• ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩, শনিবার ২৫ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Sensex

দেশ

ট্রাম্পের ঘোষণায় চাঙ্গা বাজার! কিন্তু ঘণ্টা খানেকেই ধাক্কা, আতঙ্কে বিনিয়োগকারীরা

মঙ্গলবার সকালে বাজার খুলতেই হঠাৎ করেই চাঙ্গা হয়ে ওঠে শেয়ার বাজার। সেনসেক্স ও নিফটি দুটিই দ্রুত উপরের দিকে উঠতে শুরু করে। একই সঙ্গে টাকার দামও কিছুটা শক্তিশালী হয় এবং সোনা ও রুপোর দাম কমে যায়। তবে এই উত্থান কতক্ষণ স্থায়ী হবে, তা নিয়ে শুরু থেকেই সংশয় তৈরি হয়।এই উত্থানের পিছনে রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্য। তিনি দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে এবং আগামী পাঁচ দিন ইরানের জ্বালানি পরিকাঠামোয় কোনও হামলা করা হবে না। এই ঘোষণার পরই বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ থামার আশা তৈরি হয় এবং তার প্রভাব পড়ে ভারতীয় বাজারেও।বাজার খুলতেই সেনসেক্স এক লাফে হাজার পয়েন্টেরও বেশি বেড়ে যায়। নিফটিতেও দেখা যায় উন্নতি। একই সময়ে টাকার দামও ডলারের তুলনায় প্রায় চৌত্রিশ পয়সা বেড়ে যায়। তেলের দাম কিছুটা কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়।কিন্তু এই খুশি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। বাজার খোলার অল্প সময়ের মধ্যেই সেনসেক্স প্রায় পাঁচশো পয়েন্ট পড়ে যায়। সূচক ঘোরাফেরা করতে থাকে তিয়াত্তর হাজার তিনশোর আশপাশে। এই ওঠানামা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই ঘোষণাকে ইতিমধ্যেই ইরান ভুয়ো বলে দাবি করেছে। সেই কারণেই বাজারে আবার অনিশ্চয়তা ফিরে এসেছে। যুদ্ধ যদি সত্যিই না থামে, তাহলে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।প্রায় চার সপ্তাহ ধরে চলা এই সংঘাত কবে শেষ হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তাই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। বাজারে অস্থিরতা থাকলে লাভের আশা করাও কঠিন হয়ে পড়বে। ফলে সাময়িক উত্থান হলেও বাজারের ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।

মার্চ ২৪, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের ধাক্কা! এক লহমায় ধসে পড়ল শেয়ার বাজার, উধাও লক্ষ কোটি টাকা

যুদ্ধের উত্তেজনার সরাসরি প্রভাব পড়ল শেয়ার বাজারে। ইরান, ইজরায়েল এবং আমেরিকার সংঘাতের জেরে তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে। সেই সঙ্গে অনিশ্চয়তার ছায়া নেমে এসেছে শেয়ার বাজারেও। সপ্তাহের প্রথম দিনেই বাজার খুলতেই বড় ধস নামল।সোমবার সকালে বাজার খোলার কিছুক্ষণের মধ্যেই দ্রুত নেমে যায় সেনসেক্স। সকাল প্রায় সাড়ে নটার সময় সূচক নেমে দাঁড়ায় প্রায় তেহাত্তর হাজারের সামান্য উপরে। এক ধাক্কায় প্রায় দেড় হাজার পয়েন্ট পড়ে যায়। একই সময়ে নিফটিও চারশোর বেশি পয়েন্ট হারিয়ে বাইশ হাজার সাতশোর কাছাকাছি নেমে আসে।এই ধসের মধ্যে খুব কম সংখ্যক সংস্থাই লাভের মুখ দেখেছে। তেলের সঙ্গে যুক্ত একটি সংস্থার শেয়ারের দাম কিছুটা বেড়েছে। অন্যদিকে বড় বড় ব্যাঙ্কের শেয়ারে পতন দেখা গিয়েছে। তথ্য প্রযুক্তি ক্ষেত্রেও চাপ স্পষ্ট, একাধিক সংস্থার শেয়ারের দাম কমেছে।অটোমোবাইল এবং ভোক্তা পণ্যের সংস্থাগুলিও এই ধাক্কা থেকে বাঁচতে পারেনি। একাধিক বড় সংস্থার শেয়ারের দাম কমেছে। নির্মাণ এবং পরিকাঠামো ক্ষেত্রের সংস্থাগুলির শেয়ারেও পতন দেখা গিয়েছে।এই পতনের জেরে বাজার থেকে এক ধাক্কায় বিপুল অর্থ উধাও হয়ে গিয়েছে। কয়েক লক্ষ কোটি টাকার সমপরিমাণ মূল্য কমে গিয়েছে বলে হিসাব মিলছে। কয়েক দিন আগেও যে বাজার মূলধন ছিল অনেক বেশি, তা আজ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।শুধু ভারতেই নয়, আন্তর্জাতিক বাজারেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার শেয়ার বাজারেও বড় পতন হয়েছে। বিশ্ব জুড়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।শেয়ার বাজারের পাশাপাশি সোনার দামেও বড় পতন হয়েছে। গত কয়েক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তরে নেমে এসেছে দাম। রুপোর দামও কমেছে। তবে বিপরীত চিত্র দেখা যাচ্ছে তেলের ক্ষেত্রে। তেলের দাম ক্রমাগত বেড়েই চলেছে এবং এক মাসের মধ্যে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্ব অর্থনীতির উপর তার গভীর প্রভাব পড়তে পারে। এমনকি অতীতের বড় তেল সঙ্কটের থেকেও এই পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মার্চ ২৩, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের আঁচে কাঁপছে বাজার! এক ধাক্কায় ১৬০০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স

আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ক্রমশই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। ইরান এবং কাতারের গ্যাস ভাণ্ডারে হামলার ঘটনার পর বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। তার সরাসরি প্রভাব পড়েছে শেয়ার বাজারে। বৃহস্পতিবার সকালে বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গেই বড়সড় ধস নামে।সকাল প্রায় ৯টা ১৬ মিনিট নাগাদ বোম্বে শেয়ার বাজারের প্রধান সূচক সেনসেক্স ১৬০০ পয়েন্টের বেশি পড়ে যায়। প্রায় ২ শতাংশের বেশি পতন হয়ে সূচক নেমে আসে ৭৫ হাজারের কিছু উপরে। অন্যদিকে নিফটিও প্রায় ৫০০ পয়েন্ট কমে যায়। বিভিন্ন বড় সংস্থার শেয়ারের দাম ২ থেকে ৪ শতাংশ পর্যন্ত নেমে যায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পতনের প্রধান কারণ আন্তর্জাতিক অস্থিরতা। প্রথমে ইরানের সাউথ পারস গ্যাস ক্ষেত্রে হামলা হয়। পরে কাতারের রাস লাফান গ্যাস ভাণ্ডারে পাল্টা হামলার খবর সামনে আসে। এই ঘটনার ফলে বিশ্বজুড়ে গ্যাসের ঘাটতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তেলের দাম দ্রুত বাড়তে থাকলে ভারতের মতো তেল আমদানিকারক দেশের অর্থনীতির উপর তার খারাপ প্রভাব পড়বে। দীর্ঘ সময় ধরে তেলের দাম বেশি থাকলে দেশের বৃদ্ধি এবং সংস্থাগুলির আয় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।এদিকে আমেরিকার কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সঙ্গে এ বছর খুব বেশি সুদের হার কমানো হবে না বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। তার প্রভাব পড়েছে বিশ্বের বিভিন্ন শেয়ার বাজারে।সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক অস্থিরতার জেরে শেয়ার বাজারে অনিশ্চয়তা বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মার্চ ১৯, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের ধাক্কায় ধস দালাল স্ট্রিটে! একদিনেই সেনসেক্স নামল ২৭০০ বেশি পয়েন্টে, কাঁপছে বাজার

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে কাঁপছে বিশ্ব অর্থনীতি। তার সরাসরি প্রভাব পড়ল ভারতের শেয়ার বাজারে। সপ্তাহের প্রথম দিন বাজার খুলতেই বড় ধাক্কা খেল দালাল স্ট্রিট। সেনসেক্স এক ধাক্কায় পড়ে গেল দুই হাজার সাতশোরও বেশি পয়েন্ট। নিফটিতেও বড়সড় পতন দেখা যায়।শনিবার থেকে ইরান, ইজরায়েল ও আমেরিকার সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে। পরপর কয়েকদিন ধরে পশ্চিম এশিয়ার একাধিক জায়গায় আক্রমণ চলছে। সেই প্রভাব যে শেয়ার বাজারে পড়বে, তা আগেই আন্দাজ করা হয়েছিল। তবে বাজার খুলতেই এত বড় পতন হবে, তা ভাবতে পারেননি অনেক বিনিয়োগকারী।সোমবার সকালে সেনসেক্স খোলে সাতাত্তর হাজার পাঁচশোর কিছু বেশি পয়েন্টে। যা আগের বাজার বন্ধের সূচকের তুলনায় দুই হাজার সাতশোরও বেশি কম। প্রায় সাড়ে তিন শতাংশ পড়ে যায় সূচক। নিফটিও পাঁচশোর বেশি পয়েন্ট হারায়। যদিও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে বাজার, তবুও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা কাটেনি।আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, অন্তত একমাস ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে। এই ঘোষণার পর বিশ্ব জুড়েই আতঙ্ক ছড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বাজারে স্থিতি ফিরতে সময় লাগবে।ভারতই নয়, বিশ্বজুড়েই শেয়ার বাজারে ধাক্কা লেগেছে। আমেরিকার বাজারে বড় পতন দেখা গিয়েছে। জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারেও দুই থেকে তিন শতাংশ পর্যন্ত সূচক নেমে গিয়েছে। হংকং ও চিনের বাজারেও একই ছবি। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আবু ধাবি ও দুবাইয়ের বাজার সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এদিকে যুদ্ধের আবহে দ্রুত বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ বন্ধ হয়ে গেলে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। তাতে ভারতের মতো তেল আমদানিনির্ভর দেশের উপর চাপ আরও বাড়বে। বাজার বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, যুদ্ধ যতদিন চলবে, ততদিন শেয়ার বাজারে অস্থিরতা থাকবেই।

মার্চ ০২, ২০২৬
ব্যবসা

বাজেটের পরই বাজিমাত! ইন্দো-মার্কিন চুক্তিতে সেনসেক্স ৮৫ হাজার, ডলার ভাঙল

সোমবার বাজেটের পরের দিন থেকেই চাঙ্গা হয়ে উঠল শেয়ার বাজার। একই সঙ্গে ডলারের তুলনায় শক্তিশালী হল ভারতীয় টাকা। সোমবার ডলারের দাম ৪৪ পয়সা কমে দাঁড়ায় ৯১.৪৯ টাকায়। তার পর গভীর রাতে ভারত ও আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি ঘোষণা হতেই টাকার দাম আরও বাড়ে। মঙ্গলবার ডলার আরও ১.০৯ টাকা পড়ে দাঁড়ায় ৯০.৪০ টাকায়, অর্থাৎ এক দিনে প্রায় ১.২ শতাংশ শক্তিশালী হয়েছে টাকা।শেয়ার বাজারেও দেখা গিয়েছে বড়সড় উত্থান। সোমবার সেনসেক্স ৮১,৬৬৬.৪৬ পয়েন্টে বন্ধ হওয়ার পর মঙ্গলবার তা প্রায় ৩,৬০০ পয়েন্ট বেড়ে ৮৫,০০০ পয়েন্টের গণ্ডি পেরিয়েছে। একইভাবে নিফটিও বাজেটের পরে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। সোমবার ২৫,০৮৮.৪০ পয়েন্টে বন্ধ হওয়ার পর মঙ্গলবার তা প্রায় ১,২০০ পয়েন্ট বেড়েছে।এই উত্থানের মূল কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে দীর্ঘ টালবাহানার পর ভারত ও আমেরিকার মধ্যে চূড়ান্ত হওয়া বাণিজ্য চুক্তিকে। এই চুক্তির ফলে ভারতের উপর আমেরিকার শুল্ক কমে ১৮ শতাংশে নেমেছে। এই সিদ্ধান্তের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।তবে এই চুক্তির পেছনে কিছু শর্তও রয়েছে বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ভারত নাকি রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করতে রাজি হয়েছে। তার বদলে আমেরিকার কাছ থেকে বেশি করে তেল কিনবে ভারত। পাশাপাশি ভেনেজুয়েলা থেকেও তেল কেনার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, আমেরিকা থেকে বিপুল অঙ্কের পণ্য আমদানির প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে ভারত। ট্রাম্পের দাবি, প্রায় ৫০০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের মার্কিন পণ্য কিনবে দিল্লি।সোমবার রাতে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে ফোনে কথা বলেন ট্রাম্প। সেই কথোপকথনের পর ট্রুথ সোশ্যাল মাধ্যমে পোস্ট করে এই সব দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তাঁর বক্তব্য, এই চুক্তির মাধ্যমে আমেরিকার বাণিজ্যিক স্বার্থ সুরক্ষিত রেখেই ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত করা হয়েছে।এই সব শর্ত সামনে আসতেই কংগ্রেস-সহ বিভিন্ন বিরোধী দল চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই চুক্তির প্রভাব শুধু কূটনীতি নয়, আগামী দিনে দেশের অর্থনীতি ও বাজারের গতিপথেও বড় প্রভাব ফেলতে চলেছে।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২৬
ব্যবসা

ফের শেয়ার বাজারে বড় পতন, কয়েক দিনে উধাও ১৭ লক্ষ ৫৪ হাজার কোটি টাকা

একদিন নয় পর পর পাঁচ দিন মুখ থুবড়ে পড়ল শেয়ার বাজার। সপ্তাহের প্রথম দিন প্রায় ৪০০ পয়েন্ট নীচে খোলে সেনসেক্স। নিফটি খোলে ১০০ পয়েন্ট নীচে। কিন্তু বেলা যত গড়ায় দুই সূচক ক্রমেই পড়তে থাকে। বেলা আড়ইটে নাগাদ সেনসেক্স সূচকের ১৯০০ পয়েন্ট পতন লক্ষ করা যায়। গত কয়েক সপ্তাহে নজিরবিহীন পতন শেয়ার বাজারে। প্রায় সব সেক্টরের শেয়ার দর ব্যাপকভাবে পড়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি, ধাতুর শেয়ার তাদের মধ্যে অন্যতম।গত পাঁচ দিনে ১৭ লক্ষ ৫৪ হাজার কোটি টাকা ধুয়ে সাফ হয়ে গিয়েছে শেয়ার বাজার থেকে। গত ডিসেম্বর থেকে শেয়ার বিক্রি করতে দেখা যায় বিদেশি বিনিয়োগকারীদের। সে সময় শেয়ার কিনে বাজারের স্থিতাবস্থা ঠিক রাখার চেষ্টা করে ঘরোয়া বিনিয়োগকারীরা। কিন্তু সামনেই সাধারণ বাজেট। ভোটমুখী রাজ্যগুলির দিকে মাথায় রেখে সরকার এগোবে না ২০২৪-কে লক্ষ্য রেখে সুদূর প্রসারী পরিকল্পনার পথে হাঁটবে, তা নিয়ে ধোঁয়াশায় বিনিয়োগকারীরা। স্বভাবতই ধীরে চলো নীতিতে এগোচ্ছেন তাঁরা। যার কারণে বাজারে পতন অব্যাহত।ছোট এবং মাঝারি সংস্থাগুলির পাশাপাশি বড় কোম্পানিগুলির শেয়ারেরও পতন ঘটেছে সোমবার। প্রায় সমস্ত ধরনের শেয়ারের দামই পড়েছে। সেই তালিকায় রয়েছে বাজাজ ফাইনান্স, জেএসডব্লিউ স্টিল, টেক মহিন্দ্রা, টাটা স্টিল এবং উইপ্রোর মতো সংস্থা। তবে এনটিপিসি, সান ফার্মা, ভারতী এয়ারটেল, আইএসআইএসআই ব্যাংক, ইন্ডাসইন্ড ব্যাংকের মতো কিছু সংস্থার শেয়ার দর পড়েনি।

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
বিবিধ

Share Market: ওমিক্রন-হানা শেয়ার বাজারেও, ফের পতন নিফটি এবং সেনসেক্সের

শেয়ার বাজারে থাবা বসাল ওমিক্রন উদ্বেগ। করোনা ভাইরাসের নতুন রূপের অভিঘাতে সোমবার বাজার খোলার পরেই হুড়মুড়িয়ে পতন ঘটল সূচক সেনসেক্স এবং নিফটির।ওমিক্রন উদ্বেগের জেরে সপ্তাহের প্রথম কাজের দিন বাজার খোলার পরে সেনসেক্স ১,১০০ পয়েন্ট পড়ে যায়। নিফটি ৩৩৯ পয়েন্ট খুইয়ে নেমে আসে ১৬,৬৫০-এরও তলায়। শুধু ভারত নয়, আমেরিকা, ব্রিটেন, জার্মানি, জাপান, কোরিয়া, হংকং-সহ বিভিন্ন দেশে শেয়ার সূচকের পতন খবর পাওয়া গিয়েছে সোমবার।গত ১৯ অক্টোবর সেনসেক্স পেরিয়েছিল ৬২ হাজারের গণ্ডি। মাত্র ১৯ মাসে ২৬ হাজার পয়েন্টের ওই উত্থানে আশার আলো দেখছিলেন বাজার বিশেষজ্ঞেরা। কিন্তু নভেম্বরের শেষ পর্বে ওমিক্রন উদ্বেগের জেরে তা ৫৭,১০৭-এ নেমে আসে।বিশ্বজুড়ে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির প্রভাব চলতি সপ্তাহে শেয়ার বাজারের উপরে কতটা পড়ে সে দিকে তাকিয়ে ছিল সংশ্লিষ্ট মহল। সোমবার সকালে লেনদেন শুরু হতেই দেখা গেল দ্রুত মাথা নামাচ্ছে সূচক। এক সময় সেনসেক্স ১,১০৮ পয়েন্ট খুইয়ে নেমে আসে ৫৫,০০৩-এ। পরে সামান্য বাড়ে সূচক।

ডিসেম্বর ২০, ২০২১
দেশ

Sensex: শেয়ার বাজারে নয়া রেকর্ড, সূচক চড়ল সেনসেক্স-নিফটির

কেন্দ্রের নয়া টেলিকম নীতি ঘোষণার পরের দিনই দর চড়ল শেয়ার বাজার। বৃহস্পতিবার বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ (বিএসই) সূচক সেনসেক্স এবং ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে (এনএসই) সূচক নিফটি নতুন উচ্চতা ছুঁয়েছে। দিনের শেষে সেনসেক্স ৫৯,১৪১ এবং নিফটি ১৭,৬২০ পয়েন্টে পৌঁছয় বৃহস্পতিবার। আরও পড়ুনঃ সিবিআই জেরার মুখে মমতার নির্বাচনী এজেন্টএক সময় সেনসেক্স পৌঁছে গিয়েছিল ৫৯,২০৪ পয়েন্টে। পরে তা কিছুটা নেমে আসে।নিফটি-ও বৃহস্পতিবার ১১০ পয়েন্ট বেড়ে সর্বকালীন রেকর্ড গড়ে। প্রসঙ্গত, অগস্টের শেষ সপ্তাহ এবং সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ৫৬ হাজারের ঘর থেকে ৫৮ হাজারে ঢুকে পড়েছিল সেনসেক্স। এই ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি মাসেই সেনসেক্স ৬০ হাজার ছোঁয়ার রেকর্ড গড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।ধারাবাহিক বিদেশি লগ্নি এবং রিলায়্যান্স ইন্ডাস্ট্রিজ, আইটিসি, আইসিআইসিআই ব্যা্ংকের ব্যবসার অগ্রগতির কারণেই সেনসেক্স ৪১৭ পয়েন্ট বেড়েছে। এর প্রভাবে বেড়েছে গুরুত্বপূর্ণ ৩০টি সংস্থার শেয়ার। টেলিকম শিল্পকে স্বস্তি দিয়ে বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত নেয়, আগামী চার বছর সংস্থাগুলিকে স্পেকট্রাম এবং লাইসেন্স ফি খাতে সরকারের বকেয়া না-মেটালেও চলবে। এর জেরেই শেয়ার সূচক ফের চাঙ্গা হয়েছে বলে মনে করছেন বাজার বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২১
দেশ

Sensex: বাজার খুলতেই রেকর্ড শেয়ারবাজারে

বাজার খুলতেই ফের রেকর্ড গড়ল সেনসেক্স। সকাল থেকেই মুনাফা লুটছে এইচডিএফসি, আইসিআইসিআই-র মতো ব্যাংকগুলি। বুধবার সকালেই সেনসেক্স প্রায় ৪০০ পয়েন্ট বেড়ে ৫৪ হাজারের গণ্ডি পার করে। নিফটিও ১২৪.২৫ পয়েন্ট বেড়ে ১৬ হাজার ২৫৫-এ পৌঁছল, যা আরেক রেকর্ড।আরও পড়ুনঃ ফের উদ্ধার ২ বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহবিগত কয়েক মাসের ভাঁটা কাটিয়ে বিগত কয়েকদিন ধরেই শেয়ার বাজার উর্ধ্বমুখী ছিল।এ দিন সকালে বাজার খুলতেই বিএসই সেনসেক্স সূচক একলাফে ৪৭৮.৮৪ বেড়ে যায়। সেনসেক্স পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৫৪,২৯৮.২০-এ। বাজারের প্রাথমিক ট্রেন্ডের তুলনায় বর্তমানে সেনসেক্স ৪১৫.৩৩ পয়েন্ট বেশি। এ দিনের বাজার খুলতেই সবথেকে বেশি লাভ করেছে এইচডিএফসি ব্যাংক, আইসিআইসিআই ব্যাংক, ডঃ রেড্ডিজ ল্যাব, ইনফোসিস, রিলায়েন্স। অন্যদিকে, ভারতী এয়ারটেল, নেসলে ইন্ডিয়া, এসবিআই, এইচইউএল ও আল্ট্রাটেক সিমেন্টের শেয়ার কিছুটা ক্ষতির মুখে পড়েছে।গতকাল বাজার বন্ধের সময়ই সেনসেক্স ৮৭২.৭৩ পয়েন্ট বেড়ে ৫৩ হাজারে দাঁড়িয়েছিল। নিফটিও ২৪৫.৬০ পয়েন্ট বেড়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ রেকর্ড ১৬,১৩০.৭৫ সূচকে পৌঁছেছিল। আচমকা শেয়ার বাজারের দর ওঠার পিছনে জিএসটি সংগ্রহ, ধাতু ও ব্যাংকের শেয়ারের দর বৃদ্ধিই দায়ী বলে মনে করছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক বাজারেও সূচক উর্ধ্বমুখীই। ফলে খু্শির হাওয়া দালালস্ট্রিটে।

আগস্ট ০৪, ২০২১
দেশ

শেয়ার বাজারে ইতিহাস গড়ল সেনসেক্স

করোনা টিকাকরণ ও বাইডেনের শপথগ্রহণের জোড়া খবরে এই প্রথমবার ৫০ হাজারের গণ্ডি পেরোল সেনসেক্স। প্রথমবার বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক পেরোল ৫০ হাজারের গণ্ডি। ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের নিফটিও পেরিয়েছে ১৪ হাজার ৭০০ পয়েন্টের গণ্ডি। এখানেও রেকর্ড।গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই লাগাতার ঊর্ধ্বমুখী ছিল সেনসেক্স। গতমাসের শুরুতে রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস মানিটারি পলিসি ঘোষণা করতেই চাঙ্গা হয়ে যায় শেয়ার বাজার। এক ধাক্কায় ৩৫০ পয়েন্ট লাফিয়ে সেনসেক্সের সূচক পৌঁছয় রেকর্ড ৪৫ হাজার ২৩ পয়েন্টে। রেকর্ড হারে বাড়ে ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের নিফটিও। ১০০ পয়েন্ট বেড়ে নিফটি পৌঁছয় ১৩ হাজার ২৪৮ পয়েন্টে। সেটা ছিল ৪ ডিসেম্বর। তারপর থেকে লাগাতার বাজার ঊর্ধ্বমুখী। বৃহস্পতিবার তা পেরিয়ে গেল ৫০ হাজারের গণ্ডি। বৃহস্পতিবার বাজার খুলতেই ৫০ হাজারের উপরে চলে যায় সেনসেক্স। এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৫০,১২৬.৭৩ অঙ্কে পৌঁছেছে সূচক। যা সর্বকালের রেকর্ড। নিফটির সর্বোচ্চ উত্থান ছিল ১৪ হাজার ৭৮৬ পয়েন্ট পর্যন্ত।লকডাউন পর্বে ইতিহাসের সবথেকে খারাপ বাজারের সাক্ষী হয় দালাল স্ট্রিট। সেনসেক্স নেমে দাঁড়ায় ২৫ হাজারের কোঠায়। সেখান থেকে মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে ফের রেকর্ড বৃদ্ধি সুসময়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা। যদিও তাঁদের মতে, সেনসেক্সের এই রেকর্ড বৃদ্ধির পিছনে মার্কিন মুলুকে ক্ষমতা হস্তান্তরের ভূমিকা অনস্বীকার্য। ট্রাম্প বিদায় নিতেই ওয়ালস্ট্রিটে স্থিরতা আসবে বলে মনে করছেন লগ্নিকারীরা। যা বিশ্বের বাজারেও স্থায়িত্ব আনবে। সেই প্রত্যাশা থেকেই দালাল স্ট্রিটে বাড়ছে বিনিয়োগ। যা অর্থনীতির জন্য সুখবর বলে মনে করছেন লগ্নিকারীরা।

জানুয়ারি ২১, ২০২১

ট্রেন্ডিং

দেশ

নিট বিতর্কে রাতারাতি বড় সিদ্ধান্ত! এক ধাক্কায় বদলে যাচ্ছে পরীক্ষা ব্যবস্থা, সরানো হল বহু আধিকারিক

নিট প্রশ্নফাঁস বিতর্ক এবং দেশজুড়ে ছাত্র আন্দোলনের আবহে জাতীয় স্তরের পরীক্ষা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের পথে হাঁটছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় সূত্রের খবর, আগামী এক মাসের মধ্যে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির প্রশাসনিক কাঠামো, পরীক্ষা পরিচালনার পদ্ধতি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হবে। ভবিষ্যতে যাতে প্রশ্নফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মের কোনও সুযোগ না থাকে, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।সংবাদ সংস্থার সূত্রে জানা গিয়েছে, সংস্থার সাতচল্লিশ জন আধিকারিককে বরখাস্ত করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে। যদিও এই দাবির বিষয়ে সরকারি স্তরে বিস্তারিত ঘোষণা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।পরীক্ষা পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত বেসরকারি সংস্থাগুলির ভূমিকাও নতুন করে খতিয়ে দেখা হবে। প্রশ্নপত্র তৈরি, মুদ্রণ, সংরক্ষণ, পরিবহণ এবং পরীক্ষা পরিচালনার প্রতিটি ধাপ পর্যালোচনা করা হবে। প্রয়োজন হলে বর্তমান ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন এনে আরও নিরাপদ ও স্বচ্ছ পদ্ধতি চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।দেশের বিভিন্ন জাতীয় স্তরের প্রবেশিকা পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা এই সংস্থার কাজকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করতে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনেরও পরিকল্পনা হয়েছে। প্রশাসনিক, প্রযুক্তিগত এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত নানা বিষয়ে এই কমিটি সুপারিশ করবে। সেই সুপারিশের ভিত্তিতেই নতুন কাঠামো তৈরি করা হবে।নিট প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ সামনে আসার পর থেকেই দেশজুড়ে ছাত্রছাত্রীদের প্রতিবাদ তীব্র হয়েছে। দিল্লিকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া আন্দোলনে বহু পড়ুয়া, অভিভাবক এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমর্থন মিলেছে। এই পরিস্থিতিতে পরীক্ষা ব্যবস্থার উপর মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতেই দ্রুত সংস্কারের পথে এগোচ্ছে কেন্দ্র।এর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা পরীক্ষায় অনিয়ম রোধে বিদ্যমান আইনে সংশোধনের খসড়াও অনুমোদন করেছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, সংঘবদ্ধভাবে প্রশ্নফাঁস বা পরীক্ষায় জালিয়াতির ঘটনায় সর্বোচ্চ দশ বছরের কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ দশ কোটি টাকা জরিমানার বিধান আনার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে অর্থের বিনিময়ে পরীক্ষায় অনিয়মে সাহায্যকারী ব্যক্তি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের বিরুদ্ধেও কড়া শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। তবে নির্দোষ পরীক্ষার্থীরা যাতে কোনওভাবেই আইনের অপব্যবহারের শিকার না হন, সেই বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।এদিকে আন্দোলনকারীরা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ, প্রশ্নফাঁসের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত, শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে অনড় রয়েছেন। ফলে আগামী দিনে কেন্দ্রের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রয়েছে গোটা দেশের।

জুলাই ২৪, ২০২৬
কলকাতা

নিট আন্দোলনে বড় চমক! দিল্লির যন্তর মন্তরে যোগ দিচ্ছেন মমতা, তুঙ্গে রাজনৈতিক জল্পনা

নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ঘিরে দেশজুড়ে চলা ছাত্র আন্দোলনের আবহে এবার দিল্লির যন্তর মন্তরের বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার ঘোষণা করলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী সোমবার তিনি আন্দোলনস্থলে উপস্থিত থাকবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। এর আগে একুশে জুলাইয়ের সভা থেকেই আন্দোলনকারীদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছিলেন তিনি। প্রয়োজনে দিল্লিতে গিয়ে আন্দোলনে যোগ দেওয়ার কথাও জানিয়েছিলেন। সেই ঘোষণার পরই তাঁর এই সফর ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে দিল্লিতে আন্দোলন চলছে। এই আন্দোলনে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের পাশাপাশি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিও সমর্থন জানিয়েছে। এর আগে কংগ্রেসের নেতৃত্বে বিরোধী জোটের প্রতিনিধিরাও আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দেখা করেছেন। এবার সেই আন্দোলনে সরাসরি যোগ দিতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এতদিন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিরা আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানালেও এবার দলনেত্রীর সরাসরি উপস্থিতি জাতীয় রাজনীতিতে নতুন বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বিজেপি বিরোধী ইস্যুগুলিতে আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের দাবি, দিল্লি সফরে তিনি বিরোধী শিবিরের কয়েকজন শীর্ষ নেতার সঙ্গেও বৈঠক করতে পারেন। যদিও এ বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।অন্যদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে বিজেপির তরফে কড়া প্রতিক্রিয়া এসেছে। দলের মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার এই পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন। আবার বিরোধী রাজনৈতিক মহলের অন্য অংশ থেকেও মমতার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। ফলে নিট ইস্যুকে কেন্দ্র করে দিল্লির আন্দোলন এখন আরও বেশি রাজনৈতিক গুরুত্ব পেতে শুরু করেছে।

জুলাই ২৪, ২০২৬
দেশ

কেন্দ্রের সঙ্গে বৈঠক শেষ, তবু অনড় অবস্থান! এক সিদ্ধান্তেই আটকে গোটা আলোচনা

কেন্দ্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার বৈঠক শেষ হলেও সমাধানের কোনও পথ এখনও তৈরি হয়নি। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে অনড় রয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে প্রায় দুই ঘণ্টার বৈঠকের পর সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এই দাবি থেকে তাঁরা এক ইঞ্চিও সরবেন না। আগামীকাল দুপুর দুটোয় আবার কেন্দ্র ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে বৈঠক হবে।বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিজিৎ দিপকে বলেন, সরকার যদি সত্যিই এই আন্দোলনের সমাধান করতে চায়, তাহলে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করাতেই হবে। এই দাবির থেকে কম কোনও প্রস্তাবে তাঁরা রাজি নন বলেও তিনি জানান।আন্দোলনকারীদের দাবি, বৈঠকে কেন্দ্র কয়েকটি বিষয়ে নীতিগতভাবে ইতিবাচক অবস্থান নিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ক্ষতিপূরণ এবং আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের প্রশ্নে কেন্দ্র চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে আগামীকাল পর্যন্ত সময় চেয়েছে।এদিকে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক দীর্ঘ অনশন প্রত্যাহার করেছেন। তবে সেই প্রসঙ্গ তুলে আন্দোলন থামানোর সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছেন অভিজিৎ দিপকে। তাঁর বক্তব্য, এই আন্দোলন আর কোনও এক ব্যক্তি বা সংগঠনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এটি দেশের যুবসমাজের আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। তাই একমাত্র পদত্যাগের সিদ্ধান্তই আন্দোলনের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।সংগঠনের জাতীয় মুখপাত্র আশুতোষ রানকার দাবি, সরকার আন্দোলনকারীদের দুটি দাবিতে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে। নিট পরীক্ষাকে ঘিরে আত্মহত্যার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে ক্ষতিপূরণ এবং আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ না করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়টি এখনও ঝুলে রয়েছে। সেই কারণেই আগামীকালের বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্দোলনকারীরা।

জুলাই ২৪, ২০২৬
কলকাতা

বিধানসভায় বড় মোড়! কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস, শেষমেশ যা বললেন নিজেই

পরপর দুদিনের উত্তেজনার পর পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। স্পিকারের চেয়ারকে অসম্মান করার অভিযোগ তুলে বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস এনেছেন পরিষদীয় মন্ত্রী শংকর ঘোষ। স্পিকার রথীন্দ্র ঘোষ জানিয়েছেন, সেই নোটিস গ্রহণ করা হয়েছে। যদিও কুণাল ঘোষ স্পষ্ট দাবি করেছেন, তিনি স্পিকারের চেয়ারকে অসম্মান করতে চাননি। যদি তাঁর আচরণে এমন কোনও ধারণা তৈরি হয়ে থাকে, তার জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করছেন।গত দুদিন ধরে বিধানসভার ভিতরে শাসক দলের দুই শিবিরের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। বুধবার নিজের নাম থাকা সত্ত্বেও বক্তব্য রাখার সুযোগ না পাওয়ার অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ জানান কুণাল ঘোষ। সেই সময় বিধানসভায় ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে। পরে তাঁকে সাসপেন্ড করা হয় এবং মার্শাল ডেকে সভাকক্ষ থেকে বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়।বৃহস্পতিবারও সেই ঘটনার রেশ বজায় থাকে। অধিবেশন শুরু হওয়ার পর শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় আগের দিনের ঘটনা নিয়ে কথা বলতে চাইলে স্পিকার বলেন, আগের দিনের ঘটনা অত্যন্ত কলঙ্কজনক। এই মন্তব্যের প্রতিবাদ করেন কুণাল ঘোষের শিবিরের বিধায়কেরা। এরপর শুক্রবার পরিষদীয় মন্ত্রী শংকর ঘোষ স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস আনেন।জবাবে কুণাল ঘোষ বলেন, তিনি কখনও স্পিকারের চেয়ারকে অসম্মান করেননি। তিনি একজন নির্বাচিত বিধায়ক হিসেবে নিজের বক্তব্য রাখার সুযোগ চেয়েছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে বিষয়টি জানানো হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, দলের তরফে নাম পাঠানো হলেও তাঁকে বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া হয়নি। সেই কারণেই তিনি প্রতীকী প্রতিবাদ করেছিলেন। তবে স্পিকারের প্রতি কোনও অসম্মান দেখানোর উদ্দেশ্য ছিল না বলেই তিনি জানান।স্পিকার রথীন্দ্র ঘোষ নোটিস গ্রহণ করার পাশাপাশি দুই পক্ষকে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সমস্যা মিটিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। ফলে এই বিতর্ক আগামী দিনে কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ২৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

শাহরুখ কি সত্যিই পড়ুয়াদের পাশে? ভাইরাল পোস্ট ঘিরে সামনে এল চমকে দেওয়া সত্য!

নিট প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ঘিরে দেশজুড়ে আন্দোলন চলছে। যন্তর মন্তরে টানা আন্দোলন করছেন বহু পড়ুয়া। সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক অনশন প্রত্যাহার করলেও আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের প্রতিবাদ চলবে। এই আন্দোলনের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিভিন্ন ক্ষেত্রের বহু মানুষ। চলচ্চিত্র জগতের একাধিক তারকাও নিজেদের মত প্রকাশ করেছেন।এই পরিস্থিতিতেই সমাজমাধ্যমে শাহরুখ খানের নামে একটি পোস্ট দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়ে। সেখানে দাবি করা হয়, তিনি পড়ুয়াদের আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতার দাবি তুলেছেন। পোস্টটি মুহূর্তের মধ্যে হাজার হাজার মানুষের কাছে পৌঁছে যায়।তবে পরে জানা যায়, ভাইরাল হওয়া পোস্টটি শাহরুখ খানের সরকারি সমাজমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট থেকে করা হয়নি। অন্য এক ব্যবহারকারীর তৈরি একটি স্ক্রিনশটকে অনেকেই সত্যি বলে প্রচার করতে শুরু করেন। শাহরুখের সরকারি প্রোফাইলে এমন কোনও পোস্টের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।ভাইরাল হওয়া বার্তায় পড়ুয়াদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল। পাশাপাশি শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ ছিল। কিন্তু সেই বার্তার সত্যতা মেলেনি।ঘটনার পর শাহরুখের অনুরাগীদের একাংশ ভুয়ো পোস্ট ছড়ানোর তীব্র সমালোচনা করেছেন। তাঁদের দাবি, কোনও তারকার নামে ভুয়ো বার্তা ছড়ানো বিভ্রান্তি তৈরি করে। এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে শাহরুখ খান প্রকাশ্যে কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি। ফলে ভাইরাল পোস্টটি যে ভুয়ো, সেটিই এখন স্পষ্ট।

জুলাই ২৪, ২০২৬
দেশ

প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে বড় ঝড়! রাতারাতি সরানো হল শিক্ষা সচিব, কড়া বার্তা কেন্দ্রের

নিট প্রশ্নফাঁস বিতর্কের আবহে কেন্দ্রীয় সরকার শিক্ষা দফতরে বড় প্রশাসনিক পরিবর্তন করল। শিক্ষা সচিবের পদ থেকে সরানো হয়েছে বিনীত যোশীকে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নরেশ গাঙ্গোয়ারকে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কেন্দ্রের তরফে এই বদলির বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।চলতি বছরের জানুয়ারিতে উচ্চশিক্ষা দফতরের সচিব হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন বিনীত যোশী। এবার তাঁকে পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রকে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে স্কুলশিক্ষা দফতরের নতুন সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন টি কে অনিল কুমার। এর আগে তিনি গ্রামোন্নয়ন দফতরের সচিব ছিলেন।বিনীত যোশী দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার অধিকারী। তিনি মণিপুরের মুখ্যসচিব ছিলেন। পাশাপাশি জাতীয় পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা সংস্থার প্রথম মহাপরিচালকের দায়িত্বও সামলেছেন। শিক্ষা মন্ত্রক এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষা বোর্ডেও গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন।নতুন শিক্ষা সচিব নরেশ গাঙ্গোয়ার পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের একজন জ্যেষ্ঠ প্রশাসনিক আধিকারিক। এর আগে তিনি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ দফতরের সচিব ছিলেন। শিক্ষা প্রশাসনেও তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। রাজস্থানের স্কুলশিক্ষা দফতরেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছিলেন।নিট প্রশ্নফাঁস এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে গত কয়েক দিন ধরে দেশজুড়ে তীব্র বিতর্ক চলছে। রাজধানীতে লাগাতার বিক্ষোভ হয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই শিক্ষা দফতরে এই বড় পরিবর্তন ঘটল। একই সঙ্গে প্রশ্নফাঁস মামলার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে বিশেষ আদালত গঠনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের দাবি, শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতে এবং প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতেই একের পর এক পদক্ষেপ করা হচ্ছে।

জুলাই ২৪, ২০২৬
কলকাতা

দুই ছেলের পর এবার ইডি দপ্তরে মদন মিত্রের স্ত্রী! তদন্তে কি মিলবে বড় সূত্র?

নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে এবার ইডি দপ্তরে হাজির হলেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের স্ত্রী অর্চনা মিত্র। শুক্রবার সকালে ছোট ছেলে শুভরূপ মিত্রকে সঙ্গে নিয়ে তিনি সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছন। সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর না দিয়েই তিনি ইডি দপ্তরে প্রবেশ করেন।কয়েক দিন আগে মদন মিত্রের স্ত্রী এবং দুই ছেলেকে তলব করেছিল ইডি। সেই অনুযায়ী বুধবার ছোট ছেলে শুভরূপ মিত্র এবং বৃহস্পতিবার বড় ছেলে স্বরূপ মিত্র তদন্তকারীদের সামনে হাজিরা দেন। দুজনকেই দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। বৃহস্পতিবারই স্বরূপ জানিয়েছিলেন, শুক্রবার তাঁর মা ইডির ডাকে হাজিরা দেবেন। সেই অনুযায়ী অর্চনা মিত্র এদিন তদন্তকারীদের সামনে উপস্থিত হন।ইডি সূত্রের দাবি, টিটাগড় পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে একশো পঁচিশ জনের চাকরি নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছে। সেই তদন্তের সূত্র ধরেই মদন মিত্রের নাম উঠে আসে। এরপর তাঁর বাড়ি, অফিস-সহ একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালানো হয় এবং তাঁকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, নিয়োগের বিনিময়ে কোনও বেআইনি আর্থিক লেনদেন হয়েছিল কি না। সেই কারণেই ব্যাঙ্কের নথি-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মদন মিত্রের পরিবারের কাছে চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। শুক্রবার অর্চনা মিত্রের কাছ থেকেও প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আগামী ঊনত্রিশ জুলাই মদন মিত্রকেও আবার ইডি দপ্তরে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জুলাই ২৪, ২০২৬
কলকাতা

‘২০৩১ সালে সুদ-সহ হিসেব নেব’ মন্তব্যেই বড় বিপদ! অভিষেকের বিরুদ্ধে নতুন মামলা

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে নতুন করে আইনি বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তাঁর একটি প্রকাশ্য মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিধাননগর কমিশনারেটের সাইবার ক্রাইম বিভাগে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।জানা গিয়েছে, রাজীব সরকার নামে এক ব্যক্তি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, একটি প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে করা তাঁর বক্তব্যকে ঘিরেই এই মামলা করা হয়েছে। সেই বক্তব্যের ভিডিওও তদন্তের অংশ হিসেবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।সম্প্রতি বেআইনি নির্মাণের অভিযোগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমতলার কার্যালয়ে বুলডোজার অভিযান চালানো হয়। ঘটনার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি দাবি করেন, ওই ভবনের সমস্ত বৈধ নথি রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, শুধুমাত্র ক্ষমতার অপব্যবহার করেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।সেই সময় অভিষেক বলেন, প্রতিটি কাজেরই প্রতিক্রিয়া রয়েছে। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, তিনি বেঁচে থাকলে দুই হাজার একত্রিশ সালে সুদ-সহ সব ফিরিয়ে দেবেন। এই মন্তব্যকে হুমকি হিসেবে ব্যাখ্যা করে তাঁর বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।এর আগেও বিভিন্ন মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম জড়িয়েছে। নিয়োগ দুর্নীতি, কয়লা ও বালি পাচার সংক্রান্ত অভিযোগ, সই জালিয়াতি-সহ একাধিক বিষয়ে তদন্ত চলছে। বিভিন্ন মামলায় তাঁকে তদন্তকারী সংস্থার জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখিও হতে হয়েছে। এবার সেই তালিকায় আরও একটি নতুন মামলা যুক্ত হল।

জুলাই ২৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal