• ২ মাঘ ১৪৩২, শনিবার ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Sheikh Hasina

দেশ

খালেদা জিয়ার প্রয়াণে শোকস্তব্ধ বাংলাদেশ, বার্তা মোদী থেকে হাসিনা পর্যন্ত

৮০ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবরে বাংলাদেশ জুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষ, সর্বত্রই শোকপ্রকাশ করা হচ্ছে। খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও।নিজের এক্স হ্যান্ডেলে শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লেখেন, বিএনপির চেয়ারপার্সন এবং বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিনি গভীরভাবে শোকাহত। তিনি খালেদা জিয়ার পরিবার এবং বাংলাদেশের সমস্ত মানুষের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান। সেই সঙ্গে মোদী তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে খালেদা জিয়ার সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতের একটি পুরনো ছবি পোস্ট করেন। ২০১৫ সালে ঢাকায় সেই সাক্ষাতের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে খালেদা জিয়ার ভূমিকা অনস্বীকার্য।উল্লেখ্য, গত ২৩ নভেম্বর খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁর পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়েছিল ভারত। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী মোদী জানিয়েছিলেন, তিনি প্রতি মুহূর্তে খালেদা জিয়ার সুস্থতার কামনা করছেন এবং ভারত সব ধরনের সহায়তার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।খালেদা জিয়ার প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসও। নিজের ফেসবুক বার্তায় তিনি লেখেন, এই জাতি তার অন্যতম অভিভাবককে হারাল। খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিনি গভীরভাবে শোকাহত। বাংলাদেশের গণতন্ত্র, বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে খালেদা জিয়ার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন ইউনূস।তিনি আরও লেখেন, খালেদা জিয়ার শাসনকালে বাংলাদেশে নারী শিক্ষার ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। মেয়েদের জন্য বিনামূল্যে শিক্ষা ও ভাতা প্রকল্পের সূচনা করেছিলেন তিনি, যা সেই সময়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে ছিল এক উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।এ দিন শোকবার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সৌজন্যের বার্তা দেন তিনি। দলের সমাজমাধ্যমে শেখ হাসিনা লেখেন, প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে খালেদা জিয়ার অবদান ছিল অপরিসীম। তাঁর মৃত্যুতে বাংলাদেশের রাজনীতি এবং বিএনপি নেতৃত্বের ক্ষেত্রে এক অপূরণীয় ক্ষতি হল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫
বিদেশ

সজীব-পুতুলও দণ্ডিত! তিন মামলায় বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে জেল

ঢাকার আদালত বুধবার একটি চাঞ্চল্যকর রায় ঘোষণা করে। বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির তিনটি মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে ২১ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। প্রতিটি মামলায় তাঁকে ৭ বছর করে সাজা দেওয়া হয়েছে। একই মামলায় তাঁর পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়কে ৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া তাঁর কন্যা সায়েমা ওয়াজেদ পুতুলও একটি মামলায় ৫ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করবেন।এই তিন মামলায় মোট ৪৭ জনকে আসামি করা হলেও ব্যক্তি হিসেবে সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩। এই তালিকায় শুধু শেখ হাসিনা, জয় ও পুতুলই নয়, রয়েছেন হাসিনার শাসনকালের বিভিন্ন মন্ত্রী ও আমলারা। প্রাক্তন গৃহ উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এবং গৃহ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের প্রাক্তন সহকারী সচিব পূরবী গোলদারও এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।মামলার সূত্র অনুযায়ী, ঢাকার পূর্বাচলের নতুন শহর প্রকল্পের প্লট বরাদ্দে দুর্নীতি এবং সম্পদের অবৈধ ব্যবহারই মূল অভিযোগ। এছাড়া দেশ ছাড়ার পরও নানা গুরুতর অভিযোগের মুখে পড়েছেন শেখ হাসিনা। এর মধ্যে রয়েছে জুলাই অভ্যুত্থানে ছাত্র আন্দোলনের ওপর গুলি চালানো, মানবতাবিরোধী কার্যকলাপ এবং আয়নাঘর সংক্রান্ত দুর্নীতি। কিছু অভিযোগে তথ্য গোপন করে কর ফাঁকির কথাও বলা হয়েছে।বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদার, বিচারপতি মহম্মদ শফিউল আলম মাহমুদ এবং বিচারক মহম্মদ মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী এই রায়ে মন্তব্য করেন যে, দোষ প্রমাণিত হওয়ায় সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো। তবে আওয়ামি লীগ ইতিমধ্যেই এই বিচারের বিরোধিতা করেছে। তারা অভিযোগ করেছে, ক্যাঙারু আদালতের নামে বিচার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ প্রভাবিত এবং যেখানে আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ নেই, তা কখনই ন্যায়বিচার হতে পারে না।এই রায় ঘিরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই রায়ের ফলে রাজনৈতিক মহলে দুশ্চিন্তা এবং বিতর্ক আরও বাড়বে।

নভেম্বর ২৭, ২০২৫
বিদেশ

হাসিনার অনুপস্থিতিতেই মৃত্যুদণ্ড? রাষ্ট্রসংঘের কড়া প্রশ্ন বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থাকে

জুলাই বিক্ষোভে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে যে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, সেই রায়ের বিরুদ্ধে এবার সরব হল রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কমিশন। আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্ন উঠছেএই বিচার কি আদৌ ন্যায়সঙ্গত? সব মিলিয়ে মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে তৈরি বিচারব্যবস্থা ও তাঁর ক্যাঙারু আদালত বলতে শুরু করেছেন অনেকেই। কারণ, আদালত ঘোষণার আগেই যেন স্ক্রিপ্ট লিখে ফেলা হয়েছিলহাসিনা ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের ফাঁসির সাজা।রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কমিশনের মুখপাত্র রবিনা সামদাসানি এক বিবৃতিতে জানান, এই রায় নিয়ে তাদের গভীর উদ্বেগ রয়েছে। তাঁর কথায়, গত বছরের বিক্ষোভ দমনের সময় যে ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছিল, সেই ঘটনার সঠিক বিচার অত্যন্ত প্রয়োজন। কিন্তু বাংলাদেশের আদালতের বিচারপ্রক্রিয়া সম্পর্কে রাষ্ট্রসংঘের হাতে যথেষ্ট তথ্য নেই। তবুও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে বিচার হওয়া উচিতএটাই তাঁদের বার্তা।রবিনা আরও বলেন, অভিযুক্ত শেখ হাসিনা আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। অনুপস্থিতিতেই তাঁকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে রাষ্ট্রসংঘ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়যে পরিস্থিতির মধ্যেই হোক না কেন, তারা এমন বিচারকে সমর্থন করে না। তাঁদের আশা, বাংলাদেশ সত্যিকারের ন্যায়বিচারকে গুরুত্ব দিয়ে পরিস্থিতি সামলাবে।রাষ্ট্রসংঘের পাশাপাশি হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। সংস্থার মহাসচিব অ্যাগনেস কালামার্ড একেবারে সরাসরি মন্তব্য করেছেনজুলাই বিক্ষোভের সময় মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা সত্যিই ভয়াবহ ছিল, কিন্তু সেই অপরাধের বিচার হতে হবে সুষ্ঠুভাবে। এই বিচারপক্রিয়া না সঠিক, না আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে হয়েছে। তাঁর কথায়, মৃত্যুদণ্ড এমনিতেই অত্যন্ত নিষ্ঠুর, অমানবিক ও অপমানজনক শাস্তি। আধুনিক কোনও ন্যায়বিচার ব্যবস্থায় মৃত্যুদণ্ডের জায়গাই নেই।সব মিলিয়ে, আন্তর্জাতিক সমাজের একাংশের চোখে পুরো বিচার ব্যবস্থাটাই এখন প্রশ্নের মুখে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেই এই রায় আরও অস্থিরতা বাড়াতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

নভেম্বর ১৮, ২০২৫
বিদেশ

ফাঁসি! মানবতা বিরোধী অপরাধে দোষী শেখ হাসিনা—বাংলাদেশে নজিরবিহীন রায়

বাংলাদেশের রাজনীতি যেন মুহূর্তে ঝড়ের চোখে ঢুকে গেল। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সোমবার ঘোষণা করল সেই রায়, যার জন্য দেশজুড়ে উত্তেজনা তুঙ্গে ছিলমানবতা বিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আদালত তিনটি ধারায় তাঁকে দোষী ঘোষণা করে সরাসরি ফাঁসির সাজা শুনিয়েছে। সেই সঙ্গে একই অপরাধে ফাঁসির দণ্ড দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকেও। বাংলাদেশ পুলিশের প্রাক্তন আইজি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনও দোষী প্রমাণিত হয়েছেন গণহত্যার মামলায়।রায় ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আদালত চত্বরের বাইরে এক অদ্ভুত নীরবতা নেমে আসে। তারপরই শুরু হয় দেশজোড়া তাণ্ডব। ঢাকার রাস্তায় বিক্ষোভ, ককটেল বিস্ফোরণ, আগুন লাগানোসব মিলিয়ে যেন বিস্ফোরণের মতো ছড়িয়ে পড়ে খবরটি। আদালতে ৪৫৩ পাতার রায় পড়তে সময় লাগলেও, রায়ের অভিঘাত সরাসরি গিয়ে লাগে রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে।আদালত জানায়, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকার সময় একাধিক গণহত্যা, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে বলে তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। বহু সাক্ষ্য-প্রমাণ, ভিডিও ফুটেজ, গোপন নথি আদালতে পেশ করা হয়। বিচারক স্পষ্ট করে বলেন, এটি ইতিহাসে নথিবদ্ধ হওয়ার মতো অপরাধ। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ সংগঠিত হয়েছে।প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকেও একই ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ফাঁসির সাজা দেওয়া হয়েছে। পুলিশের সাবেক আইজি আবদুল্লাহ আল-মামুনও দোষী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। আদালতের মন্তব্যতিনজনের সমন্বিত ভূমিকার কারণেই এই ভয়াবহ ঘটনাগুলো দেশের নাগরিকদের জীবনে গভীর ক্ষত তৈরি করেছে।রায়ের পরই ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। আদালত চত্বরে অতিরিক্ত পুলিশ, সেনা ও র্যাব নামানো হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রায় ঘিরে প্রচুর বিভ্রান্তি ও আতঙ্ক ছড়িয়েছে। আওয়ামী লিগ সমর্থকেরা রায়কে রাজনৈতিক প্রতিশোধ বলে দাবি করেছেন, অন্যদিকে সরকার সমর্থকেরা বলছেনএটা ইতিহাসের বিচার।বাংলাদেশের রাজনৈতিক আকাশে যে ঝড় চেপে বসেছে, তার রেশ এখন শুধুই রাস্তায় নয়সরাসরি দেশের ভবিষ্যতের ওপরও পড়ে যাচ্ছে।

নভেম্বর ১৭, ২০২৫
বিদেশ

শেখ হাসিনার পরিবারের ইতিহাস এবার মুছে ফেলবে কে? ধানমন্ডি ৩২-এ রহস্যময় তৎপরতা

বাংলাদেশে যেন ইতিহাসের এক ভয়াবহ পুনরাবৃত্তি। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতা বিরোধী মামলার ৪৫৩ পাতার রায় পড়া চলছে আদালতে, আর ঠিক সেই সময়েই ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বাড়ির সামনে দেখা গেল দুটি পে-লোডার। দৃশ্যটি ছড়িয়ে পড়তেই মুহূর্তে তোলপাড় বাংলাদেশ। প্রশ্ন উঠলঅন্তর্বর্তী ইউনূস সরকার কি তবে বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সমস্ত চিহ্ন মুছে ফেলতে চাইছে?পুলিশ সূত্রে পাওয়া তথ্য আরও উদ্বেগ বাড়ায়। জানা গেছে, ধানমন্ডির বাড়ির যে অংশ এখনও দাঁড়িয়ে রয়েছে, সেটি সম্পূর্ণ ভেঙে গুঁড়িয়ে দিতেই এই পে-লোডার আনা হয়েছিল। কিন্তু বাড়ির দিকের পুলিশি ব্যারিকেডে আটকে যায় তারা। এরপরই তাঁদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এলাকায় তখন উত্তেজনা টগবগ করছে।এদিকে কয়েক মিনিটের মধ্যেই পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সেনা ও পুলিশের কার্যত মুখোমুখি সংঘর্ষ বেঁধে যায়। ব্যারিকেড তুলে বিক্ষোভ থামাতে চাইলে ক্ষুব্ধ জনতা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করে। দুটি পক্ষের সংঘর্ষে বহু বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তাকর্মী আহত হয়েছেন বলে খবর।পটভূমিটা আরও জটিল। ২০২৪ সালের ৫ অগস্ট আওয়ামী লিগ সরকারের পতনের পর, এবং শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাতের অন্ধকারে পে-লোডার এনে ভেঙে ফেলা হয়েছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি-বিজড়িত এই ৩২ নম্বর বাড়ি। পরে তাতে আগুন লাগানো হয়। দেশজুড়ে সেই ঘটনার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া হয়েছিল। আর এবার আবারও, ঠিক রায়ের দিন, পে-লোডার নিয়ে বাড়ির সামনে হাজির হওয়ায় সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে।শেখ হাসিনার রায়কে কেন্দ্র করে কয়েকদিন ধরে উত্তপ্ত বাংলাদেশ। ঢাকার রাস্তায় ককটেল বোমা ফাটছে, সিলেট-ময়মনসিংহ-কুষ্টিয়া মিলিয়ে সাতটি বাস, ভ্যান, এমনকি অ্যাম্বুল্যান্সেও আগুন ধরানো হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের এক উপদেষ্টার বাড়িতেও হামলা হয়েছে। নিষিদ্ধ আওয়ামী লিগ রবিবার থেকেই সারাদেশে শাটডাউন ডেকেছে।অবস্থা এতটাই ভয়ংকর যে ৫৫ হাজার পুলিশকে মোতায়েন করতে হয়েছে। সেনা ও বিজিবি নেমেছে রাস্তায়। প্রশাসন জানিয়ে দিয়েছেকোথাও আগুন লাগানো বা ককটেল ছোড়া দেখা গেলে সরাসরি গুলি চালানো হবে।এমতাবস্থায় ধানমন্ডি ৩২-এ পে-লোডারের উপস্থিতি শুধু উত্তেজনা নয়এক ভয়াবহ রাজনৈতিক সংকেতও বয়ে আনছে। বঙ্গবন্ধুর বাড়ির অবশিষ্টাংশ ভাঙার চেষ্টা আসলে প্রতীকীদেশের প্রতিষ্ঠাতা পরিবারটিকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার আরেক প্রচেষ্টা কি? রায় ঘোষণার মাঝেই এমন দৃশ্য পুরো বাংলাদেশকে নতুন করে টালমাটাল করেছে।

নভেম্বর ১৭, ২০২৫
বিদেশ

ঢাকায় রক্তগরম সকাল! শেখ হাসিনার রায়ের দিন ঘোষণা ঘিরে চরম উত্তেজনা

সকাল থেকেই থমথমে ঢাকা। চারদিক যেন অচেনা খাঁ খাঁ করছে রাস্তা, মোড়ে মোড়ে কড়া নিরাপত্তা, আর চোখে পড়ে শুধু পুলিশের ইউনিফর্ম আর সেনাদের বুটের শব্দ। রাতভর মশাল মিছিল, স্লোগান, উত্তেজনা তার পর ভোর হতেই নেমে এসেছে ভয় আর অপেক্ষার ভারী ছায়া। কারণ আজ, ১৩ নভেম্বর, বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। আজই ঘোষণা হতে চলেছে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার দিন।জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের সময় শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ ওঠে তা নিয়েই শুরু হয়েছিল এই বহুল আলোচিত মামলা। আজ আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ রায় ঘোষণার দিন ঘোষণা করবেন। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়াও প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও প্রাক্তন পুলিশকর্তা চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। তবে মামুন রাজসাক্ষী হিসেবে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন, যা বিচার প্রক্রিয়ায় নতুন মোড় এনে দিতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।রায়ের দিন ঘোষণার আগের রাতেই আগুনে পুড়েছে ঢাকা। একাধিক জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণ, গাড়িতে আগুন, রাস্তায় টায়ার জ্বলছে এমন চিত্রেই কাটিয়েছে রাজধানী। অভিযোগ, এই অগ্নিসংযোগ ও হামলার পেছনে ছিল আওয়ামী লিগের সদস্য ও সমর্থকরা, যারা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন।আজ সকাল থেকেই ঢাকাকে কার্যত লকডাউন করে ফেলেছে প্রশাসন। নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লিগের পক্ষ থেকে রাজধানী অচল করে দেওয়ার ডাক দেওয়ায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। যে কোনও অশান্তি ঠেকাতে সকাল ৮টা থেকেই শহরের রাস্তায় টহল শুরু করেছে সেনাবাহিনী। পাশাপাশি মোতায়েন করা হয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (BGB), আমর্ড পুলিশ ব্যাটেলিয়ন ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের বিশাল বাহিনী। সব মিলিয়ে রাজধানীতে মোতায়েন ১৭ হাজারেরও বেশি নিরাপত্তাকর্মী।ঢাকার প্রতিটি প্রবেশপথে চলছে কড়া তল্লাশি। হোটেল, মেস, এমনকি আবাসিক এলাকাগুলিতেও রাতভর অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসের বাসভবন যমুনার দিকে যাবতীয় যান চলাচল। নিরাপত্তার চাদর এখন শুধু ঢাকায় নয়, ছড়িয়ে পড়েছে গাজিপুর ও নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত।বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে আজ তাই এক উত্তাল সকাল। একদিকে শেখ হাসিনার ভবিষ্যৎ নির্ধারণের রায়, অন্যদিকে রাজধানীজুড়ে অস্থিরতা। মানুষের মনে একটাই প্রশ্ন আজকের রায় কি ফের অগ্নিগর্ভ করে তুলবে ঢাকা?

নভেম্বর ১৩, ২০২৫
বিদেশ

ঢাকায় টহল, তল্লাশি, চেকপোস্ট বাড়ছে— শেখ হাসিনার রায় ঘিরে অশান্তির আশঙ্কা

বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চলা মানবতাবিরোধী অপরাধ-এর মামলার রায় ঘোষণা ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠছে ঢাকা। রবিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যালের প্রসিকিউটর এম এইচ তামিম সাংবাদিক বৈঠকে জানান, আগামী ১৩ই নভেম্বর এই মামলার রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারিত হবে। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, রাজনীতি যাই হোক, রায় ঘোষণার দিন পিছোবে না। ১৩ নভেম্বর আদালত রায় ঘোষণার তারিখ ঘোষণা করবে।এই ঘোষণার পরই ঢাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তা বেড়েছে কয়েক গুণ। শেখ হাসিনার রায় ঘিরে প্রশাসনের মাথাব্যথা আরও গভীর হয়েছে আওয়ামী লিগ নেতাদের ঘোষণা ঘিরে। দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবীর প্রকাশ্যে বলেছেন, ১৩ নভেম্বর ঢাকায় লকডাউন হবে। আমরা রাজপথে নামব। শুধু তিনিই নন, দলের অন্যান্য শীর্ষ নেতা-কর্মীরাও একই সুরে বনধের ডাক দিয়েছেন। ফলে রাজধানীতে উত্তেজনা চরমে।স্থানীয় সংবাদমাধ্যম মানবজমিন জানিয়েছে, প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঢাকায় সর্বত্র টহল জোরদার করেছেন। ১০ নভেম্বর থেকেই শুরু হবে শহরজুড়ে ব্যাপক তল্লাশি অভিযান ঢাকার প্রবেশপথ, হোটেল, মেস ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় নজরদারি চলবে টানা। কোনওরকম নাশকতা বা সংঘাতের আশঙ্কা রুখতেই এই তৎপরতা।সূত্রের খবর, ঢাকার বিভিন্ন থানায় আওয়ামী লিগের নেতাকর্মীদের একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে। তাঁদের গতিবিধির উপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। কারও কার্যকলাপ সন্দেহজনক মনে হলে তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে প্রশাসন সূত্রেdesh খবর।

নভেম্বর ০৯, ২০২৫
বিদেশ

বিকল্প বাজার দেখতে তৎপর বাংলাদেশ! তবে এখনও ভারতীয় পন্যেই নির্ভরশীল ইউনুস সরকার

বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর লাগাতার নির্যাতনের অভিযোগে তোলপাড় সারা বিশ্ব। উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আমেরিকা থেকে গ্রেট ব্রিটেন। এদিকে ভারতের পন্য বয়কট নিয়ে লাগাতার প্রচার চলছে বাংলাদেশে। এখন তো বিএনপি নেতৃত্ব সরাসরি সাংবাদিক বৈঠক করে ভারতীয় দ্রব্য়সামগ্রী বয়কটের ডাক দিয়েছে। তবে এখনও ভারতে থেকে সীমান্ত পার হয়ে স্বাভাবিক ভাবেই পন্যবাহী ট্রাক প্রবেশ করছে বাংলাদেশে। তা এখনও বন্ধ করতে উদ্যোগ নেয়নি বাংলাদেশের ইউনুস সরকার। এদিকে পেঁয়াজ ও আলুর বিকল্প বাজার খুঁজতে শুরু করেছে বাংলাদেশ। কালের কন্ঠে পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পেঁয়াজ ও আলুর বাজার স্থিতিশীল করতে ভারতের বিকল্প বাজার থেকে আমদানি এবং বাজার মনিটরিংয়ের জোর দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। আজ বৃহস্পতিবার পেঁয়াজ ও আলুর স্থানীয় বাজার স্থিতিশীল করা নিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অংশীজনদের নিয়ে সভায় তারা এই তাগিদ দেন।এ ছাড়া আলুর শুল্ক মেয়াদ নভেম্বর থেকে বাড়িয়ে আরো দুই মাসের জন্য বাড়ানোর সুশারিশ করেছে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন। বাণিজ্যসচিব মোহা. সেলিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে এতে ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভা সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১৫ ডিসেম্বরের পর আলুর বাজারে বড় ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে। যদিও দাম বেশি হলেও নতুন আলু ডিসেম্বরের শেষ দিক থেকে বাজারে আসবে। এই সময় সংকট মোকাবেলায় দ্রুত পদক্ষেপ নিতে জানিয়েছে তারা। এ ছাড়া পেঁয়াজের ও আলু সঠিক তথ্য না থাকায় বাজার স্থিতিশীল করা যাচ্ছে। এ জন্য কৃষি বিপণন অধিদপ্তরকে সঠিক তথ্য নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছেন তারা। পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য সরকারের হিমাগার করার জন্য পাইলট প্রকল্প নিতে পারে। যেখানে কম সুদে ঋণ, জমি দিতে পারে উদ্যোক্তাদের।এদিকে ট্যারিফ কমিশনের ওই সভায় একটি পর্যবেক্ষণ ও দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, পেঁয়াজ ও আলুর অন্যতম উৎস ভারত। ভারতের বাজারের পণ্য দুটির দাম বাড়ায় স্থানীয় বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে।২০২৩-২৪ অর্থবছরে আলু আমদানি করা হয়েছে এক লাখ ৫৫ হাজার ৫৬৮ টন। আর ২০২৪-২৫ অর্থবছরে গত ৫ মাসে (১ জুলাই - ৩০ নভেম্বর) আমদানি করা হয়েছে ৫৬ হাজার ৭৬৩ টন। ভারত থেকে এসব আলু এসেছে।২০২৩-২৪ অর্থবছরে পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে ৯ লাখ ৫৩ হাজার ২৭০ টন। আর ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে ৩ লাখ ৩৯ হাজার ১৫২ টন। ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক, মিশর, চীন ও মিয়ানমার থেকে এসব পেঁয়াজ এসেছে।বাংলাদেশের সংবাদপত্রে এমন প্রতিবেদন প্রকাশ করা হলেও বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে মুখেই ভারতীয় পন্য বয়কটের কথ বলা হচ্ছে। কোনওরকম ভারতীয় পন্যবাহী ট্রাক ভারত থেকে আসা বন্ধ করেনি। শেখ হাসিনা গদি ছাড়ার পরও একই ভাবে আলু, পেঁয়াজ, মাছসহ একাধিক পন্য ভারত থেকেই নিচ্ছে বাংলাদেশ। তাতেই বাংলাদেশের বাজারদর কিছুটা হলেও স্থিতিশীল রয়েছে। পন্য বয়কটের অযথা রাজনীতি করছে বাংলাদেশ। বেনোপোল সীমান্তে প্রতিদিন শয়ে শয়ে ভারতীয় কম্বল কিনছে বাংলাদেশীরা।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২৪
বিদেশ

বাংলাদেশে "নয়া স্বাধীনতা", ছাত্র আন্দোলনই হাসিনা বিরোধী ঝড়ে পরিণত

ছাত্র সমাজ ও সাধারণ মানমুষের ২৩ দিনের দেশ জুড়ে আন্দোলনে পতন হয়েছে শেখ হাসিনা সরকারের। আওয়ামী লীগ প্রধান দেশ ছেড়ে আপাতত ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে আছেন তাঁর বোন শেখ রেহানা। দেশ ছেড়ে আসার আগে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। এই পদত্য়াগের ফলে ১৫ বছরের আওয়ামী লিগের শাসনের অবসান হল। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সরকারের বিরুদ্ধে জনবিরোধী একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। ছাত্র সমাজের কোটা বিরোধী আন্দোলন আসলে সরকারকে চাপে ফেলার কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছিল। এই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়েছে সেই দেশের শেখ হাসিনা সরকার বিরোধী লোকজন। তাঁদের অভিযোগ, দেশের ভোটব্যবস্থা সম্পূর্ণ প্রহসণে পরিণত হয়েছিল। দেশে ব্যাপক দুর্নীতি, বাক স্বাধীনতা হরণ, মানবাধিকার লঙ্ঘন, স্বজনপোষণ, ব্যাংকের টাকা লুট(ঋণের নামে), আয় বৈষম্য়, এসব নানা কারণেই ছাত্র আন্দোলনে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ আছড়ে পড়ে বাংলাদেশের রাস্তায়।কোটা নিয়ে আন্দোলন শুরু হয়েছিল গত ১ জুলাই। ১৪ জুলাই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনার রাজাকারসংক্রান্ত ছাত্র আন্দোলনে ঘৃতাহুতি দেয়। আদালতে গড়ায় কোটা আন্দোলন। সেদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা, তুমি কে, আমি কে, রাজাকার, রাজাকার; কে বলেছে, কে বলেছে, স্বৈরাচার, স্বৈরাচার। বাংলাদেশে সর্বাত্মক আন্দোলন শুরু হয়ে যায়। সরকারের বিরুদ্ধে সাহস করে রাস্তায় নামতে থাকেন সাধারণ মানুষ। যাঁর বাড়ির লোক গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়, সপরিবারে ও তাঁর আশেপাশের মানুষজনও ভয় সরিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ে। ক্রমশ লোক বাড়তে থাকা ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, সহ দেশের সমস্ত এলাকায়। এরই মধ্যে আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠনকে নামিয়ে দেওয়া হয় কোটা আন্দোলনকারী ছাত্রদের বিরুদ্ধে। মূলত রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদকে খুব কাছ থেকে গুলি করে খুন করে পুলিশ। সেই ভিডিও ভাইরাল হতেও আন্দোলন আছড়ে পড়ে দেশজুড়ে। বিক্ষোভ শুরু হয়। স্লোগান দেওয়া হয় এই বলে যে বুকের ভেতর অনেক ঝড়, বুক পেতেছি, গুলি কর।ক্রমশ ছাত্র ও জনতার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকে বাংলাদেশে। ১৯ জুলাই কার্ফু জারি হয়। দেখামাত্র গুলির নির্দেশ দেওয়া হয়। ব্যাপক সংখ্যায় শিক্ষার্থীদের গুলি করে মারা হল। দেশের সমস্ত স্তরের মানুষ এবার গর্জন শুরু করলেন। কয়েকহাজার মানুষ গ্রেফতার হয়। আগস্টে সেনাবাহিনী এই আন্দোলনের বিরুদ্ধে দাড়াতে অস্বীকার করে। পুলিশও পিছু হটে। ৪ আগষ্ট রাজনৈতিক মোকাবিলার চেষ্টা করে আওয়ামী লিগ ও তার নানা সংগঠন। কিন্তু তা আর কাজে আসেনি। গতকাল, ৫ অগাস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে মার্চ টু ঢাকা বা ঢাকামুখী গণযাত্রার ডাক দেওয়া হয়। আর সরকারে থাকার সাহস করেনি শেখ হাসিনা। বঙ্গভবন থেকে হেলিকপ্টারে করে বোন শেখ রেহানাকে নিয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়ে য়ান। শেষ মুহুর্তে জাতির উদ্দেশে আর ভাষন দিতে পারেনি মুজিব কন্যা।আন্দোলনের শেষ লগ্নে গণভবনে লুটপাঠ চলে। যে যা পেরেছেন নিয়ে গিয়েছেন। বাংলাদেশ স্বাধীনতার কারিগড় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবরের মূর্তিও ভাঙতে দেখা যায় আন্দোলনকারীদের। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পার বাংলাদেশ জুড়ে যেন স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়। মন্দিরে বা সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ হলে তৎখনাৎ সাহায্য়ের জন্য় বিশেষ ফোন নম্বর দিয়েছে সেনাবাহিনীর তরফ থেকে।

আগস্ট ০৬, ২০২৪
বিদেশ

ফের উত্তপ্ত বাংলাদেশ, দিনভর গুলি-সংঘর্ষ, কার্ফিউ, শিক্ষার্থী ও পুলিশ সদস্যসহ নিহত ৯৭

ফের বাংলাদেশে অশান্তির বাতাবরণ। এখনও পর্যন্ত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অসহযোগ কর্মসূচি ঘিরে সারা দেশে সংঘাতসংঘর্ষ, গুলি, পাল্টাপাল্টি ধাওয়ায় অন্তত ৯৭ জন নিহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১৪ জন পুলিশ সদস্য। সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানায় ১৩ জন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। প্রথম আলো প্রকাশিত খবরে এই তথ্য প্রকাশ পেয়েছে।এই সংবাদ মাধ্যমে লেখা হয়েছে, আজ দিনভর সংঘর্ষে নরসিংদীতে ৬ জন, ফেনীতে ৮ জন, লক্ষ্মীপুরে ৮ জন, সিরাজগঞ্জে ১৩ পুলিশসহ মোট ২২ জন, কিশোরগঞ্জে ৫ জন, রাজধানী ঢাকায় ১১ জন, বগুড়ায় ৫ জন, মুন্সিগঞ্জে ৩ জন, মাগুরায় ৪ জন, ভোলায় ১ জন, রংপুরে ৪ জন, পাবনায় ৩ জন, সিলেটে ৫ জন, কুমিল্লায় পুলিশ সদস্যসহ ৩ জন, শেরপুরে ২জন, জয়পুরহাটে ২ জন, হবিগঞ্জে ১জন, ঢাকার কেরাণীগঞ্জে ১ জন, সাভারে ১ জন, কক্সবাজারে ১ জন ও বরিশালে ১ জনসহ ৯৭ জন নিহত হয়েছেন। আজ দিনভর সংঘর্ষে নরসিংদীতে ৬ জন, ফেনীতে ৮ জন, লক্ষ্মীপুরে ৮ জন, সিরাজগঞ্জে ১৩ পুলিশসহ মোট ২২ জন, কিশোরগঞ্জে ৫ জন, রাজধানী ঢাকায় ১১ জন, বগুড়ায় ৫ জন, মুন্সিগঞ্জে ৩ জন, মাগুরায় ৪ জন, ভোলায় ১ জন, রংপুরে ৪ জন, পাবনায় ৩ জন, সিলেটে ৫ জন, কুমিল্লায় পুলিশ সদস্যসহ ৩ জন, শেরপুরে ২জন, জয়পুরহাটে ২ জন, হবিগঞ্জে ১জন, ঢাকার কেরাণীগঞ্জে ১ জন, সাভারে ১ জন, কক্সবাজারে ১ জন ও বরিশালে ১ জনসহ ৯৭ জন নিহত হয়েছেন। নৈরাজ্যবাদীদের কঠোর হাতে প্রতিহত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহ্বানপ্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কঠোর হাতে নৈরাজ্যবাদীদের দমন করতে আজ দেশের জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব এবিএম সরওয়ার-ই-আলম সরকার জানান, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যারা এখন সহিংসতা চালাচ্ছে তাদের কেউই ছাত্র নয়, তারা সন্ত্রাসী।সরওয়ার আরও জানান, জাতীয় নিরাপত্তাবিষয়ক সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারক কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা বিষয়ক জাতীয় কমিটির সঙ্গে বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশনা দিয়েছেন।পররাষ্ট্রমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, বেসামরিক বিমান চলাচলমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।মন্ত্রিপরিষদ সচিব, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের (এএফডি) প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও), পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি); বিজিবি, এনএসআই ও ডিজিএফআই মহাপরিচালক, এনসিএসএর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও), র্যাব মহাপরিচালক (ডিজি) এবং স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) প্রধান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।এদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন মার্চ টু ঢাকা কর্মসূচির তারিখ পরিবর্তন করেছে। মঙ্গলবারের পরিবর্তে আগামীকাল সোমবার এ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে তারা। এতে সারা দেশ থেকে আন্দোলনকারীদের ঢাকায় আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। আজ রোববার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানান।আসিফ মাহমুদ বলেন, পরিস্থিতি পর্যালোচনায় এক জরুরি সিদ্ধান্তে আমাদের মার্চ টু ঢাকা কর্মসূচি আগমী মঙ্গলবার থেকে পরিবর্তন করে আগামীকাল সোমবার করা হলো। অর্থাৎ আগামীকালই সারা দেশের ছাত্র-জনতাকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করার আহ্বান জানাচ্ছি।রাজধানীতে দুই শিক্ষার্থীসহ নিহত ৮রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আজ রোববার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়েছে। এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত ছয়জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তাঁদের মধ্যে দুজন শিক্ষার্থী ও একজন আওয়ামী লীগের নেতা।নিহতরা হলেন: আওয়ামী লীগ নেতার নাম আনোয়ারুল ইসলাম। ষাটোর্ধ্ব আনোয়ারুল ইসলাম ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির সদস্য। তিনি উত্তরায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষে নিহত হন।রাজধানীর জিগাতলা এলাকায় সংঘর্ষের মধ্যে গুলিতে নিহত হন হাবিবুল্লাহ বাহার ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী নাম আবদুল্লাহ সিদ্দিকী (২৩)।কারওয়ানবাজার এলাকায় সংঘর্ষে রমিজ উদ্দিন রূপ (২৪) নিহত হন। তিনি ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।এদিকে সন্ধ্যায় আনুমানিক ২৫ বছরের এক যুবকের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন কয়েকজন। নিহত ওই ব্যক্তির নামপরিচয় জানা যায়নি। তাঁর মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।বিকেলে ফার্মগেট এলাকায় সংঘর্ষে নিহত হন তৌহিদুল ইসলাম (২২)। তিনি মহাখালীর ডিএইট কনসালট্যান্ট লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী।গুলিস্তান থেকে বিকেলে জহির উদ্দীন নামের এক ব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।রাত ৮টার দিকে যাত্রাবাড়ীর কাজলা এলাকা থেকে জুয়েল (২৮) নামে এক যুবকের মরদেহ ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসেন কয়েকজন পথচারী।এ ছাড়া রাজধানীর জিগাতলা এলাকায় সংঘর্ষের মধ্যে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যাওয়া এক কিশোরের লাশ রাতে ঢাকা মেডিকেলে আনা হয়। ওই কিশোরের নামপরিচয় জানা যায়নি।সারা দেশে ১৪ জন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। এর মধ্যে সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানায় ১৩ জন নিহত হয়েছেন। কুমিল্লার ইলিয়টগঞ্জে নিহত হয়েছেন একজন।পুলিশ সদর দপ্তর জানিয়েছে, ডিএমপির যাত্রাবাড়ী ও খিলগাঁও থানা; টাঙ্গাইলের গোড়াই হাইওয়ে থানা; বগুড়ার সদর, দুপচাঁচিয়া ও শেরপুর থানা এবং নারুলী পুলিশ ফাঁড়ি; জয়পুরহাট সদর থানা; কুমিল্লার ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানা; রংপুরের গঙ্গাচড়া, মিঠাপুকুর, পীরগাছা, পীরগঞ্জ, বদরগঞ্জ ও গংগাচড়া; ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও আশুগঞ্জ থানা; সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর, উল্লাপাড়া ও শাহজাদপুর থানা; হবিগঞ্জের মাধবপুর ফাঁড়ি; ময়মনসিংহ রেঞ্জ অফিস; নারায়ণগঞ্জ, বগুড়া, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়; দিনাজপুর সদর থানায় আক্রমণ করেছে। আহত পুলিশ সদস্য প্রায় তিন শতাধিক। হামলায় সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার ১৩ পুলিশ নিহত।সৌজন্যে- প্রথম আলো

আগস্ট ০৪, ২০২৪
রাজনীতি

বাংলাদেশে রক্ত ঝড়ায় দুঃখী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অসহায়দের পাশে থাকার বার্তা

কোটা আন্দলন নিয়ে স্তব্ধ বাংলাদেশ। সারা দেশে কার্ফু জারি। দেখা মাত্র গুলির নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশের হাসিনা সরকার। যদিও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট এই ইস্যুতে আজই রায় দিয়েছে। তবে অশান্তির জেরে ওই দেশে পড়তে যাওয়া ছাত্র-ছাত্রীরা ফিরে আসছে এদেশে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তগুলিতে বানিজ্য বন্ধ। এরইমধ্যে ধর্মতলায় শহিদ মঞ্চ থেকে বাংলাদেশ নিয়ে কোনও মন্তব্য করব না বলেও বেশ কিছু কথা বলে ফেললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অসহায়দের জায়গা দেওয়ার পাশাপাশি দু:খ প্রকাশ করেছেন তিনি।এদিন শহিদ সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, বাংলাদেশ নিয়ে আমি কোনও কথা বলতে পারি না। কারণ ওটা একটা আলাদা দেশ। বাংলাদেশ নিয়ে যা বলার সেটা কেন্দ্রীয় সরকার বলবে। আমি এটুকু বলতে পারি অসহায় মানুষ বাংলায় দরজা খটখট করে আমরা তাঁদের আশ্রয় নিশ্চয় দেব। কারণ, এটা ইউনাইটেড নেশনের একটা রেজেলিউশন আছে। কেউ যদি রিফিউজি হয়ে যায় তাঁকে পার্শ্ববর্তী এলাকা সম্মান জানাবে। আসমে একটা গন্ডগোল হয়েছিল বোরোদের সাথে। আলিপুরদুয়ারে তাঁরা দীর্ঘ দিন ছিলেন। আমিও গিয়েছিলাম তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে।বাংলাদেশের গন্ডগোলের জেরে প্রাণ গিয়েছে ছাত্রদের। প্রতিবাদে কলকাতাতেও বিক্ষোভ হয়েছে। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কিন্তু আমার আপনাদের কাছে আবেদন, বাংলাদেশ নিয়ে আমরা যেন কোনও প্ররোচনাতে না যাই। আমরা যেন কোনও উত্তেজনাতে না যাই। আমাদের সহমর্মিতা, আমাদের দুঃখ সে যারই রক্ত ঝড়ুক তাঁদের জন্য আছে। আমরা দুঃখী। আমরাও খবর রাখছি। ছাত্র-ছাত্রীদের মহান প্রাণ, তাজা প্রাণগুলো চলে যাচ্ছে।এদিকে এদিন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট তাঁর রায়ে হাইকোর্টের রায় খারিজ করে দিয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, চাকরিতে ৯৩ শতাংশ মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হবে। বাকি ৭ শতাংশ সংরক্ষণ থাকবে। ৫ শতাংশ একাত্তের মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের। বাকি ২ অন্য সংরক্ষণ। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে যদি আপনাদের কোনও পরিবার থাকে, পরিজন থাকে, কেউ পড়াশুনা করতে যান। কেউ চিকিৎসা করতে এসে ফিরতে না পারেন। যদি কোনও সহযোগিতার দরকার হয়। সহযোগিতা করা হবে।

জুলাই ২১, ২০২৪
বিদেশ

Sheikh Hasina: বাংলাদেশে দুর্গামন্ডপ ও মন্দিরে হামলার ঘটনার তদন্ত শুরু, কড়া বার্তা শেখ হাসিনার

পরশি বাংলাদেশে দুর্গামন্ডপ ও হিন্দু মন্দিরে ভাঙচুর নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন ওই দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কুমিল্লার ঘটনার ব্যাপক তদন্ত হচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছেন। ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী নামাতে হয়েছে। স্থানীয় সংবাদপত্রের সূত্র অনুযায়ী, হিংসার ঘটনা ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে, একাধিক ব্যক্তি জখম হয়েছেন।বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের দেশ অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ। বাংলাদেশে সব ধর্মের লোক বসবাস করে। যে যার ধর্ম সে পালন করবে। অর্থাৎ ধর্ম যার যার উৎসব সবার। একসঙ্গে সবাই মিলে উৎসবে সামিল হয়ে আনন্দ উপভোগ করে এই দেশে। কিন্তু মাঝে মাঝে কিছু দুষ্টু চক্র কিছু ঘটনা ঘটিয়ে চেতনাটাকে নষ্ট করতে চায়। এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। কুমিল্লার ঘটনার তদন্ত হচ্ছে। অনেক তথ্য আমরা পাচ্ছি। এই ধরনের ঘটনা যারা ঘটাবে তাদের খুঁজে বের করবই। এটা প্রযুক্তির যুগ। যে ব্যক্তিই হোক না কেন তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা অবশ্যই নেব। যখন একটা জিনিস সুন্দর ভাবে চলছে সেটাকে নষ্ট করা। দেশের উন্নয়নে বাধা দেওয়া ও সন্ত্রাস সৃষ্টি করার চেষ্টা চলছে। জনগনের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে পারে না তারাই এই কাজ করে। সকলকেই সচেতন থাকতে হবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের কথাও স্মরণ করেছেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, জাতির পিতা ১৯৭৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর বলেছিলেন বাংলার মাটিতে সাম্প্রদায়িকতার স্থান নেই। মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান যারাই এখানে বসবাস করেন সবাই এদেশের নাগরিক। প্রতিটি ক্ষেত্রে তাঁরা সম অধিকার ভোগ করবেন। ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার। ধর্ম পালন সকলেই করতে পারবেন তা সংবিধানে অধিকার দিয়ে গিয়েছেন তিনি।সংখ্যায় কম হলেই সংখ্যালঘু বেশি হলেই সংখ্যাগুরু। সাধারণত একথা সব দেশেই প্রচলিত আছে। এই ধারনাও ঠিক নয় বলে মনে করিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, নিজেদের কখনও ক্ষুদ্র সম্প্রদায় ভাববেন না। এখানে আপনাদের জন্ম। আপনি স্বাধীন নাগরিক। সংখ্যালঘু সংখ্যাগুরু এসব কেউ ভাববেন না।

অক্টোবর ১৫, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

শিলিগুড়িতে মহাকাল মহাতীর্থের শিলান্যাস, বিশ্বের উচ্চতম মহাকাল মূর্তি ও ১২ জ্যোর্তিলিঙ্গের প্রতিরূপে নতুন তীর্থক্ষেত্র

শিলিগুড়ি জেলার মাটিগাড়ায় এক ঐতিহাসিক ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক প্রকল্পের সূচনা হল বুধবার। মহাকাল মহাতীর্থ-সহ একাধিক জনহিতকর ও গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের শুভ শিলান্যাস করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৭.৪১ একর জমির উপর গড়ে উঠতে চলা মহাকাল মহাতীর্থকে ঘিরে ইতিমধ্যেই ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে রাজ্যজুড়ে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই প্রকল্পে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম শিবমন্দির নির্মাণ করা হবে। মন্দির চত্বরে থাকবে ভারতবর্ষের ১২টি জ্যোর্তিলিঙ্গের প্রতিরূপ এবং ১২টি অভিষেক লিঙ্গ মন্দির। দুটি প্রবেশপথ, চার কোণে চার দেবতার মূর্তি, সাংস্কৃতিক হল ও কনভেনশন সেন্টার এই মহাতীর্থকে এক পূর্ণাঙ্গ ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলবে। মহাকাল মূর্তির মোট উচ্চতা হবে ২১৬ ফুট, যার মধ্যে ১০৮ ফুট উচ্চ ব্রোঞ্জের মূল মূর্তি বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠবে। ইতিমধ্যেই মন্দির নির্মাণের জন্য একটি ট্রাস্ট গঠন করা হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, শুধু মন্দির নয়, মহাদর্শনের জন্য বিশ্বের উচ্চতম মহাকাল মূর্তিও এখানে তৈরি করা হচ্ছে। বাংলার এই পুণ্যতীর্থ যুগ-যুগান্ত ধরে বাংলার কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে থাকবে।ভাষণে রাজ্যের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা তুলে ধরে তিনি জানান, বাংলা সর্বধর্ম সমন্বয়ের ভূমি। কালীঘাট ও দক্ষিণেশ্বরে স্কাইওয়াক, দিঘায় জগন্নাথ ধাম ও দুর্গা অঙ্গন নির্মাণের পাশাপাশি রাজ্য সরকার বিভিন্ন ধর্মীয় স্থানের উন্নয়ন ও সংস্কারে নিরন্তর কাজ করেছে। তারকেশ্বর, তারাপীঠ, কঙ্কালীতলা, জল্পেশ মন্দির, ফুল্লরা মন্দির, মদনমোহন মন্দির থেকে শুরু করে পাথরচাপুরি মাজার, মাহেশের জগন্নাথ মন্দিরএকাধিক তীর্থক্ষেত্রের সংস্কার ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে।তিনি আরও উল্লেখ করেন, ফুরফুরা শরিফের উন্নয়ন, জাহের থান ও মাঝি থানগুলির পরিকাঠামো উন্নয়ন, কবরস্থান সংস্কার এবং ইসকনকে ৭০০ একর জমি দেওয়ার মতো পদক্ষেপ রাজ্যের সর্বধর্ম সমন্বয়ের ভাবনাকেই তুলে ধরে। ভগিনী নিবেদিতার স্মৃতি রক্ষায় দার্জিলিং ও কলকাতার বাড়ি রামকৃষ্ণ মিশনের হাতে তুলে দেওয়ার কথাও স্মরণ করান তিনি।মতুয়া সমাজ, রাজবংশী, তপশিলি ও আদিবাসী সম্প্রদায়-সহ সব শ্রেণির মানুষের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ধর্ম মুখে প্রচার করা যায় না, ধর্ম হৃদয়কে ছুঁয়ে যায়। ভাষণের শেষে তিনি মহাদেবের আশীর্বাদে বিশ্বচরাচরে শান্তি, সৌহার্দ্য ও কল্যাণ কামনা করেন।মাটিগাড়ার মহাকাল মহাতীর্থ প্রকল্প শুধু একটি ধর্মীয় স্থাপনা নয়, বরং উত্তরবঙ্গের পর্যটন, সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক বিকাশের ক্ষেত্রেও নতুন দিগন্ত খুলে দেবে বলেই মনে করছে প্রশাসন।

জানুয়ারি ১৬, ২০২৬
বিদেশ

নোবেল না পেলেও হাতে এল মেডেল, ট্রাম্পের হাতে পুরস্কার তুলে দিলেন নোবেলজয়ী নেত্রী

তিনি আগেই দাবি করেছিলেন, আটটি যুদ্ধ থামিয়েছেন তিনি, তাই নোবেল শান্তি পুরস্কার তাঁরই প্রাপ্য। কিন্তু নোবেল ঘোষণার সময় সেই পুরস্কার পাননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ বার ঘটল এক বিস্ময়কর ঘটনা। নোবেল শান্তি পুরস্কার না পেলেও সেই পুরস্কারের মেডেল এসে পৌঁছল ট্রাম্পের হাতেই।নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো। বৃহস্পতিবার তিনি হোয়াইট হাউসে গিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেখানেই নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কারের মেডেল মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে তুলে দেন মাচাদো। হোয়াইট হাউসে প্রায় এক ঘণ্টা দুজনের বৈঠকও হয়।বৈঠকের পরে হোয়াইট হাউস থেকে বেরিয়ে মাচাদো জানান, তিনি স্বেচ্ছায় নিজের মেডেল ট্রাম্পকে দিয়েছেন। তাঁর কথায়, ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার স্বীকৃতি হিসেবেই এই মেডেল তিনি আমেরিকার প্রেসিডেন্টকে দিয়েছেন।যদিও আগেই নোবেল কমিটির তরফে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, এইভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার বা তার মেডেল অন্য কাউকে হস্তান্তর করা নিয়মবিরুদ্ধ। তবুও হোয়াইট হাউস সূত্রে জানানো হয়েছে, ট্রাম্প এই মেডেল নিজের কাছেই রাখবেন বলে জানিয়েছেন।সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্প নিজেও বিষয়টি তুলে ধরেছেন। তিনি লিখেছেন, মারিয়া তাঁর কাজের স্বীকৃতি হিসেবে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কারের মেডেল তাঁকে দিয়েছেন।প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই ভেনেজুয়েলায় নজিরবিহীন সামরিক অভিযান চালিয়েছিল আমেরিকা। সেই অভিযানে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেফতার করে আমেরিকায় নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে তাঁকে বন্দি রেখে মাদক পাচারের মামলায় বিচার চলছে।উল্লেখযোগ্য ভাবে, গত মাসে নরওয়েতে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে মাচাদো নিজে উপস্থিত ছিলেন না। তাঁর হয়ে পুরস্কার গ্রহণ করেন তাঁর কন্যা। তার আগে প্রায় ১১ মাস ভেনেজুয়েলায় আত্মগোপনে ছিলেন মাচাদো।

জানুয়ারি ১৬, ২০২৬
বিদেশ

বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর ফের হামলা, সিলেটে পরিচিত শিক্ষকের বাড়িতে আগুন

বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর হামলা যেন থামছেই না। একের পর এক হত্যার ঘটনার মাঝেই ফের আতঙ্ক ছড়াল সিলেটে। এবার নিশানায় এক পরিচিত হিন্দু শিক্ষক ও তাঁর পরিবার। সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার বাহোর গ্রামে বীরেন্দ্র কুমার দে নামে এক শিক্ষকের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচে গোটা পরিবার। তবে আতঙ্ক এখনও কাটেনি তাঁদের।বীরেন্দ্র কুমার দে এলাকায় ঝানু স্যার নামেই পরিচিত। পেশায় শিক্ষক। অত্যন্ত ভদ্র ও শান্ত স্বভাবের মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি। স্থানীয়দের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কও ভালো ছিল। তাই এমন ঘটনার কথা কেউ কল্পনাও করতে পারেননি। প্রতিবেশীরাও এই ঘটনায় হতবাক। পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনার সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। যদিও বর্তমান পরিস্থিতিতে ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন অনেকেই।সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে, শিক্ষকের বাড়িতে দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। জ্বলন্ত বাড়ি থেকে কোনওমতে প্রাণ বাঁচিয়ে দৌড়ে বেরিয়ে আসেন পরিবারের সদস্যরা। কে বা কারা এই অগ্নিসংযোগ করেছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এবং মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকেই বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর হিংসা বেড়েছে বলে অভিযোগ। গত ১৮ ডিসেম্বর দীপু চন্দ্র দাস নামে এক হিন্দু যুবককে পিটিয়ে হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। তারপর থেকেই একের পর এক হিন্দু হত্যার খবর সামনে এসেছে।চলতি বছরের ২ জানুয়ারি থেকে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৮ থেকে ৯ জন হিন্দু নিহত হয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। ১২ জানুয়ারি ফেনিতে সমীরকুমার দাস নামে ২৮ বছরের এক যুবককে খুন করা হয়। ১০ জানুয়ারি সিলেটে খুন হন আরেক হিন্দু যুবক। তার আগেও মিঠুন সরকার নামে এক যুবকের মৃত্যু হয় জনতার তাড়া খেয়ে। ৫ জানুয়ারি বাংলাদেশে দুজন হিন্দু খুন হন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

জানুয়ারি ১৬, ২০২৬
দেশ

নথি নেওয়ার অভিযোগে মমতার বিরুদ্ধে মামলা, কেন এই রায় জরুরি জানাল সুপ্রিম কোর্ট

এই মামলায় মূল অভিযোগ একটাই। ইডি যখন তল্লাশি চালাচ্ছিল, সেই সময় সেখানে ঢুকে গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে চুরি ও ডাকাতির মতো গুরুতর ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। সেদিন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে রাজ্যের শীর্ষ পুলিশ আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন।এই প্রেক্ষাপটে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, দেশের সব তদন্তকারী সংস্থা যাতে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে, তা নিশ্চিত করা জরুরি। কোনও নির্দিষ্ট রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আড়ালে অপরাধীরা যেন রক্ষা না পায়, সেদিকেও নজর রাখতে হবে। শীর্ষ আদালতের মতে, এই বিষয়ে এখনই সিদ্ধান্ত না নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে এবং একাধিক রাজ্যে আইন ভাঙার মতো ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে দাবি করা হয়েছে, ইডি দলের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নথি বাজেয়াপ্ত করার চেষ্টা করেছিল। সেই প্রসঙ্গে আদালত জানায়, কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থারই রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী কাজকর্মে হস্তক্ষেপ করার অধিকার নেই। তবে একই সঙ্গে আদালত স্পষ্ট করে দেয়, কোনও বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের তদন্ত চললে রাজনৈতিক কাজের অজুহাতে তদন্তে বাধা দেওয়া চলবে না।এই মামলায় সব পক্ষকে আগামী দুসপ্তাহের মধ্যে জবাবি হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতিরা। নোটিসও জারি করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে নিয়ে যাওয়া সমস্ত ডিজিটাল ডিভাইসের তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে। পাশাপাশি যেখানে তল্লাশি হয়েছিল এবং সংলগ্ন এলাকার সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ ও স্টোরেজ ডিভাইসও সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।উল্লেখ্য, আইপ্যাকের অফিস ও প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশির সময় পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ঘটনাকেই কেন্দ্র করে এই মামলার শুরু। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানি হয়। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির আগে ও পরে মিলিয়ে সারাদিন ধরে চলে দীর্ঘ শুনানি। শুনানি শেষে বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র ও বিচারপতি বিপুল পাঞ্চোলির বেঞ্চ জানায়, এই মামলায় রায় দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। দেশের সামনে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতেই এই সিদ্ধান্ত প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন বিচারপতিরা।

জানুয়ারি ১৬, ২০২৬
দেশ

কাশ্মীরে আকাশপথে অনুপ্রবেশের ছক? বারুদভর্তি পাক ড্রোন ভাঙল সেনা

এবার আর একটি জায়গায় নয়। সন্ধ্যা নামতেই রামগড় সেক্টর, পুঞ্চ এবং জম্মু-কাশ্মীরের একাধিক এলাকায় পাকিস্তানের ড্রোন উড়তে দেখা যায়। ভারতীয় সেনার তরফে সঙ্গে সঙ্গে গুলি চালানো হয়। সেনা সূত্রের খবর, একাধিক ড্রোন ভেঙে পড়েছে। সেই ড্রোনগুলিতে বারুদ ছিল বলেও জানা গিয়েছে।ভারতীয় সেনার দাবি, সামরিক ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করেই এই ড্রোন হামলার ছক কষা হচ্ছিল। গত দুসপ্তাহে তিন থেকে চার বার অস্ত্র ও বিস্ফোরক নিয়ে পাকিস্তানের ড্রোন ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢোকার চেষ্টা করেছে। এর পিছনে বড় কোনও পরিকল্পনা রয়েছে বলেই মনে করছে সেনা। আগেও সীমান্তবর্তী এলাকায় বারবার পাক ড্রোন দেখা গিয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন সেনা প্রধানও। পাকিস্তানের গতিবিধি নিয়ে তখনই সন্দেহ দানা বাঁধে।এরই মধ্যে গুজরাট উপকূলেও নতুন করে রহস্য ঘনিয়েছে। আরব সাগরে নজরদারির সময় ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনী একটি সন্দেহজনক নৌকা ভেসে থাকতে দেখে। নৌকাটিতে পাকিস্তানের পতাকা লাগানো ছিল এবং নাম লেখা ছিল আল মদিনা। নৌকার ভিতর থেকে বেশ কিছু সন্দেহজনক বস্তু ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র উদ্ধার হয়েছে বলে উপকূল রক্ষী বাহিনীর সূত্রে জানা গিয়েছে।এই নৌকা ব্যবহার করে কোনও অনুপ্রবেশের চেষ্টা হয়েছিল কি না, নাকি এর পিছনে আরও বড় কোনও ষড়যন্ত্র ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নৌকা থেকে ৯ জন পাকিস্তানি নাগরিককে আটক করা হয়েছে বলেও খবর। আকাশ ও সমুদ্রদুই দিক থেকেই পাকিস্তানের এই নড়াচড়া ঘিরে উদ্বেগ বেড়েছে নিরাপত্তা মহলে।

জানুয়ারি ১৬, ২০২৬
বিদেশ

পেন্টাগনের পাশে হঠাৎ পিজ়ার ভিড়! ইরানে হামলার ইঙ্গিত?

আমেরিকার পেন্টাগনের কাছাকাছি পিজ়ার দোকানগুলিতে হঠাৎ করেই বেড়েছে ভিড়। এই অস্বাভাবিক দৃশ্য ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা। অনেকেরই প্রশ্ন, তবে কি খুব শীঘ্রই বড় কোনও সামরিক পদক্ষেপ নিতে চলেছে আমেরিকা? বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে পরিস্থিতি যখন এমনিতেই উত্তপ্ত, তখন এই খবর নতুন করে আলোড়ন ফেলেছে।পেন্টাগন পিজ়া রিপোর্ট নামে একটি এক্স অ্যাকাউন্ট দাবি করেছে, ভার্জিনিয়ার আর্লিংটনে মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের সদর দফতরের আশপাশের একাধিক পিজ়ার দোকানে স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি ক্রেতা দেখা যাচ্ছে। ওই অ্যাকাউন্টে লেখা হয়েছে, পেন্টাগনের কাছাকাছি পিজ়ার দোকানগুলিতে আচমকা ভিড় বেড়ে গিয়েছে।ইন্টারনেটে এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই পুরনো একটি তত্ত্ব ফের আলোচনায় এসেছে। বহু বছর ধরে চলে আসা তথাকথিত পেন্টাগন পিজ়া ইনডেক্স অনুযায়ী, যখনই পেন্টাগন বা আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা দফতরে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ চলে, তখন আশপাশের পিজ়ার দোকানগুলিতে অর্ডার বেড়ে যায়। অনেকের ধারণা, জরুরি বৈঠক বা বড় সামরিক সিদ্ধান্তের সময়ই এমন দৃশ্য দেখা যায়।গত বছরের জুন মাসেও এমন একটি ঘটনা নজরে এসেছিল। মধ্যপ্রাচ্যে বড়সড় হামলার ঠিক আগের সন্ধ্যায় পেন্টাগনের কাছাকাছি পিজ়ার দোকানগুলিতে হঠাৎ বিপুল ভিড় দেখা গিয়েছিল বলে দাবি করা হয়। সেই ঘটনার কথা তুলে ধরে অনেকেই বলছেন, এবারও তেমন কিছু হতে চলেছে।যদিও বিশেষজ্ঞদের একাংশ এই তত্ত্ব মানতে নারাজ। তাঁদের মতে, পিজ়ার অর্ডার বাড়ার পিছনে অনেক সাধারণ কারণ থাকতে পারে। এর সঙ্গে আন্তর্জাতিক রাজনীতি বা যুদ্ধের কোনও সরাসরি যোগ নেই বলেই মত তাঁদের। তবু সামাজিক মাধ্যমে জল্পনা থামছে না।এমনও দাবি উঠেছে যে, যদি কোনও হামলার পরিকল্পনা থেকে থাকে, তবে তা শুক্রবার বাজার বন্ধ হওয়ার পরেই হতে পারে। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে হঠাৎ ধাক্কা লাগার আশঙ্কা কমবে বলে মত কিছু ব্যবহারকারীর। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি।এই জল্পনার মধ্যেই আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, ইরানে আন্দোলনকারীদের উপর অত্যাচার হলে আমেরিকা চুপ করে থাকবে না। ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান নাকি আন্দোলনকারীদের হত্যা বন্ধ করেছে এবং ফাঁসির পরিকল্পনাও নেই।এছাড়া তিনি ইরানের বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে বলেছেন, তারা যেন আন্দোলন চালিয়ে যায়, সাহায্য আসছে। অন্যদিকে, আমেরিকা নিজের নাগরিকদের দ্রুত ইরান ছাড়ার পরামর্শও দিয়েছে। সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে পরিস্থিতি যে ক্রমেই আরও জটিল হয়ে উঠছে, তা স্পষ্ট।

জানুয়ারি ১৫, ২০২৬
দেশ

এয়ার ইন্ডিয়া দুর্ঘটনায় নতুন মোড়, মৃত পাইলটের আত্মীয়কে তলব ঘিরে তোলপাড়

এয়ার ইন্ডিয়ার ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার তদন্ত ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হল। ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান পাইলটস বা এফআইপি বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত ব্যুরোকে আইনি নোটিস পাঠিয়েছে। অভিযোগ, তদন্তের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক না থাকা সত্ত্বেও ক্যাপ্টেন বরুণ আনন্দকে তলব করা হয়েছে। এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ ক্যাপ্টেন আনন্দকে জানিয়েছে যে, তদন্তকারী সংস্থা তাঁকে হাজিরা দিতে বলেছে।পাইলট সংগঠনের দাবি, ক্যাপ্টেন বরুণ আনন্দের সঙ্গে ওই দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানের কোনও যোগ নেই। তিনি না তো ওই ফ্লাইটের পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, না দুর্ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। এমনকি তিনি কোনও তথ্যভিত্তিক, প্রযুক্তিগত বা বিশেষজ্ঞ সাক্ষীও নন। তবু তাঁকে ডাকা হয়েছে, যা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।এফআইপি জানিয়েছে, ক্যাপ্টেন বরুণ আনন্দকে তলব করা হয়েছে শুধুমাত্র এই কারণে যে তিনি মৃত পাইলট ক্যাপ্টেন সুমিত সভারওয়ালের আত্মীয়। ক্যাপ্টেন সভারওয়ালই ছিলেন ওই বিমানের প্রধান পাইলট। পাইলট সংগঠনের আশঙ্কা, এর মাধ্যমে দুর্ঘটনার দায় মৃত বিমানকর্মীদের উপর চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।সংগঠনের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক অসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার নিয়মের উল্লেখ করা হয়েছে। সেই নিয়ম অনুযায়ী, বিমান দুর্ঘটনার তদন্তে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের ডাকা বেআইনি। আরও অভিযোগ, তলবের নোটিসে স্পষ্ট করে জানানো হয়নি কেন তাঁকে ডাকা হচ্ছে, কোন আইনি ভিত্তিতে ডাকা হচ্ছে বা তিনি কোন ভূমিকায় তদন্তে হাজির হবেন।ক্যাপ্টেন বরুণ আনন্দ বর্তমানে এয়ার ইন্ডিয়ার কর্মরত পাইলট এবং এফআইপির সদস্য। তাঁকে ১৫ জানুয়ারি হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল। পাইলট সংগঠনের মতে, এই সিদ্ধান্ত অপ্রয়োজনীয় এবং এতে তাঁর মানসিক ও পেশাগত ক্ষতি হয়েছে। যদিও ক্যাপ্টেন আনন্দ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তদন্তে অংশ নিতে রাজি হয়েছেন।প্রসঙ্গত, গত ১২ জুন লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিমান আহমেদাবাদ বিমানবন্দর থেকে উড়ে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই ভেঙে পড়ে। বিমানটি একটি হস্টেল ভবনে আছড়ে পড়ে। ওই দুর্ঘটনায় ২৬০ জনের মৃত্যু হয়। বিমানে থাকা ২৪২ জন যাত্রীর মধ্যে ২৪১ জনই প্রাণ হারান। নিহতদের মধ্যে ছিলেন প্রাক্তন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানিও। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে এখনও তদন্ত চালাচ্ছে বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত ব্যুরো।

জানুয়ারি ১৫, ২০২৬
কলকাতা

নিপা আতঙ্কের মাঝেই আশার খবর, কোমা কাটিয়ে সাড়া দিচ্ছেন আক্রান্ত নার্স

রাজ্যে নিপা ভাইরাস নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই মিলল কিছুটা স্বস্তির খবর। নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত পুরুষ নার্স চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। এতদিন তিনি কোমায় ছিলেন। বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। বারাসাতের নারায়ণা হাসপাতালে ভর্তি ওই নার্সকে ধীরে ধীরে ভেন্টিলেটর থেকে বের করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর।একই সময়ে নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত মহিলা নার্সের শারীরিক অবস্থার কোনও পরিবর্তন হয়নি বলে জানা গিয়েছে। তিনি এখনও চিকিৎসকদের কড়া নজরদারিতে রয়েছেন। বেলেঘাটা আইডি হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, নিপা সন্দেহে আইসোলেশনে থাকা কয়েকজন চিকিৎসক ও নার্সের অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল। তবে তাঁদের শরীর থেকে নেওয়া নমুনার পরীক্ষার রিপোর্ট এখনও হাতে আসেনি।স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, নদিয়া জেলা থেকে যাঁদের নমুনা পরীক্ষার জন্য কল্যাণী এইমস-এ পাঠানো হয়েছিল, সেই ৪৫ জনের রিপোর্টই নেগেটিভ এসেছে। এতে কিছুটা হলেও স্বস্তি মিলেছে প্রশাসনের।এদিকে, দুই নার্স কীভাবে নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন, তা খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। স্বাস্থ্য দফতরের অনুমান, কাটোয়ার এক নার্স ১৫ থেকে ১৭ ডিসেম্বর পারিবারিক বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া নদিয়া জেলার ঘুঘরাগাছি গ্রামে গিয়েছিলেন। ওই এলাকা থেকেই সংক্রমণ হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এই অঞ্চলে কাঁচা খেজুরের রস ও খেজুরের গুড় তৈরির চল রয়েছে। ওই নার্স কাঁচা খেজুরের রস বা গুড় খেয়েছিলেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। এই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে স্বাস্থ্য দফতরের একটি দল ওই গ্রামে যেতে পারে।নদিয়া থেকে ফেরার পর ১৮ ডিসেম্বর থেকে ওই নার্সের সর্দি-কাশির উপসর্গ দেখা দেয়। স্বাস্থ্য দফতরের অনুমান, তাঁর সংস্পর্শে এসেই পুরুষ নার্সের শরীরে সংক্রমণ ছড়িয়েছে। ২০ ও ২১ ডিসেম্বর দুজনে একই হাসপাতালে নাইট ডিউটি করেছিলেন। চিকিৎসকরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, কাঁচা খেজুরের রস না খাওয়াই ভাল। তবে খেজুরের গুড় বা পাটালি খেলে সমস্যা নেই।নিপা আক্রান্ত দুই নার্সের চিকিৎসার জন্য দাদরা ও নগর হাভেলি থেকে বিশেষ ধরনের অ্যান্টিভাইরাল ইঞ্জেকশন আনা হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সহযোগিতায় মঙ্গলবার রাতে সেগুলি কলকাতায় পৌঁছয়। বুধবার সকালে সেই ইঞ্জেকশন প্রয়োগ করা হয়েছে।এর মধ্যেই নিপা সংক্রমণের আশঙ্কায় বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে আরও এক চিকিৎসক ও এক নার্সকে ভর্তি করা হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, কাটোয়ার আক্রান্ত নার্সের কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং করতে গিয়েই তাঁদের খোঁজ পাওয়া যায়। তাঁরা দুজনেই বর্ধমান জেলায় কর্মরত ছিলেন। তাঁদের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতরের দাবি, আক্রান্ত দুই নার্সের সংস্পর্শে এসেছিলেন এমন পাঁচজন স্বাস্থ্যকর্মীর নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল। প্রত্যেকের রিপোর্টই নেগেটিভ এসেছে।

জানুয়ারি ১৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal