• ২৭ পৌষ ১৪৩২, মঙ্গলবার ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Barasat

রাজ্য

বারাসতের সাংসদের দুই ছেলে, মা ও বোনও হিয়ারিংয়ে, ক্ষোভ উগড়ে দিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার

এসআইআর প্রক্রিয়া তাড়াহুড়ো করে করা হচ্ছে বলে প্রথম থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের অসন্তোষ। কেন দুই বছরের কাজ মাত্র দুই মাসে করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর থেকেই নানা অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। ডানকুনির পৌরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর সূর্য দে-র নামের পাশে মৃত লেখা রয়েছে।এবার এসআইআর শুনানিতে ডাকা হয়েছে খণ্ডঘোষের তৃণমূল বিধায়ক নবীনচন্দ্র বাগের মা, ভাই ও ভাইয়ের স্ত্রীকে। একইসঙ্গে বারাসতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের দুই পুত্র, মা ও বোনকেও শুনানিতে ডাকা হয়েছে। কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেন, খসড়া তালিকা দেখার সময় দেখা যায়, আমার দুই পুত্রের নাম নেই। হিয়ারিংয়ের জন্য ডাক এসেছে। আমরা রাজনৈতিক পরিবার, কিন্তু সাধারণ মানুষ কীভাবে এই প্রক্রিয়ায় হয়রানির মুখে পড়ছে, তা ভাবলে ভয় লাগে। প্রত্যন্ত এলাকার মানুষ, যাদের যোগাযোগ কম, তারা হিয়ারিংয়ে কী চাইছে তা বুঝতে পারছে না। তাদের জবরদস্তি নাম বাদ দিয়ে বিপদে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমার মা ও বোনও অন্য বুথের ভোটার, তাঁদেরও নাম নেই।তবে ওই বুথের বিএলও কপিল আনন্দ হালদার জানিয়েছেন, সাংসদের পরিবারের সবার নাম খসড়া তালিকায় রয়েছে। হয়তো অন্য কোনও সংশোধনের জন্য ডাকানো হয়েছে। কাকলি ঘোষ দস্তিদারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে পাল্টা কটাক্ষ করেছে বিজেপি। নেতা সজল ঘোষ বলেন, হেনস্থা করতে চাইলে সাংসদকেই ডাকতো। উনি কি মঙ্গল গ্রহ থেকে এসেছেন? এত মানুষকে ডাকা হয়েছে। তারপরও উনি হেনস্থা হচ্ছে বলছেন।এসআইআর প্রক্রিয়া ও শুনানিতে ডাকার ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জানা গেছে, সাংসদের পরিবারের ওই সদস্যরা এদিন বিডিও অফিসে হাজির হন।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫
কলকাতা

বারাসাত মর্গে চোখ উধাও! প্রশাসনিক ব্যর্থতায় ফেটে পড়ল জনরোষ, মুখ্যমন্ত্রীর কনভয় অবরুদ্ধ

বারাসাত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে দেহ সংরক্ষণ নিয়ে ভয়াবহ গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। মর্গ থেকে এক মৃত ব্যক্তির একটি চোখ উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে। অভিযোগ, মৃতদেহ পরিবারকে হস্তান্তর করার সময় দেখা যায় এক চোখ নেই। এরপরেই মৃতের পরিবার চোখ চুরি হয়েছে বলে সোচ্চার হয়। মঙ্গলবার বিকেলে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয় ঘিরে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনার জেরে প্রায় ১০১৫ মিনিট মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি আটকে পড়ে বলে জানা যায়।ঘটনার সূত্রপাতমালদার বাসিন্দা প্রীতম ঘোষ (৩৪) একটি পথদুর্ঘটনায় মারা যান। নিয়ম অনুযায়ী দেহ পাঠানো হয় বারাসাত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে। দিন কয়েক পর পরিবার দেহ নিতে আসলে তারা দেখে দেহের একটি চোখ নেই। পরিবারের দাবি, দেহ মর্গে পাঠানোর সময় চোখ ঠিক ছিল। দেহ নিতে আসার পর দেখা যায় একটি চোখ উধাও। এটা সাধারণ ভুল নয়, এটা চুরি। পরিবারের অভিযোগে উঠে আসে অঙ্গ পাচার চক্রের সম্ভাবনা। তাদের দাবি, হাসপাতালের দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মীদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হোক।প্রচণ্ড উত্তেজনা, মুখ্যমন্ত্রীর কনভয় ঘিরে বিক্ষোভখবর ছড়িয়ে পড়তেই হাসপাতালের সামনে জটলা বাড়তে থাকে। এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গিয়েছিলেন ঠাকুরনগর। ফেরার পথে তাঁর কনভয় ঘটনাস্থল অতিক্রম করার সময় ক্ষুব্ধ পরিবার ও স্থানীয়রা রাস্তা আটকে বিক্ষোভ দেখান। মুখ্যমন্ত্রীর কনভয় থেমে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে নিরাপত্তাকর্মীরা তৎপর হন। মুখ্যমন্ত্রী গাড়ি থামিয়ে নিজে নেমে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলেন। অভিযোগ শোনেন এবং সমবেদনা জানান।মুখ্যমন্ত্রীর স্পষ্ট বার্তা: পুরো বিষয়টির তদন্ত হবেইবিক্ষোভকারীদের আশ্বস্ত করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এটা অত্যন্ত গুরুতর অভিযোগ। এর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে। দোষী কেউ হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি মৃতের পরিবারের হাতে আর্থিক সাহায্য ও চাকরির প্রতিশ্রুতিও দেন। মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাসের পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, দেহ যেখানে রাখা হয়েছিল, সেখানে ইঁদুরের উৎপাত ছিল। অঙ্গচ্ছেদ ইচ্ছাকৃত চুরি নয়, এটি রোডেন্ট ইনজুরি হতে পারে। তবে পরিবার এই দাবি মানতে নারাজ। তাদের যুক্তি, ইঁদুর হলে কাটা অংশের চিহ্ন থাকত। আমরা যা দেখেছি, তা কোনওভাবেই ইঁদুরের কামড়ের মতো নয়।এদিকে এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক শোরগোল শুরু হয়েছে। বিরোধীরা প্রশ্ন তুলছে, সরকারি হাসপাতালের মর্গ কতটা নিরাপদ? অঙ্গ পাচারের সঙ্গে যুক্ত কোনও চক্র সক্রিয় কি না? শাসক শিবিরের দাবি, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত নয়। পুলিশ-প্রশাসন জানিয়েছে, মর্গে দেহ রাখা এবং হস্তান্তরের সমস্ত প্রক্রিয়ার ভিডিও ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মর্গের কর্মীদের পরিচয়, ডিউটি লগ, সিসিটিভি ডেটা, সবই পরীক্ষা করা হবে। পাশাপাশি ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও দেহ হস্তান্তর রিপোর্টও পুনরায় পর্যালোচনা করা হবে। স্থানীয়দের প্রশ্ন, মর্গে দেহই যদি নিরাপদ না থাকে, তাহলে কোথায় যাব? সরকারি হাসপাতালের মর্গে দেহ নিরাপদ না হলে সাধারণ মানুষের ভরসা কোথায়? এটা শুধু একটি পরিবারের ঘটনা নয়, পুরো পদ্ধতি নিয়েই প্রশ্ন।

নভেম্বর ২৮, ২০২৫
রাজ্য

সাজা ঘোষণার আগেই নিহতের মায়ের ছবি তোলে দোষীর মেয়ে! আতঙ্কে বারাসত আদালত

বারাসত আদালতে সাজা ঘোষণার ঠিক আগেই ঘটে গেল এমন এক ঘটনা, যা নতুন করে আতঙ্ক বাড়িয়ে দিল নিহত স্কুলছাত্রের পরিবারে। খুনের মামলায় দোষী সাব্যস্ত এনজার নবীর সাজা ঘোষণা হওয়ার আগেই আদালত চত্বরে নিহত কিশোরের মা ও তাঁর ননদের ছবি তুলে নেয় অভিযুক্তের মেয়ে। তারপর সেই ছবি নাকি পাঠানো হয় আর এক খুনের আসামিকেএই অভিযোগ তুলেই বৃহস্পতিবার জেলার পুলিশ সুপারের কাছে ছুটে যান মৃত কিশোর ফারদিনের মা। পরে বারাসত আদালত এনজার নবীকে আমৃত্যু কারাদণ্ডের ঘোষণা করে।রায় শোনার পর কান্না চেপে সংবাদমাধ্যমের সামনে কিশোরের মা জানান, তিনি ও তাঁর ননদ আদালত কক্ষে বসে ছিলেন। হঠাৎই দেখেন, এনজারের মেয়ে তাঁদের দুজনের ছবি তুলছে। এরপরই আদালতেরই এক খুনের আসামিকে ছবি পাঠিয়ে দেয় বলে দাবি তাঁর। নিহতের মা বলেন, তাঁর আরেক সন্তান রয়েছে। তাই এই ঘটনা শোনার পর থেকেই চরম আতঙ্কে দিন কাটছে তাঁদের পরিবারের।ফারদিনের পিসি হোসনেআরা বেগমও দাবি করেন, যে ব্যক্তির সঙ্গে ছবিগুলি পাঠানো হয়েছে, সে নাকি মাত্র চার মাসের মধ্যে খুনের মামলা থেকে জেল ছেড়ে বেরিয়ে এসেছে। সেই কারণেই তাঁরা আরও ভয় পাচ্ছেন।এ নিয়ে জেলার পুলিশ সুপার প্রতীক্ষা ঝাড়খরিয়ার স্পষ্ট বক্তব্যএটি অত্যন্ত সংবেদনশীল অভিযোগ। লিখিত অভিযোগ জমা দিলে তদন্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ফারদিন খুনের মামলার পটভূমিতেও রয়েছে নৃশংসতার দীর্ঘ ইতিহাস। বারাসতের কাজিপাড়ায় দুই ভাইগোলাম নবী ও এনজার নবীর মধ্যে বহুদিন ধরেই সম্পত্তি নিয়ে বিবাদ চলছিল। সেই দ্বন্দ্বই চরমে ওঠে তালগাছ কাটা নিয়ে। তার কয়েক দিন পরেই গত ২০২৪ সালের ৯ জুন রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যায় গোলামের ছেলে, পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ফারদিন। পরিবারের চোখের সামনে থেকে উধাও হয়ে যায় সে। চার দিন পর বাড়ির লাগোয়া পরিত্যক্ত বাথরুম থেকে তার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।এরপর নিজের দোষ ঢাকতে এলাকায় ছেলেধরা গুজব ছড়াতে থাকে এনজার নবী। মুহূর্তে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে সেই ভুয়ো খবর। শুধু এলাকাই নয়, সারা জেলাজুড়েও শুরু হয় ছেলেধরা সন্দেহে নানা মারধরের ঘটনা। পরে তদন্তে নামতেই বেরিয়ে আসে আসল সত্য, এবং ১৯ জুন এনজার নবীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার আদালত তাকে এই নৃশংস হত্যার দায়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছে।কিন্তু সাজা ঘোষণার আগেই নিহতের পরিবারের ছবি তোলা এবং তা কোনও অপরাধীর কাছে পাঠানোর অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বারাসত আদালত চত্বরে। পরিবার এখন প্রশ্ন তুলছেএই ঘটনার পিছনে কি নতুন কোনও চক্রান্ত? নাকি ভয় দেখানোর চেষ্টা? উত্তর দেবে তদন্তই।

নভেম্বর ২০, ২০২৫
রাজ্য

বারাসতে ভয়াবহ আগুন, মুহূর্মুহু বিস্ফোরণের শব্দ, ঘটনাস্থলে দমকলের ২০টি ইঞ্জিন

ভয়াবহ অগ্নিকান্ড বারাসাত। বিধ্বংসী আগুনে জ্বলছে বামনমুড়ায় প্যাম্পার্স ফ্যাক্টরি। আগুনের ফলে বন্ধ করা হয়েছে বারাসাত টাকি রোডের যান চলাচলও। প্রথমে স্থানীয় আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেও ব্যর্থ। দমকলের ২০টি ইঞ্জিন আগুন নেভানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।শনিবার সন্ধ্যায় হঠাৎই আগুনের লেলিহান শিখা দেখা যায় বারাসাতের বামুনমুড়া এলাকায়। অগুন নজরে আসতেই প্রথমে স্থানীয়রা আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। ২০টি দমকল ইঞ্জিন পৌঁছালেও এখনও পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। গলগল করে ধোঁয়া বের হতে থাকে। আগুন লাগার কারণ এখনও জানা যায়নি। ব্যাপক ক্ষয়খতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জুন ২১, ২০২৫
রাজ্য

বড়মা মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরি, প্রশ্নের মুখে পুলিসের ভূমিকা

শহরের একেবারে প্রাণকেন্দ্রে ঐতিহ্যবাহী বড় মা কালী মন্দিরে চুরির ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল বারাসতো। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এই চুরির ঘটনায় পুলিসি নিরাপত্তা প্রশ্নচিহ্নের মুখে। গোটা ঘটনাটি ধরা পড়েছে সিসি ক্যামেরার ফুটেজে। আর সেই ফুটেজে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, একটি বারমুডা ও নীল জামা পরে, মাথায় টুপি দেওয়া এক মাঝবয়সী যুবক বড় মা কালী মন্দিরের প্রণামী বাক্স নিয়ে টানাটানি করছে। এরপর মন্দিরের রেলিংয়ের সঙ্গে বাঁধা থাকা প্রণামী বক্সের শিকল ভাঙল। সেই সময় রাস্তা দিয়ে বাইক যাওয়ায় সে আড়াল হতে চলে যায় পাশের গলিতে। এর কয়েক সেকেন্ড পর ফিরে এসে বুকে করে আগলে প্রণামি বক্সটি নিয়ে দৌড় দেয়। সাতসকালে বিষয়টি জানাজানি হতেই গোটা এলাকায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। মন্দিরের পুরোহিত বিদ্যাধর সৎপতি বলেন, প্রণামী বাক্সে অনেক টাকা ছিল। সেটি তুলে নিয়ে সব টাকায গায়েব করে দিয়েছে এক দুষ্কৃতী। আর প্রনামী বক্স পড়েছিল পাশের একটি জঙ্গলে। পুলিস এসে তা উদ্ধার করেছে। বারাসাত শহরে মাঝে মধ্যেই চুরির ঘটনা ঘটছে। এবার আমাদের মন্দিরও রেহাই পেল না। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ বেড়ছে শহরবাসীর।

মার্চ ২২, ২০২৫
রাজ্য

বারাসত উড়ালপুলের সংস্কারের কাজ শুরু শনিবার থেকে, কোন পথে যাতয়াত, জেনে নিন

আগামী শনিবার, ২৫ জানুয়ারি থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার কাজ শুরু হচ্ছে বারাসত উড়ালপুলের। প্রতি সপ্তাহের শুক্রবার মধ্যরাত থেকে সোমবার ভোর পর্যন্ত সংস্কারের কাজ চলবে। মূলত উড়ালপুলের পিলারের বল বিয়ারিংয়ের কাজ হবে। কাজ চলাকালীন উড়ালপুল বন্ধ থাকবে। আগামী ৪০ দিন পর্যন্ত স্বাস্থ্য পরীক্ষার কাজ করবেন পূর্ত দপ্তরের বারাসত ডিভিশনের ইঞ্জিনিয়াররা। বুধবার মধ্যমগ্রামের দোলতলা পুলিশ লাইনে বিভিন্ন থানার পুলিশ, ট্রাফিক পুলিশ সহ বাস, ট্রাক, অটো, টোটো ইউনিয়নের কর্মীদের নিয়ে সংস্কারের কাজ চলাকালীন বারাসত শহরের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বৈঠক করলেন বারাসত পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার স্পর্শ নীলাঙ্গি। পুলিশ প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে,২৫ জানুয়ারি থেকে প্রতি সপ্তাহের শুক্রবার রাত ১০ টা থেকে সোমবার ভোর ৩টে পর্যন্ত বারাসত উড়ালপুলের উপর দিয়ে সমস্ত ধরনের যান চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে অন্যান্য দিন কোন ধরনের ভারী গাড়ি যাতায়াত করতে পারবে না। শুধু যাত্রীবাহী গাড়ি চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।প্রায় দুদশকের এই ফ্লাইওভারের একাধিকবার সংস্কারের কাজ হয়েছে। কিন্তু বছর দুই ধরে তেমন কোন সংস্কার হয়নি। ফ্লাইওভারের নিচে প্রচুর হকার ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করেন। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষের যাতায়াত চলে। ফলে দুর্ঘটনা রুখতে বারাসতের ফ্লাইওভারের সংস্কার জরুরি হয়ে উঠেছিল। পুলিশ এবং প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বারাসত ফ্লাইওভারের নিচে ৩২ টি পিলার রয়েছে। প্রতিটি পিলারের সঙ্গে রয়েছে বিয়ারিং। মূলত এই বিয়ারিংগুলো সংস্কার করা হবে। ফ্লাইওভারের যে পিলারগুলিতে যেদিন কাজ হবে,সেদিন ওই পিলারের নিচে হকারদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংস্কারের কাজ চলাকালীন শহরে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের চূড়ান্ত ব্যবস্থা করেছে বারাসত পুলিশ জেলার কর্তারা।জানা গিয়েছে, টাকি রোড ধরে যে সমস্ত গাড়ি বারাসত ফ্লাইওভার দিয়ে ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে চলে,সেগুলোকে কাচকল মোড় সংলগ্ন দাদার মোড় থেকে ঘুরিয়ে দত্তপুকুর হয়ে জাতীয় সড়কে নিয়ে যাওয়া হবে। আর বনগাঁর দিক থেকে যে সমস্ত গাড়ি বারাসতের উড়ালপুল হয়ে ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে সেগুলো অশোকনগরের বিল্ডিং মোড়ের ডানদিকে ঘুড়িয়ে দেওয়া হবে। বারাসত শহরে না ঢুকিয়ে পণ্যবাহী ট্রাক গুলো কল্যানী এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে বলেই বারাসত ট্রাফিক পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। এছাড়া বারাসত তিতুমীর বাস স্ট্যান্ড থেকে যে বাসগুলো ব্যারাকপুরে যায়,সেগুলোর জন্য বারাসত ব্যারাকপুর রোডের সত্যভারতী স্কুলের সামনে অস্থায়ী স্ট্যান্ড করা হয়েছে। আর জাগুলিয়ার দিকের বাসের অস্থায়ী স্ট্যান্ড করা হয়েছে ময়নায়। কলোনি মোড় থেকে চাপাডালি মোড়ের অটো এবং টোটো যাতায়াত করবে ১১ নম্বর রেলগেট সংলগ্ন সন্ধ্যানী ক্লাবের সামনে রাস্তা ধরে।আগামী ফেব্রুয়ারি থেকেই শুরু হচ্ছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। এরপর হবে উচ্চমাধ্যমিক। এই দুই পরীক্ষা যে শনিবার গুলিতে পড়েছে, সেই দিনে পরীক্ষার্থীদের কথা মাথায় রেখেই ফ্লাইওভারের কাজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে,কাজ চলাকালীন ফ্লাইওভার সংলগ্ন কোন জায়গায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে ফায়ার ব্রিগেড দ্রুততার সঙ্গে ঘটনাস্থলে যাওয়ার জন্য ডাকবাংলো এবং চাপাডালির ট্রাফিক পুলিশ বিশেষ ব্যবস্থা করবে বলেই জানা গেছে।এই প্রসঙ্গে বারাসত পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার স্পর্শ নীলাঙ্গি বলেন, ফ্লাইওভার সংস্কার চলাকালীন শহরের যানজট এড়ানোর জন্যই ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। তবুও,যানজট তৈরী হলে সাধারণ মানুষকে বিষয়টি সহানুভূতির সঙ্গে দেখার পরামর্শ দিচ্ছি। কলকাতা থেকে উত্তরবঙ্গে যাওয়া যাত্রীবাহী বাস বারাসতের কলোনি মোড় ধরে যাতায়াত করতে পারবে।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৫
রাজ্য

বাংলাদেশি নকল পাসপোর্টে সাহায্য়! জাল আধার ও ভোটার কার্ড তৈরির বড় চক্র ফাঁস বারাসতে

ভুয়ো আধার কার্ড ও ভোটার কার্ড তৈরির অভিযোগে বারাসাত নবপল্লী বয়েজ স্কুল সংলগ্ন এলাকা থেকে সমীর দাস নামে এক মুদি দোকান ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করল বারাসাত থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর দীর্ঘদিন ধরে জাল আধার কার্ড তৈরি করে বাংলাদেশীদের পাসপোর্ট পাইয়ে দেওয়ার সহযোগিতা করত এই সমীর দাস। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুই ছেলের মধ্যে এক ছেলে পুলিশে কর্তব্যরত এবং অন্য ছেলে ডাক্তার। যে ছেলে পুলিশে রয়েছেন তারই সহযোগিতা নিয়ে বাবা সমীর দাস জাল আধার কার্ড এবং ভোটার কার্ড তৈরি করে বাংলাদেশিদের পাসপোর্ট তৈরি করে দিত কিনা তারই তদন্ত শুরু করেছে বারাসাত থানার পুলিশ।

জানুয়ারি ০৯, ২০২৫
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডে প্রশাসনিক গাফিলতির প্রতিবাদে "আম্মা"র বিশাল সমাবেশ বারাসতে

আরজি কর হত্যাকাণ্ডে প্রশাসনিক গাফিলতি ও গ্রামীণ স্বাস্থ্য পরিষেবা ঢেলে সাজানোর দাবিতে বারাসতে বিরাট মিছিল করল আম্মা। মিড ডে মিল কর্মীদের সংগঠন AMMA (Association of Midday Meal Assistants), (অভয়া মঞ্চের পক্ষ থেকে) এই প্রতিবাদ মিছিলের ডাক দিয়েছিল। তারপর বিশাল সমাবেশে বক্তব্য রাখেন আম্মার নেতৃত্ব। বারাসতের কাছারি ময়দান থেকে এই মিছিল শুরু হয়।আর জি কর হত্যাকাণ্ডে প্রশাসনিক গাফিলতির প্রতিবাদে এবং গ্রামীণ স্বাস্থ্য পরিষেবা ঢেলে সাজানোর দাবিতে বারাসতে কর্মসূচি নেয় আম্মা। এই কর্মসূচি করতে আপত্তি জানিয়েছিল প্রশাসন। প্রশাসনের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মামলা করা হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে । হাইকোর্টের অনুমতিতে এদিন কর্মসূচি পালন করা হয়। মিছিলে বেশ ভিড় হয়েছিল। এর আগে মিড ডে মিল কর্মীদের বেতন বৃদ্ধির দাবিতে হাজার হাজার মানুষের মিছিলে কলকাতা প্রায় অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছিল।Indian Public Health Standard 2022 অনুযায়ী প্রত্যেকটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রকে গড়ে তুলতে হবে, হাসপাতালে ডাক্তার এবং নার্সের সংখ্যা পর্যাপ্ত হারে বৃদ্ধি করতে হবে, বিনামূল্যে ওষুধের সরবরাহ রাখতে হবে, মাতৃত্বকালীন যোজনার টাকা প্রত্যেক মায়ের হাতে তুলে দিতে হবে, মিড ডে মিল কর্মীদের স্বীকৃতি দিতে হবে, Health on the March নামক স্বাস্থ্য রিপোর্ট প্রতি বছর নিয়মিত প্রকাশ করতে হবে। এই সমস্ত দাবিতে আজকের এই সমাবেশে কয়েক হাজার জমায়েত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন আম্মার পক্ষে নাতাশা খান, শৈলেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য, শাওন দাস, অ্যাডভোকেট শামীম আহমেদ, জুবি সাহা। আগামী দিনে ব্লকে ব্লকে এই আন্দোলন ছড়িয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সমাবেশ শেষ হয়।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২৪
রাজ্য

আজ ও রবিবার শিয়ালদা ডিভিশনে বারাসত-বনগাঁ শাখায় ট্রেন বাতিল? কি জানাল রেল?

পূর্ব রেলের শিয়ালদা ডিভিশন প্রথমে জানিয়ে ছিল আজ শনিবার ও আগামিকাল রবিবার সেতুর রক্ষণাবেক্ষণের কারণে একাধিক লোকাল ট্রেন বাতিল হতে পারে। কিন্তুু রেল দফতর জানিয়ে দিয়েছে কোনও ট্রেন এই দুদিন বাতিল হচ্ছে না। রেল জানিয়েছে, 29/30.06.2024 (শনিবার / রবিবার) রাতে ব্রিজ রি-গার্ডারিং কাজের জন্য মধ্যমগ্রাম এবং বিরাটির মধ্যে ট্রাফিক ও পাওয়ার ব্লক বাতিল করা হয়েছে। তাই এই ব্লকের কারণে 29.6.2024 এবং 30.6.2024 তারিখে কোনও ট্রেন বাতিল হবে না।এর আগে, পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছিল, শনিবার ২৯ জুন রাত সাড়ে ১০টা থেকে রবিবার ৩০ জুন সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত টানা ১২ ঘণ্টা মেরামতির কাজ চলবে মধ্যমগ্রাম এবং বিরাটি স্টেশনের মাঝের একটি রেল সেতুতে। সেই কারনেই বনগাঁ-শিয়ালদণহ হাসনাবাদ-শিয়ালদহ শাখায় আপ এবং ডাউন লাইনে পাওয়ার ব্লক থাকার কারণে ওই দুই শাখার ট্রেন চলাচল ব্যাহত হবে। শনিবার রাতে নির্ধারিত সময়ের পরে ওই শাখার বেশ কয়েকটি ট্রেন শিয়ালদহ থেকে ছাড়বে না এবং শিয়ালদহ স্টেশনেও প্রবেশ করবে না। এও জানানো হয় যে, বেশ কয়েকটি লোকাল বারাসত স্টেশন অবধি যাতায়াত করবে।শিয়ালদহ স্টেশন বর্ধিতকরন ও মেরামতির জন্য, এর আগে একাধিক ট্রেন বাতিল এবং যাত্রাপথ সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। পূর্ব রেলের হটাৎ এই ঘোষনায় চিন্তায় পড়েছিলেন বনগাঁ, হাসনাবাদ লাইনের নিত্যযাত্রীরা। তাঁদের অভিযোগ, প্রায়ই শিয়ালদহ ডিভিশনে কোনও না কোনও মেরামতির কাজ লেগেই রয়েছে। ফলে হঠাৎ করে ট্রেন বাতিলও করে দিচ্ছে রেল। রাতের দিকেই বেশি সমস্যা হচ্ছে। শনিবার রাতে এবং রবিবার ভোরে ট্রেন বাতিলের সিদ্ধান্তে বিরাট অসন্তোষ দেখা গিয়েছিল নিত্যযাত্রীদের মধ্যে।

জুন ২৯, ২০২৪
রাজ্য

কিভাবে ছড়িয়েছে ছেলেধরা গুজব? গ্রেফতার "মাস্টারমাইন্ড", দাবি বারাসাত জেলা পুলিশের

বারাসাতে কাজীপাড়ায় নিখোঁজ বাচ্চার দেহ উদ্ধারের পর ওই বালকের জ্যাঠা আঞ্জীব নবিকে গ্রেফতার করে বারাসাত থানার পুলিশ। রবিবার সাংবাদিক সম্মেলন করে পুলিশ সুপার ঘোষণা করে এই আঞ্জীব নবী প্রধান ও একমাত্র অভিযুক্ত। যখনই পুলিশ তদন্ত করতে গিয়েছে তখনই পুলিশি তদন্তের অভিমুখ বদলে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। বিভিন্ন রকম ভাবে গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করেছেন তিনি। কখনও ছেলেধরা, কখনও কিডনি পাচার নানারকম গুজব নবীর মস্তিষ্কপ্রসূত বলে দাবি বারাসাতের পুলিশ সুপার প্রতীক্ষা ঝাড়খরিয়ার। পুলিশের দাবি, একই সঙ্গে সে যেহেতু মসজিদে নামাজ পড়াতো সেই নামাজ পড়ানোর পর প্রত্যেককে জানিয়েছে বাইরের লোক দেখলেই মারধর করতে হবে। তাতেই মানুষজন বাইরের লোককে দেখলেই উত্তপ্ত হয়ে মারধর করতে শুরু করে দিয়েছে।ঘটনার দিন সন্ধ্যা ছটা কুড়িতে ওই নিহত বাচ্চা বাড়িতে আসে। কিন্তু তারপর তাকে বাড়ির বাইরে বেরোতে কেউ দেখেনি। ওই এক মুহূর্তের ফাঁকে বাচ্চাকে ডেকে নিয়ে অন্ধকার বাড়ির পেছনে প্রথমে চড় এবং তারপর গলা টিপে খুন করে ওই পরিত্যক্ত বাড়ির মধ্যে ঝুলিয়ে রেখে দেয়। পুলিশ বারবার ওই এলাকায় তদন্ত করতে গেলেও ওই বাড়ি ঝোপঝাড়ে ভরা থাকার কারণে ওই ঝোপঝাঁড়ের মধ্যে তল্লাশি করেনি বলে দাবি পুলিশের সেই কারণেই নজরে আসেনি প্রথমে। বাচ্চার বাবা গোলাম নবী সেইদিন সাড়ে সাতটায় বাড়িতে আসে। তারপর বাচ্চাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু হয় আটটার পরে। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট অনুযায়ী জানা গিয়েছে ৬টা৪৫ থেকে ৭টা৩০ এর মধ্যে ওই বাচ্চাকে খুন করা হয়েছে। মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন অনুযায়ী আঞ্জীব নবী ওই সময় ওই এলাকাতে ছিল। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে প্রাথমিকভাবে আঞ্জীব স্বীকার করেছে ভুল করে কাজ করে ফেলেছে। পরবর্তীতে পুলিশি হেফাজতে থাকাকালীন এই সমস্ত ঘটনা স্বীকার করেছে বলে দাবি পুলিশ সুপারের। আঞ্জীব নবীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশের অনুমান পারিবারিক সম্পত্তির বিবদের কারণেই ওই বাচ্চাকে খুন করা হয়েছে । আঞ্জীব নবি মূলত মসজিদে আজান দেয়। তাঁর ছোট্ট একটি ব্যাগের দোকান আছে। যা থেকে তাঁর সামান্য রোজগার হয়। কাজীপাড়ায় পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি করার পর পুকুরপাড়ের একটি তালগাছ আছে তার। যার ফল বিক্রি করে তার একটা বার্ষিক রোজগার হয়। হঠাৎই একদিন আঞ্জীব নবী দেখতে পায় তার ভাই গোলাম নবী সে গাছে লোক তুলে তাল পারছে। তাই নিয়ে তাঁদের মধ্য়ে বিবাদ শুরু। আর সেই বিবাদে ফারদিন আঞ্জীব নবীকে মারতে গেছিল যা আঞ্জীব নবীর এই প্রতিহিংসা ছিল।নিহত বাচ্চার বাবারা মোট সাত ভাই বোন। সকলে খোঁজাখুঁজি করলে ওই আঞ্জীব নবি খোঁজাখুঁজি না করার কারণে পুলিশের সন্দেহ দানা বাঁধে। যেহেতু রোজ আযান দিয়েছে নন্দগরে শ্বশুর বাড়িতে চলে যেত তাই তার মোবাইল টাওয়ার লোকেশন ধরে পুলিশ দেখে তার গতিবিধি। বারবার মিথ্যা কথা বলা পুলিশকে বিভ্রান্ত করা এবং গুজব ছড়ানো শেষ পর্যন্ত এই কারণগুলোই আঞ্জীব নবীর ধরা পড়ার মূল কারণ হয়ে দাঁড়ায়। পুলিশ যখন এক প্রকার দিশেহারা তখন ঘুরে তদন্ত শুরু করতে গিয়ে আঞ্জীবকে অভিযুক্ত ভেবে তদন্ত করতে গিয়ে দেখে সব মিলে যাচ্ছে। তবে প্রথম পর্যায়ে পুলিশের যে খানিকটা গাফিলতি ছিল, তা কার্যত মানছেন পুলিশ সুপার।ছেলেধরা গুজবে বারাসাতে দুটি, অশোকনগর, খড়দহে গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে। রবিবার দ্বেগঙ্গায় ছেলেধরা গুজবে মারধর না করা হলেও পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এখনও অবধি যে কটা ঘটনা ঘটেছে তার কোনওটার সঙ্গে ছেলেধরার কোনও সম্পর্ক নেই। সোশাল মিডিয়ায় ভয়ঙ্কর গুজব ছড়িয়েছে। চাকদার এক মহিলা ও বারাসাতের কাজী পাড়ার ভাড়া থাকা দুই মহিলা ছেলেধরা বলে গুজব ছড়িয়েছিল আঞ্জীব নবী। এরা শিশুদের অপহরণ করে দেহের অঙ্গ বিক্রি করে দেয় বলেই সে দাবি করেছিল।

জুন ২৩, ২০২৪
রাজ্য

আপাতত চাকরি ফিরে পাচ্ছে এইচআইভি পজিটিভ শিক্ষক

বিগত কয়েক দিন ধরেই এইচআইভি পজিটিভ শিক্ষকের চাকরি খোওয়ানো নিয়ে বিস্তর চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শিক্ষকের এইচআইভি পজিটিভ জানতে পেরেই দীর্ঘ ছুটিতে পাঠিয়ে দেওয়ায় ময়দানে নেমে পড়েছিল সমাজকর্মীরাও। তাঁদের আশঙ্কা ছিল এই ছুটিতে পাঠিয়ে দেওয়া মানেই চাকরি কেড়ে নেওয়ার প্রাথমিক প্রক্রিয়া। গর্জে ওঠে সমাজকর্মীরা। এই পরিস্থিতিতে গতকাল, সোমবার নিউ সেক্রেটারিয়েটে রাজ্যের অ্য়াডমিনিস্ট্রেটর জেনারেল বিপ্লব দত্তের দফতরে দফায় দফায় বৈঠক হয়। অবশেষে জটিতলা কেটেছে। আগামিকাল বারাসতের ওই মানসিকভাবে বিশেষ সক্ষমদের স্কুলে ফের কাজে যোগ দেবেন সৌমিত্রা গায়েন।গত ১২ ফেব্রুয়ারি সৌমিত্র ও সুনীতা শুভ পরণয়ে আবদ্ধ হন। দুজনেই এইচআইভি পজিটিভ। এই খবর জানতে পেরে বারাসত ভিসিয়ন ট্রাস্টের অধীনস্ত ওই বিদ্যালয় কতৃপক্ষ সৌমিত্রকে ছুটিতে যেতে। অভিযোগ, একইসঙ্গে বলা হয় যেদিন কতৃপক্ষ বলবে সেদিন তাঁকে স্কুলে আসতে হবে। বিয়ে করার চার-পাঁচ দিনের মধ্যে চাকরি নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেওয়ায় মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে সৌমিত্রর। সমাজকর্মী অলোক ঘোষ পুরো বিষয়টি অ্যাডমিনিস্ট্রেটর জেনারেলকে বিষয়টি জানায়। এরপরই গতকাল, সোমবার দফায় দফায় বৈঠকে বসেন বিপ্লব রায়, সৌমিত্র-সুনীতা, কল্লোল ঘোষ ও স্কুলের পক্ষে ট্রাস্টের চেযারম্যান ডা. রণজিত মন্ডল। দীর্ঘ আলোচনার পর সিদ্ধান্ত হয় ফের কাজে যোগ দেবেন সৌমিত্র। স্কুলের অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা ফিরিয়ে আনতে হবে।সমাজকর্মী কল্লোল ঘোষের কথায়, অত্যন্ত অন্যায় কাজ করছেন স্কুল কতৃপক্ষ। একজন এইচআইভি পজিটিভ শিক্ষককে চাকরি থেকে সরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছিল কতৃপক্ষ। যাই হোক শেষমেশ তাঁকে ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্কুল। তবে খেয়াল রাখতে হবে ফের এমন কোনও কান্ড যেন না ঘটে। তাহলেই ফের প্রতিবাদ হবে। এদিকে, মঙ্গলবার বিপ্লব বায় সাংবাদিকদের বলেন, কাজে যোগ দেবে সৌমিত্র। সুনীতাকে মেয়ে হিসাবে মর্যাদা দিয়ে একটি পেন গিফ্ট করেন বিপ্লববাবু। রণজিত মন্ডল বলেন, আমরা ওকে তাড়িয়ে দিইনি। ছুটিতে যেতে বলেছিলাম। কারণ এটা বিশেষভাবে মানসিক সক্ষমদের স্কুল। শিক্ষকের পজিটিভ শুনে অভিভাবকরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। তবে ও ফের এই স্কুলেই কাজ করবে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৩
কলকাতা

JMB-Link man: জেএমবি-কাণ্ডে ধৃত মূল লিঙ্কম্যান

কলকাতায় জেএমবি যোগে গ্রেপ্তার হয়েছে মূল লিঙ্কম্যান (Kolkata JMB)। বারাসত থেকে এসটিএফ গ্রেপ্তার করেছে তাকে। ধৃতের নাম রাহুল সেন ওরফে লালু সেন।সম্প্রতি কলকাতার হরিদেবপুর থেকে জেএমবি-র যে মডিউল গ্রেপ্তার হয়েছে, তার লিঙ্কম্যান হিসাবে কাজ করত লালু। ধৃত তিন জঙ্গিকে জিজ্ঞাসাবাদের সময়ই লালুর নাম উঠে আসে। লালু তাদের লজিস্টিক সাপোর্ট দিত। এই তিন জনের যাবতীয় ভুয়ো নথি অর্থার জাল আধার-ভোটার কার্ড তৈরি করে দেওয়ার ক্ষেত্রে লালুর বড় ভূমিকা ছিল। পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা, তাদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা-সবই করে দিত লালু।আরও পড়ুনঃ রাজস্থান থেকে গ্রেপ্তার আইএসআই চরধৃত ৩ জঙ্গিকে সমস্ত ধরনের আর্থিক সহযোগিতা করত লালু। জানা যাচ্ছে, সীমান্ত এলাকায় সক্রিয় লালু সেন। নথি ছাড়াই মানুষকে এপার থেকে ওপার পৌঁছে দেওয়া বা সীমান্ত পেরিয়ে বিভিন্ন জিনিসের আদানপ্রদান- এসব করত লালু। সেই সূত্রেই তিন জঙ্গির সঙ্গে তার আলাপ। পরবর্তীকালে তিন জনকে বিভিন্ন সময় সহযোগিতা করেছে লালু। এই চক্রে আরও কে কে জড়িত, আর কার কার নথি লালু তৈরি করেছে, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।এই কাজের জন্যে ধৃতরা প্রত্যেকেই একাধিক ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খুলেছিল। বিভিন্ন নামে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খুলে প্রচার চালানোর জন্য ব্যবহার করা হত একাধিক মোবাইল ফোন। ভুয়ো নথি দিয়ে সিম কার্ড তুলে সেই সব ফোন ব্যবহার করা হত বলেও জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। এসটিএফের হাতে ধরা পড়ার আগেই ধৃতরা নিজেদের ব্যবহৃত বেশ কিছু মোবাইল ফোন ও সিমকার্ড সরিয়ে ফেলে। সেই সব মোবাইল ফোন ও সিমকার্ডের হদিশ পেতে চান গোয়েন্দারা।

জুলাই ১৫, ২০২১
কলকাতা

Cyber Crime: পুলিশকর্তার মেয়েকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট, গ্রেপ্তার তৃণমূল নেতার ছেলে

পুলিশকর্তার মেয়ের ছবি দিয়ে নেটমাধ্যমে আপত্তিকর পোস্ট করার অভিযোগে বারাসত থেকে গ্রেপ্তার করা হল তৃণমূল নেতার ছেলেকে। ধৃতের নাম অর্কদীপ কুণ্ডু। তাঁর বাবা দীপক কুণ্ডু উত্তরপাড়া-কোতরং পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কো-অর্ডিনেটর।আরও পড়ুনঃ পায়েল মুখার্জীর হিন্দি সিনেমা বিশেষ সম্মানে ভূষিতখোদ পুলিশকর্তার মেয়ের মোবাইল নম্বর এবং ছবি ব্যবহার করে নেটমাধ্যমে অর্কদীপ আপত্তিকর পোস্ট করেছিল বলে অভিযোগ। আরও অভিযোগ ওঠে, ওই কাণ্ডের পর থেকে এই রাজ্য তো বটেই, ভিনরাজ্য, এমনকী, অন্য দেশের নম্বর থেকেও ফোন করে বিরক্ত করা হয় ওই তরুণীকে। তরুণীর দাবি, ফোন করে এবং মেসেজ পাঠিয়ে তাঁকে কুরুচিকর মন্তব্যও করা হয়। তার জেরে গত ১২ জুন বিধাননগর সাইবার থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। তার প্রায় এক মাসের মাথায় শনিবার রাতে বারাসতের নবপল্লির একটি আবাসনে বিধাননগর কমিশনারেটের সাইবার ক্রাইম বিভাগ এবং বারাসত থানার পুলিশ যৌথভাবে হানা দেয়। ওই আবাসনেই অর্কদীপ আত্মগোপন করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

জুলাই ১১, ২০২১
রাজনীতি

জানুয়ারি মাস থেকে বাংলাদেশি শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবেঃ কৈলাস বিজয়বর্গীয়

ধর্মের কারণে অত্যাচারের শিকার হয়ে যাঁরা বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে এদেশে এসেছেন, তাঁদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কাজ শুরু করবে মোদী সরকার। জানুয়ারি মাস থেকে বাংলাদেশি শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে, শনিবার বারাসতে আর নয় অন্যায় কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে এমনই মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়। তিনি আরও বলেন, মোদি সরকার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল সেটা তারা অবশ্যই পালন করবে। রাজ্য সরকার বিরোধিতা করলেও নাগরিকত্ব দেওয়া থেকে আটকে রাখতে পারবে না। জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশি শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কাজ শুরু হবে। তৃণমূল কংগ্রেসের সরকার শুধু ৩০ শতাংশ মানুষকে নিয়ে ভাবনা চিন্তা করছে। বাকি ৭০ শতাংশ মানুষের দিকে তাকাচ্ছেই না। আরও পড়ুন ঃ পূর্ব মেদিনীপুরের দুই ব্লক সভাপতিকে সরিয়ে দিল তৃ্ণমূল নেতৃত্ব কৈলাস বিজয়বর্গীয় বলেন, দেশের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গেই কৃষকদের উপর সবচেয়ে বেশি অত্যাচার চলছে। সিন্ডিকেট রাজ চলছে এখানে। কৃষকদের উপর শোষণ চলছে। বাংলার কৃষকরা সবচেয়ে বেশি শোষিত। এই তৃণমূল সরকারের উপর রাজ্যবাসী নারাজ। বাংলার মানুষের সমর্থনে আছে বিজেপি। তাঁর কথায়, এই সরকারের উপর মন্ত্রীরাও নারাজ। বর্ষীয়ান নেতারা অসন্তুষ্ট। শুভেন্দু-ই তার উদাহরণ। পাশাপাশি তাঁর আরও দাবি, সংখ্যালঘুরাও বাংলায় তৃণমূল সরকারের উপর নারাজ। কারণ কেউ দুর্নীতি, ভ্রষ্টাচারকে সমর্থন করে না। এছাড়াও তিনি বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংযোগ করেন। হাতে হাতে লিফলেট দিয়ে সোনার বাংলা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
কলকাতা

কেন্দ্রে এখন ফেক নিউজের সরকার চলছেঃ কাকলি

বাংলায় এখন শান্তি ফিরেছে। বিজেপি বাংলার সংস্কৃতি মানে না। বহিরাগত ইস্যুতে এবার সাংবাদিক বৈঠক করে বিজেপিকে আক্রমণ করলেন তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। এদিন তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন, বাংলার সম্মান, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতিকে অপমান করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এছাড়াও তিনি বলেন , কেন্দ্রীয় সরকারের উদাসীনতা এবং ভুল নীতিতেই করোনার প্রকোপ ক্রমশ বেড়েছে। যখন আমরা সংসদে এ নিয়ে জানুয়ারিতে বলেছিলাম, তখন আমাদের বলা হয়েছিল বাচ্চাদের মতো কথা বলবেন না, বসে পড়ুন। লকডাউনে অসংখ্য দিনমজুর মারা গিয়েছে। শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনেই ৯০ জন অভিবাসী মারা গিয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকার কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। লকডাউনে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছেন। সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবে এগিয়ে এসেছে রাজ্য সরকার। সেই জায়গায় অভিবাসী শ্রমিকদের কথা ভাবেনি কেন্দ্রীয় সরকার। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে নারী নির্যাতনের অভিযোগ তুলে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি ধনকড়ের তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার ফেক নিউজের সরকার। মিথ্যাচার করার জন্য হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খোলা হয়েছে। ২০২১ বিধানসভা ভোটে রাজ্যের ক্ষমতা দখলে সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে বিজেপি। যা বাংলার মানুষ মেনে নেবে না বলে উল্লেখ করে কাকলি বলেন, দেশে এখন ভয়ানক পরিস্থিতি চলছে। ভারতে দলিতদের উপর অত্যাচার চলছে। দলিতরা সুরক্ষিত নয়। দেশে নারীসুরক্ষা তলানিতে। গণপিটুনি চলছে। ধর্মের নামে ভাগাভাগি চলছে। অন্যদিকে , এদিন সকালে অর্জুন সিং শুভেন্দুকে বিজেপিতে স্বাগত জানিয়েছেন। সে প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তৃণমূল সাংসদ বলেন, অর্জুন সিং কি শুভেন্দু অধিকারীর মুখপাত্র ? শুভেন্দু অধিকারী দলের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা । একজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী ।

নভেম্বর ২১, ২০২০
রাজনীতি

একবার সুযোগ দিন , বাংলাকে গুজরাত বানিয়ে দেবঃ দিলীপ

জ্যোতিপ্রিয় কোথায় দাঁড়াবেন শুধু বলুন। যে কেন্দ্রেই দাঁড়াবেন, ওঁকে হারিয়ে দেব। ওঁকে আর মানুষ চায় না। সোমবার রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রীকে এভাবেই চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সোমবার বারাসতের কলোনি মোড়ে চা চক্রে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। এদিন দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, এক বার সুযোগ দিন। আমরা বাংলাকে গুজরাত বানাবো। যাতে বাংলার মানুষকে পরিযায়ী শ্রমিক হয়ে গুজরাতে না যেতে হয়। দিদিমনির পাপের বোঝা বাংলাকে বইতে হচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ সন্ত্রাসবাদীদের আখড়ায় পরিণত হয়েছে বাংলাঃ দিলীপ তাঁর অভিযোগ , তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যের কোনও পরিবর্তন হয়নি। যা কিছু হয়েছে শুধুমাত্র দিদির ভাই আর ভাইপোর হয়েছে। কেন্দ্র কৃষকের জন্য প্রকল্প নিয়েছে । সারা দেশের কৃষক সেই প্রকল্পের সুযোগ পাচ্ছে। বঞ্চিত হচ্ছে শুধুমাত্র এ রাজ্যের কৃষকরা। বাংলা জুড়ে দাঙ্গার রাজনীতি করছে তৃণমুল। বাদুড়িয়া, বসিরহাট,মালদহ,আসানসোল সর্বত্র দাঙ্গা হয়েছে এই তৃণমূলের শাসনে ৷ মুর্শিদাবাদে প্রচুর জঙ্গিও তৈরি হচ্ছে। রাজ্যে আল কায়দা ঘাঁটি গেড়েছে । আর এই সবই হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আঁচলের তলায়। তিনি কিছুই করছেন না। এছাড়াও উদ্বাস্তু অধ্যুষিত উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় দাঁড়িয়ে ফের নাগরিকত্ব আইনে সকলকে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে বলে জানান তিনি। আমফানের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য আবার কেন্দ্র টাকা দিয়েছে। সেটাও মানুষের কাছে আদৌ পৌঁছবে কি না তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন , কেন্দ্রের পাঠানো টাকা যাতে মানুষের কাছে পৌছয় , তার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে নজরদারি করতে হবে।

নভেম্বর ১৬, ২০২০

ট্রেন্ডিং

দেশ

১৯৭১-এর যুদ্ধনায়ককে কেন ডাকা হল এসআইআর শুনানিতে? মুখ খুলল নির্বাচন কমিশন

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের বুকে কাঁপন ধরানো প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধান অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশকে ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর শুনানিতে তলব করা ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধানকে কেন পরিচয় প্রমাণের জন্য নোটিস পাঠানো হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই সোমবার মুখ খুলল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এসআইআর শুনানির নোটিস পাওয়ার পর নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অ্যাডমিরাল প্রকাশ। তাঁর পোস্ট সামনে আসার পরই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, অ্যাডমিরাল প্রকাশের জমা দেওয়া এনুমারেশন ফর্মে পূর্ববর্তী এসআইআর সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ছিল না। সেই কারণেই তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে।এলাকার ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার মেডোরা এরমোমিল্লা ডিকোস্টা জানান, এনুমারেশন ফর্মে ভোটারের নাম, এপিক নম্বর, আত্মীয়ের নাম, বিধানসভা কেন্দ্রের নাম ও নম্বর, অংশ নম্বর এবং ভোটার তালিকার ক্রমিক নম্বরের মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উল্লেখ ছিল না। ফলে বিএলও অ্যাপের মাধ্যমে নতুন ফর্মের সঙ্গে পুরনো ভোটার তালিকার স্বয়ংক্রিয় মিল করা সম্ভব হয়নি। শনাক্তকরণের প্রয়োজনীয় তথ্য না থাকলেই এই ধরনের ক্ষেত্রে শুনানির জন্য ডাকা হয় বলে জানান তিনি।১৯৭১ সালের যুদ্ধে বায়ুসেনার পাঞ্জাব স্কোয়াড্রনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বিমান চালিয়েছিলেন অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশ। সেই সাহসিকতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি বীর চক্র পান। প্রায় ৪০ বছর নৌসেনায় কাজ করেছেন তিনি। ফাইটার স্কোয়াড্রন, এয়ার স্টেশন, আইএনএস বিরাট-সহ মোট চারটি যুদ্ধজাহাজ পরিচালনা করেছেন। নৌসেনাপ্রধান থাকাকালীন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারও করেছিলেন তিনি।নোটিস পাওয়ার পর কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অ্যাডমিরাল প্রকাশ লেখেন, এসআইআর ফর্মে যদি প্রয়োজনীয় তথ্য না পাওয়া যায়, তাহলে ফর্ম সংশোধন করা উচিত ছিল। তিনি আরও বলেন, বিএলও তিনবার তাঁদের বাড়িতে এসেছিলেন, তখনই অতিরিক্ত তথ্য চাওয়া যেত। তাঁর অভিযোগ, তিনি ও তাঁর স্ত্রী যথাক্রমে ৮২ ও ৭৮ বছর বয়সে পৌঁছেছেন, অথচ তাঁদের বাড়ি থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে শুনানিতে ডাকা হয়েছে, তাও আবার আলাদা আলাদা দিনে।এই মন্তব্য সামনে আসার পরই বিতর্ক তীব্র হয়। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ফের জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় শনাক্তকরণ তথ্য না থাকলে বিএলও অ্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ম্যাপিং করতে পারে না। সেই কারণেই সংশ্লিষ্ট ভোটারদের শুনানিতে ডাকা হচ্ছে বলে ব্যাখ্যা দিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে বিক্ষোভে গ্রেপ্তার ভারতীয়রা? অভিযোগ উড়িয়ে মুখ খুলল তেহরান

খামেনেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল ইরান। সেই অশান্ত পরিস্থিতির মধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে খবর, অন্তত ছজন ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুধু ভারতীয় নয়, বিক্ষোভ দমনের নামে অন্যান্য দেশের নাগরিকদেরও নাকি আটক করছে ইরানের প্রশাসন। এই অভিযোগ ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তবে এই সব দাবি নিয়ে এবার প্রকাশ্যে মুখ খুলল তেহরান।মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, ইরানে চলমান বিক্ষোভে এখনও পর্যন্ত প্রায় আড়াই হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরই মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে যে, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ছজন ভারতীয় নাগরিককে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের ঘটনায় তাঁরা জড়িত ছিলেন। তবে এই খবরকে কার্যত ভুয়ো বলে দাবি করেছেন ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফাথালি।এক্স হ্যান্ডেলে একটি সংবাদ প্রতিবেদন শেয়ার করে ইরানের রাষ্ট্রদূত লেখেন, ইরান নিয়ে বিদেশি বহু সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে। তিনি সকলকে নির্ভরযোগ্য ও সরকারি সূত্র থেকে খবর জানার অনুরোধ জানান। যদিও বাস্তবে ইরান থেকে সঠিক তথ্য পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে। বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই সেখানে ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত বন্ধ। পাশাপাশি বিদেশে ফোন করার উপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। ফলে মৃত ও গ্রেপ্তারির প্রকৃত সংখ্যা সরকারি হিসেবের তুলনায় অনেক বেশি হতে পারে বলেই অনুমান করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি। সরকারিভাবে কিছু ঘোষণা না করা হলেও কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। প্রয়োজনে সেখানকার প্রবাসী ভারতীয়দের কীভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা যায়, তা নিয়েও প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে।এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আশঙ্কাও ঘনীভূত হচ্ছে। পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে, তাতে যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সামরিক পদক্ষেপ করতে পারে আমেরিকা, এমনই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর এই জল্পনা আরও জোরদার হয়েছে।আমেরিকার সংবাদপত্র নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছেন ট্রাম্প। এখনও পর্যন্ত কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নেওয়া হলেও মার্কিন প্রশাসনের একাংশ মনে করছে, ইরানে হামলার বিকল্প ভাবছেন তিনি। তেহরান-সহ গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ঘাঁটিতে আঘাত হানার পরিকল্পনাও আলোচনায় রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

আইপ্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক অভিযোগ! মমতার বিরুদ্ধে ‘চুরি-ডাকাতি’র তুলনা ইডির

আইপ্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে জোড়া পিটিশন দায়ের করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। একটি পিটিশন দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা নিজে। অন্যটি দায়ের করেছেন ইডির তিন আধিকারিক নিশান্ত কুমার, বিক্রম অহলওয়াত এবং প্রশান্ত চান্ডিলা। এই দুই মামলাতেই রাজ্য সরকারের পাশাপাশি যুক্ত করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, কলকাতার নগরপাল মনোজ ভর্মা, কলকাতা পুলিশের ডিসি দক্ষিণ প্রিয়ব্রত রায় এবং সিবিআইকে।ইডির দায়ের করা পিটিশনে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, পিটিশনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইডি অভিযানের সময় অযাচিত প্রবেশ এবং একটি ফাইল নিয়ে চলে যাওয়ার ঘটনাকে চুরি ও ডাকাতির সঙ্গে তুলনা করেছে তদন্তকারী সংস্থা। শুধু তাই নয়, ইডির কাজে যে বাধা দেওয়া হয়েছিল, তা মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে পিটিশনে।এই মামলায় নিজেদের যুক্তি জোরদার করতে ইডি অতীতের তিনটি ঘটনার উল্লেখ করেছে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে মুখ্যমন্ত্রী ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন, যা আইনের শাসনের পরিপন্থী।পিটিশনে প্রথম যে ঘটনার কথা বলা হয়েছে, তা ২০১৯ সালের ৩ ফেব্রুয়ারির। সারদা মামলায় তৎকালীন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআই হানার প্রতিবাদে ধর্মতলায় মুখ্যমন্ত্রীর ধর্নার প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে। দ্বিতীয় ঘটনাটি ২০২১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারির। কয়লা পাচার মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআই তাঁদের বাড়িতে পৌঁছনোর আগেই সেখানে হাজির হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃতীয় ঘটনাটি ২০২১ সালের ১৭ মে-র। নারদ মামলায় ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হওয়ার পর নিজাম প্যালেসে গিয়ে সিবিআইয়ের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এমনটাই দাবি ইডির।এতেই শেষ নয়। কলকাতা হাইকোর্টে একটি শুনানি ভেস্তে যাওয়ার নেপথ্যেও তৃণমূল কংগ্রেসকে দায়ী করেছে ইডি। তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, শাসকদলের কর্মী-সমর্থকেরা হোয়াটসঅ্যাপ মারফত বার্তা পাঠিয়ে জমায়েত করেছিলেন।এই সব অভিযোগের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের কাছে একাধিক আবেদন জানিয়েছে ইডি। মুখ্যমন্ত্রী যে বৈদ্যুতিন যন্ত্র নিয়ে গিয়েছিলেন, সেখান থেকে কোনও তথ্য যেন ডিলিট বা ক্লোন না করা হয়, সেই নির্দেশ চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কয়লা পাচার তদন্তে যুক্ত কোনও কেন্দ্রীয় আধিকারিকের বিরুদ্ধে যেন কলকাতা বা বাংলার কোনও থানায় এফআইআর গ্রহণ না করা হয়, সেই আবেদনও জানানো হয়েছে। শেক্সপিয়ার সরণী থানায় দায়ের হওয়া এফআইআর স্থগিত রাখার আর্জিও জানানো হয়েছে। সবশেষে আইপ্যাক-কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবিও তুলেছে ইডি।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

ইডি হানার পরই রাজ্যে বিশেষ বাহিনী! RAF নামল কলকাতায়

ইডির তল্লাশিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ সামনে আসতেই রাজ্যে পাঠানো হল সিআরপিএফের বিশেষ বাহিনী। গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার আইপ্যাকের অফিস এবং আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই সময় সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, তিনি কিছু নথি ও হার্ডডিস্ক সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে যান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্য পুলিশের শীর্ষ কর্তারা। এই ঘটনার পরেই রাজ্যে আসে সিআরপিএফের এক কোম্পানি র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স বা RAF।সূত্রের খবর, ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুর থেকে এই এক কোম্পানি RAF বাংলায় পাঠানো হয়েছে। আপাতত বাহিনীটিকে রাজারহাটের সিআরপিএফ ক্যাম্পে রিজার্ভে রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে যদি ইডি বা অন্য কোনও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তল্লাশিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ে, অথবা কোনও বড় আইনশৃঙ্খলার সমস্যা তৈরি হয়, তাহলে এই RAF বাহিনীকে কাজে লাগানো হবে।বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে কোনও রাজনৈতিক উত্তেজনা বা হিংসার ঘটনা ঘটলেও পরিস্থিতি সামাল দিতে নামানো হতে পারে এই বিশেষ বাহিনীকে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় RAF-এর কাছে রয়েছে বিশেষ গাড়ি ও অত্যাধুনিক সরঞ্জাম, যা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।এদিকে আইপ্যাক-কাণ্ডের পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নিরাপত্তা নিয়েও বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে রয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দফতর। সিবিআই সেখান থেকে চলে যাওয়ার পর দীর্ঘদিন ওই কমপ্লেক্সে কোনও আধাসেনা মোতায়েন ছিল না। নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল একটি বেসরকারি সংস্থা। তবে সাম্প্রতিক ঘটনার পর সিজিও কমপ্লেক্সের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।আইপ্যাক-কাণ্ড ঘিরে রাজ্য ও কেন্দ্রের সংঘাতের আবহে এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

হোয়াটসঅ্যাপে নির্দেশ? এসআইআর মামলায় নির্বাচন কমিশনকে কাঠগড়ায় শীর্ষ আদালত

ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বড় পদক্ষেপ করল সুপ্রিম কোর্ট। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে নোটিস পাঠিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। সোমবার তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এবং দোলা সেনের করা মামলার ভিত্তিতে এই নির্দেশ দিয়েছে আদালত।এদিন এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চে। রাজ্যে চলা নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে আলাদা করে মামলা করেছিলেন দুই তৃণমূল সাংসদ। সেই মামলার শুনানিতেই এদিন নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন ওঠে। সাংসদদের পক্ষে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল।শুনানিতে কপিল সিব্বল অভিযোগ করেন, এসআইআর প্রক্রিয়ায় একাধিক গাফিলতি ও অনিয়ম হয়েছে। তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশন বহু ক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে নির্দেশ পাঠাচ্ছে, যা একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও জানান, বাংলার বহু ভোটারকে অযৌক্তিক ভাবে চিহ্নিত করে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। কমিশনের তরফে যে সব অমিল বা লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সির কথা বলা হচ্ছে, তার অনেকটাই বাস্তবে অযৌক্তিক বলে দাবি করেন তিনি।আইনজীবীর এই যুক্তি শুনে নির্বাচন কমিশনের কাছে জবাব তলব করে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের নির্দেশে কমিশনের উদ্দেশে নোটিস জারি করা হয়। শুনানিতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জবাব দিতে তাদের দুসপ্তাহ সময় প্রয়োজন। কিন্তু প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই সপ্তাহের মধ্যেই হলফনামা জমা দিতে হবে।আদালত জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহেই এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এই কড়া অবস্থান ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

আরএসি নেই, ওয়েটিং নেই! বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় ঘোষণা রেলের

আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা। তারপরই বাংলা থেকে গড়াতে চলেছে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের চাকা। হাওড়া থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত চলবে এই নতুন প্রিমিয়াম ট্রেন। আগামী ১৭ জানুয়ারি মালদহ স্টেশন থেকে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই ট্রেন চালু হওয়ার খবরে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে আগ্রহ তুঙ্গে।এবার বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় আপডেট সামনে আনল রেল। জানানো হয়েছে, এই ট্রেনে কোনও আরএসি বা ওয়েটিং লিস্ট টিকিট থাকবে না। শুধুমাত্র কনফার্ম টিকিটেই যাত্রা করা যাবে। অর্থাৎ টিকিট কাটলে সিট বা বার্থ নিশ্চিত থাকবেই।রেল সূত্রে খবর, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের ন্যূনতম ভাড়া ধরা হয়েছে ৪০০ কিলোমিটার দূরত্বের জন্য। রাজধানী এক্সপ্রেস বা শতাব্দী এক্সপ্রেসের মতো প্রিমিয়াম ট্রেনের তুলনায় এই ট্রেনের ভাড়া সামান্য বেশি হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে যাত্রীদের জন্য থাকবে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা।রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ট্রেনে মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ থাকবে। পাশাপাশি বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তি এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্যও আলাদা কোটা থাকছে। ডিউটি পাস কোটার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।ভাড়ার হিসাব অনুযায়ী, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ৩এসি শ্রেণিতে প্রতি কিলোমিটার ভাড়া ধরা হয়েছে ২ টাকা ৪০ পয়সা। ২এসি শ্রেণিতে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া হবে ৩ টাকা ১০ পয়সা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রতি কিলোমিটারে ৩ টাকা ৮০ পয়সা।যেহেতু ন্যূনতম ৪০০ কিলোমিটারের ভাড়া নেওয়া হবে, তাই ৩এসি শ্রেণিতে ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত যাত্রার জন্য খরচ পড়বে ৯৬০ টাকা। ২এসি শ্রেণিতে এই ভাড়া হবে ১২৪০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পড়বে ১৫২০ টাকা। এই ভাড়ার সঙ্গে অতিরিক্ত জিএসটি যোগ হবে।হাওড়া থেকে গুয়াহাটির দূরত্ব প্রায় ১০০০ কিলোমিটার। এই পথে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ২৪০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৩১০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পড়বে প্রায় ৩৮০০ টাকা।রেল সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ভবিষ্যতে ২০০০ কিলোমিটার দূরত্বের যাত্রায় ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ৪৮০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৬২০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ৭৬০০ টাকা। ৩০০০ কিলোমিটার দূরত্বের ক্ষেত্রে ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ৭২০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৯৩০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পৌঁছবে প্রায় ১১ হাজার ৪০০ টাকায়।বর্তমানে হাওড়া থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত চলা সরাইঘাট এক্সপ্রেসে সর্বোচ্চ ভাড়া ৩এসি শ্রেণিতে ১৪১০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ১৯৮৫ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ৩৩২০ টাকা।সময়সূচি অনুযায়ী, হাওড়া থেকে গুয়াহাটিগামী বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে এবং পরের দিন সকাল ৮টা ২০ মিনিটে গুয়াহাটিতে পৌঁছবে। গুয়াহাটি থেকে এই ট্রেন ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিট নাগাদ এবং পরের দিন সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে হাওড়ায় পৌঁছবে। সপ্তাহে ছয় দিন এই ট্রেন চলবে। বৃহস্পতিবার ট্রেনটি চলবে না।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
রাজ্য

কাজের কাগজেই ভোটাধিকার! উত্তরবঙ্গের চা বাগান শ্রমিকদের জন্য বড় ছাড় নির্বাচন কমিশনের

উত্তরবঙ্গের চা এবং সিঙ্কোনা বাগানে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য বিশেষ ছাড় ঘোষণা করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকায় নাম তোলার ক্ষেত্রে এবার কাজের নথিই যথেষ্ট বলে জানানো হয়েছে। এর ফলে বহু বাগান শ্রমিকের ভোটাধিকার পাওয়ার পথ অনেকটাই সহজ হল।রবিবার এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে পাঠিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম তুলতে হলে সংশ্লিষ্ট চা বা সিঙ্কোনা বাগানে কাজ করার প্রমাণপত্র জমা দিলেই হবে। তবে তার সঙ্গে বৈধ বাসস্থানের প্রমাণপত্র যুক্ত করা বাধ্যতামূলক। এই দুটি নথি থাকলেই ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে আর কোনও সমস্যা হবে না।এই বিশেষ ছাড় শুধুমাত্র উত্তরবঙ্গের সাতটি জেলার জন্য প্রযোজ্য। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং কোচবিহার জেলার চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকরাই এসআইআর পর্বে এই সুবিধা পাবেন।প্রসঙ্গত, ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য প্রথমে মোট ১১টি নথি নির্ধারণ করেছিল নির্বাচন কমিশন। পরে আরও দুটি নথি যুক্ত করা হয়আধার কার্ড এবং বিহারের এসআইআর সংক্রান্ত নথি। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, উত্তরবঙ্গের বহু চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকের কাছেই এই নথিগুলি নেই। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তাঁরা বাগানের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও আধুনিক পরিচয়পত্র অনেকের কাছেই অধরা।এই পরিস্থিতিতে উত্তরবঙ্গের সাত জেলার জেলাশাসকরা নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন জানান, যাতে বাগানের কাজের নথিকেই ভোটার তালিকাভুক্তির প্রমাণ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অবশেষে সেই দাবিতে সায় দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এর পাশাপাশি, রাজ্যের প্রান্তিক এবং বিচ্ছিন্ন এলাকার মানুষের কথা মাথায় রেখে এসআইআর শুনানি প্রক্রিয়াতেও বড় পরিবর্তন এনেছে কমিশন। ডিসেন্ট্রালাইজড হিয়ারিং সেন্টার বা বিকেন্দ্রীভূত শুনানি কেন্দ্র চালু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দুর্গম বা প্রত্যন্ত এলাকায় বসবাসকারী মানুষও সহজে এসআইআর শুনানিতে অংশ নিতে পারবেন। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা হাইকোর্টে নতুন প্রধান বিচারপতি কে? জানুন বিচারপতি সুজয় পালের পুরো প্রোফাইল

কলকাতা হাইকোর্টের নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হলেন বিচারপতি সুজয় পাল। এতদিন তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। গত ৯ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়ামের বৈঠকে তাঁর নামেই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি পদে চূড়ান্ত সিলমোহর দেওয়া হয়।প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম অবসর নেওয়ার পর থেকেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে ছিলেন বিচারপতি সুজয় পাল। তার আগে এই পদে ছিলেন বিচারপতি সৌমেন সেন। পরে তাঁকে মেঘালয় হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের সুপারিশ করা হলে সেই পদে আসেন বিচারপতি সুজয় পাল।বিচারপতি সুজয় পালের জন্ম একটি প্রবাসী বাঙালি পরিবারে। তবে তাঁর বেড়ে ওঠা মধ্যপ্রদেশে। তিনি এলএস ঝা মডেল স্কুলে পড়াশোনা করেন। পরে মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরে রাণি দুর্গাবতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। সেখান থেকেই আইন বিষয়ে পড়াশোনা করে এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন তিনি।আইনজীবী হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করার পর ২০১১ সালে তিনি জব্বলপুরে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের বিচারক হিসেবে নিযুক্ত হন। পরে তাঁর ছেলে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করায় তাঁকে তেলঙ্গানা হাইকোর্টে বদলি করা হয়। এরপর ২০২৫ সালের ২৬ মে বি আর গাভাইয়ের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম তাঁকে কলকাতা হাইকোর্টে বদলির সুপারিশ করে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ২০১৮ সালে কলকাতা হাইকোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতির অবসরের পর আর কোনও বাঙালি বিচারপতি এই পদে আসেননি। সেই পরিস্থিতি এখনও বদলাল না। নতুন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল দায়িত্ব নেওয়ার মধ্য দিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে ফের এক নতুন অধ্যায় শুরু হল বলে মনে করছেন আইন মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal