• ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩, বুধবার ২২ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Truck

কলকাতা

Accident: নবান্নের কাছে ছাইবোঝাই লরি উল্টাল, দেড় ঘণ্টা চাপা পড়ে থাকল পথচারী

নবান্নের কাছে কলকাতামুখী লেনে বড়সড় দুর্ঘটনা। বিকেলে উল্টে যায় একটি ছাইয়ের কন্টেনার বোঝাই লরি। তার তলায় চাপা পড়ে যান এক ব্যক্তি। টানা দেড় ঘণ্টা চাপা পড়ে থাকার পর কোনওরকমে ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে এসএসকেএমে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবর। জানা গিয়েছে, সেই ব্যক্তিকে অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়।স্থানীয় সূত্রের খবর, বিকেল ৫টা নাগাদ নবান্নের কাছে কোলাঘাট থেকে কলকাতামুখী ছাইয়ের কন্টেনার বোঝাই লরিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। তার তলায় চাপা পড়ে যান ওই ব্যক্তি। উল্টানো লরির পাশেই অ্যাম্বুল্যান্স এনে, সেখান থেকে অক্সিজেনের নল ঢোকানো হয় চাপা পড়া ব্যক্তির নাকে। এ ভাবেই তাঁকে অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে। উদ্ধারকারী দল চেষ্টা করছে, যাতে উল্টে যাওয়া লরির তলা থেকে ওই ব্যক্তিকে বের করে আনা যায়।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২১
রাজ্য

Accident: কালনা রোডে টোটো ও বালি বোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত ৪, কেন এই দুর্ঘটনা?

যাত্রীবাহী টোটোর সঙ্গে বালি বোঝাই ট্রাকের মুখোমাখি সংঘর্ষে মৃত্যু হল টোটোর চার আরোহীর।বুধবার দুপুরে ভয়াবহ এই পথ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের শক্তিগড় থানর বেলাড়ি গঞ্জ এলাকায় বর্ধমান- কালনা রোডের উপর। দুর্ঘটনার জেরে এদিন বর্ধমান কালনা রোডে ব্যাপক যানজট তৈরি হয়। খবর পেয়ে শক্তিগড় থানার পুলিশ দ্রুত দুর্ঘটনাস্থলে পৌছে মৃতদেহগুলি উদ্ধার করে সড়কপথে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করার ব্যবস্থা করে। লক্ষ্মী পুজোর দিনে চারজনের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে । পুলিশ জানিয়েছে, মৃতরা হলেন ভৈরব দাস (২৬), নির্মল চট্টোপাধ্যায় ওরফে সোনা (৪৫), অভিজিং পাল ওরফে গণেশ (৪৭)। এক মৃতর নাম ও পরিচয় জানা যায়নি। মৃতদের মধ্যে ভৈরব দাস হলেন টোটো চালক। বাকিরা সকলেই কালনা গেট এলাকার বিভিন্ন পাড়ার বাসিন্দা। সকলেই নিম্নবিত্ত পরিবারের সদস্য। কেউ বিক্রি করতেন লটারি টিকিট, আর কারুর ছিল ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। ময়নাতদন্তের জন্য এদিনই মৃতদেহগুলি পাঠানো হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ মর্গে। দুর্ঘটনার পরেই লরি ছেড়ে পালান চালক ও খালাসী। পুলিশ টোটো ও বালি বোঝাই লরি বাজেয়াপ্ত করে দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, টোটো চালক ভৈরব দাস তাঁর অ্যাজবেসটার্স চালার একচিলতে ঘরে লক্ষ্মী পুজোর আয়োজন করেছিলেন।পরিবারের অন্য সদস্যরা এদিন বেলায় যখন পুজোর তোড়জোড়ে ব্যস্ত তখন ভৈরব তাঁর টোটো নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। বেলা ১১ টা নাগাদ ভৈরব ও এলাকার অপর তিনজন টোটোয় চেপে শক্তিগড় থানার বেলাড়ির একটি অন-শপ মদের দোকানে যান। দুপুর ১টা নাগাদ সেখান থেকেই টোটোয় চেপে চারজন বর্ধমান - কালনা রোড ধরে কালনা গেটের দিকে ফিরছিলেন। পথে বৈকন্ঠপুর ১ পঞ্চায়েতের বেলাড়ি গঞ্জ এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বালি বোঝাই লরির সঙ্গে টোটোর মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর টোটোটি সড়ক পথের উপরে উল্টে পড়ার সময়ে টোটোর আরোহীরা লরির চাকার নিচে ছিটকে পড়ে পিষ্ট হন। টোটোটিও এক প্রকার দুমড়ে মূচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় টোটো চালক সহ টোটোর চার আরোহীর।প্রত্যক্ষদর্শী সুদীপ্ত কোনার ও বাসুদেব দত্ত জানিয়েছেন, লরি চালকের কোন দোষ ছিল না।লরিটি স্বাভাবিক গতিতেই যাচ্ছিল। টোটো চালক সহ টোটোর সকল আরোহীরা গঞ্জ থেকে মদ খয়ে টোটোয় চেপে ফিরছিলেন। অত্যধিক মদ খাওয়ার কারণে টোটোর চালক ও আরোহীরা সকলেই বেসামাল ছিলেন। সেই অবস্থায় টোটো চালক টোটো চালিয়ে নিয়ে যাবার সময়ে টোটোর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারছিলেন না। টোটোটি রাস্তার এদিক ওদিক করতে করতে যাচ্ছিল। ওই সময়ে আচমকা টোটোটি বিপরিত দিক থেকে আসা লরির সামনে চলে গেলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেই সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই টোটোর চার আরোহীর মৃত্যু হয়।টোটো চালক ভৈরব দাসের আত্মীয় সাগর দাস এদিন বলেন, ভৈরব ছিল পরিবারের একমাত্র রোজগেরে ব্যক্তি। তাঁর রোজগারেই স্ত্রী, দুই শিশু সন্তান সহ পরিবারের সকলের জীবিকা নির্বাহ হত। ভৈরবের মৃত্যুতে তাঁর গোটা পরিবারটা অথৈ জলে পড়ে গেল। ভৈরবের স্ত্রী লক্ষ্মীদেবী এদিন চোখের জল মুছতে মুছতে বলেন, বাড়িতে লক্ষীপুজোর জোগাড়যান্তি করছিলাম। এক্ষুণি আসছি বলে আমার স্বামী টোটো নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। আর তিনি বাড়ি ফিরলেন না। অপর এক মৃতর আত্মীয় প্রশেনজিৎ দাস একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, বেলাড়ি গঞ্জ এলাকার মদের দোকানটাই সব সর্বনাশের মূল কারণ।

অক্টোবর ২১, ২০২১
রাজ্য

Truck Owners Demand: পুলিশ, এমভিআই ও ডাকপার্টির জুলুমবাজি বন্ধে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি ট্রাক মালিকদের

পুলিশ, এমভিআই ও ডাকপার্টির জুলুমবাজির কারণে দায় হয়ে উঠেছে সড়কপথে ট্রাক চালানো। তারই প্রতিবাদে এবার স্বোচ্চার হল হুগলীর ইউনাইটেড ট্রাক ওনার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন ও ফেডারেশন অফ ওয়েষ্টবেঙ্গল ট্রাক অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন। তাঁরা পুলিশি জুলুমবাজি বন্ধে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে বৃহস্পতিবার ডেপুটেশন দিলেন পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসকের কাছে। পুলিশ দিবসের পর দিন এই রাজ্যের পুলিশের জুলুমবাজি বন্ধের দাবিতে ট্রাক মালিকদের মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করে পথে নামাটা নজিরবিহীন বলেই দাবি করেছে রাজনৈতিক মহল।হুগলির ডানকুনি টোল প্লাজা থেকে খালি লরি নিয়ে এদিন মিছিল করে ট্রাক মালিকরা পৌছান বর্ধমানের আলিশায়। পরে ট্রাক মালিক সংগঠনের নেতৃত্ব সেখান থেকে পায়ে হেটে পূর্ব বর্ধমান জেলা শাসকের দপ্তরের সামনে পৌছান। হুগলির ইউনাইটেড ট্রাক ওনার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের রাজ্য কমিটির সদস্য রসিদ সর্দার এদিন বলেন, পুলিশ, এম ভি আই ও ডাকপার্টির অত্যাচার ও জুলুমবাজির কারণে বহু ট্রাক মালিক ট্রাক চালানো বন্ধ করে দিয়েছে। এইসব দপ্তরের লোকজন জোর করে ট্রাকে ওভারলোড করাতে বাধ্য করছে। অপরদিকে ফেডারেশন অফ ওয়েষ্টবেঙ্গল ট্রাক অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের তরফে সজল ঘোষ অভিযোগে জানান,সম্প্রতি রাজ্যে এক্সেল লোড বৃদ্ধি পেয়েছে। তা সত্ত্বেও কিছু আসাধু পুলিশকর্মী ও পুলিশের ডাকপার্টি জোর করে ট্রাক ড্রাইভারদের ওভারলোড করতে বাধ্য করছে।ট্রাক ড্রাইভাররা ওভার লোড না করলে বিভিন্ন অজুহাতে অত্যাধিক হারে ফাইন করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে ট্রাক মালিকরা রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রীকে জানালেও সমস্যার সমাধান হয়নি। জুলুমবাজীও বন্ধ হয়নি। তাই তাঁরা চাইছে মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি এই ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করুক।ডেপুটেশন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ট্রাক মালিকরা এদিন বলেন, ভোটের আগে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, তিনি ২৯৪টি আসনেই প্রার্থী। তাই তাঁকেই তাঁরা ভোট দিয়েছিলেন। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের জন্য কিছু করছেন না। মুখ্যমন্ত্রী চাইলে একদিনের মধ্যে এই জুলুমবাজি বন্ধ হতে পারে বলে মন্তব্য করেন ট্রাক মালিকরা। তাঁরা এদিন দাবি করেন, লোডিং পয়েন্ট থেকে আণ্ডার লোড করে গাড়ি বার করা হোক। পাশপাশি মুখ্যমন্ত্রী নিজে হস্তক্ষেপ করে পুলিশ, এমভিআই ও ডাকপার্টির জুলুমবাজি বন্ধে ব্যবস্থা নিক। একই দাবির কথা শুনিয়েছেন ট্রাক মালিক সংগঠনের কর্তারাও।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
রাজ্য

গলসিতে জাতীয় সড়কে বেপরোয়া গতির বলি ৩, জখম ১

জাতীয় সড়কে ফের ভয়াবহ দুর্ঘটনা। এবার দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন তিন মহিলা খেতমজুর। গুরুতর জখম হয়েছেন আরও এক মহিলা খেতমজুর।বৃহস্পতিবার ভোরে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে ২ নম্বর জাতীয় সড়কে। মৃতদের নাম শিউলি লোহার(২৮), গায়ত্রী বাগ(৫০) ও জবা বাগ (২৮)। আশঙ্কাজনক অবস্থায় বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বছর ৩৫ বয়সী রুমা লোহার। মৃতদের মধ্যে শিউলির বাড়ি উত্তর গলসিতে। বাকি মৃত ও জখম মহিলার বাড়ি গলসির বাবলা গ্রামের লোহার পাড়ায় বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুর্ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ ঘাতক গাড়ির খোঁজ শুরু করেছে।আরও পড়ুনঃ আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করল ভারতপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, খেত মজুরির কাজে যাওয়ার জন্য এদিন ভোর ৫ টা নাগাদ এই চার মহিলা তাঁদের বাড়ি থেকে বের হন। ২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধার দিয়ে হেঁটে তাঁরা গলসি থেকে স্থানীয় গলিগ্রামে মাঠে কাজে করতে যাচ্ছিলেন। ওই সময় গলসি ও গলিগ্রামের মাঝামাঝি জায়গায় পিছন থেকে আসা দুর্গাপুর মুখী একটি বেপরোয়া গতির গাড়ি তাঁদের পিষে দিয়ে চলে যায়।ঘটনাস্থলেই তিন মহিলা খেতমজুর শিউলি লোহার, গায়ত্রী বাগ ও জবা বাগের মৃত্যু হয়। গুরুতর জখম অবস্থায় সড়ক পথে পড়ে থাকেন অপর মহিলা খেত মজুর রুমা লোহার। খবর পেয়ে গলসি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে রুমা লোহারকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। এলাকার বাসিন্দা সুবল লোহার বলেন, গলসিতে জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনা লেগেই রয়েছে। এদিন জাতীয় সড়কে বেপরোয়া গতির বলি হতে হল তাঁদের এলাকার তিন মহিলা খেত মজুরকে। গাড়ির চালক ঘুমিয়ে পড়াতেই এই ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটে গিয়েছে বলে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান। পুলিশ ঘাতক গাড়িটির সন্ধান চালাচ্ছে।

জুলাই ২৯, ২০২১
রাজ্য

Accident: মেমারিতে মর্মান্তিক পথদুর্ঘটনায় মৃত ৩

বিয়েবাড়ি থেকে ফেরার পথে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু মা, ছেলে-সহ তিনজনের। বৃহস্পতিবার সকালে পূর্ব বর্ধমানের মেমারির কালনা-দেবীপুর রোডের পলতা গ্রামের কাছে দুর্ঘটনাটি ঘটে। দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছেন আরও ১১ জন। তাঁরা সকলেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর,পাণ্ডুয়ার পায়রা চাঁদাইপাড়ার আদিবাসী পরিবারের সদস্যরা বুধবার রাতে মেমারি থানার বুলবুলিতলা সংলগ্ন এলাকায় বিয়ে বাড়িতে গিয়েছিলেন। এদিন সকালে তারা সকলে ট্র্যাক্টরে চড়ে পাণ্ডুয়া ফিরছিলেন। পথে মেমারির পলতা গ্রামের কাছে বিপরিত দিক থেকে আসা নিয়ন্ত্রণহীন একটি মালবাহী গাড়ির সঙ্গে ট্র্যাক্টরটির সংঘর্ঘ হয় । সংঘর্ষের পরেই যাত্রীসমেত ট্র্যাক্টরের ট্রলিটি সড়কপথে উল্টে যায় । এই দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই মারা যান রুপালি বাস্কে। ঘটনার জেরে দেবীপুর- কালনা রোড অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। খবর পেয়ে মেমারি থানার পুলিশ দ্রুত দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। জখম অবস্থায় সড়কপথে পড়ে থাকা বিয়ে বাড়ির ১৩ জন যাত্রীকে পুলিশ উদ্ধার করে মেমারি হাসপাতালে নিয়ে যায় । সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁদের সবাইকে পাঠানো হয় বর্ধমানের অনাময় সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে। সেখানেই মৃত্যু হয় জখম এক নাবালক ও নাবালিকার। দুর্ঘটনাগ্রস্ত দুটি গাড়ি পুলিশ সড়ক পথ থেকে সরিয়ে নেওয়ার পর দেবীপুর কালনা রোডে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান,মালবাহী গাড়ির চালক গাড়ি চলাতে চালাতে ঘুমিয়ে পড়াতেই এই ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটে গিয়েছে । দুর্ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ মালবাহী গড়ির চালককে আটক করেছে ।

জুলাই ০৮, ২০২১
কলকাতা

এবার পণ্য পরিবহণের জন্য লাগবে ই-পাস

করোনার দ্বিতীয় ধাক্কায় বেসামাল দেশ। সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙতে আজ অর্থাৎ রবিবার সকাল থেকে রাজ্যজুড়ে কড়া বিধিনিষেধ কার্যকর হল। কলকাতায়ও চলছে কড়া নজরদারি। এর মাঝে অবশ্য অত্যাবশকীয় পণ্য পরিবহণ চালু থাকছে। তবে সেক্ষেত্রে প্রয়োজন হবে ই পাস। আর এই শহরের জন্য সেই পাস দেবে কলকাতা পুলিশ। ঠিক গতবারের মতো। কীভাবে মিলবে ই পাস?গতবারের মতোই এ বছর অনলাইনে কলকাতা পুলিশকে আবেদন জানাতে হবে। ভর্তি করতে হবে ফর্ম। অনলাইনেই আবেদনকারী কাছে এসে পৌঁছবে ইপাস। সেই পাস দেখালে মালবাহী গাড়ির চালকরা অত্যাবশ্যক পণ্য এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় সহজে নিয়ে যেতে পারবেন। পুলিশ সেই গাড়ি আটকাবে না। প্রত্যেকটি নাকা চেকিংয়ে ওই পাস দেখাতে হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শনিবার কলকাতা পুলিশের তরফে টুইট করে এই সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য জানানো হয়।

মে ১৬, ২০২১
রাজ্য

শীতের ভোরে গাড়ি থামিয়ে চালকদের হাতে গরম চা, বিস্কুট, পানীয় জল

দূরপাল্লার গাড়ি চালকদের সচেতন করতে তৎপর হাওড়া সিটি পুলিশ। ভোরের রাতে ক্লান্তি বা কুয়াশা যাতে দুর্ঘটার কারণ না হয়, তাই এই উদ্য়োগ। জাতীয় সড়কে ট্রাক ও গাড়ি থামিয়ে চালকদের চা, বিস্কুট ও জল দেওয়া হয়। শীতের ভোরে দূরপাল্লার গাড়ি চালকরা কিছুটা ক্লান্ত হয়ে ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েন। এই কারণে দুর্ঘটনাও ঘটে। পাশাপাশি কুয়াশায় দৃশ্যমান্যতা কম থাকায় গাড়ি চালাতে সমস্যা হয়। এতেও ঘটে দুর্ঘটনা। শীতের ভোরে বিশেষ করে জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনাও ঘটে। এবার এনিয়ে দূরপাল্লার গাড়ি চালকদের সচেতন করতে কল্পতরু হয়ে পৌঁছে গেলেন হাওড়া সিটি ট্রাফিক পুলিশের কর্মীরা। হাওড়া সিটি ট্রাফিক পুলিশ সূত্রের খবর, বুধবার গভীর রাতে ও বৃহস্পতিবার ভোরে হাওড়ার বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় বড় লরি ও অন্যান্য গাড়ি চালকদের গাড়ি থামিয়ে তাঁদের চা, বিস্কুট ও জল দেওয়া হয় হাওড়া সিটি ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে। যাতে তাঁরা দীর্ঘ যাত্রায় ক্লান্তি ভুলে আরও তরতাজা হয়ে যান সেই উদ্দেশ্যেই এই কর্মসূচি বলে জানা গেছে। হাওড়া সিটি ট্রাফিক পুলিশের কাছ থেকে এই ব্যবহার পেয়ে স্বভাবতই খুশি গাড়ির চালকরা। হাওড়ার অঙ্কুরহাটি ক্রশিং, কাজিপাড়া ক্রশিং, বালি নিমতলা, ডুমুরজলা, ইস্ট ওয়েস্ট বাইপাস ও কোনা এক্সপ্রেসওয়েতে এই ধরনের কর্মসূচি নেওয়া হয়।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২০
রাজ্য

ট্রাকের ধাক্কায় মৃত ৩

বেপরোয়া ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল ৩ পথচারীর। মৃতদের নাম দিলওয়ার শেখ (৬০) , কিতাবুদ্দিন শেখ (৫০) , মনিরুল শেখ (৩৫)। এরা তিনজনেই মুর্শিদাবাদের রেজিনগরের তকিপুর গ্রামের বাসিন্দা । জানা গিয়েছে, সোমবার ভোরে স্থানীয় মসজিদে নমাজ পড়ার পর ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে ফিরছিলেন তারা । সেই সময় রেজিনগর এলাকায় বহরমপুরগামী একটি ট্রাক ধাক্কা দেয় তাঁদের। রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন ৩ জনই। স্থানীয়দের নজরে পড়তেই তাঁরাই আহত তিনজনকে উদ্ধার করে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানকার চিকিৎসকরা প্রথমেই ২ জনকে মৃত বলে ঘোষণা করে। আহত তৃ্তীয় ব্যক্তির প্রাণ ফেরানো্র লড়াই চলছিল। কিন্তু কিছুক্ষণ পরে সেও মারা যান। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে করোনা আক্রান্ত তিন লক্ষের কাছাকাছি এই ঘটনার জেরে জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় ২ ঘণ্টা পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। স্থানীয়দের কথায়, ঘুমিয়ে পড়েছিলেন ট্রাক চালক। সেই কারণেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রথমে একটি গাছে ধাক্কা দেয় ট্রাকটি। এরপর ধাক্কা দেয় ওই তিনজনকে। পুলিশ জানিয়েছে , চালক ও ঘাতক গাড়ির হদিশ পেলেই বিষয়টি স্পষ্ট হবে।

অক্টোবর ১২, ২০২০

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

সেক্টর ফাইভ থেকে ফিল্মি কায়দায় অপহরণ! ৭৮ লক্ষ টাকার রহস্যে চাঞ্চল্য

সল্টলেক সেক্টর ফাইভের অফিসপাড়ায় ভর সন্ধেবেলায় দুঃসাহসিক অপহরণের ঘটনা ঘটল। অপহৃত যুবকের নাম অঙ্কন সাহা। পুলিশ সূত্রে খবর, ৭৮ লক্ষ টাকার লেনদেনকে কেন্দ্র করেই তাঁকে অপহরণ করা হয়েছিল।ঘটনাটি ঘটেছে আরডিবি ভবনের সামনে। মঙ্গলবার বিকেল প্রায় পাঁচটা নাগাদ একটি সাদা স্করপিও গাড়িতে করে কয়েকজন এসে অঙ্কনকে জোর করে তুলে নিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে হইচই পড়ে যায়। খবর পেয়ে ইলেকট্রনিক কমপ্লেক্স থানার পুলিশ সেখানে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে।পুলিশ প্রথমে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে। সেই ফুটেজ থেকেই সাদা স্করপিও গাড়ির নম্বর শনাক্ত করা হয়। এরপর গাড়ির মালিকের খোঁজ শুরু করেন তদন্তকারীরা। মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে ড্রাইভারের ফোন নম্বর পাওয়া যায়।পরে পুলিশ ফোন ট্র্যাক করে জানতে পারে, গাড়িটি বড়জাগুলিয়া এলাকায় জাতীয় সড়ক ১২-র কাছে রয়েছে। হরিণঘাটা থানার সহযোগিতায় সেখানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে গাড়িটি আটক করা হয় এবং তার ভিতর থেকে অঙ্কন সাহাকে উদ্ধার করা হয়।পুলিশ পাঁচজনকে আটক করেছে। জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, অঙ্কন সাহার কাছে অভিযুক্তদের ৭৮ লক্ষ টাকা পাওনা ছিল বলে দাবি। সেই টাকা আদায় করতেই তাঁকে মারধর করে সেক্টর ফাইভ থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।ঘটনার তদন্ত চলছে। পুলিশ খতিয়ে দেখছে, এই অপহরণের পেছনে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না।

জুলাই ২১, ২০২৬
কলকাতা

একুশের মঞ্চে ঋতব্রতের বড় প্রতিশ্রুতি! শহিদ পরিবার পাবে মাসে ১০ হাজার টাকা?

২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে বড় ঘোষণা করলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, নির্বাচন কমিশন যদি তাঁদের আসল তৃণমূল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়, তবে ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাইয়ের শহিদদের পরিবারগুলিকে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।ঋতব্রতের দাবি, এই টাকা তৃণমূল কংগ্রেসের অ্যাকাউন্ট থেকেই দেওয়া হবে। তিনি বলেন, আমরা অঙ্ক কষে দেখেছি, এটা সম্ভব। বর্তমানে কালীঘাট তৃণমূল ও ঋতব্রত শিবিরের মধ্যে আসল তৃণমূল নিয়ে বিরোধ নির্বাচন কমিশন পর্যন্ত পৌঁছেছে। মঙ্গলবার দুই শিবিরই আলাদাভাবে শহিদ দিবস পালন করেছে। বিড়লা তারামণ্ডলের সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, তাঁরাই আসল তৃণমূল। অন্যদিকে, গান্ধী মূর্তির সামনে সভা থেকে একই দাবি করেন ঋতব্রত।তিনি বলেন, আমরা মুখ্য নির্বাচন কমিশনারসহ পূর্ণ বেঞ্চের সঙ্গে দেখা করেছি। কেন আমরাই আসল তৃণমূল, তার সমস্ত তথ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দিয়েছি। আমরা নির্বাচন কমিশনের উপর ভরসা রাখি।ঋতব্রত আরও বলেন, যদি নির্বাচন কমিশন আমাদের পক্ষে সিদ্ধান্ত দেয়, তাহলে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রথম জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকেই আমরা শহিদ পরিবারগুলিকে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেব। এই টাকা তাদের জন্যই খরচ হওয়ার কথা।উল্লেখ্য, আগের দিন বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ২১ জুলাই নিয়ে সুশান্ত চট্টোপাধ্যায় কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি জানান, কমিশন শহিদ পরিবারগুলিকে ২৫ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্যের সুপারিশ করেছিল।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, পূর্বতন তৃণমূল সরকার শহিদ পরিবারগুলিকে মাত্র ২ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ১৫ হাজার টাকা করে দিয়েছিল। তিনি আরও জানান, শহিদদের পরিবার আবেদন করলে রাজ্য সরকার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী আর্থিক সাহায্য দেবে।এই ঘোষণার পরদিনই ঋতব্রত শহিদ পরিবারগুলিকে মাসিক আর্থিক সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিলেন।

জুলাই ২১, ২০২৬
দেশ

দু’মাস পর অবশেষে মুখ খুললেন মোদী! নিট প্রশ্নফাঁস নিয়ে কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

নিট প্রশ্নফাঁস নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রশ্নফাঁসের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার দুমাসেরও বেশি সময় পরে তিনি বলেন, এই ঘটনা ঘোর অন্যায় এবং এক ধরনের পাপ।গত ৩ মে ডাক্তারির সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষা নিট অনুষ্ঠিত হয়। লক্ষ লক্ষ পড়ুয়া এই পরীক্ষায় অংশ নেয়। কিন্তু পরীক্ষার কয়েক দিনের মধ্যেই প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ সামনে আসে। পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠায় পরীক্ষা বাতিল করতে বাধ্য হয় ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি।এই ঘটনার পর দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বহু ছাত্রছাত্রী রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিও ওঠে। লাদাখের শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক দীর্ঘদিন ধরে অনশন করছেন এই দাবিতে। সোমবার সংসদ অভিযানে ককরোচ জনতা পার্টির লক্ষাধিক সদস্য অংশ নেয়। তবে এতদিন নিট কাণ্ড নিয়ে প্রধানমন্ত্রী প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি।মঙ্গলবার এনডিএর সংসদীয় বৈঠকে প্রথমবার এই বিষয়ে সরাসরি প্রতিক্রিয়া দেন মোদী। তিনি বলেন, প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘোর পাপ হয়েছে। তবে ঘটনা প্রকাশ্যে আসার সঙ্গে সঙ্গেই সরকার পদক্ষেপ করেছে। প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, এই ঘটনায় জড়িত ১৩ জন অভিযুক্তকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠানো হয়েছে।সংসদীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু বলেন, নিট পরীক্ষার্থীদের স্বার্থের কথা ভেবেই নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন এবং সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ করা হচ্ছে। নিট প্রশ্নফাঁস নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

জুলাই ২১, ২০২৬
দেশ

বিরোধী ঝড়ের মাঝেই মোদীর বড় বৈঠক! এনডিএ সাংসদদের কী বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী?

আজ এনডিএ সাংসদদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নিট প্রশ্নফাঁস, রামমন্দির, ইথানলসহ একাধিক ইস্যুতে সংসদের ভিতরে ও বাইরে বিরোধীদের প্রতিবাদ চলছে। এর মধ্যেই সংসদ অভিযানের ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। তাই বিরোধী আন্দোলনের মোকাবিলায় এনডিএর রণকৌশল কী হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।সোমবার থেকেই সংসদের বাদল অধিবেশন শুরু হয়েছে। অধিবেশনের প্রথম দিনেই নিট প্রশ্নফাঁস, রামমন্দিরে প্রণামী চুরি এবং অন্যান্য ইস্যুতে বিরোধীদের বিক্ষোভে সংসদের দুই কক্ষ বারবার মুলতুবি হয়। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংবিধান সংশোধনী বিল পেশ করতে পারে বলে সূত্রের খবর।সরকারের লক্ষ্য, গুরুত্বপূর্ণ বিলগুলিতে এনডিএ শরিক সাংসদদের শতভাগ সমর্থন নিশ্চিত করা। বৈঠকে এই বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাবে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি বিরোধীদের প্রচারের পাল্টা জবাবে এনডিএ সাংসদদের একই সুরে কথা বলার পরামর্শ দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী।তবে এই বৈঠকে এনসিপিআইকে ডাকা হয়নি। এনডিএর শরিক হলেও স্পিকারের কাছ থেকে এখনও এনসিপিআই দলের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি মেলেনি। যদিও সর্বদলীয় বৈঠকে দলটি উপস্থিত ছিল। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই জটিলতার বাইরে প্রধানমন্ত্রীকে রাখতেই আপাতত সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও কাকলি ঘোষ দস্তিদারদের ডাকা হয়নি।উল্লেখ্য, গত রবিবারও স্পিকার অফিস থেকে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের কাছে নতুন করে একাধিক নথি চাওয়া হয়েছে।অন্যদিকে আজ ইন্ডিয়া জোটের সাংসদরাও বৈঠকে বসবেন। সেই বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন মল্লিকার্জুন খার্গে। উপস্থিত থাকবেন রাহুল গান্ধীও।রাজনৈতিক মহলে আরও একটি জল্পনা ঘুরছে। শোনা যাচ্ছে, শরদ পওয়ারের এনসিপি ডিলিমিটেশন বা আসন পুনর্বিন্যাস বিল নিয়ে অবস্থান বদল করতে পারে। যদি কেন্দ্র এই বিল সংসদে পেশ করে, তবে সেই বিলে শরদ পওয়ারের এনসিপি সমর্থন জানাতে পারে বলে আলোচনা চলছে।

জুলাই ২১, ২০২৬
রাজ্য

একুশের মঞ্চ থেকে ফিরতেই মদন মিত্রের কাছে ইডির সমন! নতুন মোড় পুরনিয়োগ মামলায়

কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র কে পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আগামী ২৯ জুলাই তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হতে বলা হয়েছে। তার আগে ২৩ জুলাই মদন মিত্রের স্ত্রীকেও তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।সূত্রের খবর, মদন মিত্র তদন্তে সহযোগিতা করবেন। এর আগে কামারহাটি পুরসভার অবৈধ নিয়োগ মামলায় তাঁর নাম জড়ায়। জুন মাসে ইডি ভবানীপুর, দক্ষিণেশ্বর-সহ তাঁর একাধিক বাড়িতে তল্লাশি চালায়। সেই তল্লাশিতে বেশ কিছু নথিপত্র উদ্ধার হয় বলে জানা গিয়েছে।গত ১৪ জুলাই ইডি মদন মিত্রের পরিবারকে নোটিস পাঠায়। সেই দিন সন্ধ্যায় তিনি এন্টালির তৃণমূল বিধায়ক তথা ঋতব্রত শিবিরের সদস্য সন্দীপন সাহার বাবা, প্রাক্তন বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহার বাড়িতে যান। সেখানে দীর্ঘক্ষণ বৈঠকের পরের দিন তিনি বিধানসভায় ঋত শিবিরে যোগ দেন।শিবির বদলের পর থেকেই মদন মিত্র প্রকাশ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করতে শুরু করেন। একুশে জুলাইয়ের সভায় তিনি বলেন, আমি মমতাকে বলছি, অভিষেক এক ঘণ্টা সময় দিয়েছে, আমি আপনাকে এক মাস সময় দিচ্ছি। অভিষেকের হাত ছেড়ে এই ছেলেদের হাত ধরুন। আপনার পার্টি এটা, অভিষেকের পার্টি নয়।শুধু তাই নয়, ১৯ জুলাইয়ের একটি লাইভ অনুষ্ঠানেও মদন মিত্র অভিষেককে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। পাল্টা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বিরুদ্ধে ১০ কোটির নোটিস পাঠান।এই রাজনৈতিক সংঘাতের আবহেই একুশে জুলাইয়ের সভা থেকে ফেরার পর মদন মিত্রের কাছে ইডির সমন পৌঁছেছে। ফলে পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্ত কোন দিকে এগোয়, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ২১, ২০২৬
রাজ্য

২১ জুলাইয়েও কি নামবে বৃষ্টি? মমতার সভা ঘিরে বড় পূর্বাভাস

গত ১৫ বছর ধরে ২১ জুলাইয়ের সভায় রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাজির হতেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা। বৃষ্টির মধ্যেই বহুবার মঞ্চে বক্তৃতা দিতে দেখা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বৃষ্টি নামলে মমতা একে বলতেন ঈশ্বরের আশীর্বাদ। এবার ২১ জুলাইয়ের আয়োজন বদলেছে, মঞ্চ বদলেছে, সমর্থকদের জমায়েতের ধরনও বদলেছে। কিন্তু আবহাওয়া কি আগের মতোই থাকবে? হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস বলছে, মঙ্গলবার সারাদিনই বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।সোমবার দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি হয়েছে। শুধুমাত্র দমদমে ১৬৩ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড হয়েছে, যার ফলে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। বৃষ্টি হয়েছে বীরভূম,মুর্শিদাবাদ এবং পূর্ব বর্ধমান জেলাতেও। বিকেলের পর উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও বৃষ্টির দাপট দেখা যায়।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, মৌসুমি অক্ষরেখা এখনও সক্রিয় রয়েছে। তাই মঙ্গলবার দক্ষিণবঙ্গে কয়েক দফা বৃষ্টি হতে পারে। কলকাতা, লাগোয়া জেলা, উপকূল ও পশ্চিমাঞ্চলে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।সোমবারের প্রবল বৃষ্টির পর কলকাতার বহু এলাকা এখনও জলমগ্ন। দমদম ও আশপাশের এলাকায় জল নামেনি কৈখালি ও হলদিরামের রাস্তা এখনও জলের তলায়। এর ফলে কৈখালি থেকে হলদিরাম ও চিনার পার্ক পর্যন্ত তীব্র যানজট তৈরি হয়েছে। সাধারণত ৩-৪ মিনিটের রাস্তা পেরোতে এখন আধ ঘণ্টারও বেশি সময় লাগছে।আবহাওয়া দফতর আরও জানিয়েছে, বুধবার দুই ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি থাকবে। বৃহস্পতিবার উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান ও বাঁকুড়া জেলাতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা কিছুটা কম থাকবে বলেও জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকতে পারে।

জুলাই ২১, ২০২৬
দেশ

সিকিমের টানেলে ভয়াবহ বিস্ফোরণ! ৭ শ্রমিকের মৃত্যু, এখনও ভিতরে আটকে ১৮ জন

সিকিমের নামচি জেলায় একটি নির্মীয়মাণ টানেলে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। মিথেন গ্যাস বিস্ফোরণের জেরে টানেলের ভিতরে ধস নামে এবং প্রবেশপথের একটি অংশ বন্ধ হয়ে যায়। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৭ জন শ্রমিকের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়েছে। আরও অন্তত ১৮ জন শ্রমিক টানেলের ভিতরে আটকে রয়েছেন বলে প্রশাসন জানিয়েছে।আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী বা এনডিআরএফ জোরকদমে কাজ চালাচ্ছে। ঘটনাস্থলে এসডিআরএফ, সিকিম পুলিশ, দমকল এবং অন্যান্য উদ্ধারকারী দলও মোতায়েন রয়েছে।জানা গিয়েছে, নির্মীয়মাণ এই টানেলটি ন্যাশনাল হাইড্রোইলেকট্রিক পাওয়ার কর্পোরেশনের তিস্তা স্টেজ-৬ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের আওতায় তৈরি হচ্ছে। প্রশাসনের দাবি, টানেলের প্রায় দেড় কিলোমিটার ভিতরে প্রাকৃতিকভাবে নির্গত মিথেন গ্যাস জমে ছিল। সেই গ্যাস বের করে দেওয়ার চেষ্টা চলার সময় আচমকা বিস্ফোরণ ঘটে।বিস্ফোরণের পর টানেলের একটি অংশ ধসে পড়ে এবং প্রবেশপথ বন্ধ হয়ে যায়। কয়েকজন শ্রমিক কোনওরকমে বাইরে বেরিয়ে আসতে পারলেও বহু শ্রমিক ভিতরেই আটকে পড়েন।সোমবার বিস্ফোরণের সময় টানেলের ভিতরে মোট ২৫ জন শ্রমিক ছিলেন। তাঁদের মধ্যে এনএইচপিসির কর্মীরাও ছিলেন। জেলা প্রশাসন ৭ জনের মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করেছে। বাকি ১৮ জনকে এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।উদ্ধারকাজে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মিথেন গ্যাস, অক্সিজেনের ঘাটতি, কম দৃশ্যমানতা এবং টানেলের সংকীর্ণ পথ। ফলে উদ্ধারকারী দল সহজে ভিতরে পৌঁছতে পারছে না।সোমবার বিকেল প্রায় ৩টা ৪০ মিনিটে জেলা প্রশাসন দুর্ঘটনার খবর পায়। এরপরই এনডিআরএফ, এসডিআরএফ, জেলা পুলিশ এবং দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।প্রথমে দমকল কর্মীরা উদ্ধারকাজ শুরু করলেও মিথেন গ্যাস ও অক্সিজেনের অভাবে শ্বাসকষ্ট হওয়ায় অভিযান মাঝপথে বন্ধ করতে হয়। উদ্ধারকারী দলের কয়েকজন সদস্যও অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে এনডিআরএফ উদ্ধার অভিযান শুরু করলেও একই কারণে কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।সিকিম রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে নামচি জেলা প্রশাসন, এনএইচপিসি, এনডিআরএফ, এসডিআরএফ, সিকিম পুলিশ, দমকল এবং স্বাস্থ্য দফতর রাতভর উদ্ধার অভিযান চালিয়েছে। তবে এখনও আটকে থাকা শ্রমিকদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

জুলাই ২১, ২০২৬
কলকাতা

২১ জুলাইয়ের আগের রাতে চাঞ্চল্য! মঞ্চ ভাঙচুরের অভিযোগে রাতভর পাহারায় মমতা-অভিষেক

২১ জুলাইয়ের সভাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে উঠেছে। একদিকে মেয়ো রোডে শহিদ তর্পণের কর্মসূচি নিয়েছে ঋতব্রত শিবির, অন্যদিকে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভার অনুমতি পেয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। এর মধ্যেই সভামঞ্চে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ তুলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, ২১ জুলাইয়ের সভামঞ্চে বিজেপির কর্মীরা হামলা চালিয়েছে। শুধু অভিযোগ করেই থেমে থাকেননি তিনি। রাতভর বিড়লা তারামণ্ডল চত্বরে থেকে মঞ্চ পাহারা দেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, মহুয়া মৈত্র, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সহ একাধিক তৃণমূল নেতা।সোমবার সন্ধ্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সভাস্থল পরিদর্শনে যান। সেখানে প্রস্তুতির কাজ খতিয়ে দেখেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে হঠাৎ তারামণ্ডল এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। খবর পেয়ে ফের সভাস্থলে পৌঁছন মমতা ও অভিষেক।সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করে মমতা অভিযোগ করেন, রাতের অন্ধকারে বিজেপির লোকজন এসে সভামঞ্চ ভাঙচুর করেছে। তিনি লেখেন, এটি শুধু একটি মঞ্চ ভাঙার ঘটনা নয়, এটি সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ও আমাদের কর্মী-সমর্থকদের অনুভূতির ওপর পরিকল্পিত আক্রমণ।সভাস্থলে দাঁড়িয়ে মমতা আরও বলেন, চারিদিকে আমাদের মঞ্চ ভাঙা হচ্ছে। বিদ্যুতের লাইন কেটে দেওয়া হয়েছিল। পোস্টার-ব্যানার সব ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। বিজেপির ৬০-৬৫ জন বাইক নিয়ে এসেছে। তাঁদের নেতৃত্ব দিয়েছেন এক অপরাধী, যিনি আদালতের নির্দেশে বাইরে আছেন।তাঁর অভিযোগ, কর্মী-সমর্থকদের সভাস্থলে আসতেও বাধা দেওয়া হচ্ছে। কালীঘাট তৃণমূল ইতিমধ্যেই এই ঘটনার অভিযোগ পুলিশের কাছে জানিয়েছে।সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিভিন্ন জায়গায় বিজেপির গুণ্ডারা জড়ো হয়ে আছে। সকালের আগে মঞ্চ ভেঙে ফেলার পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু দিদি এখানে থাকবেন, আমরাও এখানে থাকব। মঞ্চ পাহারা দেব।তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষও অভিযোগ করেন, আদালতের অনুমতি নিয়ে কর্মসূচি করা হলেও নানা ভাবে বাধা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণামতো রাত থেকেই মমতা ও অভিষেক সভাস্থলের সামনে ছিলেন। ডেরেক, মহুয়া, কল্যাণসহ একাধিক নেতা দফায় দফায় মঞ্চ পাহারা দেন। মঙ্গলবার সকালে মমতা দলের নেতাদের নিয়ে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে একটি অভ্যন্তরীণ বৈঠক করেন। পরে তিনি বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। এদিকে ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচির শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি জোরকদমে চলছে, সকাল থেকেই কর্মীরা সভাস্থলে আসতে শুরু করেছেন।

জুলাই ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal