• ১ চৈত্র ১৪৩২, সোমবার ১৬ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Jamalpur

রাজ্য

দামোদরে ইলিশ! খুশির হাওয়া দক্ষিণবঙ্গে। এবার কি নিয়মিত পাওয়া যাবে? প্রশ্ন মুখে মুখে

দক্ষিণবঙ্গে খুশির হাওয়া, পূর্ব বর্ধমান জেলায় দামোদরে জেলের জালে ধরা দিলো রুপালী সুন্দরী। শুক্রবার পূর্ব বর্ধমান জেলার জামালপুরে দামোদরে এক জেলের জালে উঠলো প্রায় ১ কেজি ১০০ গ্রামের ইলিশ। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় প্রায় ২০ বছর পর জামালপুরের দামোদরে ধরা পড়লো ইলিশ। দামোদরের জলে পাওয়া রূপালী সুন্দরীকে দেখতে স্থানীয় মানুশের ভিড় জমে যায়। কোন পথে জামালপুরে ইলিশ দামোদরে পৌছলো তা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে মৎস্য বিশেষজ্ঞ মহলে। নোনা জলের কুলীন মাছ দামোদরের মিষ্টি জলে চলে কোন পথে এল? কেউ কেউ জানাচ্ছেন জামালপুরে থেকে ভাগ হয়ে যাওয়া মুন্ডেশ্বরী নাব্যতা বেড়ে যাওয়ায় জল প্রবাহ বেশী হওয়ায় ইলিশের গতিপথ হয়ত সুগম হয়েছে। দুর্গাপুর ব্যারেজ হয়ে প্রবাহিত দামোদর তার গতিপথ পূর্ব বর্ধমান জেলার জামালপুরের কাছে জ্যোতসিরাম থেকে পরিবর্তন করে এবং তারপরে দুটি চ্যানেলে বিভক্ত হয়ে যায়। একটি দামোদর চ্যানেল (আমতা চ্যানেল নামেও পরিচিত) এবং অপরটি কঙ্কা-মুন্ডেশ্বরী চ্যানেল। মূল চ্যানেলটি শেষ পর্যন্ত হুগলি নদীর (গঙ্গা) সাথে মিলিত হয়ে শেষ পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে মিলিত হয়েছে।বিশিষ্ট মৎস্য চাষী বৃন্দাবন ঘোষ জানান, যেহেতু গঙ্গা হয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে সেক্ষেত্রে বর্ধমান জেলায় দামোদরে ইলিশ পাওয়া খুব একটা আশ্চর্যের বিষয় নয়। গলসি এলাকার দামোদরের পাড়ের বাসিন্দা শিল্পী সুব্রত বৈরাগি জনতার কথাকে জানান, এই এলাকার অনেক জেলে আছেন যারা নিয়মিত ভাবে দামোদরের জলে মাছ ধরে থাকেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন দামোদরে ইলিশ পেয়েছেন তবে তার কোনটায় ৪৫০-৬০০ গ্রামের বেশী নয়। সুব্রত আরো জানান, তবে নিয়মিত ভাবে ইলিশ এখানে পাওয়া যায় না।হটাৎ হাজির হওয়া অতথি কে দেখতে শুক্রবার সকালে জামালপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার মাছের আড়তে ভিড় জমে যায়। দক্ষিণবঙ্গে টানা বৃষ্টিতে কয়েক দিন আগেই ডিভিসি-র জলাধার থেকে ব্যাপক জল ছাড়ার ফলে বানভাসি হয় জামালপুরের বিভিন্ন এলাকা। মাছ সবসময় স্রোতের বিপরীতে ভেসে বেড়ায়। এখন জামালপুরে ইলিশ ধরার পড়ায় মনে করা হচ্ছে দূর্গাপুরের ডিভিসি-র ব্যারেজ থেকে ছাড়া জলের তোড়ে মোহনা থেকে স্রোতে বিপরীতে ভাসতে ভাসতে কিছু ইলিশ জামালপুরের দামোদরে এসে পড়েছে। ইলিশটি ধরা পড়ে তপন বিশ্বাস নামে এক মৎস্যজীবীর জালে। সেই খবরে খুশির হাওয়া জামালপুর সহ দক্ষিণবঙ্গে, খবর চাউর হতেই অনেকেই জাল হাতে নিয়ে দামোদরের পাড়ে হাজির হয়ে পরেন। যদি তার শিকে ছেঁড়ে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইলিশটিকে কিনতে অনেকে ইচ্ছা প্রকাশ করায় মাছের আড়তে নিলাম ডাকেন আড়তদার। ১২০০ টাকা থেকে ডাক শুরু হয়, শেষমেশ ২১০০ টাকায় কেজিতে এসে থামে ডাক। জানাযায় জামালপুরের স্থানীয় বাসিন্দা লক্ষ্মণ বিশ্বাস ওই মাছটি ২,১০০ টাকা কেজি দরে মাছটিকে কিনে নেন। গর্বিত ক্রেতা লক্ষ্মণ বিশ্বাস বলেন, এক কেজি ওজনের জীবন্ত ইলিশ পেয়ে আমি খুবই খুশি। তাই টাকার কথা মাথায় ছিলনা। তায় ২,১০০ টাকায় মাছটি কিনে ফেললাম।স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী এবং আড়তদারেরা জানান, জামালপুর এলাকায় এর আগেও মাছ পাওয়া গেছে। আনুমানিক বছর ২০ আগে দামোদরে ইলিশ পাওয়া যেত। দীর্ঘ ২০ বছর পরে দামোদরের জলে ইলিশ ওঠায় এলাকায় ব্যাপক উৎসাহ দেখা দেয়। জামালপুর ব্লকের মৎস্য সম্প্রসারণ আধিকারিক (FEO) নিত্যানন্দ মণ্ডল জনতার কথাকে জানান, আমি শুনেছি উত্তর মোহনপুর এলাকার মৎস্যজীবী তপন বিশ্বাস মাছটি পেয়েছেন। জামালপুরের বাসস্ট্যান্ডের পাশে মাছের আড়তের আড়তদার প্রভাত পাত্রের আড়তে মাছটি নিলাম হয়েছে। আড়তদার প্রভাত পাত্র বলেন, ভরা বর্ষায় নোনা জল থেকে উঠে এসে মিষ্টি জলে ডিম পাড়তে আসে ইলিস। সেই ভাবেই হয়তো ইলিসটি এসেছিল, এবং কাল্লা এবং জামালপুরের মাঝে ধরা পড়ল। তবে আশার কথা শুনিয়েছেন প্রভাত সহ স্থানীয় মৎস ব্যাবসায়ীরা। তাঁরা বলেছেন, ইলিশ হল ঝাঁকের মাছ। একটি যখন ধরা পড়েছে তখন আগামী কয়েকদিনে আরও মাছ ধরা পড়বে। সেই আশায় দক্ষিণবঙ্গের মৎসপ্রেমী রা।

অক্টোবর ০৫, ২০২৪
রাজ্য

শিক্ষক দিবসে মায়েদের সংবর্ধনা দিল জামালপুর এক গ্রাম পঞ্চায়েত

শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আমাদের প্রথম শিক্ষক মা যার মাধ্যমে আমাদের জীবনের প্রথম শিক্ষালাভ শুরু হয়। আজকে সেই মায়েদের জামালপুর এক গ্রাম পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা জানানো হলো।মা-ই প্রথম পাঠশালা, প্রথম আদর্শ শিক্ষক। তাই সন্তান আদর্শ ও সৎ হওয়ার পিছনে মায়ের ভূমিকাই বেশি। একটি সন্তান পৃথিবীতে কত বড় হবে, কত ভালো হবে, তার অনেকটাই নির্ভর করে মায়ের উপর। তাই শিক্ষক দিবসে এবার জীবনের প্রথম শিক্ষক মায়েদের সংবর্ধনা দিলো জামালপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েত।উপপ্রধান শাহাবুদ্দিন মন্ডলের সার্বিক উদ্যোগে জামালপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েত দফতরেই মায়েদের সম্মান জানালো হলো। উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক অলোক কুমার মাঝি, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পূর্ণিমা মালিক, প্রধান ডলি নন্দী সহ বিশিষ্টরা।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৩
রাজ্য

তিন কুখ্যাত দুস্কৃতী গ্রেফতার, উদ্ধার লক্ষাধিক টাকা মুল্যের সরঞ্জাম

তিনি কুখ্যাত দুস্কৃতিকে গ্রেপ্তার করে লক্ষাধিক টাকা মূলের বোমাইল ফোন ও ইলেকট্রনিক্স সরঞ্জাম উদ্ধার করলো পুলিশ। বুধবার বিকাল থেকে বৃহস্পতিবার ভোররাত পর্যন্ত পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার পুলিশ হুগলী জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় টানা অভিযান চালায়। সেই অভিযানেই ধরা পড়ে দুস্কৃতিরা। পুলিশ জানিয়েছে ,ধৃতদের নাম পিযুশ হালদার, মৃত্যুঞ্জয় শা ওরফে মনি ও মানু সাঁতরা ওরফে বিজয়। এদের মধ্যে পিযুশ জামালপুর থানার কলুপুকুর গ্রামের বাসিন্দা।বাকি দুই ধৃতর মধ্যে মত্যুঞ্জয় হুগলী জেলার শ্রীরামপুর এবং মানু হুগলীর গুড়াপ থানা এলাকার বাসিন্দা । বৃহস্পতিবার তিন দুস্কৃতিকে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়। আরো চোরাই সামগ্রী উদ্ধার ও চক্রের বাকিদের হদিশ পেতে পুলিশ ধৃতদের ১০ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায়। বর্ধমান দক্ষিণ মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সুপ্রভাত চক্রবর্তী জানিয়েছেন, গত ২৩ নভেম্বর জৌগ্রামের আমড়ার মোড়ে একটি দোকানের পিছনের দিকে তালা ভেঙে চুরি হয়।তারপরই পুলিশ টেকনোলজি ও সোর্স কাজে লাগিয়ে দুস্কৃতির নাগাল পায়।

নভেম্বর ১০, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে এক পরিত্যক্ত কারখানায় আগুন, দমকল গিয়ে আগুন আয়ত্তে আনে

একটি পরিত্যক্ত কারখানায় আগুন লাগলো পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে। বুধবার দুপুরে ২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে জামালপুরের নবগ্রাম ময়না এলাকার একটি বন্ধ কারখানায় ভিতরে আগুন ধরে।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান বহুদিন ধরে কারখানাটি বন্ধ হয়ে পড়ে আছে। এই পরিত্যক্ত কারখানায় কি উৎপাদন হত স্থানীয়রা কেউই বলতে পারছেন না।আগুন লাগার পর পাশের একটি ইট তৈরীর কারখানার শ্রমিকরা প্রথমে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকায় খবর দেওয়া হয় মেমারি দমকল বিভাগে। দমকলের একটি ইঞ্জিন গিয়ে আগুন আয়ত্তে আনে।দমকল আধিকারিক সঞ্জয় কুমার দত্ত বলেন, কারখানার ভিতরে থাকা প্লাস্টিক জাতীয় জিনিসপত্রে আগুন লাগে। পাশাপাশি সেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে ঝোপঝাড়ে। দমকলের একটি ইঞ্জিন আগুন নেভানোর কাজে ব্যবহার করা হয়। আর একটি পাম্পসেট দিয়েও পাশের পুকুর থেকে জল নিয়ে আগুন নেভানোর কাজে ব্যবহার করা হয়েছে।

নভেম্বর ০২, ২০২২
রাজ্য

দূর্ঘটনার কারন জানতে জামালপুরে গ্রামে পরিদর্শনে এলেন বিদ্যুৎ দপ্তরের আধিকারিকরা

জামালপুরের কানাঘূষা গ্রামে পরিদর্শনে এলেন বিদ্যুৎ দপ্তরের আধিকারিকরা। নবান্নের নির্দেশে ওই টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা মৃতের পরিবারে লোকজনদের সvঙ্গেও দেখা করেছেন। গ্রামের পাশ দিয়ে বিপজ্জনকভাবে বিদ্যুতের তার গিয়েছে। কাঠের খুঁটিতে তার গুলি বাঁধা রয়েছে। গ্রামের বাসিন্দারা সেগুলি সরানোর দাবি জানিয়েছেন। বিদ্যুৎ দপ্তরের আধিকারিকরা বিষয়টি দেখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার এই খুঁটি থেকেই বিদ্যুতের তার ছিড়ে পড়ে এক যুবকের মৃত্যু হয়। গ্রামের বাসিন্দারা ক্ষতিপূরণের দাবিতে সরব হয়েছিলেন। তারপরই এদিন বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন

অক্টোবর ৩০, ২০২২
রাজ্য

যুবতির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য বর্ধমানে

পায়ে দড়ি বাঁধা অবস্থায় বাড়ির পিছনে যুবতির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ালো পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের নারায়ণপুর গ্ৰামে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় জামালপুর থানার পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধার করা পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিকেল কলেজের পুলিশ মর্গে পাঠিয়েছে। মৃত যুবতীর নাম দুলালী মালিক(২৪)।রোজকার মত শনিবার রাতে দুই বোন ঘরে শুতে যায় রবিবার সকালে ঘরের পিছনের দিকে অংশে কার্ণিশ থেকে গলায় দড়ি দেওয়া অবস্থায় ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। তবে দুটি পা দড়ি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় ছিল সেই জন্য পুরো ঘটনাকে ঘিরে রহস্য দানা বেঁধেছে। আত্মহত্যা যদি হয় তাহলে পায়ে দড়ি বাঁধা কি করে? নেপথ্যের কারণ কি তা জানতে কৌতুহল গোটা এলাকায়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

অক্টোবর ৩০, ২০২২
রাজ্য

বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে তরিদাহত হয়ে মৃত্যু হল এক কৃষকের

বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে তড়িদাহত হয়ে মৃত্যু হল এক কৃষকের। শুক্রবার ঘটনাটি ঘটে বর্ধমানের জামালপুরে। জামালপুর থানার কানঘোষা গ্রামে শুক্রবার এক সরোজ মালিক (৩৩) নামে এক ব্যক্তি চাষের জমিতে যাওয়ার পথে বিদ্যুতের ছেঁড়া তাঁরে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মারা যান বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। মৃতদেহ বাড়ির সামনে রেখে ক্ষতিপূরণের দাবিতে বিক্ষোভ দেখায় এলাকার মানুষজন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় জামালপুর থানার পুলিশ। তাঁরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।স্থানীয়দের অভিযোগ একাধিকবার বিদ্যুৎ বিভাগকে জানানো স্বত্বেও কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। এলাকাবাসী জানায়, এর আগে তড়িদাহত হয়ে গবাদি পশু মারা গেছে বেশ কিছু দিন আগে। তারপরেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলে।

অক্টোবর ২৮, ২০২২
রাজ্য

ডাম্পার ও বাইকের দুর্ঘটনায় বর্ধমানের জামালপুরে মৃত্য হল এক যুবকের

মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল বাইক আরোহীর। ঘটনা কে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের থানা মোড় সংলগ্ন এলাকায়। বেপরোয়া ডাম্পারের ধাক্কা মোটরসাইকেলে। আরোহী ছিটকে পড়েন রাস্তায়। তারপরেই ডাম্পারের চাকায় পিষ্ঠ হয়ে মর্মান্তিক পরিনতি বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে জানা গেছে। ঘাতক ডাম্পারটিকে আটক করেছে পুলিশ। চালক ও খালাসি পলাতক। মৃত বাইক আরোহীর নাম উজ্জ্বল কোটাল। বয়স ২৩ বছর। বাড়ি হুগলীর খানাকুলের রঘুনাথপুর এলাকায়। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ বর্ধমান মর্গে।জানা গেছে, সুজিপুর থেকে জামালপুর হয়ে খানাকুল ফিরছিলেন উজ্জ্বল কোটাল বাইকে। সে সময় জামালপুর নেতাজী মাঠ এলাকায় থানা মোড় সংলগ্ন রাস্তায় বেপরোয়া ডাম্পার পিছন থেকে বাইকে ধাক্কা মারলে বিপত্তি ঘটে। কিছুক্ষণের জন্য মেমারী তারকেশ্বর রাস্তায় ব্যহত হয় যান চলাচল। জামালপুর থানার পুলিশ দ্রুত হাজির হয় ঘটনাস্থলে। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয় পরিস্থিতি। ঘাতক ডাম্পারের চালক খালাসি র খোঁজ চলছে ।

অক্টোবর ২৮, ২০২২
দেশ

বাংলাদেশি অনুপ্রেবেশকারি সন্দেহে ব্যাঙ্গালোরে গ্রেপ্তার বর্ধমানের দম্পতি ও শিশুর মুক্তি দাবিতে ভাইফোঁটার দিন অভিনব কর্মসূচী বাংলাপক্ষর

পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের দম্পতি পলাশ অধিকারী, তার স্ত্রী শুক্লা অধিকারী ও তাদের দেড় বছরের পুত্র আদিকে গত ২৭ শে জুলাই, ২০২২ সালে বাংলাদেশী তকমা লাগিয়ে গ্রেপ্তার করেছে ব্যাঙ্গালোর পুলিস। FOREIGNERS ORDER ACT, 1948 (U/s-7(2)); FOREIGNERS ACT, 1946 (U/s-14 (B)) ধারায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে সুত্রে জানা গেছে। পলাশ ও শুক্লা পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর বিধানসভা অন্তর্গত জৌগ্রামের বাসিন্দা। বাংলা পক্ষের শীর্ষ পারিষদ কৌশিক মাইতি জানান, বিজেপি শাসনাধীন কর্ণাটক সরকার বাঙালির উপর আক্রমণ করেই চলেছে ক্রমাগত। এর আগে বাঙালির বস্তি ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। নানা সময় নানা বাঙালিকে বিনা অপরাধে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। বাংলা পক্ষ পলাশ, শুক্লা অধিকারী ও তাঁদের শিশু পুত্রের মুক্তির দাবিতে ভাইফোঁটার দিন কলকাতার রানুছায়া মঞ্চে অভিনব প্রতিবাদ কর্মসূচী করল। এইদিন তাঁরা প্রতীকি ভাইফোঁটার আয়োজন করে। ভাইফোঁটার বিশেষ আয়োজনে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বসত এক প্লেট মিষ্টি। কিন্তু আজকের এই আয়োজনে প্লেটে কোনও মিষ্টি ছিলো না, কপালে ভাইফোঁটা ছিলো না, কারণ হিসেবে তাঁরা জানাচ্ছেন, বর্ধমানের বাঙালি বোন বাঙালি হওয়ার জন্য ব্যাঙ্গালোরের জেলে বন্দী, সেই বোন শুক্লা অধিকারী আজকের দিন জেলে থাকায় তাঁর ভাইয়েদের ফোঁটা দিতে পারেননি। এই অভিনব প্রতিবাদ কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, কলকাতা জেলার সম্পাদক অরিন্দম চট্টোপাধ্যায় সহ অন্যান্যরা।বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমরা বাঙালি ভাইবোনদের ব্যাঙ্গালোরের জেল থেকে মুক্ত করে আনবোই। বাঙালি হওয়া কি অপরাধ? বাঙালিকে প্রতিনিয়ত আক্রমণ করা হচ্ছে নানা বিজেপি শাসিত রাজ্যে। আজকের এই পুণ্য ভাইফোঁটার দিনে আমাদের বোন শুক্লা ব্যাঙ্গালোরের জেলে বন্দি৷ আমরা ওদের জন্য শেষ পর্যন্ত লড়বো। বাংলার সমস্ত চাকরি-কাজ- ব্যবসা দখল করছে বহিরাগতরা, বঞ্চিত হচ্ছে বাঙালিরা। বাধ্য হয়ে তারা অন্য রাজ্যে কাজে যাচ্ছে। তাই যাতে আর বাঙালিকে বাইরে কাজে যেতে না, বেসরকারি চাকরি- ঠিকা কাজ- টেন্ডারে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ সময়ের দাবি। আমরা সেই জন্যও লড়ছি।তিনি আরও জানান, বাংলা পক্ষ ঐ পরিবারের পাশে আছে, আমরা তাদের বাড়িও গেছিলাম, তাদের পরিবারের সাথে কথা বলেছি। স্থানীয় বিধায়ক অলোক মাঝি ও বাংলার প্রশাসনের সাথেও কথা বলেছে বাংলা পক্ষ। বাংলা পক্ষ ব্যাঙ্গালোরের পুলিস কমিশনারকে ইমেল করেছে, তাদের যাতে জেল থেকে দ্রুত ছেড়ে দেওয়া হয়।গর্গ চট্টোপাধ্যায় জানান, পরিবারের থেকে আমরা একটা ভয়ংকর কথা জানতে পারি, ওনাদের আইনজীবী আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ভোটার কার্ড জমা দিলেও জমির দলিলের ইংরেজি ভার্সান জমা দিতে বলা হয়েছে। বাংলা পক্ষ এই তিন বাঙালির মুক্তির জন্য ব্যাঙ্গালোরে নানা বাঙালি সংগঠন ও আইনজীবীদের সাথে যোগাযোগ রেখে চলেছে। বাংলার বাইরে মূলত বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোয় হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে বাঙালিকে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী তকমা লাগিয়ে হেনস্থা করা হচ্ছে। বাংলা পক্ষ এই সভা থেকে দাবী তোলে, ভারতে বাঙালি হিসাবে জন্মানো কি অপরাধ? তিনি আরও জানান, এর একটা বড় সমাধান, বাংলায় সমস্ত বেসরকারি চাকরি, ঠিকা কাজে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ চাই। তাহলে বাংলার বাঙালিকে কাজের জন্য আর বাইরে যেতে হবে না।

অক্টোবর ২৭, ২০২২
রাজ্য

দলের ব্লক সভাপতিকে অশালীন ভাষায় আক্রমণ দলেরেই পঞ্চায়েত প্রধানের

দলের কাজিয়া বিজয়া সম্মেলনের সভাতেও অব্যাহত। শনিবার পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের চকদীঘি কালিতলায় বিজয়া সম্মেলনের আয়োজন করা হয় ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের উদ্যোগে।সেই সভায় জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মেহমুদ খানকে মুর্খ ও ক্লাস ফোর পাশ বলে কটাক্ষ করেন চকদীঘি পঞ্চায়েত প্রধান গৌড় সুন্দর মণ্ডল। তিনি বলেন, দলের সভাপতি শুক্রবার হাজার খানেক লোক নিয়ে বিজয়া সম্মেলনী করেন।কয়েকটা হার্মাদ নিয়ে তিনি দল করছেন। শনিবারের বিজয়া সম্মেলনে যাতে কর্মী সমর্থকরা না আসতে পারে, তারজন্য বাস ইউনিয়নকে চাপ দেওয়া হয়েছে। বাস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবুও দলের কর্মী সমর্থকরা হাজির হয়েছেন।তিনি বলেন, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ও জেলা সভাপতি বলেছেন সবাইকে নিয়ে চলতে।অথচ ব্লক সভাপতি পুরনো কর্মী সমর্থকদের বাদ দিয়ে হার্মাদ নিয়ে দল করছে।

অক্টোবর ২৩, ২০২২
রাজনীতি

জামালপুরের পঞ্চায়েত সমিতির মূল ফটকের পাশে ফেষ্টুন ঘিরে চাঞ্চল্য

পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের পঞ্চায়েত সমিতির মূল ফটকের পাশে ফেষ্টুন ঘিরে চাঞ্চল্য। নাম না করে বিজেপিকে তোপ পূর্ব-বর্ধমান জেলার তৃণমূলে মুখপাত্র দেবু টুডুর। পাশাপাশি বিজেপি র দাবি এই ফেষ্টুন জনরোষে মানুষ লাগিয়েছে।পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের পঞ্চায়েতে সমিতির অফিসের মূল ফটকের পাশেই আজ সকালে একটি ফেষ্টুন নজরে আসে এলাকার মানুষের। ফেষ্টুনে লেখা রয়েছে, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার কাটমানির টাকা অবিলম্বে ফেরত দিতে হবে। ১০০ দিনের কাজের বকেয়া টাকা অবিলম্বে দিতে হবে। রাতারাতি বড়লোক হওয়া তৃণমূল নেতাদের অবিলম্বে টাকার হিসেব দিতে হবে। সাধারণ মানুষের কাছে কাজের নামে যে কাটমানি নেয়া হয়েছে তা অবিলম্বে ফেরত দিতে হবে।স্বাভাবিকভাবেই এই ফেষ্টুন ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের ঝড় উঠেছে বর্ধমান জেলার জামালপুরে। পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র দেবু টুডু জানান, যারা কেন্দ্রের টাকা দিচ্ছে না মানুষকে বঞ্চিত করছে তারাই রাতের অন্ধকারে এই পোস্টার লাগিয়েছে এবং আগামী দিনে যদি কেন্দ্র টাকা না দেয় আবাস যোজনা ও একশ দিনের কাজের। গ্রামে গ্রামে বৃহত্তর প্রতিবাদ গড়ে উঠবে। মানুষের কাছে এর জবাব দিতে হবে।পাশাপাশি বিজেপির পূর্ব বর্ধমান জেলার সহ-সভাপতি রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী বলেন, এলাকার মানুষ জনরোষে এই ফেষ্টুন লাগিয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘিরে জামালপুরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

অক্টোবর ২১, ২০২২
রাজনীতি

দলের আস্থায়ী কার্যালয় থেকে বোমা উদ্ধারে চাঞ্চল্য, দলীয় কোন্দল দাবী দুই গোষ্ঠীর

তৃণমূল কংগ্রেসের অস্থায়ী দলীয় কার্যালয়ের ভিতর থেকে তাজা বোম উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালো পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে। পুলিশ জামালপুরের জোৎশ্রীরাম পঞ্চায়েত অমরপুর গ্রামের হিরু সেখের নির্মীয়মান বাড়ি থেকে ৯ টি তাজা বোমা উদ্ধার করে। জোৎশ্রীরাম অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি কার্তিক ঘোষের দাবী দলীয় গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে তাদেরকে হেনস্তা করার জন্যই বোমা রাখা হয়েছে। তার অভিযোগ জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মেহমুদ খানের গোষ্ঠীর লোকজনই এখানে বোম রেখেছে তাদের বদনাম করার জন্য। তারা প্রদীপ পাল ও অরবিন্দ ভট্টাচার্যের সঙ্গে দল করেন। তারা দলের পুরনো কর্মী।একই দাবী করেন জোৎশ্রীরাম পঞ্চায়েতের সদস্যা রেবা ধারা পঞ্চায়েত সদস্য গোষ্ঠ পাল। তারা বলেন, ব্লক সভাপতি মেহমুদ খানের অনুগামীরা এই ফাঁকা অস্থায়ী দলীয় কার্যালয়ে বোম রেখেছে। এখানে বাচ্চারাও খেলে। নির্মীয়মান বাড়ি মালিক তৃণমূল কর্মী হিরু সেখ বলেন,এখানে বোম রেখে তাদের বদনাম করা হচ্ছে।বিজেপি নেতা রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের জন্ম থেকেই গোষ্ঠী কোন্দল আছে। আর এতে সাধারণ মানুষ সমস্যায় পড়ছে। নিজেদের মধ্যে বালির টাকার ভাগ নিয়ে অশান্তি করছে তৃণমূল নেতারা। তার ফল ভোগ করছে এলাকার বাসিন্দারা।রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র ও বর্ধমান জেলা পরিষদের সহ-সভাপতি দেবু টুডু বলেন, খোঁজ খবর নিয়ে বলতে পারবো। তবে পুলিশ প্রশাসন তদন্ত শুরু করেছে। তবে এই বিষয়ে জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মেহমুদ খানের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।

অক্টোবর ১৫, ২০২২
রাজ্য

'বলরামদেব প্রচুর পরিশ্রম করতেন বলে সন্ধ্যাবেলা সুরা পান করতেন' বর্ধমানের বিজেপি নেতার ভিডিও ভাইরাল

বলরামদেব প্রাচীনকালে সেচের বন্দোবস্ত করেছিলেন। প্রচুর পরিশ্রম করতেন। সেই কারণে সন্ধ্যাবেলা সুরা পান করতেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও ক্লিপসের এমনই বলতে শোনা যাচ্ছে বর্ধমান সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সভাপতি অভিজিৎ তা কে (যদিও জনতার কথা ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি)। সভায় বক্তব্য রাখছিলেন। ভাইরাল হওয়া ভিডিওই তিনি বলছেন, প্রাচীনকালে বলরামদেব সেচের ব্যবস্থা করেছিলেন। তিনি খুব খাটাখাটুনি করতেন। সেই কারণে সন্ধ্যাবেলা সুরা পান করতেন। সুরা পান করলেও নিজেকে ঠান্ডা রেখে ঘুমিয়ে যেতেন। আবার সকাল থেকে কাজ আর কাজ। শুধু কাজ নিয়েই থাকতেন। তার এই ভাইরাল হওয়া ভিডিও নিয়ে বিপাকে পড়েছেন বিজেপির জেলা নেতৃত্ব। প্রবীণ বিজেপি নেতা নরেশ কোনার বলেন, এমনটা বলা ঠিক হয়নি। উনি এই তথ্য কোথা থেকে পেলেন জানিনা। দেবতাদের নিয়ে এমন মন্তব্য করা উচিত নয়। সভায় বক্তব্য রাখছিলেন।ভাইরাল হওয়া ভিডিওই তিনি বলছেন, প্রাচীনকালে বলরামদেব সেচের ব্যবস্থা করেছিলেন। তিনি খুব খাটাখাটুনি করতেন। সেই কারণে সন্ধ্যাবেলা সুরা পান করতেন। সুরা পান করলেও নিজেকে ঠান্ডা রেখে ঘুমিয়ে যেতেন। আবার সকাল থেকে কাজ আর কাজ। শুধু কাজ নিয়েই থাকতেন। তার এই ভাইরাল হওয়া ভিডিও নিয়ে বিপাকে পড়েছেন বিজেপির জেলা নেতৃত্ব।প্রবীণ বিজেপি নেতা নরেশ কোনার বলেন, এমনটা বলা ঠিক হয়নি। উনি এই তথ্য কোথা থেকে পেলেন জানিনা। দেবতাদের নিয়ে এমন মন্তব্য করা উচিত নয়।সভায় বক্তব্য রাখছিলেন। ভাইরাল হওয়া ভিডিওই তিনি বলছেন, প্রাচীনকালে বলরামদেব সেচের ব্যবস্থা করেছিলেন। তিনি খুব খাটাখাটুনি করতেন। সেই কারণে সন্ধ্যাবেলা সুরা পান করতেন। সুরা পান করলেও নিজেকে ঠান্ডা রেখে ঘুমিয়ে যেতেন। আবার সকাল থেকে কাজ আর কাজ। শুধু কাজ নিয়েই থাকতেন। তার এই ভাইরাল হওয়া ভিডিও নিয়ে বিপাকে পড়েছেন বিজেপির জেলা নেতৃত্ব। প্রবীণ বিজেপি নেতা নরেশ কোনার বলেন, এমনটা বলা ঠিক হয়নি। উনি এই তথ্য কোথা থেকে পেলেন জানিনা। দেবতাদের নিয়ে এমন মন্তব্য করা উচিত নয়।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২২
রাজ্য

বর্ধিত হারে ডিএ না দেওয়ায় কর্মবিরতিতে অংশগ্রহণ করা শিক্ষক ও কলেজের কর্মীদের হুমকি জামালপুরের ছাত্র নেতার

বর্ধিত হারে মহার্ঘভাতা সহ বিভিন্ন দাবি দাওয়া নিয়ে মঙ্গলবার ২ ঘন্টার কর্মবিরতির ডাক দিয়েছিল বাম সমর্থিত কর্মি সংগঠন। সেই কর্মবিরতির ডাকে সামিল হওয়ার জন্য পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর কলেজের শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের রুমে ঢুকে শাসালেন ব্লক তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি বিট্টু মল্লিক। তাঁর আচরণে শিক্ষক মহলের অনেকেই আরাবুলের ছায়া দেখতে পেয়েছেন বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক জানিয়েছেন।টেবিল চাপড়ে শিক্ষকদের হুঁশিয়ারিও দিলেন উচ্চ মাধ্যমিক পাশ এই ছাত্র নেতা। প্রসঙ্গত, তিনি জামালপুর কলেজের ছাত্র নন। কলেজ পড়ুয়া না হয়েও শুধুমাত্র শাসক দলের ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে একজন যুবক কি ভাবে কলেজ শিক্ষকদের এইভাবে হুমকি ও হুঁশিয়ারি দিতে পারে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষকরাই। মঙ্গলবার ২ ঘন্টার কর্মবিরতিতে অংশ নেওয়া শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের দীর্ঘক্ষণ কলেজে আটকেও রাখা হয়।

আগস্ট ৩১, ২০২২
রাজ্য

প্লাস্টিক ও ডেঙ্গু মুক্ত গ্রাম তৈরির লক্ষ্যে জামালপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েত

দেশ জুড়ে পালিত হচ্ছে ৭৬ তম স্বাধীনতা দিবস। এদিন পরিবেশ রক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ নিল জামালপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েত। আজকের দিনেই প্লাস্টিক ও ডেঙ্গু মুক্ত গ্রাম তৈরির লক্ষ্যে পদযাত্রার আয়োজন করে জামালপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েত। পদযাত্রা থেকে লিফলেট ও স্লোগানের মধ্য দিয়ে পথ চলতি সাধারণ মানুষজন থেকে শুরু করে ব্যবসায়ীদের প্লাস্টিক না ব্যবহার করার আবেদন জানানো হয়। তুলে ধরা হয় প্লাস্টিকের ক্ষতিকারক দিকগুলি। পাশাপাশি ডেঙ্গু নিয়েও সচেতন বার্তা প্রেরণ করা হয়। সামনের সারিতে থেকে পদযাত্রায় নেতৃত্ব দেন জামালপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সাহাবুদ্দিন মন্ডল। স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এমন অভিনব উদ্যোগকে সাদুবাদ জানিয়েছেন সকল স্তরের মানুষজন। এদিন সরেজমিন নেমে ব্যবসায়ীদের প্লাস্টিক কিংবা প্লাস্টিকজাত জিনিস না ব্যবহার করার অনুরোধ রাখেন স্বয়ং উপপ্রধান সাহাবুদ্দিন মন্ডল। এছাড়াও তিনি ডেঙ্গু নিয়েও সচেতন করেন। পাশাপাশি এদিন কচিকাঁচাদের হাতে একটি করে জীবনস্বরূপ গাছ তুলে দেওয়া হয়। কারণ, পরিবেশ ও দেশ ভালো রাখতে গাছের বিকল্প কিছু হয় না। এভাবেই স্বাধীনতা দিবস পালন করলো জামালপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েত।

আগস্ট ১৫, ২০২২
রাজ্য

অনুব্রতর গ্রেপ্তারে বঙ্গ বিজেপির পালে হাওয়া লাগার উচ্ছ্বাস

গুরু পাচার মামলায় সিবিআই বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করতেই উজ্জীবিত বঙ্গ বিজেপি। যার রেশ শুক্রবার দেখা গেল পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে। কোমরে দড়ি পরিয়ে অনুব্রত মণ্ডলের মুখোশ পরিয়ে এক ব্যক্তিকে নিয়ে এদিন বিকালে জামালপুর বাজার ও ঝুলনতলায় ঘুরলেন বিজেপি নেতা ও কর্মীরা।পাশাপাশি তারা বাদ্যি বাজিয়ে বিলি করলেন নকুলদানা ও গুড় বাতাসা। ঝুলন তলায় কোমরে দড়ি পরানো অনুব্রতকে দেখে দর্শনার্থীদের অনেকেই থমকে দাঁড়িয়ে যান। প্রতীকী অনুব্রত তাঁদের হাতে নকুলদানা ও গুড় বাতাসা তুলে দেওয়ার পর তাঁরা মেলা তলাতেই হেঁসে গড়াগড়ি খেলেন। যদিও বিজেপির এই কর্মসূচী নিয়ে কোন গোলযোগ অশান্তির কোন ঘটনা ঘটেনি। উল্লেখ্য কয়লা ও গরু পাচার কান্ডে বৃহস্পতিবার সাতসকালে বোলপুর বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার হন দক্ষিণ বঙ্গের তৃনমূলের এই ডাকসাইটে নেতা। সিবিআইয়ের হাতে অনুব্রত গ্রেপ্তার হতেই হটাৎ করে যেন বঙ্গ বিজেপি পালে হাওয়া লেগেছে। ২১ বিধানসভার ফল বেরবার পর থেকে সেভাবে বঙ্গ বিজেপির নেতাদের চোখে পড়েনি। বৃহস্পতিবার বেলা বারতেই বিজেপি কর্মি সমর্থকদের উচ্ছাস চোখে পরার মত।

আগস্ট ১৩, ২০২২
রাজ্য

শহর কলকাতার অনুকরণে গ্রামীণ এলাকার সড়ক পথের পরিচিতিতেও স্থান করে নিলেন বিশ্বকবি ও বিদ্রোহী কবি

মনীষীদের নামেই পরিচিতি পেয়ে আসছে বাংলার রাজধানী শহর কলকাতার একাধীক রাজপথ। তা নিয়ে কলকাতাবাসীর গর্বের অন্ত নেই। তবে আর শহর আঁকড়ে থাকা নয়। এবার শহর ছাড়িয়ে গ্রামীণ এলাকার সড়ক পথের নামকরণেও জায়গা করে নিলেন বাংলার মনীষীরা। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের নামে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে চালু হল বাইপাশ রোড। শুধু মনীষীদের নাম দিয়েই দায় সারেননি জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির কর্তারা। সুসজ্জিত বেদী তৈরি করে বাইপাশ রোডের এক প্রান্তে কাজী নজরুল ইসলাম আর অপর প্রান্তে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূর্ণাবয়ব মূর্তিও বসানো হয়েছে।কবিগুরুর জন্মদিবস সোমবার ঘটা করে পালিত হয় জামালপুরে। ওই দিনই ব্লক প্রশাসনের কর্তাদের উপস্থিতিতে তাঁর পূর্ণাবয়ব মূর্তিটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়। আগামী ২৪ মে বিদ্রোহী কবীর জন্মদিবসের দিন তাঁরও মূর্তিটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। কলকাতা শহরের অনুকরণে মূর্তি বসিয়ে গ্রামের সড়ক পথের নামকরণ হওয়ায় যারপরনাই খুশি জামালপুর বাসী।ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গায়েছে ,জেলার মেমারি থেকে ৪০ কিমি পথ পেরিয়ে পৌছানো যায় হুগলীর তারকেশ্বর। সেই দিকে যেতে ১৫ নম্বর এই রাজ্য সড়কে জামালপুরের পুলমাথা এলাকা থেকে বাঁক ঘুরে হাফ কিমির মতো পথ গেলেই পড়ে দোবাঁধি এলাকা। এই দোবাঁধি এলাকাতাতেই একই রাস্তা দুভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছে। একটি রাস্তা গিয়েছে দামোদরের উপরে থাকা হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুতে ওঠার জন্য। অপর ভাগটি দিয়ে সোজা তারকেশ্বর যাওয়া যায়। বাইপাস রোডটি জামালপুর হাসপাতাল যাবার রাস্তার কাছ অবধি গিয়ে তারকেশ্বর যাবার রাস্তার সঙ্গে মিশেছে। এই এলাকাটিকে জামালপুর ব্লকের হেডকোয়ার্টার হিসাবেই ধরা হয়। জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতি নিজস্ব তহবিল থেকে বেশ কয়েক লক্ষ টাকা খরচ করে এই দোবাঁধি এলাকাতে প্রতিস্থাপন করেছে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি পূর্ণাবয়ব মূর্তি। আর পুলমাথা এলাকায় কাজী নজরুল ইসলামের পূর্ণাবয়ব মূর্তি বসানো হয়েছে।পাশাপাশি সমিতির তরফে আনুমানিক হাফ কিমি-র এই গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পথের নাম করণ করা হয়েছে রবীন্দ্র-নজরুল বাইপাশ।এই বিষয়ে জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মেহেমুদ খাঁন বলেন, এলাকার উন্নয়নে জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতি অনেক কাজ করেছে। তার মধ্যে অন্যতম হল বাইপাস রোডের দুই প্রান্তের এক প্রান্তে বিশ্বকবি ও অন্য প্রান্তে বিদ্রোহী কবির পূর্ণাবয়ব মূর্তি বসিয়ে সড়ক পথে একটা পরিচিতি দেওয়া। কলকাতা কিংবা অন্য জেলার মানুষজন যখন গ্রামীন এলাকার এই পথ ধরে যাবেন তখন তাঁরাও শহরের ছোঁয়া খুঁজে পাবেন। পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ্য ভূতনাথ মালিক বলেন, সদিচ্ছা থাকলে গ্রামকেও শহরের আদলে সাজানো যায়। আমরা সেই লক্ষেই যেমন এগিয়ে যেতে চাইছি ,তেমনি চাইছি বাংলার বিশিষ্ঠ ব্যক্তি ও মনীষীদের মর্যাদা দিয়ে তাঁদের জীবন ও দর্শনকে মানুষের কাছে তুলে ধরতে। তাই পঞ্চায়েত সমিতি এমন কর্মকাণ্ডে সামিল হয়েছে। জামালপুর হাসপাতাল যাবার রাস্তার কাছে যে জায়গায় বাইপাশ রোডটি শেষ হচ্ছে সেই খানে আগামী আর কয়েক মাসের মধ্যে স্বামী বিবেকানন্দের একটি পূর্ণাবয়ব মূর্তি বসানো হবে। তখন বাইপাশ রোডটির এক প্রান্ত রবীন্দ্র- নজরুল বাইপাশ, আর অপর প্রান্ত রবীন্দ্র -বিবেকানন্দ বাইপাশ নামেই পরিচিতি পাবে। ভূতনাথবাবু এও জানান, শ্রীচৈতন্য দেবের পদধূলি ধন্য জামালপুর ব্লকের কুলীন গ্রামের পরিচিতি সারা দেশ জুড়ে রয়েছে। হিন্দু ও বৈষ্ণব ধর্মাবলম্বীদের তীর্থস্থান এই কুলীন গ্রাম। এই গ্রামেরই ভূমিপুত্র মালাধর বসু প্রথম ভাগবত শ্রীকৃষ্ণবিজয় কাব্য রচনা করেছিলেন। সেই মালাধর বসুকে সন্মান জানিয়ে তাঁর একটি পূর্ণাবয়ব মূর্তি মেমারি-জৌগ্রাম রোডের কুলীনগ্রাম সংলগ্ন দত্তপাড়া মোড়ে প্রতিস্থাপন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই কাজটি সম্পূর্ণ হয়ে যাবার পর ওই জায়গাটিকে মালাধর বসু মোড় নামেই পরিচিতি দেওয়া হবে।বিডিও (জামালপুর)শুভঙ্কর মজুমদার বলেন, জামালপুরের বাইপাশ রোডটি দুই বরেণ্য মানুষের পরিচয়ে পরিচিতি পাবে এটাই সবথেকে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়। মূর্তি প্রতিস্থাপনের মধ্যদিয়ে আগামী দিনে বাংলার আরও অনেক গুণীজন ও মনীষীকে জামালপুর বাসীর সামনে তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

মে ১০, ২০২২
রাজ্য

চেরি ফল, কমলা ও লিচু দিয়ে সাজানো গাড়িতে চড়ে বিয়ে করতে গিয়ে তাক লাগালো বর

বিয়ে করতে যাবার আগেই রীতিমতো সেলিব্রিটি বনে গেলেন বর। আর এর কারণটাও যথেষ্ট সড়া ফেলে দেওয়ার মতোই। ঐতিহ্য মনে নতুন ধুতি পাঞ্জাবি পরিহিত বর অভিষেক ঘোষ মাথায় টোপর চাপিয়ে ও গলায় রজনীগন্ধার ঝুলিয়ে বিয়ে করতে যাবার জন্য রওনা হন ঠিকই। কিন্তু বরের গাড়িটি অর্থাৎ বাহনটি ছিল একেবারে ব্যতিক্রমি সাজে সজ্জিত। ফুল নয়, তার বদলে চেরি ফল, লিচু ,কমলা লেবু আর লিচুর পাতা দিয়ে অপরুপ ভাবে সাজানো ছিল বরের গাড়ি। যা দেখে নেটিজেনদের পাশাপাশি মুগ্ধ কণে পরিবারের সদস্যরাও।বর অভিষেক ঘোষের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার হরগোবিন্দপুর গ্রামে। নিজের বিয়েতে ব্যতিক্রমি কিছু একটা করার ইচ্ছা জাগে সংস্কৃতি মনস্কো অভিষেকের। তাই এই ব্যাপারে সে বেছে নেয় বিয়ে করতে যাবার গাড়িটিকেই। যেমন ভাবা তেমনই কাজ। এর জন্যে অভিষেক যোগাযোগ করে জামালপুরের হাটতলা এলাকা নিবাসী শিল্পী রবীন্দ্রনাথ পালের সঙ্গে। তিনি অভিষেককে ফুলের বদলে হরেক রকম ফল দিয়ে বিয়ে করতে যাবার গাড়িটি সাজানোর প্রস্তাব দেন।সেই প্রস্তাব তৎক্ষণাত অভিষেক লুফে নেয়। চেরি ফল ,লিচু, কমলা লেবু আর লিচু গাছের পাতা দিয়ে সাজানো চারচাকা গাড়িতে চড়েই অভিষেক বৃহস্পতিবার রাতে পাত্রীর বাড়ি মেমারির দেবীপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।এর আগে আঙুর আর চেরি ফল দিয়ে বরের গাড়ি সাজিয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন শিল্পী রবীন্দ্রনাথ পাল। আর এবার লিচু, চেরি ফল আর কমলা লেবু দিয়ে বরের গাড়ি সাজিয়ে সকলের প্রশংসা কুড়িয়ে নিলেন শিল্পী রবীন্দ্রনাথ। তিনি জানিয়েছেন, বিভিন্ন ফুল দিয়ে বরের গাড়ি সাজানোটার মধ্যে নতুনত্ব কিছু নেই। সেই তুলনায় হরেক রকম ফল দিয়ে বরের গাড়ি সাজানোর মধ্যে আলাদা একটা চমক থাকে। অভিষেকও তাঁর নিজের বিয়েতে তেমন চকমই দিতে চেয়েছিল। তাই ৩ কেজি চেরি ফল,২৬ কেজি লিচু, ৬০ টি কমলা লেবু ও লিচু গাছের পাতা দিয়ে বর অভিষেকের গাড়িটি নজরকাড়া ভাবে সাজিয়ে দিয়েছেন। বর হিসাবে অভিষেককে বাকিদের থেকে আলাদা ভাবে তুলে ধরতেই এতসব কর্মকাণ্ড বলে শিল্পী দাবী করেছেন।অভিষেক ঘোষ জানান, বিয়ে করতে যাবেন বলে তাঁর বাহন টিকে শিল্পী রবীন্দ্রনাথ পাল যে ভাবে সাজিয়ে দিয়েছেন তা এককথায় অভিনব। এর সব ক্রেডিটটাই শিল্পীর। শিল্পীর এই ভাবনার তারিফ তাঁর শ্বশুর বাড়ির লোকজনও না করে পারেন নি। অভিষেক এও বলেন,ফল দিয়ে সাজানো গাড়িতে চড়ে বিয়ে করতে গেছি দেখে কনে বাড়ির আমন্ত্রিতরাও মুগ্ধ। আমিও বাহবা কুড়োলাম।

এপ্রিল ২৯, ২০২২
রাজ্য

তৃণমূল নেতাদের বিক্রী করা ওভারলোড মাটি বোঝাই ডাম্পারের চাকায় পিষ্ট নিরীহ গ্রামবাসী, বিক্ষোভ

প্রশাসন ও ভূমি দফতরকে অন্ধকারে রেখেই পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের জৌগ্রামে চলছিল পুকুরের মাটি কেটে পাচার। তৃণমূলের নেতারাই পুকুরের মাটি কেটে পাচার করাচ্ছে বলে আগে থেকেই এলাকায় গুঞ্জনও ছড়িয়ে ছিল। সেই গুঞ্জনই শেষ পর্যন্ত সত্যি প্রমানিত হয় শনিবার সকালে ওভার লোড মাটি বোঝাই ডাম্পারের ধাক্কায় এলাকার প্রৌঢ় বরুণ রক্ষিত(৫৮) এর মৃত্যুর ঘটনার পরেই।ঘটনা জানাজানি হতেই জৌগ্রামের শীতলাতলা এলাকায় বাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ এলাকার বাসিন্দারা বরুণ রক্ষিতের দেহ ও ঘাতক ডাম্পারটি আটকে রেখে দুর্ঘটনাস্থল এলাকায় বিক্ষোভ দেখানো শুরু করেন। খবর পেয়ে মহকুমা পুলিশ আধিকারিক (এসডিপিও) সুপ্রভাত চক্রবর্তীর নেতৃত্বে জামালপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌছায়।মৃতদেহ উদ্ধার করতে গিয়েও পুলিশ মৃতর পরিবার ও ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর বাধার মুখে পড়ে। প্রায় ঘন্টা তিনেক ধরে মৃতদেহ আটকে রেখে চলে বিক্ষোভ।পুলিশ অনেক বুঝিয়ে সুজিয়ে ক্ষোভ বিক্ষোভ সামাল দিয়ে বেলা পৌনে ১২ টা নাগাদ মৃতদেহ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। ময়নাতদন্তের জন্য এদিনই মৃত ব্যক্তির দেহ পাঠানো হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ মর্গে।ঘাতক ডাম্পার আটক করে পুলিশ দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।পাশাপাশি পুলিশ ডাম্পারের চালক ও খালাসির সন্ধানও চালাচ্ছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত বরুণ রক্ষিতের বাড়ি জৌগ্রামের উত্তর পাড়ায়। এদিন সকালে তিনি সাইকেলে চেপে বাজার যাচ্ছিলেন। জৌগ্রাম শীতলাতলা এলাকায় তিনি দুর্ঘটনার কবলে পড়েন। মৃতর ভাগ্নে সুরজিত রক্ষিত ও এলাকাবাসী শিবু পোড়েল জানান, জৌগ্রামের জলেশ্বর তলা এলাকায় রয়েছে প্রাচীন শিব মন্দির। সেই মন্দিরের কাছেই রয়েছে বড় দেবত্তর পুকুর। বিগত তিন চারদিন যাবৎ জেসিবি মেসিন দিয়ে ওই পুকুরের মাটি তুলে ডাম্পারে লোড করে পাচার করা হচ্ছে।অজস্র মাটি বোঝাই ডাম্পার এখন সারাদিন ধরে জৌগ্রাম- রাণাপাড়া রোড দিয়ে যাতাযাত করছে। সুরজিত রক্ষিত অভিযোগে বলেন,এদিন সকালে আমার মামা বরুণ রক্ষিত সাইকেলে চেপে বাজারে যাচ্ছিলেন। তখন বেপরোয়া গতীতে চলা ওভারলোড মাটি বোঝাই একটি ডাম্পার আমার মামাকে ধাক্কা মারে। মামা মাটিতে পড়ে গেলে ডাম্পারের চাকা মামার মাথা উপর দিয়ে চলে যায়। মামা ঘটনাস্থলেই মারা যায়।মৃতর আত্মীয় পরিজন ও ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযোগে জানিয়েছেন,এলাকার ঐতিহ্যশালী জলেশ্বর শিব মন্দিরের দেবত্তর সম্পতির মধ্যেই পড়ে ওই পুকুরটি। ওই দেবত্তর সম্পত্তির অন্যতম সেবাইত অরবিন্দ ভট্টাচার্য্য তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা। তিনি ইতিপূর্বে ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি ও জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি পদেও দায়িত্ব সামলেছেন। এখনও অরবিন্দ ভট্টাচার্য্য জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য। বাকি সেবাইত গণ অরবিন্দ বাবুদেরই আত্মীয়।এলাকাবাসীরঅভিযোগ প্রশাসন ও ভূমি দফতরকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে সেবাইত অরবিন্দ ভট্টাচার্য্য ও জৌগ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের সদস্য মৃদুল কান্তি মণ্ডল এবং এলাকার তৃণমূল কর্মী আফজল মোল্লা নিজেদের মধ্যে রফা করে পুকুরের মাটি তুলে চড়া দামে বিক্রী করে দিচ্ছে। ২ নম্বর জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজের জন্য যাঁরা মাটি কিনছে তাঁদেরকেই এই তৃণমূল নেতারা জলেশ্বরের পুকুরের মাটি কেটে বিক্রী করেছে বলে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযোগে জানিয়েছেন।এই বিষয়ে জানতে তৃণমূল নেতা তথা জৌগ্রামের জলেশ্বর শিব মন্দিরের সেবাইত অরবিন্দ ভট্টাচার্য্যর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় । তিনি বলেন,আমি ছাড়াও আমার পরিবারে আরও তিন জন জলেশ্বর শিব মন্দিরের দেবত্তর সম্পত্তির সেবাইত।জৌগ্রামের পঞ্চায়েত সদস্য মৃদুল কান্তি মণ্ডল ও আফজল মোল্লার সঙ্গে আমাদের সকল সেবাইতের একটা রফা চুক্তি হয়। সেই চুক্তিপত্রে আমিও সই করি।চুক্তি অনুযায়ী ঠিক হয়েছিল পুকুরের পাড় বাঁধিয়ে দিয়ে বাকি পুকুরের মাটি ওরা বিক্রী করবে।কত টাকার রফা চুক্তি হয় সেই বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে জানাতে চান নি অরবিন্দবাবু। তবে তিনি এই কথা কবুল করেন,২ নম্বর জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজের জন্য যাঁরা মাটি কিনছে তাঁদেরকেই মৃদুলরা মাটি বিক্রী করবে বলে শুনেছিলেন। পুকুরের মাটি তুলেনিয়ে বিক্রীর ব্যাপারে ভূমি দফতরের অনুমোদন নেওয়ার ব্যাপরাটা মৃদুল দেখে নেবে বলেছিল।শেষ অবধি ভূমি দফতরের অনুমোদন মৃদুল নিয়েছিল কিনা তা জানেন না বলে অরবিন্দ ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন।পঞ্চায়েত সদস্য মৃদুল কান্তি মণ্ডল যদিও কোন রাখঢাক না রেখে স্বীকার করে নেন, জলেশ্বর শিব মন্দিরের দেবত্তর পুকুরের মাটি জেসিবি দিয়ে কেটে ডাম্পারে লোড করে তাঁরা ২ নম্বর জাতীয় সড়ক সম্প্রসানের কাজের জায়গায় বিক্রীর জন্য তিন দিন হল পাঠাচ্ছেন। ভূমি সংস্কার দপ্তর এর অনুমোদন নেননি বলে মৃদুল কান্তি মন্ডল স্বীকার করে নেন। এই ঘটনা নিয়ে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে জামালপুর ব্লকের বিজেপি নেতা জীতেন্দ্র নাথ ডকাল বলেন, বালি ,মাটি সবকিছু থেকেই অবৈধ ভাবে মুনাফা লোটার জন্য এখন দৌড়াচ্ছেন তৃণমূলের নেতারা।আর মুনাফালোভী নেতাদের ঠিক করা ওভারলোড মাটিবাহী ডাম্পারের চাকায় পিষে মরতে হল নিরীহ গ্রামবাসীকে। এটাই এখন বাংলার সাধারণ মানুষের ভবিতব্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এপ্রিল ১০, ২০২২
রাজ্য

রান্নার গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে মাথায় উনান আর কাঁধে জ্বালানি কাঠ নিয়ে তৃণমূলের অভিনব প্রতিবাদ

দরিদ্র পরিবারের মহিলাদের মুখে হাসি ফুটবে বলে জানিয়ে কেন্দ্রের সরকার ঘটাকরে চালু করেছিল উজ্জ্বলা গ্যাস যোজনা। সেই এলপিজি গ্যাসের সিলিণ্ডার প্রতি দাম এখন ১০০০ টাকা ছুঁয়েছে। আর তার কারণেই গ্রাম গঞ্জের দরিদ্র পরিবারের মহিলারা এখন এলপিজি গ্যাস ছেড়ে ফের অপরিস্কার জ্বালানি ব্যবহারেই ফিরে এসেছে। কেন্দ্রের মোদী সরকারের এই ব্যর্থতা জনসমক্ষে তুলে ধরতে হাতে উনান ও কাঁধে জ্বালানি কাঠ নিয়ে তৃণমূলের মিছিলে হাঁটলেন মহিলারা। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরোধীতায় মঙ্গলবার এমন অভিনব প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপি নেতৃত্ব যদিও তৃণমূলের এমন মিছিলের আয়োজনকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। তাঁদের বক্তব্য, এমন মিছিল থেকেই পরিস্কার হয়ে যাচ্ছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প বাস্তবে গৃহিণীদের দুর্গতি ঘোচাতে পারে নি।দলীয় ঘোষণা অনুযায়ী এদিন পেট্রোল, ডিজেল, রান্নার গ্যাস ও ওষুধের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে রাজ্য জুড়ে পথে নামে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের কর্মীরা। প্রতিবাদ থেকে পিছিয়ে থাকেনি জামালপুর ব্লক তৃণমূল যুব কংগ্রেসের নেতা ও কর্মীরাও। জামালপুর ব্লক তৃণমূল যুব যুব কংগ্রেসের সভাপতি ভূতনাথ মালিকের নেতৃত্বে এদিন জামালপুর পুলমাথা এলাকা থেকে শুরু হয় প্রতিবাদ মিছিল। প্রায় দেড় কিমি পথ পরিক্রমা করে প্রতিবাদ মিছিল শেষ হয় হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর কাছে। মিছিলে জামালপুরের বিধায়ক তথা পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি অলোক মাঝি, ব্লক তৃণমূল সভাপতি মেহেমুদ খাঁন সহ অন্য নেতারা অংশ নেন।প্রতিবাদ মিছিলের একেবারে প্রথম সারিতে থাকেন তৃণমূল সমর্থক গৃহস্থ পরিবারের মহিলারা। তাঁদের অনেকে মাথায় উনান ও কাঁধে জ্বালানি কাঠের বোঝা নিয়ে মিছিলে হাঁটেন। রাজনৈতিক দলের মিছিলে উনান ও জ্বালানি কাঠের বোঝা নিয়ে হাঁটার কারণ প্রসঙ্গে রুপা দাস ও সন্ধ্যারাণী ল্যাঙ্কা বলেন, আমরা দরিদ্র শ্রমজীবী পরিবারের বধূ। উনানে কাঠ কুটো দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে আগে পরিবারে রান্নাবান্না হত।মোদী সরকারের কথায় বিশ্বাস করে এলপিজি গ্যাসের কানেকশান নিয়েছিলেন। তার পর করোনা অতিমারির প্রভাবের জন্য দীর্ঘ সময় ধরে লকডাউন জারি থাকে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও আমাদের মত দরিদ্র পরিবার গুলির সদস্যদের আর্থিক রোজগার বাড়ে নি। বরং কমেছে। কিন্তু এসবের কোনকিছুরই খোঁজ খবর না রেখে এলপিজি গ্যাসের সিলিণ্ডার প্রতি দাম এখন প্রায় ১০০০ টাকার মত করে দিয়েছে। এত দামে গ্যাস সিলিণ্ডার কিনে আর বাড়িতে রান্নাবান্না করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই খালি গ্যাস সিলিণ্ডার ও ওভেন বাড়ির চৌকির নিচে রেখে দিয়ে এখন ফের আগের মতই কাঠের উনানে রান্না করছেন। তাই মোদী সরকারের এমন কীর্তি জনসমক্ষে তুলে ধরতেই এদিন মাথায় উনান ও কাঁধে জ্বালানি কাঠ নিয়ে হেঁঠেছেন বলে রুপা দাস ও সন্ধ্যারাণী ল্যাঙ্কা মন্তব্য করেন।বিধায়ক অলোক মাঝি বলেন, ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে যাঁরা বিজেপিকে ভোট দিয়েছিলেন তাঁরা এখন হাড়ে হাড়ে বুঝতে পারছেন কি ভুল তাঁরা করেছেন। এদিনের প্রতিবাদ মিছিলে সেই ভুলেরই প্রকাশ ধরা পড়েছে সাধারণ গৃহস্থ পরিবারের মহিলাদের মাথায় উনান ও কাঁধে জ্বালনি কাঠ নিয়ে হাঁটায় মধ্য দিয়ে। ব্লক তৃণমূল যুব সভাপতি ভূতনাথ মালিক জানান, শুধু রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ানোই নয়। পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন শেষ হতেই কেন্দ্রের মোদী সরকার পেট্রোল, ডিজেল এমনকি জীবনদায়ী ওষুদের দামও বহুগুন বাড়িয়ে দিয়েছেন। এর বিজেপি নেতারা সবার বিকাশের বুলি আওড়ে রাজ্যের তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধাচরণ করে যাচ্ছে। এর প্রতিবাদে স্বরুপ এখন গ্রামের মহিলারা উনান ও জ্বালানি কাঠ নিয়ে পথে নামছে। আগামী দিনে এই মহিলারাই ভোটের বাক্সে বিজেপিকে যোগ্য জবাব দিয়ে দেবে।

মার্চ ২৯, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

অবশেষে ভোটের দিন ঘোষণা! বাংলা সহ পাঁচ রাজ্যে কবে ভোট জানলে চমকে যাবেন

অবশেষে অপেক্ষার অবসান। বাংলা সহ দেশের পাঁচটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণায় জানা গেছে, ঊনত্রিশে এপ্রিলের মধ্যেই পাঁচ রাজ্যে ভোটগ্রহণ শেষ হবে। ভোটগণনা হবে চার মে। গতবারের তুলনায় এবার পশ্চিমবঙ্গে ভোটের দফা কমানো হয়েছে। বাংলায় এবার দুই দফায় ভোট হবে।প্রথম দফার ভোট অনুষ্ঠিত হবে তেইশে এপ্রিল। দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ঊনত্রিশে এপ্রিল। এই দুই দফাতেই পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে। নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে তৎপরতা শুরু হয়েছে।বাংলা ছাড়াও আরও চারটি রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এবারে বিধানসভা নির্বাচন হচ্ছে। সেই তালিকায় রয়েছে অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরি। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, এই চার রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এক দফাতেই ভোটগ্রহণ হবে।অসমে মোট বিধানসভা কেন্দ্রের সংখ্যা একশো ছাব্বিশ। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সেখানে ভোটগ্রহণ হবে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ। ভোটগণনা হবে চার মে।কেরলে মোট বিধানসভা কেন্দ্রের সংখ্যা একশো চল্লিশ। এই রাজ্যেও ভোট হবে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ এবং ভোটগণনা চার মে।তামিলনাড়ুতে মোট বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে দুইশো চৌত্রিশটি। এই রাজ্যেও এক দফাতেই ভোট হবে। ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারিত হয়েছে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ এবং ভোটগণনা চার মে।কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতে মোট বিধানসভা কেন্দ্রের সংখ্যা তিরিশ। এখানেও ভোট হবে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ এবং ভোটগণনা চার মে।নির্বাচন কমিশনের এই ঘোষণার পর থেকেই পাঁচ রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ভোটের প্রস্তুতি জোরদার হয়েছে। সব রাজনৈতিক দল এখন ভোটের লড়াইকে সামনে রেখে নিজেদের প্রচার এবং কৌশল ঠিক করতে শুরু করেছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা, দুই দফায় ভোট বাংলায়— দেখে নিন আপনার কেন্দ্রের তারিখ

অবশেষে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। রবিবার বিজ্ঞান ভবন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে বাংলাসহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি অসম, কেরল, তামিলনাড়ু ও পুদুচেরির ভোটের নির্ঘণ্টও প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলায় এবার দুই দফায় ভোটগ্রহণ হবে। প্রথম দফার ভোট অনুষ্ঠিত হবে তেইশে এপ্রিল এবং দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ঊনত্রিশে এপ্রিল। ভোট গণনা হবে চার মে।প্রথম দফার ভোটের জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ছয় এপ্রিল। মনোনয়ন যাচাই হবে সাত এপ্রিল এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন নয় এপ্রিল। দ্বিতীয় দফার জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন নয় এপ্রিল। মনোনয়ন যাচাই হবে দশ এপ্রিল এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন তেরো এপ্রিল।প্রথম দফায় উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল এবং দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভোটগ্রহণ হবে। কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ, মাথাভাঙা, কোচবিহার উত্তর, কোচবিহার দক্ষিণ, শীতলকুচি, সিতাই, দিনহাটা, নাটাবাড়ি এবং তুফানগঞ্জে ভোট হবে প্রথম দফায়। আলিপুরদুয়ার জেলার কুমারগ্রাম, কালচিনি, আলিপুরদুয়ার, ফালাকাটা ও মাদারিহাট কেন্দ্রেও এই দফাতেই ভোটগ্রহণ হবে।জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়ি, ময়নাগুড়ি, জলপাইগুড়ি, রাজগঞ্জ, ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি, মাল ও নাগরাকাটা কেন্দ্রে ভোট হবে প্রথম দফায়। দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলার কালিম্পং, দার্জিলিং, কার্শিয়াং, মাটিগাড়া নকশালবাড়ি, শিলিগুড়ি ও ফাঁসিদেওয়া কেন্দ্রেও প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হবে।উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়া, ইসলামপুর, গোয়ালপোখর, চাকুলিয়া, করণদিঘি, হেমতাবাদ, কালিয়াগঞ্জ, রায়গঞ্জ ও ইটাহার কেন্দ্রেও এই দফায় ভোট হবে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমন্ডি, কুমারগঞ্জ, বালুরঘাট, তপন, গঙ্গারামপুর ও হরিরামপুরেও প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হবে।মালদহ জেলার হবিবপুর, গাজোল, চাঁচল, হরিশ্চন্দ্রপুর, মালতীপুর, রতুয়া, মানিকচক, মালদহ, ইংরেজবাজার, মোথাবাড়ি, সুজাপুর ও বৈষ্ণবনগর কেন্দ্রে ভোট হবে প্রথম দফায়। মুর্শিদাবাদ জেলার ফরাক্কা, সামশেরগঞ্জ, সুতি, জঙ্গিপুর, রঘুনাথগঞ্জ, সাগরদিঘি, লালগোলা, ভগবানগোলা, রানিনগর, মুর্শিদাবাদ, নবগ্রাম, খড়গ্রাম, বড়ঞা, কান্দি, ভরতপুর, রেজিনগর, বেলডাঙা, বহরমপুর, হরিহরপাড়া, নওদা, ডোমকল ও জলঙ্গিতেও এই দফাতেই ভোটগ্রহণ হবে।এ ছাড়াও পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূম জেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রথম দফায় ভোট হবে।দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হবে নদিয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং পূর্ব বর্ধমান জেলার সব আসনে। নদিয়া জেলার করিমপুর, তেহট্ট, পলাশিপাড়া, কালীগঞ্জ, নাকাশিপাড়া, চাপড়া, কৃষ্ণনগর উত্তর, নবদ্বীপ, কৃষ্ণনগর দক্ষিণ, শান্তিপুর, রানাঘাট উত্তর পশ্চিম, কৃষ্ণগঞ্জ, রানাঘাট উত্তর পূর্ব, রানাঘাট দক্ষিণ, চাকদহ, কল্যাণী ও হরিণঘাটা কেন্দ্রে ভোট হবে দ্বিতীয় দফায়।উত্তর চব্বিশ পরগনার বাগদা, বনগাঁ উত্তর, বনগাঁ দক্ষিণ, গাইঘাটা, স্বরূপনগর, বাদুড়িয়া, হাবড়া, অশোকনগর, আমডাঙা, বীজপুর, নৈহাটি, ভাটপাড়া, জগদ্দল, নোয়াপাড়া, বারাকপুর, খড়দহ, দমদম উত্তর, পানিহাটি, কামারহাটি, বরানগর, দমদম, রাজারহাট নিউটাউন, বিধাননগর, রাজারহাট গোপালপুর, মধ্যমগ্রাম, বারাসত, দেগঙ্গা, হাড়োয়া, মিনাখাঁ, সন্দেশখালি, বসিরহাট দক্ষিণ, বসিরহাট উত্তর ও হিঙ্গলগঞ্জেও দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হবে।দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি ও পূর্ব বর্ধমান জেলার সব কেন্দ্রেও দ্বিতীয় দফাতেই ভোট হবে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তৎপরতা শুরু হয়েছে। দুই দফার এই নির্বাচনে রাজ্যের সমস্ত রাজনৈতিক দল এখন ভোটের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত।

মার্চ ১৫, ২০২৬
কলকাতা

ব্রিগেডে জনসমুদ্র না ফাঁকা চেয়ার? মোদীর সভা ঘিরে শুরু তুমুল রাজনৈতিক তরজা

বিধানসভা ভোটের আগে কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রীর সভা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ল। সভায় ভিড় দেখে উচ্ছ্বসিত বিজেপি নেতৃত্ব পরিবর্তনের স্লোগান তুলেছে। তাদের দাবি, এই ভিড়ই প্রমাণ করছে বাংলায় পরিবর্তনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে। অন্যদিকে ভিড়ের সংখ্যা নিয়েই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।ব্রিগেডের সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যত দূর চোখ যাচ্ছে শুধু মানুষ আর মানুষ। এই দৃশ্য তাঁকে অত্যন্ত আনন্দিত করেছে বলেও জানান তিনি। তাঁর মতে, এই ভিড়ই বুঝিয়ে দিচ্ছে বাংলার মানুষ পরিবর্তন চাইছেন। সভা শেষ হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি সভার একটি ভিডিও প্রকাশ করেন এবং মানুষের উপস্থিতির প্রশংসা করেন।বিরোধী দলনেতার দাবি, ব্রিগেডের সভায় আট থেকে দশ লক্ষ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। তাঁর কথায়, গোটা ব্রিগেড ময়দান কানায় কানায় ভর্তি ছিল এবং কলকাতার বিভিন্ন রাস্তায়ও মানুষের ভিড় ছিল।বিজেপি নেতাদের মধ্যেও উচ্ছ্বাস স্পষ্ট ছিল। দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে মঞ্চে গলা থেকে উত্তরীয় খুলে ঘোরাতে দেখা যায়। সেই ভিডিও তিনি নিজেই সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। দলের সহ পর্যবেক্ষক অমিত মালব্যও কর্মীদের উচ্ছ্বাসের ভিডিও প্রকাশ করে দাবি করেন, বাংলার প্রতিটি প্রান্ত থেকে মানুষ ব্রিগেডে এসেছেন। তাঁর কথায়, কলকাতা যেন গেরুয়া সমুদ্রে পরিণত হয়েছিল এবং এই উচ্ছ্বাসই বুঝিয়ে দিচ্ছে পরিবর্তনের সময় এসেছে।তবে এই দাবি মানতে নারাজ তৃণমূল। তাদের দাবি, ব্রিগেডে বিজেপির সভায় তেমন ভিড় হয়নি। সামাজিক মাধ্যমে সারিবদ্ধ ফাঁকা চেয়ারের ভিডিও প্রকাশ করে তৃণমূল দাবি করেছে, বাংলার মানুষ বিজেপিকে গ্রহণ করেননি।তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষও কটাক্ষ করে বলেন, একটি অংশের ছবি দেখিয়ে বড় সভা বলা যায় না। তাঁর দাবি, এর থেকেও বড় সমাবেশ অন্য রাজনৈতিক দল আগে করেছে।এদিকে বিজেপির অভিযোগ, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তাদের কর্মীদের ব্রিগেডে আসতে বাধা দেওয়া হয়েছে। অনেক জায়গায় বাস আটকে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।সব মিলিয়ে ব্রিগেডের সভা শেষ হলেও ভিড় নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক এখনও জোরদার। ভোটের আগে এই সভা যে রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ তৈরি করেছে, তা বলাই যায়।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোট ঘোষণার ঠিক আগে বড় ঘোষণা মমতার, সরকারি কর্মীদের অ্যাকাউন্টে আসছে বকেয়া ডিএ

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে রাজ্য সরকারি কর্মী এবং পেনশনভোগীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চলতি মাস থেকেই সেই টাকা কর্মীদের অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করবে বলে জানানো হয়েছে। ভোট ঘোষণার কিছুক্ষণ আগে সামাজিক মাধ্যমে এই ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর এই ঘোষণায় স্বাভাবিকভাবেই স্বস্তি পেয়েছেন বহু সরকারি কর্মচারী।মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, সরকারি কর্মী এবং পেনশনভোগীদের যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা পূরণ করছে মা-মাটি-মানুষের সরকার। রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বহু শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মী, পঞ্চায়েত, পুরসভা এবং অন্যান্য স্থানীয় সংস্থার কর্মীরাও এই বকেয়া মহার্ঘ ভাতা পাবেন।তিনি আরও জানান, রাজ্যের অর্থ দপ্তরের প্রকাশিত নির্দেশিকা অনুযায়ী রোপা দুই হাজার নয় অনুযায়ী বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়া হবে। মার্চ মাস থেকেই সেই টাকা কর্মীদের অ্যাকাউন্টে জমা পড়তে শুরু করবে।উল্লেখ্য, এর আগে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল রাজ্য সরকার। সেখানে আদালত বকেয়া মহার্ঘ ভাতার পঁচিশ শতাংশ পরিশোধ করার নির্দেশ দেয় এবং তার জন্য ছয় সপ্তাহ সময় বেঁধে দেওয়া হয়।কিন্তু সেই সময়ের মধ্যে বকেয়া ভাতা মেটানো হয়নি। পরে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের কাছে আরও ছয় মাস সময় চেয়ে আবেদন করে। দুই হাজার পঁচিশ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এই মামলার শুনানি শেষ হয়। এরপর গত পাঁচ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চ স্পষ্ট জানায়, মহার্ঘ ভাতা কর্মীদের আইনি অধিকার এবং তা মেটাতেই হবে।আদালত জানায়, বকেয়া মহার্ঘ ভাতার পঁচিশ শতাংশ দুই দফায় পরিশোধ করতে হবে এবং তা মে মাসের মধ্যেই সম্পন্ন করতে হবে। এর মধ্যে প্রথম কিস্তি দিতে হবে একত্রিশে মার্চের মধ্যে।এর পর বাকি কত টাকা দেওয়া হবে এবং কত সময়ের মধ্যে দেওয়া হবে, সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বে গঠিত একটি কমিটি।রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়েছিল, ডিএ দেওয়ার জন্য তিন লক্ষ সতেরো হাজারেরও বেশি কর্মীর নথি খতিয়ে দেখতে হচ্ছে। দুই হাজার ষোলো সালের আগের অনেক তথ্য এখনও ডিজিটাল নয়, সেগুলি হাতে লেখা সার্ভিস বুক আকারে রয়েছে। সেই সব নথি ডিজিটাল করতে সময় লাগছে বলেও জানানো হয়।এ ছাড়াও প্রশাসনিক কাজের চাপ এবং প্রযুক্তিগত সমস্যার কথাও আদালতে উল্লেখ করেছিল রাজ্য সরকার। তবে দীর্ঘদিন ধরে ডিএ না মেলায় সরকারি কর্মীদের একাংশ ক্ষুব্ধ ছিলেন। সম্প্রতি সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ ধর্মঘটের ডাকও দিয়েছিল। যদিও সেই ধর্মঘট খুব বেশি প্রভাব ফেলেনি।এর মধ্যেই রবিবার মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় পরিষ্কার হয়েছে, বকেয়া মহার্ঘ ভাতার পঁচিশ শতাংশ চলতি মাসেই কর্মীদের দেওয়া হবে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোট ঘোষণার ঠিক আগে বড় ঘোষণা মমতার, পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমদের ভাতা বাড়ল

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকার পরিমাণ আগেই বাড়ানো হয়েছিল। যুবসাথী প্রকল্পের ঘোষণাও করা হয়েছে। তবে বাজেট ঘোষণার সময় পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমদের জন্য আলাদা কোনও ঘোষণা করা হয়নি। এবার ভোট ঘোষণার ঠিক আগেই তাঁদের ভাতা বাড়ানোর কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সূত্রের খবর, রবিবার বিকেল চারটের সময় পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা করতে পারে নির্বাচন কমিশন। তার কিছু আগেই দুপুর দুটো চল্লিশ মিনিট নাগাদ মুখ্যমন্ত্রী সামাজিক মাধ্যমে একটি বার্তা দিয়ে পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমদের ভাতা বাড়ানোর কথা জানান।এতদিন পর্যন্ত পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমরা মাসে এক হাজার পাঁচশো টাকা করে ভাতা পেতেন। সেই ভাতা পাঁচশো টাকা বাড়িয়ে এখন থেকে দুই হাজার টাকা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সমাজে পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানান, নতুন করে যাঁরা পুরোহিত ও মুয়াজ্জেম হিসেবে ভাতার জন্য আবেদন করেছিলেন, তাঁদের আবেদনও রাজ্য সরকার গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, সমাজের সব সম্প্রদায় যেন সম্মান পায় এবং সব সংস্কৃতি যেন সমান মর্যাদা পায়, সেটাই সরকারের লক্ষ্য।তবে এই ঘোষণা ঘিরে বিরোধীদের তরফে সমালোচনাও শুরু হয়েছে। বিজেপি নেতা এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পর এখন পুরোহিত ভাতা বাড়িয়ে বাংলার মানুষকে পাঁচশো টাকা দিয়ে খুশি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।ভোটের ঠিক আগে এই ঘোষণাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

বিকেলে ভোট ঘোষণা, তার আগে রাজ্য জুড়ে পুলিশ বদলির নির্দেশ

আজ রবিবার বিকেল চারটেয় পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। তার কয়েক ঘণ্টা আগেই রাজ্য পুলিশের ভিতরে বড় রদবদল করল নবান্ন। সূত্রের খবর, মোট সাতাশ জন ইন্সপেক্টর এবং বারোটি থানার আইসি-কে বদলি করা হয়েছে।ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলায় একাধিক ইন্সপেক্টরকে নতুন জায়গায় পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি বিধাননগর, বারাকপুর এবং চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের বেশ কয়েকটি থানার আইসি-রও বদলি করা হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতেও কয়েক জন ইন্সপেক্টরকে অন্যত্র পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার ঠিক আগে রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, যাঁদের বদলি করা হয়েছে, তাঁদের যত দ্রুত সম্ভব নতুন দায়িত্বে যোগ দিতে হবে।উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, জলপাইগুড়ি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, বিধাননগর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং হুগলি সহ একাধিক জেলায় এই বদলি করা হয়েছে। ভোট ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগে এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই বিষয়টি নিয়ে বিরোধীরাও প্রশ্ন তুলেছে। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ দাবি করেছেন, নির্বাচন কমিশন যাতে পরে আর বদলি করতে না পারে, সেই কারণেই আগেভাগে এই বদলি করা হয়েছে। তবে তাঁর মতে, এতে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা কমে যায় না। প্রয়োজনে কমিশন এই সব আধিকারিকদের অতীত কাজ এবং ভূমিকা খতিয়ে দেখতে পারে।উল্লেখ্য, কয়েক সপ্তাহ আগেও রাজ্য পুলিশে বড় বদলি করা হয়েছিল। সে সময় চার জন আইপিএস আধিকারিককে অন্যত্র পাঠানো হয়। আলিপুরদুয়ার, বসিরহাট এবং জঙ্গিপুরের পুলিশ সুপার এবং রাজ্য গোয়েন্দা বিভাগের এক শীর্ষ আধিকারিকেরও বদলি করা হয়েছিল।সাধারণত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে গেলে আদর্শ আচরণবিধি জারি হয়ে যায়। তার পর প্রশাসনে বড় কোনও বদলি করতে গেলে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি প্রয়োজন হয়। সেই কারণেই ভোট ঘোষণার ঠিক আগে এই রদবদলকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

কারা পাচ্ছেন তৃণমূলের টিকিট? সামনে এল সম্ভাব্য প্রার্থীদের চমকপ্রদ তালিকা

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। যে কোনও মুহূর্তে নির্বাচন কমিশন ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করতে পারে। তার আগেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা নিয়ে জোর আলোচনা। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এবার বেশ কিছু নতুন ও তরুণ মুখকে টিকিট দেওয়া হতে পারে বলে জোর জল্পনা চলছে।দলের অন্দরে শোনা যাচ্ছে কয়েকটি নাম নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। নতুন মুখদের মধ্যে প্রথমেই উঠে আসছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যের নাম। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ছাত্র ও যুব সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত।তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রাক্তন সভাপতি জয়া দত্তের নামও আলোচনায় রয়েছে। বর্তমানে তিনি অশোকনগরের কাউন্সিলর। যদিও অতীতে ছাত্র সংগঠনের ভর্তিকে কেন্দ্র করে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় তাঁর নাম নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এবং সেই সময় তাঁকে সংগঠনের সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।প্রাক্তন সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামও সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় ঘুরছে। সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তিনি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। বিভিন্ন আন্দোলন এবং কর্মসূচিতে তাঁকে সক্রিয়ভাবে দেখা গেছে।আরেক রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলামের নামও আলোচনায় রয়েছে। তিনি সম্প্রতি সংসদে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের সমস্যা নিয়ে সরব হয়েছিলেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, তাঁকে বীরভূম জেলার কোনও একটি আসন থেকে প্রার্থী করা হতে পারে।দলের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে কয়েকজন মুখপাত্রের নামও ঘুরছে। সেই তালিকায় রয়েছেন কুণাল ঘোষ, অরূপ চক্রবর্তী এবং তন্ময় ঘোষ। আগের উপনির্বাচনের সময় কুণাল ঘোষকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে জল্পনা হয়েছিল। এবার বিধানসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে আবার আলোচনা শুরু হয়েছে।সম্প্রতি সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া প্রতীকূর রহমানের নামও সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় রয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। তাঁর পাশাপাশি নতুন মুখ হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন আন্তর্জাতিক ক্রীড়াবিদ স্বপ্না বর্মন। তিনি এশিয়ান গেমসে সোনা জিতে ইতিহাস গড়েছিলেন এবং কিছুদিন আগেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।দলের তরুণ নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্যের নামও ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে। আগের বিধানসভা নির্বাচনে প্রচারে তাঁকে সক্রিয়ভাবে দেখা গিয়েছিল। পরে লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করা হয়েছিল তমলুক থেকে। যদিও সেই নির্বাচনে তিনি জয় পাননি।এ ছাড়াও আরও কিছু নতুন নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। শোনা যাচ্ছে এন্টালির বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহার ছেলে সন্দীপন সাহা প্রার্থী হতে পারেন। তিনি বর্তমানে কলকাতা পুরসভার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন এবং জোকা ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন ছাত্র।রাজনৈতিক মহলে আরও আলোচনা চলছে সাংবাদিক দেবদীপ পুরোহিতের নাম নিয়েও। তাঁকে খড়দা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে জল্পনা। বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা শুভাশিস চক্রবর্তীর নামও শোনা যাচ্ছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার একটি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে।এছাড়াও তারকাখচিত তালিকায় গায়িকা ইমন চক্রবর্তীর নামও উঠে আসছে। উত্তরপাড়া কেন্দ্র থেকে তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে আলোচনা চলছে। যদিও অতীতেও এমন জল্পনা হয়েছিল, কিন্তু তিনি সেই সময় প্রার্থী হননি।অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের নামও সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় ঘুরছে। বিনোদন জগতের পরিচিত এই মুখকে প্রার্থী করলে ভোটের প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।এই সব নাম নিয়ে জোর আলোচনা চললেও তৃণমূলের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা এখনও প্রকাশ হয়নি। ভোট ঘোষণার পরেই দল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
কলকাতা

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে এল আরজি করের ঘটনা! বিস্ফোরক বার্তা দিলেন মোদি

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ব্রিগেডে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন, বাংলায় বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলে মহিলারা সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকবেন। তিনি জানান, তৃণমূলের গুন্ডারাজ আর থাকবে না, কেউ দমন করতে পারবে না। মোদির দাবি, বর্তমানে রাজ্যে সন্ত্রাসবাদ ও অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে মায়েরা কাঁদছে, বাঙালিরা নিজেদের জন্মভূমি ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে। মোদী বলেন, বাংলার রুটি, মাটি, বেটি বিপন্ন, জনবিন্যাস পরিবর্তিত হয়েছে এবং হিন্দু বাঙালিদের সংখ্যালঘু করার চেষ্টা হচ্ছে।মোদী অভিযোগ করেন, কেন্দ্রের বিভিন্ন কর্মসংস্থানের প্রকল্প রাজ্যে পৌঁছতে দিচ্ছে না তৃণমূল সরকার। বিশ্বকর্মা প্রকল্প থেকে টাকা দেওয়া সত্ত্বেও মানুষের কাছে তা পৌঁছায় না। বিনামূল্যে বিদ্যুৎ দেওয়ার প্রকল্পও আটকানো হয়েছে। চা শ্রমিকদের কেন্দ্রীয় সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। পিএম আবাস যোজনার নাম বদলানো হয়েছে, তালিকা বদল করা হয়েছে, গরিবদের বাড়ি দেওয়া হয়নি। জলজীবন মিশন এবং আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পও চালু হতে দিচ্ছে না। মোদীর দাবি, বাংলার গরিবরা এ সব থেকে বঞ্চিত হয়েছে।তিনি আরও বলেন, কৃষকদের পরিস্থিতিও শোচনীয়। একজন আলু চাষি আত্মহত্যা করেছেন। তৃণমূলের নোংরা রাজনীতি মা-বোনেদের সম্মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। মোদী স্মরণ করান, বাংলার মানুষ আগে একসময় বাম গুন্ডাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল। কিন্তু বর্তমানে সেই বাম দলের কিছু নেতাকে তৃণমূল আশ্রয় দিচ্ছে। রাজ্যে অপরাধীরা নিরাপদ, কলেজে ও আদিবাসী মহিলাদের উপর হামলা হচ্ছে, এবং মানুষ এখনো সন্দেশখালি, আরজিকরের মতো ঘটনা মনে রাখে।মোদী স্পষ্ট জানান, বিজেপি সরকার এলে এসব অন্যায়ের অবসান হবে। আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা হবে, অপরাধীদের জেল ভাড়া হবে, এবং গরিব ও সাধারণ মানুষ কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা পাবে।

মার্চ ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal