• ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার ১৩ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Rupee

ব্যবসা

১০০ টাকার পথে ডলার? টাকার নতুন রেকর্ড পতনে চাপে দেশবাসী

সোমবার বাজার খুলতেই ফের বড় ধাক্কা খেল ভারতীয় টাকা। এক মার্কিন ডলারের দাম পৌঁছে গেল ৯৬ টাকা ২৫ পয়সায়। এর ফলে টাকার দাম আরও ৪৪ পয়সা কমে সর্বকালীন রেকর্ড পতন ঘটল। অর্থনীতিবিদদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণেই টাকার উপরে চাপ ক্রমশ বাড়ছে।গত ৪ মার্চ প্রথমবার যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে ডলারের দাম ৯২ টাকার গণ্ডি পেরিয়ে যায়। তখন এক ডলারের দাম হয়েছিল ৯২ টাকা ১৭ পয়সা। তারপর থেকেই টাকার দামে একের পর এক পতন দেখা যাচ্ছে। গত ১২ মে এক ডলারের দাম পৌঁছেছিল ৯৫ টাকা ৫৮ পয়সায়। এবার সেই রেকর্ডও ভেঙে সোমবার টাকার দাম নেমে দাঁড়াল ৯৬ টাকা ২৫ পয়সায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরান এবং আমেরিকার সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়েছে। তার সরাসরি প্রভাব পড়ছে ভারতের অর্থনীতিতে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা এবং ইজরায়েল। দীর্ঘ সংঘর্ষের পর আপাতত যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। হরমুজ প্রণালী ঘিরে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ভারতও তার প্রভাব থেকে বাদ যাচ্ছে না।তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রীয় সরকার এবং ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক সক্রিয় হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। অর্থনৈতিক চাপ সামলাতে একাধিক পদক্ষেপের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।এদিন শুধু টাকার দামই নয়, বড় ধাক্কা খেয়েছে দেশের শেয়ার বাজারও। বাজার খোলার পর প্রায় ৯৫০ পয়েন্ট পড়ে যায় সেনসেক্স। একইসঙ্গে বড় পতন দেখা যায় নিফটিতেও। যদিও পরে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ায় বাজার। সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ বিএসই সেনসেক্স ৬৪৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৭৪ হাজার ৫৯২ দশমিক ৯৯-এ। নিফটি ২০৬ পয়েন্ট নেমে দাঁড়ায় ২৩ হাজার ৪৩৭ দশমিক ২০-এ। ব্যাঙ্ক নিফটিতেও বড় ধস দেখা যায়। প্রায় ৬৮৫ পয়েন্ট কমে ব্যাঙ্ক নিফটির অবস্থান হয় ৫৩ হাজার ২৪ দশমিক ৭৫।অর্থনীতিবিদদের আশঙ্কা, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে আগামী দিনে টাকার উপরে আরও চাপ বাড়তে পারে। ফলে সাধারণ মানুষের খরচ থেকে শুরু করে আমদানি, জ্বালানির দাম এবং বাজারের উপরেও তার বড় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

মে ১৮, ২০২৬
দেশ

টাকার বড় পতন! ডলারের তুলনায় ৯২ ছুঁইছুঁই, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের সরাসরি প্রভাব

মধ্যপ্রাচ্যে বাড়তে থাকা সামরিক উত্তেজনার জেরে বুধবার বড় ধাক্কা খেল ভারতীয় মুদ্রা। মার্কিন ডলারের তুলনায় টাকার দর ৯২ টাকার গণ্ডি পেরিয়ে যায়। সকালে লেনদেনের সময় এক ডলারের দাম দাঁড়ায় ৯২ টাকা ১৭ পয়সা। আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা বাড়তেই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ঝুঁকি এড়ানোর প্রবণতা দেখা দিয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে টাকার উপর।আমেরিকা, ইজরায়েল ও ইরানকে ঘিরে সংঘাত তীব্র হওয়ায় বিশ্ব জুড়ে আর্থিক বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে অপরিশোধিত তেলের দাম দ্রুত বাড়ছে। মধ্যপ্রাচ্য বিশ্ব জ্বালানি রপ্তানির একটি বড় অংশ জোগান দেয়। সেখানে সংঘাত বাড়ায় তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তার জেরেই তেলের বাজারে দামের উর্ধ্বগতি।ভারত তার মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় পঁচাশি শতাংশ আমদানি করে। ফলে তেলের দাম বাড়লে আমদানির খরচ বেড়ে যায়। এতে দেশের বাণিজ্য ঘাটতি বাড়ে এবং মূল্যবৃদ্ধির চাপ তৈরি হয়। এই সব কারণেই টাকার উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।একই সময়ে মার্কিন ডলার আরও শক্তিশালী হয়েছে। আন্তর্জাতিক অস্থিরতার সময়ে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ সম্পদ হিসেবে ডলারের দিকে ঝুঁকছেন। ফলে উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলি থেকে মূলধন বেরিয়ে গিয়ে ডলার ও মার্কিন সরকারি বন্ডে বিনিয়োগ বাড়ছে। এর ফলেও ভারতীয় টাকার দর দুর্বল হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি তেলের দাম দীর্ঘদিন উচ্চ স্তরে থাকে, তা হলে ভারতের চলতি হিসাব ঘাটতি আরও বাড়তে পারে এবং অর্থনৈতিক বৃদ্ধির গতি কমতে পারে। সেই পরিস্থিতিতে টাকার উপর চাপ আরও বাড়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে মুদ্রা বাজারে অস্থিরতা বজায় থাকতে পারে।

মার্চ ০৪, ২০২৬
ব্যবসা

বাজেটের পরই বাজিমাত! ইন্দো-মার্কিন চুক্তিতে সেনসেক্স ৮৫ হাজার, ডলার ভাঙল

সোমবার বাজেটের পরের দিন থেকেই চাঙ্গা হয়ে উঠল শেয়ার বাজার। একই সঙ্গে ডলারের তুলনায় শক্তিশালী হল ভারতীয় টাকা। সোমবার ডলারের দাম ৪৪ পয়সা কমে দাঁড়ায় ৯১.৪৯ টাকায়। তার পর গভীর রাতে ভারত ও আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি ঘোষণা হতেই টাকার দাম আরও বাড়ে। মঙ্গলবার ডলার আরও ১.০৯ টাকা পড়ে দাঁড়ায় ৯০.৪০ টাকায়, অর্থাৎ এক দিনে প্রায় ১.২ শতাংশ শক্তিশালী হয়েছে টাকা।শেয়ার বাজারেও দেখা গিয়েছে বড়সড় উত্থান। সোমবার সেনসেক্স ৮১,৬৬৬.৪৬ পয়েন্টে বন্ধ হওয়ার পর মঙ্গলবার তা প্রায় ৩,৬০০ পয়েন্ট বেড়ে ৮৫,০০০ পয়েন্টের গণ্ডি পেরিয়েছে। একইভাবে নিফটিও বাজেটের পরে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। সোমবার ২৫,০৮৮.৪০ পয়েন্টে বন্ধ হওয়ার পর মঙ্গলবার তা প্রায় ১,২০০ পয়েন্ট বেড়েছে।এই উত্থানের মূল কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে দীর্ঘ টালবাহানার পর ভারত ও আমেরিকার মধ্যে চূড়ান্ত হওয়া বাণিজ্য চুক্তিকে। এই চুক্তির ফলে ভারতের উপর আমেরিকার শুল্ক কমে ১৮ শতাংশে নেমেছে। এই সিদ্ধান্তের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।তবে এই চুক্তির পেছনে কিছু শর্তও রয়েছে বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ভারত নাকি রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করতে রাজি হয়েছে। তার বদলে আমেরিকার কাছ থেকে বেশি করে তেল কিনবে ভারত। পাশাপাশি ভেনেজুয়েলা থেকেও তেল কেনার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, আমেরিকা থেকে বিপুল অঙ্কের পণ্য আমদানির প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে ভারত। ট্রাম্পের দাবি, প্রায় ৫০০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের মার্কিন পণ্য কিনবে দিল্লি।সোমবার রাতে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে ফোনে কথা বলেন ট্রাম্প। সেই কথোপকথনের পর ট্রুথ সোশ্যাল মাধ্যমে পোস্ট করে এই সব দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তাঁর বক্তব্য, এই চুক্তির মাধ্যমে আমেরিকার বাণিজ্যিক স্বার্থ সুরক্ষিত রেখেই ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত করা হয়েছে।এই সব শর্ত সামনে আসতেই কংগ্রেস-সহ বিভিন্ন বিরোধী দল চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই চুক্তির প্রভাব শুধু কূটনীতি নয়, আগামী দিনে দেশের অর্থনীতি ও বাজারের গতিপথেও বড় প্রভাব ফেলতে চলেছে।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২৬
রাজ্য

১৯৪৭-এ এক টাকায় মিলত সপ্তাহের বাজার, সোনার দাম কত ছিল জানেন?

১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছিল ভারত। তখন এক টাকার মূল্য ছিল অপরিসীমযা দিয়ে মিলত সপ্তাহের বাজার। ১ টাকা দিয়ে ১-২ কেজি গম, হাফ কেজি ঘি বা এক সপ্তাহের শাকসবজি কিনে নেওয়া যেত অনায়াসে। চাল ছিল ১২ পয়সা, ময়দা ১০ পয়সা, ডাল ২০ পয়সা ও চিনি ৪০ পয়সা প্রতি কেজি। ঘি মিলত ৭৫ পয়সায়।সেই সময় একটি সাইকেলের দাম ছিল মাত্র ২০ টাকা, যা এখন প্রায় ১০-১২ হাজার টাকা। সোনা ছিল আরও সস্তা১৯৪৭ সালে ১০ গ্রাম সোনার দাম ছিল ৮৮.৬২ টাকা, যা এখন এক লক্ষ টাকারও বেশি। পেট্রোলের দাম ছিল মাত্র ২৭ পয়সা, আর আজ তা প্রায় ১০৫ টাকা।তৎকালীন দিল্লি-মুম্বই বিমান ভাড়া ছিল ১৪০ টাকা এবং একমাত্র এয়ার ইন্ডিয়াই বিমান পরিষেবা দিত। গত ৭৯ বছরে পণ্য ও পরিষেবার দাম আকাশছোঁয়া হলেও সেই সময়ের এক টাকার কেনাকাটার স্মৃতি আজও বিস্ময় জাগায়।

আগস্ট ১৫, ২০২৫
রাজ্য

নির্বাচনের মুখে মালদায় বিজেপি নেতার গাড়ি থেকে উদ্ধার লক্ষ লক্ষ টাকা

লোকসভা নির্বাচনের মুখে চাঁচোলের বিজেপি নেতার গাড়ি থেকে উদ্ধার হল প্রায় ৮ লক্ষ টাকা। এই ঘটনায় চাঁচোল বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপির ইনচার্জ তিলক রাম সহ গাড়িতে থাকা আরও তিন দলীয় কর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে নির্বাচন কমিশনের স্কোয়াড বাহিনীর অফিসারেরা। বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে চাঁচোল থানার পাহাড়পুর বাইপাস সড়ক সংলগ্ন এলাকায়। যদিও চাঁচোলের বিজেপি নেতা তিলক রাম স্বীকার করেছে যে দলের জেলা নেতৃত্ব বুথ খরচের জন্য এই টাকাগুলি দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। আর বিজেপি নেতার গাড়ি থেকে এত বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধার হতেই মালদায় শুরু হয়েছে তুমুল রাজনৈতিক বিতর্ক।পুলিশ সূত্রে খবর, লোকসভা ভোট ঘোষণা হতেই কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের স্কোয়াড বাহিনী মালদার বিভিন্ন জায়গায় নজরদারি চালানো শুরু করেছে। মূলত মালদার বিহার, ঝাড়খন্ড সীমান্ত সংলগ্ন এলাকাতেই বেশি করেই তদারকি চলছে। এরই মধ্যে বুধবার রাতে চাঁচল ও হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভা কেন্দ্রের চার বিজেপি নেতা একটি চার চাকার গাড়ি নিয়ে মালদা থেকে ফিরছিলেন। সেই সময় চাঁচোলের পাহাড়পুর বাইপাস রোডে ওই গাড়িটি আটকায় নির্বাচন কমিশনের তদন্তকারী টিম স্কোয়াড বাহিনীর অফিসারেরা। কিন্তু পুলিশের ঘেরাটোপে এড়িয়ে গাড়িটি সেখান থেকে চলে যায় বলে অভিযোগ। এরপরই স্কোয়াড টিমের অফিসারেরা ধাওয়া করে গাড়িটিকে মাঝ রাস্তায় আটক করে । তারপরে ওই গাড়ি থেকেই ৮ লক্ষ টাকার পাশাপাশি উদ্ধার হয়েছে বিজেপির বিভিন্ন ধরনের প্রচার পত্র, ফেস্টুন। এই ঘটনার পর উদ্ধার হওয়া ৮ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। এদিকে লোকসভা ভোটের মুখে বিজেপি নেতার গাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধারের ঘটনায় তীব্র কটাক্ষ করেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। তৃণমূলের চাঁচোল ১ ব্লক সভাপতি শেখ আফসার আলি জানিয়েছেন, বুথ খরচের জন্য এত টাকা বিজেপি দিচ্ছে তা ভাবতে অবাক লাগছে। এসবই কালো টাকা। মানুষ ১০০ দিনের কাজের টাকা পাচ্ছে না। অথচ সেই গরিব মানুষের টাকা ভোটের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। লোকসভা ভোটের মাধ্যমে মানুষ এর বিচার করবে। আমরা এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছি। নির্বাচন কমিশন অবশ্যই আইনি পদক্ষেপ নেবে বলেও আমরা আশা করছি।চাঁচোল বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপির ইনচার্জ তিলক রাম জানিয়েছেন, মালদা জেলা বিজেপি নেতৃত্বের পক্ষ থেকেই এই আট লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছিল বুথ খরচের জন্য। এদিন জেলা বিজেপি পার্টি অফিস থেকে টাকাগুলি নিয়েই আমরা চাঁচোলে আসছিলাম। তখনই পুলিশ নজরদারি চালিয়ে টাকাগুলি বাজেয়াপ্ত করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, যাদের গাড়ি থেকেই টাকাগুলি উদ্ধার হয়েছে সেই বিজেপির কর্মকর্তাদের সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। উদ্ধার হওয়ার টাকাগুলি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী মামলার রুজু করা হয়েছে।

মে ০২, ২০২৪
রাজ্য

এভাবেও স্বপ্ন সত্যি হয়! ১০ টাকার কয়েন জমিয়ে মোটরবাইক কিনলেন লটারি বিক্রেতা

ভাবতেও যেন ভাললাগা আছে। লক্ষ্য স্থির থাকলে তা পূরণ হবেই। নিজের স্বপ্নকে সত্যি করলেন এক লটারি বিক্রেতা। এক বছর ধরে দশ টাকার কয়েন জমিয়ে লক্ষধিক টাকার বিনিময়ে কিনে ফেলেছেন একটি মোটরবাইক। লটারি বিক্রেতার স্বপ্ন বাস্তবায়নের খবর ছড়িয়ে পরতেই ভিড় জমে বীরভূমের মল্লারপুরের হিরো গাড়ির শো-রুমে। অবশ্যই লটারি বিক্রেতার স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দিতে এগিয়ে এসেছেন শো-রুমের কর্ণধার টুটুল মণ্ডল।জানা গিয়েছে, ভারতের তামিলনাড়ুতে দশ টাকার কয়েন জমিয়ে চার চাকার গাড়ি কিনে তাক লাগিয়েছিলেন এক যুবক। নদিয়ার এক যুবক এভাবে কয়েন জমিয়ে দেড় লক্ষ টাকা দিয়ে বাইক কিনেছিলেন। এবার বাংলার বীরভূমের রামপুরহাট থানার চাকপাড়া গ্রামের যুবক লটারি বিক্রেতা তাপস লেট। লটারি বিক্রেতা তাপস লেট জানান, লটারি বিক্রি করতে গিয়ে প্রতিদিন বেশ কিছু ৫ ও ১০ টাকার কয়েন দিতেন। তখনই মনে হয়েছিল ১০ টাকার কয়েন জমিয়ে একটি মোটরবাইক কিনব। সেই মতো স্বপ্ন দেখতে শুরু করি। জমাতে শুরু করি কয়েন। সেই স্বপ্ন এতদিনে বাস্তবে রুপ দিতে পারলাম। খুব ভালো লাগছে পছন্দের গাড়ি কিনতে পেরে।বীরভূমের মল্লারপুরের বাহিনা মোড়ের জয় জগন্নাথ হিরো শো-রুমে থেকে মোটরসাইকেল কেনেন তাপস। শো-রুমের কর্ণধার টুটুল মণ্ডল বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে তাপস আমাদের শো-রুমে ফোন করছিলেন। জানিয়েছিলেন লাল রঙের হিরো গ্ল্যামার ক্লাসিক গাড়ি নেবেন। কিন্তু টাকা নিতে হবে সব দশ টাকার কয়েন। প্রথমে লক্ষাধিক টাকার কয়েন নিতে অস্বীকার করি। তাপস ফের জানায় এটা তার স্বপ্ন। এরপরেই তার স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দিতে কয়েন নিতে ইচ্ছে প্রকাশ করি। এরপরেই হাসি মুখে ঝোলা ভর্তি করে দশ টাকার কয়েন নিয়ে শো রুমে হাজির তাপসবাবু

নভেম্বর ৩০, ২০২৩
রাজ্য

বিজেপি রাজ্য সভাপতির 'লক্ষীর ভাণ্ডারে ২০০০ টাকা' প্রসঙ্গে কড়া প্রতিক্রিয়া জ্যোতিপ্রিয়র

সুকান্ত মজুমদারের ম্যাচুরিটির অভাব আছে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে লক্ষীর ভাণ্ডারের টাকা ২০০০ করে দেওয়া হবে, সুকান্ত মজুমদারের করা এই মন্তব্যর পরিপ্রেক্ষিতে বর্ধমানে এসে প্রতিক্রিয়া বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের।বর্ধমান জেলা রাইস মিলস এ্যাসোসিয়েশনের পরিচালনায় বর্ধমানের আলমগঞ্জের কল্পতরু ময়দানে চতুর্থ বছর রাইস মিল মেসিনারীর আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীর সমাপতি অনুষ্ঠানে রবিবার বর্ধমানে উপস্থিত ছিলেন বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার। অনুষ্ঠানের শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই মন্তব্যের করেন বনমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওদের কাছে আতঙ্কের বিষয়বস্তু হয়ে গেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখলে ওরা আঁতকে উঠছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একমাত্র ভবিষ্যৎ কম্পিটিটার যিনি মোদিকে সরাতে পারে ভারতের রাজনীতি থেকে। ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত ভোটে বিজেপির যে ফলাফল হয়েছিল তার থেকে ৫০শতাংশ ভোট কমে যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।পাশাপাশি বিভিন্ন বিষয়ে কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগও তোলেন এদিন বন মন্ত্রী।

নভেম্বর ২৭, ২০২২
রাজ্য

মাত্র পাঁচ টাকায় ডিম ভাতের 'মা ক্যান্টিন' বর্ধমানে, মানুষের আশীর্বাদ কুড়ালেন মন্ত্রী থেকে জেলাশাসক

মাত্র পাঁচ টাকায় পেট ভরা খাবার! বুধবার জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এবং বর্ধমান পুরসভার উদ্যোগে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চালু হল সস্তার খাবার। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রকল্প মা ক্যান্টিন চালু হল বর্ধমানে, জেলায় এটি পঞ্চম। মা ক্যান্টিন-এ মাত্র পাঁচ টাকায় খাবার পাওয়া যাবে।বুধবার দুপুরে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এই পরিষেবার সূচনা হয়। প্রকল্পের সূচনা করেন জেলার মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা, বর্ধমান পুরসভার পুরপ্রধান পরেশ সরকার, পূর্ব-বর্ধমান জেলাপরিষদের মেন্টর উজ্জ্বল প্রামানিক, মেডিক্যাল কলেজের এমএসভিপি ডঃ তাপস ঘোষ ছাড়াও অন্য আধিকারিকেরা।জানা গেছে, প্রথম দিকে ২২০ জন ব্যাক্তি এই সুযোগ পাবেন প্রতিদিন। এরজন্য সকাল দশটায় কুপন দেওয়া হবে। কুপনের মুল্য ধার্য করা হয়েছে মাত্র ৫ টাকা। দৈনিক মেনুতে থাকবেঃ ভাত, ডাল, তরকারি ও ডিমের ঝোল। প্রতিদিন হাসপাতালে যে হাজার হাজার মানুষ আসেন তাদের খুব সুবিধা ও সাশ্রয় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ জানান, এটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রকল্প, তাঁর সকল প্রকল্প-ই মানুষের স্বার্থে। তিনি আরও জানান, এই মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বাইরের রোগীদের সাথে সাথে তাঁদের পরিবারের প্রচুর লোকজন আসেন, তাঁদের স্বল্পমূল্যে খাবারের সুবিধার জন্য-ই এই প্রকল্প শুরু করা হল। তিনি জানান, এর আগে রোগী কল্যাণ কমিটিতে আলোচনা হয়েছে আজ সেই প্রকল্প বাস্তবায়িত হল।জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন রাজ্যের সব হাসপাতালে মা ক্যান্টিন চালু করতে হবে, আমরা সেই মত এটা চালু করতে পেরে খুব আনন্দিত। মন্ত্রী স্বপন দেবনাথও খুব সাহায্য করেছেন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য। এখনও অবধি জেলায় ৬ টি মা ক্যান্টিন আছে। জেলার পুরসভাগুলি খুব সাফল্যের সাথে এটা চালায়। তিনি জানান এই মুহুর্তে একটু ফান্ডের সমস্যা আছে, কিছুদিনের মধ্যেই আরও বেশী মানুষের খাওয়ার ব্যবস্থা করতে পারবেন বলে তাঁর আশা।পুরপ্রধান পরেশ সরকার জানান, জেলার সব পুরসভায়ই মুখমন্ত্রীর স্বপ্নের এই প্রকল্প সাফল্যের সাথে চলছে। বর্ধমানে এটা শুরু করতে পেরে খুব ভালো লাগছে। তিনি মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ ও জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলাকে ধন্যবাদ জ্ঞ্যাপন করেন পুরসভাকে সার্বিক ভাবে সাহায্য করার জন্য। আজ উপস্থিত রোগীর পরিবারেরা খুব খুশি ৫টাকায় ডিম ভাত পেয়ে। তাঁরা জানান এতে তাঁদের খাওয়া খরচা অনেকটা সাশ্রয় হবে।

নভেম্বর ১৬, ২০২২
রাজ্য

টালিগঞ্জ এগিয়ে থাকবে নাকি বেলঘরিয়া? অর্পিতার ফ্ল্যাটে এখনও চলছে গণনা

এখন টালিগঞ্জের ডায়মন্ড সিটি ফ্ল্যাটের সঙ্গে বেলঘরিয়ার ক্লাব হাউসের প্রতিযোগিতা চলছে। দক্ষিণের টালিগঞ্জে মিলে ছিল প্রায় ২২ কোটি টাকা। বেলঘরিয়ায় পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্লাট থেকে এখনও পর্যন্ত মিলেছে ২০ কোটি টাকা। এখনও টাকা গোনার কাজ চলছে। ইডি আধিকারিকরা দরজা ভেঙে এদিন ঢোকে ওই ফ্ল্যাটে। আসে এসবিআইয়ের আধিকারিকরা। আনা হয় টাকা গোনার জাম্বো মেশিন। তবে শেষ পর্যন্ত কত টাকায় গিয়ে গণনা শেষ হবে, সেটাই এখন দেখার। ইতিমধ্যে একটি ৪ টনের ট্রাক ভর্তি ২০টি ট্রাঙ্ক চলে এসেছে বাঙ্কে নিয়ে যাবার জন্য।

জুলাই ২৭, ২০২২
রাজ্য

পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতার বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাটে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার

আগে কলকাতার ডায়মন্ড ফ্ল্যাটে ২২ কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছিল। এবার বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাটে ১৫ কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে। তার সঙ্গে কেজি কেজি সোনা পাওয়া গিয়েছে এই ফ্ল্যাট থেকে। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, আরও টাকা মিলতে পারে। এখনও টাকার মেশিনে গণনা চলছে বলে জানা গিয়েছে। একই মামলায় এভাবে বস্তা বস্তা টাকা কখনও উদ্ধার হয়নি এরাজ্যে। আরও কত টাকা উদ্ধার হতে পারে তা নিয়ে সন্দিহান ইডির কর্তারা।কামারহাটি পুরসভার পাশে বেলঘরিয়া রথতলার ক্লাবহাউসে অর্পিতার ফ্ল্যাটে রীতিমত দরজার তালা ভেঙে সেখানে প্রবেশ করেন ইডি আধিকারিকরা। ওই আবাসনের ৫ নম্বর ব্লকের ৮-এ ফ্ল্যাট থেকে টাকার হদিশ মেলে। এসবিআইয়ের হেড অফিস থেকে আনা হয় বড় মাপের চারটে টাকা গোনার মেশিন। জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত নগদ ১৫ কোটি উদ্ধার হয়েছে। তবে গোনার কাজ শেষ কিনা এখনও জানা যায়নি। এছাড়া তিন কেজি সোনা মিলেছে এখান থেকে। তাকে তাকে থাক থাক করে সাজানো ছিল টাকা। এখানকার আবাসনের ২ নম্বর ব্লকের ২-এ ফ্ল্যাটটি সিল করে দিয়েছে ইডি। অর্পিতার টাকা উদ্ধারের পরই গ্রেফতার করা হয়েছিল রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। এখন মন্ত্রী রয়েছেন ইডির হেফাজতে।

জুলাই ২৭, ২০২২
রাজ্য

জনদরদী ‘এক টাকার ডাক্তার’-এর প্রয়াণে কান্নায় ভেঙে পড়লেন অনুব্রত

এক টাকার ডাক্তার বলে খ্যাত পদ্মশ্রী সুশোভন বন্দোপাধ্যায় প্রয়াত। মঙ্গলবার কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন মানবদরদী চিকিৎসক। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে আসে বীরভূম জেলাজুড়ে। লাখো মানুষ এই চিকিৎসকের সেবায় উপকৃত।বিশিষ্ট চিকিৎসক সুশোভন বন্দোপাধ্যায়ের মানুষের সেবা করাই ছিল একমাত্র ব্রত। বোলপুর, বীরভূম ছাড়িয়ে তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে সারা বাংলায়। পরবর্তীতে এক টাকার ডাক্তার-এর পরিচিতি হয় সারা দেশে। সমাজে তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য পদ্মশ্রী উপাধিতে ভূষিত করেন কেন্দ্রীয় সরকার। বোলপুরের বিধায়কও ছিলেন ডাঃ সুশোভন বন্দোপাধ্যায়।জনদরদী চিকিৎসকের মৃত্যুতে কান্নায় ভেঙে পড়লেন বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মন্ডল। হাউমাউ করে কেঁদে ফেললেন। রুমাল দিয়ে বারে বারে মুছলেন চোখের জল। বললেন, সুশোভবনবাবুর সঙ্গে তাঁর হৃদয়ের সম্পর্কের কথা। অনুব্রতের কথায়, খুব ভাসবাসতেন আমাকে। এরকম মানুষ আর পাওয়া যাবে না। অন্যায় করলে বলতেন অন্যায় করিস না।

জুলাই ২৬, ২০২২
দেশ

মধ্যবিত্তের চিন্তা বাড়িয়ে এক লাফে ৫০ টাকা দাম বাড়ল রান্নার গ্যাসের

পেট্রোল-ডিজেলের পর এইবার রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ল। সিলিন্ডার প্রতি ৫০ টাকা বাড়ল গ্যাসের দাম। কলকাতায় এলপিজি গ্যাসের দাম বেড়ে হল ৯৭৬ টাকা। ১৪.২ কেজি গ্যাসের জন্য উপভোক্তাদের এখন থেকে ৯৭৬ টাকা করে দিতে হবে। তবে এদিকে বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম কমল ৮ টাকা। ১৯ কেজি গ্যাসের জন্য উপভোক্তাদের এখন থেকে দিতে হবে ২০৮৭ টাকা। আজ কলকাতায় ভর্তুকিযুক্ত ১৪.২ কেজি রান্নার গ্যাসের দাম ছিল ৯২৬ টাকা। কিন্তু এখন থেকে রান্নার গ্যাসের জন্য অতিরিক্ত ৫০ টাকা বরাদ্দ করতে হবে বাজারের খরচ থেকে।প্রসঙ্গত, পাঁচ রাজ্যে নির্বাচনের জন্যই রান্নার গ্যাস এবং জ্বালানি গ্যাসের দাম বৃদ্ধি আটকে রাখা হয়েছিল বলে অনেক বিশেষজ্ঞদের মতামত। পাঁচ রাজ্যের ভোট মিটতেই সরকার নতুন দাম লাগু করছে। রান্নার গ্যাসের পাশাপাশি দাম বেড়েছে পেট্রোল এবং ডিজেলেরও। সম্প্রতি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও একই সুরে সুর মিলিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, নির্বাচনের ফলাফলের ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। এইবার গ্যাস এবং পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়াবে কেন্দ্র। এবং তাঁর আশঙ্কা সত্যিও হল। বলাই বাহুল্য, এই মূল্যবৃ্দ্ধির প্রভাব সরাসরি পড়বে মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্তদের ভাঁড়ারে। এমনিতেই করোনা মহামারির কাঁটায় অনেকের আয়ে প্রভাব পড়েছে। করোনা পরিস্থিতিতে সংসার চালাতে নাস্তানাবুদ জনগণ। এমতাবস্থায় রান্নার গ্যাসের দামবৃদ্ধি গোঁদের উপর বিষ ফোঁড়ার মতোই। রান্নার গ্যাস ও জ্বালানি তেলের দামবৃদ্ধির ফলে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কাও এড়িয়ে যাওয়া যাচ্ছে না।

মার্চ ২২, ২০২২
দেশ

যুদ্ধের আঁচ ভারতে! পড়ছে শেয়ার বাজার, আরও চড়েছে সোনার দাম, কমেছে টাকার দাম!

ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের আঁচ এবার সরাসরি পড়ল ভারতের বাজারে। অশোধিত তেলের দাম ১৩ বছরে এই প্রথম ব্যারেলে ১৩৯ ডলার ছুঁতেই সোমবার সকালে বিশ্বজুড়ে হুড়মুড়িয়ে পড়তে শুরু করেছিল শেয়ার বাজার। লগ্নিকারীদের শেয়ার বিক্রির হুড়োহুড়িতে ভারতে সেনসেক্স এক ধাক্কায় নেমে যায় প্রায় ২০০০ (১৯৬৬.৭১)। পরে সামলে দিন শেষ করে ১৪৯১ পয়েন্ট পতনে। দাঁড়ায় ৫২,৮৪২.৭৫ অঙ্কে। যা সাত মাসের মধ্যে সব থেকে কম। বহু দিন পরে নিফটিও থেমেছে ১৬,০০০-এর নীচে (১৫,৮৬৩.১৫)। শেয়ার বাজারের এই দুর্দিনে আরও চড়েছে সোনার দাম। সোমবার পাকা সোনা (১০ গ্রাম) জিএসটি না-ধরেই শনিবারের থেকে ১০৫০ টাকা বেড়ে পৌঁছেছে ৫৪,১৫০ টাকায়। কর ধরে ৫৫,৭৭৫ টাকা। ফলে গয়নার বাজারও আগুন।বিশেষজ্ঞদের দাবি, রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের আবহে বহু দিন ধরেই পড়ছে সূচক। এই দফায় একটানা পতন চলছে বুধবার থেকে। মূল্যবৃদ্ধি মাথা তোলার এবং আর্থিক বৃদ্ধি পিছলে যাওয়ার ভয় এ দিন আরও চেপে ধরে ভারত-সহ গোটা বিশ্বের বাজারকে। টানা চার দিনে সেনসেক্স আড়াই হাজারেরও বেশি পড়েছে। লগ্নিকারীরা হারিয়েছেন প্রায় ১১.২৮ লক্ষ কোটি টাকা।গত মাসেও যেখানে ব্যারেল প্রতি তেলের দাম ছিল ৮০ থেকে ১০০ ডলার, তা বেড়ে ব্যারেল প্রতি ১৩০ ডলারে বেড়ে দাঁড়িয়েছে। বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধের জেরে আমেরিকা ও ইউরোপীয় দেশগুলি রাশিয়া থেকে উত্তোলিত তেলের উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হতে পারে। এই আশঙ্কাতেই বিশ্ব বাজারে শেয়ারে ধস নেমেছে, এদিকে বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর দামও ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে। বিশ্ববাজারে সোনার দাম আউন্স প্রতি ২ হাজার ডলারে বেড়ে দাঁড়িয়েছে।

মার্চ ০৮, ২০২২
রাজ্য

বাসে চালকলের মালিকের ব্যাগ থেকে ২ লক্ষাধিক টাকা গায়েব, গ্রেফতার দুই মহিলা

যাত্রী সেজে বাসে উঠে এক চালকল মালিকের হাতে থাকা ব্যাগ থেকে দুই লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়ে পগারপাড় হয়ে যায় দুই মহিলা। তবে অবশ্য শেষ রক্ষা হয়নি। পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার পুলিশের তৎপরতায় বুধবার রাতে ধরা পড়ে যায় কেপমারি চক্রের দুই মহিলা আয়েষা রায় ও এসবেরিয়া বেদি। তবে অবশ্য কেপমারি হওয়া চালকল মালিকের লক্ষাধিক টাকা উদ্ধার হয়নি। এই ঘটনা যথেষ্টই শোরগোল ফেলে দিয়েছে ভাতারের ব্যবসায়ী মহলে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত বছর ত্রিশ বয়সী আয়েষা রায় ও এসবেরিয়া বেদির বাড়ি বীরভূম জেলার আমোদপুর থানার সাহানিপুরে। কেপমারিতে জড়িত থাকার কথা ধৃতরা কবুল করেছে বলে পুলিশের দাবি। কেপমারি হওয়া টাকা উদ্ধার ও চক্রের চক্রের বাকিদের হদিশ পেতে পুলিশ ধৃতের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করেছে। বৃহস্পতিবার দুই ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করে পুলিশ ৭ দিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায়।বিচারক ধৃতদের পুলিশ হেফাজত মঞ্জুর করেছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে, টাকা খোয়ানো চালকল মালিক অরূপ ভট্টাচার্যের বাড়ি জেলার রায়না থানার সেহারাবাজারে। ভাতারের নর্জায় তাঁর একটি চালকল রয়েছে। লিখিত অভিযোগে বুধবার সন্ধ্যায় তিনি ভাতার থানায় জানান,অন্য ব্যাবসায়ীদের কাছ থেকে পাওনা টাকা আনতে ওইদিন দুপুরে তিনি বর্ধমান শহরে গিয়েছিলেন। ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মোট ২ লক্ষ ৪১ হাজার ২৩০ টাকা সেদিন সংগ্রহ করেন। একটি হাত ব্যাগে সেই টাকা ভরে নিয়ে তিনি বাসে চেপে মিলে ফিরছিলেন। বাসটি দেওয়ানদিঘি স্টপেজে দাঁড়াতেই কয়েকজন মহিলা শিশুসন্তান কোলে ওই বাসে ওঠে। মহিলারা তাঁর গা ঘেঁষে দাঁড়ায়। বাস ভিড়ে ঠাসা থাকার কারনে তিনি অন্যত্র সরতে পারেননি। ফলে গাদাগাদি সহ্য করেই বাসে একই জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য হন। অরুপবাবু জানান, খানিক বাদে ওই মহিলা দলটি মাঝ রাস্তায় বাস থেকে নেমে পড়ে। ভিড় একটু খালি হতেই তিনি দেখেন তাঁর হাত ব্যাগের নিচের দিকের কিছুটা অংশ ধারালো কিছু দিয়ে কাটা। ব্যাগে যে টাকা রেখেছিলেন সেই টাকা আর ব্যাগে নেই। কেপমারির শিকার হয়েছেন বুঝতে পেরে অরূপবাবু নর্জায় আর না নেমে সোজা ভাতার থানায় চলে আসেন। থানার পুলিশ কর্তাদের কাছে তিনি সমস্ত ঘটনার কথা খুলে বলে অভিযোগ দায়ের করেন।চালকল মালিকের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েই ভাতার থানার পুলিশ নড়েচড়ে বসে। দেওয়ানদিঘির মুখে বর্ধমান-কাটোয়া রাজ্য সড়কে পুলিশ অভিযানে নামে। তখনই কর্জনার কাছে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যায় আয়েষা রায় নামে এক মহিলা। তাঁকে জেরা করে পুলিশ বীরভূমের আমাদপুরের এসবেরিয়া বেদির নাম জানতে পারে। রাতে পুলিশ আমাদপুর থেকে এসবেরিয়াকেও পাকড়াও করে। এরপর দুই মহিলাকে একসঙ্গে থানায় বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে ভাতার থানার পুলিশ অফিসাররা। জেরায় ধৃতরা পুলিশকে জানায়, বেশ কিছু দিন ধরে তারা অরূপ ভট্টাচার্যের গতিবিধির উপর নজর রাখছিল। এরপর তারা বুধবার পরিকল্পনা মাফিক স্বদলবলে বাস উঠে অপারেশন চালিয়ে চালকল মালিকের ব্যাগ থেকে লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নেয়।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
দেশ

ডিজিটাল মুদ্রা আনবে রিজার্ভ ব্যাংক, ঘোষণা নির্মলার

২০২২-২৩ অর্থবর্ষের বাজেটে ডিজিটাল মুদ্রা আনার কথা ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। রিজার্ভ ব্যাংকের অধীনে এই মুদ্রার লেনেদেনের তথ্য রাখা হবে ব্লকচেন পদ্ধতিতে। পাশাপাশি ভার্চুয়াল, ডিজিটাল সম্পদ বিক্রি বা অধিগ্রহণ থেকে আয়ের উপর ৩০ শতাংশ করও বসাতে চলেছে কেন্দ্র।FM proposes to introduce digital rupee using blockchain technology to be issued by Reserve Bank of India starting 2022-23Follow LIVE Budget updates on #ThePrintBudget:https://t.co/Z9xiEAi9U4 ThePrintIndia (@ThePrintIndia) February 1, 2022প্রসঙ্গত ব্লকচেন পদ্ধতিতে বিটকয়েনের মতো ভার্চুয়াল মুদ্রার লেনদেন যাবতীয় তথ্য রাখা হয়। যা ইন্টারনেটে একটি নির্দিষ্ট ডেটাবেসের মধ্যে রাখা হয়। লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি ছাড়া অন্য কেউ-ই এই ব্লক চেনের তথ্য জানতে পারে না। মূলত এই পদ্ধতিকেই ব্যবহার করে রিজার্ভ ব্যাংক ডিজিটাল মুদ্রা আনতে চলেছে। ইতিমধ্যেই দেশের শীর্ষ ব্যাংক এই মুদ্রা বাজারে আনার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু করে দিয়েছে। জানা গিয়েছে, নগদ টাকা সমতূল হবে এই ডিজিটাল মুদ্রা।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২২
দেশ

Covid-Exgratia: কোভিডে মৃত্যু হলে ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেবে রাজ্য

এখনও পর্যন্ত কোভিডে যাঁদের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা তহবিল থেকে। শুধু তাঁদেরই নয়, ভবিষ্যতেও যদি কেউ মারা যান, তাঁদের পরিবার-পরিজনকেও ওই ক্ষতিপূরণের অর্থ দেওয়া হবে। বুধবার সুপ্রিম কোর্টে এ কথা জানাল কেন্দ্র।কোভিডে মৃতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে একটি গাইডলাইন তৈরি করতে বলেছিল সুপ্রিম কোর্ট। করোনায় মৃতদের পরিবারকে কত অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দেওয়া যেতে পারে, তা খতিয়ে দেখতে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে নির্দেশ দেয় তিন বিচারপতির বেঞ্চ। এই নিয়ে সবিস্তারে একটি হলফনামা তলব করা হয় কেন্দ্রের কাছে। সেই হলফনামাতেই লেখা হয়েছে, যারা করোনার ত্রাণ কার্যের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাঁদের মৃ্ত্যুর ক্ষেত্রেও এই ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। তবে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের গাইডলাইন অনুযায়ী ডেথ সার্টিফিকেটে মৃত্যুর কারণ হিসেবে কোভিড ১৯-এর উল্লেখ থাকতে হবে।আরও পড়ুনঃ বাংলার জন্য আমি অ্যাভেলেবল আছিত্রয়োদশ অর্থ কমিশনের সুপারিশ মেনে বিপর্যয় মোকাবিলা আইনের ধারায় গড়ে তোলা হয়েছিল রাজ্যের এই বিপর্যয় মোকাবিলা তহবিল। এই তহবিলে প্রতি অর্থ বর্ষে দুই কিস্তিতে টাকা দেয় কেন্দ্র। পশ্চিমবঙ্গ বা মহারাষ্ট্রের মতো সাধারণ রাজ্যের ক্ষেত্রে ওই তহবিলে ৭৫ শতাংশ অর্থ আসে কেন্দ্র থেকে। অন্য দিকে, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং বিশেষ মর্যাদাপ্রাপ্ত রাজ্যের ওই তহবিলে ৯০ শতাংশ অর্থই দেয় কেন্দ্র। কোভিড পরিস্থিতিতে গত জুন মাসেই কেন্দ্র প্রথম কিস্তির টাকা পাঠিয়ে দিয়েছে ওই তহবিলে। সেই টাকাই এ বার বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষ এবং জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে মৃতদের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র। কোভিড মোকাবিলার কাজে অংশ নিয়ে যাঁদের প্রাণ গিয়েছে, তাঁদের পরিবারকেও দেওয়া হবে ক্ষতিপূরণের অর্থ। তবে শীর্ষ আদালতে দেওয়া হলফনামায় কেন্দ্র জানিয়েছে, স্বাস্থ্য মন্ত্রকের নির্দেশিকা মেনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মৃত্যুর শংসাপত্রে কারণ হিসেবে অবশ্যই কোভিডের উল্লেখ থাকতে হবে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১
রাজ্য

Elderly Patient: কাটোয়া হাসপাতালে বৃদ্ধ রোগীর বেনজির তান্ডব, ভেঙে চুরমার লক্ষ লক্ষ টাকার চিকিৎসা সামগ্রী

ভাঙচুর চালিয়ে হাসপাতালের এইচডিইউ বিভাগের লক্ষাধিক টাকা মূল্যের চিকিৎসা সরঞ্জাম ভেঙে নষ্ট করে দিল চিকিৎসাধীন এক রোগী। শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কটোয়া মহকুমা হাসপাতালে। বৃদ্ধ রোগী অরুণ বন্দ্যোপাধ্যায় হাসপাতালে তাণ্ডব চালানোর সময়ে তাঁকে বিরত করতে গিয়ে জখম হন এইচডিইউ বিভাগে কর্তব্যরত দুই নার্স। রোগীর তাণ্ডবে দুই নার্সকে জখম হতে দেখে হাসপাতালের আর কোন কর্মী ওই রোগীর কাছে ঘেঁষার সাহস দেখাননি। চিকিৎসাধীন রোগীর এমন তাণ্ডবের জেরে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী মহলে। কি কারণে রোগী এত ভায়লেন্ট হয়ে উঠলেন সেই বিষয়টি চিকিৎসকদের ভাবিয়ে তুলেছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, রোগী অরুণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি কাটোয়া শহরের গোয়ালপাড়া এলাকায়। তিনি পেশায় ব্যবসায়ী। বেশ কিছুদিন ধরে তিনি শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। পরিবারের লোকজন গত শনিবার সকালে অরুণবাবুকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করেন। হাসপাতালে তাঁর বিভিন্ন শারীরিক পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়। রক্ত পরীক্ষায় অরুনবাবুর সোডিয়াম, পটাসিয়ামের ঘাটতি ধরা পড়ে। সেই কারণে তাঁকে হাসপাতালের জেনারেল ওয়ার্ড থেকে হাই ডিপেনেন্সি ইউনিটের(এইচডিইউ) ৬ নম্বর বেডে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাঁর হাতে স্যালাইনের চ্যানেলও গোঁজা ছিল। সেই অবস্থাতেই একটি কাটের তুল হাতে নিয়ে শনিবার রাতে তিনি হঠাৎই রুদ্রমূর্তি ধারণ করেন। এরপরেই তিনি হাসপাতালের এইচডি ইউনিটে ব্যাপক ভাঙচুর শুরু করে দেন। এইচডিইউ বিভাগে শনিবার রাতে কর্মরত থাকা এক নার্স বলেন, শনিবার রাতে রোগীর তাণ্ডবের ঘটনা তিনি কোনদিন ভুলতে পারবেন না। ওই রাত তাঁদের চরম আতঙ্কে ও উৎকন্ঠার মধ্যে কাটাতে হয়েছে। তাঁদের চোখের সামনেই দামি ও গুরুত্বপূর্ণ বহু চিকিৎসা সরঞ্জাম ওই রোগী ভেঙে চুরমার করে দেন। ভয়ে আতঙ্কে তাঁরা কিছুই করতে পারেননি। অসহায়ের মত দাঁড়িয়ে থেকে তাঁদের সব দেখতে হয়। রোগী অরুণবাবু হঠাৎ কেন এমন ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলেন তাও তাঁদের অজানা বলে ওই নার্স জানিয়েছেন। স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৮ সালে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের হাই ডিপেনডেন্সি ইউনিটটি(এইচডিইউ) চালু হয়। প্রায় ৫৫ লক্ষ টাকা মূল্যের উন্নত যন্ত্রপাতি তখন এইচডিইউ বিভাগে বসানো হয়েছিল। ওই এইচডিইউ ইউনিটে চিকিৎসাধীন থাকা রোগী অরুণ বন্দ্যোপাধ্যায় শনিবার রাত আনুমানিক ১টা নাগাদ অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করে দেন। বেড থেকে উঠে একটি কাঠের টুল হাতে নিয়ে তিনি তান্ডব শুরু করে দেন। ভেন্টিলেটর সাপোর্ট দেওয়ার যন্ত্রগুলি তিনি একে একে ভেঙে ফেলেন। কোনরকমে তাঁর হাত থেকে টুলটি কেড়ে নেওয়া গেলেও তাঁকে রোখা যায়নি। এরপর খালি হাতেই তিনি এইচডিইউ বিভাগে থাকা কম্পিউটারের সিপিইউ, মনিটরসহ অনান্য মেশিনপত্র মাটিতে আছড়ে ভেঙে দেন। অক্সিজেন ভর্তি সিলিন্ডার ও ওষুধের প্যাকেটও তিনি ফেলে দেন। অরুণবাবুকে বিরত করতে গিয়ে কর্তব্যরত দুজন নার্সও আক্রান্ত হন। তারপর আর কেউ তাঁকে বিরত করতে যাওয়ার সাহস করেননি। হাসপাতালের নার্স, সিকিউরিটি গার্ড, সিভিক ভলেন্টিয়ারা সবাই কার্যত দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ওই রোগীর তান্ডব লীলা দেখতে বাধ্য হন। কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের সুপার ধীরাজ রায় জানান, তিনি তাঁর চাকুরি জীবনে এমন ঘটনা এই প্রথম দেখলেন। এইচডিইউ বিভাগের অনেক দামি দামি মেশিনপত্র ওই রোগী ভেঙে নষ্ট করে দিয়েছেন। সব মিলিয়ে কয়েক লক্ষ টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম ওই রোগী ভাঙচুর করে নষ্ট করে দিয়েছেন। ঘটনার সবিস্তার রিপোর্ট জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরে পাঠানো হয়েছে।চিকিৎসাধীন ওই রোগী রাতে হঠাৎই কেন এত ভায়োলেন্ট হয়ে উঠলেন তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সুপার জানিয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২১
রাজ্য

Laxmir Bhandar: ৫০০ টাকা পেতে গিয়ে অ্যাকাউন্ট থেক উধাও হল ৫ হাজার টাকা!

কথা ছিল প্রত্যেক মাসে অ্যাকাউন্ট ৫০০ টাকা করে পড়বে। কিন্তু টাকা আসার আগেই দ্বিগুণের বেশি টাকা বেরিয়ে গেল অ্যাকাউন্ট থেকে! লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ৫০০ টাকা পাওয়ার জন্য আবেদন করে নিজেদের অ্যাকাউন্ট থেকেই উধাও হয়ে গেলো ৫ হাজার টাকা। এমনই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে মহিষাদল ব্লকের এক্তারপুরে এলাকায়। আরও পড়ুনঃ মালদা মেডিক্যাল কলেজে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, বাড়ছে আতঙ্কএলাকার একই পরিবারের ছয়জন মহিলার অ্যাকাউন্ট থেকে পাঁচজনের ৫ হাজার টাকা করে, আর একজনে ১৫০০ টাকা অর্থাৎ মোট ২৬,৫০০ টাকা উধাও হয়ে গিয়েছে। অভিযোগ, গত ১৫ সেপ্টেম্বর মহিষাদল ব্লকের এক্তারপুর এলাকার দুয়ারে সরকারের শিবির হয়েছিলো। সেই শিবিরে জানা পরিবারের ৫ মহিলা তাদের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের দুটি ম্যাসেজ কেন ঢুকছে না জানতে যায়। সেখানে তাদের নাম ও ফোন নম্বর নেওয়া হয়। পরের দিন অর্থাৎ ১৬ সেপ্টেম্বর বাড়িতে গিয়ে কাগজপত্র নেওয়ার পাশাপাশি আঙুলের ছাপ নেয়। পরে দেখা যায় তাদের অ্যাকাউন্ট থেকে ৫ হাজার করে টাকা কেটে নেওয়া হয়ছে। অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কেটে নেওয়া হয়েছে জানতে পেরে বিষয়টি মহিষাদল থানায় জানানো হয়। পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমে মহিষাদলের গোপালপুরের বাসিন্দা তুষার অধিকারী নামক এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। মহিষাদল থানার ওসি স্বপন গোস্বামী জানিয়েছেন বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১
দেশ

ISKCON Coin: ১২৫ টাকার স্মারক মুদ্রা প্রকাশ করলেন মোদি

ইসকনের প্রতিষ্ঠাতার ১২৫ তম জন্মবর্ষ উপলক্ষে ১২৫ টাকার স্মারক মুদ্রা প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।ইসকনের প্রতিষ্ঠাতা তথা হরেকৃষ্ণ মুভমেন্টের প্রবর্তক শ্রীলা ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভূপাদের ১২৫ তম জন্মবর্ষ এটি। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সেই মুদ্রা প্রকাশ করেন মোদি। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডি।আরও পড়ুনঃ দলগঠনে চমক এসসি ইস্টবেঙ্গলের, অরিন্দমকে ১ কোটি ৩০ লক্ষ টাকার প্রস্তাব!এ দিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, আজ আমরা শ্রীলা ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভূপাদের জন্মবর্ষ পালন করছি। ধ্যান কিংবা ভক্তিতে মনে যে প্রশান্তি মেলে, যেন সেরকমই আনন্দ হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, আজ একই ভাবে গোটা বিশ্বে প্রভূপাদের যে লক্ষ লক্ষ ভক্ত আছেন, প্রত্যেকেরই একই রকম আনন্দ হচ্ছে।মোদি এ দিন আরও বলেন, আজ বিশ্বজুড়ে কয়েকশো ইসকনের মন্দির রয়েছে। আর সেই সব মন্দিরের মাধ্যমে গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে ভারতীয় সংস্কৃতি। ইসকনই গোটা বিশ্বকে বুঝিয়ে দিয়েছে যে ভারতীয় সংস্কৃতিতে বিশ্বাসের অর্থ হল উদ্যোগ আর উৎসাহ। আর মানবিকতায় বিশ্বাস। প্রাকৃতিক বিষর্পয়ে ইসকনের ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন মোদী। প্রধানমন্ত্রী এ দিন মনে করিয়ে দেন ২০০১-এর ভূমিকম্পের কথা। সেই সময় কী ভাবে দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছিল ইসকন, সেই কথা উল্লেখ করেন। শুধু তাই নয়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আরও মনে করিয়ে দেন যে, দেশে যখনও কোনও বিপর্যয় এসেছে, তখন পাশে দাঁড়িয়েছে ইসকন। ও্ডিশা বা পশ্চিমবঙ্গের সাইক্লোনের কথাও বলেন তিনি।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২১
রাজ্য

Fake Deed: জাল দলিল করে কোটি টাকা আত্মসাৎ, নাম জড়ালো মেমারির বিএলআরওর

জাল দলিল তৈরি করে অন্যের কোটি টাকার জমি হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনায় নাম জড়াল ব্লক ভূমি ও ভূমি রাজস্ব আধিকারিকের। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি-২ ব্লকের বিএলআরওর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠায় প্রশাসনিক মহলে তোলপাড় পড়ে গিয়েছে। এবিষয়ে মেমারি থানার বোহার গ্রামের বাসিন্দা সুজিত কুমার পাঁজা বর্ধমান সিজেএম আদালতে মামলা রুজু করেছেন। সিজেএম কেস রুজু করে তদন্তের জন্য মেরারি থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন। মেমারি থানার এক অফিসার জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশ খতিয়ে দেখে আইন মাফিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।মেমারির বোহার গ্রামের বাসিন্দা সুজিত কুমার পাঁজা অভিযোগ করেছেন, বোহারে তাঁদের একটি জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা জমিটি ভোগদখল করে আসছেন। ভূমি দপ্তরে জমিটি তাঁদের নামে নথিভুক্ত ছিল। জমির পরচাও তাঁদের কাছে রয়েছে। সুজিতবাবুর অভিযোগ, কিছুদিন আগে হঠাতই কয়েকজন ওই জমিটি তাঁদের বলে দাবি করেন। সেই কথা শুনে তিনি অবাক হয়ে যান। এরপর বিএলআরও অফিসে গিয়ে তিনি নতুন করে জমির পরচা তোলেন। সেই পরচা যাচাই করে তিনি জানতে পারেন, জমির অনেকটা অংশ অন্য জনের নামে রেকর্ড করা হয়েছে।কাউকে জমি বিক্রি না করা সত্ত্বেও কি করে এমনটা হল তা জানার জন্য তিনি মেমারি ২ ব্লক বিএলআরও অফিসে খোঁজখবর নেন। সেখান থেকে তিনি জানতে পারেন, মিউটেশন কেস করে জমিগুলি অন্যের নামে রেকর্ডে নথিভুক্ত করা হয়েছে। মিউটেশন কেসের সার্টিফায়েড কপি তুলে সুজিত বাবু জাল দলিলের বিষয়টি জানতে পারেন। সুজিতবাবুর দাবি, জাল সই করে দলিলটি করা হয়েছে। এমনটা নিশ্চিৎ হওয়ার পর সুজিতবাবু পুনরায় বিএলআরও অফিসে জমির মালিকের নাম পরিবর্তনের জন্য আবেদন করেন। কিন্তু, বিএলআরও অফিস থেকে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। তার পরেই সুজিতবাবু বর্ধমান আদালতের দ্বারস্থ হন।মামলাকারী সুজিত কুমার পাঁজার আইনজীবী অতনু সরকার এদিন বলেন, জালিয়াতির বিষয়টি নিয়ে থানা সহ প্রশাসনের নানা মহলে জানানো হয়। জেলার পুলিশ সুপারকে জানানোর পরেও থানা ব্যবস্থা না নেওয়ায় আদালতে মামলা করা হয়েছে। জাল দলিল করে প্রায় ১ কোটি টাকার সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। এতে সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্বেরও ক্ষতি হয়েছে। পুলিশ এর পরেও ব্যবস্থা না নিলে বিষয়টি উচ্চমহলে জানানো হবে।মেমারি-২ ব্লকের বিএলআরও অচিন্ত্য চক্রবর্তী যদিও এদিন বলেন, এই বিষয়ে তাঁর কিছু জানা নেই। ঘটনার সময় তিনি দায়িত্বে ছিলেন না। তাই, এনিয়ে কিছু বলা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। তবে, বিষয়টি সন্মন্ধে তিনি খোঁজ নিয়ে দেখবেন বলে জানান ।

আগস্ট ২৫, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

আড়াই ঘণ্টা অপেক্ষায় সিআইডি, তারপর যা করলেন অভিষেক জানলে চমকে যাবেন

সিআইডির নোটিস ঘিরে শুক্রবার সন্ধ্যায় নতুন করে রাজনৈতিক চর্চার কেন্দ্রে উঠে এলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা তাঁর কালীঘাটের বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করার পরও সরাসরি তাঁর হাতে নোটিস তুলে দিতে পারেননি তদন্তকারীরা। শেষ পর্যন্ত নোটিস গ্রহণ করেন তাঁর অফিসের এক কর্মী।শুক্রবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক দাবি করেন, তিনি কখনও তদন্ত থেকে পালিয়ে যাননি এবং সবসময় তদন্তে সহযোগিতা করেছেন। তাঁর কথায়, দিল্লি থেকে ফিরে বৃহস্পতিবারই তিনি সিআইডি দফতরে গিয়েছিলেন। সেখানে প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তদন্তকারীদের সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছেন বলেও জানান তিনি। আগামী চৌদ্দ তারিখ আবারও সিআইডি দফতরে হাজিরা দেবেন বলেও জানান তৃণমূল সাংসদ।সিআইডিকে এতক্ষণ অপেক্ষা করানোর কারণ ব্যাখ্যা করে অভিষেক বলেন, সেদিন দলীয় বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন তিনি। বৈঠক চলাকালীন তদন্তকারীরা নোটিস দিতে এসেছিলেন। তিনি তাঁর সহকারীকে নোটিস গ্রহণ করার জন্য বলেছিলেন। তবে যদি ব্যক্তিগতভাবে তাঁর হাতেই নোটিস দিতে হয়, তাহলে অপেক্ষা করতেই হবে বলে তিনি জানান। তাঁর দাবি, তদন্তে সহযোগিতা করতে তিনি প্রস্তুত এবং তদন্ত এড়ানোর কোনও প্রশ্নই নেই।এদিন সিআইডির ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন অভিষেক। তিনি অভিযোগ করেন, ভবানীভবনে তাঁকে কী কী প্রশ্ন করা হয়েছে, সেই তথ্য সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর দাবি, তিনি নিজে কোনও তথ্য প্রকাশ করেননি। ফলে তদন্তকারী সংস্থার তরফ থেকেই সেই তথ্য বাইরে এসেছে বলে তাঁর সন্দেহ। বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথাও জানান তিনি।জানা গিয়েছে, নির্বাচনী প্রচারের সময় করা ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার তদন্তে শুক্রবার বিকেলে অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতে যায় সিআইডির একটি দল। কিন্তু সেই সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। ফলে তদন্তকারীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। বাড়ির সামনে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ভিড়ও জমতে শুরু করে।সূত্রের খবর, ওই সময় কালীঘাটে দলীয় কার্যালয়ে বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন অভিষেক। পরে সন্ধ্যা সাতটার পর তিনি বাড়িতে ফেরেন। সাংবাদিকদের সামনে বক্তব্য রাখার পর বাড়ির ভিতরে চলে যান। তবে তদন্তকারীদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করেননি। কিছুক্ষণ আরও অপেক্ষা করার পর সিআইডি আধিকারিকরা তাঁর অফিসের এক কর্মীর হাতে নোটিস তুলে দেন।জানা গিয়েছে, এই মামলায় আগামী ষোলো জুন সিআইডি দফতরে হাজিরা দিতে হবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তার আগে সই জালিয়াতি মামলায় চৌদ্দ জুন তাঁকে আবার ভবানীভবনে হাজিরা দিতে হবে।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

৬৩৫ কোটি টাকার ‘বিজ্ঞাপন কেলেঙ্কারি’! মমতা জমানার খরচ ঘিরে বিস্ফোরক শুভেন্দু

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে আয়োজিত শিল্প সম্মেলনকে ঘিরে এবার দুর্নীতির অভিযোগ তুললেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি দাবি করেন, বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিট আয়োজনের জন্য একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থাকে ৬৩৫ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল। এই বিপুল অর্থ ব্যয়ের পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানান তিনি।শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, মানুষের করের টাকা কীভাবে খরচ হয়েছে, তার পূর্ণ হিসাব সামনে আনতেই তদন্ত করা হবে। তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তকারী কেন্দ্রীয় সংস্থার কাছেও বিষয়টি পাঠানো হবে। তাঁর দাবি, জনগণ তাঁদের দায়িত্ব দিয়েছে বলেই কোনও অভিযোগকে উপেক্ষা করা হবে না।একই সুর শোনা যায় রাজ্যের নতুন শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়ের গলায়। তিনি বলেন, সরকারি অর্থ অপচয় বা নয়ছয়ের অভিযোগ উঠলে তার তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। বিজিবিএস নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। কতগুলি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল, কতটা প্রকৃত লগ্নি এসেছে এবং শিল্পের ক্ষেত্রে তার বাস্তব ফল কী হয়েছে, সেই তথ্য আগামী সপ্তাহে সরকারের হাতে পৌঁছাবে বলে জানান তিনি।তাপস রায়ের বক্তব্য, শিল্প সম্মেলন হওয়া প্রয়োজন এবং সেখানে দেশ-বিদেশের শিল্পপতিরা আসবেন, সেটাই স্বাভাবিক। তবে কোনও অনুষ্ঠানের জন্য এত বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ খরচের যৌক্তিকতা খতিয়ে দেখা দরকার। তিনি বলেন, বাংলায় নতুন শিল্প আনার জন্য বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।টাটা গোষ্ঠীর প্রসঙ্গও ওঠে সাংবাদিক বৈঠকে। তাপস রায়ের দাবি, ভবিষ্যতে টাটা-সহ একাধিক বড় শিল্পগোষ্ঠী বাংলায় বিনিয়োগে আগ্রহ দেখাবে। শিল্পায়নের জন্য জমি নীতি, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং প্রযুক্তিগত শিক্ষার উপর জোর দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।এদিন নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের বারো বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কেন্দ্রের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প, জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি এবং অবকাঠামোগত সাফল্য তুলে ধরতেই এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল। উদ্বোধনের পর প্রদর্শনী ঘুরেও দেখেন তিনি।এদিকে, বিজিবিএসকে ঘিরে ৬৩৫ কোটি টাকার ব্যয়ের অভিযোগ সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। তদন্তে কী তথ্য সামনে আসে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

রক্ষাকবচ মিলেছে, কিন্তু বিপদ কাটেনি! এবার নতুন মামলায় অভিষেকের বাড়িতে সিআইডি

সই জালিয়াতি মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট থেকে ১৪ দিনের রক্ষাকবচ পেলেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনি অস্বস্তি কমছে না। এবার তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার তদন্তভার হাতে নিয়েছে সিআইডি। সেই মামলার নোটিস দিতেই শুক্রবার কালীঘাটে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছন তদন্তকারীরা।বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের নির্দেশে ভবানীভবনে হাজিরা দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সই জালিয়াতি মামলায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। তবে সেই মামলায় কিছুটা স্বস্তি মিললেও অন্য একটি মামলায় তদন্তের গতি বাড়িয়েছে সিআইডি।জানা গিয়েছে, নির্বাচনী প্রচারের সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিধাননগর থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, তাঁর বক্তব্যে উত্তেজনা ছড়ানোর সম্ভাবনা ছিল। প্রথমে এই মামলার তদন্ত করছিল বিধাননগর কমিশনারেটের সাইবার শাখা। পরে সেই তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়।শুক্রবার দুপুরে সিআইডির একটি দল কালীঘাটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যায়। তবে সেই সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। ফলে নোটিস সরাসরি তাঁর হাতে তুলে দেওয়া সম্ভব হয়নি।ঘটনাস্থলে পরে পৌঁছন অভিষেকের আইনজীবীরা। তাঁদের বক্তব্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আইন মেনেই চলছেন এবং তদন্তে সহযোগিতা করছেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তিনি ইতিমধ্যেই হাজিরা দিয়েছেন। ভবিষ্যতেও আইনি প্রক্রিয়াকে সম্মান জানিয়েই তিনি পদক্ষেপ করবেন বলে দাবি আইনজীবীদের।উল্লেখ্য, নির্বাচনী প্রচারের সময় দেওয়া একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বাগুইআটির বাসিন্দা রাজীব সরকার অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তাঁর দাবি, একজন জনপ্রতিনিধির এমন মন্তব্য করা উচিত নয়, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত এগোচ্ছে।অন্যদিকে সই জালিয়াতি মামলাতেও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। সেই মামলায় একাধিকবার তলবের পর সম্প্রতি সিআইডির সামনে হাজিরা দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার তদন্ত কোন দিকে এগোয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

কল্যাণের বিস্ফোরক আক্রমণের পর অভিষেকের জবাব! যা বললেন, তা শুনে চমকে গেলেন সবাই

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে রাজনৈতিক চর্চা আরও তীব্র হয়েছে। একদিন আগেই দলের হেভিওয়েট সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকাশ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, অভিষেকের আচরণ এবং সিদ্ধান্তের কারণেই দলের বড় ক্ষতি হয়েছে। এমনকি তিনি দাবি করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একসময় সিদ্ধান্ত নিতে হবে তিনি কল্যাণকে রাখবেন, নাকি অভিষেককে।এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হলেও পাল্টা আক্রমণের পথে হাঁটলেন না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বরং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে অনেকটাই সংযত এবং সম্মানজনক অবস্থান নিলেন তিনি।শুক্রবার নিজের বাড়িতে সিআইডির নোটিস পৌঁছনোর পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক বলেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের তাঁর সম্পর্কে কথা বলার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। তিনি বলেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অধিকার রয়েছে আমাকে নিয়ে কথা বলার। অধিকার রয়েছে চারটে কটূ কথা বলার। ছোট থেকে মানুষ করেছেন, বড় হতে দেখেছেন।এরপর আরও নরম সুরে অভিষেক জানান, তিনি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যকে ব্যক্তিগতভাবে খারাপভাবে নেননি। তাঁর কথায়, হয়তো কোনও বিষয় ওনার খারাপ লেগেছে, তাই বলেছেন। আমার কোনও ব্যক্তিগত রাগ বা ক্ষোভ নেই। আমি তাঁকে আগেও সম্মান করতাম, এখনও করি এবং ভবিষ্যতেও করব।প্রসঙ্গত, সম্প্রতি একটি মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে আদালতে সওয়াল করা থেকে সরে দাঁড়ান কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় তিনি অভিষেকের বিরুদ্ধে ঔদ্ধত্যের অভিযোগও তুলেছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, দীর্ঘ রাজনৈতিক ও পেশাগত অভিজ্ঞতার পরেও তিনি প্রাপ্য সম্মান পাননি।এই পরিস্থিতিতে অভিষেকের সংযত প্রতিক্রিয়া রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তৃণমূলের অন্দরের এই মতপার্থক্য আগামী দিনে কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর অনুদান নিয়ে বড় ঘোষণা! কারা পাবেন টাকা, কারা পাবেন না জানালেন শুভেন্দু

দুর্গাপুজোর আগে রাজ্যের বিভিন্ন ক্লাবের মধ্যে এবার অনুদান দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। তৃণমূল সরকারের আমলে প্রতি বছর পুজো কমিটিগুলিকে আর্থিক অনুদান দেওয়া হত। গত বছর সেই অনুদানের পরিমাণ ছিল এক লক্ষ দশ হাজার টাকা। সরকার পরিবর্তনের পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, নতুন সরকারের আমলেও কি সেই অনুদান চালু থাকবে?এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, দুর্গাপুজোর অনুদান নিয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। খুব শীঘ্রই তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের সঙ্গে বৈঠক হবে। সেই বৈঠকেই অনুদান সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।তবে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে। তাঁর মতে, যেসব ক্লাব আর্থিক সমস্যার কারণে পুজো আয়োজন করতে অসুবিধায় পড়ে, মূলত তাদেরই সাহায্য করা উচিত। যেসব বড় ক্লাবের নিজস্ব আর্থিক সামর্থ্য রয়েছে, তাদের সরকারি অনুদানের প্রয়োজন নাও হতে পারে।শুভেন্দু অধিকারী বলেন, যাঁদের সত্যিই অর্থের প্রয়োজন, তাঁরাই অনুদান পাবেন। যাঁদের প্রয়োজন নেই, তাঁদের অনুদান দেওয়ার প্রয়োজনও নেই। ফলে এবার অনুদান বণ্টনের ক্ষেত্রে নতুন নীতি নেওয়া হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, এ বছর রাজ্যে আরও বেশি সংখ্যায় দুর্গাপুজো অনুষ্ঠিত হবে বলে তাঁর আশা। সেই কারণেই পুজোকে কেন্দ্র করে প্রয়োজনীয় সব বিষয় নিয়ে সরকার গুরুত্ব সহকারে আলোচনা করবে।উল্লেখ্য, তৃণমূল সরকারের আমলে প্রথমবার দুর্গাপুজোর অনুদান চালু হয়েছিল দুই হাজার আঠারো সালে। তখন প্রতিটি ক্লাবকে দশ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে প্রতি বছর সেই অনুদানের পরিমাণ বাড়ানো হয়। শেষ পর্যন্ত গত বছর তা বেড়ে এক লক্ষ দশ হাজার টাকায় পৌঁছায়। পুজোর আগে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ক্লাব প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করে অনুদানের ঘোষণা করা হত। নতুন সরকারের আমলে সেই প্রথা বজায় থাকবে কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজ্যের হাজার হাজার পুজো কমিটির।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের পর এবার মদন! সই জাল মামলায় সিআইডি নোটিসে তৃণমূলে নতুন অস্বস্তি

বিধায়কদের সই জালিয়াতি মামলার তদন্তে এবার নতুন মোড়। শুক্রবার কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের বাড়িতে গিয়ে তাঁকে নোটিস দিল সিআইডি। নোটিস পাওয়ার কথা নিজেই স্বীকার করেছেন তৃণমূলের প্রবীণ নেতা।মদন মিত্র জানিয়েছেন, শুক্রবার সকালে সিআইডি আধিকারিকরা তাঁর বাড়িতে এসে একটি নোটিস দিয়ে গিয়েছেন। তবে এখনও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়নি। তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার কথা নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনা এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন বিধায়কদের সই জালিয়াতি মামলায় তদন্তের গতি অনেকটাই বেড়েছে। সম্প্রতি এই মামলায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন সিআইডি আধিকারিকরা। তদন্তকারীদের একাধিক প্রশ্নের উত্তর তিনি দেননি বলেও সূত্রের দাবি।অভিষেককে ঘিরে রাজনৈতিক চর্চার মাঝেই মদন মিত্রের কাছে সিআইডির নোটিস পৌঁছনোয় নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দলের বর্তমান কঠিন পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে যাঁরা এখনও দৃঢ়ভাবে রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম মদন মিত্র। তাই তাঁর কাছে তদন্ত সংস্থার নোটিস পৌঁছনোকে ঘিরে কৌতূহল বাড়ছে।বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে টানাপোড়েন বেড়েছে। দলের একাংশের বিধায়ক ও সাংসদদের অবস্থান নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে। এর মধ্যেই সই জালিয়াতি মামলায় তদন্ত আরও জোরদার করেছে সিআইডি।অভিযোগ, কয়েকজন বিধায়কের সই জাল করে গুরুত্বপূর্ণ নথি জমা দেওয়া হয়েছিল। সেই অভিযোগের তদন্তেই একাধিক ব্যক্তিকে নোটিস পাঠানো হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।এখন দেখার, মদন মিত্রকে ভবিষ্যতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয় কি না এবং এই মামলার তদন্তে নতুন কী তথ্য সামনে আসে।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ! উস্কানিমূলক মন্তব্য ঘিরে থানায় মামলা

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আইনি চাপ আরও বাড়ল। বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এবার তাঁর নামে নতুন করে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযোগ করেছেন এক ব্যবসায়ী। জানা গিয়েছে, হেয়ারস্ট্রিট থানায় জমা পড়া ওই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ প্রাথমিক তদন্তও শুরু করেছে।এর আগেই গত ২ জুন রানি রাসমণি রোডের একটি সভায় করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। সেই মামলায় শিলিগুড়ি সাইবার থানায় এক আইনজীবী অভিযোগ জানান। এবার আরও একটি বক্তব্যকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে।চলতি বছরের শুরুতে ভোটের প্রচারের সময় ধর্মতলার একটি জনসভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি মন্তব্য করেছিলেন, যা পরে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। সেই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়। বিরোধীদের দাবি, একজন শীর্ষ রাজনৈতিক নেতার মুখে এ ধরনের মন্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়। অন্যদিকে, তৃণমূলের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।তবে কয়েক মাস পর ফের সেই বক্তব্যকে কেন্দ্র করেই আইনি পদক্ষেপের পথে হাঁটলেন এক ব্যবসায়ী। তাঁর অভিযোগ, ওই মন্তব্য সমাজে উত্তেজনা ছড়াতে পারে এবং তা জনমানসে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে বলে সূত্রের খবর।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে একাধিক বিতর্ক সামনে এসেছে। তার মধ্যেই নতুন এই অভিযোগ রাজনৈতিক চাপ আরও বাড়িয়ে দিল। এখন নজর রয়েছে তদন্তের অগ্রগতির দিকে। পুলিশ এই মামলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠাবে কি না, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে।এদিকে, রানি রাসমণি রোডের সভায় করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া অভিযোগ নিয়েও চাপের মুখে রয়েছে তৃণমূল শিবির। দুই মামলার তদন্ত কোন দিকে এগোয়, সেটাই এখন রাজনৈতিক মহলের প্রধান আলোচনার বিষয়।

জুন ১২, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপূজার অনুদানে আমূল বদল! ‘সবার জন্য নয়’, নতুন নীতির ইঙ্গিত শুভেন্দুর

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই দুর্গাপূজার সরকারি অনুদান নিয়ে জোর জল্পনা চলছিল। দীর্ঘদিন ধরে চলা সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে এবার স্পষ্ট বার্তা দিল নতুন বিজেপি সরকারের নেতৃত্ব। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়ে দিলেন, দুর্গাপূজার সরকারি অনুদান পুরোপুরি বন্ধ করা হচ্ছে না, তবে আগের মতো সমস্ত পুজো কমিটিকে এক ছাঁচে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার নীতি থেকে সরে আসতে চলেছে সরকার।শুক্রবার নবান্নে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারি অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে নতুন সরকার আরও লক্ষ্যভিত্তিক ও দায়িত্বশীল নীতি গ্রহণ করতে চায়। সেই কারণেই দুর্গাপূজার অনুদান ব্যবস্থার উপর শীঘ্রই একটি উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের আধিকারিকরা উপস্থিত থাকবেন এবং সেখানেই চূড়ান্ত কাঠামো নির্ধারণ করা হবে।প্রসঙ্গত, বিগত তৃণমূল সরকারের আমলে দুর্গাপূজার অনুদান প্রতি বছরই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। ২০২৫ সালে রাজ্যের প্রতিটি নিবন্ধিত দুর্গাপূজা কমিটিকে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়েছিল। তার আগের বছর এই অনুদানের পরিমাণ ছিল ৮৫ হাজার টাকা। পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিলে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়, ফায়ার লাইসেন্সের ফি মকুব এবং একাধিক প্রশাসনিক সুবিধাও দেওয়া হয়েছিল পুজো কমিটিগুলিকে।তবে নতুন সরকার সেই মডেলকে পুনর্বিবেচনা করতে চাইছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, আর্থিকভাবে স্বনির্ভর এবং বড় বাজেটের পুজোগুলিকে সরকারি অনুদানের আওতার বাইরে রাখা হতে পারে। বিশেষ করে যেসব পুজো কমিটি কর্পোরেট স্পনসরশিপ, বিজ্ঞাপন বা অন্যান্য উৎস থেকে পর্যাপ্ত অর্থ সংগ্রহ করতে সক্ষম, তাদের ক্ষেত্রে সরকারি সাহায্যের প্রয়োজনীয়তা নতুন করে খতিয়ে দেখা হবে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যেসব পুজো কমিটি নিজেদের সামর্থ্যে অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে পারে, তাদের সরকারি অর্থ দেওয়ার যৌক্তিকতা রয়েছে কি না, তা সরকার বিবেচনা করবে। কিন্তু যেসব কমিটি আর্থিকভাবে পিছিয়ে, যাদের এই সহায়তা ছাড়া পুজো আয়োজন কঠিন হয়ে পড়বে, তাদের পাশে সরকার অবশ্যই থাকবে।সরকারি সূত্রে খবর, সম্ভাব্য নতুন নীতিতে পুজো কমিটির আর্থিক অবস্থা, বাজেট, স্পনসরশিপের পরিমাণ এবং স্থানীয় সামাজিক ভূমিকার মতো বিষয়গুলিকে গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে। অর্থাৎ ভবিষ্যতে অনুদান পেতে গেলে নির্দিষ্ট কিছু মানদণ্ড পূরণ করতে হতে পারে পুজো কমিটিগুলিকে।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নতুন সরকার একদিকে যেমন সরকারি ব্যয়ের উপর নিয়ন্ত্রণ আনতে চাইছে, অন্যদিকে সরকারি সাহায্য প্রকৃত প্রয়োজনমাফিক বণ্টনের বার্তাও দিতে চাইছে। বিরোধীদের মতে, এটি জনপ্রিয় একটি প্রকল্পের পরিধি সংকুচিত করার পদক্ষেপ হতে পারে, যদিও সরকারের দাবিএটি সম্পূর্ণভাবে জনস্বার্থ ও আর্থিক স্বচ্ছতার প্রশ্ন।এখন নজর তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের আসন্ন বৈঠকের দিকে। সেখান থেকেই স্পষ্ট হবে, ২০২৬ সালের দুর্গাপূজায় কোন ধরনের কমিটিগুলি সরকারি অনুদানের আওতায় থাকবে এবং নতুন নীতির চূড়ান্ত রূপরেখা ঠিক কী হতে চলেছে।কর্পোরেট স্পনসর পাওয়া বড় পুজোগুলির জন্য অনুদান অনিশ্চিত, আর্থিকভাবে দুর্বল কমিটিগুলির পাশে থাকার আশ্বাস সরকারের।

জুন ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal