• ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩, শুক্রবার ০১ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Sensex

দেশ

ট্রাম্পের ঘোষণায় চাঙ্গা বাজার! কিন্তু ঘণ্টা খানেকেই ধাক্কা, আতঙ্কে বিনিয়োগকারীরা

মঙ্গলবার সকালে বাজার খুলতেই হঠাৎ করেই চাঙ্গা হয়ে ওঠে শেয়ার বাজার। সেনসেক্স ও নিফটি দুটিই দ্রুত উপরের দিকে উঠতে শুরু করে। একই সঙ্গে টাকার দামও কিছুটা শক্তিশালী হয় এবং সোনা ও রুপোর দাম কমে যায়। তবে এই উত্থান কতক্ষণ স্থায়ী হবে, তা নিয়ে শুরু থেকেই সংশয় তৈরি হয়।এই উত্থানের পিছনে রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্য। তিনি দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে এবং আগামী পাঁচ দিন ইরানের জ্বালানি পরিকাঠামোয় কোনও হামলা করা হবে না। এই ঘোষণার পরই বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ থামার আশা তৈরি হয় এবং তার প্রভাব পড়ে ভারতীয় বাজারেও।বাজার খুলতেই সেনসেক্স এক লাফে হাজার পয়েন্টেরও বেশি বেড়ে যায়। নিফটিতেও দেখা যায় উন্নতি। একই সময়ে টাকার দামও ডলারের তুলনায় প্রায় চৌত্রিশ পয়সা বেড়ে যায়। তেলের দাম কিছুটা কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়।কিন্তু এই খুশি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। বাজার খোলার অল্প সময়ের মধ্যেই সেনসেক্স প্রায় পাঁচশো পয়েন্ট পড়ে যায়। সূচক ঘোরাফেরা করতে থাকে তিয়াত্তর হাজার তিনশোর আশপাশে। এই ওঠানামা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই ঘোষণাকে ইতিমধ্যেই ইরান ভুয়ো বলে দাবি করেছে। সেই কারণেই বাজারে আবার অনিশ্চয়তা ফিরে এসেছে। যুদ্ধ যদি সত্যিই না থামে, তাহলে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।প্রায় চার সপ্তাহ ধরে চলা এই সংঘাত কবে শেষ হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তাই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। বাজারে অস্থিরতা থাকলে লাভের আশা করাও কঠিন হয়ে পড়বে। ফলে সাময়িক উত্থান হলেও বাজারের ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।

মার্চ ২৪, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের ধাক্কা! এক লহমায় ধসে পড়ল শেয়ার বাজার, উধাও লক্ষ কোটি টাকা

যুদ্ধের উত্তেজনার সরাসরি প্রভাব পড়ল শেয়ার বাজারে। ইরান, ইজরায়েল এবং আমেরিকার সংঘাতের জেরে তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে। সেই সঙ্গে অনিশ্চয়তার ছায়া নেমে এসেছে শেয়ার বাজারেও। সপ্তাহের প্রথম দিনেই বাজার খুলতেই বড় ধস নামল।সোমবার সকালে বাজার খোলার কিছুক্ষণের মধ্যেই দ্রুত নেমে যায় সেনসেক্স। সকাল প্রায় সাড়ে নটার সময় সূচক নেমে দাঁড়ায় প্রায় তেহাত্তর হাজারের সামান্য উপরে। এক ধাক্কায় প্রায় দেড় হাজার পয়েন্ট পড়ে যায়। একই সময়ে নিফটিও চারশোর বেশি পয়েন্ট হারিয়ে বাইশ হাজার সাতশোর কাছাকাছি নেমে আসে।এই ধসের মধ্যে খুব কম সংখ্যক সংস্থাই লাভের মুখ দেখেছে। তেলের সঙ্গে যুক্ত একটি সংস্থার শেয়ারের দাম কিছুটা বেড়েছে। অন্যদিকে বড় বড় ব্যাঙ্কের শেয়ারে পতন দেখা গিয়েছে। তথ্য প্রযুক্তি ক্ষেত্রেও চাপ স্পষ্ট, একাধিক সংস্থার শেয়ারের দাম কমেছে।অটোমোবাইল এবং ভোক্তা পণ্যের সংস্থাগুলিও এই ধাক্কা থেকে বাঁচতে পারেনি। একাধিক বড় সংস্থার শেয়ারের দাম কমেছে। নির্মাণ এবং পরিকাঠামো ক্ষেত্রের সংস্থাগুলির শেয়ারেও পতন দেখা গিয়েছে।এই পতনের জেরে বাজার থেকে এক ধাক্কায় বিপুল অর্থ উধাও হয়ে গিয়েছে। কয়েক লক্ষ কোটি টাকার সমপরিমাণ মূল্য কমে গিয়েছে বলে হিসাব মিলছে। কয়েক দিন আগেও যে বাজার মূলধন ছিল অনেক বেশি, তা আজ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।শুধু ভারতেই নয়, আন্তর্জাতিক বাজারেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার শেয়ার বাজারেও বড় পতন হয়েছে। বিশ্ব জুড়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।শেয়ার বাজারের পাশাপাশি সোনার দামেও বড় পতন হয়েছে। গত কয়েক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তরে নেমে এসেছে দাম। রুপোর দামও কমেছে। তবে বিপরীত চিত্র দেখা যাচ্ছে তেলের ক্ষেত্রে। তেলের দাম ক্রমাগত বেড়েই চলেছে এবং এক মাসের মধ্যে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্ব অর্থনীতির উপর তার গভীর প্রভাব পড়তে পারে। এমনকি অতীতের বড় তেল সঙ্কটের থেকেও এই পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মার্চ ২৩, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের আঁচে কাঁপছে বাজার! এক ধাক্কায় ১৬০০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স

আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ক্রমশই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। ইরান এবং কাতারের গ্যাস ভাণ্ডারে হামলার ঘটনার পর বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। তার সরাসরি প্রভাব পড়েছে শেয়ার বাজারে। বৃহস্পতিবার সকালে বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গেই বড়সড় ধস নামে।সকাল প্রায় ৯টা ১৬ মিনিট নাগাদ বোম্বে শেয়ার বাজারের প্রধান সূচক সেনসেক্স ১৬০০ পয়েন্টের বেশি পড়ে যায়। প্রায় ২ শতাংশের বেশি পতন হয়ে সূচক নেমে আসে ৭৫ হাজারের কিছু উপরে। অন্যদিকে নিফটিও প্রায় ৫০০ পয়েন্ট কমে যায়। বিভিন্ন বড় সংস্থার শেয়ারের দাম ২ থেকে ৪ শতাংশ পর্যন্ত নেমে যায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পতনের প্রধান কারণ আন্তর্জাতিক অস্থিরতা। প্রথমে ইরানের সাউথ পারস গ্যাস ক্ষেত্রে হামলা হয়। পরে কাতারের রাস লাফান গ্যাস ভাণ্ডারে পাল্টা হামলার খবর সামনে আসে। এই ঘটনার ফলে বিশ্বজুড়ে গ্যাসের ঘাটতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তেলের দাম দ্রুত বাড়তে থাকলে ভারতের মতো তেল আমদানিকারক দেশের অর্থনীতির উপর তার খারাপ প্রভাব পড়বে। দীর্ঘ সময় ধরে তেলের দাম বেশি থাকলে দেশের বৃদ্ধি এবং সংস্থাগুলির আয় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।এদিকে আমেরিকার কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সঙ্গে এ বছর খুব বেশি সুদের হার কমানো হবে না বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। তার প্রভাব পড়েছে বিশ্বের বিভিন্ন শেয়ার বাজারে।সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক অস্থিরতার জেরে শেয়ার বাজারে অনিশ্চয়তা বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মার্চ ১৯, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের ধাক্কায় ধস দালাল স্ট্রিটে! একদিনেই সেনসেক্স নামল ২৭০০ বেশি পয়েন্টে, কাঁপছে বাজার

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে কাঁপছে বিশ্ব অর্থনীতি। তার সরাসরি প্রভাব পড়ল ভারতের শেয়ার বাজারে। সপ্তাহের প্রথম দিন বাজার খুলতেই বড় ধাক্কা খেল দালাল স্ট্রিট। সেনসেক্স এক ধাক্কায় পড়ে গেল দুই হাজার সাতশোরও বেশি পয়েন্ট। নিফটিতেও বড়সড় পতন দেখা যায়।শনিবার থেকে ইরান, ইজরায়েল ও আমেরিকার সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে। পরপর কয়েকদিন ধরে পশ্চিম এশিয়ার একাধিক জায়গায় আক্রমণ চলছে। সেই প্রভাব যে শেয়ার বাজারে পড়বে, তা আগেই আন্দাজ করা হয়েছিল। তবে বাজার খুলতেই এত বড় পতন হবে, তা ভাবতে পারেননি অনেক বিনিয়োগকারী।সোমবার সকালে সেনসেক্স খোলে সাতাত্তর হাজার পাঁচশোর কিছু বেশি পয়েন্টে। যা আগের বাজার বন্ধের সূচকের তুলনায় দুই হাজার সাতশোরও বেশি কম। প্রায় সাড়ে তিন শতাংশ পড়ে যায় সূচক। নিফটিও পাঁচশোর বেশি পয়েন্ট হারায়। যদিও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে বাজার, তবুও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা কাটেনি।আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, অন্তত একমাস ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে। এই ঘোষণার পর বিশ্ব জুড়েই আতঙ্ক ছড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বাজারে স্থিতি ফিরতে সময় লাগবে।ভারতই নয়, বিশ্বজুড়েই শেয়ার বাজারে ধাক্কা লেগেছে। আমেরিকার বাজারে বড় পতন দেখা গিয়েছে। জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারেও দুই থেকে তিন শতাংশ পর্যন্ত সূচক নেমে গিয়েছে। হংকং ও চিনের বাজারেও একই ছবি। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আবু ধাবি ও দুবাইয়ের বাজার সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এদিকে যুদ্ধের আবহে দ্রুত বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ বন্ধ হয়ে গেলে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। তাতে ভারতের মতো তেল আমদানিনির্ভর দেশের উপর চাপ আরও বাড়বে। বাজার বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, যুদ্ধ যতদিন চলবে, ততদিন শেয়ার বাজারে অস্থিরতা থাকবেই।

মার্চ ০২, ২০২৬
ব্যবসা

বাজেটের পরই বাজিমাত! ইন্দো-মার্কিন চুক্তিতে সেনসেক্স ৮৫ হাজার, ডলার ভাঙল

সোমবার বাজেটের পরের দিন থেকেই চাঙ্গা হয়ে উঠল শেয়ার বাজার। একই সঙ্গে ডলারের তুলনায় শক্তিশালী হল ভারতীয় টাকা। সোমবার ডলারের দাম ৪৪ পয়সা কমে দাঁড়ায় ৯১.৪৯ টাকায়। তার পর গভীর রাতে ভারত ও আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি ঘোষণা হতেই টাকার দাম আরও বাড়ে। মঙ্গলবার ডলার আরও ১.০৯ টাকা পড়ে দাঁড়ায় ৯০.৪০ টাকায়, অর্থাৎ এক দিনে প্রায় ১.২ শতাংশ শক্তিশালী হয়েছে টাকা।শেয়ার বাজারেও দেখা গিয়েছে বড়সড় উত্থান। সোমবার সেনসেক্স ৮১,৬৬৬.৪৬ পয়েন্টে বন্ধ হওয়ার পর মঙ্গলবার তা প্রায় ৩,৬০০ পয়েন্ট বেড়ে ৮৫,০০০ পয়েন্টের গণ্ডি পেরিয়েছে। একইভাবে নিফটিও বাজেটের পরে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। সোমবার ২৫,০৮৮.৪০ পয়েন্টে বন্ধ হওয়ার পর মঙ্গলবার তা প্রায় ১,২০০ পয়েন্ট বেড়েছে।এই উত্থানের মূল কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে দীর্ঘ টালবাহানার পর ভারত ও আমেরিকার মধ্যে চূড়ান্ত হওয়া বাণিজ্য চুক্তিকে। এই চুক্তির ফলে ভারতের উপর আমেরিকার শুল্ক কমে ১৮ শতাংশে নেমেছে। এই সিদ্ধান্তের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।তবে এই চুক্তির পেছনে কিছু শর্তও রয়েছে বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ভারত নাকি রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করতে রাজি হয়েছে। তার বদলে আমেরিকার কাছ থেকে বেশি করে তেল কিনবে ভারত। পাশাপাশি ভেনেজুয়েলা থেকেও তেল কেনার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, আমেরিকা থেকে বিপুল অঙ্কের পণ্য আমদানির প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে ভারত। ট্রাম্পের দাবি, প্রায় ৫০০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের মার্কিন পণ্য কিনবে দিল্লি।সোমবার রাতে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে ফোনে কথা বলেন ট্রাম্প। সেই কথোপকথনের পর ট্রুথ সোশ্যাল মাধ্যমে পোস্ট করে এই সব দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তাঁর বক্তব্য, এই চুক্তির মাধ্যমে আমেরিকার বাণিজ্যিক স্বার্থ সুরক্ষিত রেখেই ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত করা হয়েছে।এই সব শর্ত সামনে আসতেই কংগ্রেস-সহ বিভিন্ন বিরোধী দল চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই চুক্তির প্রভাব শুধু কূটনীতি নয়, আগামী দিনে দেশের অর্থনীতি ও বাজারের গতিপথেও বড় প্রভাব ফেলতে চলেছে।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২৬
ব্যবসা

ফের শেয়ার বাজারে বড় পতন, কয়েক দিনে উধাও ১৭ লক্ষ ৫৪ হাজার কোটি টাকা

একদিন নয় পর পর পাঁচ দিন মুখ থুবড়ে পড়ল শেয়ার বাজার। সপ্তাহের প্রথম দিন প্রায় ৪০০ পয়েন্ট নীচে খোলে সেনসেক্স। নিফটি খোলে ১০০ পয়েন্ট নীচে। কিন্তু বেলা যত গড়ায় দুই সূচক ক্রমেই পড়তে থাকে। বেলা আড়ইটে নাগাদ সেনসেক্স সূচকের ১৯০০ পয়েন্ট পতন লক্ষ করা যায়। গত কয়েক সপ্তাহে নজিরবিহীন পতন শেয়ার বাজারে। প্রায় সব সেক্টরের শেয়ার দর ব্যাপকভাবে পড়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি, ধাতুর শেয়ার তাদের মধ্যে অন্যতম।গত পাঁচ দিনে ১৭ লক্ষ ৫৪ হাজার কোটি টাকা ধুয়ে সাফ হয়ে গিয়েছে শেয়ার বাজার থেকে। গত ডিসেম্বর থেকে শেয়ার বিক্রি করতে দেখা যায় বিদেশি বিনিয়োগকারীদের। সে সময় শেয়ার কিনে বাজারের স্থিতাবস্থা ঠিক রাখার চেষ্টা করে ঘরোয়া বিনিয়োগকারীরা। কিন্তু সামনেই সাধারণ বাজেট। ভোটমুখী রাজ্যগুলির দিকে মাথায় রেখে সরকার এগোবে না ২০২৪-কে লক্ষ্য রেখে সুদূর প্রসারী পরিকল্পনার পথে হাঁটবে, তা নিয়ে ধোঁয়াশায় বিনিয়োগকারীরা। স্বভাবতই ধীরে চলো নীতিতে এগোচ্ছেন তাঁরা। যার কারণে বাজারে পতন অব্যাহত।ছোট এবং মাঝারি সংস্থাগুলির পাশাপাশি বড় কোম্পানিগুলির শেয়ারেরও পতন ঘটেছে সোমবার। প্রায় সমস্ত ধরনের শেয়ারের দামই পড়েছে। সেই তালিকায় রয়েছে বাজাজ ফাইনান্স, জেএসডব্লিউ স্টিল, টেক মহিন্দ্রা, টাটা স্টিল এবং উইপ্রোর মতো সংস্থা। তবে এনটিপিসি, সান ফার্মা, ভারতী এয়ারটেল, আইএসআইএসআই ব্যাংক, ইন্ডাসইন্ড ব্যাংকের মতো কিছু সংস্থার শেয়ার দর পড়েনি।

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
বিবিধ

Share Market: ওমিক্রন-হানা শেয়ার বাজারেও, ফের পতন নিফটি এবং সেনসেক্সের

শেয়ার বাজারে থাবা বসাল ওমিক্রন উদ্বেগ। করোনা ভাইরাসের নতুন রূপের অভিঘাতে সোমবার বাজার খোলার পরেই হুড়মুড়িয়ে পতন ঘটল সূচক সেনসেক্স এবং নিফটির।ওমিক্রন উদ্বেগের জেরে সপ্তাহের প্রথম কাজের দিন বাজার খোলার পরে সেনসেক্স ১,১০০ পয়েন্ট পড়ে যায়। নিফটি ৩৩৯ পয়েন্ট খুইয়ে নেমে আসে ১৬,৬৫০-এরও তলায়। শুধু ভারত নয়, আমেরিকা, ব্রিটেন, জার্মানি, জাপান, কোরিয়া, হংকং-সহ বিভিন্ন দেশে শেয়ার সূচকের পতন খবর পাওয়া গিয়েছে সোমবার।গত ১৯ অক্টোবর সেনসেক্স পেরিয়েছিল ৬২ হাজারের গণ্ডি। মাত্র ১৯ মাসে ২৬ হাজার পয়েন্টের ওই উত্থানে আশার আলো দেখছিলেন বাজার বিশেষজ্ঞেরা। কিন্তু নভেম্বরের শেষ পর্বে ওমিক্রন উদ্বেগের জেরে তা ৫৭,১০৭-এ নেমে আসে।বিশ্বজুড়ে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির প্রভাব চলতি সপ্তাহে শেয়ার বাজারের উপরে কতটা পড়ে সে দিকে তাকিয়ে ছিল সংশ্লিষ্ট মহল। সোমবার সকালে লেনদেন শুরু হতেই দেখা গেল দ্রুত মাথা নামাচ্ছে সূচক। এক সময় সেনসেক্স ১,১০৮ পয়েন্ট খুইয়ে নেমে আসে ৫৫,০০৩-এ। পরে সামান্য বাড়ে সূচক।

ডিসেম্বর ২০, ২০২১
দেশ

Sensex: শেয়ার বাজারে নয়া রেকর্ড, সূচক চড়ল সেনসেক্স-নিফটির

কেন্দ্রের নয়া টেলিকম নীতি ঘোষণার পরের দিনই দর চড়ল শেয়ার বাজার। বৃহস্পতিবার বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ (বিএসই) সূচক সেনসেক্স এবং ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে (এনএসই) সূচক নিফটি নতুন উচ্চতা ছুঁয়েছে। দিনের শেষে সেনসেক্স ৫৯,১৪১ এবং নিফটি ১৭,৬২০ পয়েন্টে পৌঁছয় বৃহস্পতিবার। আরও পড়ুনঃ সিবিআই জেরার মুখে মমতার নির্বাচনী এজেন্টএক সময় সেনসেক্স পৌঁছে গিয়েছিল ৫৯,২০৪ পয়েন্টে। পরে তা কিছুটা নেমে আসে।নিফটি-ও বৃহস্পতিবার ১১০ পয়েন্ট বেড়ে সর্বকালীন রেকর্ড গড়ে। প্রসঙ্গত, অগস্টের শেষ সপ্তাহ এবং সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ৫৬ হাজারের ঘর থেকে ৫৮ হাজারে ঢুকে পড়েছিল সেনসেক্স। এই ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি মাসেই সেনসেক্স ৬০ হাজার ছোঁয়ার রেকর্ড গড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।ধারাবাহিক বিদেশি লগ্নি এবং রিলায়্যান্স ইন্ডাস্ট্রিজ, আইটিসি, আইসিআইসিআই ব্যা্ংকের ব্যবসার অগ্রগতির কারণেই সেনসেক্স ৪১৭ পয়েন্ট বেড়েছে। এর প্রভাবে বেড়েছে গুরুত্বপূর্ণ ৩০টি সংস্থার শেয়ার। টেলিকম শিল্পকে স্বস্তি দিয়ে বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত নেয়, আগামী চার বছর সংস্থাগুলিকে স্পেকট্রাম এবং লাইসেন্স ফি খাতে সরকারের বকেয়া না-মেটালেও চলবে। এর জেরেই শেয়ার সূচক ফের চাঙ্গা হয়েছে বলে মনে করছেন বাজার বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২১
দেশ

Sensex: বাজার খুলতেই রেকর্ড শেয়ারবাজারে

বাজার খুলতেই ফের রেকর্ড গড়ল সেনসেক্স। সকাল থেকেই মুনাফা লুটছে এইচডিএফসি, আইসিআইসিআই-র মতো ব্যাংকগুলি। বুধবার সকালেই সেনসেক্স প্রায় ৪০০ পয়েন্ট বেড়ে ৫৪ হাজারের গণ্ডি পার করে। নিফটিও ১২৪.২৫ পয়েন্ট বেড়ে ১৬ হাজার ২৫৫-এ পৌঁছল, যা আরেক রেকর্ড।আরও পড়ুনঃ ফের উদ্ধার ২ বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহবিগত কয়েক মাসের ভাঁটা কাটিয়ে বিগত কয়েকদিন ধরেই শেয়ার বাজার উর্ধ্বমুখী ছিল।এ দিন সকালে বাজার খুলতেই বিএসই সেনসেক্স সূচক একলাফে ৪৭৮.৮৪ বেড়ে যায়। সেনসেক্স পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৫৪,২৯৮.২০-এ। বাজারের প্রাথমিক ট্রেন্ডের তুলনায় বর্তমানে সেনসেক্স ৪১৫.৩৩ পয়েন্ট বেশি। এ দিনের বাজার খুলতেই সবথেকে বেশি লাভ করেছে এইচডিএফসি ব্যাংক, আইসিআইসিআই ব্যাংক, ডঃ রেড্ডিজ ল্যাব, ইনফোসিস, রিলায়েন্স। অন্যদিকে, ভারতী এয়ারটেল, নেসলে ইন্ডিয়া, এসবিআই, এইচইউএল ও আল্ট্রাটেক সিমেন্টের শেয়ার কিছুটা ক্ষতির মুখে পড়েছে।গতকাল বাজার বন্ধের সময়ই সেনসেক্স ৮৭২.৭৩ পয়েন্ট বেড়ে ৫৩ হাজারে দাঁড়িয়েছিল। নিফটিও ২৪৫.৬০ পয়েন্ট বেড়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ রেকর্ড ১৬,১৩০.৭৫ সূচকে পৌঁছেছিল। আচমকা শেয়ার বাজারের দর ওঠার পিছনে জিএসটি সংগ্রহ, ধাতু ও ব্যাংকের শেয়ারের দর বৃদ্ধিই দায়ী বলে মনে করছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক বাজারেও সূচক উর্ধ্বমুখীই। ফলে খু্শির হাওয়া দালালস্ট্রিটে।

আগস্ট ০৪, ২০২১
দেশ

শেয়ার বাজারে ইতিহাস গড়ল সেনসেক্স

করোনা টিকাকরণ ও বাইডেনের শপথগ্রহণের জোড়া খবরে এই প্রথমবার ৫০ হাজারের গণ্ডি পেরোল সেনসেক্স। প্রথমবার বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক পেরোল ৫০ হাজারের গণ্ডি। ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের নিফটিও পেরিয়েছে ১৪ হাজার ৭০০ পয়েন্টের গণ্ডি। এখানেও রেকর্ড।গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই লাগাতার ঊর্ধ্বমুখী ছিল সেনসেক্স। গতমাসের শুরুতে রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস মানিটারি পলিসি ঘোষণা করতেই চাঙ্গা হয়ে যায় শেয়ার বাজার। এক ধাক্কায় ৩৫০ পয়েন্ট লাফিয়ে সেনসেক্সের সূচক পৌঁছয় রেকর্ড ৪৫ হাজার ২৩ পয়েন্টে। রেকর্ড হারে বাড়ে ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের নিফটিও। ১০০ পয়েন্ট বেড়ে নিফটি পৌঁছয় ১৩ হাজার ২৪৮ পয়েন্টে। সেটা ছিল ৪ ডিসেম্বর। তারপর থেকে লাগাতার বাজার ঊর্ধ্বমুখী। বৃহস্পতিবার তা পেরিয়ে গেল ৫০ হাজারের গণ্ডি। বৃহস্পতিবার বাজার খুলতেই ৫০ হাজারের উপরে চলে যায় সেনসেক্স। এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৫০,১২৬.৭৩ অঙ্কে পৌঁছেছে সূচক। যা সর্বকালের রেকর্ড। নিফটির সর্বোচ্চ উত্থান ছিল ১৪ হাজার ৭৮৬ পয়েন্ট পর্যন্ত।লকডাউন পর্বে ইতিহাসের সবথেকে খারাপ বাজারের সাক্ষী হয় দালাল স্ট্রিট। সেনসেক্স নেমে দাঁড়ায় ২৫ হাজারের কোঠায়। সেখান থেকে মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে ফের রেকর্ড বৃদ্ধি সুসময়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা। যদিও তাঁদের মতে, সেনসেক্সের এই রেকর্ড বৃদ্ধির পিছনে মার্কিন মুলুকে ক্ষমতা হস্তান্তরের ভূমিকা অনস্বীকার্য। ট্রাম্প বিদায় নিতেই ওয়ালস্ট্রিটে স্থিরতা আসবে বলে মনে করছেন লগ্নিকারীরা। যা বিশ্বের বাজারেও স্থায়িত্ব আনবে। সেই প্রত্যাশা থেকেই দালাল স্ট্রিটে বাড়ছে বিনিয়োগ। যা অর্থনীতির জন্য সুখবর বলে মনে করছেন লগ্নিকারীরা।

জানুয়ারি ২১, ২০২১

ট্রেন্ডিং

দেশ

নর্মদায় ভয়াবহ বিপর্যয়! পর্যটকভর্তি প্রমোদতরী ডুবে মৃত্যু, আতঙ্কে দেশ

আনন্দময় ভ্রমণ মুহূর্তে পরিণত হল ভয়াবহ দুর্ঘটনায়। মধ্যপ্রদেশে (Madhya Pradesh) নর্মদা নদীর জলাধারে ডুবে গেল একটি পর্যটকভর্তি প্রমোদতরী। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অন্তত ছয় জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নৌকাটিতে প্রায় তিরিশ জন পর্যটক ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে পনেরো জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকি কয়েকজনের খোঁজে এখনও জোর তল্লাশি চলছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে (Madhya Pradesh)।প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, নৌকাটি যখন জলাধারের মাঝামাঝি পৌঁছেছিল, তখন হঠাৎ আবহাওয়া খারাপ হয়ে যায়। প্রবল ঝড়ো হাওয়া শুরু হয়। সেই সময় ভারসাম্য হারিয়ে নৌকাটি একপাশে কাত হয়ে জলের মধ্যে ডুবে যায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় উদ্ধারকারী দল। ডুবুরিরা জল থেকে একে একে যাত্রীদের উদ্ধার করতে শুরু করেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে (Madhya Pradesh)।উদ্ধারকাজ তদারকি করছেন জব্বলপুর জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকরা। প্রথমে স্থানীয় দল উদ্ধারকাজ শুরু করলেও পরে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। রাত নেমে এলেও বাকি নিখোঁজদের খোঁজে অভিযান চালানো হচ্ছে। এই দুর্ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

স্ট্রংরুম ঘিরে বিস্ফোরক পরিস্থিতি! মুখোমুখি তৃণমূল-বিজেপি, উত্তপ্ত কলকাতা

ভোট শেষ হতেই ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে উত্তেজনা চরমে উঠেছে। কলকাতার ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের সামনে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে যায় তৃণমূল ও বিজেপি। দুই পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে স্ট্রংরুমের বাইরে ধর্নায় বসেন তৃণমূলের প্রার্থী শশী পাঁজা ও কুণাল ঘোষ।ধর্না শেষে তাঁরা বাইরে বের হতেই বিজেপি কর্মীদের বিক্ষোভ শুরু হয়। কেন তৃণমূলকে ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে, এই প্রশ্ন তুলে ক্ষোভ দেখান বিজেপি সমর্থকরা। শুধু কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে নয়, দুই দলের প্রার্থীদের মধ্যেও তুমুল বাকবিতণ্ডা শুরু হয়ে যায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন তাপস রায় ও সন্তোষ পাঠক।এদিকে তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, ভবানীপুরের শেখাওয়াত মেমোরিয়ালে পৌঁছে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই রয়েছে ভোট শেষে রাখা ইভিএম। এর আগে তিনি ইভিএম বদলের আশঙ্কা প্রকাশ করে কর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।রাতের দিকে খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছন বিরোধী দলের প্রতিনিধিরাও। তাঁদের সঙ্গে পুলিশের বচসার ঘটনাও সামনে এসেছে। অন্যদিকে ফিরহাদ হাকিম জানান, তিনি ঘটনাস্থলে গেলেও ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।এর আগে মমতা কর্মীদের স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেন, স্ট্রংরুম থেকে গণনাকেন্দ্র পর্যন্ত প্রতিটি মুহূর্ত নজরে রাখতে হবে। কোনও অবস্থাতেই ঢিলেমি করা যাবে না। গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দায়িত্ব ছেড়ে না যাওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। তাঁর কথায়, বাংলার মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য এই শেষ লড়াইটুকুও লড়তে হবে।এই ঘটনাকে ঘিরে এখন রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ভোটের ফল ঘোষণার আগে ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে এই টানাপোড়েন নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

অশান্তিতে জ্বলছে বাংলা! ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা, বড় পদক্ষেপ কমিশনের

দ্বিতীয় দফার ভোট শেষ হতেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির খবর সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে ভোট-পরবর্তী হিংসা আটকাতে কড়া পদক্ষেপ নিতে চাইছে নির্বাচন কমিশন । বৃহস্পতিবার প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে বাংলার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল স্পষ্ট নির্দেশ দেন, যারা অশান্তি ছড়িয়েছে, তাদের আজ রাতের মধ্যেই গ্রেফতার করতে হবে।বুধবার ভোট শেষ হওয়ার পর থেকেই একাধিক এলাকায় রাজনৈতিক সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছে। সেই কারণে আগাম সতর্ক হয়ে উঠেছে কমিশন । বৈঠকে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে আলোচনা হয় মূলত ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ভোটের মতোই ভোটের পরের পরিস্থিতিতেও কঠোর নজরদারি রাখতে হবে। কোনও অশান্তি হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে। যারা গোলমাল করে পালিয়ে রয়েছে, তাদের খুঁজে বের করে দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোট শেষ হলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢিলেঢালা করা যাবে না। রাজ্যে এখনও ৭০০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন রাখা হয়েছে। গণনার দিন এবং তার পরেও নিরাপত্তা যেন কোনওভাবেই বিঘ্নিত না হয়, সে দিকেও বিশেষ নজর রাখতে বলা হয়েছে ।উল্লেখ্য, দ্বিতীয় দফার ভোটের পর কলকাতার বেহালা ও গড়িয়া-সহ একাধিক জায়গা থেকে অশান্তির খবর পাওয়া গিয়েছে। জেলার বিভিন্ন অংশ থেকেও একই ধরনের অভিযোগ এসেছে। ২০২১ সালের ভোটের পরেও রাজ্যে হিংসার অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই এবার আগে থেকেই কড়া অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

বৃষ্টির মধ্যেই স্ট্রংরুমে মমতা! ইভিএম নিয়ে বড় সন্দেহ, বিস্ফোরক অভিযোগ তৃণমূলের

ভোট মিটতেই ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে জোরদার হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। বৃহস্পতিবার বিকেলেই ভিডিও বার্তায় ইভিএম পাহারা দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Strongroom Controversy)। তিনি কারচুপির আশঙ্কার কথাও বলেন এবং স্ট্রংরুমে কড়া নজরদারির নির্দেশ দেন। সেই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বৃষ্টির মধ্যে ভবানীপুরের শেখাওয়াত মেমোরিয়ালে স্ট্রংরুমে পৌঁছে যান তিনি।এদিকে একই সময় ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন তৃণমূলের প্রার্থী কুণাল ঘোষ, শশী পাঁজা এবং বিজয় উপাধ্যায়। তাঁদের অভিযোগ, স্ট্রংরুমের ভিতরে (Strongroom Controversy) সন্দেহজনক কাজকর্ম চলছে। লাইভ সম্প্রচারে দেখা যাচ্ছে ভিতরে নড়াচড়া হচ্ছে এবং হাতে হাতে ব্যালট ঘোরানো হচ্ছে। অথচ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ভিতরে কোনও কাজ হচ্ছে না। এতে প্রশ্ন উঠেছে, যদি পোস্টাল ব্যালটের কাজই হয়, তাহলে সেই ব্যালট এল কোথা থেকে।কুণাল ঘোষ দাবি করেন, বিকেল সাড়ে তিনটে পর্যন্ত স্ট্রংরুমের সামনে দলীয় কর্মীরা ছিলেন। পরে তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর আচমকা ইমেলের মাধ্যমে জানানো হয়, বিকেল চারটেয় স্ট্রংরুম খোলা হবে। তখন কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা যায়, তাঁরা আর সেখানে নেই (Strongroom Controversy)। খবর পেয়ে কুণাল ও শশী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন। কিন্তু সেখানে গিয়েও তাঁদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।এই ঘটনার জেরে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। ইভিএম নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ফের। ভোটের ফল ঘোষণার আগে এই পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

কসবা গণনা কেন্দ্র নিয়ে বড় ধাক্কা তৃণমূলের! হাইকোর্টে জিতল কমিশন

কসবা বিধানসভা কেন্দ্রের গণনা কেন্দ্র পরিবর্তন নিয়ে হওয়া মামলায় নির্বাচন কমিশনকে স্বস্তি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। জাভেদ খান-এর দায়ের করা মামলা খারিজ করে দেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। আদালত জানায়, গীতাঞ্জলি স্টেডিয়াম থেকে আলিপুরের বিহারীলাল কলেজে গণনা কেন্দ্র সরানোর সিদ্ধান্ত নিয়ম মেনেই নেওয়া হয়েছে।তৃণমূলের তরফে অভিযোগ ছিল, কোনও নিয়ম না মেনেই হঠাৎ করে গণনা কেন্দ্র বদল করা হয়েছে। কিন্তু আদালত সেই অভিযোগ মানেনি। বিচারপতি জানান, সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার সঠিক প্রক্রিয়া মেনেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।এদিকে, আসন্ন ভোটগণনাকে সামনে রেখে আরও কড়া হয়েছে নির্বাচন কমিশন। গণনা কেন্দ্রে নিরাপত্তা বাড়াতে নতুন নিয়ম চালু করা হচ্ছে। এখন থেকে যাঁরা গণনা কেন্দ্রে প্রবেশ করবেন, তাঁদের জন্য বিশেষ পরিচয়পত্র থাকবে, যাতে একটি কোড যুক্ত থাকবে। সেই কোড স্ক্যান করে তবেই ভিতরে ঢোকার অনুমতি মিলবে ।এই নতুন ব্যবস্থা ২ মে থেকে কার্যকর হবে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে অননুমোদিত কেউ যাতে গণনা কেন্দ্রে ঢুকতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে চাইছে কমিশন। গণনাকর্মী, এজেন্ট এবং সংবাদমাধ্যমসবাইকেই এই নতুন নিয়ম মানতে হবে।সব মিলিয়ে, গণনা কেন্দ্র নিয়ে আদালতের রায় এবং নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ঘিরে রাজ্যে ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
রাজ্য

রেজাল্টে চমক! আইএসসি-তে ৪০০-তে ৪০০, বাংলার মেয়েই দেশসেরা

প্রকাশিত হল আইসিএসই দশম ও আইএসসি দ্বাদশ শ্রেণির ফল। এ বছর আইসিএসই (ICSC Result) পরীক্ষায় পাশের হার ৯৯.১৮ শতাংশ এবং আইএসসি-তে পাশের হার ৯৯.১৩ শতাংশ। দুটি ক্ষেত্রেই পাশের হারে এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা।চলতি বছরে প্রায় ২ লক্ষ ৬০ হাজার পরীক্ষার্থী আইসিএসই (ICSC Result) পরীক্ষায় এবং প্রায় ১ লক্ষ ৫০ হাজার পরীক্ষার্থী আইএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। গত বছরও একই দিনে ফল প্রকাশ হয়েছিল। তখন আইসিএসই-তে পাশের হার ছিল ৯৯.০৯ শতাংশ এবং আইএসসি-তে ছিল ৯৯.০২ শতাংশ। সেই তুলনায় এ বছর সামান্য হলেও পাশের হার বেড়েছে।আইএসসি পরীক্ষায় (ICSC Result) এ বছর দেশের মধ্যে প্রথম হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মেয়ে অনুষ্কা ঘোষ। পানিহাটির বাসিন্দা এই ছাত্রী সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুলের ছাত্রী। জানা গিয়েছে, সে ৪০০-র মধ্যে ৪০০ পেয়েছে। তবে এখনও সম্পূর্ণ মেধাতালিকা প্রকাশ হয়নি, ফলে একই নম্বর পেয়ে আরও কেউ প্রথম স্থানে থাকতে পারে।আইএসসি পরীক্ষায় মোট ৫৪ হাজার ১১৮ জন ছাত্র এবং ৪৯ হাজার ১৯৮ জন ছাত্রী অংশ নেয়। সেখানে মেয়েদের পাশের হার ৯৯.৪৮ শতাংশ এবং ছেলেদের পাশের হার ৯৮.৮১ শতাংশ। অন্যদিকে আইসিএসই পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫০৩ জন ছাত্র এবং ১ লক্ষ ২১ হাজার ২১৮ জন ছাত্রী। এখানে মেয়েদের পাশের হার ৯৯.৪৬ শতাংশ এবং ছেলেদের পাশের হার ৯৮.৯৩ শতাংশ।ফল দেখতে হলে পরীক্ষার্থীদের কাউন্সিলের সরকারি ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজের ইউনিক আইডি, ইনডেক্স নম্বর ও জন্মতারিখ দিয়ে লগইন করতে হবে। এরপর ফলাফল দেখা যাবে এবং তা ডাউনলোড করে রাখা যাবে। ডিজি লকারের মাধ্যমেও ফল দেখা ও মার্কশিট সংগ্রহ করা সম্ভব।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের ফলের আগে বড় ধাক্কা! গণনাকেন্দ্র নিয়ে হাইকোর্টে জোড়া মামলা

বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার আগে গণনাকেন্দ্রের বিন্যাস ও কর্মী নিয়োগ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জোড়া মামলা দায়ের করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দুটি আলাদা সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বৃহস্পতিবার আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিশ্বরূপ ভট্টাচার্য।প্রথম মামলায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, গণনাকেন্দ্রের সুপারভাইজার পদে শুধু কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তাঁর দাবি, এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনী নিয়মের বিরুদ্ধে এবং এতে গণনার নিরপেক্ষতা প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। তিনি এই বিষয়টি আদালতের নজরে আনেন।অন্যদিকে, বিশ্বরূপ ভট্টাচার্যের মামলার মূল আপত্তি গণনাকেন্দ্রের স্থান পরিবর্তন নিয়ে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটার সংখ্যা কম থাকায় এবং কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবার গণনাকেন্দ্র কমিয়ে এক জায়গায় আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিশ্বরূপ ভট্টাচার্যের মতে, হঠাৎ করে এইভাবে গণনাকেন্দ্র বদল করা আইনসঙ্গত নয়।নির্বাচন শুরু হওয়ার পর থেকেই কমিশনের একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক দেখা গিয়েছিল। এবার গণনা শুরুর আগেই সেই বিতর্ক আরও বেড়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর দুইটোর সময় এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের মাঝেই হাওয়া বদল! কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ভিজছে বাংলা

ভোটের দ্বিতীয় পর্ব চলাকালীন হঠাৎ করেই বদলে গেল আবহাওয়া। তুমুল বৃষ্টি আর কালবৈশাখীর ঝড়ে অনেকটাই স্বস্তি মিলেছে গরম থেকে। হাওয়া দফতর জানিয়েছে, আপাতত তীব্র গরমের আশঙ্কা নেই। তবে আজও রাজ্যের একাধিক জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গে আবার ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার পশ্চিম মেদিনীপুর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে কালবৈশাখীর দমকা হাওয়া ঘণ্টায় পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার বেগে বইতে পারে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টির আশঙ্কাও রয়েছে। এই পরিস্থিতি উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলাতেও দেখা যেতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতেও ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ঝড়-বৃষ্টি বেশি হতে পারে। বজ্রসহ বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় তিরিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।উত্তরবঙ্গেও পরিস্থিতি বেশ গুরুতর হতে পারে। আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে অতি ভারী বৃষ্টি, অর্থাৎ প্রায় দুইশো মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। দার্জিলিং, কালিম্পং ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই ঝড়ো হাওয়া, বজ্রপাত ও বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।শুক্রবার ও শনিবারও দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা থাকবে। রবিবারও ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়।সকাল থেকে আকাশ কখনও মেঘলা, কখনও আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। মেঘলা আকাশ ও দমকা হাওয়ার কারণে গরমের অস্বস্তি অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal