• ২০ চৈত্র ১৪৩২, রবিবার ০৫ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Sundarban

রাজ্য

খাওয়ার থালা হাতে নামতে গিয়েই ঘটে ঘটল.... সুন্দরবনের পর্যটকের মর্মান্তিক পরিণতিতে কেঁপে উঠল রাজ্য

শীতের মরশুমে সুন্দরবনে পর্যটকদের ভিড়ের মধ্যেই ঘটে গেল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। রাতের অন্ধকারে লঞ্চ থেকে মাতলা নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয়ে গেলেন এক পর্যটক। তাঁর খোঁজে রবিবার সকাল থেকে চলছে তল্লাশি। নিখোঁজ যুবকের নাম সুমন্ত পাল। বয়স ২৬ বছর। তিনি দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়ার বাসিন্দা।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৬ জানুয়ারি গড়িয়া থেকে ২২ জনের একটি পর্যটক দল সুন্দরবনের কৈখালিতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে তাঁরা সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখেন। ওই দলেরই সদস্য ছিলেন সুমন্ত। দুদিন জঙ্গল ভ্রমণের পর শনিবার রাতে তাঁরা আবার কৈখালিতে ফিরে আসেন। মাতলা নদীর উপর একটি লঞ্চেই তাঁদের থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা ছিল।শনিবার রাতে ওই লঞ্চেই ঘটে যায় দুর্ঘটনাটি। জানা গিয়েছে, রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ খাওয়াদাওয়ার সময় সুমন্ত হাতে ভাতের থালা নিয়ে লঞ্চের সিঁড়ি দিয়ে উপর থেকে নীচে নামছিলেন। সেই সময়ই তিনি ভারসাম্য হারিয়ে সিঁড়ি থেকে সরাসরি মাতলা নদীতে পড়ে যান। মুহূর্তের মধ্যেই নদীর স্রোতে তলিয়ে যান তিনি।ঘটনার পর লঞ্চের চালক ও সঙ্গে থাকা কয়েক জন জলে নেমে তাঁকে খোঁজার চেষ্টা করেন। কিন্তু মাতলা নদীতে স্রোত প্রবল থাকায় তাঁকে আর পাওয়া যায়নি। এরপর বনদপ্তর ও কুলতলি থানায় খবর দেওয়া হয়। রবিবার সকাল থেকে নদীতে তল্লাশি শুরু হলেও দুপুর পর্যন্ত নিখোঁজ যুবকের কোনও খোঁজ মেলেনি। তাঁর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।লঞ্চের চালক শুভেন্দু সরদার জানিয়েছেন, রাতে খাবার নিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় শরীরের ভারসাম্য রাখতে না পেরেই ওই যুবক নদীতে পড়ে যান। পর্যটক দলের সদস্য জয় সাহা বলেন, তাঁদের সকলের বাড়িই গড়িয়ায়। ২২ জন বন্ধু মিলে সুন্দরবন ঘুরতে এসেছিলেন। এমন ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটবে, তা কেউ কল্পনাও করতে পারেননি।এই ঘটনা নিছক দুর্ঘটনা নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। লঞ্চে থাকা অন্যান্যদের জেরা করা হচ্ছে। নিখোঁজ যুবকের পরিবারের কাছেও ইতিমধ্যেই দুঃসংবাদ পাঠানো হয়েছে।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

খাঁচাবন্দি মৈপিঠের বাঘ, সুন্দরবন থেকে জঙ্গলমহল, রয়েলবেঙ্গল টাইগারের দাপদাপিতে আতঙ্ক বাড়ছে

সুন্দরবন থেকে পশ্চিমের জঙ্গলমহল, রাজ্যে বাঘের আনাগোনা বেড়েছে। যেন দুয়ারে রয়েল বেঙ্গল টাইগার। বাঁকুড়ার পর মৈপিঠের বাঘ ধরা পড়েছে। কিন্তু জঙ্গলমহল লাগোয়া এলাকায় রেডিও কলার ছাড়া আরেকটা বাঘ ঘোরাফেরা করছে। বাঘ মামার আতঙ্ক যেন কিছুতে কাটছ না সাধারণে। শেষেমশ খাঁচাবন্দি হয়েছে মৈপিঠের বাঘ৷ বাঘ পুরোপুরি সুস্থ আছে বলে জানিয়েছেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভাগীয় বনাধিকারিক নিশা গোস্বামী৷ ইতিমধ্যে বাঘটির প্রাথমিক চিকিৎসা হয়েছে৷ যে বাগটি ধরা পড়েছে সেটি পূর্ণ বয়স্কর পুরুষ বাঘ বলে জানা গিয়েছে৷ এই বাঘটিই বারবার লোকালয় সংলগ্ন এলাকায় চলে আসছিল বলে প্রাথমিকভাবে মনে করছে বনদপ্তর৷ বাঘকে গভীর জঙ্গলে ছাড়া হবে বলে জানিয়েছে বনদপ্তর৷ বাঘটিকে ফের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে গভীর জঙ্গলে। এই বাঘ ধরার অভিযানে নেমেছিল বনদপ্তরের প্রায় ৮০ জনের টিম। লোকালয় সংলগ্ন এলাকায় বাঘের খবর পেলেই দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান নিশা গোস্বামী ৷ রবিবার গভীর রাতে অবশেষে খাঁচাবন্দি মৈপিঠের বাঘ। বারবারই একই বাঘ জঙ্গল থেকে বেরিয়ে লোকালয়ে চলে আসছিল। রবিবার সকালে কিশোরিমোহনপুর এলাকায় বাঘ আসার খবরে নজরদারি চালানোর পর জঙ্গলের চারিদিক ঘিরে দেয় বনদপ্তরের কর্মীরা। তাতেই বাঘের গতিবিধি সীমাবদ্ধ হয়। ঘেরা জায়গার মধ্যে পাতা হয় খাঁচা। টোপ হিসেবে ব্যবহার করা হয় ছাগল। রাতেই সেই খাঁচায় অবশেষে বন্দী হল বাঘ। আজ বাঘটির শারীরিক পরীক্ষা করা হবে। তারপর তাকে গভীর জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হবে বলে বনদপ্তর সুত্রে জানানো হয়েছে। এক সপ্তাহের নধ্যে তিন তিনবার বাঘের হানা মৈপিঠে। রবিবার সকালে কিশোরিমোহনপুর এলাকায় ফের দেখা গেল বাঘের পায়ের ছাপ। ঘটনায় আতঙ্কিত এলাকার বাসিন্দারা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বনদপ্তর। বাঘের গতিবিধি লক্ষ্য করে জঙ্গলের মধ্যে প্রায় ১ কিলোমিটার মত জায়গা ঘেরা হয়। তারপর খাঁচা পেতে সাফল্য পায় বনদপ্তর। ৬ই জানুয়ারি সোমবার সকালে কিশোরীমোহনপুর এলাকায় বাঘের পায়ের ছাপ পাওয়া যায়। ৮ তারিখ বুধবার ভোররাতে বাঘ ফিরে যায় জঙ্গলে। পরেরদিনই ৯ তারিখ বৃহস্পতিবার সকালে ফের বাঘের পায়ের ছাপ পাওয়া যায় মৈপিঠের নগেনাবাদে। জাল দিয়ে ঘিরে ফেলায় ১০ তারিখ ভোর রাতে ফের বাঘ ফিরে যায় জঙ্গলে। ১২ তারিখ রবিবার সকালে মৈপিঠের কিশোরিমোহনপুর এলাকায় গঙ্গার ঘাটে বাঘের পায়ের ছাপ দেখে আতঙ্কিত বাসিন্দারা। এবারও আজমলমারির জঙ্গল থেকে বাঘ এসেছে লোকালয়ে বলে জানা গিয়েছে। মুড়িগঙ্গা নদী পেরিয়ে বাঘ লোকালয় সংলগ্ন এলাকায় চলে আসায় আতঙ্ক ছড়ায়। অবশেষে বাঘ খাঁচাবন্দী হওয়ায় স্বস্তিতে এলাকার বাসিন্দারা।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৫
রাজ্য

টানা এক মাসের ক্ষরা কাটিয়ে ইলিশের মুখ দেখতে শুরু করলো সুন্দরবনের মৎস্যজীবীরা

আবারও বাঙালির পাতে পড়তে চলেছে ইলিশ। চলতি মাসে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে টানা একমাসের বেশি সময় সমুদ্রে ট্রলার ভাসাতে না পারায় ক্ষতির সম্মুখীন সুন্দরবনের কয়েক হাজার ট্রলার মালিক। গত সপ্তাহ থেকে আবহাওয়া ঠিক হওয়ায় পরে নতুন করে বঙ্গোপসাগরে পাড়ি দেয় সমস্ত মৎস্যজীবী ট্রলার । এই মুহূর্তে গভীর সমুদ্রে ভালো পরিমাণ ইলিশের মিলতে শুরু করেছে বলে মৎসজীবি সংগঠন সুত্রের খবর।গত দুই দিনে প্রায় ২০০ টনের বেশী ইলিশ বাজারে চলে এসেছে। আজও প্রচুর পরিমাণে ট্রলার সমুদ্র থেকে কাকদ্বীপ ও নামখানা ঘাটে ফিরতে শুরু করেছে। ফলে বিকেলের মধ্যে আরও প্রায় প্রায় ১০০ টনের কাছাকাছি ইলিশ বাজারে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। আবহাওয়া ভালো থাকলে আগামী কয়েকদিনে বাজারের চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত পরিমান ইলিশ মিলবে জানিয়েছেন কাকদ্বীপ ফিসারম্যান ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক বিজন মাইতি। এই পরিস্থিতিতে আশায় বুক বাঁধছে সুন্দরবনের মৎস্যজীবীরা।একের পর এক দুর্যোগ কাটিয়ে উঠে নতুন করে বঙ্গোপসাগরের ট্রলার ভাসিয়ে ইলিশের ঝাঁক দেখা মেলায় লোকসানের ভাগ কিছুটা কমবে বলে মনে করছে মৎস্যজীবীদের বড় অংশ। দুর্গাপুজোয় বাঙালির পাতে অপেক্ষাকৃত কম দামে ইলিস পরবে সেই কথায় শোনালেন ফিশারম্যান ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়ানে সম্পাদক বিজন মাইতি।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২২
রাজ্য

চলে গেলেন 'রাজা' দক্ষিণরায়! জলদাপারা'য় দেহত্যাগ করলেন দেশের প্রবীনতম রয়েল বেঙ্গল টাইগার

উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ার জেলার জলদাপাড়ার দক্ষিণ খয়েরবাড়ির ব্যাঘ্র পুনর্বাসন কেন্দ্রে দীর্ঘদিন চিকিৎসা চলার পর রবিবার রাত ২টো নাগাদ দেশের প্রবীনতম রয়েল বেঙ্গল টাইগার রাজা প্রান ত্যাগ করল। তাঁর প্রয়াণে জলদাপাড়া অভয়ারন্য সহ দেশের অগণিত পশুপ্রেমী শোকস্তব্দ। সোমবার জলদাপারা বনদপ্তরের তরফে জানানো হয় এহ মর্মান্তিক সংবাদ।এক বনকর্তা জানান, গত বছর (২০২১) ২৩ আগস্ট রাজার ২৫ তম জন্মদিন বনবিভাগের তরফে মহাসমারোহে পালন করা হয়। ২০০৮ এ সুন্দরবনের খারিতে কুমিরের আক্রমণে গভীর ভাবে আহত হয়েছিল রাজা, তাকে অঙ্গপ্রতিস্থাপন করে সুস্থ করে তোলা হয়। সেই থেকেই রাজা দক্ষিণ খয়েরবাড়ির বাঘ পুনর্বাসন কেন্দ্রের বাসিন্দা।প্রধান বন্যপ্রাণী ওয়ার্ডেন দেবল রায় সংবাদসংস্থা কে জানিয়েছেন সাম্প্রতিক সময়ে কোনও গুরুতর অসুস্থতার লক্ষণ রাজার শরীরে দেখননি পশুচিকিৎসকরা। তাঁরা রাজার মৃত্যুর কারণ মূলত বার্ধক্যজনিত সমস্যা হিসাবে ধারনা করছেন। পশু বিশেষজ্ঞ মতে, বিড়াল শ্রেনীভুক্ত বড় প্রানীদের গড় আয়ু সাধারণভাবে ২০ বছর। সে দিক থেকে দেখলে ব্যাঘ্র পুনর্বাসন কেন্দ্রে সঠিক দেখভাল ও সময়মত চিকিৎসার জন্য রাজা দীর্ঘজিবন লাভ করেছে।জলদাপারা দক্ষিণ খয়েরবাড়ির ব্যাঘ্র পুনর্বাসন কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, রাজার খাঁচার গরাদের ভিত্রে থাকতে একদমই পছন্দ ক্রত না। বনকর্মীরা গরদের সামনে দাঁড়িয়ে কথা বললে তিনি একদমই পছন্দ করতেন না। রাজার কিছুদিন আগে অবধি দৈনিক খাবারের তালিকায় দশ কেজি মাংস থাকতেই হত।প্রবাদপ্রতিম সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহর অসামান্য এক উপন্যাস বাঘের আত্মকাহিনীর কথা টেনে বলতে ইচ্ছে করছে বাজা তোরা রাজা যায়।।

জুলাই ১২, ২০২২
দেশ

সীমান্তে অনুপ্রবেশ নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনকে নিশানা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বিধানসভা নির্বাচনের পর এই প্রথম বাংলা সফরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ৬টি অত্যাধুনিক ভাসমান আউটপোস্ট এবং ওয়াটার অ্যাম্বুল্যান্সের উদ্বোধন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার কলকাতা থেকে হেলিকল্টারে তিনি উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জে উড়ে যান। এদিনই বনগাঁর হরিদাসপুরে মৈত্রী সংগ্রহালয়ের শিলান্যাস করেন অমিত শাহ। অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয়মন্ত্রী বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তেই সবচেয়ে বেশি অনুপ্রবেশ ঘটে। তবে এবার যে অত্যাধুনিক নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। তার ফলে এই অনুপ্রবেশ এবং পাচার বন্ধ হবে। স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া অনুপ্রবেশ ও পাচার রোখা কঠিন বলেও মন্তব্য করেছেন শাহ। একইসঙ্গে এদিন তিনি সীমান্ত সুরক্ষায় বিএসএফ-এর ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।এদিন সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর প্রশংসায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার দায়িত্ব বিএসএফ-এর। অনুপ্রবেশ ও পাচারকারীদের রুখতে সচেষ্ট বিএসএফ। শুধু ফেন্সিং দিয়েই হবে না, দেশের সুরক্ষা দিতে পারে বিএসএফ। অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্তে টহলদারির ওপর আরও বেশি জোর দিতে হবে।সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের কাজের পরিধি বৃদ্ধি নিয়ে এর আগে রাজ্য সরকারের সঙ্গে বিরোধ বেধেছিল। এবিষয়ে ঘোরতর আপত্তি জানিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন বাংলাদেশের যুদ্ধের প্রসঙ্গও তোলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেই সময় ভারতীয় সেনা ও বিএসএফের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন অমিত শাহ। এদিন বিকেলে শিলিগুড়িতে জনসভা ছাড়াও বেশ কয়েকটি সংগঠনের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে অমিত শাহর।बीएसएफ की इन फ्लोटिंग सीमा चौकियों पर स्वास्थ्य सुविधाओं के लिए बोट एम्बुलेंस का भी शुभारंभ किया।किसी भी आपातकालीन स्थिति में ये बोट एम्बुलेंस बहुत सहायक सिद्ध होगी। pic.twitter.com/wNYjLkU0PD Amit Shah (@AmitShah) May 5, 2022এদিন এক অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অমিত শাহর সফর নিয়ে কটাক্ষ করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যদি কেউ বলে বাংলায় গেল খুন হয়ে যাব। আমার গায়ে লাগে। উল্লেখ্য বাংলার রাজনৈতিক হিংসা প্রসঙ্গে এমন মন্তব্য করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।উল্লেখ্য, দেশের সীমান্ত এলাকাগুলিতে বিএসএফ-এর কাজের পরিধি বাড়াতে চায় কেন্দ্রীয় সরকার। তবে এক্ষেত্রে ঘোরতর অপত্তি রয়েছে বাংলা-সহ একাধিক রাজ্যের। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে তাঁর আপত্তির কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামিকাল, শুক্রবার কলকাতায় ফিরে দলের রাজ্য ও জেলাস্তরের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন অমিত শাহ।

মে ০৫, ২০২২
রাজ্য

কাল বাংলায় সীমান্ত পরিদর্শনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সুন্দরবনে ৬টি ভাসমান বিওপি ও বোট অ্যাম্বুলেন্সের সূচনা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আগামিকাল এরাজ্যে আসছেন। তিনি বৃহ্পতিবার বিএসএফ দক্ষিণবঙ্গ সীমান্ত পরিদর্শন করবেন। এই সফরে অমিত শাহ বিএসএফ-এর সুন্দরবনের জলে অবস্থিত ০৬ টি আধুনিক ভাসমান বিওপি-সতলজ, নর্মদা, কাবেরী, গঙ্গা, সবরমতি, কৃষ্ণা এবং বোট অ্যাম্বুলেন্স এর বিওপি হিঙ্গলগঞ্জে পৌঁছানোর পর উদ্বোধন করবেন। ভাসমান বিওপি উদ্বোধনের পর শ্রী শাহ বিওপি হরিদাসপুরে অবস্থিত মৈত্রী সংগ্রহালয় (জাদুঘর) এর উদ্বোধন করবেন।বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক সীমান্ত পর্যবেক্ষণ ও সুরক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বিএসএফের এবং সরকার তাই সেখানে আধুনিক সরঞ্জাম সরবরাহের ওপর জোর দিচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সংলগ্ন আমাদের সীমান্তের সব বিওপিকে নজরদারি ও সীমান্ত নিরাপত্তার জন্য আধুনিক সরঞ্জাম সরবরাহ করে শক্তিশালী করার ওপরও জোর দিচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবনের দুর্গম এলাকায় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের নজরদারি জোরদার ও মজবুত করতে ভাসমান বিওপির সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া সুন্দরবনের এই দুর্গম এলাকায় চিকিৎসা সেবা দিতে বোট অ্যাম্বুলেন্সও চালু করা হচ্ছে যা সাহেব খালি থেকে শামসের নগর পর্যন্ত এলাকায় সেবা দেবে। ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে বিএসএফ-এর বীরত্ব সম্পর্কে সাধারণ জনগণকে সচেতন করতে ফ্রেন্ডশিপ মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফরের সময় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের মহাপরিচালক পঙ্কজ কুমার সিং, আইপিএস, যোগেশ বাহাদুর খুরানিয়া, আইপিএস, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, ইস্টার্ন কমান্ড এবং ডাঃ অতুল ফুলঝেলে, আইপিএস, ইন্সপেক্টর জেনারেল সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ার উপস্থিত থাকবেন।

মে ০৪, ২০২২
রাজ্য

Sundarban: অবিলম্বে সুন্দরবনকে পৃথক জেলা করার নির্দেশ মমতার

সুন্দরবনকে পৃথক জেলা করার কথাও আগেও একাধিকবার বলেছেন মমতা। তবে তা বাস্তবায়িত হয়নি। এবার দ্রুততার সঙ্গে যাতে সেই কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার মধ্যমগ্রামের প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যসচিবের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলেন তিনি। সুন্দরবন পৃথক জেলা হলে সেখানকার মানুষ অনেক ক্ষেত্রে সুযোগ-সুবিধা পাবেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ সুন্দরবনের মানুষ উপেক্ষিত। এই অঞ্চল দক্ষিণ ২৪ পরগনার অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় জেলা সদর আলিপুর অর্থাৎ কলকাতায়। ফলে সুন্দরবন থেকে দরকারি কাজে আসা ও যাওয়া করতে দীর্ঘ সময় লাগে। বাম আমল থেকে এই নতুন জেলা তৈরির দাবি উঠেছে। একাধিকবার কনভেনশনও করা হয়েছে। সব ঠিক থাকলে সুন্দরবন পৃথক জেলা করা হতে পারে শীঘ্রই।এ দিন তিনি মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীকে বলেন, সুন্দরবন কবে জেলা হবে, পাঁচ বছর ধরে পড়ে আছে। তাড়াতাড়ি করে দাও। মমতা জানান, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক সুন্দরবনের মানচিত্র তৈরি করে দিয়েছিল আগেই। তাই এই কাজ করতে খুব বেশি দেরি হওয়ার কথা নয়। মমতার দাবি, আলাদা জেলা হলে সুন্দরবনের মানুষ কিছু অ্যাডভান্টেজ পাবে। বর্তমানে সুন্দরবন পৃথক পুলিশ জেলা হলেও প্রশাসনিক জেলা নয়।আগেই সুন্দরবনকে আলাদা পুলিশ জেলা ঘোষণা করেছিল সরকার। এবার পূর্ণাঙ্গ জেলার মর্যাদা দিতে চলেছে রাজ্য। মুখ্যমন্ত্রী এর আগে পাথর প্রতিমার বৈঠকে গিয়েও বলেছিলেন, সুন্দরবনের বাসিন্দাদের প্রশাসনিক কাজকর্মের জন্য দূরে যেতে হয়। তাই আলাদা জেলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

নভেম্বর ১৮, ২০২১
রাজনীতি

By-Election: রাজ্যের দুই বিধানসভা কেন্দ্রে অকাল ভোটের জন্য বিজেপি নেতাদের লালসাকে দায়ী করলেন অভিষেক

গোসাবায় উপনির্বাচনে প্রচারে গিয়ে স্থানীয় ভাবাবেগকে উসেক দিলেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন জনসভায় দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বলেন, একজন সাংসদ থাকবেন আর একজন মন্ত্রী হবেন বলে নিজেদের লালসা ও রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে মানুষের রায় পরিত্যাগ করেছেন। আর তৃণমূলের দুই বিধায়ক করোনায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। এঁরা মানুষের কাজ করতে গিয়ে মৃত্যুকে আপন করেছেন। এভাবেই চার কেন্দ্রে কেন অকাল ভোট সেই ব্যাখ্যা দিয়েছেন তৃণমূলের যুবরাজ।উল্লেখ্য়, গোসাবা ও খড়দহ কেন্দ্রে তৃণমূলের দুই বিধায়কের মৃত্যু হয়েছিল করোনায়। অন্যদিকে শান্তিপুরের বিধায়ক হয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার। তিনি বিধায়কপদে ইস্তফা দিয়ে সাংসদ থেকে গিয়েছেন। দিনহাটায় সব থেকে কম ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন কোচবিহারের বিজেপি সাংসদ নিশীথ প্রামানিক। তিনি এখন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনিও বিধায়ক পদে ইস্তফা দিয়েছেন। দুই বিজেপি বিধায়কের ইস্তফার জন্যই উপনির্বাচন করতে হচ্ছে শান্তিপুর ও দিনহাটায়।এদিনের জনসভায় অভিষেক বিঁধেছেন অমিত শাহকে। অভিষেক বলেন, বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন সুন্দরবনকে আলাদা জেলা করে ২ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করবেন। কোথায় গেল সেই টাকা। বহিরগতরা এসব বলে চলে যায়। কাজের কাজ কিছু করে না। ভূমিপুত্রকে ভোট দিয়ে জয়ী করুন। সারা দেশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে তাকিয়ে আছে। আমরা বলেছিলাম আর যাই হোক মাথা নত করবে না।দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ অভিষেক। তিনি বলেন, এই জেলার সঙ্গে আমার আত্মিক সম্পর্ক। আপনাদের সঙ্গে যে সম্পর্ক তা কেউ ভাঙতে পারবে না। আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ। চারটে বিধানসভা আসনের মধ্যে গোসাবায় সব থেকে বেশি ভোটে জয়ী করবেন। প্রত্যেকটা বুথে, প্রত্যেকটা অঞ্চলে তৃণমূলপ্রার্থীকে জেতাতে হবে। প্রতিবছর নানাসময়ে প্রাকৃতিক ঝড়ঝঞ্ঝায় বিধ্বস্ত হতে হয় দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলাকে। আমি এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করব, কথা দিয়ে গেলাম। অভিষেকের কটাক্ষ, শুধু দিল্লি বা বহিরাগত বিজেপি নেতা নয়, গত ৬ মাসে বিজেপির কোনও নেতার টিকি খুঁজে পাওয়া যায়নি।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
ভ্রমণ

Deuli: কলকাতার পাশেই ছুটি কাটানোর দারুন সুযোগ, সুন্দরবনের পথে অপরূপ সৌন্দর্যের হাতছানি

সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে সুন্দরবনের বাস্তুতন্ত্র তার পরিধি বাড়িয়েছে। সেসব তো বাস্তুতন্ত্রের কথা। কিন্তু পর্যটনের নজর বলছে কলকাতা থেকে দুঘণ্টার মধ্যেই সুন্দরবনের শুরু!ঠিকই পড়ছেন। আক্ষরিক দূরত্ব না ভাবালে উত্তর ও দক্ষিণ এই দুই ২৪ পরগনার সীমানায় এক গ্রামের নাম দেউলি। স্থানীয়রা বলেন, এখান থেকেই সুন্দরবনের শুরু। কেমন? হাতেকলমে ঠিক ১৫০ কিলোমিটার গেলেই গোসাবা। কিন্তু তার সীমানা শুরু এই দেউলি থেকেই। খুব সাদামাটা এক গ্রাম। কাদার গন্ধ লাগা মানুষজন। তবে কেউ উদাসীন নয়। জীবনের কড়ি হিসাব করেই রাখেন। তঁারাই বলেন, শহর থেকে একটু দূরে অসংখ্য মানুষ এখানে একদুদিনের জন্য ছুটি কাটাতে আসেন স্রেফ গা এলিয়ে ভরপুর অক্সিজেন মাখার জন্য।পৌঁছবেন কীভাবে? সায়েন্স সিটি পেরিয়ে বাসন্তী হাইওয়ে ধরে গাড়ি ছোটাতে গেলেই একটু যা দূর। নিউটাউনের শেষে ভোজেরহাট ধরে ঢুকলে দেখতে দেখতে রাস্তা ফুরোবে। পাগলারহাট পেরিয়েই ডান হাতের পিচ রাস্তা। বেশ কিছু জনপদ পেরিয়ে সোজা দেউলি। ভুল হলে এগিয়ে গিয়ে আরেকটা রাস্তা ঢুকবে চণ্ডীপুর হয়ে। সেটাও যদি ভুল হয় তবে সোজা মিনাখা। তবে সবথেকে সহজ রাস্তা পাগলারহাট। দুই দিকে একরের পর একর নিচু ধান জমি ফেলে রেখে সবুজ চিরে রাস্তা এগোবে। ও বাড়ির মুরগী, এ বাড়ির খাসি রাস্তা পেরোলেই যা একটু সাবধান। এ বাদে মানুষ সামনে পড়ে গেলে প্রতিবেশির চেয়েও মিঠে গলায় বকুনি দেবে।বিশেষত্ব বলতে সেখানকার জমি। জমির চরিত্র বদল হয়নি ঠিক। কিন্তু বছরের বছর বিদ্যাধরীর মতো একটাদুটো নদীর জল বহন ক্ষমতা কমে যাওয়ার কারণে সবটাই উপচে আশপাশের গ্রামের জমি ডুবিয়ে রাখে। চেহারা নেয় ভেড়ির। গরমের শুরু থেকে পুজোর মরশুম পর্যন্ত সেসব ধান জমিতে স্রেফ মাছের চাষ। এক সময় যে জমিতে ধান চাষই ছিল প্রধান জীবীকা, নদীর উপচানো জল বেরোতে না পেরে সেসবের বৈশিষ্ট্য এখন একেবারে আলাদা। জল ধরা জমিতে মাছ চাষ। তাতে লাভও অনেক গুণ বেশি। ক্ষতি বলতে অধিক বর্ষায় জম ছাপিয়ে সব ভেড়ি এক হয়ে গেলে মাছ বেরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা।তবে গ্রামের লোকেই ভুল ধরিয়ে দিল। জানাল মাছেদের মজার কথা। যেখানে একবার খাবারের সন্ধান পাবে, সেখান থেকে আর পালাবে না। একমাত্র প্রবল বর্ষণে ভেসে না গেলে তাদের আর ভেড়ি ছেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। এই ধরনের ভেড়িতে সাধারণ দুই রকমের মাছ চাষ হয়। মিঠে জলের মাছ আর নোনা মাছ। নোনা মাছ মানেই নানারকম চিংড়ি। সেসব আবার বাড়ির পুকুরের মিঠে জলেও চাষ করেন অনেকে। এক গেরস্থ বাড়ির যুবকের তো সেসব আবার অহঙ্কার। শহরের মানুষ একরকম মাছ দিয়ে ভাত খান। আমাদের পাতে একই দিনে দুতিনরকমের মাছ পড়ে। এমন কথাও শুনতে হতে পারে।ঠিক এখান থেকেই গ্রামের অর্থনীতিতে বদল শুরু। আগে যার তিন বিঘা জমি তিন বছরের লিজে নিয়ে কয়েক লাখ টাকা খরচ করে ধান বা সবজি চাষের পরও একটু বাড়তি বৃষ্টিতে লোকসানের মুখ দেখা ছিল রোজনামচা। সেখানে এখন ঘরে ঘরে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। মিঠে জলের মাছেদের খাওয়ানোর জন্য যা একটু খরচখরচা করতে হয়। নোনা জলের জন্য তাও লাগে না। উল্টে লাভই লাভ। একটু বেলা গড়ালে রাস্তার দুধার ধরে হঁাটলে চোখেও পড়বে সেসব দৃশ্য।এলাকায় একসময় একটা বড় মেলা বসত। হাট শেষ করে সে মেলায় জিলিপি, বুড়ির চুল, মিঠে পান, চানাচুর, জাদুর খেলার ভিড় ছিল দেখার মতো। করোনার আবহে সেসব অতীত। ফলে এখন নিরবচ্ছিন্ন অভ্যাসের জীবনই অভ্যাস। এর মধ্যেই দুই বিপরীতমুখী ছবি ধরা পড়বে গাড়ি ভুল করলে চণ্ডীপুর গ্রামে ঢুকলে। স্থানীয়রা বলেন খারাপ রাস্তা। সত্যিই তাই। রাস্তা বলে আর সেখানে কিছু নেই। পিচ ভেঙে মাটি বেরিয়ে পড়েছে। মাজা ভেঙে না গেলে এই রাস্তা পেরিয়ে দেউলিতে ঢুকতে আলাদা করে এক ঘণ্টা ধরে রাখতে হবে। কিন্তু আরামের বিষয় হল, এ রাস্তার দুধারে দিগন্ত বিস্তৃত ছোট জলভরা ধানি জমি। ছোট ছোট গাছে ছায়া বানিয়ে রেখেছে। চরছে ছাগল গরু। গ্যাঙোর গ্যাং ডাকের মাঝে মাঝে ছোট ছোট জলাশয়ে মাছেদের ছপাৎ ছপাৎ ঘাই দেওয়ার শব্দ। দিঘল জলার ধারে মেঘলা হাওয়ায় একের পর এক ঠাণ্ডা দুপুর কাটিয়ে দেওয়া যায় অনায়াসে।হাতে গোনা কটা রিসর্ট গজিয়ে উঠেছে এলাকায়। গুগল করলেই খেঁাজ মিলবে। চেকইন আর চেকআউটের নিয়ম ব্রেকফাস্ট থেকে ব্রেকফাস্ট। খাবারদাবার তাদের বেশ ভালই চেহারা ভারী করবে। মিঠে হাওয়ার সেঁাদা গুণ আর অফুরন্ত খাবার মন ধরে রাখবে। শহরে ফিরতে কষ্টই হবে। পোড়া দূষণ মাখা করোনা আর কোমর্বিডিটির শব্দে কান ঝালপালা শহরের গা ঘেঁষা এই গ্রামে পা রাখলে এক মুহূর্তে বাষ্প করে দেবে সব গ্লানি। একদুদিনের ছুটিতে একবুক অক্সিজেন মেখে নতুন উদ্যমে ঘরে ফেরা।শাশ্বত রায়আরও পড়ুনঃ দেবতার হ্রদে একদিনআরও পড়ুনঃ বিপদসংকুল ও ভয়ঙ্কর সাচ পাস অভিযানের অভিজ্ঞতা

আগস্ট ২২, ২০২১
রাজ্য

Relief Work: মৌসুনি দ্বীপের যশ বিপর্যস্ত মানুষদের পাশে ইছলাবাদ কিরণ সঙ্ঘ ক্লাব

যশ বিধ্বস্ত এলাকাগুলোতে অসহায় মানুষগুলোর সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন রাজনীতিবিদ থেকে সমাজের সব স্তরের মানুষরা। ক্ষতিগ্রস্ত সুন্দরবন এলাকার মৌসুনি দ্বীপের বালিয়ারার একটি আদিবাসী অধ্যুষিত দ্বীপের মানুষদের অবস্থাও তথৈবচ বলে জানতে পেরেছিল বর্ধমানের ইছলাবাদ কিরণ সঙ্ঘ ক্লাবের সদস্যরা। দ্বিতীয়বার ভাবার অপেক্ষায় না থেকে প্রত্যন্ত দ্বীপে গিয়ে বিধ্বস্ত মানুষগুলোর দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন ক্লাবের সদস্যরা। বুধবার দিনটিকেই এই মহৎকাজের জন্য বেছে নিয়েছিলেন ক্লাবের সদস্যরা। প্রয়োজনীর সামগ্রী জোগার করে কয়েকজন সদস্য মিলে পাড়ি দিয়েছিলেন দ্বীপে। সকাল থেকে সন্ধে পর্যন্ত সারাদিনের কর্মকাণ্ডে নিজেদের সাধ্যমতো পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন তাঁরা। ক্লাবের সদস্য সুবির বল জানিয়েছেন, সকালে বালিয়ারা পৌঁছে সেখানকার প্রায় ৩০০ বাচ্চাকে এক পোয়া করে দুধ ও ২ প্যাকেট করে বিস্কুট খাইয়েছেন। এছাড়াও দুপুরে ছিল দ্বীপের প্রায় ১০০০ জনের খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা। ক্লাবের সদস্যরা সেখানেই রান্না করে বাসিন্দাদের নিজেরাই পাত পেড়ে খাওয়ান। মেনুতে ছিল, ভাত, ডাল, সোয়াবিন-আলুর তরকারি ও ডিমের কারি।বাসিন্দাদের জন্য কিছু শুকনো খাবারও দিয়ে আসা হয়েছে ক্লাবের তরফে। এর মধ্যে রয়েছে চিঁড়ে, মুড়ি, চাল, আলু। এছাড়াও মহিলাদের জন্য স্যানিটারি ন্যাপকিন, মোমবাতি ও দেশলাই দেওয়া হয়। ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে ভেঙে গিয়েছে ঘরবাড়ি। কিন্তু ভাঙেনি মনের জোর। বার বার বিপর্যয়ে মুখোমুখি হয়ে দ্বীপের মানুষগুলো বিপর্যয়কেই সঙ্গী বানিয়ে ফেলেছেন অমায়িক মানুষগুলো। সাহায্য আসছে জানতে পেরে তাই বিপদের মাঝেই পাতিবুনিয়া থেকে মৌসুনি দ্বীপে নৌকো করে নদী পাড় করিয়ে নিয়ে গিয়েছে ক্লাবের সদস্যদের। আবার দিনশেষে সেভাবেই পাড়ে পৌঁছে দিয়ে গিয়েছেন।দ্বীপের বাসিন্দাদের এমন অমায়িক ব্যবহারে অভিভূত ক্লাবের সদস্যরা।জীব সেবাই শিব সেবা। এই নীতিতেই ইছলাবাদ কিরণ সঙ্ঘ ক্লাবের সদস্যরা মানুষের পাশে থাকার কাজ করে চলেছেন। তার বদলে, এই সব অসহায় মানুষদের মুখের হাসি ও আশীর্বাদটুকুই তাঁদের বড় পাওনা। এর আগে কোভিড রোগীদের জন্য অক্সিজেনের ব্যবস্থা করে বহু মানুষকে মৃত্যুর মুখ থেকে বাঁচিয়েছিলেন ক্লাবের সদস্যরা। এবার দুর্যোগে বিপর্যস্ত মানুষগুলোর পাশে দাঁড়াতে পেরে তৃপ্তির হাসি হাসছেন ক্লাবের প্রত্যেক সদস্যরা।

জুন ১১, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মমতার হেলিকপ্টারের সামনে রহস্যময় উড়ন্ত বস্তু! মালদহে চাঞ্চল্য, নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন

মালদহে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সফর ঘিরে হঠাৎই চাঞ্চল্য ছড়ায় একটি রহস্যময় উড়ন্ত যন্ত্রকে কেন্দ্র করে। মালতিপুরে জনসভা শেষ করে গাজোল যাওয়ার জন্য হেলিকপ্টারে উঠতে যাচ্ছিলেন তিনি। সেই সময় আকাশে একটি অচেনা উড়ন্ত যন্ত্রের চলাচল নজরে আসে। বিষয়টি দেখে স্বাভাবিকভাবেই উপস্থিত সকলেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।মুখ্যমন্ত্রী নিজেও হেলিকপ্টারের সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ ধরে ওই যন্ত্রটির দিকে নজর রাখেন। তাঁর সফরের সময় সাধারণত আকাশপথ পুরোপুরি নিরাপদ রাখা হয়। সেই জায়গায় এই ধরনের উড়ন্ত যন্ত্রের উপস্থিতি নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।ঘটনাটি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কারা এই কাজ করছে তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তিনি পুলিশের কাছে দ্রুত এই বিষয়ে তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করার নির্দেশ দেন। তাঁর কথায়, এর পিছনে কোনও পরিকল্পনা বা ষড়যন্ত্র থাকতে পারে বলেই সন্দেহ।রাজ্যে ভোটের আবহে সব দলই জোরকদমে প্রচারে নেমেছে। মুখ্যমন্ত্রীও একাধিক জনসভা ও কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। শনিবার মালদহে তাঁর একাধিক সভা ও কর্মসূচি ছিল। মালতিপুরে সভা শেষে গাজোল যাওয়ার সময়ই এই ঘটনা ঘটে।সূত্রের খবর, এই উড়ন্ত যন্ত্রটি কে বা কারা ওড়াচ্ছিল এবং কী উদ্দেশ্যে তা করা হয়েছিল, তা দ্রুত খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। নিরাপত্তা সংক্রান্ত সব দিকই গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজে জট ভেঙে নতুন পথ! যুদ্ধের মাঝেই তেলবাহী জাহাজের বিকল্প রুটে চাঞ্চল্য

ইরান এবং আমেরিকার সংঘাতের জেরে হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ব জুড়ে তেল ও জ্বালানি সরবরাহে বড়সড় প্রভাব পড়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে হাজার হাজার জাহাজ আটকে পড়ায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে চাপ তৈরি হয়েছে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই সামনে এসেছে একটি বিকল্প পথের খোঁজ। জানা গিয়েছে, কিছু বাণিজ্যিক জাহাজ এই নতুন পথ ব্যবহার করে হরমুজ প্রণালীতে প্রবেশ করছে, ফলে কিছুটা স্বস্তির ইঙ্গিত মিলছে।একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, অটোমেটিক আইডেনটিফিকেশন সিস্টেম এবং দূরসংবেদন তথ্য থেকে দেখা গিয়েছে, অন্তত চারটি বড় জাহাজ ইরানের জলপথ এড়িয়ে অন্য রাস্তা দিয়ে হরমুজে ঢুকেছে। এই জাহাজগুলি ওমানের সামুদ্রিক সীমার মধ্য দিয়ে এগিয়েছে।সূত্রের খবর, হাব্রুট ও ঢালকুট নামে দুটি তেলবাহী জাহাজ এবং একটি তরল প্রাকৃতিক গ্যাস বহনকারী জাহাজ ওমানের জলসীমায় প্রবেশ করে। পরে মুসানদাম উপকূলের কাছে গিয়ে তারা তাদের সিগন্যাল বন্ধ করে দেয়। তিন এপ্রিল তাদের মাসকট উপকূল থেকে প্রায় সাড়ে তিনশো কিলোমিটার দূরে দেখা গিয়েছিল।এই তেলবাহী জাহাজ দুটিতে প্রায় বিশ লক্ষ ব্যারেল সৌদি এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির তেল রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই জাহাজগুলির পর একই পথে ভারতীয় পতাকাবাহী একটি পণ্যবাহী জাহাজও প্রবেশ করেছে। এটি গত একত্রিশ মার্চ দুবাই থেকে রওনা দিয়েছিল এবং বর্তমানে ওমানের দিব্বা বন্দরের কাছাকাছি রয়েছে।এতদিন সংঘাতের মাঝেও ইরান কিছু দেশের জাহাজকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যেতে দিচ্ছিল, তবে তার জন্য মোটা অঙ্কের শুল্ক নেওয়া হচ্ছিল। এখন বিকল্প পথ চালু হওয়ায় সেই অতিরিক্ত খরচ থেকে কিছুটা মুক্তি পেতে পারে জাহাজগুলি বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
রাজ্য

মালদায় মমতার তোপ! ‘কংগ্রেসকে ভোট দিয়ে লাভ কী?’—এক মঞ্চে সিপিএম-বিজেপিকেও আক্রমণ

সাম্প্রতিক সময়ে মালদা ও মুর্শিদাবাদ জেলায় কংগ্রেস বড় সাফল্য না পেলেও, রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করে এই দুই জেলায় এখনও তাদের কিছুটা প্রভাব রয়েছে। সেই ধারণা কতটা ঠিক, তা আগামী চার মে ভোটের ফল প্রকাশ হলেই স্পষ্ট হবে। তবে তার আগে এই দুই জেলায় ভাল ফল করার জন্য তৃণমূল, বিজেপি ও বামেরা সহ প্রায় সব দলই মরিয়া হয়ে উঠেছে।এই পরিস্থিতিতে মালদার মালতিপুরের সামসি কলেজ মাঠে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে জনসভা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সভা থেকেই তিনি কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। পাশাপাশি সিপিএম ও বিজেপিকেও নিশানা করেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কংগ্রেসকে এখানে জিতিয়ে কোনও লাভ নেই। একটি আসন পেয়ে তারা সরকার গঠন করতে পারবে না, তাহলে মানুষ কেন তাদের ভোট দেবেএই প্রশ্ন তোলেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, সিপিএমকে ভোট দিলেও কোনও লাভ হবে না, কারণ তারা শেষ পর্যন্ত বিজেপির সঙ্গেই যাবে।এছাড়াও তিনি অন্য একটি দলকে ইঙ্গিত করে বলেন, বাইরে থেকে এসে যারা ভোট চাইছে, তারা শুধু ভোটের সময় আসে এবং পরে চলে যায়। তাদের ভোট দিয়ে কোনও লাভ হবে না বলেও দাবি করেন তিনি।উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুতেই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেন মৌসম বেনজির নুর। গনি খান চৌধুরীর পরিবারের সদস্য মৌসম নুরকে মালদার মালতিপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেছে কংগ্রেস। এই বিষয়টিও রাজনৈতিক মহলে বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
রাজ্য

গেরুয়া ঢেউয়ে খড়গপুর! দিলীপের মনোনয়নে শুভেন্দুর চমক, একসঙ্গে মঞ্চে বড় বার্তা বিজেপির

খড়গপুরে দিলীপ ঘোষের মনোনয়ন জমা দেওয়ার মিছিল যেন গেরুয়া রঙে ভেসে যায়। সেই ভিড়ের মধ্যেই নজর কাড়ে একটি দৃশ্য। প্রচার গাড়িতে সামনে ছিলেন দিলীপ ঘোষ, আর তাঁর একেবারে পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এই উপস্থিতিই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে। মিছিলে আরও উপস্থিত ছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা এবং দিলীপ ঘোষের স্ত্রী রিঙ্কু মজুমদার।২০১৬ সালে খড়গপুর সদর কেন্দ্র থেকেই প্রথমবার বিজেপির বিধায়ক হন দিলীপ ঘোষ। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী রামা প্রসাদ তিওয়ারিকে বড় ব্যবধানে হারান তিনি। পরে ২০১৯ সালে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ায় এই কেন্দ্র উপনির্বাচনে বিজেপির হাতছাড়া হয়। তবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আবার এই আসন ফিরে পায় বিজেপি।একই দলে থাকলেও দিলীপ ঘোষ এবং শুভেন্দু অধিকারীর সম্পর্ক ও রাজনৈতিক সমীকরণ দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে। তাই এদিন মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় দিলীপের একেবারে পাশে শুভেন্দুর উপস্থিতি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।এইদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তেইশ তারিখ দিলীপ ঘোষ নিজের ভোটের কাজ শেষ করে ভবানীপুরে তাঁর জন্য প্রচারে নামবেন। দিলীপ ঘোষ এবং রেখা গুপ্তাকে পাশে রেখেই এই মন্তব্য করেন তিনি।এর আগে গত সোমবার ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি জানিয়েছিলেন, ভোটের আগে কিছুদিন পশ্চিমবঙ্গেই থাকবেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, ভবানীপুরে জয় মানেই গোটা বাংলায় জয়।এদিনের মিছিল থেকে রেখা গুপ্তা বলেন, বাংলার মানুষ এবার পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত। তাঁর দাবি, মানুষ এই সরকারকে সরাতে চায় এবং নতুন সরকার গঠনের জন্য উৎসাহী। তিনি আরও বলেন, অনুপ্রবেশ একটি বড় সমস্যা এবং নতুন সরকার এলে এই বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
কলকাতা

এবার সরানো হল সুপ্রতিম সরকারকে! ভিনরাজ্যে পাঠানো হল অবজারভার হিসেবে

ভোট ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই রাজ্যে একের পর এক শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। ঘোষণার দিন রাতেই সরানো হয় মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবকে। একই সঙ্গে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালক এবং কলকাতা পুলিশের পুলিশ কমিশনারকেও।এরপর ধাপে ধাপে একাধিক জেলার জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদেরও বদলি করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে।এই বিষয়টি নিয়ে বারবার সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এই পদক্ষেপ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং বিষয়টি নিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লিখেছেন বলে জানা গিয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, ভোটের মুখে এভাবে একের পর এক প্রশাসনিক বদলি রাজ্যের পরিস্থিতির উপর প্রভাব ফেলতে পারে। এই নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর ক্রমেই বাড়ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
কলকাতা

চমক! শুভেন্দুর মনোনয়ন ঘিরে তুমুল অশান্তি, একসঙ্গে ৩৮ জনকে তলব পুলিশের—চাপ বাড়ল রাজনীতিতে!

শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন কর্মসূচি ঘিরে অশান্তির ঘটনায় তৎপর হয়েছে পুলিশ। নির্বাচন কমিশনের অভিযোগ এবং পুলিশের নিজস্ব উদ্যোগে দায়ের হওয়া একাধিক মামলায় মোট ৩৮ জনকে তলব করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, আলিপুর থানায় নির্বাচন কমিশনের অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের হওয়া মামলায় ৬ জন তৃণমূল কর্মীকে তলব করা হয়েছে। সার্ভে বিল্ডিংয়ের সামনে নির্বাচনী আচরণবিধি ভাঙার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।এছাড়াও এই অশান্তির ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলিপুর ও কালীঘাট থানায় পুলিশের তরফে দায়ের হওয়া দুটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় তৃণমূল ও বিজেপি মিলিয়ে আরও ৩২ জনকে তলব করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন কীভাবে অশান্তি ছড়িয়েছিল, কারা এতে জড়িত ছিল এবং আইনশৃঙ্খলা নষ্ট করার পেছনে কারা ভূমিকা নিয়েছিল, তা খতিয়ে দেখতেই এই পদক্ষেপ। তদন্তের স্বার্থে সকলকেই নির্দিষ্ট সময়ে থানায় হাজির হতে বলা হয়েছে।অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, সংবাদমাধ্যমের সামনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী কেন্দ্রীয় বাহিনী, রাজ্য পুলিশ এবং নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের নিয়ে হুমকির সুরে মন্তব্য করেছেন। তাঁদের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে ভোটারদের ভয় দেখানোর কথা বলা হয়েছে, যা নির্বাচন প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
রাজ্য

চাঞ্চল্যকর মোথাবাড়ি কাণ্ড! নাম কাটার ভয় নয়, নেপথ্যে ‘গভীর ষড়যন্ত্র’—তদন্তে বিস্ফোরক ইঙ্গিত

মালদহের মোথাবাড়ি কাণ্ডের তদন্তে নেমে বড়সড় ইঙ্গিত দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। প্রাথমিক অনুসন্ধানে তাদের মত, এই আন্দোলন শুধুমাত্র নাম বাদ যাওয়ার ভয়ে হয়নি, এর পিছনে ছিল গভীর ষড়যন্ত্র এবং পরিকল্পনা।এনআইএর দাবি, এসআইআর-এর কাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই কালিয়াচক, সুজাপুর এবং মোথাবাড়ির একাধিক গ্রামে গোপনে মানুষকে প্রভাবিত করার কাজ চলছিল। নাম বাদ গেলে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবেএমন ভয় দেখিয়ে প্রথমে মানুষকে একত্রিত করা হয় বলে মনে করা হচ্ছে। এই কাজের পিছনে কারা রয়েছে, সেই চক্রের খোঁজ চালাচ্ছে তদন্তকারী সংস্থা।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, এই আন্দোলন হঠাৎ করে এক-দুদিনে তৈরি হয়নি। যদিও বিচারকদের আটকে রাখার ঘটনা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে, তবে এর পিছনে অন্য উদ্দেশ্য ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা এনআইএর।এখনও পর্যন্ত যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে পুলিশের কাছ থেকে। অতীতে কোনও আন্দোলন বা জমায়েতের সঙ্গে তাঁদের যোগ ছিল কি না, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এনআইএর হাতে আসা কিছু ভিডিও ফুটেজেও দেখা গিয়েছে, কীভাবে উস্কানিমূলক বক্তব্য এবং প্ররোচনা দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করা হয়েছে। তদন্তকারীদের মতে, এই সব তথ্য বৃহত্তর কোনও ষড়যন্ত্রের দিকেই ইঙ্গিত করছে।ঘটনার তদন্তে নেমে এনআইএর একটি দল ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করেছে। সংগ্রহ করা সমস্ত তথ্য কলকাতার এনআইএ দফতরে পাঠানো হয়েছে। সূত্রের খবর, সেই রিপোর্ট এনআইএর আইজি সোনিয়া সিং-এর কাছেও জমা দেওয়া হয়েছে।তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশের কাছ থেকে একাধিক ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। পাশাপাশি, পুলিশ প্রথম কখন খবর পেয়েছিল, কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়েছিল এবং ঘটনার সময় পুলিশের ভূমিকা কী ছিল, সেই সব দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
কলকাতা

সিইও দফতরের সামনে রণক্ষেত্র! ঘেরাও, সংঘর্ষ, মারামারি—একাধিক মামলা, আটক বহু জন

সিইও দফতরের সামনে ঘেরাও, সংঘর্ষ এবং বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত হেয়ার স্ট্রিট থানায় দুটি মামলা দায়ের করেছে কলকাতা পুলিশ। জানা গিয়েছে, দুটি মামলাই পুলিশের পক্ষ থেকে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে করা হয়েছে।গত বুধবার দুপুরে বিজেপি এবং তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের মধ্যে তীব্র বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। ফর্ম ছয় জমা দেওয়া নিয়ে পরিস্থিতি দ্রুত হাতাহাতিতে গড়িয়ে যায়। দীর্ঘ সময় ধরে ধস্তাধস্তি চলে। বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ ওঠে। পাল্টা আক্রমণের মুখে পড়েন তৃণমূল কর্মীরাও।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে শুরু করতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছন পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। দিনভর উত্তেজনা চলার পর শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা এসে পরিস্থিতি সামাল দেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে অজ্ঞাত পরিচয়ের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে।অন্যদিকে আরও একটি মামলায় তৃণমূলের দুই কাউন্সিলর, এক শিক্ষক নেতা-সহ মোট ছজনের নাম রয়েছে। সূত্রের খবর, অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর সচিন সিংহ এবং শান্তি রঞ্জন কুণ্ডু। এছাড়াও বিএলও মঞ্চের মইদুল ইসলাম-সহ অন্যদের নামও রয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই দুই মামলার ভিত্তিতে এখনও পর্যন্ত আঠারো জনকে আগাম গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি বারো জনকে নোটিস পাঠিয়ে থানায় হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এদিকে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন পেশের দিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের রোড শো ঘিরে উত্তেজনার ঘটনাতেও তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সেই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট তিনটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। তার মধ্যে দুটি আলিপুর থানায় এবং একটি কালীঘাট থানায় নথিভুক্ত হয়েছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal