• ২ চৈত্র ১৪৩২, সোমবার ১৬ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Weather

রাজ্য

Weather: ঘূর্ণাবর্তের চোখরাঙানি, ভাসবে দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলা

ঘূর্ণিঝড় গুলাবের প্রভাব এ রাজ্যে তেমন পড়েনি। কিন্তু গুলাবের পিছুপিছু মঙ্গলবার রাজ্যে হাজির হচ্ছে একটি ঘূর্ণাবর্ত। যার জেরে মঙ্গলবার থেকেই গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। ঘূর্ণাবর্তের জেরে বুধবারও কলকাতা-সহ বিভিন্ন জেলায় চলবে বৃষ্টি। এই বৃষ্টির জেরে জলমগ্ন হতে পারে কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকা। গুলাব স্থলভাগে প্রবেশ করে শক্তি হারিয়েছে। তবে বঙ্গোপসাগরে চোখরাঙাচ্ছে ঘূর্ণাবর্ত। দক্ষিণবঙ্গে ফের দুর্যোগের সতর্কতা। আজ ও কাল কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। আরও পড়ুনঃ কয়েক ঘণ্টায় দক্ষিণের জেলাগুলোতে ধেয়ে আসছে বৃষ্টিমঙ্গলবার সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ দফায় দফায় বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণবঙ্গে। ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায়। ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, ঝাড়গ্রামে । বুধবারেও মেঘলা আকাশ থাকবে। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস বজ্রবিদ্যুৎ-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলায়। ভারী বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়ায়। বৃষ্টি চললেও বৃষ্টির পরিমাণ কমে যাবে। ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে। কলকাতা, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা ও পশ্চিম মেদিনীপুরে ৩০-৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। আগামী দু-তিন দিন গুজরাত, কোঙ্কন, গোয়া, মধ্য মহারাষ্ট্র, মারাঠাওয়াড়া, সৌরাষ্ট্র, কচ্ছ এবং ঝাড়খণ্ডে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।দুর্যোগের পরিস্থিতি সামাল দিতে তৈরি প্রশাসন। এ নিয়ে দক্ষিণবঙ্গ ও উপকূলবর্তী জেলার জেলাশাসকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন মুখ্যসচিব । পরিস্থিতি সামলাতে একাধিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জেলা, মহকুমা, পুরসভা ও ব্লক সদর দফতরে কন্ট্রোল রুম প্রস্তুত রয়েছে। প্রস্তুত টেলিকম দপ্তরও।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১
রাজ্য

Weather: কয়েক ঘণ্টায় দক্ষিণের জেলাগুলোতে ধেয়ে আসছে বৃষ্টি

প্রবল বেগে অন্ধ্র ও ওডিশা উপকূলে আছড়ে পড়েছে ঘূর্ণিঝড় গুলাব। সরাসরি না হলেও পশ্চিমবঙ্গে এর পরোক্ষ প্রভাব পড়বে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, গুলাব-এর ফলে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে দুর্যোগের ভ্রুকুটি অপেক্ষা করছে। বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে প্রবল।ইতিমধ্যেই সব রাজ্য সরকারি কর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত। ঘূর্ণিঝড় গুলাব ও জোড়া নিম্নচাপের জেরে লাল সতর্কতা জারি হয়েছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায়। গুলাবের জেরে দুর্যোগের আশঙ্কায়, কাঁচা বাড়িতে যারা থাকেন নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। প্রতিটি জেলা প্রশাসনকে। আরও পড়ুনঃ হর্ষল প্যাটেলের দুরন্ত হ্যাটট্রিকে প্লে অফের দিকে এগিয়ে গেল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সসোমবার হালকা ও মাঝারি দু-এক পশলা বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায়। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে ভারী বৃষ্টি হবে মঙ্গলবার দক্ষিণবঙ্গে দফায় দফায় বৃষ্টি হবে। ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়। ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, হাওড়া, হুগলি, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়াতে। ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে। বুধবার দু-এক পশলা বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে। বৃষ্টি চললেও বৃষ্টির পরিমাণ কমবে। পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রামে দু-এক পশলা ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। উত্তরবঙ্গে আপাতত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। দু-এক পশলা হালকা মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। দুর্যোগের সময়ে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে এমন বন্যাপ্রবণ এলাকার তালিকা তৈরি করতে বলা হয়েছে প্রশাসনকে। সেনাবাহিনী, এনডিআরএফ, এনসিসি, রেল, মেট্রো-সহ বিভিন্ন হাসপাতালে যোগাযোগের তালিকা তৈরি রাখতে বলা হয়েছে নোডাল অফিসারদের। ত্রাণ সামগ্রী, বোট, ত্রাণ শিবিরের জন্য ক্লাব, কমিউনিটি হল স্কুল দেখা রাখতে বলা হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
রাজ্য

Weather Emergency: দুর্যোগের আবহে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটি বাতিল সরকারি কর্মীদের

রাজ্যে সম্ভাব্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সর্বোচ্চ স্তরের প্রস্তুতি নিতে রাজ্য সরকার প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে সম্ভাব্য বিপর্যয় মোকাবিলায় একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে রাজ্যের যে তিন আসনে উপনির্বাচন রয়েছে, দুর্যোগের কারণে সেখানে ভোট পর্ব যাতে কোনওভাবেই ব্যাহত না হয়, তা দেখতে বলা হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য আগামী ৫ অক্টোবর পর্যন্ত সমস্ত রাজ্য সরকারের কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। আরও পড়ুনঃ মহামূর্তি ধারণ করে এগিয়ে আসছে জোড়া দুর্যোগ, আতঙ্কে বঙ্গবাসীমুখ্য সচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী আজ সম্ভাব্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলার প্রস্তুতি নিয়ে দক্ষিণবঙ্গের সব জেলার জেলাশাসক ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে বৈঠক করেন।সেখানে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় জমা জল বা ছেঁড়া তার থেকে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে দুর্ঘটনা এবং প্রাণহানি কমাতে সবরকম ব্যবস্থা করার তিনি নির্দেশ দিয়েছেন। এ ব্যাপারে প্রশাসন বা বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্থার কাজে গাফিলতি প্রমাণ হলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। শহরাঞ্চলে সব বাতিস্তম্ভ ফিডার বক্স গুলির অবস্থা খতিয়ে দেখে সে গুলোকে নিরাপদ করে তোলার জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্থাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গ্রামাঞ্চলেও দুর্যোগের সময় ওভারহেড তার ছিড়ে দুর্ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে মুখ্য সচিব জেলাশাসকদের নির্দেশ দেন মুখ্যসচিব। পাশাপাশি ঝড় বৃষ্টির সময় বা জল জমে থাকলে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহারে কি কি সর্তকতা প্রয়োজন তা নিয়ে এইসময় নিরন্তর প্রচার চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নবান্নে খোলা হয়েছে ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম।যে কোনও সমস্যায় টোল ফ্রি নম্বর ১০৭০ তে যোগাযোগ করা যাবে বলে জানানো হয়েছে।কলকাতায় পুলিশ, পুরসভা , সিইএসসি, দমকল, পূর্ত দপ্তরের যৌথ ইউনিফায়েড কমান্ড তৈরি করা হয়েছে। পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর একাধিক দল শহরে মোতায়েন থাকবে। ভবানীপুর একবালপুর কালীঘাট-সহ শহরের মোট পাঁচ জায়গায় বাইশটি দল মোতায়েন থাকবে। এর পাশাপাশি ভারী বৃষ্টিতে শহরের বিপজ্জনক বাড়িগুলি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা থাকায় ওই সব বাড়ির বাসিন্দাদের নিরাপদ জায়গায় সরে যেতে অনুরোধ করা হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
রাজ্য

Weather: মহামূর্তি ধারণ করে এগিয়ে আসছে জোড়া দুর্যোগ, আতঙ্কে বঙ্গবাসী

বঙ্গের আকাশ থেকে দুর্যোগের মেঘ যেন কিছুতেই কাটছেই না। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া গভীর নিম্নচাপ গত ১২ ঘণ্টায় আরও শক্তি বাড়িয়ে অতি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। রবিবারই তা ওডিশা উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। এদিকে আজই পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরে আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবারের মধ্যে তা ওডিশা ও বাংলার মধ্যে দিয়ে স্থলভাগে আঘাত করতে পারে। এই জোড়া ফলায় রবিবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।আরও পড়ুনঃ ডিসি সাউথের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ প্রিয়াঙ্কারনিম্নচাপ ও ঘূর্ণাবর্তের জেরে আবারও ভাসতে পারে বাংলা। বিশেষ করে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির বরাতে মহালয়ার আগে যে যথেষ্ট দুর্ভোগ অপেক্ষা করছে, তা হাওয়া অফিসের সতর্কবার্তায় স্পষ্ট। সোমবার থেকে বুধবারের মধ্যে প্রবল বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। একাধিক জেলায় বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়ায় বিপর্যস্ত হতে পারে জনজীবন। যে সমস্ত এলাকা নিচু, তা প্লাবিত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে। নদীও উত্তাল হবে এ সময়। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, রবিবার থেকেই উপকূল লাগোয়া জেলা অর্থাৎ দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া উত্তর ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া ও হুগলিতেও রবিবার থেকেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। কলকাতায় বৃষ্টি বাড়বে মঙ্গলবার। সে দিন শহরে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শুধু কলকাতা নয়, মঙ্গলবার থেকে দুই মেদিনীপুর, দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম-সহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ভারী বৃষ্টি হবে বলেই জানিয়েছেন আবহবিদরা। বুধবারেও পশ্চিমের জেলাগুলিতে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। তবে এদিন থেকে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাতে বৃষ্টির পরিমাণ কমবে। সে ক্ষেত্রে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকছে। তবে আপাতত এই বিপদ থেকে মুক্ত উত্তরবঙ্গ।আরও পড়ুনঃ বঙ্গে দুর্যোগের আগাম লাল সতর্কতা জারি নবান্নরএই পরিস্থিতিতে শনিবার থেকে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে মাছ ধরতে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে আলিপুর। যে মৎস্যজীবীরা ইতিমধ্যে চলে গিয়েছেন, তাঁদের শনিবারের মধ্যে ফিরে আসার কথা বলা হয়েছে।শুক্রবার দুপুর থেকেই চালু হয়ে গিয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য তৈরি হওয়া এই কেন্দ্র। যাতে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় রেখে একসঙ্গে কাজ করা যায় তার জন্য ওই কেন্দ্রে পুলিশ, পুরসভা, এনডিআরএফ, দমকল, সিইএসসি এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর কর্তারা থাকবেন বলে খবর।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
রাজ্য

Weather: এখনই নিস্তার নেই, শক্তি আরও বাড়াচ্ছে জোড়া ঘূর্ণাবর্ত

বুধবার সন্ধ্যার পর থেকে বৃষ্টি কমেছে কলকাতায়। বৃহস্পতিবারও দুএক পশলা বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। কিন্তু দুর্যোগ থেকে এখনই নিস্তার নেই শহরবাসীর। ইতিমধ্যেই বঙ্গোপসাগরের উপরে তৈরি হয়েছে একটি ঘূর্ণাবর্ত। আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই জোড়া ফলায় শনিবার থেকে ফের কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে প্রবল বৃষ্টি হতে পারে। ফলে শুধু কলকাতা নয় দক্ষিণের অনেক জেলায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেই আশঙ্কা।আরও পড়ুনঃ বঙ্গে দুর্যোগের আগাম লাল সতর্কতা জারি নবান্নরআলিপুর জানিয়েছে, মায়ানমার উপকূলে অবস্থান করছে একটি ঘূর্ণাবর্ত। সেটি বঙ্গোপসাগরের উপর দিয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোচ্ছে। শুক্রবার সন্ধ্যার মধ্যে সেটি শক্তি বাড়িয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়ে স্থলভাগের দিকে আসবে বলে জানাচ্ছেন আবহবিদরা। এখনও পর্যন্ত তার গতিমুখ ওডিশার দিকে রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে নিম্নচাপের প্রভাব পড়বে বাংলার উপরেও। সেই সঙ্গে মধ্য বঙ্গোপসাগরে আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেটি ক্রমে বাংলা ও ওডিশা উপকূলের দিকে অগ্রসর হবে। এই দুই ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে শনিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হবে বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। কলকাতা ছাড়া দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলিতেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।কলকাতা-সহ রাজ্যের বিস্তীর্ণ এলাকা এখনও জলমগ্ন। বানভাসি পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায়। এদিকে এখনও বাংলার জন্য খুব ভালো খবর শোনাচ্ছে না আবহাওয়া দপ্তর। বরং সপ্তাহশেষের জন্য রয়েছে অশনি সংকেত। যার জেরে বানভাসি দক্ষিণবঙ্গ ইতিমধ্যেই দেখছে সিঁদুরে মেঘ। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবারও আকাশ পরিষ্কার হচ্ছে না দক্ষিণবঙ্গে। এই মুহূর্তে নিম্নচাপ দক্ষিণ-পূর্ব ঝাড়খণ্ডের কাছাকাছি অবস্থান করছে। সেই সঙ্গেই মৌসুমী অক্ষরেখা নিম্নচাপ কেন্দ্র দক্ষিণ-পূর্ব ঝাড়খণ্ড থেকে বালেশ্বর হয়ে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Nabanna Red Alert: বঙ্গে দুর্যোগের আগাম লাল সতর্কতা জারি নবান্নর

এক দুর্যোগ কাটতে না কাটতেই আরও বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা। বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ পিছু ছাড়ছে না। যে কারণে নতুন করে সপ্তাহান্তে আবারও বৃষ্টি বাড়বে। আবহাওয়া দপ্তরের এই পূর্বাভাসের পরই নবান্নর পক্ষ থেকে লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সূত্র জানাচ্ছে, মঙ্গলবার জেলা প্রশাসনের সঙ্গে এক বৈঠকের পরই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। মূলত দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির ক্ষেত্রে লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। নবান্নে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ দিন মুখ্যসচিব জেলাশাসকদের নির্দেশ দেন ত্রাণ সামগ্রী তৈরি রাখার জন্য।মুখ্যসচিব বুধবার ভিডিও কনফারন্সের মাধ্যমে বিভিন্ন জেলার জেলাশাসক ও পুলিশ সুপার, সেচ এবং বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা বিভাগের আধিকারিকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন। চলতি সপ্তাহের শেষে ঘূর্ণাবর্তের কারণে আবারও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় সব জেলা প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রী মজুদ রাখার পাশাপাশি তিনি উপকূলবর্তী জেলার মানুষদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে। ভবানীপুর-সহ ভোট মুখী এবলাকায় দুর্যোগের মোকাবিলায় বিশেষ প্রস্তুতি রাখারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।আরও পড়ুনঃ আলাদা ভাবে খুনের মামলা রুজু করে বর্ধমানের বিজেপি কর্মীর মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করলো সিবিআইএছাড়াও এই বৈঠকে একাধিক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।কলকাতা-সহ শহরতলিতেও জল জমার সমস্যা নিয়েও আলোচনা হয় বৈঠকে। পুরসভার দ্রুত জল বার করতে কি ব্যবস্থা নিচ্ছে সে ব্যপারেও জানতে চান মুখ্য সচিব।প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, একাধিক নদী বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। প্রবল জলের স্রোতের কারণে মেদিনীপুরে বেশ কয়েকটি বাঁধ ভেঙেছে। যার জেরে পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুরের একাধিক অংশে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এরমধ্যে আরও বৃষ্টি হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা প্রশাসনের কর্তাদের। যদিও পুরো পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন আধিকারিকরা। আগামী ২৬ তারিখ অর্থাৎ সোমবার থেকে প্রবল বর্ষণের সর্তকতা জারি করা হয়েছে।অন্যদিকে নবান্নে চালু হয়েছে ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম। সেখান থেকে গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। আরও বৃষ্টি হলে কীভাবে মোকাবিলা হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, এখনও দুর্যোগ শেষ হয়নি। সপ্তাহের শেষে বঙ্গোপসাগরের উপরে জোড়া ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হবে। দিনের এই বৈঠকে এই সমস্ত বিষয়গুলি নিয়েই আলোচনা করেন মুখ্যসচিব।বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর সূত্রে খবর ইতিমধ্যে ৫৭৭ টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। সেখানে কমপক্ষে ৮০ হাজার মানুষকে শিবিরে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। ১ লক্ষ ৪১ হাজার মানুষকে সরানো হয়েছে নিরাপদ স্থানে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১
রাজ্য

Weather: ভোর থেকে ফের বৃষ্টি, সপ্তাহান্তে ফের ঘূর্ণাবর্ত সৃষ্টির সম্ভাবনা

গত দুদিনের মতো বুধবারও মেঘাচ্ছন্নই থাকবে কলকাতার আকাশ। ভোর থেকেই বিক্ষিপ্ত কয়েক পশলা বৃষ্টি হয়েছে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে। বুধবার সারা দিন জুড়েই আবহাওয়া অনেকটা এ রকমই থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। মেঘলা আকাশের পাশাপাশি হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘুর্ণাবর্ত এবং গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে মৌসুমী অক্ষরেখার জেরে গত কদিন ধরে বৃষ্টি হচ্ছে। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, কলকাতার পাশাপাশি বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলাতেও। সোমবার সৃষ্ট নিম্নচাপটি এই মুহূর্তে দক্ষিণবঙ্গ ও ওডিশা উপকূলে রয়েছে। ধীরে ধীরে তা উত্তর ওডিশা ও ঝাড়খণ্ডের দিকে এগোচ্ছে। এই নিম্নচাপের ফলে ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া ও দুই মেদিনীপুরে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বাকি জেলা, হাওড়া, পুরুলিয়া ও পশ্চিম বর্ধমানের ভারী বৃষ্টি হতে পারে। আরও পড়ুনঃ মুখ থেঁতলানো মহিলার পরিচয় মিলল, খুনির খোঁজে পুলিশএদিকে শনিবার থেকে ফের এক ঘূর্ণাবর্ত সৃষ্টির সম্ভাবনা। ফলে সপ্তাহান্তে ফের দুর্যোগের পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে। উপকূলের জেলাগুলিতে বাড়তে পারে বৃষ্টি। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, ২৫ তারিখে উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্তের সৃষ্টি হতে পারে। এর ফলে উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে হাওড়া, হুগলি, ঝাড়গ্রাম ও দুই মেদিনীপুরে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার গোটা দক্ষিণবঙ্গে বাড়তে পারে বৃষ্টির পরিমাণ।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী শনিবার পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্তের সৃষ্টি হতে পারে। তবে সেই ঘূর্ণাবর্ত শক্তি হারিয়ে নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। এখন এই ঘূর্ণাবর্তের অভিমুখ বদল হয়ে যদি তা উত্তরপশ্চিম থেকে সরে এসে ওডিশা উপকূলের দিকে হয় তাহলে তা পশ্চিমবঙ্গের দিকে আসতে পারে কি না সেটাই দেখার। পশ্চিমবঙ্গের দিকে যদি এর অভিমুখ হয় তাহলে উপকূলবর্তী দুই জেলা অর্থাৎ দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ওডিশা থেকে ঘূর্ণাবর্তের অভিমুখ যদি অন্য দিকে ঘুরে যায়, সেক্ষেত্রে আমরা বৃষ্টি থেকে রেহাই পেতে পারি। সবটাই নির্ভর করছে ঘূর্ণাবর্ত সৃষ্টি ও তার গতিপ্রকৃতির উপরে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১
রাজ্য

Weather: এখনই নেই রেহাই, আজও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা

এখনই রেহাই নেই বৃষ্টির হাত থেকে। আজও দিনভর চলবে বৃষ্টি। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় চলবে টানা বৃষ্টি। এমনটাই পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, সোমবারের ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। যার অবস্থান গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের ওপর। এছাড়া মৌসুমী অক্ষরেখা গয়া থেকে কলকাতার ওপর দিয়ে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। এর ফলে বৃষ্টি চলবে। এই জোড়া ফলায় দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলাতে মঙ্গলবারও বৃষ্টি চলবে। তবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। সঙ্গে রয়েছে বজ্রপাতেরও সতর্কতা। আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, মঙ্গলবার বৃষ্টি হতে পারে হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানে। আজ বৃষ্টি বাড়বে পশ্চিমের জেলাগুলিতে। অর্থাৎ বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুরে বৃষ্টি বাড়বে। বৃষ্টি বাড়বে দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে দুই মেদিনীপুরে।আরও পড়ুনঃ কি কি কারণে বিজেপির রাজ্য সভাপতি হলেন সুকান্ত মজুমদার? দুর্ভোগের অন্ত নেই। নিম্নচাপের পিছনেই আরও একটি নিম্নচাপের কারণে এই সমস্যা। তবে আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, কলকাতায় আজ বৃষ্টির পরিমাণ কমবে। বিক্ষিপ্তভাবে ভারি বৃষ্টি হতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হালকা মাঝারি বৃষ্টি হবে। আজ সকালে কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিক এর থেকে ৭ ডিগ্রি কম। আজ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৬. ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন ২৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। এদিকে নীচু এলাকায় জল জমার সম্ভাবনাও রয়েছে অতিরিক্ত পরিমাণে। ইতিমধ্যেই কলকাতায় ঠনঠনিয়া, বেলগাছিয়া, বেহালা ফ্লাইং ক্লাব, আমহার্স্ট স্ট্রিট এলাকা জলমগ্ন।সোমবার কার্যত সারা দিনই পাম্প চালিয়ে জল গঙ্গায় ফেলা হয়েছে। তবে যেসব এলাকায় কর্মীদের দিয়ে পাম্প চালিয়ে জল বের করার চেষ্টা চলছিল, সেখানে রাত হতেই সেই কাজটা বন্ধ। কারণ ভারী বর্ষণে পাম্প করে খালের জল ফেলা সম্ভব হচ্ছে না বলেই পুরসভা সূত্রে খবর। লকগেটগুলো বন্ধ করে দেওয়ার ফলে জল জমার প্রবণতা আরও বেশি দেখা যাচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
রাজ্য

Heavy Rain: রাতভর তুমুল বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি, জারি দুর্যোগের সতর্কবার্তা

রাতভর প্রবল বৃষ্টিতে জেরবার দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা।সঙ্গে জলযন্ত্রণার পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে৷ তুমুল বৃষ্টির জেরে জল জমেছে শহর ও শহরতলীতে৷ আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে ঘূর্ণাবর্ত। মায়ানমার সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে এর অবস্থান। ফলে বাড়ছে বৃষ্টির দাপট৷ গভীর নিম্নচাপ পরিণত হয়েছে সুস্পষ্ট নিম্নচাপে৷ ফলে বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে। রাতভর বৃষ্টি হওয়ায় শহরের বেশ কিছু অংশে জল জমে গিয়েছে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলাগুলিতে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ অনেকটাই বেশি, জানা গিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে। এদিকে, আগামী দুঘণ্টার মধ্যে ঝাঁপিয়ে বৃষ্টি নামছে দক্ষিণবঙ্গের চার জেলায়। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের সকাল সাড়ে ৭টার বুলেটিন অনুযায়ী, কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় মুষুলধারে বৃষ্টি হবে। ভারী বৃষ্টি হবে পশ্চিম মেদিনীপুরেও। আগামী ২৪ ঘণ্টায় কলকাতার আকাশ মেঘলা থাকবে। বৃষ্টি হবে কলকাতায়। কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় বৃষ্টি হয়েছে ১১৭ মিমি।আরও পড়ুনঃ কাটোয়া হাসপাতালে বৃদ্ধ রোগীর বেনজির তান্ডব, ভেঙে চুরমার লক্ষ লক্ষ টাকার চিকিৎসা সামগ্রীনদীর জলস্তর বাড়বে বলে জানানো হয়েছে আবহাওয়া দপ্তরের পক্ষ থেকে। নীচু এলাকাগুলিতে জল জমার সম্ভাবনাও রয়েছে অতিরিক্ত পরিমাণে। ইতিমধ্যেই কলকাতায় ঠনঠনিয়া, বেলগাছিয়া, বেহালা ফ্লাইং ক্লাব, আমহার্স্ট স্ট্রিট এলাকা জলমগ্ন। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, কলকাতার ৭টি জায়গায় ১০০ মিমির বেশি বৃষ্টি হয়েছে। বেড়েছে গঙ্গার জলস্তরও। নিম্নচাপের পিছনেই আরও একটি নিম্নচাপের আশঙ্কা। ইতিমধ্যে পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুর ও পটাশপুর এলাকার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে নদী বাঁধ ভেঙে বিপাকে পড়েছে প্রায় কুড়ি হাজার পরিবার। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় সত্তর হাজার পরিবার। ফের বৃষ্টির পূর্বাভাসে কপালে চিন্তার ভাঁজ প্রশাসনের। ইতিমধ্যে সরকারি নির্দেশ মেনে উদ্ধারকার্যে নেমেছে এনডিআরঅফ টিম। চলছে জলমগ্ন এলাকা থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্ধারের কাজ। কয়েকটি এলাকায় ত্রাণ-ও পৌঁছে গিয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। যাঁরা গিয়েছেন, তাঁদের ইতিমধ্যেই ফেরত আসার জন্য বলা হয়েছে। বজ্রপাতের সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
রাজ্য

Weather: ফের ঘূর্ণাবর্তের জেরে সপ্তাহান্তে ভারী বৃষ্টিতে ভিজছে শহর

ফের ঘূর্ণাবর্তের চোখ রাঙানি। হা্ওয়া অফিস আগেই জানিয়েছিল, শনিবার ও রবিবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে একাধিক জেলায়। মায়ানমার উপকূলে ঘূর্ণাবর্তের জেরে এই ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে আভাস হাওয়া অফিসের। পূর্বাভাস অনুসারে, শনিবার সকাল থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে বৃষ্টি। সকালের দিকে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হলেও বেলা গড়াতেই মেঘের ঘনঘটার মধ্যেই বৃষ্টিপাত শুরু হয়ে গিয়েছে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে এই ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। যা আরও কিছুটা এগিয়ে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করবে। উত্তর ওডিশা ও বাংলা উপকূলে এর প্রভাব বেশি থাকবে। মৌসুমী অক্ষরেখা জামশেদপুরের পর দীঘা হয়ে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। ফলে শনিবার রাজ্যের প্রায় সমস্ত জেলাতেই দিনভর মেঘলা বা আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে।আরও পড়ুনঃ প্যান-আধার লিঙ্ক হয়নি? আপনার জন্য স্বস্তির খবরমায়ানমার লাগোয়া বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। যা ধীরে ধীরে বাংলা-ওডিশা উপকূলের দিকে সরে আসছে। এর প্রভাবে শুক্রবার থেকেই বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। শনিবার মূলত পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়ায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছিল। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ারেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।রবিবার ভারী বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং নদিয়া জেলায়। সোমবার ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি এবং নদিয়ায়। যদিও শনিবার সকাল থেকে উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। অন্যদিকে কলকাতাতেও সকাল থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে। একটানা ভারী বৃষ্টি না হলেও, কখনও মুষলধারায় আবার কখনও ঝির ঝির বৃষ্টিতে ভিজছে শহর।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
রাজ্য

Rain: ভাদ্রের আকাশে শ্রাবণের ধারা, সকাল থেকে ভিজছে শহর থেকে জেলা

ভাদ্রের আকাশে শ্রাবণের ঘনঘটা। মঙ্গলবার ভোর থেকেই মেঘাচ্ছন্ন কলকাতার আকাশ। সেই সঙ্গে দফায় দফায় চলছে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত। বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত হওয়া নিম্নচাপের জেরে সোমবার থেকেই বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত হচ্ছে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হচ্ছে, আজ সারাদিন চলবে এই বৃষ্টি।We are extremely pleased to nominate @SushmitaDevAITC to the Upper House of the Parliament.@MamataOfficials vision to empower women and ensure their maximum participation in politics shall help our society to achieve much more! All India Trinamool Congress (@AITCofficial) September 14, 2021এদিন সূর্যের দেখা নাও পেতে পারেন কলকাতাবাসী। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। সোমবারের মতো না হলেও ঝোড়ো হাওয়া মঙ্গলবারও বইছে। তার সঙ্গে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি চলতে পারে সারাদিন। কলকাতা ছাড়াও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রামেও চলবে বৃষ্টি। দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাতেও সকাল থেকে আকাশের মুখ ভার রয়েছে। নিম্নচাপের জেরে সমুদ্র উত্তাল থাকবে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে না যাওয়ারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এখনই বৃষ্টির থেকে মুক্তি পাচ্ছে না বাংলা। বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ পরিণত হয়েছে গভীর নিম্নচাপে। মঙ্গলবারও ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ৭০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে রাজ্যের উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে। বৃষ্টি-ঝড় মাথায় নিয়েই আজ দিন কাটবে শহরবাসীর। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে ভারী বৃষ্টিতে ভাসবে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের একাধিক এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাসও রয়েছে।আরও পড়ুনঃ তৃতীয় ঢেউয়ের সংক্রামণের রাশ টানতে ভিক্টোরিয়ায় বড়দিন পর্যন্ত লকডাউনের ঘোষণাসকাল থেকে বৃষ্টির জেরে কলকাতায় বিক্ষিপ্ত জল জমার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মঙ্গলবার তাপমাত্রা ২৬ থেকে ৩০ ডিগ্রির আশপাশেই থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।আরও পড়ুনঃ মনোনয়ন জমা প্রিয়াঙ্কার, হুংকার শুভেন্দুর

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
রাজ্য

Weather: ফের দুর্যোগের মেঘ ঘনিয়েছে দক্ষিণবঙ্গে

ফের দুর্যোগের মেঘ দক্ষিণবঙ্গের উপরে। পূর্বাভাস ছিই। জারি হয়েছে কমলা সতর্কতাও। এরইমধ্যে উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগর থেকে চাঁদবালির কাছে ওডিশার স্থলভাগে প্রবেশ করেছে গভীর নিম্নচাপ। এটি ক্রমশ পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে উত্তর ওডিশা ও উত্তর ছত্রিশগড়ের দিকে যাবে। এর জেরে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ঝোড়ো হাওয়া, ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। রবিবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া বইতে শুরু করেছে। সোমবার সকাল থেকেই ক্ষণে ক্ষণে কালো মেঘের ঘনঘটার মধ্যে ঝোড়ো হাওয়া বইতে শুরু করেছে। আরও পড়ুনঃ নিহতের বাবার আশঙ্কাই সত্যি, তৃণমূল নেতাকে খুনের ঘটনার গ্রেপ্তার দলেরই তিন কর্মীকলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় আজ আকাশ মেঘলাই থাকবে। দফায় দফায় চলবে ঝোড়ো হাওয়া ও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি। দুই এক পশলা ভারী বৃষ্টিও হতে পারে। ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণবঙ্গের উপকূলীয় জেল- দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে ৫০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা এবং হাওড়া জেলায়।ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে। মঙ্গলবারেও আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিরও পূর্বাভাস রয়েছে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে বৃষ্টির পরিমাণ বেশি হবে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে দু-এক পশলা বৃষ্টিও হতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলায় বৃষ্টির পরিমাণ কমবে কাল থেকে। বুধবার থেকে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আবহাওয়াবিদদের ধারণা।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১
রাজ্য

Weather: ফের নিম্নচাপের ভ্রুকুটি, চলবে দফায় দফায় বৃষ্টিপাত

নিম্মচাপের জেরে বৃষ্টির পূর্বাভাস ছিলই। সোমবার থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে দফায় দফায় বৃষ্টিপাত। আবারও নিম্নচাপ। আর তার জেরে দক্ষিণবঙ্গে নিম্নচাপের ভ্রূকুটি। আজ, মঙ্গলবারও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়। দক্ষিণবঙ্গের উপকূলের জেলাগুলিতে বৃষ্টি হবে। পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। উপকূলবর্তী এলাকা, দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বৃষ্টি বাড়বে বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। মঙ্গলবার বেশ কয়েকটি জেলায় ভারী ও বজ্র বিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।উপকূলের ৩ জেলা উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। এছাড়াও ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর , হাওড়া, হুগলি ও নদিয়াতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। মঙ্গলবারে বেশি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছিল হাওয়া অফিস। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে বেশ কয়েকটি। দক্ষিণে কচ্ছ মরাঠাওয়াড়া এবং উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। এর প্রভাবে নিম্নচাপ তৈরির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। মৌসুমী অক্ষরেখা জামশেদপুর ও বালাসোর এর ওপর দিয়ে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। আগামী রবিবার আরও একটি নিম্নচাপ তৈরি হবে বঙ্গোপসাগরে। আরও পড়ুনঃ ওভালে জিতে ইতিহাস কোহলিদের, সিরিজ জয়ের হাতছানিবজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে মালদা ও উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরের। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় উত্তরবঙ্গে দু-এক পশলা ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে দু-এক পশলা ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বিক্ষিপ্তভাবে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে আলিপুরদুয়ারের দু এক জায়গায়। মঙ্গলবার দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদাতে কয়েক-পশলা ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। মৎস্যজীবীদের জন্য নিষেধাজ্ঞা রয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের। যাঁরা সমুদ্রের গভীরে মাছ ধরতে গিয়েছেন, তাঁদের রবিবার রাতের মধ্যে ফিরে আসতে নির্দেশ দিয়েছিল আবহাওয়া দপ্তর । পাশাপাশি প্রবল বৃষ্টির সময়ে মাঠে যাতে কেউ কাজ না করেন, সে ব্যাপারেও পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন। বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে। সেক্ষেত্রে বৃষ্টির সময়ে খুব প্রয়োজন না হলে বাড়ির বাইরে না বেরনোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। খোলা আকাশের নীচে কিংবা গাছ বা টিন-কাঁচা শেডের নীচে আশ্রয় না নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে প্রশাসনের তরফে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২১
রাজ্য

Weather: ভ্যাপসা গরম থেকে মুক্তি দিতে আসছে ঝাপিয়ে বৃষ্টি

দক্ষিণবঙ্গে প্রবল বৃষ্টি না হলেও আজ বজ্রবিদ্যুৎ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এর পাশাপাশি বাড়বে তাপমাত্রা ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া। উত্তরবঙ্গে রয়েছে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা।ইতিমধ্যেই জারি করা হয়েছে কমলা সতর্কতা। আলিপুর হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, মহানগরের আকাশ আংশিক মেঘলাই থাকবে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায়। আজ দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি বেশি। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৭.৭ ডিগ্রির আশেপাশে। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯২ শতাংশ, ন্যূনতম ৬৬ শতাংশ।আরও পড়ুনঃ করোনা নিয়ে সুখবর শোনালেন হু-র প্রধান বিজ্ঞানীআবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, মৌসুমী অক্ষরেখা রাজস্থান থেকে গোরক্ষপুর ও পুর্ণিয়া হয়ে অসম পর্যন্ত বিস্তৃত। তার প্রভাবেই উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, মালদা, দুই দিনাজপুরে৷ এছাড়াও, উত্তরাখণ্ডে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। মেঘালয়ে হতে পারে প্রবল বৃষ্টিপাত। এছাড়াও সিকিম, বিহারেও রয়েছে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে মৌসম ভবন। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, শক্তিশালী দক্ষিণা বায়ু কিংবা দক্ষিণ পশ্চিমা বায়ু বঙ্গোপসাগর থেকে যাচ্ছে একেবারে উত্তর-পূর্বে। এই সক্রিয়তা বজায় থাকবে আগামী ২৫ অগস্ট পর্যন্ত।আরও পড়ুনঃ লক্ষীর ভাণ্ডার প্রকল্পে আবেদনকারী বাংলার মহিলাদের ভিখারি বললেন দিলীপ ঘোষঅন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গে গরম বাড়ছে, বাড়ছে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি। আগামী ২৪ ঘণ্টায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ দু-এক পশলা বৃষ্টি হতে পারে বিক্ষিপ্তভাবে। আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে।বৃহস্পতিবার বৃষ্টি কিছুটা বাড়বে দক্ষিণবঙ্গে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ দু-এক পশলা বৃষ্টির সম্ভাবনা দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। ভারী বৃষ্টি হবে পশ্চিমের বেশকিছু জেলাতে। বাঁকুড়া, বীরভূম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানের দু-এক পশলা ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা।

আগস্ট ২৫, ২০২১
রাজ্য

Rain: কেন সকাল থেকে ভিজছে শহর? জানাল হাওয়া অফিস

আবহাওয়া দপ্তরের পূর্ব ঘোষণা মতোই কলকাতায় শুরু হয়েছে বৃষ্টি। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং কলকাতায় দফায় দফায় বৃষ্টি হয়। বুধবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে আপেক্ষিক আর্দ্রতা জন্য অস্বস্তি শুরু হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত সেই অবস্থা থাকার পর বৃষ্টি হয়। যদিও তাতে পরিস্থিতির তেমন পরিবর্তন হয়নি।মৌসুমী অক্ষরেখার প্রভাব রয়েছে উত্তরবঙ্গে। গোরক্ষপুর থেকে পাটনা হয়ে অরুণাচলপ্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত মৌসুমী অক্ষরেখা। বিহারের রয়েছে ঘূর্ণাবর্ত। তার প্রভাবে এই বৃষ্টি চলবে।আরও পড়ুনঃ দ্বিতীয় পক্ষের স্বামীর বাড়িতে রহস্য মৃত্যু বধূরবৃহস্পতিবার সকাল থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন অংশে। কোচবিহারে সকাল থেকে শুরু হয়েছে ভারী বৃষ্টি। মালদায় গঙ্গা বইছে বিপদসীমার উপর দিয়ে। বৃষ্টি শুরু হওয়ায় প্রশাসনের তরফ থেকে জারি করা হয়েছে সতর্কতা। মানিকচক এলাকায় গঙ্গার জল হুহু করে ঢুকছে গ্রামে। দক্ষিণবঙ্গের পর উত্তরেও বৃষ্টির দাপট বাড়তে থাকায় তৈরি হয়েছে বন্যা পরিস্থিতি। পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে প্রশাসনের তরফ থেকে।আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রীয় সরকারের বিশেষ মেডেল পাচ্ছেন বঙ্গের ৪ পুলিশ অফিসারআবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুসারে, আগামী ২৪ ঘণ্টা কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় থাকবে মেঘলা আকাশ। এই সময়ে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বেশ কয়েক দফায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। এই সময়ে কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আগস্ট ১২, ২০২১
রাজ্য

Weather: ১৫ জেলায় সারাদিন চলবে বৃষ্টি

রবিবার সকাল থেকেই আকাশের মুখ ভার। কলকাতা-সহ বেশ কিছু জেলায় ইতিমধ্যেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের ১৫টি জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত চলবে।ভারী বৃষ্টি না হলেও বজগর্ভ মেঘ সঞ্চার করে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলবে দিনভর। গাঙ্গেয় পশ্চিম বঙ্গের উপর প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প রয়েছে সেই কারণেই এই বৃষ্টি।আরও পড়ুনঃ বিজেপির সিলেবাস থেকে বাদ পড়লেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী! কেন?কলকাতা ছাড়াও বৃষ্টি হবে দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ায়। অন্যদিকে আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারের দুএক জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। বৃষ্টি হলেও গরম খুব একটা কমার সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে আলিপুর। মৌসুমী অক্ষরেখা এবং ঘূর্ণাবর্তের কারণে গত কয়েক দিন ধরেই বৃষ্টি বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হচ্ছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায়। আলিপুর জানিয়েছে, সোমবার থেকে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে।

আগস্ট ০৮, ২০২১
রাজ্য

Weather: শনিবার দিনভর দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস

শনিবারও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের অনেক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। সারাদিন মেঘাচ্ছন্ন থাকবে আকাশ। রবিবার থেকে আবহাওয়ার উন্নতি হবে বলে জানিয়েছে আলিপুর।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টা এই আবহাওয়া বজায় থাকবে। কলকাতা ছাড়াও দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ ও বীরভূম জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে বৃষ্টি হলেও অবশ্য গরম খুব একটা কমার সম্ভাবনা নেই। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। অন্য দিকে গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৪ শতাংশ ও সর্বনিম্ন পরিমাণ ৬৫ শতাংশ। আলিপুর জানিয়েছে, ঘূর্ণাবর্ত ও মৌসুমী অক্ষরেখার কারণে চলতি সপ্তাহে বুধবার থেকে চলছে বৃষ্টি। ইতিমধ্যেই হাওড়ার উদয়নারায়ণপুর, আমতা, পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল, হুগলির খানাকুলে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। অনেক বাসিন্দাকে ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিতে হয়েছে। তবে ওই এলাকায় আর নতুন করে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে আলিপুর।আরও পড়ুনঃ রাজ্যকে বন্যা খোঁচা দিলীপেরবঙ্গোপসাগরের উপরে যে ঘূর্ণাবর্ত ছিল তা কেটে গেলেও গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে এখনও জলীয় বাষ্প রয়েছে। সে কারণেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টিপাত চলবে। তবে ভারী বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই। টানা বৃষ্টির সম্ভাবনাও ক্ষীণ। দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ার পরিমাণও আরও কিছুটা কমানো হয়েছে। বর্তমানে সেখান থেকে ৩৩১০০ কিউসেক জল ছাড়া হচ্ছে। অন্যদিকে মাইথন ও পাঞ্চেত জলাধার থেকে মিলিত ভাবে ২৯০০০ হাজার কিউসেক জল ছাড়ছে ডিভিসি।

আগস্ট ০৭, ২০২১
রাজ্য

Weather: সকালেই বঙ্গের আকাশে নামল সন্ধ্যের আঁধার

শুক্রবারও সকাল থেকেই আকাশের মুখভার। চারিদিকে ঘনীয়ে আসে ঘন কালো মেঘ। তবে হাওয়া অফিস বলছে ,সকালের দিকে আকাশ কালো করে বৃষ্টির পরিস্থিতি থাকলেও বেলা বাড়তেই পরিস্থিতির অনেকটাই উন্নতি হতে চলেছে। দুপুরের দিকে কোনও কোনও জায়গায় বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গে। শুক্রবার সকালের মধ্যে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গে তিন জেলায়। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে থাকবে এদিন। তবে সপ্তাহের শেষে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা উত্তরেও।আরও পড়ুনঃ পড়ুয়াদের জন্য সুখবর, বড় ঘোষণা মমতারবৃহস্পতিবার বিকেলে আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়, ৭ অগস্ট শনিবার সকালের মধ্যে কোনও জেলাতেই ভারী বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই। তবে সব কটি জেলারই কোথাও না কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ৭ অগস্ট আলিপুরদুয়ারের ভারী বৃষ্টি হতে পারে। আর রবিবার নাগাদ আলিপুরদুয়ার এবং কালিম্পং-এ ভারী বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা। আগামী ৪-৫ দিন দিনের তাপমাত্রার সেরকম কোনও পরিবর্তন হবে না বলে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, ৬ অগস্ট শুক্রবার সকালের মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বাকি জেলাগুলির কোনও কোনও জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। পরবর্তী ২৪ ঘন্টা অর্থাৎ ৭ অগাস্ট সকালের মধ্যে সবকটি জেলারই কোনও কোনও জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। আগামী চার থেকে পাঁচ দিন দিনের তাপমাত্রার সেরকম কোনও পরিবর্তন হবে না।গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের ওপরে ঘূর্ণাবর্ত এখনও অবস্থান করছে। অন্যদিকে মৌসুমী অক্ষরেখা গঙ্গানগর, নারনউল, মধ্যপ্রদেশের ওপরে থাকা নিম্নচাপ এলাকার মধ্যে দিয়ে বারানসী, গয়া, বাঁকুড়া হয়ে উত্তর পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। তবে এই মৌসুমী অক্ষরেখা ১০ অগস্ট নাগাদ হিমালয়ের পাদদেশের দিকে সরে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সময় স্বাভাবিকভাবেই হিমালয়ের পাদদেশ সংলগ্ন জেলা এবং উত্তর-পূর্ব ভারতে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে বলেই মনে করছে হওয়া অফিস।

আগস্ট ০৬, ২০২১
রাজ্য

Weather: ঘূর্ণাবর্ত ও মৌসুমী অক্ষরেখার জোড়া ফলায় বিদ্ধ রাজ্য

বুধবার সকাল থেকেই আকাশের মুখ ভার। হাল্কা থেকে ভারী বৃষ্টিপাতও শুরু হয়ে গিয়েছে। হাওয়া অফিসের তরফে পূর্বাভাস ছিলই বুধবার থেকে টানা বৃষ্টির। একদিকে ভ্যাপসা গরম, এই গরমের মধ্যেই বৃষ্টিপাতই স্বস্তি আনবে বলেও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। সেই মতো শুরু হয়েছে বৃষ্টিপাত। একদিকে ঘূর্ণাবর্ত, সঙ্গে রাজ্যের উপর দিয়ে বিস্তৃত মৌসুমী অক্ষরেখা। জোড়া ফলায় শুক্রবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। উত্তর বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্তের প্রভাব উপকূল এলাকায় পড়েছে। পাশাপাশি বীরভূমের শ্রীনিকেতন, ডায়মন্ড হারবারের উপর দিয়ে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে মৌসুমী অক্ষরেখা। তাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হবে বলে জানাল হাওয়া অফিস।আরও পড়ুনঃ ৫ দফা দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি এসএফআই-এরবুধবার উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতা, পুরুলিয়া, বীরভূম এবং ঝাড়গ্রামে বুধবার ভারী বৃষ্টি চলবে। বৃহস্পতিবার পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টি চলবে। শুক্রবার পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়ায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। হাওড়া, হুগলি, মেদিনীপুরের একাধিক এলাকা জলমগ্ন হয়ে রয়েছে। তার উপর ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হলে জলমগ্ন এলাকায় জল আরও বাড়বে। নিচু এলাকায় জল তো জমে রয়েইছে, সঙ্গে কলকাতায় জল জমে থাকার কারণে যান চলাচলেও প্রভাব পড়েছে।

আগস্ট ০৪, ২০২১
রাজ্য

Weather: টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন শহর থেকে জেলা, বাতিল একাধিক ট্রেন

নিম্নচাপের জেরে টানা ভারী বৃষ্টির আগাম সতর্কবার্তা ছিলই। সেই মতো বুধবার থেকে শুরু হয়েছিল লাগাতার বর্ষণ। শুক্রবার পর্যন্ত চলবে বলে খবর। বৃহস্পতিবারই শহরের জলচিত্র দেখে রীতিমতো আতঙ্কিত শহরবাসী এবং ট্র্যাফিক পুলিশ। বাংলাদেশ উপকূলে অবস্থান করা নিম্নচাপের জেরে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় টানা বৃষ্টির সতর্কবার্তা আগেই দিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। সেই মতো বুধবার দিনভর হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হয়। তবে বুধবার রাত থেকেই বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে থাকে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে বিরতিহীনভাবে অঝোরে হয়ে চলে বৃষ্টিআরও পড়ুনঃ তিরন্দাজির ব্যক্তিগত বিভাগে চমক অতনুর, পৌঁছে গেলেন প্রিকোয়ার্টারে উত্তর থেকে দক্ষিণের বহু রাস্তায় জমা জলের কারণে গাড়ির গতি একেবারে ছিল না বললেই চলে। কোথাও জলে গাড়ি বিকল হয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এমনকী, বেহাল রাস্তায় দুর্ঘটনায় পড়লেন বাইকচালক। বেশ কিছু এলাকায় জল বাড়িতে ঢুকে পড়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে শহরবাসীর একাংশের। এসএসকেএম-সহ বিভিন্ন হাসপাতাল চত্বরে জল জমে যাওয়ায় ভোগান্তির শিকার হন রোগী ও তাঁদের আত্মীয়েরা। দীর্ঘ সময় ধরে যানজটে থমকে থাকে গাড়ি। সেই জট ছাড়াতে নাকাল হতে হয় ট্র্যাফিক পুলিশের কর্মীদের। লালবাজার সূত্রের খবর, পরিস্থিতি এমন হয় যে, বেলার দিকে পথে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করতে হয়। এ দিকে, রাত থেকে একটানা অঝোর বৃষ্টিতে ফের জলমগ্ন হয় শহরের বিস্তীর্ণ অংশ।অথচ, কলকাতা পুরসভার প্রশাসকমণ্ডলীর চেয়ারম্যান ফিরহাদ হাকিম বিকেলে দাবি করেছিলেন, তেমন বৃষ্টিই হয়নি। কিছু কিছু নিচু জায়গায় জল জমেছে ঠিকই। তবে তা তাড়াতাড়ি সরেও গিয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, এ দিন সকাল সাড়ে আটটা থেকে বিকেল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত শহরে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ৪৭ মিলিমিটার। আবহাওয়াবিদদের মতে, ওই সময়ের মধ্যে বৃষ্টিপাতের এই পরিমাণকে ভারী বৃষ্টিই বলা হয়। আরও পড়ুনঃ পর্নোগ্রাফি কাণ্ডে গ্রেফতার অভিনেত্রী নন্দিতাহাওড়া এবং সংলগ্ন এলাকায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকেই মুষলধারে চলছে বৃষ্টি। প্রবল বৃষ্টিপাতের জেরে হাওড়া কারশেডের বিভিন্ন জায়গায় এবং রেললাইনে জল জমেছে। যে জন্য বেশ কয়েকটি দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল করেছে পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব রেল। কিছু ট্রেনের সময়সূচির পরিবর্তনও করা হয়েছে। চক্র রেলও পুরোপুরি ভাবে বাতিল করা হয়েছে।০২৩০৩ পূর্বা এক্সপ্রেস, ০২৩৫৩ লাল কুয়াঁ এক্সপ্রেস, ০৩০০১ হুল এক্সপ্রেস এবং ০৩০১৫ হাওড়া-ভাগলপুর এক্সপ্রেস শুক্রবারের জন্য বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি কিছু ট্রেনের হাওড়া ছাড়ার সময় পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। যেমন, ০২৩৩১ হিমগিরি এক্সপ্রেসে নির্ধারিত সময়ের থেকে ৩ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট দেরিতে ছাড়বে। ০৩০০৯ দুন এক্সপ্রেস ছাড়বে ৩ ঘণ্টা ২০ মিনিট দেরিতে। ০২৩২৩ হাওড়া-নয়াদিল্লি সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস নির্ধারিত সময়ের থেকে ৫ ঘণ্টা ৫ মিনিট পরে ছাড়বে।

জুলাই ৩০, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

অবশেষে ভোটের দিন ঘোষণা! বাংলা সহ পাঁচ রাজ্যে কবে ভোট জানলে চমকে যাবেন

অবশেষে অপেক্ষার অবসান। বাংলা সহ দেশের পাঁচটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণায় জানা গেছে, ঊনত্রিশে এপ্রিলের মধ্যেই পাঁচ রাজ্যে ভোটগ্রহণ শেষ হবে। ভোটগণনা হবে চার মে। গতবারের তুলনায় এবার পশ্চিমবঙ্গে ভোটের দফা কমানো হয়েছে। বাংলায় এবার দুই দফায় ভোট হবে।প্রথম দফার ভোট অনুষ্ঠিত হবে তেইশে এপ্রিল। দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ঊনত্রিশে এপ্রিল। এই দুই দফাতেই পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে। নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে তৎপরতা শুরু হয়েছে।বাংলা ছাড়াও আরও চারটি রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এবারে বিধানসভা নির্বাচন হচ্ছে। সেই তালিকায় রয়েছে অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরি। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, এই চার রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এক দফাতেই ভোটগ্রহণ হবে।অসমে মোট বিধানসভা কেন্দ্রের সংখ্যা একশো ছাব্বিশ। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সেখানে ভোটগ্রহণ হবে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ। ভোটগণনা হবে চার মে।কেরলে মোট বিধানসভা কেন্দ্রের সংখ্যা একশো চল্লিশ। এই রাজ্যেও ভোট হবে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ এবং ভোটগণনা চার মে।তামিলনাড়ুতে মোট বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে দুইশো চৌত্রিশটি। এই রাজ্যেও এক দফাতেই ভোট হবে। ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারিত হয়েছে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ এবং ভোটগণনা চার মে।কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতে মোট বিধানসভা কেন্দ্রের সংখ্যা তিরিশ। এখানেও ভোট হবে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ এবং ভোটগণনা চার মে।নির্বাচন কমিশনের এই ঘোষণার পর থেকেই পাঁচ রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ভোটের প্রস্তুতি জোরদার হয়েছে। সব রাজনৈতিক দল এখন ভোটের লড়াইকে সামনে রেখে নিজেদের প্রচার এবং কৌশল ঠিক করতে শুরু করেছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা, দুই দফায় ভোট বাংলায়— দেখে নিন আপনার কেন্দ্রের তারিখ

অবশেষে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। রবিবার বিজ্ঞান ভবন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে বাংলাসহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি অসম, কেরল, তামিলনাড়ু ও পুদুচেরির ভোটের নির্ঘণ্টও প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলায় এবার দুই দফায় ভোটগ্রহণ হবে। প্রথম দফার ভোট অনুষ্ঠিত হবে তেইশে এপ্রিল এবং দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ঊনত্রিশে এপ্রিল। ভোট গণনা হবে চার মে।প্রথম দফার ভোটের জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ছয় এপ্রিল। মনোনয়ন যাচাই হবে সাত এপ্রিল এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন নয় এপ্রিল। দ্বিতীয় দফার জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন নয় এপ্রিল। মনোনয়ন যাচাই হবে দশ এপ্রিল এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন তেরো এপ্রিল।প্রথম দফায় উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল এবং দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভোটগ্রহণ হবে। কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ, মাথাভাঙা, কোচবিহার উত্তর, কোচবিহার দক্ষিণ, শীতলকুচি, সিতাই, দিনহাটা, নাটাবাড়ি এবং তুফানগঞ্জে ভোট হবে প্রথম দফায়। আলিপুরদুয়ার জেলার কুমারগ্রাম, কালচিনি, আলিপুরদুয়ার, ফালাকাটা ও মাদারিহাট কেন্দ্রেও এই দফাতেই ভোটগ্রহণ হবে।জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়ি, ময়নাগুড়ি, জলপাইগুড়ি, রাজগঞ্জ, ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি, মাল ও নাগরাকাটা কেন্দ্রে ভোট হবে প্রথম দফায়। দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলার কালিম্পং, দার্জিলিং, কার্শিয়াং, মাটিগাড়া নকশালবাড়ি, শিলিগুড়ি ও ফাঁসিদেওয়া কেন্দ্রেও প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হবে।উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়া, ইসলামপুর, গোয়ালপোখর, চাকুলিয়া, করণদিঘি, হেমতাবাদ, কালিয়াগঞ্জ, রায়গঞ্জ ও ইটাহার কেন্দ্রেও এই দফায় ভোট হবে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমন্ডি, কুমারগঞ্জ, বালুরঘাট, তপন, গঙ্গারামপুর ও হরিরামপুরেও প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হবে।মালদহ জেলার হবিবপুর, গাজোল, চাঁচল, হরিশ্চন্দ্রপুর, মালতীপুর, রতুয়া, মানিকচক, মালদহ, ইংরেজবাজার, মোথাবাড়ি, সুজাপুর ও বৈষ্ণবনগর কেন্দ্রে ভোট হবে প্রথম দফায়। মুর্শিদাবাদ জেলার ফরাক্কা, সামশেরগঞ্জ, সুতি, জঙ্গিপুর, রঘুনাথগঞ্জ, সাগরদিঘি, লালগোলা, ভগবানগোলা, রানিনগর, মুর্শিদাবাদ, নবগ্রাম, খড়গ্রাম, বড়ঞা, কান্দি, ভরতপুর, রেজিনগর, বেলডাঙা, বহরমপুর, হরিহরপাড়া, নওদা, ডোমকল ও জলঙ্গিতেও এই দফাতেই ভোটগ্রহণ হবে।এ ছাড়াও পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূম জেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রথম দফায় ভোট হবে।দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হবে নদিয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং পূর্ব বর্ধমান জেলার সব আসনে। নদিয়া জেলার করিমপুর, তেহট্ট, পলাশিপাড়া, কালীগঞ্জ, নাকাশিপাড়া, চাপড়া, কৃষ্ণনগর উত্তর, নবদ্বীপ, কৃষ্ণনগর দক্ষিণ, শান্তিপুর, রানাঘাট উত্তর পশ্চিম, কৃষ্ণগঞ্জ, রানাঘাট উত্তর পূর্ব, রানাঘাট দক্ষিণ, চাকদহ, কল্যাণী ও হরিণঘাটা কেন্দ্রে ভোট হবে দ্বিতীয় দফায়।উত্তর চব্বিশ পরগনার বাগদা, বনগাঁ উত্তর, বনগাঁ দক্ষিণ, গাইঘাটা, স্বরূপনগর, বাদুড়িয়া, হাবড়া, অশোকনগর, আমডাঙা, বীজপুর, নৈহাটি, ভাটপাড়া, জগদ্দল, নোয়াপাড়া, বারাকপুর, খড়দহ, দমদম উত্তর, পানিহাটি, কামারহাটি, বরানগর, দমদম, রাজারহাট নিউটাউন, বিধাননগর, রাজারহাট গোপালপুর, মধ্যমগ্রাম, বারাসত, দেগঙ্গা, হাড়োয়া, মিনাখাঁ, সন্দেশখালি, বসিরহাট দক্ষিণ, বসিরহাট উত্তর ও হিঙ্গলগঞ্জেও দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হবে।দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি ও পূর্ব বর্ধমান জেলার সব কেন্দ্রেও দ্বিতীয় দফাতেই ভোট হবে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তৎপরতা শুরু হয়েছে। দুই দফার এই নির্বাচনে রাজ্যের সমস্ত রাজনৈতিক দল এখন ভোটের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত।

মার্চ ১৫, ২০২৬
কলকাতা

ব্রিগেডে জনসমুদ্র না ফাঁকা চেয়ার? মোদীর সভা ঘিরে শুরু তুমুল রাজনৈতিক তরজা

বিধানসভা ভোটের আগে কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রীর সভা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ল। সভায় ভিড় দেখে উচ্ছ্বসিত বিজেপি নেতৃত্ব পরিবর্তনের স্লোগান তুলেছে। তাদের দাবি, এই ভিড়ই প্রমাণ করছে বাংলায় পরিবর্তনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে। অন্যদিকে ভিড়ের সংখ্যা নিয়েই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।ব্রিগেডের সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যত দূর চোখ যাচ্ছে শুধু মানুষ আর মানুষ। এই দৃশ্য তাঁকে অত্যন্ত আনন্দিত করেছে বলেও জানান তিনি। তাঁর মতে, এই ভিড়ই বুঝিয়ে দিচ্ছে বাংলার মানুষ পরিবর্তন চাইছেন। সভা শেষ হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি সভার একটি ভিডিও প্রকাশ করেন এবং মানুষের উপস্থিতির প্রশংসা করেন।বিরোধী দলনেতার দাবি, ব্রিগেডের সভায় আট থেকে দশ লক্ষ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। তাঁর কথায়, গোটা ব্রিগেড ময়দান কানায় কানায় ভর্তি ছিল এবং কলকাতার বিভিন্ন রাস্তায়ও মানুষের ভিড় ছিল।বিজেপি নেতাদের মধ্যেও উচ্ছ্বাস স্পষ্ট ছিল। দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে মঞ্চে গলা থেকে উত্তরীয় খুলে ঘোরাতে দেখা যায়। সেই ভিডিও তিনি নিজেই সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। দলের সহ পর্যবেক্ষক অমিত মালব্যও কর্মীদের উচ্ছ্বাসের ভিডিও প্রকাশ করে দাবি করেন, বাংলার প্রতিটি প্রান্ত থেকে মানুষ ব্রিগেডে এসেছেন। তাঁর কথায়, কলকাতা যেন গেরুয়া সমুদ্রে পরিণত হয়েছিল এবং এই উচ্ছ্বাসই বুঝিয়ে দিচ্ছে পরিবর্তনের সময় এসেছে।তবে এই দাবি মানতে নারাজ তৃণমূল। তাদের দাবি, ব্রিগেডে বিজেপির সভায় তেমন ভিড় হয়নি। সামাজিক মাধ্যমে সারিবদ্ধ ফাঁকা চেয়ারের ভিডিও প্রকাশ করে তৃণমূল দাবি করেছে, বাংলার মানুষ বিজেপিকে গ্রহণ করেননি।তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষও কটাক্ষ করে বলেন, একটি অংশের ছবি দেখিয়ে বড় সভা বলা যায় না। তাঁর দাবি, এর থেকেও বড় সমাবেশ অন্য রাজনৈতিক দল আগে করেছে।এদিকে বিজেপির অভিযোগ, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তাদের কর্মীদের ব্রিগেডে আসতে বাধা দেওয়া হয়েছে। অনেক জায়গায় বাস আটকে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।সব মিলিয়ে ব্রিগেডের সভা শেষ হলেও ভিড় নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক এখনও জোরদার। ভোটের আগে এই সভা যে রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ তৈরি করেছে, তা বলাই যায়।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোট ঘোষণার ঠিক আগে বড় ঘোষণা মমতার, সরকারি কর্মীদের অ্যাকাউন্টে আসছে বকেয়া ডিএ

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে রাজ্য সরকারি কর্মী এবং পেনশনভোগীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চলতি মাস থেকেই সেই টাকা কর্মীদের অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করবে বলে জানানো হয়েছে। ভোট ঘোষণার কিছুক্ষণ আগে সামাজিক মাধ্যমে এই ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর এই ঘোষণায় স্বাভাবিকভাবেই স্বস্তি পেয়েছেন বহু সরকারি কর্মচারী।মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, সরকারি কর্মী এবং পেনশনভোগীদের যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা পূরণ করছে মা-মাটি-মানুষের সরকার। রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বহু শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মী, পঞ্চায়েত, পুরসভা এবং অন্যান্য স্থানীয় সংস্থার কর্মীরাও এই বকেয়া মহার্ঘ ভাতা পাবেন।তিনি আরও জানান, রাজ্যের অর্থ দপ্তরের প্রকাশিত নির্দেশিকা অনুযায়ী রোপা দুই হাজার নয় অনুযায়ী বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়া হবে। মার্চ মাস থেকেই সেই টাকা কর্মীদের অ্যাকাউন্টে জমা পড়তে শুরু করবে।উল্লেখ্য, এর আগে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল রাজ্য সরকার। সেখানে আদালত বকেয়া মহার্ঘ ভাতার পঁচিশ শতাংশ পরিশোধ করার নির্দেশ দেয় এবং তার জন্য ছয় সপ্তাহ সময় বেঁধে দেওয়া হয়।কিন্তু সেই সময়ের মধ্যে বকেয়া ভাতা মেটানো হয়নি। পরে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের কাছে আরও ছয় মাস সময় চেয়ে আবেদন করে। দুই হাজার পঁচিশ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এই মামলার শুনানি শেষ হয়। এরপর গত পাঁচ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চ স্পষ্ট জানায়, মহার্ঘ ভাতা কর্মীদের আইনি অধিকার এবং তা মেটাতেই হবে।আদালত জানায়, বকেয়া মহার্ঘ ভাতার পঁচিশ শতাংশ দুই দফায় পরিশোধ করতে হবে এবং তা মে মাসের মধ্যেই সম্পন্ন করতে হবে। এর মধ্যে প্রথম কিস্তি দিতে হবে একত্রিশে মার্চের মধ্যে।এর পর বাকি কত টাকা দেওয়া হবে এবং কত সময়ের মধ্যে দেওয়া হবে, সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বে গঠিত একটি কমিটি।রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়েছিল, ডিএ দেওয়ার জন্য তিন লক্ষ সতেরো হাজারেরও বেশি কর্মীর নথি খতিয়ে দেখতে হচ্ছে। দুই হাজার ষোলো সালের আগের অনেক তথ্য এখনও ডিজিটাল নয়, সেগুলি হাতে লেখা সার্ভিস বুক আকারে রয়েছে। সেই সব নথি ডিজিটাল করতে সময় লাগছে বলেও জানানো হয়।এ ছাড়াও প্রশাসনিক কাজের চাপ এবং প্রযুক্তিগত সমস্যার কথাও আদালতে উল্লেখ করেছিল রাজ্য সরকার। তবে দীর্ঘদিন ধরে ডিএ না মেলায় সরকারি কর্মীদের একাংশ ক্ষুব্ধ ছিলেন। সম্প্রতি সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ ধর্মঘটের ডাকও দিয়েছিল। যদিও সেই ধর্মঘট খুব বেশি প্রভাব ফেলেনি।এর মধ্যেই রবিবার মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় পরিষ্কার হয়েছে, বকেয়া মহার্ঘ ভাতার পঁচিশ শতাংশ চলতি মাসেই কর্মীদের দেওয়া হবে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোট ঘোষণার ঠিক আগে বড় ঘোষণা মমতার, পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমদের ভাতা বাড়ল

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকার পরিমাণ আগেই বাড়ানো হয়েছিল। যুবসাথী প্রকল্পের ঘোষণাও করা হয়েছে। তবে বাজেট ঘোষণার সময় পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমদের জন্য আলাদা কোনও ঘোষণা করা হয়নি। এবার ভোট ঘোষণার ঠিক আগেই তাঁদের ভাতা বাড়ানোর কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সূত্রের খবর, রবিবার বিকেল চারটের সময় পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা করতে পারে নির্বাচন কমিশন। তার কিছু আগেই দুপুর দুটো চল্লিশ মিনিট নাগাদ মুখ্যমন্ত্রী সামাজিক মাধ্যমে একটি বার্তা দিয়ে পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমদের ভাতা বাড়ানোর কথা জানান।এতদিন পর্যন্ত পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমরা মাসে এক হাজার পাঁচশো টাকা করে ভাতা পেতেন। সেই ভাতা পাঁচশো টাকা বাড়িয়ে এখন থেকে দুই হাজার টাকা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সমাজে পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানান, নতুন করে যাঁরা পুরোহিত ও মুয়াজ্জেম হিসেবে ভাতার জন্য আবেদন করেছিলেন, তাঁদের আবেদনও রাজ্য সরকার গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, সমাজের সব সম্প্রদায় যেন সম্মান পায় এবং সব সংস্কৃতি যেন সমান মর্যাদা পায়, সেটাই সরকারের লক্ষ্য।তবে এই ঘোষণা ঘিরে বিরোধীদের তরফে সমালোচনাও শুরু হয়েছে। বিজেপি নেতা এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পর এখন পুরোহিত ভাতা বাড়িয়ে বাংলার মানুষকে পাঁচশো টাকা দিয়ে খুশি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।ভোটের ঠিক আগে এই ঘোষণাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

বিকেলে ভোট ঘোষণা, তার আগে রাজ্য জুড়ে পুলিশ বদলির নির্দেশ

আজ রবিবার বিকেল চারটেয় পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। তার কয়েক ঘণ্টা আগেই রাজ্য পুলিশের ভিতরে বড় রদবদল করল নবান্ন। সূত্রের খবর, মোট সাতাশ জন ইন্সপেক্টর এবং বারোটি থানার আইসি-কে বদলি করা হয়েছে।ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলায় একাধিক ইন্সপেক্টরকে নতুন জায়গায় পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি বিধাননগর, বারাকপুর এবং চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের বেশ কয়েকটি থানার আইসি-রও বদলি করা হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতেও কয়েক জন ইন্সপেক্টরকে অন্যত্র পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার ঠিক আগে রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, যাঁদের বদলি করা হয়েছে, তাঁদের যত দ্রুত সম্ভব নতুন দায়িত্বে যোগ দিতে হবে।উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, জলপাইগুড়ি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, বিধাননগর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং হুগলি সহ একাধিক জেলায় এই বদলি করা হয়েছে। ভোট ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগে এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই বিষয়টি নিয়ে বিরোধীরাও প্রশ্ন তুলেছে। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ দাবি করেছেন, নির্বাচন কমিশন যাতে পরে আর বদলি করতে না পারে, সেই কারণেই আগেভাগে এই বদলি করা হয়েছে। তবে তাঁর মতে, এতে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা কমে যায় না। প্রয়োজনে কমিশন এই সব আধিকারিকদের অতীত কাজ এবং ভূমিকা খতিয়ে দেখতে পারে।উল্লেখ্য, কয়েক সপ্তাহ আগেও রাজ্য পুলিশে বড় বদলি করা হয়েছিল। সে সময় চার জন আইপিএস আধিকারিককে অন্যত্র পাঠানো হয়। আলিপুরদুয়ার, বসিরহাট এবং জঙ্গিপুরের পুলিশ সুপার এবং রাজ্য গোয়েন্দা বিভাগের এক শীর্ষ আধিকারিকেরও বদলি করা হয়েছিল।সাধারণত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে গেলে আদর্শ আচরণবিধি জারি হয়ে যায়। তার পর প্রশাসনে বড় কোনও বদলি করতে গেলে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি প্রয়োজন হয়। সেই কারণেই ভোট ঘোষণার ঠিক আগে এই রদবদলকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

কারা পাচ্ছেন তৃণমূলের টিকিট? সামনে এল সম্ভাব্য প্রার্থীদের চমকপ্রদ তালিকা

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। যে কোনও মুহূর্তে নির্বাচন কমিশন ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করতে পারে। তার আগেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা নিয়ে জোর আলোচনা। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এবার বেশ কিছু নতুন ও তরুণ মুখকে টিকিট দেওয়া হতে পারে বলে জোর জল্পনা চলছে।দলের অন্দরে শোনা যাচ্ছে কয়েকটি নাম নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। নতুন মুখদের মধ্যে প্রথমেই উঠে আসছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যের নাম। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ছাত্র ও যুব সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত।তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রাক্তন সভাপতি জয়া দত্তের নামও আলোচনায় রয়েছে। বর্তমানে তিনি অশোকনগরের কাউন্সিলর। যদিও অতীতে ছাত্র সংগঠনের ভর্তিকে কেন্দ্র করে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় তাঁর নাম নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এবং সেই সময় তাঁকে সংগঠনের সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।প্রাক্তন সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামও সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় ঘুরছে। সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তিনি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। বিভিন্ন আন্দোলন এবং কর্মসূচিতে তাঁকে সক্রিয়ভাবে দেখা গেছে।আরেক রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলামের নামও আলোচনায় রয়েছে। তিনি সম্প্রতি সংসদে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের সমস্যা নিয়ে সরব হয়েছিলেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, তাঁকে বীরভূম জেলার কোনও একটি আসন থেকে প্রার্থী করা হতে পারে।দলের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে কয়েকজন মুখপাত্রের নামও ঘুরছে। সেই তালিকায় রয়েছেন কুণাল ঘোষ, অরূপ চক্রবর্তী এবং তন্ময় ঘোষ। আগের উপনির্বাচনের সময় কুণাল ঘোষকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে জল্পনা হয়েছিল। এবার বিধানসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে আবার আলোচনা শুরু হয়েছে।সম্প্রতি সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া প্রতীকূর রহমানের নামও সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় রয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। তাঁর পাশাপাশি নতুন মুখ হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন আন্তর্জাতিক ক্রীড়াবিদ স্বপ্না বর্মন। তিনি এশিয়ান গেমসে সোনা জিতে ইতিহাস গড়েছিলেন এবং কিছুদিন আগেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।দলের তরুণ নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্যের নামও ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে। আগের বিধানসভা নির্বাচনে প্রচারে তাঁকে সক্রিয়ভাবে দেখা গিয়েছিল। পরে লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করা হয়েছিল তমলুক থেকে। যদিও সেই নির্বাচনে তিনি জয় পাননি।এ ছাড়াও আরও কিছু নতুন নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। শোনা যাচ্ছে এন্টালির বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহার ছেলে সন্দীপন সাহা প্রার্থী হতে পারেন। তিনি বর্তমানে কলকাতা পুরসভার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন এবং জোকা ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন ছাত্র।রাজনৈতিক মহলে আরও আলোচনা চলছে সাংবাদিক দেবদীপ পুরোহিতের নাম নিয়েও। তাঁকে খড়দা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে জল্পনা। বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা শুভাশিস চক্রবর্তীর নামও শোনা যাচ্ছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার একটি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে।এছাড়াও তারকাখচিত তালিকায় গায়িকা ইমন চক্রবর্তীর নামও উঠে আসছে। উত্তরপাড়া কেন্দ্র থেকে তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে আলোচনা চলছে। যদিও অতীতেও এমন জল্পনা হয়েছিল, কিন্তু তিনি সেই সময় প্রার্থী হননি।অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের নামও সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় ঘুরছে। বিনোদন জগতের পরিচিত এই মুখকে প্রার্থী করলে ভোটের প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।এই সব নাম নিয়ে জোর আলোচনা চললেও তৃণমূলের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা এখনও প্রকাশ হয়নি। ভোট ঘোষণার পরেই দল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
কলকাতা

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে এল আরজি করের ঘটনা! বিস্ফোরক বার্তা দিলেন মোদি

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ব্রিগেডে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন, বাংলায় বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলে মহিলারা সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকবেন। তিনি জানান, তৃণমূলের গুন্ডারাজ আর থাকবে না, কেউ দমন করতে পারবে না। মোদির দাবি, বর্তমানে রাজ্যে সন্ত্রাসবাদ ও অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে মায়েরা কাঁদছে, বাঙালিরা নিজেদের জন্মভূমি ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে। মোদী বলেন, বাংলার রুটি, মাটি, বেটি বিপন্ন, জনবিন্যাস পরিবর্তিত হয়েছে এবং হিন্দু বাঙালিদের সংখ্যালঘু করার চেষ্টা হচ্ছে।মোদী অভিযোগ করেন, কেন্দ্রের বিভিন্ন কর্মসংস্থানের প্রকল্প রাজ্যে পৌঁছতে দিচ্ছে না তৃণমূল সরকার। বিশ্বকর্মা প্রকল্প থেকে টাকা দেওয়া সত্ত্বেও মানুষের কাছে তা পৌঁছায় না। বিনামূল্যে বিদ্যুৎ দেওয়ার প্রকল্পও আটকানো হয়েছে। চা শ্রমিকদের কেন্দ্রীয় সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। পিএম আবাস যোজনার নাম বদলানো হয়েছে, তালিকা বদল করা হয়েছে, গরিবদের বাড়ি দেওয়া হয়নি। জলজীবন মিশন এবং আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পও চালু হতে দিচ্ছে না। মোদীর দাবি, বাংলার গরিবরা এ সব থেকে বঞ্চিত হয়েছে।তিনি আরও বলেন, কৃষকদের পরিস্থিতিও শোচনীয়। একজন আলু চাষি আত্মহত্যা করেছেন। তৃণমূলের নোংরা রাজনীতি মা-বোনেদের সম্মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। মোদী স্মরণ করান, বাংলার মানুষ আগে একসময় বাম গুন্ডাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল। কিন্তু বর্তমানে সেই বাম দলের কিছু নেতাকে তৃণমূল আশ্রয় দিচ্ছে। রাজ্যে অপরাধীরা নিরাপদ, কলেজে ও আদিবাসী মহিলাদের উপর হামলা হচ্ছে, এবং মানুষ এখনো সন্দেশখালি, আরজিকরের মতো ঘটনা মনে রাখে।মোদী স্পষ্ট জানান, বিজেপি সরকার এলে এসব অন্যায়ের অবসান হবে। আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা হবে, অপরাধীদের জেল ভাড়া হবে, এবং গরিব ও সাধারণ মানুষ কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা পাবে।

মার্চ ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal