• ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Vaccination

কলকাতা

Belur Math: কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মানুষের পাশে বেলুড় মঠ

কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এবার মানুষের পাশে বেলুড় মঠ। কোভিড-১৯ টিকাকরণ কেন্দ্র এবার রামকৃষ্ণ মিশন শিক্ষণ মন্দিরের উদ্যোগে। কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বেলুড় মঠের রামকৃষ্ণ মিশন শিক্ষণ মন্দিরের তরফেই এবার টিকাকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। লকডাউন পরিস্থিতিতে দিন আনা দিন খাওয়া মানুষের জন্য খাদ্যবস্তু দান, কোভিডের আরটিপিসিআর টেস্ট, সেফ হোমের ব্যবস্থার পর এবার কোভিড টিকাকরণের ব্যবস্থা করল বেলুড় মঠ।আরও পড়ুনঃ জর্জ ফ্লয়েড হত্যায় অভিযুক্ত পুলিশকর্মীর সাড়ে ২২ বছরের জেল রামকৃষ্ণ মিশন সারদাপীঠ দ্বারা প্রযোজিত রামকৃষ্ণ মিশন শিক্ষণ মন্দিরের ব্যবস্থাপনায় আগামী পয়লা জুলাই থেকে বেসরকারি হাসপাতালের সহযোগিতায় এই কোভিড টিকাকরণ শুরু হতে চলেছে। সরকার নির্ধারিত মূল্য ৭৮০টাকা জনপ্রতি ধার্য করা হলেও দুঃস্থ এবং অসহায় মানুষদের জন্য ছাড়ের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। কো-উইন অ্যাপের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করে বেলুড় মঠের নির্দিষ্ট নম্বরে ফোন করে অন্তত তিন দিন আগে নাম নথিভুক্ত করাতে হবে। কোভিশিল্ডের প্রথম এবং দ্বিতীয় দুটি ডোজই এখানে দেওয়া হবে। প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার ৩০০ জনকে ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থা প্রাথমিকভাবে করা হয়েছে। শনিবার এ বিষয়ে শিক্ষণ মন্দির মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ স্বামী দিব্যগুণানন্দজি মহারাজ বলেন, রামকৃষ্ণ মিশন শিক্ষণ মন্দির বেলুড় মঠ, পিয়ারলেস হাসপাতাল, এম ফাউন্ডেশন এবং ক্যালকাটা ক্যাটালিস্ট এই সংস্থাগুলির যৌথ উদ্যোগে ভ্যাক্সিনেশন ক্যাম্প চালু হতে চলেছে। সপ্তাহে একদিন বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। যারা কো-উইন অ্যাপে রেজিস্ট্রেশন করেছেন বা করছেন তাঁদের ০৩৩ ২৬৫৪ ৯২৮১ এই নম্বরে ফোন করতে হবে। কো-উইনের রেজিস্ট্রেশন নম্বরের শেষ চারটি ডিজিট ও অন্যান্য ডাটা ফোনে বললে তাঁর নাম ও ফোন নম্বর লিখে নেওয়া হবে। এরপর তাঁরা এসে ভ্যাকসিন নিতে পারবেন। সরকার নির্ধারিত ৭৮০ টাকা লাগবে ভ্যাকসিন নিতে। কিন্তু যারা দুঃস্থ, যারা সেই টাকা দিতে অপারগ, তাঁদের জন্য শিক্ষণ মন্দিরের তরফ থেকে ছাড় দেওয়া হবে। প্রয়োজনে সেই টাকা বেলুড় মঠ রামকৃষ্ণ মিশন শিক্ষণ মন্দির কর্তৃপক্ষ বহন করবে। সপ্তাহে ৩০০ জনকে ভ্যাকসিন দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে। সবাইকেই কোভিশিল্ড দেওয়া হবে। এখানে প্রথম এবং দ্বিতীয় দুটো ডোজই দেওয়া হবে।

জুন ২৬, ২০২১
রাজ্য

Fake Vaccination: রাজ্যে সরকারি অনুমতি ছাড়া করোনা টিকার ক্যাম্প নয়

কসবায় ধৃত দেবাঞ্জন দেবের কাণ্ড কারখানা রীতিমতো হতবাক করে দিয়েছে রাজ্য প্রশাসন থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকদের। মানুষের জীবন নিয়ে যে কেউ এমন ছেলেখেলা করতেও পারেন, এটাই কার্যত কল্পনাতীত ছিল সকলের। সেই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে রাজ্যজুড়ে টিকাকরণের জন্য এ বার নতুন এবং অনেকাংশে কড়া নির্দেশিকা জারি করল রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর। স্বাস্থ্য ভবনের পক্ষ থেকে নয়া নির্দেশ জারি করে সমস্ত সমস্ত জেলাগুলিকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সরকারের অনুমতি ব্যতীত কোনও টিকাকরণ ক্যাম্পের আয়োজন করা যাবে না।আরও পড়ুনঃ ভ্যাকসিন কাণ্ডে তৃণমূলকে তোপ দিলীপেরস্বাস্থ্য ভবনের পক্ষ থেকে শনিবার একটি ৭ পাতার নির্দেশিকা জারি করা হয়। সেই নির্দেশিকার প্রথমেই উল্লেখ করা হয়েছে, স্বাস্থ্য ভবনের অনুমতি ছাড়া কোনও টিকাদান শিবিরে আয়োজন করা যাবে না। কসবা কাণ্ডের পুনরাবৃত্তি যাতে কোনওভাবেই এ রাজ্যে না ঘটে, বস্তুত তা নিশ্চিত করতে চাওয়া হয়েছে এই নতুন নির্দেশিকার মাধ্যমে। বেসরকারিভাবে যদি কোনও সংস্থা ভ্যাকসিন ক্যাম্প করতে চায়, তবে স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে নিযুক্ত নোডাল অফিসারের কাছে স্পষ্ট করতে হবে কী ধরনের চুক্তির মাধ্যমে এই ক্যাম্প করা হচ্ছে। জেলার ক্ষেত্রে তা জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিককে জানাতে হবে।কসবা কাণ্ডে পুলিশের নাকের ডগায় ভুয়ো ক্যাম্প চললেও পুলিশ তা জানতে পারেনি। কারণ, রক্তদান শিবির বা এহেন জনস্বাস্থ্য কল্যাণমূলক কর্মসূচির জন্য পুলিশি অনুমতি লাগে না। এ বার টিকাকরণ শিবির করতে গেলে পুলিশের অনুমতিও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এই নতুন নির্দেশিকায়। ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য কোনও টাকা নেওয়া হচ্ছে কি না, সেটাও উল্লেখ করতে হবে। একই সঙ্গে কোভিড টিকা কোথা থেকে এল তা স্পষ্টভাবে জানাতে হবে এই ক্যাম্পকে। পাশাপাশি প্রতিটি টিকা যাতে কো-উইন পোর্টালে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে দেওয়া হয় তা নিশ্চিত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে স্বাস্থ্য ভবনের পক্ষ থেকে।

জুন ২৬, ২০২১
দেশ

Modi on Vaccination: টিকাকরণে গতি আনতে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সাহায্য চাইলেন মোদি

করোনা টিকাকরণের গতি নিয়ে সন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার দেশের করোনা পরিস্থিতি ও টিকাকরণের হালহকিকত জানতে বৈঠকে বসেছিলেন তিনি। সেই বৈঠকে দেশে টিকাকরণের গতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, আরও বেশি করে মানুষের কাছে টিকা পৌঁছে দিতে পারলে ভাল। সে কারণে টিকাকরণ কর্মসূচিতে একাধিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকেও অন্তর্ভূক্ত করার কথা বলেছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ ভুয়ো টিকা নিয়ে রাজ্যকে সতর্ক করল কেন্দ্রকেন্দ্রীয় সরকারের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা প্রধানমন্ত্রীকে দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে সবিস্তারে জানিয়েছেন। বয়স ভেদে কী ভাবে দেশে টিকাকরণ চলছে, সে বিষয়ে সবিস্তার তথ্য দিয়েছেন। স্বাস্থ্যকর্মী ও প্রথম সারির করোনা যোদ্ধাদের টিকাকরণের বিষয়েও খোঁজ নিয়েছেন মোদী। শেষ ছদিনে দেশে ৩ কোটি ৭০ লক্ষের বেশি মানুষকে করোনা টিকা দেওয়া হয়েছে। মালয়েশিয়া বা সৌদি আরবের মতো দেশের সামগ্রিক জনসংখ্যার সমান মানুষকে টিকা দিতে পেরেছে ভারত। এই পরিসংখ্যানের কথা শুনেই প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, তিনি টিকাকরণের গতি নিয়ে সন্তুষ্ট। কিন্তু আগামী দিনেও এই গতি ধরে রাখতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন। টিকাকরণের এই বিপুল উদ্যোগে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলিকে ডেকে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন মোদি। পাশাপাশি তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন, ডেল্টা প্রজাতি ছড়িয়ে পড়েছে বেশ কয়েকটি রাজ্যে। করোনা সংক্রমণ দেশজুড়ে বিদ্যমান। এই পরিস্থিতিতে করোনা পরীক্ষার হার যাতে যথেষ্ট থাকে, সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। সে কারণে রাজ্যগুলির সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার পরামর্শ মোদির।

জুন ২৬, ২০২১
দেশ

Fake Vaccination: ভুয়ো টিকা নিয়ে রাজ্যকে সতর্ক করল কেন্দ্র

ভুয়ো টিকা (Fake Vaccine) নিয়ে রাজ্যকে সতর্ক করেছে কেন্দ্র। করোনার টিকা (Covid Vaccine) নিয়ে যাতে কোনও ধরনের জালিয়াতি না হয়, তার জন্য নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশও রাজ্যকে দিয়েছে কেন্দ্র। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেট সচিব রাজীব গৌবা দেশের বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যসচিবদের সঙ্গে এক উচ্চ পর্যায়ের করোনা (Corona Virus) সংক্রান্ত বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে দেশের যে দুই রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ ও মহারাষ্ট্র থেকে ভুয়ো টিকার অভিযোগ ওঠে, তার জেরেই কেন্দ্রের তরফ থেকে আলাদা করে সতর্ক করা হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে।আরও পড়ুনঃ দেশের বাকি বড় শহরকে পিছনে ফেলে সুরাট এবং ইন্দোর সেরার সেরাভুয়ো টিকার খবর দেশের যেকোনও রাজ্যের যেকোনও জায়গা থেকে এলেই কেন্দ্রকে যাতে অবিলম্বে এই বিষয়ে জানানো হয়, বৈঠকে সমস্ত রাজ্যগুলিকে সেই বার্তাও দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব লব আগরওয়ালকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ক্যাবিনেট সেক্রেটারির উপস্থিতিতে সমস্ত রাজ্যের চিফ সেক্রেটারির সঙ্গে আমাদের করোনা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে কথা হয়েছে। ভুয়ো টিকার খবর কোথা থেকে এসেছে তা জানা জরুরি। স্থানীয় জেলা প্রশাসন রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে আমাদের তা জানালে প্রয়োজনমতো ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হবে।আরও পড়ুনঃ করোনা চিকিৎসায় অর্থসাহায্যের ক্ষেত্রে আয়কর ছাড়ভুয়ো টিকার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানালেও, পশ্চিমবঙ্গের ভুয়ো টিকার বিষয়ে তারা যে সরাসরি মাথা গলাতে চাইছে না, সেই বিষয়টি এদিন স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। রাজ্যের ভুয়ো টিকার ঘটনাকে তারা জনস্বাস্থ্য বিষয়ক নয়, বরং ফৌজদারি অপরাধ বলেই মনে করছে। সরকারি বা সরকার অনুমোদিত টিকাকরণ কেন্দ্র থেকে বা কো-উইন অ্যাপে নাম নথিভুক্ত করার পরেও যদি কোনও ব্যক্তি ভুয়ো টিকা পান, তাহলে কেন্দ্র সরকার সেই বিষয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের ঘটনায় শুধুমাত্র ভুয়ো টিকাই নয়, টিকাকরণ কেন্দ্রটিরও সরকারি অনুমোদন ছিল না।

জুন ২৬, ২০২১
রাজ্য

Vaccination: বর্ধমানের কোভিড ফিল্ড হাসপাতালের বিশেষ টিকাকরণ কর্মসূচি

রাজ্যে ভুয়ো ভ্যাকসিন-কাণ্ডে যখন সরগরম চারিদিক, সেই সময়ই রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের অনুমোদন নিয়েই বৃহত্তর স্বার্থে এক টিকাকরণ অভিযানের আয়োজন করেছে বর্ধমানের কোভিড ফিল্ড হাসপাতাল। লিভার ফাউন্ডেশন ও কোভিড কেয়ার নেটওয়ার্কের উদ্যোগে এই অস্থায়ী কোভিড হাসপাতালটি গড়ে তোলা হয়েছে। মূলত, সত্তরোর্ধ্ব শারীরিকভাবে অক্ষমদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিনামূল্যে এই টিকাকরণের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে জেলা নোডাল তথাগত পাল জনতার কথাকে জানান, ভ্যাকসিন অ্যাকসেস ইনিশিয়েটিভ নামক এই কর্মসূচিতে প্রথম পর্যায়ে সত্তরোর্ধ্ব ও শারীরিকভাবে দুর্বলদের জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুনঃ জার্মানিতে পথচারীদের উপর জেহাদি হামলায় হত ৩দ্বিতীয় ঢেউয়ের পর বিশেষজ্ঞরা যখন তৃতীয় ঢেউ নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভ্যাকসিন নিয়ে নেওয়ার আবেদন করছেন চিকিৎসকরা। সেই অবস্থায় দাঁড়িয়ে এখনও এমন অনেক বয়স্ক মানুষ রয়েছেন যাঁরা করোনা ভ্যাকসিন নিতে পারেননি। অথবা লম্বা লাইনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা তাঁদের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই এইসব মানুষের কথা ভেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসক ও প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীর দ্বারাই সংশ্লিষ্ট এলাকায় গিয়ে এই টিকাকরণ কর্মসূচি চালানো হবে বলেও জানা গিয়েছে। প্রয়োজনীয় সবরকম সরকারি অনুমোদন নিয়েই এই অভিযানে নামার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তথাগত পাল। সংস্থার তরফে তথাগত পাল বলেন, এই বিরাট কর্মকান্ড চালাতে অনেক মানুষের সাহায্য অর্থের প্রয়োজন। বহু বিশিষ্ট সহৃদয় মানুষ এগিয়ে এসে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন। তাঁদের প্রত্যেককে আমাদের সংস্থার পক্ষ থেকে অসংখ্য ধন্যবাদ। সাধারণ মানুষ আমাদের এই কর্ম কান্ডে সাহায্য করলে কর্মসূচি সার্বিক ভাবে সাফল্যে পাবে।সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ইচ্ছুকরা সংশ্লিষ্ট ফোন নম্বরে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করতে পারেন।(৯৮৮৩৮৩২৫১২ / ৭০০১৯০৬৮২৭ / ৮৯৬৭০০০৪২৮)

জুন ২৬, ২০২১
কলকাতা

Suvendu- Fake Vaccination: ভুয়ো টিকা-কাণ্ডে স্বাস্থ্য ভবনে শুভেন্দু, হতে পারে জনস্বার্থ মামলাও

ভুয়ো টিকা কাণ্ড নিয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানালেন বিজেপি বিধায়ক তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, টিকাকাণ্ড নিয়ে যদি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত না করা হয়, তা হলে জনস্বার্থ মামলার পথে হাঁটবেন তাঁরা। বিধানসভার অধিবেশন শুরু হলে বিষয়টি উত্থাপন করা হবে বলেও শুক্রবার জানিয়েছেন শুভেন্দু। কসবায় ভুয়ো টিকা কাণ্ড নিয়ে তোলপাড় চলছে গোটা রাজ্যে। এই কাণ্ডে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার হয়েছেন মূল পাণ্ডা দেবাঞ্জন দেব। কী ভাবে এই টিকা আনা হল, কোন দোকান থেকে সেই টিকা নেওয়া হয়েছে, সব কিছু নিয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানাতে শুক্রবার আচমকাই দলের বিধায়কদের নিয়ে স্বাস্থ্যভবনে হাজির হয়েছিলেন শুভেন্দু। তিনি উল্লেখ করেন, গোটা বিষয়টি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধনকেও জানিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ মমতার আবেদনে সাড়া সুপ্রিম কোর্টের, হাইকোর্টকে হলফনামা জমা নেওয়ার নির্দেশভুয়ো টিকাকাণ্ডের ষড়যন্ত্র ফাঁস করতে এবার গোটা ঘটনার সিবিআই তদন্ত চাইলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। এদিন রাজ্যের স্বাস্থ্য সচিবের সঙ্গে দেখা করে ভুয়ো টিকাকাণ্ড নিয়ে সরব হয়েছেন শুভেন্দু। এই ঘটনায় দোশীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্বাস্থ্য সবিচের কাছে আবেদন রেখেছেন শুভেন্দু। এমনকী, এটাও জানিয়ে দিয়েছেন, স্বাস্থ্য দফতর যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে তাঁরা আদালতে যাবেন।স্বাস্থ্যভবন থেকে বেরিয়ে শুভেন্দু বলেন, এই ভুয়ো, প্রতারক চিটিংবাজ, প্রভাবশালীদের সঙ্গ দেওয়া দেবাঞ্জন দেব যে কাণ্ডটা করেছে, তাতে মানুষ আতঙ্কিত। এই টিকা শিবিরে টিকা নিয়ে যদি কারও কিছু হয়ে যেত, তা হলে বলা হত মোদীর পাঠানো টিকার জন্য এই ঘটনা ঘটেছে। এটা একটা বড় ষড়যন্ত্র বলে আমরা মনে করছি।শুভেন্দুর অভিযোগ, গত ২-৩ সপ্তাহ ধরে দেবাঞ্জন গাড়ি গাড়ি করে লোক নিয়ে এসে টিকা দিয়েছেন। সেই কর্মসূচিতে কোথাও দেখা গিয়েছে শাসকদলের সাংসদ গিয়ে টিকা নিচ্ছেন। কোথাও দেখা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ মন্ত্রী নেতারা এই প্রতারককে দিনের পর দিন সঙ্গ দিয়েছে। এটা নিয়ে একটা বড় এজেন্সির তদন্তের প্রয়োজন। প্রয়োজনে সিবিআইকে দিয়েও তদন্ত করানো উচিত। এদিন স্বাস্থ্য ভবন থেকে বেরিয়ে শুভেন্দু সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের জানান, এটা বড় ষড়যন্ত্র। ভুয়ো ভ্যাকসিনে মৃত্যু হলে কেন্দ্রকে দোষারোপ করা হত। আর ওই প্রতারককে দিনের পর দিন সঙ্গ দিয়েছে রাজ্য সরকার। পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে বিপদে ফেলেছেন। গুরুতর বিষয় এটা। শুধু কলকাতা পুলিশ দিয়ে তদন্ত করালে হবে না। আমরা চাই বড় এজেন্সিকে দিয়ে তদন্ত করা হোক। সিবিআই-কে দিয়ে তদন্ত করা যেতে পারে। এই দাবি করেছি। ব্যবস্থা না নিলে আমরা আদালতে যাব। বিধানসভা খুললে এ বিষয়ে প্রস্তাব আনব। আলোচনা হওয়া দরকার। যেখান থেকে টিকা কিনল, তার লাইসেন্স রাজ্য সরকার দিয়েছে। প্রতারক সরকারের অতি ঘনিষ্ঠ। মানুষের জীবন নিয়ে ছেলেখেলা করা যাবে না। অন্যদিকে, লকেট চট্টোপাধ্যায়ও কেন্দ্রীয় সংস্থাকে দিয়ে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, শাসক দলের তাবড় নেতা ও মন্ত্রীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবের। এমনকী, নীল সাদা বেলুন দিয়ে ক্যাম্প সাজিয়ে কলকাতা পুর নিগমের নীল লোগো লাগানো গাড়ি নিয়ে প্রতারণা চালিয়ে গিয়েছে সে। প্রায় দুহাজারের বেশি লোককে যে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে তার দায় রাজ্য সরকারের।

জুন ২৫, ২০২১
কলকাতা

Fake Vaccination: কসবা-কাণ্ডে দেবাঞ্জনের বিরুদ্ধে এফআইআর

কসবার ভুয়ো টিকা কাণ্ডে (Kasba Fake Vaccination Case) দেবাঞ্জন দেবকে জেরা করে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য পেল পুলিশ। আপাতদৃষ্টিতে মেধাবী পড়ুয়া দেবাঞ্জন কীভাবে প্রতারক হয়ে উঠল তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। আর্থিক তছরুপের জেরে ধৃতের বিরুদ্ধে নিউ মার্কেট থানায় একটি পৃথক এফআইআর (FIR) হয়েছে। এছাড়া মুচিপাড়া থানায় দেবাঞ্জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (Indian Medical Association)। এদিকে, দেবাঞ্জনের এক সহযোগীকে আটক করেছে পুলিশ। রামলীলা পার্কের বাসিন্দা শান্তনু মান্না নামে ওই ব্যক্তি নিজেকে দেবাঞ্জনের অফিসের ম্যানেজার বলে দাবি করত। দেবাঞ্জনের তালতলার গুদামেও চলছে জোর তল্লাশি। সূত্রের খবর, সেখান থেকে বেশ কয়েকটি ভায়াল পাওয়া গিয়েছে। আরও পড়ুনঃ কসবা-কাণ্ডে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে যোগের অভিযোগ বিজেপিরইতিমধ্যেই তাকে বেশ কয়েকবার দফায় দফায় জেরা করেন পুলিশ আধিকারিকরা। তাতেই জানা গিয়েছে, কলকাতা পুরসভার নামে বেআইনিভাবে অ্যাকাউন্ট খুলেছিল দেবাঞ্জন। তদন্তে এই বিস্ফোরক তথ্য উঠে আসার পরই নিউ মার্কেট থানায় দেবাঞ্জনের বিরুদ্ধে একটি পৃথক FIR দায়ের হয়েছে। করোনা কালে স্যানিটাইজারের ব্যবসা শুরু করে দেবাঞ্জন। বাগড়ি মার্কেট থেকে মাস্ক, স্যানিটাইজার, পিপিই কিটও কিনেছিল সে। এমনকী, সমাজসেবামূলক কাজও শুরু করেছিল দেবাঞ্জন। সে সময় বিনামূল্যে স্যানিটাইজার ও মাস্ক বিলি করে সে। তবে কীভাবে দেবাঞ্জন টিকাকরণ নিয়ে জালিয়াতি কাণ্ডে জড়িয়ে পড়ল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। মিসিং লিংকের সন্ধানে তদন্তকারীরা।

জুন ২৫, ২০২১
কলকাতা

Fake Vaccination: কসবা-কাণ্ডে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে যোগের অভিযোগ বিজেপির

রাজ্যে টিকাকরণের নামে ব্যাপক বেনিয়ম চলছে বলে অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিতে চলেছে বিজেপি (BJP)। বৃহস্পতিবার বাঁকুড়ায় নিজের দলীয় কার্যালয়ে এক সাংবাদিক বৈঠকে একথা জানান বাঁকুড়ার সাংসদ চিকিৎসক সুভাষ সরকার। তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকার কেন্দ্রের পাঠানো টিকাকে নিজেদের কেনা টিকা বলে দাবি করছে। তাছাড়া, এদিন সুভাষবাবু একাধিক ছবি দেখিয়ে দাবি করেন, কলকাতার কসবায় ভুয়ো টিকাকরণ শিবির আয়োজনের অভিযোগে গ্রেপ্তার ভুয়ো আইএএস (IAS) আধিকারিক দেবাঞ্জন দেবের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে তৃণমূলের (TMC)। দুয়ারে সরকার প্রকল্পে একাধিক তৃণমূল নেতার সঙ্গে ছবি রয়েছে দেবাঞ্জনের। এই ভুয়ো টিকাকরণ নিয়ে রাজ্য সরকারকে এক এক হাত নিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁন। তাঁদের দাবি, কেন্দ্র সরকার সকলের জন্য ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করেছে, কিন্তু রাজ্য সরকার তা ঠিকভাবে বণ্টন করতে ব্যর্থ। উপরন্তু, এরকম ভুয়ো ঠিকাকরণে রাজ্যে মানুষের মনে ভয়ের সঞ্চার হচ্ছে। আরও পড়ুনঃ হাম বা বিসিজি বা স্রেফ পাউডার গোলা জল দেওয়া হয়েছে কসবার ক্যাম্পেএরপর তিনি হাওড়ার মানপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে টিকাকরণের নামে দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন। বলেন, সেখানে অবনী খুটিয়া নামে এক ব্যক্তি টিকা নিতে যান। সেখানে তাঁকে পঞ্চায়েত প্রধানের সুপারিশ লিখিয়ে আনতে বলা হয়। তিনি সেখানে গেলে দেখেন তাঁর ফোনে টিকাকরণের (Vaccination) এসএমএস ও সার্টিফিকেট চলে এসেছে। অথচ টিকাই নেননি অবনীবাবু। প্রশ্ন হল, তাহলে অবনীবাবুর টিকা কে চুরি করল? টিকাটা কে নিল? সেই টিকাই কি বাজারে বিক্রি হচ্ছে? রাজ্যে টিকাকরণের অডিটের দাবিও তোলেন তিনি। বলেন, প্রত্যেকটা টিকা কাকে দেওয়া হয়েছে তা জানা দরকার। রাজ্য সরকার এত অসৎ হলে তো মহা মুশকিল। এই অবনী খুটিয়া যদি এবার করোনায় আক্রান্ত হন। পরিবার যদি তাঁকে হারায়। তাহলে কি তাঁদের ক্ষতিপূরণ দেবে রাজ্য সরকার?যাদবপুরের সাংসদ গেলেন জাল ভ্যাক্সিনেশন ক্যাম্পে ডোজ ও প্রচার নিতে!বিধায়ক লাভলী মৈত্র মঞ্চে পরিচয় করিয়ে দিলেন,জয়েন্ট কমিশনার আইএএস অফিসার বলে!তাই জন্য কি আগেভাগে কেঁদে বলেছিলেন ফিরাদ সাহেব,আমায় কলকাতার মানুষকে বাঁচাতে দিল নাসঠিক তদন্ত হোক। দোষীরা যেন ছাড়া না পায়। pic.twitter.com/xOTuUV2Mab Saptarshi Chowdhury (@saptarshiOFC) June 25, 2021সুভাষবাবুর দাবি, কেন্দ্রের টিকাকে রাজ্যের টিকা বলে চালানো হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যকে ১.৭৫ কোটি টিকা দিয়েছে। সেখানে রাজ্য সরকার কিনেছে মাত্র ১৭ লক্ষ ভ্যাকসিন। তাতেই সব টিকা রাজ্য সরকার কিনেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। কেন্দ্রের নতুন নীতি অনুসারে কোনও রাজ্যকে আর একটাও টিকা কিনতে হবে না। কেন্দ্রীয় সরকার সবাইকে বিনামূল্যে টিকা দেবে। তিনি বলেন, পরিকাঠামো থাকলেও রাজ্য সরকার টিকাকরণের গতি শ্লথ করে রেখেছে। টিকার কৃত্রিম চাহিদা তৈরি করে টাকা উপার্জনের জন্য একাজ করছে তারা। কেন্দ্র আজ পর্যন্ত কত টিকা পাঠিয়েছে আর কত টিকা দেওয়া হয়েছে তার তথ্য কেন প্রকাশ করছে না রাজ্য? সুভাষবাবুর কথায়, এসব কথা জানিয়ে আমরা প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে চিঠি দেব।

জুন ২৫, ২০২১
কলকাতা

Fake Vaccination: হাম বা বিসিজি বা স্রেফ পাউডার গোলা জল দেওয়া হয়েছে কসবার ক্যাম্পে

কসবায় ভুয়ো টিকাকরণ শিবির নিয়ে আরও বাড়ল রহস্য। কোভিশিল্ড বা কোভ্যাক্সিন নয়, কসবার শিবিরে সম্ভবত হাম বা বিসিজি-র টিকা কিংবা পাউডার গোলা জল দেওয়া হয়েছিল। এমনই দাবি কলকাতা পুরসভার ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের। তাঁরা জানিয়েছেন যে টিকার কোনও ভায়ালেই ছিল না ব্যাচ নম্বর ও মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার তারিখ। ছিল না টিকা তৈরির তারিখও। কী ছিল ওই সব ভায়ালে, তা নিয়ে বাড়ছে সন্দেহ। হাম বা বিসিজি-র টিকা কিংবা স্রেফ পাউডার গোলা জলও থেকে থাকতে পারে বলে অনুমান তদন্তকারীদের। সেটাই এত লোককে দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ হেরেও আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন বিরাটকসবার ওই শিবির টিকা নিয়ে প্রতারিত হয়েছেন অভিনেত্রী ও সাংসদ মিমি চক্রবর্তী। তাঁর তৎপরতাতেই এই ঘটনা সামনে এসেছে। দেবাঞ্জন দেব নামে এক ব্যক্তি নিজেকে আইএএস অফিসার এবং কলকাতা পুরসভার যুগ্ম-কমিশনার হিসেবে ভুয়ো পরিচয় দেন। প্রচার করেন, কলকাতা পুরসভা এই শিবিরের আয়োজক। কসবা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখে, গত ১০ দিন ধরে স্থানীয় ইউকো ব্যাংক বিল্ডিংয়ের দ্বিতলে ওই শিবির তৈরি করে চালাচ্ছিলেন তিনি। গত ১০ দিন ধরে সাধারণ মানুষকে বোকা বানিয়ে এ ভাবেই প্রতিষেধক দেওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ। এত দিন ধরে যত জন প্রতিষেধক নিয়েছেন, কেউই কোনও শংসাপত্র পাননি। আসেনি কোনও এসএমএস-ও।এদিকে বৃহস্পতিবার ধৃত দেবাঞ্জন দেবের অফিসে হানা দেন পুলিশের তদন্তকারী আধিকারিকরা। উদ্ধার হয় বেশ কয়েকটি নথি, গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম। ফরেন্সিক টিম সেই সব সরঞ্জাম খতিয়ে দেখছে।এদিকে, সরকারি ক্যাম্পে পুরসভার কোনও অনুমতি নেওয়ার নির্দেশিকা স্বাস্থ্য দপ্তরের নেই। কলকাতায় বিভিন্ন হাসপাতালে যে সমস্ত ক্যাম্প হচ্ছে সেখানেও কোনও অনুমতি লাগেনি। কেউ যদি দেখাতে পারে পুরসভাই সব বেসরকারি ক্যাম্প দেখার দায়িত্ব নিয়েছে, তা হলে আমি পদত্যাগ করব। স্বাস্থ্য অধিকর্তা অজয় চক্রবর্তীর গতকালের দাবি নিয়ে পাল্টা চ্যালেঞ্জ অতীন ঘোষের।

জুন ২৪, ২০২১
কলকাতা

CAB-Vaccination: সিএবি-র উদ্যোগে ক্রিকেটারদের ৫ দিন ব্যাপী টিকাকরণ অভিযান

ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গলের (সিএবি) উদ্যোগে রাজ্যের ক্রিকেটারদের জন্য ৫ দিনের টিকাকরণ অভিযানের আয়োজন করা হয়েছে। কলকাতা মিউনিসিপাল কর্পোরেশনের সহায়তায় এই টিকাকরণ অভিযান আজ থেকেই শুরু হয়েছে। ২০১৯-২০ মরশুমে যেসব ক্রিকেটাররা টুর্নামেন্ট খেলার জন্য নিজেদের নাম নথিভুক্ত করেছেন, তাঁরা এই টিকাকরণে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। এমনকী, যেসব ক্রিকেটাররা ২০২১ সালে অন্য জায়গায় বদলি হয়ে গিয়েছেন, তাঁদেরও এই টিকাকরণে অংশগ্রহণ করার জন্য অবিলম্বে সিএবি-র অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করার আবেদন করা হয়েছে। জেলা বা বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে খেলার জন্য এই দুই মরশুমে যাঁদের নাম নথিভুক্ত করা হয়েছে, তাঁরাও এই অভিযানে টিকা নেওয়ার যোগ্য তালিকার মধ্যে পরবেন। এছাড়াও সিএবি-র সমস্ত কোচ, আম্পায়ার ও স্কোরাররাও টিকা নিতে পারবেন। 🚨 NOTICE 🚨#CAB pic.twitter.com/c3voEpu2Vm CABCricket (@CabCricket) June 23, 2021২০১৯-২০ ও ২০২০-২১ মরশুমে প্রথম ও দ্বিতীয় ডিভিশন এবং অন্যান্য সিএবি টুর্নামেন্টে খেলেছেন তাঁরাও এই টিকাকরণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে সিএবি-র অন্যতম সদস্য ও প্রাক্তন রঞ্জি ক্রিকেটার শুভ্রদীপ গঙ্গোপাধ্যায়ের সোশ্যাল মিডিয়া পেজেও। ও, এ, বি, সি পর্যায়ের সমস্ত কোচেদেরও সিএবি অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। সিএবি টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করা কোচিং সেন্টারের কোচেদেরও সিএবি অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। সিএবি র প্রাক্তন প্রথম ডিভিশন ক্রিকেটার কুনাল মুখোপাধ্যায় সিএবি-র এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান। তিনি বলেন বহু মানুষ এই খেলাটার সাথে যুক্ত,টিকার যে অভাব আছে সেটা আমরা সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন পোস্টে দেখতে পাচ্ছি। এছাড়া ১৮-৪৪ এই বয়সীরাই সাধারণ ভাবে সব ধরণের খেলার সাথে যুক্ত থাকে, তাদের টিকা সরকারিভাবে সবে মাত্র শুরু হল সারা দেশে, সিএবির এই উদ্যোগের জন্য তারা বিশেষ ভাবে উপকৃত হবে।সিএবি অফিসে টিকাকরণের জন্য নাম নথিভুক্ত করতে হলে যোগাযোগ করতে হবে নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের সঙ্গেঃ১. সন্দীপ পাত্র-৯০৭৩১১৫৮১১২. সম্বরণ ব্যানার্জি-৯৮৩০৮৬৫৮১১৩. সুজিত সরকার-৯৮৩৬৪৮৩০৭৯৪. ড. উজ্জ্বল কুমার ব্যানার্জি-৯৮৭৫৩৬৪৩৫৬৫. দীপন কুমার সাহা-৯৮৩০৮০১২৮৬

জুন ২৪, ২০২১
বিদেশ

Vaccination: এক বছরের মধ্যে বিশ্বজুড়ে ১০ কোটি ভ্যাকসিন পাঠাবে জি-৭

বিশ্বজুড়ে টিকাকরণে হাত বাড়িয়ে দিল জি-৭ বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা। বৃহস্পতিবার ব্রিটেনের তরফে জানানো হয়, কমপক্ষে ১০ কোটি টিকা উৎপাদন করে তা বিভিন্ন দেশে টিকাকরণের জন্য পাঠানো হবে।জি৭ সামিট চলাকালীনই গতকাল ব্রিটেনের তরফে জানানো হয়, আগামী এক বছরের মধ্যে গোটা বিশ্বে কমপক্ষে ১০ কোটি টিকা দান করা হবে টিকাকরণে পিছিয়ে পড়া দেশগুলির জন্য। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ৫০ লক্ষ ভ্যাকসিন হাতে এসে যাবে। পিছিয়ে পড়া দেশগুলিতে টিকা পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিলেও সম্প্রতি ব্রিটেন ফের ৪০ কোটি ভ্যাকসিনের ডোজ অর্ডার করার পরই চুড়ান্ত সমালোচনার মুখে পড়ে। তবে জি-৭ বৈঠকের শুরুতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ফের একবার প্রতিশ্রুতি দেন দ্রুত পরিস্থিতিতে বদল আনার এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশে টিকা সরবরাহের। এই বিষয়ে তিনি বলেন, ব্রিটেনে টিকাকরণে অভূতপূর্ব সাফল্য মেলায় আমরা অন্যান্য দেশেও কিছু টিকা পাঠিয়ে সাহায্য করব। জি-৭ সামিটে বাকি দেশের প্রধানরাও একই প্রতিশ্রুতি গ্রহণ করবেন বলে আশা করছি। একসঙ্গে মিলিত হয়ে আমরা গোটা বিশ্বকে আগামী বছরের শেষভাগের মধ্যে টিকা দিতে সক্ষম হব।অন্যদিকে, ব্রিটেনের একটি সংবাদপত্র সূত্রেও জানা যায় যে, জি-৭ সামিট শেষে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দেশগুলির প্রধানরা বিশ্বজুড়ে টিকাকরণ নিয়ে ঘোষণা করতে পারেন। কমপক্ষে ১০ কোটি ভ্যাকসিন পিছিয়ে পড়া দেশগুলিতে পাঠানো হতে পারে। এরজন্য টিকা উৎপাদনও বৃদ্ধি করা হবে। আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যেই ব্রিটেন ৫০ লক্ষ ভ্যাকসিন পিছিয়ে পড়া দেশগুলিতে পাঠাবে বলেই জানানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের অফিস থেকে। বছর শেষে ২.৫ কোটি এবং আগামী বছরের মধ্যে আরও ৯.৫ কোটি টিকা পাঠাবে ব্রিটেন। কোভ্যাক্স প্রকল্পের মাধ্যমে ৮০ শতাংশ টিকা পাঠানো হবে বলে জানা গিয়েছে।

জুন ১১, ২০২১
কলকাতা

কলকাতায় আজ বন্ধ কোভিশিল্ড টিকাকরণ

রাজ্যকে করোনা ভ্যাকসিন বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে কেন্দ্র। তার ফলে ভ্যাকসিনের আকাল দেখা দিয়েছে। আর সে কারণেই বুধবার কলকাতায় করোনার কোভিশিল্ড টিকাকরণ বন্ধ। শহরের ১০৩টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং ১৮টি মেগা সেন্টারে কোভিশিল্ড টিকা দেওয়া আজ বন্ধ থাকবে। তবে ৪১টি কেন্দ্রে কোভ্যাক্সিন দেওয়া হচ্ছে। এখবর জানিয়েছেন পুরসভার স্বাস্থ্য প্রশাসক অতীন ঘোষ।রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি কার্যত উদ্বেগের জায়গায় পৌঁছে গিয়েছিল। তাই যুদ্ধকালীন তৎপরতা টিকাকরণ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। করোনার (Coronavirus) টিকা পেতে যাতে কোনও সমস্যা না হয় সে কারণে একাধিক পরিকল্পনা নেয় রাজ্য সরকার। বয়স অনুযায়ী সময়সীমা বেঁধে টিকাকরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়। এছাড়া সুপার স্প্রেডার হিসাবে বিভিন্ন পেশার মানুষজনকে চিহ্নিত করেও শুরু হয় টিকাকরণ। কলকাতা পুরসভার নির্ধারিত প্রক্রিয়ার ফলে খুব সহজেই টিকা নিতে পারছিলেন আমজনতা। তবে বারবারই বাদ সেধেছে করোনা টিকার অপ্রতুলতা। বুধবারও সেই একই কারণে ফের কিছুটা থমকাল টিকাকরণ প্রক্রিয়া। কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য প্রশাসক অতীন ঘোষ জানিয়েছেন, করোনার টিকার জোগান নেই। সে কারণে বুধবার শহরের ১০৩টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং ১৮টি মেগা সেন্টারে কোভিশিল্ড (Covishield) টিকাকরণ বন্ধ থাকবে। তবে ৪১টি কেন্দ্রে কোভ্যাক্সিন দেওয়া হচ্ছে।উল্লেখ্য, সোমবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। ওইদিনই তিনি জানিয়ে দেন, এবার থেকে টিকাকরণের জন্য রাজ্য সরকারগুলিকে আর কোনও অর্থ ব্যয় করতে হবে না। ২১ জুন থেকে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে সব নাগরিককে বিনামূল্যে টিকা দেবে ভারত সরকার। দেশে উৎপাদিত মোট ভ্যাকসিনের ৭৫ শতাংশ কিনবে ভারত সরকার। সেই ভ্যাকসিন বিনামূল্যে তুলে দেওয়া হবে রাজ্য সরকারগুলির হাতে। রাজ্য সরকারকে ভ্যাকসিনের জন্য কোনও টাকা খরচ করতে হবে না। তবে কেউ চাইলে বেসরকারি হাসপাতালেও টিকা নিতে পারেন।

জুন ০৯, ২০২১
দেশ

টিকাকরণ: সব নাগরিককে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেবে কেন্দ্র

করোনার টিকাকরণ (Corona vaccine) নিয়ে বড় ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। এবার থেকে টিকাকরণের জন্য রাজ্য সরকারগুলিকে আর কোনও অর্থ ব্যয় করতে হবে না। ২১ জুন থেকে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে সব নাগরিককে বিনামূল্যে টিকা দেবে ভারত সরকার। পাশাপাশি, আগামী নভেম্বর মাস পর্যন্ত বিনামূ্ল্যে রেশন দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেন তিনি। 21 जून से 18 वर्ष से ऊपर के सभी नागरिकों के लिए भारत सरकार राज्यों को मुफ्त वैक्सीन मुहैया कराएगी।किसी भी राज्य सरकार को वैक्सीन पर कुछ भी खर्च नहीं करना होगा। pic.twitter.com/VKK3oddw80 Narendra Modi (@narendramodi) June 7, 2021সোমবার প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, এবার থেকে দেশে উৎপাদিত মোট ভ্যাকসিনের ৭৫ শতাংশ কিনবে ভারত সরকার। সেই ভ্যাকসিন বিনামূল্যে তুলে দেওয়া হবে রাজ্য সরকারগুলির হাতে। রাজ্য সরকারকে ভ্যাকসিনের জন্য কোনও টাকা খরচ করতে হবে না। এই প্রক্রিয়া আগামী ২১ জুন যোগ দিবস থেকে শুরু হবে। এদিন জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) জানিয়েছেন, এ বছর ১৬ জানুয়ারি থেকে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত টিকাকরণ মূলত কেন্দ্রের হাতেই ছিল। দেশ বিনামূল্যে টিকাকরণের দিকে এগোচ্ছিল। কিন্তু তারপর অনেক রাজ্য টিকাকরণের ভার নিজেদের হাতে চাইছিল। স্বাস্থ্য যেহেতু মূলত রাজ্যের ব্যাপার, তাই ভারত সরকার রাজ্যগুলির উপর টিকাকরণের (Vaccination) ভার ছেড়েছিল। ভারত সরকার গাইডলাইন তৈরি করেছিল, যাতে রাজ্য সরকারগুলি নিজেদের মতো ব্যবস্থা করতে পারে। ১মে থেকে রাজ্য সরকারগুলিকে ২৫ শতাংশ করে টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। মে মাসের দু সপ্তাহের মধ্যেই অনেক রাজ্য সরকার বুঝতে পারে, আগের ব্যবস্থাই ভাল ছিল। অনেক রাজ্য সরকারের টিকা দানে সমস্যা হচ্ছিল। সেই সমস্যা মেটাতেই কেন্দ্র আগের মতো সব নাগরিকের টিকাকরণের দায়িত্ব নিল। ১৮ বছরের উপরের সব নাগরিককে টিকাকরণের আওতায় আনা হল। তবে, কেউ চাইলে বেসরকারি হাসপাতালেও টিকা নিতে পারেন। সেক্ষেত্রে, বেসরকারি হাসপাতাল ভ্যাকসিনের দামের উপর সর্বোচ্চ দেড়শো টাকা সার্ভিস ট্যাক্স নিতে পারবে। এটা দেখাশোনার দায়িত্ব রাজ্য সরকারের।प्रधानमंत्री गरीब कल्याण अन्न योजना को अब दीपावली तक आगे बढ़ाया जाएगा। महामारी के इस समय में सरकार गरीब की हर जरूरत के साथ उसका साथी बनकर खड़ी है।यानि नवंबर तक 80 करोड़ से अधिक देशवासियों को हर महीने तय मात्रा में मुफ्त अनाज उपलब्ध होगा। pic.twitter.com/Ospx5R80FT Narendra Modi (@narendramodi) June 7, 2021

জুন ০৭, ২০২১
কলকাতা

পড়ুয়া ও শিক্ষকদের বিনামূল্যে করোনা টিকা দেবে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়

অতিমারির জেরে দীর্ঘদিন বন্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অনলাইনেই চলছে লেখাপড়া। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলি নতুন করে অনিশ্চয়তার ফাঁদে পড়েছে। কবে পড়ুয়াদের জন্য খুলবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দরজা, তা বলা ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়ছে। তবে এই মারণ ভাইরাসের দাপট রুখতে পড়ুয়াদের জন্য প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। শুক্রবার কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়, পড়ুয়া, গবেষক-সহ ৪৫ বছরের নিচে সমস্ত শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী এবং আধিকারিকদের ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ দ্রুত শুরু হবে।সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে কলকাতাই প্রথম পড়ুয়াদের ভ্যাকসিনের আওতায় আনল। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সোনালি চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায় এখবর নিশ্চিত করে জানান, যত দ্রুত সম্ভব, পড়ুয়া, গবেষক থেকে ৪৫ বছরের কমবয়সি শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত সকলকে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। উল্লেখ্য, এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৫-এর ঊর্ধ্বে শিক্ষক, শিক্ষাকর্মীদের টিকাকরণের বন্দোবস্ত করা হয়েছিল। সেই লক্ষ্যপূরণ সফলভাবেই পূরণ করা গিয়েছে। এবার পড়ুয়াদের করোনা সংক্রমণ থেকে রক্ষাই উদ্দেশ্য। বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন উদ্যোগে স্বাভাবিকভাবেই খুশি পড়ুয়ারা।

জুন ০৫, ২০২১
রাজ্য

বর্ষীয়ান-অশীতিপর-বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের ভ্যাকসিন নিতে অভিনব প্রস্তাব

করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির ফলে রাজ্যে জারি বিধিনিষেধ। কার্যত লকডাউনে যান চলাচল বন্ধ থাকায় করোনা ভ্যাকসিন নিতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বহু মানুষকে। তার ওপর ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও ভ্যাকসিনের অপ্রতুলতার কারণে হতাশ হয়েই ফিরতে হচ্ছে অনেককে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার বর্ষীয়ান ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন নাগরিকরা। এই পরিস্থিতিতে বর্ষীয়ান, অশীতিপর, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন নাগরিকদের সুরাহার কথা ভেবে হুগলির জেলাশাসকের কাছে অভিনব প্রস্তাব পাঠালেন জেলা পরিষদের স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়।হুগলি জেলার করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বুধবার এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হল। ভার্চুয়াল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক, সকল বিধায়ক, জেলা পরিষদের সভাধিপতি, কর্মাধ্যক্ষ ও পুরসভার চেয়ারম্যানরা। এই জেলাতেও করোনা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। পরিস্থিতি মোকাবিলায় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কী কী কাজ করা উচিত তা এদিন আলোচিত হয়।জেলা পরিষদের স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, আমি জেলাশাসককে তিনটি প্রস্তাব দিয়েছি। প্রথমটি, অশীতিপর ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন নাগরিকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পোস্টাল ব্যালটে ভোট নেওয়া হয়েছে এবারের বিধানসভা নির্বাচনে। সেই সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য আমাদের কাছেও রয়েছে। হুগলি জেলায় এমন নাগরিকের সংখ্যা ৬০ থেকে ৭০ হাজারের মধ্যে। তাঁদের মধ্যে অনেকে টিকা পেয়েছেন। কেউ হয়তো দ্বিতীয় ডোজের অপেক্ষায় আছেন। ফলে যেখানে হকার, পরিবহণকর্মী, সাংবাদিক-সহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের জন্য ভ্যাকসিন প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে, সেখানে যে প্রবীণ ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্নরা এখনও টিকা পাননি তাঁদের বিষয়টিকেও আরও বেশি গুরুত্ব দিলে ভালো হয়। কেন না, তাঁদের হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে লাইনে দাঁড়ানোর সমস্যা যেমন থাকে, তেমনই সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কাও থাকে। এই অবস্থায় আশা ও স্বাস্থ্যকর্মীদের তাঁদের বাড়ি বাড়ি পাঠিয়ে ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থা হলে অনেকটাই সুরাহা হবে। তাতে দ্বিতীয় ডোজ পাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তাতেও ভুগতে হবে না প্রবীণ ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের।শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, রোগী বা পরিজনদের কাছ থেকে আমরা অভিযোগ পাচ্ছি, করোনা সংকটকালে জেলার অনেক নার্সিংহোম অক্সিজেন, বেড, ওষুধ ইত্যাদি নিয়ে কয়েক গুণ বেশি বিল করছে। এটাও জরুরি ভিত্তিতে বন্ধ করতে হবে। ন্যায্যমূল্যে যাতে সাধারণ মানুষ চিকিৎসা পরিষেবা পান সেটা নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য মনিটরিং টিম থাকলেও ভালো হয়। এ ধরনের ঘটনা বন্ধে প্রয়োজনে কড়া পদক্ষেপও করতে হবে। পাশাপাশি, সামনেই বর্ষা আসছে। তাই ডেঙ্গু পরিস্থিতির মোকাবিলার জন্যও আগাম সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে বলেও প্রস্তাব দেওয়া হয় এদিনের বৈঠকে।তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, গত বছর মার্চে লকডাউন ঘোষণার পর থেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে আমাদের কর্মীরা লাগাতার মানুষের পাশে থেকে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ধারাবাহিকভাবে নীরবে কাজ করে চলেছেন। লকডাউন ও আম্ফানের পর সমস্যায় পড়া হাজারো পরিবারের কাছে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার পরও অক্সিজেন থেকে শুরু করে বেড জোগাড়ের কাজ করছেন আমাদের দলের কর্মীরা। বলাগড়েই পাঁচশোর উপর এমন স্বেচ্ছাসেবক কাজ করছেন। হুগলি জেলায় এমন কয়েক হাজার স্বেচ্ছাসেবক নিরলস কাজ করে চলেছেন। হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপও খোলা হয়েছে। কেউ বিপদে পড়লেই দল-মত নির্বিশেষে মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়াচ্ছেন আমাদের কর্মীরাও।

মে ১৯, ২০২১
দেশ

আগামী ৩ মাসেও টিকাকরণ সম্পূর্ণ করা সম্ভব নয়: সেরাম

করোনা রুখতে দেশজুড়ে ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে টিকাকরণ। জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের জন্য ছাড়পত্র পেয়েছে সেরাম ইনস্টিটিউটের কোভিশিল্ এবং ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন টিকাটি। কিন্তু পর্যাপ্ত জোগান না থাকায় বহু রাজ্যে টিকাদান প্রক্রিয়া ঝিমিয়ে পড়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে এক বিবৃতি জারি করে সেরাম ইন্সটিটিউট সাফ জানিয়েছে যে আগামী ৩ মাসেও দেশবাসীর টিকাকরণ সম্পূর্ণ করা সম্ভব নয়।মঙ্গলবার এক বিবৃতি প্রকাশ করে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী সংস্থা সেরাম ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, মানুষ এটা বুঝতে চাইছে না যে আমরা বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দুটি দেশের মধ্যে একটি। এত বিশাল সংখ্যক মানুষের জন্য ২ থেকে ৩ মাসে টিকাকরণ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা সম্ভব নয়। এই প্রক্রিয়ায় অনেকগুলি ধাপ থাকে। গোটা বিশ্বে সবাইকে টিকা দিতে অন্তত ২ থেকে ৩ বছর লাগবে। বিবৃতিতে সেরাম আরও জানিয়েছে যে, ভারতবাসীর স্বার্থে আঘাত দিয়ে কখনওই ভ্যাকসিন রপ্তানি করা হয়নি। দেশে টিকাদান প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পূর্ণ করতে আমরা সরকারের সঙ্গে কাজ করছি। সমস্ত রকমের চেষ্টা করছে সেরাম। সবাই একসঙ্গে মিলে কাজ করলে এই মহামারিকে পরাস্ত করা যাবে। টিকা উৎপাদন ও সরবরাহে সেরাম বিশ্বে তৃতীয়। কোভ্যাক্স প্রকল্পের অংশ হওয়ায় বিশ্বে কিছু টিকা অন্য দেশগুলির কাছে রপ্তানি করতে হয়। বলে রাখা ভাল, দেশে করোনা পরিস্থিতি উপেক্ষা করে বিদেশি টিকা রপ্তানি করেছে মোদি সরকার বলে লাগাতার তোপ দাগছে বিরোধী দলগুলি। এদিন সেই অভিযোগ উড়িয়ে দিল সেরাম।উল্লেখ্য, দেশে ১৮ থেকে ৪৪ বছর বয়সিদের টিকাদান শুরু হয়েছে। তবে পর্যাপ্ত ভ্যাকসিনের অভাবে কার্যত ঝিমিয়ে পড়েছে গোটা প্রক্রিয়া। ফলে আঙুল উঠেছে সেরাম ও মোদি সরকারের বিরুদ্ধে। প্রসঙ্গত, আরও একটি করোনার টিকা বাজারে আনার কথা আগেই জানিয়েছিল সেরাম ইনস্টিটিউট। তবে জুন নয়, আগামী সেপ্টেম্বরে বাজারে আসতে চলেছে সেই ভ্যাকসিনটি বলে খবর। ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে কোভোভ্যাক্স নামে ওই করোনা টিকার ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালও। টুইট করে এই খবর জানিয়েছিলেন সেরাম কর্তা আদর পুনাওয়ালা।

মে ১৮, ২০২১
কলকাতা

বিনামূল্যে টিকাকরণ কলকাতার ২টি ফুটবল ক্লাবে

গোটা দেশে নতুন করে চোখ রাঙাচ্ছে প্রাণঘাতী করোনা। মারণ ভাইরাসের মোকাবিলায় একজোট হয়ে লড়াইয়ের বার্তা দিয়েছেন বিরাট কোহলি। ক্রিকেটার থেকে ফুটবলার- খেলার দুনিয়ার তারকাদের অনেকেই আর্থিক সাহায্য করে মানুষের পাশে থাকছেন। কেউ আবার দুঃস্থদের মুখে তুলে দিচ্ছেন খাবার। আর এবার এই লড়াইয়ে সামিল কলকাতার ফুটবল ক্লাবগুলি। সাধারণ মানুষকে টিকা দেওয়ার দায়িত্ব নিল ময়দানের দুটি ক্লাব এবং আইএফএ।প্রতিদিনই লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। উদ্বেগ বাড়াচ্ছে অ্যাকটিভ কেসও। ব্যতিক্রমী নয় বাংলাও। কলকাতার সাধারণ মানুষ যাতে নিশ্চিন্তে টিকা পান, তা নিশ্চিত করতে এবার কলকাতার ফুটবল ক্লাবগুলিও এগিয়ে এল। সাদার্ন এভিনিউ, কালীঘাট মিলন সংঘের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বিনামূল্যে টিকাকরণের ব্যবস্থা করল আইএফএও। বৃহস্পতিবার থেকে কলকাতা লিগে খেলা দুটি ক্লাব সাদার্ন সমিতি ও কালীঘাট মিলন সংঘ, আইএফএ-র সঙ্গে একজোট হয়ে ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থা করে। শুক্রবার একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এমনটাই জানানো হল। তবে শুধুই ভ্যাকসিন নয়, হাসপাতালে বেড পেতে কিংবা অক্সিজেন সিলিন্ডার, ভেন্টিলেটর পেতেও যাতে কোনও সমস্যায় না পড়তে হয়, সে দিকেও নজর রাখবে ক্লাব কর্তৃপক্ষ।

মে ০৭, ২০২১
রাজ্য

ভ্যাকসিন না-থাকায় পূর্ব বর্ধমানের হাসপাতালে বন্ধ টিকাকরণ

গোটা দেশের পাশাপাশি এই রাজ্যেও উর্ধ্বমুখী কোভিড আক্রান্তের গ্রাফ।প্রতিদিন মৃতের সংখ্যাও বেড়ে চলেছে ব্যাপক হারে।এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেন্দ্রের তরফে কোভিড টিকাকরণ অভিযানের ব্যপ্তি ঘটানোর কথাও বলা হয়।কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতিটা যে সম্পূর্ণ উল্টো তা শুক্রবার পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে পৌঁছেই পরিষ্কার হয়ে গেল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে হাসপাতাল চত্বরে ফ্লেক্স ঝুলিয়ে দিয়ে দাবি করা হয়েছে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। টিকা নেওয়ার বিষয়ে জানতে এদিন সকাল থেকে যেসব বয়স্ক মানুষজন হাসপাতালে আসেন তাঁরা এই ফ্লেক্স দেখার পরেই কার্যত নিরাশ হয়ে বাড়ি ফিরে যান।মারণ ভাইরাস কোভিড ১৯ এর ভ্যাকসিনের সরবরাহই নেই জেনে জামালপুরে বাসিন্দাদের উদ্বেগ বহুলাংশে বেড়ে গিয়েছে ।ভোট উৎসবের মাঝেই রাজ্যের অন্যান জেলার পাশাশাশি পূর্ব বর্ধমান জেলাতেও ব্যাপক হারে বেড়ে চলে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা । স্বাস্থ্য দপ্তরের রিপোর্ট বলছে, গত ১৫ এপ্রিল জেলায় ২০২ জনের কোভিড সংক্রমণ ধরা পড়ে। ওই দিন পর্যন্ত জেলায় মোট কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৩২৪৪ জন , মৃতের সংখ্যা ছিল ১৮০ জন । তার পর থেকে মাত্র ১৪ দিনের মধ্যে অর্থাৎ বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত জেলায় কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮৩০৩ জন । অর্থাৎ ১৪ দিনে জেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫০৫৯ জন। আর ১৪ দিনে মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের।স্বাস্থ্য দপ্তরের রিপোর্ট অনুয়ায়ী কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির হার তুলনামূলক ভাবে অনেকটাই বেশী শহর বর্ধমানে । তার মধ্যে জামালপুর ব্লকেও প্রতিদিন কোভিড আক্রান্তের হদিশ মিলে চলেছে। কয়েকদিন আগেই কোভিড আক্রান্ত হয়ে জামালপুর হাটতলা এলাকা নিবাসী এক ডেকরেটার ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয় ।এই মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই জামালপুরের বাসিন্দা মহলে আতঙ্ক আরও তীব্র হয় । আতঙ্কের কারণে জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্র সংলগ্ন একটি পাড়ার এক বৃদ্ধা গত বুধবার মারা যাওয়ার পরেও তাঁর দেহ সৎকারে প্রতিবেশীরা কেউ এগিয়ে যেতে চান না । ওই বৃদ্ধা কোভিড আক্রান্ত ছিলেন, না ছিলেন না তাও কারুর জানা নেই। তবুও জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মেহেমুদ খান এলাকার চার জনের হাতে দুষ্প্রাপ্য কিট তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন । তার পর তারা ওই কিট পরিহিত হয়ে বৃদ্ধার মৃতদেহ সৎকারের জন্য জামালপুর শ্মশানে নিয়ে যান ।এইসব ঘটনা প্রত্যক্ষ করে জামালপুরের বাসিন্দারা কোভিড টিকা নেওয়ার জন্য উদগ্রিব হয়ে ওঠেন । টিকা পাওয়ার জন্য বিগত কয়েকদিন যাবৎ বহু বাসিন্দা রাত থেকেই জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে লাইনে দাঁড়িয়ে পড়ছিলেন । টিকা দেওয়াও চলছিল স্বাভাবিক নিয়ম মেনে । কিন্তু কোভিড ভ্যাকসিনের সরবরাহ না থাকায় শুক্রবার টিকাকরণ একেবারে থমকে থাকে। এই বিষয়ে জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক চিকিৎসক ঋত্বিক ঘোষ বলেন ,কোভিড ভ্যাকসিন শেষ হয়ে যাওয়ার পর এদিন পর্যন্ত আর ভ্যাকসিন হাসপাতালে পৌঁছয়নি । কোভিড ১৯ ভ্যাকসিনের সরবরাহ যে নেই তা জনসমক্ষে তুলে ধরার জন্যেই ফ্লেক্সে লিখে হাসপাতাল চত্বরে ঝোলাতে হয়েছে । ঋত্বিক বাবু আরও জানান ,গত ২৫ জানুয়ারি থেকে জামালপুর হাসপাতালে কোভিডের টিকা দেওয়া শুরু হয় । প্রথম দিকে টিকা নেওয়ার প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ খুব কম ছিল । মার্চের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউ আসার পর থেকে টিকা নেওয়ার ব্যাপারে অতি আগ্রহী হয়ে ওঠেন জামালপুরের বাসিন্দারা । সংক্রমণের হার ফের বাড়তে শুরু করায় গত তিন সপ্তাহ যাবৎ কোভিডের টিকা নেওয়ার জন্য হাসপাতাল চত্ত্বরে মানুষের ভিড় উপচে পড়ছে। ভ্যাকসিন এলে ফের টিকা দেওয়া শুরু হবে বলে ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক জানিয়েছেন। জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক চিকিৎসক প্রণব রায় জানিয়েছেন, জেলায় ভ্যাকসিন অপ্রতুল থাকাতেই এই সমস্যা তৈরি হয়েছে। ভ্যাকসিন ঘাটতির জন্য এদিন জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্র ছাড়া জেলার আর কোনও হাসপাতালে এদিন টিকাকরণ বন্ধ ছিল কিনা সেই বিষয়ে জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক কিছু জানাতে পারেননি । এমনকী, ভ্যকসিন সরবরাহ কবে স্বাভাবিক হবে সেই বিষয়েও সিএমওএইচ এদিন কিছু বলতে পারেননি।

এপ্রিল ৩০, ২০২১
দেশ

আগামী দিনেও বিনামূল্যে টিকা, আশ্বস্ত করলেন মোদি

কোভিড আতঙ্কে কাঁপছে গোটা দেশ। এমন পরিস্থিতিতে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । লকডাউন নিয়ে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন তিনি। এবার রবিবার মন কি বাত অনুষ্ঠানেও দেশবাসীকে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। বললেন সচেতন থাকুন। কুর্নিশ জানালেন করোনাযোদ্ধাদের সংগ্রামকে। আশ্বাস দিলেন বিনামূল্যে টিকাকরণ নিয়েও।এদিনের মন কি বাতে প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস, করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করার একমাত্র উপায় টিকাকরণ। ইতিমধ্যে দেশজুড়ে বিনামূল্যে টিকা দিচ্ছে কেন্দ্র সরকার। রাজ্যগুলিকে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন পাঠানো হয়েছে। সেই টিকা পেয়েছেন ৪৫ ঊর্ধ্বরা। আগামী দিনেও এই কেন্দ্রীয় প্রকল্প চলবে। পাশাপাশি তিনি আরও জানান, এবার বেসরকারি সংস্থাগুলিও তাদের কর্মীদের টিকাকরণের ব্যবস্থা করতে পারবে।আরও একবার মনে করিয়ে দেন, ১ মে থেকে ১৮ ঊর্ধ্বে সকলেই টিকা পাবেন। একইসঙ্গে টিকাকরণ সংক্রান্ত গুজব থেকে দূরে থাকারও পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কথায়, করোনা মানুষের ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছে। তাই সহজে হেরে গেলে চলবে না। কোভিডের প্রথম ধাক্কা সফলভাবেই সামাল দিয়েছিল দেশ। যার জন্য দেশবাসীর আত্মবিশ্বাস বেড়েছিল। কিন্তু দ্বিতীয় ধাক্কা দেশকে কাঁপিয়ে দিয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করেছি আমি। করোনা যোদ্ধাদের সংগ্রামকে কুর্নিশ জানাতে এদিন বিভিন্ন রাজ্যের চিকিৎসক, নার্স, অ্যাম্বুল্যান্স চালকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। দেশবাসীর তরফ থেকে তাঁদের ধন্যবাদও জানান তিনি।

এপ্রিল ২৫, ২০২১
দেশ

আগামী দিনেও বিনামূল্যে টিকা, আশ্বস্ত করলেন মোদি

কোভিড আতঙ্কে কাঁপছে গোটা দেশ। এমন পরিস্থিতিতে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । লকডাউন নিয়ে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন তিনি। এবার রবিবার মন কি বাত অনুষ্ঠানেও দেশবাসীকে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। বললেন সচেতন থাকুন। কুর্নিশ জানালেন করোনাযোদ্ধাদের সংগ্রামকে। আশ্বাস দিলেন বিনামূল্যে টিকাকরণ নিয়েও।এদিনের মন কি বাতে প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস, করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করার একমাত্র উপায় টিকাকরণ। ইতিমধ্যে দেশজুড়ে বিনামূল্যে টিকা দিচ্ছে কেন্দ্র সরকার। রাজ্যগুলিকে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন পাঠানো হয়েছে। সেই টিকা পেয়েছেন ৪৫ ঊর্ধ্বরা। আগামী দিনেও এই কেন্দ্রীয় প্রকল্প চলবে। পাশাপাশি তিনি আরও জানান, এবার বেসরকারি সংস্থাগুলিও তাদের কর্মীদের টিকাকরণের ব্যবস্থা করতে পারবে।আরও একবার মনে করিয়ে দেন, ১ মে থেকে ১৮ ঊর্ধ্বে সকলেই টিকা পাবেন। একইসঙ্গে টিকাকরণ সংক্রান্ত গুজব থেকে দূরে থাকারও পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কথায়, করোনা মানুষের ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছে। তাই সহজে হেরে গেলে চলবে না। কোভিডের প্রথম ধাক্কা সফলভাবেই সামাল দিয়েছিল দেশ। যার জন্য দেশবাসীর আত্মবিশ্বাস বেড়েছিল। কিন্তু দ্বিতীয় ধাক্কা দেশকে কাঁপিয়ে দিয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করেছি আমি। করোনা যোদ্ধাদের সংগ্রামকে কুর্নিশ জানাতে এদিন বিভিন্ন রাজ্যের চিকিৎসক, নার্স, অ্যাম্বুল্যান্স চালকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। দেশবাসীর তরফ থেকে তাঁদের ধন্যবাদও জানান তিনি।

এপ্রিল ২৫, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

শিক্ষক নিয়োগ মামলায় চাকরি গিয়েছিল, কয়েক মাস পরেই মমতার ভাইঝির রহস্যমৃত্যু

মঙ্গলবার সকালে রামপুরহাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামাতো ভাই নিহার মুখোপাধ্যায়ের মেয়ের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতার নাম বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিক ভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রামপুরহাটের কুশম্বা গ্রামে নিহার মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে কয়েক মাস ধরে থাকছিলেন বৃষ্টি। মঙ্গলবার সকালে বাড়ির দোতলার একটি ঘরে তাঁকে দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকি করা হয়। কিন্তু কোনও সাড়া না পাওয়ায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে থানায় খবর দেওয়া হয়।পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে বৃষ্টির দেহ উদ্ধার করে। পরে দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।বৃষ্টির নাম এর আগে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলাতেও উঠে এসেছিল। ২০২৩ সালের মার্চে বোলপুর হাইস্কুলে তৃতীয় শ্রেণির কর্মী হিসাবে তাঁর নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। অভিযোগ ছিল, অবৈধ ভাবে নিযুক্তদের তালিকায় তাঁর নাম ছিল। পরে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার জেরে চাকরিও হারান তিনি।পরিবার সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, গত কয়েক মাস ধরে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে বৃষ্টির সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল। তাঁর বিবাহবিচ্ছেদের মামলাও চলছিল। একটি সন্তানকে নিয়ে তিনি বাবার বাড়িতেই থাকছিলেন।পরিবারের দাবি, চাকরি হারানো এবং ব্যক্তিগত জীবনের নানা সমস্যার কারণে বৃষ্টি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। তবে তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে এই কারণগুলির সরাসরি কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কী পরিস্থিতিতে বৃষ্টির মৃত্যু হল, ঘটনাটি আত্মহত্যা কি না এবং এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, সব দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
সম্পাদকীয়

আগুনপাখির জন্মদিনে—ফিরে দেখা সেই বিকেলের সোনারোদ

কিছু কিছু মানুষের জন্মদিন আসে ক্যালেন্ডারের পাতায়। আর কিছু মানুষের জন্মদিন ফিরে আসে আমাদের স্মৃতির ভিতর দিয়ে। ১ সেপ্টেম্বর তেমনই একটি দিন।বাংলা গানের অমূল্য রতন নচিকেতা চক্রবর্তীর জন্মদিন।এই দিনটিকে শুধু একজন শিল্পীর জন্মদিন বললে বোধহয় তাঁর প্রতি অবিচার করা হয়। কারণ নচিকেতা শুধু গান করেননিতিনি এক সময়কে কণ্ঠ দিয়েছেন। এক প্রজন্মের রাগ, অভিমান, প্রেম, হতাশা, স্বপ্নভঙ্গ, নিঃসঙ্গতা আর বেঁচে থাকার জেদকে শব্দ দিয়েছেন। তাঁর গান শুনতে শুনতে বড় হয়ে ওঠা মানুষগুলির কাছে নচিকেতা কোনও দূরের তারকা নন; তিনি বরং সেই পুরনো বন্ধুর মতো, যার সঙ্গে বহু বছর দেখা না হলেও হঠাৎ কোনও সন্ধ্যায় তাঁর গলা শুনলেই মনে হয়এই তো, মানুষটা এখনও ঠিক আগের মতোই আছে।নব্বইয়ের দশকের শেষভাগ।বাংলা গানের আকাশটা তখন কেমন যেন ক্লান্ত। একদিকে পুরনো দিনের সুরের নস্টালজিয়া, অন্যদিকে নতুন সময়ের হাওয়ার টান। বাংলা আধুনিক গান যেন কোথাও দাঁড়িয়ে নতুন ভাষার অপেক্ষা করছে। সেই অপেক্ষার মাঝেই একদিন ঝড়ের মতো এসে দাঁড়ালেন এক যুবক।চেহারায় প্রচলিত নায়কোচিত চাকচিক্য নেই। রংবাহারী পোশাক, পায়ে স্নিকার, মুখে অগোছালো দাড়ি। হাতে গিটার। আর কণ্ঠে এমন এক স্বর, যার মধ্যে মিশে আছে শহরের ধুলো, মধ্যবিত্তের ক্লান্তি, প্রেমের দীর্ঘশ্বাস আর অদ্ভুত এক বিদ্রোহ।তিনি নচিকেতা।মঞ্চে উঠে তিনি শুধু গান গাইতেন না। গান থামিয়ে শ্রোতার সঙ্গে কথা বলতেন। আবার কথার মাঝেই গান ঢুকে যেত। কখনও হাসাতেন, কখনও অস্বস্তিতে ফেলতেন, কখনও এমন কোনও কথা বলে বসতেন, যা বাড়ি ফেরার পরও মাথার মধ্যে ঘুরত।সেই সময় বাংলা গানের মঞ্চে যেন একটি গান-এর বদলে একজন মানুষ এসে দাঁড়িয়েছিলেন।আর মানুষটি খুব দ্রুত আপন হয়ে গিয়েছিলেন।তারপর একদিন গান আর গান রইল নানচিকেতার গান প্রথমবার শুনে হয়তো কেউ চমকে উঠেছিল। দ্বিতীয়বার শুনে মুগ্ধ হয়েছিল। আর তৃতীয়বারের পর বুঝেছিলএই গান তো আসলে তার নিজের কথা!এই ছিল নচিকেতার জাদু।তিনি কোনও দূরদেশের প্রেমের গল্প বলেননি। তিনি আমাদের পাশের বাড়ির মানুষের গল্প বলেছেন। যে বাবা অবসরের পর সংসারে অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়েন, যে মার সব থেকেও বৃদ্ধাশ্রমে বাস, যে ছেলে চাকরি না পেয়ে রাত জাগে, যে মেয়ে প্রেম হারিয়ে জানালার ধারে দাঁড়িয়ে থাকে, যে মানুষটি ভিড়ের শহরে থেকেও ভীষণ একানচিকেতা তাঁদেরই গল্প গেয়েছেন।তাই তাঁর গান শুনতে শুনতে মনে হত, তিনি আমাদের চেনেন। খুব কাছ থেকে চেনেন।নীলাঞ্জনা যখন বাজত, কোনও এক পুরনো প্রেমের মুখ মনে পড়ত। বৃদ্ধাশ্রম শুনলে নিজের বাবা-মায়ের মুখের দিকে তাকাতে ইচ্ছে করত। আর যখন তাঁর কণ্ঠে উঠে আসতভিড় করে ইমারত আকাশটা ঢেকে দিয়ে,চুরি করে নিয়ে যায় বিকেলের সোনারোদতখন মনে হত, এই তো আমাদের শহর!এই তো আমাদের হারিয়ে যাওয়া বিকেল!কংক্রিটের জঙ্গলে দাঁড়িয়ে যে আকাশটুকু প্রতিদিন একটু একটু করে ছোট হয়ে যাচ্ছে, নচিকেতা সেই আকাশের জন্যও গান লিখেছেন।নচিকেতা ছিলেন এক প্রজন্মের ডায়েরিএকটি প্রজন্মের ব্যক্তিগত ডায়েরিতে অনেক কিছু লেখা থাকে। প্রথম প্রেম, প্রথম চিঠি, প্রথম প্রত্যাখ্যান, পরীক্ষায় ব্যর্থতা, প্রথম চাকরি, বন্ধুত্ব ভেঙে যাওয়া, বাড়িতে অশান্তি, মধ্যরাতে একা ছাদে দাঁড়িয়ে থাকা।নচিকেতার গান যেন সেই ডায়েরির পাতাগুলির পাশে লেখা ছিল।ক্যাসেটের যুগ ছিল তখন।একটি গান পছন্দ হলে বারবার রিওয়াইন্ড করতে হত। ফিতে কেঁপে কেঁপে গান ফিরত। কোনও কোনও ক্যাসেট এতবার বাজত যে তার শব্দেও যেন স্মৃতির গন্ধ লেগে যেত।বন্ধুর বাড়িতে বসে নচিকেতার গান শোনা।কলেজের ক্যান্টিনে তাঁর গান নিয়ে তর্ক।রাতের অন্ধকারে হেডফোন কানে দিয়ে নীলাঞ্জনা শোনা।কারও প্রেম ভেঙে গেলে তাকে নচিকেতার গান শোনানো।কেউ চাকরি না পেলে বেকারে যন্ত্রনায় মলম লাগাতে তার পাশে বসে সারে জাঁহা সে আচ্ছা গুনগুন করা।শিক্ষিত হয়েও চাকরি না পাওয়া, সামাজিক অবক্ষয় ও চারপাশের অসঙ্গতি। গানটি শুরুই হয় বেকার যুবকের আত্মপরিচয় দিয়ে।এসবই ছিল এক সময়ের জীবন।আজকের প্রজন্ম হয়তো বুঝবে না, একটি গান তখন কীভাবে মানুষের জীবনের অংশ হয়ে উঠত। কোনও অ্যালগরিদম ছিল না, রেকমেন্ডেড ফর ইউ ছিল না। ছিল শুধু বন্ধুর হাতে হাতে ঘুরে বেড়ানো ক্যাসেট, মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়া গান আর মানুষের নিজস্ব পছন্দ।সেইভাবেই নচিকেতা ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছিলেন।জীবনমুখীশুধু একটি শব্দ নয়নচিকেতার সঙ্গে জীবনমুখী শব্দটি এমনভাবে জড়িয়ে আছে যে দুটি শব্দকে আলাদা করা কঠিন।কিন্তু তাঁর গানকে শুধু একটি ঘরানার মধ্যে আটকে রাখাও ভুল।তিনি জীবনকে দেখেছেন বহু দিক থেকে।কখনও তাঁর চোখে জীবন তীব্র ব্যঙ্গের। কখনও বিষণ্ণ। কখনও প্রেমময়। কখনও ক্ষুব্ধ। কখনও নিঃসঙ্গ। আবার কখনও আশাবাদী।তাঁর গান আমাদের শিখিয়েছেজীবন সুন্দর, কিন্তু সবসময় সুন্দর নয়।ভালোবাসা আছে, কিন্তু সব প্রেম পূর্ণতা পায় না।পরিবার আছে, কিন্তু পরিবারের মধ্যেও মানুষ একা হতে পারে।শহর আছে, কিন্তু শহরের হাজার মানুষের ভিড়েও নিজের জন্য একটা জানালা খুঁজে পাওয়া কঠিন।এই সত্যগুলিকে তিনি কোনও বক্তৃতার ভাষায় বলেননি। বলেছেন গানের ভাষায়।আর তাই তাঁর কথা সরাসরি গিয়ে বসেছে মানুষের বুকের মধ্যে।বৃদ্ধাশ্রমএকটি গান, একটি আয়নানচিকেতার অসংখ্য সৃষ্টির মধ্যে বৃদ্ধাশ্রম যেন আলাদা করে দাঁড়িয়ে থাকে।এটি কেবল বাবা-মাকে নিয়ে লেখা আবেগের গান নয়। এটি আমাদের সামাজিক বিবেকের সামনে রাখা একটি আয়না।বয়স হয়ে যাওয়া মানুষটির প্রয়োজন ফুরিয়ে যায় নাএই সহজ অথচ গভীর সত্যটি নচিকেতা গানের মাধ্যমে মনে করিয়ে দিয়েছেন।গানটি শুনতে শুনতে কত মানুষ হয়তো নিজের বৃদ্ধ বাবা-মায়ের কথা ভেবেছেন। কত মানুষ হয়তো ফোন তুলে বাড়িতে কথা বলেছেন। কত মানুষ হয়তো নিজের অজান্তেই চোখ মুছেছেন।একজন শিল্পীর কাছে এর চেয়ে বড় সাফল্য আর কী হতে পারে?যে গান শ্রোতার জীবনকে এক মুহূর্তের জন্য হলেও বদলে দেয়, সেই গানই তো বেঁচে থাকে।আর নীলাঞ্জনাস্মৃতির নীল আলোঅন্যদিকে নীলাঞ্জনা আমাদের নিয়ে যায় একেবারে অন্য জগতে।প্রেমের গান বাংলা গানে নতুন কিছু ছিল না। কিন্তু নচিকেতার প্রেমের ভাষা ছিল অন্যরকম। সেখানে প্রেমের সঙ্গে ছিল সময়, স্মৃতি, হারিয়ে যাওয়ার ব্যথা।নীলাঞ্জনা শুনলে শুধু একটি মেয়ের কথা মনে পড়ে না। মনে পড়ে একটা সময়ের কথা।মনে পড়ে সেই বয়স, যখন সন্ধ্যা নামলেই কারও জন্য অপেক্ষা করা যেত। ফোনের রিং বাজলে বুক কেঁপে উঠত। একটি চিঠি কয়েকদিন ধরে বালিশের নিচে রেখে দেওয়া যেত।আজ সেই সময় নেই।মানুষের হাতে স্মার্টফোন আছে, মুহূর্তে বার্তা পৌঁছে যায়। কিন্তু অপেক্ষার সেই দীর্ঘ সৌন্দর্য কোথায় যেন হারিয়ে গেছে।তাই নচিকেতার গান শুনলে শুধু গান শোনা হয় নাএকটি হারিয়ে যাওয়া সময়কে ছুঁয়ে দেখা হয়।আগুনপাখি কেন?নচিকেতা থেকে আগুনপাখি হয়ে ওঠার গল্প আসলে তাঁর শ্রোতাদের গল্পও।তিনি আগুনের মতো এসেছিলেন। প্রচলিত গানের অনেক ধারণাকে প্রশ্ন করেছিলেন। গানের বিষয়কে বদলেছিলেন। গায়ক-শ্রোতার দূরত্ব কমিয়েছিলেন।তাঁর গান বলেছিলগান শুধু সাজানো শব্দ নয়।গান প্রশ্ন করতে পারে।গান প্রতিবাদ করতে পারে।গান হাসাতে পারে।গান কাঁদাতে পারে।গান নিজের ঘরের দরজা খুলে দিতে পারে।আর গান কখনও কখনও আয়নার মতো সামনে দাঁড়িয়ে বলতে পারেদেখো, এটাই তোমার জীবন।এই কারণেই তিনি আগুনপাখি।সময়ের সঙ্গে বয়স বেড়েছে, গান বুড়িয়ে যায়নিনচিকেতার জীবনে বহু বছর পেরিয়ে গেছে। বাংলা গানের জগতেও এসেছে অসংখ্য পরিবর্তন। নতুন শিল্পী এসেছেন, নতুন সুর এসেছে, নতুন প্রযুক্তি এসেছে।কিন্তু নচিকেতার গান এখনও শোনা হয়।কারণ তাঁর গান কোনও নির্দিষ্ট দশকের সম্পত্তি নয়।যে বাবা-মায়ের কথা তিনি গেয়েছিলেন, তাঁরা আজও আছেন।যে প্রেমের কথা তিনি গেয়েছিলেন, সেই প্রেম আজও মানুষকে কাঁদায়।যে একাকিত্বের কথা তিনি বলেছিলেন, তা আজ আরও গভীর।যে শহরের কথা তিনি গেয়েছিলেন, সেই শহর আজ আরও কংক্রিটে ঢাকা।আর যে মানুষটির কথা তিনি গেয়েছিলেনসেই সাধারণ মানুষটি আজও ঠিক তেমনই বেঁচে আছে।তাই তাঁর গান পুরনো হয় না।বরং বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছু গান যেন আরও গভীর হয়ে ওঠে।আজ জন্মদিনে তাঁকে মনে পড়ছে অন্যভাবেআজ যখন নচিকেতার জন্মদিন, তখন মনে হয়আমরা কি তাঁকে শুধুই তাঁর জনপ্রিয় গান দিয়ে মনে রাখব?না।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই সাহসটির জন্য, যা বাংলা গানে একসময় প্রয়োজন ছিল।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই ভাষার জন্য, যা সাধারণ মানুষের মুখের ভাষাকে গানের ভাষা করে তুলেছিল।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই কণ্ঠের জন্য, যার মধ্যে কোনও কৃত্রিম মাধুর্য ছিল নাছিল জীবনের খসখসে বাস্তবতা।আর সবচেয়ে বেশি মনে রাখা উচিত সেই মানুষটিকে, যিনি আমাদের শিখিয়েছিলেনগান শুনে শুধু আনন্দ পেতে নেই, কখনও কখনও নিজের দিকে তাকাতেও হয়।আজও হয়তো কোনও পুরনো ক্যাসেটের বাক্সে তাঁর গান পড়ে আছে।কোনও পুরনো অ্যালবামের মলাটে সময়ের ধুলো জমেছে।কোনও এক মধ্যবয়সী মানুষ অফিস থেকে ফিরে হঠাৎ ইউটিউবে নচিকেতার গান চালিয়ে দিয়েছেন।গান শুরু হয়েছে।আর মুহূর্তের মধ্যে তিরিশ বছর পেছনে চলে গেছেন তিনি।সেই পুরনো ঘর।সেই জানালা।সেই বিকেল।সেই অসমাপ্ত প্রেম।সেই বন্ধুটি।সেই বয়স।সেই স্বপ্ন।আর কোথাও খুব দূরে, কিংবা খুব কাছে, নচিকেতার কণ্ঠ ভেসে আসছে।ভিড় করে ইমারত আকাশটা ঢেকে দিয়ে,চুরি করে নিয়ে যায় বিকেলের সোনারোদহয়তো সত্যিই আমাদের জীবনের অনেক সোনারোদ হারিয়ে গেছে।কিন্তু আশ্চর্য ব্যাপারনচিকেতার গান সেই হারিয়ে যাওয়া রোদটুকু এখনও ফিরিয়ে দিতে পারে।এই তো একজন সত্যিকারের শিল্পীর সাফল্য।তিনি চলে যান না।সময় তাঁকে সরিয়ে দিতে পারে না।প্রজন্ম বদলে যায়, গান শোনার মাধ্যম বদলে যায়, শহরের চেহারা বদলে যায়তবু তাঁর কোনও একটি গান হঠাৎ কোথাও বাজে, আর আমরা থমকে দাঁড়াই।মনে হয়এই গানটা তো আমারই কথা।এই অনুভূতিটুকুই নচিকেতার সবচেয়ে বড় অর্জন।তাই আজ তাঁর জন্মদিনে শুধু শুভেচ্ছা নয়।একটি প্রজন্মের হয়ে কৃতজ্ঞতা।সেইসব বিকেলের জন্য, যেগুলিকে তিনি গানে বাঁচিয়ে রেখেছেন।সেইসব কান্নার জন্য, যেগুলির ভাষা তিনি দিয়েছেন।সেইসব প্রেমের জন্য, যেগুলি পূর্ণতা পায়নি।সেইসব বাবা-মায়ের জন্য, যাঁদের নিঃসঙ্গতার কথা তিনি আমাদের শুনিয়েছেন।সেইসব মধ্যবিত্ত স্বপ্নের জন্য, যেগুলি ভেঙেও মানুষকে বাঁচতে হয়।আর সেইসব মানুষের জন্য, যারা এখনও কোনও এক নির্জন রাতে নচিকেতার গান শুনে মনে মনে বলেএ গানটা যেন আমারই জন্য লেখাজন্মদিনে তাই প্রিয় নচিকেতা, আপনাকে প্রণাম।বাংলা গানের আকাশে আপনার সেই আগুনপাখি আজও উড়ে বেড়াক।আর আমাদের হারিয়ে যাওয়া বিকেলগুলির আকাশেএকটু সোনারোদ হয়ে থাকুক আপনার গান।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মিসবার ইস্তফায় পাকিস্তান ক্রিকেটে বিস্ফোরণ! ৭ ক্রিকেটার ছাঁটাইয়ের পর এবার বোর্ডে বড় ধাক্কা

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে একের পর এক ধাক্কায় বিপর্যস্ত পাকিস্তান ক্রিকেট। টানা দুই ম্যাচে হারের পর দলের ভিতরে বড়সড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। সাত জন ক্রিকেটারকে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বদল করা হয়েছে কোচিং স্টাফেও। এর মধ্যেই জাতীয় নির্বাচক কমিটি থেকে ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক মিসবা উল হক। তাঁর পদত্যাগপত্র ইতিমধ্যেই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের কাছে পৌঁছেছে বলে খবর।তবে বোর্ড এখনও তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেনি। জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে মিসবা তাঁর নোটিশের সময়সীমা পালন করছেন। তাঁর ইস্তফাকে ঘিরেই পাকিস্তান ক্রিকেটের অন্দরে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।একটি ক্রিকেট ওয়েবসাইটের সূত্রের দাবি, দল থেকে সাত জন ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিষয়ে মিসবার সঙ্গে কোনও আলোচনা করা হয়নি। জাতীয় নির্বাচক কমিটির সদস্য হয়েও এই সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তিনি আগে থেকে কিছু জানতেন না বলে সূত্রটির দাবি। এই ঘটনাই তাঁর পদত্যাগের অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।যে সাত জন ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সলমন আলি আঘা, মহম্মদ রিজওয়ান, আলি উসমান, ইমাম উল হক, খুররম শাহজাদ, আমির জামাল এবং মহম্মদ ওয়াইস জাফর। পাশাপাশি প্রধান কোচের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সরফরাজ আহমেদকে। বোলিং কোচ উমর গুলকেও দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে।বাকি টেস্ট ম্যাচগুলির জন্য নতুন কোচিং ব্যবস্থাও করা হয়েছে। সাদা বলের কোচ মাইক হেসনকে দায়িত্বে আনা হয়েছে। বোলিং কোচ হিসেবে কাজ করবেন অ্যাশলি নফ। সূত্রের খবর, লাহোরের জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে ব্যাটিং পরামর্শদাতার দায়িত্ব থেকেও সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মিসবা।অন্য দিকে, বাদ পড়া সাত ক্রিকেটারের জায়গায় বেশ কয়েক জন নতুন মুখকে দলে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সাইম আয়ুব বাট, আবদুল্লা ফজল এবং আরাফত মিনহাস। তাঁদের মধ্যে সাইম আয়ুব এবং আবদুল্লা ফজলকে টেস্ট দলেও রাখা হয়েছে। নতুনদের সম্মিলিত টেস্ট অভিজ্ঞতা এখনও খুবই কম।ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে এক ইনিংস ও ১০৩ রানে এবং দ্বিতীয় টেস্টে ১৯৪ রানে হেরেছে পাকিস্তান। ফলে তিন ম্যাচের সিরিজে ইতিমধ্যেই দুই শূন্য ব্যবধানে পিছিয়ে বাবরদের দল। সিরিজে এখনও একটি ম্যাচ বাকি।আগামী ৯ সেপ্টেম্বর বার্মিংহ্যামে শুরু হওয়ার কথা সেই শেষ টেস্ট। সিরিজে হোয়াইটওয়াশ এড়াতে পাকিস্তানের সামনে এখন একমাত্র পথ জয়। তার আগেই নির্বাচক কমিটি এবং কোচিং ব্যবস্থায় এত বড় পরিবর্তন পাকিস্তান ক্রিকেটে নতুন করে আলোড়ন তৈরি করেছে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
দেশ

‘নাচতে রাজি না হওয়ায় চাকরি গেল’, মহিলা বিচারককে নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ বর্ষীয়ান আইনজীবীর

দেশের বিচারব্যবস্থায় মহিলা বিচারকদের যৌন হেনস্থার অভিযোগ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন বর্ষীয়ান আইনজীবী ইন্দিরা জয়সিং। তাঁর দাবি, পুরুষ সহকর্মীদের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ নিয়ে বহু মহিলা বিচারক তাঁর কাছে এসেছেন। এই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই তিনি নিজের বইয়ে যৌন হেনস্থাকে ভারতীয় বিচারব্যবস্থার ডার্টি সিক্রেট বলে উল্লেখ করেছেন।সম্প্রতি এক স্মারক বক্তৃতায় মাই ভিশন অব ইন্ডিয়া: ২০৪৭ বিষয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন ইন্দিরা জয়সিং। তাঁর দাবি, পেশাগত জীবনে বহু মহিলা বিচারকের সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি। তাঁদের মধ্যে কয়েক জন পুরুষ বিচারকদের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ জানিয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।এক মহিলা বিচারকের হয়ে মামলা লড়ার অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন জয়সিং। তাঁর দাবি, ওই বিচারক তাঁকে জানিয়েছিলেন, হাইকোর্টের কোনও বিচারপতি অবসর নেওয়ার সময় মহিলা জেলা বিচারকদের সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করানো হত। একই রঙের শাড়ি পরতে বলা হত এবং পুরুষ বিচারকরা খাবারের ঘরে ঢোকার সময় তাঁদের উপর ফুল ছড়ানোর মতো আচরণও করা হত।এই ধরনের প্রথার তীব্র সমালোচনা করেন জয়সিং। তাঁর মতে, উচ্চতর বিচারব্যবস্থার কিছু পদমর্যাদাভিত্তিক আচরণ মহিলা বিচারকদের উপর চাপ তৈরি করতে পারে। এর ফলে তাঁদের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে বলেও তিনি দাবি করেন।ওই মহিলা বিচারকের সঙ্গে ঘটে যাওয়া আরও একটি ঘটনার কথাও বক্তৃতায় জানান জয়সিং। তাঁর দাবি, এক বিচারক ওই মহিলা বিচারককে নিজের বিবাহবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে গিয়ে নাচতে বলেছিলেন। মহিলা বিচারক সেই প্রস্তাবে রাজি হননি। এর পর তাঁকে চাকরি হারাতে হয়েছিল বলে দাবি করেন জয়সিং। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।বিচারব্যবস্থায় মহিলা বিচারকদের সঙ্গে যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য এবং যৌন হেনস্থার ঘটনা বাড়ছে বলেও বক্তব্য রাখেন প্রাক্তন বিচারপতি ডি এস মুরলীধর। তাঁর মতে, সিনিয়র পুরুষ সহকর্মীদের আচরণের কারণে অনেক মহিলা বিচারক মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন।বিচারব্যবস্থার পদমর্যাদাভিত্তিক সংস্কৃতিরও সমালোচনা করেন মুরলীধর। একই অনুষ্ঠানে বিচারব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যা, মামলা নিষ্পত্তিতে দেরি এবং তরুণ প্রজন্মের আন্দোলন নিয়েও বক্তব্য রাখেন তিনি।অন্য দিকে, আদালতের সময় কী ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ইন্দিরা জয়সিং। তাঁর বক্তব্য, সাধারণ মামলাকারীদের জন্য বরাদ্দ থাকার কথা যে সামান্য সময়, তার বড় অংশ ধনী ব্যক্তি এবং কর্পোরেট সংস্থাগুলি ব্যবহার করে নেয়।বক্তৃতার শেষে ভবিষ্যৎ ভারত নিয়ে আশাবাদী থাকার কারণও জানান জয়সিং। নতুন প্রজন্মের তরুণ-তরুণীরা তাঁকে প্রায়ই প্রশ্ন করেন, ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি আরও ভাল হবে বলে তিনি কেন মনে করেন। তাঁর উত্তর, ভারতের সংবিধানই তাঁর আশার জায়গা।জয়সিংয়ের বক্তব্য, যতদিন নাগরিকরা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো রক্ষা করতে পারবেন এবং শাসককে সংবিধান পরিবর্তনের বিষয়ে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন, ততদিন আশার জায়গা থাকবে। তাঁর মতে, সংবিধান বর্তমান রূপে থাকলে সরকারের কোনও সংবিধান-বহির্ভূত পদক্ষেপকে আইনি ভাবে চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ থাকবে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
কলকাতা

‘মিথ্যা মামলা দিয়ে দমিয়ে রাখবেন?’ সাড়ে ৫ ঘণ্টা জেরার পর পুলিশকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

ক্যামাক স্ট্রিটের ঘটনায় তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করল পুলিশ। একাধিক ধারায় দায়ের হওয়া এই মামলায় শ্লীলতাহানির ধারাও রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে থানার বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক দাবি করেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।গত বৃহস্পতিবার ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের দফতরের বেআইনি বিলবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। পুরসভার কর্মী ও পুলিশকর্মীদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ধস্তাধস্তি হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে মহিলা পুলিশকর্মীরাও ছিলেন। ধাক্কাধাক্কির মধ্যে কয়েক জন পড়ে যান বলেও জানা যায়।এই ঘটনার পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ওব্রায়েন এবং প্রাক্তন বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলাতেই মঙ্গলবার থানায় হাজিরা দেন অভিষেক। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তিনি সাংবাদিকদের সামনে নিজের অবস্থান জানান।অভিষেকের দাবি, মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। তিনি বলেন, মিথ্যা মামলা করে তাঁকে বা তাঁর দলকে দমিয়ে রাখা যাবে না। একই সঙ্গে কোনও নোটিস ছাড়াই দলের ১৩ জন কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।ক্যামাক স্ট্রিটের ঘটনার পর তাঁর দফতরের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ ও দমকলের তরফে সেই ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা হয়েছে। এই প্রসঙ্গেও প্রশ্ন তোলেন অভিষেক। তাঁর দাবি, অন্য কয়েকটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় একই ধরনের তৎপরতা দেখা যায়নি।অভিষেক বলেন, তারাপীঠে আগুনে মানুষের মৃত্যুর সময় কিংবা আলিপুরে আগুনে ইভিএম নষ্ট হওয়ার সময় কেন একই ভাবে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা পরীক্ষা করা হয়নি, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর বক্তব্য, তাঁর দফতরের ক্ষেত্রে যে তৎপরতা দেখা যাচ্ছে, তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা শ্লীলতাহানির অভিযোগও সরাসরি খারিজ করেছেন অভিষেক। তাঁর দাবি, কারও শ্লীলতাহানি করা হয়নি। ঘটনার ভিডিয়ো তাঁদের কাছে রয়েছে বলেও জানান তিনি।অভিষেকের আরও অভিযোগ, ঘটনার দিন পুলিশকর্মী ও আধিকারিকরা তাঁদের কর্মী-সমর্থকদের সিঁড়ি থেকে টেনে নামিয়েছিলেন। তাঁর প্রশ্ন, মানুষের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পরও যদি এমন মামলা ও পুলিশি পদক্ষেপের প্রয়োজন হয়, তা হলে এত ভয় কেন?জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পুলিশ ও রাজ্য সরকারের উদ্দেশে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন অভিষেক। তাঁর বক্তব্য, মিথ্যা মামলা করে গ্রেফতার করে তাঁকে দমিয়ে রাখা যাবে না। প্রশাসনের হাতে যে ক্ষমতা রয়েছে, তা প্রয়োগ করলেও তিনি পিছিয়ে যাবেন না বলেই বার্তা দেন তৃণমূল সাংসদ।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
রাজ্য

ম্যাঙ্গানিজ মিশন: খনিজ সম্পদের ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী বড় সাফল্য!

অশোকনগর তেলক্ষেত্রের ঐতিহাসিক সাফল্যের পর, পশ্চিমবঙ্গ তার মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা আরও এক সম্পদ উন্মোচনের পথেঝাড়গ্রাম জেলায় ম্যাঙ্গানিজের বিশাল ভাণ্ডার! এই ভান্ডারের খোঁজ করতে উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে কাজ শুরু হবে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের খনি ও খনিজ সম্পদ অধিদপ্তর (Directorate of Mines Minerals) শিমুলপাল, লবনী, ভাণ্ডারচুয়া, চৌগা পাহাড়, হাসা ডুংরি, কার্কা, বেগুনডিহা, বীরমণ্ডল, বাঁশপাহাড়ি এবং সংলগ্ন ম্যাঙ্গানিজ-সমৃদ্ধ এলাকায় যৌথ প্রাথমিক জরিপ (reconnaissance survey) চালানোর আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়েছে।এই অঞ্চলের খনিজ সম্পদের প্রকৃত সম্ভাবনা যাচাইয়ের লক্ষ্যে MOIL Limited এখন জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (GSI), ইন্ডিয়ান ব্যুরো অফ মাইন্স (IBM) এবং WBMDTCL-এর সাথে সমন্বয় করে কাজ করবে। এর জন্য ২০২৬ সালের ১৫ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর সময়কালে মাঠপর্যায়ের জরিপ বা ফিল্ডওয়ার্ক নির্ধারিত হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের উদাসীনতা ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে বছরের পর বছর ধরে এই প্রাকৃতিক সম্পদ অব্যবহৃত ও অবহেলিত অবস্থায় পড়ে ছিল বলে মনে করছে রাজ্য সরকার। প্রকৃত উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বিজেপি সরকারের আমলে ঝাড়গ্রামের খনিজ সম্পদ অবশেষে তার যথাযথ গুরুত্ব ও স্বীকৃতি পেতে চলেছে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে বিতর্কিত মিছিল ঘিরে সুপ্রিম কোর্টে মামলা, কেন্দ্র ও পুলিশকে নোটিস, কিন্তু কেন তড়িঘড়ি শুনানি নয়?

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে প্রস্তাবিত একটি প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হওয়া মামলায় কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস পাঠিয়েছে শীর্ষ আদালত। তবে মিছিলের আগেই মামলাটির জরুরি শুনানি করার আবেদন মানেনি আদালত।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ মামলাটির পরবর্তী শুনানি ১০ সেপ্টেম্বর ধার্য করেছে। ছাত্র আন্দোলন সংক্রান্ত অন্য মামলাগুলির সঙ্গে এই মামলাটিও শোনা হবে বলে জানিয়েছে আদালত।প্রস্তাবিত মিছিলের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত দিল্লি পুলিশ আধিকারিক রাজেন্দ্র সিং। তাঁর দাবি, দেশের রাজধানীর স্পর্শকাতর এলাকায় বড় জমায়েত বা প্রতিবাদ মিছিলের আগে প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা উচিত।আবেদনকারীর আইনজীবী রিজান আহমেদ আদালতে জানান, আয়োজকদের পক্ষ থেকে এখনও মিছিলের অনুমতির জন্য কোনও আবেদন করা হয়নি বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন। তিনি মিছিলের আগে মামলাটির শুনানি করার জন্য বার বার আবেদন জানান। কিন্তু বেঞ্চ ৩ সেপ্টেম্বরের আগে মামলাটি শুনতে রাজি হয়নি।আইনজীবী আদালতে আরও জানান, আগামী সপ্তাহে দিল্লিতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন রয়েছে। সেই সময় রাজধানীতে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা উপস্থিত থাকবেন। সেই পরিস্থিতিতে বড় জমায়েত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। মিছিলটি কয়েক দিন পিছিয়ে দেওয়ার আবেদনও জানান।তবে প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে দেন, আগে থেকেই কোনও অঘটন ঘটবে বলে ধরে নেওয়ার কারণ নেই। তাঁর বক্তব্য, আদালত এই মুহূর্তে ধরে নেবে যে প্রত্যেকে শান্তিপূর্ণ আচরণ করবেন। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবেই, এমন জোরালো পরিস্থিতিও আদালতের সামনে নেই বলে জানান তিনি।এর পর আইনজীবী দাবি করেন, আগের একটি আন্দোলনে হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কোনও দুষ্কৃতী বা উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তির কারণে পরিস্থিতি খারাপ হয়ে যেতে পারে বলেও তিনি আদালতে জানান।আবেদনকারীর আইনজীবী আরও অভিযোগ করেন, পুলিশ মিছিলে বাধা দিলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সামনে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে। তিনি দাবি করেন, সংগঠনটি আইনি বিধি মানছে না এবং প্রয়োজনীয় অনুমতিও নিচ্ছে না।এই বক্তব্যের পর প্রধান বিচারপতি জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়টি মূলত সরকার ও পুলিশের দায়িত্ব। আবেদনকারীকে তাঁর উদ্বেগ কেন্দ্রীয় সরকার অথবা দিল্লি সরকারের কাছে জানাতে বলেন তিনি। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বলেও স্পষ্ট করেন প্রধান বিচারপতি।মিছিলের আয়োজক সংগঠনকে মামলায় পক্ষভুক্ত করা নিয়েও সমস্যা রয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়। আইনজীবীর দাবি, সংগঠনটির কোনও নথিভুক্ত অফিস বা লেটারহেড নেই। ফলে তাদের সরাসরি মামলার পক্ষ করা সম্ভব হচ্ছে না।শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস পাঠিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে ৫ সেপ্টেম্বরের প্রস্তাবিত মিছিলের আগেই মামলাটির শুনানি করার আবেদন গ্রহণ করেনি বেঞ্চ। ফলে মিছিলের আগে প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।

আগস্ট ৩১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

২০ বছরের মহাকাব্যের শেষ! হঠাৎই জাতীয় দলকে বিদায় মেসির, স্তব্ধ ফুটবল বিশ্ব

কয়েক দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত সেই আশঙ্কাই সত্যি হল। আর্জেন্টিনার জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিলেন ফুটবলের মহাতারকা লিওনেল মেসি। দেশের জার্সিতে প্রায় দুই দশকের দীর্ঘ যাত্রার পর এবার আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন তিনি।মেসির অবসর নিয়ে কয়েক দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। বাবার মৃত্যুর পর তিনি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। ফুটবল থেকেও তাঁর মন কিছুটা সরে গিয়েছিল বলে আলোচনা শুরু হয়। যদিও তাঁর সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে অবসরের কোনও স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। ইন্টার মায়ামির হয়ে মাত্র কয়েক দিন আগেই চারটি গোল করেছিলেন মেসি। সেই ম্যাচে তাঁর দল সাত-শূন্য ব্যবধানে জয় পায়।তার পরেও আচমকাই এল বড় ঘোষণা। মেসি জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের ফাইনালের পর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে দীর্ঘ সময় চিন্তাভাবনা করেছেন। শেষ পর্যন্ত জাতীয় দল থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। নিজের সবটুকু দিয়ে আর্জেন্টিনার হয়ে খেলেছেন বলেও জানিয়েছেন এই তারকা।মেসির এই সিদ্ধান্ত মানে আর্জেন্টিনার ফুটবলের একটি দীর্ঘ অধ্যায়ের অবসান। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের জার্সিতে একের পর এক স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন তিনি। কখনও সাফল্য এসেছে, কখনও এসেছে হতাশা। একাধিকবার বিশ্বকাপের স্বপ্নভঙ্গ হলেও শেষ পর্যন্ত ২০২২ সালে সেই অধরা ট্রফি নিজের হাতে তুলেছিলেন মেসি।আর্জেন্টিনার হয়ে তাঁর আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়েছিল ২০০৫ সালের ১৭ অগস্ট হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে। দীর্ঘ কেরিয়ারে দেশের হয়ে শতাধিক গোল করেছেন তিনি। বিশ্বকাপে ছবার অংশ নিয়েছেন। ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি দুবার বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও পেয়েছেন।বিশ্বকাপের মঞ্চেও মেসির একাধিক নজির রয়েছে। সবচেয়ে বেশি বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলার রেকর্ড তাঁর দখলে। বিশ্বকাপে একাধিক ম্যাচে গোল ও সহায়তার মাধ্যমে দলকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন তিনি। টানা নয়টি বিশ্বকাপের ম্যাচে গোল করার নজিরও রয়েছে তাঁর নামে।মেসির আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে শুধু সাফল্য নয়, রয়েছে দীর্ঘ লড়াইয়ের ইতিহাসও। একসময় কোপা আমেরিকার ফাইনালে পরপর ব্যর্থতা তাঁকে ভেঙে দিয়েছিল। কিন্তু সেই হতাশা কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনাকে কোপা আমেরিকা এবং বিশ্বকাপ জিতিয়েছেন তিনি।এবার সেই জাতীয় দলকেই বিদায় জানালেন মেসি। তাঁর সিদ্ধান্তে আর্জেন্টিনার ফুটবলে যে বিশাল শূন্যতা তৈরি হবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে দেশের জার্সিতে তাঁর অধ্যায় শেষ হলেও ক্লাব ফুটবলে এখনও তাঁকে মাঠে দেখা যেতে পারে। ফলে মেসির ফুটবলযাত্রা পুরোপুরি শেষ হচ্ছে না, শেষ হচ্ছে শুধু আর্জেন্টিনার জার্সিতে তাঁর মহাকাব্যিক অধ্যায়।

আগস্ট ৩১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal