• ৭ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার ২৪ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Sanyukta Kisan Morcha

দেশ

Rakesh Tikait: সংসদে আইন প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত অবস্থান উঠবে না, হুঁশিয়ারি টিকায়েতের

বিতর্কিত তিন কৃষি আইন প্রত্যাহার করার কথা শুক্রবার সকালেই ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দীর্ঘ এক বছর ধরে চলা আন্দোলন তুলে নিয়ে কৃষকদের মাঠে ফেরার আবেদনও জানিয়েছেন তিনি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর মুখের কথায় ভরসা রাখতে পারছেন না ভারতীয় কিষান ইউনিয়ন (বিকেইউ)-এর নেতা রাকেশ টিকায়েত। সরকার যত ক্ষণ না পাকাপাকি ভাবে এই আইন প্রত্যাহারে সিলমোহর দিচ্ছে তত ক্ষণ অবস্থান উঠবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।তাঁর কথায়, সবে তো শুরু! যত দিন না সংসদে এই তিন কৃষি আইন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত পাশ হচ্ছে তত দিন অবস্থান জারি থাকবে। খুঁটি তখনই উঠবে যে দিন কাজ পাকা হবে।২০২০-র সেপ্টেম্বরে পাশ হয় তিন কৃষি আইন। তার পর থেকেই এই আইনের বিরোধিতায় হরিয়ানা, পঞ্জাব-সহ দেশের নানা প্রান্তে আন্দোলন শুরু হয়। নভেম্বরে কৃষকরা দিল্লিতে গিয়ে ধরনায় বসেন। সেই থেকেই আন্দোলন চলছিল। সেই আন্দোলনের শুরু থেকেই ছিল বিকেইউ। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী কৃষি আইন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করতেই বিকেইউ-এর নেতা টিকায়েত হুঙ্কার দেন, ৬০০ কৃষকের আত্মবলিদানকে বিফলে যেতে দেওয়া হবে না। এই আন্দোলনকে মজবুত করতে বহু কৃষক প্রাণ দিয়েছেন। তাঁদের আত্মবলিদানকে উৎসর্গ করে পরবর্তী পদক্ষেপের কথা ভাবা হবে। তবে তিনি সাফ জানিয়েছেন, মুখের কথায় নয়, সরকার পাকাপাকি ভাবে এ বিষয়ে পদক্ষেপ না করলে আন্দোলন জারি রাখা হবে।

নভেম্বর ১৯, ২০২১
দেশ

Bharat Bandh: কৃষি আইনের বিরোধিতায় পালিত হচ্ছে ভারত বনধ, প্রভাব পড়েছে রাজ্যেও

তিন কৃষি আইন পাশের একবছর পূর্তি। এই আইনের বিরোধিতা করে সোমবার ভারত বনধের ডাক দিয়েছে ৪০টি কৃষক সংগঠনের সংযুক্ত মোর্চা। এই বনধকে সমর্থন করেছে বাম, কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি, আম আদমি পার্টি, টিডিপি-র মতো বিরোধী দলগুলো। কৃষি আইনের বিরোধিতায় জাতীয় স্তরে বিভিন্ন জায়গায় বনধ পালন করছেন কৃষকরা। প্রভাব পড়েছে কলকাতা থেকে জেলাতেও। যাদবপুর এইট বি মোড়ে জড়ো হন বনধের সমর্থকারীরা। বেঞ্চ পেতে রাস্তায় বসে পড়েন। পোড়ানো হয় প্রধানমন্ত্রীর কুশপুতুল।প্রেসিডেন্সি কলেজের সামনে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে বনধ পালন করেন আন্দোলনকারীরা। কোথাও কোথাও রাস্তায় ফুটবল খেলতে শুরু করেন বিক্ষোভকারীরা। শিয়ালদহ রুটে রেল অবরোধও করা হয়। ট্রেনের গায়ে উঠে পড়েন সিপিএম সমর্থকরা। দিল্লি-হরিয়ানার সিঙ্ঘু সীমানা বন্ধ করেছে বনধ সমর্থনকারীরা। অমৃতসরে ভোর ৫টা থেকে পথে আন্দোলনকারীরা। সতর্ক প্রশাসন। যেকোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি রুখতে প্রস্তুত পুলিশ। Punjab: Protesters agitating against the three farm laws sit on railway tracks at Devidaspura village in Amritsar, in support of Bharat Bandh called by farmer organisations today. pic.twitter.com/u8jHzKeW82 ANI (@ANI) September 27, 2021কৃষি আইনের বিরোধিতায় পঞ্জাব-হরিয়ানার শম্ভু সীমানায় কৃষকদের বিক্ষোভ। হরিয়ানার কুরুক্ষেত্রের শাহাবাদে দিল্লি-অমৃতসর জাতীয় সড়ক অবরোধ। গাজিপুর সীমানাতেও একই ছবি।কৃষকদের ডাকে ভারত বনধের প্রভাব পড়েছে দিল্লি-হরিয়ানাতেও। হরিয়ানার কুরুক্ষেত্রে আন্দোলনকারীরা দিল্লি-অমৃতসর জাতীয় সড়ক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। Massive traffic snarl seen at Gurugram-Delhi border as vehicles entering the national capital are being checked by Delhi Police and paramilitary jawans, in wake of Bharat Bandh called by farmer organisations today. pic.twitter.com/dclgkqp3X1 ANI (@ANI) September 27, 2021অন্যদিকে, বনধের প্রভাব পড়েছে পশ্চিমবঙ্গেও। সকাল থেকেই আলিপুরদুয়ারে বোঝা যাচ্ছে বনধের প্রভাব। সকালে সরকারি বাস চালু হলেও, তা বন্ধ করে দেয় বনধ সমর্থনকারীরা। যদিও পুলিশ গিয়ে উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণের বাসগুলি চালানোর চেষ্টা করে, কিন্তু বনধ সমর্থনকারীদের বিক্ষোভের জেরে এখনও অবধি কোনও বাস চলেনি। বেসরকারি যানবাহন চলাচলও সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে প্রচুর পুলিশ। এদিন সকালেই গোঘাটে আরামবাগ-মেদিনীপুর রাজ্য সড়ক ও আরামবাগ শহরে আরামবাগ-কলকাতা রাজ্য সড়কে অবরোধে বসেন বাম নেতা ও কর্মীরা।অবরোধ চললেও এখনও খুব একটা প্রভাব পড়েনি আরামবাগ ও তৎসংলগ্ন এলাকাগুলিতে। দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার আরামবাগ ডিপো থেকেও বাস বের হতে দেওয়া হচ্ছে না। সংগঠন। আজ সকালেই ঘাটাল পাঁশকুড়া রাজ্য সড়কে মিছিল করে যাতায়াত গাড়িগুলিকে আটকে দিল বাম সংগঠনের কর্মী-সমর্থকরা। Kerala: Roads wear deserted look; shops are closed in Thiruvananthapuram. Trade unions affiliated to LDF UDF support the call for Bharat Bandh today against the three farm laws.Visuals from Thampanoor and East Fort areas pic.twitter.com/uQ37xJPdcX ANI (@ANI) September 27, 2021কৃষক নেতা রাকেশ টিকায়েত জানান, ডাক্তার, অ্যাম্বুল্যান্স এবং জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্তদের কোনও অসুবিধা করা হচ্ছে না। আমরা কেবল দোকানদাদের কাছে একটা বার্তা পৌঁছতে চাই যে, বিকেল ৪টে পর্যন্ত দোকান বন্ধ রাখুন।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ম্যানগ্রোভ কেটে ক্যাফে! এবার শওকত মোল্লার ছেলেকে সাত দিনের চরম আলটিমেটাম

মাতলা নদীর চর দখল করে তৈরি হওয়া বিতর্কিত ক্যাফেকে ঘিরে বড় পদক্ষেপ করল প্রশাসন। অভিযোগ, পরিবেশের ক্ষতি করে এবং ম্যানগ্রোভ ধ্বংস করে এই নির্মাণ করা হয়েছিল। এবার সেই ক্যাফে ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মালিকপক্ষ নিজে ব্যবস্থা না নিলে প্রশাসন অভিযান চালাবে বলে জানানো হয়েছে।দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার মৌখালি এলাকায় মাতলা নদীর চরে তৈরি হয়েছিল অরণ্যের কূলে নামে একটি ক্যাফে। এই নির্মাণকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক চলছিল। অভিযোগ ছিল, নদীর চর দখল করে এবং পরিবেশের ক্ষতি করে এই স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে।প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে ক্যাফেটি ভেঙে ফেলতে হবে। তা না হলে প্রশাসন নিজেই ভাঙার কাজ করবে। ইতিমধ্যেই সেখানে নোটিস পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।নোটিস জারির পর থেকেই ক্যাফে চত্বরে তৎপরতা দেখা গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, ভেতর থেকে বিভিন্ন আসবাবপত্র এবং সামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। ফলে অনেকেই মনে করছেন, মালিকপক্ষ পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝেই প্রস্তুতি শুরু করেছে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকের দাবি, পরিবেশ ধ্বংস করে কোনও উন্নয়ন গ্রহণযোগ্য নয়। ম্যানগ্রোভ এবং নদী সংলগ্ন এলাকার প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার অভিযোগ তুলে তাঁরা প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।শুধু এই একটি নির্মাণ নয়, মাতলা নদীর চর জুড়ে গড়ে ওঠা আরও একাধিক বেআইনি স্থাপনার বিরুদ্ধেও সক্রিয় হয়েছে প্রশাসন। বৈধ নথি দেখাতে না পারা বহু নির্মাণের ক্ষেত্রেই উচ্ছেদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।প্রশাসনিক সূত্রে খবর, নদী ও পরিবেশ সংরক্ষণের স্বার্থে এই অভিযান আরও বিস্তৃত হতে পারে। ইতিমধ্যেই এলাকায় বেআইনি দখল ও নির্মাণ সংক্রান্ত নথিপত্র খতিয়ে দেখা শুরু হয়েছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে বিতর্কের কেন্দ্রে থাকা ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।মাতলা নদীর চর এবং ম্যানগ্রোভ সংরক্ষণকে ঘিরে প্রশাসনের এই পদক্ষেপ আগামী দিনে আরও বড় অভিযানের সূচনা কি না, এখন সেদিকেই নজর স্থানীয় বাসিন্দা এবং রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২৩, ২০২৬
দেশ

কয়েক মিনিটেই মৃত্যুকূপে বদলে গেল কোচিং সেন্টার, সামনে এল শিউরে ওঠার মতো তথ্য

সোমবার দুপুর পর্যন্ত সবকিছুই ছিল স্বাভাবিক। কেউ প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন, কেউ কাজে ব্যস্ত ছিলেন। কিন্তু কয়েক মিনিটের মধ্যেই সেই ব্যস্ত বহুতল পরিণত হয় মৃত্যুকূপে। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আহত হয়েছেন আরও কয়েক জন। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।লখনউয়ের আলিগঞ্জ এলাকার একটি বহুতলে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, প্রথমে ধোঁয়া দেখা যায়। তারপর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে গোটা ভবনে। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারপাশ। প্রাণ বাঁচাতে বহু মানুষ জানালা দিয়ে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেন। কেউ কেউ উপরতলা থেকে ঝাঁপও দেন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকল, পুলিশ এবং উদ্ধারকারী বাহিনী। দীর্ঘ সময় ধরে চলে উদ্ধার অভিযান। পাশের ভবনের ছাদ ব্যবহার করে উদ্ধারকারীরা ভিতরে প্রবেশ করেন। অনেক জায়গায় দেওয়াল ভেঙেও আটকে পড়া মানুষদের বের করে আনার চেষ্টা করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভবনটির নিচের অংশে পোষ্য প্রাণীর দোকান ও চিকিৎসাকেন্দ্র ছিল। উপরতলায় চলত অ্যানিমেশন ও প্রযুক্তি সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ। আগুন লাগার পর কয়েক মিনিটের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।উদ্ধার করে বহু মানুষকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও তাঁদের মধ্যে অন্তত ১৫ জনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। মৃতদের অধিকাংশই তরুণ-তরুণী। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। যারা আগুন থেকে বাঁচতে উপরতলা থেকে ঝাঁপ দিয়েছিলেন, তাঁদের কয়েক জন গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন।ঘটনার পরই চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভবনের মালিক এবং সংশ্লিষ্ট কয়েক জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, আবাসিক ভবনটি বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছিল। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে সঠিক কারণ জানতে বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রশাসনের তরফে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে এবং দ্রুত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ সিং। আহতদের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের চিকিৎসার খোঁজও নেন তিনি। এই ঘটনার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন প্রশাসন।মর্মান্তিক এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণাও করা হয়েছে। লখনউয়ের এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা দেশে।

জুন ২৩, ২০২৬
কলকাতা

ঋতব্রত শিবিরে নাম লেখাতেই বড় শাস্তি! ফিরহাদ-অরূপদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক পদক্ষেপ

রাজ্য রাজনীতিতে আরও গভীর হল তৃণমূলের অন্দরের সংঘাত। শোকজ নোটিস পাঠানোর মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের নির্দেশ অমান্য করে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন আসল তৃণমূল-এর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার অভিযোগে ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, অরূপ রায়, জাভেদ খান, রথীন ঘোষ, বিপ্লব মিত্র, সাবিনা ইয়াসমিন এবং স্নেহাশিস চক্রবর্তীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সোমবার নিউটাউনের একটি পাঁচতারা হোটেলে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের একাধিক পরিচিত মুখ। বৈঠক থেকেই নতুন জাতীয় কর্মসমিতির ঘোষণা করা হয়। সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও নাম রাখা হয়নি। চেয়ারম্যান করা হয় অরূপ রায়কে। সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ চার নেতাকে।এই ঘোষণার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়। কারণ, দীর্ঘদিন ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস এবং আরও কয়েকজন নেতার নাম উঠে আসে নতুন শিবিরের সঙ্গে। এরপরই কালীঘাটের তৃণমূল নেতৃত্ব তাঁদের শোকজ করে। তবে সেই শোকজের জবাবের জন্য অপেক্ষা না করেই মঙ্গলবার বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে খবর।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই বহিষ্কার শুধু সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং তৃণমূলের অন্দরের ক্ষমতার লড়াইকে আরও স্পষ্ট করে দিল। একদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নতুন শক্তি গড়ে উঠছে, অন্যদিকে দলীয় নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে কড়া বার্তা দিতে চাইছে মমতা শিবির।আগামী দিনে আরও কয়েকজন নেতা নতুন শিবিরে যোগ দিতে পারেন বলেও জল্পনা তৈরি হয়েছে। ফলে তৃণমূলের অন্দরের এই সংঘাত কোন দিকে গড়ায়, সেদিকে এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির জন্য শতবর্ষী বৃদ্ধার উন্মাদনা! গ্যালারিতে যা করলেন, মুহূর্তে ভাইরাল

লিওনেল মেসির ভক্তের সংখ্যা যে কতটা বিশাল, তার নতুন প্রমাণ মিলল বিশ্বকাপের মঞ্চে। বয়স যেখানে অনেকের কাছে সীমাবদ্ধতা, সেখানে একশো বছর বয়সেও প্রিয় ফুটবলারের খেলা দেখতে স্টেডিয়ামে হাজির হয়ে সকলকে চমকে দিলেন এক বৃদ্ধা। ডালাসের গ্যালারিতে তাঁর উপস্থিতিই এখন সামাজিক মাধ্যমে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়।অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনার গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ দেখতে গ্যালারিতে বসেছিলেন একশো বছর বয়সি পউলিনে কানা। ধবধবে সাদা চুল, গায়ে আর্জেন্টিনার জার্সি আর হাতে একটি প্ল্যাকার্ড। সেখানে লেখা ছিল, তিনি একশো বছর বয়সি মেসি-ভক্ত। সেই ছবি মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক মাধ্যমে।তবে পউলিনে শুধু মেসির ভক্ত হিসেবেই পরিচিত নন। সামাজিক মাধ্যমেও তাঁর জনপ্রিয়তা আকাশছোঁয়া। নাতির সঙ্গে মজার ভিডিও বানিয়ে তিনি কোটি কোটি মানুষের কাছে পরিচিত মুখ। বহু বছর ধরেই তিনি অনলাইনে জনপ্রিয়। তাঁর নাম রয়েছে বিশ্বরেকর্ডের তালিকাতেও। তবে সাম্প্রতিক সময়ে মেসির প্রতি তাঁর ভালোবাসাই তাঁকে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।এর আগেও মেসির খেলা দেখতে মাঠে হাজির হয়েছিলেন তিনি। তখন একটি পোস্টারে মজার ছলে লিখেছিলেন, মেসি, তুমি কি আমায় বিয়ে করবে? সেই ছবিও ব্যাপক ভাইরাল হয়েছিল। এবারও ব্যতিক্রম হল না। বিশ্বরেকর্ডের ম্যাচে তাঁর উপস্থিতি ফুটবলপ্রেমীদের আবেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।অন্যদিকে মাঠেও ছিল মেসি-ম্যাজিক। ম্যাচের শুরুতে পেনাল্টি মিস করলেও পরে জোড়া গোল করে দলকে জয় এনে দেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। প্রথম গোলটি আসে দুর্দান্ত ফিনিশে, যা গ্যালারিতে উপস্থিত দর্শকদের উচ্ছ্বাসে ভাসিয়ে দেয়। দ্বিতীয় গোলটি আসে ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে, যা আর্জেন্টিনার জয় নিশ্চিত করে।এই জোড়া গোলের সুবাদে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বাধিক গোলদাতার নতুন রেকর্ডও গড়েছেন মেসি। ফলে একদিকে মাঠে ইতিহাস, অন্যদিকে গ্যালারিতে একশো বছর বয়সি ভক্তের আবেগ সব মিলিয়ে স্মরণীয় হয়ে থাকল এই ম্যাচ।ফুটবলপ্রেমীদের অনেকেই বলছেন, মেসির আসল সাফল্য শুধু গোল বা ট্রফিতে নয়, বরং এমন প্রজন্ম পেরোনো ভালোবাসায়। কারণ একশো বছরের এক বৃদ্ধা থেকে শুরু করে কোলে থাকা শিশুও যখন একই ফুটবলারের জন্য গ্যালারিতে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে, তখন বোঝা যায় তাঁর জনপ্রিয়তার বিস্তার কতটা।

জুন ২৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির বিশ্বরেকর্ডের ম্যাচেই বিস্ফোরক অভিযোগ! গোলটা কি আদৌ বৈধ ছিল?

বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন লিওনেল মেসি, আর্জেন্টিনাকেও তুলে দিয়েছেন নকআউট পর্বে। কিন্তু ম্যাচ শেষের পর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর গোল নয়, বরং সেই গোলকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক। ফুটবল মহলের একাংশের প্রশ্ন, অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে মেসির প্রথম গোলটি কি আদৌ বৈধ ছিল?ম্যাচের শুরুতে পেনাল্টি মিস করেছিলেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। তবে সেই হতাশা কাটিয়ে পরে জোড়া গোল করে দলকে জয় এনে দেন। ম্যাচের আটত্রিশ মিনিটে দুর্দান্ত ফিনিশে গোল করে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন তিনি। কিন্তু গোল হওয়ার আগে মাঝমাঠে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনাকে ঘিরেই এখন শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক।অভিযোগ, গোল হওয়ার ঠিক আগে অস্ট্রিয়ার এক ফুটবলারের উপর ট্যাকল করেছিলেন আর্জেন্টিনার এক মিডফিল্ডার। সেই ঘটনায় রেফারি খেলা থামাননি। পরে সেই আক্রমণ থেকেই গোল আসে। ফুটবল বিশ্লেষকদের একাংশের দাবি, গোলের আগে আক্রমণ তৈরির পর্যায়ে যদি ফাউল হয়ে থাকে, তাহলে প্রযুক্তিনির্ভর পর্যালোচনার মাধ্যমে বিষয়টি খতিয়ে দেখা উচিত ছিল।এই বিতর্কে সরব হয়েছেন ডেনমার্কের কিংবদন্তি গোলরক্ষক পিটার স্মাইকেলও। তাঁর মতে, গোলটি বাতিল হওয়া উচিত ছিল। তিনি দাবি করেন, অস্ট্রিয়ার ফুটবলারের বিরুদ্ধে স্পষ্ট ফাউল হয়েছিল এবং সেই কারণে আক্রমণ শুরুই হওয়া উচিত ছিল না। প্রযুক্তিনির্ভর পর্যালোচনা ব্যবস্থাও এই বিষয়টি দেখতে ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।ফুটবল মহলের একাংশের মতে, এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে এই ধরনের সিদ্ধান্ত আরও বেশি বিতর্ক তৈরি করে। বিশেষ করে যখন সেই গোলের মাধ্যমেই ইতিহাস গড়েন বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার।এটাই অবশ্য প্রথম নয়। এর আগেও আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচে মেসিকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই ম্যাচে প্রতিপক্ষের অধিনায়কের বিরুদ্ধে একটি চ্যালেঞ্জকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠেছিল রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে। সেই ঘটনায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ায় আপত্তি জানিয়েছিল আলজেরিয়া।অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে মেসি আবারও নিজের অসাধারণ প্রতিভার প্রমাণ দিয়েছেন। তবে রেকর্ড গড়ার রাতেও বিতর্ক যে তাঁর পিছু ছাড়ল না, তা বলাই যায়। এখন ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, গোলটি কি নিয়ম মেনেই হয়েছিল, নাকি রেফারির একটি সিদ্ধান্ত বদলে দিতে পারত ম্যাচের গল্প?

জুন ২৩, ২০২৬
কলকাতা

ঋতব্রতদের আগেই বড় চাল মমতার! নির্বাচন কমিশনে চিঠি ঘিরে তোলপাড় রাজনীতি

তৃণমূলের নিয়ন্ত্রণ ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও তীব্র হল। একদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির নতুন জাতীয় কর্মসমিতি গঠনের দাবি করেছে, অন্যদিকে তার আগেই নির্বাচন কমিশনের কাছে নিজেদের কর্মসমিতির তালিকা পাঠিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সূত্রের খবর, ঋতব্রত শিবিরও নিজেদের নতুন কমিটির নথি কমিশনে জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল। কিন্তু তার আগেই পদক্ষেপ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন শিবির। কমিশনের কাছে পাঠানো তালিকায় চেয়ারম্যান হিসেবে রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রাখা হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সম্প্রতি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহিষ্কারের ঘোষণা করেছিল। সেই আবহেই কমিশনে পাঠানো তালিকায় অভিষেকের নাম থাকা রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, কমিশনে পাঠানো তালিকায় মোট চব্বিশ জন নেতার নাম রয়েছে। যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন দোলা সেন এবং ডেরেক ওব্রায়েন। সহ সভাপতি পদে রাখা হয়েছে সুব্রত বক্সীকে। কোষাধ্যক্ষ হিসেবে রয়েছেন শুভাশিস চক্রবর্তী। তালিকায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নামও রয়েছে। তাঁর পরিচয়ের পাশে বিধানসভার দলনেতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।এছাড়াও দলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতার নাম ওই তালিকায় রয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, নির্বাচন কমিশনের কাছে আগে নথি জমা দিয়ে সাংগঠনিক লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিতে চেয়েছে মমতা শিবির।এদিকে রাজনৈতিক মহলে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, শেষ পর্যন্ত তৃণমূলের সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিষয়টি শুধু আইনি লড়াইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। দলের কর্মী, সমর্থক এবং ভোটারদের সমর্থন কোন দিকে যায়, সেটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।বিশ্লেষকদের বক্তব্য, রাজনৈতিক দলের নাম বা প্রতীকের প্রশ্ন আদালত এবং নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে নির্ধারিত হতে পারে। কিন্তু সাধারণ ভোটারদের আস্থা এবং সমর্থন কোন নেতৃত্বের দিকে ঝুঁকবে, সেটি রাজনৈতিক বাস্তবতার উপর নির্ভর করবে।তাই আপাতত তৃণমূলের ভিতরে এই ক্ষমতার লড়াই আরও দীর্ঘ হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন, আদালত এবং জনমতের লড়াই তিন দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের। আগামী দিনে এই সংঘাত কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই দেখার।

জুন ২৩, ২০২৬
কলকাতা

দলে ভাঙন, রাজনীতিতে চাপ! এরই মধ্যে বিদেশযাত্রার অনুমতি চাইলেন অভিষেক

চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে এই সংক্রান্ত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। প্রায় এক সপ্তাহের জন্য দেশের বাইরে যাওয়ার অনুমতি চেয়েছেন তিনি। আগামীকাল এই মামলার শুনানি হতে পারে বলে আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অতীতে একাধিকবার চিকিৎসার প্রয়োজনে বিদেশে গিয়েছেন। বিভিন্ন মামলার কারণে তদন্তকারী সংস্থার নজরদারির মধ্যে থাকায় বিদেশ সফরের আগে আদালতের অনুমতি নেওয়া তাঁর জন্য বাধ্যতামূলক হয়ে উঠেছে।এর আগে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী বিদেশে যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থাকে জানাতে হতো অভিষেক ও তাঁর স্ত্রীকে। সেই নিয়ম মেনেই অতীতে বিদেশে চিকিৎসার জন্য আবেদন করেছিলেন তিনি। পরে আদালতের অনুমতি পেয়ে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে বিদেশ সফরও করেন।বর্তমানে একটি নির্বাচনী প্রচার সংক্রান্ত মামলায় আদালতের নির্দেশ রয়েছে যে, বিচারালয়ের অনুমতি ছাড়া তিনি দেশের বাইরে যেতে পারবেন না। সেই কারণেই এবার সরাসরি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অভিষেক। তাঁর বক্তব্য, চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়া প্রয়োজন।উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০১৬ সালে একটি সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতরভাবে আহত হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই দুর্ঘটনায় তাঁর বাঁ চোখের নিচের অংশে মারাত্মক আঘাত লাগে এবং চোখের হাড় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর থেকে দীর্ঘদিন ধরে চোখের সমস্যায় ভুগছেন তিনি।গত কয়েক বছরে দেশের বাইরে একাধিক জায়গায় চিকিৎসা করিয়েছেন অভিষেক। একাধিক অস্ত্রোপচারও হয়েছে তাঁর চোখে। চিকিৎসকদের পরামর্শেই আবারও বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এখন নজর আদালতের সিদ্ধান্তের দিকে। চিকিৎসার প্রয়োজনে বিদেশ সফরের অনুমতি মেলে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী শুনানির পরই বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

জুন ২৩, ২০২৬
কলকাতা

১২ রাউন্ড পর্যন্ত এগিয়ে মমতা, তারপর কী ঘটেছিল? আদালতে বিস্ফোরক দাবি

ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে দায়ের হওয়া মামলায় গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। গণনাকেন্দ্রের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ, ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট সংরক্ষণ করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্ত। আদালতের অনুমতি ছাড়া কোনও ফুটেজ মুছে ফেলা যাবে না বলেও স্পষ্ট জানানো হয়েছে।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে শুভেন্দু অধিকারী জয়ী হন। সেই ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, ভোটগণনার সময় অনিয়ম এবং কারচুপি হয়েছিল। সেই মামলারই শুনানি ছিল মঙ্গলবার।আদালতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে সওয়াল করতে গিয়ে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, ভোটগণনার প্রথম ১২ রাউন্ড পর্যন্ত সবকিছু স্বাভাবিক ছিল এবং তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এগিয়ে ছিলেন। কিন্তু তার পর থেকেই পরিস্থিতি বদলে যায় বলে অভিযোগ তাঁর।আইনজীবীর দাবি, তৃণমূলের গণনা এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেওয়া হয়েছিল। এমনকী কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয় আদালতে। তাঁর বক্তব্য, ১৩ নম্বর রাউন্ড থেকে গণনার ফলাফলে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা যায় এবং তার সমস্ত তথ্য সিসিটিভি ফুটেজে রয়েছে।শুনানিতে আরও অভিযোগ করা হয়, ভবানীপুরের রিটার্নিং অফিসারকে নিয়ে আগে থেকেই আপত্তি ছিল। তা সত্ত্বেও তাঁকেই ওই দায়িত্বে রাখা হয়েছিল। এই বিষয়টিও আদালতের নজরে আনা হয়।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে আদালতের কাছে আবেদন জানানো হয় যাতে দ্রুত মামলার নিষ্পত্তি করা হয়। পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজ, ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়ারও আর্জি জানানো হয়।সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত গণনাকেন্দ্রের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দেয়। একইসঙ্গে ভবানীপুর কেন্দ্রের ব্যবহৃত ইভিএম এবং ভিভিপ্যাটও সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে। আদালতের অনুমতি ছাড়া কোনও তথ্য বা ফুটেজ নষ্ট করা যাবে না।এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে দুই মাস পরে। তবে আদালতের এই নির্দেশের পর ভবানীপুর নির্বাচনের ফলাফল এবং ভোটগণনা প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুন ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal