• ৬ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার ২২ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

SI

রাজ্য

মুর্শিদাবাদে প্রচারে রাজনাথ সিং, তুলোধোনা তৃণমূল নেত্রীকে, দার্জিলিংয়ের সভায় ফোন-বার্তা শাহর

নরেন্দ্র মোদী- অমিতনশাহের পর এবার রাজনাথ সিং। রাজ্যে নির্বাচনী প্রচারে এসে তৃণমূলনেত্রী মমতাবন্দ্যোপাধ্যায়কে ঝাঁঝালো আক্রমণ করলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। রবিবার মুর্শিদাবাদের জলঙ্গিতে নির্বাচনী প্রচারে এসেছিলেন বিজেপির এই বর্ষীয়ান নেতা। নির্বাচনী সভামঞ্চ থেকে বাংলার আইনশৃঙ্খলার পরিবেশ নিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জিকে নিশানা করেছেন রাজনাথ।মমতাদিদি খাদি পড়েন, আর আড়ালে লুঠ চলছে। চৈতণ্যদেব, রাজা রামমোহন রায়, বিদ্যাসাগর, সুভাষচন্দ্রের বাংলায় মমতার আমলে কী হল? বাংলায় এখন আইনশৃঙ্খলা বলে কিছু নেই। পুরো বাংলাজুড়ে অরাজক একটা পরিবেশ। এখন সাম্প্রাদয়িকতার জন্য বাংলার নাম উঠে আসছে। এখানে ইডি-সিবিআই তদন্তে এলে গুন্ডারা হামলা চালায়। এখানে আইনশৃঙ্খলা নেই।সন্দেশখালি ইস্যুতে রাজনাথ বলেন, সন্দেশখালির ঘটনা ভারতের নয়, গোটা দুনিয়ার যে দেখেছে সেই বলেছে এটা মানবতার লজ্জা। মমতাদিদি খাদি পড়েন, আর খাদির আড়ালে বাংলায় লুঠ চলছে। এখানে চাকরির পরীক্ষায় দুর্নীতি হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গে সব ক্ষেত্রেই দুর্নীতি। আপনার নামেই শুধু মমতা, আচার-ব্যবহারে মমতা পুরো নষ্ট হয়ে গিয়েছে। আপনার মনের মমতা কোথায় গেল?অন্যদিকে, দার্জিলিঙের বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তার সমর্থনে সভা করার কথা ছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্টরমন্ত্রী অমিত শাহের। তবে সেই সভা আজ বাতিল হয়ে গিয়েছে। খারাপ আবহাওয়ার কারণে শিলিগুড়ি থেকে উড়তেই পারেনি শাহের কপ্টার। তবে সভায় না এলেও ফোনে বার্তা দিয়েছেন অমিত শাহ।রাজু বিস্তার ফোনে শাহ বলেন, গোর্খাদের পাশে আছি আমরা। খারাপ আবহাওয়ার কারণে যেতে পারিনি। দেশের ইতিহাসে গোর্খাদের বড় অবদান আছে। পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারে একমাত্র বিজেপিই। আপনারা মোদিজীর পাশে থাকুন। ২৬ তারিখ রাজু বিস্তাকেই পদ্ম চিহ্নে ভোট দিন।

এপ্রিল ২১, ২০২৪
রাজ্য

বিজেপি বিধায়ক'কে বাধা দেওয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে।

শিলিগুড়ির মহানন্দা গার্লস স্কুলের ভোট গ্রহণ কেন্দ্রের সামনে বিজেপি বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায়কে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। তাঁর গাড়ি আটকানো হয় বলেও অভিযোগ। মুহূর্তেই তপ্ত হয়ে যায় এলাকা। পুলিশ ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে রীতিমতো ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। চলতে থাকে ধস্তাধস্তি। তবে বিধায়ককে বুথে ঢুকতে দেখা যায়নি। তবে, বুথের ২০০ মিটারের মধ্যে যেতেই বাধা দেয় পুলিশ। পুলিশি বাধা পেয়ে ওই জায়াগাতেই অনুগামীদের নিয়ে বসে পড়েন বিজেপি বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায়। পুলিশ তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যেতে চাইলে আরও ঘোরাল হয় পরিস্থিতি। বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে বচসা শুরু হয়ে যায় পুলিশের।

এপ্রিল ১৯, ২০২৪
নিবন্ধ

ঝাপসা পলাশ

সেই কাকভোর থেকে অগোছালো শরীরটাকে টেনে হিচড়ে, ইচ্ছে -অনিচ্ছের রাস্তা মাড়িয়ে বয়ে নিয়ে যাওয়া এখন করুণ অভ্যেস।রাতের বিছানায় নেতিয়ে না পড়া পর্যন্ত শান্তি নেই, সংসার বড় বালাই। তাই চা, বিড়ি, ফর্দ, সমালোচনা, গালাগালি, হিসেবনিকেশ।অসুখটা ঠিক শরীরে নয়। চাওয়া পাওয়ার ঘাটতি গুলো মনের ভিতর জমে বাষ্প হয়ে মেঘ হয়, কিন্তু বৃষ্টি হয়না।জীবাণুদের কোলাহল বাড়তে থাকে, বিপ্লবের টের পাই সেই অদ্ভুত নীরব অনুভূতির সাম্রাজ্যে - যেটা আজও বেশ অচেনা।কল্পনার বেনো জলে ভেসে আসে উদগ্র বাসনা - ব্যার্থ চাহিদাগুলো সার দিয়ে দাঁড়ায়, সস্তা লালসার দংশনে মন জেরবার।রাত বাড়ে, পাল্লা দিয়ে চলে গাঢ় নীলচে অন্ধকারে অগাধ সাঁতার, অন্তহীন আকাশের মতো, যেখানে শব্দ নেই আছে বিস্তার।হারতে হারতেও লড়াইটা টিকিয়ে রাখার ক্ষীণ প্রয়াস, বারোমাস। কুয়াশা মাখা ভোরের পর একঘেয়ে সকাল, ঘর্মস্রাবি দিনের শেষে চোখের কোনে জমে ঝুল।সাতচল্লিশটা বসন্ত পার করার পর পলাশ, কৃষ্ণচূড়ারা আজও শুধুই লালচে ফুল।দীপক কুমার মণ্ডলবর্ধমান

এপ্রিল ১৯, ২০২৪
রাজ্য

যাত্রীদের কষ্টের দিন শেষ, শীঘ্রই শিয়ালদহ মেইন সেকশনে সমস্ত ১২ কোচের লোকাল ট্রেন

শিয়ালদহ মেইন ও নর্থ সেকশনে সমস্ত EMU লোকালগুলিকে ১২ কোচের করার জন্য শিয়ালদহ মেইনের সাবার্বান প্লাটফর্মগুলি অর্থাৎ ১ থেকে ৫ নং প্লাটফর্মের দৈর্ঘবৃদ্ধির কাজ জোরকদমে এগিয়ে চলেছে। শিয়ালদহ স্টেশনের ইয়ার্ডের জটিলতা সত্ত্বেও চ্যালেঞ্জগুলি কাটিয়ে, ডেডিকেটেড প্রজেক্ট টিম 24X7 অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছে নির্দিষ্ট যাতে সময়সীমার মধ্যে কাজ সম্পন্ন করা যায়। নতুন ট্র্যাক, বৈদ্যুতিক লাইন ইত্যাদি স্থাপনের কাজ সহ এমন একটি বিশাল প্রকল্প সম্পন্ন করার জন্য সুবিন্যস্ত পরিকল্পনা এবং সুস্পষ্ট সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ। এই নতুন লে আউটে ইলেকট্রিক ট্রাকশনের বন্দোবস্ত এবং সিগন্যালিং মডিফিকেশনের কাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ধৈর্যসাপেক্ষ ব্যাপার। ট্রেন চলাচল চালু রেখে এসমস্ত কাজ করা যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং এবং দক্ষ রেলকর্মীরা এই বাধা অতিক্রম করে এগিয়ে চলেছেন। গ্রীষ্মের ভয়ঙ্কর তাপপ্রবাহ সত্ত্বেও, নিবেদিত প্রজেক্ট টিম বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে উঠছে এবং ওভারহেড বৈদ্যুতিক তার এবং সিগন্যালিং সরঞ্জামগুলির জন্য নতুন খুঁটি স্থাপন করা হচ্ছে। নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং নতুন পরিকাঠামোর নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করার জন্য এই কাজটি নির্ভুলতার সাথে করা হচ্ছে। দিনের যাত্রী চলাচলে ব্যাঘাত কমাতে এবং ধুলা দূষণ কমাতে রাতে নির্মাণ কাজ চালানো হচ্ছে।যাত্রীদের অসুবিধা কমানোর জন্য, দিনের বেলায় যাত্রীদের চলাচলের সুবিধার্থে প্ল্যাটফর্ম ১,২,৩ এবং ৪ এর কাছে অতিরিক্ত অস্থায়ী এক্সেস রুট খোলা হয়েছে।প্রতি রাতেই রেলসেবা নিবৃত্তির পরেই পূর্বরেলের কর্মীরা কোমর বেঁধে কাজে নেমে পড়ছেন কারণ ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে প্রথম ট্রেন চলার আগেই কাজ শেষ করতে হবে যাতে যাত্রীসাধারণ কোনওরকম অসুবিধার সম্মুখীন না হন। শিয়ালদহের সমস্ত সংশ্লিষ্ট বিভাগই প্রত্যেকে প্রত্যেকের বিভাগীয় কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে নিয়ে চলতে বদ্ধপরিকর যাতে খুব শীঘ্রই শিয়ালদহ মেইন এবং নর্থ এর সমস্ত লোকাল ট্রেনই ১২ বগির করে তোলা যায়। প্রকল্পটি শিয়ালদহে সামগ্রিক পরিচালন নমনীয়তা এবং যাত্রীদের সুবিধা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৪
রাজ্য

রেড রোডে ইদের অনুষ্ঠানে হাজির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার আবেদন

ইদের মঞ্চে ভোটের বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলকেই ভোট দেওয়ার বার্তা দলনেত্রীর। বৃহস্পতিার কলকাতার রেড রোডে ইদের অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিদায়ী সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে ওই অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকেই এদিন তৃণমূলনেত্রী ফের একবার তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপিকে।বৃহস্পতিবার ইদের সকালে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে রেড রোডের অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছেন হয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে ফের একবার সিএএ, এনআরসি ইস্যুতে কেন্দ্রের শাসকদল বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এই ইস্যুতে তৃণমূলনেত্রী বলেন, CAA, NRC চাই না। আমরা কোনও ভেদাভেদ চাই না। সবাই মিলে একসঙ্গে থাকতে চাই। সবাইকে এককাট্টা হতে হবে। একাধিক এজেন্সিকে কাজে লাগিয়ে নির্বাচনের আগে ভয়ের আবহ তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার, এমনই অভিযোগ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তাঁর কথায় ,ভোটের আবহে ভয় দেখাতে চাইছে কেউ কেউ। ইডি, সিবিআই, আয়কর দফতর দিয়ে ভয় দেখাচ্ছে। সবাইকে জেলে ঢোকাতে চাইছে। ভোটের সময় বেছে বেছে মুসলিম লিডারদের ফোন করে বলছে কি চাই? আমাদের সঙ্গে বিজেপির লড়াই এখানে। তৃণমূল ছাড়া একটা ভোটও অন্য কোনও দলকে দেবেন না।এবারের লোকসভা নির্বাচনে ৪০০-র বেশি আসন পার করে যাওয়ার স্বপ্নে বিভোর নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ, জেপি নাড্ডারা। বিজেপির সেই লক্ষ্যকে কটাক্ষ করে এদিন তৃণমূল সুপ্রিমো একুশের বিধানসভা ভোটের প্রসঙ্গ টেনে এদিন বলেন, বলেছিল এবার দুশো পার। সত্তরেই শেষ। এখন বলছে চারশো পার। আগে দুশো পার করে দেখাও।

এপ্রিল ১১, ২০২৪
দেশ

খেলা হবে কিন্তু মাঠ কই

২০২১ শের বিধানসভা নির্বাচনে আবহে রাজ্যে স্লোগান উঠেছিল খেলা হবে। নির্বাচন তা কোনো রাজ্যের হোক অথবা দেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সংসদীয় গণতন্ত্রের নির্বাচনে অতি বিশেষ স্থান রয়েছে। সেখানে এই ধরণের স্লোগান অনেকের কাছে Infantile Disorder বলে মনে হয়েছিল। আবার অনেকের কাছে দবশ রহস্যগন্ধী মজাদার ঠেকেছিল। এবার লোকসভা নির্বাচনের প্রচার কালে কিছু কিছু ঘটনা ও দ্রুত পট পরিবর্তন দেখে মনে হচ্ছে সত্যি ই যেন দেশ জুড়ে খেলা হচ্ছে। আর সেই খেলার পিছনে ধুরন্ধর কোচের মস্তিস্কের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এই খেলায় ফুটবলের ভাষায় বললে Movement আর দাবার ভাষায় বললে চাল দুটোতেই শাসক দল আক্রমনাত্মক Strategy বেছে নিয়েছে। আর শাসক দলের এই চলন নিয়ে অন্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন উঠছে। যা ভবিষ্যতে দেশের রাজনৈতিক পথ চলার উপরে প্রভাব ফেলতে পারে।বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের দলবদল INDIA জোটকে ধাক্কা দিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী সাড়া না দেওয়ায় এই জোট দেশের পূর্ব প্রান্তে অস্তিত্বহীন। পাশাপাশি বিভিন্ন রাজ্যে কংগ্রেসের ক্রমাগত রক্তক্ষরণ। এই সব মিলিয়ে বিরোধী জোটকে ছন্নছাড়া দেখাচ্ছিল। অন্য দিকে শাসকদলকে অপ্রতিরোধ্য বলে মনে হচ্ছিল। এই অবস্থায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীওয়ালের গ্ৰেপ্তারি বিরোধী দলগুলির পালে জোরালো হাওয়া এনে দিয়েছে। এক দশক ধরে দিল্লির দুই যুযুধান রাজনৈতিক দল কে এক মঞ্চে এনেছে। শুধু তাই নয় গত ৩১ মার্চ দিল্লির রামলীলা ময়দানে India Gate -র জনসভা থেকে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা ও ছড়িয়েছে। এর আগে দিল্লির যন্তরমন্তরে এবং মুম্বাইয়ে INDIA মঞ্চের জনসভা হয়েছে। কিন্তু দেশের সব প্রান্ত থেকে শীর্ষ বিরোধী নেতাদের মঞ্চে উপস্থিতি রামলীলা ময়দানে জনসভার ধার এবং ভার দুইই বাড়িয়েছে। সবকিছু কে ছাপিয়ে এই জনসভা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে তার বার্তায়। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই বার্তা দেশের গণতান্ত্রিক নির্বাচনের চেহারা ভবিষ্যতে কেমন হবে সেই ভাবনা কে উস্কে দিয়েছে।আরও পড়ুনঃ টাকা দাও, ভোট নাও, প্রচারে বেরিয়ে শুনতে হল শতাব্দী রায়কেINDIA -র মঞ্চ থেকে যে পাঁচটি মূল দাবি তুলে ধরা হয়েছে তার প্রথম দুটি জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে । ১৯৫২ সাল থেকেই নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক দল গুলি একে অপরের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়ে আসছে। কিন্তু এই দুটি দাবি মামুলি অভিযোগের গন্ডই ছাড়িয়ে এক বৃহত্তর পরিসরে প্রবেশ করেছে। দেশের বর্তমান জনসংখ্যা প্রায় একশো চল্লিশ কোটি। এবার লোকসভা নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ৯৮ কোটি। তারমধ্যে ৭০-৭৫ কোটি মানুষ ভোট দেবেন। ফলে দেশের প্রথম নির্বাচন থেকে নির্বাচন কমিশন যে কাজ করে আসছে তার ক্রমশ আড়ে বহরে বাড়ছে। এই কাজ শুধু নির্বাচন করিয়ে দেওয়া নয়, নির্বাচন যেন অবাধ শান্তিপূর্ণ এবং সুষ্টুভাবে সম্পন্ন হয় তা নিশ্চিত করা নির্বাচন কমিশনের কর্তব্য। এই কাজ করার ক্ষেত্রে প্রাথমিক বিষয়টি হলো যে দলগুলি নির্বাচনে লড়বে তারা যেন সমান জমিতে দাঁড়িয়ে লড়তে পারে। অর্থাৎ শক্তিশালী দল আর দুর্বল দলের লড়াইয়ের জমি যেন সমান থাকে। আর জমি সমান রাখতেই আদর্শ নির্বাচনী বিধি জারি করে কমিশন। এই বিধির মূল নিশানায় থাকে শাসকদল। কারন দাপট আর প্রশাসনিক প্রভাবে শাসক দল-ই এগিয়ে থাকে। এই কারণে ই INDIA মঞ্চের প্রথম দুটি দাবি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম দাবিটি হল লোকসভা ভোটের ময়দানে সবাইকে সমান ভাবে লড়তে পারার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। দ্বিতীয় দাবিটি হল ভোটের মুখে যেভাবে বিরোধী দলের নেতাদের বিরুদ্ধে তদন্তকারি সংস্থা গুলির ব্যবস্থা নিচ্ছে তা বন্ধ করুক নির্বাচন কমিশন।আরও পড়ুনঃ প্রাক্তন বিচারপতিকে ক্রমাগত নিশানা করে চলেছেন মমতাঅবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে বাধা সৃষ্টি কারি নানান কৌশল ও প্রকরণের তালিকা এদেশে দীর্ঘ এবং অনেক পুরনো। এই পথ ধরেই হিংসা, ভয় দেখানো, এবং ভোট লুঠের মতো অগণতান্ত্রিক আচরণ যে দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্যে রয়ে গিয়েছে তা নাগরিকরা বিলক্ষণ জানেন। এর পাশাপাশি রয়েছে নির্বাচনী ফলকে প্রভাবিত করার বিভিন্ন কৌশল। আর এই সমস্ত প্রক্রিয়ার মূল চালিকাশক্তি যে শাসকদল তা ও সবাই জানে। কারণ ক্ষমতা ছাড়া পেশীশক্তি বা অর্থবলের দাপট দেখানো যায় না। এই কারণেই শাসকদলকে ভোটের সময় নির্বাচন বিধির ঘেরাটোপের মধ্যে না রাখতে পারলে বিরোধী দলগুলি কে অসমান জমিতে দাঁড়িয়ে লড়তে হয়। অবশ্য সীমাবদ্ধ অঞ্চলে যেখানে তাদের ক্ষমতা থাকে সেখানে বিরোধী রাও এক ই পথে হাঁটে। তবে বিরোধীদের অভিযোগ ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য বর্তমান শাসক দল রাষ্ট্রক্ষমতা কে যে ভাবে ব্যবহার করছে তা বিপজ্জনক।আরও পড়ুনঃ সুকান্ত, শুভেন্দুকে কড়া ভাষায় আক্রমণ মমতার, পাল্টা দিলেন বঙ্গ বিজেপি সভাপতিএই প্রেক্ষাপটে রাজধানীর রামলীলা ময়দান থেকে কমিশনের কাছে বিরোধীরা যে দাবি তুলেছেন তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিরোধীদের অভিযোগ নির্বাচনে শাসকদলের রাষ্ট্রক্ষমতার ব্যবহার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে বিপন্ন করে তোলে। রাষ্ট্রক্ষমতা কাজে লাগিয়ে ভোটের মুখে প্রধান বিরোধী দল গুলির শীর্ষ নেতৃত্বকে দুর্বল করতে পারলে জেতার পথে অর্ধেক রাস্তা এগিয়ে থাকা যায়। শুধু তদন্ত কারি সংস্থা দিয়ে বিরোধী নেতাদের গ্ৰেপ্তার নয় তার সঙ্গে আয়কর দপ্তরের ও অতি সক্রিয়তা সবার নজর কেড়েছে। কংগ্রেসের আর্থিক সংস্থান বন্ধ করে নির্বাচনী ব্যয় কে কঠিন করে তুলতেই এই সক্রিয়তা কিনা তা নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন জেগেছে। বিশ্বের মধ্যে ভারত বৃহত্তর গনতন্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। এই বিশাল জনসংখ্যার দেশে নির্দিষ্ট সময় নিয়মিত ভোট দানের প্রক্রিয়া গনতান্ত্রিক পথে সম্পন্ন হওয়ার কারণেই এই সম্মান পাওয়া গিয়েছে। এর জন্য স্বশাষিত সংস্থা নির্বাচন কমিশন অবশ্যই কৃতিত্ব দাবি করতে পারে। তাই বিরোধীদের দুটি দাবির মুখে দাঁড়িয়ে নির্বাচন কমিশন কি পদক্ষেপ করবে তার উপর দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভবিষ্যত কাঠামো অনেক টাই নির্ভর করছে ।

এপ্রিল ০৭, ২০২৪
রাজ্য

বর্ধমানের নয়া জেলাশাসক কে রাধিকা আয়ার, আরও তিন জেলায় পরিবর্তন

নির্বাচন কমিশন রাজ্যের চার জেলায় নতুন জেলাশাসক নিয়োগ করল। মুখ্যসচিব বিপি গোপালিকাকে চিঠি দিয়ে পূর্ব মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূমের জেলাশাসক পদে চার জনের নাম অনুমোদন করল কমিশন। বৃস্পতিবার ওই চার জেলার জেলাশাসককে পদ থেকে সরায় নির্বাচন কমিশন।২০১০ ব্যাচের আইএএস জয়শী দাশগুপ্ত পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নতুন জেলাশাসক হলেন। ঝাড়গ্রামের নতুন জেলাশাসক পদে বসানো হয়েছে মৌমিতা গোদারা বসুকে। মৌমিতা ২০০৭ ব্যাচের আইএএস। পূর্ব বর্ধমান জেলায় কে রাধিকা আয়ারের নাম জেলাশাসক হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে, এবং বীরভূমে শশাঙ্ক শেঠিকে নতুন জেলাশাসক হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, রাধিকা ২০১১ এবং শশাঙ্ক ২০১০ ব্যাচের আইএস। চার নয়া জেলাশাসকই পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের এবং তারা প্রত্যকেই একাধিক বার জেলাশাসকের দায়িত্বভার পালন করেছেন। কমিশন নির্দেশ দিয়েছেন, আগামিকাল, শনিবার সকাল ১০টার মধ্যে নবনিযুক্ত জেলাশাসকদের হাতে দায়িত্ব দিয়ে কমিশনকে জানাতে হবে রাজ্য প্রশাসনকে।বৃহস্পতিবার পূর্ব বর্ধমান, পূর্ব মেদিনীপুর, বীরভূম ও ঝাড়গ্রামের জেলাশাসকদের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দেয় কমিশন। কমিশন সূত্রে খবর, ওই চার জেলার জেলাশাসকেরা কেউই আইএএস ক্যাডারের অফিসার নন। ৪ জনই ডব্লিউবিসিএস আধিকারিক। সেই কারণেই তাঁদের জেলাশাসক পদ থেকে সরানো হয়েছে। এই বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে চিঠি দেয় পশ্চিমবঙ্গের সিভিল সার্ভিস (ডব্লিউবিসিএস) আধিকারিকদের সংগঠন। সেই আবেদনে চার জেলার জেলাশাসকের অপসারণের যে কারণ নির্বাচন কমিশন দেখিয়েছেন সেই বিষয়ে দুঃখপ্রকাশ করা হয়েছে। সিভিল সার্ভিস (ডব্লিউবিসিএস) আধিকারিকদের সংগঠন দাবি করেছে এই অপসারণ বৈষম্যমূলক। তাঁদের বক্তব্য যে কারণ দেখিয়ে ওই চার জেলার জেলাশাসকদের অপসারণ করা হয়েছে, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং আধিকারিকদের আবেগ, নীতিতে ধাক্কা দিয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

মার্চ ২২, ২০২৪
রাজ্য

টানা ৩ দিন আয়কর তল্লাশি রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাইয়ের বাড়িতে, ইডির হানা আরেক মন্ত্রীর ঘরে

একটানা ৩ দিন! রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাসের বাড়িতে টানা তিন দিন ধরে আয়কর দফতরের টানা তল্লাশি। নিউ আলিপুরে মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাসের বাড়িতে একটানা চলছে আয়কর দফতরের তল্লাশি। স্বভাবিকভাবেই এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বঙ্গ রাজনীতিতে চর্চা তুঙ্গে উঠেছে। এদিন বোলপুরে মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার বাড়িতে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে হানা দেয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।টানা ৩ দিন ধরে মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাসের বাড়িতে আয়কর তল্লাশি চলছে। সূত্রের খবর, আপাতত টানা তল্লাশিতে বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন আয়কর দফতরের অফিসাররা বাজেয়াপ্ত করেছেন। একইসঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু তথ্যও হাতে এসেছে আয়কর অফিসারদের।এদিকে, টানা এই তল্লাশি অভিযান ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে উঠেছে। এপ্রসঙ্গে বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য সংবাদমাধ্যমে বলেন, এটি একটি আইনি প্রক্রিয়া। আয়কর দফতর কঠিনভাবে সক্রিয় হয়েছে। তবে যতক্ষণ না পর্যন্ত কিছু জানা যাচ্ছে ততক্ষণ রাজনৈতিক বিতর্ক চাই না।এদিকে, লোকসভা নির্বাচনের ঠিক মুখে শুক্রবার একযোগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে হানা দিয়েছে আর এক কেন্দ্রীয় সংস্থা ইডি। নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার বোলপুরের বাড়ির পাশাপাশি কলকাতা শহরের বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীর বাড়িতেও হানা দেয় ইডিনিয়োগ দুর্নীতির কালো টাকা ঘুরপথে বেশ কয়েকজন ব্যাবসায়ীর মাধ্যমেই সাদা করার চেষ্টা হয়েছে বলে সূত্রের দাবি। তারই ভিত্তিতে কলকাতায় এদিন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তল্লাশি চালিয়েছে। অন্যদিকে, নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলার তদন্তে মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার নাম উঠে এসেছিল। তারই পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর বাড়িতেও এদিন ইডি তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে।

মার্চ ২২, ২০২৪
রাজ্য

চাকরি থেকে ইস্তফা দিলেন আইপিএস অফিসার

নিঃশর্তে চাকরি থেকে ইস্তফা দিলেন কোচবিহারের শীতলকুচিতে ভোটকেন্দ্রে গুলিকাণ্ডে সাসপেন্ড হওয়া পুলিশ সুপার তথা আইপিএস অফিসার দেবাশিস ধর। ২০২১ বিধানসভা ভোটের সময়ে কোচবিহারের শীতলখুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে চার গ্রামবাসীর মৃত্যু হয়েছিল। সেই সময়ে কোচবিহারের পুলিশ সুপার ছিলেন তিনি। বিধানসভার ভোট মিটে যেতেই দেবাশিসের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছিল রাজ্য গোয়েন্দা দফতর তথা সিআইডি। লোকসভা নির্বাচনের আগে তাঁর ইস্তফা যথেষ্ট তাৎপর্য পূর্ণ।বিজেপিতে যোগদানের সম্ভাবনা। দক্ষিণবঙ্গের কোন একটি লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হতে পারেন প্রাক্তন পুলিশ কর্তা দেবাশীষ ধর। এরআগে উত্তরবঙ্গের আইজি প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগের পর প্রার্থী হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের মালদা উত্তর লোকসভা কেন্দ্র থেকে। স্বভাবতই জল্পনা তুঙ্গে।

মার্চ ২১, ২০২৪
রাজ্য

দুই মন্ত্রী সম্মুখ সমরে, সংঘর্ষে মাথা ফাটল পুলিশ আধিকারিকের, শহর বনধের ডাক

দুই মন্ত্রী সম্মুখ সমরে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতীশ অধিকারী ও রাজ্যের মন্ত্রী উদয়ন গুহ। এক মন্ত্রী আরেকজনের দিকে তেড়ে যাচ্ছে, অন্য জন জবাব দিচ্ছে, এমন দৃশ্য খুব একটা দেখা যায় না। মঙ্গলবার কোচবিহারে দিনহাটায় প্রচারে ধুন্ধুমার ঘটনা ঘটে। প্রচারিত একটি ভিডিওতে স্পষ্ট দুই মন্ত্রীর বাকবিতন্ডা থেকে লাঠিসোটা নিয়ে দাপাদাপি। বিজেপি ও তৃণমূলের সংঘর্ষের ঘটনায় মাথা ফেটেছে এক পুলিশ আধিকারিকের। এই ঘটনার জেরে আজ, বুধবার দিনহাটা বনধের ডাক দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। যে নির্বাচনের আগে পরে বারে বারে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে দিনহাটা। এবার লোকসভা নির্বাচন আসতেই ফের উত্তেজনা ছড়াল কোচবিহারের দিনহাটায়। দুই মন্ত্রীর সামনেই তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক ও উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ মুখোমুখি বাকবিতন্ডায় জড়ান। একে অপরের দিকে তেড়ে যান। এই দৃশ্য দেখে স্বভাবতই বিজেপি ও তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়ায়৷ জানা গিয়েছে, এই সংঘর্ষে দুই পক্ষের বেশ কয়েক জন আহত হয়েছেন। দিনহাটার এসডিপিও মাথায় চোট পেয়েছেন। সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ নাজেহাল হয়ে পড়ে। এমনকী মন্ত্রীদের নিরাপত্তা রক্ষীদের দিকেও লাঠি নিয়ে তেড়ে যেতে দেখা যায় প্রচারিত ভিডিওতে।তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, উদয়ন গুহের জন্মদিন পালনের জন্য দিনহাটা চৌপতি এলাকায় কর্মীরা জড়ো হয়েছিলেন। তখন ওই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন নিশীথ প্রামানিক। তিনি নির্বাচনী প্রচার থেকে ফিরছিলেন। অভিযোগ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর নিরাপত্তা কর্মীরা তৃণমূল কর্মীদের ওপর হামলা করে। তা থেকে বিবাদের সূত্রপাত।বিজেপির অভিযোগ, সভা শেষ করে বাড়ি ফেরার সময় দিনহাটার পাঁচমাথা মোড়ে তৃণমূলের লোকজন অতর্কিত হামলা চালায়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ ভাবে রাস্তা দিয়ে আসছিলাম। হঠাৎ কনভয়ে ইট-পাটকেল, তির-ধনুক নিয়ে আক্রমণ করে তৃণমূল। এই ঘটনায় হস্তক্ষেপ করেছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্য পুলিশের কাছে দিনহাটার ঘটনার রিপোর্ট তলব করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। বুধবার দিনহাটা বনধের ডাক দিয়েছে তৃণমূল অন্যদিকে জেলা পুলিশ সুপারের অফিস ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছে বিজেপি।

মার্চ ২০, ২০২৪
রাজ্য

ফের বদল রাজ্য পুলিশের ডিজি, নতুন পদে সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কে নিয়োগ কমিশনের

ইতিমধ্যে রাজ্য পুলিশের ডিজির পদ থেকে জাতীয় নির্বাচন কমিশন আইপিএস রাজীব কুমারকে অপসারণ করেছিল। নির্বাচনী সব প্রক্রিয়া থেকে তাঁকে বাইরে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরপর রাজ্যের ডিজি কে হবেন তা নির্ণয়ে নবান্নের কাছে তিনটি নাম চেয়েছিল কমিশন। সেই তালিকা থেকে রাজ্যে কর্মরত সবচেয়ে অভিজ্ঞ আইপিএস বিবেক সহায়কে ডিজির চেয়েরে বসার সিলমোহর দেয় কমিশন। ওইদিনই দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন বিবেক সহায়। কিন্তু ২৪ ঘন্টা না কাটতেই ফের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের ডিজি পরিবর্তন করে দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। বিবেক সহায়ের বদলে নবান্নের তরফে কমিশনের কাছে পাঠানো তালিকায় নাম থাকা আইপিএস সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কে ডিজি-র দায়িত্ব দেওয়া হল। আজ, অর্থাৎ মঙ্গলবার বিকেল ৫টর মধ্যেই ডিজি-র দায়িত্বভার গ্রহণ করতে নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।রাজীব কুমারের উত্তরসূরি হিসাবে আইপিএস বিবেক সহায়ের সঙ্গে আরও দুই সিনিয়র আইপিএস অফিসার সঞ্জয় মুখোপাধ্যায় এবং রাজেশ কুমারের নাম নবান্ন কমিশনে পাঠিয়েছিল। তার মধ্যে থেকেই এ দিন ১৯৮৯ সালের আইপিএস সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কে ডিজি নিয়োগ করল কমিশন।কেন ২৪ ঘন্টার আগেই ডিজি-র পদ থেকে আইপিএস বিবেক সহায়কে সরাল কমিশন? সূত্রের খবর, আইপিএস বিবেক সহায়কে সিনিয়ারিটির ভিত্তিতে রাজ্য পুলিশের সর্বোচ্চ পদে বসানো হয়েছিল। কিন্তু লোকসভা ভোট চলাকালীনই আগামী মে মাসে তাঁর অবসর। তখনও সাত দফা নির্বাচনের শেষ দফা ভোট (১ জুন) বাকি থাকবে। ফলে আইন-শৃঙ্খলার অসুবিধা হতে পারে। কমিশনের যুক্তি, ভোট শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একজন ডিজিপি দায়িত্বে থাকলে কাজের সুবিধা হয়। তাই আইপিএস সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কেই রাজ্যের ডিজি-র চেয়ারে বসানো হল।অপসারণের দিন রাতেই আইপিএস রাজীব কুমাকে রাজ্যের ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি দফতরের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব পদে নিয়োগ করেছে রাজ্য প্রশাসন।

মার্চ ১৯, ২০২৪
রাজনীতি

বিজেপির সদস্যপদ পুনঃ নবীকরণ করলেন অর্জুন সিংহ, দিল্লি পদ্মে যোগ দিলেন দিব্যেন্দু অধিকারী

পুনরায় দিল্লীতে বিজেপি যোগদান করলেন ব্যারাকপুরের সদ্য প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংহ এবং তমলুকের তৃণমূল সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। আজ শুক্রবার পুর্ব নির্ধারিত সুচী অনুযায়ী দিল্লির বিজেপি সদর দফতরে বিজেপির উত্তরীয় পরেন প্রাক্তন দুই সাংসদ। দুই নেতাকে সাংবাদিক সাংবাদিক বৈঠক করে সাদ্রে বরণ করে নিয়েছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।দিব্যেন্দু অধিকারী এবং অর্জুন সিংকে স্বাগত জানিয়ে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব অমিত মালব্য বলেন, নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে যে ভাবে বিজেপিতে ওঁরা যোগ দিলেন, সেটা থেকে বোঝা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর দলকে নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। সন্দেশখালির ঘটনায় ভীষণভাবে দুঃখ পেয়েছেন তৃণমূলের দুই সাংসদ। তাই তাঁরা বিজেপিতে যোগ দিলেন। অমিত মালব্য আরো বলেন, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এবং তাঁর পরিবারের সদস্যেরা দুর্নীতিগ্রস্ত। তাঁদের একাধিক মন্ত্রী দুর্নীতির জন্য জেলে আছেন। আদালতের নির্দেশে তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। আজ সারা বাংলায় আইনের শাসন নেই। যাঁরাই পশ্চিমবঙ্গে শান্তি আনতে চান, তাঁদের সকলকে আমরা বিজেপি দলে নিয়ে আসার চেষ্টা করব।বিজেপিতে যোগদান করে তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী বলেন, আজ আমার জন্য শুভ দিন। আমি বিজেপি পরিবারের সদস্য হলাম। অর্জুন সিংহের সঙ্গে আমি লোকসভায় কাজ করেছি। আমাদের নেতা মোদীজি সারা দুনিয়ার নেতা। তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আমি এই দলে যোগ দিয়েছি। সুকান্ত মজুমদার, দাদা শুভেন্দু অধিকারীকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন দিব্যেন্দু। দিব্যেন্দু আরও বলেন, আমরা মা দুর্গা, মা কালীর পুজো করি। সন্দেশখালিতে মহিলাদের সঙ্গে যা হয়েছে, নিন্দা করার ভাষা নেই। সন্দেশখালি এখন সারা দেশের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিজেপি ওখানকার নির্যাতিতদের পাশে দাঁড়িয়েছে। ৫০০-১০০০ টাকা দিয়ে মহিলাদের সম্মান করা যায় না। মমতার দল বাংলার মহিলাদের সম্মান করতে ব্যর্থ হয়েছেন।

মার্চ ১৫, ২০২৪
রাজনীতি

অর্জুন, দিব্যেন্দু বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন দিল্লিতে! ভাইপো সৌরভ তৃণমূল প্রার্থীর এজেন্ট

২২ মাস পর ঘরওয়াপসি হচ্ছে ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিংয়ের। আজ বৃহস্পতিবার দিল্লি যাবেন, পরের দিন শুক্রবার বিজেপিতে যোগ দেবেন ব্যারাকপুরের বিদায়ী সাংসদ। এদিন তাঁর বিজেপিতে ফেরার খবর ঘোষণার সময়ই অর্জুন দাবি করেছেন যে, তাঁর সঙ্গেই তৃণমূলের আরও এক নেতা গেরুয়া শিবিরের নাম লেখাবেন। তাপস রায়, অর্জুন সিংয়ের পর আর কে ফুল বদব করবেন? তা নিয়ে দিনভর জল্পনা চলে।অর্জুন সিংয়ের ঘোষণার ঘন্টাখানেক পর জানা যায়, তমলুকের বিদায়ী তৃণমূল সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী শুক্রবার বিজেপিতে যোগ দেবেন। ব্যারাকপুরের সাংসদের সঙ্গে তিনিও আজ রাজধানী যাচ্ছেন। দিব্যেন্দু সম্পর্কে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ভাই। কাঁথির সাংসদ শিশির অধিকারীর ছোট ছেলে।গুঞ্জন যে, তমলুক লোকসভা আসনে এবার বিজেপি প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে প্রার্থী করতে পারে। ইতিমধ্যেই তমলুক, নন্দীগ্রাম ঘুরে এসেছেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। অভিজিৎবাবু শান্তিকুঞ্জে গিয়ে বর্ষীয়ান শিশির অধিকারীর সঙ্গেও দেখা করেন। রটনা সত্যি হলে তমলুকে দিব্যেন্দুর প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা কম। এখন দেখার তমলুক, নাকি বাংলার অন্য কোনও লোকসভা কেন্দ্র থেকে দিব্যেন্দুকে পদ্ম বাহিনী প্রার্থী করে কিনা।#Barrackpore pic.twitter.com/QNCsF96sCh Arjun Singh (@ArjunsinghWB) March 14, 2024২০১৯ সালে তমলুক থেকে জোড়াফুল প্রতীকে লড়ে জয় পেয়েছিলেন দিব্যেন্দু অধিকারী। এরপর ২০২১ সালে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী। তার পর থেকেই পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথির অধিকারী পরিবারের সঙ্গে তৃণমূলের দূরত্ব বাড়ে। দিব্যেন্দুর বাবা তথা কাঁথির প্রবীণ সাংসদ শিশির অধিকারীর সঙ্গে তৃণমূলের বাগযুদ্ধে সরগরম থেকেছে রাজ্য রাজনীতি। সেই সময় বিধানসভা ভোটের প্রচারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-র সভাতেও দেখা গিয়েছিল বর্ষীয়ান শিশিরকে। শিশির এবং দিব্যেন্দুর সাংসদ পদ বাতিলের জন্য লোকসভার স্পিকারের কাছে আবেদন করে তৃণমূলের সংসদীয় দল। সেই সময় থেকেই তৃণমূলে নিষ্ক্রিয় তমলুকের সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী।এদিকে ব্যারাকপুরে তৃণমূলের টিকিট না পেয়ে ক্ষুব্ধ অর্জুন সিং জানিয়ে দেন, তাঁর সঙ্গে বিশ্বাসভঙ্গ করা হয়েছে। তাঁকে প্রার্থী করবে বলে কথা দিয়েও তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব কথা রাখেনি। তারপর বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ করতে থাকেন। বৃহস্পতিবার অর্জুন জানিয়ে দেন তিনি বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। তিনি ব্যারাকপুরে বিজেপি প্রার্থী হচ্ছেন বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন। এদিকে অর্জুনের ভাইপো সৌরভ সিং ব্যারাকপুরের তৃণমূল প্রার্থী পার্থ ভৌমিকের নির্বাচনী এজেন্ট হচ্ছেন। জানিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী।

মার্চ ১৪, ২০২৪
রাজনীতি

অর্জুন সিং কি বিজেপিতে ফিরছেন? 'তৃণমূল আমাকে বেইজ্জত করেছে', আক্ষেপ সাংসদের

এবার কি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বিজেপিতে ফেরা সময়ের অপেক্ষা? মঙ্গলবার ভাটপাড়ায় নিজের অফিস মজদুর ভবনে বসে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার জন্য আক্ষেপ করেছেন। তিনি সরাসরি জানিয়ে দিলেন, মানুষ নরেন্দ্র মোদীর পক্ষেই আছে। অর্জুনের ইঙ্গিত অনুযায়ী ব্যারাকপুরে তিনি বিজেপি প্রার্থী হতে পারেন।অর্জুন সিং এদিন বলেন, মানুষের আবেগ মোদীজির পক্ষে আছে। ব্যারাকপুর বিজেপির দখলেই থাকবে। তৃণমূলের আমাকে আর প্রয়োজন নেই। আমি তৃণমূলের কাছে আন-ওয়ান্টেড। আমাকে বেইজ্জত করা হল। ব্যারাকপুরে নির্বাচনে দাঁড়াতে চেয়েছিলাম। সবটাই পরিকল্পনা করে ডিপ্রাইভ করা হল। তৃণমূলে যাওয়াটা প্রকাশ্যে ভুল স্বীকার করছি। আমার ছেলে দূরদর্শী। ছেলে বলেছিল আমাকে তৃণমূলে নেওয়া একটা প্ল্যান। সত্যিকারের তৃণমূল কর্মীদের বসিয়ে দেওয়া হচ্ছে। অর্জুন সিংয়ের দফতর থেকে মমতা বন্দ্যেপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি সরিয়ে দেওয়া হল।

মার্চ ১২, ২০২৪
দেশ

নতুন হাওয়া আসুক - "মেরা পহেলা ভোট দেশ কে লিয়ে"

আজ বাদে কাল দেশে লোকসভা নির্বাচন হবে। কিছুদিনের মধ্যেই নির্বাচনের দিন ঘোষণা হবে বলে শোনা যাচ্ছে। তারপরেই নির্বাচনী প্রচারের ভরা জোয়ারে ভাসবে দেশ। তবে রাজনৈতিক দল গুলির তাল ঠোকাঠুকি জোর কদমে শুরু হয়ে গিয়েছে। এর মাঝে দেশের যে প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক ভূখণ্ডে সুষ্ঠ ভাবে নির্বাচন পরিচালনা করবে সেই নির্বাচন কমিশনের তৎপরতা ও তুঙ্গে উঠেছে। এবার নির্বাচন কমিশনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য দেশের যুবশক্তিকে ভোটদানে উৎসাহিত করা।এবারের নির্বাচনে যারা প্রথমবার ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন তারাও যাতে দলে দলে ইভিএম মুখি হন তার জন্য এক অভিনব প্রচার শুরু করেছে কমিশন। এই প্রচার পরিকল্পনার নাম মেরা পহেলা ভোট দেশ কে লিয়ে। শুধু ভোট দেওয়াই নয় আনুমানিক দু কোটি নতুন ভোটার দের মধ্যে সামাজিক কর্তব্য বোধ ও দেশের জন্য গর্ব বোধ তৈরি করা ও এই প্রচারাভিযানের লক্ষ্য। সাম্প্রতিক সময়ে দেখা গিয়েছে যে অল্প বয়সী দের মধ্যে রাজনীতি সম্পর্কে অনাগ্ৰহ তৈরি হয়েছে। তারা সরাসরি রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় যুক্ত হতে উৎসাহ পাচ্ছেন না। অনেক বিশেষজ্ঞের মতে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় যদি নতুন রক্ত সঞ্চালিত না হয় তাহলে তার কাঠামোয় নানান ত্রুটি দেখা যাবে। এর ফলে দেশের গণতান্ত্রিক পরিসর ক্রমশ সংকুচিত হবে।এখন Digital মাধ্যমের যুগ। তরুণ প্রজন্ম এই মাধ্যমে নিজেদের প্রকাশ করতে সাচ্ছন্দ বোধ করেন। তাই এই প্রচারাভিযানে মঞ্চে যদি কম বয়সীরা আসতে থাকেন তাহলে হয়তো তাঁদের মধ্যে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া আগ্ৰহ বাড়তে পারে। ভারতের মতো বৈচিত্র্যময় দেশে আর্থিক ও সামাজিক বৈষম্য কে অস্বীকার করার উপায় নেই। তবে Digital মাধ্যমে জনপ্রিয়তার একটি প্রধান কারণ এই মাধ্যমে সমাজের সর্বস্তরে মানুষ-ই অংশ নিতে পারেন। তাই ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশনের এই প্রচারাভিযানে বিপুল সাড়া পাওয়া যাচ্ছে।কমিশনের প্রচারাভিযানে দেশের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফল ও জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বদের যুক্ত করায় এই প্রচার দুরন্ত গতি পেয়েছে। জনপ্রিয় ক্রিকেটার, ফুটবলার, ক্রীড়াবিদ ও সামাজিক মাধ্যমে প্রভাবশালীরা প্রচারে যুক্ত হওয়ায় এক নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। কমিশনের ভোটদানের হার বাড়ানোর লক্ষ্যে এই প্রচারে যে সাড়া পাওয়া যাচ্ছে তা যদি ইভিএমে এসে পৌঁছায় তা যে দেশের গণতান্ত্রিক স্বাস্থের পক্ষে সুলক্ষণ হবে সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তরুণ প্রজন্ম মানেই নতুন চিন্তা নতুন পথ। দেশের রাজনৈতিক পরিসরে সাম্প্রতিক কালে যে দূষণ চোখে পড়ছে তার হয়তো নতুন হাওয়ায় পরিশোধিত হবে এই আশা করাই যায়।এবারের নির্বাচনে কমিশনের আরেকটি লক্ষ্য হল ভোটার কার্ডের সঙ্গে আধার কার্ডের সংযুক্তিকরন। এই লক্ষ্যে সম্প্রতি কমিশন কেন্দ্রের কাছে ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনে সংশোধনী আনার জন্য প্রস্তাব দেয়। একই সঙ্গে ভোটারদের নাম নথিভুক্ত করার ফর্মেও পরিবর্তন আনার অনুরোধ করেছে কমিশন। কমিশনের বক্তব্য কোনো ভোটার যদি তাঁর আধার কার্ড সংযুক্ত করতে না চান তার জন্য কারণ দর্শানোর সুযোগ রয়েছে এই ফর্মে। কমিশন তাই ফর্ম থেকে এই অপশনটি বাদ দিতে বলেছে। তবে কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রক কমিশনের এই প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে। ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তৎকালীন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার H S Brahma ঘোষণা করেন চলতি মাস থেকেই ভোটার কার্ডের সঙ্গে আধার কার্ড সংযুক্তিকরনের কাজ শুরু হবে। ভোটার তালিকা থেকে ভুয়ো নাম এবং ডুপ্লিকেট নাম বাদ দেওয়ার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিলো। তবে আধার কার্ড সংযুক্তিকরন বাধ্যতামূলক নয় বলেও জানিয়েছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার Brahma । তবে শুরু হলেও ওই বছরের অগাষ্ট মাসে সুপ্রিমকোর্টের এক নির্দেশের ফলে সংযুক্তিকরনের কাজ বন্ধ হয়ে যায়। দেশের শীর্ষ আদালত তার নির্দেশে সরকারের খাদ্য সুরক্ষার মতো প্রকল্পগুলি ছাড়া আধার কার্ড বাধ্যতামুলক নয়। ২০১৮ সালে একটি মামলায় সুপ্রিম কোর্ট আধার কার্ডের সাংবিধানিক গ্ৰাহ্যতা রয়েছে বলে জানানোর পরে কমিশন নির্বাচনী আইন সংশোধনের জন্য কেন্দ্রের কাছে ফের আবেদন জানান। এবার কেন্দ্রীয় সরকার সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে The Election Laws (Amendment) Bill 2021 সংসদে পাশ করায়। এই bill পাশ হওয়ার পরে ২০২২ সাল থেকে কমিশন ফের আধার কার্ড, ভোটার কার্ড সংযুক্তিকরনের কাজ শুরু করে। এই লক্ষ্যে নতুন 6B Form চালু হয়। তবে সেই Form য়ে দুটি অপশন রয়েছে। একটি হল আধার কার্ডের নম্বর সংযুক্ত করা এবং অপর টি হল আধার কার্ড নেই বলে জানানো।এই পরিস্থিতিতে তেলেঙ্গানার কংগ্রেস নেতা G Nilanjan সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেন। মামলায় তাঁর আবেদন যদি কোন ব্যক্তি আধার কার্ড সংযুক্তি না চান তাহলে ফর্মে তাঁর জন্য সেই অপশন রাখা হোক। এই মামলার কারণে গতবছরের ডিসেম্বর মাসে নির্বাচন কমিশন আবার ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন সংশোধনের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আবেদন জানায়। অনেকেই মনে করছেন ভোটার দের আধার কার্ড সংযুক্তিকরনের ফলে তার নাগরিকত্ব প্রমানের সহায়ক হবে। যদিও আধার কার্ড নাগরিকত্বের প্রমান নয় বলে জানিয়েছে কেন্দ্র। দেশের নাগরিক হিসেবে কারা পরিচিত হবেন তা নিয়ে হাওয়ায় নানান কথা ভাসছে। এই অবস্থায় কমিশনের এই প্রচেষ্টা কোন পথে যাবে তার উত্তর ভবিষ্যতের গর্ভে রয়েছে।

মার্চ ১০, ২০২৪
দেশ

শিলিগুড়ির জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর মুখে গোর্খা সমস্যার কথা, ১৪ লক্ষ মহিলার গ্যাস সংযোগ না মেলায় রাজ্যকে দোষারোপ

শিলিগুড়ি সভায় যোগ দেওয়ায় দেরি হওয়ায় প্রথমেই জনতার কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বাংলায় ভাষণ শুরু করেন মোদী। নরেন্দ্র মোদী বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, আমরা উজ্জ্বলা যোজনার বিনামূল্যে গ্যাস দিয়েছি। কিন্তু তৃণমূল এখানে ১৪ লাখ গ্যাস সংযোগ দিতে দিচ্ছে না। কোটি কোটি মহিলাকে এর আগে উজ্জ্বলা যোজনায় কম দামে গ্যাস দিয়েছি। গতকাল মহিলা দিবস উপলক্ষ্যে আরও একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সব মহিলাদের জন্য গ্যাস আরও ১০০ টাকা কম। যারা পরিবারের সদস্য হয় তারা সুখ দুঃখের ভাগীদার হয়। কোভিডের সময় বহু গরীব পরিবার চিন্তিত ছিল। তাই মোদী দেশের মানুষকে বিনামূল্যে রেশন দিয়েছে। আমার লক্ষ্য একটাই ছিল কোনও গরীব বাচ্চা যেন অভুক্ত না ঘুমায়, কোনও গরীবের বাড়িতে যেন উনুন না নিভে যায়। এই বিনামূল্যে রেশন আরও ৫ বছর বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এর লাভ পাবেন চা বাগানের শ্রমিকরাও।এদিনও দুর্নীতি নিয়ে সুর চড়া ছিল প্রধানমন্ত্রীর। শনিবারও সন্দেশখালির কথা শোনা যায় মোদীর গলায়। তিনি বলেন, দুর্নীতিবাজ, দলিত, আদিবাসী, ওবিসি, মহিলা বিরোধী তৃণমূল সরকার রেশন দুর্নীতি করেছে। এদের নেতা মন্ত্রী রেশন দুর্নীতিতে জেল খাটছে। রেশনের সঙ্গে সঙ্গে মোদী গরীব পরিবারকে বিনামূল্যে চিকিৎসার গ্যারান্টি দিয়েছে। কিন্তু তৃণমূল সরকার এখানে আয়ুষ্মান সরকার লাগু হতে দেয় না। তৃণমূল সরকার আপনাদের প্রতি মুহূর্তে লুটছে। মনরেগার টাকা মোদী কেন্দ্র থেকে পাঠায়। কিন্তু TMC তাদের তোলাবাজদের সুবিধার জন্য ২৫ লক্ষ ভুয়ো জব কার্ড তৈরি করেছে। মোদী গরীবদের বাড়ি তৈরির জন্য টাকা পাঠায়। কিন্তু তৃণমূল তা নিজের লোকদের দিয়ে দেয়। তৃণমূলের আপনাদের কষ্ট নিয়ে কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই। সন্দেশখালিতে গরীব ,দলিত, আদিবাসী মহিলাদের সঙ্গে তৃণমূলের নেতারা কি কি করেছে তার চর্চা পুরো দেশে হচ্ছে। মহিলাদের অত্যাচার আর গরিবদের টাকা লোটা এটাই তৃণমূলের তোলাবাজদের কাজ।এদিন ফের গোর্খাদের সমস্যার কথা শোনা যায় মোদীর মুখে। তিনি বলেন, গোর্খাদের সমস্যা নিয়ে বিজেপি বরাবর সংবেদনশীল। আপনাদের চিন্তা দুর করার নিরন্তর প্রচেষ্টা করে গেছে। এখন আমরা সমাধানের খুব কাছে। সমস্যা সমাধানে আমাদের চেষ্টা বজায় থাকবে। উত্তরবঙ্গের বিকাশের জন্য আমাদের স্পষ্ট রূপরেখা রয়েছে। টি, টিম্বার, এবং ট্যুরিজম সংক্রান্ত ব্যবসার উন্নতির বিষয়ে আমাদের ভাবনাচিন্তা রয়েছে। তাই এখানে জরুরি পরিকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। ৪০ হাজার ছোট চা বাগানের উন্নতি বিজেপির মূল লক্ষ্য। বিজেপি ছোট চা বাগান গুলিকে কিষান ক্রেডিট কার্ডের আওতাভুক্ত করেছে, পিএম ফসল বীমা যোজনা, সেচের সুবিধার জন্য আর্থিক সাহায্য, চা বাগানে কর্মরত শ্রমিকদের আর্থিক অনুদান যাতে সরাসরি তাঁদের একাউন্টে যায় আমরা সেই ব্যবস্থা করেছি। উত্তরবঙ্গের প্রতিটি আসনে জয়ের জন্য আবেদন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

মার্চ ০৯, ২০২৪
সম্পাদকীয়

অন্ধকারে আলো পড়ুক

নির্বাচন কমিশনের তথ্যে মহিলা ভোটার সংখ্যা ও তাদের ভোটদানের হার যতই বাড়ছে ততই নির্বাচন এলেই রাজনৈতিক দল গুলির প্রচারের Focal Point য়ে গুরুত্বপূর্ণ ঠাঁই পাচ্ছেন মহিলারা। এই পরিস্থিতির মাঝে এসেছে বিশ্ব নারী দিবস। শুধু তাই নয় এই দিনটি কে যেন আরো ব্যাঙ্গাত্বক অর্থে দৃশ্যমান করে তুলেছে সন্দেশখালি। সেখানে নারী নির্যাতন-ই মূল অভিযোগ। তার উপর আন্দোলনের পুরোভাগে রয়েছেন মহিলারা। স্বাভাবিক ভাবেই বিরোধীরা এই পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে দলীয় স্বার্থ মেটানোয় কোনো খামতি রাখছে না। আর সেই আন্দোলনকে ভোঁতা করতে শাসক দল ও কোমর বেঁধেছে। অতএব এক দিকে যেমন নারী নির্যাতন নিয়ে একে অপরের প্রতি বিষোদগার করছে তেমনই চলছে নারী শব্দের বন্দনা। অবশ্যই এই বন্দনা নতুন কিছু নয়। রাষ্ট্রশক্তি থেকে বিরোধী শক্তি যখনই যার প্রয়োজন পড়েছে তখনই সে নারী বন্দনার বান ডাকিয়েছে। অষ্টাদশ শতাব্দীতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ বিশ্বজুড়ে আধিপত্য বিস্তারে যাতে সেনার যোগান কম না পড়ে তার জন্য জাতীয়তাবাদের মহিমার কাজল পরিয়ে মেয়েদের অধিক সন্তান প্রসবে উৎসাহিত করেছিল। আর এ বিষয়ে হিটলারের চালু করা মাদারস ক্রস র কথা তো অনেকেরই জানা আছে। যার মূল লক্ষ্য ছিল আদর্শ মা হয়ে ওঠার পাঠের আড়ালে অধিক সন্তান প্রসব করার আহ্বান।তবে পুতিনের অবশ্য আড়াল আবডালের কোনো বালাই নেই। তিনি সরাসরি তীব্র অপছন্দের সোভিয়েত ইউনিয়নের অতীত থেকে মাদার হিরোইন প্রকল্পটি ফিরিয়ে এনেছেন। এই প্রকল্পে যে রুশ নারীরা দশ বা ততোধিক সন্তানের জন্ম দেবেন তাঁরা সন্মানের সঙ্গে দশ লক্ষ রুবল আর্থিক পুরষ্কার পাবেন। সিংহ হৃদয় শাসক যে ইউক্রেন কে উচিত শিক্ষা দেওয়ার পণ করেছেন। তার জন্য যুদ্ধে অসংখ্য সৈনিক প্রান হারাচ্ছেন। এমনিতে অকুতোভয় দন্ডমুন্ডের কর্তার মনে ভয় ঢুকেছে যদি সেনা কম পড়ে। তাই সেই খামতি মেটাতে এই সন্মান দান। এই স্বার্থসিদ্ধির জন্য মহিলা দলের স্বাস্থের কি হাল হবে তা ভেবে দেখার মতো সময় শাসকদের থাকতে নেই।সন্তান ধারণের জন্য মহিলাদের পুষ্টির সঙ্গে স্বাস্থের কারনে প্রয়োজন দুটি সন্তান প্রসবের মধ্যে অতি প্রয়োজনীয় সময়ের ব্যবধান। এই সমস্যাগুলি নজরে রাখার প্রয়োজন শাসকদলের কোনকালেই নেই। তাই ভোট এলে প্রতিপক্ষ কে বিঁধতে অথবা মহিলা ভোটারদের কাছে টানতে অজস্র কৌশল ব্যবহার করা হয়। তাই মেয়েরা যে তিমিরে সেই তিমিরেই রয়ে যান। অন্য দিকে, বিশ্ব নারী দিবস ঘিরে বহু সেমিনার, আলোচনা চক্র অনুষ্ঠিত হয়। ভরে ওঠে দিস্তা দিস্তা কাগজের পাতা। ভরে যায় কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক। অথচ নারী স্বাধীনতা, নারী শিক্ষা, বৈষম্য দূরীকরণ বা সমানাধিকার সব ই কথার কথা রয়ে যায়। সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে India justice report , সেই রিপোর্টে দেখানো হয়েছে লিঙ্গ বৈষম্য কতটা গভীরে পৌঁছেছে। ন্যায় বিচারের জন্য যে প্রতিষ্ঠান গুলি রয়েছে সেই পুলিশ, বিচার ব্যবস্থা, সংশোধনাগার, লিগাল এড এবং মানবাধিকার কমিশন গুলিতে সময়ের সঙ্গে লিঙ্গ বৈষম্য কমেনি বরং বেড়েছে।India justice report য়ের editor Maja Daruwala Indian express য়ের পত্রিকার উত্তর সম্পাদকীয় লিখেছেন বর্তমানে justice delivery system য়ে গোটা দেশে মাত্র তিন লক্ষ মহিলা রয়েছেন। সংরক্ষণ ব্যবস্থার কল্যানে ওই মহিলার সিস্টেমে ঢুকতে পারলেও পদাধিকারের সিঁড়িতে তাদের অধিকার সেই নিচের ধাপে রয়েছে। রিপোর্টে উল্লিখিত তথ্য তুলে ধরে তিনি লিখেছেন বিচার ব্যবস্থায় নিম্ন আদালতে যদি ৩৫ শতাংশ মহিলা থাকেন তাহলে হাইকোর্টে এই সংখ্যা টা ১৩ শতাংশ। বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে মাত্র তিন জন মহিলা বিচারপতি রয়েছেন। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে constabulary পর্যায় বারো শতাংশ মহিলা রয়েছেন। আর অফিস পর্যায় ওই সংখ্যা টা আরও কম, মাত্র ৮ শতাংশ। এছাড়া প্রিজন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে মহিলা কর্মীর সংখ্যা ১৪ শতাংশ।Maja Daruwala লিখেছেন আজ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির আসনে কোনো মহিলা বিচারপতি বসেননি। যদিও ১৯৮৯ সালে সুপ্রিমকোর্টের প্রথম মহিলা বিচারপতি হন ফাতিমা বিভি। দেশের হাইকোর্ট গুলিতেও এক ই ছবি দেখা যাচ্ছে। স্বাধীনতার সাত দশকে মাত্র ষোলো জন মহিলা বিচারপতি হয়েছেন হাইকোর্টে। দেশের মানবাধিকার কমিশনের বিচার্য বিষয় গুলির মধ্যে অন্যতম হলো লিঙ্গ বৈষম্য। কিন্তু সেখানেও একই আঁধার। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন থেকে রাজ্যে রাজ্যে মানবাধিকার কমিশন গুলিতেও এক ই অবস্থা। এখনো পর্যন্ত জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে মাত্র তিন জন মহিলা সদস্য হয়েছেন। কমিশনের chair person হওয়া তো দূরের কথা। ঘটা করে বিশ্ব নারী দিবস পালন না করে দেশের আইন প্রণেতারা যদি সত্যিই মহিলাদের উন্নয়ন চান তাহলে এই অন্ধকার কোণগুলিতে একটু নজর দিলে পরিস্থিতি সত্যি ই বদলাতে পারে।

মার্চ ০৯, ২০২৪
রাজনীতি

সিপিএম বা কংগ্রেস নয়, কেন বিজেপিতে? ব্যাখ্যা দিলেন সদ্য প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

সব জল্পনার অবসান। শেষমেশ বিজেপিতেই যোগদান করছেন বলে মঙ্গলবার ঘোষণা করলেন সদ্য ইস্তফা দেওয়া বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বেশ কয়েকমাস ধরেই চর্চায় ছিল অভিজিৎবাবুর রাজনীতিতে যোগদানের বিষয়টি। এক সাক্ষাৎকারে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, তিনি আইনজীবী তথা বাম নেতা বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যকে গুরু হিসাবে মানেন। তারপরই প্রশ্ন ওঠে, তাহলে কি কখনও রাজনীতিতে এলে সিপিআইএমে যোগ দেবেন তিনি। সেই সম্ভাবনা আর নেই। কেন সিপিআইএম বা কংগ্রেসে যোগ দিলেন না বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়? এদিন নিজের বাড়িতে সাংবাদিক বৈঠকে যুক্তি দিয়ে তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন সদ্য ইস্তফা দেওয়া এই বিচারপতি।অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, বিজেপিই একমাত্র দল, যারা তৃণমূলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করছে। তাই এই দলেই যোগদান করলাম। তাঁর কথায়, শেষ সাত দিন বিজেপির সঙ্গে কথা হয়েছে। দুপক্ষের সহমতে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ওই দিনগুলিতে বিচারের কাজ করিনি। ছুটিতে ছিলাম।এরপরই বিস্ফোরক অভিজিৎ বলেন, তৃণমূল একটি দুষ্কৃতীদের দল বলে মনে করি। তৃণমূলকে আমি রাজনৈতিক দল বলেই মনে করি না। তৃণমূল হল একটি আদ্যোপান্ত যাত্রাদল। ওদের যাত্রাপালার নাম হল মা-মাটি-মানুষ। স্পষ্ট বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রকৃত রাজনীতিবিদ বলে আমি মনে করি। তবে অন্য যাঁর কথা বলছেন, তাকে আমি তালপাতার সেপাই বলে মনে করি।কে এই তালপাতার সেপাই? জবাবে অভিজিৎ বলেন, যাঁকে আপনারা সেনাপতি বলছেন। আমি কারও নাম করছি না। আমি তো এখানে কোনও কুকথা বলছি না। তাঁর নামটাকে আমি কুকথা বলে মনে করি। তালপাতার সেপাই বলেছে, বিচারব্যবস্থা ওর গ্রেফতারি আটকেছিল। তালপাতার সেপাই বিচার ব্যবস্থার কিছু জানেন না। ওঁর পেটে বোমা মারলেও কিছু বেরোবে না। তাঁর বিরুদ্ধে আদালত কিছু ব্যবস্থা নেয়নি, ওঁর ভাগ্য ভাল।অভিজিৎবাবুর ভবিষ্যদ্বাণী, তৃণমূল ভিতর ভিতর ভেঙে পড়ছে। এই দল বেশি দিন আর নেই। ২০২৪ সালে লোকসভা ভোটে তৃণমূলের সেই অবস্থা হবে, যা ২০০৯ সালে সিপিএমের হয়েছিল। আর ২০২৬ সাল পর্যন্ত দলটাই থাকবে না। শুধু কয়েকটা গ্রেফতারির প্রয়োজন। তবে কাদের গ্রেফতারি প্রয়োজন তা এদিন স্পষ্ট করেননি তিনি।এরপরই সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, সিপিএমে যোগ দেব না কারণ আমি ঈশ্বর বিশ্বাসী। ধর্মে বিশ্বাস করি। তাদের সঙ্গে আমার মিল হবে না। আর কংগ্রেস হল পারিবারিক জমিদারির একটা দল। এখানে জয়রাম রমেশের মতো শিক্ষিত মানুষেরা থাকেন। কিন্তু তাঁরা পদ পান না। রাহুল গান্ধীর মতো নেতাদের পিছনে থেকে যেতে হয়। তাই এ দলে যাওয়ার কোনও প্রস্নই নেই।

মার্চ ০৫, ২০২৪
রাজ্য

বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের পদত্যাগের ঘোষণা ঘিরে শোরগোল, কোন কেন্দ্রে কোন দলের প্রার্থীর সম্ভাবনা?

শেষমেশ ইস্তফা দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। নিজের পদত্যাগের কথা জানিয়ে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, আগামী মঙ্গলবার মাস্টারদা সূর্য সেনের মূর্তির নীচে দাঁড়িয়ে সব প্রশ্নের জবাব দেবেন। আগামিকাল হাইকোর্টে যাবেন তাঁর দায়িত্বে থাকা মামলাগুলি ছেড়ে দেওয়ার জন্য স্বাক্ষর করতে। রাজনীতির ময়দানে নামতে চলেছেন এই বিতর্কিত বিচারপতি। এই নিয়ে চলছে জোর চর্চা। সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনসভায় যোগ দিতে পারেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তমলুক কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সদ্য পদত্যাগ করা বিচারপতির। বিচারপতির পদত্যাগ ঘিরে তুমুল শোরগোল পরে গিয়েছে। তৃণমূল নেতৃত্ব বিচারপতির এই সিদ্ধান্তের কড়স সমালোচনা করেছে। সিপিএম বলছে, এর ফলে চাকরি প্রার্থীরা বিপাকে পড়ল। অধীর চৌধুরী তাঁকে কংগ্রেসে যোগদানের আবেদন জানিয়েছেন।

মার্চ ০৩, ২০২৪
রাজ্য

কলেজ এন্ড ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গলের বিকাশ ভবন অভিযান

CUTAB এর রাজ্য কমিটির ডাকে স্টেট অ্যাডেড কলেজ টিচার্স অধ্যাপকদের ৬৫ বছর পর্যন্ত কাজ সুনির্দিষ্ট পে স্কেল, ওয়ার্কলোডেড সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা, SACT II থেকে SACT I এ আপগ্রেডেশন অ্যাডিশনাল বেনিফিট, DEATH গ্যাজুরিটি, ট্রান্সফার অর্ডার সহ একাধিক দাবি, পাশাপাশি গভর্মেন্ট অর্ডার অনুযায়ী SACT এর বেতন কমিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে বিকাশ ভবন অভিযান।রাজ্যের উচ্চশিক্ষার অন্যতম SACT অধ্যাপকেরা হাজারো সমস্যায় জর্জরিত অথচ শিক্ষামন্ত্রী থেকে আধিকারিকরা সমস্যা সমাধানে কোনও উদ্যোগ নিচ্ছেন না বলে দাবি। আধিকারিকদের চূড়ান্ত উদাসীনতা বারবার সমস্যা সমাধানের আবেদনেও কোনো রকম কর্ণপাত করছেন না। তাই আবার রাজপথে। বঞ্চনা এবং শোষণ এমন জায়গায় পৌঁছেছে যেখানে বিক্ষোভে ফেটে পড়ছেন অধ্যাপকেরা।SACT অধ্যাপকেরা তাদের ন্যায্য দাবি দাওয়া নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী প্রিন্সিপাল সেক্রেটারির হস্তক্ষেপ দাবি করছে ন। তাঁদের প্রয়োজনীয় দাবি ল আদায় না হলে আরও বৃহত্তর এবং লাগাতার আন্দোলনের ডাক দেবে।

মার্চ ০১, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 26
  • 27
  • 28
  • 29
  • 30
  • 31
  • 32
  • ...
  • 100
  • 101
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

ম্যাচ খেলেই দেশ ছাড়ার নির্দেশ! ইরান ফুটবল দলকে ঘিরে আমেরিকার কড়া সিদ্ধান্তে শোরগোল

ফিফার কাছে আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পেল না ইরান ফুটবল দল। বিশ্বকাপ চলাকালীন আমেরিকার মাটিতে ইরানের উপর জারি থাকা বিশেষ বিধিনিষেধ বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। ফলে গ্রুপ পর্বের বাকি ম্যাচগুলির ক্ষেত্রেও একই নিয়ম মেনে চলতে হবে ইরানকে।জানা গিয়েছে, ম্যাচ খেলার জন্য নির্দিষ্ট সময়ের ভিসা দেওয়া হয়েছে ইরানের ফুটবলার ও কোচিং স্টাফদের। খেলা শেষ হওয়ার পর তাঁদের আমেরিকা ছেড়ে মেক্সিকোয় ফিরে যেতে হচ্ছে। প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ড্র করার পরও একই পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়েছিল দলটিকে।সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে ম্যাচকে ঘিরে। জানা যাচ্ছে, ম্যাচ শেষ হওয়ার মাত্র সাতাশ মিনিটের মধ্যেই ইরান দলকে আমেরিকা ছেড়ে মেক্সিকোর তিজুয়ানায় ফিরে যেতে হবে। এরপর পরবর্তী ম্যাচের আগে আবার আমেরিকায় প্রবেশ করবে তারা।এই পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে ইরান ফুটবল ফেডারেশন ফিফার কাছে নিয়ম কিছুটা শিথিল করার আবেদন জানিয়েছিল। তাদের দাবি ছিল, বারবার যাতায়াত খেলোয়াড়দের প্রস্তুতি ও শারীরিক অবস্থার উপর প্রভাব ফেলতে পারে। তবে সেই আবেদন কার্যত খারিজ করে দিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।বিশ্বকাপ সংক্রান্ত মার্কিন টাস্ক ফোর্সের প্রধান অ্যান্ড্রু জিউলিয়ানি জানিয়েছেন, পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল। আপাতত বর্তমান ব্যবস্থাই বহাল থাকবে। প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে।তিনি আরও বলেন, ইরান দলের সব খেলোয়াড় ও কোচ ভিসা পেয়েছেন। তবে কয়েকজনকে ভিসা দেওয়া হয়নি, কারণ তাঁদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিশ্বকাপে অংশ নিতে আসা সকলের নিরাপত্তা বজায় রাখা।বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে এমন পরিস্থিতি ঘিরে ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। খেলাধুলার পাশাপাশি কূটনৈতিক সম্পর্কও যে এই টুর্নামেন্টে বড় ভূমিকা পালন করছে, ইরানকে ঘিরে সাম্প্রতিক ঘটনাই তার স্পষ্ট প্রমাণ।

জুন ২১, ২০২৬
কলকাতা

‘গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’-এর নায়ককে সম্মান, কলকাতায় রাস্তার নাম বদলে চমক

কলকাতার পার্ক সার্কাস এলাকার সুরাওয়ার্দি অ্যাভিনিউয়ের নাম বদলে গোপাল মুখোপাধ্যায় রোড করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন কলকাতা পৌরনিগমের কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে। সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সমাজমাধ্যমে তিনি কলকাতা পৌরনিগমকে ধন্যবাদ জানিয়ে লিখেছেন, প্রকৃত নায়কদের সম্মান জানানোর সময় এসেছে।গোপাল মুখোপাধ্যায়, যিনি গোপাল পাঁঠা নামে বেশি পরিচিত, কলকাতার বউবাজারের মলঙ্গা লেন এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তাঁদের পরিবারের একটি পাঁঠার মাংসের দোকান ছিল কলেজ স্ট্রিটে। পেশায় কসাই হওয়ায় তিনি গোপাল পাঁঠা নামেই পরিচিত হয়ে ওঠেন।১৯৪৬ সালের ১৬ অগস্ট ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে-র পর কলকাতায় ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক হিংসা ছড়িয়ে পড়ে। ইতিহাসে যা গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং নামে পরিচিত। সেই সময় বহু মানুষের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। গোপাল পাঁঠাকে ঘিরে প্রচলিত বিভিন্ন বর্ণনায় দাবি করা হয়, তিনি নিজের দলবল নিয়ে আক্রান্ত হিন্দুদের রক্ষায় এগিয়ে এসেছিলেন। এই কারণেই অনেকের কাছে তিনি সাহস ও প্রতিরোধের প্রতীক হয়ে ওঠেন।গত বছর গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং-এ নিহতদের স্মরণে আয়োজিত একটি পদযাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন তৎকালীন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেই মিছিলে তাঁর হাতে ছিল গোপাল মুখোপাধ্যায়ের ছবি। পরে আলিপুরে গোপাল পাঁঠার একটি মূর্তিরও উন্মোচন করা হয়েছিল।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, গোপাল পাঁঠার নামে রাস্তার নামকরণ শুধুমাত্র প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, এর সঙ্গে ইতিহাস ও রাজনীতিরও একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগ রয়েছে। ফলে এই সিদ্ধান্ত আগামী দিনে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও বাড়াতে পারে।উল্লেখ্য, গোপাল পাঁঠার জীবন ও ১৯৪৬ সালের কলকাতার ঘটনাবলি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জনমানসে কৌতূহল রয়েছে। তাঁর ভূমিকা নিয়ে যেমন প্রশংসা রয়েছে, তেমনই রয়েছে নানা বিতর্কও। তবে নতুন করে রাস্তার নামকরণের সিদ্ধান্ত তাঁকে আবারও জনআলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এল।

জুন ২১, ২০২৬
দেশ

ডিসেম্বরেই বড় চমক! ইউরোপের বাজার খুলে যাচ্ছে ভারতের জন্য, সস্তা হবে কোন কোন জিনিস?

ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের বহু প্রতীক্ষিত বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে বড় ঘোষণা করল কেন্দ্র। রবিবার মুম্বইয়ে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কেন্দ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল জানান, আগামী ডিসেম্বর মাসেই ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে বাণিজ্যচুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে। এরপর আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি অথবা মার্চ মাস থেকে চুক্তিটি কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।পীযূষ গোয়েলের দাবি, এই চুক্তি কার্যকর হলে ইউরোপের বিশাল বাজার ভারতের জন্য প্রায় শূন্য শুল্কে খুলে যাবে। এর ফলে ভারতীয় পণ্যের রফতানি আরও বাড়বে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ভারতের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল প্রায় দুই দশক আগে। দীর্ঘ আলোচনার পর চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে দুই পক্ষের মধ্যে নীতিগত সমঝোতা হয়। যদিও এখনও পর্যন্ত চুক্তির সমস্ত শর্ত সরকারিভাবে প্রকাশ করা হয়নি।তবে বিভিন্ন সূত্রের দাবি, ইউরোপ থেকে আমদানি হওয়া উচ্চমূল্যের গাড়ির উপর শুল্ক কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে ভারত। সেই প্রস্তাব কার্যকর হলে বিএমডব্লিউ, মার্সিডিজ বেঞ্জের মতো বিলাসবহুল ইউরোপীয় গাড়ির দাম দেশের বাজারে কমতে পারে।শুধু গাড়িই নয়, এই চুক্তির ফলে বিদেশি মদের উপর আমদানি শুল্কও কমানো হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে দেশের বাজারে বিদেশি মদের দামও কমার সম্ভাবনা রয়েছে।ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই সম্ভাব্য বাণিজ্যচুক্তিকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এখন ডিসেম্বরের আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষরের দিকেই নজর রয়েছে শিল্পমহল ও ব্যবসায়ী মহলের।

জুন ২১, ২০২৬
দেশ

মুহূর্তে মৃত্যুফাঁদে পরিণত কারখানা! বিষাক্ত গ্যাসে একের পর এক শ্রমিক লুটিয়ে পড়লেন

রবিবার তামিলনাড়ুর তিরুভাল্লুর জেলায় একটি সি-ফুড প্রক্রিয়াকরণ কারখানায় ভয়াবহ গ্যাস লিকের ঘটনায় অন্তত সাতজন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় অসুস্থ হয়ে পড়েছেন অন্তত সাতান্ন জন শ্রমিক। তাঁদের মধ্যে সাতজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ভেন্টিলেটরে রাখা হয়েছে।জানা গিয়েছে, পেরিয়াপালম এলাকার একটি সি-ফুড প্রক্রিয়াকরণ কারখানায় আচমকাই অ্যামোনিয়া গ্যাস লিক করতে শুরু করে। সেই সময় কারখানার ভিতরে কাজ করছিলেন বহু শ্রমিক। প্রথমে তাঁরা একটি তীব্র ঝাঁঝালো গন্ধ অনুভব করেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই একাধিক শ্রমিকের শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা এবং বমির মতো সমস্যা দেখা দেয়।ক্রমশ পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠলে কারখানার ভিতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অসুস্থ শ্রমিকদের দ্রুত উদ্ধার করে নিকটবর্তী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা আহত ও অসুস্থদের চিকিৎসা শুরু করেন।প্রাথমিক তদন্তে মনে করা হচ্ছে, কারখানার একটি পরিমাপক ভাল্ভ থেকে অ্যামোনিয়া গ্যাস বেরিয়ে যাওয়ার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। তবে ঠিক কী কারণে গ্যাস লিক হল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ঘটনার খবর পেয়ে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। রাজ্যপাল রাজেন্দ্র আরলেকর গভীর শোক প্রকাশ করে নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। পাশাপাশি হাসপাতালে ভর্তি শ্রমিকদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন তিনি।এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে।

জুন ২১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ফেভারিটদের মধ্যে প্রথম বড় বার্তা! বিশ্বকাপে নকআউট নিশ্চিত জার্মানির

বিশ্বকাপে দুরন্ত ফর্ম ধরে রাখল জার্মানি। টানা দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করল চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। আইভরি কোস্টের বিরুদ্ধে কঠিন লড়াইয়ের পর ২-১ গোলে জয় তুলে নেয় জার্মানি।ম্যাচের শুরু থেকেই আইভরি কোস্ট জার্মানির উপর চাপ তৈরি করে। দ্রুত পাল্টা আক্রমণে বারবার সমস্যায় পড়তে হয় জার্মান রক্ষণকে। সেই চাপের ফলও পায় আফ্রিকার দেশটি। প্রথমার্ধের ৩০ মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ফ্র্যাঙ্ক কেসি। পিছিয়ে পড়ে বিরতিতে যায় জার্মানি।দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমে আক্রমণের গতি বাড়ায় জার্মান ফুটবলাররা। কোচের কৌশল বদলের পর ম্যাচের রংও বদলাতে শুরু করে। ৬০ মিনিটে মাঠে নামেন ডেনিস উভান্ডে। তাঁর নামার পরই জার্মান আক্রমণ আরও ধারালো হয়ে ওঠে।ম্যাচের ৬৮ মিনিটে সমতা ফেরান উভান্ডে। এরপর দুই দলই একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও গোল আসেনি। শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময়ে আবারও গোল করে জার্মানিকে জয় এনে দেন উভান্ডে। ২-১ ব্যবধানে ম্যাচ জিতে নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করে জার্মানি।এর আগে প্রথম ম্যাচে প্রতিপক্ষকে ৭-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল জার্মানরা। ফলে দুই ম্যাচে পূর্ণ ছয় পয়েন্ট নিয়ে তারা এখন গ্রুপের শীর্ষে। গত দুই বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল জার্মানিকে। তাই এবার এক ম্যাচ বাকি থাকতেই শেষ ষোলো নিশ্চিত হওয়ায় উচ্ছ্বাসে মেতেছে গোটা শিবির।অন্যদিকে এখনও নকআউট নিশ্চিত করতে পারেনি কয়েকটি শক্তিশালী দল। পর্তুগাল প্রথম ম্যাচে ড্র করায় চাপে রয়েছে। ব্রাজিল একটি জয় পেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। আর্জেন্টিনাও নকআউটের খুব কাছে। ইতিমধ্যেই শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করেছে আয়োজক দেশ মেক্সিকো ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

জুন ২১, ২০২৬
রাজ্য

কোথায় সুমিত রায়? খোঁজ না মিলতেই সামনে এল নতুন বিস্ফোরক অভিযোগ

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহায়ক হিসেবে পরিচিত সুমিত রায়কে ঘিরে বিতর্ক আরও বাড়ল। তাঁর খোঁজ এখনও না মিললেও এবার তাঁর বিরুদ্ধে নতুন একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরা থানায় নতুন মামলা নথিভুক্ত হয়েছে।অভিযোগ, সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক ব্যক্তির কাছ থেকে লক্ষাধিক টাকা নেওয়া হয়েছিল। অভিযোগকারী দাবি করেছেন, অন্য এক ব্যক্তির মাধ্যমে তিনি সেই টাকা সুমিত রায়ের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন। টাকা দেওয়ার পর কিছু নথিও পান তিনি। এমনকি তাঁর মেডিক্যাল পরীক্ষাও হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চাকরি না পাওয়ায় তিনি থানার দ্বারস্থ হন।পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর আগেও সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। ইতিমধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।প্রতারণা এবং জমি সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগেও তদন্ত চলছে। মেদিনীপুরের এক প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে সুমিত রায়ের নাম উঠে আসে বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি। এরপর তাঁর খোঁজে কালীঘাটের বাড়িতেও পৌঁছেছিল পুলিশ। কিন্তু সেখানে তাঁর সন্ধান মেলেনি।তদন্তের স্বার্থে তাঁর বিরুদ্ধে নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে বলে সূত্রের খবর। এদিকে নতুন অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর গোটা বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ এই প্রসঙ্গে বলেন, সুমিত রায় সম্পর্কে তিনি আগেও নিজের বক্তব্য জানিয়েছেন। আইন তার নিজস্ব পথে চলবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জুন ২১, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা থেকেই বদলে গেল ভারতের নৌ-শক্তির ছবি! একসঙ্গে জলে নামল তিন দেশীয় যুদ্ধজাহাজ

ভারতের নৌ-সামর্থ্যে যুক্ত হল আরও তিনটি দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি যুদ্ধজাহাজ। কলকাতার গার্ডেনরিচ এলাকার শ্যামাপ্রসাদ বন্দরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধজাহাজ তিনটি ভারতীয় নৌসেনার হাতে তুলে দেন। এই তিন জাহাজ হল আইএনএস দুনাগিরি, আইএনএস অগ্রয় এবং আইএনএস সংশোধক।অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলা এমন এক ভূমি, যা ভারতকে সমুদ্রপথে বিশ্বের সঙ্গে যুক্ত করেছে। তাঁর মতে, দেশের পুনর্জাগরণ ও অগ্রগতিতে বাংলার অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের দিন বাংলার মাটিতে এসে এই গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির অংশ হতে পেরে তিনি আনন্দ প্রকাশ করেন।মোদী বলেন, একটি শক্তিশালী দেশের জন্য শক্তিশালী নৌবাহিনী অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। সমুদ্রের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বাণিজ্য, নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন। বিশ্বের অধিকাংশ বাণিজ্য সমুদ্রপথে হয় এবং বিভিন্ন দেশের তথ্য আদান-প্রদানের গুরুত্বপূর্ণ নেটওয়ার্কও সমুদ্রের নীচ দিয়েই বিস্তৃত।প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, যে দেশের সমুদ্র শক্তি যত বেশি উন্নত হবে, সেই দেশের অর্থনীতি ও কৌশলগত অবস্থানও তত বেশি শক্তিশালী হবে। ভারত সেই লক্ষ্যেই দ্রুত এগিয়ে চলেছে। তিনি বলেন, দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই যুদ্ধজাহাজগুলি আত্মনির্ভর ভারতের বড় সাফল্যের প্রতীক।মোদীর দাবি, ভারত এখন শুধু উৎপাদনকারী দেশ নয়, ভবিষ্যতে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী দেশ হিসেবেও উঠে আসবে। তিনি জানান, জাহাজ নির্মাণ শিল্পকে আরও শক্তিশালী করতে কেন্দ্র সরকার বিপুল আর্থিক সহায়তা দিয়েছে। পাশাপাশি প্রতিরক্ষা খাতেও গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা হয়েছে।তাঁর কথায়, আত্মনির্ভরতা থেকেই প্রকৃত শক্তির জন্ম হয়। আগামী দিনে ভারত সমুদ্র শক্তির ক্ষেত্রে আরও বড় উচ্চতায় পৌঁছবে বলেও তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন।

জুন ২১, ২০২৬
কলকাতা

বাজেটের আগেই বাংলার জন্য বিরাট ঘোষণা! ৬০ হাজার কোটি টাকা নিয়ে বড় বার্তা মোদীর

রাজ্যের নতুন বিজেপি সরকার তাদের প্রথম বাজেট পেশ করার আগেই বাংলার জন্য বড় বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে রাজ্যের মানুষকে শুভেচ্ছা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উদ্দেশে লেখা এক চিঠিতে বাংলার উন্নয়নের জন্য বিপুল অর্থ বরাদ্দের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি।তারকেশ্বরে আয়োজিত পশ্চিমবঙ্গ দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেই উপলক্ষে পাঠানো পাঁচ পাতার চিঠিতে তিনি বাংলার ইতিহাস, সংস্কৃতি, উন্নয়নের সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে রাজ্যের জন্য কত টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, সেই তথ্যও জানান।চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, কেন্দ্র সরকার রাজ্যের উন্নয়নে সব ধরনের সহযোগিতা করবে। জল, পরিকাঠামো এবং দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও রেলের উন্নয়নের জন্য প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। আরও ৬০ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দের প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করে তুলতে হবে। এর জন্য বিনিয়োগ বাড়ানো, শিল্পোন্নয়ন ত্বরান্বিত করা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে সহযোগিতা করা এবং পণ্য পরিবহণ ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করার প্রয়োজন রয়েছে। একই সঙ্গে ব্যবসা ও শিল্পের ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা দূর করে সহযোগিতার পরিবেশ গড়ে তোলার কথাও বলেন তিনি।চিঠিতে মোদী আশাবাদ প্রকাশ করে জানান, আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গ মৎস্যচাষ, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, বন্দরভিত্তিক শিল্প, বস্ত্রশিল্প, পর্যটন এবং ডিজিটাল অর্থনীতির অন্যতম কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে। রাজ্যের ভৌগোলিক অবস্থানকে তিনি বাণিজ্য ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে বড় সম্পদ বলেও উল্লেখ করেন।প্রধানমন্ত্রীর দাবি, যেখানে বিজেপি সরকার রয়েছে, সেখানে কৃষকদের স্বার্থকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়। পশ্চিমবঙ্গও সেই পথেই এগোবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন। নতুন সরকার গঠনের পর কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ে উন্নয়নের গতি আরও বাড়বে বলেও তাঁর বিশ্বাস।

জুন ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal