• ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার ৩০ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Singur

কলকাতা

সিঙ্গুর মামলায় বড় স্বস্তি রাজ্যের! টাটাদের ক্ষতিপূরণে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

সিঙ্গুর মামলায় বড় স্বস্তি পেল রাজ্য। টাটা মোটরসকে ৭৬৫ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশে সাময়িক স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি অনিরুদ্ধ রায়ের বেঞ্চ আগামী আট সপ্তাহের জন্য এই স্থগিতাদেশ জারি করেছে। একই সঙ্গে আদালত জানিয়েছে, এই সময়ের মধ্যে রাজ্য সরকারকে ব্যাঙ্ক গ্যারান্টি জমা দিতে হবে।সিঙ্গুরে কারখানা তৈরি না করতে পারার কারণে টাটা মোটরসকে এই বিপুল অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল সালিশি আদালত। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই তৎকালীন তৃণমূল সরকার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল।জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে তিন সদস্যের সালিশি ট্রাইব্যুনাল নির্দেশ দেয়, পশ্চিমবঙ্গ শিল্পোন্নয়ন নিগমকে টাটা মোটরসকে ৭৬৫ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। শুধু তাই নয়, ২০১১ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে টাকা মেটানো পর্যন্ত বছরে ১১ শতাংশ হারে সুদ এবং মামলার খরচ বাবদ আরও ১ কোটি টাকা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৩১ অগস্ট সুপ্রিম কোর্ট সিঙ্গুরে টাটাদের জন্য অধিগৃহীত ৯৯৭ একর জমিকে অবৈধ ঘোষণা করে। আদালতের নির্দেশে কৃষকদের জমি ফেরানোর কাজ শুরু করেছিল তৎকালীন রাজ্য সরকার। যদিও বহু কৃষকের অভিযোগ ছিল, জমি ফেরত পেলেও তা চাষের উপযুক্ত অবস্থায় ছিল না।২০০৬ সালে টাটা গোষ্ঠীর ন্যানো প্রকল্পের জন্য সিঙ্গুরে জমি অধিগ্রহণ শুরু হয়। কিন্তু জমি আন্দোলন এবং রাজনৈতিক সংঘাতের জেরে ২০০৮ সালে রতন টাটা সিঙ্গুর থেকে কারখানা সরিয়ে গুজরাটের সানন্দে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পরে ২০১১ সালে ক্ষমতায় এসে তৃণমূল সরকার সিঙ্গুর জমি পুনর্বাসন ও উন্নয়ন আইন পাশ করে জমি ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু করে।সিঙ্গুর মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের এই নতুন সিদ্ধান্ত ঘিরে ফের রাজনৈতিক এবং শিল্প মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

মে ০৭, ২০২৬
রাজ্য

সিঙ্গুর থেকে কেন্দ্রকে কড়া আক্রমণ, ‘আমাকে আঘাত করলে টর্নেডো হয়ে যাই’

প্রধানমন্ত্রীর সভার ঠিক দশ দিনের মাথায় সিঙ্গুরে জনসভা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চার বছর পরে আবার সিঙ্গুরের মাটিতে পা রাখলেন তিনি। সভার শুরুতেই আবেগঘন ভাষণে মমতা বলেন, সিঙ্গুর তাঁর খুব প্রিয় জায়গা। দিনের পর দিন এই মাটিতে পড়ে থেকেছেন তিনি। এই মাটিই তাঁর লড়াইয়ের সাক্ষী। সিঙ্গুরে ২৬ দিন অনশন করেছিলেন বলেও স্মরণ করান মুখ্যমন্ত্রী।সভামঞ্চে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী SIR নিয়ে লেখা নিজের কবিতা পাঠ করে শোনান। তিনি জানান, হেলিকপ্টারে আসার সময়ই ওই কবিতা লিখেছেন। মমতা বলেন, এসআইআর-এর নামে মানুষকে ভয় দেখানো ও মারার চক্রান্ত চলছে। তিন দিনে তিনি ২৬টি কবিতা লিখেছেন, যার সংকলনের নাম স্যর বাংলায়। ইংরেজিতে যার নাম SIR।সভা থেকে রাজ্যের উন্নয়ন প্রকল্পের কথাও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, এ দিন রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় মোট ১,৬৯৪টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করা হয়েছে। এই সব প্রকল্পে মোট খরচ হয়েছে ৩৩ হাজার ৫৫১ কোটি টাকা। বাংলার বাড়ি প্রকল্পে আগে এক কোটি পরিবারকে সাহায্য করা হয়েছে। সম্প্রতি আরও ১২ লক্ষ পরিবারকে টাকা দেওয়া হয়েছে এবং এ দিন আরও ২০ লক্ষ মানুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছবে বলে জানান তিনি। অর্থাৎ মাত্র দুমাসে ৩২ লক্ষ মানুষ এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, এই প্রকল্পে কেন্দ্র এক টাকাও দেয় না।দুর্যোগে যাঁদের বাড়ি ভেঙে গিয়েছে, তাঁদের জন্য রাজ্য সরকার ঘর তৈরি করে দিয়েছে বলেও জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার বাড়ি প্রকল্পে মোট ২৪ হাজার ১৮০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে বলে তিনি জানান। ঘাটাল প্রসঙ্গ টেনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ডিভিসির জলের জন্য বারবার বন্যায় ভেসেছে এলাকা। তিনি টানা ১০ বছর কেন্দ্রকে চিঠি লিখলেও কোনও উত্তর মেলেনি। শেষ পর্যন্ত কেন্দ্র টাকা না দিলেও রাজ্য সরকারই দেড় হাজার কোটি টাকা দিয়ে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের কাজ শুরু করেছে। এর মধ্যে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে এবং ৩০০ কোটি টাকার কাজ ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে।মমতা বলেন, তাঁর সরকার ডাবল ইঞ্জিন সরকার নয়, মানুষের সরকার। যতদিন তাঁর সরকার থাকবে, কন্যাশ্রী-সহ সমস্ত সামাজিক প্রকল্প চলবে। সিঙ্গুরে ৮ একর জমির উপর ৯ কোটি ২০ লক্ষ টাকা খরচ করে অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক তৈরি হয়েছে বলেও জানান তিনি। ২৮টি প্লটের মধ্যে ২৫টি ইতিমধ্যেই বরাদ্দ হয়ে গিয়েছে। এর ফলে বহু মানুষের কর্মসংস্থান হবে। কৃষিজমি দখল না করে কৃষি ও শিল্প পাশাপাশি চলবে বলে আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী।এ ছাড়া সিঙ্গুরে ৭৭ একর জমিতে একটি বেসরকারি ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক গড়ে তোলা হচ্ছে বলে জানান তিনি। সেখানে অ্যামাজন ও ফ্লিপকার্টের বড় ওয়্যারহাউস তৈরি হবে, যেখানে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা করে মমতা বলেন, মহাত্মা গান্ধীর নাম তুলে দেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকার তাই মহাত্মাশ্রী কর্মশ্রী প্রকল্প চালু করেছে। বাংলায় ১০০ দিনের কাজ চলছে এবং রাজ্যের টাকাতেই চলবে বলে স্পষ্ট করেন তিনি।ভাষা প্রসঙ্গেও কেন্দ্রকে কড়া আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ধ্রুপদী ভাষার স্বীকৃতি দেওয়া নিয়ে কেন্দ্র মিথ্যা কথা বলছে। বাংলা ভাষাকে বাদ দিয়েই সব ভাষাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল। তিনি দিল্লিতে প্রমাণ-সহ পাঁচ বস্তা বই পাঠিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রকে বাধ্য হয়েই বাংলা ভাষাকে স্বীকৃতি দিতে হয়েছে বলে দাবি করেন মমতা। সভার শেষে বলেন, তাঁকে আঘাত করলে তিনি প্রত্যাঘাত করেন এবং তখন তিনি টর্নেডোর মতো হয়ে ওঠেন।

জানুয়ারি ২৮, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে সিঙ্গুরে মোদির বড় ডাক! পরিবর্তনের বার্তা, তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ

বিধানসভা নির্বাচনের আগে পালাবদলের মাটি সিঙ্গুরে এসে পরিবর্তনের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই মঞ্চ থেকেই তিনি বাঙালি অস্মিতার কথা তুলে ধরেন এবং রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে একাধিক ইস্যুতে আক্রমণ করেন। বিশেষ করে অনুপ্রবেশ এবং এসআইআর পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রী।সম্প্রতি বিভিন্ন রাজ্যে বাঙালিদের হেনস্তার অভিযোগ ঘিরে সরব হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। বিজেপির বিরুদ্ধে বাংলা ও বাঙালিকে বঞ্চনার অভিযোগও দীর্ঘদিনের। সেই আবহে সিঙ্গুরে দাঁড়িয়ে মোদি দাবি করেন, বিজেপির মতো করে কেউ বাংলাকে সম্মান দেয়নি। তাঁর বক্তব্য, বিজেপি সরকারের আমলেই বাংলা ভাষা ধ্রুপদী ভাষার স্বীকৃতি পেয়েছে। এর ফলে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে গবেষণার নতুন পথ খুলেছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেন, বিজেপি সরকারের উদ্যোগেই দুর্গাপুজো ইউনেসকোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বিজেপিকে অবাঙালিদের দল হিসেবে তুলে ধরার অভিযোগ মোকাবিলায় বাঙালির ভাষা ও সংস্কৃতির প্রসঙ্গকে গুরুত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।অনুপ্রবেশ ইস্যুতেও সিঙ্গুরের সভা থেকে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়ান মোদি। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল রাজ্য ও দেশের নিরাপত্তা নিয়ে আপস করছে। তিনি বলেন, তৃণমূল অনুপ্রবেশকারীদের বিভিন্ন সুবিধা দেয় এবং তাদের রক্ষা করতে আন্দোলনেও নামে। তাঁর দাবি, অনুপ্রবেশকারীদের ভোটব্যাঙ্ক হিসেবেই দেখে তৃণমূল। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, গত ১১ বছর ধরে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য সরকারকে সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর জন্য জমির প্রয়োজনীয়তার কথা জানালেও কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে হলে ভুয়ো নথির মাধ্যমে যারা দেশে থেকে গিয়েছে, তাদেরও নিজ দেশে ফেরত পাঠানো উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।তবে একই সঙ্গে মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রসঙ্গও তোলেন প্রধানমন্ত্রী। শনিবার তাঁদের নাগরিকত্ব নিয়ে আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে সিএএ কার্যকর করে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। সব মিলিয়ে ভোটের আগে সিঙ্গুরের মঞ্চ থেকে একদিকে বাঙালি আবেগ, অন্যদিকে নিরাপত্তা ও অনুপ্রবেশ ইস্যুতে রাজনৈতিক বার্তা দিতে দেখা গেল প্রধানমন্ত্রীকে।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

যে জমি দেখেছিল টাটার স্বপ্ন, সেখানেই মোদীর সভা! সিঙ্গুরে ইতিহাসের মোড়

যে জমি এক সময় বড় শিল্পের স্বপ্ন দেখেছিল, যেখানে হাজার হাজার মানুষের কাজের আশা জড়িয়ে ছিল, সেই জমিতেই আজ বড় রাজনৈতিক সভা। হুগলির সিঙ্গুরে সেই জমিতেই সভা করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একদিন এই সিঙ্গুর ছেড়েই টাটার ন্যানো কারখানা চলে গিয়েছিল গুজরাটের সানন্দে। তারপর কেটে গিয়েছে বহু বছর। সেই জমিতে আর শিল্প ফেরেনি, চাষও হয়নি। সেই দীর্ঘ অধ্যায়ের মাঝেই আজ ফের সিঙ্গুরে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তীব্র নজর।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলা ও অসমকে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন উপহার দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরেই আজ আরও একগুচ্ছ প্রকল্পের সূচনা করতে চলেছেন তিনি। হুগলির সিঙ্গুর থেকেই প্রায় ৮৩০ কোটি টাকার বেশি উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। একই সঙ্গে একটি নতুন অমৃত ভারত ট্রেনেরও সূচনা করবেন তিনি।এ দিন অসম থেকে সরাসরি বাংলায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুর তিনটের পর থেকে একের পর এক প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করার কথা রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম বলাগড়ে এক্সটেন্ডেড পোর্ট গেট সিস্টেম প্রকল্প। এই প্রকল্পের আওতায় তৈরি হবে একটি ইনল্যান্ড ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট টার্মিনাল এবং একটি রোড ওভার ব্রিজ। প্রায় ৯০০ একর এলাকা জুড়ে বলাগড়কে আধুনিক কার্গো হ্যান্ডলিং টার্মিনাল হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে, যার বার্ষিক পণ্য পরিবহণ ক্ষমতা প্রায় ২.৭ মিলিয়ন টন হবে।এই প্রকল্পে দুটি কার্গো জেটি তৈরি হবে। একটি কনটেনারবাহী পণ্যের জন্য এবং অন্যটি ড্রাই বাল্ক কার্গোর জন্য ব্যবহৃত হবে। এর ফলে ঘনবসতিপূর্ণ শহর এলাকা থেকে ভারী পণ্য পরিবহণ অনেকটাই সরানো যাবে। কলকাতায় যানজট ও দূষণ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি পরিবহণের নিরাপত্তা বাড়বে এবং নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। কম খরচে পণ্য পরিবহণের সুবিধা পাওয়ায় আঞ্চলিক শিল্প, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা এবং কৃষিপণ্য বাজারে পৌঁছনো আরও সহজ হবে। এই প্রকল্প থেকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বহু কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে বলেও মনে করা হচ্ছে।এ দিন কলকাতায় একটি অত্যাধুনিক ইলেকট্রিক ক্যাটামারানেরও উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। ইনল্যান্ড ওয়াটার ট্রান্সপোর্টের জন্য কোচি শিপইয়ার্ডে তৈরি এই ক্যাটামারানটি ছয়টি ইলেকট্রিক জাহাজের মধ্যে একটি। ৫০ জন যাত্রী বহনে সক্ষম এই হাইব্রিড ইলেকট্রিক ক্যাটামারানে রয়েছে আধুনিক প্রপালশন ব্যবস্থা ও লিথিয়াম-টাইটানেট ব্যাটারি প্রযুক্তি। এটি সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক মোডে যেমন চলতে পারে, তেমনই দীর্ঘ সময় হাইব্রিড মোডেও চলতে সক্ষম। হুগলি নদী বরাবর যাত্রী পরিবহণ, পর্যটন ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় এই জাহাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে আশা করা হচ্ছে।এ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী জয়রামবাটি থেকে বরগোপীনাথপুর হয়ে ময়নাপুর পর্যন্ত নতুন রেললাইনের উদ্বোধন করবেন। এটি তারকেশ্বর-বিষ্ণুপুর নতুন রেললাইন প্রকল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই রেলপথ চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ময়নাপুর থেকে জয়রামবাটি পর্যন্ত একটি নতুন ট্রেন পরিষেবাও শুরু হবে। এর ফলে বাঁকুড়া জেলার বাসিন্দারা সরাসরি রেল যোগাযোগের সুবিধা পাবেন। দৈনন্দিন যাত্রী, পড়ুয়া এবং তীর্থযাত্রীদের যাতায়াত অনেকটাই সহজ ও সাশ্রয়ী হবে।বাংলার জন্য তিনটি অমৃত ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনেরও সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। এই ট্রেনগুলি কলকাতা থেকে আনন্দ বিহার টার্মিনাল, শিয়ালদহ থেকে বারাণসী এবং সাঁতরাগাছি থেকে তাম্বরমের মধ্যে চলবে। সব মিলিয়ে ভোটের আগে সিঙ্গুরের মাটি থেকেই উন্নয়ন ও রাজনৈতিক বার্তা দিতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

মোদীর সিঙ্গুর সফরের আগেই বিস্ফোরক পোস্টার! ‘নাগরিকত্ব হরণ সভা’ লিখে তীব্র বার্তা

বিধানসভা ভোটের মুখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সিঙ্গুর সফরকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল। টাটাদের বিদায়ের ১৭ বছর পরে এই প্রথম সিঙ্গুরে পা রাখতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সফরের আগেই সিঙ্গুরের রতনপুর এলাকায় দেখা গেল বিতর্কিত পোস্টার। রাস্তার ধারে একাধিক জায়গায় ওই পোস্টার লাগানো রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে খবর।অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের লাগানো ওই পোস্টারগুলিতে প্রধানমন্ত্রীকে সরাসরি নিশানা করা হয়েছে। একটি পোস্টারে লেখা, নাগরিকত্ব হরণ সভা। অন্য একটি পোস্টারে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, বাঙালিকে কেন ধোঁকা দিলে? পাশাপাশি ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে বিজেপিকে দেখে নেওয়া হবে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। কে বা কারা রাতের অন্ধকারে এই পোস্টার লাগিয়েছে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরস্পরবিরোধী অভিযোগ উঠেছে রাজনৈতিক শিবিরে। বিজেপির দাবি, মোদীর সভার আগে ভয় পেয়ে তৃণমূল এই কাজ করিয়েছে। পাল্টা শাসক দলের বক্তব্য, এটি সাধারণ মানুষের ক্ষোভের স্বতঃস্ফূর্ত প্রকাশ। তাদের দাবি, বিজেপির নীতির বিরুদ্ধেই এই প্রতিবাদ।স্থানীয় বাসিন্দা বিকাশ মাইতি বলেন, সকালে উঠে তিনি দেখেন এলাকায় পোস্টার লাগানো হয়েছে। তাঁর মতে, প্রধানমন্ত্রী যেভাবে বাংলার সঙ্গে আচরণ করেছেন, তাতে এই ধরনের প্রতিবাদ আরও বেশি হওয়া উচিত ছিল। তাঁর দাবি, ভোট এলেই প্রধানমন্ত্রী বাংলায় আসেন, ভোট না থাকলে আসতেন না। তিনি আরও বলেন, বিজেপি রাজ্যে একটি আসনও পাবে না।এই পরিস্থিতির মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী সিঙ্গুরে সরকারি সভা করতে চলেছেন। ওই সভা থেকে প্রায় ৮৩০ কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করার কথা রয়েছে। পাশাপাশি বালাগড়ে বন্দর গেট সিস্টেমের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করারও কর্মসূচি রয়েছে। সিঙ্গুরের মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী নতুন করে টাটা গোষ্ঠীকে ফেরানোর কথা বলেন কি না, কিংবা রাজ্যে নতুন শিল্প বিনিয়োগের কোনও বার্তা দেন কি না, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। তার সঙ্গে পোস্টার বিতর্ক কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাও এখন দেখার।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
কলকাতা

সিঙ্গুর মামলা থেকে বেকসুর খালাস বেচারাম মান্না-সহ ৩১ জন

সিঙ্গুর মামলায় বেচারাম মান্না-সহ ৩১ জনকে বেকসুর খালাসের নির্দেশ দিল আদালত। বুধবার এই নির্দেশ দেয় বিধাননগরের এমপিএমএলএ আদালত। সিঙ্গুরের জমি আন্দোলনের ঘটনায় পুলিশের তরফ থেকে একটি মামলা করা হয়েছিল। যেখানে বলা হয়েছিল মন্ত্রী বেচারাম মান্না এবং চাষিরা ইচ্ছেকৃতভাবে গণ্ডগোল করেছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে চলছিল এই মামলা। আজ বিধান নগর এমপি এমএলএ আদালতে মামলার শুনানি ছিল। বিচারপতির নির্দেশে মন্ত্রী-সহ ৩১ জনকে বেকসুর খালাস করা হল।এর আগে সিঙ্গুরের জমি আন্দোলনের সময় বাম সরকারের করা দুটি ফৌজদারি মামলা থেকে ছাড় পেলেন হরিপালের তৃণমূল বিধায়ক বেচারাম মান্না। বাম আমলে সিঙ্গুরে কৃষিজমি রক্ষার আন্দোলনে যুক্ত চাষি এবং তৎকালীন বিরোধী তৃণমূল নেতা বেচারাম মান্না, রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য, স্নেহাশিস চক্রবর্তী-সহ কয়েক জনের বিরুদ্ধে সরকারি সম্পত্তি নষ্ট, সরকারি কাজে বাধা দান-সহ বহু মামলা হয়েছিল।বেচারাম মান্না বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে মোট ৬৮ টি মামলা ছিল। সবই থেকেই মুক্তি মিলেছে। আজকের আমার একটা শেষ মামলা। সিঙ্গুরে আন্দোলনের সময়ে আমাদের একটা বড় অংশকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল, তারা সবাই আজ এসেছিলাম। আমরা যে নির্দোষ, তা প্রমাণিত হল। জমি অধিগ্রহণ ন্যায়সঙ্গত হয়নি, প্রমাণীত হল। কেবল মাত্র একটি মামলাই আর রয়ে গিয়েছে। তাতে যাঁরা অভিযুক্ত রয়ে গিয়েছেন, আশা করব তাঁরাও দ্রুত বিচার পাবেন।রাজ্যে ক্ষমতায় এসেই প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকে বর্তমান শাসক দল সেই সব মামলা তোলার আশ্বাস দিয়েছিল। শেষ কয়েক বছরে বেশ কিছু মামলা প্রত্যাহার করা হয়। কিন্তু তা সম্ভব হয় নি। প্রত্যাহার না-হওয়া সেই সব মামলার শুনানি চলছিল। সেরকমই একটি মামলার শুনানি ছিল বিধাননগরের এমপিএমএলএ আদালতে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২২
রাজ্য

Singur-BJP: সিঙ্গুরে অবস্থান বিক্ষোভ বিজেপির, মিছিলে দিলীপ-সুকান্ত

আত্মহত্যা করেছেন এমন কৃষকদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য, কৃষকদের উপযুক্ত দামে সার, সেচের জন্য ভর্তুকিতে বিদ্যুৎ দেওয়া-সহ কয়েকটি দাবিতে সিঙ্গুরে রাজনৈতিক কর্মসূচি শুরু বিজেপি-র। সেখানে প্রথমে মিছিল করে বিজেপি। তাতে যোগ দেন বঙ্গ বিজেপি-র নেতারা। পরে শুরু হয় ধর্না। টানা তিন দিন হুগলির সিঙ্গুরের গোপালনগরে দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের ধারে ধরনা দেবে বিজেপি।সিঙ্গুরে বিজেপি-র কর্মসূচির জন্য সোমবার গভীর রাতে অনুমতি দেয় পুলিশ। এর পর মঙ্গলবার ধরনা মঞ্চ বাঁধা হয়। দুপুরে সিঙ্গুরের লোহাপট্টি থেকে মিছিল করে সিংহের ভেড়িতে উপস্থিত হন বিজেপি নেতারা। সঙ্গে ছিলেন কর্মী-সমর্থকরাও।সিংহের ভেড়িতে দূর্গাপুর এক্সপ্রেস হাইওয়ের পাশে ধরনা মঞ্চ বিজেপি-র। ওই কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, কৃষকদের পাশে না দাঁড়ালে তাঁদের কাছে দুটো পথ খোলা রয়েছে। হয় পরিযায়ী শ্রমিক হয়ে যাওয়া না হলে আত্মহত্যা করা। তাঁর মতে, রতন টাটা এখান থেকে চলে যাওয়া দেশের শিল্পমহল পশ্চিমবঙ্গের উপর বিশ্বাস রাখতে পারছেন না। এ ছাড়া মঙ্গলবারের মিছিলে উপস্থিত হন রাহুল সিনহা, অগ্নিমিত্রা পল, চন্দনা বাউড়ি-সহ অনেকে।মিছিল শুরুর আগে বিজেপি-র সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে বলেন, হয় কৃষকদের জমি ফেরত দিন। না হলে চাকরি দিন। মোদিজি কৃষকদের বছরে ছয় হাজার টাকা দিচ্ছেন। সেটাও উনি দিতে দিচ্ছেন না।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২১
রাজ্য

Brutally Killed: সিঙ্গুরের পর চন্ডীতলা, একই পরিবারের তিনজনকে নৃশংস হত্যা

জেলা একই। হুগলি। সিঙ্গুরের পর এবার চন্ডীতলা। ফের একই পরিবারের সদস্যদের কুপিয়ে নৃশংস ভাবে হত্যা। বাবা, মা ও মেয়ে, তিন জনকেই কুপিয়ে খুন! পারিবারিক বিবাদের জেরেই এই হত্যালীলা বলে মনে করছে পুলিশ। এর আগে সিঙ্গুরে একই পরিবারের চারজনকে কুপিয়ে হত্যা করেছিল ওই পরিবারের এক আত্মীয়।হুগলির চন্ডীতলার নৈটি এলাকায় থাকেন সঞ্জয় ঘোষ। বাড়িতে রয়েছে সঞ্জয়বাবুর স্ত্রী মিতালী ঘোষ ও তাঁদের মেয়ে শিল্পা ঘোষ। অভিযোগ, তিনজনকেই কুপিয়ে নৃশংস ভাবে খুন করে তাঁদেরই আত্মীয় শ্রীকান্ত ও তপন ঘোষ। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে চন্ডীতলা থানার পুলিশ।পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের জেরে এই হত্যাকান্ড। ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত তপন ঘোষকে আটক করেছে পুলিশ। আরেক অভিযুক্ত শ্রীকান্ত ঘোষকে খুঁজছে পুলিশ। সে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। সম্পত্তি ছাড়া অন্য কোনও কারণ রয়েছে কীনা তা-ও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।গত বৃহস্পতিবার হুগলির সিঙ্গুরের নান্দায় একই পরিবারের চারজনকে খুন করে তাঁদেরই এক আত্মীয়। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত পলাতক। ওই ঘটনার চার দিনের মাথায় চন্ডীতলায় সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটল। এই ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২১
রাজ্য

Singur Tragedy: ধারালো অস্ত্রের কোপ থেকে বাঁচল না দাদু ও নাতিও, সিঙ্গুরে নিভল প্যাটেল পরিবারের প্রদীপ

পারিবারিক বিবাদের জের। একই পরিবারের চারজনকে ধারালো অস্ত্রের কোপে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারালেন ২ জন। কলকাতায় এনেও বাঁচানো গেল না বাকি ২ জনকে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে এক আত্মীয়কে শনাক্ত করেছে পুলিশ। তাঁর সন্ধানে তল্লাশি চলছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে হুগলির সিঙ্গুরে।জানা গিয়েছে, মৃতেরা হলেন মাওজি প্যাটেল, তাঁর ছেলে দীনেশ প্যাটেল, দীনেশের স্ত্রী অনুসূয়া ও ছেলে ভাবিক। গুজরাত থেকে চলে এসেছিলেন এ রাজ্যে। কয়েক দশক ধরে সিঙ্গুরের নান্দাবাজার এলাকায় থাকতেন প্যাটেলরা। বাড়ির পাশেই কাঠ চেরাইয়ের কল। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, পাড়ায় সকলের সঙ্গে মেলামেশা করতেন প্যাটেল পরিবারের সদস্যরা। কখনও কোনও ঝামেলায় জড়াননি তাঁরা। সকলের সঙ্গেই ভদ্র ব্যবহার করতেন।পুলিশ সূত্রে খবর, এদিন ভোরে বাড়িতে যান প্যাটেলদেরই এক আত্মীয় যোগেশ ধাওয়ানী। প্রথমে কথা কাটাকাটি, তারপর পরিবারের চার সদস্যকে যোগেশ ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপান বলে অভিযোগ। বাড়ির নিচে থাকেন বছর বাইশের এক যুবক। সকালে তিনিই প্রথম ঠাকুরঘরে গৃহকর্তা মাওজি প্যাটেলকে রক্তাক্ত অবস্থা পড়ে থাকতে দেখেন। গুরুতর জখম অবস্থায় পাশাপাশি দুটি শোওয়ার ঘরে পড়েছিলেন দীনেশ, তাঁর স্ত্রী অনুসূয়া ও ছেলে ভাবিক। আর মেঝে চাপ চাপ রক্ত! খবর দেওয়া হয় সিঙ্গুর থানায়।চারজনকেই উদ্ধার করে সিঙ্গুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ। সেখানে দীনেশ ও তাঁর স্ত্রীকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসক। মাওজি প্যাটেল ও তাঁর নাতি ভাবিকের দেহে প্রাণ ছিল তখনও। শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের পাঠিয়ে দেওয়া হয় কলকাতা এসএসকেএম হাসপাতালে। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। বিকেলে হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, মৃত্যু হয়েছে দাদু ও নাতিরও। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, পারিবারিক বিবাদের জেরেই খুন। সিসিটিভি ফুটেজে অভিযুক্ত যোগেশ ধাওয়ানীকে দেখা গিয়েছে। ঘটনার পর থেকে পলাতক সে। তার খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।

ডিসেম্বর ০২, ২০২১
রাজ্য

ক্ষমতায় এলে সিঙ্গুরে শিল্প হবে: অমিত শাহ

দুদিন বাদেই রাজ্যে চতুর্থ দফার নির্বাচন। তার আগে সিঙ্গুরে শিল্পের স্বপ্ন ফেরি করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বুধবার সিঙ্গুরের বিজেপি প্রার্থী রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যের সমর্থনে ব়্যালি করলেন বিজেপির তারকা প্রচারক। সেই রোড শো থেকে সিঙ্গুরে শিল্প গড়ার প্রতিশ্রুতি দিলেন তিনি। তাঁর কথায়, শুধু ছোট বা মাঝারি নয়, রাজ্যে বড় শিল্প আনবে বিজেপি। শিল্প ফিরবে সিঙ্গুরেও।২০১১ সালে রাজ্যের রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হয়। আর সেই পরিবর্তনের ভরকেন্দ্র ছিল সিঙ্গুরও। টাটার ন্যানো প্রকল্প ঘিরে সেইসময় রাজ্য রাজনীতি আবর্তিত হয়েছিল। ক্ষমতায় এসে শিল্পের জন্য গৃহীত জমি কৃষকদের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন মমতা। দিন কয়েক আগে সিঙ্গুরে সভা করে সেই এলাকার মানুষের আবেগকে ছুঁয়েছিলেন তৃণমূলনেত্রী। বলেছিলেন, আমার আন্দোলনের স্থান। সিঙ্গুরে আমার আবেগজুড়ে রয়েছে। ক্ষমতায় ফিরে সিঙ্গুরে অ্যাগ্রোপার্ক তৈরির প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন তিনি। এবার সেই কেন্দ্রের ভোটের আগে শাহি প্রচার সারলেন। স্বপ্ন দেখালেন রাজ্যে শিল্প গড়ার। বললেন, ছোট-মাঝারি-বড় সব ধরণের শিল্প হবে।কে মুখ্যমন্ত্রী হবেন, এদিনও বিজেপির সেকেন্ড-ইন-কমান্ডকে প্রশ্ন করা হয়। জবাবে তিনি বলেন, কে মুখ্যমন্ত্রী হবেন, তা এখনও ঠিক হয়নি। তবে বিজেপি যে ২০০-এর বেশি আসন নিয়ে বাংলায় ক্ষমতায় আসবে তা নিয়ে এদিনও আত্মপ্রত্যয়ী শাহ। সিঙ্গুরের পর ডোমজুড়েও রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে রোড শো করেন শাহ। সেখান থেকে তাঁর দাবি, প্রথম তিন দফা নির্বাচনে ৬৩-৬৮টি আসন পাবে বিজেপি। এদিনের রোড শোয়ের পর এক দলীয় কর্মীর বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারেন তিনি।

এপ্রিল ০৭, ২০২১
রাজনীতি

নন্দীগ্রাম নিয়ে জল্পনার মধ্যেই বিদ্রোহী সিঙ্গুরের মাস্টারমশাই

বাংলায় পরিবর্তনের ভিত রচনা করেছিল সিঙ্গুর আর নন্দীগ্রাম আন্দোলন। ১০ নভেম্বর ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির ডাকা সমাবেশে ওই আন্দোলনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক শুভেন্দু অধিকারীর বার্তা শুনতে যখন মুখিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল, সেখানে সিঙ্গুরের বিধায়ক, মাস্টারমশাই রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যর গলায় বিদ্রোহের সুর। আজ হুগলি জেলা তৃণমূলের কমিটি ঘোষণার পর থেকেই জেলাজুড়ে অসন্তোষের আগুন বেড়েই চলেছে। তার মধ্যেই দলত্যাগের হুঁশিয়ারি দিলেন স্বচ্ছ ভাবমূর্তির প্রবীণ বিধায়ক। এমনিতেই লোকসভা ভোটে ব্যাপক ভোটে সিঙ্গুরে তৃণমূলকে মাত করেছে বিজেপি। তৃণমূল ধাক্কা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াবে কোথায়, একের পর এক ভুল করে আজ কমিটির মাধ্যমে কফিনে শেষ পেরেক পুঁতে ফেলল। এক দলীয় কর্মী ফেসবুকে লিখেছেন, শেষে কফিন বইবার লোক থাকবে তো? লোকসভা ভোটে বিপর্যয়ের পর যে লড়াকু কর্মীরা খেটে দলকে ঘোরানোর চেষ্টা করছিলেন, তাঁদের সরিয়ে পিকের টিমের রিপোর্টের ভিত্তিতে নতুন কমিটিতে দুর্নীতিগ্রস্তদের বসানো হয়েছে বলে অভিযোগ। সিঙ্গুরের মাস্টারমশাই বলেন, কমিটি দলের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পরিবর্তন না করলে দল বদলে ভিন্ন দলে যাওয়ার ভাবনাচিন্তা করতে হবে। ক্ষোভের কারণ, দুর্নীতিতে যুক্তরা আজ দল পরিচালনার দায়িত্বে, আর আমরা যাঁরা দুর্নীতিতে নেই তাঁদের অপমান, অবহেলা, বঞ্চনা করে তাড়িয়ে দেওয়া হলো! আমার এখানকার সভাপতিকে সরানো মানছি না। দল আমাকে টিকিট দিলেও আমাকে বাধা দেওয়া হবে, ব্যর্থ প্রমাণ করে হারানোর চক্রান্ত হবে, যা অতীতেও হয়েছে। তাই প্রয়োজনে দল পরিবর্তন করতে হলে তা-ই করব।

নভেম্বর ০৮, ২০২০

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

তিস্তা নিয়ে বড় চাল চিনের! বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা, ভারতের উদ্বেগ আরও বাড়ল

তিস্তা নদীকে ঘিরে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের তিস্তা নদীর ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে পাশে থাকার বার্তা দিল চিন। সোমবার বেজিং স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ঢাকাকে সবরকম সাহায্য করতে তারা প্রস্তুত। একই সঙ্গে চিনের দাবি, এই যৌথ উদ্যোগ কোনও তৃতীয় দেশকে লক্ষ্য করে নয় এবং বিষয়টিকে অযথা অন্য দৃষ্টিতে দেখা উচিত নয়।বাংলাদেশে নতুন রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকেই তিস্তা প্রকল্প নিয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। শেখ হাসিনা সরকারের সময় এই প্রকল্পে ভারতের সহযোগিতার কথা ভাবা হলেও বর্তমান প্রশাসন সেই অবস্থান থেকে সরে এসে চিনের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে। এরপর থেকেই ভারতের উদ্বেগ বেড়েছে। কারণ, তিস্তা অববাহিকার অবস্থান ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকার খুব কাছাকাছি।চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এক সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, বাংলাদেশ ও চিনের সহযোগিতা কোনও তৃতীয় পক্ষের বিরুদ্ধে নয়। তাঁর দাবি, তিস্তা নদীর উন্নয়ন বাংলাদেশের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রকল্প। সেই কারণে বাংলাদেশ চাইলে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে চিন।শুধু তিস্তাই নয়, জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য, অর্থনীতি এবং জনকল্যাণমূলক একাধিক ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে আগ্রহী বেজিং। দুই দেশের মধ্যে এই সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছে চিন।বাংলাদেশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তিস্তা-সহ একাধিক নদী উন্নয়নের লক্ষ্যে ঢাকা ও বেজিংয়ের মধ্যে ইতিমধ্যেই সমঝোতা হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ জল উন্নয়ন বোর্ড এবং চিনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা পাওয়ার চায়নার মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। সেই চুক্তির পর থেকেই তিস্তা প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তিস্তা প্রকল্প ঘিরে বাংলাদেশ ও চিনের ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতার দিকে কড়া নজর রাখছে ভারত। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকল্পটির ভৌগোলিক অবস্থান এবং কৌশলগত গুরুত্বের কারণে ভবিষ্যতে এই বিষয়টি দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

হাইকোর্টে একদিনে জোড়া ধাক্কা! অভিষেককে কালই দিতে হবে কণ্ঠস্বরের নমুনা, মিলল না কোনও স্বস্তি

কলকাতা হাইকোর্টে একদিনে পরপর দুই বড় ধাক্কার মুখে পড়লেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমে চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার আবেদনের দ্রুত শুনানির আবেদন খারিজ হয়। এরপর ডিজে মন্তব্য মামলায়ও স্বস্তি পাননি তিনি। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী মঙ্গলবার কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের জন্য তাঁকে হাজিরা দিতেই হবে।বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, চার মে ভোটের ফল ঘোষণার পর রবীন্দ্রসঙ্গীতের সঙ্গে ডিজে বাজবে। সেই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সাইবার অপরাধ আইনে অভিযোগ দায়ের হয়। তদন্তের স্বার্থে তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের আবেদন জানায় তদন্তকারী সংস্থা। বিধাননগর আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করায় মঙ্গলবার আদালতে উপস্থিত হয়ে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে হবে তাঁকে।এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আইনজীবীর দাবি ছিল, সংশ্লিষ্ট মন্তব্য যে তাঁরই, তা তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের কোনও প্রয়োজন নেই। পাশাপাশি তদন্তকারী সংস্থার তরফে কোনও কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়ার আবেদনও জানানো হয়।তবে আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করেনি। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ জানান, মামলার বিস্তারিত শুনানি মঙ্গলবার হবে। তবে তার আগে তদন্তের প্রক্রিয়ায় কোনও বাধা নেই। ফলে নির্ধারিত সময়ে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হাজিরা দিতেই হবে।একই দিনে আরও একটি মামলায় ধাক্কা খান অভিষেক। চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার অনুমতির আবেদন দ্রুত শুনানির আর্জি জানানো হলেও বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য তা খারিজ করে দেন। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, মামলার নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ীই শুনানি হবে। এর আগেও একই ধরনের দ্রুত শুনানির আবেদন করা হলেও আদালত তা গ্রহণ করেনি। ফলে আপাতত আদালত থেকে কোনও স্বস্তি পেলেন না তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

একুশে জুলাইয়ের আগেই বড় ধাক্কা! কুণাল, দোলা, বৈশ্বানরের বিরুদ্ধে মামলা, শুরু নতুন বিতর্ক

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই নতুন বিতর্ক তৈরি হল। বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ, দোলা সেন এবং বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযোগ, পুলিশের আনুষ্ঠানিক অনুমতি পাওয়ার আগেই ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সভাস্থলের মাপজোকের কাজ শুরু করা হয়েছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এই পদক্ষেপ।রবিবার একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কুণাল ঘোষ, দোলা সেন এবং বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে পৌঁছেছিলেন। অভিযোগ, তখনও ওই কর্মসূচির জন্য প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক অনুমতি মেলেনি। তবুও রাস্তার একটি অংশে ফিতে দিয়ে মাপজোক করা হয়। এই ঘটনায় ট্রাফিক পুলিশের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তিন নেতাকেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।সোমবার বিধানসভাতেও এই বিষয়টি নিয়ে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, রাজনৈতিক কর্মসূচি করতে হলে নিয়ম মেনে প্রশাসনের অনুমতি নিতে হবে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন বহুবার আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছে তাঁকে। বর্তমান সরকারও নিয়ম মেনেই বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচির অনুমতি দিচ্ছে বলে জানান তিনি।মুখ্যমন্ত্রী আরও প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কীভাবে সভাস্থলের মাপজোক করা হল। তাঁর বক্তব্য, নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই আবেদন করতে হবে এবং প্রশাসন সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে। বিধানসভায় এই মন্তব্যের কিছুক্ষণ পরেই কুণাল ঘোষ, দোলা সেন এবং বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের খবর সামনে আসে।একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে তৃণমূলের বিভিন্ন শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের আবহে এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই পদক্ষেপের ফলে একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি এবং রাজনৈতিক সমীকরণ আরও উত্তপ্ত হতে পারে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

বিধানসভায় শুভেন্দুর বিস্ফোরক মন্তব্য! ‘কালি গেলে দোয়াতও যাবে’, কাকে ইঙ্গিত করলেন মুখ্যমন্ত্রী?

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে তৃণমূলের দুই শিবিরের টানাপোড়েনের মধ্যেই সোমবার বিধানসভায় নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কালীঘাটপন্থী তৃণমূল আগেভাগে একুশে জুলাইয়ের সভাস্থলে পৌঁছনো নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরেও একাধিক মন্তব্য করেন তিনি। সেই বক্তব্য ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, একুশে জুলাইয়ের সভাস্থলে আগে থেকেই যাওয়ার অনুমতি কারা দিয়েছিল। এই প্রসঙ্গেই তিনি কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের নেতাদের উপস্থিতির বিষয়টি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক গ্রেফতারির ঘটনাও টেনে আনেন তিনি।তারাতলার কারখানা বিপর্যয়ের ঘটনায় নাম জড়ানো এবং তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে বিধায়ক কুণাল ঘোষের বক্তব্যেরও উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। কটাক্ষ করে তিনি বলেন, কেউ কেউ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আরও গ্রেফতারের দাবি তুলছেন। এমনকি কুণাল ঘোষকে উদ্দেশ্য করে তিনি রসিকতার সুরে বলেন, যদি সব সিদ্ধান্ত তিনিই নিতে চান, তাহলে মুখ্যমন্ত্রীর আসনেও বসে যেতে পারেন।এরপরই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেউ যদি কালীচরণের সঙ্গে অন্যদের নামও জুড়ে দেন, তাহলে তদন্তের স্বার্থে সকলের বিরুদ্ধেই সমানভাবে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তাঁর বক্তব্য, কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা প্রমাণের ভিত্তিতেই বিচার হবে। কোনও ব্যক্তি প্রভাবশালী হলেই তাঁকে ছাড় দেওয়া হবে না।তবে নিজের বক্তব্যের শেষেই মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন, প্রমাণ ছাড়া কোনও পদক্ষেপ করবে না সরকার। তিনি বলেন, তদন্ত চলছে এবং যথেষ্ট প্রমাণ মিললে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, নির্দোষ বা ভদ্র মানুষের বিরুদ্ধে সরকার কোনও অন্যায় পদক্ষেপ করবে না। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে বড় ঘোষণা! কবে চালু হবে, কারা থাকবেন আইনের বাইরে জানালেন শুভেন্দু

বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করার প্রতিশ্রুতি আগেই দিয়েছিল রাজ্যের বিজেপি সরকার। সোমবার বিধানসভায় এই বিল পেশ হতে পারে বলে জোর জল্পনা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত তা আনা হয়নি। তবে অধিবেশনের শেষ পর্বে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করতেই সরকার বদ্ধপরিকর। বিলের খসড়া তৈরির জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও ঘোষণা করেন তিনি।বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী সংকল্পপত্রে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আনবেই। আগামী দুই জুলাই মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিলের খসড়া অনুমোদনের জন্য তোলা হবে। উত্তরাখণ্ড, অসম এবং গুজরাটে চালু হওয়া অভিন্ন দেওয়ানি বিধির বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখে পশ্চিমবঙ্গের জন্য নতুন আইন তৈরি করা হবে। তাঁর দাবি, একই রাজ্যে ধর্মভেদে আলাদা আইন চলতে পারে না। তাই সকলের জন্য এক আইনের ব্যবস্থা করাই সরকারের লক্ষ্য।তবে এই আইন থেকে কিছু শ্রেণির মানুষকে ছাড় দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, মূলবাসী, আদিবাসী, কুড়মি-সহ প্রাচীন জনজাতির মানুষ এই প্রস্তাবিত আইনের আওতার বাইরে থাকবেন। এই বিষয়ে সুপারিশ করার জন্য সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাইয়ের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে থাকবেন অবসরপ্রাপ্ত প্রশাসনিক আধিকারিক, আইন বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ, সমাজকর্মী এবং প্রশাসনের প্রতিনিধি। বিয়ে, বিবাহবিচ্ছেদ, সম্পত্তির উত্তরাধিকার, সন্তানের অভিভাবকত্ব, দত্তক গ্রহণ-সহ মোট নয়টি বিষয় নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করবে এই কমিটি।সরকার জানিয়েছে, চার সপ্তাহের মধ্যে কমিটি তাদের সুপারিশ জমা দেবে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে অগস্ট মাসে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল বিধানসভায় আনার প্রস্তুতি নেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, মানুষের মতামতও গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হবে। যাঁদের কোনও মতামত বা আপত্তি রয়েছে, তাঁরা কমিটির কাছে তা জানাতে পারবেন।এদিকে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করার পক্ষে সওয়াল করেছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য, এই আইন শুধু বিজেপির রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয়, সমাজের বহু মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি। তাই দ্রুত এবং সর্বসম্মতিক্রমে এই আইন কার্যকর হওয়া উচিত বলেই মত প্রকাশ করেছেন তিনি। বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে সরকারের এই ঘোষণার পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

জয়প্রকাশ মজুমদারের বিপদ আরও বাড়ল! এবার মামলার শুনানি থেকেও সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি

জেলবন্দি তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদারের আইনি লড়াইয়ে নতুন মোড় এল। তাঁর জামিনের আবেদন নিয়ে শুনানির আগেই কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ মামলাটি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত জানান। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি এই মামলা না শোনার কথা জানিয়েছেন। ফলে এখন এই মামলার শুনানি কোন বিচারপতির এজলাসে হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধান বিচারপতি।জয়প্রকাশ মজুমদার বর্তমানে বাড়ি দখলের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে জেলবন্দি। তাঁর জামিনের আবেদন নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত শুনানির আগেই বিচারপতির সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তে মামলায় নতুন জটিলতা তৈরি হয়েছে।চলতি মাসের তিন তারিখ সল্টলেক এলাকা থেকে জয়প্রকাশ মজুমদারকে আটক করে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। পরে বাড়ির মালিকের অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ, দীর্ঘ বারো বছর ধরে একটি বাড়ি দখল করে রাখা হয়েছিল। বাড়ির মালিক ভাড়া চাইতে গেলে তাঁকে হুমকি দেওয়া হত বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।গ্রেপ্তারের পর পুলিশ জয়প্রকাশ মজুমদারকে নিয়ে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালাতে যায়। সেই সময় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত জনতার একাংশ তাঁর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখায় এবং তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার ঘটনাও ঘটে।গ্রেপ্তারের পর আইনি সুরাহার জন্য তিনি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়ে জামিনের আবেদন করেন। সেই মামলার শুনানির আগেই বিচারপতি ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে সরে দাঁড়ানোয় মামলার পরবর্তী শুনানি নিয়ে নতুন করে অপেক্ষা শুরু হয়েছে। এখন প্রধান বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী নতুন বেঞ্চে এই মামলার শুনানির দিন নির্ধারিত হবে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

বড় সিদ্ধান্ত! তৃণমূলের ওবিসি তালিকা বাতিল, বিধানসভায় পাশ হল নতুন আইন

বিধানসভায় পাশ হয়ে গেল ওবিসি সংরক্ষণ সংক্রান্ত দুটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী বিল। এর ফলে তৃণমূল সরকারের আমলে তৈরি হওয়া ওবিসি সংক্রান্ত একাধিক নিয়মে বড় পরিবর্তন আনা হল। একই সঙ্গে ওবিসি তালিকার একটি বড় অংশেও সংশোধন করা হয়েছে। সরকারের দাবি, নতুন আইন কার্যকর হলে ওবিসি সংরক্ষণ ব্যবস্থা আরও স্বচ্ছ ও আইনসম্মত হবে।অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণমন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ বিধানসভায় দুটি সংশোধনী বিল পেশ করেন। পরে ধ্বনিভোটে বিল দুটি পাশ হয়ে যায়। একটি বিল পশ্চিমবঙ্গ অনগ্রসর শ্রেণি কমিশন সংক্রান্ত এবং অন্যটি সরকারি চাকরিতে ওবিসি সংরক্ষণ সংক্রান্ত।নতুন আইনে ওবিসি এ শ্রেণির অধীনে থাকা পঁয়ষট্টিটি জনগোষ্ঠীর তালিকায় কোনও পরিবর্তন আনা হয়নি। তবে ওবিসি বি শ্রেণির অধীনে থাকা আটাত্তরটি জনগোষ্ঠীর তালিকায় বড় পরিবর্তন করা হয়েছে। সংশোধনী বিলে ওই তালিকা বাদ দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।সরকারি চাকরিতে সংরক্ষণ সংক্রান্ত আইনের নামও পরিবর্তন করা হয়েছে। নতুন আইনে বলা হয়েছে, ওবিসি হিসেবে কোন শ্রেণি স্বীকৃতি পাবে, তা অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে।নতুন ব্যবস্থায় রাজ্য সরকার অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে ওবিসি সংরক্ষণের হার ঠিক করবে। প্রয়োজন হলে সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি করে সেই হার পরিবর্তন করা যাবে। তবে তফসিলি জাতি, তফসিলি উপজাতি এবং ওবিসিসব মিলিয়ে মোট সংরক্ষণের পরিমাণ পঞ্চাশ শতাংশের বেশি করা যাবে না।এ ছাড়াও কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে ওবিসি সম্প্রদায়কে সামাজিক ও শিক্ষাগত অবস্থার নিরিখে একাধিক ভাগে ভাগ করা যাবে। প্রতিটি ভাগের জন্য আলাদা সংরক্ষণের হারও নির্ধারণ করার সুযোগ রাখা হয়েছে।সরকারের দাবি, এই সংশোধনের ফলে সংরক্ষণ ব্যবস্থা আরও কার্যকর হবে এবং নতুন আইন বাস্তবায়নের জন্য অতিরিক্ত কোনও আর্থিক ব্যয়ের প্রয়োজন হবে না।অন্যদিকে অনগ্রসর শ্রেণি কমিশন সংক্রান্ত সংশোধনী বিলে কমিশনের কাঠামোতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কমিশনে একজন সভাপতি, তিনজন সদস্য এবং একজন সদস্য-সচিব থাকবেন। সদস্য-সচিব হিসেবে এমন একজন আধিকারিককে নিয়োগ করা হবে, যিনি রাজ্য সরকারের অতিরিক্ত সচিব পদে অন্তত তিন বছর কাজ করেছেন।কমিশনের ক্ষমতাও বাড়ানো হয়েছে। কোনও ব্যক্তি বা সম্প্রদায়কে অনগ্রসর শ্রেণির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে কি না, অথবা তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে কি না, তা বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা করে কমিশন রাজ্য সরকারকে সুপারিশ জানাবে।সরকারের বক্তব্য, এই সংশোধনের মাধ্যমে অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের ভূমিকা আরও স্পষ্ট করা হয়েছে। পাশাপাশি ওবিসি তালিকা তৈরি, সংশোধন এবং সংরক্ষণ নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে কমিশনের ক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা হয়েছে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ওবিসি বিল ঘিরে তুমুল নাটক! দরজা খুলেও কেন বেরোলেন না কয়েকজন বিধায়ক?

ওবিসি সংক্রান্ত সংশোধনী বিল বিধানসভায় পাশ হওয়ার সময় তৈরি হল নাটকীয় পরিস্থিতি। ভোটাভুটির আগে বিরোধী শিবিরের অধিকাংশ বিধায়ক ওয়াকআউট করলেও কয়েকজন বিধায়ক সভাকক্ষেই থেকে যান। সেই ঘটনাকে ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা।সোমবার বিলটি নিয়ে ভোটাভুটির সময় দেখা যায়, বিরোধী শিবিরের অধিকাংশ সদস্য সভাকক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন। ঠিক সেই সময় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ায় বিধানসভার দরজা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে কয়েকজন বিধায়ক বাইরে যেতে পারেননি বলে জানা যায়। পরে পরিষদীয় মন্ত্রীর হস্তক্ষেপে দরজা খুলে দেওয়া হয়।তবে দরজা খুলে যাওয়ার পরেও কয়েকজন বিধায়ক সভাকক্ষেই থেকে যান। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মোসারফ হোসেন, বাহারুল ইসলাম, কাজল শেখ, বায়রন বিশ্বাস, পান্নালাল হালদার এবং মুরারইয়ের মোসারফ হোসেন। তাঁদের সভাকক্ষে থেকে যাওয়াকে ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।ঘটনাস্থলে উপস্থিত কুণাল ঘোষকে ওই বিধায়কদের উদ্দেশে কিছু বলতে দেখা যায়। পরে বাহারুল ইসলাম, কাজল শেখ এবং বায়রন বিশ্বাসকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কথা বলতেও দেখা যায়। অন্যদিকে দলের প্রবীণ নেতারাও সেই সময় বিধানসভায় উপস্থিত ছিলেন।এই ঘটনার পর রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, দরজা বন্ধ থাকার কারণেই কি কয়েকজন বিধায়ক বাইরে যেতে পারেননি, নাকি দরজা খোলার পরেও সভাকক্ষে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল তাঁদের নিজস্ব? যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য সামনে আসেনি।শেষ পর্যন্ত ওবিসি সংশোধনী বিলের পক্ষে ভোট পড়ে একশো ছিয়াশি। বিপক্ষে ভোট দেন সতেরো জন সদস্য। ভোটদান থেকে বিরত থাকেন ছয় জন বিধায়ক। বিলটি ধ্বনিভোট এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন নিয়ে বিধানসভায় পাশ হয়ে যায়।

জুন ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal