• ১৪ চৈত্র ১৪৩২, রবিবার ২৯ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Purbo Bardhaman

রাজ্য

বর্ধমানে দুই সন্তানের সামনে নৃশংস খুন স্ত্রীকে, তারপর মেঝেতে পুঁতে........ এ কেমন গৃহকর্তা?

দুই সন্তানের সামনে নৃশংস খুন স্ত্রীকে, মেঝেতে পুঁতে শুয়ে পড়ল বাবাএ কেমন বাবা? এ কোন স্বামী? কি এমন হল এমন ভয়ঙ্কর হত্যাকাণ্ড ঘটলেন বর্ধমানের আউশগ্রামের যদুগড়িয়া গ্রামের সোম হাঁসদা। অভিযোগ, দুই শিশু কন্যার সামনে মাকে নৃশংস ভাবে খুন করে ঘরের মেঝেতে পুঁতে দিয়েছে বাবা। শুধু তাই নয় এই ঘৃন্যতম কাণ্ড ঘটানোর পর সেই ঘরেই দুই কন্যাকে নিয়ে রাতের ঘুমিয়ে পড়ে বাবা। গৃহবধূ খুনের এমন রোমহর্ষক ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে জঙ্গলমহলে। সোম হাঁসদাকে গ্রেফতার করেছে আউশগ্রাম থানার পুলিশ। বুধবার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করে পুলিশ।পুলিশ সূত্রের খবর, সোম হাঁসদার সঙ্গে ভাব ভালোবাসা সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল লক্ষ্মীর। বছর সাতেক আগে তাঁরা বিয়ে করেন। দুই কন্যা সন্তানকে নিয়ে দম্পতি বেশ সংসার জীবন কাটাচ্ছিলেন। বড় মেয়ের বয়স ছয় বছর, ছোট মেয়ে তিন বছর বয়স, সে হামাগড়ি দেওয়া ছেড়ে হাঁটতে শিখেছে। সোম হাঁসদার মা পানমনি হাঁসদা এদিন বলেন, আমার ছেলে মদের নেশায় ভীষণ ভাবে আশক্ত হয়ে পড়েছিল । প্রতিদিন মদ খেতো। কাজকর্ম সেরকমর করতো না। নেশা করা নিয়ে বৌমা মা আপত্তি করলে ছেলে অশান্তি করতো। তারই মধ্যে হঠাৎ করেই মঙ্গলবার সকাল থেকে বৌমাকে বাড়িতে আর দেখতে পাওয়া যাচ্ছিল না। বৌমা কোথায় তা আমি আমার ছেলের কাছে জানতে চাই । তখন ছেলে জানায়, তাঁর মার খেয়ে বৌমা পালিয়ে গেছে। এরপর সন্ধ্যায় দেখি বাড়িতে পুলিশ এসে ছেলের ঘরের মেঝের মাটি খুঁড়ছে। বেশ খানিকটা মাটি খোঁড়া হতেই বেরিয়ে আসে বৌমার মৃতদেহ। পুলিশ বৌমার মৃতদেহ উদ্ধারের পাশাপাশি আমার ছেলে সোমকেও ধরে নিয়ে গিয়েছে আউশগ্রাম থানার পুলিশ। বড় নাতনী পুলিশের কাছে তাঁর বাবার সব কীর্তি ফাঁস করে দিয়েছে। সে পুলিশকে জানায়, ছোট বোন ও তাঁর সামনেই তাঁদের মাকে হত্যা করেছে বাবা। তারপর তাঁর বাবাই ঘরের মাটি খুড়ে তাঁদের মায়ের মৃতদেহ পুঁতে দিয়ে ওই ঘরে তাঁদেরকে নিয়ে শুয়ে পড়ে। এই ঘটনা সোমবার রাতে ঘটেছে বলে পুলিশকে জানিয়েছে শিশুকন্যাটি। পানমনি হাঁসদা বলেন, নাতনির কাছে জেনেছি ঘটনার দিন শাবল দিয়ে বৌমার মাথায় আঘাত করেছিল আমার ছেলে সোম। তাতেই বৌমার মৃত্যু হয়। তারপর ঘরের মেঝের মাটি খুঁড়ে ছেলে বৌমার মৃতদেহ মাটি চাপা দিয়ে রাখে। এই ঘটনা বাইরে থেকে কেউ যাতে বুঝতে না পারে তার জন্য ছেলে সোম তার ঘরের দরজায় তালা দিয়ে রাখে।

জানুয়ারি ১৫, ২০২৫
রাজ্য

Vaccine: খবর প্রকাশ হতেই বাড়ির দুয়ারে ভ্যাকসিন

খবর প্রকাশ হতেই একেবারে বাড়ির দুয়ারে বসে কোভিডের ভ্যাকসিন পেলেন নির্বাচন কমিশনের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডার খর্বকায় প্রতিবন্ধী ভ্রাতৃদ্বয়। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার কলানবগ্রামে বাড়ি প্রতিবন্ধী খর্বকায় ভ্রাতৃদ্বয় সঞ্জীব মণ্ডল ও মানিক মণ্ডলের। ভোটের সময়ে নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা আধিকারিকরা কোভিডের ভ্যাকসিন পেয়ে গেলেও ভ্যাকসিন পাওয়ার সৌভাগ্য হয়নি কমিশনে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডার ভ্রাতৃদ্বয় এমনকি ভোট মিটে যাওয়ার পরেও গত বুধবার পর্যন্ত তারা ভ্যাকসিন পাননি । সেই খবর এদিন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ হতেই প্রশাসনের কর্তারা নড়ে চড়ে বসেন। জনতার কথাতেও তা প্রকাশিত হয়।আরও পড়ুনঃ কোভিড ভ্যাকসিন থেকে বঞ্চিত বিধানসভা ভোটের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডার খর্বকায় ভ্রাতৃদ্বয়রীতিমতো দুয়ারে ভ্যাক্সিন নিয়ে বৃহস্পতিবার প্রতিবন্ধী খর্বকায় ভ্রাতৃদ্বয়ের বাড়িতে হাজির হয়ে যান মেমারির বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য, মেমারি ১ ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ও মেমারি ১ নম্বর ব্লকের যুগ্ম বিডিও। তাঁদের সঙ্গেই ছিল মেডিকেল টিম। বাড়িতেই সঞ্জীব মণ্ডল ও মানিক মণ্ডলকে দেওয়া হয় কোভিশিল্ডের প্রথম ডোজ। ভ্যাকসিন পেয়ে উচ্ছ্বাসিত প্রতিবন্ধী খর্বকায় ভাতৃদ্বয়। বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। খবর পেয়েই ব্লক প্রশাসন উদ্যোগী হয়। তবে তিনি দবি করেন, ব্লক প্রশাসনের বিষয়টি মাথায় রাখা উচিত ছিল।

জুলাই ২২, ২০২১
রাজ্য

Vaccine: কোভিড ভ্যাকসিন থেকে বঞ্চিত বিধানসভা ভোটের 'ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডার' খর্বকায় ভ্রাতৃদ্বয়

বিধানসভা ভোটের সময়ে ঢাকঢোল পিটিয়ে নির্বাচন কমিশনের ব্র্যাণ্ড অ্যাম্বাসাডার করা হয়েছিল দুই প্রতিবন্ধী খর্বকায় ভ্রাতৃদ্বয়কে। আর ভোট মিটে যেতেই তারা এখন ব্রাত্য হয়ে গিয়েছেন। কোভিড ভ্যাকসিন প্রাপ্তি থেকেও বঞ্চিত ভোটে নির্বাচন কমিশনের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডার হওয়া সঞ্জীব মণ্ডল ও মানিক মণ্ডল। ভ্যাকসিন পাওয়ার সৌভাগ্য আদৌ হবে কিনা তাও জানেন না দুই খর্বকায় ভ্রাতৃদ্বয়।আরও পড়ুনঃ টোকিওতে কেন গেমস ভিলেজে থাকছেন না ১ নম্বর মহিলা টেনিস তারকা?প্রতিবন্ধী খর্বকায় ভ্রাতৃদ্বয় সঞ্জীব মণ্ডল ও মানিক মণ্ডলের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মেমারি বিধানসভার কলানবগ্রামে। বাড়িতে রয়েছেন বৃদ্ধা মা আন্না মণ্ডল। মাটির এক কুটুরি বাড়িতেই তাঁরা বসবাস করেন। সরকারী ভাতার সামান্য কয়েকটা টাকা আর দুচারটে ছগল, গরু ও মুরগি প্রতিপালন করে সামন্য যে টুকু রোজগার হয় তা দিয়েই তাঁরা দিন গুজরান করেন। এমনই এক হতদরিদ্র পরিবারের খর্বকায় প্রতিবন্ধী ভ্রাতৃদ্বয় সঞ্জীব ও মানিককে ২০২১ বিধানসভা ভোটে ২৬৫ মেমারি বিধানসভার ভোট আইকন করা হয়। নির্বাচন কমিশনের ব্যবস্থাপনায় প্রতিবন্ধী এবং ৮০ উর্ধ্ব ভোটারদের ভোট দানে উৎসাহিত করার ব্যাপারে তাঁরাই হয়েছিলেন প্রধান মুখ ।আরও পড়ুনঃ কফি ডেটে যেতে চান শ্রীলেখা! কিন্তু কার সঙ্গে?কোভিড অতিমারির মধ্যেই এবার রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হয়। তার জন্য নির্বাচন কমিশন বেশ কিছু নতুন নিয়ম জারি করে। প্রতিবন্ধী ও ৮০ উর্ধ্ব বয়সী ভোটাররা যাতে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে পারেন তার ব্যবস্থা করে নির্বাচন কমিশন। এছাড়াও কোভিড পেসেন্টরাও যাতে একই সুবিধা পান সেই ব্যবস্থাও কমিশন ধার্য করে। এই সকল ব্যবস্থাপনার বিষয়টি নিয়ে ভারতের নির্বাচন কমিশন গোটা রাজ্য জুড়ে প্রচার চালানোর উদ্যোগ নেয়। তারই প্রচার কাজে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা মেমারি বিধানসভার আধিকারিকরা আইকন হিসাবে বেছে নেন খর্বকায় দুই প্রতিবন্ধী ভাই সঞ্জীব মণ্ডল ও মানিক মণ্ডলকে। ভোটের সময় নিঃস্বার্থ ভাবেই এই দুই প্রতিবন্ধী ভাই ট্রাইসাইকেলে চড়ে গণতন্ত্রের সর্বশ্রেষ্ঠ উৎসবে সবাইকে অংশ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানানোর কাজও চালিয়ে যান। তাঁদের এই কর্মকাণ্ড ভোটার মহলে যথেষ্ট সাড়াও ফেলে। এখন ভোট মিটে গিয়েছে। আর ভোট মিটে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্রাত্য হয়ে গিয়েছেন দুই প্রতিবন্ধী খর্বকায় ভ্রাতৃদ্বয়।আরও পড়ুনঃ পর্নোগ্রাফি ছবি তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার বলিউড অভিনেত্রীর স্বামীসঞ্জীব মণ্ডল ও মানিক মণ্ডল বুধবার আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, ভোট শেষ হয়ে গিয়েছে। তাই এখন আর তাদের কথা কেউ মনে রাখে না। মনে রাখেনি সরকারও। সেই কারণে কোভিডের তৃতীয় ঢেউয়ের আগেও তাঁরা কোভিড ভ্যাকসিনের টিকা পাননি। ভ্যাকসিন পাওয়ার জন্য অনেকবার পাল্লারোডের স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়েছেন। লাইনে দাঁড়িয়েও ছিলেন। কিন্তু ভ্যাকসিন না পেয়ে তাঁদের হতাশ হয়েই বাড়ি ফিরতে হয়েছে। সঞ্জীব ও মানিক আরও জানান, ভ্যাকসিন পাওয়ার জন্য ব্লকের বিডিও অফিসেও মৌখিক ভাবে তাঁরা জানিয়ে ছিলেন। তাতেও সুরাহা হয়নি। আদৌ কোভিড ভ্যাকসিনের টিকা পাবেন কিনা তা নিয়েও অন্ধকারে রয়েছেন বলে প্রতিবন্ধী খর্বকায় ভ্রাতৃদ্বয় জানিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?এই বিষয়ে মেমারি ১ নম্বর ব্লকের বিডিও আলি মহম্মদ ওয়ালিউল্লাহ বলেন, তাঁর সঙ্গে ওনারা যোগাযোগ করেননি। তবে বিষয়টি তিনি জেনেছেন।খুব তাড়াতাড়ি ওনাদের ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করা হবে বলে বিডিও আশ্বাস দিয়েছেন।

জুলাই ২১, ২০২১
রাজ্য

Memari: ঝাঁড়ফুকের নামে কুকীর্তি, মেমারিতে ধৃত ওঝা

ওঝা ঝাড়ফুঁক করে দিলেই শারীরিক অসুস্থতা থেকে নাবালিকা মেয়ে মুক্তি পাবে! এমন অন্ধবিশ্বাসে ভর করেই নাবালিকাকে সঙ্গে নিয়ে ওঝার দ্বারস্থ হয়েছিলেন মা। কিন্তু অসুস্থতা থেকে মুক্তি পাওয়া তো দূরের কথা, উল্টে ওঝার যৌন লালসার শিকার হয়ে চোখের জল মুছতে মুছতেই বাড়ি ফিরতে হল নাবালিকে। এমনই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার উলোরা গ্রামে । এমন কুকীর্তির নায়ক গুনধর ওঝা সুদেব মালিক অবশ্য পার পায়নি। ঝাড়ফুকের নাম অসুস্থ নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে মেমারি থানার পুলিশ ওঝা সুদেব মালিককে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবি করেছে নাবালিকার পরিজন ও এলাকাবাসী।পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর ১৩ বয়সী নাবালিকার বাড়ি মেমারি থানার গেঁড়াঘাট গ্রামে। বেশ কিছুদিন যাবৎ সে শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছে। নাবালিকার পরিবার এখনও কুসংস্কার মুক্ত হতে পারেনি। তাই ওঝা ঝাড়ফুঁক করে দিলেই মেয়ের শারীরিক অসুস্থতা সেরে যাবে এমনটা মনে করেন নাবালিকার মা। সেই মতো শুক্রবার বিকালে অসুস্থ নাবালিকা মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর মা উলরা গ্রামের সায়েরপাড় নিবাসী ওঝা সুদেব মালিকের কাছে যান। ওঝা সুদেব নাবালিকাকে দেখে তাঁকে সুস্থ কেরে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ঝাড়ফুঁক করার জন্যে ঘরের ভিতরে নিয়ে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। আধঘন্টা পেরিয়ে গেলেও ওঝা ওই ঘরের দরজা না খোলায় নাবালিকার মায়ের দুঃশ্চিন্তা বাড়ে। তিনি ওঝার ঘরের দরজা ধাক্কা দেওয়া শুরূ করেন। ওঝা ঘরের দরজা খুলে দেওয়ার পর ঘরের ভিতরে ঢুকে নাবালিকাকে কাঁদতে দেখেন মা। বিদ্ধস্ত অবস্থায় ওঝা সুদেবের ঘর থেকে বেরিয়ে নাবালিকা কাঁদতে কাঁদতে তাঁর মাকে জানায় ঝাড়ফুঁকের নামে ওঝা তাঁকে ঘরে ঢুকিয়ে নিয়ে ধর্ষণ করেছে।মেয়ের মুখ থেকে এই ঘটনা শোনার পরেই নাবালিকাকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে গিয়ে তাঁর মা পরিবারের লোকজনকে ওঝার কুকীর্তির কথা জানান। মেয়ের চিকিৎসা করিয়ে ওইদিনই ঘটনা সবিস্তার জানিয়ে নাবালিকার মা মেমারি থানায় ওঝার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পকসো অ্যাক্টের ৪ ধারার মামলা রুজু করে পুলিশ রাতেই ওঝা সুদেব মালিককে গ্রেপ্তার করে । পাশাপাশি পুলিশ নাবালিকা ও ধৃতর পরণের পোষাকও বাজেয়াপ্ত করে। মেডিকেল পরীক্ষার জন্য পুলিশ এরপর ওঝাকে মেমারি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানকার চিকিৎসক ধৃত ওঝাকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজের ফরেন্সিক স্টেট মেডিসিন বিভাগে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।ধৃত ওঝাকে শনিবার পুলিশ বর্ধমান আদালতে পশ করে। তদন্তের প্রয়োজনে ধৃতকে ৫ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চাওয়ার পাশাপাশি নির্যাতিতার গোপন জবানবন্দি নথিভুক্ত করানোর জন্য আদালতে আবেদন জানান তদন্তকারী অফিসার। ভারপ্রাপ্ত সিজেএম ধৃতকে বিচার বিভাগীয় হেপাজতে পাঠিয়ে আগামী সোমবার তাঁকে বর্ধমানে পকসো আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।

জুলাই ১০, ২০২১
রাজ্য

Bomb Explosion: ভাতারের বোমা বিস্ফোরণের পিছনে রহস্য কি?

বোমা বিস্ফোরণে আস্ত একটি মাটির বাড়ি নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার ঘটনায় কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে জেলা পুলিশের কর্তাদের। শুক্রবার ভোররাতে পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার বাণেশ্বরপুরের এই ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, এই বাড়ির সদস্য লালচাঁদের নামে এর আগেও থানায় নানা অভিযোগ আছে। কয়েকদিন আগে সে একটি ঝামেলায় জড়িয়ে ছিল। কেন বাড়িতে বোমা রাখা ছিল, কোথা থেকেই বা তা সংগ্রহ করা হয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।ঘটনার খবর পেয়ে ভাতার থানার পুলিশ জামরুল মল্লিকের বাড়িতে তদন্তে যায়। সমস্তকিছু খতিয়ে দেখার পর পুলিশ কর্তারা একপ্রকার নিশ্চিৎ হন মাটির বাড়ির ভিতরেই মজুত রাখা ছিল বোমা। সেই বোমার বিস্ফোরণ ঘটাতেই গোটা মাটির বাড়িটি ভেঙে পড়েছে। আরও পড়ুনঃ স্প্যানিশ তারকা এডু গার্সিয়াকে ছেড়ে দিচ্ছে এটিকেমোহনবাগানতদন্তের প্রয়োজনে ওই বাড়িটি ও তার চারপাশ পুলিশ ঘিরে রেখেছে। বাড়ির ভিতরে আর বোমা রয়েছে কিনা তাও পুলিশ খতিয়ে দেখছে। ভাতার থানার পুলিশ জামরুল ও তাঁর ছেলে লালচাঁদকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে ।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অপরাধমূলক কাজে জড়িত থাকার জন্য অনেকদিন আগেই পুলিশের খাতায় স্থান পায় লালচাঁদের নাম। বেআইনি ভাবে আগ্নেআস্ত্র রাখার অভিযোগে বছর দেড়েক আগে লালচাঁদ পুলিশের হাতে ধরাও পড়ে।যদিও পড়ে সে ছাড়া পায়। এছাড়াও কয়েকবছর আগে ভাতার কলেজে অশান্তির ঘটনাতেও লালচাঁদের নাম জড়ায়। তারপর সে কেরলে গিয়ে বাবা জামরুল মল্লিকের সঙ্গে নির্মাণ শ্রমিকের কাজে যোগ দেয়। দিন কুড়ি আগে বাবা ও ছেলে কেরল থেকে ভাতারের বাণেশ্বরপুর গ্রামের বাড়িতে ফেরে । তার পর এদিনই তাঁদের বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটলো ।আরও পড়ুনঃ জেলাশাসক থেকে সফল ব্যবসায়ী, মেধাবী অশ্বিনী এখন দেশের বড় দায়িত্বেতদন্তে নেমে পুলিশ জেনেছে, লালচাঁদ বাড়ি ফেরার পর গত বৃহস্পতিবার রাতে পাশের কুলনগর গ্রামের কয়েকজন যুবকের সঙ্গে লালচাঁদ ও তাঁর বন্ধুদের বচসা হয়েছিল। কি নিয়ে বচসা হয়েছিল তা এখনও পরিস্কার জানা যায়নি। তবে ওই বোমা মজুতের সঙ্গে ওই গোলযোগের কোনও সম্পর্ক রয়েছে কিনা সেই বিষয়ে পুলিশ খোঁজ নেওয়া শুরু করেছে। বোমা বিস্ফোরণের তদন্তে ভাতার থানার পুলিশ বোম স্কোয়াডে ও ফরেনসিক বিভাগেরও সাহায্যা নিচ্ছে। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যাণ সিংহরায় জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের খবর পাওয়ার পরেই পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। ঘটনার তদন্ত শুর হয়েছে । ওই বাড়ির দুইজনকে আটক করে ঘটনা বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলানো হচ্ছে। আরও পড়ুনঃ জন্মদিনে বাড়িতে গিয়ে সৌরভকে শুভেচ্ছা মমতার, দিদিকে দাদার দুর্দান্ত উপহারএদিকে খবর পেয়ে এদিন দুপুর নাগাদ ঘটনাস্থলে আসে বোম্ব স্কোয়াড। আর কোথাও বোমা মজুত আছে কিনা তল্লাশি করে পুলিশ । শেষে ঘটনাস্থল থেকে কিছু নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে যায় বোম্ব স্কোয়াডের সদস্যরা।

জুলাই ০৯, ২০২১
রাজ্য

১০০ দিনের কাজ না পাওয়ায় পঞ্চায়েত ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ বর্ধমানে

পঞ্চায়েতের কাজকর্ম নিয়ে নানা অভিযোগ এনে পঞ্চায়েত অফিস ঘেরাও করে তুমুল বিক্ষোভ দেখালেন গ্রামবাসীরা। শুক্রবার ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের সাহেবগঞ্জ ২ নম্বর পঞ্চায়েতে। ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা এদিন পঞ্চায়েত প্রধান বিনয়কৃষ্ণ ঘোষকে ঘিরে রেখে দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ দেখান। গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের জেরে এদিন শিকেয় ওঠে পঞ্চায়েতের কাজকর্ম। খবর পেয়ে ভাতার থানার পুলিশ পঞ্চায়েত অফিসে পৌছে পরিস্থিতি সামাল দেয় । সাহেবগঞ্জ ২ নম্বর পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা ছবি দাস, বন্দনা বাগদি অভিযোগে জানান, ১০০ দিনের কাজ পঞ্চায়েত এলাকার সবাই পাচ্ছেন না।এছাড়াও সরকারি আবাস যোজনার বাড়ি নিয়ে চরম অনিয়ম হচ্ছে। এলাকার বহু পরিবারের শৌচাগার নেই। এই সব কিছু পঞ্চায়েত প্রধানকে বারবার তাঁরা জানিয়েছেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। ওড়গ্রামের বাসিন্দা ইসমাইল শেখ বলেন, রাজ্য সরকার গ্রামীন এলাকার উন্নয়নের কথা বললেও সাহেবগঞ্জ ২ পঞ্চায়েত এলাকায় উন্নয়নের কোন উদ্যোগই নেই। গ্রামবাসীদের সমস্যা ও দাবিদাওয়ার বিষয় নিয়ে বিক্ষোভকারীদের এক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আলোচনায় বসেন প্রধান । পরে দাবা দাওয়া মেটানোর আশ্বাস দেন। পঞ্চায়েত প্রধান বিনয় কৃষ্ণ ঘোষ যদিও দাবি করেন, এদিনের ঘটনা সব চক্রান্ত। এলাকার কয়েকজনকে উস্কে এদিন ঝামেলা করানো হয়েছে। ভাতার বিধানসভার বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী বলেন, বিক্ষোভ হয়নি। আলোচনার জন্য বসেছিল। বিধানসভা থেকে ফিরে তিনি আলোচনা করে সব সমাধানের ব্যবস্থা করবেন বলে জানান।

জুলাই ০৯, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

প্রতিটি বুথে নজরদারি, এবার ভোটে থাকবে ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরা

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু ভোট করাতে বড় পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। এবার প্রতিটি বুথে ওয়েবকাস্টিংয়ের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে। বুথের ভিতরে এবং বাইরে দুজায়গাতেই ক্যামেরা বসানো হবে। প্রতি বুথে অন্তত দুটি ক্যামেরা থাকবে এবং তার সঙ্গে ৩৬০ ডিগ্রি দৃশ্যধারণ করতে সক্ষম বিশেষ ক্যামেরাও বসানো হবে।কমিশন জানিয়েছে, রাজ্যের শতভাগ বুথেই এই নজরদারি চালানো হবে। ত্রিস্তরীয় ব্যবস্থায় এই পর্যবেক্ষণ করা হবে। প্রথম স্তরে রিটার্নিং অফিসার, দ্বিতীয় স্তরে জেলা নির্বাচনী আধিকারিক এবং তৃতীয় স্তরে মুখ্য নির্বাচনী দফতর থেকে সবকিছু দেখা হবে। একাধিক স্ক্রিনে এই সমস্ত ফুটেজ নজরদারি করা হবে এবং প্রতিটি স্ক্রিনের সামনে দুইজন করে পর্যবেক্ষক থাকবেন, একজন নজর রাখবেন এবং অন্যজন তথ্য নথিভুক্ত করবেন।এছাড়াও ভোটযন্ত্র বহনকারী গাড়িগুলির উপরও নজর রাখা হবে। সেই গাড়িগুলিতে জিপিএস থাকবে, যাতে তারা নির্দিষ্ট পথেই যাচ্ছে কি না তা বোঝা যায়। কন্ট্রোল রুমে সিসিটিভির মাধ্যমে সবকিছু রেকর্ড করা হবে। ভোটের এক থেকে দুই দিন আগে থেকেই বুথগুলিতে ক্যামেরা বসানোর কাজ শুরু হবে এবং হাজার হাজার মাইক্রো পর্যবেক্ষক এই কাজে যুক্ত থাকবেন।সংবেদনশীল বুথগুলিতে বাড়তি নজরদারির ব্যবস্থা থাকবে। সেখানে বুথের ভিতরে একাধিক ক্যামেরা বসানো হবে। যদি কোথাও বুথ দখলের ঘটনা ঘটে, তাহলে সেই ভোট বাতিল করে পুনরায় ভোটগ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।কমিশন আরও স্পষ্ট করে জানিয়েছে, কেউ যদি ভোট প্রক্রিয়ায় বাধা দেয়, ভোটারদের ভোট দিতে না দেয় বা জোর করে বুথ দখল করে, তাহলে তা গুরুতর অপরাধ হিসেবে ধরা হবে। এই ধরনের অপরাধে জেল ও জরিমানার শাস্তি হতে পারে। সরকারি কর্মচারী কেউ এই ধরনের কাজে যুক্ত থাকলে তাঁর বিরুদ্ধেও কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।পুনর্নির্বাচনের ক্ষেত্রে শুধু প্রিসাইডিং অফিসারের রিপোর্ট নয়, পর্যবেক্ষক এবং রিটার্নিং অফিসারের রিপোর্টও গুরুত্ব পাবে বলে জানিয়েছে কমিশন। নিরাপত্তার দিক থেকেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যেখানে পর্যাপ্ত পুলিশ দেওয়া সম্ভব নয় সেখানে অতিরিক্ত কর্মী রাখা হবে, যারা বুথের বাইরে নজর রাখবেন।এই ব্যবস্থার মাধ্যমে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে চাইছে নির্বাচন কমিশন।

মার্চ ২৮, ২০২৬
রাজ্য

‘বিচারাধীন’ থেকে সরাসরি বাদ, প্রাক্তন সাংসদের নাম ঘিরে চাঞ্চল্য

নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত নতুন তালিকায় বড় চমক সামনে এল। আগে যার নাম বিচারাধীন হিসেবে ছিল, দ্বিতীয় দফার তালিকায় সেই নামই সম্পূর্ণ বাদ পড়ে গেল। এই ঘটনায় জড়িত প্রাক্তন সাংসদ ও এসইউসি নেতা তরুণ মণ্ডল। তাঁর স্ত্রীর নামও আগে বিবেচনাধীন তালিকায় ছিল। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।শুক্রবার রাতে নির্বাচন কমিশন দ্বিতীয় দফার তালিকা প্রকাশ করে। তবে কত নাম রাখা হয়েছে বা কত নাম বাদ গেছে, তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। এর মধ্যেই জানা যায়, তরুণ মণ্ডলের নাম আর তালিকায় নেই।এক সময় রাজ্য রাজনীতিতে পরিচিত মুখ ছিলেন তরুণ মণ্ডল। তিনি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার জয়নগর কেন্দ্র থেকে সাংসদ হয়েছিলেন। বর্তমানে তিনি স্ত্রীকে নিয়ে হাওড়ায় থাকেন। তাঁর নাম দক্ষিণ হাওড়া এলাকার একটি বুথে ছিল।প্রথম তালিকায় দেখা গিয়েছিল, তিনি এবং তাঁর স্ত্রী দুজনেই বিচারাধীন তালিকায় রয়েছেন। পরে শুনানির সময় তিনি একাধিক নথি জমা দেন। তারপর তাঁর নাম বিবেচনাধীন তালিকায় ওঠে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় দফার তালিকায় তাঁর নাম সম্পূর্ণ বাদ পড়ে যায়।এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তরুণ মণ্ডল। তিনি বলেন, তিনি সরকারি চাকরি করেছেন, পেনশন পান এবং সাংসদও ছিলেন। তিনি একাধিক নথি জমা দিয়েছেন। তবুও কেন তাঁর নাম বাদ গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।তিনি জানিয়েছেন, এই বিষয়টি নিয়ে তিনি দেশের রাষ্ট্রপতি ও লোকসভার অধ্যক্ষকে চিঠি লিখবেন। তাঁর মতে, একজন প্রাক্তন সাংসদের যদি এই পরিস্থিতি হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের কী হবে তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।এই ঘটনাকে ঘিরে নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে কড়া বার্তা কমিশনের, থানার ওসিদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশ

আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে হিংসামুক্ত, অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট করাতে একাধিক কড়া নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী দফতরের পক্ষ থেকে থানার ওসিদের জন্য এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।নির্দেশ অনুযায়ী, আগের নির্বাচনের সময় হওয়া সমস্ত ফৌজদারি মামলার তদন্ত দ্রুত শেষ করতে হবে। জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দ্রুত কার্যকর করতে হবে এবং কোনও পরোয়ানা ১০ দিনের বেশি ফেলে রাখা যাবে না। থানাগুলিকে পলাতক ও ওয়ান্টেড আসামিদের তালিকা তৈরি করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।এছাড়া, এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে সব ধরনের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে পুলিশকে। অতীতে যেখানে রাজনৈতিক সংঘর্ষ বা গোলমালের ইতিহাস রয়েছে, সেই সব এলাকা চিহ্নিত করে আগে থেকেই নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।অপরাধপ্রবণ এলাকা ও মাদক চক্র সক্রিয় এমন জায়গাগুলিকে চিহ্নিত করে সেখানে নিয়মিত টহল চালাতে হবে। সন্দেহজনক হোটেল, লজ বা অন্য জায়গায় তল্লাশি চালানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। কোনও অশান্তির খবর পেলেই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ব্যবস্থা নিতে হবে।আন্তঃজেলা ও আন্তঃরাজ্য সীমান্তে দিনরাত নাকা চেকিং চালু রাখার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। সব গাড়িতে তল্লাশি বাড়াতে হবে এবং সিসিটিভি ক্যামেরা সবসময় চালু রয়েছে কি না তা নিশ্চিত করতে হবে।রাজনৈতিক সভা, রোড শো এবং প্রার্থীদের নিরাপত্তার দিকেও বিশেষ নজর দিতে বলা হয়েছে। যেসব ব্যক্তি নিরাপত্তা পেয়ে থাকেন বা ঝুঁকিতে থাকতে পারেন, তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ভোট সংক্রান্ত সমস্ত আধিকারিক কমিশনের অধীনে কাজ করবেন এবং নির্দেশ অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
কলকাতা

তৃণমূলকে আক্রমণ, বাম শাসনের প্রশংসা শাহর, রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক

বিধানসভা নির্বাচনের আগে কলকাতায় এসে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন তিনি দাবি করেন, বর্তমান তৃণমূল সরকারের তুলনায় বাংলায় বামফ্রন্টের শাসন অনেক ভালো ছিল। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।কলকাতায় বিজেপির চার্জশিট প্রকাশ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাহ বলেন, বাংলায় সোনার বাংলা গড়ার নামে হিংসা ও অরাজকতা বেড়েছে। তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকার অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করছে এবং সিন্ডিকেট ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, তোষণের রাজনীতি করা হচ্ছে এবং এর ফলে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।শাহ দাবি করেন, পরিবর্তনের আশায় বাংলার মানুষ একসময় তৃণমূলকে ক্ষমতায় এনেছিল। কিন্তু এখন অনেকেই মনে করছেন, আগের বাম শাসনই ভালো ছিল। এই প্রসঙ্গে তিনি তৃণমূল সরকারের সঙ্গে বাম আমলের তুলনা টানেন।এদিন তিনি তৃণমূলের ১৫ বছরের শাসনের বিরুদ্ধে চার্জশিট প্রকাশ করেন। সেখানে দুর্নীতি, নারী নিরাপত্তা, সিন্ডিকেট রাজ এবং অনুপ্রবেশ ইস্যুতে একাধিক অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, এবারের নির্বাচনে বাংলার মানুষকে ভয় আর ভরসার মধ্যে একটি বেছে নিতে হবে।শাহ আরও দাবি করেন, গত কয়েক বছরে দেশের একাধিক রাজ্যে বিজেপি প্রথমবার ক্ষমতায় এসেছে। এবার বাংলাতেও বিজেপি বড় জয় পাবে বলে তিনি আশাবাদী। তাঁর কথায়, অঙ্গ, বঙ্গ এবং কলিঙ্গে একই দলের সরকার গঠনের সময় এসে গেছে।এই মন্তব্যের পর রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
কলকাতা

বাংলায় এসে বিস্ফোরক চার্জশিট অমিত শাহর, তৃণমূলের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ

বাংলায় এসে তৃণমূল সরকারের ১৫ বছরের শাসনের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ তুলে চার্জশিট প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। নিউ টাউনের একটি হোটেলে এই চার্জশিট প্রকাশ করেন তিনি। শাহর দাবি, এটি শুধু বিজেপির চার্জশিট নয়, বাংলার মানুষের অভিযোগের প্রতিফলন।তিনি বলেন, দুর্নীতি, নারী নিরাপত্তা, শিল্প ও স্বাস্থ্যসব ক্ষেত্রেই তৃণমূল সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরা হয়েছে এই নথিতে। তাঁর কথায়, গত ১৫ বছরে বাংলায় ভয়, সন্ত্রাস, দুর্নীতি এবং বিভেদের রাজনীতি চলেছে। এবার মানুষকে ঠিক করতে হবে তারা ভয়ের পক্ষে থাকবে, না উন্নয়নের পক্ষে।অমিত শাহ অনুপ্রবেশের বিষয়টি নিয়েও কড়া অবস্থান নেন। তিনি অভিযোগ করেন, অনুপ্রবেশকারীদের প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে এবং এর ফলে দেশের নিরাপত্তা ও সাধারণ মানুষের জীবিকা দুটোই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে অনুপ্রবেশকারীদের দেশ থেকে বের করে দেওয়ার পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, সীমান্তে কাঁটাতার দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকার জমি দিচ্ছে না। বিজেপি ক্ষমতায় এলে অল্প সময়ের মধ্যেই প্রয়োজনীয় জমি দেওয়া হবে এবং সীমান্ত সুরক্ষিত করা হবে।বাংলায় বিজেপির ভোটের বৃদ্ধি নিয়েও তথ্য দেন শাহ। তাঁর দাবি, গত কয়েক বছরে বিজেপির ভোটের হার অনেক বেড়েছে এবং রাজ্যে একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি হয়েছে।অমিত শাহ বলেন, এই নির্বাচন বাংলার মুক্তির নির্বাচন। অনেক মানুষ নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং পরিবর্তন চান।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে তিনি বলেন, তিনি বারবার সহানুভূতি পাওয়ার জন্য বিভিন্ন কৌশল নেন। তবে বাংলার মানুষ এখন সেই রাজনীতি বুঝে গিয়েছেন।নারী নিরাপত্তার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন শাহ। তিনি দাবি করেন, বাংলায় মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে বড় সমস্যা রয়েছে এবং বিভিন্ন ঘটনার উদাহরণও তুলে ধরেন।এছাড়া তিনি বলেন, ভবিষ্যতে বাংলা, বিহার ও ওড়িশায় একই দলের সরকার গঠন হতে পারে। তাঁর বক্তব্যে একাধিকবার শুভেন্দু অধিকারীর নামও উঠে আসে, যা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
রাজ্য

সভা শেষে হঠাৎ আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা অভিষেকের

শনিবার বীরভূমের লাভপুরে তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা শেষে হঠাৎ মঞ্চের একাংশে আগুন লাগে। এই ঘটনায় সভাস্থলে উপস্থিত মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে দ্রুত দমকল কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।জানা গিয়েছে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বক্তব্য শেষ করে মঞ্চ থেকে নেমে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই এই আগুন লাগে। তিনি তখন হেলিপ্যাডের দিকে যাচ্ছিলেন। ফলে তিনি সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছেন বলে জানা গেছে।এদিন সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি কেন্দ্র সরকারকে একাধিক বিষয়ে আক্রমণ করেন। রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভেদ তৈরির অভিযোগ তোলেন তিনি। পাশাপাশি রাজ্য সরকারের উন্নয়নের কথাও তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যতের পরিকল্পনার কথাও জানান।সভা শেষ হওয়ার পর হঠাৎ মঞ্চের উপরের অংশ থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই কাপড়ে আগুন ধরে যায়। সেখানে উপস্থিত দমকল কর্মীরা দ্রুত মঞ্চে উঠে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। নিরাপত্তার জন্য এলাকাটি ফাঁকা করে দেওয়া হয় এবং সাধারণ মানুষকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে দেওয়া হয়।কিছু সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে কীভাবে আগুন লাগল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে দমকল ও পুলিশ।এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরও একটি সভা করার কথা ছিল। কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে সেখানে যাওয়া সম্ভব হয়নি। পরে তিনি কলকাতায় ফিরে ভারচুয়াল মাধ্যমে প্রচার করবেন বলে জানা গেছে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
রাজ্য

রঘুনাথগঞ্জে সংঘর্ষে বিস্ফোরক মমতা, সরাসরি কমিশন ও বিজেপিকে দায়ী

মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষের ঘটনায় বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, ইচ্ছাকৃতভাবে অফিসারদের সরিয়ে দিয়ে দাঙ্গা বাধানো হয়েছে। তাঁর হুঁশিয়ারি, এই ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, কাউকেই ছাড়া হবে না।শনিবার রানিগঞ্জের খান্দরা ফুটবল মাঠে এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, কারা দাঙ্গা বাধানোর অধিকার দিল, তা খতিয়ে দেখা হবে। তাঁর অভিযোগ, এই ঘটনার পিছনে টাকা ঢোকানো হয়েছে। পাশাপাশি তিনি বলেন, রাম নবমীর শোভাযাত্রায় অস্ত্র নিয়ে বের হওয়া হয়েছে, কিন্তু তার বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।এই ঘটনার জন্য তিনি দুঃখপ্রকাশও করেন। বলেন, প্রশাসন বর্তমানে নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণে থাকায় কিছু ক্ষেত্রে গা ছাড়া মনোভাব দেখা গিয়েছে। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন, দায়িত্বে থাকা আধিকারিকরা নিরপেক্ষভাবে কাজ করবেন এবং এলাকায় শান্তি বজায় রাখবেন।নির্বাচন ঘোষণার পর শীর্ষ স্তর থেকে জেলা প্রশাসনের একাধিক অফিসার বদলি করা হয়েছিল। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে। তৃণমূলের দাবি, রঘুনাথগঞ্জের ঘটনা সেই আশঙ্কাকেই সত্যি প্রমাণ করেছে।প্রসঙ্গত, প্রতি বছরের মতো এবারও রঘুনাথগঞ্জে রাম নবমীর শোভাযাত্রা বের হয়। বিভিন্ন এলাকা থেকে ছোট ছোট মিছিল ম্যাকাঞ্জি পার্কের দিকে যাচ্ছিল। সিসাতলা এলাকায় একটি মিছিল পৌঁছলে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে বচসা শুরু হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।মিছিলে ইট-পাটকেল ছোড়ার অভিযোগ ওঠে এবং এলাকা মুহূর্তে অশান্ত হয়ে পড়ে। অন্যদিকে বড় শোভাযাত্রা ফুলতলা মোড় এলাকায় পৌঁছলে আবারও উত্তেজনা ছড়ায়। দুই পক্ষের মধ্যে ঢিল ছোড়াছুড়ি চলতে থাকে এবং পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। অভিযোগ, উত্তেজিত জনতা কয়েকটি ফলের দোকানে ভাঙচুর চালায় এবং আগুন লাগিয়ে দেয়।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স, কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং পুলিশ। তাদের হস্তক্ষেপে শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
বিদেশ

গোপন ফোনালাপে তৃতীয় ব্যক্তি, মোদি-ট্রাম্প কথোপকথনে কেন মাস্ক

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ ফোনালাপ হয়। সেই ফোনালাপে অপ্রত্যাশিতভাবে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। একটি মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এই তথ্য সামনে এসেছে।জানা গিয়েছে, ইরানকে ঘিরে চলা উত্তেজনা নিয়ে আলোচনা করার জন্য ট্রাম্প মোদিকে ফোন করেন। ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ অভিযানের পর এই প্রথম দুই নেতার মধ্যে কথা হয়। সেই আলোচনায় মাস্কের উপস্থিতিকে অস্বাভাবিক বলেই মনে করা হচ্ছে, কারণ যুদ্ধের সময় এমন উচ্চ পর্যায়ের আলোচনায় তৃতীয় কোনও ব্যক্তির থাকা খুবই বিরল।প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন প্রশাসনের দুই উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন, মাস্ক ফোনালাপে ছিলেন ঠিকই, তবে তিনি কথা বলেছেন কি না তা স্পষ্ট নয়। হোয়াইট হাউসের তরফে জানানো হয়েছে, মোদি ও ট্রাম্পের মধ্যে সম্পর্ক খুবই ভালো এবং তাঁদের আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে।এই ফোনালাপে হরমুজ প্রণালী নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। দুই দেশনেতাই মনে করেন, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথকে খোলা ও নিরাপদ রাখা জরুরি। প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, এই পথ বিশ্ব শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, গত বছর প্রশাসন ছাড়ার পর ট্রাম্প ও ইলন মাস্কের সম্পর্ক খারাপ হয়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁদের সম্পর্ক আবার স্বাভাবিক হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। এই ঘটনাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal