• ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১১ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mamata Bandyopadhay

রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীকে জেলা সফরে না আসার পরামর্শ রাজুর

মুখ্যমন্ত্রী ভয় পেয়েছেন তাই জেলা সফর শুরু করছেন। কিন্তু এতে লাভ কিছুই হবে না। সোমবার সকালে দুর্গাপুরের রাতুরিয়ায় চা চক্রে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে তিনি বলেন, আর তাঁকে জেলা সফরে না আসার পরামর্শ দেব। বয়স হয়েছে। কোরোনা আবহে তিনি বরং না বেরিয়ে বিশ্রাম নিন। শান্তিতে থাকুন। দরকারে কাশীতে ব্যবস্থা করে দেব। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে বলেন, যার দুধের দাঁত ভাঙেনি তাঁকে নিয়ে কি বলব! জিরো ব্যালেন্সের নেতাকে মুখ্যমন্ত্রী হিরো বানাচ্ছেন বলেই দলের নেতারা জবাব দিচ্ছেন। একে একে সবাই সরে যাচ্ছেন। কদিন পর পিসি-ভাইপো কোম্পানিতে ২ জন ছাড়া আর কেউ-ই থাকবে না। আরও পড়ুন ঃ মতুয়াদের নাগরিকত্বের জন্য কোনও সরকার কিছু করেনিঃ শান্তনু ঠাকুর প্রাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী যোগে লাভবান হবে বিজেপি? এ প্রশ্নের উত্তরে রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, অবশ্যই। রাজনীতিতে, নন্দীগ্রামে ওনার একটা বড় অবদান আছে। উনি এলে আমাদের লড়াই আরও জোরদার হবে। আরও বেশি মানুষ এই লড়াইয়ের শরিক হবেন। বিজেপি নেতার কথায়, আমরা ওনাকে স্বাগত জানিয়েছি। উনি আসবেন কি না, সেটা ওনার একান্ত ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। উনি ঠিক করবেন।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
কলকাতা

শুভেন্দুর ছেড়ে যাওয়া তিনটি দফতর নিজের হাতেই রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী

শুভেন্দুর ছেড়ে যাওয়া তিন দফতরের দায়িত্ব নিজের হাতে রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত, সেচ, পরিবহণ, জলসম্পদ দফতরের দায়িত্ব ছিল শুভেন্দু অধিকারীর হাতে। পরিবহণ দপ্তরের দায়িত্ব পেতে পারেন ফিরহাদ হাকিম বা অরূপ বিশ্বাস, এমন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। সেচদপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে, এই গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সেই সম্ভাবনা পালটে যায়। ফিরহাদের কাঁধে আপাতত পুর, নগরোয়ন্নয়ন দপ্তরের ভার। অরূপ বিশ্বাসের হাতে দুটি দপ্তরের ভার ক্রীড়া, যুবকল্যাণ। এই সবকটি দপ্তরই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাছাড়া তাঁদের সংগঠনেরও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব আছে। আরও পড়ুন ঃ আমি দলেই আছিঃ রাজীব শুক্রবার বিকেলে শুভেন্দু অধিকারীর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করার পরই জরুরি বৈঠকে দলের শীর্ষনেতাদের নিজের বাড়িতে ডেকে পাঠান মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠকে ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী তথা তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সভাপতি সুব্রত বক্সি, দুই মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, ছিলেন যুব তৃণমূল সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। সেখানে প্রায় ঘণ্টা দুই ধরে বৈঠকের পর ঠিক হয় দপ্তর বণ্টনের বিষয়টি।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
রাজ্য

নেতাজি জন্মবার্ষিকীতে বিশেষ কমিটি গঠন মুখ্যমন্ত্রীর

বিজেপি শাসিত রাজ্যে দুর্নীতি হচ্ছে , বলে আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, নাটক করছেন বিজয়বর্গীয় । ছবি তুলবে বলে গ্রেপ্তারির নামে নাটক করেছেন। মাঝেরহাট ব্রিজের কাজ অনেক আগেই শেষ হয়ে যেত। রেলের অসহযোগিতায় কাজ শেষ করতে দেরি হচ্ছে। রেলের অনুমতি না পাওয়ায় কাজ শেষ করতে ৯ মাস দেরি হয়েছে। না হলে ৯ মাস আগেই শেষ হয়ে যেত। তিনি দাবি করেন, নেতাজি সম্পর্কিত অনেক তথ্য এখনও প্রকাশ্যে আনা হয়নি। কেন্দ্রীয় সরকার এখনও পর্যন্ত সব তথ্য সামনে আনেনি। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ কমিটি গঠন করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আমি ক্ষমতায় আসার পরে কলকাতা বিমানবন্দরের নামকরণ নেতাজির নামে করানোর উদ্যোগ নিয়েছি। এর আগেই অবশ্য নতুন কমিটি ঘোষণা করেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। কমিটিতে রয়েছেন নোবেলজয়ী অর্মত্য সেন ও অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়,ব্রাত্য বসু, সুগত বসু শীর্ষেন্দু মুখ্যোপাধ্যায়। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যায়েরর উপাচার্যরাও স্থান পেয়েছেন এই কমিটিতে। কমিটির চেয়ারপার্সন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এখন তো দেখছি ইতিহাস পরিবর্তন করারও একটা প্রবণতা তৈরি হয়েছে। যারা স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন তাদের বাদ দিয়ে, যারা স্বাধীনতা আন্দোলনে বিরোধিতা করেছিলেন তাদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। রাজনৈতিক ভাবে রং করা হচ্ছে। এরপরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ২০২১-এর ২৩ জানুয়ারি থেকে ২০২২-এর ২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত কর্মসূচি চলবে। নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর কর্মপন্থা, ভাবাদর্শ, আন্দোলন, দেশপ্রেম চারিদিকে ছড়িয়ে দেওয়ার কর্মসূচি থাকবে। নেতাজির স্লোগান জয় হিন্দ গোটা দেশকে সংযুক্ত করে। বলেন, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু শুধুমাত্র জন্মদিনটি জানি, মৃত্যুদিন এখনও জানি না। আজও তাঁর স্বজন, পরিবার ও সমর্থকরা জানতে পারলেন না, শেষ বিদায়টা আদৌ হয়েছিল কিনা। কেন্দ্রীয় সরকার বলেছিল তাঁরা এবিষয়ে জানাবে। কিন্তু তারাও জানাতে পারেনি।নেতাজি সম্পর্কিত আজও অনেক সত্য আমরা এখনও জানতে পারিনি। আরও পড়ুন ঃ ধর্মঘট চাইছেন না বাংলার মানুষঃ দিলীপ কৃষকদের পাশে দাঁঁড়িয়ে তিনি আরও বলেন, নয়া কৃষি আইন কৃষকদের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। এই আইন কালোবাজারি-লুঠেরাদের সাহায্য করছে। ডাকলে আমিও দিল্লি যাব। আপনাদের পাশে দাঁড়াব। আন্দোলন করব। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্র সরকার কৃষকদের সমস্ত গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিচ্ছে। এই আইন কৃষকদের মঙ্গলের জন্য আনা হয়নি। বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর আরও অভিযোগ, দেশের জনতাকে মেরে ফেলতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। তাই চাষিদের ফসল বিক্রির অধিকার কেড়ে নিয়েছে। বিজেপিকে তীব্র কটাক্ষ করে তৃণমূল নেত্রীর অভিযোগ, বিজেপি শুধু এক নেতা, এক দল, একার রাজনীতি চায়। আর কিছু না। এই দেশটা আমাদের সবার। স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় ওঁরা কোথায় ছিল? দেশের সঙ্গে বেইমানি করেছে ওঁরা। আমি সম্পূর্ণভাবে কৃষকদের সঙ্গে আছি। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, রাজ্যের উন্নয়নের কথা বলতে গেলে রামায়ণ, মহাভারত, বাইবেল পড়া শেষ হয়ে যাবে। এছাড়াও বাঁকুড়ায় জোর করে স্থানীয়দের উচ্ছেদের খবর তার কাছে এসেছে বলেও জানান তিনি। রেল ওই এলাকায় বসবাসকারীদের জন্য পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করেই উচ্ছেদ শুরু হওয়ায় ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

নভেম্বর ২৬, ২০২০
কলকাতা

ডিসেম্বর থেকে স্বাস্থ্যসাথীর আওতায় রাজ্যের সমস্ত পরিবারঃ মমতা

স্বাস্থ্যসাথী কার্ড প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, রাজ্যের সাড়ে সাত কোটি পরিবারকে স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের আওতায় আনার লক্ষ্য ছিল রাজ্যের। কিন্তু এখন বাকি আড়াই কোটি মানুষকে এই প্রকল্পের আওতায় আনা হচ্ছে। এদিন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান জানান, কোনওরকম স্বাস্থ্য বিমার সুবিধা পান না এমন প্রত্যেকটি পরিবারই এই প্রকল্পের আওতায় অন্তর্ভূক্ত হচ্ছে। কার্ডটি গৃহকর্ত্রীর নামে ইস্যু হবে, সেক্ষেত্রে ওই মহিলা তাঁর বাপের বাড়ির সদস্যদেরও এই প্রকল্পের আওতায় চিকিৎসা করাতে পারবেন। মুখ্যমন্ত্রী জানান, ১ ডিসেম্বর থেকে অভিযান শুরু হবে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, দুয়ারে দুয়ারে সরকার ক্যাম্প করবে। সেখানে গিয়েই আবেদন করতে হবে। যথাসময়ে স্মার্ট কার্ড পেয়ে যাবেন। তিনি জানান, রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলিতে এমনিতেই বিনামূল্যে চিকিৎসা হয়। এই স্মার্টকার্ডের ফলে এবার থেকে বেসরকারি হাসপাতালগুলিতেও চিকিৎসা মিলবে। শুধু তাই নয়, ভেলোর ও এইমসে চিকিৎসার সুবিধা মিলবে। এরজন্য রাজ্য অতিরিক্ত ২ হাজার কোটি টাকা খরচ করবে বলেও দাবি করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ বিজেপির মিছিলকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র তারাতলা স্বাস্থ্যসাথীর কার্ড প্রকাশ্যে এনে তার সঙ্গে কেন্দ্রের আয়ুষ্মান ভারত যোজনার তুলনাও করেন মমতা। তাঁর বক্তব্য, আয়ুষ্মান প্রকল্পে কেন্দ্রে চিকিৎসার ৬০ শতাংশ খরচ দেয়, ৪০ শতাংশ আমাদেরই দিতে হয়। আর আমাদের প্রকল্পে ১০০ শতাংশ খরচই দিই আমরা। এতে অনেক বেশি মানুষ উপকৃত হন। এ প্রসঙ্গেই তিনি কেন্দ্রের থেকে প্রাপ্য অর্থ নিয়ে ফের সরব হন। ফের অভিযোগ তোলেন যে রাজ্যগুলোর প্রাপ্য অর্থ দিচ্ছে না কেন্দ্র। সেই অর্থ হাতে না পেয়েও এত রকমের প্রকল্প করা হচ্ছে প্রতিকূলতা কাটিয়ে, তা দৃষ্টান্ত বলেও দাবি করেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান।

নভেম্বর ২৬, ২০২০
রাজ্য

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হিটলার বলে কটাক্ষ সায়ন্তনের

এবার নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হিটলার বলে কটাক্ষ করলেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু। তিনি বলেন, মঙ্গলবার সাংগঠনিক বৈঠকে যোগ দিতে মালদহে যান বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু। সকালে পুরাতন মালদহের মঙ্গলবাড়ি এলাকায় চা-চর্চায় যোগ দেন তিনি। সেখানে তিনি বলেন, কালিঘাট প্রাইভেট লিমিটেডের শাড়ি পড়া হিটলারি শাসন কেউ বরদাস্ত করবে না। একুশের পর কালিঘাটে মাত্র ২ জন থাকবেন। ডুবন্ত জাহাজ ছেড়ে পালাবেন বাকি সকলে। যারা মমতা সরকারের বিরুদ্ধে লড়তে চান, তাঁদের সকলকে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরামর্শও দেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ গোটা রাজ্যে আমিই পর্যবেক্ষকঃ মমতা সুজাপুর বিস্ফোরণ কাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সায়ন্তন বসু দাবি করেন, ওই বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা অনেক বেশি। সরকার সংখ্যা গোপন করছে, দেহ লুকিয়ে ফেলা হয়েছে। বাংলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জঙ্গি গ্রেপ্তারির ঘটনার জন্য রাজ্য সরকারকেই দায়ী করেন তিনি। বলেন, পশ্চিমবঙ্গকে পশ্চিম বাংলাদেশ তৈরি করার চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
রাজনীতি

সিপিএম ও বিজেপি লোভী ও ভোগী, তৃণমূল ত্যাগীঃ মমতা

বাঁকুড়ার সভা থেকে একযোগে সিপিএম ও বিজেপিকে আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার বাঁকুড়ার শুনুকপাহাড়ী ময়দানে ছিল দলের কর্মীসভা। সেখানে তিনি বলেন, সিপিএম হল লোভী, বিজেপি হল ভোগী ও তৃণমূল হল ত্যাগী। লোকসভা ভোটের সময় জগাই-মাধাই-গদাই এক হয়েছিল। সিপিএম-এর হার্মাদরাই আজ রং পরিবর্তন করে বিজেপি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আপনারা কি সিপিএম-এর সেদিনের অত্যাচার ভুলে গেছেন। সেদিনের লড়াইয়ের কথা ভুলে গেছেন। আমি কিন্তু ভুলিনি। বাঁকুড়ার ছেলেমেয়েরা আগে ভয়ে বাড়ি থেকে বের হতে পারত না। কিন্তু আজ সেই বাঁকুড়া শান্তিতে আছে। বিজেপিকে আক্রমণ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অন্য সময় পাত্তা নেই। আর আজ যখন বাংলার মানুষ শান্তিতে বাস করছে তখন মানুষের শান্তি কেড়ে নেওয়ার জন্য দিল্লি কা লাড্ডু কয়েকজনকে বাংলায় পাঠিয়েছে। তাঁরা কেউ বাংলার লোক নয়। বাইরের লোক। আপনাদের সব লুটে নেবে। কিন্তু যখন নির্বাচন আসবে তখন দেখবেন আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দিচ্ছে। এলাকায় লুকিয়ে লুকিয়ে টাকা দিচ্ছে। পুলিশের বিভিন্ন এজেন্সিতে যারা কাজ করে তাদের মাধ্যমেও টাকা দেওয়া হচ্ছে বলে শুনেছি। আরও পড়ুন ঃ অনুব্রতর গড়ে চ্যালেঞ্জ দিলীপের বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, ১০০ দিনের কর্মীরা সঠিক সময় টাকা পাচ্ছেন না। কারণ সেই টাকা সুদে খাটাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। তাঁর কথায়, কেন্দ্র বাংলা থেকে করের টাকা নিয়ে যায়। সেই টাকাই আবার রাজ্যকে দেয়। আলাদা করে কিছুই দেয় না। জনসভা থেকে নাম না করে দিলীপ ঘোষকেও কটাক্ষ করতে পিছপা হননি মমতা। তাঁর খোঁচা, কেউ কেউ বলছেন গোমূত্র খেলে করোনা হবে না। তিনি তো খেয়েছিলেন. তাহলে তাঁর কীভাবে করোনা হল? বিজেপির রাজ্য সভাপতির গোমূত্র থেকে সোনা তৈরির মন্তব্য নিয়েও কটাক্ষ করলেন তিনি। বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের বাঁকুড়া সফর নিয়ে মমতার খোঁচা, বাঁকুড়ায় এসে পাঁচতারা হোটেলের খাবার খেয়েছেন তিনি। এভাবে কি মানুষের কাছে আসা যায়? এছাড়াও নাম না করে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কেও বিঁধলেন তিনি। তাঁর কথায়, কিছু মানুষের কোনও কাজ নেই সকাল থেকে শুধু টুইট করে যান। উল্লেখ্য,বাংলা কৃষকদের কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা না দেওয়ার নিয়ে রাজ্য সরকারকে বিঁধেছিলেন রাজ্যপাল। পালটা মমতার দাবি, আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি, কৃষকদের প্রকল্পের টাকা চেয়ে কেন্দ্রকে চিঠি দিয়েছিলাম। বলেছিলাম, রাজ্যকে টাকা পাঠিয়ে দিন, আমরা কৃষকদের দিয়ে দেব। কিন্তু তাঁরা টাকা পাঠায়নি।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
রাজ্য

গোটা রাজ্যে আমিই পর্যবেক্ষকঃ মমতা

শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল কংগ্রেসে থাকবেন কিনা, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক জল্পনা চলছে। এছাড়াও বেশ কয়েকজন বিধায়ক ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মন্তব্য করে দলকে অস্বস্তিতে ফেলেছেন। এবার দলের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার বাঁকুড়ার শুনুকপাহাড়ী ময়দানে দলীয় কর্মীসভার মঞ্চ থেকে তিনি বলেন, গোটা রাজ্যে আমিই দলের পর্যবেক্ষক। দলের কর্মী হিসেবে আমি নজর রাখছি। সব নজরে আছে, দলে থেকেও কে কোথায় কার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এ টু জেড খবর রাখি। দলের কর্মীদের থেকেই জানতে পারি। তিনি এদিন এই প্রসঙ্গে বলেন, একটা কথা বলতে চাই, অনেকে ভাবেন বাঁকুড়া জেলার পর্যবেক্ষক কে, পুরুলিয়ার কে, আসানসোল কে দেখবে? মেদিনীপুর কে দেখবে? আগে দলকে মেসেজ দিই, গোটা রাজ্যে আমিই পর্যবেক্ষক। প্রত্যেকটা ব্লকে ব্লকে কে কী করছে, কার সাথে যোগাযোগ করছে, এর সব আমি জানি। দল আমায় সাহায্য করছে। আরও পড়ুন ঃ কেন্দ্রের পাঠানো টাকা কৃষকরা না পাওয়ায় সরব ধনকড় এরপরেই তাঁর তাৎপর্যপূর্ণ সংযোজন, একটু ঢিলে দিয়ে দিয়েছিলাম। আর দেব না। দু-একজন তৃণমূল করে আবার অন্য দলেও যোগাযোগ রাখছে। ভাববেন না আমি জানি না। সব জানি। মাঝেমাঝে একটু ছাড় দিতে হয়, ছাগলের তিন নম্বর সন্তানদের ছেড়ে রাখতে হয়, যাতে খবর পেতে সুবিধা হয়। নজর রাখুন। রাতের অন্ধকারে গাড়ি করে কে কার বাড়ি যাচ্ছে। কার সঙ্গে ফোনে কথা বলছে। ফোন তো ট্যাপ করতে পারি না। ধান্দাবাজদের একটা গোষ্ঠী আছে। দলের যুবদের দায়িত্ব নিতে হবে। নজর রাখতে হবে। তারাই ভবিষ্যত। নতুন ছেলে তৈরি করে নেব। টাকার কাছে আমরা মাথা নত করি না। তৃণমূল করলে ত্যাগী হতে হয়। বিজেপি কাঁচকলা আসবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেছেন, কেউ কেউ ভাবছে বাইচান্স যদি ওরা ক্ষমতায় চলে আসে। আরে চান্সই নেই তো বাই চান্স! বাঁকুড়ার একটি একটি করে আসন বুঝে নেব।এদিন বাম ও বিজেপিকে তোপ দেগে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ওরা বলছে হয় ঘরে থাকো-নয় জেলে থাকো। আমি বলছি পারলে আমাকে জেলে ভরো। চ্যালেঞ্জ করছি জেল থেকে আমি তৃণমূলকে জিতিয়ে দিব। একটিতেও বিজেপি, সিপিএম থাকবে না।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
রাজ্য

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য কেন্দ্রের পাঠানো ৬ হাজার টাকা পাননি বাংলার কৃষকরাঃ কৈ্লাস বিজয়বর্গীয়

বাংলার কৃষকরা বছরে ৬ হাজার টাকা পাননি। নরেন্দ্র দাদা টাকা পাঠান, এটা চান না দিদি। দিদি তালিকা পাঠালে আপনারা বছরে ৬ হাজার টাকা পাবেন। মঙ্গলবার জয়নগরে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে এই ভাষাতেই তোপ দাগলেন কৈ্লাস বিজয়বর্গীয়। তিনি এই প্রসঙ্গে আরও বলেন, এতে নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয়তা আরও বাড়বে, এই আশঙ্কায় বাংলার কৃষকদের বঞ্চিত করেছেন মমতা। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রকল্প নিজের সরকারের নামে মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একবারও কেন্দ্রের সরকারের নাম নেওয়া হচ্ছে না। করোনা মহামারীতেও কেন্দ্র পয়সা দিয়েছে, আবার আম্ফানে ১ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। মানুষের কাছে সেই বার্তা দেওয়া হচ্ছে না। আরও পড়ুনঃ পঞ্চানন বর্মার জন্মদিনে রাজ্য সরকারি ছুটি, ঘোষণা মমতার তিনি আরও বলেন, কৃষ্ণভক্তি ও রামভক্তির ভূমি বাংলা। চৈতন্য মহাপ্রভুর পরম্পরাকে আপনারা বহন করে চলছেন। ভক্তিরসের গঙ্গা এখানে প্রবাহমান। চৈতন্য মহাপ্রভু না থাকলে গোটা বাংলা বাংলাদেশ হয়ে যেত। ষাট বছর পরে কীর্তন শিল্পীরা গাইতে পারেন না। তখন আয় হয় না। সংসারের বোঝা হয়ে ওঠেন তাঁরা। প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কীর্তন শিল্পীদের কথা বলি। তাঁদের পেনশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখন ১২০০ শিল্পী পাবেন। ক্ষমতায় আসার পর সবাইকে দেওয়া হবে।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
রাজ্য

 পঞ্চানন বর্মার জন্মদিনে রাজ্য সরকারি ছুটি, ঘোষণা মমতার

পঞ্চানন বর্মার জন্মদিনে মিলবে রাজ্য সরকারি ছুটি। মঙ্গলবার বাঁকুড়ার প্রশাসনিক সভা থেকে ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার বাঁকুড়ার রবীন্দ্রভবনে প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দেন তিনি। সেখান থেকেই পঞ্চানন বর্মার জন্মদিনে রাজ্য সরকারি ছুটির কথা ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ইতিমধ্যেই নেতাজি, বীরসা মুন্ডা, পঞ্চানন বর্মা-সহ একাধিক ব্যক্তিত্বের নামে বিশ্ববিদ্যালয় করেছি। পঞ্চানন বর্মার জন্মদিনে ছুটি ঘোষণা করার পরিকল্পনা অনেকদিন ধরেই ছিল। এটা হয়ে গেলে খানিকটা নিশ্চিন্ত। আরও পড়ুন ঃ ধূলাগড়ে গরুবোঝাই লরি উল্টে দুর্ঘটনা, মৃত ১, জখম বহু প্রসঙ্গত, সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে আদিবাসী দলিতদের মন জয়ে বাঁকুড়ায় গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পরপর দু-দিন দু-দুটো সরকারি ছুটি ঘোষণা বলে মনে করল বলে মত রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের৷

নভেম্বর ২৪, ২০২০
রাজ্য

কেন্দ্রের নতুন আইনে বেড়ে গিয়েছে কালোবাজারিঃ মমতা

কেন্দ্রের নতুন আইনে কালোবাজারি বেড়ে গিয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই আলুপেঁয়াজের কালোবাজারিও বেড়ে যাবে। মঙ্গলবার বাঁকুড়ার প্রশাসনিক বৈঠকে এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন, রাজ্যের আলু যদি ফুরিয়ে যায় তখন কী করা যাবে জানি না। এদিন বন দফতরের কাজ নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করে তিনি বলেন, জেলায় ৮৭ শতাংশেরও বেশি কাজ বাকি রয়েছে বন দফতরের। তা দ্রুত সম্পন্ন করার পাশাপাশি হাতির হানায় মৃত্যু নিয়েও সচেতন থাকতে নির্দেশ দেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। পাশাপাশি পথশ্রী অভিযান নিয়েও জেলা প্রশাসনকে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করতে নির্দেশ দিলেন মমতা। ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিটি রাস্তা সারাইয়ের কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে সারা রাজ্যে নতুন আড়াই লক্ষ রাস্তা তৈরি হয়েছে। একইসঙ্গে এসসি, এসটিসহ অন্যান্য জাতি শংসাপত্রের আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করতে সংশ্লিষ্ট দফতরের আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছেন মমতা। তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দেন, আবেদনকারীর পরিবারের কোনও একজনের যদি শংসাপত্র থাকে তবে তাঁকে দ্রুত জাতিগত শংসাপত্র দিতে হবে। ফেলে রাখা যাবে না। মুরগির ডিম উৎপাদনে বাঁকুড়া রাজ্যে শীর্ষে রয়েছে বলে এক আধিকারিক জানান বৈঠকে। তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী পোল্ট্রির পাশাপাশি হাঁসের ডিম উৎপাদনেও জোর দিতে বলেছেন। পাশাপাশি জনসংযোগ নিয়ে জেলা প্রশাসনকে আরও গুরুত্ব দিতে বলেন মুখ্যমন্ত্রী। বাড়ি বাড়ি গিয়ে লোকজনের অভাবঅভিযোগ শুনতে বলেছেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ করোনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে জিএসটি বাবদ বকেয়া দাবি মমতার এছাড়াও এদিন তিনি বাগদি, বাউরি ও মতুয়া কালচারাল বোর্ডের হেড কোয়ার্টার কোথায় হবে, দায়িত্বে কারা থাকবেন, তাও জানান। বাউরি কালচারাল বোর্ডের সদর দফতর বাঁকুড়ায় করা হচ্ছে। বাগদি বোর্ডের হেডকোয়ার্টার হচ্ছে বর্ধমানে। মতুয়াদের ঠাকুরনগরে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, বাউরি ও বাগদিরা পাবেন ৫ কোটি টাকা। মতুয়ারা পাবে দশ কোটি। এদিন অভাব-অভিযোগ শোনার মাঝেই মেজাজ হারিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আর কিছু চাইবেন না। সবসময় দাও আর দাও। টাকা কোথা থেকে আসবে? বাঁকুড়ার জন্য অনেক করেছি। সামনে ভোট আসছে। আগে ভাল করে ভোট করাও। তারপর বাকি সব হবে। নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, সমস্যার সমাধান করতে না পারলেও সাধারণ মানুষের কথা শুনুন।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
রাজ্য

করোনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে জিএসটি বাবদ বকেয়া দাবি মমতার

অতিমারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে টিকাকরণ কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার জন্য পশ্চিমবঙ্গও প্রস্তুত আছে। টিকাকরণের জন্য রাজ্যে প্রশিক্ষিত দক্ষ ব্যক্তি ও পরিকাঠামো প্রস্তুত। যত দ্রুত ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে, কেন্দ্র ও অন্যান্য সহযোগী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় রেখে তত তাড়াতাড়িই কাজ শুরু করে দেবে বাংলা। যাতে সবাই দ্রুত ভ্যাকসিন পায়, তা নিশ্চিত করা হবে। মঙ্গলবার করোনা পরিস্থিতি নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠকে মোদীকে একথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, সারা দেশে করোনার টিকার দিকে তাকিয়ে আছে। একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, দুর্গাপুজো, কালীপুজো, ছট প্রভৃতি উৎসব ও লোকাল ট্রেন পরিষেবা চালু হওয়া সত্ত্বেও রাজ্যে করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আছে। রাজ্যে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার কমেছে। সুস্থতার হার বেড়েছে। বাংলা একটি সংবেদনশীল রাজ্য, বাংলাদেশ-ভুটানের সীমান্ত এই রাজ্যে রয়েছে। দেশগুলি থেকে রোগীরাও বাংলায় চিকিৎসার জন্য আসে। ফলে বাংলাদেশে করোনা রোগীর পরিমাণ বাড়লে তা এ রাজ্যেও প্রভাব ফেলে। অন্যদিকে বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশার রোগীরাও এ রাজ্যে চিকিৎসার জন্য আসে। তা সত্ত্বেও অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় বাংলায় মৃত্যুর হার কম। অন্যান্য বছরে রাজ্যে এর চেয়ে বেশি মানুষ ডেঙ্গু, কিডনির রোগ বা হৃদরোগে মারা যেতেন। সে তুলনাতেও রাজ্যে এখনও পর্যন্ত মৃত্যুর হার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আরও পড়ুন ঃ রবীন্দ্রনাথ ঘোষের সঙ্গে বৈঠকের পরও একই অবস্থানে মিহির গোস্বামী এর আগেও বার বার কেন্দ্রের বিরুদ্ধে জিএসটি বকেয়া নিয়ে অভিযোগ করেছেন মমতা। তবে এবার সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর সামনে ভার্চুয়াল বৈঠকে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জিএসটি বাবদ রাজ্য কেন্দ্রের কাছ ৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা পায়। সেই টাকা কেন্দ্র দিচ্ছে না। এদিকে বিভিন্ন খাতে রাজ্যের খরচ বেড়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য ৪০০০ কোটি টাকা খরচ করে ফেলেছে। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যকে দিয়েছে মাত্র ১৯৩ কোটি টাকা।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
রাজ্য

দু'জন খারাপ লোকের জন্য পুরো রাজ্যকে বদনাম করা ঠিক নয়ঃ মমতা

দুজন খারাপ লোকের জন্য পুরো রাজ্যকে বদনাম করা ঠিক নয় বলে মন্তব্য করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার তিনি বাঁকুড়ার খাতড়ার জনসভা থেকে এই প্রসঙ্গে বলেন, সব জায়গায় সবাই একরকম হয় না। কেউ দুষ্টু হয়, কেউ মিষ্টি হয়। বাংলায় ৯৯ শতাংশ লোক ভাল। যারা খারাপ কাজ করছে, তারা সিপিএম, বিজেপি থেকে এসেছে। আমি অন্যায় সহ্য করি না। অভিযোগ আসলেই ব্যবস্থা নিতে বলি। কেউ দু টাকা নিলে বলা হচ্ছে, অথচ দু লক্ষ কোটি নিয়ে কেউ পালিয়ে গেলেও তার কোনও বিচার হয় না। চালুনি করবে ছুঁচের বিচার। এই মন্তব্য করেন তিনি। প্রসঙ্গত , সামনেই বিধানসভা ভোট। তার আগে দুর্নীতি ইস্যুতে কিছুটা ব্যাকফুটে রয়েছে তৃণমূল। বিশেষত, আমফান ও রেশন দুর্নীতিতে দলের একাংশ জড়িয়ে যাওয়ায় নির্বাচনের আগে বেশ চাপে রয়েছে তৃণমূল শিবির। তাই এদিনের জনসভা থেকে এই বিষয়ে সাফাই দিলেন মুখ্যমন্ত্রী, এমনই মত রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের। আরও পড়ুন ঃ বিরসা মুন্ডার জন্মদিনে ছুটি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর তিনি আরও বলেন, উৎসব, দুর্গাপুজো, ছটপুজো সব কিছু নিয়ে মামলা করাই বিজেপির কাজ। দুর্গাপুজো, কালীপুজো, জগদ্ধাত্রী পুজো আমরা করি না? সব করি। তা সত্ত্বেও নির্বাচনের আগে অনেকে এসে দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করবে। এছাড়াও এদিন তিনি কর্মই ধর্ম নামক একটি প্রকল্পের সূচনা করেন। এই প্রকল্পে ২ লক্ষ বেকারকে বাইকের পিছনে ঠাণ্ডা বাক্স করে দেওয়ার ব্যাবস্থা হবে। যাতে করে তাঁরা মাছ, সবজি, প্রয়োজনে এমনি বাক্সয় শাড়ি সহ অন্যান্যা পণ্য বিক্রি করতে পারবেন। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, ২ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান মানে ১০ লক্ষের সুবিধা করে দেওয়া।

নভেম্বর ২৩, ২০২০
রাজনীতি

দুয়ারে দুয়ারে সরকার কর্মসূচির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

সামনেই বিধানসভা ভোট। তার আগে বাঁকুড়ার খাতড়ায় প্রশাসনিক জনসভা থেকে নতুন কর্মসূচির ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার তিনি দুয়ারে দুয়ারে সরকার কর্মসূচির ঘোষণা করলেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, নয়া এই প্রকল্পের আওতায় আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়ে যাবে কাজ। চলবে আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত। এই প্রকল্পের আওতায় প্রতিদিন বেলা ১২ টা থেকে বেলা ৩টে পর্যন্ত রাজ্যের ব্লকে ব্লকে প্রশাসনের তরফে ক্যাম্প করা হবে। দুয়ারে দুয়ারে সরকার প্রকল্পে মানুষ প্রশাসনের কাছে যে অভাব, অসুবিধার কথা তুলে ধরবে, তা সঙ্গে সঙ্গে সমাধান করতে হবে। মানুষ যা চাইবে, তা তত্ক্ষণাত্ মানুষকে দিতে হবে। যদি সেইসময় প্রশাসনের হাতে সেই সুযোগ না থাকে, তবে তালিকা তৈরি করতে হবে। জনপরিষেবা সংক্রান্ত প্রকল্পগুলির সুযোগ-সুবিধা আরও বেশি করে মানুষকে পাইয়ে দিতে হবে। আরও পড়ুন ঃ বাঁকুড়া সফরে শুভেন্দুকে নিয়ে কীসের ইঙ্গিত মমতার? এছাড়াও তিনি বলেন, কেন্দ্র বিভিন্ন প্রকল্পের নামে নিয়োগ করছে। তারপর যেই সেই প্রকল্প শেষ হয়ে যাচ্ছে, তখন ছেলেমেয়েরা কাজ হারাচ্ছে। বেকার হয়ে যাচ্ছে। কেন্দ্র মাছের তেলে মাছ ভাজছে। করোনা পরিস্থিতিতে অনেক রাজ্যে বেতন কমিয়ে দিয়েছে। কেন্দ্র এমপি ল্যাডের টাকা বন্ধ করে দিয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ডিএ ফ্রিজ করে দেওয়া হয়েছে। এমনকি মাসে একদিন করে বেতনও কাটা হচ্ছে। কিন্তু এরাজ্যে কারও বেতন, পেনশন বন্ধ হয়নি। রাজ্যের স্কিমে যাঁরা চাকরি করেন, তাঁদের কারও চাকরি আমরা নষ্ট করিনি। উপরন্তু রাজ্য সরকার চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা বাড়িয়েছে। জেনারেল প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা ৪০ বছর, ওবিসি ৪৩ বছর, তফশিলি জাতি-উপজাতির ক্ষেত্রে ৪৫ বছর করা হয়েছে। আমরা বাংলায় ৪০ শতাংশ বেকারত্ব কমিয়ে দিয়েছি। আমরা আপনাদের জন্য কাজ করব। ভোটের আগে অনেকে আসবে। ভোটের জন্য ব্যাঙ্কে টাকা দেবে। মনে রাখবেন, ওটা আপনাদের হকের খাতা। ভোট আপনারা আমাদের দেবেন। কেন্দ্রর থেকে টাকার ভাগ আমরা পাই। দয়া করে দেয় না। কেন ১০০ দিনের কাজের টাকা তিন মাস পরে আসবে? বিআরজিএস প্রকল্পের টাকা এখনও পাইনি আমরা। আরও পড়ুন ঃ বিরসা মুন্ডার জন্মদিনে ছুটি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর তিনি আরও বলেন, আজকের রাস্তা দেখুন। এখন এত ভাল ভাল রাস্তা হয়েছে। মানুষ মনে করে রাস্তায় শোয়া যায়। পঞ্চায়েতগুলিকে বলব, ভাল করে কাজ করুন। মুকুটমণিপুর, খাতড়া কি ছিল? এখন দেখুন কি হয়েছে। স্টেডিয়াম, হাসপাতাল সব করেছি। শিল্পের কাজ এখানে চলছে। আগামী দু-বছরের মধ্যে মানুষের কাছে পানীয় জল পৌছে যাবে। মাওবাদী হামলায় যারা নিখোঁজ, ১০ বছরেও যাদের কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি, যারা ফিরে আসেননি, তাদের পরিবাররাও পুলিশের কাছে দরখাস্ত করবেন। যারা শুধু পুরোহিতবৃত্তি করে সংসার চালান, তাদের পুরোহিত কল্যাণ ভাতা হিসেবে বর্তমানে ১০০০ টাকা দেওয়া হচ্ছে। পরবর্তীতে এটাকে বাড়িয়ে ২০০০ টাকা করা হবে। বিজেপির বিরুদ্ধে তার অভিযোগ, বিজেপি শুধু মামলা আর হামলা, এটাই করতে পারে। পরবর্তী হবে গামলা। তাতে আবর্জনার মতো পুড়ে ছুড়ে ফেলা হবে ওদের। জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে, তার জন্য কে দায়ী? আগে আলু, পটল, পেঁয়াজ রাজ্যের এক্তিয়ারে ছিল। দিল্লির সরকার, আলুর সরকার। ওরা আপনাদের খেতে দিচ্ছে না। সব আলু নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে। চাষিদের, দলিতদের, আদিবাসীদের, সংখ্যালঘুদের সব কেড়ে নেবে। আর ক্ষমতায় এসে বলবে, এনআরসি চাই। বাংলা থেকে বের করে দেবে। আরও পড়ুন ঃদুজন খারাপ লোকের জন্য পুরো রাজ্যকে বদনাম করা ঠিক নয়ঃ মমতা এদিন মমতা বলেন, কোভিডের চিকিৎসা বিনামূল্যে করার ব্যবস্থা করেনি কেন্দ্র। রাজ্যে সরকার করোনা আক্রান্তদের জন্য খরচ করছে। নাটক! কেন্দ্র এখন বলবে ইঞ্জেকশন দেব আর আসতে আসতে সাত মাস-আট মাস হয়ে যাব। আমরা যদি একটা কেসে দেড় লক্ষ-দুলক্ষ টাকা খরচ করতে পারি, তবে ইঞ্জেকশনও দিতে পারি। কেন্দ্র বলে দিক কার থেকে নেব, রাজ্য সরকার তৈরি আছে। একটা কোভিড ইঞ্জেকশনে ২৫ হাজার টাকা লাগে। লকডাউনের সময় পরিযায়ী শ্রমিকদের অবস্থার কথা উল্লেখ করে মমতা এদিন বলেন, পরিযায়ী শ্রমিকদের রাজ্যে ফিরিয়ে আনতে আক টাকাও সাহায্য করেনি কেন্দ্র। ট্রেন ভাড়া পুরোটা আমরা দিয়েছি। খালি মিথ্যে কথা বলে। পরিযায়ী শ্রমিকদের রাজ্যে ফিরিয়ে আনতে আক টাকাও সাহায্য করেনি কেন্দ্র। ট্রেন ভাড়া পুরোটা আমরা দিয়েছি। খালি মিথ্যে কথা বলে।

নভেম্বর ২৩, ২০২০
রাজ্য

বিরসা মুন্ডার জন্মদিনে ছুটি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

বাঁকুড়া সফরে এসে আদিবাসী পরিবারে ভাত খেয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সোমবার বাঁকুড়ার খাতড়ার জনসভা থেকে অমিত শাহের বিরুদ্ধে এনিয়ে তোপ দাগলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাঁওতাবাজি মানুষ বুঝেছেন। নামী হোটেল থেকে ভাত আনিয়ে আদিবাসী বাড়িতে খান। বাইরে থেকে ব্রাহ্মণ এনে আগে থেকে ঘর রং করা হয়, স্যানিটাইজ করা হয়। লোক দেখানো তরকারি কাটা হয়। যা রান্না হয়েছে তা খাননি। খেয়েছেন বাসমতি চালের ভাত, পোস্তর বড়া। গরীব পরিবার বাইরে ধনে পাতা ছাড়াচ্ছে, কিন্তু কোনও তরকারিতে ধনে পাতা নেই। আর উনি ভিতরে বসে হোটেল থেকে আনা বাসমতী চালের ভাত খাচ্ছেন। এসে খেয়ে চলে গিয়েছেন। এরা গরীবের সমস্যা কী বুঝবে! আরও পড়ুন ঃ সপ্তাহের শুরুতেই রাজ্যে জাঁকিয়ে শীত , সক্রিয় উত্তুরে হাওয়া অমিত শাহকে কটাক্ষ করে তৃণমূল সুপ্রিমো এদিন আরও বলেন, যে মূর্তিতে মালা দেওয়া হয়েছিল, তা তো বিরসা মুন্ডারই নয়। এক আদিবাসী শিকারির। আমি শিকারি বলে তাঁকে ছোট করছি না, সেও আমার ভাই। কিন্তু এই মিথ্যাচারটা হল কেন? এরপরই তাঁর ঘোষণা, আদিবাসী ভাইবোনেদের আবেগের কথা মাথায় রেখে এরপর থেকে সংগ্রামী বিরসা মুন্ডার জন্মদিনে ছুটি দেওয়া হবে। সেটাই হবে প্রকৃত সম্মান জ্ঞাপন। এই ঘোষণার পরই উচ্ছ্বাসে ভাসেন উপস্থিত জনতা। এছাড়াও এদিন তিনি জানান, জুন পর্যন্ত বিনামূল্যে রেশন বিলির কথা আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল। জুনের পরও তা মিলবে। অর্থাৎ বাড়ানো হবে বিনামূল্যে রেশন বিলির সময়সীমা। আগামীতেও আমাদের সরকারই থাকবে। তাই কোনও চিন্তা করবেন না। জুনের পরও সকলে বিনামূল্যে ডাল-ভাত খেয়ে বাঁচবেন।

নভেম্বর ২৩, ২০২০
কলকাতা

রাজ্যে নারী নির্যাতনের অভিযোগ তুলে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি ধনকড়ের

রাজ্যে নারী নির্যাতন বেড়েই চলেছে, কোনও প্রতিকার হচ্ছে না। এই অভিযোগে এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠি পরে তিনি টুইটও করেন। চিঠিতে রাজ্যে গত তিনমাসে নারীদের উপর অত্যাচারের পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে। যা তিনি সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিশ সূত্রেই পেয়েছেন বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন। এরকম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশাসনিক উদাসীনতা দেখে তিনি বিস্মিত। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তাঁর আবেদন, এসব অন্যায়ের প্রতিকারে তিনি সদর্থক পদক্ষেপ গ্রহণ করে জনসচেতনতায় জোর দেবেন। পাশাপাশি এ বিষয়ে মুখ্যসচিবকে রাজভবনে আলোচনার জন্য প্রস্তাব পাঠালেও, তার কোনও জবাব আসেনি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ কেউ কেউ ভোটের সময় আসেনঃ মমতা চিঠিতে তিনি লিখেছেন, সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে রাজ্যের নানা নেতিবাচক দিক তুলে ধরে সতর্ক করার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু তাঁর এই ভূমিকাকে বারবার ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করার যে নিদর্শন তিনি দেখে আসছেন, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। এ থেকেই বোঝা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের আমলে পুলিশ প্রশাসনের রাজনীতিকরণ হয়েছে। এভাবে তাঁরা গণতন্ত্রের মূল ভিত্তিকে দুর্বল করে তুলছেন, যার প্রভাব জনমানসে পড়বে।

নভেম্বর ২১, ২০২০
কলকাতা

কেউ কেউ ভোটের সময় আসেনঃ মমতা

কেউ কেউ ভোটের সময় আসেন, বড়সড় ভাষণ দিয়ে চলে যান। শুক্রবার ছটপুজো উপলক্ষে হেস্টিংসের তক্তাঘাটে উপস্থিত হয়ে বিজেপিকে এভাষাতেই আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, কিন্তু আমরা দুর্গাপুজোতেও যাই, ছটপুজোতেও যাই, ইদেও যাই আবার বড়দিনের অনুষ্ঠানেও সামিল থাকি।এটাই আমাদের পরম্পরা। কটাক্ষের সুরে তিনি বলেন, অনেক রাজ্যে বাড়িতেই ছট পালন করার কথা বলা হয়েছে বলে শুনেছি। কিন্তু বাংলায় তেমন নিয়ম জারি করা হয়নি। ছটে দুদিন ছুটিও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ঘরে বসে ছটপুজো করতে বলেছে আদালত। সম্ভব হলে তা-ই করুন। সম্ভব না হলে পুকুরে বা গঙ্গায় যেখানেই যান, ছোট ছোট দলে যান। আরও পড়ুন ঃ বাংলায় বহিরাগতদের তাণ্ডব চলছেঃ ব্রাত্য বিজেপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, যারা দাঙ্গা লাগায়, তারা যেন দেশ থেকে বিদায় নেয়। আগামীদিন আলোয় ভরে উঠুক।তিনি এদিন আরও বলেন, যেভাবে দুর্গাপুজো-কালীপুজোয় মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে সহযোগিতা করেছেন। ছটপুজোও সেভাবে করুন। তাড়াহুড়োর কিছু নেই। এক এক গঙ্গার ঘাটে নামুন। খেয়াল রাখবেন, ভিড় করবেন না।

নভেম্বর ২০, ২০২০
কলকাতা

নেতাজির জন্মজয়ন্তীকে জাতীয় ছুটি ঘোষণার দাবিতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি মমতার

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মজয়ন্তীকে জাতীয় ছুটি ঘোষণার দাবি জানিয়ে নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২২ সালে নেতাজির ১২৫তম জন্মজয়ন্তী পালিত হবে। সেই উপলক্ষে চিঠিতে ফের ওই দিন জাতীয় ছুটি ঘোষণার দাবি তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী মোদীকে দেওয়া চিঠিতে জানিয়েছেন, আগামী ২৩ জানুয়ারি, ২০২২ দেশজুড়ে নেতাজির ১২৫তম জন্মজয়ন্তী পালিত হবে। নেতাজি শুধু বাংলার নন, গোটা দেশের সুপুত্র এবং জাতীয় নায়ক। তাঁর নেতৃত্বে ব্রিটিশ শাসন উপড়ে ফেলতে হাজার হাজার স্বাধীনতা সংগ্রামী আজাদ হিন্দ ফৌজে যোগ দিয়ে আত্মহুতি দিয়েছেন। প্রতিবছর দেশজুড়ে নেতাজির জন্মজয়ন্তী পালন করা হয়। নেতাজির জন্মজয়ন্তীতে জাতীয় ছুটি ঘোষণার দাবি জানাচ্ছি আমরা। বহুদিন ধরেই কেন্দ্র সরকারের কাছে এই দাবি জানিয়ে আসছি আমরা। তাই জাতীয় নায়ককে যোগ্য সম্মান দিতে ২৩ জানুয়ারি জাতীয় ছুটি ঘোষণা করা হোক। আরও পড়ুন ঃ প্রতি মাসেই রাজ্যে অমিত শাহ ও জেপি নাড্ডাঃ দিলীপ এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, নেতাজি নিয়ে বর্তমান প্রজন্ম সমান কৌতুহলী। মানুষ জানতে চান, বাংলা তথা গোটা দেশের জননায়কের সঙ্গে ঠিক কি হয়েছিল! ইতিমধ্যেই রাজ্য কিছু গোপন ফাইল জনসমক্ষে এনেছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন মমতা। তাঁর দাবি, এবার কেন্দ্রের উচিত এ বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান নেওয়া।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
রাজনীতি

এই দল আমার নয়, হতে পারে নাঃ মিহির গোস্বামী

আমার দল আর আমার নেত্রীর হাতে নেই, অর্থাৎ এই দল আর আমার নয়, হতে পারে না। দিদি এখানে নিস্পৃহ। ফের তৃ্ণমূলের বিরুদ্ধে এ ভাষাতেই তোপ দাগলেন কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্রের বিধায়ক মিহির গোস্বামী। তিনি তাঁর ফেসবুক পেজে আরও লেখেন , শ্যামা মায়ের আরাধনালগ্নে আমার এই অনুমান আরও দৃঢ় হয়েছে। তাই এই দলের সঙ্গে সমস্ত রকমের সম্পর্ক ছিন্ন করাটাই কি স্বাভাবিক নয়? তাঁর অভিযোগ , যে দলের অভিধানে সম্মান বলে শব্দটিই অনুপস্থিত , সেই দলে বাইশটা বছর কাটিয়ে দিলাম! কী করে সম্ভব হল, কেন তা সম্ভব হল এসব প্রশ্ন উঠে আসে নিজের মনেই! উত্তর একটাই খুঁজে পাই, দিদি! দলের ভেতর অজস্র অপমান অবমাননা ক্রমাগত সহ্য করে গিয়েছি অকারণে, চুপ করে থাকার জন্য শুভানুধ্যায়ীরাও বিরক্ত হয়েছেন বারবার। কিন্তু আমার উত্তর একটাই ছিল, দিদি! যার উপর বিশ্বাস-আস্থাতেই এতদিন টিকে ছিলাম। আরও পড়ুন ঃ উত্তর ২৪ পরগণার সব আসন দখল করবঃ দিলীপ তিনি দলের প্রতি ক্ষোভ জানিয়ে আরও লেখেন , ১৯৮৯ সাল থেকে মমতা বন্দ্যো্পাধ্যায়ের নেতৃত্ব মেনে চলেছি। দীর্ঘ তিরিশ বছর অতিক্রম করার পর বোধগম্য হয়েছে, দিদির লোক এখানে অপ্রয়োজনীয় ও গুরুত্বহীন। অন্যায্য সবকিছু মেনে নিয়ে যো হুজুর করে টিকে থাকতে পারলে থাকো, নয়ত তফাৎ যাও। তিনি আরও লেখেন , সংগঠন থেকে আমার অব্যাহতি নেওয়ার ঘোষণা করার পর ছয় সপ্তাহ কেটে গেছে। এই বিয়াল্লিশ দিনে আমি সব দলের কাছ থেকে এক বা একাধিক ফোন কল পেয়েছি, কথা বলেছি। বহু পুরনো রাজনৈতিক বন্ধুর ফোন পেয়েছি রাজ্যের বাইরে থেকেও। কিন্তু গত ছয় সপ্তাহে খোদ নেত্রীর কাছ থেকে কোনও ফোন আসেনি। কোনও বরখাস্তনামা কিংবা বহিস্কারের নির্দেশও আসেনি তাঁর কাছ থেকে।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
বিনোদুনিয়া

গান স্যালুটের মাধ্যমে শেষ বিদায় কিংবদন্তী অভিনেতা  সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে

কিংবদন্তী অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে গান স্যালুটের মাধ্যমে শেষ বিদায় জানানো হল। রবিবার সন্ধ্যে ৬ টা ৪৫ মিনিটে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে গান স্যালুট দেওয়া হয়। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন হল শেষকৃত্য। সন্ধে ৭টা নাগাদ পঞ্চভূতে বিলীন হলেন কিংবদন্তী শিল্পী সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। গান স্যালুটের সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন মেয়ে পৌলমী বসু। এদিন অভিনেতার মৃত্যুর পর তার কন্যা পৌ্লমী চট্টোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে দুপুর দুটো নাগাদ তাঁর মরদেহ গলফগ্রীনের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর মরদেহে শ্রদ্ধা জানান পরিবারের সদস্য ও আত্মীয় স্বজনরা। বেশ কিছুক্ষণ তাঁর মৃতদেহ সেখানে রাখার পর সৌ্মিত্র চট্টোপাধ্যায়কে টেকনিশিয়ান স্টুডিওতে নিয়ে আসা হয়। সেখানে তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত ছিলেন বাংলা চলচ্চিত্র জগতের কলাকুশলীরা। সেখান থেকে সাড়ে তিনটে নাগাদ দু ঘণ্টার জন্য অভিনেতার মরদেহ রবীন্দ্র সদনে নিয়ে আসা হয়। প্রিয় অভিনেতাকে শেষবারের মতো চোখের দেখা দেখতে রবীন্দ্র সদন চত্বরে ভিড় উপচে পড়ে। সেখানে তাকে বহু মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানান। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে বিদায় জানাতে সেখানে সিনেমা জগতের কলাকুশলীরাও উপস্থিত ছিলেন। বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ রবীন্দ্র সদন থেকে বেরয় সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মরদেহ শায়িত শববাহী গাড়ি। গন্তব্য কেওড়াতলা মহাশ্মশান। আরও পড়ুন ঃ সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রয়াণে শোকজ্ঞাপন টলিউড শিল্পী- পরিচালকদের কিংবদন্তী শিল্পীর শেষযাত্রায় পা মেলালেন অগণিত ভক্ত, অনুরাগীরা। শেষযাত্রায় মানুষের ঢল। জয়ধ্বনি দিতে দিতে এগিয়ে চলেছেন সবাই। তাঁর শেষযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন শাসক দলের নেতানেত্রীদের পাশাপাশি বিজেপি , বাম ও কংগ্রেসের নেতারাও। পদযাত্রায় পা মেলালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দেব, রুক্মিণী মৈত্র ও রাজ চক্রবর্তী। উপস্থিত ছিলেন বিমান বসু, সুজন চক্রবর্তীও। গান গাইলেন ইন্দ্রনীল সেন, অভিনেতাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁরই লেখা কবিতা পাঠ করলেন কৌশিক সেন। সৌ্মিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও।

নভেম্বর ১৫, ২০২০
বিনোদুনিয়া

সৌ্মিত্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রয়াণে শোকপ্রকাশ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতানেত্রীদের

অভিনেতা সৌ্মিত্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রয়াণে গভীর শোকপ্রকাশ করলেন দেশের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। তিনি টুইটে লিখেছেন , সত্যজিৎ রায়ের মাস্টারপিসে অপু ট্রিলজি এবং অন্যান্য সিনেমায় তাঁর স্মরণীয় অভিনয়ের জন্য সৌমিএ চট্টোপাধ্যায়কে আজীবন স্মরণ করা হবে। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের না ফেরার দেশে চলে যাওয়ার সঙ্গে, সঙ্গে ভারতীয় চলচ্চিত্র জগত আরও একজন কিংবদন্তি নায়ককে হারাল। সত্যজিৎ রায়ের মাস্টারপিসে অপু ট্রিলজি এবং অন্যান্য স্মরণীয় অভিনয়ের জন্য তাঁকে বিশেষভাবে স্মরণ করা হবে। অভিনয়ের নৈপুণ্যে তিনি ব্যাপক অবদান রেখেছিলেন। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের অভিনয় তাঁকে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার, পদ্মভূষণ এবং লেজিয়ান ডিহ্নেউর সহ একাধিক জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পুরষ্কার এনে দিয়েছে। তাঁর পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা এবং সমবেদনা রইল। চলচ্চিএ জগৎ এবং বিশ্বজুড়ে তাঁর অগনিত ভক্তদের জন্য রইল আমার সমবেদনা। শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। টুইটে নরেন্দ্র মোদি লেখেন , সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রয়াণ চলচ্চিত্র জগত, পশ্চিমবঙ্গ সহ ভারতের সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলের অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর কাজের মধ্যে বাঙালির চেতনা , ভাবাবেগ ও নৈতিকতার প্রতিফলন পাওয়া যায়। তাঁর প্রয়াণে আমি শোকাহত। সৌ্মিত্র চট্টোপাধ্যায়ের পরিবার ও অনুরাগীদের সমবেদনা জানাই। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রয়াণে টুইট বার্তায় শোকজ্ঞাপন করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন টুইটারে তিনি লেখেন, কিংবদন্তি সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়জির মৃত্যুর খবরে আমি গভীরভাবে মর্মাহত। বাংলা চলচ্চিত্রকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। সৌমিত্র দার মৃত্যু ভারতীয় রুপালি পর্দার অপূরণীয় ক্ষতি। আরও এক রত্নকে হারাল দেশবাসী। আমার সমবেদনা এবং প্রার্থনা তাঁর পরিবার এবং অগণিত অনুগামীদের সঙ্গে রয়েছে। ওম শান্তি শান্তি শান্তি। আরও পড়ুন ঃ বাবাকে আমরা সেলিব্রেট করব হাসিমুখেঃ পৌলমী বসু কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী টুইট বার্তায় শোক জ্ঞাপন করে লিখেছেন, দাদাসাহেব ফালকে পুরষ্কারপ্রাপ্ত শ্রী সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুর খবরে দুঃখিত। তিনি বহু বছর ধরে গোটা জাতির কাছে শ্রদ্ধার পাএ ছিলেন। তাঁর পরিবার, বন্ধু এবং ভক্তদের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা রইল। শোকজ্ঞাপন করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ট্যুইটে লেখেন, ফেলুদা আর নেই। বিদায় জানালেন অপু। বিদায় সৌমিত্র (দা) চট্টোপাধ্যায়। তিনি জীবন্ত কিংবদন্তী ছিলেন। আন্তর্জাতিক, ভারতীয় ও বাংলা চলচ্চিত্র একজন বিরাট ব্যক্তিত্বকে হারাল। আমরা তাঁর অভাব গভীরভাবে অনুভব করব। বাংলার চলচ্চিত্র জগৎ অনাথ হয়ে গেল। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র টুইট করে শোক প্রকাশ করেছেন। এদিন তিনি বলেন, উদয়ন পণ্ডিত অপরাজেয়। ৮৫ তে এসে ৪০ দিনের লড়াই থামেনি। তিনি অপরাজিত। তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন, তাঁর অমর সৃষ্টিতে, স্মৃতিতে, অসংখ্য মানুষের অন্তরের অন্তঃস্থলে। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধার্ঘ্য এবং তাঁর পরিবার,পরিজন ও অনুরাগীদের আমাদের সমবেদনা জানাচ্ছি। বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় টুইট বার্তায় শোক প্রকাশ করেছেন। এদিন টুইটে তিনি বলেন, আপনি সকলের হৃদয়ে মন জুড়ে থাকবেন।

নভেম্বর ১৫, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ শুরুর আগেই বিতর্ক! সেনেগাল ফুটবলারদের সঙ্গে ‘অপরাধীর মতো’ আচরণের অভিযোগ

বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র এক দিন বাকি। তার আগেই বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে আন্তর্জাতিক ফুটবল মহলে। আমেরিকায় পৌঁছনোর পর সেনেগাল এবং উজবেকিস্তানের ফুটবলারদের কড়া নিরাপত্তা তল্লাশি ঘিরে ক্ষোভ ছড়িয়েছে বিভিন্ন মহলে। অনেকের অভিযোগ, খেলোয়াড়দের সঙ্গে এমন আচরণ করা হয়েছে যেন তাঁরা কোনও অপরাধী।জানা গিয়েছে, বিশ্বকাপে অংশ নিতে আমেরিকায় পৌঁছেছিল সেনেগাল দল। বিমানবন্দরে নামার পরই নিরাপত্তাকর্মীরা ফুটবলারদের ব্যাগ, ট্রলি এবং অন্যান্য সামগ্রী বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা করেন। অভিযোগ, মাদকদ্রব্যের সন্দেহে দীর্ঘ সময় ধরে চলে এই তল্লাশি। ঘটনাস্থলের কিছু ছবি এবং ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরই শুরু হয় বিতর্ক।শুধু সেনেগাল নয়, উজবেকিস্তান দলের ক্ষেত্রেও একই ধরনের ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। নিউ ইয়র্কে অনুশীলন কেন্দ্রে পৌঁছনোর পর ফুটবলারদের নিরাপত্তা পরীক্ষা করা হয়। সেই সময় মাদক সন্ধানী কুকুর এবং ধাতু শনাক্তকারী যন্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। এই ঘটনাও ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে।সামাজিক মাধ্যমে অনেক সমর্থক প্রশ্ন তুলেছেন, আন্তর্জাতিক মঞ্চে অংশ নিতে আসা খেলোয়াড়দের সঙ্গে এমন ব্যবহার কতটা গ্রহণযোগ্য। কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন, নির্দিষ্ট কিছু দেশের ফুটবলারদের ক্ষেত্রেই অতিরিক্ত কড়াকড়ি করা হচ্ছে। আবার অনেকে জানতে চেয়েছেন, বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা কেন এই বিতর্ক নিয়ে কোনও অবস্থান স্পষ্ট করছে না।এর আগেও বিশ্বকাপ ঘিরে বেশ কিছু ঘটনা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি, খেলোয়াড় এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিরাপত্তা ও অভিবাসন সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। ফলে বিশ্বকাপ শুরুর আগেই আয়োজক দেশকে ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।ফুটবলপ্রেমীদের একাংশের মতে, খেলাধুলার মঞ্চ সব সময় দেশ, সংস্কৃতি এবং মানুষের মধ্যে সংযোগ তৈরি করে। সেখানে খেলোয়াড়দের সঙ্গে অতিরিক্ত কড়া বা অসম্মানজনক আচরণের অভিযোগ সামনে আসা উদ্বেগের বিষয়। যদিও নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিয়ম মেনে তল্লাশি চালানো হয়েছে কি না, তা নিয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা প্রকাশ্যে আসেনি।বিশ্বকাপের মতো বৃহত্তম ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু হওয়ার আগে এই বিতর্ক আন্তর্জাতিক ফুটবল মহলে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। আগামী দিনে এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী অবস্থান নেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে বিশ্বজুড়ে ফুটবল সমর্থকদের।

জুন ১০, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বাড়ির পাশের তৃণমূল কার্যালয়ে সিআইডি হানা, এবার সরাসরি হাই কোর্টে মামলা!

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির কাছেই অবস্থিত তৃণমূল কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সিআইডি তল্লাশি ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এবার কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন মামলাকারীরা। অভিযোগ, কোনও নিরপেক্ষ সাক্ষী ছাড়াই তল্লাশি চালানো হয়েছে এবং বেআইনিভাবে দলীয় নথি স্ক্যান করা হয়েছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে মামলার শুনানির আবেদনও জানানো হয়েছে।অন্যদিকে সই জাল কাণ্ডে নিজের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য পদক্ষেপের আশঙ্কায় ফের হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আবেদন নিয়ে আগামীকাল শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।মঙ্গলবার দুপুরে সই জাল কাণ্ডের তদন্তে তৃণমূলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পৌঁছন সিআইডি আধিকারিকরা। কার্যালয়টি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে অবস্থিত। ঘটনাস্থলে একটি মহিলা দল-সহ সিআইডির আধিকারিকরা পৌঁছন। পাশাপাশি কালীঘাট ও ভবানীপুর থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।সিআইডির দাবি, সই জাল কাণ্ডের তদন্তে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই তারা ওই কার্যালয়ে তল্লাশি চালাতে গিয়েছিল। তাদের কাছে প্রয়োজনীয় তল্লাশি পরোয়ানাও ছিল বলে জানানো হয়।সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লিতে ছিলেন। ফলে কার্যালয়ের দায়িত্বে থাকা দলের কোষাধ্যক্ষ এবং রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ শুভাশিষ চক্রবর্তীর সঙ্গেই সিআইডি আধিকারিকদের কথা হয়। তিনি প্রথমে তল্লাশির অনুমতি দিতে অস্বীকার করেন। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে কিছু সময় বাগ্বিতণ্ডা চলে। তবে শেষ পর্যন্ত সিআইডি আধিকারিকরা কার্যালয়ে প্রবেশ করে তল্লাশি চালান।এই তল্লাশিকেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাই কোর্টে মামলা করা হয়েছে। মামলাকারীদের অভিযোগ, নিয়ম মেনে তল্লাশি করা হয়নি। তাঁদের দাবি, কোনও সাক্ষীর উপস্থিতি ছিল না এবং সেই সুযোগে দলীয় নথি স্ক্যান করা হয়েছে। যদিও সিআইডির পক্ষ থেকে আগেই জানানো হয়েছিল যে তাদের কাছে বৈধ তল্লাশি পরোয়ানা ছিল।তল্লাশি শেষে সিআইডি আরও জানিয়েছিল, কার্যালয় থেকে কোনও নথি বা সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়নি। তা সত্ত্বেও গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক এবং আইনি মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।এখন নজর কলকাতা হাই কোর্টের দিকে। আদালত এই অভিযোগগুলিকে কীভাবে দেখছে এবং মামলার পরবর্তী শুনানিতে কী নির্দেশ দেয়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল।

জুন ১০, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেকের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ! সাড়ে সাত বছর পর ডায়মন্ড হারবারে দায়ের এফআইআর

বিধায়কদের সই জাল কাণ্ডে সিআইডির সমন ঘিরে বিতর্কের মাঝেই নতুন করে চাপে পড়লেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার তাঁর বিরুদ্ধে ডায়মন্ড হারবার থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস, যিনি ববি নামেও পরিচিত, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, জাহাঙ্গির খান-সহ চল্লিশের বেশি তৃণমূল নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।অভিজিৎ দাসের দাবি, দুই হাজার আঠারো সালের একুশ ডিসেম্বর ডায়মন্ড হারবারের কপাটহাট মোড়ে একটি দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়ে তিনি হামলার শিকার হন। সেই সময় তিনি বিজেপির জেলা সভাপতি ছিলেন। অভিযোগ, পরিকল্পনা করে তাঁর উপর প্রাণঘাতী হামলা চালানো হয়েছিল।হামলায় গুরুতর জখম হন অভিজিৎ। কোমর থেকে পা পর্যন্ত আঘাত লাগে তাঁর। অভিযোগ, মারধরের ফলে তাঁর মেরুদণ্ডেও চিড় ধরে। মাথাতেও গুরুতর আঘাত করা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন তিনি। দীর্ঘদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর অস্ত্রোপচারও করাতে হয়েছিল তাঁকে।অভিজিৎ দাসের অভিযোগ, সেই সময় তিনি পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলেন। কিন্তু কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর তিনি আবার এই ঘটনার বিচার চেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন।মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ডায়মন্ড হারবার থানায় নতুন করে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। সেখানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, জাহাঙ্গির খান-সহ একচল্লিশ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি আরও প্রায় দেড়শো জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধেও অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে অভিজিৎ দাস বলেন, হামলার আগে তিনি সম্ভাব্য আক্রমণের খবর পেয়েছিলেন এবং পুলিশকেও জানিয়েছিলেন। কিন্তু কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে তাঁর অভিযোগ। তিনি দাবি করেন, হামলার পর তাঁকে প্রায় মৃত অবস্থায় ফেলে রেখে যাওয়া হয়েছিল এবং আজও সেই আঘাতের শারীরিক প্রভাব বহন করছেন।এতদিন পরে কেন অভিযোগ নিয়ে ফের সামনে এলেন, সেই প্রশ্নের জবাবে অভিজিৎ বলেন, সে সময় স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে কাজ করেনি। তাই তিনি ন্যায়বিচার পাননি। এখন তিনি আশা করছেন, ঘটনার সঠিক তদন্ত হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।উল্লেখযোগ্যভাবে, এই অভিযোগপত্রে নাম থাকা জাহাঙ্গির খানকে ইতিমধ্যেই অন্য একটি মামলায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিযোগে নাম থাকা অন্যদের বিরুদ্ধে পুলিশ কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।সাড়ে সাত বছর আগের একটি রাজনৈতিক হামলার অভিযোগ নতুন করে সামনে আসায় রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। তদন্তে কী তথ্য উঠে আসে এবং অভিযোগের ভিত্তিতে প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

জুন ১০, ২০২৬
কলকাতা

জাহাঙ্গির গ্রেফতারের পরেই আগুন! জেলা পরিষদের দফতরে অগ্নিকাণ্ড ঘিরে বাড়ছে রহস্য

আলিপুরে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা পরিষদের বহুতল দফতরে আগুন লাগার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বুধবার সকাল প্রায় পৌনে দশটা নাগাদ স্থানীয় বাসিন্দারা ভবন থেকে কালো ধোঁয়া বের হতে দেখেন। এরপরই খবর দেওয়া হয় দমকলকে। অল্প সময়ের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকলের একাধিক ইঞ্জিন এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ শুরু হয়।জানা গিয়েছে, যে অংশে আগুন লাগে সেটি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা পরিষদের দফতর। আগুন লাগার পর গোটা এলাকা কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। বিশেষভাবে নজরে এসেছে জাহাঙ্গির খানের ব্যবহৃত দফতরেও আগুন লাগার ঘটনা। স্থানীয় সূত্রের দাবি, সপ্তাহে কয়েকদিন তিনি ওই দফতরে আসতেন এবং তাঁর সঙ্গে বহু লোকজনের যাতায়াত ছিল। তিনি গ্রেফতার হওয়ার পরপরই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটায় নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।জানা যাচ্ছে, ভবনের চারতলায় বসতেন জাহাঙ্গির খান। ফলে ওই অংশে আগুন লাগার ঘটনা ঘিরে জল্পনা আরও বেড়েছে। ঠিক কী কারণে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দমকল এবং প্রশাসন ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখছে।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডা। তাঁর দাবি, জেলা পরিষদের পূর্ত দফতরের গুরুত্বপূর্ণ নথি নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালীন জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কাটমানি এবং সরকারি অর্থ তছরুপের অভিযোগ উঠেছিল।বিধায়কের দাবি, এই অভিযোগের ভিত্তিতে চারটি ঠিকাদারি সংস্থা সম্প্রতি ফলতা থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছে। সেই অভিযোগের তদন্তে বুধবার পুলিশ প্রশাসনের জেলা পরিষদে গিয়ে নথিপত্র খতিয়ে দেখার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই সংশ্লিষ্ট দফতরে আগুন লাগার ঘটনা অত্যন্ত সন্দেহজনক বলে মনে করছেন তিনি।দেবাংশু পাণ্ডার অভিযোগ, দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই এই আগুন লাগানো হয়ে থাকতে পারে। তিনি ঘটনার নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।অন্যদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে কোনও চূড়ান্ত মন্তব্য করা হয়নি। দমকল, পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কী কারণে আগুন লাগল এবং কোনও নথি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।তবে জাহাঙ্গির খানের গ্রেফতারের পরপরই তাঁর সঙ্গে যুক্ত দফতরে আগুন লাগার ঘটনায় রাজনৈতিক মহল থেকে প্রশাসনিক স্তরসব জায়গাতেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা। অগ্নিকাণ্ড নিছক দুর্ঘটনা, নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও কারণ, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি।

জুন ১০, ২০২৬
রাজ্য

শুভেন্দুর মন্ত্রিসভায় কার হাতে যাচ্ছে কোন দফতর? সামনে এল সম্ভাব্য তালিকা, চমকে দিতে পারে একাধিক নাম

গত পয়লা জুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন মোট পঁয়ত্রিশ জন। কিন্তু এখনও তাঁদের মধ্যে কার হাতে কোন দফতরের দায়িত্ব যাবে, তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। ফলে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন সূত্র মারফত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দফতরের সম্ভাব্য মন্ত্রীদের নাম সামনে এসেছে।শপথ নেওয়া পঁয়ত্রিশ জনের মধ্যে তেরো জন পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। তিন জন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী এবং উনিশ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। এখন সবার নজর দফতর বণ্টনের দিকে।সূত্রের খবর, অর্থ দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন রাসবিহারীর বিধায়ক স্বপন দাশগুপ্ত। বাণিজ্য দফতরের দায়িত্ব যেতে পারে মানিকতলার প্রবীণ বিধায়ক তাপস রায়ের হাতে। উচ্চশিক্ষা দফতরের পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষা দফতরের দায়িত্বও সিউড়ির বিধায়ক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের হাতে যেতে পারে বলে জল্পনা রয়েছে।অন্যদিকে স্কুল শিক্ষা দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন ফালাকাটার বিধায়ক দীপক বর্মণ। স্বাস্থ্য দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বিধাননগরের বিধায়ক ও চিকিৎসক শারদ্বত মুখোপাধ্যায়কে।এ ছাড়াও আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দফতর নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। নোয়াপাড়ার বিধায়ক অর্জুন সিং পরিবহণ দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন। একই সঙ্গে শ্রম দফতরের দায়িত্বও তাঁর হাতে থাকতে পারে বলে সূত্রের দাবি। কুমারগ্রামের বিধায়ক মনোজ ওরাওঁ পরিবেশ ও বন দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন। ময়ূরেশ্বরের বিধায়ক দুধকুমার মণ্ডলের হাতে যেতে পারে কৃষি দফতর। শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ পর্যটন দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন বলেও আলোচনা চলছে। কাঁথি দক্ষিণের বিধায়ক অরূপ দাসের হাতে সেচ দফতরের দায়িত্ব যেতে পারে।স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রীদের ক্ষেত্রেও সম্ভাব্য দায়িত্ব নিয়ে জল্পনা রয়েছে। তুফানগঞ্জের বিধায়ক মালতী রাভা রায় নারী ও শিশু কল্যাণ এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠী দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন। সোনামুখীর বিধায়ক দিবাকর ঘরামী বন দফতরের প্রতিমন্ত্রী হতে পারেন। করণদিঘির বিধায়ক বিরাজ বিশ্বাস উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন ও আইন দফতরের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেতে পারেন। কালচিনির বিধায়ক বিশাল লামা সংখ্যালঘু ও পার্বত্য বিষয়ক দফতরের প্রতিমন্ত্রী হতে পারেন। বলাগড়ের বিধায়ক সুমনা সরকার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের প্রতিমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্বরাষ্ট্র দফতর নিজের হাতেই রাখতে পারেন। পাশাপাশি আইন দফতরের দায়িত্বও তিনি নিজের কাছেই রাখতে পারেন বলে জল্পনা চলছে।তবে এখনও পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনও ঘোষণা হয়নি। ফলে কোন মন্ত্রীর হাতে শেষ পর্যন্ত কোন দফতর যায়, তা জানতে অপেক্ষা করতে হচ্ছে রাজনৈতিক মহলকে। এখন সবার নজর, কবে আনুষ্ঠানিকভাবে দফতর বণ্টনের ঘোষণা করা হয় এবং শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত রূপরেখা সামনে আসে।

জুন ১০, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলে আরও বড় ধাক্কা! সুখেন্দুর পর এবার ইস্তফা সুস্মিতা দেবের, বাড়ছে জল্পনা

তৃণমূল কংগ্রেসে অস্বস্তি আরও বাড়ল। এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বার রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন দলের এক সদস্য। সুখেন্দু শেখর রায়ের পর এবার পদত্যাগ করলেন সুস্মিতা দেব। বুধবার তিনি রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সি পি রাধাকৃষ্ণনের কাছে নিজের ইস্তফাপত্র জমা দেন।রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে অসন্তোষের খবর সামনে আসছে। বিভিন্ন স্তরে মতভেদের আলোচনা চলার মধ্যেই একের পর এক সাংসদের পদত্যাগ দলকে অস্বস্তিতে ফেলেছে।দলীয় সূত্রে জল্পনা, আরও কিছু নেতা ও সাংসদ ভবিষ্যতে একই পথে হাঁটতে পারেন। রাজনৈতিক মহলে এমনও আলোচনা চলছে যে সদ্য রাজ্যসভার সদস্য হওয়া কোয়েল মল্লিকও পদত্যাগ করতে পারেন। যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি।সুস্মিতা দেব দীর্ঘদিন কংগ্রেসের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অসমের শিলচর লোকসভা কেন্দ্র থেকে তিনি সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে দুই হাজার উনিশ সালের লোকসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর কংগ্রেস ছাড়েন তিনি। পরে দুই হাজার একুশ সালে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন।দলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই সুস্মিতা দেবকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি দলের জাতীয় মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেন। পরে তাঁকে রাজ্যসভার সাংসদও করা হয়। পাশাপাশি অসমে দলের সংগঠন বিস্তারের দায়িত্বও তাঁর কাঁধে তুলে দেওয়া হয়েছিল।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সুস্মিতা দেবের পদত্যাগ শুধুমাত্র সংসদীয় রাজনীতিতেই নয়, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সংগঠনেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে উত্তর-পূর্ব ভারতে দলের বিস্তারের পরিকল্পনার ক্ষেত্রে এই ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে সংসদের দুই কক্ষেই এখন নতুন সমীকরণ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। লোকসভায় দলের কিছু সাংসদ আলাদা অবস্থান নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। অন্যদিকে রাজ্যসভায়ও তৃণমূলের সাংসদ সংখ্যা কমছে। সুখেন্দু শেখর রায় ও সুস্মিতা দেবের ইস্তফার ফলে দলের শক্তি আগের তুলনায় কমেছে। ভবিষ্যতে আরও কোনও পদত্যাগ হলে সেই চাপ আরও বাড়তে পারে।সব মিলিয়ে একের পর এক ইস্তফা এবং দলীয় অন্দরের অসন্তোষের খবরে তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা তীব্র হয়েছে। আগামী দিনে দলের নেতৃত্ব পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১০, ২০২৬
রাজ্য

অরূপ বিশ্বাসকে বড় ধাক্কা হাইকোর্টে! বিচারপতির কড়া নির্দেশে বাড়ল চাপ

মেসিকাণ্ডে গ্রেফতারির আশঙ্কা করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। তবে আদালত তাঁকে কোনও রক্ষাকবচ দেয়নি। বুধবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পুলিশের ডাকে হাজিরা দিতেই হবে অরূপ বিশ্বাসকে। হাজিরার অন্তত আটচল্লিশ ঘণ্টা আগে নোটিস দিতে হবে পুলিশকে। তদন্তে কোনও স্থগিতাদেশ নয়, তদন্ত নিজের গতিতেই চলবে। একই সঙ্গে তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।আদালত অরূপ বিশ্বাসের উপর একাধিক শর্তও আরোপ করেছে। বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী, আদালতের অনুমতি ছাড়া তিনি রাজ্যের বাইরে যেতে পারবেন না। তাঁকে নিজের পাসপোর্ট নিম্ন আদালতে জমা রাখতে হবে। পাশাপাশি কোনও সাক্ষীকে প্রভাবিত করা বা ভয় দেখানোর চেষ্টা করা যাবে না বলেও স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে আদালত।শুধু অরূপ বিশ্বাসকেই নয়, পুলিশকেও বেশ কিছু নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। বিচারপতি জানিয়েছেন, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারের তত্ত্বাবধানে এই ঘটনার তদন্ত হবে। কীভাবে এমন পরিস্থিতি তৈরি হল, তার নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে। চার সপ্তাহের মধ্যে তদন্তের রিপোর্ট আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এই মুহূর্তে গ্রেফতারের মতো কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়ার কথাও জানিয়েছে আদালত।শুনানির সময় অরূপ বিশ্বাসের আইনজীবী আদালতের কাছে আবেদন করেন, তাঁর মক্কেলকে নিরাপত্তা দেওয়া হোক। আদালত এ বিষয়ে পর্যবেক্ষণ করে জানায়, অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে অন্য কোনও মামলা রয়েছে কি না, সে বিষয়েও তথ্য জমা দিতে হবে।এ দিনের শুনানিতে গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, এই ঘটনায় রাজ্যের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিচারপতির প্রশ্ন, কীভাবে একজন রাজনৈতিক নেতা আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ফুটবলারের এত কাছাকাছি পৌঁছে গেলেন? এতে তাঁর নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়নি কি? দেশের অন্য জায়গায় এমন ঘটনা ঘটেনি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।বিচারপতি আরও বলেন, সেদিন মাঠে বহু দর্শক ও মেসি-সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। নিরাপত্তাজনিত কারণে মেসিকে আগেভাগে অনুষ্ঠানস্থল ছাড়তে হয়েছিল। ফলে বহু মানুষের প্রত্যাশা ভেঙে যায় এবং গোটা ব্যবস্থাপনায় চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।শুনানির সময় বিচারপতি জানতে চান, পুলিশ বারবার দেখা করতে বললেও অরূপ বিশ্বাস কেন যাচ্ছেন না। উত্তরে তাঁর আইনজীবী জানান, আদালত রক্ষাকবচ দিলে তিনি পরদিনই তদন্তে যোগ দেবেন।অন্যদিকে রাজ্যের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, অরূপ বিশ্বাস প্রভাবশালী ব্যক্তি হওয়ায় তিনি তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করতে পারেন অথবা সাক্ষীদের প্রভাবিত করতে পারেন। রাজ্যের আইনজীবী আরও জানান, এর আগেও পুলিশ তাঁকে নোটিস পাঠিয়েছিল, কিন্তু তিনি সেই নোটিসের জবাব দেননি। তাই তাঁকে বিশেষ কোনও রক্ষাকবচ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।তবে সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি জানান, এই মুহূর্তে অরূপ বিশ্বাসকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজন রয়েছে বলে আদালত মনে করছে না। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, যে ঘটনার অভিযোগ প্রায় ছয় মাস পরে দায়ের করা হয়েছে, সেখানে এতদিন পর সাক্ষীদের ভয় দেখানোর আশঙ্কা কতটা বাস্তব, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।সব মিলিয়ে মেসিকাণ্ডে তদন্ত চলবে, তবে আপাতত গ্রেফতারের আশঙ্কা থেকে কিছুটা স্বস্তি পেলেও আদালতের কড়া নজরদারি এবং একাধিক শর্তের মুখে পড়লেন অরূপ বিশ্বাস। এই মামলার পরবর্তী শুনানি এবং তদন্তের অগ্রগতি এখন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের বিশেষ নজরে।

জুন ১০, ২০২৬
দেশ

সেনা শিবিরে আচমকা বিস্ফোরণ! মুহূর্তে প্রাণ গেল দুই জওয়ানের, শোকস্তব্ধ দেশ

জম্মু ও কাশ্মীরে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন দুই সেনা জওয়ান। উরির একটি সেনা শিবিরে হ্যান্ড গ্রেনেড বিস্ফোরণের ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার পর মৃত্যু হয় তাঁদের। মঙ্গলবার বারামুলা জেলার উরি সেক্টরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকেই গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে সেনাবাহিনী।সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, উরির কমলকোট এলাকার একটি সেনা শিবিরে নিয়মিত অস্ত্র হস্তান্তরের কাজ চলছিল। সেই সময় আচমকাই একটি হ্যান্ড গ্রেনেড বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের জেরে গুরুতর আহত হন দুই জওয়ান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের উদ্ধার করে ভারতীয় সেনার নিরানব্বই বেস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকদের সমস্ত চেষ্টা সত্ত্বেও শেষরক্ষা হয়নি। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই মৃত্যু হয় তাঁদের।জানা গিয়েছে, মৃত দুই জওয়ানই মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা। এই মর্মান্তিক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে তাঁদের পরিবার এবং সহকর্মীদের মধ্যে। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকেও গভীর শোকপ্রকাশ করা হয়েছে।উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেও জম্মু ও কাশ্মীরে এক সেনা আধিকারিকের মৃত্যুর ঘটনা সামনে এসেছিল। রাজৌরি জেলায় জঙ্গিবিরোধী অভিযানের সময় দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান লেফটেন্যান্ট বীরেশ্বর গোস্বামী। সেনা সূত্রে জানা যায়, পাহাড়ি এলাকায় অভিযান পরিচালনার সময় তিনি একটি গভীর খাদে পড়ে যান। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের দুই জওয়ানের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ সেনাবাহিনী।এদিকে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরি-সহ একাধিক জেলায় জঙ্গি দমনে ব্যাপক অভিযান চালাচ্ছে ভারতীয় সেনা। গোপন সূত্রে জঙ্গিদের উপস্থিতির খবর পাওয়ার পর শুরু হয় বিশেষ অভিযান। জঙ্গলঘেরা বিস্তীর্ণ এলাকায় চলছে তল্লাশি। এখনও পর্যন্ত কোনও জঙ্গির খোঁজ না মিললেও সেনাবাহিনীর ধারণা, তারা বারবার অবস্থান পরিবর্তন করছে।উরির সেনা শিবিরে কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল এবং বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ কী, তা জানতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে সেনাবাহিনী। তদন্তের রিপোর্ট সামনে এলেই পুরো ঘটনার বিস্তারিত ছবি স্পষ্ট হবে।

জুন ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal