• ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩, শুক্রবার ১৫ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

SDO

রাজ্য

চরম অমানবিক, নাবালিকা মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার বাবা

বাবার যৌন অত্যাচারের জেরে অন্তঃসত্বা হয়ে পড়লো নাবালিকা মেয়ে। এমনটা জেনে হয়তো অনেকেই হতবাক হবেন। কিন্তু বাস্তবেই হতবাক করে দেওয়ার মত এমন ঘটনা ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কালনায়। দিনের পর দিন ধর্ষণ করে নিজের নাবালিকা মেয়েকে অন্তঃসত্বা করে দেওয়ার অভিযোগে কুলাঙ্গার বাবাকে গ্রেপ্তার করেছে কালনা থানার পুলিশ। সুননির্দিষ্ট ধরায় মামলা রুজু করে পুলিশ শনিবার ধৃতকে পেশ করে কালনা মহকুমা আদালতে। নির্যাতিতা নাবালিকাকেও এদিন মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। বিচারক ধৃত অভিযুক্তকে জেল হেফাজত ও তার মেয়েকে হোমে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। নাবালিকার বাবার দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবী করেছেন এলাকাবাসী। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কালনায় বাড়ি বছর পনোরো বয়সী নাবালিকার। কালনা থানার পুলিশের কাছে সে অভিযোগে জানিয়েছে, তাঁর বাবা গত দু-বছর ধরে তাঁকে ধর্ষণ করেছে। তাঁর মা বাইরে কাজে চলে গেলেই তাঁর বাবা তাঁকে জোর করে ধর্ষণ করতো। তাঁর বাবা শুধু তাঁকে ধর্ষণ করেই খান্ত থাকেনি। হুমকি দিয়েছিল, তার কু-কীর্তির কথা কাউকে জানালে সে তাঁকে প্রাণে মেরে দেবে। সেই হুমকিতে ভীত হয়ে এতদিন কাউকে কিছু জানাতে পারেনি বলে নাবালিকা পুলিশকে জানায়। নাবালিকা পুলিশকে এও জানায়, দিনের পর দিন নিজের বাবার যৌন আত্যাচারের শিকার হতে হওয়ায় সম্প্রতি তাঁর শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়। ডাক্তারের কাছে গিয়ে নাবালিকা জানতে পারে সে অন্তঃসত্বা হয়ে পড়েছে। এরপরেই নাবালিকা কালনা থানার পুলিশের দ্বারস্থ হয়। সে পুলিশের কাছে নিজের বাবার অভিযোগ দায়ের করে। তার ভিত্তিতে ধর্ষনের মামলা রুজু করে তদন্তে নেমে পুলিশ নাবালিকার বাবাকে গ্রেপ্তার করে। এই ঘটনা স্থানীয় বাসিন্দা মহলেও তোলপাড় ফেলে দিয়েছে।

মার্চ ২৬, ২০২২
রাজ্য

তৃণমূল কাউন্সিলরকে গ্রেফতারের দাবিতে হাতে চুড়ি ও শাড়ি নিয়ে প্রতিবাদ যুব কংগ্রেসের

অভিযুক্ত কাউন্সিলরের লুকিয়ে শপথ নেওয়ার ঘটনায় হাতে চুড়ি ও শাড়ি নিয়ে অভিনব প্রতিবাদে শামিল হল যুব কংগ্রেস। বর্ধমান সদর উত্তর মহকুমাশাসকের অপসারণ ও অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলের গ্রেফতারের দাবি জানান প্রতিবাদীরা। সোমবার যুব কংগ্রেসের কর্মীরা মিছিল করে পূর্ব বর্ধমান জেলাশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেয়। এরপর যুব কংগ্রেস কর্মীরা মহকুমাশাসকের অফিসের দিকে এগোলে পুলিশ তাদের আটকায়। রাস্তায় বসে পরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে যুব কংগ্রেস কর্মীরা। কিছুক্ষণ বিক্ষোভ চলার পর তারা আবার মহকুমাশাসকের অফিসের দিকে যাবার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয় আন্দোলনকারীদের। এই ঘটনায় পুলিশ ৬ জন যুব কংগ্রেস কর্মীকে আটক করেছে।তরুণী তুহিন খাতুনকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে বর্ধমান পুরসভার নব নির্বাচিত কাউনসিলর বসির আহমেদ ওরফে বাদশার বিরুদ্ধে। পুলিশ তাকে এখনও গ্রেপ্তার করেনি। অথচ গত ১৭ মার্চ বর্ধমান সদর উত্তর মহকুমাশাসকের দপ্তরে গিয়ে শপথ নিলেন মূল অভিযুক্ত কাউন্সিলর। শনিবার এই খবর চাউড় হতেই ব্যাপক আলোড়ন পড়ে যায় বর্ধমান শহরে।উল্লেখ্য, গত ২ মার্চ পুরসভার ফলাফল ঘোষণার দিন বর্ধমান শহরের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুরবাগ এলাকায় কলেজ ছাত্রী তুহিনা খাতুনের বাড়িতে হামলা, শ্লীলতাহানি ও মারধরের অভিযোগ ওঠে এলাকার নব নির্বাচিত কাউন্সিলর বাদশা ও তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার পরই বাড়ি থেকে তুহিনার দেহ উদ্ধার করে বর্ধমান থানার পুলিশ।পরিবারের পক্ষ থেকে বর্ধমান থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ করা হয় বসির আহমেদ সহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবীতে বিক্ষোভ দেখায় বাম ছাত্র,যুব ও মহিলা সংগঠন। পাশাপাশি বিক্ষোভ আন্দোলনে নামে কংগ্রেসও। খোদ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ও সাংসদ অধীর চৌধুরী পরিবারের সঙ্গে দেখা করে পাশে থাকার আশ্বাস দেন। পরিবারের অভিযোগের পরিপেক্ষিতে পুলিশ এখনও পর্যন্ত ৪ জন মহিলা ও ১জন পুরুষকে গ্রেপ্তার করলেও বসির আহমেদ এখনও গ্রেপ্তার হন নি।এদিকে এই আবহের মাঝেই গত ১৬ মার্চ বর্ধমান পুরসভার নবনির্বাচিত ৩৩ জন তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলার শপথ নেন বর্ধমান সদর মহকুমা শাসক তীর্থঙ্কর বিশ্বাসের কাছে। শপথ গ্রহন অনুষ্ঠানে হাজির হননি বসিরউদ্দিন আহমেদ ওরফে বাদশা। কিন্তু তারপরেই ১৭ মার্চ দ্বিতীয়ার্ধে তিনি মহকুমাশাসকের চেম্বারে গিয়ে শপথ নেন। শপথ নেবার খবর চাউড় হতেই শুরু হয় বিতর্ক।

মার্চ ২১, ২০২২
রাজ্য

পুলিশ খুঁজছে অভিযুক্ত কাউন্সিলরকে! শপথ নিলেন এসডিও-র কাছে, জোর বিতর্ক বর্ধমানে

কলেজ ছাত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে বর্ধমানের তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। পুলিশ নাকি তাঁকে খুঁজেই পাচ্ছে না। অথচ সেই ফেরার কাউন্সিলার বসির আহমেদ গত ১৭ মার্চ সশরীরে এসডিও অফিসে গিয়ে শপথ নেওয়ায় কাজ সেরে ফেলেছেন। তাঁকে শপথ বাক্য পাঠ করিয়েছেন বর্ধমান উত্তরের মহকুমাশাসক তীর্থাঙ্কর বিশ্বাস। এই খবর শনিবার চাউর হতেই ব্যাপক আলোড়ন পড়ে গিয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে। পাশাপাশি ছাত্রী তুহিনা খাতুনের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তের দায়িত্বে থাকা পুলিশ ও প্রশাসনে কর্তাদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠে গিয়েছে।বর্ধমান পুরসভার ভেটে তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে ২৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকে প্রতিদ্বন্দিতা করেন বসির আহমেদ ওরফে বাদশা। ওই ওয়ার্ডের বাবুরবাগ নতুনপল্লী এলাকায় বাড়ি কলেজ ছাত্রী তুহিনা খাতুনের। ২ মার্চ পুরসভা ভোটের ফলাফল ঘোষণার পর জয়ী তৃণমূল প্রার্থী বসির আহমেদ ও তাঁর অনুগামীরা তুহিনা খাতুনের বাড়িতে চড়াও হয় বলে অভিযোগ। তারা তুহিনাকে মারধোরের পাশাপাশি তাঁর শ্লীলতাহানি করে বলে অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনার পরেই বিকালে পুলিশ বাড়ি থেকে উদ্ধার করে তুহিনা খাতুনের ঝুলন্ত মৃতদেহ।তুহিনার মৃত্যুর জন্য তাঁর পরিবার নব নির্বাচিত তৃণমূল কাউন্সিলার বসির আহমেদ ও তাঁর বেশ কয়েকজন অনুগামীকে দায়ী করেন। তাঁদের বিরুদ্ধে বর্ধমান থানায় তুহিনাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ দায়ের করেন তুহিনার দিদি কুহেলি। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে পুর ভোটের সময়ে তুহিনাদের বাড়ির কাছের একটি দেওয়ালে আঁকা হয় গাছে তিন মহিলার ঝুলন্ত দেহের ছবি। ভোটে বসির আহমেদ জিতলে তুহিনাদের তিন বোনের ওই ছবির মত দশা হবে বলে এলাকায় প্রচার করা হয়।এই ঘটনা সামনে আসার পরেই দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবীতে সোচ্চার হয় বাম ছাত্র, যুব ও মহিলা সংগঠন।তারা পথে নেমে বিক্ষোভও দোখায়। পাশাপাশি তুহিনার মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ আন্দোলনে নামে কংগ্রেস। খোদ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ও সাংসদ অধীর চৌধুরী বর্ধমানে এসে তুহিনার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে পাশে থাকার আশ্বাস দেন। শেষ পর্যন্ত দায়ের হওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে এখনও পর্যন্ত পুলিশ ৪ মহিলা সহ ছয় জনকে গ্রেফতার করলেও গ্রেফতার হয়নি মূল অভিযুক্ত বসির আহমেদ। তিনি আদালতেও আত্মসমর্পণ করেননি, পুলিশও নাকি তাঁকে খুঁজেই পাচ্ছে না।এমন আবহের মধ্যেই গত ১৬ মার্চ বর্ধমান পুরসভার নবনির্বাচিত ৩৩ জন তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলার শপথ নেন বর্ধমান উত্তরের মহকুমা শাসক তীর্থঙ্কর বিশ্বাসের কাছে। ফৌজদারি মানলায় অভিযুক্ত থাকায় ওইদিন বসির আহমেদ শপথ গ্রহন অনুষ্ঠানে হাজির হননি। কিন্তুু পুলিশ যে বসির আহমেদকে খুঁজে পাচ্ছে না সেই বসির আহমেদ পরদিন অর্থাৎ ১৭ মার্চ সশরীরে দ্বিতীয়ার্ধে মহকুমা শাসকের চেম্বারে পৌছে যান। তিনি সেখানেই শপথ নেওয়ার পর্ব সেরে ফেলেন। ওইদিন বসির আহমেদের শপথ নেবার খবর কেউ জানতে না পারলেও শনিবার তা জানাজানি হয়ে যায়। তার পরেই পুলিশ ও মহকুমা শাসকের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক চরমে উঠে গিয়েছে।এই বিষয়ে বর্ধমান উত্তরের মহকুমা শাসক তীর্থঙ্কর বিশ্বাস জানিয়েছেন, পুর আইন অনুসারে নোটিফিকেশনের ৩ মাসের মধ্যে শপথ নিতে হয়। বসির আহমেদ ১৭ তারিখ তাঁর অফিসে এসেছিলেন। তাঁকে তিনি শপথবাক্য পাঠ করিয়েছেন কাউন্সিলর হিসাবে।কাউন্সিলারের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ থাকলে পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে। বিষয়টি নিয়ে পুলিশের সঙ্গেও তিনি কথা বলবেন বলে জানান।জেলা পুলিশ সুপার কামনাশীস সেন জানান, ঘটনা বিষয়ে খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে।ফেরার কাউন্সিলারের শপথ গ্রহন নিয়ে বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র অভিযোগে বলেন, পুলিশ যাঁকে খুঁজে পাচ্ছে না সেই কাউন্সিলর মহকুমা শাসকের কাছে গিয়ে শপথ নিয়ে ফেললেন। অথচ পুলিশ বলছে কিছুই নাকি তারা জানেন না। এর থেকেই স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে তদন্ত আসলে কেমন হচ্ছে। এইসবের মধ্য দিয়ে ছাত্রীর পরিবারের প্রতি অবিচার করা হচ্ছে। এসএফআই-এর জেলা সম্পাদক অনির্বাণ রায়চৌধুরী জানিয়েছেন, বর্ধমান শহরের আইন শৃঙ্খলার রক্ষকের কাছে গিয়ে শপথ গ্রহণ করে নিলেন ফৌজদারি মামলায় ফেরার অবিযুক্ত। এর থেকেই স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে প্রশাসন অপরাধীকে আড়াল করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে । যদিও পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের সাফ জবাব, কারও বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ থাকলেও সে শপথ গ্রহণ করতে পারে। এমন নজির আগে থেকেই রয়েছে। কেস থাকা সত্ত্বেও বাম আমলে নিখিলানন্দ সর বিধায়ক হিসাবে রাজ্য বিধানসভায় শপথ নিয়েছিলেন।

মার্চ ২০, ২০২২
রাজনীতি

করোনা জয় করে বাড়ি ফিরেই উন্নয়নের কাজে মন্ত্রী স্বপন

করোনা জয় করে মাসখানেক বাদে বাড়িতে ফিরেই উন্নয়নের কাজে নেমে পড়লেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর পূর্বস্থলী ১ নং পঞ্চায়েত সমিতির বেশ কিছু রাস্তার শিলান্যাস করলেন তিনি। উপস্থিত ছিলেন মহকুমাশাসক সুমনসৌরভ মোহান্তি, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি দিলীপ মল্লিক প্রমুখ।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ম্যারাথন জেরার পর ইডির জালে কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিন্‌হা বিশ্বাস, ‘সোনা পাপ্পু’ মামলায় বড় পদক্ষেপ

কলকাতা: দীর্ঘ ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর অবশেষে কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিন্হা বিশ্বাসকে গ্রেফতার করল ইডি। প্রায় সাড়ে ১০ ঘণ্টার টানা জেরার শেষে বৃহস্পতিবার রাতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এই পদক্ষেপ করে। বহুবার নোটিস পাঠানো সত্ত্বেও এতদিন হাজিরা এড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। অবশেষে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ৫ মিনিটে ইডি দফতরে পৌঁছন তিনি। এরপরই শুরু হয় দফায় দফায় জেরা।ইডি সূত্রের দাবি, জেরার শুরুতে কিছুটা সহযোগিতা করলেও পরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যান শান্তনু। তদন্তকারীদের অভিযোগ, বেশ কিছু নথি এবং ডিজিটাল তথ্য সামনে রাখা হলেও তিনি তা সম্পর্কে অজ্ঞতার দাবি করেন এবং তদন্তকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন। এর পরেই তাঁকে গ্রেফতারের সিদ্ধান্ত নেয় ইডি।জানা গিয়েছে, সোনা পাপ্পু তোলাবাজি ও প্রতারণা মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়াও এনআরআই কোটায় মেডিক্যাল ভর্তি দুর্নীতি এবং বালি পাচার এই দুই মামলাতেও তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়েছিল।তদন্তে উঠে এসেছে বেহালার ব্যবসায়ী জয় এস কামদারের নাম। ইডির অভিযানে তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া ডায়েরি ও নথিতে শান্তনু সিন্হার নাম মিলেছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। সেই সূত্র ধরেই ডিসির বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বেনামে একাধিক সম্পত্তির হদিশ পেয়েছে ইডি।ব্যাঙ্কশাল আদালতে জমা দেওয়া রিপোর্টে ইডির দাবি, কলকাতা শহরে একটি প্রভাবশালী জমি দখল ও তোলাবাজির সিন্ডিকেট চালানো হত, যেখানে জয় এস কামদারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগ ছিল শান্তনু সিন্হার। অভিযোগ, বিভিন্ন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভুয়ো এফআইআর দায়ের করে থানায় ডেকে চাপ সৃষ্টি করা হত, এরপর জমি দখলের পথ প্রশস্ত করা হতো। এই চক্রের মাধ্যমে বেআইনি আর্থিক লেনদেনও হয়েছে বলে অভিযোগ।তদন্তকারীদের হাতে আসা জয় এস কামদারের মোবাইল ফোনের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে একাধিক এফআইআর নম্বরের উল্লেখ মিলেছে। সেই তথ্য থেকেই ভুয়ো মামলার জাল বিস্তৃত ছিল বলে অনুমান ইডির।সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দাবি, এই চক্রে কলকাতা পুলিশের অন্তত ১২ জন আধিকারিকের নাম উঠে এসেছে। ফলে তদন্ত আরও বিস্তৃত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।বারবার নোটিস উপেক্ষা করায় শান্তনুর বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি করার প্রস্তুতিও নিয়েছিল ইডি। এমনকি তাঁর খোঁজে ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটিকেও চিঠি পাঠানো হয়েছিল। এরপরই বৃহস্পতিবার হাজিরা দেন তিনি।ইডির অভিযোগ, শান্তনু সিন্হা শুধু প্রভাব খাটিয়েই ক্ষান্ত থাকেননি, এই সিন্ডিকেট থেকে আর্থিকভাবেও লাভবান হয়েছেন। তদন্তকারীদের ধারণা, হেফাজতে নিয়ে জেরা করলে আরও বিস্ফোরক তথ্য সামনে আসতে পারে।শুক্রবার তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে। এখন নজর আদালতে আর কী কী বিস্ফোরক তথ্য সামনে আনে ইডি, সেটাই দেখার।

মে ১৪, ২০২৬
রাজ্য

রামপুরহাট হাসপাতাল পরিদর্শনে বিধায়ক, কড়া নির্দেশ ধ্রুব সাহার

বিজেপি বিধায়ক ধ্রুব সাহা বৃহস্পতিবার রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পরিদর্শনে যান। পরিদর্শনের সময় তিনি হাসপাতালের নিরাপত্তারক্ষীর সুপারভাইজার এবং প্রিন্সিপ্যালকে ধমক দেন।ধ্রুব সাহা বলেছেন, প্রিন্সিপ্যাল ঠাণ্ডা ঘরে বসে থাকেন, হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে নজর দেন না। ওয়ার্ড ও শৌচালয়ের অবস্থা খারাপ। রোগীদের পরিষেবা নিয়ে একাধিক অভিযোগ আসছে।এদিন বিধায়ক কড়া নির্দেশ দিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। তিনি প্রিন্সিপ্যালকে স্পষ্ট বলেন, ঠাণ্ডা ঘরে বসে না থেকে হাসপাতাল পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার উপর নজর দিন। নিরাপত্তারক্ষীর সুপারভাইজারকেও দায়িত্ব পালনে গাফিলতির জন্য সতর্ক করেন বিধায়ক ।গত কয়েক মাস ধরে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বিরুদ্ধে নোংরা পরিবেশ, রোগী হয়রানি ও চিকিৎসায় গাফিলতির বিভিন্ন অভিযোগ উঠছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা বিধায়কের কাছে নালিশ জানিয়েছিলেন। তার পরেই আজ বিধায়কের এই সারপ্রাইজ ভিজিট।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেয়নি।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

“তাপস-সজলদের দল ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল”, বিধায়ক হয়েই ফেসবুকে বোমা ফাটালেন কুণাল

সদ্য শেষ হওয়া বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে জয়ী হয়েছেন কুণাল ঘোষ। বৃহস্পতিবার বিধায়ক হিসেবে শপথ নেওয়ার পরই তিনি এমন একটি ফেসবুক পোস্ট করেন, যা ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চর্চা। একদিকে তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন, অন্যদিকে দলের অন্দরের কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন।ফেসবুক পোস্টে কুণাল লেখেন, বিধায়ক হিসেবে শপথ নিলাম। ধন্যবাদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বেলেঘাটার মানুষকে। শপথবাক্য পাঠ করালেন প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়। তাঁকে দলে রাখার চেষ্টা করেছিলাম, পারিনি। পরে রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও ব্যক্তিগতভাবে তাপসদাকে ভালো বলায় আমাকেই দল সাসপেন্ড করেছিল।তিনি আরও লেখেন, আজ আমি তৃণমূলের বিধায়ক হয়ে শপথ নিচ্ছি বিজেপির হয়ে জিতে আসা তাপসদার হাত থেকে। এটাই ভাগ্যের খেলা।সজল ঘোষকে নিয়েও বিস্ফোরক মন্তব্য করেন কুণাল। তাঁর দাবি, উত্তর ও মধ্য কলকাতায় তাপস রায় ও সজল ঘোষদের দল ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল। তিনি লিখেছেন, ওঁদের দলে রাখার চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু সফল হইনি। আজ ওঁরা বিধায়ক। আমি এখনও তৃণমূলের সৈনিক হিসেবেই আছি।তবে এখানেই থামেননি কুণাল। তিনি দলের অন্দরের রাজনীতি নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলে লেখেন, যাঁদের জন্য তাপসদা, সজলরা এবং আরও অনেকে দল ছেড়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা হয়নি। এখনও একইভাবে হোয়াটসঅ্যাপ কাঁদুনি রাজনীতি ও স্বজনপোষণ চলছে। এতে কর্মীরা ধৈর্য হারাচ্ছেন। তৃণমূলকে আবার শক্তিশালী করতে আত্মসমালোচনা খুব জরুরি।রাজনৈতিক মহলের মতে, কুণালের এই পোস্টে উত্তর কলকাতা তৃণমূলের সাম্প্রতিক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ বিতর্কেরও ইঙ্গিত রয়েছে।যদিও এই পোস্টকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাননি প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়। তাঁর প্রতিক্রিয়া, ওই দলের আত্মসমালোচনা করে আর কোনও লাভ নেই। যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষের মন বোঝেন বলে দাবি করেন, কিন্তু ফল তো সবাই দেখেছে।অন্যদিকে বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ বলেন, হ্যাঁ, কুণালদা আমাদের দলে রাখার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তখন তাঁর হাতে কিছু ছিল না। যদি থেকে যেতাম, তাহলে আজ চোর স্লোগান শুনতে হতো।

মে ১৪, ২০২৬
দেশ

সপ্তাহে দু’দিন বাড়ি থেকে কাজ! মোদীর নির্দেশে বড় সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের

জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য বড় সিদ্ধান্ত নিল দিল্লি সরকার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পরামর্শ মেনে এবার সপ্তাহে দুদিন সরকারি কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হল। বৃহস্পতিবার এই ঘোষণা করেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা।শুধু ওয়ার্ক ফ্রম হোম নয়, জ্বালানি বাঁচাতে আরও একাধিক পদক্ষেপের কথা জানিয়েছে দিল্লি সরকার। সরকারি দফতরের অন্তত ৫০ শতাংশ বৈঠক এবার অনলাইনে করা হবে। পাশাপাশি যানজট কমাতে ও জ্বালানির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকারি অফিসের সময়েও বদল আনা হবে।সরকারের লক্ষ্য শুধু সরকারি কর্মীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সাধারণ মানুষকেও এই উদ্যোগে সামিল করতে বিশেষ কর্মসূচি নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।এর আগে মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা জানিয়েছিলেন, সরকারি কাজে যতটা সম্ভব কম গাড়ি ব্যবহার করতে হবে। মন্ত্রী, বিধায়ক, জনপ্রতিনিধি এবং সরকারি কর্মীদেরও অপ্রয়োজনীয় গাড়ির ব্যবহার কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তার বদলে কারপুলিং এবং গণপরিবহণ ব্যবহারের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।দিল্লি সরকার সরকারি কাজে ব্যবহৃত গাড়িগুলির জ্বালানির বরাদ্দও কমিয়ে দিয়েছে। অফিসারদের জন্য বরাদ্দ পেট্রোল ২০ শতাংশ কমানো হয়েছে। এখন থেকে মাসে ২০০ লিটার জ্বালানি বরাদ্দ করা হবে।গণপরিবহণ ব্যবহারে উৎসাহ দিতে দিল্লিতে পালন করা হবে মেট্রো দিবস। সাধারণ মানুষকে সপ্তাহে অন্তত একদিন গাড়িবিহীন দিবস পালন করার আবেদন জানানো হয়েছে। এছাড়া পাবলিক ট্রান্সপোর্ট আরও সহজ করতে ২৯টি সরকারি আবাসন এলাকা থেকে ৫৮টি বিশেষ বাস চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।দিল্লি সরকার আরও জানিয়েছে, আগামী ছয় মাস নতুন কোনও সরকারি গাড়ি কেনা হবে না। জ্বালানি সাশ্রয় এবং দূষণ কমানোর লক্ষ্যেই এই একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনের দাবি।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতায় আর রাস্তার ধারে গাড়ি রাখা যাবে না! কড়া নির্দেশ পুরমন্ত্রীর

কলকাতার রাস্তায় দুধারে গাড়ি দাঁড় করানোর ছবি নতুন নয়। বড় রাস্তা থেকে ছোট গলি, সর্বত্রই রাস্তার ধারে সারি সারি গাড়ি পার্ক করা দেখা যায়। অনেক সময় গাড়ি রাখার সঙ্গে সঙ্গেই হাতে স্লিপ নিয়ে হাজির হন কিছু মানুষ। অভিযোগ, এই ধরনের বহু পার্কিং সম্পূর্ণ বেআইনি ভাবে চলছে। সেই সঙ্গে ভুয়ো স্লিপ দেখিয়ে টাকা তোলার অভিযোগও বহুদিনের।এবার সেই বেআইনি পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে রাজ্য সরকার। পুরমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই একের পর এক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন অগ্নিমিত্রা পল। এবার তাঁর নজর পড়েছে কলকাতার রাস্তার পার্কিং ব্যবস্থার উপর।বৃহস্পতিবার বিধানসভায় দাঁড়িয়ে অগ্নিমিত্রা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, রাস্তার দুধারে আর অবৈধভাবে গাড়ি রাখা যাবে না। তিনি বলেন, আজই নোটিস দেওয়া হবে। যেখানে পার্কিং করার অনুমতি নেই, সেখানে কোনও গাড়ি রাখা যাবে না। এতে সাধারণ মানুষের সুবিধা হবে।শুধু পার্কিং নয়, ভুয়ো স্লিপ দেখিয়ে টাকা তোলার বিরুদ্ধেও কড়া অবস্থান নিয়েছে পুরসভা। পুরমন্ত্রীর অভিযোগ, বহু জায়গায় ভুয়ো পার্কিং স্লিপ দিয়ে টাকা তোলা হয়, অথচ সেই টাকা সরকারি রাজস্বে জমা পড়ে না। এবার থেকে এই ধরনের স্লিপ ব্যবহার করে আর টাকা তোলা যাবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি।অগ্নিমিত্রা আরও জানান, যে কেউ নিজের ইচ্ছামতো পার্কিং ফি নিতে পারবেন না। খুব শীঘ্রই একটি নির্দিষ্ট রেট চার্ট তৈরি করা হবে। সেই নির্ধারিত হার মেনেই টাকা নেওয়া যাবে।উল্লেখ্য, এর আগে তৎকালীন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমও রাস্তার ধারের পার্কিং নিয়ে পদক্ষেপ করেছিলেন। গত বছর কলকাতা পুরনিগম সকাল ৭টা থেকে ৯টা পর্যন্ত রাস্তার ধারে পার্কিং বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিল। মূলত শহর পরিষ্কার রাখার কাজের সুবিধার জন্যই সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এবার আরও কড়া পদক্ষেপের পথে হাঁটছে নতুন প্রশাসন।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

মন্ত্রিসভা এখনও অসম্পূর্ণ, তার মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত! বিধানসভার স্পিকার করলেন শুভেন্দু

এখনও পুরো মন্ত্রিসভা গঠন হয়নি। মাত্র পাঁচজন মন্ত্রীকে নিয়েই কাজ শুরু করেছে নতুন বিজেপি সরকার। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার বিধানসভার নতুন স্পিকারের নাম ঘোষণা করা হল। জল্পনার অবসান ঘটিয়ে কোচবিহার দক্ষিণের বিধায়ক রথীন্দ্রনাথ বসুকে অধ্যক্ষ হিসেবে মনোনীত করল বিজেপি।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে শুভেন্দু জানান, রথীন্দ্র বসুকেই বিধানসভার নতুন স্পিকার হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।দায়িত্ব গ্রহণের পর রথীন্দ্র বসু বলেন, দল আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছে, সেটা আমি পুরো নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করব। মানুষ যেভাবে চাইবে, সেভাবেই বিধানসভা চালানোর চেষ্টা করব।২০২৬ সালের নির্বাচনে প্রথমবার জয়ী হয়ে বিধায়ক হয়েছেন রথীন্দ্র বসু। কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্র থেকেই তিনি নির্বাচিত হন। জন্ম ও পড়াশোনা সবই কোচবিহারে। কোচবিহারের বি টি অ্যান্ড ইভিনিং কলেজ থেকে স্নাতক হওয়ার পর তিনি চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবে কাজ শুরু করেন। বর্তমানে তাঁর নিজের একটি সংস্থাও রয়েছে।রাজনীতিতে আসার আগে তিনি আরএসএসের সদস্য ছিলেন বলেও জানা গিয়েছে। পরে সক্রিয়ভাবে বিজেপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। প্রথমবার বিধায়ক হয়েই এবার বিধানসভার স্পিকারের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন তিনি।তৃণমূল সরকারের সময়ে দীর্ঘ ১৫ বছর বিধানসভার অধ্যক্ষ ছিলেন বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়ে উত্তরবঙ্গের মুখকে সামনে আনল বিজেপি। রাজনৈতিক মহলের মতে, উত্তরবঙ্গকে বিশেষ গুরুত্ব দিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

আদালতে মমতার আবেগঘন আর্জি, তারপরই বড় নির্দেশ হাইকোর্টের!

বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতা হাইকোর্টে এক বিরল ছবি দেখল বাংলা। হাতে কাগজ ও ছবি নিয়ে এজলাসে দাঁড়িয়ে সওয়াল করলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সরব হয়ে তিনি প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের সামনে আবেদন জানান, রাজ্যের সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়া হোক।এদিন কলকাতা হাইকোর্টে দুটি মামলার একসঙ্গে শুনানি হয়। একটি মামলা করেন আইনজীবী রীতঙ্কর দাস। সেখানে হগ মার্কেটে জেসিবি দিয়ে মূর্তি ভাঙার অভিযোগ তোলা হয়। অন্যদিকে, ভোট পরবর্তী হামলা ও অশান্তি নিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন আইনজীবী শীর্ষাণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথী সেনের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি হয়।শুনানির পর গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দেয় আদালত। ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব পুলিশকেই নিতে হবে। ভোট পরবর্তী হিংসায় যাঁদের দোকান বা বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, দল না দেখে তাঁদের সাহায্য করতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের বিষয়েও ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।আদালত আরও জানিয়েছে, আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে এই বিষয়ে রাজ্য পুলিশকে হলফনামা জমা দিতে হবে। সেখানে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তার বিস্তারিত রিপোর্ট দিতে হবে।এই রায়ের পর তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, আদালত তাদের অভিযোগের গুরুত্ব স্বীকার করেছে। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে আদালতে সওয়াল করেছেন। হাইকোর্টও তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে একমত। যেভাবে তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলা হচ্ছে, দোকান ভাঙা হচ্ছে, মানুষকে এলাকা ছাড়া করা হচ্ছে, সেগুলোর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে হবে।কুণাল আরও বলেন, আদালতে দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাধারণ মানুষের পাশে থাকার বার্তাই দিয়েছেন। এই মামলার রায় ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

আদালতে মমতা, কটাক্ষ শুভেন্দুর! “অযথা বিষয় নিয়ে ভাবার সময় নেই” মন্তব্যে নতুন জল্পনা

ভোটের আগে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন। আর নির্বাচনের পর এবার কলকাতা হাইকোর্টে হাজির হলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার সকালে আচমকাই আইনজীবীর পোশাকে হাইকোর্টে পৌঁছে যান তিনি। তাঁকে দেখে আদালত চত্বরে শুরু হয় ব্যাপক চাঞ্চল্য।এদিন কালো কোট পরে আইনজীবীদের নির্ধারিত পোশাকেই আদালতে ঢুকতে দেখা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ভোট পরবর্তী হিংসার মামলার শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও।নির্বাচনের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় অশান্তির অভিযোগ উঠেছে। সেই ঘটনাগুলিকে সামনে রেখে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুত্র ও আইনজীবী শীর্ষাণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চে সেই মামলার শুনানি হয়।গত ১২ মে কলকাতা হাইকোর্টে এই মামলা দায়ের করা হয়েছিল। তৃণমূলের পক্ষ থেকে দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হয়। এরপরই ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, বৃহস্পতিবার মামলার শুনানি হবে।এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদালতে যাওয়া নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। তিনি বলেন, আমার হাতে অনেক কাজ আছে। অযথা বিষয় নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় নেই। সময় খুব গুরুত্বপূর্ণ। এসব বিষয় নিয়ে আমি ভাবিত নই।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাইকোর্টে উপস্থিতি ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক চর্চা। আদালতের এজলাসে তাঁর উপস্থিতি এবং ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে মামলার শুনানি ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ তৈরি হয়েছে।

মে ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal