• ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩, শনিবার ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Shoot Out

রাজ্য

সাতসকালে ইসলামপুরে গুলি! স্কুলে যাওয়ার পথেই প্রধান শিক্ষককে নিশানা, আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে

সাতসকালে ইসলামপুরে গুলির ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল। স্কুলে যাওয়ার পথে দুষ্কৃতীদের গুলিতে গুরুতর জখম হলেন এক প্রধান শিক্ষক। শনিবার সকালে ইসলামপুরের মাদারিপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ শিক্ষকের নাম নজরুল ইসলাম। তিনি রামগঞ্জের রাজাভিম প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ইসলামপুরের আমবাগান মোড় এলাকায় বাড়ি নজরুল ইসলামের। তাঁর কোনও রাজনৈতিক যোগ নেই বলেই স্থানীয়দের দাবি। প্রতিদিনের মতো শনিবারও স্কুলে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন তিনি। মাদারিপুর এলাকায় পৌঁছতেই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ।গুলির আঘাতে রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন নজরুল ইসলাম। ঘটনাটি দেখতে পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শিলিগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। হামলার কারণ কী, কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত এবং কেন প্রধান শিক্ষককে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হামলার পিছনে ব্যক্তিগত শত্রুতা রয়েছে কি না, সেই বিষয়টিও তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।নজরুল ইসলামের পরিবারের সদস্যদের দাবি, কারও সঙ্গে তাঁর কোনও শত্রুতা ছিল না। স্কুলের শিক্ষকরাও একই কথা জানিয়েছেন। তাঁদের দাবি, প্রধান শিক্ষক হিসেবে নজরুল ইসলাম অত্যন্ত দায়িত্বশীল ছিলেন। স্কুলের কাজ নিয়েই ব্যস্ত থাকতেন তিনি। তাঁর সঙ্গে কারও কোনও ঝামেলা ছিল বলে তাঁরা জানেন না।এক শিক্ষক বলেন, প্রধান শিক্ষক হিসেবে নজরুল ইসলাম খুবই ভালো এবং কর্তব্যপরায়ণ ছিলেন। সবসময় স্কুলের কাজ নিয়েই ব্যস্ত থাকতেন। এমন একজন মানুষকে কেন গুলি করা হল, তা তাঁরা বুঝতে পারছেন না।ঘটনাকে ঘিরে ইসলামপুরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। আরও জানা গিয়েছে, যে মাদারিপুর এলাকায় এদিন প্রধান শিক্ষককে গুলি করা হয়েছে, তার কাছেই এর আগে একটি হোটেলে এক তৃণমূল নেতা গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। পরপর এমন ঘটনায় ওই এলাকায় নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তবে শনিবারের হামলার সঙ্গে আগের ঘটনার কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে কলকাতায় রক্তারক্তি! ছাদে মদের আসরেই গুলি, খুন তৃণমূল সমর্থক

অন্ধকার রাতেই কলকাতায় ভয়াবহ খুনের ঘটনা ঘটল। তৃণমূল সমর্থক এক যুবককে গুলি করে খুন করা হয়েছে। এই ঘটনা ঘটেছে কলকাতা পুরসভার ১০১ নম্বর ওয়ার্ডে। মৃতের নাম রাহুল দে, বয়স ৩৬ বছর। এই ঘটনায় জিৎ মুখোপাধ্যায় নামে আরও এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন।জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে জিৎ মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে একটি অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে আমন্ত্রিত ছিলেন রাহুল দে। রাতে বাড়ির ছাদে বসে কয়েকজন মিলে আড্ডা দিচ্ছিলেন এবং মদ্যপান করছিলেন বলে অভিযোগ। হঠাৎ রাত সাড়ে বারোটা নাগাদ গুলির শব্দ শুনতে পান আশপাশের মানুষ। পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি চালানো হয় বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাস্থলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ছাদে থাকা অন্যরা সেখান থেকে পালিয়ে যান এবং রাহুলের বাড়িতে খবর দেওয়া হয়।রাহুলের পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে দেখেন, তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন। কাছেই আহত অবস্থায় পড়েছিলেন জিৎ। দ্রুত তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা রাহুলকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাহুল ও জিৎ একে অপরকে আগে থেকে চিনতেন, তবে দীর্ঘদিন যোগাযোগ ছিল না। জিৎ অতীতে একাধিকবার অসামাজিক কাজের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন। একসময় তিনি স্থানীয় তৃণমূল নেতার ঘনিষ্ঠ হিসেবে কাজ করলেও পরে তাঁর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ওঠে। এমনকি দল থেকেও তাঁকে দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলে জানা যায়।সম্প্রতি আবার তিনি এলাকায় ফিরে আসেন এবং পরিবারের সঙ্গে থাকতে শুরু করেন। অভিযোগ, সেই সময়ই তিনি রাহুলকে বাড়িতে ডেকে এই আসরের আয়োজন করেন। এর মধ্যেই দুই গোষ্ঠীর দুষ্কৃতীরা সেখানে ঢুকে পড়ে এবং ছাদে গিয়ে গুলি চালায়।পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, সিন্ডিকেট এবং টাকার ভাগাভাগি নিয়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদের জেরেই এই হামলা। এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে কার্তুজ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৬, ২০২৬
রাজ্য

ভোরের অন্ধকারে মাথায় গুলি, রাস্তায় লুটিয়ে মৃত্যু যুবকের—শিউরে উঠল গোলাবাড়ি

বুধবার ভোরে উত্তর হাওড়ার গোলাবাড়ি এলাকায় প্রকাশ্য রাস্তায় গুলি করে খুন করা হল এক যুবককে। ঘটনাটি কোনও সিনেমার দৃশ্য নয়, বাস্তবের এই নৃশংস খুনে শিউরে উঠেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মৃত যুবকের নাম সফিক খান। গুলি চালানোর পুরো ঘটনা এলাকার নজরদারি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তোলাবাজি না কি পুরনো শত্রুতার জেরে এই হামলা, তা খতিয়ে দেখছে গোলাবাড়ি থানা।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোরের দিকে দুই দুষ্কৃতী সফিকের কাছে আসে। একজন সামনে দাঁড়ায় এবং অন্যজন পিছনে গিয়ে আচমকা বন্দুক বের করে মাথায় গুলি চালায়। যুবক মাটিতে লুটিয়ে পড়ার পর মৃত্যু নিশ্চিত করতে আরও কয়েক রাউন্ড গুলি চালানো হয়। এরপর দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ এবং তদন্ত শুরু করে। নজরদারি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। মৃতের পরিবারের দাবি, পুরনো বিবাদের জেরেই এই হামলা হয়েছে। পরিবারের এক সদস্য অভিযোগ করেন, হারুন নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে অতীতে ঝামেলা ছিল এবং তিনিই আর এক দুষ্কৃতীকে নিয়ে এসে গুলি চালিয়েছেন।স্থানীয় বাসিন্দা পারভেজ জানান, ভোর প্রায় চারটা দশ মিনিটে ঘটনাটি ঘটে। দুই ব্যক্তি এসে সফিককে ডেকে কথা বলতে থাকে। তারপর একজন পিছনে গিয়ে দাঁড়ায় এবং অন্যজন সামনে থেকে মাথায় পরপর গুলি চালায়। পরে বুকে আরও গুলি করা হয়। গুলির শব্দে সেখানে থাকা কয়েক জন আতঙ্কে দৌড়ে পালিয়ে যান।এই নৃশংস খুনের ঘটনায় গোলাবাড়ি এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ এবং ঘটনার নেপথ্যের কারণ জানার চেষ্টা চলছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
কলকাতা

মধ্যরাতে তিলজলায় গুলির শব্দে ত্রস্ত এলাকা, গুরুতর জখম যুবক হাসপাতালে

ব্যক্তিগত বিবাদকে কেন্দ্র করে খাস কলকাতার তিলজলা এলাকায় মধ্যরাতে গুলিচালনার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জানা গিয়েছে, বেনিয়াপুকুর থানার অন্তর্গত তিলজলায় গভীর রাতে পাঁচ থেকে ছয় রাউন্ড গুলি চলে। গুলিবিদ্ধ যুবক মহম্মদ নিয়াজকে গুরুতর জখম অবস্থায় এসএসকেএম হাসপাতালর ট্রমা কেয়ারে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনায় শহরে বেআইনি অস্ত্র প্রবেশ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার সন্ধ্যায় মহম্মদ নিয়াজের সঙ্গে মহম্মদ সলমনের বচসা হয়। অভিযোগ, সেই সময় নিয়াজকে হুমকিও দেওয়া হয়। পরে এলাকার বাসিন্দা ও পরিবারের সদস্যদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি সাময়িকভাবে শান্ত হয় এবং নিয়াজ বাড়ি ফিরে যান। কিন্তু রাত প্রায় একটা নাগাদ কয়েকজন নিয়াজকে বাড়ি থেকে ডেকে বের করে। এরপর এলোপাথাড়ি গুলি চালানো হয় বলে পরিবারের অভিযোগ। নিয়াজের দুই পায়ে মোট তিনটি গুলি লাগে। প্রথমে তাঁকে উদ্ধার করে চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, পরে সেখান থেকে এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, অভিযুক্ত সলমন স্থানীয় দুষ্কৃতী এবং তার বিরুদ্ধে আগেও একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সন্ধ্যায় কয়েকজনকে আড্ডা দিতে দেখা গিয়েছিল এবং তখনই সামান্য বচসা হয়েছিল। গভীর রাতে কয়েকজন বাইকে করে এসে নিয়াজকে ডাকেন। তাঁদের হাতে ব্যাগ ছিল বলেও দাবি। হঠাৎ গুলির শব্দ শোনা গেলে স্থানীয়রা বাইরে বেরিয়ে দেখেন অভিযুক্তরা দ্রুত স্কুটি নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে এবং রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন নিয়াজ। এরপর স্থানীয়রাই তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বেনিয়াপুকুর থানার পুলিশ এবং অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬
রাজ্য

জনসভার আগে তাণ্ডব! তৃণমূলের উপর হামলা, “খুনের ছক ছিল”— বিস্ফোরক অভিযোগ

ভাঙড়ে আবারও গুলিবিদ্ধ হয়ে উঠল রাজনৈতিক পরিবেশ। তৃণমূল নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে আইএসএফের বিরুদ্ধে। ঘটনা উত্তর কাশিপুর থানার কাঠালিয়া সংলগ্ন এলাকায়। আগামী রবিবার শোনপুরে তৃণমূলের ছাত্র-যুব জনসভা রয়েছে। সেই সভার প্রস্তুতির জন্য তৃণমূলের ভোগালী দুনম্বর অঞ্চলের সভাপতি আলিনুর মোল্লা-সহ কয়েকজন নেতা কাঠালিয়া থেকে শোনপুরের দিকে যাচ্ছিলেন। তখনই আইএসএফের কিছু কর্মী-সমর্থক তাঁদের দেখে গালিগালাজ শুরু করে, এমনটাই অভিযোগ। অভিযোগ আরও, এর পরই হঠাৎ এক রাউন্ড গুলি চলে, যার ফলে মুহূর্তে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই উত্তর কাশিপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দুই পক্ষের কর্মীদের সরিয়ে দেওয়া হয়। যদিও তৃণমূলের অভিযোগ থাকলেও আইএসএফ এই ঘটনার কোনও সম্পর্ক অস্বীকার করেছে। এলাকায় এখনো চাপা উত্তেজনা রয়েছে এবং পুলিশ টহল দিচ্ছে।তৃণমূল নেতা আলিনুর মোল্লা বলেন, তাঁরা জনসভার প্রস্তুতি দেখতে যাচ্ছিলেন, তখনই আইএসএফ আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হামলা চালায়। তাঁর দাবি, নাটু, ক্ষুদ, সালাউদ্দিন এদের মতো সমাজবিরোধীরা অস্ত্র নিয়ে তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। তিনি আরও বলেন, পুরো বিষয়টি পরিকল্পিত এবং নওশাদ সিদ্দিকীর প্ররোচনায় এই হামলা হয়েছে। দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে তিনি জানান, অপরাধীরা ধরা না পড়লে আন্দোলনে নামবেন।অন্যদিকে আইএসএফ নেতা ওহিদুল ইসলাম বলেন, তৃণমূলের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। তাঁর কথায়, তৃণমূলের পায়ের তলা থেকে মাটি সরে গিয়েছে বলেই তারা এখন উসকানি ও মিথ্যা প্রচারে নামছে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২৫
রাজ্য

বাবু মণ্ডলকে গুলি করে চুপ করাতে চাওয়া হয়েছিল? বিস্ফোরক অভিযোগ মৃত পরিবেশকর্মীর স্ত্রীর

তৃণমূল নেতা বাবু মণ্ডলকে কেন গুলি করা হল, সেই প্রশ্ন তুলে এবার প্রকাশ্যে মুখ খুললেন নিহত পরিবেশকর্মী তপন দত্তর স্ত্রী প্রতিমা দত্ত। তিনি সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন, যদি খুনের উদ্দেশ্য থাকত, তবে মাথায় গুলি না করে কোমরে গুলি করা হল কেন। তাঁর দাবি, এই হামলার উদ্দেশ্য ছিল খুন নয়, শুধুমাত্র ভয় দেখানো।গত শুক্রবার বসুকাঠি সাঁপুইপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান দেবব্রত মণ্ডল ওরফে বাবু মণ্ডলকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। ঘটনার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রতিমা দত্ত জানিয়েছেন, তাঁর স্বামীর খুনের মামলায় শুরুতে চার্জশিটে বাবু মণ্ডলের নাম ছিল। পরে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে তাঁর নাম বাদ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বাদ পড়ে আরও কয়েকজন প্রভাবশালী তৃণমূল নেতার নামও। যাঁরা গ্রেপ্তার হয়েছিলেন, তাঁরাও পরে ছাড়া পেয়ে যান।সেই সময় সুবিচার ও সিবিআই তদন্তের দাবিতে প্রতিমা দত্ত উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন। ২০২২ সালের ৯ জুন আদালতের নির্দেশে CBI তদন্ত শুরু করে। তাঁর দাবি, আগামী মাসেই এই মামলায় চার্জশিট জমা দিতে পারে সিবিআই। প্রতিমা দত্তের অভিযোগ, তদন্তে গতি আসায় এবং সত্য ফাঁস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় বাবু মণ্ডলকে গুলি করে ভয় দেখানো হয়েছে, যাতে তিনি কিছু বলতে না পারেন।তিনি আরও বলেন, সিসিটিভি ফুটেজে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে যে খুন করার চেষ্টা নয়, শুধু আতঙ্ক তৈরি করাই ছিল আসল উদ্দেশ্য। তাঁর দাবি, তপন দত্ত খুনের মামলার মূল মাথারাই এই গুলি চালানোর নেপথ্যে রয়েছে।২০১১ সালের ৬ মে বালিতে খুন হয়েছিলেন পরিবেশবিদ তপন দত্ত। তৎকালীন CID-এর চার্জশিটে একাধিক তৃণমূল নেতার নাম ছিল, যার মধ্যে বাবু মণ্ডলও ছিলেন। পরে সেই নাম বাদ পড়ে। প্রতিমা দত্তের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চললেও এখন সিবিআই তদন্তে নতুন গতি এসেছে। আর ঠিক সেই কারণেই এই গুলি চালানোর ঘটনা বলে তাঁর দৃঢ় বিশ্বাস।

নভেম্বর ২৯, ২০২৫
রাজ্য

ভোটের মুখে হাওড়ায় ৬ রাউন্ড গুলি! পঞ্চায়েত প্রধান মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা

ভোটের মুখে ফের গুলির আতঙ্ক রাজ্যে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাওড়ার সাঁপুইপড়া বসুকাঠি এলাকায় চাঞ্চল্যকর হামলার শিকার হলেন পঞ্চায়েত প্রধান দেবব্রত মণ্ডল ওরফে বাবু মণ্ডল। তাঁকে লক্ষ্য করে একের পর এক ছ রাউন্ড গুলি চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে এসএসকেএম হাসপাতালে। তাঁর সঙ্গী অনুপম রানাও গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে একটি বিয়েবাড়ির অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন বাবু মণ্ডল। সেখান থেকে বাইকে চেপে বাড়ি ফেরার পথেই ওঁত পেতে থাকা দুষ্কৃতীরা আচমকাই গুলি চালায়। বাইক চালাচ্ছিলেন অনুপম রানা। প্রথমেই গুলি লাগে তাঁর গায়ে। এরপর আরও কয়েক রাউন্ড গুলি চলে, তার একাধিকটি লাগে বাবু মণ্ডলের কাঁধ ও পেটে। রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে প্রথমে হাওড়ার একটি নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরে তাঁকে এসএসকেএমে স্থানান্তরিত করা হয়।ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের এক জন জানিয়েছেন, প্রধানের বাইকের ঠিক পিছনেই ছিলেন তিনি। হঠাৎই সামনে থেকে নয়, পাশ দিক থেকে গুলি ছোড়ে এক দুষ্কৃতী। মুহূর্তের মধ্যে গোটা এলাকা আতঙ্কে কেঁপে ওঠে। রাস্তায় ছুটোছুটি শুরু হয়। কে বা কারা এই হামলার সঙ্গে যুক্ত, তা এখনও স্পষ্ট নয়।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। শাসক দল তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, এই হামলার পিছনে রয়েছে বিজেপি। যদিও স্থানীয় সূত্রে উঠছে আরেকটি তত্ত্বতৃণমূলের অন্দরেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এই হামলার অন্যতম কারণ হতে পারে। পুলিশ সব দিক খতিয়ে দেখছে। তবে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই উঠে আসছে আরও ভয়াবহ তথ্য। গত বুধবার রাতেই কসবা এলাকায় এক যুবককে লক্ষ্য করেও গুলি চালানো হয়। বছরখানেক আগেই সেই এলাকাতেই এক কাউন্সিলরকে লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা ঘটেছিল। একই দিনে দিনের আলোতেই মালদাতেও গুলিচালনার ঘটনা সামনে আসে। ভোটের মাস কয়েক আগে রাজ্যের একের পর এক প্রান্তে এভাবে গুলি চলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগে প্রশাসনও।এলাকাবাসীর বক্তব্য, ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই যেন মাথাচাড়া দিচ্ছে হিংসা। সাধারণ মানুষ আতঙ্কে রয়েছেনরাস্তায় বেরোতেও ভয় পাচ্ছেন অনেকে। রাজনৈতিক সংঘর্ষ কি এবার আরও বড় আকার নিতে চলেছে, সেই প্রশ্নই এখন ঘুরছে রাজ্যজুড়ে।

নভেম্বর ২৮, ২০২৫
রাজ্য

বাক্সবন্দি বন্দুক পরিষ্কার করতে গিয়ে রক্তপাত—এই দম্পতির বয়ান কি বিশ্বাসযোগ্য?

শিবপুরের বিলাসবহুল আবাসনের এক ফ্ল্যাটে মর্মান্তিক ঘটনা। বুধবার সকালে নিজের ঘরে বসে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র পরিষ্কার করছিলেন গোপাল যাদব। পুলিশকে তিনি জানিয়েছেন, ঠিক সেই সময়েই তাঁর পাশে চেয়ারে বসে ছিলেন স্ত্রী পুনম। আচমকা হাত ফসকে বন্দুক থেকে গুলি ছুটে গিয়ে সোজা গিয়ে লাগে পুনমের ঘাড়ে। গুলির শব্দে আবাসনের লোকজন ছুটে আসলেও গোপাল প্রথমেই দাবি করেন, এটি সম্পূর্ণ দুর্ঘটনা।গুলিবিদ্ধ পুনমকে তড়িঘড়ি করে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। বৃহস্পতিবার তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হলে পুলিশ হাসপাতালেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পুনমও বলেন, স্বামী আগ্নেয়াস্ত্র পরিষ্কার করার সময়ই গুলি বেরিয়ে যায়। যদিও এই দম্পতির বয়ান পুলিশের সন্দেহ পুরোপুরি কাটাতে পারেনি। তদন্তকারী অফিসারেরা মনে করছেন, এটা নিছক দুর্ঘটনা, নাকি গোপাল কোনও কারণে স্ত্রীকে খুন করতে চেয়েছিলেনসেই দিকটাই এখন গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র রাখার অভিযোগে গোপালের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনসহ খুনের চেষ্টার মামলা রুজু করেছে শিবপুর থানার পুলিশ। বৃহস্পতিবার তাঁকে হাওড়া আদালতে পেশ করা হলে পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজত মঞ্জুর হয়। তদন্তে আরও উঠে এসেছে, ঘটনাটি ঘটার পর গোপাল বন্দুকটি সরিয়ে ফেলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর আগেই পুলিশ ওই আগ্নেয়াস্ত্রটি উদ্ধার করে বাজেয়াপ্ত করে। জানা গিয়েছে, আগ্নেয়াস্ত্রটি বিহার থেকে এনেছিলেন গোপাল এবং নিজের সঙ্গে অস্ত্র রাখার নেশা ছিল তাঁর দীর্ঘদিনের।এমন প্রশ্ন উঠছেঅভিজাত আবাসনে বসবাস করেও কীভাবে এতদিন ধরে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে দিব্যি ছিলেন গোপাল? হাওড়া সিটি পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ওই আবাসনের নিরাপত্তা ব্যবস্থাই অত্যন্ত ঢিলেঢালা। গেটে মেটাল ডিটেক্টর নেই, নেই কোনও কঠোর তল্লাশি। তাঁর কথায়, মেটাল ডিটেক্টর থাকলে গোপালের অস্ত্র নিয়ে ঢোকাই সম্ভব হত না।এই ঘটনার পর হাওড়া সিটি পুলিশ জানিয়েছে, জেলার সমস্ত আবাসনেই এবার বাধ্যতামূলক করা হবে মেটাল ডিটেক্টর। যাতে কোনও বাসিন্দা, অতিথি কিংবা বাইরের কেউ বেআইনি অস্ত্র নিয়ে ভেতরে ঢুকতে না পারে। শিবপুরের যে আবাসনে ঘটনাটি ঘটেছে, সেখানে বহু হাইপ্রোফাইল ব্যক্তি থাকেন। তাঁদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করেই দ্রুত নিরাপত্তা বৃদ্ধি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নভেম্বর ২০, ২০২৫
রাজ্য

অভিজাত আবাসনে গুলি—পুলিশের সন্দেহ বাড়িতে থাকা সদস্যদের দিকেও

হাওড়ার শিবপুরে অভিজাত আবাসনের ভিতর ভয়াবহ গুলির ঘটনা। সকালে ঘুম ভাঙতেই এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্কের হাওয়া। বহুতলের ১৬ তলার একটি ফ্ল্যাটে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয় গৃহবধূ পুনম যাদবকে। তাঁকে দ্রুত কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। গুলি তাঁর গলা ছুঁয়ে বেরিয়ে গেছে বলে জানা গিয়েছে। তবে পরিস্থিতি কতটা গুরুতর, তা নিয়ে এখনও নিশ্চিত নয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।ঘটনা ঘটে বুধবার সকালে। শিবপুর থানার একেবারে কাছেই এই বিলাসবহুল আবাসন। ছয়টি পৃথক টাওয়ার নিয়ে তৈরি এই আবাসনে উচ্চমানের নিরাপত্তা থাকে। সেখানে কীভাবে বন্দুক হাতে কেউ ঢুকলএই প্রশ্নেই এখন সরগরম গোটা এলাকা। ১৫/ডি ব্লকের ৩৮৭ নম্বর ফ্ল্যাটে থাকেন ব্যবসায়ী গোপাল যাদব, তাঁর স্ত্রী পুনম এবং তাঁদের ছোট সন্তান। ঘটনা ঘটার সময় গোপাল যাদবও ফ্ল্যাটে উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।পুলিশের কাছে সন্দেহের তালিকা এখন লম্বা হচ্ছে। ফ্ল্যাটে ঢুকে কোনও দুষ্কৃতী কি গুলি চালিয়ে পালিয়ে গেল? না কি পরিবারের মধ্যেই কেউ গুলি চালিয়েছে? নাকি কোনও কারণে পুনম নিজেই নিজের উপর গুলি চালিয়েছেন? ঘটনা এতটাই জটিল যে পুলিশের তদন্ত এখন নানা দিক খতিয়ে দেখছে। কারণ, ১৬ তলায় থাকা একটি নিরাপত্তাবেষ্টিত ফ্ল্যাটে বাইরের কেউ চুপিচুপি উঠে গিয়ে গুলি চালাবেএমন আশঙ্কা কমই। আবার নিরাপত্তার ফাঁক এতটাই বড় ছিল কি, যাতে একজন দুষ্কৃতী অজান্তে ঢুকে যেতে পারে? গুলি চালানোর পর সে কোথায় মিলিয়ে গেলগ্রাহকরা সেই প্রশ্নেই বেশি আতঙ্কিত।শিবপুর থানার পুলিশ সকালেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। কোন অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে, গুলি কোথা থেকে ছোড়া হয়েছে, বাড়ির ভিতরে কারা কোথায় ছিলেনসব তথ্য জোগাড় করছে পুলিশ। অভিজাত আবাসনে এমন রহস্যজনক শুটআউট নতুন করে নিরাপত্তা নিয়েই প্রশ্ন তুলছে। এলাকায় এখন তীব্র চাঞ্চল্য, আতঙ্ক আর গুজবের ছড়াছড়ি।

নভেম্বর ১৯, ২০২৫
রাজ্য

দুই ভাইকে গাছে বেঁধে ছোট ভাইকে গুলিতে ঝাঁঝরা, চাঁচলের ঘটনায় উত্তাল

দুই ভাইকে পোলের সঙ্গে বেঁধে রেখে, আরেক ভাইকে বাড়ি থেকে ডেকে প্রকাশ্যে গুলি করে খুন করার অভিযোগ উঠলো জমি মাফিয়াদের বিরুদ্ধে। আর এই ঘটনার পর এলাকায় পুলিশ পৌঁছলে তাঁদের ঘিরে চরম বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। মৃতদেহ গ্রামের রাস্তায় ফেলে রেখেই পুলিশের সামনে চলে তুমুল বিক্ষোভ। মঙ্গলবার সকাল দশটা নাগাদ এই শুট আউটের ঘটনাটি ঘটেছে চাঁচল থানার জালালপুর গ্রামে। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, তাঁদের বাড়ির ছোট ছেলেকে মাথায় গুলি করার পর দেহের বিভিন্ন অংশেও গুলি করে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয়েছে। এরপর দুষ্কৃতীরা শূন্যে গুলি ছুড়তে ছুড়তে এলাকা থেকে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় গ্রামবাসীরা অভিযুক্তদের ফাঁসির দাবিতে সোচ্চার হন। মৃত ওই যুবকের পরিবার হামলাকারী গফুর আলী, আহাদ শেখ, খাইরুল শেখ, শাহজাহান আলী সহ তার দলবলের বিরুদ্ধে চাঁচল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম সহিদুল আলী (৩০)। তিনি পেশায় মুয়াজ্জেম ছিলেন। সহিদুলরা ছিল ছয় ভাই। সে বাড়ির ছোট। পরিবারে তাঁর স্ত্রী এবং এক নাবালক সন্তান রয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, জমির দখলদারিকে ঘিরে গোলমালের জেরেই এই শুট আউটের ঘটনাটি ঘটেছে। এই ঘটনার পর দুষ্কৃতীদের খোঁজে চিরুনি তল্লাশি শুরু করেছে চাঁচল থানার পুলিশ। মৃতের এক দাদা সামিউল শেখ জানিয়েছেন, তাদের একটি চার বিঘার জমি দখলদারিকে ঘিরেই গফুর আলি ও তার দলবলের সঙ্গেই গোলমাল চলছিল দীর্ঘদিন ধরে। এই নিয়ে আদালতে মামলাও পর্যন্ত হয়েছে। কিন্তু এদিন অভিযুক্তরা দলবল নিয়ে তাঁদের জমি দখল করতে আসে। সেই সময় তাঁরা বাধা দিলে তাঁদের দুই ভাইকে জমির সামনে একটি খুঁটিতে বেঁধে রাখা হয়। তারপরেই ছোট ভাই সাইদুল আলীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে এসে প্রকাশ্য রাস্তায় গুলি করে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয়। এই ঘটনার সময় কয়েকজন সিভিক ভলেন্টিয়ার উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু তাঁরা একবারের জন্য বাধা দিতে আসেননি। চোখের সামনে ভাইকে গুলি করে দেওয়ার পর দুষ্কৃতীরা শূন্যে গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। আর তারপরে গ্রামবাসীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।স্থানীয় গ্রামবাসীদের বক্তব্য , সহিদুল আলী অত্যন্ত ভালো মানুষ ছিলেন। ওই পরিবারটি কারও সঙ্গে কোন রকম ঝামেলার মধ্যে ছিল না। ওদের একটি জমির দখলদারি নিয়েই মামলা চলছিল। এরপরই এদিন দুষ্কৃতীরা প্রকাশ্যেই ওই পরিবারটির কয়েকজন সদস্যকে মারধর করে এবং সাইদুলকে গুলি করে খুন করেছে। এই ঘটনার পর পুলিশ এলাকায় এলে তাদেরকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হয়। চাচল থানার পুলিশ জানিয়েছে, জমি সংক্রান্ত ঘটনাকে ঘিরেই গোলমালে সূত্রপাত। তারপরই এই খুনের ঘটনাটি ঘটেছে। ইতিমধ্যে পাঁচ জনের বিরুদ্ধে চাঁচল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে কিছু মানুষ বিক্ষোভ দেখিয়েছিল। সেই সময় বিক্ষোভকারীদের আশ্বস্ত করা হয়েছে। দুষ্কৃতীদের খোঁজে গোটা এলাকায় তল্লাশি শুরু করা হয়েছে। পাশাপাশি মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মালদা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা করে পুলিশ।

আগস্ট ৩০, ২০২৩

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের বাজারেও ভারতের বিরাট সাফল্য! বৃদ্ধির পূর্বাভাস এক ধাক্কায় বাড়াল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার

বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের পরিস্থিতি। বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এর মধ্যেই ভারতের অর্থনীতি নিয়ে বড় সুখবর দিল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। চলতি অর্থবর্ষে দেশের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করল এই আন্তর্জাতিক সংস্থা। আগে এই হার ৬.৪ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল। অর্থাৎ, বিশ্ব অর্থনীতির একাধিক ক্ষেত্রে চাপ থাকলেও ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার।সংস্থার সাম্প্রতিক বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সংক্রান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ভারতের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ হতে পারে। এর আগে গত জুলাইয়ে ৬.৪ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। নতুন অনুমান অনুযায়ী, বৃদ্ধির সম্ভাবনা ০.৬ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে।শুধু চলতি অর্থবর্ষ নয়, আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবর্ষেও ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ থাকতে পারে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। আগে ওই অর্থবর্ষে ৬.৭ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ, আগামী দুবছরেও দেশের অর্থনীতির গতি বজায় থাকার আশা করছে সংস্থাটি।এর আগে ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্কও চলতি অর্থবর্ষে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.১ শতাংশ করেছিল। এ বার আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের রিপোর্টেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলল।ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানোর পিছনে কয়েকটি কারণের কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। সংস্থার মতে, দেশের বাজারে পণ্য ও পরিষেবার চাহিদা যথেষ্ট শক্তিশালী। সাধারণ মানুষের কেনাকাটা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের ভাল ফল অর্থনীতির বৃদ্ধিতে সাহায্য করছে। পাশাপাশি, ভারতের বড় অভ্যন্তরীণ বাজার, বিপুল জনসংখ্যা এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংস্কারও বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। বিশেষ করে পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।তবে বিশ্ব অর্থনীতির সামনে ঝুঁকিও রয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি আমেরিকা ও ইরানের সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। এর মধ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি ভারতের মতো তেল আমদানিনির্ভর দেশের জন্য বড় চিন্তার কারণ। তেলের দাম বাড়লে দেশের আমদানি খরচ বাড়তে পারে। তার প্রভাব পড়তে পারে মূল্যবৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে।আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের অনুমান, ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৫.৭৪ ডলারে পৌঁছতে পারে। ২০২৫ সালের তুলনায় তা প্রায় ৪১ শতাংশ বেশি। তবে ২০২৭ সালে তেলের দাম প্রায় ৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৭.৩৯ ডলারে নেমে আসতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছে। তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা থাকলেও দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি বজায় থাকতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।অন্য দিকে, চিন, রাশিয়া, ব্রাজিল এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের অর্থনীতি নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এই দেশগুলির সম্মিলিত আর্থিক বৃদ্ধির হার ৩.৭ শতাংশ হতে পারে। আগে এই হার ৩.৮ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল।তবে ইউরোপের কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানো হয়েছে। জার্মানির অর্থনৈতিক বৃদ্ধির অনুমান ০.৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে। ব্রিটেনের ক্ষেত্রেও বৃদ্ধির পূর্বাভাস ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে, যুদ্ধ এবং তেলের দাম বৃদ্ধির মতো ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান আগামী দিনেও আর্থিক বৃদ্ধিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

সূর্যকান্তকে নিয়ে বিস্ফোরক পোস্ট, বিজেপির আক্রমণের মুখে পিছু হটল কেরল কংগ্রেস?

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের পদত্যাগ দাবি করে কেরল কংগ্রেসের একটি পোস্ট ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে বিতর্কের পর এ বার প্রধান বিচারপতিকে নিশানা করে পোস্ট করার অভিযোগ উঠেছে কেরল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বিষয়টি সামনে আসতেই কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছে বিজেপি। সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত পোস্টটি মুছে দিয়েছে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস। সূত্রের খবর, ওই পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকেও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে বিক্ষোভ এবং রাজধানীতে জারি করা বিধিনিষেধ নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকেরা। একটি অনুষ্ঠানের ফাঁকে তাঁদের প্রশ্নের উত্তরে প্রধান বিচারপতি জানান, বিষয়টি আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই তা তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না।প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্যের পরেই কেরল কংগ্রেসের সরকারি সমাজমাধ্যমের পাতায় একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে তাঁকে উদ্দেশ করে লেখা হয়েছিল, আইনশৃঙ্খলা যদি তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে না পড়ে, তা হলে যেন তিনি পদত্যাগ করেন। পাশাপাশি, তাঁর পরিবর্তে এই বিষয় সামলাতে পারবেন, এমন কাউকে খুঁজে নেওয়ার কথাও লেখা হয় ওই পোস্টে। বার্তাটি সামনে আসতেই কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হয় বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু নিজের সমাজমাধ্যমের পাতায় ওই পোস্টের ছবি ভাগ করে নেন। তাঁর অভিযোগ, তিনি আগেই বলেছিলেন, কংগ্রেসের পরবর্তী নিশানা হবে বিচারব্যবস্থা। কংগ্রেস দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করতে চায় বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর আরও বক্তব্য, দেশবিরোধী শক্তিগুলি একজোট হচ্ছে। এর মোকাবিলায় দেশপ্রেমিক ভারতীয়দেরও একজোট হওয়ার আহ্বান জানান রিজিজু।বিতর্ক বাড়তে থাকায় নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি সানি জোসেফ জানান, প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রদেশ কংগ্রেসের নেতৃত্বের অজান্তে এবং তাঁদের অনুমতি বা পরামর্শ ছাড়াই ওই পোস্ট করা হয়েছিল।কী পরিস্থিতিতে ওই পোস্ট করা হয়েছিল, তা দল খতিয়ে দেখবে বলেও জানিয়েছেন সানি। তাঁর বক্তব্য, বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে কংগ্রেসের কোনও আপত্তি নেই। সমাজমাধ্যমে এমন কোনও পোস্ট করা হলে, যা দলের এই অবস্থানের সঙ্গে মেলে না, তা কেরল প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের মতামত বলে গণ্য করা যাবে না।প্রধান বিচারপতির মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিতর্কে এক দিকে বিজেপির আক্রমণ, অন্য দিকে কেরল কংগ্রেসের ব্যাখ্যাসব মিলিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতর বেড়েছে। বিতর্কিত পোস্ট প্রত্যাহার এবং দায়ী ব্যক্তিকে সরানোর সিদ্ধান্তের পরেও এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal