• ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১১ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Election Campaign

কলকাতা

জেলায় একমাস পর কলকাতায় ফিরলেন মমতা! আজ থেকেই শুরু ঝড়ো প্রচার

প্রায় একমাস জেলায় জেলায় ঘোরার পর আজ থেকে কলকাতায় প্রচার শুরু করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ২৩ মার্চ থেকে তিনি লাগাতার জেলা সফরে ছিলেন। সেই পর্ব শেষ করে সোমবার মুরারই এবং উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহে সভা সেরে শহরে ফিরছেন তিনি। বিকেলে বেলেঘাটায় প্রথম সভা করার কথা রয়েছে। সেখানে প্রার্থী কুণাল ঘোষ এবং মানিকতলার প্রার্থী শ্রেয়া পাণ্ডের সমর্থনে জনসভা করবেন তিনি। এরপর সন্ধ্যার দিকে নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে মিছিল ও সভার কর্মসূচি রয়েছে। শেক্সপিয়র সরণি থেকে মিছিল শুরু হয়ে অ্যালেন পার্কে গিয়ে শেষ হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।গত একমাস ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ঘুরে মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেছেন তৃণমূল নেত্রী। দলীয় সূত্রে দাবি, মাঠে নেমে মানুষের সমর্থনের ইতিবাচক বার্তা পেয়েছেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতা নিয়েই এবার কলকাতায় জোরদার প্রচারে নামছেন মমতা। আগামী কয়েক দিনে একাধিক সভা ও পদযাত্রার মাধ্যমে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছনোর পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।প্রতিবারের মতো এবারও মমতার মিছিল ও সভায় ব্যাপক ভিড় হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তীব্র গরম সত্ত্বেও তাঁর কর্মসূচিতে মানুষের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো হয়। ফলে শহরে আবারও বড় জনসমাগমের ছবি দেখা যেতে পারে।এর মাঝেই হলদিয়ায় একটি কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। সেখান থেকে ফিরে আবার ২৭ তারিখ পর্যন্ত কলকাতায় টানা সভা করবেন বলে জানা গিয়েছে। এরপর দক্ষিণ কলকাতার একাধিক কেন্দ্রে প্রচার চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।২৩ এপ্রিল যাদবপুর এবং টালিগঞ্জে প্রার্থীদের সমর্থনে সভা করার কথা রয়েছে। শ্রীকলোনি যুব সংঘের মাঠে সেই সভা হবে বলে জানা গিয়েছে। তার পরের দিন সুলেখা মোড় থেকে গড়িয়াহাট হয়ে হাজরা পর্যন্ত একটি বড় মিছিল করার পরিকল্পনা রয়েছে।ভোটের আগে মমতার এই কর্মসূচি ঘিরে কলকাতার রাজনৈতিক পরিবেশ আরও চাঙ্গা হয়ে উঠছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

“সব তথ্য আমার কাছে আছে!” নানুরে মমতার বিস্ফোরক দাবি, তীব্র আক্রমণ বিজেপিকে

বীরভূমের নানুরে নির্বাচনী জনসভা থেকে তীব্র আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটার তালিকা সংশোধন ও ভুয়ো ভোটার অন্তর্ভুক্তি নিয়ে নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপিকে একযোগে নিশানা করেন তিনি।সভা থেকে মমতা অভিযোগ করেন, ফর্মের মাধ্যমে বাইরের লোকদের ভোটার তালিকায় ঢোকানোর চেষ্টা চলছে। তাঁর দাবি, এই বিষয়ে তাঁর কাছে সব তথ্য রয়েছে এবং কে কতজনকে ঢুকিয়েছে, তা তিনি জানেন। তিনি আরও বলেন, সময় এলেই সব তথ্য প্রকাশ্যে আসবে।ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, নাম তোলার জন্য বহু মানুষকে লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে এবং এতে প্রবীণদেরও কষ্ট হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, এই প্রক্রিয়ার কারণে বহু মানুষ সমস্যার মুখে পড়েছেন।এদিন ভাষা ও পরিচয় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, কেউ বাংলা ভাষায় কথা বললেই তাকে অনুপ্রবেশকারী বলা হচ্ছে কেন। সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব কার, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।সভা থেকে রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও মন্তব্য করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে বিজেপির অবস্থা খুব খারাপ হবে। যতই বাইরে থেকে নজরদারি বাড়ানো হোক, তার কোনও লাভ হবে না বলেও দাবি করেন তিনি।নানুরের সভার পর এদিনই মুর্শিদাবাদের আরও দুটি জায়গায় জনসভা করার কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। ভোটের আগে এই সভাগুলি ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়ছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বাসন্তীতে তাণ্ডব! রাস্তায় ফেলে পুলিশ অফিসারকে বাঁশ দিয়ে পেটাল দুষ্কৃতীরা

ভোটের আবহে আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠল বাসন্তী। রাস্তায় ফেলে এক পুলিশ অফিসারকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার একটি ভিডিও সামনে এসেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা এক পুলিশ অফিসারকে বাঁশ দিয়ে মারধর করা হচ্ছে। গুরুতর জখম হয়েছেন ওই পুলিশ অফিসার।আহত পুলিশ অফিসারের নাম সৌরভ গুহ। তিনি বাসন্তী থানার সাব ইন্সপেক্টর। জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় তিনি ছাড়াও আরও কয়েকজন পুলিশ কর্মী আহত হয়েছেন।ঘটনাটি ঘটে যখন বিজেপি প্রার্থী বিকাশ সর্দার এলাকায় প্রচারে বেরিয়েছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় বাজার এলাকায় আচমকাই হামলা চালানো হয়। দুষ্কৃতীরা বাঁশ ও লাঠি নিয়ে তাণ্ডব শুরু করে। একাধিক মোটরবাইক ভাঙচুর করা হয়। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। কিন্তু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়েই আক্রান্ত হন পুলিশ কর্মীরাই। অভিযোগ, সাধারণ পোশাকে থাকা সাব ইন্সপেক্টর সৌরভ গুহকে লক্ষ্য করে তাড়া করে দুষ্কৃতীরা। তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে রাস্তায় পড়ে যান। এরপর তাঁকে ঘিরে ধরে এলোপাথাড়ি মারধর করা হয়। তাঁর মাথা ফেটে যায় এবং রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকেন তিনি।পরে বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। ক্যানিং, বাসন্তী এবং গোসাবা এলাকার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। উপস্থিত রয়েছেন উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকরাও। কেন্দ্রীয় বাহিনীও এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং টহলদারি শুরু হয়েছে।এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। আহত পুলিশ অফিসারকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।বাসন্তী এলাকা আগে থেকেই স্পর্শকাতর বলে পরিচিত। প্রতি নির্বাচনেই এখানে হিংসার অভিযোগ ওঠে। তবে পুলিশকেই রাস্তায় ফেলে মারধরের ঘটনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।এই ঘটনার পর রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূলের এক নেতা জানিয়েছেন, নির্বাচন চলাকালীন নিয়ম মেনে চলা উচিত এবং পুলিশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। অন্যদিকে বিজেপির এক নেতা বলেছেন, এই ঘটনার জন্য দায়ীদের ভবিষ্যতে ফল ভোগ করতে হবে।

মার্চ ২৬, ২০২৬
দেশ

ভোট প্রচারে বেরিয়ে ঢিলের ঘায়ে আহত হলেন মুখ্যমন্ত্রী

ভোটের প্রচারে বেরিয়ে ঢিলের ঘায়ে আহত হলেন অন্ধ্র প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী তথা ওয়াইএসআরসিপি প্রধান জগন মোহন রেড্ডি। সূত্রের খবর, শনিবার সন্ধ্যায় প্রচারে বেরিয়েছিলেন তিনি। রোড-শো চলার সময়ে তাঁকে লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়ে কেউ। কপালে লেগে রক্তারক্তি কাণ্ড হয়। ঘটনার জেরে বন্ধ হয়ে যায় রোড-শো।বিজয়ওয়াড়ায় ভোটের প্রচারে বেরিয়েছিলেন ওয়াইএসআরসিপির প্রধান।সেখানে মেমান্থা সিদ্ধম র্যালি চলছিল তাঁর। হুডখোলা গাড়িতে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সকলের সঙ্গে কথাও বলছিলেন। এই জনসংযোগ যাত্রায় বহু মানুষের ভিড় হয়েছিল। আচমকাই একটি ঢিল উড়ে আসে জগন মোহন রেড্ডির দিকে। কপালে মাঝখানে গিয়ে আঘাত করে সেটি। রক্ত বেরোতে থাকে কপাল দিয়ে।

এপ্রিল ১৪, ২০২৪
কলকাতা

বিধাননগরে রং, তুলি হাতে দেওয়াল লিখনে ব্যস্ত তৃণমূলের মহিলা কর্মীরা

রং, তুলি হাতে শাড়ি পড়ে মহিলারা। ভোট প্রচারের দেয়াল লিখনে শঙ্খ বাজিয়ে স্লোগান দিয়ে ব্যস্ত তারা। বিধান নগর, মহিলা কাউন্সিলরের নেতৃত্বে এভাবেই দেওয়াল লিখনের কাজে হাত লাগালো মহিলারাই। বারাসাত লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত বিধান নগরে ভোটের প্রচারে দেয়াল লিখন শুরু করল তৃণমূল কংগ্রেসের মহিলারা। আর এই প্রচার শুরু হল বিধাননগর কর্পোরেশনের ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আলো দত্তর হাত ধরে। লোকসভা ভোটের দিন ঘোষণা হয়নি এখনও। প্রার্থী তালিকাও প্রকাশ করেনি তৃণমূল কংগ্রেস। এরই মধ্যে মঙ্গলবার সকাল থেকেই বিধান নগরের দত্তাবাদ এলাকায় তৃণমূল এর তরফ থেকে দেওয়াল লিখন শুরু করলো মহিলারা। শাড়ি পড়ে, রং তুলি হাতে ভোট প্রচারের কাজে দেয়াল লেখায় ব্যস্ত তাঁরা। তবে যেহেতু প্রার্থীর নাম এখনও ঘোষণা হয়নি, সেই কারণে নামের জায়গা ফাঁকা রেখেই দেওয়াল লেখা হচ্ছে।

মার্চ ০৫, ২০২৪
দেশ

দ্রৌপদী মুর্মু ভোটপ্রচারে শিলিগুড়িতে, কাল কলকাতায়

এনডিএ-র রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মু শিলিগুড়ি পৌঁছেছেন। সোমবার তিনি বাগডোগরা বিমান বন্দরে অবতরণ করেন। বিধায়ক-সাংসদদের কাছে ভোট চাইতে তিনি বাংলায় এসেছেন। শিলিগুড়িতে দ্রৌপদী মুর্মু সিকিম ও আশেপাশের রাজ্যের বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। আগমিকাল তিনি কলকাতায় যাবেন। সেখানে এরাজ্যের দলীয় বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন উত্তরবঙ্গে আছেন। তৃণমূল নেত্রী এর আগে রাষ্ট্রপতি পদে বিরোধীদের বিজেপির বিরুদ্ধে একজোট করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। অবিজেপি দলের রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন যশবন্ত সিনহা। যদিও পরবর্তীতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, বিজেপি প্রার্থী নিয়ে আলোচনা করেনি। দ্রোপদী মুর্মুর জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানিয়ে দেন তিনি।

জুলাই ১১, ২০২২
রাজনীতি

Abhishek-Dinhata: দিনহাটায় দাঁড়িয়ে গোয়া জয়ের ডাক অভিষেকের

তিন মাসের মধ্যে গোয়ায় সরকার গঠন করবে তৃণমূল। দিনহাটায় উপনির্বাচনের প্রচার মঞ্চ থেকে এমনই হুংকার দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী দিনে তৃণমূলের সংগঠনকে সর্বভারতীয় স্তরে ছড়িয়ে দেওয়ার রূপেরখাও তুলে ধরেন অভিষেক। পাশাপাশি বিজেপি-কে নিশানা করে দেগেছেন একের পর এক তোপ। কোচবিহার থেকে বিজেপি-কে উৎখাতের ডাক দিয়েছেন সোমবার দুপুরে শিলিগুড়িতে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘটনাচক্রে, একই সময়ে দিনহাটায় ভোট প্রচার সারছিলেন অভিষেক। দিনহাটার উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী উদয়ন গুহের সমর্থনে জনসভা করেন তিনি। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে সংগঠনকে আরও কয়েকটি রাজ্যে ছড়িয়ে দেওয়া তৃণমূলের পাখির চোখ। সেই ইচ্ছার কথা জনসভায় জানান অভিষেক। বলেন, দিনহাটায় উদয়ন গুহ নন, প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দেশের মানুষ এই ফলের দিকে তাকিয়ে আছেন। উপনির্বাচনের ফল ৪-০ হবে। তবে জয়ের ব্যবধান বাড়াতে হবে। কোচবিহার থেকে বিজেপি-কে উৎখাত করতে হবে।আমরা ত্রিপুরায় গিয়েছি। গোয়াতেও ঢুকেছি। আরও ৫-৭টা রাজ্যে যাব। এটা কী মাস? অক্টোবর। সামনে নভেম্বর, ডিসেম্বর ও জানুয়ারি। হাতে তিন মাস হাতে সময় আছে। গোয়ায় বিধানসভা আসন ৪০টি। দল আমাকে দায়িত্ব দিয়েছে। তিন মাসে গোয়ায় জোড়াফুল ফুটবে। ওখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল সরকার প্রতিষ্ঠা করবে। আপনারা লিখে নিন। এর পর ত্রিপুরা, মেঘালয়, অসম এবং উত্তরপ্রদেশ-সহ একাধিক রাজ্যেও আমরা যাব। তার কারণ বাংলা পথ দেখিয়েছে। দেশকে পথ দেখাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের কথায়, দেশে বহু রাজনৈতিক দল আছে। বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিএম, যদিও খাতায়-কলমে সর্বভারতীয় দল। মাঠে ময়দানে নেই, হাওয়া...জিরো। এনসিপি জাতীয় দল। তেমন তৃণমূলও সর্বভারতীয় দল। কিন্তু এদের মধ্যে পার্থক্য কী? যত রাজনৈতিক দল আছে সকলকে ইডি, সিবিআই দিয়ে একটু ধমকে চমকে ঘরে ঢুকিয়ে দিয়েছে। কিন্তু তৃণমূল বিশুদ্ধ লোহা। যত তাতাবে, যত পোড়াবে, যত প্রহার করবে, তত বিশুদ্ধ হবে। আমাকেও তো কত ধমকেছে, চমকেছে। দিল্লিতে ৯ ঘণ্টা জেরা করেছে। ভেবেছে কংগ্রেসের মতো বসে যাবে। কিন্তু আমরা বিশ্বাসঘাতকের দল নই।বিজেপি-কে ঝাঁঝালো আক্রমণ শানিয়ে তিনি বলেন, গোসাবা এবং খড়দহে উপনির্বাচন হচ্ছে তার কারণ তৃণমূলের সৈনিকরা ওই কেন্দ্রে জিতেছিলেন। কিন্তু মানুষের জন্য কাজ করতে গিয়ে কোভিডে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন। কিন্তু শান্তিপুর এবং দিনহাটায় উপনির্বাচন হচ্ছে কেউ সাংসদ থেকে মন্ত্রী হবেন বলে, নিজেদের রাজনৈতিক লালসা চরিতার্থ করবেন বলে মানুষের ভালবাসাকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। ওঁরা সাংসদ হবেন, মন্ত্রী হবেন। তা হলে দাঁড়ালেন কেন? ভেবেছিলেন, বিজেপি ক্ষমতায় আসবে। ক্ষমতায় এলে মন্ত্রী হবেন।

অক্টোবর ২৫, ২০২১
রাজ্য

By-Election: রাজ্যের উপনির্বাচনের প্রচারে অসমের মুখ্যমন্ত্রী, ৭ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসহ একাধিক সাংসদ

বঙ্গ বিজেপিও চার বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে স্টার ক্যামপেইনারের তালিকা প্রকাশ করেছে। ২০ জনের এই তালিকায় বিশেষ উল্লেখের দাবি রাখে সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। রয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মা, ত্রিপুরার সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক। এছাড়া একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রয়েছেন তালিকায়, রয়েছেন সাংসদ, বিধায়ক ও সংগঠনের কর্তারা।ভবানীপুরের উপনির্বাচনের প্রচারে স্টার ক্যামপেইনার হিসাবে নাম ছিল লকেট চট্টোপাধ্যায়ের। কিন্তু সেই প্রচারে একদিনও ভবানীপুরে হাজির হননি লকেট। তা নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টিও হয়েছিল। কুণাল ঘোষের টুইট দেখে রাজনৈতিক মহলের মনে হয়েছিল তাহলে লকেটও কি তৃণমূলের দিকে পা বাড়িয়েছেন? যে ভাবে বিজেপি থেকে তৃণমূলের দিকে যোগ দেওয়ার ঢল নামছে তা ভাবা খুব স্বাভাবিক। পরে জানা গিয়েছিল দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জগতপ্রকাশ নাড্ডার সঙ্গে বৈঠক হয়েছিল লকেট চট্টোপাধ্যায়ের। তারপর যথারীতি দলের কাজ শুরু করেছেন লকেট।আরও পড়ুনঃ উপনির্বাচনের চার কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রচারে মুখ্যমন্ত্রী সহ একাঝাঁক মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক৩০ অক্টোবর উপনির্বাচন হবে গোসাবা, দিনহাটা, খড়দহ ও শান্তিপুরে। বিজেপির তালিকায় রয়েছেন ১৩ জন সাংসদের নাম, যার মধ্যে ৭ জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। অসমের মুখ্যমন্ত্রীর নাম বিশেষ ভাবে উল্লেযোগ্য। হেমন্ত বিশ্বশর্মা উপনির্বাচনের প্রচারে আসবেন বাংলায়। উত্তরবঙ্গের দিনহাটায় তিনি প্রচারে আসতে পারেন বলে খবর। ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেস সংগঠন বৃদ্ধির কাজ করে চলেছে। সেদিক থেকে ত্রিপুরার সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিকের এরাজ্যে প্রচারে আসাটা গুরুত্বের দাবি রাখে।একনজরে দেখে নেওয়া যাক কারা রয়েছেন বিজেপির স্টার ক্যামপেইনারের তালিকায়- স্মৃতি ইরানী, ডাঃ সুভাষ সরকার, জন বার্লা, হিমন্ত বিশ্বশর্মা, শান্তনু ঠাকুর, নিশীথ প্রামাণিক, গিরিরাজ সিং, প্রতিমা ভৌমিক, লকেট চট্টোপাধ্যায়, ডঃ সুকান্ত মজুমদার, দিলীপ ঘোষ, শুভেন্দু অধিকারী, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, শমীক ভট্টাচার্য, অগ্নিমিত্রা পাল, অমিতাভ চক্রবর্তী, রাহুল সিনহা, দেবশ্রী চৌধুরী, অর্জুন সিং ও মাফুজা খাতুন।

অক্টোবর ০৮, ২০২১
কলকাতা

Bhawanipur: বিরোধী দলনেতার পদ ছাড়তে পারেন শুভেন্দু, ভবানীপুরের ভোটপ্রচারে কেন এই চ্যালেঞ্জ?

ভবানীপুর উপনির্বাচনে পর পর সভা করে চলেছেন তৃণমূল প্রার্থী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রচারে কোনও ফাঁক রাখছেন না তিনি। বিজেপিও সমানতালে প্রচার করছে ভবানীপুরে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এদিন ভবানীপুরের জনসভায় ঘোষনা করেছেন প্রিয়াঙ্কাকে জেতালে তিনি তাঁর পদ ছেড়ে দেবেন। একইসঙ্গে তিনি ভবানীপুরে অকাল ভোটের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করেছেন। শুভেন্দু এদিন প্রশ্ন তুলেছেন কেন ভবানীপুরে নির্বাচন হচ্ছে? এখানকার তৃণমূলের জয়ী বিধায়ক কি অসুস্থ? নাকি তিনি দল বদলেছেন? নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, ভবানীপুরের তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় সুস্থ। তিনি দলবদলও করেননি। নন্দীগ্রামে হেরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হয়ে ভবানীপুরে ভোট চাপিয়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তা্র জন্য জনগণের পকেট কেটে ৫ কোটি টাকা খরচ হবে নির্বাচনে।ভবানীপুরের নির্বাচনী সভায় মমতা বলেছেন, আমাকে মুখ্যমন্ত্রী দেখতে চাইলে সবাই আমাকে ভোট দিন। বৃষ্টি পড়লে ছাতা মাথায় দিয়ে বা বর্ষাতি পড়েও ভোট দিতে যাবেন। তিনি চেয়ার আঁকড়ে রাখতে চাইছেন বলেও এদিন কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তবে নিজে যে চেয়ার ছেড়ে দিতে প্রস্তুত সেকথাও জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।এদিন শুভেন্দু ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালকে জয়ী করার জন্য আবেদন জানান। বিরোধী দলনেতা বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, আমি মুখ্যমন্ত্রী থাকবো না। তোমরা একটা একটা করে ভোট দাও। আমি শুভেন্দু অধিকারী বলে যাচ্ছি, প্রিয়াঙ্কাকে জেতান। আমি দিল্লির নেতাদের বলবো আমার চেয়ারটা ওকে দিয়ে দেওয়ার জন্য। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, আমার চেয়ারটা রাখতে হবে। এই তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্যাক্রিফাইস।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১
রাজনীতি

Mamata Bannerjee: আপনার একটা ভোট না পেলেও ক্ষতি হয়ে যাবে...কেন এমন বললেন মমতা?

ভবানীপুরের ভোটের দিন এগিয়ে আসছে। মমতার পাড়ায় এসে প্রচার করে যাচ্ছেন বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল। মানুষ তাঁর কথা শুনছেনও। আর এতেই কিছুটা হলেও স্নায়ুর চাপে রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? ভবানীপুরের মাটি মমতার কাছে হাতের তালুর মতো চেনা। তাই এই লড়াই জেতা তাঁর কাছে খুব একটা কঠিন হবে না। কিন্তু তারপরেও একেবারে চিন্তামুক্ত থাকতে পারছেন না মমতা। তাই আজ নিজের পাড়ায় ভোটে প্রচারে নেমে বাসিন্দাদের উদ্দেশ্যে বলেন,আপনার একটি ভোট না পেলে্ও ক্ষতি হয়ে যাবে আমার। আমাকে আর পাবেন না। কিন্তু চেনা মাঠে কেন এমন কথা বললেন তৃণমূল সুপ্রিমো? তাহলে কী তিনি স্নায়ুর চাপে ভুগছেন?আরও পড়ুনঃ আচমকাই চোখের সামনে নিজেদের বাড়ি দুলতে দেখলেন বাসিন্দারাএদিন ভবানীপুরের জনসভায় মমতা বলেন, ২০২১-এর নির্বাচনে কৃষক আন্দোলনে জায়গা নন্দীগ্রাম থেকে দাঁড়ানোর অনুরোধ করা হয়েছিল। তাই দাঁড়িয়েছিলাম। কিন্তু ওখানে যে কী ভাবে হারানো হয়েছে তা প্রকাশ্যে আসবে। আদালতে মামলা চলছে। জানা যাবে, আমার বিরুদ্ধে সেখানে কী করা হয়নি! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হলে ভবানীপুর থেকেই হবে। এটা ভাগ্যের খেলা। আপনাদের ছেড়ে যাওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়। সেই সূত্রেই তিনি বলেন, অনেকে ভাবছেন দিদি এমনিই জিতে যাবে। কিন্তু প্রতিটা ভোট দামি। একটা ভোট না দিলে আমার ক্ষতি হবে। ভোট না দিলে আমাকে পাবেন না। নিজেকে জনগণের পাহারাদার বলেও আখ্যাও দিয়েছেন মমতা। এদিনের জনসভা থেকে বিজেপিকে আক্রমণ শানাতেও ভোলেননি তিনি। বলেন, আমি মোদি-শাহকে দাদা-ভাই বলতে পারি। এটা সৌজন্য। কিন্তু তাই বলে দেশে তালিবানি শাসন মেনে নেব না। দেশে সকলে থাকবে। দেশকে টুকরো করতে দেব না। রাজ্যকেও টুকরো করতে দেব না। সাধারণ মানুষের মধ্যেও বিভাজন আসতে দেব না।ত্রিপুরা, অসম, গোয়া এবং উত্তরপ্রদেশে খেলা হবে।মমতার বার্তা, আপনাদের এক একটা ভোট আগামিদিনে দিল্লির পথে পা বাড়াতে সাহায্য করবে। আপনাদের ভোট দাঙ্গাবাজদের রুখে দিতে সাহায্য করবে। এখানে গাছ পুঁতলে দিল্লিতে গিয়ে গাছ বড় হবে। এখানে গাছের চারাটা পুঁতে দিন।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১
রাজ্য

ভোট প্রচারে গিয়ে আক্রান্ত অশোক দিন্দা

রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটপ্রচারের শেষলগ্নে আক্রান্ত হলেন বিজেপি প্রার্থী তথা প্রাক্তন ক্রিকেটার অশোক দিন্দা। মঙ্গলবার সভা সেরে ফেরার পথে তৃণমূল কর্মীদের হাতে তিনি আক্রান্ত হন বলে অভিযোগ করেছেন অশোক। যদিও ওই ঘটনাকে বিজেপি-র আদি এবং নব্য-র দ্বন্দ্বের ফলাফল বলে পাল্টা অভিযোগ করেছে তৃণমূল।অশোকের দাবি, মঙ্গলবার তিনি পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না এলাকায় ৪টি সভা করেন। কর্মসূচি সেরে বাড়ি ফেরার পথে ময়না বাজার এলাকায় তাঁর উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। তাঁর গাড়ির কাচ ভেঙে দেওয়া হয়। ইট দিয়ে তাঁর কাঁধেও আঘাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন অশোক। আচমকা হামলায় প্রাথমিক ভাবে ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। পরে আরও লোকজন সঙ্গে করে এনে বিজেপি কর্মীরা পাল্টা চড়াও হলে হামলাকারীরা চম্পট দেয় বলে গেরুয়াশিবিরের দাবি। অশোকের দাবি, বিজেপি-কে আটকাতেই মঙ্গলবার পরিকল্পনা করে হামলা চালিয়েছে তৃণমূল।

মার্চ ৩০, ২০২১
রাজনীতি

প্রথমবার প্রচারে বেরিয়ে তৃণমূলকে হালকা 'ছোবল' মিঠুনের

বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর আজ বৃহস্পতিবারই প্রথম ভোটের ময়দানে নামলেন মিঠুন চক্রবর্তী। আর প্রথম দফার ভোট প্রচারের শেষ দিনে মাঠে নেমেই বাজিমাত। ৪টি রোড শোতে মানুষের মন জয় করে নিতে সময় লাগেনি। শালতোড়া, মানবাজার, কেশিয়াড়ি এবং ঝাড়গ্রামে রোড শো করেন মিঠুন। তাঁকে দেখতে সব জায়গাতেই মানুষের ঢল নামে। যার জেরে কোথাও কোথাও কিছুটা বিশৃঙ্খলাও তৈরি হয়। তার মাঝে এবারের ভোটের সব থেকে ব্যবহৃত শব্দ বহিরাগত প্রসঙ্গেও তিনি মুখ খোলেন। কারও নাম না করেও তৃণমূলকে নিজের স্বভাবসিদ্ধ বাচনভঙ্গিতে কটাক্ষ করে নিজেকেও বহিরাগত বলেন মহাগুরু।বাঁকুড়ার শালতোড়াতে প্রচারের সময় মিঠুনকে বহিরাগত ইস্যুতে প্রশ্ন করা হয়। জবাবে কটাক্ষের সুরে মিঠুন বলেন, স্বীকার করছি আমিও বহিরাগত। আর এইভাবে বহিরাগত বললে তো সিস্টার নিবেদিতাও বহিরাগত ছিলেন। বহিরাগত ছিলেন মাদার টেরেসাও। কারও নাম না করলেও রাজ্যের উন্নয়ন প্রসঙ্গে ঘুরিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে আক্রমণ করে মিঠুন বলেন, আসলে বহিরাগত তাঁরাই, যাঁরা ক্ষমতায় থেকেও মানুষের পাশে থাকেননি। একই সঙ্গে নিজের ভোটে না দাঁড়ানোর প্রসঙ্গ উঠলে মিঠুন বলেন, আমি ক্ষমতার জন্য রাজনীতিতে আসিনি। মানুষের পাশে থাকতে এসেছি।চার জায়গাতেই মিঠুনকে দেখতে জনতার বিশাল ঢল নামে। বাঁকুড়ার শালতোড়ায় বিজেপি প্রার্থী চন্দনা বাউরির সমর্থনে রোড শো করেন। সকাল ৯টা নাগাদ হেলিকপ্টারে পৌঁছনোর পর প্রায় ২ কিলোমিটার রাস্তায় রোড শো করেন। জনতার আবদার মিটিয়ে অটোগ্রাফ, সিনেমার সংলাপও বলেন তিনি। শালতোড়া থেকে পুরুলিয়ার মানবাজারের উদ্দেশে উড়ে যান মিঠুন। মানবাজারের বিজেপি প্রার্থী গৌরি সিংয়ের সমর্থনে তাঁর প্রায় ২ কিলোমিটার রোড শো করার কথা ছিল। কিন্তু মিঠুনকে দেখতে এতটাই ভিড় হয়েছিল যে তিনি ১৫ মিনিট হেলিকপ্টার থেকে নামতেই পারেননি। পরে নিরাপত্তা কর্মীরা, হামলে পড়া জনতার ভিড় কোনওরকমে সরিয়ে তাঁকে একটি হুড খোলা জিপে তোলেন। কিন্তু তাঁকে দেখতে এতটাই ভিড় হয়েছিল যে ২ কিলোমিটার রোড শোয়ের পুরোটা শেষই করতে পারেননি। মাঝপথ থেকে তাঁকে হেলিপ্যাডে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তাই মিঠুনকে দেখতে আসা প্রচুর মানুষ তাঁর দেখাই পাননি শেষ পর্যন্ত। মহাগুরুকে দেখতে না পেয়ে তাঁরা হতাশ বলেও দুঃখ প্রকাশ করেন। মানবাজারের পর পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়ি এবং ঝাড়গ্রামেও রোড শো করেন মিঠুন। সব জায়গাতেই মিঠুনকে এক ঝলক দেখতে উপচে পড়ে ভিড়। ভিড় থেকে মানুষ মহাগুরু মহাগুরু করে চিৎকার করতে থাকেন। সিনেমার সংলাপ বলারও অনুরোধ আসতে থাকে তাঁর কাছে। এমনকী, অনেকে তাঁর অটোগ্রাফ পাওয়ার জন্য হামলে পড়েন। যতটা সম্ভব তিনি জনতার আব্দার মেটানোর চেষ্টাও করেন। মিঠুনের রোড শোতে ভিড় দেখে স্বভাবতই উচ্ছসিত গেরুয়া শিবির। প্রার্থী না হলেও প্রথম দিনের প্রচারেই মিঠুন যে ভিড় টানলেন, তা ভোট বাক্সে প্রভাব ফেলবে বলেই আশা বিজেপির।

মার্চ ২৫, ২০২১
রাজনীতি

নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে আলিঙ্গন, করমর্দন করলেই জেল হতে পারে প্রার্থীর!

প্রচারে বেরিয়ে চুটিয়ে জনসংযোগ। মায়ের কোল থেকে ফুটফুটে শিশুকে কোলে তুলে নিয়ে গালে আদরের চুম্বন। উৎসাহী সমর্থকদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সেলফি। রোড-শোয়ে গাড়ি থেকে ঝুঁকে ঝুঁকে জনতার সঙ্গে হাত মেলানো। কত কাছের লোক, ভোটারদের তা বোঝাতে প্রার্থীরা চেষ্টায় একতিল ফাঁক রাখতে নারাজ। কিন্তু করোনা অতিমারির আবহে এহেন শারীরিক নৈকট্য রাজনৈতিক কেরিয়ারে কার্যত দাঁড়ি টেনে দিতে পারে। কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দিতেই সেকথা স্মরণ করিয়ে ফের এমনই কড়া বার্তা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্দেশ অমান্য করলে মহামারী আইনের ৫১ থেকে ৬০ নম্বর ধারায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা খোদ প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। মহামারী আইনের ওই ধারায় বিধিভঙ্গের শাস্তি হিসাবে দুই বছর পর্যন্ত কারাবাস ও সঙ্গে মোটা জরিমানার বিধান রয়েছে। কমিশনের হুঁশিয়ারি, সংক্রমণ ঠেকাতে ইতিমধ্যে একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি রয়েছে। যাতে এই ধরনের শারীরিক সংস্পর্শে অনুমোদন নেই। তা সত্ত্বেও রাজ্যের একাধিক জায়গায় প্রার্থীদের গাছাড়া মনোভাব দেখা যাচ্ছে। প্রার্থীরা এই ধরনের হঠকারী অচরণ করতে থাকলে প্রার্থীপদ তো দূরে থাক শেষপর্যন্ত তাদের ঠাঁই হতে পারে শ্রীঘরে। সঙ্গে খসতে পারে গাঁটের কড়িও।ইতিমধ্যেই এব্যাপারে জেলাশাসক তথা জেলা মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের কড়া পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের কোভিড বিধি পালনের সমস্ত নির্দেশিকা স্মরণ করিয়ে দিয়ে সতর্ক করে দিতে বলা হয়েছে। প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ঠিক কী কী বিধিনিষেধ রয়েছে নির্দেশনামায়? নির্দেশিকায় স্পষ্ট করে বলে দেওয়া হয়েছে, বাড়ি বাড়ি প্রচারের ক্ষেত্রে প্রার্থীরা পাঁচ জনের বেশি সদস্য-সমর্থক সঙ্গে রাখতে পারবেন না। প্রচারে বেরিয়ে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক, স্যানিটাইজার সঙ্গে রাখতে হবে। অতিমারি সংক্রান্ত দূরত্ব বিধি মানতে হবে। একইরকমভাবে রোড শোয়ের ক্ষেত্রেও বিধি নিষেধ রয়েছে। নিরাপত্তারক্ষীর গাড়ি বাদে রোড-শোয় পাঁচের বেশি গাড়ি একসঙ্গে ব্যবহার করা যাবে না। এবং এই পাঁচ গাড়ির একটি কনভয়ের সঙ্গে পরেরটির দূরত্ব থাকতে হবে কমপক্ষে আধ ঘণ্টার। এছাড়াও রাজনৈতিক দলগুলোকে জনসভার অনুমতি প্রদানের ক্ষেত্রে জেলাশাসকদের আরও সতর্ক হতে বলেছে কমিশন। প্রবেশ ও প্রস্থান পথ রয়েছে শুধুমাত্র এমন ময়দানকেই জনসভার অনুমতি দেওয়া যাবে। ময়দানগুলো আগে থেকে চিহ্নিত করতে হবে। একাজে সংশ্লিষ্ট জেলার কোভিড নোডাল অফিসারকে যুক্ত করতে হবে। পাশাপাশি জমায়েত কখনওই যাতে নির্ধারিত মাত্রা না ছাড়ায় সেদিকে কড়া নজর রাখতে বলা হয়েছে।

মার্চ ২৪, ২০২১

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ শুরুর আগেই বিতর্ক! সেনেগাল ফুটবলারদের সঙ্গে ‘অপরাধীর মতো’ আচরণের অভিযোগ

বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র এক দিন বাকি। তার আগেই বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে আন্তর্জাতিক ফুটবল মহলে। আমেরিকায় পৌঁছনোর পর সেনেগাল এবং উজবেকিস্তানের ফুটবলারদের কড়া নিরাপত্তা তল্লাশি ঘিরে ক্ষোভ ছড়িয়েছে বিভিন্ন মহলে। অনেকের অভিযোগ, খেলোয়াড়দের সঙ্গে এমন আচরণ করা হয়েছে যেন তাঁরা কোনও অপরাধী।জানা গিয়েছে, বিশ্বকাপে অংশ নিতে আমেরিকায় পৌঁছেছিল সেনেগাল দল। বিমানবন্দরে নামার পরই নিরাপত্তাকর্মীরা ফুটবলারদের ব্যাগ, ট্রলি এবং অন্যান্য সামগ্রী বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা করেন। অভিযোগ, মাদকদ্রব্যের সন্দেহে দীর্ঘ সময় ধরে চলে এই তল্লাশি। ঘটনাস্থলের কিছু ছবি এবং ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরই শুরু হয় বিতর্ক।শুধু সেনেগাল নয়, উজবেকিস্তান দলের ক্ষেত্রেও একই ধরনের ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। নিউ ইয়র্কে অনুশীলন কেন্দ্রে পৌঁছনোর পর ফুটবলারদের নিরাপত্তা পরীক্ষা করা হয়। সেই সময় মাদক সন্ধানী কুকুর এবং ধাতু শনাক্তকারী যন্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। এই ঘটনাও ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে।সামাজিক মাধ্যমে অনেক সমর্থক প্রশ্ন তুলেছেন, আন্তর্জাতিক মঞ্চে অংশ নিতে আসা খেলোয়াড়দের সঙ্গে এমন ব্যবহার কতটা গ্রহণযোগ্য। কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন, নির্দিষ্ট কিছু দেশের ফুটবলারদের ক্ষেত্রেই অতিরিক্ত কড়াকড়ি করা হচ্ছে। আবার অনেকে জানতে চেয়েছেন, বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা কেন এই বিতর্ক নিয়ে কোনও অবস্থান স্পষ্ট করছে না।এর আগেও বিশ্বকাপ ঘিরে বেশ কিছু ঘটনা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি, খেলোয়াড় এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিরাপত্তা ও অভিবাসন সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। ফলে বিশ্বকাপ শুরুর আগেই আয়োজক দেশকে ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।ফুটবলপ্রেমীদের একাংশের মতে, খেলাধুলার মঞ্চ সব সময় দেশ, সংস্কৃতি এবং মানুষের মধ্যে সংযোগ তৈরি করে। সেখানে খেলোয়াড়দের সঙ্গে অতিরিক্ত কড়া বা অসম্মানজনক আচরণের অভিযোগ সামনে আসা উদ্বেগের বিষয়। যদিও নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিয়ম মেনে তল্লাশি চালানো হয়েছে কি না, তা নিয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা প্রকাশ্যে আসেনি।বিশ্বকাপের মতো বৃহত্তম ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু হওয়ার আগে এই বিতর্ক আন্তর্জাতিক ফুটবল মহলে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। আগামী দিনে এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী অবস্থান নেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে বিশ্বজুড়ে ফুটবল সমর্থকদের।

জুন ১০, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বাড়ির পাশের তৃণমূল কার্যালয়ে সিআইডি হানা, এবার সরাসরি হাই কোর্টে মামলা!

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির কাছেই অবস্থিত তৃণমূল কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সিআইডি তল্লাশি ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এবার কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন মামলাকারীরা। অভিযোগ, কোনও নিরপেক্ষ সাক্ষী ছাড়াই তল্লাশি চালানো হয়েছে এবং বেআইনিভাবে দলীয় নথি স্ক্যান করা হয়েছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে মামলার শুনানির আবেদনও জানানো হয়েছে।অন্যদিকে সই জাল কাণ্ডে নিজের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য পদক্ষেপের আশঙ্কায় ফের হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আবেদন নিয়ে আগামীকাল শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।মঙ্গলবার দুপুরে সই জাল কাণ্ডের তদন্তে তৃণমূলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পৌঁছন সিআইডি আধিকারিকরা। কার্যালয়টি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে অবস্থিত। ঘটনাস্থলে একটি মহিলা দল-সহ সিআইডির আধিকারিকরা পৌঁছন। পাশাপাশি কালীঘাট ও ভবানীপুর থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।সিআইডির দাবি, সই জাল কাণ্ডের তদন্তে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই তারা ওই কার্যালয়ে তল্লাশি চালাতে গিয়েছিল। তাদের কাছে প্রয়োজনীয় তল্লাশি পরোয়ানাও ছিল বলে জানানো হয়।সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লিতে ছিলেন। ফলে কার্যালয়ের দায়িত্বে থাকা দলের কোষাধ্যক্ষ এবং রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ শুভাশিষ চক্রবর্তীর সঙ্গেই সিআইডি আধিকারিকদের কথা হয়। তিনি প্রথমে তল্লাশির অনুমতি দিতে অস্বীকার করেন। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে কিছু সময় বাগ্বিতণ্ডা চলে। তবে শেষ পর্যন্ত সিআইডি আধিকারিকরা কার্যালয়ে প্রবেশ করে তল্লাশি চালান।এই তল্লাশিকেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাই কোর্টে মামলা করা হয়েছে। মামলাকারীদের অভিযোগ, নিয়ম মেনে তল্লাশি করা হয়নি। তাঁদের দাবি, কোনও সাক্ষীর উপস্থিতি ছিল না এবং সেই সুযোগে দলীয় নথি স্ক্যান করা হয়েছে। যদিও সিআইডির পক্ষ থেকে আগেই জানানো হয়েছিল যে তাদের কাছে বৈধ তল্লাশি পরোয়ানা ছিল।তল্লাশি শেষে সিআইডি আরও জানিয়েছিল, কার্যালয় থেকে কোনও নথি বা সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়নি। তা সত্ত্বেও গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক এবং আইনি মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।এখন নজর কলকাতা হাই কোর্টের দিকে। আদালত এই অভিযোগগুলিকে কীভাবে দেখছে এবং মামলার পরবর্তী শুনানিতে কী নির্দেশ দেয়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল।

জুন ১০, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেকের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ! সাড়ে সাত বছর পর ডায়মন্ড হারবারে দায়ের এফআইআর

বিধায়কদের সই জাল কাণ্ডে সিআইডির সমন ঘিরে বিতর্কের মাঝেই নতুন করে চাপে পড়লেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার তাঁর বিরুদ্ধে ডায়মন্ড হারবার থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস, যিনি ববি নামেও পরিচিত, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, জাহাঙ্গির খান-সহ চল্লিশের বেশি তৃণমূল নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।অভিজিৎ দাসের দাবি, দুই হাজার আঠারো সালের একুশ ডিসেম্বর ডায়মন্ড হারবারের কপাটহাট মোড়ে একটি দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়ে তিনি হামলার শিকার হন। সেই সময় তিনি বিজেপির জেলা সভাপতি ছিলেন। অভিযোগ, পরিকল্পনা করে তাঁর উপর প্রাণঘাতী হামলা চালানো হয়েছিল।হামলায় গুরুতর জখম হন অভিজিৎ। কোমর থেকে পা পর্যন্ত আঘাত লাগে তাঁর। অভিযোগ, মারধরের ফলে তাঁর মেরুদণ্ডেও চিড় ধরে। মাথাতেও গুরুতর আঘাত করা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন তিনি। দীর্ঘদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর অস্ত্রোপচারও করাতে হয়েছিল তাঁকে।অভিজিৎ দাসের অভিযোগ, সেই সময় তিনি পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলেন। কিন্তু কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর তিনি আবার এই ঘটনার বিচার চেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন।মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ডায়মন্ড হারবার থানায় নতুন করে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। সেখানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, জাহাঙ্গির খান-সহ একচল্লিশ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি আরও প্রায় দেড়শো জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধেও অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে অভিজিৎ দাস বলেন, হামলার আগে তিনি সম্ভাব্য আক্রমণের খবর পেয়েছিলেন এবং পুলিশকেও জানিয়েছিলেন। কিন্তু কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে তাঁর অভিযোগ। তিনি দাবি করেন, হামলার পর তাঁকে প্রায় মৃত অবস্থায় ফেলে রেখে যাওয়া হয়েছিল এবং আজও সেই আঘাতের শারীরিক প্রভাব বহন করছেন।এতদিন পরে কেন অভিযোগ নিয়ে ফের সামনে এলেন, সেই প্রশ্নের জবাবে অভিজিৎ বলেন, সে সময় স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে কাজ করেনি। তাই তিনি ন্যায়বিচার পাননি। এখন তিনি আশা করছেন, ঘটনার সঠিক তদন্ত হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।উল্লেখযোগ্যভাবে, এই অভিযোগপত্রে নাম থাকা জাহাঙ্গির খানকে ইতিমধ্যেই অন্য একটি মামলায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিযোগে নাম থাকা অন্যদের বিরুদ্ধে পুলিশ কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।সাড়ে সাত বছর আগের একটি রাজনৈতিক হামলার অভিযোগ নতুন করে সামনে আসায় রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। তদন্তে কী তথ্য উঠে আসে এবং অভিযোগের ভিত্তিতে প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

জুন ১০, ২০২৬
কলকাতা

জাহাঙ্গির গ্রেফতারের পরেই আগুন! জেলা পরিষদের দফতরে অগ্নিকাণ্ড ঘিরে বাড়ছে রহস্য

আলিপুরে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা পরিষদের বহুতল দফতরে আগুন লাগার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বুধবার সকাল প্রায় পৌনে দশটা নাগাদ স্থানীয় বাসিন্দারা ভবন থেকে কালো ধোঁয়া বের হতে দেখেন। এরপরই খবর দেওয়া হয় দমকলকে। অল্প সময়ের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকলের একাধিক ইঞ্জিন এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ শুরু হয়।জানা গিয়েছে, যে অংশে আগুন লাগে সেটি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা পরিষদের দফতর। আগুন লাগার পর গোটা এলাকা কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। বিশেষভাবে নজরে এসেছে জাহাঙ্গির খানের ব্যবহৃত দফতরেও আগুন লাগার ঘটনা। স্থানীয় সূত্রের দাবি, সপ্তাহে কয়েকদিন তিনি ওই দফতরে আসতেন এবং তাঁর সঙ্গে বহু লোকজনের যাতায়াত ছিল। তিনি গ্রেফতার হওয়ার পরপরই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটায় নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।জানা যাচ্ছে, ভবনের চারতলায় বসতেন জাহাঙ্গির খান। ফলে ওই অংশে আগুন লাগার ঘটনা ঘিরে জল্পনা আরও বেড়েছে। ঠিক কী কারণে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দমকল এবং প্রশাসন ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখছে।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডা। তাঁর দাবি, জেলা পরিষদের পূর্ত দফতরের গুরুত্বপূর্ণ নথি নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালীন জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কাটমানি এবং সরকারি অর্থ তছরুপের অভিযোগ উঠেছিল।বিধায়কের দাবি, এই অভিযোগের ভিত্তিতে চারটি ঠিকাদারি সংস্থা সম্প্রতি ফলতা থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছে। সেই অভিযোগের তদন্তে বুধবার পুলিশ প্রশাসনের জেলা পরিষদে গিয়ে নথিপত্র খতিয়ে দেখার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই সংশ্লিষ্ট দফতরে আগুন লাগার ঘটনা অত্যন্ত সন্দেহজনক বলে মনে করছেন তিনি।দেবাংশু পাণ্ডার অভিযোগ, দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই এই আগুন লাগানো হয়ে থাকতে পারে। তিনি ঘটনার নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।অন্যদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে কোনও চূড়ান্ত মন্তব্য করা হয়নি। দমকল, পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কী কারণে আগুন লাগল এবং কোনও নথি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।তবে জাহাঙ্গির খানের গ্রেফতারের পরপরই তাঁর সঙ্গে যুক্ত দফতরে আগুন লাগার ঘটনায় রাজনৈতিক মহল থেকে প্রশাসনিক স্তরসব জায়গাতেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা। অগ্নিকাণ্ড নিছক দুর্ঘটনা, নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও কারণ, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি।

জুন ১০, ২০২৬
রাজ্য

শুভেন্দুর মন্ত্রিসভায় কার হাতে যাচ্ছে কোন দফতর? সামনে এল সম্ভাব্য তালিকা, চমকে দিতে পারে একাধিক নাম

গত পয়লা জুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন মোট পঁয়ত্রিশ জন। কিন্তু এখনও তাঁদের মধ্যে কার হাতে কোন দফতরের দায়িত্ব যাবে, তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। ফলে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন সূত্র মারফত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দফতরের সম্ভাব্য মন্ত্রীদের নাম সামনে এসেছে।শপথ নেওয়া পঁয়ত্রিশ জনের মধ্যে তেরো জন পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। তিন জন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী এবং উনিশ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। এখন সবার নজর দফতর বণ্টনের দিকে।সূত্রের খবর, অর্থ দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন রাসবিহারীর বিধায়ক স্বপন দাশগুপ্ত। বাণিজ্য দফতরের দায়িত্ব যেতে পারে মানিকতলার প্রবীণ বিধায়ক তাপস রায়ের হাতে। উচ্চশিক্ষা দফতরের পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষা দফতরের দায়িত্বও সিউড়ির বিধায়ক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের হাতে যেতে পারে বলে জল্পনা রয়েছে।অন্যদিকে স্কুল শিক্ষা দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন ফালাকাটার বিধায়ক দীপক বর্মণ। স্বাস্থ্য দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বিধাননগরের বিধায়ক ও চিকিৎসক শারদ্বত মুখোপাধ্যায়কে।এ ছাড়াও আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দফতর নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। নোয়াপাড়ার বিধায়ক অর্জুন সিং পরিবহণ দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন। একই সঙ্গে শ্রম দফতরের দায়িত্বও তাঁর হাতে থাকতে পারে বলে সূত্রের দাবি। কুমারগ্রামের বিধায়ক মনোজ ওরাওঁ পরিবেশ ও বন দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন। ময়ূরেশ্বরের বিধায়ক দুধকুমার মণ্ডলের হাতে যেতে পারে কৃষি দফতর। শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ পর্যটন দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন বলেও আলোচনা চলছে। কাঁথি দক্ষিণের বিধায়ক অরূপ দাসের হাতে সেচ দফতরের দায়িত্ব যেতে পারে।স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রীদের ক্ষেত্রেও সম্ভাব্য দায়িত্ব নিয়ে জল্পনা রয়েছে। তুফানগঞ্জের বিধায়ক মালতী রাভা রায় নারী ও শিশু কল্যাণ এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠী দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন। সোনামুখীর বিধায়ক দিবাকর ঘরামী বন দফতরের প্রতিমন্ত্রী হতে পারেন। করণদিঘির বিধায়ক বিরাজ বিশ্বাস উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন ও আইন দফতরের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেতে পারেন। কালচিনির বিধায়ক বিশাল লামা সংখ্যালঘু ও পার্বত্য বিষয়ক দফতরের প্রতিমন্ত্রী হতে পারেন। বলাগড়ের বিধায়ক সুমনা সরকার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের প্রতিমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্বরাষ্ট্র দফতর নিজের হাতেই রাখতে পারেন। পাশাপাশি আইন দফতরের দায়িত্বও তিনি নিজের কাছেই রাখতে পারেন বলে জল্পনা চলছে।তবে এখনও পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনও ঘোষণা হয়নি। ফলে কোন মন্ত্রীর হাতে শেষ পর্যন্ত কোন দফতর যায়, তা জানতে অপেক্ষা করতে হচ্ছে রাজনৈতিক মহলকে। এখন সবার নজর, কবে আনুষ্ঠানিকভাবে দফতর বণ্টনের ঘোষণা করা হয় এবং শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত রূপরেখা সামনে আসে।

জুন ১০, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলে আরও বড় ধাক্কা! সুখেন্দুর পর এবার ইস্তফা সুস্মিতা দেবের, বাড়ছে জল্পনা

তৃণমূল কংগ্রেসে অস্বস্তি আরও বাড়ল। এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বার রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন দলের এক সদস্য। সুখেন্দু শেখর রায়ের পর এবার পদত্যাগ করলেন সুস্মিতা দেব। বুধবার তিনি রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সি পি রাধাকৃষ্ণনের কাছে নিজের ইস্তফাপত্র জমা দেন।রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে অসন্তোষের খবর সামনে আসছে। বিভিন্ন স্তরে মতভেদের আলোচনা চলার মধ্যেই একের পর এক সাংসদের পদত্যাগ দলকে অস্বস্তিতে ফেলেছে।দলীয় সূত্রে জল্পনা, আরও কিছু নেতা ও সাংসদ ভবিষ্যতে একই পথে হাঁটতে পারেন। রাজনৈতিক মহলে এমনও আলোচনা চলছে যে সদ্য রাজ্যসভার সদস্য হওয়া কোয়েল মল্লিকও পদত্যাগ করতে পারেন। যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি।সুস্মিতা দেব দীর্ঘদিন কংগ্রেসের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অসমের শিলচর লোকসভা কেন্দ্র থেকে তিনি সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে দুই হাজার উনিশ সালের লোকসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর কংগ্রেস ছাড়েন তিনি। পরে দুই হাজার একুশ সালে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন।দলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই সুস্মিতা দেবকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি দলের জাতীয় মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেন। পরে তাঁকে রাজ্যসভার সাংসদও করা হয়। পাশাপাশি অসমে দলের সংগঠন বিস্তারের দায়িত্বও তাঁর কাঁধে তুলে দেওয়া হয়েছিল।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সুস্মিতা দেবের পদত্যাগ শুধুমাত্র সংসদীয় রাজনীতিতেই নয়, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সংগঠনেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে উত্তর-পূর্ব ভারতে দলের বিস্তারের পরিকল্পনার ক্ষেত্রে এই ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে সংসদের দুই কক্ষেই এখন নতুন সমীকরণ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। লোকসভায় দলের কিছু সাংসদ আলাদা অবস্থান নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। অন্যদিকে রাজ্যসভায়ও তৃণমূলের সাংসদ সংখ্যা কমছে। সুখেন্দু শেখর রায় ও সুস্মিতা দেবের ইস্তফার ফলে দলের শক্তি আগের তুলনায় কমেছে। ভবিষ্যতে আরও কোনও পদত্যাগ হলে সেই চাপ আরও বাড়তে পারে।সব মিলিয়ে একের পর এক ইস্তফা এবং দলীয় অন্দরের অসন্তোষের খবরে তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা তীব্র হয়েছে। আগামী দিনে দলের নেতৃত্ব পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১০, ২০২৬
রাজ্য

অরূপ বিশ্বাসকে বড় ধাক্কা হাইকোর্টে! বিচারপতির কড়া নির্দেশে বাড়ল চাপ

মেসিকাণ্ডে গ্রেফতারির আশঙ্কা করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। তবে আদালত তাঁকে কোনও রক্ষাকবচ দেয়নি। বুধবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পুলিশের ডাকে হাজিরা দিতেই হবে অরূপ বিশ্বাসকে। হাজিরার অন্তত আটচল্লিশ ঘণ্টা আগে নোটিস দিতে হবে পুলিশকে। তদন্তে কোনও স্থগিতাদেশ নয়, তদন্ত নিজের গতিতেই চলবে। একই সঙ্গে তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।আদালত অরূপ বিশ্বাসের উপর একাধিক শর্তও আরোপ করেছে। বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী, আদালতের অনুমতি ছাড়া তিনি রাজ্যের বাইরে যেতে পারবেন না। তাঁকে নিজের পাসপোর্ট নিম্ন আদালতে জমা রাখতে হবে। পাশাপাশি কোনও সাক্ষীকে প্রভাবিত করা বা ভয় দেখানোর চেষ্টা করা যাবে না বলেও স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে আদালত।শুধু অরূপ বিশ্বাসকেই নয়, পুলিশকেও বেশ কিছু নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। বিচারপতি জানিয়েছেন, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারের তত্ত্বাবধানে এই ঘটনার তদন্ত হবে। কীভাবে এমন পরিস্থিতি তৈরি হল, তার নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে। চার সপ্তাহের মধ্যে তদন্তের রিপোর্ট আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এই মুহূর্তে গ্রেফতারের মতো কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়ার কথাও জানিয়েছে আদালত।শুনানির সময় অরূপ বিশ্বাসের আইনজীবী আদালতের কাছে আবেদন করেন, তাঁর মক্কেলকে নিরাপত্তা দেওয়া হোক। আদালত এ বিষয়ে পর্যবেক্ষণ করে জানায়, অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে অন্য কোনও মামলা রয়েছে কি না, সে বিষয়েও তথ্য জমা দিতে হবে।এ দিনের শুনানিতে গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, এই ঘটনায় রাজ্যের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিচারপতির প্রশ্ন, কীভাবে একজন রাজনৈতিক নেতা আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ফুটবলারের এত কাছাকাছি পৌঁছে গেলেন? এতে তাঁর নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়নি কি? দেশের অন্য জায়গায় এমন ঘটনা ঘটেনি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।বিচারপতি আরও বলেন, সেদিন মাঠে বহু দর্শক ও মেসি-সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। নিরাপত্তাজনিত কারণে মেসিকে আগেভাগে অনুষ্ঠানস্থল ছাড়তে হয়েছিল। ফলে বহু মানুষের প্রত্যাশা ভেঙে যায় এবং গোটা ব্যবস্থাপনায় চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।শুনানির সময় বিচারপতি জানতে চান, পুলিশ বারবার দেখা করতে বললেও অরূপ বিশ্বাস কেন যাচ্ছেন না। উত্তরে তাঁর আইনজীবী জানান, আদালত রক্ষাকবচ দিলে তিনি পরদিনই তদন্তে যোগ দেবেন।অন্যদিকে রাজ্যের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, অরূপ বিশ্বাস প্রভাবশালী ব্যক্তি হওয়ায় তিনি তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করতে পারেন অথবা সাক্ষীদের প্রভাবিত করতে পারেন। রাজ্যের আইনজীবী আরও জানান, এর আগেও পুলিশ তাঁকে নোটিস পাঠিয়েছিল, কিন্তু তিনি সেই নোটিসের জবাব দেননি। তাই তাঁকে বিশেষ কোনও রক্ষাকবচ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।তবে সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি জানান, এই মুহূর্তে অরূপ বিশ্বাসকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজন রয়েছে বলে আদালত মনে করছে না। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, যে ঘটনার অভিযোগ প্রায় ছয় মাস পরে দায়ের করা হয়েছে, সেখানে এতদিন পর সাক্ষীদের ভয় দেখানোর আশঙ্কা কতটা বাস্তব, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।সব মিলিয়ে মেসিকাণ্ডে তদন্ত চলবে, তবে আপাতত গ্রেফতারের আশঙ্কা থেকে কিছুটা স্বস্তি পেলেও আদালতের কড়া নজরদারি এবং একাধিক শর্তের মুখে পড়লেন অরূপ বিশ্বাস। এই মামলার পরবর্তী শুনানি এবং তদন্তের অগ্রগতি এখন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের বিশেষ নজরে।

জুন ১০, ২০২৬
দেশ

সেনা শিবিরে আচমকা বিস্ফোরণ! মুহূর্তে প্রাণ গেল দুই জওয়ানের, শোকস্তব্ধ দেশ

জম্মু ও কাশ্মীরে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন দুই সেনা জওয়ান। উরির একটি সেনা শিবিরে হ্যান্ড গ্রেনেড বিস্ফোরণের ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার পর মৃত্যু হয় তাঁদের। মঙ্গলবার বারামুলা জেলার উরি সেক্টরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকেই গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে সেনাবাহিনী।সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, উরির কমলকোট এলাকার একটি সেনা শিবিরে নিয়মিত অস্ত্র হস্তান্তরের কাজ চলছিল। সেই সময় আচমকাই একটি হ্যান্ড গ্রেনেড বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের জেরে গুরুতর আহত হন দুই জওয়ান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের উদ্ধার করে ভারতীয় সেনার নিরানব্বই বেস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকদের সমস্ত চেষ্টা সত্ত্বেও শেষরক্ষা হয়নি। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই মৃত্যু হয় তাঁদের।জানা গিয়েছে, মৃত দুই জওয়ানই মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা। এই মর্মান্তিক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে তাঁদের পরিবার এবং সহকর্মীদের মধ্যে। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকেও গভীর শোকপ্রকাশ করা হয়েছে।উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেও জম্মু ও কাশ্মীরে এক সেনা আধিকারিকের মৃত্যুর ঘটনা সামনে এসেছিল। রাজৌরি জেলায় জঙ্গিবিরোধী অভিযানের সময় দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান লেফটেন্যান্ট বীরেশ্বর গোস্বামী। সেনা সূত্রে জানা যায়, পাহাড়ি এলাকায় অভিযান পরিচালনার সময় তিনি একটি গভীর খাদে পড়ে যান। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের দুই জওয়ানের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ সেনাবাহিনী।এদিকে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরি-সহ একাধিক জেলায় জঙ্গি দমনে ব্যাপক অভিযান চালাচ্ছে ভারতীয় সেনা। গোপন সূত্রে জঙ্গিদের উপস্থিতির খবর পাওয়ার পর শুরু হয় বিশেষ অভিযান। জঙ্গলঘেরা বিস্তীর্ণ এলাকায় চলছে তল্লাশি। এখনও পর্যন্ত কোনও জঙ্গির খোঁজ না মিললেও সেনাবাহিনীর ধারণা, তারা বারবার অবস্থান পরিবর্তন করছে।উরির সেনা শিবিরে কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল এবং বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ কী, তা জানতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে সেনাবাহিনী। তদন্তের রিপোর্ট সামনে এলেই পুরো ঘটনার বিস্তারিত ছবি স্পষ্ট হবে।

জুন ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal