• ২২ আশ্বিন ১৪৩৩, রবিবার ১১ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Car

রাজ্য

ভূয়ো ’ন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এ্যান্ড সোশ্যাল জাস্টিস ব্যুরো ইন্ডিয়া’-র পর্দা ফাঁস, নয়া মোড়

রাজ্য পুলিশের জালে ইতিমধ্যেই ধরা পড়েছে ভুয়ো সিবিআই অফিসার, আইপিএস ও পুলিশ অফিসার। এবার ন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এ্যান্ড সোশ্যাল জাস্টিস ব্যুরো ইন্ডিয়া লেখা প্লেট গাড়িতে লাগিয়ে ঘোরার দায়ে গ্রেপ্তার হল ৩ ব্যক্তি। ধৃতদের নাম আজিজ আলী শেখ, জাকির হোসেন ও আমজাদ হোসেন। আজিজ ও জাকির মুর্শিদাবাদ জেলার চকবাজার এলাকার বাসিন্দা। অপর ধৃত আমজাদ হোসেন মুর্শিদাবাদ থানা এলাকার বাসিন্দা। সে আজিজ ও জাকিরের ব্যবহৃত গাড়ির চালক। পূর্ব বর্ধমানের কালনা থানার পুলিশ তাঁদের সবাইকে গ্রেপ্তার করেছে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ভুয়ো প্লেট লাগানো ধৃতদের ব্যবহৃত দামি চারচাকা গাড়িটি। সুনির্দিষ্ট ধারায় মালা রুজু করে পুলিশ শনিবার ৩ ধৃতকে পেশ করে কালনা মহকুমা আদালতে। তদন্তের প্রয়োজনে তদন্তকারী অফিসার ধৃতদের ৭ দিন পুলিশি হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান। বিচারক ধৃতদের ৩ দিনের পুলিশি হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার বিকালে কালনার ডাঙ্গাপাড়া এলাকায় একটি হোটেলের সামনে দাঁড়ায় সাদা রঙের দামি একটি চার চাকা গাড়ি। গাড়ি থেকে নেমে তিনজন সেখানকার হোটেলের ভিতর ঢুকে যায়। ওই সময়ে স্থানীয় লোকজন দেখেন ওই গাড়িটির সামনে নিল ও লালচে রঙের একটি প্লেট লাগানো রয়েছে। সেই প্লেটে লেখা রয়েছে ,ন্যাশানাল সেক্রেটারি- ইউথ সেল -ন্যাশানাল হিউম্যান রাইটস এ্যান্ড সোশ্যাল জাস্টিস ব্যুরো ইন্ডিয়া। গাড়িতে এমনসব কিছু লেখা প্লেট দেখে এলাকার লোকজনের সন্দেহ হয়।গাড়ির আরোহীরা ভুয়ো ন্যাশনাল হিউম্যান রাইটসের লোক হতে পারে বলে তাঁরা মনে করে।পুলিশকেও তাঁরা বিষয়টি জানান। পুলিশ ওই হোটেলের সামনে পৌছায়। গাড়িটিতে লাগানো থাকা প্লেটের লেখা পড়ে পুলিশেরও সন্দেহ জাগে।এরপরেই কালনা থানার পুলিশ ওই গাড়িটি ও তার তিন আরোহীকে তুলে নিয়ে থানায় চলে যায়। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে পুলিশ জানতে পারে আজিজ আলি ও জাকির হোসেন বিভিন্ন ধরনের পাথর(গ্রহরত্ন) বিক্রি করে। সেই কাজে বিভিন্ন জায়গায় তাঁরা যাতায়াত করে।গাড়ি চালক আমজাদ হোসেন যাতে টোল ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে ও নাকা চেকিং টপকে যাতে অনায়াসে যাতায়াত করতে পারে তার কৌশল আঁটে পাথর ব্যবসায়ীরা। সেই কৌশল স্বরুপ তাঁরা গাড়িতে ন্যাশানাল হিউম্যান রাইটস এ্যান্ড সোশ্যাল জাস্টিস ব্যুরো ইন্ডিয়া লেখা প্লেট লাগায়। জেরায় এমন তথ্য উঠে আসার পরেই পুলিশ ওই গাড়ির চালক ও দুই পাথর ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশের দাবি ধৃতদের কাছ থেকে অলংকারে ব্যবহারের বেশ কিছু পাথর পাওয়া গিয়েছে। সেগুলি সহ ভুয়ো প্লেট লাগানো গাড়িটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। কালনার এসডিপিও সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য জানিয়েছে, ধৃতদের প্রকৃত পরিচয় উদ্ধার এবং তাঁদের সঙ্গে অন্য কোনও চক্রের যোগ আছে কিনা তা জানতে ধৃতদের পুলিশি হেপাজতে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

আগস্ট ০১, ২০২১
রাজ্য

এবার জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ’ভুয়ো’ সদস্য সন্দেহে কালনায় গাড়িসহ আটক তিন

রাজ্য পুলিশের জালে ইতিমধ্যেই ধরা পড়েছে ভুয়ো সিবিআই অফিসার,আইপিএস ও পুলিশ অফিসার। এবার জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ভুয়ো সদস্য সন্দেহে পূর্ব বর্ধমানের কালনা থানার পুলিশ তিন জনকে আটক করলো। পাশাপশি তাদের ব্যবহৃত জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্লেট লাগানো দামি চারচাকা গাড়িটিও পুলিশ অটক করেছে। এই ঘটনা জানাজানি হতেই কালনার বাসিন্দা মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। কালনা থানার পুলিশ ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তাঁদের প্রকৃত পরিচয় জানার চেষ্টা চালাচ্ছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন দুপুরে কালনার ডাঙ্গাপাড়া এলাকায় একটি হোটেলের সামনে দাঁড়ায় সাদা রঙের দামি একটি চার চাকা গাড়ি। গাড়ি থেকে নেমে তিনজন সেখানকার হোটেলের ভিতর ঢুকে যায়। ওই সময়ে স্থানীয় লোকজন দেখেন ওই গাড়িটির সামনে নিল ও লালচে রঙের একটি প্লেট লাগানো রয়েছে। সেই প্লেটে লেখা রয়েছে, ন্যাশানাল সেক্রেটারি- ইউথ সেল -ন্যাশানাল হিউম্যান রাইটস এ্যান্ড সোশ্যাল জাস্টিস ব্যুরো ইন্ডিয়া। গাড়িটিতে এমন সবকিছু লেখা প্লেট লাগাণো দেখে এলাকার লোকজনের সন্দেহ হয়। গাড়ির আরোহীরা ভুয়ো জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের লোক হতে পারে বলেই স্থানীয়রা মনে করতে শুরু করেন। পুলিশকেও তারা বিষয়টি জানান। পুলিশ ওই হোটেলের সামনে পৌছায়। গাড়িতে লাগানো থাকা প্লেটের লেখা পড়ে পুলিশেরও সন্দেহ জাগে। এরপরেই কালনা থানার পুলিশ ওই গাড়িটি ও তার তিন আরোহীকে তুলে নিয়ে থানায় চলে যায়। কালনার এসডিপিও সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য জানিয়েছে, একটি গাড়ি সহ তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

জুলাই ৩১, ২০২১
রাজ্য

Mysterious Lady: রহস্যময়ী যুবতীর ফাঁদে পড়ে হাইজ্যাক গাড়ি, গ্রেফতার ৩

যাত্রী সেজে গাড়ি ভাড়া করে গাড়ি হাইজ্যাকের অভিযোগ গ্রেপ্তার হল ৩ যুবক। ধৃতদের নাম নূর হাসমত মির্জা ওরফে ভুটান, রানা মেটে এবং মীর আমির আলি ওরফে জুয়েল আলি। ধৃতদের মধ্যে প্রথম দুজনের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের ঝিলুগ্রামে। অপর ধৃত আমীর আলি বীরভূম জেলার নানুর থানার মুরুন্ডি গ্রামের বাসিন্দা। মঙ্গলকোট থানার পুলিশ ৩ গাড়ি হাইজ্যাকরকে গ্রেফতার করলেও গাড়ি এখনও উদ্ধার হয়নি। পুলিশ রবিবার ধৃতদের কাটোয়া মহকুমা আদালতে পেশ করে। হাইজ্যক হওয়া গাড়ি উদ্ধার ও ঘটনায় জড়িত বাকিদের ধরার জন্য পুলিশ ৩ ধৃতকে নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে এদিন আদালতে আবেদন জানায়। বিচারক ধৃতদের ৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। আরও পড়ুনঃ তারাপীঠ যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় মৃত্যু কলকাতার যুবকের, বরাত জোরে রক্ষা বন্ধুরপুলিশ জানিয়েছে,গাড়িটির চালক শেখ সাজুর বাড়ি বর্ধমান থানার দুবরাজদিঘি এলাকায়। গত বৃহস্পতিবার বর্ধমান স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় তিনি তাঁর চারচাকা গাড়িটি দাঁড় করিয়ে রেখে যাত্রীর জন্যে অপেক্ষা করছিলেন। ওই সময়ে এক অপরিচিত যুবতী চালকের কাছে আসে। মঙ্গলকোটের পালিশগ্রামে যাবার কথা জানিয়ে যুবতী তাঁর গাড়িটি ভাড়া করে। তারপর তিনি যুবতীকে নিয়ে পালিশগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথে ঝিলু মোড়ে একটি মদের দোকানের কাছাকাছি পৌছাতেই ওই যুবতী গাড়িটি দাঁড় করানোর কথা বলে চালককে। চালক শেখ সাজুর অভিযোগ, ওই সময়ে আশেপাশে অপেক্ষা করছিল মহিলার পরিচিত দুই যুবক। তারা গাড়ির কাছে আসা মাত্রই তিন জনে মিলে শেখ সাজুকে মারধোর করে গাড়ি কেড়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। তিনি স্থানীয় লোকজনদের সঙ্গে নিয়ে দুদিন ধরে গাড়ির খোঁজ চালান। কিন্তু কোথাও গাড়ির সন্ধান না পেয়ে শেষে গত শনিবার শেখ সাজু মঙ্গলকোট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে পুলিশ ওই দিন গভীর রাত থেকে রবিবার ভোর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তিন জনকে গ্রেপ্তার করে। তিন ধৃতকে হেপাজতে নিয়ে পুলিশ হাইজ্যাক হওয়া গাড়িটি উদ্ধারের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।

জুলাই ১৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Moubani Sarkar : মৌবনী যখন লেখিকা

অভিনেত্রী মৌবনী সরকারের অভিনয় দক্ষতা সবসময় দর্শকদের কাছে প্রশংসিত। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি যে ভাল লিখতে পারেন এটাও অনেকেই জানেন।সেই মৌবনীই এবার লেখিকা। তবে রিয়েল লাইফ রাইটার নন। রিল লাইফ রাইটার। একটি ওয়েব সিরিজে লেখিকার চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। যে ওয়েব সিরিজের নাম পেঁচা।আরও পড়ুনঃ পায়েল মুখার্জীর হিন্দি সিনেমা বিশেষ সম্মানে ভূষিতএই ওয়েব সিরিজের পরিচালনা করবেন অনির্বাণ চক্রবর্তী। মৌবনীর চরিত্রের নাম অতসী মুখার্জি যে একজন রহস্য লেখিকা। এই ওয়েবে মুখ্য চরিত্রেই দেখা যাবে তাকে। মৌবনী ছাড়াও অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করছেন পার্থসারথি, প্রিয়াঙ্কা পণ্ডিত, বরুণ চক্রবর্তী, সঞ্জয় প্রমুখ। পেঁচা একটি সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার। যেখানে ভয়ের একটা ভূমিকা রয়েছে।আরও পড়ুনঃ ইচ্ছে ছবির ১০ বছর, আবেগে ভাসলেন পরিচালকএই সিরিজের টাইটেল ট্র্যাক গেয়েছেন সিধু। সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন মৌসুমি চ্যাটার্জী। শুটিং খুব শীঘ্রই শুরু হবে। আগস্টে ডিজিপ্লেক্স ওয়েব প্ল্যাটফর্মে দর্শকরা এই ওয়েব সিরিজটি দেখতে পাবেন।

জুলাই ১৭, ২০২১
কলকাতা

Park Street-Party: করোনার ভয়াবহতা ভুলে শহরে উদ্দাম পার্টি! গ্রেপ্তার ৩৭

করোনার আতঙ্ক ভুলে মাঝ রাত পর্যন্ত উদ্দাম পার্টি। সরকারি বিধিনিষেধকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ডিজে বাজিয়ে পার্টি করলেন সমাজের অভিজাত শ্রেণির একদল মানুষ। মার্চ-এপ্রিলের মৃত্যুর ভয়াবহতা নিমেষে ভুলে এই মানুষরা কী করে এমনটা করতে পারলেন, তা নিয়ে আশ্চর্য হয়েছে পুলিশ। ঘটনায় রীতিমত চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যেই ৩৭ জনকে প্রেপ্তার করা হয়েছে। করোনাকালে রাজ্যে এখনও বিধিনিষেধ সম্পূর্ণভাবে শিথিল হয়নি। পার্ক স্ট্রিটের অভিজাত হোটেলে এর মধ্যেই পার্টি করতেই ব্যস্ত ছিলেন একদল অবিবেচক মানুষ। তাও আবার মধ্যরাত পর্যন্ত। ডিজে বাজিয়ে চলে উদ্দাম নাচাগানা। সঙ্গে মদের ফোয়ারা। কে বলবে অতিমারি পরিস্থিতির সঙ্গে লড়ছি আমরা! খবর পেয়ে সেখানে যায় পুলিশ। পার্টির আয়োজকরা পুলিশের সঙ্গেই শুরু করে দেন তর্কাতর্কি। তারপর বাধে ধস্তাধস্তিও। শেষমেশ পুলিশ হোটেল থেকে ৩৭ জনকে গ্রেপ্তার করে। তাঁদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে দুটি গাড়ি। এছাড়াও ডিজের বিভিন্ন সামগ্রী। ধৃতদের বিরুদ্ধে বিপর্যয় মোকাবিলা আইনেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুনঃ সৌমিতা সাহার প্রর্দশনী এনভিসেজিং মাইকেলহোটেলের নাইট ক্লাবে গভীর রাত পর্যন্ত চলছিল পার্টি। খবর পেয়ে সেখানে যায় পুলিশ। তবে তাতে কিন্তু বিন্দুমাত্র পিছপা হননি পার্টির আয়োজকরা। বরং পুলিশের সঙ্গেই শুরু করে দেন তর্কাতর্কি। তারপর বাধে ধস্তাধস্তিও। শেষমেশ পুলিশ হোটেল থেকে ৩৭ জনকে গ্রেফতার করে। সংক্রমণ প্রতিহত করতে রাজ্য সরকারের তরফে একাধিক পদক্ষেপ করা হচ্ছে। লকডাউনে রীতিমতো জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে দিন আনা দিন খাওয়া, নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষের। কত মানুষ কাজ হারিয়েছেন। সমস্ত কিছু স্বীকার করে নিয়েও সরকার লকডাউন সম্পূর্ণভাবে তুলে নিতে নারাজ, কেবল সংক্রমণকে প্রতিহত করতেই। রাজ্য সরকার রেস্তোঁরা, হোটেল খোলার নির্দেশ দিয়েছে কর্মসংস্থানের কথা ভেবে। কিন্তু এই সুযোগের যথেচ্ছ অপব্যবহার করছেন সমাজের একাংশের মানুষ বলে মনে করেন পুলিশ কর্তারা। তাই এইসব মানুষকে উপযুক্ত শিক্ষা দিতেই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

জুলাই ১১, ২০২১
কলকাতা

Fake Officer: ফের শহরে গ্রেপ্তার ভুয়ো অফিসার

দেবাঞ্জন-কাণ্ডের পর শহরে একের পরেক ভুয়ো অফিসারের খোজ পাওয়া যাচ্ছে। ফের শহরে ভুয়ো এক সরকারি অফিসার গ্রেপ্তার। নীল বাতির গাড়ি নিয়ে জালিয়াতিরও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এই অভিযুক্তকে গড়িয়াহাট থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। জানা গিয়েছে ধৃতের নাম সনাতন রায়চৌধুরী। জানা গিয়েছে, সনাতন নিজেকে স্ট্যান্ডিং কাউন্সিল অফ ওয়েস্ট বেঙ্গলের আধিকারিক পরিচয় দিতেন। নীল বাতি লাগানো গাড়ি নিয়ে ঘুরতেন। দেবাঞ্জন কাণ্ডের পর থেকেই শহরের নীল বাতি লাগানো গাড়ির ওপর নজরদারি বেড়েছে পুলিশের। রাস্তায় চলছে চেকিংও। নীল বাতি লাগানো গাড়ি দেখলে, তা থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এরকম ভাবেই সনাতনের গাড়ি থামানো হয়। সনাতন এই নীল বাতি লাগানো গাড়ি নিয়ে ঘুরে কী কী সুবিধা ভোগ করেছেন, আদৌ দেবাঞ্জনের মতো প্রতারণা চক্রের সঙ্গে জড়িত কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।আরও পড়ুনঃ আত্মঘাতী কিশোরী ক্যারাটে খেলোয়াড়, গ্রেপ্তার ১প্রশ্ন করা হলে তিনি নিজেকে উচ্চ পদস্থ সরকারি আধিকারিকের পরিচয় দেন। কিন্তু যথাযথ কাগজপত্র দেখাতে পারেন না। চাপ বাড়াতেই ঘাবড়ে যান তিনি। কথায় একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ে। এরপরই তাঁকে গ্রেপ্তার করে গড়িয়াহাট থানার পুলিশ। গত সপ্তাহেই, সেন্ট্রাল ভিজিলেন্স কমিশনার সেজে গাড়িতে নীলবাতি লাগিয়ে ঘোরার অভিযোগ এক যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বেনিয়াপুকুর থেকে মহম্মদ সাদিক নামে ওই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়।আরও পড়ুনঃ দাম্পত্যে ইতি। বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত লাগান খ্যাত ভুবনেরচেকিংয়ের সময়ে গত মঙ্গলবার বেনিয়াপুকুর থানার নিউ পার্কস্ট্রিট এলাকায় এ ধরনের একটি লাল বাতি লাগানো গাড়ি দাঁড় করান পুলিশ কর্তারা। তাতে নীল বাতি লাগানো ছিল আর সামনে ভিআইপি পার্কিং লেখা ছিল।আরও পড়ুনঃ শিব- পার্বতীর বিবাহ স্থলেপ্রসঙ্গত দেবাঞ্জন কাণ্ড প্রকাশ্যে আসার পরই শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এরকম ভুয়ো সরকারি আধিকারিকদের গ্রেপ্তার করছে পুলিশ। দেবাঞ্জন কাণ্ড নিয়ে বিস্ফোরক বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, নির্বাচনের সময় ভুয়ো গাড়ি, বাতি ব্যবহার করে ভোট প্রভাবিত করা হয়েছে। দেবাঞ্জনের মত আরও অনেকেই তাতে যুক্ত ছিলেন। সঠিক তদন্ত না হলে প্রয়োজনে আদালতে যাওয়া হবে।

জুলাই ০৬, ২০২১
রাজ্য

Accident: বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেলেন রাজ্যের মন্ত্রী

বরাত জোরে বেঁচে গেলেন রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বরের বিধায়ক বড়সড় পথ দুর্ঘটনার কবলে পড়েন। রাজ্যের গ্রন্থাগারমন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী সোমবার বিকেলে নিজের বিধানসভা এলাকা থেকে মেমারি-কাটোয়া রোড ধরে কাটোয়ায় বাড়ি ফিরছিলেন। পথে মেমারি থানার কামালপুর ব্রিজের কাছে দুর্ঘটনাটি ঘটে। জানা গিয়েছে, অসুস্থ মায়ের চিকিৎসা করানোর জন্য বাড়ি যাচ্ছিলেন। আহত মন্ত্রীকে রাতে পৌছে দেওয়া হয় কাটোয়ার কবজগ্রামের বাড়িতে।আরও পড়ুনঃ গানওয়ালার গান চুরির অভিযোগ, ক্ষোভপ্রকাশ সামাজিক মাধ্যমেজানা গিয়েছে, সাতগেছিয়ার আগেই বড়সড় বিপত্তি ঘটে। ওই সময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে গাড়িটি ডানদিকে ঘুরে যাওয়া মেমারি মুখী একটি বোলেরো পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে মন্ত্রীর গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এই দুর্ঘটনায় সামান্য জখম হয়েছেন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা করানো হয়। মন্ত্রীর গাড়ির চালক এবং বোলেরো গাড়ির চালকও আহত হন । বোলেরো গাড়ির চালককে মেমারির পাহাড়হাটি স্বাস্থকেন্দ্রে চিকিৎসার জন্যে নিয়ে যাওয়া হয় । আরও পড়ুনঃ বিপদসংকুল ও ভয়ঙ্কর সাচ পাস অভিযানের অভিজ্ঞতাগ্রন্থাগারমন্ত্রী বলেন, বড়সড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছি। দুটি আঙুলে সামান্য চোট রয়েছে। তবে সুস্থ রয়েছি। তাঁর মায়ের শরীর খারাপ। মায়ের চিকিৎসা করানোর জন্য তিনি তাঁর কাটোয়ার বাড়িতে যাচ্ছিলেন। এ বিষয়ে পূর্ব বর্ধমান সদর(দক্ষিণ) এসডিপিও আমিনুল ইসলাম খান জানান, মন্ত্রীর গাড়ির চাকা পাংচার হয়ে এই বিপত্তি ঘটে। পুলিশ খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে।

জুলাই ০৫, ২০২১
কলকাতা

Govt Sticker car: বালিতে আটক সরকারি স্টিকার লাগানো গাড়ি

রাজ্যে ভুয়ো আইএএস দেবাঞ্জনের নীলবাতি গাড়ি-কাণ্ডের পর সরকারি নির্দেশিকা অনুসারে এরকম ভুয়ো সরকারি আধিকারিক খুঁজে বের করছে পুলিশ। মূলত সরকারি কাজে ব্যবহৃত গাড়িগুলো অন্য কোনও কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে কি না তা দেখতেই এই তল্লাশি অভিযান। আর এই তল্লাশি অভিযানের মাঝেই বৃহস্পতিবার বালি থেকে অন গভর্নমেন্ট ডিউটি স্টিকার লাগানো একটি গাড়ি আটক করল পুলিশ। এদিন সকালে বালির নিমতলার কাছে নাকা চেকিং-এর সময়ে এই গাড়িটিকে আটক করে হাওড়া সিটি পুলিশের বালি ট্রাফিকগার্ড। আরও পড়ুনঃ কোভিড আবহে অন্যভাবে চিকিৎসক দিবস পালনপুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে পুলিশের পক্ষ থেকে সরকারি কাজের জন্যে অনুমোদিত, গাড়িগুলির ওপরে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছিল। সেই সময়ে অন গভর্নমেন্ট ডিউটি স্টিকার লাগানো কলকাতাগামী এই গাড়িটি থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময়ে প্রয়োজনীয় নথিপত্র দেখাতে পারেননি গাড়ির আরোহীরা। গাড়িটিকে আটকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করতেই জানা যায়, সেটি সরকারি ডিউটিতে যাচ্ছিল না। পুলিশ জানতে পারে চালক সহ গাড়িতে থাকা ৪ জন যাত্রী কলকাতায় একটি বিয়ে বাড়ির অনুষ্ঠানে যাচ্ছিল। এরপরেই গাড়িটিকে আটক করা হয়। গাড়ির চালক-সহ চারজন আরোহীকেও আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। আরোহীদের ও গাড়িটিকে পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। গাড়িটির বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় একটি মামলা রুজু করেছে পুলিশ।আরও পড়ুনঃ বিরোধী বিধান-র জ্যোতি স্নেহউল্লেখ্য, কলকাতা শহরে বা মফসসলে এরকম অনেক সরকারি কাজের জন্য গাড়ি অন্য কাজে ব্যবহার করা হয় বলে ভুরি ভুরি অভিযোগ। এরওপর সম্প্রতি ভুয়ো ভ্যাকসিন-কাণ্ডে দেবাঞ্জন দেবের কুকীর্তির কথা জানাজানির পর আরও ২ প্রতারকের খবর পাওয়া গিয়েছে। যারা সরকারি আধিকারিক পরিচয় দিয়ে মানুষকে বোকা বানাচ্ছিল। এবার বালিতে সরকারি স্টিকার লাগিয়ে গাড়ি সাধারণের কাজে ব্যবহারের খবর প্রকাশ্যে এল।

জুলাই ০১, ২০২১
রাজ্য

Student's Credit Card: স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড প্রকল্পের সূচনা মুখ্যমন্ত্রীর

সহজ শর্তে ঋণের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ করে দিতে রাজ্য সরকারের বহুল প্রচারিত স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড প্রকল্পের সূচনা হল । বুধবার নবান্নে এক সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ওই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন। সর্বোচ্চ ৪০ বছর বয়স পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীরা উচ্চ শিক্ষা এবং বৃত্তিমূলক শিক্ষার জন্য এই স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ঋণের সুবিধা পাবেন।স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে কি ধরনের সুবিধা ও কোন শর্তে ঋণ পাওয়া যাবে মুখ্যমন্ত্রী তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, এই কার্ডের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীরা দশ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবে৷ এর জন্য কোনও জামিন লাগবে না৷ রাজ্য সরকারই ঋণের জামিনদার থাকবে।আরও পড়ুনঃ ভুয়ো ভ্যাকসিন-কাণ্ডে রাজ্যের রিপোর্ট তলবমুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষা উত্তীর্ণ হওয়ার পরই এই স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবে৷ এর পর স্নাতক, স্নাতকোত্তর, ডিপ্লোমা, গবেষণার জন্য এই ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ঋণ পাওয়া যাবে৷ এমনকী, বিভিন্ন সরকারি- বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে আইএএস, আইপিএস, ডব্লিউবিসিএস -এর মতো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন যাঁরা, তাঁরাও এই ঋণ নিতে পারবেন৷ তিনি বলেন, রাজ্যে বসবাসকারী যে কোনও ভারতীয় ছাত্রছাত্রী এই স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন৷ রাজ্য, রাজ্যের বাইরে এমন কি বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্যও এই ঋণ কাজে লাগানো যাবে৷সংশ্লিষ্ট উচ্চশিক্ষার কোর্স ফি, টিউশন ফি, হোস্টেল ফি ইত্যাদি ছাড়াও কম্পিউটার- ল্যাপটপ-এর মত শিক্ষা সরঞ্জাম কেনার জন্য এই প্রকল্পের আওতায় ঋণ পাওয়া যাবে । মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অর্থের অভাবে অনেকেই উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন পূরণ করতে পারেন না।তাদেরকে সুযোগ করে দিতেই আবেদন জানানোর বয়স ৪০ বছর পর্যন্ত করা হয়েছে। ঋণ শোধ করার জন্য যাতে আবেদনকারীরা পর্যাপ্ত সময় পান সেদিকে তাকিয়ে ওই সময় সীমা ১৫ বছর পর্যন্ত রাখা হয়েছে৷ মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, কোনও আবেদনকারী চাইলে একবারেই ১০ লক্ষ টাকা ঋণ পাবেন৷ আবার চাইলে ধাপে ধাপে প্রয়োজন অনুযায়ী সর্বোচ্চ দশ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ নেওয়া যাবে৷মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, শিক্ষা দপ্তরের ওয়েবসাইটে অনলাইনে এই স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের আবেদন করা যাবে৷ সাধারণ ব্যাংক ছাড়াও কো অপারেটিভ ব্যাংকের মাধ্যমে এই ঋণ পাওয়া যাবে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বাবা মায়েদের আর কোনও চিন্তা থাকবে না, বাচ্চাদের মন খারাপ করে ঘুরে বেড়াতে হবে না৷ ঋণ পাওয়ার জন্য জুতোর শুকতলা খুইয়ে যাবে না৷ ছাত্রছাত্রীদের বলব টাকা পয়সার কথা না ভেবে মন দিয়ে পড়াশোনা করো৷ বাবা মায়েদেরও বলব চিন্তা করবেন না৷ আপনাদের স্বপ্নপূরণ হবেই৷ তবে ভ্যাকসিন কাণ্ডের উদাহরণ দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষাসচিব-সহ সরকারি আধিকারিক এবং ব্যাংকগুলিকেও সতর্ক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী৷ তিনি বলেন, এই ক্রেডিট কার্ডের নামে যাতে কোনওরকম প্রতারণা না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে৷ ছাত্রছাত্রী এবং অভিভাবকদেরও সতর্ক করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কোনও জালিয়াতের খপ্পরে পড়বেন না।বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করে দিলীপের দাবি, বাংলার মানুষকে ভুগতে হবে এই প্রকল্পের জন্য। তিনি আরও বলেন, ভুয়ো ভ্যাকসিন-কাণ্ড থেকে নজর ঘোরাতেই এমনটা করা হল।

জুন ৩০, ২০২১
দেশ

One Nation One Ration Card: এক দেশ এক রেশন কার্ড নিয়ে রাজ্যগুলোকে কী নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট, জেনে নিন

এক দেশ, এক রেশন কার্ড প্রকল্প চালুর জন্য সময়সীমা বেঁধে দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে এই প্রকল্পটি কার্যকর করতে হবে। মঙ্গলবার এই মর্মে নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। পাশাপাশি কেন্দ্রকে বেশ কয়েকটি নির্দেশও দেওয়া হয়েছে শীর্ষ আদালতের তরফে। বিশেষভাবে নজর দিতে বলা হয়েছে পরিযায়ী শ্রমিকদের (Migrant workers) দিকে।মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, এক দেশ, এক রেশন কার্ড-এর কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে অনলাইন পোর্টাল (Portal) চালু করুক কেন্দ্র। তাতে প্রত্যেকের রেজিস্ট্রেশন থাকা চাই। বিশেষ করে অসংগঠিত ও পরিযায়ী শ্রমিকদের ক্ষেত্রে এই তথ্যগুলি যাতে নির্ভুলভাবে নথিভুক্ত করা হয়, সেদিকে নজর দিতে হবে কেন্দ্রকে। গোটা কাজ শেষ করতে ৩১ জুলাই পর্যন্তই সময়। তারপরই যাতে গোটা দেশে এক দেশ, এক রেশন কার্ড (One Nation, One Ration card) চালু হয়ে যায়, তা নিয়ে কড়া নির্দেশ রয়েছে শীর্ষ আদালতের।আরও পড়ুনঃ আজ বিজেপির রাজ্য কমিটির বৈঠকের আলোচ্যসূচি ও কৈলাসের উপস্থিতি নিয়ে জল্পনাপরিসংখ্যান মতে, দেশের ৩৪টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ওয়ান নেশন ওয়ান রেশন কার্ড প্রকল্প চালু করা হয়েছে। শুধুমাত্র দিল্লি, অসম ও পশ্চিমবঙ্গে এই প্রকল্প এখনও চালু হয়নি। তা নিয়ে রাজ্য সরকারকে নির্দেশও দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্র সরকারের হিসেব অনুযায়ী, রাজ্যের প্রায় ৯৬ শতাংশ রেশন দোকানে ই-পিওএস (ইলেকট্রনিক পয়েন্ট অব সেল) যন্ত্র বসে গিয়েছে। এই যন্ত্রে রেশন কার্ডের আসল মালিকই চাল-গম নিতে এসেছেন কি না, তা চিহ্নিত করা যায়। ৮০ শতাংশ রেশন কার্ডের সঙ্গে আধারের সংযুক্তিকরণও হয়ে গিয়েছে। ফলে এক দেশ এক রেশন কার্ড প্রকল্প চালু করতে কোনও বাধা নেই। বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রকল্প চালু হলে পরিযায়ী শ্রমিকদের আরও সুবিধা হবে।

জুন ২৯, ২০২১
রাজ্য

Student Credit Card: মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড

কথা রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার দেড় মাসের মধ্যে মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড প্রকল্প। আগামী ৩০ জুন এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।আরও পড়ুনঃ সিএবি-র উদ্যোগে ক্রিকেটারদের ৫ দিন ব্যাপী টিকাকরণ অভিযাননির্বাচনের আগে ইস্তেহারে একাধিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তৃণমূল (TMC)। সেখানে বলা হয়েছিল, স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের কথা। এই প্রকল্পে পড়াশোনার জন্য পড়ুয়াদের ১০ লক্ষ টাকা ঋণ দেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তৃণমূল। বৃহস্পতিবার নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেয়েছে এই প্রকল্প। তিনি জানিয়েছেন, দশম শ্রেণি থেকেই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন পড়ুয়ারা। আরও পড়ুনঃ রাজ্যে ১৭ জুলাই জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষাএদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, পড়ুয়াদের ঋণ দেওয়ার যে প্রকল্পের কথা জানানো হয়েছিল, তা মন্ত্রিসভার অনুমোদন পেয়েছে। আজকের দিনটি পড়ুয়াদের। রাজ্যে দশম শ্রেণিতে প্রতিবছর কম-বেশি ১০ লক্ষ পড়ুয়া থাকে, দ্বাদশ শ্রেণিতে থাকে সাড়ে ৯ লক্ষ। দশম থেকে স্নাতক, স্নাতকোত্তর-সহ যাবতীয় পড়াশোনার জন্য রাজ্যের তরফে এবার পড়ুয়াদের ১০ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য করা হবে। যা ক্রেডিট হবে তা ফেরত দেওয়ার জন্য চাকরি পাওয়ার পর ১৫ বছর সময় পাবেন পড়ুয়ারা।

জুন ২৪, ২০২১
কলকাতা

Post poll violence: রাজ্যের আর্জি খারিজ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে দায়িত্ব দিল হাইকোর্ট

ভোট পরবর্তী হিংসা (Post Poll Violence) মামলায় কলকাতার হাইকোর্টের (Calcutta HC) নির্দেশে স্থগিতাদেশ চেয়ে রাজ্য সরকারের আবেদন খারিজ হয়ে গেল। আগের নির্দেশই বহাল রাখল উচ্চ আদালত। সোমবার দিনের শুরুতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন ৫ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চে মামলাটি শুনানির জন্য ওঠে। আবেদন শোনার পর তাঁরা তা খারিজ করে দেন। ১৮ জুনের নির্দেশ বহাল রাখেন। যুক্তি হিসেবে জানানো হয়, রাজ্যকে আগে সুযোগ দেওয়া সত্ত্বেও কাজ হয়নি। তাই সেই ভার জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের (NHRC) হাতে দেওয়া হয়েছে। তাঁরাই ৩০ জুনের মধ্যে রিপোর্ট দেবে। গত ১৮ তারিখ, শুক্রবার এই সংক্রান্ত মামলায় রাজ্য সরকারের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে কলকাতা হাইকোর্ট জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে আরও একটি বিশেষ কমিটি গঠনের নির্দেশ দেয়। সেই কমিটি ৩০ জুনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলেছে ৫ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চ। তাতে স্থগিতাদেশ চেয়ে রবিবার আবেদন জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। তাঁর আবেদন ছিল, এখনই জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে না জড়িয়ে রাজ্যকে আরও একবার সুযোগ দেওয়া হোক। আরও পড়ুনঃ ২০টি চুরি করে পুলিশের জালে ইংরেজিতে এমএ পাশ যুবকএদিন মামলার শুনানির শুরুতেই বিচারপতিরা স্পষ্ট জানান, এর আগে রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় ঘরছাড়াদের ঘরে ফেরানো নিয়ে রাজ্য সরকারকে কাজের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। তার জন্য রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের নেতৃত্বে একটি কমিটিও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু দেখা গিয়েছে, ঘরে ফেরানো তো হয়ইনি, এমনকী এই সংক্রান্ত কোনও অভিযোগই সেভাবে খতিয়ে দেখা হয়নি। রাজ্য সরকারের এই উদাসীনতায় ক্ষুব্ধ উচ্চ আদালত।

জুন ২১, ২০২১
রাজ্য

Covid Hospital: রাজ্যে ২টি হাসপাতাল তৈরি করতে অর্থ বরাদ্দ পিএম কেয়ার্সের

কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরীকে দেওয়া কথা রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। বহরমপুর এবং কল্যাণীতে জোড়া কোভিড হাসপাতাল তৈরির কাজ শুরু করে দিল DRDO। ওই হাসপাতাল দুটির জন্য PM-CAERS তহবিল থেকে ৪১.৬২ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। বুধবার প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর সূত্রে এমনই খবর মিলেছে।মুর্শিদাবাদে কোভিড চিকিৎসার উপযুক্ত পরিকাঠামো নেই। এই অভিযোগ তুলে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে বহরমপুরে ৫০০ বেডের একটি অস্থায়ী কোভিড হাসপাতাল তৈরি করার অনুরোধ জানান অধীর (Adhir Ranjan Chowdhury)। চিঠি লেখার পাশাপাশি সিবিআই প্রধান নির্বাচনের বৈঠকের ফাঁকে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে এই অস্থায়ী হাসপাতালের ব্যবস্থা করতে অনুরোধ করেন বহরমপুরের সাংসদ। সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী তাঁকে আশ্বাস দেন, দ্রুত তাঁর লোকসভা কেন্দ্রে একটি বড় অস্থায়ী কোভিড হাসপাতাল তৈরি করবে DRDO। প্রথমে ঠিক ছিল ১ হাজার বেডের একটি অস্থায়ী কোভিড হাসপাতাল বহরমপুরে তৈরি হবে। সেই অনুযায়ী জমিও চাওয়া হয়।কিন্তু পরে দেখা যায় বহরমপুরে যে জায়গা হাসপাতালের জন্য বরাদ্দ হয়েছে, তাতে মেরেকেটে আড়াইশো বেডের হাসপাতাল তৈরি হতে পারে। তারপরই কেন্দ্রের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, PM CARES-এর টাকায় বহরমপুরে একটি এবং কল্যাণীতে একটি অস্থায়ী হাসপাতাল তৈরি করা হবে। দুটি হাসপাতালই তৈরি হবে আড়াশো বেডের। বুধবারই হাসপাতালগুলি তৈরির জন্য ৪১.৬২ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, দুটি হাসপাতাল তৈরির পাশাপাশি মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে একটি অক্সিজেন প্লান্ট তৈরিরও অনুরোধ জানিয়েছিলেন অধীর। DRDO ইতিমধ্যেই সেই প্লান্ট তৈরি করে দিয়েছে।

জুন ১৬, ২০২১
কলকাতা

পামেলার গাড়িতে মাদককাণ্ডে পুনে থেকে গ্রেপ্তার অমৃত সিং

পামেলা গোস্বামী মাদককাণ্ডে নয়া মোড়। এবার পুলিশের জালে এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত অমৃত সিং। শনিবার রাতে পুনেতে কলকাতা পুলিশের জালে ধরা পড়েন অমৃত। তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। জানা গিয়েছে, পামেলার গাড়িতে এই অমৃত সিংই মাদক রেখেছিলেন। বিজেপি নেতা রাকেশ সিংয়ের ঘনিষ্ঠ অমৃতের নাম প্রথম থেকেই দাবি করে এসেছিলেন পামেলা। অমৃতের সঙ্গে যোগসাজস করে রাকেশই পামেলা ফাঁসিয়েছিলেন বলে প্রথম থেকে তদন্তকারীদের কাছে দাবি করেছেন তিনি।উল্লেখ্য, গত সোমবারই নিউ আলিপুর কোকেনকাণ্ডে চার্জশিট পেশ করে পুলিশ। কলকাতা পুলিশেক অ্যান্টি নারকোটিকস বিভাগ ৭৪ দিনের মাথায় চার্জশিট জমা করে। চার্জশিটে নাম ছিল না বিজেপি যুব মোর্চা নেত্রী পামেলা গোস্বামী, পামেলার বন্ধু প্রবীর দে ও নিরাপত্তারক্ষী সোমনাথ গোস্বামীর। তাঁদেরকে কার্যত ক্লিনচিট দেওয়া হয়।চার্জশিটে নাম ছিল আট জনের। তাঁরা হলেন, জিতেন্দ্র কুমার সিং, সুরাজ কুমার সা, আরিয়ান দে, অমৃত সিং, দেইম আখতার, ফারহান আহমেদ ও অমৃত রাজ। প্রায় বারোশো পাতার এই চার্জশিটের এই মামলায় সাক্ষী রয়েছেন ৮০ জন। ধৃতদের বিরুদ্ধে মাদক আইন-সহ একাধিক ধারায় মামলা উল্লেখ চার্জশিটে।উল্লেখ্য, ১৯ ফেব্রুয়ারি নিউ আলিপুরে একটি নামী রেস্তোরাঁর সামনে থেকে পামেলা ও তাঁর সঙ্গীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁদের গাড়ি থেকে উদ্ধার বহু টাকার মাদক। এরপর তদন্ত যত এগোতে থাকে, ঘটনার মোড় নিতে থাকে অন্য।

মে ০৯, ২০২১
রাজ্য

ভোটারদের পরিচয়পত্র খতিয়ে দেখবে না কেন্দ্রীয় বাহিনী

ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের পরিচয়পত্র খতিয়ে দেখতে পারবে না নিরাপত্তারক্ষীরা। নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী ভোটারদের পরিচয়পত্র খতিয়ে দেখতে পারেন শুধু ফার্স্ট পোলিং অফিসার। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগের ভিত্তিতে কড়াভাবে এই নিয়ম কার্যকর করার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের নির্বাচনী নোডাল অফিসার একে সিং এবং এডিজি আইনশৃঙ্খলা জগ মোহনকে এই নির্দেশ কার্যকর করার কথা জানানো হয়েছে কমিশনের তরফে।আসলে গতকালই তৃণমূলের এক শীর্ষস্তরীয় প্রতিনিধিদল রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে গিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ জানিয়ে আসে।তৃণমূলের অভিযোগ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর নির্দেশে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দিচ্ছেন। বহু জায়গা থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে ভোটকে প্রভাবিত করার অভিযোগ আসছে। এই প্রথম ভারতবর্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশে কেন্দ্রীয় বাহিনী বিজেপিকে সহযোগিতা করছে। যেখানে বিজেপি জোর করে ভোট করার চেষ্টা করছে, সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী নীরব। রাজ্যের শাসক শিবিরের দাবি, যেসব কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তাঁদের যেন পরবর্তীকালে ভোটের কাজে মোতায়েন করা না হয়।

এপ্রিল ০৩, ২০২১
টুকিটাকি

গাজরের বহুবিধ গুনাগুণ

বহুল উপকারি সবজির মধ্যে অন্যতম গাজর। গাজরের মধ্যে থাকে ভিটামিন সি। আর এই উপাদান ত্বকের জৌলুস ফেরাতে এবং ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে সাহায্য করে। যাবতীয় দাগছোপ দূর করে ত্বক রাখে ঝকঝকে। ত্বকের গঠন সুদৃঢ় করতেও সাহায্য করে গাজরে থাকা বিভিন্ন রকমের উপাদান। চুল এবং ত্বকের পরিচর্যায় গাজর খুবই উপকারি। অনেকেই প্রতিদিনের ডায়েটে রাখেন গাজরের রস। অনেকে আবার ফ্রুট স্যালাড কিংবা এমনি স্যালাডে রাখেন গাজর। শুধু ত্বক বা চুল ভাল রাখতে নয়, স্বাস্থ্য বজায় রাখার অসংখ্য গুণ রয়েছে গাজরে।গাজরের গুনাগুন জেনে নেওয়া যাক:১. গাজরে থাকে বিটা ক্যারোটিন। এই উপাদান ভিটামিন এ- তে পরিণত হয়। ফলে নতুন স্কিন সেল তৈরি হতে সাহায্য করে গাজরে থাকা এই উপাদান। এছাড়া ত্বকের ঔজ্জ্বল্যও বাড়ায়।২. গাজরের মধ্যে থাকে ভিটামিন সি। আর এই উপাদান ত্বকের জৌলুস ফেরাতে এবং ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে সাহায্য করে। যাবতীয় দাগছোপ দূর করে ত্বক রাখে ঝকঝকে।৩. ত্বকের টেক্সচার বা গঠন সুদৃঢ় করতেও সাহায্য করে গাজরে থাকা বিভিন্ন রকমের উপাদান। বিশেষ করে গাজরে থাকা ভিটামিন এ স্কিন টেক্সচার সুদৃঢ় করতে সাহায্য করে।৪. সূর্যের তেজে যে ট্যান পড়ে আপনার চামড়ায় সেটা দূর করে গাজরে থাকা বিটা ক্যারোটিন। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে আপনার ত্বককে রক্ষা করা এই উপাদান।৫. হেয়ারফল অর্থাৎ চুল পড়ার সমস্যা আজকাল প্রায় সকলেরই রয়েছে। এক্ষেত্রেও সমাধানের কাজ করে গাজর। শুধু তাই নয়, আপনার স্ক্যাল্পে পুষ্টিও জোগায় গাজর।৬. শুধু চুল বা ত্বকের পরিচর্যায় নয়, স্বাস্থ্য বজায় রাখতে, চোখের দৃষ্টিশক্তি প্রখর করতে এবং মেন্সট্রুয়াল বিভিন্ন ইস্যুর সমাধানে সাহায্য করে গাজর। প্রতিরোধ ক্ষমতাও গড়ে তোলে গাজর।

মার্চ ৩১, ২০২১
রাজ্য

নিজের গড়েই আক্রান্ত সৌমেন্দু অধিকারী, ভাঙা হল গাড়ি, আহত চালক

নিজেদের গড়ে আক্রান্ত অধিকারী পরিবারের ছোট ছেলে সৌমেন্দু। অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত প্রায় ৩০ জন দুষ্কৃতী ব্যাপক ভাঙচুর চালায় তাঁর গাড়িতে। মারধর করা হয় সৌমেন্দু অধিকারীর গাড়ির চালককেও। অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বিজেপি নেতা সৌমেন্দু। প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শুরুর কিছুক্ষণ পর থেকেই রাজ্যের একাধিক বুথ থেকে অশান্তির খবর প্রকাশ্যে আসে। হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। শালবনিতে আক্রান্ত হন বামপ্রার্থী। এসবের মাঝে পূর্ব মেদিনীপুরের সাবাজপুট এলাকায় আক্রান্ত হন সৌমেন্দু অধিকারী। প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্ট হওয়ায় এদিন সকালে একাধিক বুথে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছিলেন তিনি। জানা গিয়েছে, একটি বুথে ঢোকার সময় সাবাজপুট এলাকায় তাঁর পথ আটকায় একদল দুষ্কৃতী। ব্যাপক ভাঙচুর করা হয় তাঁর গাড়িতে। মারধর করা হয় তাঁর গাড়ির চালক গোপাল সিংকে। চোখের পাশে চোট লাগে তাঁর।সৌমেন্দু জানিয়েছেন, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি রামগোবিন্দ দাসের নেতৃত্বে বুথ জ্যাম করার খবর পেয়ে সাবাজপুট গিয়েছিলেন তিনি। সেই সময়ই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা পরিকল্পনামাফিক হামলা চালিয়েছে তাঁর গাড়িতে। কাঁথি থানার আইসিকে দালাল বলে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, কাঁথি থানার আইসি সকাল থেকে বুথে বুথে গিয়ে ভোট করানোর চেষ্টা করছেন। আসলে তৃণমূল বুঝে গিয়েছে ওদের হার নিশ্চিত। তাই এসব করছে। তিনি জানিয়েছেন, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা না পর্যন্ত তিনি ঘটনাস্থল ছেড়ে যাবেন না।

মার্চ ২৭, ২০২১
রাজ্য

গোরুর গাড়িতে চড়ে ভোট প্রচারে লকেট

রাজ্যের যেখানে যখনই তৃণমূলের বিরুদ্ধে কোনও ইস্যু হাতে পেয়েছেন, সঙ্গে সঙ্গে সেখানে দৌঁড়ে গিয়েছেন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। এবার সেই সাংসদকেই বিধানসভা ভোটের ময়দানে নামিয়েছে দল। প্রার্থী ঘোষণার পর থেকে তিনিও কার্যত কোমর বেঁধে ভোট ময়দানে নেমে পড়েছেন। শুক্রবার হুগলির চুঁচুড়ায় নিজের নির্বাচনী কেন্দ্রের অন্তর্গত পোলবায় ভোট প্রচারে বেরিয়ে ছিলেন। প্রচার করতে গিয়ে তিনি গোরুর গাড়িতেও চড়ে বসলেন। যদিও তাঁর এই কাজকে সুযোগ পেয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি প্রতিপক্ষ তৃণমূল প্রার্থীও।পোলবার দনারপাড়ায় পচারের জন্য লকেট চট্টোপাধ্যায়ের জন্য একটি গোরুর গাড়ির ব্যবস্থা করা হয়। গোরুর গাড়িটিকে গেরুয়া পতাকায় মুড়ে ফেলা হয়। সেই গোরুর গাড়িতে চড়ে গ্রামের রাস্তায় মাঠের মাঝখান দিয়ে প্রচারে বেরন লকেট। হঠাৎ কেন গোরুর গাড়িতে তিনি এই প্রশ্নের উত্তরে লকেট বলেন, এই এলাকায় প্রচুর কৃষক বাস করেন। আর গোরুর গাড়ির সঙ্গে কৃষকদের বহু দিনের গভীর সম্পর্ক। যেহেতু রাজ্যের কৃষকদের অবস্থা খুব খারাপ তাই তাঁদের পাশে দাঁড়াতে, সম্মান জানাতে আমি গোরুর গাড়িতে চড়ে প্রচার করছি। ভোট প্রচারে বেরিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির ইস্যুকেও হাতিয়ার করেন তিনি। লকেট শুক্রবার পোলবায় ঝোরোর পাড়া, ঠাকুরপুকুর, বিষহিতলা হয়ে সংগ্রামপুরে গিয়ে প্রচার শেষ করেন।

মার্চ ২৬, ২০২১
টুকিটাকি

দোল খেলুন, কিন্তু ত্বক ও চুলের যত্নে দিন বিশেষ নজর

খেলবো হোলি রং দেব না, তাই কখনও হয়... ফের বাড়তে থাকা করোনা আবহের মধ্যেই সামনেই হোলি উৎসব। এবছর উপরি পাওয়া ছুটির দিনে পড়েছে রঙের উৎসব। গতবছর করোনার দাপটে হোলি খেলা কার্যত হয়ইনি। এবছর করোনার সতর্কতা থাকবে নিশ্চিত। তবে অনেকেই জমিয়ে হোলি খেলার পরিকল্পনা করে ফেলেছেন। সতর্কতা মেনেই তৈরি হয়ে গিয়েছে প্ল্যান। কিন্তু হোলি খেলতে গেলে রং-আবিরে চুল এবং ত্বকের বারোটা বাজার অবস্থা হয়। তাই চুল এবং ত্বক ভাল রাখতে হোলির প্রয়োজন সঠিক পরিচর্যা।জেনে নিন দোলের দিন ত্বক এবং চুলের ক্ষতি আটকাতে কী কী করণীয়..১। ভাল করে বডি অয়েল মেখে তবেই হোলি খেলতে নামুন। রঙ তোলার ক্ষেত্রেও তেলের মতো ভাল আর কিছু হয় না। এর ফলে আপনার ত্বক রুক্ষ হবে না। সহজে রং ত্বকে বসে যাবে না। ফলে রং তুলতে সুবিধা হবে।২। আবির বা রং ভীষণ ভাবে নখে ঢুকে যায়। তারপর সেই রং নখে ধরে যায়। তাই নখের পরিচর্যা করতে হলে অবশ্যই গাঢ় রঙের নেলপলিশ পরুন।৩। যেহেতু দিনের বেলায় দোল খেলবেন, তাই সানস্ক্রিন লাগান অতি অবশ্যই। নাহলে ট্যান পড়তে বাধ্য। এর ফলে কেবল রোদ নয় রঙ থেকেও রক্ষা পাবে আপনার স্ক্রিন।৪। সারাবছর তেল না মাখলেও দোল খেলতে নামার আগে মাথায় ভাল করে অয়েল ম্যাসাজ করে নিন। এর ফলে চুলে রং বসে যাবে না। যেটুকু রং বা আবির লাগবে সেটা সহজেই শ্যাম্পু করে তুলে নেওয়া যাবে। শ্যাম্পুর পর কন্ডিশনার বা সিরাম লাগান। পারলে বাড়িতেই স্পা করে নিন। অবশ্যই হোলি খেলার সময় চুল বেঁধে রাখবেন। নাহলে চুলের সর্বনাশ হয়ে যাবে। আর যদি সম্ভব হয় তাহলে মাথায় হেয়ার ক্যাপ পরে নিতে পারেন। কিংবা রঙিন ওড়না বা স্কার্ফ দিয়ে মাথা পেঁচিয়ে রাখতেও পারেন।এ এর ফলে স্টাইলও হবে। আবার রং-আবির থেকে চুল বাঁচানোও সম্ভব হবে।সামান্য এই কয়েকটি জিনিস মেনে চললেই উৎসবের আনন্দ উপভোগ করতে পারবেন চুল ও ত্বকের কোনওরকম ক্ষতি না করেই। আর কোভিড বিধি মানতে যেন ভুলবেন না। তাহলেই কিন্তু বিপদ..

মার্চ ২০, ২০২১
স্বাস্থ্য

ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যায় কী কী খাবেন না, দেখুন কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা

সকালে উঠে মাটিতে পা ফেলতেই ব্যথা শুরু। দু-একদিন পর হাত-পায়ের জয়েন্টেও একই অবস্থা। কিছুক্ষণ হাঁটাচলার পর ব্যথা কমছে ঠিকই, কিন্তু পুরোপুরি সারছে না। জয়েন্ট ফুললে সমস্যা আরও বাড়ছে। মাটিতে পা ফেলাটাই তখন বিভীষিকা। একজন সুস্থ, সবল মানুষ রাতারাতি শয্যাশায়ী। এতটাই মারাত্মক হতে পারে ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা। কেন হয়-৪০ বছরের পর এমন সমস্যা হয়। তবে অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভাস, প্রোটিনের আধিক্য, মদ্যপানের জন্য এখন অল্পবয়সিদের মধ্যেও এর প্রবণতা বাড়ছে। অনেকেই তাড়াতাড়ি ওজন কমাতে কার্বোহাইড্রেট বাদ দিয়ে প্রোটিন বেশি খান। সেখান থেকেই সমস্যা সূত্রপাত।মেটাবলিক ডিসঅর্ডারের জন্য শরীরের বিভিন্ন জয়েন্ট ইউরিক অ্যাসিডের ক্যালসিফিকেশনহয়, ফলে ইনফ্লেমেশন হয়ে ফুলে যায়। মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা বেশি। মহিলাদের শরীরের ইস্ট্রোজেন হরমোন ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।কী খাবেন আর কী খাবেন না? ইউরিক অ্যাসিডের ডায়েট নিয়ে অনেক ভুল ধারণা রয়েছে। অনেকেই টমেটো খাওয়া ছেড়ে দেন। রান্নায় টমেটো, পিঁয়াজ খেতে পারেন তবে কাঁচা পিঁয়াজ বা টমেটো খাবেন না। ভাত, রুটি, চিঁড়ে, মুড়ি, ভুট্টা খেতে পারেন। পালং, ফুলকপি, বাঁধাকপি অল্প খাবেন। বীজ আছে এরকম সবজিও খেতে পারেন, পরিমাণ কম। তৈলাক্ত নয় এমন মাছ খান। ইলিশে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। বর্ষাকালে এক-দুদিন ইলিশ খেলে সমস্যা নেই। সব ফল খেতে পারেন। তবে মিক্সড ফ্রুটের বদলে সারাদিনে যে কোনও একটা ফল খান। ড্রাই ফ্রুটস চলবে। ২০০-২৫০ এম.এল.-এর বেশি দুধ খাবেন না। দই, ছানা খেতে পারেন। খাবারের তালিকা থেকে প্রোটিনের পরিমাণ কমান। ৬০ কেজি ওজনের কেউ সারাদিনে ৬০ গ্রামের বেশি প্রোটিন খাবেন না। ডাল বা ডাল থেকে তৈরি জিনিস, রাজমা, সয়াবীন খাদ্যতালিকা থেকে সরিয়ে রাখুন।ডিমের সাদা অংশই খেতে পারেন। চিকেন চলবে। মাটন, মাটনের মেটে, চিংড়ি খাবেন না। অক্সালেট জাতীয় স্টোনের সমস্যা থাকলে দুধ বা দুগ্ধজাতীয় কিছু খাবেন না। ফলের রস খাবেন না। কারণ ফ্রুকটোজ ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

মার্চ ১৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

আদালতের নির্দেশ অমান্যের অভিযোগ, আটক নেতাদের মুক্তির আবেদনও! রবিবার কী শুনবে সুপ্রিম কোর্ট?

ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে উত্তেজনার আবহে রবিবার বিশেষ শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টে। শনিবারের আন্দোলন এবং তার আগে ও পরে পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে শীর্ষ আদালতে দুটি মামলা হয়েছে। আদালত বন্ধ থাকার দিনেও এই মামলাগুলির শুনানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একটি মামলা আদালত অবমাননার অভিযোগে, অন্যটি বিক্ষোভকারীদের আটক করার বিরুদ্ধে। আদালতের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগ তুলে মামলা করেছেন আইনজীবী শৈলেন্দ্র মণি ত্রিপাঠী। তাঁর অভিযোগ, শুক্রবার সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, বিক্ষোভের কারণে দিল্লিতে গণপরিবহণ পুরোপুরি বন্ধ রাখা যাবে না। পরিস্থিতি অনুযায়ী পরিষেবা নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে, কিন্তু একেবারে বন্ধ করা যাবে না। তা সত্ত্বেও শনিবার একাধিক মেট্রো স্টেশনের প্রবেশ ও প্রস্থানের দরজা বন্ধ রাখা হয় এবং কয়েকটি ট্রেনের পরিষেবা নিয়েও বিধিনিষেধ জারি হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনাতেই আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন, দিল্লির পুলিশ কমিশনার অনুরাগ কুমার এবং দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশনের চেয়ারপার্সন ডি থারাকে পক্ষ করা হয়েছে। শৈলেন্দ্রের অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ তা কার্যকর করেনি। তবে এই অভিযোগের সত্যতা এখনও আদালতে বিচারাধীন। রবিবারের শুনানিতে বিষয়টি নিয়ে কী পর্যবেক্ষণ করে শীর্ষ আদালত, সেদিকেই নজর রয়েছে।অন্য মামলাটি করেছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ তথা প্রবীণ আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী। শনিবারের বিক্ষোভের সময় একাধিক বিরোধী নেতা, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং আন্দোলনকারীদের আটক করার ঘটনাকে চ্যালেঞ্জ করে তিনি হেবিয়াস কর্পাসের আবেদন জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার জন্য এ ভাবে আগাম আটক করা যায় কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। আটক ব্যক্তিদের কোথায় রাখা হয়েছে এবং তাঁদের আটক করার আইনি ভিত্তি কী, সেই বিষয়গুলিও মামলার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দুটি মামলারই শুনানি রবিবার বিশেষ বেঞ্চে হওয়ার কথা। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে মামলাগুলি ওঠার কথা জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন। সিজেপির বিক্ষোভ, পুলিশের আটক করার পদক্ষেপ এবং মেট্রো পরিষেবা বন্ধ রাখার অভিযোগসব মিলিয়ে রবিবারের শুনানি গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। তবে আদালত এখনও এই অভিযোগগুলির চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করেনি।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ, মুম্বইয়ে আটক ৪০০-র বেশি! তালিকায় অভিনেতা ইমরান খান

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের সমর্থনে মুম্বইয়ে বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে আটক হলেন চারশোর বেশি মানুষ। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বলিউডের অভিনেতা ইমরান খানও। শনিবার শহরের একাধিক জায়গায় বিক্ষোভের চেষ্টা হলে অনুমতি ছাড়া জমায়েত করার অভিযোগে পদক্ষেপ করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, সকালে দক্ষিণ মুম্বইয়ের আগস্ট ক্রান্তি ময়দান থেকে অন্তত ২০০ জনকে আটক করা হয়। তাঁদের মধ্যে ছিলেন সমাজকর্মী তুষার গান্ধীর সংগঠন হাম ভারত কে লগ-এর সদস্য এবং সিপিএমের কর্মী-সমর্থকেরা। দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভের প্রতি সংহতি জানাতেই তাঁরা জমায়েত হয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। পরে শহরের অন্য এলাকাতেও ধরপাকড় চলে। সব মিলিয়ে আটক ব্যক্তির সংখ্যা চারশো ছাড়িয়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের তালিকায় অভিনেতা ইমরান খানের নাম থাকায় ঘটনাটি ঘিরে বাড়তি চর্চা শুরু হয়েছে। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভে যোগ দিতে আগস্ট ক্রান্তি ময়দানের কাছে পৌঁছেছিলেন তিনি। সেখান থেকেই তাঁকে আটক করে পুলিশ। একই কর্মসূচিতে যোগ দিতে আসা আরও বহু মানুষকেও পুলিশ আটক করে গাড়িতে তোলে। মুম্বই পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, অনুমতি ছাড়া জমায়েত করার অভিযোগে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। আগস্ট ক্রান্তি ময়দান ঘিরে ব্যারিকেড বসানো হয় এবং ওই এলাকায় জমায়েত আটকাতে কড়া নজরদারি চালানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এই ব্যবস্থা। অন্য দিকে, দক্ষিণ মুম্বইয়ে প্রকাশ আম্বেদকরের নেতৃত্বাধীন বঞ্চিত বহুজন আঘাড়ির কর্মী-সমর্থকেরাও বিক্ষোভ দেখানোর চেষ্টা করেন। তাঁদের মধ্যেও কয়েক জনকে আটক করা হয়েছে। দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের সমর্থনে দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ার আবহে মুম্বইয়ের এই ধরপাকড় নতুন করে রাজনৈতিক চর্চা শুরু করেছে।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
কলকাতা

মহালয়ার অনুষ্ঠানে ইডেনে তারকাদের ঢল! লাল শাড়িতে ইমন, মঞ্চে তসলিমা—আর কী ছিল বিশেষ?

মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করল রাজ্য সরকার। চোখধাঁধানো আলোর খেলা, গান, নাচ এবং ড্রোনের প্রদর্শনীতে জমে উঠল দুর্গার আগমনী। আকাশে ড্রোনের সাহায্যে ফুটিয়ে তোলা হল দুর্গার মূর্তি, দেখা গেল পদ্মের ছবিও। একের পর এক শিল্পীর পরিবেশনায় উৎসবের মেজাজে মাতল কলকাতা। অনুষ্ঠানে গান গাইলেন শান, লগ্নজিতা চক্রবর্তী, কৌশিকী চক্রবর্তী এবং অন্তরা মিত্র। সুরের দায়িত্বে ছিলেন শান্তনু মৈত্র ও তাঁর দল। যন্ত্রসঙ্গীতে ছিলেন দেবর্ষি ভট্টাচার্য-সহ অন্য শিল্পীরা। ঢাকের বোল, আদিবাসী নাচ এবং বাংলার নানা প্রান্তের লোকসংস্কৃতির পরিবেশনায় শুরু থেকেই তৈরি হয় উৎসবের আবহ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জুন মালিয়া, স্বপন দাশগুপ্ত, সুখেন্দুশেখর রায়-সহ বহু পরিচিত মুখ। লাল শাড়িতে দেখা যায় শিল্পী ইমন চক্রবর্তীকে। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন তসলিমা নাসরিনও।রেড রোড থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করে ইডেন গার্ডেন্সে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত-সহ আরও অনেকে। শোভাযাত্রায় বাংলার বিভিন্ন জেলার লোকসংস্কৃতিও তুলে ধরা হয়। এরপর ইডেনে আলো ও শব্দের প্রদর্শনীর মাধ্যমে মহালয়া থেকে শুরু করে দশমীর সিঁদুরখেলা পর্যন্ত দুর্গোৎসবের নানা মুহূর্ত তুলে ধরা হয়। সবশেষে ড্রোনের প্রদর্শনীতে আকাশে ফুটে ওঠে দুর্গার অবয়ব ও পদ্মের ছবি। এ বারের দুর্গাপুজোর আগে মহালয়াকে ঘিরে রাজ্য সরকারের এই বিশেষ আয়োজন ঘিরে আগ্রহ ছিল যথেষ্ট। অনুষ্ঠানে গান, নাচ, আলোর খেলা এবং প্রযুক্তির মেলবন্ধন ছিল মূল আকর্ষণ। তবে ইডেনের এই বড় আয়োজনের জেরে শহরের যান চলাচলেও জারি করা হয়েছিল বিশেষ বিধিনিষেধ।কলকাতা ট্র্যাফিক পুলিশের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শনিবার ভোর চারটে থেকে বিকেল চারটে পর্যন্ত স্ট্র্যান্ড রোড এবং সেন্ট জর্জেস গেট রোডের নির্দিষ্ট অংশে পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। রাজা উডমন্ট স্ট্রিট ও হেস্টিংস ক্রসিংয়ের মধ্যবর্তী অংশেও জারি ছিল নিষেধাজ্ঞা। মহালয়ার অনুষ্ঠান ঘিরে শহরের একাধিক রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থাও করা হয়।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আটক মমতা, এ বার কি সুপ্রিম কোর্টের পথে বিরোধীরা?

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে বিক্ষোভ করতে গিয়ে আটক হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে আটক করা হয় তৃণমূলের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন, দোলা সেন-সহ দলের আরও কয়েক জন নেতাকে। পুলিশের এই পদক্ষেপের প্রতিবাদে থানায় বসে অবস্থান করেন মমতা। প্রিজন ভ্যানে ওঠার সময় তাঁকে দোলা সেন-সহ অন্যদের সঙ্গে উই শ্যাল ওভারকাম গান গাইতেও শোনা যায়। প্রাথমিক খবর অনুযায়ী, শনিবার রাতেই কলকাতায় ফেরার কথা ছিল মমতার। রাত নটার বিমানের টিকিট থাকলেও তিনি সেই বিমান বাতিল করেছেন বলে সূত্রের দাবি। দিল্লিতে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্তের নেপথ্যে সোমবারের কর্মসূচি রয়েছে কি না, তা নিয়েই শুরু হয়েছে জল্পনা। সূত্রের খবর, রাহুল গান্ধীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন মমতা। সোমবার বিরোধী জোটের কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে সুপ্রিম কোর্ট অভিযানের পরিকল্পনা এবং প্রধান বিচারপতির হাতে স্মারকলিপি তুলে দেওয়ার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও স্পষ্ট নয়। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার দিল্লিতে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়ে ওই কর্মসূচিতে যোগ দিতে চেয়েছিলেন বিরোধী নেতারা। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অরবিন্দ কেজরীওয়াল, পিনারাই বিজয়ন-সহ একাধিক নেতা। দিল্লি পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভকারীদের আটক করে। পুলিশের দাবি, কর্মসূচির অনুমতি ও নিরাপত্তা নিয়ে সমস্যা ছিল। অন্য দিকে, বিরোধীদের অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে যোগ দিতে গিয়েও তাঁদের আটক করা হয়েছে। মমতাকে আটকের ঘটনায় সরব হয়েছেন তৃণমূলের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন। সাধারণ মানুষের মতো রাস্তায় ঘুরিয়ে নেত্রীকে কেন নিয়ে যাওয়া হল, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। বিরোধী জোটের তরফে এর আগে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এ বার সোমবারের কর্মসূচিতে কী পদক্ষেপ করা হয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। মমতা দিল্লিতে থেকে গেলে এবং বিরোধী নেতাদের সঙ্গে পরবর্তী কর্মসূচিতে যোগ দিলে জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে আন্দোলন আরও কোন দিকে গড়ায়, তা স্পষ্ট হবে আগামী দিনে।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
দেশ

রবিবারের মধ্যে আটক নেতাদের মুক্তি না দিলে অনশন! সিজেপির আন্দোলন ঘিরে ফের বার্তা সোনমের

ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন ঘিরে দিল্লিতে একের পর এক নেতাকে আটক করার ঘটনায় এ বার সরব হলেন সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক। আটক ব্যক্তিদের রবিবারের মধ্যে মুক্তি না দিলে অনশন শুরু করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। প্রয়োজনে পদযাত্রাও করবেন বলে জানিয়েছেন সোনম। তাঁর এই বার্তাকে ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। শনিবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়েও আপত্তি রয়েছে আন্দোলনকারীদের। এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে-সহ একাধিক নেতা এবং বিক্ষোভকারীদের আটক করার খবর সামনে আসে। তাঁদের মধ্যে বিরোধী দলের কয়েক জন শীর্ষ নেতাও ছিলেন বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সমাজমাধ্যমে ভিডিয়োবার্তা প্রকাশ করেন সোনম। তিনি জানান, আন্দোলনের আগে শান্তি ও ঐক্য বজায় রাখার আবেদন জানিয়েছিলেন। কিন্তু এত জন নেতা-নেত্রী বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার পর তাঁদের আটক করা হয়েছে জানতে পেরে তিনি উদ্বিগ্ন। সোনমের আশা, আটক ব্যক্তিদের দ্রুত মুক্তি দেওয়া হবে। তা না হলে রবিবারের মধ্যে অনশন শুরু করার কথা ভাববেন তিনি। প্রয়োজনে পদযাত্রার পথেও হাঁটতে পারেন বলে জানিয়েছেন সমাজকর্মী। সোনমের বক্তব্য, বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রে এ ভাবে পরিস্থিতি তৈরি হওয়া উদ্বেগজনক। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার রক্ষা করা প্রয়োজন বলেও তাঁর বার্তায় উঠে এসেছে। তবে এ দিনের বিক্ষোভে তিনি নিজে যোগ দেননি। লাদাখে হিমবাহ সংক্রান্ত কাজের ব্যস্ততার কথা জানিয়ে তিনি কর্মসূচি থেকে দূরে ছিলেন, যদিও আটক আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের মুক্তির দাবি তুলেছেন। গত জুলাই মাসেও ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন সোনম ওয়াংচুক। সেই সময় পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষা ব্যবস্থায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে আন্দোলন হয়। দীর্ঘ বিক্ষোভের পর তৎকালীন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন এবং আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন। এ বার নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ঘিরে ফের উত্তপ্ত রাজধানী। আটক ব্যক্তিদের মুক্তি না দিলে সোনমের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, এখন সেদিকেই নজর।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
দেশ

ভোটে হার, তার পরেই অরাজকতা? বিরোধীদের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ বিজেপি সভাপতি নিতিন নবীনের

দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ ঘিরে বিরোধীদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। রাহুল গান্ধী, অরবিন্দ কেজরীওয়াল এবং ককরোচ জনতা পার্টিকে নিশানা করে তাঁর অভিযোগ, ভোটে হেরে বিরোধীরা দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছেন। শুধু তা-ই নয়, বিরোধীদের আন্দোলনের পিছনে বিদেশি শক্তির মদত রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। তবে এই অভিযোগের সমর্থনে প্রকাশ্যে কোনও প্রমাণ দেননি নিতিন। শনিবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে নিতিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে দেশের উন্নতি বিরোধীরা মেনে নিতে পারছেন না। সেই কারণেই তাঁরা দেশে অশান্ত পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ বিজেপি সভাপতির। তাঁর বক্তব্য, বিরোধীদের দুটি গোষ্ঠী রয়েছে। এক দিকে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোট, অন্য দিকে অরবিন্দ কেজরীওয়ালের সহযোগীদের সঙ্গে যুক্ত ককরোচ জনতা পার্টি। এই দুই গোষ্ঠীই দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার চেষ্টা করছে বলে দাবি করেন তিনি। নিতিনের অভিযোগ, বিরোধীদের মধ্যে যেন প্রতিযোগিতা চলছেকে বেশি অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। তাঁর দাবি, ভোটে জনসমর্থন না পেয়ে বিরোধীরা মানুষের রায় মেনে নেওয়ার বদলে দেশে অশান্তি ছড়ানোর পথে হাঁটছেন। বিদেশি শক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়ে দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। যদিও কোন বিদেশি শক্তির কথা বলছেন, তা স্পষ্ট করেননি বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। বিরোধীদের সতর্ক করে নিতিন বলেন, এ ধরনের চেষ্টা সফল হবে না। তাঁর বক্তব্য, ভারতীয় জনতা পার্টি এবং দেশের মানুষ এই ধরনের পদক্ষেপের জবাব দেবেন। দেশে উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা হলে সরকার কঠোর হাতে পরিস্থিতির মোকাবিলা করবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। বিজেপি কর্মীরাও মানুষের মধ্যে থেকে বিরোধীদের এই চেষ্টা ব্যর্থ করবেন বলে দাবি করেন নিতিন।মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়ে এই আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়। কর্মসূচি ঘিরে দিল্লিতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয় এবং বহু আন্দোলনকারীকে আটক করে পুলিশ। সেই পরিস্থিতিতেই বিরোধীদের বিরুদ্ধে নিতিন নবীনের এই আক্রমণ রাজনৈতিক সংঘাতকে আরও বাড়িয়ে দিল।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
দেশ

'ভোটচুরি’ বলে গণতন্ত্রকে প্রশ্নের মুখে ঠেলা হচ্ছে? বিরোধীদের নিশানা করে খোলা চিঠি ১২৪ প্রাক্তন আমলার

দেশের নির্বাচন ব্যবস্থায় কারচুপি ও ভোটচুরির অভিযোগ তুলে সরব বিরোধী শিবির। এই পরিস্থিতিতে ১২৪ জন প্রাক্তন আমলা খোলা চিঠি লিখে অভিযোগের প্রমাণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের মধ্যে প্রাক্তন আইএএস, আইএফএস এবং আইআরএস আধিকারিকেরা রয়েছেন। চিঠিতে নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, ভোটার তালিকা এবং বিহারের নির্বাচন নিয়ে তাঁদের বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।প্রাক্তন আমলাদের বক্তব্য, বারবার ভোটচুরি বা কারচুপির নির্বাচন শব্দ ব্যবহার করে দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করানো হচ্ছে। তাঁদের দাবি, অতীতে নির্বাচনে কারচুপির যে ছবি দেখা গিয়েছিল, তার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনা করা প্রয়োজন।চিঠিতে তাঁরা অতীতের নির্বাচনে ব্যালট বাক্স লুট, পেশিশক্তির ব্যবহার এবং বুথ দখলের প্রসঙ্গও তুলে ধরেছেন। তাঁদের মতে, এক সময় বুথ দখল এতটাই সাধারণ ঘটনা হয়ে উঠেছিল যে তা বন্ধ করতে আইন করে এই কাজকে অপরাধ ঘোষণা করতে হয়েছিল।বিরোধীদের উদ্দেশে প্রাক্তন আমলাদের প্রশ্ন, ভোটার তালিকায় অস্বচ্ছতা থাকলে তার সুবিধা সাধারণ ভোটারের নয়, বরং অসাধু ব্যক্তিদের হয়। একই নির্বাচন ব্যবস্থায় জিতলে নির্বাচন সুষ্ঠু, আর হারলে ভোটচুরি হয়েছে বলে অভিযোগ করা কতটা যুক্তিসঙ্গত, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তাঁরা।চিঠিতে প্রাক্তন আধিকারিকেরা লিখেছেন, বিরোধীদের নিজেদেরই ভেবে দেখা উচিত, তাঁদের আপত্তি নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে, নাকি নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে। বিহারে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআরের পক্ষেও সওয়াল করেছেন তাঁরা। তাঁদের দাবি, বিহারে এ বার অত্যন্ত স্বচ্ছ নির্বাচন হয়েছে।চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন বিদেশসচিব কানওয়াল সিব্বাল এবং প্রাক্তন আইএএস আধিকারিক আর ডি কাপুর, সমীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, গোপালকৃষ্ণ, বিবেক ভরদ্বাজ ও নবনীত সেহগাল। তাঁদের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা জরুরি। চিঠিতে কমিশনের সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে নেওয়া হয় বলেও দাবি করেছেন তাঁরা।নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই এই খোলা চিঠি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে চিঠিতে প্রাক্তন আমলাদের বক্তব্য এবং বিরোধীদের অভিযোগদুইয়েরই মূল্যায়ন করতে হলে সংশ্লিষ্ট দাবির পক্ষে থাকা প্রমাণ ও তথ্য খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপুজোয় চূড়ান্ত প্রস্তুত শিয়ালদহ ডিভিশন, বিশেষ পরিকল্পনা রেলের , বিস্তারিত জানুন

দুর্গাপুজো ২০২৬ উপলক্ষে যাত্রীদের বিপুল ভিড়ের সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে শিয়ালদহ ডিভিশনের উদ্যোগে রাজ্য পুলিশ, কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ এবং গভর্নমেন্ট রেলওয়ে পুলিশ (GRP)-এর পদস্থ আধিকারিকদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের সমন্বয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উৎসবের দিনগুলিতে কার্যকরভাবে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, যাত্রীদের নিরাপত্তা এবং স্টেশন ও সংলগ্ন এলাকায় যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক রাখার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়।বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন রাজীব সাক্সেনা, ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার (DRM), শিয়ালদহ ডিভিশন। সম্ভাব্য অতিরিক্ত যাত্রীসমাগম সামাল দিতে এবং স্টেশন ও আশপাশের এলাকায় নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সমস্ত বিভাগের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।যাত্রীদের প্রবেশ ও প্রস্থানের পরিকল্পনা, নির্দিষ্ট হোল্ডিং এরিয়া এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণের কার্যকর ব্যবস্থা পর্যালোচনা করা হয়। অতিরিক্ত ভিড় এড়াতে এবং যাত্রী চলাচল মসৃণ রাখতে প্ল্যাটফর্মগুলিতে যথাযথ পৃথকীকরণ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিতে পর্যাপ্ত রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স (RPF) কর্মী মোতায়েন নিয়েও আলোচনা হয়।অতিরিক্ত নিরাপত্তাকর্মীর প্রয়োজন মেটাতে ২৭০ জন প্রাক্তন সেনাকর্মীর পরিষেবা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, রেলওয়ে প্রোটেকশন স্পেশাল ফোর্স (RPSF)-এর অতিরিক্ত বাহিনীও মোতায়েন করা হবে। অতিরিক্ত যানবাহনের চাপের সম্ভাবনা রয়েছে এমন লেভেল ক্রসিং গেটগুলিতে পর্যাপ্ত RPF কর্মী মোতায়েন করা হবে। এই ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে রাজ্য ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় বজায় রাখা হবে।গুরুত্বপূর্ণ স্থানের ফুট ওভার ব্রিজগুলিতেও RPF কর্মীদের পাশাপাশি স্কাউটস অ্যান্ড গাইডস, সিভিল ডিফেন্স এবং সেন্ট জন অ্যাম্বুল্যান্সের স্বেচ্ছাসেবকদের মোতায়েন করা হবে। তাঁরা যাত্রীদের সহায়তা করবেন এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবেন। যেসব স্টেশনে যাত্রীসমাগম বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, সেখানে চিকিৎসা সহায়তা বুথ ও অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা রাখা হবে, যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে যাত্রীরা দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা পান।সার্বিক পরিস্থিতির ওপর নজরদারি এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সমগ্র ডিভিশনকে বিভিন্ন স্টেশনগুচ্ছের ভিত্তিতে ১১টি নোডাল পয়েন্টে ভাগ করা হয়েছে। পাশাপাশি, ডিভিশনের সমস্ত স্টেশনের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য একটি কেন্দ্রীয় ওয়ার রুম চালু রাখা হবে। জরুরি পরিস্থিতিতে বা তাৎক্ষণিক সহায়তার প্রয়োজনে যাত্রী ও সংশ্লিষ্ট কর্মীরা শিয়ালদহ ডিভিশনের ওয়ার রুমের ৯১৪৭৯০৬৭৭৮ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারবেন।সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলিকে নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে, যাতে সমস্ত অটোমেটিক টিকিট ভেন্ডিং মেশিন (ATVM) এবং মোবাইল UTS পরিষেবা সচল থাকে। প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত টিকিট বুকিং কাউন্টারও চালু করা হবে। উৎসবের সময় যাত্রীদের সুবিধা নিশ্চিত করতে সমস্ত নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ব্যবস্থার বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হবে।সিগন্যাল অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন (ST), TRD, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং TRS বিভাগের মোবাইল রক্ষণাবেক্ষণ দলগুলি ১৬:০০ থেকে ২৪:০০ ঘণ্টা পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিতে প্রস্তুত থাকবে। এর ফলে যন্ত্রপাতির ত্রুটি বা রেল চলাচল সংক্রান্ত সমস্যার দ্রুত সমাধান করা সম্ভব হবে এবং যাত্রীদের অসুবিধা কমবে।উৎসবের সময় সম্ভাব্য ভিড় ও যানজট এড়াতে ১৫ থেকে ২১ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত শিয়ালদহ স্টেশনের পার্কিং এলাকা বন্ধ থাকবে। যাত্রী ও দর্শনার্থীদের কাছে অনুরোধ, এই সময়ে গাড়ি শুধুমাত্র যাত্রী ওঠানো-নামানোর (ড্রপ-অফ ও পিক-আপ) কাজে ব্যবহার করুন এবং গাড়ি পার্ক করা থেকে বিরত থাকুন। এর ফলে স্টেশনের আশপাশে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সুবিধা হবে। এছাড়াও, ১৫ থেকে ২১ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত শিয়ালদহ স্টেশনের ডিজিটাল লকার পরিষেবা বন্ধ থাকবে। যাত্রীদের এই সময়ের কথা মাথায় রেখে আগে থেকেই প্রয়োজনীয় বিকল্প ব্যবস্থা করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছেরাজীব সাক্সেনা বলেন, দুর্গাপুজোর সময় প্রত্যেক যাত্রীর নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করাই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। কার্যকর ভিড় নিয়ন্ত্রণ, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আমরা পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সমস্ত বিভাগের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করছি। উৎসবের সময় যাত্রীরা যাতে নিরাপদ, মসৃণ ও নির্বিঘ্ন রেলযাত্রার অভিজ্ঞতা পান, তা নিশ্চিত করতে সমস্ত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা আগেভাগেই সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।দুর্গাপুজো ২০২৬ উপলক্ষে সমন্বিত পরিকল্পনা, উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা, চিকিৎসা পরিষেবার প্রস্তুতি এবং কার্যকর রেল পরিচালনার মাধ্যমে নিরাপদ, দক্ষ ও যাত্রীবান্ধব রেল পরিষেবা নিশ্চিত করতে শিয়ালদহ ডিভিশন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অক্টোবর ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal