• ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩, শুক্রবার ১৫ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Doctor

রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর কর্মবিরতি তুলে নেওয়ার আবেদনে প্রচ্ছন্ন হুঁশিয়ারি! মনে করে চিকিৎসকরা নিজেদের অবস্থানে অনড়

আরজি কর কাণ্ডে বিচারের দাবিতে টানা কর্মবিরতি চালাচ্ছেন সরকারি হাসপাতালের জুনিয়র ডাক্তারেরা। কোনও বড় পদক্ষেপ না হলে তারা কর্মবিরতি তুলবেন না তা বারে বারে ঘোষণা করেছেন। বুধবার তাঁদের আরও এক বার কাজে ফেরার আবেদন জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে সেই আবেদনের মধ্যেও প্রচ্ছন্ন হুমকির সুর রয়েছে বলে কেউ কেউ মনে করছেন। যা নিয়ে আপত্তি জানিয়ে জুনিয়র ডাক্তাররা পাল্টা বলেছে, কর্মবিরতি উঠছে না।বুধবার মেয়ো রোডে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে সভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। সেই সময়ই আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে কলকাতায় মিছিল বের করেন জুনিয়র ডাক্তাররা। টিএমসিপির প্রতিষ্ঠা দিবসের মঞ্চ থেকে ডাক্তারদের এই আন্দোলনকে সমর্থন জানান মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি যাঁরা কর্মবিরতি চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁদের উদ্দেশে মমতা বলেন, আমরা কিন্তু ডাক্তারদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিইনি। দিল্লিতে বিজেপি সরকার ডাক্তারদের বিরুদ্ধে এফআইআর করেছিল।এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ডাক্তারদের প্রতি আমার সমর্থন আছে। কিন্তু আপনাদের আরও একটু মানবিক হওয়ারও আবেদন করব। সুপ্রিম কোর্টও আপনাদের কাজে ফিরতে অনুরোধ করেছে। অনেক গরিব মানুষ চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন। অনেকে মারা গিয়েছেন। সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যগুলোকে বিশেষ ক্ষমতা দিয়েছে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। কিন্তু আমি আপনাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেব না। আপনাদের ক্ষোভ আছে। অভিমান আছে। আমি সেটা বুঝি। কিন্তু এ বার আস্তে আস্তে কাজে যোগদান করুন।তারপরেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের মানবিক মুখ রয়েছে। আমরা চাই না, কারও সারা জীবনটা নষ্ট হোক। আমরা যদি এফআইআর করি বা কোনও আইনি ব্যবস্থা নিই, তা হলে আপনাদের কেরিয়ারটা নষ্ট হয়ে যাবে। ভিসা, পাসপোর্টে অসুবিধা হয়ে যাবে। আমি তা চাই না। আমি চাই আরও ভাল ভাল ডাক্তার তৈরি করতে।মমতার এই আবেদনের মধ্যেই হুঁশিয়ারি দেখতে পাচ্ছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। মমতার সভা শেষ হওয়ার পরই মিছিল থেকে জুনিয়র ডাক্তাররা বলেন, তাঁদের যেন এফআইআরের ভয় না দেখানো হয়। আন্দোলন চলবে। এদিন কলেজ স্কোয়্যার থেকে শ্যামবাজারের দিকে তাঁদের মিছিল এগোয়। তাঁরা বলেছেন, তাঁদের দাবি না মেনে নেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

আগস্ট ২৮, ২০২৪
কলকাতা

আরজি করের নিহত ছাত্রীর বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী, সকালে পদত্যাগ অধ্যক্ষের, বিকেলে ন্যাশনাল মেডিক্যালের দায়িত্বে

আরজি করের নিহত তরুণী চিকিৎসকের বাড়িতে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিহত চিকিৎসকের মা-বাবার সঙ্গে কথা বললেন তিনি। আগেই এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। অপরাধীর ফাঁসির শাস্তির আবেদন করা হবে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। এদিন চাপের কাছে হার মেনে আরজি কর হাসপাতালের অধ্যক্ষ পদত্যাগ করেন। যদিও বিকেলেই তিনি ফের অধ্যক্ষ হিসাবে নিয়োগ পান ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের। এই পদত্যাগের নাটক নিয়ে চিকিৎসক মহলও সোচ্চার।সোমবার আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নিহত চিকিৎসকের বাড়িতে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার বেলা পৌনে একটা নাগাদ নিহত ছাত্রীর বাড়িতে পৌঁছোন মুখ্যমন্ত্রী। নিহতের মা-বাবার সঙ্গে কথা হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।এর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘটনা নিয়ে বলেছিলেন, জুনিয়র ডাক্তারদের বিক্ষোভ সঙ্গত। হাসপাতালে সুরক্ষা ব্যবস্থায় গাফিলতি ছিল কিনা খতিয়ে দেখা হবে। যেই হোক তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। প্রয়োজনে আমরাও শাস্তির আবেদন জানাব। রাজ্য সরকারের কোনও কিছু লুকানোর নেই। তাদের শিক্ষা দেওয়ার জন্য এই ধরনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার প্রয়োজন আছে। মহিলা চিকিৎসকের মৃত্যু নক্কারজনক। বলেছি কেসটাকে ফার্স্ট ট্র্যাক কোর্টে নিয়ে যাওয়া যায় কিনা দেখতে। জুনিয়র ডাক্তাররা দায়িত্ববান। তারা কখনও রোগীকে চিকিৎসা থেকে বিরত করে না। ফার্স্ট ট্র্যাক কোর্টে এনে ফাঁসির আবেদন করা হোক। এই অপরাধের কোনও ক্ষমা নেই। তবে জুনিয়র ডাক্তারদের বলব, রোগী পরিষেবা চালু করুন। এই ঘটনাটা ঘটেছে সেমিনার হলে। চারিদিকে সিসিটিভি আছে। যাকে ধরা হয়েছে তার ওখানে যাতায়াত ছিল। চাইলে অন্য এজেন্সি দিয়ে তদন্ত হোক। Cbi তদন্তে আপত্তি নেই।এদিকে, আরজি কর কাণ্ডে সোমবারই পদত্যাগ করেছেন মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। সোমবার সকালে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ জানিয়েছেন, কারও চাপের জন্য নয়, নিজের ইচ্ছাতেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। পদত্যাগের পর সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে আমার পদত্যাগের বিষয়টিই কাম্য ছিল। গত কয়েকদিনে বিভিন্ন মাধ্যমে আমি যে কটুক্তি সহ্য করেছি, আমার পরিবার, সন্তানরা যা সহ্য করেছে তাতে বাবা হিসেবে আমি লজ্জিত। সেই কারণে আমি পদত্যাগ করলাম। তবে এদিন বিকেলেই তাঁর বদলির অর্ডার হয়েছে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজে প্রিন্সিপ্যাল পদে। তবে তাঁর জয়েনিং নিয়ে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজে বিক্ষোভ হতে পারে বলে খবর।

আগস্ট ১২, ২০২৪
রাজ্য

বিএমওএইচকে সরাতে পথ অবরোধ, কেন এই দাবি?

মালদার বামনগেলা ব্লকের বিএমওএইচকে বদলির দাবিতে মালদা-নালাগোলা রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালেন গ্রামবাসীরা। গত মঙ্গলবার বামনগোলা ব্লকের মুদিপুকুর গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসায় গাফিলতির জেরে এক রোগী মৃত্যুর অভিযোগ ওঠে। আর সেই ঘটনার পর থেকেই স্থানীয় গ্রামবাসীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ ছড়াতে শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার সকালে সেই অসন্তোষের আঁচ ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। এদিন মুদিপুকুর হাসপাতালের সামনে মালদা - নালাগোলা রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান শতাধিক গ্রামবাসীরা। এই পরিস্থিতির কথা জানতে পেরে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বামনগোলা থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ। এরপর বিওএমএইচের বদলিসহ বিভিন্ন দাবি নিয়েই সংশ্লিষ্ট ব্লকের ডেপুটেশন দেয় বিক্ষোভকারী গ্রামবাসীরা।গ্রামবাসীদের অভিযোগ, মুদিপুকুর গ্রামীন হাসপাতালটি এলাকার একমাত্র চিকিৎসা পরিষেবা কেন্দ্র। বামনগোলা থেকে মালদা মেডিকেল কলেজের দুরুত্ব প্রায় ৫০ কিলোমিটার। ফলে রাত-বেড়াতে অতি সহজেই রোগীদের মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে চরম সমস্যায় পড়তে হয়। এর জন্য অসংখ্য গ্রামবাসীদের কাছে মুদিপুকুর গ্রামীণ হাসপাতালে ভরসা। কিন্তু এই হাসপাতালের ঠিকমতো চিকিৎসা পরিষেবা মিলছে না। যার জন্যই এদিন বিএমওএইচ সুদীপ কুন্ডুর বদলি দাবি নিয়ে গ্রামবাসীরা সোচ্চার হন।পুলিশো স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত মঙ্গলবার মুদিপুকুর গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসা চলাকালীন এক রোগীর মৃত্যু হয় । মৃতের পরিবার এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, চিকিৎসার গাফিলতির জেরে ওই রোগীর মৃত্যু হয়েছে। আর তারপর থেকেই বিএমওএইচ-এর ওপর ক্ষোভ বাড়তে থাকে।যদিও এপ্রসঙ্গে বামনগোলা ব্লকের বিএমওএইচ ডা: সুদীপ কুণ্ডু কোনও মন্তব্য করেননি। পুলিশ জানিয়েছে কিছু মানুষ এলাকায় ক্ষোভ-বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। তাদের সঙ্গে কথা বলার পরেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৩
কলকাতা

ডাক্তারিতে ডিপ্লোমা কোর্সের ভাবনা মমতার, শর্টকাটের বিরোধিতা চিকিৎসকদের

অল্প সময়ের মধ্যেই চিকিৎসক চাই। তাই এবার ইঞ্জিনিয়ারিং পাঠ্যক্রমের কায়দায় ডাক্তারিতেও ডিপ্লোমা কোর্স চালুর প্রস্তাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৃহস্পতিবার নবান্ন সভাঘরে এই নয়া চিন্তাভাবনার কথা তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য, এর ফলে রোগী ও চিকিৎসকের অনুপাতের ঘাটতি কমবে। একইভাবে ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতেও কাজে লাগানো যাবে।মুখ্যমন্ত্রীর নয়া প্রস্তাবের সমালোচনা করেছে বিরোধী দলসহ চিকিৎসকদের বড় অংশ। বিজেপির রাজ্য সভপাতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, সিভিক ভলান্টিয়ারের পর সিভিক শিক্ষক এবার সিভিক ডাক্তার বানাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাহলে আর একজন মুখ্যমন্ত্রী কেন আরও কয়েকজন সিভিক মুখ্যমন্ত্রী করলেই তো হয়। অন্যদিকে চিকিৎসকদের একটা বড় অংশের বক্তব্য, এভাবে শর্টকাট পদ্ধতিতে চিকিৎসক তৈরি করা যায় না। এমন হলে ভেঙে পড়বে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা।ঠিক কী বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?রাজ্যে ডাক্তারের ঘাটতি রয়েছে। এ জন্য জেলা হাসপাতালগুলিকেই ভুগতে হয় বেশি। ঘাটতি পূরণে বাড়ানা হয়েছে ডাক্তারি পাঠ্যক্রমে আসন সংখ্যা। কিন্তু, অনেকেই পাস করার পর এ রাজ্যে থাকছেন না। ফলে লাভের লাভ হচ্ছে না। বৈঠকে উপস্থিত আমলাদের উদ্দেশে মমতা বলেন, অনেক হাসপাতাল হচ্ছে, যেখানে ডাক্তার নেই, নার্স নেই। ইঞ্জিনিয়ারদের মতো ডাক্তারদের একটা ডিপ্লোমা কোর্স চালু করা যায় কি না দেখো। তাহলে অনেক ছেলে-মেয়ে ডাক্তারি ডিপ্লোমা কোর্সের সুযোগ পাবে। পাঁচ বছর ধরে প্রশিক্ষণে আমরা যে অরিজিনাল ডাক্তার পাচ্ছি, তাদের অনেকটা সময় যাচ্ছে, পড়াশোনা করতে হচ্ছে, পরীক্ষা দিতে হচ্ছে। কিন্তু যেহেতু হাসপাতাল বাড়ছে, লোকসংখ্যা বাড়ছে, বেড বাড়ছে যদি সমান্তরালভাবে একটি ডিপ্লোমা কোর্স করে অন্তত প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে কাজে লাগানো যায়, তাহলে মনে হয় ভাল রেজাল্ট দেবে।

মে ১১, ২০২৩
রাজ্য

মেডিক্যাল কলেজে নির্বাচন, স্বাস্থ্য কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা অধ্যক্ষের

একটানা সাতদিনে পড়েছে মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়াদের এই আন্দোলন। এখনও জট কাটেনি। টানা আন্দোলনের জেরে অসুস্থ হচ্ছেন একের পর এক আন্দোলনকারী। এবার কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে অনশনরত ডাক্তারি পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়ালেন তাঁদের অভিভাবকরাও। প্রতীকী অনশন শুরু করে দিলেন অভিবাকরা। পড়ুয়াদের দাবিকে মান্যতা দেওয়ার এই আন্দোলনে আজ সকাল ১০ টা থেকে ১২ ঘণ্টার প্রতীকী অনশনে অভিভাবকরা। কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিন্সিপাল ডক্টর ইন্দ্রনীল বিশ্বাস বৈঠক শেষে স্বাস্থ্য অবন থেকে বেরোলেন। বেরিয়ে তিনি বলেন, সমস্যাটা আমাদের কলেজ কাউন্সিলের হাতে নেই। সিদ্ধান্ত উপর মহল থেকে আসবে। আলোচনা চলছে কিছু একটা সুরাহা তো নিশ্চয়ই বেরিয়ে আসবে। অনশন তুলে নেওয়া হোক। ইলেকশন হবে, কিন্তু ২২ ডিসেম্বর হবে না। আমরা পরে একটা তারিখ ঠিক করব।মেডিক্যাল কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সামনেই অনশন আন্দোলন চলছে। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ডাক্তারি পড়ুয়াদের আন্দোলনের ঝাঁঝ বেড়েই চলেছে। বৃহস্পতিবার তাঁদের সঙ্গেই আন্দোলনে সামিল হয়েছেন অভিভাবকরাও। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে আন্দোলনকারীদের ৬ অভিভাবকও ১২ ঘণ্টার প্রতীকী অনশন শুরু করেন। সকাল ১০টা থেকে মেডিক্যাল কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সামনে তাঁরা অনশন করছেন।উল্লেখ্য, মেডিক্যাল কলেজে ছাত্র সংসদের নির্বাচন-সহ বেশ কয়েকটি দাবিতে অনশন আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন পড়ুয়ারা। আগামী ২২ ডিসেম্বর মেডিক্যাল কলেজের ছাত্র সংসদের নির্বাচনের দিন ৩০ নভেম্বর ঘোষণা করেছিল কলেজ কর্তৃপক্ষ। যদিও পরে সেই ২২-এর পরিবর্তে অন্য কোনও দিন ছাত্র ভোট হবে বলে জানানো হয়। যদিও ছাত্র সংসদের নির্বাচন ঠিক কবে নাগাদ হতে পারে সেব্যাপারে স্পষ্ট কোনও উত্তর মেলেেনি।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২২
রাজ্য

নির্বাচন করতেই হবে, মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রদের অনশন অব্যাহত, অসুস্থ দুই

দুদিন পেরিয়ে গেলেও অনশন জারি রেখেছেন কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়ারা। নির্বাচনের দাবিতে দিয়ে চলেছেন লাগাতার স্লোগান। শনিবার সন্ধ্যায় মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হাজির হন স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম। তিনি হাসপাতালের অধ্যক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেন। ২২ ডিসেম্বর নির্বাচনের দাবিতে অবিচল ছাত্ররা। এদিন অনশনরত দুই ছাত্র অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিশাল পুলিশবাহিনী রয়েছে আশেপাশে।ছাত্রদের দাবি, ঘোষণা করার পরও নির্বাচন বাতিল করা হয়েছে মেডিক্যাল কলেজে। ৩০ নভেম্বর ঘোষণা হয়েছিল ২২ ডিসেম্বর নির্বাচন হবে। কেন সেই নির্বাচন হবে হবে না প্রশ্ন তুলেছেন ছাত্ররা। এর আগে অবরোধ আন্দোলন করেছিল মেডিক্যাল পড়ুয়ারা। এবার চলছে লাগাতার অনশন। চিকিৎসক সংগঠনগুলির নেতৃত্বও দাবি করেছে, সমস্ত মেডিক্যাল কলেজে ছাত্র সংসদ নির্বাচন করতে হবে। অনশনরত ছাত্রদের মধ্যে ২ জন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা প্রয়োজন বলে চিকিতসকরা পরামর্শ দিয়েছেন। অসুস্থরা চিকিৎসা করাতে চাইছেন না। এই নিয়ে চলছে চাপান-উতোর। ছাত্রদের একটাই দাবি, অবিলম্বে নির্বাচন করতেই হবে।

ডিসেম্বর ১১, ২০২২
রাজ্য

জমি জালিয়াতি, চিকিৎসককে আটক রাখলেন গ্রামবাসীরা

অন্যের জমি জালিয়াতি করে নিজের নামে রেকর্ড করানোর অভিযোগে একজন চিকিৎসককে আটক রাখলেন গ্রামবাসীদের একাংশ। সোমবার ঘটনাটি ঘটে পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষের কামালপুর এলাকায়।অভিযোগ কামালপুর এলাকার তিলডাঙা গ্রামের ২৪০ দাগের এক বিঘে জায়গা চিকিৎসক শান্ত কুমার মণ্ডল নিজের নামে রেকর্ড করে নেন ২০১৯ সালে।আসলে জায়গাটির মালিক দুষ্টু মাহাতো।দুষ্টু মাহাতোর নাতি হীরু মাহাতোর অভিযোগ আমরা তেমন লেখাপড়া জানি না। ৪৭ বছর আগে এই জায়গাটি কেনা হয়।দুষ্টু মাহাতোর নামে জায়গার দলিল আছে।এই জায়গার উপর একটি ক্লাবঘর ও মন্দির আছে।আমরা ভূমি সংস্কার দপ্তরে গিয়ে জানতে পারি জমির মালিক দুষ্টু মাহাতোর পরিবর্তে শান্ত কুমার মণ্ডল। তখন আমি ডাক্তারবাবুকে বলি আমাদের জমি আমাদের ফিরিয়ে দিতে।উনি আমাকে বলেন, জমিটি কিনতে হবে।এই নিয়ে ক্লাবে অনেকবার আলোচনা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত ডাক্তারবাবু জমি ফিরিয়ে দিতে রাজী হন।তারপর থেকে টালবাহানা করছেন।এই নিয়ে এলাকার তৃণমূল নেতা থেকে পঞ্চায়েত সদস্য সবাইকেই বিষয়টি জানানো হয়।কিন্তু কেউ বিষয়টি গুরুত্ব দেয় নি।এদিন শান্ত কুমার মণ্ডল তিলডাঙা গ্রামে তার চেম্বারে গেলে স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে ঘিরে ধরে।জালিয়াতি করে জমি নেওয়ায় ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীদের একাংশ তাকে বিদ্যুতের পোলে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখেন। খবর পেয়ে খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ গিয়ে শান্ত কুমার মণ্ডলকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।শান্ত কুমার মণ্ডলের বাড়ি কামালপুরে। পাশের গ্রাম তিলডাঙায় তার চেম্বার।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২২
স্বাস্থ্য

ডক্টরস্ এক্সসেলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২২

ভগবানের পর আমাদের জীবনে যাদের অবদান বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ তারা হলেন ডাক্তার। তাদেরই প্রয়াসে নতুন জীবন পাই আমরা। এবার সেই সব ডাক্তারদের সম্মাননা জ্ঞাপনের বিশেষ প্রয়াস নেওয়া হল। উদ্যোগে এস এস মিডিয়া এন্ড প্রোডাকশন। শনিবার তাদের উদ্যোগে আয়োজিত হল ডক্টর এক্সসেলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২২। স্বাস্থ্য পরিষেবা ক্ষেত্রে এই সব মানুষদের যে অবদান তাকে কুর্নিশ জানাতেই এই অ্যাওয়ার্ডের আয়োজন বলে জানালেন উদ্যোক্তা শুভাশিস সাহা। শুধু তাই নয় সাস্থ পরিষেবা ক্ষেত্রকে উৎসাহিত করতেও এবং এই ক্ষেত্রে যাতে আরো নতুন চিন্তা ভাবনা এবং উদ্ভাবন হয় সেটার ওপরও নজর দেন উদ্যোক্তারা। এবছর খ্যাতনামা চিকিৎসক রূপালি বসু প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন। লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড পেলেন স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ ডা: জয়ন্ত কুমার গুপ্ত ও বিশেষ সম্মানে ভূষিত হলেন ডা: সুচেতনা সেনগুপ্ত। এছাড়া এস এস মিডিয়া অ্যান্ড প্রোডাকশন কর্তৃক আয়োজিত ডক্টরস অ্যাওয়ার্ড ২২ প্রদান করা হলো ডক্টর ইন্দ্রনীল মুখোপাধ্যায়, ডক্টর সঞ্জয় সেন, ডক্টর সায়ন্তনী সেনগুপ্ত, ডক্টর সুপর্ণা ব্যানার্জি, ডক্টর ক্যামিলা সাহা, ডক্টর বিনায়ক চন্দ , ডক্টর দীপঙ্কর রায়, ডক্টর , জয়ন্ত চক্রবর্তী, ডক্টর শৈবাল ব্যানার্জি, ডক্টর অনুজ কান্তি পোদ্দার, সমাজসেবী দিলীপ কুমার জয়সোয়াল, ডায়েটসিয়ান চেতু সিংহী সহ অন্যান্যদের। এদিন মঞ্চে ডাক্তারদের সম্মাননা প্রদান করার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়।এই নিয়ে দ্বিতীয় বছরে পড়ল এস এস মিডিয়া অ্যান্ড প্রোডাকশনের এই উদ্যোগ। মূল উদ্যোক্তা শুভাশিস সাহার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন উপস্থিত সকলেই।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২২
রাজ্য

জনদরদী ‘এক টাকার ডাক্তার’-এর প্রয়াণে কান্নায় ভেঙে পড়লেন অনুব্রত

এক টাকার ডাক্তার বলে খ্যাত পদ্মশ্রী সুশোভন বন্দোপাধ্যায় প্রয়াত। মঙ্গলবার কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন মানবদরদী চিকিৎসক। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে আসে বীরভূম জেলাজুড়ে। লাখো মানুষ এই চিকিৎসকের সেবায় উপকৃত।বিশিষ্ট চিকিৎসক সুশোভন বন্দোপাধ্যায়ের মানুষের সেবা করাই ছিল একমাত্র ব্রত। বোলপুর, বীরভূম ছাড়িয়ে তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে সারা বাংলায়। পরবর্তীতে এক টাকার ডাক্তার-এর পরিচিতি হয় সারা দেশে। সমাজে তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য পদ্মশ্রী উপাধিতে ভূষিত করেন কেন্দ্রীয় সরকার। বোলপুরের বিধায়কও ছিলেন ডাঃ সুশোভন বন্দোপাধ্যায়।জনদরদী চিকিৎসকের মৃত্যুতে কান্নায় ভেঙে পড়লেন বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মন্ডল। হাউমাউ করে কেঁদে ফেললেন। রুমাল দিয়ে বারে বারে মুছলেন চোখের জল। বললেন, সুশোভবনবাবুর সঙ্গে তাঁর হৃদয়ের সম্পর্কের কথা। অনুব্রতের কথায়, খুব ভাসবাসতেন আমাকে। এরকম মানুষ আর পাওয়া যাবে না। অন্যায় করলে বলতেন অন্যায় করিস না।

জুলাই ২৬, ২০২২
রাজ্য

ডাক্তার স্টিকার লাগানো গাড়িতে চোলাই মদ পাচার, গ্রেফতার ভূয়ো ডাক্তারসহ দুই অভিযুক্ত

ডাক্তার স্টিকার লাগানো চারচাকা গাড়িতে চোলাই মদ পাচারের অভিযোগে গ্রেফতার হল এক ভুয়ো ডাক্তার ও তার সাগরেদ। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোট থানা এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম সাধন মণ্ডল ও অমল হালদার। ধৃত সাধনের বাড়ি জেলার ভাতার থানার বসতপুর গ্রামে। সে নিজেকে ডাক্তার বলে লোকজনকে পরিচয় দিত। অপর ধৃত অমল ওই চোলাই মদবাহী গাড়িটি চালাচ্ছিল। তার বাড়ি মঙ্গলকোটের সুরুলিয়ায়। পুলিশের দাবি ধৃতদের ব্যবহৃত ডাক্তার স্টিকার লাগানো চারচাকা গাড়িটি থেকে প্রায় ৬০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার হয়েছে।গাড়িটির প্রকৃত মালিক কে তা জানার জন্য পুলিশ গাড়িটি বাজেয়াপ্ত করেছে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ মঙ্গলবার দুই ধৃতকে পেশ করে কাটোয়া মহকুমা আদালতে। বিচারক দুই ধৃতকেই জেল হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। মঙ্গোলকোট থানার পুলিশ অফিসারদের কথায় জানা গিয়েছে, সোমবার সন্ধ্যায় মঙ্গলকোট থানার গুসকরা নতুনহাট রোডে নাকা চেকিং চালাচ্ছিল। ওই সময়েই ডাক্তার স্টিকার লাগানো চারচাকা গাড়িটি গুসকরা মুখে যাচ্ছিল। ডাক্তার স্টিকার লাগানো থাকলেও পুলিশ ডাক্তার গাড়িটি দাঁড় করিয়ে তল্লাশি চালানো শুরূ করে। তল্লাশী চালানোর সময়েই চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যায় পুলিশ কর্মীদের।তারা দেখেন গাড়িতে থাকা একাধিক ব্যাগে মধ্যে ভরা রয়েছে চোলাই মদ ভর্তি প্লাসটিকের জার। এরপর আর একমুহুর্ত দেরি না করে পুলিশ ওই গাড়ি তার দুই আরোহীকে ধরে থানার নিয়ে যায়। জেরায় ধৃতরা কবুল করে পুলিশের নজর এড়াতেই তারা চোলাই মদ পাচারের জন্য চারচাকা গাড়িতে ডাক্তার স্টিকার লাগিয়ে ছিল। জেরার ধৃতরা এমনটা কবুল করার পরেই পুলিশ দুই চোলাই মদ পাচারকারীকেই গ্রেফতার করে।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২২
রাজ্য

Gangasagar Mela: সুপারস্প্রেডারের ভয়ে গঙ্গাসাগর মেলা বন্ধ করতে আদালতে আর্জি ডক্টর্স ফোরামের

কোভিড পরিস্থিতিতে মেলা নিয়ে আগেও সতর্ক করেছেন রাজ্যের চিকিৎসকেরা। সব পক্ষের শুনানির পর শর্ত সাপেক্ষে মেলা করার অনুমতি দিয়েছে আদালত। সেই মতো মেলার প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে ফের সেই মেলা বন্ধ করার আর্জি জানালেন চিকিৎসকেরা। তাঁদের দাবি, এখনও যদি না বন্ধ হয়, তাহলে রাজ্য বিপদসীমায় পোঁছে যাবে। সোমবার গঙ্গাসাগর মেলা সংক্রান্ত একাধিক মামলার শুনানি ছিল। প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের বেঞ্চে এ দিন আর্জি জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। এ দিন মামলার শুনানি শেষের পর রায়দান স্থগিত রাখল আদালত।করোনা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ মেনে গঙ্গাসাগর মেলা চলতে পারে বলে শুক্রবার জানিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে তিন সদস্যের একটি কমিটি তৈরি করে বলেছিল, কমিটি চাইলে মেলা বন্ধের নির্দেশ দিতে পারে। আবার ভিড় নিয়ন্ত্রণ করে চালুও রাখতে পারে। কিন্তু আদালতের সেই রায়ের বিরুদ্ধে সোমবার ফের পাঁচটি মামলা হয় কলকাতা হাইকোর্টে। যার বক্তব্য মূলত দুটিপ্রথমত, অবিলম্বে মেলা বন্ধ করা হোক। কেন না কমিটির রিপোর্ট পেয়ে তা কার্যকর করতে করতে ক্ষতি আরও বাড়বে। দ্বিতীয়ত, আদালতের কাছে আইনজীবীরা জানতে চেয়েছেন, নজরদারি কমিটিতে কোনও চিকিৎসক বা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞকে রাখা হয়নি কেন? যাঁরা কমিটিতে রয়েছেন, তাঁদের পক্ষে কি রাজ্যের বর্তমান করোনা পরিস্থিতি বিচার করা সম্ভব?সোমবার আদালত মামলাকারীদের আইনজীবীদের পরামর্শ দেয়, রাজ্যে এই মুহূর্তে যে করোনা পরিস্থিতি সেখানে দাঁড়িয়ে, এতটা ঝুঁকি না নেওয়াই ভাল। তাই মেলা বন্ধ করা হোক। ডক্টর্স ফোরামের তরফে আদালতকে অনিরুদ্ধ জানান, কলকাতা থেকে ডায়মণ্ড হারবার ব্যস্ত রাস্তাগুলির মধ্যে অন্যতম। করোনার সাম্প্রতিক স্ফীতির দিকে নজর রেখে এখনই মেলা বন্ধ করা না হলে তা সুপার স্প্রেডার-এর রূপ নিতে পারে।

জানুয়ারি ১০, ২০২২
দেশ

Covid-Doctors: মুম্বইয়ে তিন দিনে কোভিড আক্রান্ত দু’শোর বেশি চিকিৎসক, বঙ্গে আক্রান্ত স্বাস্থ্য অধিকর্তা-সহ বহু

ওমিক্রন আবহে দেশজুড়ে চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা বিপুলভাবে বাড়তে শুরু করেছে। কোনও হাসপাতালে এক সঙ্গে ৭০ জন, তো কোনও হাসাপাতলে তারও বেশি চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছেন। তবে এর মধ্যে মুম্বইয়ের ছবিটা বোধহয় সবচেয়ে ভয়াবহ। গত তিন দিনের মধ্যে শহরের সরকারি হাসপাতালগুলির ২২০ জন চিকিৎসক কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন।এদিকে করোনায় আক্রান্ত পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য অধিকর্তা অজয় চক্রবর্তী। তবে কেবল স্বাস্থ্য অধিকর্তা নন, আক্রান্ত হয়েছেন ওয়েস্ট বেঙ্গল মেডিক্যাল সার্ভিস কর্পোরেশনের ৮৭ জন। মোট ১৩৫ জনের ৮৭ জনই করোনা আক্রান্ত। প্রথমে সংখ্যাটা ছিল ৬৬। সেটাই বেড়ে দাঁড়িয়ে হয় ৮৭। পরিসংখ্যান থেকেই বোঝা যাচ্ছে, স্বাস্থ্যভবনে কার্যত থাবা বসিয়ে দিয়েছে করোনা। স্বাস্থ্য ভবনের মূল প্রশাসনিক কার্যালয়ে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। আক্রান্ত হয়েছেনে অনেকেই। স্বাস্থ্য ভবনে মোট কতজন আক্রান্ত, সেই পরিসংখ্যান এখনই নির্দিষ্টভাবে বলতে পারছেন না দপ্তরের কেউই।মহারাষ্ট্রের চিকিৎসক সংগঠন সূত্রে খবর, জেজে হাসপাতালে গত ৭২ ঘণ্টায় ৭৩ জন চিকিৎসকের কোভিড ধরা পড়েছে। কিং এডওয়ার্ড মেমোরিয়াল হাসপাতালে আক্রান্ত ৬০ জন চিকিৎসক। লোকমান্য তিলক মিউনিসিপ্যাল জেনারেল হাসপাতালে এক সঙ্গে ৮০ জন চিকিৎসক কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন। এ ছাড়া আর এন কুপার হাসপাতালে সাত জন এবং থানের ছত্রপতি শিবাজি হাসপাতালের আট চিকিৎসকের কোভিড সংক্রমণ ধরা পড়েছে। যে ভাবে দেশজুড়ে চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীরা কোভিডে আক্রান্ত হচ্ছেন তাতে স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে দেশজুড়ে একটা আশঙ্কার মেঘ তৈরি হচ্ছে।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
দেশ

Omicron : 'ওমিক্রন' সাধারণ সর্দি জ্বর ছাড়া কিছুই নয়! দাবি আমেরিকাবাসী ইজরায়েলি চিকিৎসকের

করোনা আবহের মধ্যেই সারা বিশ্ব জুড়ে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে করোনার নতুন রূপ ওমিক্রন (Omicron)। দক্ষিণ আফ্রিকা, আমেরিকা, ইউনাইটেড কিংডম সহ বিভিন্ন দেশ ঘুরে এবার আঘাত হেনেছে ভারতে। প্রতিদিন ভয়ঙ্কর ভাবে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। ফলস্বরূপ ফের পশ্চিমবঙ্গ সহ বেশ কিছু রাজ্য আংশিক লকডাউনের পথে হেঁটেছে।ওমিক্রন নামক নতুন দৈত্যের আতঙ্কে যখন মানুষ সিঁটকে গেছে, ঠিক তখনই একফালি আশার আলো দেখালেন ইজরায়েলের চিকিৎসক, বর্তমানে লস অ্যাঞ্জেলেস হার্ট স্পেশালিস্ট মেডিকেল ডিরেক্টর আফশাইন এমরানি। তিনি এই করোনা ভাইরাসের বাড়বাড়ন্তের পর থেকে করোনা মহামারী সম্পর্কে নিয়মিত সামাজিক মাধ্যমে সতর্কবাণী শুনিয়েছেন। তিনি ২৮ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার টুইট করে জানিয়েছেন যে, ওমিক্রন আক্ষরিকভাবে-ই এক ভ্যাকসিন যা কোনও ভ্যাকসিন কোম্পানি তৈরি করতে পারেনি। এই চিকিৎসকের দাবি, একবার ওমিক্রন-এ আক্রান্ত হলে সেই ব্যাক্তি-র দ্বিতীয়বার করোনা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা নেই। তিনি লিখেছেন যে, এই ভাইরাসের বিস্তারের সাথে সাথেই ৮ থেকে ১২ সপ্তাহের মধ্যে গোটা বিশ্বকে টিকা দেওয়া হয়ে যাবে। অক্সিজেন, আপাতকালীন ব্যাবস্থা, হাসপাতাল কোন কিছুরই প্রয়োজন পরবে না। সারা বিশ্বে গণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হবে। এতে ভয়ের কোনও কিছুই নেই, এটা আশীর্বাদ স্বরূপ। তিনি ওমিক্রন ভাইরাসটিকে একটি সাধারন সিজনাল কোল্ড ভাইরাস ছাড়া আর কিছুই নয় বলে দাবি করেছেন।আরও পড়ুনঃ রাতারাতি দিঘা ছাড়ার হুড়োহুড়ি পর্যটকদেরএমরানি-র মন্তব্যের সারমর্ম এই মুহুর্তে সারা বিশ্ব উপলব্ধি করতে পারছে। বিশেষ করে ইউরোপ এবং আমেরিকায় ওমিক্রন দ্রুত ছড়াচ্ছে। তিনি টুইটে জানিয়েছেন এই ভাইরাসকে ৮০ শতাংশ জনসংখ্যাকে সংক্রামিত করা থেকে কোনভাবেই আটকানো যাবে না। মাস্ক, ভ্যাকসিন কোনও কিছুই এতে কাজে আসবে না। হ্যাঁ, অবশ্যই, যাদের টিকাকরণ হয়ে গেছে তাদের মৃত্যুর বা হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম।Im getting requests to do TV, newspaper and radio interviews. I wont. But, for those interested, here are my basic thoughts:1- Omicron is nothing more than a seasonal cold virus. Now we have 5 coronaviruses that will be around. Afshine Emrani MD FACC (@afshineemrani) December 28, 2021আফসাইন এমরানি দাবি করেছেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন দুই মিলিয়ন করে মানুষ আক্রান্ত হবে। তারপরে সেই সংখ্যা নাটকীয়ভাবে হ্রাস পাবে। তাঁর মন্তব্যের কিছু সময় পর থেকেই সারা বিশ্ব প্রত্যক্ষ করছে কিভাবে ওমিক্রন সারা বিশ্বে বিশেষ করে ইউরোপ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। তাঁর যুক্তির সাপেক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকা-র বর্তমান আক্রান্তের সংখ্যা দেখলে বোঝা যাচ্ছে সেখানে কত দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে আক্রান্তের সংখ্যা।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা পেরিয়ে গেল ৬ হাজার, বাড়ছে উদ্বেগবিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, তার সাপ্তাহিক মহামারী সংক্রান্ত আপডেটে বলেছে যে, করোনার নতুন রূপ ওমিক্রন সামগ্রিক ঝুঁকি খুব বেশি। আবার, জাতিসংঘের (UN) স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে যে ইউনাইটেড কিংডম (UK), দক্ষিণ আফ্রিকা (South Africa) এবং ডেনমার্কের (Denmark) প্রাথমিক তথ্য থেকে যা বোঝা যাচ্ছে তাতে ডেল্টা ভেরিয়েন্টের তুলনায় ওমিক্রনের আক্রান্তদের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আশঙ্কা অনেকাংশেই কম।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
কলকাতা

Sourav Ganguly: চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে স্থিতিশীল সৌরভ, স্বাভাবিক খাবার খাচ্ছেন

করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরে আপাতত ভাল আছেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁকে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন চিকিৎসকরা। হাসপাতাল সূত্রে খবর, নতুন করে আর জ্বর আসেনি সৌরভের। কাশিও নেই। তবে সর্দি রয়েছে বিসিসিআই সভাপতির।হাসপাতাল সূত্রে খবর, সর্দি থাকায় মাঝে মধ্যে স্টিম দেওয়া হচ্ছে সৌরভকে। কিন্তু কাশি না থাকায় আপাতত তাঁর সিটি স্ক্যান করা হবে না। স্বাভাবিক ভাবে খাবার খাচ্ছেন তিনি। কথাও বলছেন। বুধবার দুপুরে সৌরভের শারীরিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন চিকিৎসকরা। তার পরেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।সৌরভের চিকিৎসার জন্য মঙ্গলবার তিন সদস্যের চিকিৎসক দল গঠন করা হয়েছে। সেই দলে রয়েছেন সরোজ মণ্ডল, সপ্তর্ষি বসু ও সৌপ্তিক পণ্ডা। এ ছাড়াও পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে চিকিৎসক দেবী শেঠি ও আফতাব খানের।কোভিডের জন্য যে চিকিৎসা ব্যবস্থা এখন অনুসরণ করা হয়, সেই মোনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি ককটেল থেরাপি সৌরভের জন্য সোমবার রাতেই শুরু করা হয়েছে। তাঁর নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয়েছে জিনের পরীক্ষার জন্য। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পরে সেই রিপোর্ট পাওয়া যেতে পারে। রিপোর্ট পাওয়ার পরে বোঝা যাবে তাঁর ওমিক্রন সংক্রমণ হয়েছে কি না।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Corona: রাজ্যে ২৪ ঘণ্টায় আবার ঊর্ধ্বমুখী করোনা সংক্রমণ

চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞদের তরফে ক্রমাগত সতর্কবাণী সত্ত্বেও ভোটপুজো থেকে বড়দিন বিধি ভাঙার কোনও সুযোগই ছাড়েনি জনতার একটি বড় অংশ। ফল-ও মিলছে, যেমন মিলেছিল দুর্গাপুজো থেকে জগদ্ধাত্রী পুজো পর্যন্ত মহোৎসবে লাগামছাড়া মাতনের পরে। গত কয়েক দিন ধরে রাজ্যে দৈনিক করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা ৪০০ থেকে ৫০০-র ঘরে ঘোরাফেরা করলেও মঙ্গলবার রাতে স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দৈনিক সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে কার্যত দ্বিগুণ হয়েছে। সংখ্যাটি এক ধাক্কায় পৌঁছে গিয়েছে ৭০০-র ঘরে।২ দিন পরেই বর্ষবরণ। বর্ষশেষের নিশিযাপন আর ইংরেজি নতুন বছরের প্রথম দিনটি উদ্যাপনের তাগিদে কলকাতা ৩১ ডিসেম্বরের রাত থেকে শৃঙ্খলা ভেঙে, অতিমারি বিধি উড়িয়ে ওমিক্রনকে স্বাগত জানাতে হামলে পড়বে কি না, তা নিয়েও মহা উদ্বেগে আছেন চিকিৎসকেরা।ওমিক্রন পশ্চিমবঙ্গ-সহ সারা দেশে থাবা বসাতে থাকায় বার বার বিধি মানার কথা বলে স্বাস্থ্য শিবির মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু বছর শেষের উৎসবে প্রশাসন রাশ আলগা করার কারণেই এক শ্রেণির মানুষের বেপরোয়া আচরণের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তবে মানুষের আত্মিক সচেতনতা ও বোধের উপরেই ভরসা রাখতে চাইছেন চিকিৎসকদের একাংশ। নতুন বছরের আনন্দ ষোলো আনা অনুভব-উপভোগ করেও পথে নেমে ভিড় করে উচ্ছ্বাস প্রকাশে লাগাম টানারই আবেদন জানাচ্ছেন তাঁরা।স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত রাজ্যে ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন পাঁচ জন। আর কারও খোঁজ মেলেনি, যাঁকে ওমিক্রনে আক্রান্ত বলে সন্দেহ করা যায়। ঢাকুরিয়ার বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন যুবকের আজ, বুধবার পুনরায় কোভিড পরীক্ষা করা হবে। সেই পরীক্ষার রিপোর্টও যদি নেগেটিভ আসে, তা হলে তাঁকে ছুটি দেওয়া হবে বলেই সূত্রের খবর।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
কলকাতা

Threat Letter: আলাপনের নাম করে হুমকি চিঠি-কাণ্ডে গ্রেপ্তার চিকিৎসকর!

রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে খুনের হুমকি চিঠি মামলায় গ্রেপ্তার এক চিকিৎসক-সহ তিন জন। লালবাজার সূত্রে খবর, মূল অভিযুক্ত চিকিৎসক অরিন্দম সেন গত দুবছর ধরে বিভিন্ন লোককে হুমকি চিঠি পাঠাতেন।গত ২৬ অক্টোবর, মঙ্গলবার আলাপনের স্ত্রী সোনালি চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে একটি চিঠি আসে। এক লাইনের চিঠিতে ইংরেজিতে লেখা ছিল, আপনার স্বামী নিহত হবেন। কেউ আপনার স্বামীকে বাঁচাতে পারবে না। চিঠিতে সাক্ষর ছিল গৌরহরি মিশ্রের। প্রযত্নে, রাজাবাজার সায়েন্স কলেজের কেমিক্যাল টেকনোলজি বিভাগের মহুয়া ঘোষ। ঘটনাচক্রে সোনালি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।সেদিনই হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের করে ঘটনার তদন্তে নামে পুলিশ। সোমবার বালিগঞ্জের বিজন সেতু এলাকা থেকে বিজয়কুমার কয়াল নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পেশায় টাইপিস্ট বিজয় পুলিশি জেরায় জানায়, চিকিৎসক অরিন্দম সেনকে সে-ই খুনের হুমকির চিঠি টাইপ করে দিয়েছিল। সন্ধের মধ্যে রাজা রামমোহন রায় সরণির বাসিন্দা অরিন্দমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয় অরিন্দমের গাড়ির চালক রমেশ সাউকেও।জেরায় ওই চিকিৎসক জানিয়েছেন, অনেক ক্ষেত্রে আক্রোশের জেরে তিনি চিঠি পাঠিয়ে থাকতেন। কেন তিনি গৌর হরি মিশ্রের নাম চিঠিতে উল্লেখ করেছিলেন? এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানিয়েছেন, গৌর হরি মিশ্রকে অপদস্ত করতেই তাঁর নাম লিখেছিলেন। অনেকক্ষেত্রে নাকি তিনি সাংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত খবরের দ্বারা প্রভাবিত হয়েও চিঠি লিখতেন। চিকিৎসকের মেন্টাল মেডিক্যাল রিপোর্ট খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

নভেম্বর ০৯, ২০২১
কলকাতা

SSKM: বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ছিলেন না, মন্ত্রীর মৃত্যুতে প্রশ্নের মুখে এসএসকেএম

সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণের পর প্রশ্নের মুখে এসএসকেএম হাসপাতাল। তাঁর আইনজীবী মনিশঙ্কর মুখোপাধ্যায়ের বিস্ফোরক অভিযোগ, জুনিয়র ডাক্তাররা এসে পাম্প করছিলেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ছিলেন না। যখন ব্যথা হচ্ছিল, কিন্তু বিশেষজ্ঞরা কেউ ছিলেন না।সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের আইনজীবী বলছেন, কোনও চিকিৎসক ছিলেন না। শহরের অন্যতম সরকারি হাসপাতালের পরিকাঠামো নিয়ে একগুচ্ছ প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।যদি এসএসকেএম কর্তৃপক্ষ ঘটনার কথা অস্বীকার করছে না। তাঁরা বলছেন, ঘটনার সময়ে মেডিক্যাল বোর্ডের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ওয়ার্ডে ছিলেন না। সন্ধ্যেবেলার রাউন্ড শেষে সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে দেখে যান তাঁরা। সন্ধ্যার পর যে এ ধরনের কোনও ঘটনা ঘটতে পারে, এমন কোনও ইঙ্গিতই পাননি বিশেষজ্ঞরা। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, যখন সুব্রত মুখোপাধ্যায় হাসপাতালে এসেছিলেন, তাঁর হৃদপিণ্ড ঠিকমতো কাজ করছিল না। তাঁর প্রবল শ্বাসকষ্ট ছিল।তাঁকে স্টেইন বসানোর পর ৪৮ ঘণ্টা চিকিৎসকরা পর্যবেক্ষণে রাখেন। স্টেইন বসানোর আগে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের বেশ কয়েকবার হৃদপিণ্ডের গতির ছন্দপতন অর্থাৎ হার্ট অ্যারিথমিয়া হয়ে যায়। কিন্তু সোমবার স্টেইন বসানোর পর মঙ্গল ও বুধবার তাঁর হৃদপিণ্ডের ছন্দপতন ঘটেনি। সন্ধ্যায় চিকিৎসকরা দেখে বলেছিলেন, সুব্রত মুখোপাধ্যায় অনেকটাই সুস্থ রয়েছেন। আজ, শুক্রবার তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আচমকাই তাঁর হার্ট অ্যারিথমিয়া হয়। তার কারণ হিসাবে চিকিৎসকরা বলছেন, আর্টারি, হৃদপিণ্ডের মাংসপেশি আগের থেকেই অনেক বেশি দুর্বল ছিল। সেই কারণেই এটা ঘটেছে। এসএসকেএমের বক্তব্য, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা হয়তো ছিলেন না, কিন্তু বাকি যাঁরা ছিলেন, তাঁরা আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন।

নভেম্বর ০৫, ২০২১
রাজ্য

Maldah Child death: মালদা মেডিক্যাল কলেজে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, বাড়ছে আতঙ্ক

বুধ এবং বৃহস্পতিবারের পর শুক্রবার মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। জ্বর, শ্বাসকষ্ট এবং শুকনো কাশির সমস্যা নিয়ে তারা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। মৃতদের মধ্যে একজনের বাড়ি ঝাড়খণ্ডের রাজমহলে। অন্যজন মালদহের ভুতনি এলাকার। আশঙ্কাজনক অবস্থায় শিশুদের হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। চিকিৎসার তেমন সুযোগ মেলেনি বলে দাবি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। এই নিয়ে গত তিন দিনে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ৫ শিশুর মৃত্যু হল। এই মুহূর্তে ওই হাসপাতালে আরও ১৭৮ জন শিশু সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে চিকিৎসাধীন। আরও পড়ুনঃ সকালের আলো ফুটতেই কেঁপে উঠল সিচুয়ান প্রদেশবুধবার রাতে দুজন এবং বৃহস্পতিবার সকালে একজন শিশু মারা গিয়েছে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। মৃত তিন শিশুই সদ্যজাত ছিল। কারও বয়স ৭ বছর, কারও বয়স ৫ বছর। তাদের শুকনো কাশি ও শ্বাসকষ্টও ছিল। শিশুদের এই জ্বরের চিকিৎসা করতে ইতিমধ্যে তৎপর হয়েছে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ কতৃপক্ষ। শিশুদের জ্বর মোকাবিলার জন্য ইতিমধ্যেই পাঁচ বিশেষজ্ঞের কমিটি গঠন করেছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর। বিশেষজ্ঞরা শুক্রবার উত্তরবঙ্গে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন। শিশুমৃত্যু নিয়ে মালদহ মেডিক্যাল কলেজের শিশু বিভাগের প্রধান সুষমা সাউ বলেছেন, গত ৪৮ ঘণ্টায় এই হাসপাতালে মোট পাঁচ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার এবং বৃহস্পতিবার দুজন করে এবং শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত এক জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী শিশুদের চিকিৎসা চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১
কলকাতা

Taltola: বন্ধ বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ বেরোতেই এলাকায় চাঞ্চল্য

বন্ধ বাড়ির ভিতর থেকে উদ্ধার হল এক ব্যক্তির পচাগলা দেহ। বুধবার রাতে এই ঘটনাকে ঘিরে তালতলা থানা এলাকার ডক্টর লেনে চাঞ্চল্য ছড়ায়। স্থানীয়দের থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ইঙ্গিত ছাড়াই আচমকা পদ ছাড়লেন তৃণমূল সাংসদজানা গিয়েছে, মৃতের নাম আশিস ফিলিপ গোমস, বয়স ৫১। ইন্টিরিয়র ডেকরেশনের কাজ করতেন তিনি। ডক্টর লেনের ওই বাড়িতে একাই থাকতেন। পরিবার অন্যান্যরা কাছেরই অন্য একটা বাড়িতে থাকতেন। বুধবার সন্ধ্যায় হঠাৎই আশিসবাবুর বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ বেরোতে থাকে। বাড়ির সামনে দিয়ে হাঁটাচলা করা দায় হয়ে যায়। এই অবস্থায় বাড়ি বন্ধ দেখে, তালতলা থানায় খবর দেন স্থানীয়রা। পুলিশ এসে দরজা ভেঙে বাড়ির ভিকরে ঢুকে দেখেন মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন আশিস ফিলিপ গোমস। দেহে পচন ধরেছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, নিহত ব্যক্তিকে রবিবার শেষবার দেখা গিয়েছিল। মৃতের পরিজনদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, মৃতের শরীরে আঘাতের কোনও চিহ্ন নেই। অনুমান, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আশিস ফিলিপ গোমস ডক্টরস লেনের বাড়িতে একাই থাকতেন। তাঁর পরিবার অন্যত্র থাকত। বাড়ির সব কাজই একাই করতেন। সে অর্থে পরিচারিকা কেউ ছিলেন না। বাড়িতে বেশিরভাগ সময়ই থাকতেন না তিনি। কাজের সূত্রে বাইরে বাইরেই থাকতেন। শেষ দুতিন তাঁদের দেখতে না পেয়ে প্রতিবেশীরা মনে করেছিলেন হয়তো কাজেই বাইরে গিয়েছিলেন। মঙ্গলবার থেকেই একটা পচা গন্ধ নাকে আসছিল তাঁদের। বুধবার তা আরও প্রকট হয়। গন্ধের উত্স খুঁজতে গিয়ে প্রতিবেশীরা দেখেন, আশিসের বাড়ির ভিতর থেকেই গন্ধটা ভেসে আসছে।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২১
রাজ্য

Mamata Bannerjee: বড় ঘোষণা: চিকিৎসক-নার্সদের জন্য কল্পতরু মমতা

প্রত্যেক বৃহস্পতিবার বা ১৫ দিন অন্তর একবার করে বসবেন এসএসকেএম হাসপাতালে,মুখ্যমন্ত্রী গত সপ্তাহেই জানিয়েছিলেন। এ দিন প্রথমবার চিকিৎসক ও প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষেও বেশ কয়েকটি বড় ঘোষণা করলেন মমতা। যা মূলত এ রাজ্যের ডাক্তার, নার্সদের উদ্দেশ্যে। পাশাপাশি কোয়াক ডাক্তারদের জন্যও সুখবর শুনিয়েছেন তিনি।বৈঠক শেষে সবার প্রথম এ দিন মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যের চিকিৎসক ও নার্সদের বাড়ি তৈরির জন্য বিনামূল্যে জমি দেবে রাজ্য সরকার। এই প্রকল্পে হিডকোর চেয়ারম্যান ফিরহাদ হাকিমকে ১০ কাঠা জমি বরাদ্দ করতে বলেন তিনি। যাতে সেখানে ডাক্তার ও নার্সদের আবাসন তৈরি করা যায়। পাশাপাশি যেসব নার্সরা অনেকদিন ধরে কাজ করছেন। অভিজ্ঞতা সুবিশাল। রাজ্য সরকার তাঁদের পদোন্নতি করবে বলে জানান মমতা। একই সঙ্গে অপ্রচলিত চিকিৎসকরা (কোয়াক ডাক্তার), যারা ভাল কাজ করছেন, তাঁদের স্বীকৃতি দিয়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কাজে লাগানোর কথাও ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।আরও পড়ুনঃ মা হলেন নুসরত, পুত্রসন্তানের জন্ম দিলেন তিনিমমতা এ দিন বলেন, ডাক্তার-নার্সদের বাড়ি তৈরির জন্য জমি দেওয়ার ব্যাপারটা কেউ চিন্তা করেনি। হিডকোর চেয়ারম্যান ববিকে আমি বলেছি, আমায় ১০ একর জমি খুঁজে বের করে দিতে। যেখানে ডাক্তার এবং নার্সরা নিজেরা চাইলে তাঁদের বাড়ি বানিয়ে নিতে পারবেন। আমি জমিটা বিনা পয়সায় দেব। আর হাউসিংটা তারা নিজেরা তৈরি করে নেবে। নার্সদের জন্যও এ দিন বিরাট ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যে চিকিৎসকদের অভাব রয়েছে, সেটা স্বীকার করে নিয়েই যে নার্সরা অভিজ্ঞতা সম্পন্ন, রাজ্য সরকার তাঁদের পদোন্নতি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানান তিনি। মুখ্যমন্ত্রী জানান, ডাক্তারের পরামর্শ মেনে কাজ করতে করতে যে নার্সরা চিকিৎসার বিষয়ে পোক্ত হয়ে গিয়েছেন, তাঁদের প্রশিক্ষণের অধীনে থাকা চিকিৎসক বা প্র্যাক্টিশনার সিস্টার হিসেবে ব্যবহার করা হবে। এর জন্য নতুন গাইডলাই তৈরি করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন। ডাক্তারদের অভাব মেটাতেই যে এই পদক্ষেপ, সেটাও সাফ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

আগস্ট ২৬, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ম্যারাথন জেরার পর ইডির জালে কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিন্‌হা বিশ্বাস, ‘সোনা পাপ্পু’ মামলায় বড় পদক্ষেপ

কলকাতা: দীর্ঘ ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর অবশেষে কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিন্হা বিশ্বাসকে গ্রেফতার করল ইডি। প্রায় সাড়ে ১০ ঘণ্টার টানা জেরার শেষে বৃহস্পতিবার রাতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এই পদক্ষেপ করে। বহুবার নোটিস পাঠানো সত্ত্বেও এতদিন হাজিরা এড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। অবশেষে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ৫ মিনিটে ইডি দফতরে পৌঁছন তিনি। এরপরই শুরু হয় দফায় দফায় জেরা।ইডি সূত্রের দাবি, জেরার শুরুতে কিছুটা সহযোগিতা করলেও পরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যান শান্তনু। তদন্তকারীদের অভিযোগ, বেশ কিছু নথি এবং ডিজিটাল তথ্য সামনে রাখা হলেও তিনি তা সম্পর্কে অজ্ঞতার দাবি করেন এবং তদন্তকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন। এর পরেই তাঁকে গ্রেফতারের সিদ্ধান্ত নেয় ইডি।জানা গিয়েছে, সোনা পাপ্পু তোলাবাজি ও প্রতারণা মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়াও এনআরআই কোটায় মেডিক্যাল ভর্তি দুর্নীতি এবং বালি পাচার এই দুই মামলাতেও তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়েছিল।তদন্তে উঠে এসেছে বেহালার ব্যবসায়ী জয় এস কামদারের নাম। ইডির অভিযানে তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া ডায়েরি ও নথিতে শান্তনু সিন্হার নাম মিলেছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। সেই সূত্র ধরেই ডিসির বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বেনামে একাধিক সম্পত্তির হদিশ পেয়েছে ইডি।ব্যাঙ্কশাল আদালতে জমা দেওয়া রিপোর্টে ইডির দাবি, কলকাতা শহরে একটি প্রভাবশালী জমি দখল ও তোলাবাজির সিন্ডিকেট চালানো হত, যেখানে জয় এস কামদারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগ ছিল শান্তনু সিন্হার। অভিযোগ, বিভিন্ন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভুয়ো এফআইআর দায়ের করে থানায় ডেকে চাপ সৃষ্টি করা হত, এরপর জমি দখলের পথ প্রশস্ত করা হতো। এই চক্রের মাধ্যমে বেআইনি আর্থিক লেনদেনও হয়েছে বলে অভিযোগ।তদন্তকারীদের হাতে আসা জয় এস কামদারের মোবাইল ফোনের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে একাধিক এফআইআর নম্বরের উল্লেখ মিলেছে। সেই তথ্য থেকেই ভুয়ো মামলার জাল বিস্তৃত ছিল বলে অনুমান ইডির।সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দাবি, এই চক্রে কলকাতা পুলিশের অন্তত ১২ জন আধিকারিকের নাম উঠে এসেছে। ফলে তদন্ত আরও বিস্তৃত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।বারবার নোটিস উপেক্ষা করায় শান্তনুর বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি করার প্রস্তুতিও নিয়েছিল ইডি। এমনকি তাঁর খোঁজে ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটিকেও চিঠি পাঠানো হয়েছিল। এরপরই বৃহস্পতিবার হাজিরা দেন তিনি।ইডির অভিযোগ, শান্তনু সিন্হা শুধু প্রভাব খাটিয়েই ক্ষান্ত থাকেননি, এই সিন্ডিকেট থেকে আর্থিকভাবেও লাভবান হয়েছেন। তদন্তকারীদের ধারণা, হেফাজতে নিয়ে জেরা করলে আরও বিস্ফোরক তথ্য সামনে আসতে পারে।শুক্রবার তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে। এখন নজর আদালতে আর কী কী বিস্ফোরক তথ্য সামনে আনে ইডি, সেটাই দেখার।

মে ১৪, ২০২৬
রাজ্য

রামপুরহাট হাসপাতাল পরিদর্শনে বিধায়ক, কড়া নির্দেশ ধ্রুব সাহার

বিজেপি বিধায়ক ধ্রুব সাহা বৃহস্পতিবার রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পরিদর্শনে যান। পরিদর্শনের সময় তিনি হাসপাতালের নিরাপত্তারক্ষীর সুপারভাইজার এবং প্রিন্সিপ্যালকে ধমক দেন।ধ্রুব সাহা বলেছেন, প্রিন্সিপ্যাল ঠাণ্ডা ঘরে বসে থাকেন, হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে নজর দেন না। ওয়ার্ড ও শৌচালয়ের অবস্থা খারাপ। রোগীদের পরিষেবা নিয়ে একাধিক অভিযোগ আসছে।এদিন বিধায়ক কড়া নির্দেশ দিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। তিনি প্রিন্সিপ্যালকে স্পষ্ট বলেন, ঠাণ্ডা ঘরে বসে না থেকে হাসপাতাল পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার উপর নজর দিন। নিরাপত্তারক্ষীর সুপারভাইজারকেও দায়িত্ব পালনে গাফিলতির জন্য সতর্ক করেন বিধায়ক ।গত কয়েক মাস ধরে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বিরুদ্ধে নোংরা পরিবেশ, রোগী হয়রানি ও চিকিৎসায় গাফিলতির বিভিন্ন অভিযোগ উঠছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা বিধায়কের কাছে নালিশ জানিয়েছিলেন। তার পরেই আজ বিধায়কের এই সারপ্রাইজ ভিজিট।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেয়নি।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

“তাপস-সজলদের দল ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল”, বিধায়ক হয়েই ফেসবুকে বোমা ফাটালেন কুণাল

সদ্য শেষ হওয়া বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে জয়ী হয়েছেন কুণাল ঘোষ। বৃহস্পতিবার বিধায়ক হিসেবে শপথ নেওয়ার পরই তিনি এমন একটি ফেসবুক পোস্ট করেন, যা ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চর্চা। একদিকে তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন, অন্যদিকে দলের অন্দরের কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন।ফেসবুক পোস্টে কুণাল লেখেন, বিধায়ক হিসেবে শপথ নিলাম। ধন্যবাদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বেলেঘাটার মানুষকে। শপথবাক্য পাঠ করালেন প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়। তাঁকে দলে রাখার চেষ্টা করেছিলাম, পারিনি। পরে রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও ব্যক্তিগতভাবে তাপসদাকে ভালো বলায় আমাকেই দল সাসপেন্ড করেছিল।তিনি আরও লেখেন, আজ আমি তৃণমূলের বিধায়ক হয়ে শপথ নিচ্ছি বিজেপির হয়ে জিতে আসা তাপসদার হাত থেকে। এটাই ভাগ্যের খেলা।সজল ঘোষকে নিয়েও বিস্ফোরক মন্তব্য করেন কুণাল। তাঁর দাবি, উত্তর ও মধ্য কলকাতায় তাপস রায় ও সজল ঘোষদের দল ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল। তিনি লিখেছেন, ওঁদের দলে রাখার চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু সফল হইনি। আজ ওঁরা বিধায়ক। আমি এখনও তৃণমূলের সৈনিক হিসেবেই আছি।তবে এখানেই থামেননি কুণাল। তিনি দলের অন্দরের রাজনীতি নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলে লেখেন, যাঁদের জন্য তাপসদা, সজলরা এবং আরও অনেকে দল ছেড়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা হয়নি। এখনও একইভাবে হোয়াটসঅ্যাপ কাঁদুনি রাজনীতি ও স্বজনপোষণ চলছে। এতে কর্মীরা ধৈর্য হারাচ্ছেন। তৃণমূলকে আবার শক্তিশালী করতে আত্মসমালোচনা খুব জরুরি।রাজনৈতিক মহলের মতে, কুণালের এই পোস্টে উত্তর কলকাতা তৃণমূলের সাম্প্রতিক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ বিতর্কেরও ইঙ্গিত রয়েছে।যদিও এই পোস্টকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাননি প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়। তাঁর প্রতিক্রিয়া, ওই দলের আত্মসমালোচনা করে আর কোনও লাভ নেই। যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষের মন বোঝেন বলে দাবি করেন, কিন্তু ফল তো সবাই দেখেছে।অন্যদিকে বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ বলেন, হ্যাঁ, কুণালদা আমাদের দলে রাখার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তখন তাঁর হাতে কিছু ছিল না। যদি থেকে যেতাম, তাহলে আজ চোর স্লোগান শুনতে হতো।

মে ১৪, ২০২৬
দেশ

সপ্তাহে দু’দিন বাড়ি থেকে কাজ! মোদীর নির্দেশে বড় সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের

জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য বড় সিদ্ধান্ত নিল দিল্লি সরকার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পরামর্শ মেনে এবার সপ্তাহে দুদিন সরকারি কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হল। বৃহস্পতিবার এই ঘোষণা করেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা।শুধু ওয়ার্ক ফ্রম হোম নয়, জ্বালানি বাঁচাতে আরও একাধিক পদক্ষেপের কথা জানিয়েছে দিল্লি সরকার। সরকারি দফতরের অন্তত ৫০ শতাংশ বৈঠক এবার অনলাইনে করা হবে। পাশাপাশি যানজট কমাতে ও জ্বালানির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকারি অফিসের সময়েও বদল আনা হবে।সরকারের লক্ষ্য শুধু সরকারি কর্মীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সাধারণ মানুষকেও এই উদ্যোগে সামিল করতে বিশেষ কর্মসূচি নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।এর আগে মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা জানিয়েছিলেন, সরকারি কাজে যতটা সম্ভব কম গাড়ি ব্যবহার করতে হবে। মন্ত্রী, বিধায়ক, জনপ্রতিনিধি এবং সরকারি কর্মীদেরও অপ্রয়োজনীয় গাড়ির ব্যবহার কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তার বদলে কারপুলিং এবং গণপরিবহণ ব্যবহারের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।দিল্লি সরকার সরকারি কাজে ব্যবহৃত গাড়িগুলির জ্বালানির বরাদ্দও কমিয়ে দিয়েছে। অফিসারদের জন্য বরাদ্দ পেট্রোল ২০ শতাংশ কমানো হয়েছে। এখন থেকে মাসে ২০০ লিটার জ্বালানি বরাদ্দ করা হবে।গণপরিবহণ ব্যবহারে উৎসাহ দিতে দিল্লিতে পালন করা হবে মেট্রো দিবস। সাধারণ মানুষকে সপ্তাহে অন্তত একদিন গাড়িবিহীন দিবস পালন করার আবেদন জানানো হয়েছে। এছাড়া পাবলিক ট্রান্সপোর্ট আরও সহজ করতে ২৯টি সরকারি আবাসন এলাকা থেকে ৫৮টি বিশেষ বাস চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।দিল্লি সরকার আরও জানিয়েছে, আগামী ছয় মাস নতুন কোনও সরকারি গাড়ি কেনা হবে না। জ্বালানি সাশ্রয় এবং দূষণ কমানোর লক্ষ্যেই এই একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনের দাবি।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতায় আর রাস্তার ধারে গাড়ি রাখা যাবে না! কড়া নির্দেশ পুরমন্ত্রীর

কলকাতার রাস্তায় দুধারে গাড়ি দাঁড় করানোর ছবি নতুন নয়। বড় রাস্তা থেকে ছোট গলি, সর্বত্রই রাস্তার ধারে সারি সারি গাড়ি পার্ক করা দেখা যায়। অনেক সময় গাড়ি রাখার সঙ্গে সঙ্গেই হাতে স্লিপ নিয়ে হাজির হন কিছু মানুষ। অভিযোগ, এই ধরনের বহু পার্কিং সম্পূর্ণ বেআইনি ভাবে চলছে। সেই সঙ্গে ভুয়ো স্লিপ দেখিয়ে টাকা তোলার অভিযোগও বহুদিনের।এবার সেই বেআইনি পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে রাজ্য সরকার। পুরমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই একের পর এক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন অগ্নিমিত্রা পল। এবার তাঁর নজর পড়েছে কলকাতার রাস্তার পার্কিং ব্যবস্থার উপর।বৃহস্পতিবার বিধানসভায় দাঁড়িয়ে অগ্নিমিত্রা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, রাস্তার দুধারে আর অবৈধভাবে গাড়ি রাখা যাবে না। তিনি বলেন, আজই নোটিস দেওয়া হবে। যেখানে পার্কিং করার অনুমতি নেই, সেখানে কোনও গাড়ি রাখা যাবে না। এতে সাধারণ মানুষের সুবিধা হবে।শুধু পার্কিং নয়, ভুয়ো স্লিপ দেখিয়ে টাকা তোলার বিরুদ্ধেও কড়া অবস্থান নিয়েছে পুরসভা। পুরমন্ত্রীর অভিযোগ, বহু জায়গায় ভুয়ো পার্কিং স্লিপ দিয়ে টাকা তোলা হয়, অথচ সেই টাকা সরকারি রাজস্বে জমা পড়ে না। এবার থেকে এই ধরনের স্লিপ ব্যবহার করে আর টাকা তোলা যাবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি।অগ্নিমিত্রা আরও জানান, যে কেউ নিজের ইচ্ছামতো পার্কিং ফি নিতে পারবেন না। খুব শীঘ্রই একটি নির্দিষ্ট রেট চার্ট তৈরি করা হবে। সেই নির্ধারিত হার মেনেই টাকা নেওয়া যাবে।উল্লেখ্য, এর আগে তৎকালীন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমও রাস্তার ধারের পার্কিং নিয়ে পদক্ষেপ করেছিলেন। গত বছর কলকাতা পুরনিগম সকাল ৭টা থেকে ৯টা পর্যন্ত রাস্তার ধারে পার্কিং বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিল। মূলত শহর পরিষ্কার রাখার কাজের সুবিধার জন্যই সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এবার আরও কড়া পদক্ষেপের পথে হাঁটছে নতুন প্রশাসন।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

মন্ত্রিসভা এখনও অসম্পূর্ণ, তার মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত! বিধানসভার স্পিকার করলেন শুভেন্দু

এখনও পুরো মন্ত্রিসভা গঠন হয়নি। মাত্র পাঁচজন মন্ত্রীকে নিয়েই কাজ শুরু করেছে নতুন বিজেপি সরকার। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার বিধানসভার নতুন স্পিকারের নাম ঘোষণা করা হল। জল্পনার অবসান ঘটিয়ে কোচবিহার দক্ষিণের বিধায়ক রথীন্দ্রনাথ বসুকে অধ্যক্ষ হিসেবে মনোনীত করল বিজেপি।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে শুভেন্দু জানান, রথীন্দ্র বসুকেই বিধানসভার নতুন স্পিকার হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।দায়িত্ব গ্রহণের পর রথীন্দ্র বসু বলেন, দল আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছে, সেটা আমি পুরো নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করব। মানুষ যেভাবে চাইবে, সেভাবেই বিধানসভা চালানোর চেষ্টা করব।২০২৬ সালের নির্বাচনে প্রথমবার জয়ী হয়ে বিধায়ক হয়েছেন রথীন্দ্র বসু। কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্র থেকেই তিনি নির্বাচিত হন। জন্ম ও পড়াশোনা সবই কোচবিহারে। কোচবিহারের বি টি অ্যান্ড ইভিনিং কলেজ থেকে স্নাতক হওয়ার পর তিনি চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবে কাজ শুরু করেন। বর্তমানে তাঁর নিজের একটি সংস্থাও রয়েছে।রাজনীতিতে আসার আগে তিনি আরএসএসের সদস্য ছিলেন বলেও জানা গিয়েছে। পরে সক্রিয়ভাবে বিজেপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। প্রথমবার বিধায়ক হয়েই এবার বিধানসভার স্পিকারের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন তিনি।তৃণমূল সরকারের সময়ে দীর্ঘ ১৫ বছর বিধানসভার অধ্যক্ষ ছিলেন বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়ে উত্তরবঙ্গের মুখকে সামনে আনল বিজেপি। রাজনৈতিক মহলের মতে, উত্তরবঙ্গকে বিশেষ গুরুত্ব দিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

আদালতে মমতার আবেগঘন আর্জি, তারপরই বড় নির্দেশ হাইকোর্টের!

বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতা হাইকোর্টে এক বিরল ছবি দেখল বাংলা। হাতে কাগজ ও ছবি নিয়ে এজলাসে দাঁড়িয়ে সওয়াল করলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সরব হয়ে তিনি প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের সামনে আবেদন জানান, রাজ্যের সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়া হোক।এদিন কলকাতা হাইকোর্টে দুটি মামলার একসঙ্গে শুনানি হয়। একটি মামলা করেন আইনজীবী রীতঙ্কর দাস। সেখানে হগ মার্কেটে জেসিবি দিয়ে মূর্তি ভাঙার অভিযোগ তোলা হয়। অন্যদিকে, ভোট পরবর্তী হামলা ও অশান্তি নিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন আইনজীবী শীর্ষাণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথী সেনের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি হয়।শুনানির পর গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দেয় আদালত। ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব পুলিশকেই নিতে হবে। ভোট পরবর্তী হিংসায় যাঁদের দোকান বা বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, দল না দেখে তাঁদের সাহায্য করতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের বিষয়েও ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।আদালত আরও জানিয়েছে, আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে এই বিষয়ে রাজ্য পুলিশকে হলফনামা জমা দিতে হবে। সেখানে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তার বিস্তারিত রিপোর্ট দিতে হবে।এই রায়ের পর তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, আদালত তাদের অভিযোগের গুরুত্ব স্বীকার করেছে। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে আদালতে সওয়াল করেছেন। হাইকোর্টও তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে একমত। যেভাবে তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলা হচ্ছে, দোকান ভাঙা হচ্ছে, মানুষকে এলাকা ছাড়া করা হচ্ছে, সেগুলোর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে হবে।কুণাল আরও বলেন, আদালতে দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাধারণ মানুষের পাশে থাকার বার্তাই দিয়েছেন। এই মামলার রায় ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

আদালতে মমতা, কটাক্ষ শুভেন্দুর! “অযথা বিষয় নিয়ে ভাবার সময় নেই” মন্তব্যে নতুন জল্পনা

ভোটের আগে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন। আর নির্বাচনের পর এবার কলকাতা হাইকোর্টে হাজির হলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার সকালে আচমকাই আইনজীবীর পোশাকে হাইকোর্টে পৌঁছে যান তিনি। তাঁকে দেখে আদালত চত্বরে শুরু হয় ব্যাপক চাঞ্চল্য।এদিন কালো কোট পরে আইনজীবীদের নির্ধারিত পোশাকেই আদালতে ঢুকতে দেখা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ভোট পরবর্তী হিংসার মামলার শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও।নির্বাচনের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় অশান্তির অভিযোগ উঠেছে। সেই ঘটনাগুলিকে সামনে রেখে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুত্র ও আইনজীবী শীর্ষাণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চে সেই মামলার শুনানি হয়।গত ১২ মে কলকাতা হাইকোর্টে এই মামলা দায়ের করা হয়েছিল। তৃণমূলের পক্ষ থেকে দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হয়। এরপরই ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, বৃহস্পতিবার মামলার শুনানি হবে।এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদালতে যাওয়া নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। তিনি বলেন, আমার হাতে অনেক কাজ আছে। অযথা বিষয় নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় নেই। সময় খুব গুরুত্বপূর্ণ। এসব বিষয় নিয়ে আমি ভাবিত নই।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাইকোর্টে উপস্থিতি ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক চর্চা। আদালতের এজলাসে তাঁর উপস্থিতি এবং ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে মামলার শুনানি ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ তৈরি হয়েছে।

মে ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal