• ৬ ফাল্গুন ১৪৩২, সোমবার ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Meeting

দেশ

অমিত শাহর বাড়িতে জরুরি বৈঠক সারলেন শুভেন্দু

দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) সঙ্গে বৈঠক করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মঙ্গলবার বিকেলে বিজেপির (BJP) জাতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার (JP Nadda) সঙ্গেও বৈঠক করার কথা শুভেন্দুর। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গেও বুধবার তিনি বৈঠক করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। এদিনের বৈঠকে রাজ্য সরকারের নামে নালিশ করেছেন শুভেন্দু। বৈঠক শেষে বেরিয়ে সাংবাদিকদের নিজেই একথা জানিয়েছেন বিজেপি নেতা। সেই সঙ্গে তিনি আরও অভিযোগ জানিয়েছেন, সংবিধান মেনে চলছে না রাজ্য প্রশাসন। Shri @SuvenduWB ji called on Union Home Minister Shri @AmitShah ji. pic.twitter.com/tk0oYGsTbx Office of Amit Shah (@AmitShahOffice) June 8, 2021অমিত শাহর অফিসের টুইটার অ্যাকাউন্টের পক্ষ থেকে শুভেন্দু ও অমিতের সাক্ষাতের একটি ছবি শেয়ার করা হয়েছে। শুভেন্দুও নিজের টুইটার থেকে ছবিটি শেয়ার করেছেন। সেই সঙ্গে জানিয়েছেন, নানা বিষয়েই কথা হয়েছে বৈঠকে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন, তিনি বাংলার জন্য সব সময় যেভাবে এগিয়ে এসেছেন, ভবিষ্যতেই আসবেন। মঙ্গলবার বিকেলে নাড্ডার সঙ্গে শুভেন্দুর বৈঠক হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। মনে করা হচ্ছে, বাংলায় বিজেপির রণকৌশল কী হবে এবং রাজ্য বিধানসভায় কোন কোন ইস্যু নিয়ে নিশানা করতে হবে সেই সমস্ত বিষয়ে প্রাথমিক রূপরেখা নিয়ে শুভেন্দুর সঙ্গে কথা হওয়ার সম্ভাবনা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের।সোমবারই শুভেন্দু অধিকারীকে দিল্লিতে তলব করে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। তার আগে রবিবার দলের কেন্দ্রীয় উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বাংলার নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে আলোচনা হয়। সেখানেই সিদ্ধান্ত হয় শুভেন্দুকে দিল্লিতে ডাকার বিষয়ে। লক্ষণীয়, শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে একমাত্র শুভেন্দুকেই দিল্লিতে তলব করা হয়েছে। যা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

জুন ০৮, ২০২১
দেশ

রুদ্ধদ্বার বৈঠক: শাহের বাসভবনে শুভেন্দু

রাতারাতি দিল্লিতে তলব করা হয়েছে তাঁকে। আজ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর (Amit Shah) বাড়িতে যাবেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সূত্রের খবর, বেলা সাড়ে ১১টায় অমিত শাহর বাড়িতে যাবেন তিনি। সেখানেই হবে জরুরি বৈঠক। অমিত শাহর বাড়িতে আসার কথা রয়েছে বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডারও (J P Nadda)। সূত্রের খবর, বুধবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেন শুভেন্দু অধিকারী।দুদিনের দিল্লি সফরে এসেছেন বিজেপির বিরোধী দলনেতা। মঙ্গল ও বুধবার থাকবেন দিল্লিতেই। সোমবার বিকালে আচমকাই দিল্লি থেকে ডাক আসে। তারপর রাতেই জরুরি ভিত্তিতে দিল্লির বিমান ধরেন শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু ঠিক কী কারণে এই ডাক, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে একটি সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, ভোট পরবর্তী হিংসা পরিস্থিতে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি দেওয়ার সময় হাজির থাকার জন্য এই তলব।আরও পড়ুন:: টিকাকরণ: সব নাগরিককে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেবে কেন্দ্রবিশ্লেষকরা বলছেন, বঙ্গে এখন বিজেপির কার্যত প্রধান মুখ হয়ে উঠছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। ভোট পরবর্তী হিংসা, রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি একাধিকবার সরব হয়েছেন। রাজ্যপালের সঙ্গেও করেছেন জরুরি বৈঠক। রাজ্যের একাধিক ইস্যু আর তার প্রেক্ষিতে দলের অবস্থান স্পষ্ট করার ক্ষেত্রে এখন তাঁর মুখই প্রধান হয়ে উঠছে গেরুয়া শিবিরে। সূত্র বলছে, তাতে অবশ্য অস্বস্তিতে দলের একটি অংশও।যদিও এসবের মধ্যে আরও একটি ইস্যু মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। ত্রিপল চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ উঠছে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে। দল অবশ্য বলছে, এটা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। কিন্তু গত কয়েকদিনে এই অস্বস্তি আরও বাড়িয়েছে দুটি ফৌজদারি মামলা আর তার প্রেক্ষিতে উঠে আসা দুটি নাম- রাখাল বেরা ও চঞ্চল নন্দী। দুজনেই শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ বলে পুলিশ দাবি করছে। এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দুকে রাতারাতি তলবের পিছনে অন্য কোনও কারণও লুকিয়ে থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

জুন ০৮, ২০২১
রাজনীতি

দিলীপের বৈঠক উপেক্ষা সৌমিত্রর, শুরু জল্পনা

মুকুল রায়ের বাড়িতে সৌমিত্র খাঁ । রবিবার বিকেলে সল্টলেকের বিডি ব্লকের বাড়িতে হাজির হন তিনি। মুকুলের অসুস্থ স্ত্রীর খোঁজখবর নিতে গিয়েছিলেন বলেই দাবি সৌমিত্রর। তবে দিলীপ ঘোষের সঙ্গে বৈঠক না করে মুকুল রায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নয়া গুঞ্জন। যদিও দলবদলের জল্পনা খারিজ করে দিয়েছেন সৌমিত্র। সত্যি কি মুকুল জায়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতেই মুকুল রায়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন সৌমিত্র, সেই প্রশ্ন উঠছে বারবার। তবে দলবদলের জল্পনা খারিজ করে দিয়েছেন সৌমিত্র। তাঁর দাবি, দলে এখনও দমবন্ধ হয়নি। তাই বিজেপিতেই রয়েছেন তিনি।শনিবার বাঁকুড়ায় বিজেপির সাংগঠনিক বৈঠক ছিল। জেলা মিডিয়া সেলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সেকথাই জানানো হয়। তা জানার পরই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়েছিলেন সৌমিত্র খাঁ। যদিও পরে শমীক ভট্টাচার্য দাবি করেন, মোবাইল বদল করার ফলেই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়েছেন সৌমিত্র। ওই বৈঠকেও যোগ দেননি সৌমিত্র। তাঁর যুক্তি ছিল করোনা মোকাবিলায় রাজ্যে একাধিক বিধিনিষেধ জারি রয়েছে। তাই সেই বিধিনিষেধ অগ্রাহ্য করে বৈঠকে যোগ দেবেন না তিনি। শেষ পর্যন্ত বৈঠকে যোগও দেননি সৌমিত্র।অথচ রবিবার নিয়মভঙ্গ করলেন খোদ বিজেপি সাংসদই। ওইদিন বিকেলে সল্টলেকের বিডি ব্লকের মুকুল রায়ের বাড়িতে দেখা গেল তাঁকে। তাঁর দাবি, মুকুল রায়ের অসুস্থ স্ত্রীর খোঁজখবর নিতে এসেছিলেন। শুভ্রাংশু রায়ের সঙ্গেও কথা হয় তাঁর। সৌমিত্র খাঁ ফের তৃণমূলে ফিরতে পারেন বলেই জল্পনা মাথাচাড়া দিয়েছে। এদিকে আবার মুকুল পুত্র শুভ্রাংশুরও দিনকয়েক ধরে বেসুরোদের তালিকায় নাম জুড়েছে। তাঁর ফেসবুক পোস্ট দেখে অনেকেই মনে করছেন হয়তো ঘাসফুল শিবিরেই ফিরতে পারেন বলেই মনে করা হচ্ছে। তাই মুকুল রায়ের বাড়িতে সৌমিত্র খাঁর আচমকা উপস্থিতি নিয়ে তৈরি হয়েছে নয়া গুঞ্জন।

জুন ০৭, ২০২১
রাজনীতি

মোদির পর্যালোচনা বৈঠকে গরহাজিরা, মমতার সমালোচনা অমিত- ধনখড়-রাজনাথের

রাজ্যে ঘূর্ণিঝড় যশ-এর ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পর্যালোচনা বৈঠকে অংশ না নেওয়ায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নড্ডা এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ সিংও বিষয়টি নিয়ে মমতার সমালোচনা করেছেন। টুইটারে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর অবমাননার অভিযোগ করেছেন তাঁরা সকলেই।শুক্রবার পশ্চিম মেদিনীপুরের কলাইকুন্ডায় নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করে যশ-এর ক্ষয়ক্ষতির রিপোর্ট দেন মমতা। কিন্তু পর্যালোচনা বৈঠকে অংশ নেননি তিনি। যদিও মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পূর্ব মেদিনীপুরের ঘূর্ণিঝড় বিধ্বস্ত দিঘায় পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচির কারণেই তিনি প্রধানমন্ত্রীর পর্যালোচনা বৈঠকে যোগ দিতে পারেননি। মুখ্যমন্ত্রীর অনুপস্থিতি প্রসঙ্গে অমিত টুইটারে লেখেন, মুখ্যমন্ত্রীর আজকের আচরণ দুর্ভাগ্যজনক ভাবে নিম্নস্তরের। ঘূর্ণিঝড় যশ বহু নাগরিকের উপর প্রভাব ফেলেছে। এখন ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করার সময়। দুর্ভাগ্যজনক ভাবে দিদি তাঁর অহংবোধকে জনস্বার্থের ঊর্ধ্বে স্থান দিয়েছেন। আজকের নিচু স্তরের আচরণ তারই প্রতিফলন।রাজ্যপাল এ প্রসঙ্গে টুইটারে লেখেন, ঘূর্ণিঝড় যশ-এর ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী এবং তাঁর আধিকারিকেরা অংশ নেননি। এটি আসলে সংবিধান এবং যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাকে বয়কট। অবশ্যই এমন পদক্ষেপের ফলে জাতীয় স্বার্থ বা রাজ্যের স্বার্থ রক্ষিত হয়নি। শুভেন্দু টুইটারে লেখেন, আজ ভারতের দীর্ঘলালিত সহযোগিতমূলক যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর একটি কালো দিন। সেই সঙ্গে সরাসরি পর্যালোচনা বৈঠকের প্রসঙ্গ উল্লেখ না করে শুভেন্দু লিখেছেন, মুখ্যমন্ত্রী ফের দেখালেন পশ্চিমবঙ্গের মানুষের দুর্দশার প্রতি তিনি সংবেদনশীল নন। প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রী না থাকলেও কলাইকুণ্ডায় প্রধানমন্ত্রীর পর্যালোচনা বৈঠকে হাজির ছিলেন ধনখড় এবং শুভেন্দু। নাড্ডা শুক্রবার বৈঠকে মমতার অনুপস্থিতির প্রসঙ্গে লেখেন, যখন আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজি ঘূর্ণিঝড় যশ-এর ক্ষতিগ্রস্ত বাংলার মানুষের পাশে দৃঢ় ভাবে দাঁড়িয়েছেন, তখন মমতাজির উচিত ছিল, জনগণের কল্যাণে নিজের অহংবোধ বিসর্জন দেওয়া। প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে বৈঠকে তাঁর অনুপস্থিতি হল সাংবিধানিক নীতি আর সহযোগিতামূলক যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার হত্যা। অন্যদিকে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের টুইট পশ্চিমবঙ্গে আজকের ঘটনা মর্মস্পর্শী। মুখ্যমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী কোনও ব্যক্তি নন, প্রতিষ্ঠান। দুজনেই জনসেবা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন এবং সংবিধানের আনুগত্যের শপথ নেন।আপৎকালীন পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গের জনগণকে সাহায্য করার জন্য প্রধানমন্ত্রী আসার পর তাঁর সঙ্গে যে ধরনের আচরণ করা হল তা যন্ত্রণাদায়ক। জনসেবামূলক কাজের জন্য সাংবিধানিক কর্তব্য পালনের উপরে রাজনৈতিক মতভেদকে প্রাধান্য দেওয়ার একটি দুর্ভাগ্যজনক উদাহরণ এটি। যা ভারতবর্ষের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর মূল ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

মে ২৯, ২০২১
রাজনীতি

যশ-এর ক্ষয়ক্ষতি ও অর্থ বরাদ্দ নিয়ে কলাইকুণ্ডায় মোদি-মমতার বৈঠক

আম্ফানের পর তিনি রাজ্যে এসেছিলেন। এ বার যশ পরবর্তী পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতেও রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার ওডিশার বালেশ্বর এবং ভদ্রক পরিদর্শনের পর এ রাজ্যে আসার কথা তাঁর। এমনটাই জানা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয় (পিএমও) সূত্রে। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কলাইকুণ্ডায় তাঁর নামার কথা। যশ-এর দাপটে রাজ্যের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা।যশ-এর জেরে হওয়া ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলির থেকে রিপোর্ট সংগ্রহ করেছে কেন্দ্র। সেই সঙ্গে পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে আসছেন মোদিও। পিএমও সূত্রে খবর, ঘূর্ণিঝড় বিধ্বস্ত ওডিশা এবং পশ্চিমবঙ্গ, দুই রাজ্যেই যাবেন মোদি। শুক্রবার দিল্লি থেকে প্রথমে যাবেন ভুবনেশ্বর। সেখানে ওডিশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েকের সঙ্গে বৈঠক করার কথা প্রধানমন্ত্রীর। সেখান থেকে কপ্টারে বালেশ্বর এবং ভদ্রক পরিদর্শন করার কথা মোদির। এ রাজ্যে এসে পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুরের ঝড়ে বিধ্বস্ত স্থানগুলোও পরিদর্শনের কথা রয়েছে তাঁর। প্রধানমন্ত্রীর সফরের খবর পেয়ে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে জেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার বিকেলে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কোভিড পরীক্ষা করানো শুরু হয়েছে পুলিশের কর্মীদের।ইতিমধ্যেই যশ মোকাবিলায় রাজ্যকে ৪০০ কোটি টাকা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে কেন্দ্র। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওডিশাকেও ৬০০ কোটি করে দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দ বণ্টনে বৈষম্যের অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন মমতা। মনে করা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পরে বিপর্যয় মোকাবিলা খাতে আরও কিছু বরাদ্দ করা হতে পারে।পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী হিঙ্গলগঞ্জ, সাগর এবং দিঘার দুর্গত এলাকা পরিদর্শন করে প্রশাসনিক বৈঠক করার কথা। বুধবারই নবান্নের সাংবাদিক সম্মেলন থেকে মুখ্যমন্ত্রীর এই কর্মসূচির কথা জানিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী আচমকাই রাজ্য সফরে চলে আসায় সেই কর্মসূচিতে খানিক বদল আসতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ, পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষ করে দিঘায় যেতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। শুক্রবার রাতে দিঘা থেকে প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানতে চাইবেন। সে ক্ষেত্রে শনিবার সকালে দিঘার পর্যুদস্ত এলাকা পরিদর্শনে যেতে পারেন মমতা।প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের আমপান ঘূর্ণিঝড়ের পরেও রাজ্যের পরিস্থিতি দেখতে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সে বার বসিরহাটে বৈঠক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে। বৈঠকের পর এক হাজার কোটি টাকা বরাদ্দও করেছিলেন। সে বার প্রধানমন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ও। তবে এ বার তিনি থাকছেন কি না তা জানা যায়নি।

মে ২৭, ২০২১
রাজ্য

ঘূর্ণিঝড়ের অগ্রীম ক্ষতিপূরণ নিয়ে ফের কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ মমতার

ঘূর্ণিঝড়ের আগাম ক্ষতিপূরণ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে ফের এরাজ্যের প্রতি বিমাতৃসুলভ আচরণের অভিযোগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আসন্ন ঘূর্ণিঝড় যশের মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর ডাকা বৈঠকে ওডিশা ও অন্ধ্রপ্রদেশের তুলনায় এ রাজ্যকে কম অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। ওই বৈঠকের পরে নবান্নে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওডিশা এবং অন্ধ্রপ্রদেশকে ৬০০ কোটি করে বরাদ্দ করার কথা ঘোষণা করেছেন । সেখানে এ রাজ্যকে ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। আয়তনের দিক থেকে বৃহৎ এই রাজ্যকে কম অর্থ বরাদ্দ করা অযৌক্তিক বলে মুখ্যমন্ত্রী মনে করেন। গতবছরের আম্ফান পর্বে কেন্দ্রীয় সহায়তা বাবদ প্রতিশ্রুত অর্থসাহায্য ও ঠিকমতো মেলেনি বলেও তিনি আজ অভিযোগ করেছেন।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করার পর নবান্নে ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলায় প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে আলাদা করে বৈঠক করেন মমতা। পরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আম্ফানের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়েই এবারের আসন্ন ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। গতবছর আম্ফানের সময় ১০ লক্ষ মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে গিয়ে প্রাণহানি রোখা গিয়েছিল। এবারও একই লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে। এজন্য ৪ হাজার ত্রাণশিবির খুলে লোককে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। অতিমারির আবহে ত্রাণ শিবির গুলিতে করোনা বিধি যাতে কঠোরভাবে মানা হয় সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, নবান্ন এবং উপান্ন কাল থেকে ৪৮ ঘণ্টা সারাক্ষণ নজরদারি চলবে। উদ্ধারকার্য চালানোর জন্য দল তৈরি করা হয়েছে। তিনি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে গোটা বিষয়টি তদারক করবেন। দক্ষিণবঙ্গে ঘূর্ণি ঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি বেশি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে । মানুষকে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার জন্য মুখ্যমন্ত্রী পরামর্শ দিয়েছেন। একইসঙ্গে ব্লক ব্লকে সচেতনতা মূলক প্রচার এবং মৎস্যজীবীদের মধ্যে সমুদ্রের না যাওয়ার বিষয়ে নিরন্তর প্রচার চালানোর জন্য তিনি প্রশাসনকে নির্দেশ দেন।

মে ২৪, ২০২১
রাজ্য

বিরোধী দলনেতা বাছতে ২ কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকের উপস্থিতিতে বৈঠকে বিজেপি

দলের অভ্যন্তরে আদি-নব্য বিবাদের কথা মাথায় রেখেই বিরোধী দলনেতা নির্বাচনে বসছে গেরুয়া শিবির। বিরোধী দলনেতা কে হবেন তা নিয়ে দলীয় বিধায়কদের মতামত নিতে সোমবার কলকাতায় পরিষদীয় দলের বৈঠকে বসছে বিজেপি। এছাড়া এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে নিযুক্ত দলের দুই পর্যবেক্ষক কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ ও দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ভূপেন্দ্র যাদব।বিরোধী দলনেতা বাছতে রবিশঙ্কর প্রসাদ ও ভূপেন্দ্র যাদবকেই দায়িত্ব দিয়েছেন অমিত শাহ ও জেপি নাড্ডারা। সেই মতো এদিন সকালে হেস্টিংস কার্যালয়ে বসবে বিজেপির পরিষদীয় দলের বৈঠক। দলের নবনির্বাচিত ৭৭ জন বিধায়ককে ডাকা হয়েছে বৈঠকে। এছাড়া, রাজ্যের শীর্ষনেতারাও থাকবেন। বৈঠকে বিধায়কদের কাছ থেকে মতামত নেওয়া হবে বিরোধী দলনেতা ঠিক করার বিষয়ে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, সবার মতামত নিয়ে ঐকমত্যের ভিত্তিতেই বিরোধী দলনেতা নির্বাচন করা হবে।এদিকে সূত্রের খবর, বিরোধী দলনেতা উপর থেকে কাউকে চাপিয়ে দিতে নারাজ বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। কারণ, রাজ্যে দলের আশানুরূপ ফল না হওয়ার পিছনে সেই আদি-নব্য দ্বন্দ্ব ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। দলে নতুন আসা ব্যক্তিদের প্রাধান্য দেওয়ার ফলেই এই অবস্থা বলে দাবি আদি নেতা-কর্মীদের। তৃণমূল থেকে বিজেপিতে এসে টিকিট পেয়ে যাওয়াদের অধিকাংশই হেরে গিয়েছেন। এই দলবদলুদের ভালভাবে নেয়নি মানুষ। তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। এমনটাই মনে করছেন রাজ্য বিজেপির পুরনো নেতা-কর্মীরা। কাজেই বিরোধী দলনেতা নির্বাচন সহমতের ভিত্তিতেই করতে চায় শীর্ষনেতৃত্ব। তবে বিরোধী দলনেতা হিসাবে শুভেন্দু অধিকারীর পাল্লাই ভারী বলে মনে করা হচ্ছে। মুকুল রায়ের নাম প্রথমে থাকলেও মুকুলবাবুর শরীর ভাল নেই। বিরোধী দলনেতা হলে সারা রাজ্যজুড়েই ছুটে বেড়াতে হবে। মুকুল রায়ের পক্ষে সেই ছোটাছুটি সম্ভব নয়। কারণ তাঁর শরীর ঠিক নেই। কিন্তু রাজ্য বিজেপির পুরনো নেতৃত্বের একটা বড় অংশই আবার চাইছে মনোজ টিগ্গাকেই বিরোধী দলনেতা করা হোক। মাদারিহাটের বিধায়ক মনোজ টিগ্গা এবারও জয়ী হয়েছেন। এর আগে পরিষদীয় দলের নেতাও তিনি ছিলেন।

মে ১০, ২০২১
দেশ

মোদির তোপের মুখে কেজরিওয়াল, চাইলেন ক্ষমা

শুক্রবার দেশের কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তিরস্কারের মুখে পড়তে হল দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে। নিজের ভুল বুঝতে পেরে হাতজোড় ক্ষমাও চাইতে হল তাঁকে। তবুও বিতর্ক থেকে রেহাই পাননি তিনি। পরে কেন্দ্রের বেশ কয়েকজন আধিকারিক রীতিমতো ভর্ৎসনা করলেন কেজরিওয়ালকে। তাঁদের অভিযোগ, অতিমারির সময়ে রাজনীতি করছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী।আসলে শুক্রবারের বৈঠকের সরাসরি সম্প্রচার করছিলেন কেজরিওয়াল। তাঁর এহেন পদক্ষেপকেই কাঠগড়ায় তোলেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলছিলেন কেজরিওয়াল। তখনই তাঁকে থামিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলে ওঠেন, আমাদের যা প্রোটোকল রয়েছে, এখানে তার বিরুদ্ধাচরণ করা হচ্ছে। একজন মুখ্যমন্ত্রী এমন একটি অভ্যন্তরীণ বৈঠকের সরাসরি সম্প্রচার করছেন, এমনটা একেবারেই হওয়া উচিত নয়।প্রধানমন্ত্রীর তিরস্কারের জবাবে ক্ষমা চাইতে দেখা যায় কেজরিওয়ালকে। তিনি জানিয়ে দেন, এমনটা ভবিষ্যতে আর হবে না। সেই সঙ্গে তিনি জানিয়ে দেন, যদি তাঁর কথা বা আচরণে কোনও কঠোরতা প্রকাশ পেয়ে থাকে সেজন্যও ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছেন তিনি।প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী তাঁকে থামানোর আগে কেজরিওয়াল দিল্লিতে করোনা চিকিৎসায় অক্সিজেনের অপ্রতুলতা নিয়ে বক্তব্য রাখছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, দিল্লিমুখী অক্সিজেনের ট্যাংকার অন্য রাজ্যে চলে যাচ্ছে। এরপরই তাঁকে থামিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। কেজরিওয়ালের এহেন আচরণ নিয়ে অভিযোগে তাঁকে বিদ্ধ করছেন কেন্দ্রের আধিকারিকরা। তাঁদের অভিযোগ, এমন কঠিন সময়ে এভাবে রাজনীতি করা উচিত নয়। বাকি মুখ্যমন্ত্রীরা যেখানে নিজেদের রাজ্যের পরিস্থিতি শোধরাতে কী পদক্ষেপ করেছেন সেকথা জানাচ্ছিলেন, সেখানে অরবিন্দ কেজরিওয়াল তেমন কিছুই বলতে পারেননি। উলটে তোপ দেগেছেন কেন্দ্রের অব্যবস্থার দিকে।পরে বেগতিক অবস্থায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরের তরফে অবশ্য জানানো হয়, কেন্দ্রের কাছ থেকে লিখিত বা মৌখিক কোনও নির্দেশ তাদের কাছে ছিল না যে এই ধরনের বৈঠকের সরাসরি সম্প্রচার করা যায় না।

এপ্রিল ২৩, ২০২১
রাজ্য

ভোট প্রচারে রোড শো, মিছিল বন্ধের নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

করোনা আবহে রাজ্যে চলছে টানা আট দফা ভোট। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সংক্রমণও। বৃহস্পতিবারও রাজ্যে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১২ হাজার ছুঁইছুঁই। এই পরিস্থিতিতে ভোটের পদ্ধতি নিয়ে এদিনই হাই কোর্টের তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়েছিল নির্বাচন কমিশন । তারপরই নড়েচড়ে বসেন দিল্লির কর্তারা। এদিন সন্ধেবেলা নির্দেশিকা জারি করে নির্বাচন কমিশন সমস্ত মিছিল, রোড শোয় নিষেধাজ্ঞা জারি করল। সূত্রের খবর, এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকাও পৌঁছেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে।এর আগে চতুর্থ দফা ভোটের পরই কমিশন প্রচারের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল। বলা হয়, সকাল ১০টা থেকে সন্ধে ৭টা পর্যন্ত প্রচার করা যাবে, তারপরে কোনও রকম প্রচার চলবে না। ভোটের দিনের ৭২ ঘণ্টা আগে প্রচার শেষ করে ফেলতে হবে। জনসভায় ৫০০ জনের বেশি সমাগমে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।করোনা পরিস্থিতিতে সেই নির্দেশিকা মেনেও নেন সকলে। তার আগেই অবশ্য রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হতে দেখে বাম দলগুলি প্রচার বন্ধ করেছিল। এ নিয়ে সর্বদল বৈঠকে তৃণমূলও ভার্চুয়াল প্রচারের কথা বলেছিল। তবে বিজেপি প্রচার সম্পূর্ণরূপে বন্ধের বিরোধিতা করে। এসবের জেরে নির্দিষ্ট সময় মেনেই এতদিন প্রচার চলছিল। তা সত্ত্বেও জনগণের একাংশই এই প্রচারের বিরুদ্ধে মত পোষণ করছিলেন। তবে বৃহস্পতিবার ষষ্ঠ দফা ভোট শেষ হতেই নির্বাচন কমিশন নয়া নির্দেশিকা জারি করল। সবরকম রোড শো, পদযাত্রা বন্ধ করে দেওয়া হল। জনসভা করলেও ৫০০ জনের বেশি লোক যাতে জড়ো না হন, সে বিষয়ে আরও কড়াভাবে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। প্রসঙ্গত, শেষ দু দফা ভোটের আগেই কলকাতায় রোড শো করার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। রোড শোর সূচি ছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহরও। এদিন কমিশনের নির্দেশিকার পর সেসবও বাতিল হয়ে গেল।

এপ্রিল ২২, ২০২১
রাজ্য

ভোট প্রচারে রোড শো, মিছিল বন্ধের নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

করোনা আবহে রাজ্যে চলছে টানা আট দফা ভোট। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সংক্রমণও। বৃহস্পতিবারও রাজ্যে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১২ হাজার ছুঁইছুঁই। এই পরিস্থিতিতে ভোটের পদ্ধতি নিয়ে এদিনই হাই কোর্টের তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়েছিল নির্বাচন কমিশন । তারপরই নড়েচড়ে বসেন দিল্লির কর্তারা। এদিন সন্ধেবেলা নির্দেশিকা জারি করে নির্বাচন কমিশন সমস্ত মিছিল, রোড শোয় নিষেধাজ্ঞা জারি করল। সূত্রের খবর, এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকাও পৌঁছেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে।এর আগে চতুর্থ দফা ভোটের পরই কমিশন প্রচারের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল। বলা হয়, সকাল ১০টা থেকে সন্ধে ৭টা পর্যন্ত প্রচার করা যাবে, তারপরে কোনও রকম প্রচার চলবে না। ভোটের দিনের ৭২ ঘণ্টা আগে প্রচার শেষ করে ফেলতে হবে। জনসভায় ৫০০ জনের বেশি সমাগমে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।করোনা পরিস্থিতিতে সেই নির্দেশিকা মেনেও নেন সকলে। তার আগেই অবশ্য রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হতে দেখে বাম দলগুলি প্রচার বন্ধ করেছিল। এ নিয়ে সর্বদল বৈঠকে তৃণমূলও ভার্চুয়াল প্রচারের কথা বলেছিল। তবে বিজেপি প্রচার সম্পূর্ণরূপে বন্ধের বিরোধিতা করে। এসবের জেরে নির্দিষ্ট সময় মেনেই এতদিন প্রচার চলছিল। তা সত্ত্বেও জনগণের একাংশই এই প্রচারের বিরুদ্ধে মত পোষণ করছিলেন। তবে বৃহস্পতিবার ষষ্ঠ দফা ভোট শেষ হতেই নির্বাচন কমিশন নয়া নির্দেশিকা জারি করল। সবরকম রোড শো, পদযাত্রা বন্ধ করে দেওয়া হল। জনসভা করলেও ৫০০ জনের বেশি লোক যাতে জড়ো না হন, সে বিষয়ে আরও কড়াভাবে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। প্রসঙ্গত, শেষ দু দফা ভোটের আগেই কলকাতায় রোড শো করার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। রোড শোর সূচি ছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহরও। এদিন কমিশনের নির্দেশিকার পর সেসবও বাতিল হয়ে গেল।

এপ্রিল ২২, ২০২১
রাজ্য

কলকাতায় আর কোনও বড় সভা করবেন না মুখ্যমন্ত্রী

ক্রমবর্ধমান করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে বড় সিদ্ধান্ত তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের । শহর কলকাতায় আর কোনও বড় রাজনৈতিক সমাবেশ করবেন না মমতা। শুধু আগামী ২৬ এপ্রিল বিডন স্ট্রিটে অনেক আগে থেকে পরিকল্পিত একটি রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি। তৃণমূল দলের তরফে ছোটখাটো জনসভার আয়োজন করা হতে পারে। তবে, সেই সভাগুলিতে মমতা নিজে উপস্থিত থাকবেন না। রবিবার এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে একথা জানিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী।ওই সাক্ষাৎকারে রাজ্য তথা দেশের করোনা পরিস্থিতির জন্য কেন্দ্রকে বিঁধেছেন মমতা। তাঁর দাবি, কেন্দ্রের তথা প্রধানমন্ত্রীর অদূরদর্শিতার জন্য বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর সাফ কথা, দূরদর্শিতার অভাব না থাকলে আমরা আজ এত বিপদে পড়তাম না হঠাৎ করে। মমতার দাবি,গত ছমাস সেভাবে কোনও করোনা হয়নি। সেই সময়টাকে অবহেলা করা হয়েছে। এই ছমাস পরিকল্পনা করলে, আগামী ছমাস ভাল কাটত। ওষুধের জোগান নেই, অক্সিজেনের জোগান নেই। ৮০টা দেশকে আমরা ওষুধ দিয়ে দিয়েছি। আমি এটার নিন্দা করছি না। কিন্তু নিজের দেশের দরকারটা তো আগে বুঝতে হবে। এখন হঠাৎ করে আমার কাছে অক্সিজেন নেই, ভ্যাকসিন নেই, ওষুধ নেই। দূরদর্শিতার অভাব। নাহলে হঠাৎ করে আমরা এর মধ্যে পড়তাম না।নির্বাচনে করোনার প্রভাব নিয়ে মমতা জানিয়েছেন, আমরা শেষ ৩ দফা একসঙ্গে ভোট করার কথা বলেছিলাম। কিন্তু নির্বাচন কমিশন শুধু বিজেপির কথা শোনে। আমাদের কাছে শোনে না। তবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে মমতা কলকাতায় নিজের সব বড় জনসভা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন,দল নিজের মতো ছোট করে জনসভা আয়োজন করলে করবে। কিন্তু আমি সেখানে যাব না। কারণ আমি গেলে বেশি জমায়েত হবে। আসলে, গোটা রাজ্যের মধ্যে শহর কলকাতাতেই করোনার প্রকোপ সবচেয়ে বেশি। শুধু গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় ২ হাজার ১৯৭ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। কলকাতার পাশাপাশি রাজ্যের অন্য প্রান্তের কথাও ভাবছেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন, এরপর থেকে রাজ্যের অন্যপ্রান্তের জনসভাগুলিতেও নিজের বক্তৃতার সময় কমিয়ে দেবেন তিনি। ছোট করে ভাষণ দেবেন।

এপ্রিল ১৮, ২০২১
দেশ

একদিনে করোনা আক্রান্ত ২ লক্ষ ৬১ হাজার, আজ ফের বৈঠকে মোদি

গত বছরের মতোই এবারও শক্ত হাতে করোনার বিরুদ্ধে লড়তে হবে। শনিবার উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর একথাই বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু দেশে করোনা পরিস্থিতি গত বছরের তুলনায় অনেকটাই বেশি ভয়াবহ। সাধারণ মানুষের অবহেলার সুযোগ নিয়েই চোখ রাঙাচ্ছে মারণ ভাইরাসটি। আর রবিবারের বুলেটিন বলছে, দেশে প্রথমবার একদিনে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা পেরল আড়াই লক্ষের গণ্ডি। উদ্বেগ কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে ঊর্ধ্বমুখী অ্যাকটিভ কেসের সংখ্যা।রবিবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ২ লক্ষ ৬১ হাজার ৫০০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এর বেশিরভাগটাই যে মহারাষ্ট্রের সেটা বলাই বাহুল্য। মহারাষ্ট্র ছাড়াও পাঞ্জাব, কর্নাটক, ছত্তিশগড়, দিল্লি, উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যগুলোও রীতিমতো উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। দেশে মোট করোনা আক্রান্ত ১ কোটি ৪৭ লক্ষ ৮৮ হাজার ১০৯ জন। এদিকে একদিনে এই মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারালেন ১৫০১ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনার বলি ১ লক্ষ ৭৭ হাজার ১৫০ জন। লাফিয়ে বাড়ছে অ্যাকটিভ কেসও। বর্তমানে করোনার চিকিৎসাধীন ১৮ লক্ষ ১ হাজার ৩১৬ জন।পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ৩৮ হাজার ৪২৩ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে ১ কোটি ২৮ লক্ষ ৯ হাজার ৬৪৩ জন করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন। টিকা পেয়েছেন ১২ কোটি ২৬ লক্ষেরও বেশি মানু। কিন্তু টিকাকরণেও যেন বাগে আনা যাচ্ছে না কোভিড-১৯-কে। সেই কারণেই নতুন করে দেশের একাধিক শহর আংশিক লকডাউনের পথে হেঁটেছে। প্রশ্ন উঠছে, সংক্রমণ এভাবে বাড়তে থাকলে কি ফের দেশজুড়ে লকডাউন হবে। আজ, রবিবার উত্তরপ্রদেশে ফের চিকিৎসক ও উচ্চ পর্যায়ের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন মোদি। সেখানে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সেটাই দেখার।

এপ্রিল ১৮, ২০২১
কলকাতা

করোনা পরিস্থিতিতে কড়া সিদ্ধান্ত কমিশনের

রাজ্যে শনিবার পঞ্চম দফার ভোটগ্রহণ। এর পরেও ৩ দফার ভোট রয়েছে। কিন্তু এখন থেকে আর বাকি দফাগুলিতে রাত পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচার করতে পারবে না রাজনৈতিক দলগুলি। শুক্রবার নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিল, সন্ধ্যা ৭টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত কোনও রাজনৈতিক জনসভা বা রোড-শো করা যাবে না। শুক্রবার সন্ধ্যা থেকেই এই নির্দেশ কার্যকর হচ্ছে বলে জানিয়েছে কমিশন। একই সঙ্গে কমিশন জানিয়েছে, বাকি তিন দফার ক্ষেত্রে ভোটগ্রহণের ৭২ ঘণ্টা আগেই শেষ হয়ে যাবে প্রচারের সময়সীমা। সাধারণ ভাবে ৪৮ ঘণ্টা আগে শেষ হয় প্রচারপর্ব। প্রসঙ্গত, রাজ্যে পঞ্চম দফার ভোটগ্রহণের ক্ষেত্রেও ৭২ ঘণ্টা আগে প্রচার শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন।গোটা দেশের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে হু হু করে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। শুক্রবার রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৯১০ জন। এর মধ্যে কলকাতায় আক্রান্ত ১ হাজার ৮৪৪ এবং উত্তর ২৪ পরগনায় আক্রান্ত ১ হাজার ৫৯২। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৬ জনের। তার জেরে রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা এখন ১০ হাজার ৫০৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় ৯ এবং উত্তর ২৪ পরগনায় ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।আগামী দফাগুলিতে যে সব জায়গায় ভোটগ্রহণ রয়েছে সেখানেও করোনা আক্রান্ত বৃদ্ধির সংখ্যা রীতিমতো উদ্বেগজনক। এই পরিস্থিতিতে শেষ ৩ দফার ভোটগ্রহণ একসঙ্গে করার দাবিও উঠেছিল। যদিও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে সমস্যার কথা মাথায় রেখে সেই সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয় নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার একটি সর্বদল বৈঠকও করে কমিশন। সেখানে অবশ্য নতুন কোনও সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়নি। তবে দুপুরের বৈঠকে হাজির সব রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের কঠোরভাবে কোভিড বিধি মেনে চলার বার্তা দেওয়া হয়। এর পরেই সন্ধ্যায় দিল্লি থেকে প্রচারের সময় কমিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানাল কমিশন।এই সিদ্ধান্ত জানানোর পাশাপাশি করোনাবিধি মেনে চলার জন্য নতুন করে সতর্কতাও জারি করেছে কমিশন। বলা হয়েছে, প্রত্যেক প্রার্থী এবং রাজনৈতিক দলকে করোনাবিধি কঠোর ভাবে মেনে চলতে হবে। কোনও রকম শিথিলশিথিলতা চলবে না। কোনও নিয়ম ভাঙলে কমিশন আইনগত ব্যবস্থা নেবে। ফৌজদারি মামলা করা হতে পারে বলেও জানিয়েছে কমিশন। বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যে সব সভা, সমাবেশ হবে সেখানেও প্রত্যেকের মাস্ক পরে থাকা বাধ্যতামূলক। পর্যাপ্ত স্যানিটাইজারের ব্যবস্থাও রাখতে হবে। এই বাবদ যে খরচ হবে সেটা বহন করতে হবে প্রার্থী এবং রাজনৈতিক দলগুলোকেই। নির্বাচন কমিশন প্রার্থী ও দলের জন্যে খরচের যে সীমা বেঁধে দিয়েছে তার থেকেই মাস্ক ও স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা করতে হবে।

এপ্রিল ১৬, ২০২১
রাজ্য

কোভিড সংক্রমণ বৃদ্ধিতে চিন্তিত কমিশন, শুক্রবার সর্বদল বৈঠকের ডাক

রাজ্যে এক দিকে নির্বাচন চলছে, অন্য দিকে বাড়ছে কোভিড সংক্রমণ। বুধবার আক্রান্তের সংখ্যা নয়া রেকর্ড ছুঁয়েছে। কিন্তু কোনও মতেই প্রচারের জন্য জমায়েতে রাশ টানা যাচ্ছে না। এই অবস্থায় সর্বদল বৈঠক ডাকল নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার এই বৈঠক ডাকা হয়েছে।কমিশনের তরফে রাজ্যের ১০টি রাজনৈতিক দলকে চিঠি লিখে এ কথা জানানো হয়েছে। ১৬ এপ্রিল, শুক্রবার, দুপুর ২টোর সময় কমিশনের রাজ্য দপ্তরে হাজির হতে বলা হয়েছে তাদের। স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রতিটি দল থেকে ১ জন করে প্রতিনিধি যাবেন এই বৈঠকে। কোভিড বিধির কথা মাথায় রেখেই এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের নয়, শুক্রবারের বৈঠকে এডিজি আইনশৃঙ্খলা জগমোহন ও স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণস্বরূপ নিগমকেও ডেকে পাঠানো হয়েছে। রাজ্যে সংক্রমণ বৃদ্ধির মধ্যেও প্রচারে জমায়েত কমানো যাচ্ছে না, এই অভিযোগ তুলে একাধিক জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল হাইকোর্টে। মঙ্গলবার এই ব্যাপারে শুনানিতে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, প্রচারের সময় যাতে কোভিড গাইডলাইন মেনে চলা হয়, সেটা নিশ্চিত করতে হবে কমিশনকে। মাস্ক পরা, নির্দিষ্ট দূরত্ব বিধি মেনে চলার মতো বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিতে হবে। আদালতের এই নির্দেশের পরেই বৈঠক ডাকা হয়েছে কমিশনের তরফে। কী ভাবে কোভিড বিধি মেনে প্রচার করা যাবে সেটা নিয়েই কথা হবে শুক্রবারের বৈঠকে।

এপ্রিল ১৪, ২০২১
রাজ্য

ভয় ধরাচ্ছে করোনা, পরিস্থিতি সামাল দিতে কড়া সিদ্ধান্তের পথে নবান্ন

কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ে জেরবার দেশ। বাংলায় থাবা ক্রমশ চওড়া হচ্ছে মহামারির। জটিল হচ্ছে পরিস্থিতি। এমনকী, একাধিক জেলার কোভিড হাসপাতালে শয্যা সংখ্যাও খুবই কম। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে একাধিক জেলার জেলাশাসকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠক থেকে একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করল নবান্ন।ভোটের মরশুমে রাজ্যে থাবা বসিয়েছে কোভিড-১৯ সংক্রমণ। যার জন্য রাজনৈতিক দলের মিটিং-মিছিলকে দায়ী করছেন চিকিৎসকরা। অবশ্য আমজনতার মধ্যেও গা-ছাড়া ভাব দেখা যাচ্ছে। ইতিমধ্যে বাংলার ১০ জেলায় নির্বাচন শেষ হয়ে গিয়েছে। এবার সেই সমস্ত জেলার কোভিড পরিস্থিতিতে লাগাম পরাতে উদ্যোগী হল নবান্ন। সেই উদ্দেশেই এদিন জেলাগুলির প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক সারলেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়।বৈঠকের পর জানানো হয়েছে, বাজারের মতো জনবহুল এলাকায় মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করতে জোরদার প্রচার চালানো হবে। হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারে জোর দেওয়া হবে। কোভিড সচেনতার প্রচার করতে জনবহুল এলাকায় মাইকে প্রচারেও জোর দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে বাজারগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণে জোর দিতে হবে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যসচিব। সূত্রের খবর, সংক্রমণে রাশ টানতে প্রয়োজনে শহরে মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যা বাড়ানো হতে পারে। প্রয়োজনে জমায়েত বন্ধ করার করার কথাও বলা হয়েছে। এমনকী, কোভিড রোগীর চিকিৎসার জন্য হাসপাতালগুলির ২০ শতাংশ পরিকাঠামো বৃদ্ধির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। কলকাতা পুরসভাকে ২৪ ঘণ্টা সতর্ক থাকার পরামর্শ দিল নবান্ন।আরটিপিসিআর টেস্ট বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পয়লা বৈশাখের অনুষ্ঠানে ভিড় কমানোর দিকেও নজর দিতে বলা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যসচিব। রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও দেশের অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় তা কমই রয়েছে। স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে খবর, রাজ্যের যে যে জেলাতে তিন পর্বে ভোট মিটে গিয়েছে, সেখানে বাড়তি নজর দেওয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভিডিও বৈঠক করেন দেশের করোনাপ্রবণ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে। রাজ্য থেকে সেই বৈঠকে প্রতিনিধি হিসাবে ছিলেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। তখনই তিনি জানিয়েছিলেন, সোমবার ভোট মিটে যাওয়া জেলার ডিএম, এসপি, সিএমওএইচ-দের সঙ্গে বৈঠকে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে পারেন। সেই সূচি অনুযায়ী এই বৈঠক হল।

এপ্রিল ১৩, ২০২১
কলকাতা

মমতার প্রচারে ২৪ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা জারি কমিশনের

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী প্রচারে ২৪ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা জারি করল নির্বাচন কমিশন। সোমবার রাত ৮টা থেকে মঙ্গলবার রাত ৮টা পর্যন্ত কোনও রকমের নির্বাচনী প্রচার করতে পারবেন না মুখ্যমন্ত্রী। কমিশনের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, প্ররোচনামূলক বক্তৃতার অভিযোগে মমতাকে পাঠানো নোটিসের জবাবে তারা সন্তুষ্ঠ নয়। সে কারণেই ২৪ ঘণ্টার এই নিষেধাজ্ঞা। কমিশনের এই নিষেধাজ্ঞা জারির পর মমতা টুইট করে জানিয়েছেন, মঙ্গলবার তিনি এর প্রতিবাদে গান্ধি মূর্তির নীচে ধর্নায় বসবেন।এর ফলে মমতার মঙ্গলবারের সমস্ত প্রচার কর্মসূচি বাতিল হল। তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে মঙ্গলবার বারাসত, বিধাননগর, হরিণঘাটা ও কৃষ্ণগঞ্জে মুখ্যমন্ত্রীর সভা করার কথা ছিল। শনিবার কোচবিহারের শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে ৪ জনের মৃত্যুর পরে রবিবার সেখানে যাবেন বলে ঘোষণা করেছিলেন মমতা। সেই ঘোষণার পরেই কমিশন ৭২ ঘণ্টার জন্য যে কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের শীতলকুচিতে যাওয়ার উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এর পরে মমতার প্রচারে নিষেধাজ্ঞা। তৃণমূলের বক্তব্য, গোটাটাই হচ্ছে বিজেপি-র নির্দেশে। কমিশনের এই নিষেধাজ্ঞার কড়া সমালোচনা করেছে তৃণমূল। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, মানুষ এর জবাব দেবে। পক্ষপাতদুষ্ট কমিশন বিজেপি-র শাখা সংগঠন। ভোটের বাক্সে এর জবাব দেবে মানুষ। দলের জাতীয় মুখপাত্র ডেরেক ওব্রায়েন বলেন, এটা গণতন্ত্রের পক্ষে কালো দিন।কোচবিহারের জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে একহাত নেন তৃণমূল নেত্রী। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নির্দেশেই সিআরপিএফ-এর একাংশ বিজেপি-র হয়ে কাজ করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। মমতা বলেন, সিআরপিএফ যদি গন্ডগোল করে, মেয়েদের একটা দল মিলে ওদের ঘেরাও করে রাখবেন। আর একটা দল ভোট দিতে যাবেন। শুধু ঘেরাও করে রাখলে ভোট দেওয়া হবে না। তাই ভোট নষ্ট করবেন না। ৫ জন ঘেরাও করবেন। ৫ জন ভোট দেবেন। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘেরাও করার মন্তব্যে এর আগে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক এবং কোচবিহারের জেলাশাসক তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের কাছ থেকে রিপোর্ট চেয়েছিল কমিশন। তার জন্য মমতাকেও নোটিস পাঠানো হয়।

এপ্রিল ১২, ২০২১
দেশ

করোনা রুখতে ‘টিকা উৎসব’-এর নিদান প্রধানমন্ত্রীর

দেশজুড়ে আছড়ে পড়েছে করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ। প্রায় রোজই রেকর্ড সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার চিন্তার ভাঁজ ফেলছে প্রশাসনের কপালে। এহেন পরিস্থিতি ভ্যাকসিনকে হাতিয়ার করে এই মারণ ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এবার ১১ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত টিকা উৎসব পালন করার আবেদন জানিয়েছেন তিনি।বৃহস্পতিবার, দেশে বেড়ে চলা করোনা সংক্রমণ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি বলেন, আমাদের কাছে করোনা সংক্রান্ত পর্যাপ্ত তথ্য রয়েছে। যে কোনওভাবে আমাদের মৃত্যুর হার কম রাখতে হবে। আবার কঠিন সময় আসছে। আমাদের সতর্কতায় ঢিলেমি করলে চলবে না। সম্পূর্ণ লকডাউনের আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে এদিন প্রধানমন্ত্রী মোদি মাইক্রো কন্টেনমেন্ট জোন তৈরির উপর জোর দিয়েছেন। এছাড়া, নাইট কার্ফুয়ের বদলে করোনা কার্ফু শব্দবন্ধ ব্যবহারের আর্জি জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাত ৯টা বা ১০টা থেকে সকাল ৫টা অথবা ৬টা পর্যন্ত নাইট কার্ফুয়ের সময় হওয়া উচিত। সংক্রমণ রুখতে কনট্যাক্ট ট্রেসিং করা উচিত। মহারাষ্ট্র, গুজরাত, পঞ্জাব ও ছত্তিশগড়ের মতো রাজ্যগুলি করোনার সর্বোচ্চ সংক্রমণের প্রাথমিক ঢেউ দেখেছে। তাই মানুষের মধ্যে কিছুটা গাফিলতি দেখা যাচ্ছে। বেশ কয়েকটি রাজ্যে প্রশাসনের মধ্যে ঢিলেমি দেখা যাচ্ছে। এমনটা করলে চলবে না।বৃহস্পতিবার দেশের দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যাটা পেরিয়ে গিয়েছে সওয়া এক লক্ষ। যা গত বছর যে সময় দেশের করোনা সংক্রমণের পরিমাণ একেবারে চরমে ছিল তার থেকেও অনেকটা বেশি। এই নিয়ে গত চারদিনের মধ্যে তিনদিন দেশের দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা লক্ষাধিক। এই পরিসংখ্যান ভয় ধরানোর জন্য যথেষ্ট। এদিকে, প্রধানমন্ত্রী টিকা উৎসবের কথা বললেও মহারাষ্ট্র-সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় টিকার জোগান পর্যাপ্ত নয় বলে অভিযোগ আসছে। সব মিলিয়ে দেশে মহামারি পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে।

এপ্রিল ০৮, ২০২১
রাজনীতি

বঙ্গ দখলের লড়াইয়ে রবিবার মোদি-শাহর জোড়া সভা

একই দিনে রাজ্যে মোদি-শাহ। রবিবার বিজেপি-র দুই প্রধান মুখ সমাবেশ করবেন বাঁকুড়া এবং পূর্ব মেদিনীপুরের এগরায়। রাজ্যে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ আগামী ২৭ মার্চ, শনিবার। তার আগে প্রচারের শেষ রবিবার কাজে লাগাতে ঝাঁপাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।শনিবারই খড়গপুরে সভা করে গিয়েছেন মোদি। পরের দিন ফের আসছেন তিনি। গত বুধবারই পুরুলিয়ায় সভা ছিল তাঁর। সেই অর্থে ৫ দিনে তৃতীয় সভা রাজ্যে। এর পর ২৪ তারিখেও আসছেন তিনি। সভা হবে কাঁথিতে। শুধু মোদি নন, বঙ্গ ভোটের লড়াই যত এগিয়ে আসছে তত বাংলায় সফর বাড়াচ্ছেন অমিত। ঝাঁঝালো হচ্ছে তাঁর ভাষণও। গত সোমবারই ঝাড়গ্রাম ও বাঁকুড়ায় সভা করেছেন। সে দিন বাংলা থেকে অসম গিয়েও ফের আসেন কলকাতায়। রাতভর বৈঠক করে মঙ্গলবার সকালে ফেরেন দিল্লি। রবিবার এগরায় সভার পরে সোমবারও অমিতের সভা আছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবায়। রবিবার শুধু এগরায় সভা করাই নয়, অমিতের হাত ধরে বিজেপি-তে আসতে পারেন কাঁথির তৃণমূল বিধায়ক শিশির অধিকারী। সেটা হলে রাজ্য রাজনীতির ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য দিন হবে এই রবিবার। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, এগরার সভা শেষে মেচেদায় একটি সাংগঠনিক বৈঠক করবেন অমিত। ডাকা হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা নেতৃত্বকে। গত রবিবার খড়গপুরে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার নেতৃত্বকে নিয়ে নির্বাচনী কৌশল বৈঠক করেছিলেন অমিত। রবিবার তেমন ভাবেই পূর্ব মেদিনীপুরের নেতাদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন।পূর্ব মেদিনীপুর থেকে রবিবার কলকাতায় ফিরে অমিতের একটি কর্মসূচি রয়েছে। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্ধ্যায় পদ্মশিবিরের ইস্তেহার প্রকাশ করবেন তিনি। রাজ্য বিজেপি-র দাবি, শুধু প্রথম দফার আগেই নয়, রাজ্যের আট দফা ভোটগ্রহণের প্রতিটির আগেই এই ভাবে প্রচারের ঝড় তুলতে চান মোদি-শাহ জুটি।

মার্চ ২১, ২০২১
কলকাতা

বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব সামাল দিতে আসরে শাহ-নাড্ডা

বঙ্গের দুয়ারে কড়া নাড়ছে নির্বাচন। তার আগে এখনও পর্যন্ত দফায়-দফায় মাত্র ১২০ জন প্রার্থী নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি । এর মধ্যে প্রার্থী বদলের দাবিতে জেরবার গেরুয়া শিবির। জেলায়-জেলায় স্পষ্ট অন্তর্কলহের ছবি। নির্বাচনের আগে এই ছবিতে স্বাভাবিকভাবেই বিপাকে বঙ্গ বিজেপি। আর সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে এবার আসরে নামতে হল খোদ অমিত শাহ, জেপি নাড্ডার মতো কেন্দ্রীয় হেভিওয়েট নেতাদের।পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয় যে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পালটে যায় শাহি সফরসূচি। দ্বন্দ্ব সামাল দিতে দিল্লি ফেরা বাতিল করেন বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি। আবার সময়ের আগে তড়িঘড়ি রাজ্যে আসেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার উপায় খুঁজতে সোমবার ভোররাত পর্যন্ত নিউটাউনের হোটেল চলে বৈঠকও। ছিলেন শিবপ্রকাশ, কৈলাস বিজয়বর্গীয়, অমিত মালব্য, দিলীপ ঘোষ, অমিতাভ চক্রবর্তী প্রমুখ। শেষপর্যন্ত রাজ্য নেতাদের সঙ্গে আলোচনা সেরে মঙ্গলবার সকাল ৯টার উড়ানে দিল্লি ফিরেছেন শাহ।কথা ছিল বাঁকুড়া থেকে অসম হয়ে দিল্লি ফিরে যাবেন। আচমকাই পাল্টে যায় অমিত শাহর সফরসূচি। দিল্লি ফিরে যাওয়ার বদলে রাজ্য বিজেপির শীর্ষস্তরের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করতে সোমবার রাতে কলকাতায় ফিরে এলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। শাহর তলব পেয়ে নিউ টাউনের হোটেলে আয়োজিত বেশি রাতের সেই বৈঠকে হাজির ছিলেন রাজ্য বিজেপির শীর্ষনেতাদের পাশাপাশি বাংলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতারাও। বৈঠকে অংশ নেন বি এল সন্তোষ, ভূপেন্দ্র যাদবের মতো কেন্দ্রীয় নেতারা।

মার্চ ১৬, ২০২১
বিদেশ

চিনা আগ্রাসন রুখতে ভারতেই আস্থা কোয়াড গোষ্ঠীর

চিনকে নজরে রেখে ব্লক তৈরির চেষ্টা শুরু হয়েছিল সেই ২০০৭ সাল থেকেই। অবশেষে বেজিংয়ের রক্তচক্ষুকে অবজ্ঞা করে শুক্রবার সন্ধ্যায় বসল প্রথম চতুর্দেশীয় অক্ষ বা কোয়াড রাষ্ট্রপ্রধানদের বৈঠক। লালফৌজকে নজরে রেখে কোয়াড গোষ্ঠীর চার সদস্য দেশ ভারত, আমেরিকা, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে কৌশলগত আদানপ্রদান গভীর করাই এই মঞ্চের লক্ষ্য বলে প্রাথমিক বিবৃতিতে জানিয়েছেন নেতারা। বিশেষ করে, চিনকে রুখতে ভারতই যে আমেরিকার ভরসা তা আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠল।চিন একাই ঘুম উড়িয়ে দিচ্ছে গোটা বিশ্বের। বেজিংয়ের অর্থনৈতিক, সাইবার এবং সামরিক আগ্রাসন নিয়ে আমেরিকা-সহ বিশ্বের চার বৃহৎ শক্তির জোটবদ্ধ হওয়া তারই ইঙ্গিত। কোয়াড গোষ্ঠীর মাথাব্যথার কারণ বেজিংয়ের আগ্রাসী মনোভাব। বিশেষ করে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ভারসাম্য রক্ষাই চ্যালেঞ্জ। করোনা টিকার উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি শুক্রবারের বৈঠকে এই বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছেন চার রাষ্ট্রপ্রধান। ভবিষ্যতের স্বার্থে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলকে মুক্ত রাখতে কৌশলগত সমঝোতা বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। উঠেছে আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রসঙ্গও। কূটনৈতিক লড়াইয়ে চিনকে কোণঠাসা করার লক্ষ্যে একাধিকবার চার দেশের আমলা-মন্ত্রীরা বৈঠকে বসেছেন। কিন্তু করোনা অতিমারি বদলে দিয়েছে পরিস্থিতি। তার জেরেই শুক্রবার প্রথমবার বৈঠকে মুখোমুখি হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা।ভারতীয় সংস্থাগুলির করোনা টিকা উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধিকে ঢাল করে আসলে চিনের টিকা আবিষ্কারের আলোচনা সারলেন চার রাষ্ট্রপ্রধান। মূলত মার্কিন ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলোর জন্য ভারতীয় উৎপাদক সংস্থাগুলোর কার্যকরী মূলধনের জোগান অব্যাহত রাখতে নয়াদিল্লির আবেদনে শুক্রবারের কোয়াড শীর্ষ বৈঠক। করোনা অতিমারির মোকাবিলায় ভারতীয় সংস্থাগুলোর উপর ভরসা রাখতে চাইছে অধিকাংশ দেশ। আশঙ্কা, টিকা কূটনীতিকে হাতিয়ার করে আরও আগ্রাসী হবে চিন।পূর্ব লাদাখ সীমান্তের গালওয়ান উপত্যকায় ভারত-চিন সামরিক সংঘাত উদ্বেগ বাড়িয়েছে কোয়াড গোষ্ঠীর। দক্ষিণ চিন সাগর এবং ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনা নৌবহরের ক্রমবর্ধমান দাপট আমেরিকার জন্য অস্বস্তির। ভারত-চিন বিতর্কে কোয়াড গোষ্ঠী নয়াদিল্লির পাশেই রয়েছে। তেমনই আফগানিস্তানে মার্কিন সেনা রেখে দেওয়ার ব্যাপারে সায় দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। এক্ষেত্রেও চিন্তা বা দুশ্চিন্তা সেই বেজিং। হোয়াইট হাউসের আশঙ্কা, কাবুল থেকে সেনা প্রত্যাহার করা হলে আফগানিস্তানে দাপট প্রতিষ্ঠা করবে লালফৌজ। পারস্পরিক স্বার্থ সুরক্ষিত করার মাধ্যমে একজোট থাকতে চায় ওয়াশিংটন, নয়াদিল্লি, টোকিও এবং ক্যানবেরা। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে ক্রমবর্ধমান চিনা বিনিয়োগের প্রভাব নিয়েও উদ্বিগ্ন কোয়াড গোষ্ঠী।

মার্চ ১৩, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

বাংলাদেশে নতুন সমীকরণ, নির্বাচনের পরই খুলছে আওয়ামী লীগের কার্যালয়

বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর বিভিন্ন জায়গায় আবার খুলতে শুরু করেছে আওয়ামী লীগ এর দলীয় কার্যালয়। ঢাকা সহ একাধিক জেলা ও উপজেলায় বন্ধ অফিস খুলে প্রবেশ করছেন নেতা কর্মীরা। ফলে প্রশ্ন উঠছে, দীর্ঘ সময় পর কি আবার সক্রিয় হতে চলেছে দলটি এবং রাজনীতিতে নতুন করে ভূমিকা নিতে পারে কি না।নির্বাচনের পর তারেক রহমান এর নেতৃত্বে সরকার গঠন অনেককে চমকে দিয়েছে। এর মধ্যেই আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলা এবং কর্মীদের তৎপরতা নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। অনেকেই জানতে চাইছেন, কর্মীরা কি ব্যক্তিগত উদ্যোগে অফিস খুলছেন, নাকি দলের নির্দেশে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বিরোধী শিবিরের সঙ্গে কোনও বোঝাপড়া রয়েছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।২০২৪ সালের অগস্টে গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর মহম্মদ ইউনূস এর নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হলে ২০২৫ সালের মে মাসে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যকলাপ নিষিদ্ধ করা হয়। সেই কারণে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি দলটি। এই সময় বহু দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে। ধানমন্ডির বত্রিশ নম্বরে শেখ মুজিবর রহমান এর ঐতিহাসিক বাড়িতেও হামলার অভিযোগ ওঠে।তবে নির্বাচন শেষ হতেই আওয়ামী লীগের কর্মীরা বিভিন্ন এলাকায় কার্যালয় খুলে সেখানে অবস্থান নিতে শুরু করেছেন। কোথাও কোথাও আবার পাল্টা দখল ও হামলার ঘটনাও ঘটেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকা দলটি হঠাৎ সক্রিয় হয়ে ওঠায় রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠছে।আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাছিম জানিয়েছেন, দলের কার্যালয় বাজেয়াপ্ত করা হয়নি এবং নেতা কর্মীদের সেখানে যাতায়াতে কোনও বাধা নেই। তাঁর দাবি, অন্তর্বর্তী সরকারের বিদায়ের পর দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে এই আশাতেই তৃণমূলের কর্মীরা কার্যালয়ে ফিরছেন।দলীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, বিদেশে অবস্থান করেও শেখ হাসিনা বিভিন্ন মাধ্যমে দলের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং তাঁদের কার্যালয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। এছাড়া কয়েকটি জেলার নেতা কর্মীদের দাবি, নির্বাচনের আগে স্থানীয়ভাবে সমর্থন পাওয়ার আশায় বিরোধী শিবিরের কিছু নেতা আওয়ামী লীগের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন এবং নির্বাচনের পর কার্যালয় খোলার আশ্বাস দিয়েছিলেন।নির্বাচনের পরদিনই পঞ্চগড়ে একটি কার্যালয়ের তালা খোলার দৃশ্য প্রকাশ্যে আসে এবং তা ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়। গত এক সপ্তাহে চাঁদপুর, ঠাকুরগাঁও, সাতক্ষীরা, বরগুনা, পটুয়াখালী ও খুলনা সহ একাধিক জায়গায় আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের কার্যালয়ে সক্রিয় হতে দেখা গিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
রাজ্য

দলবদলের তকমা কি মুছবে, দীপেন্দুর প্রত্যাবর্তনে প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে

খেলার মাঠ থেকে রাজনীতির ময়দান, দলবদলের বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ছে না প্রাক্তন ফুটবলার ও রাজনীতিক দীপেন্দু বিশ্বাসকে। ভোটের আগে আবার তৃণমূল কংগ্রেস এ ফিরলেন বসিরহাট দক্ষিণের প্রাক্তন এই বিধায়ক। একসময় জাতীয় দলের ফুটবলার হিসেবে পরিচিত দীপেন্দু কলকাতার বড় ক্লাবগুলিতেও খেলেছেন। তিনি ইস্টবেঙ্গল ক্লাব, মোহনবাগান এবং মহামেডান স্পোর্টিং এর জার্সিতে দীর্ঘদিন খেলেছেন এবং নব্বইয়ের দশকে ফুটবল মহলে পরিচিত মুখ ছিলেন।রাজনীতিতে প্রবেশের পরও দলবদলের অভিযোগ তাঁকে ঘিরে থেকেছে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে ভারতীয় জনতা পার্টি তে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। তবে ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে আবার পুরনো দলে ফিরে এলেন। রবিবার বসিরহাটে জেলা তৃণমূল কার্যালয়ে স্থানীয় নেতৃত্বের উপস্থিতিতে পুনরায় দলে যোগ দেন তিনি।দলে ফিরে দীপেন্দু বিশ্বাস জানান, অভিমান থেকেই তিনি দল ছেড়েছিলেন। তাঁর দাবি, বিজেপির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী ছিল না এবং কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচিতেই তাঁকে দেখা যায়নি। তিনি বলেন, দল যে দায়িত্ব দেবে সেটাই পালন করবেন এবং টিকিট নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি।একই দিনে বসিরহাট এক নম্বর ব্লকের কংগ্রেস সভাপতি আব্দুল কাদের সরদার সহ বিভিন্ন দল থেকে বহু কর্মী সমর্থক তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। ফলে এলাকায় রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।২০১৪ সালের উপনির্বাচনে তৃণমূলের টিকিটে বসিরহাট দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও অল্প ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিলেন দীপেন্দু। সেই নির্বাচনে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন শমীক ভট্টাচার্য। পরে ২০১৬ সালে একই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে বিধায়ক হন তিনি। তবে ২০২১ সালে দল টিকিট না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে দলত্যাগ করেন।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নির্বাচনের আগে দলবদলের প্রবণতা নতুন নয়। ইতিমধ্যেই একাধিক নেতা পুরনো দলে ফিরতে শুরু করেছেন। সম্প্রতি অভিনেত্রী পার্ণো মিত্র এবং শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়কেও তৃণমূলের কর্মসূচিতে দেখা গিয়েছে। ফলে ভোটের আগে দলবদলের রাজনীতি নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হচ্ছে। বিরোধীদের দাবি, ঘন ঘন দল পরিবর্তন রাজনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং এতে ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
দেশ

কাশ্মীরে তুমুল গুলির লড়াই, যৌথ বাহিনীর অভিযানে খতম দুই জঙ্গি

রবিবার জম্মু ও কাশ্মীরের পাহাড়ি এলাকায় বড়সড় সন্ত্রাস দমন অভিযান চালাল যৌথ বাহিনী। কিস্তওয়ার জেলার ছাতরু অঞ্চলে জঙ্গিদের উপস্থিতির খবর পেয়ে সেনা, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং সিআরপিএফ যৌথভাবে অভিযান শুরু করে। এখনও এলাকায় তল্লাশি ও নিরাপত্তা অভিযান চালানো হচ্ছে।গোয়েন্দা সূত্রে খবর ছিল, পার্বত্য এলাকার একটি মাটির বাড়ির ভিতরে জঙ্গিরা লুকিয়ে রয়েছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই যৌথ বাহিনী এলাকায় পৌঁছলে আড়াল থেকে গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা। পাল্টা জবাব দেয় নিরাপত্তা বাহিনী। দীর্ঘক্ষণ গুলির লড়াইয়ের পর দুই জঙ্গিকে নিকেশ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।অভিযানে নিহত জঙ্গিদের কাছ থেকে একে সাতচল্লিশ রাইফেল সহ একাধিক আধুনিক অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, নিহতদের মধ্যে একজন জইশ ই মহম্মদ এর শীর্ষ কমান্ডার। তার পরিচয় যাচাইয়ের কাজ চলছে।নিরাপত্তা বাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, দেশের শান্তি ও নিরাপত্তা নষ্ট করার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, গত এক মাসে ছাতরু জঙ্গলে একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে এবং নিরাপত্তা বাহিনী নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
রাজ্য

চোর সন্দেহে গণপ্রহার, দশ দিনের লড়াই শেষে প্রাণ গেল যুব ইঞ্জিনিয়ারের

নাইট ডিউটিতে যাওয়ার পথে গণপ্রহারের শিকার হয়ে প্রাণ হারালেন এক যুব ইঞ্জিনিয়ার। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশিয়াড়ী ব্লকের খাজরা গ্রাম পঞ্চায়েতের গিলাগেড়িয়া এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। মৃতের নাম সৌম্যদীপ চন্দ, বয়স তেত্রিশ। তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়াতেই পরিবার ও গ্রামজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত আট ফেব্রুয়ারি রাতে খড়গপুরে কাজে যোগ দিতে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন তিনি। অভিযোগ, খড়গপুর লোকাল থানার অন্তর্গত আনারকলি এলাকায় একদল মানুষ তাঁকে চোর সন্দেহে আটকায় এবং বেধড়ক মারধর করে। পরিবারের দাবি, তিনি নিজের পরিচয় দেওয়ার চেষ্টা করলেও তা শোনা হয়নি এবং মাথায় গুরুতর আঘাত করা হয়।গুরুতর জখম অবস্থায় প্রথমে তাঁকে খড়গপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় দ্রুত হাইটেক হাসপাতাল ভুবনেশ্বর এ স্থানান্তর করা হয়। সেখানে প্রায় দশ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর শুক্রবার রাত দশটা চৌত্রিশ মিনিটে তাঁর মৃত্যু হয়। শনিবার রাতে তাঁর দেহ গ্রামে পৌঁছালে কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা।সৌম্যদীপের কাকা হরেকৃষ্ণ চন্দ জানান, হাসপাতালে গিয়ে তাঁর অবস্থা দেখে তাঁরা ভেঙে পড়েছিলেন। পরিবারের দাবি, এই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হোক। ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়েছে এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিও উঠেছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
রাজ্য

রাতের অন্ধকারে গোপন বৈঠক, তৃণমূল বিজেপি যোগাযোগে বিস্ফোরক দাবি

রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্কের ঝড় তুললেন মৌসম বেনজির নূর। কংগ্রেসে ফিরে তিনি দাবি করেছেন, রাতের অন্ধকারে তৃণমূল কংগ্রেস এর কিছু নেতা গোপনে ভারতীয় জনতা পার্টি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে বোঝাপড়া রয়েছে এবং তিনি দলে থাকাকালীন টাকার লেনদেন ও ক্ষমতার রাজনীতির জন্য এমন যোগাযোগের ঘটনা দেখেছেন।একই দিনে প্রায় একই অভিযোগ তুলেছেন বিজেপির রাজ্য নেতা ও উত্তর মালদহের সাংসদ খগেন মুর্মু। তাঁর দাবি, মালদহের এক তৃণমূল বিধায়ক, জেলার দুই সহ সভাপতি, তিন সাধারণ সম্পাদক এবং আরও কয়েকজন নেতা বিজেপির সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ রাখছেন। গোপন বৈঠকের কথাও জানিয়েছেন তিনি।খগেন মুর্মুর বক্তব্য, এই তালিকায় জেলা পরিষদ ও পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যরাও রয়েছেন। তাঁর আরও দাবি, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট নেতাদের নাম প্রকাশ করতে চাননি তিনি। তাঁর আশঙ্কা, নাম প্রকাশ পেলে সংশ্লিষ্ট নেতাদের ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত বা সুযোগসন্ধানী নেতাদের বিজেপিতে জায়গা দেওয়া হবে না।অন্যদিকে মালদহ জেলা তৃণমূলের চেয়ারপার্সন চৈতালি সরকার এই অভিযোগ পুরোপুরি উড়িয়ে দেননি। তাঁর বক্তব্য, দলে কিছু নেতা রয়েছেন যারা শুধু অর্থ ও ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করেন এবং তারাই অন্য দলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। নতুন জেলা কমিটি ঘোষণার পর থেকেই মালদহ জেলা তৃণমূলের অন্দরে অসন্তোষ ও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বেড়েছে। বিভিন্ন পদ না পেয়ে অনেক নেতা ক্ষুব্ধ বলেও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহের মধ্যেই আবার অসুস্থ শরদ পওয়ার, চিন্তায় পরিবার ও সমর্থকরা

মহারাষ্ট্রের প্রবীণ রাজনীতিক শরদ পওয়ার আবার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন। ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির শীর্ষ নেতা এবং রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে রবিবার দ্রুত পুণের রুবি হল ক্লিনিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। গত সপ্তাহেও একই হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়েছিল।শরদ পওয়ারের মেয়ে ও বারামতীর সাংসদ সুপ্রিয়া সুলে জানিয়েছেন, সর্দি, কাশি ও গলার সংক্রমণে ভুগছেন তিনি। রবিবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করার সিদ্ধান্ত নেন। বর্তমানে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে তাঁকে।এর আগেও একটানা কাশি ও শ্বাসকষ্টের সমস্যার কারণে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল প্রবীণ এই নেতাকে। চিকিৎসকদের পরীক্ষায় বুকে সংক্রমণের কথা ধরা পড়ে। কয়েক দিন চিকিৎসার পর তিনি বাড়ি ফিরেছিলেন এবং বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। পুণেতে নিজের বাড়িতে বিশ্রামে থাকলেও রবিবার আবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।সম্প্রতি ব্যক্তিগত জীবনে কঠিন সময়ের মধ্যেও রয়েছেন শরদ পওয়ার। পারিবারিক শোক ও শারীরিক অসুস্থতার জেরে তাঁর রাজনৈতিক কর্মসূচিও সীমিত রাখা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন দলের নেতা কর্মী ও সমর্থকেরা।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
কলকাতা

বড় নির্দেশ হাইকোর্টের, এসআইআর ঘিরে রাজ্যের সব বিচারকের ছুটি বাতিল

এসআইআর সংক্রান্ত কাজ এবার বিচার বিভাগের তদারকিতেই হবে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের সমস্ত বিচারকের ছুটি বাতিল করার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অসুস্থতা ছাড়া কোনও বিচারক ছুটি নিতে পারবেন না। এসআইআর প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়ে বড় দায়িত্ব বিচার বিভাগের উপর দেওয়ার পরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আগে নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।এসআইআর-এর কাজ দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে নিম্ন আদালতের কাজ স্বাভাবিক রাখতে এই নির্দেশ জারি করা হয়েছে। হাইকোর্ট প্রত্যেক জেলায় জেলা বিচারক, জেলা শাসক ও পুলিশ সুপারকে নিয়ে কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি প্রায় আড়াইশো বিচারকের একটি তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে। কমিশনের তরফে প্রতিটি বিধানসভা এলাকায় একজন করে বিচার বিভাগীয় আধিকারিক চাওয়া হয়েছিল এবং সেই তালিকা হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার ইতিমধ্যেই কমিশনের কাছে পাঠিয়েছেন।জানা গিয়েছে, মাদক ও পকসো সংক্রান্ত আদালতের প্রায় একশো বিচারক এবং অন্যান্য মামলার দেড়শো বিচারকের নাম এই তালিকায় রয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের বিষয়েও শীঘ্রই একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার কথা। সেখানে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক, বিশেষ পর্যবেক্ষক, পুলিশের শীর্ষ আধিকারিক এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সূর্য কান্ত বিশেষ পরিস্থিতিতে ব্যতিক্রমী নির্দেশের কথা উল্লেখ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, জেলা বিচারক বা অতিরিক্ত জেলা বিচারকদের বিচার বিভাগীয় আধিকারিক হিসেবে নিয়োগ করা যেতে পারে এবং তাঁদের কাজে কোনও বাধা বা অসম্মান বরদাস্ত করা হবে না। সব প্রশাসনিক স্তরকে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের কাজে সহযোগিতা করার নির্দেশও দেওয়া হয়।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
দেশ

ভারতে বড় হামলার ছক ভেস্তে দিল পুলিশ, দুই রাজ্য থেকে আট জঙ্গি সন্দেহভাজন গ্রেফতার

ভারতের বিরুদ্ধে বড়সড় সন্ত্রাসের ছক ভেস্তে দিল পুলিশ। পাকিস্তান ও বাংলাদেশের জঙ্গি যোগে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ু থেকে মোট আট সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই এবং বাংলাদেশের চরমপন্থী গোষ্ঠীর মদতে এই পরিকল্পনা করা হচ্ছিল। বিদেশি হ্যান্ডলারদের নির্দেশেই ভারতে হামলার প্রস্তুতি চলছিল বলে পুলিশের অনুমান।দিল্লি পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মিজানুর রহমান, মহম্মদ শাবাদ, উমর, মহম্মদ লিটন, মহম্মদ শাহিদ ও মহম্মদ উজ্জ্বল নামে ছয় অভিযুক্তকে তামিলনাড়ুর তিরুপুর জেলার একটি পোশাক কারখানা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলা থেকে আরও দুজনকে ধরা হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিক এবং তারা নকল পরিচয়পত্র তৈরি করে ভারতে বসবাস করছিল। তদন্তে জানা গেছে, বড় ধরনের সন্ত্রাসবাদী হামলার পরিকল্পনা চলছিল এবং বিদেশ থেকে তাদের আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়া হচ্ছিল। ধৃতদের পরবর্তী জেরা ও তদন্তের জন্য দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল জানিয়েছে, জঙ্গি কার্যকলাপ সমর্থনকারী অনলাইন পোস্ট নজরে আসার পর থেকেই তদন্ত শুরু হয়। এরপর তামিলনাড়ু পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে যৌথ অভিযানে কারখানা থেকে ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের কাছ থেকে আটটি মোবাইল ফোন ও ষোলোটি সিম কার্ড উদ্ধার হয়েছে। ডিজিটাল তথ্য খতিয়ে দেখে গোটা চক্রের যোগসূত্র খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।কয়েক দিন আগে দিল্লি মেট্রো নেটওয়ার্কের বিভিন্ন জায়গায় উসকানিমূলক পোস্টার দেখা যায়। কাশ্মীর ইস্যু ও দেশের নিরাপত্তা নিয়ে উত্তেজক বার্তা লেখা ছিল ওই পোস্টারগুলিতে। সেই তদন্তে নেমেই তামিলনাড়ুর যোগসূত্র সামনে আসে এবং ধৃতদের জেরা করে পশ্চিমবঙ্গ থেকে আরও দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal