• ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩, রবিবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Calcutta High Court

কলকাতা

সিঙ্গুর মামলায় বড় স্বস্তি রাজ্যের! টাটাদের ক্ষতিপূরণে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

সিঙ্গুর মামলায় বড় স্বস্তি পেল রাজ্য। টাটা মোটরসকে ৭৬৫ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশে সাময়িক স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি অনিরুদ্ধ রায়ের বেঞ্চ আগামী আট সপ্তাহের জন্য এই স্থগিতাদেশ জারি করেছে। একই সঙ্গে আদালত জানিয়েছে, এই সময়ের মধ্যে রাজ্য সরকারকে ব্যাঙ্ক গ্যারান্টি জমা দিতে হবে।সিঙ্গুরে কারখানা তৈরি না করতে পারার কারণে টাটা মোটরসকে এই বিপুল অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল সালিশি আদালত। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই তৎকালীন তৃণমূল সরকার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল।জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে তিন সদস্যের সালিশি ট্রাইব্যুনাল নির্দেশ দেয়, পশ্চিমবঙ্গ শিল্পোন্নয়ন নিগমকে টাটা মোটরসকে ৭৬৫ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। শুধু তাই নয়, ২০১১ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে টাকা মেটানো পর্যন্ত বছরে ১১ শতাংশ হারে সুদ এবং মামলার খরচ বাবদ আরও ১ কোটি টাকা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৩১ অগস্ট সুপ্রিম কোর্ট সিঙ্গুরে টাটাদের জন্য অধিগৃহীত ৯৯৭ একর জমিকে অবৈধ ঘোষণা করে। আদালতের নির্দেশে কৃষকদের জমি ফেরানোর কাজ শুরু করেছিল তৎকালীন রাজ্য সরকার। যদিও বহু কৃষকের অভিযোগ ছিল, জমি ফেরত পেলেও তা চাষের উপযুক্ত অবস্থায় ছিল না।২০০৬ সালে টাটা গোষ্ঠীর ন্যানো প্রকল্পের জন্য সিঙ্গুরে জমি অধিগ্রহণ শুরু হয়। কিন্তু জমি আন্দোলন এবং রাজনৈতিক সংঘাতের জেরে ২০০৮ সালে রতন টাটা সিঙ্গুর থেকে কারখানা সরিয়ে গুজরাটের সানন্দে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পরে ২০১১ সালে ক্ষমতায় এসে তৃণমূল সরকার সিঙ্গুর জমি পুনর্বাসন ও উন্নয়ন আইন পাশ করে জমি ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু করে।সিঙ্গুর মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের এই নতুন সিদ্ধান্ত ঘিরে ফের রাজনৈতিক এবং শিল্প মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

মে ০৭, ২০২৬
কলকাতা

কসবা গণনা কেন্দ্র নিয়ে বড় ধাক্কা তৃণমূলের! হাইকোর্টে জিতল কমিশন

কসবা বিধানসভা কেন্দ্রের গণনা কেন্দ্র পরিবর্তন নিয়ে হওয়া মামলায় নির্বাচন কমিশনকে স্বস্তি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। জাভেদ খান-এর দায়ের করা মামলা খারিজ করে দেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। আদালত জানায়, গীতাঞ্জলি স্টেডিয়াম থেকে আলিপুরের বিহারীলাল কলেজে গণনা কেন্দ্র সরানোর সিদ্ধান্ত নিয়ম মেনেই নেওয়া হয়েছে।তৃণমূলের তরফে অভিযোগ ছিল, কোনও নিয়ম না মেনেই হঠাৎ করে গণনা কেন্দ্র বদল করা হয়েছে। কিন্তু আদালত সেই অভিযোগ মানেনি। বিচারপতি জানান, সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার সঠিক প্রক্রিয়া মেনেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।এদিকে, আসন্ন ভোটগণনাকে সামনে রেখে আরও কড়া হয়েছে নির্বাচন কমিশন। গণনা কেন্দ্রে নিরাপত্তা বাড়াতে নতুন নিয়ম চালু করা হচ্ছে। এখন থেকে যাঁরা গণনা কেন্দ্রে প্রবেশ করবেন, তাঁদের জন্য বিশেষ পরিচয়পত্র থাকবে, যাতে একটি কোড যুক্ত থাকবে। সেই কোড স্ক্যান করে তবেই ভিতরে ঢোকার অনুমতি মিলবে ।এই নতুন ব্যবস্থা ২ মে থেকে কার্যকর হবে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে অননুমোদিত কেউ যাতে গণনা কেন্দ্রে ঢুকতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে চাইছে কমিশন। গণনাকর্মী, এজেন্ট এবং সংবাদমাধ্যমসবাইকেই এই নতুন নিয়ম মানতে হবে।সব মিলিয়ে, গণনা কেন্দ্র নিয়ে আদালতের রায় এবং নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ঘিরে রাজ্যে ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের ফলের আগে বড় ধাক্কা! গণনাকেন্দ্র নিয়ে হাইকোর্টে জোড়া মামলা

বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার আগে গণনাকেন্দ্রের বিন্যাস ও কর্মী নিয়োগ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জোড়া মামলা দায়ের করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দুটি আলাদা সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বৃহস্পতিবার আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিশ্বরূপ ভট্টাচার্য।প্রথম মামলায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, গণনাকেন্দ্রের সুপারভাইজার পদে শুধু কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তাঁর দাবি, এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনী নিয়মের বিরুদ্ধে এবং এতে গণনার নিরপেক্ষতা প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। তিনি এই বিষয়টি আদালতের নজরে আনেন।অন্যদিকে, বিশ্বরূপ ভট্টাচার্যের মামলার মূল আপত্তি গণনাকেন্দ্রের স্থান পরিবর্তন নিয়ে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটার সংখ্যা কম থাকায় এবং কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবার গণনাকেন্দ্র কমিয়ে এক জায়গায় আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিশ্বরূপ ভট্টাচার্যের মতে, হঠাৎ করে এইভাবে গণনাকেন্দ্র বদল করা আইনসঙ্গত নয়।নির্বাচন শুরু হওয়ার পর থেকেই কমিশনের একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক দেখা গিয়েছিল। এবার গণনা শুরুর আগেই সেই বিতর্ক আরও বেড়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর দুইটোর সময় এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
রাজ্য

রোজভ্যালি কাণ্ডে বড় স্বস্তি! অবশেষে ফেরত মিলল কোটি কোটি টাকা

রোজভ্যালি গোষ্ঠীর প্রতারিত আমানতকারীদের জন্য বড় স্বস্তির খবর সামনে এল। হাইকোর্টের নির্দেশে গঠিত অ্যাসেট ডিসপোজাল কমিটি প্রায় একশো সাতাশ কোটি ঊনসত্তর লক্ষ টাকা ফেরত দিয়েছে। এই টাকা এক লক্ষ তিয়াত্তর হাজার তিনশো পঞ্চাশ জন আমানতকারীর মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে, সমস্ত নথি যাচাইয়ের পর।সূত্রের খবর, রোজভ্যালি গোষ্ঠীর বাজেয়াপ্ত সম্পত্তি বিক্রি করে সেই টাকা সাধারণ মানুষের মধ্যে ফেরত দেওয়া হচ্ছে। এই পুরো প্রক্রিয়ায় নজর রাখছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি দিলীপকুমার শেঠের নেতৃত্বে এই কমিটি কাজ করছে। হাইকোর্টের নির্দেশ মেনেই তারা ধাপে ধাপে টাকা ফেরানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এর আগে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকও আমানতকারীদের জন্য পাঁচশো পনেরো কোটির বেশি টাকা বরাদ্দ করার কথা ঘোষণা করেছিল। যাঁরা এখনও তাঁদের দাবির অবস্থা জানতে চান, তাঁরা কমিটির নির্দিষ্ট পোর্টালে গিয়ে তা দেখতে পারবেন।এছাড়াও জানা গিয়েছে, আরও প্রায় চারশো পঞ্চাশ কোটি টাকা ফেরানোর অনুমতি পেয়েছে এই কমিটি। তদন্তে উঠে এসেছে, রোজভ্যালি সংস্থা প্রতারিত আমানতকারীদের টাকা বিভিন্ন ব্যাঙ্কে স্থায়ী আমানত হিসেবে রেখে দিয়েছিল। পরে তদন্ত চলাকালীন তিনশো বত্রিশ কোটি ছিয়াত্তর লক্ষ টাকার স্থায়ী আমানত বাজেয়াপ্ত করা হয়। সেই আমানত ভাঙার অনুমতি মেলার পরই এবার টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।এই পদক্ষেপে বহু আমানতকারীর দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান হল বলে মনে করা হচ্ছে, যদিও এখনও অনেকেই তাঁদের পাওনা ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন।

এপ্রিল ২৮, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত! বাইক নিয়ে কড়া নিষেধাজ্ঞা হাইকোর্টের

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে বাইক চলাচল নিয়ে নতুন নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট । সোমবার থেকে বাইক মিছিল এবং একসঙ্গে একাধিক বাইক নিয়ে চলাফেরার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বিচারপতি শম্পা সরকার-এর ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দেয়।এর আগে নির্বাচন কমিশনের তরফে বাইক চলাচল নিয়ে বিশেষ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল। সেখানে বলা হয়েছিল, ভোটের ৭২ ঘণ্টা আগে থেকে কোনও বাইক মিছিল করা যাবে না । এছাড়া সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরের দিন সকাল ৬টা পর্যন্ত বাইক নিয়ে বাইরে বেরোনোর উপরও নিষেধাজ্ঞা ছিল। শুধুমাত্র জরুরি প্রয়োজনে, যেমন হাসপাতালে যাওয়া বা সন্তানকে স্কুল থেকে আনা, সেই ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছিল। বাইকের পিছনে যাত্রী বসানো নিয়েও কড়াকড়ি করা হয়েছিল।তবে এই নির্দেশের বিরুদ্ধে মামলা হলে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও-এর সিঙ্গল বেঞ্চ সেই নিয়মে পরিবর্তন আনে। তিনি ৭২ ঘণ্টার বদলে ১২ ঘণ্টা আগে থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার নির্দেশ দেন।এরপর নির্বাচন কমিশন এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায়। নতুন নির্দেশে আদালত জানায়, দ্বিতীয় দফার ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে দল বেঁধে বাইক চালানো যাবে না। তবে কেউ যদি একা বা স্বাভাবিকভাবে বাইক নিয়ে বেরোন, তাতে কোনও বাধা দেওয়া যাবে না।এই নির্দেশের ফলে ভোটের আগে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসন আরও কড়া নজরদারি চালাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ২৭, ২০২৬
দেশ

ট্রাইবুনালে কেন মাত্র ১৩৯ জনের নাম উঠল! এবার হাইকোর্টে যাওয়ার পথ দেখাল সুপ্রিম কোর্ট

এসআইআর মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টে উঠে এল গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। ২৭ লক্ষ আবেদনের মধ্যে মাত্র ১৩৯টির নিষ্পত্তি হয়েছে বলে জানানো হয় আদালতে। এই পরিস্থিতিতে প্রয়োজন হলে হাই কোর্টে আবেদন করা যেতে পারে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।শুক্রবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। তৃণমূলের পক্ষ থেকে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে জানান, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ট্রাইব্যুনালের কাজ চলছে, কিন্তু নিষ্পত্তির সংখ্যা খুবই কম।এই বিষয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, যদি প্রয়োজন হয়, তাহলে মামলাকারীরা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন করতে পারেন। ট্রাইব্যুনালে নাম সংক্রান্ত সমস্যার ক্ষেত্রেও হাই কোর্টে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।এদিকে, প্রথম দফার ভোট নিয়েও এদিন আদালতে আলোচনা হয়। রাজ্যের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রায় ৯২ শতাংশ ভোট পড়েছে এবং বহু পরিযায়ী শ্রমিকও এসে ভোট দিয়েছেন। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, বড় ধরনের কোনও হিংসার ঘটনা ঘটেনি।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, একজন নাগরিক হিসেবে এত বেশি ভোটদানের হার দেখে তিনি খুশি। তাঁর মতে, মানুষ যখন ভোট দেয়, তখন গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী হয়।কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতাও ভোটের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এত বেশি ভোট পড়া একটি ঐতিহাসিক ঘটনা এবং মোটের উপর নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকাও তিনি প্রশংসা করেন।এই শুনানি ঘিরে একদিকে যেমন ভোট নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ হয়েছে, অন্যদিকে মামলার ধীরগতির বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগও সামনে এসেছে।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
কলকাতা

ইডির সমনে হাজিরা দিতে হবে সুজিত বসুকে! হাইকোর্টে বড় রায়

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল প্রার্থী সুজিত বসুকে ঘিরে নতুন মোড়। এই মামলায় তাঁকে বারবার তলব করেছিল তদন্তকারী সংস্থা। তবে আপাতত কিছুটা স্বস্তি পেলেন তিনি। আদালত জানিয়ে দিয়েছে, এখনই হাজিরা দিতে হবে না, তবে নির্দিষ্ট দিনে হাজিরা দিতেই হবে।দুবছর আগে এই মামলায় চার্জশিট জমা পড়লেও সেখানে সুজিত বসুর নাম ছিল না। তবুও ভোটের আগে থেকে তাঁকে একাধিকবার তলব করা হয়। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তাঁকে বারবার সমন পাঠানো হচ্ছিল। একবার তিনি নিজে না গিয়ে নিজের ছেলেকে পাঠিয়েছিলেন, কিন্তু তা গ্রহণ করেনি তদন্তকারী সংস্থা।এরপর আবার তাঁকে নির্দিষ্ট দিনে হাজিরার জন্য ডাকা হয়। তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়ে আবেদন করেন, ভোট চলাকালীন তিনি প্রার্থী হওয়ায় এখন হাজিরা থেকে ছাড় দেওয়া হোক। তাঁর দাবি ছিল, ভোট শেষ হওয়ার পর তাঁকে ডাকা হোক। অন্যদিকে তদন্তকারী সংস্থার দাবি, তাঁকে বারবার ডাকা হলেও তিনি সহযোগিতা করছেন না।সব দিক বিবেচনা করে আদালত জানিয়েছে, আগামী ১ মে সকাল সাড়ে দশটায় তাঁকে হাজিরা দিতে হবে। নিজের জায়গায় অন্য কাউকে পাঠানো যাবে না। তবে যেহেতু তিনি ভোটে প্রার্থী, তাই এই সময়সীমা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে আদালত।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বাইক বন্ধ! কমিশনের সিদ্ধান্তে হাই কোর্টে মামলা

ভোটের দুদিন আগে স্পর্শকাতর এলাকায় বাইক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করে বিতর্কে জড়াল নির্বাচন কমিশন। এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এবার মামলা গড়াল কলকাতা হাই কোর্টে। বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে মামলা দায়েরের অনুমতি চাওয়া হলে তিনি সেই অনুমতি দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। মামলাকারীর দাবি, এই নিষেধাজ্ঞার ফলে সাধারণ মানুষের ব্যাপক ভোগান্তি হতে পারে এবং তা পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন রয়েছে।বৃহস্পতিবার রাজ্যের ১৫২টি বিধানসভা আসনে ভোট রয়েছে। তার আগে কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে বাইক র্যালি ও মোটরসাইকেল মিছিল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত বাইক চালানোও বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে জরুরি চিকিৎসা বা পারিবারিক প্রয়োজনের ক্ষেত্রে কিছু ছাড় রাখা হয়েছে।এছাড়া বাইকে আরোহী বসানো নিয়েও কড়া নিয়ম জারি করেছে কমিশন। সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বাইকের পিছনে কাউকে বসানো যাবে না বলে জানানো হয়েছে। যদিও স্কুল পড়ুয়াদের যাতায়াত, চিকিৎসা বা জরুরি প্রয়োজনে এই নিয়মে কিছু ছাড় রয়েছে।এই নির্দেশ প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। তৃণমূলের অভিযোগ, এই সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের অসুবিধা বাড়বে। বিশেষ করে যাঁরা ডেলিভারি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের উপর এর বড় প্রভাব পড়বে। এই পরিস্থিতিতে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ায় বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেয়েছে।

এপ্রিল ২২, ২০২৬
কলকাতা

বেলডাঙা মামলায় হঠাৎ বড় মোড়! ডিভিশন বেঞ্চ থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি

বেলডাঙা হিংসা মামলায় বড় পরিবর্তন ঘটল আদালতে। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ এই মামলা থেকে সরে দাঁড়িয়েছে। ফলে মামলাটি এখন প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের বেঞ্চে ফের পাঠানো হয়েছে।সূত্রের খবর, এনআইএ-র বিশেষ আদালতের একটি নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এনআইএ এই ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করেছিল। কিন্তু শুনানির সময় বিচারপতি জানান, এই মামলায় ইউএপিএ বা বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনের ধারা প্রযোজ্য হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার প্রধান বিচারপতির। তাই এই বেঞ্চে মামলার শুনানি এগোনো সম্ভব নয় বলে জানানো হয়।এই কারণেই মামলাটি ফের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে পাঠানো হয়েছে।বেলডাঙায় হিংসার ঘটনায় ১৫ জন অভিযুক্তকে আগেই জামিন দিয়েছিল এনআইএ-র বিশেষ আদালত। আদালতের বক্তব্য ছিল, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চার্জশিট দাখিল না হওয়ায় এই জামিন দেওয়া হয়েছে। সেই সিদ্ধান্তকেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এনআইএ হাইকোর্টে যায়।ঘটনার পেছনে রয়েছে এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বেলডাঙায় তৈরি হওয়া উত্তেজনা। ওই মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়। রাস্তা অবরোধ, রেল অবরোধ এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে লাঠিচার্জ করতে হয় এবং একাধিক জায়গায় ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে।পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে পরে এই মামলার তদন্তভার রাজ্য পুলিশের কাছ থেকে নিয়ে এনআইএ-র হাতে তুলে দেওয়া হয়। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশেই শুরু হয় কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্ত।

এপ্রিল ২১, ২০২৬
রাজ্য

বেলডাঙা কাণ্ডে নতুন মোড়! জামিন নিয়ে হাই কোর্টে ছুটল এনআইএ

বেলডাঙা কাণ্ডে নতুন করে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ এবার কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। আগে এনআইএ-র বিশেষ আদালত শর্তসাপেক্ষে ১৫ জন অভিযুক্তকে জামিন দিয়েছিল। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই উচ্চ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাদের অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মানা হয়নি এবং সেই কারণেই এই জামিন দেওয়া ঠিক হয়নি।আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চার্জশিট জমা দেওয়ার কথা থাকলেও, ৯০ দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরেও এনআইএ চূড়ান্ত চার্জশিট জমা দিতে পারেনি। এমনকি তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কেও আদালতের প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেনি তারা। এই পরিস্থিতিতে অভিযুক্তদের আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেন। এরপর ১০ হাজার টাকার বন্ডে ১৫ জনের জামিন মঞ্জুর করে বিশেষ আদালত। যদিও তাঁদের চলাফেরার উপর বেশ কিছু শর্ত আরোপ করা হয়েছে।হাই কোর্টে এনআইএ-র বক্তব্য, তদন্ত চলাকালীন এইভাবে জামিন দেওয়া উচিত হয়নি। আদালতে প্রশ্ন ওঠে, যখন সুপ্রিম কোর্ট এই মামলাটি হাই কোর্টে ফেরত পাঠিয়েছে, তখন কীভাবে নিম্ন আদালত জামিন মঞ্জুর করল। এই বিষয়টি নিয়ে বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিচারপতি অপূর্ব সিংহ রায়ের বেঞ্চে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আগামী শুনানিতে স্পষ্ট হবে, এই জামিন বহাল থাকবে নাকি হাই কোর্ট হস্তক্ষেপ করে নতুন নির্দেশ দেবে।উল্লেখযোগ্য, গত জানুয়ারি মাসে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল। অভিযোগ ছিল, ঝাড়খণ্ডে ওই শ্রমিককে খুন করা হয়। সেই ঘটনার প্রতিবাদে বেলডাঙায় রেল ও জাতীয় সড়ক অবরোধ করা হয় এবং ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। এমনকি সংবাদমাধ্যমের উপর হামলার অভিযোগও ওঠে। পরে রাজ্য পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে, যদিও এলাকায় উত্তেজনা বজায় ছিল।পরবর্তীতে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে এই ঘটনার তদন্তভার এনআইএ-র হাতে যায়। মোট ৩৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাঁদের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয় আদালত। এখন জামিনের প্রশ্নে নতুন করে এই মামলায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় আশঙ্কা! ৮০০ তৃণমূল কর্মী গ্রেপ্তার হতে পারেন, হাই কোর্টে ছুটল দল

ভোটের আগে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল। তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, বাংলার অন্তত আটশো কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে। এই আশঙ্কা নিয়েই কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে দল। সোমবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের বেঞ্চে মামলা দায়েরের অনুমতি মিলেছে। আগামী বুধবার এই মামলার শুনানি হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।গত বারোই এপ্রিল খণ্ডঘোষের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই নিয়ে বড়সড় আশঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন। তিনি অভিযোগ করেন, ভোট প্রক্রিয়ায় ধীর গতি আনা, গণনায় দেরি করা এবং প্রথমে ভুল ফল দেখানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তাঁর দাবি, অনেককে গ্রেপ্তার করার চেষ্টা চলছে এবং মধ্যরাত থেকে অভিযান শুরু হতে পারে। তিনি আরও বলেন, যদি কোথাও দেখানো হয় যে অন্য দল জিতছে, তাহলে তা মিথ্যে হতে পারে। মমতার অভিযোগ, বিজেপির প্রভাবেই নির্বাচন কমিশন তৃণমূলের বিরুদ্ধে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে।এরপরই আইনি পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেয় তৃণমূল। সোমবার দলের পক্ষ থেকে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে জানান, জাতীয় নির্বাচন কমিশন পুলিশের মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রায় আটশো তৃণমূল কর্মীর নাম সংগ্রহ করেছে। তাঁদের গ্রেপ্তারের আশঙ্কা রয়েছে বলেই দাবি করেন তিনি। আদালতের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের আবেদনও জানানো হয়।আদালত এই আবেদন মেনে মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছে। একই সঙ্গে দ্রুত শুনানির আর্জিও গ্রহণ করা হয়েছে। ফলে আগামী বুধবার এই গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ভোটের আগে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
কলকাতা

হাইকোর্টের বড় ধাক্কা! অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার করা যাবে না

ভোটের আগে বড় ধাক্কা খেল নির্বাচন কমিশন। কলেজের অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগের সিদ্ধান্ত খারিজ করে দিল হাইকোর্ট। আদালতের প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দিতে না পারায় কমিশনের জারি করা বিজ্ঞপ্তি বাতিল করা হয়েছে।এই মামলার শুনানি চলছিল বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের বেঞ্চে। শুনানির সময় বিচারপতি কড়া ভাষায় কমিশনকে ভর্ৎসনা করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন কলেজের অধ্যাপকদের এই দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে, তার কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই। আগের দিনই কমিশনের কাছে এই বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছিল, কিন্তু নির্দিষ্ট কারণ দেখাতে পারেনি তারা।কমিশনের তরফে যুক্তি দেওয়া হয়েছিল, ভোটের আগে নতুন করে লোক নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্ভব নয়। তবে আদালত সেই যুক্তি মানতে রাজি হয়নি। বিচারপতির মতে, শুধু সময়ের অভাব দেখিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না।শুক্রবারের শুনানিতে কমিশন সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হয়। এরপরই আদালত স্পষ্ট নির্দেশ দেয়, কলেজের অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা যাবে না এবং সেই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি বাতিল করা হল।তবে ইতিমধ্যে যাঁরা প্রশিক্ষণ নিয়েছেন বা প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে এই রায় প্রযোজ্য হবে না। যাঁরা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন, সেই অধ্যাপকদের ভোটের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, যাঁরা আপত্তি জানাননি এবং প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, তাঁরা চাইলে ভোটের কাজে যুক্ত থাকতে পারবেন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, আগে কখনও অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হয়নি। সাধারণত এই পদে যাঁরা থাকেন, তাঁদের ব্লক স্তরের প্রশাসনিক আধিকারিকদের অধীনে কাজ করতে হয়। কিন্তু অধ্যাপকদের পদমর্যাদা বেশি হওয়ায় সেই নিয়মের সঙ্গে এই নিয়োগ সাংঘর্ষিক বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় স্বস্তি তৃণমূল প্রার্থীকে, পুলিশের হাত আপাতত বাঁধল আদালত

ভোটের আগে নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক লড়াইয়ের মাঝেই আদালত থেকে বড় স্বস্তি পেলেন তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র কর। বৃহস্পতিবার বিচারপতি অজয় কুমার মুখোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছেন, আপাতত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ নিতে পারবে না পুলিশ। তবে একই সঙ্গে আদালত জানিয়েছে, তদন্ত চালিয়ে যেতে কোনও বাধা নেই।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে লড়ছেন পবিত্র কর। বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার দিনই তাঁকে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়, ফলে এই কেন্দ্রের লড়াই আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।এরই মধ্যে হুমকি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে পবিত্র করের বিরুদ্ধে একটি এফআইআর দায়ের হয়। সেই এফআইআর খারিজ করার আবেদন জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি। নন্দীগ্রামে প্রথম দফাতেই ভোট রয়েছে ২৩ এপ্রিল, তাই তার আগেই মামলার শুনানি চেয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী। বৃহস্পতিবার সেই মামলারই শুনানি হয়।বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগের ভিত্তিতেই এই মামলা দায়ের হয়। তিনি দাবি করেন, পবিত্র কর বিজেপির প্রতীকে পঞ্চায়েত সদস্য হয়েও তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়ছেন, যা আইনসিদ্ধ নয়। পাশাপাশি নন্দীগ্রামে অশান্তি তৈরির অভিযোগও তোলেন তিনি।এই অভিযোগের জবাবে পবিত্র কর পাল্টা আক্রমণ করেছেন। তাঁর দাবি, নন্দীগ্রামে যে সব মামলা ও সমস্যা তৈরি হচ্ছে, তার পিছনে শুভেন্দু অধিকারীরই ভূমিকা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ভোটের ফল বেরোলেই সব হিসেব মিটে যাবে।সব মিলিয়ে ভোটের আগে এই ঘটনা নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

এপ্রিল ১৬, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় ধাক্কা! নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ করা মামলা খারিজ

ভোটের মুখে বড় ধাক্কা। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে করা দুটি জনস্বার্থ মামলা খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই মামলাগুলিতে উপযুক্ত যুক্তি দেখানো যায়নি।রাজ্যে আইএএস এবং আইপিএস আধিকারিকদের ব্যাপক বদলির বিরুদ্ধে স্থগিতাদেশ চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এক আইনজীবী। গত পনেরো মার্চ থেকে উনিশ মার্চের মধ্যে নির্বাচন কমিশন ছেচল্লিশ জন আধিকারিককে বদলি করেছিল। সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপত্তি জানিয়ে মামলা করা হয় এবং বদলি হওয়া আধিকারিকদের পুনর্বহালের দাবিও তোলা হয়েছিল। এই মামলায় রাজ্য সরকারও সমর্থন জানিয়েছিল। তবে আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়।একই সঙ্গে বিডিও, আইসি এবং ওসি পদে বদলি নিয়েও আর একটি মামলা করা হয়েছিল। সেই মামলাটিও খারিজ করে দেন বিচারপতিরা। আদালতের পর্যবেক্ষণ, নির্বাচন কমিশনের এই ধরনের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করার মতো কোনও যুক্তিসঙ্গত কারণ পাওয়া যায়নি।রায়ে আদালত জানায়, মামলাকারী ব্যক্তিগতভাবে কোনও ক্ষতির মুখে পড়েননি, ফলে এই আবেদনকে জনস্বার্থ মামলা হিসেবে গ্রহণ করা যায় না। এছাড়া নির্বাচন কমিশনের আধিকারিক বদলির সিদ্ধান্তকে ইচ্ছাকৃত বা অযৌক্তিক বলেও মনে করেনি আদালত। দেশে অন্যান্য জায়গাতেও একই ধরনের বদলি হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।আদালত আরও জানায়, যদি কোনও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ বেআইনি বা ক্ষমতার বাইরে গিয়ে নেওয়া হয়, তবেই আদালত হস্তক্ষেপ করতে পারে। এই ক্ষেত্রে তেমন কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই মামলাটি খারিজ করা হয়েছে।পাশাপাশি আদালত স্পষ্ট করে দেয়, কোনও আধিকারিক যদি ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন, তাহলে তিনি আলাদাভাবে নিজের বদলির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে পারবেন।এই রায়ের ফলে ভোটের আগে প্রশাসনিক বদলি নিয়ে তৈরি হওয়া জট অনেকটাই কাটল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।মেটা বিবরণ: ভোটের আগে বড় ধাক্কা, নির্বাচন কমিশনের আধিকারিক বদলি নিয়ে করা দুটি জনস্বার্থ মামলা খারিজ করল কলকাতা হাইকোর্ট। কমিশনের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপে অস্বীকৃতি আদালতের।

মার্চ ৩১, ২০২৬
কলকাতা

প্রার্থী হয়েও ভোটার তালিকায় নাম নেই! হাইকোর্টে চাঞ্চল্য, সুপ্রিম কোর্টে ছুটছেন কংগ্রেস প্রার্থী

মুর্শিদাবাদের ফরাক্কা কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী মহতাব শেখকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা হলেও তাঁর নাম নাকি এসআইআর তালিকায় নেই। এই বিষয়েই কলকাতা হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তাঁর আইনজীবী।মামলাকারীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, একজন প্রার্থী হয়েও যদি তাঁর নাম ভোটার যাচাইয়ের তালিকায় না থাকে, তা হলে তা গুরুতর বিষয়। পাশাপাশি আরও জানানো হয়, এই সংক্রান্ত ট্রাইবুনাল এখনও কাজ শুরু করতে পারেনি। তাই আদালতের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলেই আবেদন করা হয়।তবে প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এসআইআর সংক্রান্ত সমস্ত মামলার শুনানি বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টেই হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ রয়েছে, এই ধরনের মামলার শুনানি কোনও হাইকোর্ট করতে পারবে না। কলকাতা হাইকোর্ট শুধু প্রশাসনিক দিকটি দেখছে। তাই আবেদনকারীকে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, আগামী পয়লা এপ্রিল মহতাব শেখ সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানাবেন।এই ঘটনার মধ্যে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক সামনে এসেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক প্রার্থীও এখনও এসআইআর তালিকায় বিবেচনাধীন রয়েছেন। কাজল শেখ এবং শশী পাঁজার নাম দ্বিতীয় তালিকায় উঠে এলেও এখনও আরও কয়েকজনের নাম নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে এই বিষয়টি বড় বিতর্ক তৈরি করেছে। তৃণমূলের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন ইচ্ছাকৃতভাবে কিছু ভোটারকে আলাদা করে যাচাইয়ের জন্য রেখেছে। বিশেষ করে উত্তর কলকাতার একাংশে এই সমস্যা বেশি দেখা যাচ্ছে বলে দাবি।এই নিয়ে জনসভা থেকেও সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, বিজেপির প্রভাবে নির্বাচন কমিশন তৃণমূলের সম্ভাব্য জয়ী প্রার্থী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার চেষ্টা করছে বা জটিলতা তৈরি করছে।এদিকে সূত্রের খবর, এই বিষয় নিয়ে তৃণমূল নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানাতে চলেছে। যদিও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। ফলে ভোটের আগে এই বিতর্ক আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ৩০, ২০২৬
কলকাতা

রাতবিরেতে বদলির নোটিস! নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে বড় চ্যালেঞ্জ

ভোটের আগে প্রশাসনে একের পর এক বদলিকে ঘিরে বিতর্ক তীব্র হয়েছে। কখনও সকাল, কখনও গভীর রাতে অফিসারদের বদলির নোটিস পাঠানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মুখ্যসচিব থেকে শুরু করে জেলাশাসক, রাজ্য পুলিশের ডিজি থেকে পুলিশ সুপারবিভিন্ন স্তরে এই বদলি করা হচ্ছে। অনেক অফিসারকে আবার অন্য রাজ্যে পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠানো হয়েছে বলেও অভিযোগ।এই বিষয় নিয়ে আগেই একাধিকবার চিঠি দিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই বিতর্ক পৌঁছল কলকাতা হাইকোর্টে।একটি আবেদনে দাবি করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের কাজ নির্বাচন পরিচালনা করা। কিন্তু প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের শীর্ষ আধিকারিকদের অন্য রাজ্যে পাঠানোর অধিকার তাদের নেই। এই সিদ্ধান্তের ফলে রাজ্যের প্রশাসনিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে বলেও অভিযোগ তোলা হয়েছে।এই মামলার আবেদন জানান আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত শুনানির আর্জি জানান। আদালত মামলার অনুমতি দিয়েছে এবং আগামী সোমবার শুনানির দিন ধার্য হয়েছে।এই ঘটনার পর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এসেছে। নির্বাচন কমিশন এবং হাইকোর্টদুটি প্রতিষ্ঠানই সাংবিধানিক। সেই ক্ষেত্রে কমিশনের সিদ্ধান্তের উপর হাইকোর্ট স্থগিতাদেশ দিতে পারে কি না, তা নিয়েই এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২০, ২০২৬
কলকাতা

যৌন হেনস্থার অভিযোগে বিতর্কিত আইনজীবী ফিরদৌস শামিম, আপাতত গ্রেফতারি থেকে রক্ষা

সহকর্মী এক মহিলা আইনজীবীকে যৌন হেনস্থার অভিযোগে অভিযুক্ত আইনজীবী ফিরদৌস শামিম আপাতত গ্রেফতারি থেকে স্বস্তি পেলেন। আগামী একত্রিশ মার্চ পর্যন্ত তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত এই নির্দেশ দিয়েছেন।অভিযোগ সামনে আসার পরই ফিরদৌস শামিম কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। তিনি আগাম জামিনের আবেদন করেন। বুধবার বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের এজলাসে সেই মামলার শুনানি হয়। শুনানির সময় ফিরদৌসের আইনজীবী আদালতে জানান, তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে। এর পরই বিচারপতি আপাতত তাঁকে গ্রেফতার না করার নির্দেশ দেন।অভিযোগকারী মহিলা আইনজীবীর দাবি, তিনি জুনিয়র হিসেবে ফিরদৌস শামিমের চেম্বারে কাজ শুরু করেছিলেন। সেখানেই তাঁকে শ্লীলতাহানি ও যৌন হেনস্থা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।এই ঘটনার পর হেয়ার স্ট্রিট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ওই মহিলা আইনজীবী। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশের তরফে তদন্ত শুরু হয়। কলকাতা পুলিশের ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, এক মহিলা আইনজীবী ফিরদৌস শামিমের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থা, অশ্লীল আচরণ এবং কুরুচিকর মন্তব্যের অভিযোগ করেছেন।সেই অভিযোগের ভিত্তিতে হেয়ার স্ট্রিট থানায় একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার চুয়াত্তর, পঁচাত্তর, ঊনআশি, তিনশো একান্ন উপধারা দুই এবং একশো ছাব্বিশ উপধারা দুই ধারায় শ্লীলতাহানি, যৌন হেনস্থা, অশ্লীল আচরণ, অপরাধমূলক ভয় দেখানো এবং অন্যায়ভাবে আটকে রাখার অভিযোগে মামলা হয়েছে।তবে শুরু থেকেই নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফিরদৌস শামিম। তাঁর দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এখন আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আপাতত একত্রিশ মার্চ পর্যন্ত তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না। মামলার পরবর্তী শুনানির দিকেই এখন নজর রয়েছে।

মার্চ ১২, ২০২৬
কলকাতা

ভোটার তালিকা নিয়ে বড় পদক্ষেপ! সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ট্রাইবুনাল, কলকাতা হাইকোর্টে জরুরি বৈঠক আজ

ভোটার তালিকা নিয়ে জটিলতা বাড়তেই বড় পদক্ষেপ করল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ এসআইআর মামলায় ট্রাইবুনাল গঠনের নির্দেশ দিয়েছে। বিচারাধীন ভোটারদের সমস্যার দ্রুত সমাধান করতে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির পরামর্শে এই ট্রাইবুনাল বেঞ্চ তৈরি করার কথা বলা হয়েছে।সেই নির্দেশ মেনে বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছে নির্বাচন কমিশনের সিইও দফতর। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, অতিরিক্ত তালিকা এবং ট্রাইবুনাল গঠন নিয়েই মূলত আলোচনা হতে পারে।ভোটার তালিকা থেকে বহু মানুষের নাম বাদ পড়ার ঘটনায় রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল। তবে সেই মামলাটি ফিরিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। রাজ্যের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামীকে তিনি বলেন, বিচারকদের যেন কোনওভাবে প্রশ্নের মুখে না ফেলা হয়।এর আগে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশেই বিচারকদের তদারকিতে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। কিন্তু প্রায় ৬০ লক্ষ নাম এখনও অমীমাংসিত তালিকায় রয়ে যাওয়ায় আবারও বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের নজরে আনা হয়। তখনই প্রশ্ন ওঠে, বিচারিক আধিকারিকদের নেওয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল কোথায় করা যাবে।এই পরিস্থিতিতেই সুপ্রিম কোর্ট ট্রাইবুনাল গঠনের নির্দেশ দেয়। অমীমাংসিত তালিকায় থাকা ভোটারদের বিষয়ে বিচারিক আধিকারিকরা যে সিদ্ধান্ত নেবেন, তার বিরুদ্ধে আপিল করতে হলে সেই ট্রাইবুনালের কাছেই আবেদন জানাতে হবে।সুপ্রিম কোর্টের সেই নির্দেশ কার্যকর করার পথেই আজ কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বৈঠক করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন।অন্যদিকে, রাজ্যের রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এবং স্টেট লেভেল ব্যাংকার্স কমিটির প্রধানদের দিল্লিতে ডেকে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সম্প্রতি রাজ্য সফরে এসে ওই দুই সংস্থার কাজ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল কমিশনের পূর্ণ বেঞ্চ। তার পরেই তাদের দিল্লিতে তলব করা হয়েছে।কমিশন সূত্রে খবর, চলতি সপ্তাহেই ওই সংস্থার আধিকারিকদের সঙ্গেও আবার বৈঠকে বসতে পারে নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকা নিয়ে চলা এই বিতর্কের মাঝেই একের পর এক বৈঠক ঘিরে এখন নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ১২, ২০২৬
কলকাতা

বড় নির্দেশ হাইকোর্টের, এসআইআর ঘিরে রাজ্যের সব বিচারকের ছুটি বাতিল

এসআইআর সংক্রান্ত কাজ এবার বিচার বিভাগের তদারকিতেই হবে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের সমস্ত বিচারকের ছুটি বাতিল করার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অসুস্থতা ছাড়া কোনও বিচারক ছুটি নিতে পারবেন না। এসআইআর প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়ে বড় দায়িত্ব বিচার বিভাগের উপর দেওয়ার পরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আগে নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।এসআইআর-এর কাজ দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে নিম্ন আদালতের কাজ স্বাভাবিক রাখতে এই নির্দেশ জারি করা হয়েছে। হাইকোর্ট প্রত্যেক জেলায় জেলা বিচারক, জেলা শাসক ও পুলিশ সুপারকে নিয়ে কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি প্রায় আড়াইশো বিচারকের একটি তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে। কমিশনের তরফে প্রতিটি বিধানসভা এলাকায় একজন করে বিচার বিভাগীয় আধিকারিক চাওয়া হয়েছিল এবং সেই তালিকা হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার ইতিমধ্যেই কমিশনের কাছে পাঠিয়েছেন।জানা গিয়েছে, মাদক ও পকসো সংক্রান্ত আদালতের প্রায় একশো বিচারক এবং অন্যান্য মামলার দেড়শো বিচারকের নাম এই তালিকায় রয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের বিষয়েও শীঘ্রই একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার কথা। সেখানে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক, বিশেষ পর্যবেক্ষক, পুলিশের শীর্ষ আধিকারিক এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সূর্য কান্ত বিশেষ পরিস্থিতিতে ব্যতিক্রমী নির্দেশের কথা উল্লেখ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, জেলা বিচারক বা অতিরিক্ত জেলা বিচারকদের বিচার বিভাগীয় আধিকারিক হিসেবে নিয়োগ করা যেতে পারে এবং তাঁদের কাজে কোনও বাধা বা অসম্মান বরদাস্ত করা হবে না। সব প্রশাসনিক স্তরকে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের কাজে সহযোগিতা করার নির্দেশও দেওয়া হয়।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
কলকাতা

‘মায়ের কাছেই সন্তান’ ধারণায় ধাক্কা! বাবার হাতেই আট বছরের ছেলের দায়িত্ব দিল হাইকোর্ট

বিবাহবিচ্ছেদের মামলায় সাধারণত ছোট সন্তানের দায়িত্ব মায়ের কাছেই দেওয়া হয়। যুক্তি থাকে, মায়ের অভাব শিশুমনে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। কিন্তু এবার সেই প্রচলিত ধারণা থেকে সরে এসে গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল কলকাতা হাইকোর্ট। নিম্ন আদালতের নির্দেশ স্থগিত করে আট বছরের এক শিশুপুত্রের দায়িত্ব বাবার হাতেই তুলে দিল হাইকোর্ট।বর্ধমানের বাসিন্দা সজল ও মৌসুমীর (নাম পরিবর্তিত) বিবাহবিচ্ছেদের মামলা চলছিল। তাঁদের আট বছরের ছেলের দায়িত্ব কার কাছে থাকবে, তা নিয়েও আইনি লড়াই শুরু হয়। নিম্ন আদালত সন্তানের দায়িত্ব মায়ের হাতে তুলে দিয়েছিল। আদালতের যুক্তি ছিল, মা উচ্চশিক্ষিতা এবং তাঁর কাছেই সন্তানের ভবিষ্যৎ নিরাপদ। পাশাপাশি বলা হয়েছিল, মায়ের অভাব শিশুমনে দাগ ফেলতে পারে।এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে বাবা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। মামলাটি শোনেন বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য এবং বিচারপতি সুপ্রতীম ভট্টাচার্য-র ডিভিশন বেঞ্চ। হাইকোর্ট নিম্ন আদালতের পর্যবেক্ষণ খারিজ করে জানায়, আবেগের চেয়ে বাস্তব পরিস্থিতি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। গত পাঁচ বছর ধরে শিশু বাবার সঙ্গেই রয়েছে এবং স্বাভাবিক জীবনযাপন করছে। তার পড়াশোনার জন্য গৃহশিক্ষকও রয়েছে। তাই হঠাৎ করে পরিবেশ বদল করা যুক্তিযুক্ত নয়।হাইকোর্ট পর্যবেক্ষণে আরও জানায়, বাবা-মায়ের বয়স তিরিশের কিছু বেশি। তাঁদের মধ্যে ইগোর লড়াই চলছে এবং একে অপরের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করা হচ্ছে। ২০২১ সাল থেকে তাঁরা আলাদা থাকছেন। মায়ের আইনজীবী উদয় শঙ্কর ভট্টাচার্য জানান, সন্তানের বয়স যখন তিন, তখন মা বাপের বাড়িতে চলে আসেন। পরে বাবা সন্তানের দায়িত্ব নিজের কাছে নিয়ে নেন। এরপর থেকেই সন্তানের হেফাজত নিয়ে আইনি লড়াই শুরু হয়।নিম্ন আদালতে শিশুর সঙ্গে কথা বলা হলে সে জানায়, সে বাবা ও মা দুজনকেই চায়। তারপরও নিম্ন আদালত সন্তানের দায়িত্ব মায়ের হাতে দেয়। তবে হাইকোর্ট জানায়, শুধুমাত্র মা উচ্চশিক্ষিতা বলেই সন্তানের ভবিষ্যৎ ভালো হবে, এমন ধারণা সঠিক নয়।নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, আপাতত সন্তান বাবার কাছেই থাকবে। তবে মা প্রতি শনিবার বিকেলে ছেলেকে নিজের কাছে নিয়ে যেতে পারবেন এবং রবিবার সন্ধ্যা সাতটার মধ্যে বাবার বাড়িতে ফিরিয়ে দিতে হবে। নির্দেশ না মানলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে মামলাটি হাইকোর্টের মীমাংসা কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। আদালতের আশা, আলোচনার মাধ্যমে ভবিষ্যতে দম্পতি সম্পর্কের সমাধান খুঁজে পেতে পারেন।এই রায়কে আইনজীবী মহল গুরুত্বপূর্ণ নজির হিসেবে দেখছে। কারণ, সন্তানের হেফাজতের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র প্রচলিত ধারণা নয়, বাস্তব পরিস্থিতিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

রবিবার মেট্টো চলাচল কোন দিকে কতক্ষণ বন্ধ থাকবে? অসুবিধায় না পড়তে এই খবর আগে পড়ুন

রবিবার বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে মেট্রো রেলের এই ঘোষণা জেনে নিন। ওই দিন কয়েকটি স্টেশনের মধ্যে মেট্রো চলাচল বন্ধ থাকবে। মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রক্ষণাবেক্ষণের কাজের সুবিধার্থে ১৩.০৯.২০২৬ (রবিবার) ব্লু লাইনের গীতাঞ্জলি এবং কবি নজরুল মেট্রো স্টেশনের মধ্যে যান চলাচল ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এর ফলে, ওই দিন সকাল ০৯:০০টা থেকে সন্ধ্যা ১৮:৩০টা পর্যন্ত শহীদ ক্ষুদিরাম এবং মহানায়ক উত্তম কুমার স্টেশনের মধ্যে কোনো মেট্রো পরিষেবা পাওয়া যাবে না।তবে, ওই দিন অর্থাৎ ১৩.০৯.২০২৬ (রবিবার) দক্ষিণেশ্বর এবং মহানায়ক উত্তম কুমার মেট্রো স্টেশনের মধ্যে স্বাভাবিক মেট্রো পরিষেবা পাওয়া যাবে। রবিবার ব্লু লাইনের সম্পূর্ণ অংশে, অর্থাৎ দক্ষিণেশ্বর থেকে শহীদ ক্ষুদিরাম মেট্রো স্টেশন পর্যন্ত স্বাভাবিক মেট্রো পরিষেবা সন্ধ্যা ১৮:৩০টার পর (আনুমানিক) পুনরায় চালু হবে। যাত্রীদের এই অসুবিধার জন্য কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
রাজ্য

পথচারীর মৃত্যুর পর উত্তপ্ত আউসগ্রামের বড়া চৌমাথা, দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়ির যাত্রীদের উপর হামলা, তান্ডবের অভিযোগ

পথ দুর্ঘটনায় এক চাষির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের বড়া চৌমাথা। দুর্ঘটনার পর দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল স্থানীয়দের একাংশের বিরুদ্ধে। গাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি তার ভিতরে থাকা শনিবার দুপুরে বড়া চৌমাথা মোড়ের কাছে দুর্ঘটনার পর দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল স্থানীয়দের একাংশের বিরুদ্ধে। গাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি তার ভিতরে থাকা তিন পুরুষ যাত্রীকে মারধর এবং এক মহিলা যাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ সামনে এসেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় আউশগ্রাম ও ভাতার থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, শনিবার বর্ধমান-বোলপুর NH 114 নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে বিহার থেকে কলকাতার দিকে যাচ্ছিল একটি চারচাকা গাড়ি। বড়া চৌমাথা মোড়ের কাছে আচমকাই এক পথচারীকে ধাক্কা দেয় গাড়িটি। দুর্ঘটনার জেরে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তির পরিচয় বিনোদ মল্লিক রায় (৩৮)। তিনি বড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং পেশায় চাষি ছিলেন।ঘটনার পরই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, ক্ষুব্ধ জনতার একাংশ দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িটিকে ঘিরে ফেলে তাতে ভাঙচুর চালায়। এরপর গাড়ির যাত্রীদের বাইরে বের করে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। গাড়িতে থাকা মহিলা যাত্রীর সঙ্গে অভব্য আচরণ ও শ্লীলতাহানির অভিযোগও উঠেছে। ঘটনাকে ঘিরে বড়া চৌমাথা মোড় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়।দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িটিতে মোট চারজন যাত্রী ছিলেন একজন মহিলা এবং তিনজন পুরুষ। হামলা ও দুর্ঘটনায় তাঁরা আহত হন। তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে গুসকরা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে সকলকেই বর্ধমান হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।অন্যদিকে, দুর্ঘটনায় মৃত বিনোদ মল্লিক রায়ের দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান পুলিশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িটিও আটক করেছে পুলিশ। এই ঘটনার জেরে বর্ধমান-বোলপুর জাতীয় সড়কে দীর্ঘক্ষণ যান চলাচল ব্যাহত হয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পর ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখার পাশাপাশি গাড়ি ভাঙচুর, যাত্রীদের মারধর এবং মহিলা যাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ হয়েছে। দুটি ক্ষেত্রেই পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
রাজ্য

মোদীর জন্মদিনে ‘আশীর্বাদ কা দিয়া’, বাংলায় মাসভর জনসংযোগে বিজেপি

১৭ সেপ্টেম্বর থেকে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর জুড়ে সেবা সংকল্প অভিযান, বুথে বুথে প্রদীপ প্রজ্বলন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রচারযুব সমাজ ও সরকারি প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছনোর বিশেষ পরিকল্পনাপ্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিনকে সামনে রেখে বাংলায় কার্যত মাসব্যাপী জনসংযোগ অভিযানে নামতে চলেছে বিজেপি। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর মোদীর জন্মদিন। সেই দিন থেকেই সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরজুড়ে রাজ্যজুড়ে চলবে সেবা সংকল্প অভিযান। তবে শুধুমাত্র জন্মদিন উদ্যাপন নয়, এই কর্মসূচির মাধ্যমে দলের সংগঠনকে বুথস্তর পর্যন্ত আরও সক্রিয় করা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোই বিজেপির অন্যতম লক্ষ্য বলে দলীয় সূত্রে খবর।এই অভিযানের অন্যতম আকর্ষণ আশীর্বাদ কা দিয়া। পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতিটি বুথে প্রতিটি পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রদীপ প্রজ্বলনের আবেদন জানানো হবে। বিজেপির ব্যাখ্যায়, এই প্রদীপ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দীর্ঘ ২৫ বছরের জনসেবার প্রতি কৃতজ্ঞতা এবং বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর লক্ষ্যে দেশবাসীর সম্মিলিত সংকল্পের প্রতীক। মোদীর দীর্ঘায়ু কামনা করেও প্রদীপ জ্বালানোর আবেদন জানানো হবে।প্রাথমিক ভাবে প্রতি বিধানসভা এলাকায় ২৫ হাজার করে প্রদীপ জ্বালানোর পরিকল্পনা নেওয়া হলেও পরে সেই সংখ্যা বাড়িয়ে ৫০ হাজার করা হয়েছে। প্রশাসনের উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের মাধ্যমে ওই প্রদীপগুলি সাধারণ মানুষের মধ্যে বিতরণের পরিকল্পনাও করা হয়েছে।প্রদীপের দাম প্রতি পিস ৪ টাকা করে নির্ধারণ করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের তরফে। প্রদীপ জ্বালানোর ক্ষেত্রে মোম ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বর্তমানে রাজ্যে ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে ৫০ হাজার করে প্রদীপ জ্বালানো হলে মোট প্রদীপের সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় ১ কোটি ৪৭ লক্ষ। অর্থাৎ, এই কর্মসূচিতে প্রদীপ বাবদ মোট খরচ হতে পারে প্রায় ৫ কোটি ৮৮ লক্ষ টাকা। প্রশাসনিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিধায়কদের মাধ্যমে প্রদীপ বিতরণ করে নির্দিষ্ট দিনে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রস্তুতি চলছে।সুবিধাভোগীদের বাড়ি বাড়ি পৌঁছবে বিজেপিসেবা সংকল্প অভিযান-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলির একটি হতে চলেছে বাড়ি বাড়ি জনসংযোগ। সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের তালিকা বুথ সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ১৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় বুথ স্তরের কর্মীরা সেই তালিকা অনুযায়ী সুবিধাভোগীদের বাড়িতে গিয়ে আশীর্বাদ কা দিয়া প্রজ্বলনের আমন্ত্রণ জানাবেন।শুধু সরাসরি যোগাযোগ নয়, হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমেও সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছনোর পরিকল্পনা রয়েছে। বিজেপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে হিন্দিতে একটি বিশেষ ভিডিও তৈরি করা হচ্ছে। পরে সেটিকে বিভিন্ন রাজ্যে স্থানীয় ভাষায় রূপান্তর করা হবে। বাংলাতেও সেই ভিডিও প্রচার করা হবে। একইসঙ্গে তৈরি হচ্ছে থিম সং এবং সংক্ষিপ্ত তথ্যচিত্র।দলের লক্ষ্য, কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প এবং মোদী সরকারের সাফল্যের বার্তা সরাসরি সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া। অর্থাৎ, জন্মদিনের কর্মসূচিকে ঘিরে একদিকে যেমন আবেগ ও শুভেচ্ছার আবহ তৈরি করা হবে, অন্যদিকে সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে মানুষের সঙ্গে দলের রাজনৈতিক যোগাযোগও আরও জোরদার করার চেষ্টা থাকবে।নজরে যুব সমাজ, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়এবারের কর্মসূচিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে তরুণ প্রজন্মকে। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় এবং তাঁদের কাছে বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর ভাবনা তুলে ধরার পরিকল্পনা নিয়েছে বিজেপি।সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দীর্ঘ জনসেবা, তাঁর বিভিন্ন উদ্যোগ এবং বিকশিত ভারতের রূপরেখা নিয়ে তথ্য তুলে ধরা হবে। স্কুলস্তরেও থাকছে অঙ্কন ও বক্তৃতা প্রতিযোগিতা। এই কর্মসূচিতে শিক্ষা দফতরকেও যুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে দল।এর পাশাপাশি জনসংযোগের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হবে পথনাটক। কমিউনিটি হল থেকে শুরু করে জনবহুল বিভিন্ন এলাকায় পথনাটকের আয়োজন করা হবে। মোদীর ২৫ বছরের জনসেবা, বিভিন্ন কল্যাণমূলক প্রকল্প এবং দেশের পরিবর্তনের দাবিএই বিষয়গুলিই পথনাটকের মূল বক্তব্য হিসেবে তুলে ধরা হবে।সেবা সেতু শিবিরে সরকারি পরিষেবার বার্তাশুধু প্রচার নয়, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতে সাধারণ মানুষকে সহায়তা করার জন্য বিধানসভা এলাকার ব্লকস্তরেও সেবা সেতু অভিযান চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে সেবা সেতু নামে শিবির করে যোগ্য নাগরিকদের বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করা হবে।যাঁরা এখনও কোনও প্রকল্পের সুবিধাভোগী হিসেবে নথিভুক্ত হননি, তাঁদেরও সংশ্লিষ্ট প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে এই শিবিরগুলিকে জনসংযোগের পাশাপাশি সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যম হিসেবেও ব্যবহার করতে চাইছে বিজেপি।পদযাত্রা থেকে স্বাস্থ্য শিবির, থাকছে একাধিক কর্মসূচিসেবা সংকল্প অভিযান-এর তালিকা আরও দীর্ঘ। রাজ্যজুড়ে পদযাত্রা, বাইক র্যালি, স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবির, রক্তদান শিবিরের মতো একাধিক কর্মসূচি আয়োজন করা হবে। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের নিয়েও বিশেষ কর্মসূচির পরিকল্পনা রয়েছে।দলীয় সূত্রের দাবি, রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের পর মোদীর জন্মদিনকে কেন্দ্র করে দল ও সরকারকে একইসঙ্গে মাঠে নামিয়ে এত দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচি এই প্রথম। ফলে কর্মসূচিকে নিছক জন্মদিন পালন হিসেবে দেখতে নারাজ রাজ্য নেতৃত্ব। বরং সেপ্টেম্বর-অক্টোবরজুড়ে এই কর্মসূচির মাধ্যমে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে দলের প্রত্যক্ষ যোগাযোগ বাড়ানোই মূল উদ্দেশ্য।এই গোটা কর্মসূচির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক লকেট চট্টোপাধ্যায়কে। এখন দেখার, প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনকে কেন্দ্র করে ঘোষিত এই সেবা সংকল্প অভিযান শেষ পর্যন্ত কতটা বড় রাজনৈতিক জনসংযোগ কর্মসূচির চেহারা নেয় এবং বুথস্তরে বিজেপির সংগঠনকে কতটা সক্রিয় করতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
দেশ

এক পাশে পুতিন, অন্য পাশে জিনপিং! মাঝখানে মোদী, এক ছবিতেই চমকে দিল ব্রিকস সম্মেলন

দিল্লিতে শুরু হয়েছে ব্রিকস সম্মেলন। সেই সম্মেলনের মাঝেই এক ফ্রেমে দেখা গেল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে। ছবিতে দুই রাষ্ট্রনেতার মাঝে দাঁড়িয়ে ছিলেন মোদী। তিন দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে এই ছবি ঘিরে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।শুক্রবার ভারতে পৌঁছন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তার পর শনিবার সকালে দীর্ঘ সাত বছর পর ভারতে আসেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। দিল্লির ভারত মণ্ডপমে ব্রিকস সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানেই একসঙ্গে দেখা যায় তিন রাষ্ট্রনেতাকে।সামাজিক মাধ্যমে সেই ছবি ভাগ করে নেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ছবিতে দেখা যায়, পুতিন, মোদী এবং জিনপিং হাতে হাত ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। তাঁদের সঙ্গে একই ছবিতে ছিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোও।ছবি ভাগ করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, দিল্লিতে শুরু হল ব্রিকস সম্মেলন ২০২৬। ছবিটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তা নিয়ে নানা মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ভারত, রাশিয়া এবং চিনের পারস্পরিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে এই মুহূর্তকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।শনিবার দুপুরে শুরু হয় ব্রিকস সম্মেলনের মূল অধিবেশন। সম্মেলনের শুরুতেই বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলিকে আন্তর্জাতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, বিশ্বের বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়ায় উন্নয়নশীল দেশগুলির প্রতিনিধিত্ব আরও বাড়ানো প্রয়োজন।মোদী জানান, আন্তর্জাতিক স্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের জন্য উন্নয়নশীল দেশগুলির নীতি নির্ধারকদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা এবং প্রশিক্ষণ দিতে ভারত প্রস্তুত। বিশ্বের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এই দেশগুলির মতামতকে আরও গুরুত্ব দেওয়ার কথাও বলেন তিনি।ব্রিকসের মঞ্চ থেকেই রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে সংস্কারের দাবি তোলেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, এই সংস্কারের বিষয়টি আর পিছিয়ে দেওয়া উচিত নয়। নিরাপত্তা পরিষদের পরিবর্তন নিয়ে আলোচনার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা ঠিক করা প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শুধু আলোচনা করলেই হবে না, সেই আলোচনার সুনির্দিষ্ট ফলাফলও সামনে আসা জরুরি। বিশ্ব ব্যবস্থার পরিবর্তনের জন্য ব্রিকসের সদস্য দেশগুলিকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে বলেও মত তাঁর।আগামী কুড়ি বছরের কথা মাথায় রেখে একটি সুস্পষ্ট পথনকশা তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন মোদী। পুতিন ও জিনপিংয়ের সঙ্গে একই ফ্রেমে ধরা পড়ার পর ব্রিকসের মঞ্চ থেকে তাঁর এই বক্তব্য নতুন করে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
রাজ্য

রোলাহাটুর জঙ্গলে মিলল ২ ইনসাস, ১০৩ রাউন্ড গুলি! আকাশের পুরনো স্কোয়াড ঘিরে তদন্তে বড় মোড়

রোলাহাটু পাহাড়ে দুটি ইনসাস রাইফেল, ১০৩ রাউন্ড গুলি এবং ছটি খালি ম্যাগাজিন উদ্ধারের পর মাওবাদী নেতা অসীম মণ্ডল ওরফে আকাশের পুরনো স্কোয়াডকে ঘিরে তদন্ত আরও জোরদার হয়েছে। অস্ত্রগুলি কোথা থেকে এল, কারা ব্যবহার করত এবং নিরাপত্তাবাহিনীর চাপের সময় সেগুলি কোথায় সরানো হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।সাম্প্রতিক ঝাড়খণ্ড পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সারান্ডা জঙ্গলে নিরাপত্তাবাহিনীর চাপ বাড়ার পর আকাশ তাঁর দলবল নিয়ে দলমা এলাকার দিকে সরে গিয়েছিলেন। সেই সময় তাঁর সঙ্গে ছজন মাওবাদী থাকার তথ্য সামনে এসেছিল। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ১৫ লক্ষ টাকার পুরস্কার ঘোষিত রামপ্রসাদ মার্ডি ওরফে সচিন, ১০ লক্ষ টাকার মীতা ওরফে নয়নতারা, পাঁচ লক্ষ টাকার মঙ্গল মাহাতো, দুলক্ষ টাকার মালতি মুর্মু এবং এক লক্ষ টাকার বুলু ওরফে গৌরী। আকাশের মাথায় এক কোটি টাকা পুরস্কার রয়েছে বলে পুলিশি তথ্য।এর পরেই সেই দলে বড় ভাঙন দেখা দিয়েছে। ১০ সেপ্টেম্বর বাঁকুড়া জেলা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন রামপ্রসাদ, তাঁর স্ত্রী মীতা এবং বুলু ওরফে গৌরী। রামপ্রসাদ একটি একে-৪৭ রাইফেলও পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন। ঝাড়খণ্ড পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আত্মসমর্পণের আগে এই তিনজনই আকাশের সঙ্গে দলমা এলাকায় ছিলেন।তাঁদের জেরা করে আকাশের বর্তমান গতিবিধি এবং তাঁর পুরনো স্কোয়াড সম্পর্কে আরও তথ্য জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। ফলে আগে চিহ্নিত ছজনের মধ্যে আকাশ ছাড়া আরও দুজন মাওবাদী এখন কোথায় রয়েছেন, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তাঁদের পরিচয় নিয়ে সরকারি ভাবে নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তবে আগের তালিকায় থাকা মঙ্গল মাহাতো ও মালতি মুর্মুর নাম তদন্তের পরিধিতে রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।পূর্ব সিংভূম পুলিশের প্রকাশ করা পোস্টারে আকাশ-সহ ওই ছজনের ছবি এবং তাঁদের মাথায় ঘোষিত পুরস্কারের তথ্য ছিল। তিনজন আত্মসমর্পণ করার পর সেই পুরনো তালিকাই এখন তদন্তকারীদের কাছে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।অন্য দিকে, রোলাহাটু পাহাড় থেকে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনাতেও বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং ঝাড়খণ্ডের জঙ্গল এলাকার যোগসূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সারান্ডা থেকে দলমা এবং সেখান থেকে বাংলা-ঝাড়খণ্ড সীমান্তের জঙ্গলপথ পর্যন্ত আকাশের দলের সম্ভাব্য গতিপথ নিয়ে নজরদারি চলছে।বিশেষ করে পুরুলিয়ার বান্দোয়ান-সংলগ্ন জঙ্গল এবং সীমান্তবর্তী এলাকাগুলির উপর নজর রয়েছে তদন্তকারীদের। রোলাহাটুর পুরনো ডাম্পে উদ্ধার হওয়া অস্ত্র কোনও সময়ে আকাশের স্কোয়াড ব্যবহার করেছিল কি না, অথবা নিরাপত্তাবাহিনীর চাপের সময় অস্ত্রগুলি অন্যত্র সরিয়ে রাখা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তবে এখনও পর্যন্ত রোলাহাটু থেকে উদ্ধার হওয়া দুটি ইনসাস সরাসরি আকাশের অস্ত্র বলে চিহ্নিত করার কোনও প্রমাণ নেই বলেই দাবি বাঁকুড়া জেলা পুলিশের। একই ভাবে, আকাশের সঙ্গে বর্তমানে থাকা বলে সন্দেহ করা দুই সদস্যের নামও পুলিশ প্রকাশ করেনি।ফলে তদন্তের কেন্দ্রে এখন তিনটি বিষয়। রোলাহাটুর অস্ত্রভাণ্ডারের উৎস কোথায়, আত্মসমর্পণকারীদের জেরায় আকাশ সম্পর্কে কী তথ্য পাওয়া যাচ্ছে এবং সারান্ডা থেকে দলমা হয়ে পুরুলিয়া-বাঁকুড়া সীমান্তের জঙ্গলপথে আকাশের পুরনো নেটওয়ার্কের কোনও যোগাযোগ এখনও সক্রিয় রয়েছে কি না। এই তিন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই তদন্ত আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
উৎসব

বিশ্বকর্মা পুজোর আগের দিন কেন হয় অরন্ধন? মনসা পুজো, উনুন আর ভিজে ভাতের সঙ্গে জড়িয়ে বাংলার প্রাচীন লোকাচার

অরন্ধন কেন? বিশ্বকর্মা পুজোর সঙ্গে তার সম্পর্কই বা কী? আর কেনই বা এই দিনটিতে দেবী মনসার আরাধনা করা হয়? বাংলার লোকসংস্কৃতির এই পর্বের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে একাধিক প্রাচীন বিশ্বাস, ঋতু পরিবর্তনের স্মৃতি এবং গ্রামবাংলার হেঁসেলের নিজস্ব সংস্কৃতি।বারো মাসে তেরো পার্বণএই প্রবাদ যেন বাঙালির জীবনযাত্রারই প্রতিচ্ছবি। পুজো-পার্বণের সেই দীর্ঘ তালিকায় বিশ্বকর্মা পুজোর ঠিক আগের দিন বাংলার বহু ঘরে পালিত হয় অরন্ধন বা রান্না পুজো। বিশেষ করে রাঢ়বাংলা ও দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় এখনও এই লোকাচার যথেষ্ট জনপ্রিয়।অরন্ধনের আক্ষরিক অর্থই হলরান্না না করা। অর্থাৎ যে দিন বিশ্বকর্মা পুজো, সেদিন হেঁসেলে আগুন জ্বালানো হবে না। তার আগের দিনই রান্না করে রাখতে হবে পরের দিনের সমস্ত খাবার। তাই বিশ্বকর্মা পুজোর আগের দিন থেকেই বহু বাঙালি বাড়িতে শুরু হয়ে যায় রীতিমতো রান্নার উৎসব।বিশ্বকর্মা পুজোর সঙ্গে অরন্ধনের যোগ কোথায়?বিশ্বকর্মা পুজো মূলত কারিগর, শিল্পী, শ্রমজীবী মানুষ এবং কর্মযন্ত্রের আরাধনার দিন। কলকারখানা থেকে গ্যারাজ, দোকান থেকে বাড়ির সেলাই মেশিনকর্মের সঙ্গে যুক্ত নানা সরঞ্জাম এই দিনে পুজো করা হয়। ফলে বহু জায়গায় বিশ্বাস করা হয়, পুজোর দিনে কর্মযন্ত্রকে যেমন বিশ্রাম দেওয়া হয়, তেমনই বিশ্রাম দেওয়া হবে হেঁসেলকেও।তবে অরন্ধনের সঙ্গে শুধু বিশ্বকর্মা পুজোর সম্পর্ক নেই। এর গভীরে রয়েছে দেবী মনসার লোকবিশ্বাস। বাংলার লোকাচারে মনসা দেবী মূলত সাপ ও সর্পদংশনের ভয় থেকে রক্ষা করার দেবী হিসেবে পূজিত। বর্ষার শেষভাগে গ্রামবাংলায় সাপের আনাগোনা বেড়ে যেত। ভাদ্রের শেষ ও আশ্বিনের শুরুর এই সময়টিকে তাই এক বিশেষ সন্ধিক্ষণ হিসেবে দেখতেন মানুষ।এই বিশ্বাস থেকেই অরন্ধনের দিনে মনসা দেবীর আরাধনার প্রচলন হয়েছে বলে লোকবিশ্বাস।উনুনই মনসার প্রতীক!অরন্ধনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা সবচেয়ে আকর্ষণীয় লোকবিশ্বাসগুলির একটি হল উনুন।বছরের প্রতিটি দিন যে উনুনে পরিবারের জন্য রান্না হয়, অরন্ধনের দিনে সেই উনুনেই আগুন জ্বলে না। বরং বহু পরিবারে উনুন পরিষ্কার করে তার উপর আলপনা দেওয়া হয়। কোথাও মনসা পাতা, শালুক পাতা বা অন্য পবিত্র পাতা দিয়ে সাজিয়ে ঘট বসানো হয়।লোকবিশ্বাসে, সেই উনুনের গর্তকেই দেবী মনসার প্রতীক হিসেবে মানা হয়। তাই সেদিন উনুনে রান্না না করে তারই সামনে দেবীর পুজো করা হয়।অর্থাৎ অরন্ধন শুধু রান্না না করার দিন নয়, বরং যে আগুন ও উনুন সারা বছর সংসারকে ধারণ করে, তাকে এক দিনের জন্য বিশ্রাম ও সম্মান জানানোর লোকাচারও।অরন্ধনের ভোগে কী থাকে?অরন্ধনের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ অবশ্যই তার বহু পদে সাজানো ভোগ ও খাবারের আয়োজন। অঞ্চলভেদে পদ বদলে যায়, পরিবারের রীতিতেও থাকে পার্থক্য। তবে ভাদ্র সংক্রান্তি বা অরন্ধনের দিনে বাংলার ঘরে ঘরে দেখা যায় নানা ধরনের নিরামিষ ও আমিষ পদ।কচুর শাক এই রান্নার অন্যতম পরিচিত পদ। তার সঙ্গে থাকে নানা শাক, বিভিন্ন রকম ভাজা, ডাল, চালতার ডাল, চালতার টক, কুমড়ো ভাজা, নারকেল ভাজা ইত্যাদি।অনেক বাড়িতে থাকে ইলিশ মাছের নানা পদ। কোথাও ইলিশ ভাজা, কোথাও সর্ষে ইলিশ, আবার কোথাও স্থানীয় রীতি অনুযায়ী অন্য মাছের পদও রান্না করা হয়।এর পাশাপাশি থাকতে পারেমুগ ডাল বা মুসুর ডালচালতার ডালকচুর শাকবিভিন্ন শাকভাজাকুমড়ো ভাজানারকেল ভাজাআলু বা অন্যান্য সবজির ভাজাচালতার টকইলিশ মাছ বা অন্যান্য মাছের পদপান্তা বা ভিজে ভাতবিভিন্ন ধরনের বড়া ও স্থানীয় ভাজাভুজিঅঞ্চলভেদে আরও নানা পদ যোগ হয়। কোথাও অরন্ধনের ভোগে থাকে কলাই ডাল, কোথাও কাঁচকলা, আবার কোথাও বিশেষ কোনও পারিবারিক পদ প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসছে।ভিজে ভাতের সঙ্গে কেন এত স্মৃতি?অরন্ধনের খাবারের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল ভিজে ভাত বা পান্তা ভাত। আগের দিন রান্না করা ভাত জলে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন খাওয়ার রীতি বাংলার গ্রামীণ খাদ্যসংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।এর সঙ্গে কচুর শাক, বিভিন্ন ভাজা, ডাল, মাছের পদ কিংবা টকসব মিলিয়ে তৈরি হয় একেবারে অন্যরকম স্বাদের খাবার। আধুনিক রান্নাঘরে যার জায়গা ক্রমশ কমছে, অরন্ধনের দিন সেই পুরনো স্বাদই যেন ফিরে আসে।আগের দিন এত রান্না কেন?অরন্ধনের মূল নিয়মই হলপরের দিন রান্না নয়। তাই আগের দিন সকাল থেকেই বাড়ির মহিলারা এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা মিলে শুরু করেন রান্নার আয়োজন।একসঙ্গে অনেক পদ রান্না করে রাখা হয়। তারপর মনসা দেবীকে সেই রান্না নিবেদন করা হয়। পুজো শেষ হলে পরিবারের সদস্যরা সেই খাবার প্রসাদ হিসেবে গ্রহণ করেন।এই কারণেই কোথাও এই উৎসবের নাম রান্না পুজো, কোথাও বুড়ো রান্না, আবার কোথাও আটাশে রান্না বা স্থানীয় অন্য নামে পরিচিত।অরন্ধন আসলে বাংলার হেঁসেলের উৎসবশহুরে জীবনে অরন্ধনের অনেক রীতিই আজ হারিয়ে যেতে বসেছে। গ্যাসের উনুন, ইন্ডাকশন, মাইক্রোওয়েভের যুগে মাটির উনুনে আলপনা দিয়ে পুজো করার দৃশ্য এখন আগের মতো সর্বত্র দেখা যায় না।তবু বাংলার বহু বাড়িতে আজও অরন্ধন মানেই আত্মীয়-স্বজনের সমাগম, পুরনো দিনের রান্না, মাটির উনুন, মনসা দেবীর পুজো এবং পরের দিন রান্নাঘরে আগুন না জ্বালানোর এক অভিনব রীতি।বিশ্বকর্মা পুজোর কর্মযন্ত্র যখন এক দিনের বিশ্রাম পায়, তখন হেঁসেলের উনুনও যেন সেই বিশ্রামের অংশীদার হয়। আর তারই সামনে দেবী মনসার আরাধনা করে বাঙালি মনে রাখে প্রকৃতি, ঋতু পরিবর্তন, সর্পভয় এবং ঘর-সংসারের মঙ্গলকামনার সেই প্রাচীন লোকবিশ্বাসকে।তাই অরন্ধন শুধুমাত্র রান্না না করার দিন নয়। এটি বাংলার লোকসংস্কৃতি, খাদ্যপরম্পরা, দেবী মনসার আরাধনা এবং পারিবারিক ঐতিহ্যকে এক সুতোয় বেঁধে রাখা এক অনন্য উৎসব।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
টুকিটাকি

তেঁতুল শুধু টক নয়, পুষ্টির বড় ভাণ্ডার! শিশু থেকে বয়স্ক, কারা কতটা খাবেন?

তেঁতুলের নাম শুনলেই অনেকের জিভে জল চলে আসে। টক, হালকা মিষ্টি এবং নিজস্ব স্বাদের কারণে ভারতীয় রান্নাঘরে দীর্ঘদিন ধরেই তেঁতুলের বিশেষ জায়গা রয়েছে। ডাল থেকে চাটনি, শরবত থেকে আচার, বিভিন্ন পদে তেঁতুল খাবারের স্বাদ বাড়ায়। তবে শুধু স্বাদ নয়, পুষ্টিগুণের দিক থেকেও এই ফলের গুরুত্ব রয়েছে। পরিমিত পরিমাণে খেলে শিশু থেকে প্রবীণ, বিভিন্ন বয়সের মানুষের সুষম খাদ্যতালিকায় তেঁতুল রাখা যেতে পারে।তেঁতুলে রয়েছে খাদ্যআঁশ, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, অল্প পরিমাণ ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন বি-গোষ্ঠীর কিছু উপাদান। পাশাপাশি এতে পলিফেনলসহ বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও রয়েছে। খাদ্যআঁশ অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যকলাপ বজায় রাখতে এবং হজমে সাহায্য করতে পারে। একই কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতেও কিছুটা উপকার মিলতে পারে। অন্যদিকে, পটাশিয়াম শরীরের স্বাভাবিক রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ম্যাগনেশিয়ামসহ বিভিন্ন খনিজ হাড়, পেশি ও স্নায়ুর স্বাভাবিক কার্যকারিতায় প্রয়োজনীয়।আরও পড়ুনঃ এত দিন মুখ বন্ধ, গ্রেফতার হতেই মুখ খুললেন সুমিত? জমি কেলেঙ্কারিতে সামনে আসছে নতুন তথ্যতেঁতুলে থাকা প্রাকৃতিক শর্করা শরীরে দ্রুত শক্তি জোগাতেও সাহায্য করতে পারে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ ক্ষতির বিরুদ্ধে সুরক্ষা দিতে ভূমিকা রাখে। তবে তেঁতুল কোনও রোগের ওষুধ বা অলৌকিক খাদ্য নয়। এর উপকার পেতে হলে সামগ্রিক সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবেই এটি খাওয়া উচিত।আরও পড়ুনঃ এক রেজিস্ট্রেশন নম্বর, দুই চিকিৎসক! শিশুমৃত্যুর তদন্তে ভুয়ো ডাক্তারি নথির চাঞ্চল্যকর অভিযোগদুই বছরের বেশি বয়সি শিশুদের অল্প পরিমাণে তেঁতুল দেওয়া যেতে পারে। তেঁতুলের শরবত, টক ডাল, সাম্বর, চাটনি, সালাদ কিংবা তেঁতুল ভাত, বিভিন্নভাবেই এটি খাবারে যোগ করা সম্ভব। তবে অতিরিক্ত তেঁতুল খেলে কারও কারও অম্বল বা পেটের অস্বস্তি হতে পারে। যাঁদের তীব্র অ্যাসিডিটি বা পাকস্থলীর আলসারের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের সতর্ক থাকা প্রয়োজন। খুব টক খাবার ঘন ঘন খেলে দাঁতের এনামেল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কাও থাকে। তাই তেঁতুলের ক্ষেত্রে মূল কথা, স্বাদ ও পুষ্টি পেতে পরিমিত খাওয়াই সবচেয়ে ভালো

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
কলকাতা

পুজোয় আমিষ নিয়ে বাগেশ্বরের মন্তব্য, এবার পাল্টা মুখ্যমন্ত্রী! বাঙালিদের নিয়ে কী বললেন?

পুজোর মরসুমে আমিষ ও নিরামিষ খাবার নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। বাঙালির খাদ্যাভ্যাস নিয়ে স্বঘোষিত ধর্মগুরু বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যের পর থেকেই এই নিয়ে জোর চর্চা চলছে। তার মধ্যেই শনিবার গণেশ পুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, বাঙালি জানে কখন নিরামিষ খেয়ে পুষ্পাঞ্জলি দিতে হয়, আবার মাছ দিয়ে প্রসাদ দেওয়ার রীতিও বাঙালির অজানা নয়।কয়েক দিন আগে হাওড়ার লিলুয়ায় এসেছিলেন ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী, যিনি বাগেশ্বর বাবা নামে পরিচিত। সেখানেই বাঙালির খাদ্যাভ্যাস নিয়ে একাধিক মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য ছিল, অনেকে পেঁয়াজ খান, মদ্যপান করেন, আবার নিজেদের ধার্মিকও বলেন। এমনকি পুজোর সময়ে আমিষ খাওয়া বন্ধ করার আবেদনও জানান তিনি। আমিষ খান এমন মানুষদের ধর্মীয় পরিচয় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বাগেশ্বর বাবা। পাখণ্ডী শব্দ ব্যবহার করে তাঁদের ভেকধারী বলেও মন্তব্য করেন তিনি।বাগেশ্বর বাবার এই বক্তব্য ঘিরেই শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। অনেকেই প্রশ্ন তোলেন, একজন মানুষের ব্যক্তিগত খাদ্যাভ্যাস নিয়ে অন্য কেউ কীভাবে নির্দেশ দিতে পারেন। বিতর্কের মধ্যেই স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো থেকে নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যাও দেন বাগেশ্বর বাবা। তাঁর দাবি, তাঁর বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তিনি বলেন, পুজোয় আমিষ খেতে বারণ করার তিনি কেউ নন। তাঁর আপত্তি বলিপ্রথা নিয়ে। তবে ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে মণ্ডপে মাছ-মাংস খেতে তিনি বারণ করেছেন বলেও জানান।এই পরিস্থিতিতেই শনিবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। গণেশ পুজোর অনুষ্ঠানের মঞ্চে তিনি বলেন, কয়েক দিন আগে ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী লিলুয়ায় এসেছিলেন এবং তাঁকে দেখতে বহু মানুষের সমাগম হয়েছিল। সেই প্রসঙ্গেই বাঙালির খাদ্যাভ্যাসের কথা তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী।তিনি বলেন, বাঙালি জানে কখন নিরামিষ খেয়ে পুষ্পাঞ্জলি দিতে হয়। আবার মাছ দিয়ে প্রসাদ দেওয়ার রীতিও বাঙালির জানা। অর্থাৎ পুজোর সময়ে বাঙালির ধর্মীয় আচারের সঙ্গে খাদ্যাভ্যাসের যে নিজস্ব রীতি রয়েছে, সেই দিকটিই তুলে ধরেন তিনি।বাগেশ্বর বাবার আমিষ সংক্রান্ত মন্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। যদিও বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, লকেট চট্টোপাধ্যায় এবং অগ্নিমিত্রা পাল বাগেশ্বর বাবার বক্তব্যকে সমর্থন করেননি বলেই জানা গিয়েছে। ফলে পুজোর মরসুমে আমিষ ও নিরামিষ খাবার নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্ক এখন ধর্মীয় মত, বাঙালির সংস্কৃতি এবং ব্যক্তিগত খাদ্যাভ্যাসএই তিনটি বিষয়কে ঘিরেই আরও জোরালো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal