• ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩, মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Special Program

বিনোদুনিয়া

অনুষ্ঠিত হলো সন্তোষপুরের ‘আগন্তুক’ সংস্থার ‘নারীর সামাজিক-সাংস্কৃতিক ক্ষমতায়ন’ অনুষ্ঠান

৮ই মার্চ ছিল বিশ্ব নারী দিবস। এই দিনটি কে মাথায় রেখে আই সি সি আর হলে সন্তোষপুর আগন্তুক আয়োজন করল ছিলো নারী দিবসের এক বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আমরা নারীদের বিশেষভাবে সম্মান দেওয়ার চেষ্টা করি। চেষ্টা করি তাদের জন্য আর একটু বেশি কিছু করার। সন্তোষপুর আগন্তুক নারীর ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে একটি অগ্রগণ্য সংস্থা। বিশ্ব নারী দিবসে তারা উদযাপন করতে চলেছে অনুপ্রানন। জীবনের সর্ব শ্রেণীর নারীদের উন্নতি ও ক্ষমতায়নের উদ্দেশ্যে ও তাদের সম্মান জানিয়ে এই অনন্য সামাজিক-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্ভাবনা। এখন প্রসঙ্গক্রমে একজন বিশেষ ব্যাক্তিত্বের কথা না বললে খুবই অন্যায় ও পরিবেশনায় অসম্পূর্ণতা থেকে যাবে, তিনি হলেন এই স্বয়ম কর্ম ভাবনাটির প্রাণদাত্রী অভিষিক্তা বসু। ইনি মূলত এই কর্ম ভাবনার বাস্তব প্রতিক্ষেপণে বিপদগ্রস্ত মহিলাদের আইনগত সহযোগিতা ও পরামর্শদানের গুরু দায়িত্বটি পালন করে থাকেন। অনুপ্রানন শব্দটির অর্থ আত্মা। যে কর্মে আত্মার যোগ যদি না থাকে সেই কর্মে যেমন সাফল্য আশা করা বৃথা, তেমনই আত্মার একাত্মতাই মানুষকে মানুষের পাশে দাঁড়াতে সাহস যোগায়। তাই এই আত্মিকতা নিয়েই অনুপ্রাননের আজকের এই বিশেষ দিনে এই সবিশেষ প্রচেষ্টা। এই অনুষ্ঠানটি শুরু থেকেই তার নিজস্বতা আর এক অনন্য স্বাদ নিয়ে হাজির হয়েছে। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন হয় মূক ও বধির শিশুদের সাংকেতিক ভাষার মাধ্যমে জাতীয় সঙ্গীতের এক মর্মস্পর্শী উপস্থাপনের মাধ্যমে। অনুষ্ঠানের পরবর্তী পদক্ষেপ ছিল সন্তোষপুর আগন্তুকের সভাপতি বিপ্রদাস ভট্টাচার্যের সংবর্ধনা ও সংস্থার উদ্দেশ্য ও ভবিষ্যতের কর্ম প্রকল্প নিয়ে সর্বজনের জন্য কিছু কথা ও তথ্য। সন্ধ্যার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল স্বয়ম এর প্রকাশ। স্বয়ম হল সন্তোষপুর আগন্তুক-এর একটি আইনি সচেতনতামূলক উদ্যোগ। স্বয়ম-এর উদ্দেশ্য হল নারীদের আইনগত অধিকার অর্জন এবং বাস্তবায়নের মাধ্যমে ন্যায়বিচার অর্জন করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা ও শিক্ষা দান। এই উদ্যোগ দেশের বিশাল জনসংখ্যার নারীদেরকে আইনিভাবে ক্ষমতায়ন করতে সহায়তা করবে। অনুষ্ঠানের পরবর্তী অংশে নিয়ে আসা হয়েছিল এমন একটি বিশেষ উপস্থাপনা যা আগে কখনও কোনও মঞ্চে চিত্রিত হয়নি। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সোনার হরিণ, নৃত্যনাট্যের সাথে একাধিক সাহিত্যকর্ম থেকে বিভিন্ন নারী চরিত্রের সংমিশ্রণ নিয়ে প্রযোজনাটি উপস্থাপিত হয়। সমগ্র অনুষ্ঠানটির গ্রন্থনে ছিলেন তুশি নস্কর। চিত্রনাট্য লিখেছেন কৃষ্ণা দত্ত। কণ্ঠ দিয়েছেন স্বর্ণালী পাল এবং উপস্থাপনাটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সদস্যরা হলেন সুব্রত মুখার্জি (সঙ্গীত) ও সুবর্ণ প্রতিম গিরি (কণ্ঠ)। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে দর্শকদের জন্য ছিল তিতিক্ষা নামের একটি ছায়া ছবির একটি অতি আবেগপূর্ণ উপস্থাপনা যা সত্যিকারের নারীত্বের যাত্রাকে চিত্রিত করেছে। এই ছায়াছবি ছিল ৩ টি অনন্য গল্পের একটি অপরূপ সংকলন। তিতিক্ষা উপস্থাপন করেছে ক্রিয়া নামের একটি প্রযোজনা সংস্থা। আহি নস্কর দ্বারা পরিচালিত ও চলচ্চিত্র নির্মাতা শ্রীযুক্ত সন্দীপন মন্ডলের সুপরামর্শে সমৃদ্ধ এই ছবিটির বিশেষ প্রাপ্তি পরিচালকের অসাধারণ গ্রন্থনা ও চিত্র রূপাংকন। অনুষ্ঠানের বিশেষ আহ্বান, নারী ক্ষমতায়নের সহযাত্রী।সন্তোষপুর আগন্তুক হাজার হাজার নারীর জীবনে তাদের দক্ষতা ও কার্য সম্পাদনের মাধ্যমে সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং সর্বোপরি আর্থিকভাবে ক্ষমতায়নের মাধ্যমে তাদের জীবনে পার্থক্য সৃষ্টি করে দেওয়ার মহৎ কর্মে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। স্বর্ণালী পাল (সংস্থা র প্রেসিডেন্ট),অরিজিৎ মুখার্জী (সম্পাদক), তুষি নস্কর, সায়নজিৎ ঘোষ এবং আরও অনেকে এই সংস্থাটি পরিচালনার গুরুভার স্বেচ্ছায় নিজেদের কাঁধে তুলে নিয়ে এক মহতি পথরেখা এঁকে চলেছেন। তাদের নিঃস্বার্থ কর্মকাণ্ড এবং কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে বহু অসহায় নারীর মুখে হাসি ফুটিয়েছেন এবং ফুটিয়ে চলেছেন। এদিনের সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন উজ্জ্বল ভট্টাচার্য।

মার্চ ১৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বিশেষভাবে সক্ষমদের পাশে দাঁড়িয়ে বিশেষ দৃষ্টান্ত স্থাপন ঐক্যতানের

বিগত বছরের মতো এই বছরেও ঐক্যতানের পক্ষ থেকে রক্তদান শিবিরের আয়োজন কড়া হল। ভালোবাসার দিন অর্থাৎ ভ্যালেন্টাইন্স ডে-র ঠিক আগের দিন এই মহৎ কর্মসূচীর আয়োজন করে তারা। প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা ও দেবাশিস কুমার। এছাড়া মর্নিং গ্লোরি ইন্ট্রিগ্রেটেড স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরাও রক্তদান শিবিরে উপস্থিত হয়েছিল। এই সংগঠনের সদস্য আনন্দ ভুঁইয়া জনতার কথা কে জানালেন, আমাদের উদ্দেশ্য ছিল মানুষের পাশে দাঁড়ানো। সেই উদ্দেশ্য নিয়েই আমরা একটা সংগঠন তৈরি করি। গত বছর প্রথম রক্তদান শিবিরের আয়োজন করেছিলাম আমরা। এই বছর এখনও পর্যন্ত ৫০ জন রক্ত দিয়েছেন। দেবাশিস কুমার এদিন জানান, আগামীকাল ভালোবাসার দিন। ভালোবাসার ব্যপকতা, ভালোবাসার ব্যপ্তি কতটা হতে পারে ঐক্যতান তার প্রমাণ রাখলো। বিশেষভাবে সক্ষম বাচ্চাদের পাশে দাঁড়িয়ে আগামী দিনের সার্থকতা আজকে তারা করে দিলেন। ভালোবাসাটা দুটো নারী-পুরুষের মধ্যে নয়। ভালোবাসাটা মানুষের সঙ্গে মানুষের। সেই কাজটাই তারা করলেন।উদ্যোক্তারা আরো জানিয়েছেন মর্নিং গ্লোরি ইন্ট্রিগ্রেটেড স্কুলের বিশেষভাবে সক্ষম ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে দাঁড়ানোর একটা প্রয়াস ছিল তাদের। আনন্দ ভুঁইয়া এই স্কুলের সঙ্গে ওতপ্রতোভাবে জড়িত।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Viswa Bharati : বিশ্বভারতীর শতবর্ষে বিশেষ উপাসনা ও স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ শান্তিনিকেতনের মোহরবীথিকা অঙ্গনে

৭ই পৌষ মহর্ষির দীক্ষার দিন তথা শান্তিনিকেতনের বার্ষিক উৎসব প্রসঙ্গে রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন - শান্তিনিকেতনের সাম্বৎসরিক উৎসবের সফলতার মর্মস্থান যদি উৎঘাটন করে দেখি তবে দেখতে পাব,এর মধ্যে সেই বীজ অমর হয়ে আছে,যে বীজ থেকে এই আশ্রম-বনস্পতি জন্ম লাভ করেছে; সে হচ্ছে সেই দীক্ষাগ্রহণের বীজ। ....সেই ৭ই পৌষ এই শান্তিনিকেতন আশ্রমকে সৃষ্টি করেছে এবং এখন ও প্রতিদিন একে সৃষ্টি করে তুলেছে।এবছর ৭ই পৌষ মহর্ষির দীক্ষার ১৭৮ বছর,আশ্রম প্রতিষ্ঠার ১৫৮ বছর,মন্দির প্রতিষ্ঠার ১৩০ বছর, ব্রহ্ম বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ১২০ বছর, বিশ্বভারতীর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের ১০৩ বছর ও বিশ্বভারতী সূচনার (পরিষদ গঠনের )১০০ বছর।এই উপলক্ষে ২২ ডিসেম্বর (৬ পৌষ ১৪২৮ ) মোহর-বীথিকা অঙ্গনে বাংলা লাইভ ডট কম এবং মোহর-বীথিকা অঙ্গনের যৌথ উদ্যোগে বিশ্বভারতীর শতবর্ষ স্মরণে উপাসনা ও স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ করা হলো। মোহর-বীথিকা অঙ্গন (মাল্টিডিসিপ্লিনারি আর্ট স্পেস) আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২০ সালের বসন্তে শুরু হলেও এই প্রাঙ্গণে বহু গুণী মানুষের পদধূলি পড়েছে। কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর বাসভবনকে কেন্দ্র করে এই যে প্রতিষ্ঠান তার মূল উদ্দেশ্য শান্তিনিকেতন ও শান্তিনিকেতন আশ্রমের গড়ে ওঠার ইতিহাস, শিক্ষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্যকে ধারণ ও বহন করা।এবছর বিশ্বভারতী পরিষদ গঠনের শতবর্ষকে স্মরণে রেখে মোহর-বীথিকা অঙ্গন এবং বাংলা লাইভ ডট কম এর নিবেদন বিশেষ উপাসনা ও একটি গ্রন্থ প্রকাশ ৬ই পৌষ(২২ ডিসেম্বর) সকাল ৮:৩০ মোহর-বীথিকা অঙ্গনে( কণিকা বন্দোপাধ্যায়ের বাসভবন প্রাঙ্গণ) হয়ে গেল। এই বিশেষ উপাসনায় আচার্যের ভূমিকায় ছিলেন বিশিষ্ট আশ্রমিক ও পাঠভবনের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সুপ্রিয় ঠাকুর, মন্ত্রপাঠে প্রাক্তন অধ্যাপিকা কল্পিকা মুখোপাধ্যায়। গানে অংশগ্রহণ করেন চন্দন মুন্সী, অঙ্কন রায়, প্রিয়ম মুখোপাধ্যায়, নিবেদিতা সেনগুপ্ত, ঋতপা ভট্টাচার্য, শরণ্যা সেনগুপ্ত, ঋতজা চৌধুরী, মধুজা চট্টরাজ।নীলাঞ্জনা সেনমজুমদার, অভীক ঘোষ (পাঠে) যন্ত্রানুষঙ্গে ছিলেন সীতেশ হালদার,সৌগত দাস, সুতনু সরকার,দিলীপ বীরবংশী, বিশ্বায়ন রায়। এই বিশেষ স্মারক গ্রন্থে লিখেছেন পবিত্র সরকার,মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়,প্রণব রঞ্জন রায় সুশোভন অধিকারী,বিশ্বজিৎ রায়,অশোক কুমার মুখোপাধ্যায়,গৌতম ভট্টাচার্য অমিত্র সূদন ভট্টাচার্য প্রমুখ যার এদিন ডিজিটাল সংস্করণ প্রকাশ করা হলো। অনুষ্ঠানটি সাজানো হয়েছে শান্তিনিকেতনের উপাসনার আঙ্গিকে। গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ও ঠাকুর বাড়ির অন্যান্যদের রচিত ব্রহ্মসঙ্গীত এই উপাসনার এক বড় অংশ জুড়ে ছিল। জানালেন মোহর-বীথিকা অঙ্গনের পক্ষে ঋতপা ভট্টাচার্য।বাংলা লাইভ এর পথ চলা শুরু হয়েছিল ২০০০ সালে৷ বাংলালাইভ শুধু একটি আন্তর্জালিক আন্তর্জাতিক সাহিত্য পত্রিকা নয়, বাংলালাইভ সাথে সাথে হয়ে উঠেছে একটি সামাজিক ভাবনা চিন্তা ভাগ করে নেওয়ার মেলবন্ধন ৷ বন্ধুত্ব, ভালবাসা, ভাল চিন্তা, ভাল থাকার প্রচেষ্টা ৷ এই যৌথ পরিবারে আপনি আমি সবাই সামিল।এরকম একটা উদ্যোগে অংশগ্রহণ করতে পেরে ভীষণই ভালো লাগছে, বললেন বাংলা লাইভের পক্ষে মৌসুমী দত্ত রায়।অনুষ্ঠান শুরু হয় বেদ গান তমীশ্বরানাং দিয়ে, মন্ত্র পাঠ করেন কল্পিকা মুখোপাধ্যায়,পাঠে ছিলেন অভীক ঘোষ,নীলাঞ্জনা সেন মজুমদার, চন্দন মুন্সী নিবেদন করেন পরিপূর্ণাং আনন্দং, সমবেত কন্ঠে গাওয়া হয় শুভ্র আসনে বিরাজ, নূতন প্রাণ দাও,ওঁ পিতা নোহসি মন্ত্র পাঠ করেন কল্পিকা মুখোপাধ্যায়, তার বাংলা অনুবাদ পাঠ করেন সুপ্রিয় ঠাকুর,একক সঙ্গীত পরিবেশনে ছিলেন মধুজা চট্টরাজ (মোরে ডাকি লয়ে যাও), অঙ্কন রায় (চিরবন্ধু চিরনির্ভর), ঋতজা চৌধুরী (বিমল আনন্দে জাগো রে), ধন্য তুমি ধন্য (প্রিয়ম মুখোপাধ্যায় ),ঋতপা ভট্টাচার্য ( স্বপন যদি ভাঙিলে ), তোমারি নামে ( শরণ্যা সেনগুপ্ত ), নিবেদিতা সেনগুপ্ত ( নিত্য তোমার ),সব শেষে সমবেত কন্ঠে পরিবেশিত হয় মোরা সত্যের পরে মন। সমগ্র অনুষ্ঠানটির পরিকল্পনা এবং পরিচালনায় ছিলেন প্রিয়ম মুখোপাধ্যায়।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মধ্যমগ্রামে কল সেন্টারে তল্লাশি, বিপুল সিম-মোবাইল উদ্ধার, গ্রেফতার ২৫

মধ্যমগ্রামের দোলতলা সংলগ্ন এলাকায় একটি কল সেন্টারে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার হলেন ২৫ জন। ধৃতদের মধ্যে ৭ জন যুবক এবং ১৮ জন যুবতী বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। সোমবার দুপুরে মধ্যমগ্রাম থানা ও সাইবার থানার যৌথ বাহিনী ওই প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালায়।পুলিশ সূত্রে খবর, গোপন সূত্রে ওই কল সেন্টার সম্পর্কে কিছু তথ্য পাওয়ার পরই অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেইমতো সোমবার দুপুর ১২টা নাগাদ দোলতলা সংলগ্ন এলাকায় অ্যাসিওর মোটিভেশন নামে একটি প্রতিষ্ঠানে হানা দেন পুলিশকর্মীরা। সেখানে বেশ কিছুক্ষণ তল্লাশি চালানো হয়।অভিযানের সময় অফিস থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১৯টি মোবাইল ফোন। পাশাপাশি পাওয়া গিয়েছে শতাধিক সিম কার্ড, একাধিক নথি এবং নগদ ৩০ হাজার টাকা। উদ্ধার হওয়া সামগ্রীগুলি ঘিরে পুলিশের সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এরপরই ওই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ২৫ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে ৭ জন যুবক ও ১৮ জন যুবতী রয়েছেন। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বারাসাত থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।তবে এই কল সেন্টারে ঠিক কী ধরনের কাজ চলত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। উদ্ধার হওয়া বিপুল সংখ্যক সিম কার্ড এবং মোবাইল ফোন কী কাজে ব্যবহার করা হতো, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে কোনও সাইবার অপরাধের যোগ রয়েছে কি না, সে বিষয়েও পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে কল সেন্টারের কাজকর্ম এবং উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর ব্যবহার সম্পর্কে আরও তথ্য জানার চেষ্টা চলছে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
দেশ

সাঁঝ আকাশে একফালি চাঁদের গায়ে উজ্জ্বল আলোক বিন্দু! সন্ধ্যার আকাশে এ কী রহস্য!

অমাবস্যার তিন দিনের মাথায় একফালি চাঁদ। তার পাশেই উজ্জ্বল আলোকবিন্দু। সোমবার সন্ধ্যায় কলকাতা থেকে কোচবিহারআকাশ পরিষ্কার থাকলে উত্তর গোলার্ধের বহু জায়গা থেকেই দেখা গেল মনোরম এই মহাজাগতিক দৃশ্য। চাঁদের পাশে জ্বলজ্বল করা সেই আলোর বিন্দু আসলে শুক্র গ্রহ।সোমবার সন্ধ্যার আকাশে নজর কেড়েছে একফালি বাঁকা চাঁদ। তার ঠিক পাশে উজ্জ্বল আলোর বিন্দু। প্রথম দেখায় অনেকেরই মনে হয়েছে, চাঁদের গায়ে যেন কোনও তারা জ্বলছে। সমাজমাধ্যমেও সেই দৃশ্যের ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। তবে ওই আলোকবিন্দু কোনও তারা নয়, শুক্র গ্রহ।অমাবস্যার পর সোমবার চাঁদের বয়স ছিল মাত্র তিন দিন। চাঁদের মাত্র প্রায় ১৪ শতাংশ অংশ আলোকিত ছিল। সেই সরু চাঁদের কাছেই দেখা যায় শুক্রকে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গের কোচবিহার পর্যন্ত আকাশ পরিষ্কার থাকলে এই দৃশ্য নজরে এসেছে।শুধু বাংলায় নয়, পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকেই সোমবার সূর্যাস্তের পর চাঁদ ও শুক্রের এই কাছাকাছি অবস্থান দেখা যাওয়ার কথা ছিল। উত্তর গোলার্ধে সূর্য ডোবার পর দক্ষিণ-পশ্চিম আকাশে এই দৃশ্য সবচেয়ে সহজে নজরে পড়ে। দক্ষিণ গোলার্ধ থেকেও চাঁদের পাশে শুক্রকে দেখা যায়।কেন চাঁদের এত কাছে শুক্র?ইন্ডিয়ান সেন্টার ফর স্পেস ফিজ়িক্সের অধিকর্তা অধ্যাপক সন্দীপ চক্রবর্তীর ব্যাখ্যা, এটি কোনও বিরল মহাজাগতিক ঘটনা নয়। পৃথিবী, সূর্য এবং অধিকাংশ গ্রহ কার্যত একই সমতলের কাছাকাছি অবস্থান করে। কিন্তু চাঁদের কক্ষপথ সেই সমতলের সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না। পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করার সময় চাঁদ সাধারণত ওই সমতলের প্রায় ৫ ডিগ্রি উত্তর বা দক্ষিণে অবস্থান করে।কখনও কখনও চাঁদ সেই সমতলের কাছাকাছি চলে আসে। তখন পৃথিবী থেকে দেখলে অন্য কোনও গ্রহের কাছাকাছি তাকে দেখা যেতে পারে। সোমবার এমনই এক অবস্থানে ছিল চাঁদ ও শুক্র।চাঁদের কক্ষপথ এবং পৃথিবীর কক্ষপথ একই সমতলে হলে অবশ্য এমন দৃশ্য আরও ঘন ঘন দেখা যেত। আবার চাঁদ যখন পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে এসে একই সমতলের কাছাকাছি অবস্থান করে, তখনই তৈরি হয় সূর্যগ্রহণের পরিস্থিতি।তাই সোমবারের আকাশের এই দৃশ্য বিরল না হলেও, একফালি চাঁদের পাশে উজ্জ্বল শুক্রের অবস্থান যে দৃষ্টিনন্দন, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
রাজ্য

ফের পুলিশ হেফাজতে বন্দির রহস্যমৃত্যুর অভিযোগ, চূড়ান্ত চাঞ্চল্যে হুলস্থূল কান্ড

ফের পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল পশ্চিম মেদিনীপুরে। চন্দ্রকোনা থানায় চুরির মামলায় গ্রেফতার হওয়া ২০ বছরের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশের দাবি, থানার শৌচাগারে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন ওই যুবক। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। যদিও মৃতের পরিবারের অভিযোগ, থানার ভিতরেই তাঁকে খুন করা হয়েছে।মৃত যুবকের নাম রাহুল রুইদাস। তিনি চন্দ্রকোনা থানার অন্তর্গত বগেশ্বরপুরের বাসিন্দা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় চার দিন আগে চুরির অভিযোগে রাহুলকে গ্রেফতার করা হয়। পরে ঘাটাল মহকুমা আদালত তাঁকে চার দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়।পুলিশের দাবি, রবিবার থানার শৌচাগার থেকে কিছু শব্দ শুনতে পান কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা। সেখানে গিয়ে রাহুলকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তাঁরা। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঘাটাল মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেই চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাহুল মাদকাসক্ত ছিলেন। পরিবারের সদস্যরাও তাঁর মাদকাসক্তির কথা স্বীকার করেছেন। তবে একইসঙ্গে তাঁদের অভিযোগ, থানার ভিতরেই রাহুলকে খুন করা হয়েছে। যদিও পরিবারের এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।এক মাসের ব্যবধানে ফের পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর অভিযোগচন্দ্রকোনার এই ঘটনার আগে গত মাসে উত্তর ২৪ পরগনার হালিশহর থানাতেও পুলিশ হেফাজতে এক ব্যক্তির মৃত্যু ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। মৃত ব্যক্তি ছিলেন কাঁচরাপাড়া পুরসভার প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর জেনি শর্মা কেওটের স্বামী বিরজু কেওট।তোলাবাজি-সহ একাধিক দুর্নীতির অভিযোগে বিরজুকে গ্রেফতার করেছিল হালিশহর থানার পুলিশ। পরে আদালত তাঁকে পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়। মৃতের স্ত্রী জেনি শর্মার অভিযোগ ছিল, তিনি থানার বাইরে চলে যাওয়ার পর লকআপের ভিতরে তাঁর স্বামীকে পুলিশকর্মীরা বেধড়ক মারধর করেন।যদিও পুলিশের দাবি, লকআপের ভিতরে বিরজুকে অসুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। এরপর জরুরি ভিত্তিতে তাঁকে কল্যাণীর একটি সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।এই ঘটনার পর পুলিশি গাফিলতির অভিযোগ ওঠে। ১০ আগস্ট মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি ঘটনায় ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্তের ঘোষণা করেন। পাশাপাশি মৃতের স্ত্রীকে ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য এবং সরকারি চাকরি দেওয়ার কথাও জানান।এর এক দিন আগে, ৯ আগস্ট, মৃত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে কাঁচরাপাড়ায় গিয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও দোলা সেন। অভিযোগ, বিজপুর রোডের কাছে মমতার কনভয়কে লক্ষ্য করে স্থানীয়দের একাংশ বিক্ষোভ দেখান। তাঁর গাড়িতে কাদা ও চটি ছোড়ার পাশাপাশি চোর, চোর স্লোগানও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়ায়।চন্দ্রকোনার সাম্প্রতিক ঘটনাকে ঘিরে ফের পুলিশ হেফাজতে নিরাপত্তা, বন্দিদের সুরক্ষা এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতার একাধিক জনপ্রিয় রাস্তার নাম বদল? কেন তড়িঘড়ি বড় সিদ্ধান্তের পথে বিজেপি সরকার?

কলকাতার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার নাম বদলের প্রস্তাব ঘিরে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। লেনিন সরণি, কার্ল মার্কস সরণি এবং হো চি মিন সরণির নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব খতিয়ে দেখছে বঙ্গের নতুন বিজেপি সরকার গঠিত ১০ সদস্যের কমিটি। রাস্তা, সেতু এবং বিভিন্ন জনপ্রিয় পাবলিক প্লেসের নাম পরিবর্তনের বিষয়ে এই কমিটি সুপারিশ করবে। ভারত সেবাশ্রম সংঘের স্বামী প্রদীপ্তানন্দ, যিনি কার্তিক মহারাজ নামে পরিচিত, এই কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন। দুর্গাপুজোর পর কমিটির প্রথম বৈঠক হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। সেখানেই কলকাতার বিভিন্ন রাস্তার নাম পরিবর্তনের প্রস্তাবগুলি নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।কলকাতা পুরসভার এক আধিকারিক জানিয়েছেন, লেনিন সরণি, কার্ল মার্কস সরণি এবং হো চি মিন সরণি নাম পরিবর্তনের তালিকায় রয়েছে। তবে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে। কমিটির সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন মেঘালয়ের প্রাক্তন রাজ্যপাল তথা বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথাগত রায়, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপদেষ্টা সুব্রত গুপ্ত এবং কলকাতা পুরসভার কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে।কার্তিক মহারাজ জানিয়েছেন, যে ব্যক্তিদের নামে কলকাতার বিভিন্ন রাস্তার নামকরণ করা হয়েছে, তাঁদের ভারতীয় ও বাঙালি ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির প্রেক্ষাপটে বর্তমান প্রাসঙ্গিকতা খতিয়ে দেখা হবে। তাঁর বক্তব্য, লেনিন সরণি, কার্ল মার্কস সরণি এবং হো চি মিন সরণির নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব রয়েছে। এছাড়াও আরও বেশ কিছু রাস্তার নাম বদলের প্রস্তাব কমিটির কাছে জমা পড়েছে। কমিটির সুপারিশ রাজ্য বিধানসভায় পাঠানো হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।তথাগত রায়ের পক্ষ থেকেও একাধিক নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর প্রস্তাব অনুযায়ী, লেনিন সরণির নাম করা হতে পারে প্রাক্তন ভারতীয় জনসঙ্ঘ সভাপতি দেবপ্রসাদ ঘোষের নামে। কার্ল মার্কস সরণির নাম বাঙালি কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত অথবা রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ওই এলাকার সঙ্গে দুই কবিরই যোগসূত্রের কথা উল্লেখ করেছেন তথাগত রায়। অন্যদিকে, হো চি মিন সরণির নাম বদলেরও প্রস্তাব রয়েছে। একইসঙ্গে কলকাতার কোনও একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার নাম সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের নামে করার প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।উল্লেখ্য, লেনিন সরণি একসময় ধর্মতলা স্ট্রিট নামে পরিচিত ছিল। ১৯৭০ সালে লেনিনের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে রাস্তার নাম পরিবর্তন করে লেনিন সরণি করা হয়। এর পরের বছর সার্কুলার গার্ডেনরিচ রোডের নাম বদলে করা হয় কার্ল মার্কস সরণি। শুধু বামপন্থী নেতাদের নাম নয়, মুসলিম ব্যক্তিত্বদের নামে থাকা কিছু জায়গার নাম পরিবর্তনেরও প্রস্তাব এসেছে বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে বারাসতের কাছে তিতুমিরের নামে থাকা বাসস্ট্যান্ডের নামও বদল করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর। তবে দীর্ঘদিন ধরে কলকাতার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা রাস্তার নাম বদলের উদ্যোগ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সমালোচকদের একাংশের আশঙ্কা, ঐতিহাসিক নাম পরিবর্তনের ফলে শহরের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলি মুছে যেতে বা তার চরিত্র বদলে যেতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

দিলজিৎ দোসাঞ্ঝের কনসার্টে ৯২ হাজার! টেলর-এডকে টপকে বিশ্বমঞ্চে নতুন ইতিহাস ভারতীয় তারকার

পাঞ্জাবি গায়ক দিলজিৎ দোসাঞ্ঝ ফের আন্তর্জাতিক মঞ্চে বড় নজির গড়েছেন। লন্ডনের ঐতিহাসিক ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে তাঁর একক কনসার্টে প্রায় ৯২ হাজার দর্শক উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। একদিনের একক কনসার্টে এত বড় দর্শকসমাগমের নজির ভারতীয় শিল্পীর ক্ষেত্রে বিশেষভাবে নজর কেড়েছে।গত ১২ সেপ্টেম্বর ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে মঞ্চে ওঠেন দিলজিৎ। তাঁর গান শুনতে সেখানে ভিড় করেন প্রায় ৯২ হাজার মানুষ। দর্শকসংখ্যার নিরিখে এই কনসার্টের পর আন্তর্জাতিক তারকাদের সঙ্গে দিলজিতের তুলনা শুরু হয়েছে। টেলর সুইফ্ট, এড শিরানের মতো তারকারাও ওয়েম্বলিতে বিপুল দর্শক টেনেছেন। তবে একদিনের একক কনসার্টে দিলজিতের প্রায় ৯২ হাজার দর্শকের উপস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।দিলজিৎ দোসাঞ্ঝই প্রথম ভারতীয় শিল্পী, যিনি ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে একক কনসার্টে প্রায় ৯২ হাজার দর্শক টানার নজির গড়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে অ্যাডেলের দর্শকসংখ্যার রেকর্ড তিনি ছাপিয়ে যেতে পারেননি।২০২৪ সালে ওয়েম্বলিতে টেলর সুইফ্টের দ্য এরাস ট্যুর-এর প্রতিটি অনুষ্ঠানে প্রায় ৮৯ হাজার করে দর্শক উপস্থিত ছিলেন বলে সমীক্ষায় উঠে এসেছে। ফলে একদিনের কনসার্টের দর্শকসংখ্যার তুলনায় দিলজিতের প্রায় ৯২ হাজারের উপস্থিতি টেলরের সেই সংখ্যার থেকেও বেশি।এড শিরানও ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে একাধিকবার অনুষ্ঠান করেছেন। ২০১৮ সালের ডিভাইড ট্যুর এবং ২০২২ সালের ম্যাথমেটিক্স ট্যুর-সহ তাঁর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দর্শকসংখ্যা প্রায় ৮০ থেকে ৮৪ হাজারের মধ্যে ছিল বলে জানা যায়। সেই তুলনায় দিলজিতের কনসার্টে দর্শকসংখ্যা আরও বেশি।মাইকেল জ্যাকসনের ওয়েম্বলি রেকর্ডের সঙ্গেও দিলজিতের কনসার্টের তুলনা শুরু হয়েছে। অতীতের হিসাব অনুযায়ী, ওয়েম্বলিতে সাতটি অনুষ্ঠানে মোট প্রায় ৫ লক্ষ ৪ হাজার মানুষ মাইকেল জ্যাকসনের অনুষ্ঠান দেখেছিলেন। প্রতিটি অনুষ্ঠানে দর্শকসংখ্যা ছিল ৭০ হাজারের বেশি। সেই পরিসংখ্যানের মধ্যেও একদিনের অনুষ্ঠানে প্রায় ৯২ হাজার দর্শক টেনে দিলজিৎ যে বড় নজির তৈরি করেছেন, তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।শুধু দর্শকসংখ্যাই নয়, লন্ডনের কনসার্টে ভক্তদের জন্য বিশেষ আয়োজনও করেছিলেন দিলজিৎ। বিনামূল্যে পাগড়ি বাঁধার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ফলে অনুষ্ঠান ঘিরে তৈরি হয়েছিল আলাদা আবহ।এর আগে ২০২৪ সালে দেশজুড়ে দিল-লুমানাটি সফরেও বড় ব্যবসা করেছিলেন দিলজিৎ। সেই সফর থেকে প্রায় ৯৪৩ কোটি টাকার ব্যবসা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়। এর ফলে একদিকে যেমন বহু মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছিল, তেমনই ভারতের সঙ্গীতশিল্পের অর্থনীতিতেও তার প্রভাব পড়েছিল বলে আলোচনা হয়েছিল।এ বার লন্ডনের ওয়েম্বলিতে প্রায় ৯২ হাজার দর্শক টেনে দিলজিৎ দোসাঞ্ঝ আরও একবার বুঝিয়ে দিলেন, ভারতীয় শিল্পীদের জনপ্রিয়তা এখন শুধু দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। আন্তর্জাতিক মঞ্চেও তাঁর গানের জনপ্রিয়তা ক্রমেই বাড়ছে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
রাজ্য

বিশ্বকর্মা পুজোয় ছুটি কোনদিন? ১৭ না ১৮ সেপ্টেম্বর, ধন্দে সরকারি কর্মীরা

বিশ্বকর্মা পুজোর ছুটি নিয়ে নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করল রাজ্য সরকার। আর সেই বিজ্ঞপ্তি ঘিরেই তৈরি হয়েছে নতুন ধোঁয়াশা। আগে ১৭ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার বিশ্বকর্মা পুজোর ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে ১৪ সেপ্টেম্বরের নতুন বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এ বছর বিশ্বকর্মা পুজো উপলক্ষে ছুটি থাকবে ১৮ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার। কিন্তু আগের ১৭ সেপ্টেম্বরের ছুটি বাতিল করা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট করে জানানো হয়নি। ফলে দুদিনই ছুটি থাকবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সরকারি কর্মীদের মধ্যে।রাজ্যের অর্থ দফতরের অডিট ব্রাঞ্চের ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬-এর বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিশ্বকর্মা পুজো উপলক্ষে রাজ্য সরকারি ছুটি থাকবে। ওই দিন রাজ্য সরকারের সমস্ত দফতর, স্থানীয় স্বশাসিত সংস্থা, স্ট্যাটুটরি বডি, বোর্ড, কর্পোরেশন এবং রাজ্য সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন বা মালিকানাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।শুধু সরকারি দফতরই নয়, বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য অফিস ও প্রতিষ্ঠানও ওই দিন বন্ধ থাকবে।কিন্তু গোল বেঁধেছে ১৭ সেপ্টেম্বরের ছুটি নিয়ে। ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর জারি করা বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে ১৭ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার বিশ্বকর্মা পুজোর ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চলতি বছরে বিশ্বকর্মা পুজো ১৮ সেপ্টেম্বর পালিত হবে বলে জানিয়ে নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।এই নতুন বিজ্ঞপ্তিতে ১৮ সেপ্টেম্বরের ছুটির কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকলেও, ১৭ সেপ্টেম্বরের পূর্বঘোষিত ছুটি বাতিল করা হয়েছেএমন কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। ফলে সরকারি কর্মীদের একাংশের প্রশ্ন, তাহলে কি ১৭ এবং ১৮ সেপ্টেম্বরটানা দুদিনই সরকারি ছুটি থাকছে?অর্থ দফতরের নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর থেকেই এই প্রশ্ন ঘুরছে সরকারি কর্মী মহলে। কেউ মনে করছেন, নতুন বিজ্ঞপ্তির অর্থ হল ১৭ সেপ্টেম্বরের ছুটি সরিয়ে ১৮ সেপ্টেম্বর করা হয়েছে। আবার অন্য অংশের বক্তব্য, যেহেতু ১৭ সেপ্টেম্বরের ছুটি বাতিলের কথা বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে বলা হয়নি, তাই আগের ছুটিও বহাল রয়েছে।ফলে বিশ্বকর্মা পুজোর ছুটি নিয়ে আপাতত ১৭ না ১৮এই প্রশ্নের সঙ্গে জুড়েছে আরও একটি প্রশ্ন, দুদিনই কি ছুটি? সরকারি কর্মীদের মধ্যে সেই ধোঁয়াশাই এখন সবচেয়ে বেশি।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

২ কোটির ছবি ২৫০ কোটির ব্যবসা! ‘হনুমান অংশ’-এর পর এবার তুলসীদাসকে নিয়ে বড় চমক

মাত্র ২ কোটি টাকার বাজেটে তৈরি হনুমান অংশ বিশ্বজুড়ে প্রায় ২৫০ কোটি টাকার ব্যবসা করে আলোড়ন ফেলেছে বলে দাবি নির্মাতাদের। মারকাটারি অ্যাকশন, রোম্যান্স কিংবা আলফা মেল ধরনের ছবির ভিড়ে আধ্যাত্মিক ছবির এমন সাফল্য নিয়েই এখন জোর চর্চা চলছে সিনেদুনিয়ায়। আর সেই সাফল্যের পরেই নতুন আধ্যাত্মিক ছবির ঘোষণা করলেন পরিচালক বিশাল চতুর্বেদী।এ বার তাঁর ছবির বিষয় মহাকবি গোস্বামী তুলসীদাসের জীবন। ছবির নাম রামবোলা। গণেশ চতুর্থীর শুভ দিনে ছবিটির ঘোষণা করা হয়েছে। নির্মাতাদের দাবি, মহাকবি তুলসীদাস কী ভাবে ভারতীয় ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠেছিলেন, সেই কাহিনিই তুলে ধরা হবে এই ছবিতে।হনুমান অংশ-এর সাফল্যই যে নতুন ছবির ঘোষণায় বড় অনুপ্রেরণা, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। নিম করোলি বাবার জীবনদর্শনকে কেন্দ্র করে তৈরি হনুমান অংশ কম বাজেটে বড় ব্যবসা করেছে বলে নির্মাতাদের তরফে জানানো হয়েছে। সেই ছবির সাফল্যের পরেই তুলসীদাসের জীবন নিয়ে ছবি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিশাল।ছবির ঘোষণা করে নির্মাতাদের তরফে জানানো হয়েছে, গণেশ চতুর্থীর শুভক্ষণে বিনম্রতা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে দর্শকদের সামনে আনা হচ্ছে রামবোলা। গোস্বামী তুলসীদাসের অমর কাহিনিই এই ছবির মূল বিষয়। ছবিটি প্রযোজনা করছেন মহাবীর জৈন, বিশাল চতুর্বেদী, অমিত উপাধ্যায় এবং রঘুবেন্দ্র সিংহ। ছবিটি উপস্থাপনা করবে মহাবীর জৈন ফিল্মস।এর আগে থেকেই রণবীর কপূরের রামায়ণ নিয়ে দর্শকদের মধ্যে প্রবল আগ্রহ রয়েছে। ছবির নানা প্রচারঝলক ঘিরেও তৈরি হয়েছে কৌতূহল। তার মধ্যেই মাত্র ২ কোটি টাকার বাজেটের হনুমান অংশ-এর প্রায় ২৫০ কোটি টাকার ব্যবসার দাবি আধ্যাত্মিক ছবিকে নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।এ বার সেই তালিকায় যোগ হতে চলেছে রামবোলা। তুলসীদাসের জীবন, তাঁর আধ্যাত্মিক ভাবনা এবং তাঁর অমর সৃষ্টিকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরাই এই ছবির অন্যতম উদ্দেশ্য বলে নির্মাতাদের তরফে জানানো হয়েছে।ভারতীয় সিনেমায় পুরাণ, ধর্মীয় কাহিনি এবং আধ্যাত্মিক বিষয় নিয়ে ছবি নতুন নয়। তবে এই ধরনের ছবি তৈরি করতে গিয়ে নানা ধরনের বিতর্কের আশঙ্কাও থাকে। ফলে অনেক পরিচালক এমন বিষয় থেকে দূরে থাকেন। কিন্তু হনুমান অংশ-এর সাফল্যের পর সেই পরিস্থিতিতে বদলের ইঙ্গিত দেখছেন অনেকে। আর সেই আবহেই তুলসীদাসের জীবনকে কেন্দ্র করে রামবোলার ঘোষণা নতুন করে কৌতূহল তৈরি করেছে।এখন প্রশ্ন একটাইহনুমান অংশ-এর মতোই কি দর্শকের মনে জায়গা করে নিতে পারবে রামবোলা? তুলসীদাসের জীবন ও তাঁর আধ্যাত্মিক যাত্রা বড় পর্দায় কী ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়, সেদিকেই নজর থাকবে সিনেপ্রেমীদের।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
বিদেশ

জঙ্গিকে ধরতে পুরস্কার বাড়ল, তবু কি ‘চোখে ধুলো’ পাকিস্তানের? মাসুদ আজহারকে ঘিরে রহস্য

ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্সের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আগে জইশ-ই-মহম্মদ প্রধান মাসুদ আজহারকে ঘিরে পাকিস্তানের নতুন পদক্ষেপ নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। পাকিস্তানের ফেডারেল তদন্ত সংস্থা মাসুদকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য ঘোষিত পুরস্কারের পরিমাণ ৫০ লক্ষ পাকিস্তানি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০ লক্ষ করেছে বলে জানা গিয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরেই প্রশ্ন উঠছে, আন্তর্জাতিক চাপ সামলাতেই কি এমন পদক্ষেপ করল ইসলামাবাদ?মাসুদ আজহার ভারতের একাধিক জঙ্গি হামলার ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত। ২০১৯ সালের পুলওয়ামা হামলার সঙ্গেও তাঁর নাম জড়িয়েছে। ওই আত্মঘাতী হামলায় ৪০ জন সিআরপিএফ সদস্যের মৃত্যু হয়েছিল। ভারতের তদন্তকারী সংস্থাগুলির দাবি, জইশ-ই-মহম্মদের নেপথ্যে থাকা মাসুদ দীর্ঘদিন ধরেই ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গিদের তালিকায় রয়েছে।২০২১ সালে পাকিস্তানের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা মাসুদ আজহারকে গ্রেফতারির জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য দিলে ৫০ লক্ষ পাকিস্তানি টাকা পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিল। একই সঙ্গে ইসলামাবাদের দাবি ছিল, জইশ প্রধান পাকিস্তানে নেই, আফগানিস্তানে আত্মগোপন করে রয়েছে। তবে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি দীর্ঘদিন ধরেই সেই দাবি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।ভারতের গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, মাসুদ বর্তমানে পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের নবাবশাহ এলাকায় রয়েছে। যদিও এই দাবির স্বাধীন ভাবে নিশ্চিত হওয়ার তথ্য সামনে আসেনি। কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, নতুন রেড বুকে মাসুদের নাম রাখা এবং পুরস্কারের অর্থ বাড়ানো পাকিস্তানের কৌশলগত পদক্ষেপ হতে পারে। তাঁদের মতে, আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পাকিস্তান জঙ্গিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বার্তা দিতে চাইছে কি না, তা নিয়েই এখন প্রশ্ন।এর মধ্যেই পাকিস্তানের প্রকাশিত নতুন রেড বুক ঘিরেও চর্চা শুরু হয়েছে। ২০০৮ সালের মুম্বই হামলার ঘটনায় অর্থ জোগান, হামলাকারীদের নৌকা ও রসদ সরবরাহের অভিযোগে ১৯ জনের নাম সেখানে রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে তালিকায় থাকা ১৯ জনের মধ্যে ১৭ জনের ছবি এবং তাঁদের কার্যকলাপের বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হলেও বাকি দুজনের ক্ষেত্রে শুধু নাম রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ।২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর মুম্বইয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল এবং তিন শতাধিক মানুষ আহত হন। ওই হামলার নেপথ্যে পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনের ভূমিকা নিয়ে ভারত দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক মঞ্চে সরব।ভারতীয় গোয়েন্দা সূত্র এবং কূটনৈতিক মহলের একাংশের বক্তব্য, পাকিস্তানের নতুন পদক্ষেপকে শুধু জঙ্গিদের বিরুদ্ধে বাস্তব ব্যবস্থা হিসেবে দেখার আগে তার কার্যকারিতা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। বিশেষ করে মাসুদ আজহারের অবস্থান নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের দাবির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই বিস্তর ফারাক রয়েছে।এখন প্রশ্ন, এফএটিএফের বৈঠকের আগে মাসুদ আজহারের মাথার দাম ২০ লক্ষ পাকিস্তানি টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক মহলে কতটা বিশ্বাসযোগ্যতা পায়। পাকিস্তান সত্যিই মাসুদের বিরুদ্ধে কোনও কার্যকর পদক্ষেপ করে কি না, নাকি এটি কেবল আন্তর্জাতিক চাপ সামলানোর কৌশল, তা নিয়েই নজর থাকবে কূটনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal