• ১৩ চৈত্র ১৪৩২, শুক্রবার ২৭ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Rain Forecast

রাজ্য

বসন্তে ভ্যাপসা গরমের পর আচমকা বৃষ্টি! রবিবার থেকে ভিজবে দক্ষিণ-উত্তরবঙ্গ

ভরা বসন্ত চললেও আবহাওয়ায় তার ছাপ নেই। একদিকে ভ্যাপসা গরম, অন্যদিকে আবার বৃষ্টির পূর্বাভাস। ফলে ফাল্গুনের আমেজ অনেকটাই উধাও। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রবিবার থেকে বুধবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি হতে পারে। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গ দুই প্রান্তেই বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। তাপমাত্রা স্বাভাবিকের কাছাকাছি থাকলেও গরমের অস্বস্তি বজায় থাকবে। শনিবার থেকে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। সোমবার থেকে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।এই বৃষ্টির কারণ হিসাবে জানানো হয়েছে, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও সংলগ্ন বাংলাদেশে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। উত্তর-পূর্ব বাংলাদেশেও রয়েছে আর একটি ঘূর্ণাবর্ত। পাশাপাশি জম্মু-কাশ্মীর সংলগ্ন এলাকায় একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা সক্রিয় রয়েছে। শুক্রবার উত্তর-পশ্চিম ভারতে আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকতে পারে। এই সব কিছুর প্রভাবেই আবহাওয়ার পরিবর্তন।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আকাশ পরিষ্কার থাকবে। আপাতত বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তবে রাতের তাপমাত্রা আগামী দুদিন সামান্য বাড়বে। দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের কাছাকাছি থাকবে। শীতের আমেজ পুরোপুরি উধাও। শহরে বাড়ছে উষ্ণতার ছোঁয়া।রবিবার ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ও মঙ্গলবার পূর্ব-পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব-পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া ও হুগলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে। বুধবার বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি হতে পারে।উত্তরবঙ্গেও রবিবার থেকে আবহাওয়ার বদল। দার্জিলিং, কালিম্পং ও জলপাইগুড়িতে বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। সোমবার ও মঙ্গলবার দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর ও আলিপুরদুয়ার জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।আজ সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল একুশ দশমিক ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল বত্রিশ দশমিক ছয় ডিগ্রি। আগামী কয়েক দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বাইশ থেকে তেইশ ডিগ্রি এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা তেত্রিশ থেকে চৌত্রিশ ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ছাব্বিশ থেকে নব্বই শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে।সব মিলিয়ে বসন্তের মাঝেই গরম ও বৃষ্টির পালাবদলে অস্বস্তিকর আবহাওয়া থাকতে চলেছে রাজ্যে। রবিবার থেকে ছাতা সঙ্গে রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ বলেই মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।

মার্চ ০৫, ২০২৬
রাজ্য

আবহাওয়া হাওয়া অফিসের সতর্কবার্তা: সোমবার ও মঙ্গলবার বৃষ্টি বেশি সম্ভাবনা

আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী সপ্তাহের শুরুতে বঙ্গের সাত জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং ও জলপাইগুড়িতে হালকা বৃষ্টিপাত হতে পারে।দু-দিনের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বাড়তে পারে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, তাপমাত্রা আগামী দুই দিনের মধ্যে আরও দুই ডিগ্রি বৃদ্ধি পাবে।হাওয়া অফিস জানিয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ শক্তি হারিয়ে ঘূর্ণাবর্তে পরিণত হয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন ভারত মহাসাগর এলাকায় একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে, যা উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হবে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় এটি পূর্ব ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করবে। সোমবার ও মঙ্গলবার বঙ্গের ওড়িশা সংলগ্ন উপকূলীয় জেলাগুলিতে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা বেশি।এদিকে দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের উপরে উঠেছে। কলকাতায় রাতের তাপমাত্রা বাড়ছে, দিনের তাপমাত্রা ইতিমধ্যেই ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পেরিয়েছে। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৬ ডিগ্রি এবং আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯.৫ ডিগ্রি।উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কালিম্পং-এও সামান্য বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং ও পার্বত্য অঞ্চলে আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা থাকবে ৬ থেকে ৮ ডিগ্রির মধ্যে। শিলিগুড়ি, মালদহ ও সংলগ্ন জেলায় তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করবে ১৬ থেকে ১৯ ডিগ্রির মধ্যে। একের পর এক পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে এই বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
রাজ্য

ঝলসে যাওয়া আগুনে জ্বালাপোড়া দহন থেকে মুক্তি! ঝড়-বৃষ্টি কোন কোন জেলায়?

তাহলে কি জ্বালাপোড়া গরম থেকে মুক্তি পেতে চলেছে বাংলা। বৈশাখের শেষেই স্বস্তির খবর দিয়েছে হাওয়া অফিস। আগামী ৬-৮ দিন তাপমাত্রা কমতে পারে ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পাশাপাশি রয়েছে বৃষ্টির পূর্বাভাস।আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সোমবার থেকে তাপপ্রবাহের সম্ভাবনা কম। রাজ্য জুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। এতদিন শুষ্ক পশ্চিমা এবং উত্তর-পশ্চিমা বাতাস ঢুকছিল বাংলায়। এখন হাওয়া বদল হচ্ছে। বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে। কাছাকাছি ঘূর্ণাবর্ত বা নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। সে কারণেই বৃষ্টির উপযোগী পরিস্থিতি তৈরি করেছে।দক্ষিণের বেশ কিছু জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, নদিয়া এবং দুই ২৪ পরগনায় বৃষ্টি হতে পারে। সোমবার এবং মঙ্গলবার দক্ষিণের সর্বত্র বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা। সঙ্গে দোসর হবে দমকা ঝোড়ো হাওয়া। কোথাও কোথাও কালবৈশাখীর সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী বুধ-বৃহস্পতিবারও বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণ বঙ্গের একাধিক জেলায়। তবে বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা সোম-মঙ্গলবার।দক্ষিণবঙ্গের ৬টি জেলায় কালবৈশাখীর সতর্কতা জারি হয়েছে। দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, বর্ধমান, নদিয়া, মুর্শিদাবাদে জারি কালবৈশাখী ঝড়ের সতর্কতা। সপ্তাহের প্রথম দিন সোমবার কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ভারী বৃষ্টি হতে পারে বীরভূম ও মুর্শিদাবাদ জেলায়। দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতেও আগামিকাল ঝড়-বৃষ্টির দাপট থাকবে।উপকূলের জেলাগুলিতে বাড়তি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সমুদ্র উত্তাল হতে শুরু করবে আগামী মঙ্গলবার থেকেই। মৎস্যজীবীদের তার আগেই ফিরে আসতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আপাতত আগামী বুধবার পর্যন্ত এই দুর্যোগ চলবে বলে জানা গিয়েছে। ঝড়-বৃষ্টির হাত ধরেই অসহ্য গরম থেকে বেশ কিছুটা মুক্তির স্বাদ মিলবে।

মে ০৫, ২০২৪
রাজ্য

দাবদাহে পুড়ছে দক্ষিণবঙ্গ, স্বস্তি মিলতে পারে আগামিকাল থেকে

রাজ্যে তীব্র গরমের ঝোড়ো ব্যাটিং এবার বন্ধ হতে চলেছে। আগামিকাল রবিবার থেকে এরাজ্যের আবহাওয়ার পরিবর্তন হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এমনকী কালবৈশাখী ঝড়ও হতে পারে কয়েকটি জেলায়। আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, রবিবার থেকেই কলকাতাসহ আশপাশেরে জেলা, বীরভূম, নদিয়া, মুর্শিদাবাদসহ কয়েকটি জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি হতে পারে। আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। ৫০-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে বলেও জানিয়েছে হাওয়া অফিস। পাশাপাশি পূবালি হাওয়ার জন্যই রাজ্যে জলীয় বাষ্প ঢুকে কালবৈশাখী হওয়ার সম্ভাবনা আছে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, দুই দুনাজপুর, মালদায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।টানা গ্রীষ্মের দহনে দক্ষিণবঙ্গ পুড়ছে। সূর্য উঁকি দিতেই রাস্তাঘাট ফাকা হয়ে যাচ্ছে। সরকারি স্কুলগুলিতে ২ মে থেকেই গরমের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। বেসরকারি স্কুলে অনলাইন ক্লাস চলছে। মোদ্দা কথা তীব্র গরমে নাজেহাল অবস্থা আপামর বঙ্গবাসীর। সেই অস্বস্তি থেকে মুক্তি মিলতে পারে। চাতক পাখির মতো আকাশের দিকে হা করে রয়েছে মানুষজন।

এপ্রিল ২৯, ২০২২
রাজ্য

বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টির পূর্বাভাস রাজ্যে, বাড়ছে তাপমাত্রাও

বুধবার সকাল থেকেই ফের মুখভার শহরের। বৃহস্পতি ও শুক্রবার রাজ্যে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুরের হাওয়া অফিস। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি এবং উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর-সহ মালদহ জেলাতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বৃহস্পতিবার থেকে। শুক্রবার বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে উত্তরবঙ্গে। দক্ষিণবঙ্গও মুক্তি পাচ্ছে না বৃষ্টি হাত থেকে।হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, উত্তর-পশ্চিম ভারতে নতুন করে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকছে বুধবার রাত থেকে। এর ফলে বুধবার বৃষ্টি এবং তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে জম্মু-কাশ্মীর, লাদাখ এবং মুজাফফরাবাদে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বৃষ্টি তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে হিমাচলপ্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডে। এরই প্রভাব পড়তে পারে বাংলায়।আলিপুর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যাচ্ছে, বুধবার কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ২ ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.৯ ডিগ্রি, স্বাভাবিকের চেয়ে ১ ডিগ্রি কম। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়নি। আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, ফের পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ও পূবালি হাওয়ার সংঘাতে বৃষ্টি হতে পারে রাজ্যে। বাংলাদেশের উপর ঘূর্ণাবর্ত, যার কারণে বাংলাদেশ সংলগ্ন জেলাগুলিতে আংশিক মেঘলা আকাশের সম্ভাবনা। পশ্চিমের জেলা পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়াতে বৃহস্পতিবার হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস। পশ্চিমের এই জেলাগুলিতে শুক্রবার মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। হালকা বৃষ্টি পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, হাওড়া, কলকাতায় জেলায়। উপকূলের জেলাগুলিতে মেঘলা আকাশ হলেও বৃষ্টির সম্ভাবনা কম।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২২
রাজ্য

ঝাড়খণ্ডে তৈরি ঘূর্ণাবর্তের জেরে সপ্তাহান্তে বৃষ্টির ইঙ্গিত বঙ্গে

আর মাত্র একদিন। তারপর উধাও হতে চলেছে। শুক্রবারের পর শনিবার আকাশ পরিষ্কার থাকবে। রাতের তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করেছে। বসন্ত সমাগমের এই আবহে বর্ষণের সম্ভাবনা জোরদার হয়েছে গাঙ্গেয় বঙ্গের একাংশে। সম্ভাব্য এক ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে ফের এক দফা বৃষ্টি শুধু নয়, রীতিমতো বজ্রগর্ভ মেঘ সৃষ্টির ইঙ্গিত দেখছে হাওয়া অফিস।শুক্রবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের থেকে যা দুডিগ্রি নীচে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ১৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের থেকে যা-ও দুডিগ্রি কম।আবহবিদেরা জানাচ্ছেন, রবিবার কলকাতা-সহ রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে তেমন বৃষ্টি হবে না। আলিপুর হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, ঝাড়খণ্ডের উপরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হতে পারে। তার টানে বঙ্গোপসাগর থেকে দক্ষিণবঙ্গের পরিমণ্ডলে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকবে। এবং সেই জলীয় বাষ্প থেকেই স্থানীয় ভাবে বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হয়ে বৃষ্টি হতে পারে।শীত ভাল করে অনুভূত হওয়ার আগেই বিদায় নিয়েছে। বঙ্গে কার্যত শীত বিদায় নেবে অকালবৃষ্টির সৌজন্যে, অন্তত এমনটাই বলছেন আবহবিদদের একাংশ। শনিবার থেকেই মেঘে ঢাকতে শুরু করবে আকাশ। রবি ও সোমবার রাজ্যের সব জেলাতেই বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২২
রাজ্য

বিদায়ের আগে মাঘের শেষে বঙ্গে হিমেল পরশ

মাঘের শেষে বঙ্গে হিমেল পরশ। বেশ ভালই অনুভূত হচ্ছে । পশ্চিমী ঝঞ্ঝার রেশ কাটিয়ে ফের ছন্দে ফিরতে শুরু করেছে শীত। তবে সেই শীতও আর স্থায়ী হবে না। অর্থাৎ, বঙ্গে কার্যত শীত বিদায় নেবে অকালবৃষ্টির সৌজন্যে, অন্তত এমনটাই বলছেন আবহবিদদের একাংশ। আবারও বৃষ্টির পূর্বাভাস বাংলায় । নেপথ্যে ফের এক পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। সঙ্গে বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে উচ্চচাপ বলয়। আর এই দুইয়ের জোড়া ঠেলায় রাজ্যে ঢুকবে জলীয় বাষ্প। আর তার জেরে বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। রবিবার ও সোমবার বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে রাজ্যে। রাজ্যের প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, পশ্চিমী ঝঞ্জা কাটিয়ে তাপমাত্রার পারদ ছিল নিম্নমুখী। বেশ কয়েকদিন ধরে শীতের আমেজ ছিল রাজ্যজুড়ে। বৃহস্পতিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯২ শতাংশ। বুধবারও তাপমাত্রার বিশেষ হেরফের হয়নি। আপাতত শনিবার পর্যন্ত বিশেষ তাপমাত্রার পরিবর্তন হবে না। তবে, রবিবার থেকে ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করবে তাপমাত্রা।এই দুই বিপরীতধর্মী বাতাসের সংঘর্ষের ফলে রাজ্যের আকাশে বজ্রগর্ভ মেঘের সৃষ্টি হবে। এর পাশাপাশি এখন ফেব্রুয়ারি অর্ধেক অতিক্রম করে আমরা এখন মার্চের দিকে যাচ্ছি। ফলে কালবৈশাখীর মতো ঝড়ের উপদ্রব হতে পারে। তবে, ধীরে ধীরে মার্চের মাঝামাঝি থেকেই রাজ্যে গ্রীষ্ম অনুভূত হতে শুরু করবে। মরশুমি হিসেবে শীতের বিদায় নেওয়ার পালা এসে গিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২২
রাজ্য

আজ শহরতলীতে ঝেঁপে বৃষ্টি আসতে চলেছে

জাঁকিয়ে মরশুমি শীতের আশা কার্যত ছেড়েই দিয়েছে বঙ্গবাসী। একটানা পর পর পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে শীত কার্যত ছুটি নিয়েছে। শেষ মাঘেও কার্যত বৃষ্টি। খনার বচন বলে, ধন্য রাজার পুণ্য দেশ, যদি বর্ষে মাঘের শেষ। বৃহস্পতিবারও গোটা রাজ্যেই ফের বৃষ্টি হতে পারে বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। আর কয়েকঘণ্টার মধ্যেই কলকাতা-সহ সমস্ত শহরতলীতেই ঝেঁপে বৃষ্টি আসতে চলেছে।আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, এদিকে রাজ্যে আগামী কয়েকদিনে, শীতের প্রভাব আরও কমবে। রাতের তাপমাত্রা আগামী তিন দিনে দুই থেকে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়বে। একইসঙ্গে বৃষ্টির দাপট দেখা যাবে উত্তরের জেলাগুলিতেও। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পঙের মতো পাহাড়ি জেলাগুলিতে আগামী তিন থেকে চার দিন হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।জানা গিয়েছে,বৃহস্পতিবার, কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৮ শতাংশ। ইতিমধ্যেই বাতাসে ঝঞ্ঝার প্রভাবে বেড়েছে জ্বলীয় বাষ্পের পরিমাণ। কলকাতায় এদিন বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা। গোটা দিনই মেঘলা থাকবে আকাশ। আপাতত শীত ফিরছে না বঙ্গে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
রাজ্য

শীতের আমেজেই ফের বৃষ্টির আশঙ্কা

তাপমাত্রা বাড়লেও রাজ্যে বজায় শীতের আমেজ। তবে শীত স্থায়ী হবে না বেশিদিন। বৃহস্পতিবার থেকেই আবারও বৃষ্টিতে ভিজবে বাংলা। সেই সঙ্গে বাড়বে রাতের তাপমাত্রাও। তবে, বুধবার পর্যন্ত অর্থাৎ আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। আবহাওয়া মোটের উপর শুষ্কই থাকবে। তবে এখনই রেহাই নেই। বৃহস্পতিবার অর্থাৎ, ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ফের ভিজতে পারে দক্ষিণের জেলাগুলি। এমনটাই জানিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস।আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪.৯ ডিগ্রি সেলিসয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৪.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। মঙ্গলবার বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতার সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৭ শতাংশ। আগামিকাল তাপমাত্রা বাড়লেও বিশেষ হেরফের হবে না। সকালের দিকে ঘন কুয়াশা থাকলেও বেলায় ধীরে ধীরে রোদের দেখা মিলবে। রাজ্যে ফের পশ্চিমী ঝঞ্ঝার দাপট। বুধবার বৃষ্টি হতে পারে পশ্চিমাঞ্চলে জেলাগুলোতে। বৃহস্পতিবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলাতে বৃষ্টি হবে। পূর্বাভাস আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২২
রাজ্য

বাড়ছে তাপমাত্রা, বৃষ্টি মাথায় নিয়েই বাগদেবীর আরাধনা অপেক্ষা

রাজ্যের দরজায় কড়া নাড়তে শুরু করেছে বসন্ত। সরস্বতী পুজোর পরে তাপমাত্রা সামান্য নামলেও তা ১৪-১৫ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করতে পারে। মেঘলা আকাশ বাগদেবীর আরাধনায় ছেদ ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। শুক্র এবং শনিবার আকাশে মেঘের আনাগোনা থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস। সঙ্গে দোসর হালকা বৃষ্টিও হতে পারে।রাতে সে ভাবে তাপমাত্রা কমেনি, একটু ভ্যাপসা ভাবও অনুভূত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দমদমে ১৮ ডিগ্রি আবহবিদেরা জানিয়েছেন, আচমকা ঋতু পরিবর্তন হয় না। তাই প্রথমে রাতের দিকে শীত-শীত ভাব থাকবে। ধীরে ধীরে দিনের এবং রাতের পারদ চড়তে থাকবে। আস্তে আস্তে উত্তুরে হাওয়ার বদলে দখিনা বাতাস বইতে শুরু করবে। তাই শীত ফুরলো মানেই একেবারে ঠান্ডা বিদায় হয়ে গেল তাও নয়।হাওয়া অফিসের খবর, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে আজ, দার্জিলিং এবং সিকিমের কিছু জায়গায় তুষারপাত হতে পারে। উত্তরবঙ্গে এবং গাঙ্গেয় বঙ্গের বহু জেলাতেই বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার উত্তরবঙ্গের ডুয়ার্সে বৃষ্টি হতে পারে। তবে গাঙ্গেয় বঙ্গের কয়েকটি জেলা ছাড়া বাকিগুলিতে বৃষ্টির তেমন আশঙ্কা নেই।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২২
রাজ্য

আরও কমল তাপমাত্রা, মেঘলা আকাশ, ঝেঁপে আসছে বৃষ্টি!

ক্রমশ কমে আসছে শীতের আয়ু। একধাক্কায় ফের বাড়ল তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই মেঘলা আকাশে বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। শুক্রবার থেকেই রাজ্যজুড়ে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবারও হতে পারে বৃষ্টি। হাওয়া অফিস বলছে, পিছু হটতে পারে শীত। উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গ উভয় ক্ষেত্রেই আবহাওয়া মূলত শুষ্কই থাকবে। বৃহস্পতিবার থেকে উত্তরের জেলাগুলিতে থেকে হালকা বৃষ্টি শুরু হবে। মূলত বেশি বৃষ্টি হবে ৪ ফেব্রুয়ারি।৪ ফেব্রুয়ারি উত্তরবঙ্গের সমস্ত জেলাতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। দুএক জায়গায় ভারী বৃষ্টি হবে বলেও পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। এর পাশাপাশি কিছু কিছু জায়গায় শিলা বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে । শনিবারও উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু জায়গায় বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। রাতের তাপমাত্রা আগামী দিনে আরও দুই ডিগ্রি বাড়বে বলে পূর্বাভাস রয়েছে।বৃহস্পতিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। বৃহস্পতিবার আকাশ আংশিক মেঘলাই থাকবে। সন্ধেবেলা বা রাতে বৃষ্টি হতে পারে। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৮ শতাংশ ও সর্বনিম্ন ৩২ শতাংশ।আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গেও বৃহস্পতিবার হালকা বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ায় বৃষ্টি হবে। এর পাশাপাশি পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। মোটের উপর দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বৃহস্পতিবার।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
রাজ্য

পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জের, ফের বাড়ছে তাপমাত্রা, রয়েছে বৃষ্টির ভ্রূকুটি

পূর্বাভাস ছিলই। মঙ্গলবার সকাল থেকেই আরও কমল শীত। এদিন সকাল থেকেই আকাশের মুখ ভার। সকালের দিকে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় কুয়াশা দেখা গিয়েছে। এ বারের শীতের প্রধান প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। একাধিক বার জাঁকিয়ে শীত পড়তে না পড়তেই পশ্চিমী ঝঞ্ঝা তাতে থাবা বসিয়েছে। আবহবিদদের মতে, এ বারও তেমনই পরিস্থিতি হতে চলেছে। এর ফলে রাজ্যের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বাড়বে। সকাল থেকেই তার প্রভাব টের পাওয়া যাচ্ছে।চলতি সপ্তাহেই কলকাতায় রাতের তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁয়ে ফেলতে পারে। সেই সঙ্গে হতে পারে বৃষ্টিও। তবে সরস্বতী পুজোতেও বৃষ্টি হবে কি না, সেই বিষয়ে দ্বিমত আছে আবহবিদদের মধ্যেই। আবহবিদদের একাংশ বলছেন, শুক্রবারেই বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। আবার শনিবার বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে আবহবিদরা। আর এরজন্য দায়ী সেই পশ্চিমী ঝঞ্ঝাই। ফলে, মধ্য মাঘেও বৃষ্টি থেকে রেহাই নেই বঙ্গের।মঙ্গলবার কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হতে পারে ২৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের থেকে যা এক ডিগ্রি নিচে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। তবে এই তাপমাত্রা সোমবারের তুলনায় খানিকটা বেশি।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২২
রাজ্য

পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে আকাশ মেঘলা, আগামী দু’দিন বৃষ্টির সম্ভাবনা

পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে ভুগছে বাংলা। এ বার দোসর বাংলাদেশে বঙ্গপোসাগরের উপকূলে তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্ত। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, এই দুয়ের জেরে সপ্তাহের শুরুতেই রাজ্যের একাধিক জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী দুই থেকে তিন দিন রাজ্যজুড়ে সেই একই রকম আবহওয়া থাকবে বলে জানিয়েছে অলিপুর আবহওয়া দপ্তর।আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, পশ্চিমী ঝঞ্ঝা তো আছেই। সঙ্গে বাংলাদেশের উপর তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্তের জেরে কার্যত প্রচুর জ্বলীয়বাষ্প বঙ্গে প্রবেশ করছে। ফলে বৃষ্টিকাঁটা থেকে রেহাই মিলছে না এত সহজে। কলকাতা তো বটেই, দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলাগুলিতেই মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূমে শিলা বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।২৫ জানুয়ারি মঙ্গলবার উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, কলকাতা, হুগলি, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। সোমবার শহরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ২২.৬ ডিগ্রি, যা স্বাভাবিকের থেকে চার ডিগ্রি নীচে। এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। সোমবারও বৃষ্টি হতে পারে হালকা থেকে মাঝারি। উত্তরবঙ্গেও আকাশের মুখ ভার থাকবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। বৃষ্টিরও পূর্বাভাস রয়েছে। রাজ্য কয়েকটি জেলায় শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস থাকলেও তা হয়নি। তবে আগামী দুদিন কোনও কোনও এলাকায় শিলাবৃষ্টি হতে পারে বলে হাওয়া অফিস জানিয়েছে।

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
রাজ্য

কিছুটা বাড়ল তাপমাত্রা, আজ থেকেই বৃষ্টি? কী বলছেন আবহবিদরা?

আপাতত বঙ্গ জুড়ে শীতের আমেজ। গত কয়েকদিন ধরে ক্রমেই নিম্নমুখী পারদ। তবে এখানেই শেষ নয়, পরের পর ঘূর্ণিঝড় কেন ইদানিং বাংলার উপকূলে হানা দিচ্ছে তা নিয়েও বিশেষ পর্যবেক্ষণ চলছে। সব মিলিয়ে বঙ্গে বৃষ্টি বিপদ এখনও কাটানো যাচ্ছে না।আলিপুর আবহাওয়া অফিস থেকে জানানো হয়েছে, আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে দুদিন। রাতের তাপমাত্রার ক্ষেত্রে এখনই বিশেষ কোনও পরিবর্তন নেই বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। তবে দুদিন পর থেকে রাতের তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে। অর্থাৎ, শীত কমবে। উত্তরবঙ্গে রয়েছে বৃষ্টির সম্ভাবনা।হাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষণ আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, শুক্রবার কলকাতায় আরও বেশ খানিকটা পারদ পতন হয়েছে। এদিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। বাতাসে সর্বোচ্চ আর্দ্রতার পরিমাণ ৯৮ শতাংশ। আপাতত বেশ কিছুদিন থিতু হয়েছে শীত। সকালের দিকে ঘন কুয়াশা থাকলেও বেলায় ধীরে ধীরে আকাশ পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে। রাতেও ক্রমেই কমছে তাপমাত্রা। জেলাগুলিতেও পারদ ক্রমেই নিম্নমুখী।ইতিমধ্যেই পূর্বাভাস অনুযায়ী, জেলাগুলিতে শুরু হয়েছে বৃষ্টিপাত। পশ্চিম মেদিনীপুরে সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ। দেখা নেই রোদের। শুরু হয়েছে ঝিরিঝিরি বৃষ্টিও। শুধু মেদিনীপুর নয় বৃষ্টি হওয়ার কথা উত্তর ২৪ পরগনা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। ২২ জানুয়ারিও পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে। অন্যান্য জেলাগুলিতেও ওইদিন আকাশের মুখ ভার থাকতে পারে।

জানুয়ারি ২১, ২০২২
রাজ্য

ঝঞ্ঝার দাপট যেন কমছেই না, তিন জেলায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা

পশ্চিমী ঝঞ্ঝার দাপট যেন কিছুতেই কমছেই না। যার প্রভাবে শনিবার দিনভর মেঘলা থাকবে দক্ষিণবঙ্গের আকাশ। পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টিপাতেরও সম্ভাবনা রয়েছে বলে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে।আবহবিদেরা জানাচ্ছেন, উত্তর-পশ্চিম ভারত থেকে একটি শক্তিশালী পশ্চিমী ঝঞ্ঝা পূর্বভারতের দিকে বয়ে এসেছিল। তার প্রভাবে বুধবার থেকে আকাশ শুধু মেঘলা ছিল। বৃষ্টিও হয়েছে কমবেশি। পৌষসংক্রান্তিতে রোদের দেখা মেলেনি। তার জেরেই এমন পরিস্থিতি। আগামী ১৮ জানুয়ারি আরও এক বার পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব দেখা যেতে পারে বলে আবহাওয়া দপ্তর সূত্রের খবর। মেঘলা আকাশ এবং দিনভর বৃষ্টির জেরে শুক্রবার গাঙ্গেয় বঙ্গে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে নীচে নেমে গিয়েছিল। শনিবারও সেই পরিস্থিতি বজায় থাকার সম্ভাবনা। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৪ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে। রবিবারও এই পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
রাজ্য

সকালে রোদের দেখা মিললেও আগামী ২৪ ঘণ্টাতেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে কিছু জেলায়

কাল সারাদিন আকাশের মুখ ভার থাকার পর আজ সকালে রোদের দেখা মিলেছে বেশ কিছু জায়গায়। তবে তা ক্ষণিকের। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস, আগামী ২৪ ঘণ্টায় কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বজ্রগর্ভ মেঘ সঞ্চার হবে। তাতে হালকা থেকে ভারী বৃষ্টি হবে। বৃষ্টি হবে পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া, হাওড়া, হুগলি ও কলকাতাতেও।আগামী দুদিন এই বৃষ্টির আবহাওয়া থাকবে দক্ষিণবঙ্গে। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু জেলাতেও বৃষ্টি হবে। আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যেটা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ ৯৭ শতাংশ। আগামী কয়েক দিনের তাপমাত্রা কমার কোনও সম্ভাবনা নেই। পূর্বাভাস আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাজ্যের প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি হবে। বৃহস্পতিবার সকালে দার্জিলিং এবং জলপাইগুড়ির জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ মাঝারি বৃষ্টির কথা জানিয়েছে হাওয়া অফিস। কলকাতাতেও আকাশ থাকবে মেঘাচ্ছন্ন। সেই সঙ্গে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে মহানগরীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রয়েছে ১৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হতে পারে ২১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ৪ ডিগ্রি বেশি।এমনিতেও জাঁকিয়ে শীতের দাপট বেশিদিন স্থায়ী হয়নি জানুয়ারিতে। নেপথ্যে পরপর তিনটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। তাই যে তাপমাত্রা কমেছিল সেটা বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। ৫ তারিখ থেকে আবার রাতের তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করে। দুই বঙ্গেই আগামী দুদিন আকাশ মেঘলা থাকবে। সঙ্গে থাকবে ক্ষণিকের রোদ। আবহাওয়াবিদরা মনে করছেন, পশ্চিমী ঝঞ্ঝা চলে যাওয়ার পরও জলীয় বাষ্পের কারণে কুয়াশার প্রভাব থাকবে। জাঁকিয়ে শীত আর সে অর্থে পড়ার সম্ভাবনাও নেই। গত রবিবার থেকেই ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে তাপমাত্রা। সেরকমই পূর্বাভাস ছিল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের।

জানুয়ারি ১৩, ২০২২
রাজ্য

Rain: দুপুর গড়াতেই জেলায় জেলায় শুরু বৃষ্টি! পাঁচ জেলাকে সতর্ক করল আলিপুর

হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস ছিলই। মঙ্গলবার দুপুর গড়াতেই শুরু হয়েছে জেলায় জেলায় বৃষ্টি। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী দু থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুসারে সন্ধ্যার মধ্যেই বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, মেদিনীপুর জেলার একাধিক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। সকলকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সতর্কবার্তা রয়েছে হুগলি ও কলকাতার জন্যও।আরও পড়ুনঃ হাইকোর্টের নির্দেশে শুভেন্দুকে ছাড়াই গঙ্গাসাগরের নতুন কমিটিআগামী ৪৮ ঘণ্টায় দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলাতেই বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। পশ্চিমীঝঞ্ঝার কারণে হাওয়ার গতিপথের পরিবর্তন, সেই সঙ্গে বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয় বাষ্পপূর্ণ আসা হাওয়া এই দুয়ের প্রভাবেই এই বৃষ্টিপাত। এই বৃষ্টির প্রভাব বেশি পড়বে পশ্চিমের জেলাগুলিতে। ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাগুলিতে হালকা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে আগামী দুদিন। তবে পশ্চিমের জেলাগুলির দুএক জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।আরও পড়ুনঃ লিটন যেন রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, তবু লড়াই জমাতে পারল না বাংলাদেশমঙ্গলবার সকাল থেকেই ছিল আকাশের মুখ ভার। দুপুর গড়াতে শুরু হয় বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টিপাত। মেদিনীপুর শহরে এদিন বিকেল চারটে নাগাদ চারদিক একেবারে অন্ধকার করে আসে। সাড়ে চারটে থেকে শুরু হয়েছে বৃষ্টি। বিকেল থেকে আকাশ কালো ঘাটালে। হালকা ঝোড়ো হাওয়া আর ঝিরঝির করে বৃষ্টি। বৃষ্টি বাড়তে কী হবে চিন্তায় ঘাটাল মহকুমার কৃষকরা। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী যদি বৃষ্টি আরও বাড়ে তাহলে চরম ক্ষতি হবে আলু চাষের। এমনিতেই বছরের শুরু থেকে আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনায় চরম ক্ষতি হয়েছে চাষে। আবার এই পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় চিন্তার ভাঁজ কৃষকদের কপালে।আরও পড়ুনঃ ভোটের আগে বড় ভাঙন উত্তরপ্রদেশ বিজেপিতেঝাড়গ্রামেও সকাল থেকে আকাশ মেঘলা ছিল। বিকেল থেকে বৃষ্টি শুরু হয় জেলাজুড়ে। ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টির ঝাপট। পুরুলিয়াতেও সকাল থেকেই আকাশের মুখ ছিল ভার। বিকেল থেকে বৃষ্টি শুরু হয় পুরুলিয়া জেলাজুড়ে। প্রথমে ঝিরঝিরি বৃষ্টি শুরু হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে বৃষ্টির তোড়। শীত এবং সেই সঙ্গে বৃষ্টিতে জবুথবু পুরুলিয়া। রাস্তাঘাট একেবারে শুনশান।

জানুয়ারি ১১, ২০২২
রাজ্য

Weather: ঝঞ্ঝার দাপটে আজ থেকে শুরু বৃষ্টি

ঝঞ্ঝার দাপটে ক্রমেই দূরে পৌষের ঠান্ডা। বাড়ছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার দাপট। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, মঙ্গলবার থেকেই জেলায় জেলায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে বিশেষ করে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান ঝাড়গ্রামে এদিন থেকেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ১২ তারিখ থেকে টানা ১৪ তারিখ পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতেও বৃষ্টি হবে। বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকছে কলকাতাতেও।বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে সাগর মেলাতেও। আপাতত রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের উপরে থাকায় শীতের অনুভব কম হবে। মাঘের প্রথম সপ্তাহে ফের তাপমাত্রা কমতে পারে, ফলে দেখা মিলতে পারে শীতের। হাওয়া অফিস বলছে, বুধবার অবধি এই তাপমাত্রা ঊর্ধ্বমুখীই থাকবে। রাজস্থান থেকে বাংলায় আসা ঝঞ্ঝার শক্তিবৃদ্ধিতেই এই বৃ্ষ্টি-বিপদ বলেই জানা গিয়েছে।ইতিমধ্যেই নবান্ন থেকে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে জেলার কৃষি আধিকারিকদের কাছে। তাঁদের সবরকমভাবে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। বৃষ্টি হলে চাষিদের শস্যের ক্ষয়ক্ষতি হবেই। বিশেষ করে আলু চাষিদের জন্য যথেষ্ট উদ্বেগের কারণ হতে পারে এই বৃষ্টি। নবান্নের তরফে বলা হয়েছে, এর জন্য ব্লকের কৃষি আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা নিতে হবে। এখন রবিশস্যের সময়। একইসঙ্গে এই সময় বোরো ধানও চাষ হয়। সেসব দিকে নজর রাখার কথা বলা হয়েছে।কলকাতায়, মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে যা প্রায় ৪ ডিগ্রি বেশি। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, রাতের দিকে আরও বাড়তে পারে তাপমাত্রা। তবে, মঙ্গলবার মহানগরের আবহাওয়া শুষ্কই থাকবে। বুধেই বৃষ্টির সম্ভাবনা কলকাতায়। অন্যদিকে, জেলাগুলিতে বিশেষ করে উত্তরে দার্জিলিঙ ও কালিম্পংয়ে শিলাবৃষ্টি হতে পারে।

জানুয়ারি ১১, ২০২২
রাজ্য

Weather: ভিলেন পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে কমল শীত, হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস

এ বছরের মতো কী বিদায় নিল শীত? হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস আপাতত সে দিকেই ইঙ্গিত করছে। ক্রমেই কমছে শীত। রাতেও শেষ পৌষের কনকনে শীতের আমেজ প্রায় উধাও। দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে বেশি থাকবে বলে আলিপুর হাওয়া অফিসের পুর্বাভাসে জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে কলকাতা-সহ রাজ্যর বিভিন্ন জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভবনা রয়েছে। সোমবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে যা ৩ ডিগ্রি বেশি। আগামী তিনদিনে ৫ ডিগ্রি তাপমাত্রা বাড়তে পারে। রবিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৯৮ শতাংশ।পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরেই রাজ্য এই হাওয়া বদল বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। মঙ্গলবার থেকে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রামে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, ১২ থেকে ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে উত্তরবঙ্গেও। শিলাবৃষ্টিও হতে পারে বলে জানিয়েছে আলিপুর। এই বৃষ্টির ফলে রাতে তাপমাত্রা কিছুটা কমবে। তবে ১৬ জানুয়ারি থেকে আবহাওয়ার কিছুটা পরিবর্তন হবে বলে জানা গিয়েছে।

জানুয়ারি ১০, ২০২২
রাজ্য

Weather: পশ্চিমী ঝঞ্ঝার ঝাপটায় বাংলায় কমছে শীতের দাপট

শহরে কমতে শুরু করেছে শীতের দাপট। শুক্রবারের তুলনায় তাপমাত্রা ফের ১ ডিগ্রি বাড়ল। ভোরের দিকে কুয়াশার দেখা মিললেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিষ্কার হতে শুরু করে আকাশ। শনিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিক বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা বেড়ে ২৭ ডিগ্রি পর্যন্ত হতে পারে।আগামী চার দিনে বাংলায় শীত কমবে বলে আগেই জানিয়েছিলেন আবহবিদেরা। সে ক্ষেত্রে তাপমাত্রা দুই থেকে চার ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে। আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, ১১ জানুয়ারি মঙ্গলবার গঙ্গা তীরবর্তী জেলাগুলিতে হালকা বৃষ্টি হবে। একই সঙ্গে বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। এই পৌষেই পশ্চিমী ঝঞ্ঝার দাপটে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির দেখা মিলেছিল। শুক্রবার আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ফের রাজ্যে হানা দিতে চলেছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। আর এই ঝঞ্ঝার ধাক্কায় ১১ থেকে ১৪ জানুয়ারি উত্তর এবং দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। আর তাতেই এ বছরের মতো শীতের দাপট কমতে পারে বলেই মত আবহবিদদের। অসময়ের এই বৃষ্টিতে ফসলের ক্ষতি হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন কৃষকরা।

জানুয়ারি ০৮, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

অবশেষে ডিএর টাকা ছাড়ছে রাজ্য! কবে, কীভাবে পাবেন কর্মীরা? জানুন বিস্তারিত

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর অবশেষে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করল রাজ্য সরকার। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই অর্থদপ্তর থেকে টাকা ছাড়ার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। গ্রুপ ডি কর্মী এবং পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রে সরাসরি তাঁদের ব্যক্তিগত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হবে। অন্যদিকে বাকি কর্মীদের ক্ষেত্রে সেই টাকা জমা পড়বে জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ডে।জানা গিয়েছে, সরকারি কর্মীরা চাইলে এখন নিজেদের বকেয়া ডিএর হিসাবও দেখতে পাচ্ছেন। কীভাবে এই টাকা জিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা হবে, সেই প্রক্রিয়াও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকরা বিল তৈরি করে তা অনুমোদন করলে সেই টাকা কর্মীদের জিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে। একইসঙ্গে কিস্তিতে কত টাকা দেওয়া হচ্ছে, তার বিস্তারিত তথ্যও দেখা যাবে।উল্লেখ্য, বহুদিন আগে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার। সেখানে আদালত নির্দেশ দেয়, বকেয়া ডিএর ২৫ শতাংশ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মিটিয়ে দিতে হবে। যদিও সেই সময়সীমার মধ্যে টাকা দেওয়া হয়নি। পরে অতিরিক্ত সময় চেয়ে আবেদন জানানো হয়।পরবর্তীতে আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, ডিএ কর্মীদের আইনি অধিকার এবং তা দিতেই হবে। মে মাসের মধ্যে দুই কিস্তিতে ২৫ শতাংশ বকেয়া মেটানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। তার মধ্যে প্রথম কিস্তি মার্চ মাসের শেষের মধ্যে দেওয়ার কথা বলা হয়।এরপর বাকি টাকা কীভাবে দেওয়া হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত পুরো টাকা কর্মীরা পাননি। রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছে, বহু পুরনো নথি ডিজিটাল না হওয়ায় তা যাচাই করতে সময় লাগছে। সেই কারণে ডিএ দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা দেরি হয়েছে।এরই মধ্যে ভোটের দিন ঘোষণা হওয়ার দিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, চলতি মাসের মধ্যেই ২৫ শতাংশ বকেয়া ডিএ দিয়ে দেওয়া হবে। সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এবার ডিএ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় স্বস্তি পেয়েছেন সরকারি কর্মীরা।

মার্চ ২৬, ২০২৬
কলকাতা

দমদমে নামার আগেই বিপত্তি! প্রায় দেড় ঘণ্টা আকাশে চক্কর মমতার বিমান

জেলা সফর সেরে ফেরার পথে বড় বিপত্তির মুখে পড়তে হল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বৃহস্পতিবার দুপুরে পাণ্ডবেশ্বর ও বীরভূমে সভা সেরে অন্ডাল থেকে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে দমদম বিমানবন্দরে নামার কথা ছিল তাঁর বিশেষ বিমানের। কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে সেই অবতরণ সম্ভব হয়নি।সময়ের পর সময় কেটে গেলেও বিমান নামতে পারেনি। প্রায় এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আকাশে চক্কর কাটতে থাকে বিমানটি। শেষ পর্যন্ত প্রায় এক ঘণ্টা ২০ মিনিট পর বিকেল ৫টা ১৮ মিনিটে দমদমে অবতরণ করে মুখ্যমন্ত্রীর চার্টার্ড বিমান।আবহাওয়া দফতর আগেই সতর্কবার্তা দিয়েছিল। বিকেলের দিকে দমদম ও উত্তর ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ এলাকায় বজ্রগর্ভ মেঘ জমে ওঠে। তার জেরে শুরু হয় প্রবল ঝড় ও বৃষ্টি। এই পরিস্থিতির কারণে বিমান নামানো সম্ভব হয়নি বলে জানা যায়।এই সময় বিমানের গতিপথও পরিবর্তন করতে হয়। কখনও রানাঘাট, কখনও কৈখালি, কখনও সোনারপুর, আবার কখনও ডায়মন্ড হারবারের আকাশে ঘুরতে থাকে বিমানটি। দমদমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় বারবার অবতরণের চেষ্টা ব্যর্থ হয়।ঝড়ের তীব্রতা এতটাই ছিল যে বিমানবন্দরের সামনে মুখ্যমন্ত্রীর জন্য তৈরি করা সামিয়ানাও উল্টে যায়। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, প্রায় ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার উঁচু বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হয়েছিল, যার ফলেই এই দুর্যোগের সৃষ্টি হয়।শেষমেশ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করে। তবে এই ঘটনায় কিছু সময়ের জন্য উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল।

মার্চ ২৬, ২০২৬
রাজ্য

এক মাস আগে থেকেই ঝড় তুললেন মমতা! বাঙালি আবেগে ভর করে ভোটের ডাক

বিধানসভা ভোটের আর মাত্র একমাস বাকি। তার আগেই রাজ্যজুড়ে জোরকদমে প্রচার শুরু করে দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার উত্তরবঙ্গ থেকে প্রচার শুরু করার পরের দিনই তিনি চলে আসেন দক্ষিণবঙ্গে। পশ্চিম বর্ধমানের পাণ্ডবেশ্বর থেকে শুরু করে বীরভূমের দুবরাজপুর পর্যন্ত একাধিক কেন্দ্রে দলের প্রার্থীদের হয়ে প্রচার করেন তিনি।এদিন দুপুরে পাণ্ডবেশ্বর থেকে খয়রাশোলে পৌঁছে জনসভা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বাঙালি আবেগকে সামনে এনে বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ করেন। তাঁর অভিযোগ, অমর্ত্য সেন এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে অপমান করেছে বিজেপি। সেই কারণেই তিনি মানুষকে আহ্বান জানান, বিজেপিকে একটি ভোটও না দেওয়ার জন্য এবং তৃণমূল প্রার্থীদের জয়ী করার জন্য।সভা মঞ্চে তিনি একে একে দলের প্রার্থী আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, চন্দ্রনাথ সিনহা, অভিজিৎ সিনহা, অভিজিৎ রায় এবং নীলাবতী সাহাকে সামনে এনে সকলের জন্য ভোট চান। তিনি বলেন, এই নির্বাচনে তৃণমূলকে শক্তিশালী করতে সবাইকে একসঙ্গে লড়াই করতে হবে।এছাড়াও তিনি ভোটার তালিকা নিয়ে সতর্কবার্তা দেন। তাঁর দাবি, বিজেপি ধাপে ধাপে এনআরসি, সীমানা পুনর্নির্ধারণ এবং জনগণনা করে অনেকের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। তাই এই নির্বাচন খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি জানান।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, এখন বিজেপি বেছে বেছে মানুষকে আলাদা করার চেষ্টা করছে। তবে তাঁর কথায়, সাধারণ মানুষ বিজেপিকে পছন্দ করে না এবং তাদের এই পরিকল্পনা সফল হবে না।

মার্চ ২৬, ২০২৬
বিদেশ

ট্রাম্পকে সরাসরি না ইরানের! যুদ্ধবিরতি জল্পনায় বড় ধাক্কা

আমেরিকা এবং ইজরায়েলের চাপের সামনে মাথা নত করতে নারাজ ইরান। যুদ্ধবিরতির জল্পনার মধ্যেই তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কোনও নির্দেশ মানবে না। শুধু তাই নয়, আমেরিকার সঙ্গে কোনওরকম আলোচনায় বসার কথাও তারা একেবারে নাকচ করে দিয়েছে।ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সে দেশের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানান, আমেরিকার দেওয়া প্রস্তাব তারা খতিয়ে দেখেছে, কিন্তু ওয়াশিংটনের সঙ্গে সরাসরি কোনও আলোচনা হবে না। তিনি বলেন, বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে আমেরিকা বার্তা পাঠালেও তা আলোচনার সমতুল্য নয়।আরাঘচির কথায়, ইরান কখনও চাপের কাছে মাথা নত করবে না। আমেরিকার লক্ষ্য ছিল ইরানের শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন এবং যুদ্ধে জয়লাভ, কিন্তু সেই উদ্দেশ্য তারা পূরণ করতে পারেনি বলেই দাবি করেন তিনি। তিনি আরও জানান, ইরান যুদ্ধ চায় না, তবে স্থায়ী সমাধানের জন্য তাদের শর্ত মানতেই হবে, না হলে সংঘাত চলতেই থাকবে।অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপকে বড় ধরনের ধ্বংসযজ্ঞ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা চলছে এবং ইরানের সরকার যুদ্ধ থামাতে চাইলেও দেশের মানুষের প্রতিক্রিয়ার ভয়ে তারা পিছিয়ে রয়েছে।মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ট্রাম্প একাধিক শর্ত দিয়েছেন। তার মধ্যে রয়েছে হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া এবং ইরানের পরমাণু কর্মসূচির উপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ। এর পালটা জবাবে ইরানও নিজেদের শর্ত জানিয়েছে। তাদের দাবি, মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার সমস্ত সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করতে হবে এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের জন্য আমেরিকাকে অর্থ দিতে হবে।এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ছে এবং যুদ্ধ পরিস্থিতি কোন দিকে গড়াবে, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে।

মার্চ ২৬, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বাসন্তীতে তাণ্ডব! রাস্তায় ফেলে পুলিশ অফিসারকে বাঁশ দিয়ে পেটাল দুষ্কৃতীরা

ভোটের আবহে আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠল বাসন্তী। রাস্তায় ফেলে এক পুলিশ অফিসারকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার একটি ভিডিও সামনে এসেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা এক পুলিশ অফিসারকে বাঁশ দিয়ে মারধর করা হচ্ছে। গুরুতর জখম হয়েছেন ওই পুলিশ অফিসার।আহত পুলিশ অফিসারের নাম সৌরভ গুহ। তিনি বাসন্তী থানার সাব ইন্সপেক্টর। জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় তিনি ছাড়াও আরও কয়েকজন পুলিশ কর্মী আহত হয়েছেন।ঘটনাটি ঘটে যখন বিজেপি প্রার্থী বিকাশ সর্দার এলাকায় প্রচারে বেরিয়েছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় বাজার এলাকায় আচমকাই হামলা চালানো হয়। দুষ্কৃতীরা বাঁশ ও লাঠি নিয়ে তাণ্ডব শুরু করে। একাধিক মোটরবাইক ভাঙচুর করা হয়। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। কিন্তু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়েই আক্রান্ত হন পুলিশ কর্মীরাই। অভিযোগ, সাধারণ পোশাকে থাকা সাব ইন্সপেক্টর সৌরভ গুহকে লক্ষ্য করে তাড়া করে দুষ্কৃতীরা। তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে রাস্তায় পড়ে যান। এরপর তাঁকে ঘিরে ধরে এলোপাথাড়ি মারধর করা হয়। তাঁর মাথা ফেটে যায় এবং রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকেন তিনি।পরে বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। ক্যানিং, বাসন্তী এবং গোসাবা এলাকার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। উপস্থিত রয়েছেন উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকরাও। কেন্দ্রীয় বাহিনীও এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং টহলদারি শুরু হয়েছে।এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। আহত পুলিশ অফিসারকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।বাসন্তী এলাকা আগে থেকেই স্পর্শকাতর বলে পরিচিত। প্রতি নির্বাচনেই এখানে হিংসার অভিযোগ ওঠে। তবে পুলিশকেই রাস্তায় ফেলে মারধরের ঘটনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।এই ঘটনার পর রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূলের এক নেতা জানিয়েছেন, নির্বাচন চলাকালীন নিয়ম মেনে চলা উচিত এবং পুলিশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। অন্যদিকে বিজেপির এক নেতা বলেছেন, এই ঘটনার জন্য দায়ীদের ভবিষ্যতে ফল ভোগ করতে হবে।

মার্চ ২৬, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগেই বড় ধরপাকড়! এক মাসে উদ্ধার প্রায় ৪০০ কোটি টাকার অবৈধ সামগ্রী

নির্বাচনকে ঘিরে এবার কড়া নজরদারিতে নেমেছে নির্বাচন কমিশন। প্রতিটি অভিযোগ খতিয়ে দেখা, তার সত্যতা যাচাই করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার উপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, গত এক মাসে বিভিন্ন অভিযানে প্রায় ৪০০ কোটিরও বেশি টাকার অবৈধ সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। সম্প্রতি পাঁচটি নির্বাচনী রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল, সঙ্গে তাদের ১২টি সীমান্তবর্তী রাজ্যের প্রশাসনিক শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে কমিশন। সেখানে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, নির্বাচন যেন সম্পূর্ণভাবে হিংসামুক্ত, ভয়মুক্ত এবং প্রলোভনমুক্ত হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।এই লক্ষ্যেই বড় পরিসরে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পাঁচটি বিধানসভা নির্বাচনে ৫ হাজার ১৭৩টিরও বেশি উড়ন্ত দল মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে যে কোনও অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি করা যায়। পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশির জন্য ৫ হাজার ২০০টিরও বেশি নজরদারি দল কাজ করছে।সূত্রের খবর, ইলেকট্রনিক জব্দ ব্যবস্থাপনা চালু হওয়ার পর ২৫ মার্চ পর্যন্ত বিভিন্ন সংস্থার যৌথ অভিযানে মোট ৪০৮ কোটি ৮২ লক্ষ টাকারও বেশি অবৈধ সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রায় ১৭ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকা নগদ, ৩৭ কোটি ৬৮ লক্ষ টাকার মদ, প্রায় ১৬ লক্ষ লিটারেরও বেশি মদ উদ্ধার হয়েছে। মাদকদ্রব্যের মূল্য প্রায় ১৬৭ কোটি ৩৮ লক্ষ টাকা। এছাড়া প্রায় ২৩ কোটি টাকার মূল্যবান ধাতু এবং আরও ১৬৩ কোটির বেশি টাকার অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে।অভিযোগ দ্রুত মেটানোর জন্য জেলা স্তরে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। সাধারণ মানুষ এবং রাজনৈতিক দলগুলিও একটি বিশেষ অ্যাপের মাধ্যমে সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারছেন। জানা গিয়েছে, ১৫ মার্চ থেকে ২৫ মার্চের মধ্যে এই ব্যবস্থার মাধ্যমে মোট ৭০ হাজার ৯৪৪টি অভিযোগ জমা পড়েছে। তার মধ্যে ৭০ হাজার ৮৩১টি অভিযোগ ইতিমধ্যেই নিষ্পত্তি করা হয়েছে। কমিশনের দাবি, প্রায় ৯৫ শতাংশ অভিযোগ ১০০ মিনিটের মধ্যেই সমাধান করা সম্ভব হয়েছে।

মার্চ ২৬, ২০২৬
কলকাতা

অনুমতি মেলেনি, গেটের বাইরে রামনবমী! কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে তীব্র উত্তেজনা

রামনবমীকে কেন্দ্র করে আবারও উত্তেজনার ছবি দেখা গেল কলকাতার শিক্ষাঙ্গনে। এ বছর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে শান্তিপূর্ণভাবে রামনবমী পালন হলেও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে তা ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে রামনবমী পালনের জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন এবিভিপি সমর্থিত ছাত্রছাত্রীরা, কিন্তু সেই অনুমতি দেয়নি কর্তৃপক্ষ।শুধু পুজো নয়, ক্যাম্পাসের ভিতরে মিছিল করার জন্যও অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। তাতেও না মেলায় সকাল থেকেই ক্যাম্পাসে উত্তেজনা তৈরি হয়। দুই পক্ষের মধ্যে চাপানউতোর চলতে থাকে।বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের বাইরে রামের মূর্তি এনে বসানো হয়েছে। ক্যাম্পাসে অনুমতি না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত বাইরে বসেই পুজো শুরু করেন উদ্যোক্তারা। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ক্যাম্পাসের ভিতরে শুধুমাত্র সরস্বতী পুজোর অনুমতি রয়েছে, অন্য কোনও পুজোর নয়। অন্যদিকে এক ছাত্র উদ্যোক্তার দাবি, যদি অন্য ধর্মীয় অনুষ্ঠান ক্যাম্পাসে পালন করা যায়, তাহলে রামনবমীও করা যেত। তবু পরিস্থিতি সামাল দিতে তারা বাইরে পুজো করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।উল্লেখ্য, দুই বছর আগে রামনবমীকে কেন্দ্র করে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাপক অশান্তি হয়েছিল। সেই ঘটনায় ধস্তাধস্তি, সংঘর্ষ এবং রক্তারক্তির ঘটনাও ঘটে। এমনকি উপাচার্যও আহত হন। তবে গত বছর থেকে সেখানে নির্বিঘ্নেই রামনবমী পালন করা হচ্ছে।

মার্চ ২৬, ২০২৬
দেশ

অসমে একলা লড়াই! মমতার বড় বাজি, কত আসনে প্রার্থী দিল তৃণমূল?

পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি অসমের বিধানসভা নির্বাচনেও লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে এবার একলা চলো নীতি নিয়েই ভোটে নামছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। শুরুতে বেশি আসনে লড়ার কথা ভাবা হলেও শেষ পর্যন্ত ২২টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল। ইতিমধ্যেই দলের তরফে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।তৃণমূল আগেই জানিয়ে দিয়েছিল, অসমে তারা কোনও বিরোধী জোটে থাকবে না। একক শক্তিতে লড়াই করেই রাজ্যে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করতে চায় দল। সেই লক্ষ্যে এগিয়েই প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়েছে। দুই দফায় মোট ২২টি আসনে প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। বরাক উপত্যকায় ৫টি আসনে এবং ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় ১৭টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে তৃণমূল। দলের দাবি, সব ধরনের মানুষের প্রতিনিধিত্ব বজায় রেখেই প্রার্থী নির্বাচন করা হয়েছে।অসমে তৃণমূলের অন্যতম পরিচিত মুখ দুলু আহমেদ চামারিয়া কেন্দ্র থেকে লড়বেন। এছাড়া কোকরাঝাড়, বিলাসিপাড়া, অভয়পুরী, বাজলী, গোরেশ্বর, মঙ্গলদাই, কাটিগড়া এবং সোনাই কেন্দ্রেও প্রার্থী দিয়েছে তৃণমূল। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে দলবদল করে আসা নেতাদের এড়িয়ে স্থানীয় ও বিদ্রোহী নেতাদের গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে কোনও সমস্যা না হয়।তৃণমূলের অভিযোগ, অসমে দীর্ঘদিন ধরে কংগ্রেস ও বিজেপির রাজনীতির মধ্যে সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত। সেই পরিস্থিতিতে নিজেদের বিকল্প শক্তি হিসেবে তুলে ধরতে চাইছে দল। দলের নেত্রী সুস্মিতা দেব জানিয়েছেন, ফল যাই হোক, লক্ষ্য স্থির রেখেই ভোটে লড়াই করবে তৃণমূল এবং বিরোধী হিসেবে শক্ত অবস্থান গড়ার বিষয়ে তারা আত্মবিশ্বাসী।উল্লেখ্য, এ বছর মোট পাঁচটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। অসমে ভোট হবে ৯ এপ্রিল, এক দফাতেই। রাজ্যে মোট ১২৬টি আসন রয়েছে। তার মধ্যে ২২টি আসনে লড়ছে তৃণমূল কংগ্রেস। অন্যদিকে, কংগ্রেস ইতিমধ্যেই ৯৬টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। বিজেপিও প্রথম দফায় ৮৮টি আসনে প্রার্থীর নাম প্রকাশ করেছে। ভোটের ফল ঘোষণা হবে ৪ মে।

মার্চ ২৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal