• ১৫ মাঘ ১৪৩২, মঙ্গলবার ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Medicine

স্বাস্থ্য

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য দফতরের নতুন নির্দেশ: সব ঔষধের দোকানে বাধ্যতামূলক কিউ–আর কোড, অভিযোগ জানানো আরও সহজ

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য দফতর দেশের সমস্ত ঔষধের দোকানে কিউআর কোড (QR Code) বসানো বাধ্যতামূলক করে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। এই কিউআর কোড স্ক্যান করলেই সাধারণ উপভোক্তারা নির্দিষ্ট একটি সরকারি পোর্টালে সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারবেন। ফলে ওষুধ বিক্রি সংক্রান্ত অনিয়ম, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ, ভুল মূল্য নির্ধারণ, বা বেআইনি বিক্রির মতো সমস্যা দ্রুত নজরে আসবে।স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা বাড়ানোই এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। ক্রমবর্ধমান অনিয়ম রুখতে ও জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এই ব্যবস্থা কার্যকরী হবে বলে মনে করছে কেন্দ্র। এছাড়াও একটি টোল ফ্রী নম্বার প্রকাশ করা হয়েছে, যদি আপনি ওষুধ-সংক্রান্ত (নকল/জাল/ভুল বা সমস্যাজনিত) অভিযোগ করতে চান, আপনি টোল-ফ্রি নম্বর কাজে লাগাতে পারেন:Central Drugs Standard Control Organisation (CDSCO) এর জন্য: 1800-180-3024কীভাবে কাজ করবে এই কিউআর কোড?প্রতিটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত মেডিসিন শপে দৃশ্যমান স্থানে একটি ইউনিক কিউআর কোড লাগাতে হবে।ক্রেতা কিউআর কোড স্ক্যান করলেই তিনি সরকারি অভিযোগ পোর্টাল/অ্যাপে পৌঁছে যাবেন।সেখানে দোকানের নাম, লাইসেন্স নম্বর, অবস্থান স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেখাবে।ক্রেতা সহজেই অভিযোগ বা ফিডব্যাক জমা দিতে পারবেন।প্রাপ্ত অভিযোগ সরাসরি সংশ্লিষ্ট জেলার ড্রাগ কন্ট্রোল অফিসারের কাছে পৌঁছবে।কবে থেকে কার্যকর?দফতর সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সব দোকানে কিউআর কোড বসানো বাধ্যতামূলক। সময়সীমার পর নিয়ম না মানলে জরিমানা ও লাইসেন্স বাতিল পর্যন্ত হতে পারে।কী বলছেন স্বাস্থ্য দফতর?দফতরের মতে, সাধারণ মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অভিযোগ প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও প্রযুক্তিনির্ভর করা হচ্ছে। প্রত্যেক উপভোক্তা যেন দোকানের বিরুদ্ধে সরাসরি মতামত বা অভিযোগ জানাতে পারেন, এটাই লক্ষ্য।দোকানদারদের প্রতিক্রিয়াঅনেক ফার্মাসিস্ট এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানালেও কিছু দোকান মালিকের দাবি, বাড়তি প্রশাসনিক চাপ বাড়বে। তবে অধিকাংশের মত, স্বচ্ছতা বজায় থাকলে বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়বে।কেন জরুরি এই উদ্যোগ?ওষুধের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাফার্মেসিতে নিয়ম ভঙ্গ বন্ধনকল/মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থাগ্রাহককে ক্ষমতায়নকেন্দ্রীয় সরকারের এই উদ্যোগ জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

নভেম্বর ২৪, ২০২৫
দেশ

রেমডিসিভিরে বিপদ দেখছেন বিশেষজ্ঞরা, নয়া নির্দেশিকায় সতর্কতা কেন্দ্রের

করোনা আবহে ফের একবার একগুচ্ছ নির্দেশিকা প্রকাশ করল কেন্দ্র। করোনা রোগীদের উপর রেমডিসিভির ব্যবহার নিয়ে আগেই নিয়ন্ত্রণের কথা জানানো হয়েছিল। এবার স্টেরয়েড ব্যবহারে লাগাম টানা থেকে রেমডিসিভিরের নিয়ন্ত্রিত প্রয়োগ, কোভিড চিকিৎসায় এক গুচ্ছ বদলের কথা বলা হল কেন্দ্রের কোভিড সংক্রান্ত নয়া নির্দেশিকায়।কোভিড চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধে দ্বিতীয় পর্যায়ের সংক্রমণের আশঙ্কা বাড়ে বলে অভিমত কেন্দ্রীয় বিশেষজ্ঞ দলের। উচ্চ মাত্রার স্টেরয়েড প্রয়োজনের তুলনায় বেশি দিন ব্যবহৃত হলে বেড়ে যায় মিউকরমাইকোসিস বা ব্ল্যাক ফাংগাসে জাতীয় সংক্রমণের আশঙ্কা।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রীর লোকসভায় দেওয়া তথ্য অনুসারে গত বছরের নভেম্বর পর্যন্ত ভারতে মোট ৫১৭৭৫ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন ব্ল্যাক ফাংগাসে। তাই সেখান থেকে শিক্ষা নিয়েই এই নয়া নির্দেশ বলে ধারণা বিশেষজ্ঞ মহলে।উল্লেখ্য গত সপ্তাহেই সাংবাদিক সম্মেলনে কোভিড চিকিৎসায় স্টেরয়েডের অতিরিক্ত ব্যবহার নিয়ে সতর্কতার বার্তা দিয়েছিলেন নীতি আয়োগের সদস্য ও কেন্দ্রীয় কোভিড টাস্ক ফোর্সের প্রধান ভি কে পাল। এ দিনের নির্দেশিকায় সাফ জানানো হয়েছে মধ্যম ও মৃদু উপসর্গযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা নেই ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে দেওয়া স্টেরয়েডের। স্টেরয়েড ছাড়াও রেমডিসিভিরের ব্যবহার নিয়েও মিলেছে সতর্কতার বার্তা। নতুন নির্দেশিকা অনুসারে যে রোগীদের অন্তত দশ দিন ধরে কোভিড উপসর্গ রয়েছে এবং অক্সিজেন প্রয়োজন হচ্ছে কেবল তাঁদের ক্ষেত্রেই ভাবা যেতে পারে এই ওষুধ ব্যবহারের কথা।

জানুয়ারি ১৮, ২০২২
দেশ

DGCI: কোভিড-যুদ্ধে আরও দুই টিকা ও ওষুধকে ছাড়পত্র দিল ডিসিজিআই

আরও দুই টিকা কোভোভ্যাক্স ও কোরবেভ্যাক্স-কে ভারতে ব্যবহারের ছাড়পত্র দিল ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়া (ডিসিজিআই)। এর সঙ্গে অ্যান্টি ভাইরাল ওষুধ মলনুপিরাভিরকে করোনা আক্রান্ত রোগীদের বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।টিকা দুটি কেন্দ্রীয় সংস্থার বিশেষজ্ঞ প্যানেলের বিবেচনাধীন ছিল। সোমবারই ওই বিশেষজ্ঞ প্যানেল চূড়ান্ত ছাড়পত্রের জন্য পাঠায়। বড়দের ক্ষেত্রে জরুরি পরিস্থিতিতে এই টিকা দুটি ব্যবহার করা যাবে বলে স্বাস্থ্য মন্ত্রক অনুমতি দিয়েছে। অন্যদিকে অ্যান্টি ভাইরাল ওষুধ মলনুপিরাভিরকে কোভিড আক্রান্তের ক্ষেত্রে জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য এ খবর টুইট করে জানিয়েছেন।এই নিয়ে সব মিলিয়ে দেশে মোট আটটি করোনা টিকা ব্যবহারের অনুমোদন দিল স্বাস্থ্য মন্ত্রক। দেশের দৈনিক কোভিড সংক্রমণ পর পর তিন দিন ছহাজারের ঘরেই রয়েছে। তবে দেশে ওমিক্রনে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি উদ্বেগের কারণ হয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
স্বাস্থ্য

E-Sanjivani: স্বাস্থ্য মন্ত্রকের টেলিমেডিসিন সার্ভিস - "ই-সঞ্জীবনী" 'ডিজিটাল ইন্ডিয়া'-র বাস্তব প্রয়োগ

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের জাতীয় টেলিমেডিসিন সার্ভিস - ই-সঞ্জীবনী ৩৭৫ টিরও বেশি অনলাইন বহির্বিভাগের মাধ্যমে ৬০ লক্ষেরও বেশী মানুষকে পরামর্শ দিয়ে এক দৃস্টান্ত স্থাপন করেছে। এই সরকারী ডিজিটাল পোর্টালের মাধ্যমে গড়ে ৪০,০০০ এরও বেশি রোগী প্রতিদিন নিজেদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাচ্ছেন। এই ডিজিটাল পোর্টালে ৩৭৫টির বেশী বহির্বিভাগে ১৬০০ এরও বেশি বিশেষঞ্জ চিকিৎক চিকিৎসা করছেন। বর্তমানে, জাতীয় টেলিমেডিসিন পরিষেবাটি ৩১ টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিসেবা দিচ্ছে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক এই উদ্যোগটি ২০১৯ সালের নভেম্বরে নেয় আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের মাধ্যমে। তারা এই প্রকল্পটি পরিসেবা দিতে চেয়েছিল সরকারি সাস্থ্য দপ্তরের অধীনে ১,৫৫,০০০ স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলির মাধ্যমে। কিন্তু তা বাস্তবায়িত করার জন্য আরও সময়ের প্রয়োজন ছিল। ২০২০ সালের মার্চ মাসে COVID-19 মহামারীর কারণে সারা দেশে চিকিৎসা ক্ষেত্রে বহির্বিভাগ বন্ধ হয়ে যাওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড কম্পিউটিং (মোহালি)-এর সহযোগিতায় এই উদ্যোগটি দ্রুত চালু করা হয়েছে। ই-সঞ্জীবনী এবি-এইচডাব্লুসি প্রকল্পে বিশেষঞ্জ ডাক্তারা রা মিলিত হয়ে টেলিমেডিসিন প্ল্যাটফর্মটি প্রায় ৩০ টি রাজ্যের ২০,০০০ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সাথে যুক্ত থেকছেন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকও ই-সংজীবনী বহির্বিভাগের সাথে যুক্ত হয়ে জাতীয়স্তরে প্রায় ১০০ ওপর অভিঞ্জ চিকিৎসক ও বিষেশঞ্জ নিয়ে মন্ত্রনালয় কর্তৃক গৃহীত প্রকল্পে সারাদেশে রোগীদের সেবা দিচ্ছেন।অনেক রাজ্যের লোকেরা ই-সঞ্জীবনী প্রকল্পটিকে মান্যতা দিয়েছেন এবং এর ফলে স্বাস্থ্যসেবার এই ডিজিটাল পদ্ধতিটি ব্যাপকভাবে সাড়া ফেলে দিয়েছে। এটি প্রকল্পটিতে গ্রামীণ অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবা কেন্দগুলিতেগুলির মানুষ দারুন ভাবে উপকৃত হয়েছেন। তদুপরি, এই পরিষেবাটি শহরাঞ্চলে রোগীদের জন্যও কার্যকর হয়েছে, বিশেষত মহামারীর দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময়ে যা স্বাস্থ্যসেবা পরিষেবার হাত আরও শক্ত করেছে। খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে, কেন্দ্রীয় সরকার ভারতের জাতীয় টেলিমেডিসিন পরিষেবা নগর ও গ্রামীণ ভারতে ডিজিটাল স্বাস্থ্য বিভাজনকে যুক্ত করে ভারতীয় স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে দারুন ভাবে সহায়তা করেছেন। এটি গ্রামীন হাসপাতালগুলিতে যে সাস্থ্য কর্মীর অভাব তার বোঝা কমাতে ও বিশেষঞ্জ চিকিৎকের ঘাটতিও মেটাতেও সাহায্য করেছে। জাতীয় ডিজিটাল স্বাস্থ্য মিশনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে ই সঞ্জীবনী দেশে ডিজিটাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে জোরদার করছে।ই-সঞ্জীবনী প্রকল্প যে যে রাজ্য চালু করেছে তার ক্রমানুসারে শীর্ষস্থানে আছে অন্ধ্রপ্রদেশ, সেখানে প্রায় ১২লক্ষেরও বেশি মানুষ এই প্রকল্পের সুবিধা ভোগ করেছেন। বাকি রাজ্যগুলি হল যথাক্রমেঃ তামিলনাড়ু (১১৬১৮৭), কর্ণাটক (১০৫৬৪৪৭), উত্তরপ্রদেশ (৯৫২৯২৬), গুজরাট (২৬৭৪৮২), মধ্য প্রদেশ (২৬৪৩৬৪), বিহার (১৯২৫৩৭), মহারাষ্ট্র (১৭৭৬২৯), কেরাল (১৭৩৭৩৪4) এবং উত্তরাখণ্ড (১৩৪২১৪)।

জুন ১২, ২০২১
দেশ

আগামী সপ্তাহেই বাজারে আসছে ডিআরডিও’র তৈরি ওষুধ

দেশজুড়ে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে করোনা মহামারি। সমস্ত কিছুকে আরও জটিল করে দিয়েছে হাসপাতালগুলিতে অক্সিজেনের ঘাটতি। এই পরিস্থিতিতে করোনা মোকাবিলায় ডিআরডিওর তৈরি করোনার ওষুধকে জরুরিভিত্তিতে ব্যবহারের জন্য ছাড়পত্র দিয়েছিল ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া। আর আগামী সপ্তাহ থেকেই বাজারে মিলবে এই ওষুধটি। শুক্রবার অর্থাৎ ছাড়পত্র পাওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যেই ঘোষণা ডিআরডিওর। ড্রাগ ২ ডিঅক্সি ডি গ্লুকোজ বা সংক্ষেপে ২ডিজি নামে ওষুধটির প্রথম ব্যাচে থাকবে দশ হাজারটি ডোজ। যা ব্যবহার করা যাবে করোনা রোগীদের চিকিৎসায়।সংস্থার পক্ষ থেকে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, করোনার চিকিৎসার জন্য আগামী সপ্তাহেই ২ডিজি ওষুধের প্রথম ব্যাচটি বাজারে আসতে চলেছে। যাতে থাকবে দশ হাজারটি ডোজ। ওষুধটি বাজারে এলেই তা করোনা রোগীদের জন্য ব্যবহার করা হবে। এর সঙ্গেই তাতে সংযোজন করা হয়েছে, ওষুধটি ডঃ অনন্ত নারায়ন ভাট-সহ ডিআরডিওর বৈজ্ঞানিকদের একটি দল তৈরি করেছে। প্রস্তুতকারক সংস্থা এই ওষুধটির উৎপাদন আরও বাড়াতেও সচেষ্ট হয়েছে, যাতে তা করোনা রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহার করা যায়।ইনস্টিটিউট অফ নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালিড সায়েন্স এবং হায়দরাবাদের ডক্টর রেড্ডিস ল্যাবের সহায়তায় ডিআরডিওর গবেষণাগারে তৈরি করা হয়েছে এই ওষুধ। গত শনিবার আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়ে ডিআরডিও জানিয়েছিল, এই ওষুধের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে দেখা গিয়েছে, রোগীর শরীরে অক্সিজেন নির্ভরতা কমাতে সক্ষম এটি। সহজে, ব্যাপক হারে উৎপাদনও করা যায়। করোনা রোগীদের উপর তা প্রয়োগ করে দেখা গিয়েছে, দ্রুতই তাঁদের রিপোর্ট কোভিড নেগেটিভ হয়ে যাচ্ছে। গ্লুকোজের অণু এই ওষুধের প্রধান উপকরণ।জানা গিয়েছে, ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে এই ওষুধের ট্রায়াল শুরু হয়েছিল। প্রথম দফার পর দ্বিতীয় দফাতেও দুধাপে হয়েছে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ। তৃতীয় ধাপের ট্রায়ালও হয় দুভাগে। ২০২০-র ডিসেম্বর থেকে ২০২১-এর মার্চের মধ্যে দুশোরও বেশি কোভিড রোগীর উপর ২ডিজি প্রয়োগ করা হয়েছে বলে দাবি ডিআরডিওর। সেসবের সাফল্যের নিরিখেই এবার ডিআরডিও-র তৈরি ওষুধকে জরুরিভিত্তিতে প্রয়োগের ছাড়পত্র দেওয়া হল। এর আগে রেমডেসিভির, ভিরাফিনকেও একইভাবে জরুরি চিকিৎসার জন্য ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছিল ডিজিসিআই। এবার মিলল ২ডিজি ব্যবহারের ছাড়পত্র। এই মুহূর্তে করোনা চিকিৎসায় সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয় উপকরণ অক্সিজেনের বড়সড় সংকট। ফলে এই ওষুধ যদি সেই সমস্যার খানিকটা সমাধান করতে পারে, তা ভেবেই দ্রুত আপৎকালীন পরিস্থিতিতে ব্যবহারে অনুমোদন দেওয়া হল, এমনই মত স্বাস্থ্যমহলের একাংশের।

মে ১৫, ২০২১
দেশ

'ওষুধ নয়, সুরাই পারে বাঁচাতে'!

আগামী ৬ দিন দিল্লিতে লকডাউন ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। আর তার পরেই মদ কেনার হুড়োহুড়ি পড়ে গিয়েছে রাজধানীর বেশ কিছু দোকানে। যেখানে সামাজিক দূরত্বের কোনও বালাই নেই, অনেকের মুখেই নেই মাস্ক। ক্রেতাদের সেই লম্বা লাইনের ছবি ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়াজুড়ে।অরবিন্দ কেজরিওয়াল জানিয়েছেন, আজ সোমবার রাত ১০ থেকে পরের সোমবার সকাল ৫টা পর্যন্ত লকডাউন থাকবে দিল্লি। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে চিকিৎসা এবং খাদ্য সংক্রান্ত জরুরি পরিষেবা চালু থাকবে। কিন্তু মানুষের কাছে মনে হয় খাবারের থেকেও মদের চাহিদা বেশি। ভাইরাল হওয়া ছবি ভিডিও থেকে এমনটা মনে হতেই পারে। দিল্লির খান মার্কেট, গোলে মার্কেটের মতো এলাকায় দেখা গেল, একের পর এক মদের দোকানের সামনে কয়েকশো ক্রেতার ভিড়। এই দিন ছয়েকের মদের স্টক ঠিক রাখতে হুড়োহুড়ি পড়ে গিয়েছে। সেই লাইনে মহিলা থেকে পুরুষ কেউ পিছিয়ে নেই। এক মহিলাতো দাবি করে বলসেন, ৩৫ বছর ধরে মদ খাচ্ছি। ওষুধের প্রয়োজন হয় না। ইঞ্জেকশনে কিছু লাভ হবে না। মদেই যা লাভ হওয়ার হবে। সংবাদ সংস্থার ক্যামেরার সামনে করা সেই মন্তব্য এখন ভাইরাল হয়ে গিয়েছে।লকডাউনে কিছু গাইডলাইন ঘোষণা করেছেন কেজরিওয়াল। ওষুধ, খাবারের মতো পরিষেবা স্বাভাবিক রাখা হলেও বিয়ের মতো অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। বিয়ের অনুষ্ঠানে ৫০ জনের বেশি যোগদান করতে পারবেন না। এবং তাঁদের জন্যও দিল্লি সরকার আলাদা করে পাস ইস্যু করবে। দিল্লির পরিস্থিতি দেশের সব থেকে খারাপ রাজ্যগুলির মধ্যে একটি। রবিবার দিল্লিতে নতুন করে সাড়ে ২৫ হাজার জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

এপ্রিল ১৯, ২০২১
দেশ

এবার দাম বাড়ছে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের

আগামী মাস থেকেই দেশজুড়ে বাড়তে চলেছে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের দাম। কেন্দ্রের ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রক সংস্থা কিছু বহুল ব্যবহৃত ওষুধের দাম খানিকটা বাড়ানোর অনুমতি দিয়ে দিয়েছে। তবে, তাতে খুশি নন, ওষুধ প্রস্তুতকারীরা। তাঁদের দাবি, কাঁচামালের দাম যেভাবে বাড়ছে তাতে ওষুধের দাম অন্তত ২০ শতাংশ বাড়াতে হবে। যে যে ওষুধের দাম বাড়তে চলেছে তার মধ্যে রয়েছে সাধারণ বেদনানাশক, অ্যান্টিবায়োটিক, অ্যান্টিইনফেক্টিভ, হার্টের ওষুধ। দাম বাড়তে পারে প্যারাসিট্যামলেরও। চলতি বছরে পাইকারি মূল্যবৃদ্ধির সূচকে ০.৫ শতাংশ পরিবর্তন করেছে কেন্দ্র সরকার। যার ফলে এই মূল্যবৃদ্ধি হতে চলেছে। তবে, এই বৃদ্ধি ততটা উদ্বেগজনক নয়। মূল সমস্যা অন্য জায়গায়। ওষুধ প্রস্তুতকারকদের দাবি, প্যারাসিট্যামলের মতো ওষুধের কাঁচামালের দাম অত্যাধিক হারে বেড়েছে। যার ফলে এই পরিস্থিতিতে যে যৎসামান্য মূল্য বৃদ্ধির স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে তা যথেষ্ট নয়। তাঁদের দাবি দাম বাড়াতে হবে অন্তত ২০ শতাংশ। মুশকিল হল, মূল্যবৃদ্ধির ঠেলায় সাধারণ মানুষ এমনিতেই নাজেহাল। ইতিমধ্যেই গ্যাস-পেট্রলের দাম বেরেছে লাগামছাড়া হারে। তার উপর যদি ওষুধের দামও এই হারে বাড়ে তাহলে সেটা সাধারণ মানুষের জন্য গোদের উপর বিষফোঁড়া হবে। ওষুধের কাঁচামালের দাম বাড়ার পিছনেও অবশ্য পরোক্ষে মোদি সরকারের নীতীকেই দায়ী করছে বিরোধীরা। আসলে ওষুধের কাঁচামালের একটা বড় অংশ আমদানি করতে হয় চিন থেকে। ভারতের সঙ্গে সীমান্ত বিবাদের আবহে চিন হু হু করে এই কাঁচামালগুলোর দাম বাড়াচ্ছে। আবার, ভারত যে সব ওষুধ তৈরির কাঁচামাল বিদেশে রপ্তানি করে, চিন সে সবের কাঁচামালের দাম কমিয়ে দিচ্ছে। যাতে ভারতের ওষুধ সংস্থাগুলি প্রতিযোগিতায় এঁটে উঠতে না পারে। যার ফলে সমস্যায় পড়ছেন ওষুধ ব্যবসায়ীরা।

মার্চ ২১, ২০২১

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

রাশিয়াকে পাশ কাটিয়ে তেল আমদানিতে নতুন দিশা ভারতের, ভেনেজুয়েলা ও আমেরিকার দিকে ঝুঁকতেই শুল্ক ছাঁট যুক্তরাষ্ট্রের

রাশিয়ার উপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমাতে কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিল ভারত। তেল আমদানির ক্ষেত্রে রাশিয়াকে ধীরে ধীরে পেছনে সরিয়ে এবার ভেনেজুয়েলা ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দিকে ঝুঁকছে নয়াদিল্লি। ভারতের এই ঘোষণার অব্যবহিত পরেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিল ওয়াশিংটনভারতের উপর আরোপিত আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা হল।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই দুটি ঘটনাই পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে ভারতের অবস্থান আরও শক্তিশালী হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।তেল আমদানিতে কৌশল বদল ভারতেরইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকেই রাশিয়া থেকে স্বল্পমূল্যে তেল আমদানি করছিল ভারত। তবে পশ্চিমী দেশগুলির চাপ, নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি এবং দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে এবার বিকল্প উৎসের দিকে নজর দিচ্ছে কেন্দ্র।সরকারি সূত্রের খবর, ভেনেজুয়েলা থেকে ভারী ক্রুড অয়েল এবং আমেরিকা থেকে লাইট সুইট ক্রুড আমদানির পরিকল্পনা করছে ভারত। এতে একদিকে যেমন সরবরাহে বৈচিত্র আসবে, তেমনই আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতের দর কষাকষির ক্ষমতাও বাড়বে।আমেরিকার শুল্ক ছাঁটকূটনৈতিক বার্তা?ভারতের এই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আমদানি শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত নেয় মার্কিন প্রশাসন। আগে যেখানে ভারতীয় পণ্যের উপর ২৫ শতাংশ শুল্ক বসানো হত, তা কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা হয়েছে।বাণিজ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি শুধুই অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়বরং ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত করার একটি কূটনৈতিক বার্তাও বটে। বিশেষ করে শক্তি ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে অংশীদারিত্ব বাড়াতে চাইছে আমেরিকা।ভারত-আমেরিকা বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনাশুল্ক কমার ফলে ভারতীয় পণ্যবিশেষ করে ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম, অটো যন্ত্রাংশ ও আইটি-সংক্রান্ত রপ্তানিতে সুবিধা মিলতে পারে। এর ফলে ভারতীয় রপ্তানিকারকদের খরচ কমবে এবং মার্কিন বাজারে প্রতিযোগিতা আরও সহজ হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ভারতের ভারসাম্যনীতিএকদিকে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক পুরোপুরি ছিন্ন না করে, অন্যদিকে আমেরিকা ও লাতিন আমেরিকার দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারএই ব্যালান্সিং অ্যাক্ট-ই এখন ভারতের বিদেশনীতি। শক্তি নিরাপত্তা, অর্থনীতি ও কূটনীতির মধ্যে ভারসাম্য রেখে চলার এই কৌশলই আগামী দিনে ভারতের অবস্থান আরও দৃঢ় করবে বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের।সব মিলিয়ে, তেল আমদানি ও শুল্ক ছাঁটএই দুই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের কৌশলগত গুরুত্ব আরও এক ধাপ বাড়িয়ে দিল বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৬
দেশ

‘উনি জমিদার, আমরা চাকর নই’, কমিশন বৈঠকের পর ক্ষোভ উগরে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর এ বার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নির্বাচন সদনে কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি অভিযোগ করেন, বৈঠকে তাঁদের অপমান ও অসম্মান করা হয়েছে। সেই কারণেই বৈঠক বয়কট করে বেরিয়ে এসেছেন তাঁরা।এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়দের সঙ্গে নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সদ্য মৃত তিন জন বিএলও-র পরিবার এবং এসআইআর প্রক্রিয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচটি পরিবারও। প্রায় ঘণ্টাখানেকের বেশি সময় ধরে বৈঠক চলে। বৈঠক শেষ হতেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মমতা বলেন, বৈঠকে তিনি স্পষ্ট ভাষায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে জানিয়েছেন যে, বিজেপির চাপে তিনি কাজ করছেন। তাঁর অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমার মিথ্যে কথা বলেছেন এবং জেনে বুঝে তাঁদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছেন। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, এমন ভঙ্গিতে কথা বলা হয়েছে যেন কমিশনার নিজেকে জমিদার ভাবছেন আর অন্যরা তাঁর অধীনস্থ কর্মচারী।তিনি আরও বলেন, বহু নির্বাচন কমিশনার দেখেছেন তিনি, কিন্তু এমন আচরণ আগে কখনও দেখেননি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে বিজেপির তোতাপাখি বলেও কটাক্ষ করেন মমতা। সেই সঙ্গে সীমা খান্নার নাম তুলে তিনি অভিযোগ করেন, ওই ব্যক্তি কমিশনের কেউ নন, বিজেপির আইটি সেলের সঙ্গে যুক্ত। তাঁর দাবি, সীমা খান্নার নির্দেশেই প্রায় ৫৮ লক্ষ নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।তবে এত অভিযোগের মধ্যেও মমতা স্পষ্ট করে দেন, তৃণমূল কংগ্রেস কোনওভাবেই নির্বাচন বয়কট করবে না। তিনি বলেন, এই ভুল তাঁর দল কখনও করবে না। ভোটের লড়াই তাঁরা রাস্তায় নেমেই লড়বেন।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৬
রাজ্য

অল্পের জন্য প্রাণ বাঁচল ২০২ পরীক্ষার্থীর! মাধ্যমিক কেন্দ্রে ভয়াবহ বিস্ফোরণ

মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রথম দিনেই বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেল পরীক্ষার্থীরা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায় তুফানগঞ্জ-১ ব্লকের নাককাটি গাছ উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। যদিও পুলিশ ও প্রশাসনের তৎপরতায় কোনও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।সোমবার নির্ধারিত সময়েই নাককাটি গাছ উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হয়। ওই কেন্দ্রে বালাভূত হাই স্কুল, বালাভূত বিদ্যাসাগর বিদ্যাপীঠ এবং কৃষ্ণপুর স্কুলের মোট ২০২ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছিলেন। পরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎই স্কুলের ক্যান্টিনে চা বানানোর সময় একটি গ্যাস সিলিন্ডারে আগুন ধরে যায়।মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পেয়ে স্কুল চত্বরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে পরীক্ষা কেন্দ্রে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মীরা দ্রুত সাহসিকতার পরিচয় দেন। তাঁরা জ্বলন্ত গ্যাস সিলিন্ডারটি টেনে দ্রুত স্কুল ভবনের বাইরে মাঠের মাঝখানে নিয়ে যান। ভিজে বস্তা দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করা হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় তুফানগঞ্জ দমকল কেন্দ্রে।দমকল বাহিনী পৌঁছনোর আগেই বিকট শব্দে গ্যাস সিলিন্ডারটি ফেটে যায়। বিস্ফোরণের শব্দে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই পরীক্ষা ছেড়ে দ্রুত স্কুলের মাঠে বেরিয়ে আসেন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান তুফানগঞ্জের মহকুমা শাসক কিংশুক মাইতি, এসডিপিও কান্নেধারা মনোজ কুমার-সহ জেলা প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরা। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে পরীক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করা হয়। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দুলাল বসাক জানান, পুলিশের তৎপরতার জন্যই বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়েছে। সিলিন্ডারটি ফাঁকা মাঠে বিস্ফোরিত হওয়ায় কেউ আহত হননি।পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর পরীক্ষার্থীরা আবার শান্তভাবে পরীক্ষায় বসেন এবং নির্ধারিত সময়েই পরীক্ষা সম্পন্ন করেন। প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপে বড়সড় বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন অভিভাবক ও স্কুল কর্তৃপক্ষ।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৬
দেশ

হ্যালি রোড বন্ধ, পুলিশে ঘেরা বঙ্গভবন! বেরিয়ে এসে শাহকে চ্যালেঞ্জ মমতার

রবিবার বিকেলে দিল্লিতে পৌঁছান তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সোমবার সকাল থেকেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজধানী। হঠাৎ করেই দিল্লি পুলিশ ঘিরে ফেলে বঙ্গভবন। সেই পরিস্থিতিতে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন মমতা। সঙ্গে ছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দুজনেই সোজা চলে যান বঙ্গভবনে।সোমবার সকাল থেকে বঙ্গভবনে এক নজিরবিহীন ছবি দেখা যায়। এসআইআর সংক্রান্ত অভিযোগে বাংলায় স্বজন হারানো একাধিক পরিবারের সদস্য তখন বঙ্গভবনে ছিলেন। সেই ভবনই অল্প সময়ের মধ্যে পুলিশে ভরে যায়। ব্যারিকেড দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয় হ্যালি রোড। এই অবস্থায় বঙ্গভবন থেকে বেরিয়ে আসতে দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সকাল থেকে দিল্লি পুলিশ বঙ্গভবন ঘিরে রেখেছে। ঘরে ঘরে তল্লাশি চালানো হচ্ছে, কে কে এসেছে তা খোঁজা হচ্ছে। তাঁর দাবি, এভাবে তল্লাশি চালানোর অধিকার পুলিশের নেই। বঙ্গভবন তাঁদের নিজস্ব জায়গা বলেও মন্তব্য করেন তিনি। মমতার অভিযোগ, এসআইআর আতঙ্কে ১৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেই ঘটনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই ওই পরিবারগুলি দিল্লিতে এসেছে। অনুমতি পেলে তাঁরা প্রতিবাদ জানাবেন বলেও জানান তিনি।মমতা বলেন, নির্বাচন কমিশন রয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট রয়েছে, অভিযোগ জানানোর সাংবিধানিক জায়গা রয়েছে। তারপরও যদি এভাবে বাধা দেওয়া হয়, তাহলে তৃণমূলও চুপ করে থাকবে না। প্রয়োজনে আরও কঠোর আন্দোলনের পথেও হাঁটতে পারেন বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।সেই সময়ই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন মমতা। তিনি বলেন, বাংলায় গেলে তাঁরা সম্মান দেখান, রেড কার্পেট পেতে দেন। কিন্তু দিল্লিতে যদি ব্ল্যাক কার্পেট দেখানো হয়, তাহলে তার ফলও ব্ল্যাক রেজাল্ট হবে। মমতা জানান, মঙ্গলবার বঙ্গভবনে সাংবাদিক বৈঠক হবে। সেখানে স্বজনহারানো পরিবারগুলি নিজেরাই বলবেন, বাংলায় তাঁদের সঙ্গে কী ঘটেছে।এরপর বঙ্গভবনে ঢুকে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ উগরে দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, যাঁদের পরিবারের সদস্যদের মৃত্যু হয়েছে, তাঁরা সাধারণ মানুষ। তাঁরা কোনও বিক্ষোভ করতে আসেননি। শুধু বিচার চাইতেই এসেছেন। দুই-তিন দিনের মধ্যেই তাঁরা দিল্লি ছেড়ে চলে যাবেন বলেও জানান মমতা। এত বছর দিল্লিতে থেকেও এমন পরিস্থিতি কখনও দেখেননি বলে মন্তব্য করেন তিনি।এরপর স্বজনহারানো পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে বঙ্গভবনের ভিতরে যান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে আশ্বস্ত করেন। পরে সেখান থেকে বেরিয়ে হ্যালি রোডের পুরনো বঙ্গভবনের দিকে রওনা দেন তিনি।এই ঘটনা নিয়ে বিজেপির তরফেও পাল্টা প্রতিক্রিয়া এসেছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইচ্ছাকৃতভাবে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছেন। তাঁর দাবি, বঙ্গভবন দিল্লিরই অংশ, তাই সেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য পুলিশ ঢুকতেই পারে। নিরাপত্তা দেওয়া পুলিশের দায়িত্ব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

এক ম্যাচেই ৪৫০০ কোটি! ভারত-পাক না খেললে কাঁপবে ক্রিকেটের অর্থনীতি

টি-২০ বিশ্বকাপে যদি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ম্যাচ না হয়, তাহলে গোটা ক্রিকেটবিশ্বকে বড়সড় আর্থিক ধাক্কা খেতে হতে পারে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই একটি ম্যাচ না হলে প্রায় ৪৫০০ কোটি টাকার ব্যবসা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই বিপুল লাভ। সম্প্রচারকারী সংস্থা থেকে শুরু করে বিজ্ঞাপনদাতা, স্পনসর, টিকিট বিক্রিসব ক্ষেত্রেই এই ম্যাচ সবচেয়ে বেশি আয় এনে দেয়।এই কারণেই প্রতি মেগা টুর্নামেন্টে ভারত ও পাকিস্তানকে সাধারণত একই গ্রুপে রাখা হয়। কিন্তু আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপে যদি দুই দল মুখোমুখি না হয়, তাহলে ক্রিকেটের ব্যবসায়িক দুনিয়ায় বড় ধাক্কা লাগবে বলেই মনে করা হচ্ছে। ব্যবসার দিক থেকে ভারত-পাক ম্যাচের গুরুত্ব এতটাই বেশি যে, ভারত যদি অন্য কোনও দলের বিরুদ্ধে ফাইনালও খেলে, তাতেও এই পরিমাণ অর্থের লেনদেন হয় না।প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, একটি ভারত-পাক ম্যাচ থেকে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ব্যবসা হয়। ভারতীয় মুদ্রায় যার অঙ্ক প্রায় ৪৫০০ কোটি টাকা। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তান যদি মাঠে না নামে, তাহলে এই বিশাল অঙ্কের লোকসান হবে বলেই আশঙ্কা।পরিসংখ্যান বলছে, শুধু বিজ্ঞাপন থেকেই এই ম্যাচে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা আয় হয়। ম্যাচ চলাকালীন মাত্র ১০ সেকেন্ডের বিজ্ঞাপনের দাম উঠতে পারে ৪০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। সূত্রের খবর, পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কট করতে পারেএই আশঙ্কা করেই সম্প্রচারকারী সংস্থা জিও হটস্টার আইসিসির কাছে বিশেষ ছাড় চেয়েছে। আইসিসি যদি সেই ছাড় দেয়, তাহলে তাদের লাভ কমবে। আর আইসিসির আয় কমলে তার প্রভাব পড়বে সদস্য দেশগুলির উপরও। আইসিসি থেকে পাওয়া অর্থ কমে যেতে পারে বিভিন্ন বোর্ডের।ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ না খেললে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের অন্তত ২০০ কোটি টাকার ক্ষতি হতে পারে বলে অনুমান। এর জেরে বোর্ডের একাধিক পরিকল্পনা ও কর্মসূচি থমকে যেতে পারে। একই সঙ্গে ক্ষতির মুখে পড়তে পারে ভারতীয় বোর্ডও। ভারত-পাক ম্যাচ ঘিরে সাধারণত হোটেল ভাড়া, বিমান ভাড়া এবং পর্যটন সংক্রান্ত খরচ বেড়ে যায়। ম্যাচ না হলে এই ক্ষেত্রগুলিও আর্থিক ধাক্কা খাবে।এছাড়াও আইসিসি থেকে যে বিপুল অর্থ পাওয়ার কথা, তা থেকেও বঞ্চিত হতে পারে পাকিস্তান বোর্ড। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এইভাবে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ থেকে সরে দাঁড়ালে পাকিস্তানের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ভবিষ্যতে তাদের উপর ভরসা করে বড় কোনও সংস্থা বিনিয়োগ করবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৬
কলকাতা

ঢাকুরিয়ায় গুলি-বোমার নেপথ্যে কে এই সোনা পাপ্পু? শাসক-ঘনিষ্ঠতার অভিযোগে তোলপাড়

রবিবার রাতে গুলি ও বোমাবাজির ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল দক্ষিণ কলকাতার ঢাকুরিয়ার কাঁকুলিয়া রোড এলাকা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকা দখলকে কেন্দ্র করেই এই হামলা। এই ঘটনার নেপথ্যে সোনা পাপ্পু এবং তাঁর দলবলের নাম উঠে এসেছে। কে এই সোনা পাপ্পু, আর কার মদতে তিনি এতটা প্রভাবশালী, তা নিয়েই এখন এলাকায় জোর চর্চা শুরু হয়েছে।কসবা, ঢাকুরিয়া এবং রামলাল বাজার এলাকায় সোনা পাপ্পু এখন আতঙ্কের নাম বলে দাবি স্থানীয়দের। অভিযোগ, কলকাতা পুরসভার ৬৭ এবং ৯১ নম্বর ওয়ার্ডে শাসকদলের হয়ে এলাকায় নিয়ন্ত্রণের কাজ করেন তিনি। রবিবার রাতে ঘটনার পর ৯১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়কে কাঁকুলিয়া রোডে দেখা যায়। যদিও ওই এলাকা ৯০ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যে পড়ে, যার কাউন্সিলর তাঁর স্ত্রী চৈতালি চট্টোপাধ্যায়।এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, পুরভোট বা অন্য কোনও নির্বাচনের সময় বিরোধীদের ঘরবন্দি করে রাখার কাজেও সোনা পাপ্পুকে ব্যবহার করা হয়। মাসখানেক আগে কলকাতা পুরনিগমে ৬৭ এবং ৯১ নম্বর ওয়ার্ডে প্রায় ৫০ থেকে ৫৫টি বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ জমা পড়ে। স্থানীয়দের দাবি, এই সমস্ত বেআইনি নির্মাণের পিছনেও সোনা পাপ্পুর হাত রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, পুরনিগমের আধিকারিকরাও তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সাহস পান না। শাসক দলের প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতাই এর কারণ বলে মনে করছেন বাসিন্দারা।কসবা বিধানসভা এলাকার বিভিন্ন জায়গায় বেআইনি নির্মাণ নিয়ে আগেও বহুবার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, এই নির্মাণকে ঘিরে শাসকদলের মধ্যেই দুই থেকে তিনটি গোষ্ঠী এলাকা দখলের লড়াইয়ে নেমেছে। সেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই গোটা এলাকা দীর্ঘদিন ধরে উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে, বিশেষ করে ৬৭ ও ৯১ নম্বর ওয়ার্ড। রবিবার রাতের ঘটনা তারই বহিঃপ্রকাশ বলে দাবি স্থানীয়দের।এলাকাবাসীদের দাবি, ঢাকুরিয়ার পঞ্চাননতলা বস্তি দীর্ঘদিন ধরেই সোনা পাপ্পুর নজরে ছিল। অভিযোগ, বস্তির বাসিন্দাদের ভয় দেখিয়ে উচ্ছেদ করে সেখানে নির্মাণকাজ শুরুর পরিকল্পনা ছিল তাঁর। কিন্তু বর্তমানে ওই বস্তি নিয়ন্ত্রণ করেন বাপি নামে স্থানীয় এক যুবক। এলাকার বেশিরভাগ মানুষ এখন বাপির কথাতেই চলাফেরা করেন। স্থানীয় সূত্রে দাবি, বস্তির কয়েকজন মাতব্বর, যাঁরা শাসক দলেরই এক গোষ্ঠীর আশ্রয়ে রয়েছেন, সোনা পাপ্পুর পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন। সেই কারণেই বস্তির দখল নিতে না পেরে সংঘর্ষের পথ বেছে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় সোনা পাপ্পুর সঙ্গে শাসকদলের একাধিক নেতার ছবি সামনে এসেছে। কখনও তাঁকে কসবার বিধায়ক জাভেদ খানের পাশে দেখা গিয়েছে, আবার দক্ষিণ কলকাতার তৃণমূল জেলা সভাপতি দেবাশিস কুমারের বিভিন্ন কর্মসূচিতেও উপস্থিত থাকতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। এমনকি বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রীকেও সোনা পাপ্পুর মেয়ের অন্নপ্রাশন অনুষ্ঠানে দেখা গিয়েছে বলে দাবি।তবে এই ঘটনার পর দেবাশিস কুমার বলেন, যাঁরা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের গ্রেফতার করা উচিত। তিনি আরও বলেন, কারও সঙ্গে ছবি থাকলেই সে অপরাধী শাস্তি পাবে না, এমনটা নয়। যে অন্যায় করবে, সে যে মঞ্চেই থাকুক, তার শাস্তি হওয়া উচিত।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৬
কলকাতা

রবিবার রাতে ভয়াবহ তাণ্ডব দক্ষিণ কলকাতায়, গোলপার্কে গুলি-বোমা, আহত ২

দক্ষিণ কলকাতার গোলপার্ক এলাকায় রবিবার রাতে ভয়াবহ উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পিকনিককে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় বোমাবাজি ও গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে। সংঘর্ষে দুজন আহত হয়েছেন। এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবীন্দ্র সরোবর থানার অন্তর্গত কাঁকুলিয়া রোড এলাকায় রাত সাড়ে আটটা নাগাদ এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, রবিবার তাঁরা পিকনিক সেরে বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময় হঠাৎ অন্য এলাকার কয়েকজন যুবক এলাকায় ঢুকে গোলমাল শুরু করে। তাদের আচরণে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এলাকার মানুষ। ভয়ে বহু মহিলা ঘরের ভিতরে চলে যান।স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা এই দুষ্কৃতীদের বাধা দিতে গেলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দুপক্ষের মধ্যে ইট ছোড়াছুড়ি শুরু হয়। ইটের আঘাতে কয়েকজন আহত হন বলে অভিযোগ। রাস্তায় রক্তের দাগও দেখা যায়। অভিযোগ, সংঘর্ষ চলাকালীন দুষ্কৃতীরা বোমা ছোড়ে এবং অন্তত এক রাউন্ড গুলি চালানো হয়। এই ঘটনায় দুই জন আহত হয়েছেন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশবাহিনী। পুলিশ উত্তেজিত জনতাকে সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অভিযোগ, সেই সময় জনতার একাংশ পুলিশের গাড়িতে হামলার চেষ্টা করে। এই গোলমালের মধ্যে কয়েকটি বাইক ও স্কুটি ভাঙচুর করা হয়।এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, দক্ষিণ কলকাতার দুষ্কৃতী সোনা পাপ্পুর গ্যাং এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত। এলাকা দখলের উদ্দেশ্যেই এই হামলা চালানো হয়েছে বলে তাঁদের অভিযোগ। এমনকি একটি রাজনৈতিক দলের অফিসে হামলার পরিকল্পনাও ছিল বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা।ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোল ও বোমার টুকরো উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে দুষ্কৃতীদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৬
দেশ

মমতার কমিশন যাত্রার আগেই দিল্লিতে উত্তেজনা! ঘিরে ফেলা হল বঙ্গভবন

সোমবার বিকেলে নির্বাচন কমিশনে যাওয়ার কথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তার আগেই দিল্লিতে তৈরি হয়েছে চরম উত্তেজনা। সোমবার সকাল থেকেই হঠাৎ রাস্তায় নামে বিপুল সংখ্যক পুলিশ বাহিনী। নজিরবিহীন দৃশ্য দেখা যায় বঙ্গভবনের সামনে। কার্যত ঘিরে ফেলা হয় বঙ্গভবন। ব্যারিকেড দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয় হ্যালি রোড।কী কারণে এত কড়া নিরাপত্তা, দিল্লি পুলিশের কাছে ঠিক কী তথ্য রয়েছে, তা স্পষ্ট নয়। তবে বঙ্গভবনে যে একাধিক পরিবার অপেক্ষা করছেন, সেই বিষয়টি ঘিরেই জল্পনা বাড়ছে। এসআইআর আতঙ্কে বাংলায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে আগেই দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই অভিযোগ নিয়েই তিনি নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁর সঙ্গে থাকবেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ মোট ১৫ জন প্রতিনিধি।যাঁদের পরিবারের সদস্যদের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ, তাঁদের অনেকেই ইতিমধ্যেই দিল্লিতে পৌঁছেছেন। তাঁরা বর্তমানে বঙ্গভবনে রয়েছেন। এখানেই শুরু হয়েছে নতুন করে জল্পনা। প্রশ্ন উঠছে, মৃতদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কী কর্মসূচি রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। শুধুই কমিশনের সঙ্গে বৈঠক, নাকি সন্তপ্ত পরিবারগুলিকে সঙ্গে নিয়ে কমিশন ঘেরাও করার পরিকল্পনা রয়েছে? একশোর বেশি মানুষ যখন একত্রিত হয়েছেন, তখন শুধু বৈঠক সেরে ফিরে যাবেন কি না, তা নিয়েই দিল্লির রাজনৈতিক মহলে চলছে জোর আলোচনা।এই পরিস্থিতির মাঝেই কার্যত দুর্গের চেহারা নিয়েছে বঙ্গভবন। মনে করা হচ্ছে, সেখান থেকে কেউ বেরোতে গেলে পুলিশ বাধা দিতে পারে। সেক্ষেত্রে সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।এই ঘটনায় রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়েছে। বিজেপি নেতা শঙ্কর ঘোষ বলেন, মুখ্যমন্ত্রী যখন নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছেন, তখন যেন এসআইআর শুনানি কেন্দ্রের অশান্তির বিষয়টিও তুলে ধরেন। অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, দিল্লি পুলিশ ভয় পেয়েছে। তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, ভারত একটি স্বাধীন রাষ্ট্র, সংবিধান রয়েছে, নির্বাচন কমিশন ও সুপ্রিম কোর্ট রয়েছে। তাহলে আলাদা সরকার থাকা সত্ত্বেও দিল্লির সরকার কেন ভয় পাচ্ছে, সেই প্রশ্নই উঠছে।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal