• ৪ চৈত্র ১৪৩২, বৃহস্পতি ১৯ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Shoot Out

রাজ্য

ভোরের অন্ধকারে মাথায় গুলি, রাস্তায় লুটিয়ে মৃত্যু যুবকের—শিউরে উঠল গোলাবাড়ি

বুধবার ভোরে উত্তর হাওড়ার গোলাবাড়ি এলাকায় প্রকাশ্য রাস্তায় গুলি করে খুন করা হল এক যুবককে। ঘটনাটি কোনও সিনেমার দৃশ্য নয়, বাস্তবের এই নৃশংস খুনে শিউরে উঠেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মৃত যুবকের নাম সফিক খান। গুলি চালানোর পুরো ঘটনা এলাকার নজরদারি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তোলাবাজি না কি পুরনো শত্রুতার জেরে এই হামলা, তা খতিয়ে দেখছে গোলাবাড়ি থানা।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোরের দিকে দুই দুষ্কৃতী সফিকের কাছে আসে। একজন সামনে দাঁড়ায় এবং অন্যজন পিছনে গিয়ে আচমকা বন্দুক বের করে মাথায় গুলি চালায়। যুবক মাটিতে লুটিয়ে পড়ার পর মৃত্যু নিশ্চিত করতে আরও কয়েক রাউন্ড গুলি চালানো হয়। এরপর দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ এবং তদন্ত শুরু করে। নজরদারি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। মৃতের পরিবারের দাবি, পুরনো বিবাদের জেরেই এই হামলা হয়েছে। পরিবারের এক সদস্য অভিযোগ করেন, হারুন নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে অতীতে ঝামেলা ছিল এবং তিনিই আর এক দুষ্কৃতীকে নিয়ে এসে গুলি চালিয়েছেন।স্থানীয় বাসিন্দা পারভেজ জানান, ভোর প্রায় চারটা দশ মিনিটে ঘটনাটি ঘটে। দুই ব্যক্তি এসে সফিককে ডেকে কথা বলতে থাকে। তারপর একজন পিছনে গিয়ে দাঁড়ায় এবং অন্যজন সামনে থেকে মাথায় পরপর গুলি চালায়। পরে বুকে আরও গুলি করা হয়। গুলির শব্দে সেখানে থাকা কয়েক জন আতঙ্কে দৌড়ে পালিয়ে যান।এই নৃশংস খুনের ঘটনায় গোলাবাড়ি এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ এবং ঘটনার নেপথ্যের কারণ জানার চেষ্টা চলছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
কলকাতা

মধ্যরাতে তিলজলায় গুলির শব্দে ত্রস্ত এলাকা, গুরুতর জখম যুবক হাসপাতালে

ব্যক্তিগত বিবাদকে কেন্দ্র করে খাস কলকাতার তিলজলা এলাকায় মধ্যরাতে গুলিচালনার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জানা গিয়েছে, বেনিয়াপুকুর থানার অন্তর্গত তিলজলায় গভীর রাতে পাঁচ থেকে ছয় রাউন্ড গুলি চলে। গুলিবিদ্ধ যুবক মহম্মদ নিয়াজকে গুরুতর জখম অবস্থায় এসএসকেএম হাসপাতালর ট্রমা কেয়ারে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনায় শহরে বেআইনি অস্ত্র প্রবেশ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার সন্ধ্যায় মহম্মদ নিয়াজের সঙ্গে মহম্মদ সলমনের বচসা হয়। অভিযোগ, সেই সময় নিয়াজকে হুমকিও দেওয়া হয়। পরে এলাকার বাসিন্দা ও পরিবারের সদস্যদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি সাময়িকভাবে শান্ত হয় এবং নিয়াজ বাড়ি ফিরে যান। কিন্তু রাত প্রায় একটা নাগাদ কয়েকজন নিয়াজকে বাড়ি থেকে ডেকে বের করে। এরপর এলোপাথাড়ি গুলি চালানো হয় বলে পরিবারের অভিযোগ। নিয়াজের দুই পায়ে মোট তিনটি গুলি লাগে। প্রথমে তাঁকে উদ্ধার করে চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, পরে সেখান থেকে এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, অভিযুক্ত সলমন স্থানীয় দুষ্কৃতী এবং তার বিরুদ্ধে আগেও একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সন্ধ্যায় কয়েকজনকে আড্ডা দিতে দেখা গিয়েছিল এবং তখনই সামান্য বচসা হয়েছিল। গভীর রাতে কয়েকজন বাইকে করে এসে নিয়াজকে ডাকেন। তাঁদের হাতে ব্যাগ ছিল বলেও দাবি। হঠাৎ গুলির শব্দ শোনা গেলে স্থানীয়রা বাইরে বেরিয়ে দেখেন অভিযুক্তরা দ্রুত স্কুটি নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে এবং রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন নিয়াজ। এরপর স্থানীয়রাই তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বেনিয়াপুকুর থানার পুলিশ এবং অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬
রাজ্য

জনসভার আগে তাণ্ডব! তৃণমূলের উপর হামলা, “খুনের ছক ছিল”— বিস্ফোরক অভিযোগ

ভাঙড়ে আবারও গুলিবিদ্ধ হয়ে উঠল রাজনৈতিক পরিবেশ। তৃণমূল নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে আইএসএফের বিরুদ্ধে। ঘটনা উত্তর কাশিপুর থানার কাঠালিয়া সংলগ্ন এলাকায়। আগামী রবিবার শোনপুরে তৃণমূলের ছাত্র-যুব জনসভা রয়েছে। সেই সভার প্রস্তুতির জন্য তৃণমূলের ভোগালী দুনম্বর অঞ্চলের সভাপতি আলিনুর মোল্লা-সহ কয়েকজন নেতা কাঠালিয়া থেকে শোনপুরের দিকে যাচ্ছিলেন। তখনই আইএসএফের কিছু কর্মী-সমর্থক তাঁদের দেখে গালিগালাজ শুরু করে, এমনটাই অভিযোগ। অভিযোগ আরও, এর পরই হঠাৎ এক রাউন্ড গুলি চলে, যার ফলে মুহূর্তে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই উত্তর কাশিপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দুই পক্ষের কর্মীদের সরিয়ে দেওয়া হয়। যদিও তৃণমূলের অভিযোগ থাকলেও আইএসএফ এই ঘটনার কোনও সম্পর্ক অস্বীকার করেছে। এলাকায় এখনো চাপা উত্তেজনা রয়েছে এবং পুলিশ টহল দিচ্ছে।তৃণমূল নেতা আলিনুর মোল্লা বলেন, তাঁরা জনসভার প্রস্তুতি দেখতে যাচ্ছিলেন, তখনই আইএসএফ আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হামলা চালায়। তাঁর দাবি, নাটু, ক্ষুদ, সালাউদ্দিন এদের মতো সমাজবিরোধীরা অস্ত্র নিয়ে তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। তিনি আরও বলেন, পুরো বিষয়টি পরিকল্পিত এবং নওশাদ সিদ্দিকীর প্ররোচনায় এই হামলা হয়েছে। দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে তিনি জানান, অপরাধীরা ধরা না পড়লে আন্দোলনে নামবেন।অন্যদিকে আইএসএফ নেতা ওহিদুল ইসলাম বলেন, তৃণমূলের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। তাঁর কথায়, তৃণমূলের পায়ের তলা থেকে মাটি সরে গিয়েছে বলেই তারা এখন উসকানি ও মিথ্যা প্রচারে নামছে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২৫
রাজ্য

বাবু মণ্ডলকে গুলি করে চুপ করাতে চাওয়া হয়েছিল? বিস্ফোরক অভিযোগ মৃত পরিবেশকর্মীর স্ত্রীর

তৃণমূল নেতা বাবু মণ্ডলকে কেন গুলি করা হল, সেই প্রশ্ন তুলে এবার প্রকাশ্যে মুখ খুললেন নিহত পরিবেশকর্মী তপন দত্তর স্ত্রী প্রতিমা দত্ত। তিনি সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন, যদি খুনের উদ্দেশ্য থাকত, তবে মাথায় গুলি না করে কোমরে গুলি করা হল কেন। তাঁর দাবি, এই হামলার উদ্দেশ্য ছিল খুন নয়, শুধুমাত্র ভয় দেখানো।গত শুক্রবার বসুকাঠি সাঁপুইপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান দেবব্রত মণ্ডল ওরফে বাবু মণ্ডলকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। ঘটনার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রতিমা দত্ত জানিয়েছেন, তাঁর স্বামীর খুনের মামলায় শুরুতে চার্জশিটে বাবু মণ্ডলের নাম ছিল। পরে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে তাঁর নাম বাদ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বাদ পড়ে আরও কয়েকজন প্রভাবশালী তৃণমূল নেতার নামও। যাঁরা গ্রেপ্তার হয়েছিলেন, তাঁরাও পরে ছাড়া পেয়ে যান।সেই সময় সুবিচার ও সিবিআই তদন্তের দাবিতে প্রতিমা দত্ত উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন। ২০২২ সালের ৯ জুন আদালতের নির্দেশে CBI তদন্ত শুরু করে। তাঁর দাবি, আগামী মাসেই এই মামলায় চার্জশিট জমা দিতে পারে সিবিআই। প্রতিমা দত্তের অভিযোগ, তদন্তে গতি আসায় এবং সত্য ফাঁস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় বাবু মণ্ডলকে গুলি করে ভয় দেখানো হয়েছে, যাতে তিনি কিছু বলতে না পারেন।তিনি আরও বলেন, সিসিটিভি ফুটেজে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে যে খুন করার চেষ্টা নয়, শুধু আতঙ্ক তৈরি করাই ছিল আসল উদ্দেশ্য। তাঁর দাবি, তপন দত্ত খুনের মামলার মূল মাথারাই এই গুলি চালানোর নেপথ্যে রয়েছে।২০১১ সালের ৬ মে বালিতে খুন হয়েছিলেন পরিবেশবিদ তপন দত্ত। তৎকালীন CID-এর চার্জশিটে একাধিক তৃণমূল নেতার নাম ছিল, যার মধ্যে বাবু মণ্ডলও ছিলেন। পরে সেই নাম বাদ পড়ে। প্রতিমা দত্তের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চললেও এখন সিবিআই তদন্তে নতুন গতি এসেছে। আর ঠিক সেই কারণেই এই গুলি চালানোর ঘটনা বলে তাঁর দৃঢ় বিশ্বাস।

নভেম্বর ২৯, ২০২৫
রাজ্য

ভোটের মুখে হাওড়ায় ৬ রাউন্ড গুলি! পঞ্চায়েত প্রধান মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা

ভোটের মুখে ফের গুলির আতঙ্ক রাজ্যে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাওড়ার সাঁপুইপড়া বসুকাঠি এলাকায় চাঞ্চল্যকর হামলার শিকার হলেন পঞ্চায়েত প্রধান দেবব্রত মণ্ডল ওরফে বাবু মণ্ডল। তাঁকে লক্ষ্য করে একের পর এক ছ রাউন্ড গুলি চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে এসএসকেএম হাসপাতালে। তাঁর সঙ্গী অনুপম রানাও গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে একটি বিয়েবাড়ির অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন বাবু মণ্ডল। সেখান থেকে বাইকে চেপে বাড়ি ফেরার পথেই ওঁত পেতে থাকা দুষ্কৃতীরা আচমকাই গুলি চালায়। বাইক চালাচ্ছিলেন অনুপম রানা। প্রথমেই গুলি লাগে তাঁর গায়ে। এরপর আরও কয়েক রাউন্ড গুলি চলে, তার একাধিকটি লাগে বাবু মণ্ডলের কাঁধ ও পেটে। রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে প্রথমে হাওড়ার একটি নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরে তাঁকে এসএসকেএমে স্থানান্তরিত করা হয়।ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের এক জন জানিয়েছেন, প্রধানের বাইকের ঠিক পিছনেই ছিলেন তিনি। হঠাৎই সামনে থেকে নয়, পাশ দিক থেকে গুলি ছোড়ে এক দুষ্কৃতী। মুহূর্তের মধ্যে গোটা এলাকা আতঙ্কে কেঁপে ওঠে। রাস্তায় ছুটোছুটি শুরু হয়। কে বা কারা এই হামলার সঙ্গে যুক্ত, তা এখনও স্পষ্ট নয়।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। শাসক দল তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, এই হামলার পিছনে রয়েছে বিজেপি। যদিও স্থানীয় সূত্রে উঠছে আরেকটি তত্ত্বতৃণমূলের অন্দরেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এই হামলার অন্যতম কারণ হতে পারে। পুলিশ সব দিক খতিয়ে দেখছে। তবে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই উঠে আসছে আরও ভয়াবহ তথ্য। গত বুধবার রাতেই কসবা এলাকায় এক যুবককে লক্ষ্য করেও গুলি চালানো হয়। বছরখানেক আগেই সেই এলাকাতেই এক কাউন্সিলরকে লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা ঘটেছিল। একই দিনে দিনের আলোতেই মালদাতেও গুলিচালনার ঘটনা সামনে আসে। ভোটের মাস কয়েক আগে রাজ্যের একের পর এক প্রান্তে এভাবে গুলি চলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগে প্রশাসনও।এলাকাবাসীর বক্তব্য, ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই যেন মাথাচাড়া দিচ্ছে হিংসা। সাধারণ মানুষ আতঙ্কে রয়েছেনরাস্তায় বেরোতেও ভয় পাচ্ছেন অনেকে। রাজনৈতিক সংঘর্ষ কি এবার আরও বড় আকার নিতে চলেছে, সেই প্রশ্নই এখন ঘুরছে রাজ্যজুড়ে।

নভেম্বর ২৮, ২০২৫
রাজ্য

বাক্সবন্দি বন্দুক পরিষ্কার করতে গিয়ে রক্তপাত—এই দম্পতির বয়ান কি বিশ্বাসযোগ্য?

শিবপুরের বিলাসবহুল আবাসনের এক ফ্ল্যাটে মর্মান্তিক ঘটনা। বুধবার সকালে নিজের ঘরে বসে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র পরিষ্কার করছিলেন গোপাল যাদব। পুলিশকে তিনি জানিয়েছেন, ঠিক সেই সময়েই তাঁর পাশে চেয়ারে বসে ছিলেন স্ত্রী পুনম। আচমকা হাত ফসকে বন্দুক থেকে গুলি ছুটে গিয়ে সোজা গিয়ে লাগে পুনমের ঘাড়ে। গুলির শব্দে আবাসনের লোকজন ছুটে আসলেও গোপাল প্রথমেই দাবি করেন, এটি সম্পূর্ণ দুর্ঘটনা।গুলিবিদ্ধ পুনমকে তড়িঘড়ি করে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। বৃহস্পতিবার তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হলে পুলিশ হাসপাতালেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পুনমও বলেন, স্বামী আগ্নেয়াস্ত্র পরিষ্কার করার সময়ই গুলি বেরিয়ে যায়। যদিও এই দম্পতির বয়ান পুলিশের সন্দেহ পুরোপুরি কাটাতে পারেনি। তদন্তকারী অফিসারেরা মনে করছেন, এটা নিছক দুর্ঘটনা, নাকি গোপাল কোনও কারণে স্ত্রীকে খুন করতে চেয়েছিলেনসেই দিকটাই এখন গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র রাখার অভিযোগে গোপালের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনসহ খুনের চেষ্টার মামলা রুজু করেছে শিবপুর থানার পুলিশ। বৃহস্পতিবার তাঁকে হাওড়া আদালতে পেশ করা হলে পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজত মঞ্জুর হয়। তদন্তে আরও উঠে এসেছে, ঘটনাটি ঘটার পর গোপাল বন্দুকটি সরিয়ে ফেলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর আগেই পুলিশ ওই আগ্নেয়াস্ত্রটি উদ্ধার করে বাজেয়াপ্ত করে। জানা গিয়েছে, আগ্নেয়াস্ত্রটি বিহার থেকে এনেছিলেন গোপাল এবং নিজের সঙ্গে অস্ত্র রাখার নেশা ছিল তাঁর দীর্ঘদিনের।এমন প্রশ্ন উঠছেঅভিজাত আবাসনে বসবাস করেও কীভাবে এতদিন ধরে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে দিব্যি ছিলেন গোপাল? হাওড়া সিটি পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ওই আবাসনের নিরাপত্তা ব্যবস্থাই অত্যন্ত ঢিলেঢালা। গেটে মেটাল ডিটেক্টর নেই, নেই কোনও কঠোর তল্লাশি। তাঁর কথায়, মেটাল ডিটেক্টর থাকলে গোপালের অস্ত্র নিয়ে ঢোকাই সম্ভব হত না।এই ঘটনার পর হাওড়া সিটি পুলিশ জানিয়েছে, জেলার সমস্ত আবাসনেই এবার বাধ্যতামূলক করা হবে মেটাল ডিটেক্টর। যাতে কোনও বাসিন্দা, অতিথি কিংবা বাইরের কেউ বেআইনি অস্ত্র নিয়ে ভেতরে ঢুকতে না পারে। শিবপুরের যে আবাসনে ঘটনাটি ঘটেছে, সেখানে বহু হাইপ্রোফাইল ব্যক্তি থাকেন। তাঁদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করেই দ্রুত নিরাপত্তা বৃদ্ধি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নভেম্বর ২০, ২০২৫
রাজ্য

অভিজাত আবাসনে গুলি—পুলিশের সন্দেহ বাড়িতে থাকা সদস্যদের দিকেও

হাওড়ার শিবপুরে অভিজাত আবাসনের ভিতর ভয়াবহ গুলির ঘটনা। সকালে ঘুম ভাঙতেই এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্কের হাওয়া। বহুতলের ১৬ তলার একটি ফ্ল্যাটে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয় গৃহবধূ পুনম যাদবকে। তাঁকে দ্রুত কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। গুলি তাঁর গলা ছুঁয়ে বেরিয়ে গেছে বলে জানা গিয়েছে। তবে পরিস্থিতি কতটা গুরুতর, তা নিয়ে এখনও নিশ্চিত নয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।ঘটনা ঘটে বুধবার সকালে। শিবপুর থানার একেবারে কাছেই এই বিলাসবহুল আবাসন। ছয়টি পৃথক টাওয়ার নিয়ে তৈরি এই আবাসনে উচ্চমানের নিরাপত্তা থাকে। সেখানে কীভাবে বন্দুক হাতে কেউ ঢুকলএই প্রশ্নেই এখন সরগরম গোটা এলাকা। ১৫/ডি ব্লকের ৩৮৭ নম্বর ফ্ল্যাটে থাকেন ব্যবসায়ী গোপাল যাদব, তাঁর স্ত্রী পুনম এবং তাঁদের ছোট সন্তান। ঘটনা ঘটার সময় গোপাল যাদবও ফ্ল্যাটে উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।পুলিশের কাছে সন্দেহের তালিকা এখন লম্বা হচ্ছে। ফ্ল্যাটে ঢুকে কোনও দুষ্কৃতী কি গুলি চালিয়ে পালিয়ে গেল? না কি পরিবারের মধ্যেই কেউ গুলি চালিয়েছে? নাকি কোনও কারণে পুনম নিজেই নিজের উপর গুলি চালিয়েছেন? ঘটনা এতটাই জটিল যে পুলিশের তদন্ত এখন নানা দিক খতিয়ে দেখছে। কারণ, ১৬ তলায় থাকা একটি নিরাপত্তাবেষ্টিত ফ্ল্যাটে বাইরের কেউ চুপিচুপি উঠে গিয়ে গুলি চালাবেএমন আশঙ্কা কমই। আবার নিরাপত্তার ফাঁক এতটাই বড় ছিল কি, যাতে একজন দুষ্কৃতী অজান্তে ঢুকে যেতে পারে? গুলি চালানোর পর সে কোথায় মিলিয়ে গেলগ্রাহকরা সেই প্রশ্নেই বেশি আতঙ্কিত।শিবপুর থানার পুলিশ সকালেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। কোন অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে, গুলি কোথা থেকে ছোড়া হয়েছে, বাড়ির ভিতরে কারা কোথায় ছিলেনসব তথ্য জোগাড় করছে পুলিশ। অভিজাত আবাসনে এমন রহস্যজনক শুটআউট নতুন করে নিরাপত্তা নিয়েই প্রশ্ন তুলছে। এলাকায় এখন তীব্র চাঞ্চল্য, আতঙ্ক আর গুজবের ছড়াছড়ি।

নভেম্বর ১৯, ২০২৫
রাজ্য

দুই ভাইকে গাছে বেঁধে ছোট ভাইকে গুলিতে ঝাঁঝরা, চাঁচলের ঘটনায় উত্তাল

দুই ভাইকে পোলের সঙ্গে বেঁধে রেখে, আরেক ভাইকে বাড়ি থেকে ডেকে প্রকাশ্যে গুলি করে খুন করার অভিযোগ উঠলো জমি মাফিয়াদের বিরুদ্ধে। আর এই ঘটনার পর এলাকায় পুলিশ পৌঁছলে তাঁদের ঘিরে চরম বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। মৃতদেহ গ্রামের রাস্তায় ফেলে রেখেই পুলিশের সামনে চলে তুমুল বিক্ষোভ। মঙ্গলবার সকাল দশটা নাগাদ এই শুট আউটের ঘটনাটি ঘটেছে চাঁচল থানার জালালপুর গ্রামে। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, তাঁদের বাড়ির ছোট ছেলেকে মাথায় গুলি করার পর দেহের বিভিন্ন অংশেও গুলি করে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয়েছে। এরপর দুষ্কৃতীরা শূন্যে গুলি ছুড়তে ছুড়তে এলাকা থেকে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় গ্রামবাসীরা অভিযুক্তদের ফাঁসির দাবিতে সোচ্চার হন। মৃত ওই যুবকের পরিবার হামলাকারী গফুর আলী, আহাদ শেখ, খাইরুল শেখ, শাহজাহান আলী সহ তার দলবলের বিরুদ্ধে চাঁচল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম সহিদুল আলী (৩০)। তিনি পেশায় মুয়াজ্জেম ছিলেন। সহিদুলরা ছিল ছয় ভাই। সে বাড়ির ছোট। পরিবারে তাঁর স্ত্রী এবং এক নাবালক সন্তান রয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, জমির দখলদারিকে ঘিরে গোলমালের জেরেই এই শুট আউটের ঘটনাটি ঘটেছে। এই ঘটনার পর দুষ্কৃতীদের খোঁজে চিরুনি তল্লাশি শুরু করেছে চাঁচল থানার পুলিশ। মৃতের এক দাদা সামিউল শেখ জানিয়েছেন, তাদের একটি চার বিঘার জমি দখলদারিকে ঘিরেই গফুর আলি ও তার দলবলের সঙ্গেই গোলমাল চলছিল দীর্ঘদিন ধরে। এই নিয়ে আদালতে মামলাও পর্যন্ত হয়েছে। কিন্তু এদিন অভিযুক্তরা দলবল নিয়ে তাঁদের জমি দখল করতে আসে। সেই সময় তাঁরা বাধা দিলে তাঁদের দুই ভাইকে জমির সামনে একটি খুঁটিতে বেঁধে রাখা হয়। তারপরেই ছোট ভাই সাইদুল আলীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে এসে প্রকাশ্য রাস্তায় গুলি করে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয়। এই ঘটনার সময় কয়েকজন সিভিক ভলেন্টিয়ার উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু তাঁরা একবারের জন্য বাধা দিতে আসেননি। চোখের সামনে ভাইকে গুলি করে দেওয়ার পর দুষ্কৃতীরা শূন্যে গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। আর তারপরে গ্রামবাসীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।স্থানীয় গ্রামবাসীদের বক্তব্য , সহিদুল আলী অত্যন্ত ভালো মানুষ ছিলেন। ওই পরিবারটি কারও সঙ্গে কোন রকম ঝামেলার মধ্যে ছিল না। ওদের একটি জমির দখলদারি নিয়েই মামলা চলছিল। এরপরই এদিন দুষ্কৃতীরা প্রকাশ্যেই ওই পরিবারটির কয়েকজন সদস্যকে মারধর করে এবং সাইদুলকে গুলি করে খুন করেছে। এই ঘটনার পর পুলিশ এলাকায় এলে তাদেরকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হয়। চাচল থানার পুলিশ জানিয়েছে, জমি সংক্রান্ত ঘটনাকে ঘিরেই গোলমালে সূত্রপাত। তারপরই এই খুনের ঘটনাটি ঘটেছে। ইতিমধ্যে পাঁচ জনের বিরুদ্ধে চাঁচল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে কিছু মানুষ বিক্ষোভ দেখিয়েছিল। সেই সময় বিক্ষোভকারীদের আশ্বস্ত করা হয়েছে। দুষ্কৃতীদের খোঁজে গোটা এলাকায় তল্লাশি শুরু করা হয়েছে। পাশাপাশি মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মালদা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা করে পুলিশ।

আগস্ট ৩০, ২০২৩

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

নির্বাচনের টিকিট পেতেই প্রাণভয়ের আশঙ্কা! বিস্ফোরক অভিযোগ প্রাক্তন আইপিএসের

একসময়ের দুঁদে পুলিশ কর্তা, এখন তৃণমূলের প্রার্থী। সেই হুমায়ুন কবীর এবার বিধানসভা নির্বাচনে লড়ছেন ডোমকল কেন্দ্র থেকে। কিন্তু টিকিট পাওয়ার পরই তিনি প্রাণহানির আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, জেলার একাধিক অপরাধ চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কারণে তাঁকে এখন হুমকি দেওয়া হচ্ছে।মুর্শিদাবাদে পৌঁছে তিনি নিরাপত্তার জন্য জেলা পুলিশ সুপারের কাছে আবেদন করেছেন। তাঁর কথায়, পুলিশে চাকরি করার সময় তিনি একাধিক খুনের চক্র ভেঙেছিলেন। সেই সব অপরাধ চক্রের মাথারা এখনও সক্রিয় রয়েছে এবং তাঁকে লক্ষ্য করে হুমকি দিচ্ছে। এই কারণেই তাঁর জীবনের উপর ঝুঁকি রয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন।হুমায়ুন কবীর দীর্ঘদিন মুর্শিদাবাদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি কান্দিতে দায়িত্বে ছিলেন এবং পরে জেলা পুলিশ সুপার হিসেবেও কাজ করেছেন। ফলে এই জেলার পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি ভালোভাবেই জানেন। কোথায় কোন অপরাধ চক্র সক্রিয়, কারা এর সঙ্গে জড়িত, সেই সব বিষয় তাঁর জানা।তিনি বলেন, দলের নেতৃত্ব তাঁকে এমন একটি জায়গায় প্রার্থী করেছে, যা তাঁর খুব পরিচিত। এই সুযোগ দেওয়ার জন্য তিনি দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে কর্মীদের সক্রিয়ভাবে কাজ করার আহ্বানও জানিয়েছেন।ডোমকল এলাকা বরাবরই স্পর্শকাতর হিসেবে পরিচিত। অতীতে এই এলাকায় নির্বাচন ঘিরে হিংসার একাধিক অভিযোগ উঠেছে। আগের নির্বাচনে এখানেই সবচেয়ে বেশি হিংসার ঘটনা ঘটেছিল বলে জানা যায়। তবে তিনি দাবি করেন, যখন তিনি পুলিশ সুপার ছিলেন, তখন পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে ছিল।এই অবস্থায় এবার নির্বাচনের আগে তাঁর প্রাণহানির আশঙ্কা প্রকাশে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ভোটের আগে ডোমকলের পরিস্থিতি নিয়ে এখন বাড়ছে নজর।

মার্চ ১৮, ২০২৬
রাজ্য

একসঙ্গে দু’টি আসনে লড়াই! হুমায়ুন কবীরের বড় চমক

বিধানসভা নির্বাচনের আগে একের পর এক দল তাদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করছে। সেই তালিকায় এবার নাম যোগ করল হুমায়ুন কবীরের দল আম জনতা উন্নয়ন। প্রথম দফায় মোট একশো বিরাশি টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই মুর্শিদাবাদ এবং মালদহ জেলার প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।সবচেয়ে বেশি চর্চা হচ্ছে হুমায়ুন কবীরের নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে। তিনি এবার ভরতপুর কেন্দ্র থেকে লড়বেন না। পরিবর্তে তিনি দুটি আসন থেকে ভোটে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একটি রেজিনগর এবং অন্যটি নওদা। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠছে। অনেকেই জানতে চাইছেন, তিনি কাকে হারাতে চাইছেন, না কি নিজের জয়ের সম্ভাবনা বাড়াতেই এই কৌশল নিচ্ছেন।সাংবাদিক বৈঠকে হুমায়ুন কবীর জানান, তাঁদের দল একশো বিরাশি টি আসনে প্রার্থী দিচ্ছে। বাকি প্রার্থীদের তালিকা শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে। কিছু আসনে অন্য দলের সঙ্গে সমঝোতার কথাও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।এদিকে প্রার্থী তালিকায় একাধিক নতুন নামও রয়েছে। বিভিন্ন জেলার একাধিক আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। কান্দি, বেলডাঙা, রতুয়া, মালতীপুর, বৈষ্ণবনগর, মানিকচক, সুজাপুর, ফরাক্কা, হরিহরপাড়া-সহ একাধিক কেন্দ্রে প্রার্থী দিয়েছে এই দল। ভরতপুরেও নতুন প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে নতুন এই দল কতটা প্রভাব ফেলতে পারবে, তা নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে হুমায়ুন কবীরের দুটি আসনে লড়াইয়ের সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল আরও বেড়েছে।

মার্চ ১৮, ২০২৬
দেশ

‘সময় নষ্টের চেষ্টা’! আইপ্যাক মামলায় সুপ্রিম কোর্টে তীব্র তর্কে জড়াল রাজ্য ও কেন্দ্র

আইপ্যাক মামলাকে ঘিরে আবারও সুপ্রিম কোর্টে সময় চাইল রাজ্য সরকার। বুধবার বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র এবং বিচারপতি এন ভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চে রাজ্যের পক্ষ থেকে আইনজীবী কপিল সিব্বল আরও সময়ের আবেদন জানান। তিনি জানান, তাঁরা নিজেদের বক্তব্য জমা দেওয়ার জন্য কিছুটা সময় চান।এই আবেদনের বিরোধিতা করে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতা বলেন, এটি সময় নষ্ট করার চেষ্টা। তিনি অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে এবং এতদিন পরেও সময় চাওয়া অস্বাভাবিক। বিচারপতিরাও মনে করিয়ে দেন, এর আগেই রাজ্যকে চার সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছিল।রাজ্যের আইনজীবীরা বলেন, তাঁরা এখনও সম্পূর্ণভাবে নিজেদের বক্তব্য জমা দেওয়ার সুযোগ পাননি। তবে আদালত স্পষ্ট জানায়, বারবার সময় চাওয়া ঠিক নয়।এই মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলে রাজ্য। রাজ্যের দাবি, এই সংস্থা সরাসরি এই ধরনের মামলা করতে পারে না। সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী, এই অধিকার শুধুমাত্র ব্যক্তি বা কোনও বৈধ সংস্থার থাকতে পারে। তাই এই মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।অন্যদিকে, আদালতে জমা দেওয়া হলফনামায় তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, তল্লাশির সময় সংঘর্ষ এড়াতেই তাদের কাজ থামাতে হয়েছিল। অভিযোগ করা হয়েছে, তল্লাশির সময় বাইরের লোকজন ঢুকে পড়ায় তদন্তে সমস্যা তৈরি হয়।বিচারপতি পর্যবেক্ষণে বলেন, কোনও মুখ্যমন্ত্রীর এইভাবে তদন্ত চলাকালীন ঢুকে পড়া মোটেই ভালো দৃষ্টান্ত নয়। ভবিষ্যতে অন্যরাও একই কাজ করতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।এর আগে আদালত রাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছিল, ওই ঘটনার সমস্ত ভিডিও এবং প্রমাণ সংরক্ষণ করতে। সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার জন্যও সময় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ফের সময় চাওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।এই মামলার সূত্রপাত হয় কলকাতায় একটি সংস্থার কর্তার বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি নিয়ে। সেই তল্লাশিকে ঘিরেই এই আইনি লড়াই শুরু হয়। কেন্দ্রের অভিযোগ, তদন্তে বাধা দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে রাজ্যের দাবি, নির্বাচনের আগে সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করতেই এই তল্লাশি চালানো হয়েছিল।এই পরিস্থিতিতে আইপ্যাক মামলাকে ঘিরে রাজ্য ও কেন্দ্রের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে এবং পরবর্তী শুনানির দিকে এখন নজর সবার।

মার্চ ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় ঝাঁকুনি! একসঙ্গে ১১ জেলাশাসক বদলি, চাঞ্চল্য

ভোটের মুখে বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের একাধিক জেলার জেলাশাসক এবং জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের একযোগে বদলি করা হয়েছে। বুধবার সকালে প্রথমে কয়েকজন পুলিশ আধিকারিককে বদলি করা হয়। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ১১টি জেলার জেলাশাসক বদলের নির্দেশ জারি করে কমিশন।যে জেলাগুলিতে এই বদল করা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব বর্ধমান, উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, দার্জিলিং এবং আলিপুরদুয়ার। এই সব জেলার জেলাশাসকেরা একই সঙ্গে জেলা নির্বাচনী আধিকারিক হিসেবেও কাজ করছিলেন।কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী নতুন করে বিভিন্ন জেলায় নতুন জেলাশাসক নিয়োগ করা হয়েছে। একই সঙ্গে কলকাতা পুরসভার কমিশনার এবং দক্ষিণ কলকাতার জেলা নির্বাচনী আধিকারিককেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের জায়গায় নতুন আধিকারিকদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর করতে হবে। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের দ্রুত কাজে যোগ দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যাঁদের সরানো হয়েছে, তাঁদের ভোট সংক্রান্ত কোনও কাজে যুক্ত না থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যতদিন না নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ হচ্ছে।এই বড় রদবদলের মধ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকও ডাকা হয়েছে। সেখানে শীর্ষ পুলিশ ও প্রশাসনিক আধিকারিকদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।ভোটের আগে হঠাৎ এত বড় প্রশাসনিক পরিবর্তনে রাজনৈতিক মহলে জোর চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের প্রভাব নির্বাচনে কতটা পড়বে, তা নিয়ে এখন জোর আলোচনা চলছে।

মার্চ ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় চাঞ্চল্য! বীরভূমে ট্রাক্টর ভরা বিস্ফোরক উদ্ধার

ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরেই রাজ্যে বাড়ছে উত্তেজনা। এর মধ্যেই বীরভূমে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার হওয়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নলহাটি থানার কাদাসির গ্রামে গ্রামবাসীরাই একটি সন্দেহজনক ট্রাক্টর আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ট্রাক্টর থেকে প্রায় দশ হাজার জিলেটিন স্টিক এবং তিনশো ষাটটি ডিটোনেটর উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এই ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, মঙ্গলবার রাতে গ্রামের রাস্তা দিয়ে একটি ট্রাক্টর যাচ্ছিল। সেটি দেখে তাঁদের সন্দেহ হয়। এরপর তাঁরা ট্রাক্টরটি আটকালে চালক পালিয়ে যায়। পরে দেখা যায়, ট্রাক্টরটি বিস্ফোরকে ভর্তি।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নলহাটি থানার পুলিশ ট্রাক্টর এবং বিস্ফোরক বাজেয়াপ্ত করে। কে বা কারা এই বিস্ফোরক কোথায় নিয়ে যাচ্ছিল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।ভোটের আগে এই ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হোক এবং এর পিছনে কারা রয়েছে, তা দ্রুত সামনে আনা হোক।

মার্চ ১৮, ২০২৬
রাজ্য

কল্যাণের পর এবার ছেলে! উত্তরপাড়ায় ভোটের লড়াইয়ে মীনাক্ষীর বিপরীতে কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছেলে

বাবা একজন নামজাদা আইনজীবী এবং অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ। দীর্ঘদিন তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রাজনীতির ময়দানে লড়াই করে আসছেন। এবার সেই পথেই পা রাখলেন তাঁর ছেলে শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে তাঁকেই বেছে নেওয়া হয়েছে।শীর্ষণ্য পেশায় একজন আইনজীবী। তিনি সরকারের পক্ষে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মামলা লড়েছেন। বিভিন্ন বড় আইনি লড়াইয়ে তিনি অংশ নিয়েছেন। কলেজে নির্বাচন বন্ধ হওয়া নিয়ে হওয়া মামলাতেও তিনি আদালতে লড়েছিলেন। এছাড়াও একশো দিনের কাজ এবং নিয়োগ সংক্রান্ত মামলাতেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছেন।এবার সেই আইনজীবীই সরাসরি রাজনীতির ময়দানে নেমেছেন। উত্তরপাড়ায় তাঁর প্রতিপক্ষ সিপিএমের মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। ফলে এই কেন্দ্রের লড়াই এবার বেশ জমজমাট হতে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।শীর্ষণ্য জানিয়েছেন, রাজনীতির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নতুন নয়। বহু বছর আগে থেকেই তিনি ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং তৃণমূলের হয়ে কাজ করেছেন। তিনি বলেন, ছাত্রজীবনে তিনি কলেজে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন এবং সেই সময় থেকেই রাজনীতির অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।তিনি আরও বলেন, ২০১১ সালের পর রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর তাঁর লড়াই মূলত আদালতকেন্দ্রিক হয়ে যায়। তবে এবার সরাসরি ভোটের ময়দানে নামতে পেরে তিনি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছেন।শীর্ষণ্য জানান, তাঁকে এই সুযোগ দেওয়ার জন্য তিনি দলের নেতৃত্বের কাছে কৃতজ্ঞ। এর আগে তিনি দলের অন্য প্রার্থীর হয়ে ভোট চেয়েছেন, কিন্তু এবার প্রথমবার নিজের জন্য মানুষের কাছে সমর্থন চাইবেন। উত্তরপাড়ার মানুষের আশীর্বাদই তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি বলেও তিনি জানিয়েছেন।

মার্চ ১৮, ২০২৬
রাজ্য

শুক্রবার না শনিবার? অবশেষে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা নিয়ে বড় আপডেট

ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়ে গিয়েছে এবং রাজনৈতিক দলগুলি জোরকদমে প্রচারে নেমে পড়েছে। কিন্তু রাজ্যের প্রায় ষাট লক্ষ ভোটার এখনও জানেন না, তাঁরা এবারের নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন কি না। তাঁদের নাম এখনও বিবেচনাধীন তালিকায় ঝুলে রয়েছে।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, গত আটাশ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়। সেই তালিকায় প্রায় ষাট লক্ষ ভোটারের নাম বিবেচনাধীন অবস্থায় রাখা হয়েছে। এরপর দুই সপ্তাহের বেশি সময় কেটে গিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা সেই সব নাম খতিয়ে দেখে নিষ্পত্তি করছেন।এখনও পর্যন্ত প্রায় একুশ লক্ষ ভোটারের নামের নিষ্পত্তি হয়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন। কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত জানিয়েছেন, এই সপ্তাহের মধ্যেই প্রথম সম্পূরক তালিকা প্রকাশ হতে পারে। তাঁর কথায়, বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা খুব শীঘ্রই নিষ্পত্তি হওয়া নামগুলি কমিশনের হাতে তুলে দেবেন। বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী, শুক্রবার বা শনিবার এই তালিকা প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে।তবে বড় প্রশ্ন রয়ে গিয়েছে বাকি প্রায় উনচল্লিশ লক্ষ ভোটারকে নিয়ে। ভোটের আগে এত অল্প সময়ের মধ্যে তাঁদের নামের নিষ্পত্তি করা সম্ভব কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। কারণ রাজ্যে এবার দুই দফায় ভোট হবে তেইশ ও উনত্রিশ এপ্রিল।এছাড়াও যাঁদের নাম বাদ পড়বে, তাঁদের ট্রাইব্যুনালে যাওয়ার সুযোগ থাকবে। কিন্তু সেই প্রক্রিয়া কবে শুরু হবে এবং কবে শেষ হবে, তা নিয়েও স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি।এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, বিষয়টির দায় হাইকোর্টের উপর চাপানোর চেষ্টা হচ্ছে। বিচারব্যবস্থার উপর তাঁদের আস্থা থাকলেও কমিশন কীভাবে আদালতের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে, তা স্পষ্ট নয় বলে তিনি অভিযোগ করেন। যাঁদের নাম বাদ যাবে, তাঁরা কবে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করবেন এবং সেই প্রক্রিয়ার জন্য কত সময় দেওয়া হবে, সে বিষয়েও কোনও স্পষ্ট উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না বলেই দাবি তাঁর।এই নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনা বাড়ছে। ভোটের আগে এত বড় সংখ্যক ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত থাকায় উদ্বেগও বাড়ছে।

মার্চ ১৮, ২০২৬
দেশ

দুই বছরের মেয়েকে নিয়ে ২৩ তলা থেকে ঝাঁপ! গুরগাঁওয়ের ঘটনায় শিউরে উঠছে দেশবাসী

গুরগাঁওয়ে এক হৃদয়বিদারক ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, এক ব্যক্তি তাঁর দুই বছরের কন্যাকে নিয়ে বহুতলের তেইশ তলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। এই ঘটনায় দুজনেরই মৃত্যু হয়েছে।মৃত ব্যক্তির নাম রাহুল। তাঁর বয়স আটত্রিশ বছর। তিনি দিল্লির বাসিন্দা ছিলেন এবং পরিবার নিয়ে গুরগাঁওয়ের একটি আবাসনে ভাড়া থাকতেন। মঙ্গলবার সকালে একটি আবাসনের ভিতরে এই ঘটনা ঘটে।পুলিশ জানিয়েছে, রাহুল তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে একটি ছোট স্কুল চালাতেন, যেখানে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হতো। কিছুদিন ধরে তিনি শারীরিক অসুস্থতা এবং মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন এবং চিকিৎসাও চলছিল।পুলিশের এক আধিকারিক জানান, প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে মানসিক অবসাদ থেকেই তিনি এই চরম পদক্ষেপ নিয়েছেন। যদিও ঘটনার সঠিক কারণ জানতে তদন্ত চলছে।জানা গিয়েছে, তিনি যে টাওয়ারে থাকতেন, সেখান থেকে নয়, অন্য একটি টাওয়ারের তেইশ তলা থেকে ঝাঁপ দেন। ঘটনাস্থল থেকে কোনও সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি।দেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয় এবং পরে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।স্থানীয় বাসিন্দারা এই ঘটনায় স্তম্ভিত হয়ে পড়েছেন। অনেকেই উচ্চ ভবনে বসবাসকারী পরিবারগুলির মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

মার্চ ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal