• ১৪ চৈত্র ১৪৩২, শনিবার ২৮ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

বিদেশ

বিদেশ

ফের পাক হামলা, এক রাতেই খুন ৯ শিশু! উত্তপ্ত আফগান সীমান্ত

আফগানিস্তানে ফের বোমা হামলা পাকিস্তানের। মধ্যরাতের নিস্তব্ধতা চিরে আচমকাই বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠল সীমান্তবর্তী এলাকা। সেই হামলায় প্রাণ গেল নয়-নয়টি শিশু এবং এক মহিলার। আফগান তালিবান সরকারের মুখপাত্র জবিউল্লা মুজাহিদ জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের বাড়িতে সরাসরি বোমা ফেলেছে পাকিস্তানি বাহিনী। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন বালক এবং চারজন বালিকা। এক মুহূর্তে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল কয়েকটি পরিবার।মুজাহিদ তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, পাকিস্তানি বাহিনী নিরীহ মানুষের ঘরে বোমা ফেলেছে। ৯ শিশু এবং এক মহিলা শহিদ হয়েছেন। আফগান সরকার এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। বলেছে, কোনও সামরিক লক্ষ্য নয়, এই হামলা ছিল স্পষ্টভাবে বেসামরিকদের ওপর। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগও তুলেছে কাবুল।সংবাদ সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও চার আফগান নাগরিক। তবে পাকিস্তানের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া নেই। সীমান্তেই যে উত্তেজনা দিন দিন বাড়ছে, তা আর আড়াল করা যাচ্ছে না।গত মাস থেকেই ডুরান্ড লাইন ঘিরে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। দুই দেশই একে অন্যকে দোষারোপ করছে। ইসলামাবাদের দাবি, আফগানিস্তান টিটিপিকে আশ্রয় দিচ্ছে এবং তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিচ্ছে না। এক্ষেত্রে পাকিস্তান চাইছে, সীমান্ত বরাবর একটি বাফার জোন তৈরি হোক।কাবুল অবশ্য টিটিপিকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে জানিয়েছে, ডুরান্ড লাইন নিয়ে পাকিস্তানের দাবিই অবৈধ। ফলে তিন দফা শান্তি বৈঠকেও কোনও সুরাহা আসেনি। আর তারই মাশুল আবারও দিতে হল নিরীহ মানুষকে।এই ঘটনার মধ্যেই পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ ভারত ফ্যাক্টর টেনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, ভারতের হাতের পুতুল হয়ে নাচছে আফগানিস্তান। পাশাপাশি তালিবানকে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেনআক্রমণ করলে তার ৫০ গুণ জবাব দেবে পাকিস্তান।ফলে সীমান্তে আগুন আরও জ্বলছে। আর দুই দেশের রাজনৈতিক অন্ধকারে একের পর এক নিশ্চিহ্ন হচ্ছে শিশুর মুখ, ঘরের আলো, অগণিত স্বপ্ন।

নভেম্বর ২৫, ২০২৫
বিদেশ

বিমানবন্দরের মাথার ওপর ঘোরাফেরা ড্রোন, মুহূর্তে বন্ধ সব ফ্লাইট! তদন্তে সেনা-পুলিশ

নেদারল্যান্ডসের আইন্দহোভেন বিমানবন্দরে হঠাৎ করেই দেখা মিলল একাধিক ড্রোনের। আর সেই দৃশ্য চোখে পড়ে যেতেই মুহূর্তে থমকে গেল বিমানবন্দরের সম্পূর্ণ বিমান চলাচল। শনিবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ নেদারল্যান্ডসের ব্যস্ত এই বিমানবন্দরে ড্রোন দেখা যাওয়ার পরেই চরম সতর্কতা জারি করা হয়। পরিস্থিতি যে কতটা গুরুতর ছিল, তা বোঝা যায় ডাচ প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রুবেন ব্রেকেলমান্সের বিবৃতি থেকে। তিনি এক্স-এ জানান, ডিফেন্স কাউন্টার-ড্রোন ইউনিট, পুলিশ এবং সামরিক বাহিনী ইতিমধ্যেই এলাকায় মোতায়েন হয়েছে এবং যে কোনও মুহূর্তে হস্তক্ষেপের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।আইন্দহোভেন বিমানবন্দরটি সাধারণ যাত্রীবাহী বিমান ছাড়াও সামরিক উড়ানের কেন্দ্র হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। সেই কারণেই ড্রোনের উপস্থিতিকে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, ঠিক কোথা থেকে এবং কী উদ্দেশ্যে ড্রোনগুলি উড়ছিল। তার আগে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বিমান ওঠানামা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়।এর আগের দিনও একই ধরনের ড্রোন দেখা গিয়েছিল ভলকেল এয়ারবেসের আকাশে। সেই সময় ডাচ সেনা সরাসরি গুলি চালিয়ে ড্রোন নামানোর চেষ্টা করে। ফলে টানা দুই দিন ধরে ড্রোন দেখা যাওয়ায় বিষয়টি আরও রহস্যজনক হয়ে উঠেছে। শুধু নেদারল্যান্ডস নয়, সাম্প্রতিক সপ্তাহে ইউরোপের আরও বেশ কয়েকটি দেশে বিমান চলাচলে ড্রোনের কারণে বিঘ্ন ঘটে। ডেনমার্ক, নরওয়েসহ একাধিক দেশের বিমানবন্দরেও এমন ঘটনা ন্যাটোকে নতুন করে চিন্তায় ফেলেছে।এটিই প্রথম নয়। এ বছরের সেপ্টেম্বরেই পোল্যান্ড ও রোমানিয়ার আকাশে রুশ ড্রোন আটক করা হয়েছিল। এমনকি তিনটি রুশ যুদ্ধবিমান এস্তোনিয়ার আকাশসীমায় প্রবেশ করায় ন্যাটোর সতর্কবার্তা আরও জোরালো হয়। ফলে আইন্দহোভেনের এই ঘটনা সেই আশঙ্কাকে আরও ঘনীভূত করছে।যদিও ড্রোন দেখা গেলেই বিমানবন্দর বন্ধ করতে হয়, এমন কোনও বাধ্যবাধকতা নেই। তবে আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী, ড্রোন দেখা গেলে বিমান ওঠা-নামা সাময়িক বন্ধ রেখে পরিস্থিতি যাচাই করা হয়, যাতে কোনও সম্ভাব্য সংঘর্ষ এড়ানো যায়। ফলে যাত্রীদের ভোগান্তি হলেও, সুরক্ষার স্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত নেয় সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।এখন তদন্তের মূল লক্ষ্যএই ড্রোনগুলি কি শুধুই সাধারণ ব্যক্তি বা গ্রুপের অপকর্ম, নাকি এর পেছনে রয়েছে আন্তর্জাতিক গুপ্তচরবৃত্তি বা নাশকতার বড় কোনও চক্র? ডাচ প্রশাসন ও সেনা এখন সেই সম্ভাবনাই সব দিক থেকে খতিয়ে দেখছে।

নভেম্বর ২৩, ২০২৫
বিদেশ

তুরস্ক-যোগ, কাতার-যোগ—হামাসের ‘আন্তর্জাতিক জাল’ ভাঙার দাবি মোসাদের

ইউরোপ জুড়ে হামাসের গোপন জঙ্গি নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়ার দাবি করল ইসরায়েলের গোপনচর সংস্থা মোসাদ। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দফতর জানিয়েছে, ইউরোপের বিভিন্ন দেশে জটিল ও সমন্বিত অভিযানের মাধ্যমে এই জঙ্গি কাঠামো ধ্বংস করা হয়েছে। জার্মানি, অস্ট্রিয়া-সহ একাধিক দেশে অভিযানের ফলে ধরা পড়েছে বহু জঙ্গি-সহযোগী এবং উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল অস্ত্রভাণ্ডার। মোসাদের দাবি, এই অস্ত্রগুলি ইসরায়েল এবং ইউরোপে অবস্থিত ইহুদি সংগঠনগুলির উপর হামলা চালানোর জন্যই লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। নির্দেশ পেলেই হামলার প্রস্তুতি ছিল বলেই মনে করছে ইসরায়েল।অভিযোগ, হামাসের ইউরোপের নেটওয়ার্ক তৈরিতে তুরস্কের কিছু সদস্যও ভূমিকা নিয়েছিল। তাদের মাধ্যমে পরিকল্পিত হামলার সূত্র মিলেছে। শুধু তাই নয়, কাতারে থাকা হামাস নেতৃত্বও ইউরোপের জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে সরাসরি যুক্তএমন দাবি করেছে মোসাদ।অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় গত সেপ্টেম্বর একটি বিশেষ অভিযানে বড় সাফল্য মেলে। সেখানে লুকিয়ে রাখা ছিল বিস্ফোরক, হ্যান্ডগান-সহ একাধিক অস্ত্র। তদন্তে উঠে আসে, এই অস্ত্রগুলি ছিল হামাস সদস্য মোহাম্মদ নাইমের। তিনি হামাসের শীর্ষ নেতা বাসেম নাইমের ছেলে। অভিযোগ, বাবা ও ছেলের যৌথ নির্দেশেই ইউরোপে তৈরি হচ্ছিল গোপন জঙ্গি নেটওয়ার্ক। কাতারে তাদের বৈঠকের তথ্যও পেয়েছে তদন্তকারীরা।মোসাদের দাবি, ৭ অক্টোবর গাজায় হামলার পর থেকেই হামাস নতুন করে ইউরোপ-সহ বিভিন্ন দেশে জঙ্গি পরিকাঠামো গড়ে তুলতে উঠে পড়ে লাগে। ইরান ও ইরানপন্থী সংগঠনগুলির মতোই ইউরোপে সেল তৈরি, সদস্য সংগ্রহ এবং অস্ত্র মজুতের কাজ চলছিল বহুদিন ধরেই। বহুবার অস্বীকার করলেও, কাতার-নির্ভর হামাস নেতৃত্বের সন্ত্রাসে জড়িত থাকার প্রমাণ আগেও মিলেছে বলে দাবি ইস্রায়েলের।বর্তমানে বহু দেশের যৌথ তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছে, ইউরোপ, পশ্চিম এশিয়া এবং তুরস্ক-সহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে হামাসের আর কে কে এই নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে সাহায্য করেছে।

নভেম্বর ২৩, ২০২৫
বিদেশ

ভারত–পাক সংঘর্ষকে ‘লাইভ ল্যাব’ বানাল চিন! মার্কিন রিপোর্টে বিস্ফোরক দাবি

কথায় আছেকারও সর্বনাশ, কারও পৌষমাস। ভারতপাকিস্তানের উত্তপ্ত পরিস্থিতি যেন সেই পুরনো কথাকেই আবার নতুন করে মনে করিয়ে দিল। কারণ সদ্য প্রকাশিত মার্কিনচিন অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা পর্যালোচনা কমিশনের এক রিপোর্টে উঠে এসেছে বিস্ফোরক তথ্য। সেখানে দাবি করা হয়েছে, গত মে মাসের ভারতপাক সংঘর্ষকে নাকি নিজেদের আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম পরীক্ষা করার আদর্শ সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করেছিল বেজিং।রিপোর্টে স্পষ্ট ভাষায় বলা হয়েছে, চিন প্রথমবারের মতো বাস্তব যুদ্ধে তাদের অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র সিস্টেম প্রয়োগ করেছে। এর মধ্যে ছিল জে-১০ ফাইটার জেট, PL-15 লংরেঞ্জ ক্ষেপণাস্ত্র এবং HQ-9 এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। সহজ কথায়, ভারতপাক সংঘর্ষ হয়ে উঠেছিল চিনের সামরিক গবেষণার এক লাইভ ল্যাবরেটরি।রিপোর্টের আরও দাবিএই পরীক্ষার পর জুন মাসে চিন পাকিস্তানকে প্রস্তাব দেয় নতুন করে আরও উন্নত অস্ত্র কেনার, যার মধ্যে ছিল ৪০টি জে-৩৫ পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান, কেজে-৫০০ বিমান এবং সম্পূর্ণ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। অর্থাৎ বেজিং পাকিস্তানকে আরও গভীরভাবে নিজেদের সামরিক গ্রাহক এবং পরীক্ষার ক্ষেত্র বানাতে চাইছে।তবে প্রশ্ন উঠেছেএই পরীক্ষায় চিনের কতটা সাফল্য মিলেছে? ওয়াকিবহাল মহলের ব্যাখ্যা একেবারেই উৎসাহব্যঞ্জক নয়। কারণ পাকিস্তান ভারতবিরোধী অভিযানে চিনের তৈরি PL-15 ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করলেও দেখা যায় সেটি আছড়ে পড়ার পরও বিস্ফোরিত হয়নি। ভারত সীমান্তের এক গ্রামে প্লাস্টিক মোড়কের মতো অক্ষত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় সেই ক্ষেপণাস্ত্রটি। এটি চিনের প্রযুক্তির দুর্বলতা হিসেবে আন্তর্জাতিক মহলে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।এছাড়া পাকিস্তানের জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমানযা চিনের সহায়তায় তৈরিভারতীয় বায়ুসেনার আঘাতে ধুলিসাৎ হয়ে যায়। এই ঘটনাও বেজিংয়ের সামরিক শক্তির বাস্তব চিত্র সামনে আনে।রিপোর্টটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে অপারেশন সিঁদুরের প্রেক্ষিতে। উল্লেখ্য, ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে লস্কর-সমর্থিত সংগঠন TRF-এর হামলায় নিহত হন ২৬ নিরস্ত্র মানুষ। তার জবাবে ৭ মে ভারত ভোররাতে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের নয়টি জঙ্গিঘাঁটি ধ্বংস করে। পাকিস্তান পাল্টা বেসামরিক এলাকা ও সেনা ঘাঁটিতে হামলা চালায়, কিন্তু ভারত শুধু প্রতিরোধই করেনিপ্রত্যাঘাত করে পাকিস্তানের অন্তত ১১টি বায়ুসেনা ঘাঁটি তছনছ করে দেয়। সেই অভিযানে মারা যায় ১০০-র বেশি জঙ্গি এবং প্রায় ৩৫-৪০ জন পাক সেনা। টিকে থাকতে না পেরে শেষ পর্যন্ত ইসলামাবাদই যুদ্ধবিরতির আর্জি জানায়।এই পরিস্থিতির মাঝেই মার্কিন রিপোর্টের দাবিচিন নাকি পর্দার আড়ালে পাকিস্তানের মাধ্যমেই নিজেদের অস্ত্রের কার্যক্ষমতা যাচাই করে নিয়েছে। তবে প্রযুক্তির একাধিক ব্যর্থতা প্রমাণ করছে, বেজিংয়ের স্বপ্নের আধুনিক যুদ্ধকৌশল হয়তো বাস্তব পরীক্ষার আগুনে ততটা টেকেনি।

নভেম্বর ২২, ২০২৫
বিদেশ

যুদ্ধে হার, এবার কি প্রতিশোধ? আফগানিস্তানে সরকার বদলের হুমকি দিল পাকিস্তান

পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমানায় উত্তেজনা নতুন নয়। কিন্তু এবার যেন পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ মোড় নিয়েছে। আফগানিস্তানের তালিবান সরকারের বিরুদ্ধে সরাসরি সরকার ফেলে দেওয়ার হুমকি দিল পাকিস্তান। ইসলামাবাদের বক্তব্য, যদি তালিবান সমঝোতার পথে না আসে এবং পাকিস্তানের নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রস্তাব মানতে অস্বীকার করে, তবে কাবুলে সরকারবিরোধী শক্তিকে প্রকাশ্যে সমর্থন দেবে তারা।নিউজ১৮-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, আফগানিস্তানপাকিস্তান সংঘর্ষে মধ্যস্থতা করা তুরস্কের আধিকারিকদের সামনেই পাকিস্তান এই কঠোর বার্তা দিয়েছে। ইসলামাবাদ অভিযোগ করেছে, তালিবান তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি)-কে আশ্রয় দিচ্ছে এবং পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হামলার জায়গা করে দিচ্ছে। পাক সেনা চায়, টিটিপির সব নেতা হস্তান্তর করুক আফগানিস্তান, এবং সীমান্ত বরাবর ডুরান্ড লাইনে বাফার জোন তৈরি হোক।কিন্তু আফগানিস্তান সেই দাবি সরাসরি উড়িয়ে দিয়েছে। কাবুলের বক্তব্য, টিটিপির সঙ্গে তাদের কোনও সম্পর্ক নেই, এবং তারা কখনওই সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীকে নিজের দেশের মাটি ব্যবহার করতে দেয় না। সেই অবস্থান থেকেই কোনো লিখিত চুক্তিতে যেতে রাজি হয়নি তালিবান সরকার। আর এই অচলায়তনের মধ্যেই পাকিস্তান প্রকাশ্যে হুমকি দিলএই সরকার না মানলে কাবুলে নতুন সরকার গঠনে তারা সক্রিয় ভূমিকা নেবে।শুধু কথাই নয়, পাকিস্তান ইতিমধ্যেই গোপনে যোগাযোগ শুরু করেছে আফগানিস্তানের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ও বহু প্রভাবশালী নেতার সঙ্গে। নাম রয়েছে হামিদ কারজাই, আশরাফ গনি, আহমেদ মাসুদ, এমনকি নর্দার্ন অ্যালায়েন্সের নেতা আব্দুল রশিদ দোস্তমেরও। আইএসআই-র তরফে তাঁদের পাকিস্তানে আশ্রয়ের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে বলেও সূত্রের দাবি। লক্ষ্য একটাইপাকিস্তানের মাটি থেকেই সরকারবিরোধী শক্তিকে উসকে তালিবানকে ক্ষমতাচ্যুত করা।গত কয়েক মাসে তুরস্ক ও কাতারের মধ্যস্থতায় তিন দফা বৈঠক হয়েছে ইসলামাবাদ ও কাবুলের মধ্যে। কিন্তু একটিও বৈঠক কাজে দেয়নি। পাকিস্তান দাবি জানিয়ে গিয়েছে, আর তালিবান জবাব দিয়েছে স্পষ্ট ভাষায়টিটিপিকে তারা আশ্রয় দেয়নি এবং ডুরান্ড লাইন নিয়ে পাকিস্তানের দাবি মানা সম্ভব নয়।এই অবস্থায় দুই দেশের সম্পর্ক এমন উত্তপ্ত জায়গায় পৌঁছেছে, যা দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে ভয়াবহভাবে প্রভাবিত করতে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

নভেম্বর ২১, ২০২৫
বিদেশ

‘খুনিদের সরকার চাই না!’—চিৎকারে কেঁপে উঠল নেপাল, রাস্তায় তরুণদের সাথে ওলির কর্মীদের খণ্ডযুদ্ধ

নেপালে ফের অশান্ত জেন জি আন্দোলন। গত সেপ্টেম্বরে যে জনবিক্ষোভ ইউএমএলকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিয়েছিল, সেই আন্দোলনের তরুণেরা আবার পথে নামলেন। আর তাঁদের সামনে দাঁড়াতেই মাঠে নেমে পড়েছেন কেপি শর্মা ওলির দল কমিউনিস্ট পার্টি অফ নেপাল (ইউএমএল)-এর নেতাকর্মীরা। দুই পক্ষের সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দেশের একাধিক জায়গা। পরিস্থিতি এতটাই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় যে বৃহস্পতিবার কয়েকটি এলাকায় কার্ফু জারি করতে বাধ্য হয় প্রশাসন।বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই সিমারা চকে জড়ো হতে শুরু করেছিলেন জেন জি আন্দোলনকারীদের বড় একটি দল। যথেষ্ট উত্তেজনা ছড়ানো পরিবেশের মধ্যেই পুলিশ বলপ্রয়োগ করে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। সিমারা বিমানবন্দরের দিকেও ততক্ষণে জমে উঠেছে ভয়ার্ত উত্তেজনা। সেখানে ইউএমএল নেতাকর্মীদের সঙ্গে জেন জি তরুণদের ধস্তাধস্তি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়।সংঘর্ষের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন ওলির দলের দুই শীর্ষ নেতামহেশ বসনেট এবং শঙ্কর পোখারেল। দুজনেই সেদিন কাঠমান্ডু থেকে বিমানে সিমারায় পৌঁছান একটি দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে। তাঁদের আগমনের খবর ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক মাধ্যমে প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দেন জেন জি-র জেলা সমন্বয়ক সম্রাট উপাধ্যায়। মুহূর্তের মধ্যেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।বিমানবন্দরে মহেশ-শঙ্কর জুটি নামতেই জেন জি বিক্ষোভকারীরা স্লোগান তোলেনখুনিদের সরকার চাই না। আর সেই স্লোগানকে ঘিরেই চোখের পলকে শুরু হয়ে যায় সংঘর্ষ। দুই পক্ষের মধ্যে ইট-পাটকেল ছোড়া, ঠেলাঠেলি, ধাক্কাধাক্কিসব মিলিয়ে এলাকাজুড়ে যুদ্ধংদেহী পরিস্থিতি তৈরি হয়। আহত হন অন্তত ছয় জন জেন জি কর্মী। তাঁদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বড় বাহিনী মোতায়েন করে এবং শহরের গুরুত্বপূর্ণ অংশে জারি হয় কার্ফু। নেপালে ফের দাঁত-নখ বের করে উঠছে তরুণদের জেন জি আন্দোলনএটা যেন ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

নভেম্বর ২০, ২০২৫
বিদেশ

হোয়াইট হাউসে ঢুকতেই চমক! ট্রাম্পের ছেলের স্বপ্নপূরণ করলেন রোনাল্ডো

বিশ্ব ফুটবলের মহাতারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো যেখানে যান, সেখানেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠেন। এবার তাঁর উপস্থিতিতে সরগরম হয়ে উঠল আমেরিকার হোয়াইট হাউস। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আয়োজিত বিশেষ ডিনার পার্টিতে আচমকাই হাজির ছিলেন পাঁচবারের ব্যালন ডিঅরজয়ী রোনাল্ডো। উপস্থিত অতিথিদের অনেকেই তাঁর আগমন সম্পর্কে আগে জানতেন না। কিন্তু সবচেয়ে বেশি উচ্ছ্বাস দেখা গেল ট্রাম্পের কনিষ্ঠ পুত্র ব্যারন ট্রাম্পের চোখে।মাত্র ১৯ বছর বয়সি ব্যারন নাকি বহুদিন ধরেই রোনাল্ডোর প্রবল ভক্ত। ট্রাম্প নিজেই হেসে বললেন, তাঁর ছেলে রোনাল্ডোকে এতটাই পছন্দ করে যে, আজকের সাক্ষাৎ যেন ব্যারনের জন্য স্বপ্নপূরণ। তাই রোনাল্ডোকে সামনে পেয়ে ব্যারনের উচ্ছ্বাস লুকোনোই যাচ্ছিল না। প্রেসিডেন্ট হাসতে হাসতে বলেন, ব্যারন অবশেষে রোনাল্ডোর সঙ্গে দেখা করতে পারল। আশা করি এবার ব্যারন তার বাবাকে একটু বেশি সম্মান করবে! আমার কারণেই তো স্বপ্ন পূরণ হলো তার।ডিনারটিতে ছিলেন সৌদি আরবের যুবরাজ মহম্মদ বিন সলমনও। রোনাল্ডো বর্তমানে সৌদি ক্লাব আল নাসেরে খেলেন এবং সৌদির ফুটবল প্রচারে তাঁর ভূমিকা অপরিসীম। তাই যুবরাজের উপস্থিতিতে রোনাল্ডোর অংশগ্রহণ অনেকেই আগেই আন্দাজ করেছিলেন। ইস্ট রুমে যুবরাজ ও ট্রাম্পের কাছেই আসন ছিল রোনাল্ডোর।এই বিশেষ সন্ধ্যায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্বের আরও বহু বরেণ্য ব্যক্তিত্বঅ্যাপল সিইও টিম কুক, টেসলার প্রতিষ্ঠাতা এলন মাস্ক, ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো, আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স প্রমুখ। এত নামকরা মানুষদের ভিড়েও যে রোনাল্ডোই সবচেয়ে বেশি নজর কাড়লেন, তা বলাই বাহুল্য।উল্লেখযোগ্য, আগামী বছরই আমেরিকা ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজন করবে। তাই ওয়াশিংটনে রোনাল্ডোর উপস্থিতিকে অনেকেই প্রতীকী মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন। তবে ব্যারন ট্রাম্পের জন্য দিনটি শুধুই আনন্দেরকারণ তাঁর GOAT অবশেষে তাঁর হাতের নাগালেই দাঁড়িয়েছিলেন।

নভেম্বর ১৯, ২০২৫
বিদেশ

অতিথিকে ‘বিব্রত’ করতে মানা প্রেসিডেন্টের! খাশোগ্গি হত্যায় সলমনকে রক্ষা করলেন ট্রাম্প?

জামাল খাশোগ্গি হত্যাকাণ্ডের পর এই প্রথম বার আমেরিকায় পা রাখলেন সৌদি আরবের যুবরাজ মহম্মদ বিন সলমন। ওভাল অফিসে তাঁর পাশেই বসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়ে দিলেন, খাশোগ্গি হত্যার বিষয়ে যুবরাজ কিছুই জানতেন না। উপস্থিত সাংবাদিকরা যখন সেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন, তখনই ট্রাম্প বলে ওঠেন, অতিথিকে বিব্রত করার কোনও প্রয়োজন নেই। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক আলোচনা।ট্রাম্প প্রকাশ্যে যুবরাজকে ঢাল দিয়ে বলেন, খাশোগ্গি অত্যন্ত বিতর্কিত চরিত্র ছিলেন এবং অনেকেই তাঁকে পছন্দ করতেন না। তিনি আরও যোগ করেন, আপনি কাউকে পছন্দ করুন বা না করুন, ঘটনা তো ঘটেই থাকে। কিন্তু যুবরাজ এ সম্পর্কে কিছুই জানতেন না, এবং এই বিষয়টি এখানেই শেষ করে দেওয়া উচিত। ট্রাম্পের এই বক্তব্যে স্পষ্টই বোঝা গিয়েছেওভাল অফিসে সৌদি যুবরাজকে কোনও বিতর্কে জড়াতে তিনি রাজি নন।সলমনও এই ঘটনায় মুখ খোলেন। তিনি জানান, খাশোগ্গির মৃত্যু অত্যন্ত পীড়াদায়ক ঘটনা। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ভুল না ঘটে, সেই কারণে সৌদি প্রশাসন নিজের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করেছে। তাঁর বক্তব্যএটা একটি বড় ভুল এবং অত্যন্ত বেদনাদায়ক।২০১৮ সালের ২ অক্টোবর ইস্তানবুলের সৌদি দূতাবাসে খুন হন ওয়াশিংটন পোস্ট-এর সাংবাদিক জামাল খাশোগ্গি। দ্বিতীয়বার বিয়ের জন্য প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করতে গিয়ে আর ফিরতে পারেননি তিনি। সৌদি রাজপরিবার, বিশেষ করে যুবরাজের তীব্র সমালোচক ছিলেন খাশোগ্গি। তাঁর রহস্যমৃত্যু প্রকাশ্যে আসতেই তুরস্ক-সহ একাধিক দেশ সলমনকে দায়ী করে। আমেরিকাও সেই অভিযোগের সুরে সুর মিলিয়েছিল।ওয়াশিংটনের আদালতে খাশোগ্গির স্ত্রী হ্যাটিস চেঙ্গিজ এবং মানবাধিকার সংগঠন DAWNএর দায়ের করা মামলাতেও যুবরাজকে কাঠগড়ায় তোলা হয়। যদিও শেষ পর্যন্ত আদালত তাঁকে ক্লিনচিট দেয়। তখনই প্রশ্ন উঠেছিলমধ্যপ্রাচ্যে সৌদি আরবের অস্ত্র-চুক্তি ও কৌশলগত গুরুত্ব কি খাশোগ্গির রক্তরেখা মুছে দিচ্ছে?ওভাল অফিসে ট্রাম্পের আচরণ সেই সন্দেহকেই আবার উসকে দিল। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের উপর চাপ বাড়াতে সৌদি আরবকে পাশে রাখা ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য অত্যন্ত জরুরি। তাই তিনি প্রকাশ্যেই যুবরাজকে যেকোনও বিতর্ক থেকে দূরে রাখতে চাইছেন। খাশোগ্গি হত্যার একাধিক প্রশ্নের মুখোমুখি করার বদলে তাঁকে রক্ষা করাই যেন এখন মার্কিন কূটনীতির নতুন সমীকরণ।

নভেম্বর ১৯, ২০২৫
বিদেশ

হাসিনার অনুপস্থিতিতেই মৃত্যুদণ্ড? রাষ্ট্রসংঘের কড়া প্রশ্ন বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থাকে

জুলাই বিক্ষোভে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে যে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, সেই রায়ের বিরুদ্ধে এবার সরব হল রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কমিশন। আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্ন উঠছেএই বিচার কি আদৌ ন্যায়সঙ্গত? সব মিলিয়ে মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে তৈরি বিচারব্যবস্থা ও তাঁর ক্যাঙারু আদালত বলতে শুরু করেছেন অনেকেই। কারণ, আদালত ঘোষণার আগেই যেন স্ক্রিপ্ট লিখে ফেলা হয়েছিলহাসিনা ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের ফাঁসির সাজা।রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কমিশনের মুখপাত্র রবিনা সামদাসানি এক বিবৃতিতে জানান, এই রায় নিয়ে তাদের গভীর উদ্বেগ রয়েছে। তাঁর কথায়, গত বছরের বিক্ষোভ দমনের সময় যে ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছিল, সেই ঘটনার সঠিক বিচার অত্যন্ত প্রয়োজন। কিন্তু বাংলাদেশের আদালতের বিচারপ্রক্রিয়া সম্পর্কে রাষ্ট্রসংঘের হাতে যথেষ্ট তথ্য নেই। তবুও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে বিচার হওয়া উচিতএটাই তাঁদের বার্তা।রবিনা আরও বলেন, অভিযুক্ত শেখ হাসিনা আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। অনুপস্থিতিতেই তাঁকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে রাষ্ট্রসংঘ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়যে পরিস্থিতির মধ্যেই হোক না কেন, তারা এমন বিচারকে সমর্থন করে না। তাঁদের আশা, বাংলাদেশ সত্যিকারের ন্যায়বিচারকে গুরুত্ব দিয়ে পরিস্থিতি সামলাবে।রাষ্ট্রসংঘের পাশাপাশি হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। সংস্থার মহাসচিব অ্যাগনেস কালামার্ড একেবারে সরাসরি মন্তব্য করেছেনজুলাই বিক্ষোভের সময় মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা সত্যিই ভয়াবহ ছিল, কিন্তু সেই অপরাধের বিচার হতে হবে সুষ্ঠুভাবে। এই বিচারপক্রিয়া না সঠিক, না আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে হয়েছে। তাঁর কথায়, মৃত্যুদণ্ড এমনিতেই অত্যন্ত নিষ্ঠুর, অমানবিক ও অপমানজনক শাস্তি। আধুনিক কোনও ন্যায়বিচার ব্যবস্থায় মৃত্যুদণ্ডের জায়গাই নেই।সব মিলিয়ে, আন্তর্জাতিক সমাজের একাংশের চোখে পুরো বিচার ব্যবস্থাটাই এখন প্রশ্নের মুখে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেই এই রায় আরও অস্থিরতা বাড়াতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

নভেম্বর ১৮, ২০২৫
বিদেশ

মদিনায় আগুনে পুড়ল ৪২ উমরাহ যাত্রীর দেহ! অধিকাংশই ভারতীয়—বাসে বেঁচে ফিরলেন মাত্র ১ জন

সৌদি আরবের মদিনার কাছে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় নিভে গেল কমপক্ষে ৪২টি প্রাণ। উমরাহ হজে যাওয়া ভারতীয় তীর্থযাত্রীদের নিয়ে মক্কার পথে যাচ্ছিল বাসটি। ভারতীয় সময় অনুযায়ী সোমবার রাত প্রায় একটা বেজে তিরিশ মিনিট নাগাদ মুফরিহাট এলাকায় একটি ডিজেল ট্যাঙ্কারের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় বাসটির। প্রচণ্ড ধাক্কার পর মুহূর্তের মধ্যে আগুন ধরে যায় পুরো গাড়িতে। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই বাসটি আগুনের গোলায় পরিণত হয়, আর তাতেই মৃত্যু হয় অধিকাংশ যাত্রীর।সৌদি পুলিশের প্রাথমিক রিপোর্ট বলছে, দুর্ঘটনার সময় প্রায় সবাই ঘুমিয়ে ছিলেন। আগুন লাগার পর কেউ বেরোনোর সুযোগই পাননি। বাসটিতে ১১ জন মহিলা ও ১০ জন শিশু ছিলএমনটাই জানা গিয়েছে। মৃতদের অধিকাংশই ভারতের হায়দরাবাদের বাসিন্দা। এমন ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দেহগুলি এতটাই পুড়ে গিয়েছে যে কারও পরিচয় নির্ণয় করতেও বড়সড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছেন তদন্তকারীরা। এই মর্মান্তিক ঘটনায় বেঁচে গিয়েছেন মাত্র একজনমহম্মদ আব্দুল শোয়েবযিনি এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।ঘটনার পর শোকপ্রকাশ করেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর। তিনি জানিয়েছেন, রিয়াধের ভারতীয় দূতাবাস এবং জেদ্দার কনস্যুলেট ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছে এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দিচ্ছে। হায়দরাবাদের সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়াইসি দ্রুত মৃতদেহগুলো ভারত ফেরাতে কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।অন্যদিকে, তেলঙ্গনার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি বলেন, রাজ্য সরকার পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। দিল্লি ও জেদ্দার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। পরিবারগুলিকে সাহায্যের জন্য জরুরি ভিত্তিতে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। শুরু হয়েছে একাধিক হেল্পলাইন নম্বরও।তেলঙ্গনা সরকারের হেল্পলাইন নম্বর: +91 7997959754, +91 9912919545জেদ্দা কনস্যুলেটের নম্বর: 8002440003সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল দেহ শনাক্তিকরণ। দেহগুলি এতটাই অগ্নিদগ্ধ যে DNA পরীক্ষার মতো জটিল প্রক্রিয়া ছাড়া পরিচয় জানা প্রায় অসম্ভব। ফলে দেহ দেশে ফেরানোও দীর্ঘ সময় নিতে পারে। ইতিমধ্যেই কূটনৈতিক স্তরে তৎপরতা বেড়েছে, কারণ পরিবারগুলির একমাত্র দাবিযেন দ্রুত প্রিয়জনদের দেহ বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়।

নভেম্বর ১৭, ২০২৫
বিদেশ

ফাঁসি! মানবতা বিরোধী অপরাধে দোষী শেখ হাসিনা—বাংলাদেশে নজিরবিহীন রায়

বাংলাদেশের রাজনীতি যেন মুহূর্তে ঝড়ের চোখে ঢুকে গেল। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সোমবার ঘোষণা করল সেই রায়, যার জন্য দেশজুড়ে উত্তেজনা তুঙ্গে ছিলমানবতা বিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আদালত তিনটি ধারায় তাঁকে দোষী ঘোষণা করে সরাসরি ফাঁসির সাজা শুনিয়েছে। সেই সঙ্গে একই অপরাধে ফাঁসির দণ্ড দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকেও। বাংলাদেশ পুলিশের প্রাক্তন আইজি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনও দোষী প্রমাণিত হয়েছেন গণহত্যার মামলায়।রায় ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আদালত চত্বরের বাইরে এক অদ্ভুত নীরবতা নেমে আসে। তারপরই শুরু হয় দেশজোড়া তাণ্ডব। ঢাকার রাস্তায় বিক্ষোভ, ককটেল বিস্ফোরণ, আগুন লাগানোসব মিলিয়ে যেন বিস্ফোরণের মতো ছড়িয়ে পড়ে খবরটি। আদালতে ৪৫৩ পাতার রায় পড়তে সময় লাগলেও, রায়ের অভিঘাত সরাসরি গিয়ে লাগে রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে।আদালত জানায়, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকার সময় একাধিক গণহত্যা, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে বলে তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। বহু সাক্ষ্য-প্রমাণ, ভিডিও ফুটেজ, গোপন নথি আদালতে পেশ করা হয়। বিচারক স্পষ্ট করে বলেন, এটি ইতিহাসে নথিবদ্ধ হওয়ার মতো অপরাধ। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ সংগঠিত হয়েছে।প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকেও একই ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ফাঁসির সাজা দেওয়া হয়েছে। পুলিশের সাবেক আইজি আবদুল্লাহ আল-মামুনও দোষী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। আদালতের মন্তব্যতিনজনের সমন্বিত ভূমিকার কারণেই এই ভয়াবহ ঘটনাগুলো দেশের নাগরিকদের জীবনে গভীর ক্ষত তৈরি করেছে।রায়ের পরই ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। আদালত চত্বরে অতিরিক্ত পুলিশ, সেনা ও র্যাব নামানো হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রায় ঘিরে প্রচুর বিভ্রান্তি ও আতঙ্ক ছড়িয়েছে। আওয়ামী লিগ সমর্থকেরা রায়কে রাজনৈতিক প্রতিশোধ বলে দাবি করেছেন, অন্যদিকে সরকার সমর্থকেরা বলছেনএটা ইতিহাসের বিচার।বাংলাদেশের রাজনৈতিক আকাশে যে ঝড় চেপে বসেছে, তার রেশ এখন শুধুই রাস্তায় নয়সরাসরি দেশের ভবিষ্যতের ওপরও পড়ে যাচ্ছে।

নভেম্বর ১৭, ২০২৫
বিদেশ

শেখ হাসিনার পরিবারের ইতিহাস এবার মুছে ফেলবে কে? ধানমন্ডি ৩২-এ রহস্যময় তৎপরতা

বাংলাদেশে যেন ইতিহাসের এক ভয়াবহ পুনরাবৃত্তি। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতা বিরোধী মামলার ৪৫৩ পাতার রায় পড়া চলছে আদালতে, আর ঠিক সেই সময়েই ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বাড়ির সামনে দেখা গেল দুটি পে-লোডার। দৃশ্যটি ছড়িয়ে পড়তেই মুহূর্তে তোলপাড় বাংলাদেশ। প্রশ্ন উঠলঅন্তর্বর্তী ইউনূস সরকার কি তবে বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সমস্ত চিহ্ন মুছে ফেলতে চাইছে?পুলিশ সূত্রে পাওয়া তথ্য আরও উদ্বেগ বাড়ায়। জানা গেছে, ধানমন্ডির বাড়ির যে অংশ এখনও দাঁড়িয়ে রয়েছে, সেটি সম্পূর্ণ ভেঙে গুঁড়িয়ে দিতেই এই পে-লোডার আনা হয়েছিল। কিন্তু বাড়ির দিকের পুলিশি ব্যারিকেডে আটকে যায় তারা। এরপরই তাঁদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এলাকায় তখন উত্তেজনা টগবগ করছে।এদিকে কয়েক মিনিটের মধ্যেই পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সেনা ও পুলিশের কার্যত মুখোমুখি সংঘর্ষ বেঁধে যায়। ব্যারিকেড তুলে বিক্ষোভ থামাতে চাইলে ক্ষুব্ধ জনতা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করে। দুটি পক্ষের সংঘর্ষে বহু বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তাকর্মী আহত হয়েছেন বলে খবর।পটভূমিটা আরও জটিল। ২০২৪ সালের ৫ অগস্ট আওয়ামী লিগ সরকারের পতনের পর, এবং শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাতের অন্ধকারে পে-লোডার এনে ভেঙে ফেলা হয়েছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি-বিজড়িত এই ৩২ নম্বর বাড়ি। পরে তাতে আগুন লাগানো হয়। দেশজুড়ে সেই ঘটনার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া হয়েছিল। আর এবার আবারও, ঠিক রায়ের দিন, পে-লোডার নিয়ে বাড়ির সামনে হাজির হওয়ায় সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে।শেখ হাসিনার রায়কে কেন্দ্র করে কয়েকদিন ধরে উত্তপ্ত বাংলাদেশ। ঢাকার রাস্তায় ককটেল বোমা ফাটছে, সিলেট-ময়মনসিংহ-কুষ্টিয়া মিলিয়ে সাতটি বাস, ভ্যান, এমনকি অ্যাম্বুল্যান্সেও আগুন ধরানো হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের এক উপদেষ্টার বাড়িতেও হামলা হয়েছে। নিষিদ্ধ আওয়ামী লিগ রবিবার থেকেই সারাদেশে শাটডাউন ডেকেছে।অবস্থা এতটাই ভয়ংকর যে ৫৫ হাজার পুলিশকে মোতায়েন করতে হয়েছে। সেনা ও বিজিবি নেমেছে রাস্তায়। প্রশাসন জানিয়ে দিয়েছেকোথাও আগুন লাগানো বা ককটেল ছোড়া দেখা গেলে সরাসরি গুলি চালানো হবে।এমতাবস্থায় ধানমন্ডি ৩২-এ পে-লোডারের উপস্থিতি শুধু উত্তেজনা নয়এক ভয়াবহ রাজনৈতিক সংকেতও বয়ে আনছে। বঙ্গবন্ধুর বাড়ির অবশিষ্টাংশ ভাঙার চেষ্টা আসলে প্রতীকীদেশের প্রতিষ্ঠাতা পরিবারটিকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার আরেক প্রচেষ্টা কি? রায় ঘোষণার মাঝেই এমন দৃশ্য পুরো বাংলাদেশকে নতুন করে টালমাটাল করেছে।

নভেম্বর ১৭, ২০২৫
বিদেশ

রায়ের আগেই হুঙ্কার শেখ হাসিনার, “আওয়ামী লিগকে শেষ করা এত সহজ নয়”

রায় ঘোষণার আগে এমন বিস্ফোরক মন্তব্য এই প্রথম। বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতা বিরোধী অপরাধ মামলার রায় ঘোষণা হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে হঠাৎই প্রকাশ্যে এল শেখ হাসিনার একটি অডিয়ো বার্তা। সেই অডিয়ো এখন ঝড় তুলেছে বাংলাদেশজুড়ে। বার্তায় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী সোজাসাপ্টা জানিয়ে দেন, তাঁর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তার একটিও সত্যি নয়। বরং তিনি রায়কে কোনও গুরুত্বই দিতে নারাজ।অডিয়ো বার্তায় হাসিনার গলা দৃঢ়। তিনি বলেন, আমার কিছুই যায় আসে না। আল্লাহ আমায় প্রাণ দিয়েছেন, আল্লাহই সেই প্রাণ নেবেন। মানুষ আমার বিচার করবে, আদালতের এই রায় নয়। তাঁর কথায় স্পষ্ট, এই মামলাকে তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ফল বলেই মনে করছেন।হাসিনা মনে করেন, বর্তমানে দেশের অন্তর্বর্তী প্রশাসনের নেতৃত্বে থাকা মহম্মদ ইউনূসই নেপথ্যে। তাঁর অভিযোগ, অন্তর্বর্তী সরকার নাকি পরিকল্পিতভাবে আওয়ামী লিগকে ধ্বংস করতে চাইছে। হাসিনার বক্তব্য, এটা এত সহজ নয়। আওয়ামী লিগ তৃণমূলের দল, কোনও শক্তির পকেট থেকে তৈরি হয়নি। এই মন্তব্যের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।অডিয়োতে সমর্থকদের উদ্দেশে কৃতজ্ঞতাও জানান প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। সাম্প্রতিক প্রতিবাদ মিছিল প্রসঙ্গে বলেন, এগুলো স্বতঃস্ফূর্ত। মানুষ আমাদের বিশ্বাস দিয়েছে। এই দুর্নীতিপরায়ণ, খুনি ইউনূস আর তাঁর দোসরদের এবার সাধারণ মানুষই চেনাবে, বাংলাদেশ কীভাবে ফিরে দাঁড়ায়।এখানেই থেমে থাকেননি তিনি। সরাসরি অভিযোগ তুলেছেন ইউনূস ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে জোর করে বা ক্ষমতা প্রয়োগ করে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সরানো অপরাধ। অথচ অন্তর্বর্তী সরকার নাকি সুপরিকল্পনা করেই সেই কাজ করেছে। তাঁর দাবি, পুরো উদ্দেশ্যই ছিল দেশে বিশৃঙ্খলা ছড়ানো।নিজের নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যৎ নিয়েও কথা বলেন হাসিনা। বলেন, আমি বেঁচে আছি। বেঁচে থাকব। আবার মানুষের জন্য কাজ করব। বাংলাদেশের মাটিতে আমি বিচার করব।সবশেষে মানবতা বিরোধী মামলার অভিযোগ নিয়েই মন্তব্য করেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায় স্পষ্ট ক্ষোভআমি ১০ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছি। আর আমাকে মানবাধিকারের অপরাধী বলা হচ্ছে? এটাই কি বিচার?পুরো অডিয়োটি ছড়িয়ে পড়তেই বাংলাদেশে আলোড়ন পড়ে যায়। রায় ঘোষণার প্রাক্কালে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর এমন চ্যালেঞ্জিং সুর রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে। এখন নজর আদালতের রায়ের দিকেতার পর বাংলাদেশ রাজনীতির গতিপথ কোনদিকে মোড় নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে সবাই।

নভেম্বর ১৭, ২০২৫
বিদেশ

সেনাপ্রধানকে সর্বশক্তিমান করতে সংবিধান সংশোধন—বিচারপতিদের একের পর এক পদত্যাগে তুমুল তোলপাড়

পাকিস্তানের রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই এবার ভয়ঙ্কর সংকট তৈরি হয়েছে দেশের বিচার ব্যবস্থায়। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের যুগলবন্দিকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানে যে স্বৈরশাসনের অভিযোগ বহুদিন ধরেই উঠছিল, এবার তা যেন আরও বাস্তব হয়ে উঠল। সংবিধান সংশোধনের প্রতিবাদে একের পর এক বিচারপতি ইস্তফা দিচ্ছেন। সর্বশেষ লাহোর হাই কোর্টের বিচারপতি শামস মেহমুদ মির্জা নিজের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এর আগে মাত্র একদিনের ব্যবধানে সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতি পদত্যাগ করেছিলেন।বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, শাহবাজ সরকার সংবিধান পাল্টে দেশে প্রায় সামরিক শাসনের মতো পরিবেশ তৈরি করছে। নতুন সংশোধনীতে সেনাপ্রধান আসিম মুনিরকে দেওয়া হয়েছে অসামান্য ক্ষমতাএমন রক্ষাকবচ আগে কোনও সেনাপ্রধান পাননি। উল্টো দিকে, সুপ্রিম কোর্টের ক্ষমতা স্পষ্টভাবে কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সংবিধান সম্পর্কিত মামলাগুলি সুপ্রিম কোর্টের বদলে নতুন সাংবিধানিক আদালতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা দেশের বিচারব্যবস্থার মূল কাঠামোকেই নড়বড়ে করে দিচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকেই।এই ঘটনা চরম অচলবস্থা তৈরি করেছে পাকিস্তানে। বিচারপতিরা প্রকাশ্যে বলছেন, এভাবে আদালতের ক্ষমতা খর্ব এবং সেনাকে বাড়তি ক্ষমতা দেওয়া হলে গণতন্ত্র রক্ষা অসম্ভব হয়ে উঠবে। তাঁদের মতে, এই সংশোধন সংবিধানের আত্মাকে আঘাত করছে।গত বুধবার জাতীয় সংসদে সংবিধানের ২৪৩ অনুচ্ছেদ সংশোধনের বিল পাশ করে শাহবাজ সরকার। ওই আইন অনুসারে প্রথমবার সেনাবাহিনীতে সৃষ্টি করা হয়েছে নতুন একটি পদচিফ অফ ডিফেন্স ফোর্সেস। এবং সেই গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হয়েছে আসিম মুনিরকে। এরপর প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি তড়িঘড়ি সই করে দিয়েছেন বিলে। আর এর পরপরই দুই সুপ্রিম কোর্ট বিচারপতি ও লাহোর হাই কোর্টের বিচারপতি ইস্তফা দিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন তাঁদের ক্ষোভ।পাকিস্তানের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সেনা ও প্রশাসনের মেলবন্ধনে তৈরি হওয়া এই ক্ষমতার গঠন গণতন্ত্রের জন্য ভয়ঙ্কর। বিচারব্যবস্থার উপর চাপ বাড়লে সামনে আরও বড় সংকট দেখা দিতে পারে। ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছেপাকিস্তান কি সত্যিই নতুন একনায়কতন্ত্রের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে?

নভেম্বর ১৬, ২০২৫
বিদেশ

বাংলাদেশে দাউদাউ করে জ্বলছে গ্রামীণ ব্যাঙ্ক! ইউনূস কি চরম জনঅসন্তোষের মুখে?

বাংলাদেশ জুড়ে এখন যেন ছড়িয়ে পড়ছে আগুনের লেলিহান শিখা, আর সেই আগুনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ও নোবেলজয়ী মহম্মদ ইউনূস। তাঁর তৈরি গ্রামীণ ব্যাঙ্কের একের পর এক শাখায় লাগানো হচ্ছে আগুন। কয়েকদিন ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গ্রামীণ ব্যাঙ্কে যেভাবে অগ্নিসংযোগ চলছে, তা বাংলাদেশজুড়ে তীব্র আলোড়ন তৈরি করেছে। কোথাও জানালা ভেঙে পেট্রোল ঢেলে আগুন, কোথাও পুরো শাখাই পুড়ে ভস্মীভূত।সর্বশেষ ঘটনা রাজনগরে। মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলার টেংরাবাজার শাখা সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে উত্তেজিত জনতার অগ্নিসংযোগে। ভবনের ভিতরের নথি, চেয়ার-টেবিল, কাগজসবই ধ্বংস। স্থানীয়দের মতে, হামলাকারীরা পরিকল্পিতভাবে ভোররাতে এসে আগুন ধরিয়ে পালিয়ে যায়।এর আগে বগুড়ার শেরপুর হাইওয়ে গাড়ীদহের গ্রামীণ ব্যাঙ্ক শাখায়ও জনতার তাণ্ডব নেমে আসে। সেখানে ব্যাঙ্কের সামনে জমে ওঠা ক্ষুব্ধ জনতা আগুন ধরিয়ে দেয়। উল্লেখযোগ্যভাবে, বগুড়া দীর্ঘদিন ধরেই বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। তাই এই আগুনের ভিতরে রাজনৈতিক রঙ রয়েছে কি না, সেই প্রশ্নও তীব্র হচ্ছে।ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে আরও একটি ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটেছে। চান্দুরা শাখায় গভীর রাতে জানালা ভেঙে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে স্থানীয়দের দ্রুত হস্তক্ষেপে, যদিও ব্যাঙ্কের ভেতরের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি ও আসবাবপত্র পুড়ে নষ্ট হয়েছে। ভল্টে থাকা টাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি বলেই জানা গেছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ, তবে আতঙ্ক এখনো কাটেনি।নোবেলজয়ী মহম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে দারিদ্র্য দূরীকরণে বড় ভূমিকা রাখা গ্রামীণ ব্যাঙ্ক মডেলের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে সম্মানিত হয়েছিলেন। ক্ষুদ্রঋণের ধারণা বিশ্ববাসীর কাছে শেখায় এই ব্যাঙ্কই। কিন্তু আজ সেই ব্যাঙ্কই কেন জনরোষের কেন্দ্র, কেন একের পর এক শাখায় অগ্নিসংযোগএই প্রশ্নই এখন সবচেয়ে বড়। দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা, জনরোষ, কিংবা সরকারের প্রতি আস্থা সংকটসব মিলিয়ে পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে।বাংলাদেশে আগুন শুধু ব্যাঙ্ক ভবনে নয়, ছড়িয়ে পড়ছে রাজনীতিতেও। ইউনূস কি আসলেই জনঅসন্তোষের নিশানায়? নাকি এই আগুনের আড়ালে রয়েছে আরও গভীর রাজনৈতিক খেলা? পরিস্থিতি কোন দিকে গড়াবে, এখন সেই দিকেই তাকিয়ে দেশবাসী।

নভেম্বর ১৬, ২০২৫
বিদেশ

ঢাকায় রক্তগরম সকাল! শেখ হাসিনার রায়ের দিন ঘোষণা ঘিরে চরম উত্তেজনা

সকাল থেকেই থমথমে ঢাকা। চারদিক যেন অচেনা খাঁ খাঁ করছে রাস্তা, মোড়ে মোড়ে কড়া নিরাপত্তা, আর চোখে পড়ে শুধু পুলিশের ইউনিফর্ম আর সেনাদের বুটের শব্দ। রাতভর মশাল মিছিল, স্লোগান, উত্তেজনা তার পর ভোর হতেই নেমে এসেছে ভয় আর অপেক্ষার ভারী ছায়া। কারণ আজ, ১৩ নভেম্বর, বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। আজই ঘোষণা হতে চলেছে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার দিন।জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের সময় শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ ওঠে তা নিয়েই শুরু হয়েছিল এই বহুল আলোচিত মামলা। আজ আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ রায় ঘোষণার দিন ঘোষণা করবেন। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়াও প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও প্রাক্তন পুলিশকর্তা চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। তবে মামুন রাজসাক্ষী হিসেবে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন, যা বিচার প্রক্রিয়ায় নতুন মোড় এনে দিতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।রায়ের দিন ঘোষণার আগের রাতেই আগুনে পুড়েছে ঢাকা। একাধিক জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণ, গাড়িতে আগুন, রাস্তায় টায়ার জ্বলছে এমন চিত্রেই কাটিয়েছে রাজধানী। অভিযোগ, এই অগ্নিসংযোগ ও হামলার পেছনে ছিল আওয়ামী লিগের সদস্য ও সমর্থকরা, যারা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন।আজ সকাল থেকেই ঢাকাকে কার্যত লকডাউন করে ফেলেছে প্রশাসন। নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লিগের পক্ষ থেকে রাজধানী অচল করে দেওয়ার ডাক দেওয়ায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। যে কোনও অশান্তি ঠেকাতে সকাল ৮টা থেকেই শহরের রাস্তায় টহল শুরু করেছে সেনাবাহিনী। পাশাপাশি মোতায়েন করা হয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (BGB), আমর্ড পুলিশ ব্যাটেলিয়ন ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের বিশাল বাহিনী। সব মিলিয়ে রাজধানীতে মোতায়েন ১৭ হাজারেরও বেশি নিরাপত্তাকর্মী।ঢাকার প্রতিটি প্রবেশপথে চলছে কড়া তল্লাশি। হোটেল, মেস, এমনকি আবাসিক এলাকাগুলিতেও রাতভর অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসের বাসভবন যমুনার দিকে যাবতীয় যান চলাচল। নিরাপত্তার চাদর এখন শুধু ঢাকায় নয়, ছড়িয়ে পড়েছে গাজিপুর ও নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত।বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে আজ তাই এক উত্তাল সকাল। একদিকে শেখ হাসিনার ভবিষ্যৎ নির্ধারণের রায়, অন্যদিকে রাজধানীজুড়ে অস্থিরতা। মানুষের মনে একটাই প্রশ্ন আজকের রায় কি ফের অগ্নিগর্ভ করে তুলবে ঢাকা?

নভেম্বর ১৩, ২০২৫
বিদেশ

সংযুক্তিই সুযোগ সৃষ্টি করে এবং সুযোগ সৃষ্টি করে সমৃদ্ধি"- এই নীতিকেই সামনে রেখেই মোদী ভারত -ভুটান বন্ধুত্বের দিলেন নতুন শিলমোহর।

প্রতিবেশী রাষ্ট্র বলয়ে বিবাদপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভারত এবং ভুটানের সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরু করতে , ভুটান সফরে যান। ভুটানের পারো বিমানবন্দরে পৌঁছনোর পর প্রধানমন্ত্রী মোদিকে স্বাগত জানান ভুটানের প্রধানমন্ত্রী নিজে। পরবর্তীতে তিনি অংশ নেন থিম্পুর চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে আয়োজিত বিশাল জনসমাবেশে, যেখানে প্রায় ২৫-৩০ হাজার মানুষের উপস্থিতিতে উভয় দেশের নেতারা বক্তব্য রাখেন।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানান , ভারত এবং ভুটান সরকারের মধ্যে ১০২০ মেগাওয়াটের নতুন দ্বিপাক্ষিক জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের (পুংটাসাংচু-২) উদ্বোধন হয়েছে। এরই সঙ্গে ঘোষণা করা হয়েছে অসমের হাতিসার এলাকায় একটি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট তৈরি করা হবে। সেই চেকপোস্টের মাধ্যমে ভুটানের পণ্য, ব্যবসায়ী এবং পর্যটকরা অনায়াসে ভারতে আসতে পারবেন। উলটোটাও হবে। যার ফলে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এবং আদানপ্রদান বৃদ্ধি পাবে।প্রধানমন্ত্রী আরো ঘোষণা করেন , ভারত সরকার ভুটানের জন্য ৪,০০০ কোটি টাকার একটি স্বল্পসুদের উন্নয়ন ঋণ (Line of Credit) ঘোষণা করেছে, যা প্রায় ৪০ বিলিয়ন নুলট্রাম সমমূল্যের।সাংস্কৃতিক বন্ধন আরও মজবুত করতে প্রধানমন্ত্রী মোদি ঘোষণা করেন যে ভারতের বারাণসীতে তৃতীয় রয়্যাল ভুটানি মন্দির নির্মাণের জন্য ভারত সরকার জমি প্রদান করবে। এর আগে রাজগিরে দ্বিতীয় রয়্যাল মন্দির উদ্বোধন করা হয়েছিল। তিনি আরো জানান যে, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা বিজ্ঞানে সহযোগিতা, যার মাধ্যমে দুই দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যৌথ গবেষণা, দক্ষতা উন্নয়ন ও ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা পদ্ধতিতে কাজ করবে।ভারতের নিমহান্স (NIMHANS) ও ভুটানের PEMA Secretariatএর মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে সহযোগিতা চুক্তি, যা ভুটানে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা ও গবেষণার পরিধি বাড়াবে।

নভেম্বর ১৩, ২০২৫
বিদেশ

‘নিউ ইয়র্ককে মুম্বই বানাচ্ছেন!’— জোহরান মামদানিকে আক্রমণ মার্কিন ধনকুবেরের

নিউ ইয়র্কে মেয়র নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন রাজনীতিক জোহরান মামদানি। কিন্তু জয়ের পর থেকেই তাঁর এক ঘোষণাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে প্রবল বিতর্ক। মামদানির প্রতিশ্রুত রেন্ট ফ্রিজ প্ল্যান অর্থাৎ শহরের ভাড়া স্থিতিশীল রাখার নীতি নিয়ে কার্যত ফেটে পড়েছেন মার্কিন ধনকুবের ব্যারি স্টার্নলিখট। তাঁর দাবি, এই নীতি কার্যকর হলে নিউ ইয়র্কের আবাসন শিল্প ভেঙে পড়বে এবং শহর মুম্বইয়ে পরিণত হবে!জোহরান মামদানি নির্বাচনের সময় থেকেই বলেছিলেন, শহরের সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের ভাড়াটিয়াদের জীবনযাত্রার খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিনি রেন্ট ফ্রিজ প্ল্যান আনবেন। তাঁর কথায়, নিউ ইয়র্কে ভাড়ার অস্বাভাবিক বৃদ্ধি অনেক পরিবারের জীবন দুর্বিষহ করে তুলেছে, তাই সময় এসেছে মানুষের পাশে থাকার রাজনীতি করার।কিন্তু এই পরিকল্পনার ঘোষণাতেই ক্ষুব্ধ রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগকারী ব্যারি স্টার্নলিখট। তাঁর তীব্র প্রতিক্রিয়া আপনি নিউ ইয়র্ক শহরকে মুম্বইয়ে পরিণত করতে চাইছেন!স্টার্নলিখট মুম্বইয়ের উদাহরণ টেনে বলেছেন, সেখানে নির্মাণ ব্যয় আকাশছোঁয়া, শ্রমিক ইউনিয়নের দাপট অতিমাত্রায়, আর ফলত আবাসন বাজার কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। তাঁর আশঙ্কা, মামদানির পরিকল্পনা কার্যকর হলে নিউ ইয়র্কেও একই অবস্থা হবে। এতে বিনিয়োগকারীরা পিছিয়ে আসবেন, নতুন প্রকল্প থমকে যাবে, আর শহরের আবাসন ব্যবস্থাই বিপর্যস্ত হবে।ক্ষোভে ফুঁসে উঠে তিনি বলেন, অতি বামপন্থীরা এখন পাগল হয়ে গিয়েছে! বলছে, ভাড়াটেরা টাকা না দিলেও তাদের কেউ বের করতে পারবে না! একবার যদি এমন নিয়ম হয়, তাহলে সবাই ভাড়া দেওয়া বন্ধ করে দেবে। আর তাতেই নিউ ইয়র্ক একেবারে মুম্বইয়ের মতো হয়ে যাবে!তাঁর ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য, নিউ ইয়র্ক এখন ভয়ংকর সময়ের মুখে দাঁড়িয়ে। হয়তো জোহরান মামদানি ইতিহাস থেকে কিছু শিখবেন। কারণ, সোশ্যালিজম এই পৃথিবীর কোথাও কার্যকর হয়নি কখনওই না!উল্লেখ্য, জোহরান মামদানি ডেমোক্র্যাট পার্টির সদস্য হলেও আদতে তিনি ডেমোক্র্যাটিক সোশ্যালিস্টস অফ আমেরিকা-র প্রতিনিধি, অর্থাৎ মার্কিন রাজনীতির একদম বামঘেঁষা অংশ। তাঁর জয়ে বহু মানুষ উচ্ছ্বসিত তাঁদের মতে, এটি ট্রাম্প-মাস্কদের মতো দক্ষিণপন্থী, পুঁজিবাদী শক্তির বিরুদ্ধে জনগণের স্পষ্ট বার্তা। কিন্তু সেই আদর্শই এখন পরিণত হয়েছে বিতর্কের কেন্দ্রে। মামদানির মানবিক রাজনীতি আর স্টার্নলিখটের বাস্তব অর্থনীতি এই সংঘাতেই এখন সরগরম আমেরিকার রাজনীতি।

নভেম্বর ১২, ২০২৫
বিদেশ

দিল্লির কায়দায় ইসলামাবাদের আদলতের সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণ! ঘটনাস্থলেই মৃত্যু ১২ জনের

দিল্লির ভয়াবহ বিস্ফোরণের ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই একই কায়দায় বিস্ফোরণ এবার ইসলামাবাদে। মঙ্গলবার দুপুরে পাকিস্তানের রাজধানীর একটি আদালতের বাইরে ঘটে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১২ জনের। আহতের সংখ্যা বহু। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, এটি আত্মঘাতী হামলাও হতে পারে।মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ ইসলামাবাদের আদালত চত্বরের পার্কিং এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা একটি গাড়িতে আচমকা বিস্ফোরণ হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে চারপাশে। ভয়াবহ আওয়াজে কেঁপে ওঠে আশপাশের এলাকা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের শব্দ ছয় কিলোমিটার দূর পর্যন্ত শোনা যায়। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বেশ কয়েকটি গাড়ি। ঘটনার সময় আদালত চত্বরে উপস্থিত ছিলেন বহু আইনজীবী, বিচারপ্রার্থী ও সাধারণ মানুষ।বিস্ফোরণের পরই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় পুলিশ, দমকল এবং উদ্ধারকারী দল। আহতদের দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ইতিমধ্যেই ইসলামাবাদ, রাওয়ালপিন্ডি এবং করাচি-সহ পাকিস্তানের প্রধান শহরগুলিতে জারি করা হয়েছে উচ্চ সতর্কতা। গোটা এলাকা ঘিরে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।প্রাথমিক অনুমান, গাড়ির মধ্যে রাখা গ্যাস সিলিন্ডার থেকেই বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। তবে নাশকতার দিকটিও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। পুলিশের এক শীর্ষকর্তা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের ধরণ দেখে মনে হচ্ছে, এর মধ্যে মানবসৃষ্ট উপাদানও থাকতে পারে। ঘটনাস্থলে ফরেনসিক টিম কাজ শুরু করেছে।উল্লেখযোগ্যভাবে, এর ঠিক একদিন আগে সোমবার সন্ধ্যায় দিল্লির লালকেল্লার কাছে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। সেই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল অন্তত ১৩ জনের। তদন্তে উঠে এসেছে, বিস্ফোরণটি ঘটানো হয়েছিল গাড়ির ভিতর থেকে। একই ধাঁচে মঙ্গলবার ইসলামাবাদেও বিস্ফোরণ হওয়ায় জঙ্গি নেটওয়ার্ক জুড়ে আশঙ্কা ছড়িয়েছে।দিল্লি ও ইসলামাবাদে টানা দুই দিনে ঘটে যাওয়া এই দুই বিস্ফোরণ এখন আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মহলে চাঞ্চল্য তৈরি করেছে। ভারতীয় গোয়েন্দা মহলও ঘটনাটির দিকে নজর রাখছে বলে সূত্রের খবর।

নভেম্বর ১১, ২০২৫
বিদেশ

ভরসন্ধ্যায় কেঁপে উঠল দিল্লি! জোড়া গাড়িতে বিস্ফোরণ, মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে

ভরসন্ধ্যায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল দিল্লি। রাজধানীর ব্যস্ত এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা দুটি গাড়িতে আচমকা বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশে থাকা আরও কয়েকটি গাড়ি, অটো, রিক্সা ও বাইকে। মিনিটের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখায় ভস্মীভূত হয়ে যায় গোটা এলাকা। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে আশপাশের দোকান, গাড়ি এমনকি ঘরবাড়িও কেঁপে ওঠে।শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ২০ জনেরও বেশি মানুষ গুরুতর আহত। আহতদের দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে পুলিশের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি।প্রত্যক্ষদর্শীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের পরে এলাকা জুড়ে দেহাংশ ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখা গেছে। সন্ধ্যার সময় ঘটনাস্থলে প্রচুর মানুষের ভিড় ছিল বলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।ঘটনাস্থলে ইতিমধ্যেই পৌঁছে গেছেন দিল্লি পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। স্পেশাল সেল, এনআইএ ও এনএসজি-র টিম তদন্তে নেমেছে। স্নিফার ডগ নিয়ে তল্লাশি চলছে এলাকায়। বিস্ফোরণের সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি, তবে নাশকতার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না।উল্লেখ্য, চলতি বছরের এপ্রিল মাসে জম্মু-কাশ্মীরের পাহেলগাঁওয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় কয়েকজন পর্যটকের মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনার পর ভারত চালায় অপারেশন সিঁদুর। তার মাত্র কয়েক মাস পর রাজধানীতে ফের বিস্ফোরণ নিরাপত্তা মহলে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। দেশের বিভিন্ন বড় শহরে ইতিমধ্যেই জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট।

নভেম্বর ১০, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 9
  • ...
  • 20
  • 21
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

হঠাৎ অসুস্থ সনিয়া! হাসপাতাল থেকে এল বড় আপডেট, কবে ছুটি পাচ্ছেন জানুন

হঠাৎ অসুস্থ হয়ে দিল্লির একটি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন কংগ্রেস নেত্রী সনিয়া গান্ধি। তাঁকে নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল রাজনৈতিক মহলে। তবে দুদিন পর হাসপাতাল সূত্রে কিছুটা স্বস্তির খবর মিলেছে।শ্রী গঙ্গারাম হাসপাতাল-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সনিয়া গান্ধির শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। হাসপাতালের চেয়ারম্যান অজয় স্বরূপ জানিয়েছেন, তাঁর অবস্থা এখন অনেকটাই স্থিতিশীল এবং তিনি স্বাচ্ছন্দ্যে রয়েছেন। চিকিৎসায় ভাল সাড়া মিলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। সব ঠিক থাকলে এক-দুদিনের মধ্যেই তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছুটি দেওয়া হতে পারে।সূত্রের খবর, গত মঙ্গলবার আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন সনিয়া গান্ধি। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান তাঁর ছেলে রাহুল গান্ধি এবং মেয়ে প্রিয়াঙ্কা গান্ধি। তাঁরা দীর্ঘ সময় হাসপাতালে ছিলেন। গভীর রাতে রাহুল গান্ধি হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যান।কী কারণে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে জানা গিয়েছে, ফুসফুস সংক্রান্ত সমস্যায় তিনি ভুগছিলেন। সেই কারণেই তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসার পর এখন তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে, যা স্বস্তি দিচ্ছে কংগ্রেস সমর্থকদের।মায়ের অসুস্থতার খবর পেয়ে কেরলে নিজের কর্মসূচি মাঝপথে ছেড়ে দ্রুত দিল্লিতে পৌঁছন রাহুল গান্ধি। তিনি সারা রাত হাসপাতালেই ছিলেন। এমনকি মায়ের কেবিনে একটি সোফায় শুয়ে রাত কাটান তিনি। পরে এক সভায় তিনি জানান, হাসপাতালের এক নার্স প্রতি ঘণ্টায় সনিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিচ্ছিলেন। তাঁর এই দায়িত্ববোধের প্রশংসাও করেন রাহুল।সব মিলিয়ে, সনিয়া গান্ধির শারীরিক অবস্থার উন্নতির খবরে স্বস্তির হাওয়া বইছে কংগ্রেস শিবিরে।

মার্চ ২৭, ২০২৬
রাজ্য

বড় চমক ২৮ মার্চ! অমিত শাহের উপস্থিতিতে রাজ্যের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক চার্জশিট বিজেপির

বিধানসভা ভিত্তিক রিপোর্ট প্রকাশের পর এবার গোটা রাজ্যকে নিয়ে বড় চার্জশিট প্রকাশ করতে চলেছে বিজেপি। আগামী ২৮ মার্চ এই চার্জশিট প্রকাশ করা হবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-র উপস্থিতিতে। গত পনেরো বছরে রাজ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতি তুলে ধরা হবে এই রিপোর্টে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বরাদ্দ এবং তার বাস্তব প্রয়োগ নিয়েও একটি শ্বেতপত্র প্রকাশ করার পরিকল্পনা রয়েছে।ভোটের আগে ধাপে ধাপে এগোতে চাইছে বিজেপি। আপাতত তাড়াহুড়ো না করে সংগঠিতভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা। বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণার পর রাজ্যের ২৯৪টি কেন্দ্রের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হয়েছে। এর মধ্যে ১৮০টি কেন্দ্রের পর্যালোচনা হয়েছে সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন-এর উপস্থিতিতে। একটি বিশেষজ্ঞ দল এই চার্জশিট তৈরি করেছে।দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই চার্জশিট আগামী কয়েক দিনের মধ্যে রাজ্যের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর প্রকাশ করা হবে নির্বাচনী সংকল্পপত্র। সেই সংকল্পপত্র তৈরির জন্য বাংলার প্রায় দশ হাজার বিশিষ্ট মানুষের মতামত নেওয়া হয়েছে।বিজেপির নির্বাচনী কৌশলে এবার মূল স্লোগান ভয় বনাম ভরসা। স্থানীয় ইস্যুকে সামনে রেখেই আন্দোলন ও প্রচার চালানো হবে। যে সব প্রার্থীর আসন পরিবর্তন করা হয়েছে, তাঁদের জন্য দলের মধ্যে আলাদা একটি নামও ব্যবহার করা হচ্ছে।এই চার্জশিটে রাজ্যের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে দুর্নীতি, প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলা, আইনশৃঙ্খলার সমস্যা, নারী নিরাপত্তা, গণতন্ত্রের পরিস্থিতি, শিল্পের অবস্থা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ক্ষেত্রের সমস্যা, কৃষকদের দুর্দশা, উত্তরবঙ্গের বঞ্চনা, চা শ্রমিকদের অবস্থা, কলকাতার পরিস্থিতি এবং সিন্ডিকেট প্রথার মতো একাধিক ইস্যু।দলীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ৩০ মার্চ থেকে তারকা প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিতে শুরু করবেন। অন্যদিকে, শুক্রবার রাতে দিল্লি থেকে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার কথা অমিত শাহের। রাতেই তিনি শহরে পৌঁছে নিউটাউনে যাবেন।সব মিলিয়ে ভোটের আগে এই চার্জশিট প্রকাশকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২৭, ২০২৬
দেশ

আবার কি লকডাউন আসছে? জ্বালানি সঙ্কটে দেশজুড়ে আতঙ্ক, মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

জ্বালানি সঙ্কট নিয়ে দেশজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। অনেকের মনে প্রশ্ন উঠছে, আবার কি লকডাউনের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে? ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা এবং মায়ানমারের মতো কয়েকটি দেশ জ্বালানি সংরক্ষণের জন্য জরুরি পদক্ষেপ নিয়েছে। সেই কারণেই ভারতে একই রকম সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে জল্পনা শুরু হয়েছে। এমন আশঙ্কার কথা উল্লেখ করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-ও।তবে এই জল্পনাকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে জানালেন কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, দেশে আবার লকডাউন জারি করার কোনও পরিকল্পনা নেই। কোভিডের সময় যে ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তেমন কিছু ফের হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলেই আশ্বস্ত করেছেন তিনি।সামাজিক মাধ্যমে তিনি জানিয়েছেন, লকডাউন নিয়ে যে খবর ছড়াচ্ছে তা পুরোপুরি ভুল। এই সময়ে শান্ত থাকা এবং দায়িত্বশীল আচরণ করার উপর জোর দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেছেন, দেশের জ্বালানির জোগান স্বাভাবিক রাখতে কেন্দ্রীয় সরকার সব রকম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি নিয়ে উদ্বেগ বাড়লেও কেন্দ্রের দাবি, ভারতে পর্যাপ্ত পরিমাণে জ্বালানি মজুত রয়েছে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে চাপ তৈরি হলেও দেশের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে অনেকেই আতঙ্কে পেট্রোল পাম্পে ভিড় করছেন এবং আগাম জ্বালানি মজুত করার চেষ্টা করছেন। তবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন, কোনও ধরনের ঘাটতির আশঙ্কা নেই এবং যে কোনও জরুরি পরিস্থিতির মোকাবিলার জন্য দেশ প্রস্তুত।

মার্চ ২৭, ২০২৬
কলকাতা

শেষ মুহূর্তে বড় বদল! অবশেষে বিমানে অন্ডাল যাচ্ছেন মমতা, সকাল থেকে টানটান নাটক

সকাল থেকে অনিশ্চয়তার পর শেষ পর্যন্ত অন্ডাল সফর নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নতুন করে সূচি পাঠানো হয়েছে বিমানবন্দরে। ঠিক হয়েছে, দুপুর দুটো দশের বিমানে তিনি কলকাতা থেকে অন্ডাল রওনা দেবেন।আবহাওয়ার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল থেকে জানানো হয়েছে, এই মুহূর্তে আবহাওয়া খারাপ হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। সেই রিপোর্ট পাওয়ার পরই দুপুরের বিমানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়।এদিন সকালে অবশ্য ভিন্ন ছবি দেখা গিয়েছিল। শেষ মুহূর্তে মুখ্যমন্ত্রীর বিমানযাত্রা বাতিল করা হয়। তখন খবর পাওয়া যায়, তিনি সড়কপথে অন্ডালের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন। কলকাতা বিমানবন্দর সূত্রেও জানানো হয়েছিল, নির্ধারিত বিমানে তিনি যাচ্ছেন না।সকাল থেকেই মুখ্যমন্ত্রীর সফর নিয়ে দুটি বিকল্প পরিকল্পনা রাখা হয়েছিল। একটি ছিল সড়কপথে যাওয়া, অন্যটি বিমানপথে। জানা গিয়েছিল, নির্ধারিত কাজ দ্রুত শেষ হলে তিনি সড়কপথে রওনা দিতে পারেন। সে ক্ষেত্রে বিকেল দুটো থেকে আড়াইটের মধ্যে বেরোনোর সম্ভাবনা ছিল। তবে কাজ শেষ হতে দেরি হলে এবং বিকেলের দিকে বেরোতে হলে বিমানপথে যাওয়ার পরিকল্পনা রাখা হয়েছিল।শেষ পর্যন্ত সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী বিমানেই অন্ডাল যাবেন। সকাল থেকে এই সফর ঘিরে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা কাটিয়ে অবশেষে নির্দিষ্ট সময়েই তাঁর যাত্রা নিশ্চিত হল।

মার্চ ২৭, ২০২৬
দেশ

রামনবমীতে অবিশ্বাস্য দৃশ্য! সূর্যের আলোয় জ্বলে উঠল রামলালার তিলক, চমকে গেল অযোধ্যা

রামনবমীর পুণ্য তিথিতে অযোধ্যায় এক বিরল দৃশ্যের সাক্ষী থাকলেন ভক্তরা। ঠিক দুপুর বারোটার সময় জয় শ্রীরাম ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে চারদিক। সেই সময়েই নবনির্মিত রাম মন্দির অযোধ্যা-র গর্ভগৃহে রামলালার কপালে এসে পড়ে সূর্যের উজ্জ্বল আলো। মুহূর্তের মধ্যে চন্দনের তিলক যেন জ্বলে ওঠে। প্রায় চার মিনিট ধরে এই দৃশ্য চলে, যা দেখে আবেগে ভেসে যান উপস্থিত ভক্তরা।এই সূর্য তিলক কেবল ধর্মীয় অনুভূতির বিষয় নয়, এর পেছনে রয়েছে আধুনিক বিজ্ঞানের প্রয়োগ। সিবিআরআই রুরকি এবং ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ অ্যাস্ট্রোফিজিক্স-এর বিজ্ঞানীরা যৌথভাবে এই প্রযুক্তি তৈরি করেছেন। আয়না ও লেন্সের সাহায্যে সূর্যের আলোকে বিশেষভাবে প্রতিফলিত করে মন্দিরের গর্ভগৃহে পৌঁছে দেওয়া হয়। সেই আলোর একটি নির্দিষ্ট বিন্দু রামলালার কপালে এসে পড়ে, যা দেখে মনে হচ্ছিল সূর্য যেন আশীর্বাদ করছেন।এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-ও। তিনি সরাসরি উপস্থিত থাকতে না পারলেও পর্দায় এই দৃশ্য দেখেন এবং হাত জোড় করে প্রার্থনা জানান। সারা দেশের কোটি কোটি মানুষও বিভিন্ন মাধ্যমে এই দৃশ্য দেখেছেন।ভোর থেকেই অযোধ্যায় উৎসবের পরিবেশ ছিল। সকাল পাঁচটা থেকেই মন্দিরের দরজা খুলে দেওয়া হয়। সরযূ নদী-তে স্নান করে ভক্তরা মন্দিরে প্রবেশ করেন। প্রশাসনের হিসেবে, এদিন দশ লক্ষেরও বেশি মানুষের ভিড় জমেছিল। সকালেই বিশেষ পূজার পর রামলালাকে সাজানো হয় এবং দুপুরে সূর্য তিলকের সময় নিবেদন করা হয় নানা রকম ভোগ।এই ঘটনা প্রমাণ করল, আধুনিক প্রযুক্তি ও প্রাচীন বিশ্বাস একসঙ্গে মিলেও নতুন অভিজ্ঞতা তৈরি করতে পারে। অযোধ্যার এই সূর্য তিলক শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, এটি বিশ্বাস ও বিজ্ঞানের এক অনন্য মিলন হিসেবে মনে রাখা হবে।

মার্চ ২৭, ২০২৬
বিদেশ

ক্ষেপণাস্ত্রে লেখা বার্তা ঘিরে চাঞ্চল্য! ভারতের উদ্দেশে ইরানের এই ধন্যবাদ কেন?

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেই সামনে এল এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা। ইরান থেকে ইজরায়েল-এর উদ্দেশে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্রে লেখা ছিল ভারতের জনগণের উদ্দেশে ধন্যবাদবার্তা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।জানা গিয়েছে, আমেরিকা ও ইজরায়েলের হামলার পর যে দেশগুলি তেহরানের পাশে দাঁড়িয়েছে, তাদের প্রতিই কৃতজ্ঞতা জানাতে এই পদক্ষেপ করেছে ইরান। ভারতের পাশাপাশি স্পেন, জার্মানি এবং পাকিস্তান-কেও ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে আমেরিকা এবং ইজরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালায়। সেই হামলায় তেহরান-সহ একাধিক এলাকা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই-র মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যায়। এরপরই পাল্টা হামলা শুরু করে ইরান। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন এলাকায় থাকা আমেরিকার সেনাঘাঁটি এবং ইজরায়েলকে লক্ষ্য করে একাধিক আক্রমণ চালানো হয়।এই পরিস্থিতিতে একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে, যদিও তার সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ইজরায়েলের দিকে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্রের গায়ে বন্ধু দেশগুলির উদ্দেশে বার্তা লিখছেন এক ইরানি সেনা। ভাইরাল ছবি ও ভিডিওতে দেখা যায়, ক্ষেপণাস্ত্রে ভারতের জনগণকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। একইভাবে জার্মানি, স্পেন এবং পাকিস্তানের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে।উল্লেখ্য, যুদ্ধের পরিস্থিতিতে ভারতের সঙ্গে ইরানের কূটনৈতিক যোগাযোগ বজায় রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর একাধিকবার ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলেছেন। ভারত সরাসরি কোনও পক্ষ না নিলেও বারবার শান্তির পক্ষে বার্তা দিয়েছে। পরে আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর মৃত্যুতেও শোকপ্রকাশ করে ভারত।অন্যদিকে, ইরানও সে দেশে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে এবং তাঁদের দেশে ফেরার ক্ষেত্রেও সাহায্য করেছে। পাশাপাশি জ্বালানি সংকটের মধ্যেও গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী ভারতের জন্য উন্মুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত নেয় তেহরান, যা দুই দেশের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করেছে।

মার্চ ২৭, ২০২৬
রাজ্য

আবার ফিরছে তাণ্ডব! ঝড়-বৃষ্টিতে কাঁপবে বাংলা, একাধিক জেলায় কমলা সতর্কতা

বৃহস্পতিবার বিকেলে খারাপ আবহাওয়ার জেরে হঠাৎই ঝড়-বৃষ্টির তাণ্ডব দেখেছিল রাজ্যবাসী। প্রবল ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির কারণে পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয়ে উঠেছিল যে মুখ্যমন্ত্রীর বিমান অবতরণ করতেও সমস্যায় পড়ে। সেই ঘটনার পর ফের একই রকম দুর্যোগের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়।আলিপুর আবহাওয়া দফতর আগেই জানিয়ে দিয়েছিল যে শুক্রবার থেকে রাজ্যে ঝড়-বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এবার একাধিক জেলার জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ফলে আগামী কয়েকদিন রাজ্যজুড়ে ঝড়-বৃষ্টি চলবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। রবিবার পর্যন্ত এই সতর্কতা জারি থাকবে।শুক্রবার পশ্চিমাঞ্চলের বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম ও আশপাশের এলাকায় কালবৈশাখীর জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। অন্যদিকে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে। দমকা হাওয়ার গতি ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। পাশাপাশি বজ্রপাতের আশঙ্কাও রয়েছে। কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টিও হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।উত্তরবঙ্গেও একই পরিস্থিতির সম্ভাবনা রয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি জেলায় দফায় দফায় বৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার ও শনিবার ওই সব এলাকায় ভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বিশেষ করে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার দমদম এলাকায় প্রায় পনেরো কিলোমিটার উঁচু উলম্ব মেঘ তৈরি হয়েছিল। তার জেরেই আচমকা ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয় এবং প্রায় এক ঘণ্টা ধরে তাণ্ডব চলে। প্রবল হাওয়ায় অনেক জায়গায় ক্ষয়ক্ষতির খবরও পাওয়া যায়। এবার সেই রকম পরিস্থিতি আবার তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে আগাম সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা।

মার্চ ২৭, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে মধ্যপ্রাচ্য! ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষে চাপা পড়ে মৃত্যু ভারতীয়ের

প্রায় এক মাস ধরে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ হয়ে উঠছে। আকাশে বারুদের গন্ধ, দিনরাত সাইরেনের শব্দ আর একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বহু এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। সাধারণ মানুষের জীবন সবচেয়ে বেশি বিপদের মুখে পড়েছে। ইতিমধ্যেই হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। এই যুদ্ধের প্রভাব থেকে রক্ষা পাননি ভারতীয়রাও। এবার ইরান ও আমেরিকার সংঘর্ষে আরও এক ভারতীয়র মৃত্যু হয়েছে।সম্প্রতি আবু ধাবি শহরে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষে চাপা পড়ে ওই ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়। স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মাঝ আকাশেই প্রতিহত করা হয়। পাল্টা ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে সেটিকে আটকানো সম্ভব হয়। তবে আকাশে দুই ক্ষেপণাস্ত্রের সংঘর্ষের পর তার ধ্বংসাবশেষ গিয়ে পড়ে সুয়েইহান স্ট্রিট এলাকায়। সেখানেই এই দুর্ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় মোট দুই জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে একজন ভারতীয় এবং অন্যজন পাকিস্তান-এর নাগরিক।ভারতীয় দূতাবাসের তরফে মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। শোক প্রকাশ করে জানানো হয়েছে, নিহত ব্যক্তির পরিবারের পাশে থাকার জন্য এবং প্রয়োজনীয় সাহায্য পৌঁছে দিতে সংযুক্ত আরব আমিরশাহী-এর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।পরে জর্ডন-এর বিদেশ মন্ত্রক হতাহতদের পরিচয় প্রকাশ করে জানায়, এই ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন, তাঁদের মধ্যেও একজন ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন। এখনও পর্যন্ত এই যুদ্ধে মোট সাতজন ভারতীয়র মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে এখন পর্যন্ত মোট এগারো জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। এর আগে মৃতের সংখ্যা ছিল নয়। সাম্প্রতিক হামলার পর সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এগারোতে। নিহতদের মধ্যে দেশের সশস্ত্র বাহিনীর তিনজন সদস্যও রয়েছেন। পাশাপাশি পাকিস্তান, নেপাল, বাংলাদেশ এবং প্যালেস্টাইনের নাগরিকরাও এই হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।সেদেশের বিদেশ মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, ইরানের আক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে আবু ধাবির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিপুল সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে। এর মধ্যে রয়েছে তিনশোরও বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, একাধিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং হাজারের বেশি ড্রোন হামলা। তবুও পরিস্থিতি এখনও অত্যন্ত উত্তপ্ত এবং অনিশ্চিত রয়ে গেছে।

মার্চ ২৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal