• ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার ০১ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

SDO

রাজ্য

চরম অমানবিক, নাবালিকা মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার বাবা

বাবার যৌন অত্যাচারের জেরে অন্তঃসত্বা হয়ে পড়লো নাবালিকা মেয়ে। এমনটা জেনে হয়তো অনেকেই হতবাক হবেন। কিন্তু বাস্তবেই হতবাক করে দেওয়ার মত এমন ঘটনা ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কালনায়। দিনের পর দিন ধর্ষণ করে নিজের নাবালিকা মেয়েকে অন্তঃসত্বা করে দেওয়ার অভিযোগে কুলাঙ্গার বাবাকে গ্রেপ্তার করেছে কালনা থানার পুলিশ। সুননির্দিষ্ট ধরায় মামলা রুজু করে পুলিশ শনিবার ধৃতকে পেশ করে কালনা মহকুমা আদালতে। নির্যাতিতা নাবালিকাকেও এদিন মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। বিচারক ধৃত অভিযুক্তকে জেল হেফাজত ও তার মেয়েকে হোমে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। নাবালিকার বাবার দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবী করেছেন এলাকাবাসী। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কালনায় বাড়ি বছর পনোরো বয়সী নাবালিকার। কালনা থানার পুলিশের কাছে সে অভিযোগে জানিয়েছে, তাঁর বাবা গত দু-বছর ধরে তাঁকে ধর্ষণ করেছে। তাঁর মা বাইরে কাজে চলে গেলেই তাঁর বাবা তাঁকে জোর করে ধর্ষণ করতো। তাঁর বাবা শুধু তাঁকে ধর্ষণ করেই খান্ত থাকেনি। হুমকি দিয়েছিল, তার কু-কীর্তির কথা কাউকে জানালে সে তাঁকে প্রাণে মেরে দেবে। সেই হুমকিতে ভীত হয়ে এতদিন কাউকে কিছু জানাতে পারেনি বলে নাবালিকা পুলিশকে জানায়। নাবালিকা পুলিশকে এও জানায়, দিনের পর দিন নিজের বাবার যৌন আত্যাচারের শিকার হতে হওয়ায় সম্প্রতি তাঁর শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়। ডাক্তারের কাছে গিয়ে নাবালিকা জানতে পারে সে অন্তঃসত্বা হয়ে পড়েছে। এরপরেই নাবালিকা কালনা থানার পুলিশের দ্বারস্থ হয়। সে পুলিশের কাছে নিজের বাবার অভিযোগ দায়ের করে। তার ভিত্তিতে ধর্ষনের মামলা রুজু করে তদন্তে নেমে পুলিশ নাবালিকার বাবাকে গ্রেপ্তার করে। এই ঘটনা স্থানীয় বাসিন্দা মহলেও তোলপাড় ফেলে দিয়েছে।

মার্চ ২৬, ২০২২
রাজ্য

তৃণমূল কাউন্সিলরকে গ্রেফতারের দাবিতে হাতে চুড়ি ও শাড়ি নিয়ে প্রতিবাদ যুব কংগ্রেসের

অভিযুক্ত কাউন্সিলরের লুকিয়ে শপথ নেওয়ার ঘটনায় হাতে চুড়ি ও শাড়ি নিয়ে অভিনব প্রতিবাদে শামিল হল যুব কংগ্রেস। বর্ধমান সদর উত্তর মহকুমাশাসকের অপসারণ ও অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলের গ্রেফতারের দাবি জানান প্রতিবাদীরা। সোমবার যুব কংগ্রেসের কর্মীরা মিছিল করে পূর্ব বর্ধমান জেলাশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেয়। এরপর যুব কংগ্রেস কর্মীরা মহকুমাশাসকের অফিসের দিকে এগোলে পুলিশ তাদের আটকায়। রাস্তায় বসে পরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে যুব কংগ্রেস কর্মীরা। কিছুক্ষণ বিক্ষোভ চলার পর তারা আবার মহকুমাশাসকের অফিসের দিকে যাবার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয় আন্দোলনকারীদের। এই ঘটনায় পুলিশ ৬ জন যুব কংগ্রেস কর্মীকে আটক করেছে।তরুণী তুহিন খাতুনকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে বর্ধমান পুরসভার নব নির্বাচিত কাউনসিলর বসির আহমেদ ওরফে বাদশার বিরুদ্ধে। পুলিশ তাকে এখনও গ্রেপ্তার করেনি। অথচ গত ১৭ মার্চ বর্ধমান সদর উত্তর মহকুমাশাসকের দপ্তরে গিয়ে শপথ নিলেন মূল অভিযুক্ত কাউন্সিলর। শনিবার এই খবর চাউড় হতেই ব্যাপক আলোড়ন পড়ে যায় বর্ধমান শহরে।উল্লেখ্য, গত ২ মার্চ পুরসভার ফলাফল ঘোষণার দিন বর্ধমান শহরের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুরবাগ এলাকায় কলেজ ছাত্রী তুহিনা খাতুনের বাড়িতে হামলা, শ্লীলতাহানি ও মারধরের অভিযোগ ওঠে এলাকার নব নির্বাচিত কাউন্সিলর বাদশা ও তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার পরই বাড়ি থেকে তুহিনার দেহ উদ্ধার করে বর্ধমান থানার পুলিশ।পরিবারের পক্ষ থেকে বর্ধমান থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ করা হয় বসির আহমেদ সহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবীতে বিক্ষোভ দেখায় বাম ছাত্র,যুব ও মহিলা সংগঠন। পাশাপাশি বিক্ষোভ আন্দোলনে নামে কংগ্রেসও। খোদ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ও সাংসদ অধীর চৌধুরী পরিবারের সঙ্গে দেখা করে পাশে থাকার আশ্বাস দেন। পরিবারের অভিযোগের পরিপেক্ষিতে পুলিশ এখনও পর্যন্ত ৪ জন মহিলা ও ১জন পুরুষকে গ্রেপ্তার করলেও বসির আহমেদ এখনও গ্রেপ্তার হন নি।এদিকে এই আবহের মাঝেই গত ১৬ মার্চ বর্ধমান পুরসভার নবনির্বাচিত ৩৩ জন তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলার শপথ নেন বর্ধমান সদর মহকুমা শাসক তীর্থঙ্কর বিশ্বাসের কাছে। শপথ গ্রহন অনুষ্ঠানে হাজির হননি বসিরউদ্দিন আহমেদ ওরফে বাদশা। কিন্তু তারপরেই ১৭ মার্চ দ্বিতীয়ার্ধে তিনি মহকুমাশাসকের চেম্বারে গিয়ে শপথ নেন। শপথ নেবার খবর চাউড় হতেই শুরু হয় বিতর্ক।

মার্চ ২১, ২০২২
রাজ্য

পুলিশ খুঁজছে অভিযুক্ত কাউন্সিলরকে! শপথ নিলেন এসডিও-র কাছে, জোর বিতর্ক বর্ধমানে

কলেজ ছাত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে বর্ধমানের তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। পুলিশ নাকি তাঁকে খুঁজেই পাচ্ছে না। অথচ সেই ফেরার কাউন্সিলার বসির আহমেদ গত ১৭ মার্চ সশরীরে এসডিও অফিসে গিয়ে শপথ নেওয়ায় কাজ সেরে ফেলেছেন। তাঁকে শপথ বাক্য পাঠ করিয়েছেন বর্ধমান উত্তরের মহকুমাশাসক তীর্থাঙ্কর বিশ্বাস। এই খবর শনিবার চাউর হতেই ব্যাপক আলোড়ন পড়ে গিয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে। পাশাপাশি ছাত্রী তুহিনা খাতুনের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তের দায়িত্বে থাকা পুলিশ ও প্রশাসনে কর্তাদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠে গিয়েছে।বর্ধমান পুরসভার ভেটে তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে ২৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকে প্রতিদ্বন্দিতা করেন বসির আহমেদ ওরফে বাদশা। ওই ওয়ার্ডের বাবুরবাগ নতুনপল্লী এলাকায় বাড়ি কলেজ ছাত্রী তুহিনা খাতুনের। ২ মার্চ পুরসভা ভোটের ফলাফল ঘোষণার পর জয়ী তৃণমূল প্রার্থী বসির আহমেদ ও তাঁর অনুগামীরা তুহিনা খাতুনের বাড়িতে চড়াও হয় বলে অভিযোগ। তারা তুহিনাকে মারধোরের পাশাপাশি তাঁর শ্লীলতাহানি করে বলে অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনার পরেই বিকালে পুলিশ বাড়ি থেকে উদ্ধার করে তুহিনা খাতুনের ঝুলন্ত মৃতদেহ।তুহিনার মৃত্যুর জন্য তাঁর পরিবার নব নির্বাচিত তৃণমূল কাউন্সিলার বসির আহমেদ ও তাঁর বেশ কয়েকজন অনুগামীকে দায়ী করেন। তাঁদের বিরুদ্ধে বর্ধমান থানায় তুহিনাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ দায়ের করেন তুহিনার দিদি কুহেলি। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে পুর ভোটের সময়ে তুহিনাদের বাড়ির কাছের একটি দেওয়ালে আঁকা হয় গাছে তিন মহিলার ঝুলন্ত দেহের ছবি। ভোটে বসির আহমেদ জিতলে তুহিনাদের তিন বোনের ওই ছবির মত দশা হবে বলে এলাকায় প্রচার করা হয়।এই ঘটনা সামনে আসার পরেই দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবীতে সোচ্চার হয় বাম ছাত্র, যুব ও মহিলা সংগঠন।তারা পথে নেমে বিক্ষোভও দোখায়। পাশাপাশি তুহিনার মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ আন্দোলনে নামে কংগ্রেস। খোদ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ও সাংসদ অধীর চৌধুরী বর্ধমানে এসে তুহিনার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে পাশে থাকার আশ্বাস দেন। শেষ পর্যন্ত দায়ের হওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে এখনও পর্যন্ত পুলিশ ৪ মহিলা সহ ছয় জনকে গ্রেফতার করলেও গ্রেফতার হয়নি মূল অভিযুক্ত বসির আহমেদ। তিনি আদালতেও আত্মসমর্পণ করেননি, পুলিশও নাকি তাঁকে খুঁজেই পাচ্ছে না।এমন আবহের মধ্যেই গত ১৬ মার্চ বর্ধমান পুরসভার নবনির্বাচিত ৩৩ জন তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলার শপথ নেন বর্ধমান উত্তরের মহকুমা শাসক তীর্থঙ্কর বিশ্বাসের কাছে। ফৌজদারি মানলায় অভিযুক্ত থাকায় ওইদিন বসির আহমেদ শপথ গ্রহন অনুষ্ঠানে হাজির হননি। কিন্তুু পুলিশ যে বসির আহমেদকে খুঁজে পাচ্ছে না সেই বসির আহমেদ পরদিন অর্থাৎ ১৭ মার্চ সশরীরে দ্বিতীয়ার্ধে মহকুমা শাসকের চেম্বারে পৌছে যান। তিনি সেখানেই শপথ নেওয়ার পর্ব সেরে ফেলেন। ওইদিন বসির আহমেদের শপথ নেবার খবর কেউ জানতে না পারলেও শনিবার তা জানাজানি হয়ে যায়। তার পরেই পুলিশ ও মহকুমা শাসকের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক চরমে উঠে গিয়েছে।এই বিষয়ে বর্ধমান উত্তরের মহকুমা শাসক তীর্থঙ্কর বিশ্বাস জানিয়েছেন, পুর আইন অনুসারে নোটিফিকেশনের ৩ মাসের মধ্যে শপথ নিতে হয়। বসির আহমেদ ১৭ তারিখ তাঁর অফিসে এসেছিলেন। তাঁকে তিনি শপথবাক্য পাঠ করিয়েছেন কাউন্সিলর হিসাবে।কাউন্সিলারের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ থাকলে পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে। বিষয়টি নিয়ে পুলিশের সঙ্গেও তিনি কথা বলবেন বলে জানান।জেলা পুলিশ সুপার কামনাশীস সেন জানান, ঘটনা বিষয়ে খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে।ফেরার কাউন্সিলারের শপথ গ্রহন নিয়ে বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র অভিযোগে বলেন, পুলিশ যাঁকে খুঁজে পাচ্ছে না সেই কাউন্সিলর মহকুমা শাসকের কাছে গিয়ে শপথ নিয়ে ফেললেন। অথচ পুলিশ বলছে কিছুই নাকি তারা জানেন না। এর থেকেই স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে তদন্ত আসলে কেমন হচ্ছে। এইসবের মধ্য দিয়ে ছাত্রীর পরিবারের প্রতি অবিচার করা হচ্ছে। এসএফআই-এর জেলা সম্পাদক অনির্বাণ রায়চৌধুরী জানিয়েছেন, বর্ধমান শহরের আইন শৃঙ্খলার রক্ষকের কাছে গিয়ে শপথ গ্রহণ করে নিলেন ফৌজদারি মামলায় ফেরার অবিযুক্ত। এর থেকেই স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে প্রশাসন অপরাধীকে আড়াল করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে । যদিও পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের সাফ জবাব, কারও বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ থাকলেও সে শপথ গ্রহণ করতে পারে। এমন নজির আগে থেকেই রয়েছে। কেস থাকা সত্ত্বেও বাম আমলে নিখিলানন্দ সর বিধায়ক হিসাবে রাজ্য বিধানসভায় শপথ নিয়েছিলেন।

মার্চ ২০, ২০২২
রাজনীতি

করোনা জয় করে বাড়ি ফিরেই উন্নয়নের কাজে মন্ত্রী স্বপন

করোনা জয় করে মাসখানেক বাদে বাড়িতে ফিরেই উন্নয়নের কাজে নেমে পড়লেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর পূর্বস্থলী ১ নং পঞ্চায়েত সমিতির বেশ কিছু রাস্তার শিলান্যাস করলেন তিনি। উপস্থিত ছিলেন মহকুমাশাসক সুমনসৌরভ মোহান্তি, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি দিলীপ মল্লিক প্রমুখ।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

সেবাশ্রয় নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ! অভিষেকের বিরুদ্ধে বড় দুর্নীতির দাবি, চাঞ্চল্য রাজ্যজুড়ে

সাধারণ মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবার উদ্যোগ হিসেবে শুরু হয়েছিল সেবাশ্রয়। কিন্তু এবার সেই কর্মসূচি ঘিরেই উঠল গুরুতর অভিযোগ। কালীঘাট তৃণমূলের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে সেবাশ্রয় শিবিরে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন ফলতার বিজেপি বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডা। পাশাপাশি, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসকও সংবাদমাধ্যমে একাধিক অভিযোগ করেছেন। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে এখনও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে আসেনি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে প্রথম ডায়মন্ড হারবার লোকসভা এলাকায় পঁচাত্তর দিনের সেবাশ্রয় কর্মসূচি শুরু হয়। সেখানে আর্থিকভাবে দুর্বল মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরে নন্দীগ্রাম-সহ রাজ্যের আরও বিভিন্ন এলাকায় এই স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করা হয়। সাধারণ মানুষের মধ্যে এই উদ্যোগ ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল।তবে কিছুদিন আগেই ডায়মন্ড হারবার মহকুমার সরিষা এলাকার হিঞ্চাবেড়িয়ায় মাটির নিচে বিপুল পরিমাণ ওষুধ উদ্ধার হয়। ওই ওষুধের গায়ে সেবাশ্রয়ের চিহ্ন ছিল বলে দাবি করা হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠেছিল ওষুধ ব্যবহারের স্বচ্ছতা নিয়ে। এবার সেই বিতর্কের মধ্যেই সামনে এল আরও নতুন অভিযোগ।ফলতার বিজেপি বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডার দাবি, সেবাশ্রয় শিবিরে আধুনিক চিকিৎসার ওষুধ ও প্রেসক্রিপশন দিচ্ছিলেন এমন চিকিৎসকেরা, যাঁদের মধ্যে জুনিয়র ডাক্তার, হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক এবং আয়ুষ চিকিৎসকরাও ছিলেন। তাঁর আরও অভিযোগ, মাটির নিচে উদ্ধার হওয়া ওষুধের মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর বক্তব্য, যদি ওষুধের মান ঠিক থাকত, তাহলে সেগুলি মাটির নিচে পুঁতে রাখা হত না।অন্যদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসক সংবাদমাধ্যমে দাবি করেছেন, শিবিরে চিকিৎসা বিনামূল্যে হলেও পরে কিছু রোগীকে বিভিন্ন পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হত। তাঁর অভিযোগ, সেই পরীক্ষার সূত্র ধরে কিছু রোগীকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করানো হত এবং পরে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের মাধ্যমে চিকিৎসার খরচ দেখানো হতো। এই অভিযোগের সত্যতা এখনও সরকারি ভাবে প্রমাণিত হয়নি এবং বিষয়টি নিয়ে কোনও তদন্তকারী সংস্থার চূড়ান্ত রিপোর্টও প্রকাশ্যে আসেনি।এই অভিযোগ সামনে আসার পর রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বেড়েছে। সূত্রের খবর, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ডায়মন্ড হারবারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আরও একটি অভিযোগ দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিজেপি। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয় কি না এবং প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ৩০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

নেইমারের এক পোস্টেই তোলপাড় ফুটবল বিশ্ব! কে এই জোয়াকিম ক্লেমেন্ট, কেন তাঁকে খোঁচা?

বিশ্বকাপে দুরন্ত জয় তুলে নিয়ে শেষ ষোলোয় জায়গা নিশ্চিত করেছে ব্রাজিল। অন্যদিকে মরক্কোর কাছে হেরে প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে গিয়েছে নেদারল্যান্ডস। এই দুই ঘটনার পরই ব্রাজিল তারকা নেইমারের একটি সামাজিক মাধ্যমের পোস্ট ঘিরে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। তিনি লিখেছেন, মিস্টার জোয়াকিম ক্লেমেন্ট, পরের বিশ্বকাপে আবার চেষ্টা করবেন। এই পোস্ট প্রকাশ্যে আসতেই প্রশ্ন উঠেছে, কে এই জোয়াকিম ক্লেমেন্ট এবং কেন তাঁকে উদ্দেশ্য করে এমন মন্তব্য করলেন নেইমার?জোয়াকিম ক্লেমেন্ট পেশায় একজন জার্মান অর্থনীতিবিদ। তবে ফুটবলপ্রেমীদের কাছে তিনি পরিচিত তাঁর বিশ্বকাপ সংক্রান্ত ভবিষ্যদ্বাণীর জন্য। অতীতে তিনি বিশ্বকাপ জয়ীদের নিয়ে একাধিক পূর্বাভাস দিয়েছিলেন, যার মধ্যে কয়েকটি বাস্তবের সঙ্গে মিলেছিল। সেই কারণেই এবারের বিশ্বকাপেও তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে যথেষ্ট আলোচনা হয়েছিল।এবার ক্লেমেন্ট দাবি করেছিলেন, নেদারল্যান্ডস বিশ্বকাপ জিতবে এবং ব্রাজিল জাপানের কাছে হেরে বিদায় নেবে। কিন্তু বাস্তবে সম্পূর্ণ উল্টো ছবি দেখা যায়। ব্রাজিল জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় জায়গা পাকা করে। অন্যদিকে টাইব্রেকারে মরক্কোর কাছে হেরে বিদায় নেয় নেদারল্যান্ডস। একদিনেই ভুল প্রমাণিত হয় তাঁর দুই বড় ভবিষ্যদ্বাণী।ব্রাজিলের জয়ের পরই নেইমার সামাজিক মাধ্যমে সেই ভাইরাল পোস্ট করেন। পরে নেদারল্যান্ডসের বিদায়ের পর ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যেও ক্লেমেন্টের ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই মনে করছেন, ভুল প্রমাণিত হওয়া ভবিষ্যদ্বাণীর জবাব দিতেই এই কটাক্ষ করেছেন ব্রাজিল তারকা।এর আগে ক্লেমেন্ট মন্তব্য করেছিলেন, ব্রাজিলের বর্তমান প্রজন্মের ফুটবলারদের মান আগের মতো নয়। সেই মন্তব্যও নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে। ব্রাজিলের দাপুটে জয়ের পর সমর্থকদের একাংশের দাবি, মাঠের ফলই সমালোচনার সবচেয়ে বড় জবাব দিয়েছে সেলেকাও ফুটবলাররা।

জুন ৩০, ২০২৬
রাজ্য

মোথাবাড়ি কাণ্ডে বড় বিস্ফোরণ! একসঙ্গে তেইশ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট, খুনের চেষ্টার অভিযোগও

মোথাবাড়িতে বিচারকদের হেনস্তার ঘটনায় তদন্তে আরও বড় পদক্ষেপ করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। মঙ্গলবার বিশেষ আদালতে আরও দুটি মামলায় চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে। এই দুই মামলায় মোট তেইশ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক গুরুতর ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে খুনের চেষ্টার অভিযোগও রয়েছে।জানা গিয়েছে, প্রথম মামলায় বাইশ জন এবং দ্বিতীয় মামলায় একজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে। প্রথম মামলার চার্জশিটের দৈর্ঘ্য চুয়ান্ন পাতা এবং দ্বিতীয় মামলার চার্জশিট এগারো পাতার। তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, অভিযুক্তরা সরকারি কর্মীদের উপর হামলা, বিচারকদের হেনস্তা, সরকারি কাজে বাধা সৃষ্টি, বেআইনিভাবে আটকে রাখা এবং কর্তব্য পালনে বাধা দেওয়ার মতো একাধিক গুরুতর অপরাধে জড়িত ছিলেন।মোথাবাড়ি অশান্তির ঘটনায় মোট বারোটি মামলা দায়ের হয়েছিল। এর আগে চলতি মাসের শুরুতেই চারটি মামলায় একত্রিশ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিয়েছিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই চার্জশিটে একাধিক অভিযুক্তের নাম ছিল। এবার আরও দুটি মামলায় চার্জশিট জমা দেওয়ার ফলে মোট ছয়টি মামলায় তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ সম্পূর্ণ হল। এখনও বাকি থাকা মামলাগুলির তদন্তও দ্রুত এগোচ্ছে বলে সূত্রের খবর।তদন্তকারী সংস্থার জমা দেওয়া নতুন চার্জশিটে আরও কয়েকজন অভিযুক্তের নাম যুক্ত হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের অভিযোগ তুলে আদালতের কাছে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে।উল্লেখ্য, বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া চলাকালীন মালদহের কালিয়াচকের মোথাবাড়ি এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। অভিযোগ ওঠে, সমস্ত প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার পরও বহু মানুষের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। সেই অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ শুরু হয়। অভিযোগ, বিক্ষোভকারীরা বিডিও অফিসের ভিতরে দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারকদের দীর্ঘ সময় আটকে রাখেন। পরে তাঁদের উদ্ধার করতে গেলে বিচারকদের গাড়িতেও হামলার অভিযোগ ওঠে। মহিলা বিচারক-সহ একাধিক সরকারি কর্মী হেনস্তার শিকার হন বলে অভিযোগ। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে তদন্তভার নেয় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা।তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে আগামী দিনে আরও চার্জশিট জমা পড়তে পারে বলেও সূত্রের দাবি।

জুন ৩০, ২০২৬
বিদেশ

বিশ্বকাপের উন্মাদনার মাঝেই চাঞ্চল্য! বাংলাদেশজুড়ে কারা ওড়াচ্ছে এই রহস্যময় কালো-সাদা পতাকা?

বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে রয়েছে গোটা বিশ্ব। উপমহাদেশের কোনও দেশ প্রতিযোগিতায় না থাকলেও ফুটবল নিয়ে উচ্ছ্বাসে ভাটা পড়েনি। প্রতিবেশী বাংলাদেশেও প্রতি বিশ্বকাপেই ফুটবল নিয়ে উৎসাহ তুঙ্গে থাকে। তবে এবার ফুটবল উন্মাদনার পাশাপাশি অন্য একটি বিষয় ঘিরে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। রাজধানী ঢাকা-সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় দেখা যাচ্ছে কালো-সাদা রঙের আরবি লেখাযুক্ত এক ধরনের পতাকা। সেই পতাকা নিয়ে বাইক মিছিলও হচ্ছে। বিভিন্ন রাস্তার ধারে সারি সারি ওই পতাকা টাঙানো থাকতেও দেখা যাচ্ছে। এই ঘটনাকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক।প্রথমবার গত সতেরো জুন ঢাকায় এই ধরনের পতাকা প্রকাশ্যে দেখা যায় বলে জানা গিয়েছে। এরপর ধীরে ধীরে মিরপুর, চট্টগ্রাম, ফরিদপুর, পাবনা-সহ বাংলাদেশের একাধিক এলাকায় একই ধরনের পতাকা দেখা যেতে শুরু করে। বিশ্বকাপ চলাকালীন এই পতাকা কেন এত জায়গায় দেখা যাচ্ছে, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।সামাজিক মাধ্যমে এই পতাকা নিয়ে বিভিন্ন মত প্রকাশ করা হয়েছে। একটি পরিচিত ধর্মীয় বিষয়ক পাতা থেকে দাবি করা হয়েছে, এই পতাকাকে সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যুক্ত করা হলে অন্য দেশের জাতীয় পতাকা নিয়েও একই প্রশ্ন তোলা উচিত। পাশাপাশি কয়েকটি সামাজিক মাধ্যমের মাধ্যমে এই ধরনের পতাকা বিক্রি ও প্রচারের অভিযোগও সামনে এসেছে।বিশেষজ্ঞদের একাংশের দাবি, বর্তমানে যে দুটি ধরনের পতাকা দেখা যাচ্ছে, তার একটি আফগানিস্তানের তালিবানদের ব্যবহৃত পতাকার সঙ্গে মিল রয়েছে। অন্য ধরনের পতাকার নকশার সঙ্গে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনগুলির ব্যবহৃত পতাকার সাদৃশ্য রয়েছে বলেও মত তাঁদের। যদিও শুধুমাত্র পতাকার চেহারা দেখে কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে বলে নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। কারণ, এই ধরনের ঘটনা আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ভাবমূর্তির উপর প্রভাব ফেলতে পারে। তদন্তের মাধ্যমে এই পতাকাগুলির উৎস, উদ্দেশ্য এবং কারা এগুলি ছড়াচ্ছে, তা স্পষ্ট হওয়া জরুরি। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এই ঘটনায় প্রশাসনের তরফে কোনও বড় পদক্ষেপের সরকারি ঘোষণা সামনে আসেনি।

জুন ৩০, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের বড় ধাক্কা! কণ্ঠস্বরের নমুনা মামলায় রক্ষাকবচ দিল না হাই কোর্ট, সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি

কণ্ঠস্বরের নমুনা সংক্রান্ত মামলায় কলকাতা হাই কোর্টে বড় ধাক্কার মুখে পড়লেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ কোনও অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দিতে রাজি হননি। শুধু তাই নয়, মামলাটি থেকে নিজেও সরে দাঁড়ান তিনি। ফলে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংক্রান্ত এই মামলায় অভিষেকের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়ে উঠল।ঘটনার সূত্রপাত নির্বাচনী প্রচারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বক্তব্যকে ঘিরে। সেই বক্তব্যে তিনি ডিজে বাজানো নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়। তদন্তে নেমে সিআইডি অভিষেকের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করার সিদ্ধান্ত নেয়। মঙ্গলবার সেই নমুনা সংগ্রহের দিন নির্ধারিত ছিল।এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গত সপ্তাহে বিচারপতি কৌশিক চন্দ মামলা করার অনুমতি দিলেও নির্ধারিত দিনে শুনানি হয়নি। পরে দ্রুত শুনানির জন্য মামলাটি বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে ওঠে।শুনানির সময় অভিষেকের আইনজীবী আদালতে জানান, তাঁর মক্কেল স্বীকার করছেন যে বক্তব্যে শোনা যাওয়া কণ্ঠস্বর তাঁরই। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। এর জবাবে বিচারপতি জানতে চান, যদি কণ্ঠস্বর নিজের বলেই স্বীকার করা হয়, তাহলে তদন্তকারী সংস্থাকে নমুনা দিতে আপত্তি কোথায়? পাশাপাশি তিনি স্পষ্ট করেন, তদন্তকারী সংস্থা কীভাবে তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করবে, তা আদালত নির্ধারণ করতে পারে না।এরপর বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ জানান, একই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত আরেকটি মামলা ইতিমধ্যেই অন্য একটি এজলাসে বিচারাধীন রয়েছে। সেই কারণেই তিনি এই মামলার শুনানি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন। ফলে মামলাটি এখন প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হবে। তিনি ঠিক করবেন, কোন বেঞ্চে এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী আদালতে আরও বলেন, আগে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তদন্তে সহযোগিতা করার শর্তে রক্ষাকবচ দেওয়া হয়েছিল। এখন কণ্ঠস্বরের নমুনা না দিলে তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ উঠতে পারে। তবে সেই যুক্তিতে সাড়া দেয়নি আদালত। মঙ্গলবারের শুনানিতে কোনও অন্তর্বর্তী সুরক্ষা না পাওয়ায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনি অবস্থান আরও চাপে পড়ল বলে মনে করছেন আইন মহলের একাংশ।

জুন ৩০, ২০২৬
রাজ্য

তিন বছর পর বড় পদক্ষেপ! তৃণমূল কাউন্সিলরকে গ্রেপ্তার করল তদন্তকারী সংস্থা, চাঞ্চল্য রিষড়ায়

রামনবমীর সময় রিষড়ায় হওয়া অশান্তির মামলায় বড় পদক্ষেপ করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। দীর্ঘ তিন বছর পর মঙ্গলবার রিষড়া পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর সাকির আলিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি আরামবাগের প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ অপরূপা পোদ্দারের স্বামী।মঙ্গলবার দুপুরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় তদন্তকারী সংস্থার একটি দল রিষড়ায় সাকির আলির বাড়িতে পৌঁছয়। বাড়িটি ঘিরে ফেলার পর দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। পরে তদন্তের স্বার্থে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।সাকির আলি রিষড়া পুরসভার চার নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচিত কাউন্সিলর। দুই হাজার তেইশ সালে রামনবমীর সময় রিষড়ায় যে অশান্তি ও হিংসার ঘটনা ঘটেছিল, সেই মামলায় তাঁর নাম উঠে আসে। অভিযোগ ছিল, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়ানোর ঘটনায় তাঁর ভূমিকা ছিল। সেই সময় এলাকায় ব্যাপক সংঘর্ষ, বোমাবাজি ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কয়েক দিন কারফিউও জারি করা হয়েছিল।তদন্তের শুরু থেকেই এই মামলাটি রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছিল। কারণ, সাকির আলি শুধু তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিই নন, তিনি প্রাক্তন সাংসদ অপরূপা পোদ্দারের স্বামীও। যদিও পরবর্তী লোকসভা নির্বাচনে অপরূপা পোদ্দারকে আর প্রার্থী করা হয়নি, সাকির আলি কাউন্সিলর পদে বহাল ছিলেন।সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই এই গ্রেপ্তারি নতুন করে জল্পনা বাড়িয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, পুরনো মামলার তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। এখন তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করা হবে।এই গ্রেপ্তারের পর রামনবমীর অশান্তি মামলার তদন্তে নতুন মোড় এল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। আগামী দিনে এই মামলায় আরও কেউ তদন্তের আওতায় আসেন কি না, সেদিকেই এখন নজর।

জুন ৩০, ২০২৬
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পরই বড় পদক্ষেপ! হুমায়ুন কবীরের বাড়িতে পৌঁছে গেল পুলিশ

মুর্শিদাবাদের রেজিনগরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে বিতর্ক আরও গভীর হল। মুখ্যমন্ত্রীর কড়া সতর্কবার্তার পর মঙ্গলবার সকালে হুমায়ুন কবীরের বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁর বিতর্কিত স্যাটাভাঙা মার মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া দুটি পৃথক মামলায় তাঁকে আগামী তিন ও পাঁচ জুলাই থানায় হাজিরার নির্দেশ দিয়ে নোটিস দেওয়া হয়েছে।তবে হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, তিনি এই মুহূর্তে বাড়িতে নেই। তাই নোটিসের বিষয়ে তাঁর জানা নেই। তিনি বলেন, বাড়িতে পরিবারের সদস্যরা রয়েছেন। নোটিস হাতে পাওয়ার পর তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন। একই সঙ্গে তাঁর দাবি, তিনি কারও দাসত্ব করবেন না।গত শুক্রবার রেজিনগরের কাশীপুর এলাকায় একটি রাজনৈতিক সভায় হুমায়ুন কবীরের বক্তব্যকে ঘিরেই শুরু হয় বিতর্ক। সেই সভায় তিনি বিরোধীদের উদ্দেশে কড়া মন্তব্য করেন। পাশাপাশি মামলা হলেও তা নিয়ে তিনি ভয় পান না বলেও দাবি করেন। পরে শক্তিপুরের আরেকটি সভায় তিনি স্থানীয় এক পুলিশ আধিকারিককে নিয়েও প্রকাশ্যে হুঁশিয়ারি দেন। সেই বক্তব্যও নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দেয়।এই ঘটনাগুলির পর সোমবার বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কড়া অবস্থান নেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, আইনই শেষ কথা বলবে এবং বিতর্কিত মন্তব্যের ঘটনায় ইতিমধ্যেই দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি তিনি জানান, প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা পুলিশই নেবে।মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ওই রাজনৈতিক সভার তিন আয়োজককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর মঙ্গলবার সকালে তদন্তের অংশ হিসেবে হুমায়ুন কবীরের বাড়িতে গিয়ে দুটি মামলায় থানায় হাজিরার নোটিস দিয়ে আসে পুলিশ।এখন হুমায়ুন কবীর নির্ধারিত দিনে থানায় হাজিরা দেবেন কি না, তা নিয়েই রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে এই মামলার তদন্তে আগামী দিনে আরও কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়, সেদিকেও নজর রয়েছে।

জুন ৩০, ২০২৬
কলকাতা

তৃণমূলের কোটি কোটি টাকার তহবিল নিয়ে নতুন মোড়! হাই কোর্টে যা ঘটল, বাড়ল জল্পনা

তৃণমূলের তহবিল নিয়ে চলা আইনি লড়াইয়ে ফের বড় ধাক্কা খেল কালীঘাট শিবির। দলের তহবিল সংক্রান্ত মামলার দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হলেও মঙ্গলবার সেই আর্জি খারিজ করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানিয়ে দেন, নির্ধারিত তালিকার বাইরে এই মামলার শুনানি এগিয়ে আনা সম্ভব নয়। ফলে নির্ধারিত সময় অনুযায়ীই মামলার শুনানি হবে।আদালতের এই সিদ্ধান্তের পর রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে মামলায় সওয়াল করা সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আদালতের কাছে আবেদন জানান, দ্রুত শুনানি সম্ভব না হলেও অন্তত বৃহস্পতিবার মামলার শুনানির সুযোগ দেওয়া হোক।কালীঘাট শিবির থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নতুন গোষ্ঠী গঠনের পর থেকেই তৃণমূলের প্রতীক ও তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ শুরু হয়। সেই বিরোধের জেরে দলের কোষাধ্যক্ষ অরূপ বিশ্বাস ব্যাঙ্কে আবেদন করেন, যাতে দলের কোনও পক্ষই তহবিল ব্যবহার করতে না পারে। সেই আবেদনের ভিত্তিতে তৃণমূলের তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট স্থগিত করা হয়। ওই তিনটি অ্যাকাউন্টে মোট চারশো চল্লিশ কোটি টাকা রয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়েছে।তহবিল নিয়ে বিরোধ আদালতে পৌঁছানোর পর মামলার শুনানি চলছে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে। এদিকে ঋতব্রতপন্থী শিবির দলের আর্থিক লেনদেনের পূর্ণ তথ্য জানতে বিশেষ নিরীক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনাও করেছে।সোমবার দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হলে বিচারপতি নির্দেশ দেন, মামলায় ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ, পুলিশ এবং রাজ্য সরকারকে পক্ষ হিসেবে যুক্ত করতে হবে এবং তাঁদের কাছে নোটিস পাঠাতে হবে। সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর মঙ্গলবার ফের দ্রুত শুনানির আবেদন করা হলেও আদালত তা গ্রহণ করেনি।বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এই মুহূর্তে মামলার নির্ধারিত সময়সূচি পরিবর্তন করা হবে না। তবে রাজ্য সরকারের আবেদনের ভিত্তিতে আগামী বৃহস্পতিবার মামলার শুনানি নিয়ে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal