• ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩, বুধবার ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Lockdown

দেশ

সুড়ঙ্গের শেষে আলোর দেখা কি মিলবে? পরিযায়ীরা রইলেন সেই তিমিরেই

অবশেষে সুড়ঙ্গ থেকে মুক্তি। আলোর উৎসবের দিন উত্তর কাশির সিল্কিয়ারা- বারকোট সুড়ঙ্গের অন্ধকারে বন্দি হয়েছিলেন একচল্লিশ (৪১) জন শ্রমিক। ১৭ দিন ধরে চলা জীবন মৃত্যুর পাশা খেলায় জিতে আটাশে নভেম্বর এসেছিল মুক্তি। তারপরে দেশ জুড়ে খবরের কাগজ, টেলিভিশন আর সামাজিক মাধ্যমে বীরের অভ্যর্থনা। খবরের কাগজের প্রথম পাতায়, টেলিভিশনের পর্দায় ছবি আর সাক্ষাৎকারের ছড়াছড়ি। তবে তার আয়ু বড় জোর দু থেকে তিন দিন। এরপরেই আবার পর্দার আড়ালে। যাদের নিয়ে এই সাময়িক মাতামাতি তাঁরা সবাই পরিযায়ী শ্রমিক। আচ্ছা, এদের শেষ কবে দেখেছিলেন মনে আছে? বেশ, আমিই আপনাদের স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি।সময়ের কাঁটা টাকে একটু পিছিয়ে দিন। তখন বিশ্বজুড়ে মারণ রোগ করোনা ভাইরাসের দাপটে গুটিয়ে গিয়েছে। ভারতেও তার প্রকোপ তীব্র। মারন রোগ ঠেকাতে হঠাৎ ই লকডাউন ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী। এই হঠাৎ ঘোষণায় বিদেশ বিভুঁইয়ে রোজগার হারিয়ে, মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে পরিযায়ী শ্রমিকদের পায়ে হেঁটে ছেলে বৌয়ের হাত ধরে স্বভূমিতে ফেরার আপ্রান চেষ্টা দেখেছিল গোটা দেশ। রাজ্যে রাজ্যে সড়ক পথে স্টেশনে বাস টার্মিনাসে পরিযায়ী শ্রমিকদের ঢল নেমেছিল। তাঁদের অনেকেই রাস্তায় ক্ষুধায়, তৃষ্ণায়, ক্লান্তিতে লুটিয়ে পড়েছিলেন। অনেকে আবার বিষন্ন মনে ট্রেন লাইন ধরে চলার সময় ট্রেনের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছিলেন। কেউ কেউ আবার হাজার মাইল পথ হেঁটে নিজ ভূমে ফিরেছিলেন অবসন্ন দেহ নিয়ে। সেই সময় ও সংবাদ মাধ্যমে ছড়িয়েছিল এদের ছবি আর সাক্ষাৎকার। তারপরে আবার এর চলে গিয়েছিলেন বিস্মৃতির অতল গহ্বরে। প্রাকৃতিক বিপর্যয় অথবা মহামারিতে প্রান না গেলে এরা তো অগোচরেই থাকেন।দিন প্রতিদিন আমাদের নজর বাতিতে যারা আলোকিত থাকেন তাঁরা হলেন সেলিব্রিটি (Celebrity)। তাই বলিউডের, টলিউডের নায়ক, নায়িকা, ক্রীড়া জগতের নক্ষত্র, রাজনীতিবিদ, অথবা অন্যান্য ক্ষেত্রের দামী ব্যাক্তিদের নামে স্টেডিয়ামের নাম করণ হয়। রাস্তার নাম করণ হয়, মূর্তি তৈরি হয়। কিন্তু যারা স্টেডিয়াম, হাইওয়ে, উড়ালপুল, রেলপথ তৈরি করেন, যাদের শ্রমে ছোট বড়ও কারখানা চলে সেই পুরুষ ও মহিলা শ্রমিকরা নিভৃতবাসেই থেকে যান। অথচ এরাই আমাদের জাতীয় মানবসম্পদ। রুজির খোঁজে পরবাসে গিয়ে অবজ্ঞা, সন্ত্রাস, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের মধ্যে থেকে এরা কাজ করে চলেন। অথচ রাস্ট্রীয় চেতনায় এরা সবাই পরিহার্য। তাই স্বাস্থ বিপর্যয়ে এদের শহর থেকে তাড়িয়ে দেওয়া যায়। নির্মীয়মান সুড়ঙ্গ, বহুতল, সেতু অথবা উড়ালপুল ধসে পড়ে এদের মৃত্যু হলে রাস্ট্র নির্বিকার থাকে। কর্মস্থলে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা জনিত সরঞ্জাম না থাকায় এদের মৃত্যু হলে মালিকদের জবাবদিহি করতে হয় না। পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে সাম্প্রতিক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে দেশের ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ মানুষ কাজের খোঁজে বাসস্থান ছেড়ে অন্যত্র যেতে বাধ্য হন। পিছিয়ে পড়া রাজ্যগুলো থেকে আর্থিক কর্মকাণ্ডে এগিয়ে থাকা রাজ্যগুলোয় গিয়ে কাজ করেন তাঁরা। পিছনে পড়ে থাকে গ্ৰাম, পরিবার।এদের নিয়ে দেশে একটা আইন রয়েছে। তাহলো Inter State Migrant Work Men Act, 1979. এই আইনে বলা হয়েছে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য বাসস্থান, স্বাস্থ্য ব্যাবস্থা, ন্যুনতম মজুরি এবং সামাজিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে। কিন্তু বাস্তবে এর কোনোটাই তাঁদের ধরা ছোঁয়ার মধ্যে থাকে না। হাইওয়ে, স্মার্টসিটি, উড়ালপুল, রেলপথ ও স্টেডিয়াম তৈরির জন্য রাস্ট্রের নীতি রয়েছে। এইসব প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন নিয়ে নেতা মন্ত্রীদের আস্থা রয়েছে। অথচ যারা এই প্রকল্পগুলি গড়ে তোলেন তাদের জন্য আইন থাকলেও প্রয়োগ নেই। পরিযায়ী শ্রমিকরা আমাদের দেশের অদৃশ্য নাগরিক। প্রাকৃতিক বিপর্যয়, নির্মান বিপর্যয় এবং মহামারিতে তাঁরা বন্দি অথবা প্রান হারালে তবেই দৃশ্য মান হন। ততদিন এঁরা থাকুন ঘুমিয়ে পড়া অ্যালবামে

ডিসেম্বর ০৮, ২০২৩
রাজ্য

বর্ধমানে গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে পার্টি অফিসে তালা, শিকেয় নাগরিক পরিষেবা

শাসকদলের গোষ্ঠী কোন্দলের শিকেয় নাগরিক পরিষেবা। তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর অথচ তাকেই বাধা। তাকেই দলীয় কার্যালয়ে বসতে না দেওয়ার অভিযোগ পুরমাতার। তিনি যাতে কার্যালয়ের ভিতরে বসতে না পারেন তারজন্য কার্যালয়ের মেন গেটে পড়লো তালা। অগত্যা বাধ্য হয়েই কার্যালয়ের সামনেই রাস্তার আলোতে চেয়ার টেবিল পেতে ওয়ার্ডের নাগরিকদের পরিষেবা দিলেন কাউন্সিলর। রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় বর্ধমান পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কালনাগেট ভদ্রপল্লীর এই ঘটনায় শহরে চাঞ্চল্য ছড়ায়।৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সিমরন বাল্মিকীর অভিযোগ,প্রতিদিনই অফিস খোলা থাকে, তাস খেলা হয়। তাদের কে আমি তাস খেলা বন্ধ করতে বলেছিলাম, এসব নিয়ে প্রতিবাদ করেছিলাম, তাই দলীয় কার্যালয় বন্ধ করে রেখেছে। নাম না করে দলীয় কর্মীদের একাংশের বিরুদ্ধেই তিনি ক্ষোভ উগড়ে দেন।এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী বাবলু ঘোষ বলেন, প্রতিদিনই সন্ধ্যায় পার্টি অফিস খোলা হয়। শনিবারও খোলা হয়েছিল। আমি সকালে চাবি চাইলে বলা হয় চাবি নেই। বিজেপি বর্ধমান জেলা কমিটির মুখপাত্র সৌম্যরাজ ব্যানার্জী বলেন, পুরোটাই টাকার খেলা। মূলত তোলাবাজি নিয়ে ওয়ার্ডের স্বঘোষিত তৃণমূল নেতা শিবশংকর ঘোষের সঙ্গে কাউন্সিলরের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই এসব হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

নভেম্বর ১৪, ২০২২
বিদেশ

এক বছর পর ফের কোভিডে মৃত্যু দেখল চিন

চিনে আবারও ফিরল করোনার নতুন আতঙ্ক। প্রায় দু বছর পর করোনায় মৃত্যুর ঘটনা ঘটল চিনে। জিলিন প্রদেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে।শনিবার চিনের ন্যাশনাল হেল্থ অথরিটি করোনায় মৃত্যুর এই খবর জানিয়েছে। গত বছর অর্থাৎ ২০২১-এর জানুয়ারি মাসে শেষবার করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল চিনে। তারপর গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে কোনও মৃত্যু হয়নি। তবে সম্প্রতি সংক্রমণের এক নতুন ঢেউ প্রবেশ করার ইঙ্গিত পেয়েছেন চিনা বিশেষজ্ঞরা। চিনের বিভিন্ন প্রদেশে নতুন করে বিধি নিষেধ জারি হয়েছে। আর এবার মৃত্যুর ঘটনা ভাবাচ্ছে চিকিৎসকদের। এই নিয়ে এখনও পর্যন্ত চিনে মোট ৪ হাজার ৬৩৮ জনের মৃত্যু হল করোনায়।শনিবার চিনে নতুন করে ২ হাজার ১৫৭ জনের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। এর মধ্যে জিলিন প্রদেশেই আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। ওই প্রদেশে গোষ্ঠী সংক্রমণ ছড়িয়েছে বলেই অনুমান করা হচ্ছে। সেই কারণেই ওই প্রদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।বিগত কয়েকদিন ধরে লাফিয়ে লাফিয়ে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে চিনে, কখনও ২-হাজার, কখনও আবার ৩-হাজারের গণ্ডি ছাড়িয়ে যাচ্ছে আক্রান্তের সংখ্যা। বিগত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে ২,২২৮ জন সংক্রমিত হওয়ার পর চিনে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ১২৮,৪৬২ জন। দুজনের মৃত্যুর পর মোট মৃত্যু হয়েছে ৪,৬৩৮ জনের। চিনে এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১০৫,২৩৮ জন।

মার্চ ১৯, ২০২২
বিদেশ

চিনে ফের লকডাউনে বন্দি দেড় কোটিরও বেশি বাসিন্দা

কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না করোনা। তবে তুলনামূলকভাবে বিশ্বজুড়েই করোনার প্রকোপ এখন অনেকটাই কম। তবে স্বস্তি নেই চিনের বাসিন্দাদের। সেখানে ফের একবার করোনা সংক্রমণ শুরু হতেই, প্রশাসনের তরফে লকডাউন ঘোষণা করা হচ্ছে। গত সপ্তাহেই চিনের চাংচুন শহরে লকডাউন জারি করা হয়েছিল। এবার লকডাউন ঘোষণা করা হল হাইটেক শহর শেনজেন-এও। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, বিগত দুই বছরে সবথেকে ভয়ঙ্করভাবে এবারই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। সংক্রমণ রুখতেই তাই একের পর এক শহরে লকডাউন জারি করা হচ্ছে।করোনা সংক্রমণের উৎপত্তি হয়েছিল চিন থেকেই। তাই ভাইরাসের ভয়াবহতা কতটা হতে পারে, তার আন্দাজ ভালভাবেই রয়েছে চিনের। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পর প্রথম মাস হিমশিম খেলেও, হাল সামলিয়ে নেয় প্রশাসন। এক সপ্তাহের মধ্যেই তৈরি করে দেওয়া হয় হাসপাতাল। সেই সময়ই তৈরি করা হয় জিরো কোভিড নীতি। শহরে ৫-১০ জন করোনা আক্রান্ত হলেও, গোটা শহরেই লকডাউন জারি করে দেওয়া হয়।দেড় কোটিরও বেশি বাসিন্দার শেনজ়েন শহরে সম্পূর্ণ লকডাউন জারি করা হয়েছে। সেখানে সমস্ত গ্রামের সীমানা আটকে দেওয়া হয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বাস, মেট্রো। রবিবারই চিনা সংবাদপত্রে জানানো হয়েছে যে সোমবার থেকে সমস্ত গণপরিবহন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।প্রশাসনের তরফে নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, শহরের সমস্ত বাসিন্দারাই যেন বাড়ি থেকে কাজ করেন এবং অত্যাবশ্যকীয় কোনও পণ্য কেনার জন্যই বাড়ি থেকে বের হন। বাইরে থেকে যারা শেনজ়েনে আসছেন, তাদের সকলকেই নেগেটিভ নিউক্লেইক অ্যাসিড রিপোর্ট জমা দিতে হবে। রিপোর্ট ২৪ ঘণ্টার বেশি পুরনো হতে পারবে না। এছাড়া নতুন সপ্তাহেই শহরজুড়ে ফের তিন দফায় করোনা পরীক্ষা করানো হবে বলেও জানানো হয়েছে।

মার্চ ১৪, ২০২২
রাজ্য

Lock Down: বড় খবর! ফের আংশিক লকডাউনের সম্ভাবনা রাজ্যে, আপাতত বাতিল 'দুয়ারে সরকার' কর্মসূচি

ফের আংশিক লকডাউনের পথে হাঁটার সম্ভাবনা রাজ্যের। জারি হতে পারে বিভিন্ন ক্ষেত্রে আবারও বিধিনিষেধ। বন্ধ হতে পারে রাজ্যের মেলাগুলি। আগামী ৩ জানুয়ারি থেকে এই বিধিনিষেধ আরোপ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেই সূত্রের খবর। শনিবারই করোনা বাড়ায় আপাতত সব মামলা ভার্চুয়ালি হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। শুধু কলকাতা হাইকোর্ট নয়, রাজ্যের সমস্ত জেলার আদালতের জন্যই এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এমনকী জলপাইগুড়ির যে সার্কিট বেঞ্চ রয়েছে তাও আপাতত বন্ধ থাকছে।যেভাবে ওমিক্রন থাবা বসাচ্ছে গোটা দেশে, যে হারে রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে সেইদিকে খেয়াল রেখে এবার কিছুটা রাশ টানার সম্ভাবনা রয়েছে নবান্নের। ইতিমধ্যেই কলকাতা পুরসভার একাধিক কাউন্সিলর কোভিড আক্রান্ত হয়েছেন। শনিবারই সামনে এসেছে রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার খবর।১ জানুয়ারি থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত স্টুডেন্টস উইক ঘোষণা করেছে রাজ্যে সরকার। তারই অঙ্গ হিসেবে ৩ জানুয়ারি নেতাজি ইন্ডোরে এক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও থাকার কথা ছিল। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সেই কর্মসূচি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। সোমবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে। তাহলে কি ফের আংশিক লকডাউনের পথে হাঁটার কথা ভাবছে রাজ্য সরকার? এই প্রশ্নই এখন ঘুরছে বিভিন্ন মহলে।শুধু স্টুডেন্টস উইক-এর অনুষ্ঠানই বাতিল নয়। রবিবার থেকে দুয়ারে সরকারের কর্মসূচি শুরু হওয়ার কথা ছিল রাজ্য সরকারের। রাজ্য সরকার আপাতত দুয়ারে সরকার কর্মসূচিও স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যে হারে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে, তা এই মুহূর্তে এই ধরনের শিবির শুধু মারাত্মক নয় প্রাণঘাতীও হয়ে উঠতে পারে বলেই মত জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের।বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে-# বন্ধ হতে পারে স্কুল, কলেজ।# বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বার, রেস্তোরাঁ, সিনেমা হল।# কমানো হতে পারে লোকাল ট্রেনের সংখ্যা।# নিষেধাজ্ঞা জারি হতে পারে রাজ্যের মেলাগুলিতে।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
দেশ

Omicron: ওমিক্রন-উদ্বেগ থাকলেও এখনই লকডাউন নয় দিল্লিতে

ওমিক্রন আতঙ্কে কাঁপছে দেশ। ইতিমধ্যেই দেশে ঢুকে পড়ছে করোনা ভাইরাসের এই মারাত্মক ভ্যারিয়েন্ট। রাজধানীতেও ঢুকে পড়েছে ওমিক্রন। দিল্লি স্বাস্থ্যমন্ত্রী সতেন্দ্র জৈন জানিয়েছেন ওমিক্রন নিয়ে উদ্বেগের মাঝে দিল্লি সরকার খুব কাছ থেকে ওমিক্রন পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে। একসঙ্গে এই মূহুর্তেই রাজধানীতে লকডাউনের সম্ভাবনার কথা খারিজ করে দিয়েছেন দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী।সোমবার সাংবাদিকদকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন দিল্লির স্বাস্থ্য মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, দিল্লি সরকার বেশ কিছু পরিকল্পনা করেছে। পরিস্থিতি ও আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি জানিয়েছেন, বেশ কিছু দেশে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টটি ছড়িয়ে পড়ার কারণে সরকার যাত্রীদের পরীক্ষা ও শনাক্তকরণের ওপরই বেশি জোর দিচ্ছে। ওমিক্রনে প্রভাবিত দেশ থেকে আসা যাত্রীদের ওপর বেশি করে নজর দেওয়া হচ্ছে।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট যেহেতু করোনার ডেল্টার থেকেও বেশি মারাত্মক, তাই কাছ থেকে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে। যেসব দেশের আক্রান্তের সংখ্যা বেশি, সেই দেশগুলি থেকে আগত পর্যটকদের করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থা করেছে সরকার। এখনও অবধি ২৭ জনকে এলএনজেপি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, তাদের মধ্যে ১৭ জনের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। এই করোনা আক্রান্তদের মধ্যে একজনের দেহেই ওমিক্রনের উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছে, এবং বাকিদের নমুনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।দিল্লিতে কি লকডাউন হতে পারে? সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য বেশ কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। প্রয়োজন অনুযায়ী সেই গুলি বাস্তাবায়িত হবে। এই মূহুর্তে লকডাউন হওয়ার কোনও সম্ভাবনাই নেই।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২১
দেশ

Delhi Pollution: দিল্লিতে ফের সম্পূর্ণ লকডাউন ঘোষণা হতে পারে, কেন জানুন

দূষণের দাপটে সম্পূর্ণ লকটডাউন ঘোষণা করা হতে পারে রাজধানী নয়াদিল্লিতে। সোমবার সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে এমনটাই জানিয়েছে কেজরিওয়াল সরকার। দিল্লির বাতাসে দূষণের মাত্রা কমাতে সরকারকে কড়া পদক্ষেপ করতে বলেছিল সুপ্রিম কোর্ট। তারপরই সোমবার এই হলফনামা দিল।হলফনামায় সরকার লিখেছে, স্থানীয়স্তরে দূষণের মাত্রা কমাতে সম্পূর্ণ লকডাউনের মতো কড়া পদক্ষেপ করতে প্রস্তুত দিল্লি। তবে এই পদক্ষেপ তখনই সম্পূর্ণ গ্রহণযোগ্য হবে যখন সমগ্র জাতীয় রাজধানী ক্ষেত্র (এনসিআর) এবং তার পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলিতেও একই পদক্ষেপ করা হবে। দিল্লির যা আয়তন, তাতে শুধু সেখানে লকডাউন করলে তার প্রভাব কমই অনুভূত হবে। একই সঙ্গে লেখা হয়েছে, যদি কেন্দ্রীয় সরকার কিংবা কমিশন ফর এয়ার কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে যদি জাতীয় রাজধানী ক্ষেত্র এবং পার্শ্ববর্তী রাজ্যে এমন পদক্ষেপ করতে বলা হয়, তা হলে দিল্লি সরকারও তেমন কড়া পদক্ষেপ করতে রাজি। সঙ্গে জানানো হয়েছে প্রকাশ্যে আবর্জনা পোড়ালে জরিমানা করা হবে। যাতে মানুষজন ঘর থেকে না বেরোন, তার জন্য আরও কিছু পদক্ষেপ করছে সরকার।এরই মধ্যে দিল্লিতে সাত দিনের জন্য স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে অরবিন্দ কেজরিওয়াল সরকার। পাশাপাশি, সরকারি কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে দিল্লিতে সমস্ত নির্মাণ কাজ আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দীপাবলি-পরবর্তী সময়ে দিল্লি ধোঁয়াশায় ঢেকে যাওয়ার কারণেই এই নির্দেশ। এমনটাই তখন জানিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। আপাতত ১৫ তারিখ থেকে পরবর্তী সাত দিনের জন্য এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে নির্মাণ কাজ, যেগুলি থেকে প্রবল ধুলো ছড়ায়, সেগুলি আপাতত ১৪ তারিখ থেকে বন্ধ রাখতে বলেছে দিল্লি সরকার।

নভেম্বর ১৫, ২০২১
বিদেশ

China Corona: চিনে ফের শুরু লকডাউন, গৃহবন্দি হাজারো মানুষ

করোনার প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে উঠে পুরোপুরি ছন্দে ফিরে এসেছিল চিন। ঘুরে দাঁড়িয়েছিল সে দেশের অর্থনীতিও। কিন্তু এখন নতুন করে সেখানে আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে শুরু করেছে করোনা। রাজধানী বেজিং-ও ছড়িয়েছে করোনা। এদিকে আগামী বছরের শুরুর দিকেই শীতকালীন অলিম্পিক্সের আয়োজক চিন। সব মিলিয়ে এই নতুন করে করোনা গ্রাফ চিন্তা বাড়াচ্ছে শি চিনপিংয়ের প্রশাসনের।চিনের ইনার মঙ্গোলিয়ার এজিনে লকডাউন জারি হয়েছে। সোমবার থেকে ওই এলাকার ৩৫ হাজার ৭০০ বাসিন্দাকে বাড়ি থেকে বেরতে নিষেধ করা হয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে ওই অঞ্চলেই সংক্রমণের হটস্পট। গত সপ্তাহে ওই এলাকায় করোনা আক্রান্ত হয়েছে ১৫০ জন। চিনের ন্যাশনাল হেল্থ কমিশনের তরফ থেকে সতর্ক বার্তায় বলা হয়েছে, এ ভাবে চলতে থাকলে কয়েক দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। চিনের ১১ টি প্রদেশে নতুন করে করোনা ছড়িয়ে পড়েছে।চিন থেকেই শুরু হয়েছিল কোভিডের দাপট। ২০১৯-এর শেষের দিকে সেই আতঙ্কের শুরু। লকডাউনের ছবি দেখা গিয়েছিল চিনের একাধিক শহরে। এরপর প্রায় গোটা বিশ্ব দেখেছে ভাইরাসের দাপট। তবে নতুন করে সেই ভাইরাসের আতঙ্কে প্রহর গুনছে চিন। ইতিমধ্যেই চিনের একাধিক শহরে ছড়াতে শুরু করে সংক্রমণ। কয়েক দিনের মধ্যে পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে বলে সতর্ক বার্তা দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই নতুন করে শুরু হচ্ছে লকডাউন।

অক্টোবর ২৫, ২০২১
রাজ্য

Pujo Restrictions: এবারও পুজো মণ্ডপে বহাল 'নো এন্ট্রি'

এবারও পুজো মণ্ডপগুলোতে বহাল থাকছে নো এন্ট্রি। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে এমনটাই জানাল রাজ্য সরকার। রাজ্যের দাবি, গত বছর আদালতের রায় এবারও বহাল থাকবে। উল্লেখ্য, রাজ্যে করোনা বিধিনিষেধ ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। পুজোর দিনগুলিতে নৈশ কার্ফু শিথিল থাকবে। তবে লোকাল ট্রেন এখনই চলবে না বলেও জানানো হয়েছে।তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা এখনও উড়িয়ে দেননি চিকিৎসকরা। ফলে করোনাবিধি মেনে যাতে এবারও দুর্গাপুজো হয়, সেই জন্য কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যের থেকে পরামর্শ চায় কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবার আদালতে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, এবারের পুজো মণ্ডপে নো এন্ট্রি বহাল থাকছে। ২০২০-তে কলকাতা হাইকোর্ট যে নির্দেশিকা দিয়েছিল তা মেনেই পুজো হবে। সমস্ত কোভিডবিধি মেনেই পুজো হবে। কেন্দ্র আগেই বলেছে, উৎসব হোক। তবে নিয়ম মেনে। আদালতে রাজ্যের দাবি সেটাই হবে। আদালতে অ্যাডভোকেট জেনারেল আরও জানান, পুজো কর্তৃপক্ষকে তালিকা দিয়ে জানিয়ে দিতে হবে তাঁদের কোন কোন স্বেচ্ছাসেবক পুজোর সঙ্গে যুক্ত থাকবেন। বড় পুজোর ক্ষেত্রে ২৫ জন এবং ছোট পুজোর ক্ষেত্রে ১২ জন স্বেচ্ছাসেবকের তালিকা তৈরি করতে হবে। বৃহস্পতিবার নবান্ন বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানায়, অক্টোবরে রাত ১১টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত নৈশ কার্ফু বহাল থাকবে। তবে ছাড় দেওয়া হয়েছে পুজোর দিনগুলিতে। ১০ থেকে ২০ তারিখ পর্যন্ত রাতে যান চলাচল ও মানুষের যাতায়াতে কোনও নিষেধাজ্ঞা থাকছে না। ফলে রাত জেগে প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে প্রতিমা দর্শন করতে পারবেন সাধারণ মানুষ।

অক্টোবর ০১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Om Sahani : ওমের সৌজন্যে অন্তঃসত্ত্বা মানালি !

ওমের জন্য অন্তঃসত্ত্বা মানালি! বিষয়টা খুব অবাক করার মতো। অনেকেই ভাববেন কি হল ব্যাপারটা। আসলে পুরোটাই অভিনয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত। অভিমন্যু মুখোপাধ্যায়ের নতুন ছবি লকডাউন। এই ছবিতে প্রথমবার অন্তঃসত্ত্বার চরিত্রে দেখা যাবে মানালি কে। তার বিপরীতে রয়েছে ওম সাহানি। ইতিমধ্যে মুক্তি পেয়েছে এই ছবির প্রথম গান তোমার কপালে শীতঘুম। শোভন গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা ও সুরে এই গানটি গেয়েছেন ইমন চক্রবর্তী।লকডাউন ছবিতে রয়েছে টানাপোড়েনের গল্প। এই ছবিতে অনুরাধার চরিত্রে অভিনয় করছেন মানালি। চরিত্রের জন্য বাড়তি পরিশ্রমও করতে হয়েছে পরিচালকের স্ত্রী কে। এই চরিত্রের জন্য পরিচালকের সম্পূর্ণ ক্রেডিট রয়েছে বলে জানিয়েছেন মানালি।ছবিতে অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করছেন সোহম চক্রবর্তী, রাজনন্দিনী, শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়, আদৃত প্রমুখ। যদিও ছবির মুক্তির দিনক্ষণ এখনও কিছু জানানো হয়নি। তবে খবর, সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি মাসেই মুক্তি পেতে পারে এই ছবি।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২১
রাজ্য

Local Train: ফের রাজ্যে বাড়লো কোভিড বিধি, সময়সীমা কমলো নাইট কার্ফুর

৩১ অগস্ট পর্যন্ত চলবে না লোকাল ট্রেন। এদিন নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে এমনটাই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। জানালেন, আগামী ৩১ অগস্ট পর্যন্ত রাজ্যে কোভিড বিধিনিষেধ বহাল থাকবে। ওই সময় পর্যন্ত চলবে না লোকাল ট্রেন। তবে কমছে নাইট কার্ফুয়ের সময়সীমা। এতদিন রাত ৯টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে নাইট কার্ফু চলছিল। কিন্তু ১৬ অগস্ট থেকে তার সময় বদলাচ্ছে। জনগণের দাবি এবং কাজকর্মের কথা বিবেচনা করে রাত ১১টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত থাকবে রাত্রিকালীন বিধিনিষেধ।এদিন সাংবাদিক বৈঠক মুখ্যমন্ত্রী আর যে যে বিষয়গুলো বলেন, তা নিম্নরূপ:১. ২৫ থেকে ৬০ বছর পর্যন্ত সব মহিলা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধা পাবেন। বাংলা একদিন বিশ্ব বাংলায় পরিণত হবে।২. অনেকে প্রশ্ন করছেন লোকাল ট্রেন কেন চলছে না? আমি জানি সাধারণ মানুষের কষ্ট হচ্ছে। সেজন্য মেট্রো, বাস চালু করে দেওয়া হচ্ছে। আরও কয়েকটা দিন কষ্ট করতে হবে। লোকাল ট্রেন চালাতে আরও কিছুদিন সময় নিচ্ছি। তৃতীয় ঢেউয়ের বিষয়টি দেখছি। অগস্টের ৩১ তারিখ পর্যন্ত লোকাল ট্রেন বন্ধ থাকবে।৩. সাধারণ মানুষের দাবি মেনে রাত ১১ টা থেকে সকাল ৫টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ বন্ধ থাকবে। এতে মানুষের কোনও অসুবিধা হবে না।৪. ভাইফোঁটার দিন থেকে চালু হচ্ছে দুয়ারে রেশন।৫. তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা আছে, তাই আরও কিছু দিন কষ্ট করতে হবে৬. সংক্রমণের হার কমেছে বাংলা।৭. গ্রামাঞ্চলে টিকাকরণ বেড়েছে। ইতিমধ্যেই ৫০ শতাংশ টিকাকরণ হয়ে গিয়েছে।৮. টিকা পাচ্ছি না, তাও সাধ্য মতো চেষ্টা করে যাচ্ছি।রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গত মে মাস থেকে দফায় দফায় চলছে বিধিনিষেধ। দৈনন্দিন কাজের সুবিধার্থে একাধিক বিষয়ে ছাড় দিয়ে চলতি নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ছিল ১৫ অগস্ট পর্যন্ত। এবার তা আরও বাড়ানো হল। ৩১ অগস্ট পর্যন্ত তা বাড়ল। তবে এখনই খুলছে না লোকাল।

আগস্ট ১২, ২০২১
রাজ্য

Actor: সংসারের চাপে জনপ্রিয় অভিনেতা বিক্রি করছেন মাছ

একেই বলে ভাগ্যের পরিহাস। লকডাউনে কাজ গিয়েছে সমাজের নানা শ্রেণির মানুষের। বাধ্য হয়ে সংসার চালাতে অন্য পেশার অবলম্বন নিতে হয়েছে বহু মানুষকে। কাজ হারিয়েছেন, বাংলা সিরিয়াল ইন্ডাস্ট্রির বহু মানুষও। ভালোলাগা-ভালোবাসার কাজ ছেড়ে বেছে নিতে হয়েছে সংসার চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় কাজ। অভিনয়ই ছিল একমাত্র নেশা। সবজি বিক্রেতার ছেলে হয়েও সেই নেশাকেই পেশা হিসেবে আঁকড়ে ধরতে চেয়েছিলেন বছর তেত্রিশের যুবক। পূর্ব বর্ধমানের মেমারির সোমেশ্বরতলার যুবক অরিন্দম প্রামাণিকের জীবন সংগ্রাম এখন দৃষ্টান্ত এলাকার মানুষের কাছে। সংসারের হাল ধরতে তিনি শুরু করেন মাছের ব্যবসা। সেই স্বপ্ন পূরণ হলেও পেটের তাগিদে সেই পেশা এখন অধরা। অতিমারি করোনার জেরে পেশা বদল করতে বাধ্য হয়েছেন। একাধিক সিনেমা ও ধারাবাহিকে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করলেও, জীবনের বাস্তব চরিত্রে এখন তিনি মাছ বিক্রেতা। মেমারির স্টেশন বাজারে প্রতিদিন সকালে মাছের খরিদ্দার সামলানোই এখন অরিন্দমের রোজনামচা। বাবা অসুস্থ হওয়ায় সবজি ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য হয়। তার ওপর লকডাউনের জেরে ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ বন্ধ। এই দুইয়ের টানাপোড়েনে গত বছর লকডাউনের সময় টলিপাড়া ছেড়ে মেমারির বাড়িতে চলে আসেন তিনি। রাস্তার ধারে বসে মাছ বিক্রি করাটা তাঁর কাছে মোটেও সহজ ছিল না। কিন্তু উপায় নেই। বাবা-মা ও স্ত্রীর সংসারে টানাটানি ছিলই। বাবার ৪০ বছরের সবজির দোকানে বছর খানেক আগে থেকে খুব একটা বেচাকেনা ছিল না। তাছাড়া তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাই বাধ্য হয়েই সেই দোকানকেই মাছের দোকানে বদলে ফেলেন অরিন্দম। আরও পড়ুনঃ দেশে নিম্নগামী দৈনিক সংক্রমণ, কমেছে মৃত্যুর হারওগত বছর লকডাউনের সময় থেকে নিয়ম করে প্রতিদিন সকালে বড়ো-ছোট মাছ নিয়ে বসেন ক্রেতাদের অপেক্ষায়। একাদশ শ্রেণিতে পড়ার সময় থেকেই নাট্যকার ও নির্দেশক চন্দন সেনের নাটকের দলে অভিনয়ের হাতেখড়ি হয়েছিল অরিন্দমের। ২০১১ সালে সুবর্ণলতা মেগা সিরিয়ালে খোকা চরিত্রে তাঁর পরিচিতি বাড়িয়েছিল। তারপর একের পর এক ধারাবাহিকে তিনি অভিনয়ের দক্ষতার পরিচয় দেন। রাশি, অগ্নিপরীক্ষার মতো জনপ্রিয় ধারাবাহিক এবং তোর নাম, হারকিউলিস-এর মতো কয়েকটি চলচ্চিত্রে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়, বিশ্বনাথ বসু ও অনন্যা চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর ভালো অভিনয়ের খ্যাতিতে নিয়মিত কাজের পরিসর বাড়তে থাকে। ইন্ডাস্ট্রি ছেড়ে বেরিয়ে আসার সময় শেষ অভিনয় স্টার জলসার মেগা সিরিয়াল এখানে আকাশ নীল। এখন ১৫ ফুট বাই ২০ ফুটের দোকানে রুই, কাতলা, ইলিশ ও চিংড়ি বিক্রি করেন অরিন্দম। জানান, প্রথম পর্বের লকডাউনের পর টলিপাড়ায় কাজ শুরু হয়, তখন ফের অভিনয়ের ডাক এসেছিল। কিন্তু ভরসা করতে পারিনি। কারণ, গত এক বছরে ধীরে ধীরে মাছের ব্যবসাটা গুছিয়ে নিয়েছেন। তাই এটা ছেড়ে স্বপ্নের পেশায় যাওয়ার ঝুঁকিটা আর নিতে চাননি অরিন্দম।

জুলাই ০৩, ২০২১
রাজ্য

Lockdown: ১ জুলাই পর্যন্ত বাড়ল কার্যত লকডাউন, কোন কোন ক্ষেত্রে নিয়ম শিথিল, জানুন

করোনার কড়া বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও ১৫দিন বাড়ল রাজ্যে। তবে একাধিক ক্ষেত্রে মিলল ছাড়। যদিও এখনই লোকাল ট্রেন, মেট্রো বা গণপরিবহণ চলাচলে ছাড় দেয়নি রাজ্য। তবে দোকান, বাজার, অফিসের মতো জন পরিষেবার ক্ষেত্রে বেশ কিছু ছাড় দেওয়া হয়েছে। সোমবার সাংবাদিক সম্মেলন করে সেই সমস্ত তথ্য জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। আগামী ১৫ দিন কী করা যাবে আর কী করা যাবে না, রইল তার তালিকা।১৬ মে থেকে বিধিনিষেধ সংক্রান্ত নতুন নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য। ২৫ শতাংশ কর্মীদের উপস্থিতি নিয়ে সমস্ত সরকারি অফিস চলবে। বেসরকারি অফিস ১০-৪ টে থেকে খোলা। ২৫ শতাংশ কর্মী উপস্থিত থাকতে পারেন। কর্মীদের জন্য পরিবহণের ব্যবস্থা করবে অফিস। ই-পাসের ব্যবস্থা থাকবে। প্রাতঃভ্রমণের জন্য সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত পার্ক খোলা। টিকা নিয়েছেন, এমন ব্যক্তিরাই মর্নিং ওয়াকে বেরনোর অনুমতি পাবেন। টিকার দুটি ডোজ সম্পূর্ণ হলে তবেই ঢোকা যাবে পার্কে। বাজার খোলা সকাল ৭টা থেকে ১১টা পর্যন্ত। অন্যান্য দোকান খোলা থাকবে ১১-৬ টা পর্যন্ত। রেস্তরাঁ-বার, শপিং মল,হোটেল ১২টা থেকে ৮টা পর্যন্ত খোলা। শপিং মল ১১-৬টা পর্যন্ত খোলা, ২৫ শতাংশের বেশি কর্মী হাজির থাকতে পারবেন না। একসঙ্গে ঢুকতে পারবেন সর্বাধিক ৩০ শতাংশ ক্রেতা। স্টেডিয়ামে খেলা হতে পারে। তবে দর্শক থাকতে পারবেন না। প্রতি শুটিং ইউনিটে ৫০ জন সদস্য হাজির থাকতে পারবেন। প্রত্যেকের টিকাকরণ সম্পূর্ণ হতে হবে। স্কুল-কলেজ-সহ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। লোকাল ট্রেন, মেট্রো পরিষেবা বন্ধ। বন্ধ বাসও। জরুরি পরিষেবা ছাড়া ট্যাক্সি, অটো বন্ধ। সামাজিক-রাজনৈতিক জমায়েত বন্ধ। সিনেমা হল, বিউটি পার্লার, স্পা বন্ধ। বিয়েতে সর্বাধিক ৫০ জন হাজির থাকতে পারবেন। শেষকৃত্যে ২০ জনের বেশি নয়। ব্যাংক ১০টা থেকে দুপুর ২ টো পর্যন্ত খোলা। রাত ৯টা থেকে সকাল ৫টা পর্যন্ত কোনও গাড়ি চলবে না। জরুরি কাজ ছাড়া বাইরে বেরনো যাবে না।

জুন ১৪, ২০২১
রাজ্য

Lockdown: ১ জুলাই পর্যন্ত বাড়ল কার্যত লকডাউন, কোন কোন ক্ষেত্রে নিয়ম শিথিল, জানুন

করোনার কড়া বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও ১৫দিন বাড়ল রাজ্যে। তবে একাধিক ক্ষেত্রে মিলল ছাড়। যদিও এখনই লোকাল ট্রেন, মেট্রো বা গণপরিবহণ চলাচলে ছাড় দেয়নি রাজ্য। তবে দোকান, বাজার, অফিসের মতো জন পরিষেবার ক্ষেত্রে বেশ কিছু ছাড় দেওয়া হয়েছে। সোমবার সাংবাদিক সম্মেলন করে সেই সমস্ত তথ্য জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। আগামী ১৫ দিন কী করা যাবে আর কী করা যাবে না, রইল তার তালিকা।১৬ মে থেকে বিধিনিষেধ সংক্রান্ত নতুন নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য। ২৫ শতাংশ কর্মীদের উপস্থিতি নিয়ে সমস্ত সরকারি অফিস চলবে। বেসরকারি অফিস ১০-৪ টে থেকে খোলা। ২৫ শতাংশ কর্মী উপস্থিত থাকতে পারেন। কর্মীদের জন্য পরিবহণের ব্যবস্থা করবে অফিস। ই-পাসের ব্যবস্থা থাকবে। প্রাতঃভ্রমণের জন্য সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত পার্ক খোলা। টিকা নিয়েছেন, এমন ব্যক্তিরাই মর্নিং ওয়াকে বেরনোর অনুমতি পাবেন। টিকার দুটি ডোজ সম্পূর্ণ হলে তবেই ঢোকা যাবে পার্কে। বাজার খোলা সকাল ৭টা থেকে ১১টা পর্যন্ত। অন্যান্য দোকান খোলা থাকবে ১১-৬ টা পর্যন্ত। রেস্তরাঁ-বার, শপিং মল,হোটেল ১২টা থেকে ৮টা পর্যন্ত খোলা। শপিং মল ১১-৬টা পর্যন্ত খোলা, ২৫ শতাংশের বেশি কর্মী হাজির থাকতে পারবেন না। একসঙ্গে ঢুকতে পারবেন সর্বাধিক ৩০ শতাংশ ক্রেতা। স্টেডিয়ামে খেলা হতে পারে। তবে দর্শক থাকতে পারবেন না। প্রতি শুটিং ইউনিটে ৫০ জন সদস্য হাজির থাকতে পারবেন। প্রত্যেকের টিকাকরণ সম্পূর্ণ হতে হবে। স্কুল-কলেজ-সহ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। লোকাল ট্রেন, মেট্রো পরিষেবা বন্ধ। বন্ধ বাসও। জরুরি পরিষেবা ছাড়া ট্যাক্সি, অটো বন্ধ। সামাজিক-রাজনৈতিক জমায়েত বন্ধ। সিনেমা হল, বিউটি পার্লার, স্পা বন্ধ। বিয়েতে সর্বাধিক ৫০ জন হাজির থাকতে পারবেন। শেষকৃত্যে ২০ জনের বেশি নয়। ব্যাংক ১০টা থেকে দুপুর ২ টো পর্যন্ত খোলা। রাত ৯টা থেকে সকাল ৫টা পর্যন্ত কোনও গাড়ি চলবে না। জরুরি কাজ ছাড়া বাইরে বেরনো যাবে না।

জুন ১৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

দীর্ঘ অবসরের পড় আবার জুটি বাঁধতে চলেছেন রাম গোপাল ভার্মা এবং অমিতাভ বচ্চন

প্রখ্যাত চিত্রপরিচালক রাম গোপাল ভার্মা ও শাহেনশা অমিতাভ বচ্চনের মেলামেশা এবং বন্ধুত্ব কয়েক দশকের। আরজিভি (রাম গোপাল ভার্মা-র সংস্থা) চলচ্চিত্র জগতে তাদের যাত্রা শুরু করার পর থেকেই তাদের বন্ধুত্ব একটা মাত্রা পায় যা এখন অটুট। তারা বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রের একসাথে জুটি বেঁধেছিলেন যার মধ্যে উল্লেখ্য সরকার, সরকার রাজ, রান,নিঃশব্দ। সেই সিনেমাগুলির মধ্যে কিছু সিনেমা চূড়ান্ত সাফল্যে পায়, কিছু সিনেমা মুখ থুবরে পড়ে। শনা যাচ্ছে দীর্ঘ চার বছর পর ওই জুটি আবার একত্রিত হচ্ছেন।সুত্র মারফৎ জানা যাচ্ছে , রাম গোপাল ভার্মা এখন একটি স্ক্রিপ্ট লিখেছেন যা তিনি গত কয়েক বছর ধরে তৈরির পরিকল্পনা করেছিলেন। তিনি এখনই মুম্বই থেকে গোয়ায় বসবাস করেছেন এবং তিনি ওই সিনেমাটির মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করার জন্য অমিতাভ বচ্চনকে অনুরোধ করেছিলেন, এবং শাহেনশা কেবল স্ক্রিপ্ট টি শুধু পছন্দই করেননি বরং এটিতে অভিনয় করার অনুমতিও দিয়ে দিয়েছেন। আরজিভি বর্তমানে দাউদ ইব্রাহিমের জীবনের উপর ভিত্তি করে তাঁর ওয়েব সিরিজ ডি কোম্পানি জন্য প্রচন্ড ব্যস্ত রয়েছেন, সিরিজের পরবর্তী কিস্তি শেষ করার পরেই এই ছবিটির কাজ শুরু করবেন। প্রথম অংশটি শুট হয়ে গেছে বাকিটা লকডাউন নিষেধাজ্ঞাগুলি উঠে গেলে শুট করা হবে। আশা করা যায় বচ্চন সাহেবের ছবির শুটিং শুরু হতে হতে বছর গড়িয়ে যাবে।

জুন ০৬, ২০২১
রাজ্য

১৫ জুন পর্যন্ত বাড়ল কার্যত লকডাউনের মেয়াদ

রাজ্যে কার্যত লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধি পেল ১৫ জুন পর্যন্ত। বৃহস্পতিবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত সব বিধিনিষেধ জারি থাকবে রাজ্যে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, যে যে বিধিনিষেধ জারি ছিল, সেগুলিই জারি থাকবে। বিধিনিষেধের ফলে রাজ্যে সংক্রমণ কিছুটা কমেছে। তাই এই সিদ্ধান্ত।আরও পড়ুন: নিউ বারাকপুরে গেঞ্জি কারখানায় অগ্নিকাণ্ডএর আগে ১৫ মে থেকে রাজ্যে কার্যত লকডাউন ঘোষণা করা হয়। তার আগের দিন, অর্থাৎ ১৪ মে রাজ্যে সংক্রমণ ছিল সবচেয়ে বেশি। আক্রান্ত হয়েছিলেন ২০ হাজার ৮৪৬ জন। ১৫ মে আক্রান্ত হন ১৯ হাজার ৫১১ জন। কিন্তু লকডাউন ঘোষণার পর থেকে সংক্রমণ কমছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৬ হাজার ২২৫ জন। সেই কারণেই আরও ১৬ দিন লকডাউন বাড়ানো হল বলেই প্রশাসন সূত্রে খবর। বৃহস্পতিবার মমতা বলেন, আমরা একে লকডাউন বলছি না। আমরা বলছি বিধিনিষেধ। এর আগে যা যা বিধিনিষেধ ছিল, সেগুলিই বজায় থাকবে। রাত ৯টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত কেউ বাইরে বেরোবেন না। বাজার, মিষ্টির দোকান, শাড়ি, গয়নার দোকান যে রকম নিয়ম মেনে খুলছিল সে রকমই খুলবে। শুধু জুটমিলে কর্মীর সংখ্যা ৩০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৪০ শতাংশ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে নির্মাণ কাজে যুক্ত শ্রমিকদের টিকা নেওয়া হয়ে গেলে তাঁরা কাজ করতে পারবেন।

মে ২৭, ২০২১
রাজ্য

লকডাউনে জুটমিল বন্ধে পথে বসলেন প্রায় এক হাজার শ্রমিক

করোনা পরিস্থিতিতে রাজ্যে লকডাউনের মধ্যেই বন্ধ হয়ে গেল হাওড়ার আরও একটি জুটমিল। কাজ হারালেন প্রায় এক হাজার শ্রমিক।দাশনগরের ভারত জুটমিলের পর এবার বালি বাদামতলার মহাদেব জুটমিল সাসপেনশন অফ ওয়ার্কের নোটিশ দিয়ে বন্ধ হল। আজ বুধবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হল বালি বাদামতলা মহাদেব জুটমিল। ফলে কর্মহীন হয়ে পড়লেন প্রায় হাজারের উপরে শ্রমিক। মূলত কাঁচামালের আমদানি ও রপ্তানির ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দেওয়ায় এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছে মিল কর্তৃপক্ষ। জানা গেছে, স্বাধীনতার পর থেকে এই প্রথম বন্ধ হল হাওড়ার বালি বাদামতলা মহাদেব জুটমিল। কর্মহীন হয়ে পড়লেন প্রায় এক হাজার শ্রমিক।মিলের ট্রেড ইউনিয়ন নেতা মিহির দত্ত বলেন, সকালে হঠাৎ কাঁচামাল নেই বলে মিলে সাসপেনশন অফ ওয়ার্ক নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এই কারখানা বন্ধ হওয়ায় প্রায় এক হাজার কর্মী কাজ হারালেন। কাঁচামালের অজুহাত দেখিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছে মিল কর্তৃপক্ষ। স্বাধীনতার পর এই প্রথম মিলটি বন্ধ হলো। এটা অন্যায় করেছে মিল কর্তৃপক্ষ। এই পরিস্থিতিতে মানুষ যেখানে খেতে পারছে না সেখানে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া অনৈতিক। আমাদের ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে কথা হয়েছিল। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন পাট এলে মিলের কাজ হবে।মিল বন্ধের কারণে মিলের সামনে ধর্না দিচ্ছেন কর্মীরা। এদিন সকালে কাজে এসে দেখা যায় মিল বন্ধের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। মিলের এক কর্মী তাফের আলম জানান, এদিন সকালে এসে দেখেন কাঁচা মালের জন্য মিল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মিল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল কাঁচামাল এলে কাজ হবে। লকডাউনের কারণে পাট রাস্তায় আটকে আছে। এই পরিস্থিতিতে প্রায় এক হাজার শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়লেন। সরকারি নির্দেশমতো ৩০ শতাংশ কর্মী নিয়ে কাজ চলছিল। তাঁদের সঙ্গে আলোচনা না করেই মিল কর্তৃপক্ষ একতরফাভাবে কারখানা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে দাবি শ্রমিকদের।

মে ১৯, ২০২১
কলকাতা

করোনার শৃঙ্খল ভাঙতে লকডাউনের প্রথম সকালে শুনশান শহর

নবান্ন থেকে কার্যত লকডাউনের ঘোষণার সময় রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙার জন্যই এই কড়াকড়ি। সরকার আশা করছে, মানুষ এই নির্দেশ মানবেন। রবিবার, লকডাউনের প্রথম সকালে হুগলি থেকে হাওড়া হয়ে কলকাতার এই ছবিই এখন দেখা যাচ্ছে। সকাল ৭টা থেকে ১০টা পর্যন্ত বাজার, দোকান খোলা থাকলেও রাস্তায় লোক নেই বললেই চলে। বাজার এলাকায় দুএক জায়গায় অল্প কয়েক জনের জমায়েত ছাড়া মোটের উপর ফাঁকা রাস্তা। গাড়ি চলাচলও খুব কম। রাস্তায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নাকা চেকিং চলছে। বিধিনিষেধ বজায় রাখতে সক্রিয় পুলিশ।রাস্তার ধারে বিক্রেতারা ফল, সবজি নিয়ে বসেছেন। কিন্তু ক্রেতার দেখা বিশেষ একটা চোখে পড়ল না। পাড়ার মোড়ের চায়ের দোকানগুলো বেশির ভাগ বন্ধ থাকায় সেখানেও ভিড় নেই। গাড়ি যে চলছে না বা রাস্তায় লোক নেই তা নয়, তবে সবটাই হতে গোনা। একই ছবি হাওড়া ব্রিজে ওঠার মুখেও। সেখানে চেকিং আরও কড়া। ব্রিজের দুই প্রান্তেই চেকিং চলছে। সংবাদমাধ্যমের গাড়িকে না আটকালেও বেশ কিছু গাড়ি ও মোটরবাইককে ফিরিয়ে দিলেন পুলিশ কর্মীরা। পর্যাপ্ত কারণ থাকলে অবশ্য ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে গাড়ি। রবিবারের সকালে শুনশান বড়বাজার এলাকাও। রাস্তার উপরেই কিছু ঠেলাগাড়িতে সবজি, ফল বিক্রি হচ্ছে। তবে সেখানেও ক্রেতার সংখ্যা বেশ কম। দোকান প্রায় সবই বন্ধ। রাস্তার ধারে সার দিয়ে দাঁড়ানো ট্যাক্সি, ওলা, উবর। এই সুযোগে কেউ কেউ আবার গাড়ি ধুয়ে নিচ্ছেন। চারদিকে যেন একটা ছুটির আমেজ চোখে পড়ছে। বড়বাজার পেরিয়ে মহাকরণ, লালবাজার চত্বরেও রাস্তাঘাট ফাঁকা। কিছু গাড়ি চললেও কলকাতার সেই চেনা ভিড়ের ছবিটা উধাও। সব মিলিয়ে লকডাউনের প্রথম সকালের ছবিটা কিন্তু বেশ স্বস্তির। করোনা সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙতে সরকারের সিদ্ধান্তকে সাদরে গ্রহণ করেছেন সাধারণ মানুষ।

মে ১৬, ২০২১
কলকাতা

নিষেধাজ্ঞা জারি হতেই মদের দোকানে উপচে পড়া ভিড়

অতিমারিকে উপেক্ষা করে মদের দোকানের সামনে উপচে পড়ে ভিড়! পুলিশের লাঠি খেয়েও নিজেদের স্টকে মজুত করে নানান রকমের মদ। এ ছবি অবশ্য নতুন নয়। গতবার লকডাউনের সময়ও লম্বা লাইন পড়েছিল মদের দোকানে। কেউ কেউ তো আবার মদের জ্বালা ভুলতে অ্যালকোহলযুক্ত স্যানিটাইজার খেয়ে বেঘোরে প্রাণও দিয়েছেন। শনিবারই সাংবাদিক বৈঠক করেছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি জানিয়েছেন, ১৬ মে সকাল ৬ থেকে রাজ্যে প্রায় লকডাউন। জরুরি পরিষেবা ছাড়া প্রায় সবকিছুতেই তালা ঝুলিয়েছে প্রশাসন। বাদ পড়েনি মদের দোকানও। আর তার পরই সুরাপ্রেমীদের মাথায় হাত। কীভাবে গলা ভেজাবেন তাঁরা? কোথা থেকে আসবে নেশার দ্রব্যের জোগান? দোকানে তালা ঝুলতে আর মোটে কয়েক ঘণ্টা। তাই ঘোষণা হওয়ার পর আর দেরি করতে চাননি সুরাপ্রেমীরা। অতিমারিকে উপেক্ষা করে মুখে মাস্ক আর পকেটে স্যানিটাইজার নিয়ে হাজির হয়েছিলেন মদের দোকানে। বাবুঘাট থেকে বাগুইআটি, মানিকতলা থেকে মন্দিরবাজার-রাজ্যের সর্বত্রই ছবিটা প্রায় এক। খাস কলকাতায় চাঁদনি চকের সামনের দোকানে ভিড় সামাল দিতে তো রীতিমতো পুলিশ মোতায়েন করতে হয়। যাতে লাইনে শারীরিক দূরত্ববিধি মানা হয়। কিন্তু কোথায় কী? পুলিশের চোখ এড়িয়ে লাইনের সাইড থেকে দোকানে ঢোকার চেষ্টা চালান কেউ কেউ। উদ্দেশ্য একটাই, দুটো অতিরিক্ত বোতল যদি পাওয়া যায়। নেশার রসদ না জুটলেও দোকানের নিরাপত্তারক্ষী এবং পুলিশের লাঠির ঘা জুটেছে অবশ্যই।

মে ১৫, ২০২১
রাজ্য

কড়া রাজ্য, আগামী ১৪ দিন বন্ধ বাস, মেট্রো-সহ সব গণপরিবহণ

করোনা সংক্রমণ রুখতে কার্যত লকডাউনের পথে হাঁটল রাজ্য সরকার। রবিবার সকাল ৬টা থেকে ৩০ তারিখ সন্ধে পর্যন্ত কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে। শনিবার দুপুরে নবান্নে মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিক বৈঠক করে এ কথা জানিয়েছেন। দেখে নিন, কোন কোন ক্ষেত্রে কঠোরতম নিষেধাজ্ঞা জারি হল বার বাস, মেট্রো-সহ সমস্ত গণপরিবহণ বন্ধ করা হল। বন্ধ ফেরি, অটো পরিষেবাও। শুধুমাত্র জরুরি পরিস্থিতিতেই মিলবে পরিবহণ পরিষেবা। সরকারি ও বেসরকারি অফিস, কলকারখানাও বন্ধ হচ্ছে আগামী ১৫ দিনের জন্য। বন্ধ সমস্ত স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্য়ালয়-সহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। রাত ৯টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত নাইট কার্ফু জারি হল রাজ্যে।প্রায় লকডাউনের পরিবেশই ফিরছে রাজ্যে। গত ৫ তারিখ তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়ে কোভিড মোকাবিলায় বৈঠকের পরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন, দু সপ্তাহ বন্ধ থাকবে লোকাল ট্রেন। কিন্তু অন্যান্য গণপরিবহণ স্বাভাবিকই ছিল। এবার তাও বন্ধ করে কার্যত জনগণের বাড়ির বাইরে আসাযাওয়া নিয়ন্ত্রণের পথে হাঁটল প্রশাসন। এমনকী, বন্ধ অটোও। আগের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১৫ দিন বন্ধ থাকবে রেস্তরাঁ, শপিংমল, সুইমিং পুল, পার্লার। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বেরনো প্রায় নিষেধ। রাত ৯টা থেকে ভোর ৫ টা পর্যন্ত কার্যত নাইট কার্ফু জারি হল রাজ্যে। এছাড়া সমস্ত ধর্মীয়, রাজনৈতিক সভা, সমাবেশ বন্ধ। মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এ ধরনের জমায়েত থেকে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কাই বেশি। তাই তা রুখতে জমায়েতে কড়া হাতে রাশ টানছে প্রশাসন।এদিকে, রেল চলাচল বন্ধ হওয়ার কথা মুখ্যসচিব জানালেও পূর্ব রেলের সিপিটিএম-এর বক্তব্য, এখনও রাজ্যের তরফে কোনও নির্দেশিকা আসেনি। সেক্ষেত্রে দূরপাল্লার ট্রেন বন্ধ না হওয়ার আশা দেখছেন রেলকর্তারা। তবে ছাড়ও রয়েছে বেশ কয়েকটি পরিষেবায়। চিকিৎসা, স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যাবতীয় পরিষেবা দিনভর সচল থাকবে। ওষুধ, ইলেকট্রনিক্স, চশমার দোকান খোলা থাকবে। সীমিত সংখ্যক কর্মী নিয়ে চালু থাকবে চা বাগান, জুটমিল। খুব প্রয়োজনে ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে বেরনো যাবে পথে। মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। সারাদিন চালু থাকবে খাদ্য সরবরাহ সংক্রান্ত বিভিন্ন পরিষেবা। রেস্তরাঁ, হোটেল বন্ধ থাকলেও মিলবে অনলাইনে ফুড ডেলিভারি।

মে ১৫, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

যুদ্ধের বাজারেও ভারতের বিরাট সাফল্য! বৃদ্ধির পূর্বাভাস এক ধাক্কায় বাড়াল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার

বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের পরিস্থিতি। বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এর মধ্যেই ভারতের অর্থনীতি নিয়ে বড় সুখবর দিল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। চলতি অর্থবর্ষে দেশের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করল এই আন্তর্জাতিক সংস্থা। আগে এই হার ৬.৪ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল। অর্থাৎ, বিশ্ব অর্থনীতির একাধিক ক্ষেত্রে চাপ থাকলেও ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার।সংস্থার সাম্প্রতিক বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সংক্রান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ভারতের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ হতে পারে। এর আগে গত জুলাইয়ে ৬.৪ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। নতুন অনুমান অনুযায়ী, বৃদ্ধির সম্ভাবনা ০.৬ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে।শুধু চলতি অর্থবর্ষ নয়, আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবর্ষেও ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ থাকতে পারে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। আগে ওই অর্থবর্ষে ৬.৭ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ, আগামী দুবছরেও দেশের অর্থনীতির গতি বজায় থাকার আশা করছে সংস্থাটি।এর আগে ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্কও চলতি অর্থবর্ষে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.১ শতাংশ করেছিল। এ বার আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের রিপোর্টেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলল।ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানোর পিছনে কয়েকটি কারণের কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। সংস্থার মতে, দেশের বাজারে পণ্য ও পরিষেবার চাহিদা যথেষ্ট শক্তিশালী। সাধারণ মানুষের কেনাকাটা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের ভাল ফল অর্থনীতির বৃদ্ধিতে সাহায্য করছে। পাশাপাশি, ভারতের বড় অভ্যন্তরীণ বাজার, বিপুল জনসংখ্যা এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংস্কারও বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। বিশেষ করে পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।তবে বিশ্ব অর্থনীতির সামনে ঝুঁকিও রয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি আমেরিকা ও ইরানের সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। এর মধ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি ভারতের মতো তেল আমদানিনির্ভর দেশের জন্য বড় চিন্তার কারণ। তেলের দাম বাড়লে দেশের আমদানি খরচ বাড়তে পারে। তার প্রভাব পড়তে পারে মূল্যবৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে।আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের অনুমান, ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৫.৭৪ ডলারে পৌঁছতে পারে। ২০২৫ সালের তুলনায় তা প্রায় ৪১ শতাংশ বেশি। তবে ২০২৭ সালে তেলের দাম প্রায় ৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৭.৩৯ ডলারে নেমে আসতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছে। তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা থাকলেও দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি বজায় থাকতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।অন্য দিকে, চিন, রাশিয়া, ব্রাজিল এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের অর্থনীতি নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এই দেশগুলির সম্মিলিত আর্থিক বৃদ্ধির হার ৩.৭ শতাংশ হতে পারে। আগে এই হার ৩.৮ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল।তবে ইউরোপের কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানো হয়েছে। জার্মানির অর্থনৈতিক বৃদ্ধির অনুমান ০.৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে। ব্রিটেনের ক্ষেত্রেও বৃদ্ধির পূর্বাভাস ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে, যুদ্ধ এবং তেলের দাম বৃদ্ধির মতো ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান আগামী দিনেও আর্থিক বৃদ্ধিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

সূর্যকান্তকে নিয়ে বিস্ফোরক পোস্ট, বিজেপির আক্রমণের মুখে পিছু হটল কেরল কংগ্রেস?

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের পদত্যাগ দাবি করে কেরল কংগ্রেসের একটি পোস্ট ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে বিতর্কের পর এ বার প্রধান বিচারপতিকে নিশানা করে পোস্ট করার অভিযোগ উঠেছে কেরল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বিষয়টি সামনে আসতেই কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছে বিজেপি। সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত পোস্টটি মুছে দিয়েছে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস। সূত্রের খবর, ওই পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকেও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে বিক্ষোভ এবং রাজধানীতে জারি করা বিধিনিষেধ নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকেরা। একটি অনুষ্ঠানের ফাঁকে তাঁদের প্রশ্নের উত্তরে প্রধান বিচারপতি জানান, বিষয়টি আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই তা তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না।প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্যের পরেই কেরল কংগ্রেসের সরকারি সমাজমাধ্যমের পাতায় একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে তাঁকে উদ্দেশ করে লেখা হয়েছিল, আইনশৃঙ্খলা যদি তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে না পড়ে, তা হলে যেন তিনি পদত্যাগ করেন। পাশাপাশি, তাঁর পরিবর্তে এই বিষয় সামলাতে পারবেন, এমন কাউকে খুঁজে নেওয়ার কথাও লেখা হয় ওই পোস্টে। বার্তাটি সামনে আসতেই কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হয় বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু নিজের সমাজমাধ্যমের পাতায় ওই পোস্টের ছবি ভাগ করে নেন। তাঁর অভিযোগ, তিনি আগেই বলেছিলেন, কংগ্রেসের পরবর্তী নিশানা হবে বিচারব্যবস্থা। কংগ্রেস দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করতে চায় বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর আরও বক্তব্য, দেশবিরোধী শক্তিগুলি একজোট হচ্ছে। এর মোকাবিলায় দেশপ্রেমিক ভারতীয়দেরও একজোট হওয়ার আহ্বান জানান রিজিজু।বিতর্ক বাড়তে থাকায় নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি সানি জোসেফ জানান, প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রদেশ কংগ্রেসের নেতৃত্বের অজান্তে এবং তাঁদের অনুমতি বা পরামর্শ ছাড়াই ওই পোস্ট করা হয়েছিল।কী পরিস্থিতিতে ওই পোস্ট করা হয়েছিল, তা দল খতিয়ে দেখবে বলেও জানিয়েছেন সানি। তাঁর বক্তব্য, বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে কংগ্রেসের কোনও আপত্তি নেই। সমাজমাধ্যমে এমন কোনও পোস্ট করা হলে, যা দলের এই অবস্থানের সঙ্গে মেলে না, তা কেরল প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের মতামত বলে গণ্য করা যাবে না।প্রধান বিচারপতির মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিতর্কে এক দিকে বিজেপির আক্রমণ, অন্য দিকে কেরল কংগ্রেসের ব্যাখ্যাসব মিলিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতর বেড়েছে। বিতর্কিত পোস্ট প্রত্যাহার এবং দায়ী ব্যক্তিকে সরানোর সিদ্ধান্তের পরেও এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কলকাতা

দুর্গাপুজোর আগেই বড় ধাক্কা সুজিত বসুর, জামিনের আর্জি খারিজ হাই কোর্টে

এক সময় দুর্গাপুজোর আগে থেকেই কলকাতার শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবে ভিড় জমত দর্শনার্থীদের। রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর এই পুজো ছিল শহরের অন্যতম আকর্ষণ। কিন্তু এ বার ছবিটা অন্য রকম। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার সুজিত বসুর জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। ফলে দুর্গাপুজোর সময় তাঁকে জেলেই থাকতে হতে পারে।জামিনের আবেদনটি প্রথমে বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে উঠেছিল। শুনানির শেষে বিচারপতি অভিযোগ করেন, সুজিতের আইনজীবীরা তাঁর কক্ষ থেকে একটি ফাইল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এর পরেই বিচারপতি মামলাটি থেকে সরে দাঁড়ান। পরে মামলাটি যায় বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে। সেখানেই সুজিতের জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। তবে শুনানির সময় বিচারপতি জামিন খারিজের নির্দিষ্ট কারণ জানাননি।আদালতে ইডির আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী দাবি করেন, পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে ২৮৪ জন অযোগ্য প্রার্থী চাকরি পেয়েছিলেন। তাঁদের প্রত্যেকের কাছ থেকে চাকরির জন্য ৬ লক্ষ টাকা করে নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। ইডির আরও দাবি, সুজিত বসুর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৮ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা পাওয়া গিয়েছে। তাঁর পরিবারের সদস্যদের অ্যাকাউন্টেও কয়েক কোটি টাকা মিলেছে বলে আদালতে জানিয়েছিল তদন্তকারী সংস্থা।এই মামলায় সুজিতের আগে গ্রেফতার হয়েছিলেন মধ্যস্থতাকারী অয়ন শীল। ইডি আগে হাই কোর্টে দাবি করেছিল, অয়নকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় বিভিন্ন সময়ে ১৫২ জনের চাকরির জন্য সুজিত বসু সুপারিশ করেছিলেন।অন্য দিকে, সুজিতের আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি ও সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায় জামিনের পক্ষে সওয়াল করেন। তাঁদের বক্তব্য, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত শেষ হয়ে গিয়েছে। তা সত্ত্বেও তাঁদের মক্কেলকে জেলে আটকে রাখা ঠিক নয়। ইডি এই গ্রেফতারিকে যুক্তিসঙ্গত প্রমাণ করতে পারবে না বলেও দাবি করেন তাঁরাসুজিতের আইনজীবীদের আরও বক্তব্য, ২০১৬ সালের পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি তাঁকে মূল অভিযুক্ত হিসেবে দেখালেও, ২০২৪-২৫ সালে সিবিআই যে চার্জশিট দিয়েছিল, তাতে তাঁর নাম ছিল না। তাঁদের দাবি, সুজিতের বাড়ি কলকাতায়। তদন্তের প্রয়োজনে তাঁকে যখনই ডাকা হবে, তিনি হাজির হতে পারবেন। তদন্তে সহযোগিতা করতেও তিনি প্রস্তুত।গত ১১ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই মামলায় প্রায় ১৫০ জন চাকরিপ্রার্থীর নাম সামনে এসেছে। দুর্নীতির মাধ্যমে পাওয়া টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছিল বলে মনে করছে ইডি। তবে এই মামলায় ওঠা অভিযোগগুলির চূড়ান্ত সত্যতা আদালতের বিচারেই নির্ধারিত হবে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

শঙ্কুদেবের পুজোয় হাজির শুভেন্দু অধিকারী, পার্ক স্ট্রিটে দাঁড়িয়ে কী বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী?

পার্ক স্ট্রিটে এ বার প্রথমবার দুর্গাপুজোর আয়োজন করেছেন বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা। প্রথম পুজো ঘিরে উদ্যোক্তাদের মধ্যে আলাদা আবেগ থাকবেই। সোমবার রাতে সেই পুজোর উদ্বোধনে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উপস্থিত ছিলেন সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও। পুজোর উদ্বোধনী মঞ্চ থেকে দুর্গোৎসব, সংস্কৃতি ও রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য রাখেন বিজেপির দুই নেতা।অনুষ্ঠানে সুকান্ত বলেন, পার্ক স্ট্রিটে আগে দুর্গাপুজোর আয়োজন হত না। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় পশ্চিমবঙ্গে ১২ হাজারেরও বেশি নতুন পুজো শুরু হয়েছে। আগের সরকারের আমলে পুজো করার জন্য উদ্যোক্তাদের কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হতে হত বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান সুকান্ত। বক্তব্যের শেষে জয় শ্রীরাম স্লোগানও তোলেন তিনি।সোমবার রাত প্রায় ১১টা নাগাদ পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কে শঙ্কুদেবের পুজোর উদ্বোধন করতে যান শুভেন্দু। সেখানে উপস্থিত বিজেপি নেতাদের একে একে নাম করে উল্লেখ করেন তিনি। তার পর বলেন, একদম রাষ্ট্রবাদী টিম পুরো হাজির।বক্তৃতায় পার্ক স্ট্রিটের প্রসঙ্গ তুলে শুভেন্দু বলেন, এই এলাকায় মাঝেমধ্যে টুকরে টুকরে গ্যাং-এর উৎপাত দেখা যেত বলে তাঁর দাবি। দুর্গাপুজোর আবহে পার্ক স্ট্রিটকে পবিত্র ও শুদ্ধ করার কথাও বলেন তিনি। এই পুজো ধরে রাখার জন্য উদ্যোক্তাদের আবেদন জানান শুভেন্দু। সুযোগ হলে পুজোয় এসে প্রসাদ খাওয়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও পরম্পরা বজায় রাখার উপর জোর দেন শুভেন্দু। পিতৃপক্ষ ও মহালয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এ বার পিতৃপক্ষে কাউকে কাঁচি নিয়ে বেরোতে দেওয়া হয়নি। তাঁর বক্তব্য, পবিত্রতা ও সংস্কৃতি বজায় রেখেই দুর্গাকে স্বাগত জানানো হয়েছে।এ দিকে, কলকাতা জুড়ে দুর্গাপুজোর উদ্বোধন ঘিরে ব্যস্ততা চলছে। গত ১০ অক্টোবর মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে উমা আগমনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রাজ্য সরকারের দুর্গাপুজোর উৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ড্রোনের প্রদর্শনী এবং আতশবাজির আয়োজন করা হয়েছিল। প্রায় তিন হাজার ঢাকির একসঙ্গে ঢাক বাজানো ছিল অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ।১১ অক্টোবর সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করা হয়। এ বছরের পুজোর ভাবনা বন্দে মাতরম্। ভারতের জাতীয় সংগীতের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও দেশভাগের ইতিহাস মণ্ডপে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।১২ অক্টোবর চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ৯১তম বর্ষের পুজোর উদ্বোধন হয়। এ বছরের ভাবনা বিয়ন্ড সাউন্ড। শহরের কোলাহলের বিপরীতে শান্তি ও নিজের অন্তরের ভাবনাকে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে এই মণ্ডপে। শ্রীভূমির দুর্গাপুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

ভোট চুরির অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে রাহুলদের মামলা, আবেদনেই ১৪টি ভুল! ২২০ টাকা কম জমা?

ভোট চুরির অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধী জোটের একাধিক নেতা। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে যৌথ মামলা দায়ের করেছেন তাঁরা। কিন্তু মামলা দায়েরের পরেই নতুন সমস্যা। আদালতের রেজিস্ট্রি জানিয়েছে, বিরোধীদের আবেদনে মোট ১৪টি ত্রুটি রয়েছে। এমনকি আদালতের ফি বাবদ ২২০ টাকা কম জমা পড়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে পথে নেমেছিলেন বিরোধী জোটের নেতারা। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোট চুরির অভিযোগের তদন্তের দাবিতে তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের দিকে মিছিল করেন। সেই দিনই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে যৌথ মামলা দায়ের করেন তাঁদের আইনজীবীরা।কিন্তু আদালতের রেজিস্ট্রির প্রাথমিক পরীক্ষায় আবেদনে একাধিক ভুল ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। রেজিস্ট্রির দাবি, মোট ১৪টি ত্রুটি রয়েছে ওই আবেদনে। তার মধ্যে অন্যতম হল আদালতের ফি বাবদ ২২০ টাকা কম জমা দেওয়া। এ ছাড়া, নয় জন আবেদনকারীর প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র জমা পড়েনি বলেও জানানো হয়েছে।কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের পরিচয়পত্রের স্পষ্ট প্রতিলিপি জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আবেদনের কয়েকটি অংশে অক্ষর অত্যন্ত ছোট হওয়া নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে রেজিস্ট্রি। দুটি নির্দিষ্ট নথির রঙিন প্রতিলিপি জমা দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ। পাশাপাশি, কয়েকটি নথির লেখা অস্পষ্ট, কিছু পৃষ্ঠা অনুপস্থিত এবং আঞ্চলিক ভাষায় লেখা পৃষ্ঠা ও পৃষ্ঠা নম্বরের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এই ত্রুটিগুলি সংশোধন করার পরেই মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া এগোতে পারবে।এই যৌথ মামলায় আবেদনকারীদের তালিকায় রয়েছেন রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব, আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব, সুপ্রিয়া সুলে, শিবসেনার উদ্ধব শিবিরের নেতা সঞ্জয় রাউত, ডি রাজা, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার মহুয়া মাজি, এম এ বেবি এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগের নেতা ই টি মহম্মদ বশির।সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে মামলাটি রাহুল গান্ধী বনাম ভারতের নির্বাচন কমিশন নামে নথিভুক্ত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় মোট ১০ দফা প্রতিকার চেয়েছেন বিরোধী নেতারা।বিরোধীদের দাবি, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া সংক্রান্ত সমস্ত নথি আদালতে পেশ করার নির্দেশ দেওয়া হোক। এই প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তগুলির সাংবিধানিক বৈধতাও খতিয়ে দেখার আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা। পাশাপাশি, অনিয়মের জন্য দায়ী আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, তাঁদের অভিযোগের নিষ্পত্তি এবং একটি স্বাধীন কমিটির মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়ার নিরীক্ষা করানোর দাবিও জানানো হয়েছে।বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে ভোটারদের অধিকার ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে। সেই কারণেই নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা।সোমবারের মিছিলের আগে বিরোধী নেতারা প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে দেখা করার আবেদন জানিয়েছিলেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল, ভোট চুরির অভিযোগের নিষ্পত্তি, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ, বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া বন্ধ এবং ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ ফের চালু করার দাবিতে একটি স্মারকলিপি তুলে দেওয়া।তবে প্রধান বিচারপতি তাঁদের সঙ্গে দেখা করার আবেদন গ্রহণ করেননি। বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন বলেই তিনি এই আবেদন খারিজ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। এর আগে বিরোধীদের অভিযোগ জানানোর পথ নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছিলেন, সুপ্রিম কোর্টের দরজা সকলের জন্য খোলা। সাধারণ নাগরিক হোন বা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, প্রত্যেকেই আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন।এখন বিরোধীদের আবেদনে চিহ্নিত ত্রুটিগুলি সংশোধন করতে হবে। তার পরেই মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া এগোবে। ফলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের এই মামলার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

‘যারা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া কিছু ভাবেনি…’, দুর্গাপুজোর মঞ্চ থেকে কাদের নিশানা অগ্নিমিত্রার?

দুর্গাপুজোর আগে ভারতবিরোধী শক্তির বিনাশ চেয়ে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করলেন রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর কথায়, ভারতবিরোধী শক্তিগুলিকে শেষ করে দাও মা। যারা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া এত দিন কিছুই ভাবেনি, সেই বদমাইশদেরও শেষ করে দাও। সোমবার দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে একটি প্রাক-পুজোর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েও একই প্রসঙ্গে সরব হন অগ্নিমিত্রা। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং আরও শক্তিশালী হচ্ছে। কিন্তু দেশের উন্নতির পথে যারা বাধা হয়ে দাঁড়াতে চাইছে, তাদের বিনাশের জন্য মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করেছেন তিনি। অগ্নিমিত্রার কথায়, যারা নিজেদের স্বার্থের বাইরে কিছু ভাবেনি, তাদেরও যেন মা দুর্গা শেষ করে দেন। দেশ ও রাজ্য থেকে এই ধরনের শক্তির বিনাশই তাঁর প্রার্থনা।এ দিন দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং আতশবাজির প্রদর্শনীও উপভোগ করেন মন্ত্রী। পাশাপাশি রাজ্যবাসীকে দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছা জানান তিনি। উৎসবের দিনগুলিতে সতর্ক থাকার আবেদনও জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা।পুজোর সময়ে জরুরি পরিষেবা চালু থাকবে বলে জানান তিনি। পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকেরা রাস্তায় থেকে পরিস্থিতির উপর নজর রাখবেন বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী। তবে শুধু প্রশাসনের উপর নির্ভর না করে সাধারণ মানুষকেও সচেতন থাকার বার্তা দিয়েছেন তিনি। পরিবেশ রক্ষায় সরকারের জারি করা নির্দেশিকা মেনে চলার আবেদনও জানান অগ্নিমিত্রা।বাংলা ও বাঙালির সংস্কৃতির বিরোধিতা করা হবে, বিজেপিকে ঘিরে এমন প্রচারও খারিজ করেছেন তিনি। অগ্নিমিত্রার বক্তব্য, মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিপুল মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করে যে এই প্রচার ঠিক নয়। আগামী দিনে আরও নানা উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। মানুষের পাশে থাকার আবেদন জানিয়ে অগ্নিমিত্রা বলেন, আগামী দিনেও পাশে থাকুন, আরও অনেক কিছু হবে।সোমবারের ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক পুন্নাম্বলম এস, দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষ্মণচন্দ্র ঘোড়ুই।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কলকাতা

দিল্লির পর কলকাতায় ‘জ্ঞানেশ কুমার হটাও’ মিছিল! পথে নামতে পারেন মমতা, কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

দিল্লির আন্দোলনের আঁচ এ বার কলকাতাতেও। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে মঙ্গলবার কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী শিবির। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই মিছিল হওয়ার কথা। তাতে মমতা নিজেও যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে তিনি মিছিলে হাঁটবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তেই কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুর্গাপুজোর সময়ে কোনও রকম বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবারের মিছিলের প্রচারপত্র প্রকাশ করেছে তৃণমূলের মমতাপন্থী শিবির। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের অভিযোগ তোলা হয়েছে। দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক করা এবং তরুণ প্রজন্মের উপর অত্যাচারের অভিযোগও প্রচারপত্রে তুলে ধরা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে সাধারণ মানুষকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। জেলায় জেলায়ও কর্মসূচির বার্তা পাঠানো হয়েছে বলে খবর।ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছেন বিরোধী নেতাদের একাংশ। এই ইস্যুতে দিল্লিতে একাধিক প্রতিবাদ কর্মসূচিও হয়েছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হতে পারে বলে খবর।এই আবহেই কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের মমতাপন্থী শিবির। দুপুর দুটো নাগাদ মিছিল শুরু হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে মিছিলে অংশ নেবেন কি না, তা নিয়ে এখনও নিশ্চিত কোনও ঘোষণা হয়নি।সোমবার রাতে কলকাতায় একটি দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করতে গিয়ে এই কর্মসূচি নিয়ে সরব হন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, বেরোতে দেব না। সিপিকে নির্দেশ দিয়েছি, রাজাবাজার থেকে এক পা এগোতে দেব না। প্রয়োজন হলে সেন্ট্রাল ফোর্সও নামাতে বলেছি। বেরোতে দেব না। কোনও বিশৃঙ্খলা করতে দেব না দুর্গাপুজোর সময়ে।মিছিল ঘিরে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে বলে খবর। মঙ্গলবার সকাল থেকেই পার্ক সার্কাস এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। রাজাবাজার থেকে মিছিল কোন পথে এগোবে এবং শেষ পর্যন্ত তাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যোগ দেবেন কি না, সে দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

যন্তর মন্তরে প্রতিবাদে নিষেধাজ্ঞা, পরদিনই ব্যারিকেড টপকে ঢোকার চেষ্টা! আটক ককরোচ জনতা পার্টির নেতারা

যন্তর মন্তরে আর প্রতিবাদ করা যাবে না। সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে বলে দাবি। সেই নির্দেশ ঘিরেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে দিল্লিতে। সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপের হুঁশিয়ারি, যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করতে না দিলে গোটা দেশকেই প্রতিবাদের মঞ্চ করে তুলবেন তাঁরা। আর সেই ঘোষণার পরদিনই যন্তর মন্তরে পৌঁছে গেলেন দলের কয়েক জন নেতা। কিন্তু সেখানে ঢোকার চেষ্টা করতেই তাঁদের আটক করে পুলিশ।সোমবার দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। দলের তরফে দাবি করা হয়, ওই সময়ের মধ্যে নতুন করে প্রতিবাদের স্থান এবং দিনক্ষণ জানাতে হবে। তা না হলে বড় পদক্ষেপ করা হবে। এর পরেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করা যাবে না বলে নির্দেশ দেয় দিল্লি পুলিশ। প্রতিবাদের জন্য তিনটি বিকল্প জায়গার কথা জানানো হয়েছে বলে খবর।সেই বিকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে রামলীলা ময়দান। তবে সূত্রের দাবি, সেখানে প্রতিবাদ কর্মসূচির জন্য জায়গা বুক করতে খরচ হতে পারে ১ লক্ষ ২১ হাজার টাকা। চলতি বছরের জন্য বুকিংও ইতিমধ্যে হয়ে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ফলে প্রতিবাদের নতুন জায়গা পাওয়া নিয়ে সমস্যায় পড়তে পারে ককরোচ জনতা পার্টি।নিটের প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের প্রতিবাদে যন্তর মন্তর থেকেই আন্দোলন শুরু করেছিলেন দলের সদস্যেরা। তাই ওই জায়গায় বিক্ষোভ বন্ধের নির্দেশে ক্ষুব্ধ তাঁরা। অভিজিৎ দীপের বক্তব্য, যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করতে দেওয়া না হলে গোটা দেশই প্রতিবাদের মঞ্চ হয়ে উঠবে।এই হুঁশিয়ারির পরদিন মঙ্গলবার ভোরে যন্তর মন্তরে পৌঁছে যান দলের নেতা সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কারা। অভিজিতের প্রকাশ করা একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, লোহার গেট ও পুলিশের ব্যারিকেড টপকে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করছেন তাঁরা। তাঁদের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা। ভারত মাতা কি জয় স্লোগান দিতে দিতেই ব্যারিকেড পার হওয়ার চেষ্টা করেন দলের নেতারা।কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁদের আটক করে পুলিশ। দলের কয়েক জন নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হতে পারে বলেও সূত্রের খবর। মঙ্গলবার সকালে এই ঘটনার একাধিক ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।নেতা-কর্মীরা আটক হলেও আন্দোলন থামবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ। তাঁর দাবি, প্রতিবাদকে আটকানো যাবে না। যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের উপর নিষেধাজ্ঞা এবং বিকল্প জায়গা নিয়ে দিল্লি পুলিশের সঙ্গে দলের সংঘাত কোন দিকে এগোয়, এখন সে দিকেই নজর।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal