• ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১৬ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Dilip Ghosh

রাজ্য

জেএমবি জঙ্গিদের দিয়ে ভোটে জিততে চাইছে তৃণমূলঃ দিলীপ

তৃণমূলের আমলে এ রাজ্যে কোনও চাকরি হয়নি। চাকরি হয়েছে গুজরাট, হরিয়ানায়। মঙ্গলবার সরকার বিরোধী প্রচারে নতুন করে ঝাঁপিয়ে পড়লেন দিলীপ ঘোষ। মালদহের চা- চক্র থেকে তাঁর তোপ, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার অবনতিতে এগিয়ে বাংলা, মহিলাদের উপর নির্যাতনে এগিয়ে বাংলা, বেকারত্ব বৃদ্ধি, পরিযায়ী শ্রমিক সবেতে এগিয়ে বাংলা। রাজ্য বিজেপি সভাপতির আরও দাবি, এই যে বলা হচ্ছে রাজ্যে প্রচুর চাকরি হয়েছে, পাড়ায় পাড়ায় খোঁজ নিয়ে দেখুন না, একজনও চাকরি পায়নি। হ্যাঁ, চাকরি যদি কেউ কোথাও পেয়ে থাকে, তাহলে সেটা গুজরাটে পেয়েছে, হরিয়ানায় পেয়েছে। আরও পড়ুন ঃ আমাকে যারা আক্রমণ করছেন ভোটের বোতামে তাঁরা টের পাবেন, বিস্ফোরক শুভেন্দু বীরভূমের পাইকর থেকে এক জেএমবি জঙ্গির গ্রেপ্তারি নিয়ে তাঁর প্রতিক্রিয়া, কেন্দ্রীয় সরকারের কড়াকড়ির জেরে সারাদেশ জঙ্গিমুক্ত হয়েছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে জঙ্গি ধরা পড়ছে। কেন্দ্রীয় সরকারকে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিতে দেওয়া হচ্ছে না। বাংলাদেশ থেকে লক্ষ রোহিঙ্গা আসছে। তাদের আশ্রয় দেওয়ার জন্যই এই ব্যবস্থা করা হচ্ছে। রাজ্য সরকার চায়, এই জেএমবি জঙ্গিরা এখানে আসুক, উৎপাত করুক, ভয়ের পরিবেশ তৈরি করুক। তারা টিএমসি-কে জেতাবে।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২০
রাজ্য

‘ডিসেম্বরের পর শুরু হবে পাল্টা মার’, বিতর্কিত মন্তব্য দিলীপের

রবিবার সকালে রায়গঞ্জের মোহনবাটি এলাকায় এনএস রোডে চায়ে পে চর্চায় যোগ দেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এদিন তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু, জেলা বিজেপি সভাপতি বিশ্বজিৎ লাহিড়ি-সহ অন্যান্যরা। সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন দিলীপবাবু। নাড্ডার কনভয়ে হামলা থেকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মস্থান নিয়ে বিজেপির পোস্ট, তা নিয়ে বিতর্ক-সমস্ত বিষয় নিয়েই মুখ খোলেন তিনি। আক্রমণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শাসকদলকে। কনভয় আক্রমণ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, টিএমসি পুরো দলটাই দুষ্কৃতী। ওদের মিটিং থেকে ঝান্ডা নিয়ে কনভয়ে ইট মারা হয়েছিল। এরপর নাম না করে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে বলেন, কেউ যদি দেখতে না পান কে আক্রমণ করেছে, সেটা তাঁর দোষ। বাংলার মানুষের চোখ পরিস্কার আছে, মাথাও পরিস্কার আছে। তাঁরা জানেন যে সেদিন কী হয়েছে। এমনকি পুলিশকে নপুংসক বলে কটাক্ষ করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ হালিশহরে বিজেপি বুথ সভাপতি খুনে গ্রেপ্তার ৩ রবীন্দ্রনাথের জন্ম স্থান সংক্রান্ত পোস্ট ও বিতর্ক নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করেন তিনি। বলেন, যাদের মানসম্মান নেই, তাঁদের আবার কথা। মুখ্যমন্ত্রীর দৌঁড়! এদিন চায়ে পে চর্চা থেকে ডিসেম্বরের পর থেকে পালটা মার দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন বিজেপি সাংসদ। তিনি বলেন, ডিসেম্বরের পর শুরু হবে পালটা মার। তাঁর এহেন মন্তব্যে স্বাভাবিকভাবেই দানা বেঁধেছে বিতর্ক।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২০
রাজ্য

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে বটতলার উকিল বলে কটাক্ষ দিলীপের

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বটতলার উকিল। আইনের এবিসিডি জানেন না। দাঁতনে এই ভাষাতেই সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে তোপ দাগলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। প্রসঙ্গত, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার কনভয়ে হামলার ঘটনায় ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রদফতর তলব করেছে রাজ্যের দুই উচ্চপদস্থ কর্তাকে। কেন্দ্রের এই তলবকে আইন বিরুদ্ধ বলে দাবি করেছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। আরও পড়ুন ঃ রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না করে খোঁচা উদয়নের এরপরেই তৃণমূল সাংসদকে একহাত নিয়েছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি। একইসঙ্গে তিনি বলেন, এতদিন তবে কী করে দলের মামলা লড়েছেন। তাই আইনের এবিসিডি জানেন না। আগে পড়াশোনা করে এসে কথা বলুন। অন্যদিকে, এদিন দিনভর মোহনপুর ব্লকের বিভিন্ন এলাকা চষে বেড়ালেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি। সবমিলিয়ে ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচন বিজেপির কাছে ঠিক কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা কার্যত বুঝিয়ে দিয়ে গেলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি তথা মেদিনীপুর লোকসভার সাংসদ দিলীপ ঘোষ।

ডিসেম্বর ১২, ২০২০
কলকাতা

সুদ সমেত ফেরত দেওয়ার হুমকি দিলীপের

বৃহস্পতিবার ডায়মন্ড হারবারে যাওয়ার পথে দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার শিরাকোলে বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার কনভয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে৷ তার পরেই ফেসবুকে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের হুমকির সুর৷ ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, আমি বলছি পেটান, ততটাই পেটান যতটা পড়ে সহ্য করতে পারবেন৷ লাল ডায়েরিতে সব লিখে রাখছি৷ আরও পড়ুন ঃ আগুন নিয়ে খেলবেন না , মমতাকে হুশিয়ারি ধনকড়ের সুদ সমেত ফেরত দেব আমরা৷ বদল হবে, বদলাও হবে। পরে যতটা সহ্য করতে পারবেন, ততটাই মারুন৷ সব সুদ সমেত ফেরত দেব। সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্দেশে এমনই হুমকি দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ৷ ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছেন, লাল ডায়েরিতে তিনি সব লিখে রাখছেন৷ যদিও দিলীপের এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ৷ তাঁর অভিযোগ, সরাসরি হুমকি দিচ্ছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি৷

ডিসেম্বর ১১, ২০২০
কলকাতা

নাড্ডার সফরে পুলিশি নিরাপত্তায় ঢিলেমির অভিযোগ, শাহকে চিঠি দিলীপের

বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জয়প্রকাশ নাড্ডার রাজ্য সফরে পুলিশি নিরাপত্তার যথাযথ ব্যবস্থা করা হয়নি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাছে এই অভিযোগ জানালেন দিলীপ ঘোষ। এ বিষয়ে শাহকে চিঠি দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। দুদিনের রাজ্য সফরে এসেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। কিন্তু সেই সফরে একের পর এক বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে তাঁকে। কখনও তাঁকে কালো পতাকা দেখানো হচ্ছে। তো কখনও আবার গন্তব্য পৌঁছনোর আগে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখানো হচ্ছে। দিলীপবাবুর অভিযোগ, বিক্ষোভকারীদের হাতে বাঁশ, লাঠি থাকতে দেখা গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ মমতার গড়ে জনসংযোগ নাড্ডার, পুজো দিলেন কালীঘাটে দলের হেস্টিংস কার্যালয়ের সামনে বুধবার বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় জে পি নাড্ডাকে। সেটা উল্লেখ করে দিলীপ ঘোষ শাহকে বলেছেন, পুলিশি নিরাপত্তায় ঢিলেমি ছিল। বলতে গেলে পুলিশ ছিলই না। বিক্ষোভকারীদের সরানো বা আটকানোর চেষ্টাও করেনি পুলিশ। অমিত শাহকে দিলীপ ঘোষের অনুরোধ, রাজ্য সরকারের সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা বলুক কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ উড়িয়ে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, কোথাও বাঁশ, লাঠি নিয়ে বিক্ষোভ দেখানো হয়নি। আর পুলিশি ঢিলেমির অভিযোগ থাকলে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তরে জানানো যে। কেন্দ্রকে চিঠি দিয়ে কী হবে! একইসঙ্গে তাঁর প্রশ্ন, এত এলাকা থাকতে মুখ্যমন্ত্রী ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এলাকায় কেন সভা করতে গেলেন তিনি?

ডিসেম্বর ১০, ২০২০
রাজ্য

কৈলাস-দিলীপের নামে এফআইআর শিলিগুড়ি পুলিশের

বিজেপির উত্তরকন্যা অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে শিলিগুড়ি-ফুলবাড়ি এলাকা। পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের ধস্তাধস্তির সময়ই ভাঙচুর হয় বিজেপির সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয়র গাড়ি। অন্যদিকে উত্তরকন্যা অভিযান চলাকালীন তাদের এক কর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছে বিজেপি। তাদের আঙুল পুলিশের দিকে। এমনকি পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির সময় ছড়রা গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ বিজেপির। উত্তরকন্যা অভিযানে দলীয় কর্মীর মৃত্যুর অভিযোগে আসরে নামে বিজেপি। বিজেপি কর্মীর মৃত্যুর প্রতিবাদে ১২ ঘণ্টার উত্তরবঙ্গ বনধে গতকালও ধুন্ধুমার বাঁধে শিলিগুড়িতে। আরও পড়ুন ঃ ডিসেম্বরের মাঝামাঝি ঠান্ডা পড়বে রাজ্যে এই পরিস্থিতিতে কৈলাস বিজয়বর্গীয়, দিলীপ ঘোষের নামে এফআইআর শিলিগুড়ি পুলিশের। দুই বিজেপি নেতা সহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে উত্তরকন্যা অভিযানে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগে এফআইআর দায়ের করেছে পুলিশ। এর মধ্যে ২টি অভিযোগ হয়েছে নিউ জলপাইগুড়ি থানায়। শিলিগুড়ি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। হিংসা ছড়ানো, অশান্তি সৃষ্টি, ট্রাফিক গার্ড ভাঙচুর, সরকারি কাজে বাধা, পুলিশকে নিগ্রহ সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে কৈলাস বিজয়বর্গীয়, দিলীপ ঘোষ সহ বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
রাজনীতি

দিলীপ ঘোষ একটা ফোর টোয়েন্টি, দালালঃ অনুব্রত

বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে ফের নজিরবিহীন ভাষায় আক্রমণ করলেন বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমানের আলিগ্রামে তৃণমূল কংগ্রেসের বুথ ভিত্তিক কর্মী সম্মেলন ছিল। এদিন আউশগ্রাম ১ ব্লকের গুসকরা-২, দিগনগর-১, দিগনগর-২ এবং বিল্বগ্রাম এই চারটি অঞ্চলের কর্মীদের নিয়ে বুথ সম্মেলন হয়। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, দিলীপ ঘোষ একটা ফোর টোয়েন্টি দালাল। জানোয়ার, মহিলাদের সম্মান করতে জানে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোংরা ভাষায় আক্রমণ করে। আরও পড়ুন ঃ এবার শুভেন্দুর সঙ্গে বর্ধমানের সাংসদের ছবি, তুঙ্গে বিতর্ক কয়েকদিন আগে দিলীপ ঘোষ স্বাস্থ্য সাথী কার্ড নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন ওই কার্ড কোন কাজ করবে না।সাংবাদিকরা এই প্রসঙ্গ তুলতেই তিনি মেজাজ হারান। তিনি বলেন ও পাগল ছাগল লোক। এদিনও তিনি ঘোষণা করেন আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ২০০ থেকে ২২০ টা আসনে জয়লাভ করবে। তিনি কেন্দ্রীয় কৃষিবিল নিয়েও তোপ দাগেন। রাজ্যে মমতা ব্যানার্জীর সরকার না থাকলে স্বাস্থ্য সাথী, সবুজসাথী, কন্যাশ্রী থাকবে না। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মা মাটি মানুষের সরকারকে প্রয়োজন। একথা মানুষ জানেন। শুরু থেকেই সভা নরমে গরমে চলছিল।তার মধ্যে বেশ কয়েকজন দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সভায় বিষোদগার করেন বীরভূম জেলা সভাপতি। সম্মেলনে নেতা কর্মীদের বারে বারে নির্দেশ দেন মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর।পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে মানুষের কাছে সরকারি প্রকল্পের কথা সুবিধার কথা বলতে হবে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
রাজ্য

উত্তরকন্যা অভিযান শুরুর আগেই পুলিশি বাধার মুখে দিলীপ ঘোষ ও সায়ন্তন বসু

উত্তরকন্যা অভিযান শুরুর আগেই বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ও সম্পাদক সায়ন্তন বসু পড়লেন পুলিশি বাধার মুখে। যা নিয়ে উত্তেজনা ছড়াল ফুলবাড়ি মোড়ে। সোমবার বেলা একটু বাড়তেই বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা জড়ো হন উত্তরকন্যা অভিযানে অংশ নিতে। শিলিগুড়ির ফুলবাড়ি মোড় থেকে মিছিলের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন দিলীপ ঘোষ, সায়ন্তন বসু। উত্তরকন্যার দিকে মিছিল সামান্য এগোতেই সেখানে পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়। বাধার মুখে পড়েন আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সাংসদ জন বার্লাও। সেখানে পুলিশের সঙ্গে তাঁদের বচসা হয়। পরে অবশ্য দুজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করেছেন, আমি স্টেশন থেকে নেমে গেস্ট হাউজে যাব, সেটাও পর্যন্ত যেতে পারছি না। আধঘণ্টা ধরে এখানে দাঁড়িয়ে আছি। জানি না, কী ধরনের গণতন্ত্রের পরিবেশ এখানে আছে। স্বৈরাচারী শাসন! পুরো শহরকে ঘিরে দেওয়া হয়েছে বাঁশের ব্যারিকেড দিয়ে। বাইরে থেকে লোককে ঢুকতে, বেরতে দেওয়া হচ্ছে না। আমাদের সাংসদ জন বার্লাকেও আটকে দেওয়া হয়েছে। এই স্বৈরাচারী মনোভাব নিয়ে পশ্চিমবাংলায় এই সরকার কতদিন টিকে থাকতে পারবে জানি না। আরও পড়ুন ঃ কৃষকদের ডাকা ভারত বনধকে নৈতিক সমর্থন মমতার তাঁর আগে গাড়িতে বসেই বিমল গুরুং প্রসঙ্গে রাজ্য সরকারের প্রতি তোপ দাগেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, যে লোকটাকে এতদিন দেশদ্রোহী বলা হত, গতকাল তাঁকে পুলিশি নিরাপত্তা দিয়ে নিয়ে এসে জনসভা করা হল। আর আমরা গণতন্ত্র রক্ষার জন্য লড়াই করছি, অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করছে, তারজন্য আমাদের আটকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে উত্তরকন্যাকে একেবারে ঘিরে ফেলা হয়েছে। লোহার ব্যারিকেড, গার্ডওয়াল, জলকামান সব নিয়ে বিজেপি যুব মোর্চার অভিযান রুখতে প্রস্তুত পুলিশ। অন্যদিকে, জলপাইগুড়ি থেকে কৈলাস বিজয়বর্গীয়র নেতৃত্বে মিছিল এগোতে চাইলেও পুলিশের বাধার মুখে পড়ে। মমতা সরকারের আমলে উত্তরবঙ্গের কোনও উন্নয়ন হয়নি, এই অভিযোগে উন্নয়নের দাবি তুলে এদিনের অভিযানে নেমেছে বিজেপি যুব মোর্চা। বিজেপি সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায় বলেন, উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন পর্ষদকে কত টাকা দিয়েছে রাজ্য সরকার? শ্বেতপত্র প্রকাশ করার দাবি জানাচ্ছি।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২০
রাজনীতি

দিদিমণিকে দেখে মায়া হয়ঃ দিলীপ

মোদিজি কৃষকদের কষ্ট বোঝেন। সেই কারণেই আলুর সহায়ক মূল্য বাড়িয়েছেন। রবিবার দুপুরে পূর্ব মেদিনীপুরের মুকুন্দপুরে কিষাণ মোর্চার সভায় যোগ দিয়ে এই মন্তব্য করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে এদিন ফের তিনি বলেন, আলুর কাটমানির টাকা যাচ্ছে কালীঘাটের টালির ছাদের নিচে। সব ওখানে জমছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তোপ দেগে বলেন, দিদিমণি সব কিছুরই বিরোধিতা করেন। কারণ উনি মানুষের কথা ভাবেন না। তিনি বলেন, যেখানে যা হচ্ছে উনি চিংড়ি মাছের মতো লাফাচ্ছেন। চিন্তায় দিদিমণি শুকিয়ে যাচ্ছেন। দেখে মায়া হয়। উনি ক্ষমতায় থেকেও এই অবস্থা। আর আমরা ক্ষমতায় না থেকেও দিব্যি আছি। সব পাচার বন্ধ। কেন্দ্রীয় সংস্থা তদন্তে নেমেছে। সব সত্য এবার প্রকাশ্যে আসবেই। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দু অধিকারী চলে গেলে দলে বিশাল শূন্যতা তৈরি হবেঃ রাজীব এদিন পূর্ব মেদিনীপুরের শঙ্করপুরে চা চক্রের আসরে শুভেন্দু অধিকারী প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, অনেক আম পেকেছে তৃণমূলে। শুধু পাড়ার অপেক্ষা। গাছ পাকা আমই ভাল। কার্বাইডে পাকানো আম ভাল নয়। এদিন সকালে চা চক্রে সুদীপ্ত সেনের চিঠি নিয়ে তিনি বলেন, যে চিঠি দিয়েছেন, সিবিআই তার সত্যতা যাচাই করবে দিল্লিতে। সবটাই সিবিআইএর হাতে। তাতে যদি কেউ দোষী হয়ে থাকেন তবে তার বিচার হবে। মুখ্যমন্ত্রীর সভা প্রসঙ্গে বলেন, লোকজন হবে না মুখ্যমন্ত্রীর সভায়। সেরকম হলে আমরা লোক পাঠিয়ে সহযোগিতা করতে পারি। বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ প্রসঙ্গে তৃণমূলকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি তিনি। বলেন , তৃণমূল হারছে। বিদায় হয়ে যাচ্ছে। তাই শেষ কামড় দেওয়ার চেষ্টা করছে। সুশান্ত ঘোষ কোর্টের নির্দেশে ঘরে ফিরছেন। আগে যা হয়েছে, সেটা ভুলে লোকের কাছে প্রায়শ্চিত্ত করুক। ক্ষমা চান, নতুন করে রাজনীতি শুরু করুন।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২০
রাজ্য

মেদিনীপুর থেকেই রাজ্যে প্রতিনিধিত্ব করবেন শুভেন্দু অধিকারীঃ দিলীপ

পূর্ব মেদিনীপুর থেকেই বাংলায় পরিবর্তনের সূত্রপাত হবে বলে দাবি করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। শনিবার সকালে বালিঘাইতে প্রাতঃভ্রমণ ও চা চক্র করেন তিনি। সেখানে দিলীপবাবু বলেন, বিজেপিতে অনেকে এসেছেন। এসে পদ পেয়েছেন। এমএলএ, এমপি করেছি। মুকুল রায়কে এমপি সহ অনেক পদ দেওয়া হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলে বেশি লাফালাফি করলে ওখানে চাকরবৃত্তি করতে হবে। একইসঙ্গে তিনি আরও বলেন, মেদিনীপুর থেকেই রাজ্যে প্রতিনিধিত্ব করবেন শুভেন্দু অধিকারী। আরও পড়ুন ঃ আসানসোলের বারাবনিতে তৃণমূল- বিজেপি সংঘর্ষ , আহত ২ এদিন নাম না করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করে দিলীপ ঘোষ বলেন, কোলে চড়া নেতারা ছড়ি ঘোরাবে, তা বাংলার মানুষ মেনে নেবে না। এদিন দিলীপবাবু এগরায় আগুনে ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে দেখা করেন। পরে পাঁচটি বাড়িতে গৃহসম্পর্ক অভিযান করেন তিনি। এদিকে , এদিন সকালে দিলীপ ঘোষের চা চক্র উপলক্ষে তৈরি করা হয়েছিল একটি মঞ্চ। তার উপর দাঁড়িয়ে দলীয় পতাকা হাতে নিতেও দেখা যায় তাঁকে। সেই সময় তাঁকে মঞ্চের উপরে ছিলেন বেশ কিছু স্থানীয় নেতা। কিছুক্ষণ পর হঠাৎ করেই দেখা যায় সবাইকে নিয়ে নীচের দিকে বসে পড়েছে মঞ্চ। যদিও মঞ্চ খুব উঁচু না হওয়ায় তেমন কেউ চোট পাননি। এই ঘটনার পরই মাইক হাতে নিয়ে বসে যাওয়া মঞ্চে দাড়িয়েই দিলীপের কটাক্ষ, আজ মঞ্চ ভাঙল। মে মাসে সরকারটাই ভেঙে যাবে।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
রাজনীতি

যারা বিজেপির ঝান্ডা খুলেছে, তাদের ঘাড় ধরে দলে নিয়ে আসবঃ দিলীপ

দুয়ারে সরকারের নামে বাইক মিছিল বের করা হচ্ছে। সরকারি প্রতিনিধিদের খুঁজে পাওয়া যায় না। এখন নাকি তারা দুয়ারে দুয়ারে যাবেন। শুক্রবার জোকায় চা চক্রে হাজির হয়ে এই মন্তব্য করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এদিন এক সভা থেকে তিনি আরও বলেন, কলকাতায় বিজেপি নেই যারা বলছে তাদের চোখে ন্যাবা হয়েছে। এবার কোনও চালাকি খাটবে না। সব ঔষধ তৈরি আছে। দিদিমনি এবার হারবে। গঙ্গার ওপারে তৃণমূল কে ঝান্ডা তুলতে দেব না। পুরসভার ভোট আমাদেরই করতে হবে। প্রার্থী পাবেন না। এজেন্ট পাবেন না। আমাদের সাথে যা যা করেছেন আমরা তাই তাই করব। দিদিকে ৫০ টা সিটে আটকে রাখব। আরও পড়ুনঃ ফের মুখ্যমন্ত্রীকে বেনজির আক্রমণ দিলীপ ঘোষের তিনি দাবি করেন, বিজেপি শক্তিশালী হচ্ছে তাই সিন্ডিকেট বন্ধ হচ্ছে। নতুন সময় নতুন বাংলা আমরা গড়ব। যারা বিজেপির ঝান্ডা খুলেছে, তাদের ঘাড় ধরে বিজেপিতে নিয়ে আসব। অভিষেকের নাম না করে তিনি বলেন, খোকাবাবু আমাকে গুন্ডা বলেছে। এই সমস্ত বন্ধ করতে গুন্ডামি করব। তার দাবি, অর্ধেক কাউন্সিলর লাইন দিয়ে রেখেছে বিজেপিতে আসার জন্য। পুলিশও এখন বিজেপিকে চাইছে। পুলিশকে আমরা তাঁদের সন্মান ফিরিয়ে দেব। উর্দির সন্মান ফিরিয়ে দেবে বিজেপি। যোগ্য সন্মান ও প্রতিষ্ঠা দেবে বিজেপি। তার দাবি, বিজেপির চিৎকার- চেঁচামেচির পর ডিএ বেড়েছে। কৃষক প্রসঙ্গে তার মন্তব্য, কৃষকদের শোষণ করা হচ্ছে এ রাজ্যে। কৃষকদের প্রধানমন্ত্রী ৬ হাজার টাকা করে দিচ্ছে। কিন্তু এই রাজ্যের কৃষকরা তা পাচ্ছে না। চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে তার মন্তব্য, হাসপাতালে শুধু বিল্ডিং হয়েছে। কোনও ডাক্তার, নার্স নেই। আয়ুস্মান প্রকল্প চালু করলে মানুষ চিকিৎসা করাতে সুবিধা পেত। বাইরে গিয়েও চিকিৎসা করাতে পারত। দিদিমনির কাছে টাকা এলে গরিব মানুষ সেই টাকা পাবে না।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
রাজনীতি

যারা বিজেপির ঝান্ডা খুলেছে, তাদের ঘাড় ধরে দলে নিয়ে আসবঃ দিলীপ

দুয়ারে সরকারের নামে বাইক মিছিল বের করা হচ্ছে। সরকারি প্রতিনিধিদের খুঁজে পাওয়া যায় না। এখন নাকি তারা দুয়ারে দুয়ারে যাবেন। শুক্রবার জোকায় চা চক্রে হাজির হয়ে এই মন্তব্য করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এদিন এক সভা থেকে তিনি আরও বলেন, কলকাতায় বিজেপি নেই যারা বলছে তাদের চোখে ন্যাবা হয়েছে। এবার কোনও চালাকি খাটবে না। সব ঔষধ তৈরি আছে। দিদিমনি এবার হারবে। গঙ্গার ওপারে তৃণমূল কে ঝান্ডা তুলতে দেব না। পুরসভার ভোট আমাদেরই করতে হবে। প্রার্থী পাবেন না। এজেন্ট পাবেন না। আমাদের সাথে যা যা করেছেন আমরা তাই তাই করব। দিদিকে ৫০ টা সিটে আটকে রাখব। আরও পড়ুনঃ ফের মুখ্যমন্ত্রীকে বেনজির আক্রমণ দিলীপ ঘোষের তিনি দাবি করেন, বিজেপি শক্তিশালী হচ্ছে তাই সিন্ডিকেট বন্ধ হচ্ছে। নতুন সময় নতুন বাংলা আমরা গড়ব। যারা বিজেপির ঝান্ডা খুলেছে, তাদের ঘাড় ধরে বিজেপিতে নিয়ে আসব। অভিষেকের নাম না করে তিনি বলেন, খোকাবাবু আমাকে গুন্ডা বলেছে। এই সমস্ত বন্ধ করতে গুন্ডামি করব। তার দাবি, অর্ধেক কাউন্সিলর লাইন দিয়ে রেখেছে বিজেপিতে আসার জন্য। পুলিশও এখন বিজেপিকে চাইছে। পুলিশকে আমরা তাঁদের সন্মান ফিরিয়ে দেব। উর্দির সন্মান ফিরিয়ে দেবে বিজেপি। যোগ্য সন্মান ও প্রতিষ্ঠা দেবে বিজেপি। তার দাবি, বিজেপির চিৎকার- চেঁচামেচির পর ডিএ বেড়েছে। কৃষক প্রসঙ্গে তার মন্তব্য, কৃষকদের শোষণ করা হচ্ছে এ রাজ্যে। কৃষকদের প্রধানমন্ত্রী ৬ হাজার টাকা করে দিচ্ছে। কিন্তু এই রাজ্যের কৃষকরা তা পাচ্ছে না। চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে তার মন্তব্য, হাসপাতালে শুধু বিল্ডিং হয়েছে। কোনও ডাক্তার, নার্স নেই। আয়ুস্মান প্রকল্প চালু করলে মানুষ চিকিৎসা করাতে সুবিধা পেত। বাইরে গিয়েও চিকিৎসা করাতে পারত। দিদিমনির কাছে টাকা এলে গরিব মানুষ সেই টাকা পাবে না।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
রাজনীতি

ফের মুখ্যমন্ত্রীকে বেনজির আক্রমণ দিলীপ ঘোষের

ফের বেলাগাম বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বৃহস্পতিবার বালিগঞ্জে দলীয় সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে দিলীপ বলেন, আমি নিউটাউনে থাকি। রোজ প্রাতঃভ্রমণে বেরোই। একদিন ভাবলাম সিলিকন ভ্যালিতে যাই। সিলিকন ভ্যালিতে গিয়ে দেখে এসেছি দিদিমণির কাটআউট উল্টে পড়ে রয়েছে। ঘাস হয়ে রয়েছে। ছাগল চড়ছে। ঢপের চপ খেয়ে খেয়ে আমাদের পেট ফুলে গেল। আপনার কথা আর কেউ বিশ্বাস করে না। আরও পড়ুন ঃ আর কোনও কথা নয়, শুভেন্দুকে হোয়াটসঅ্যা্পে জবাব সৌগতর এখানে পুজো হয়, মেলার উদ্বোধন হয়। কারখানার উদ্বোধন করেছেন? খেলা, মেলা, লীলা দিদির দায়িত্ব। তিনি বলেন, ২০২০ শেষ হলে করোনা আর তৃণমূল দুই মহামারীই যাবে। তৃণমূলের বহিরাগত তত্ত্বের জবাব দিতে গিয়ে এদিন ফের প্রশান্ত কিশোর, শাহরুখ খানের প্রসঙ্গ টানেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি। বলেন, এরা বহিরাগত নয়।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দুকে নিয়ে সেমসাইড গোল হয়ে গেছে তৃণমূলেরঃ দিলীপ

সাইডলাইনের বাইরে ছিলেন। এখন সেমসাইড গোল হয়ে গিয়েছে তৃণমূলের। শুভেন্দুকে নিয়ে মাস্টারমশাই এমন ঝটকা খেয়েছেন যে চুপ মেরে গিয়েছেন। প্রাইভেট কোম্পানির চেয়েও খারাপ অবস্থা টিএমসির। শুভেন্দু অধিকারী ইস্যুতে সৌগত রায়ের নাম না করে কটাক্ষ করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার তিনি ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে আসেন। এদিন শুভেন্দু প্রসঙ্গে দিলীপকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে কিছু বলার নেই। বৈঠকেরও এখনও পর্যন্ত কোনও সম্ভাবনা নেই বলে জানান তিনি। তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করে বলেন, এখানে দাঁড়িয়ে আল্টিমেটাম দিচ্ছি, মানুষকে অত্যাচার করবেন না, শুধরে যান। মে মাসের পর সব হিসেব হবে। তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্যসাথী কার্ড দিচ্ছে হাসপাতাল সেই কার্ড নেয় না। হাসপাতাল হয়েছে, কিন্তু সেখানে আগে টাকা পরে ডাক্তার। কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে তার মন্তব্য, এখানে কোথাও চাকরি নেই সব যাচ্ছে বাংলার বাইরে। দুয়ারে দুয়ারে সরকার কর্মসূচি নিয়ে তার বক্তব্য, দুয়ারে সরকার করছে। বিডিও নাকি বাড়িতে আসবে? কেউ বিশ্বাস করে এই কথা? কত রকম সাথী কত রকম শ্রী! টাকা আসছে কোথা থেকে? কেন্দ্র নাকি টাকা দেয় না! এরা বাড়ি এলে ছাড়বেন না নারকেল গাছে বেঁধে জবাব চাইবেন! তার কটাক্ষ, জঙ্গলমহলে তিনদিন বসেছিল দিদিমণি। কেউ খেতে ডাকেনি কেউ দেখা করতেও আসেনি। এবার বসার জন্য অন্তত একটা খাটিয়া পেয়েছে এরপরে চাটাই ও পাবেন না। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দু তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে এলে স্বাগতঃ মুকুল অভিষেককে কটাক্ষ করে তার মন্তব্য, ভাইপোকে কি ভাগ্নে বলব? আদর করে বলতাম এত রাগ করার কী আছে? তিনি তৃণমূল নেতাদের সমালোচনা করে বলেন, প্রত্যেক নেতা রাত হলেই পার্টি, বোতল। সবকটা নেতার চেহারা দেখুন, টাকা কোথা থেকে এলো? হয় সিন্ডিকেটের টাকা না হলে পঞ্চায়েতের ঝাড়া টাকা। সবকটাকে কোমরে দড়ি পরিয়ে আলিপুর সেন্ট্রাল জেলে নিয়ে যাব। সব নেতাদের নীল-সাদা বাড়ি গাড়ি। এই বাড়ি গাড়ি মে মাসের পরে ভোগ করতে দেব না। সব অকশন করব। কে কিনবেন ভেবে রাখুন। বুধবার থেকেই ইকো পার্কে তৃণমূল কর্মীরা সব বেচে দে টি-শার্ট পরে শরীরচর্চা করতে শুরু করেন। ঠিক দিলীপ ঘোষ যেখানে রোজ হাঁটতে যান, তার উল্টো দিকে দাঁড়িয়েই তৃণমূল এই কর্মসুচি পালন করছে। আজ দিলীপবাবু বলেন, এটা রাজনীতি করার জায়গা নয়, শরীরচর্চা করার জায়গা। ওরা সব সিন্ডিকেট করে। মোদীজির ফিট ইন্ডিয়া আহ্বানে অনুপ্রাণিত হয়ে ওরা শরীরচর্চা করছেন। যদিও ইকো পার্কে রাজনৈতিক স্লোগান দিয়ে ঘোরা উচিত কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। নিউটাউনের যে অঞ্চলে দিলীপ ঘোষ আজ চা-চক্র করেন, সেই এলাকায় সিন্ডিকেটের রমরমা বলে বারবার অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। তাই দিলীপ ঘোষের বক্তব্যে বারবার সিন্ডিকেট ইস্যু ঘুরে ফিরে এসেছে। অন্যদিকে মিহির, নিশীথকে নিয়ে দিলীপ জানান, ওরা গতকাল রাতে এসেছিলেন। দিল্লি থেকে ফিরে উনারা আমার সঙ্গে কথা বলেন। দলীয় কাজকর্ম শুরু করা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি, আপার প্রাইমারি আন্দোলনকারীদের নিয়ে তুলে দেওয়া নিয়ে তার বক্তব্য গোটা রাজ্যে ১৪৪ করা হচ্ছে। কাউকে মিটিং মিছিল করতে দেওয়া হচ্ছে না। মাদ্রাসার টিচারদেরও আন্দোলনের আগে তুলে নেওয়া হয়। মদন মিত্রের প্যাক আপ পোস্ট নিয়ে কটাক্ষ করে বিজেপি রাজ্য সভাপতি বলেন, সন্তুষ্ট করতে এসব কাজ করছেন। পার্টি ও সরকারে নতুন পদ তৈরি করা হচ্ছে। আগে এই কারণে পুরষ্কার চালু করেছিলেন।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
রাজ্য

আর নয় অন্যায় কর্মসূচির ঘোষণা বিজেপির

রাজ্য সরকারের দুয়ারে দুয়ারে কর্মসূচির পালটা আর নয় অন্যায় কর্মসূচির ঘোষণা করল বিজেপি। বুধবার রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ সাংবাদিক সম্মেলনে এই কর্মসূচির কথা ঘোষণা করে বলেন, সকলের সামনে তৃণমূলের দুর্নীতি, অত্যাচার, স্বৈরাচারের কথা তুলে ধরা হবে। জানালেন, ৫ তারিখ থেকে শুরু হবে এই কর্মসূচি। ওইদিন থেকে সব বুথে বুথে এই অভিযান শুরু হবে। ১ কোটির বেশি মানুষের কাছে যাবে বিজেপি নেতা-কর্মীরা। এদিন তিনি বলেন, আমফানের টাকা নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে। সাধারণ মানুষ ত্রাণের টাকা পায়নি, শুধুমাত্র তৃণমূলের লোকেরাই ত্রাণের টাকা পেয়েছে। তেমনি করোনার সময় মাস্ক, স্যানিটাইজার নিয়েও দুর্নীতি করেছে এই সরকার। এছাড়াও ২০০৯ সালে আয়লা এসেছিল তখন পাঁচ হাজার কোটি টাকা কেন্দ্র থেকে আসে কিন্তু তখনও সেই টাকা নিয়ে দুর্নীতি হয়। দিলীপের দাবি, আমফানের তদন্তের সাথে সাথে আয়লারও তদন্ত করা হোক। আরও পড়ুন ঃ ভাতা নয় চাকরি চাই , এই দাবিতে যুবশ্রীদের বিক্ষোভ বর্ধমানে দুয়ারে একুশের ভোট। তাই ডিসেম্বরের পয়লা তারিখ থেকেই মানুষের দুয়ারে সরকার। নাগরিক পরিষেবা সংক্রান্ত ১২ প্রকল্প-সহ অভাব, অভিযোগ, সমস্যা শুনতে মঙ্গলবার থেকেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষিত এই প্রকল্পের কাজ শুরু করেছে। রাজ্যের সমস্ত পঞ্চায়েত এলাকায় দুয়ারে সরকার কর্মসূচিতে গ্রাম পঞ্চায়েত, ব্লকের সমস্ত পরিকাঠামো নিয়ে প্রত্যেকটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় আগামী দুমাস ধরে চারটি পর্যায়ে হবে শিবির। এখান থেকে ১২টি পরিষেবা সংক্রান্ত প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধা কার্যত ঘরের দুয়ারে গিয়ে হাতে হাতে পৌঁছে দেবে প্রশাসন। সেই সঙ্গে জনসাধারণের অভাব, অভিযোগ ও সমস্যার কথাও শুনবেন প্রশাসনের কর্মীরা। অন্যদিকে, শুভেন্দু অধিকারীর হোয়াটসঅ্যাপ প্রসঙ্গে সৌগত রায়কে কটাক্ষ করে বলেন, শুভেন্দুকে খুশি করতে বুড়ো খোকারা নেমেছিলেন। কাল রাতে আমার কাছে ফোন এল শুনলাম সব ঠিক হয়ে গেছে। সকলের হাসিমুখ। আবার শুনছি এসব। যুবকরা কিছুতেই তৃণমূলের বুড়ো খোকাদের কথা শুনছে না।

ডিসেম্বর ০২, ২০২০
কলকাতা

বাংলার উন্নয়নে বাঙালিদের থেকে অবাঙালিদের ভূমিকা বেশি, বিস্ফোরক মন্তব্য দিলীপের

বাংলার উন্নয়নে বাঙালিদের থেকে অবাঙালিদের ভূমিকা বেশি রয়েছে। বুধবার এমনই মন্তব্য করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এদিন তিনি বলেন, ব্রিটিশ আমল থেকে রোজগারের জন্য বাইরে থেকে বাংলায় আসছেন মানুষ। গঙ্গার পাড়ে জুটমিলে বেশিরভাগ বাংলার বাইরের মানুষ কাজ করতেন। বাংলায় যা উন্নয়ন হয়েছে তাতে বাঙালিদের থেকে অবাঙালিদের অবদান বেশি। রাজ্যে কাজ করা বিহারীরা যদি বহিরাগত হয় তাহলে পিকে কে? প্রশ্ন তোলেন তিনি। পাশাপাশি তিনি শাহরুখ খান বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসডর হওয়া নিয়েও রাজ্যকে কটাক্ষ করেন। আরও পড়ুন ঃ উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরে পুলিশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ রাজ্যপাল এছাড়াও এদিন ক্যানিং স্ট্রিটের চায়ে-পে-চর্চায় দিলীপ ঘোষ বলেন, এতদিন তৃণমূলে গৃহযুদ্ধ চলছিল, এখন মানভঞ্জন চলছে। এখানেই শেষ নয়, সরকারি মঞ্চ থেকে দুয়ারে সরকারের নামে দলের প্রচার হলে আইনের দ্বারস্থ হতে হবে। নির্বাচন কমিশনেও যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তিনি বাবুয়া বলে কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, কে গুন্ডা , সবাই জানে। এছাড়াও প্রতিদিনের মতো এদিন সকালে নিউটাউনের ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে আসেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সেখানে তিনি যখন যোগাভ্যাস করছিলেন ঠিক সেই সময় কিছুটা দূরে রাজারহাট-নিউটাউনের তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি মহম্মদ আফতাবউদ্দিন কয়েকজন কর্মী নিয়ে সব বেচে দে গেঞ্জি পরে অভিনব কায়দায় কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ দেখান। এই প্রতিবাদের বিষয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, এতদিন দিদির অনুপ্রেরণায় সবকিছু কেনাবেচা করছিলেন, এখন দাদার অনুপ্রেরণায় যোগাভ্যাস করছেন। আমি বলছি ওয়েলকাম, খুব ভালো কথা। কে কাকে বেচছে সে তো সবাই জানে। ক্ষমতা থেকে চলে যাওয়ার আগে সব বেচে দে। চলুন সব বিক্রি করুন। এরপর হবে সব কিনে নে। এই যে কেনা বেচার যে ব্যবসা , এটা পশ্চিমবাংলায় আর চলবে না।

ডিসেম্বর ০২, ২০২০
কলকাতা

তৃণমূল নেতৃ্ত্বকে কদর্য ভাষায় আক্রমণ বিজেপি সাংসদের

তৃণমূল এখন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌগত রায়েদের মতো বুড়ো খোকাদের বার করেছেন সোনার বাক্স থেকে। ওটা বুড়োদের পার্টি হয়ে গিয়েছে। মঙ্গলবার প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ ঘোষ ফের শাসক দলের নেতৃত্বের উদ্দেশে আক্রমণ শানালেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, ওটা বুড়োদের পার্টি হয়ে গিয়েছে। মাঝখানে যত নেতা ছিল হয় পালিয়েছে, নয় চুপ করেছে, আর সবে মুখ খুলতে শুরু করেছে। দিন কয়েক আগে তৃণমূলের বর্ষীয়ান সাংসদ সৌগত রায় বলেছিলেন, যাঁরা দল (তৃণমূল) ছেড়ে পালাচ্ছেন তাঁরা ইঁদুর। এই প্রসঙ্গে বিজেপি সাংসদের খোঁচা, বাকিরা ইঁদুর হলে সৌগতবাবু কি মোষ? ওঁকে কেউ দলে নেবে না। তাই উনি তৃণমূলে পড়ে রয়েছেন। রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে নিশানা করে দিলীপ ঘোষ বলেন, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য কলকাতায় জিততে পারেননি বলে কাঁথি গেছেন। তৃণমূল অর্থবদের দলে পরিণত হয়েছে। যাঁরা নেতা ছিল তাঁরা হয় পালিয়ে গিয়েছেন, নয়তো চুপ করে গিয়েছেন। যাঁদের কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই তাঁরাই ওই দলে পড়ে রয়েছেন। আরও পড়ুন ঃ বাংলায় আমদানি করা গব্বর সিংদের মানুষ মেনে নেবে নাঃ ইন্দ্রনীল সেন আজ, মঙ্গলবার থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু হচ্ছে তৃণমূল সরকারের দুয়ারে দুয়ারে সরকার কর্মসূচি। এই প্রসঙ্গে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ বলেন, এর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পার্টি- সরকার এই ধরণের অনেক প্রকল্প ঘোষণা করেছে। কিন্তু বাস্তবে মানুষ কিছু পায়নি। পার্টির লোকেরা কাটমানি পেয়েছেন। এগুলো সব স্ট্যান্ট। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্টান্ট হচ্ছে। আর কিছু না। একবার রাস্তায় নেমে জিজ্ঞেস করুন কে স্বাস্থ্যসাথী সুবিধা পেয়েছে, সব লোককে বোকা বানানোর রাস্তা। বাংলার লোক আর বোকা হতে রাজি নন। আগের যে সমস্ত কার্ড দিয়েছিল সেগুলো কোথায় গেল তার হিসাব দিতে হবে আর কেউ ভুলবে না। এদিন তাঁর নিশানায় ছিল ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরও। তিনি বলেন, বাইরে থেকে লোক এসে কোন নেতা কী পড়বেন, কী খাবেন, কখন ওষুধ খাবেন-সব ঠিক করে দিচ্ছেন। বাংলায় এমন রাজনীতি আগে ছিল না। এই রাজনীতি বাংলার মানুষ মানতে পারবেন না। তিনি জানান, গুণ্ডা মন্তব্যের জেরে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে। তবে তার কোনও জবাব এখনও মেলেনি।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
কলকাতা

সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আইনি নোটিশ দিলীপ ঘোষের আইনজীবীর

ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আইনি নোটিশ পাঠালেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের আইনজীবী। তাঁর পক্ষের আইনজীবী পার্থ ঘোষ সোমবার আইনি নোটিশ পাঠিয়ে তৃ্ণমূল সাংসদকে মন্তব্য প্রত্যাহার করতে বলেছেন। আগামী তিনদিনের মধ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে বলেছেন। অন্যথায় অন্য পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। পার্থ ঘোষ আরও বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্যে তাঁর মক্কেলের সম্মানহানি করা হয়েছে। আরও পড়ুনঃ আলুর দাম বাড়িয়ে মানুষের পকেট কেটে নির্বাচনী টাকা তুলছে তারাঃ দিলীপ প্রসঙ্গত, রবিবার সাতগাছিয়ার সভা থেকে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, দিলীপ ঘোষ গুন্ডা, মাফিয়া। চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বলেছিলেন ক্ষমতা থাকলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার। এরপর সোমবার দিলীপ ঘোষ হুঁশিয়ারি দেন, আমি সাধারণ মানুষের জন্য আমি কাজ করছি। এটা যদি গুন্ডামো হয়, তাহলে তা আরও করব।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
রাজনীতি

ভাইপোকে খোকাবাবু বলে কটাক্ষ দিলীপের

কে গুন্ডা সে তো পঞ্চায়েত নির্বাচনেই আমরা দেখেছি। সোমবার ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে অভিষেকের গতকালের মন্তব্যের পালটা আক্রমণ করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, অভিষেক ৭ কোটি টাকার বাড়িতে থাকে, কনভয়ে ২৫টা গাড়ি ও আরও অনেক কিছু থাকে তাই কে মাফিয়া বোঝাই যাচ্ছে। হতাশা চরম পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে বলে এসব বলছেন। আদর করে ভাইপো বললে আপত্তি কোথায়। আমি ভাইপো বলি না। আমি খোকাবাবু বলছি। ওঁকে খোকাবাবু বলব না তো কী! উনি কোলে চড়ে রাজনীতিতে এসেছেন, এখনও কোলেই আছেন। দিল্লিতে যুবরাজকে পাপ্পু বলা হয়। পাপ্পু বলা হবে। ভাইপো বললে ক্ষতি কি হয়েছে? চিৎকার চেঁচামিচি করে কিছু হবে না। লোক জানেন সব কিছু। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূলকে ভাঙার চেষ্টা করে কোনও লাভ নেইঃ সুজিত তিনি আরও বলেন, যে লোকেরা পার্টির জন্য প্রাণ দিল তারা আজ ব্রাত্য আর উনি কোলে চড়ে এসে সাংসদ হয়ে গেলেন। বিগত ১০ বছরে প্রাইভেট প্রপাটি বানানো হয়েছে। বাসিন্দাদের কালিঘাট থেকে বের করে জায়গা দখল করা হয়েছে। আমাকে গুন্ডা, মস্তান বলা হয়েছে। সাধারণ মানুষের জন্য যা করছি তা যদি গুন্ডামি হয় তবে তাই। আমি সবে গুন্ডামি শুরু করেছি। গুন্ডামির কিছুই দেখেননি এখনও। অভিষেকের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ নেওয়া হবে কিনা তা আইনজীবীরা দেখছেন। তবে ক্ষমতায় এসে এই ধরনের ভাষা ব্যবহার করা উচিত নয়। মানুষ সব দেখছেন ও বুঝছেন। মানুষ তুলতেও পারে-ফেলতেও পারেন।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
কলকাতা

আলুর দাম বাড়িয়ে মানুষের পকেট কেটে নির্বাচনী টাকা তুলছে তারাঃ দিলীপ

ডিসেম্বর মাস এই রাজ্য-রাজনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ সময়। সামনেই বড় নির্বাচনী লড়াই। সেই পরিস্থিতিতে বাইরে থেকে অনেক নেতৃত্বই বাংলায় আসবেন। রবিবার এই মন্তব্য করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি আরও বলেন, সেই পরিস্থিতিতে বাইরে থেকে অনেক নেতৃত্বই বাংলায় আসবেন। তবে বাংলার রাজনীতি একটু আলাদা। এখানে কেউ এলেই যে সফল হবেন, এমন নয়। প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। শনিবার ফিরহাদ হাকিম আলুর দাম নিয়ে কথা বলেছিলেন। অনেক তাঁকে জাবাব দেওয়ার ভঙ্গিতেই দিলীপ আলুর দামের প্রসঙ্গ টেনে এনে বলেন, কয়লা এবং গরু থেকে তো (তৃণমূলের) টাকা ইনকাম বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তাই আলুর দাম বাড়িয়ে মানুষের পকেট কেটে নির্বাচনী টাকা তুলছে তারা। বলে দেন, তৃণমূলে এখন গৃহযুদ্ধের আবহ, তৃণমূলের ঘর ভাঙছে। আর আমরা মহাযুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছি। গণেশচন্দ্র অ্যাভিনিউতে সরকারি কর্মচারী পরিষদের এক সভায় যান দিলীপ ঘোষ। সেখানে তিনি তৃণমূলকে আরও এক দফা আক্রমণ করে বলেন, জঙ্গলমহলের মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে তৃণমূল। বলেছেন, তৃণমূলে এ বার পিকে হঠাও, তৃণমূল বাঁচাও স্লোগান উঠতে পারে। আরও পড়ুনঃ ডিসেম্বরেও খুলছে না কলেজ- বিশ্ববিদ্যালয়ঃ পার্থ অভিষেক ব্যানার্জী ইতিমধ্যে তাঁর সভা থেকে বিজেপিকে আক্রমণ করেছেন। বলেছেন বিজেপি তাঁর নাম নিতে ভয় পাচ্ছে। সেই প্রসঙ্গে দিলীপ বলেন, ভাইপো বলায় যখন বোঝা যাচ্ছে, তখন নাম বলার কী দরকার রয়েছে? এফআইআর করার কথা কেন বলছে! আমরা তো এফআইআর-এর কথা বলিনি! তা হলে এফআইআর-এর ভয় কেন? বলেন, সিবিআই, এনআইএ, ইডি আছে। এখানে নয়, যেতে হবে ভুবনেশ্বর। বলেন, আমরা তো বলেছিলাম-- লাল ডায়েরি পেলে দিদি যাবে জেলে। অনেক মাথাকেই ঢুকতে হবে। ডকুমেন্ট রয়েছে আমাদের কাছে। পাশাপাশি এদিন বজবজের সভা থেকে সরাসরি নাম করে দিলিপ ঘোষকে গুন্ডা বলে সম্বোধন করেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধায়। এর পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে দিলীপবাবু বলেন, হ্যাঁ! আমি গুন্ডা। এতদিন তোমরা গুণ্ডামি করেছ, এবার আমি করব। দরকারে আরও গুণ্ডামি করব।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

অবৈধভাবে ভারতে ঢোকার মাশুল! দুই বাংলাদেশি মহিলার বিরুদ্ধে আদালতের বড় রায়

অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ এবং বৈধ নথি ছাড়া দেশে বসবাসের অভিযোগে দুই বাংলাদেশি মহিলাকে দুবছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল মহারাষ্ট্রের একটি আদালত। কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে দশ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে।দোষী সাব্যস্ত হওয়া দুই মহিলার নাম শাহানাজ বিলাল সদ্দার এবং হাসিনা জব্বর খান। আদালতের নথি অনুযায়ী, গত তিন ডিসেম্বর দুই হাজার চব্বিশ সালে মহারাষ্ট্রের থানে জেলার মিরা রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করে পুলিশের মানব পাচার বিরোধী শাখা। এরপর থেকেই তাঁরা হেফাজতে ছিলেন।তদন্তে উঠে আসে, দুই মহিলা বৈধ নথি ছাড়াই ভারতে প্রবেশ করেছিলেন এবং মহারাষ্ট্রে একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করছিলেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।আদালতে দুই মহিলার আইনজীবী জানান, তাঁরা অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সদস্য। দুজনই বিবাহিত এবং পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী। তাঁদের বিরুদ্ধে আগে কোনও অপরাধের অভিযোগও ছিল না। পাশাপাশি আদালতের কাছে দাখিল করা আবেদনে দুই মহিলা নিজেদের দোষ স্বীকার করার ইচ্ছার কথাও জানান।সমস্ত দিক বিবেচনা করে আদালত বিদেশি আইন এবং পাসপোর্ট আইনের অধীনে দুই মহিলাকে দোষী সাব্যস্ত করে। তবে গ্রেপ্তারের পর থেকে তাঁরা যে সময় হেফাজতে কাটিয়েছেন, সেই সময় মূল কারাদণ্ডের মেয়াদের সঙ্গে সমন্বয় করার নির্দেশও দিয়েছেন বিচারক।এই রায়ের পর অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং বৈধ নথি ছাড়া ভারতে বসবাসের অভিযোগে আইনি পদক্ষেপ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

আর্জেন্টিনা বনাম ইংল্যান্ড ম্যাচে বড় আতঙ্ক! দুর্গে পরিণত আটলান্টা, কেন এত কড়া নিরাপত্তা?

আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল ঘিরে এখন শুধু ফুটবল নয়, নিরাপত্তাও বড় আলোচনার বিষয়। দুই হাজার দুই সালের পর আবার বিশ্বকাপের মঞ্চে মুখোমুখি হচ্ছে দুই দেশ। এই ম্যাচকে কেন্দ্র করে ইতিহাস, আবেগ এবং দুই দেশের দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নতুন করে সামনে এসেছে। সেই কারণেই আটলান্টার স্টেডিয়ামে নেওয়া হয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা।মার্কিন প্রশাসনের মতে, চলতি বিশ্বকাপে এটাই সবচেয়ে স্পর্শকাতর ম্যাচগুলির একটি। সেই কারণে স্থানীয় পুলিশ, নিরাপত্তা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি একাধিক বৈঠক করে নিরাপত্তা আরও জোরদার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি যে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।স্টেডিয়ামে বিপুল সংখ্যক পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। সমর্থকদের নিরাপদে প্রবেশ নিশ্চিত করতে দুই দলের দর্শকদের জন্য আলাদা প্রবেশপথ রাখা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে নির্দিষ্ট কিছু ব্যানার বা রাজনৈতিক বার্তা বহনকারী সামগ্রী স্টেডিয়ামে নিয়ে যাওয়ার উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের ফুটবল প্রতিদ্বন্দ্বিতা বহু পুরনো। বিশ্বকাপের ইতিহাসে দুই দলের একাধিক ম্যাচ বিতর্ক, উত্তেজনা এবং নাটকীয় ঘটনার সাক্ষী। সেই কারণেই এই লড়াইকে ঘিরে সমর্থকদের আবেগও সব সময় তুঙ্গে থাকে।শুধু অতীতের ইতিহাস নয়, সাম্প্রতিক ঘটনাও প্রশাসনের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের জয়য়ের পর দুই দলের কিছু সমর্থকের মধ্যে সংঘর্ষের অভিযোগ সামনে আসে। সেই ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে সতর্ক হয়েছে প্রশাসন।সব মিলিয়ে মাঠের লড়াই শুরু হওয়ার আগেই এই ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা চরমে। একদিকে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা, অন্যদিকে হ্যারি কেনের ইংল্যান্ড। তবে খেলার পাশাপাশি এবার নজর থাকবে মাঠের বাইরের পরিস্থিতির দিকেও। নিরাপত্তা ব্যবস্থার কড়াকড়ি থেকেই স্পষ্ট, কোনও ধরনের ঝুঁকি নিতে রাজি নয় আয়োজকরা।

জুলাই ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ইংল্যান্ড ম্যাচের আগেই মেসিদের ঘিরে বিস্ফোরক দাবি! বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের ডাক কেন?

বিশ্বকাপের অন্যতম আকর্ষণীয় ম্যাচে মুখোমুখি হতে চলেছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। দুই হাজার দুই সালের পর আবার বিশ্বকাপের মঞ্চে এই দুই ফুটবল শক্তির লড়াই ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। তবে ম্যাচ শুরুর আগেই নতুন বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছে লিওনেল মেসির দল।সাম্প্রতিক কয়েকটি ম্যাচে রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন উঠেছে। সেই আবহেই সামাজিক মাধ্যমে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের দাবিতে একটি অনলাইন আবেদন ঘিরে চর্চা শুরু হয়েছে। ওই আবেদনের সমর্থকেরা অভিযোগ করেছেন, রেফারির সিদ্ধান্তে আর্জেন্টিনা বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে প্রমাণিত হয়নি।প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, লক্ষ লক্ষ মানুষ ওই অনলাইন আবেদনে সমর্থন জানিয়েছেন। আবেদনকারীদের বক্তব্য, বিশ্বকাপে সব দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা উচিত। তবে এই দাবির বিষয়ে ফিফার পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য প্রকাশ করা হয়নি।এই বিতর্কের মাঝেই মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই দুই দলের লড়াই বহু স্মরণীয় ঘটনার সাক্ষী। দিয়েগো মারাদোনার বিতর্কিত গোল থেকে শুরু করে একাধিক উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ এখনও ফুটবলপ্রেমীদের মনে রয়েছে। তাই এবারও এই ম্যাচ ঘিরে প্রত্যাশা অনেক বেশি।ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেনও ম্যাচের আগে সতর্ক বার্তা দিয়েছেন। তাঁর মতে, আর্জেন্টিনা খুব অভিজ্ঞ দল। তারা জানে কীভাবে ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে হয় এবং প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলতে হয়। তাই এই ম্যাচ সহজ হবে না বলেই মনে করছেন তিনি।অন্যদিকে গোলদাতাদের তালিকাতেও নজর রয়েছে ফুটবলপ্রেমীদের। লিওনেল মেসি আটটি গোল করে শীর্ষে রয়েছেন। কিলিয়ান এমবাপেও আট গোল করেছিলেন। ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেনের ঝুলিতে রয়েছে ছয় গোল। ফলে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে এই ম্যাচে মেসি যেমন দলকে জেতানোর লক্ষ্য নিয়ে নামবেন, তেমনই গোলদাতাদের তালিকায় নিজের অবস্থান আরও শক্ত করার সুযোগও থাকবে তাঁর সামনে।সব মিলিয়ে বিশ্বকাপের এই মহারণ শুধু দুই দলের লড়াই নয়, মাঠের বাইরের বিতর্কও এই ম্যাচকে আরও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এনে দিয়েছে।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

‘বেইমানদের জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী’! বিস্ফোরক বার্তায় নতুন লড়াইয়ের ডাক মমতার

তৃণমূলের অন্দরে একের পর এক নেতা বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে দলের ভিতরে অস্বস্তি বাড়লেও লড়াই থেকে এক ইঞ্চিও পিছিয়ে যেতে রাজি নন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, প্রয়োজন হলে আবারও শূন্য থেকে দল গড়ে তুলতে প্রস্তুত তিনি।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মানুষ দলের প্রতীক দেখে ভোট দিয়েছেন। তাই যাঁরা দল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন, তাঁদের জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে তাঁদের বেইমান বলেও কড়া আক্রমণ করেছেন। তাঁর দাবি, দুই হাজার সাতানব্বই সালে একা লড়াই শুরু করেছিলেন। তখনও সফল হয়েছিলেন। তাই দুই হাজার ছাব্বিশ সালেও নতুন করে লড়াই শুরু করার ক্ষমতা তাঁর রয়েছে।সাম্প্রতিক সময়ে মদন মিত্র-সহ একাধিক নেতা বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের অনেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এই প্রসঙ্গে মমতা বলেন, অভিষেককে অকারণে নিশানা করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, অভিষেক নিজের দায়িত্ব পালন করছেন এবং আগামী বহু বছর রাজনীতিতে সক্রিয় থাকবেন।মদন মিত্রের দলত্যাগ প্রসঙ্গেও পরোক্ষে প্রতিক্রিয়া দেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার চাপ দেখিয়ে অনেককে দল ছাড়তে বাধ্য করা হচ্ছে। পরিবারের সদস্যদের নোটিস পাঠিয়ে ভয় দেখানোর অভিযোগও করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, যাঁরা দল ছেড়ে গিয়েছেন, তাঁদের অনেকের পরিস্থিতি আগেই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন।এরপর তৃণমূলের শুরুর দিনের কথা মনে করিয়ে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, খুব অল্প সময়ের মধ্যে দল গড়ে নির্বাচন লড়ে সংসদে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছিল। পরে কঠিন সময় এলেও লড়াই থামেনি। তাই বর্তমান পরিস্থিতিকেও তিনি নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবেই দেখছেন।একুশে জুলাইয়ের শহিদ সমাবেশ নিয়েও বার্তা দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি জানান, আদালতের নির্দেশ মেনে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভা হবে। প্রতি বছরের মতো সমাবেশের আগের দিন তিনি নিজে গিয়ে প্রস্তুতি খতিয়ে দেখবেন। পাশাপাশি প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছেন, যাতে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।মমতা আরও বলেন, কোনও বাধা এলেও সভা বন্ধ হবে না। প্রয়োজন হলে মাইক্রোফোন ছাড়াই কর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখবেন। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, একুশে জুলাইয়ের সমাবেশ নির্ধারিত সময়েই হবে এবং দল লড়াই চালিয়ে যাবে।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

শেষ মুহূর্তে বড় স্বস্তি! আদালতের রায়ে একুশে জুলাইয়ের সভাস্থল পেল কালীঘাট তৃণমূল

একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবসের সমাবেশ কোথায় হবে, তা নিয়ে কয়েক দিন ধরেই চলছিল জোর রাজনৈতিক টানাপোড়েন। শেষ পর্যন্ত সেই বিতর্কে ইতি টানল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চ কালীঘাট তৃণমূলকে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভা করার অনুমতি দিয়েছে। তবে এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত মেনে।আদালতে প্রথমে কালীঘাট তৃণমূলের পক্ষ থেকে হাজরায় সভা করার প্রস্তাব মানা হয়নি। পরে ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনেও সভা করার আবেদন জানানো হলেও আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করেনি। এরপর আদালত রাজ্যের কাছে বিকল্প জায়গার বিষয়ে মত জানতে চায়। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ওয়েলিংটনের সুবোধ মল্লিক স্কোয়ারের প্রস্তাব দেওয়া হয়। সেখানে নির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষের সভা করা সম্ভব বলেও জানানো হয়।কালীঘাট তৃণমূলের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে দাবি করেন, তাঁদের আবেদন অনেক আগে করা হলেও অনুমতি দেওয়া হয়নি। অথচ পরে আবেদন করা অন্য সংগঠনকে সভার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, তাঁদের ক্ষেত্রে আলাদা নিয়ম কেন প্রযোজ্য হবে, সেই প্রশ্নেরও উত্তর পাওয়া যায়নি।আদালতে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শহিদ মিনারে অন্য একটি রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি রয়েছে। অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরকে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে সীমিত সংখ্যক সমর্থক নিয়ে সভা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভা করার প্রস্তাব দেন। তিনি জানান, এই জায়গাটি দুই কর্মসূচির মধ্যে যথেষ্ট দূরত্ব বজায় রাখবে। তবে নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে সমর্থকের সংখ্যা সীমিত রাখতে হবে।প্রথমে তিন হাজার মানুষের অনুমতির কথা উঠলেও রাজ্য আপত্তি জানায়। পরে আদালত আড়াই হাজার সমর্থক নিয়ে সভা করার অনুমতি দেয়। একই সঙ্গে জানানো হয়, সভা বিকেল সাড়ে তিনটার মধ্যে শেষ করতে হবে।শুনানির সময় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় একুশে জুলাইয়ের ঐতিহাসিক গুরুত্বের কথাও তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, এই দিনের সঙ্গে তাঁদের আবেগ জড়িয়ে রয়েছে। আগের দিনের বিক্ষোভে কর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগও আদালতের সামনে তোলা হয়।সব দিক বিবেচনা করে শেষ পর্যন্ত বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে শর্তসাপেক্ষে একুশে জুলাইয়ের শহিদ সমাবেশের অনুমতি দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। ফলে দীর্ঘ জল্পনার অবসান ঘটলেও, রাজনৈতিক উত্তাপ যে এখানেই থামছে না, তা স্পষ্ট।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

মদনের পদত্যাগেই জোর জল্পনা! এবার কি বড় ঝড়ের মুখে তৃণমূল?

তৃণমূলের অন্দরে রাজনৈতিক সমীকরণ কি দ্রুত বদলে যাচ্ছে? সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনাকে ঘিরে সেই প্রশ্নই এখন জোরালো হচ্ছে। একের পর এক নেতার অবস্থান বদল এবং নতুন শিবিরে যোগ দেওয়া নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। সব মিলিয়ে তৃণমূলের অন্দরের পরিস্থিতি নিয়ে বাড়ছে জল্পনা।ভাই স্বরূপ বিশ্বাস জেলে রয়েছেন। অরূপ বিশ্বাসকে নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে নানা জল্পনা চলছিল। সেই পরিস্থিতিতে অনেকেই ভেবেছিলেন দলের ভিতরে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অরূপ বিশ্বাসকে দেখা যায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে। এরপরই শুরু হয় নতুন রাজনৈতিক চর্চা।এর মধ্যেই আরও বড় চমক দেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। তৃণমূলের দীর্ঘদিনের গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে পরিচিত মদন দলীয় সব পদ ছেড়ে ঋতব্রতের শিবিরে যোগ দেন। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের প্রশ্ন, এটি কি শুধুই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, নাকি দলের অন্দরে জমে থাকা অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ?ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, এটি কোনও ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে নয়। তাঁর কথায়, ব্যক্তিপূজার পরিবর্তে সম্মিলিত নেতৃত্বের পক্ষে যারা বিশ্বাস করেন, তাঁদের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হচ্ছে। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলির নেপথ্যে আরও বড় রাজনৈতিক সমীকরণ কাজ করছে।এদিকে পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মদন মিত্রের স্ত্রী এবং দুই ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে। আগামী বাইশ ও তেইশ জুলাই তাঁদের হাজির হতে বলা হয়েছে। এই ঘটনার পরই মদনের নতুন রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে আরও জোরালো হয়েছে জল্পনা।অন্যদিকে অনুব্রত মণ্ডলও নতুন আইনি সমস্যায় পড়েছেন। দুই হাজার একুশ সালের ভোট-পরবর্তী হিংসার ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, হামলা চালিয়ে বিপুল সংখ্যক ইট লুট করা হয়েছিল এবং ভয় দেখানো হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলকে আক্রমণ করতে ছাড়েনি বিজেপি। বিজেপি নেতা তাপস রায় দাবি করেছেন, তৃণমূলের অন্দরে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, দলের ভিতরে এখন অস্থিরতা স্পষ্ট।সব মিলিয়ে একের পর এক রাজনৈতিক ঘটনা ঘিরে তৃণমূলের অন্দরের পরিস্থিতি নিয়ে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। আগামী দিনে এই ঘটনাগুলি রাজ্যের রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

হাইকোর্টের চাপে শেষ পর্যন্ত কণ্ঠের নমুনা দিলেন অভিষেক! এবার কি বড় বিপদ?

হাইকোর্টের নির্দেশের পর শেষ পর্যন্ত কণ্ঠের নমুনা দিতে হল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বিধাননগর আদালতে প্রায় পাঁচ মিনিট ধরে তাঁর কণ্ঠস্বর রেকর্ড করা হয়েছে। এবার সেই নমুনা যাবে ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য। এই রিপোর্টকে ঘিরেই রাজনৈতিক এবং আইনি মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।সূত্রের খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে একটি পাতার লেখা দুবার পড়তে বলা হয়। একবার স্বাভাবিক গলায় এবং আর একবার ধীরে। সেই রেকর্ডিং একটি মেমোরি কার্ডে সংরক্ষণ করা হয়েছে। পরে সেটি ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। তদন্তকারীদের লক্ষ্য, মামলার সঙ্গে যুক্ত অডিয়োর কণ্ঠস্বরের সঙ্গে এই নমুনার মিল রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করা।জানা গিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা মেনে কোনও নির্দিষ্ট বক্তৃতা হুবহু পড়ানো হয়নি। অভিযোগে উল্লিখিত কিছু শব্দ ব্যবহার করে একটি নতুন লেখা তৈরি করা হয়েছিল। সেই লেখাই পড়ে শোনান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।পুরো প্রক্রিয়ার ভিডিও রেকর্ডিংও করা হয়েছে। আদালতে পৌঁছনো থেকে শুরু করে কণ্ঠের নমুনা দেওয়া পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ ক্যামেরাবন্দি করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, ভবিষ্যতে এই প্রক্রিয়া নিয়ে যাতে কোনও প্রশ্ন না ওঠে, সেই কারণেই সমস্ত কিছু নথিভুক্ত করা হয়েছে। নমুনা সংগ্রহের পর প্রয়োজনীয় নথিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বাক্ষরও নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রেকর্ডিং এবং ভিডিওর বিশেষ ডিজিটাল পরিচিতিও তৈরি করা হয়েছে, যাতে ফরেন্সিক পরীক্ষার সময় তথ্যের অখণ্ডতা বজায় থাকে।এই মামলার অভিযোগকারী রাজীব সরকারের দাবি, তদন্তের কাজ সঠিক দিকেই এগোচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, মামলার সঙ্গে যুক্ত একটি তালিকা এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি। অভিযোগ অনুযায়ী, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একটি জনসভায় জেলা, ব্লক এবং ওয়ার্ডভিত্তিক একটি তালিকার কথা বলেছিলেন। সেই তালিকাতেই বহু মানুষের নাম ছিল বলে অভিযোগকারীর দাবি। তদন্তে সেই তালিকারও খোঁজ চলছে বলে তিনি জানিয়েছেন।এখন সকলের নজর ফরেন্সিক রিপোর্টের দিকে। কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষার ফল এই মামলার তদন্তে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে, তা নিয়েই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

একুশের পোস্টার থেকে হঠাৎ উধাও অভিষেক! তৃণমূলে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত?

একুশে জুলাইয়ের সমাবেশের নতুন পোস্টার প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। পোস্টারে রয়েছেন শুধু তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি নেই। এই নিয়েই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে বিস্তর আলোচনা।কলকাতা হাইকোর্ট একুশে জুলাইয়ের সমাবেশের জন্য বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভার অনুমতি দেওয়ার পর নতুন পোস্টার প্রকাশ করেন কুণাল ঘোষ। পরে সেই একই পোস্টার নিজের সামাজিক মাধ্যমেও ভাগ করে নেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু পোস্টারে তাঁর ছবি না থাকায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে নানা মহলে।এর আগে প্রকাশিত প্রথম পোস্টারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ছিল। তখন সমাবেশের নির্দিষ্ট স্থান ঠিক না হওয়ায় শুধু কলকাতায় আসার আহ্বান জানানো হয়েছিল। কিন্তু নতুন পোস্টারে শুধুমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি রাখা হয়েছে।এই ঘটনা এমন সময়ে সামনে এল, যখন দলের অন্দরে একের পর এক রাজনৈতিক পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা চলছে। সাম্প্রতিক সময়ে কয়েক জন নেতা ও বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের অনেকেই প্রকাশ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সর্বশেষ সেই তালিকায় যোগ হয়েছে মদন মিত্রের নাম। ফলে পোস্টারে অভিষেকের ছবি না থাকাকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা আরও বেড়েছে।তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের দাবি, এই ঘটনাকে নতুন করে দেখার প্রয়োজন নেই। কারণ গত বছরও একুশে জুলাইয়ের প্রচারের পোস্টারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ছিল না। সেই সময় দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, এই সমাবেশের পোস্টারে শুধুমাত্র দলের সর্বোচ্চ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবিই রাখা হবে। একই ধরনের ঘটনা দুই হাজার তেইশ সালেও দেখা গিয়েছিল।ফলে নতুন পোস্টার ঘিরে রাজনৈতিক চর্চা যতই বাড়ুক, এটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত নাকি তার পিছনে অন্য কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, সেই উত্তর এখনও স্পষ্ট নয়। তবে একুশে জুলাইয়ের আগে এই পোস্টার যে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

জুলাই ১৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal