• ২২ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ১২ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Howrah District News,

রাজনীতি

মন্ত্রী, বিধায়ক বা প্রক্তন মেয়র নয়, ক্ষোভ উগরে দিতে সাংবাদিক বৈঠক হাওড়ার পঞ্চায়েত প্রধানের

এবারে বিস্ফোরক তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান। নাম করে সরাসরি আক্রমণ অরূপ রায়কে। দলের ওই ভাঙনের জন্যে দায়ী করলেন মন্ত্রী অরূপ রায়কে। একের পর এক তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসছে। মঙ্গলবার দলের সভাপতি ও মন্ত্রীত্ব ছেড়েছেন হাওড়ার মন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লা। এদিকে বুধবার সকালে হাওড়ার মহানাগরিক বিশিষ্ট চিকিৎসক ডঃ রথীন চক্রবর্তীর পরে নাম করে জেলা সদরের চেয়ারম্যান অরূপ রায়কে সরাসরি দলের ভাঙনের জন্য দায়ী করলেন তৃণমূলের এক পঞ্চায়েত প্রধান। বুধরার নিজের অফিসে বসেই এক সাংবাদিক সম্মেলনে দলের কান্ডারীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন জগদিশপুরের পঞ্চায়েত প্রধান গোবিন্দ হাজরা। হাওড়ায় দলের ভাঙ্গন আরো বড় হবে। এরজন্যে সরাসরি জেলা সদরের তৃণমূল চেয়ারম্যানকে দোষারোপ করেন তিনি। আগামিদিনে হাওড়ার মানুষ স্বাস্থ্যসাথী পরিষেবা থেকেও বঞ্চিত হতে পারে, এমন আশঙ্কাও প্রকাশ করেন গোবিন্দ হাজরা। আধিকারিকরা ঠিকভাবে কাজ করছে না। সকালে জানানো হচ্ছে আগামীকাল স্বাস্থ্য সাথি কার্ডের জন্যে ছবি তোলা হবে। লিস্ট ধরে সারাদিন ধরে ফোন করে ২হাজার মানুষকে সেই কথা জানানোর পরে রাত ৮টার সময়ে বিডিও অফিস থেকে আবার জানানো হচ্ছে কিট না আসায় আগামীকাল ছবি তোলা যাবে না। মানুষ ভোর চারটে থেকে লাইন দিয়ে তারপরে এই কথা জানতে পারছেন। এত বিজ্ঞাপন দিয়ে স্বাস্থ্য সাথীর কথা প্রচার করে মানুষকে পরিষেবা দিতে না পারলে ভোটের বাক্সে তার প্রতিফলন পড়বে বলেও মনে করেন তিনি। আগামী দিনে দলে আরো বড় ভাঙন আসতে পারে বলেও অভিমত ব্যাক্ত করেন তিনি। ক্ষমতায় আসার পরে সরকার ভালো কাজ করলেও বর্তমানে সরকারি কাজ ভালো হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি। দলের এক বিধায়ক কল্যান বন্দোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে গোবিন্দ হাজরা বলেন, ওনাকে আমি ঘৃনা করি। পাশাপাশি তিনি জানান, দিদি আমাকে কোর কমিটির সদস্য করেন। কালেঘাটে দিদির মিটিং এ ডাক পেলেও হাওড়ায় অরূপ রায়ের মিটিং এ ডাক পেতেন না বলে অভিযোগ। তৃণমূলের জেলা কমিটির বর্তমান সদস্যদের চোর গুন্ডা বলে অবিহিত করেন। ভালো লোকদের নিয়ে কমিটি করলে দলের এমন হাল হতো না। চোর গুন্ডাদের নিয়ে কমিটি নিয়েছেন অরূপ রায়। হাওড়ায় ভরাডুবি অনিবার্য। নতুন সভাপতি প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য, ভরাডুবির দায় থেকে নিজের বাঁচার তাগিদে অন্যের কাঁধে বন্দুক রাখা। যদিও আগামীদিনে দল বদল করবেন কি না তা স্পষ্ট করেন নি গোবিন্দ হাজরা। পরিস্থিতি দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানান তিনি। এদিন সকালে সাংবাদিকদের সামনে তৃণমূলের বিরুদ্ধে মূখ খোলেন হাওড়ার প্রাক্তন তৃণমূল মেয়র ডঃ রথীন চক্রবর্তী। তৃণমূল দল থেকে বিদায় নিয়েছে সৌজন্যবোধ এই ভাষায় নিজের ক্ষোভ ব্যাক্ত করেন তিনি। তিনি আরো জানান, হাওড়ার মানুষের জন্যে যে জল প্রকল্পের কাজ শুরু করেছিলেন তিনি, সেই প্রকল্পের উদ্বোধনে আমন্ত্রণ না পাওয়ায় এই ভাবেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি তৃণমূল দলকে প্রাইভেট কোম্পানির সাথে তুলনা করে বলেন এখানে শুধুমাত্র নেতার ঘনিষ্ঠ কারো কথা শুনে চলাই রীতি। অন্য কিছুই দেখা বা শোনা হয়না। চোখ কান ইত্যাদি ইন্দ্রিয় গুলো ঢাকা পড়ে রয়েছে এমন মন্তব্য করেন প্রাক্তন মহানাগরিক। এখানে যারা কাজ করে তাদের এক ঘরে করে দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করা হয়। যারা কাজ করে তারা ব্যাকসিটে চলে যায়। আগামী দিনে যেখানে থেকে মানুষের সেবা করা যাবে, মানুষের কাজ করা যাবে, সেখানেই সে তার পাশেই তিনি থাকবেন বলেও জানান তিনি। হাওড়া জেলা সদর সভাপতির পদ থেকে ও মন্ত্রীত্ব ছেড়ে দেওয়ার কথা প্রাক্তন ক্রিকেটার লক্ষীরতন শুক্লা জানানোর পরেই একে একে দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে মূখ খুলছেন অনেকেই। এদিকে নবনিযুক্ত তৃণমূল সভাপতি ভাস্কর ভট্টাচার্য সকলকে নিয়ে চলতে চাইছেন। মান-অভিমান ভুলে আলোচনা করলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে বলে তিনি মনে করেন।

জানুয়ারি ০৭, ২০২১
উৎসব

স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনেও বেলুড়মঠে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

অতিমারির কারণে বেলুড়মঠে দর্শনার্থীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। তারমধ্যেই আগামী মঙ্গলবার ৫ই জানুয়ারী সারদামনির মায়ের জন্মতিথি ও আগামী ১২ই জানুয়ারী স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনে যুব উৎসবের দিনেও মঠ প্রাঙ্গণে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখলেন মঠ কর্তৃপক্ষ। শনিবার বেলুড়মঠের রামকৃষ্ণ সারদা পীঠের অধ্যক্ষ স্বামী দিব্যানন্দজি মহারাজ সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, ৫ই জানুয়ারী সারদা মায়ের জন্মদিনের যাবতীয় অনুষ্ঠান হবে। তবে অতিমারির কারণে বেলুড়মঠের প্রাঙ্গণে ভক্তদের প্রবেশ বন্ধ থাকবে। সারাদিন ব্যাপি এই অনুষ্ঠান মঠের ইউটিউব চ্যানেলে দেখা যাবে। এছাড়াও আগামী ১২ই জানুয়ারী যুবদিবসের অনুষ্ঠানেও মঠ প্রাঙ্গণে অন্যান্য বছরের মত প্রভাতফেরী ও অন্যান্য অনুষ্ঠান বন্ধ রাখা হবে। ৩৭তম যুবদিবসের অনুষ্ঠান হবে অডিটোরিয়ামের ভেতরে। বাইরের স্কুল থেকেও দুই-একজন অংশগ্রহনকারীরা আসবেন। গান করবেন, আবৃত্তি করবেন, আমাদের ছেলেরাও থাকবেন মঠের সন্যাসীরাও অংশগ্রহণ করবেন।স্বামী দিব্যানন্দজি মহারাজ আরও জানান, মঠের সহকারী সাধারণ সম্পাদক স্বামী বলভদ্রানন্দ জী মহারাজও যুবকদের উদ্দেশ্যে কথা বলবেন। ভক্তজন ও সাধারণ দর্শনার্থীদের কাছে তাঁর অনুরোধ, বাড়িতে থেকেই ইউটিউব চ্যানেলে যেমন দুর্গাপূজা দেখেছেন সেইভাবেই সারদামনির জন্মদিনের অনুষ্ঠান ও যুবদিবসের অনুষ্ঠান দেখতে আবেদন জানিয়েছেন তিনি। আগামী ২৬শে জানুয়ারী পর্যন্ত বেলুড়মঠ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়ে আগামী ২০শে জানুয়ারী আবার বৈঠকে বসবেন মঠ কর্তৃপক্ষ। এদিন বেলুড়মঠের সারদা পীঠে থাকা রেলের একটি কম্পিউটারাইজড টিকিট রিজার্ভেশন কাউন্টার বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে বেলুড়মঠের রামকৃষ্ণ সারদা পীঠের অধ্যক্ষ স্বামী দিব্যানন্দ জি মহারাজ জানান, তাঁর সাথে যোগাযোগ করেন পূর্ব রেলের সিনিয়ার ডিভিশনাল ম্যানেজার। ওই টিকিট কাউন্টারটি বন্ধ করে দেওয়ার কথা জানানো হয় তাঁকে। মূলত খরচের কারণেই ৪০বছরের পুরানো ওই টিকিট কাউন্টারটি সরিয়ে নেওয়ার কথা জানানো হয়। স্বামী দিব্যানন্দজি জানান, এই টিকিট কাউন্টার থাকায় মঠের সন্যাসীদের খুবই সুবিধা হত। তিনি রেল কর্তিপক্ষকে আবেদন করেছেন যাতে বেলুড়মঠ সংলগ্ন রেল স্টেশনেই যদি স্থানান্তরিত করা হয় তাহলে মঠের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও সুবিধা হবে।

জানুয়ারি ০২, ২০২১
রাজ্য

হাওড়ায় তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবসে গড়হাজির দুই মন্ত্রী, বাড়ছে জল্পনা

শুক্রবার হাওড়াতেও পালিত হল তৃণমূলের ২৪তম প্রতিষ্ঠা দিবস। এই প্রতিষ্ঠা দিবসেও পিছু ছাড়ল না গোষ্ঠীকলহের বিতর্ক। এদিন দলের হাওড়ার কদমতলার জেলা সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয় দলের প্রতিষ্ঠা দিবসের মূল অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে রাজের সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায় উপস্থিত থাকলেও গরহাজির ছিলেন তৃণমূলের সদর সভাপতি তথা মন্ত্রী লক্ষীরতন শুক্লা। দেখা মিলল না দলের কোর্ডিনেটর তথা আর এক মন্ত্রী রাজীব বন্দোপাধ্যায়ের। দলের প্রতিষ্ঠা দিবসের মুল অনুষ্ঠানে জেলার দুই মন্ত্রী তথা হেভিওয়েট নেতার অনুপস্থিতিতে জল্পনা ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। এই প্রসঙ্গে, তৃণমূলের সদর চেয়ারম্যান অরূপ রায় বলেন, কে বা কারা আসেননি জানি না। তবে আসা উচিত ছিল। প্রথম থেকে দল করে আসা তৃণমূল কর্মীরা সবাই এসেছে। যাঁরা আসেননি তাঁদেরকে আসার জন্য অনুরোধ করব। অন্যদিকে এদিন জেলা নেতৃত্বের এমন ধরনের মনোভাবের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন হাওড়ার সাংসদ প্রসূণ বন্দোপাধ্যায়। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠা দিবসে এই ধরনের ঘটনা খুবই দুঃখজনক। দলীয় কর্মীরা দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ভুগছেন। ক্ষোভের সঙ্গে সাংসদ বলেন, আমি অবাক হয়ে যাচ্ছি জেলার তিন নেতা তিন দিকে আলাদা আলাদা কেন র্যালি করছে? আমার খুব মন খারাপ, আমি খুব শকড। এইভাবে চললে হাওড়ার ১৬টা আসন ধরে রাখা সম্ভব হবে না বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। দলীয় হোর্ডিং নিয়েও এদিন তিনি ক্ষোভ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে দল না থাকলে লালবাতি নীলবাতি পাব না এই বার্তাও দিলেন দলীয় নেতৃত্বকে। উল্লেখ্য, কয়েক মাস ধরে রাজ্যের দুই মন্ত্রী তথা হাওড়ার হেভিওয়েট নেতা অরূপ রায় এবং রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে চলছে ঠান্ডা লড়াই। সম্প্রতি একাধিক অনুষ্ঠানে তাঁদের দুজনকে একসঙ্গে হাজির হতে দেখতে পাওয়া যায়নি। এরই মধ্যে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বেজে গিয়েছে। তাই জল্পনাও শুরু হয়ে গিয়েছে বিভিন্ন মহলে। তারই মধ্যে এদিন প্রতিষ্ঠা দিবসে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় এবং লক্ষ্মীরতন শুক্লার উপস্থিতি না থাকা উষ্কে দিচ্ছে নয়া বিতর্ক।

জানুয়ারি ০১, ২০২১
রাজ্য

শীতের ভোরে গাড়ি থামিয়ে চালকদের হাতে গরম চা, বিস্কুট, পানীয় জল

দূরপাল্লার গাড়ি চালকদের সচেতন করতে তৎপর হাওড়া সিটি পুলিশ। ভোরের রাতে ক্লান্তি বা কুয়াশা যাতে দুর্ঘটার কারণ না হয়, তাই এই উদ্য়োগ। জাতীয় সড়কে ট্রাক ও গাড়ি থামিয়ে চালকদের চা, বিস্কুট ও জল দেওয়া হয়। শীতের ভোরে দূরপাল্লার গাড়ি চালকরা কিছুটা ক্লান্ত হয়ে ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েন। এই কারণে দুর্ঘটনাও ঘটে। পাশাপাশি কুয়াশায় দৃশ্যমান্যতা কম থাকায় গাড়ি চালাতে সমস্যা হয়। এতেও ঘটে দুর্ঘটনা। শীতের ভোরে বিশেষ করে জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনাও ঘটে। এবার এনিয়ে দূরপাল্লার গাড়ি চালকদের সচেতন করতে কল্পতরু হয়ে পৌঁছে গেলেন হাওড়া সিটি ট্রাফিক পুলিশের কর্মীরা। হাওড়া সিটি ট্রাফিক পুলিশ সূত্রের খবর, বুধবার গভীর রাতে ও বৃহস্পতিবার ভোরে হাওড়ার বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় বড় লরি ও অন্যান্য গাড়ি চালকদের গাড়ি থামিয়ে তাঁদের চা, বিস্কুট ও জল দেওয়া হয় হাওড়া সিটি ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে। যাতে তাঁরা দীর্ঘ যাত্রায় ক্লান্তি ভুলে আরও তরতাজা হয়ে যান সেই উদ্দেশ্যেই এই কর্মসূচি বলে জানা গেছে। হাওড়া সিটি ট্রাফিক পুলিশের কাছ থেকে এই ব্যবহার পেয়ে স্বভাবতই খুশি গাড়ির চালকরা। হাওড়ার অঙ্কুরহাটি ক্রশিং, কাজিপাড়া ক্রশিং, বালি নিমতলা, ডুমুরজলা, ইস্ট ওয়েস্ট বাইপাস ও কোনা এক্সপ্রেসওয়েতে এই ধরনের কর্মসূচি নেওয়া হয়।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২০
রাজ্য

ভর্তি নিয়ে হাওড়ার স্কুলে বিক্ষোভ, গেটে তালা, ধুন্ধুমার

চতুর্থ শ্রেণীতে পাশ করা ছাত্র-ছাত্রীদের পঞ্চম শ্রেণীতে ভর্তি না নেওয়ার অভিযোগ তুলে স্কুলে তালা লাগিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন অভিভাবকরা। বুধবার সকালে হাওড়ার কোনা হাইস্কুলে অভিভাবকেরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। বিক্ষোভকারী অভিভাবকরা স্কুলের গেটেও তালা ঝুলিয়ে দেন। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে প্রাথমিক বিভাগের ছাত্রদের উচ্চমাধ্যমিক বিভাগে ভর্তি নিতে হবে। তাঁদের অভিযোগ, প্রাথমিক বিভাগের পক্ষ থেকে ছাত্রদের নামের তালিকা উচ্চমাধ্যমিক বিভাগে ভর্তি নেওয়ার জন্য পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু স্কুলের উচ্চমাধ্যমিক বিভাগ সেই তালিকা ছিঁড়ে ফেলে দেয়। এই নিয়ে এদিন সকালে স্কুলের সামনে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু করে অভিভাবকরা। তাঁরা রাস্তা অবরোধ করেন। অবরোধের ফলে টানা যানজটের সৃষ্টি হয়। বিক্ষোভের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় দাশনগর থানার পুলিশ। ঘটনাস্থলে পুলিশ এলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। উল্লেখ্য, স্কুলে ত্রুটিপূর্ণ ভর্তি প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করেই এদিন অভিভাবকরা বিক্ষোভ দেখান কোনা হাই স্কুলে। অভিযোগ, করোনা পরিস্থিতির জন্য কোনও স্কুলে লটারির মাধ্যমে ভর্তি প্রক্রিয়া হয়নি। ছাত্র-ছাত্রীদের পরবর্তী ক্লাসে উত্তীর্ণ করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোনা হাইস্কুলে সেই নিয়ম না মেনে লটারি করা হয়েছে। লটারির মাধ্যমেই ছাত্র ছাত্রীদের ভর্তি করা হচ্ছে। এতে বেশ কিছু ছাত্রের নাম লটারিতে আসেনি। তারা ভর্তির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। করুণা হাজরা বলেন, যারা নার্সারি থেকে ভাল রেজাল্ট করেছে তাঁদের একটা লিস্ট করে স্কুলে পাঠানো হয়েছিল। সেই লিস্ট ছিঁড়ে ফেলে দিয়েছে। প্রধান শিক্ষকের কাছে সেই লিস্ট পৌঁছোয়নি। তাঁদের দাবি, ৫৫জন ছাত্র প্রাথমিকে ভাল রেজাল্ট করেছে তাদের হাই স্কুলে প্রথমে নিতে হবে। বাকি যা সিট থাকবে তার জন্য লটারি হবে। তাঁর অভিযোগ, কোন কথা শোনেননি উচ্চমাধ্যমিক বিভাগের প্রধান শিক্ষক। তাঁর কাছে প্রাথমিক বিভাগের প্রধান শিক্ষক গিয়েছিলেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিও গিয়েছিলেন তাঁর কাছে। কিন্তু কোনও গুরুত্ব দেননি। প্রায় ৩০ জন ছাত্র যাদের নাম ওঠেনি তাদের স্বাক্ষর সমেত দরখাস্ত জমা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রধান শিক্ষক কোনও কথা শোনেননি। অন্য স্কুলে ভর্তি হওয়ার নির্দেশ দেন। সেখানে উপস্থিত অপর অভিভাবক পিঙ্কি জানা বলেন, এখানে ভর্তির জন্য অনেকদিন থেকে স্কুলে আসছি। রেজাল্ট দেখতে দেখতে চাইছে না। সিট নেই বলা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২০
রাজ্য

তোলা না পেয়ে মারধরের অভিযোগ, খতিয়ে দেখা হচ্ছে সিসিটিভি

এলাকায় ব্যবসা করার জন্য তোলা চাওয়া হয়েছিল রেস্তোরাঁ থেকে। দাবিমতো সেই টাকা না পেয়ে রেঁস্তোরায় হামলা এবং মারধরের অভিযোগ উঠল হাওড়ায়। ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়ার চ্যাটার্জীহাট থানা এলাকায় শাস্ত্রী নরেন্দ্রনাথ গাঙ্গুলি রোডে। মাস খানেক আগে তোলা চেয়ে না পাওয়ায় এলাকার কয়েকজন দুষ্কৃতী এক মুদিখানার দোকানদারকে লোহার রড দিয়ে মেরে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছিল। তাঁকে বাঁচাতে এসে মার খেয়েছিলেন তাঁর বৃদ্ধ বাবা-মাও। সোমবার বেশি রাতে সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হল হাওড়ার চ্যার্টাজিহাট থানা এলাকার। সোমবার রাতে রেঁস্তোরা বন্ধ করার সময় দুই যুবক টাকা দাবি করে বলে অভিযোগ। টাকা না দেওয়ায় রেস্তোরাঁর মালিকের ছেলে এবং কর্মচারীর ওপর হামলা চালানো এবং মারধোর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। মারধরের হাত থেকে বাঁচতে তাঁরা উল্টোদিকের সাইকেলের দোকানে লোকানোর চেষ্টা করলে সেখানে গিয়েও আক্রমণ করে ৬-৭ জন দুষ্কৃতী। অভিযোগ দায়ের হয়েছে চ্যাটার্জিহাট থানায়। সিসিটিভিতে ধরা পড়েছে হামলার ছবি। এই ঘটনায় আতঙ্কিত এলাকার বাসিন্দারা। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্ধ্যা থেকে কেনা বেচার পর রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ দোকান বন্ধ করতে যাচ্ছিলেন দোকান মালিকের ছেলে মহম্মদ কাদির। প্রচন্ড ঠান্ডা পড়ায় রাস্তায় লোকজন নেই বললেই চলে। ওই সময় হঠাৎ এক যুবক এসে দোকানের র্কমী মহম্মদ দানেশের কাছে টাকা চায়। এরপর ধীরে ধীরে ধীরে আরও ৬-৭ জন যুবক এসে গালিগালাজ শুরু করে। দুষ্কৃতীদের দাবি, এলাকায় ব্যবসা করতে গেলে টাকা দিতে হবে। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় এরপর ওই দুষ্কৃতীরা মহম্মদ দানেশ সহ দোকান মালিকের ছেলে মহম্মদ কাদেরকে বেধড়ক মারধর করতে শুরু করে। মারখেয়ে রাস্তায় পড়ে যান তাঁরা। রাস্তার ওপর ঘুষি, লাথি চলতে থাকে। এই হামলা প্রসঙ্গে রেস্তোরাঁর এক কর্মচারী ফারুক আনসারি জানান, সোমবার রাত প্রায় ১১-১৫ মিনিট নাগাদ তাঁরা রেঁস্তোরা বন্ধ করে বেরোচ্ছিলেন। সেই সময় একজন লোক রেঁস্তোরায় আসে। ওই লোকটি টাকা দাবি করে। কেন জিজ্ঞাসা করায় সে বলে এখানে ব্যবসা করার জন্য তাঁকে টাকা দিতে হবে। রেঁস্তোরা মালিক সেই টাকা দিতে অস্বীকার করায় লোকটি বচসা শুরু করে। দোকান খুলতে দেবে না বলে হুমকি দেয়। এরই মধ্যে সেখানে প্রায় চার পাঁচজন জন চলে আসে। এরা সকলে মিলে মারধর শুরু করে রেঁস্তোরার মালিক এবং তাঁর ছেলেকে। এই ঘটনার সময় পুলিশের একটি টহলদারি ভ্যান এসে পড়ায় দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। হাওড়া সিটি পুলিশের পক্ষ থেকে জানা গিয়েছে, ‘‘তোলা না পেয়ে মারধরের অভিযোগ আমরা পাইনি। বিরিয়ানি না পেয়ে একটু ধাক্কাধাক্কি হয়েছে শুনেছি। তবে লিখিত অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেব।’’

ডিসেম্বর ২২, ২০২০
রাজ্য

দল ছেড়ে বিরাগভাজন শুভেন্দু, কোথাও পুড়েছে কাট-আউট, কোথাও ছবিতে কালি

মেদিনীপুর কলেজ ময়দানের জনসভায় অমিত শাহের উপস্থিতিতে পদ্মশিবিরে যোগ দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এরপর থেকেই শুভেন্দু অধিকারীর পোস্টারে আগুন ধরিয়ে বিক্ষোভ হয় মালদার চাঁচলে। নানা জায়গায় ক্ষোভ উগরে শুভেন্দু অধিকারীর ছবি ও পোস্টার পুড়িয়ে বিক্ষোভ হয়। এবার হাওড়ার ইছাপুরে শুভেন্দুর পোস্টারে কালি লেপে দেওয়া ছবি দেখা গেল। ছবিতে লেখা চোর। তবে কে বা কারা এই ঘটনায় যুক্ত তা জানা যায়নি। কয়েকদিন আগেই আমরা দাদার অনুগামীর তরফে হাওড়ার ইছাপুর জলের ট্যাঙ্ক মোড় এলাকায় এই পোস্টার দেওয়া হয়েছিল। শুভেন্দু দল পাল্টে বিজেপিতে যেতেই তাঁর ছবিতে কালি লাগিয়ে তাঁকে চোর বলে আখ্যা দেওয়া হল। এই প্রসঙ্গে বিজেপির হাওড়া সদরের সভাপতি সুরজিৎ সাহা বলেন, আয়নায় দেখলে যেরকম লাগবে এটা ঠিক সেরকম। শুভেন্দুদার মুখে নয়, এটা কালি লেগেছে তৃণমূলের মুখেই। ওরা শুভেন্দুদার মতো একজন দক্ষ সংগঠককে ধরে রাখতে পারেননি। ওরা নিজেরাই চোর। তাই শুভেন্দুদার মতো লোককে চোর বলছে। এই প্রসঙ্গে হাওড়ার তৃণমূল চেয়ারম্যান তথা রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ রায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, তৃণমূল এই কাজ করেনি, উন্নয়নের কথা বলছি আমরা তাতেই সময় কেটে যাচ্ছে।

ডিসেম্বর ২১, ২০২০
রাজ্য

দুঃস্থ পড়ুয়াদের পাশে গ্রন্থাগার কর্মীরা

পশ্চিমবঙ্গ গ্রন্থাগার কর্মী সমিতির উদ্দোগে মোট ৫০জন মাধ্যমিক থেকে স্নাতক স্তরের ছাত্র-ছাত্রীর হাতে পাঠ্যবই তুলে দেওয়া হল। হাওড়া জেলা গ্রন্থাগারের সেমিনার হলে বই তুলে দেওয়া হয়। লকডাউনের জেরে কাজ হারিয়েছেন অনেকেই। ফলে আর্থিক কারণে সন্তানদের পড়াশুনোয় সমস্যা হচ্ছে। এবারে গ্রন্থাগারের কর্মীরা নিজেরা চাঁদা তুলে এবং সমমনস্ক কিছু মানুষের সহযোগিতায় এই কাজ করেছেন। ডুমুরজলার চারাবাগান এলাকার সুমন একাদশ শ্রেনীতে ভর্তি হলেও আর্থিক সমস্যার কারণে বই কিনতে পারেনি এখনও। বাবা সনৎ গাঙ্গুলী ক্যাটারিং এর কাজ করেন। লকডাউনের ফলে গত ৬মাস ধরে কর্মহীন। দুবেলা খাবারের জোগাড় করতেই হিমশিম খাচ্ছেন, ছেলের বই কিনবেন কি করে। শুক্রবার হাতে নতুন ক্লাসের বই পেয়েছে সুমন। জানিয়েছে এবারে পড়া শুরু করতে পারবে সে। নিয়মিত স্যানিটাইজ করা হচ্ছে গ্রন্থাগার। কিন্তু তারপরেও চালু করা হয়নি এখনো। ফলে গ্রন্থাগার থেকে বই নিয়ে পড়াশুনা করার সুযোগও পাচ্ছেনা পড়ুয়ারা। এমন অবস্থায় এইভাবেই যতটা সম্ভব পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়ালেন গ্রন্থাগার কর্মীরা।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০
রাজ্য

রাতের  মঙ্গলাহাটে দেখা মিলল না ক্রেতার

একদমই জমল না গভীর রাতের হাট। বিক্রেতারা সারা রাত দোকান খুলে পশরা সাজিয়ে রাখলেও দেখা মিলল না ক্রেতার। ৬ মাস বন্ধ থাকার পরে শনিবার রাতে মঙ্গলাহাটের এমনই হাল ছিলো বলে জানান হাটের দোকানদাররা। প্রসঙ্গত, করোনা পরিস্থিতির জেরে গত ২৪মার্চ থেকে শুরু হয় দেশ ব্যাপী লকডাউন। সেই সময় থেকেই বন্ধ হয়ে যায় মঙ্গলাহাট। হাট বন্ধ থাকায় সমস্যায় পড়েন প্রায় ৬০-৭০ হাজার ব্যবসায়ী। আনলক পর্ব শুরু হয় ১লা জুন। সেই সময় থেকেই বারেবারে হাট চালু করার জন্য ব্যবসায়ীরা জেলা প্রশাসনের কাছে চিঠি দিয়ে আর্জি জানিয়ে আসছিলেন। তারপরে হাট খোলার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। আগের মত সপ্তাহে সোম ও মঙ্গলবার দুদিনের বদলে শনিবার একদিন এবং দিনের বদলে সারারাত হাট খোলার সিদ্ধান্ত নেয় হাওড়া জেলা প্রশাসন। মূলত করোনা সংক্রমণ রূখতেই এমন সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। যদিও গভীর রাতে কিভাবে ক্রেতারা হাটে আসবেন সেই প্রশ্ন ওঠে। শুধু তাই নয় রাত্রিবেলায় ক্রেতা-বিক্রেতা উভয় পক্ষের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন হাটের ব্যাবসায়ীদের একাংশ। শনিবার রাতে হাটের ১১টি ভবনের ভেতরে থাকা দোকান মালিকরা করোনা বিধি মেনে দোকান খুললেও দেখা মেলেনি ক্রেতাদের। পশ্চিমবঙ্গ বস্ত্র ব্যাবসায়ী সমিতির সভাপতি কামাক্ষা সাহার কথায়, প্রথম দিনের হাট একদম ফ্লপ। গভীর রাতের এই হাটে সব দোকানদাররা যেমন আসতে পারেননি, তেমনই দেখা মেলেনি ক্রেতাদেরও। তাঁরা আগামী দুই সপ্তাহ দেখার পরে বিষয়টি নিয়ে আবার প্রশাসনের কাছে যাবেন। এর আগেও একদিন গভীর রাতের বদলে শনিবার ও রবিবার সকালে হাট বসতে দেওয়ার আর্জি জানান মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ীরা।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০
রাজ্য

রাতের  মঙ্গলাহাটে দেখা মিলল না ক্রেতার

একদমই জমল না গভীর রাতের হাট। বিক্রেতারা সারা রাত দোকান খুলে পশরা সাজিয়ে রাখলেও দেখা মিলল না ক্রেতার। ৬ মাস বন্ধ থাকার পরে শনিবার রাতে মঙ্গলাহাটের এমনই হাল ছিলো বলে জানান হাটের দোকানদাররা। প্রসঙ্গত, করোনা পরিস্থিতির জেরে গত ২৪মার্চ থেকে শুরু হয় দেশ ব্যাপী লকডাউন। সেই সময় থেকেই বন্ধ হয়ে যায় মঙ্গলাহাট।  হাট বন্ধ থাকায় সমস্যায় পড়েন প্রায় ৬০-৭০ হাজার ব্যবসায়ী। আনলক পর্ব শুরু হয় ১লা জুন। সেই সময় থেকেই বারেবারে হাট চালু করার জন্য ব্যবসায়ীরা জেলা প্রশাসনের কাছে চিঠি দিয়ে আর্জি জানিয়ে আসছিলেন। তারপরে হাট খোলার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। আগের মত সপ্তাহে সোম ও মঙ্গলবার দুদিনের বদলে শনিবার একদিন এবং দিনের বদলে সারারাত হাট খোলার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। মূলত করোনা সংক্রমণ রূখতেই এমন সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। যদিও গভীর রাতে কিভাবে ক্রেতারা হাটে আসবেন সেই প্রশ্ন ওঠে। শুধু তাই নয় রাত্রিবেলায় ক্রেতা-বিক্রেতা উভয় পক্ষের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন হাটের ব্যাবসায়ীদের একাংশ। শনিবার রাতে হাটের ১১টি ভবনের ভেতরে থাকা দোকান মালিকরা করোনা বিধি মেনে  দোকান খুললেও দেখা মেলেনি ক্রেতাদের।  পশ্চিমবঙ্গ বস্ত্র ব্যাবসায়ী সমিতির সভাপতি কামাক্ষা সাহার  কথায়,  প্রথম দিনের হাট একদম ফ্লপ। গভীর রাতের এই হাটে সব দোকানদাররা যেমন আসতে পারেননি,  তেমনই দেখা মেলেনি ক্রেতাদেরও। তাঁরা আগামী দুই সপ্তাহ দেখার পরে বিষয়টি নিয়ে আবার প্রশাসনের কাছে যাবেন। এর আগেও একদিন গভীর রাতের বদলে শনিবার ও রবিবার সকালে হাট বসতে দেওয়ার আর্জি জানান মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ীরা।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০
রাজ্য

করোনা আবহে মঙ্গলাহাট খুলছে শনিবার

দীর্ঘ টালবাহানার পরে প্রায় ৬মাস পরে খুলতে চলেছে হাওড়ার শতাব্দী প্রাচীন মঙ্গলাহাট। শনিবার রাতে খুলে রবিবার সকাল পর্যন্ত চলবে মঙ্গলাহাট। করোনা সংক্রমণের জেরে লকডাউনের সময় থেকেই বন্ধ করে দেওয়া হয় এই হাট। গত সপ্তাহে হাট খোলার সিদ্ধান্ত জানায় প্রশাসন। নামে মঙ্গলাহাট হলেও বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে শনিবার রাত ৯টা থেকে খুলবে মঙ্গলাহাট। চলবে রবিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত। বর্তমানে শুধুমাত্র স্থায়ী দোকানগুলিই খোলার অনুমতি দিয়েছে প্রশাসন। হাওড়া ময়দান চত্বর জুড়ে রাস্তার ফুটপাতে বসা খুচরো বিক্রেতা এবং স্টলগুলিকে আপাতত বসার অনুমতি দেওয়া হয়নি। শনিবার রাতের মঙ্গলাহাটে কীরকম জনসমাগম হচ্ছে, করোনার স্বাস্থ্যবিধি কতটা মানা হচ্ছে তা পর্যবেক্ষণ করে আগামী দিনে ধাপে ধাপে হাটের পুরানো চেহারা ফিরিয়ে আনা হবে। প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্তে ইতিমধ্যে আপত্তি জানিয়েছিলেন মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা। যদিও শুক্রবার তাঁরা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত মেনে শনিবার রাতে হাট খোলার সিদ্ধান্ত নেন। হাওড়া হাট সমন্বয় সমিতির সহ সম্পাদক কানাই পোদ্দার বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে তাঁরা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন। আপাতত শনিবার রাত থেকে রবিবার সকাল পর্যন্ত হাট চালু করে তাঁরা ব্যাবসার পরিস্থিতি দেখবেন। তিনি জানান, এইভাবে আস্তে আস্তে চালু হোক। হাটের ঢোকার গেটে রাখা হবে স্যানিটাইজার। এমনকি ব্যাবসায়ীদের স্বাস্থ্যের প্রতি নজর দিতে চিকিৎসক বসানোর কথাও ভাবা হচ্ছে বলে জানান তিনি। জানা গিয়েছে, মঙ্গলাহাটে মোট প্রায় ১১টি বড় বিল্ডিং রয়েছে, যেখান থেকে পাইকারি হারে নানা বস্ত্র বিক্রি করা হয়।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০
রাজ্য

তোলা না দেওয়ায় মারধর ব্যবসায়ীকে

পুলিশ ফাঁড়ির থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে তোলাবাজদের তান্ডব।  তোলা দিতে না চাওয়ায় ব্যাবসায়ীকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দিল তোলাবাজরা। রেহাই পেলেন না ব্যাবসায়ীকে তোলাবাজদের হাত থেকে বাঁচাতে আসা ওই ব্যাবসায়ীর বাবা। তোলাবাজদের মারে মাথা ফাটল তাঁরও। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ পুলিশ জানলেও কিছুই করেনা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিনা  পয়সায় ‘গুটকা’ না দেওয়ায় রড আর লোহার বালা দিয়ে মেরে এক ব্যবসায়ী যুবক ও তাঁর বাবার মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হল। হাওড়ার চ্যার্টাজিহাটের সাঁতরাগাছি মোড়ে এই ঘটনা ঘটেছে।  প্রায় ১মাস আগেই জগাছায় এক ছাঁট লোহার ব্যবসায়ীর কাছে তোলা না পেয়ে তাকে গুলি করার অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল এলাকায়।  এবারে বিশ্বকর্মা পূজার রাতে চ্যাটার্জিহাট এলাকায় তোলাবাজদের দাপট দেখা গেলো আবার।  স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত কয়েক মাস ধরে,  রাত্রিবেলায় ভয় দেখিয়ে  স্থানীয় দোকানদারদের ওপর  তোলাবাজি শুরু করেছে এলাকার কিছু দুষ্কৃতী। তোলা না দিলেই মুদিখানার মালিক, স্টেশনারি দোকানদার বা অন্যান্যদের  চড় থাপ্পড় মারছে, এমনকি   খুনের হুমকিও দিচ্ছে ওই দূষ্কৃতিরা।  প্রতিদিন তোলা দিতে দিতে অতিষ্ট এক ব্যবসায়ী যুবক প্রতিবাদ করতেই বৃহস্পতিবার রাতে ওই  ঘটনাটি ঘটে। লোহার রড বের করে স্টেশনারী দোকানের মালিক ওই যুবককে মাথায় আঘাত করে। হাতে পরে থাকা লোহার মোটা বালা দিয়ে বারবার আঘাত করা হয় ওই যুবকের মাথায় ও মুখে। ছেলেকে মারতে দেখে তাঁকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন বাবা-মা। দুষ্কৃতীরা বাবাকেও মেরে মাথা ফাটিয়ে দেয়। তাঁর  মাথাতেও চারটি সেলাই দিতে হয়। মাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে খুনের হুমকি দেয় ওই দূষ্কৃতিরা।  শুক্রবার  আক্রান্ত দোকানদার সঞ্জীব কুমার বলেন, ‘‘ওরা প্রতিদিনই  জিনিসপত্র নিয়ে যায় বিনা পয়সায়। টাকাও চায়,  না দিলে মারধর করে। ওরা আমাকে এমন ভাবে মেরেছে য়ে মাথার দুদিকে ৬টা সেলাই পড়েছে।’’ ওই যুবকের মা মীরাদেবী বলেন, ‘‘চেঁচামেচি শুনে দোকানের সামনে গিয়ে দেখি আমার ছেলেকে দু’জন ছেলে মিলে লোহার রড, হাতের মোটা লোহার বালা দিয়ে মেরেই চলেছে। ওর গেঞ্জি রক্তে ভেসে যাচ্ছে। আমি তখন ওর বাবাকে ডেকে আনি। কিন্তু ওর বাবাকেও  মেরে মাথা ফাটিয়ে দেয়। আমাকে নোংরা ভাষায় গালিগাজাজ করে।’’  স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ,  চক্রবেড়িয়া পুলিশ ফাঁড়ির কাছেই এই ঘটনা ঘটেছে।  প্রায় আধঘন্টা ধরে দুই দূষ্কৃতি তান্ডব চালালেও পুলিশের দেখা পাওয়া যায়নি। এলাকার মানুষজনের আরো অভিযোগ,  ফাঁড়ির সামনেই একটি ক্লাবে ওই তোলাবাজদের ওঠাবসা। তাই পুলিশ সব জানলেও কিছু করে না। এলাকার বাসিন্দা প্রবীর বসু বলেন, ‘‘দিনের পর দিন এই তোলাবাজির ঘটনা ঘটছে। সামনে পুলিশের ফাঁড়ি থাকলেও পুলিশ সর্ম্পূণ নিষ্ক্রীয়।’’ এদিকে আক্রান্ত ব্যবসায়ী চ্যাটার্জিহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও এখনো পর্যন্ত একজন দুষ্কৃতীকেও পুলিশ ধরতে পারেনি। হাওড়া সিটি পুলিশের এক পদস্থ আধিকারিক  বলেন, ‘‘ও তো এমন কিছু ঘটনা নয়। গুটকা কেনা নিয়ে দু’পক্ষের মারপিট হয়েছে। তোলাবাজির অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।’’ ওই পুলিশ অফিসারের দাবি, পুলিশের কাছে আগে কোনও ব্যবসায়ী তোলাবাজি, মারধরের অভিযোগ করেননি। করলে ব্যবস্থা নেওয়া হতো। তাই পুলিশি নিষ্ক্রীয়তার অভিযোগ একেবারেই ভিত্তিহীন।  তোলাবাজি ও মারধরের লিখিত অভিযোগ দায়ের হলেও পুলিশ বিষয়টিকে  সামান্য মারপিটের ঘটনা বলে দাবি করছে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

পুজোয় পশ্চিম মেদিনীপুরে কড়া পাহারা! ৫০০ কনস্টেবল, ১৫৯টি বাইক টিম, বিপদে সাহায্য করবে কিউআর কোড

দুর্গাপুজোয় নিরাপত্তা জোরদার করতে বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ। পুজোর ভিড়ে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে রাতভর চলবে নজরদারি। দায়িত্বে থাকবেন ২০ জন পুলিশ আধিকারিক। মোতায়েন করা হবে ৫০০ কনস্টেবল। গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিতে থাকবে র্যাফ। মহিলাদের নিরাপত্তায় বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তৃতীয়া থেকেই জেলায় মোতায়েন করা হবে দুর্গাবাহিনী। বিভিন্ন এলাকায় দায়িত্বে থাকবেন মহিলা পুলিশকর্মীরাও।পুজোর ভিড়ে কোনও দর্শনার্থী বিপদে পড়লে দ্রুত সাহায্য পৌঁছে দিতে বিশেষ কিউআর কোড চালু করেছে জেলা পুলিশ। সেই কোড স্ক্যান করলেই সংশ্লিষ্ট এলাকার পুলিশের সহায়তা নম্বর, অ্যাম্বুল্যান্স, হাসপাতাল-সহ জরুরি তথ্য পাওয়া যাবে। পুজোর মণ্ডপগুলিতে নিরাপত্তার ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে শনিবার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উত্তম ঘোষ-সহ অন্য আধিকারিকেরা।পুলিশ সূত্রে খবর, মহিলাদের সুবিধার জন্য নির্দিষ্ট দূরত্বে রাখা হবে শৌচালয়। পাশাপাশি, ছোট শিশুদের মায়েদের জন্য থাকবে শিশুকে দুধ খাওয়ানোর আলাদা জায়গা। পুজোর দিনগুলিতে দর্শনার্থীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে একাধিক ব্যবস্থা করা হচ্ছে।মহালয়ার দিনই পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশের তরফে পুজোর গাইডম্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। দেবীপক্ষের শুরুতে উদ্বোধন করা হয়েছে ১৯টি নতুন ট্র্যাফিক কিয়স্কের। পুজোর রাতে টহল দেবে ১৫৯টি মোটরবাইক টিম। দর্শনার্থীদের সাহায্যের জন্য থাকবে ৬৫টি সহায়তা বুথ। এ ছাড়া ৪৩টি জায়গায় চলবে নাকা চেকিং।পুজোর সময়ে সাইবার অপরাধ রুখতেও বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ। সে জন্য ৪৪টি সাইবার ওয়ালের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানা গিয়েছে। পুজোর ভিড়ে চুরি, ছিনতাই এবং অনলাইন প্রতারণার মতো ঘটনা ঠেকাতে নজরদারি চালানো হবে।পঞ্চমী থেকেই খড়্গপুর ও মেদিনীপুর শহরে যান নিয়ন্ত্রণ শুরু হবে। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, দুপুর ৩টের পর শহরে বড় গাড়ি ঢুকতে দেওয়া হবে না। পুজোর ভিড় সামলাতে এবং যানজট এড়াতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, নেশার ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে পুজোর সময় প্রচার চালাবে পুলিশ।সব মিলিয়ে, পুজোর দিনগুলিতে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে একাধিক পদক্ষেপ করছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ। রাতভর টহল, নাকা চেকিং, বিশেষ মহিলা বাহিনী এবং জরুরি সাহায্যের জন্য কিউআর কোডএই সব ব্যবস্থার মাধ্যমে পুজোর ভিড় সামলানোর প্রস্তুতি চলছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
কলকাতা

বাড়িতে হামলার পর পোস্ট, তার পর মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি! ‘হিন্দুত্ববাদী’ শব্দ নিয়ে কী বললেন বিকাশ?

হিন্দুত্ববাদী শব্দ সরাবেন না। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরও নিজের অবস্থানে অনড় সিপিএম নেতা তথা বর্ষীয়ান আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। উল্টে মুখ্যমন্ত্রীকে পাল্টা প্রশ্ন করেছেন তিনি। বিকাশের প্রশ্ন, তাঁর পোস্ট থেকে কোনও শব্দ সরানোর নির্দেশ দেওয়ার অধিকার মুখ্যমন্ত্রীকে কে দিয়েছেন?একটি সংবাদমাধ্যমের তরফে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, মুখ্যমন্ত্রী কি তাঁকে পোস্ট সংশোধন করতে বলেছেন? উত্তরে বিকাশ বলেন, মুখ্যমন্ত্রীকে এই অধিকার কে দিয়েছে, আমি জানতে চাই। আগে মুখ্যমন্ত্রী অধিকারের পক্ষে যুক্তি হাজির করুন।এর পরেই রাজ্যের শাসকদলকে নিশানা করেন তিনি। বিকাশের অভিযোগ, হুঁশিয়ারি ও গুণ্ডামির ভরসাতেই তাদের রাজনৈতিক জীবন চলছে। তাঁর কথায়, সাংবিধানিক বোধ তৈরি হলে ভাষা বদলাবে। তবে তত দিনে তারা ক্ষমতায় থাকতে পারবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।হিন্দু ধর্ম ও হিন্দুত্বের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে বলেও দাবি করেন বিকাশ। তাঁর বক্তব্য, হিন্দু ধর্ম ও হিন্দুত্ব এক নয়, বরং পরস্পরবিরোধী। তাঁর মতে, হিন্দুত্ববাদ হিন্দু ধর্মকেই ধ্বংস করছে। যাঁরা প্রকৃত অর্থে হিন্দু, তাঁদের সঙ্গে হিন্দুত্ববাদের সম্পর্ক থাকতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।গত বৃহস্পতিবার মুখ ঢাকা অবস্থায় বাইকে চড়ে এক ব্যক্তি বিকাশের বাড়িতে হামলা চালান বলে অভিযোগ। সিসিটিভি ফুটেজে ওই ব্যক্তিকে গালিগালাজ করতে এবং বাড়ি লক্ষ্য করে মদের বোতল ছুড়তে দেখা গিয়েছে বলে দাবি। এই ঘটনার পর সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেন বিকাশ। সেখানে হামলাকারীদের হিন্দুত্ববাদী গুন্ডা বলে উল্লেখ করেন তিনি।এর পরেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নির্দেশ দেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিকাশকে পোস্ট থেকে হিন্দুত্ববাদী শব্দটি সরাতে হবে। কিন্তু সেই সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও পোস্ট সংশোধন করেননি বিকাশ। কেন তিনি শব্দটি সরাবেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।বিকাশের কথায়, অপরাধ করবে ওরা, আর আমি কেন ডিলিট করব? তাঁর দাবি, হিন্দুত্ববাদ আসলে এক ধরনের গুন্ডামির তত্ত্ব। অন্য দিকে, হিন্দু ধর্মের মূল ভাবনার সঙ্গে বহুত্ববাদ ও সকলকে গ্রহণ করার বিষয়টি জড়িত। তাঁর মতে, হিন্দুত্ববাদের সঙ্গে প্রকৃত হিন্দু ধর্মের বিরোধ রয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে বিকাশ বলেন, গুন্ডামি ছাড়া যে কোনও পথে ব্যবস্থা নিক। সমাজমাধ্যমে বিজেপির সমর্থকদের ভাষা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, যে ধরনের ভাষা ব্যবহার করা হচ্ছে, তা সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য নয়।বিকাশ আরও দাবি করেন, তাঁর তোলা প্রশ্নগুলির কোনও জবাব দেওয়া হচ্ছে না। তাঁর যুক্তির সঙ্গে মেলে, এমন বক্তব্য রাখছেন কিছু হিন্দু সন্ন্যাসীও। কিন্তু তাঁদের বিরুদ্ধেও কুৎসা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিকে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি বলে দাবি করেছেন বিকাশ। তাঁর প্রশ্ন, ওই ব্যক্তি যে ভাষায় কথা বলছেন, তা কি বিজেপির ভাষা? তবে এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য এখানে পাওয়া যায়নি।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
বিদেশ

একের পর এক বিপর্যয় নেপালে, ফের হড়পা বান! নদীর জল দেখে উঁচু জায়গায় ছুটলেন বাসিন্দারা

ফের হড়পা বানে বিপর্যস্ত নেপাল। রবিবার সকালে বুড়ি গণ্ডকী নদীতে আচমকাই জলস্তর বেড়ে যায়। তার পরেই পাথর ও কাদামিশ্রিত প্রবল স্রোত আছড়ে পড়ে নদীর আশপাশের এলাকায়। সেই স্রোতে ভেসে যায় একাধিক বাড়িঘর ও সেতু। আচমকা জল বাড়তে দেখে প্রাণ বাঁচাতে উঁচু জায়গায় আশ্রয় নেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা।প্রকাশ্যে আসা একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, প্রবল গতিতে এগিয়ে আসছে জলরাশি। মুহূর্তের মধ্যে সেই স্রোতে ভেসে যাচ্ছে বাড়িঘর। শুধু বাড়ি নয়, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একাধিক সেতুও। জানা গিয়েছে, নেপালের গোরখা অঞ্চলের পাহাড় থেকে এই হড়পা বান নেমেছে। তবে কী কারণে আচমকা এই বিপর্যয় ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ভারী বৃষ্টির জেরে এই বান এসেছে কি না, তা-ও নিশ্চিত ভাবে জানা যায়নি।রবিবার সকালে নেপালের জাতীয় বিপর্যয় ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের তরফে সতর্কবার্তা জারি করা হয়। সেখানে বুড়ি গণ্ডকী নদীতে হড়পা বানের আশঙ্কার কথা জানানো হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্লাবিত এলাকায় না যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, নদীর আশপাশের বাসিন্দাদের উঁচু জায়গায় থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতির কিছু ছবিও প্রকাশ করেছে নেপাল কর্তৃপক্ষ।গত ২৬ অগস্ট নেপালে ভয়াবহ হড়পা বানে বিস্তীর্ণ এলাকা তছনছ হয়ে গিয়েছিল। ত্রিশূলী ও ভোতেকোশী নদীর স্রোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। বহু বাড়ি, অফিস, সেতু ও দোকান ভেঙে পড়ে। সেই বিপর্যয়ে মৃত ও নিখোঁজের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন দাবি সামনে এসেছিল। প্রশাসনের তরফে ক্ষয়ক্ষতির সম্পূর্ণ হিসাব এখনও পাওয়া যায়নি বলে খবর। তিব্বতেও ওই দুর্যোগে বহু মানুষের মৃত্যুর খবর এসেছিল। পাশাপাশি, ভারতীয় ও বিদেশি নাগরিকদের নিখোঁজ হওয়ার খবরও সামনে এসেছিল।আগের বিপর্যয়ের ক্ষত এখনও পুরোপুরি সামলে ওঠেনি নেপাল। তার মধ্যেই ফের হড়পা বানের ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। কেন বুড়ি গণ্ডকী নদীতে আচমকা জলস্তর বেড়ে গেল, কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং হতাহতের কোনও খবর রয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
দেশ

বিমানের ভিতর থেকেই আটক, তার পর ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে মুক্তি! অভিজিৎ, সৌরভ, আশুতোষকে নিয়ে কী ঘটল?

দিল্লিতে সিজেপির আন্দোলন ঘিরে আটক হওয়া তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। রবিবার ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে ৫০ হাজার টাকার বন্ডে তাঁদের ছাড়া হয়। তবে আগামী এক বছর শান্তি বজায় রাখার শর্ত দেওয়া হয়েছে।রবিবার সকালে তিন নেতাকে দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় কার্যনির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয়। তাঁদের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী বৃন্দা গ্রোভার। নেতাদের আটক করার কারণ নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন। শুনানির পর ম্যাজিস্ট্রেট তাঁদের ৫০ হাজার টাকার বন্ডে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেন।সিজেপি রবিবার ফের যন্তর মন্তর চলো কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল। এই কর্মসূচিকে ঘিরে অশান্তির আশঙ্কায় তিন নেতাকে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আটক করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সিজেপির আইনি প্রধান রত্না সিংও ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে উপস্থিত ছিলেন।রবিবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট করে রত্না সিং জানান, অভিজিৎ, আশুতোষ ও সৌরভকে সকাল ৯টায় দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় কার্যনির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হবে বলে পুলিশ তাঁকে জানিয়েছে। সিজেপির আইনি প্রধান হিসেবে তিনি আইনজীবীদের সঙ্গে থানায় উপস্থিত থাকবেন বলেও জানিয়েছিলেন।শনিবার সিজেপির আন্দোলনে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন ওই তিন নেতা। কিন্তু দিল্লিতে পৌঁছেও তাঁরা বিমানবন্দরের বাইরে বেরোতে পারেননি বলে অভিযোগ। বিমান থেকেই তাঁদের আটক করে পুলিশ। রবিবার ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করার পর তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়।অন্য দিকে, শনিবার সকালে গুরুগ্রামের বাড়ি থেকে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীকেও আটক করা হয়েছিল বলে খবর। সারা রাত তাঁর খোঁজ না মেলার পর রবিবার সকালে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে তাঁর মুক্তির ক্ষেত্রে শর্ত রয়েছে। তিনি দিল্লির যন্তর মন্তর এলাকার আশপাশে যেতে পারবেন না বলে খবর। এই শর্ত অমান্য করলে পুলিশ ব্যবস্থা নিতে পারে।সিজেপির আন্দোলন ঘিরে দিল্লিতে উত্তেজনার মধ্যেই একের পর এক আটক ও মুক্তির ঘটনা সামনে এসেছে। তিন নেতার মুক্তির পরেও তাঁদের উপর আরোপিত শর্ত এবং ধ্রুব রাঠীর চলাফেরায় বিধিনিষেধ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
কলকাতা

‘বিদেশি শক্তির খেলনা’, সিজেপি আন্দোলন নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য দিলীপ ঘোষের! আরও কী বললেন বিজেপি নেতা?

জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে দিল্লিতে সিজেপির আন্দোলন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। শনিবারের পর রবিবারও পথে নামার ডাক দিয়েছে সংগঠনটি। এরই মধ্যে আন্দোলনকে কটাক্ষ করে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর অভিযোগ, কিছু মানুষ কাজ না থাকলে আন্দোলনে নামেন। আন্দোলনে বিদেশি অর্থের মদত এবং রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির ভূমিকা রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। তবে এই অভিযোগের পক্ষে কোনও প্রমাণের উল্লেখ করেননি তিনি।রবিবার সিজেপির আন্দোলন নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, এর আগেও দেশে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন আন্দোলন হয়েছে। এই আন্দোলনও কিছু দিন চলতে পারে। তাঁর কথায়, কিছু মানুষের কাছে আন্দোলন যেন একটি ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। কাজ না থাকলে তাঁরা আন্দোলনে নামেন বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি, আন্দোলনকারীরা বিদেশি অর্থ এবং রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির মদতে কাজ করছেন বলে অভিযোগ তোলেন বিজেপি নেতা।জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে সিজেপি রবিবার ফের যন্তর মন্তর চলো কর্মসূচির ডাক দিয়েছে। শনিবারের বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে উত্তেজনা ছড়ায়। ওই দিন প্রায় তিন হাজার জনকে আটক করা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। অশান্তির আশঙ্কায় সিজেপির তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপ, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে বিমান থেকে নামার পর আটক করা হয় বলে জানা যায়। পরে তাঁদের আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে আটক করা হয়েছিল বলে খবর সামনে আসে। রবিবার সকালে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।এদিকে, যন্তর মন্তরে সিজেপির বিক্ষোভ ঘিরে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও সরব হয়েছে। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন অভিযোগ করেছেন, দেশে অস্থির পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চলছে। তাঁর দাবি, দেশের ১৪০ কোটি মানুষকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে দুটি গোষ্ঠী। একটি রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন ইন্ডি জোট এবং অন্যটি অরবিন্দ কেজরীওয়াল ও তাঁর সহযোগী সিজেপি।জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে সিজেপি। অন্য দিকে, আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বিদেশি মদতের অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। এই অভিযোগ ও পাল্টা বক্তব্য ঘিরে দিল্লির রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক আরও বাড়ছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
দেশ

সিজেপির বিক্ষোভে ধরপাকড় নিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জের উদ্বেগ, ‘অযাচিত হস্তক্ষেপ’ বলে কড়া জবাব ভারতের

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার দিল্লিতে বিক্ষোভে নেমেছিল ককরোচ জনতা পার্টি। সেই বিক্ষোভ ঘিরে পুলিশের ধরপাকড় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশন। আটক ব্যক্তিদের মুক্তির দাবিও জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংগঠনটি। এ বার তাদের মন্তব্যের কড়া জবাব দিল ভারত। রাষ্ট্রপুঞ্জের উদ্বেগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে নয়াদিল্লি। পাশাপাশি, ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অযাচিত হস্তক্ষেপ না করার বার্তাও দেওয়া হয়েছে।শনিবার রাতে প্রকাশিত বিবৃতিতে ভারত জানিয়েছে, বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রে সংবিধান অনুযায়ী শান্তিপূর্ণ ভাবে জমায়েত করা এবং আন্দোলন করার অধিকার সকলের রয়েছে। দেশের বিচারব্যবস্থা স্বাধীন এবং সংবাদমাধ্যমও মুক্ত। তবে অন্য গণতান্ত্রিক দেশের মতো ভারতেও শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে কিছু যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ রয়েছে। সেই নিয়ম মেনেই নাগরিকেরা নিজেদের অধিকার প্রয়োগ করেন এবং কর্তৃপক্ষ আইন অনুযায়ী কাজ করে। কোনও অভিযোগ উঠলে তা খতিয়ে দেখার জন্য ভারতের আদালত সকলের কাছে উন্মুক্ত বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।দিল্লিতে সিজেপির বিক্ষোভ ঘিরে রাষ্ট্রপুঞ্জের মন্তব্যকে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অযাচিত হস্তক্ষেপ বলে উল্লেখ করেছে নয়াদিল্লি। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংগঠনটিকে পাল্টা বার্তা দিয়েছে ভারত। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিরপেক্ষতা ও পক্ষপাতহীনতা বজায় রাখার দায়িত্বের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বিশ্বের অন্য জায়গায় হওয়া বড় বড় বিক্ষোভের দিকেও রাষ্ট্রপুঞ্জের নজর দেওয়া উচিত।শনিবার যন্তর মন্তরে সিজেপির বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল। তার আগেই দিল্লি পুলিশ ধরপাকড় শুরু করে বলে অভিযোগ। মুম্বই থেকে দিল্লিতে আসা সিজেপির নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে বিমানবন্দরেই আটক করা হয় বলে জানা গিয়েছে। এর পর চার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীওয়াল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পিনারাই বিজয়ন ও মানিক সরকার-সহ বিরোধী নেতা, আইনজীবী এবং সাংবাদিকদেরও আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ। সব মিলিয়ে আটক ব্যক্তির সংখ্যা প্রায় তিন হাজার বলে দাবি করা হয়েছে।এই ঘটনার পর শনিবার রাতে রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশন একটি বিবৃতি প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয়, দিল্লিতে বিক্ষোভ চলাকালীন এবং তার আগে বিক্ষোভকারী, আন্দোলনের নেতা, নাগরিক অধিকার সংক্রান্ত আইনজীবী ও সাংবাদিকদের গণহারে আটক করার ঘটনায় তারা গভীর ভাবে উদ্বিগ্ন। এই মন্তব্যের পরেই রাষ্ট্রপুঞ্জের বক্তব্যের জবাব দেয় ভারত। বিক্ষোভ ঘিরে ধরপাকড়ের অভিযোগ এবং তার পর আন্তর্জাতিক সংগঠনের সঙ্গে নয়াদিল্লির এই মতবিরোধ নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
দেশ

মেট্রো বন্ধ করা যাবে না, কড়া নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের! মঙ্গলবারের মধ্যে রিপোর্ট তলব, আর কী বলল শীর্ষ আদালত?

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন আইনজীবীরা। সেই আবেদনের শুনানিতে কেন্দ্রীয় সরকার, দিল্লি পুলিশ এবং মেট্রো কর্তৃপক্ষকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হল, মেট্রো পরিষেবা নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে, কিন্তু সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা যাবে না। সাধারণ মানুষের যাতায়াত যাতে ব্যাহত না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে এ দিন আদালত অবমাননার আবেদনের শুনানি হয়। আইনজীবীদের বক্তব্য শোনার পাশাপাশি সলিসিটর জেনারেলের বক্তব্যও শোনে আদালত। তার পরেই ৯ অক্টোবর দেওয়া আগের নির্দেশ কার্যকর করার কথা জানিয়ে দেয় শীর্ষ আদালত।আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট সরকারি দফতরগুলিকে জানাতে হবে, আগের নির্দেশ মেনে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবারের মধ্যে এ বিষয়ে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। ৯ অক্টোবরের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে কেন আদালত অবমাননার পদক্ষেপ করা হবে না, তা জানতে চেয়ে নোটিসও জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট। এ বিষয়ে হলফনামা দিয়ে জবাব দিতে হবে।মেট্রো ও ট্রেন পরিষেবা স্বাভাবিক রাখার উপর বিশেষ জোর দিয়েছে আদালত। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির গুরুতর অবনতি না হলে মেট্রো ও ট্রেন চলাচল বন্ধ করা যাবে না। সাধারণ মানুষের যাতায়াত এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে হবে। সেই সঙ্গে অবিলম্বে ব্যারিকেডের সংখ্যা কমানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।ইন্টারনেট পরিষেবা চালু রাখার বিষয়েও নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সাংবাদিক, আইনজীবী-সহ সাধারণ মানুষ যাতে স্বাধীনভাবে যাতায়াত করতে পারেন এবং নিজেদের কাজ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে হবে। আইনজীবী ও সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে কোনও বাধা দেওয়া যাবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছে শীর্ষ আদালত।শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের বেআইনিভাবে আটক করা যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের চলাচল আইন মেনে স্বাভাবিক রাখার কথা বলা হয়েছে। বিক্ষোভ সামলানোর সময় পুলিশকর্মীদের পোশাকে পরিচয়চিহ্ন বা ব্যাজ থাকা নিশ্চিত করার বিষয়েও নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।সুপ্রিম কোর্টের সামনে জারি করা ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারার নোটিস অবিলম্বে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। তবে তথ্য সংক্রান্ত বিষয়ে আইন অনুযায়ী সরকারের যে অধিকার রয়েছে, আদালতের এই নির্দেশে তা খর্ব করা হচ্ছে না বলেও স্পষ্ট করা হয়েছে।এই মামলার পরবর্তী শুনানি মঙ্গলবার। তার আগেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আদালতের নির্দেশ মেনে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তার বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর আগে শেষ রবিবার, বৃষ্টিতে কি ভেস্তে যাবে কেনাকাটা? কলকাতার আবহাওয়া নিয়ে বড় আপডেট

দেবীপক্ষ শুরু হয়ে গিয়েছে। বিভিন্ন পুজো মণ্ডপে প্রতিমা নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে। পুজোর শেষ মুহূর্তের কেনাকাটা করতে রাস্তায় নামছেন বহু মানুষ। আজ রবিবার পুজোর আগে শেষ রবিবার হওয়ায় বাজার, দোকান এবং শপিংমলগুলিতে ভিড় বাড়তে পারে। তবে কেনাকাটার পরিকল্পনার আগে অনেকেরই প্রশ্ন, আজ কি বৃষ্টি হবে? নাকি রোদ ঝলমলে আবহাওয়াতেই কাটবে দিন?আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আজ রবিবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের বেশির ভাগ জায়গায় আবহাওয়া মূলত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা। তবে কলকাতা এবং আশপাশের এলাকায় কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ফলে বৃষ্টির সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে ভারী বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই।হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বাংলা থেকে বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পুজোর দিনগুলিতে বড় ধরনের দুর্যোগের আশঙ্কাও এখনই দেখা যাচ্ছে না। ফলে পুজোর আনন্দে বৃষ্টি বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি না, তা নিয়ে আপাতত কিছুটা স্বস্তি রয়েছে।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, পুজোর সময় আন্দামান সাগরে নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছিল। তবে সেই পরিস্থিতিতে পরিবর্তন হয়েছে। বর্তমানে থাইল্যান্ড উপসাগরের কাছে বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। এর জেরে বাংলায় উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়ার আশঙ্কা আপাতত নেই বলেই জানানো হয়েছে।রবিবার সকাল থেকেই কলকাতার আকাশে রোদের দেখা মিলেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের তেজও বাড়তে পারে। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকতে পারে। তবে স্থানীয়ভাবে এক-দুদফা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে।আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত কলকাতা-সহ দুই বাংলার আবহাওয়া মোটামুটি একই রকম থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস। ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা না থাকলেও কোথাও কোথাও বৃষ্টি হতে পারে। তাই পুজোর কেনাকাটায় বেরোনোর সময় আকাশের দিকে নজর রাখার পাশাপাশি সঙ্গে ছাতা রাখলে সুবিধা হতে পারে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal