• ২৩ চৈত্র ১৪৩২, বুধবার ০৮ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Sanyukta Kisan Morcha

দেশ

Rakesh Tikait: সংসদে আইন প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত অবস্থান উঠবে না, হুঁশিয়ারি টিকায়েতের

বিতর্কিত তিন কৃষি আইন প্রত্যাহার করার কথা শুক্রবার সকালেই ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দীর্ঘ এক বছর ধরে চলা আন্দোলন তুলে নিয়ে কৃষকদের মাঠে ফেরার আবেদনও জানিয়েছেন তিনি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর মুখের কথায় ভরসা রাখতে পারছেন না ভারতীয় কিষান ইউনিয়ন (বিকেইউ)-এর নেতা রাকেশ টিকায়েত। সরকার যত ক্ষণ না পাকাপাকি ভাবে এই আইন প্রত্যাহারে সিলমোহর দিচ্ছে তত ক্ষণ অবস্থান উঠবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।তাঁর কথায়, সবে তো শুরু! যত দিন না সংসদে এই তিন কৃষি আইন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত পাশ হচ্ছে তত দিন অবস্থান জারি থাকবে। খুঁটি তখনই উঠবে যে দিন কাজ পাকা হবে।২০২০-র সেপ্টেম্বরে পাশ হয় তিন কৃষি আইন। তার পর থেকেই এই আইনের বিরোধিতায় হরিয়ানা, পঞ্জাব-সহ দেশের নানা প্রান্তে আন্দোলন শুরু হয়। নভেম্বরে কৃষকরা দিল্লিতে গিয়ে ধরনায় বসেন। সেই থেকেই আন্দোলন চলছিল। সেই আন্দোলনের শুরু থেকেই ছিল বিকেইউ। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী কৃষি আইন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করতেই বিকেইউ-এর নেতা টিকায়েত হুঙ্কার দেন, ৬০০ কৃষকের আত্মবলিদানকে বিফলে যেতে দেওয়া হবে না। এই আন্দোলনকে মজবুত করতে বহু কৃষক প্রাণ দিয়েছেন। তাঁদের আত্মবলিদানকে উৎসর্গ করে পরবর্তী পদক্ষেপের কথা ভাবা হবে। তবে তিনি সাফ জানিয়েছেন, মুখের কথায় নয়, সরকার পাকাপাকি ভাবে এ বিষয়ে পদক্ষেপ না করলে আন্দোলন জারি রাখা হবে।

নভেম্বর ১৯, ২০২১
দেশ

Bharat Bandh: কৃষি আইনের বিরোধিতায় পালিত হচ্ছে ভারত বনধ, প্রভাব পড়েছে রাজ্যেও

তিন কৃষি আইন পাশের একবছর পূর্তি। এই আইনের বিরোধিতা করে সোমবার ভারত বনধের ডাক দিয়েছে ৪০টি কৃষক সংগঠনের সংযুক্ত মোর্চা। এই বনধকে সমর্থন করেছে বাম, কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি, আম আদমি পার্টি, টিডিপি-র মতো বিরোধী দলগুলো। কৃষি আইনের বিরোধিতায় জাতীয় স্তরে বিভিন্ন জায়গায় বনধ পালন করছেন কৃষকরা। প্রভাব পড়েছে কলকাতা থেকে জেলাতেও। যাদবপুর এইট বি মোড়ে জড়ো হন বনধের সমর্থকারীরা। বেঞ্চ পেতে রাস্তায় বসে পড়েন। পোড়ানো হয় প্রধানমন্ত্রীর কুশপুতুল।প্রেসিডেন্সি কলেজের সামনে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে বনধ পালন করেন আন্দোলনকারীরা। কোথাও কোথাও রাস্তায় ফুটবল খেলতে শুরু করেন বিক্ষোভকারীরা। শিয়ালদহ রুটে রেল অবরোধও করা হয়। ট্রেনের গায়ে উঠে পড়েন সিপিএম সমর্থকরা। দিল্লি-হরিয়ানার সিঙ্ঘু সীমানা বন্ধ করেছে বনধ সমর্থনকারীরা। অমৃতসরে ভোর ৫টা থেকে পথে আন্দোলনকারীরা। সতর্ক প্রশাসন। যেকোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি রুখতে প্রস্তুত পুলিশ। Punjab: Protesters agitating against the three farm laws sit on railway tracks at Devidaspura village in Amritsar, in support of Bharat Bandh called by farmer organisations today. pic.twitter.com/u8jHzKeW82 ANI (@ANI) September 27, 2021কৃষি আইনের বিরোধিতায় পঞ্জাব-হরিয়ানার শম্ভু সীমানায় কৃষকদের বিক্ষোভ। হরিয়ানার কুরুক্ষেত্রের শাহাবাদে দিল্লি-অমৃতসর জাতীয় সড়ক অবরোধ। গাজিপুর সীমানাতেও একই ছবি।কৃষকদের ডাকে ভারত বনধের প্রভাব পড়েছে দিল্লি-হরিয়ানাতেও। হরিয়ানার কুরুক্ষেত্রে আন্দোলনকারীরা দিল্লি-অমৃতসর জাতীয় সড়ক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। Massive traffic snarl seen at Gurugram-Delhi border as vehicles entering the national capital are being checked by Delhi Police and paramilitary jawans, in wake of Bharat Bandh called by farmer organisations today. pic.twitter.com/dclgkqp3X1 ANI (@ANI) September 27, 2021অন্যদিকে, বনধের প্রভাব পড়েছে পশ্চিমবঙ্গেও। সকাল থেকেই আলিপুরদুয়ারে বোঝা যাচ্ছে বনধের প্রভাব। সকালে সরকারি বাস চালু হলেও, তা বন্ধ করে দেয় বনধ সমর্থনকারীরা। যদিও পুলিশ গিয়ে উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণের বাসগুলি চালানোর চেষ্টা করে, কিন্তু বনধ সমর্থনকারীদের বিক্ষোভের জেরে এখনও অবধি কোনও বাস চলেনি। বেসরকারি যানবাহন চলাচলও সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে প্রচুর পুলিশ। এদিন সকালেই গোঘাটে আরামবাগ-মেদিনীপুর রাজ্য সড়ক ও আরামবাগ শহরে আরামবাগ-কলকাতা রাজ্য সড়কে অবরোধে বসেন বাম নেতা ও কর্মীরা।অবরোধ চললেও এখনও খুব একটা প্রভাব পড়েনি আরামবাগ ও তৎসংলগ্ন এলাকাগুলিতে। দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার আরামবাগ ডিপো থেকেও বাস বের হতে দেওয়া হচ্ছে না। সংগঠন। আজ সকালেই ঘাটাল পাঁশকুড়া রাজ্য সড়কে মিছিল করে যাতায়াত গাড়িগুলিকে আটকে দিল বাম সংগঠনের কর্মী-সমর্থকরা। Kerala: Roads wear deserted look; shops are closed in Thiruvananthapuram. Trade unions affiliated to LDF UDF support the call for Bharat Bandh today against the three farm laws.Visuals from Thampanoor and East Fort areas pic.twitter.com/uQ37xJPdcX ANI (@ANI) September 27, 2021কৃষক নেতা রাকেশ টিকায়েত জানান, ডাক্তার, অ্যাম্বুল্যান্স এবং জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্তদের কোনও অসুবিধা করা হচ্ছে না। আমরা কেবল দোকানদাদের কাছে একটা বার্তা পৌঁছতে চাই যে, বিকেল ৪টে পর্যন্ত দোকান বন্ধ রাখুন।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

আজ রাতেই ইরান ধ্বংসের হুঁশিয়ারি! আতঙ্কে কাঁপছে বিশ্ব, ভারতীয়দের জরুরি নির্দেশ কেন্দ্রের

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা চরমে উঠতেই ইরানে থাকা ভারতীয়দের জন্য নতুন নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় সরকার। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়ার পরেই এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।নতুন নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টা সবাইকে যেখানে আছেন সেখানেই থাকতে হবে। বিশেষ করে ঘরের বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎকেন্দ্র, সামরিক স্থাপনা এবং উঁচু বহুতল ভবনের উপরের তলা এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে।তেহরানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসও আলাদা করে সতর্কবার্তা দিয়েছে। দূতাবাসের তরফে জানানো হয়েছে, যারা দূতাবাসের ব্যবস্থায় হোটেলে রয়েছেন, তারা যেন হোটেলের ভেতরেই থাকেন। দূতাবাসের কর্মীরা নিয়মিত যোগাযোগ রাখবেন এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী নতুন নির্দেশ দেওয়া হবে। জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগের জন্য মোবাইল নম্বর ও ইমেলও দেওয়া হয়েছে।এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আমেরিকার শর্ত না মানলে বড় মূল্য দিতে হবে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার বিষয়ে তিনি কড়া অবস্থান নেন। মঙ্গলবার তিনি আরও একধাপ এগিয়ে বলেন, একটি সভ্যতা আজ রাতেই ধ্বংস হয়ে যেতে পারে, যা আর ফিরিয়ে আনা যাবে না।তবে একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত বদলও হতে পারে। তাঁর কথায়, আমি চাই না এমন কিছু ঘটুক, কিন্তু পরিস্থিতি সেদিকেই এগোচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বিশ্বের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত তৈরি হতে চলেছে এবং ইরানের মানুষের জন্য প্রার্থনাও করেন।সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ক্রমশ উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তেজনার প্রভাব গোটা বিশ্বে পড়তে পারে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৭, ২০২৬
কলকাতা

নাম বাদ নিয়ে তোলপাড়, হঠাৎ ধর্না স্থগিত! কী বলল নির্বাচন কমিশন?

এসআইআর প্রক্রিয়ায় বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম বাদ যাওয়াকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে ধর্নায় বসার পরিকল্পনা করেছিল তৃণমূল। তবে শেষ মুহূর্তে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে দেখা করার সময় পাওয়ায় আপাতত সেই কর্মসূচি স্থগিত রাখা হয়েছে।তৃণমূলের পক্ষ থেকে গতকাল দুপুরের পর নির্বাচন কমিশনের কাছে সময় চাওয়া হয়েছিল। প্রথমে কোনও উত্তর না মেলায় দলের তরফে ধর্নায় বসার প্রস্তুতি নেওয়া হয়। রাজ্যসভার সাংসদ মেনকা গুরুস্বামী এবং প্রাক্তন সাংসদ সাকেত গোখেল এই কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরে কমিশনের তরফে জানানো হয়, পরের দিন সকাল দশটায় দেখা করার সময় দেওয়া হয়েছে। এর পরেই ধর্নার পরিকল্পনা আপাতত বন্ধ রাখা হয়।জানা গিয়েছে, চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে তৃণমূল নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে যাবে। সেখানে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হবে।এদিকে এসআইআর প্রক্রিয়ার পরিসংখ্যান সামনে আসতেই বিতর্ক আরও বেড়েছে। হিসেব অনুযায়ী, বিচারাধীন প্রায় ৫০ লক্ষ নামের মধ্যে ২৭ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে। এর আগে প্রায় ৬৩ লক্ষ নাম বাদ পড়েছিল। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৯০ লক্ষ ৮৩ হাজার ৩৪৫ জনের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে।জেলা ভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি নাম বাদ পড়েছে মুর্শিদাবাদে। সেখানে বিচারাধীন ভোটারের সংখ্যা ছিল প্রায় ১১ লক্ষের বেশি। ২০২৫ সালের ভোটার তালিকায় মোট ভোটার ছিল ৫৭ লক্ষের বেশি। নতুন খসড়া তালিকায় সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫৪ লক্ষ ৮৫ হাজারে। অর্থাৎ শুধু এই জেলা থেকেই প্রায় ৪ লক্ষ ৫৫ হাজার নাম বাদ গিয়েছে।সব মিলিয়ে এই ইস্যুতে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। তৃণমূলের দাবি, বৈধ ভোটারদের নাম অন্যায়ভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে শাসক দল।

এপ্রিল ০৭, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় তৃণমূল-বিজেপিকে একসঙ্গে নিশানা কংগ্রেসের! ‘একই মুদ্রার দুই পিঠ’ মন্তব্যে তোলপাড় রাজনীতি

বাংলার নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়িয়ে তৃণমূল ও বিজেপিকে একসঙ্গে আক্রমণ করল কংগ্রেস। ইন্ডিয়া জোটের শরিক হওয়া সত্ত্বেও বাংলায় এসে তৃণমূলের বিরুদ্ধে কড়া সুর শোনা গেল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের মুখে।দলীয় ইস্তেহার প্রকাশ করে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে বলেন, বাংলায় তারা নতুন বিকল্প দিতে চায়। তাঁর কথায়, কংগ্রেস শুধু অর্থ বিলির প্রতিশ্রুতি দেয় না, বরং রাজ্যের পুনর্গঠন ও সংস্কারের কথা বলে। দীর্ঘদিন পর রাজ্যে একা লড়াই করছে কংগ্রেস, তাই এই নির্বাচনকে নতুন সুযোগ হিসেবে তুলে ধরছে দল।খাড়গে অভিযোগ করেন, তৃণমূলের শাসনে এত বছরেও রাজ্যে শিল্প ও কর্মসংস্থানের উন্নতি হয়নি। অন্যদিকে বিজেপি এই বিষয়গুলি নিয়ে কথা না বলে শুধুই বিভাজনের রাজনীতি করে। তিনি দাবি করেন, কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে এক বছরের মধ্যে শূন্যপদ পূরণ করা হবে।রাজ্যের বেকারত্ব প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, আগে শিল্পের জন্য কলকাতার নাম শোনা যেত, এখন এখানকার যুবকদের অন্য রাজ্যে যেতে হচ্ছে কাজের খোঁজে। তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকারের কোনও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেই। একইসঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক রাজনীতির অভিযোগও তোলেন তিনি।দুর্নীতির বিষয়েও সরব হন খাড়গে। তিনি বলেন, রাজ্যে একাধিক দুর্নীতির ঘটনা সামনে এসেছে, এমনকি এক মন্ত্রীর বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধার হয়েছে। তাঁর মতে, বাংলায় আইনের শাসন ফিরিয়ে আনা জরুরি।এদিন কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ আরও একধাপ এগিয়ে বলেন, তৃণমূল ও বিজেপি আসলে একই মুদ্রার দুই পিঠ। তাই নতুন পথ দেখাতে কংগ্রেসই একমাত্র বিকল্প। যদিও ইন্ডিয়া জোট নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই তিনি জানান, জাতীয় স্তরে জোট থাকলেও রাজ্যভেদে লড়াইয়ের কৌশল আলাদা হতে পারে।সব মিলিয়ে বাংলার নির্বাচনের আগে কংগ্রেসের এই অবস্থান নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি করবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ০৭, ২০২৬
কলকাতা

বাংলায় ৯১ লক্ষ নাম বাদ, তবু শীর্ষে নয়! তালিকার শীর্ষে কোন রাজ্য জানলে চমকে উঠবেন

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এসআইআর প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৯১ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এই নিয়ে রাজ্যে ক্ষোভ, বিক্ষোভ এবং উদ্বেগের ছবি সামনে এসেছে। তবে অবাক করার বিষয়, নাম বাদ পড়ার সংখ্যায় বাংলা শীর্ষে নেই।তথ্য বলছে, এই তালিকায় সবচেয়ে উপরে রয়েছে উত্তরপ্রদেশ। সেখানে খসড়া তালিকাতেই প্রায় ২ কোটি ৮৯ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। ফলে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।বাংলায় মোট ৯০ লক্ষ ৮৩ হাজার ৩৪৫ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। অন্যদিকে তামিলনাড়ুতেও বিপুল সংখ্যক নাম বাদ পড়েছে। সেখানে প্রায় ৭৪ লক্ষ ভোটারের নাম তালিকা থেকে মুছে দেওয়া হয়েছে।কেরলে প্রায় ৯ লক্ষ নাম বাদ গেছে। পুদুচেরিতে মোট ভোটারের তুলনায় প্রায় ১ লক্ষের বেশি নাম বাদ পড়েছে। এই রাজ্যগুলির মধ্যে অসমে এই প্রক্রিয়া হয়নি।বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির মধ্যে গুজরাটে সবচেয়ে বেশি নাম বাদ পড়েছে। সেখানে প্রায় ৭৭ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ গেছে। শতাংশের হিসাবে গুজরাট বাংলাকেও ছাপিয়ে গিয়েছে।মধ্যপ্রদেশে প্রায় ৩৪ লক্ষ, রাজস্থানে প্রায় ৩১ লক্ষ এবং ছত্তিশগড়ে প্রায় ২৫ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। এই সব রাজ্যেও শতাংশের হিসেবে নাম বাদ পড়ার হার বাংলার থেকে বেশি।তবে সব মিলিয়ে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে উত্তরপ্রদেশে। সেই কারণে এখনও পর্যন্ত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশে দেরি হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন সময় নিয়ে এই তালিকা তৈরি করছে বলে জানা গিয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ভোটার তালিকা নিয়ে দেশজুড়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এই তথ্যকে সামনে রেখে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরছে।

এপ্রিল ০৭, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের তেলের হৃদয়ে ভয়ংকর হামলা! খার্গ দ্বীপে আঘাত, যুদ্ধ কি এবার নিয়ন্ত্রণের বাইরে?

ইরানের প্রধান অপরিশোধিত তেল রফতানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপে মঙ্গলবার একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। ইরানের সংবাদমাধ্যম এই হামলার খবর প্রকাশ করেছে। একটি মার্কিন সূত্রের দাবি, মার্কিন বাহিনী দ্বীপে একাধিক সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। অন্য এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৫০টিরও বেশি সামরিক স্থানে হামলা চালানো হয়েছে।এই ঘটনার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বেড়ে গিয়েছে। এর আগেই তেহরান হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, তাদের উপকূল বা দ্বীপে হামলা হলে সমুদ্রপথে মাইন পেতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত করা হতে পারে। ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।খার্গ দ্বীপ ইরানের তেল রফতানির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। দেশের মোট তেল রফতানির প্রায় নব্বই শতাংশ এই দ্বীপের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। তাই এই এলাকায় হামলা হলে ইরানের জ্বালানি বাণিজ্যে বড় প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।এর আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, দ্বীপের সামরিক লক্ষ্যবস্তু সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছে। তিনি আরও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, প্রয়োজনে তেলের পরিকাঠামোকেও নিশানা করা হতে পারে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার জন্য ইরানকে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে আমেরিকা।এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ আরও বড় আকার নিতে পারে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে।

এপ্রিল ০৭, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

৭২ ঘণ্টার মধ্যে নিষিদ্ধ শিল্পীদের আবার কাজে ফেরানো হবে! দেবের মন্তব্যে পাল্টা কী বললেন স্বরূপ বিশ্বাস

আউটডোরে শুটিং চলাকালীন অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মর্মান্তিক মৃত্যুর পর টলিউডে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। ইন্ডাস্ট্রির শিল্পী ও টেকনিশিয়ানরা একসঙ্গে ন্যায়বিচারের দাবিতে সরব হয়েছেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তা নিয়ে জোর দাবি উঠেছে।মঙ্গলবারের বৈঠকে সংশ্লিষ্ট প্রযোজনা সংস্থাকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সেই সঙ্গে টলিউডে আগে থেকে চলা নিষিদ্ধ সংস্কৃতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। কয়েক বছর আগে একাধিক পরিচালকের সঙ্গে বিরোধের জেরে কিছু শিল্পীকে অলিখিতভাবে কাজ থেকে দূরে রাখা হয়েছিল। সেই তালিকায় পরিচিত পরিচালক, অভিনেতা এবং পুরস্কারপ্রাপ্ত শিল্পীরাও রয়েছেন।এই বৈঠকে তাঁদের আবার কাজে ফেরানো নিয়েও আলোচনা হয়। যদিও এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, তবে অভিনেতা দেব জানিয়েছেন, আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এই সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা হবে।বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দেব বলেন, দীর্ঘদিন ধরে যাঁরা নিষিদ্ধ রয়েছেন, তাঁদের নিয়ে আলাদা করে আলোচনা হবে। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এই বিষয়ে উদ্যোগ নেবেন এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সমাধানের পথ বের করার চেষ্টা করবেন।তিনি আরও জানান, ইন্ডাস্ট্রিতে কেউ কাজ না পেলে তার কষ্ট বোঝা যায় না সহজে। তাই যাঁরা এতদিন কাজ থেকে দূরে ছিলেন, তাঁদের ফের সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন, যে প্রযোজনা সংস্থার তত্ত্বাবধানে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, তাদের সঙ্গে আপাতত কাজ করা হবে না। যতদিন না তারা নিজেদের নির্দোষ প্রমাণ করতে পারছে, ততদিন এই অবস্থানই থাকবে।সব মিলিয়ে রাহুলের মৃত্যুর পর টলিউডে একদিকে যেমন নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, অন্যদিকে দীর্ঘদিনের নিষিদ্ধ সংস্কৃতি নিয়েও নতুন করে ভাবনা শুরু হয়েছে। এখন সকলের নজর আগামী কয়েক দিনের সিদ্ধান্তের দিকে।

এপ্রিল ০৭, ২০২৬
কলকাতা

সারাদিন আদালতে অপেক্ষা, তবু শুনানি হল না! আর জি কর কাণ্ডে ফের হতাশ অভয়ার পরিবার

আর জি কর কাণ্ডে মঙ্গলবারও হল না শুনানি। সারাদিন আদালতে অপেক্ষা করেও কোনও ফল পেলেন না অভয়ার বাবা-মা। তাঁরা এজলাসে বসে থাকলেও সময়ের অভাবে মামলার শুনানি হয়নি।জানা গিয়েছে, বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চে এদিন একের পর এক অন্য মামলার শুনানি চলছিল। সেই কারণেই আর জি কর সংক্রান্ত মামলার জন্য সময় বের করা সম্ভব হয়নি। এখন আগামী বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানি হবে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন সকলেই।উল্লেখ্য, এই মামলার শুনানি কলকাতা হাইকোর্টে হওয়ার কথা। অভয়ার বাবা-মায়ের আবেদন গ্রহণ করে দেশের সর্বোচ্চ আদালত এই নির্দেশ দিয়েছিল। সেই অনুযায়ী এখন হাইকোর্টেই মামলার শুনানি চলছে।এর আগেই এই মামলায় একটি রায় ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু সেই রায়ে সন্তুষ্ট নন অভয়ার বাবা-মা। তাঁদের অভিযোগ, ঘটনার সঠিক তদন্ত হয়নি এবং অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর এখনও অজানা রয়ে গিয়েছে।২০২৫ সালের আগস্ট মাসে আর জি কর হাসপাতাল থেকে অভয়ার দেহ উদ্ধার করা হয়। অভিযোগ, তাঁকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছিল। প্রথমে কলকাতা পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও পরে এই মামলার তদন্তভার নেয় কেন্দ্রীয় সংস্থা। কিন্তু তদন্তের গতি ও পদ্ধতি নিয়ে শুরু থেকেই অসন্তোষ প্রকাশ করে আসছেন অভয়ার পরিবার।তাঁদের দাবি, ঘটনার পূর্ণ সত্য এখনও সামনে আসেনি এবং আরও গভীর তদন্ত প্রয়োজন। সেই কারণেই তাঁরা আবারও আইনি লড়াই শুরু করেছেন এবং ন্যায়বিচারের আশায় আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।

এপ্রিল ০৭, ২০২৬
রাজ্য

রিমোট কন্ট্রোল বনাম রিপোর্ট কার্ড! ভোটের আগে নতুন তত্ত্ব অভিষেকের

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে নতুন রাজনৈতিক তত্ত্ব সামনে আনলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় )। তাঁর দাবি, ২০২৬ সালের নির্বাচন আসলে রিমোট কন্ট্রোল এবং রিপোর্ট কার্ড-এর লড়াই।অভিষেকের অভিযোগ, বিজেপি দিল্লি থেকে রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে বাংলাকে চালাতে চায়। তাঁর কথায়, এই রিমোট কন্ট্রোলের লক্ষ্য হল বাংলার প্রাপ্য টাকা আটকে দেওয়া, বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া এবং অশান্তি তৈরি করা। তিনি আরও দাবি করেন, বিজেপি বারবার বাঙালিদের অপমান করে এবং বিভিন্ন ইস্যুতে বিভাজন তৈরি করার চেষ্টা করে।অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের শক্তি হিসেবে তুলে ধরছে উন্নয়নের খতিয়ান। গত ১৫ বছরে রাজ্যে যে উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে, সেটাকেই রিপোর্ট কার্ড হিসেবে সামনে আনা হচ্ছে। লক্ষ্মীর ভান্ডার, স্বাস্থ্য সাথীর মতো বিভিন্ন প্রকল্পের কথা তুলে ধরে প্রচার চালানো হচ্ছে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একটি বার্তায় জানান, এই লড়াই আসলে দুই ধরনের ভাবনার মধ্যে। একদিকে বিজেপির রিমোট কন্ট্রোল, অন্যদিকে তৃণমূলের কাজের রিপোর্ট কার্ড। তাঁর দাবি, তৃণমূল মানুষের জন্য কাজ করেছে এবং প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে।তিনি আরও বলেন, বাংলার মানুষ নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরাই ঠিক করবে। বাইরের কেউ রিমোট কন্ট্রোল দিয়ে এই রাজ্য চালাতে পারবে না। এই বার্তা দিয়েই ভোটের ময়দানে নতুন সমীকরণ তৈরির চেষ্টা করছে তৃণমূল।

এপ্রিল ০৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal