• ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩, সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Candidate List

রাজ্য

দুর্নীতির অভিযোগে জড়িত কারা পেল টিকিট, কারা বাদ, তালিকায় চমক

রেশন দুর্নীতি হোক বা নিয়োগ দুর্নীতি, একাধিক মামলায় নাম জড়িয়েছিল রাজ্যের শাসক দলের অনেক নেতার। সেই সব অভিযোগে কেউ জেলে গিয়েছেন, কেউ এখনও আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন। প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর দেখা গেল, এইসব নেতাদের মধ্যে কেউ টিকিট পেয়েছেন, আবার কেউ বাদ পড়েছেন। ফলে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। দীর্ঘদিন জেলে থাকার পর বর্তমানে তিনি জামিনে মুক্ত। শুরুতে মনে করা হচ্ছিল, তিনি বেহালা পশ্চিম কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হতে পারেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেখানে প্রার্থী করা হয়েছে রত্না চট্টোপাধ্যায়কে।একই মামলায় অভিযুক্ত মানিক ভট্টাচার্য, যিনি পলাশিপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক, তাকেও এবার টিকিট দেওয়া হয়নি। তার জায়গায় প্রার্থী হয়েছেন রুকবানুর রহমান। মুর্শিদাবাদের বড়ঞা কেন্দ্রে নতুন মুখ হিসেবে সামনে এসেছেন প্রতিমা রজক। তিনি আগে কংগ্রেসের বিধায়ক ছিলেন এবং কিছুদিন আগে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। ওই কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা বর্তমানে নিয়োগ মামলায় জেলে রয়েছেন।অন্যদিকে দেগঙ্গা কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে আনিসুর রহমানকে। রেশন দুর্নীতি মামলায় তার নাম জড়িয়েছিল এবং তিনি জেলও খেটেছেন। তবুও তাকে প্রার্থী করেছে দল। একইভাবে হাবড়া কেন্দ্র থেকে আবার প্রার্থী হয়েছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তিনিও একই মামলায় দীর্ঘদিন জেলে ছিলেন এবং বর্তমানে জামিনে মুক্ত।সব মিলিয়ে দেখা যাচ্ছে, দুর্নীতির অভিযোগে নাম জড়ালেও অনেক ক্ষেত্রে দল প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আবার কিছু ক্ষেত্রে নতুন মুখকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত কতটা প্রভাব ফেলবে ভোটে, তা নিয়েই এখন জোর চর্চা চলছে।

মার্চ ১৭, ২০২৬
রাজ্য

দ্বিতীয় বিয়ের বিতর্কেই কি কাটা পড়ল টিকিট, হিরণকে সরিয়ে চমক বিজেপির

খড়গপুরে বিজেপির প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পরই নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। একসময় এই কেন্দ্রের বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে নানা বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। কয়েক মাস আগে তার দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে অভিযোগ ওঠে। তার প্রথম পক্ষের স্ত্রী এবং মেয়ে থানায় লিখিত অভিযোগও দায়ের করেন। অভিযোগ ছিল, ডিভোর্স না দিয়েই তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। সেই ঘটনার পর থেকেই তার প্রার্থী হওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই সোমবার বিজেপির প্রার্থী তালিকা প্রকাশিত হয়। সেই তালিকায় হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের নাম না থাকায় জল্পনা আরও বেড়ে যায়। তার বদলে খড়গপুর সদর কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে দিলীপ ঘোষকে। ফলে অনেকেই মনে করছেন, এই বিতর্কের প্রভাবই পড়েছে তার রাজনৈতিক ভবিষ্যতের উপর।এই বিষয়ে দিলীপ ঘোষকে প্রশ্ন করা হলে তিনি স্পষ্টভাবে জানান, কে কাকে বিয়ে করছেন, তা নিয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চান না। এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকেই জিজ্ঞেস করতে বলেন তিনি।মঙ্গলবার সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ ঘোষ আরও জানান, আগের নির্বাচনে হিরণ অন্য একটি কেন্দ্র থেকে লড়েছিলেন। তাই দল চাইলে তাকে অন্যত্র প্রার্থী করতেই পারে। তিনি বলেন, দলের সিদ্ধান্তের উপর ভরসা রাখা উচিত এবং দলের নেতৃত্বই ঠিক করবে কে কোথা থেকে লড়বেন।তিনি আরও বলেন, রাজনীতিতে ওঠানামা থাকেই। অনেক সময় অভিজ্ঞ নেতারাও কিছুদিন সুযোগ পান না, আবার পরে তাদের গুরুত্ব দেওয়া হয়। তাই দল এবং তার আদর্শের উপর আস্থা রাখা প্রয়োজন।উল্লেখযোগ্যভাবে, দুই হাজার ষোল সালে খড়গপুর সদর কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী ছিলেন দিলীপ ঘোষ। পরে তাকে সরিয়ে ওই কেন্দ্রে হিরণকে প্রার্থী করা হয়েছিল এবং তিনি জয়ী হন। তবে এবার আবার সেই পুরনো কেন্দ্রে ফিরেছেন দিলীপ ঘোষ।তিনি জানান, খড়গপুরে গত কয়েকটি নির্বাচনে বিজেপি ভালো ফল করেছে এবং এইবারও তারা আরও বেশি ভোটে জয়ের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে। তার দাবি, কর্মীরা ইতিমধ্যেই লক্ষ্য স্থির করেছেন, এই কেন্দ্রে এক লক্ষ ভোট পাওয়ার চেষ্টা করা হবে। খুব শীঘ্রই তিনি পুরোদমে প্রচার শুরু করবেন বলেও জানিয়েছেন।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে খড়গপুরে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। হিরণের ভবিষ্যৎ কী হবে এবং দিলীপ ঘোষের প্রার্থিতা কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়েই এখন জোর আলোচনা চলছে।

মার্চ ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কারা থাকছেন আর কারা বাদ, তৃণমূলের তালিকা ঘিরে চরম জল্পনা

মঙ্গলবার তৃণমূল কংগ্রেস তাদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে চলেছে বলে জোর জল্পনা চলছে। সূত্রের খবর, এদিনই রাজ্যের সমস্ত বিধানসভা আসনের জন্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করতে পারেন দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তালিকায় একাধিক চমক থাকতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। নতুন মুখ যেমন জায়গা পেতে পারেন, তেমনই বেশ কিছু পুরনো নাম বাদ পড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।দলীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, নতুন প্রার্থী হিসেবে কয়েকটি পরিচিত নাম উঠে আসতে পারে। পাশাপাশি তারকা প্রার্থী হিসেবেও কিছু নাম শোনা যাচ্ছে। সংগীত ও অভিনয় জগতের কয়েকজন পরিচিত মুখকেও প্রার্থী করা হতে পারে বলে আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে তরুণ প্রজন্মকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। কয়েকজন বর্তমান প্রার্থীর কেন্দ্র বদলও হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।অন্যদিকে, কিছু বিদায়ী বিধায়কের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়তে পারে বলে জল্পনা। বেহালা পশ্চিম কেন্দ্র থেকে বর্তমান বিধায়কের টিকিট পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ওই কেন্দ্রে অন্য কাউকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে খবর। একই সঙ্গে সোনারপুর কেন্দ্র নিয়েও জল্পনা চলছে। বর্তমান বিধায়ককে টিকিট দেওয়া হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।বারাসত কেন্দ্রেও পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। সেখানে নতুন মুখকে সুযোগ দেওয়া হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। সব মিলিয়ে এদিন বিকেলের মধ্যেই পুরো ছবিটা স্পষ্ট হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কারা পাচ্ছেন তৃণমূলের টিকিট? সামনে এল সম্ভাব্য প্রার্থীদের চমকপ্রদ তালিকা

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। যে কোনও মুহূর্তে নির্বাচন কমিশন ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করতে পারে। তার আগেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা নিয়ে জোর আলোচনা। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এবার বেশ কিছু নতুন ও তরুণ মুখকে টিকিট দেওয়া হতে পারে বলে জোর জল্পনা চলছে।দলের অন্দরে শোনা যাচ্ছে কয়েকটি নাম নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। নতুন মুখদের মধ্যে প্রথমেই উঠে আসছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যের নাম। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ছাত্র ও যুব সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত।তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রাক্তন সভাপতি জয়া দত্তের নামও আলোচনায় রয়েছে। বর্তমানে তিনি অশোকনগরের কাউন্সিলর। যদিও অতীতে ছাত্র সংগঠনের ভর্তিকে কেন্দ্র করে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় তাঁর নাম নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এবং সেই সময় তাঁকে সংগঠনের সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।প্রাক্তন সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামও সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় ঘুরছে। সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তিনি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। বিভিন্ন আন্দোলন এবং কর্মসূচিতে তাঁকে সক্রিয়ভাবে দেখা গেছে।আরেক রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলামের নামও আলোচনায় রয়েছে। তিনি সম্প্রতি সংসদে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের সমস্যা নিয়ে সরব হয়েছিলেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, তাঁকে বীরভূম জেলার কোনও একটি আসন থেকে প্রার্থী করা হতে পারে।দলের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে কয়েকজন মুখপাত্রের নামও ঘুরছে। সেই তালিকায় রয়েছেন কুণাল ঘোষ, অরূপ চক্রবর্তী এবং তন্ময় ঘোষ। আগের উপনির্বাচনের সময় কুণাল ঘোষকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে জল্পনা হয়েছিল। এবার বিধানসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে আবার আলোচনা শুরু হয়েছে।সম্প্রতি সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া প্রতীকূর রহমানের নামও সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় রয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। তাঁর পাশাপাশি নতুন মুখ হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন আন্তর্জাতিক ক্রীড়াবিদ স্বপ্না বর্মন। তিনি এশিয়ান গেমসে সোনা জিতে ইতিহাস গড়েছিলেন এবং কিছুদিন আগেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।দলের তরুণ নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্যের নামও ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে। আগের বিধানসভা নির্বাচনে প্রচারে তাঁকে সক্রিয়ভাবে দেখা গিয়েছিল। পরে লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করা হয়েছিল তমলুক থেকে। যদিও সেই নির্বাচনে তিনি জয় পাননি।এ ছাড়াও আরও কিছু নতুন নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। শোনা যাচ্ছে এন্টালির বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহার ছেলে সন্দীপন সাহা প্রার্থী হতে পারেন। তিনি বর্তমানে কলকাতা পুরসভার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন এবং জোকা ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন ছাত্র।রাজনৈতিক মহলে আরও আলোচনা চলছে সাংবাদিক দেবদীপ পুরোহিতের নাম নিয়েও। তাঁকে খড়দা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে জল্পনা। বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা শুভাশিস চক্রবর্তীর নামও শোনা যাচ্ছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার একটি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে।এছাড়াও তারকাখচিত তালিকায় গায়িকা ইমন চক্রবর্তীর নামও উঠে আসছে। উত্তরপাড়া কেন্দ্র থেকে তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে আলোচনা চলছে। যদিও অতীতেও এমন জল্পনা হয়েছিল, কিন্তু তিনি সেই সময় প্রার্থী হননি।অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের নামও সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় ঘুরছে। বিনোদন জগতের পরিচিত এই মুখকে প্রার্থী করলে ভোটের প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।এই সব নাম নিয়ে জোর আলোচনা চললেও তৃণমূলের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা এখনও প্রকাশ হয়নি। ভোট ঘোষণার পরেই দল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোট ঘোষণার আগেই বড় চমক! দেড়শো আসনে প্রার্থী প্রায় ঠিক করে ফেলল বিজেপি

রাজ্যে এখনও বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়নি। তবে তার আগেই রাজনৈতিক দলগুলি জোর প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। সূত্রের খবর, প্রায় দেড়শো আসনে প্রার্থী বাছাই প্রায় শেষ করে ফেলেছে বিজেপি। ভোটের দিন ঘোষণা হওয়ার পর প্রথম দফাতেই এই প্রার্থীদের নাম প্রকাশ করতে পারে পদ্মফুল শিবির।দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমান বিধায়কদের মধ্যেই বেশির ভাগকে আবার প্রার্থী করা হতে পারে। প্রায় সাতাশি থেকে আটাশি শতাংশ বর্তমান বিধায়ক এবারও টিকিট পেতে পারেন। বাকি কয়েকজন বিধায়ক শারীরিক অসুস্থতা ও বয়সজনিত কারণে আর প্রার্থী হতে চান না বলে দলকে জানিয়েছেন। সেই সংখ্যা মোটামুটি দশ থেকে বারো শতাংশের মধ্যে বলে জানা যাচ্ছে।দলের অন্দরমহলের খবর, যেসব আসনে বিজেপির সম্ভাবনা বেশি, সেখানে বর্তমান বিধায়কদেরই অগ্রাধিকার দেওয়া হতে পারে। তবে নতুন মুখও দেখা যেতে পারে প্রার্থী তালিকায়। বিশেষ করে কয়েকটি আসনে নতুন প্রার্থী নিয়ে চমক দিতে পারে দল।অন্য দিকে কলকাতা এবং তার আশপাশের এলাকায় প্রার্থী বাছাই এখনও পুরোপুরি চূড়ান্ত হয়নি বলে জানা গিয়েছে। এই অঞ্চলগুলিতে শুধু দলীয় পরিচিতি নয়, এলাকায় যাঁদের সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা বেশি এবং যাঁদের জনমানসে ভালো ভাবমূর্তি রয়েছে, এমন ব্যক্তিদের প্রার্থী করার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে গত দুদিন ধরে দিল্লিতে বৈঠক করেছেন বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।এর মধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা নিয়ে। সূত্রের খবর, আগামী ষোলো মার্চ পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হতে পারে। সেই সম্ভাবনাই ক্রমশ জোরাল হচ্ছে।জানা যাচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি তামিলনাড়ু, কেরল, অসম এবং পুদুচেরিতেও একই সঙ্গে নির্বাচনের দিন ঘোষণা করা হতে পারে। তবে বাংলায় ঠিক কত দফায় ভোট হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রাথমিক ভাবে এক থেকে তিন দফার মধ্যে ভোট হওয়ার সম্ভাবনার কথা শোনা যাচ্ছে। এর আগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারও সেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।অন্য দিকে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর ফলাফল ঘোষণাও খুব বেশি দেরি হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। সব কিছু ঠিক থাকলে এপ্রিল মাসেই ফল প্রকাশ হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

মার্চ ১৩, ২০২৬
রাজনীতি

মাঝরাতে খড়গপুরে বিজেপির চমক বিধায়ক হিরণ

খড়গপুর পুরসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিজেপি বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়। ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চলেছেন তিনি। হিরণকে সামনে রেখেই খড়্গপুর পুরসভা নির্বাচনে লড়ার সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য বিজেপি। গত বৃহস্পতিবার ভোটের যে কমিটি ঘোষণা করা হয় তাতে প্রচার কমিটির আহ্বায়ক করা হয় হিরণকে। ফলে জল্পনা চলতে থাকে, পুরসভা নির্বাচনে কি হিরণকে প্রার্থী করবে বিজেপি? সেই জল্পনাকেই সত্যি করে সোমবার গভীর রাতে বিজেপি যে তালিকা প্রকাশ করেছে তাতে হিরণকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।বিধায়ক হওয়ার পর থেকেই প্রেমবাজার-হিজলি এলাকায় থাকছেন হিরণ। নাম তুলেছেন ভোটার তালিকায়। এ বারে খড়গপুর পুরসভা নির্বাচনের প্রচার কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে তাঁকে। কয়েক দিন আগেই দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে দেখা করে এসেছিলেন তিনি। ওই ওয়ার্ডের দীর্ঘ দিনের তৃণমূলের নেতা জহর পাল এ বারেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ফলে সেয়ানে সেয়ানে টক্কর হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় নেতৃত্ব।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২২
কলকাতা

আসন্ন পুরভোটে পার্থ-সুব্রতর তালিকাকেই চূড়ান্ত ঘোষণা করলেন মমতা

আসন্ন পুর নির্বাচনে সুব্রত বক্সী এবং পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সই করা প্রার্থী তালিকাই চূড়ান্ত বলে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন। সমাজবাদী পার্টির সমর্থনে প্রচারে উত্তরপ্রদেশ রওনা হওয়ার আগে সোমবার কলকাতায় তিনি বলেন এই নিয়ে কোনও বিভ্রান্তি নেই। এইদিকে দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন সবাইকে প্রার্থী করা সম্ভব নয়। সব দিক বিচার করে দল যাকে প্রার্থী করেছে তার সমর্থনে দলের সব স্তরের কর্মীদের একজোট হয়ে প্রচারে নামার বার্তা দিয়েছেন তিন।শুক্রবার তৃণমূলের প্রার্থীতালিকা প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই দলের নীচুতলায় বেশ বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়ে। এর মূল কারণ ছিল দুটি তালিকা প্রকাশ হওয়ার ঘটনা। এদিন লখনউ রওয়ানা দেওয়ার আগে কলকাতা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সামনে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও দলের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি সুব্রত বক্সির সই করা যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে সেই তালিকাই চূড়ান্ত। একইসঙ্গে এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ও এক সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়ে দেন, সবাইকে খুশি করা সম্ভব নয়, সবাইকে প্রার্থী করাও সম্ভব নয়। আর ক্ষোভ বিভ্রান্তি থাকা উচিত নয়। এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায় সাংবাদিক সম্মেলনে আরও জানান, এই ১০৮টি পুরসভা নির্বাচনে দলের হয়ে কোঅর্ডিনেটর করার জন্য দলনেত্রী জেলা ধরে ধরে কিছু নেতানেত্রীকে দায়িত্ব দিয়েছেন। তাঁরা জেলা কমিটি ও পুরসভাগুলিতে থাকা দলের কমিটির সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলবেন। এরপরেই পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানান, পুলক রায়কে হাওড়া, হুগলি ও পূর্ব বর্ধমান জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শুভাশিষ চক্রবর্তী ও অরূপ বিশ্বাস দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন। উত্তর ২৪ পরগনা জেলা দেখবেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, পার্থ ভৌমিক ও তিনি নিজে। ফিরহাদ হাকিম দেখবেন মালদা, মুর্শিদাবাদ ও উত্তর দিনাজপুর জেলা। সুব্রত বক্সি দেখবেন কোচবিহার ও পূর্ব মেদিনীপুর এই দুই জেলা। ঝাড়গ্রাম দেখবেন তিনি নিজে। দার্জিলিং জেলার দায়িত্বে থাকছেন গৌতম দেব। শশী পাঁজা দেখবেন দক্ষিণ দিনাজপুর। চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য দেখবেন আলিপুরদুয়ার জেলা। জলপাইগুড়ি দেখবেন সৌরভ চক্রবর্তী। নদিয়া দেখবেন সুখেন্দু শেখর রায়, ব্রাত্য বসু ও তিনি নিজে। পশ্চিম মেদিনীপুর দেখবেন মানস ভুঁইয়া ও অজিত মাইতি। মলয় ঘটক দেখবেন পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়া জেলা। লক্ষ্যণীয় বিষয় বীরভূমের ক্ষেত্রে কিন্তু কোনও কো-অর্ডিনেটর এদিন নিয়োগ করার কথা জানানো হয়নি। অর্থাৎ সেখানে অনুব্রত মণ্ডলের হাতেই সব কিছু ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২২
রাজনীতি

প্রার্থী বদল নিয়ে তুমুল হট্টগোল তৃণমূলে, এলাকায় এলাকায় বিক্ষোভ

প্রার্থী বদল নিয়ে অসন্তোষের জেরে এলাকায় এলাকায় বিক্ষোভ অব্যাহত। শনিবার তা কার্যত ধর্মঘটের আকার নেয় কিছু জায়গায়। কামারহাটি পুরসভার ১ থেকে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী বদলের দাবিতে রবিবার কারখানা বন্ধেরও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।১০৮টি পুরসভার (দার্জিলিং ছাড়া) নির্বাচনের জন্য তৃণমূলের প্রার্থিতালিকা প্রকাশ করা হয় শুক্রবার বিকেলে। পরিস্থিতি ঘোরালো হয় তার পরেই। তৃণমূলের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ এবং মিডিয়া গ্রুপে বিশদ প্রার্থিতালিকা প্রকাশিত হয়। তার পরেই রাজ্যের নানা জায়গা থেকে বিক্ষোভ, অবরোধ, প্রতিবাদের খবর আসতে থাকে। একাধিক নেতা, মন্ত্রী, সাংসদ-বিধায়ক তাঁদের অসন্তোষের কথা জানাতে থাকেন দলের উপরতলায়। এর পর রাতেই প্রার্থিতালিকা প্রকাশে বিভ্রান্তি স্বীকার করে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব জানায়, চূড়ান্ত তালিকা জেলা সভাপতিদের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাতেও রাজ্যজুড়ে কর্মীদের ক্ষোভ প্রশমিত হয়নি। শনিবার দিনভর তার রেশ দেখা গেল জেলায় জেলায়।হুগলিরও রিষড়া, চুঁচুড়া ও তারকেশ্বর পুরসভা এলাকায় তুমুল বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কর্মীরা। রিষড়ার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে ঝুম্পা দাস সরকারের নাম না থাকা নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারকেশ্বর পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর মহম্মদ নইমের পরিবর্তে প্রার্থী করা হয়েছে অমরেন্দ্রনাথ সাঁপুইকে। এর প্রতিবাদে পদ্মপুকুর এলাকায় রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান দলের কর্মীরা। পূর্ব বর্ধমান জেলার বিভিন্ন প্রান্তে প্রার্থী বদলের দাবি উঠছে জোড়াফুল শিবির থেকে। মেমারি পুরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী বদলের দাবিতে বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূল কর্মীদের একাংশ। বর্ধমান পুরসভাতেও কয়েকজন প্রার্থী বদল করার দাবি উঠেছে। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বর্ধমান রাজবাড়ির সামনে পথ অবরোধও করেন বিক্ষোভকারীরা।প্রার্থী পছন্দ না হওয়ায় ক্ষোভের আবহ বাঁকুড়াতেও। বাঁকুড়া-দুর্গাপুর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান দলীয় কর্মীদের একাংশ। প্রার্থী-ক্ষোভে শনিবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মেদিনীপুর শহরও। শহরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রাঙামাটি এলাকায় রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কর্মীদের একাংশ। পুরভোটে প্রার্থী হওয়ার জন্য ক্ষোভ-বিক্ষোভের পর্ব চলছে তৃণমূলে।দক্ষিণবঙ্গের মতো প্রার্থীতালিকা নিয়ে ক্ষোভের আঁচে ফুটছে উত্তরবঙ্গের তৃণমূল শিবিরও। উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুর পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী বদলের দাবিতে তৃণমূলের জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়ালের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কর্মীরা। ক্ষোভের আবহ ডালখোলা পুরসভার তৃণমূল শিবিরেও। সেখানে কয়েক জন প্রার্থী বদলের দাবি তুলে মিছিল করেন তৃণমূল কর্মীদের একাংশ। প্রার্থী বদলের দাবিতে কোচবিহার চার নম্বর ওয়ার্ডে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কর্মীদের একাংশ। কামেশ্বরী রোডে টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করেন বিক্ষোভকারীরা। ঘণ্টাখানেক অবরোধের ফলে যানজট তৈরি হয়। ঘটনাস্থলে কোচবিহার কোতোয়ালি থানার পুলিশ পৌঁছে অবরোধ তুলে দেয়।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২২
কলকাতা

পুরভোটের পরিবারতন্ত্র থেকেও সরে গেল তৃণমূল

কলকাতা পুরনিগমের নির্বাচন মিটেছে কিছুদিন আগেই। নির্বাচনে জয় প্রাপ্তি হলেও প্রার্থী তালিকায় পরিবারতন্ত্রকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল বলে সমালোচনার মুখে পড়তে হয় শাসক দলকে। এমনকী একই পরিবারের একাধিক সদস্যকে টিকিট দেওয়ার নজিরও দেখা যায়। আর এবার সেই নীতি থেকে সরে এল তৃণমূল।আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি ১০৮টি পুরসভার নির্বাচন ঘোষণা করা হয়েছে। তার আগে, শুক্রবারই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল তৃণমূল। দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, নতুনদের সুযোগ দিতে একই পরিবারের একাধিক সদস্যকে টিকিট দেয়নি তৃণমূল। শুধু তাই নয়, এবার কোনও বিধায়ককেও টিকিট দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে কলকাতা পুরনিগমের ভোটে টিকিট পেয়েছিলেন ফিরহাদ সহ একাধিক বিধায়ক।প্রসঙ্গত, বিধানসভা ভোটের পর তৃণমূল এক ব্যক্তি, এক পদ নীতির কথা ঘোষণা করলেও কলকাতা পুরভোটে দেখা যায় একাধিক মন্ত্রী ও বিধায়ক কাউন্সিলর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। যদিও প্রথমে ঠিক হয়েছিল, ফিরহাদ হাকিম-সহ মোট পাঁচ বিধায়ককে পুরভোটে টিকিট দেওয়া হবে না। কিন্তু শেষমুহূর্তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপে সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা যায়নি।পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কয়েকটি আসন বাদ দিয়ে ১০৮ টি পুরসভার সব আসনের প্রার্থীর তালিকা চূড়ান্ত করে ফেলেছে তৃণমূল। প্রায় তিন হাজার প্রার্থীর নাম বাছাই করা হয়েছে। পার্থ জানান, সুব্রত বক্সি, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, ফিরহাদ হাকিম-সহ দলের শীর্ষ নেতৃত্ব খতিয়ে দেখেই প্রার্থী তালিকা তৈরি করেছে। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও দীর্ঘ সময় ধরে এই তালিকা দেখেছেন। পাশাপাশি, প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা আইপ্যাকের সঙ্গেও তালিকা নিয়ে কথা হয়েছে বলে জানান পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তবে, সব শেষে তালিকা পাঠানো হয়েছিল তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। তিনিই চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছেন।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২২
কলকাতা

TMC Candidate List: বিধাননগর পুরভোটে প্রার্থী হচ্ছেন কৃষ্ণা-সব্যসাচী, মেয়র পদ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে

বিধাননগর পুরভোটে শেষ পর্যন্ত প্রার্থী হতে পারেন বিদায়ী মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী এবং প্রাক্তন মেয়র সব্যসাচী দত্ত। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিধাননগর-সহ শিলিগুড়ি, চন্দননগর ও আসানসোলের প্রার্থী তালিকা নিয়ে আলোচনা হয় দলের শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতিতে। সূত্রের খবর, সেই বৈঠকেই সব্যসাচী এবং কৃষ্ণার ফের প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়ে যায়। দমকল মন্ত্রী সুজিত বসুর পুত্র সমুদ্র বসুও বিধানগরের কোনও ওয়ার্ডে প্রার্থী হতে পারেন বলেও সূত্রের খবর।এ দিন কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলের অন্যান্য শীর্ষস্তরের নেতাদের বৈঠকের পরই প্রার্থীদের নাম চূড়ান্ত করা হয়। বৈঠক শেষে ফিরহাদ হাকিম সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলেও প্রার্থীদের নাম নিয়ে মুখ খোলেননি তিনি। পরে রাতে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হলে দেখা যায়, ৩১ নম্বর ওয়ার্ড থেকেই প্রার্থী করা হয়েছে সব্যসাচীকে। এই ওয়ার্ড থেকেই ২০১৫ তে জয়ী হয়েছিলেন তিনি।সব্যসাচীর টিকিট পাওয়া নিছক সময়ের অপেক্ষা ছিল বলেই দলের একটি অংশের মত। ২০১৫ সালে নতুন করে বিধাননগর পুরসভার তৈরি হওয়ার পর ওই বছর অক্টোবর মাসে তৃণমূলের হয়ে লড়ে ভোটে জিতে মেয়র হয়েছিলেন সব্যসাচী। কিন্তু ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের পর তৃণমূল-সব্যসাচী দূরত্ব তৈরি হলে মেয়র পদ থেকে ইস্তফা তিনি। পরে কলকাতা নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে অমিত শাহের হাত ধরে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপি-তে।বিধানসভা ভোটে বিধাননগর কেন্দ্র থেকে বিজেপি-র প্রার্থীও হন সব্যসাচী। কিন্তু পরাজিত হন তৃণমূল প্রার্থী সুজিত বসুর কাছে। চলতি বছর ৭ অক্টোবর বিধানসভায় তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের হাত ধরে যোগ দেন তৃণমূলে। এ বার সেই সব্যসাচী ফের তৃণমূলের প্রতীকে প্রার্থী হতে পারেন।আবার ২০১৫ সালে বিধাননগর পুরসভার ভোটে জয়ী হয়ে চেয়ারপার্সন হন কৃষ্ণা। সব্যসাচী মেয়র পদ ছাড়তে তাঁর ওপরেই আস্থা রেখেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আবারও তিনি বিধাননগর পুরভোটে প্রার্থী হচ্ছেন। তাই তাঁর মেয়র হওয়ার সম্ভাবনাও প্রবল। সব্যসাচী-কৃষ্ণার মধ্যে মেয়র হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে বিদায়ী মেয়রই।রাজারহাট নিউটাউটের বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্যায় এতদিন বিধাননগরের ডেপুটি মেয়র ছিলেন। কিন্তু এ বারের পুরভোটে তিনি প্রার্থী হবেন না বলেই খবর। বরং তাঁর কন্যাকে পুরভোটে তৃণমূলের প্রতীকে লড়াই করতে দেখা যেতে পারে।অন্যদিকে, শিলিগুড়ি পুরসভা ভোটে প্রার্থী প্রাক্তন মন্ত্রী গৌতম দেব। আবার আসানসোলের পুরভোটে প্রার্থী হবেন না প্রাক্তন মেয়র তথা বর্তমানে রানিগঞ্জের বিধায়ক তাপস বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রার্থী হবেন না বলে তিনি স্বয়ং দলকে জানিয়ে দেওয়ায় তাঁর নামও বিবেচিত হয়নি।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২১
কলকাতা

BJP Candidate list: পুরনোদের উপর ভরসা রাখলেও বিজেপি-র প্রার্থিতালিকায় রইল একঝাঁক তরুণ মুখও

জল্পনা সত্যি করে কলকাতা পুরভোটের প্রার্থিতালিকায় পুরনোদের উপরই ভরসা রাখল রাজ্য বিজেপি। পুরভোটের প্রার্থী করা হল মীনাদেবী পুরোহিত, সুনীতা ঝাওয়ারদের মতো দলের পুরনো কর্মীদের।২২ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী হয়েছেন মীনাদেবী। এই বার জিতলে টানা ছবার কাউন্সিলর হবেন তিনি। গত বিধানসভা নির্বাচনে জোড়াসাঁকো কেন্দ্রের প্রার্থী ছিলেন মীনাদেবী। একইভাবে ৪২ নম্বর ওয়ার্ড থেকে প্রার্থী হয়েছেন বিজেপি-র পাঁচ বারের কাউন্সিলর সুনীতা ঝাওয়ার। ১০২ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী করা হয়েছে ইন্দিরা গঙ্গোপাধ্যায়কে।তবে বিজেপি-র প্রার্থিতালিকায় সব চেয়ে নজরকাড়া নাম ৫০ নম্বর ওয়ার্ড। প্রার্থী সজল ঘোষ। গত বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল থেকে বিজেপি-তে গিয়েছিলেন তিনি। গত ১২ অগস্ট মুচিপাড়া থানা এলাকায় একটি গোলমালে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন সজল। এর পরই গেরুয়া রাজনীতিতে নতুন করে খ্যাত হয়ে যান তিনি।সজলকে প্রার্থী করলেও ১০২ নম্বর ওয়ার্ডে রিঙ্কু নস্করকে প্রার্থী করল না বিজেপি। বিধানসভা ভোটের আগে সিপিএম থেকে বিজেপি-তে আসেন তিনি। কলকাতা পুরভোটে যে প্রার্থিতালিকা প্রকাশ করছে বিজেপি, সেখানে তরুণ মুখ ৪৫, মহিলা ৫০। আইনজীবী রয়েছেন পাঁচ জন, চিকিৎসক তিন জন, শিক্ষক চার জন।প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর শমীক ভট্টাচার্য বলেন, আমাদের দলের কাজের একটা নির্দিষ্ট ধরন রয়েছে। কারও ব্যক্তিগত ইচ্ছা অনিচ্ছার উপর বিজেপির প্রার্থী তালিকা ঠিক হয় না। পার্টির ইচ্ছা, পার্টির ঐক্যমতই এখানে শেষ কথা। পার্টির সিদ্ধান্তই শেষ কথা। একই সঙ্গে বিজেপির প্রার্থী তালিকায় শহিদ পরিবারের সদস্যের নাম থাকতে পারে বলেও শোনা গিয়েছিল। এ ক্ষেত্রে কাঁকুরগাছির নিহত বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারের দাদা বিশ্বজিৎ সরকারের প্রার্থী হওয়ার কথাও শোনা গিয়েছিল।এ প্রসঙ্গে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, আমরা পরিবারতন্ত্রের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। তৃণমূল বা কংগ্রেসী ঘরানার রাজনীতির সঙ্গে বিজেপির এখানেই পার্থক্য। আর শহিদ পরিবারকে রাজনীতির প্রাঙ্গনে নিয়ে এসে সব জায়গায় ব্যবহার করতে নেই। নির্দিষ্ট বিশ্বাস আছে। সেই আঙ্গিকে তাঁরা কথা বলবেন। কিন্তু তাঁদের এনে সামগ্রিক রাজনৈতিক লাভের রাজনীতিতে আমরা বিশ্বাস করি না।

নভেম্বর ২৯, ২০২১
কলকাতা

TMC Candidate List: ১৪২টি ওয়ার্ডে প্রার্থী ঘোষণা তৃণমূলের, রইল পূর্ণাঙ্গ তালিকা

১৯ ডিসেম্বর কলকাতা পুরসভায় ভোট। শুক্রবারই কলকাতার ১৪৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৪২টি ওয়ার্ডে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে তৃণমূল। কালীঘাট থেকে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেন দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী এবং সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।বিদায়ী কাউন্সিলরদের মধ্যে ৩৫ জনের নাম বাদ গিয়েছে। সেখানে নতুন মুখ আনা হয়েছে। এ ছাড়াও চারজন কাউন্সিলর প্রয়াত হয়েছেন। সেই জায়গাতে স্বভাবতই নতুন প্রার্থী দিয়েছে দল। এই ৩৫ জনের মধ্যে উত্তর কলকাতা থেকে বাদ পড়েছে ১৭ জন কাউন্সিলরের নাম। দক্ষিণ কলকাতায় তালিকাটা ১৮ জনের নামের।একই সঙ্গে নিজের ওয়ার্ড ছেড়ে অন্য ওয়ার্ডে গিয়ে প্রার্থী হয়েছেন দেবব্রত মজুমদার, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়, সন্দীপন সাহা, ঘনশ্রী বাগ, নিজামুদ্দিন শামস, সুশান্ত ঘোষ (স্বরূপ), অরূপ চক্রবর্তী, স্বপন সমাদ্দার, মিতালী বন্দ্যোপাধ্যায়।কলকাতা পুরসভার নির্বাচনে কোন ওয়ার্ডে কে টিকিট পেলেন, তার তালিকা নিম্নরূপ প্রার্থী কোনও বিধানসভা কেন্দ্রের আওতাধীন১. কার্তিকচন্দ্র মান্না কাশীপুর বেলগাছিয়া২. কাকলি সেন কাশীপুর বেলগাছিয়া৩. দেবীকা চক্রবর্তী কাশীপুর বেলগাছিয়া৪.গৌতম হালদার কাশীপুর বেলগাছিয়া৫. তরুণ সাহা কাশীপুর বেলগাছিয়া৬. সুমন সিং কাশীপুর বেলগাছিয়া৭. বাপি ঘোষ শ্যামপুকুর৮. পূজা পাঁজা শ্যামপুকুর৯. মিতালি সাহা শ্যামপুকুর১০. সুব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শ্যামপুকুর১১. অতীন ঘোষ মানিকতলা১২. মীনাক্ষী গঙ্গোপাধ্যায় মানিকতলা১৩. অনিন্দ্যকিশোর রাউত মানিকতলা১৪. অমল চক্রবর্তী মানিকতলা১৫. শুক্লা ভোড় মানিকতলা১৬. স্বপন দাস মানিকতলা১৭. মোহনকুমার গুপ্ত শ্যামপুকুর১৮. সুনন্দা সরকার শ্যামপুকুর১৯. শিখা সাহা শ্যামপুকুর২০. বিজয় উপাধ্যায় শ্যামপুকুর২১. মীরা হাজরা শ্যামপুকুর২২. শ্যামপ্রকাশ পুরোহিত জোড়াসাঁকো২৩. সানোয়ারমল আগরওয়াল জোড়াসাঁকো২৪. ইলোরা সাহা জোড়াসাঁকো২৫. রাজেশ সিনহা জোড়াসাঁকো২৬. তারকনাথ চট্টোপাধ্যায় জোড়াসাঁকো২৭. মীনাক্ষী গুপ্তা জোড়াসাঁকো২৮. অয়ন চক্রবর্তী বেলেঘাটা২৯. ইকবাল আহমেদ বেলেঘাটা৩০. পাপিয়া ঘোষ বিশ্বাস বেলেঘাটা৩১. পরেশ পাল মানিকতলা৩২. শান্তিরঞ্জন কুণ্ডু মানিকতলা৩৩. চিনু বিশ্বাস বেলেঘাটা৩৪. অলোকনন্দা দাস বেলেঘাটা৩৫. আশুতোষ দাস বেলেঘাটা৩৬. ঘোষণা হয়নি বেলেঘাটা৩৭. সোমা চৌধুরী জোড়াসাঁকো৩৮. সাধনা বোস জোড়াসাঁকো৩৯. মহম্মদ জসিমুদ্দিন জোড়াসাঁকো৪০. সুপর্ণা দত্ত জোড়াসাঁকো৪১. রীতা চৌধুরী জোড়াসাঁকো৪২. মহেশ শর্মা জোড়াসাঁকো৪৩. সগুফতা পরভিন জোড়াসাঁকো৪৪. রেহানা খাতুন চৌরঙ্গী৪৫. শক্তিপ্রতাপ সিং চৌরঙ্গী৪৬. প্রিয়াঙ্কা সাহা চৌরঙ্গী৪৭. বিমল সিং চৌরঙ্গী৪৮. বিশ্বরূপ দে চৌরঙ্গী৪৯. মোনালিসা বন্দ্যোপাধ্যায় চৌরঙ্গী৫০. মৌসুমী দে চৌরঙ্গী৫১. ইন্দ্রনীল কুমার চৌরঙ্গী৫২. সোহিনী মুখোপাধ্যায় চৌরঙ্গী৫৩. ইন্দ্রানী সাহা বন্দ্যোপাধ্যায় চৌরঙ্গী৫৪. আমিরুদ্দিন ববি এন্টালি৫৫. সবিতারানি দাস এন্টালি৫৬. স্বপন সমাদ্দার এন্টালি৫৭. জীবন সাহা এন্টালি৫৮. সন্দীপন সাহা এন্টালি৫৯. জলি বোস এন্টালি৬০. মহম্মদ ইয়েজুজার রহমান বালিগঞ্জ৬১. মনজর ইকবাল বালিগঞ্জ৬২. সানা আহমেদ বালিগঞ্জ৬৩. সুস্মিতা ভট্টাচার্য বালিগঞ্জ৬৪. সাম্মি জাহান বালিগঞ্জ৬৫. নিবেদিতা শর্মা বালিগঞ্জ৬৬. ফৈয়জ আহমেদ খান কসবা৬৭. বিজনলাল মুখোপাধ্যায় কসবা৬৮. তনিমা চট্টোপাধ্যায় বালিগঞ্জ৬৯. দিলীপকুমার বোস বালিগঞ্জ৭০. অসীম বোস ভবানীপুর৭১. পাপিয়া সিং ভবানীপুর৭২. সন্দীপরঞ্জন বক্সি ভবানীপুর৭৩. কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর৭৪. দেবলীনা বিশ্বাস ভবানীপুর৭৫. নিজামুদ্দিন শামস কলকাতা পোর্ট৭৬. ষষ্ঠী দাস কলকাতা পোর্ট৭৭. শামিমা রেহান খান ভবানীপুর৭৮. সোমা দাস কলকাতা পোর্ট৭৯. রাম পেয়ারি রাম কলকাতা পোর্ট৮০. আনওয়ার খান কলকাতা পোর্ট৮১. জুঁই বিশ্বাস রাসবিহারী৮২. ফিরহাদ হাকিম ভবানীপুর৮৩. প্রবীর মুখোপাধ্যায় রাসবিহারী৮৪. পারমিতা চট্টোপাধ্যায় রাসবিহারী৮৫. দেবাশিস কুমার বালিগঞ্জ৮৬. সৌরভ বসু রাসবিহারী৮৭. মনীষা বোস সাউ রাসবিহারী৮৮. মালা রায় রাসবিহারী৮৯. মমতা মজুমদার রাসবিহারী৯০. চৈতালি চট্টোপাধ্যায় রাসবিহারী৯১. বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় কসবা৯২. অভিষেক মুখোপাধ্যায় কসবা৯৩. মৌসুমী দাস রাসবিহারী৯৪. সন্দীপ নন্দী মজুমদার টালিগঞ্জ৯৫. তপন দাশগুপ্ত টালিগঞ্জ৯৬. বসুন্ধরা গোস্বামী যাদবপুর৯৭. দেবব্রত মজুমদার টালিগঞ্জ৯৮. অরূপ চক্রবর্তী টালিগঞ্জ৯৯. মিতালী বন্দ্যোপাধ্যায় যাদবপুর১০০. প্রসেনজিৎ দাস টালিগঞ্জ১০১. বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত যাদবপুর১০২. সীমা ঘোষ যাদবপুর১০৩. সুকুমার দাস যাদবপুর১০৪. তারকেশ্বর চক্রবর্তী যাদবপুর১০৫. সুশীলা মণ্ডল যাদবপুর১০৬. অরিজিৎ দাসঠাকুর যাদবপুর১০৭. লিপিকা মান্না কসবা১০৮. সুশান্তকুমার ঘোষ কসবা১০৯. অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায় যাদবপুর১১০. স্বরাজকুমার মণ্ডল যাদবপুর১১১. সন্দীপ দাস টালিগঞ্জ১১২. গোপালচন্দ্র রায় টালিগঞ্জ১১৩. অনিতা কর মজুমদার টালিগঞ্জ১১৪. বিশ্বজিৎ মণ্ডল টালিগঞ্জ১১৫. রত্না শূর বেহালা পূর্ব১১৬. কৃষ্ণা সিং বেহালা পূর্ব১১৭. অমিত সিং বেহালা পূর্ব১১৮. তারক সিং বেহালা পশ্চিম১১৯. ঘোষণা হয়নি বেহালা পশ্চিম১২০. সুশান্ত ঘোষ বেহালা পূর্ব১২১. রূপক গঙ্গোপাধ্যায় বেহালা পূর্ব১২২. সোমা চক্রবর্তী বেহালা পূর্ব১২৩. সুদীপ পোল্লে বেহালা পূর্ব১২৪. রাজীবকুমার দাস বেহালা পূর্ব১২৫. রত্না সরকার বেহালা পশ্চিম১২৬. ঘনশ্রী বাগ বেহালা পশ্চিম১২৭. মালবিকা বৈদ্য বেহালা পশ্চিম১২৮. পার্থ সরকার বেহালা পশ্চিম১২৯. সংহিতা দাস বেহালা পশ্চিম১৩০. অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় বেহালা পশ্চিম১৩১. রত্না চট্টোপাধ্যায় বেহালা পশ্চিম১৩২. সঞ্চিতা মিত্র বেহালা পশ্চিম১৩৩. রণজিৎ শীল কলকাতা পোর্ট১৩৪. শামস ইকবাল কলকাতা পোর্ট১৩৫. আখতারি নিজামি শাহজাদা কলকাতা পোর্ট১৩৬. শামসুজ্জামান আনসারি মেটিয়াবুরুজ১৩৭. রেহমত আলম আনসারি মেটিয়াবুরুজ১৩৮. ফরিদা পারভিন মেটিয়াবুরুজ১৩৯. শেখ মুস্তাক আহমেদ মেটিয়াবুরুজ১৪০. আবু মহম্মদ তারিক মেটিয়াবুরুজ১৪১. শিবনাথ গায়েন মেটিয়াবুরুজ১৪২. রঘুনাথ পাত্র বেহালা পূর্ব১৪৩. ক্রিস্টিনা বিশ্বাস বেহালা পূর্ব১৪৪. শেফালি প্রামাণিক পাত্র বেহালা পূর্ব

নভেম্বর ২৭, ২০২১
রাজনীতি

TMC Candidate List: তৃণমূলের প্রার্থীতালিকায় প্রমাণিত নেত্রীর প্রভাব, রয়ে গেলেন ফিরহাদ ও আরও পাঁচ বিধায়ক

পুরভোটের প্রার্থিতালিকায় কি এক ব্যক্তি, এক পদ নীতি মানল না শাসকদল তৃণমূল? কলকাতা পুরভোটে ৩৯ জন কাউন্সিলারকে টিকিট দিল না শাসক তৃণমূল। কিন্তু বাদ দেওয়া হল না কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম-সহ ছয় বিধায়ককে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমার, দেবব্রত মুজমদার এবং প্রাক্তন ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ। জল্পনা ছিল, এক ব্যক্তি, এক পদ নীতি মেনে এঁদের পুরভোটের টিকিট দেওয়া হবে না।তবে পুরো বিষয়টিই ছিল দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুমোদন সাপেক্ষ। দেখা গেল, মমতার অনুমোদন পায়নি সেই সিদ্ধান্ত। মমতা আবার বেছে নিয়েছেন তাঁর পুরোন দিনের লড়াইয়ের সঙ্গীদেরই। বস্তুত, প্রার্থিতালিকায় শেষমুহূর্তের রদবদলের কারণেই ছাপানো প্রার্থিতালিকা প্রকাশ করতে খানিক বিলম্ব হয়ে যায় তৃণমূলের। পূর্ণাঙ্গ প্রার্থিতালিকা হাতে পেতে সংবাদমাধ্যমকে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়।ফিরহাদ যেমন পুরভোটের টিকিট পেয়েছেন, তেমনই প্রার্থিতালিকায় নাম নেই প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়র। জল্পনা ছিল, বাবুলকে সম্ভাব্য মেয়র হিসেবে তুলে ধরে পুরভোটের ময়দানে নামবে তৃণমূল। যদিও বদলের একাংশ বলছিলেন, বাবুল সদ্যই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে এসেছেন। এত দ্রুত তাঁকে কলকাতা পুরসভার মেয়রের মতো পদে তুলে ধরলে দলের একাংশে অনুযোগ তৈরি হতে পারে।ফিরহাদ নিজে পুরভোটেই দাঁড়াতে বেশি আগ্রহী ছিলেন। সূত্রের খবর, দলকে তিনি বলেছিলেন, প্রয়োজনে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেবেন। কিন্তু তাঁকে যেন পুরভোটের টিকিট দেওয়া হয়। দেখা গেল, শেষপর্যন্ত তাঁকে পুরভোটের টিকিট দেওয়া হল। মনে করা হচ্ছে, স্বয়ং দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শেষমুহূর্তের হস্তক্ষেপে ফিরহাদ-সহ অন্য পুরোন অনুগত-রা পুরভোটের টিকিট পেলেন। যা থেকে এটা মনে করা হচ্ছে যে, দলের উপর নেত্রী মমতার প্রভাব এখনও নিরঙ্কুশ।

নভেম্বর ২৬, ২০২১
রাজনীতি

Left Candidate List: পুরভোটে আগেভাগেই তালিকা প্রকাশ করল বামেরা, আসুন দেখে নিই সেই তালিকা

পুরভোটের দিন ঘোষণার পরেই তোড়জোড় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক দল গুলির মধ্যে। বৃহস্পতিবার থেকেই নমিনেশন জমা দেওয়া যাবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এরপরেই প্রার্থী তালিকা ঘোষণার কথা জানিয়েছে বামফ্রন্ট। সূত্রের খবর, এবারও তরুণ মুখেই ভরসা রাখার কথা ভাবছেন বাম নেতৃত্ব।পুরভোটে তৃণমূল ও বিজেপিকে হারানোই বামেদের মূল লক্ষ্য। প্রার্থী তালিকা প্রকাশের আগেই এই বার্তা স্পষ্ট করল বাম নেতৃত্ব। শাসক দল ও গেরুয়া শিবিরকে পরাজিত করার জন্য কিছু আসনে অন্য দলকে সমর্থন করার বার্তা দিয়েছে বামেরা। সেই তালিকায় কংগ্রেস, আইএসএফও থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন কলকাতা জেলা বামফ্রন্টের আহ্বায়ক কল্লোল মজুমদার।শুক্রবার প্রমোদ দাশগুপ্ত ভবনে সাংবাদিক বৈঠকে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। কল্লোল মজুমদার জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক কিছু নির্বাচনে ভোট- পূর্ব জোটের পথে হেঁটেছিল বামেরা। কিন্তু তাতে এমন কিছু পরিস্থিতি তৈরি হয়, যার সঙ্গে বাস্তবের মিল নেই বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাই এবার রণকৌশলগত পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর জন্য বাম নেতারা দফায় দফায় বৈঠকে বসেছেন। তারপরই আসন নিয়ে সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয় রাজ্য নেতৃত্বকে।আনুষ্ঠানিকভাবে জোটের ঘোষণা না করলেও কয়েকটি আসনে জোটের ইঙ্গিত দিয়েছেন বামেরা। জানানো হয়েছে, ওই সব ক্ষেত্রে কংগ্রেস, আইএসএফ বা কোনও প্রতিথজশা প্রাথী হলেও বামেরা সমর্থন করবে।এ দিন বেশির ভাগ আসনের প্রার্থী তালিকাই প্রকাশ করেছে বামেরা। মহিলা প্রার্থী আগের থেকে বেড়েছে, এবারের তালিকায় রয়েছেন ৫৬ জন মহিলা। পুরুষ প্রার্থীর সংখ্যা ৫৮ জন ও সংখ্যালঘু প্রার্থী ১৭ জন। প্রায় ৫০ শতাংশ প্রার্থীর বয়স ৫০এর নীচে। অর্থাৎ এ ক্ষেত্রেও তরুণ মুখের ওপর জোর দিয়েছে বামেরা। গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে যাঁদের নাম থাকছে, তাঁরা হলেন পল্লব মুখোপাধ্যায়, অজিত চৌধুরী, মানজার এহসান, দীপু দাস, বরুণ দাস, ফৈয়াজ আহমেদ খান, মধুছন্দা দেব, মৃত্যুঞ্জয় চক্রবর্তী, মঞ্জু কর, রত্না রায় মজুমদার।শিক্ষা, স্বাস্থ্য, গণতন্ত্র-সহ একাধিক ইস্যুকে সামনে রেখে বামেরা ভোটে লড়বে। মানুষের না পাওয়াগুলো তুলে ধরাই হবে মূল লক্ষ্য। পরিবেশ রক্ষায় বিশেষ নজর দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।আসুন দেখে নেওয়া যাক কোন ওয়ার্ডে কে লড়ছেন-ওয়ার্ড নম্বর প্রার্থীর নাম১ পল্লব মুখোপাধ্যায়২ দেবলীনা সরকার৩ নমিতা দাস৪ কানাইলাল পোদ্দার৫ রমেশ পাণ্ডে৭ মোহন তাপস কুণ্ডু৮ মাধব ঘোষ৯ দীপিকা ভট্টাচার্য১০ করুণা সেনগুপ্ত১১ প্রদ্যুৎ নাথ১২ পূবালী দেব১৩ বিরোধী দত্ত১৪ স্বপন ঘোষ১৫ দীপা সাহা১৬ সুজিত দেব১৭ মতিলাল ঘোষ১৮ শ্রাবণী চক্রবর্তী১৯ রুমা ভট্টাচার্য২০ অজিত চৌধুরী২১ সুজাতা সাহা২৩ ধীরেন্দ্র পাণ্ডে২৪ মঞ্জু মোহতা২৬ তাপস প্রামাণিক২৭ পাপিয়া গঙ্গোপাধ্যায়২৮ ইজাজ আহমেদ২৯ মহম্মদ সইদ৩০ শাশ্বতী দাশগুপ্ত৩১ তরুণ বসু৩২ জয়দীপ ভট্টাচার্য৩৩ মণীষা বিশ্বাস৩৫ সমীর চক্রবর্তী৩৬ মৌসুমী ঘোষ৩৭ মিঠু দাস৩৮ প্রশান্ত দে৪০ কাবেরী ভট্টাচার্য৪১ নেহাল মহম্মদ কাইজার৪২ প্রদীপ সিং৪৪ সইদ কাশিমুদ্দিন৪৬ অনুশা আকবর৪৮ অণ্বেষা দাস৫১ রেবতী জানা৫২ রুকসানা বেগম৫৪ জাহাঙ্গির মণ্ডল৫৫ চৈতালী ভৌমিক নায়ার৫৬ জয়শ্রী দেব নন্দী৫৯ রুমা কর বসু৬০ মাঞ্জার এহসান৬৩ মহম্মদ সিরাজ খান৬৪ মহম্মদ আজম জাভেদ৬৫ অনুলেখা সিনহা৬৬ সাকিব আখতার৬৭ দীপু দাস ৬৮ ডরথি ভৌমিক ঘোষাল৬৯ গোপাল হাজরা৭০ বরুণ দাস ৭১ কেকা মিত্র৭২ প্রকাশ ভট্টাচার্য ৭৩ মধুমিতা দাস৭৪ দীপা চক্রবর্তী৭৫ খৈয়দ আহমেদ খান৭৬ শাকিল আখতার৭৭ সাজদা পারভিন ৭৮ জ্যোতি দাস৮১ রিঙ্কু দে৮২ পারমিতা দাশগুপ্ত৮৪ বিথিকা নাথ৮৫ গোবিন্দ নস্কর৮৭ যুক্তিশ্রী দাস সোম৮৮ কার্তিক মণ্ডল৮৯ সলিল চৌধুরী ৯১ সুরজিৎ সেনগুপ্ত ৯২ মধুচ্ছন্দা দেব৯৩ গোপা রায়চৌধুরী৯৪ বুলা শীল৯৫ অন্বেষা ভৌমিক৯৬ দীপালি গোস্বামী৯৭ সুশান্ত পাল৯৮ মৃত্যুঞ্জয় চক্রবর্তী৯৯ শিখা মুখোপাধ্যায়১০১ অতনু চট্টোপাধ্যায়১০২ ভাস্বতী গঙ্গোপাধ্যায়১০৩ নন্দিতা রায়১০৫ নমিতা দত্ত১০৭ গৌতম রায়১০৮ তপন মালিক১০৯ শিখা পূজারি১১১ চয়ন ভট্টাচার্য১১২ সুব্রত কুমার দে১১৪ মোহিতকুমার ভট্টাচার্য১১৫ শুভঙ্কর বাগচি১১৬ চিত্রা পতিত১১৭ সঞ্জয় খান ১১৮ সুজয় অধিকারী১২০ গৌতম অধিকারী১২১ আশিস মণ্ডল১২২ মঞ্জুল কর১২৩ প্রসেনজিৎ ঘোষ১২৪ অরিজিৎ সিনহা১২৫ প্রিয়া রায়১২৬ বিমান গুহঠাকুরতা১২৭ রিনা ভক্ত১২৮ রত্না মজুমদার১৩১ রঞ্জন দাশগুপ্ত১৩২ নীতা ঘোষ১৩৩ জয়ব্রত বেরা১৩৬ শুভাশিস পোদ্দার১৩৮ ফারহানাজ বেগম১৩৯ মহম্মদ আবু কায়েশ মোল্লা১৪০ শেখ মহম্মদ জমির১৪৩ বিভু মণ্ডল ১৪৪ বিপ্লব বন্দ্যোপাধ্যায়

নভেম্বর ২৬, ২০২১
রাজনীতি

TMC Candidate: কালীঘাটে দলীয় বৈঠকের পরই প্রার্থীতালিকা ঘোষণার পরিকল্পনা তৃণমূলের

শুক্রবার কালীঘাটে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলীয় বৈঠকে বসবেন। তারপরই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীতালিকা প্রকাশ করা হবে বলে খবর। এবারের তৃণমূলের প্রার্থীতালিকায় যুবক ও মহিলাদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। নতুন নেতৃত্ব তুলে আনার তাগিদে তারুণ্যকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা।এদিকে তৃণমূলের শীর্ষ সাংগঠনিক স্তর ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক ডাকা হয়েছে আগামী সোমবার। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে ওই বৈঠকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ ওয়ার্কিং কমিটির ২১ জন সদস্যই হাজির থাকতে বলা হয়েছে বলে শুক্রবার তৃণমূলের মুখপত্রে জানানো হয়েছে।দলের তরফে জানানো হয়েছে, জাতীয় পর্যায়ে দলের অভিমুখ কী হবে, সে কথাই বৈঠকে জানাবেন মমতা এবং অভিষেক। পাশাপাশি, সংসদের আসন্ন শীতকালীন অধিবেশনে তৃণমূল সাংসদেরা কী ভূমিকা নেবেন, তা-ও ঠিক করে দেওয়া হবে।গত কয়েক মাসে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন সর্বভারতীয় স্তরের কয়েক জন গুরুত্বপূর্ণ নেতা। তাঁদেরই অন্যতম, গান্ধি পরিবারের একদা ঘনিষ্ঠ হরিয়ানা প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অশোক তানওয়ারকেও ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তৃণমূলের মুখপত্রে বলা হয়েছে, দলের বাকি নেতাদের সঙ্গে তাঁকে (অশোক) আলাপ-পরিচয় করানো হবে।এর মধ্যে বিজেপি সূত্রের খবর, তাদের প্রার্থীতালিকা নিয়ে আলোচনা সেভাবে এগোয়নি। আজ প্রার্থীতালিকা ঘোষণা করবে বামফ্রন্টও। কংগ্রেসের সঙ্গে জোট নিয়ে আলোচনা না হলেও কয়েকটি আসন ছেড়ে রেখেই তারা প্রার্থীদের নাম দেবে। যদিও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, জোটের স্বার্থেই এই পথে হাঁটছে বামেরা। শোনা যাচ্ছে, বামফ্রন্টও জোর দিচ্ছে তারুণ্যের উপর।

নভেম্বর ২৬, ২০২১
রাজ্য

গেরুয়া শিবিরের সদ্য প্রকাশিত প্রার্থী তালিকা নিয়ে জেলায় জেলায় বিক্ষোভ

বৃহস্পতিবার বিকেলে বিজেপির আরেকদফা প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়। ১৪৮ আসনের প্রার্থীদের মধ্যে অনেককেই পছন্দ নয় দলের একাংশের। সন্ধে হতেই দিকে দিকে এর প্রতিবাদে নামেন কর্মী, সমর্থকরা। রানিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে ডাক্তার বিজন মুখোপাধ্যায়ের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। আর তারপরই বিক্ষোভ শুরু করে বিজেপির একদল কর্মী, সমর্থক। তাঁদের অভিযোগ, বিজন মুখোপাধ্যায় বিজেপির কোনও কর্মীই নন। রানিগঞ্জের মানুষ চেনেনই না এই প্রার্থীকে। পরিবর্তে কোনও ভূমিপুত্র বিজেপি কর্মী বা আরএসএস সদস্যকে প্রার্থীকে কেন করা হলো না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তারা।এদিন সন্ধেবেলা রানিগঞ্জে দলীয় কার্যালয়ে তালা লাগিয়ে বাইরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন তাঁরা। এরপর রানিগঞ্জের পাঞ্জাবীমোড় লাগোয়া ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক ও দুই নম্বর জাতীয় সড়কের সংযোগকারী রাস্তায় দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি কর্মীরা। যদিও প্রার্থী ডাক্তার বিজন মুখোপাধ্যায় বেশ কয়েকজন কর্মী-সমর্থককে সঙ্গে নিয়ে দাবি করেন, এটা নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি। কর্মীদের সঙ্গে বসে আলোচনা করে তাঁরা ঠিক করে নেবেন। আবার জগদ্দল বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হিসেবে অরিন্দম ভট্টাচার্যের নাম ঘোষণা হতেই ক্ষোভে ফেটে পরে বিজেপি নেতা অরুণ ব্রহ্মর অনুগামীরা। অরিন্দম সদ্যই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। নিজের এলাকা থেকে টিকিটও পেয়েছেন। তা নিয়েই প্রতিবাদ শুরু করেন দলীয় কর্মীরা। বৃহস্পতিবার তাঁরা শ্যামনগর বাসুদেবপুর মোড়ে সন্ধ্যায় দলীয় পতাকা ফ্লেক্স, ব্যানার পুড়িয়ে পথ অবরোধ করে। এছাড়াও বাসুদেবপুর মোড়ে বিজেপির কার্যালয়ে নিজেরাই ভাঙচুর করে। বিক্ষোভকারীদের দাবি, জগদ্দল বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী বদল করে অরুণ ব্রহ্মর নাম ঘোষণা করতে হবে। দমদমের বিজেপি প্রার্থী বিমলশংকর নন্দর বিরুদ্ধেও ক্ষোভ অব্যাহত। এদিন দমদম রোডে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা।

মার্চ ১৮, ২০২১
রাজনীতি

বিজেপির প্রার্থী তালিকায় ফের চমক

শেষবার ভোট দাঁড়িয়েছিলেন ২০০১ সালে। তারপর কেটে গিয়েছে দীর্ঘ ২০ টা বছর। অন্তরালে থেকেই কাজ করে গিয়েছেন। এই ২০২১এ ভোটযুদ্ধে দেখা যাবে তাঁকে। তিনি আর কেউ নন, বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায়। বৃহস্পতিবার বিধানসভা নির্বাচনে ১৪৮ টি কেন্দ্রের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল গেরুয়া শিবির। তাতে একদিকে যেমন রয়েছেন একাধিক বিধায়ক, তেমনই রয়েছেন রুপোলি পর্দার নায়ক-নায়িকাও। অর্থাৎ বিজেপির প্রার্থী তালিকায় ফের চমক। ভোটযুদ্ধে কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হচ্ছেন মুকুল রায়। তাঁর মূল প্রতিপক্ষ তৃণমূলের তারকা প্রার্থী অভিনেত্রী কৌশানি মুখোপাধ্যায়। প্রার্থী হয়েই জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী একদা তৃণমূলের দক্ষ সংগঠক মুকুল রায়। এছাড়া প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন জগন্নাথ সরকারের মতো সাংসদ, সব্যসাচী দত্ত, পবন সিং, অরিন্দম ভট্টাচার্যর মতো বিধায়ক, রয়েছেন দলের দীর্ঘদিনের সক্রিয় কর্মীরা। আজকের বিজেপির ঘোষিত তালিকায় কে, কোথা থেকে লড়ছেন, দেখে নিন একঝলকে কৃষ্ণনগর উত্তর মুকুল রায় কৃষ্ণনগর দক্ষিণ মহাদেব সরকারডাবগ্রাম শিখা চট্টোপাধ্যায়ধূপগুড়ি বিষ্ণুপদ রায়ময়নাগুড়ি কৌশিক রায়মাল- মহেশ বাগেশিলিগুড়ি- শংকর ঘোষশান্তিপুর জগন্নাথ সরকারকৃষ্ণগঞ্জ আশিস বিশ্বাসরানাঘাট দক্ষিণ মুকুটমনি অধিকারীরানাঘাট উত্তর-পশ্চিম অসীম বিশ্বাসপানিহাটি সন্ময় বন্দ্যোপাধ্য়ায়ভবানীপুর রুদ্রনীল ঘোষ চৌরঙ্গি শিখা মিত্রপাণ্ডবেশ্বর জিতেন্দ্র তিওয়ারি বরানগর- পার্নো মিত্র মধ্যমগ্রাম- রাজশ্রী রাজবংশীহাবড়া রাহুল সিনহা বিধাননগর সব্যসাচী দত্ত হেমতাবাদ চাঁদিমা রায়রাজারহাট-গোপালপুর শমীক ভট্টাচার্য রাজারহাট-নিউটাউন ভাস্কর মুখোপাধ্যায়জগদ্দল অরিন্দম ভট্টাচার্যনৈহাটি ফাল্গুনী পাত্রব্যারাকপুর চন্দ্রমণি শুক্লাখড়দহ শীলভদ্র দত্তনোয়াপাড়া সুনীল সিংভাটপাড়া পবন সিংবীজপুর শুভ্রাংশু রায়কামারহাটি রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়দমদম বিমলশংকর নন্দমানিকতলা কল্যাণ চৌবেআসানসোল দক্ষিণ অগ্নিমিত্রা পল বসিরহাট দক্ষিণ তারকনাথ ঘোষবর্ধমান দক্ষিণ সন্দীপ নন্দীকালনা বিশ্বজিৎ কুণ্ডুমন্তেশ্বর সৈকত পাঁজাদুর্গাপুর পূর্ব কর্নেল দীপ্তাংশু চৌধুরী

মার্চ ১৮, ২০২১
রাজনীতি

তৃতীয় ও চতুর্থ দফার ৬৩ আসনের বিজেপির প্রার্থী তালিকা ঘোষণা

বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দুদফার প্রার্থীতালিকা আগেই ঘোষণা করেছে বিজেপি। রবিবার তৃতীয় ও চতুর্থ দফার আরও ৬৩ আসনের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করল গেরুয়াশিবির। প্রথম দফার মতো এই দফাতেও রয়েছে একাধিক চমক।টানা আলোচনা। দফায় দফায় বৈঠক। দিল্লিতে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে কথা। কিন্তু এত কিছুর পরও তৃতীয় এবং চতুর্থ দফার সব আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করতে পারল না বিজেপি। শুরুতে শোনা যাচ্ছিল, আজ তৃতীয় এবং চতুর্থ দফার তো বটেই, আরও কয়েকটি আসনের জন্য প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিতে পারে গেরুয়া শিবির। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা গেল, তৃতীয় এবং চতুর্থ দফার সম্পূর্ণ তালিকাই ঘোষণা করতে পারল না তারা। সব মিলিয়ে এদিন ঘোষণা করা হল মাত্র ৬৩ টি আসনের তালিকা। অর্থাৎ এখনও অবধি ১২২টি আসনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল বিজেপি। তবে, তালিকা ছোট হলেও তাতে চমকের কোনও অভাব নেই। লক্ষণীয়ভাবে বিজেপি এবার বিধানসভার লড়াইয়ে বেশ কয়েকজন বর্তমান সাংসদকে আসরে নামাচ্ছে। টালিগঞ্জ কেন্দ্র থেকে বিজেপির টিকিটে প্রার্থী হচ্ছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। প্রার্থী হচ্ছেন হুগলির সাংসদ তথা রাজ্য বিজেপির অন্যতম বড় নাম লকেট চট্টোপাধ্যায়। তিনি ভোটে দাঁড়াচ্ছেন নিজেরই লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত চুঁচুড়া কেন্দ্রে। প্রার্থী হচ্ছেন কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামাণিকও। তিনি দিনহাটায় তৃণমূল প্রার্থী উদয়ন গুহর বিরুদ্ধে লড়বেন। প্রার্থী হচ্ছেন রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্তও। তিনি লড়বেন তারকেশ্বর থেকে।শুধু হেভিওয়েটরা নন, বিজেপির প্রার্থী তালিকায় একাধিক প্রাক্তন তৃণমূল নেতাও জায়গা পেয়েছেন। যাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় নাম রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের। হাওড়ার ডোমজুড় থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন রাজ্যের প্রাক্তন বনমন্ত্রী। আরেক তৃণমূল ত্যাগী তথা প্রবীণ নেতা রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যকে সিঙ্গুর থেকেই প্রার্থী করেছে গেরুয়া শিবির। এই কেন্দ্রে টিকিট না পেয়েই তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যান সিঙ্গুরের মাস্টারমশাই। একইভাবে নিজেদের কেন্দ্রে টিকিট পেয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের বিধায়ক দীপক হালদার এবং হুগলির উত্তরপাড়ার বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল। গত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির টিকিটে লড়া রন্তিদেব সেনগুপ্ত, দেবজিত সরকাররাও টিকিট পেয়েছেন।এঁরা ছাড়াও একাধিক সিনেতারকাকে টিকিট দিয়েছে গেরুয়া শিবির। বেহালা পূর্ব থেকে প্রার্থী হচ্ছেন অভিনেত্রী পায়েল সরকার, যশ দাশগুপ্ত প্রার্থী হচ্ছেন চণ্ডীতলা থেকে। তনুশ্রী চক্রবর্তী টিকিট পেয়েছেন হাওড়ার শ্যামপুর থেকে।

মার্চ ১৪, ২০২১
রাজনীতি

পরের দু’দফা ভোটের জন্য বিজেপির তালিকা আজ

শনিবার পরের দুদফার ভোটের জন্য বাংলার প্রার্থীতালিকা চূড়ান্ত করে ফেলল বিজেপি। আজ, রবিবার সেই তালিকা প্রকাশ হবে। প্রথম দুই পর্বের তালিকা আগেই প্রকাশ করেছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দিল্লিতে দলের সদর দপ্তরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির বৈঠকে শনিবার তৃতীয় ও চতুর্থ দফায় বিজেপি কাদের টিকিট দেবে সেই নামের তালিকায় সিলমোহর বসেছে। এই দুই দফা মিলিয়ে ৭৫ জন প্রার্থী রয়েছেন। তবে পরবর্তী দফাগুলোর আরও কিছু আসনের নাম রবিবার ঘোষণা হয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে কয়েকজন তারকা প্রার্থীও থাকতে পারেন। মিঠুন চক্রবর্তী ভোটে লড়ছেন না। শনিবার রাতে নির্বাচন কমিটির বৈঠকের শেষে বিজেপির এক শীর্ষ নেতার সূত্রে জানা গিয়েছে, মিঠুন শুধু প্রচারেই অংশ নেবেন। তাঁর প্রার্থী হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই।এই দফায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, যাঁরা বর্তমান বিধায়ক, তাঁদের প্রার্থী হতে হলে নিজেদের পুরনো কেন্দ্রেই দাঁড়াতে হবে। কিন্তু ব্যতিক্রম কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ও মন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে। যেহেতু বেহালা পূর্বে তৃণমূল প্রার্থী হয়েছেন শোভনের স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায়, তাই চাইলে শোভন অন্য কোনও কেন্দ্রে প্রার্থী হতে পারেন। ডোমজুড় থেকে প্রার্থী হচ্ছেন রাজ্যের আর এক প্রাক্তন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথম দুদফার ক্ষেত্রে যতটা মসৃণভাবে বিজেপির প্রার্থীতালিকা চূড়ান্ত হয়েছিল, তা পরবর্তী দফাগুলোর ক্ষেত্রে হচ্ছে না। কারণ, প্রতিটি আসনেই বহু দাবিদার। সূত্রের খবর, এদিন প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির বৈঠকের পরেও গভীর রাতে আলাদা করে বৈঠকে বসেন অমিত শাহ, জেপি নাড্ডা, কৈলাস বিজয়বর্গীয় ও দিলীপ ঘোষ। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, বাবুল সুপ্রিয়-সহ বেশ কয়েকজন এমপি বিধানসভা ভোটে প্রার্থী হতে পারেন। এদিন রাতের বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী ছিলেন না বলে জানান মুকুল রায়। আজ, রবিবার নন্দীগ্রাম দিবস থাকায় শুভেন্দু শনিবার রাতেই কলকাতা ফিরে যান।

মার্চ ১৪, ২০২১
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে লড়াই মমতা বনাম শুভেন্দু

নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারীই। শনিবার প্রার্থিতালিকা ঘোষণা করে এমনটা্ই জানিয়ে দিল বিজেপি। শুভেন্দু বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার পরেই আলোচনার কেন্দ্রে ছিল নন্দীগ্রাম। যে জমি আন্দোলন থেকে উত্থান মমতার, সেখানে একসময় তাঁর কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়েছিলেন শুভেন্দু। পরবর্তী সময়ে শুভেন্দু এবং অধিকারী পরিবারের গড় হয়ে ওঠে নন্দীগ্রাম। তাই সেখানে জমির দখল টিকিয়ে রাখা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল তৃণমূল এবং মমতার কাছে। তাই ফেব্রুয়ারি মাসে তেখালির মাঠে দাঁড়িয়ে নন্দীগ্রাম থেকে নিজে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে জানিয়ে দেন মমতা।মমতার এই ঘোষণায় স্বভাবতই হইচই পড়ে যায় বিজেপি-র অন্দরে। নন্দীগ্রামকে পাখির চোখ করলেও, তখনও সেখানে কাকে নামানো হবে, তখনও তা ভেবে উঠতে পারেননি গেরুয়া নেতৃত্ব। তবে মমতার ঘোষণার পর থেকেই শুভেন্দুকে সেখানে তৃণমূল দলনেত্রীর বিরুদ্ধে নামানোর দাবি জোরালো হয়ে উঠতে শুরু করে। তার নেপথ্যে শুভেন্দুর ভূমিকাও কম ছিল না। নিজে নন্দীগ্রামে প্রার্থী হতে চান কি না, স্পষ্ট না করলেও, মমতাকে নন্দীগ্রামে ৫০ হাজার ভোটে হারিয়ে ছাড়বেন বলে হুঁশিয়ারি দিতে শুরু করেন তিনি। এমনকি নন্দীগ্রাম থেকে ভোটে লড়লে, শুধু নন্দীগ্রাম থেকেই মমতাকে লড়তে হবে, মুখরক্ষার জন্য ভবানীপুরকে হাতে রাখা চলবে না বলেও সুর চড়াতে শুরু করেন তিনি। বিজেপির অন্য নেতারাও তাতে গলা মেলান।এখনও পর্যন্ত যে তালিকা পাওয়া গিয়েছে, তা থেকে জানা গিয়েছে বিনপুরে বিজেপির প্রার্থী হচ্ছেন পালন সোরেন। দাঁতনে প্রার্থী হচ্ছেন শক্তিপদ নায়েক। নয়াগ্রামে প্রার্থী হচ্ছেন বকুল মুর্মু। গোপীবল্লভপুরে বিজেপি প্রার্থী সঞ্জিত মাহাত। ঝাড়গ্রামে বিজেপি প্রার্থী সুখময় শতপতি। কেশিয়ারিতে বিজেপির প্রার্থী সোনালি মুর্মু। খড়গপুরে বিজেপির প্রার্থী তপন ভুঁইয়া। গড়বেতায় বিজেপির প্রার্থী মদন রুইদাস, শালবনিতে রাজীব কুণ্ডু। বিষ্ণপুরে বিজেপি প্রার্থী তন্ময় ঘোষ, ইন্দাস থেকে বিজেপি প্রার্থী নির্মল ধাড়া। হলদিয়ায় বিজেপির প্রার্থী তাপসী মণ্ডল। নন্দীগ্রামে বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। সবংয়ে বিজেপি প্রার্থী অমূল্য মাইতি। ডেবরায় বিজেপি প্রার্থী ভারতী ঘোষ। তমলুকে বিজেপির প্রার্থী হরেকৃষ্ণ বেরা। ময়নায় বিজেপির প্রার্থী অশোক ডিন্ডা। নন্দকুমারে বিজেপির প্রার্থী নীলাঞ্জন অধিকারী।

মার্চ ০৬, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মাদ্রাসা নিয়ে বাংলায় বড়সড় ‘অ্যাকশন’! ২৫২টি বন্ধের নির্দেশ, শোকজ আরও ১০০—সরকারি সমীক্ষায় চাঞ্চল্য

অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ রাজ্যের, জেলায় জেলায় নথি যাচাইয়ের পর সিদ্ধান্ত।মাদ্রাসা নিয়ে বাংলায় এবার বড়সড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ। রাজ্যজুড়ে মাদ্রাসাগুলির উপর চালানো সমীক্ষার পর প্রথম দফায় ২৫২টি অনুমোদনহীন মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার। একই সঙ্গে আরও প্রায় ১০০টি মাদ্রাসাকে শোকজ করা হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।প্রশাসনিক সূত্রের খবর, কলকাতা-সহ রাজ্যের ২২টি জেলায় মাদ্রাসাগুলির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। গত ২২ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই যাচাই-পর্বে শুধু অনুমোদন রয়েছে কি না, তা-ই নয়পরিচালন ব্যবস্থা, পড়ুয়ার সংখ্যা, শিক্ষক-শিক্ষিকার উপস্থিতি, অর্থের উৎস, নথিপত্র, রেজিস্ট্রেশন এবং পরিকাঠামো-সহ একাধিক বিষয় খতিয়ে দেখা হয়েছে।সমীক্ষার রিপোর্ট সামনে আসতেই উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। রাজ্যে বিপুল সংখ্যক মাদ্রাসা প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন বা নির্দিষ্ট স্বীকৃতি ছাড়াই চলছে বলে প্রশাসনের তরফে দাবি। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২,৩৯৬। এর মধ্যেই প্রথম ধাপে ২৫২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সরাসরি বন্ধের নোটিস জারি করেছে সরকার।খারিজি মাদ্রাসাই কি নিশানায়?সরকারি পদক্ষেপের আওতায় আসা ২৫২টি মাদ্রাসার বড় অংশই খারিজি বা বেসরকারি উদ্যোগে পরিচালিত মাদ্রাসা বলে খবর। এই প্রতিষ্ঠানগুলির বৈধতা, পরিচালন পদ্ধতি এবং শিক্ষাব্যবস্থা নিয়েই মূলত প্রশাসনের নজরদারি।তবে সরকারের অবস্থানও স্পষ্টকোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি স্বীকৃতির বাইরে থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে চলতে পারে না। যে প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেই কিংবা ন্যূনতম পরিকাঠামো ও নথিপত্র দেখাতে ব্যর্থ, তাদের বিরুদ্ধে আইন মেনেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।শুধু বন্ধ নয়, শোকজ-এর পরেও কড়া বার্তাপ্রথম দফায় ২৫২টি মাদ্রাসাকে বন্ধের নোটিস দেওয়া হলেও প্রায় ১০০টি প্রতিষ্ঠানকে আপাতত দেওয়া হয়েছে শোকজ নোটিস। অর্থাৎ, তাদের নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।প্রশাসনের প্রশ্নকোন আইনি অনুমোদনের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান চলছে? কতজন পড়ুয়া রয়েছে? শিক্ষক কারা? অর্থ আসছে কোথা থেকে? পর্যাপ্ত ভবন ও শিক্ষার পরিকাঠামো রয়েছে কি না? এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে।জানা যাচ্ছে, সন্তোষজনক উত্তর বা প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে না পারলে শোকজ পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধেও পরবর্তী ধাপে আরও কঠোর পদক্ষেপ করা হতে পারে।২২ জেলায় নথি যাচাইতারপরই সিদ্ধান্তমাদ্রাসা নিয়ে এই অভিযান হঠাৎ করে নয়। রাজ্য সরকারের নির্দেশেই জেলায় জেলায় শুরু হয়েছিল সমীক্ষা। কলকাতা-সহ ২২টি জেলার মাদ্রাসাগুলির নথি সংগ্রহ করে যাচাই করা হয়।সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের তরফে দাবি, অনুমোদিত মাদ্রাসাগুলি নিয়ম মেনেই চলছে। কিন্তু অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলির ক্ষেত্রে সরকার আর কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না।মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর বক্তব্য, মাদ্রাসাগুলির যাবতীয় নথি সংগ্রহ করে যাচাই করা হয়েছে। অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলি চালু রয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।সরকারের সিদ্ধান্তে ক্ষোভ, প্রশ্ন তুললেন ত্বহা সিদ্দিকীতবে সরকারের এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে পাল্টা প্রশ্নও উঠছে। ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকী সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেনকেন কোনও মাদ্রাসাকে শোকজ করা হচ্ছে, কেনই বা বন্ধ করা হচ্ছে, তা আগে সাধারণ মানুষকে জানানো হোক।তাঁর বক্তব্য, বহু মাদ্রাসা সাধারণ মানুষের অনুদান ও সাহায্যের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। মাদ্রাসায় শুধু ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়া হয় না, সরকারি পাঠ্যক্রমও পড়ানো হয় বলে দাবি তাঁর।ফলে সরকারের প্রশাসনিক যুক্তির বিপরীতে উঠে আসছে অন্য প্রশ্নঅনুমোদনের মাপকাঠি কী? কোন প্রতিষ্ঠান নিয়মবহির্ভূত এবং কোনটি নয়? আর বহু বছর ধরে চলা প্রতিষ্ঠানগুলির ভবিষ্যৎই বা কী?রাজনীতির ময়দানেও বাড়ছে উত্তাপমাদ্রাসা ইস্যুতে রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবেও তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা, সংখ্যালঘু শিক্ষা এবং সরকারি অনুমোদনের প্রশ্নের সঙ্গে এবার সরাসরি যুক্ত হচ্ছে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ বনাম দীর্ঘদিনের সামাজিক উদ্যোগে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলির স্বাধীনতা।একদিকে সরকারের যুক্তিআইন ও নিয়মের বাইরে কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলতে দেওয়া যায় না। অন্যদিকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের একাংশের বক্তব্যশুধু সরকারি অনুমোদনের অভাবকে কেন্দ্র করে কোনও প্রতিষ্ঠানকে বন্ধ করে দেওয়া উচিত নয়।ফলে ২৫২টি মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ এখন শুধু প্রশাসনিক ফাইলের বিষয় নয়; তা ইতিমধ্যেই রাজ্যের রাজনীতি ও সংখ্যালঘু শিক্ষা ব্যবস্থার কেন্দ্রীয় বিতর্কে পরিণত হয়েছে।উত্তরাখণ্ডের পর বাংলাতেও কড়া পদক্ষেপঅনুমোদনহীন মাদ্রাসার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপের নজির অন্য রাজ্যেও রয়েছে। উত্তরাখণ্ডে ইতিমধ্যেই একাধিক অননুমোদিত মাদ্রাসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে বাংলার এই পদক্ষেপকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।এখন মূল নজর শোকজ পাওয়া প্রায় ১০০টি মাদ্রাসার জবাবের দিকে। তারা প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও পরিকাঠামোর প্রমাণ দিতে পারে কি না, তার উপরই নির্ভর করছে পরবর্তী পদক্ষেপ।তবে একটি বিষয় ইতিমধ্যেই স্পষ্টমাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাকে আর নজরদারির বাইরে রাখতে চাইছে না রাজ্য সরকার। ২৫২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রথম দফার এই অ্যাকশন আগামী দিনে আরও বড় প্রশাসনিক অভিযানের ইঙ্গিত কি না, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
বিদেশ

পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে যাত্রীবাহী ট্রেনে রুশ ড্রোন হামলা! ইউক্রেন যুদ্ধ কি এবার ন্যাটোর দরজায়?

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের উত্তেজনার মধ্যেই পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে একটি যাত্রীবাহী ট্রেনে ড্রোন হামলার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার পশ্চিম ইউক্রেনে ঘটনাটি ঘটে বলে সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে। হামলায় ট্রেনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও ২০৬ জন যাত্রীর কেউ আহত হননি বলে দাবি করা হয়েছে।জানা গিয়েছে, পোল্যান্ডের একটি রেল সংস্থার পরিচালিত ওই ট্রেনটি কিয়েভ থেকে ওয়ারশের দিকে যাচ্ছিল। পথে আচমকাই ট্রেনটির উপর একের পর এক রুশ ড্রোন হামলা হয় বলে অভিযোগ। হামলার জেরে ট্রেনে আগুন ধরে যায়। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে যাত্রীদের মধ্যে।তবে এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। হামলার পর প্রায় ছঘণ্টা ট্রেন পরিষেবা ব্যাহত হয় বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি এমন একটি সময়ে ঘটল, যখন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধকে ঘিরে গোটা ইউরোপেই নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।পোল্যান্ডের কাছে এই ঘটনার গুরুত্ব আরও বেশি বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। কারণ পোল্যান্ড ন্যাটোর সদস্য দেশ। ন্যাটোর চুক্তি অনুযায়ী, কোনও সদস্য দেশের বিরুদ্ধে সশস্ত্র হামলা হলে পরিস্থিতি অনুযায়ী অন্য সদস্যদেশগুলির সম্মিলিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হতে পারে।তবে রবিবারের ঘটনাটিকে সরাসরি পোল্যান্ডের উপর রুশ হামলা হিসেবে দেখছেন না বিশ্লেষকেরা। তাঁদের একাংশের মতে, পোল্যান্ড সীমান্তের এত কাছে এমন ঘটনা ন্যাটোর নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে। রাশিয়ার উদ্দেশ্য ন্যাটোর প্রস্তুতি ও ঐক্য পরীক্ষা করা কি না, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া যদি ভবিষ্যতে পোল্যান্ডের ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা চালায়, তার প্রভাব শুধু দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকার সম্ভাবনা কম। কারণ পোল্যান্ড ন্যাটোর সদস্য। সে ক্ষেত্রে গোটা ইউরোপের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতেই বড় পরিবর্তন আসতে পারে।তবে রবিবারের হামলার প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল এবং এর নেপথ্যে কারা রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে। ইউক্রেন যুদ্ধের পরিস্থিতির মধ্যে পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে এই হামলার অভিযোগ নতুন করে ইউরোপের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন একটাইরাশিয়া যদি সত্যিই পোল্যান্ডের ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা চালায়, তখন ন্যাটো কী পদক্ষেপ করবে?

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
দেশ

একের পর এক ভূমিধসে বসে যাচ্ছে আস্ত পাহাড়! সিকিমে হড়পা বানের আতঙ্ক, সরানো হল ৩৮ পরিবার

পশ্চিম সিকিমের গিয়ালশিং জেলার সিঙ্গলিথাম গ্রাম এবং সংলগ্ন রিম্বি এলাকায় একের পর এক ভূমিধসে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। রবিবার সকাল থেকে ভূমিধসের তীব্রতা বাড়তে থাকায় পাহাড়ের ঢাল থেকে কাদা, পাথর ও গাছের ধ্বংসাবশেষ নেমে আসছে। এর জেরে রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি কয়েকটি গ্রামের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে।পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকায় সিকিম প্রশাসনের তরফে রিম্বির ৩০টি এবং সিঙ্গলিথামের ৮টি পরিবারকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের ত্রাণ শিবিরে রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাহাড়ের ঢাল নরম হয়ে যাওয়ায় সিঙ্গলিথামের বেশ কয়েকটি বাড়িও ইতিমধ্যে ধসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, সিঙ্গলিথামের পাহাড়ের ঢাল থেকে ক্রমাগত কাদা, বড় পাথর এবং গাছ নেমে এসে স্থানীয় ঝোরার গতিপথ আটকে দিচ্ছে। ফলে রিম্বির নিচের দিকে আচমকা হড়পা বান নেমে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা। প্রশাসনের নজরদারিতে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, রিম্বির ঠিক উপরে সিঙ্গলিথাম গ্রামের কাছে একটি টিলা ধীরে ধীরে বসে যাওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতির অবনতি শুরু হয়। টানা ভারী বৃষ্টিতে পাহাড়ের ঢাল নরম হয়ে যাওয়ায় মাটি, কাদা এবং পাথর ক্রমাগত নিচের দিকে নেমে আসছে। স্থানীয়দের দাবি, গত অগস্ট মাস থেকেই ওই এলাকায় ভূমিধস শুরু হয়েছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ধস গ্রামের দিকে এগিয়ে আসছে।ভূমিধসের ধ্বংসস্তূপে রিম্বি-ইউকসম এবং রিম্বি-খেচুপেরি সড়কের কয়েকটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে ইউকসম-তাশিডিং এলাকার গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও। স্থানীয়দের পাশাপাশি পর্যটকদেরও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে প্রশাসনের তরফে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাধারণ মানুষ এবং যাত্রীদের বিকল্প রাস্তা ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিপদের আশঙ্কায় স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে নিরাপদ জায়গায় সরে যেতে শুরু করেছেন।প্রশাসনের তরফে ইতিমধ্যেই ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলিকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে বৃষ্টিপাত চলতে থাকলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের। পাহাড়ের ঢাল আরও নরম হলে নতুন করে ধস নামার আশঙ্কাও রয়েছে। বিশেষ করে ঝোরা অবরুদ্ধ হলে নিচের এলাকায় হড়পা বান তৈরি হতে পারে কি না, সেই দিকেই এখন নজর স্থানীয় প্রশাসন ও বাসিন্দাদের।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রাম, রেজিনগরে বড় চমক মমতার, আসন্ন উপনির্বাচনে ২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা তৃণমূলের

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস। রবিবার দলের তরফে জানানো হয়েছে, নন্দীগ্রামে প্রার্থী হচ্ছেন সঞ্চিতা প্রধান (দে)। পাশাপাশি, রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য রাবিউল আলম চৌধুরীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে নন্দীগ্রাম থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বিতার জল্পনার অবসান হল।দলের এই ঘোষণা এমন সময়ে এল, যখন শনিবারই তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবির জানিয়েছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করলে তারা ওই কেন্দ্রে প্রার্থী দেবে না। বিদ্রোহী গোষ্ঠীর তরফে মমতাকে নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করে বিধানসভায় ফেরার আহ্বানও জানানো হয়েছিল।১৫ বছর পর বিধানসভার বাইরে মমতা?২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ১৫,১০৫ ভোটে পরাজিত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামেও শুভেন্দুর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন তিনি।২০১১ সালে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর ভবানীপুরের উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে বিধানসভায় প্রবেশ করেন মমতা। ২০১৬ সালে ফের ভবানীপুর থেকে জয় পান তিনি। ২০২১ সালে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর উপনির্বাচনে জিতে আবারও বিধানসভায় জায়গা করে নেন। তৃণমূল নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে প্রার্থী ঘোষণা করায় এবার দীর্ঘ ১৫ বছর পর তাঁকে বিধানসভার বাইরে থাকতে হতে পারে।কেন নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন?২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরদুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পরে তিনি ভবানীপুর আসনটি ধরে রেখে নন্দীগ্রাম থেকে ইস্তফা দেন। সেই কারণেই নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন হচ্ছে।নির্বাচন কমিশনের সূচি অনুযায়ী, আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন হবে। ভোটের গণনা ৯ অক্টোবর। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৬ সেপ্টেম্বর।তৃণমূলে গোষ্ঠীকোন্দল অব্যাহতপ্রার্থী ঘোষণার মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ বিবাদ আরও জটিল হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী গোষ্ঠীদুই পক্ষই নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে। উভয় শিবিরই দলের নিয়ন্ত্রণ, নাম এবং জোড়াফুল প্রতীকের স্বীকৃতি দাবি করেছে।১২ সেপ্টেম্বর দুই পক্ষের বক্তব্য শোনে নির্বাচন কমিশন। বিদ্রোহী শিবিরের কাছে আরও কিছু নথি চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ সময়সীমার আগে দলের প্রতীক ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিবাদের নিষ্পত্তি হয়নি।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

স্ত্রীর পুরনো হাসি ভুলতে পারেননি! ৮৮ বছর বয়সে নিজের হাতেই বানিয়ে ফেললেন তাঁর মুখ

উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের বাসিন্দা ৮৮ বছরের ভূপতিরঞ্জন দেবনাথ। দীর্ঘ কর্মজীবনে মধ্যমগ্রাম হাই স্কুলে শিক্ষকতা করেছেন তিনি। প্রায় তিন দশক আগে অবসর নিয়েছেন। এখন পেনশনের টাকাতেই চলে তাঁর সংসার। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সংসারে একের পর এক কঠিন সময় এসেছে তাঁর জীবনে।ভূপতির স্ত্রী অঞ্জলির বয়স সত্তরের কোঠায়। তাঁদের দুই মেয়ে ও এক ছেলে। দুই মেয়েরই মধ্যমগ্রামে বিয়ে হয়েছে। বাড়িতে রয়েছেন পুত্রবধূ এবং নাতিও। তবে করোনা অতিমারির সময় একমাত্র ছেলেকে হারিয়েছেন ভূপতি ও অঞ্জলি। ছেলের পরিবারকেও এরপর নিজেদের দায়িত্বে আগলে রেখেছেন তাঁরা।এরই মধ্যে গত ছমাস ধরে অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী অঞ্জলি। বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় এতটাই দুর্বল হয়ে পড়েছেন যে, এখন হাতে কলম নিয়ে সই করাও তাঁর পক্ষে সম্ভব হয় না। একসময় যে স্ত্রী সংসারের নানা কঠিন পরিস্থিতিতেও হাসিমুখে সব সামলে নিতেন, আজ সেই মুখেই অসুস্থতার ছাপ স্পষ্ট।কিন্তু স্ত্রীর সেই পুরনো হাসি এখনও ভুলতে পারেননি ভূপতি। বরং সেই হাসিই তাঁর মনে আজও একই রকম উজ্জ্বল। তাই স্ত্রীর মুখের সেই পুরনো অবয়ব এবং হাসিকে ধরে রাখতে নিজের হাতেই তৈরি করেছেন একটি প্রতিকৃতি।শিক্ষকতার পাশাপাশি হাতের কাজেও যথেষ্ট দক্ষ ছিলেন ভূপতি। কর্মজীবনে বিভিন্ন সময়ে মাটি, নারকেলের খোল, গাছের ডাল-সহ নানা সাধারণ উপকরণ দিয়ে নানা জিনিস তৈরি করেছেন তিনি। ফেলে দেওয়া জিনিস তাঁর হাতে নতুন রূপ পেয়েছে। সেইসব কাজ এখনও তাঁর বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় যত্ন করে রাখা রয়েছে।এ বার সেই দক্ষতাকেই কাজে লাগিয়েছেন নিজের জীবনসঙ্গীর স্মৃতি ধরে রাখতে। প্লাস্টার অফ প্যারিস দিয়ে তৈরি করেছেন অঞ্জলির হাসিমুখের একটি প্রতিকৃতি। বাড়ির একটি শোকেসে রাখা রয়েছে সেই মূর্তি। স্ত্রীর পাশে বসে থাকার সময় কখনও অসুস্থ অঞ্জলির দিকে তাকান, কখনও আবার চোখ চলে যায় সেই হাসিমুখের প্রতিকৃতির দিকে।ভূপতির কথায়, তাঁদের দাম্পত্য জীবন প্রায় ৫৯ বছরের। অঞ্জলি বরাবরই হাসিখুশি থাকতে ভালোবাসতেন। সংসারে যত সমস্যাই আসুক, তিনি কখনও তা প্রকাশ করতেন না। হাসিমুখেই কঠিন সময় পার করেছেন। সেই হাসিই ছিল ভূপতির কাছে বড় ভরসা।আজ অঞ্জলি অসুস্থ। বিছানা থেকে ওঠার শক্তিও নেই। মুখের সেই পুরনো হাসিও আর দেখা যায় না। কিন্তু ভূপতির স্মৃতিতে অঞ্জলির হাসি এখনও একই রকম জীবন্ত। সেই হাসিকে অমলিন রাখতেই স্ত্রীর মুখের আদলে তৈরি করেছেন এই প্রতিকৃতি।পুরনো দিন আর ফিরে আসবে না, তা জানেন ৮৮ বছরের ভূপতি। তবু তাঁর একটাই আশা, স্ত্রী আবার শারীরিক সমস্যা কাটিয়ে উঠে একটু হাঁটাচলা করতে পারবেন, আগের মতো তাঁর পাশে বসতে পারবেন। আর সেই আশার সঙ্গেই ঘরের শোকেসে হাসিমুখে থেকে গিয়েছে অঞ্জলির সেই পুরনো মুখ।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

কেমন হওয়া উচিত গণেশের মূর্তি? কেনার আগে মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলি, সঠিক নিয়মে পুজোয় পাবেন হাতে নাতে ফল

ভগবান গণেশকে উৎসর্গ করে পালিত অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু উৎসব গণেশ চতুর্থী। বিঘ্নহর্তা, জ্ঞানদাতা এবং শুভ সূচনার দেবতা হিসেবে গণেশের আরাধনা করেন ভক্তরা। ২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর। ওই দিন থেকেই শুরু হবে দশ দিনব্যাপী গণেশ উৎসব।প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, গণেশ চতুর্থীর দিন বাড়িতে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করে পুজো করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস, এই সময় বাপ্পাকে বাড়িতে স্বাগত জানালে জীবনের বাধা-বিপত্তি দূর হয় এবং সুখ-সমৃদ্ধি আসে। তবে মূর্তি কেনার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র সৌন্দর্য বা সাজসজ্জা দেখলেই হবে না। ধর্মীয় বিশ্বাস ও বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, মূর্তির উচ্চতা, ভঙ্গি, রং, শুঁড়ের দিক এবং বাহনের উপস্থিতিরও বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে বলে মনে করা হয়।কেমন হওয়া উচিত গণেশের মূর্তি?বাস্তুশাস্ত্রের প্রচলিত মত অনুযায়ী, বাড়িতে পুজোর জন্য গণেশের মূর্তি খুব বড় হওয়া উচিত নয়। সাধারণত ৯ থেকে ১১ ইঞ্চি উচ্চতার মূর্তিকে গৃহস্থের পুজোর জন্য উপযুক্ত বলে মনে করা হয়। এর তুলনায় বড় মূর্তি রাখলে পুজো ও বিসর্জনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সমস্যা হতে পারে বলেও মত রয়েছে।মূর্তির ভঙ্গির দিকেও নজর দেওয়ার কথা বলা হয়। বাড়িতে পুজোর জন্য উপবিষ্ট গণেশের মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই ভঙ্গি শান্তি, স্থায়িত্ব ও সুখের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, চার হাতের গণেশ মূর্তির ক্ষেত্রে উপরের বাম হাতে পাশ, ডান হাতে অঙ্কুশ, নীচের বাম হাতে মোদক এবং নীচের ডান হাত অভয় মুদ্রায় থাকা শুভ বলে মনে করা হয়।গণেশের শুঁড় কোন দিকে থাকবে?গণেশের মূর্তি কেনার সময় শুঁড়ের দিকটিও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, বাম দিকে বাঁকানো শুঁড়যুক্ত গণেশের মূর্তি বাড়িতে স্থাপনের জন্য শুভ। এই ধরনের গণেশকে বামামুখী গণেশ বলা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই রূপ শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রতীক।অন্যদিকে, ডান দিকে বাঁকানো শুঁড়ের গণেশকে সিদ্ধিবিনায়ক বলা হয়। এই রূপকে তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী বলে মনে করা হয় এবং তাঁর পুজোয় বিশেষ নিয়মকানুন মেনে চলার প্রচলন রয়েছে। তাই বাড়ির পুজোর জন্য মূর্তি কেনার সময় শুঁড়ের দিকটি খেয়াল করার পরামর্শ দেওয়া হয়।গণেশের বাহন ইঁদুর থাকা কি জরুরি?ভগবান গণেশের বাহন ইঁদুর। তাই মূর্তি কেনার সময় গণেশের পায়ের কাছে তাঁর বাহন ইঁদুরের মূর্তি রয়েছে কি না, সেটিও দেখে নেওয়ার কথা বলা হয়।প্রচলিত ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, গণেশের মূর্তির সঙ্গে তাঁর বাহন ইঁদুরের উপস্থিতির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। তাই সম্পূর্ণ মূর্তি কেনার সময় এই বিষয়টিও নজরে রাখা হয়।কোন দিকে মুখ করে থাকবে গণেশের মূর্তি?বাড়িতে গণেশের মূর্তি স্থাপনের ক্ষেত্রে দিকেরও গুরুত্ব রয়েছে বলে বাস্তুশাস্ত্রে প্রচলিত মত রয়েছে। সেই অনুযায়ী, গণেশের মুখ পূর্ব বা উত্তর দিকে রেখে মূর্তি স্থাপন করা শুভ বলে মনে করা হয়। পুজোর সময়ও গণেশের মুখ যেন পূর্ব অথবা উত্তর দিকে থাকে, সেদিকে নজর দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।তবে গণেশের মূর্তির আকার, ভঙ্গি, শুঁড়ের দিক কিংবা মূর্তি স্থাপনের দিক নিয়ে প্রচলিত এই ধারণাগুলি মূলত ধর্মীয় বিশ্বাস ও বাস্তুশাস্ত্রভিত্তিক মত। ব্যক্তিগত বিশ্বাস, পারিবারিক রীতি এবং স্থানীয় প্রথা অনুযায়ী গণেশ পুজোর নিয়ম ভিন্ন হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

১৪ নাকি ১৫ সেপ্টম্বর, কবে পালিত হবে গণেশ চতুর্থী? জানুন ঠিক কোন সময়ে পুজোয় মিলবে দ্বিগুণ আর্শীবাদ?

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎসব গণেশ চতুর্থী। গণেশোৎসব নামেও পরিচিত এই উৎসব ভগবান গণেশের জন্মতিথি হিসেবে পালিত হয়। জ্ঞান, সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্যের দেবতা গণেশের আরাধনা করে ভক্তরা সুখ, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনা করেন। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতেই ভগবান গণেশের জন্ম হয়েছিল। সাধারণত ১০ দিন ধরে চলে এই উৎসব। অনন্ত চতুর্দশীর দিন গণেশ বিসর্জনের মাধ্যমে উৎসবের সমাপ্তি হয়।গণেশ চতুর্থী ২০২৬ কবে?দ্রিক পঞ্চাঙ্গ অনুযায়ী, ২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর। গণেশ বিসর্জন হবে শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর। উৎসবের শুরুতে বাড়ি ও বিভিন্ন মণ্ডপে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরপর প্রাণপ্রতিষ্ঠা, পুজো, প্রার্থনা ও আরতির মাধ্যমে চলে বাপ্পার আরাধনা। ফুল, ধূপ, প্রদীপ, ফল, মিষ্টি এবং বিশেষ করে মোদক নিবেদন করা হয় গণেশকে।গণেশ চতুর্থী ২০২৬-এর পুজোর শুভ মুহূর্তগণেশ পুজোর ক্ষেত্রে মধ্যাহ্নকালকে বিশেষ শুভ বলে মনে করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই সময়েই ভগবান গণেশের জন্ম হয়েছিল।১৪ সেপ্টেম্বর গণেশ পুজোর শুভ সময়:সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত।গণেশ চতুর্থীর তিথি শুরু হবে ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ৬ মিনিটে এবং শেষ হবে ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ৪৪ মিনিটে।শহরভেদে গণেশ পুজোর শুভ সময়বিভিন্ন শহরে স্থানীয় সময় অনুযায়ী গণেশ পুজোর শুভক্ষণে সামান্য পার্থক্য রয়েছে।পুনে: সকাল ১১টা ১৬ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৪ মিনিটনয়াদিল্লি: সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিটচেন্নাই: সকাল ১০টা ৫১ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ১৮ মিনিটজয়পুর: সকাল ১১টা ৮ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩৬ মিনিটহায়দরাবাদ: সকাল ১০টা ৫৮ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ২৫ মিনিটগুরগাঁও: সকাল ১১টা ৩ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিটচণ্ডীগড়: সকাল ১১টা ৪ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩৩ মিনিটকলকাতা: সকাল ১০টা ১৮ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ৪৬ মিনিটমুম্বই: সকাল ১১টা ২০ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৮ মিনিটবেঙ্গালুরু: সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ২৮ মিনিটআহমেদাবাদ: সকাল ১১টা ২১ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৯ মিনিটনয়ডা: সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিটকীভাবে পালিত হয় গণেশ চতুর্থী?গণেশ চতুর্থীর উৎসব শুরু হয় বাড়ি বা মণ্ডপে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। এরপর প্রাণপ্রতিষ্ঠা, পুজো ও আরতি করা হয়। ভক্তরা বাপ্পাকে ফুল, ফল, দূর্বা, ধূপ এবং বিভিন্ন মিষ্টি নিবেদন করেন। এর মধ্যে গণেশের প্রিয় মিষ্টি হিসেবে মোদকের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।অনেক পরিবারে গণেশের মূর্তি বাড়িতে এনে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে কয়েক দিন ধরে পুজো করা হয়। অন্যদিকে, বিভিন্ন শহর ও এলাকায় বড় বড় মণ্ডপ তৈরি করে গণেশোৎসবের আয়োজন করা হয়। পুজোর পাশাপাশি সেখানে ধর্মীয় অনুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক কর্মসূচি, সঙ্গীতানুষ্ঠান, খাবারের আয়োজন এবং বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগও দেখা যায়।উৎসবের শেষ দিনে গণেশের মূর্তি নিয়ে শোভাযাত্রা বের করা হয়। এরপর নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে জলাশয়ে বাপ্পার বিসর্জনের মাধ্যমে গণেশোৎসবের সমাপ্তি ঘটে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

রাশি অনুযায়ী বেছে নিন গণপতি বাপ্পার মূর্তির রং, কোন রাশির জন্য কোন রং শুভ?

গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে বাড়িতে গণপতি বাপ্পার মূর্তি স্থাপনের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন ভক্তরা। মূর্তি কেনার সময় সাধারণত আকার, রূপ, ভঙ্গি এবং পুজোর নিয়মের দিকে নজর দেওয়া হয়। তবে জ্যোতিষশাস্ত্রের প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, গণেশের মূর্তির রঙেরও বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। বিভিন্ন রঙের সঙ্গে বিভিন্ন গ্রহ এবং তাদের বৈশিষ্ট্যের সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করা হয়। সেই বিশ্বাস অনুযায়ী, নিজের রাশি অনুসারে গণেশের মূর্তির রং বেছে নিলে শুভ ফল পাওয়া যেতে পারে।২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে ১৪ সেপ্টেম্বর। প্রচলিত জ্যোতিষীয় মতে, ওই সময় চন্দ্র তুলা রাশিতে অবস্থান করবে। এবার দেখে নেওয়া যাক, কোন রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য কোন রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়।মেষ ও বৃষ রাশির জন্য লাল ও হালকা গোলাপিমেষ রাশির অধিপতি গ্রহ মঙ্গল। জ্যোতিষশাস্ত্রে মঙ্গলের সঙ্গে লাল রঙের সম্পর্ক রয়েছে। তাই মেষ রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য লাল রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং সাহস, কর্মশক্তি ও সংকল্পের প্রতীক। জীবনের বাধা কাটিয়ে এগিয়ে যেতে লাল গণপতির আরাধনা ফলদায়ক হতে পারে বলে বিশ্বাস।বৃষ রাশির অধিপতি শুক্র। এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য ক্রিম বা হালকা গোলাপি রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং সৌন্দর্য, আরাম, সম্প্রীতি ও স্থায়িত্বের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।মিথুন ও কর্কটের জন্য সবুজ ও সাদামিথুন রাশির অধিপতি বুধ। তাই মিথুন রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য সবুজ রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। জ্যোতিষীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, সবুজ রং বুদ্ধি, যোগাযোগ, শিক্ষা ও ব্যবসার সঙ্গে সম্পর্কিত।কর্কট রাশির অধিপতি চন্দ্র। তাই এই রাশির জন্য সাদা রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। সাদা রং শান্তি, পবিত্রতা, মানসিক স্থিরতা এবং পারিবারিক সম্প্রীতির প্রতীক বলে বিশ্বাস করা হয়।সিংহ ও কন্যার জন্য কমলা ও সবুজসিংহ রাশির অধিপতি সূর্য। এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য কমলা, জাফরান বা হালকা সোনালি রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং আত্মবিশ্বাস, প্রাণশক্তি, নেতৃত্ব এবং অভ্যন্তরীণ শক্তির প্রতীক।কন্যা রাশির অধিপতিও বুধ। তাই কন্যা রাশির জন্য সবুজ রঙের গণেশ মূর্তি উপযুক্ত বলে জ্যোতিষশাস্ত্রে মনে করা হয়। সবুজ রং বুদ্ধি, দক্ষতা ও যোগাযোগের সঙ্গে সম্পর্কিত।তুলা ও বৃশ্চিকের জন্য গোলাপি ও মেরুনতুলা রাশির অধিপতি শুক্র। তাই এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য গোলাপি এবং হালকা নীল রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং সৌন্দর্য, সম্পর্কের ভারসাম্য, সম্প্রীতি ও শান্তির প্রতীক।বিশেষ করে ২০২৬ সালের গণেশ চতুর্থীর সময় চন্দ্র তুলা রাশিতে অবস্থান করার বিষয়টিকেও জ্যোতিষীয় দৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।বৃশ্চিক রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য গাঢ় লাল বা মেরুন রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং শক্তি, মানসিক সাহস এবং নিয়ন্ত্রিত ক্ষমতার প্রতীক হিসেবে ধরা হয়।ধনু ও মীনের জন্য হলুদধনু রাশির অধিপতি বৃহস্পতি। তাই ধনু রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য হলুদ রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। হলুদ রং শিক্ষা, সমৃদ্ধি এবং আধ্যাত্মিক শক্তির প্রতীক বলে জ্যোতিষশাস্ত্রে বিশ্বাস করা হয়।মীন রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্যও হলুদ রঙের গণেশ মূর্তি অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। বৃহস্পতির সঙ্গে হলুদ রঙের সম্পর্ক থাকায় এই রঙকে জ্ঞান, সমৃদ্ধি ও আধ্যাত্মিকতার প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।মকর ও কুম্ভের জন্য মাটির রং ও নীলমকর রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য ধূসর, পাথুরে বা মাটির মতো বাদামি রঙের গণেশ মূর্তি বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এই রং শনির সঙ্গে সম্পর্কিত এবং ধৈর্য, শৃঙ্খলা ও ধীরস্থির অগ্রগতির প্রতীক বলে মনে করা হয়।অন্যদিকে, কুম্ভ রাশির জন্য নীল রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে জ্যোতিষীয় বিশ্বাস রয়েছে। নীল রং স্থিরতা, গভীরতা ও মানসিক দৃঢ়তার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মনে করা হয়।তবে রাশি অনুযায়ী গণেশ মূর্তির রং বেছে নেওয়ার এই ধারণাগুলি মূলত জ্যোতিষশাস্ত্র ও ধর্মীয় বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে প্রচলিত। ব্যক্তিগত বিশ্বাস, পারিবারিক রীতি এবং স্থানীয় প্রথা অনুযায়ী গণেশ পুজোর নিয়ম ও পছন্দ ভিন্ন হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal