• ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার ২০ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Singur

কলকাতা

সিঙ্গুর মামলায় বড় স্বস্তি রাজ্যের! টাটাদের ক্ষতিপূরণে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

সিঙ্গুর মামলায় বড় স্বস্তি পেল রাজ্য। টাটা মোটরসকে ৭৬৫ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশে সাময়িক স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি অনিরুদ্ধ রায়ের বেঞ্চ আগামী আট সপ্তাহের জন্য এই স্থগিতাদেশ জারি করেছে। একই সঙ্গে আদালত জানিয়েছে, এই সময়ের মধ্যে রাজ্য সরকারকে ব্যাঙ্ক গ্যারান্টি জমা দিতে হবে।সিঙ্গুরে কারখানা তৈরি না করতে পারার কারণে টাটা মোটরসকে এই বিপুল অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল সালিশি আদালত। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই তৎকালীন তৃণমূল সরকার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল।জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে তিন সদস্যের সালিশি ট্রাইব্যুনাল নির্দেশ দেয়, পশ্চিমবঙ্গ শিল্পোন্নয়ন নিগমকে টাটা মোটরসকে ৭৬৫ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। শুধু তাই নয়, ২০১১ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে টাকা মেটানো পর্যন্ত বছরে ১১ শতাংশ হারে সুদ এবং মামলার খরচ বাবদ আরও ১ কোটি টাকা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৩১ অগস্ট সুপ্রিম কোর্ট সিঙ্গুরে টাটাদের জন্য অধিগৃহীত ৯৯৭ একর জমিকে অবৈধ ঘোষণা করে। আদালতের নির্দেশে কৃষকদের জমি ফেরানোর কাজ শুরু করেছিল তৎকালীন রাজ্য সরকার। যদিও বহু কৃষকের অভিযোগ ছিল, জমি ফেরত পেলেও তা চাষের উপযুক্ত অবস্থায় ছিল না।২০০৬ সালে টাটা গোষ্ঠীর ন্যানো প্রকল্পের জন্য সিঙ্গুরে জমি অধিগ্রহণ শুরু হয়। কিন্তু জমি আন্দোলন এবং রাজনৈতিক সংঘাতের জেরে ২০০৮ সালে রতন টাটা সিঙ্গুর থেকে কারখানা সরিয়ে গুজরাটের সানন্দে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পরে ২০১১ সালে ক্ষমতায় এসে তৃণমূল সরকার সিঙ্গুর জমি পুনর্বাসন ও উন্নয়ন আইন পাশ করে জমি ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু করে।সিঙ্গুর মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের এই নতুন সিদ্ধান্ত ঘিরে ফের রাজনৈতিক এবং শিল্প মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

মে ০৭, ২০২৬
রাজ্য

সিঙ্গুর থেকে কেন্দ্রকে কড়া আক্রমণ, ‘আমাকে আঘাত করলে টর্নেডো হয়ে যাই’

প্রধানমন্ত্রীর সভার ঠিক দশ দিনের মাথায় সিঙ্গুরে জনসভা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চার বছর পরে আবার সিঙ্গুরের মাটিতে পা রাখলেন তিনি। সভার শুরুতেই আবেগঘন ভাষণে মমতা বলেন, সিঙ্গুর তাঁর খুব প্রিয় জায়গা। দিনের পর দিন এই মাটিতে পড়ে থেকেছেন তিনি। এই মাটিই তাঁর লড়াইয়ের সাক্ষী। সিঙ্গুরে ২৬ দিন অনশন করেছিলেন বলেও স্মরণ করান মুখ্যমন্ত্রী।সভামঞ্চে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী SIR নিয়ে লেখা নিজের কবিতা পাঠ করে শোনান। তিনি জানান, হেলিকপ্টারে আসার সময়ই ওই কবিতা লিখেছেন। মমতা বলেন, এসআইআর-এর নামে মানুষকে ভয় দেখানো ও মারার চক্রান্ত চলছে। তিন দিনে তিনি ২৬টি কবিতা লিখেছেন, যার সংকলনের নাম স্যর বাংলায়। ইংরেজিতে যার নাম SIR।সভা থেকে রাজ্যের উন্নয়ন প্রকল্পের কথাও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, এ দিন রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় মোট ১,৬৯৪টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করা হয়েছে। এই সব প্রকল্পে মোট খরচ হয়েছে ৩৩ হাজার ৫৫১ কোটি টাকা। বাংলার বাড়ি প্রকল্পে আগে এক কোটি পরিবারকে সাহায্য করা হয়েছে। সম্প্রতি আরও ১২ লক্ষ পরিবারকে টাকা দেওয়া হয়েছে এবং এ দিন আরও ২০ লক্ষ মানুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছবে বলে জানান তিনি। অর্থাৎ মাত্র দুমাসে ৩২ লক্ষ মানুষ এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, এই প্রকল্পে কেন্দ্র এক টাকাও দেয় না।দুর্যোগে যাঁদের বাড়ি ভেঙে গিয়েছে, তাঁদের জন্য রাজ্য সরকার ঘর তৈরি করে দিয়েছে বলেও জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার বাড়ি প্রকল্পে মোট ২৪ হাজার ১৮০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে বলে তিনি জানান। ঘাটাল প্রসঙ্গ টেনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ডিভিসির জলের জন্য বারবার বন্যায় ভেসেছে এলাকা। তিনি টানা ১০ বছর কেন্দ্রকে চিঠি লিখলেও কোনও উত্তর মেলেনি। শেষ পর্যন্ত কেন্দ্র টাকা না দিলেও রাজ্য সরকারই দেড় হাজার কোটি টাকা দিয়ে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের কাজ শুরু করেছে। এর মধ্যে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে এবং ৩০০ কোটি টাকার কাজ ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে।মমতা বলেন, তাঁর সরকার ডাবল ইঞ্জিন সরকার নয়, মানুষের সরকার। যতদিন তাঁর সরকার থাকবে, কন্যাশ্রী-সহ সমস্ত সামাজিক প্রকল্প চলবে। সিঙ্গুরে ৮ একর জমির উপর ৯ কোটি ২০ লক্ষ টাকা খরচ করে অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক তৈরি হয়েছে বলেও জানান তিনি। ২৮টি প্লটের মধ্যে ২৫টি ইতিমধ্যেই বরাদ্দ হয়ে গিয়েছে। এর ফলে বহু মানুষের কর্মসংস্থান হবে। কৃষিজমি দখল না করে কৃষি ও শিল্প পাশাপাশি চলবে বলে আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী।এ ছাড়া সিঙ্গুরে ৭৭ একর জমিতে একটি বেসরকারি ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক গড়ে তোলা হচ্ছে বলে জানান তিনি। সেখানে অ্যামাজন ও ফ্লিপকার্টের বড় ওয়্যারহাউস তৈরি হবে, যেখানে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা করে মমতা বলেন, মহাত্মা গান্ধীর নাম তুলে দেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকার তাই মহাত্মাশ্রী কর্মশ্রী প্রকল্প চালু করেছে। বাংলায় ১০০ দিনের কাজ চলছে এবং রাজ্যের টাকাতেই চলবে বলে স্পষ্ট করেন তিনি।ভাষা প্রসঙ্গেও কেন্দ্রকে কড়া আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ধ্রুপদী ভাষার স্বীকৃতি দেওয়া নিয়ে কেন্দ্র মিথ্যা কথা বলছে। বাংলা ভাষাকে বাদ দিয়েই সব ভাষাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল। তিনি দিল্লিতে প্রমাণ-সহ পাঁচ বস্তা বই পাঠিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রকে বাধ্য হয়েই বাংলা ভাষাকে স্বীকৃতি দিতে হয়েছে বলে দাবি করেন মমতা। সভার শেষে বলেন, তাঁকে আঘাত করলে তিনি প্রত্যাঘাত করেন এবং তখন তিনি টর্নেডোর মতো হয়ে ওঠেন।

জানুয়ারি ২৮, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে সিঙ্গুরে মোদির বড় ডাক! পরিবর্তনের বার্তা, তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ

বিধানসভা নির্বাচনের আগে পালাবদলের মাটি সিঙ্গুরে এসে পরিবর্তনের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই মঞ্চ থেকেই তিনি বাঙালি অস্মিতার কথা তুলে ধরেন এবং রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে একাধিক ইস্যুতে আক্রমণ করেন। বিশেষ করে অনুপ্রবেশ এবং এসআইআর পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রী।সম্প্রতি বিভিন্ন রাজ্যে বাঙালিদের হেনস্তার অভিযোগ ঘিরে সরব হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। বিজেপির বিরুদ্ধে বাংলা ও বাঙালিকে বঞ্চনার অভিযোগও দীর্ঘদিনের। সেই আবহে সিঙ্গুরে দাঁড়িয়ে মোদি দাবি করেন, বিজেপির মতো করে কেউ বাংলাকে সম্মান দেয়নি। তাঁর বক্তব্য, বিজেপি সরকারের আমলেই বাংলা ভাষা ধ্রুপদী ভাষার স্বীকৃতি পেয়েছে। এর ফলে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে গবেষণার নতুন পথ খুলেছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেন, বিজেপি সরকারের উদ্যোগেই দুর্গাপুজো ইউনেসকোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বিজেপিকে অবাঙালিদের দল হিসেবে তুলে ধরার অভিযোগ মোকাবিলায় বাঙালির ভাষা ও সংস্কৃতির প্রসঙ্গকে গুরুত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।অনুপ্রবেশ ইস্যুতেও সিঙ্গুরের সভা থেকে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়ান মোদি। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল রাজ্য ও দেশের নিরাপত্তা নিয়ে আপস করছে। তিনি বলেন, তৃণমূল অনুপ্রবেশকারীদের বিভিন্ন সুবিধা দেয় এবং তাদের রক্ষা করতে আন্দোলনেও নামে। তাঁর দাবি, অনুপ্রবেশকারীদের ভোটব্যাঙ্ক হিসেবেই দেখে তৃণমূল। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, গত ১১ বছর ধরে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য সরকারকে সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর জন্য জমির প্রয়োজনীয়তার কথা জানালেও কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে হলে ভুয়ো নথির মাধ্যমে যারা দেশে থেকে গিয়েছে, তাদেরও নিজ দেশে ফেরত পাঠানো উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।তবে একই সঙ্গে মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রসঙ্গও তোলেন প্রধানমন্ত্রী। শনিবার তাঁদের নাগরিকত্ব নিয়ে আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে সিএএ কার্যকর করে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। সব মিলিয়ে ভোটের আগে সিঙ্গুরের মঞ্চ থেকে একদিকে বাঙালি আবেগ, অন্যদিকে নিরাপত্তা ও অনুপ্রবেশ ইস্যুতে রাজনৈতিক বার্তা দিতে দেখা গেল প্রধানমন্ত্রীকে।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

যে জমি দেখেছিল টাটার স্বপ্ন, সেখানেই মোদীর সভা! সিঙ্গুরে ইতিহাসের মোড়

যে জমি এক সময় বড় শিল্পের স্বপ্ন দেখেছিল, যেখানে হাজার হাজার মানুষের কাজের আশা জড়িয়ে ছিল, সেই জমিতেই আজ বড় রাজনৈতিক সভা। হুগলির সিঙ্গুরে সেই জমিতেই সভা করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একদিন এই সিঙ্গুর ছেড়েই টাটার ন্যানো কারখানা চলে গিয়েছিল গুজরাটের সানন্দে। তারপর কেটে গিয়েছে বহু বছর। সেই জমিতে আর শিল্প ফেরেনি, চাষও হয়নি। সেই দীর্ঘ অধ্যায়ের মাঝেই আজ ফের সিঙ্গুরে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তীব্র নজর।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলা ও অসমকে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন উপহার দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরেই আজ আরও একগুচ্ছ প্রকল্পের সূচনা করতে চলেছেন তিনি। হুগলির সিঙ্গুর থেকেই প্রায় ৮৩০ কোটি টাকার বেশি উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। একই সঙ্গে একটি নতুন অমৃত ভারত ট্রেনেরও সূচনা করবেন তিনি।এ দিন অসম থেকে সরাসরি বাংলায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুর তিনটের পর থেকে একের পর এক প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করার কথা রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম বলাগড়ে এক্সটেন্ডেড পোর্ট গেট সিস্টেম প্রকল্প। এই প্রকল্পের আওতায় তৈরি হবে একটি ইনল্যান্ড ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট টার্মিনাল এবং একটি রোড ওভার ব্রিজ। প্রায় ৯০০ একর এলাকা জুড়ে বলাগড়কে আধুনিক কার্গো হ্যান্ডলিং টার্মিনাল হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে, যার বার্ষিক পণ্য পরিবহণ ক্ষমতা প্রায় ২.৭ মিলিয়ন টন হবে।এই প্রকল্পে দুটি কার্গো জেটি তৈরি হবে। একটি কনটেনারবাহী পণ্যের জন্য এবং অন্যটি ড্রাই বাল্ক কার্গোর জন্য ব্যবহৃত হবে। এর ফলে ঘনবসতিপূর্ণ শহর এলাকা থেকে ভারী পণ্য পরিবহণ অনেকটাই সরানো যাবে। কলকাতায় যানজট ও দূষণ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি পরিবহণের নিরাপত্তা বাড়বে এবং নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। কম খরচে পণ্য পরিবহণের সুবিধা পাওয়ায় আঞ্চলিক শিল্প, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা এবং কৃষিপণ্য বাজারে পৌঁছনো আরও সহজ হবে। এই প্রকল্প থেকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বহু কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে বলেও মনে করা হচ্ছে।এ দিন কলকাতায় একটি অত্যাধুনিক ইলেকট্রিক ক্যাটামারানেরও উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। ইনল্যান্ড ওয়াটার ট্রান্সপোর্টের জন্য কোচি শিপইয়ার্ডে তৈরি এই ক্যাটামারানটি ছয়টি ইলেকট্রিক জাহাজের মধ্যে একটি। ৫০ জন যাত্রী বহনে সক্ষম এই হাইব্রিড ইলেকট্রিক ক্যাটামারানে রয়েছে আধুনিক প্রপালশন ব্যবস্থা ও লিথিয়াম-টাইটানেট ব্যাটারি প্রযুক্তি। এটি সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক মোডে যেমন চলতে পারে, তেমনই দীর্ঘ সময় হাইব্রিড মোডেও চলতে সক্ষম। হুগলি নদী বরাবর যাত্রী পরিবহণ, পর্যটন ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় এই জাহাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে আশা করা হচ্ছে।এ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী জয়রামবাটি থেকে বরগোপীনাথপুর হয়ে ময়নাপুর পর্যন্ত নতুন রেললাইনের উদ্বোধন করবেন। এটি তারকেশ্বর-বিষ্ণুপুর নতুন রেললাইন প্রকল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই রেলপথ চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ময়নাপুর থেকে জয়রামবাটি পর্যন্ত একটি নতুন ট্রেন পরিষেবাও শুরু হবে। এর ফলে বাঁকুড়া জেলার বাসিন্দারা সরাসরি রেল যোগাযোগের সুবিধা পাবেন। দৈনন্দিন যাত্রী, পড়ুয়া এবং তীর্থযাত্রীদের যাতায়াত অনেকটাই সহজ ও সাশ্রয়ী হবে।বাংলার জন্য তিনটি অমৃত ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনেরও সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। এই ট্রেনগুলি কলকাতা থেকে আনন্দ বিহার টার্মিনাল, শিয়ালদহ থেকে বারাণসী এবং সাঁতরাগাছি থেকে তাম্বরমের মধ্যে চলবে। সব মিলিয়ে ভোটের আগে সিঙ্গুরের মাটি থেকেই উন্নয়ন ও রাজনৈতিক বার্তা দিতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

মোদীর সিঙ্গুর সফরের আগেই বিস্ফোরক পোস্টার! ‘নাগরিকত্ব হরণ সভা’ লিখে তীব্র বার্তা

বিধানসভা ভোটের মুখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সিঙ্গুর সফরকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল। টাটাদের বিদায়ের ১৭ বছর পরে এই প্রথম সিঙ্গুরে পা রাখতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সফরের আগেই সিঙ্গুরের রতনপুর এলাকায় দেখা গেল বিতর্কিত পোস্টার। রাস্তার ধারে একাধিক জায়গায় ওই পোস্টার লাগানো রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে খবর।অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের লাগানো ওই পোস্টারগুলিতে প্রধানমন্ত্রীকে সরাসরি নিশানা করা হয়েছে। একটি পোস্টারে লেখা, নাগরিকত্ব হরণ সভা। অন্য একটি পোস্টারে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, বাঙালিকে কেন ধোঁকা দিলে? পাশাপাশি ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে বিজেপিকে দেখে নেওয়া হবে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। কে বা কারা রাতের অন্ধকারে এই পোস্টার লাগিয়েছে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরস্পরবিরোধী অভিযোগ উঠেছে রাজনৈতিক শিবিরে। বিজেপির দাবি, মোদীর সভার আগে ভয় পেয়ে তৃণমূল এই কাজ করিয়েছে। পাল্টা শাসক দলের বক্তব্য, এটি সাধারণ মানুষের ক্ষোভের স্বতঃস্ফূর্ত প্রকাশ। তাদের দাবি, বিজেপির নীতির বিরুদ্ধেই এই প্রতিবাদ।স্থানীয় বাসিন্দা বিকাশ মাইতি বলেন, সকালে উঠে তিনি দেখেন এলাকায় পোস্টার লাগানো হয়েছে। তাঁর মতে, প্রধানমন্ত্রী যেভাবে বাংলার সঙ্গে আচরণ করেছেন, তাতে এই ধরনের প্রতিবাদ আরও বেশি হওয়া উচিত ছিল। তাঁর দাবি, ভোট এলেই প্রধানমন্ত্রী বাংলায় আসেন, ভোট না থাকলে আসতেন না। তিনি আরও বলেন, বিজেপি রাজ্যে একটি আসনও পাবে না।এই পরিস্থিতির মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী সিঙ্গুরে সরকারি সভা করতে চলেছেন। ওই সভা থেকে প্রায় ৮৩০ কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করার কথা রয়েছে। পাশাপাশি বালাগড়ে বন্দর গেট সিস্টেমের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করারও কর্মসূচি রয়েছে। সিঙ্গুরের মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী নতুন করে টাটা গোষ্ঠীকে ফেরানোর কথা বলেন কি না, কিংবা রাজ্যে নতুন শিল্প বিনিয়োগের কোনও বার্তা দেন কি না, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। তার সঙ্গে পোস্টার বিতর্ক কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাও এখন দেখার।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
কলকাতা

সিঙ্গুর মামলা থেকে বেকসুর খালাস বেচারাম মান্না-সহ ৩১ জন

সিঙ্গুর মামলায় বেচারাম মান্না-সহ ৩১ জনকে বেকসুর খালাসের নির্দেশ দিল আদালত। বুধবার এই নির্দেশ দেয় বিধাননগরের এমপিএমএলএ আদালত। সিঙ্গুরের জমি আন্দোলনের ঘটনায় পুলিশের তরফ থেকে একটি মামলা করা হয়েছিল। যেখানে বলা হয়েছিল মন্ত্রী বেচারাম মান্না এবং চাষিরা ইচ্ছেকৃতভাবে গণ্ডগোল করেছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে চলছিল এই মামলা। আজ বিধান নগর এমপি এমএলএ আদালতে মামলার শুনানি ছিল। বিচারপতির নির্দেশে মন্ত্রী-সহ ৩১ জনকে বেকসুর খালাস করা হল।এর আগে সিঙ্গুরের জমি আন্দোলনের সময় বাম সরকারের করা দুটি ফৌজদারি মামলা থেকে ছাড় পেলেন হরিপালের তৃণমূল বিধায়ক বেচারাম মান্না। বাম আমলে সিঙ্গুরে কৃষিজমি রক্ষার আন্দোলনে যুক্ত চাষি এবং তৎকালীন বিরোধী তৃণমূল নেতা বেচারাম মান্না, রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য, স্নেহাশিস চক্রবর্তী-সহ কয়েক জনের বিরুদ্ধে সরকারি সম্পত্তি নষ্ট, সরকারি কাজে বাধা দান-সহ বহু মামলা হয়েছিল।বেচারাম মান্না বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে মোট ৬৮ টি মামলা ছিল। সবই থেকেই মুক্তি মিলেছে। আজকের আমার একটা শেষ মামলা। সিঙ্গুরে আন্দোলনের সময়ে আমাদের একটা বড় অংশকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল, তারা সবাই আজ এসেছিলাম। আমরা যে নির্দোষ, তা প্রমাণিত হল। জমি অধিগ্রহণ ন্যায়সঙ্গত হয়নি, প্রমাণীত হল। কেবল মাত্র একটি মামলাই আর রয়ে গিয়েছে। তাতে যাঁরা অভিযুক্ত রয়ে গিয়েছেন, আশা করব তাঁরাও দ্রুত বিচার পাবেন।রাজ্যে ক্ষমতায় এসেই প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকে বর্তমান শাসক দল সেই সব মামলা তোলার আশ্বাস দিয়েছিল। শেষ কয়েক বছরে বেশ কিছু মামলা প্রত্যাহার করা হয়। কিন্তু তা সম্ভব হয় নি। প্রত্যাহার না-হওয়া সেই সব মামলার শুনানি চলছিল। সেরকমই একটি মামলার শুনানি ছিল বিধাননগরের এমপিএমএলএ আদালতে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২২
রাজ্য

Singur-BJP: সিঙ্গুরে অবস্থান বিক্ষোভ বিজেপির, মিছিলে দিলীপ-সুকান্ত

আত্মহত্যা করেছেন এমন কৃষকদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য, কৃষকদের উপযুক্ত দামে সার, সেচের জন্য ভর্তুকিতে বিদ্যুৎ দেওয়া-সহ কয়েকটি দাবিতে সিঙ্গুরে রাজনৈতিক কর্মসূচি শুরু বিজেপি-র। সেখানে প্রথমে মিছিল করে বিজেপি। তাতে যোগ দেন বঙ্গ বিজেপি-র নেতারা। পরে শুরু হয় ধর্না। টানা তিন দিন হুগলির সিঙ্গুরের গোপালনগরে দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের ধারে ধরনা দেবে বিজেপি।সিঙ্গুরে বিজেপি-র কর্মসূচির জন্য সোমবার গভীর রাতে অনুমতি দেয় পুলিশ। এর পর মঙ্গলবার ধরনা মঞ্চ বাঁধা হয়। দুপুরে সিঙ্গুরের লোহাপট্টি থেকে মিছিল করে সিংহের ভেড়িতে উপস্থিত হন বিজেপি নেতারা। সঙ্গে ছিলেন কর্মী-সমর্থকরাও।সিংহের ভেড়িতে দূর্গাপুর এক্সপ্রেস হাইওয়ের পাশে ধরনা মঞ্চ বিজেপি-র। ওই কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, কৃষকদের পাশে না দাঁড়ালে তাঁদের কাছে দুটো পথ খোলা রয়েছে। হয় পরিযায়ী শ্রমিক হয়ে যাওয়া না হলে আত্মহত্যা করা। তাঁর মতে, রতন টাটা এখান থেকে চলে যাওয়া দেশের শিল্পমহল পশ্চিমবঙ্গের উপর বিশ্বাস রাখতে পারছেন না। এ ছাড়া মঙ্গলবারের মিছিলে উপস্থিত হন রাহুল সিনহা, অগ্নিমিত্রা পল, চন্দনা বাউড়ি-সহ অনেকে।মিছিল শুরুর আগে বিজেপি-র সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে বলেন, হয় কৃষকদের জমি ফেরত দিন। না হলে চাকরি দিন। মোদিজি কৃষকদের বছরে ছয় হাজার টাকা দিচ্ছেন। সেটাও উনি দিতে দিচ্ছেন না।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২১
রাজ্য

Brutally Killed: সিঙ্গুরের পর চন্ডীতলা, একই পরিবারের তিনজনকে নৃশংস হত্যা

জেলা একই। হুগলি। সিঙ্গুরের পর এবার চন্ডীতলা। ফের একই পরিবারের সদস্যদের কুপিয়ে নৃশংস ভাবে হত্যা। বাবা, মা ও মেয়ে, তিন জনকেই কুপিয়ে খুন! পারিবারিক বিবাদের জেরেই এই হত্যালীলা বলে মনে করছে পুলিশ। এর আগে সিঙ্গুরে একই পরিবারের চারজনকে কুপিয়ে হত্যা করেছিল ওই পরিবারের এক আত্মীয়।হুগলির চন্ডীতলার নৈটি এলাকায় থাকেন সঞ্জয় ঘোষ। বাড়িতে রয়েছে সঞ্জয়বাবুর স্ত্রী মিতালী ঘোষ ও তাঁদের মেয়ে শিল্পা ঘোষ। অভিযোগ, তিনজনকেই কুপিয়ে নৃশংস ভাবে খুন করে তাঁদেরই আত্মীয় শ্রীকান্ত ও তপন ঘোষ। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে চন্ডীতলা থানার পুলিশ।পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের জেরে এই হত্যাকান্ড। ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত তপন ঘোষকে আটক করেছে পুলিশ। আরেক অভিযুক্ত শ্রীকান্ত ঘোষকে খুঁজছে পুলিশ। সে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। সম্পত্তি ছাড়া অন্য কোনও কারণ রয়েছে কীনা তা-ও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।গত বৃহস্পতিবার হুগলির সিঙ্গুরের নান্দায় একই পরিবারের চারজনকে খুন করে তাঁদেরই এক আত্মীয়। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত পলাতক। ওই ঘটনার চার দিনের মাথায় চন্ডীতলায় সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটল। এই ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২১
রাজ্য

Singur Tragedy: ধারালো অস্ত্রের কোপ থেকে বাঁচল না দাদু ও নাতিও, সিঙ্গুরে নিভল প্যাটেল পরিবারের প্রদীপ

পারিবারিক বিবাদের জের। একই পরিবারের চারজনকে ধারালো অস্ত্রের কোপে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারালেন ২ জন। কলকাতায় এনেও বাঁচানো গেল না বাকি ২ জনকে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে এক আত্মীয়কে শনাক্ত করেছে পুলিশ। তাঁর সন্ধানে তল্লাশি চলছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে হুগলির সিঙ্গুরে।জানা গিয়েছে, মৃতেরা হলেন মাওজি প্যাটেল, তাঁর ছেলে দীনেশ প্যাটেল, দীনেশের স্ত্রী অনুসূয়া ও ছেলে ভাবিক। গুজরাত থেকে চলে এসেছিলেন এ রাজ্যে। কয়েক দশক ধরে সিঙ্গুরের নান্দাবাজার এলাকায় থাকতেন প্যাটেলরা। বাড়ির পাশেই কাঠ চেরাইয়ের কল। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, পাড়ায় সকলের সঙ্গে মেলামেশা করতেন প্যাটেল পরিবারের সদস্যরা। কখনও কোনও ঝামেলায় জড়াননি তাঁরা। সকলের সঙ্গেই ভদ্র ব্যবহার করতেন।পুলিশ সূত্রে খবর, এদিন ভোরে বাড়িতে যান প্যাটেলদেরই এক আত্মীয় যোগেশ ধাওয়ানী। প্রথমে কথা কাটাকাটি, তারপর পরিবারের চার সদস্যকে যোগেশ ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপান বলে অভিযোগ। বাড়ির নিচে থাকেন বছর বাইশের এক যুবক। সকালে তিনিই প্রথম ঠাকুরঘরে গৃহকর্তা মাওজি প্যাটেলকে রক্তাক্ত অবস্থা পড়ে থাকতে দেখেন। গুরুতর জখম অবস্থায় পাশাপাশি দুটি শোওয়ার ঘরে পড়েছিলেন দীনেশ, তাঁর স্ত্রী অনুসূয়া ও ছেলে ভাবিক। আর মেঝে চাপ চাপ রক্ত! খবর দেওয়া হয় সিঙ্গুর থানায়।চারজনকেই উদ্ধার করে সিঙ্গুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ। সেখানে দীনেশ ও তাঁর স্ত্রীকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসক। মাওজি প্যাটেল ও তাঁর নাতি ভাবিকের দেহে প্রাণ ছিল তখনও। শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের পাঠিয়ে দেওয়া হয় কলকাতা এসএসকেএম হাসপাতালে। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। বিকেলে হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, মৃত্যু হয়েছে দাদু ও নাতিরও। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, পারিবারিক বিবাদের জেরেই খুন। সিসিটিভি ফুটেজে অভিযুক্ত যোগেশ ধাওয়ানীকে দেখা গিয়েছে। ঘটনার পর থেকে পলাতক সে। তার খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।

ডিসেম্বর ০২, ২০২১
রাজ্য

ক্ষমতায় এলে সিঙ্গুরে শিল্প হবে: অমিত শাহ

দুদিন বাদেই রাজ্যে চতুর্থ দফার নির্বাচন। তার আগে সিঙ্গুরে শিল্পের স্বপ্ন ফেরি করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বুধবার সিঙ্গুরের বিজেপি প্রার্থী রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যের সমর্থনে ব়্যালি করলেন বিজেপির তারকা প্রচারক। সেই রোড শো থেকে সিঙ্গুরে শিল্প গড়ার প্রতিশ্রুতি দিলেন তিনি। তাঁর কথায়, শুধু ছোট বা মাঝারি নয়, রাজ্যে বড় শিল্প আনবে বিজেপি। শিল্প ফিরবে সিঙ্গুরেও।২০১১ সালে রাজ্যের রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হয়। আর সেই পরিবর্তনের ভরকেন্দ্র ছিল সিঙ্গুরও। টাটার ন্যানো প্রকল্প ঘিরে সেইসময় রাজ্য রাজনীতি আবর্তিত হয়েছিল। ক্ষমতায় এসে শিল্পের জন্য গৃহীত জমি কৃষকদের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন মমতা। দিন কয়েক আগে সিঙ্গুরে সভা করে সেই এলাকার মানুষের আবেগকে ছুঁয়েছিলেন তৃণমূলনেত্রী। বলেছিলেন, আমার আন্দোলনের স্থান। সিঙ্গুরে আমার আবেগজুড়ে রয়েছে। ক্ষমতায় ফিরে সিঙ্গুরে অ্যাগ্রোপার্ক তৈরির প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন তিনি। এবার সেই কেন্দ্রের ভোটের আগে শাহি প্রচার সারলেন। স্বপ্ন দেখালেন রাজ্যে শিল্প গড়ার। বললেন, ছোট-মাঝারি-বড় সব ধরণের শিল্প হবে।কে মুখ্যমন্ত্রী হবেন, এদিনও বিজেপির সেকেন্ড-ইন-কমান্ডকে প্রশ্ন করা হয়। জবাবে তিনি বলেন, কে মুখ্যমন্ত্রী হবেন, তা এখনও ঠিক হয়নি। তবে বিজেপি যে ২০০-এর বেশি আসন নিয়ে বাংলায় ক্ষমতায় আসবে তা নিয়ে এদিনও আত্মপ্রত্যয়ী শাহ। সিঙ্গুরের পর ডোমজুড়েও রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে রোড শো করেন শাহ। সেখান থেকে তাঁর দাবি, প্রথম তিন দফা নির্বাচনে ৬৩-৬৮টি আসন পাবে বিজেপি। এদিনের রোড শোয়ের পর এক দলীয় কর্মীর বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারেন তিনি।

এপ্রিল ০৭, ২০২১
রাজনীতি

নন্দীগ্রাম নিয়ে জল্পনার মধ্যেই বিদ্রোহী সিঙ্গুরের মাস্টারমশাই

বাংলায় পরিবর্তনের ভিত রচনা করেছিল সিঙ্গুর আর নন্দীগ্রাম আন্দোলন। ১০ নভেম্বর ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির ডাকা সমাবেশে ওই আন্দোলনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক শুভেন্দু অধিকারীর বার্তা শুনতে যখন মুখিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল, সেখানে সিঙ্গুরের বিধায়ক, মাস্টারমশাই রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যর গলায় বিদ্রোহের সুর। আজ হুগলি জেলা তৃণমূলের কমিটি ঘোষণার পর থেকেই জেলাজুড়ে অসন্তোষের আগুন বেড়েই চলেছে। তার মধ্যেই দলত্যাগের হুঁশিয়ারি দিলেন স্বচ্ছ ভাবমূর্তির প্রবীণ বিধায়ক। এমনিতেই লোকসভা ভোটে ব্যাপক ভোটে সিঙ্গুরে তৃণমূলকে মাত করেছে বিজেপি। তৃণমূল ধাক্কা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াবে কোথায়, একের পর এক ভুল করে আজ কমিটির মাধ্যমে কফিনে শেষ পেরেক পুঁতে ফেলল। এক দলীয় কর্মী ফেসবুকে লিখেছেন, শেষে কফিন বইবার লোক থাকবে তো? লোকসভা ভোটে বিপর্যয়ের পর যে লড়াকু কর্মীরা খেটে দলকে ঘোরানোর চেষ্টা করছিলেন, তাঁদের সরিয়ে পিকের টিমের রিপোর্টের ভিত্তিতে নতুন কমিটিতে দুর্নীতিগ্রস্তদের বসানো হয়েছে বলে অভিযোগ। সিঙ্গুরের মাস্টারমশাই বলেন, কমিটি দলের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পরিবর্তন না করলে দল বদলে ভিন্ন দলে যাওয়ার ভাবনাচিন্তা করতে হবে। ক্ষোভের কারণ, দুর্নীতিতে যুক্তরা আজ দল পরিচালনার দায়িত্বে, আর আমরা যাঁরা দুর্নীতিতে নেই তাঁদের অপমান, অবহেলা, বঞ্চনা করে তাড়িয়ে দেওয়া হলো! আমার এখানকার সভাপতিকে সরানো মানছি না। দল আমাকে টিকিট দিলেও আমাকে বাধা দেওয়া হবে, ব্যর্থ প্রমাণ করে হারানোর চক্রান্ত হবে, যা অতীতেও হয়েছে। তাই প্রয়োজনে দল পরিবর্তন করতে হলে তা-ই করব।

নভেম্বর ০৮, ২০২০

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

আরজি কর মামলায় বড় মোড়! ঘটনাস্থল ফের সিল করার নির্দেশ আদালতের

আরজি কর মামলায় ফের নতুন মোড়। নির্যাতিতার পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল ফের পরিদর্শনের আবেদন জানানো হয়েছিল। সেই মামলার শুনানিতে কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ঘটনাস্থল পুনরায় সিল করার নির্দেশ দিয়েছে।মঙ্গলবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ এবং বিচারপতি শম্পা সরকারের বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। শুনানির সময় সিবিআই-এর আইনজীবী রাজদীপ মজুমদার জানান, যেখানে ঘটনা ঘটেছিল বলে দাবি করা হচ্ছে, সেই সেমিনার হল এখনও সিল করা রয়েছে।তবে নির্যাতিতার পরিবারের আইনজীবী জয়ন্ত নারায়ণ আদালতে দাবি করেন, ঘটনাটি সেমিনার হলে ঘটেনি। তাঁর বক্তব্য, হাসপাতালের সপ্তম তলায় সন্দীপ ঘোষের ব্যক্তিগত ঘর এখনও সিল করা হয়নি। সেই কারণেই পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল আবার পরিদর্শনের অনুমতি চাওয়া হয়েছে।শুনানিতে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন সিবিআই-এর তদন্তকারী অফিসার সীমা পাহুজা। বিচারপতিরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, কোন কোন জায়গা সিল করা হয়েছে। উত্তরে তিনি জানান, যেখানে দেহ উদ্ধার হয়েছিল, সেই সেমিনার রুম সিল করা হয়েছে।এরপর বিচারপতি শম্পা সরকার জানতে চান, তদন্তের সময় অন্য কোনও জায়গা সিল করার প্রয়োজন মনে হয়নি কি না। তখন সিবিআই-এর আইনজীবী জানান, নিম্ন আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী সেমিনার হলকেই ঘটনাস্থল ধরা হয়েছিল। পাল্টা বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ বলেন, নিম্ন আদালত তো সিবিআই-এর দেওয়া তথ্য ও প্রমাণের উপর নির্ভর করেই নির্দেশ দেয়।মামলাকারীর আইনজীবী আরও দাবি করেন, সিবিআই-এর রিপোর্টে নতুন কোনও তথ্য নেই। সেখানে শুধু তদন্তে কী কী করা হয়েছে, সেটাই উল্লেখ করা হয়েছে। সেই কারণেই পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল সরাসরি ঘুরে দেখার অনুমতি চাওয়া হয়েছে।এই মামলার শুনানির পর আবারও আরজি কর কাণ্ড নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তদন্তের বিভিন্ন দিক নিয়ে এখন রাজনৈতিক ও আইনি মহলে জোর চর্চা চলছে।

মে ১৯, ২০২৬
দেশ

“গত ১০ বছরের অভিজ্ঞতা ভয়ঙ্কর” — পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের

রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগের মধ্যেই এবার মাদ্রাসা নিয়োগ মামলায় কড়া মন্তব্য করল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি অগাস্টিন জর্জ মসিহের ডিভিশন বেঞ্চ পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে।আদালত জানায়, গত ১০ বছরে পশ্চিমবঙ্গে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলাগুলিতে তাদের অভিজ্ঞতা অত্যন্ত খারাপ। একইসঙ্গে আদালতের পর্যবেক্ষণ, মাদ্রাসার নিয়ম মেনে পরিচালন কমিটি গঠন করা হয়নি। সেই পরিস্থিতিতে কীভাবে ওই কমিটিগুলি শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগের দায়িত্ব নিল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলে শীর্ষ আদালত।তৃণমূল সরকারের আমলে মূলত ২০১৬ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন মাদ্রাসায় বিপুল সংখ্যক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগ করা হয়েছিল। অভিযোগ, বহু ক্ষেত্রে নিয়ম না মেনে ওয়াক ইন ইন্টারভিউ-এর মাধ্যমে নিয়োগ করা হয়। সেই নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করেই মামলা গড়ায় আদালতে।মঙ্গলবার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট প্রশ্ন তোলে, মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন কার্যকর না থাকলে কেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে নিয়োগ করা হল না। আদালত জানতে চায়, এই নিয়োগের জন্য সরকারের অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না। বিচারপতিরা বলেন, রাজ্যে হাজার হাজার মাদ্রাসা রয়েছে। প্রত্যেক পরিচালন কমিটি যদি নিজেদের মতো নিয়োগ করে, তাহলে সরকার কেন সেই দায়িত্ব নেবে?নিয়োগকারীদের যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলে আদালত। বিচারপতিরা জানতে চান, কারা এই নিয়োগ করেছে এবং তাঁদের যোগ্যতা কী ছিল। একইসঙ্গে আদালতের মন্তব্য, আপনারা নিজেদের পছন্দের লোকদের চাকরি দিয়েছেন। কেন দিয়েছেন, সেটাও আমরা জানি।শুনানিতে আরও জানতে চাওয়া হয়, পরিচালন কমিটিতে সরকারের কোনও মনোনীত প্রতিনিধি ছিলেন কি না। মামলার বিস্তারিত শুনানি আগামীকাল আবার হবে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

মে ১৯, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের সম্পত্তিতে পুরনিগমের নোটিস! এবার মুখ খুললেন ফিরহাদ, বাড়ল রহস্য

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। কলকাতা পুরনিগমের তরফে তাঁর সঙ্গে যুক্ত একাধিক সম্পত্তির নথি চেয়ে নোটিস পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনা সামনে আসতেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহলে। তবে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম দাবি করেছেন, এই বিষয়ে তাঁকে কিছু জানানো হয়নি।ফিরহাদ হাকিম বলেন, কোন বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সেই সিদ্ধান্ত মেয়র নেন না। পুরসভার বিল্ডিং বিভাগ এবং কমিশনার প্রশাসনিক ক্ষমতা অনুযায়ী এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলেও জানান তিনি।পুরনিগম সূত্রে খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত মোট ২১টি সম্পত্তির নথি চাওয়া হয়েছে। অনুমোদন অনুযায়ী নির্মাণ হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। বিশেষ করে অভিষেকের সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর সঙ্গে যুক্ত সম্পত্তিগুলির তথ্য চাওয়া হয়েছে।এই তালিকায় রয়েছে হরিশ মুখার্জি রোডের একটি বাড়ি এবং কালীঘাট মোড়ের একটি বহুতল। জানা গিয়েছে, পুরনিগমের ৯ নম্বর বোরো অফিস থেকে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিগুলিতে নোটিস পাঠানো হয়েছে। বিল্ডিং বিভাগের ৪০০(১) ধারায় এই নোটিস জারি করা হয়েছে বলে খবর।কয়েকদিন আগেই ফলতার নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, কলকাতায় লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর একাধিক সম্পত্তি রয়েছে। সেই মন্তব্যের পরই পুরনিগমের নোটিস ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে, কেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে নয়, তাঁর সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর নামে নোটিস পাঠানো হল? রাজনৈতিক মহলের মতে, এর পিছনে রয়েছে সম্পত্তির মালিকানার বিষয়টি। গত লোকসভা নির্বাচনের হলফনামায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, তাঁর ঠিকানা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি, অর্থাৎ ৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট। অন্যদিকে, যে বাড়িগুলিতে তিনি থাকেন বা অফিস করেন, সেগুলি তাঁর সংস্থার অধীনে। সেই কারণেই পুরনিগম সরাসরি ব্যক্তিগত নামে নয়, কোম্পানির নামেই নোটিস পাঠিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

মে ১৯, ২০২৬
কলকাতা

“এসব করে মাথা নত করানো যাবে না” — নোটিস ইস্যুতে ফুঁসছেন অভিষেক, বৈঠকে বড় বার্তা মমতার

ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হারের পর রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তবে এই ফলাফলেও দমে যেতে নারাজ তৃণমূল কংগ্রেস। নির্বাচিত বিধায়কদের নিয়ে ফের বৈঠকে বসেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। বিজেপির উত্থানের আবহে দল কী বার্তা দেয়, সেদিকেই নজর ছিল রাজনৈতিক মহলের।বৈঠকে উঠে আসে কলকাতা পুরনিগমের পাঠানো নোটিসের প্রসঙ্গ। সূত্রের খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠকে বলেন, তাঁর বাড়িতে নোটিস পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এসব করে তাঁকে ভয় দেখানো যাবে না। বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই তিনি চালিয়ে যাবেন বলেও স্পষ্ট বার্তা দেন অভিষেক। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বৈঠকে বলেন, আগামী দিনে কেন্দ্রে বিজেপি ক্ষমতায় থাকবে না।কয়েকদিন আগেই কলকাতা পুরনিগমের আধিকারিকেরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। সেই সময় হরিশ মুখার্জি রোডের শান্তিনিকেতন এবং কালীঘাটের বাড়িতে কিছু বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ সামনে আসে বলে জানা গিয়েছে। এরপরই পুরনিগমের তরফে নোটিস পাঠানো হয়। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেই নির্মাণ ভাঙতে হবে। তা না হলে পুরনিগম নিজেই ব্যবস্থা নেবে।যদিও এই বিষয়ে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কী সিদ্ধান্ত হয়েছে, তা তাঁর জানা নেই। তিনি বলেন, কোন বেআইনি নির্মাণ ভাঙা হবে, সেই সিদ্ধান্ত মেয়র নেন না। পুর কমিশনার প্রশাসনিক ক্ষমতা অনুযায়ী এই পদক্ষেপ করতে পারেন।এদিনের বৈঠকে আরও একটি বড় বিষয় ছিল স্বঘোষিত পুষ্পা জাহাঙ্গিরকে ঘিরে বিতর্ক। ফলতায় লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে দলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছে। বৈঠকে একাধিক বিধায়ক প্রশ্ন তোলেন, দলের সঙ্গে আলোচনা না করেই কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। এতে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে। এমনকি জাহাঙ্গিরকে দল থেকে বহিষ্কারের দাবিও ওঠে বৈঠকে। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত তৃণমূলের তরফে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

মে ১৯, ২০২৬
রাজ্য

জাহাঙ্গির ভোটে লড়ছেন না, এবার মুখ খুলল তৃণমূল! সামনে এল বড় সত্য

ফলতার পুনর্নির্বাচনের আগে আচমকা ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেছেন তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গির খান। মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি জানান, আগামী ২১ মে-র পুনর্নির্বাচনে তিনি আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না। এরপর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় জোর জল্পনা। প্রশ্ন ওঠে, এই সিদ্ধান্ত কি সম্পূর্ণ তাঁর ব্যক্তিগত, নাকি দলের তরফে তাঁকে ভোটে না লড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল?অবশেষে এই বিতর্কে মুখ খুলল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো জাহাঙ্গির খানের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। এর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। সমাজমাধ্যমে তৃণমূলের তরফে জানানো হয়, এই সিদ্ধান্ত দলের নয়।সাংবাদিক বৈঠকে জাহাঙ্গির বলেন, ফলতার উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের স্বার্থের কথা ভেবেই তিনি ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। তবে এই সিদ্ধান্ত কেন নিলেন বা এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, সেই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেননি তিনি।ভোটের সময় ইভিএমে টেপ লাগানো এবং আতর ছড়ানোর অভিযোগও উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও সেই সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন জাহাঙ্গির। তবে কারা এই কাজ করেছে, তা নিয়েও কোনও মন্তব্য করতে চাননি তিনি।এই ঘটনার পর তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষও মুখ খোলেন। তিনি বলেন, পুষ্পা তো ঝুকেগা নেহি। তাহলে ভয় পেল কেন? যদি ভয় পেয়ে থাকে, তাহলে প্রশ্ন উঠবে কেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হল। কুণাল আরও বলেন, ডায়মন্ড হারবার এলাকায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিপুল ভোটে জয় পেয়েছিলেন। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে জাহাঙ্গিরের এই সিদ্ধান্ত দলের জন্য খুব ভাল বার্তা নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।জাহাঙ্গিরকে ঘিরে এই নতুন বিতর্কে এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি। ভোটের আগে তাঁর এই সিদ্ধান্ত আগামী দিনে ফলতার রাজনৈতিক সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

মে ১৯, ২০২৬
রাজ্য

“পুষ্পা ঝুকেগা নেহি” বলেই কি শেষমেশ ঝুকে গেলেন জাহাঙ্গির? ভোটের আগে বড় চমক ফলতায়

একসময় পুষ্পা ঝুকেগা নেহি বলে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। কিন্তু ফলতার পুনর্নির্বাচনের আগেই আচমকা ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করে রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা তৈরি করলেন তিনি। আগামী ২১ মে ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ফলতায় পুনর্নির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগেই সাংবাদিক বৈঠক করে জাহাঙ্গির জানিয়ে দিলেন, তিনি আর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না।জাহাঙ্গির দাবি করেছেন, ফলতার মানুষের শান্তি এবং এলাকার উন্নয়নের স্বার্থেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর কথায়, ফলতার সাধারণ মানুষের ভালোর জন্য তিনি নিজেকে ভোটের লড়াই থেকে সরিয়ে নিচ্ছেন। তবে এই সিদ্ধান্ত তিনি নিজে নিয়েছেন, নাকি দলের নির্দেশে নিয়েছেন, সেই প্রশ্নের কোনও স্পষ্ট উত্তর দেননি।ভোটের সময় ইভিএমে টেপ লাগানো বা আতর ছড়ানোর মতো অভিযোগও উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও সেই সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জাহাঙ্গির। তবে কে বা কারা এই কাজ করেছে, তা নিয়েও মুখ খোলেননি তিনি।হঠাৎ কেন ভোটের ময়দান ছাড়লেন জাহাঙ্গির, তা নিয়েই এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। অনেকের মতে, ফলতায় নিজের অবস্থান দুর্বল বুঝেই হয়তো তিনি সরে দাঁড়ালেন। কারণ, এর আগে ভোটের সময় উত্তরপ্রদেশ থেকে আসা এক আইপিএস অফিসারকে হুঁশিয়ারির সুরে তিনি বলেছিলেন, পুষ্পা ঝুকেগা নেহি। সেই জাহাঙ্গিরই পুনর্নির্বাচনের আগে লড়াই ছেড়ে দেওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, তবে কি তিনি আগেই বুঝে গিয়েছিলেন তাঁর হার প্রায় নিশ্চিত?আবার রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দলের উপর অভিমান থেকেও এই সিদ্ধান্ত হতে পারে। গত লোকসভা নির্বাচনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিপুল ভোটে লিড দিয়েছিলেন জাহাঙ্গির। অথচ পুনর্নির্বাচনের প্রচারে অভিষেককে তাঁর পাশে দেখা যায়নি। অন্যদিকে বিজেপির হয়ে প্রচারে নেমেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এমনকি বামফ্রন্টও মাঠে নেমেছিল। কিন্তু তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল বারবার।এখন আরও একটি প্রশ্ন ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে। তৃণমূল কি ইচ্ছাকৃতভাবেই জাহাঙ্গিরকে সরিয়ে দিল? ভোটের পর সরকার গঠনের পর পুনর্নির্বাচনের ঘটনা এমনিতেই রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার মধ্যে জাহাঙ্গিরের সরে দাঁড়ানো নতুন করে বিতর্ক বাড়িয়েছে। এর আগে তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন, কয়েকটি বুথে অভিযোগ উঠলে পুরো বিধানসভা কেন্দ্রে কেন পুনর্নির্বাচন হবে। সেই পরিস্থিতিতে তাঁর এই সিদ্ধান্তের পিছনে রাজনৈতিক কৌশল রয়েছে কি না, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

মে ১৯, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ ইডি দফতরে হাজির, রাতেই গ্রেফতার সোনা পাপ্পু

দীর্ঘ সাড়ে তিন মাস লুকিয়ে থাকার পর অবশেষে ইডির হাতে গ্রেফতার হলেন সোনা পাপ্পু ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দার। সোমবার হঠাৎই কলকাতার ইডি দফতরে হাজিরা দেন তিনি। প্রায় সাড়ে দশ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।এর আগে একাধিকবার তলব করা হলেও হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছিলেন সোনা পাপ্পু। জানা গিয়েছে, অন্তত ছবার ইডির নোটিস উপেক্ষা করেছিলেন তিনি। তবে সোমবার সকালে ইডি দফতরে পৌঁছে তিনি দাবি করেন, কোনও অন্যায় করেননি। এমনকি তাঁর বিরুদ্ধে থানায় তোলাবাজির কোনও অভিযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন।গত ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকুরিয়ার কাঁকুলিয়া রোডে এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। স্থানীয়দের দাবি, সেই সময় গুলিও চলেছিল। ওই ঘটনার পর থেকেই আলোচনায় আসে সোনা পাপ্পুর নাম। কিন্তু ঘটনার পর থেকেই কার্যত উধাও হয়ে যান তিনি। পুলিশ দীর্ঘদিন খোঁজ চালিয়েও তাঁর হদিশ পায়নি। যদিও মাঝেমধ্যেই নিজের সমাজমাধ্যমে ভিডিও বার্তা দিতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।তদন্তে উঠে আসে জমি দখল, বেআইনি নির্মাণ এবং প্রতারণার অভিযোগ। এই মামলার তদন্তে নামে ইডি। তদন্ত চলাকালীন সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী জল কামদারকে গ্রেফতার করা হয়। পরে গ্রেফতার হন কলকাতা পুলিশের আধিকারিক শান্তনু সিনহা বিশ্বাসও। তদন্তকারীদের দাবি, এই দুই অভিযুক্তের সঙ্গে সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল।এদিকে তদন্তের সময় একাধিক তৃণমূল নেতার সঙ্গে সোনা পাপ্পুর ছবি প্রকাশ্যে আসে। প্রাক্তন বিধায়ক দেবাশিস কুমারের সঙ্গেও তাঁর ছবি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়।সোমবার আচমকাই ইডি দফতরে হাজির হয়ে যান সোনা পাপ্পু। দীর্ঘ জেরার পর রাতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এখন তাঁকে আদালতে তুলে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাতে পারে ইডি।

মে ১৮, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুর থেকেই মমতার রাজনীতির শেষের বার্তা? বিস্ফোরক শুভেন্দু

ভোটের পর ভবানীপুরে ধন্যবাদ জ্ঞাপন সভা করতে গিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার ভবানীপুরের ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডে সভা করেন তিনি। সেখান থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন, গত ১৫ বছরে ভবানীপুরের মানুষ জানতেন না একজন বিধায়কের কাজ কী।শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, এতদিন ভবানীপুরে ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। এবার মানুষ বুঝতে পারবেন একজন বিধায়ক কীভাবে কাজ করেন। তিনি বলেন, এখন ভবানীপুরের মানুষের ভাই বিধায়ক হয়েছেন। আগামী এক মাসের মধ্যে ভবানীপুরের ৮টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৭টিতে বিধায়ক অফিস খোলা হবে বলেও ঘোষণা করেন তিনি।একইসঙ্গে এলাকার মানুষকে আশ্বস্ত করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা সরাসরি জানানোর জন্য বিশেষ মোবাইল নম্বর এবং ইমেল ব্যবস্থা চালু করা হবে। কেউ কোনও সমস্যা বা অভিযোগের মুখে পড়লে সরাসরি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন বলেও জানান শুভেন্দু।সভা থেকে সিন্ডিকেট রাজ, তোলাবাজি এবং গুন্ডাবাজির বিরুদ্ধেও কড়া বার্তা দেন তিনি। শুভেন্দুর দাবি, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে এই ধরনের ঘটনা হয় না এবং ভবানীপুরেও তা হতে দেওয়া হবে না।এদিন শুভেন্দু আরও দাবি করেন, ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে মিত্র ইনস্টিটিউশন বুথে ভোট দেন, সেই চারটি বুথেই তিনি লিড পেয়েছেন। এখানেই থামেননি তিনি। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে বলেন, যিনি নিজের বুথেই জিততে পারেন না, বাংলার মানুষ তাঁকে পথ দেখিয়ে দিয়েছে। টাটা বাই বাই, আপনার রাজনীতির দিন শেষ, সভা থেকে এমন মন্তব্যও করেন শুভেন্দু অধিকারী।কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমকেও নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, চেতলা গার্লস স্কুলের পাঁচটি বুথেও বিজেপি লিড পেয়েছে।শেষে ভবানীপুরের মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, মানুষের এই সমর্থনের ঋণ তিনি শোধ করবেন। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এলাকার উন্নয়ন এবং মানুষের প্রতিশ্রুতি পূরণের কাজ শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

মে ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal