• ২১ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার ০৮ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

SA

রাজ্য

পরিবেশ রক্ষায় দেশ জুড়ে ১ লক্ষ বৃক্ষ রোপণের বিশেষ উদ্যোগ

নিজেদের অচল অবস্থার মধ্যেও কর্তব্যে অবিচল বিএসএন কন্ট্রাক্টরস ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন ও কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া, বিএসএনএল এবং এসএলএ ওয়ার্কার্স-এর কর্মীরা। বেশ কয়েক বছর ধরে নিয়মিত বেতন পাচ্ছেন না তাঁরা। অথচ পরিবেশ রক্ষা করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন এই সংস্থার কর্মীরা। সারা দেশ জুড়ে আগামী এক বছরের মধ্যে এক লক্ষ গাছ লাগানোর লক্ষমাত্রা ঘোষণা করেছেন তাঁরা। তার মধ্যে শুধু পশ্চিমবঙ্গেই বৃক্ষ রোপণ করা হবে ৪০ হাজার।শুক্রবার ডালহৌসি টেলিফোন ভবনে গাছ পুঁতে এই বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির সূচনা করেন সংগঠনের সভাপতি বিধায়ক মদন মিত্র ও সাধারণ সম্পাদক সুভাষ কুমার কর। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্য্য, অলোক নন্দী ও শ্রমিক নেতা মানা চক্রবর্তী। নিজেদের আর্থিক প্রতিবন্ধকতা সত্বেও এই সংগঠনের সামাজিক প্রকল্পের এই বিশেষ উদ্যোগ সর্বত্র প্রশংসা কুড়িয়েছে। গাছ কেটে যে ভাবে পরিবেশের ক্ষতি করা হচ্ছে তাতে এই সংগঠনের কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন পরিবেশবিদরা।

জুন ২৮, ২০২৪
রাজ্য

কিভাবে ছড়িয়েছে ছেলেধরা গুজব? গ্রেফতার "মাস্টারমাইন্ড", দাবি বারাসাত জেলা পুলিশের

বারাসাতে কাজীপাড়ায় নিখোঁজ বাচ্চার দেহ উদ্ধারের পর ওই বালকের জ্যাঠা আঞ্জীব নবিকে গ্রেফতার করে বারাসাত থানার পুলিশ। রবিবার সাংবাদিক সম্মেলন করে পুলিশ সুপার ঘোষণা করে এই আঞ্জীব নবী প্রধান ও একমাত্র অভিযুক্ত। যখনই পুলিশ তদন্ত করতে গিয়েছে তখনই পুলিশি তদন্তের অভিমুখ বদলে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। বিভিন্ন রকম ভাবে গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করেছেন তিনি। কখনও ছেলেধরা, কখনও কিডনি পাচার নানারকম গুজব নবীর মস্তিষ্কপ্রসূত বলে দাবি বারাসাতের পুলিশ সুপার প্রতীক্ষা ঝাড়খরিয়ার। পুলিশের দাবি, একই সঙ্গে সে যেহেতু মসজিদে নামাজ পড়াতো সেই নামাজ পড়ানোর পর প্রত্যেককে জানিয়েছে বাইরের লোক দেখলেই মারধর করতে হবে। তাতেই মানুষজন বাইরের লোককে দেখলেই উত্তপ্ত হয়ে মারধর করতে শুরু করে দিয়েছে।ঘটনার দিন সন্ধ্যা ছটা কুড়িতে ওই নিহত বাচ্চা বাড়িতে আসে। কিন্তু তারপর তাকে বাড়ির বাইরে বেরোতে কেউ দেখেনি। ওই এক মুহূর্তের ফাঁকে বাচ্চাকে ডেকে নিয়ে অন্ধকার বাড়ির পেছনে প্রথমে চড় এবং তারপর গলা টিপে খুন করে ওই পরিত্যক্ত বাড়ির মধ্যে ঝুলিয়ে রেখে দেয়। পুলিশ বারবার ওই এলাকায় তদন্ত করতে গেলেও ওই বাড়ি ঝোপঝাড়ে ভরা থাকার কারণে ওই ঝোপঝাঁড়ের মধ্যে তল্লাশি করেনি বলে দাবি পুলিশের সেই কারণেই নজরে আসেনি প্রথমে। বাচ্চার বাবা গোলাম নবী সেইদিন সাড়ে সাতটায় বাড়িতে আসে। তারপর বাচ্চাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু হয় আটটার পরে। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট অনুযায়ী জানা গিয়েছে ৬টা৪৫ থেকে ৭টা৩০ এর মধ্যে ওই বাচ্চাকে খুন করা হয়েছে। মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন অনুযায়ী আঞ্জীব নবী ওই সময় ওই এলাকাতে ছিল। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে প্রাথমিকভাবে আঞ্জীব স্বীকার করেছে ভুল করে কাজ করে ফেলেছে। পরবর্তীতে পুলিশি হেফাজতে থাকাকালীন এই সমস্ত ঘটনা স্বীকার করেছে বলে দাবি পুলিশ সুপারের। আঞ্জীব নবীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশের অনুমান পারিবারিক সম্পত্তির বিবদের কারণেই ওই বাচ্চাকে খুন করা হয়েছে । আঞ্জীব নবি মূলত মসজিদে আজান দেয়। তাঁর ছোট্ট একটি ব্যাগের দোকান আছে। যা থেকে তাঁর সামান্য রোজগার হয়। কাজীপাড়ায় পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি করার পর পুকুরপাড়ের একটি তালগাছ আছে তার। যার ফল বিক্রি করে তার একটা বার্ষিক রোজগার হয়। হঠাৎই একদিন আঞ্জীব নবী দেখতে পায় তার ভাই গোলাম নবী সে গাছে লোক তুলে তাল পারছে। তাই নিয়ে তাঁদের মধ্য়ে বিবাদ শুরু। আর সেই বিবাদে ফারদিন আঞ্জীব নবীকে মারতে গেছিল যা আঞ্জীব নবীর এই প্রতিহিংসা ছিল।নিহত বাচ্চার বাবারা মোট সাত ভাই বোন। সকলে খোঁজাখুঁজি করলে ওই আঞ্জীব নবি খোঁজাখুঁজি না করার কারণে পুলিশের সন্দেহ দানা বাঁধে। যেহেতু রোজ আযান দিয়েছে নন্দগরে শ্বশুর বাড়িতে চলে যেত তাই তার মোবাইল টাওয়ার লোকেশন ধরে পুলিশ দেখে তার গতিবিধি। বারবার মিথ্যা কথা বলা পুলিশকে বিভ্রান্ত করা এবং গুজব ছড়ানো শেষ পর্যন্ত এই কারণগুলোই আঞ্জীব নবীর ধরা পড়ার মূল কারণ হয়ে দাঁড়ায়। পুলিশ যখন এক প্রকার দিশেহারা তখন ঘুরে তদন্ত শুরু করতে গিয়ে আঞ্জীবকে অভিযুক্ত ভেবে তদন্ত করতে গিয়ে দেখে সব মিলে যাচ্ছে। তবে প্রথম পর্যায়ে পুলিশের যে খানিকটা গাফিলতি ছিল, তা কার্যত মানছেন পুলিশ সুপার।ছেলেধরা গুজবে বারাসাতে দুটি, অশোকনগর, খড়দহে গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে। রবিবার দ্বেগঙ্গায় ছেলেধরা গুজবে মারধর না করা হলেও পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এখনও অবধি যে কটা ঘটনা ঘটেছে তার কোনওটার সঙ্গে ছেলেধরার কোনও সম্পর্ক নেই। সোশাল মিডিয়ায় ভয়ঙ্কর গুজব ছড়িয়েছে। চাকদার এক মহিলা ও বারাসাতের কাজী পাড়ার ভাড়া থাকা দুই মহিলা ছেলেধরা বলে গুজব ছড়িয়েছিল আঞ্জীব নবী। এরা শিশুদের অপহরণ করে দেহের অঙ্গ বিক্রি করে দেয় বলেই সে দাবি করেছিল।

জুন ২৩, ২০২৪
রাজ্য

কাঁথির ভূপতিনগরে খুন বিজেপি কর্মীর বাবা, উত্তপ্ত এলাকা

কিছুতেই কমছে না ভোট পরবর্তী অশান্তি। কাঁথি সাংগঠনিক জেলার ভূপতি নগর থানার অন্তর্গত অর্জুননগরে বিজেপি কার্যকর্তার বাবাকে পিটিয়ে মেরে ফেলল তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। যদিও বিজেপির অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।অর্জুননগর অঞ্চলের ধাঁইপুকুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা BJP র সক্রিয় কর্যকর্তা শশাঙ্ক মাইতি লোকসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পর থেকে ঘরছাড়া। তৃণমলের পক্ষ থেকে শশাঙ্ক মাইতির নামে মিথ্যে মামলা করা হয়।তারপর থেকেই তিনি ঘরছাড়া। মঙ্গলবার রাত এগারোটায় কুড়ি থেকে ত্রিশজন সশস্ত্র তৃণমূল আশ্রিত হার্মাদ বাহিনী শশাঙ্ক মাইতির বাড়িতে চড়াও হয়, এবং তার মা, স্ত্রী ও বৌদির উপর আক্রমণ ও টানাহেঁচড়া করে। এমতাবস্থায় শশাঙ্ক মাইতির বাবা গৌরহরি মাইতি বেরিয়ে আসেন এবং এই দুষ্কৃতিদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে সেই দুষ্কৃতীরা তাকে সজোরে ধাক্কা দেয় এবং তিনি গড়িয়ে পড়েন। গড়িয়ে পড়ার পর সেখানেই যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকেন। পাড়ার লোক বেরিয়ে এলে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। পাড়ার লোকজন গৌরহরিবাবুকে উদ্ধার করে নিকটবর্তী মুগবেড়িয়া হাসপাতালে নিয়ে যায়, কিন্তু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে গৌরহরিবাবুকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।

জুন ১৯, ২০২৪
রাজনীতি

বিজেপির লোকসভার প্রার্থীই দল বিরোধী কাজে অভিযুক্ত! সাময়িক বরখাস্ত

তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ দাস তথা ববিকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিজেপি। তাঁর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে দলের অভ্য়ন্তরেই। দল বিরোধী অভিযোগের প্রেক্ষিতে ৭ দিনের মধ্যে কারণ দর্শাতে নির্দেশ দিয়েছে দলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। রাজ্য় বিজেপির শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির প্রমুখ প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায় লিখিত ভাবে জানিয়েছেন কমিটির সুপারিশে ও রাজ্য সভাপতির নির্দেশ এই পত্র দিয়েছেন। আগামী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত দল অভিজিৎ দাসকে সাময়িক বরখাস্ত করার কথা বলা হয়েছে।মঙ্গলবার দক্ষিণ ও উত্তর ২৪ পরগনার কিছু জায়গায় অত্য়াচারিতদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিয় দল। মঙ্গলবার সকালে বারুইপুর যাওয়ার পথে আমতলা দলীয় কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পড়ে কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিনিধি দল। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবকে কথা বলতে দেখা যায়। বিক্ষোভকারীরা দাবি জানাতে থাকে, তাঁদের প্রার্থীর বাড়িতে বিজেপির ঘরছাড়ারা রয়েছে তাঁদের সঙ্গে দেখা করে কথা শুনতে হবে। যদিও তাঁরা সেখানে যাননি। বারুইপুর দলীয় কার্যালয়ে আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে চলে যান। অভিজিৎ দাসের বিরুদ্ধে বিজেপির শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটি একাধিক অভিযোগ এনেছে। মঙ্গলবারের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে না থাকা, ভোট পরবর্তী হামলায় আক্রান্তদের সেই বৈঠকে যেতে না দেওয়া, কর্মীদের দ্বারা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে ঘেরাও, অনৈতিক মন্তব্য়, বিজেপির ডায়মন্ড হারবার জেলা কার্যালয়ে বিশৃঙ্খলা- এই সব ঘটনার পিছনে অভিজিতের ইন্ধনের অভিযোগ উঠেছে বলে চিঠিতে লেখা হয়েছে। চিঠিতেবলা হয়েছে, আপনি দলের কার্যকর্তা সেই কথা মাথায় রেখে দলের শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির সুপারিশে ও দলের করাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নির্দেশে ৭ দিনের মধ্যে দলবিরেোধী কার্যকলাপের কারণ দর্শাতে হবে। আপাতত সাময়িক বরখাস্ত করেছে দল। চিঠি দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির প্রমুখ প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়।

জুন ১৯, ২০২৪
রাজ্য

বেদখল সল্টলেকে বাঙালির অধিকার কায়েম করতে অভিনব উদ্যোগ বাংলা পক্ষের

বাঙালির অনেক স্বপ্ন নিয়ে সল্টলেক তৈরি করেছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বিধানচন্দ্র রায়। কিন্তু আজ সল্টলেক বহিরাগতদের দখলে। বাঙালির ঘর-বাড়ি, জমি, ফুটপাথ, খেলার মাঠ সব দখল হয়ে গেছে। দখল হয়ে যাচ্ছে দুর্গাপুজো কমিটিগুলো। বাঙালির মাছ-ভাত কেড়ে নিরামিষ চাপিয়ে দেওয়ার ঘৃণ্য কাজও করছে বহিরাগতরা। বারবার সল্টলেকে আক্রান্ত হচ্ছে বাঙালি।তাই মাছে-ভাতে প্রতিরোধ গড়তে আজ রবিবার সল্টলেকের BF ব্লকের সুইমিং পুলের পাশে বিশাল মাছ-ভাত উৎসব করলো বাংলা পক্ষ। মাছ ভাত, ডাল, সব্জি ও দই মিষ্টিতে জমে ওঠে এই উৎসব। এই গরম উপেক্ষা করেও সল্টলেকের প্রচুর বাঙালি মাছ-ভাত উৎসবে যোগ দেয় এবং বাংলা পক্ষে যোগদান করে। শেষে শুটকি মাছ ভাজাও হয় প্রতীকি ভাবে। কোনো হিংসা বা হানাহানি না। মা কালীর মাটিতে এভাবেই মাছে-ভাতে প্রতিরোধ হবে৷ সল্টলেকের বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ করতে আগামীতেও নানা অভিনব কর্মসূচী নেবে বাংলা পক্ষ। নিউ টাউন, দমদম এবং কলকাতার নানা আবাসনেও এই ধরণের কর্মসূচি নিতে চলেছে বাংলা পক্ষ।প্রায় ৫০০-৬০০ বাঙালি এই গরমের মধ্যেও মাছ-ভাত উৎসবে যোগ দেয়। প্রচুর অবাঙালিও ভিড় জমায়। উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি, শীর্ষ পরিষদ সদস্য মনোজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, মনন মন্ডল এবং এমডি সাহীন৷ উত্তর চব্বিশ পরগনা শহরাঞ্চল সাংগঠনিক জেলার সম্পাদক পিন্টু রায়ের উদ্যোগেই আজকের এই ঐতিহাসিক মাছ-ভাত উৎসব হল।

জুন ১১, ২০২৪
রাজ্য

অধিকারী গড় পূর্ব মেদিনীপুরে ফের জেলাশাসক পদে পূর্ণেন্দু

পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক বদল। ফেরানো হলো পূর্ণেন্দু কুমার মাজিকে। নির্বাচনের আগে এই জেলায় জয়শী দাশগুপ্তকে জেলাশাসক করে পাঠিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনী আচরণবিধি উঠে যেতেই জয়শীকে জেলাশাসকের পদ থেকে সরানোর বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছিল গতকাল। ঘোষণা প্ নতুন জেলাশাসকের নাম।লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ হতেই তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, পূর্ব মেদিনীপুরে ভোট লুঠ করা হয়েছে। জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, ওসি-আইসিদের নির্বাচন কমিশন সরিয়ে দিতেই বিজেপি ভোট লুঠ করেছে। নানা পন্থা অবলম্বন করে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে তৃণমূলকে।উল্লেখ্য, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথি ও তমলুক লোকসভা কেন্দ্র তৃণমূলের থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে বিজেপি। মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্রের এগরা ও ঘাটালের পাঁশকুড়া পশ্চিম বিধানসভা ক্ষেত্রেও লিড পেয়েছে বিজেপি। জেলার ১৬টির মধ্যে ১৫টি বিধানসভা এলাকায় এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি।নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে যে জেলাশাসকদের বিভিন্ন জেলায় আনা হয়েছিল তাঁদের মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসককেই প্রথম সরানো হল। রাজনৈতিক দিক থেকেও তা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। গত ২২ মার্চের বিজ্ঞপ্তিতে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক হিসেবে নিযুক্ত হন আইএএস জয়শী দাশগুপ্ত। তৎকালীন জেলাশাসক তনভীর আফজলকে পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন দফতরের বিশেষ সচিব করা হয়েছিল।পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় জেলাশাসকের দায়িত্ব সামলানো পূর্ণেন্দু কুমার মাজিকে পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক করা হয়েছিল। কিন্তু নির্বাচন ঘোষণার আগে তাঁকেও বীরভূমের জেলাশাসক করা হয়েছিল। বীরভূমের জেলাশাসক বিধানচন্দ্র রায় পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসকের দায়িত্বে আসেন।নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে সরানো হয় পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসককেও। ২২ মার্চ বিজ্ঞপ্তি করে জানানো হয়েছিল পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক হবেন আইএএস কে রাধিকা আইয়ার। তখন বিধানচন্দ্র রায়কে বিদ্যুৎ দফতরের বিশেষ সচিব পদে পাঠানো হয়েছিল।বীরভূমের জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাজিকে বদলি করা হয়েছিল রাজ্য মৎস্য উন্নয়ন নিগমের এমডি পদে। এবার তাঁকে পাঠানো হলো পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক করে, যে দায়িত্ব তিনি আগেও সামলেছেন।

জুন ১০, ২০২৪
দেশ

এই আলো এই অন্ধকার

আলো -অন্ধকারে যাই -মাথার ভিতরে স্বপ্ন নয়,কোন এক বোধ কাজ করেআলো আর অন্ধকার যে শুধু কবির বোধ জাগায় তা নয়। প্রকৃতির নিয়মে মানুষের সমাজেও আলো আর অন্ধকারের পাশাপাশি অবস্থানে ছড়িয়ে থাকে বিষাদ আর সুখ। ধান ভানতে শিবের গীত গেয়ে লাভ নেই অতএব থামা যাক। লোকসভা নির্বাচনের চালচিত্রে যে প্রসঙ্গে আলো অন্ধকারের কথা মনে এল এবার সে কথাই শুরু হোক।পঞ্চম দফার ভোট পর্যন্ত গত লোকসভা নির্বাচনের তুলনায় ভোট দানের হার কমা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে। পঞ্চম দফার শেষে দেখা যাচ্ছে কয়েক কোটি মানুষ এবার ভোট দিলেন না। তাঁরা কি গনতন্ত্রে আস্থা হারালেন? নাকি ভোট কম পড়ার পিছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে? এর উত্তর খুঁজতেই বিভিন্ন পন্ডিত ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা নানান মতামত দিচ্ছেন। ভোট দানের হার কমার মাঝে পঞ্চম দফার ভোটে দেখা যাচ্ছে পুরুষদের থেকে মহিলাদের ভোট দানের হার বেশি। ২০ শে মে আটটি রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের ৪৯ টি লোকসভা কেন্দ্রে ভোট দান সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে এই ৪৯ টি লোকসভা কেন্দ্রে মহিলাদের ভোট দানের হার ৬৩ % এবং পুরুষদের ভোটদানের হার ৬১.৪৮% ।আরও পড়ুনঃ ভোটের সুনামিতবে জম্মু কাশ্মীর, মহারাষ্ট্র ও পশ্চিম বঙ্গে মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের ভোটদানের হার সামান্য বেশি। পাশাপাশি বিহার এবং ঝাড়খণ্ডে পুরুষ এবং মহিলাদের ভোট দানের হারে ব্যাবধান অনেকটাই বেশি। বিহারে মহিলা ভোট পড়েছে ৬১.৫৮% আর পুরুষ ভোট পড়েছে ৫২.৪২ % । ঝাড়খণ্ডে মহিলা ভোট দানের হার ৬৮.৬৫ % এবং পুরুষদের ভোটদানের হার ৫৮.০৮ % । এই নির্বাচনে সব রাজনৈতিক দলের ই পাখির চোখ মহিলা ভোট। নারী শক্তির জয়গান আর মহিলাদের জন্য কল্যাণমূলক প্রকল্পের প্রবল প্রচারে নির্বাচনী ক্ষেত্র মুখর। তাই বলা ই যায় রাজনৈতিক দল গুলির প্রাণভোমরা বন্দী রয়েছে নারী শক্তির ভাঁড়ারে। যদিও ভোট টানার জন্য কিছু কল্যাণময় প্রকল্প ছাড়া মহিলাদের মূল সমস্যা দূর করার কোনো দিশা নেই। তবু ভোটের গনগনে আঁচের মধ্যে রাজনীতির পরিসরে মহিলাদের স্বর প্রতিষ্ঠার এই স্ব-উদ্যোগ যেন ঠান্ডা বাতাস।আরও পড়ুনঃ গ্যারান্টি বনাম ন্যায় - ভোটের হালহকিকততবু আলোর পাশেই তো অন্ধকার থাকে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য বলছে দেশের প্রায় পাঁচ কোটি প্রথম বার ভোটারের মধ্যে মাত্র ১৭ শতাংশ ভোটার তালিকায় নাম নথিভুক্ত করেছেন। সবচেয়ে করুণ চিত্র বিহারে। জাতীয় জনসংখ্যার বিচারে বিহারের জনসংখ্যায় তারুন্যের ভাগ সবচেয়ে বেশি। সেই রাজ্যে কম বয়সীদের মধ্যে মাত্র ১৭ শতাংশ ভোটার তালিকায় নাম তুলেছেন। দিল্লিতে এই সংখ্যা ২১ শতাংশ। দেশের তরুণ নাগরিকদের ভোটদানে এই অনীহার কারণ কি? তারা কি গনতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আগ্ৰহ হারাচ্ছেন? এর উত্তর খোঁজা অত্যন্ত জরুরি। ভারতের মত বৃহত সংখ্যক তরুণ, তরুণীর দেশে এই প্রবণতা গনতন্ত্রের পক্ষে অশুভ ইঙ্গিত

মে ২৭, ২০২৪
রাজ্য

যাদবপুরের মাটিকে মর্যাদায় ভরালেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

তৃণমূল কংগ্রেসে কেউ মানুষের ঊর্ধ্বে নয়। কারণ সকলেই মানুষের জন্য কাজ করতে তৃণমূল কংগ্রেসে এসেছেন। মানব সেবাই আমাদের ভিত্তি। যাদবপুরের মাটি আমার কাছে সর্বদা আলাদা। এই মাটি আমাকে মানুষের সেবা করার প্রথম সুযোগ দেয়। এই মাটির মানুষ আমাকে সর্বদা দুহাত তুলে আশীর্বাদ করেছেন। এই মাটি থেকে আমি যা পেয়েছি, তা আজন্ম আমার হৃদয়ের মণিকোঠায় থেকে যাবে। সোনারপুর স্পোর্টিং ইউনিয়নের খেলার মাঠ এবং যাদবপুরের বারো ভূতের মাঠে, ঝড়-বৃষ্টিকে মাথায় নিয়ে যে সংখ্যায় আমার গণদেবতা এসে আজকের জনসভা দুটিকে সাফল্যমণ্ডিত করলেন, তার জন্য আমি সকলকে নতমস্তকে প্রণাম জানাই। মনে রাখবেন বিজেপি এবং বিজেপির বি-টিম সিপিআইএম - এই দুটি দলকে একটাও ভোট নয়। কারণ, এরা কল্যাণ নয় হিংসায় বিশ্বাসী।

মে ২৬, ২০২৪
রাজনীতি

দু'দফায় ৫০ লক্ষ টাকা! দেবের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ শুভেন্দুর, পাল্টা দাবি অভিনেতার

ষষ্ঠ দফার ভোটের ঠিক ৩ দিন আগে ঘাটালের তৃণমূল প্রার্থী দীপক অধিকারী তথা দেবের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এক্স হ্যান্ডলে ডায়েরির পাতার ছবি দিয়ে দেবের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন শুভেন্দু অধিকারী। গরু পাচারে অভিযুক্ত এনামুল হকের ভাইয়ের থেকে দেব দুদফায় ৫০ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। এই অভিযোগের পাল্টা জবাবও দিয়েছেন দেব।দেবের কীর্তি শীর্ষক একটি পোস্ট এক্স হ্যান্ডলে করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ডায়েরির দুটি পাতার ছবি পোস্ট করেছেন তিনি। সেই পাতায় দেবের নাম করে মোবাইল ও ঘড়ির টাকা দেওয়ার উল্লেখ রয়েছে। এছাড়াও আরণ্যক ট্রেডার্সের নামে ৫০ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।দেবের কীর্তি:- pic.twitter.com/5RrzlxvDcr Suvendu Adhikari (Modi Ka Parivar) (@SuvenduWB) May 23, 2024এদিন শুভেন্দু অধিকারীর এই পোস্ট নিয়ে পাল্টা নিজের এক্স হ্যান্ডলে দেব লিখেছেন, তাহলে উনিও কি গরু চোর ? শুভেচ্ছা দুজনকেই। আর একটা কথা, আমার ভদ্রতা কিন্তু আমার দুর্বলতা নয়। ও শুভেন্দু দা, তুমি নাকি কোথায় মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখছো, হিরণের পাল্লায় পড়ে তোমাকে তো কাউন্সিলরে নামিয়ে দিচ্ছে। ভালোবাসি বলে বললাম, আমিও জানি তুমি আমাকে ভালোবাসো। আর রইলো কথা গরু চুরির টাকা, তোমার কোলের ছেলে হিরো হিরণ সেও পিন্টু মন্ডলের থেকে টাকা নিয়েছেন,তাহলে উনিও..পরে সংবাদমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন ঘাটালের তারকা তৃণমূল প্রার্থী দেব। তিনি বলেন, ইডি-সিবিআইয়ের কাছে যে ডকুমেন্ট ছিল সেটা শুভেন্দু অধিকারীর কাছে গেল কী করে? শুভেন্দু অধিকারীর এজেন্সিগুলির সঙ্গে যোগ আছে সেটা স্পষ্ট হল। যে টাকা আমি নিয়েছি, সেটা ফেরত দিয়েছি।তাঁর কথায়, ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী হিরণ ৩ বছর ধরে আমাকে গরু চোর বলছেন। উনিও পিন্টু মণ্ডলের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। আমি আজ অবধি সরাসরি আক্রমণ করিনি। শুভেন্দুদা সেই সুযোগ আমায় করে দিলেন। যদি আমি গরু চোর হই, তাহলে ইন্ডাস্ট্রির ৯০ শতাংশ লোকই গরু চোর। বলিউডও আছে এর মধ্যে। তদন্তের জন্য আমাকে ডাকা হয়েছে, কারণ আমি তৃণমূলের সাংসদ বলে।দেব আরও বলেন, আজ শুভেন্দু অধিকারীকে আমি মেসেজ করেছি। আমার ৫০ হাজার ভোট বাড়বে। আমাকে জোর করে ফাঁসানো হচ্ছে। ব্যবসার জন্য টাকা নিতে হয়। ২০১৭-তেই ৬-৮ মাসের মধ্যে সেই টাকা ফেরতও দিয়েছি।

মে ২৩, ২০২৪
দেশ

বাজার ভোলাতে মেরুকরণ

ছোটবেলায় শুনতাম বিজ্ঞজনেরা বলতেন, খেলার মাঠে রাজনীতি ঢুকলে sportsman spirit নষ্ট হয় । Spirit বলতে তাঁরা বোধহয় নৈতিকতার কথা বোঝাতেন। রাজনীতি তে নৈতিকতার ভাগ কবে থেকে কমতে শুরু করেছে আর এখন তা সম্পূর্ণ বিলুপ্ত কিনা তা ভিন্ন প্রসঙ্গ। সে যাই হোক, চলমান লোকসভা ভোটের আবহে প্রসঙ্গটা হঠাৎ ই মনে এলো। আন্তর্জাতিক ফুটবলে যেমন ধুরন্ধর strategy র জন্য ক্ষুরধার মাথার কোচেরই থাকেন তেমনই একদল দক্ষ পেশাদারের প্রবেশ ঘটেছে রাজনীতিতে। যারা ভোটের প্রচার কৌশল থেকে নেতা নেত্রীর ভাবমূর্তি তৈরির কারিগর। ভোট যুদ্ধে নেপথ্যে থেকে এরা সেই কাজ করে যান।সাত দফা লোকসভা ভোটের পাঁচ দফার অন্তিম যাত্রা শেষ। ভোট শুরুর আগে একরকম প্রচার, প্রথম দফার ভোটের আগে অন্য রকম এবং দ্বিতীয় দফার ভোট থেকে বিজেপির প্রচারে বিভিন্ন সুর। প্রচারের এই নানা স্তর নিয়ে বিতর্ক এবং মতামতের স্রোত বয়ে চলেছে। বিরোধীরা বলছেন ভোট যত এগোচ্ছে তত ই স্নায়ুর চাপ বাড়ছে গেরুয়া শিবিরের। তাই প্রধানমন্ত্রী তাঁর প্রচারে বারবার বক্তব্য বদলাচ্ছেন। এমনকি অনেক সময় সেই বক্তব্য পরস্পর বিরোধী। আমি এ বক্তব্যের সঙ্গে একমত নই। বিজেপি এখন বিশ্বের সেরা পেশাদার রাজনৈতিক দল। তাই তাদের প্রচারে বিভিন্ন মুখ যে সুপরিকল্পিতভাবে তৈরি তাতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে এই কৌশল শেষ পর্যন্ত কাজে দেবে কি দেবে না তার উত্তর আমার জানা নেই। ভোট শুরুর আগে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সিংহভাগ জুড়ে ছিল তাঁর সরকারের সাফল্য আর বিশ্ব শক্তির নিরিখে ভারতের দৃঢ় অবস্থান। ভোট শুরুর মুখে এলো স্ংকল্প পত্র। যা বহু কল্যানময় প্রকল্পের রূপায়নে মোদী কি গ্যারান্টি বললেই ভালো হয়। আবার ভোটের দ্বিতীয় দফা থেকে চিরাচরিত গেরুয়া রঞ্জিত হিন্দু মুসলিম বিভাজন। কংগ্রেসের নির্বাচনী ইস্তাহারকে নিশানা করে চলছে এই মেরুকরণ। প্রধানমন্ত্রী বলছেন সব সংরক্ষণ মুসলিমদের দেওয়া হবে, অন্য পিছিয়ে পড়া শ্রেনীর ভাগ কমে যাবে। কংগ্রেস হিন্দু নারীদের মঙ্গলসূত্রও ছিনিয়ে নেবে। এরই সঙ্গে রয়েছে হিন্দুত্ব বনাম সংখ্যালঘুর কড়া dose.বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব জানে, ২০১৪ এবং ২০১৯শে প্রচারে স্বপ্ন দেখানোর জমি এখন আর ঊর্বর নয়। দশ বছর শাসনের পরে শুধু সরকারের সাফল্য প্রচার করে যতটা চাই ততটা ভোট পাওয়া যাবে না। কারণ সেই সাফল্যে অনেক ছিদ্র রয়েছে। এই ছেঁড়া ফাটা সাফল্যের আকাশে নতুন স্বপ্নের তারা টাঙালে ভবি ভুলবে না। তাই বাউলের আলখাল্লার মতো প্রচারের পোশাকে নানান রঙের তালি। এই সবের পাশাপাশি একটি বিষয় বিজেপি কে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। সেটি হলো খাদ্য দ্রব্যের দামে severe heatwave. April মাস থেকে খাদ্য দ্রব্যের খুচরো এবং পাইকারি দামে inflation rate ঊর্ধ্বগামী। গত পাঁচ মাস ধরে আনাজের inflation rate ২৭.৫ শতাংশের উপরে। এছাড়াও pulse, cereals, মাছ, মাংস আর ফলের দাম বেড়েই চলেছে। সঙ্গে বাড়ছে ভোজ্য তেলের দাম। Crisilয়ের রিপোর্ট অনুযায়ী বাড়িতে একজনের খাবারের থালার দাম দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকার ও বেশি। পেঁয়াজ, টমেটো আর আলুর দাম বাড়ার কারণে গৃহস্থের নাভিস্বাস উঠছে। কেন্দ্রের নিজস্ব পোর্টাল Agmarknet. Agmarknet দেখাচ্ছে টমেটোর খুচরো বাজারে দাম ৬১ শতাংশ বেড়েছে। আলু আর পেঁয়াজের দাম ৫০% বেড়েছে। ১৯৮০তে জনতা সরকারের পতনে ইন্দিরার ক্ষমতায় ফেরা আর ১৯৮৯ তে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির হারের পিছনে পেঁয়াজের দাম বাড়ার কাহিনী চালু আছে। এর সঙ্গে রয়েছে ২০০৪ সালের বাজপেয়ী সরকারের India Shining স্লোগানের ভরাডুবি। এই প্রেক্ষাপটে খালি পেটে অথবা বাজারের আগুন মুখে নিয়ে বুথে গেলে কি হবে কিচ্ছু বলা যায় না। এই আশঙ্কা থেকেই হয়তো মনহরা হিন্দু মুসলিম মেরুকরণের আদি পথেই ফিরলো বিজেপি।

মে ২১, ২০২৪
দেশ

গন্ডি মুছে উৎসবে কাশ্মীর

আকাশ জুড়ে অশান্তির কালো মেঘ। সেই মেঘের ছায়ায় রাস্তায়,পাকদন্ডিতে, হাঁটে বাজারে, বাড়ির উঠোনে, অন্দরে ওৎ পেতে থাকা কঠিন শীতল ভয়ার্ত পরিবেশ। বিগত ২৫ বছরে এই ছবি ছড়িয়ে থেকেছে হিমালয়ের নিচে লুটিয়ে থাকা কাশ্মীর উপত্যকায়। এবার ২০২৪ য়ের লোকসভা নির্বাচনে সেই কালো মেঘ মুছে গিয়ে প্রখর সূর্যের কিরণ ছড়িয়েছে বললে বাড়াবাড়ি হয়ে যাবে। তবে আলোর মুখ যে দেখা গিয়েছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। সেই সঙ্গে জাতীয় সংবাদ পত্র, টেলিভিশন এবং সমাজ মাধ্যমে অবশেষে ঠাঁই পেয়েছে কাশ্মীরের ভোট আবহ। সৌজন্য শ্রীনগর লোকসভা কেন্দ্রের উল্লেখযোগ্য হারে মানুষের ভোট দান। ভোট দান নাগরিকের অধিকার। যোগ্য ভোটার দের ভোট গ্ৰহন কেন্দ্রে টেনে আনতে প্রতি ভোটের আগে এই কথাটা মনে করিয়ে দেয় নির্বাচন কমিশন। ভোট দানের হার বাড়াতে চলে নিরলস প্রচার। গত তিন দশক ধরে গনতন্ত্রের এই উৎসবের দিকে এক অদৃশ্য গন্ডিতে আবদ্ধ থেকে তাকিয়ে থেকেছে অধিকাংশ কাশ্মীর বাসী। গত সোমবার শ্রীনগর লোকসভা কেন্দ্রে ৩০.৮৯% ভোটের হার এক টানে সেই অদৃশ্য গন্ডি মুছে দিয়েছে। ২১৩৫ টি ভোট গ্ৰহন কেন্দ্রেই ছিল ভোটার দের সবল উপস্থিতি। ১৯৯৬ সালে শ্রীনগর কেন্দ্রে ৪০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছিল। সেই ভোট নিয়ে অবশ্য অনেক বিতর্ক রয়েছে। তবে তার পর থেকেই ভোট দানের হার ক্রমশ কমেছে। উজ্জ্বল ব্যতিক্রম ২০২৪। শ্রীনগরে ভোট শেষ। ২৫শে মে ভোট গ্ৰহন হবে অনন্তনাগ-রাজৌলি ও বারামুলা লোকসভা কেন্দ্রে। তিন লোকসভা কেন্দ্র মিলিয়ে ভোটার সংখ্যা ৮৬.৯ লক্ষ। এর মধ্যে ৩.৪ লক্ষ ভোটার এবার প্রথম ভোট দেবেন। শ্রীনগর যে পথ দেখিয়েছে তাতে অনেকের আশা কাশ্মীর উপত্যকায় এবার মোট ভোট দানের হার ৫০% ছাড়িয়ে যাবে। ২০১৯ সালের অগাস্ট মাসে ৩৭০ ধারা এবং এই statehood বাতিলের পরে ঝিলম ও চেনাব পারে এই প্রথম গুরুত্বপূর্ণ ভোট। বাতিল পর্বের আগে পরে চিনার, পাইনের ডালে ডালে নানান ওঠা পড়ার হাওয়া ছুঁয়ে গিয়েছে। তবে দুয়েকটি হাতে গোনা serious magazine আর কিছু সংবাদপত্রে ভোট মুখি কাশ্মীরের যে স্পন্দন ধরা পড়ছিল তাতে বোঝাই যাচ্ছিল যে কাশ্মীর বাসী এবার ভোটের দিন বিপুল সংখ্যায় পথে নামবেন। বিভিন্ন প্রচার সমাবেশ এবং মিছিলে মানুষের যে ঢল দেখা গিয়েছে বিশেষজ্ঞ দের মতে তা বিগত তিন দশকে দেখা যায় নি। কাশ্মীর বাসীর এই , intense and vibrating mood নির্বাচন কমিশন কে ও স্বস্তি দিয়েছে।অনেকের মত উপত্যকা বাসীর মনের ভিতরে জমে থাকা বঞ্চনার ক্ষোভ আর আবেগ এবার EVM এ প্রকাশ পাবে। ১৯৯৬ সালের পর থেকেই কাশ্মীরে ভোট এলেই সন্ত্রাস বাদী দের ভোট বয়কটের ডাকে সন্ত্রস্ত থাকতেন সাধারণ মানুষ। এর পাশাপাশি নানান প্রশাসনিক অবিচারের অভিযোগ ও পা টেনে রাখতো সাধারণ ভোটারদের। এবার সেই চিত্রনাট্য উধাও। সম্প্রতি জঙ্গি গোষ্ঠী the resistant front য়ের commander বশিত দার সহ তিন জঙ্গির নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে মৃত্যু হয়। অতীতে এই ঘটনার পরেই ভোট বয়কটের ডাক ছড়িয়ে পড়ত। মনের ইচ্ছে মনে রেখে ভোটের দিন দুয়ার এঁটে থাকতেন সাধারণ মানুষ। এবার সবকিছুই অন্যরকম। এই ঘটনার পরেও কাশ্মীরের মানুষের ভোট উদ্দিপনায় ভাঁটা পড়েনি। ৫৪৩ সাংসদের লোকসভায় কাশ্মীরের তিনটি আসন হয়তো বিশেষ কোনো প্রভাব ফেলবে না। তবু জাতীয় রাজনীতিতে নিজেদের স্বর গেঁথে দেওয়ার সুযোগ হারাতে চাইছেনা কাশ্মীর। সেই স্বরের ই প্রতিধ্বনি শোনা গেল শ্রীনগর কেন্দ্রের ভোটে। প্রায় তিন দশক দূর থেকে দাঁড়িয়ে গনতন্ত্রের উৎসব দেখেছে কাশ্মীর। এবার স্বর্গ সহোদর ভুখন্ডের মানুষ গনতন্ত্রের উৎসবের একেবারে মাঝখানে। আমরা যারা অখন্ড ভারতে বিশ্বাসী তাদের কাছে এ কম সুখের সময় নয়।

মে ১৬, ২০২৪
রাজনীতি

উলুবেড়িয়ার পর বণগাঁতেও দুর্নীতি নিয়ে সুর চড়ালেন শাহ, নিশানা মমতাকে

সেই বিধানসভা নির্বাচনের রেপ্লিকা। লোকসভা নির্বাচনেও প্রচারে বাংলায় এসে ঝড় তুলতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন মোদী-শাহরা। আজ ফের একবার বাংলায় ভোটপ্রচারে এসে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অমিত শাহ একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে যারপরনাই নিশানা করলেন রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে। একইসঙ্গে এবারের প্রচারে সম্ভবত এই প্রথম নাম না করে কৃষ্ণনগরের তৃণমূল প্রার্থী মহুয়া মৈত্রকেও হুঁশিয়ারি দিতে শোনা গেল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে।গোটা দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলা পিছিয়ে পড়ছে। এখানে দুর্নীতি চলছে। এই অনুব্রত মণ্ডল, কুণাল ঘোষ, তাপস পাল, কে একজন কুলপতি (নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত গোপাল দলপতির নামই সম্ভবত ভুলবশত কুলপতি বলে উল্লেখ করেছেন শাহ), এই লোকগুলো যুবকদের চাকরি দেওয়ার কেলেঙ্কারিতে, গরু পাচারে, কয়লা দুর্নীতিতে জেলে গিয়েছেন। আপনারা কখনও একসঙ্গে ৫০ কোটি টাকা দেখেছেন? এদের এক মন্ত্রীর কাছ থেকে ৫০ কোটি টাকা বেরিয়েছে। মমতাদিদিকে প্রশ্ন করছি এই ৫০ কোটি টাকা কার? শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি, রেশন কেলেঙ্কারি, গরু পাচার, কয়লা পাচার, টাকা নিয়ে প্রশ্ন যাঁরা করেছেন তাঁরা তৈরি থাকুন জেলে যেতে হবে, কেউ ছাড় পাবেন না।মঙ্গলবার উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁয় BJP প্রার্থী শান্তনু ঠাকুরের সমর্থনে নির্বাচনী জনসভা করেন অমিত শাহ। সেই সভামঞ্চ থেকে এবার ফের একবার তাঁর মুখে শোনা গিয়েছে CAA প্রসঙ্গ। এই ইস্যুতে তৃণমূলনেত্রীকে নিশানা করেছেন মোদীর প্রধান সেনাপতি। মঙ্গলবার তার আগে উলুবেড়িয়াতেও গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ওই কেন্দ্রের BJP প্রার্থী অরুণউদয় পালচৌধুরীর সমর্থনে নির্বাচনী সভামঞ্চ থেকেও দুর্নীতি ইস্যুতে সোচ্চার হয়েছেন শাহ।

মে ১৪, ২০২৪
রাজ্য

চতুর্থ দফার নির্বাচনের মুখে বড় চমক বিজেপির, তৃণমূল প্রার্থীর স্ত্রীর বিজেপিতে যোগ

চুতর্থ দফা নির্বাচনী প্রচারের শেষ দিনে বড় চমক বিজেপির। নদিয়ার তাহেরপুরে মিঠুন চক্রবর্তীর হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিলেন রানাঘাটের তৃণমূল প্রার্থী মুকুটমনি অধিকারীর স্ত্রী স্বস্তিকা ভুবনেশ্বরী। তাঁর ডাক নাম রোজি। তাঁর হাতে পদ্ম পতাকা তুলে দেন বলিউড অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। এবার বিষ্ণুপুর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী সৌমিত্র খাঁ। ওই আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী সুজাতা মন্ডল। গত লোকসভা নির্বাচনে সৌমিত্র খাঁয়ের প্রচারের দায়িত্বে ছিলেন সুজাতা। বিষ্ণুপুর লোকসভার ৬ টি বিধানসভা এলাকায় ঢুকতে আইনত বাধা ছিল সৌমিত্রর। পরবর্তীতে সুজাতা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেয়। সৌমিত্রের সঙ্গে তাঁর ডিভোর্স হয়ে যায়। এবার ভোটের দুদিন আগে তৃণমূল প্রার্থীর স্ত্রী যোগ দিলেন বিজেপিতে।মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, আমাদের বিরোধী দলের প্রার্থীর এখনও আইনত স্ত্রী রোজি বিজেপিতে যোগ দিলেন। তাঁর হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন মিঠুন। রাজনৈতিক মহলের মতে, রাজনীতিতে চমক চলছে। সেই চমকের পার্ট এই যোগদান।

মে ১১, ২০২৪
রাজ্য

লোকসভা নির্বাচন!!! স্ট্রিং অপারেশনে কার কতটা সুর কাটল!

চুপ লোকসভা নির্বাচন চলছে । পশ্চিমবঙ্গে দাঁড়িয়ে এই উচ্চারণ করা যাবে কি? রাজনীতি পন্ডিত রা বলে থাকেন লোকসভা নির্বাচন আর বিধান সভা নির্বাচনের ক্ষেত্রে অনেক পার্থক্য থাকে।এই কারণে অনেক রাজ্যে অনেক সময় ভোটার রা বিধানসভায় যে দলকে ভোট দেন লোকসভায় তাদের দেন না। লোকসভা নির্বাচন আর বিধান সভা নির্বাচনের ইস্যুর মধ্যে ও অনেক পার্থক্য থাকে। সোজা কথা, লোকসভা নির্বাচনের ফল স্থির করে দেয় কারা দেশ শাসন করবে। আর বিধান সভা নির্বাচন জানিয়ে দেয় রাজ্যের শাসনভার কোন দলের মধ্যে থাকবে। কিন্তু লোকসভা ভোটের এই ভরা মরশুমে দেখুন পশ্চিমবঙ্গে কি হচ্ছে।রাজ্যের শাসক দল আর প্রধান বিরোধী দল বিজেপি এবং বাম কংগ্রেসের জোটের ইস্যু ভিত্তিক প্রচারে চোখ রাখুন অথবা কান পাতুন তাহলেই বিষয়গুলি পরিষ্কার হয়ে যাবে।ভোটের দামামা সজোরে বাজার আগেই দলের প্রচারের সুরটা বেঁধে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী । অর্থনৈতিক দিক থেকে শক্তিশালী ভারত। বিশ্ব জুড়ে বিভিন্ন রাষ্ট্রের ভাঙ্গা গড়ার মাঝে গুরুত্ব পাওয়া ভারত। এই দুই অক্ষে আগামী দিনে ভারতের আগামী দিনে ভারতের আরো শক্তিশালী হয়ে ওঠার গ্যারান্টি, তার সঙ্গে বিজেপির সঙ্কল্প পত্রএ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আরও অসংখ্য গ্যারান্টির দীর্ঘ তালিকা । এই তালিকার মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর চতূর্বণ কৃষক, যুব, নারী ও দরিদ্রের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতির সঙ্গে CAA এবং অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করার অঙ্গীকার। এর ই মাঝে কংগ্রেস এবং ইন্ডিয়া মঞ্চের তীব্র এবং শ্লেষাত্মক আক্রমণ। যদিও দ্বিতীয় পর্বের ভোটের পরে প্রধানমন্ত্রী এবং বিজেপির সেই পুরোনো চাল ধর্মীয় মেরুকরণের পথেই ফিরেছেন ।অন্য দিকে বিরোধীদের ইস্যূ ভিত্তিক প্রচারে বিজেপির পাল্টা ন্যারেটিভ। বিজেপির দশ বছরের শাসনে দেশের বেড়ে চলা বেকার সমস্যা। অর্থনীতির সুফল মুষ্টিমেয় ধনীর কোষাগারে জমা পড়া। আর্থিক অসাম্য বেড়ে চলা। দেশের গণতন্ত্র বিপন্ন। মোটামুটি এই ইস্যুগুলিকে হাতিয়ার করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে হাতিয়ার করে বিরোধীরা বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট চাইছেন। কংগ্রেস প্রধানমন্ত্রীর গ্যারান্টির বিপরীতে বিকল্প হিসেবে নারী, কৃষক,যুব ও দরিদ্রের উন্নয়নের কথা বলছে।এবারে পশ্চিম বঙ্গের ভোট যুদ্ধের দিকে তাকানো যাক। রাজ্যে ৪২ টি লোকসভা আসন। এই আসনগুলির অবস্থান গত দিকে যেমন পাহাড়, জঙ্গল, সমুদ্র, রুক্ষ এবং কোমল মাটির বৈচিত্র্য তেমন ই বৈচিত্র্য প্রকৃতিতে এবং সংস্কৃতিতে । এমন বৈচিত্র্যপূর্ণ রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনের ইস্যুতে কোনো বৈচিত্র্য নেই। সেই থোড় বড়ই খাড়া, খাড়া বড়ি থোড় । বিগত এক বছর ধরে টেলিভিশনের খবরে সান্ধ্য তরজায় এবং সমাজ মাধ্যমে যে বিষয়গুলি শুনতে শুনতে কানে লাগার জোগাড় সেই ইস্যুগুলিই বিকট সুরে প্রচারাভিযানে বাজছে। এই প্রতিযোগিতায় শাসক বিরোধী কোন পক্ষ ই পিছিয়ে নেই। শুধু কাটমানির জায়গা নিয়েছে ssc scam আর সামাজিক ইস্যু বলতে সন্দেশখালি । তারা নিজেদের ব্যাতিক্রমী বলে দাবি করে সেই বামেরা ও এই গড্ডালিকাপ্রবাহের সম্পুর্ন বাইরে নেই। তবে আমি বলছিনা রে ssc scam বা সন্দেশখালি আমাদের মুখ কালো করে দেয়নি , কিন্তু এই দুই অনাচারের পাশাপাশি দেশের অর্থনীতি, সমাজনীতি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মতো বিষয়গুলিতেও বাংলার ভোটার দের মতামত রয়েছে। অথচ তার সম্পূর্ণ উপেক্ষিত।বিশেষ করে বলতে হয় সন্দেশখালির কথা। দ্বীপ কে কেন্দ্র করে বাংলা সাহিত্যেও বহু কালজয়ী কবিতা, গল্প, উপন্যাস রয়েছে। কিন্তু সন্দেশখালির দ্বীপ ভূমি আমাদের লজ্জার আঁধারে ঢেকেছে। কিন্তু বিজেপির শীর্ষ, মাঝারি, ছোট মাপের নেতারা ভোট জিততে সন্দেশখালিকেই প্রধান অস্ত্র হিসেবে বেছে নিয়েছেন। তাঁদের মুখে নারী সন্মানের কথা আলাদা ভাবে রয়েছে।আসল লক্ষ তৃনমূলের অপশাসন হিসেবে দেখিয়ে ভোট টানা। যে কারনে রাজ্যে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব বলেছেন, লোকসভায় তৃনমূলের থেকে বেশি আসন পেলেই সরকার পড়ে যাবে। ২০২৬ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না। অর্থাৎ বঙ্গের ভোটার দের এই নির্বাচনে দেশের কথা না ভেবে রাজ্যে সরকার বদলের কথা ভাবলেই হবে। এই পরিস্থিতিতে একটি ভিডিও ক্লিপ নিয়ে রাজ্য তোলপাড়। সেই ভিডিও দেখিয়ে তৃনমূল বলছে সন্দেশখালির ঘটনা বিজেপির সাজানো। বিজেপি বলছে সবটাই ভুয়ো। দুপক্ষই নারী সন্মান নিয়ে গলার শির ফোলাচ্ছে। যেন দুপক্ষের লড়াইতেই ফয়সালা হয়ে যাবে। যারা সেখান কার বাসিন্দা, তাদের প্রতিবাদী এবং শাসকপক্ষ পথে নামালো তাঁদের যেন কোনো ভুমিকা নেই। ভোটকে তো জনমত ও বলা হয়। এই প্রবল হুঙ্কার এবং পাল্টা হুঙ্কারের মাঝে তারা অনেক টাই নিশ্চুপ। তাঁরা EVMয়ে সরব হবেন। ততক্ষণ সব পক্ষের দাবি পাল্টা দাবি চলবে।পথ ভাবে আমি দেব রথ ভাবে আমি,মূর্তি ভাবে আমি দেবহাসে অন্তর্যামী।

মে ১০, ২০২৪
রাজ্য

সন্দেশখালি কাণ্ডে একের পর ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তুলকালাম, তুঙ্গে বিতর্ক

সন্দেশখালি কাণ্ডে একের পর ভাইরাল ভিডিও ঘিরে অস্বস্তি বেড়েছে পদ্মশিবিরে। এবার আরও অস্বস্তি বাড়াল পুলিশ। সন্দেশখালিতে যৌন নির্যাতন-ধর্ষণের ঘটনা সাজানো বলছেন স্থানীয় বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়াল। সেই ভাইরাল ভিডিওর রেশ কাটতে না কাটতেই নয়া ভিডিও সামনে এসেছে। যেখানে মহিলারা দাবি করছেন, ভুল বুঝিয়ে সাদা কাগজে সই করিয়ে নিয়েছিল মহিলা মোর্চার নেত্রী। তাঁরা কোনও ধর্ষণের অভিযোগ করেননি। এবার সেই ঘটনায় বিজেপি নেত্রী মাম্পি দাসকে সমন পাঠাল সন্দেশখালি থানার পুলিশ। তাঁকে জেরা করতে চায় পুলিশ।সন্দেশখালিতে ধর্ষণ কিংবা যৌন নির্যাতনের ঘটনা কি সাজানো? এবার আরও একটি নতুন ভিডিও-য় চাঞ্চল্যকর কিছু দাবি করতে শোনা গিয়েছে কয়েকজন মহিলাকে। যদিও সেই ভিডিও-টির সত্যতা যাচাই করেনি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা।দিন কয়েক আগেই সন্দেশখালির (Sandeshkhali) BJP নেতা গঙ্গাধর কয়ালের বক্তব্য নিয়ে এটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। সেই ভিডিও প্রকাশ করে সন্দেশখালির গোটা ঘটনা নিয়ে BJP-কেই তুলোধনা করতে দেখা গিয়েছিল রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে। বৃহস্পতিবার ভাইরাল হওয়া আরও একটি ভিডিও-য় সন্দেশখালিরই আরেক বিজেপি নেতা অনুপ দাসের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ শোনা গিয়েছে বসিরহাটের BJP প্রার্থী তথা সন্দেশখালি আন্দোলনের মুখ রেখা পাত্র সহ কয়েকজন মহিলাকে।এবার নতুন আরও একটি ভিডিও-য় মুখ খুলতে শোনা গিয়েছে কয়েকজন মহিলাকে। সেই ভিডিও-য় তিন মহিলার দাবি, ধর্ষণ-সহ যে বিভিন অভিযোগ করা হয়েছে তা সাজানো। এমনকী মহিলা কমিশন যেদিন সন্দেশখালিতে গিয়েছিল ওই দিন এক বিজেপি নেত্রী তাঁদের মিথ্যা অভিযোগ করতে বলেছিলেন বলেও দাবি তাঁদের। সাদা কাগজে তাঁদের দিয়ে সই করিয়ে নিয়ে মিথ্যা অভিযোগ তাতে লেখা হয়েছে বলে দাবি কয়েকজন মহিলার।আদৌ তাঁদের সঙ্গে ধর্ষণের মতো কোনও ঘটনা ঘটেনি বলে ওই ভাইরাল ভিডিও-য় দাবি করেছেন মহিলারা। যদিও সেই ভিডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা। বর্তমানে মিথ্যা মামলা তাঁরা তুলে নিতে চাইলে বিজেপি নেত্রী মাম্পি দাস ও এলাকার কয়েকজন বিজেপি নেতারা তাঁদের হুমকি দিচ্ছেন বলে তাঁরা অভিযোগ করেছেন। এই ঘটনায় মাম্পিকে জেরা করতে তাঁকে তলব করেছে পুলিশ।

মে ১০, ২০২৪
রাজনীতি

বিজেপির নারদ আদলে তৃণমূল ভবনে সন্দেশখালির ভাইরাল ভিডিও প্রদর্শন, ভয়ঙ্কর আক্রমণ অভিষেকের

নারদ-কাণ্ডে বিজেপি দফতরে ভিডিও ফুটেজ তুলে ধরে তৃণমূলকে নিশানা করেছিলেন গেরুয়া নেতারা। তখনও এরাজ্যে নির্বাচনী আবহ ছিল। এবার সন্দেশখালির ভাইরাল ভিডিও তোলপাড় ফেলতেই একই কায়দায় এবার বিজেপিকে পাল্টা দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পদ্ম বাহিনীকে কার্যত তুলোধনা করলেন তিনি। অভিষেকের সাফ কথা, নির্লজ্জতার সমস্ত নজির ভেঙে দিয়েছে। বিজেপির মণ্ডল সভাপতি বলছেন সাজানো ঘটনা। যাঁকে নির্যাতিত বলে দেখানো হচ্ছে। তিনি বলছেন, তাঁর সঙ্গে কিছু হয়নি। বাংলার সম্মান ভূলুণ্ঠিত হয়েছে। বিজেপির নেতারা বলতেন, সন্দেশখালি করবে তৃণমূলের চেয়ার খালি। আর আজকের ভিডিও বুঝিয়ে দিয়েছে বিজেপি দলটাই জালি।সন্দেশখালির ভাইরাল ভিডিও ঘিরে শনিবার রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পরে যায়। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে, সন্দেশখালি ২ নম্বর ব্লকের বিজেপি সভাপতি গঙ্গাধর কয়াল স্বীকার করছেন, মহিলাদের ধর্ষণের ঘটনা পুরোটাই সাজানো। সে জন্য তাঁদের টাকা দিয়ে সাহায্য করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।এরপরই এক্স বার্তায় সরব হয়েছিলেন অভিষেক। পরে সাংবাদিক বৈঠক করেন তিনি। অভিষেক বলেন, নির্লজ্জতার সমস্ত নজির ভেঙে দিয়েছে। বিজেপির মণ্ডল সভাপতি বলছেন সাজানো ঘটনা। যাঁকে নির্যাতিত বলে দেখানো হচ্ছে। তিনি বলছেন, তাঁর সঙ্গে কিছু হয়নি। ভিডিয়োতে উনি বলেছেন, তাবড় তাবড় মালকে গ্রেফতার করানোর কথা। গঙ্গাধর বলেছেন, শুভেন্দু তাঁদের বলেছেন, তাবড় তাবড় মাল গ্রেফতার না করালে তোমাদের কিছু হবে না। খবর যাচাই না করেই বাংলার নামে খবর প্রকাশ করেছে জাতীয় সংবাদমাধ্যমগুলি। তাতে বাংলার সম্মান ভূলুণ্ঠিত হয়েছে। এঁদের প্রত্যেকের উচিত বাংলায় এসে ক্ষমা চেয়ে যাওয়া।পরিকল্পনা করে সন্দেশখালিতে রোবটও নামিয়ে দিল ওরা। যেন মনে হচ্ছিল চাঁদে চন্দ্রযানের প্রজ্ঞান নামছে। এই সব কিছুই দেখানোর জন্য। সব পরিকল্পিত।গঙ্গাধর বলেছে ২০০০টাকা দিয়ে অভিযোগ দায়ের করিয়েছে বাংলায়। রেখা পাত্র যিনি ওই এলাকার লোকসভা ভোটের প্রার্থী তিনিও ওই ২০০০ টাকার বিনিময়েই অভিযোগ করেছিলেন। পিঠে পাটিসাপটা বানানো নিয়ে কত কথা বলেছিল সংবাদ মাধ্যম। কী ভাবে খবর প্রকাশ হয়েছিল! আর এখন এরা বলছে ধর্ষণই হয়নি। উল্টে ধর্ষণ নিয়ে যাতে কোনও পরীক্ষা দিতে না হয়, সে জন্য ৭ মাস আগের অভিযোগ দায়ের করেছে।বাংলাকে কলুষিত করার জন্য বিজেপির পাশাপাশি বিচারমাধ্যমের একাংশও দায়ী বলে মনে করি আমি। এ কথা বলার জন্য যদি আমি আদালত অবমাননার দায়ে পড়ি, তবে পড়ব, কিন্তু সত্যি কথা বলা থেকে আমাকে আটকানো যাবে না। বলেছেন অভিষেক। তিনি বলেন, যারা নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করতে মহিলাদের সম্ভ্রম ২০০০ টাকায় বিক্রি করেন, সেই দলকে ভোট দেওয়ার আগে দশবার ভাববেন।আমি চ্যালেঞ্জ করছি গঙ্গাধর কয়ালকে বিজেপি সাসপেন্ড করুক। এ ব্যাপারে সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যও মিলছে না। বিজেপির নেতারা আলাদা আলাদা কথা বলছেন। ওদের আসল চেহারা, ওদের নগ্নরূপ বেরিয়ে গেছে।বিজেপির নেতারা বলতেন, সন্দেশখালি করবে তৃণমূলের চেয়ার খালি। আর আজকের ভিডিয়ো বুঝিয়ে দিয়েছে বিজেপি দলটাই জালি।বাংলায় ওরা থাকছে, খাচ্ছে আর বাংলার নাম কলুষিত করছে। আসলে বাংলাকে কলুষিত করে দখল করার পরিকল্পনা ছিল বিজেপির। যেভাবে, রাজস্থান, কর্ণাটক দখল করেছে সে ভাবেই বাংলাও দখল করবে। কিন্তু বাংলার দখল নেওয়া অত সহজ নয়। খালি কয়েকটা ভোটের জন্য যা নয় তাই করা হচ্ছে। সমস্যা আদৌ হয়েছে কি না যাচাই না করেই সিবিআই হয়ে যাচ্ছে। সংবিধান মেনে পুলিশকে সুযোগও দেওযা হচ্ছে না। তদন্ত করার সুযোগই দেওয়া হচ্ছে না।ওর (শুভেন্দু অধিকারী) সিবিআইকে বলুন, যদি ক্ষমতা থাকে আমাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাবে। ওর সিবিআই দেখিয়ে রাজনীতি অন্য জায়গায় করতে বলবেন। সিবিআইয়ের তল্পিবাহকতা করার জন্য বাংলার মানুষ বেঁচে আছে। ওর যদি ক্ষমতা থাকে, তা হলে ওদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না কেন? ওই বেইমানটাকে বলবেন, আমি ওকে বেইমান বলছি, গদ্দার বলছি, ঘুষখোর বলছি। কী করবে করে নিক।

মে ০৪, ২০২৪
রাজনীতি

সন্দেশখালি নিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী যা বললেন.....

বিরোধী দলনেতার মদতেই হয়েছে। সন্দেশখালি সম্পর্কিত ভাইরাল ভিডিওতে সেই দাবিই শোনা গিয়েছে (সেই ভিডিও জনতার কথা যাচাই করেনি) বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়ালের মুখ থেকে। এরপরই সরব হয়েছে তৃণমূল। শুভেন্দু অধিকারীকে তুলোধনা করেছেন তৃণমূলের সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের যুবরাজের সাংবাদিক বৈঠকের পরই এই ইস্যুতে মুখ খুললেন রাজ্যে বিরোধী দলনেতা। তিনি দাবি করলেন, সিবিআইয়ের ডিরেক্টরকে ই-মেল করে সন্দেশখালির বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়াল তাঁর বক্তব্যের বিকৃত ভিডিও অভিযোগ আকারে পাঠিয়েছেন। একই সঙ্গে তাঁর দাবি, ইতিমধ্যেই সন্দেশখালি থেকে কলকাতায় পৌঁছে গিয়েছেন গঙ্গাধর।ভাইরাল ভিডিওতে বিজেপি নেতার মুখে একাধিকবার শোনা গিয়েছে শুভেন্দুর নাম। এ প্রসঙ্গে শুভেন্দুর দাবি, এই সব কিছু কয়লা ভাইপোর তৈরি। অর্থাৎ শুভেন্দুর নিশানায়, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এর আগে এক্স বার্তায় এই ইস্যুতে দাবি করেছিলেন যে, ভোটে হারবেন বুঝেই এ সব করিয়েছেন। তাঁর নিশানায় ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।শনিবার সকালে স্টিং অপরেশনের একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসে। সেই ভিডিয়োতে বিজেপির সন্দেশখালির ২ নং মণ্ডল সভাপতি গঙ্গাধর কয়ালকে বলতে শোনা যাচ্ছে যে, সন্দেশখালিতে ধর্ষণের অভিযোগ সাজানো। এ নিয়ে বিজেপিকে আক্রমণ করে তৃণমূল। শুভেন্দু সেই আক্রমণ উড়িয়ে দিয়ে দাবি করেছেন, ভিডিয়োটি বিকৃত।গঙ্গাধরের দাবি ওই ভিডিও বিকৃত। ভিডিওয় তাঁর ছবি এবং কথার মধ্যে কোনও মিল নেই। ভিডিয়োয় বক্তার মুখও স্পষ্ট নয়। এমন ভাবে ভিডিয়োটি এডিট করা হয়েছে, যাতে তা বোঝা না যায়। ভিডিও থেকে বক্তার ঠোঁটের নড়াচড়াও স্পষ্ট ভাবে বোঝা যাচ্ছে না বলেই দাবি গঙ্গাধরের। ভিডিয়োর শব্দ স্পষ্ট নয়। ইচ্ছাকৃত অসাধু উদ্দেশ্যেই এমনটা করা হয়েছে বলে অভিযোগ গঙ্গাধরের।

মে ০৪, ২০২৪
দেশ

এবার ৪০০ পার

এবার ৪০০ পার। লোকসভা নির্বাচনের আগে দলীয় নেতা কর্মীদের ৩৭০আসনের লক্ষমাত্রা বেঁধে দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তারপরেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ৪০০ পারের স্লোগান দেন। দেশের জনসংখ্যার অর্ধেকের ওপর মানুষ খবরের কাগজ পড়েন না। জনসংখ্যার ১৫% মানুষ খবরের কাগজ পড়েন। স্বাভাবিক ভাবেই হাতের মুঠোয় থাকা সমাজ মাধ্যমের খবর বা তথ্যের প্রতি ই বিপুল সংখ্যক মানুষের নজর। তাই প্রাক নির্বাচনী পর্বে সমাজ মাধ্যমে জনমত সমীক্ষার ঢেউ আছড়ে পড়ে।এই সমীক্ষা গুলিতে ৩৩০ থেকে ৩৯০ টি আসন বিজেপি জিততে পারে বলে দেখানো হয়।এর মধ্যে একটি তে বিজেপি ৪১১টি আসন জিততে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ভোটের সুনামি৪০০ র বেশি আসনে জিততে হলে বিজেপি কে কত শতাংশ ভোট পেতে হবে তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের বিভিন্ন মত রয়েছে। কারণ ভারতীয় গনতন্ত্রে নির্বাচনে first- past- the- post পদ্ধতিতেই ভোটে জেতা হারা ঠিক হয়। এই বিচারে ২০১৪ সালে ৩১ % ভোট পেয়ে ক্ষমতায় বসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দেশের নির্বাচনী ইতিহাসে এত কম ভোট পেয়ে এর আগে শাসকদল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। তবে NDA শরিকদের ভোট যোগ করলে সংখ্যা টা দাঁড়ায় ৩৮ %। দেশের নির্বাচনী ইতিহাস বলছে স্বাধীনতার পর থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত কোনো রাজনৈতিক দলই ৫০% ভোট পায় নি। ১৯৮৪ সালে নিজের নিরাপত্তা রক্ষীর গুলিতে নিহত হন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। আসমুদ্র হিমাচল জুড়ে সহানুভূতির সুনামিতে ভেসে ৪১৪ টি আসন জিতে দিল্লিতে ক্ষমতায় বসেন রাজীব গান্ধী। সেবার ও কংগ্রেস ৫০% ভোট পায় নি। ৪৯.১০ % ভোট পেয়ে কংগ্রেসের বিজয়রথ থেমে ছিল।আরও পড়ুনঃ গ্যারান্টি বনাম ন্যায় - ভোটের হালহকিকতকত শতাংশ ভোট পেলে ৪০০ র বেশি আসন পাওয়া যাবে -এই আলোচনার পাশাপাশি অন্য একটি বিষয় নিয়ে ও আলোচনা শুরু হয়েছে । এই আলোচনা তে কংগ্রেসে ১৯৭১র এবং ১৯৮৪ র বিজয় প্রসঙ্গ উঠে আসছে। নেহেরুর মৃত্যুর পরে ধীরে ধীরে কংগ্রেসের মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব বাড়তে থাকে। ১৯৬৬ সালে প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর মৃত্যুর পরে অলিন্দ রাজনীতির খেলায় বিপক্ষের বাঘা বাঘা নেতাদের সরিয়ে প্রধানমন্ত্রী হন ইন্দিরা গান্ধী। ১৯৬৭ সালের নির্বাচনে ইন্দিরার নেতৃত্বে নির্বাচনে জেতে কংগ্রেস। ১৯৬৯ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে দ্বন্দ্বে কংগ্রেস ভেঙে যায়। কামরাজ সহ কংগ্রেসের প্রবীন পোড় খাওয়া নেতা দের কংগ্রেস (ও) এবং ইন্দিরার নেতৃত্বে কংগ্রেস (আর) এই দুটুকরো হয়ে যায় কংগ্রেস। ইন্দিরার নেতৃত্বে কংগ্রেস সরকার সংখ্যালঘু হয়ে পড়ে।যদিও CPI য়ের সাহায্যে ইন্দিরা সংসদে no confidence motion উতরে যান। এরপরে ই ১৯৭০ য়ের ডিসেম্বরে মাঝরাতে সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্বাচনে যান ইন্দিরা। ব্যাঙ্ক জাতীয় করন আর গরিবি হটাও স্লোগানে ভর দিয়ে ৪৩.৬৮% ভোট পেয়ে ৩৫২টি আসন পায় ইন্দিরা কংগ্রেস। শুধু দেশে নয় বিদেশেও শুরু হয় ইন্দিরা বন্দনা। Time Magazine লিখেছিল ,the overwhelming majority of the Indian voters who has given Mrs. Gandhi a firm mandate আর Sunday Standard লিখেছিল, the victory of the new Congress can best be described as fantastic . । সোভিয়েত প্রেসিডেন্ট Kosygin, বলেছিলেন, historic victory। একজন নেতা বা নেত্রীর হাতে গনতান্ত্রিক ক্ষমতা পুঞ্জীভূত হলে কি হয় তা বুঝেছিলেন রাজ্যে রাজ্যে কংগ্রেস নেতা নেত্রীরা। তখন থেকেই হাইকম্যান্ডের সামনে কংগ্রেস নেতৃত্বের নেতা থেকে আবেদনকারীতে পরিনত হওয়া শুরু। আর দেশবাসী বুঝেছিলেন ১৯৭৫ জরুরি অবস্থা ঘোষণায়।আরও পড়ুনঃ এক দেশ এক ভোটরাজ্যে রাজ্যে কংগ্রেসের এই সাংগঠনিক কাঠামোতে ঘুন ধরা সম্পূর্ণ হয়েছিল ১৯৮৪ র নির্বাচনে। রাজীব গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেস ৪১১ আসন জেতার পরে রাজীব আর তাঁর অনুগত দরবার হয়ে উঠেছিল কংগ্রেসের ভাগ্য বিধাতা। তার ফল হল ১৯৮৪ র পরে কংগ্রেস আর একার ক্ষমতায় দিল্লির কুর্সি তে বসতে পারেনি। ১৪০ কোটির গনতন্ত্রের নির্বাচনে নানান আলোচনা তো হবেই। নানান সম্ভাবনার কথা ও উঠে আসবে। তার মধ্যে থেকে দেশবাসীর জন্য কি অপেক্ষা করে আছে তা আগামী দিনে ই বোঝা যাবে।

মে ০২, ২০২৪
নিবন্ধ

হারিয়ে যাওয়া 'সকাল'

নতুন সালের চরম গ্রীষ্মকালেআম লিচুর গাছ পুড়ে যায়,শাঁস থাকেনা তালে।বৃষ্টি তো দৃষ্টির বাইরেফোঁটাও পড়েনা এসে।সূর্যকে তো জিততেই হবে,সিদ্ধ করার রেসে।।গরমকালে পান্তাভাত থাকতেই হবে পাতে,ঠান্ডা বোতল পানীয়ের একটাসদাই থাকে মোর হাতে।খেলতে যেতে পাইনা বাইরেবাড়িতে কেঁদে মরি,প্রখর রোদে রাস্তায় বেরোলেমাথা ঘুড়ে মোরা পরি।।সকালটা যেন হারিয়েই গেলোভোরের পরেই দুপুর।নিশুতি দুপুরে মানুষ তো ছারএকটাও থাকেনা কুকুর।গরমের চোটে বারে বারে স্নানদিয়ে গায়ে মাথায় পিয়ার্স,কবে দেখবো টেম্পারেচারপঞ্চাশ ডিগ্রী সেলসিয়াস।।

মে ০১, ২০২৪
রাজ্য

অধীরের দুর্গে তাঁকে হারাতে মরিয়া তৃণমূল নেত্রী, কি কৌশল মমতার?

আগামী ৭ মে, তৃতীয় দফায় ভোট হবে মুর্শিদাবাদ ও জঙ্গিপুর, মালদা উত্তর ও মালদা দক্ষিণ লোকসভা কেন্দ্রে। এরপর চতুর্থ দফাতেই রয়েছে প্রেসটিজ ফাইট। ওই পর্বে ভোট হবে অধীর চৌধুরীর বহরমপুরে কেন্দ্রে। নিজের দুর্গে অধীরকে হারাতে মরিয়া তৃণমূল নেত্রী। ইতিমধ্যেই বহরমপুরে ঘাঁটি গেড়েছেন তিনি। আগামী দিন তিনেক বহরমপুরের একটি রিসর্টে থাকবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই জেলার বাকি দুই লোকসভা কেন্দ্রের ভোট পরিচালনা করে চলেছেন। বহরমপুরে পাঁচবারের সাংসদ অধীর চৌধুরীকে হারাতে কৌশল পাকা করে ফেলেছেন মমতা।মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ভগবানগোলায় বিধানসভায় উপনির্বাচন হবে লোকসভা ভোটের সঙ্গেই। শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ চপারে করে বহরমপুরে পৌঁছন দিদি। শাসক দলের অন্দরের খবর, সেখান থেকে বহরমপুরের রিসর্টে যাওয়ার আগে ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর ও বহরমপুর পুরসভার চেয়ারম্যান নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে রণকৌশল তৈরিতে আলাদা করে বৈঠক করেন মমতা।জানা গিয়েছে, বহরমপুরের তৃণমূল প্রার্থী ইউসুফ পাঠানকে জেতাতেই রণকৌশলই হুমায়ুনের সঙ্গে প্রায় ১৫ মিনিটের বৈঠকে পাকা করেছেন মমতা। সেই বৈঠকেই ভরতপুরের দলীয় বিধায়ককে বিশেষ দায়িত্ব দিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী।ইউসুফ পাঠানকে প্রার্থী করায় শুরুতে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন এই হুমায়ুনই। তাহলে হঠাৎ কেন দলের এই বিধায়ককেই আস্থা রাখলেন দিদি? তৃণমূল সূত্রে খবর, হুমায়ুন কবীর বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্র হাতের তালুর মতো চেনেন। সব পরিসংখ্যান, ভোটারদের আচরণ তাঁর চেনা। একসময় অধীর চৌধুরীর শিষ্যও ছিলেন তিনি। ফলে হুমায়ুনে ভরসা রেখেই কাঁটা দিয়ে কাঁটা তুলতে মরিয়া চেষ্টায় তৃণমূল সুপ্রিমো।পরিসংখ্যান অনুসারে, ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে বহরমপুর বিধানসভা এলাকা থেকে বিপুল লিড পেয়েছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরী। তাতেই তাঁর জয় নিশ্চিত হয়। এবার সেই পথ বন্ধ করতে বহরমপুর পুরসভা এলাকায় পরুসভার চেয়ারম্যান নাড়ুগোপালকে দায়িত্ব দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।নেত্রীর এই ভরসার পর ঘনিষ্ঠ মহলে নাকি হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, মমতা তাঁর উপর যে আস্থা রেখেছেন, তাঁর আশা তিনি তা রক্ষা করতে পারবেন। অন্যদিকে অধীর চৌধুরী ঘনিষ্ঠ মহলে দাবি করেছেন, বহরমপুরে পরাজয়ের আতঙ্কেই মাননীয়া নাকি ব্যর্থ কৌশল রচনা করছেন

এপ্রিল ২৯, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • ...
  • 78
  • 79
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

জাতীয় নিরাপত্তার যুক্তি টিকল না! আদালতের নির্দেশে খুলছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র সমাজমাধ্যমের পাতা

দিল্লি হাই কোর্টে বড় স্বস্তি পেল ককরোচ জনতা পার্টি। সমাজমাধ্যমের তাদের বন্ধ থাকা পাতার উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, যে কারণ দেখিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ওই পদক্ষেপ নিয়েছিল, সেই পরিস্থিতি এখন আর প্রাসঙ্গিক নয়। তাই সমাজমাধ্যমের পাতা পুনরায় চালু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এই মামলায় ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, কোনও উপযুক্ত কারণ ছাড়াই তাঁদের সমাজমাধ্যমের পাতা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শুনানিতে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নিট পরীক্ষার সময় ওই পাতায় প্রকাশিত বিভিন্ন বার্তা পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে বিভ্রান্তি বা বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা ছিল। সেই কারণেই সাময়িকভাবে পাতা বন্ধ করা হয়েছিল।তবে আদালত জানায়, নিট পরীক্ষা ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে। ফলে সেই যুক্তির আর প্রাসঙ্গিকতা নেই। এই পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতেই বিচারপতি স্বর্ণ কান্ত শর্মার বেঞ্চ সমাজমাধ্যমের পাতা পুনরায় চালুর নির্দেশ দেয়।সাম্প্রতিক সময়ে ককরোচ জনতা পার্টি সমাজমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। যদিও এটি নির্বাচন কমিশনের স্বীকৃত কোনও রাজনৈতিক দল নয়, তবু তাদের অনলাইন উপস্থিতি দ্রুত জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এর আগে অভিজিৎ দীপ দাবি করেছিলেন, অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই তাঁদের অনুসরণকারীর সংখ্যা দেশের বড় রাজনৈতিক দলগুলির সমাজমাধ্যমের পাতাকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে। সেই মন্তব্যের কিছু সময় পরেই তাঁদের সমাজমাধ্যমের পাতা বন্ধ হয়ে যায়। পরে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।আদালতের সাম্প্রতিক নির্দেশের ফলে এই মামলায় নতুন মোড় এল। তবে মামলার অন্যান্য আইনি বিষয় এখনও বিচারাধীন থাকতে পারে।

জুলাই ০৭, ২০২৬
দেশ

প্রেমিকের সঙ্গে মিলে স্বামীকে হত্যার অভিযোগ! তেলেঙ্গানার ঘটনায় তদন্তে উঠে এল চাঞ্চল্যকর দাবি

তেলেঙ্গানায় এক ব্যক্তির মৃত্যুকে ঘিরে সামনে এসেছে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। পুলিশ জানিয়েছে, এক নার্সের বিরুদ্ধে তাঁর প্রেমিকের সঙ্গে মিলে স্বামীকে হত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। এই ঘটনায় ওই নার্স, তাঁর প্রেমিক এবং আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি এবং তদন্ত চলছে।পুলিশ সূত্রের দাবি, অভিযুক্ত সন্ধ্যার স্বামী প্রশান্ত কর্মসূত্রে বিদেশে থাকতেন। সেই সময় অনিল নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে সন্ধ্যার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয় বলে অভিযোগ। পরে প্রশান্ত দেশে ফিরে আসার পর তাঁকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয় বলে তদন্তকারীদের দাবি।তদন্তে পুলিশের অভিযোগ, প্রথমে প্রশান্তকে মদ্যপান করিয়ে একটি ভবনের ছাদ থেকে ধাক্কা দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি গুরুতর আহত হলেও বেঁচে যান এবং হাসপাতালে ভর্তি হন। এরপর হাসপাতালেই তাঁর চিকিৎসার সময় বিষাক্ত পদার্থ শরীরে প্রবেশ করিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। তদন্তকারীদের দাবি, এই ঘটনায় নার্স হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানো হয়েছিল। তবে এই সমস্ত অভিযোগের সত্যতা এখনও বিচারাধীন।পুলিশ আরও জানিয়েছে, ভেঙ্কট সাই নামে আরও এক অভিযুক্ত এই পরিকল্পনায় যুক্ত ছিলেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তাঁকে প্রশান্তকে মদ্যপান করানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে।প্রশান্তের মা পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করার পর তদন্তে নতুন মোড় আসে। ফোনের তথ্য, জিজ্ঞাসাবাদ এবং অন্যান্য প্রমাণ খতিয়ে দেখে তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। পাশাপাশি ফরেনসিক পরীক্ষার রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে তদন্তকারী দল। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে খুন এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।সাম্প্রতিক সময়ে সম্পর্কজনিত কারণে হত্যার অভিযোগের একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। তেলেঙ্গানার এই ঘটনাও সেই তালিকায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তবে এই মামলার চূড়ান্ত সত্য আদালতের বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে।

জুলাই ০৭, ২০২৬
দেশ

হানিমুন হত্যাকাণ্ড থেকে শিক্ষা? হবু স্বামীকে হত্যার আগে যা খুঁজছিলেন তরুণী, দাবি পুলিশের

বিয়ের আগেই হবু স্বামীকে হত্যার অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া তরুণীকে ঘিরে তদন্তে উঠে এসেছে নতুন তথ্য। পুলিশের দাবি, অভিযুক্ত সিয়া গোয়েল পরিকল্পিতভাবে হত্যার ছক কষেছিলেন। তদন্তে তাঁর মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে এমন কিছু তথ্য পাওয়া গিয়েছে, যা তদন্তকারীদের মতে পরিকল্পনার দিকটি আরও স্পষ্ট করছে। তবে এই সমস্ত তথ্য এখনও পুলিশের দাবি মাত্র এবং আদালতে প্রমাণিত হয়নি।তদন্তে জানা গিয়েছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সিয়া গোয়েল ও কেতনের বাগদান হয়েছিল। আগামী নভেম্বরে তাঁদের বিয়ের কথা ছিল। পুলিশ সূত্রের দাবি, প্রথমে বিয়েতে সম্মতি দিলেও পরে আর বিয়ে করতে চাননি সিয়া। তিনি নাকি বিষয়টি কেতনকে জানিয়েছিলেন। কিন্তু পরিবারের চাপে সেই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে না পেরে শেষ পর্যন্ত হত্যার পরিকল্পনা করেন বলে অভিযোগ।পুলিশের দাবি, প্রায় এক মাস ধরে পরিকল্পনা করা হয়েছিল এই ঘটনা। তদন্তকারীদের মতে, অভিযুক্তরা বিভিন্ন প্রকাশ্যে প্রকাশিত প্রতিবেদন এবং পুরনো বহুল আলোচিত হত্যাকাণ্ড সম্পর্কিত খবরও পড়েছিলেন। মোবাইল ফোনের অনুসন্ধানের ইতিহাসে সেই ধরনের তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলে পুলিশের দাবি। তবে তদন্তকারীরা এখনও এই তথ্যের সত্যতা এবং ঘটনার সঙ্গে তার সম্পর্ক খতিয়ে দেখছেন।এই মামলায় সিয়া গোয়েল এবং অপর অভিযুক্তকে চৌদ্দ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তদন্তের স্বার্থে সম্প্রতি পুলিশ সিয়াকে তাঁর বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখান থেকে বের হওয়ার সময় সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরা দেখে তিনি আপত্তিকর অঙ্গভঙ্গি করেন। সেই ঘটনার একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, মুখ কাপড়ে ঢাকা অবস্থায় পুলিশের সঙ্গে বেরিয়ে এসে তিনি চিত্রসাংবাদিকদের দিকে আপত্তিকর ইঙ্গিত করছেন।তদন্ত এখনও চলছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ, পরিকল্পনা এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা আদালতের বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে।

জুলাই ০৭, ২০২৬
বিদেশ

মোদীর ইন্দোনেশিয়া সফরে বড় চমক! হতে পারে এমন চুক্তি, বদলে যেতে পারে দুই দেশের সম্পর্ক

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর তিন দেশের বিদেশ সফরের প্রথম গন্তব্য ইন্দোনেশিয়া। সোমবার জাকার্তায় পৌঁছন তিনি। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো। ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এই সফরকে ঘিরে কূটনৈতিক এবং কৌশলগত মহলে যথেষ্ট আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সফর ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।সূত্রের খবর, এই সফরে প্রতিরক্ষা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, বন্দর উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতা-সহ একাধিক বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। পাশাপাশি বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি সই হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়েও আলোচনা হওয়ার কথা।প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি নজর রয়েছে ভারতের তৈরি অস্ত্র ক্ষেপণাস্ত্রকে ঘিরে। সূত্রের দাবি, এই ক্ষেপণাস্ত্র কেনার বিষয়ে আগ্রহ দেখাতে পারে ইন্দোনেশিয়া। পাশাপাশি ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যাও বাড়াতে চায় জাকার্তা। তবে এই বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি। দুই দেশের আলোচনার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে।শুধু প্রতিরক্ষা নয়, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদের সরবরাহ নিশ্চিত করতেও দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়তে পারে। ইন্দোনেশিয়ায় নিকেল ও ইস্পাত উৎপাদনে ভারতীয় বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও সাবাং বন্দর উন্নয়ন নিয়েও আলোচনা হওয়ার কথা। মালাক্কা প্রণালীর কাছে অবস্থিত এই বন্দর ভারত মহাসাগর অঞ্চলে কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। তাই এই প্রকল্প ভবিষ্যতে দুই দেশের সহযোগিতাকে নতুন মাত্রা দিতে পারে।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এটি চতুর্থ ইন্দোনেশিয়া সফর। প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোর আমন্ত্রণেই তিনি সেখানে গিয়েছেন। এরপর তিনি অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড সফরে যাবেন। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মতে, এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী হবে এবং প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও সামুদ্রিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

জুলাই ০৭, ২০২৬
রাজ্য

বারুইপুরে নির্যাতিতার বাড়ির সামনে তীব্র বিক্ষোভ! নেতা-মন্ত্রীদের ঘিরে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন স্থানীয়রা

বারুইপুরে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীর মৃত্যুকে ঘিরে এখনও থামেনি উত্তেজনা। তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে উঠে আসা তথ্যের ভিত্তিতে নাবালিকাকে অপহরণ, যৌন নির্যাতন এবং হত্যার অভিযোগে তদন্ত এগোচ্ছে। তবে তদন্ত এখনও চলমান এবং ঘটনার পূর্ণ সত্য আদালতের বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। এই ঘটনার প্রতিবাদে এলাকায় ক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে একের পর এক রাজনৈতিক প্রতিনিধি সেখানে পৌঁছন। তাঁদের অনেককেই স্থানীয় মানুষের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়।মঙ্গলবার নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। তাঁর আগেই সকালে সেখানে পৌঁছন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এবং লকেট চট্টোপাধ্যায়। অগ্নিমিত্রা পাল জানান, মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিনিধি হিসেবেই তাঁরা পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছেন। পরে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে আরও দুই সাংসদও সেখানে পৌঁছন।এর কিছু পরেই বারুইপুরে যান ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, শিউলি সাহা, কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং সায়নী ঘোষ। নির্যাতিতার বাড়ির সামনে পৌঁছতেই স্থানীয়দের একাংশ তাঁদের ঘিরে বিক্ষোভ দেখান। বিশেষ করে সায়নী ঘোষকে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘটনার দুদিন পরে কেন তিনি এলাকায় এলেন। বিক্ষোভকারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে নানা প্রশ্ন তোলেন। পরে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে তাঁদের ভিতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়।পরিবারের সঙ্গে দেখা করার পর সায়নী ঘোষ বলেন, ঘটনার পিছনে বৃহত্তর কোনও চক্র রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করবেন।পরে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর সঙ্গীদেরও প্রথমে আটকে দেওয়া হলেও পরে তাঁদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। কাকলি ঘোষ দস্তিদার জানান, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই তাঁরা পরিবারের পাশে দাঁড়াতে এসেছেন। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা যাতে আর না ঘটে, তার জন্য কঠোর পদক্ষেপের প্রয়োজন বলেও তিনি মন্তব্য করেন। চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।

জুলাই ০৭, ২০২৬
কলকাতা

তারাতলা বিপর্যয়ের পর বড় ঘোষণা! নিহতদের পরিবারকে চাকরি, মাসিক সাহায্য ও শিশুদের পড়াশোনার দায়িত্ব নিল রাজ্য

তারাতলা দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার নিহত শ্রমিকদের পরিবারের হাতে দশ লক্ষ টাকার চেক এবং আহতদের হাতে এক লক্ষ টাকার আর্থিক সাহায্য তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দেন, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে ভবিষ্যতেও সবরকম সহায়তা করবে রাজ্য সরকার।গত চব্বিশ জুন দুপুরে তারাতলায় নির্মীয়মাণ একটি গুদাম ভেঙে পড়ে। সেই সময় সেখানে কাজ চলায় বহু শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়েন। উদ্ধারকাজে পুলিশ, দমকল, দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী এবং সেনাবাহিনী যৌথভাবে অভিযান চালায়। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই দুর্ঘটনায় ষোলো জনের মৃত্যু হয়েছে এবং একাধিক শ্রমিক আহত হয়েছেন।মঙ্গলবার আর্থিক সাহায্য প্রদান অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের সমস্যার কথা শোনেন। সেই সময় এক মৃত শ্রমিকের স্ত্রী চাকরির আবেদন জানান। জবাবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে পরিবারের একজন সদস্যকে কাজ দেওয়ার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হবে। তিনি কলকাতা পুর প্রশাসক স্মিতা পাণ্ডে এবং পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালকে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। আগামী সাত থেকে দশ দিনের মধ্যে বিষয়টি পর্যালোচনা করে জানানো হবে বলেও তিনি জানান। তবে শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে বলে স্পষ্ট করেন মুখ্যমন্ত্রী।এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী জানান, নিহতদের পরিবারের জন্য মাসিক আর্থিক সহায়তা চালুর বিষয়েও রাজ্য সরকার ভাবনা-চিন্তা করছে। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের পড়াশোনার দায়িত্বও রাজ্য নেবে বলে তিনি ঘোষণা করেন।আহত শ্রমিকদের চিকিৎসা নিয়েও বড় ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত আহতদের সমস্ত চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ বিনামূল্যে দেওয়া হবে। এই বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়কে নির্দেশও দেন তিনি।

জুলাই ০৭, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে অভিষেককে বিচারপতির কড়া প্রশ্ন! ‘রক্ষাকবচ পেয়েও তদন্তে সহযোগিতা করছেন না কেন?’

পরবর্তী শুনানির আগে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ মামলাকে ঘিরে আবারও কলকাতা হাই কোর্টে হাজির হলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মামলার দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হলেও শুনানির সময় তদন্তে সহযোগিতা না করার অভিযোগ তোলে রাজ্য। সেই প্রেক্ষিতেই বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য প্রশ্ন তোলেন, আদালতের রক্ষাকবচ থাকা সত্ত্বেও কেন তদন্তে সহযোগিতা করা হচ্ছে না। তিনি মন্তব্য করেন, কণ্ঠস্বরের নমুনা তদন্তকারীদের দেওয়া উচিত। আগামী শুক্রবার ফের এই মামলার শুনানি হবে।আগামী আট জুলাই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের কথা রয়েছে। তার আগে মঙ্গলবার এই মামলার শুনানিতে বিচারপতি জানতে চান, আদালতের সুরক্ষা পাওয়ার পরও তদন্তে সহযোগিতা করতে আপত্তি কোথায়। জবাবে অভিষেকের আইনজীবী বলেন, সংশ্লিষ্ট বক্তব্য যে তাঁর মক্কেলেরই, তা আগেই স্বীকার করা হয়েছে। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তা নেই।অন্যদিকে, রাজ্যের আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, শুধুমাত্র মৌখিক স্বীকারোক্তির উপর নির্ভর করে তদন্ত এগোনো সম্ভব নয়। কণ্ঠস্বরের বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও আদালতের দ্বারস্থ হওয়ায় তদন্তে বিলম্ব হচ্ছে বলেও অভিযোগ তোলা হয়। রাজ্যের বক্তব্য, আদালতের রক্ষাকবচ পাওয়ার পর তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করা প্রত্যাশিত হলেও এই ক্ষেত্রে তা হচ্ছে না।বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় করা একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছিল। অভিযোগ, সেই বক্তব্য উসকানিমূলক ছিল। প্রথমে বিধাননগর থানায় মামলা দায়ের হলেও পরে তদন্তভার যায় সিআইডির হাতে। ইতিমধ্যে এই মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে। এবার তদন্তের স্বার্থে তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে চাইছে তদন্তকারী সংস্থা। যদিও অভিষেকের দাবি, সংশ্লিষ্ট বক্তব্য নিজের বলে তিনি আগেই স্বীকার করেছেন। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। সেই কারণেই তিনি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। তবে এখনও এই মামলার চূড়ান্ত রায় হয়নি এবং বিষয়টি বিচারাধীন।

জুলাই ০৭, ২০২৬
কলকাতা

কার টাকায় চলত অভিষেকের চাটার্ড বিমান? পাঁচ জায়গায় একসঙ্গে ইডির তল্লাশিতে নতুন রহস্য

কলকাতার একাধিক জায়গায় মঙ্গলবার সকালে তল্লাশি শুরু করেছে ইডি। তদন্তকারীদের মূল লক্ষ্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চাটার্ড বিমানের ভাড়ার টাকা কোথা থেকে এসেছে, সেই অর্থ কারা দিয়েছেন এবং সেই টাকার লেনদেন কীভাবে হয়েছে, তার পূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, রাজারহাট, নিউটাউন-সহ মোট পাঁচটি জায়গায় আলাদা আলাদা দল অভিযান চালায়।তদন্ত সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত এক ব্যবসায়ীর বাড়ি ও অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। অভিযোগ, ওই ব্যবসায়ীর সংস্থার মাধ্যমে চাটার্ড বিমানের ভাড়ার অর্থ দেওয়া হত। সেই অর্থের উৎস কী এবং তৃণমূলের দলীয় তহবিলের সঙ্গে কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।এদিকে, তৃণমূলের তহবিল ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই এই অভিযান নতুন করে গুরুত্ব পেয়েছে। দলের ভাঙনের পর তহবিল ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। দলের প্রাক্তন কোষাধ্যক্ষ অরূপ বিশ্বাস ব্যাঙ্কে চিঠি দিয়ে অ্যাকাউন্ট স্থগিত রাখার আবেদন করেছিলেন। সেই বিষয়টি এখনও কলকাতা হাই কোর্টে বিচারাধীন। আদালত একাধিকবার জরুরি শুনানির আবেদন খারিজ করেছে। মঙ্গলবারও একই সিদ্ধান্ত বহাল থাকে।তদন্তকারীরা সল্টলেকের একটি সংস্থার অফিস এবং সংস্থার পরিচালকদের বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়েছেন। অভিযোগ, ওই সংস্থার মাধ্যমেই চাটার্ড বিমানের ব্যবস্থা করা হত। তৃণমূলের একাংশের নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, বিমানের ভাড়ার অর্থ কাটমানি ও তোলাবাজির টাকায় মেটানো হয়েছে। সেই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতেই তদন্ত এগোচ্ছে বলে সূত্রের দাবি।অন্যদিকে, এক বিজেপি বিধায়কও অভিযোগ করেছেন, তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ জমা হয়েছে। সেই অভিযোগেরও তদন্ত চলছে। সব অভিযোগের আর্থিক নথি, ব্যাঙ্ক লেনদেন এবং অর্থের উৎস খতিয়ে দেখতেই মঙ্গলবারের এই তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত এই অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হয়নি এবং তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান।

জুলাই ০৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal