• ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ৩০ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Rain

রাজ্য

আজও বৃষ্টির দাপট দক্ষিণবঙ্গে, ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা মেদিনীপুরে; উত্তরবঙ্গেও বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা, ২৫ জুলাই: বর্ষার সক্রিয় পরিস্থিতির জেরে আজও বৃষ্টিতে ভিজতে পারে পশ্চিমবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকা। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সমস্ত জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি অথবা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টিও হতে পারে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই আজ বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি এবং এক-দুটি জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলাতেই আজ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার এক-দুটি জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। সেখানে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় প্রায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও বজ্রপাত ও ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যেখানে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার হতে পারে।আজ দক্ষিণবঙ্গের এক-দুটি জায়গায় ভারী বৃষ্টি, অর্থাৎ ৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন শহর ও গ্রামীণ এলাকায় সাময়িক জল জমার আশঙ্কা রয়েছে। নিচু এলাকা, রাস্তা ও আন্ডারপাসে জল জমে যান চলাচলে সমস্যা তৈরি হতে পারে।২৬ জুলাই আরও বাড়বে বৃষ্টির তীব্রতাআবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, রবিবার দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। পূর্ব মেদিনীপুর ও পশ্চিম মেদিনীপুরের এক-দুটি জায়গায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি, অর্থাৎ ৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ঝাড়গ্রাম ও বাঁকুড়াতেও এক-দুটি জায়গায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। অন্যান্য জেলাতেও বজ্রপাত ও ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে।উত্তরবঙ্গেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনাউত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রেও আজ আবহাওয়া পুরোপুরি শুকনো থাকার সম্ভাবনা নেই। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর ও মালদহসমস্ত জেলাতেই বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। এক-দুটি জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।তবে আগামী কয়েকদিনে উত্তরবঙ্গের বৃষ্টির প্রবণতা ধীরে ধীরে বাড়তে পারে। ২৭ জুলাই দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কালিম্পংয়ে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ২৮ ও ২৯ জুলাই দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কালিম্পংয়ে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। ৩০ জুলাইও উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।২৭ জুলাই থেকে ফের ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনাদক্ষিণবঙ্গেও আগামী কয়েকদিন বর্ষার প্রভাব বজায় থাকবে। ২৭ জুলাই দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর ২৮ থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।আবহাওয়া দফতরের বর্ধিত পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২৪ থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত উত্তর ও দক্ষিণদুই বঙ্গেই বিস্তীর্ণ এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। এই সময়ে দক্ষিণবঙ্গের কিছু জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গেও সপ্তাহের দ্বিতীয়ার্ধে কিছু জায়গায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে।সতর্ক থাকার পরামর্শবৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত ও দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা থাকায় সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠ, জলাশয় বা গাছের নিচে না থাকার পরামর্শ রয়েছে। ভারী বৃষ্টির সময় অপ্রয়োজনে বাইরে বের না হওয়াই নিরাপদ।টানা বৃষ্টির জেরে নিচু এলাকায় জল জমা, কাঁচা রাস্তার ক্ষতি এবং দুর্বল বাড়িঘরের ক্ষতির আশঙ্কাও রয়েছে। কৃষকদেরও জমিতে জল জমার পরিস্থিতির দিকে নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।সব মিলিয়ে, আজ দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি তুলনামূলকভাবে বেশি বিস্তৃত হলেও আগামী ২৬ জুলাই পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা বিশেষ নজরে রয়েছে। উত্তরবঙ্গে আজ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হলেও আগামী ২৭ জুলাই থেকে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কালিম্পং-সহ পাহাড় ও ডুয়ার্স এলাকায় বৃষ্টির দাপট বাড়তে পারে।

জুলাই ২৫, ২০২৬
দেশ

মাত্র একদিনে ১০৬৪ মিলিমিটার বৃষ্টি, গাড়ি-ঘর ডুবিয়ে গুজরাটে নজিরবিহীন বিপর্যয়

অল্প সময়ে অতিবৃষ্টি যে কতটা ভয়াবহ রূপ নিতে পারে, তার সাম্প্রতিক উদাহরণ গুজরাটের ভালসাদ জেলার উম্বেরগাঁও। মাত্র ২৪ ঘণ্টায় সেখানে ১০৬৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। অর্থাৎ, একদিনেই প্রায় দুই মাসের বৃষ্টি ঝরে পড়েছে।সোমবার কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতে দমদমের বহু এলাকা জলমগ্ন হয়েছিল। সেখানে উম্বেরগাঁওয়ে দমদমের তুলনায় প্রায় সাড়ে ছয় গুণ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। ফলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে। রাস্তায় কোমরসমান জল, ডুবে যায় গাড়ি, বহু বহুতলের একতলাও জলের নিচে চলে যায়। কোথাও কোথাও রাস্তায় স্পিডবোট চলতে দেখা যায়।এই বৃষ্টিতে ভেঙে গিয়েছে ২০০৫ সালের মুম্বই বন্যার রেকর্ডও। সেবার সান্তাক্রুজে ৯৪৪.২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছিল। উম্বেরগাঁওয়ের ১০৬৪ মিলিমিটার বৃষ্টি এখন দেশের দৈনিক বৃষ্টিপাতের তালিকায় অন্যতম সর্বোচ্চ হিসেবে উঠে এসেছে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, একদিনে ৩০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিকে ব্যতিক্রমী ভারী বৃষ্টি বলা হয়। উম্বেরগাঁও ছাড়াও ভালসাদের কাপরাদা এলাকায় ২৪ ঘণ্টায় ৭৯৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। সেখানে দুদিনে মোট বৃষ্টির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১২১২ মিলিমিটার।আবহবিদদের মতে, রাজস্থান ও মধ্যপ্রদেশের উপর ঘূর্ণাবর্ত, দক্ষিণমুখী মৌসুমি অক্ষরেখা এবং পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব একসঙ্গে সক্রিয় হওয়ায় এই অতিবৃষ্টি হয়েছে।সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, গুজরাটে এত বৃষ্টি হলেও রাজ্যজুড়ে এখনও বৃষ্টির ঘাটতি রয়েছে। কোথাও অতিবৃষ্টি, কোথাও আবার খরা পরিস্থিতি। আবহবিদরা বলছেন, এটাই জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম ভয়াবহ প্রভাবএক্সট্রিম ওয়েদার।

জুলাই ২৩, ২০২৬
রাজ্য

আজ ভাসবে বাংলা? ১১ জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা, কলকাতায় কেমন থাকবে আবহাওয়া

সকাল থেকেই দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি শুরু হয়েছে। কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। বুধবার রাজ্যের ১১টি জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং এবং আলিপুরদুয়ার জেলায়। শুক্রবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে বিক্ষিপ্ত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। শনিবার থেকে বৃষ্টির দাপট কিছুটা কমতে পারে।আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে মৌসুমি অক্ষরেখা রাজস্থান থেকে দিঘা হয়ে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে। সেই ঘূর্ণাবর্ত থেকে আরব সাগর পর্যন্ত একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখাও বিস্তৃত হয়েছে। এই কারণেই রাজ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়ছে।বৃহস্পতিবার উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা থাকবে। শুক্রবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া এবং বাঁকুড়া জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শনিবার বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হলেও বৃষ্টির পরিমাণ কমবে। রবিবার ও সোমবার দক্ষিণবঙ্গে কোনও বিশেষ সতর্কতা নেই।কলকাতায় বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী ২৪ ঘণ্টায় শহরের তাপমাত্রা ২৬ থেকে ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে।উত্তরবঙ্গে আপাতত বৃষ্টি কিছুটা কমলেও রবিবার থেকে আবার বৃষ্টি বাড়বে। বুধবার ও বৃহস্পতিবার মালদহ, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরে বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে। শুক্রবার ও শনিবার উত্তরবঙ্গে কোনও সতর্কতা নেই। তবে রবিবার থেকে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

জুলাই ২২, ২০২৬
রাজ্য

আবার ভাসবে বাংলা! ঘূর্ণাবর্তের দাপটে আজ থেকেই ভারী বৃষ্টির সতর্কতা

নতুন সপ্তাহের শুরুতেই ফের বৃষ্টির মুখে বাংলা। ঘূর্ণাবর্ত ও দুর্বল নিম্নচাপের প্রভাবে আজ থেকে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির দাপট অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।জুলাই মাসের শুরুতে নিম্নচাপের প্রভাবে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকা ভেসেছিল বৃষ্টিতে। গত সপ্তাহে কিছুটা বিরতি মিললেও আবার নতুন করে সক্রিয় হয়েছে বৃষ্টি। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নিম্নচাপ দুর্বল হলেও ঘূর্ণাবর্ত এখনও সক্রিয় রয়েছে। সাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প স্থলভাগে ঢুকছে, যার ফলে বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়ছে।আজ দক্ষিণবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং নদিয়ায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বুধবার দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর এবং হাওড়ায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার উপকূলবর্তী ও পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।কলকাতাতেও সপ্তাহ জুড়ে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কখনও মাঝারি, কখনও হালকা বৃষ্টি হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলাদার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে আজ কমলা সতর্কতা জারি রয়েছে। সেখানে মাঝারি থেকে ভারী, কোথাও কোথাও অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামীকাল থেকে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে।

জুলাই ২০, ২০২৬
দেশ

দিল্লির আন্দোলন থামিয়ে ছুটলেন ওমর আবদুল্লা! কাশ্মীরে ভয়াবহ বন্যা

অতিবৃষ্টির জেরে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে জম্মু ও কাশ্মীরে। শনি ও রবিবারের টানা ভারী বৃষ্টিতে রাজৌরি, পুঞ্চ-সহ একাধিক জেলা কার্যত জলের তলায় চলে গিয়েছে। নদীর জলস্তর দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় নিচু অঞ্চলগুলি প্লাবিত হয়েছে। প্রশাসনের প্রাথমিক হিসেবে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আরও কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন।মৌসম ভবন আগেই ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছিল। শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টি দুদিন ধরে অব্যাহত থাকায় দারহালি, খান্দালি, সুকতোহ ও জামোলা নদীর জল বিপদসীমা ছাড়িয়ে যায়। বহু এলাকায় নদীর জল বাড়িঘর, রাস্তা ও বাজারে ঢুকে পড়ে।সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে রাজৌরি জেলায়। দারহালি নদীর বাঁধ ভেঙে জল বাসস্ট্যান্ডের পার্কিং এলাকায় ঢুকে পড়ে এবং বহু গাড়ি ভাসিয়ে নিয়ে যায়। পুঞ্চ জেলায় বাড়ি ধসে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। রাজৌরিতে ভূমিধ্বসে আরও একজনের প্রাণহানি ঘটেছে। দুই জেলায় অন্তত পাঁচ জন এখনও নিখোঁজ বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল প্লাবিত এলাকা থেকে মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। বহু পরিবারকে ত্রাণ শিবিরে রাখা হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, জল নামার পর ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ আরও স্পষ্ট হবে।এই দুর্যোগের জেরে দিল্লিতে পূর্ণরাজ্যের দাবিতে চলা আন্দোলন আপাতত স্থগিত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। পরিস্থিতি সামাল দিতে তিনি শ্রীনগরে ফিরে যাচ্ছেন বলে সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে।

জুলাই ১৯, ২০২৬
রাজ্য

আকাশ কালো, থামছেই না বৃষ্টি! দক্ষিণবঙ্গে ভিজবে আরও, উত্তরবঙ্গে লাল সতর্কতায় আতঙ্ক

সকাল থেকেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের আকাশ কালো মেঘে ঢাকা। বিভিন্ন জেলায় চলছে বৃষ্টি। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রবিবার দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও দমকা হাওয়া বইতে পারে।আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, নিম্নচাপ কিছুটা দুর্বল হলেও তার প্রভাব এখনও পুরোপুরি কাটেনি। একটি ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে। সাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প স্থলভাগে প্রবেশ করছে। সেই কারণেই উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও কালিম্পং জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, একদিনে ২০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হতে পারে। কোচবিহারে রবিবার কমলা সতর্কতা জারি রয়েছে। সোমবার সকাল পর্যন্ত এই জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।দক্ষিণবঙ্গেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলবে। মঙ্গলবার দুই ২৪ পরগনা ও নদিয়ায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বুধবার দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর ও হাওড়ায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বৃহস্পতিবারও কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে কলকাতার জন্য আপাতত আলাদা কোনও সতর্কতা জারি করা হয়নি।এদিকে, টানা বৃষ্টির জেরে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে ধূপগুড়ি শহর। পৌরসভার ১৬টি ওয়ার্ডের বহু নিচু এলাকায় জল জমেছে। একাধিক বাড়িতে বৃষ্টির জল ঢুকে পড়েছে। নোংরা ড্রেনের জল মাড়িয়ে যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

জুলাই ১৯, ২০২৬
রাজ্য

ফের ধেয়ে আসছে প্রবল বৃষ্টি! কোন কোন জেলায় অতি ভারী বর্ষণের সতর্কতা, জানাল আবহাওয়া দফতর

নিম্নচাপের প্রভাব এখনও পুরোপুরি কাটেনি। গত সপ্তাহে টানা ভারী বৃষ্টির পর ফের নতুন করে বৃষ্টির সতর্কবার্তা জারি করল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কায় কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শনিবার, রবিবার এবং সোমবার পর্যন্ত কয়েকটি এলাকায় প্রবল বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।আজ শুক্রবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। নিম্নচাপের প্রভাব কমে গেলে এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে।শুক্রবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎসহ মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি এবং ঘণ্টায় প্রায় পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগনাতেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।শনিবার বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে রবিবার এবং সোমবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।উত্তরবঙ্গে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রবিবার দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে দুইশো মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। সোমবার পর্যন্ত এই বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে।অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকায় নতুন করে ভূমিধসের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। নদীর জলস্তরও দ্রুত বাড়তে পারে। কয়েকটি নদী বিপদসীমার কাছাকাছি বা তার উপরে পৌঁছে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।শুক্রবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল সাতাশ দশমিক আট ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল বত্রিশ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ছিয়াত্তর থেকে ছিয়ানব্বই শতাংশ।

জুলাই ১৭, ২০২৬
রাজ্য

চলন্ত ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেসে ধোঁয়া-আগুন, বর্ধমানে ২০ মিনিট থমকাল ট্রেন; অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনা এড়াল রেল

ইঞ্জিনের পরের কামরার নীচে ব্রেক বাইন্ডিং থেকে আগুন, খানা-তালিতের মাঝে দাঁড় করিয়ে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনলেন রেলকর্মীরা; নিরাপদে রওনা দিল হাওড়ার উদ্দেশেধানবাদ থেকে হাওড়াগামী ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেসে চলন্ত অবস্থায় আচমকাই ধোঁয়া ও আগুন দেখা দেওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল যাত্রীদের মধ্যে। পূর্ব বর্ধমানের খানা জংশন ও তালিত স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঘটে এই ঘটনা। দ্রুত ট্রেন থামিয়ে রেলকর্মীদের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। প্রায় ২০ মিনিট বন্ধ থাকার পর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ট্রেনটি আবার হাওড়ার উদ্দেশে রওনা দেয়। এই ঘটনায় কোনও যাত্রী আহত হননি বলে রেল সূত্রে জানা গিয়েছে।রেল সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার বিকেলে ঝাড়খণ্ডের ধানবাদ থেকে নির্ধারিত সময়েই ২২৩৮৭ ডাউন ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেস হাওড়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। যাত্রীদের একাংশের দাবি, পানাগড় পার হওয়ার পর থেকেই ট্রেনে যান্ত্রিক সমস্যার কিছু লক্ষণ দেখা যাচ্ছিল। তবে পরিস্থিতি যে এতটা গুরুতর হতে পারে, তা কেউ বুঝতে পারেননি।ট্রেনটি পূর্ব বর্ধমানের দিকে এগোতে থাকলে ইঞ্জিনের ঠিক পরের কামরার নীচ থেকে প্রথমে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই সেই ধোঁয়ার সঙ্গে আগুনের শিখাও দেখা যায়। বিষয়টি নজরে আসতেই ট্রেনের কর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার উদ্যোগ নেন এবং রাত প্রায় ৭টা ৪৫ মিনিট নাগাদ খানা জংশন ও তালিত স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় ট্রেনটি জরুরি ভিত্তিতে থামিয়ে দেওয়া হয়।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান রেলের প্রযুক্তিগত কর্মী ও আধিকারিকরা। অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র ব্যবহার করে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট কামরার ব্রেক ব্যবস্থা এবং অন্যান্য যান্ত্রিক অংশ খতিয়ে দেখা হয়। সমস্ত দিক পরীক্ষা করে ট্রেনটিকে নিরাপদ ঘোষণা করার পর রাত প্রায় ৮টা ২০ মিনিট নাগাদ পুনরায় হাওড়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেস।পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শিবরাম মাঝি জানিয়েছেন, ইঞ্জিনের পরের কামরায় ব্রেক বাইন্ডিং-এর কারণে অতিরিক্ত ঘর্ষণ সৃষ্টি হয়েছিল। সেই ঘর্ষণ থেকেই ধোঁয়া ও আগুনের সৃষ্টি হয়। তিনি জানান, রেলকর্মীরা দ্রুত সমস্যার সমাধান করায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।ঘটনার সময় ওই কামরায় বহু যাত্রী উপস্থিত ছিলেন। ট্রেন থামার সঙ্গে সঙ্গেই আতঙ্কিত যাত্রীরা দ্রুত নেমে নিরাপদ দূরত্বে চলে যান। মুহূর্তের মধ্যে অন্যান্য কামরাতেও খবর ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই উদ্বেগে বাইরে নেমে আসেন। যদিও রেলকর্মীদের তৎপরতায় পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে যায়।ধানবাদ থেকে ট্রেনে ওঠা এক যাত্রী জানান, আসানসোলের কিছু আগে থেকেই ট্রেনে একটা অস্বাভাবিক শব্দ হচ্ছিল। পরে তালিতের কাছে এসে দেখি কামরার নীচ থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে, তারপর আগুনও দেখা যায়। তখন স্বাভাবিকভাবেই সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল।এইদিনের ব্ল্যাক ডাইমন্ডের যাত্রীরা জানান, হঠাৎ ধোঁয়া বের হতে দেখে আমরা খুব ভয় পেয়ে যাই। ট্রেন দাঁড়াতেই নেমে পড়ি। পরে রেলকর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ায় স্বস্তি ফিরে আসে।এই ঘটনার জেরে ধানবাদ-হাওড়া রেলপথে কিছু সময়ের জন্য ট্রেন চলাচল ব্যাহত হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। রেলের তৎপরতায় কোনও প্রাণহানি বা বড়সড় দুর্ঘটনা না ঘটায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন যাত্রীদের পাশাপাশি রেল কর্তৃপক্ষও। তবে চলন্ত ট্রেনে এমন যান্ত্রিক ত্রুটি সামনে আসায় রেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

জুলাই ১৬, ২০২৬
রাজ্য

ঘন কালো মেঘে ঢাকল আকাশ! কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রবল বৃষ্টির আশঙ্কা, সতর্ক একাধিক জেলা

সকাল থেকেই দক্ষিণবঙ্গের আকাশে কালো মেঘের আনাগোনা। এখনও সব জায়গায় বৃষ্টি শুরু না হলেও যে কোনও সময় নামতে পারে জোর বৃষ্টি। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, উত্তর বাংলাদেশ এবং উত্তর-পশ্চিম বিহারে তৈরি হওয়া জোড়া ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে।আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, কলকাতা ও হাওড়ায় আজ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পূর্ব বর্ধমান ও মুর্শিদাবাদ জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা করা হয়েছে। এছাড়া হুগলি, উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, বীরভূম এবং নদিয়াতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। প্রয়োজনে স্থানীয় এলাকায় জল জমা এবং যান চলাচলে সমস্যা তৈরি হতে পারে।উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকায় বৃষ্টির দাপট আরও বাড়তে পারে। আগামী কয়েক দিন দফায় দফায় বৃষ্টি চলার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।রাতভর ভারী বৃষ্টির জেরে উত্তরবঙ্গের একাধিক এলাকায় জল বেড়েছে। তিস্তা নদীর জল উঠে এসেছে রাস্তায়। এর ফলে দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হয়েছে। তিস্তাবাজার এলাকায় জল নামার অপেক্ষায় রয়েছে প্রশাসন। পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জুলাই ১৩, ২০২৬
রাজ্য

বুধবার স্বস্তি, কিন্তু রথের দিনই বাড়বে দুর্যোগ! আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বাড়ল দুশ্চিন্তা

রথযাত্রার আগে ফের বৃষ্টির দাপট বাড়তে চলেছে বাংলায়। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ঝড়-বৃষ্টি চলবে আগামী কয়েক দিন। বুধবার বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমলেও, বৃহস্পতিবার অর্থাৎ রথযাত্রার দিন ফের বৃষ্টি বাড়তে পারে। একই সঙ্গে উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় অতিভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, উত্তর বাংলাদেশ এবং উত্তর-পশ্চিম বিহারে দুটি ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে। বিহার থেকে বাংলাদেশ পর্যন্ত একটি অক্ষরেখা তৈরি হয়েছে। সেই সঙ্গে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপর মৌসুমি অক্ষরেখাও সক্রিয় থাকায় দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঝড়-বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।রবিবার মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ায় ভারী বৃষ্টির জন্য হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ও মঙ্গলবারও একাধিক জেলায় ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বুধবার কিছুটা স্বস্তি মিললেও বৃহস্পতিবার রথযাত্রার দিন ফের বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে। ওই দিন উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, হাওড়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতাতেও মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। শুক্রবার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।কলকাতায় রবিবার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার বৃষ্টি কিছুটা বাড়তে পারে। মঙ্গলবার ও বুধবার তুলনামূলকভাবে বৃষ্টি কম থাকবে। তবে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার আবারও বৃষ্টির দাপট বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে অতিভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি হয়েছে। মালদহ, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত এই পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে। অতিভারী বৃষ্টির জেরে পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধস, নদীর জলস্তর বৃদ্ধি এবং নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বুধবার ও বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।

জুলাই ১২, ২০২৬
রাজ্য

জলমগ্ন কলকাতা, ফুঁসছে নদী, উত্তাল সমুদ্র! বাংলাজুড়ে বাড়ছে দুর্যোগের আশঙ্কা

রাতভর প্রবল বৃষ্টিতে কার্যত ভিজেছে কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হওয়া বৃষ্টি গভীর রাত পর্যন্ত চলেছে। শুক্রবার সকালেও কলকাতা এবং আশপাশের জেলায় একইভাবে বৃষ্টির দাপট বজায় রয়েছে। একাধিক এলাকায় জল জমতে শুরু করেছে। ফলে সকাল থেকেই যান চলাচলে সমস্যার মুখে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এখনই বৃষ্টি থামার কোনও সম্ভাবনা নেই। বাংলাদেশ এবং সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি হওয়া শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্ত এবং সক্রিয় মৌসুমি অক্ষরেখার প্রভাবে আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গজুড়ে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। সঙ্গে দমকা ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।শুক্রবার কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং পূর্ব বর্ধমানে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। শনিবার পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়াতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। একই সঙ্গে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং ঝাড়গ্রামেও দফায় দফায় বৃষ্টি চলবে বলে পূর্বাভাস।শুক্রবার সকাল পর্যন্ত দমদমে প্রায় সাতানব্বই মিলিমিটার এবং আলিপুরে প্রায় সাঁইত্রিশ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গেও প্রবল বর্ষণ চলছে। কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে একাধিক এলাকায় জল জমেছে।কলকাতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ইতিমধ্যেই জল জমতে শুরু করেছে। ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি, হলদিরাম মোড় এবং সেক্টর পাঁচ মেট্রো সংলগ্ন এলাকায় জল জমায় যান চলাচল ধীর হয়ে পড়েছে। যদিও এখনও বড় ধরনের জলাবদ্ধতার খবর নেই, তবে দিনের মধ্যে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।উপকূলবর্তী এলাকাগুলির জন্যও বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আগামী বারো জুলাই পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। দিঘা, দিঘা মোহনা, মন্দারমণি-সহ বিভিন্ন উপকূল এলাকায় পুলিশ মাইকিং করে সতর্ক করছে। সমুদ্র উত্তাল হয়ে জলোচ্ছ্বাসের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। পর্যটক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদেরও অপ্রয়োজনীয়ভাবে সমুদ্রের কাছে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, টানা বৃষ্টিতে সুবর্ণরেখা নদীর জল দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় ঝাড়গ্রামের নয়াগ্রাম ব্লকের একাধিক এলাকা কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। দেউলবাড় এবং গড়ধরা গ্রামের সংযোগকারী সেতু জলের তলায় চলে যাওয়ায় মানুষের যাতায়াত এখন নৌকার উপর নির্ভর করছে। এতে সাধারণ মানুষ, পড়ুয়া, কৃষক এবং ব্যবসায়ীদের চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।অজয় নদীর জলও ক্রমশ বাড়ছে। নদীর বাঁধের একাধিক অংশ দুর্বল হয়ে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। প্রতি বছর বর্ষায় এই এলাকায় প্লাবনের সমস্যা দেখা দেয়। এবারও একই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতায় রাতভর তাণ্ডব বৃষ্টি! সোমবার পর্যন্ত আরও ভয়ংকর পরিস্থিতির সতর্কতা

রাতভর প্রবল বৃষ্টিতে কার্যত নাজেহাল কলকাতা। শুক্রবার সকাল হতেই শহরের একাধিক এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ে। বহু রাস্তায় জল জমে যাওয়ায় অফিসযাত্রী থেকে সাধারণ মানুষ, সকলেরই ভোগান্তি বেড়েছে। কোথাও যান চলাচল ধীর হয়ে পড়েছে, কোথাও আবার জল জমে তৈরি হয়েছে দীর্ঘ যানজট। স্ট্র্যান্ড রোডে রাতের বৃষ্টিতে একটি বড় গাছ উপড়ে পড়ার ঘটনাও ঘটেছে।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, পূর্ব বাংলাদেশের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে মৌসুমি অক্ষরেখা গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত থাকায় দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে বৃষ্টির পরিমাণ অনেকটাই বেড়েছে। বৃহস্পতিবার দিনভর আকাশ মেঘলা ছিল। সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হয় বৃষ্টি, যা রাতভর চলেছে এবং শুক্রবারও তার প্রভাব অব্যাহত রয়েছে।হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুক্রবার কলকাতায় বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রায় নব্বই শতাংশ। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় একত্রিশ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ছাব্বিশ ডিগ্রি থাকতে পারে।দক্ষিণবঙ্গের জন্য সোমবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি রয়েছে। উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, হুগলি এবং হাওড়ায় তুলনামূলক বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্য জেলাগুলিতেও আগামী কয়েক দিন দফায় দফায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।উত্তরবঙ্গেও দুর্যোগের পরিস্থিতি বজায় থাকবে। আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে। সোমবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির দাপট অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।এদিকে শুক্রবার ও শনিবার উপকূলবর্তী এলাকায় সমুদ্র উত্তাল থাকার আশঙ্কা রয়েছে। এই দুই দিন মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। সমুদ্রে ঘণ্টায় পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া দপ্তর। তাই অপ্রয়োজনীয় বাইরে যাওয়া এড়িয়ে চলার পাশাপাশি আবহাওয়ার সর্বশেষ সতর্কবার্তার দিকে নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুলাই ১০, ২০২৬
দেশ

বাড়ির সামনেই জমা জল, খেলতে গিয়ে আর ফেরা হল না! তিন বছরের শিশুর মৃত্যুতে উত্তাল দিল্লি

একটানা ভারী বৃষ্টিতে কার্যত জলমগ্ন দিল্লি। সেই জল জমেই ঘটে গেল হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা। গাজিয়াবাদের একটি গলিতে জমে থাকা জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছে তিন বছরের এক শিশুকন্যার। ঘটনাটি ঘটেছে বাড়ির কাছেই। দুর্ঘটনার পর এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ পরিবারের সদস্য এবং স্থানীয় বাসিন্দারা জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান।স্থানীয়দের দাবি, যে গলিতে শিশুটি ডুবে যায় সেখানে প্রায় তিন ফুট জল জমেছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পর প্রায় চার ঘণ্টা পরে শিশুটির দেহ উদ্ধার করা হয়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, জাতীয় সড়কের একটি অংশ সম্প্রসারণের পর থেকেই ওই এলাকায় জল জমার সমস্যা বেড়েছে। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার পুর কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কার্যকর কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ তাঁদের।বুধবার থেকে শুরু হওয়া টানা ভারী বৃষ্টিতে দিল্লির বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। বহু রাস্তায় জল জমে যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় গাছ উপড়ে পড়ায় দীর্ঘ যানজটেরও সৃষ্টি হয়েছে। এর আগের রাতে রোহিনী এলাকায় একটি নির্মীয়মাণ বাড়ি ভেঙে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ভারী বৃষ্টি আরও কিছু সময় চলতে পারে। রাজধানীর একাধিক এলাকায় নিকাশি ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় রাস্তা কার্যত জলমগ্ন হয়ে রয়েছে। সদর বাজার, গ্রেটার কৈলাশ, বদরপুর, নাসিরপুর, তেলিওয়ারা, মহাবীর বাজার, স্বরূপ নগর, কুশক রোড, মুনিরকা, দ্বারকা, বিকাশ মার্গ, পূর্ব দিল্লি এবং নতুন দিল্লি রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকায় জল জমে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরমে উঠেছে।

জুলাই ০৯, ২০২৬
রাজ্য

দক্ষিণে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি, উত্তরে লাল সতর্কতা! ঝোড়ো হাওয়া-ভারী বর্ষণে দুর্যোগের আশঙ্কা, কেমন থাকবে কলকাতার আবহাওয়া?

রাজ্যের আবহাওয়ায় ফের বদলের ইঙ্গিত। উত্তরবঙ্গে সক্রিয় মৌসুমি অক্ষরেখা এবং অনুকূল বায়ুমণ্ডলীয় পরিস্থিতির জেরে পাহাড় ও ডুয়ার্সে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সেই কারণে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে বুধবারের জন্য লাল সতর্কতা জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে আপাতত বড়সড় দুর্যোগের সম্ভাবনা না থাকলেও কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে। সপ্তাহের শেষের দিকে অবশ্য দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টির দাপট বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।বুধবার দক্ষিণবঙ্গের দুই ২৪ পরগনা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ এবং বীরভূম জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এর সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলেও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। তবে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া-সহ দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলায় বুধবার বড় ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।তবে বৃহস্পতিবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গে আবহাওয়ার কিছুটা পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। কলকাতা-সহ হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম, নদিয়া এবং মুর্শিদাবাদে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। শুক্রবার থেকে পরিস্থিতি আরও বদলাবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সমস্ত জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি এবং দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।আরও পড়ুনঃ বাংলায় শুরু এনকাউন্টার! বারুইপুরে পুলিশের হেফাজত থেকে পালাতে গিয়ে নিহত ধর্ষণ-খুনের মূল অভিযুক্তকলকাতার ক্ষেত্রেও বুধবার আকাশ সারাদিনই মূলত মেঘলা থাকবে। কোথাও কোথাও হালকা বা বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। তবে তাপমাত্রার বিশেষ হেরফের হবে না। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকবে। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২.৩ ডিগ্রি কম। অন্যদিকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় সামান্য বেশি।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে পরিস্থিতি অনেকটাই উদ্বেগজনক। বুধবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কালিম্পং, কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি সংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকায়ও ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। দুই দিনাজপুর ও মালদহ বাদে উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাগুলির জন্য কমলা সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর।পাহাড়ি এলাকায় টানা বর্ষণের ফলে ভূমিধস, রাস্তা ধসে যাওয়া এবং নদী-নালার জলস্তর বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। ডুয়ার্স ও তরাই অঞ্চলেও জল জমা এবং পরিবহণে বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে এই দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি মোটামুটি বজায় থাকবে। তবে শুক্রবার থেকে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমার সম্ভাবনা রয়েছে। তবুও উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।রাজ্যের একদিকে যখন উত্তরবঙ্গ ভারী বর্ষণের কবলে পড়তে চলেছে, তখন অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে ধীরে ধীরে সক্রিয় হতে শুরু করেছে বর্ষা। সপ্তাহের শেষভাগে প্রায় গোটা রাজ্যই ফের বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার প্রভাবে ভিজতে পারে বলে পূর্বাভাস। ফলে সাধারণ মানুষকে প্রয়োজন ছাড়া অযথা বাইরে না বেরোনো এবং আবহাওয়া দফতরের সতর্কবার্তার দিকে নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুলাই ০৮, ২০২৬
কলকাতা

ধ্বংসস্তূপের মাঝেই নতুন বিপদ! আচমকা ঝড়বৃষ্টিতে থমকাল তারাতলার উদ্ধারকাজ

তারাতলার ভয়াবহ কারখানা ধসের ঘটনায় উদ্ধারকাজ যখন জোরকদমে চলছিল, ঠিক তখনই নতুন করে বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াল আবহাওয়া। বৃহস্পতিবার দুপুরে আচমকা কালো মেঘে ঢেকে যায় আকাশ। কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। সঙ্গে ছিল ঘন ঘন বজ্রপাত এবং ঝোড়ো হাওয়া। এর ফলে উদ্ধারকাজ সাময়িকভাবে ব্যাহত হয় এবং ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকা শ্রমিকদের খোঁজে নতুন সমস্যা তৈরি হয়।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ঝাড়খণ্ড হয়ে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশার উপর একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা অবস্থান করছে। তার প্রভাবে আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।উল্লেখ্য, বুধবার দুপুর ১২টা ৭ মিনিট নাগাদ হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে তারাতলার ওই কারখানা। সেই সময় সেখানে বহু শ্রমিক কাজ করছিলেন বলে জানা যায়। দুর্ঘটনার পরই পুলিশ, দমকল, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং সেনাবাহিনী যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।ঘটনার খবর পেয়েই একাধিক মন্ত্রী ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান। পরিস্থিতির উপর নজর রাখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। পরে তিনি ঘটনাস্থল এবং হাসপাতালে গিয়ে আহতদের সঙ্গে দেখা করেন। দ্রুত উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় প্রশাসনকে।বৃহস্পতিবার সকাল থেকেও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত ছিল। ধ্বংসস্তূপের একাধিক জায়গায় বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্যে তল্লাশি চালানো হচ্ছিল। আটকে পড়া শ্রমিকদের খোঁজে আধুনিক যন্ত্রপাতিও ব্যবহার করা হয়। কিন্তু দুপুরের প্রবল বৃষ্টি এবং বজ্রপাতের কারণে উদ্ধারকাজে সাময়িক বাধা সৃষ্টি হয়।এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আহতদের অনেকেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মৃতদের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা এবং আহতদের জন্য ১ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির জন্য আর্থিক সহায়তার ঘোষণা করেছেন। উদ্ধারকারী দলগুলির প্রধান লক্ষ্য এখন ধ্বংসস্তূপের নীচে আর কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত করা।

জুন ২৫, ২০২৬
কলকাতা

কালো মেঘে ঢাকল আকাশ, বজ্রপাতের দাপট! আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বড় সতর্কবার্তা

দুপুর গড়াতেই কালো মেঘে ঢেকে গেল কলকাতার আকাশ। দিনের আলো ম্লান হয়ে অনেকটাই রাতের আবহ তৈরি হয় শহরে। তারপরই শুরু হয় বৃষ্টি। সঙ্গে ছিল ঘন ঘন বজ্রপাত এবং ঝোড়ো হাওয়া। শুধু কলকাতাই নয়, সংলগ্ন একাধিক জেলাতেও বৃষ্টির খবর মিলেছে। আবহাওয়া দপ্তর আগেই বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছিল। সেই পূর্বাভাস মেনেই বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে আবহাওয়ার বড় পরিবর্তন দেখা গেল।কয়েক দিন আগেই প্রবল বৃষ্টিতে কলকাতার একাধিক এলাকা জলমগ্ন হয়েছিল। সেই পরিস্থিতির রেশ কাটতে না কাটতেই ফের বৃষ্টি শুরু হওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ঝাড়খণ্ড হয়ে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশার উপর একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে। এর প্রভাবে আগামী সোমবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিভিন্ন জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। বজ্রপাতের সময় নিরাপদ স্থানে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির দাপট অব্যাহত রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহার জেলায় কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সপ্তাহের শেষে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।পাহাড়ি এলাকাগুলিতে ভূমিধসের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তাই প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজন ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়ার এই পরিবর্তনের দিকে নজর রাখছেন বিশেষজ্ঞরাও।

জুন ২৫, ২০২৬
দেশ

চলন্ত লোকালে রক্তাক্ত মৃত্যু! দরজা বন্ধ করা নিয়ে ঝগড়া, যাত্রীর বুকে পরপর কোপ

চলন্ত লোকাল ট্রেনে ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্য ছড়াল মুম্বইয়ে। দরজা বন্ধ করা নিয়ে দুই যাত্রীর মধ্যে শুরু হওয়া বচসা শেষ পর্যন্ত রক্তাক্ত খুনে পরিণত হল। ট্রেনের মধ্যেই ছুরির আঘাতে মৃত্যু হল বাইশ বছরের যুবক মায়াঙ্ক রমেশ লোহারের।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে চার্চগেট থেকে নাল্লাসোপারা অভিমুখী দ্রুতগতির লোকাল ট্রেনে ওঠেন মায়াঙ্ক। আন্ধেরি স্টেশন থেকে ট্রেনে চড়ার পরই আর এক যাত্রীর সঙ্গে তাঁর তর্কাতর্কি শুরু হয়। প্রবল বৃষ্টির মধ্যে ট্রেনের দরজা বন্ধ রাখা হবে কি না, তা নিয়েই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে।প্রথমে বচসা হলেও পরে তা হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছে যায়। অভিযোগ, আচমকাই ধারালো অস্ত্র বের করে মায়াঙ্কের উপর একের পর এক আঘাত করতে শুরু করে অভিযুক্ত। ট্রেনের কামরায় বহু যাত্রী উপস্থিত থাকলেও পরিস্থিতি এত দ্রুত বদলে যায় যে কেউ তাঁকে রক্ষা করতে পারেননি।ট্রেন বোরিভেলি স্টেশনে পৌঁছতেই অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। পরে যাত্রীরা কামরার ভিতরে রক্তাক্ত অবস্থায় মায়াঙ্ককে দেখতে পান। রেল পুলিশ ও চিকিৎসাকর্মীরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করলেও ততক্ষণে তাঁর মৃত্যু হয়ে গিয়েছিল। পরে দেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।ঘটনার পর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে যাত্রীদের মধ্যে। চলন্ত ট্রেনে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। তদন্তে নেমে পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান এবং অন্যান্য তথ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখতে শুরু করে।অবশেষে বুধবার বিকেলে অভিযুক্ত রোশান সুবর্ণকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে পশ্চিম রেলও জানিয়েছে, যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।চলন্ত ট্রেনের মধ্যে এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড ফের একবার যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে দিল। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, ভিড়ভাট্টার লোকালে যদি এমন ঘটনা ঘটে, তবে নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত?

জুন ২৪, ২০২৬
রাজ্য

গরম থেকে স্বস্তি মিলতেই নতুন সতর্কতা! দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির দাপট আরও বাড়বে

ভ্যাপসা গরমে দীর্ঘদিন নাজেহাল থাকার পর অবশেষে স্বস্তির বৃষ্টি পেয়েছে দক্ষিণবঙ্গ। শুক্রবার কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ঝড়-বৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে তাপমাত্রা কিছুটা কমেছে এবং আবহাওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে। তবে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনও বৃষ্টি চলবে।আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, যোগ দিবসেও কলকাতায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও এই বৃষ্টি বড় কোনও কর্মসূচিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। তবু আকাশ মেঘলা থাকবে এবং কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।এদিকে ঝাড়খণ্ড সংলগ্ন এলাকায় বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হওয়ায় পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়েছে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ প্রবল ঝড় ও বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। আবহাওয়া দফতর সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরেও কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই জেলাগুলিতেও দমকা হাওয়া, বজ্রপাত এবং মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে এখনও বৃষ্টির দাপট অব্যাহত রয়েছে। জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির জন্য লাল সতর্কতা জারি হয়েছে। প্রবল বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি এলাকায় ধসের আশঙ্কাও রয়েছে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।রবিবার দার্জিলিং এবং কালিম্পং জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা থাকবে। তবে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সোমবারের পর থেকে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির তীব্রতা ধীরে ধীরে কমতে পারে।এছাড়াও রবিবার উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, নদিয়া, হুগলি এবং হাওড়া জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী কয়েক দিন বাংলার বিভিন্ন জেলায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বজায় থাকবে। তাই প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোনো এবং বজ্রপাতের সময় নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুন ২০, ২০২৬
রাজ্য

চার দিনেই বদলে যেতে পারে পরিস্থিতি! উত্তরবঙ্গে জারি ভয়াবহ বৃষ্টির সতর্কতা

দক্ষিণবঙ্গে আকাশ মেঘলা থাকলেও উত্তরবঙ্গে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে টানা বৃষ্টি চলছে। এবার সেই পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হতে পারে বলে জানাল আবহাওয়া দফতর। আগামী চার দিন উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাহাড়ে ধস, হড়পা বান এবং নদীর জলস্ফীতির আশঙ্কায় জারি করা হয়েছে বিশেষ সতর্কতা।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে আগামী কয়েক দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। কিছু এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ অত্যন্ত বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে পাহাড়ি এলাকায় নতুন করে ধস নামার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।ইতিমধ্যেই দশ নম্বর জাতীয় সড়কের বিভিন্ন অংশে ধসের খবর পাওয়া গিয়েছে। পাশাপাশি দুধিয়া সেতুর অস্থায়ী বিকল্প পথের একটি অংশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনের উদ্বেগ আরও বেড়েছে।আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সিকিম, দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ে আগামী চার দিন কমলা সতর্কতা জারি রয়েছে। পাহাড়ি নদী এবং ঝরনার আশপাশে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কারণ প্রবল বৃষ্টির জেরে হঠাৎ হড়পা বানের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।ডুয়ার্স অঞ্চলেও বৃষ্টির দাপট বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কোচবিহারেও বিশেষ সতর্কতা রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের আশঙ্কা, কিছু এলাকায় এক দিনে দুইশো মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, ভুটান থেকে নেমে আসা জল এবং স্থানীয় বৃষ্টির কারণে উত্তরবঙ্গের একাধিক নদীর জলস্তর দ্রুত বাড়তে পারে। এর ফলে নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।এদিকে প্রবল বৃষ্টি, ধস এবং রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে সমস্যায় পড়েছেন বহু পর্যটক। তাঁদের জন্য ইতিমধ্যেই বিশেষ সহায়তা ব্যবস্থা চালু করেছে রাজ্য সরকার। প্রশাসনের তরফে পরিস্থিতির উপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে।উত্তরবঙ্গের সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য উচ্চপর্যায়ের বৈঠকও হয়েছে। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন এবং বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আগামী কয়েক দিন উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া আরও প্রতিকূল হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলা এবং প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুন ১৯, ২০২৬
রাজ্য

বর্ষা ঢুকতেই বিপদ! মঙ্গলবার পর্যন্ত অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা, কোন কোন জেলা ঝুঁকিতে?

উত্তরবঙ্গে প্রবেশ করেছে বর্ষা। এর মধ্যেই আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলাতেও ঝড়-বৃষ্টি এবং কালবৈশাখীর সতর্কতা জারি করা হয়েছে।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, বর্তমানে বিহারের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে। একই সঙ্গে উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলায় দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু প্রবেশ করেছে। ফলে বাংলার বাকি অংশেও বর্ষা প্রবেশের অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই দক্ষিণবঙ্গ, বিহার, ঝাড়খণ্ড এবং ওড়িশার বিস্তীর্ণ এলাকাতেও বর্ষা সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে।আজ জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাতেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি এবং ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারের বিভিন্ন এলাকায় ভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে গরম এবং অস্বস্তিকর আবহাওয়ার মাঝেই ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। আগামী সাত দিন বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।আজ পূর্ব বর্ধমান এবং বাঁকুড়া জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং হুগলি জেলায় কালবৈশাখীর সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই জেলাগুলিতে ঘণ্টায় পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে। বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া এবং দুই বর্ধমান জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি।কলকাতাতেও আজ সারাদিন গরম এবং অস্বস্তিকর আবহাওয়া থাকতে পারে। তবে দুপুরের পর থেকে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঘণ্টায় তিরিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়ার সঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী এক সপ্তাহ বাংলার আবহাওয়ায় খুব বড় কোনও পরিবর্তন হবে না। ঝড়, বৃষ্টি এবং ভ্যাপসা গরমের এই পরিস্থিতিই আগামী কয়েক দিন বজায় থাকতে পারে।

জুন ১১, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 15
  • 16
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

দুর্গাপুজোর আগেই আলোচনায় চোরবাগান! একই পুজোয় দু'বার খুঁটিপুজো কেন?

রথযাত্রার পর থেকেই দুর্গাপুজোর প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যের বহু পুজো কমিটি খুঁটিপুজো সেরে ফেলেছে। তবে কলকাতার এক ঐতিহ্যবাহী পুজো এবার অন্য কারণে আলোচনায়। চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গাপুজোয় একই বছরে দ্বিতীয়বার খুঁটিপুজোর আয়োজন করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় কৌতূহল তৈরি হয়েছে।পুজো কমিটির বর্তমান সম্পাদক রাজকুমার সেওদার দাবি, কয়েক বছর আগে ক্লাব সংক্রান্ত একটি বিষয় নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, সেই সময় পুরসভার জমি দখল করে ক্লাব তৈরি করা হয়েছিল। পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিক নোটিস দেওয়া হলেও কোনও পরিবর্তন হয়নি। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর ওই কাঠামো ভাঙার জন্য নোটিস জারি করা হয় বলে তাঁর দাবি।রাজকুমার সেওদার আরও দাবি, সেই পরিস্থিতির মধ্যেই প্রথম খুঁটিপুজো করা হয়েছিল। তবে তাঁর মতে, প্রচলিত নিয়ম মেনে সেই খুঁটিপুজো হয়নি। সাধারণত নির্দিষ্ট দিক মেনে খুঁটিপুজো করা হয়। শিল্পীর পরামর্শ এবং ধর্মীয় নিয়ম মেনে তাই নতুন করে দ্বিতীয়বার খুঁটিপুজোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।বর্তমান পুজো কমিটির আরও অভিযোগ, প্রথম খুঁটিপুজোর সময় মণ্ডপের দেওয়ালে এমন কিছু চিত্র ব্যবহার করা হয়েছিল, যা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। এই অভিযোগের জন্য তাঁরা আগের কমিটির ভূমিকার সমালোচনা করেছেন। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের প্রতিক্রিয়া এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।এবার পুজো কমিটিতে একাধিক পরিবর্তন হয়েছে। নতুন শিল্পী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন সুশান্ত শিবানী পাল। মণ্ডপের মূল ভাবনা এখনও প্রকাশ করা হয়নি। উদ্যোক্তাদের আশা, এ বছরের আয়োজনও কলকাতার অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠবে এবং বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থীর সমাগম হবে।

জুলাই ২৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ঋতুস্রাব চলাকালীনই জীবনের সেরা পারফরম্যান্স! ভারতীয় ক্রীড়াবিদের কীর্তিতে গর্বিত দেশ

ভারতের ভারোত্তোলক জ্ঞানেশ্বরী যাদব কমনওয়েলথ গেমসে অসাধারণ পারফরম্যান্স করে রুপোর পদক জিতেছেন। শুধু পদকই নয়, এই প্রতিযোগিতায় তিনি নিজের কেরিয়ারের সেরা পারফরম্যান্সও করেছেন। পরে তিনি জানান, প্রতিযোগিতার দিনই তাঁর ঋতুস্রাবের প্রথম দিন ছিল। সেই শারীরিক অস্বস্তির মধ্যেও তিনি দেশের জন্য লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন।মহিলাদের তিপ্পান্ন কেজি বিভাগে নেমে শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী দেখায় জ্ঞানেশ্বরীকে। স্ন্যাচ বিভাগে তিনি প্রথমে আটাশি কেজি এবং পরে তিরানব্বই কেজি ওজন তোলেন। এই তিরানব্বই কেজি ছিল প্রতিযোগিতায় নতুন রেকর্ড। এরপর ক্লিন অ্যান্ড জার্ক বিভাগে তিনি একশো তিন, একশো চার এবং শেষ প্রচেষ্টায় একশো এগারো কেজি ওজন সফলভাবে তোলেন। সব মিলিয়ে তিনি মোট একশো নিরানব্বই কেজি ওজন তুলে রুপোর পদক নিশ্চিত করেন। সোনার লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত নাইজেরিয়ার প্রতিযোগীর কাছে পিছিয়ে পড়লেও তাঁর পারফরম্যান্স প্রশংসা কুড়িয়েছে।পদক জয়ের পর জ্ঞানেশ্বরী জানান, প্রতিযোগিতার দিনই তাঁর ঋতুস্রাব শুরু হয়েছিল। তিনি বলেন, শরীর কতটা সাড়া দেবে, তা নিয়ে তাঁর সংশয় ছিল। তবুও তিনি নিজের সর্বস্ব উজাড় করে দিয়েছেন এবং নিজের সেরা পারফরম্যান্স করতে পেরেছেন।জ্ঞানেশ্বরীর এই লড়াই শুধু একটি পদক জয়ের গল্প নয়, মানসিক দৃঢ়তা এবং আত্মবিশ্বাসেরও এক অনন্য উদাহরণ। শারীরিক অস্বস্তিকে উপেক্ষা করে দেশের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করার এই ঘটনা বহু তরুণীর কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।উল্লেখ্য, সম্প্রতি চিনের এক মহিলা ম্যারাথন দৌড়বিদও ঋতুস্রাব চলাকালীন প্রতিযোগিতা শেষ করে আলোচনায় এসেছিলেন। জ্ঞানেশ্বরীর এই সাফল্যও দেখিয়ে দিল, শারীরিক স্বাভাবিক পরিবর্তন কোনও নারীর স্বপ্ন বা সাফল্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না।

জুলাই ২৯, ২০২৬
দেশ

গাড়ির মাইলেজ নিয়ে সব বিতর্কের মাঝেই বড় ঘোষণা! সংসদে স্পষ্ট জানাল কেন্দ্র

ইথানল মিশ্রিত পেট্রল ব্যবহার করলে গাড়ির মাইলেজ কমে যায় এবং ইঞ্জিনের ক্ষতি হয় এমন অভিযোগ গত কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন মহলে উঠেছে। এবার এই বিতর্ক নিয়ে সংসদে মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণমন্ত্রী নীতীন গড়করি। তিনি জানিয়েছেন, সরকারি পরীক্ষায় এমন কোনও প্রমাণ মেলেনি যে ইথানল মিশ্রিত পেট্রল ব্যবহারের ফলে ইঞ্জিন বিকল হয় বা মাইলেজ কমে যায়।লোকসভায় লিখিত উত্তরে কেন্দ্র জানিয়েছে, ইথানল মিশ্রিত জ্বালানি নিয়ে একাধিক বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা, পরীক্ষাগারভিত্তিক বিশ্লেষণ এবং বাস্তব পরিস্থিতিতে দীর্ঘ সময় ধরে পরীক্ষা করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়েও এই জ্বালানি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই সব পরীক্ষায় গাড়ির ইঞ্জিনের ক্ষতি বা মাইলেজ কমে যাওয়ার কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে সরকারের দাবি।এর আগে এক সাংবাদিক দাবি করেছিলেন, সরকার নির্ধারিত ইথানল মিশ্রিত পেট্রল ব্যবহার করার পর তাঁর গাড়ির মাইলেজ অনেকটাই কমে গিয়েছে। সেই প্রসঙ্গে নীতীন গড়করি বলেছিলেন, সাধারণভাবে গাড়ির মালিকেরা নিজেরা সঠিকভাবে মাইলেজ পরিমাপ করতে পারেন না। তাঁর মতে, অনুমোদিত পরিষেবা কেন্দ্রের নির্দিষ্ট যন্ত্রের মাধ্যমে পরীক্ষা করলেই প্রকৃত ফল জানা সম্ভব।কেন্দ্রের দাবি, কয়েক বছর ধরে দুই চাকা ও চার চাকার বিভিন্ন গাড়িতে এই জ্বালানির ব্যবহার পরীক্ষা করা হয়েছে। সেই পরীক্ষায় মাইলেজ কমে যাওয়া বা ইঞ্জিনের ক্ষতির কোনও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।অন্যদিকে, সম্প্রতি প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ইথানল মিশ্রিত পেট্রল নিয়ে এখনও অনেক গাড়ির মালিকের মধ্যে সংশয় রয়েছে। সমীক্ষা অনুযায়ী, অনেকেই মনে করছেন এই জ্বালানি ব্যবহার করলে গাড়ির মাইলেজ কমতে পারে। যদিও এই আশঙ্কার সঙ্গে একমত নয় কেন্দ্র। সরকারের বক্তব্য, বর্তমান পর্যন্ত হওয়া বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার ফলাফলে এমন কোনও অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়নি।

জুলাই ২৯, ২০২৬
রাজ্য

ইসকনের রান্না, কিন্তু পড়ুয়াদের পাতে থাকবে ডিম! বড় সিদ্ধান্তে চমক

আগামী ১ আগস্ট থেকে রাজ্যের সরকারি স্কুলগুলিতে মিড ডে মিল ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে। খাবার পরিবেশনের দায়িত্ব থাকবে ইসকনের হাতে। তবে এই সিদ্ধান্তের ফলে পড়ুয়াদের ডিম থেকে বঞ্চিত হতে হবে না বলে জানিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন, ইসকনের দেওয়া নিরামিষ খাবারের পাশাপাশি আলাদা করে পড়ুয়াদের সেদ্ধ ডিম দেওয়া হবে।বুধবার নবান্নে সরকারি স্কুলগুলির জন্য একাধিক ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, এতদিন প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক স্তরে মিড ডে মিলের বরাদ্দে পার্থক্য ছিল। সেই বৈষম্য দূর করে এখন থেকে প্রাথমিক স্তরেও মাথাপিছু দশ টাকা বরাদ্দ করা হবে। আগামী ১ আগস্ট থেকেই নতুন এই ব্যবস্থা কার্যকর হবে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ইসকন পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত নিরামিষ খাবার পরিবেশন করবে। পাশাপাশি পড়ুয়াদের প্রয়োজনীয় প্রোটিনের কথা মাথায় রেখে আলাদা করে সেদ্ধ ডিম দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। সপ্তাহে এক দিন বা দুই দিন ডিম দেওয়া হবে বলে সরকার জানিয়েছে।এর আগে কলকাতার কয়েকটি স্কুলে পরীক্ষামূলকভাবে এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। এবার সেই প্রকল্প রাজ্যের অন্যান্য জেলার সরকারি স্কুলেও চালু করা হবে। ইসকনকে মিড ডে মিলের দায়িত্ব দেওয়া নিয়ে নিরামিষ খাবার এবং প্রোটিনের ঘাটতি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। নতুন ঘোষণার পর সেই বিতর্ক অনেকটাই প্রশমিত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।এ দিন মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, মিড ডে মিল রান্নার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের মাসিক ভাতা দুই হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে তিন হাজার টাকা করা হচ্ছে। আগামী ১ আগস্ট দুপুর বারোটায় এই নতুন প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে।

জুলাই ২৯, ২০২৬
রাজ্য

বেতন, ডিএ, পেনশন— সবকিছুর আগে বড় রদবদল সপ্তম বেতন কমিশনে

রাজ্য সরকারের সপ্তম বেতন কমিশনে বড় পরিবর্তন করা হয়েছে। কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে অতনু চক্রবর্তীর পরিবর্তে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন আইএএস অফিসার নবীন প্রকাশকে। তবে চেয়ারম্যান পরিবর্তন হলেও কমিশনের কাজের পরিধি, শর্ত এবং নীতিতে কোনও পরিবর্তন করা হয়নি।গত বাইশ জুলাই রাজ্য সরকার সপ্তম বেতন কমিশনের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছিল। তখন জানানো হয়েছিল, অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অফিসার এবং অর্থমন্ত্রকের প্রাক্তন সচিব অতনু চক্রবর্তী কমিশনের চেয়ারম্যান হবেন। কিন্তু মাত্র আট দিনের মধ্যেই সেই সিদ্ধান্তে পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন নবীন প্রকাশ।রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকেই সরকারি কর্মীদের মধ্যে নতুন বেতন কমিশন এবং মহার্ঘ ভাতা নিয়ে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। সেই প্রেক্ষিতে নতুন সরকারের প্রথম বাজেটে সরকারি কর্মীদের জন্য বড় ঘোষণা করা হয়। অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত মহার্ঘ ভাতা এক ধাক্কায় কুড়ি শতাংশ বাড়ানোর ঘোষণা করেন। একই দিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, খুব দ্রুত সপ্তম বেতন কমিশন গঠন করা হবে। সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কমিশন গঠন করা হয়েছে।এই কমিশনের দায়িত্ব হবে সরকারি, সরকার পোষিত এবং আধা সরকারি কর্মীদের বেতন কাঠামো, পদোন্নতি, পেনশন এবং মহার্ঘ ভাতা সংক্রান্ত সুপারিশ করা। এছাড়া পেনশনভোগীদের ভাতা বৃদ্ধির বিষয়ও কমিশন পর্যালোচনা করবে।রাজ্য সরকার কমিশনকে আগামী ছয় মাসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, নতুন বেতন কাঠামোর সুপারিশ করার আগে একই পদে কর্মরত কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বেতন কাঠামোও খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে নতুন বেতন কাঠামোর অপেক্ষায় থাকা রাজ্য সরকারি কর্মীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।

জুলাই ২৯, ২০২৬
রাজ্য

মাত্র তিন মাসে ফের মৃত্যু! খড়্গপুরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যাপকের ঝুলন্ত দেহ ঘিরে চাঞ্চল্য

খড়্গপুরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফের এক অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে আবারও ক্যাম্পাসে মৃত্যু ঘিরে উদ্বেগ বাড়ল। এবার এক অধ্যাপকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে কর্মী আবাসন থেকে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত অধ্যাপকের নাম দীপক রেড্ডি। তাঁর বয়স পঁচিশ বছর। তিনি বিদ্যুৎ প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। তাঁর বাড়ি হায়দরাবাদে। বুধবার ক্যাম্পাসের কর্মী আবাসনের একটি ঘর থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই আবাসনে তিনি একাই থাকতেন। কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তিনি মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন কি না, সেই দিক-সহ সমস্ত সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।উল্লেখ্য, চলতি বছরের এপ্রিল মাসেও একই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দুই ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছিল। প্রথমে এক তৃতীয় বর্ষের ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনা সামনে আসে। পরে আর এক ছাত্রের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় হস্টেল থেকে। সেই ঘটনাগুলি নিয়ে তদন্ত এখনও বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে।পরপর এই ধরনের মৃত্যুর ঘটনায় ক্যাম্পাসে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে বর্তমান ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনও পুলিশ বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কোনও চূড়ান্ত বক্তব্য জানানো হয়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং তদন্তের পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে।

জুলাই ২৯, ২০২৬
রাজ্য

ট্রাঙ্ক খুলতেই চোখ কপালে! কোটি কোটি টাকা আর তাল তাল সোনা উদ্ধারে তোলপাড় বীরভূম

বীরভূমের মহম্মদবাজারে এক পাথর ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা ও সোনা উদ্ধারের দাবি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তদন্তকারী সংস্থার অভিযানে একটি ট্রাঙ্ক থেকে বিপুল সম্পদ উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া সোনার মূল্য দশ কোটিরও বেশি এবং নগদ টাকার পরিমাণ পাঁচ কোটিরও বেশি বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই অঙ্কের সরকারি নিশ্চিতকরণ এখনও সামনে আসেনি।স্থানীয় সূত্রের দাবি, মঙ্গলবার গভীর রাতে বিশাল পুলিশ বাহিনী ব্যবসায়ী মিনার মণ্ডলের বাড়ি ঘিরে ফেলে। এরপর শুরু হয় দীর্ঘ তল্লাশি অভিযান। সেই সময় বাড়ির ভিতর থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধার হয় বলে জানা যায়। এই বিপুল অর্থের উৎস কী, তা জানতে মিনার মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্তকারীরা।স্থানীয়দের দাবি, মিনার মণ্ডল এক সময় সরকারি বাসের চালক ছিলেন। পরে তিনি পাথর ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হন। ধীরে ধীরে এই ব্যবসাতেই সক্রিয় হয়ে ওঠেন বলে এলাকায় প্রচলিত ধারণা।ঘটনাস্থলে এখনও পুলিশ এবং পদস্থ আধিকারিকরা রয়েছেন। তবে কোন মামলার ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয়েছে এবং এই বিপুল সম্পদের সঙ্গে অন্য কোনও বেআইনি কর্মকাণ্ডের যোগ রয়েছে কি না, সে বিষয়ে পুলিশ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। ফলে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্তের দিকেই নজর রয়েছে।এই ঘটনার পর এলাকায় নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এত বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা ও সোনা দীর্ঘদিন ধরে বাড়িতে থাকলে তা আগে নজরে এল না কেন, সেই প্রশ্নও তুলছেন অনেকে। তবে এই বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি মন্তব্য সামনে আসেনি। তদন্ত শেষ হলে তবেই বিষয়টি স্পষ্ট হবে।এদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেছেন। সেই পোস্ট ঘিরেও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ২৯, ২০২৬
রাজ্য

পুজোর আগেই বেতন, সঙ্গে ২০% অতিরিক্ত ডিএ! উৎসবের মরশুমে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বড় সুখবর

পুজোর আনন্দের আগেই রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড় ঘোষণা। উৎসবের মরশুম শুরু হওয়ার আগেই অক্টোবর মাসের বেতন হাতে পাওয়ার পাশাপাশি মিলবে অতিরিক্ত ২০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা (ডিএ)। মঙ্গলবার ভবানী ভবনে আয়োজিত এক সরকারি কর্মসূচিতে এমনই বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।এতদিন পর্যন্ত রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের অক্টোবর মাসের বেতনের সঙ্গে বর্ধিত ডিএ পাওয়ার কথা ছিল নভেম্বর মাসে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর নতুন ঘোষণায় সেই সময়সীমা এগিয়ে আনার ইঙ্গিত মিলেছে। অর্থাৎ, পুজোর মাসে উৎসবের আগেই সরকারি কর্মচারীদের হাতে পৌঁছতে পারে অক্টোবরের বেতন এবং ঘোষিত অতিরিক্ত ডিএ।মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এ বিষয়ে ইতিমধ্যেই অর্থসচিব এবং অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। তাঁর নির্দেশ, পুজোর মাসে যাতে কর্মচারীরা উৎসবের আগেই অক্টোবর মাসের বেতন পান এবং একই সঙ্গে ঘোষিত ২০ শতাংশ অতিরিক্ত ডিএ-ও তাঁদের দেওয়া যায়, সেই ব্যবস্থা করতে হবে।সরকারি কর্মচারীদের ডিএ-র প্রসঙ্গ তুলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে রাজ্য সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতার যে ব্যবধান রয়েছে, তা একসঙ্গে পূরণ করা সম্ভব নয়। ধাপে ধাপে সেই ব্যবধান কমানোর লক্ষ্যেই সরকার এগোচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিনের এই ব্যবধান একদিনে মেটানো সম্ভব নয়, তবে কর্মচারীদের বিষয়টি সরকারের নজরে রয়েছে।চলতি বছর বিধানসভা নির্বাচনের সময় কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ-র ব্যবধান ছিল ৪২ শতাংশ বলে দাবি করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে রাজ্য বাজেটে অর্থমন্ত্রী ২০ শতাংশ অতিরিক্ত ডিএ দেওয়ার ঘোষণা করেন। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অক্টোবর মাসের বেতনের সঙ্গে নভেম্বর মাসে বর্ধিত ডিএ দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তবে মুখ্যমন্ত্রীর মঙ্গলবারের ঘোষণায় সেই অর্থপ্রদানের সময় এগিয়ে আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।ফলে পুজোর আগে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের হাতে একসঙ্গে বেতন ও বর্ধিত ডিএ পৌঁছলে উৎসবের মরশুমে তাঁদের আর্থিক স্বস্তি অনেকটাই বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে পুজোর আগে বাড়তি খরচের সময়ে এই অতিরিক্ত অর্থ কর্মচারীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।তবে শুধু ডিএ নয়, সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের আর একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবিবেতন কমিশন নিয়েও এদিন সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, অন্যান্য রাজ্যে অষ্টম বেতন কমিশন চালুর প্রক্রিয়া শুরু হলেও রাজ্যে এখনও সপ্তম বেতন কমিশন কার্যকর হয়নি। সেই লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই সপ্তম বেতন কমিশন গঠন করা হয়েছে। কমিশনের রিপোর্ট সরকারের হাতে এলেই তা কার্যকর করার বিষয়ে পদক্ষেপ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।ফলে একদিকে পুজোর আগেই অক্টোবরের বেতন ও ২০ শতাংশ অতিরিক্ত ডিএ পাওয়ার সম্ভাবনা, অন্যদিকে সপ্তম বেতন কমিশন কার্যকর করার আশ্বাসদুই ঘোষণাকে ঘিরেই রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। এখন নজর থাকবে, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী পুজোর আগেই বেতন ও বর্ধিত ডিএ প্রদানের বিষয়ে অর্থ দফতর কী নির্দেশিকা জারি করে।

জুলাই ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal