• ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার ০৫ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Minister

কলকাতা

পরিচারিকার কাজ থেকে সরাসরি মন্ত্রী! কলিতা মাঝির জীবনকাহিনি শুনলে অবাক হবেন

নতুন মন্ত্রিসভায় সবচেয়ে আলোচিত নামগুলির মধ্যে অন্যতম কলিতা মাঝি। আউশগ্রামের সাধারণ এক পরিবার থেকে উঠে আসা এই নেত্রীর মন্ত্রী হওয়া এখন জেলার মানুষের গর্বের বিষয়। রবিবার মন্ত্রিসভায় জায়গা পাওয়ার খবর পেয়ে প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারেননি তিনি।কলিতা মাঝি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তাঁর কাছে একটি ফোন আসে এবং তাঁকে কলকাতায় যেতে বলা হয়। কেন যেতে হবে, সেই বিষয়ে তখন কিছুই জানানো হয়নি। পরে সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, তাঁকে মন্ত্রী করা হচ্ছে। খবরটি শোনার পর কিছু সময়ের জন্য তিনি নির্বাক হয়ে যান। তাঁর প্রতিক্রিয়া ছিল, বিধায়ক হওয়ার সুযোগ পাওয়াটাই তাঁর কাছে অনেক বড় বিষয় ছিল, মন্ত্রী হওয়ার কথা কোনওদিন কল্পনাও করেননি।আউশগ্রামের এক অত্যন্ত সাধারণ এবং দরিদ্র পরিবারে বড় হয়েছেন কলিতা। অল্প বয়সেই তাঁর বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের পরও আর্থিক কষ্ট তাঁর পিছু ছাড়েনি। সংসারের দায়িত্ব সামলাতে তাঁকে পরিচারিকার কাজ করতে হয়েছে। প্রতিদিনের জীবন ছিল অভাব আর সংগ্রামের সঙ্গে লড়াইয়ের গল্প।তবে নিজের কষ্টের মধ্যেও এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানো কখনও বন্ধ করেননি তিনি। বিশেষ করে দরিদ্র পরিবার এবং মহিলাদের বিভিন্ন সমস্যায় সাহায্য করার চেষ্টা করতেন। সেই কাজ করতে করতেই ধীরে ধীরে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন।দলের স্থানীয় কার্যালয়ে নিয়মিত যেতেন তিনি। মানুষের কথা শুনতেন, সংগঠনের কাজ শিখতেন এবং রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা অর্জন করতেন। সেই সময় বাংলায় দলের সংগঠন খুব শক্তিশালী ছিল না। প্রকাশ্যে দলের সমর্থক পরিচয় দেওয়াও অনেকের কাছে কঠিন ছিল। সেই কঠিন সময় থেকেই দলের সঙ্গে ছিলেন কলিতা মাঝি।দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হলেও জয় পাননি। তবে রাজনৈতিক লড়াই ছাড়েননি। মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছেন। পরবর্তীতে আবারও নির্বাচনী লড়াইয়ে নামেন এবং মানুষের সমর্থনে বিধায়ক নির্বাচিত হন। এবার সেই পথ পেরিয়ে তিনি পৌঁছে গেলেন রাজ্যের মন্ত্রিসভায়।মন্ত্রী হওয়ার পর কলিতা মাঝি জানিয়েছেন, মানুষের জন্য কাজ করাই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য। তিনি বলেন, ক্ষমতা বা পদ বদলালেও মানুষের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক বদলাবে না। আগের মতোই মানুষের সমস্যা শুনবেন এবং তাঁদের পাশে থাকার চেষ্টা করবেন।আউশগ্রামের সাধারণ এক গৃহবধূ থেকে রাজ্যের মন্ত্রী কলিতা মাঝির এই যাত্রাপথ এখন বহু মানুষের কাছে সংগ্রাম, অধ্যবসায় এবং সাফল্যের এক অনন্য উদাহরণ হয়ে উঠেছে।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দুর পূর্ণ মন্ত্রিসভায় বড় চমক! চিকিৎসক, আদিবাসী নেতা থেকে প্রথমবারের বিধায়ক, কারা পেলেন দায়িত্ব?

লোকভবনে সোমবার গঠিত হল রাজ্যের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে শপথ নিলেন মোট পঁয়ত্রিশ জন বিধায়ক। পূর্ণমন্ত্রী, স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী এই তিন স্তরে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। নতুন মন্ত্রিসভায় যেমন রয়েছেন বর্ষীয়ান নেতারা, তেমনই জায়গা পেয়েছেন একাধিক নতুন মুখ এবং প্রথমবার নির্বাচিত বিধায়কেরাও।রাজ্যের বিভিন্ন জেলার প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে নতুন মন্ত্রিসভায়। উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল, দক্ষিণবঙ্গ এবং সীমান্তবর্তী এলাকার জনপ্রতিনিধিদেরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, সামাজিক এবং আঞ্চলিক ভারসাম্য বজায় রাখার দিকেও বিশেষ নজর রাখা হয়েছে।মন্ত্রিসভার অন্যতম চমক শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। পেশায় চিকিৎসক শারদ্বত প্রথমবার নির্বাচনে লড়েই জয়ী হন এবং এবার সরাসরি পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন। একইভাবে খড়দহের কল্যাণ চক্রবর্তীও পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে জায়গা পেয়েছেন।দীর্ঘদিনের সংগঠক এবং দলের পুরনো মুখদেরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ময়ুরেশ্বরের দুধকুমার মণ্ডল পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। রাজ্যে দল শক্তিশালী হওয়ার অনেক আগেই তিনি সংগঠনের কাজ করতেন। কুলটির অজয় পোদ্দারও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার পুরস্কার হিসেবেই এই দায়িত্ব বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।জঙ্গলমহল থেকেও একাধিক প্রতিনিধিকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। গোপীবল্লভপুরের রাজেশ মাহাতো, নয়াগ্রামের অমিয় কিস্কু এবং আউশগ্রামের কলিতা মাজি মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েছেন। প্রথমবার নির্বাচনে জয়ী হয়েই প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ায় বিশেষভাবে আলোচনায় কলিতা মাজি।উত্তরবঙ্গ থেকেও একাধিক মুখকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ফালাকাটার দীপক বর্মন, শিলিগুড়ির শঙ্কর ঘোষ, কুমারগ্রামের মনোজ কুমার ওরাওঁ পূর্ণমন্ত্রী হয়েছেন। পাশাপাশি তুফানগঞ্জের মালতী রাভা রায় স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। উত্তরবঙ্গের আরও কয়েকজন বিধায়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন।নতুন মন্ত্রিসভায় শ্রীরামপুরের ভাস্কর ভট্টাচার্য, বলাগড়ের সুমনা সরকার, সোনামুখীর দিবাকর ঘরামী, কাকদ্বীপের দীপঙ্কর জানা-সহ একাধিক নতুন মুখ জায়গা পেয়েছেন। ফলে অভিজ্ঞতা এবং নতুন প্রজন্মের সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নতুন সরকার গঠনের পর এই মন্ত্রিসভা থেকেই আগামী দিনের প্রশাসনিক এবং রাজনৈতিক বার্তা স্পষ্ট হয়ে গেল। এখন নজর থাকবে কে কোন দপ্তরের দায়িত্ব পান এবং সরকারের কাজ কত দ্রুত গতিতে এগোয়, তার দিকে।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

মাঠে চাষ করতেন, এবার রাজ্যের মন্ত্রী! দিবাকর ঘরামীর জীবনের অবিশ্বাস্য উত্থান

নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পর রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে সবচেয়ে বেশি চর্চায় উঠে এসেছে একটি নাম। তিনি দিবাকর ঘরামী। বাঁকুড়ার এক সাধারণ কৃষক পরিবারের সন্তান দিবাকর এবার জায়গা পেয়েছেন রাজ্যের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভায়। তাঁর এই সাফল্যে আনন্দে ভাসছে পরিবার থেকে শুরু করে গোটা এলাকা।দেশভাগের পর দিবাকর ঘরামীর পরিবার পূর্ববঙ্গের বরিশাল থেকে এপারে চলে আসে। দীর্ঘ অনিশ্চয়তার পর বাঁকুড়ার সোনামুখী ব্লকের কুরুমপুর গ্রামে বসবাস শুরু করেন তাঁর পূর্বপুরুষেরা। সেখানেই জন্ম এবং বড় হয়ে ওঠা দিবাকরের।ছোটবেলা থেকেই দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে বড় হয়েছেন তিনি। কৃষক পরিবারের সন্তান হওয়ায় চাষাবাদই ছিল জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আজও সেই সম্পর্ক অটুট। বিধায়ক হওয়ার পরও তিনি মাঠে যাওয়া বন্ধ করেননি। ফসলের খোঁজ নেওয়া, জমিতে জল দেওয়া এবং চাষের কাজ দেখা এখনও তাঁর দৈনন্দিন জীবনের অংশ।দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সোনামুখী কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে প্রথমবার বিধায়ক হন দিবাকর ঘরামী। সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ এবং মাটির মানুষের ভাবমূর্তি তাঁকে দ্রুত জনপ্রিয় করে তোলে। এবার ফের দলের আস্থা অর্জন করে তিনি জায়গা পেলেন রাজ্যের মন্ত্রিসভায়।দিবাকরের মন্ত্রী হওয়ায় কুরুমপুর গ্রাম এবং সোনামুখী জুড়ে উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় মানুষের আশা, এলাকার উন্নয়নে এবার আরও বড় ভূমিকা নিতে পারবেন তিনি।মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দিবাকর ঘরামী বলেন, সোনামুখীর মানুষ এবং দলের কর্মীদের সহযোগিতাতেই তিনি এতদূর পৌঁছেছেন। এলাকার উন্নয়নের জন্য নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন এবং আগামী দিনেও সেই কাজ চালিয়ে যাবেন। দল তাঁর উপর যে আস্থা রেখেছে, তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। একইসঙ্গে বলেন, সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা একজন মানুষকে এত বড় দায়িত্ব দেওয়া তাঁদের কাছে অত্যন্ত সম্মানের বিষয়।এক সময় যে মানুষটি প্রতিদিন মাঠে নেমে ফসলের পরিচর্যা করতেন, তিনিই আজ রাজ্যের মন্ত্রী। দিবাকর ঘরামীর এই পথচলা এখন অনেকের কাছেই সংগ্রাম, অধ্যবসায় এবং সাফল্যের এক অনুপ্রেরণার গল্প।

জুন ০১, ২০২৬
রাজ্য

‘বাড়িতে হামলা হল, দল ফোনও করল না’! তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন প্রাক্তন মন্ত্রী

রাজ্যে ক্ষমতা হারানোর এক মাসের মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে অসন্তোষের সুর আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সই সংক্রান্ত বিতর্ক, দুই বিধায়কের বহিষ্কার এবং সাংগঠনিক অস্থিরতার আবহে এবার দলের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ প্রকাশ করলেন প্রাক্তন মন্ত্রী ও মধ্য হাওড়ার বিধায়ক অরূপ রায়।সোমবার নিজের বাড়িতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অরূপ রায় অভিযোগ করেন, গত শনিবার তাঁর বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটলেও দলের তরফে কেউ তাঁর খোঁজ পর্যন্ত নেননি। এমনকি একটি ফোনও আসেনি বলে দাবি করেছেন তিনি।অরূপ রায়ের কথায়, এই পরিস্থিতিতে দলের প্রথম কাজ হওয়া উচিত ছিল আক্রান্ত কর্মী এবং নেতাদের পাশে দাঁড়ানো। তাঁর দাবি, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে দলের সাধারণ কর্মী থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধিরা হামলার শিকার হচ্ছেন, কিন্তু দল তাঁদের পাশে দাঁড়াচ্ছে না। এর ফলে কর্মীদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে।তিনি আরও বলেন, অতীতেও দল কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়েছে। এমন সময় এসেছে যখন বিধানসভায় খুব কম আসন পেয়েও তৃণমূল লড়াই চালিয়ে গিয়েছে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। তাঁর মতে, সংগঠন দুর্বল হয়ে পড়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।প্রসঙ্গত, গত শনিবার মধ্য হাওড়ার কাসুন্দিয়া এলাকার অরূপ রায়ের বাড়ির সামনে উত্তেজনা ছড়ায়। তাঁর বাড়ির সামনের একটি গুদামঘর থেকে ত্রিপল, কম্বল, শাড়ি, ধুতি-সহ বিভিন্ন ত্রাণসামগ্রী উদ্ধার হওয়ার অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভও দেখানো হয়।ঘটনার পর অরূপ রায় দাবি করেছিলেন, ওই ত্রাণসামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার জন্য তিনি আগেই প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছিলেন। পরে প্রশাসন সেগুলি সরাতে গেলে বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়।সাংবাদিক বৈঠকে দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়ছে কি না, সেই প্রশ্নও ওঠে। উত্তরে কয়েক মুহূর্ত নীরব থাকার পর অরূপ বলেন, এই সময়ে দলের উচিত ছিল আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ানো। কিন্তু সেই দায়িত্ব দল সঠিকভাবে পালন করতে পারেনি।সামনেই পৌরসভা নির্বাচন। সেই নির্বাচনে তিনি সক্রিয়ভাবে প্রচারে নামবেন কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত দিয়েছেন অরূপ রায়। তাঁর বক্তব্য, এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। তবে তিনি এখনও নিজের অবস্থান চূড়ান্ত করেননি।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, ক্ষমতা হারানোর পর তৃণমূলের অন্দরে যে অস্বস্তি এবং অসন্তোষ বাড়ছে, অরূপ রায়ের এই মন্তব্য তারই আরও একটি বড় ইঙ্গিত। পৌরসভা নির্বাচনের আগে এই পরিস্থিতি দলের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।

জুন ০১, ২০২৬
রাজ্য

শুভেন্দুর ‘টিম বেঙ্গল’ সম্পূর্ণ: ৩৫ নতুন মুখের শপথে ৪১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা, আজই হতে পারে দফতর বণ্টন

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকারের প্রশাসনিক কাঠামো আরও শক্তিশালী করতে সোমবার বড়সড় মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের সাক্ষী থাকল রাজ্য। কলকাতার লোকভবনে আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভার ৩৫ জন নতুন সদস্য শপথ গ্রহণ করলেন। রাজ্যপাল আরএন রবি তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করান। এর ফলে রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের মন্ত্রিসভার মোট সদস্য সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪১।বন্দেমাতরম ও জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল-সহ দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। নতুন মন্ত্রীদের অনেকেই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে অনুষ্ঠানে যোগ দেন। অধিকাংশকেই দেখা যায় ধুতি-পাঞ্জাবি বা ঐতিহ্যবাহী বাঙালি পোশাকে।পূর্ণমন্ত্রী হিসাবে কারা শপথ নিলেন?মুখ্যসচিব মনোজ অগ্রবাল নতুন মন্ত্রীদের নাম ঘোষণা করেন। পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তাপস রায়, মনোজ ওরাওঁ, অর্জুন সিংহ, গৌরীশঙ্কর ঘোষ, দীপক বর্মন, শারদ্বত মুখোপাধ্যায়, অরূপ কুমার দাস, স্বপন দাশগুপ্ত, কল্যাণ চক্রবর্তী, শঙ্কর ঘোষ, অজয় পোদ্দার এবং দুধকুমার মণ্ডল।স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীমন্ত্রিসভায় স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী হিসেবে জায়গা পেয়েছেন মালতি রাভা রায়, রাজেশ মাহাতো এবং ইন্দ্রনীল খাঁ। প্রশাসনিক ক্ষেত্রে তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা।দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, শপথ নিলেন ১৯ প্রতিমন্ত্রীপ্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন অশোক দিন্ডা, কৌশিক চৌধুরী, জুয়েল মুর্মু, হরেকৃষ্ণ বেরা, শান্তনু প্রামাণিক, উমেশ রায়, পূর্ণিমা চক্রবর্তী, ভাস্কর ভট্টাচার্য, দিবাকর ঘরামি, চাঁদ বাউড়ি, গার্গী দাস ঘোষ, অমিয় কিস্কু, কলিতা মাজি, বিরাজ বিশ্বাস, সুমনা সরকার, আনন্দময় বর্মন, বিশাল লামা, দীপঙ্কর জানা-সহ একাধিক নেতা।কার হাতে কোন দফতর?শপথগ্রহণ পর্ব শেষ হলেও কোন মন্ত্রীকে কোন দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হবে, তা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। তবে সূত্রের খবর, সোমবার বিকেলেই নবান্নে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী নতুন মন্ত্রীদের মধ্যে দফতর বণ্টন করে দিতে পারেন। ফলে প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের দায়িত্ব কার হাতে যাচ্ছে, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।৯ মে থেকে ১ জুন: দ্রুত বিস্তার শুভেন্দু সরকারেরউল্লেখ্য, গত ৯ মে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় তাঁর সঙ্গে শপথ নিয়েছিলেন অগ্নিমিত্রা পাল, দিলীপ ঘোষ, নিশীথ প্রামাণিক, অশোক কীর্তনিয়া এবং ক্ষুদিরাম টুডু। তাঁদের মধ্যে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন দফতর বণ্টন করা হয়েছিল। এবার আরও ৩৫ জনকে অন্তর্ভুক্ত করে প্রশাসনিক পরিসর অনেকটাই বিস্তৃত করল রাজ্য সরকার।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চল, সামাজিক গোষ্ঠী এবং সাংগঠনিক স্তরের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতেই এই বৃহৎ মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়েছে। এখন দেখার, দফতর বণ্টনের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁর প্রশাসনিক অগ্রাধিকারের কী রূপরেখা তুলে ধরেন।

জুন ০১, ২০২৬
দেশ

দেশে ফিরেই বড় বৈঠকে মোদী! মন্ত্রিসভায় বড় রদবদলের জল্পনা, বাংলা থেকে কি আসছেন নতুন মুখ?

বিদেশ সফর শেষ করে আজ দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর দেশে ফিরেই তিনি বসতে চলেছেন গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে এই বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত থাকার জন্য সব কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের দিল্লিতে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেই সূত্রের খবর।রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, এই বৈঠকে পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান সংঘাত পরিস্থিতি এবং তার প্রভাবে ভারতের অর্থনীতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার রদবদল নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।সূত্রের খবর, পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং তার প্রভাব নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার উদ্বিগ্ন। তেলের দাম, জ্বালানি সরবরাহ এবং মুদ্রাস্ফীতির পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। বিদেশ সফর থেকে ফিরে প্রধানমন্ত্রী মোদী গোটা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন বলেই মনে করা হচ্ছে।এছাড়াও বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রকের গত দুই বছরের কাজের রিপোর্টও পর্যালোচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতে মন্ত্রিসভায় পরিবর্তনের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।বেশ কিছুদিন ধরেই দিল্লির রাজনৈতিক মহলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ ও রদবদল নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। সূত্রের খবর, আগামী জুন মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে মন্ত্রিসভায় বড়সড় পরিবর্তন হতে পারে। কয়েকজন মন্ত্রীর দায়িত্ব বদল বা নতুন মুখকে সুযোগ দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সাফল্যের পর বাংলা থেকে নতুন কোনও মুখকে পূর্ণমন্ত্রী করা হতে পারে বলেও জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বাংলাকে বিশেষ গুরুত্ব দিতেই কেন্দ্র এই সিদ্ধান্ত নিতে পারে।এই আবহে আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দিল্লি সফর নিয়েও জল্পনা আরও বেড়েছে। যদিও তাঁর সফরের সরকারি কারণ নিয়ে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি, তবু রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।

মে ২১, ২০২৬
দেশ

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বড় ঘোষণা থলপতি বিজয়ের! বিনামূল্যে বিদ্যুৎ থেকে নারী সুরক্ষায় একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি

রবিবার তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন দক্ষিণী সুপারস্টার থলপতি বিজয়। শপথ নেওয়ার পরই প্রথম ভাষণে তিনি জানান, সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করাই তাঁর মূল লক্ষ্য। ধর্মনিরপেক্ষতা ও সামাজিক ন্যায়ের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি রাজ্যের মানুষের জন্য একাধিক বড় ঘোষণা করেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী।চেন্নাইয়ে শপথ গ্রহণের পর প্রথম ভাষণে বিজয় বলেন, আমি সাধারণ মানুষ। আপনাদের ভালবাসা আর সমর্থনেই আজ এখানে পৌঁছেছি। সরকারের সমস্ত সিদ্ধান্ত এবং কাজের দায়ভার আমারই থাকবে। তিনি আরও বলেন, আগের ডিএমকে সরকার বিপুল ঋণের বোঝা রেখে গিয়েছে। তবে মানুষের সমর্থন থাকলে তাঁর সরকার সব প্রতিশ্রুতি পূরণ করার চেষ্টা করবে।এদিন জোট রাজনীতি নিয়েও স্পষ্ট বার্তা দেন বিজয়। তিনি বলেন, তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকার কোনও জোটসঙ্গীর চাপের কাছে মাথা নত করবে না। সরকার নিজের নীতি মেনেই চলবে।অনুরাগীদের উদ্দেশেও আবেগঘন বার্তা দেন দক্ষিণী তারকা। তিনি বলেন, আপনারাই আমার জীবন। আপনাদের ভালোর জন্যই আমি কাজ করব। আপনাদের ছাড়া আমি কিছুই নই। তাঁর মুখে শোনা যায় জনপ্রিয় তামিল শব্দবন্ধ এন নেনজিল কুডিয়িরুক্কুম, যার অর্থ, যাঁরা আমার হৃদয়ে থাকেন।মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েই একাধিক জনমুখী প্রকল্পের ঘোষণা করেছেন বিজয়। তিনি জানান, তামিলনাড়ুর মানুষ মাসে ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিনামূল্যে বিদ্যুৎ পাবেন। মহিলাদের নিরাপত্তার জন্য আলাদা নারী সুরক্ষা বাহিনী গঠন করা হবে বলেও ঘোষণা করেন তিনি।এছাড়াও রাজ্যে মাদক রুখতে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী। শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নতির দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। বিজয়ের দাবি, নতুন সরকার স্বচ্ছভাবে কাজ করবে এবং নির্বাচনী ইস্তাহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলি পূরণ করার চেষ্টা করবে।এদিন বিজয়ের সঙ্গে আরও নজন শপথ নেন। সূত্রের খবর, তাঁদের মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। সেই তালিকায় রয়েছেন কেএ সেনগোত্তাইয়ান, আধব অর্জুন, নির্মল কুমার, এন আনন্দ, অভিনেতা রাজ মোহন, চিকিৎসক টিকে প্রভু, প্রাক্তন আইআরএস আধিকারিক অরুণ রাজ, পি ভেঙ্কটারামনন এবং সর্বকনিষ্ঠ বিধায়ক কীর্তনা। বিরুধুনগর কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন কীর্তনা।

মে ১০, ২০২৬
কলকাতা

২০২০-র সেই সিদ্ধান্তই বদলে দিল বাংলার রাজনীতি, আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

২০২০ সালের ১৯ ডিসেম্বর, শনিবার। মেদিনীপুরের কলেজ মাঠে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর উপস্থিতিতে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই দিনটি রাজ্য রাজনীতিতে বড় চমক তৈরি করেছিল। ঠিক সাড়ে পাঁচ বছর পর আবারও এক শনিবার বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকল। শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী।দুই শনিবারের এই রাজনৈতিক যাত্রা এখন শুভেন্দুর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সময় থেকেই তাঁর লক্ষ্য ছিল বাংলায় বিজেপিকে ক্ষমতায় আনা। তবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে হাতে খুব বেশি সময় পাননি তিনি। সেই নির্বাচনে বিজেপি ৭৭টি আসনে জয় পেলেও পরে একাধিক বিধায়ক দলবদল করেন। তৃণমূলে ফিরে যান মুকুল রায়ও।কিন্তু তারপরও থেমে থাকেননি শুভেন্দু। বিরোধী দলনেতা হিসেবে বিধানসভার ভিতরে এবং বাইরে লাগাতার তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালিয়ে গিয়েছেন। বিজেপি কর্মীদের মনোবল বাড়াতে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ছুটে গিয়েছেন তিনি।শুভেন্দু বারবার মনে করিয়ে দিয়েছেন, নন্দীগ্রামে তিনি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেছিলেন। শুধু তাই নয়, ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগেও ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন তিনি। রাজনৈতিক মহলের মতে, শুভেন্দু বুঝেছিলেন, ভবানীপুরে তৃণমূল নেত্রীকে চাপে রাখতে পারলে তার প্রভাব গোটা রাজ্যে পড়বে।শেষ পর্যন্ত সেই কৌশলই সফল হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। পরপর দুবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্বাচনে হারিয়ে বড় রাজনৈতিক বার্তা দিয়েছেন শুভেন্দু। আর সেই সাফল্যের পর বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর পদে তাঁর নামই সবচেয়ে জোরালো হয়ে ওঠে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংগঠন শক্তিশালী করা থেকে শুরু করে বিজেপির ভোটব্যাঙ্ককে ধরে রাখাসব ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাই শেষ পর্যন্ত বাংলার মসনদে তাঁর বসা অনেকটাই প্রত্যাশিত ছিল।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

দক্ষিণেশ্বরে পুজো দিয়ে বড় বৈঠকে শাহ, বাংলার নতুন মুখ কে? জোর জল্পনা

নতুন বিজেপি সরকারের শপথ গ্রহণের ঠিক একদিন আগে কলকাতায় পৌঁছলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার বেলা প্রায় ১১টা নাগাদ তিনি দমদম বিমানবন্দরে নামেন। সেখানে তাঁকে স্বাগত জানান রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, সুকান্ত মজুমদার এবং শুভেন্দু অধিকারী। বিমানবন্দর থেকে সোজা দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে যান শাহ। সেখানে পুজোও দেন তিনি।কলকাতায় পৌঁছেই সমাজমাধ্যমে বাংলায় পোস্ট করেন অমিত শাহ। বঙ্গবাসীকে প্রণাম জানিয়ে তিনি লেখেন নতুন সরকারের জন্য আশীর্বাদ কামনা করছেন। দক্ষিণেশ্বর থেকে বেরিয়ে নিউটাউনের একটি বিলাসবহুল হোটেলে যাওয়ার কথা তাঁর। সেখানেই বিকেলে বিজেপির জয়ী প্রার্থীদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন তিনি। সেই বৈঠকেই মুখ্যমন্ত্রীর নাম চূড়ান্ত হতে পারে বলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। পাশাপাশি পরিষদীয় নেতা নির্বাচনও হতে পারে।রাজনৈতিক মহলে এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনা শুভেন্দু অধিকারীকে ঘিরে। শেষ মুহূর্তে কোনও পরিবর্তন না হলে মুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে তিনিই এগিয়ে রয়েছেন বলে সূত্রের খবর। উপমুখ্যমন্ত্রী পদ নিয়েও চলছে নানা জল্পনা। অগ্নিমিত্রা পাল, মালতী রাভা রায় এবং দীপক বর্মনের নাম ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে।শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে হতে চলেছে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। সেখানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ ছাড়াও বিজেপি শাসিত ২১টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা। বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।সূত্রের খবর, প্রথম দফায় গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন মন্ত্রী শপথ নিলেও পরে ডেপুটি, পূর্ণমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রমন্ত্রী মিলিয়ে মোট ৩৬ থেকে ৪০ জনের মন্ত্রিসভা গঠন হতে পারে। কে মন্ত্রী হচ্ছেন, কার কাছে ফোন যাচ্ছে, তা নিয়ে এখন তীব্র উত্তেজনা বিজেপির অন্দরে। অনেক জয়ী বিধায়ক এখনও কোনও বার্তা পাননি বলেও জানা গিয়েছে।বিজেপি সূত্রে খবর, মন্ত্রিসভার তালিকা চূড়ান্ত করার আগে আরএসএস নেতৃত্বের সঙ্গেও আলোচনা করেছেন অমিত শাহ। শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে ব্রিগেডে থাকছে বিশেষ আয়োজন। রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন হওয়ায় অনুষ্ঠানে বাজবে রবীন্দ্রসঙ্গীত। থাকছে আলাদা সাংস্কৃতিক মঞ্চও। বিশিষ্ট অতিথিদের জন্য বিশেষ বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।বিজেপির লক্ষ্য, অন্তত এক লক্ষ মানুষের জমায়েত করা। প্রত্যেক নবনির্বাচিত বিধায়ককে কমপক্ষে এক হাজার সমর্থক নিয়ে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের দাবি। অনুষ্ঠান ঘিরে গোটা শহর এবং ব্রিগেড এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মোট চার হাজার পুলিশকর্মী মোতায়েন থাকবেন।

মে ০৮, ২০২৬
বিদেশ

কলকাতাকে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি! পাক মন্ত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্যে চাঞ্চল্য

ভবিষ্যতে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যদি কোনও সংঘাত তৈরি হয়, তবে তা আর সীমান্তে আটকে থাকবে না, বরং ভারতের ভিতরেও ছড়িয়ে পড়বেএমনই হুমকি দিলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ। তিনি সরাসরি কলকাতার নাম নিয়ে আক্রমণের কথাও বলেন, যা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।শনিবার সিয়ালকোটে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে খোয়াজা আসিফ বলেন, ভারত যদি কোনও মিথ্যা অজুহাতে অভিযান চালানোর চেষ্টা করে, তাহলে তার ফল ভালো হবে না। তিনি দাবি করেন, সেই সংঘাত সীমান্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং তা কলকাতা পর্যন্ত গড়াবে।তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভারতে শীঘ্রই একটি ভুয়া হামলা হতে পারে। তাঁর দাবি, ভারত নিজেই এমন হামলার পরিকল্পনা করছে এবং পরে সেটিকে সন্ত্রাসবাদী হামলা বলে তুলে ধরবে। যদিও এই দাবির পক্ষে তিনি কোনও প্রমাণ দেননি।পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, যদি ভারত এমন কোনও পদক্ষেপ নেয়, তাহলে গত বছরের থেকেও বড় অপমানের মুখে পড়তে হবে। তাঁর কথায়, সংঘাত আর সীমান্তবর্তী কয়েকশো কিলোমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং তারা ভারতের ভিতরে ঢুকে হামলা চালাতে পারে।অন্যদিকে, সম্প্রতি একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এই মাসেই পাকিস্তানের ভিতরে এক বা একাধিক হামলা হতে পারে। সেই হামলার পিছনে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই থাকতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। ইচ্ছাকৃতভাবে দেশে অস্থিরতা তৈরি করে তার দায় ভারতের উপর চাপানোর পরিকল্পনাও থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকদের একাংশ।বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক মহলে সমর্থন পেতে বা কূটনৈতিক সুবিধা অর্জনের জন্য এমন কৌশল নেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি, পাকিস্তানের বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং নিরাপত্তা সমস্যা থেকে নজর ঘোরাতেও বাইরের শত্রু তত্ত্ব সামনে আনা হতে পারে।এই পরিস্থিতিতে ভারতের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিয়ে নতুন করে উত্তেজনা বাড়াল পাকিস্তান।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
রাজ্য

কালিয়াচক কাণ্ডে নতুন বিস্ফোরণ! প্রাক্তন মন্ত্রীর দিকে আঙুল বিজেপির

বুধবার রাত থেকেই কালিয়াচকের ঘটনা নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। সাত জন বিচারককে দীর্ঘ সময় ধরে ঘেরাও করে রাখার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। নির্বাচন কমিশনও এই বিষয়ে কড়া বার্তা দিয়েছে। শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার একটি দল।এই ঘটনার দায় নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর ক্রমশ বাড়ছে। এর মধ্যেই রাজ্যের এক বিদায়ী মন্ত্রীর নাম জড়িয়ে বড় অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। একটি ভিডিয়ো প্রকাশ করে তারা দাবি করেছে, এই ঘটনার সঙ্গে তাঁর যোগ থাকতে পারে।বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করেছেন দলের প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, এই পুরো ঘটনার পিছনে শাসক দলের শীর্ষ নেতৃত্ব রয়েছে এবং সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ভূমিকা নিয়েছেন মোথাবাড়ির বিধায়ক সাবিনা ইয়াসমিন।এরপর বিজেপির তথ্যপ্রযুক্তি শাখার প্রধান অমিত মালব্য সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেন। সেখানে দেখা যায়, কয়েক জন সমর্থককে নিয়ে বসে রয়েছেন সাবিনা ইয়াসমিন। মালব্যর দাবি, কালিয়াচকের ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগেই তাঁকে একটি প্রতিবাদ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিতে দেখা গিয়েছিল। তিনি আরও বলেন, এই ধরনের পোস্ট মুছে ফেললেও লাভ হবে না, কারণ সব তথ্য তাঁদের কাছে রয়েছে। তিনি এই ভিডিয়োর মাধ্যমে দেশের সর্বোচ্চ আদালত ও নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করেছেন।তবে এই সব অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন সাবিনা ইয়াসমিন। তিনি পাল্টা কটাক্ষ করে বলেন, শুভেন্দু অধিকারী তাঁকে সব সময় ভয় পান, বিশেষ করে ভোটের সময়। তাঁর কথায়, এই ভয় তিনি উপভোগ করেন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতিতে সক্রিয় থাকলেও এবার তাঁর কেন্দ্র বদল হয়েছে। আগে তিনি মোথাবাড়ির বিধায়ক ছিলেন, তবে এবারের নির্বাচনে তাঁকে সুজাপুর থেকে প্রার্থী করা হয়েছে। প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই তিনি এলাকায় প্রচারে নেমেছেন।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
দেশ

আবার কি লকডাউন আসছে? জ্বালানি সঙ্কটে দেশজুড়ে আতঙ্ক, মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

জ্বালানি সঙ্কট নিয়ে দেশজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। অনেকের মনে প্রশ্ন উঠছে, আবার কি লকডাউনের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে? ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা এবং মায়ানমারের মতো কয়েকটি দেশ জ্বালানি সংরক্ষণের জন্য জরুরি পদক্ষেপ নিয়েছে। সেই কারণেই ভারতে একই রকম সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে জল্পনা শুরু হয়েছে। এমন আশঙ্কার কথা উল্লেখ করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-ও।তবে এই জল্পনাকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে জানালেন কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, দেশে আবার লকডাউন জারি করার কোনও পরিকল্পনা নেই। কোভিডের সময় যে ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তেমন কিছু ফের হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলেই আশ্বস্ত করেছেন তিনি।সামাজিক মাধ্যমে তিনি জানিয়েছেন, লকডাউন নিয়ে যে খবর ছড়াচ্ছে তা পুরোপুরি ভুল। এই সময়ে শান্ত থাকা এবং দায়িত্বশীল আচরণ করার উপর জোর দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেছেন, দেশের জ্বালানির জোগান স্বাভাবিক রাখতে কেন্দ্রীয় সরকার সব রকম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি নিয়ে উদ্বেগ বাড়লেও কেন্দ্রের দাবি, ভারতে পর্যাপ্ত পরিমাণে জ্বালানি মজুত রয়েছে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে চাপ তৈরি হলেও দেশের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে অনেকেই আতঙ্কে পেট্রোল পাম্পে ভিড় করছেন এবং আগাম জ্বালানি মজুত করার চেষ্টা করছেন। তবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন, কোনও ধরনের ঘাটতির আশঙ্কা নেই এবং যে কোনও জরুরি পরিস্থিতির মোকাবিলার জন্য দেশ প্রস্তুত।

মার্চ ২৭, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের আগুনে মধ্যপ্রাচ্য, শান্তির বার্তা ভারতের! রাজ্যসভায় বড় বার্তা জয়শংকরের

মধ্যপ্রাচ্যে চলতে থাকা যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করল ভারত। সোমবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর জানান, আলোচনা এবং কূটনীতির মাধ্যমেই এই সংঘাতের সমাধান সম্ভব। তিনি বলেন, উত্তেজনা কমাতে সব পক্ষেরই সংযম দেখানো এবং আলোচনার পথে এগোনো জরুরি।গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের উপর যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা এবং ইজরায়েল। সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হন। এই ঘটনার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে তেহরানও একাধিক হামলা চালাতে শুরু করে। ইজরায়েলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলিকেও নিশানা করা হয়। এর ফলে গোটা অঞ্চলে উত্তেজনা দ্রুত বেড়ে যায়।এই পরিস্থিতি নিয়েই সোমবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। তিনি জানান, ভারত সরকার এই সংঘাত নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে সরকার একটি বিবৃতিতে সব পক্ষকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।জয়শংকর বলেন, ভারত মনে করে উত্তেজনা কমানোর একমাত্র পথ হল সংলাপ এবং কূটনীতি। সব পক্ষ যদি আলোচনার পথে এগোয়, তবেই পরিস্থিতি শান্ত করা সম্ভব।বিদেশমন্ত্রী আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গোটা পরিস্থিতির উপর নিয়মিত নজর রাখছেন। বিভিন্ন মন্ত্রকের সঙ্গে সমন্বয় রেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও নেওয়া হচ্ছে। এই সংকটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে ওই অঞ্চলে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তাকে।তিনি বলেন, ইরান এবং আশপাশের দেশগুলিতে থাকা ভারতীয়দের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। তেহরানে থাকা ভারতীয় দূতাবাস সম্পূর্ণভাবে সক্রিয় রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সেখানে আটকে পড়া ভারতীয় পড়ুয়াদের দিকেও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান বিদেশমন্ত্রী। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।ইরান যুদ্ধের কারণে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্বে নিরাপত্তা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকও হয়েছে। মার্চ মাসের শুরুতে হওয়া ওই বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষভাবে আলোচনা করা হয়েছে।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিস্থিতির উপর এখনও নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজন হলে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
বিদেশ

ভারতকে সুবিধা করে দিতেই ইজরায়েল হামলা চালায় ইরানের ওপর! আজব দাবি পাকিস্তানের

ইরানের উপর আমেরিকা ও ইজরায়েলের হামলার জেরে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে পাকিস্তানে। ইরানের সঙ্গে প্রায় নয়শো কিলোমিটারেরও বেশি সীমান্ত রয়েছে পাকিস্তানের। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে বলেন, ইরানে চলা সশস্ত্র সংঘর্ষের নেপথ্যে রয়েছে জায়নিস্ট চক্রান্ত। তাঁর দাবি, এই যুদ্ধের লক্ষ্য পাকিস্তানকে শেষ পর্যন্ত একটি দাস রাষ্ট্রে পরিণত করা।সামাজিক মাধ্যমে এক বার্তায় তিনি বলেন, উনিশশো আটচল্লিশ সালে ইজরায়েল রাষ্ট্র গঠনের পর থেকে মুসলিম বিশ্বে যত বড় সংঘাত হয়েছে, তার পিছনে সরাসরি বা পরোক্ষে জায়নিস্ট মতাদর্শের ভূমিকা রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, জায়নিস্ট শক্তিই দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের অর্থনীতির দিশা ঠিক করছে এবং বড় শক্তিগুলিকেও প্রভাবিত করছে।ইরান, ইজরায়েল ও আমেরিকার চলতি সংঘর্ষ প্রসঙ্গে আসিফের দাবি, তেহরান আলোচনায় রাজি থাকা সত্ত্বেও তাদের উপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, এই যুদ্ধ পরিকল্পিতভাবে শুরু করা হয়েছে, যাতে ইজরায়েলের প্রভাব পাকিস্তানের সীমান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও সতর্ক করে বলেন, যদি ইজরায়েল এই যুদ্ধে জয়ী হয়, তা হলে ভারত, আফগানিস্তান ও ইরান একযোগে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে পারে। এতে দেশের সীমান্ত চারদিক থেকে শত্রু দ্বারা ঘেরা হয়ে পড়বে এবং পাকিস্তান কার্যত দাস রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে বলে দাবি তাঁর।তিনি পাকিস্তানের প্রায় পঁচিশ কোটি নাগরিককে রাজনৈতিক বা ধর্মীয় বিভেদ ভুলে এই চক্রান্ত বোঝার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে মুসলিম প্রধান দেশগুলিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক দেন তিনি। পাকিস্তান যে একটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশ, তা স্মরণ করিয়ে দিয়ে আসিফ বলেন, দেশের সশস্ত্র বাহিনীর ক্ষমতা বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। তিনি উনিশশো আটানব্বই সালে পারমাণবিক পরীক্ষার প্রসঙ্গ টেনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের ভূমিকাও উল্লেখ করেন।এই মন্তব্য এমন সময়ে এল, যখন আমেরিকা ও ইজরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘর্ষ তীব্র আকার নিয়েছে। হামলায় ইরানের সামরিক ও ধর্মীয় নেতৃত্বের বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর জেরে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ইরান একাধিক দেশে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলেও খবর।রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই নিজেদের চারদিক থেকে ঘেরা অবস্থায় দেখানোর চেষ্টা করে। কখনও বালোচ বিদ্রোহীদের সঙ্গে ভারতের যোগের অভিযোগ, কখনও আফগান তালিবানকে ভারতের মদতপুষ্ট বলা এই অবস্থান নতুন নয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে খোয়াজা আসিফের মন্তব্য সেই পুরনো অবস্থানকেই আরও জোরালো করল বলে মত পর্যবেক্ষকদের।

মার্চ ০৪, ২০২৬
বিদেশ

ঢাকায় বড় চমক! তারেকের মন্ত্রিসভায় কারা পূর্ণমন্ত্রী, কারা প্রতিমন্ত্রী—ফাঁস সম্পূর্ণ তালিকা

আজ মঙ্গলবার শপথ নিচ্ছেন বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ইতিমধ্যেই সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র নির্বাচিত সদস্যরা। বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। রাজনৈতিক মহলের নজর এখন, কারা থাকছেন তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায়।বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো সূত্রে খবর, নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় থাকছেন ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী। ইতিমধ্যেই নামের তালিকা চূড়ান্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে ৪৯ সদস্যের বড় মন্ত্রিসভা গড়তে চলেছেন তারেক রহমান।সূত্রের খবর, তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ মুখ হতে চলেছেন খলিলুর রহমান। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস-এর নিরাপত্তা উপদেষ্টা ছিলেন। ২০২৪ সালের নভেম্বরে তাঁকে রোহিঙ্গা সমস্যা ও অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয় সংক্রান্ত হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ করা হয়। পরে ২০২৫ সালের এপ্রিলে তিনি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হন। সম্প্রতি আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন তিনি। অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তাঁকেই বিদেশমন্ত্রী করা হতে পারে বলে জোর জল্পনা।পূর্ণমন্ত্রীদের তালিকায় রয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ, মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, খলিলুর রহমান, আবদুল আউয়াল মিন্টু, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ, আফরোজা খানম, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, আসাদুল হাবিব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের, দীপেন দেওয়ান, আ ন ম এহছানুল হক মিলন, সরদার সাখাওয়াত হোসেন (বকুল), ফকির মাহবুব আনাম (স্বপন) এবং শেখ রবিউল আলম।প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মো. শরিফুল আলম, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কায়সার কামাল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, আমিনুল হক, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশীদ, মো. রাজিব আহসান, মো. আব্দুল বারী, মীর শাহে আলাম, জোনায়েদ সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন, শেখ ফরিদুল ইসলাম, নুরুল হক, ইয়াসের খান চৌধুরী, এক ইকবাল হোসেইন, এম এ মুহিত, আহমেদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ এবং আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় দুজন হিন্দু মুখও রয়েছেন। তাঁরা হলেন নিতাই রায় চৌধুরী ও দীপেন দেওয়ান। ফলে নতুন মন্ত্রিসভায় সাম্প্রদায়িক ভারসাম্যের দিকেও নজর রাখা হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।আজকের শপথের পরই আনুষ্ঠানিক ভাবে দায়িত্ব নেবে নতুন সরকার। কোন মন্ত্রীর হাতে কোন দফতর যাবে, তা নিয়েও চলছে জোর জল্পনা। বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে বলেই মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬
বিদেশ

‘বালোচিস্তানে সেনা অসহায়’—সংসদে বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ জানিয়েছেন, বালোচিস্তানে মোতায়েন নিরাপত্তাবাহিনী কার্যত বড় সমস্যার মুখে পড়েছে। তাঁর দাবি, প্রদেশটির বিশাল ভৌগোলিক বিস্তৃতির কারণে সেনারা অনেক ক্ষেত্রেই শারীরিকভাবে অসহায় হয়ে পড়ছেন। পিটিআই সূত্রে এই খবর জানা গিয়েছে।সোমবার জাতীয় সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে খাজা আসিফ বলেন, পাকিস্তানের মোট ভূখণ্ডের ৪০ শতাংশেরও বেশি জুড়ে রয়েছে বালোচিস্তান। এত বড় এলাকা নিয়ন্ত্রণ করা কোনও জনবহুল শহরের মতো সহজ নয়। সেখানে বিপুল সংখ্যক বাহিনী মোতায়েন করতে হয়। সেনারা জঙ্গিদের বিরুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অভিযান চালালেও এত বড় এলাকা পাহারা দেওয়া ও টহল দেওয়ার কারণে তারা বাস্তবে বড় সীমাবদ্ধতার মুখে পড়ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।সম্প্রতি বালোচিস্তানের ১২টি জায়গায় একযোগে জঙ্গি হামলার পর বড়সড় অভিযান চালায় নিরাপত্তাবাহিনী। সেই অভিযানে ১৭৭ জন জঙ্গি নিহত হয়েছে বলে দাবি করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি আরও অভিযোগ করেন, কিছু অপরাধী চক্র নিষিদ্ধ বালোচ লিবারেশন আর্মির নাম ব্যবহার করে চোরাকারবারিদের রক্ষা করছে।সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে খাজা আসিফ বলেন, হিংসাকে কোনওভাবেই যুক্তিসঙ্গত বলে দেখানোর চেষ্টা মানা হবে না। তাঁর মতে, হিংসাকে স্বাধীনতা আন্দোলনের রং দেওয়া হচ্ছে, যা আদতে অপরাধমূলক কাজ ঢাকার চেষ্টা ছাড়া কিছু নয়।এ ছাড়াও তিনি অভিযোগ তোলেন, বালোচিস্তানে কিছু জঙ্গি গোষ্ঠী ভারতের মদতপুষ্ট এবং আফগানিস্তানের মাটি ব্যবহার করে তারা সন্ত্রাসবাদ চালাচ্ছে। তাঁর দাবি, জঙ্গিদের নেতৃত্ব আফগানিস্তানে বসেই কাজ করছে এবং সেখান থেকেই সাহায্য পাচ্ছে।বালোচিস্তান বঞ্চিতএই অভিযোগও নাকচ করেন খাজা আসিফ। তাঁর দাবি, গত কয়েক বছরে প্রদেশটির উন্নয়ন হয়েছে এবং অন্য যে কোনও প্রদেশের তুলনায় এখানে বিমানবন্দরের সংখ্যাও বেশি। বন্ধ থাকা বিমানবন্দরগুলি চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। নিখোঁজ ব্যক্তিদের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রেই নিরাপত্তাবাহিনীর অভিযানে নিহত জঙ্গিদের নামই ওই তালিকায় উঠে আসছে।জঙ্গিদের হাতে অত্যাধুনিক অস্ত্র থাকার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তাঁর দাবি, জঙ্গিদের ব্যবহৃত রাইফেলের দাম প্রায় ২০ লক্ষ পাকিস্তানি টাকা এবং থার্মাল সাইটের দাম ৪ থেকে ৫ হাজার ডলার। এত অর্থের জোগান কোথা থেকে আসছে, তা নিয়েই প্রশ্ন তোলেন তিনি। ইরান ও আফগানিস্তানের সঙ্গে সীমান্ত লাগোয়া বালোচিস্তানে দীর্ঘদিন ধরেই হিংসাত্মক বিদ্রোহ চলছে এবং চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরের সঙ্গে যুক্ত প্রকল্পগুলিও বারবার হামলার লক্ষ্য হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২৬
রাজ্য

শোভনদেবকে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করতে চাওয়ায় ফের আলোচনায় বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য

কখনও তৃণমূলের মন্ত্রীকে পায়ে হাত দিয়ে প্রনাম আবার কখনও প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য....। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শঙ্করকুমার নাথকে ঘিরে বিতর্ক যেন থামছেই না। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী সমিতির আয়োজিত রক্তদান শিবিরেও ফের বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এলেন তিনি। অনুষ্ঠানের মঞ্চে রাজ্যের পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের প্রতি প্রণাম জানানোর প্রসঙ্গ তুলতেই শুরু হয় নতুন বিতর্ক।মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে উপাচার্য জানান, দীর্ঘদিন ধরেই তিনি মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের সম্পর্কে শুনে আসছেন, কিন্তু কখনও কাছ থেকে সাক্ষাতের সুযোগ হয়নি। সেই আবেগ থেকেই তিনি প্রকাশ্যে মন্ত্রীর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে আশীর্বাদ নিতে চান বলে জানান। বক্তব্য থামিয়ে তিনি এগিয়ে যেতেই মুহূর্তে পরিস্থিতি ঘুরে যায়।উপাচার্যের সৌজন্যমূলক উদ্যোগের জবাবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় নিজেই এগিয়ে এসে তাঁর হাত ধরে ফেলেন। মন্ত্রী বলেন, তাঁর পরিবারে বহু শিক্ষক রয়েছেনস্ত্রী, পুত্রবধূ থেকে শুরু করে প্রয়াত বাবাও শিক্ষক ছিলেন। সেই কারণে তিনি শিক্ষকদের প্রতি বিশেষ শ্রদ্ধাশীল। পায়ে হাত না দিয়ে হাতজোড় করেই প্রণাম জানানো যায় বলেও তিনি উল্লেখ করেন। শেষ পর্যন্ত মন্ত্রীর কথাতেই উপাচার্য হাতজোড় করে প্রণাম করেন এবং শোভনদেবও একইভাবে সৌজন্য প্রদর্শন করেন।তবে এই ঘটনা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে, কারণ এর আগেও একাধিকবার বিতর্কে জড়িয়েছেন উপাচার্য শঙ্করকুমার নাথ। এক অনুষ্ঠানে ক্রিকেট আইকন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে করা মন্তব্য ঘিরে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছিল। সেই সময় সৌরভ স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তাঁর জীবনে মা, স্ত্রী ও কন্যার ভূমিকাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।এছাড়াও তাঁর কার্যকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফর্মে ধর্মের উল্লেখ, সাংবাদিকদের নিয়ে করা মন্তব্য, রাজ্য সরকারের মনোনীত রেজিস্ট্রারকে অপসারণ, শাসকদলের বিধায়কের প্রশংসা কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে গণেশ পুজোর আয়োজনপ্রতিটি বিষয়ই কমবেশি বিতর্ক তৈরি করেছে।সব মিলিয়ে মঙ্গলবারের এই প্রণাম-প্রসঙ্গ নতুন করে উপাচার্যের ভূমিকা ও আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিতর্কের তালিকায় আরও একটি অধ্যায় যোগ হলো বলেই মনে করছেন অনেকে। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস, বর্ধমান পৌরসভার পৌরপতি পরেশ চন্দ্র সরকার সহ তৃণমূলের বিশেষ পদাধিকারিকেরা।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫
দেশ

৯১ বছর বয়সে প্রয়াত প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শিবরাজ পাটিল, কী রেখে গেলেন দেশের জন্য?

দেশের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা শিবরাজ পাটিল আর নেই। শুক্রবার ভোরে মহারাষ্ট্রের লাতুরে নিজের বাড়িতেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯১ বছর। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই বয়সজনিত রোগে ভুগছিলেন তিনি। ভোর সাড়ে ৬টা নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয়। পিছনে রেখে গেলেন ছেলে শৈলেশ পাটিল, পুত্রবধূ ও বিজেপি নেত্রী অর্চনা পাটিল এবং দুই নাতনি।১৯৩৫ সালের ১২ অক্টোবর লাতুরে জন্ম শিবরাজ পাটিলের। সেখান থেকেই তাঁর রাজনৈতিক জীবনের শুরু। পুরসভা নির্বাচনে জয়ী হয়ে পৌরপ্রধান হন তিনি। এরপর ৭০-এর দশকে বিধায়ক নির্বাচিত হন। টানা সাতবার লাতুর থেকে লোকসভায় জিতে নজির গড়েছিলেন তিনি। ২০০৪ সালে শেষবার লড়ে বিজেপি প্রার্থী রুপাতাই পাটিলের কাছে পরাজিত হন।২০০৪ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন শিবরাজ পাটিল। ২৬/১১ মুম্বই হামলার পর সমালোচনার মুখে পড়ে তিনি নৈতিক দায়িত্ব নিয়ে পদত্যাগ করেন। এর আগে ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত তিনি লোকসভার স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন। পরে ২০১০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত পঞ্জাবের রাজ্যপাল ও চণ্ডীগড়ের প্রশাসনিক প্রধান ছিলেন।শান্ত, সংযত এবং মার্জিত ব্যবহারএই গুণেই পরিচিত ছিলেন তিনি। ব্যক্তিগত আক্রমণ করেননি কখনও, রাজনৈতিক বিতর্কেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত সতর্ক। পাঠ্যপুস্তক ও নানা বিষয়ে বই পড়া ছিল তাঁর নেশা। মারাঠি, হিন্দি ও ইংরেজি ভাষায় তাঁর দখল ছিল অসাধারণ। সংবিধান নিয়ে ছিল গভীর জ্ঞান।এক বর্ষীয়ান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নামিয়েছে রাজনীতিতে। তাঁর অবদান আজও স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

ডিসেম্বর ১২, ২০২৫
দেশ

কর্নাটক কংগ্রেসে রদবদল হাওয়ায়, ডি.কে. শিবকুমারের অবস্থান শক্ত, সিদ্ধান্ত ঘিরে রহস্য

কর্নাটকের রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসান ঘটাতে অবশেষে পদক্ষেপ নিল কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে বিবাদমান দুই শীর্ষনেতাকে দিল্লিতে তলব করেছেন। পাশাপাশি রাজ্যের আরও একাধিক প্রথম সারির নেতা এই বৈঠকে অংশ নেবেন বলে খবর। বিশেষভাবে বলা হচ্ছে, বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে, যেখানে রাজ্যের দুই শীর্ষ নেতার অবস্থান নির্ধারণ করা হবে।রাজ্য কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ সূত্রের খবর, এই মুহূর্তে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে কিছুটা এগিয়ে রয়েছেন ডেপুটি চিফ মিনিস্টার ডি.কে. শিবকুমার। দিল্লির নেতৃত্ব এবং রাহুল গান্ধীর সঙ্গে শিবকুমারের যোগাযোগও তাৎপর্যপূর্ণ। শিবকুমারকে সম্প্রতি রাহুল গান্ধীর তরফে হোয়াটসঅ্যাপে এসেছে একটি বার্তা, যেখানে লেখা ছিল, অপেক্ষা করুন, আমি শীঘ্রই ফোন করছি। রাজনৈতিক মহলের মতে, এটি কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের দিকে ইঙ্গিত করছে।সূত্রের খবর, আগামী ১ ডিসেম্বর লোকসভা অধিবেশনের শুরু হওয়ার আগে কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী পদ নিয়ে রদবদলের সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দীর্ঘদিন ধরে এই বিষয়ে টানাপোড়েন চলছিল। শিবকুমারও গত এক সপ্তাহ ধরে দলের বিষয়ে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন, তবে সরাসরি ফোনে কথা বলা সম্ভব হয়নি।এদিকে কংগ্রেসের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়াও হাই কম্যান্ডের উপর চাপ সৃষ্টি করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, রাজ্যের নেতৃত্ব নিয়ে এই দ্বন্দ্ব দলের জন্য ক্ষতিকর। দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। মল্লিকার্জে খাড়গে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, দুই নেতার সঙ্গে আলোচনা না করেই কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না।এই আবহেই কর্নাটকের রাজনৈতিক মহলের নজর এখন দিল্লির এই বৈঠকের দিকে। মুখ্যমন্ত্রী পদ কে দখল করবেন, তা আগামী কয়েক দিনের মধ্যে চূড়ান্ত হওয়া উন্মুখ দৃষ্টিকোণ তৈরি করেছে।

নভেম্বর ২৭, ২০২৫
দেশ

বিহারের মসনদে ফের নীতীশ কুমার, আজ দশমবার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ

বিহারে রাজনৈতিক ইতিহাসে এক উল্লেখযোগ্য মাইলফলক। নীতীশ কুমার আজ দশমবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন। গান্ধী ময়দানে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে পুরোদস্তুর প্রস্তুতি সম্পন্ন। নতুন NDA সরকারের গঠন শুধু সময়ের অপেক্ষা।প্রেক্ষাপট ও রাজনৈতিক প্রভাবএবার বিধানসভা নির্বাচনে NDA একক ভাবে শক্তিশালী জয় পেয়েছে। ২৪৩ আসনের বিধানসভায় তাদের ২০২টি আসন লাভ করেছে। এনডিএ ঝড়ে উড়ে গিয়েছে তেজস্বী যাবদ, পিকের নয়া দলও। নীতীশ কুমারকে জোটের বিধায়করা নেতা হিসাবে নির্বাচিত করেছে। তাই ফের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিতে যাচ্ছেন তিনি।প্রশাসনিক এবং আনুষ্ঠানিক গঠনইতিমধ্যে নীতীশ কুমার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন গভর্নর আরিফ মোহাম্মদ খানকে। আজ আবার প্রশাসনিক প্রধান হিসাবে বিহার সরকারের দায়িত্ব নিতে চলেছেন। নীতীশের নতুন মন্ত্রীসভায় প্রায় ৩৫ জন মন্ত্রী থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। আজ সকাল ১১:৩০মিনিট নাগাদ শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে পারেন কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতারা। থাকতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ ও অন্যান্য NDA নেতা। কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকছে।

নভেম্বর ২০, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 17
  • 18
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

উইপোকা ধরা টাকার পর বড় পদক্ষেপ! সুরেন্দ্রনাথ কলেজ কাণ্ডে গ্রেপ্তার পরিতোষ দত্ত

সুরেন্দ্রনাথ কলেজে উদ্ধার হওয়া টাকার বান্ডিল এবং বিতর্কিত কক্ষকে ঘিরে তদন্তে বড় পদক্ষেপ করল পুলিশ। এই ঘটনায় দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত পরিতোষ দত্তকে গ্রেপ্তার করেছে কলকাতা পুলিশের গুন্ডা দমন শাখা। বর্ধমান থেকে তাঁকে আটক করে কলকাতায় আনা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।ঘটনার জেরে নড়েচড়ে বসেছে উচ্চশিক্ষা দফতরও। কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। কীভাবে কলেজের ইউনিয়ন কক্ষের আলমারি থেকে ব্যাগভর্তি টাকা উদ্ধার হল, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারীরা।গত মঙ্গলবার কলেজের ইউনিয়ন কক্ষ থেকে উইপোকা ধরা টাকার বান্ডিল উদ্ধার হওয়ার পর ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। এরপর তদন্তে উঠে আসে আরও একাধিক তথ্য। কলেজের পাঁচতলায় তথাকথিত অতিথি কক্ষ হিসেবে ব্যবহার করা কয়েকটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘর নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সেখানে বিছানা, গদি, বালিশ, আলমারি এবং আরও কিছু সামগ্রী পাওয়া গিয়েছে বলে অভিযোগ।দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ওই ঘরগুলি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা হত। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে তাঁর পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। কলেজের একটি কক্ষে কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সংশ্লিষ্টদের ছবিও দেখা গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এদিকে উচ্চশিক্ষা দফতর জানতে চেয়েছে, ছাত্র সংগঠনের মাধ্যমে সংগ্রহ করা অর্থ কোন খাতে ব্যয় হয়েছে। কলেজের ভিতরে ওই কক্ষগুলি তৈরির অনুমতি ছিল কি না, কারা সেগুলি ব্যবহার করতেন এবং কীভাবে এত টাকা কলেজে এল, তারও বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন এমন ব্যক্তিদের নাম-সহ একটি তালিকাও জমা দিতে বলা হয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষকে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং শিক্ষা দফতর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে।প্রায় একশো চল্লিশ বছরের পুরনো এই ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম জড়িয়ে এমন ঘটনা সামনে আসায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে। দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ থেকে সাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এবং বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এই কলেজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সেই কলেজে এমন ঘটনা কীভাবে ঘটল, তা নিয়েই এখন জোর আলোচনা চলছে।কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সমস্ত অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করা হবে।

জুন ০৪, ২০২৬
দেশ

ভোরের ঘুম ভাঙল আগুনে! হাসপাতালের আইসিইউতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, মৃত অন্তত ৪

দিল্লির একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বিহারের একটি হাসপাতালে আগুন লেগে মৃত্যু হল অন্তত চার জনের। ভয়াবহ এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। তাঁদের মধ্যে অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার ভোর প্রায় চারটে নাগাদ মুজফ্ফরপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে আচমকা আগুন লাগে। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন এবং ঘন কালো ধোঁয়া পুরো এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। হাসপাতালের ভিতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে রোগী, চিকিৎসক এবং কর্মীদের মধ্যে।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ এবং দমকলের একাধিক ইঞ্জিন। শুরু হয় উদ্ধার অভিযান। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, হাসপাতালের ছতলায় থাকা নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র থেকেই আগুনের সূত্রপাত। ধোঁয়ায় ভরে যায় পুরো তলা। দমকলকর্মীরা দ্রুত অভিযান চালিয়ে প্রায় পনেরো থেকে কুড়ি জন রোগীকে নিরাপদে উদ্ধার করেন।তবে সব রোগীকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্তত চার জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতদের অনেকেই গুরুতর অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় অন্য হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাঁদের কয়েকজনের অবস্থা সংকটজনক হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, শর্ট সার্কিট থেকেই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে সঠিক কারণ জানতে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হবে।মুজফ্ফরপুর দমকল বিভাগের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, আগুন লাগার পর দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়। বহু রোগীকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র থেকে বের করে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে ধোঁয়া এবং আগুনের তীব্রতার কারণে কয়েকজনকে আর বাঁচানো যায়নি।এই মর্মান্তিক ঘটনার পর হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কীভাবে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে আগুন লাগল এবং সেখানে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা কতটা কার্যকর ছিল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।

জুন ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর সঙ্গে গোপন বৈঠক কর্ণ আদানির! বাংলায় আসছে কি হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ?

রাজ্যের শিল্প ও পরিকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং শিল্পপতি গৌতম আদানির পুত্র কর্ণ আদানি। বুধবার নবান্নে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে দুজনের মধ্যে আলোচনা হয়। এই বৈঠক ঘিরে রাজ্যের শিল্পমহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।সূত্রের খবর, সৌজন্য সাক্ষাতের আড়ালেই শিল্প, কর্মসংস্থান এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। আদানি গোষ্ঠী রাজ্যে নতুন বিদ্যুৎ প্রকল্প, বন্দর, লজিস্টিক কেন্দ্র, রাস্তা নির্মাণ এবং তথ্যভাণ্ডার কেন্দ্র গড়ে তোলার বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।রাজ্য সরকার শুরু থেকেই শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়েছে। সেই লক্ষ্যেই বড় শিল্পগোষ্ঠীগুলিকে রাজ্যে বিনিয়োগের জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। বৈঠকে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের দাবি।জানা গিয়েছে, রাজ্যে বৃহৎ লজিস্টিক কেন্দ্র তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে আদানি গোষ্ঠীর। পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদন, বন্দর উন্নয়ন এবং আধুনিক পরিকাঠামো নির্মাণের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও এদিন কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, তবে ভবিষ্যতে আরও একাধিক দফায় বৈঠক হতে পারে বলে খবর।আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে বাংলার সম্পর্ক নতুন নয়। অতীতেও রাজ্যের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তবে নতুন সরকারের আমলে এই বৈঠককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন শিল্পমহলের একাংশ। তাঁদের মতে, এই আলোচনা সফল হলে রাজ্যে বড় বিনিয়োগের পথ খুলতে পারে এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।এখন নজর পরবর্তী বৈঠকের দিকে। শিল্প ও পরিকাঠামো ক্ষেত্রে আদানি গোষ্ঠী শেষ পর্যন্ত কী ধরনের বিনিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করে, সেটাই দেখার।

জুন ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মমতার মন্তব্য ঘিরে বড় বিতর্ক! সাইবার থানায় নতুন অভিযোগ, চাঞ্চল্য রাজ্যজুড়ে

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ফের সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ায় নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। অভিযোগ দায়ের করেছেন আইনজীবী রিঙ্কি সিং চট্টোপাধ্যায়। গত দুই জুন ধর্মতলায় ধর্না কর্মসূচির মঞ্চ থেকে বাংলাদেশের নাগরিক ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই এই অভিযোগ করা হয়েছে। এর আগেও গত সপ্তাহে একই বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন ওই আইনজীবী।অভিযোগকারীর দাবি, প্রকাশ্য সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী এমন কিছু মন্তব্য করেছেন যা দেশের নিরাপত্তা এবং প্রশাসনিক গোপনীয়তা সংক্রান্ত প্রশ্ন তুলে দিতে পারে। বিশেষ করে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে ঘিরে করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই আপত্তি জানানো হয়েছে।আইনজীবী রিঙ্কি সিং চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশে ওসমান হাদি নামে এক ব্যক্তির খুনের ঘটনা ঘটে। পরে অভিযুক্তদের মধ্যে কয়েকজন মেঘালয় সীমান্ত পেরিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ঢুকেছিল বলে অভিযোগ। রাজ্যের বিশেষ টাস্ক ফোর্স তাদের গ্রেপ্তার করে। দুই জুন ধর্মতলার সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী ওই ঘটনার প্রসঙ্গ তোলেন এবং ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ। সেই কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।ধর্নামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, বাংলাদেশ থেকে আসা এক অভিযুক্তকে রাজ্যের বিশেষ টাস্ক ফোর্স গ্রেপ্তার করেছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে প্রতিবাদও হয়েছিল। তিনি আরও দাবি করেন, অভিযুক্তরা মেঘালয় হয়ে পশ্চিমবঙ্গে এসেছিল এবং পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বক্তব্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের প্রসঙ্গও উঠে আসে।অভিযোগপত্রে একাধিক ধারার উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে বিদ্বেষ ছড়ানো, উত্তেজনা সৃষ্টি, জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভাবনা এবং ভয় প্রদর্শনের মতো বিষয় উঠে এসেছে। যদিও অভিযোগের সত্যতা বা আইনি ভিত্তি নিয়ে এখনও প্রশাসনের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে তদন্তকারী সংস্থা কী পদক্ষেপ করে, সেদিকেই নজর রয়েছে সকলের।

জুন ০৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

পাপিয়ার ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই টালিগঞ্জে বিস্ফোরণ! ইট-ডিমের লড়াইয়ে রণক্ষেত্র স্টুডিওপাড়া

টলিপাড়ার সাংগঠনিক কাঠামোয় বড় পরিবর্তনের ঘোষণার মাত্র একদিনের মধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল টেকনিশিয়ান্স স্টুডিও চত্বর। বৃহস্পতিবার সকালে বৈঠককে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে ইট, পাটকেল এবং ডিম ছোড়াছুড়ি শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ।বুধবার বিজেপি বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী টেকনিশিয়ান্স স্টুডিও প্রাঙ্গণ থেকে দীর্ঘদিনের ফেডারেশন ভেঙে নতুন সংগঠন গঠনের ঘোষণা করেন। তিনি জানান, পুরনো কাঠামোর পরিবর্তে নতুন কনফেডারেশন তৈরি করা হবে এবং সংগঠনের কাঠামোয় বড়সড় পরিবর্তন আনা হবে। একই সঙ্গে টলিউডে যোগ্য ও বৈধ কর্মীদের কাজের সুযোগ নিশ্চিত করার কথাও বলেন তিনি। অবৈধভাবে বা নিয়ম না মেনে কাজ পাওয়া ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া শুরু হবে বলেও জানান।এই ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার সকালে স্টুডিও প্রাঙ্গণে একটি বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। অভিযোগ, বৈঠক শুরু হওয়ার আগেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠায় স্টুডিওর ভিতরে বৈঠক করা সম্ভব হয়নি। পরে কাছাকাছি একটি মাঠে জটলা তৈরি হয় এবং সেখানেই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বচসা শুরু হয়।এক পক্ষের অভিযোগ, সংগঠনের পদ এবং প্রভাব ধরে রাখার জন্য কিছু নেতা বহিরাগতদের নিয়ে এসে অশান্তি তৈরির চেষ্টা করছেন। অন্যদিকে পাল্টা স্লোগান তুলে প্রতিবাদ জানায় অপর পক্ষ। অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। দুই পক্ষ একে অপরকে লক্ষ্য করে ইট, পাটকেল এবং ডিম ছুড়তে শুরু করে।ঘটনায় স্টুডিওপাড়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে রিজেন্ট পার্ক থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের জেরে কিছুক্ষণ কাজকর্মও ব্যাহত হয় বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর টেকনিশিয়ানদের একাংশ বিদায়ী নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁদের দাবি, সংগঠনের আর্থিক বিষয় এবং সম্পত্তি সংক্রান্ত নানা প্রশ্নের উত্তর দেওয়া উচিত। পাশাপাশি টলিপাড়ার চলমান অস্থিরতা দূর করতে রাজ্য সরকারের হস্তক্ষেপের দাবিও তুলেছেন অনেকেই।নতুন সংগঠন গঠনের ঘোষণার পরই যে ভাবে টালিগঞ্জে উত্তেজনা ছড়িয়েছে, তাতে আগামী দিনে টলিপাড়ার সাংগঠনিক লড়াই আরও তীব্র হতে পারে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

জুন ০৪, ২০২৬
রাজ্য

এনআইএ হানার আগেই উধাও শওকত! ভাঙড় বিস্ফোরণ মামলায় তোলপাড় দক্ষিণ ২৪ পরগনা

কোথায় শওকত মোল্লা? এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে ভাঙড় ও ক্যানিংয়ের রাজনৈতিক মহলে। ভাঙড়ের বামুনিয়া বিস্ফোরণ মামলার তদন্তে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লার বাড়ি, দলীয় কার্যালয় এবং একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। তবে দীর্ঘ সময় ধরে অভিযান চললেও শওকতের খোঁজ মেলেনি।তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে এনআইএ-র একাধিক দল ভাঙড় ও সংলগ্ন এলাকায় অভিযান শুরু করে। শওকত মোল্লার বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে না পাওয়ায় তদন্তকারীদের বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, অভিযানের খবর পাওয়ার আগেই তিনি এলাকা ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন।এদিকে, তল্লাশি চলাকালীন শওকত মোল্লার ছেলে ইমরান মোল্লাকে আটক করা হয়েছে বলে খবর। তদন্তকারীরা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। শুধু বাড়িতেই নয়, ইমরানের মালিকানাধীন ক্যাফে অরণ্যের কূলে-তেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। ওই ক্যাফে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই নানা বিতর্ক রয়েছে। অভিযোগ, নদীর জমি ভরাট করে সেখানে নির্মাণ করা হয়েছে এই ক্যাফে।ভাঙড়ের বামুনিয়া এলাকায় বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছিল। আহত হয়েছিলেন আরও কয়েকজন। সেই মামলার তদন্তেই সম্প্রতি গতি এনেছে এনআইএ। কয়েকদিন আগে এই মামলায় তৃণমূল নেতা আহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপরই তদন্তের পরিধি আরও বাড়ানো হয়েছে।বৃহস্পতিবার বামুনিয়া এলাকার একাধিক বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়েছে এনআইএ। পাশাপাশি ধৃত আহিদুল ইসলামের বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়েছে। তদন্তকারীরা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি ও তথ্য সংগ্রহ করেছেন বলে সূত্রের দাবি।অন্যদিকে, শওকত মোল্লার খোঁজে তাঁর ভাই আবু জাফরের বাড়িতেও এনআইএ-র একটি দল পৌঁছেছে বলে জানা গিয়েছে। প্রাক্তন বিধায়কের অনুপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে। তিনি কি তদন্ত এড়াতেই আড়ালে রয়েছেন, নাকি অন্য কোনও কারণে এলাকায় নেইসেই প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি।

জুন ০৪, ২০২৬
কলকাতা

গ্রেপ্তারের আশঙ্কা? থানায় ডাকার পরই আচমকা অসুস্থ প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস

মেসি ইভেন্ট বিতর্কে নতুন মোড়। বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজিরা দেওয়ার কথা থাকলেও অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে সময় চাইলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। পুলিশ সূত্রে খবর, তিনি আগামী দুসপ্তাহ সময় চেয়েছেন। এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মেসি ইভেন্টের অন্যতম উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত।গত সতেরো মে অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন শতদ্রু দত্ত। অভিযোগে টিকিট কালোবাজারি, প্রতারণা, ভয় দেখানো এবং অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গাফিলতির মতো একাধিক বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, মেসির অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে প্রায় বাইশ হাজার টিকিট কালোবাজারি করা হয়েছিল। পাশাপাশি প্রভাব খাটিয়ে অরূপ বিশ্বাস মেসির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।এই অভিযোগের ভিত্তিতে অরূপ বিশ্বাসকে চার জুন থানায় হাজিরার নির্দেশ দেয় পুলিশ। তবে তার আগের রাতেই তিনি থানার সঙ্গে যোগাযোগ করে জানান, তিনি অসুস্থ এবং এই মুহূর্তে হাজিরা দিতে পারবেন না। সূত্রের খবর, অন্তত দুসপ্তাহ সময় চেয়েছেন তিনি। পরে নিজের অবস্থান জানাবেন বলেও জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, এই মামলায় গ্রেপ্তারি এড়াতে বারাসত আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন অরূপ বিশ্বাস। তবে আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। ফলে বর্তমানে তাঁর হাতে কোনও আইনি সুরক্ষা নেই বলে মনে করছেন আইনজীবীদের একাংশ। তদন্তের প্রয়োজন হলে পুলিশ যে কোনও সময় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে পারে।অন্যদিকে অরূপের অসুস্থতার খবর সামনে আসতেই তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন শতদ্রু দত্ত। সমাজমাধ্যমে তিনি লেখেন, সমন পাওয়ার পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়া অনেক প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। তাঁর দাবি, চিকিৎসার নথি দেখিয়ে সময় পাওয়া যেতে পারে, কিন্তু আইনি প্রক্রিয়া এড়ানো যায় না। এতদিন সব স্বাভাবিক ছিল, অথচ সমন আসার পরই অসুস্থতার খবর সামনে এল বলে কটাক্ষ করেন তিনি।মেসি ইভেন্ট ঘিরে এই বিতর্কে রাজনৈতিক মহলও নজর রাখছে। এখন দেখার, অরূপ বিশ্বাস কবে তদন্তকারীদের সামনে হাজির হন এবং তদন্ত কোন দিকে এগোয়।

জুন ০৪, ২০২৬
রাজ্য

পুলিশ যেতেই খাটের তলায় লুকিয়ে তৃণমূল নেতা! কাটমানি মামলায় গ্রেপ্তার হতেই বিক্ষোভ

আবাস যোজনার উপভোক্তাদের কাছ থেকে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে অবশেষে গ্রেপ্তার হলেন মাথাভাঙার জোরপাটকি এলাকার প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা শহিদুল মিঞা। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি পলাতক ছিলেন। বুধবার বিকেলে তাঁর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে খাটের তলা থেকে তাঁকে উদ্ধার করে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অভিযুক্তকে বাড়ি থেকে বের করার সময় ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখেও পড়তে হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শহিদুল মিঞার স্ত্রী জোরপাটকি গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য। অন্যদিকে শহিদুল নিজেও মাথাভাঙা থানার সিভিক ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করতেন। এলাকায় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রভাব থাকায় তিনি নিজেকে তৃণমূল নেতা হিসেবেই পরিচয় দিতেন বলে অভিযোগ।গ্রামবাসীদের অভিযোগ, আবাস যোজনার সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে উপভোক্তাদের কাছ থেকে পাঁচ হাজার, দশ হাজার থেকে শুরু করে কুড়ি হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগ সামনে আসার পর গত পঁচিশ মে এলাকাবাসীরা তাঁর গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ দেখান। তারপর থেকেই তিনি আত্মগোপন করে ছিলেন বলে দাবি স্থানীয়দের।কাটমানির অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই তাঁকে সিভিক ভলান্টিয়ারের দায়িত্ব থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এরপর তাঁর খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। কিন্তু এতদিন তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।পুলিশ সূত্রে খবর, বুধবার গোপনে নিজের বাড়িতে ফিরেছিলেন শহিদুল। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ পৌঁছনোর খবর পেয়েই তিনি বাড়ির খাটের তলায় লুকিয়ে পড়েন। পরে পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে বের করে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।অভিযুক্তকে নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। গ্রামবাসীরা বিক্ষোভ দেখিয়ে দাবি করেন, যাঁদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে, তাঁদের সমস্ত টাকা দ্রুত ফেরত দিতে হবে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

জুন ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal