• ১৯ কার্তিক ১৪৩৩, সোমবার ০৯ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Rain Forecast

রাজ্য

কালীপুজোর আগেই নামবে পারদ! ৪ ডিগ্রি পর্যন্ত কমতে পারে তাপমাত্রা, পুজোর পরেই বৃষ্টিতে ভিজবে বাংলা

কালীপুজোর আগেই বদলাতে চলেছে বাংলার আবহাওয়া। শনিবার থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যের তাপমাত্রা ২ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমতে পারে। ফলে সকাল ও সন্ধ্যায় আবহাওয়া থাকবে বেশ মনোরম। পশ্চিমের জেলাগুলিতে হালকা শীতের আমেজও অনুভূত হতে পারে। তবে স্বস্তি বেশিদিন স্থায়ী হবে না। কালীপুজো মিটতেই দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। বৃষ্টি চলবে উত্তরবঙ্গেও।হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, উত্তরবঙ্গে নতুন করে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি অসমের ঘূর্ণাবর্তের প্রভাব পড়েছে সংলগ্ন বাংলাদেশেও। এই দুইয়ের প্রভাবে সপ্তাহের শুরু থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।রবিবার কালীপুজোর দিন পর্যন্ত মূলত শুষ্ক থাকবে আবহাওয়া। তবে সোমবার থেকেই আবহাওয়ার পরিবর্তন শুরু হবে। কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, নদিয়া ও মুর্শিদাবাদে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে।মঙ্গলবার থেকে বৃষ্টির সম্ভাবনা আরও বাড়বে। উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর ও পশ্চিম মেদিনীপুরে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। কোথাও কোথাও ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে।অন্য দিকে, উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। মঙ্গলবার উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। কয়েকটি জায়গায় দমকা হাওয়াও বইতে পারে। বুধবার দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।এ দিকে ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও আপাতত তাপমাত্রা কমার কারণে সকাল ও রাতের দিকে শীতের আমেজ বাড়বে। আবহবিদদের মতে, ঘূর্ণাবর্তের প্রভাব কেটে গেলে রাজ্যে শীতের অনুভূতি আরও বাড়তে পারে।আজ কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ শহরে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। আকাশ মূলত পরিষ্কার থাকবে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
রাজ্য

আগামীকাল থেকেই আবহাওয়ার মেগা বদল, তুফানি তান্ডব বাংলা জুড়ে, কোন কোন জেলায় তুমুল বৃষ্টিপাত?

আবারও বদলাতে চলেছে বঙ্গের আবহাওয়া। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী ২২ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর রাজ্যের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একইসঙ্গে বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে বলে আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে।ভারতীয় আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২২ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর দক্ষিণবঙ্গের কিছু এলাকায় বৃষ্টির তীব্রতা বাড়তে পারে। বিশেষ করে উপকূলবর্তী পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময় উপকূলবর্তী এলাকায় ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।বঙ্গোপসাগরেও তৈরি হতে পারে প্রতিকূল পরিস্থিতি। সমুদ্র উত্তাল থাকার সম্ভাবনা থাকায় ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই যারা সমুদ্রে রয়েছেন, তাঁদেরও দ্রুত নিরাপদ স্থানে ফিরে আসতে এবং সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও আবহাওয়ার পরিবর্তন অব্যাহত থাকতে পারে। বিভিন্ন এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। ফলে খোলা জায়গায় এবং গাছপালা বা দুর্বল কাঠামোর আশপাশে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।শুধু দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ২৩ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদাতেও প্রতিকূল আবহাওয়া তৈরি হতে পারে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ফলে আগামী কয়েক দিন রাজ্যের দুই প্রান্তেই আবহাওয়ার উপর নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে। তাই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সময় প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোনো এবং স্থানীয় প্রশাসন ও আবহাওয়া দফতরের সতর্কবার্তা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
রাজ্য

বসন্তে ভ্যাপসা গরমের পর আচমকা বৃষ্টি! রবিবার থেকে ভিজবে দক্ষিণ-উত্তরবঙ্গ

ভরা বসন্ত চললেও আবহাওয়ায় তার ছাপ নেই। একদিকে ভ্যাপসা গরম, অন্যদিকে আবার বৃষ্টির পূর্বাভাস। ফলে ফাল্গুনের আমেজ অনেকটাই উধাও। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রবিবার থেকে বুধবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি হতে পারে। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গ দুই প্রান্তেই বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। তাপমাত্রা স্বাভাবিকের কাছাকাছি থাকলেও গরমের অস্বস্তি বজায় থাকবে। শনিবার থেকে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। সোমবার থেকে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।এই বৃষ্টির কারণ হিসাবে জানানো হয়েছে, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও সংলগ্ন বাংলাদেশে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। উত্তর-পূর্ব বাংলাদেশেও রয়েছে আর একটি ঘূর্ণাবর্ত। পাশাপাশি জম্মু-কাশ্মীর সংলগ্ন এলাকায় একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা সক্রিয় রয়েছে। শুক্রবার উত্তর-পশ্চিম ভারতে আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকতে পারে। এই সব কিছুর প্রভাবেই আবহাওয়ার পরিবর্তন।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আকাশ পরিষ্কার থাকবে। আপাতত বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তবে রাতের তাপমাত্রা আগামী দুদিন সামান্য বাড়বে। দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের কাছাকাছি থাকবে। শীতের আমেজ পুরোপুরি উধাও। শহরে বাড়ছে উষ্ণতার ছোঁয়া।রবিবার ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ও মঙ্গলবার পূর্ব-পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব-পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া ও হুগলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে। বুধবার বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি হতে পারে।উত্তরবঙ্গেও রবিবার থেকে আবহাওয়ার বদল। দার্জিলিং, কালিম্পং ও জলপাইগুড়িতে বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। সোমবার ও মঙ্গলবার দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর ও আলিপুরদুয়ার জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।আজ সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল একুশ দশমিক ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল বত্রিশ দশমিক ছয় ডিগ্রি। আগামী কয়েক দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বাইশ থেকে তেইশ ডিগ্রি এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা তেত্রিশ থেকে চৌত্রিশ ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ছাব্বিশ থেকে নব্বই শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে।সব মিলিয়ে বসন্তের মাঝেই গরম ও বৃষ্টির পালাবদলে অস্বস্তিকর আবহাওয়া থাকতে চলেছে রাজ্যে। রবিবার থেকে ছাতা সঙ্গে রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ বলেই মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।

মার্চ ০৫, ২০২৬
রাজ্য

আবহাওয়া হাওয়া অফিসের সতর্কবার্তা: সোমবার ও মঙ্গলবার বৃষ্টি বেশি সম্ভাবনা

আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী সপ্তাহের শুরুতে বঙ্গের সাত জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং ও জলপাইগুড়িতে হালকা বৃষ্টিপাত হতে পারে।দু-দিনের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বাড়তে পারে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, তাপমাত্রা আগামী দুই দিনের মধ্যে আরও দুই ডিগ্রি বৃদ্ধি পাবে।হাওয়া অফিস জানিয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ শক্তি হারিয়ে ঘূর্ণাবর্তে পরিণত হয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন ভারত মহাসাগর এলাকায় একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে, যা উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হবে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় এটি পূর্ব ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করবে। সোমবার ও মঙ্গলবার বঙ্গের ওড়িশা সংলগ্ন উপকূলীয় জেলাগুলিতে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা বেশি।এদিকে দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের উপরে উঠেছে। কলকাতায় রাতের তাপমাত্রা বাড়ছে, দিনের তাপমাত্রা ইতিমধ্যেই ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পেরিয়েছে। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৬ ডিগ্রি এবং আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯.৫ ডিগ্রি।উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কালিম্পং-এও সামান্য বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং ও পার্বত্য অঞ্চলে আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা থাকবে ৬ থেকে ৮ ডিগ্রির মধ্যে। শিলিগুড়ি, মালদহ ও সংলগ্ন জেলায় তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করবে ১৬ থেকে ১৯ ডিগ্রির মধ্যে। একের পর এক পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে এই বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
রাজ্য

ঝলসে যাওয়া আগুনে জ্বালাপোড়া দহন থেকে মুক্তি! ঝড়-বৃষ্টি কোন কোন জেলায়?

তাহলে কি জ্বালাপোড়া গরম থেকে মুক্তি পেতে চলেছে বাংলা। বৈশাখের শেষেই স্বস্তির খবর দিয়েছে হাওয়া অফিস। আগামী ৬-৮ দিন তাপমাত্রা কমতে পারে ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পাশাপাশি রয়েছে বৃষ্টির পূর্বাভাস।আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সোমবার থেকে তাপপ্রবাহের সম্ভাবনা কম। রাজ্য জুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। এতদিন শুষ্ক পশ্চিমা এবং উত্তর-পশ্চিমা বাতাস ঢুকছিল বাংলায়। এখন হাওয়া বদল হচ্ছে। বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে। কাছাকাছি ঘূর্ণাবর্ত বা নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। সে কারণেই বৃষ্টির উপযোগী পরিস্থিতি তৈরি করেছে।দক্ষিণের বেশ কিছু জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, নদিয়া এবং দুই ২৪ পরগনায় বৃষ্টি হতে পারে। সোমবার এবং মঙ্গলবার দক্ষিণের সর্বত্র বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা। সঙ্গে দোসর হবে দমকা ঝোড়ো হাওয়া। কোথাও কোথাও কালবৈশাখীর সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী বুধ-বৃহস্পতিবারও বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণ বঙ্গের একাধিক জেলায়। তবে বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা সোম-মঙ্গলবার।দক্ষিণবঙ্গের ৬টি জেলায় কালবৈশাখীর সতর্কতা জারি হয়েছে। দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, বর্ধমান, নদিয়া, মুর্শিদাবাদে জারি কালবৈশাখী ঝড়ের সতর্কতা। সপ্তাহের প্রথম দিন সোমবার কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ভারী বৃষ্টি হতে পারে বীরভূম ও মুর্শিদাবাদ জেলায়। দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতেও আগামিকাল ঝড়-বৃষ্টির দাপট থাকবে।উপকূলের জেলাগুলিতে বাড়তি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সমুদ্র উত্তাল হতে শুরু করবে আগামী মঙ্গলবার থেকেই। মৎস্যজীবীদের তার আগেই ফিরে আসতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আপাতত আগামী বুধবার পর্যন্ত এই দুর্যোগ চলবে বলে জানা গিয়েছে। ঝড়-বৃষ্টির হাত ধরেই অসহ্য গরম থেকে বেশ কিছুটা মুক্তির স্বাদ মিলবে।

মে ০৫, ২০২৪
রাজ্য

দাবদাহে পুড়ছে দক্ষিণবঙ্গ, স্বস্তি মিলতে পারে আগামিকাল থেকে

রাজ্যে তীব্র গরমের ঝোড়ো ব্যাটিং এবার বন্ধ হতে চলেছে। আগামিকাল রবিবার থেকে এরাজ্যের আবহাওয়ার পরিবর্তন হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এমনকী কালবৈশাখী ঝড়ও হতে পারে কয়েকটি জেলায়। আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, রবিবার থেকেই কলকাতাসহ আশপাশেরে জেলা, বীরভূম, নদিয়া, মুর্শিদাবাদসহ কয়েকটি জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি হতে পারে। আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। ৫০-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে বলেও জানিয়েছে হাওয়া অফিস। পাশাপাশি পূবালি হাওয়ার জন্যই রাজ্যে জলীয় বাষ্প ঢুকে কালবৈশাখী হওয়ার সম্ভাবনা আছে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, দুই দুনাজপুর, মালদায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।টানা গ্রীষ্মের দহনে দক্ষিণবঙ্গ পুড়ছে। সূর্য উঁকি দিতেই রাস্তাঘাট ফাকা হয়ে যাচ্ছে। সরকারি স্কুলগুলিতে ২ মে থেকেই গরমের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। বেসরকারি স্কুলে অনলাইন ক্লাস চলছে। মোদ্দা কথা তীব্র গরমে নাজেহাল অবস্থা আপামর বঙ্গবাসীর। সেই অস্বস্তি থেকে মুক্তি মিলতে পারে। চাতক পাখির মতো আকাশের দিকে হা করে রয়েছে মানুষজন।

এপ্রিল ২৯, ২০২২
রাজ্য

বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টির পূর্বাভাস রাজ্যে, বাড়ছে তাপমাত্রাও

বুধবার সকাল থেকেই ফের মুখভার শহরের। বৃহস্পতি ও শুক্রবার রাজ্যে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুরের হাওয়া অফিস। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি এবং উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর-সহ মালদহ জেলাতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বৃহস্পতিবার থেকে। শুক্রবার বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে উত্তরবঙ্গে। দক্ষিণবঙ্গও মুক্তি পাচ্ছে না বৃষ্টি হাত থেকে।হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, উত্তর-পশ্চিম ভারতে নতুন করে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকছে বুধবার রাত থেকে। এর ফলে বুধবার বৃষ্টি এবং তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে জম্মু-কাশ্মীর, লাদাখ এবং মুজাফফরাবাদে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বৃষ্টি তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে হিমাচলপ্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডে। এরই প্রভাব পড়তে পারে বাংলায়।আলিপুর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যাচ্ছে, বুধবার কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ২ ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.৯ ডিগ্রি, স্বাভাবিকের চেয়ে ১ ডিগ্রি কম। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়নি। আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, ফের পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ও পূবালি হাওয়ার সংঘাতে বৃষ্টি হতে পারে রাজ্যে। বাংলাদেশের উপর ঘূর্ণাবর্ত, যার কারণে বাংলাদেশ সংলগ্ন জেলাগুলিতে আংশিক মেঘলা আকাশের সম্ভাবনা। পশ্চিমের জেলা পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়াতে বৃহস্পতিবার হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস। পশ্চিমের এই জেলাগুলিতে শুক্রবার মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। হালকা বৃষ্টি পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, হাওড়া, কলকাতায় জেলায়। উপকূলের জেলাগুলিতে মেঘলা আকাশ হলেও বৃষ্টির সম্ভাবনা কম।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২২
রাজ্য

ঝাড়খণ্ডে তৈরি ঘূর্ণাবর্তের জেরে সপ্তাহান্তে বৃষ্টির ইঙ্গিত বঙ্গে

আর মাত্র একদিন। তারপর উধাও হতে চলেছে। শুক্রবারের পর শনিবার আকাশ পরিষ্কার থাকবে। রাতের তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করেছে। বসন্ত সমাগমের এই আবহে বর্ষণের সম্ভাবনা জোরদার হয়েছে গাঙ্গেয় বঙ্গের একাংশে। সম্ভাব্য এক ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে ফের এক দফা বৃষ্টি শুধু নয়, রীতিমতো বজ্রগর্ভ মেঘ সৃষ্টির ইঙ্গিত দেখছে হাওয়া অফিস।শুক্রবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের থেকে যা দুডিগ্রি নীচে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ১৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের থেকে যা-ও দুডিগ্রি কম।আবহবিদেরা জানাচ্ছেন, রবিবার কলকাতা-সহ রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে তেমন বৃষ্টি হবে না। আলিপুর হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, ঝাড়খণ্ডের উপরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হতে পারে। তার টানে বঙ্গোপসাগর থেকে দক্ষিণবঙ্গের পরিমণ্ডলে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকবে। এবং সেই জলীয় বাষ্প থেকেই স্থানীয় ভাবে বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হয়ে বৃষ্টি হতে পারে।শীত ভাল করে অনুভূত হওয়ার আগেই বিদায় নিয়েছে। বঙ্গে কার্যত শীত বিদায় নেবে অকালবৃষ্টির সৌজন্যে, অন্তত এমনটাই বলছেন আবহবিদদের একাংশ। শনিবার থেকেই মেঘে ঢাকতে শুরু করবে আকাশ। রবি ও সোমবার রাজ্যের সব জেলাতেই বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২২
রাজ্য

বিদায়ের আগে মাঘের শেষে বঙ্গে হিমেল পরশ

মাঘের শেষে বঙ্গে হিমেল পরশ। বেশ ভালই অনুভূত হচ্ছে । পশ্চিমী ঝঞ্ঝার রেশ কাটিয়ে ফের ছন্দে ফিরতে শুরু করেছে শীত। তবে সেই শীতও আর স্থায়ী হবে না। অর্থাৎ, বঙ্গে কার্যত শীত বিদায় নেবে অকালবৃষ্টির সৌজন্যে, অন্তত এমনটাই বলছেন আবহবিদদের একাংশ। আবারও বৃষ্টির পূর্বাভাস বাংলায় । নেপথ্যে ফের এক পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। সঙ্গে বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে উচ্চচাপ বলয়। আর এই দুইয়ের জোড়া ঠেলায় রাজ্যে ঢুকবে জলীয় বাষ্প। আর তার জেরে বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। রবিবার ও সোমবার বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে রাজ্যে। রাজ্যের প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, পশ্চিমী ঝঞ্জা কাটিয়ে তাপমাত্রার পারদ ছিল নিম্নমুখী। বেশ কয়েকদিন ধরে শীতের আমেজ ছিল রাজ্যজুড়ে। বৃহস্পতিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯২ শতাংশ। বুধবারও তাপমাত্রার বিশেষ হেরফের হয়নি। আপাতত শনিবার পর্যন্ত বিশেষ তাপমাত্রার পরিবর্তন হবে না। তবে, রবিবার থেকে ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করবে তাপমাত্রা।এই দুই বিপরীতধর্মী বাতাসের সংঘর্ষের ফলে রাজ্যের আকাশে বজ্রগর্ভ মেঘের সৃষ্টি হবে। এর পাশাপাশি এখন ফেব্রুয়ারি অর্ধেক অতিক্রম করে আমরা এখন মার্চের দিকে যাচ্ছি। ফলে কালবৈশাখীর মতো ঝড়ের উপদ্রব হতে পারে। তবে, ধীরে ধীরে মার্চের মাঝামাঝি থেকেই রাজ্যে গ্রীষ্ম অনুভূত হতে শুরু করবে। মরশুমি হিসেবে শীতের বিদায় নেওয়ার পালা এসে গিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২২
রাজ্য

আজ শহরতলীতে ঝেঁপে বৃষ্টি আসতে চলেছে

জাঁকিয়ে মরশুমি শীতের আশা কার্যত ছেড়েই দিয়েছে বঙ্গবাসী। একটানা পর পর পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে শীত কার্যত ছুটি নিয়েছে। শেষ মাঘেও কার্যত বৃষ্টি। খনার বচন বলে, ধন্য রাজার পুণ্য দেশ, যদি বর্ষে মাঘের শেষ। বৃহস্পতিবারও গোটা রাজ্যেই ফের বৃষ্টি হতে পারে বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। আর কয়েকঘণ্টার মধ্যেই কলকাতা-সহ সমস্ত শহরতলীতেই ঝেঁপে বৃষ্টি আসতে চলেছে।আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, এদিকে রাজ্যে আগামী কয়েকদিনে, শীতের প্রভাব আরও কমবে। রাতের তাপমাত্রা আগামী তিন দিনে দুই থেকে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়বে। একইসঙ্গে বৃষ্টির দাপট দেখা যাবে উত্তরের জেলাগুলিতেও। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পঙের মতো পাহাড়ি জেলাগুলিতে আগামী তিন থেকে চার দিন হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।জানা গিয়েছে,বৃহস্পতিবার, কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৮ শতাংশ। ইতিমধ্যেই বাতাসে ঝঞ্ঝার প্রভাবে বেড়েছে জ্বলীয় বাষ্পের পরিমাণ। কলকাতায় এদিন বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা। গোটা দিনই মেঘলা থাকবে আকাশ। আপাতত শীত ফিরছে না বঙ্গে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
রাজ্য

শীতের আমেজেই ফের বৃষ্টির আশঙ্কা

তাপমাত্রা বাড়লেও রাজ্যে বজায় শীতের আমেজ। তবে শীত স্থায়ী হবে না বেশিদিন। বৃহস্পতিবার থেকেই আবারও বৃষ্টিতে ভিজবে বাংলা। সেই সঙ্গে বাড়বে রাতের তাপমাত্রাও। তবে, বুধবার পর্যন্ত অর্থাৎ আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। আবহাওয়া মোটের উপর শুষ্কই থাকবে। তবে এখনই রেহাই নেই। বৃহস্পতিবার অর্থাৎ, ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ফের ভিজতে পারে দক্ষিণের জেলাগুলি। এমনটাই জানিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস।আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪.৯ ডিগ্রি সেলিসয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৪.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। মঙ্গলবার বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতার সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৭ শতাংশ। আগামিকাল তাপমাত্রা বাড়লেও বিশেষ হেরফের হবে না। সকালের দিকে ঘন কুয়াশা থাকলেও বেলায় ধীরে ধীরে রোদের দেখা মিলবে। রাজ্যে ফের পশ্চিমী ঝঞ্ঝার দাপট। বুধবার বৃষ্টি হতে পারে পশ্চিমাঞ্চলে জেলাগুলোতে। বৃহস্পতিবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলাতে বৃষ্টি হবে। পূর্বাভাস আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২২
রাজ্য

বাড়ছে তাপমাত্রা, বৃষ্টি মাথায় নিয়েই বাগদেবীর আরাধনা অপেক্ষা

রাজ্যের দরজায় কড়া নাড়তে শুরু করেছে বসন্ত। সরস্বতী পুজোর পরে তাপমাত্রা সামান্য নামলেও তা ১৪-১৫ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করতে পারে। মেঘলা আকাশ বাগদেবীর আরাধনায় ছেদ ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। শুক্র এবং শনিবার আকাশে মেঘের আনাগোনা থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস। সঙ্গে দোসর হালকা বৃষ্টিও হতে পারে।রাতে সে ভাবে তাপমাত্রা কমেনি, একটু ভ্যাপসা ভাবও অনুভূত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দমদমে ১৮ ডিগ্রি আবহবিদেরা জানিয়েছেন, আচমকা ঋতু পরিবর্তন হয় না। তাই প্রথমে রাতের দিকে শীত-শীত ভাব থাকবে। ধীরে ধীরে দিনের এবং রাতের পারদ চড়তে থাকবে। আস্তে আস্তে উত্তুরে হাওয়ার বদলে দখিনা বাতাস বইতে শুরু করবে। তাই শীত ফুরলো মানেই একেবারে ঠান্ডা বিদায় হয়ে গেল তাও নয়।হাওয়া অফিসের খবর, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে আজ, দার্জিলিং এবং সিকিমের কিছু জায়গায় তুষারপাত হতে পারে। উত্তরবঙ্গে এবং গাঙ্গেয় বঙ্গের বহু জেলাতেই বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার উত্তরবঙ্গের ডুয়ার্সে বৃষ্টি হতে পারে। তবে গাঙ্গেয় বঙ্গের কয়েকটি জেলা ছাড়া বাকিগুলিতে বৃষ্টির তেমন আশঙ্কা নেই।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২২
রাজ্য

আরও কমল তাপমাত্রা, মেঘলা আকাশ, ঝেঁপে আসছে বৃষ্টি!

ক্রমশ কমে আসছে শীতের আয়ু। একধাক্কায় ফের বাড়ল তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই মেঘলা আকাশে বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। শুক্রবার থেকেই রাজ্যজুড়ে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবারও হতে পারে বৃষ্টি। হাওয়া অফিস বলছে, পিছু হটতে পারে শীত। উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গ উভয় ক্ষেত্রেই আবহাওয়া মূলত শুষ্কই থাকবে। বৃহস্পতিবার থেকে উত্তরের জেলাগুলিতে থেকে হালকা বৃষ্টি শুরু হবে। মূলত বেশি বৃষ্টি হবে ৪ ফেব্রুয়ারি।৪ ফেব্রুয়ারি উত্তরবঙ্গের সমস্ত জেলাতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। দুএক জায়গায় ভারী বৃষ্টি হবে বলেও পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। এর পাশাপাশি কিছু কিছু জায়গায় শিলা বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে । শনিবারও উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু জায়গায় বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। রাতের তাপমাত্রা আগামী দিনে আরও দুই ডিগ্রি বাড়বে বলে পূর্বাভাস রয়েছে।বৃহস্পতিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। বৃহস্পতিবার আকাশ আংশিক মেঘলাই থাকবে। সন্ধেবেলা বা রাতে বৃষ্টি হতে পারে। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৮ শতাংশ ও সর্বনিম্ন ৩২ শতাংশ।আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গেও বৃহস্পতিবার হালকা বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ায় বৃষ্টি হবে। এর পাশাপাশি পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। মোটের উপর দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বৃহস্পতিবার।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
রাজ্য

পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জের, ফের বাড়ছে তাপমাত্রা, রয়েছে বৃষ্টির ভ্রূকুটি

পূর্বাভাস ছিলই। মঙ্গলবার সকাল থেকেই আরও কমল শীত। এদিন সকাল থেকেই আকাশের মুখ ভার। সকালের দিকে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় কুয়াশা দেখা গিয়েছে। এ বারের শীতের প্রধান প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। একাধিক বার জাঁকিয়ে শীত পড়তে না পড়তেই পশ্চিমী ঝঞ্ঝা তাতে থাবা বসিয়েছে। আবহবিদদের মতে, এ বারও তেমনই পরিস্থিতি হতে চলেছে। এর ফলে রাজ্যের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বাড়বে। সকাল থেকেই তার প্রভাব টের পাওয়া যাচ্ছে।চলতি সপ্তাহেই কলকাতায় রাতের তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁয়ে ফেলতে পারে। সেই সঙ্গে হতে পারে বৃষ্টিও। তবে সরস্বতী পুজোতেও বৃষ্টি হবে কি না, সেই বিষয়ে দ্বিমত আছে আবহবিদদের মধ্যেই। আবহবিদদের একাংশ বলছেন, শুক্রবারেই বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। আবার শনিবার বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে আবহবিদরা। আর এরজন্য দায়ী সেই পশ্চিমী ঝঞ্ঝাই। ফলে, মধ্য মাঘেও বৃষ্টি থেকে রেহাই নেই বঙ্গের।মঙ্গলবার কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হতে পারে ২৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের থেকে যা এক ডিগ্রি নিচে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। তবে এই তাপমাত্রা সোমবারের তুলনায় খানিকটা বেশি।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২২
রাজ্য

পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে আকাশ মেঘলা, আগামী দু’দিন বৃষ্টির সম্ভাবনা

পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে ভুগছে বাংলা। এ বার দোসর বাংলাদেশে বঙ্গপোসাগরের উপকূলে তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্ত। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, এই দুয়ের জেরে সপ্তাহের শুরুতেই রাজ্যের একাধিক জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী দুই থেকে তিন দিন রাজ্যজুড়ে সেই একই রকম আবহওয়া থাকবে বলে জানিয়েছে অলিপুর আবহওয়া দপ্তর।আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, পশ্চিমী ঝঞ্ঝা তো আছেই। সঙ্গে বাংলাদেশের উপর তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্তের জেরে কার্যত প্রচুর জ্বলীয়বাষ্প বঙ্গে প্রবেশ করছে। ফলে বৃষ্টিকাঁটা থেকে রেহাই মিলছে না এত সহজে। কলকাতা তো বটেই, দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলাগুলিতেই মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূমে শিলা বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।২৫ জানুয়ারি মঙ্গলবার উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, কলকাতা, হুগলি, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। সোমবার শহরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ২২.৬ ডিগ্রি, যা স্বাভাবিকের থেকে চার ডিগ্রি নীচে। এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। সোমবারও বৃষ্টি হতে পারে হালকা থেকে মাঝারি। উত্তরবঙ্গেও আকাশের মুখ ভার থাকবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। বৃষ্টিরও পূর্বাভাস রয়েছে। রাজ্য কয়েকটি জেলায় শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস থাকলেও তা হয়নি। তবে আগামী দুদিন কোনও কোনও এলাকায় শিলাবৃষ্টি হতে পারে বলে হাওয়া অফিস জানিয়েছে।

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
রাজ্য

কিছুটা বাড়ল তাপমাত্রা, আজ থেকেই বৃষ্টি? কী বলছেন আবহবিদরা?

আপাতত বঙ্গ জুড়ে শীতের আমেজ। গত কয়েকদিন ধরে ক্রমেই নিম্নমুখী পারদ। তবে এখানেই শেষ নয়, পরের পর ঘূর্ণিঝড় কেন ইদানিং বাংলার উপকূলে হানা দিচ্ছে তা নিয়েও বিশেষ পর্যবেক্ষণ চলছে। সব মিলিয়ে বঙ্গে বৃষ্টি বিপদ এখনও কাটানো যাচ্ছে না।আলিপুর আবহাওয়া অফিস থেকে জানানো হয়েছে, আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে দুদিন। রাতের তাপমাত্রার ক্ষেত্রে এখনই বিশেষ কোনও পরিবর্তন নেই বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। তবে দুদিন পর থেকে রাতের তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে। অর্থাৎ, শীত কমবে। উত্তরবঙ্গে রয়েছে বৃষ্টির সম্ভাবনা।হাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষণ আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, শুক্রবার কলকাতায় আরও বেশ খানিকটা পারদ পতন হয়েছে। এদিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। বাতাসে সর্বোচ্চ আর্দ্রতার পরিমাণ ৯৮ শতাংশ। আপাতত বেশ কিছুদিন থিতু হয়েছে শীত। সকালের দিকে ঘন কুয়াশা থাকলেও বেলায় ধীরে ধীরে আকাশ পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে। রাতেও ক্রমেই কমছে তাপমাত্রা। জেলাগুলিতেও পারদ ক্রমেই নিম্নমুখী।ইতিমধ্যেই পূর্বাভাস অনুযায়ী, জেলাগুলিতে শুরু হয়েছে বৃষ্টিপাত। পশ্চিম মেদিনীপুরে সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ। দেখা নেই রোদের। শুরু হয়েছে ঝিরিঝিরি বৃষ্টিও। শুধু মেদিনীপুর নয় বৃষ্টি হওয়ার কথা উত্তর ২৪ পরগনা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। ২২ জানুয়ারিও পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে। অন্যান্য জেলাগুলিতেও ওইদিন আকাশের মুখ ভার থাকতে পারে।

জানুয়ারি ২১, ২০২২
রাজ্য

ঝঞ্ঝার দাপট যেন কমছেই না, তিন জেলায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা

পশ্চিমী ঝঞ্ঝার দাপট যেন কিছুতেই কমছেই না। যার প্রভাবে শনিবার দিনভর মেঘলা থাকবে দক্ষিণবঙ্গের আকাশ। পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টিপাতেরও সম্ভাবনা রয়েছে বলে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে।আবহবিদেরা জানাচ্ছেন, উত্তর-পশ্চিম ভারত থেকে একটি শক্তিশালী পশ্চিমী ঝঞ্ঝা পূর্বভারতের দিকে বয়ে এসেছিল। তার প্রভাবে বুধবার থেকে আকাশ শুধু মেঘলা ছিল। বৃষ্টিও হয়েছে কমবেশি। পৌষসংক্রান্তিতে রোদের দেখা মেলেনি। তার জেরেই এমন পরিস্থিতি। আগামী ১৮ জানুয়ারি আরও এক বার পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব দেখা যেতে পারে বলে আবহাওয়া দপ্তর সূত্রের খবর। মেঘলা আকাশ এবং দিনভর বৃষ্টির জেরে শুক্রবার গাঙ্গেয় বঙ্গে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে নীচে নেমে গিয়েছিল। শনিবারও সেই পরিস্থিতি বজায় থাকার সম্ভাবনা। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৪ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে। রবিবারও এই পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
রাজ্য

সকালে রোদের দেখা মিললেও আগামী ২৪ ঘণ্টাতেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে কিছু জেলায়

কাল সারাদিন আকাশের মুখ ভার থাকার পর আজ সকালে রোদের দেখা মিলেছে বেশ কিছু জায়গায়। তবে তা ক্ষণিকের। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস, আগামী ২৪ ঘণ্টায় কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বজ্রগর্ভ মেঘ সঞ্চার হবে। তাতে হালকা থেকে ভারী বৃষ্টি হবে। বৃষ্টি হবে পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া, হাওড়া, হুগলি ও কলকাতাতেও।আগামী দুদিন এই বৃষ্টির আবহাওয়া থাকবে দক্ষিণবঙ্গে। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু জেলাতেও বৃষ্টি হবে। আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যেটা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ ৯৭ শতাংশ। আগামী কয়েক দিনের তাপমাত্রা কমার কোনও সম্ভাবনা নেই। পূর্বাভাস আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাজ্যের প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি হবে। বৃহস্পতিবার সকালে দার্জিলিং এবং জলপাইগুড়ির জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ মাঝারি বৃষ্টির কথা জানিয়েছে হাওয়া অফিস। কলকাতাতেও আকাশ থাকবে মেঘাচ্ছন্ন। সেই সঙ্গে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে মহানগরীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রয়েছে ১৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হতে পারে ২১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ৪ ডিগ্রি বেশি।এমনিতেও জাঁকিয়ে শীতের দাপট বেশিদিন স্থায়ী হয়নি জানুয়ারিতে। নেপথ্যে পরপর তিনটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। তাই যে তাপমাত্রা কমেছিল সেটা বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। ৫ তারিখ থেকে আবার রাতের তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করে। দুই বঙ্গেই আগামী দুদিন আকাশ মেঘলা থাকবে। সঙ্গে থাকবে ক্ষণিকের রোদ। আবহাওয়াবিদরা মনে করছেন, পশ্চিমী ঝঞ্ঝা চলে যাওয়ার পরও জলীয় বাষ্পের কারণে কুয়াশার প্রভাব থাকবে। জাঁকিয়ে শীত আর সে অর্থে পড়ার সম্ভাবনাও নেই। গত রবিবার থেকেই ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে তাপমাত্রা। সেরকমই পূর্বাভাস ছিল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের।

জানুয়ারি ১৩, ২০২২
রাজ্য

Rain: দুপুর গড়াতেই জেলায় জেলায় শুরু বৃষ্টি! পাঁচ জেলাকে সতর্ক করল আলিপুর

হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস ছিলই। মঙ্গলবার দুপুর গড়াতেই শুরু হয়েছে জেলায় জেলায় বৃষ্টি। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী দু থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুসারে সন্ধ্যার মধ্যেই বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, মেদিনীপুর জেলার একাধিক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। সকলকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সতর্কবার্তা রয়েছে হুগলি ও কলকাতার জন্যও।আরও পড়ুনঃ হাইকোর্টের নির্দেশে শুভেন্দুকে ছাড়াই গঙ্গাসাগরের নতুন কমিটিআগামী ৪৮ ঘণ্টায় দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলাতেই বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। পশ্চিমীঝঞ্ঝার কারণে হাওয়ার গতিপথের পরিবর্তন, সেই সঙ্গে বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয় বাষ্পপূর্ণ আসা হাওয়া এই দুয়ের প্রভাবেই এই বৃষ্টিপাত। এই বৃষ্টির প্রভাব বেশি পড়বে পশ্চিমের জেলাগুলিতে। ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাগুলিতে হালকা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে আগামী দুদিন। তবে পশ্চিমের জেলাগুলির দুএক জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।আরও পড়ুনঃ লিটন যেন রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, তবু লড়াই জমাতে পারল না বাংলাদেশমঙ্গলবার সকাল থেকেই ছিল আকাশের মুখ ভার। দুপুর গড়াতে শুরু হয় বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টিপাত। মেদিনীপুর শহরে এদিন বিকেল চারটে নাগাদ চারদিক একেবারে অন্ধকার করে আসে। সাড়ে চারটে থেকে শুরু হয়েছে বৃষ্টি। বিকেল থেকে আকাশ কালো ঘাটালে। হালকা ঝোড়ো হাওয়া আর ঝিরঝির করে বৃষ্টি। বৃষ্টি বাড়তে কী হবে চিন্তায় ঘাটাল মহকুমার কৃষকরা। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী যদি বৃষ্টি আরও বাড়ে তাহলে চরম ক্ষতি হবে আলু চাষের। এমনিতেই বছরের শুরু থেকে আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনায় চরম ক্ষতি হয়েছে চাষে। আবার এই পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় চিন্তার ভাঁজ কৃষকদের কপালে।আরও পড়ুনঃ ভোটের আগে বড় ভাঙন উত্তরপ্রদেশ বিজেপিতেঝাড়গ্রামেও সকাল থেকে আকাশ মেঘলা ছিল। বিকেল থেকে বৃষ্টি শুরু হয় জেলাজুড়ে। ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টির ঝাপট। পুরুলিয়াতেও সকাল থেকেই আকাশের মুখ ছিল ভার। বিকেল থেকে বৃষ্টি শুরু হয় পুরুলিয়া জেলাজুড়ে। প্রথমে ঝিরঝিরি বৃষ্টি শুরু হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে বৃষ্টির তোড়। শীত এবং সেই সঙ্গে বৃষ্টিতে জবুথবু পুরুলিয়া। রাস্তাঘাট একেবারে শুনশান।

জানুয়ারি ১১, ২০২২
রাজ্য

Weather: ঝঞ্ঝার দাপটে আজ থেকে শুরু বৃষ্টি

ঝঞ্ঝার দাপটে ক্রমেই দূরে পৌষের ঠান্ডা। বাড়ছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার দাপট। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, মঙ্গলবার থেকেই জেলায় জেলায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে বিশেষ করে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান ঝাড়গ্রামে এদিন থেকেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ১২ তারিখ থেকে টানা ১৪ তারিখ পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতেও বৃষ্টি হবে। বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকছে কলকাতাতেও।বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে সাগর মেলাতেও। আপাতত রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের উপরে থাকায় শীতের অনুভব কম হবে। মাঘের প্রথম সপ্তাহে ফের তাপমাত্রা কমতে পারে, ফলে দেখা মিলতে পারে শীতের। হাওয়া অফিস বলছে, বুধবার অবধি এই তাপমাত্রা ঊর্ধ্বমুখীই থাকবে। রাজস্থান থেকে বাংলায় আসা ঝঞ্ঝার শক্তিবৃদ্ধিতেই এই বৃ্ষ্টি-বিপদ বলেই জানা গিয়েছে।ইতিমধ্যেই নবান্ন থেকে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে জেলার কৃষি আধিকারিকদের কাছে। তাঁদের সবরকমভাবে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। বৃষ্টি হলে চাষিদের শস্যের ক্ষয়ক্ষতি হবেই। বিশেষ করে আলু চাষিদের জন্য যথেষ্ট উদ্বেগের কারণ হতে পারে এই বৃষ্টি। নবান্নের তরফে বলা হয়েছে, এর জন্য ব্লকের কৃষি আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা নিতে হবে। এখন রবিশস্যের সময়। একইসঙ্গে এই সময় বোরো ধানও চাষ হয়। সেসব দিকে নজর রাখার কথা বলা হয়েছে।কলকাতায়, মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে যা প্রায় ৪ ডিগ্রি বেশি। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, রাতের দিকে আরও বাড়তে পারে তাপমাত্রা। তবে, মঙ্গলবার মহানগরের আবহাওয়া শুষ্কই থাকবে। বুধেই বৃষ্টির সম্ভাবনা কলকাতায়। অন্যদিকে, জেলাগুলিতে বিশেষ করে উত্তরে দার্জিলিঙ ও কালিম্পংয়ে শিলাবৃষ্টি হতে পারে।

জানুয়ারি ১১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

হস্টেলের ঘর থেকে উদ্ধার এনআরএসের চিকিৎসকের ঝুলন্ত দেহ! ‘বাঁচাও, বাঁচাও’ চিৎকার শুনেছিলেন আবাসিকেরা, ঘনাচ্ছে রহস্য

নাগেরবাজারের একটি হস্টেল থেকে উদ্ধার হল এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের এক চিকিৎসকের ঝুলন্ত দেহ। মৃতের নাম অভিজিৎ সরকার (৩০)। তিনি এনআরএস হাসপাতালের হাউস স্টাফ ছিলেন। রবিবার সন্ধ্যায় হস্টেলের ঘর থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। চিকিৎসকের মৃত্যুর পিছনে কী কারণ, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে একাধিক প্রশ্ন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার সন্ধ্যায় হস্টেলের ঘরে গলায় দড়ি দেওয়া অবস্থায় অভিজিতের দেহ দেখতে পান আবাসিকেরা। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা। কীভাবে এই ঘটনা ঘটল, তা জানতে শুরু হয়েছে তদন্ত। হস্টেলের অন্যান্য আবাসিকদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্তকারীরা।তদন্তে উঠে এসেছে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে হস্টেলের কয়েক জন আবাসিক দাবি করেছেন, ঘরের ভিতর থেকে বাঁচাও, বাঁচাও বলে চিৎকার শুনেছিলেন তাঁরা। সেই দাবি ঘিরেই নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কখন ওই চিৎকার শোনা গিয়েছিল? চিৎকার শোনার পর কেউ সাহায্যের জন্য এগিয়ে এসেছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।মাত্র ৩০ বছর বয়সি এক চিকিৎসকের এমন আকস্মিক মৃত্যু ঘিরে স্বাভাবিক ভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কী কারণে তাঁর মৃত্যু হল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রাথমিক ভাবে আত্মহত্যার আশঙ্কা করা হলেও, মৃত্যুর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এখনই কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছতে চাইছে না পুলিশ।ইতিমধ্যে হস্টেল থেকে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসকের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষা করছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি হস্টেলের আবাসিকদের বয়ান এবং ঘটনার আগে ও পরের পরিস্থিতিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।আরজি কর-কাণ্ডের স্মৃতি এখনও তাজা। তার মধ্যেই এক চিকিৎসকের হস্টেলে এমন মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তবে অভিজিতের মৃত্যুর সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার যোগ রয়েছে কি না, তা এখনও জানা যায়নি। তদন্তের পরেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে।

নভেম্বর ০৮, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে বাধা, তাই কেরলে নতুন কৌশল! মোদী সরকারের বিরুদ্ধে পথে অভিজিৎ দীপক, পাশে প্রকাশ রাজ

ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন প্রথম দিকে বেশ সাড়া ফেলেছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই আন্দোলনের প্রভাব কিছুটা কমেছে। এর আগে দিল্লিতে দুবার গ্রেফতার হয়েছেন দলের নেতা অভিজিৎ দীপক ও সৌরভ দাসরা। অন্য দিকে, দিল্লিতে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআরের বিরুদ্ধে আন্দোলনও তেমন জমেনি। তাই এ বার কংগ্রেস শাসিত কেরলের কোচিতে নতুন করে আন্দোলনের কর্মসূচি নিলেন অভিজিৎ দীপকেরা। এসআইআর বিরোধী বিক্ষোভের মঞ্চ থেকেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করলেন তাঁরা।সম্প্রতি একাধিক বার গ্রেফতার হয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির নেতারা। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপককেও তাঁর বাড়ি থেকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। তবে গ্রেফতারি বা পুলিশের পদক্ষেপে যে তিনি পিছিয়ে আসবেন না, কোচির সভা থেকে সেই বার্তাই দিলেন তিনি।শনিবার কোচির মেরিন ড্রাইভে মিছিল করেন দলের নেতা ও সমর্থকেরা। এই কর্মসূচি থেকে নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি মোদী সরকারকেও আক্রমণ করেন অভিজিৎ। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিও ওঠে মিছিল থেকে।সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে অভিজিৎ বলেন, জাতীয় পতাকা তোলার জন্য তাঁকে জেলে পাঠানো হয়েছিল। তাঁর দুই সঙ্গী সৌরভ ও আশুকেও একই কারণে জেলে যেতে হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। অভিজিতের কথায়, ব্রিটিশ শাসনের সময় ভারতে এমন ঘটনা ঘটত। স্বাধীনতার পর আবার কেন এই পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিশানা করে অভিজিৎ জানান, আন্দোলন থামাতে গ্রেফতার করা হলেও তিনি পিছিয়ে আসবেন না। আগামী দিনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভ কর্মসূচি করবেন তাঁরা। দিল্লি, মহারাষ্ট্র, কেরল কিংবা তামিলনাড়ুযেখানেই তাঁদের আটক করা হোক না কেন, আবার জাতীয় পতাকা তুলে প্রতিবাদ জানাবেন বলে ঘোষণা করেন তিনি।এ দিন কোচির রাস্তায় জাতীয় পতাকা হাতে মিছিলে হাঁটেন ককরোচ জনতা পার্টির বহু সমর্থক। মিছিলের সামনের সারিতে ছিলেন অভিনেতা প্রকাশ রাজ। দলের এই কর্মসূচির নাম দেওয়া হয়েছিল যন্তর মন্তর অ্যাট কোচি। বামপন্থী যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআইও এই কর্মসূচিকে সমর্থন করে। ফলে মিছিলে বেশ ভালো ভিড় দেখা যায়।তবে এই বিক্ষোভ কর্মসূচিকে ঘিরে আরও একটি বিষয় নজর কেড়েছে। মিছিল থেকে একাধিক বার আজাদি স্লোগান ওঠে। সব মিলিয়ে দিল্লিতে বারবার গ্রেফতারির পর কেরলের কোচিতে নতুন করে আন্দোলনের মঞ্চ তৈরি করে কেন্দ্রীয় সরকার ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করলেন অভিজিৎ দীপকেরা।

নভেম্বর ০৮, ২০২৬
দেশ

সীমান্তে জওয়ানদের সঙ্গেই দীপাবলি কাটাবেন মোদি! কোথায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী? জল্পনা তুঙ্গে

দেশবাসীকে দীপাবলির শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আলোর উৎসবের দিনে সীমান্তে কর্তব্যরত সেনাদের সঙ্গে সময় কাটানোর কথাও জানালেন তিনি। শনিবার সমাজমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী জানান, প্রতি বছরের মতো এ বারও দীপাবলির দিন দেশের বীর জওয়ানদের সঙ্গে কাটাবেন তিনি। তবে এ বার ঠিক কোন সেনা ছাউনি বা সীমান্ত এলাকায় যাবেন, তা এখনও জানাননি প্রধানমন্ত্রী।ভিডিও বার্তায় মোদি বলেন, দীপাবলির পবিত্র উৎসবে গোটা দেশ আলোয় সেজে উঠেছে। অন্ধকারের বিরুদ্ধে লড়াই এবং নতুন আশার বার্তা দেয় এই উৎসব। দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, দীপাবলি সকলের জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি নিয়ে আসুক।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, অন্য সকলের মতো তিনিও অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে এই উৎসব পালন করেন। তবে দীপাবলির দিন সেনাদের সঙ্গে সময় কাটানো তাঁর কাছে বিশেষ অভ্যাস হয়ে উঠেছে। তাই এ বারও দেশের নিরাপত্তায় সীমান্তে পাহারায় থাকা জওয়ানদের সঙ্গেই উৎসবের দিনটি কাটাবেন তিনি।তবে এ বার প্রধানমন্ত্রীর গন্তব্য কোথায়, তা নিয়ে এখনও কৌতূহল রয়েছে। নিরাপত্তার কারণে সাধারণত শেষ মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রীর সফরের জায়গা প্রকাশ করা হয়। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে প্রতি বছরই সেনা বা নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে দীপাবলি পালন করেছেন মোদি। কখনও সিয়াচেনে, কখনও কাশ্মীরে, আবার কখনও নৌসেনার যুদ্ধজাহাজ আইএনএস বিক্রান্তে গিয়ে জওয়ানদের সঙ্গে উৎসব কাটিয়েছেন তিনি।এ দিন সকালে উপরাষ্ট্রপতি সি পি রাধাকৃষ্ণণের সঙ্গেও দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী। দুজনে একে অপরকে দীপাবলির শুভেচ্ছা জানান। পরে সেই সাক্ষাতের ছবি সমাজমাধ্যমে প্রকাশ করেন মোদি। তিনি জানান, উপরাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে দীপাবলির শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন।এর আগে ধনতেরস উপলক্ষেও দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এ বার দীপাবলির শুভেচ্ছা বার্তার পাশাপাশি সেনাদের সঙ্গে উৎসব কাটানোর কথা জানিয়ে দেশের নিরাপত্তারক্ষীদের প্রতি সম্মান ও কৃতজ্ঞতার বার্তাও দিলেন তিনি।

নভেম্বর ০৮, ২০২৬
বিদেশ

আমেরিকায় দীপাবলির অনুষ্ঠানেই তাণ্ডব! হিন্দুদের ‘দেশছাড়া’র ডাক, ট্রাম্পের মাগা সমর্থকদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

আমেরিকার সিয়াটেলে দীপাবলির অনুষ্ঠান ঘিরে তৈরি হল তীব্র উত্তেজনা। অভিযোগ, উৎসব চলাকালীন সেখানে ঢুকে হিন্দুদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক স্লোগান দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থক কয়েকজন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন কট্টর দক্ষিণপন্থী সমাজকর্মী জেক ল্যাং। শুধু স্লোগান নয়, অনুষ্ঠানে উপস্থিত মানুষদের হেনস্থা ও হামলার অভিযোগও উঠেছে তাঁদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমেরিকায় শুরু হয়েছে তীব্র প্রতিবাদ।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সিয়াটেলে দীপাবলির অনুষ্ঠান চলাকালীন সেখানে প্রবেশ করেন জেক ল্যাং এবং তাঁর অনুগামীরা। তাঁদের হাতে ছিল একাধিক প্ল্যাকার্ড। তাতে লেখা ছিল হিন্দু-বিরোধী নানা বার্তা। অভিযোগ, তাঁরা হিন্দুদের আমেরিকা থেকে বহিষ্কারের দাবিও জানান। এমনকি খ্রিস্টানদের দেশে হিন্দুদের কোনও জায়গা নেই বলেও মন্তব্য করেন তাঁরা।এই ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে একটি বিশেষ অবমাননাকর শব্দডট হেড। মূলত কপালে টিপ, তিলক বা সিঁদুর পরা ভারতীয় এবং হিন্দুদের অপমান করতে এই শব্দ ব্যবহার করা হয়। দীপাবলির মতো একটি ধর্মীয় উৎসবের অনুষ্ঠানে এই ধরনের মন্তব্য ঘিরে স্বাভাবিক ভাবেই ক্ষোভ ছড়িয়েছে।ঘটনার পর সমাজমাধ্যমেও সরব হন জেক ল্যাং। সেখানে হিন্দুদের উদ্দেশে কটূক্তি করার পাশাপাশি আমেরিকার রাজনীতিতে তাঁদের ভূমিকা নিয়েও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর দাবি, হিন্দুদের কারণেই আমেরিকায় ডেমোক্র্যাটরা জয়ী হয়েছেন। তাঁর এই মন্তব্য নিয়েও শুরু হয়েছে বিতর্ক।এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন মার্কিন কংগ্রেসের সদস্য তথা ভারতীয় বংশোদ্ভূত ডেমোক্র্যাট নেত্রী প্রমিলা জয়পাল। গোটা ঘটনাকে ঘৃণ্য এবং বর্ণবিদ্বেষী বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। সমাজমাধ্যমে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রমিলা লেখেন, এই ধরনের আচরণ অত্যন্ত নিন্দনীয়। দীপাবলি একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। আমেরিকায় বসবাসকারী হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ যাতে নিরাপদে এই উৎসব পালন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তাঁর কথায়, আমেরিকায় বিদ্বেষের কোনও জায়গা নেই।প্রমিলা জয়পাল ছাড়াও বহু মার্কিন নাগরিক এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন। আমেরিকার একাধিক হিন্দু সংগঠনও ঘটনার নিন্দা করেছে। তাঁদের বক্তব্য, ধর্মীয় উৎসবের অনুষ্ঠানে ঢুকে কোনও সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানো শুধু অগ্রহণযোগ্য নয়, তা আমেরিকার বহুত্ববাদী সমাজের ভাবনারও বিরোধী।দীপাবলির মতো উৎসব যেখানে আলো, আনন্দ এবং সম্প্রীতির বার্তা দেয়, সেখানে এমন ঘটনায় স্বাভাবিক ভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সিয়াটেলের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমেরিকায় হিন্দুদের নিরাপত্তা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

নভেম্বর ০৮, ২০২৬
বিদেশ

কপালে তিলক পরায় স্কুলে বাধা! ছেলেকে অন্যত্র ভর্তি করাতে বাধ্য বাবা, ২৫ হাজার পাউন্ডের মামলা

ছোট থেকেই স্বামীনারায়ণ সম্প্রদায়ের ভক্ত সে। হিন্দু ধর্মাচরণের অঙ্গ হিসাবে কপালে তিলক ও চন্দন পরত। বাড়ির পাশাপাশি স্কুলেও সেই অভ্যাস বজায় রাখতে চাইত ৯ বছরের পড়ুয়া। কিন্তু অভিযোগ, তার কপালে তিলক দেখে আপত্তি জানায় স্কুল কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছয় যে ছেলেকে ওই স্কুল থেকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হন বাবা-মা। এ বার পশ্চিম লন্ডনের সেই প্রাথমিক স্কুলের বিরুদ্ধেই মামলা করলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ওই পড়ুয়ার বাবা। তাঁর দাবি, ধর্মাচরণের স্বাধীনতায় বাধা দেওয়া হয়েছে ছেলেকে। ক্ষতিপূরণ হিসাবে ২৫ হাজার পাউন্ড দাবি করেছেন তিনি। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা। মামলাটির এখনও নিষ্পত্তি হয়নি।পশ্চিম লন্ডনের ভাইকারস গ্রিন প্রাথমিক স্কুলে পড়ত ওই ছাত্র। সে স্বামীনারায়ণ সম্প্রদায়ের অনুগামী। বাড়িতে যেমন তিলক ও চন্দন পরত, স্কুলেও একই ভাবে যেত। অভিযোগ, ছাত্রের কপালে তিলক দেখে স্কুল কর্তৃপক্ষ নানা প্রশ্ন করতেন। এমনকি তাকে কটূক্তির মুখেও পড়তে হয়েছিল বলে দাবি পরিবারের। ২০২৫ সালের ওই ঘটনার পর ছেলেকে স্কুল থেকে সরিয়ে অন্য স্কুলে ভর্তি করান তার বাবা-মা।এ বার ওই স্কুলের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন ছাত্রের বাবা। আদালতে জমা দেওয়া হলফনামায় তাঁর অভিযোগ, তিলক পরার কারণে ছেলেকে ক্লাস থেকে বের করে দিয়েছিল স্কুল কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনায় মানসিক ভাবে ভেঙে পড়ে সে। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়েই তাকে ওই স্কুল ছাড়াতে হয়। বাবার দাবি, ছেলের পড়াশোনার খরচ বাবদ ২৫ হাজার পাউন্ড ক্ষতিপূরণ দিতে হবে স্কুলকে।লন্ডনের আশ্রয় নামে একটি আইনি পরামর্শদাতা সংস্থার মাধ্যমে মামলা করেছেন ওই ব্যক্তি। তাঁর আইনজীবী অম্বরীশ লিম্বাচিয়ার দাবি, এই ঘটনা শুধু একটি স্কুল বা এক পড়ুয়ার সমস্যা নয়। তাঁর মতে, ব্রিটেনে প্রত্যেকের নিজের ধর্মবিশ্বাস অনুযায়ী জীবনযাপনের অধিকার রয়েছে। স্কুলে পড়ার সময়েও কোনও পড়ুয়াকে নিজের ধর্মীয় বিশ্বাস বা পরিচয় থেকে দূরে থাকতে বাধ্য করা যায় না।আইনজীবী বলেন, এটি স্বাধীন ভাবে ধর্মাচরণের অধিকারের প্রশ্ন। কোনও পড়ুয়া স্কুলে পড়ছে বলে তার ধর্মীয় বিশ্বাসে বাধা দেওয়া যায় না। ব্রিটেনে প্রত্যেক শিশুর স্বাধীন ভাবে বেড়ে ওঠার অধিকার রয়েছে। সেখানে কোনও ভেদাভেদ থাকার কথা নয়। তাঁর আরও দাবি, ব্রিটেনে প্রায় ১০ লক্ষ হিন্দু নাগরিক রয়েছেন। এই ঘটনার মাধ্যমে তাঁদের ধর্মীয় বিশ্বাসে আঘাত করা হয়েছে। আদালত শিশুদের স্বাধীনতা ও ধর্মাচরণের অধিকারকে গুরুত্ব দিয়ে রায় দেবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।তবে মামলাটির এখনও চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি। স্কুল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য বা আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সামনে না আসা পর্যন্ত অভিযোগগুলিকে অভিযোগ হিসাবেই দেখা হচ্ছে।

নভেম্বর ০৮, ২০২৬
দেশ

এক সময় নকশাল হামলায় প্রাণ যেত জওয়ানদের, এখন বদলেছে পরিস্থিতি! বস্তারে দাঁড়িয়ে কী বললেন মোদী?

নকশাল দমনে বড় সাফল্যের দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর দাবি, গত এক বছরে কর্তব্যরত অবস্থায় প্রাণ হারাননি কোনও সিআরপিএফ জওয়ান। রবিবার দীপাবলি উপলক্ষে ছত্তীসগঢ়ের বস্তারে নিরাপত্তাবাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই দেশের নকশালবিরোধী লড়াইয়ের সাফল্যের কথা তুলে ধরেন তিনি। মোদীর দাবি, ২০১৪ সালের পর থেকে মাওবাদী দমনে দেশের পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের নিরাপত্তার জন্য বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার রাজনৈতিক সদিচ্ছা ২০১৪ সালের পর আরও শক্তিশালী হয়েছে। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে শত্রুদের বিরুদ্ধে দৃঢ় মনোভাব এবং সঠিক পরিকল্পনা নিয়ে লড়াই করতে হবে। তাঁর কথায়, একটা সময় নকশাল হামলায় নিরাপত্তাবাহিনীর জওয়ানদের মৃত্যুর সংখ্যা নকশালদের মৃত্যুর সংখ্যার চেয়ে বেশি ছিল। কিন্তু গত এক বছরে কর্তব্যরত অবস্থায় কোনও সিআরপিএফ জওয়ানের মৃত্যু হয়নি। গত ৪৭ বছরের ইতিহাসে এমন ঘটনা এই প্রথম বলে দাবি করেন তিনি।এই সাফল্যের কৃতিত্ব নিরাপত্তাবাহিনীর সাহস, ধৈর্য এবং দৃঢ় মনোভাবের পাশাপাশি সরকারের নীতিকেও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, নকশাল দমনে দীর্ঘদিন ধরে যে সমস্যা ছিল, তা মোকাবিলায় আগের সরকারগুলি যথেষ্ট পদক্ষেপ করেনি।২০০৪ থেকে ২০১৩ সালের পরিসংখ্যান তুলে ধরে পূর্বতন সরকারগুলিকে নিশানা করেন মোদী। তাঁর দাবি, ওই সময়ে প্রতি বছর নকশালদের তুলনায় বেশি সংখ্যায় নিরাপত্তাবাহিনীর জওয়ান প্রাণ হারাতেন। তাঁর অভিযোগ, তৎকালীন সরকারগুলি নকশাল সমস্যাকে এমন একটি রোগ বলে মনে করত, যার কোনও সমাধান নেই। ফলে সমস্যার মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হয়নি।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মাওবাদীরা শুধু নিরাপত্তাবাহিনীর উপরেই হামলা চালায়নি, সাধারণ মানুষকেও নিশানা করেছে। বহু এলাকায় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বাধা দিয়েছে তারা। এমনকি সাধারণ মানুষের ভোট দেওয়ার অধিকারও কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। এক বছরে দেশে প্রায় ২ হাজার নকশাল হামলার ঘটনাও ঘটেছিল বলে জানান তিনি।ছত্তীসগঢ়ের ২০১০ সালের ভয়াবহ হামলার কথাও স্মরণ করেন মোদী। দান্তেওয়াড়ায় নকশাল হামলায় ৭৬ জন সিআরপিএফ জওয়ানের মৃত্যুর ঘটনা উল্লেখ করেন তিনি। ওই বছরই একই জেলায় আরও একটি ঘটনায় ৪৪ জন সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, এত বড় হামলার পরেও তৎকালীন প্রভাবশালী নেতাদের মধ্যে সেই ঘটনার জন্য যথেষ্ট উদ্বেগ দেখা যায়নি।মোদীর দাবি, দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে ছত্তীসগঢ়ে নকশাল হিংসা চলেছে। এই সময়ে শুধু ওই রাজ্যেই এক হাজারের বেশি নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। তাঁর কথায়, শত্রুরা হামলা চালিয়ে যাবে আর দেশ চুপ করে সব মেনে নেবে, এমন মনোভাব নিয়ে কোনও দেশ চলতে পারে না।এ দিন ২০২৬ সালের দীপাবলিকে বিশেষ বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর দাবি, কয়েক দশকের নকশাল ও মাওবাদী সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারত বড় জয় পেয়েছে। দেশের প্রতিটি জেলা এখন নকশালমুক্ত বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, নকশাল আতঙ্কের ভয় ছাড়াই এ বার কোটি কোটি মানুষ দীপাবলি উদ্যাপন করতে পারছেন।বস্তারে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মোদী বলেন, ১৪০ কোটি ভারতীয়ের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি নিরাপত্তাবাহিনীর জওয়ানদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে এসেছেন। দেশের সীমান্তে যাঁরা পাহারা দেন এবং দেশের ভিতরে নিরাপত্তা বজায় রাখেন, তাঁদের ভূমিকা সমান গুরুত্বপূর্ণ। দেশের ঐক্য ও অখণ্ডতা রক্ষায় দুই বাহিনীর অবদান অপরিসীম বলেও মন্তব্য করেন তিনি।দীপাবলি উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কর্তব্যরত নিরাপত্তাকর্মীদের শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের আত্মত্যাগ, নিষ্ঠা এবং দেশের প্রতি দায়িত্ববোধের জন্য গোটা দেশ গর্বিত বলেও জানান তিনি।

নভেম্বর ০৮, ২০২৬
রাজ্য

এক প্রতিবাদের মূল্য প্রাণ! ১৮ বছর পরেও কালীপুজোয় বাজি ফাটে না এই গ্রামগুলিতে

কালীপুজো আসে, গ্রামে গ্রামে শ্যামামায়ের আরাধনা হয়। দীপাবলিতে বাড়ি, রাস্তা সাজে আলোয়। কিন্তু পুরুলিয়ার সাঁওতালডিহি শিল্পাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায় আর শোনা যায় না শব্দবাজির আওয়াজ। ফাটে না চকোলেট বোম বা কালীপটকা। তুবড়ি, চড়কির ফুলকিও যেন মাটিতে পড়ে না। এর পিছনে রয়েছে এক মর্মান্তিক স্মৃতি। শব্দবাজির প্রতিবাদ করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছিলেন সুবোধচন্দ্র মাহাতো। এলাকার মানুষের কাছে তিনি আজও শব্দ শহিদ।দুবড়া-সাঁওতালডিহি সড়কের দুপাশে রয়েছে পাহাড়িগোড়া, দেউলি, পড়াশ্যা, শ্যামপুর, মধুডি, ডুমুরডি, বেলকুঁড়া এবং চকবাদের মতো একাধিক গ্রাম। স্থানীয়দের দাবি, এই এলাকায় শব্দবাজি ফাটানো হয় না। এ জন্য পুলিশকে আলাদা করে প্রচারও করতে হয় না। সুপ্রিম কোর্ট বা কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ মেনে চলার কথা মাইকে ঘোষণা করারও প্রয়োজন পড়ে না। কারণ, এলাকার মানুষের স্মৃতিতে এখনও অমলিন সুবোধচন্দ্রের মৃত্যু।ঘটনাটি ২০০৮ সালের ২৮ অক্টোবরের। কালীপুজোর রাত। দেউলি কালীমন্দিরে তখন পুজো চলছে। দুবড়া-সাঁওতালডিহি রাস্তার ধারে নিজের তিনতলা বাড়িতে ছিলেন সুবোধচন্দ্র। বয়স পঞ্চাশ পেরিয়েছে। তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মী ছিলেন। ঝাড়খণ্ডের ধানবাদের সিন্দ্রি সার কারখানায় কাজ করতেন।সেই রাতে এলাকায় চলছিল শব্দবাজি ফাটানো। একের পর এক বাজির আওয়াজে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন সুবোধচন্দ্র। রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ খাওয়াদাওয়া সেরে ঘুমোতে যাওয়ার আগে বাড়ির দরজা খুলে বাইরে আসেন তিনি। বাজি ফাটানো যুবকদের লোকালয় থেকে দূরে গিয়ে বাজি ফাটাতে অনুরোধ করেন।কিন্তু তাঁর সেই প্রতিবাদে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। যুবকেরা তাঁর বাড়ির দরজার সামনেই বাজি ফাটাতে শুরু করেন। এলাকার কয়েক জনের হস্তক্ষেপে কিছুক্ষণের জন্য বাজি ফাটানো বন্ধ হলেও পরে আবার তা শুরু হয়। এমনকি বাড়ির ভিতরেও বাজি ছুড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।রাত ১২টা পেরিয়ে যাওয়ার পর ছেলে মানসকে সঙ্গে নিয়ে ফের বাইরে আসেন সুবোধচন্দ্র। শান্তভাবেই যুবকদের বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু আচমকাই এক যুবক তাঁর বুক ও পেটের মাঝখানে ঘুসি মারেন বলে অভিযোগ। মাটিতে লুটিয়ে পড়েন সুবোধচন্দ্র। এর পর তাঁর শরীরে একের পর এক বাজি ছুড়ে মারা হয়। বাবাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন ছেলে মানস। কিন্তু বাবাকে সামলাতেই ব্যস্ত হয়ে পড়েন তিনি। তড়িঘড়ি সুবোধচন্দ্রকে কাছের পিডিসিএল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। মৃত্যু হয় তাঁর।এখনও সেই রাতের স্মৃতি ভুলতে পারেননি সুবোধচন্দ্রের ছেলে মানস। তাঁর কথায়, বাবা হয়তো সবাইকে সচেতন হওয়ার বার্তা দিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু আমরা তো তাঁকে হারালাম। আমাদের যা ক্ষতি হওয়ার, তা হয়ে গিয়েছে। মানসের দাবি, এই ঘটনায় অভিযুক্ত নজনই বেকসুর খালাস পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে চার জনের মৃত্যু হয়েছে।মানসের বয়স এখন ৪৪ বছর। তবু কালীপুজোর সময় সেই রাতের আতঙ্ক তাঁকে তাড়া করে বেড়ায়। তাঁর কথায়, সেই বছরই দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের কর্তা এবং রাজ্যের আধিকারিকেরা বাবার নামে শব্দ শহিদ শংসাপত্র ও এক লক্ষ টাকার চেক দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তারা শাস্তি পাবে। কিন্তু কোথায় কী?দেউলি গ্রামের বাসিন্দা এবং বিজেপির পাড়া তিন মণ্ডলের সহ-সভাপতি চিনিবাস মাহাতো বলেন, আগে কী হয়েছে, জানি না। তবে এখানে আর কোনও উৎসবে শব্দবাজি ফাটবে না। এটাই আমাদের শপথ।একটি প্রতিবাদ, একটি মৃত্যু। সেই ঘটনার পর বহু বছর কেটে গিয়েছে। কিন্তু সুবোধচন্দ্র মাহাতোর স্মৃতি আজও ভুলতে পারেননি এলাকার মানুষ। তাই কালীপুজো ও দীপাবলিতে আলো জ্বললেও সাঁওতালডিহির এই গ্রামগুলিতে শব্দবাজির আওয়াজ শোনা যায় না।

নভেম্বর ০৮, ২০২৬
রাজ্য

ক্ষমতায় নেই তৃণমূল, তবু অনুব্রতর কালীপুজোয় ৭০০ ভরি সোনা! কী বললেন কেষ্ট?

রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদল হয়েছে। তৃণমূল আর ক্ষমতায় নেই। বোলপুরে দলের কার্যালয়ের কালীপুজোয় তাই আগের মতো জৌলুস নেই। কমেছে লোকজনের ভিড়ও। তবে পুজোর আয়োজনে কোনও খামতি রাখতে চান না অনুব্রত মণ্ডল। তাঁর দাবি, এ বারও মায়ের প্রতিমা সাজানো হয়েছে প্রায় ৭০০ ভরি সোনার গয়নায়। তিহার জেল থেকে ফিরে এসেও মায়ের গয়নার পরিমাণে কোনও পরিবর্তন দেখেননি তিনি।শনিবার বোলপুরে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে কালীপুজো নিয়ে স্মৃতিচারণা করেন অনুব্রত। তিনি জানান, ছোটবেলা থেকেই কালীপুজোর সঙ্গে যুক্ত তিনি। প্রথমে বোলপুরের নিচুপট্টিতে পুজো করতেন। পরে তৃণমূলের জেলা কার্যালয়ে পুজো শুরু করেন। সেই পুজোর বয়সও প্রায় ৫০ থেকে ৬০ বছর। অনুব্রতর কথায়, দল ক্ষমতায় নেই। ভেবেছিলাম, পুজোর উপকরণ জোগাড় করতে সমস্যা হবে। কিন্তু মায়ের আশীর্বাদে কোনও অভাব হয়নি।পুজোর আয়োজন নিয়ে অনুব্রত বলেন, সবাই নিজের মতো করে জিনিস দিয়ে যাচ্ছে। আগে মায়ের যত ভরি গয়না ছিল, এ বারও ততটাই রয়েছে। তাঁর দাবি, এ বারও প্রতিমাকে সাজানো হয়েছে প্রায় ৭০০ ভরি সোনার গয়নায়। রবিবার মায়ের ভোগে থাকছে খিচুড়ি, তরকারি, ন রকম ভাজা, পায়েস, চাটনি এবং পাঠার মাংস।২০২১ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে অনুব্রতর কালীপ্রতিমার গয়নার পরিমাণ ছিল ৫৭০ ভরি। তার পর থেকে প্রতি বছর গয়নার পরিমাণ বেড়েছে বলে দাবি করা হয়। এ বার সেই পরিমাণ প্রায় ৭০০ ভরি। গয়নার আনুমানিক বাজারমূল্য সাড়ে ১১ কোটি টাকা বলে জানা যাচ্ছে।একসময় এই কালীপুজো ঘিরে বোলপুরে বড়সড় আয়োজন হত। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছোট-বড় তৃণমূল নেতা, বিধায়ক, মন্ত্রী এবং সাংসদেরা ভিড় জমাতেন। খাওয়াদাওয়ার আয়োজনও থাকত চোখে পড়ার মতো। কিন্তু রাজনৈতিক পালাবদলের পর এ বারের ছবিটা অনেকটাই আলাদা। এখন হাতে গোনা কয়েক জনকে নিয়েই পুজোর আয়োজন করছেন অনুব্রত। তবু পুজোর প্রস্তুতিতে কোনও খামতি রাখতে চাইছেন না উদ্যোক্তারা। ইতিমধ্যেই সাজিয়ে তোলা হয়েছে বোলপুরের তৃণমূল কার্যালয়।অন্য দিকে, বোলপুরের বাড়িপুকুর সম্মিলনীর কালীপুজোর সঙ্গেও একসময় অনুব্রতর যোগ ছিল। তাঁর হাত ধরেই ওই পুজোর সূচনা হয়েছিল। এ দিন সেই পুজোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিজেপির বোলপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি শ্যামাপদ মণ্ডল। তিনি বলেন, এটাই জগতের নিয়ম। উনি যখন নিজের জায়গায় ছিলেন, তখন পুজো করেছেন। আজ এলেও কোনও বাধা ছিল না। পুজোর ক্ষেত্রে রাজনীতি নেই। পুজো সবার। এখানে পাড়ার লোকেরাই সমস্ত আয়োজন করেছেন।রাজনৈতিক পালাবদলের পর বোলপুরে অনুব্রতর কালীপুজো কেমন হয়, তা নিয়ে কৌতূহল ছিল অনেকের। ক্ষমতায় না থাকলেও পুজোর আয়োজন ঘিরে নিজের পুরনো ঐতিহ্য ধরে রাখার চেষ্টা করছেন অনুব্রত।

নভেম্বর ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal