• ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার ২৩ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Forcast

রাজ্য

Monsoon: বৃষ্টিস্নাত বঙ্গ, রাতভর বারিধারায় জলমগ্ন কলকাতা

দিনভর আকাশের মুখভার ছিলই। পূর্বাভাসও ছিল বৃষ্টি (Rain) হওয়ার। তবে ভারী বৃষ্টির দেখা মেলেনি দিনের বেলায়। বুধবার রাতে বদলে গেল পরিস্থিতি। রাত থেকে কলকলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে প্রবল বৃষ্টি। যার ফলে জলমগ্ন শহরের বিস্তীর্ণ এলাকা। আগামী ২৪ ঘণ্টাও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস (West Bengal Weather Update)। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হবে উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতেও। পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর (Alipur Weather Office)। মৌসুমী বায়ুর সক্রিয়তা সঙ্গে নিম্নচাপের জোড়া প্রভাবে এই ভারী বৃষ্টি হবে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে। আগামী ২৪ ঘণ্টাতেও তা জারি থাকবে। বৃহস্পতিবার দিনভর কলকাতার আকাশ মেঘলা থাকবে। আগামী দু ঘণ্টার মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পশিম মেদিনীপুর-কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, বাঁকুড়ার কিছু অংশে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। পরের দিকে বৃষ্টি বাড়বে নদিয়া, মুর্শিদাবাদ-সহ বাংলাদেশ লাগোয়া জেলাগুলিতে। ঝাড়খণ্ড থেকে ক্রমশ বিহারের দিকে সরছে নিম্নচাপ। রাজস্থান থেকে নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরি হয়েছে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত। এর প্রভাবেই আগামী ৩ দিন বৃষ্টি চলবে রাজ্য জুড়ে। উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা। আগামী ২৪ ঘণ্টায় দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে দু-এক পশলা ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছে। শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছে। আবহাওয়া দপ্তর বলছে, রাত ১০টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত শহরে ভারী বৃষ্টি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে মোমিনপুর এলাকায়। সেখানে বৃষ্টি হয়েছে ১৭৯ মিলিমিটার। এরপর বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে বেহালা ফ্লাইং ক্লাব নিকাশী পাম্প স্টেশন এবং কালীঘাট এলাকায়। সেখানে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১৬৮ এবং ১৬৩ মিমি। ১৫০ মিমির উপর বৃষ্টি হয়েছে তপসিয়া এবং চেতলা লকগেট নিকাশি পাম্পিং স্টেশন এলাকায়। জলমগ্ন হয়ে পড়েছে কলকাতার একাধিক এলাকা।

জুন ১৭, ২০২১
রাজ্য

Weather: নিম্নচাপের জেরে সকাল থেকেই ভিজছে দক্ষিণবঙ্গ

সোমবারের পর মঙ্গলবারও সকাল থেকেই রাজ্যের আকাশের মুখভার। ইতিমধ্যেই দু-এক পশলা বৃষ্টিও হয়েছে জেলায় জেলায়। আগামী তিনদিন এমনই থাকবে রাজ্যের আবহাওয়া। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি বৃষ্টিতে ভিজতে পারে উত্তরবঙ্গেও, জানাল হাওয়া অফিস (Regional Meteorological Centre)।আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, ঝাড়খণ্ড (Jharkhand) থেকে ক্রমশ বিহারের দিকে সরছে নিম্নচাপ। অন্যদিকে রাজস্থান থেকে নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরি হয়েছে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত। ঝাড়খণ্ডের নিম্নচাপ এলাকার মধ্যে দিয়ে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ হয়ে ওই অক্ষরেখা উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। এর প্রভাবেই আগামী তিন দিন বৃষ্টি চলবে রাজ্য জুড়ে। এছাড়া মৌসুমী বায়ু দেশের অধিকাংশ এলাকা প্রবেশ করেছে। যার জেরে উত্তর-পশ্চিম ভারতের কিছু এলাকা ছাড়া দেশের সব অংশেই আগামী কয়েক দিনে বিক্ষিপ্ত ও ভারি বৃষ্টির (Rain) সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় বিহারে অতি ভারী বৃষ্টির সর্তকতা জারি করা হয়েছে। এর ফলে ওই রাজ্য ও সংলগ্ন রাজ্যের নদীর জলস্তর বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত প্রশাসন।বিহারের (Bihar) পাশাপাশি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই। আগামী তিনদিন বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। বাঁকুড়া পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, নদিয়ায় আগামী ২৪ ঘণ্টায় দু-এক পশলা বৃষ্টির হবে বলেই খবর। বৃষ্টি বাড়তে পারে নদিয়া, মুর্শিদাবাদ-সহ বাংলাদেশ লাগোয়া জেলাগুলিতে। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলেই জানিয়েছে আবহাওয়াবিদরা। করোনা পরিস্থিতিতে কার্যত সকলেই গৃহবন্দি। অত্যন্ত প্রয়োজনে ঘর থেকে যদি বেরতেই হয়, ছাতা নিতে ভুলবেন না।

জুন ১৫, ২০২১
কলকাতা

Monsoon: বঙ্গে প্রবেশ বর্ষার, আজ দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা

উত্তরবঙ্গে প্রবেশের পাঁচদিন পর দক্ষিণবঙ্গে ঢুকল বর্ষা (Monsoon)। শুক্রবার দক্ষিণবঙ্গের একাংশে বর্ষা প্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছে মৌসম ভবন। আলিপুর হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, রবিবারের মধ্যে রাজ্যের বাকি অংশে প্রবেশ করবে বর্ষা। সাধারণত জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহের শেষের দিকে দক্ষিণবঙ্গে প্রবেশ করে বর্ষা। এবার স্বাভাবিক সময়েই প্রবেশ করল মৌসুমী বায়ু। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ক্যানিং, কৃষ্ণনগর, মালদহে এদিন বর্ষা প্রবেশ করেছে। এই জায়গাগুলোর উপর দিয়ে বিস্তৃত রয়েছে মৌসুমী বায়ুর উত্তরসীমা। মৌসুমী বায়ু প্রবেশের পরই বর্ষার বৃষ্টি শুরু হয়েছে ওই এলাকায়। এর পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের অন্যত্রও এদিন থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। উপকূলবর্তী জেলাগুলোতে ছিল ঝোড়ো হাওয়া। তবে অমাবস্যার ভরা কোটালের কারণে সমুদ্রে এবং গঙ্গায় যে জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা করা হয়েছিল, তা খুব বেশি হয়নি।শুক্রবার সকালেই উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ ঘনীভূত হয়েছে। যা শনিবার আরও শক্তিশালী হবে। ফলে বৃষ্টি বাড়বে বঙ্গে। ক্রমশ ওই নিম্নচাপ উত্তর-পশ্চিম দিকে সরে ওডিশায় ঢুকে যাবে। ফলে ওডিশায় (Odisha) বেশি বৃষ্টি হবে। হতে পারে সাইক্লোনও। এজন্য জগৎসিংপুর, কটক, অঙ্গুল, সম্বলপুরে প্রবল বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। বৃষ্টি হচ্ছে কেন্দাপাড়াতেও। প্রশাসনের তরফে সমস্ত রকম প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। অলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, শনিবার উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি হবে। তবে রবিবার বিকেলের পর কলকাতা-সহ হাওড়া-হুগলিতে বৃষ্টি কমলেও তা বাড়বে রাজ্যের পশ্চিমের জেলাগুলোতে। শনিবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, কলকাতা, হাওড়া, হুগলিতে। সেই সঙ্গে উপকূলবর্তী জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

জুন ১২, ২০২১
রাজ্য

সোমবার সন্ধের পরই ঝড়ের রূপ নেবে 'যশ'

ধীরে ধীরে শক্তি বাড়ানো শুরু করেছে পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত নিম্নচাপ। স্বভাবতই আশঙ্কা বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় যশ নিয়ে। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, সোমবারই ঝড়ের রূপ নেবে বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি হওয়া গভীর নিম্নচাপ। এর পরই গতি বাড়িয়ে ধেয়ে আসবে বাংলা-ওডিশা উপকূল অভিমুখে।আরও পড়ুন: https://janatarkatha.com/state/this-time-sarla-murmu-of-malda-wants-to-return-home--002235২২ মে শনিবারই পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়। রবিবার সকালে যা গভীর নিম্নচাপের রূপ নিয়েছে। এখন এই নিম্নচাপের অবস্থান বঙ্গোপসাগরের উপর, পারাদ্বীপ থেকে ৫৯০ কিলোমিটার এবং দিঘা থেকে ৬৭০ কিলোমিটার দূরে। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, সোমবারই সকালে ঝড়ের রূপ নেবে এই গভীর নিম্নচাপ। এরপর তা উত্তর ও পশ্চিম দিকে এগোবে। এই সময়েই ধীরে ধীরে শক্তি বৃদ্ধি করবে সে। ২৪ মে সন্ধ্যা থেকে রাজ্যের উপকূলে ঝোড়ো হাওয়ার দাপট বোঝা যাবে। ৪০-৫০ কিমি প্রতি ঘণ্টা বেগে বইবে হাওয়া। এই বেগ সর্বোচ্চ ৬০ কিমি প্রতি ঘণ্টা পর্যন্ত হতে পারে।২৫ তারিখ আরও বেশ খানিকটা শক্তি বাড়বে যশের। এদিন উপকূলবর্তী জেলাগুলোতে বৃষ্টি হবে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা মুর্শিদাবাদ, মালদহ, দক্ষিণ দিনাজপুরে। উপকূলে ৫০-৬০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। সর্বোচ্চ ৭০ কিমি প্রতি ঘণ্টা হতে পারে হাওয়ার গতিবেগ। ২৬ মে সকাল থেকে রাজ্যের উপকূলের জেলায় ৬০-৭০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। সর্বোচ্চ ৮০ কিমি প্রতি ঘণ্টা হতে পারে গতিবেগ। দুপুর থেকে শক্তিশালী যশের প্রভাবে ৯০ থেকে ১০০ কিলোমিটার এমনকী, ১১০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিবেগও হতে পারে। বুধবার পারাদ্বীপ ও সাগরের মধ্যে যশের ল্যান্ডফলের সময় রাজ্যের উপকূলে ১৫৫-১৬৫ কিমি. প্রতি ঘণ্টা বেগে বইবে হাওয়া। সতর্কবার্তা আবহাওয়া দপ্তরের।২৬ তারিখ কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টি হবে। ২৭ তারিখ এই জেলাগুলোর পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ২৭ তারিখ পশ্চিমের প্রতিটি জেলাতেই ঝড়, বৃষ্টি হবে। সবরকম ভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী। তৈরি রাজ্য সরকারও।

মে ২৩, ২০২১
রাজ্য

স্বস্তির বৃষ্টিতে ভিজল দক্ষিণবঙ্গ, ২৪ ঘণ্টায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

স্বস্তির বৃষ্টিতে ভাসল কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গ। হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার দিনভর চলবে বৃষ্টি। কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে। ২ মে ভোটের ফল ঘোষণার দিন হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছিল, চলতি সপ্তাহে বৃষ্টিতে ভাসবে বাংলা। ৩ মে থেকে ৪ তারিখের মধ্যে ওডিশায় তুমুল বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানানো হয়েছিল সেদিন। সতর্কতা জারি করা হয়েছিল বাংলায়। সেই পূর্বাভাস সত্যি করে রবিবার সন্ধেয় ছিঁটেফোঁটা বৃষ্টিতে ভিজেছিল তিলোত্তমা ও দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলি। সোমবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ ৬২ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যায় আলিপুরের উপর দিয়ে। মঙ্গলবার ভোররাতে থেকেই শুরু তুমুল বৃষ্টি। সকালেও পরিস্থিতি একই। অঝোরে বৃষ্টিপাত হচ্ছে দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায়।আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, আজ দিনভর চলবে বৃষ্টি। করোনা পরিস্থিতি এমনিতেই মানুষজন ঘরবন্দি। উল্লেখ্য, হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টা দক্ষিণবঙ্গে কালবৈশাখী ও ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতে ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি ও ঝড়ের সময় ঘর থেকে না বেরোনোর পরামর্শ দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। মঙ্গলবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি নিচে। সোমবার বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

মে ০৪, ২০২১
রাজ্য

ফল ঘোষণার দিন বৃষ্টিতে ভিজল বাংলা

ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল বাংলা। চরম অস্বস্তিতে ভুগছে বঙ্গবাসী। এর মাঝেই রাজ্যবাসীর জন্য সুখবর শোনাল হাওয়া অফিস। জানাল, আগামী পাঁচদিন বৃষ্টিতে ভিজবে রাজ্যের মাটি। রয়েছে ঝড়ের পূর্বাভাসও। বাংলা-সহ পাঁচ রাজ্যের জন্য কমলা সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী ৫ দিন অসম এবং মেঘালয়ে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। মে-র ৩ থেকে ৪ তারিখের মধ্যে ওডিশায় তুমুল বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সতর্কতা জারি হয়েছে বাংলার জন্যও। ২ থেকে ৫ মে পশ্চিমবঙ্গ এবং সিকিমেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যে রবিবার সন্ধেয় কলকাতা ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী ৫ দিন অসম এবং মেঘালয়ে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। মে-র ৩ থেকে ৪ তারিখের মধ্যে ওড়িশায় তুমুল বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সতর্কতা জারি হয়েছে বাংলার জন্যও। ২ থেকে ৫ মে পশ্চিমবঙ্গ এবং সিকিমেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যে রবিবার সন্ধেয় কলকাতা ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হয়েছে। হাওয়া অফিস বলছে, মধ্যপ্রদেশের উপর একটি ঘূর্ণিঝড় অবস্থান করছে। এই রাজ্যের মধ্যভাগে তার প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা আবহাওয়া দপ্তরের। ঘূর্ণিঝড়ের গতিমুখ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের দিকে রয়েছে। ফলে ২ মে থেকে ৫ মে এ রাজ্যের আর্দ্রতা বাড়বে। তাই বঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি রাজ্যে প্রতি ঘণ্টায় ৫০-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। ইতিমধ্যে নবান্ন থেকে এ নিয়ে সতর্কতাও জারি হয়েছে। হাওয়া অফিস বলছে, সোমবার থেকে বুধবার কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ এবং উত্তর ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এই বৃষ্টি স্বস্তি দিতে পারে বঙ্গবাসীকে। নামতে পারে তাপমাত্রার পারদ।

মে ০২, ২০২১
রাজ্য

চৈত্রের দাবদাহে সুখবর শোনাল হাওয়া অফিস

চৈত্রের তীব্র দহন জ্বালায় জ্বলছে রাজ্য। এর মাঝেই স্বস্তির কথা শোনাল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। বৃষ্টিতে ভিজবে উত্তরের জেলাগুলি। দক্ষিণবঙ্গের বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়াও। তবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এই কয়েকদিন মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর।মঙ্গলবার বিকেলে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৩০ মার্চ থেকে ১ এপ্রিলের মধ্যে উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলায় ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি হয়েছে। বলা হয়েছে, ৩০ তারিখ উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলায় বজ্র-বিদ্যুৎ ছাড়া বৃষ্টি হতে পারে। ৩১ তারিখ দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুর, কোচবিহারে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়াও। হাওয়া অফিস বলছে, আগামী কয়েক দিনে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে গরম বাড়বে। বিভিন্ন জেলায় ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। বুধ ও বৃহস্পতিবার কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা, দুই বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রামে ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। তবে ওই জেলাগুলিতে প্রধানত শুষ্ক থাকবে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুরে তাপপ্রবাহেরও সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি না থাকলেও গরম ও অস্বস্তি বাড়বে কলকাতাতেও। তবে পশ্চিমের শুকনো বাতাস প্রভাব বিস্তার করায় গরম বাতাস বইবে দুপুরে। ফলে সাময়িক স্বস্তি মিলতে পারে। এদিকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির কোনও পরিস্থিতি না থাকলেও উত্তরবঙ্গে আগামী কয়েক দিনে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় বৃষ্টি হবে দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ে। সঙ্গে হালকা ঝোড়ো হাওয়াও বইতে পারে। তবে ঝোড়ো হাওয়া বইলেও এখনই দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির কোনও খবর শোনাতে পারেনি হাওয়া অফিস।

মার্চ ৩১, ২০২১
কলকাতা

রবিবারের মধ্যে শহরের তাপমাত্রা পৌঁছবে ৩৫ ডিগ্রিতে

রাজ্য থেকে প্রায় বিদায় নিয়ে নিয়েছে শীত। ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী তাপমাত্রার পারদ। কয়েকদিনের মধ্যেই কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় তাপমাত্রা আরও বেড়ে যাবে বলেই জানানো হয়েছে পূর্বাভাসে।পাততাড়ি গোটাতে শুরু করেছে শীত। গত কয়েকদিন ধরেই ক্রমশ ফিকে হচ্ছে শীতের আমেজ। সকালের দিকে সামান্য শীত শীত ভাব থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই চড়ছে পারদ। বাড়ছে তাপমাত্রা। মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই রীতিমতো গরম অনুভূত হতে পারে বলে জানাচ্ছে হাওয়া অফিস।হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ের কিছু এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে উত্তরবঙ্গের পার্বত্য এলাকায়। দক্ষিণবঙ্গে বাড়বে তাপমাত্রা। রবিবারে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কলকাতায় ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে বলে অনুমান আবহাওয়াবিদদের। আগামী ২৪ ঘণ্টায় সকালের দিকে হালকা কুয়াশা হতে পারে কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর এবং নদিয়া ও মুর্শিদাবাদে।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২১
রাজ্য

বৃষ্টিতে ভাসতে পারে চার জেলা

অবশেষে বঙ্গ থেকে বিদায় নিতে চলেছে শীত। আকাশ মেঘলা থাকলেও কলকাতায় (Kolkata) বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। দিনের বেলা ঊর্ধ্বমুখী হবে তাপমাত্রার পারদ। রাতের দিকে অনুভূত হতে পারে শীতের আমেজ, এমনটাই জানাল হাওয়া অফিস।আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার একধাক্কায় কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পেরিয়েছে ২১ ডিগ্রির গণ্ডি। এদিনের তিলোত্তমার তাপমাত্রা ২১. ১ ডিগ্রি। সকাল থেকেই মুখভার দক্ষিণবঙ্গে ৪ জেলা, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের। সেখানে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কলকাতায় বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। জানা গিয়েছে, কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ঊর্ধ্বমুখী থাকবে তাপমাত্রার পারদ। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাঁফফাঁস দশা হবে সকলের। তবে রাতের দিকে সামান্য নামতে পারে পারদ। শীতের আমেজ অনুভূত হতে পারে। তবে বঙ্গে আর সেভাবে পারদ পতনের সম্ভাবনা নেই বলেই খবর। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি না হলেও উত্তরবঙ্গে বেশ কয়েকটি জেলায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। সকাল থেকেই মেঘলা মালদা, দুই জেলার আকাশ।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২১
কলকাতা

বসন্তে অকালবৃষ্টিতে ভিজতে পারে বঙ্গ

রাজ্য থেকে বিদায় নিচ্ছে শীত। ঊর্ধ্বমুথী তাপমাত্রার পারদ। এরই মাঝে রাজ্য ভিজতে পারে বৃষ্টিতে। অকাল বর্ষণ হতে পারে কলকাতাতেও। সপ্তাহের শুরুতেই এমনই পূর্বাভাস দিচ্ছে আবহাওয়া দপ্তর।হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিম ও উপকূলের জেলা, উত্তরবঙ্গের পার্বত্য জেলাগুলোতে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। হাওয়া অফিস বলছে, দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ের পাহাড়ি এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে। অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান এবং হাওড়ার একাংশে। বৃহস্পতিবার হালকা বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাতে। সামান্য বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে কলকাতাতেও। শুক্রবার কলকাতা-সহ হাওড়া উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২১
কলকাতা

শহরে শীত ও কুয়াশার জোড়া দাপট

সকাল থেকেই ঘন কুয়াশায় ঢাকা রাজ্য। ফলে ব্যাহত হয়েছে যানচলাচল। সমস্যায় পড়েছে বিমান পরিষেবা। কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কম থাকায় দমদম বিমানবন্দর থেকে সকালে উড়ান চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভোরের দিকে কয়েকটি বিমান বিমানবন্দরে নামতে না-পারায় তাদের রুট ঘুরিয়ে দেওয়া হয় বলে খবর। যদিও এই শীতের কামড় সোমবার থেকেই বদলাতে চলেছে বলে হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে। সোমবার থেকে বুধবারের মধ্যে তাপমাত্রার পারদ ৪ ডিগ্রি বাড়তে পারে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, জম্মু-কাশ্মীরে ঢুকেছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। এই ঝঞ্ঝা পথ রুখছে উত্তুরে হাওয়ার। পাশাপাশি, উত্তর-পূর্ব ভারতের উপর তৈরি হয়েছে একটি ঘূর্ণাবর্ত। ফলে দুই বঙ্গেই চড়বে তাপমাত্রার পারদ। আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, সোমবার থেকেই ধাপে ধাপে চড়তে শুরু করবে তাপমাত্রার পারদ। সপ্তাহের শুরুর দুদিন ৩ থেকে ৫ ডিগ্রি পর্যন্ত চড়তে পারে তাপমাত্রার পারদ। একই সঙ্গে বজায় থাকবে কুয়াশার দাপটও। আগামী ২৪ ঘন্টায় মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, উত্তর চব্বিশ পরগনা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ ও বীরভূমে ঘন কুয়াশা থাকবে, জানিয়েছে হাওয়া অফিস। সংশ্লিষ্ট অঞ্চলগুলোতে কুয়াশার জেরে দৃ্শ্যমানতা ৫০ মিটারের পর্যন্ত নামতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।সকালে সামান্য কুয়াশা থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিষ্কার হবে কলকাতার আকাশ। রবিবার শহর কলকাতার সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা যথাক্রমে ১৪ ডিগ্রি ও ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার শহর কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ শহরে শনিবারের তুলনায় কমেছে রবিবারের তাপমাত্রা। রবিবার শহরের বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বাধিক পরিমাণ ছিল ৯৯ শতাংশ।

জানুয়ারি ২৪, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

খাস কলকাতায় পাক গুপ্তচর চক্রের হদিস! জুতোর ব্যবসার আড়ালে চলত ভয়ঙ্কর খেলা

খাস কলকাতায় পাক গুপ্তচর চক্রের বড় পর্দাফাঁস করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। আইএসআই-এর হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে এন্টালির বাসিন্দা জাফর রিয়াজকে। তদন্তে উঠে এসেছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।জানা গিয়েছে, কলকাতায় জুতোর ব্যবসা করত জাফর। তার দুটি কারখানাও ছিল। কিন্তু সেই ব্যবসার আড়ালেই চলত গুপ্তচরবৃত্তির কাজ। নিজের নামে সিম কার্ড তুলে তা পাকিস্তানের গোয়েন্দা অফিসারদের হাতে পৌঁছে দিত সে।তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, জাফরের বিয়ে হয়েছিল পাকিস্তানের লাহোরের বাসিন্দা রাবিয়া জাফফার নামে এক মহিলার সঙ্গে। বিয়ের পর ২০১২ সাল পর্যন্ত তারা কলকাতাতেই থাকত। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। বর্তমানে তারা লাহোরেই পড়াশোনা করছে।২০১২ সালে একটি পথ দুর্ঘটনার পর জাফরের ব্যবসায় বড় ক্ষতি হয়। আর্থিক সমস্যার কারণে স্ত্রীকে লাহোরে বাপের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় সে। এরপর থেকেই পাকিস্তানে তার যাতায়াত বাড়তে থাকে। এমনকি পাকিস্তানের নাগরিকত্ব নেওয়ার চেষ্টাও করছিল বলে জানা গিয়েছে।তদন্তে দাবি, এই সুযোগকেই কাজে লাগায় পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। টাকার লোভ দেখিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির কাজে নামানো হয় জাফরকে।পরবর্তীতে কলকাতার বাড়ি বিক্রি করে প্রথমে দিল্লি এবং পরে পঞ্জাবে ঘাঁটি গাড়ে সে। তবে শেষ পর্যন্ত গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ২০২২ সালে পঞ্জাব পুলিশের বিশেষ অভিযানকারী দল জাফর ও তার সহযোগী মহম্মদ শামশেদকে গ্রেফতার করে। ধৃত শামশেদ বিহারের মধুবনির বাসিন্দা।তদন্তকারীদের দাবি, জাফর ভারতের বিভিন্ন সেনা ছাউনি, সামরিক দফতর এবং জওয়ানদের গতিবিধির ছবি ও ভিডিও তুলে সরাসরি আইএসআই-এর কাছে পাঠাত। শুধু তাই নয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভুয়ো পরিচয়ে ভারতীয় সিম কার্ড সংগ্রহ করে তার ওটিপি পাকিস্তানের হ্যান্ডলারদের কাছে পাঠানো হত।সেই নম্বর ব্যবহার করে পাকিস্তানের গুপ্তচররা সুন্দরী মহিলাদের ছবি দিয়ে ভুয়ো হোয়াটসঅ্যাপ প্রোফাইল তৈরি করত। এরপর ভারতীয় সেনার জওয়ানদের প্রেমের ফাঁদে ফেলার চেষ্টা চলত। তদন্তকারীদের দাবি, এই গোটা হানি ট্র্যাপ চক্রের মূল মাথাদের অন্যতম ছিল জাফর।বর্তমানে ধৃতদের জেরা করে এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং গোটা নেটওয়ার্ক কতটা বড়, তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছেন গোয়েন্দারা।

মে ২১, ২০২৬
বিদেশ

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর তুমুল ঝামেলা! ফোনালাপেই চড়ল উত্তেজনা

ইরান যুদ্ধ নিয়ে এবার প্রকাশ্যে আসছে আমেরিকা ও ইজরায়েলের মধ্যে বড় মতবিরোধের ইঙ্গিত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে এই ইস্যুতে তীব্র মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে বলে দাবি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের এক রিপোর্টে। এমনকি সম্প্রতি দুই রাষ্ট্রনেতার দীর্ঘ ফোনালাপের সময় উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ও হয়েছে বলে খবর।যদিও এই ফোনালাপ নিয়ে এখনও পর্যন্ত আমেরিকা বা ইজরায়েলের তরফে কোনও সরকারি বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ইরান যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়ে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর অবস্থান একেবারেই আলাদা।সূত্রের খবর, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এখনও ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে যেতে চান। তাঁর মতে, তেহরানের সামরিক শক্তি ও পরিকাঠামো আরও দুর্বল না করা পর্যন্ত অভিযান থামানো উচিত নয়। ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থাকেও চাপে ফেলতে চাইছে তেল আভিভ।অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নাকি এই মুহূর্তে নতুন করে যুদ্ধ বাড়ানোর পক্ষপাতী নন। তিনি কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চাইছেন। যদিও ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, আলোচনায় সমাধান না এলে আমেরিকা আরও বড় হামলা চালাতে পিছপা হবে না।রিপোর্টে আরও দাবি করা হয়েছে, ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে জানিয়েছেন যে কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি বিশেষ চুক্তিপত্র তৈরির চেষ্টা চলছে। সেখানে আমেরিকা ও ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হতে পারে। এরপর শুরু হতে পারে ৩০ দিনের আলোচনা পর্ব।সেই আলোচনায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা এবং পশ্চিম এশিয়ার সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তবে ইজরায়েল সরকারের একাধিক সূত্রের দাবি, ট্রাম্পের এই কৌশলে একেবারেই সন্তুষ্ট নয় তেল আভিভ। বরং এই পরিকল্পনায় হতাশ নেতানিয়াহু। তিনি আগের পরিকল্পনা অনুযায়ী ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার পক্ষেই রয়েছেন।এই পরিস্থিতিতে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সম্পর্ক নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে আন্তর্জাতিক মহলে। বিশেষ করে ইরান যুদ্ধের মতো স্পর্শকাতর ইস্যুতে দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মতবিরোধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

মে ২১, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় ফের বৃষ্টির দাপট! উত্তরবঙ্গে অতি ভারী বর্ষণের সতর্কতা, দক্ষিণে বাড়বে অস্বস্তি

গত কয়েকদিন ধরে বাংলার একাধিক জেলায় দিনের বেলায় তীব্র গরম আর বিকেলের দিকে ঝড়-বৃষ্টি দেখা যাচ্ছে। তবে এতেও গরম থেকে এখনই স্বস্তি মিলবে না বলেই জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। বরং আগামী কয়েকদিন উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি পশ্চিম বিহারের উপরেও রয়েছে আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত। এই জোড়া ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবেই উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে।বৃহস্পতিবার থেকে আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে শুক্রবার, শনিবার এবং রবিবার জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারের কিছু অংশে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে হাওয়া অফিস।দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়ি জেলায় মঙ্গলবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টি চলতে পারে। অন্যদিকে মালদহ, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।তবে দক্ষিণবঙ্গের জন্য খুব একটা সুখবর নেই। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া আরও কিছুদিন বজায় থাকবে। কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হলেও তা খুব অল্প সময়ের জন্য হবে। ফলে গরম থেকে স্থায়ী স্বস্তি মিলবে না।সবচেয়ে বেশি গরম ও অস্বস্তি অনুভূত হবে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম জেলায়। কলকাতা-সহ উপকূলের জেলাগুলিতে আর্দ্রতার কারণে ভ্যাপসা গরম আরও বেশি অনুভূত হবে। আবহাওয়াবিদদের মতে, উপকূলবর্তী এলাকায় বাতাসে জলীয় বাষ্প বেশি থাকায় অস্বস্তি অনেকটাই বাড়বে।

মে ২১, ২০২৬
কলকাতা

“দিল্লির কোন বাবা বাঁচাবে?” অভিষেকের মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হাই কোর্ট, বড় নির্দেশ বিচারপতির

ভোট প্রচারে করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে কলকাতা হাই কোর্টে বড় ধাক্কার মুখে পড়লেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও আপাতত তাঁকে রক্ষাকবচ দিয়েছে আদালত, তবে একাধিক শর্তও বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, আগামী ৩০ জুলাই পর্যন্ত তিনি বিদেশ যেতে পারবেন না।ঘটনার সূত্রপাত ২৭ এপ্রিল। ওইদিন আরামবাগে ভোট প্রচারে গিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নাম না করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে আক্রমণ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদার। আমি উদার নই। এবার বিষয়টা আমি দেখে নেব। ৪ মে ১২টার পর দেখব দিল্লির কোন বাবা বাঁচায়।সরকার পরিবর্তনের পর ওই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিধাননগর কমিশনারেটের সাইবার ক্রাইম শাখায় অভিষেকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়। এরপরই রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তৃণমূল সাংসদ। বৃহস্পতিবার ছিল সেই মামলার শুনানি।শুনানির সময় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য অভিষেকের মন্তব্য নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, তিনবারের সাংসদ এবং একজন উচ্চপদস্থ রাজনৈতিক নেতা কীভাবে এমন মন্তব্য করতে পারেন। বিচারপতির বক্তব্য, ৪ মে যদি ভোটের ফল অন্যরকম হত, তাহলে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যেতে পারত।এরপর অভিষেকের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে বলেন, অমিত শাহও তো অনেক কিছু বলেন। সেই প্রসঙ্গেই বিচারপতি ফের কড়া মন্তব্য করেন।শুনানির সময় বিচারপতি আরও বলেন, মানুষ ভালোর কথা ভেবেই ২০১১ সালে পরিবর্তন এনেছিল। এর উত্তরে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মানুষ ২০২৬ সালেও ভালোর কথাই ভেবেছে। তখন বিচারপতি মন্তব্য করেন, সেটা সময় বলবে।তবে আদালত আপাতত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতারি থেকে সুরক্ষা দিয়েছে। পাশাপাশি তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, তদন্তকারী সংস্থা ডাকলে তাঁকে সশরীরে হাজিরা দিতে হবে। ভারচুয়ালি হাজিরার আবেদনও আদালত খারিজ করে দিয়েছে।এছাড়াও আদালত জানিয়েছে, অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করতে হলে অন্তত ৪৮ ঘণ্টা আগে নোটিস দিতে হবে। এখন এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

মে ২১, ২০২৬
রাজ্য

সরকারি গাড়ি ছেড়ে বাসে চড়লেন জেলাশাসক! মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে যেতে পুরুলিয়ার অভিনব সিদ্ধান্ত

জ্বালানি সাশ্রয়ের বার্তা মেনে এবার অভিনব উদ্যোগ নিল পুরুলিয়া জেলা প্রশাসন। মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে সরকারি গাড়ির বদলে বাসে চড়ে দুর্গাপুর রওনা দিলেন জেলার আমলা ও পুলিশ কর্তারা। বৃহস্পতিবার সকালে এই ছবি ঘিরে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে প্রশাসনিক মহলে।সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশবাসীর কাছে আহ্বান জানিয়েছিলেন, যতটা সম্ভব জ্বালানি বাঁচাতে হবে এবং যাতায়াতে গণপরিবহনকে গুরুত্ব দিতে হবে। তারই মধ্যে চলতি মাসের ১৮ তারিখ রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজকুমার আগরওয়ালও সরকারি গাড়ির ব্যবহার কমানোর নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশ মেনেই এবার একসঙ্গে বাসে চড়ে দুর্গাপুরে রওনা দিল পুরুলিয়া জেলা প্রশাসন।বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে দশটা নাগাদ জেলা প্রশাসনিক ভবন থেকে দুটি বাসে করে রওনা দেন জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক, মহকুমাশাসক এবং বিডিওরা। একইভাবে পুলিশের আধিকারিকরাও গাড়ির সংখ্যা কমিয়ে বৈঠকে যোগ দিতে যান।পুরুলিয়ার জেলাশাসক সুধীর কোন্থম বলেন, দেশের প্রধানমন্ত্রীর বার্তা অনুযায়ী জ্বালানির খরচ কমাতে হবে। পাশাপাশি রাজ্যের তরফেও সরকারি গাড়ির ব্যবহার কমানোর নির্দেশ রয়েছে। আমরা সেই নির্দেশ মেনেই বাসে করে দুর্গাপুর যাচ্ছি।তিনি আরও বলেন, এটা শুধু সরকারি নির্দেশ পালন নয়, সাধারণ মানুষের কাছেও একটি বার্তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা। কম খরচে এবং কম জ্বালানিতে কীভাবে কাজ করা যায়, সেটাই দেখাতে চাইছি।দুপুর দুটো নাগাদ দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারের সৃজনী প্রেক্ষাগৃহে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ওই বৈঠকে পশ্চিমাঞ্চলের পাঁচ জেলা পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান এবং বীরভূম জেলার প্রশাসনিক ও পুলিশ আধিকারিকরা উপস্থিত থাকবেন। বিডিওদের পাশাপাশি থাকবেন ওসি, আইসি, বিধায়ক এবং সাংসদরাও।প্রশাসন সূত্রে খবর, ওই বৈঠক থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। ইতিমধ্যেই মুখ্যসচিব প্রশাসনিক খরচ কমানো নিয়ে সাত দফা নির্দেশ জারি করেছেন। সেই অনুযায়ী প্রতিটি জেলা প্রশাসন এবং সরকারি দফতরকে আগামী অর্থবর্ষের জন্য তাৎক্ষণিক, মধ্যবর্তী এবং দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবারের মধ্যে সেই রিপোর্ট মুখ্যসচিবের দপ্তরে জমা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। পাশাপাশি আগামী ১ জুলাই থেকে প্রতি মাসে এই সংক্রান্ত রিপোর্ট পাঠানোর নির্দেশ রয়েছে।

মে ২১, ২০২৬
রাজ্য

ফলতায় ভোটের আগেই ‘গায়েব’ পুষ্পা জাহাঙ্গির! বুথে বুথে নেই তৃণমূল এজেন্ট, হাসিমুখে ঘুরছেন বিজেপির দেবাংশু

ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের পুনর্নির্বাচনে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই দেখা গেল একেবারে অন্য ছবি। অধিকাংশ বুথে তৃণমূলের কোনও এজেন্টই ছিলেন না। অন্যদিকে ২৮৫টি বুথেই বিজেপির এজেন্টদের দেখা যায়। এই পরিস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবেই আত্মবিশ্বাসী বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পাণ্ডা। সকাল থেকেই তিনি এলাকায় ঘুরে বেড়ান খোশমেজাজে। কোথাও ঘুগনি-মুড়ি খেয়ে ভোটের পরিবেশ উপভোগ করতে দেখা যায় তাঁকে।ভোট দিতে আসা সাধারণ মানুষের মধ্যেও এদিন কোনও আতঙ্ক বা উত্তেজনার ছবি দেখা যায়নি। অনেকেই উৎসবের মেজাজে ভোট দেন। স্থানীয়দের দাবি, এলাকায় এদিন পরিবেশ ছিল শান্তিপূর্ণ।ফলতা কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হওয়ার কথা ছিল জাহাঙ্গির খানের। ভোটের আগে তাঁকে নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল। নিজেকে পুষ্পা বলেও পরিচয় দিয়েছিলেন তিনি। সেই সময় প্রশাসনের সঙ্গে তাঁর সংঘাতের ঘটনাও শিরোনামে আসে। তবে বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই রাজনৈতিকভাবে অনেকটাই নীরব হয়ে যান জাহাঙ্গির। কয়েকদিন আগেই সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি জানান, পুনর্নির্বাচনের লড়াই থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলকে তীব্র কটাক্ষ করেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, অনেক শুনেছিলাম, খুব ধুরন্ধর নাকি! এখন কোথায় গেল? পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে অনেকেই অনেক কিছু করতে পারে। কিন্তু পুলিশ ছাড়া লড়াই করার ক্ষমতা সবার থাকে না। আমরা লড়েছি, জিতেও এসেছি।গত এপ্রিল মাসে হওয়া বিধানসভা নির্বাচনের সময় বাংলার একাধিক বুথে বিরোধী দলের এজেন্ট না থাকার অভিযোগ উঠেছিল। সেই সময় অভিযোগ ছিল, শাসকদলের কর্মী-সমর্থকেরা বিরোধীদের বুথে বসতে দেয়নি। মাত্র এক মাসের মধ্যেই রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি পুরো বদলে গিয়েছে। এখন রাজ্যে বিজেপির সরকার। আর ফলতার ভোটে দেখা গেল উল্টো ছবি।উল্লেখ্য, ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা ২ লক্ষ ৩৬ হাজার ৪৪৪। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লক্ষ ২১ হাজার ৩০০ জন। মহিলা ভোটারের সংখ্যা ১ লক্ষ ১৫ হাজার ১৩৫। এছাড়াও তৃতীয় লিঙ্গের ৯ জন ভোটার রয়েছেন এই কেন্দ্রে।

মে ২১, ২০২৬
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বেলুড় মঠে শুভেন্দু! প্রেসিডেন্ট মহারাজের পায়ে হাত দিয়ে নিলেন আশীর্বাদ

মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এবার প্রথমবার বেলুড় মঠে গেলেন শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার সকালে প্রশাসনিক বৈঠকের আগে বেলুড় মঠে পৌঁছন তিনি। সেখানে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রেসিডেন্ট মহারাজ গৌতমানন্দজির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে আশীর্বাদ নেন শুভেন্দু।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে রামকৃষ্ণ মিশনের সম্পর্ক বহুদিনের। কলকাতায় এলেই তিনি সময় করে বেলুড় মঠে যান। সেই পথেই এবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বেলুড় সফর রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্য তৈরি করেছে।এদিন শুভেন্দুর সঙ্গে ছিলেন বিশিষ্ট চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বেলুড় মঠে পৌঁছতেই সন্ন্যাসীরা তাঁকে স্বাগত জানান। মুখ্যমন্ত্রীকে দেখতে সাধারণ দর্শনার্থীদের মধ্যেও উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। শুভেন্দুও সকলকে জোড় হাত করে প্রণাম জানান।মঠে ঢুকে প্রথমে মূল শ্রীরামকৃষ্ণ মন্দিরে যান মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে আরতি দেখেন এবং পুজো দেন। এরপর স্বামী বিবেকানন্দের স্মৃতিবিজড়িত ঘরে গিয়ে প্রণাম জানান। একে একে স্বামী ব্রহ্মানন্দ মন্দির এবং মা সারদাদেবীর মন্দিরেও পুজো ও প্রণাম করেন তিনি।সবশেষে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রেসিডেন্ট মহারাজের ঘরে গিয়ে বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটান শুভেন্দু অধিকারী। মঠ সূত্রে খবর, প্রেসিডেন্ট মহারাজের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই প্রশাসনিক কাজকর্মে ব্যস্ত শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার তাঁর হাওড়া ও দুর্গাপুরে একাধিক প্রশাসনিক বৈঠকের সূচি রয়েছে। বেলুড় মঠ সফর শেষে তিনি হাওড়ার শরৎ সদনে প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে রওনা দেন। সেখানে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে পর্যালোচনা বৈঠক করেন তিনি। এরপর দুর্গাপুরেও প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর।

মে ২১, ২০২৬
দেশ

দেশে ফিরেই বড় বৈঠকে মোদী! মন্ত্রিসভায় বড় রদবদলের জল্পনা, বাংলা থেকে কি আসছেন নতুন মুখ?

বিদেশ সফর শেষ করে আজ দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর দেশে ফিরেই তিনি বসতে চলেছেন গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে এই বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত থাকার জন্য সব কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের দিল্লিতে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেই সূত্রের খবর।রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, এই বৈঠকে পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান সংঘাত পরিস্থিতি এবং তার প্রভাবে ভারতের অর্থনীতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার রদবদল নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।সূত্রের খবর, পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং তার প্রভাব নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার উদ্বিগ্ন। তেলের দাম, জ্বালানি সরবরাহ এবং মুদ্রাস্ফীতির পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। বিদেশ সফর থেকে ফিরে প্রধানমন্ত্রী মোদী গোটা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন বলেই মনে করা হচ্ছে।এছাড়াও বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রকের গত দুই বছরের কাজের রিপোর্টও পর্যালোচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতে মন্ত্রিসভায় পরিবর্তনের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।বেশ কিছুদিন ধরেই দিল্লির রাজনৈতিক মহলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ ও রদবদল নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। সূত্রের খবর, আগামী জুন মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে মন্ত্রিসভায় বড়সড় পরিবর্তন হতে পারে। কয়েকজন মন্ত্রীর দায়িত্ব বদল বা নতুন মুখকে সুযোগ দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সাফল্যের পর বাংলা থেকে নতুন কোনও মুখকে পূর্ণমন্ত্রী করা হতে পারে বলেও জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বাংলাকে বিশেষ গুরুত্ব দিতেই কেন্দ্র এই সিদ্ধান্ত নিতে পারে।এই আবহে আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দিল্লি সফর নিয়েও জল্পনা আরও বেড়েছে। যদিও তাঁর সফরের সরকারি কারণ নিয়ে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি, তবু রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।

মে ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal