• ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩, শুক্রবার ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Election Commission

রাজ্য

বিরোধীদের দাবি ১০হাজার বুথে পুনর্নির্বাচন, পাত্তা না দিয়ে প্রায় ৭০০ বুথে সোমবার ভোট

বিরোধীদের দাবি পুরোপুরি না-মানলেও কয়েকটি বুথে ফের নির্বাচনের কথা ঘোষণা করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সোমবারই পুনর্নির্বাচন করানো হচ্ছে। নিরাপত্তায় থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৩৬টি বুথে পুনর্নির্বাচন হবে। তবে, বিরোধীদের দাবি, শনিবারের ভোটে যে হারে ছাপ্পা, রিগিং ও সন্ত্রাস হয়েছে। যা হয়েছে, সেটা আসলে প্রহসন। তাতে অত কম বুথে পুনর্নির্বাচন করে কোনও লাভ নেই। অন্তত ১০ হাজার বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে কমিশনকে পুনরায় স্বচ্ছ নির্বাচন করাতে হবে। যদিও শ্যাম রাখি না-কূল, এই পরিস্থিতিতে পড়া রাজ্য নির্বাচন কমিশন সেই দাবি মানতে নারাজ।শনিবার রাজ্যে একদিনের পঞ্চায়েত ভোটে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। অবাধে ভোট লুঠ, ব্যালট বাক্স নষ্ট, বুথ দখল, হিংসা, গুলিচালনা, বোমাবাজি তথা এককথায় অরাজকতার অভিযোগ উঠেছে ভোট ঘিরে। তারপরই বিরোধীরা দাবি, সমস্ত বুথে লাগানো সিসিটিভির ফুটেজ ও ভিডিওগ্রাফির ফুটেজ খতিয়ে দেখতে হবে। সেইমতো যেসব বুথে অরাজকতা হয়েছে, সেখানে পুনরায় নির্বাচন করাতে হবে। সেই দাবি বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছিল কমিশন। গুটি কয়েক বুথে পুনরায় ভোট ঘোষণায় ক্ষুব্ধ বিরোধীরা।তার পাশাপাশি, ভোটের দিন সকাল পর্যন্ত রাজ্যে এসে পৌঁছেছিল ৬৪৯ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। তারপর শনিবার সন্ধ্যা এবং রবিবার সকালে আরও কয়েক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে এসে পৌঁছয়। সেই সব বাহিনীকে পুনর্নির্বাচনের কাজে লাগানো হবে বলেই কমিশন জানিয়েছে। একইসঙ্গে, রবিবার রাজ্য নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এবারের পঞ্চায়েত ভোটে রাজ্যে ভোট পড়েছে ৮০.৭১ শতাংশ।বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, কেন্দ্রীয় ভাবে আমরা ৭ হাজার বুথে পুনরায় ভোট চেয়েছিলাম। সেটা জেলাস্তরে সব মিলিয়ে ছিল ১০ হাজার। কিন্তু ৬০০-এর বেশি বুথে পুনর্নির্বাচন হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সুকান্ত মজুমদার।

জুলাই ০৯, ২০২৩
রাজ্য

নির্বাচন কমিশনের গেটে পরপর লাথি শুভেন্দু অধিকারীর, সিসিটিভি এবং ভিডিওগ্রাফি দেখার দাবি

নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে একাধিকবার ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। কমিশনের নানা সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে গিয়েছেন। আজ ভোট চলাকালীন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহাকে ফোনে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী কমিশনের দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। পূর্ব ঘোষণা মতো শনিবার ভোটগ্রহণ শেষ হলে সন্ধ্যা ৬টার পর রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দফতরে পৌঁছন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে দেখে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কর্মীরা দরজায় তালা লাগিয়ে দেন। তাই দেখে বেজায় চটে যান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি কমিশনের গেটে পরপর লাথি মারতে থাকেন।কমিশনারের কর্মীকে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আমাকে দেখে তালা দিলেন কেন? আপনাদের মাইনে কি মমতা ব্যানার্জি দেয়? কয়লা (অভিষেক ব্যানার্জি) দেয়? দরজা খুলুন। এখন তিনটে লাথি মেরেছি। আরও মারব। অসভ্য কোথাকার! একথা বলার পাশাপাশি, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা দরজা খোলার জন্য অপেক্ষাও করেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন শিশির বাজোরিয়া-সহ অন্যান্য বিজেপি নেতৃত্ব। কিন্তু, রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কর্মীরা শুভেন্দু অধিকারীর জন্য গেটের দরজা খোলেননি।এরপর শুভেন্দু অধিকারী সদলবলে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বাইরে বেরিয়ে আসেন। তিনি এরপর রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দরজার বাইরে প্রতীকী বিক্ষোভের অঙ্গ হিসেবে তালা ঝুলিয়ে দেন। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আমরা দাবি করেছি, কাল দুপুরের মধ্যে সিসিটিভি এবং ভিডিওগ্রাফি দেখতে হবে। যেসব বুথে ছাপ্পা হয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করতে হবে। দরকার হলে ভোটের ফল ঘোষণার দিন পিছিয়ে দিতে হবে। ছাপ্পা হওয়া বুথগুলোয় নতুন করে ভোটগ্রহণ করাতে হবে। অবশ্যই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে রেখে।এদিন বিজেপি কর্মীরাও এর আগে পৃথকভাবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দফতরে বিক্ষোভ দেখান। পাশাপাশি, বিক্ষোভ দেখান রাজ্য বামফ্রন্টের শীর্ষ নেতৃত্বও। বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমান বসু বলেন, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় সুষ্ঠুভাবে ভোট হয়নি। নির্বাচন কমিশনের গাফিলতির জন্যই সেটা হয়নি।

জুলাই ০৮, ২০২৩
রাজ্য

পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসার বলি বেড়েই চলেছে, ক্ষিপ্ত রাজ্যপালের তোপ কমিশনারকে

পঞ্চায়েত ভোটে হিংসা, হত্যা অব্যাহত। এদিন রাজ্যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। হিংসা নিয়ে আগেও ন্রাজ্য নির্বাচন কমিশনারকে সতর্ক করেছেন রাজ্যপাল। কিন্তু কাজের কাজ হয়নি। বৃহস্পতিবার ফের সরব হয়েছেন সিভি আনন্দ বোস। কাল বাদ পরশু রাজ্যে ভোট। তার আগে বেনজিরভাবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহার নিন্দার মুখর হলেন বাংলার সাংবিধানিক প্রধান। রাজ্যপাল এদিন নিজের ভাষণে কখনও মহাভারত, কখনও শেক্সপিয়ার, আবার কখনও টিএন সেশন, স্বামী বিবেকানন্দের স্মৃতিচারণ করেছেন।রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বলেন, আমি ভেবেছিলাম, বাংলার গ্রামে মঞ্চে গিয়ে দেখব, চিত্ত হেথায় ভয় শূন্য, উচ্চ হেথায় শির। কিন্তু এসে দেখলাম একেবারে উল্টোটা। মানুষের মনে ভয়, মাথা হেঁট হয়ে আছে। গ্রামে গিয়ে বিধবার কান্না শুনেছি, পুত্রহারা মায়ের কান্না দেখেছি। কী করে এসব বন্ধ হবে, যখন রক্তাসুরের হাতেই ক্ষমতা। তবে মনে রাখতে হবে, রক্তাসুর থাকলে মহাকালীও থাকবে। নরক থেকে শয়তান উঠে এসেছে, তারা নৃত্য করছে, ক্যানিং, ভাঙড়, বাসন্তী, কোচবিহার, মুর্শিদাবাদের মানুষকে ভয় দেখাচ্ছে। শয়তানরা এখন সব এখানেই।কমিশনারকে কটাক্ষ, আমি আপনাকে নিয়োগ করেছি, আর আপনি আমাকে হতাশ করেছেন। আপনি কর্তব্য পালনে ফেল করেছেন। রাস্তায় যে শবদেহ পড়ে আছে তার জন্য আপনিই দায়ী। আপনি কি অশ্বথামা হতে চান? রাতের অন্ধকারের চোরের মতো ঢুকে পাণ্ডবদের ছেলেমেয়েকে যে কুচিয়ে কেটেছিল, নাকি আপনি জুজুৎসু হবেন, যিনি অর্ধমকে ছেড়ে এসেছিলেন। ভোটে আধাসামরিক বাহিনীর যথাযথ মোতায়েন, রুট মার্চ, স্ট্রং রুম পাহারা দেওয়ার বিষয়গুলি নিয়ে কমিশনারকে পরামর্শ দিয়েছেন রাজ্যপাল।তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, গোটা রাজ্যে শান্তিপূর্ণ এবং অবাধ নির্বাচন হচ্ছে। সেখানে মাত্র ৭-৮টা বুথের ঘটনা নিয়ে এত প্রলাপের কোনও অর্থ হয় না। রাজ্যপাল বিজেপির হয়ে রাজনীতি করছেন।

জুলাই ০৭, ২০২৩
রাজ্য

রাজ্য নির্বাচন কমিশনারকে গুঁতো রাজ্যপাল-আদালতের, কি বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

কমিশনার পদে রাজীব সিনহার জয়েনিং রিপোর্ট গ্রহণ করেননি সি ভি আনন্দ বোস। ফলে ওই পদে আর রাজীব সিনহার কার্যকরিতা রয়েছে কিনা তা নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন ওঠে। কমিশনার রাজীব সিনহার পাশে দাঁড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাটনায় বিজেপি বিরোধী জোটের বৈঠকে যাওয়ার আগে কলকাতা বিমানবন্দরে সাংবাদিক বৈঠকে ফের কেন্দ্রীয় এজেন্সি নিয়ে তোপ দাগলেন মমতা।রাজ্যপালের কড়া পদক্ষেপের পর কী পদ থেকে সরে যেতে হবে রাজীব সিনহাকে? জবাবে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, জয়েনিং রিপোর্ট ফেরতের খবর নেই। এমন ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি, এটা অভূতপূর্ব ঘটনা। এটা একটা সাংবিধানিক পদ। তাঁকে শপথ নিতে হয়। উনি ফাইল ক্লিয়ার করেছিলেন। সবকিছু এত সহজ নয়। রাজ্যপালই রাজ্য নির্বাচন কমিশনার পদে রাজীব সিনহাকে নিয়োগ করেছিলেন। কোনও কিছু চাপিয়ে দেওয়া হয়নি। কমিশনারকে সরাতে হলে বিচারপতিদের ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে।ফের এক হাত নেন বিজেপিকে। বিজেপি বাংলাকে যতই বঞ্চনা করবে ততই জবাব দেওয়ার জন্য মানুষ তৈরি। কেন্দ্রীয় এজেন্সি দিয়ে হেনস্থার চেষ্টা করলে তার ফল পাবে। এদিন সিভি আনন্দ বোস বলেছেন, রাজ্য নির্বাচন কমিশনার পদে রাজীব সিনহাকে মন্ত্রিসভার সুপারিশক্রমেই নিয়োগ করেছিলাম। ভেবেছিলাম উনি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পঞ্চায়েত ভোট করাতে পারবেন। কমিশনারের নিরপেক্ষ হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু ওনার কাজে বাংলার মানুষ হতাশ।ইতিমধ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনে অশান্তির জেরে ৮ জনের প্রাণ গিয়েছে। বহু মানুষ জখম হয়েছে। কোথাও বিডিও অফিসের পাশে বোমা, গুলি চলেছে। তবে এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এত শান্তির মধ্যে মনোনয়ন জীবনে কোনও দিনও হয়নি। ত্রিপুরার ৯৬ শতাংশ সিটে ইলেকশন হয় না। কনটেস্ট করতে দেওয়া হয় না। ৩ লক্ষ ৩৬ হাজার নমিনেশন হয়েছে। ৭১ হাজার বুথের মাত্র চারটে বুথে গণ্ডগোল হয়েছে। তার মধ্যে একটি বুথে আমাদের দুজনকে মার্ডার করেছে। এদিন তিনি বলেন, ভোটটা দেবে মানুষ। যত এরা অ্যাগ্রেসিভ হচ্ছে রাজনৈতিকভাবে না পেরে বিভিন্ন এজেন্সিকে দিয়ে যা ইচ্ছে তাই করে যাচ্ছে। এর জবাব দেওয়ার জন্য মানুষ তৈরি। আমরা লড়ে নেব এবং জিতে নেব। যেদিন থেকে আমরা জিতে এসেছি সেদিন থেকে একশো দিনের টাকা দেয় না, বাংলার বাড়ির টাকা দেয় না।

জুন ২২, ২০২৩
রাজনীতি

কমিশনে গিয়ে শুভেন্দুর দাবি, ২০ হাজার আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তৃণমূলকে জিতিয়ে দেওয়াই লক্ষ্য

রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সামনে নিজে হাতে ব্যারিকেডের দড়ি খুললেন বিরোধী শুভেন্দু অধিকারী। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সামনে বেনজির দৃশ্য দেখা গেল। যেসব প্রার্থী মনোনয়ন জমা করতে পারেননি তাঁদের নিয়ে কমিশনের দফতরের সামনে হাজির হয়েছিলেন সুকান্ত মজুমদার। দলীয় কর্মীদের নিয়ে সেই সময় হাজির ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। এরপরই কলকাতায় কমিশন দফতরেরর সামনে তুলকালাম পরিস্থিতি তৈরি হয়। কমিশনের দফতরে বিজেপি নেতা-কর্মীরা যাতে ঢুকতে না পারে তার জন্য পুলিশ আগে থেকেই ব্যারিকেড করে রেখেছিল। প্রথমে সেই ব্যারিকেড নিজে হাতে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন শুভেন্দু অধিকারী। পরে ব্যারিকেডের দড়ি খুলে দেন নিজে হাতে।এরপর রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে মনোনয়নে বাধা দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে কথা বলতে কমিশন দফতরে ঢোকেন কথা বলতে। কিছুক্ষণ পর বেরিয়ে এসে ক্ষোভ উগরে দেন বিরোধী দলনেতা। রাজ্যের নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহাকে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পোষ্য বলে কটাক্ষ করেন। শুধু তাই নয়, কমিশন তৃণমূলকে সুবিধা করে দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন। ১৪৪ ধারা থাকা সত্ত্বেও রোজ কীভাবে রক্ত ঝরছে? প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু।বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, রাজ্যের শাসকদল, কমিশন এবং পুলিশ মিলে বিরোধীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে মনোনয়ন জমা দিতে দিচ্ছে না। ২০ হাজর আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তৃণমূলকে জিতিয়ে দেওয়াই এদের লক্ষ্য।একটা সময় উত্তেজনা চরমে পৌঁছয়। কমিশনের দফতরের সামনেই জয় শ্রী রাম স্লোগান চলতে থাকে। রাজ্য পুলিশের উদ্দেশে হায় হায় ধ্বনি দেওয়া হয়। শুভেন্দুর দাবি, আদালত স্পর্শকাতর এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী নামানোর নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু স্পর্শকাতর এলাকা বলে কিছু রয়েছে, তা মানতেই চাইছে না কমিশন। হাইকোর্ট অভিযোগ জমা নেওয়ার ব্যবস্থা করতে বললেও, কমিশনে তেমন কোনও ব্যবস্থা নেই।শুভেন্দুর দাবি, যাঁর মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি, কমিশনের দফতরেই তাঁদের মনোনয়নপত্র জমা নিতে হবে। আশান্তি রুখতে ও মনোনয়নে অশান্তি থামাতে কমিশন পদক্ষেপ না করলে বৃহস্পতিবার থেকে কমিশন দফতরের সামনে হাজার হাজার মানুষের ভিড় জমবে বলে হুঁশিয়ারি দেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিনও তাঁর মুখে নো ভোট টু মমতা সুর শোনা যায় নির্বাচন ল কমিশনের দফতরে। মমতাকে ভোট লুঠ না করতে দেওয়াই তাঁর চ্যালেঞ্জ বলে দাবি করেন তিনি।

জুন ১৪, ২০২৩
রাজনীতি

সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস আর জাতীয় নয়, উঠে এল কেজরিওয়ালের আপ

৭ বছরেই শেষ জাতীয় দলের মর্যাদা। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস এবার আঞ্চলিক দলে পরিণত হয়েছে। সোমবার এই খবর জানিয়ে দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। আগামী বছর লোকসভা নির্বাচন, তার আগেই চলে গেল সর্বভারতীয় তকমা। জাতীয় দলের মর্যাদা চলে গিয়েছে এনসিপি ও সিপিআইয়ের। অন্য দিকে আম আদমি পার্টি জাতীয় দলের স্বীকৃতি পেল। দিল্লি ও পঞ্জাবে রয়েছে আপের সরকার। গোয়ায় বিধানসভা নির্বাচনে লড়তে গিয়ে কুপোকাৎ হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে তো চোখের জল নাকের জল এক করে ফেলেছে তৃণমূল। সেখানে নোটার থেকেও কম ভোট পয়েছে মমতার দল। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের ফলাফলের ভিত্তিতে জাতীয় দল হিসাবে তাদের মর্যাদা কেন কেড়ে নেওয়া হবে না? গত বছর জুলাইয়ে তৃণমূল, এনসিপি এবং সিপিআইকে চিঠি পাঠিয়ে জবাবদিহি চেয়েছিল নির্বাচন কমিশন।কীভাবে জাতীয় দলের মর্যাদা পাওয়া যায়?প্রথমত, লোকসভা নির্বাচনে কোনও দলকে অন্তত তিনটি রাজ্য থেকে ভোটে লড়তে হবে ও সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলিতে মোট লোকসভা আসনের ২ শতাংশ আসনে জিততে হবে।দ্বিতীয়ত, লোকসভা বা বিধানসভা নির্বাচনে অন্তত ৪টি রাজ্যে ৬ শতাংশ করে ভোট পেতেই হবে ও এক বা তার বেশি রাজ্যে ৪টি লোকসভা আসন পেতে হবে।তৃতীয়ত, ৪টি বা তার বেশি রাজ্যে রাজ্য দলের তকমা থাকতে হবে দলের কাছে। এই তিন শর্তের যে কোনও একটি পূরণ করলেই জাতীয় দলের তকমা পাওয়া যায়।উল্লেখ্য, উপরোক্ত তিনটে শর্তের কোনওটি পূরন করতে পারেনি তৃণমূল কংগ্রেস। রাজনৈতিক মহলের আশঙ্কা মেঘালয়ের পাঁচ তৃণমূল বিধায়কের ভবিষ্যৎ নিয়ে। তৃণমূলের জাতীয় দলের মর্যাদা চলে যেতেই বঙ্গ বিজেপি রেরে করে উঠেছে।

এপ্রিল ১০, ২০২৩
রাজ্য

খোকন দাসের বক্তব্য নিয়ে নির্বাচন কমিশনে রাজ্য বিজেপি, শাস্তির দাবি

বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাসের শাস্তির দাবিতে নির্বাচন কমিশের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্য বিজেপি। ভোটার লিস্টে শুধু তৃণমূলেরই নাম তুলুন, বিজেপির লোকেদের তুলবেন না। বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূলের বিধায়কের এই হুমকি ভিডিও নির্বাচন কমিশনের সিইও দফতরে জমা দিয়েছে বিজেপি। তাঁর শাস্তি দাবি করেছে গেরুয়া শিবির।রাজ্যে ভোটার লিস্টের নাম তোলার কাজ চলছে। সেই সেময় এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক। প্রশাসনের নীচু স্তরের লোকজন বিজেপির সঙ্গে কোনও সহযোগিতা করছে না অভিযোগ করেছে দলীয় নেতৃত্ব। নির্বাচন কমিশন অভিযোগ পেয়ে ক্ষতিয়ে দেখছে। বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়া বলেন, এই বিধায়কের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এফআইআর করা উচিত। প্রশাসন থেকে চূড়ান্ত অসহযোগিতা করা হচ্ছে।মঙ্গলবার বর্ধমানের টাউনহলে বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের ভোটার লিষ্ট সংক্রান্ত বুথ ভিত্তিক এজেন্টদের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখছিলেন স্থানীয় বিধায়ক খোকন দাস। তিনি বলেন, নতুন লোক আসছেই। নতুন লোক মানে সব বাংলাদেশ থেকে আসা লোক। তাঁদের ভোট বেশি তুলতে যাওয়া বেশি ক্ষতি। কারণ তাঁরা তো বেশি হিন্দু হিন্দু করে বেশীটাই ভোট দিয়ে দেয় বিজেপিকে। এটাকে নিয়ে অস্বীকার করার কিছু নেই। নতুন লোকের ভোট তুলবেন যাঁরা আমাদের দলের সাথে যুক্ত তাঁদের। তৃণমূল বিধায়কের এই মন্তব্য ঘিরে তৈরী হয়েছে বিতর্ক। এবার নির্বাচন কমিশনে গেল বিজেপি।

নভেম্বর ১৮, ২০২২
রাজ্য

'ঘনিষ্ঠ বন্ধু' অর্পিতা'র ফ্ল্যাট থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হলেও পার্থ'র কাছে না আছে 'বাড়ি , না গাড়ি...! সম্বল সামান্য কিছু টাকা......

বুধবার বিকেল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ইডি দাবি করেছে, এই ১৯ ঘণ্টার ম্যারাথন অভিযানে বেলঘড়িয়ায় পার্থ চ্যাটার্জির ঘনিষ্ঠ বন্ধু অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে ২৭ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা নগদ উদ্ধার হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে শুক্রবার, ইডি জানিয়েছিল টালিগঞ্জের করুণাময়ী অভিজাত আবাসনে অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে ২১ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। অর্থাৎ দু-দিনে সব মিলিয়ে ৪৯.৮ কোটি টাকা উদ্ধার করল ইডি। এখন প্রশ্ন হল, তাঁর কি আসলেই এত টাকা আছে? যদিও এই টাকা তার অন্তরঙ্গ বন্ধুর বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল, সুত্রের খবর, অর্পিতা দাবি করেছেন যে সমস্ত টাকা বা সম্পদ যা এখনও অবধি পাওয়া গেছে তা সবই পার্থর। যদিও ইডি এখনও কিছু এ ব্যাপারে জানায়নি।২০২১ এ বিধানসভা নির্বাচনে পার্থ বেহালা পশ্চিম কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের পার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। সেই সময় তিনি নির্বাচন কমিশনে যে নমিনেশনের জমা দিয়েছেলেন তাতে এক হলফনামা জমা দেন, সেই হলফনামাতে তৃণমূলের এই অপসারিত হেভিওয়েট নেতা সম্পত্তির যা বিবরন দেন তা নিম্নরূপঃ১। সে সময় পার্থর কাছে নগদ ১ লাখ ৪৮ হাজার ৬৭৬ টাকা ছিল। তার সাথে দুটি ব্যাংকের ৪টি শাখায় তাঁর রয়েছে ২৪ লাখ ৮১ হাজার, ২৩ লাখ ৩২ হাজার ৯৩৫, ১৫ লাখ ১ হাজার ১৬১ ও ১ লাখ ৮ হাজার ৬৯ টাকা জমা ছিল।২। একটি জীবন বীমা পলিসি তার নামে ছিল, যার সাম অ্যাসিওর ২৫ লাখ টাকা। জীবন বীমা, ব্যাংকে জমাসহ তাঁর মোট সঞ্চয় ৯০ লাখ ৯৪ হাজার ৮৬৩ টাকা!৩। পার্থ নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছেন, তাঁর একটি গাড়িও নেই।৪। পারিবারিক সূত্রে বা নিজের উপার্জন থেকে কেনা কোনও কৃষিজমিও তার নেই।৫। পার্থ জানান, পারিবারিক সূত্রে তার একটি বাড়ি রয়েছে। ওই বাড়ি নাকতলায়। নাম বিজয়কেতন। প্রসঙ্গত, গত শনিবার ওই বাড়ি থেকেই পার্থকে গ্রেফতার করে ইডি।৬। হলফনামায় পার্থ জানিয়েছেন, বাবার কাছ থেকে পাওয়া দেড় কাঠা জমিতে বানানো বাড়িটি পেয়েছেন তিনি। বাড়িটি নির্মান করা হয়েছিলো ১৯৮৯-এ। তৎকালীন মুল্যে সেই বাড়িটি তৈরি করতে খরচ হয়েছিল ৬ লাখ টাকা। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী বাড়িটির আনুমানিক মুল্য ২৫ লাখ টাকা।৭। পার্থ হলফনামায় দাবি করেছেন যে তাঁর কাছে কোনও সোনা-হীরে-প্ল্যাটিনামের গয়না নেই!৮। এ ছাড়া পার্থের জমা দেওয়া হলফনামায় বলা হয়েছে, তার নামে কোথাও কোনো ঋণ নেই।৯। এছাড়াও, তিনি আরও জানান যে ২০১৯-২০ অর্থ বছরে মোট আয় ছিল ৫ লাখ ৩৯ হাজার ৭২০ টাকা।১০। পার্থের হলফনামা অনুযায়ী, পার্থের মোট স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৯০ লাখ ৯৪ হাজার ৮৬৩ টাকা।এসএসসিতে স্কুল শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থর নাম জড়ানোর পর, সম্প্রতি তাকে ইডি গ্রেপ্তার করেছে। যদিও তার বাড়ি থেকে বিশেষ কিছু উদ্ধার হয়নি, ইডি দাবি করেছে যে পার্থ চ্যাটার্জির ঘনিষ্ঠ বন্ধু অর্পিতার দুটি ফ্ল্যাট থেকে তারা প্রায় ৪৯.৪ কোটি টাকা ও প্রচুর পরিমাণে সোনার গহনা উদ্ধার করেছে।

জুলাই ২৮, ২০২২
রাজ্য

নির্বাচনী প্রচারে নিষেধাজ্ঞা তৃণমূল বিধায়কের

পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীকে নির্বাচনীয় প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জাড়ি করে নির্বাচন কমিশনার। বুধবার তার প্রতিক্রিয়া দিলেন বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। প্রতিক্রিয়ায় বিধায়কের দাবি, নির্বাচন কমিশনারের কাছ থেকে এই ধরনের কোনও নোটিশ তিনি পাননি।উল্লেখ্য, আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রের উপ নির্বাচন দলীয় প্রচার চলছে। সেখানে আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রের পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার অন্তর্গত লাউদহ ব্লকের কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকে তৃণমূল বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীকে কর্মীদের সম্বোধন করার সময় বিজেপি সমর্থকদের খোলাখুলি হুমকি দিতে দেখা যায়। যে ভিডিও র সত্যতা যাচাই করিনি আমরা।যারা কট্টর বি জে পি যাদেরকে এড়ানো যাবে না তাদেরকে চমকাতে হবে। বলবেন আপনি যদি ভোট দিতে চান তাহলে ধরে নেব আপনি বিজেপিকে ভোট দেবেন। ভোটের পর আপনি কোথায় থাকবেন সেটা আপনার নিজের বিষয়। আপনি যদি ভোট দিতে না যান তাহলে ধরে নেব আপনি আমাদের সমর্থন করছেন। তাহলে আপনি বাড়িতে থাকুন ব্যবসা করুন, চাকরি করুন, ভালভাবে থাকুন, কোন অসুবিধা নেই আমরা আপনার সঙ্গে আছি ক্লিয়ার। ভিডিওটি সামনে আসার পর বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি বলেন একটা জিনিসই উনি বুঝেছেন। বিজেপির লোকেরা যদি ভোট দেওয়ার সুযোগ পায় তাহলে উনারা হারবেন, এটা উনি বলেছেন। এরকম হুমকি উনি না দিলেই ভাল হয়। উনিতো অনুব্রত মণ্ডলের শিষ্য, অনুব্রত মণ্ডল তো কিছুদিন পর হয়তো জেলের মধ্যে থাকবেন। এরকম থাকলে অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে লুডু খেলার জন্য আরও দুতিনজন লাগবে। তখন হয়তো উনাকে যেতে হবে । এরকম না করলেই ভালো হবে।আসানসোল লোকসভা উপনির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহার সমর্থনে পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার বিভিন্ন অঞ্চলের কর্মীদের নিয়ে কর্মিসভা করা হল। এই কর্মিসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী পাণ্ডবেশ্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মদন বাউরি সহ-সভাপতি রমা রুইদাস এবং কিরীটি মুখার্জি, রামচরিত পাসোয়ান সহ অন্যান্য ব্লক নেতৃত্ব।মূলত এই সভাটি বিধানসভার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হরিপুরে অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনী সভায় বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী সেখানেই বলেন বলে বিজেপির অভিযোগ।

মার্চ ৩০, ২০২২
দেশ

রাজ্যে দুই আসনে উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা করল কমিশন

রাজ্যে দুই আসনে উপনির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। শনিবার,আসানসোল লোকসভা এবং বালিগঞ্জ বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের তরফে। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ১২ এপ্রিল, মঙ্গলবার ভোট হবে এই দুই আসনে। গণনা হবে ১৬ এপ্রিল, শনিবার। একই দিনে ছত্রিশগড় বিহার এবং মহারাষ্ট্রের একটি করে বিধানসভা আসনেও ভোট নেওয়া হবে। ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়ে যাওয়ায় ওই সব এলাকায় এদিন থেকে জারি হয়ে গেল নির্বাচনী আদর্শ আচরণবিধি।২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে আসানসোল থেকে জিতেছিলেন বিজেপির বাবুল সুপ্রিয়। পরে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর বাবুল সাংসদ পদ থেকেও ইস্তফা দেন। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা তা গ্রহণ করেন। ফলে আসানসোল লোকসভা শূন্য হয়। সেই কেন্দ্রের উপনির্বাচন বকেয়া ছিল।বালিগঞ্জের বিধায়ক ছিলেন প্রবীণ নেতা তথা মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। গত বছর নভেম্বরে কালীপুজোর দিন সন্ধেবেলা তিনি প্রয়াত হন। সুব্রতবাবুর প্রয়াণের কারণে বালিগঞ্জ আসনেও ভোট করতে হত। এদিন বাংলার একটি লোকসভা ও একটি বিধানসভার উপনির্বাচন ঘোষণা করে দিল কমিশন।কমিশন সূত্রে খবর আসানসোলের ১০০% বুথকেই উত্তেজনা প্রবন বুথ বলেই চিহ্নিত করা হয়েছে।

মার্চ ১২, ২০২২
কলকাতা

রাজ্যপালের পুনর্নির্বাচনের দাবি খারিজ রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের, কাল শ্রীরামপুর ও দক্ষিণ দমদমের ২টি বুথে ভোটগ্রহণ

পুরসভা ভোটে অনিয়মের অভিযোগে বিরোধীদের তোলা পুনঃনির্বাচনের দাবি খারিজ করে দিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তবে শ্রীরামপুর পুরসভার ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের একটি বুথে ও দক্ষিণ দমদম পুরসভার ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের একটি বুথে ফের ভোটগ্রহণ করা হবে। ওই দুটি বুথে ইভিএম খারাপ হয়ে যাওয়ায় ভোট প্রক্রিয়া ব্যাহত হয় বলে কমিশন সূত্রে খবর।এদিন রাজ্যের নির্বাচন কমিশনার সৌরভ দাসকে রাজভবনে ডেকে পাঠিয়েছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। সূত্রের খবর, সেই বৈঠকেই রাজ্যপাল কমিশনারকে বলেন যে সব পুরসভায় সন্ত্রাস হয়েছে বলে বিরোধীরা অভিযোগ করছে সেখানে পুনর্নির্বাচন হোক। যদিও কমিশনার তাঁকে জানেন, কমিশন এইভাবে কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে না। জেলাশাসকেরা যে রিপোর্ট পাঠাবেন সেই রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই কমিশন কোনও বুথে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিতে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত জেলাশাসকদের তরফে তেমন কোনও রিপোর্ট আসেনি কমিশনের কাছে। তাই পুনর্নির্বাচনের কোনও সম্ভাবনা নেই। রবিবার রাজ্যের ১০৮টি পুরসভায় ছিল নির্বাচন। ওইদিন প্রায় ১০ হাজার বুথে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেন রাজ্যের প্রায় ১০ লক্ষ মানুষ। সেই নির্বাচনকে ঘিরে বিরোধীরা হাজারো অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে, এমনকী বিজেপির তরফে কাঁথি পুরসভার নির্বাচন বাতিল করে ফের ভোটগ্রহণের আর্জি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা ঠোকাও হয়েছে। কিন্তু এদিন রাজ্য নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, কোনও বুথ থেকেই কোনও বড় রকমের কোনও অনিয়মের রিপোর্ট আসেনি। তাই কোনও পুরসভার কোনও বুথেই আর পুনর্নির্বাচন হচ্ছে না। তবে দুটি বুথে ইভিএম খারাপ হয়ে যাওয়ায় সেখানে মঙ্গলবার ফের ভোটগ্রহণ করা হবে।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
কলকাতা

পুরভোটে হিংসার বিবরণ চেয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনারকে তলব রাজ্যপালের

পুরভোটে সন্ত্রাসের অভিযোগ বিরোধীদের। সেই অভিযোগ সম্পর্কে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য জানতে তাঁকে ডেকে পাঠিয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সৌরভ দাসকে বিকেলে সাড়ে তিনটের সময় ডেকে পাঠানো হয়েছে রাজভবনে। পুরভোটের শেষ দফায় রাজ্যজুড়ে একের পর এক হিংসার অভিযোগ উঠেছে। সে বিষয়ে কথা বলার জন্য কমিশনারকে তলব করেন রাজ্যপাল। রাজভবন থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। তাতে বলা হয়েছে, পুরভোটে অশান্তি, আইন-শৃঙ্খলার অবনতি, প্রশাসনের পক্ষপাতিত্ব এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ব্যর্থতা সংক্রান্ত যা অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়ে আলোচনা করার প্রয়োজন। আর সেই কারণেই রাজ্য নির্বাচন কমিশনারকে ডেকে পাঠানো হয়েছে। ভোটগ্রহণে অশান্তির ঘটনার উল্লেখ করেন তিনি, সেটিকে গণতন্ত্রের ব্যর্থতা বলেও ব্যাখ্যা দেন রাজ্যপাল।এক্ষেত্রে রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের কী বক্তব্য থাকতে পারে, সেটাই দেখার। বুথ দখল, ছাপ্পা ভোট, ইভিএম ভাঙচুর থেকে শুরু করে বোমাবাজি-র অভিযোগ উঠেছে শাসক দলের বিরুদ্ধে। যদিও ডিজি-র দাবি, ছোটখাটো ঘটনা ছাড়া নির্বাচন মোটের ওপর শান্তিপূর্ণ হয়েছে।পুরভোটের সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে রাজ্য জুড়ে ১২ ঘণ্টার বনধ করছে বিজেপি। বনধ সফল করতে রাজ্যের সর্বত্র বিজেপি কর্মীরা পথে নেমেছেন। গতকাল রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দপ্তরেও যায় বিজেপি-র প্রতিনিধি দল। সেই দলে ছিলেন রাজ্য নেতা শিশির বাজোরিয়া, বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল। কমিশনে চিঠি দিয়ে ১০৮ পুরসভার ভোটই বাতিলের দাবি জানিয়েছে বিজেপি।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজ্য

বিজেপির বাংলা বনধে অশান্তি জেলায় জেলায় , কঠোর নবান্নও

পুরভোটে অশান্তিকে কেন্দ্র করে আজ রাজ্যজুড়ে ১২ ঘণ্টার বনধের ডাক দিয়েছে বিজেপি।এই পুরভোট বাতিল করে ফের ভোট করার দাবিও তুলেছে তারা। সকাল হতেই জেলায় জেলায় অবরোধ শুরু করেছেন বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। যদিও কলকাতায় বনধের প্রভাব সকালের দিকে তেমন একটা চোখে পড়েনি। আবার কোথাও কোথাও বনধের বিরোধিতা করতে রাস্তায় নামতে দেখা গিয়েছে তৃণমূল কর্মীরা।এদিকে কাল বনধ ঘোষণার পরই রাজ্য প্রশাসন অবশ্য সঙ্গে সঙ্গেই জানিয়ে দিয়েছে, জনজীবন সচল রাখার জন্য যাবতীয় ব্যবস্থাই নেওয়া হচ্ছে। কোথাও জোর করে বন্ধ করা বা বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা হলে পুলিশ-প্রশাসন কড়া হাতে তার মোকাবিলা করবে বলেও জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসও আজ শান্তিপূর্ণভাবে বন্ধ বিরোধিতার কথা জানিয়েছে।সোমবার সকাল হতেই হুগলি স্টেশনে রেল অবরোধ করছেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। ডাউন বর্ধমান লোকাল আটকে থাকে হুগলি স্টেশনে। ভোগান্তিতে পড়েন নিত্যযাত্রীরা।বিজেপির ডাকা বনধে এখন পর্যন্ত আলিপুরদুয়ারে কোনও প্রভাব নেই।উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহনের বাস চলছে। রাস্তায় যানবাহনও চলছে। রাস্তায় দেখা মেলেনি কোন বিজেপি বনধ সমর্থনকারীকে।বনধে কোনও প্রভাব পড়েনি পূর্ব বর্ধমানে। সকাল থেকে সবই স্বাভাবিকভাবেই চলছে। পথে নেমেছে সরকারি বাসের পাশাপাশি বেসরকারি বাস। যান চলাচল একেবারে স্বাভাবিক। মানুষজনও রাস্তায় নেমেছে। তবে বেলা বাড়লে পরিস্থিতি বদলাতে পারে।শিলিগুড়িতেও একই ছবি। বিজেপি কর্মী সমর্থকদের জন্য পুলিশের ধস্তাধস্তি। রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।সোমবার সকাল সকাল বালুরঘাট সরকারি বাস স্ট্যান্ডের সামনে বিজেপি কর্মীসমর্থকদের পিকেটিং বনধ সফলের জন্য। রাস্তায় বসে বাস আটকানোর চেষ্টা করেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। পুলিশ তুলতে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের ধস্তাধস্তি হয়। বিজেপি কর্মীদের চ্যাঙদোলা করে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে পুলিশ।এদিন উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতায় বেশ কয়েকটি কর্মসূচির ডাক দিয়েছে বিজেপি।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজ্য

শেষ হল পুরভোটের প্রচার, বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করল কমিশন

আগামী রবিবার ১০৮ পুরসভা নির্বাচনের প্রচার পর্ব শুক্রবার বিকেল পাঁচটায় শেষ হয়েছে। প্রচারের আজ শেষ লগ্নে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের দেখা গিয়েছে শেষ বেলার জনসংযোগে। উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায় দলীয় প্রার্থীদের হয়ে প্রচার সভা করেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। কামারহাটিতে দলের প্রার্থীদের হয়ে প্রচারে বের হন সেখানকার তৃনমূল কংগ্রেস বিধায়ক মদন মিত্র। বারাসাতে বিধান পার্ক থেকে বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে প্রচার করেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। সিপিআইএমের প্রবীণ নেতা মহাম্মদ সেলিমও কামারহাটিতে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে দলীয় কর্মীদের নিয়ে সেখানে প্রচার সরেন। এছাড়া রাজ্যের ১০৮ টি পুরসভা এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি সিপিআইএম-সহ বাম দলের প্রার্থীও কর্মীসমর্থকরা, ও কংগ্রেস দলের প্রার্থী ও দলীয় নেতৃবৃন্দ আজ প্রচারের শেষ লগ্নে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে প্রচার সারেন।রাজ্যের ১০৮ পুরসভায় ভোটগ্রহণ রবিবার। রাজ্য পুলিশ দিয়ে নির্বিঘ্নে ভোট করানোই চ্যালেঞ্জ রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে। এর আগে কলকাতা-সহ চার পুরনিগমের ভোটে কড়া হাতে পরিচালনা করে সুনাম ও ধন্যবাদ কুড়িয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কলকাতা হাইকোর্টও বারবার কমিশনের নানা সিদ্ধান্তেই খুশি। তাই রবিবারের ১০৮ পুরসভার ভোট নির্বিঘ্নে পরিচালন করাই লক্ষ্য রাজ্য নির্বাচন কমিশনের। সেই মর্মে আরও এক বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করল কমিশন। ২৭ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের ১০৮টি পুরসভার নির্বাচনের জন্য ১০জন আইএএস অফিসারকে সিনিয়র বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিযুক্ত করল রাজ্য নির্বাচন কমিশন।এর আগে ১৬জন বিশেষ পর্যবেক্ষক ও ১০৮জন পর্যবেক্ষক নিযুক্ত করেছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এবার আরও একধাপ বাড়িয়ে সিনিয়র বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেই কড়া বার্তা দিয়েছে কমিশন। প্রত্যেক সিনিয়র বিশেষ পর্যবেক্ষককয়ে শনিবারেই নিজের নিজের জায়গায় ডিউটিতে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। ১০৮ পুরসভার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে বিরোধীদের করা আবেদন সুপ্রিম কিংবা কলকাতা হাইকোর্ট খারিজ করেছে। রাজ্য পুলিশ দিয়েই ভোট করানোর কমিশনের প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছে আদালত। সেই মর্মে বিভিন্ন জেলায় রুটমার্চ শুরু করেছে পুলিশ।রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ১০৮ পুরভোটের নিরাপত্তায় ৪৪ হাজার পুলিশ কর্মী-আধিকারিক মোতায়েন করা হবে। বুধবার সন্ধ্যায় রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সৌরভ দাসের সঙ্গে স্বরাষ্ট্রসচিব ভগবতীপ্রসাদ গোপালিকা, রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্যের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কলকাতা হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত জানার পরেই রাজ্যের প্রত্যেক জেলাশাসককে চিঠি পাঠিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারির পুরভোটে অশান্তি এড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তারপরে সন্ধ্যায় পুরভোটের নিরাপত্তা নিয়ে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব, রাজ্য পুলিশের সঙ্গে বৈঠকে বসেন নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকরা। সূত্রের খবর, ওই বৈঠকে পুরভোটে অশান্তি এড়াতে আরও বাড়তি চার হাজার পুলিশ কর্মী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাশাপাশি ইএফআর, এসটিএফ, কম্যান্ডো ও র্যা ফকেও নামানোর সিদ্ধান্ত হয়।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
কলকাতা

১০৮ পুরসভার ভোট গণনা ২ মার্চ, কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কমিশনকে প্রশ্ন হাইকোর্টের

২ মার্চ ১০৮ টি পুরসভার ভোটগণনা। বিজ্ঞপ্তিতে জানাল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। স্ক্রুটিনির জন্য আরও এক দিন বরাদ্দ। ২৭ ফেব্রুয়ারি যে ১০৮ পুরসভার ভোট, তার গণনার দিন আগে ঘোষণা করা হয়নি। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিল, ২ মার্চ ১০৮ পুরসভার ভোটগণনা হবে।এক্ষেত্রে যদি চার পুরসভার ভোটের কথা উল্লেখ করা যায়, তাহলে দেখা যাবে ১২ ফেব্রুয়ারির পর ১৪ ফেব্রুয়ারি, মাত্র এক দিন পরই গণনার দিন স্থির হয়েছিল। সেক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠেছিল, যে দিন ভোট হল, সেই রাতেই মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কীভাবে স্ক্রুটিনি করা সম্ভব? কারণ যদি পুনর্নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তা থাকে, তাহলে সেটা একদিন পরই করতে হবে। কোথাও হয়তো পুনর্নির্বাচনের ভাবনা নেই, তাই কমিশন এই ধরনের পদক্ষেপ করেছে। এমনও অভিযোগ তুলেছিলেন বিরোধীরা। সেক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন বিরোধীদের আগের দাবি মেনে স্ক্রুটিনির জন্য এক দিন সময় বাড়াল।এদিকে, ১০৮ পুরসভায় কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়া যায় কি না, জানাতে নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিজেপির দায়ের করা মামলায় নির্দেশ প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের। একই সঙ্গে দুয়ারে সরকার, পাড়ায় পাড়ায় সমাধান প্রকল্প ওই পুরএলাকায় বন্ধ রাখা যায় কিনা, তাও জানাতে হবে রাজ্যকে। আগামী সোমবার এই মামলার শুনানি। তার মধ্যে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।বিরোধীদের অভিযোগ সম্পর্কে কী ভাবছে রাজ্য সরকার, তা মামলার শুনানিতে জানতে চায় আদালত। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের ১০৮টি পুরসভার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা আছে? দুয়ারে সরকার পাড়ায় পাড়ায় সমাধান কর্মসূচি বন্ধ রাখা যায়? সে বিষয়ে তথ্য চায় হাইকোর্ট। রাজ্য সরকার এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে এই মর্মে হলফনামা জমা দিতে বলা হয়। আগামী সোমবার মামলার শুনানি। ওইদিনই হলফনামা জমা দিতে হবে। এছাড়াও রাজ্যের চার পুরনিগমের ভোটকেন্দ্রগুলির সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২২
রাজ্য

কঠোর পুলিশি নিরাপত্তায় কাল চার পুরসভায় ভোটগ্রহণ

কলকাতা পুরসভার ভোট পর্ব মিটেছে নির্বিঘ্নেই। দ্বিতীয় দফায় শনিবার রাজ্যের চার পুরসভায় ভোটগ্রহণ। আসানসোল, শিলিগুড়ি, বিধাননগর ও চন্দননগরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে । ভোটের অনেক আগে থেকেই চলছে নাকা চেকিং এবং রুট মার্চ । বিশেষ করে, বিধাননগরে প্রতিটি প্রবেশ পথে চলছে কড়া নাকা চেকিং । প্রতিটি গাড়ি তল্লাশি করা হচ্ছে ।এই পর্যায়ের ভোটে প্রতিটি বুথকেই স্পর্শকাতর বলে চিহ্নিত করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।৪ পুর নিগমে মোট ওয়ার্ড ২১৭টি । সবচেয়ে বেশি ওয়ার্ড রয়েছে আসানসোলে, ১০৬ টি। এছাড়াও শিলিগুড়িতে ৪৭, বিধাননগরে ৪১, এবং চন্দননগরে ৩৩টি। ৪ পুরনিগমে মোট ভোটার ১৯ লক্ষ ৩৬ হাজার ৪৬২ জন।প্রত্যেক পুরনিগমের জন্য ৪ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক এবং ১জন বিশেষ পর্যবেক্ষক থাকছেন বলে কমিশন সূত্রে খবর। নিরাপত্তার জন্য প্রতিটি বুথের ভিতরে এবং বাইরে চলবে সিসিটিভির নজরদারি। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, চার পুরনিগমের ভোটের জন্য ৯ হাজার পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হচ্ছে। ভোট কেন্দ্রে থাকবে ৮ হাজার ৫০০ পুলিশ। বাকি ৫০০ পুলিশকর্মীকে নাকা চেকিং-সহ অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হবে। কমিশন জানিয়েছে, সশস্ত্র পুলিশ থাকছে ৫ হাজার ৫৫৭ জন। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রেই সশস্ত্র প্রহরী এবং লাঠিধারী কনস্টেবল থাকবেন। ৪ পুরসভার ২০৭৮টি বুথকেই স্পর্শকাতর বলে চিহ্নিত করেছে কমিশন।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
রাজ্য

রাজ্য পুলিশ দিয়েই চার পুরভোট, সিদ্ধান্ত কমিশনের

রাজ্য পুলিশ দিয়েই হবে ১২ ফেব্রুয়ারির চার পুরভোট। সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। বিজেপি-র মামলার প্রেক্ষিতে শুক্রবারই কলকাতা হাইকোর্ট জানতে চেয়েছিল বিধাননগর পুরভোট কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে করার বিষয়ে কী ভাবছে কমিশন। আদালতে কমিশন জানিয়ে দেয় এ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তারা নিয়ে ফেলেছে। কমিশন সূত্রে খবর, বিধাননগর, শিলিগুড়ি, চন্দননগর এবং আসানসোল পুরভোট রাজ্য পুলিশের তত্ত্বাবধানেই করানো হবে।রাজ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, ভোট যাতে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভাবে হয় সে দিকে তারা বিশেষ নজর রাখবে। তবে বিরোধীদের কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি কার্যত নাকচ করে দিয়েছে কমিশন। জানা গিয়েছে, চার পুরভোটে রাজ্য পুলিশের সঙ্গে থাকছে কমান্ডো, ইএফআর, এসটিএফ। তা ছাড়া শুক্রবার থেকে স্পর্শকাতর এলাকা ঘুরে দেখবে সিআইডি ও আইবি। ১২ ফেব্রুয়ারি চার পুরসভার ভোটের জন্য আলাদা করে এক জন আইজি অফিসার নিয়োগ করা হচ্ছে। যার তত্ত্বাবধানে থাকবে রাজ্য পুলিশ। এ ছাড়া নিযুক্ত হচ্ছেন একজন আইএএস পদমর্যাদার বিশেষ পর্যবেক্ষক।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
দেশ

উত্তরপ্রদেশ বিধানসভার প্রথম পর্যায়ের নির্বাচনে ভোট পড়ল ৬০ শতাংশের বেশি

বৃহস্পতিবার প্রায় শান্তিতেই উত্তরপ্রদেশ বিধানসভার প্রথম পর্যায়ের নির্বাচনের ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হয়েছে। বেলা এগারোটা অবধি ভোটের হার ছিল ২০.০৩ শতাংশ, দুপুর একটায় ভোটের হার পৌঁছেছে ৩৫.০৩ শতাংশে। সকাল সাতটা থেকে পশ্চিমাঞ্চলীয় উত্তরপ্রদেশের ১১টি জেলার ৫৮টি আসনে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। প্রথম দফায় উত্তরপ্রদেশের যে জেলাগুলিতে ভোটগ্রহণ হচ্ছে সেই জেলা গুলি হল-শামলি, হাপুর, গৌতম বুদ্ধ নগর, মুজফফরনগর, মেরঠ, বাঘপত, গাজিয়াবাদ, বুলন্দশহর, আলিগড়, মথুরা ও আগ্রা। ২০১৭ সালের নির্বাচনে এই ৫৮টি আসনের মধ্যে ৫৩টি আসনে জয়লাভ করেছিল বিজেপি।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম পর্যায়ের মোট ভোট পড়েছে ৫৯.৮৭ শতাংশ। সর্বাধিক ভোট হয়েছে শামলিতে ৬৬.১৪ শতাংশ, তারপরে মুজাফফরনগর এবং মথুরায় যথাক্রমে ৬৫.৩২ শতাংশ ৬২.৯০ শতাংশ। গৌতম বুদ্ধ নগরে সন্ধ্যা ৭টা ৫৫ মিনিট পর্যন্ত মাত্র ৫৪.৩৮ শতাংশ ভোটারের খবর পাওয়া গেছে। গৌতম বুদ্ধ নগর ব্যতীত সবচেয়ে কম রিপোর্ট করা ভোটার উপস্থিত জেলাগুলি হল গাজিয়াবাদ, মিরাট, আগ্রা যথাক্রমে ৫২.৪৩ শতাংশ, ৬০ শতাংশ এবং ৬০.২৩ শতাংশ৷২০১৭ সালের নির্বাচনে এই ৫৮টি আসনের মধ্যে ৫৩টি আসনে জয়লাভ করেছিল বিজেপি। সমাজবাদী পার্টি ও বহুজন সমাজ পার্টি দুটি করে আসনে জিতেছিল। আরএলডি জিতেছিল একটি আসনে। হাপুর হোক অথবা আলিগড় সকাল সকাল ১১টি জেলার বিভিন্ন বুথে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
কলকাতা

নির্বাচন কমিশনের সামনে বিজেপির ঘেরাও অভিযানে ধুন্ধুমার

একাধিক বিজেপির যুব মোর্চার রাজ্য নির্বাচন কমিশন ঘেরাও অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি বিজেপি কর্মী সমর্থকদের। বিজেপ কর্মীদের টেনে হিঁচড়ে প্রিজন ভ্যানে তোলার অভিযোগ। বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী সমর্থককে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজন মহিলাও রয়েছেন।আটক করা হয়েছে প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালকেও।বিজেপির যুব মোর্চার মিছিল কমিশনের অফিসের সামনে পৌঁছতেই ব্যারিকেড করে দেয় পুলিশ। বিজেপি কর্মী সমর্থকরা ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিজেপি কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে শুরু হয় পুলিশের ধস্তাধস্তি। রাস্তায় শুয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খায় পুলিশও। বিজেপির অভিযোগ, পুরভোটে রাজ্যজুড়ে সন্ত্রাস চালাচ্ছে শাসকদল। বিরোধীদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে দেওয়া হচ্ছে না। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের জন্য হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। কোথাও বিজেপি প্রার্থীর বাড়িতে গুলি, কোথাও বিজেপি প্রার্থীদের রাস্তায় ফেলে পেটানোর অভিযোগ উঠছে। রাজ্যজুড়ে শাসকদলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস চালানোর অভিযোগ তুলছে বিজেপি। এক্ষেত্রে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তারও অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি নেতৃত্ব।বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, বীরভূম, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা-সহ একাধিক জেলাতে তৃণমূলের সন্ত্রাসের কারণে বিজেপি প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি । আর নির্বাচন কমিশন ঠুটো জগন্নাথ হয়ে বসে আছে । রাজ্য নির্বাচন কমিশন দল দাসে পরিণত হয়েছে ।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
কলকাতা

বাকি ১০৮ পুরসভার ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি করল নির্বাচন কমিশন

রাজ্যের বাকি ১০৮ পুরসভার ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি করল নির্বাচন কমিশন। ২৭ ফেব্রুয়ারি বাকি ১০৮ পুরসভার নির্বাচন। ৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে মনোনয়ন জমার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারি মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। বৃহস্পতিবার বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়ে দিল কমিশন।নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, আজ থেকেই মনোনয়ন জমা দেওয়ার কাজ শুরু হবে। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ৯ ফেব্রুয়ারি। স্ক্রুটিনি ১০ ফেব্রুয়ারি। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ১২ তারিখ ফেব্রুয়ারি। সাউথ দমদমের ২৯ নম্বর ওয়ার্ড বাদ দিয়ে হবে নির্বাচন। তবে এখনও পর্যন্ত গণনার দিন জানায়নি কমিশন।আজ থেকেই কার্যকর হয়ে যাবে আদর্শ আচরণবিধি। কোভিড পরিস্থিতি মানতে হবে। এখনও পর্যন্ত প্রচারের সময় একই রাখা রয়েছে। বৃহস্পতিবার ডিএম, এসপি-দের সঙ্গে বৈঠক। ওই বৈঠকের পর প্রচারের সময় বাড়ানো হতে পারে। উল্লেখ্য, এই বৈঠকে গণনার দিন নিয়েও আলোচনা হবে। ১ জানুয়ারি ২০২২ এর ভোটার তালিকা মেনে ভোট হবে। নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বৈঠক হবে। তারপরই কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কমিশন।উল্লেখ্য, বিরোধীদের পক্ষ থেকে বারবার বলা হয়েছিল, ১২ ও ২৭ তারিখের নির্বাচনের গণনা যাতে এক দিনে করা হয়, তার ব্যবস্থা করা হয়। নোটিফিকেশনে গণনার দিন বলা হয় না। পরবর্তীতে ঘোষণা করা হয়। এক্ষেত্রেও নির্বাচন কমিশন গণনার দিন জানায়নি। যেটা জানা যাচ্ছে, গণনা হবে ২৯ কিংবা ৩০ তারিখ। এক্ষেত্রে একই দিনে গণনা হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে না। দু-একদিনের মধ্যেই গণনার দিন জানিয়ে দেবে কমিশন।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

যুদ্ধের বাজারেও ভারতের বিরাট সাফল্য! বৃদ্ধির পূর্বাভাস এক ধাক্কায় বাড়াল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার

বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের পরিস্থিতি। বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এর মধ্যেই ভারতের অর্থনীতি নিয়ে বড় সুখবর দিল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। চলতি অর্থবর্ষে দেশের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করল এই আন্তর্জাতিক সংস্থা। আগে এই হার ৬.৪ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল। অর্থাৎ, বিশ্ব অর্থনীতির একাধিক ক্ষেত্রে চাপ থাকলেও ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার।সংস্থার সাম্প্রতিক বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সংক্রান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ভারতের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ হতে পারে। এর আগে গত জুলাইয়ে ৬.৪ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। নতুন অনুমান অনুযায়ী, বৃদ্ধির সম্ভাবনা ০.৬ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে।শুধু চলতি অর্থবর্ষ নয়, আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবর্ষেও ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ থাকতে পারে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। আগে ওই অর্থবর্ষে ৬.৭ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ, আগামী দুবছরেও দেশের অর্থনীতির গতি বজায় থাকার আশা করছে সংস্থাটি।এর আগে ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্কও চলতি অর্থবর্ষে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.১ শতাংশ করেছিল। এ বার আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের রিপোর্টেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলল।ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানোর পিছনে কয়েকটি কারণের কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। সংস্থার মতে, দেশের বাজারে পণ্য ও পরিষেবার চাহিদা যথেষ্ট শক্তিশালী। সাধারণ মানুষের কেনাকাটা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের ভাল ফল অর্থনীতির বৃদ্ধিতে সাহায্য করছে। পাশাপাশি, ভারতের বড় অভ্যন্তরীণ বাজার, বিপুল জনসংখ্যা এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংস্কারও বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। বিশেষ করে পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।তবে বিশ্ব অর্থনীতির সামনে ঝুঁকিও রয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি আমেরিকা ও ইরানের সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। এর মধ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি ভারতের মতো তেল আমদানিনির্ভর দেশের জন্য বড় চিন্তার কারণ। তেলের দাম বাড়লে দেশের আমদানি খরচ বাড়তে পারে। তার প্রভাব পড়তে পারে মূল্যবৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে।আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের অনুমান, ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৫.৭৪ ডলারে পৌঁছতে পারে। ২০২৫ সালের তুলনায় তা প্রায় ৪১ শতাংশ বেশি। তবে ২০২৭ সালে তেলের দাম প্রায় ৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৭.৩৯ ডলারে নেমে আসতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছে। তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা থাকলেও দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি বজায় থাকতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।অন্য দিকে, চিন, রাশিয়া, ব্রাজিল এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের অর্থনীতি নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এই দেশগুলির সম্মিলিত আর্থিক বৃদ্ধির হার ৩.৭ শতাংশ হতে পারে। আগে এই হার ৩.৮ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল।তবে ইউরোপের কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানো হয়েছে। জার্মানির অর্থনৈতিক বৃদ্ধির অনুমান ০.৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে। ব্রিটেনের ক্ষেত্রেও বৃদ্ধির পূর্বাভাস ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে, যুদ্ধ এবং তেলের দাম বৃদ্ধির মতো ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান আগামী দিনেও আর্থিক বৃদ্ধিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

সূর্যকান্তকে নিয়ে বিস্ফোরক পোস্ট, বিজেপির আক্রমণের মুখে পিছু হটল কেরল কংগ্রেস?

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের পদত্যাগ দাবি করে কেরল কংগ্রেসের একটি পোস্ট ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে বিতর্কের পর এ বার প্রধান বিচারপতিকে নিশানা করে পোস্ট করার অভিযোগ উঠেছে কেরল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বিষয়টি সামনে আসতেই কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছে বিজেপি। সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত পোস্টটি মুছে দিয়েছে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস। সূত্রের খবর, ওই পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকেও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে বিক্ষোভ এবং রাজধানীতে জারি করা বিধিনিষেধ নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকেরা। একটি অনুষ্ঠানের ফাঁকে তাঁদের প্রশ্নের উত্তরে প্রধান বিচারপতি জানান, বিষয়টি আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই তা তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না।প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্যের পরেই কেরল কংগ্রেসের সরকারি সমাজমাধ্যমের পাতায় একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে তাঁকে উদ্দেশ করে লেখা হয়েছিল, আইনশৃঙ্খলা যদি তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে না পড়ে, তা হলে যেন তিনি পদত্যাগ করেন। পাশাপাশি, তাঁর পরিবর্তে এই বিষয় সামলাতে পারবেন, এমন কাউকে খুঁজে নেওয়ার কথাও লেখা হয় ওই পোস্টে। বার্তাটি সামনে আসতেই কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হয় বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু নিজের সমাজমাধ্যমের পাতায় ওই পোস্টের ছবি ভাগ করে নেন। তাঁর অভিযোগ, তিনি আগেই বলেছিলেন, কংগ্রেসের পরবর্তী নিশানা হবে বিচারব্যবস্থা। কংগ্রেস দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করতে চায় বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর আরও বক্তব্য, দেশবিরোধী শক্তিগুলি একজোট হচ্ছে। এর মোকাবিলায় দেশপ্রেমিক ভারতীয়দেরও একজোট হওয়ার আহ্বান জানান রিজিজু।বিতর্ক বাড়তে থাকায় নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি সানি জোসেফ জানান, প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রদেশ কংগ্রেসের নেতৃত্বের অজান্তে এবং তাঁদের অনুমতি বা পরামর্শ ছাড়াই ওই পোস্ট করা হয়েছিল।কী পরিস্থিতিতে ওই পোস্ট করা হয়েছিল, তা দল খতিয়ে দেখবে বলেও জানিয়েছেন সানি। তাঁর বক্তব্য, বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে কংগ্রেসের কোনও আপত্তি নেই। সমাজমাধ্যমে এমন কোনও পোস্ট করা হলে, যা দলের এই অবস্থানের সঙ্গে মেলে না, তা কেরল প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের মতামত বলে গণ্য করা যাবে না।প্রধান বিচারপতির মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিতর্কে এক দিকে বিজেপির আক্রমণ, অন্য দিকে কেরল কংগ্রেসের ব্যাখ্যাসব মিলিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতর বেড়েছে। বিতর্কিত পোস্ট প্রত্যাহার এবং দায়ী ব্যক্তিকে সরানোর সিদ্ধান্তের পরেও এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কলকাতা

দুর্গাপুজোর আগেই বড় ধাক্কা সুজিত বসুর, জামিনের আর্জি খারিজ হাই কোর্টে

এক সময় দুর্গাপুজোর আগে থেকেই কলকাতার শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবে ভিড় জমত দর্শনার্থীদের। রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর এই পুজো ছিল শহরের অন্যতম আকর্ষণ। কিন্তু এ বার ছবিটা অন্য রকম। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার সুজিত বসুর জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। ফলে দুর্গাপুজোর সময় তাঁকে জেলেই থাকতে হতে পারে।জামিনের আবেদনটি প্রথমে বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে উঠেছিল। শুনানির শেষে বিচারপতি অভিযোগ করেন, সুজিতের আইনজীবীরা তাঁর কক্ষ থেকে একটি ফাইল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এর পরেই বিচারপতি মামলাটি থেকে সরে দাঁড়ান। পরে মামলাটি যায় বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে। সেখানেই সুজিতের জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। তবে শুনানির সময় বিচারপতি জামিন খারিজের নির্দিষ্ট কারণ জানাননি।আদালতে ইডির আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী দাবি করেন, পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে ২৮৪ জন অযোগ্য প্রার্থী চাকরি পেয়েছিলেন। তাঁদের প্রত্যেকের কাছ থেকে চাকরির জন্য ৬ লক্ষ টাকা করে নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। ইডির আরও দাবি, সুজিত বসুর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৮ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা পাওয়া গিয়েছে। তাঁর পরিবারের সদস্যদের অ্যাকাউন্টেও কয়েক কোটি টাকা মিলেছে বলে আদালতে জানিয়েছিল তদন্তকারী সংস্থা।এই মামলায় সুজিতের আগে গ্রেফতার হয়েছিলেন মধ্যস্থতাকারী অয়ন শীল। ইডি আগে হাই কোর্টে দাবি করেছিল, অয়নকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় বিভিন্ন সময়ে ১৫২ জনের চাকরির জন্য সুজিত বসু সুপারিশ করেছিলেন।অন্য দিকে, সুজিতের আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি ও সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায় জামিনের পক্ষে সওয়াল করেন। তাঁদের বক্তব্য, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত শেষ হয়ে গিয়েছে। তা সত্ত্বেও তাঁদের মক্কেলকে জেলে আটকে রাখা ঠিক নয়। ইডি এই গ্রেফতারিকে যুক্তিসঙ্গত প্রমাণ করতে পারবে না বলেও দাবি করেন তাঁরাসুজিতের আইনজীবীদের আরও বক্তব্য, ২০১৬ সালের পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি তাঁকে মূল অভিযুক্ত হিসেবে দেখালেও, ২০২৪-২৫ সালে সিবিআই যে চার্জশিট দিয়েছিল, তাতে তাঁর নাম ছিল না। তাঁদের দাবি, সুজিতের বাড়ি কলকাতায়। তদন্তের প্রয়োজনে তাঁকে যখনই ডাকা হবে, তিনি হাজির হতে পারবেন। তদন্তে সহযোগিতা করতেও তিনি প্রস্তুত।গত ১১ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই মামলায় প্রায় ১৫০ জন চাকরিপ্রার্থীর নাম সামনে এসেছে। দুর্নীতির মাধ্যমে পাওয়া টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছিল বলে মনে করছে ইডি। তবে এই মামলায় ওঠা অভিযোগগুলির চূড়ান্ত সত্যতা আদালতের বিচারেই নির্ধারিত হবে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

শঙ্কুদেবের পুজোয় হাজির শুভেন্দু অধিকারী, পার্ক স্ট্রিটে দাঁড়িয়ে কী বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী?

পার্ক স্ট্রিটে এ বার প্রথমবার দুর্গাপুজোর আয়োজন করেছেন বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা। প্রথম পুজো ঘিরে উদ্যোক্তাদের মধ্যে আলাদা আবেগ থাকবেই। সোমবার রাতে সেই পুজোর উদ্বোধনে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উপস্থিত ছিলেন সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও। পুজোর উদ্বোধনী মঞ্চ থেকে দুর্গোৎসব, সংস্কৃতি ও রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য রাখেন বিজেপির দুই নেতা।অনুষ্ঠানে সুকান্ত বলেন, পার্ক স্ট্রিটে আগে দুর্গাপুজোর আয়োজন হত না। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় পশ্চিমবঙ্গে ১২ হাজারেরও বেশি নতুন পুজো শুরু হয়েছে। আগের সরকারের আমলে পুজো করার জন্য উদ্যোক্তাদের কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হতে হত বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান সুকান্ত। বক্তব্যের শেষে জয় শ্রীরাম স্লোগানও তোলেন তিনি।সোমবার রাত প্রায় ১১টা নাগাদ পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কে শঙ্কুদেবের পুজোর উদ্বোধন করতে যান শুভেন্দু। সেখানে উপস্থিত বিজেপি নেতাদের একে একে নাম করে উল্লেখ করেন তিনি। তার পর বলেন, একদম রাষ্ট্রবাদী টিম পুরো হাজির।বক্তৃতায় পার্ক স্ট্রিটের প্রসঙ্গ তুলে শুভেন্দু বলেন, এই এলাকায় মাঝেমধ্যে টুকরে টুকরে গ্যাং-এর উৎপাত দেখা যেত বলে তাঁর দাবি। দুর্গাপুজোর আবহে পার্ক স্ট্রিটকে পবিত্র ও শুদ্ধ করার কথাও বলেন তিনি। এই পুজো ধরে রাখার জন্য উদ্যোক্তাদের আবেদন জানান শুভেন্দু। সুযোগ হলে পুজোয় এসে প্রসাদ খাওয়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও পরম্পরা বজায় রাখার উপর জোর দেন শুভেন্দু। পিতৃপক্ষ ও মহালয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এ বার পিতৃপক্ষে কাউকে কাঁচি নিয়ে বেরোতে দেওয়া হয়নি। তাঁর বক্তব্য, পবিত্রতা ও সংস্কৃতি বজায় রেখেই দুর্গাকে স্বাগত জানানো হয়েছে।এ দিকে, কলকাতা জুড়ে দুর্গাপুজোর উদ্বোধন ঘিরে ব্যস্ততা চলছে। গত ১০ অক্টোবর মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে উমা আগমনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রাজ্য সরকারের দুর্গাপুজোর উৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ড্রোনের প্রদর্শনী এবং আতশবাজির আয়োজন করা হয়েছিল। প্রায় তিন হাজার ঢাকির একসঙ্গে ঢাক বাজানো ছিল অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ।১১ অক্টোবর সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করা হয়। এ বছরের পুজোর ভাবনা বন্দে মাতরম্। ভারতের জাতীয় সংগীতের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও দেশভাগের ইতিহাস মণ্ডপে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।১২ অক্টোবর চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ৯১তম বর্ষের পুজোর উদ্বোধন হয়। এ বছরের ভাবনা বিয়ন্ড সাউন্ড। শহরের কোলাহলের বিপরীতে শান্তি ও নিজের অন্তরের ভাবনাকে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে এই মণ্ডপে। শ্রীভূমির দুর্গাপুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

ভোট চুরির অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে রাহুলদের মামলা, আবেদনেই ১৪টি ভুল! ২২০ টাকা কম জমা?

ভোট চুরির অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধী জোটের একাধিক নেতা। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে যৌথ মামলা দায়ের করেছেন তাঁরা। কিন্তু মামলা দায়েরের পরেই নতুন সমস্যা। আদালতের রেজিস্ট্রি জানিয়েছে, বিরোধীদের আবেদনে মোট ১৪টি ত্রুটি রয়েছে। এমনকি আদালতের ফি বাবদ ২২০ টাকা কম জমা পড়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে পথে নেমেছিলেন বিরোধী জোটের নেতারা। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোট চুরির অভিযোগের তদন্তের দাবিতে তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের দিকে মিছিল করেন। সেই দিনই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে যৌথ মামলা দায়ের করেন তাঁদের আইনজীবীরা।কিন্তু আদালতের রেজিস্ট্রির প্রাথমিক পরীক্ষায় আবেদনে একাধিক ভুল ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। রেজিস্ট্রির দাবি, মোট ১৪টি ত্রুটি রয়েছে ওই আবেদনে। তার মধ্যে অন্যতম হল আদালতের ফি বাবদ ২২০ টাকা কম জমা দেওয়া। এ ছাড়া, নয় জন আবেদনকারীর প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র জমা পড়েনি বলেও জানানো হয়েছে।কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের পরিচয়পত্রের স্পষ্ট প্রতিলিপি জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আবেদনের কয়েকটি অংশে অক্ষর অত্যন্ত ছোট হওয়া নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে রেজিস্ট্রি। দুটি নির্দিষ্ট নথির রঙিন প্রতিলিপি জমা দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ। পাশাপাশি, কয়েকটি নথির লেখা অস্পষ্ট, কিছু পৃষ্ঠা অনুপস্থিত এবং আঞ্চলিক ভাষায় লেখা পৃষ্ঠা ও পৃষ্ঠা নম্বরের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এই ত্রুটিগুলি সংশোধন করার পরেই মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া এগোতে পারবে।এই যৌথ মামলায় আবেদনকারীদের তালিকায় রয়েছেন রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব, আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব, সুপ্রিয়া সুলে, শিবসেনার উদ্ধব শিবিরের নেতা সঞ্জয় রাউত, ডি রাজা, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার মহুয়া মাজি, এম এ বেবি এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগের নেতা ই টি মহম্মদ বশির।সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে মামলাটি রাহুল গান্ধী বনাম ভারতের নির্বাচন কমিশন নামে নথিভুক্ত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় মোট ১০ দফা প্রতিকার চেয়েছেন বিরোধী নেতারা।বিরোধীদের দাবি, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া সংক্রান্ত সমস্ত নথি আদালতে পেশ করার নির্দেশ দেওয়া হোক। এই প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তগুলির সাংবিধানিক বৈধতাও খতিয়ে দেখার আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা। পাশাপাশি, অনিয়মের জন্য দায়ী আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, তাঁদের অভিযোগের নিষ্পত্তি এবং একটি স্বাধীন কমিটির মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়ার নিরীক্ষা করানোর দাবিও জানানো হয়েছে।বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে ভোটারদের অধিকার ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে। সেই কারণেই নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা।সোমবারের মিছিলের আগে বিরোধী নেতারা প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে দেখা করার আবেদন জানিয়েছিলেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল, ভোট চুরির অভিযোগের নিষ্পত্তি, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ, বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া বন্ধ এবং ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ ফের চালু করার দাবিতে একটি স্মারকলিপি তুলে দেওয়া।তবে প্রধান বিচারপতি তাঁদের সঙ্গে দেখা করার আবেদন গ্রহণ করেননি। বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন বলেই তিনি এই আবেদন খারিজ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। এর আগে বিরোধীদের অভিযোগ জানানোর পথ নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছিলেন, সুপ্রিম কোর্টের দরজা সকলের জন্য খোলা। সাধারণ নাগরিক হোন বা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, প্রত্যেকেই আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন।এখন বিরোধীদের আবেদনে চিহ্নিত ত্রুটিগুলি সংশোধন করতে হবে। তার পরেই মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া এগোবে। ফলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের এই মামলার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

‘যারা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া কিছু ভাবেনি…’, দুর্গাপুজোর মঞ্চ থেকে কাদের নিশানা অগ্নিমিত্রার?

দুর্গাপুজোর আগে ভারতবিরোধী শক্তির বিনাশ চেয়ে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করলেন রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর কথায়, ভারতবিরোধী শক্তিগুলিকে শেষ করে দাও মা। যারা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া এত দিন কিছুই ভাবেনি, সেই বদমাইশদেরও শেষ করে দাও। সোমবার দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে একটি প্রাক-পুজোর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েও একই প্রসঙ্গে সরব হন অগ্নিমিত্রা। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং আরও শক্তিশালী হচ্ছে। কিন্তু দেশের উন্নতির পথে যারা বাধা হয়ে দাঁড়াতে চাইছে, তাদের বিনাশের জন্য মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করেছেন তিনি। অগ্নিমিত্রার কথায়, যারা নিজেদের স্বার্থের বাইরে কিছু ভাবেনি, তাদেরও যেন মা দুর্গা শেষ করে দেন। দেশ ও রাজ্য থেকে এই ধরনের শক্তির বিনাশই তাঁর প্রার্থনা।এ দিন দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং আতশবাজির প্রদর্শনীও উপভোগ করেন মন্ত্রী। পাশাপাশি রাজ্যবাসীকে দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছা জানান তিনি। উৎসবের দিনগুলিতে সতর্ক থাকার আবেদনও জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা।পুজোর সময়ে জরুরি পরিষেবা চালু থাকবে বলে জানান তিনি। পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকেরা রাস্তায় থেকে পরিস্থিতির উপর নজর রাখবেন বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী। তবে শুধু প্রশাসনের উপর নির্ভর না করে সাধারণ মানুষকেও সচেতন থাকার বার্তা দিয়েছেন তিনি। পরিবেশ রক্ষায় সরকারের জারি করা নির্দেশিকা মেনে চলার আবেদনও জানান অগ্নিমিত্রা।বাংলা ও বাঙালির সংস্কৃতির বিরোধিতা করা হবে, বিজেপিকে ঘিরে এমন প্রচারও খারিজ করেছেন তিনি। অগ্নিমিত্রার বক্তব্য, মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিপুল মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করে যে এই প্রচার ঠিক নয়। আগামী দিনে আরও নানা উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। মানুষের পাশে থাকার আবেদন জানিয়ে অগ্নিমিত্রা বলেন, আগামী দিনেও পাশে থাকুন, আরও অনেক কিছু হবে।সোমবারের ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক পুন্নাম্বলম এস, দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষ্মণচন্দ্র ঘোড়ুই।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কলকাতা

দিল্লির পর কলকাতায় ‘জ্ঞানেশ কুমার হটাও’ মিছিল! পথে নামতে পারেন মমতা, কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

দিল্লির আন্দোলনের আঁচ এ বার কলকাতাতেও। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে মঙ্গলবার কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী শিবির। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই মিছিল হওয়ার কথা। তাতে মমতা নিজেও যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে তিনি মিছিলে হাঁটবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তেই কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুর্গাপুজোর সময়ে কোনও রকম বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবারের মিছিলের প্রচারপত্র প্রকাশ করেছে তৃণমূলের মমতাপন্থী শিবির। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের অভিযোগ তোলা হয়েছে। দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক করা এবং তরুণ প্রজন্মের উপর অত্যাচারের অভিযোগও প্রচারপত্রে তুলে ধরা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে সাধারণ মানুষকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। জেলায় জেলায়ও কর্মসূচির বার্তা পাঠানো হয়েছে বলে খবর।ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছেন বিরোধী নেতাদের একাংশ। এই ইস্যুতে দিল্লিতে একাধিক প্রতিবাদ কর্মসূচিও হয়েছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হতে পারে বলে খবর।এই আবহেই কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের মমতাপন্থী শিবির। দুপুর দুটো নাগাদ মিছিল শুরু হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে মিছিলে অংশ নেবেন কি না, তা নিয়ে এখনও নিশ্চিত কোনও ঘোষণা হয়নি।সোমবার রাতে কলকাতায় একটি দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করতে গিয়ে এই কর্মসূচি নিয়ে সরব হন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, বেরোতে দেব না। সিপিকে নির্দেশ দিয়েছি, রাজাবাজার থেকে এক পা এগোতে দেব না। প্রয়োজন হলে সেন্ট্রাল ফোর্সও নামাতে বলেছি। বেরোতে দেব না। কোনও বিশৃঙ্খলা করতে দেব না দুর্গাপুজোর সময়ে।মিছিল ঘিরে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে বলে খবর। মঙ্গলবার সকাল থেকেই পার্ক সার্কাস এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। রাজাবাজার থেকে মিছিল কোন পথে এগোবে এবং শেষ পর্যন্ত তাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যোগ দেবেন কি না, সে দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

যন্তর মন্তরে প্রতিবাদে নিষেধাজ্ঞা, পরদিনই ব্যারিকেড টপকে ঢোকার চেষ্টা! আটক ককরোচ জনতা পার্টির নেতারা

যন্তর মন্তরে আর প্রতিবাদ করা যাবে না। সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে বলে দাবি। সেই নির্দেশ ঘিরেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে দিল্লিতে। সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপের হুঁশিয়ারি, যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করতে না দিলে গোটা দেশকেই প্রতিবাদের মঞ্চ করে তুলবেন তাঁরা। আর সেই ঘোষণার পরদিনই যন্তর মন্তরে পৌঁছে গেলেন দলের কয়েক জন নেতা। কিন্তু সেখানে ঢোকার চেষ্টা করতেই তাঁদের আটক করে পুলিশ।সোমবার দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। দলের তরফে দাবি করা হয়, ওই সময়ের মধ্যে নতুন করে প্রতিবাদের স্থান এবং দিনক্ষণ জানাতে হবে। তা না হলে বড় পদক্ষেপ করা হবে। এর পরেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করা যাবে না বলে নির্দেশ দেয় দিল্লি পুলিশ। প্রতিবাদের জন্য তিনটি বিকল্প জায়গার কথা জানানো হয়েছে বলে খবর।সেই বিকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে রামলীলা ময়দান। তবে সূত্রের দাবি, সেখানে প্রতিবাদ কর্মসূচির জন্য জায়গা বুক করতে খরচ হতে পারে ১ লক্ষ ২১ হাজার টাকা। চলতি বছরের জন্য বুকিংও ইতিমধ্যে হয়ে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ফলে প্রতিবাদের নতুন জায়গা পাওয়া নিয়ে সমস্যায় পড়তে পারে ককরোচ জনতা পার্টি।নিটের প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের প্রতিবাদে যন্তর মন্তর থেকেই আন্দোলন শুরু করেছিলেন দলের সদস্যেরা। তাই ওই জায়গায় বিক্ষোভ বন্ধের নির্দেশে ক্ষুব্ধ তাঁরা। অভিজিৎ দীপের বক্তব্য, যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করতে দেওয়া না হলে গোটা দেশই প্রতিবাদের মঞ্চ হয়ে উঠবে।এই হুঁশিয়ারির পরদিন মঙ্গলবার ভোরে যন্তর মন্তরে পৌঁছে যান দলের নেতা সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কারা। অভিজিতের প্রকাশ করা একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, লোহার গেট ও পুলিশের ব্যারিকেড টপকে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করছেন তাঁরা। তাঁদের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা। ভারত মাতা কি জয় স্লোগান দিতে দিতেই ব্যারিকেড পার হওয়ার চেষ্টা করেন দলের নেতারা।কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁদের আটক করে পুলিশ। দলের কয়েক জন নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হতে পারে বলেও সূত্রের খবর। মঙ্গলবার সকালে এই ঘটনার একাধিক ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।নেতা-কর্মীরা আটক হলেও আন্দোলন থামবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ। তাঁর দাবি, প্রতিবাদকে আটকানো যাবে না। যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের উপর নিষেধাজ্ঞা এবং বিকল্প জায়গা নিয়ে দিল্লি পুলিশের সঙ্গে দলের সংঘাত কোন দিকে এগোয়, এখন সে দিকেই নজর।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal