• ১১ কার্তিক ১৪৩৩, শুক্রবার ৩০ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Victoria

দেশ

ভিক্টোরিয়া-মস্কো পালানোয় রাশিয়ান দূতাবাসের জড়িত থাকার প্রমাণ! বিদেশমন্ত্রকের বিস্ফোরক রিপোর্ট

চন্দননগরের রাশিয়ান পুত্রবধূ ভিক্টোরিয়া জিগালিনা বসুর হঠাৎ দেশছাড়া নিয়ে যে রহস্য তৈরি হয়েছিল, সেই ধাঁধার গায়ে আরও নয়া তথ্য জুড়ল ভারতের বিদেশমন্ত্রক। সুপ্রিম কোর্টে জমা দেওয়া একটি স্ট্যাটাস রিপোর্টে মন্ত্রক জানিয়েছে রাশিয়ান দূতাবাস যতই পাশ কাটানোর চেষ্টা করুক, দূতাবাসের কিছু আধিকারিকের বিরুদ্ধে এমন প্রমাণ মিলেছে যা স্পষ্ট করে বলে দেয়, ভিক্টোরিয়ার দেশ ছেড়ে পালাতে তাঁদের ভূমিকা ছিল।এই প্রেক্ষিতে বিদেশমন্ত্রক ভিয়েনা কনভেনশনের ৩১ ও ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অনুরোধ করেছে ওই রাশিয়ান আধিকারিকদের কূটনৈতিক রক্ষাকবচ যাতে তুলে নেওয়া হয়। অর্থাৎ তাঁদের জেরা করতে চাইছে দিল্লি পুলিশ।শুক্রবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা। তার আগে জমা দেওয়া রিপোর্টে বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে আদালতের নির্দেশে রাশিয়ান দূতাবাসকে অনুরোধ করা হয়েছে, ভিক্টোরিয়া ও তাঁর ছেলে স্তাভ্যকে ভারতে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করতে।রাশিয়া দূতাবাসের দ্বৈত বক্তব্যও উঠে এসেছে রিপোর্টে। একদিকে তারা বলছে, ভিক্টোরিয়ার দেশ ছাড়ার ঘটনায় তাঁদের কোনও আধিকারিক জড়িত নন। অন্যদিকে, আবার জানিয়েছে ভিক্টোরিয়ার মা ওলগা জিগালিনার অনুরোধে বিহার যাওয়ার জন্য ট্যাক্সি বুক করে দিয়েছিলেন দূতাবাসের কাউন্সেলর আর্থার গার্বস্ট।এটিই তদন্তে বড় প্রশ্ন কেন বিহার পর্যন্ত সহায়তা? আর সেই পথ ধরেই কি ভিক্টোরিয়া সীমান্ত পেরিয়ে নেপালে ঢুকেছিলেন? নেপাল দূতাবাস ইতিমধ্যেই জানিয়েছে ১২ জুলাই ভিক্টোরিয়া তাঁর ছেলেকে নিয়ে নেপাল থেকে শারজা হয়ে মস্কো গিয়েছিলেন।সব তথ্য একসঙ্গে মিলিয়ে দেখছে দিল্লি পুলিশ, আর তাই তাঁরা রাশিয়ার দুই আধিকারিককে জেরা করতে চান। কূটনৈতিক রক্ষাকবচ ওঠানোই সেই পথ। ভারতের অনুরোধ সেই কারণেই।

নভেম্বর ২৬, ২০২৫
কলকাতা

নতুন বছরে শীতের আমেজে ভিড়ে ঠাসা ইকোপার্ক থেকে চিড়িয়াখানা, কাশীপুর উদ্যানবাটী..কোথায় কত দর্শনার্থী?

ফি বছর বছরের শেষ সপ্তাহ থেকে নয়া বছর শুরুর সপ্তাহ পর্যন্ত কলকাতার রাস্তা-ঘাট, মেট্রোতে ভিড় লেগেই থাকে। এবারও তার ব্য়তিক্রম হয়নি। ২৫ ডিসেম্বর বড় দিনে ভিড়ের সূত্রপাত হয়। তারপর বছরের শেষ দিন ৩১ ডিসেম্বর, আর তার পরের দিন ১ জানুয়ারি নতুন বছরের শুরুর দিন। কলকাতার দর্শনীয় স্থানে পর্যটকেরা ভিড় করে থাকে। তবে ইকো পার্ক ও চিড়িয়াখানা সবাইকে এবার ভিড়ে টক্কর দিয়েছে। এবার অবশ্য কাশীপুর উদ্যানবাটি কিছুটা জায়গা করে নিয়েছে। প্রতিবছরই এই দিনগুলিতে আলিপুর চিড়িয়াখানায় ব্যাপক ভিড় হয়। হাটাচলাই সেখানে দায় হয়ে পড়ে। মানুষের তুলনায় যেন জায়গা কম পড়ে যায়। এবার নতুন বছরে খোলামেলা জায়গাকেই বেছে নিল আমজনতার বেশিরভাগ অংশ। মানুষ ভিড় জমাল ইকো পার্কে। পরিবার, বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে নতুন বছরে কলকাতার রাস্তায় বেরিয়ে পড়াই দস্তুর। এদিন ঠান্ডার আমেজই ছিল যথেষ্ট।ভিড়ের হিসেবে সকলকে টেক্কা দিয়েছে নিউ টাউনের ইকো-ট্যুরিজ়ম পার্ক। এই পার্কে ভিড় করেছেন ৯১ হাজার ৬৮৩ জন। অবশ্য তারপরেই আছে আলিপুর চিড়িয়াখানা। তবে বরাবর প্রথম স্থানে থাকে এই চিড়িয়াখানা। এবার সেখানে ভিড় জমিয়েছে ৮৫ হাজারের বেশি। দর্শনার্থীদের সংখ্যায় উত্তর কলকাতার কাশীপুর উদ্যানবাটীও ইংরেজি নববর্ষে অন্য অনেক জায়গার থেকে এগিয়ে থেকেছে। কারণ কল্পতরু উৎসবকে কেন্দ্র করে এখানে মানুষ ভিড় করে থাকে। এবারও সেই আকর্ষণে ভিড় করেছেন ভক্ত ও দর্শনার্থীরা। ভিক্টোরিয়ায় বছরের প্রথম দিনে ৩৮ হাজারের বেশি পর্যটক হাজির হয়েছিলেন। সায়েন্সসিটিতে ছিলেন ৩০হাজারের কিছু বেশি দর্শনার্থী। কলকাতা জাদুঘরেও কয়েক হাজার মানুষ ভিড় করেছেন। তবে তা ১০হাজার অতিক্রম করতে পারেনি।

জানুয়ারি ০২, ২০২৫
বিদেশ

Lockdown: তৃতীয় ঢেউয়ের সংক্রামণের রাশ টানতে ভিক্টোরিয়ায় বড়দিন পর্যন্ত লকডাউনের ঘোষণা

অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া রাজ্য কোভিড -১৯ ক্লাস্টার হিসাবে চিহ্নিত। সেখানকার স্বাস্থ্যমন্ত্রক ষষ্ঠবারের জন্য লকডাউন ঘোষণা করেছে। সেই ঘোষণায় ইতিমধ্যেই সমলোচনার ঝড় উঠেছে। পরবর্তী কয়েক দিন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে ভিক্টোরিয়া সেরকমই ধারণা বিশেষজ্ঞদের। সমলোচকদের অনেকেই বলছেন লকডাউন চাপিয়ে অস্ট্রেলিয়ার লিবারেল ডেমোক্রেটিক ভ্যালু পরীক্ষা করা হচ্ছে। যাই হোক, একটি যুক্তিসঙ্গত স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে সুস্থ আলোচনা করা যেতেই পারে।ভিক্টোরিয়া, অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় সর্বাধিক জনবহুল রাজ্য, এই রাজ্যকেই দেশের সর্বশেষ করোনাভাইরাস হটস্পটের কেন্দ্রস্থল ভাবা হচ্ছে। সোমবার গোষ্ঠী সংক্রামণ-র (কমিউনিটি ট্রান্সমিশনের) ১১ টি নতুন ঘটনা ধরা পড়েছে এবং কতৃপক্ষ সতর্ক করেছে যে আগামিদিনে এখানকার পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। রাজ্য স্বাস্থ অধিকর্তারা জানিয়েছেন শেষ ২৪ ঘণ্টায় পাঁচজন আক্রন্ত হয়েছেন। সোমবার এক সংবাদিক সম্মেলনে কতৃপক্ষ ঘোষণা করেছিল যে গভীর রাতে কাট-অফের পরে আরও ছয়টি কেস রেকর্ড করা হয়েছে, যা মঙ্গলবারের তথ্যে প্রতিফলিত হবে, যা বর্তমান ক্লাস্টারকে ৫১এ নিয়ে যাবে।আরও পড়ুনঃ দাদার বায়োপিক নিয়ে উচ্ছ্বসিত মহারাজের দরবারের প্রেসিডেন্টপ্রাথমিকভাবে ঘোষিত সেপ্টেম্বরের পর লকডাউন বাড়ানো হবে কিনা তা নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে প্রশ্ন ওঠা শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি ছিল ভয়াবহ, এবং আগামী দিন কোভিড-এর প্রাদুর্ভাব আরও বেড়ে ভাল হওয়ার আগে আরও খারাপ হতে পারে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ভারতে প্রথম সনাক্ত হওয়া সর্বশেষ কোভিড -১৯ নতুন ভেরিয়েন্টটি আসল স্ট্রেনের চেয়ে বেশি ভয়ঙ্কর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা আগের স্ট্রেনের তুলনায় অন্য ব্যক্তিকে সংক্রমিত করতে মাত্র এক দিন সময় নেয় যা আগে প্রায় পাঁচ বা ছয় দিন লাগত।করোনার দ্বিতীয় ঢেউকে আটকাতে ভিক্টোরিয়ায় গত বছর বিশ্বের দীর্ঘতম ও কঠোর লকডাউন পালন করা হয়েছিল। সেই দ্বিতীয় ঢেঊ-এ রাজ্যে ৮০০ এরও বেশি নাগরিক মারা গিয়েছিলেন, যা অতিমারী শুরু হওয়ার পর থেকে অস্ট্রেলিয়ার মোট মৃত্যুর ৯০%। ১০০র ওপর প্রবীণ ভিক্টোরিয়ান সেই সময় কোভিড আক্রান্ত হয়ে মারা যান। অস্ট্রেলিয়া, সমগ্র বিশ্বের মধ্যে সামগ্রিকভাবে এই অতিমারী রুখতে অত্যন্ত সফল ভাবে বিভিন্ন ব্যবস্থা নিয়েছে। তাঁরা মধ্যে রয়েছে দ্রুত যোগাযোগের সন্ধান, স্ন্যাপ লকডাউন এবং কঠোর সামাজিক দূরত্বের নিয়ম। যে কারণে সারা রাজ্যে মাত্র ২২,২৭৫ জন আক্রান্ত হন এবং ৯১০ জনের মৃত্যু হয়।আরও পড়ুনঃ মনোনয়ন জমা প্রিয়াঙ্কার, হুংকার শুভেন্দুরভাইরাসের বিস্তার যাতে আরও বৃদ্ধি না পায় সে কারণে, ভিক্টোরিয়া অঞ্চল জুড়ে সমস্ত কমিউনিটি স্পোর্টিং লিগকে অবিলম্বে তাদের সবরকম কার্যক্রম বাতিল করতে বলা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়া সরকার দেশের অর্থনৈতিক কার্যকলাপ নিয়ে ভীষণভাবে চিন্তিত। সেই উদ্দশ্যে তাঁরা উবার ইটস এবং ডোরড্যাশের মতো সংস্থাগুলিকে তাঁদের গ্রাহকদের কাছে খাবার পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছেন।এটা সত্যিই একটি অসাধরণ সিদ্ধান্ত, ভিক্টোরিয়ান সরকার সেখানকার আঞ্চলিক মানুষদের স্বার্থে এবং স্থানীয় মানুষের কথা চিন্তা করে সকল জনসাধারণকে একটি গিফট ভাউচার দিচ্ছেন, সেই গিফট ভাউচার ব্যবহার করে তাঁরা যেকোনও আঞ্চলিক দোকান থেকে খাবার কিনতে পারেবেন। এই ব্যবস্থায় একই সঙ্গে সরকার সাধারণ মানুষের পাশেও থাকল এবং আঞ্চলিক ব্যবসাদাররাও টিকে রইলেন।আরও পড়ুনঃ কোহলিদের পাশে সৌরভ, শাস্ত্রীদের কোনও শাস্তি হচ্ছে নামেলবোর্নের উত্তরে ব্রডমেডোতে একটি বহুসংস্কৃতিক যুব কেন্দ্রের সাথে সংযুক্ত শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র-তে নতুন করে ১৩ টি কোভিড আক্রান্ত হবার ঘটনায় যথেষ্ট আতঙ্ক ছড়িয়েছে। বৃদ্ধাশ্রমের পর রোগ ছড়ানোর ক্ষেত্রে শিশু পরিচর্যা কেন্দ্রগুলি-ই উদ্বেগের প্রধান বিষয়।ভিক্টরিয়া-র স্বাস্থ্য দপ্তর প্রচন্ড উদ্বিগ্ন নিউপোর্ট এলাকায় কিছু আক্রান্ত মানুষকে নিয়ে। বেশ কিছু আক্রান্ত বা আক্রান্তদের সঙ্গে ছিলেন এমন কিছু মানুষকে স্বাভাবিক মেলামেশা থেকে বিচ্ছিন্ন থাকার নির্দেশ দেওয়া সত্বেও তাঁরা তা মানছেন না। অস্ট্রেলিয়ার উদার গণতান্ত্রিক সমাজের জন্য বর্তমান যে সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে তা হল প্রতিবাদ। যা উদার গণতান্ত্রিকতার এক অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য।আরও পড়ুনঃ আমার প্রথম প্রেমিক, আমার নন্দলালাআমরা অতি সম্প্রতি মেলবোর্নে ভিক্টোরিয়া পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হতে দেখেছি। মেলবোর্নে হঠাৎ করে সাত দিনের জন্য লকডাউন ঘোষণার পর সাধারন মানুষ বিক্ষোভে ফেটে পরেন। সেখানে ষষ্ঠ বারের জন্য লকডাউন ঘোষণার পর সিবিডিতে শত শত মানুষ স্বতস্ফুর্ত বিক্ষোভের পর স্থানীয় পুলিশ অবস্থার নিয়ন্ত্রণের জন্য ১৫ জন বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করেন। তাঁরা সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ ফ্লিন্ডার্স স্ট্রিটে জড়ো হয়ে সোয়ানস্টন স্ট্রিটের দিকে এগোতে থাকেন, সেখানে আগে থেকেই পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে জড়ো হয়েছিলেন। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে কিছু মানুষ তাঁদের বক্তব্য লিখে প্লাকার্ড নিয়ে এসেছিলেন। লক্ষণীয় ভাবে অধিকাংশের মুখেই মাস্কের কোনও অস্ত্বিত্ত্ব ছিলনা।হেরাল্ড সান সূত্রে জানা যায়, সেখানে আগুন জ্বালানো হয়েছিল এবং উন্মত্ত জনতা আর লকডাউন নয় স্লোগান দিচ্ছিলেন, সেইসময় নিকটবর্তী অ্যাপার্টমেন্টগুলির বাসিন্দারা চিৎকার করে তদের বাড়ি ফিরে যাওয়ার কথা বলছিল। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের টুইটার ফিডের ভিডিওতে দেখানো হয়েছে যে সাধারন পদাতিক ও ঘোড়সাওয়ার পুলিস কাঁধে-কাঁধ মিলিয়ে বিক্ষোভকারীদের নিরস্ত করার জন্য দাঁড়িয়ে আছেন ফ্লিন্ডার্স স্ট্রিট স্টেশনে। একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে দুই পুলিশ অফিসারকে হ্যান্ডহেল্ড ডিভাইস নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে। বিক্ষোভের মাত্রা-ছাড়িয়ে গেলে সেই যন্ত্র দ্বারা বিক্ষোভকারীদের দিকে মরিচ স্প্রে করার জন্য।আরও পড়ুনঃ বিরোধী বিধান-র জ্যোতি স্নেহবিক্ষোভকারীদের মধ্যে একজন চিৎকার করে বলেছিলেন, কোভিড ভুয়ো, আরও একজন বলেছিলেন ভিক্টোরিয়ার ষষ্ঠ বারের লকডাউন ঘোষণায় তাঁরা ক্ষুব্ধ হয়েছেন। স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছেন, শত শত মানুষ একটি বেআইনি বিক্ষোভে লিপ্ত এবং তারা ১৫ জন বিক্ষোভকারিকে গ্রেপ্তার করেছেন। নয়জনকে আটক করা হয়েছে, তাঁদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর তাঁদের জরিমানা করা হবে। দুইজন বিক্ষোভকারিকে নিয়ম ভঙ্গ এবং মিথ্যা নাম বলার অপরাধে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।ভিক্টোরিয়ার প্রিমিয়ার (রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান) ড্যান অ্যান্ড্রুজ জানিয়েছেন যে, গোষ্ঠী সংক্রমণের ইঙ্গিত পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে লকডাউন চালু করা ছাড়া তার কাছে আর কোন বিকল্প ছিলনা। তিনি আরও জানিয়েছেন, তার কাছে ভিক্টোরিয়াকে বড়দিন পর্যন্ত বন্ধ রাখা ছাড়া আর কোনও নেই।ইহুদি আল্ট্রা-অর্থোডক্স প্রার্থনার সংগঠনগুলি গত বছর থেকেই নানাভাবে লকডাউন লঙ্ঘন করেছেন, এই অতিমারি পরিস্থিতিতে যেটা একেবারেই কাম্য নয়। আশ্চর্যের বিষয় তাঁরাই সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ এবং আইন মেনে চলা সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি বলেই গন্য হয়ে থাকেন। মেলবোর্নের ইহুদি সম্প্রদায়ের সিংহভাগ বাড়িতে উৎসব পালন করার সময় ভিক্টোরিয়ার লকডাউন নিয়ম লঙ্ঘন করে একদল উপাসক ভিতরে জড়ো হয়েছিল বলে খবর পেয়ে পুলিশ গ্লেন আইরা রোডের একটি ভবন ঘিরে ফেলে। দুর্ভাগ্যক্রমে, ভিক্টোরিয়া পুলিশকে রোশানা ইহুদি ধর্মীয় উৎসবের জন্য মঙ্গলবার অবৈধ সমাবেশে যোগদানকারী লোকদের ৫৪৫২ ডলার জরিমানা করতে হয়েছিল। এই ঘটনার আগে, ভিক্টোরিয়া পুলিশ কোফিল্ড নর্থে মেলবোর্নের এক বিশিষ্ট ইহুদি পরিবারের অবৈধ বিবাহের পার্টির নিমন্ত্রণকর্তা এবং অতিথিদের কাছে ৩০০০০০ ডলারেরও বেশি জরিমানা আদায় করেছে।আরও পড়ুনঃ পূজার ছলে ভুলে থাকিড্যানিয়েল অ্যান্ড্রুজ আরও বলেছেন যে তিনি রোশ হাশানাহ, দুই দিনের ইহুদি নববর্ষ উৎসবকে সেই সম্প্রদায়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় হিসেবে স্বীকৃতি দেন। তিনি মঙ্গলবার তিনি জানিয়েছেন, তবে আমরা যাই করি আমাদের প্রত্যেককেই এই মুহুর্তে নিরাপদ থাকতে হবে, ভালো থাকার জন্যই আমাদের নিজেদের অনুপ্রাণিত করতে হবে।অর্ণব ঘোষ রায়মেলবোর্ন, অস্ট্রেলিয়াআইন স্নাতক (সম্মানিক)সদস্য, অস্ট্রেলিয়ান ল স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (ALSA)এক্সিকিউটিভ মেম্বার অফ ডিসিপ্লিন এন্ড গ্রিভেন্স কমিটি

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
কলকাতা

শুক্রবার থেকেই বন্ধ ভিক্টোরিয়া-জাদুঘর-সহ বিখ্যাত দর্শনীয় স্থান

আবারও বাড়ছে করোনার আতঙ্ক। ইতিমধ্যে দৈনন্দিন আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়ে গিয়েছে ২ লক্ষ। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার থেকেই সাধারণ মানুষের জন্য বন্ধ হয়ে গেল আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার বা এএসআইয়ের অধীনে থাকা শহরের একাধিক পর্যটন স্থান। এর মধ্যে রয়েছে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল, ভারতীয় জাদুঘর, বিড়লা প্লানেটোরিয়াম, সায়েন্স সিটির মতো দর্শনীয় স্থানগুলো। শুধু এ রাজ্যে নয়, গোটা দেশেই এএসআই -এর অধীনে থাকা সমস্ত মিউজিয়াম, স্মৃতি সৌধ আগামী ১৫ মে পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবারই এই মর্মে নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রক। টুইট করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ প্যাটেলও।দেশে এএসআইয়ের অধীনে রয়েছে ৩৬৯৩টি সৌধ এবং ৫০টি মিউজিয়াম। তাতে নাম রয়েছে তাজমহল, পুরীর জগন্নাথ মন্দির, সোমনাথ মন্দির-সহ দেশের একাধিক দর্শনীয় স্থানের। স্বভাবতই এই জায়গাগুলিতে ভিড়ও হয়। আর করোনা সংক্রমণ রুখতে তাই আগামী ১৫ মে পর্যন্ত এই সমস্ত জায়গা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যা কার্যকর হচ্ছে শুক্রবার থেকেই। ফলে সাধারণ মানুষের জন্য বন্ধ হয়ে গেল কলকাতার দর্শনীয় স্থানগুলি। জগন্নাথ মন্দির এবং সোমনাথ মন্দির পুজো হলেও দর্শনার্থীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকবে।কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রক থেকে পাঠানো বিবৃতিতে বলা হয়েছে, করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় সংস্থা এএসআইয়ের অধীনে থাকা সমস্ত স্মৃতিসৌধ এবং মিউজিয়াম জরুরিভিত্তিতে বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ১৫ মে পর্যন্ত বা পরবর্তী বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়া পর্যন্ত এগুলি সাধারণ মানুষের জন্য বন্ধ থাকবে।

এপ্রিল ১৬, ২০২১
কলকাতা

'তুম আচ্ছা কাম কর রহে হো শুভেন্দু...'

সামনাসামনি দেখা হতেই সস্নেহে ডাক, আরে শুভেন্দু-উ-উ-উ! প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বুঝিয়ে দিলেন, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর এই প্রথম সাক্ষাৎ হলেও শুভেন্দু অধিকারী সম্পর্কে তিনি সব খবর রাখেন। ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী যখন পৌঁছন, তখন তাঁকে স্বাগত জানাতে সার দিয়ে দাঁড়িয়ে কৈলাস বিজয়বর্গীয়, দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়ের সঙ্গে শুভেন্দুও। সকলকে নমস্কার করে এগোতে এগোতে মোদি আচমকাই শুভেন্দুর সামনে এসে থমকে দাঁড়িয়ে পড়েন। সস্নেহে তরুণ নেতার কাঁধে হাত রাখেন। শুভেন্দুও হাতজোড় করে নমস্কার করেই সামনে ঝুঁকে অবাঙালি কায়দায় মোদির হাঁটু ছুঁয়ে প্রণাম করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, স্মিত হেসে প্রধানমন্ত্রী শুভেন্দুকে বলেন, শুভেন্দু-উ-উ-উ। তুম আচ্ছা কাম কর রহে হো। হমে সব খবর হ্যায়। শুভেন্দুর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয়বার সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানের শেষে চা চক্রে। বিভিন্ন টেবিলে বসেছিলেন অভ্যাগতরা। প্রধানমন্ত্রী সব টেবিলের সামনে গিয়ে হাতজোড় করে নমস্কার করেন। কিন্তু মুখ খোলেন একটিমাত্র টেবিলের সামনে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে সস্নেহ সম্ভাষণ পেলেও তাঁর প্রাক্তন দলনেত্রী কিন্তু এড়িয়েই গিয়েছেন শুভেন্দুকে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, রাজ্য মন্ত্রিসভার প্রাক্তন সহকর্মীকে দেখে মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে মুকুলের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত কুশল বিনিময় করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। মমতা উপেক্ষা করলেও শুভেন্দু অবশ্য গদগদ। তবে শনিবার প্রধানমন্ত্রী যে ভাবে শুভেন্দুকে সস্নেহ সম্ভাষণ করেছেন, তাতে এটা স্পষ্ট যে, তিনি শুভেন্দুর কর্মপদ্ধতি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল।

জানুয়ারি ২৩, ২০২১
কলকাতা

'জয় শ্রীরাম' স্লোগানে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী, রাখলেন না বক্তব্য

তারকাখচিত অনুষ্ঠানের সূচনার পরই তাল কাটল। নেতাজির জন্মজয়ন্তীতে ভিক্টোরিয়ার মঞ্চে অপমানিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোনও মন্তব্য না রেখেই মঞ্চ ছাড়লেন মুখ্যমন্ত্রী ।নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৫ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সংগীতানুষ্ঠানের পরই মঞ্চে বক্তব্য রাখতে আমন্ত্রণ জানানো হয় মুখ্যমন্ত্রীকে। কিন্তু মমতা মঞ্চে উঠতেই দর্শকাসন থেকে উড়ে আসে জয় শ্রীরাম ধ্বনি। আর তাতেই মেজাজ হারান মমতা। তিনি বলেন, এটা কোনও রাজনৈতিক মঞ্চ নয়। আমার মনে হয়, সরকারি অনুষ্ঠানের একটা শালীনতা থাকা উচিত। এটা কোনও রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি নয়। এটা সমস্ত দলেরই কর্মসূচি। জনতার কর্মসূচি।এভাবে আমন্ত্রণ জানিয়ে বেইজ্জত করা উচিত নয়। সেই জন্যই আমি আর একটি কথাও এখানে বলব না। তবে কলকাতায় এই অনুষ্ঠান আয়োজন করায় আমি প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ধন্যবাদ জানাই। একথা বলেই মঞ্চ থেকে নেমে যান তিনি। যদিও মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য না করা নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি তিনি। যখন এই ঘটনা ঘটছে, তখন সেখানে নীরবে বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। মমতার পরেই বলতে উঠে মোদি তাঁর ভাষণ শুরু করেন বহেন মমতাজি বলে। কিন্তু তাতেও গোটা অনুষ্ঠানের সুর ফিরে আসেনি।

জানুয়ারি ২৩, ২০২১
বিদেশ

অস্ট্রেলিয়ায় বাঙালি যুবকের লড়াইয়ের স্বীকৃ্তি , চালু বাংলায় সরকারি ওয়েবসাইট

বেদান্ত লাহিড়ীঃ কলকাতার বাঙালি যুবকের লড়াইয়ের ফল এবার সুদূর অস্ট্রেলিয়াতেও। বাংলাপক্ষ পশ্চিমবঙ্গের বাঙালি ও বাংলা ভাষার জন্য যেভাবে লড়াই শুরু করেছে , সূদুর অস্ট্রেলিয়াতে সেই একই লড়াইয়ে সামিল বারাসতের ছেলে অর্ণব ঘোষ রায়। মূলত তারই উদ্যোগে অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া স্টেটের স্বাস্থ্য দফতরে বাংলা ওয়েবসাইট চালু হল। ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটির আইনের ছাত্র অর্ণব। বয়স ৩৮ বছর। ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটির আইনের ছাত্র সে। তাঁর অদম্য লড়াইয়ে এল এই ঐতিহাসিক সাফল্য। পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের বাঙালিদের কথা চিন্তা করেই এই ওয়েবসাইটটি চালু করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, ভারতের ৫৪,৫৬৬জন বাঙালি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। এছাড়াও সেখানে বাংলাদেশের বাঙালিও আছেন । দীর্ঘদিন অস্ট্রেলিয়ায় থাকার পর অর্ণব জানতে পারেন , ভাষাগত কারণে বাঙালি প্রবীণরা সেখানে নানা ধরনের অসুবিধায় পড়ছেন। ভাষাগত অসুবিধা দূর হলে সরকারি নানা সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে তা সহজ হতে পারে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সাংসদের সঙ্গে আলোচনা করেন অর্ণব। এমনকী বিষয়টি মেলবোর্ণ বিশ্ববিদ্যালয় ও ভিক্টোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে আলোচনার জন্য উত্থাপিত করেন তিনি। সেখান থেকেই সরকারি স্তরে প্রস্তাব পাঠানো হয়।কারণ, অস্ট্রেলিয়ায় সরকারি নীতি নির্ধারনে বিশ্ববিদ্যালয়গুলি বিশেষ ভূমিকা নিয়ে থাকে। অনেকদিনের ঐকান্তিক লড়াইয়ের পর দিন চারেক আগেই স্বাস্থ্য দফতরের বাংলা ওয়েবসাইট চালু হল। স্বীকৃতি পায় অর্ণবের লড়াই। অর্ণব বললেন, এর ফলে বেশ কয়েকজন যুবকের কাজেরও সুযোগ হয়েছে। উল্লেখ্য, অর্ণবের বাবা ছিলেন রাজ্য সরকারি কর্মচারী। ২০০৩ সালে তিনি পড়াশুনো করতে অষ্ট্রেলিয়া পাড়ি দেন। দুবছর পর ফেডারেল ইউনিভার্সিটি থেকে কমার্সে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। ২০০৭-তে অ্যাসোসিয়েট মেম্বার অব ইন্সটিটিউট অব পাবলিক অ্যাকাউন্টেন্ট। ২০০৯ সালে সেখানে নাগরিকত্বের অধিকার পান। ২০১৪ তে ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে এমবিএ করেন তিনি। সলিসিটর হওয়ার লক্ষ্যে এখন ওই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যাচেলর অব ল পড়ছেন অর্ণব। তাঁর এই লড়াইয়ের পাশে রয়েছে পৃথিবী্র আপামর বাঙালি।

অক্টোবর ১৫, ২০২০

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

এক মাসে দু’বার ছাঁটাই! ফের ২৫০ কর্মীর চাকরি গেল অ্যামাজনে, কেন এই সিদ্ধান্ত?

বিশ্বের অন্যতম বড় ই-কমার্স সংস্থা অ্যামাজনে ফের কর্মী ছাঁটাই। এ বার সংস্থার যন্ত্র ও পরিষেবা বিভাগে প্রায় ২৫০ জনের চাকরি গিয়েছে। বুধবার ভোরে কর্মীদের ই-মেল ও খুদে বার্তা পাঠিয়ে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। মূলত সফটওয়্যার তৈরির কাজে যুক্ত কর্মীদের উপরেই ছাঁটাইয়ের প্রভাব পড়েছে বলে জানা গিয়েছে।অ্যামাজনের তরফে জানানো হয়েছে, কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ ছিল না। তবে সংস্থার কাজকর্ম আরও দক্ষ করে তোলা এবং কর্মী কাঠামোয় সামঞ্জস্য আনার জন্য এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। সংস্থার এক মুখপাত্রের বক্তব্য, সাংগঠনিক কাঠামো পর্যালোচনা করার পর কয়েকটি পদ তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সম্প্রতি একের পর এক নতুন পণ্য বাজারে এনেছে অ্যামাজন। নতুন কিন্ডল ই-বুক পাঠকযন্ত্র এবং ট্যাবলেট কম্পিউটার বাজারে আসার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই কর্মী ছাঁটাইয়ের খবর সামনে এল। বুধবারই অ্যালেক্সা-চালিত নতুন অ্যালার্ম ঘড়ি এবং ছবি দেখানোর ফ্রেম আনার কথাও ঘোষণা করেছে সংস্থাটি।চলতি মাসের শুরুতেই অ্যামাজনের মূল খুচরো ব্যবসা বিভাগে প্রায় ১,০০০ কর্মী ছাঁটাই করা হয়েছিল। তার পর ফের ২৫০ জনের চাকরি যাওয়ায় এক মাসের মধ্যে দ্বিতীয়বার কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘটনা ঘটল। এর আগে গত বছরের অক্টোবরে ১৪ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের কথা জানিয়েছিল সংস্থা। চলতি বছরের জানুয়ারিতে আরও ১৬ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা করা হয়।অন্য দিকে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বাড়াতে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করছে অ্যামাজন। চলতি বছরে এই খাতে সংস্থার বিনিয়োগ ২২০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। এক দিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বিপুল বিনিয়োগ, অন্য দিকে দফায় দফায় কর্মী ছাঁটাইঅ্যামাজনের এই দুই পদক্ষেপ ঘিরে প্রযুক্তি শিল্পে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ইন্দ্রনীলের অ্যাকাউন্টে ১ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা? সরকারি টেন্ডার নিয়ে তদন্তে চাঞ্চল্যকর দাবি

দুর্গাপুজোর পাস বিক্রি নিয়ে বিতর্কের পর এ বার তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের সরকারি টেন্ডার নিয়ে প্রাক্তন প্রতিমন্ত্রী তথা গায়ক ইন্দ্রনীল সেনকে ঘিরে নতুন অভিযোগ সামনে এসেছে। পুলিশ সূত্রের দাবি, ইন্দ্রনীলের মন্ত্রিত্বকালে তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর থেকে প্রায় ৫৩ কোটি ৪৬ লক্ষ টাকার অনুষ্ঠান আয়োজনের কাজের বরাত দেওয়া হয়েছিল জিআইডিআই ক্রিয়েশন নামে একটি সংস্থাকে। অভিযোগ, সংস্থাটির মালিক ছিলেন ইন্দ্রনীলের এক বাল্যবন্ধু। ওই সংস্থার আগে এই ধরনের কাজ করার অভিজ্ঞতার প্রমাণ না থাকা সত্ত্বেও তারা সরকারি মেলা ও উৎসব আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।তদন্তকারীদের দাবি, সরকারি কাজের বরাত পাওয়ার পর জিআইডিআই ক্রিয়েশন সেই কাজের দায়িত্ব থার্ড লাইন ক্রিয়েশন নামে অন্য একটি সংস্থাকে দেয়। বর্তমানে ওই সংস্থাটি বন্ধ বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, জিআইডিআই ক্রিয়েশন থেকে থার্ড লাইন ক্রিয়েশন-এর অ্যাকাউন্টে প্রায় ৫০ কোটি ৩১ লক্ষ টাকা পাঠানো হয়েছিল। সেই বিপুল অঙ্কের টাকা কোথায় এবং কী ভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।পুলিশ সূত্রে আরও অভিযোগ, থার্ড লাইন ক্রিয়েশন থেকে সরাসরি ইন্দ্রনীল সেনের ব্যক্তিগত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা জমা পড়েছিল। পাশাপাশি, জিআইডিআই ক্রিয়েশন থেকে ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা এবং থার্ড লাইন ক্রিয়েশন থেকে ৬৬ লক্ষ টাকা মাস আর্ট সোসাইটি নামে একটি সংস্থায় জমা রাখা হয়েছিল বলে দাবি। এই সংস্থার সভাপতি ইন্দ্রনীল সেনের স্ত্রী। ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে দুর্গাপুজোর পাস বিক্রির অভিযোগেও সংস্থাটির নাম উঠে এসেছিল।ইন্দ্রনীল সেনের মেয়ের সংস্থাগুলির অ্যাকাউন্টেও টাকা স্থানান্তরের অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারীদের দাবি, থার্ড লাইন ক্রিয়েশন থেকে তাঁর মেয়ের দুটি সংস্থা আইএসকেপ এবং মাইরা-র অ্যাকাউন্টে মোট ২২ লক্ষ ৪৭ হাজার টাকা পাঠানো হয়েছিল। এই লেনদেনের উদ্দেশ্য কী ছিল, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের এই টেন্ডারগুলি যখন দেওয়া হয়েছিল, তখন পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী। সরকারি কাজের বরাত দেওয়া, এক সংস্থা থেকে অন্য সংস্থায় বিপুল টাকা পাঠানো এবং সেই টাকা ইন্দ্রনীল সেনের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে যুক্ত সংস্থাগুলিতে পৌঁছনোর অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। তবে এই অভিযোগগুলির সত্যতা তদন্তের মাধ্যমেই স্পষ্ট হবে। পুরো আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন পুলিশ ও তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকেরা।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
রাজ্য

কালীপুজোর আগে ফানুস ওড়ানোয় কড়াকড়ি! লাইসেন্স ছাড়া ওড়ালেই কি বিপদে পড়বেন?

পুজোর আগে বাজির পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি হয় ফানুস। উৎসবের মরসুমে বাড়ির ছাদ থেকে কিংবা রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে ফানুস ওড়ান অনেকে। তবে এ বার ফানুস বা এয়ার বেলুন ওড়ানো নিয়ে সতর্ক করলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্ত। তাঁর বক্তব্য, ফানুস ওড়ানোর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম মানতে হবে। অনুমতি বা লাইসেন্স ছাড়া ফানুস কিংবা এয়ার বেলুন ওড়ানোর কারণে একাধিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। সেই ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতেই এই বিষয়ে নিয়ম মেনে চলার উপর জোর দিয়েছেন তিনি।কালীপুজোর প্রস্তুতি নিয়ে সম্প্রতি বৈঠক করে পুলিশ ও প্রশাসন। তার পর যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে উৎসবের নিরাপত্তা ও বাজি ব্যবহারের নিয়ম নিয়ে বক্তব্য রাখেন আধিকারিকেরা। নবান্নের সভাঘর থেকে স্বরাষ্ট্রসচিব সংঘমিত্রা ঘোষ সবুজ বাজি ব্যবহারের উপর জোর দেন। তিনি স্পষ্ট করে জানান, হাসপাতাল, স্কুল, কলেজ ও বৃদ্ধাশ্রমের মতো নীরব এলাকায় শব্দবাজি ফাটানো যাবে না। এই সব জায়গার ১০০ মিটারের মধ্যে শব্দবাজি ব্যবহার নিষিদ্ধ। সেখানে নীরবতা বজায় রাখতে হবে।কালীপুজোর আগে বাজির বাজারেও নজরদারি চালানো হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। নিষিদ্ধ বাজির বিরুদ্ধে লাগাতার অভিযান চলবে। উৎসবের দিনগুলিতেও পুলিশি নজরদারি ও টহলদারি বজায় থাকবে। স্বরাষ্ট্রসচিবের কথায়, নিজের আনন্দ যেন অন্যের দুঃখের কারণ না হয়। প্রশাসনের কড়াকড়ির পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতার উপরেও জোর দিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, বাজি ব্যবহারের ক্ষেত্রে মানুষ সচেতন হলে দুর্ঘটনা ও দূষণ অনেকটাই কমানো সম্ভব।বাজি নিয়ে সাধারণ মানুষের অভিযোগ জানানোর জন্য কন্ট্রোল রুম চালু করার কথাও জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রসচিব। নিষিদ্ধ বাজি ব্যবহার বা নিয়ম ভাঙার ঘটনা চোখে পড়লে সেখানে অভিযোগ জানাতে পারবেন সাধারণ মানুষ। কালীপুজোর সময় নীরব এলাকায় যাতে শব্দবাজি না ফাটানো হয়, সে দিকেও নজর রাখবে প্রশাসন।ফানুস ওড়ানো থেকে বাজি ফাটানো, উৎসবের আনন্দে যাতে কোনও দুর্ঘটনা না ঘটে, সে জন্য সকলকে সতর্ক থাকার বার্তা দিয়েছে পুলিশ ও প্রশাসন। বিশেষ করে ফানুস বা এয়ার বেলুন ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শব্দবাজি এড়িয়ে সবুজ বাজি ব্যবহারের আবেদন জানানো হয়েছে সাধারণ মানুষের কাছে।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
রাজ্য

ঘূর্ণিঝড় ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাবেই কি ভাসবে বাংলা? কলকাতা-সহ একাধিক জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস

ঘূর্ণিঝড় অর্ণব দুর্বল হয়ে পড়লেও তার প্রভাব এখনও কাটেনি। এই ঘূর্ণিঝড়ের পরোক্ষ প্রভাবে বদলেছে বাংলার আবহাওয়া। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই কলকাতার আকাশ মেঘে ঢাকা। শুরু হয়েছে বৃষ্টি। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে বৃহস্পতিবার উপকূলবর্তী ও পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতেও বৃষ্টি হতে পারে।মঙ্গলবার থেকেই দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরের উপকূলবর্তী এলাকায় বৃষ্টি হচ্ছে। সঙ্গে বইছে ঝোড়ো হাওয়া। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারও এই পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী এলাকা এবং পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। অন্য জেলাগুলিতেও বিক্ষিপ্ত ভাবে বৃষ্টি হতে পারে।কলকাতা ও আশপাশের এলাকাতেও সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা। বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে পারে। কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিও হতে পারে। তবে অক্টোবরের শেষ দিন থেকে আবহাওয়ার উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ধীরে ধীরে কমতে পারে বৃষ্টির পরিমাণ।দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং-সহ উত্তরবঙ্গের উপরের জেলাগুলিতে বৃষ্টি হতে পারে। কিছু এলাকায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কাও রয়েছে। তাই পাহাড়ে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। অন্য দিকে, সিকিমের উঁচু পার্বত্য এলাকায় তুষারপাত হয়েছে। কুপুপ গ্রাম ও নাথাং উপত্যকা-সহ একাধিক জায়গায় বরফ পড়ার খবর পাওয়া গিয়েছে।ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাবে বায়ুমণ্ডল পরিষ্কার হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এই প্রভাব পুরোপুরি কেটে গেলে বাংলার তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমতে পারে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বাড়তে পারে শীতের আমেজ। তবে এখনই রাজ্যে শীত এসে গিয়েছে, এমনটা বলা যাবে না বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। ধীরে ধীরে তাপমাত্রা কমবে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার আনাগোনা বাড়লে উত্তুরে হাওয়ার প্রভাবে রাজ্যে শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
রাজ্য

"আমার যাওয়ার সময় হল..দাও বিদায়", ইন্দ্রনীলের সঙ্গে মমতাকে গান স্মরণ করালেন শুভেন্দু

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাওয়া গান বেশ ভাইরাল হয়েছিল। বুধবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে সেই প্রসঙ্গ তোলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে তিনি তীব্র কটাক্ষ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। নিজের গলায় আমার যাওয়ার সময় হল..দাও বিদায় গান করে মনে করিয়ে দেন। শুভেন্দুর কটাক্ষ, শেষ গানটাও আমরা শুনেছি, দুজন একসঙ্গে ডুয়েট করেছেন-আমার বিদায়ের সময় হলো, দাও বিদায়...আমার যাওয়ার সময় হলো। দুজন মিলেই করেছে, ডুয়েট। এদিন ইন্দ্রনীল সেন গ্রেপ্তার নিয়ে সরাসরি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গ টেনে আনেন। ইন্দ্রনীলের বেআইনি কারবারে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর হাত থাকতে বলেও মনে করছেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, একাতো খায়নি, খাইয়ে খেয়েছে। সিপিএমের সময় যা করতেন তৃণমূলের আমলে একই কাজ করেছেন ইন্দ্রনীল। তবে তৃণমূলের সময় তা আরও বেড়েছে বলে মন্তব্য় করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু বলেছেন, আমরা এখনও দুকামরার ফ্ল্যাটের বেশি থাকার জায়গা পেলাম না। সিঙ্গুরে খামারবাড়ি বানিয়েছে। স্ত্রীর নামে ইভেন্ড ম্যানেজমেন্ট কোম্পানী করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তথ্য সংস্কৃতি দফতর থেকে। আর্টিস্টদের কাছ থেকেও টাকার কমিশন নিতেন। নন্দীগ্রামের সময় বিরোধিতা করে গানও করেছেন ইন্দ্রনীল সেন, স্মরণ করাতে ভোলেনি শুভেন্দু অধিকারী।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
কলকাতা

মেরুদণ্ড বিক্রি করেনি বলেই গ্রেপ্তার হয়েছেন ইন্দ্রনীল! বিস্ফোরক অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়

দুর্গাপুজোর পাস নিয়ে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। বুধবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দফতরে হাজিরা দিয়ে বেরোনোর পর তাঁকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নতুন করে চাপানউতোর। ইন্দ্রনীলের গ্রেফতারি নিয়ে বিজেপিকে আক্রমণ করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্য দিকে, দুর্নীতির টাকা নিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে অভিযোগ তুলেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।ইন্দ্রনীলের গ্রেফতারি নিয়ে অভিষেক বলেন, বিজেপির শাসনকালে যাঁরা মেরুদণ্ড না বিকিয়ে লড়াই করছেন, তাঁরাই জেলে যাচ্ছেন। আর যাঁরা চোর, চিটিংবাজ, তাঁরা বিজেপির পতাকা ধরলেই সাত খুন মাফ হয়ে যাচ্ছে। এটাই হচ্ছে মোদীজির নতুন ভারত। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।দুর্গাপুজোর পাস সংক্রান্ত মামলায় বুধবার সিজিও কমপ্লেক্সে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের মুখোমুখি হতে গিয়েছিলেন ইন্দ্রনীল। সেখান থেকে বেরোনোর পরেই তাঁকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের আধিকারিকেরা। ইন্দ্রনীল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের আমলে তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের মন্ত্রী ছিলেন।তদন্তকারীদের অভিযোগ, তাঁর মন্ত্রিত্বের সময়ে দুর্গাপুজোর পাস নিয়ে বিপুল অঙ্কের আর্থিক দুর্নীতি হয়েছিল। সেই দুর্নীতির সঙ্গে ইন্দ্রনীল সরাসরি যুক্ত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মাস আর্ট প্রতারণা মামলার তদন্ত করছে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। অন্য দিকে, কোটি কোটি টাকার আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ আইনের আওতায় তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।ইন্দ্রনীলের গ্রেফতারির পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে অভিযোগ তোলেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, দুর্নীতির টাকা মমতার কাছেও পৌঁছেছিল। শুভেন্দু বলেন, আমরা জানতাম, মমতা ও ইন্দ্রনীল দুজনে একে অপরের পরিপূরক ছিলেন। একা খেয়েছেন বলা ভুল হবে। মমতার সঙ্গে একই গাড়িতে ঘুরতেন। গান গাইতেন।শুভেন্দু আরও বলেন, দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত সকলকেই জেলে যেতে হবে। তাঁর দাবি, রাজ্যে সরকার বদলের পরে ইন্দ্রনীলের মুখে নতুন সরকারের প্রশংসাও শোনা গিয়েছিল। তবে দুর্নীতির অভিযোগে কাউকে আড়াল করা হবে না বলেও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি।ইন্দ্রনীলের গ্রেফতারি এবং তাঁকে ঘিরে অভিষেক ও শুভেন্দুর মন্তব্যে দুর্গাপুজোর পাস দুর্নীতি মামলা নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। তবে দুর্নীতির অভিযোগ এবং তা নিয়ে ওঠা রাজনৈতিক দাবিগুলির সত্যতা তদন্তের পরেই স্পষ্ট হবে।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
রাজ্য

রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন গ্রেপ্তার, ইউনেস্কো মামলায় তীব্র আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

ইউনেস্কোর নাম ও লোগো ব্যবহার করে দুর্গাপুজোর প্রবেশপাস বিক্রির অভিযোগে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের হাতে গ্রেপ্তার হলেন রাজ্যের প্রাক্তন তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা ইন্দ্রনীল সেন। বুধবার দুপুর একটা নাগাদ সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) দফতরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজিরা দেন তিনি। তখন থেকেই CGO কমপ্লেক্স ঘিরে ফেলে কলকাতা ও বিধাননগর পুলিশ। দুই কমিশনারেটের আধিকারিককে দেখা যায় সেখানে। বিকেল ৫টা ৬ মিনিট নাগাদ দফতর থেকে বেরোতেই তাঁকে গাড়িতে তুলে নিয়ে যায় কলকাতা পুলিশ। তাঁকে লালবাজারে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান কুণাল আগরওয়াল।এই গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোরও তুঙ্গে। নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, তদন্তকারী সংস্থাগুলি তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতেই আইনানুগ পদক্ষেপ করেছে। তাঁর অভিযোগ, এই ঘটনায় ইন্দ্রনীল সেন একা নন, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। ইন্দ্রনীল ও মমতার ঘনিষ্ঠতা নিয়ে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক চোরেদের জেলে যেতে হবে।তদন্তকারীদের অভিযোগ, মাস আর্ট নামে একটি সংস্থার মাধ্যমে ২০২৩ ও ২০২৪ সালের দুর্গাপুজোর প্রবেশপাস বিক্রির ক্ষেত্রে ইউনেস্কোর নাম ও লোগো ব্যবহার করা হয়েছিল। পাসের দাম ছিল ১,৮০০ টাকা থেকে ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত। এইভাবে বিপুল অর্থ সংগ্রহ হলেও তার হিসাব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সংস্থাটির সঙ্গে ইন্দ্রনীল ও তাঁর স্ত্রী মধুচ্ছন্দার যোগ থাকার অভিযোগও রয়েছে।বউবাজার থানায় দায়ের হওয়া এফআইআরের ভিত্তিতে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ তদন্ত শুরু করে। পাশাপাশি তদন্তে নামে ইডিও। লালবাজারে তলব এড়ানোর অভিযোগের মধ্যেই আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হয় আদালতে। এখন তদন্তকারীদের নজর সংগৃহীত অর্থের পরিমাণ, লেনদেন এবং তার প্রকৃত ব্যবহার খতিয়ে দেখার দিকে।

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
রাজ্য

দশকের পর দশক বেহাল রাস্তা, আজও দুর্ভোগ! খাটিয়ায় রোগী নিয়ে হাসপাতালে ছুটলেন গ্রামবাসীরা

গ্রামের যাতায়াতের রাস্তা এতটাই বেহাল যে সেখানে প্রবেশ করতে পারে না কোনও জরুরি পরিষেবার যানবাহন। ফলে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে পৌঁছনোর জন্য ভরসা বলতে গ্রামবাসীদের কাঁধে চাপানো খাটিয়া। সোমবার সকালে এমনই এক অসহায় পরিস্থিতির ছবি সামনে আসতেই তুমুল চাঞ্চল্য ছড়াল মালদার চাঁচল মহকুমার হরিশ্চন্দ্রপুরে। অসুস্থ এক বৃদ্ধাকে খাটিয়ায় চাপিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, হরিশ্চন্দ্রপুর থানার ব্লকপাড়া এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা অসুস্থ এক বৃদ্ধাকে খাটিয়ায় শুইয়ে কাঁধে করে নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাচ্ছেন। যদিও ভাইরাল হওয়া ভিডিওটির সত্যতা সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে যাচাই করা হয়নি। তবে ঘটনাটি সামনে আসার পরেই এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার বেহাল দশা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।ঘটনার খবর পেয়ে সোমবার দুপুরে ব্লকপাড়া গ্রামে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে যান হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের বিডিও ধ্রুবশীষ সামন্ত। অন্যদিকে, বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন হরিশ্চন্দ্রপুরের তৃণমূল বিধায়ক মতিবুর রহমান। প্রশাসন ও বিধায়ক, উভয় পক্ষের তরফেই দ্রুত চলাচলের উপযোগী রাস্তা তৈরির আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।কয়েক দশকের দুর্ভোগ, সরু আলই এখন যাতায়াতের ভরসাব্লকপাড়ার বাসিন্দাদের অভিযোগ, কয়েক দশক আগে এলাকায় মাটির রাস্তা ছিল। কিন্তু গ্রামের একটি বিশাল জলাশয়ের কারণে সেই রাস্তা ক্রমশ কেটে যেতে থাকে। বর্তমানে একসময়ের মাটির রাস্তা কার্যত সরু আলের আকার নিয়েছে। ভাঙাচোরা এই পথ দিয়ে যাতায়াত করাই এখন রীতিমতো দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।গ্রামবাসীদের দাবি, রাস্তা তৈরির প্রতিশ্রুতি তাঁরা আগেও বহুবার পেয়েছেন। বিশেষ করে ভোটের সময় বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে কোনও কাজ হয়নি। তাই এবার প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের আশ্বাসে কতটা কাজ হবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে তাঁদের মনে।হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের বিডিও ধ্রুবশীষ সামন্ত জানান, বিষয়টি জানার পর তিনি নিজে এলাকায় গিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থার পরিকাঠামো খতিয়ে দেখেছেন। দ্রুত সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে গ্রামবাসীদের জানানো হয়েছে।পেটের যন্ত্রণায় কাতর বৃদ্ধা, শেষ ভরসা খাটিয়াস্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ব্লকপাড়া এলাকার বাসিন্দা ৬২ বছর বয়সি বেলি ঋষি সোমবার সকাল থেকেই পেটের যন্ত্রণায় ছটফট করছিলেন। পরিবারের লোকজন জলপড়া দিয়েও তাঁর যন্ত্রণা কমাতে পারেননি। পরিস্থিতি সামাল দিতে শেষ পর্যন্ত আশপাশের বাসিন্দাদের সাহায্য নিয়ে খাটিয়ায় শুইয়ে তাঁকে কাঁধে করে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।অসুস্থ বৃদ্ধার প্রতিবেশী সুমিতা মণ্ডল, বি ফল মণ্ডল ও অনিতা দাসদের অভিযোগ, গ্রামের অধিকাংশ পরিবারের কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়াই বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। তাঁদের দাবি, রাস্তার অভাবে অনেক সময় ওঝা-গুনিনদের দ্বারস্থ হতে হয়। গ্রামে প্রায় দুই কিলোমিটার ভাঙাচোরা রাস্তা থাকলেও রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার মতো উপযুক্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা নেই। এদিন বৃদ্ধার পেটের যন্ত্রণা না কমায় বাধ্য হয়েই তাঁকে খাটিয়ায় চাপিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়।রাজনৈতিক তরজার মধ্যেই রাস্তা তৈরির আশ্বাসএই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে চাপানউতোর। হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের বিজেপির মণ্ডল সভাপতি অজয় পাশোয়ান বলেন, তৎকালীন শাসকদলের উদাসীনতার কারণেই ব্লকপাড়া এলাকার এমন বেহাল অবস্থা তৈরি হয়েছে। তবে গ্রামের মানুষের দুর্দশার কথা মাথায় রেখে রাজ্য সরকার ও প্রশাসন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।অন্যদিকে, হরিশ্চন্দ্রপুরের তৃণমূল বিধায়ক মতিবুর রহমান অভিযোগের একাংশের বিরোধিতা করে জানান, যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তা ঠিক নয়। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিওটি দেখার পর তিনি ওই এলাকায় গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেছেন। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন এবং দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।সব মিলিয়ে, অসুস্থ বৃদ্ধাকে খাটিয়ায় চাপিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও ঘিরে ব্লকপাড়ার দীর্ঘদিনের যোগাযোগ সমস্যাটি ফের সামনে এসেছে। এখন গ্রামবাসীদের নজর প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের আশ্বাস বাস্তবে কত দ্রুত কার্যকর হয়, তার দিকেই।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal