদের মধ্যে আশা তৈরি হয়েছে যে, এবার হয়তো পুরো বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়া হতে পারে। অর্থ দপ্তর সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় হারে ডিএ এবং নতুন বেতন কাঠামো নিয়েও ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে। বিজেপির নির্বাচনী ইস্তেহারেও সপ্তম বেতন কমিশনের প্রতিশ্রুতি ছিল। সরকারি কর্মীদের দাবি, সপ্তম বেতন কমিশন চালু হলে তাঁদের বেতন অনেকটাই বাড়বে। তাই আজকের মন্ত্রিসভার বৈঠকের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে রয়েছে গোটা রাজ্য।

মে ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal