• ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২১ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Attacks TMC

কলকাতা

Dilip Ghosh: চিন হয়ে যাবে পশ্চিমবঙ্গ! বিস্ফোরক দিলীপ

উপনির্বাচনের পরে পুরসভা নির্বাচনেও সন্ত্রাসের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন দিলীপ ঘোষ। বুধবার সকালে ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণের শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময়ে এই কথা জানান তিনি। দিলীপ বলেন যে পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা চিনের মত হয়ে যাবে। একটাই দল ভোটে দাঁড়াবে। তাকেই সবাই ভোট দেবে। বাকি দলের অস্তিত্ব মুছে দেওয়া হবে। এই ভাবেই উপনির্বাচন হইয়েছে এবং সেখানে প্রার্থীকেও ভোট দিতে দেওয়া হয়নি বলেই দাবি করেছেন তিনি। উপনির্বাচনের ফল দিয়ে কিছু বোঝা যাবে না এমনটাই দাবি দিলীপের।সামনেই পুরভোট হবে শহরে। বিজেপি সর্ব শক্তি দিয়ে লড়বে বলে জানিয়েছেন তিনি। ভোট ঠিকমত হলে পরিস্থিতি আলাদা হবে আশা দিলীপের। যদিও শান্তিপূর্ণ ভোট হওয়ার আশা খুব কম বলেই তাঁর ধারণা।

নভেম্বর ০৩, ২০২১
রাজনীতি

Suvendu attacks Mamata: তৃণমূলের পার্টি অফিসে পরিণত হয়েছে নবান্ন, টুইট আক্রমণ শুভেন্দুর

নবান্নকে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের মতো করে ব্যবহার করা হচ্ছে। রাজ্যের সচিবালয়ে বসে ভবানীপুরের প্রার্থী আগামিকালের ভোট নিয়ে আলোচনা করছেন তৃণমূলে নতুন যোগ দেওয়া গোয়ার নেতাদের সঙ্গে। বুধবার সন্ধেতে এমনই টুইট বাণ ছুড়লেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।আজই তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা লুইজিনহো ফেলেইরিও। নবাগত নেতাকে দলে স্বাগত জানিয়ে তাঁর সঙ্গে এক প্রস্থ আলোচনাও সারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা-ফেলেইরিও গোটা বৈঠক পর্বটাই চলে নবান্নে বসে। রাজ্যের সচিবালয়ে বসে এই ধরনের দলীয় কর্মসূচি করায় বিরোধীদের আক্রমণের মুখে মমতা।আরও পড়ুনঃ বাঙালির ওপর ভরসা নেই মোদির, ৭ বছর পর বোধদয় বাবুলেরবিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শানিয়ে টুইট করেছেন। টুইটে, নবান্নকে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের মতো করে ব্যবহার করা হচ্ছে। রাজ্যের সচিবালয়ে বসে ভবানীপুরের প্রার্থী আগামিকালের ভোট নিয়ে আলোচনা করছেন তৃণমূলে নতুন যোগ দেওয়া গোয়ার নেতাদের সঙ্গে। সরাসরি প্রশাসনিক বিধি লঙ্ঘন করছেন মমতা।মুখ্যসচিব কি ওখানে বসে তৃণমূলের প্যাডে নিয়োগপত্র টাইপ করছেন? নির্বাচন কমিশন কি ঘুমিয়ে রয়েছে নাকি?Nabannas being used as TMC Party office. The Bhabanipur candidate is discussing tomorrows poll with Goa TMC appointees at State Secretariat? Regular breach of administrative protocols.Wonder if Chief Secretary is typing appointment letters on TMC letterheads.EC is sleeping? pic.twitter.com/nhv7vthQRp Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) September 29, 2021উল্লেখ্য, আজ সকালে প্রথমে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সঙ্গে একটি বৈঠক করেন কংগ্রেস নেতা লুইজিনহো। এরপরই তৃণমূল ভবনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দেন তিনি। সম্প্রতি ভবানীপুর নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়েও কলকাতা হাইকোর্টের ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়েছিল রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীকে। ভবানীপুরে ভোট না হলে সাংবিধানিক সংকট তৈরি হতে পারে বলে কমিশনকে চিঠি দিয়েছিলেন মুখ্যসচিব। আর সেই নিয়েই সম্প্রতি তীব্র ভর্ৎসনা শুনতে হয় তাঁকে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
কলকাতা

Dilip Ghosh: 'অ্যান্টি সোশ্যালরা তৃণমূলের ঝান্ডা নিয়ে ঘোরে'

ফের খাস কলকাতায় রাতে চলল গুলি। রাত সাড়ে ১০ টায় রাস্তায় গাড়ি চালিয়ে ব্যবসায়ীকে গুলি করেছে একদল দুষ্কৃতী। শহরে এমন ঘটনা প্রথমবার নয়। গত কয়েক মাসে একাধিকবার এমন গুলি চালনো ঘটনা ঘটেছে কলকাতায়। সেই প্রসঙ্গেই এবার শাসক দলের দিকে আঙুল তুললেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, তৃণমূলের মদতেই এ ভাবে শহর তথা গোটা রাজ্যজুড়ে দুষ্কৃতী তাণ্ডব বেড়ে চলেছে। তৃণমূলের আশ্রয়েই এত বাড়বাড়ন্ত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। সোমবার সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ ঘোষ দাবি করেন, রাজ্যজুড়ে যে সব সমাজ বিরোধীরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে তারা সবাই তৃণমূল আশ্রিত।আরও পড়ুনঃ বাতিল টেস্ট ম্যাচ নিয়ে আইসিসিকে চিঠি ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডেরপ্রসঙ্গত, রবিবার রাতে মিন্টো পার্কের কাছে গোর্কি সদনের সামনে হাওড়ার ব্যবসায়ী পঙ্কজ সিং-কে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। একেবারে বলিউডি কায়দায় প্রথমে ঘিরে ফেলা হয় ব্যবসায়ীর গাড়ি। বেশ কিছুক্ষণ ধরে চলে বচসাও। এরই মধ্যে সুযোগ বুঝে পঙ্কজকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। তবে কাঁধে গুলি লাগায় প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন ওই ব্যবসায়ী। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকে সিএমআরআই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিকল্পনামাফিক গুলি চালানো হয়েছে বলে দাবি আত্মীয় ও বন্ধুদের। এই প্রসঙ্গে আজ দিলীপ ঘোষ বলেন, শুধু কলকাতা নয় গোটা রাজ্যে একই অবস্থা। আর কাউকে গ্রেপ্তার করা হয় না, কারণ তারা দলের লোক। দিলীপের কথায়, যত সমাজ বিরোধী রয়েছে সবাই তৃণমূলের আশ্রয়ে রয়েছে। সবাই তৃণমূলের ঝাণ্ডা নিয়ে ঘোরে। কেউ কেউ তৃণমূলে পদ পেয়ে গিয়েছে, নেতাও হয়ে গিয়েছে। এরাই পুরো সমাজকে ব্যস্ত করে রেখেছে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১
কলকাতা

Dilip Ghosh: উপনির্বাচন নিয়ে ফের তৃণমূলকে বিঁধলেন দিলীপ

ভবানীপুরে উপনির্বাচন নিয়ে ফের একবার সরব হলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বৃহস্পতিবার এই উপনির্বাচন নিয়ে একের পর এক কটাক্ষ শানালেন দিলীপ। ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ বলেন, আগে ভাগে প্রার্থী দিলেই কি ভোটে জেতা যায়? ওনারা তো দিয়েছিলেন নন্দীগ্রামে। কী হল? আগেই প্রার্থী ঘোষণা করেছিলেন। দু মাস আগে থেকে প্রার্থী দিয়েছিলেন। অথচ ফলাফল তো দেখে নিয়েছে সকলেই। লড়াই করেন, দৌড়োদৌড়ি করেন।আরও পড়ুনঃ আউসগ্রামে তৃণমূল নেতাকে গুলি করে খুনের ঘটনায় যৌথ ভাবে তদন্ত শুরু করলো সিআইডি ও পুলিশ লোকসভাতেও আগে প্রার্থী দিয়েছিলেন। তারপর ঝটকাটা খেলেন। নির্বাচনটা তো মাঠে হয়। সেটা ভুলে গেলে চলবে কী করে। একই সঙ্গে বিজেপির প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, যে কোনও সময়ই প্রার্থী ঘোষণা হয়ে যেতে পারে। পাশাপাশি বুধবার ত্রিপুরায় সিপিএমের বিভিন্ন কার্যালয়ে দুষ্কৃতী হামলার বিষয়ে বলতে গিয়ে দিলীপ বলেন, এখান থেকে নেতা নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, এখান থেকে মিডিয়া নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এখান থেকে লোক নিয়ে গিয়ে যোগদান করানো হচ্ছে। ওখানে উৎপাত করা হচ্ছে। আমার মনে হয়, ওখানকার লোকজন এটা পছন্দ করছে না।একই সঙ্গে এদিন দিলীপ ঘোষ আবারও শুধুমাত্র ভবানীপুরে উপনির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়ে বলতে গিয়ে বলেন, ভবানীপুর নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে যে মামলা হয়েছে সে প্রসঙ্গে বলেন, স্বাভাবিকভাবেই ভবানীপুর উপনির্বাচন নিয়ে মানুষের মনে অনেক প্রশ্ন। আদালতই যা বিচার করার করবে। সমস্ত দিক গুলো আলোচনা হবে। অন্যান্য রাজ্যেও তো উপনির্বাচন। তারা এখন বলছে উপনির্বাচন করার পরিস্থিতি নেই। পশ্চিমবঙ্গে চারটি কেন্দ্রে উপনির্বাচন হচ্ছে না। কলকাতা সব সময় স্পর্শকাতর। যারা বিধানসভা নির্বাচনে চেঁচিয়ে বলেছিল, করোনার মধ্যে ভোট হলে মানুষের জীবনের ঝুঁকি হচ্ছে, তারা এখন সে সব ভুলে মুখ্যমন্ত্রীকে ধরে রাখার জন্য অন্য কথা বলছে। যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেরে যান, তা হলে কি সংকট তৈরি হবে না? তাই স্বাভাবিকভাবেই মানুষ জানতে চাইছেন নির্বাচন কমিশন কেন এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিলেন। কারও দ্বারা প্রভাবিত হয়ে কাউকে বিধায়ক বা মুখ্যমন্ত্রী করা তো নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব না।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২১
রাজ্য

শুভেন্দুর হয়ে মিঠুনের রোড শোয়ে উপচে পড়া ভিড়

নন্দীগ্রামে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর হয়ে রোড শো করেন এদিন মিঠুন চক্রবর্তী। অভিযোগ করেন, ছোটবড় প্রতেক্যটি কাজে কাটমানি খাওয়া হয়। প্রভিফেন্ড ফান্ডের টাকাও কমিশনও ছাড়া হয় না বলে অভিযোগ মহাগুরুর।রাজ্যের দ্বিতীয় দফার ভোট প্রচারের শেষ দিন ছিল মঙ্গলবার। তৃণমূল-বিজেপি দুই দলেরই প্রচার ছিল নজরকাড়া। একদিকে হেভিওয়েট প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর হয়ে রোড শো করেছেন অমিত শাহ এবং মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী। অন্যদিকে মঞ্চে হুইলচেয়ারে বসেই বিরোধীদের তীক্ষ্ণে বাক্যবাণে বিঁধেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।প্রথমে খড়গপুরে বিজেপির তারকা প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের সমর্থনে রোড শো করেন মিঠুন। শেষবেলায় পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রামে পৌঁছন। শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে প্রচার শুরু করেন। টেঙ্গুয়া থেকে নন্দীগ্রাম পর্যন্ত রোড শো করেন মহাগুরু। কয়েক হাজার মানুষের ভিড় জমে যায় বাংলার সুপারস্টারকে দেখার জন্য। গাড়ির লক্ষ্য করে পুষ্পবৃষ্টি করা হয়। হাত নেড়ে অভিবাদন জানান সাধারণ মানুষ ও অনুরাগীরা। কখনও হাত জোড় করে, কখনও আবার হাত নেড়ে সকলের ভালবাসা গ্রহণ করেন মিঠুন চক্রবর্তী। প্রচারের ফাঁকেই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানান, গেরুয়া শিবিরের জয় নিয়ে তিনি ১০১ শতাংশ বিশ্বাসী। বাংলার মানুষের সঙ্গে তাঁর শুধুমাত্র সুপারস্টার-অনুরাগীর সম্পর্ক নয়। মানুষ তাঁকে হৃদয় দিয়ে ভালবাসেন বলেই দাবি করেন মহাগুরু।

মার্চ ৩০, ২০২১
রাজনীতি

প্রথমবার প্রচারে বেরিয়ে তৃণমূলকে হালকা 'ছোবল' মিঠুনের

বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর আজ বৃহস্পতিবারই প্রথম ভোটের ময়দানে নামলেন মিঠুন চক্রবর্তী। আর প্রথম দফার ভোট প্রচারের শেষ দিনে মাঠে নেমেই বাজিমাত। ৪টি রোড শোতে মানুষের মন জয় করে নিতে সময় লাগেনি। শালতোড়া, মানবাজার, কেশিয়াড়ি এবং ঝাড়গ্রামে রোড শো করেন মিঠুন। তাঁকে দেখতে সব জায়গাতেই মানুষের ঢল নামে। যার জেরে কোথাও কোথাও কিছুটা বিশৃঙ্খলাও তৈরি হয়। তার মাঝে এবারের ভোটের সব থেকে ব্যবহৃত শব্দ বহিরাগত প্রসঙ্গেও তিনি মুখ খোলেন। কারও নাম না করেও তৃণমূলকে নিজের স্বভাবসিদ্ধ বাচনভঙ্গিতে কটাক্ষ করে নিজেকেও বহিরাগত বলেন মহাগুরু।বাঁকুড়ার শালতোড়াতে প্রচারের সময় মিঠুনকে বহিরাগত ইস্যুতে প্রশ্ন করা হয়। জবাবে কটাক্ষের সুরে মিঠুন বলেন, স্বীকার করছি আমিও বহিরাগত। আর এইভাবে বহিরাগত বললে তো সিস্টার নিবেদিতাও বহিরাগত ছিলেন। বহিরাগত ছিলেন মাদার টেরেসাও। কারও নাম না করলেও রাজ্যের উন্নয়ন প্রসঙ্গে ঘুরিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে আক্রমণ করে মিঠুন বলেন, আসলে বহিরাগত তাঁরাই, যাঁরা ক্ষমতায় থেকেও মানুষের পাশে থাকেননি। একই সঙ্গে নিজের ভোটে না দাঁড়ানোর প্রসঙ্গ উঠলে মিঠুন বলেন, আমি ক্ষমতার জন্য রাজনীতিতে আসিনি। মানুষের পাশে থাকতে এসেছি।চার জায়গাতেই মিঠুনকে দেখতে জনতার বিশাল ঢল নামে। বাঁকুড়ার শালতোড়ায় বিজেপি প্রার্থী চন্দনা বাউরির সমর্থনে রোড শো করেন। সকাল ৯টা নাগাদ হেলিকপ্টারে পৌঁছনোর পর প্রায় ২ কিলোমিটার রাস্তায় রোড শো করেন। জনতার আবদার মিটিয়ে অটোগ্রাফ, সিনেমার সংলাপও বলেন তিনি। শালতোড়া থেকে পুরুলিয়ার মানবাজারের উদ্দেশে উড়ে যান মিঠুন। মানবাজারের বিজেপি প্রার্থী গৌরি সিংয়ের সমর্থনে তাঁর প্রায় ২ কিলোমিটার রোড শো করার কথা ছিল। কিন্তু মিঠুনকে দেখতে এতটাই ভিড় হয়েছিল যে তিনি ১৫ মিনিট হেলিকপ্টার থেকে নামতেই পারেননি। পরে নিরাপত্তা কর্মীরা, হামলে পড়া জনতার ভিড় কোনওরকমে সরিয়ে তাঁকে একটি হুড খোলা জিপে তোলেন। কিন্তু তাঁকে দেখতে এতটাই ভিড় হয়েছিল যে ২ কিলোমিটার রোড শোয়ের পুরোটা শেষই করতে পারেননি। মাঝপথ থেকে তাঁকে হেলিপ্যাডে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তাই মিঠুনকে দেখতে আসা প্রচুর মানুষ তাঁর দেখাই পাননি শেষ পর্যন্ত। মহাগুরুকে দেখতে না পেয়ে তাঁরা হতাশ বলেও দুঃখ প্রকাশ করেন। মানবাজারের পর পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়ি এবং ঝাড়গ্রামেও রোড শো করেন মিঠুন। সব জায়গাতেই মিঠুনকে এক ঝলক দেখতে উপচে পড়ে ভিড়। ভিড় থেকে মানুষ মহাগুরু মহাগুরু করে চিৎকার করতে থাকেন। সিনেমার সংলাপ বলারও অনুরোধ আসতে থাকে তাঁর কাছে। এমনকী, অনেকে তাঁর অটোগ্রাফ পাওয়ার জন্য হামলে পড়েন। যতটা সম্ভব তিনি জনতার আব্দার মেটানোর চেষ্টাও করেন। মিঠুনের রোড শোতে ভিড় দেখে স্বভাবতই উচ্ছসিত গেরুয়া শিবির। প্রার্থী না হলেও প্রথম দিনের প্রচারেই মিঠুন যে ভিড় টানলেন, তা ভোট বাক্সে প্রভাব ফেলবে বলেই আশা বিজেপির।

মার্চ ২৫, ২০২১
রাজ্য

নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে মনোনয়ন পেশ করে হুংকার শুভেন্দুর

পূর্বসূচি অনুযায়ী শুক্রবার মনোনয়ন পেশ করলেন নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী । হলদিয়া এসডিও অফিসে মনোনয়ন জমা দিলেন তিনি। দাবি করলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তিনি হারাবেনই। একুশের ভোটে বাংলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আসন নন্দীগ্রাম। কারণ, এই আসনই বাংলার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে দিতে পারে। তৃণমূল নিশ্চিত বিপুল ভোটে নন্দীগ্রামে জয়ী হবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে জয় নিয়ে আশাবাদী শুভেন্দু অধিকারীও। ইতিমধ্যেই প্রচার শুরু করেছেন তিনি। শুক্রবার সকাল থেকে একাধিক কর্মসূচিতে শামিল হন বিজেপি নেতা। মন্দিরে পুজো দিয়ে, যজ্ঞ করে হলদিয়ায় জনসভা করেন নন্দীগ্রামের গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী। এরপরই হলদিয়া এসডিও অফিসে যান তিনি। সেখানে মনোনয়নপত্র পেশ করেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন দলের প্রচুর কর্মী-সমর্থক। প্রার্থীর মতোই নন্দীগ্রামে বিজেপির জয় নিয়ে আশাবাদী তাঁরা। জানা যাচ্ছে, শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়নের প্রস্তাবক নন্দীগ্রাম আন্দোলনের শহিদের স্ত্রী।শুক্রবার নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীকে একহাত নেন তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় । তিনি বলেন, ওর জয় কোনওভাবে সম্ভব নয়। শুভেন্দুর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। পাশাপাশি এদিন বিজেপি নেতার মানসিক অবস্থা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন পার্থ। দাবি করেন, শুভেন্দু অধিকারী যা করছেন, তা সুস্থ মানুষের পক্ষে করা সম্ভব নয়।

মার্চ ১২, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

অভিষেকের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ! থানায় গিয়ে কী জানালেন বিজেপি নেতার স্ত্রী?

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ উঠল। বিষ্ণুপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাসের স্ত্রী মৌসুমী দাস ঘোষ।অভিযোগকারিণীর দাবি, গত শনিবার আমতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাংসদ কার্যালয় ভাঙচুরের সময় তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সেই সময় সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করলে তিনি অভিষেকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে সেই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।মৌসুমী দাস ঘোষের অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই তিনি লাগাতার হুমকি পাচ্ছেন। তাঁর দাবি, সামাজিক মাধ্যমে অভিষেকের ডিজিটাল যোদ্ধারা তাঁকে কদর্য ভাষায় আক্রমণ করছেন। এই কারণে গত দুদিন ধরে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন বলে জানিয়েছেন।সোমবার সকালে তিনি বিষ্ণুপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগপত্রে আমতলার পার্টি অফিস ভাঙচুরের ঘটনায় বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হুমকির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।পাশাপাশি তিনি ২০১৮ সালে তাঁর স্বামী অভিজিৎ দাসের উপর প্রাণঘাতী হামলার অভিযোগও তুলেছেন। তাঁর দাবি, সেই সময় মারধরের ফলে তাঁর স্বামীর দুটি পা ভেঙে যায় এবং তিনি স্থায়ীভাবে শারীরিকভাবে অক্ষম হয়ে পড়েন। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তাঁরা পুলিশি নিরাপত্তার দাবিও জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, এর আগেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আমফানের ত্রাণ বণ্টনে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস নোদাখালি থানায় লিখিত অভিযোগ করে দাবি করেছিলেন, বজবজ ২ ব্লকে প্রায় ৩০ কোটি টাকার ত্রাণ দুর্নীতি হয়েছে এবং ভুয়ো নথি তৈরি করে এই টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুলাই ২০, ২০২৬
কলকাতা

৪৪০ কোটির অ্যাকাউন্ট ফ্রিজেই থাকছে! হাইকোর্টের রায়ে তোলপাড় রাজনৈতিক মহল

কালীঘাট তৃণমূল হাইকোর্টে বড় আইনি ধাক্কা খেল। অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলায় কোনও অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিল না কলকাতা হাই কোর্ট। সোমবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও এর এজলাসে এই মামলার শুনানি হয়।আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই মুহূর্তে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির ফ্রিজ করা অ্যাকাউন্ট নিয়ে কোনও হস্তক্ষেপ করা হবে না। ফলে তৃণমূলের অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। দলের তহবিল থেকে বেআইনিভাবে অর্থ সরানোর অভিযোগে পুলিশ ও ইডি তৃণমূলের একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করেছিল। এর মধ্যে তিনটি মূল অ্যাকাউন্টে প্রায় ৪৪০ কোটি টাকা ছিল।এর আগে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যর এজলাসে কালীঘাট তৃণমূল আবেদন জানিয়েছিল। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য ওই তিনটি অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিলেন। সেই সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের ওপর নজরদারির জন্য একজন বিশেষ আধিকারিকও নিয়োগ করা হয়েছিল।পরবর্তী সময়ে ইডির তল্লাশি অভিযানের পর আরও কয়েকটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়। কালীঘাট তৃণমূলের দাবি ছিল, বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের পর্যবেক্ষণের পরও ইডি কীভাবে নতুন করে আরও অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করতে পারে। এই অভিযোগ নিয়ে তারা পরে বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের এজলাসের দ্বারস্থ হয়। গত সপ্তাহেই মামলার শুনানি শেষ হয়েছিল।সোমবার রায়ে বিচারপতি স্পষ্ট করেন, ইডি বর্তমানে তদন্ত চালাচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে ফ্রিজ করা অ্যাকাউন্টের ওপর আদালত আপাতত কোনও হস্তক্ষেপ করবে না।

জুলাই ২০, ২০২৬
দেশ

দুই ঘণ্টার অপেক্ষার পর অবশেষে নাড্ডার সাক্ষাৎ! সিজেপিকে কী আশ্বাস দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

অবশেষে ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্রদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জে পি নাড্ডা। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করবেন। সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস এক্স-এ একটি পোস্ট করে জানান, দুই ঘণ্টারও বেশি অপেক্ষার পর তিনি এবং আশুতোষ রঙ্কা নাড্ডার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পান। বৈঠকটি হয় নাড্ডার বাড়িতে এবং প্রায় দশ মিনিট স্থায়ী হয়।সৌরভ দাস লিখেছেন, দুই ঘণ্টার অপেক্ষার পর আশুতোষ আর আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জে পি নাড্ডা। তাঁর বাড়িতে। তবে মাত্র দশ মিনিটের জন্য। আমরা একটি চিঠি জমা দিয়েছি, যেখানে আমাদের সব দাবির কথা লেখা রয়েছে। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে অভ্যন্তরীণ মহলে কথা বলবেন।এদিকে জানা গিয়েছে, বিক্ষোভকারীদের সংসদ চত্বর থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের শেয়ার করা ছবিতে দেখা যায়, সেখানে আর কোনও বিক্ষোভকারী নেই, শুধুমাত্র পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।উল্লেখ্য, নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছে ককরোচ জনতা পার্টি। গত ২৮ জুন থেকে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক যন্তর মন্তরে আমরণ অনশনে বসেছিলেন। তবে ২১ দিনের মাথায় পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতাল থেকেই সোমবার সোনম তিনটি শর্ত দেন। সরকার যদি সেই শর্তগুলির মধ্যে কোনও একটি মেনে নেয়, তবে তিনি অনশন প্রত্যাহার করতে রাজি বলে জানিয়েছেন।

জুলাই ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ জিতেই গোলপোস্টের নেট কেটে নেন কেন ফুটবলাররা? জানুন রীতির নেপথ্যে লুকিয়ে থাকা ইতিহাস

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন। ট্রফি জয়ের উচ্ছ্বাসে যখন গোটা দল মেতে উঠেছে, তখন একটি পরিচিত দৃশ্য আবারও ধরা পড়ল। স্পেনের একাধিক ফুটবলার কাঁচি হাতে গোলপোস্টের নেট কেটে নিজেদের কাছে স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে রেখে দিলেন। একই দৃশ্য প্রায় প্রতি বিশ্বকাপ, ইউরো কিংবা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালের পর দেখা যায়।অন্যদিকে ক্রিকেটেও বড় টুর্নামেন্ট জেতার পর বিজয়ী দলের ক্রিকেটারদের পিচের দুই প্রান্তের স্টাম্প বা উইকেট খুলে নিয়ে যেতে দেখা যায়। প্রশ্ন উঠতেই পারেএই রীতি কোথা থেকে এল? কেনই বা চ্যাম্পিয়নরা মাঠের এই অংশগুলো নিজেদের কাছে স্মৃতি হিসেবে তুলে রাখেন?স্মৃতিকে ধরে রাখার এক অনন্য ঐতিহ্যক্রীড়াজগতের সবচেয়ে বড় অর্জনগুলোর একটি হলো বিশ্বকাপ বা আন্তর্জাতিক শিরোপা জয়। একজন খেলোয়াড়ের জীবনে এমন মুহূর্ত হয়তো একবারই আসে। তাই সেই ঐতিহাসিক দিনের একটি বাস্তব স্মৃতি সঙ্গে করে নিয়ে যেতে চান অনেকেই।ফুটবলে গোলপোস্টের নেট এবং ক্রিকেটে স্টাম্পএই দুটি জিনিসই সেই ম্যাচের অবিচ্ছেদ্য অংশ। যে নেটে জয়ের গোল জড়িয়েছে কিংবা যে উইকেটের সামনে দাঁড়িয়ে ইতিহাস লেখা হয়েছে, সেটিই হয়ে ওঠে সাফল্যের প্রতীক।ফুটবলে নেট কাটার রীতি কবে থেকে?ফুটবলে গোলপোস্টের নেট কেটে নেওয়ার রীতির নির্দিষ্ট কোনও আনুষ্ঠানিক সূচনা নেই। তবে ক্রীড়া ইতিহাসবিদদের মতে, ১৯৬০ ও ১৯৭০-এর দশক থেকে উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন কলেজ ও পেশাদার খেলাধুলায় এই সংস্কৃতির প্রচলন শুরু হয়।বিশেষ করে বাস্কেটবলে এনসিএএ (NCAA) চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর খেলোয়াড় ও কোচেরা সিঁড়ি বেয়ে উঠে বাস্কেটের জাল কেটে নেওয়ার যে ঐতিহ্য গড়ে ওঠে, তা বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। পরে ফুটবলসহ অন্যান্য খেলাতেও একই ধরনের আবেগঘন স্মৃতিচিহ্ন সংগ্রহের সংস্কৃতি ছড়িয়ে পড়ে।বিশ্বকাপ, ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ কিংবা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মতো বড় টুর্নামেন্টে অনেক সময় খেলোয়াড়রা গোলপোস্টের নেটের ছোট একটি অংশ কেটে পরিবারের সদস্যদের উপহার দেন কিংবা নিজেদের ট্রফি কেবিনেটে সংরক্ষণ করেন।ফিফা কি এতে আপত্তি করে?না। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর এবং আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পরে খেলোয়াড়রা নেটের ছোট অংশ কেটে নিতে পারেন। তবে সেটি অবশ্যই আয়োজকদের অনুমতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে থেকে করা হয়। অনেক সময় মাঠকর্মীরাই খেলোয়াড়দের নেট কেটে দিতে সাহায্য করেন।ক্রিকেটে স্টাম্প নিয়ে যাওয়ার শুরু কীভাবে?ক্রিকেটে ম্যাচ শেষে স্টাম্প তুলে নেওয়ার ইতিহাস আরও পুরনো। ঊনবিংশ শতাব্দী থেকেই বিশেষ ম্যাচ বা ঐতিহাসিক জয়ের স্মারক হিসেবে স্টাম্প সংরক্ষণের রেওয়াজ ছিল।ধীরে ধীরে এটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বর্তমানে বিশ্বকাপ, অ্যাশেজ, আইপিএল, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি কিংবা অন্য বড় টুর্নামেন্টের ফাইনাল জয়ের পর বিজয়ী দলের ক্রিকেটারদের স্টাম্প খুলে নিতে দেখা যায়।অনেক খেলোয়াড় সেই স্টাম্পে পুরো দলের স্বাক্ষর করিয়ে ব্যক্তিগত সংগ্রহে রাখেন। কেউ আবার তা নিজের ক্রিকেট অ্যাকাডেমি, জাদুঘর বা পরিবারের কাছে স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে সংরক্ষণ করেন।শুধু আবেগ নয়, ইতিহাসেরও অংশগোলপোস্টের নেট কিংবা স্টাম্পএগুলি আসলে কোনও সাধারণ সরঞ্জাম নয়। এগুলি সেই মুহূর্তের সাক্ষী, যখন একটি দল ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। তাই ট্রফির পাশাপাশি এই ছোট্ট স্মৃতিচিহ্নও খেলোয়াড়দের কাছে অমূল্য সম্পদ হয়ে ওঠে।হয়তো বহু বছর পরে কোনও জাদুঘরে কিংবা নিজের ঘরের ট্রফি কেবিনেটে রাখা সেই নেটের টুকরো বা স্টাম্প দেখে আবার ফিরে আসবে সেই বিশ্বজয়ের রাত, দর্শকদের গর্জন আর সাফল্যের অবিস্মরণীয় মুহূর্ত।২০২৬ বিশ্বকাপেও সেই ঐতিহ্যের পুনরাবৃত্তিনিউ জার্সির ফাইনালে স্পেনের ফুটবলারদের গোলপোস্টের নেট কেটে নিতে দেখা যাওয়ায় আবারও প্রমাণ মিললসময় বদলেছে, প্রযুক্তি বদলেছে, কিন্তু চ্যাম্পিয়নদের আবেগ বদলায়নি। ট্রফি জয়ের আনন্দের সঙ্গে মাঠের একটি ছোট্ট অংশকে স্মৃতি হিসেবে বয়ে নিয়ে যাওয়ার এই ঐতিহ্য আজও বিশ্ব ক্রীড়ার অন্যতম সুন্দর ও আবেগঘন অধ্যায়

জুলাই ২০, ২০২৬
দেশ

‘ধন্যবাদ, ভারত!’ বিশ্বকাপ হারলেও ভারতীয় সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনালে স্পেনের কাছে হৃদয়ভাঙা পরাজয়ের পরও ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন ভারতে নিযুক্ত আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মারিয়ানো কাউচিনো। সামাজিক মাধ্যম এক্স (X)-এ এক আবেগঘন বার্তায় তিনি ভারতীয় সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে লেখেন, আর্জেন্টিনা দলের প্রতি এই বিশ্বকাপ জুড়ে ভারতীয় মানুষের অকুণ্ঠ সমর্থনের জন্য আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। আবারও ধন্যবাদ, ভারত!বিশ্বকাপে শিরোপাধারী হিসেবে অভিযান শুরু করেছিল আর্জেন্টিনা। টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে পৌঁছেও শেষ পর্যন্ত ট্রফি ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে ১-০ গোলে স্পেনের কাছে পরাজিত হয় লিওনেল মেসির দল।ম্যাচের একমাত্র এবং জয়সূচক গোলটি করেন ফেরান তোরেস, অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে। এই জয়ে ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট জেতে স্পেন।পুরো ম্যাচে বলের দখল এবং আক্রমণে আধিপত্য ছিল স্পেনের। অন্যদিকে আর্জেন্টিনাকে বহুবার রক্ষা করেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, যিনি একাধিক দুর্দান্ত সেভ করে দলকে লড়াইয়ে টিকিয়ে রাখেন।Deeply grateful to the Indian People for the endless displays of support for the Argentine team during this latest World Cup. Thank you, India, once again! pic.twitter.com/kd9hmTBnON Mariano Caucino (@CaucinoMariano) July 20, 2026তবে ম্যাচের শেষদিকে বড় ধাক্কা খায় আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত সময়ের যোগ করা মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এনজো ফার্নান্দেজ, ফলে অতিরিক্ত সময়ে ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় মেসিদের।অতিরিক্ত সময়ে প্রথমে নিকো উইলিয়ামস গোল করলেও ফাউলের কারণে তা বাতিল হয়। এরপর কিছুক্ষণের মধ্যেই উইলিয়ামসের পাস থেকে ফেরান তোরেস জোরালো শটে বল জালে জড়িয়ে স্পেনকে বিশ্বকাপ এনে দেন।এই জয়ের ফলে আন্তর্জাতিক ফুটবলে স্পেনের অপরাজিত থাকার রেকর্ড বেড়ে দাঁড়ায় ৩৮ ম্যাচে, যা ইউরোপীয় ফুটবলের ইতিহাসে নতুন নজির। একইসঙ্গে ৬৪ বছর পর বিশ্বকাপ শিরোপা সফলভাবে ধরে রাখার আর্জেন্টিনার স্বপ্নও ভেঙে যায়।তবুও গোটা টুর্নামেন্টে ভারতীয় সমর্থকদের বিপুল ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়েছে আর্জেন্টিনা। বিশেষ করে লিওনেল মেসিকে ঘিরে ভারতের ফুটবলপ্রেমীদের আবেগ বরাবরের মতোই নজর কেড়েছে। সেই ভালোবাসার স্বীকৃতি দিতেই বিশ্বকাপ শেষ হতেই ভারতীয় সমর্থকদের উদ্দেশে কৃতজ্ঞতার বার্তা দেন রাষ্ট্রদূত মারিয়ানো কাউচিনো।বিশ্বকাপ জয় হাতছাড়া হলেও, ভারত ও আর্জেন্টিনার ফুটবল-সম্পর্ক যে আরও গভীর হয়েছে, রাষ্ট্রদূতের এই বার্তাই যেন তারই প্রমাণ।

জুলাই ২০, ২০২৬
দেশ

পুলিশি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই পথে সিজেপি, যন্তর মন্তরে তুমুল ধুন্ধুমার

পুলিশ অনুমতি না দিলেও পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সংসদ অভিযানে নামে ককরোচ জনতা পার্টি। ১৬৩ ধারা উপেক্ষা করে মিছিল বের করতেই রাজধানী দিল্লির পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ব্যারিকেড ভেঙে সংসদের দিকে এগোনোর চেষ্টা করলে পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে। প্রায় পাঁচ হাজার পুলিশ ও আধাসেনা মোতায়েন করে যন্তর মন্তর চত্বর ঘিরে ফেলা হয়।দিল্লি পুলিশ আগেই জানিয়েছিল, সংসদ অভিযানের জন্য সিজেপির পক্ষ থেকে কোনও অনুমতি চাওয়া হয়নি। এমনকি অনুমতি চাইলেও তা দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানানো হয়েছিল। পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, সংসদ ও তার আশপাশের এলাকা উচ্চ নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে পড়ে। তাই সেখানে কোনও মিছিল বা জমায়েত আইনশৃঙ্খলার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। পাশাপাশি যানজটের আশঙ্কাও রয়েছে। তাই সংসদের দিকে কোনও মিছিল এগোতে দেওয়া হবে না।পুলিশের এই সতর্কবার্তার পরও সিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়, বৃষ্টি বা কড়া নিরাপত্তা কোনও কিছুই তাদের আন্দোলন থামাতে পারবে না। সেই অনুযায়ী সোমবার সকালে আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ব্যাপক লাঠিচার্জ করে।संसद के सामने युवाओं पर आँसू गैस छोड़ना बंद कीजिए।दमन की बजाय संवाद का रास्ता चुनिए।#संसद_मार्च pic.twitter.com/C2MHT55Mpk Cockroach Janta Party (@CJP_for_India) July 20, 2026নিরাপত্তার কারণে দিল্লির পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশনরাজীব চক, জনপথ, প্যাটেল চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট এবং সেবা তীর্থসাধারণ যাত্রীদের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এই স্টেশনগুলি বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। যন্তর মন্তর ছাড়া দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় পাঁচ বা তার বেশি মানুষের জমায়েতও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছে ককরোচ জনতা পার্টি। গত ২৮ জুন থেকে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক যন্তর মন্তরে আমরণ অনশনে বসেছিলেন। তবে একুশ দিন পর পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতাল থেকেই সোমবার সোনম তিনটি শর্ত দিয়েছেন। সরকার যদি তার মধ্যে কোনও একটি শর্ত মেনে নেয়, তবে তিনি অনশন প্রত্যাহার করতে রাজি বলে জানিয়েছেন।

জুলাই ২০, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে বিদেশ যেতে দিল না হাই কোর্ট! এসএসকেএমেই চিকিৎসার নির্দেশে তীব্র চাঞ্চল্য

তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আরও এক বড় আইনি ধাক্কা খেলেন। তাঁকে বিদেশে চিকিৎসা করাতে যাওয়ার অনুমতি দিল না কলকাতা হাই কোর্ট। সোমবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যর বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, আইনি রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়লেও আপাতত বিদেশ যেতে পারবেন না অভিষেক। তাঁকে এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসা করানোর পরামর্শ দিয়েছে আদালত।বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বিজেপিকে উদ্দেশ করে অভিষেকের ডিজে বাজানোর মন্তব্য নিয়ে মামলা হয়। সেই মামলার শুনানিতেই সোমবার বিষয়টি ওঠে। অভিষেকের আইনজীবী আদালতের কাছে আইনি রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন জানান। বিচারপতি সেই আবেদন মেনে আগামী ৬ অক্টোবর পর্যন্ত রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়ান।তবে আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, আগামী ২৯ জুলাই চোখের চিকিৎসার জন্য আমেরিকা যাওয়ার আবেদন মঞ্জুর করা হচ্ছে না। বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, বিদেশেই কেন চোখের চিকিৎসা করাতে হবে? কলকাতাতেও চোখের চিকিৎসার জন্য একাধিক হাসপাতাল রয়েছে। প্রয়োজনে এসএসকেএম হাসপাতালে অভিষেকের চিকিৎসার জন্য মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা যেতে পারে বলেও জানান তিনি।আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য ও সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায় বিচারপতির এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেন। তখন বিচারপতি জানান, আদালত কখনওই চান না আবেদনকারীর চিকিৎসায় কোনও সমস্যা হোক। তাই প্রথমে এসএসকেএম হাসপাতালে সমস্ত পরীক্ষানিরীক্ষা করিয়ে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। সেই রিপোর্ট দেখে পরে আদালত সিদ্ধান্ত নেবে, অভিষেক বিদেশে চিকিৎসার জন্য যেতে পারবেন কি না।উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে ডানকুনি হাইওয়ের কাছে এক পথ দুর্ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাঁ চোখে গুরুতর আঘাত লাগে। এরপর দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুরে তাঁর চিকিৎসা চলে। পরে তিনি আমেরিকাতেও চিকিৎসা করান এবং নির্দিষ্ট সময় অন্তর সেখানে চেকআপের জন্য যেতে হয়। তবে আদালতের নির্দেশ মেনে আপাতত আগামী দুমাস তিনি বিদেশে যেতে পারবেন না।

জুলাই ২০, ২০২৬
কলকাতা

২১ জুলাইয়ের আগেই বিস্ফোরণ! ফাইল খুলে কী প্রকাশ করবেন শুভেন্দু?

২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের আগের দিন বড় রাজনৈতিক ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, সোমবার বিকেলে বিধানসভায় বিচারপতি সুশান্ত চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করবেন।সোমবার সকালে বিধানসভায় এসে মুখ্যমন্ত্রী অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বসুর কাছে ১০ মিনিট সময় চেয়ে আবেদন করেন। তিনি বলেন, বিকেলে ১০ মিনিট সময় নেব। ২১ জুলাই তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট পড়ে শোনাব। আগের সরকার কমিশন তৈরি করলেও সেই রিপোর্ট কোনওদিন প্রকাশ করেনি। রিপোর্টে কী আছে, তা আজ জানানো হবে।১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই সচিত্র পরিচয়পত্রের দাবিতে যুব কংগ্রেস মহাকরণ অভিযান করেছিল। সেই আন্দোলন পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর সরকারের আমলে বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। সেই ঘটনায় ১৩ জন যুব কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যু হয়েছিল।এই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন তখনকার যুব কংগ্রেস সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে তিনি কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করেন এবং ২০১১ সালে মুখ্যমন্ত্রী হন। ক্ষমতায় আসার পর তিনি ২১ জুলাইয়ের ঘটনার তদন্তের জন্য বিচারপতি সুশান্ত চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তদন্ত কমিশন গঠন করেন।তবে দীর্ঘ ১৫ বছর সেই কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি। রিপোর্টটি ফাইলবন্দি অবস্থায় ছিল। এদিকে সেই সময় গুলিচালনার নির্দেশ দেওয়া প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রসচিব মণীশ গুপ্তকে পরে বিধায়ক ও মন্ত্রী করা হয়েছিল। এই বিষয়টি নিয়ে কংগ্রেস ও তৃণমূলের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে।মঙ্গলবার ৩৩তম শহিদ দিবস পালিত হবে। তার আগের দিনই এই তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করার ঘোষণা রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এখন সকলের নজর, সেই রিপোর্টে ঠিক কী কী তথ্য সামনে আসে।

জুলাই ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal