• ৭ ভাদ্র ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ed

রাজ্য

Mamata Bannerjee: বাধা বৃষ্টি, স্থগিত মুখ্যমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গ সফর

বঙ্গে পা রেখেই ঝোড়ো ইনিংস শুরু করেছে বর্ষা (Monsoon)। তার উপর আবার নিম্নচাপ। দুয়ের চাপে রাজ্যজুড়ে চলছে দুর্যোগ। একটানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন বহু এলাকা। চিন্তা বাড়াচ্ছে নদীর জলস্তর বৃদ্ধিও। শনিবার পর্যন্ত এমন আবহাওয়া জারি থাকবে বলেই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। খারাপ আবহাওয়ার কারণে তাই উত্তরবঙ্গ সফর আপাতত স্থগিত করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।আগামী ২১ জুন উত্তরবঙ্গ সফরে যাওয়ার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee)। তৃতীয়বার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেওয়ার পর এটাই ছিল তাঁর প্রথম উত্তরবঙ্গ সফর। তাই এবারের উত্তরবঙ্গ সফর বেশ গুরুত্বপূর্ণ ছিল। গত লোকসভার মতো বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে বেশ কঠিন লড়াই করতে হয়েছে ঘাসফুল শিবিরকে। হাতছাড়া হয়েছে বহু আসন। তাই মনে করা হচ্ছে কী কারণে ভোটবাক্সের এমন অবস্থা হল, তা খতিয়ে দেখতেই মুখ্যমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গ সফর। তাছাড়া উত্তরবঙ্গে প্রায়শই দলীয় কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ-বিক্ষোভের কথা শোনা যায়। তা প্রশমন করাও লক্ষ্য ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এছাড়া দলনেত্রীর উত্তরবঙ্গ সফর স্থানীয় দলীয় কর্মীদের মনোবল যে বেশ খানিকটা বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট, তা নিয়ে নতুন করে কিছুই বলার নেই। এছাড়াও এবারের উত্তরবঙ্গ সফরে পাঁচ জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে শিলিগুড়িতে বৈঠকেরও কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। সেক্ষেত্রে আধিকারিকদের নিজস্ব জায়গা ছেড়ে শিলিগুড়িতে আসতে হত। তার ফলে ত্রাণ এবং প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্তদের উদ্ধারকাজ থমকে যেতে পারে, তাই উত্তরবঙ্গ সফর স্থগিতের সিদ্ধান্ত বলেই জানিয়েছেন গৌতম দেব।

জুন ১৮, ২০২১
রাজ্য

বোমা উদ্ধার

বোমা উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ালো বর্ধমান পুরসভার ২৬ নং ওয়ার্ডের গোদা মাঝের পাড়া এলাকায়। বর্ধমান থানার পুলিশ পৌঁছে ঘটনাস্থল থেকে ২ দুটি তাজা বোমা উদ্ধার করে।এলাকায় অশান্তি ও ভয়ের বাতাবরণ সৃষ্টির লক্ষ্যেই দুষ্কৃতীরা এই বোমাগুলি রেখেছিল বলে দাবী স্থানীয়দের।কোথা থেকে এল বোমাগুলি বা কারা রাখলো বোমাগুলি তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। যদিও পুরো ঘটনায় এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

জুন ১৭, ২০২১
কলকাতা

Monsoon: প্রবল বৃষ্টিতে বানভাসি অবস্থা হাওড়ার

রাত থেকে একটানা অতিভারী বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে হাওড়া শহরের বিস্তীর্ণ এলাকা। এর জেরে জনজীবন কার্যত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ। নিচু এলাকা জলে ডুবে রয়েছে। পুরনিগম এলাকার অধিকাংশ ওয়ার্ডে জল জমেছে। বুধবার দিনভর দফায় দফায় বৃষ্টির পর সারারাত অতিভারী বৃষ্টি হয়। টানা ভারী বৃষ্টির জেরে হাওড়া শহর জলমগ্ন হয়ে পড়ে। হাওড়ার পঞ্চাননতলা, বেলিলিয়াস রোড, বেনারস রোড, ইস্ট ওয়েস্ট বাইপাস, টিকিয়াপাড়া, লিলুয়া ভূতবাগান, পেয়ারাবাগান, কোনা, জিটি রোড জলমগ্ন হয়। এছাড়াও বেনারস রোডের কামিনী স্কুল লেন, ঘোষপাড়া, মহীনাথপাড়া, অক্ষয় চ্যাটার্জ্জি লেন, ৬ ও ৭ নং ওয়ার্ডের বিস্তীর্ণ এলাকা, তিনকড়ি নাথ লেন, সীতানাথ বোস লেন-সহ ১০ নং ওয়ার্ড এদিনের বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়। নিম্নচাপ ও মৌসুমী বায়ুর জোড়া প্রভাবে মুষলধারের বৃষ্টিতে টিকিয়াপাড়া রেল স্টেশনের কাছে রাস্তা প্রায় ফুট তিনেক জলের তলায় চলে গিয়েছে। এছাড়াও বালিখাল, বালি মিল, অভয়নগর, বসুকাটি, বোসপাড়া বেলুড় স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় জলের তলায় চলে যায়। বি গার্ডেন কোলে মার্কেটের মতো এলাকায় হাঁটু সমান জল দাঁড়িয়ে যায়। শুধু তাই নয়, ঘুসুড়ির জেএন মুখার্জি রোড-সহ হাওড়ার বিস্তীর্ণ এলাকায় জল জমে যায়। এদিন ইস্ট ওয়েস্ট বাইপাসে টিকিয়াপাড়া রেল স্টেশনের কাছে রাস্তায় জমা জল ঢুকে বিকল হয়ে যায় একটি অ্যাম্বুল্যান্স।রোগী নামিয়ে ফেরার পথে অ্যাম্বুল্যান্সটি বিকল হয় বলে জানা গিয়েছে। পুরসভার তরফ থেকে পুর প্রশাসকমণ্ডলীর সদস্য ভাস্কর ভট্টাচার্য্য বলেন, সব মিলিয়ে ৪৫ টি পাম্প চালানো হয়েছে। এর সঙ্গে সঙ্গে চলছে হাওড়া পুরনিগমের ৯টি এবং কেএমডিএ-র ২টি পাম্পিং স্টেশন। সকাল থেকে জোয়ার ছিল। ওই সময় লকগেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। বারোটার পর ভাটার সময় লক গেট খোলা হয়েছে। তার আগে জল বার করা সম্ভব হয়নি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, যদি মুষলধারে বৃষ্টি আর না হয় তাহলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে। তাঁর দাবি, যেসব জায়গায় বেশি পরিমাণ জল দাঁড়ায় ওই সকল জায়গায় জলের উচ্চতা অনেকটাই কমেছে। সকাল থেকে বৃষ্টি না হওয়ায় আশা করছেন লক গেট খুলে দেওয়ায় খুব তাড়াতাড়ি জল অনেকটাই নেমে যাবে। বর্ষায় বিভিন্ন প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যেমন নিকাশি নালার পরিষ্কার করার কাজ চলছিল। অনেকটাই কাজ হয়ে গিয়েছে। যেসব পাম্পগুলো খারাপ হয়ে গিয়েছিল সেগুলো ঠিক করা হয়েছে। বাকি যে কাজ আছে সেগুলোর কাজ চলছে। গত বুধবার প্রচণ্ড বৃষ্টি হয়। এর পাশাপাশি সকাল থেকেও সেই বৃষ্টি হয়ে যাচ্ছিল। যদি এই বৃষ্টি না হতো তাহলে জলের স্তর অনেকটা কমে যেত। উল্লেখ্য, বর্ষার আগে হাওড়া শহরের রাস্তায় জমা জল জমার মতো সমস্যা সমাধানে গত ১৮মে হাওড়া শরৎ সদনে এক বৈঠক হয়। সেখানে কেএমডিএ, সেচ, এইচ আই টি-র ইঞ্জিনিয়াররা উপস্থিত ছিলেন। এই বৈঠকে স্থায়ী জল সমস্যা সমাধানের জন্য সাতাশটি জায়গাকে চিহ্নিত করা হয়েছিল।

জুন ১৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Shooting: বন্ধ বাংলা ধারাবাহিকের শুটিং, টলিপাড়ার কপালে চিন্তার ভাঁজ

সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী ৫০ জনকে নিয়ে বুধবার থেকেই শুরু হয়েছিল মেগা ধারাবাহিকের শুটিং (Shooting)। অভিযোগ, কিছুক্ষণের মধ্যেই থমকে গেল শুটিং। রীতিমতো হুমকি দিয়ে কলাকুশলী এবং ভেন্ডারদের ধারাবাহিকের প্রয়োজনীয় সামগ্রী দিতে ফেডারেশন বারণ করেছে বলে অভিযোগ। তার ফলে অনিশ্চিত মিঠাই, খড়কুটো, অপরাজিতা অপু-সহ ২০টি ধারাবাহিকের কলাকুশলীদের ভবিষ্যৎ।বুধবার বিকেলে প্রযোজক, বিভিন্ন চ্যানেল কর্তা এবং আর্টিস্ট ফোরাম যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন করে। ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন প্রোডিউসর্স-এর সভাপতি শৈবাল বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কাজ বন্ধ থাকলে গোটা ইন্ডাস্ট্রিরই ক্ষতি হচ্ছে। তাও কেন ফেডারেশন কাজ বন্ধ করে দিল, তা বোঝা যাচ্ছে না। মুখ্যমন্ত্রী বাড়ি থেকে কাজকে মান্যতা দিলেও কেন ফেডারেশন তার বিরোধিতা করছে, সাংবাদিক সম্মেলনে সেই প্রশ্ন তোলে প্রযোজক, বিভিন্ন চ্যানেল কর্তা এবং আর্টিস্ট ফোরাম (Artist Forum)। সমস্যা সমাধানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।করোনা মোকাবিলায় রাজ্যজুড়ে কড়া বিধিনিষেধ জারি করা হয়। তার ফলে আচমকাই বন্ধ হয়ে যায় শুটিং। সেই সময় শুটিং ফ্রম হোম শুরু হয়। নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও শুটিং চলায় ফেডারেশনের রোষের শিকার হয় কৃষ্ণকলি, তিতলি, অপরাজিতা অপু, গ্রামের রাণী বীণাপাণি, বরণ, খেলাঘর, যমুনা ঢাকি, গঙ্গারাম, জীবন সাথী, মিঠাই, সাঁঝের বাতি, খড়কুটো, শ্রীময়ী, মোহর, দেশের মাটি, রিমলি, ওগো নিরুপমা, ফেলনা, কি করে বলবো তোমায়, ধ্রুবতারা-সহ ২০টি ধারাবাহিকের কলাকুশলীরা। ফেডারেশনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, নতুন চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত কোনও টেকনিশিয়ান নির্দিষ্ট ২০টি ধারাবাহিকে কাজ করতে পারবেন না। সেই অনুযায়ী রাজ্যে বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল হলেও টলিপাড়ার ছবিটা রইল একইরকম।

জুন ১৭, ২০২১
রাজ্য

Covid Hospital: রাজ্যে ২টি হাসপাতাল তৈরি করতে অর্থ বরাদ্দ পিএম কেয়ার্সের

কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরীকে দেওয়া কথা রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। বহরমপুর এবং কল্যাণীতে জোড়া কোভিড হাসপাতাল তৈরির কাজ শুরু করে দিল DRDO। ওই হাসপাতাল দুটির জন্য PM-CAERS তহবিল থেকে ৪১.৬২ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। বুধবার প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর সূত্রে এমনই খবর মিলেছে।মুর্শিদাবাদে কোভিড চিকিৎসার উপযুক্ত পরিকাঠামো নেই। এই অভিযোগ তুলে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে বহরমপুরে ৫০০ বেডের একটি অস্থায়ী কোভিড হাসপাতাল তৈরি করার অনুরোধ জানান অধীর (Adhir Ranjan Chowdhury)। চিঠি লেখার পাশাপাশি সিবিআই প্রধান নির্বাচনের বৈঠকের ফাঁকে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে এই অস্থায়ী হাসপাতালের ব্যবস্থা করতে অনুরোধ করেন বহরমপুরের সাংসদ। সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী তাঁকে আশ্বাস দেন, দ্রুত তাঁর লোকসভা কেন্দ্রে একটি বড় অস্থায়ী কোভিড হাসপাতাল তৈরি করবে DRDO। প্রথমে ঠিক ছিল ১ হাজার বেডের একটি অস্থায়ী কোভিড হাসপাতাল বহরমপুরে তৈরি হবে। সেই অনুযায়ী জমিও চাওয়া হয়।কিন্তু পরে দেখা যায় বহরমপুরে যে জায়গা হাসপাতালের জন্য বরাদ্দ হয়েছে, তাতে মেরেকেটে আড়াইশো বেডের হাসপাতাল তৈরি হতে পারে। তারপরই কেন্দ্রের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, PM CARES-এর টাকায় বহরমপুরে একটি এবং কল্যাণীতে একটি অস্থায়ী হাসপাতাল তৈরি করা হবে। দুটি হাসপাতালই তৈরি হবে আড়াশো বেডের। বুধবারই হাসপাতালগুলি তৈরির জন্য ৪১.৬২ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, দুটি হাসপাতাল তৈরির পাশাপাশি মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে একটি অক্সিজেন প্লান্ট তৈরিরও অনুরোধ জানিয়েছিলেন অধীর। DRDO ইতিমধ্যেই সেই প্লান্ট তৈরি করে দিয়েছে।

জুন ১৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

প্রয়াত স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত

প্রয়াত অভিনেত্রী স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত (Swatilekha Sengupta)। দীর্ঘদিন ধরে কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শহরের এক বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। ছোট পর্দার পাশাপাশি থিয়েটারের মঞ্চে দাপিয়ে অভিনয় করে গিয়েছেন স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত। বিখ্যাত থিয়েটার শিল্পী রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্তর স্ত্রী ছিলেন তিনি। অভিনেত্রীর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।১৯৮৪ সালে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় এবং ভিক্টর বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে পর্দায় অভিনয়ের যাত্রা শুরু স্বাতীলেখার। সত্যজিৎ রায়ের বিখ্যাত ছবি ঘরে বাইরে-র বিমলা অভিনয় নিয়ে আজও প্রশংসায় পঞ্চমুখ বাংলা ছবির দর্শক। সেই থেকে সৌমিত্র ও স্বাতীলেখার জুটিকে পছন্দ করেছিলেন অনুরাগীরা। কিন্তু তার পরে মঞ্চের বাইরে দেখা যায়নি তাঁকে। দীর্ঘ ৩১ বছর পরে সৌমিত্রর সঙ্গেই পর্দায় ফিরলেন তিনি। প্রযোজক-পরিচালক নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের হাত ধরে বড় পর্দায় দেখা যায় তাঁকে। বেলা শেষে ছবিতে সৌমিত্র-স্বাতীলেখার রসায়ন দেখে আপ্লুত দর্শকদের জন্য ফের বেলাশুরু-তে অভিনয় করেন তাঁরা। কিন্তু ছবি মু্ক্তি পাওয়ার আগেই চলে গেলেন নায়ক-নায়িকা। গত বছর নভেম্বর মাসে মৃত্যু হয় সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের। বুধবার চলে গেলেন স্বাতীলেখাও।১৯৭০ সালে ইলাহাবাদে মঞ্চজীবন শুরু তাঁর। মঞ্চজীবনে পেয়েছেন বিভি করন্থ, তাপস সেন এবং খালেদ চৌধুরীর মতো ব্যক্তিত্বের সান্নিধ্য। ১৯৭৮ সালে নান্দীকার নাট্যদলের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন তিনি। সেখানেই আলাপ ও প্রেম হয় নাট্যব্যক্তিত্ব রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্তের সঙ্গে। তার পরে বিয়ে এবং সংসার। ভারতীয় নাট্যজগতে তাঁর অবদানের জন্য সঙ্গীত নাটক অ্যাকাডেমি পুরস্কারও পেয়েছিলেন প্রয়াত অভিনেত্রী। তাঁর কন্যা সোহিনী সেনগুপ্তও একই ভাবে নাট্য ও পর্দার জগতে নিজের পরিচয় তৈরি করেছেন। মঞ্চে শঙ্খপুরের সুকন্যা, মাধবী, পাতা ঝরে যায় ইত্যাদিতে তাঁর প্রতিভার স্বাক্ষর রেখাছিলেন স্বাতীলেখা। নান্দীকার-এর বেশ কিছু নাটকের সঙ্গীত পরিচালকের দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি।

জুন ১৬, ২০২১
কলকাতা

Shovon-Baishakhi: শোভনের সঙ্গে নতুন ইনিংস শুরু বৈশাখীর!

রাতারাতি বদলে গেল বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Baishakhi Banerjee) ফেসবুক প্রোফাইল। বৈশাখীর সঙ্গে জুড়ে গেল বন্ধু শোভনের নাম। শুধু নামই নয়, পালটে গিয়েছে তাঁর প্রোফাইল পিকচারও। ছবিতে হাসি হাসি মুখে একে অপরের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন শোভন ও বৈশাখী। ক্যাপশনে লেখা The journey from Me to We begins। অর্থাৎ শুধু আমি থেকে আমাদের একসঙ্গে পথচলা শুরু।তাঁদের বন্ধুত্ব নিয়ে চর্চার অন্ত নেই। রাজনীতির আঙিনাতেও বারবার তাঁদের ব্যক্তিগত সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কখনও বিরোধীরা তীব্র কটাক্ষ করেছেন তাঁদের বন্ধুত্ব নিয়ে, তো কখনও আবার শোভনপত্নী রত্না চট্টোপাধ্যায় প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। কিন্তু কোনও সমালোচনা কিংবা কটাক্ষকেই গুরুত্ব দেননি শোভন ও বৈশাখী। ভাল-মন্দ সবসময়ই একে অপরের পাশে থেকেছেন। আনন্দ যেমন একসঙ্গে সেলিব্রেট করেছেন, তেমন দুঃসময়েও পরস্পরের ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন। বঙ্গ রাজনীতির সেই অতিচর্চিত জুটিই এবার নয়া ইনিংস শুরু করতে চলেছেন! তবে কি সম্পর্ককে বন্ধুত্বের ঊর্ধ্বে নতুন কোনও নাম দিতে চলেছেন তাঁরা? বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফেসবুক প্রোফাইলের নাম বদলে যাওয়ার পর থেকে এমনই সব প্রশ্ন মাথাচাড়া দিতে শুরু করেছে।ফেসবুকে শোভনের নাম যুক্ত করা প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমে বৈশাখী জানিয়েছেন, প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ের অনুমতি নিয়েই প্রোফাইলের নাম বদল। বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় নামে আর আলাদা কোনও প্রোফাইল রইল না। যদিও এখনই কেন এমন সিদ্ধান্ত, তা খোলসা করেননি তিনি।সম্প্রতি বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেওয়া শোভনের ফেসবুক লাইভ নিয়ে উত্তেজনার পারদ চড়েছিল। আরও একবার প্রকাশ্যে এসেছিল শোভন-রত্না গৃহবিবাদ। বেহালা পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক রত্না চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন শোভন (Sovan Chatterjee)। রত্না চট্টোপাধ্যায় কটাক্ষ করে বলেন, দুজন কলঙ্কিত নায়ক-নায়িকা। ছাত্র-যুব সমাজকে কী শেখাচ্ছেন? তাঁরা যেন আমায় শিক্ষা দিতে না আসে। তারপরই বৈশাখীর প্রোফাইলের নামবদল ও নয়া পথচলা শুরুর বার্তা অত্যন্ত ইঙ্গিতবাহী বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জুন ১৬, ২০২১
দেশ

Terrorist attack: উপত্যকায় গুলির লড়াইয়ে নিকেশ ১ জঙ্গি

ফের গুলির লড়াইয়ে কাঁপল জম্মু ও কাশ্মীর (Jammu Kashmir)। রাতভর চলা সংঘর্ষের শেষে বুধবার সকালে নিকেশ হয়েছে এক সন্ত্রাসবাদী।পুলিশ সূত্রে খবর, গোপন খবরের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে শ্রীনগরের নৌগাওঁ এলাকায় জঙ্গিদের একটি ঘাঁটি ঘিরে ফেলে নিরাপত্তারক্ষীরা। ওই অভিযান চালায় ফৌজ, আধা সামরিক বাহিনী ও পুলিশের একটি যৌথদল। জওয়ানদের উপস্থিতি জানতে পেরে গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা। পালটা হামলা চালান জওয়ানরাও। রাতভর চলা তুমুল সংঘর্ষের পর বুধবার সকালে এক জঙ্গির দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কাশ্মীর পুলিশ জানিয়েছে, এখনও সংঘর্ষস্থলে আরও এক জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে। তার সন্ধানে অভিযান চলছে। ওই এলাকায় ঢোকার ও বের হওয়ার সমস্ত পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত মৃত জঙ্গির পরিচয় জানা যায়নি। সে কোন জেহাদি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।উল্লেখ্য, গত শনিবার সোপোরের (Sopore) আরামপোরায় একটি চেকপোস্টে হামলা চালায় পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তইবা। ওই ঘটনায় দুই পুলিশকর্মী এবং দুজন সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়। আহত হন দুজন নিরাপত্তা আধিকারিকও। সম্প্রতি জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযানে বেশ বড়সড় সাফল্য পেয়েছিল ভারত। গতমাসেই কেন্দ্রশাসিত প্রদেশটির অনন্তনাগ জেলার কোকেরনাগ এলাকায় নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় সন্ত্রাসবাদীদের। সেই গুলির লড়াইয়ে নিকেশ হয়েছিল কুখ্যাত তিন লস্কর জঙ্গি। ঘটনাস্থল থেকে বেশ কয়েকটি অত্যাধুনিক মারণাস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছিল।

জুন ১৬, ২০২১
বিদেশ

Mud Racing: টেক্সাসে কাদা রেসিং ইভেন্টে দুর্ঘটনায় মৃত ১, গুরুতর আহত ৮

রবিবার রাতে টেক্সাসের একটি কাদা রেসিং (Mud Racing) ইভেন্টে একটি গাড়ি ভিড়ের মধ্যে ঢুকে যাওয়ায় আটজন আহত হয়। এল পাসো কাউন্টি শেরিফ দপ্তর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিকাল ৬টা ৩৫ মিনিট নাগাদ প্রতিযোগিতা চলাকালীন একটি গাড়ি মাটির ট্র্যাক ছেড়ে গার্ড রেল ভেঙ্গে দর্শকদের মধ্যে ঢুকে গিয়ে আঘাত করে। তিনজন দর্শককে গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে এবং পাঁচজনকে স্থানীয় স্বাস্থকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে একজন মারা যান। আহতদের কাউকেই পুলিশ সনাক্ত করতে পারেনি।এল পাসো অঞ্চলের নিরাপত্তা সংস্থা রক সলিড প্রোটেকশন-র কর্নধার স্কট স্মিথ এক সাংবাদিক সন্মেলনে বলেছেন, আজ রেসের সময় যা ঘটল তা আমরা একেবারেই প্রত্যাশা করিনি। সাধারণত কাদামাটিযুক্ত রাস্তাতেই গাড়িগুলির চলে। প্রত্যক্ষদর্শী এক দর্শক কার্ল হুয়ের্তা এই ভয়ঙ্কর দৃশ্য দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। হুয়ের্তা জানান, রেসটা ঠিকঠাক ভাবেই শুরু হয়েছিল এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামনে থাকা গাড়ি এবং দর্শকের মধ্যে গিয়ে পড়ে। তিনি আরও বলেন যে, পর্যাপ্ত সংখ্যায় অ্যাম্বুলেন্স থাকার জন্য খুব তাড়াতাড়ি আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করা গিয়েছে। ঘটনার আকস্মিকতায় বোঝা যায়নি যে ঘাতক গাড়িটি আরও তিনটি গাড়ীকে ধাক্কা মেরে দর্শকদের আঘাত করবে। কাদাযুক্ত রেসের ট্র্যাকটি এল পাসো থেকে প্রায় 40 মাইল দক্ষিণ-পূর্বে এবং মেক্সিকান সীমান্ত থেকে এক মাইলেরও কম টেক্সাসের ফ্যাবেন্সে। স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত চলছে, আসল ঘটনা সামনে এলে জানানো হবে।

জুন ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Olympic Medal Winner: মাত্র ৩৬-এই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত ব্যাডমিন্টন তারকা কিডো

ইউরো কাপে ডেনমার্কের তারকার আচমকা হৃদরোগে আক্রান্তু হওয়ার ঘটনায় আঁতকে উঠেছিল বিশ্ববাসী। সেই রেশ কাটতে না কাটতে খেলার দুনিয়ায় ফের নামল শোকের ছায়া। মাত্র ৩৬ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই প্রাণ হারালেন অলিম্পিক পদকজয়ী ব্যাডমিন্টন তারকা মার্কিস কিডো। তাঁর আকস্মিক প্রয়াণে স্তম্ভিত সকলেই। স্বাভাবিকভাবেই শোকাহত ব্যাডমিন্টন জগতের রথী-মহারথীরা। অনেকেই টুইটারে শোক প্রকাশ করেছেন। কিডোর পার্টনার হিসেবে খেলার সুযোগ হয়েছিল ভারতীয় শাটলার জোয়ালা গুট্টারও। সেই অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে কিডোর আত্মার শান্তি কামনা করেছেন তিনি। টুইটারে শোকপ্রকাশ করেছেন ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা প্রণয়, সত্বিক সাইরাজ, অজয় জয়রাম-সহ আরও অনেকে।It was an absolute honour ❤️🙏🏻#RIP MARKIS KIDO pic.twitter.com/k7aOIw5i7n Gutta Jwala (@Guttajwala) June 14, 2021সোমবার সন্ধেয় সাড়ে ৭টা নাগাদ টুইট করে ইন্দোনেশিয়ার তারকা মৃত্যু সংবাদ দেয় বিশ্ব ব্যাডমিন্টন ফেডারেশন (BWF)। যদিও তাঁর আগে থেকেও কোনও শারীরিক সমস্যা ছিল কিনা, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি ফেডারেশন।অত্যন্ত অল্প বয়সেই ব্যাডমিন্টনের ব়্যাকেট হাতে নজর কেড়েছিলেন কিডো। ২০০৮ বেজিং অলিম্পিকে হেন্ড্রার সঙ্গে জুটি বেঁধে ডাবলসে সোনা জেতেন তিনি। ঠিক তার আগের বছরই কুয়ালালামপুরে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে পুরুষ ডাবলসে সেরার শিরোপা পান কিডো। সেখানেও সঙ্গী ছিলেন হেন্ড্রা। এর পাশাপাশি ২০০৬ ব্যাডমিন্টন বিশ্বকাপেও পেয়েছিলেন চূড়ান্ত সাফল্য। সোনায় মোড়ানো ছিল তাঁর সাফল্যের ইতিহাস। এশিয়ান গেমসেও ডাবলসে সোনা জয়ের নজির রয়েছে ইন্দোনেশিয়ান তারকার। এমন একজন প্রতিভাবান শাটলারকে যে এত অল্প বয়সে হারাবে ব্যাডমিন্টনের দুনিয়া, তা কল্পনাও করা যায়নি।

জুন ১৫, ২০২১
কলকাতা

Posta Bridge: পিছল ব্রিজ ভাঙার দিন

পিছিয়ে গেল পোস্তা ব্রিজ (Posta Bridge) ভাঙার দিন। ২০ জুন থেকে ব্রিজ ভাঙার কাজ শুরু হবে। তবে আজ রাত থেকে সেতুর নীচের যান চলাচল বন্ধ করে রাখা শুরু হবে।ব্রিজ ভাঙার পরবর্তী পর্যায় পর্যন্ত আপাতত অগস্ট মাস পর্যন্ত পরিবর্তিত রুটে গাড়ি চলবে বলে জানিয়েছেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। উল্লেখ্য, ১৫ জুন থেকেই পোস্তা ব্রিজটি ভাঙা শুরু হওয়ার কথা ঘোষণা করা হযেছিল। কিন্তু ঠিক কী কারণে তা পিছিয়ে গেল তা জানা যায়নি বা মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যও কিছু বলতে চাননি। ২০১৬ সালের ৩১ মার্চ দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে আচমকাই ভেঙে পড়ে বড়বাজার এলাকার এই ব্রিজটি। চাপা পড়েন প্রায় ১০০ জন মানুষ। নির্মাণকাজে ত্রুটি থাকার কারণেই ব্রিজটি ভেঙে পড়েছিল বলে মত বিশেষজ্ঞদের। এরপর এই নিয়ে অনেক রাজনীতি হয়েছে। অবশেষে ভেঙে পড়া ব্রিজটির ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে ফেলার কাজে হাত দিতে চলেছে রাজ্য সরকার।

জুন ১৪, ২০২১
রাজ্য

Lockdown: ১ জুলাই পর্যন্ত বাড়ল কার্যত লকডাউন, কোন কোন ক্ষেত্রে নিয়ম শিথিল, জানুন

করোনার কড়া বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও ১৫দিন বাড়ল রাজ্যে। তবে একাধিক ক্ষেত্রে মিলল ছাড়। যদিও এখনই লোকাল ট্রেন, মেট্রো বা গণপরিবহণ চলাচলে ছাড় দেয়নি রাজ্য। তবে দোকান, বাজার, অফিসের মতো জন পরিষেবার ক্ষেত্রে বেশ কিছু ছাড় দেওয়া হয়েছে। সোমবার সাংবাদিক সম্মেলন করে সেই সমস্ত তথ্য জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। আগামী ১৫ দিন কী করা যাবে আর কী করা যাবে না, রইল তার তালিকা।১৬ মে থেকে বিধিনিষেধ সংক্রান্ত নতুন নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য। ২৫ শতাংশ কর্মীদের উপস্থিতি নিয়ে সমস্ত সরকারি অফিস চলবে। বেসরকারি অফিস ১০-৪ টে থেকে খোলা। ২৫ শতাংশ কর্মী উপস্থিত থাকতে পারেন। কর্মীদের জন্য পরিবহণের ব্যবস্থা করবে অফিস। ই-পাসের ব্যবস্থা থাকবে। প্রাতঃভ্রমণের জন্য সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত পার্ক খোলা। টিকা নিয়েছেন, এমন ব্যক্তিরাই মর্নিং ওয়াকে বেরনোর অনুমতি পাবেন। টিকার দুটি ডোজ সম্পূর্ণ হলে তবেই ঢোকা যাবে পার্কে। বাজার খোলা সকাল ৭টা থেকে ১১টা পর্যন্ত। অন্যান্য দোকান খোলা থাকবে ১১-৬ টা পর্যন্ত। রেস্তরাঁ-বার, শপিং মল,হোটেল ১২টা থেকে ৮টা পর্যন্ত খোলা। শপিং মল ১১-৬টা পর্যন্ত খোলা, ২৫ শতাংশের বেশি কর্মী হাজির থাকতে পারবেন না। একসঙ্গে ঢুকতে পারবেন সর্বাধিক ৩০ শতাংশ ক্রেতা। স্টেডিয়ামে খেলা হতে পারে। তবে দর্শক থাকতে পারবেন না। প্রতি শুটিং ইউনিটে ৫০ জন সদস্য হাজির থাকতে পারবেন। প্রত্যেকের টিকাকরণ সম্পূর্ণ হতে হবে। স্কুল-কলেজ-সহ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। লোকাল ট্রেন, মেট্রো পরিষেবা বন্ধ। বন্ধ বাসও। জরুরি পরিষেবা ছাড়া ট্যাক্সি, অটো বন্ধ। সামাজিক-রাজনৈতিক জমায়েত বন্ধ। সিনেমা হল, বিউটি পার্লার, স্পা বন্ধ। বিয়েতে সর্বাধিক ৫০ জন হাজির থাকতে পারবেন। শেষকৃত্যে ২০ জনের বেশি নয়। ব্যাংক ১০টা থেকে দুপুর ২ টো পর্যন্ত খোলা। রাত ৯টা থেকে সকাল ৫টা পর্যন্ত কোনও গাড়ি চলবে না। জরুরি কাজ ছাড়া বাইরে বেরনো যাবে না।

জুন ১৪, ২০২১
রাজ্য

Lockdown: ১ জুলাই পর্যন্ত বাড়ল কার্যত লকডাউন, কোন কোন ক্ষেত্রে নিয়ম শিথিল, জানুন

করোনার কড়া বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও ১৫দিন বাড়ল রাজ্যে। তবে একাধিক ক্ষেত্রে মিলল ছাড়। যদিও এখনই লোকাল ট্রেন, মেট্রো বা গণপরিবহণ চলাচলে ছাড় দেয়নি রাজ্য। তবে দোকান, বাজার, অফিসের মতো জন পরিষেবার ক্ষেত্রে বেশ কিছু ছাড় দেওয়া হয়েছে। সোমবার সাংবাদিক সম্মেলন করে সেই সমস্ত তথ্য জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। আগামী ১৫ দিন কী করা যাবে আর কী করা যাবে না, রইল তার তালিকা।১৬ মে থেকে বিধিনিষেধ সংক্রান্ত নতুন নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য। ২৫ শতাংশ কর্মীদের উপস্থিতি নিয়ে সমস্ত সরকারি অফিস চলবে। বেসরকারি অফিস ১০-৪ টে থেকে খোলা। ২৫ শতাংশ কর্মী উপস্থিত থাকতে পারেন। কর্মীদের জন্য পরিবহণের ব্যবস্থা করবে অফিস। ই-পাসের ব্যবস্থা থাকবে। প্রাতঃভ্রমণের জন্য সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত পার্ক খোলা। টিকা নিয়েছেন, এমন ব্যক্তিরাই মর্নিং ওয়াকে বেরনোর অনুমতি পাবেন। টিকার দুটি ডোজ সম্পূর্ণ হলে তবেই ঢোকা যাবে পার্কে। বাজার খোলা সকাল ৭টা থেকে ১১টা পর্যন্ত। অন্যান্য দোকান খোলা থাকবে ১১-৬ টা পর্যন্ত। রেস্তরাঁ-বার, শপিং মল,হোটেল ১২টা থেকে ৮টা পর্যন্ত খোলা। শপিং মল ১১-৬টা পর্যন্ত খোলা, ২৫ শতাংশের বেশি কর্মী হাজির থাকতে পারবেন না। একসঙ্গে ঢুকতে পারবেন সর্বাধিক ৩০ শতাংশ ক্রেতা। স্টেডিয়ামে খেলা হতে পারে। তবে দর্শক থাকতে পারবেন না। প্রতি শুটিং ইউনিটে ৫০ জন সদস্য হাজির থাকতে পারবেন। প্রত্যেকের টিকাকরণ সম্পূর্ণ হতে হবে। স্কুল-কলেজ-সহ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। লোকাল ট্রেন, মেট্রো পরিষেবা বন্ধ। বন্ধ বাসও। জরুরি পরিষেবা ছাড়া ট্যাক্সি, অটো বন্ধ। সামাজিক-রাজনৈতিক জমায়েত বন্ধ। সিনেমা হল, বিউটি পার্লার, স্পা বন্ধ। বিয়েতে সর্বাধিক ৫০ জন হাজির থাকতে পারবেন। শেষকৃত্যে ২০ জনের বেশি নয়। ব্যাংক ১০টা থেকে দুপুর ২ টো পর্যন্ত খোলা। রাত ৯টা থেকে সকাল ৫টা পর্যন্ত কোনও গাড়ি চলবে না। জরুরি কাজ ছাড়া বাইরে বেরনো যাবে না।

জুন ১৪, ২০২১
কলকাতা

Covid: প্রয়াত ভাঙড় আন্দোলনের নেত্রী শর্মিষ্ঠা চৌধুরী

লড়াকু জীবন যে কোনও প্রতিকূল পরিস্থিতিকে চ্যালেঞ্জ করে জয়ী হয়ে ফেরাই অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল। কিন্তু শেষমেশ কোভিডের কাছে হার মানতে হল ভাঙড়ের কৃষক আন্দোলেন নেত্রী শর্মিষ্ঠা চৌধুরীকে। করোনা পরবর্তী শারীরিক জটিলতায় ভুগে মাত্র ৩৯ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন সিপিআইএমএল (রেড স্টার) নেত্রী। অপূরণীয় ক্ষতি, বলছেন সহযোদ্ধারা। অনেকের মতে, শর্মিষ্ঠার প্রয়াণে গণআন্দোলনের একটা পর্যায় ধাক্কা খেল।জানা গিয়েছে, গত ১ মে করোনা ভাইরাসে (Coronavirus) আক্রান্ত হন শর্মিষ্ঠা চৌধুরী। ২১ দিন পর কোভিড নেগেটিভও হয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু তারপর থেকে শরীর ক্রমশ খারাপ হতে থাকে তাঁর। শর্মিষ্ঠার সহযোদ্ধা, গণআন্দোলনের এক নেতা অসীম গিরি জানিয়েছে, শর্মিষ্ঠার বরাবরই পেটের একটা গুরুতর সমস্যা ছিল। তা প্রায়ই ভোগাত তাঁকে। করোনার ধাক্কায় শরীরের সেই সংক্রমণও ছড়িয়ে পড়ছিল। ফলে স্বাস্থ্যের অবনতি হচ্ছিল শর্মিষ্ঠার। দিন চারেক আগে এসএসকেএমে ভর্তি করানো হয় তাঁকে। সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন। রবিবার দুপুরে সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ৩৯ বছরের নেত্রী।শর্মিষ্ঠার কথা বললেই স্বাভাবিকভাবেই চলে আসে ভাঙড়ের (Bhangar) পাওয়ার গ্রিড-বিরোধী আন্দোলন প্রসঙ্গ। এই আন্দোলনেরই অন্যতম নেত্রী ছিলেন শর্মিষ্ঠা। সিপিআইএমএলের (রেড স্টারে) আরেক নেতা, শর্মিষ্ঠার স্বামী অলীক চক্রবর্তীর নেতৃত্বে সংগঠিত হয়েছিল এই আন্দোলন। কৃষিজমিতে পাওয়ার-গ্রিড তৈরি হলে তা ব্যাপক ক্ষতিকারক, ভাঙড়বাসীর মধ্যে এই সচেতনতা প্রচারের দায়িত্ব নিয়েছিলেন তাঁরা। একসময়ে ভাঙড় থেকে অলীক-শর্মিষ্ঠাকে গ্রেপ্তারও করা হয়। তাঁর মুক্তির দাবিতে সরব হয়েছিলেন সব পক্ষ। শেষপর্যন্ত অবশ্য পাওয়ার-গ্রিড বিরোধী আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে বাধ্য হয়েছিল রাজ্য সরকার। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে নো ভোট টু বিজেপি প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন শর্মিষ্ঠা।

জুন ১৩, ২০২১
রাজ্য

Vaccine: আতঙ্কিত মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভদের সুরক্ষার আবেদন

কোভিড আবহে ভ্যাকসিনের আকাল এমনিতেই প্রকট সাধারণ মানুষদের জন্য। কিন্তু করোনার সঙ্গে লড়াইয়ে সমাজের প্রথম সারির করোনা যোদ্ধাদের জন্য সরকার বিশেষ ব্যবস্থা করেছে। প্রথমসারির যোদ্ধাদের প্রথমে ভ্যাকসিন দেওয়াকেই প্রাধান্য দিয়ে এসেছে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার। চিকিৎসক, নার্স, চিকিৎসাকর্মী, সাংবাদিকদের প্রথম সারির কোভিড যোদ্ধা ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু চিকিৎসার সঙ্গেই যুক্ত মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভদের জন্য ভ্যাকসিনের কোনও ব্যবস্থা করা হয়নি কেন্দ্র, রাজ্য বা ওষুধ কোম্পানিগুলোর তরফে। এই কঠিন সময়ে তাঁরা ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎকদের কাছে ওষুধ জোগানের ব্যবস্থা করে গিয়েছে। কিন্তু তাঁদেরই সুরক্ষা এখন অবহেলিত। ইতিমধ্যেই রাজ্যে ২১ জন মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন বলে জানা যায়। পরিসংখ্যান অনুসারে রাজ্যে মোট ১০ হাজার মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ রয়েছেন। যার মধ্যে বর্ধমান শহরেই রয়েছেন প্রায় ২ হাজার জন। যাদের মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশের বয়স ১৮ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে। এখানে উল্লেখ্য বর্তমানে সরকারি নির্দেশিকা অনুসারে ওই বয়সিদের টিকাকরণ বন্ধ আছে, এবং টিকার সরবরাহের অপ্রতুলাতার জন্য সাধারন ভাবে টিকা পাওয়াও প্রায় দুষ্কর হয়ে উঠেছে। তারা কবে টিকা পাবেন জানেন না, কিন্তু এই মহামারি কালেই তাদের নিত্যদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎসকদের সাথে সাক্ষাত করতে অসুরক্ষিত অবস্থাতেই বাড়ি থেকে বেরোতে হচ্ছে। বর্ধমানে ২ জন মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভের মৃত্যু হয়েছে করোনা সংক্রমিত হয়ে। মৃতদের নাম সন্তু দত্ত (ফার্মেড) ও অনিমেশ প্রসাদ রায়।রাজ্যে যাতে আর কোনও মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভের অকাল মৃত্যু না হয়, সেজন্য জেলাশাসকের ও জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছে আবেদন জানিয়েছে ওয়েস্টবেঙ্গল মেডিক্যাল অ্যান্ড সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভ ইউনিয়ন। ইউনিয়নের জেলা সম্পাদক ও রাজ্য কমিটির সদস্য কৌশিক ব্যানার্জি জানান, অবিলম্বে এই মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভদের ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থা করুক সরকার ও ওষুধ সংস্থা। কৌশিক ব্যানার্জি আরও জানান যে জেলার বিভিন্ন বাজার কমিটি উদ্যোগ নিয়ে এলাকার দোকানদার, হকার এবং তাদের পরিবারদেরও টিকার ব্যবস্থা করছেন সেখানে তাঁরাই ব্রাত্য। তাঁর বক্তব্য, আমরা যে কাজ করি সেটা জরুরী পরিসেবার আওতায় নেই, এটা রাজ্য কর্মচারি অ্যাক্ট-এর আওতায় পরে, সেই কারনেই কি আমাদের টিকার অগ্রাধিকার নেই? তাই যদি হয় তাহলে কোম্পানিগুলিও আমাদের বাধ্য করতে পারে না অতিমারিকালে কাজ করাতে। বর্ধমান শহরে কর্মরত মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ সন্দীপন মণ্ডল বলেন, আমাদের কাজে বেরতে কোনও সমস্যা নেই এবং আমরা যথারীতি দায়িত্ব পালন করে চলেছি। আমাদের শুধু সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে একটাই আবেদন আমাদের ও পরিবারের কথা ভেবে পরিসেবাকে জরুরি পরিসেবার মর্যাদা দিয়ে দ্রুত টিকাকরণের ব্যবস্থা করুক সরকার।

জুন ১৩, ২০২১
স্বাস্থ্য

E-Sanjivani: স্বাস্থ্য মন্ত্রকের টেলিমেডিসিন সার্ভিস - "ই-সঞ্জীবনী" 'ডিজিটাল ইন্ডিয়া'-র বাস্তব প্রয়োগ

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের জাতীয় টেলিমেডিসিন সার্ভিস - ই-সঞ্জীবনী ৩৭৫ টিরও বেশি অনলাইন বহির্বিভাগের মাধ্যমে ৬০ লক্ষেরও বেশী মানুষকে পরামর্শ দিয়ে এক দৃস্টান্ত স্থাপন করেছে। এই সরকারী ডিজিটাল পোর্টালের মাধ্যমে গড়ে ৪০,০০০ এরও বেশি রোগী প্রতিদিন নিজেদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাচ্ছেন। এই ডিজিটাল পোর্টালে ৩৭৫টির বেশী বহির্বিভাগে ১৬০০ এরও বেশি বিশেষঞ্জ চিকিৎক চিকিৎসা করছেন। বর্তমানে, জাতীয় টেলিমেডিসিন পরিষেবাটি ৩১ টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিসেবা দিচ্ছে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক এই উদ্যোগটি ২০১৯ সালের নভেম্বরে নেয় আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের মাধ্যমে। তারা এই প্রকল্পটি পরিসেবা দিতে চেয়েছিল সরকারি সাস্থ্য দপ্তরের অধীনে ১,৫৫,০০০ স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলির মাধ্যমে। কিন্তু তা বাস্তবায়িত করার জন্য আরও সময়ের প্রয়োজন ছিল। ২০২০ সালের মার্চ মাসে COVID-19 মহামারীর কারণে সারা দেশে চিকিৎসা ক্ষেত্রে বহির্বিভাগ বন্ধ হয়ে যাওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড কম্পিউটিং (মোহালি)-এর সহযোগিতায় এই উদ্যোগটি দ্রুত চালু করা হয়েছে। ই-সঞ্জীবনী এবি-এইচডাব্লুসি প্রকল্পে বিশেষঞ্জ ডাক্তারা রা মিলিত হয়ে টেলিমেডিসিন প্ল্যাটফর্মটি প্রায় ৩০ টি রাজ্যের ২০,০০০ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সাথে যুক্ত থেকছেন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকও ই-সংজীবনী বহির্বিভাগের সাথে যুক্ত হয়ে জাতীয়স্তরে প্রায় ১০০ ওপর অভিঞ্জ চিকিৎসক ও বিষেশঞ্জ নিয়ে মন্ত্রনালয় কর্তৃক গৃহীত প্রকল্পে সারাদেশে রোগীদের সেবা দিচ্ছেন।অনেক রাজ্যের লোকেরা ই-সঞ্জীবনী প্রকল্পটিকে মান্যতা দিয়েছেন এবং এর ফলে স্বাস্থ্যসেবার এই ডিজিটাল পদ্ধতিটি ব্যাপকভাবে সাড়া ফেলে দিয়েছে। এটি প্রকল্পটিতে গ্রামীণ অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবা কেন্দগুলিতেগুলির মানুষ দারুন ভাবে উপকৃত হয়েছেন। তদুপরি, এই পরিষেবাটি শহরাঞ্চলে রোগীদের জন্যও কার্যকর হয়েছে, বিশেষত মহামারীর দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময়ে যা স্বাস্থ্যসেবা পরিষেবার হাত আরও শক্ত করেছে। খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে, কেন্দ্রীয় সরকার ভারতের জাতীয় টেলিমেডিসিন পরিষেবা নগর ও গ্রামীণ ভারতে ডিজিটাল স্বাস্থ্য বিভাজনকে যুক্ত করে ভারতীয় স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে দারুন ভাবে সহায়তা করেছেন। এটি গ্রামীন হাসপাতালগুলিতে যে সাস্থ্য কর্মীর অভাব তার বোঝা কমাতে ও বিশেষঞ্জ চিকিৎকের ঘাটতিও মেটাতেও সাহায্য করেছে। জাতীয় ডিজিটাল স্বাস্থ্য মিশনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে ই সঞ্জীবনী দেশে ডিজিটাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে জোরদার করছে।ই-সঞ্জীবনী প্রকল্প যে যে রাজ্য চালু করেছে তার ক্রমানুসারে শীর্ষস্থানে আছে অন্ধ্রপ্রদেশ, সেখানে প্রায় ১২লক্ষেরও বেশি মানুষ এই প্রকল্পের সুবিধা ভোগ করেছেন। বাকি রাজ্যগুলি হল যথাক্রমেঃ তামিলনাড়ু (১১৬১৮৭), কর্ণাটক (১০৫৬৪৪৭), উত্তরপ্রদেশ (৯৫২৯২৬), গুজরাট (২৬৭৪৮২), মধ্য প্রদেশ (২৬৪৩৬৪), বিহার (১৯২৫৩৭), মহারাষ্ট্র (১৭৭৬২৯), কেরাল (১৭৩৭৩৪4) এবং উত্তরাখণ্ড (১৩৪২১৪)।

জুন ১২, ২০২১
বিদেশ

Hauz: বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য এ বারও বন্ধ হজের দরজা

লাগাতার দ্বিতীয় বারের জন্য করোনার প্রকোপে হজ যাত্রার জন্য অন্য দেশ থেকে সৌদি আরবে যেতে পারছেন না কেউ। গত বারের ন্যায় এ বারও শুধুমাত্র দেশের নাগরিকদের হজে অনুমতি দেওয়ার ঘোষণা করেছে সৌদি প্রশাসন (Saudi Arabia)। ফলস্বরূপ এ বারও হজে যাওয়া হচ্ছে না ভারতীয় ও বাংলাদেশের নাগরিকদের। বাংলাদেশের ধর্ম মন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব জানিয়েছেন, যেহেতু বহির্বিশ্ব থেকে কোনও হজযাত্রী নেবে না সৌদি কর্তৃপক্ষ তাই বাংলাদেশিদের এ বারও হজ যাত্রা হবে না।কয়েকদিন আগে সৌদির কার্যকরী মিডিয়া মন্ত্রী ডঃ মজ়িদ আল কাসাবি জানিয়েছিলেন, এ বার হজ হবে কি না তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন তারা। শনিবার আরবের এক সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে করোনা ভাইরাসের কারণে শুধু দেশের মানুষদের নিয়েই হজ পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি প্রশাসন। সর্বোচ্চ জমায়েত হতে পারবে ৬০ হাজার মানুষের।উল্লেখ্য, বাংলাদেশের নাগরিকদের মতো হজে যেতে পারবেন না ভারতীয়রাও। দেশের সংখ্যালঘু উন্নয়ন মন্ত্রী মুক্তার আব্বাস নকভি আগেই জানিয়েছেন, এ বছর হজ হবে কি না তা নির্ভর করছে সৌদি আরবের ওপর। তারা যা সিদ্ধান্ত নেবে তা মেনে নেবে ভারত। সৌদি বহির্বিশ্ব থেকে কোনও ব্য়ক্তিকে হজের জন্য সে দেশে ঢোকার অনুমতি দেবে না। যেখান থেকে স্পষ্ট ভারতীয়দের জন্যও বন্ধ হচ্ছে হজের দরজা।

জুন ১৩, ২০২১
কলকাতা

Rajiv Bannerjee: কুণাল ঘোষের বাড়িতে দেড় ঘণ্টার 'সৌজন্য' সাক্ষাৎ

মুকুল রায়, শুভ্রাংশু রায়ের পর একে একে ঘরের পথে পা বাড়াচ্ছেন আরও অনেকেই। এবার তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক তথা মুখপাত্র কুণাল ঘোষের (Kunal Ghosh) বাড়িতে গেলেন প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় (Rajib Banerjee)। সূত্রের খবর, বিকেলে কুণাল ঘোষের বাডিতে হাজির হন রাজীব। উভয়ের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ কথাবার্তা চলে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত, তৃণমূলে ফিরতে চেয়েই কুণাল ঘোষের সঙ্গে প্রাথমিকভাবে সখ্য বাড়াতে চাইছেন রাজীব। তবে এবার রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে ফেরার পালা? কুণালের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের খবরে এই জল্পনা উসকেছে অনেকটাই।সন্ধেবেলা সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অবশ্য কুণাল ঘোষ নিজে এই সাক্ষাৎপর্বকে সৌজন্য বলেই জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, রাজীবের এক আত্মীয় অসুস্থ। তিনি তাঁকে দেখতে এসেছিলেন। আমাকে ফোন করে জানতে চাইলেন, আমি বাড়ি আছি কিনা। আমি বাড়ি ছিলাম, তাই তিনি এসেছেন। রাজনীতির কোনও আলোচনা হয়নি। রাজীবেরও প্রায় একই বক্তব্য। বললেন, কুণালদার সঙ্গে অনেকদিনের বন্ধুত্বের সম্পর্ক। আমি এখানে এসেছিলাম, তাই দেখা করেছি। এর মধ্যে অন্য কোনও প্রশ্ন ওঠার অবকাশ নেই।বিধানসভা ভোটের আগে নিজের একাধিক ক্ষোভ নিয়ে কয়েক দফায় তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বের আলাপ-আলোচনার দলে থাকতে রাজি হননি রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির পথে পা বাড়িয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে বিধানসভা থেকে বেরনোর সময় তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশাল ছবি সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। বলেছিলেন, নেত্রী সবসময় শ্রদ্ধার। তাঁর আশীর্বাদ সঙ্গে রাখলাম। এরপর চার্টার্ড ফ্লাইটে দিল্লি উড়ে গিয়ে অমিত শাহর হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দেন রাজ্যের প্রাক্তন বনমন্ত্রী। নিজের এলাকা ডোমজুড় থেকে বিজেপির প্রার্থীও হন। কিন্তু ভোটযুদ্ধে সফল হতে পারেননি। হেরে গিয়েছেন নিজের এলাকায়। তারও আগে অবশ্য রাজীবের এই দলবদলের সিদ্ধান্ত মানতে না পেরে এলাকাবাসীই তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন। ডোমজুড়- সহ একাধিক এলাকায় তাঁর বিরুদ্ধে পোস্টার দেখা গিয়েছিল। তারপর ভোটে হারের পর থেকেই তৃণমূলে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করছিলেন সোশ্যাল মিডিয়ার নানা পোস্টে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে এবার কী তাহলে রাজীবের ঘরে ফেরার পালা?

জুন ১২, ২০২১
দেশ

Terrorists attack: ভূ-স্বর্গে জঙ্গি হামলা, ২ পুলিশকর্মী-সহ নিহত ৫

আবার অশান্ত ভূ-স্বর্গ (Jammu And Kashmir)। জঙ্গি হামলায় প্রাণ গেল ৫ জনের। শনিবার বিকেলে জঙ্গি হামলা হয় উত্তর কাশ্মীরের সোপোরে। সেখানেই জঙ্গিদের হাতে শহিদ হন ২ পুলিশকর্মী। জঙ্গিদের হামলায় দুজন সাধারণ মানুষও প্রাণ হারিয়েছেন। জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ ও অন্যান্য রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের দায়িত্ব থেকে যে জওয়ানরা ফিরছিলেন, তাঁদের উদ্দেশ্য করেই হামলা চালায় জঙ্গিরা।Terrible news coming in from Sopore. Such attacks must be condemned without reservation. Prayers for the injured condolences to the families of the deceased. https://t.co/MzsnpHxKSQ Omar Abdullah (@OmarAbdullah) June 12, 2021সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রত্যেক দিনের মতো এ দিনও পেট্রলিংয়ে বেরিয়েছিলেন ওই পুলিশকর্মীরা। তখনই সোপোর শহরের প্রধান চকের কাছে জঙ্গিদের হামলার মুখে পড়তে হয় তাঁদের। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ২ পুলিশকর্মী ও দুজন সোপোরবাসীর। আহত হন আরও ২ পুলিশকর্মী। ইনসপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ বিজয় কুমার জানিয়েছেন, হামলায় আহত হয়েছেন আরও ৩ পুলিশকর্মী।Five succumb in Sopore attack. 3 civilians and 2 police men. Mr gunmen Approximately5 Kashmiri funerals. 5 widows. 10 grieving old parents. A dozen or more orphans. All Kashmiris. So mr gunmen. Really want to know. Whose bloody side r u on. Sajad Lone (@sajadlone) June 12, 2021ইতিমধ্যেই হামলাকারী জঙ্গিদের খোঁজে ইনসপেক্টর কুমারের নেতৃত্বে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছেন নিরাপত্তারক্ষীরা। জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আদুল্লাহ ঘটনার তীব্র নিন্দা করে টুইট করেছেন। জম্মু ও কাশ্মীর পিওপলস কনফারেন্সের চেয়ারম্যান সজদ লোন টুইট করে সন্ত্রাস দমনের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

জুন ১২, ২০২১
রাজ্য

BJP MP: আক্রান্ত জলপাইগুড়ির বিজেপি সাংসদ, অভিযুক্ত তৃণমূল

ঘরছাড়া বিজেপি কর্মীদের (BJP Workers) ঘরে ফেরাতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন জলপাইগুড়ির বিজেপি সাংসদ ডাক্তার জয়ন্ত কুমার রায় (Jayanta Kumar Roy)। আঙুল উঠল তৃণমূলের (TMC) দিকে। সাংসদের অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত গুন্ডারা তাঁকে বাঁশ দিয়ে মাথায় ও হাতে আঘাত করে। তাঁর সঙ্গে থাকা সঙ্গীরাও প্রহৃত হন বলে অভিযোগ জয়ন্ত কুমার রায়।জানা গিয়েছে, এদিন জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ ব্লকের ভান্ডারীগঞ্জ এলাকার ১৩ জন সংখ্যালঘু বিজেপি কর্মী এক মাসের ওপর ঘরছাড়া হয়ে একটি মন্দিরে আশ্রয় নিয়েছিলেন। সাংসদ ডাক্তার জয়ন্ত কুমার রায়ের দাবি, পুলিশের সঙ্গে কথা বলার পর এদিন বিকাল ৪টা নাগাদ তাঁদের বাড়ি ফেরাতে যান তিনি। ঠিক ওই সময় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হাতে তিনি-সহ আরও দুজন গুরুতর জখম হন বলে দাবি বিজেপি সাংসদের। তাঁর আরও অভিযোগ, যখন তাঁদের এভাবে মারধর করছে দুষ্কৃতীরা, তখন দূর থেকে পুলিশ নীরব দর্শক ছিল। বিজেপি সাংসদের মন্তব্য, বাংলায় আইনের শাসন বলে কিছুই নেই।Fascism at its peak in Bengal. Today @AITCofficial goons attacked me and our party workers at Rajganj. Savagery and lawlessness are the order of the day today in Bengal. @HMOIndia @PMOIndia @jdhankhar1 @narendramodi @AmitShah @BJP4Bengal @DilipGhoshBJP pic.twitter.com/E5MF93Mf5q Dr. Jayanta Kumar Roy (@JayantaRoyJPG) June 11, 2021টুইটারে বিজেপি সাংসদ লেখেন, বাংলায় ফ্যাসিবাদ চরমে উঠেছে। আজ তৃণমূল আশ্রিত গুন্ডারা আমাকা ও আমার কর্মীদের আঘাত করেছে। বর্বরতা ও অপশাসন চলছে আজ বাংলায়। সেই টুইটে কেন্দ্রীয় স্বরা ষ্ট্রমন্ত্রক, প্রধানমন্ত্রী, রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় ও দিলীপ ঘোষদের উদ্ধৃত করেন বিজেপি সাংসদ। আপাতত উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন জয়ন্ত কুমার রায়। যদিও বিজেপি সাংসদের উপর তৃণমূলের হামলার যাবতীয় অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল শিবির।

জুন ১১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 65
  • 66
  • 67
  • 68
  • 69
  • 70
  • 71
  • ...
  • 89
  • 90
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? বিষয়টা হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী। আসল অভিমুখের সমস্যা দেখুন।

মানবিক আচরণ করুন, পার্কস্ট্রিটের ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে কুণালফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই পার্কস্ট্রিটের ওই ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। এদিন তিনি ওই পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। একই সঙ্গে পার্কস্ট্রিট থানার পুলিশের কাছেও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মানবিক আচরণের আবেদন জানান তিনি।কুণাল ঘোষের বক্তব্য, ফুটপাথে বসবাসকারী মানুষও সমাজেরই অংশ। তাঁদের সঙ্গে সহানুভূতিশীল ও মানবিক আচরণ করা প্রয়োজন। বিশেষ করে কোনও পরিবারের শিশু, মহিলা বা অসহায় সদস্যদের বিষয়টি বিবেচনা করে প্রশাসনের আরও সংবেদনশীল হওয়া উচিত বলেই মনে করেন তিনি।অগ্নিমিত্রা পালের আচরণ ও মন্তব্য প্রসঙ্গে কুণালের বক্তব্যের মূল সুর ছিলকোনও সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে অসহায় মানুষকে হেয় বা অপমান করা উচিত নয়। ফুটপাথে কেন কোনও পরিবারকে থাকতে হচ্ছে, সেই বৃহত্তর সামাজিক ও মানবিক সমস্যাটিও প্রশাসনকে দেখতে হবে। সামাজ মাধ্যমে এক ব্যক্তির প্রশ্নের উত্তরে কুনাল ঘোষ লেখেন, দিল্লী বা লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? রাস্তায় ভিক্ষুক এ বিষয়টার থেকেও গুরুত্বপূর্ন হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী বলেন কুনাল ঘোষ।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাম ও তৃণমূল শিবির থেকে অগ্নিমিত্রা পালের সমালোচনা শুরু হয়েছে। বাম নেত্রী কনীনিকা ঘোষও পুরমন্ত্রীর আচরণের নিন্দা করেছেন।যদিও রাজনৈতিক চাপানউতোরের মাঝেই অগ্নিমিত্রা পালের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচি। তাঁর দাবি, ওই পরিবারের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই পুরমন্ত্রী পদক্ষেপ করেছিলেন। বিষয়টিকে নেগেটিভ ভাবে তুলে ধরা হচ্ছে বলেও দাবি তাঁর।ফলে ফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্ক ক্রমেই রাজনৈতিক তরজায় পরিণত হয়েছে। একদিকে ফুটপাথবাসী পরিবারের প্রতি মানবিক আচরণের দাবি, অন্যদিকে তাঁদের নিরাপত্তার যুক্তিদুই ভিন্ন অবস্থানকে ঘিরেই এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি।

আগস্ট ২৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

যুবভারতীতে লাল-হলুদ ঝড়, বাগানকে উড়িয়ে ২২ বছর পর ডুরান্ড ইস্টবেঙ্গলের

২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফের ট্রফি ঘরে তুলল ইস্টবেঙ্গল। ডার্বির মঞ্চে এমন একতরফা জয় যে লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছেও ছিল প্রায় অবিশ্বাস্য। আর সেই জয়ের কেন্দ্রে একটাই নামএডমুন্ড লালরিনডিকা। দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে তিনিই হয়ে উঠলেন রাতের নায়ক।গ্রুপ পর্বে মোহনবাগানের কাছে হারের যন্ত্রণা ছিল ইস্টবেঙ্গলের। ফাইনালের মঞ্চে সেই হারের জবাব দেওয়ার সুযোগও ছিল। কিন্তু জবাবটা যে এতটা নির্মম হবে, তা সম্ভবত কেউই ভাবেননি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তুলে মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যেই তিন গোল করে ইস্টবেঙ্গল কার্যত ম্যাচের ভাগ্য লিখে ফেলে।শুরুটা করেন বিপিন সিংহ। মোহনবাগানের রক্ষণ তখনও নিজেদের মধ্যে সামলে ওঠার চেষ্টা করছে। সেই সুযোগেই ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ পৌঁছে যায় বিপজ্জনক জায়গায়। বিপিনের গোলের পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে লাল-হলুদ আক্রমণ। মুহূর্তের মধ্যে জোড়া গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন এডমুন্ড।৩-০ পিছিয়ে গিয়ে মোহনবাগান কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল। মনবীর সিংহ ব্যক্তিগত দক্ষতায় একটি গোল শোধও করেন। কিন্তু সেই প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ফের গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন এডমুন্ড। এক ফাইনালের প্রথমার্ধেই চার গোলতার মধ্যে তিনটি একই ফুটবলারের! যুবভারতীর গ্যালারিতে তখন কার্যত লাল-হলুদ উৎসব।দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ছিল ইস্টবেঙ্গলের হাতে। সবুজ-মেরুন আক্রমণে সেই ধার দেখা যায়নি, যা একটি ডার্বি ফাইনালে প্রত্যাশিত। বরং ইস্টবেঙ্গল সুযোগ পেলেই দ্রুত আক্রমণে উঠে এসেছে এবং আরও গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। শেষ পর্যন্ত ৪-১ স্কোরলাইনেই শেষ হয় ম্যাচ।ইস্টবেঙ্গলের সাফল্যের অন্যতম বড় কারণ ছিল দলের সামগ্রিক সংগঠন। মাঝমাঠে মহম্মদ রশিদ ছিলেন অসাধারণ। বল নিয়ন্ত্রণ, পাসিং এবং খেলা পরিচালনায় বারবার তিনি মোহনবাগানের ছন্দ নষ্ট করেছেন। তাঁর সঙ্গে জিকসন সিংহ, আনোয়ার আলি এবং জয় গুপ্তারাও নিজেদের দায়িত্ব নিখুঁত ভাবে পালন করেন।অন্যদিকে মোহনবাগানের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে দাঁড়ায় রক্ষণ। শুভাশিস বসু, আলবের্তো রদ্রিগেজ়দের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব বারবার প্রকট হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের দ্রুত আক্রমণের সামনে তাঁরা অনেক সময়ই দিশেহারা হয়ে পড়েন। বিশেষ করে তৃতীয় ও চতুর্থ গোলের ক্ষেত্রে রক্ষণভাগের ভুল চোখে পড়ার মতো।মাঝমাঠেও মোহনবাগান প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেনি। আপুইয়া এবং অনিরুদ্ধ থাপা কার্যত নিষ্প্রভ ছিলেন। আক্রমণে জেমি ম্যাকলারেনও একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। মনবীর গোল করলেও দলকে ম্যাচে ফেরানোর মতো ধারাবাহিকতা তৈরি করতে পারেননি।ফাইনালের আগে মোহনবাগানের ক্লান্তি নিয়ে আলোচনা ছিল। শিলংয়ে সেমিফাইনাল, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং কর্দমাক্ত মাঠে খেলার ধকলসবই ছিল। কিন্তু ডার্বির মতো বড় ফাইনালে সেই ক্লান্তিকে অজুহাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ইস্টবেঙ্গলও একই টুর্নামেন্টের চাপ সামলে মাঠে নেমেছিল, অথচ তাদের ফুটবলারদের মধ্যে ছিল অনেক বেশি তাগিদ, ক্ষুধা এবং জয়ের মানসিকতা।আর সেই মানসিকতারই সবচেয়ে বড় প্রতিফলন এডমুন্ডের হ্যাটট্রিকে। তিন গোল করে শুধু ম্যাচের সেরা ফুটবলারই হলেন না, ডুরান্ডের ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গলের প্রত্যাবর্তনের রাতটিকেও নিজের নামে লিখে দিলেন তিনি।মজার বিষয়, ম্যাচের বিভিন্ন পরিসংখ্যানে মোহনবাগান কিছু ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও তার কোনও প্রভাব পড়েনি স্কোরলাইনে। কারণ ফুটবল শুধু বল দখল বা শটের সংখ্যা দিয়ে জেতা যায় নাবড় ম্যাচে প্রয়োজন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সুযোগকে গোলে পরিণত করার ক্ষমতা। সেই পরীক্ষায় রবিবার সম্পূর্ণ সফল ইস্টবেঙ্গল।২২ বছর আগে শেষ বার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর দীর্ঘ অপেক্ষা, হতাশা এবং একের পর এক অসম্পূর্ণ স্বপ্ন। সেই অপেক্ষার অবসান হল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে হারিয়েই। ফলে এই জয় শুধু একটি ট্রফি জয় নয়লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে এটি দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফিরে পাওয়া গৌরবের রাত।একদিকে এডমুন্ডের হ্যাটট্রিক, অন্যদিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের বিপর্যয়সব মিলিয়ে যুবভারতীতে রবিবারের ডার্বি যেন হয়ে রইল এক লাল-হলুদ ঝড়ের রাত।তবে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মনে হয়তো শেষ পর্যন্ত একটাই আক্ষেপ থেকে গেলচার নয়, আরও কয়েকটি গোল হতে পারত!

আগস্ট ২৩, ২০২৬
টুকিটাকি

কাঁচা কুমড়ো না পাকা কুমড়ো, কোনটি বেশি উপকারী?

কুমড়ো বাঙালির রান্নাঘরের অতি পরিচিত একটি সবজি। কাঁচা সবুজ কুমড়ো হোক বা পাকা হলুদ-কমলা কুমড়ো, দুটিরই রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। তবে পরিপক্বতার সঙ্গে কুমড়োর পুষ্টি উপাদানে কিছুটা পরিবর্তন ঘটে। বিশেষ করে পাকা কমলা কুমড়ো বিটা-ক্যারোটিনের অন্যতম ভালো উৎস হিসেবে পরিচিত।কাঁচা কুমড়োতে তুলনামূলকভাবে ভিটামিন C-এর পরিমাণ বেশি থাকতে পারে। এতে ক্যালোরিও কম, ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণের খাদ্যতালিকায় এটি রাখা যেতে পারে। কিছু জাতের অপরিপক্ব কুমড়োতে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট কার্যকারিতাও দেখা যায়। তবে কাঁচা কুমড়ো রান্না করে খাওয়াই ভালো, কারণ তাতে হজম সহজ হয়।অন্যদিকে, পাকা হলুদ বা কমলা কুমড়োর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল প্রচুর বিটা-ক্যারোটিন। শরীর এই উপাদানকে ভিটামিন A-তে রূপান্তর করে। ফলে চোখের স্বাস্থ্য, ত্বক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে পাকা কুমড়ো উপকারী। এতে লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও রয়েছে। রান্না করলে কুমড়োর বিটা-ক্যারোটিন শরীর তুলনামূলক সহজে শোষণ করতে পারে।কুমড়োকে ক্যানসারের ওষুধ বা নিশ্চিত প্রতিরোধক বলা যায় না। তবে এতে থাকা ক্যারোটিনয়েড, পলিফেনল, ভিটামিন C ও E এবং খাদ্যআঁশ শরীরকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে কুমড়ো খাওয়া উপকারী হতে পারে।কুমড়োর বীজেও রয়েছে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর অসম্পৃক্ত চর্বি, জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন E। হৃদ্স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক পুষ্টির জন্য এগুলি গুরুত্বপূর্ণ।পুষ্টিগত বিচারে বিটা-ক্যারোটিনের জন্য পাকা কমলা কুমড়ো কিছুটা এগিয়ে থাকলেও কাঁচা কুমড়োকেও খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কারণ নেই। অল্প তেলে রান্না করে, অতিরিক্ত ভাজা বা চিনি এড়িয়ে কুমড়ো খাওয়াই ভালো। সব মিলিয়ে, বিভিন্ন ধরনের সবজি, ডাল ও স্বাস্থ্যকর খাবারের সঙ্গে কুমড়ো রাখলেই মিলবে বেশি সুষম পুষ্টি।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ওয়াকফ-অশান্তির মামলায় নাম, এবার তৃণমূল ছেড়ে অধীরের হাত ধরে কংগ্রেসে ইনজামুল! কেন এই দলবদল?

ওয়াকফ সংশোধিত আইনকে কেন্দ্র করে অশান্তির ঘটনার পর থেকেই বিতর্কে ছিলেন ধুলিয়ানের পুরপ্রধান ইনজামুল ইসলাম রাজা। এবার সেই ইনজামুলই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিলেন। রবিবার প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর হাত ধরে কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। তাঁর এই দলবদল ঘিরে মুর্শিদাবাদের রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।গত বছর সংশোধিত ওয়াকফ আইনকে কেন্দ্র করে জঙ্গিপুরের সামশেরগঞ্জ, সুতি এবং ধুলিয়ানে অশান্তি ছড়িয়েছিল। সেই ঘটনায় ইনজামুল ইসলাম রাজার বিরুদ্ধে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বর্তমানে সেই মামলা চলছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইনজামুল। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।রবিবার ধুলিয়ানের কাঞ্চনতলা ঘাটে কংগ্রেসের যোগদান সভায় বড়সড় দলবদল হয়। ইনজামুল ইসলাম রাজার পাশাপাশি ধুলিয়ান পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান খায়রুল আলম, কাউন্সিলর শরিফ শেখ, ফারহানা খাতুন-সহ একাধিক কাউন্সিলর এবং তৃণমূলের কর্মীরা কংগ্রেসে যোগ দেন। একই দিনে মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি ওবায়দুর রহমানও কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।ইনজামুলের দলবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপির দক্ষিণ মালদহ সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি মিলন ঘোষ কটাক্ষ করে দাবি করেন, তৃণমূলের দুর্নীতি থেকে বাঁচতেই অনেকে দলবদল করছেন। সামশেরগঞ্জের অশান্তিতে যাঁদের নাম উঠেছিল, তাঁরাও নিজেদের বাঁচাতে দল পরিবর্তন করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে দলবদল করেও তাঁরা আইনি পরিস্থিতি থেকে রেহাই পাবেন না বলেও দাবি করেন বিজেপি নেতা।বিজেপির এই অভিযোগ অবশ্য সরাসরি খারিজ করেছেন ইনজামুল ইসলাম রাজা। তাঁর দাবি, সামশেরগঞ্জের অশান্তির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ ছিল না। রাজনৈতিক কারণে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। সেই মামলার বিরুদ্ধে তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের এই ভাঙন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ধুলিয়ান পুরসভার একাধিক জনপ্রতিনিধির একসঙ্গে দলবদল স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে ওয়াকফ-অশান্তির মামলা চলার মধ্যেই ইনজামুলের কংগ্রেসে যোগদান ঘিরে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।এ দিনের যোগদান সভায় উপস্থিত ছিলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী, দক্ষিণ মালদহের সাংসদ ইশা খান চৌধুরী, ফরাক্কার বিধায়ক মনিরুল ইসলাম এবং জঙ্গিপুর মহকুমা কংগ্রেসের সভাপতি আলফাজুদ্দিন বিশ্বাস-সহ জেলা ও ব্লক স্তরের কংগ্রেস নেতৃত্ব।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ বাংলায় এত বড় বিনিয়োগ! জাহাজ শিল্পে পাঁচ প্রকল্পের সূচনায় বাড়ল আশার আলো

পশ্চিমবঙ্গে জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের ভবনে পাঁচটি সম্প্রসারণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এই পাঁচটি প্রকল্পে মোট ৩৪০৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।এই উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে রাইচক CPR, টিম্বার পন্ট শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, দামোদর শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, রেডিয়াল ফোরজিং প্ল্যান্ট এবং ৩০০০ টন ওপেন-ডাই ফোরজিং প্রেস প্রকল্প। জাহাজ নির্মাণের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা উৎপাদনের ক্ষেত্রেও এই প্রকল্পগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে বাংলায় বিনিয়োগ আনার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের ভূমিকার প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, বাংলায় শিল্প গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় জমি, দক্ষ মানবসম্পদ, পরিকাঠামো এবং কাঁচামাল রয়েছে। এতদিন এই সম্ভাবনাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার একসঙ্গে কাজ করলে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, নতুন সরকারের আমলে কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ের ফলে উন্নয়নের গতি আরও বাড়ছে।সীমান্ত সুরক্ষার প্রসঙ্গও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য জমি দেওয়া কোনও রাজনৈতিক বিষয় নয়, বরং রাজ্য সরকারের দায়িত্ব বলেই মন্তব্য করেন তিনি। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় জমির প্রায় ৯০ শতাংশ হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা জনগণনা সংক্রান্ত কাজও ফের শুরু হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে রাজ্যে বেকারত্ব কমাতে শিল্পায়ন এবং বড় বিনিয়োগের উপর জোর দেওয়ার কথা বলেন তিনি।গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকার জমি এবং পরিকাঠামো সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ৩৪০৪ কোটি টাকার এই বিনিয়োগ দিয়েই উদ্যোগ শেষ নয়, আগামী দিনে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে।জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদনের পাশাপাশি এই ধরনের শিল্প প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাকে ফের দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে বার্তা দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

মহাকাশে বদলে যাচ্ছে ভারতের ছবি! স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে কী বললেন মোদী?

জাতীয় মহাকাশ দিবসে দেশের মহাকাশ ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার দেশের প্রথম সারির মহাকাশ স্টার্টআপগুলির প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে স্টার্টআপগুলির উদ্যম, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং নতুন ভাবনার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবন আরও সহজ করতে মহাকাশ প্রযুক্তির নতুন ব্যবহার খুঁজে বার করার পরামর্শ দেন তিনি।মোদী বলেন, মহাকাশ প্রযুক্তিকে শুধু প্রচলিত কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানেও এই প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, সেই বিষয়ে নতুন করে ভাবার পরামর্শ দেন তিনি।ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ নিয়েও স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের আত্মবিশ্বাস এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার প্রশংসা করে তিনি সরকারি নীতির ধারাবাহিকতার উপর জোর দেন। তাঁর বক্তব্য, সরকারের সিদ্ধান্তের উপর মহাকাশ ক্ষেত্রে কাজ করা সংস্থাগুলির যে আস্থা তৈরি হয়েছে, তা ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি।বিশ্বের মহাকাশ অর্থনীতিতে ভারতকে আরও বড় জায়গায় নিয়ে যাওয়ার কথাও বলেন মোদী। তাঁর আশা, আগামী দিনে মহাকাশ ক্ষেত্রে কোনও বড় প্রযুক্তিগত সাফল্য এলেই বিশ্বের নজর ভারতের স্টার্টআপগুলির দিকে ঘুরবে। ভারতীয় সংস্থাগুলি যেন বিশ্ব মহাকাশ ক্ষেত্রে নিজেদের শক্তিশালী পরিচয় তৈরি করতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এগোতে হবে বলে বার্তা দেন তিনি।মহাকাশ স্টার্টআপ, মহাকাশ সংস্থা এবং বৃহত্তর প্রযুক্তি ক্ষেত্রের মধ্যে আরও বেশি সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বিদেশে কাজ করা ভারতীয় দক্ষ পেশাদারদের দেশে ফিরে আসার প্রবণতাকেও ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর মতে, ভারতে এমন পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন, যাতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দক্ষ মানুষ মহাকাশ ক্ষেত্রে কেরিয়ার গড়ার জন্য ভারতকে অন্যতম সেরা ঠিকানা হিসেবে বেছে নেন।মোদীর বক্তব্য, ভারতীয় মহাকাশ স্টার্টআপগুলির দ্রুত বৃদ্ধি আগামী দিনে বিশ্বের প্রতিভাবান পেশাদারদের আকৃষ্ট করতে পারে। শুধু দেশের প্রতিভা নয়, গোটা বিশ্বের দক্ষ মানুষকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যেই এগোতে হবে। জাতীয় মহাকাশ দিবসে প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তায় মহাকাশ ক্ষেত্রে ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

আবার নিম্নচাপের চোখরাঙানি! রবিবার থেকে মঙ্গলবার ভিজবে বাংলা, কোথায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা?

রবিবার থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় ফের বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা। উপকূলের দিকে ইতিমধ্যেই মেঘ ঢুকতে শুরু করেছে। ফলে রবিবার থেকে বৃষ্টি বাড়তে পারে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি চলতে পারে।গত সপ্তাহে নিম্নচাপের জেরে প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়েছিল দক্ষিণবঙ্গ। কলকাতা-সহ প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি হয়েছিল। বহু জায়গায় জল জমে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে। এর মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে ফের একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। অগস্ট মাসে এটি তৃতীয় নিম্নচাপ বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। নতুন এই নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নতুন নিম্নচাপটি বাংলা ও ওড়িশা উপকূলের কাছে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উপকূলবর্তী এবং পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টি বেশি হতে পারে। কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে নিম্নচাপের মূল প্রভাব পড়তে পারে ওড়িশা এবং ছত্তীসগঢ়ে।দক্ষিণবঙ্গের পর মঙ্গলবার থেকে উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে।বৃহস্পতিবারও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ফলে সপ্তাহের শুরু থেকেই ফের বৃষ্টির দাপট দেখা দিতে পারে বাংলায়। নতুন নিম্নচাপের গতিপথ এবং শক্তি বদলালে বৃষ্টির পূর্বাভাসেও পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ব্রাজিল ম্যাচ বয়কটের ডাক বাইচুংয়ের, ‘স্থানীয় রাজনীতি’ বলে উড়িয়ে দিল ব্রাজিল! যুবভারতীর ম্যাচ ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক

৩ অক্টোবর কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভারত বনাম ব্রাজিলের বহু প্রতীক্ষিত ফুটবল ম্যাচ। বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবল দলের বিরুদ্ধে ভারতের মাঠে নামার খবরে ইতিমধ্যেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু ম্যাচ যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে বিতর্কও। একদিকে এই ম্যাচ আয়োজনকে ঘিরে বিপুল খরচ এবং দেশের ফুটবল পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, অন্যদিকে এর জন্য ঘরোয়া ফুটবল সূচি ও জাতীয় দলের পরিকল্পনায় প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ।এই পরিস্থিতিতেই ভারতীয় ফুটবলের কিংবদন্তি বাইচুং ভুটিয়া সরাসরি ব্রাজিল ম্যাচ বয়কটের ডাক দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, একটি মাত্র প্রদর্শনী ম্যাচের পিছনে বিপুল অর্থ খরচ না করে সেই টাকা দীর্ঘমেয়াদি ভাবে ভারতীয় ফুটবলের উন্নয়নে বিনিয়োগ করা উচিত। বাইচুংয়ের মতে, এমন ম্যাচের পিছনে অর্থ ব্যয় করলে তা দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎকে এগিয়ে নেওয়ার বদলে উল্টে পিছিয়ে দিতে পারে।বাইচুংয়ের কথায়, ম্যাচ বয়কট করলে একটি স্পষ্ট বার্তা যাবে। ভবিষ্যতে এই ধরনের বড় ম্যাচ আয়োজনের আগে ফেডারেশনকে আরও সতর্ক হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।বিপুল খরচ, প্রশ্নের মুখে ঘরোয়া ফুটবলকলকাতায় ব্রাজিলকে নিয়ে ম্যাচ আয়োজন করতে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ কোটি টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। ম্যাচের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ব্রাজিলের পর্যবেক্ষক দল যুবভারতী পরিদর্শনও করেছে। স্টেডিয়ামের পরিকাঠামো নিয়ে তাদের তরফে কিছু উদ্বেগের কথাও উঠে এসেছে।এর পাশাপাশি সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে ভারতীয় ফুটবলের ঘরোয়া কাঠামো নিয়ে। ব্রাজিল ম্যাচকে কেন্দ্র করে আইএসএলের সূচি পিছিয়ে যাওয়ার জল্পনা তৈরি হয়েছে। ফলে ক্লাবগুলির প্রস্তুতি এবং গোটা মরসুমের পরিকল্পনা নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।অন্যদিকে ফিফা এশিয়ান কাপের বিষয়টিও নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। একই সময়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ এবং অন্যান্য সূচির সংঘাতের কারণে ভারত এশিয়ান কাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। যদিও এই বিষয়ে ব্রাজিল ফুটবল কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও নিশ্চিত তথ্য তাদের কাছে নেই বলেই জানানো হয়েছে।বাইচুংয়ের প্রশ্নএক ম্যাচের জন্য এত টাকা কেন?বাইচুং ভুটিয়ার যুক্তি, ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে ৯০ মিনিটের ম্যাচ নিঃসন্দেহে ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে বড় আকর্ষণ। কিন্তু সেই আবেগের বাইরে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা ভাবতে হবে।তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, যদি এত বড় অঙ্কের অর্থ হাতে থাকে, তবে তা আগামী কয়েক বছরের জন্য দেশের ক্রীড়া পরিকাঠামো, প্রতিভা অন্বেষণ, প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরিতে বিনিয়োগ করা যায় না কেন? তাঁর মতে, সেই বিনিয়োগ থেকে ভবিষ্যতে কমনওয়েলথ গেমস বা অলিম্পিক্সের মতো মঞ্চে পদক পাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।এবার পাল্টা বার্তা ব্রাজিলেরভারতীয় ফুটবল মহলে যখন ম্যাচ বয়কট নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে, তখন ব্রাজিলের ফুটবল কর্তাদের বক্তব্য পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের অভ্যন্তরে এই ম্যাচ নিয়ে কী ধরনের বিতর্ক চলছে, তা নিয়ে ব্রাজিল কর্তৃপক্ষ বিশেষ চিন্তিত নয়। ম্যাচের সূচি পরিবর্তনেরও কোনও সম্ভাবনা নেই।বয়কট নিয়ে ব্রাজিলের তরফে বিশেষ মাথাব্যথা নেই বলেও ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। বরং এই ধরনের বক্তব্যকে স্থানীয় রাজনৈতিক বা অভ্যন্তরীণ বিতর্কের অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের দাবি।এশিয়ান কাপ থেকে ভারতের নাম প্রত্যাহারের বিষয়েও ব্রাজিল কর্তৃপক্ষের কাছে কোনও স্পষ্ট তথ্য নেই বলে জানা গিয়েছে। ফলে ভারতের অভ্যন্তরীণ ফুটবল পরিস্থিতির সঙ্গে ব্রাজিলের কলকাতা সফরকে যুক্ত করার কোনও কারণ দেখছে না পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।ভারত আমাদের সমর্থন করেছে, বলছে ব্রাজিলব্রাজিল দলের পক্ষ থেকে রড্রিগো কেতানোও এই ম্যাচের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর বক্তব্যের মূল সুরভারত বিশ্বকাপের সময়ে ব্রাজিলকে যে সমর্থন দিয়েছে, তার জন্য তারা কৃতজ্ঞ। কলকাতায় ম্যাচ আয়োজনকে তাই শুধু বাণিজ্যিক বা প্রদর্শনী ম্যাচ হিসেবে দেখছে না ব্রাজিল।ব্রাজিলের তরফে জানানো হয়েছে, এই ম্যাচে তারা নিজেদের সেরা ফুটবল উপহার দিতে চায়। অর্থাৎ ভারতের মাটিতে এসে শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা সারাই তাদের লক্ষ্য নয়; বরং ভালো পারফরম্যান্স করে ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে তুলতে চায় তারা।স্টিমাচের কটাক্ষেও বাড়ছে বিতর্কব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন ভারতের প্রাক্তন কোচ ইগর স্টিমাচও। তাঁর বক্তব্য, দেশের ঘরোয়া লিগ এবং জাতীয় দলের পরিকল্পনার মধ্যে এখনও প্রয়োজনীয় সামঞ্জস্য তৈরি হয়নি। সেই সমস্যা সমাধান না করে ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনার মতো দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ আয়োজন করা হলে তা ভারতীয় ফুটবলের জন্য উল্টে অস্বস্তির কারণ হতে পারে।অর্থাৎ একদিকে বাইচুংয়ের আর্থিক অগ্রাধিকারের প্রশ্ন, অন্যদিকে স্টিমাচের ঘরোয়া ফুটবলের কাঠামো নিয়ে অভিযোগসব মিলিয়ে ৩ অক্টোবরের ম্যাচ এখন শুধুমাত্র একটি ফুটবল ম্যাচে সীমাবদ্ধ নেই।ম্যাচ হবে, বিতর্কও চলবে?একদিকে ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে যুবভারতীতে ভারতকে দেখার স্বপ্নে ফুটবলপ্রেমীরা উত্তেজিত। অন্যদিকে দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎ, বিপুল খরচ, আইএসএলের সূচি এবং জাতীয় দলের পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন প্রাক্তন ফুটবলার ও কোচেরা।ব্রাজিলের তরফে অবশ্য এখনও পর্যন্ত বার্তা স্পষ্টতারা ম্যাচ খেলতে প্রস্তুত এবং সূচি বদলের কোনও পরিকল্পনা নেই। ফলে ৩ অক্টোবর যুবভারতীতে ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা যেমন বাড়ছে, তেমনই তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিতর্কও। এখন দেখার, শেষ পর্যন্ত মাঠের ৯০ মিনিট কি সমস্ত বিতর্ককে ছাপিয়ে যেতে পারে, নাকি ম্যাচ শেষ হওয়ার পরও ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে এই প্রশ্নগুলি আরও জোরালো হয়ে ওঠে।

আগস্ট ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal