• ২০ বৈশাখ ১৪৩৩, সোমবার ০৪ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

TMC,

কলকাতা

ভোটগণনার আগে বড় চাল তৃণমূলের! জেলায় জেলায় বিশেষ টিম, ভোর থেকেই কড়া নজর

ভোটগণনাকে সামনে রেখে বড় কৌশল নিল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এক বৈঠকে জানান, রাজ্য থেকে বিভিন্ন জেলায় কিছু প্রতিনিধিকে পাঠানো হবে। তাঁরা আগের দিনই জেলায় পৌঁছে যাবেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবেন। বিশেষ করে বিদ্যুৎ পরিষেবা ঠিক রাখতে ট্রান্সফরমারগুলির উপর নজর রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, ভোটগণনার দিন ভোর ৬টা থেকেই পার্টি অফিস খুলে সেখানে কর্মীদের উপস্থিত থাকার কথাও বলা হয়েছে।জেলা ভিত্তিক দায়িত্বও ভাগ করে দিয়েছে দল। কোচবিহারে আলাদা করে কাউকে পাঠানো হচ্ছে না। আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ির দায়িত্বে থাকবেন সামিরুল ইসলাম। দার্জিলিংয়ের সমতল এলাকায় নজর রাখবেন গৌতম দেব এবং ইসলামপুরে যাবেন শান্তনু সেন। উত্তর চব্বিশ পরগনায় দায়িত্বে থাকবেন সৌগত রায় ও পার্থ ভৌমিক, আর বারাসতের দায়িত্বে থাকবেন রথীন ঘোষ। পূর্ব বর্ধমান জেলায় কীর্তি আজাদ ও রাসবিহারী হালদার নজরদারি করবেন।কলকাতার উত্তর অংশে দায়িত্বে থাকবেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, বিবেক গুপ্ত, কুণাল ঘোষ ও স্বপন সমাদ্দার। দক্ষিণ কলকাতার দায়িত্বে থাকবেন অরূপ বিশ্বাস ও ববি হাকিম। হাওড়ায় চারজন প্রতিনিধি হিসেবে থাকবেন পুলক রায়, অরূপ রায়, কৈলাশ মিশ্র ও গৌতম চৌধুরী। হুগলির দায়িত্বে একাই থাকবেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। রানাঘাটে শঙ্কর সিংহ ও দেবাশিস গঙ্গোপাধ্যায় দায়িত্ব সামলাবেন।পূর্ব মেদিনীপুরে সায়নী ঘোষ ও ঋজু দত্ত থাকবেন। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার দায়িত্বে নিজেই থাকবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দক্ষিণ দিনাজপুরে জয়প্রকাশ মজুমদার দায়িত্বে থাকবেন। মালদহে দোলা সেন এবং পলিটেকনিক কলেজ এলাকায় নাদিমুল হক নজর রাখবেন। মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরে আসিফ ইকবাল এবং বহরমপুরে প্রতিকুর রহমান ও সুখেন্দুশেখর রায় দায়িত্বে থাকবেন।বীরভূমে থাকবেন শতাব্দী রায়। বাঁকুড়ায় সুশান্ত ঘোষ, বিষ্ণুপুরে জীবন সাহা এবং ঝাড়গ্রামে অরূপ চক্রবর্তী দায়িত্ব সামলাবেন। পশ্চিম বর্ধমানে বাবুল সুপ্রিয় থাকবেন। মেদিনীপুরের সাংগঠনিক জেলায় জুন মালিয়া ও দেব নজর রাখবেন।সব মিলিয়ে ভোটগণনার দিন যাতে কোনও রকম সমস্যা না হয়, তার জন্য আগাম প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামছে তৃণমূল কংগ্রেস।

মে ০২, ২০২৬
কলকাতা

স্ট্রংরুম ঘিরে বিস্ফোরক পরিস্থিতি! মুখোমুখি তৃণমূল-বিজেপি, উত্তপ্ত কলকাতা

ভোট শেষ হতেই ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে উত্তেজনা চরমে উঠেছে। কলকাতার ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের সামনে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে যায় তৃণমূল ও বিজেপি। দুই পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে স্ট্রংরুমের বাইরে ধর্নায় বসেন তৃণমূলের প্রার্থী শশী পাঁজা ও কুণাল ঘোষ।ধর্না শেষে তাঁরা বাইরে বের হতেই বিজেপি কর্মীদের বিক্ষোভ শুরু হয়। কেন তৃণমূলকে ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে, এই প্রশ্ন তুলে ক্ষোভ দেখান বিজেপি সমর্থকরা। শুধু কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে নয়, দুই দলের প্রার্থীদের মধ্যেও তুমুল বাকবিতণ্ডা শুরু হয়ে যায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন তাপস রায় ও সন্তোষ পাঠক।এদিকে তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, ভবানীপুরের শেখাওয়াত মেমোরিয়ালে পৌঁছে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই রয়েছে ভোট শেষে রাখা ইভিএম। এর আগে তিনি ইভিএম বদলের আশঙ্কা প্রকাশ করে কর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।রাতের দিকে খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছন বিরোধী দলের প্রতিনিধিরাও। তাঁদের সঙ্গে পুলিশের বচসার ঘটনাও সামনে এসেছে। অন্যদিকে ফিরহাদ হাকিম জানান, তিনি ঘটনাস্থলে গেলেও ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।এর আগে মমতা কর্মীদের স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেন, স্ট্রংরুম থেকে গণনাকেন্দ্র পর্যন্ত প্রতিটি মুহূর্ত নজরে রাখতে হবে। কোনও অবস্থাতেই ঢিলেমি করা যাবে না। গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দায়িত্ব ছেড়ে না যাওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। তাঁর কথায়, বাংলার মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য এই শেষ লড়াইটুকুও লড়তে হবে।এই ঘটনাকে ঘিরে এখন রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ভোটের ফল ঘোষণার আগে ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে এই টানাপোড়েন নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

বৃষ্টির মধ্যেই স্ট্রংরুমে মমতা! ইভিএম নিয়ে বড় সন্দেহ, বিস্ফোরক অভিযোগ তৃণমূলের

ভোট মিটতেই ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে জোরদার হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। বৃহস্পতিবার বিকেলেই ভিডিও বার্তায় ইভিএম পাহারা দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Strongroom Controversy)। তিনি কারচুপির আশঙ্কার কথাও বলেন এবং স্ট্রংরুমে কড়া নজরদারির নির্দেশ দেন। সেই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বৃষ্টির মধ্যে ভবানীপুরের শেখাওয়াত মেমোরিয়ালে স্ট্রংরুমে পৌঁছে যান তিনি।এদিকে একই সময় ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন তৃণমূলের প্রার্থী কুণাল ঘোষ, শশী পাঁজা এবং বিজয় উপাধ্যায়। তাঁদের অভিযোগ, স্ট্রংরুমের ভিতরে (Strongroom Controversy) সন্দেহজনক কাজকর্ম চলছে। লাইভ সম্প্রচারে দেখা যাচ্ছে ভিতরে নড়াচড়া হচ্ছে এবং হাতে হাতে ব্যালট ঘোরানো হচ্ছে। অথচ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ভিতরে কোনও কাজ হচ্ছে না। এতে প্রশ্ন উঠেছে, যদি পোস্টাল ব্যালটের কাজই হয়, তাহলে সেই ব্যালট এল কোথা থেকে।কুণাল ঘোষ দাবি করেন, বিকেল সাড়ে তিনটে পর্যন্ত স্ট্রংরুমের সামনে দলীয় কর্মীরা ছিলেন। পরে তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর আচমকা ইমেলের মাধ্যমে জানানো হয়, বিকেল চারটেয় স্ট্রংরুম খোলা হবে। তখন কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা যায়, তাঁরা আর সেখানে নেই (Strongroom Controversy)। খবর পেয়ে কুণাল ও শশী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন। কিন্তু সেখানে গিয়েও তাঁদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।এই ঘটনার জেরে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। ইভিএম নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ফের। ভোটের ফল ঘোষণার আগে এই পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

প্রচারের মাঝেই তৃণমূলের গান! ক্ষোভে ফেটে পড়লেন শুভেন্দু, পুলিশের দিকে তোপ

শনিবার বিকেলে ভবানীপুরে প্রচারে বেরিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পদযাত্রা করে জনসংযোগ চালাচ্ছিলেন তিনি। সেই সময় আচমকাই মাইকে বেজে ওঠে তৃণমূলের নির্বাচনী গান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন বিজেপি প্রার্থী। তাঁর অভিযোগ, অনুমতি নিয়ে করা কর্মসূচির মধ্যেই কেন অন্য দলের গান বাজানো হবে, তা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন।তিনি কালীঘাট ও ভবানীপুর থানার পুলিশের ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন। শুভেন্দুর দাবি, তাঁকে প্রচারের সময় বিভিন্ন বিধিনিষেধ মানতে বলা হয়েছে এবং তিনি তা মেনেও চলেছেন। কিন্তু সেই পরিস্থিতিতে মাইকে অন্য দলের গান বাজানোয় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার কথাও জানান।নন্দীগ্রামের পর এবার ভবানীপুর কেন্দ্রেই তাঁর লড়াই। সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছেন তিনি। শেষ দফার প্রচারে জোরকদমে প্রচার চালাচ্ছিলেন। সেই সময় এই ঘটনা ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। পরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু বলেন, তাঁকে কিছু এলাকায় প্রচারে যেতে দেওয়া হয়নি, তা তিনি মেনে নিয়েছেন। কিন্তু এভাবে অন্য দলের প্রচার চালানো তিনি মেনে নেবেন না বলেই স্পষ্ট জানান।এদিকে নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই কালীঘাট ও আলিপুর থানার ওসি বদলি করেছে। শুভেন্দুর দাবি, তাঁদের কর্মসূচির জন্য সব জায়গায় অনুমতি দেওয়া হয়নি। এতে তিনি আরও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।অন্যদিকে তৃণমূলের নেতা কুণাল ঘোষ পাল্টা কটাক্ষ করে বলেন, নির্বাচনের পর পরিস্থিতি বদলে যাবে এবং ফলাফলেই সব উত্তর মিলবে।ভোটের আগে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভবানীপুরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়ে গেল বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ২৬, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় আশঙ্কা! ৮০০ তৃণমূল কর্মী গ্রেপ্তার হতে পারেন, হাই কোর্টে ছুটল দল

ভোটের আগে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল। তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, বাংলার অন্তত আটশো কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে। এই আশঙ্কা নিয়েই কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে দল। সোমবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের বেঞ্চে মামলা দায়েরের অনুমতি মিলেছে। আগামী বুধবার এই মামলার শুনানি হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।গত বারোই এপ্রিল খণ্ডঘোষের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই নিয়ে বড়সড় আশঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন। তিনি অভিযোগ করেন, ভোট প্রক্রিয়ায় ধীর গতি আনা, গণনায় দেরি করা এবং প্রথমে ভুল ফল দেখানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তাঁর দাবি, অনেককে গ্রেপ্তার করার চেষ্টা চলছে এবং মধ্যরাত থেকে অভিযান শুরু হতে পারে। তিনি আরও বলেন, যদি কোথাও দেখানো হয় যে অন্য দল জিতছে, তাহলে তা মিথ্যে হতে পারে। মমতার অভিযোগ, বিজেপির প্রভাবেই নির্বাচন কমিশন তৃণমূলের বিরুদ্ধে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে।এরপরই আইনি পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেয় তৃণমূল। সোমবার দলের পক্ষ থেকে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে জানান, জাতীয় নির্বাচন কমিশন পুলিশের মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রায় আটশো তৃণমূল কর্মীর নাম সংগ্রহ করেছে। তাঁদের গ্রেপ্তারের আশঙ্কা রয়েছে বলেই দাবি করেন তিনি। আদালতের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের আবেদনও জানানো হয়।আদালত এই আবেদন মেনে মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছে। একই সঙ্গে দ্রুত শুনানির আর্জিও গ্রহণ করা হয়েছে। ফলে আগামী বুধবার এই গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ভোটের আগে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
কলকাতা

পনেরো ঘণ্টার তল্লাশি ঘিরে তুমুল বিতর্ক! কমিশনের দ্বারস্থ তৃণমূল

শুক্রবার দেবাশিস কুমারের বাড়ি ও নির্বাচনী কার্যালয়ে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালায় আয়কর দফতর। প্রায় পনেরো ঘণ্টা ধরে এই তল্লাশি চলে এবং সেই সময় তাঁর বাড়ির বাইরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস তীব্র আপত্তি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে।তৃণমূলের অভিযোগ, কোনও আইনি ভিত্তি ছাড়াই একজন জনপ্রতিনিধিকে এইভাবে হেনস্তা করা হয়েছে। আদর্শ আচরণবিধি চলাকালীন এই ধরনের পদক্ষেপ আইন বিরুদ্ধ বলেই দাবি করা হয়েছে চিঠিতে। কেন ভোটের আগে এত দীর্ঘ সময় ধরে একজন প্রার্থীকে বাড়ির মধ্যে আটকে রেখে তল্লাশি চালানো হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল।চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় নিজেদের সম্পত্তির সমস্ত তথ্য আগেই জানিয়ে দেন। সেই অবস্থায় হঠাৎ করে এই তল্লাশি কেন করা হল, তা স্পষ্ট নয়। তৃণমূলের দাবি, এই ধরনের পদক্ষেপ ভোটের আগে রাজনৈতিকভাবে প্রভাব ফেলতেই করা হচ্ছে।দলের এক নেতা বলেন, ভোটের আগে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের চাপে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। আগের নির্বাচনেও এমন ঘটনা দেখা গিয়েছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সংস্থার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।ভোটের আবহে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
রাজ্য

এক মঞ্চে দুই দলকে নিশানা! তৃণমূলই বিজেপির রাস্তা খুলছে—রাহুলের তীব্র আক্রমণ

রায়গঞ্জে নির্বাচনী প্রচারে এসে কড়া ভাষায় বিজেপি এবং তৃণমূল কংগ্রেসদুই দলকেই আক্রমণ করলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যদি দুর্নীতিগ্রস্ত হন, তাহলে তৃণমূলও কোনও অংশে কম নয়। সারদা চিটফান্ড থেকে শুরু করে আরজি কর কাণ্ডএকাধিক ইস্যু তুলে ধরে তিনি তৃণমূলকে নিশানা করেন।রায়গঞ্জ কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী মোহিত সেনগুপ্তর সমর্থনে সভা করতে এসে রাহুল বলেন, তৃণমূলই আসলে বাংলায় বিজেপির প্রবেশের পথ তৈরি করে দিচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, তৃণমূল যদি সঠিকভাবে কাজ করত, তাহলে বিজেপি এই রাজ্যে শক্তি বাড়াতে পারত না।সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রথমেই তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আক্রমণ করেন। রাহুলের দাবি, মোদী তাঁর চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারেন না। একই সঙ্গে তিনি বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসও বাংলার মানুষের জন্য কাজ করছে না। তাঁর অভিযোগ, মোদী যেমন দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত, তেমনই তৃণমূলও নানা দুর্নীতিতে জড়িত। সারদা চিটফান্ডের প্রসঙ্গও তিনি তুলে ধরেন।শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি, কয়লা কেলেঙ্কারি-সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে আক্রমণ করে রাহুল বলেন, রাজ্যে হিংসার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তৃণমূল পাঁচ লক্ষ চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কিন্তু বাস্তবে তা পূরণ হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, প্রায় চুরাশি লক্ষ মানুষ বেকার ভাতার জন্য আবেদন করেছেন।রাহুল আরও বলেন, এক সময় বাংলা শিল্পের জন্য পরিচিত ছিল। কিন্তু সিপিএমের পর তৃণমূল ক্ষমতায় এসে শিল্প পুরোপুরি নষ্ট করে দিয়েছে। আরজি কর ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাও তিনি উল্লেখ করেন তাঁর বক্তব্যে। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল যা খুশি তাই করছে এবং বিরোধীদের উপর হামলা চালাচ্ছে। কংগ্রেস কর্মী তপন কুণ্ডুকে খুন করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।শেষে রাহুল বলেন, কংগ্রেস হিংসার বিরুদ্ধে এবং সত্য ও অহিংসার পথেই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়।

এপ্রিল ১৪, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রামে তুমুল সংঘাত! শুভেন্দুকে ‘মাস্টারমাইন্ড’ বলে তোপ দাগলেন পবিত্র কর

ভোটের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি। সেই আবহে নন্দীগ্রাম আবারও রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। এবার বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন তাঁরই একসময়ের সতীর্থ এবং বর্তমানে তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র কর।ঘটনার সূত্রপাত একটি এফআইআরকে কেন্দ্র করে। নন্দীগ্রাম থানায় বিজেপির এক বুথ সভাপতির পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, পবিত্র কর তাঁর অনুগামীদের নিয়ে ওই বিজেপি কর্মীর উপর হামলা চালিয়েছেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই পবিত্র করের বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর দায়ের হয়।এই ঘটনার পরই শুভেন্দু অধিকারীকে সরাসরি আক্রমণ করেন পবিত্র কর। তিনি দাবি করেন, নন্দীগ্রামে যত মামলা রয়েছে, তার সবকিছুর পেছনেই শুভেন্দু অধিকারীর ভূমিকা রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, সাধারণ মানুষকে ভয় দেখাতে এবং চাপে রাখতে এই সব মামলা করা হচ্ছে।পবিত্র কর কটাক্ষ করে বলেন, শুভেন্দু চাইলে সব কিছুই সম্ভব। তাঁর কথায়, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মামলা করানোই যেন এক বিশেষ দক্ষতা। তিনি আরও বলেন, সব কিছু জেনেই তিনি শুভেন্দুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছেন।উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে নন্দীগ্রাম আবারও অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। ভবানীপুরের মতোই এই কেন্দ্রকে ঘিরে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তেজনা। তৃণমূল এবং বিজেপি দুই দলই জোরকদমে প্রচার চালাচ্ছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংযোগ চলছে।এদিকে নিজের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর খারিজের দাবিতে ইতিমধ্যেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন পবিত্র কর। ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই নন্দীগ্রামে রাজনৈতিক লড়াই তীব্র হচ্ছে। গুরু-শিষ্যের এই দ্বন্দ্ব এখন রাজ্য রাজনীতির অন্যতম বড় আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ১১, ২০২৬
রাজ্য

বাঁকুড়ায় ভয়াবহ হামলা! প্রকাশ্য রাস্তায় সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত, তোলপাড় রাজনীতি

বাঁকুড়ার স্কুলডাঙ্গা এলাকায় এক ভয়াবহ হামলার ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। অভিযোগ, সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতা অরিন্দম মণ্ডলের উপর প্রায় ৪০ জন দুষ্কৃতী লাঠি ও হকি স্টিক নিয়ে নৃশংস হামলা চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে।শুক্রবার শহরের স্কুলডাঙ্গা এলাকায় এবিটিএ-র হলঘরে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের একটি বৈঠক ছিল। বৈঠক শেষ হওয়ার পর মঞ্চের নেতা ভাস্কর ঘোষ ও আরও কয়েকজন স্থানীয় মাজারের কাছে বসে ছিলেন। সেই সময় আচমকাই একদল দুষ্কৃতী সেখানে এসে হামলা চালায় বলে অভিযোগ।অভিযোগ উঠেছে, তৃণমূলের ছাত্র নেতা সুরজ বক্সের নেতৃত্বে এই হামলা হয়। হামলাকারীরা লাঠি, বাঁশ এবং হকি স্টিক দিয়ে অরিন্দম মণ্ডলকে বেধড়ক মারধর করে। তাঁর মাথা ও মুখ লক্ষ্য করে আঘাত করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে। ঘটনাস্থলেই তিনি গুরুতর জখম হন।সহকর্মীরাই দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তাঁর চিকিৎসা চলছে। এই ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।ভাস্কর ঘোষের অভিযোগ, এটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হামলা। তাঁর দাবি, হামলাকারীদের হাতে তৃণমূলের পতাকা বাঁধা লাঠিও ছিল। তাঁদের লক্ষ্য ছিল অরিন্দমকে প্রাণে মেরে ফেলা। এমনকি তাঁকেও আক্রমণের লক্ষ্য করা হয়েছিল বলে তিনি জানান।যদিও এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে শাসকদল। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ১১, ২০২৬
কলকাতা

নাম বাদ নিয়ে তোলপাড়, হঠাৎ ধর্না স্থগিত! কী বলল নির্বাচন কমিশন?

এসআইআর প্রক্রিয়ায় বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম বাদ যাওয়াকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে ধর্নায় বসার পরিকল্পনা করেছিল তৃণমূল। তবে শেষ মুহূর্তে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে দেখা করার সময় পাওয়ায় আপাতত সেই কর্মসূচি স্থগিত রাখা হয়েছে।তৃণমূলের পক্ষ থেকে গতকাল দুপুরের পর নির্বাচন কমিশনের কাছে সময় চাওয়া হয়েছিল। প্রথমে কোনও উত্তর না মেলায় দলের তরফে ধর্নায় বসার প্রস্তুতি নেওয়া হয়। রাজ্যসভার সাংসদ মেনকা গুরুস্বামী এবং প্রাক্তন সাংসদ সাকেত গোখেল এই কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরে কমিশনের তরফে জানানো হয়, পরের দিন সকাল দশটায় দেখা করার সময় দেওয়া হয়েছে। এর পরেই ধর্নার পরিকল্পনা আপাতত বন্ধ রাখা হয়।জানা গিয়েছে, চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে তৃণমূল নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে যাবে। সেখানে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হবে।এদিকে এসআইআর প্রক্রিয়ার পরিসংখ্যান সামনে আসতেই বিতর্ক আরও বেড়েছে। হিসেব অনুযায়ী, বিচারাধীন প্রায় ৫০ লক্ষ নামের মধ্যে ২৭ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে। এর আগে প্রায় ৬৩ লক্ষ নাম বাদ পড়েছিল। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৯০ লক্ষ ৮৩ হাজার ৩৪৫ জনের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে।জেলা ভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি নাম বাদ পড়েছে মুর্শিদাবাদে। সেখানে বিচারাধীন ভোটারের সংখ্যা ছিল প্রায় ১১ লক্ষের বেশি। ২০২৫ সালের ভোটার তালিকায় মোট ভোটার ছিল ৫৭ লক্ষের বেশি। নতুন খসড়া তালিকায় সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫৪ লক্ষ ৮৫ হাজারে। অর্থাৎ শুধু এই জেলা থেকেই প্রায় ৪ লক্ষ ৫৫ হাজার নাম বাদ গিয়েছে।সব মিলিয়ে এই ইস্যুতে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। তৃণমূলের দাবি, বৈধ ভোটারদের নাম অন্যায়ভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে শাসক দল।

এপ্রিল ০৭, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় তৃণমূল-বিজেপিকে একসঙ্গে নিশানা কংগ্রেসের! ‘একই মুদ্রার দুই পিঠ’ মন্তব্যে তোলপাড় রাজনীতি

বাংলার নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়িয়ে তৃণমূল ও বিজেপিকে একসঙ্গে আক্রমণ করল কংগ্রেস। ইন্ডিয়া জোটের শরিক হওয়া সত্ত্বেও বাংলায় এসে তৃণমূলের বিরুদ্ধে কড়া সুর শোনা গেল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের মুখে।দলীয় ইস্তেহার প্রকাশ করে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে বলেন, বাংলায় তারা নতুন বিকল্প দিতে চায়। তাঁর কথায়, কংগ্রেস শুধু অর্থ বিলির প্রতিশ্রুতি দেয় না, বরং রাজ্যের পুনর্গঠন ও সংস্কারের কথা বলে। দীর্ঘদিন পর রাজ্যে একা লড়াই করছে কংগ্রেস, তাই এই নির্বাচনকে নতুন সুযোগ হিসেবে তুলে ধরছে দল।খাড়গে অভিযোগ করেন, তৃণমূলের শাসনে এত বছরেও রাজ্যে শিল্প ও কর্মসংস্থানের উন্নতি হয়নি। অন্যদিকে বিজেপি এই বিষয়গুলি নিয়ে কথা না বলে শুধুই বিভাজনের রাজনীতি করে। তিনি দাবি করেন, কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে এক বছরের মধ্যে শূন্যপদ পূরণ করা হবে।রাজ্যের বেকারত্ব প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, আগে শিল্পের জন্য কলকাতার নাম শোনা যেত, এখন এখানকার যুবকদের অন্য রাজ্যে যেতে হচ্ছে কাজের খোঁজে। তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকারের কোনও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেই। একইসঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক রাজনীতির অভিযোগও তোলেন তিনি।দুর্নীতির বিষয়েও সরব হন খাড়গে। তিনি বলেন, রাজ্যে একাধিক দুর্নীতির ঘটনা সামনে এসেছে, এমনকি এক মন্ত্রীর বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধার হয়েছে। তাঁর মতে, বাংলায় আইনের শাসন ফিরিয়ে আনা জরুরি।এদিন কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ আরও একধাপ এগিয়ে বলেন, তৃণমূল ও বিজেপি আসলে একই মুদ্রার দুই পিঠ। তাই নতুন পথ দেখাতে কংগ্রেসই একমাত্র বিকল্প। যদিও ইন্ডিয়া জোট নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই তিনি জানান, জাতীয় স্তরে জোট থাকলেও রাজ্যভেদে লড়াইয়ের কৌশল আলাদা হতে পারে।সব মিলিয়ে বাংলার নির্বাচনের আগে কংগ্রেসের এই অবস্থান নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি করবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ০৭, ২০২৬
রাজ্য

মালদায় মমতার তোপ! ‘কংগ্রেসকে ভোট দিয়ে লাভ কী?’—এক মঞ্চে সিপিএম-বিজেপিকেও আক্রমণ

সাম্প্রতিক সময়ে মালদা ও মুর্শিদাবাদ জেলায় কংগ্রেস বড় সাফল্য না পেলেও, রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করে এই দুই জেলায় এখনও তাদের কিছুটা প্রভাব রয়েছে। সেই ধারণা কতটা ঠিক, তা আগামী চার মে ভোটের ফল প্রকাশ হলেই স্পষ্ট হবে। তবে তার আগে এই দুই জেলায় ভাল ফল করার জন্য তৃণমূল, বিজেপি ও বামেরা সহ প্রায় সব দলই মরিয়া হয়ে উঠেছে।এই পরিস্থিতিতে মালদার মালতিপুরের সামসি কলেজ মাঠে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে জনসভা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সভা থেকেই তিনি কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। পাশাপাশি সিপিএম ও বিজেপিকেও নিশানা করেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কংগ্রেসকে এখানে জিতিয়ে কোনও লাভ নেই। একটি আসন পেয়ে তারা সরকার গঠন করতে পারবে না, তাহলে মানুষ কেন তাদের ভোট দেবেএই প্রশ্ন তোলেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, সিপিএমকে ভোট দিলেও কোনও লাভ হবে না, কারণ তারা শেষ পর্যন্ত বিজেপির সঙ্গেই যাবে।এছাড়াও তিনি অন্য একটি দলকে ইঙ্গিত করে বলেন, বাইরে থেকে এসে যারা ভোট চাইছে, তারা শুধু ভোটের সময় আসে এবং পরে চলে যায়। তাদের ভোট দিয়ে কোনও লাভ হবে না বলেও দাবি করেন তিনি।উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুতেই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেন মৌসম বেনজির নুর। গনি খান চৌধুরীর পরিবারের সদস্য মৌসম নুরকে মালদার মালতিপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেছে কংগ্রেস। এই বিষয়টিও রাজনৈতিক মহলে বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুরে ভোটের আগে বড় বিস্ফোরণ! শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে অভিযোগ তৃণমূলের

ভোটের আবহে রাজ্যজুড়ে উত্তেজনা বাড়ছে। বিশেষ নজর রয়েছে ভবানীপুর কেন্দ্রে (TMC)। এই পরিস্থিতিতে ওই কেন্দ্রের প্রার্থী এবং বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছে তৃণমূল। তাঁদের অভিযোগ, শুভেন্দু ভোটারদের উপর হামলার উস্কানি দিচ্ছেন (TMC)।গত মঙ্গলবার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান একদল বিএলও। পরে সেখানে অন্য পক্ষের সমর্থকরাও জড়ো হন (TMC)। দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে এবং সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। একাধিক বাইক ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী নামাতে হয়।এই ঘটনার পর সাংবাদিকদের সামনে শুভেন্দু অধিকারী মন্তব্য করেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। তাঁর বক্তব্যে বলা হয়, কঠোর ব্যবস্থা নিলে পরিস্থিতি ঠিক হয়ে যাবে। এই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক (TMC)।এছাড়া তিনি কলকাতা পুলিশের ভূমিকাও নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বলেন, পুলিশ এখনও পরিস্থিতি ঠিকভাবে সামাল দিতে পারছে না। নির্বাচন কমিশনের কাছেও তিনি বিষয়টি জানাবেন বলে জানান।উল্লেখ্য, ভোট ঘোষণার পর কলকাতা পুলিশের কমিশনার পদে পরিবর্তন আনে নির্বাচন কমিশন। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকের কাজ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, তিনি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছেন না।এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেছে তৃণমূল। তাদের দাবি, এই ধরনের বক্তব্য ভোটের পরিবেশকে অশান্ত করতে পারে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে ভোটারদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।তৃণমূলের তরফে কমিশনের কাছে আবেদন করা হয়েছে, শুভেন্দুকে শোকজ করা হোক এবং তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এমনকি তাঁর মনোনয়ন বাতিলের দাবিও তোলা হয়েছে।উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার ভবানীপুর কেন্দ্রে নিজের মনোনয়ন জমা দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

সিইও দফতরে তাণ্ডব! ফর্ম ৬ ঘিরে মুখোমুখি তৃণমূল-বিজেপি, হাতাহাতি চরমে

ভোটের মুখে ফর্ম ৬ নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল সিইও দফতর চত্বরে। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অশান্তিতে উসকানির অভিযোগ জানাতে সেখানে গিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বেরিয়ে আসার কিছুক্ষণ পরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।অভিযোগ, ফর্ম ৬ জমা দেওয়ার মাধ্যমে বিহার ও উত্তরপ্রদেশের ভোটারদের নাম বাংলার ভোটার তালিকায় তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই অভিযোগ ঘিরেই বিক্ষোভে নামেন তৃণমূলপন্থী বিএলওরা। ঘটনাস্থলে জড়ো হন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরাও। এরপরই দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়ে তা দ্রুত ধস্তাধস্তিতে পৌঁছয়।পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলে তাঁদের সঙ্গেও ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন বিক্ষোভকারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়।সূত্রের খবর, শুভেন্দু অধিকারী সিইও দফতর ছেড়ে বেরোনোর পর কয়েকজন যুবক ব্যাগভর্তি ফর্ম ৬ জমা দেন। এই ঘটনাকে ঘিরেই উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়।এর আগে সোমবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, ভোটার তালিকায় কারচুপি হচ্ছে। তাঁর দাবি, বাইরের রাজ্যের ভোটারদের নাম বাংলার তালিকায় ঢোকানো হচ্ছে।মঙ্গলবারও সেই অভিযোগ সামনে এনে সোশাল মাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করেছে তৃণমূল। সেখানে দাবি করা হয়েছে, প্রথমে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে, তারপর অন্যদের নাম তোলা হচ্ছে, যারা নির্দিষ্ট একটি দলের হয়ে ভোট দেবে।এই ঘটনার পর ভোটের আগে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মার্চ ৩১, ২০২৬
রাজ্য

পুনর্নির্বাচন ঘিরে তীব্র অভিযোগ, “আমাদের এলাকাতেই টার্গেট”— মমতার দাবি

পুরুলিয়ার সভা থেকে আবারও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, যেখানে তৃণমূল শক্তিশালী, সেখানেই পরিকল্পিতভাবে পুনর্নির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।সভামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মা-বোনেরা নির্বাচনের দিন ভাল করে বুথ পাহারা দেবেন। ওদের পরিকল্পনা আমাদের এলাকাগুলোতে পুনর্নির্বাচন করানো। অনেক চক্রান্ত হচ্ছে, এটা দিল্লির চক্রান্ত। এই চক্রান্ত আমরা ব্যর্থ করে দেব। তিনি আরও বলেন, মনে রাখবেন, সুস্থ বাঘের থেকে আহত বাঘ আরও ভয়ঙ্কর।মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, তাঁর কাছ থেকে প্রশাসনিক অনেক ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তবে তিনি মানুষের শক্তির ওপরই ভরসা রাখছেন। তাঁর কথায়, আমি মানুষের ক্ষমতা চাই। মানুষই এর জবাব দেবে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন এ বার অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে কড়া অবস্থান নিয়েছে। কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, কোথাও ভয় দেখানো হলে বা ভোট দিতে বাধা দেওয়া হলে তা গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজন হলে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।কমিশনের এক পর্যবেক্ষক জানান, যদি কোনও ভোটার নিজের বুথে গিয়ে ভোট দিতে না পারেন বা বাধার মুখে পড়েন, তবে সেটিকে গুরুতর সমস্যা হিসেবে ধরা হবে। সেই ক্ষেত্রে পরিস্থিতি বিবেচনা করে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকও জানিয়েছেন, আগে পুনর্নির্বাচন ছিল ব্যতিক্রমী ঘটনা। কিন্তু এখন কোনও সন্দেহ বা অভিযোগ উঠলেই তা খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরাও পুনর্নির্বাচনের সুপারিশ করতে পারবেন।এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য এবং কমিশনের কড়া অবস্থান দুই মিলিয়ে রাজ্যের নির্বাচনী আবহ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেক আসার আগেই সভায় হাঙ্গামা, তৃণমূলের অন্দরেই সংঘাত প্রকাশ্যে

নওদায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাকে ঘিরে আচমকা চরম বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতি তৈরি হল। সভামঞ্চের সামনেই তৃণমূল কর্মীদের একাংশ বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। একে অপরের দিকে চেয়ার ছুড়ে মারার ঘটনাও দেখা যায়। ফলে সভাস্থলের একটি বড় অংশ লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়।চোখে পড়ে, এক যুবক মঞ্চের সামনে এসে বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তাঁর পরনে ছিল সাদা রঙের টি-শার্ট। মূলত বিধানসভা নির্বাচনে পছন্দের নেতাকে টিকিট না দেওয়ার অভিযোগেই এই বিক্ষোভ শুরু হয়।জানা গিয়েছে, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি শফিউজ্জামান শেখ টিকিট না পাওয়ায় তাঁর অনুগামীরাই এই বিক্ষোভে সামিল হন। তাঁরা মিছিল করে সভামঞ্চের সামনে চলে আসেন। প্রথমে তাঁরা দর্শক আসনের বাইরে ছিলেন। পরে ব্লক সভাপতি ভিতরে ঢোকার পর হঠাৎ করেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য মঞ্চ থেকে দলের নেতারা বারবার কর্মীদের শান্ত থাকার আবেদন জানান। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কিছুক্ষণের মধ্যেই সভায় উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই ভাঙা চেয়ার গুছিয়ে নেওয়ার কথাও বলা হয়। কিন্তু সেই কথা অনেকেই উপেক্ষা করে বিক্ষোভ চালিয়ে যান। আগে থেকে বসে থাকা অনেককে সেখান থেকে উঠে যেতে বাধ্য করা হয়।এই ঘটনার জেরে সভাস্থলে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। সূত্রের খবর, নওদা কেন্দ্রে এ বার টিকিট পেয়েছেন শাহিনা মমতাজ। সেই কারণেই ব্লক সভাপতির অনুগামীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।এই ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

সভা শেষে হঠাৎ আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা অভিষেকের

শনিবার বীরভূমের লাভপুরে তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা শেষে হঠাৎ মঞ্চের একাংশে আগুন লাগে। এই ঘটনায় সভাস্থলে উপস্থিত মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে দ্রুত দমকল কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।জানা গিয়েছে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বক্তব্য শেষ করে মঞ্চ থেকে নেমে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই এই আগুন লাগে। তিনি তখন হেলিপ্যাডের দিকে যাচ্ছিলেন। ফলে তিনি সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছেন বলে জানা গেছে।এদিন সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি কেন্দ্র সরকারকে একাধিক বিষয়ে আক্রমণ করেন। রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভেদ তৈরির অভিযোগ তোলেন তিনি। পাশাপাশি রাজ্য সরকারের উন্নয়নের কথাও তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যতের পরিকল্পনার কথাও জানান।সভা শেষ হওয়ার পর হঠাৎ মঞ্চের উপরের অংশ থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই কাপড়ে আগুন ধরে যায়। সেখানে উপস্থিত দমকল কর্মীরা দ্রুত মঞ্চে উঠে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। নিরাপত্তার জন্য এলাকাটি ফাঁকা করে দেওয়া হয় এবং সাধারণ মানুষকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে দেওয়া হয়।কিছু সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে কীভাবে আগুন লাগল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে দমকল ও পুলিশ।এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরও একটি সভা করার কথা ছিল। কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে সেখানে যাওয়া সম্ভব হয়নি। পরে তিনি কলকাতায় ফিরে ভারচুয়াল মাধ্যমে প্রচার করবেন বলে জানা গেছে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
রাজ্য

‘বিজেমূল’ বিতর্কে নতুন মোড়, মমতাকে কড়া আক্রমণ আরাবুল ইসলামের

তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পর ক্যানিং পূর্বের আইএসএফ প্রার্থী আরাবুল ইসলাম মুখ খুলে তীব্র আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। তিনি দাবি করেন, তৃণমূল এবং বিজেপি একসঙ্গে কাজ করছে এবং মুসলমানদের জন্য কোনও বাস্তব কাজ করা হয়নি।আরাবুল ইসলামের অভিযোগ, মুসলিম সমাজকে শুধু ব্যবহার করা হয়েছে। তাঁর মতে, এবারের নির্বাচনে ক্যানিং পূর্বের মুসলিম ভোটারদের বড় অংশ তৃণমূলকে সমর্থন করবে না। তিনি বলেন, এলাকায় যে সন্ত্রাস হয়েছে, তার জেরে মানুষ ক্ষুব্ধ এবং তার ফল ভোটে দেখা যাবে।তিনি আরও অভিযোগ করেন, ওয়াকফ সম্পত্তি বা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও রাজ্য সরকার সঠিকভাবে কাজ করেনি। তাঁর দাবি, এই সব বিষয়ে তৃণমূল বিজেপির সঙ্গে মিলেই কাজ করছে।আরাবুল বলেন, সাধারণ মানুষ এখন সব বুঝতে পারছেন এবং সেই কারণে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাদের আস্থা কমছে। তিনি আরও বলেন, রাজ্যসভায় মুসলিম প্রতিনিধিত্ব নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে এবং এই বিষয়টি নিয়েও অসন্তোষ বাড়ছে।শিক্ষা ও চাকরির বিষয়েও তিনি সরব হন। তাঁর দাবি, রাজ্যে মুসলিম ছাত্রছাত্রীরা ভালো ফল করলেও চাকরির ক্ষেত্রে তারা সুযোগ পাচ্ছেন না। তাঁর মতে, সরকারের নীতি সাধারণ মানুষের জন্য নয়।এই মন্তব্যের পর ক্যানিং পূর্বে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
দেশ

অসমে একলা লড়াই! মমতার বড় বাজি, কত আসনে প্রার্থী দিল তৃণমূল?

পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি অসমের বিধানসভা নির্বাচনেও লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে এবার একলা চলো নীতি নিয়েই ভোটে নামছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। শুরুতে বেশি আসনে লড়ার কথা ভাবা হলেও শেষ পর্যন্ত ২২টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল। ইতিমধ্যেই দলের তরফে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।তৃণমূল আগেই জানিয়ে দিয়েছিল, অসমে তারা কোনও বিরোধী জোটে থাকবে না। একক শক্তিতে লড়াই করেই রাজ্যে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করতে চায় দল। সেই লক্ষ্যে এগিয়েই প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়েছে। দুই দফায় মোট ২২টি আসনে প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। বরাক উপত্যকায় ৫টি আসনে এবং ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় ১৭টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে তৃণমূল। দলের দাবি, সব ধরনের মানুষের প্রতিনিধিত্ব বজায় রেখেই প্রার্থী নির্বাচন করা হয়েছে।অসমে তৃণমূলের অন্যতম পরিচিত মুখ দুলু আহমেদ চামারিয়া কেন্দ্র থেকে লড়বেন। এছাড়া কোকরাঝাড়, বিলাসিপাড়া, অভয়পুরী, বাজলী, গোরেশ্বর, মঙ্গলদাই, কাটিগড়া এবং সোনাই কেন্দ্রেও প্রার্থী দিয়েছে তৃণমূল। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে দলবদল করে আসা নেতাদের এড়িয়ে স্থানীয় ও বিদ্রোহী নেতাদের গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে কোনও সমস্যা না হয়।তৃণমূলের অভিযোগ, অসমে দীর্ঘদিন ধরে কংগ্রেস ও বিজেপির রাজনীতির মধ্যে সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত। সেই পরিস্থিতিতে নিজেদের বিকল্প শক্তি হিসেবে তুলে ধরতে চাইছে দল। দলের নেত্রী সুস্মিতা দেব জানিয়েছেন, ফল যাই হোক, লক্ষ্য স্থির রেখেই ভোটে লড়াই করবে তৃণমূল এবং বিরোধী হিসেবে শক্ত অবস্থান গড়ার বিষয়ে তারা আত্মবিশ্বাসী।উল্লেখ্য, এ বছর মোট পাঁচটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। অসমে ভোট হবে ৯ এপ্রিল, এক দফাতেই। রাজ্যে মোট ১২৬টি আসন রয়েছে। তার মধ্যে ২২টি আসনে লড়ছে তৃণমূল কংগ্রেস। অন্যদিকে, কংগ্রেস ইতিমধ্যেই ৯৬টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। বিজেপিও প্রথম দফায় ৮৮টি আসনে প্রার্থীর নাম প্রকাশ করেছে। ভোটের ফল ঘোষণা হবে ৪ মে।

মার্চ ২৬, ২০২৬
রাজ্য

বিদায়ী বিধায়কের অনুপস্থিতি ঘিরে বিতর্ক! তৃণমূলের অন্দরে কী চলছে জানলে চমকে যাবেন

ভোটের আগে রাজ্যের শাসকদলের অন্দরে অস্বস্তি আরও বাড়ছে। প্রার্থী ঘোষণা হয়ে যাওয়ার পরেও রাজগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে ফের প্রকাশ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব সামনে এসেছে। এই বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলতে না চাইলেও পরিস্থিতি যে স্বাভাবিক নয়, তা স্পষ্ট।তৃণমূল নেতা কৃষ্ণ দাস এবং বিদায়ী বিধায়ক খগেশ্বর রায়ের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই ভালো নয় বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। এবারের নির্বাচনে খগেশ্বর রায় টিকিট না পাওয়ার পর সেই দ্বন্দ্ব আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তিনি সরাসরি কারও নাম না করলেও ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করে জেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করেন। তাঁর অনুগামীরাও বিভিন্ন পদ থেকে সরে দাঁড়ান। সেই সময় ক্ষোভের সুরে তিনি বলেন, তিনি টাকার কাছে হেরে গিয়েছেন, যা নিয়ে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়।পরবর্তীতে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়েছে বলে তিনি নিজেই জানান। এরপর অনুগামীদের নিয়ে এলাকায় মিছিলও করেন। তবে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয় শনিবারের এক কর্মী সভাকে ঘিরে। শিকারপুর এলাকায় এই সভার আয়োজন করা হয়েছিল, কিন্তু সেখানে খগেশ্বর রায় বা তাঁর অনুগামীরা কেউই উপস্থিত ছিলেন না। এই অনুপস্থিতি ঘিরেই জল্পনা আরও বাড়ে।সভায় উপস্থিত ছিলেন কৃষ্ণ দাস। তিনি জানান, এই সভা মূলত প্রার্থী স্বপ্না বর্মনের সমর্থনে ডাকা হয়েছিল এবং সেখানে যথেষ্ট কর্মী উপস্থিত ছিলেন। খগেশ্বর রায়ের অনুপস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর কর্মসূচি নিয়ে ব্যস্ত থাকার কারণেই তিনি হয়তো আসতে পারেননি। একইভাবে অন্য এক নেতার অনুপস্থিতির ক্ষেত্রেও কাজের ব্যস্ততাকেই কারণ হিসেবে তুলে ধরেন।অন্যদিকে, এই বিষয়টি নিয়ে বিজেপি কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। তাদের দাবি, দুই নেতার মধ্যে দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব কখনও মিটবে না। এই পরিস্থিতিতে শাসকদলের একাংশ ভোটে সক্রিয় না থাকলে তার সুবিধা বিরোধীরাই পাবে বলে মত তাদের।সব মিলিয়ে ভোটের আগে রাজগঞ্জে রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে এবং আগামী দিনে এই ইস্যু আরও বড় আকার নিতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২২, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 39
  • 40
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

বিদেশি বাজির বাজারে চমক! বিজেপি এগিয়ে, তবু টাকার স্রোত তৃণমূলের দিকে কেন?

ভোটের উত্তাপে ফুটছে বাংলা। রাজনৈতিক লড়াই এখন শুধু রাজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও তা নিয়ে চলছে আলোচনা ও হিসেবনিকেশ। নির্বাচনের ফলাফল কী হতে পারে, তা নিয়ে অনলাইনে শুরু হয়েছে বিভিন্ন পূর্বাভাস। সেই সঙ্গে বেড়েছে বাজির অঙ্কও। লক্ষ লক্ষ টাকার বাজি ধরা হচ্ছে, যা নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন অনেকে।সূত্রের খবর, আমেরিকার একটি জনপ্রিয় পূর্বাভাসভিত্তিক প্ল্যাটফর্মে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত প্রায় আটচল্লিশ লক্ষ ডলারের বাজি ধরা হয়েছে, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় চল্লিশ কোটি টাকার কাছাকাছি। সেই বাজারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জয়ের দৌড়ে সামান্য এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। সেখানে বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা ধরা হয়েছে প্রায় ছাপ্পান্ন শতাংশ। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সম্ভাবনা রয়েছে প্রায় তেতাল্লিশ শতাংশ। বাম ও কংগ্রেস বা অন্যান্য দলগুলির সম্ভাবনা এক শতাংশেরও কম।তবে এই ছবিটা শুরু থেকে এমন ছিল না। এপ্রিলের গোড়ার দিকে ওই প্ল্যাটফর্মে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে ছিল। তখন তাদের সম্ভাবনা ছিল প্রায় পঁচাত্তর থেকে আশি শতাংশ। প্রথম দফার ভোটের পর ছবিটা বদলাতে শুরু করে এবং বিজেপি এগিয়ে যায়। এরপর আবার একসময় তৃণমূলের পক্ষে বিপুল অঙ্কের টাকা জমা পড়ে। কিন্তু দ্বিতীয় দফার ভোটের পর আবার বিজেপি এগিয়ে যায়।তবে সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, শতাংশের হিসাবে বিজেপি এগিয়ে থাকলেও মোট লেনদেনের পরিমাণে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে। তৃণমূলের পক্ষে লেনদেন হয়েছে প্রায় আঠারো লক্ষ ডলার, আর বিজেপির ক্ষেত্রে তা প্রায় এগারো লক্ষ ডলার। বিশ্লেষকদের মতে, অনেকেই হয়তো তৃণমূলের হার নিয়ে বাজি ধরছেন, অথবা বড় বিনিয়োগকারীরা একসঙ্গে বিপুল টাকা বিজেপির জয়ের উপর লগ্নি করছেন, যার ফলে শতাংশের হিসেব বদলে যাচ্ছে।অন্যদিকে দেশের বাজির বাজার আবার অন্য ছবি দেখাচ্ছে। দিল্লির বাজির বাজারের হিসেব অনুযায়ী তৃণমূল কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। তাদের মতে, তৃণমূল পেতে পারে একশো ছেচল্লিশ থেকে একশো ঊনপঞ্চাশটি আসন, আর বিজেপি পেতে পারে একশো চল্লিশ থেকে একশো তেতাল্লিশটি আসন।এদিকে এ বারের নির্বাচনে ভোটদানের হারও রেকর্ড ছুঁয়েছে। প্রথম দফায় ভোট পড়েছে প্রায় তিরানব্বই শতাংশের বেশি। দ্বিতীয় দফায় তা ছিল একানব্বই দশমিক একচল্লিশ শতাংশ। যা দেশের নির্বাচনী ইতিহাসে বিরল ঘটনা। এখন সবার নজর ফলাফলের দিকে।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

ভোরের আগুনে ৯ জনের মৃত্যু, ক্ষতিপূরণ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর! দিল্লিতে শোকের ছায়া

দিল্লির শাহদরা এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রবিবার ভোরে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। মৃতদের পরিবার ও আহতদের জন্য আর্থিক সহায়তার কথাও ঘোষণা করেছেন তিনি।প্রধানমন্ত্রীর দফতরের পক্ষ থেকে একটি বার্তায় জানানো হয়েছে, এই দুর্ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। যাঁরা তাঁদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি আহতদের দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার কামনাও করা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে মৃতদের প্রত্যেক পরিবারের হাতে দুই লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে। আহতদের দেওয়া হবে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে।রবিবার ভোররাতে এই আগুন লাগে, যার ফলে এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভোর প্রায় তিনটে সাতচল্লিশ মিনিট নাগাদ দমকলের কাছে আগুন লাগার খবর পৌঁছয়। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ, দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় এবং উদ্ধারকাজ শুরু করে।আগুন লাগার সময় বহু মানুষ ঘরের ভিতরে আটকে পড়েছিলেন। দমকল কর্মীরা দ্রুত উদ্ধারকাজ চালিয়ে প্রায় দশ থেকে পনেরো জনকে বের করে আনেন। তাঁদের মধ্যে অন্তত দুজন সামান্য আহত হন এবং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।আগুন নেভানোর কাজে নামানো হয় দমকলের বারোটি ইঞ্জিন। দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও উপরের তলাগুলিতে এখনও ধোঁয়া রয়েছে। তাই সেখানে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, কীভাবে আগুন লাগল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মে ০৩, ২০২৬
রাজ্য

সিসি ক্যামেরা কেন বন্ধ? স্ট্রংরুম ঘিরে তৃণমূলের অভিযোগে উত্তাল রাজনীতি

পূর্ব বর্ধমানে স্ট্রংরুমের সিসি ক্যামেরা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এবার এই অভিযোগ তুলেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। জেলার আউশগ্রাম, ভাতাড়, গলসি, বর্ধমান উত্তর এবং বর্ধমান দক্ষিণএই পাঁচটি বিধানসভার স্ট্রংরুম রাখা হয়েছে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলাপবাগ ক্যাম্পাসের একটি ভবনে।রবিবার সকালে আউশগ্রাম বিধানসভার স্ট্রংরুমের সিসি ক্যামেরা প্রায় এক ঘণ্টা পনেরো মিনিট বন্ধ ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূলের দাবি, সকাল নয়টা চব্বিশ মিনিট থেকে দশটা সাঁইত্রিশ মিনিট পর্যন্ত ক্যামেরা কাজ করেনি। এই ঘটনা সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি স্বরাজ ঘোষ জানান, সকাল থেকেই তারা নজর রাখছিলেন। হঠাৎ করেই দেখা যায় ক্যামেরা বন্ধ হয়ে গেছে। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি নির্বাচন কমিশন ও জেলা প্রশাসনকে জানানো হয়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা মেলেনি বলে দাবি তাঁর।একই অভিযোগ করেছেন জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সহ সভাপতি সেখ আবজল রহমান। তিনি জানান, ওই সময়ের ভিডিও ফুটেজ দেখতে চাওয়া হলেও এখনও তা দেখানো হয়নি। ফলে এই ঘটনার রহস্য আরও বাড়ছে বলে মনে করছেন তিনি।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। যদিও প্রশাসন বা নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে পুরো বিষয়টি নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

মে ০৩, ২০২৬
কলকাতা

গণনার আগেই তৎপর মমতা! ভবানীপুর নিয়ে শেষ মুহূর্তের গোপন বৈঠকে কী বার্তা?

ভোট গণনার ঠিক একদিন আগে তৎপর হয়ে উঠলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছটা নাগাদ কালীঘাটের বাড়ি থেকে শেষ মুহূর্তের বৈঠক করবেন তিনি। বিশেষ নজরে রয়েছে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র, যেখান থেকে নিজেই প্রার্থী হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।সূত্রের খবর, ভবানীপুরের ভোট গণনা কীভাবে হবে, সেই সমস্ত খুঁটিনাটি বিষয় নিয়েই এই বৈঠকে আলোচনা হবে। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন ওই কেন্দ্রের আটজন কাউন্সিলর, বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি এবং প্রধান নির্বাচন এজেন্টরা। পাশাপাশি দলের আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতাও থাকতে পারেন। অন্য কেন্দ্রগুলির প্রার্থীদের সঙ্গেও ভারচুয়ালি কথা বলতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ভবানীপুর কেন্দ্রকে ঘিরেই এবার রাজ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লড়াই বলে মনে করা হচ্ছে। এই কেন্দ্র থেকেই মূলত মর্যাদার লড়াই চলছে। জানা গিয়েছে, বৈঠকে এই কেন্দ্রের গণনা নিয়ে বিশেষ দিকনির্দেশ দিতে পারেন তৃণমূল নেত্রী।পাঁচ বছর আগে নন্দীগ্রামে ভোট গণনার সময় যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা এখনও রাজনৈতিক মহলে আলোচনায় রয়েছে। প্রথমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জয়ী ঘোষণা করা হলেও পরে ফলাফল বদলে যায় এবং শেষ পর্যন্ত জয় পান শুভেন্দু অধিকারী। সেই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এবং বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। এবার সেই অভিজ্ঞতা মাথায় রেখেই আগাম সতর্ক থাকতে চাইছেন মমতা।এর আগে একটি ভারচুয়াল বৈঠকে তিনি স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও এজেন্ট যেন গণনাকেন্দ্র ছেড়ে না যান। রাত গভীর হলেও সবাইকে সেখানে থাকতে হবে বলে জানানো হয়েছে। কখন কীভাবে পরিস্থিতি সামলাতে হবে, সেই বিষয়েও বিস্তারিত নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এমনকি এজেন্টদের কী খাওয়া উচিত, সেই বিষয়েও পরামর্শ দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।এবার ভবানীপুর কেন্দ্র নিয়ে তিনি আলাদা করে কী নির্দেশ দেন, সেদিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

মে ০৩, ২০২৬
কলকাতা

স্ট্রংরুম ঘিরে রাতভর তাণ্ডব! তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত বিধাননগর

গণনার আগেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল রাজনৈতিক পরিস্থিতি। বিধাননগর কলেজের স্ট্রংরুম ঘিরে শনিবার রাতে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রথমে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। এরপর স্লোগান এবং পাল্টা স্লোগানে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই উত্তেজনা হাতাহাতিতে গড়িয়ে যায়।পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ। মাইকিং করে জমায়েত ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করা হয়। পরে ব্যারিকেড করে দুই দলের কর্মীদের আলাদা করে দেওয়া হয়। তবেই পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে।বিজেপির অভিযোগ, তাদের তৈরি করা ক্যাম্পে তৃণমূল কর্মীরা দলীয় পতাকা লাগিয়ে দেয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ঝামেলার শুরু। অন্যদিকে তৃণমূল বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তাদের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনী তাদের উপর লাঠিচার্জ করেছে। এই ঘটনায় বারবার উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি গণনাকেন্দ্রগুলিতেও কড়াকড়ি বাড়ানো হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে চারটি গণনাকেন্দ্রকে নিষিদ্ধ এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে বাজি ফাটানো বা বিজয় মিছিলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। গণনাকেন্দ্রের আশেপাশে জারি হয়েছে একশো তেষট্টি ধারা। জেলা জুড়ে পুলিশ মাইকিং করে সতর্কবার্তা দিচ্ছে।অন্যদিকে মালদহে গণনা নিয়ে কোনও সমস্যা যাতে না হয়, সেই কারণে জেলা শাসক সর্বদলীয় বৈঠক করেছেন। প্রার্থীদের গণনাকেন্দ্র ও স্ট্রংরুম ঘুরিয়ে দেখানো হয়েছে। কোনও দলই বড় কোনও অভিযোগ করেনি। মালদহ কলেজ ও মালদা পলিটেকনিক কলেজে গণনাকেন্দ্র তৈরি হয়েছে। আগামী চার মে জেলার বারোটি বিধানসভার ভোট গণনা এই দুই কেন্দ্রেই হবে।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

ভোরের ঘুমই শেষ ঘুম! দিল্লির বহুতলে আগুনে পুড়ে মৃত্যু ৯, শিশুও রক্ষা পেল না

ভোরবেলা তখন প্রায় চারটে। ছুটির দিন হওয়ায় অধিকাংশ মানুষ গভীর ঘুমে ছিলেন। সেই সময় আচমকা ভয়াবহ আগুন লাগে দিল্লির বিবেক বিহার এলাকার একটি চারতলা ভবনে । মুহূর্তের মধ্যে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পুরো ভবনে। ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারপাশ। এই অগ্নিকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যার মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে। বহু মানুষ আহত হয়েছেন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ১৪টি ইঞ্জিন। আগুন এতটাই ভয়াবহ ছিল যে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল কর্মীদের প্রায় দুই ঘণ্টা লড়াই করতে হয়। এরপর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ততক্ষণে ভবনের বেশ কিছু অংশ সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।জানা গিয়েছে, দ্বিতীয় তলায় প্রথম আগুন লাগে। তারপর তা দ্রুত তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় ছড়িয়ে পড়ে। সেই সময় বহু মানুষ ভিতরে আটকে পড়েন। অনেকে জানলা দিয়ে বেরোনোর চেষ্টা করলেও সফল হননি। অনেকের ঘুমের মধ্যেই আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয়েছে। আবার অনেকেই ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। দমকল কর্মীরা একের পর এক মৃতদেহ উদ্ধার করেন।সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে দ্বিতীয় তলায়। সেখানে একই পরিবারের পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন অরবিন্দ জৈন, তাঁর স্ত্রী অনিতা জৈন, ছেলে নিশান্ত জৈন, পুত্রবধূ আঁচল জৈন এবং তাঁদের ছোট সন্তান আকাশ জৈন। তৃতীয় তলাতেও একই পরিবারের তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন নীতিন জৈন, তাঁর স্ত্রী শৈলী জৈন এবং তাঁদের ছেলে সাম্যক জৈন। অন্য আহতদের গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।কী কারণে এই আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে স্থানীয় এক বাসিন্দার দাবি, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ফেটে গিয়ে আগুন লাগতে পারে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। তিনি জানিয়েছেন, এই দুর্ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। আহতদের দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে রয়েছে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

আকাশযাত্রার মাঝেই আতঙ্ক—চলন্ত বিমান থেকে লাফ যুবকের, তারপর যা হল!

ভোরের চেন্নাই বিমানবন্দরে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। বিমান তখনও পুরোপুরি থামেনি, ধীরে ধীরে রানওয়ে থেকে ট্যাক্সিওয়ের দিকে এগোচ্ছে। ঠিক সেই সময় হঠাৎই আপৎকালীন দরজা খুলে এক যুবক বিমান থেকে ঝাঁপ দেন। ঘটনাটি ঘটে শারজাহ থেকে চেন্নাইগামী একটি বিমানে। আচমকা এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে অন্যান্য যাত্রীদের মধ্যে।বিমান কর্তৃপক্ষ জানায়, অবতরণের পর বিমানটি যখন ধীরে চলছিল, তখনই ওই যুবক দরজা খুলে নিচে লাফ দেন। তবে আশ্চর্যের বিষয়, এতে তাঁর গুরুতর কোনও আঘাত লাগেনি। তিনি সুস্থই রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার পরই পাইলট নিরাপত্তা কর্মীদের খবর দেন। দ্রুত সেখানে পৌঁছে সিআইএসএফ জওয়ানরা ওই ব্যক্তিকে আটক করেন এবং পরে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।জানা গিয়েছে, বিমানে ওঠার পর থেকেই ওই যুবকের শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল না। তিনি একাধিকবার বমিও করেছিলেন। তারপর হঠাৎই এমন দুঃসাহসিক সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তাঁর বাড়ি তামিলনাড়ুর পুদুক্কোট্টাই জেলায় বলে জানা গেছে।এই ঘটনায় কিছু সময়ের জন্য বিমান পরিষেবা ব্যাহত হয়। সতর্কতার জন্য ভোর তিনটে তেইশ মিনিট থেকে চারটে তেইশ মিনিট পর্যন্ত প্রধান রানওয়ে বন্ধ রাখা হয়। ওই সময় অন্যান্য উড়ানকে বিকল্প রানওয়েতে নামানো হয়।কী কারণে ওই যুবক এমন কাজ করলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এবং পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

মে ০৩, ২০২৬
রাজ্য

ফলের আগেই বড় দাবি! ‘ত্রিশঙ্কু বিধানসভা’, সরকার গঠনের চাবিকাঠি নিজের হাতে বললেন হুমায়ুন

ভোট পর্ব শেষ হতেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর। তিনি দাবি করেছেন, বাংলায় কোনও দলই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না এবং ত্রিশঙ্কু বিধানসভা গঠিত হতে চলেছে। তাঁর মতে, এই পরিস্থিতিতে সরকার গঠনের চাবিকাঠি থাকবে তাঁর দলের হাতেই।তবে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও অবস্থাতেই বিজেপিকে সমর্থন করবেন না। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, সম্মানজনক শর্তে তৃণমূল কংগ্রেসকে সমর্থন করতে তিনি প্রস্তুত। এই মন্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে, ভোটের পর কি তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব কমানোর চেষ্টা করছেন হুমায়ুন কবীর।বহরমপুরে এক সভায় তিনি বলেন, কোনও দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছাকাছি পৌঁছতে পারবে না। তাঁর দাবি, কংগ্রেস, সিপিএম এবং আইএসএফ মিলিয়ে খুব বেশি হলে পনেরোর মতো আসন পাবে। অন্যদিকে, তাঁর দল প্রায় তিরিশটি আসন জিততে পারে বলে তিনি আশাবাদী।হুমায়ুন কবীর আরও বলেন, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের মতো জেলায় তাঁদের দলের শক্তি তৃণমূলের আসন কমিয়ে দেবে। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল তাঁর প্রতি অসম্মান দেখিয়েছে এবং তার জবাব বাংলার মানুষ ভোটের মাধ্যমে দিয়েছে।তৃণমূল নেতৃত্বের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে সরকার গঠনের জন্য তাঁর সাহায্য চাইতে হতে পারে। তিনি আবারও জানান, তিনি বিজেপিকে কোনও অবস্থাতেই সমর্থন করবেন না। তাঁর কথায়, কে কোন দলের সহযোগী, তা ভবিষ্যতেই পরিষ্কার হবে।শেষে তিনি বলেন, আবার নির্বাচন হোক, তা তিনি চান না। যদি ত্রিশঙ্কু পরিস্থিতি তৈরি হয়, তবে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে সরকার গঠনের পথ খোলা থাকবে। তবে কোনও দলই এককভাবে নির্দিষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পৌঁছতে পারবে না বলেই তাঁর বিশ্বাস।

মে ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal