• ২০ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Burdwan Police

রাজ্য

একবছর পর রাজস্থান থেকে উদ্ধার নাবালিকা, অভিযুক্তকেও বর্ধমানে নিয়ে এল পুলিশ

এক বছর এক মাস। অভিযোগের পর অনেকটা সময় পেরিয়ে গিয়েছিল। গলসি থানায় অভিযোগ হয়েছিল। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ ছিল, ১৭ বছরের নাবালিকা মেয়ে বাড়ি থেকে কাউকে কিছু না বলে চলে যায়। এই অভিযোগের ভিত্তিতে গলসি থানাতে একটি মামলা রুজু হয়। ২০২৩ সাল থেকে বিভিন্নভাবে মেয়েটিকে গলসি থানার তদন্তকারী অফিসার খোঁজার চেষ্টা করেন, কিন্তু প্রাথমিকভাবে কোনও হদিশ পাওয়া যায়নি। তা সত্ত্বেও তদন্তকারী অফিসাররা হাল ছাড়েননি।গত ৪ ডিসেম্বর পুলিশ সুপারের অনুমতি নিয়ে রাজস্থান এর উদেশ্যে পূর্ব বর্ধমানের পুলিশ টিম রওনা দেয়। গত ৭ ডিসেম্বর স্থানীয় পালরি- এম থানার সহায়তায় যোধপুর স্টেশন থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত পোশালিয়া গ্রাম থেকে তদন্তকারী অফিসাররা ওই নাবালিকাকে উদ্ধার করে এবং আসামিকে গ্রেপ্তার করেন। আজ, মঙ্গলবার নাবালিকা এবং আসামিকে পূর্ব বর্ধমানে ফিরিয়ে আনা হয়। আগামীকাল, বুধবার আসামি এবং উক্ত নাবালিকাকে পূর্ব বর্ধমান জেলা আদালতে নিয়ে যাওয়া হবে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২৪
রাজ্য

বর্ধমানের জেলাশসক ও পুলিশ সুপারকে আমের প্যাকেট উপহার দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

মালদা যাওয়ার সময় বর্ধমান স্টেশনে ট্রেন দাঁড়ানোয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখতে বহু মানুষ ভিড় করেছিলেন। প্রশাসনিক বৈঠক ও দলীয় সভা করতে মালদা গিয়েছিলেন তিনি। কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে ফেরার পথে বর্ধমান স্টেশনে ফের একই ভিড় চোখে পড়ল। তবে এবার বিশেষ ঘটনার সাক্ষী থাকল উপস্থিতি মানুষজন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় আম ভর্তি প্যাকেট উপহার দিলেন পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক প্রিয়াংকা সিংলা ও পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেনকে। হাজির ছিলেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ ও তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা।শুক্রবার ডাউন কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে চড়ে মালদা থেকে কলকাতায় ফিরছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বিকেল ৫টার পর কাঞ্চনজঙ্ঘা বর্ধমান স্টেশনের পাঁচ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দাঁড়ায়। মুখ্য়মন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলাশাসক প্রিয়াংকা সিংলা ও পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন স্টেশনে উপস্থিত ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী ট্রেনের কামরা থেকে বেরিয়ে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারের হাতে আম ভর্তি প্যাকেট ও তোয়ালে উপহার দেন। মন্ত্রী স্বপন দেবনাথকে জেলার উন্নয়ন নিয়ে একগুচ্ছ দায়িত্ব দেন মুখ্যমন্ত্রী। স্বপন দেবনাথ বলেন, মুখমন্ত্রী আমার সঙ্গে জেলার উন্নয়ন নিয়ে কথা বলেছেন। ৫ টা ১৩ মিনিটে ডাউন কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস বর্ধমান স্টেশন ছেড়ে চলে যায়।

মে ০৫, ২০২৩
রাজ্য

রাজু ঝা খুনের সিসি টিভি ফুটেজ সামনে এল, তবে এখনও খুনিরা অধরা

ঘটনা ঘটে গিয়েছে প্রায় দু সপ্তাহ হতে চলল। এখনও গুলিতে ঝাঁঝরা কুখ্যাত কয়লা মাফিয়া রাজু ঝায়ের খুনীদের গ্রেফতার করতে পারল না পুলিশ। তবে এবার রাজু ঝা খুনের সিসি টিভি ফুটেজ সামনে চলে এসেছে। এর আগে গরুপাচার চক্রে অভিযুক্ত লতিফের মোবাইল ফোনে কথা বলার ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। যদিও লতিফ এখনও ফেরার। তাঁকে তলব করেই চলেছে ইডি। সিসি টিভি ফুটেজের দেখা যাচ্ছে সাদা রংয়ের ফরচুনা গাড়ি দাড়িয়ে আছে। নীল রঙের অন্য একটি চারচাকা গাড়িতে চড়ে আসা দুষ্কৃতীরা গাড়ি থাকে নামে। একেবারে সাধারণ ভাবে সাদা গাড়ির সামনে আসে। তারপর একেবারে পয়েন্ট ব্ল্যাক রেঞ্জ থেকে সাদা গাড়িতে বসে থাকা কাউকে এক নাগারে গুলি করতে থাকে। পরে জানা যায় সাদা গাড়িতে ছিলেন রাজু ঝা। তাঁকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে দুষ্কৃতীরা। হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাজুকে মৃত বলে চিকিৎসকরা ঘোষণা করেন। বর্ধমান শহর থেকে অনতি দূরে আমড়ায় জাতীয় সড়কের দুধারে ল্যাংচার দোকানের সামনের এই ঘটনা ঘটেছে ১ এপ্রিল। তারপর ৯ দিন কেটে গিয়েছে। দুষ্কৃতীদের ধরতে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে। খুনিদের গাড়ি ঝাড়খন্ডের দিক থেকে এসেছে সেই সিসি টিভি ফুটেজও সামনে এসেছে। ঝাড়খন্ডে পুলিশ খুনিদের ধরতে গিয়েছে বলে সূত্রের খবর। তবে এখনও একজনও দুষ্কৃতী ধরা পড়ার খবর মেলেনি।

এপ্রিল ১০, ২০২৩
রাজ্য

বর্ধমানে রেস্তোরাঁয় আরও তোলার দাবিতে ব্যাপক মারধর, রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে

শাসকদলের নাম করে রেস্তোরাঁয় ঢুকে টাকা ও মদ চেয়ে তোলাবাজির অভিযোগ উঠেছে বর্ধমান শহরে। তবে টাকা দিয়েও রেহাই মেলেনি। আরও বেশি টাকা চেয়ে মালিকের ভাইপোকে চলল বেধড়ক মারধর। এই ঘটনা তিনদিন হয়ে গেলেও অধরা দুস্কৃতীরা। বিজেপির অভিযোগ শাসকদলের মদতেই তোলাবাজরা এত সাহস পাচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপাত্র জানিয়েছেন, দোষী যে দলেরই হোক শাস্তি হবেই।তোলার টাকা চেয়ে বর্ধমান শহরের নীলপুর এলাকায় রেস্তোরাঁতে হামলার অভিযোগ ওঠে। দুদিনের বেশী কেটে গেলেও ঘটনায় মূল অভিযুক্ত এখনও অধরা বলে অভিযোগ। বিজপির দাবি, অভিযুক্তরা বর্ধমান-দক্ষিন বিধানসভার বিধায়ক খোকন দাসের ঘনিষ্ঠ{ এলাকায় অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশের খাতায় তারা ফেরার, তাদের ধরতে বর্ধমান থানার পুলিশ তল্লাশি চালাচ্ছে। থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করার পরেও অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ানোয় আতঙ্কিত রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী পরিবার। প্রসঙ্গত, ৭ই অক্টোবর বর্ধমানে দুর্গাপুজো কার্নিভালের দিন শহরের ছোটনীলপুর এলাকায় সদ্য ব্যবসা শুরু করা এক রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ীর কাছে ৫০হাজার টাকা তোলা চেয়ে না পেয়ে রেস্টুরেন্টের সামনেই ওই ব্যবসায়ীর ভাইপোকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ{ এই ঘটনায় জেলা তৃণমূলের যুব সভাপতি রাসবিহারী হালদার জানান, জঘন্য কাজের জন্য দোষীদের শাস্তি পাওয়া উচিত, যদি তারা দোষী হয়। প্রশাসন প্রশাসনের মতো কাজ করবে, দোষীদের রেয়াত করবে না।নতুন খোলা এই রেস্তোরাঁ ঘটনার পর দুদিন বন্ধ ছিল। মালিক সুজিত চৌধুরী জানান, তাঁরা মধ্যবিত্ত ঘরের মানুষ। কষ্ট করে ব্যাবসা করছেন। দোকান খোলার আগে থেকে কয়েকজন হুমকি দিচ্ছিল। বারবার ৫০ হাজার টাকা ও প্রতিদিন মদের বোতল দাবি করে। ভয় পেয়ে তাঁর ছেলে ৩০ হাজার টাকা দেওয়ার পরও তার ভাইপোকে মারা হয়।এই ঘটনার জেরে শেফ কাজ ছেড়ে দিয়ে চলে গেছেন। তাঁরা শান্তিতে ব্যবসা করতে চান।দোকানের কর্মচারিরা জানান, তাঁরা এসে মাংস ও ডিম চায়। বিল ছাড়া তাঁরা দিতে পারেন না জানানোয় হুমকি দিয়ে চলে যায়। দুদিন পরেই মালিকের ভাইপোকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করা হয়।বিজেপি জেলা যুব মোর্চার সভাপতি পিন্টু সাম বলেন, শাসকদলের বিধায়ক ও স্থানীয় কাউন্সিলরের মদতেই দুস্কৃতীরা এত বেড়েছে। দোকানের মালিক অবশ্য জানিয়েছেন, বিধায়কের বিরুদ্ধে তার কোনও অভিযোগ নেই। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপাত্র দেবু টুডু, বলেছেন এসব গর্হিত কাজ। তাদের দল এসব কাজের তীব্র বিরোধী। আইন মেনে পুলিশ ঠিকই ব্যবস্থা নেবে।

অক্টোবর ১১, ২০২২
রাজ্য

রসুলপুরে নাবালিকার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার এক

পূর্ব বর্ধমানের রসুলপুর নতুন গেট এলাকায় নাবালিকার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে নেমে জড়িত সন্দেহে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জেরা করতে চায় পুলিশ। ধৃতের নাম রবীন্দ্রনাথ সরকার ওরফে পলাশ সরকার। বাড়ি রসুলপুর এলাকাতেই। মৃতার বাড়ির কাছেই তার বাড়ি। জেলা পুলিশের পক্ষে অতিরিক্ত পুলিশসুপার কল্যাণ সিংহ রায় জানিয়েছেন, পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তদন্তের স্বার্থে এর থেকে বেশি বলা সম্ভব নয়। অন্যদিকে মৃতার আত্মীয় সুরজিৎ মণ্ডল জানিয়েছেন, মেয়েটি খুবই নম্র ভদ্র ছিল। একটি ছেলের সাথে তার প্রেমের কথা বাড়িতে জানত। কয়েকমাস পরে সাবালিকা হবার পর তার বিয়ের জন্য সব যোগাড় চলছিল। এরমধ্যে এইরকম একটি সাধারণ মেয়ের এইভাবে হত্যা কেউ মেনে নিতে পারছে না। তাঁদের ধারণা কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে ভোরবেলা ঘরে ঢুকেছিল। তারপর তাকে চিনে ফেলায় এই কান্ড ঘটিয়েছে। যে বা যারা এই কাজে যুক্ত তাদের কঠোর শাস্তি হোক। ধৃত ছেলেটিও সন্দেহের আওতায়। তার নাকি জিভ কেটে গেছে। সে বাইরে থেকে চিকিৎসা করিয়ে এনেছে বলে তাদের দাবি। অন্যদিকে এই ঘটনা নিয়ে আজও এলাকায় শোকের ছায়া রয়েছে।গতকাল সকালে এক নাবালিকার রহস্যজনক মৃত্যেকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ায় পূর্ব বর্ধমানের রসুলপুর নতুন রাস্তা এলাকায়। মেয়েটির বয়স মাত্র সতেরো। তার মা ও এলাকাবাসীর ধারণা, তাকে কেউ খুন করেছে। পুলিশ খুনের অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে। জেলা পুলিশ সুপার জানিয়েছিলেন, এ ব্যাপারে ফরেন্সিক টিমের সাহায্য নেওয়া হবে। পূর্ব বর্ধমানের রসুলপুর রেলগেটের কাছে নতুন রাস্তা এলাকায় মৃতার বাড়ি। তার মা দুই ছেলেমেয়েকে নিয়ে থাকেন। প্রতিদিন ভোরে তিনি সব্জি আনতে মেমারি যান। সেদিনও মেয়েকে বলেই বেরোন। মেয়েকে জানিয়ে বাইরে দিয়ে দরজা লাগিয়ে যান। আলোও জ্বালা ছিল। সকাল ৭ টা নাগাদ তিনি ফিরে আসেন। তিনি ও তার ভাইপো গিয়ে দেখেন মেয়ের কোনও সাড় নেই। বালিশটা একপাশে পড়ে আছে। মুখটা কিছুটা ফোলা। তাদের চিৎকারে এলাকার মানুষ ছুটে আসেন। এসে দেখা যায় মেয়েটি মৃত। এরপর পুলিশ আসে। উত্তেজিত এলাকাবাসী মৃতদেহ নিয়ে যেতে বাঁধা দেন। তাদের বুঝিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য দেহ পাঠায় পুলিশ। এলাকায় তদন্তে যান জেলা পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২২
রাজ্য

গুসকরাগামী বাসে লক্ষাধিক টাকার গহনা কেপমারি, সিভিকের তৎপরতায় মুহূর্তে উদ্ধার সামগ্রী

বর্ধমান থেকে গুসকরাগামী বাসে লক্ষাধিক টাকার গহনা কেপমারির ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল। শুক্রবার এগারোটা নাগাদ দোওয়ানদীঘি থানার মাহিনগরের বাসিন্দা গৃহবধূ মিলন মিশ্র বাসে চেপে গুসকরা বাপের বাড়ি যাচ্ছিলেন। সেই সময় বাসের মধ্যে তাঁর ব্যাগ থেকে দুটি সোনার শাঁকা বাঁধানো, দুটি পলা বাঁধানো ও নগদ হাজার টাকা কেপমারি হয়ে যায় বলে অভিযোগ। বাসের এক কর্মী ওই মহিলাকে জানান যে আপনার ব্যাগের চেন খোলা। মনে হচ্ছে আপনার ব্যাগ থেকে চুরি গিয়েছে। তখন তিনি সঙ্গে সঙ্গে দেখেন ব্যাগে থাকা সোনার জিনিসপত্র ও টাকা নেই। তখন তিনি কৌরুঞ্জি মোড়ে নেমে যান। নেমে যাওয়ার পর তিনি স্থানীয় সিভিক ভলেন্টিয়ারকে গোটা বিষয়টি জানান। ঘটনা শুনেই ওই সিভিক ভলেন্টিয়ার তৎপর হন। তিনি জানতে পারেন ওই বাস থেকে দুই মহিলা কয়রাপুরে নেমে গিয়েছে। তারপর কয়রাপুর থেকে টোটো ধরে বর্ধমানের দিকে যাচ্ছে দুই মহিলা। সঙ্গে কোলে বাচ্চা রয়েছে। হলদি মোড়ে তাঁদেরকে আটক করা হয়। মহিলাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় চুরি যাওয়া সামগ্রী। দেওয়ানদীঘি থানার পুলিশ তাঁদেরকে আটক করে নিয়ে যায়।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমান শহরে ক্লাব ভাংচুরের অভিযোগ কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে, উত্তপ্ত এলাকা

পুজোর মুখে বর্ধমানে ক্লাব ভাংচুরের অভিযোগ উঠল পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার রাতে ওই ওয়ার্ডের লক্ষ্মীপুর মাঠ এলাকায়। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কউন্সিলর সুমিত শর্মা।জানা গিয়েছে, ওই ক্লাবের মধ্যে চলতো এনজিওর কাজ। এনজিওর সদস্যদের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার রাতে ওই এলাকার কাউন্সিলর সুমিত শর্মার নেতৃত্বে কিছু যুবক এসে তাঁদের ক্লাব ও গাড়ি ভাঙচুর করে। পাশাপাশি মহিলাদের সাথে অশ্লীল আচরণ করে। এমনকি তাদের প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে লক্ষ্মীপুর মাঠ এলাকায়। যদিও এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন কাউন্সিলর সুমিত শর্মা।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২২
রাজ্য

বিদেশী পাতা বাহার গাছ চুরির বিহিত চেয়ে বর্ধমান থানার দ্বারস্থ গাছপ্রেমী

সূযোগ পেলেই চোরেরা যে গৃহস্থের বাড়ির দরজার তালা ভেঙে সর্বস্ব চুরি করে নিয়ে পালাবে একথা কেইবা আর না জানেন। তবে রাতের অন্ধকারে গাছপ্রেমীর সাধের বাগান থেকে বিদেশী পাতা বাহার গাছ চোরে চুরি করে নিয়ে পালাবে এমনটা বোধহয় সকলেরই কল্পনার অতীত। কিন্তু বাস্তবে এমনটাই ঘটেছে শহর বর্ধমানের নতুন পল্লীতে। এই এলাকার বাসিন্দা গাছপ্রেমী অমর চক্রবর্তী তাঁর বাড়ির বাগান থেকে বিদেশী বাহারি গাছ চুরির ঘটনা নিয়ে বর্ধমান থানায় অভিযোগ দায়ের করে বিহিত চেয়েছেন। তাঁর বাড়ির চারপাশে থাকা গোপন ক্যামেরায় গাছ চোরেদের যে ছবি ধরা পড়েছে তাও তিনি পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন । টাকা পয়সা, সোনা,গয়না চুরির পাশাপাশি চোরেরা এখন বিদেশি পাতা বাহার গাছও চুরি করতে শুরু করেছে জেনে স্তম্ভিত বর্ধমানবাসী।আরও পড়ুনঃ রাস্তার ধারের বহুমূল্য গাছ বিক্রি করার অভিযোগ গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধেনতুন পল্লীর বাসিন্দা অমর চক্রবর্তী একজন অবসরপ্রাপ্ত প্রবীণ মানুষ। তিনি গাছপ্রেমী। তাঁর নিজের বাড়িতে নামী-দামি বিভিন্ন গাছ আছে। তার মধ্যে বিদেশী পাতাবাহার গাছও রয়েছে। এছাড়াও পাখিও তিনি পুষেছেন ।অমর বাবু বলেন, অতিমারিতে জারি হওয়া বিধিনিষেধ মেনে তিনি বাইরে খুব একটা বের হন না।বড়িতে বাগানেরর গাছপালা নিয়েই তিনি সময় কাটান। কিন্তু গত এক বছর ধরে তিনি লক্ষ্য করছেন তাঁর বাগানে টবে থাকা বিদেশি নামিদামি গাছ চুরি হয়ে যাচ্ছে। কারা, কীভাবে চুরি করছে তা জানার জন্য তিনি তাঁর বাড়ির চারিদিকে সি সি ক্যামেরা লাগান। সেই সি সি ক্যামেরায় ধরা পড়া ছবিতে তিনি দেখতে পান, রাতের অন্ধকারে মুখ ঢাকা দিয়ে দুজন ব্যক্তি তাঁর বাড়ির বাগাণের গাছ চুরি করে নিয়ে পালাচ্ছে। সেই কারনেই গাছ চুরির বিহিত চেয়ে তিনি বর্ধমান থানার পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন। পুলিশ গাছচোরকে পাকড়াও করবে এমনটাই প্রত্যাশা গাছপ্রেমী অমর চক্রবর্তীর। অমরবাবুর বাগানের গাছচুরি কাণ্ডের জল কতদূর যায় সেটাই এখন দেখার।আরও পড়ুনঃ কোটি টাকা মূল্যের গাছ চুরি কাণ্ডে নাম জড়াতেই তদন্ত চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ পূর্ব বর্ধমানের তৃণমূল নেতাবর্ধমান শহরের এক বাসিন্দা বলেন, পুলিশের এখন হয়েছে বড় জ্বালা। হাই প্রোফাইল ক্রিমানাল দুস্কৃতি নয়। মাস খানেক আগে বর্ধমানের মিউনিসিপ্যাল হাইস্কুলে একটি শিরিষ গাছের রহস্যজনক মৃত্যুতে পুলিশে দ্বারস্থ হয়েছিলেন সেখানকার প্রাথমিকের প্রধানশিক্ষক। শিরিষ গাছের মৃত্যু রহসের জল অনেকদূর গড়ায়। এবার গৃহস্থের বাড়ির বাগানে থাকা বিদেশী পাতা বাহার গাছ চুরির তদন্তভার কাঁধে নিতে হল বর্ধমান থানার পুলিশকে । এটাই আশ্চর্যের। বর্ধমান থানার এক অফিসার বলেন, গাছ চুরির অভিযোগ জমা পড়েছে। তদন্ত শুরু হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আগস্ট ০৭, ২০২১
রাজ্য

Cheating Style: কীভাবে ফাঁদে ফেলত চাকরির প্রতারণা চক্র? কারাই বা পান্ডা?

চিটফাণ্ড কাণ্ডে এরাজ্যে লক্ষ লক্ষ মানুষ নিঃস্ব হয়েছে। এবার চাকরি, তার সঙ্গে প্রশিক্ষণের নামে সক্রিয় প্রতারণা চক্র। করোনা আবহেও তারা অতি-সক্রিয়। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে এই প্রতারণা চক্রের জাল বহুদূর বিস্তৃত রয়েছে, যার সঙ্গে যোগসাজস থাকতে পারে প্রভাবশালীদেরও। কীভাবে এই চক্র জাল বিছিয়ে ছিল? কারাই বা এই কাণ্ডের মাথা?আরও পড়ুনঃ কীভাবে ফাঁদে ফেলত চাকরির প্রতারণা চক্র? কারাই বা পান্ডা?পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতরা হল মিহির কুমার দাস, আলি হোসেন, হাসিবুল রহমান, আবুল বাসদ, রিয়াজুল ইসলাম, ইব্রাহিম শেখ, শ্যামসুল আলম ও মলয় কর্মকার। এই ধৃতদের মধ্যে প্রথম ছয় জন মুর্শিদাবাদ জেলার বাসিন্দা। বাকিদের মধ্যে শ্যামসুল বীরভূম জেলার নলহাটি থানার গোপালচক ও মলয় কর্মকার হুগলির সিঙ্গুর থানার জগৎনগর এলাকার বাসিন্দা। পুলিশের দাবি ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ৭টি মোবাইল ফোন, ৩ টি পেনড্রাইভ, ৭টি স্ট্যাম্প, অশোকস্তম্ভ দেওয়া বেশ কিছু নথিপত্র ও ফর্ম, কয়েকটি রেজিস্টার খাতা, ১লক্ষ ১০ হাজার ৫০০ টাকা, সংবাদপত্রে দেওয়া বিজ্ঞাপনের কপি এবং একটি দামি চারচাকা গাড়ি। এ ছাড়াও উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের কাছে পাঠানো চিঠি, পথ-সুরক্ষা নিয়ে রাজ্যপালের শংসাপত্রও উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ দাবি করেছে।আরও পড়ুনঃ গানওয়ালার গান চুরির অভিযোগ, ক্ষোভপ্রকাশ সামাজিক মাধ্যমেপ্রতারণার একাধিক ধাারায় মামলা রুজু করে পুলিশ মঙ্গলবার ৮ ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। প্রতারণা চক্রে জড়িত বাকি পাণ্ডাদের হদিশ পেতে ও তদন্তের প্রয়োজনে তদন্তকারী অফিসার ধৃতদের মধ্যে মিহির দাস, আবুল বাসার ও মলয় কর্মকারকে ৭ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে এদিন আদালতে আবেদন জানান। সিজেএম ৩ ধৃতের ৫ দিনের পুলিশি হেপাজত ও বাকিদের জেল হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন প্রতারিত চাকরি প্রার্থীরা।আরও পড়ুনঃ দাম্পত্যে ইতি। বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত লাগান খ্যাত ভুবনেরপথ সুরক্ষার প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রায় তিন হাজার বেকার যুবক -যুবতীয় কাছে একটি সংস্থার নাম করে প্রতারকরা কয়েক কোটি টাকা তুলেছে বলে অভিযোগ। মঙ্গলবার জেলার মেমারির পালসিটের একটি ধাবাতে প্রশিক্ষণ নেওয়া কর্মপ্রার্থীদের শপথ পত্রে সই করাতে আসে প্রতারক দলটি। মেমারির কানাইডাঙা নিবাসী সেখ মইনুল হাসান নামে এক প্রতারিত যুবক প্রতারকদের বিষয়ে ওইদিনই মেমারি থানায় অভিযোগ জানান। পালশিটের এক ধাবায় হাজির হয়েছিলেন ৩৩ জন কর্মপ্রার্থী। তাঁরা মূলত পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, হুগলি জেলার বাসিন্দা। তাঁদের মধ্যে মেমারির কানাইডাঙার মইনুল হাসান সহ ২০ জন পুলিশকে প্রতারণার কথা জানান। মইনুল হাসানের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা রুজু করেছে।আরও পড়ুনঃ শিব- পার্বতীর বিবাহ স্থলেযুবক মইনুল হাসান পুলিশকে অভিযোগে জানিয়েছে, ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে শক্তিগড়ের সামন্তী গ্রামের বাসিন্দা ধনঞ্জয় মাঝির মাধ্যমে তাঁর মুর্শিদাবাদের নবগ্রামের মিহির কুমার দাসের পরিচয় হয়। ওই ব্যক্তির সঙ্গেই তারকেশ্বরের মহেশপুরের বিনয় কুমার মালিকের কাছে গিয়ে তিনি কেন্দ্র সরকারের চাকরির আশায় ৫৫ হাজার টাকা দেন। তাঁদের গ্রামের শেখ গোলাম মহম্মদ ছাড়াও আরও কোন কোন কর্মপ্রার্থী কত টাকা চাকরির জন্য দিয়েছে তাও তিনি পুলিশকে লিখিত ভাবে জানিয়েছেন। ওই যুবক জানিয়েছে, ২০১৭ সাল থেকে এই চক্রটি চলছে। দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে-সহ রাজ্যের অন্য লেনে পথ নিরাপত্তার কাজে তাঁদের নিয়োগ করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কেন্দ্র সরকারের তরফে এই চাকরি দেওয়া হবে বলে জানিয়ে কর্মপ্রার্থীদের কাছে আবেদন নেওয়া হয়। তারপর ৬০ হাজার থেকে সাড়ে চারলক্ষ টাকা ধাপে ধাপে কর্মপ্রার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া হয়। এরপর কলকাতার কসবার কাছে একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁদের শারীরিক পরীক্ষা করানো হয়। এরপর তাঁদের বারাসাতে তিনদিনের প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়। যদিও ধৃতরা দাবি করেছে, চাকরি দেওয়ার নাম করে নয়, প্রশিক্ষণ দেওয়ার নামে ২৫ হাজার টাকা করে তাঁরা নিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ বিধানসভায় দিলীপ-মদনের রঙিন রসিকতাজেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যাণ সিংহ রায় জানিয়েছেন, ধৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, তাঁদের হেড অফিস কলকাতার নিমতা থানার বিরাটিতে। জনৈক দেবকুমার চট্টোপাধ্যায় হচ্ছেন ওই সংস্থার প্রধান। গোটা চক্রটিকে ধরার চেষ্টা চলছে।

জুলাই ০৬, ২০২১

ট্রেন্ডিং

স্বাস্থ্য

বর্ধমানে বি আই এম এল এস ফিজিওথেরাপি কলেজে বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস পালন

২৫ বছর পূর্তিতে দিনভর নানা কর্মসূচি, ফ্রি কনসালটেশন ক্যাম্প ও বৈজ্ঞানিক সেমিনার; কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ ও স্ট্রোক নিয়ে বিশেষ আলোচনার মাধ্যমে বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস পালন।ফিজিওথেরাপির প্রয়োজনীয়তা ও উপকারিতা সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তুলতে বর্ধমান শহরের বি আই এম এল এস ফিজিওথেরাপি কলেজে পালিত হল বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস। মঙ্গলবার কলেজ প্রাঙ্গণে দিনভর নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। ছিল বিশেষজ্ঞদের আলোচনা, বৈজ্ঞানিক সেশন, লাইভ ডেমোনস্ট্রেশন এবং রোগীদের জন্য বিনামূল্যে কনসালটেশন ক্যাম্প।অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন বর্ধমান শহরের বিশিষ্ট অর্থোপেডিক সার্জেন ড. শাশ্বত দত্ত। উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান মেডিকেল কলেজের উইংস অনাময় হাসপাতালের নিউরো মেডিসিন বিভাগের সিনিয়র রেসিডেন্ট ড. শিলাদিত্য দাস। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বি আই এম এল এস কলেজের এথিকাল কমিটির চেয়ারম্যান ও বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ড. অভিষেক মিশ্র এবং বেঙ্গল ফেত হাসপাতালের বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট ড. অরোদীপ দাশগুপ্ত -সহ অন্যান্যরা।অনুষ্ঠানে বক্তারা দৈনন্দিন জীবনে ফিজিওথেরাপির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেন। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্যে উঠে আসে, ফিজিওথেরাপি শুধু চোট বা অস্ত্রোপচারের পর পুনর্বাসনের জন্য নয়; দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা, অস্থিসন্ধির সমস্যা, পেশির দুর্বলতা, স্নায়বিক সমস্যা, চলাফেরার অসুবিধা এবং বিভিন্ন ধরনের শারীরিক প্রতিবন্ধকতার ক্ষেত্রেও এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।এছাড়াও এদিন উপস্থিত ছিলেন বি আই এম এল এস ফিজিওথেরাপি কলেজের প্রিন্সিপ্যাল ড. এম এস আনোয়ার, সহকারি অধ্যাপক ড. সত্যেন ভট্টাচার্য্য, সহকারি অধ্যাপক ড. অমর্ত্য মল্লিক, সহকারি অধ্যাপক ড.তনিমা ভট্টাচার্য্য, সহকারি অধ্যাপক ড. প্রিয়াঙ্কা দাস ও সহকারি অধ্যাপক ড. রজনী মিশ্র দাসগুপ্ত।২৫ বছর পূর্তিতে রোগী পরিষেবায় বিশেষ উদ্যোগবি আই এম এল এস ফিজিওথেরাপি কলেজের অধ্যক্ষ ড. এম এস আনোয়ার জানান, বি আই এম এল এস ফিজিওথেরাপি কলেজের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিভিন্ন ধরনের ওপিডি পরিষেবার মাধ্যমে রোগীদের চিকিৎসা ও ফিজিওথেরাপি পরিষেবা দেওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে। এছাড়াও বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস উপলক্ষে ওপিডিতে আয়োজন করা হয় ফ্রি কনসালটেশন ক্যাম্প। তিনি জানান দিনভর এই ক্যাম্পে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা নিয়ে আসা রোগীদের বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ দেওয়া হয়। এর পাশাপাশি আয়োজিত হয় বিশেষ বৈজ্ঞানিক সেমিনার।কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ ও স্ট্রোক নিয়ে বিশেষ সেশনবি আই এম এল এস ফিজিওথেরাপি কলেজের বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপি ডাক্তার ড. সত্যেন ভট্টাচার্য্য জানান, এবারে বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবসে বিশেষ থিম ছিল কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ ও স্ট্রোক। এদিনের বৈজ্ঞানিক সেশনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ এবং স্ট্রোক। স্ট্রোকের পর রোগীর স্বাভাবিক চলাফেরা, পেশিশক্তি, ভারসাম্য এবং দৈনন্দিন কাজ করার সক্ষমতা ফিরিয়ে আনতে ফিজিওথেরাপির ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়। তিনি জানান, সেমিনারের পাশাপাশি বিভিন্ন থেরাপিউটিক পদ্ধতি নিয়ে লাইভ ডেমোনস্ট্রেশনও দেখানো হয়।রোগীদের সাফল্যের গল্পে উঠে এল ফিজিওথেরাপির গুরুত্বসহকারি অধ্যাপক ড. অমর্ত্য মল্লিক জনতার কথাকে জানান, আজকের বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবসের অনুষ্ঠানের অন্যতম তাৎপর্যপূর্ণ অংশ ছিল ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে উপকৃত হওয়া রোগীদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা। বিশেষ করে ছোটবেলা থেকে বিভিন্ন ধরনের ডিফর্মিটি বা ডিসঅ্যাবিলিটি নিয়ে বেড়ে ওঠা কয়েকজন রোগী কীভাবে চিকিৎসা ও নিয়মিত ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরে এসেছেন, সেই অভিজ্ঞতা তাঁরা তুলে ধরেন।তাঁদের এই অভিজ্ঞতা উপস্থিতদের কাছে শুধু অনুপ্রেরণার নয়, বরং পুনর্বাসনমূলক চিকিৎসায় ফিজিওথেরাপির গুরুত্বের একটি বাস্তব উদাহরণ হিসেবেও উঠে আসে।কলেজের অধ্যক্ষ ড. এম এস আনোয়ার বলেন মানুষ কে জানতে হবে ফিজিওথেরাপি কেন গুরুত্বপূর্ণ?ফিজিওথেরাপির অন্যতম লক্ষ্য হল শরীরের নড়াচড়া ও কার্যক্ষমতা উন্নত করা, ব্যথা নিয়ন্ত্রণ করা এবং রোগীকে যতটা সম্ভব স্বনির্ভর করে তোলা।স্ট্রোক-পরবর্তী পুনর্বাসন, অস্ত্রোপচারের পর দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফেরা, কোমর-ঘাড়-কাঁধ বা হাঁটুর ব্যথা নিয়ন্ত্রণ, স্পোর্টস ইনজুরি, শিশুদের শারীরিক বিকাশজনিত সমস্যা এবং বয়স্কদের চলাফেরার সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ফিজিওথেরাপি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।তবে রোগীর শারীরিক অবস্থা ও রোগের ধরন অনুযায়ী ফিজিওথেরাপির পদ্ধতি নির্ধারণ করা প্রয়োজন এবং প্রশিক্ষিত ফিজিওথেরাপিস্টের পরামর্শ অনুযায়ী থেরাপি নেওয়া উচিত।বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস উপলক্ষে বি আই এম এল এস ফিজিওথেরাপি কলেজের এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে উঠে এল একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তাফিজিওথেরাপি শুধু ব্যথা কমানোর পদ্ধতি নয়, বরং একজন মানুষকে সুস্থ, সচল ও স্বনির্ভর জীবনে ফিরিয়ে আনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে উপনির্বাচন, নামল বিশাল বাহিনী! দুই কেন্দ্রের জন্য চাওয়া হল ৭১ কোম্পানি

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করার প্রস্তুতি শুরু করেছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। দুই কেন্দ্রের জন্য মোট ৭১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে রেজিনগরের জন্য ৩৬ কোম্পানি এবং নন্দীগ্রামের জন্য ৩৫ কোম্পানি বাহিনী চাওয়া হয়েছে।তবে মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর পুলিশ জেলায় আগে থেকেই যে ৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে, সেই বাহিনীকে এই উপনির্বাচনের কাজে ব্যবহার করা যাবে না বলে জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক নীলম মীনা। সেখানেই উপনির্বাচনের প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, নন্দীগ্রামে মোট ২৮৬টি এবং রেজিনগরে ২৮২টি বুথ রয়েছে। ভোটারের সংখ্যা অনুযায়ী এর সঙ্গে আরও কিছু সাহায্যকারী বুথ যুক্ত হতে পারে। তবে অ্যাডজুডিকেশন এবং ট্রাইব্যুনালে থাকা ভোটাররা আসন্ন উপনির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন না বলেই সিইও দফতরের তরফে ইঙ্গিত মিলেছে।নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশের পর থেকেই দুই কেন্দ্রের প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ততা বেড়েছে সিইও দফতরে। মঙ্গলবার বিকেলে পূর্ব মেদিনীপুর ও মুর্শিদাবাদ জেলার জেলাশাসক এবং জেলা পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠক করেন নীলম মীনা-সহ দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।বৈঠকে দুই জেলায় নির্বাচন পরিচালনার সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। ভোটকেন্দ্রগুলির অবস্থা কেমন, সব বুথে ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা করতে কোনও সমস্যা রয়েছে কি না, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কেমন, কতগুলি এলাকা সংবেদনশীল এবং সেখানে কী ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রয়োজন, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনকে ঘিরে প্রশাসনের এই তৎপরতার মধ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর চাহিদাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে রেজিনগরে ৩৬ কোম্পানি এবং নন্দীগ্রামে ৩৫ কোম্পানি বাহিনী চাওয়ার প্রস্তাব এখন জাতীয় নির্বাচন কমিশনের অনুমোদনের অপেক্ষায়।প্রসঙ্গত, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুরদুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে একটি আসন ছাড়তে হয়। নিজের গড় নন্দীগ্রাম কেন্দ্রটি ছেড়ে দেন তিনি। ফলে ওই আসনটি বিধায়কশূন্য হয়ে পড়ে। এবার উপনির্বাচনের মাধ্যমে নতুন বিধায়ক বেছে নেবেন নন্দীগ্রামের ভোটাররা।অন্যদিকে, মুর্শিদাবাদের রেজিনগর এবং নওদাদুই কেন্দ্রেই জয় পেয়েছিলেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত হয়ে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর। নিয়ম মেনে তিনিও রেজিনগর কেন্দ্রটি ছেড়ে দেন। ফলে ওই কেন্দ্রেও উপনির্বাচনের প্রয়োজন হয়।নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হবে। ৯ অক্টোবর ভোটের ফল প্রকাশ করা হবে। তার আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী, বুথের নিরাপত্তা, ওয়েব কাস্টিং এবং সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে বিশেষ নজরদারিসব দিকেই প্রস্তুতি জোরদার করছে প্রশাসন।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬
কলকাতা

বলরাম মল্লিকের দোকানে কী মিলল? পুরসভার অভিযানের পর লাইসেন্স সাসপেন্ড, তালিকায় আরও ৩৯ সংস্থা

পুজোর আগে কলকাতার একাধিক নামী খাবারের দোকানের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করেছে কলকাতা পুরসভা। সিমলা বিরিয়ানি, আরসালান থেকে শুরু করে বলরাম মল্লিকের মিষ্টির দোকানমোট ৪০টি রেস্তোরাঁ, হোটেল ও খাবারের সংস্থার লাইসেন্স সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পুরসভার তরফে দেওয়া তালিকা অনুযায়ী, খাবারের মান এবং স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে একাধিক অনিয়ম সামনে এসেছে। কোথাও পচা খাবার বা মেয়াদ উত্তীর্ণ মশলার অভিযোগ রয়েছে, কোথাও আবার খাবারে বিষাক্ত রং ব্যবহারের বিষয়টি উঠে এসেছে। একাধিক মিষ্টির দোকানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি তৈরির অভিযোগও পাওয়া গিয়েছে। মিষ্টি তৈরিতে ব্যবহৃত দুধের মান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।টলিগঞ্জের বি এল সাহা রোডে বলরাম মল্লিকের মিষ্টির দোকানেও একাধিক নিয়ম না মানার অভিযোগ উঠেছে। পুরসভার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, খাবার তৈরি ও পরিবেশনের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের নিয়মিত শারীরিক পরীক্ষা এবং প্রতিষেধক টিকাদানের নথি পাওয়া যায়নি।এ ছাড়াও রেফ্রিজারেটরে রাখা তৈরি বা অর্ধেক তৈরি খাবারে তৈরির তারিখের কোনও ট্যাগ পাওয়া যায়নি বলে পুরসভার তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে। ব্যবহৃত ভোজ্যতেল কী ভাবে ফেলা বা নষ্ট করা হয়, সেই সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথিও মেলেনি বলে দাবি পুরসভার।দোকানে ঢাকনাবিহীন আবর্জনার পাত্র থাকার বিষয়টিও উঠে এসেছে। খাবার সংরক্ষণের জন্য তাপমাত্রা সঠিক ভাবে মাপা যায়, এমন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ছিল না বলেও পুরসভার পরিদর্শনে উল্লেখ করা হয়েছে।খাবার তৈরি ও পরিবেশনের সময় কর্মীদের মাথায় টুপি বা গায়ে অ্যাপ্রন না থাকার অভিযোগও রয়েছে। পুরসভার রিপোর্ট অনুযায়ী, বেশির ভাগ খাবার খোলা বা ঢাকনাবিহীন অবস্থায় তাক কিংবা রেফ্রিজারেটরে রাখা ছিল।শুধু খাবার সংরক্ষণ নয়, রান্নার জায়গা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পুরসভার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রান্নাঘরের বাইরে আলুর তরকারি তৈরি করা হচ্ছিল। পাশাপাশি নিচু জায়গা ও জলাভূমির কাছাকাছি বস্তায় আলু রাখার বিষয়টিও পরিদর্শনে ধরা পড়েছে।বলরাম মল্লিকের দোকান ছাড়াও কলকাতার আরও একাধিক মিষ্টির দোকানের লাইসেন্স সাসপেন্ড করা হয়েছে। পুজোর আগে শহরের খাবারের দোকানগুলিতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতেই এই ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।কলকাতা পুরসভার কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে জানিয়েছেন, মোট ৪০টি সংস্থার লাইসেন্স সাসপেন্ড করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি সমস্ত নিয়ম মেনে আবেদন করলে সেই আবেদন খতিয়ে দেখা হবে। অর্থাৎ নিয়ম মেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পরেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে পুরসভার তরফে জানানো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬
কলকাতা

নিউ মার্কেটের সেই আগুনের পর বদলে গেল নিয়ম? কলকাতার ৯১৯ হোটেল-গেস্ট হাউসের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ

নিউ মার্কেট এলাকার একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর কলকাতার হোটেল ও গেস্ট হাউসগুলির অগ্নিসুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে বড় পদক্ষেপ করল নবান্ন। বিশেষজ্ঞ কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে শহরের ৯১৯টি হোটেল ও গেস্ট হাউসের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আপাতত ওই হোটেল ও গেস্ট হাউসগুলি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।অগ্নিকাণ্ডের পরেই কলকাতার বিভিন্ন হোটেলে অগ্নিসুরক্ষা ব্যবস্থা কতটা কার্যকর, তা খতিয়ে দেখতে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে নবান্ন। কমিটির সদস্যরা শহরের ১৬টি ব্যুরোর আওতায় থাকা হোটেল ও গেস্ট হাউসগুলিতে অভিযান চালান। সব মিলিয়ে ৯৬২টি হোটেল ও গেস্ট হাউস পরিদর্শন করা হয়।অভিযানের পর কমিটি নবান্নে রিপোর্ট জমা দেয়। সেই রিপোর্টে ৯১৯টি হোটেল ও গেস্ট হাউসে অগ্নিসুরক্ষা বিধি যথাযথ ভাবে মানা হচ্ছে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এরপরই ওই হোটেল ও গেস্ট হাউসগুলির লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রশাসনের নির্দেশ অনুযায়ী, আপাতত সেগুলি বন্ধ থাকবে।এর নেপথ্যে রয়েছে নিউ মার্কেট এলাকার একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। আগস্ট মাসে মির্জা গালিব স্ট্রিটের ১৫ এইচ নম্বর ভবনে থাকা ওই আবাসিক হোটেলে গভীর রাতে আগুন লাগে। রাত আনুমানিক পৌনে দুটো নাগাদ আগুনের সূত্রপাত হয় বলে জানা গিয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং হোটেলের ঘরগুলি ঘন কালো ধোঁয়ায় ভরে যায়।আগুন এবং ধোঁয়ার কারণে হোটেলের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই প্রাণ বাঁচাতে বাইরে বেরোনোর চেষ্টা করেন। কিন্তু ঘন ধোঁয়ার কারণে বেশ কয়েক জন সমস্যায় পড়েন। অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং কয়েক জন জ্ঞান হারান বলেও জানা যায়।ভোররাতে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে হোটেল থেকে প্রায় ৮০ জনকে উদ্ধার করা হয় বলে জানানো হয়েছিল। ওই ঘটনায় ৯ জনের মৃত্যু হয়। মৃতদের মধ্যে ৮ জন বাংলাদেশি ছিলেন। আরও ৬ জন আহত হন।ঘটনার পরেই কলকাতার হোটেলগুলির অগ্নিসুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এরপর শহরের বিভিন্ন হোটেল ও গেস্ট হাউসে অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেয় নবান্ন। সেই অভিযানের রিপোর্টেই উঠে আসে ৯১৯টি হোটেল ও গেস্ট হাউসে অগ্নিসুরক্ষা বিধি না মানার অভিযোগ।রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই প্রশাসনের তরফে বড় পদক্ষেপ করা হয়েছে। ৯১৯টি হোটেল ও গেস্ট হাউসের লাইসেন্স বাতিল করে আপাতত সেগুলি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অগ্নি ও জরুরি পরিষেবা দফতরের প্রধান সচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ওঙ্কার সিং মিনাকে। নিউ মার্কেটের অগ্নিকাণ্ডের পর কলকাতার হোটেলগুলির নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬
বিদেশ

দেশে ফেরার ঘোষণা, তার আগেই প্রকাশ্যে হাসিনার সম্পত্তির হিসাব! কত টাকার মালিক প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী?

বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঘিরে ফের চর্চা শুরু হয়েছে তাঁর সম্পত্তির হিসাব নিয়ে। বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমের দাবি, দেশে গণহত্যার মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর তাঁর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে হাসিনার হলফনামা, যেখানে তাঁর স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির হিসাব উল্লেখ রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।হলফনামায় দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশি মুদ্রায় শেখ হাসিনার মোট সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৪ কোটি ৩৪ লক্ষ টাকা। ভারতীয় মুদ্রায় যার মূল্য প্রায় ৩ কোটি ৩৩ লক্ষ টাকা। তাঁর হাতে নগদ ছিল ২৮ হাজার ৫০০ বাংলাদেশি টাকা। বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তাঁর প্রায় ২ কোটি ৩৯ লক্ষ বাংলাদেশি টাকা জমা ছিল বলে ওই হিসাব থেকে জানা যাচ্ছে।শুধু ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা টাকাই নয়, শেখ হাসিনার নামে কৃষিজমিও রয়েছে। হলফনামা অনুযায়ী, তাঁর কৃষিজমির পরিমাণ ১৫ বিঘার বেশি। তাঁর নামে মোট তিনটি গাড়ি রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি গাড়ি উপহার হিসেবে পাওয়া। সেই গাড়ির মূল্য হলফনামায় উল্লেখ করা হয়নি। অন্য দুটি গাড়ির সম্মিলিত মূল্য প্রায় ৪৭ লক্ষ ৫০ হাজার বাংলাদেশি টাকা।হলফনামায় সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মূল্য প্রায় ১৩ লক্ষ ২৫ হাজার বাংলাদেশি টাকা বলে উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া আসবাবপত্রের মূল্য প্রায় ৭ লক্ষ ৪০ হাজার বাংলাদেশি টাকা বলে জানা যাচ্ছে। সব মিলিয়ে হলফনামায় শেখ হাসিনার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির যে হিসাব দেওয়া হয়েছে, তা নিয়েই এখন নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই দেশে ফেরার ইচ্ছার কথাও প্রকাশ্যে জানিয়েছেন শেখ হাসিনা। একটি সাক্ষাৎকারে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, তিনি নিজের দেশে ফিরতে চান এবং ফিরবেনই। ডিসেম্বরের মধ্যেই বাংলাদেশে ফেরার ইচ্ছা রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকট অনির্দিষ্টকাল ধরে চলতে দেওয়া যায় না। দেশে ফেরা তাঁর কাছে ক্ষমতায় ফেরার বিষয় নয়, বরং সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়।হাসিনার বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি সারা জীবন বিদেশে থাকতে পারেন না। নিজের দেশ এবং আপনজনদের কাছে তাঁকে ফিরতেই হবে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই তাঁর এই মন্তব্য নতুন করে রাজনৈতিক মহলে চর্চা তৈরি করেছে।উল্লেখ্য, ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই শেখ হাসিনা ভারতে রয়েছেন। বাংলাদেশে তাঁর বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের সাজা ঘোষণার কথাও সামনে এসেছে। তাঁকে বাংলাদেশের হাতে প্রত্যর্পণ করা নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপড়েনও চলছে বলে জানা যাচ্ছে।এরই মধ্যে গত ৫ আগস্ট দিল্লি থেকে ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন শেখ হাসিনা। সেখানেও দেশে ফেরার বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন তিনি। ডিসেম্বর, অর্থাৎ বাংলাদেশের স্বাধীনতার মাসে দেশে ফেরার ইচ্ছার কথা জানান হাসিনা। তাঁর এই বক্তব্য এবং একই সময়ে প্রকাশ্যে আসা সম্পত্তির হিসাব ঘিরে বাংলাদেশ ও ভারতের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬
কলকাতা

ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস নিয়ে আরও চাপে অভিষেক! নিম্ন আদালতের নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে গোয়েঙ্কা পরিবার

ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস নিয়ে আরও আইনি চাপে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নিম্ন আদালতের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন ওই বাড়ির মালিক তথা গোয়েঙ্কা পরিবারের সদস্যরা। মঙ্গলবার হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা। মামলাটি উঠেছে বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্যের এজলাসে।ক্যামাক স্ট্রিটের ৯ নম্বর বাড়িটির মালিক রমাদেবী গোয়েঙ্কা। ২০২০ সালে ওই বাড়ি নিয়ে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সঙ্গে তাঁদের চুক্তি হয়েছিল। কিন্তু মালিকপক্ষের অভিযোগ, চুক্তিতে যে শর্তগুলি ছিল, তার সবগুলি মানা হয়নি। তাঁদের দাবি, প্রভাব খাটিয়ে বাড়িটির দুটি তলা দখল করে রাখা হয়েছিল।মালিকপক্ষের আরও অভিযোগ, তাঁদের অনুমতি না নিয়েই বাড়িতে হোর্ডিং বা বিলবোর্ড লাগানো হয়েছিল। শুধু দুটি তলাই নয়, সিঁড়ির নীচের অংশ, গ্যারাজ এবং ছাদও দখল করে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁদের।এই অভিযোগের ভিত্তিতে ক্যামাক স্ট্রিটের ওই অফিস ছেড়ে দেওয়ার জন্য নোটিস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নোটিসের উপর স্থগিতাদেশ দেয় নিম্ন আদালত। নিম্ন আদালতের সেই নির্দেশকেই এবার চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছে মালিকপক্ষ।এর মধ্যেই কয়েক দিন আগে ক্যামাক স্ট্রিটের ওই অফিসের হোর্ডিং ঘিরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। হোর্ডিংটি অবৈধ বলে অভিযোগ তুলে তা সরাতে গিয়েছিলেন পুরসভার কর্মীরা। তাঁদের সঙ্গে পুলিশও ছিল। অভিযোগ, অফিসে ঢোকার সময় পুরসভার কর্মীদের বাধার মুখে পড়তে হয়।এর পরেই পুলিশ ও তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে তীব্র বচসা শুরু হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ডেরেক ওব্রায়েন। অভিযোগ, অফিসে ঢোকার চেষ্টা ঘিরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এরপর প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে পুলিশ ও অফিসের কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি চলে বলে অভিযোগ।সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস নিয়ে মামলা পৌঁছল কলকাতা হাইকোর্টে। নিম্ন আদালতের স্থগিতাদেশকে চ্যালেঞ্জ করে মালিকপক্ষের এই আবেদনের ফলে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আইনি টানাপড়েন তৈরি হয়েছে। গোয়েঙ্কা পরিবারের অভিযোগ এবং হাইকোর্টে তাঁদের আবেদনের পর মামলাটির পরবর্তী গতিপথের দিকেই এখন নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬
রাজ্য

পুজোর আগেই বড় ঘোষণা! আন্দোলনে নামার আগেই ২০ শতাংশ বোনাস চা শ্রমিকদের, বদলে গেল ডুয়ার্সের ছবি

পাহাড়, তরাই, ডুয়ার্স মিলিয়ে প্রায় ২৭৫টি চা বাগানের শ্রমিকদের জন্য পুজোর আগে বড় ঘোষণা হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, চা শ্রমিকদের ২০ শতাংশ হারে বোনাস দেওয়ার বিষয়ে নির্দেশিকা ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে প্রতি বছর পুজোর আগে বোনাসের দাবিতে যে আন্দোলনের ছবি দেখা যেত, এ বার তার আগেই স্বস্তি ফিরেছে শ্রমিকদের মধ্যে।চা শ্রমিকদের বোনাস নিয়ে প্রতি বছরই পুজোর আগে টানাপড়েন তৈরি হয়। কোথাও গেট মিটিং, কোথাও বিক্ষোভ, আবার কোথাও রাস্তা অবরোধ করে নিজেদের দাবি জানাতে দেখা যায় শ্রমিকদের। বোনাস ঘোষণা হওয়ার পরেও টাকা পাওয়া নিয়ে দেরি বা টালবাহানার অভিযোগ ওঠে বিভিন্ন সময়ে। ফলে পুজোর আগে বোনাস নিয়ে চা শ্রমিকদের মধ্যে একটা দুশ্চিন্তা থেকেই যায়।এ বার অবশ্য পরিস্থিতি কিছুটা আলাদা। পুজো আসার বেশ কিছুটা আগেই ২০ শতাংশ বোনাসের ঘোষণা হয়েছে। ফলে আন্দোলনে নামার আগেই বোনাসের খবর পেয়ে স্বস্তি পেয়েছেন চা শ্রমিকেরা। পাহাড়, তরাই এবং ডুয়ার্স মিলিয়ে প্রায় ২৭৫টি চা বাগানে তিন লক্ষেরও বেশি শ্রমিক রয়েছেন বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।জলপাইগুড়ি জেলাতেও এই ঘোষণার প্রভাব পড়েছে। জেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ৯০টি চা বাগান রয়েছে। এই বাগানগুলির শ্রমিকদের কাছে পুজোর বোনাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বছরের এই সময় বোনাসের টাকাতেই বহু পরিবার পুজোর কেনাকাটা থেকে শুরু করে সংসারের নানা প্রয়োজন মেটায়।শ্রমিকদের একাংশ জানিয়েছেন, বোনাসের টাকা হাতে এলে সন্তানদের নতুন পোশাক কিনে দিতে পারবেন তাঁরা। নিজেদের জন্যও নতুন জামাকাপড় কেনার পাশাপাশি পুজোর কয়েক দিন পরিবারের জন্য ভালো খাবারের ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে। অনেকের বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে মেরামতের প্রয়োজন রয়েছে। বোনাসের টাকা দিয়ে সেই কাজও সেরে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে অনেক পরিবারের।চা শ্রমিকদের বক্তব্য, প্রতি বছর পুজোর আগে বোনাসের জন্য আন্দোলন করতে হবে কি না, তা নিয়ে চিন্তা থাকত। এ বার আগেই ২০ শতাংশ বোনাসের ঘোষণা হওয়ায় সেই দুশ্চিন্তা অনেকটাই কমেছে। আন্দোলনে নামার আগেই দাবি মিটতে চলায় খুশি তাঁরা।এর মধ্যেই চা শ্রমিকদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার কালিম্পঙে প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে তাঁর বৈঠক করার কথা ছিল। তবে খারাপ আবহাওয়ার কারণে তাঁর কপ্টার সেখানে নামতে পারেনি। পরে উত্তরকন্যা থেকে ভার্চুয়ালি প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা জানা গিয়েছে।সব মিলিয়ে পুজোর আগে ২০ শতাংশ বোনাসের ঘোষণা চা শ্রমিকদের কাছে বড় স্বস্তির খবর। বোনাসের টাকায় নতুন পোশাক কেনা, পুজোর বাজার করা, পরিবারের জন্য ভালো খাবারের ব্যবস্থা এবং ঘরদোর মেরামতের পরিকল্পনা করছেন অনেকেই। ফলে পুজোর আগে ডুয়ার্সের চা বাগানগুলিতে এ বার আন্দোলনের বদলে উৎসবের প্রস্তুতির ছবিই বেশি চোখে পড়ছে।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬
কলকাতা

বাংলায় এসে বাঙালিকেই অপমান? বাগেশ্বর বাবার বিরুদ্ধে আইনের পথে কংগ্রেস

দুর্গাপুজোয় মাছ-মাংস খাওয়া নিয়ে বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যের প্রতিবাদে ভবানীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করল প্রদেশ কংগ্রেস। মঙ্গলবার মধ্য কলকাতা জেলা কংগ্রেসের সভাপতি মানস সরকার থানায় অভিযোগ করেন। তিনি চৌরঙ্গির প্রার্থীও। দক্ষিণ কলকাতা জেলা কংগ্রেসের সভাপতি প্রদীপ প্রসাদও এই পদক্ষেপকে সমর্থন করেছেন বলে জানা গিয়েছে।কংগ্রেসের অভিযোগ, বাংলায় এসে বাঙালির খাদ্যাভ্যাস এবং দুর্গাপুজো পালনের রীতি নিয়ে বাগেশ্বর বাবা মন্তব্য করেছেন। তাঁদের দাবি, এ ভাবে বাঙালির সংস্কৃতি নিয়ে মন্তব্য করা অবমাননাকর। অভিযোগপত্রে বাগেশ্বর বাবার বক্তব্যের কয়েকটি শব্দপ্রয়োগের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।অভিযোগ দায়েরের সময় ভবানীপুর থানার সামনে কংগ্রেসের কর্মী ও সমর্থকেরা জমায়েত করেন। সেখানে বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভও দেখানো হয়। মুখ্যমন্ত্রীর বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরে এই অভিযোগ দায়ের হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।এই বিতর্কের সূত্রপাত হাওড়ায় একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বাগেশ্বর বাবার বক্তব্যকে ঘিরে। অভিযোগ, সেখানে তিনি দুর্গাপুজোর সময়ে বাঙালির খাদ্যাভ্যাস নিয়ে মন্তব্য করেন। পুজোর সময়ে যাঁরা মাছ-মাংস খান, তাঁদের ধর্মীয় আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। এমনকি তাঁদের ভণ্ড বলেও মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ।বাঙালির পুজোর সময়ে কী খাওয়া উচিত, তা নিয়েও বাগেশ্বর বাবা মন্তব্য করেন বলে দাবি করা হয়েছে। তাঁর সেই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পরেই শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। রাজনৈতিক দলগুলি নিজেদের মতো করে এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানাতে শুরু করে।এই বিতর্কে বিজেপির কয়েক জন নেতাও বাঙালির খাদ্যাভ্যাসের পক্ষেই সুর মিলিয়েছেন। দিলীপ ঘোষ এবং শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্য, বাঙালি এত দিন যেভাবে দুর্গাপুজো পালন করে এসেছে, এ বারও সেভাবেই পালন করবে। কে মাছ-মাংস খাবেন আর কে নিরামিষ খাবেন, তা ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয় বলেই তাঁদের মত।তবে বিষয়টি এখানেই থামাতে চাইছে না কংগ্রেস। দলের অভিযোগ, বাঙালি কী ভাবে দুর্গাপুজো পালন করবে বা কী খাবেন, সেই বিষয়ে বাইরে থেকে কোনও নির্দেশ চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়। মানস সরকারের অভিযোগপত্রেও এই বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।কংগ্রেসের আরও দাবি, বাঙালির সংস্কৃতি ও খাদ্যাভ্যাস নিয়ে বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যের বিরুদ্ধে পুলিশ যথাযথ পদক্ষেপ করুক। এই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ কী ব্যবস্থা নেয়, এখন সে দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।দুর্গাপুজোয় আমিষ না নিরামিষএই বিতর্ক ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক তরজায় পরিণত হয়েছে। তার মধ্যেই বাগেশ্বর বাবার বিরুদ্ধে ভবানীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ায় বিতর্ক আরও নতুন মোড় নিল।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal