• ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩, সোমবার ১৭ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Cm

রাজনীতি

Bangladesh-BJP: বাংলাদেশের ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর নীরবতায় অসন্তুষ্ট বিজেপি

বাংলাদেশের ঘটনা নিয়ে রাজ্য সরকার ও তৃণমূলের ভূমিকা নিয়ে বুধবার অসন্তোষ প্রকাশ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এ দিন তিনি বলেন, রাজ্য সরকারের ভূমিকায় আমরা মোটেই সন্তুষ্ট নই। দলের অবস্থানও একই বলেই জানিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বিষয়ে বিবৃতি দেওয়া উচিৎ ছিল বলে মনে করেন তিনি।সুকান্ত মজুমদার বলেন, এত বড় ঘটনা ঘটে গিয়েছে অথচ সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এখনও পর্যন্ত তৃণমূলের তরফ থেকে বা মুখ্যমন্ত্রীর তরফ থেকে কোনও ধরনের বিবৃতি আমরা পাইনি। তাঁর দাবি, যে ধরনের বিবৃতি দেওয়া উচিৎ ছিল, তা দেওয়া হয়নি।আরও পড়ুনঃ অবশেষে সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন বাবুলগতকালই বাংলাদেশের দুষ্কৃতীদের তাণ্ডব নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চুপ করে আছেন কেন, সেই প্রশ্ন তুলেছিল তৃণমূল। তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপত্র জাগো বাংলায় মোদির নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। তৃণমূলের অভিযোগ, এ ক্ষেত্রে বিজেপি কুৎসিত রাজনীতি করছে।আজ সেই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কী কথা বলেছে না বলেছে আপনারা ভবিষ্যতে ঠিক জানতে পারবেন। তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশের একটি আইন সিএএ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলতে পারেন যে তিনি রাষ্ট্রসঙ্ঘে যাবেন, সে ক্ষেত্রে তার পার্শ্ববর্তী দেশ যেখানে নাকি বাঙালিরাই থাকে সেই জায়গায় এত বড় ঘটনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী কিছু বলছেন না, এটা খুব চিন্তার বিষয় বলে আমার মনে হয়।

অক্টোবর ২০, ২০২১
রাজনীতি

Suvendu Adhikari: এই বন্যার জন্য দায়ী মুখ্যমন্ত্রী নিজে, বিস্ফোরক শুভেন্দু

এই বন্যার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়ী। বিগত বছরগুলোতে প্রাক বর্ষার যেসব কাজ হয়ে থাকে, এবার তা কিছুই করা হয়নি। আর তার কারণ, ভবানীপুরের উপনির্বাচন। আর এই নির্বাচনের কারণেই বাংলার মানুষকে বানভাসি অবস্থায় দিন কাটাতে হচ্ছে। এমনই দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি, মুখ্যমন্ত্রীর ম্যান মেড তত্ত্ব খারিজ করে দিয়ে শুভেন্দু জানান, শুধুমাত্র ডিভিসির জল ছাড়ার জন্য বন্যা হয়নি। বানভাসি এলাকার দুর্বল বাঁধ ভেঙে যাওয়ার কারণে হয়েছে। শুভেন্দু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী ফান্ডের টাকা জোগাড় করতে গিয়ে বাঁধ মেরামতি আর করেননি। অতিবর্ষণের ফলে সেই দুর্বল বাঁধগুলো অনায়াসে ভেঙে গিয়েছে। আজ নিজের চেয়ার বাঁচাতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী লক্ষ লক্ষ মানুষকে ডুবিয়েছেন।১৫ দিন ধরে পটাশপুর, সবংয়ের লোক জলের তলায়। এই সরকারের আর কিছু নেই। এই সরকার শুধু ভোটব্যাংকের রাজনীতি করে, স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করেন না। এই অপরাধের জন্য ঈশ্বর তাঁকে কখনও ক্ষমা করবেন না।

অক্টোবর ০২, ২০২১
রাজনীতি

Suvendu attacks Mamata: তৃণমূলের পার্টি অফিসে পরিণত হয়েছে নবান্ন, টুইট আক্রমণ শুভেন্দুর

নবান্নকে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের মতো করে ব্যবহার করা হচ্ছে। রাজ্যের সচিবালয়ে বসে ভবানীপুরের প্রার্থী আগামিকালের ভোট নিয়ে আলোচনা করছেন তৃণমূলে নতুন যোগ দেওয়া গোয়ার নেতাদের সঙ্গে। বুধবার সন্ধেতে এমনই টুইট বাণ ছুড়লেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।আজই তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা লুইজিনহো ফেলেইরিও। নবাগত নেতাকে দলে স্বাগত জানিয়ে তাঁর সঙ্গে এক প্রস্থ আলোচনাও সারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা-ফেলেইরিও গোটা বৈঠক পর্বটাই চলে নবান্নে বসে। রাজ্যের সচিবালয়ে বসে এই ধরনের দলীয় কর্মসূচি করায় বিরোধীদের আক্রমণের মুখে মমতা।আরও পড়ুনঃ বাঙালির ওপর ভরসা নেই মোদির, ৭ বছর পর বোধদয় বাবুলেরবিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শানিয়ে টুইট করেছেন। টুইটে, নবান্নকে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের মতো করে ব্যবহার করা হচ্ছে। রাজ্যের সচিবালয়ে বসে ভবানীপুরের প্রার্থী আগামিকালের ভোট নিয়ে আলোচনা করছেন তৃণমূলে নতুন যোগ দেওয়া গোয়ার নেতাদের সঙ্গে। সরাসরি প্রশাসনিক বিধি লঙ্ঘন করছেন মমতা।মুখ্যসচিব কি ওখানে বসে তৃণমূলের প্যাডে নিয়োগপত্র টাইপ করছেন? নির্বাচন কমিশন কি ঘুমিয়ে রয়েছে নাকি?Nabannas being used as TMC Party office. The Bhabanipur candidate is discussing tomorrows poll with Goa TMC appointees at State Secretariat? Regular breach of administrative protocols.Wonder if Chief Secretary is typing appointment letters on TMC letterheads.EC is sleeping? pic.twitter.com/nhv7vthQRp Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) September 29, 2021উল্লেখ্য, আজ সকালে প্রথমে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সঙ্গে একটি বৈঠক করেন কংগ্রেস নেতা লুইজিনহো। এরপরই তৃণমূল ভবনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দেন তিনি। সম্প্রতি ভবানীপুর নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়েও কলকাতা হাইকোর্টের ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়েছিল রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীকে। ভবানীপুরে ভোট না হলে সাংবিধানিক সংকট তৈরি হতে পারে বলে কমিশনকে চিঠি দিয়েছিলেন মুখ্যসচিব। আর সেই নিয়েই সম্প্রতি তীব্র ভর্ৎসনা শুনতে হয় তাঁকে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
রাজনীতি

Luizinhi Joins TMC: গোয়া টু কালীঘাট, সদলবলে তৃণমূলে যোগ দিলেন ফেলেইরো লুইজিনহো

বুধবার গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লুইজিনহো ফেলেইরো যোগ দিলেন তৃণমূলে। জল্পনা ও সম্ভাবনা আগে থেকেই ছিল। তাতে সিলমোহর দিয়েই বুধবার তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লুইজিনহো ফেলেইরিও। তিনি একা তৃণমূলে যোগ দেননি। রীতিমতো সদলবলে তৃণমূলে এসেছেন তিনি। বুধবার প্রথমে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সঙ্গে একটি বৈঠক করেন কংগ্রেস নেতা লুইজিনহো। এরপরই তৃণমূল ভবনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দেন তিনি। ত্রিপুরার পর আরেকটি ছোট রাজ্যেও তৃণমূল কংগ্রেস ক্রমশ পা বাড়াতে শুরু করল। জাতীয় রাজনীতির প্রেক্ষাপটে যা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশ।Its a matter of great pride for me to welcome Former Goa CM, 7-time MLA and stalwart Goan leader Shri @luizinhofaleiro to the Trinamool Congress family.Together we will stand up for every Goan, fight divisive forces and work towards ushering in a NEW DAWN for Goa. (1/3) Mamata Banerjee (@MamataOfficial) September 29, 2021যোগ দিয়ে লুইজিনহো বললেন, বিজেপি-র বিরোধিতা করার জন্যই তৃণমূলে যোগ দিলাম। আর এতে আমি খুব খুশি।কংগ্রেস নানা ভাগে বিভক্ত। টুকরো টুকরো হয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে বিজেপিশাসিত গোয়ায় প্রশাসনিক পরিকাঠামো ভেঙে পড়েছে, গরিবি বাড়ছে। লুইজিনহো তৃণমূলে শামিল হওয়ার পরই পরপর তিনটি টুইট করে তাঁকে দলে স্বাগত জানান তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাত বারের বিধায়ক তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর তৃণমূলে যোগদান গর্বের বিষয় বলে উল্লেখ করেছেন তৃণমূল নেত্রী। লুইজিনহো-সহ মোট ১০ জন এ দিন তৃণমূলে যোগদান করেন। আগামিকালও বেশ কয়েকজন তৃণমূলে যোগদান করতে পারেন বলে খবর। ফলে গোয়া কংগ্রেস কার্যত তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়তে পারে, এমন আশঙ্কাও দেখা দিচ্ছে। কারণ লুইজিনহোর সঙ্গে এক বিধায়ক ও কংগ্রেস প্রদেশ কমিটির একাধিক সম্পাদক ও সহ-সম্পাদকও যোগ দেন তৃণমূলে।প্রায় ৪০ বছর কংগ্রেসে ছিলেন ফেলেইরো। গোয়ায় দুবার মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। একটা সময় গোয়ার কংগ্রেস সভাপতির দায়িত্বও সামলেছেন। ৭০ বছর বয়সি ফালেইরো গত সোমবারই বিধায়ক পদে ইস্তফা দেওয়ার পাশাপাশি কংগ্রেসও ছাড়েন। সেই সময় তিনি না বললেও পরে জানা যায়, তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছেন ফেলেইরো। ফেলেইরো ছাড়াও কলকাতায় এসেছেন গোয়া কংগ্রেসের দুই প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক যতীশ নায়েক ও বিজয় পাই। এ ছাড়াও দুই প্রাক্তন সম্পাদক মারিও পিন্টো ও আনন্দ নায়েক। প্রসঙ্গত, মে মাসে বাংলায় তৃতীয়বার ক্ষেমতা দখলের পর তৃণমূল জানিয়েছিল, এ বার লক্ষ্য হবে দেশের অন্যান্য জেলায় দলের শক্তিবৃদ্ধি।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
দেশ

Band Drug: নিষিদ্ধ হল হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ও আইভারমেক্টিন

নিষিদ্ধ হল হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ও আইভারমেক্টিন। কোভিড চিকিৎসার নির্দেশিকা থেকে আইভারমেক্টিন এবং হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনকে বাদ দিল আইসিএমআর। কোভিডের বিরুদ্ধে এই দুটি ওষুধ যথেষ্ট উপযোগী, এমন কোনও প্রমাণ মেলেনি বলেই দেশের এই স্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্থার বিশেষজ্ঞদের দাবি। উল্লেখ্য, গত মে মাসে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের ডিরেক্টরেট জেনারেল অব হেলথ সার্ভিসেস কোভিড চিকিৎসায় আইভারমেক্টিন এবং হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনের ব্যবহার নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল। এবং এই দুটি ওষুধ বন্ধ করার পক্ষে সওয়াল করেছিল তারা। কিন্তু তখন আইসিএমআর তাদের সঙ্গে সহমত হয়নি। ফলে এ নিয়ে ডিজিএইচএস এবং আইসিএমআর-এর বিশেষজ্ঞদের মধ্যে একটা মতপার্থক্য তৈরি হয়। যদিও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) ডিজিএইচএস-এর নির্দেশিকাকে সঠিক বলে জানিয়েছিল। সেই সঙ্গে এই দুটি ওষুধ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্কবার্তাও দিয়েছিল। আর সেই সতর্কবার্তা অনুসারেই এই পদক্ষেপ করা হল বলে মনে করা হচ্ছে। আইসিএমআর-এর সংক্রামক রোগ বিভাগের প্রধান সমীরণ পন্ডা বলেন, এই দুটি ওষুধ কোভিড চিকিৎসার জন্য উপযুক্ত কি না তা নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। অবশেষে বিশেষজ্ঞরা সিদ্ধান্ত নেয়, দুটি ওষুধের যথেষ্ট কার্যকারিতার প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তাই কোভিড চিকিৎসার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হল এগুলিকে।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১
রাজ্য

Letter to CM: বিদ্যাসাগরের জন্মদিনকে 'বাংলার জাতীয় শিক্ষক দিবস' করার আবেদন বাংলার পক্ষ'র

২৬ সেপ্টেম্বর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মদিনকে বাংলার জাতীয় শিক্ষক দিবস উপলক্ষে পালন করতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে চিঠি লিখেছেন বাংলা পক্ষ সংগঠন। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলার চিন্তাশীলতার পরিসরে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান অনস্বীকার্য। তিনি শুধু নবজাগরণের কাণ্ডারিই নন, আধুনিকতার পথপ্রদর্শকও। বাংলা তথা গোটা ভারতবর্ষ এখনও এই মহাপুরুষের যথেষ্ট মূল্যায়ন ও সম্মান করতে পারেনি। আর তাই এই অন্ধকারের আবহে বিদ্যাসাগরের আলোকবর্তিকা বাঙালি জাতিকে অনুপ্রেরণা জোগাবে। সুতরাং বিদ্যাসাগরের জন্মদিনটিকে বিশেষভাবে উল্লেখ করার জন্য এই আবেদন। এমনকী, বাংলার জনপ্রতিনিধিদের কাছেও আবেদন করা হয়েছে বিষয়টিকে সংসদে পেশ করে ২৬ সেপ্টেম্বর দিনটিকে বিশেষভাবে মর্যাদা দেওয়ার যেন আবেদন করা হয়। আরও পড়ুনঃ মাইলস্টোনের ম্যাচে ব্যর্থ কোহলি, দ্বিতীয় পর্বে দারুণ শুরু কলকাতা নাইট রাইডার্সেরইতিমধ্যেই ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মদিন ২৬ শে সেপ্টেম্বরকে যাতে বাংলার জাতীয় শিক্ষক দিবস হিসাবে ঘোষণা করা হয়, সেই দাবিপত্রে ইতিমধ্যেই সমর্থন জানিয়ে নাম দিয়েছেন কবি জয় গোস্বামী, সুবোধ সরকার, শিক্ষাবিদ পবিত্র সরকার, নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী, তপোধীর ভট্টাচার্য, সবুজকলি সেন, চলচিত্র পরিচালক সৃজিত মুখার্জি, সঙ্গীতশিল্পী রূপম ইসলাম, রূপঙ্কর বাগচী, রাঘব চট্টোপাধ্যায়, ইমন সেন, সৌমিত্র রায়, উজ্জয়িনী ভট্টাচার্য প্রমুখ।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
দেশ

Punjab New CM: পঞ্জাবের দলিত মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন চরণজিৎ সিং চান্নি

পঞ্জাবের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন চরণজিৎ সিং চান্নি। শনিবার অমরিন্দর সিং মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পরই রাজ্যে যে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছিল, তা মেটাতে রবিবারই কংগ্রেসের তরফে জানানো হয়, নতুন মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন চরণজিৎ সিং। এ দিন রাহুল গান্ধি-র উপস্থিতিতে চণ্ডীগড়ের রাজভবনে শপথ নেন চরণজিৎ সিং। সুখজিন্দর সিং রানধাওয়া এবং ওপি সোনি পঞ্জাবের উপমুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন।এ দিন সকাল ১১টায় চণ্ডীগড়ে রাজভবনে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন ৫৮ বছর বয়সী দলিত শিখ নেতা চরণজিৎ সিং চান্নি। পঞ্জাবের রাজ্যপাল বানওয়ারিলাল পুরোহিতের উপস্থিতিতেই তিনি পঞ্জাবী ভাষায় শপথ নেন। করোনা সংক্রমণের কারণে সীমিত রাখা হয়েছিল অনুষ্ঠানের আকার। প্রথমে রাহুল গান্ধি আসবেন না শোনা গেলেও সকালেই জানা যায়, শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে তিনিও অংশ নেবেন। এ দিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পঞ্জাব কংগ্রেসের প্রধান হরিশ রাওয়াত, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি নভজ্যোত সিং সিধু। আমন্ত্রণ জানানো হলেও উপস্থিত ছিলেন না প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং।আরও পড়ুনঃ বিগ বস ওটিটির চ্যাম্পিয়ন দিব্যাউল্লেখ্য, এত দিন অমরেন্দ্র সিংয়ের মন্ত্রিসভায় কারিগরী শিক্ষা দপ্তরের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। এ বার তিনিই ক্যাপ্টেনের ছেড়ে যাওয়া পদে বসতে চলেছেন। পঞ্জাবের দায়িত্বে থাকা কংগ্রেস নেতা হরিশ রাওয়াত রবিবার বিকেলে ঘোষণা করেন, পঞ্জাবে কংগ্রেসের পরিষদীয় দলনেতা হিসাবে চান্নির নাম নির্দিষ্ট করা হয়েছে। তখনই স্পষ্ট হয়ে যায়, কে হতে চলেছেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী। শনিবার অমরেন্দ্র সিংয়ের পদত্যাগের পর থেকেই মুখ্যমন্ত্রীর পদপ্রার্থী হিসাবে একাধিক নাম উঠে আসছিল, সেই তালিকায় ছিলেন অম্বিকা সোনির মতো প্রবীণ কংগ্রেস নেতাও। মূল ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগে উঠে আসে সুখজিন্দর সিং রনধাওয়ার নামও। যদিও কংগ্রেস সূত্রে খবর, বিধায়কদের বৈঠকে সুখজিন্দরের নাম নিয়ে আপত্তি জানান কয়েক জন কংগ্রেস বিধায়ক। তাতেই শেষ পর্যন্ত উঠে আসে চরণজিতের নাম। চূড়ান্ত সিলমোহর দেয় পঞ্জাব কংগ্রেস।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
দেশ

Punjab CM Resign: মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়লেন 'অপমানিত' অমরিন্দর সিং

কংগ্রেসের ঘরোয়া কোন্দল তুঙ্গে ওঠায় বিধানসভা নির্বাচনের বছরখানেক আগেই পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং। মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে তিনি বলেন, আজ সকালেই সনিয়া গান্ধিকে জানিয়েছি। আমি অপমানিত বোধ করছিলাম। এত অপমান সহ্য করে দলে থাকা সম্ভব নয়। এই ধরনের অপমান যথেষ্ঠ। তিনবার অপমান করা হল। এই হেনস্থা সহ্য করে আমি দলে থাকতে পারব না। আরও পড়ুনঃ ফের ঘূর্ণাবর্তের জেরে সপ্তাহান্তে ভারী বৃষ্টিতে ভিজছে শহরসূত্রের খবর, দলেরই ৫০ জন বিধায়ক সনিয়া গান্ধিকে চিঠি লিখেছিলেন অমরিন্দরকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে অপসারণ নিয়ে। শুক্রবার মধ্যরাতে একটি টুইট করে কংগ্রেস। দলের পক্ষ থেকে আজ বিকেল পাঁচটায় বিধায়কদের নিয়ে একটি জরুরি বৈঠক ডাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পঞ্জাব বিধায়কদের থেকে ইতিমধ্যেই দলকে চাপে রাখা হচ্ছিল যাতে ক্যাপ্টেনের জায়গায় নিয়ে আসা হয় অন্য কাউকে।সময় বদলের সঙ্গে সঙ্গে কংগ্রেসে গুরুত্ব বেড়েছে সিধুর। গুরুত্ব কমেছে অমরিন্দরের। কয়েকমাস পূর্বে সুনীল জাখরকে সরিয়ে সিধুকে কংগ্রেস সভাপতি করা হয়। তখন থেকেই ক্রমশ দলে ব্রাত্য হতে থাকেন ক্যাপ্টেন সিং। জানা যায়, সেই সময়ই নাকি অমরিন্দরকে ইস্তফা দিতে বলে হাই কমান্ড। অন্যদিকে দলে বাড়তে থাকে সিধুর গুরুত্ব। চারজন মন্ত্রী ও ২৪ জন ক্যাপ্টেন সিংয়ের বিরুদ্ধে নতুন করে বিদ্রোহ ঘোষণা করে জানিয়েছিলেন যে তাদের অমরিন্দরের নেতৃত্বের উপর ভরসা নেই। উল্লেখ্য, সামনেই রয়েছে পঞ্জাবে নির্বাচন। কিন্তু ভোটের প্রচারে মন দেওয়ার বদলে দলের অন্দরে নেতা-মন্ত্রীদের ক্ষোভ মেটাতেই হিমশিম খাচ্ছে দিল্লির শীর্ষ নেতৃত্ব।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
রাজ্য

Mamata Bannerjee: অজানা জ্বরের কারণ জানতে কড়া নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের বেশকিছু জেলায় শিশুদের মধ্যে জ্বর ব্যাধি ছড়িয়ে পড়ার কারণ চিহ্নিত হয়েছে। এই নিয়ে আতঙ্কের কোনও কারণ নেই বলে আশ্বস্ত করল স্বাস্থ্য দপ্তর। বৃহস্পতিবার এসএসকেএম হাসপাতালে বৈঠকে এই মর্মে মুখ্যমন্ত্রীকে রিপোর্ট দিয়েছেন স্বাস্থ্য কর্তারা। এমনটাই জানা গিয়েছে, স্বাস্থ্য ভবনসূত্রে।এদিন একঘণ্টার বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের ৫ মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষদের সঙ্গে অজানা জ্বরের আতঙ্ক ছাড়াও স্বাস্থ্যপরিকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। সেখানে হাসপাতালগুলির বেড বাড়ানো, মেডিক্যাল কলেজে আসন সংখ্যা বাড়ানো মতো বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।আরও পড়ুনঃ সকালের আলো ফুটতেই কেঁপে উঠল সিচুয়ান প্রদেশভোট প্রচারে ব্যস্ত মুখ্যমন্ত্রী এদিন বৈঠক ছেড়ে বেরোনোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেননি। তবে উত্তরবঙ্গ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় প্রকোপ ছড়ানো শিশুদের অজানা জ্বর নিয়ে তিনি বৈঠকে স্বাস্থ্যকর তাদের কাছ থেকে খোঁজখবর নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে খবর, বিষয়টি নিয়ে এদিন সকালেই মুখ্যমন্ত্রী খোঁজখবর নিয়েছেন। জানতে পেরেছেন, কোনও অজানা জ্বর নয়, এমনি সাধারণ জ্বরেই আক্রান্ত হয়েছে শিশুরা। যাদের মৃত্যু হয়েছে, তারা সকলেরই অন্য জটিল অসুখ ছিল। হাসপাতালে নিয়ে আসা হলেও চিকিৎসার কোনও সুযোগ হয়নি।জ্বরের প্রকোপ ছড়াতেই স্বাস্থ্যদপ্তর তড়িঘড়ি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে বিষয়টি নিয়ে গবেষণা শুরু করেছিল। তাতে জানা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গে শিশুদের মধ্যে অজানা জ্বরের নেপথ্যে রয়েছে আরএস ভাইরাস। তবে এই ভাইরাসের প্রকোপ বৃদ্ধি কারণ কী, তা খতিয়ে দেখে দ্রুত রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। এদিনের বৈঠকে এই সংক্রান্ত আলোচনা ছাড়াও কলকাতার ৫ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিকাঠামোর আরও উন্নয়ন নিয়ে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। এই হাসপাতালগুলি দেশের অন্যতম সেরা হাসপাতাল হিসেবে ইতিমধ্যেই খ্যাত। শুধু কলকাতাই নয়, সংলগ্ন জেলাগুলি থেকেও প্রচুর মানুষজন এসব হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আসেন। অন্তত ৭৬ শতাংশ মানুষ এর উপর নির্ভরশীল। আরও কীভাবে এসব হাসপাতালের পরিকাঠামো ঢেলে সাজানো যায়, শয্যাসংখ্যা বৃদ্ধি করা যায় এবং মেডিক্যাল কলেজের আসন সংখ্যাও বাড়ানো যায়, সেসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে খবর।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২১
দেশ

Antibody: টিকা নেওয়ার পর অ্যান্টিবডি কমে গিয়েছে? কী বলল আইসিএমআর?

করোনার ভ্যাকসিন নেওয়ার পরও অ্যান্টিবডি কমে যাচ্ছে শরীরে। বিশেষজ্ঞদের নজরে এমন তথ্য আগেই এসেছে। এবার আইসিএমআর-এর সমীক্ষায় অনুসন্ধান করা হল, ঠিক কত দিন পর অ্যান্টিবডি কমতে শুরু করে। মূলত কোভ্যাকসিন ও কোভিশিল্ড টিকার ক্ষেত্রেই এই সমীক্ষা চালানো হয়েছে। আর তাতে দেখা গিয়েছে, দুই ক্ষেত্রেই ভ্যাকসিন নেওয়ার কয়েক মাস পর থেকেই অ্যান্টিবডি কমতে শুরু করে অর্থাৎ করোনা প্রতিরোধ ক্ষমতা হারাতে শুরু করে শরীর। ফলে, নতুন করে সংক্রামিত হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি ভুবনেশ্বের আইসিএমআর-এর আঞ্চলিক শাখা আরএমআরসি-তে সেই সমীক্ষা চালানো হয়েছে।আরও পড়ুনঃ মনোনয়ন জমা প্রিয়াঙ্কার, হুংকার শুভেন্দুরগবেষক জানিয়েছেন, যাঁরা কোভ্যাকসিন নিয়েছেন তাঁদের ক্ষেত্রে ২ মাস পর থেকে ও যাঁরা কোভিশিল্ড নিয়েছে তাঁদের ক্ষেত্রে ৩ মাস পর থেকে অ্যান্টিবডি কমতে দেখা গিয়েছে। তবে এই সমীক্ষা এখানেই শেষ করছে না আইসিএমআর। অন্তত টিকা নেওয়ার ২ বছর পর পর্যন্ত প্রতিরোধ ক্ষমতা কতটা থাকে, তা খতিয়ে দেখা হবে। এর আগে ভুবনেশ্বেরের একটি গবেষণার টিমের সদস্যদের অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করে দেখা যায় তাঁদের মধ্যে ২৩ শতাংশের শরীরে কোনও আ্যান্টিবডি নেই। অর্থাৎ অ্যান্টিবডি রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। এদের প্রত্যেকেরই ভ্যাকসিনের দুটি করে ডোজ় নেওয়া হয়ে গিয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, ভারতে করোনার যে দুটি ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে, অর্থাৎ কোভিশিল্ড ও কোভ্যাকসিনের কার্যকারিতা ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ। তাই ২০ থেকে ৩০ শতাংশ টিকাপ্রাপ্তের শরীরে আ্যান্টিবডি তৈরি নাও হতে পারে। ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের রিপোর্ট সামনে এলে তবেই আইসিএমআর বুস্টার ডোজের ক্ষেত্রে অনুমোদন দিতে পারে বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
কলকাতা

Congress: মমতার বিরুদ্ধে প্রার্থী দিচ্ছে না কংগ্রেস

ভবানীপুরে বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রার্থী দিচ্ছে না কংগ্রেস। মঙ্গলবার বহরমপুরে সাংবাদিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, কংগ্রেস দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কংগ্রেস কোনও প্রার্থী দেবে না। কোনও প্রচার করবে না।আরও পড়ুনঃ অভিষেককে টানা ৯ ঘণ্টা জেরার পর কী বললেন দিলীপ?সোমবার অধীরের উপস্থিতিতে বিধান ভবনে প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব বৈঠকে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ভবানীপুরে বামেদের সমর্থনে ভোটে লড়াই করা হবে। এ বিষয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ভার কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধিকে দেওয়া হয়েছিল। মাস দুয়েক আগে অধীর জানিয়েছিলেন, বিধানসভা ভোটে তৃণমূল কংগ্রেসের বিপুল জয়ের পরে যিনি ফের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন, সেই মমতার বিরুদ্ধে উপনির্বাচনে প্রার্থী তাঁরা দিতে চান না।ভবানীপুরে মমতার সমর্থনে কংগ্রেসের সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত রাজ্যে কং-বাম জোটের ইতি টানতে চলেছে কি না, সে প্রশ্ন এ বার সামনে এল বলেই মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, সোমবারই কংগ্রেস প্রদেশ সভাপতি অধীর চৌধুরী জানিয়েছিলেন, ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে উপনির্বাচনে প্রার্থী দিতে চায়। এজন্য পার্টি কমিশনের কাছে আবেদনও জানান তিনি। কিন্তু, দিন এআইসিসির তরফে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২১
দেশ

Modi: স্কুল খোলার আগে বড় ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

আজ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গোটা দেশজুড়ে পালিত হবে শিক্ষক পর্ব। মঙ্গলবার অনুষ্ঠানের প্রারম্ভিক পর্বে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অনুষ্ঠানে শিক্ষাক্ষেত্রে একগুচ্ছ নতুন পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে নিপুণ ভারত বিদ্যাঞ্জলি পোর্টালের জন্য নিষ্ঠা শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, বিশেষভাবে সক্ষমদের জন্য সাংকেতিক ভাষার অভিধান, অডিও বুক, সিবিএসই-র জন্য স্কুল কোয়ালিটি অ্যাসিওরেন্স অ্য়ান্ড অ্যাসেসমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক।আরও পড়ুনঃ বিজেপি নেতার মাকে খুনের তদন্তে অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধার সিবিআইয়ের২০২১ সালের শিক্ষক পর্বের মূল থিম হল, মানানসই ও টেকসই স্কুল : ভারতের স্কুল থেকে জ্ঞান অর্জন। এই কর্মসূচি সারা দেশে ১২ দিনের জন্য পালিত হবে। শিক্ষক পর্ব শুধুমাত্র সকল স্তরে শিক্ষার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে নয়, সারা দেশের স্কুলে মান, উন্নত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বিভিন্ন উদ্ভাবনী পন্থা নিয়ে আলোচনা হবে এই শিক্ষক পর্বে। আগামী দিনগুলিতে অডিও বুক এবং টকিং বুক শিক্ষাক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মত শিক্ষাবিদদের। এছাড়া সাংকেতিক ভাষাকেও এখন দেশে পাঠক্রমের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ওভালে জিতে ইতিহাস কোহলিদের, সিরিজ জয়ের হাতছানিদেশে মোদি সরকারের আমলেই প্রথম এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আগামীদিনের ভারত গঠনের জন্য এই প্রকল্পগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন প্রধানমন্ত্রী। ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ এখন স্বাধীনতার ৭৫ তম বর্ষপূর্তি উদযাপন করছে। আমরা যখন স্বাধীনতার শতবর্ষ উদযাপন করব, তখন আমাদের দেশ কেমন হবে, তার জন্য আমাদের এখন থেকে সংকল্প করতে হবে। এছাড়া সদ্যসমাপ্ত হওয়া টোকিও অলিম্পিক্স এবং প্যারালিম্পিক্সে অংশগ্রহণকারীরা দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ৭৫ টি স্কুল যাবেন এবং পড়ুয়াদের অনুপ্রাণিত করবেন বলেও জানান তিনি। স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদদের সঙ্গে দেখা করলে পড়ুয়ারা তাঁদের থেকে অনুপ্রাণিত হতে পারবেন বলেও মনে করছেন প্রধানমন্ত্রী।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২১
রাজ্য

Truck Owners Demand: পুলিশ, এমভিআই ও ডাকপার্টির জুলুমবাজি বন্ধে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি ট্রাক মালিকদের

পুলিশ, এমভিআই ও ডাকপার্টির জুলুমবাজির কারণে দায় হয়ে উঠেছে সড়কপথে ট্রাক চালানো। তারই প্রতিবাদে এবার স্বোচ্চার হল হুগলীর ইউনাইটেড ট্রাক ওনার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন ও ফেডারেশন অফ ওয়েষ্টবেঙ্গল ট্রাক অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন। তাঁরা পুলিশি জুলুমবাজি বন্ধে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে বৃহস্পতিবার ডেপুটেশন দিলেন পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসকের কাছে। পুলিশ দিবসের পর দিন এই রাজ্যের পুলিশের জুলুমবাজি বন্ধের দাবিতে ট্রাক মালিকদের মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করে পথে নামাটা নজিরবিহীন বলেই দাবি করেছে রাজনৈতিক মহল।হুগলির ডানকুনি টোল প্লাজা থেকে খালি লরি নিয়ে এদিন মিছিল করে ট্রাক মালিকরা পৌছান বর্ধমানের আলিশায়। পরে ট্রাক মালিক সংগঠনের নেতৃত্ব সেখান থেকে পায়ে হেটে পূর্ব বর্ধমান জেলা শাসকের দপ্তরের সামনে পৌছান। হুগলির ইউনাইটেড ট্রাক ওনার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের রাজ্য কমিটির সদস্য রসিদ সর্দার এদিন বলেন, পুলিশ, এম ভি আই ও ডাকপার্টির অত্যাচার ও জুলুমবাজির কারণে বহু ট্রাক মালিক ট্রাক চালানো বন্ধ করে দিয়েছে। এইসব দপ্তরের লোকজন জোর করে ট্রাকে ওভারলোড করাতে বাধ্য করছে। অপরদিকে ফেডারেশন অফ ওয়েষ্টবেঙ্গল ট্রাক অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের তরফে সজল ঘোষ অভিযোগে জানান,সম্প্রতি রাজ্যে এক্সেল লোড বৃদ্ধি পেয়েছে। তা সত্ত্বেও কিছু আসাধু পুলিশকর্মী ও পুলিশের ডাকপার্টি জোর করে ট্রাক ড্রাইভারদের ওভারলোড করতে বাধ্য করছে।ট্রাক ড্রাইভাররা ওভার লোড না করলে বিভিন্ন অজুহাতে অত্যাধিক হারে ফাইন করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে ট্রাক মালিকরা রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রীকে জানালেও সমস্যার সমাধান হয়নি। জুলুমবাজীও বন্ধ হয়নি। তাই তাঁরা চাইছে মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি এই ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করুক।ডেপুটেশন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ট্রাক মালিকরা এদিন বলেন, ভোটের আগে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, তিনি ২৯৪টি আসনেই প্রার্থী। তাই তাঁকেই তাঁরা ভোট দিয়েছিলেন। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের জন্য কিছু করছেন না। মুখ্যমন্ত্রী চাইলে একদিনের মধ্যে এই জুলুমবাজি বন্ধ হতে পারে বলে মন্তব্য করেন ট্রাক মালিকরা। তাঁরা এদিন দাবি করেন, লোডিং পয়েন্ট থেকে আণ্ডার লোড করে গাড়ি বার করা হোক। পাশপাশি মুখ্যমন্ত্রী নিজে হস্তক্ষেপ করে পুলিশ, এমভিআই ও ডাকপার্টির জুলুমবাজি বন্ধে ব্যবস্থা নিক। একই দাবির কথা শুনিয়েছেন ট্রাক মালিক সংগঠনের কর্তারাও।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
রাজ্য

Mamata Bannerjee: স্কলারশিপ নিয়ে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

আর ৭৫ শতাংশ নয়, এবার থেকে ৬০ শতাংশ নম্বর পেলেই ছাত্র-ছাত্রীরা পাবেন বিবেকানন্দ স্কলারশিপ। আজ রাজ্যের কৃতি পড়ুয়াদের সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে এমনটাই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একইসঙ্গে ছাত্রদের উৎসাহ দিতে প্রত্যেক কৃতি ছাত্র ও ছাত্রীকে দেওয়া হল ল্যাপটপ ও একগুচ্ছ বই। ছাত্ররাই যে রাজ্যের ভবিষ্যৎ এদিন তাঁদের অভিনন্দন জানিয়ে সে কথাই বার বার শোনা গেল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে। একইসঙ্গে উঠলো স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড প্রসঙ্গও।এদিন ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে প্রতিটি জেলার উপস্থিত ছিলেন শীর্ষ স্থানাধিকারী ছাত্র-ছাত্রীরা। মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, জয়েন্ট এন্ট্রান্স ও মাদ্রাসা বোর্ডের কৃতি ছাত্র ছাত্রীদের এদিন পরীক্ষায় নজিরবিহীন সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানান মুখ্যমন্ত্রী । সেই সঙ্গে সকলকে আগামী দিনে আরও ভালো ফল করে পড়াশোনায় রাজ্যের মুখ উজ্জ্বল করার জন্য উৎসাহিত করেন মমতা।আরও পড়ুনঃ প্রো কবাডি লিগে বেঙ্গল ওয়ারিয়র্স দলে বাঙালি নেই!ছাত্র-ছাত্রীদের মুখ্যমন্ত্রী জানান এবার থেকে বিবেকানন্দ স্কলারশিপের আওতায় বৃত্তি পাবেন আরও বেশি ছাত্র-ছাত্রী। এছাড়াও সংখ্যালঘুদের জন্য থাকছে ঐক্যশ্রী। তপসিলি জাতি উপজাতির ছাত্র ছাত্রীদের জন্য থাকছে শিক্ষাশ্রী। মেদিনীপুর, বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, মালদা, নদীয়া এক এক করে সব জেলার ছাত্রদের সঙ্গেই এদিন কথা বলেন মমতা। তিনি বলেন, পড়ুয়ারাই রাজ্যের গর্ব। আরও নতুন দিশা দেখাক ছাত্ররা। মনে করিয়ে দেন স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড চালু করা হয়েছে পড়ুয়াদের সুবিধার্থে। এই ধরণের সরকারি সুবিধা যেন ভোগ করতে পারেন ছাত্র ছাত্রীরা।মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিকের প্রথম ১০ তম স্থান পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীদের বরাবরই সংবর্ধনা দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবারেও সেই সংবর্ধনার রীতি বজায় রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার নবান্ন সভাঘর থেকে কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিভিন্ন জেলার কৃতি ছাত্র ছাত্রীরা জেলাশাসকের অফিস ও এসডিও অফিসে হাজির ছিলেন। এদিন তাঁদের ভার্চুয়ালি সংবর্ধনা জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
রাজ্য

CM Panagarh: রাজ্যে শিল্প বিনিয়োগের লক্ষ্যে পানাগড়ে একাধিক বড় ঘোষণা মমতার

ইয়েস বেঙ্গল ক্যান। রাজ্যের লক্ষ্য এখন শিল্প। পানাগড় শিল্পতালুকে একটি পলিফিল্ম কারখানার শিলান্যাস করতে এসে এমনটাই বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিনের অনুষ্ঠান থেকে রাজ্যের একাধিক প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি রাজ্যের শিল্পের একাধিক সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন। সামাজিক প্রকল্পের পর এবার কর্মসংস্থানে জোর দিচ্ছে রাজ্য সরকার। একাধারে একাধিক শিল্পতালুকে বিনিয়োগ তো অন্যদিকে শিল্পবান্ধব নয়া নীতির ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার পানাগড় শিল্পতালুকে ৪০০ কোটির পলিফিল্মের কারখানার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি। এরপরই মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা, বাংলায় বিনিয়োগ করুন। আমাদের সরকার শিল্পের পাশে আছে। এ রাজ্য শিল্পে এক নম্বর হবেই। এবার শিল্পই টার্গেট আমাদের।রাজ্যের একাধিক শিল্পতালুক ছাড়া সরকারের লক্ষ্য এখন বীরভূমের দেউচা-পাঁচামি কয়লা খনির কাজ শুরু করা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দেউচা-পাঁচামি এখান থেকে এক ঘণ্টার রাস্তা। দুনিয়ায় দ্বিতীয় বৃহত্তম কয়লা খনি এখানেই তৈরি হবে। ১৫ হাজার কোটি বিনিয়োগ হবে এখানে। এটি তৈরি হয়ে গেলে আগামী একশো বছরে রাজ্যে বিদ্যুতের অভাব হবে না। এতে শিল্পের সুবিধে হবে। ওই খনি তৈরির জন্য যে রিহ্যাবিটিটেশন কাজ তা আগামী ২-৩ মাসের মধ্যেই শুরু হয়ে যাবে। দ্বিতীয় পর্যায়ে জমিদাতাদের চাকরি হবে, ঘর হবে, স্কুল হবে, সবকিছুই হবে জমিদাতাদের।আরও পড়ুনঃ ফের বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম, নাভিশ্বাস মধ্যবিত্তেররাজ্যে শিল্প সম্ভাবনার কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ডানকুনি থেকে অমৃতসর পর্যন্ত ফ্রেট করিডর তৈরি হচ্ছে। এছাড়া পানাগড় থেকে রঘুনাথপুর পর্যন্ত যে শিল্পতালুক হবে তার নাম দিয়েছি জঙ্গলমহল সুন্দরী। রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলের ওই শিল্পতালুকে বিনিয়োগ হবে ৭২ হাজার কোটি টাকা। অধিকাংশ জায়গায় জমি নেওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। সরকার শিল্পের পাশে রয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, আমরা ২টি নতুন পলিসি ঘোষণা করছি রাজ্যে শিল্পের অনুকুল পরিবেশ সৃষ্টির জন্য। একটি হল ইথানল প্রোডাকশন প্রমোশন পলিসি ও অন্যটি হল ডেটা সেন্টার পলিসি। দেশের মধ্যে আইটি সেক্টরের গন্তব্য এখন বাংলা। ডেটা সেন্টারগুলোর জন্য রাজ্য সরকার সব ধরনের সাহায্য করবে। ২০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে চার হাজার কর্মসংস্থান হবে। কাজী নজরুল ইসলাম বিমানবন্দরকে আগামি দুবছরে আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর হিসাবে তৈরি করা হবে বলে ঘোষণা করেন মমতা। পাশাপাশি তিনি বলেন, বালুরঘাট ও কোচবিহার বিমানবন্দর প্রায় তৈরি। এছাড়া ৩০টি হেলিকপ্টার স্টেশন তৈরি হচ্ছে। অশোকনগরে আইওসি তেল প্রকল্প করছে রাজ্য সরকারের সঙ্গে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২১
রাজ্য

Bank Timing: বড় ঘোষণা: বৃহস্পতিবার থেকেই রাজ্যে পূর্ণ সময় খোলা থাকবে ব্যাংক

বিধিনিষেধ উঠল। এবার ব্যাংক খোলা থাকবে তার স্বাভাবিক সময়সীমা মেনেই। পানাগড়ে এক পলিফিল্ম কারখানার শিলান্যাস অনুষ্ঠানে একথা ঘোষণা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশপাশি, নবান্নর তরফের বিজ্ঞপ্তি দিয়ে তা জানিয়ে দেওয়া হল। অর্থাৎ সকাল ১০টা থেকে এবার বিকেল ৪টে পর্যন্ত চলবে ব্যাংকের কাজকর্ম।আরও পড়ুনঃ নারদ মামলায় ফের তলব সুব্রত-ফিরহাদ-মদন-শোভনকেপানাগড়ে এদিন এক অনুষ্ঠানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে বিপুল সাড়া মিলেছে। একদিন দেড় কোটি মানুষ ওই প্রকল্পের জন্য আবেদন করেছেন। এছাড়া সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ হচ্ছে ব্যাংকের মাধ্যমে। লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকাও দেওয়া হবে ব্যাংকের মাধ্যমে। তাই ব্যাংকের কাজের সময়সীমা আগের মতে করে দেওয়া হল। করোনা সংক্রমণের কথা মাথায় রেখে গত ১৬ মে রাজ্য সরকারের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয় ব্যাংকের কাজকর্ম সকাল ১০টা থেকে ২টোর মধ্যে শেষ করতে হবে। পাশাপাশি শনিবার ব্যাংক বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। মমতার নির্দেশে এবার সেই নিয়মে বদল আসতে চলেছে। সকাল ১০টায় ব্যাংকের কাজ শুরু হয়ে তা শেষ হবে বিকেল চারটেয়। বৃহস্পতিবার থেকে চালু হচ্ছে এই নিয়ম।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২১
রাজনীতি

Mamata Bannerjee: এজেন্সি লেলিয়ে না দিয়ে, রাজনৈতিকভাবে লড়াই করার হুংকার মমতার

শনিবার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস। আর এদিন সকালেই, কয়লা-কাণ্ডে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে ডেকে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। আর টিএমসিপি-র মঞ্চে ভাষণ দিতে উঠেই এই নিয়ে সরাসরি আক্রমণের পথে হাঁটলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, দিল্লি আমাদের সঙ্গে না পেরেই কেন্দ্রীয় সংস্থা লেলিয়ে দেয়। কয়লা দুর্নীতি ও অভিষেকের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেই তিনি ইডি-র নোটিস নিয়ে এই প্রতিক্রিয়া দেন।টিএমসিপি-র অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে উঠে এ দিন মমতা বলেন, ক্ষমতায় এসে আমাদের চ্যালেঞ্জ আরও বেড়ে গিয়েছে। যেটুকু কাজ বিরোধী দলে আমাদের ছিল, তার থেকে এখন কাজ বেড়ে গিয়েছে। আমরা কখনও দমে যাইনি। মানুষের কাজ করাই আমাদের প্রধান কাজ। তাই দিল্লি যখন আমাদের সঙ্গে রাজনীতিকে পারে না, কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকার তখন এজেন্সি লেলিয়ে দেয়। ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে মানবাধিকার কমিশনের বিস্ফোরক রিপোর্ট নিয়েও এ দিন কটাক্ষ করেছেন মমতা। তাঁকে বলতে শোনা যায়, আজকাল লজ্জা লাগে আমার। আমি মানবাধিকার কমিশনকে শ্রদ্ধা করি, সম্মান জানাই। এই মানবাধিক কমিশনের জন্যই আমি ২১ দিন ধরনা করেছিলাম রাস্তায়।আরও পড়ুনঃ শহরে কৈলাস খের, গানে গানে কাটল সন্ধ্যামুখ্যমন্ত্রীর ভাষণের পরবর্তী সময় ফের একবার কয়লা কাণ্ডের কথা উঠে আসে। তিনি বলেন, কয়লা চুরির জন্য শুধু তৃণমূলকে ধরলে হবে? তৃণমূলের দায়িত্বে কয়লা নয়। কয়লা কিন্তু কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের দায়িত্বে। মাথায় রেখো, এটা রাজ্যের দপ্তর নয়। তোমার দপ্তর। একটা ছোট্ট নেংটি ইঁদুর বের করেছো না পকেট থেকে, ওই ইঁদুর তোমার পকেট ফাঁকা করে দিয়েছে। ক্ষমতা থাকলে অভিষেকের সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে লড়াই চালাও। এমন প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনীতি কখনও দেখিনি। আমরা এমন রাজনীতি করি না। তোমার দলের বিরুদ্ধে কতটা পদক্ষেপ করেছ? উত্তরপ্রদেশে হাথরসের ঘটনায় মানবাধিকার কমিশন পাঠিয়েছ?আরও পড়ুনঃ ধমকি দিয়ে তৃণমূলকে আটকানো যাবে না, শাহকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার কয়লা মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেই নোটিস পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। তবে এ রাজ্যে নয়, তাৎপর্যপূর্ণভাবে দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হয়েছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে। সূত্রের খবর, অভিষেকের পাশাপাশি তাঁর স্ত্রী রুজিরা নারুলাকেও ডেকে পাঠিয়েছে আর্থিক তছরুপ তদন্তকারী এই গোয়েন্দা সংস্থা। আগামী ১ সেপ্টেম্বর হাজিরার জন্য ডাকা হয়েছে রুজিরাকে। তদন্তের সহযোগিতারা জন্য অভিষেককে ডেকে পাঠানো হয়েছে।

আগস্ট ২৮, ২০২১
রাজনীতি

Mamata Bannerjee: তপসিলি জাতি-উপজাতি উন্নয়নে উদারনীতি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

তপসিলি জাতি-উপজাতি সম্প্রদায়ের সামগ্রিক উন্নয়নে রাজ্য সরকার বদ্ধপরিকর। বুধবার নবান্নে নবগঠিত তপসিলি জাতি-উপজাতি কাউন্সিলের প্রথম বৈঠকে নিজের এই দৃঢ় সংকল্পের কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এ রাজ্যে প্রথম তপসিলি সম্প্রদায়ের উন্নয়নে আলাদা কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকার এই শ্রেণির মানুষদের উন্নয়নে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। গত ১০ বছরে এই দপ্তরের বাজেট বরাদ্দ ছয় গুণ বেড়েছে।আরও পড়ুনঃ আন্দোলনকারী শিক্ষিকাদের বিজেপির ক্যাডার বলে তোপ শিক্ষামন্ত্রীরমুখ্যমন্ত্রী বলেন, তপসিলি পড়ুয়াদের বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণে জোর দেওয়া হচ্ছে।৬ লক্ষ ২০ হাজার পড়ুয়াকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।৭৩ লক্ষ পড়ুয়াকে প্রি ম্যাট্রিক ও পোস্ট ম্যাট্রিক স্কলারশিপ দেওয়া হয়েছে। এসসি-এসটি ও দুঃস্থদের জন্য ১০০টি ইংরেজি ভাষার স্কুল করা হচ্ছে। বাবা সাহেব আম্বেদকরের নামে প্রযুক্তি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করা হয়েছে।এক কোটি পড়ুয়াকে সাইকেল বিলি করা হয়েছে। তাদের কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথাও মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন।তিনি বলেন, রাজ্য সরকার তপসিলি সম্প্রদায়ের জন্য চাকরি ক্ষেত্রে ২২ শতাংশ সংরক্ষণ চালু করেছে। বিভিন্ন শূন্যপদে ১০,২৪১ জন তপসিলিকে নিয়োগ করা হয়েছে।বিগত আর্থিক বছরে ৭৫ হাজার তপসিলি যুবত-যুবতীকে বিভিন্ন স্বনির্ভর প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।তিনি আরও জানান, রাজ্যে কাস্ট সার্টিফিকেট পাওয়ার প্রক্রিয়াকে আরও সহজতর করা হচ্ছে।ইতিমধ্যেই ১৭ লক্ষ ৩৫ হাজারের বেশি কাস্ট সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে। পরিবারের যে কোন সদস্যের নথি পেশ করে মিলবে কাস্ট সার্টিফিকেট।মুখ্যমন্ত্রী জানান, তপসিলি সম্প্রদায় মানুষকে সামাজিক সুরক্ষা দিতে একাধিক প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।ইতিমধ্যেই ১৭টি সাংস্কৃতিক ও উন্নয়ন বোর্ড গঠন করা হয়েছে।লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা তপসিলি জাতি ও উপজাতির মানুষেরা পাবেন।আরও পড়ুনঃ নুসরত হাসপাতালে ভর্তি, তাহলে বৃহস্পতিবারই কি মা হচ্ছেন?আগামী পাঁচ বছরে আদিবাসী-তপসিলি সম্প্রদায়ের জন্য কুড়ি লক্ষ পাকা বাড়ি তৈরি করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।১০.৬৯ লক্ষ তপসিলি মানুষকে সরকারি প্রকল্পে বাড়ি দেওয়া হয়েছে।রাজ্যে তপসিলি বন্ধু প্রকল্পে ৪০ হাজার তপসিলি ব্যক্তি পেনশন পাচ্ছেন। ৬০ বছর বয়স হলে এক হাজার টাকা করে পেনশন দেওয়া হয়েছে।গত ১০ বছরে ১২লক্ষ জমির পাট্টা বিলি করা হয়েছে। করোনা অতিমারির সঙ্কটকালে তাদের জন্য বিনামূল্যে খাদ্যের ব্যবস্থা করা হয়েছে।২৭০ টি মনসা থানের উন্নয়ন করা হয়েছে।জাহের থান, মাঝি থানের উন্নয়নের জন্যও রাজ্য সরকার কাজ করে চলেছে।ব্যাংক সংক্রান্ত সংস্যা সমাধানের জন্য দুয়ারের সরকারের শিবিরে ব্যাংকেরও একটি করে কাউন্টার রাখা হচ্ছে ।দলিত সাহিত্য অ্যাকাডেমি পুনর্গঠনের কথা মুখ্যমন্ত্রী এদিন জানিয়েছেন।বলাগড়ের বিধায়ক তথা দলিত সাহিত্যিক মনোরঞ্জন ব্যাপারীর নেতৃত্বে কাজ করবে দলিত সাহিত্য অ্যাকাডেমি।করোনার প্রকোপ কমলে নভেম্বর-ডিসেম্বর দলিত সাহিত্য সম্মেলন আয়োজন করার তিনি নির্দেশ দিয়েছেন।প্রতি রাজ্যের দলিত সাহিত্যিকদের নিয়ে এই সাহিত্য সম্মেলন আয়োজন করা হবে । মুখ্যমন্ত্রীর লেখা বই এবং বহুভাষিক অভিধানের অনুবাদ করবে দলিত সাহিত্য অ্যাকাডেমি।পিছিয়ে পড়া মানুষের সুরক্ষায় প্রশাসনকে বিশেষ ব্যবস্থা নিতে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন রাজ্যে দলিত সম্প্রদায়ের ওপরে হামলা বাড়তে পারে।এই ধরনের যে কোনও অভিযোগের দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বৈঠকে উপস্থিত রাজ্য পুলিশের ডিজিকে তিনি নির্দেশ দেন।মতুয়া সম্প্রদায়ের মধ্যেও বিভাজন তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বড়মাকে শেষ জীবনে দেখভাল করেছে রাজ্য সরকার।আমি নিজে অজস্রবার ঠাকুরবাড়ি গিয়েছি।এখন কেউ কেউ বাইরে থেকে গিয়ে অশান্তি বাধাতে চাইছে।

আগস্ট ২৫, ২০২১
কলকাতা

SSKM: ১৫ দিন অন্তর এসএসকেএমে কয়েক ঘণ্টা বসবেন মুখ্যমন্ত্রী, কেন?

এ বার থেকে প্রত্যেক ১৫ দিন অন্তরই এসএসকেএম হাসপাতালে দেখতে পাওয়া যাবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। প্রধানত দুটি বিষয়ে নজর দিতে প্রতিমাসে একাধিকবার এসএসকেএম হাসপাতালে যাবেন তিনি। প্রথমত শিল্প, দ্বিতীয়ত স্বাস্থ্য। শিল্পের ক্ষেত্রে যা যা সমস্যা রয়েছে, এবং স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে যে যে অসুবিধার দিকগুলির রয়েছে, দুই সমস্যার সমাধান সূত্র খতিয়ে দেখতেই নিয়মিত ব্যবধানে মুখ্যমন্ত্রী পিজি হাসপাতালে বসবেন বলে ঠিক করেছেন।আরও পড়ুনঃ শচীন, দ্রাবিড়ের সঙ্গে এক আসনে বিরাট কোহলি? আবেগে মুগ্ধ পিটারসেনমমতা বলেন, প্রত্যেক বৃহস্পতিবার বা ১৫ দিন অন্তর আমরা এখানে বসব। কারণ আমার উদ্দেশ্য হচ্ছে এখন শিল্প। আর শিল্পের ক্ষেত্রের যা যা সমস্যা রয়েছে। বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের ব্যাপারে কথা বলতে একটা বোর্ড গড়েছি। সবাই মিলে বসব। দ্বিতীয়ত, আমার মনে হয় হাসপাতালটাও আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটা জায়গা। স্বাস্থ্যভবনটা যেহেতু যেতে দূর হয়, তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে ১৫ দিন অন্তর ১০-১২ জনকে নিয়ে আমি এখানে এসে বসব। কেন বসবেন সেই জবাবও দেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, কারণ অনেক সময় অনেক হাসপাতালে সমস্যা থাকে। এখানে ৫ টা মেডিক্যাল কলেজ আছে। তা ছাড়াও স্বাস্থ্যের নানারকম ব্যাপার আছে। তাই স্বাস্থ্যসচিব আমার সঙ্গে থাকবে। কখনও মুখ্যসচিবকেও সঙ্গে নিয়ে আসব।বৃহস্পতিবার বিকেলে আচমকাই এসএসকেএম হাসপাতালে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী। ঠিক কেন তিনি সেখানে গেলেন, সেই সম্পর্কে কিছুই বোঝা যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছিল, ভোটের আগে তাঁর যে পায়ে চোট লেগেছিল, সেটাই দেখাতে এসেছেন তিনি। কারণ দিনকয়েক আগেও সেই পায়ের কিছু সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে যেতে হয়েছিল তাঁকে। প্রায় ৩ ঘণ্টা পর বেরিয়ে এসে মমতা যা বলেন, তাতে কিছুটা চমকেই যায় সাংবাদিক মহল। কারণ রাজ্য তথা শহরের প্রথম সারির কোনও হাসপাতালে বসে এর আগে কোনও মুখ্যমন্ত্রীকে সরকারি কাজ করতে দেখা যায়নি বলে জানাচ্ছে ওয়াকিবহাল মহল। মুখ্যমন্ত্রী জানান, একটি হাসপাতালে বসে যাতে বাকি হাসপাতালগুলির উপর সঠিকভাবে নজরদারী চালানো যায়, সেই কারণেই এভাবে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

আগস্ট ১৯, ২০২১
কলকাতা

Local Train: লোকাল ট্রেন কবে চালু হবে, জানালেন মমতা

ফের একবার লোকাল ট্রেন নিয়ে ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। গ্রামাঞ্চলে অন্তত ৫০ শতাংশ টিকাকরণ না হলে লোকাল চলবে না। বুধবার নবান্নে প্রশাসনিক বৈঠকের পর একথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতায় বসবাসকারী ৭৫ শতাংশের টিকাকরণ সম্পূর্ণ হয়েছে বলে এ দিন জানান মুখ্যমন্ত্রী । এ দিন তিনি বলেন,৭৫ শতাংশ শহরাঞ্চলের জনসংখ্যাকে প্রথম কভার করছি। আমরা ৭৫ শতাংশ কভার করেছি কলকাতায়। হাওড়ায় ৮০ শতাংশ কভার করেছি। শহরাঞ্চল, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলিতে আগে টিকাকরণ করছি। গ্রামের মানুষ অনেক সচেতন। তাঁরা ফাঁকা আবহাওয়ায় নিঃশ্বাস পায়। মুক্ত হাওয়া ও সবুজ পায়। এরপর গ্রামগুলিকে ধরব।আরও পড়ুনঃ কলকাতা লিগে দুর্দান্ত শুরু মহমেডানের, নায়ক সার্বিয়ান নিকোলাএরপরই মুখ্যমন্ত্রী বলেন,গ্রামগুলিকে ৫০ শতাংশ টিকা দিতে পারলে কিছুটা নিশ্চিন্ত হয়ে আমরা লোকাল ট্রেন চালু করব। মমতার ব্যাখ্যা, এখনই করতে পারছি না কারণ তৃতীয় ঢেউয়ে বাচ্চারা আক্রান্ত হওয়ার কথা। ধরুন মা-বাবা গাদাগাদি করে ট্রেনে যাতায়াত করে। তাঁরা বাড়ি ফিরে গেল। বাড়িতে বাচ্চারা আছে। বাচ্চাদের স্বার্থে কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।

আগস্ট ১৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 13
  • 14
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

গল টেস্টে ভয়াবহ মুহূর্ত! রাহুলের শটে হেলমেটে বল, হাসপাতালে শ্রীলঙ্কার ওপেনার

ভারত-শ্রীলঙ্কা প্রথম টেস্টের প্রথম দিনেই গলে তৈরি হল উদ্বেগজনক পরিস্থিতি। কেএল রাহুলের জোরালো সুইপ শটের বল সরাসরি গিয়ে আঘাত করল শ্রীলঙ্কার ওপেনার নিশান মধুশকার হেলমেটে। শর্ট লেগে ফিল্ডিং করার সময় এই আঘাত পান তিনি। ঘটনার পর দ্রুত মাঠে ছুটে আসেন শ্রীলঙ্কার ফিজিও। কনকাশন পরীক্ষা করার পর মধুশকাকে মাঠের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা যায়।ঘটনাটি ঘটে ভারতের ইনিংসের দশম ওভারে। প্রভাত জয়াসূর্যের করা ওভারের পঞ্চম বলটি রাহুল সুইপ করেন। বলটি ব্যাটের মাঝখান থেকে প্রচণ্ড গতিতে শর্ট লেগ অঞ্চলের দিকে ছুটে যায়। সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা মধুশকা বিপদ বুঝে দ্রুত মাথা নিচু করার চেষ্টা করলেও বলের গতির সঙ্গে পাল্লা দিতে পারেননি। মুহূর্তের মধ্যেই বলটি তাঁর হেলমেটের মাঝামাঝি অংশে সজোরে আঘাত করে।আঘাতের পর বলটি ফাইন লেগের দিকে চলে যায়। ফলে রান নেওয়ার সুযোগ তৈরি হওয়ায় ভারতের ব্যাটাররা রান সম্পূর্ণ করেন। রাহুল অবশ্য প্রথমে রান নেওয়ার বিষয়ে আগ্রহী ছিলেন না। কিন্তু নন-স্ট্রাইকার প্রান্তে থাকা যশস্বী জয়সওয়াল ইতিমধ্যেই দৌড় শুরু করে দেওয়ায় রানটি সম্পূর্ণ করতে হয়। রান শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মধুশকার দিকে ছুটে যান রাহুল। শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারটির শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চেয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।এরপর দ্রুত মাঠে প্রবেশ করেন শ্রীলঙ্কার ফিজিও এবং চিকিৎসাকর্মীরা। প্রাথমিকভাবে মধুশকার কনকাশন পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার পর তাঁকে আর মাঠে রাখা হয়নি। ফিজিওর সঙ্গে মাঠের বাইরে চলে যান তিনি। পরবর্তীতে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে তাঁর চোটের প্রকৃতি বা গুরুতরতা এবং তিনি পরবর্তীতে এই টেস্টে ব্যাট করতে পারবেন কি না, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।মধুশকার চোটের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই শ্রীলঙ্কা শিবিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে মাথায় সরাসরি বল লাগার ঘটনায় ক্রিকেটে কনকাশন প্রোটোকল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই ঝুঁকি না নিয়ে তাঁকে মাঠের বাইরে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।অন্যদিকে, প্রথম দিনের প্রথম সেশনে ব্যাট হাতে দারুণ দাপট দেখিয়েছে ভারত। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। শুরুতেই যশস্বী জয়সওয়াল ও কেএল রাহুলের ব্যাটে ভালো সূচনা পায় দল। প্রথম উইকেটে দুজনে ৬৬ বলে ৪৭ রান যোগ করেন।তবে ১১তম ওভারের শেষ বলে ছন্দপতন ঘটে। ভুল বোঝাবুঝির কারণে রানআউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন জয়সওয়াল। ৩৭ বলে ৩২ রানের ইনিংসে তিনি মারেন পাঁচটি চার।জয়সওয়াল ফিরে যাওয়ার পর ভারতের ইনিংস সামলানোর দায়িত্ব নেন রাহুল ও দেবদত্ত পাড়িক্কল। দুজনেই ধীরে ধীরে শ্রীলঙ্কার বোলারদের উপর চাপ তৈরি করেন। পাড়িক্কল আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করার পাশাপাশি রাহুলও নিজের ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যান। ফলে প্রথম সেশনেই ভারত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয়।লাঞ্চের সময় ২৭ ওভারে ভারতের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১ উইকেটে ১০১ রান। একদিকে ভারতীয় ব্যাটারদের দাপট, অন্যদিকে মধুশকার চোটপ্রথম দিনের প্রথম সেশন তাই দুই দলের জন্য দুই ভিন্ন ছবি তুলে ধরল। এখন সকলের নজর নিশান মধুশকার শারীরিক অবস্থার পরবর্তী আপডেটের দিকে।

আগস্ট ১৫, ২০২৬
রাজ্য

শতবর্ষের ঐতিহ্যে দেশপ্রেমের আবহ, দীননাথ দাস বিদ্যালয়ে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

স্বাধীনতার ৮০ বছর পূর্তিতে দেশপ্রেম ও ঐতিহ্যের আবহে স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হল কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে। শতবর্ষ প্রাচীন এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত। পতাকা উত্তোলনের পর বক্তব্যে তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, তাঁদের আত্মত্যাগের ফলেই আজ ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। দেশের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের অঙ্গীকারই হোক স্বাধীনতা দিবসের মূল বার্তাএমনই আহ্বান জানান তিনি।বিদ্যালয়ের বরিষ্ঠ শিক্ষক দীপ্ত সুন্দর মুখোপাধ্যায় বলেন, বিবিধের মাঝে মিলন মহানএই আদর্শকে সামনে রেখে দেশভাগ ও পরাধীনতার গ্লানি পেরিয়ে স্বাধীনতার প্রকৃত মর্যাদা রক্ষা করতে হবে। ঐক্য, সম্প্রীতি ও দেশাত্মবোধের চেতনাকে আরও শক্তিশালী করার বার্তাও উঠে আসে তাঁর বক্তব্যে।অনুষ্ঠানের সূচনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষাকর্মী ও ছাত্রছাত্রীদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা কাঞ্চননগর উদয়পল্লীর বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে। ত্রিবর্ণ পতাকা হাতে শোভাযাত্রায় স্বাধীনতা সংগ্রামী ও মনীষীদের বাণী, দেশাত্মবোধক গান, আবৃত্তি ও পাঠের মাধ্যমে স্বাধীনতার ইতিহাস ও চেতনাকে তুলে ধরা হয়। শিক্ষক বাসুদেব মণ্ডলের পরিচালনায় শোভাযাত্রাটি হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয়।স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিদ্যালয়ে আয়োজিত হয় অঙ্কন, প্রবন্ধরচনা, কুইজ, নৃত্য ও সঙ্গীত-সহ একাধিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা। শিক্ষিকা সুনীতা সাহার ব্যবস্থাপনা এবং দীপ্ত সুন্দর মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় প্রতিযোগিতাগুলিতে উৎসাহের সঙ্গে অংশ নেয় ছাত্রছাত্রীরা। কুইজে প্রথম স্থানাধিকারী দলের সদস্য সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী শ্রাবণী ভট্টাচার্য জানায়, পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষামূলক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সুযোগ থাকায় বিদ্যালয়টি তাদের কাছে অত্যন্ত প্রিয়।এদিন নবম শ্রেণির ছাত্রীদের উদ্যোগে স্বাধীনতা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে প্রকাশিত হয় দেওয়াল পত্রিকা স্পন্দন-এর বিশেষ রঙিন সংখ্যা। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের শিশু সংসদের প্রধানমন্ত্রী, অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী সায়ন্তিকা কর্মকারের নেতৃত্বে মন্ত্রী ও সহকারীরা অনুষ্ঠানের বিভিন্ন দায়িত্ব দক্ষতার সঙ্গে সামলায়।পরিবেশ সচেতনতার বার্তাও উঠে আসে অনুষ্ঠানে। সবুজ ভলেন্টিয়ারদের সঙ্গে নিয়ে ইকো ক্লাবের উদ্যোগে জাম গাছ রোপণ করা হয়। বৃক্ষরোপণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।শেষপর্বে শিক্ষাকর্মী প্রদীপ বিশ্বাসের দায়িত্বে এবং তরুণ দাসের নেতৃত্বে উপস্থিত সকলের মধ্যে লুচি, মিষ্টি-সহ নানা খাবার বিতরণ করা হয়। স্বাধীনতার ইতিহাস, দেশপ্রেম, সাংস্কৃতিক চেতনা ও পরিবেশ রক্ষার বার্তাকে একসূত্রে বেঁধে দীননাথ দাস বিদ্যালয়ের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন হয়ে ওঠে স্মরণীয়।

আগস্ট ১৫, ২০২৬
দেশ

স্বাধীনতা শুধু একটি দিন নয়, বারবার ফিরে আসে—জয়ের পতাকায়, গৌরবের মুহূর্তে

স্বাধীনতাশব্দটি উচ্চারণ করলেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে ১৫ই আগস্ট ১৯৪৭-এর সেই ঐতিহাসিক সকাল। দীর্ঘ পরাধীনতার অন্ধকার পেরিয়ে ভারতবর্ষ সেদিন পেয়েছিল নিজের আকাশ, নিজের পতাকা, নিজের পরিচয়। কিন্তু স্বাধীনতা কি কেবল একটি তারিখ? কেবল একটি দিনের উদ্যাপন? কেবল লালকেল্লার প্রাচীর থেকে ভেসে আসা ভাষণ, জাতীয় পতাকার উত্তোলন আর জাতীয় সঙ্গীতের গর্বিত সুর?না।স্বাধীনতা আসলে ফিরে ফিরে আসে।কখনও তা আসে একটি ক্রিকেট মাঠে, কখনও অলিম্পিকের ট্র্যাকের ওপর, কখনও হকির সবুজ ঘাসে, কখনও কোনও বিজ্ঞানীর গবেষণাগারে, কোনও শিল্পীর সৃষ্টিতে, কোনও সুরকারের সুরে। কখনও আবার আসে এমন এক ভারতীয়ের চোখের জলে, যে নিজের দেশের পতাকাকে বিশ্বের মঞ্চে উঠতে দেখে বুকের ভিতর অদৃশ্য এক ঢেউ অনুভব করে।১৯৮৩ সাল। লর্ডসের ঐতিহাসিক মাঠে ভারতীয় ক্রিকেটের সামনে তখন দাঁড়িয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কপিল দেবের নেতৃত্বে একদল তরুণ ভারতীয় ক্রিকেটার অসম্ভবকে সম্ভব করে তুলেছিলেন। বিশ্বকাপের ট্রফি হাতে তোলা সেই মুহূর্তটি শুধু একটি ক্রিকেট ম্যাচের জয় ছিল না। তা ছিল আত্মবিশ্বাসের বিস্ফোরণ। সেদিন যেন ভারত বুঝেছিলআমরাও পারি। বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে আমরাও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের গল্প লিখতে পারি। ১৯৪৭-এ যে জাতি রাজনৈতিক স্বাধীনতা পেয়েছিল, ১৯৮৩-তে তার আত্মবিশ্বাস যেন আরও একবার স্বাধীনতার স্বাদ পেল।তারও বহু আগে, ১৯২৮ সালে অলিম্পিকের হকিতে ভারত প্রথম সোনা জিতেছিল। ধ্যানচাঁদের জাদুকাঠিতে ভারতীয় হকি তখন বিশ্বকে দেখিয়েছিল এক অন্যরকম শিল্প। পরপর বহু অলিম্পিকের মঞ্চে ভারতীয় হকি দলের সাফল্য দেশের ক্রীড়া-পরিচয়ের এক উজ্জ্বল অধ্যায় হয়ে উঠেছিল। তেরঙ্গা যখন বিদেশের মাটিতে উঠত, তখন মনে হতোএই তো স্বাধীনতা! বন্দুকের গর্জন নয়, স্টিক আর বলের নিখুঁত নিয়ন্ত্রণেও একটি জাতি তার অস্তিত্বের ঘোষণা করতে পারে।তারপর আসে অ্যাথলেটিক্সের দীর্ঘ প্রতীক্ষা। ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে ভারতের অলিম্পিক সাফল্যের ইতিহাসে নীরজ চোপড়ার সোনার পদক এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে। টোকিও অলিম্পিকের সেই রাতএকজন ভারতীয় যখন জ্যাভলিন ছুড়ে ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম লিখলেন, তখন কোটি কোটি ভারতীয়ের ঘরে ঘরে যেন আবার স্বাধীনতার পতাকা উড়ল। মাঠে একজন, কিন্তু গর্বে ছিল ১৪০ কোটিরও বেশি হৃদয়।ভারতীয় অ্যাথলেটিক্সের আর এক অমর নাম পি. টি. উষা। আশির দশকে এশিয়ান গেমসের ট্র্যাকে তাঁর দৌড় ভারতীয় মেয়েদের স্বপ্ন দেখার সাহস দিয়েছিল। ১৯৮৬ সালের সিওল এশিয়ান গেমসে ১০০ মিটার ও ২০০ মিটার-সহ একাধিক পদক জিতে তিনি প্রমাণ করেছিলেনভারতের মেয়েরাও বিশ্বের দ্রুততম ট্র্যাকের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারে। তাঁর পায়ের শব্দ শুধু একটি দৌড়ের শব্দ ছিল না; তা ছিল সামাজিক বাধা, সংশয় আর প্রচলিত ধারণার বিরুদ্ধে এক তরুণীর স্বাধীনতার ঘোষণা।এরপর এল ক্রিকেটের আর একটি নতুন অধ্যায়। ২০০৭ এ প্রথম টি-২০ বিশ্বকাপ। মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে তরুণ ভারতীয় দল যখন ট্রফি হাতে তুলল, তখন ক্রিকেটের নতুন প্রজন্মের কাছে স্বাধীনতার স্বাদ যেন আরও একবার নতুন করে ধরা দিল। আর ২০১১ সালে ঘরের মাঠে একদিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয়মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়েতে ধোনির সেই ছক্কাআজও ভারতীয় ক্রীড়া-স্মৃতির অন্যতম আবেগঘন ছবি। একজন অধিনায়ক ট্রফি তুলেছিলেন, কিন্তু আসলে যেন কোটি কোটি মানুষ নিজেদের স্বপ্নকে তুলে ধরেছিল।স্বাধীনতার এই গল্প শুধু খেলাধুলায় থেমে নেই।ভারতীয় সংস্কৃতির বিশ্বজয়ের কথাও তো একইভাবে বলতে হয়। সত্যজিৎ রায়ের Pather Panchali কান চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কৃত হয়ে ভারতীয় চলচ্চিত্রকে বিশ্বদরবারে পরিচিত করেছিল। ১৯৯২ এ বিশ্ব চলচ্চিত্রে তাঁর অসামান্য অবদান ও অনন্য সৃজনশীল প্রতিভার স্বীকৃতিস্বরূপ সত্যজিৎ রায়কে সম্মানসূচক অনারারি অস্কার প্রদান করে অ্যাকাডেমি। এই পুরস্কার কোনো একটি নির্দিষ্ট ছবির জন্য নয়, বরং তাঁর সমগ্র চলচ্চিত্র জীবন, শিল্পসত্তা এবং বিশ্বসিনেমায় তাঁর গভীর ও স্থায়ী প্রভাবের প্রতি শ্রদ্ধার নিদর্শন। অসুস্থ সত্যজিতের বিছানায় শুয়ে অস্কার হাতে নিয়ে যে বক্তব্য দেন তা আজও আপামোর চলচিত্রপ্রেমীর কানে বাজে। পরে ২০০৯ সালে এ. আর. রহমান Slumdog Millionaire চলচ্চিত্রের জন্য দুটি অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড জিতে বিশ্বমঞ্চে ভারতীয় সুরের এক অনন্য পরিচয় তৈরি করেন। অস্কারের মঞ্চে তাঁর সুরের প্রতিধ্বনি যখন বিশ্ব শুনেছিল, তখন সেটিও ছিল এক ধরনের স্বাধীনতানিজের মাটির সুরকে পৃথিবীর কান পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার স্বাধীনতা।বিজ্ঞানেও এমন অসংখ্য মুহূর্ত এসেছে। মহাকাশে ভারতের সাফল্য, চন্দ্রযান-৩-এর চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে সফল অবতরণ, মঙ্গলযানের অসাধারণ অভিযানপ্রতিটি সাফল্যের মধ্যেই যেন লুকিয়ে থাকে সেই একই অনুভূতি। একসময় যে দেশ নিজের মানুষের খাদ্য ও অর্থনীতির চিন্তায় সংগ্রাম করছিল, সেই দেশই একদিন মহাকাশের অজানা প্রান্তে নিজের পতাকা পৌঁছে দেয়। এই অগ্রযাত্রাও স্বাধীনতারই আর এক ভাষা।কারণ স্বাধীনতা মানে শুধু পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে ফেলা নয়। স্বাধীনতা মানে নিজের সম্ভাবনাকে চিনতে শেখা।স্বাধীনতা মানেআমি পারব বলার সাহস।স্বাধীনতা মানেব্যর্থতার পরেও আবার উঠে দাঁড়ানো।স্বাধীনতা মানেবিশ্বের চোখে চোখ রেখে নিজের পরিচয় ঘোষণা করা।তাই ১৫ই আগস্ট এলেই আমরা শুধু ১৯৪৭-এর কথা স্মরণ করব কেন? আমরা মনে করব সেই সব দিনকে, যেদিন ভারত নতুন করে জিতেছিল। কোনও খেলোয়াড়ের হাতে যখন পদক উঠেছে, কোনও বিজ্ঞানীর অভিযানে যখন ভারতীয় পতাকা মহাকাশ ছুঁয়েছে, কোনও শিল্পীর সৃষ্টিতে যখন ভারত বিশ্বকে মুগ্ধ করেছে, কোনও তরুণ-তরুণী যখন অসম্ভবকে সম্ভব করেছেসেই প্রতিটি মুহূর্তে স্বাধীনতা নতুন করে জন্ম নিয়েছে।স্বাধীনতার বয়স আজ ৭৯ বছর। কিন্তু স্বাধীনতা বৃদ্ধ হয়নি। বরং প্রতিটি নতুন প্রজন্মের স্বপ্নে তার বয়স কমে আসে। কোনও শিশুর হাতে ক্রিকেট ব্যাটে, কোনও কিশোরীর দৌড়ের জুতোয়, কোনও তরুণ বিজ্ঞানীর গবেষণাগারে, কোনও শিল্পীর তুলিতে, কোনও সুরকারের যন্ত্রেস্বাধীনতা প্রতিদিন নতুন হয়ে ওঠে।১৫ই আগস্ট তাই শুধু অতীতের স্মৃতির দিন নয়। এটি ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখার দিনও।যে তেরঙ্গা ১৯৪৭ সালে পরাধীনতার আকাশে স্বাধীনতার বার্তা নিয়ে উঠেছিল, সেই তেরঙ্গাই আজও ওঠেলর্ডসের মাঠে, অলিম্পিকের মঞ্চে, বিশ্বকাপের আসরে, অস্কারের মঞ্চে, মহাকাশযানের অভিযানে, কিংবা কোনও অচেনা ভারতীয়ের ছোট্ট সাফল্যের মুহূর্তে।সেখানেই স্বাধীনতার আসল সৌন্দর্য।স্বাধীনতা একবার অর্জন করা কোনও স্মারক নয়স্বাধীনতা এমন এক অনুভূতি, যা প্রতিটি প্রজন্ম নিজের সাফল্য দিয়ে নতুন করে অর্জন করে।তাই ১৫ই আগস্ট শুধু একটি দিন নয়।স্বাধীনতা বারবার ফিরে আসে।জয়ের পতাকায়, অশ্রুসিক্ত চোখে, করতালির শব্দে, স্বপ্নপূরণের হাসিতেআর কোটি কোটি ভারতীয়ের বুকের ভিতর নিঃশব্দে উচ্চারিত একটি শব্দেভারত।

আগস্ট ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ক্ষুদিরামের ফাঁসির মঞ্চ থেকে মাতঙ্গিনীর রক্তাক্ত পতাকা, বাঙালির হৃদয়ে অমর এই পাঁচ স্বাধীনতা সংগ্রামী

ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে বাংলার অবদান অনস্বীকার্য। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে বাংলার মাটি যেমন জন্ম দিয়েছে ক্ষুদিরাম বসুর মতো কিশোর বিপ্লবীকে, তেমনই তাম্রলিপ্তের মাটিতে উঠে এসেছে মাতঙ্গিনী হাজরা, সুশীল ধারা, সতীশচন্দ্র সামন্ত ও অজয় মুখোপাধ্যায়ের মতো সংগ্রামী নেতৃত্ব। তাঁদের আত্মত্যাগ, সাহস ও সাংগঠনিক দক্ষতা স্বাধীনতার লড়াইকে এক নতুন মাত্রা দিয়েছিল।মাত্র ১৮ বছর বয়সে ফাঁসির মঞ্চে উঠে ইতিহাসে অমর হয়ে যান ক্ষুদিরাম বসু। ১৯০৮ সালে মুজফ্ফরপুরে ব্রিটিশ বিচারক ডগলাস কিংসফোর্ডকে লক্ষ্য করে প্রফুল্ল চাকীর সঙ্গে বোমা হামলার ঘটনায় তিনি গ্রেফতার হন। ১১ আগস্ট ১৯০৮ তাঁকে ফাঁসি দেওয়া হয়। মৃত্যুর মুখেও তাঁর নির্ভীকতা ও হাসিমুখ বাঙালির স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হয়ে ওঠে।অন্যদিকে, ১৯৪২-এর ভারত ছাড়ো আন্দোলনে পূর্ব মেদিনীপুরের মাতঙ্গিনী হাজরা হয়ে ওঠেন সাহসের প্রতীক। গান্ধীবুড়ি নামে পরিচিত এই বৃদ্ধা ২৯ সেপ্টেম্বর তমলুক থানার দিকে মিছিলের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে ব্রিটিশ পুলিশের গুলিতে শহিদ হন। হাতে জাতীয় পতাকা নিয়েই তিনি এগিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর আত্মবলিদান বাংলার নারীশক্তির এক অনন্য দৃষ্টান্ত।তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকার গঠনের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল সুশীল ধারা-র। ১৯৪২-এর ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সময় তিনি সতীশচন্দ্র সামন্ত ও অজয় মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন সংগঠিত করেন। তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারের যুদ্ধ ও স্বরাষ্ট্র বিভাগের দায়িত্বও সামলেছিলেন তিনি। তাঁর নেতৃত্বে গড়ে ওঠে বিদ্যুৎ বাহিনী, যা স্বাধীনতা সংগ্রামের সশস্ত্র প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।সতীশচন্দ্র সামন্ত ছিলেন তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারের প্রথম সর্বাধিনায়ক। ১৯৪২ সালের ১৭ ডিসেম্বর গঠিত এই সমান্তরাল সরকার তমলুক ও কাঁথি মহকুমার বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্রিটিশ প্রশাসনের বিকল্প ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিল। ত্রাণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবা থেকে শুরু করে স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী সংগঠন, বিভিন্ন ক্ষেত্রেই এই সরকারের কার্যক্রম ছিল উল্লেখযোগ্য।এই আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন অজয় মুখোপাধ্যায়। তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারের নেতৃত্বে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। স্বাধীনতার পরও তাঁর রাজনৈতিক জীবন থেমে থাকেনি। পরবর্তীকালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হন এবং জনজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।ক্ষুদিরামের আত্মবলিদান থেকে মাতঙ্গিনীর পতাকা হাতে মৃত্যুবরণ, আর তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারের সংগঠিত প্রতিরোধ, এই সমস্ত অধ্যায় প্রমাণ করে, বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রাম শুধু কয়েকজন বিপ্লবীর কাহিনি নয়। এটি ছিল অসংখ্য মানুষের সাহস, আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমের সম্মিলিত ইতিহাস। সেই ইতিহাসের পাতায় ক্ষুদিরাম, মাতঙ্গিনী, সুশীল ধারা, সতীশচন্দ্র সামন্ত ও অজয় মুখোপাধ্যায়ের নাম আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারিত হয়।

আগস্ট ১৫, ২০২৬
রাজ্য

বর্ধমানের মাটিতে জন্ম বীর বিপ্লবীর, রাসবিহারী বসুর কর্মকাণ্ডে কেঁপে উঠেছিল ব্রিটিশ শাসন

ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে রাসবিহারী বসু এক অনন্য নাম। ব্রিটিশবিরোধী সশস্ত্র বিপ্লবের অন্যতম প্রধান সংগঠক এই বিপ্লবীর জন্ম পূর্ব বর্ধমান জেলার রায়না-২ ব্লকের সুবলদহ গ্রামে। ১৮৮৬ সালের ২৫ মে বিনোদবিহারী বসু ও ভুবনেশ্বরী দেবীর ঘরে জন্ম তাঁর।সুবলদহেই কেটেছে রাসবিহারী বসুর শৈশবের গুরুত্বপূর্ণ সময়। গ্রামের পাঠশালায় তাঁর প্রাথমিক শিক্ষার শুরু। ঠাকুরদা কালীচরণ বসুর তত্ত্বাবধানে পড়াশোনার পাশাপাশি লাঠিখেলা, সাঁতার ও নৌকা চালনার মতো শারীরিক কসরতেও দক্ষ হয়ে ওঠেন তিনি। ছোটবেলা থেকেই তাঁর মনে দানা বাঁধে দেশপ্রেম ও ব্রিটিশবিরোধী চেতনা। পরবর্তী সময়ে চন্দননগরে পড়াশোনা করার সময় বিপ্লবী চিন্তাধারার সঙ্গে তাঁর পরিচয় আরও গভীর হয়।কর্মজীবনে দেরাদুনের ফরেস্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটে হেডক্লার্কের কাজ করলেও তাঁর মূল লক্ষ্য ছিল ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগঠিত করা। বাংলার পাশাপাশি উত্তর ভারত ও পাঞ্জাবের বিপ্লবীদের সঙ্গেও যোগাযোগ গড়ে তোলেন তিনি। ১৯১২ সালে দিল্লিতে তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জের উপর বোমা হামলার ষড়যন্ত্রে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। এরপর ব্রিটিশ পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে তিনি জাপানে পালিয়ে যান।জাপানে গিয়েও থেমে থাকেননি রাসবিহারী। ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনকে আন্তর্জাতিক পরিসরে সংগঠিত করতে তিনি ইন্ডিয়ান ইন্ডিপেনডেন্স লিগ গড়ে তোলেন। ১৯৪২ সালে ভারতীয় জাতীয় সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষেত্রেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। পরবর্তীতে সেই সংগঠনের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু।১৯৪৫ সালের ২১ জানুয়ারি টোকিওতে তাঁর মৃত্যু হয়। তবে সুবলদহের মাটিতে জন্ম নেওয়া এই বিপ্লবীর দেশমুক্তির স্বপ্ন ও সংগ্রাম আজও ভারতের স্বাধীনতার ইতিহাসে উজ্জ্বল হয়ে রয়েছে।

আগস্ট ১৫, ২০২৬
শিক্ষা

সাহিত্য, বিজ্ঞানচিন্তা ও সৃজনশীলতার আলোকবর্তিকা ‘INSPIRE 2026’

সাহিত্য, বিজ্ঞান, বিজ্ঞানচিন্তা, প্রযুক্তি এবং সৃজনশীলতার এক অনন্য মেলবন্ধনের বার্তা নিয়ে বর্ধমান শহরে সূচনা হল বহুল প্রতীক্ষিত বার্ষিক প্রদর্শনী INSPIRE - 2026। নতুনকে জানার কৌতূহল, অজানাকে আবিষ্কারের আকাঙ্ক্ষা এবং ভবিষ্যৎকে নিজের মতো করে গড়ে তোলার স্বপ্নসব মিলিয়ে প্রথম দিনেই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ যেন হয়ে উঠল এক টুকরো জীবন্ত বিজ্ঞানভুবন।বর্ধমান মডেল স্কুলের উদ্যোগে এবং Oriental Association for Education and Research (OAER)-এর সহযোগিতায় আয়োজিত এই প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয় যথেষ্ট উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিল্প, বাণিজ্য ও উদ্যোগ এবং বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও জৈবপ্রযুক্তি দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র ১৪ আগস্ট ২০২৬ ফিতে কেটে ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে তিনদিনব্যাপী এই প্রদর্শনীর শুভ সূচনা করেন। প্রদর্শনী চলবে আগামী ১৬ ই আগস্ট পর্যন্ত।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র ও OAER এবং বর্ধমান মডেল স্কুলের পরিচালক ও আধিকারিকবৃন্দ। তবে অনুষ্ঠানের প্রকৃত প্রাণ হয়ে উঠেছিল বিদ্যালয়ের খুদে ও তরুণ শিক্ষার্থীরা। তাদের কল্পনা, অনুসন্ধিৎসা এবং উদ্ভাবনী চিন্তার প্রতিফলন ছড়িয়ে ছিল প্রদর্শনীর প্রতিটি প্রান্তে। কোথাও বিজ্ঞানের জটিল সূত্র পেয়েছে সহজবোধ্য মডেলের রূপ, কোথাও প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মিলেমিশে তৈরি করেছে ভবিষ্যতের সম্ভাবনার ছবি। আবার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির পাশাপাশি সাহিত্য, ইতিহাস, ভাষা, নৃত্য, সঙ্গীত এবং নাট্যচর্চার নানা আয়োজন প্রদর্শনীকে দিয়েছে আরও বহুমাত্রিক রূপ।উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র INSPIRE - 2026 -এর উদ্দেশ্য এবং আগামী প্রজন্মের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা ও সৃজনশীল চিন্তার বিকাশের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। তাঁর কথায়, তিনদিনের এই প্রদর্শনীর নামকরণই যেন তার অন্তর্নিহিত দর্শনকে প্রকাশ করেINSPIRE - 2026। তিনি বলেন, এই প্রদর্শনীতে এসে বোঝা যায়, আগামী প্রজন্মের প্রতিভা কতটা বিস্ময়কর। শিক্ষকদের সহযোগিতা থাকলেও ভাবনার মূল উৎস যে শিক্ষার্থীরাই, তাঁদের তৈরি মডেল, তাঁদের ব্যাখ্যা এবং দর্শনার্থীদের নানা প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আত্মবিশ্বাসই তার প্রমাণ।শিক্ষার্থীদের এই উদ্যোগ দেখে মন্ত্রী নিজের অভিজ্ঞতার কথাও জানান। তাঁর উপলব্ধিআজকের প্রজন্মের কাছ থেকে শেখার মতো এখনও অনেক কিছুই বাকি। তাঁর কথায়, একসময় ছিল আমাদের প্রজন্ম, তারপর এল কম্পিউটারের যুগ, আর এখন আমরা প্রবেশ করেছি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে। ফলে সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে শুধু নতুন প্রজন্মকে শেখানো নয়, তাদের কাছ থেকেও শেখার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। কারণ, সমাজ ও দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথ তৈরি করবে এই নতুন প্রজন্মই।সাংবাদিকদের রিয়েল জেন জি প্রসঙ্গেও মন্ত্রীর বক্তব্য ছিল যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। তাঁর মতে, ছাত্রছাত্রীরাই ভবিষ্যৎতারা সতেজ, সৃষ্টিশীল এবং সম্ভাবনাময়। বাংলা তথা ভারতবর্ষকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার শক্তি নিহিত রয়েছে তাদের মধ্যেই। তাই তাদের সঙ্গে দূরত্ব নয়, বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি করাই প্রয়োজন। বয়সের ব্যবধান থাকলেও নতুন প্রজন্মের সঙ্গে বন্ধুর মতো মিশে তাদের কথা শোনা এবং তারা ভবিষ্যৎ সম্পর্কে কী ভাবছে, কী চায়তা জানা জরুরি। সেই ভাবনা থেকেই তিনি ঘোষণা করেন তাঁর পরবর্তী উদ্যোগআড্ডা উইথ জেন জি।মন্ত্রী বর্ধমান মডেল স্কুলের সকলকে শুভেচ্ছা জানান এবং INSPIRE - 2026 -এর সাফল্য কামনা করেন। শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে আবারও তাঁদের সঙ্গে সময় কাটানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি।বিদ্যালয়ের কর্ণধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল-এর বক্তব্যেও উঠে আসে সময়ের সঙ্গে পথ চলার অপরিহার্যতার কথা। তাঁর স্পষ্ট উপলব্ধি, সময়ের সঙ্গে তাল না মেলাতে পারলে পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকেই যায়। তাই বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে সঙ্গে নিয়েই আগামী দিনের শিক্ষাব্যবস্থাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও শিক্ষার্থীদের আধুনিকতম শিক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে বর্ধমান মডেল স্কুল কখনও পিছিয়ে থাকেনি, ভবিষ্যতেও সেই ধারাই অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি অভিভাবক ও বিজ্ঞানপ্রেমী সকলকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এসে নতুন প্রজন্মের এই প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতার উন্মেষ প্রত্যক্ষ করার আহ্বান জানান তিনি।OAER-এর অন্যতম সদস্য সত্যরাজ আদিত্যাংশু মেদ্দা-ও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ বিপিন বিহারী সিং ১৪ থেকে ১৬ আগস্ট আয়োজিত INSPIRE-এ অংশগ্রহণকারী সকল ছাত্রছাত্রীকে শুভেচ্ছা জানান। তাঁর কথায়, শিক্ষার্থীদের অক্লান্ত পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং নিষ্ঠা ছাড়া এই আয়োজন কখনও সার্থক হয়ে উঠত না।তবে INSPIRE 2026 কেবল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রদর্শনী নয়; বরং এটি যেন শিক্ষার্থীদের বহুমুখী প্রতিভার এক বর্ণময় ক্যানভাস। সাহিত্য, ইতিহাস, ভাষা, নৃত্য, সঙ্গীতের পাশাপাশি নাট্য ও আবৃত্তির আয়োজনও রয়েছে এই অনুষ্ঠানে।নাট্য ও আবৃত্তি বিভাগের শিক্ষিকা এবং বিশিষ্ট বাচিক শিল্পী সুদেষ্ণা আচার্য জানান, এবারের পরিবেশনায় থাকছে প্রবাদপ্রতিম নাট্যকার মনোজ মিত্রের কালজয়ী নাটক নরক গুলজার। ব্যঙ্গ, হাস্যরস এবং গভীর সামাজিক বাস্তবতার অনন্য সংমিশ্রণে নির্মিত এই নাটক বাংলা নাট্যসাহিত্যে এক বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় সেই নাটক নতুন প্রজন্মের কাছে নতুন করে পৌঁছে দেওয়ার প্রয়াসও INSPIRE - 2026 -এর সাংস্কৃতিক পরিসরকে করেছে আরও অর্থবহ।বর্ধমান মডেল স্কুলের নৃত্য বিভাগের প্রধান শিক্ষিকা প্রখ্যাত ওডিশি নৃত্য শিল্পী তুনা রুদ্র জানান, এবারের তাঁদের থিম The Rhythm of Togetherness এটি Dance ও Sociology বিভাগের এক অনন্য যৌথ উপস্থাপনা, যেখানে নৃত্য ও সমাজবিজ্ঞানের নিজস্ব ভাবনাগুলি সুন্দরভাবে একসূত্রে মিলিত হয়েছে। এই থিমের মাধ্যমে আমরা তুলে ধরতে চেয়েছি ভারতের বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের চিত্র। ধর্ম, বর্ণ, ভাষা, জাতি, খাদ্য, পোশাক ,সংস্কৃতি ইত্যাদি নানান ক্ষেত্রে আমরা ভিন্ন হলেও আমাদের সবচেয়ে বড় পরিচয়আমরা ভারতীয়। এই বৈচিত্র্যের মধ্যকার ঐক্যই আমাদের শক্তি ও গর্ব।বিভিন্ন মডেল ও চার্টের মাধ্যমে বিষয়টির ব্যাখ্যার পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের লোকনৃত্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আমাদের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরেছে।নৃত্যের ছন্দ এবং সমাজবিজ্ঞানের ভাবনাদুইয়ের অপূর্ব মেলবন্ধনে The Rhythm of Togetherness আমাদের মনে করিয়ে দেয় বৈচিত্র্য আমাদের পরিচয়, ঐক্য আমাদের শক্তি।সব মিলিয়ে প্রথম দিনেই Inspiring Thoughts, Creating Futureএই মূলমন্ত্র যেন বাস্তব রূপ পেল INSPIRE - 2026-এর প্রাঙ্গণে। এখানে বিজ্ঞান কেবল পাঠ্যবইয়ের পাতায় আবদ্ধ নয়, প্রযুক্তি কেবল যন্ত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, আর সৃজনশীলতা কেবল কল্পনার জগতে বন্দি নয়। বরং তিনটির সম্মিলিত শক্তিতে শিক্ষার্থীরা আঁকছে আগামী দিনের ছবি।নতুন ভাবনার অঙ্কুর, উদ্ভাবনের সাহস এবং ভবিষ্যৎ নির্মাণের স্বপ্নকে সামনে রেখে বর্ধমান মডেল স্কুলের এই আয়োজন তাই নিছক একটি বার্ষিক প্রদর্শনী নয়এ যেন আগামী দিনের সম্ভাবনাময় প্রজন্মের আত্মপ্রকাশের এক উজ্জ্বল মঞ্চ।

আগস্ট ১৪, ২০২৬
কলকাতা

নির্মলকে ঘিরে থানা চত্বরে তুমুল উত্তেজনা, ডিম-জুতোর মালা! অভয়ার বাবার গোপন জবানবন্দিতে কী উঠে এল?

ওড়িশা থেকে ট্রানজিট রিমান্ডে প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষকে খড়দহ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তাঁকে ঘিরে শুক্রবার সকাল থেকেই থানার বাইরে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। নির্মলকে গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই বহু মানুষ থানার সামনে জড়ো হন। তাঁদের মধ্যে অনেককে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে এবং গান বাজিয়ে নাচতেও দেখা যায়।বারাকপুর মহকুমা আদালতে নির্মল ঘোষকে পেশ করার সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে পারে বলে আগেই আশঙ্কা করেছিল পুলিশ। সেই কারণে তাঁকে হেলমেট পরিয়ে থানা থেকে বের করা হয়। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়নি। থানার বাইরে জড়ো হওয়া কয়েক জন নির্মলকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়েন। তাঁর দিকে জুতোর মালাও ছোড়া হয়। এমনকি তাঁকে চড় এবং লাথি মারার অভিযোগও উঠেছে।অন্যদিকে, শ্মশানঘাটে ঠিক কী ঘটেছিল, তা জানতে অভয়ার বাবার গোপন জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই নির্মল ঘোষ, সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় এবং সোমনাথ দে-র বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। তদন্তকারীরা এখন ওই রাতের ঘটনাক্রম খতিয়ে দেখছেন।গত ৯ অগস্ট অভয়ার দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে পানিহাটিতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই তিনি অভয়ার মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি, মৃত্যুর পর শ্মশানঘাটে কী ঘটেছিল, তা খতিয়ে দেখার জন্য বারাকপুরের পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই নির্দেশের পরই অভয়ার বাবা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযোগ দায়েরের মাত্র দুদিনের মধ্যেই ওড়িশা থেকে গ্রেফতার হন নির্মল ঘোষ। পুলিশ সূত্রে খবর, বালেশ্বরের সিমুলিয়া থানার একটি হোটেলে আত্মগোপন করেছিলেন তিনি। পুলিশের নজর এড়াতে পুরনো মোবাইল নম্বর বন্ধ করে দিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। পরে মোবাইলের টাওয়ারের অবস্থান খতিয়ে দেখে তাঁর সন্ধান পায় রাজ্য পুলিশ। সিমুলিয়া পুলিশের সাহায্যে ওই হোটেলে পৌঁছে নির্মলকে গ্রেফতার করা হয়।এরপর তাঁকে ওড়িশার আদালতে পেশ করা হয়। সেখান থেকে ট্রানজিট রিমান্ডে নির্মল ঘোষকে খড়দহে নিয়ে আসা হয়। শ্মশানঘাটের ঘটনার সঙ্গে তাঁর ভূমিকা কী ছিল, তা জানতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে অভয়ার প্রতিবেশী সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে খড়দহ থানার পুলিশ। শুক্রবার নির্মল ঘোষ এবং সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কে বারাকপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়।দুই অভিযুক্তের গ্রেফতারে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অভয়ার মা। সমাজমাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন তিনি। এদিকে নির্মল ঘোষের গ্রেফতারের পর অভয়ার বাবা ও মায়ের নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে। শ্মশানঘাটে সেই রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, নির্মল ঘোষ এবং সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকা কী ছিল, তদন্তের পরেই তা স্পষ্ট হবে।

আগস্ট ১৪, ২০২৬
দেশ

বেরনোর সুযোগও পেলেন না! চামোলির সুড়ঙ্গে আচমকা জলস্রোত, মৃত্যু ৭ শ্রমিকের, আটকে আরও ২

উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলায় জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আচমকা তীব্র জলস্রোত ঢুকে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৭ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১৪ জন। সুড়ঙ্গের ভিতরে এখনও দুই শ্রমিক আটকে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের উদ্ধারে জোরদার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিট নাগাদ চামোলির পিপলকোটির মায়াপুরে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে শিফট বদলের কাজ চলছিল। সেই সময় আচমকাই সুড়ঙ্গের ভিতরে প্রবল জলস্রোত ঢুকে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে জল ও ধ্বংসাবশেষে ভরে যায় সুড়ঙ্গের একটি অংশ।ঘটনার সময় সুড়ঙ্গের ভিতরে প্রায় ২২ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন বলে জানা গিয়েছে। দুর্ঘটনার পর দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু হয়। রাতেই বেশ কয়েক জন শ্রমিককে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে সাত হয়েছে।খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, সীমান্তরক্ষী বাহিনী এবং সেনার উদ্ধারকারী দল। সুড়ঙ্গের ভিতরে জমে থাকা জল বের করতে পাম্প ব্যবহার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে আটকে থাকা শ্রমিকদের কাছে পৌঁছনোর চেষ্টা চলছে।আহত শ্রমিকদের স্থানীয় গোপেশ্বর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে যাঁদের অবস্থা গুরুতর, তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে।উদ্ধারকারী দল আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে সুড়ঙ্গের ভিতরে তল্লাশি চালাচ্ছে। জলস্তর কমিয়ে আটকে থাকা দুই শ্রমিককে দ্রুত বাইরে নিয়ে আসাই এখন প্রধান লক্ষ্য। উদ্ধারকাজ যত এগোচ্ছে, ততই তাঁদের পরিবারের উৎকণ্ঠা বাড়ছে।ঘটনার পর উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি জানিয়েছেন, সুড়ঙ্গের ভিতরে আটকে থাকা প্রত্যেক শ্রমিককে নিরাপদে বের করে আনার জন্য সমস্ত রকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে। দুর্ঘটনার কারণ এবং ঠিক কী ভাবে এত বিপুল জল সুড়ঙ্গের ভিতরে ঢুকল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আগস্ট ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal