• ১২ ভাদ্র ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

RR

রাজ্য

রায়নায় সেচ ক্যানেলের পাড় থেকে উদ্ধার যুগলের ঝুলন্ত মৃতদেহ

সেচ ক্যানেলের পাড়ের গাছ থেকে উদ্ধার হল ঝুলন্ত অবস্থায় থাকা যুগলের মৃতদেহ। যা নিয়ে মঙ্গলবার সকাল থেকে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব বর্ধমানের রায়না থানার নাড়ুগ্রাম পঞ্চায়েতের নান্দাল গ্রামে।খবর পেয়ে রায়না থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে গাছ থেকে দুটি মৃতদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের নাম রুপনাথ হাজরা(২৪) ও পুতুল রাণা(৩১)। দুজনেরই বাড়ি রায়নার নান্দাল গ্রামে। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে পুলিশ এদিনই মৃতদেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান হাসপাতাল পুলিশ মর্গে পাঠায়। রায়না থানার পুলিশ যুগলের মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রুপনাথ হাজরা ও পুতুল রাণা দুজনেরই বাড়ি রায়নার নান্দাল গ্রামে। তবে এরা কেউ স্বামী স্ত্রী নয়। পেশায় লরি চালক রুপনাথ অবিবাহিত। তাঁর সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল গ্রামেরই বধূ পুতুলের। এলাকাবাসীর কথায় জানা গিয়েছে, পুতুল ও রুপনাথের অবৈধ সম্পর্কের কথা দুজনের পরিবারের কেউই মেনে নেননি। এই পরিস্থিতিতে সম্পর্ক নিয়ে টানাপোড়েনের জেরে যুগল আত্মঘাতী হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। এই মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে দুই মৃতের পরিবারের কেউ এদিন বিকাল পর্যন্ত থানায় কারও বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ জানায়নি। তবে পুলিশ তদন্তে নেমে যুগলের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কি তা খতিয়ে দেখছে।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২২
রাজ্য

রেল পুলিশের তৎপরতায় ফের বেশকিছু টিয়াপাখি সহ গ্রেফতার পাচারকারী

রেল পুলিশের তৎপরতায় ফের পাচারের আগেই উদ্ধার হল বেশকিছু টিয়া পাখি গ্রেফতার করা হয়েছে পাচারকারীকে। মঙ্গলবার সকালে বর্ধমান স্টেশনের ৫ নম্বর প্ল্যাটফর্মে ফুট ওভারব্রিজে টহলদারি চালাচ্ছিল রেল পুলিশ। ওই সময়ে তারা এক যুবককে একটি বড় ব্যাগে ভরে কিছু নিয়ে যেতে দেখেন। সন্দেহ হওয়ায় রেল পুলিশ মহম্মদ শরিফ নামে বর্ধমানের দুবরাজদিঘী হরেরডাঙ্গা এলাকা নিবাসী ওই যুবকের পথ আটাকায়। রেল পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর শিলেন্দ্র কুমার জানিয়েছেন, যুবকের সঙ্গে থাকা ব্যাগে তল্লাশি চালাতেই উদ্ধার হয় খাঁচা বন্দি অবস্থায় থাকা সাতটি টিয়া পাখি। পাচারের উদ্দেশ্যে খাঁচায় ভরে টিয়া পাখিগুলি নিয়ে যাওয়া যাচ্ছিল বলে জেরায় যুবক স্বীকার করার পরেই তাঁকে ধরে আরপিএফ অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। পাশাপাশি খবর দেওয়া হয় বর্ধমানের বনবিভাগে। এদিনই বন বিভাগের কর্মী ও অফিসাররা বর্ধমান আর পি এফ অফিসে হাজির হয়ে টিয়া পাখিগুলি ও ধৃত যুবককে নিজেদের হেফাজতে নেয়। বর্ধমান বন বিভাগের তরফে জানানো হয়েছে, অবৈধভাবে বন্য প্রাণী পাচারের অভিযোগে মামালা রুজু করে মহম্মদ শরিফ নামে ওই ব্যক্তিকে এদিনই বর্ধমান আদালতে পাঠানো হয়েছে। বন বিভাগের আধিকারিকরা জানিয়েছেন,কিছুদিন আগে বর্ধমান স্টেশনে থাকা রেল পুলিশ ডাউন দানাপুর এক্সপ্রেসের কামরায় তল্লাশি চালিয়ে শতাধিক টিয়াপাখি উদ্ধার করেছিল। সেবারও টিয়া পাচারের অভিযোগে রেল পুলিশের হাতে ধরা পড়ে বর্ধমানের দুবরাজদিঘীরই এক ব্যক্তি। ওই ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে রেল পুলিশ জানতে পারে পাচারের উদ্দেশ্যে সে বিহারের পাটনা থেকে শতাধিক টিয়াপাখি বর্ধমানে আনিয়েছে। পরে সে টিয়াপাখিগুলি বর্ধমান থেকে অন্যত্র পাচার করা হত।যদিও রেল পুলিশের তৎপরতায় পাচারের আগেই ওইদিন শতাধিক টিয়াপাখি সহ পাচারকারী ধরা পড়েযায়। রেল পুলিশ তৎপর থাকায় এদিনও বর্ধমান স্টেশনে বেশ কিছু টিয়া পাখি সহ পাচারকারী ধরা পড়লো বলে বন দফতরের কর্মীরা জানিয়েছেন।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২২
কলকাতা

সল্টলেকে বিজেপি-র মিছিলে ধুন্ধুমার! রাস্তায় বসে প্রতিবাদ শুভেন্দুর

বিধাননগরে বিজেপির মিছিল ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল। সোমবার ইজেডসিসি থেকে বিধাননগর কমিশনারেট পর্যন্ত মিছিলের ডাক দেয় বিজেপি। এই মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। অভিযোগ, মিছিল শুরু হওয়ার কিছু পরেই বিধাননগর পুলিশ ব্যারিকেড করে তা আটকে দেয়। এরপরই রাস্তায় বসে পড়েন শুভেন্দু অধিকারী। বসে পড়েন দলের বাকি নেতা কর্মীরাও। প্রথমে পুলিশের সঙ্গে কথা কাটাকাটি, তার পর বাধা পেয়ে কর্মী সমর্থকদের নিয়ে কমিশনারেটের অফিসের সামনে রাস্তাতেই বসে পড়েন বিজেপি বিধায়ক। বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, রাজ্যে জরুরি অবস্থা জারির মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছে। পুরভোটের আগে সন্ত্রাসের বাতাবরণ সৃষ্টি করেছে রাজ্যের শাসক দল। তাঁর মন্তব্য, বাংলা গণতন্ত্রের গ্যাস চেম্বারে পরিণত হয়েছে। রাজ্যপাল যা বলেছেন, ঠিক বলেছেন।শুভেন্দু বলেন,গত মঙ্গলবার সল্টলেকে বিজেপি কার্যালয়ে হামলা চালিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। আট দিন কেটে যাওয়ার পরও তাদের ধরা হয়নি কেন, পুলিশের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছোড়েন তিনি। বিজেপি বিধায়কের কটাক্ষ, ৮০০ বিজেপি কর্মীকে আটকাতে দুহাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার বিধাননগর পুর নির্বাচনের কার্যালয়ে মঙ্গলবার দুপুরে হামলা চালানো হয়েছে বলে বিজেপি-র অভিযোগ। আঙুল তৃণমূলের দিকে। অভিযোগ, আচমকাই কয়েক জন দুষ্কৃতী জোর করে কার্যালয়ে ঢোকার চেষ্টা করেন। বিজেপি কর্মীরা তাঁদের বাধা দিতে গেলে, তাঁদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। বাদ যাননি মহিলা কর্মীরাও। শুভেন্দুর অভিযোগ, মারধর করার পাশাপাশি কার্যালয় ভাঙচুর চালায় দুষ্কৃতীরা। বিজেপি-র দলীয় পতাকা, প্রচারের জন্য থাকা হোর্ডিং ছিঁড়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। তা ছাড়া দলের কার্যালয়ে থাকা একাধিক কম্পিউটার ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। এই ঘটনায় পুলিশের কাছে তিন জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছেন তাঁরা। কিন্তু এ পর্যন্ত কাউকে ধরা হয়নি বলে অভিযোগ।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বিয়ের ১০ বছর কাটালেন পায়েল-দ্বৈপায়ন

বিয়ের পর ১০টা বছর একসঙ্গে কাটিয়ে দিলেন অভিনেতা দ্বৈপায়ন দাস ও অভিনেত্রী পায়েল দে। সেই আনন্দ সোশ্যাল মিডিয়ায় সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন পায়েল। দ্বৈপায়নের সঙ্গে বেশ কিছু ছবি পোস্ট করে তিনি ক্যাপশনে লিখেছেন, শুভ ১০ ..শুভ হোক প্রতিদিন ...আসো আমরা একসঙ্গে এইভাবে সময়টা যেন কাটাতে পারি। ...হাসতে থাকো..অনেক ভালোবাসি তোমাকে... খুব শুভ বিবাহ বার্ষিকী . এই পোস্টে অনেকেই ভালোবাসার কমেন্টে ভরিয়ে দিয়েছেন। সঙ্গীতশিল্পী মনস্বিতা ঠাকুর কমেন্ট করে লিখেছেন, দুজনকেই শুভ বিবাহবার্ষিকী। অভিনেতা দেব চ্যাটারজি লিখেছেন, শুভ বিবাহবার্ষিকী , খুব খুব ভালো থেকো তোমরা আজীবন। অনেক শুভেচ্ছা, ভালোবাসা। এছাড়া বিশেষ দিনে তিনি আরও অনেক ভালোবাসা পেয়েছেন। চৈতালি দাশগুপ্ত কমেন্টে লিখেছেন, অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও ভালবাসা নিস্পায়ল-গোগোল।বর্তমানে কালারস বাংলায় সোনা রোদের গান ধারাবাহিকে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করছেন পায়েল। তাঁর বিপরীতে রয়েছেন সৌম্য ব্যানারজি। প্রতিদিন রাত ৮টায় এই ধারাবাহিকটি টেলিকাস্ট করা হয়।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
কলকাতা

'সেক্স র‍্যাকেটে নাম জড়িয়েছে', পুলিশ পরিচয়ে ফোন করে টাকা তোলার ছক, গ্রেপ্তার ৫

ফের জালে ভুয়ো পুলিশ। পুলিশ ইনস্পেক্টর পরিচয় দিয়ে প্রতারণার চেষ্টার অভিযোগে সাপুরজি কমপ্লেক্স থেকে এক নাবালক-সহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছেন কলকাতা পুলিশের সাইবার থানার তদন্তকারীরা।অভিযোগ, ধৃতেরা কলকাতা পুলিশের ইনস্পেক্টর পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তিকে ফোন করেছিল। পুলিশ জানিয়েছে, ওই ব্যক্তিকে ফোন করে বলা হয়, তাঁর নাম সেক্স ব়্যাকেটে জড়িয়েছে। গ্রেপ্তারি এড়াতে তাঁকে মোটা টাকা দিতে হবে পুলিশকে। ওই ব্যক্তি বুঝতে পারেন, তাঁকে প্রতারণার ফাঁদের ফেলার চেষ্টা হচ্ছে। তিনি কলকাতা পুলিশের সাইবার থানায় অভিযোগ জানান। তার ভিত্তিতেই গ্রেপ্তার করা হয় পাঁচ জনকে।পুলিশ জানিয়েছে ধৃতরা আপাতত জেরায় নিজেদের দোষ স্বীকার করেছে। পুলিশ মনে করছে, এর পিছনে একটা চক্র কাজ করছে। ধৃতদের জেরা করে এই চক্রের হদিশ পেতে চাইছেন তদন্তকারীরা। তদন্তে জানা গিয়েছে, ধৃতরা সাপুরজি কমপ্লেক্সে বাড়ি ভাড়া নিয়ে ছিল। তারা প্রত্যেকেই বিহারের বাসিন্দা। তাদের মধ্যে একজন নাবালক রয়েছে। তারা সম্প্রতি কলকাতার বাসিন্দা ওই ব্যক্তিকে ফোন করে। ওই ব্যক্তির বয়ান অনুযায়ী, ফোনে তাঁকে বলা হয়েছিল, তাঁর নাম সেক্স ব়্যাকেটে জড়িয়ে গিয়েছে। গ্রেপ্তারি এড়াতে চাইলে তাঁকে মোটা টাকা দিতে হবে পুলিশকে।পুলিশ ইন্সপেক্টর পরিচয় দিয়ে তাঁকে ফোন করা হয়েছিল বলে জানান ওই ব্যক্তি। মোবাইলে কথা বলার সময়েই তিনি বুঝতে পেরে যান, প্রতারক ফোন করেছে তাকে। কথাবার্তাতেই সন্দেহ হয়েছিল ওই ব্যক্তির। তৎক্ষণাৎ তিনি কলকাতার সাইবার ক্রাইম থানার দ্বারস্থ হন। তদন্তে নামে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
রাজ্য

মৃত ব্যক্তির হয়ে অন্যকে জমির মালিক সজিয়ে আর্থিক প্রতারণা, গ্রেফতার প্রৌঢ়

জমির প্রকৃত মালিক অনেকদিন আগেই মারা গিয়েছেন। সেই মৃত ব্যক্তির হয়ে অন্যকে জমির মালিক সাজিয়ে এক ব্যক্তির কাছ থেকে লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হল এক প্রৌঢ়। ধৃতের নাম স্বপন কর্মকার। তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার কেরিলি গ্রামে। জামালপুর থানার পুলিশ শনিবার রাতে বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিভ রবিবার ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। ভারপ্রাপ্ত সিজেএম ধৃতকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়ে মঙ্গলবার ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।পুলিশ জানিয়েছে, জামালপুর থানার বাতপুরে বসবাস করেন শঙ্কর মিস্ত্রি। স্থানীয় নবগ্রাম মৌজায় তাঁর ১৫ কাঠা জমি রয়েছে। ওই জমির লাগোয়া ১২ কাঠা জমি বিক্রি হবে বলে শঙ্করবাবু জানতে পারেন। তারপর তিনি জমির মালিকানার বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া শুরু করেন। বিভিন্ন জনকে জিজ্ঞাসা করে জানতে পারেন জমিটির মালিক শান্তিজ্যোতি মুখোপাধ্যায় নামে এক ব্যক্তি। এরপর কয়েক দিন বাদেই শঙ্করবাবুর কাছে দুজন আসে। তাঁরা জমিটি শঙ্করকে দেখায়। তাঁদের কাছে শঙ্করবাবু জমিটি কেনার ইচ্ছাপ্রকাশ করেন। কিছুদিন পর ওই দুজন তাঁর কাছে আরও একজনকে নিয়ে গিয়ে দাবি করেন ইনি জমির মালিক শান্তিজ্যোতি। তাঁর সঙ্গে আলোচনার পর জমির মূল্য ঠিক হয় ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। অগ্রিম বাবদ শঙ্করবাবু ১৩ হাজার টাকা তাকে দিয়ে দেন। এরপর কয়েক দফায় ওই জমির মূল্য বাবাদ ১ লক্ষ ১৩ হাজার ৫০০ মেটিয়ে দিয়ে শঙ্করবাবু জমি তাঁর নামে রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার জন্য বলেন। তখন নানা অছিলায় অভিযুক্তরা রেজিস্ট্রি করা এড়িয়ে চলে। কিছুদিন পর জমির দখল নিতে গিয়ে শঙ্কর জানতে পারেন, ২০ বছর আগে জমির মালিক মারা গিয়েছেন। ভূয়ো ব্যক্তিকে জমির মালিক সাজিয়ে অন্যরা তার কাছে নিয়ে গিয়েছিল। বিষয়টি শোনার পর প্রতারিত হয়ছেন বুঝতে পেরে শঙ্করবাবু বর্ধমান সিজেএম আদালতে মামলা করেন। আদালত কেস রুজু করে তদন্তের জন্য জামালপুর থানার ওসিকে নির্দেশ দেয়। আদালতের নির্দেশ মেনে ভুয়ো পরিচয়ে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ প্রতারক প্রৌঢ়কে গ্রেফতার করে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
রাজ্য

দমদমের পর নদিয়া, শ্লীলতাহানির পর চলন্ত ট্রেন থেকে ধাক্কা মহিলাকে

দমদমের পর এবার নদিয়া। ফের একবার চলন্ত ট্রেনে মহিলাকে শ্লীলতাহানি করার চেষ্টা। শুধু তাইই নয়, এরপর সেই মহিলা তার প্রতিবাদ করলে সুযোগ বুঝে ধাক্কা দেওয়া হয় সেই ট্রেন থেকেই। বরাত জোরে প্রাণে বাঁচলেও গুরুতর আহত সেই মহিলা হাসপাতালে ভর্তি। ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১ জনকে। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার গাংনাপুরে। আরও একবার লোকাল ট্রেনে মহিলা যাত্রীদের সুরক্ষার নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেল।সূত্রের খবর, রানাঘাট-বনগাঁ শাখার গাংনাপুরের কাছে চলন্ত ট্রেনে ছিলেন সেই মহিলা। গাড়ি যখন রায়নগর স্টেশনে ঢুকছে, সেই মুহূর্তে সেই মহিলাকে শ্লীলতাহানি করার চেষ্টা করেন অভিযুক্ত ব্যক্তি। ক্রমাগত উত্যক্ত করতে থাকেন সেই মহিলাকে। সেই হেনস্থার প্রতিবাদ করায় এরপর চলন্ত লোকাল ট্রেন থেকে ধাক্কা মারেন অভিযুক্ত ব্যক্তি সেই মহিলাকে। প্ল্যাটফর্মে পড়ে যাওয়ার পরে মহিলাকে উদ্ধার করে জেএনএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে তিনি গুরুতরভাবে আহত। ঘটনায় ১ জনকে গ্রেপ্তার করলেও, আরও এক অভিযুক্ত এখনও পলাতক।

জানুয়ারি ২৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

গাঁটছড়া বাঁধলেন মৌনী-সূরজ

শহর জুড়ে যেন প্রেমেরই মরশুম। অনুপম রায়ের এই গানের লাইনটা বর্তমান সময়ের সঙ্গে অনেকটাই মিলে যাচ্ছে। তবে এখন প্রেমের মরশুমের পরিবর্তে বলা চলে শহর জুড়ে যেন বিয়ের মরশুম। টলিউড থেকে বলিউড অনেক তারকারই চার হাত এক হচ্ছে। সেই তালিকায় জুড়ল এবার বলিউড অভিনেত্রী মৌনী রায়ের নাম। পাত্র সূরজ নাম্বিয়ার। বরের পরিবারের নিয়ম মেনে মালয়ালী রীতিতে বিয়ে করলেন বাঙালি কন্যা। গোয়ায় সাতপাক ঘুরলেন দুজনে। সাদা চাদোয়া এবং সাদা ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছিল বিয়ের মণ্ডপ। লাল এবং সাদা শাড়িতে সেজেছেন মৌনী। দক্ষিণী রীতিতে বিয়ে হলেও বেনারসি পরেছেন কোচবিহারের মেয়ে। মাথায়, গলায়, হাতে সোনার গয়নায় উজ্জ্বল মৌনী। ঘিয়ে রঙা শেরওয়ানি এবং সাদা মুন্ডতে দেখা গেল সূরজকে। মালাবদল করার পরে একে অপরকে জড়িয়ে ধরলেন নবদম্পতি। দুজনের হলদি আর মেহেন্দির অনুষ্ঠান হয়েছিল বুধবার। মালয়ালী মতে বিয়ে হলেও আজ সন্ধ্যের লগ্নে বাঙালি মতে বিয়ে হওয়ার কথা রয়েছে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

গাঁটছড়া বাঁধলেন অনিন্দিতা-সুদীপ

কয়েক ঘণ্টা আগে জনতার কথার প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছিল চার হাত এক হচ্ছে অভিনেত্রী অনিন্দিতা রায়চউধুরী ও অভিনেতা সুদীপ সরকারের। অবশেষে গাঁটছড়া বাঁধলেন অনিন্দিতা ও সুদীপ। ২০২২ এর প্রজাতন্ত্র দিবসে শুভ কাজ সেরে ফেললেন দুজনে।এদিন সিঁদুরদান, মালাবদল, আংটি বদল সবকিছুই হল। ৫৫ জন অতিথি উপস্থিত ছিলেন বিশেষ দিনে। বৃহস্পতিবার থেকে আবার দুজনের কাজ শুরু হবে।কলকাতার প্রথম শ্রেণীর এক দৈনিক সংবাদপত্রকে অনিন্দিতা তাঁর বিয়ের মেনু জানালেন। বিয়েতে ঠাসা ছিল বাঙালি খাবার। সাদা ভাত, ডাল, তরকারি, ঘিয়ে আলুভাজা, মটন, চিকেন, চাটনি, বেকড রসগোল্লা, আইসক্রিম, পানে জমজমাট হয়ে গেল বিয়ের আসর। বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী মানালী মনীষা দে। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিয়ের ভিডিও পোস্ট করে নবদপম্পতিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি। অভিনেত্রী আভেরী সিংহ রায় সোশ্যাল মিডিয়ায় নবদম্পতির ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন, এই হাসিটাই চেয়েছিলাম একদিন। আজ পেয়েছি। কতটা খুশি বলে বোঝাতে পারবোনা।

জানুয়ারি ২৬, ২০২২
রাজ্য

কয়লাখাদানে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, চারজনের মৃত্যুতে ব্যাপক উত্তেজনা খনি অঞ্চলে

লাউদোহার খোলামুখ খনিতে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটলো প্রজাতন্ত্র দিবসে। জানা গিয়েছে, কয়লা চুরি করতে গিয়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার ভোররাতে মাধাইপুর খোলামুখ খনিতে কয়লা চাপা পড়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে। তারপর উদ্ধারকার্য শুরু হয়। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।বুধবার ভোরে লাউদোহার মাধাইপুর খোলামুখ খনিতে ভায়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সেখানে অবৈধভাবে কয়লা চুরি করছিল কয়েকজন। হঠাৎ করেই ধ্বসে কয়লার বিশাল চাঁই পড়ে চাপা পরে একাধিক অবৈধ কারবারি। এই দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ভিড় জমাতে থাকেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আটকদের দ্রুত উদ্ধারের দাবি জানাতে থাকে স্থানীয়রা। ক্রমশ উত্তেজনা ছড়াতে থাকে।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বিশাল সংখ্যক পুলিশ বাহিনী। এরপর জেসিপি দিয়ে শুরু হয় উদ্ধারের কাজ। উদ্ধার করা হয় কিশোর বাউড়ি নামের এক ব্যক্তিকে। তাঁকে জখম অবস্থায় উদ্ধার করে পাঠানো হয় হাসপাতালে। সূত্রের খবর, এরপর কয়লার চাঁই সরাতেই চারজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এরা হলেন, আনাহরি বাউড়ি(৫০), নটবর বাউরি(২৫), শ্যামল বাউরি (২৩) ও পিংকি। স্থানীয়রা জানিয়েছে, মৃত ও আহত সকলেই একই পরিবারের সদস্য। ক্ষুব্ধ বাসিন্দাদের অভিযোগ, যখন থেকে খোলামুখ খনি হয়েছে তখন থেকেই এখানে অবৈধভাবে কয়লা চুরি হয়ে যায়। প্রতিদিন ভোর রাতে চলে অবাধে চুরির ঘটনা। চুরি বন্ধ করার জন্য প্রশাসন আগে ব্যবস্থা নিলে এই দুর্ঘটনা ঘটতো না বলে স্থানীয়দের দাবি। প্রয়োজনে চুরি আটকাতে তার কাঁটা দিয়ে ঘের দরকার বলেও তাঁরা দাবি করেছেন।

জানুয়ারি ২৬, ২০২২
রাজ্য

রেল পুলিশের তৎপরতায় বর্ধমান স্টেশন থেকে উদ্ধার ২২৭ টিয়া পাখি

রেল পুলিশের তৎপরতায় পাচারের আগেই বর্ধমান স্টেশন থেকে উদ্ধার হল দুই শতাধিক টিয়া পাখি। টিয়া পাখি পাচারের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে রেল পুলিশ একবাল খাঁন নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। তার বাড়ি শহর বর্ধমানের আলুডাঙা এলাকায়। ধৃতকে সোমবার পেশ করা হয়েছে বর্ধমান আদালতে। রেল পুলিশ এদিন ২২৭টি টিয়া পাখি তুলে দিয়েছে বর্ধমান বন দফতরের হাতে। রেল পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, টিয়া পাখিগুলিকে ব্যাগ বন্দি করে ডাউন দানাপুর এক্সপ্রেসের জেনারেল কামরায় চাপিয়ে বর্ধমানে আনা হচ্ছিল। সোমবার সকালে ট্রেনটি বর্ধমান স্টেশনে দাঁড়াতেই রেল পুলিশ ট্রেনের কামরায় চেকিং চালায়। ওই সময়ে একটি কামরায় চটের ব্যাগে বন্দি অবস্থায় কিছু রয়েছে দেখে রেল পুলিশের সন্দেশ হয়। রেল পুলিশ ব্যাগ খুলে তল্লাশি চালাতেই উদ্ধার হয় ২২৭ টি টিয়া পাখি। টিয়া পাখি পাচারের অভিযোগে কামরা থেকেই রেল পুলিশ একবাল খাঁনকে গ্রেফতার করে। বর্ধমান রেঞ্জের বন আধিকারিক নিশা গোস্বামী জানিয়েছেন, আরপিএফ ২২৭ টি টিয়া পাখি উদ্ধার করেছে। টিয়া পাচারের অভিযোগে ধৃতকে এদিন আদালতে পেশ করা হয়েছে। আদালতে নির্দেশ পেলে উদ্ধার হওয়া টিয়া পাখিগুলি ছেড়ে দেওয়া হবে।

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
রাজ্য

নদীপাড় থেকে মাটি চুরির অভিযোগে গ্রেফতার ৫, মাটি মাফিয়াদের মাথার খোঁজে পুলিশ

বাঁকা নদীর পাড় থেকে মাটি কেটে ট্র্যাক্টরে লোড করে পাচার করতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়ল পাঁচ জন। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার পুলিশ শনিবার পালসিট এলাকায় বাঁকা নদীতে অভিযান চালিয়ে পাঁচ মাটি মাফিয়াকে ধরে ফেলে। পালিয়ে যায় বেশ কয়েকজন। জানা গিয়েছে, ধৃতদের নাম তাপস ঘোষ,অজয় টুডু,শেখ মাজু, নরেশ সেন ও বিকাশ পাকড়ে। ধৃতদের মধ্যে তাপস গলসির নবখন্ড এবং অজয় মেমারির পালসিটের বাসিন্দা। বাকিরা সকলে শক্তিগড় থানা এলাকার বাসিন্দা। ঘটনাস্থল থেকে মাটি বোঝাই ৬ টি ট্র্যাক্টর ও মাটি কাটার যন্ত্র(জেসিবি)পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে। রবিবার ধৃতদের পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। তদন্তকারী অফিসারের কাছে সপ্তাহে একদিন হাজিরা, থানা এলাকা না ছাড়া এবং তদন্তে সব ধরণের সহযোগিতা ও সাক্ষীদের প্রভাবিত না করার শর্তে ভারপ্রাপ্ত সিজেএম ধৃতদের জামিন মঞ্জুর করেন।পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার সকালে পালশিট এলাকায় বাঁকানদীর পাড় থেকে মাটি কেটে তা ট্র্যাক্টরে ভরা হচ্ছিল। খবর পেয়ে সেখানে হানা দিয়ে মাটি কাটার যন্ত্র ও ট্রাক্টরগুলিকে বাজেয়াপ্ত করা হয়। ঘটনাস্থল থেকেই পাঁচজনকে ধরা হয়। ১০-১২ জন সেখান থেকে পালিয়ে যায়। অনিয়ন্ত্রিতভাবে পাড় থেকে মাটি কাটার ফলে বর্ষার সময় বন্যা হতে পারে বলে পুলিশের আশঙ্কা। ঘটনার বিষয়ে থানার এএসআই কার্তিক চন্দ্র পাখিরা অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ, ট্রাক্টর ও মাটি কাটার যন্ত্রের মালিকানা সংক্রান্ত কোনও কাগজপত্র ধৃতরা দেখাতে পারেনি। প্রশ্ন উঠেছে, মাটিকাটার ঘটনা কি এটাই প্রথম? এদের মাথায় যারা রয়েছে তাদের খুঁজে বের করে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা।

জানুয়ারি ২৩, ২০২২
দেশ

ধনী মহিলারা সারোগেট মা না হওয়া পর্যন্ত আমি সারোগেসি মেনে নেবো না

লেখিকা তসলিমা নাসরিন, বিশিষ্ট সাহিত্যিক, যিনি তাঁর সাহিত্যের চেয়েও বিতর্কিত মন্তব্যের জন্যই বহুল পরিচিতি, সারোগেসি নিয়ে তাঁর মন্তব্য আবারও তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। তসলিমা সারোগেসি প্রক্রিয়ার সমালোচনা করে বলেন যে এটি ধনী ব্যক্তিদের একটি নার্সিসিস্টিক বৈশিষ্ট্য, তিনি সারোগেট বাচ্চাদের রেডিমেড শিশু বলেও অভিহিত করেন।তসলিমা কোনও নাম উল্লেখ না করলেও, বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া এবং নিক-এর সারোগেসির মাধ্যমে তাঁদের প্রথম সন্তানকে স্বাগত জানানোর কথা ঘোষণা করার একদিন পরই তাঁর এই পোস্ট ঘিরে বিতর্কের দানা বাঁধে। তসলিমা বলেছিলেন, যদি আপনি সত্যি আন্তরিক থাকেন একটি সন্তানকে পালন করতে, তাহলে একটি গৃহহীনকে দত্তক নিন।I wont accept surrogacy until rich women become surrogate mom.I wont accept burqa until men wear it out of love.I wont accept prostitution until male prostitutions r built men wait for female customers.Otherwise surrogacy,burqa,prostitution r just exploitation of women poor taslima nasreen (@taslimanasreen) January 22, 2022তসলিমা টুইট করে আরও বলেছেন, দরিদ্র মহিলাদের জন্যই সারোগেসি সম্ভব হচ্ছে। ধনী লোকেরা সবসময় তাদের নিজেদের স্বার্থের জন্য সমাজে দারিদ্র্যের অস্তিত্ব চায়। আপনার যদি সত্যি-ই একটি সন্তান লালন-পালনের প্রয়োজন হয়, একটি গৃহহীনকে দত্তক নিন। শিশুদের আপনার বৈশিষ্ট্যগুলিই উত্তরাধিকারসূত্রে পেতেই হবে এটি শুধু একটি স্বার্থপর নার্সিসিস্টিক অহং। তিনি আরও লিখেছেন, সারোগেসির মাধ্যমে যখন তাঁরা তাঁদের তৈরি বাচ্চাদের পায় তখন সেই মায়েদের অনুভুতি কেমন হয়? যে মায়েরা নিজের গর্ভে ধারণ করে বাচ্চার জন্ম দেন তাঁদের মতনই! একই রকম?তসলিমার টুইটে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষজনের বিভিন্ন প্রতিক্রিয়ার আসছে। কয়েকজন লিখেছেন, অনেক মানুষ চিকিৎসার কারণে সারোগেসি বেছে নেয়। কেউ কেউ বলেন যে একজন ব্যক্তি কীভাবে পিতামাতা হতে চান সেটা তাঁর একান্ত ব্যক্তিগত পছন্দ। অন্য আরেকজন বলেছেন ভারত সহ অনেক দেশে বাণিজ্যিক সারোগেসি নিষিদ্ধ, তাই এটি সত্যিই শোষণ নয়। যদিও কেউ কেউ লিখেছেন যে লোকেদের দত্তক নেওয়া উচিত, একজন মহিলা লিখেছেন যে রেডিমেড শব্দটি ব্যবহার করে লেখক তাঁর রুচিশীলতার পরিচয় দেননি।কয়েক মাস আগে, প্রীতি জিন্টা এবং তাঁর স্বামী জিন গুডেনাফ সারোগেসির মাধ্যমে যমজ সন্তানের বাবা-মা হয়েছেন। শাহরুখ এবং গৌরি খানের কনিষ্ঠ পুত্র হোক বা করণ জোহরের যমজ সন্তান, সাম্প্রতিক অতীতে বেশ কয়েকজন সেলিব্রিটি সারোগেসি পদ্ধতি-ই বেছে নিয়েছে।My surrogacy tweets are about my different opinions on surrogacy. Nothing to do with Priyanka-Nick. I love the couple. taslima nasreen (@taslimanasreen) January 23, 2022তসলিমা আর এক টুইটে লিখেছেন, ধনী মহিলারা সারোগেট মা না হওয়া পর্যন্ত আমি সারোগেসি মেনে নেবো না, যতক্ষণ না পুরুষরা ভালবেসে বোরখা না পরবে, ততক্ষণ আমি বোরখা পরব না৷ যতক্ষণ না পুরুষ পতিতাবৃত্তি করবে এবং পুরুষরা মহিলা গ্রাহকদের জন্য রাস্তায় অপেক্ষা না করবে ততক্ষণ আমি পতিতাবৃত্তি গ্রহণ করব না৷ অন্যথায় সারোগেসি, বোরখা, পতিতাবৃত্তি শুধুমাত্র নারী ও দরিদ্রদের শোষণ।।তাঁর সারোগেসি সংক্রান্ত টুইটকে অনেকেই নিক-প্রিয়াঙ্কার সারোগেসি-কে নিয়ে তির্যক মন্তব্য ভাবলেও, তসলিমা সে বিতর্কে জল ঢাললেন, সর্বশেষ টুইটে লেখেন আমার সারোগেসি সংক্রান্ত টুইটে সারোগেসি সম্পর্কে আমার একান্ত মতামত। এরসাথে প্রিয়াঙ্কা-নিকের কোনও সম্পর্ক নেই। আমি ওই দম্পতি ভালোবাসি।

জানুয়ারি ২৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

জন্মদিনে স্ত্রী কে বিশেষভাবে শুভেচ্ছা আয়ুষ্মান খুরানার

৩৯-এ পা দিলেন লেখিকা-পরিচালক তাহিরা কশ্যপ। বিশেষ দিনে স্ত্রী কে বিশেষভাবে শুভেচ্ছা জানালেন জাতীয় পুরস্কার জয়ী বলিউড অভিনেতা আয়ুষ্মান খুরানা। ইনস্টাগ্রামে নিজেদের একগুচ্ছ নানান রং ও মেজাজের পুরোনো ছবির মন্তাজ দিয়ে সাজানো একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেছেন আয়ুষ্মান। ভিডিয়োর ব্যাকগ্র্যাউন্ডে বাজছে বড়ে আচ্ছে লগতে হ্যায় গানটি।ক্যাপশনে স্ত্রীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছাবার্তা পাঠিয়ে আয়ুষ্মান ফাঁস করেন ২০০১ সালের কোনও এক শীতের দিনে শুখনা লেকের ঘাটের সিঁড়িতে বসে তাহিরের জন্য এই গানটি লিখেছিলেন তিনি। এর পাশাপাশি তিনি আরও জানান যে তাহিরার জন্য লেখা এটিই ছিল তাঁর প্রথম গান। তাহিরার জন্য আয়ুষ্মানের এই ভালোবাসায় মুগ্ধ নেটিজেনরা। ভিডিওর কমেন্ট বক্সে দুজনকে শুভেচ্ছায় ভরিয়ে দিয়েছেন তারা। শুধু নেটিজেনরাই নন, বলিউড তারকারাও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। টিসকা চোপড়া রয়েছেন এই তালিকায়। বার্থডে গার্ল কে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি লিখেছেন আয়ুষ্মান ও তাহিরা তাঁকে কাছে নয়নসুখ এর থেকে কম কিছু নয়। মিকা সিং কমেন্টে লিখেছেন, হ্যাপি বার্থডে।

জানুয়ারি ২১, ২০২২
রাজ্য

পুকুর থেকে উদ্ধার রক্তাক্ত যুবকের দেহ খুনের অভিযোগে গ্রেফতার বন্ধু, তুলকালাম দক্ষিণ বর্ধমান

বন্ধুকে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার হল এক যুবক। ধৃতের নাম উত্তম রায়। পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ থানার শাঁকারি গ্রামের দক্ষিণপাড়ায় তার বাড়ি। বন্ধু প্রসেনদীপ রায়কে খুনের অভিযোগে পুলিশ বুধবার গভীর রাতে বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে। বৃহস্পতিবার ধৃতকে পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। খুনের ঘটনা বিশদে জানতে এবং বাকি জড়িতদের হদিশ পেতে তদন্তকারী অফিসার ধৃতকে ৫ দিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায়। সিজেএম ধৃতের ৪ দিনের পুলিশি হেফাজত মঞ্জুর করেছেন।পুলিশ জানিয়েছে, শাঁকারি গ্রামের যুবক প্রসেনদীপ রায়ের বাড়ি শাঁকারি গ্রামেই। গত ১৪ নভেম্বর সন্ধ্যায় সে বাড়ি থেকে বের হয়। গ্রামের ফুলশিরে পুকুরপাড়ে কয়েকজন বন্ধুর সাথে তাকে গল্পগুজব করতে দেখাযায়। তারপর রাতে প্রসেনদীপ বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন বিভিন্ন জায়গায় তার খোঁজ শুরু করেন। পুকুরপাড়েও প্রসেনদীপের হদিশ পাওয়া যায় না। পরেরদিন দুপুরে ফুলশিংরে পুকুরে জাল ফেলে তল্লাশি চালানো হয়। তখনই উদ্ধার হয় প্রসেনদীপের দেহ। তাঁর কান ও নাক দিয়ে রক্ত বেরিয়েছিল। ঘাড়ে কালশিটে দাগ ছিল। পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তে পাঠায়। মৃতের পরিবারের দাবি, প্রসেনদীপকে খুন করা হয়েছে। এনিয়ে পরিবারের তরফে থানায় জানানো হয়। থানা ব্যবস্থা না নেওয়ায় মৃতের দাদা সন্দীপ রায় বর্ধমান সিজেএম আদালতে মামলা করেন। তাঁর অভিযোগ, প্রসেনদীপকে পরিকল্পিতভাবে খুন করে প্রমাণ লোপাটের জন্য দেহ পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় প্রসেনদীপের বন্ধুরাই জড়িত। সিজেএম খুন ও প্রমাণ লোপাটের ধারায় কেস রুজু করে তদন্তের জন্য খণ্ডঘোষ থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। অভিযোগে সন্দীপ জানান, একই গ্রামের হওয়া সত্বেও প্রসেনদীপকে তাঁরা অভিযুক্তদের সঙ্গে মেলামেশা করতে নিষেধ করেন। ঘটনার কয়েকমাস আগে প্রসেনদীপের সঙ্গে তাদের ঝগড়া হয়। ঘটনার ৫-৬ দিন আগে থেকে বন্ধুদের সঙ্গে ফের মেলামেশা শুরু করেন তিনি। ঘটনার দিন রাতে উত্তম সহ কয়েকজনের সঙ্গে ফুলশিংরে পুকুর পাড়ে তাঁকে আড্ডা মারতে দেখা যায়। তাঁর বন্ধুরা মদ খাচ্ছিল। গ্রেপ্তারি এড়াতে উত্তম সহ ৫ অভিযুক্ত আগাম জামিনের আবেদন করে। সেই আবেদন খারিজ করে দেন জেলা জজ।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
কলকাতা

মাওবাদীদের অর্থ জোগান, কলকাতায় ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করল এনআইএ

মাওবাদীদের অর্থ জোগানের অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করল এনআইএ। মঙ্গলবার এক ব্যবসায়ীকে কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার করেছে এনআইএ-এর রাঁচির টিম। ধৃতের নাম মহেশ আগরওয়াল।সূত্রের খবর, মঙ্গলবার দক্ষিণ কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় মহেশ আগরওয়াল নামে ওই ব্যবসায়ীকে। তার খোঁজে দীর্ঘদিন ধরেই তল্লাশি চালাচ্ছিলেন তদন্তকারীরা। ট্রানজিট রিমান্ডের জন্য ধৃতকে বুধবার কলকাতায় বিশেষ এনআইএ আদালতে তোলা হয়।ধৃত মহেশ আগরওয়ালকে রাঁচি নিয়ে যেতে চান তদন্তকারীরা। সেখানেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান তাঁরা। তার সঙ্গে আর কে কে জড়িত, কোথায় কোথায় অর্থ জোগান করেছে সে, কত টাকা ফান্ডিং করেছে-এই সব প্রশ্নের উত্তর পেতে চান তদন্তকারীরা। ধৃতকে রাঁচিতে নিয়ে গিয়েই জেরা করতে চায় এনআইএ। সূত্রের খবর মাওবাদীদের অর্থ যোগানের প্রমাণ রয়েছে ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে।

জানুয়ারি ১৯, ২০২২
দেশ

সাধারণতন্ত্র দিবসে রাজধানীতে বড়সড় জঙ্গি নাশকতার সতর্কতা, নিশানায় প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপর হামলার ষড়যন্ত্র! প্রজাতন্ত্র দিবসে দেশের একাধিক জায়গায় নাশকতার ছক! গোয়েন্দাদের এই গোপন রিপোর্ট ঘিরে দিল্লির নিরাপত্তা তুঙ্গে।সূত্রের খবর, এ বছরের প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠান বানচাল করতে চাইছে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো। একাধিক নাশকতার ছক কষছে জঙ্গিরা। ভারতে বড়সড় হামলার ষড়যন্ত্র করছে পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠনগুলো। লস্কর-ই-তইবা, জইশ-ই-মহম্মদ, হরকত-উল-মুজাহিদি ও হিজবুলের টার্গেট এবার ভারত। এখানেই শেষ নয়, গোয়েন্দাদের হাতে এসেছে আরও হাঁড়হিম করা তথ্য। তাঁরা জানতে পেরেছেন, জঙ্গিদের নিশানায় রয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রীর উপর প্রাণঘাতী হামলার ছক কষছে জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো।গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, পাকিস্তানে থাকা খলিস্তানি গোষ্ঠী ক্যাডার পাঠিয়ে পঞ্জাবে অশান্তির ছক কষছে। শুধু পঞ্জাব নয়, অন্যান্য রাজ্যেও হামলা চালানো হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে কাশ্মীরে সিআরপি-র কুইক অ্যাকশন টিম (কিউএটি)-এর ধাঁচে বিশেষ কিউএটি গঠন করছে কেন্দ্র। দিল্লিতে জঙ্গি হানা বা আত্মঘাতী হামলার মোকাবিলাই ওই বিশেষ দল গঠনের মূল উদ্দেশ্য। প্রয়োজনে ভিভিআইপি কিংবা সংসদ ভবনের নিরাপত্তার জন্যও কিউএটি-কে কাজে লাগানো হতে পারে। কাশ্মীর বা মাওবাদী অধ্যুষিত অঞ্চলে যাঁরা সফলভাবে জঙ্গি দমন অভিযান চালিয়েছেন, এমন বাছাই করা ৫০ জন সিআরপি কমান্ডো থাকবেন দিল্লি কিউএটি-তে। তাঁদের কাছে থাকবে দিন ও রাতে অভিযান চালানোর উপযুক্ত অত্যাধুনিক অস্ত্র।

জানুয়ারি ১৯, ২০২২
রাজ্য

সেচ দফতরের জমি দখলের অভিযোগ তৃণমূলের উপপ্রধানের বিরুদ্ধে

তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত পঞ্চায়েতের উপপ্রধানের মদতে ঘটেছে সেচ দফতরের সরকারি জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। এমনই অভিযোগ এনে সোচ্চার হলেন পঞ্চায়েতেরই দুই সদস্যর। ঘটনাটি ঘটেছে বর্ধমানের বৈকুন্ঠপুর ২ নম্বর পঞ্চায়েতের গোপালনগর এলাকায়। পঞ্চায়েত সদস্যা মিতা দাসের অভিযোগ, গোপালনগর এলাকার সেচ দপ্তরের জায়গা পঞ্চায়েতের উপপ্রধানের মদতে স্থানীয় তৃণমূল নেতা মহম্মদ হোসেন রাতারাতি বাঁশ দিয়ে ঘিরে ফেলেছেন। শাসকদলের তকমা লাগিয়ে অর্থের লোভে অবৈধভাবে কাগজপত্র তৈরী করে এই সরকারি জায়গাটি বিক্রি করে দেওয়ার চক্রান্ত করছে তারা। এই বিষয়ে বৈকুন্ঠপুর-২ পঞ্চায়েতের সদস্য মিতা দাস ও আরেক সদস্য হেমন্ত খাঁ প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এই বিষয়ে দুই সদস্য বর্ধমান সেচ দপ্তর ও বৈকুন্ঠপুর পঞ্চায়েতে অভিযোগ জানিয়েছেন। তাঁদের দাবী, প্রশাসন সরকারি জায়গাটি অসাধু প্রমোটারদের হাত থেকে পুনরুদ্ধার করুক। সেই সঙ্গে এই জায়গায় শিশুদের জন্য পার্ক বা স্বচ্ছ জল প্রকল্পের মতো পরিকল্পনা গ্রহন করুক যাতে গ্রামবাসীরা উপকৃত হয়। ঘটনার খবর পেয়ে এদিন ঘটনাস্থলে যায় বর্ধমান থানার পুলিশ। পঞ্চায়েত সদস্য হেমন্ত খাঁ পুলিশ কে বলেন, উপপ্রধানের মদতেই এলাকায় নানা অনৈতিক কাজ হচ্ছে । বৈকন্ঠপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েত মাঝেমধ্যেই গোষ্ঠী কোন্দলের কারণে খবরের শিরোনামে আসে। এই পঞ্চায়েতের প্রধান আসনটি তপশিলি মহিলা সংরক্ষিত। গোষ্ঠীকোন্দলের জেরে পদত্যাগ করেছেন আগের প্রধান। বর্তমানে উপপ্রধানই সমস্ত কার্যভার সামলাচ্ছেন। যদিও দলের উর্ধতন কর্তৃপক্ষ গোষ্ঠী কোন্দলের কথা অস্বীকার করেন। বর্তমানে সমস্ত দ্বায়িত্ব সামলানো উপপ্রধান গোপাল বিশ্বাস তার বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। পঞ্চায়েত সদস্যরা তাঁর নামে কেন অভিযোগ করছেন এবিষয়ে তিনি কিছু বলতে চাননি। পাশাপাশি ওই সদস্যদের জমি দখল সংক্রান্ত অভিযোগ পেয়েছেন এবং ঘটনার তদন্ত হবে বলে জানান তিনি। যার বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ সেই স্থানীয় তৃণমূল নেতা মহঃ হোসেন টেলিফোনে জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে তিনি যুক্ত নন। এই বিষয়ে জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধারা বলেন, খোঁজ নিয়ে দেখছি। তবে বেআইনী কিছু করা যাবে না।

জানুয়ারি ১৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বিবাহবার্ষিকী তে স্মৃতিমেদুর শঙ্কর মুদি কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়

আজ পরিচালক ও অভিনেতা কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের জীবনে আনন্দের দিন। আজকের বিশেষ দিনে চার হাত এক হয়েছিল কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় ও চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায়ের। বিশেষ দিনে পুরনো দিনের স্মৃতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাগ করে নিলেন কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়।এদিন বিয়ের একটি ছবি শেয়ার করেছেন কৌশিক। ঘিয়ে রঙের পাঞ্জাবিতে বর বেশে দেখা যাচ্ছে তাঁকে। পাশে নববধূ চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায়। মাথায় মুকুট, গলায় মালা, কপালে লাল টিপ।ক্যাপশনে কৌশিক লিখেছেন, পারিবারিক আপডেট দেওয়ার চল আমাদের পরিবারে নেই। নিজেরাই নিজেদের মতো করে আনন্দ বা মন খারাপ সামলে আগলে রেখেছি। কিন্তু এমন কিছু দিন আসে যখন মনে হয়, বহু মানুষের আশীর্বাদ নিয়ে আবার নতুন করে পথ চলা শুরু করি। আজ আমাদের বিবাহবার্ষিকী। এত ভালবাসা আপনারা দিয়েছেন। কৃতজ্ঞতা জানাই।

জানুয়ারি ১৬, ২০২২
বিদেশ

টেক্সাস ইহুদি উপাসনালয় সন্ত্রাসবাদী মুক্ত! পুলিশের গুলিতে নিহত অপহরণকারী

কারাবন্দী পাকিস্তানি সন্ত্রাসবাদী আফিয়া সিদ্দিকীর মুক্তির দাবীতে, মহম্মদ সিদ্দিকী নামে একজন বন্দুকধারী দুষ্কৃতী আজ টেক্সাসের কোলিভিলে একটি ইহুদি উপাসনালয়ে (সিনাগগে) প্রবেশ করে এবং উপাসনালয়ের রাব্বি-সহ আরও দু-জনকে বন্দী করেছিলেন। আমেরিকায় বন্দী তার বোনের মুক্তির দাবিতেই তিনি এমনটা করেছেন বলে সুত্র থেকে জানা যায়। সকল বন্দি-ই অক্ষত ও সুরক্ষিত অবস্থায় সিনাগগ থেকে বেরিয়ে এসেছেন বলে টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট জানিয়েছেন। পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছে ওই ।শনিবার স্থানীয় সময় বিকাল ৫টাই এক জন বন্দিকে উদ্ধার করে পুলিশ। টেক্সাসের কোলিভিলে ওই সিনাগগে কত জন বন্দি রয়েছেন তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দিহান ছিল স্থানীয় পুলিশ। তবে জানা গিয়েছে উপাসনালয়ের রাব্বি-সহ আর মাত্র দু-জনই বন্দী ছিলেন। টেক্সাসের স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, পশ্চিম ডালাস থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে ওই সিনাগগে বেশ কয়েক জনকে পণবন্দি করে রাখার খবর তাঁদের কাছে আসে। এর পর পুলিশ ওই এলাকা সম্পূর্ন ঘিরে ফেলে। তাৎক্ষনিক ভাবে পুলিস সন্ত্রাসবাদী মহম্মদ সিদ্দিকী-র কাছে জানতে চায় কী কারণে তাঁদের বন্দি করা হয়েছে।টেক্সাস পুলিস সংবাদমাধ্যমকে জানায়, জেরার সামনে মহম্মদ সিদ্দিকী বলেন, সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে অভিযুক্ত আমেরিকার জেলে বন্দি তাঁর বোনের মুক্তির দাবিতেই তিনি এই কাজ করেছেন। সিদ্দিকী আরও জানান তাঁর বোনের নাম আফিয়া সিদ্দিকি, তিনি একজন প্রাক্তন পাক বিজ্ঞানী। সুত্র মারফত জানা যায়, তিনি ছিলেন একজন প্রথিতযশা স্নায়ুবিজ্ঞানী এবং খালিদ শেখ মুহাম্মদের ভাগ্নের পত্নী। ২০১০ সালে একজন আমেরিকার এক অধিকারিককে আফগানিস্থানে খুনের চেষ্টার (Attempt to murder) অভিযোগে মার্কিন বাহিনী আফিয়া সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার করেছিল। আমেরিকান সেনাবাহিনীর রাইফেল লুঠ করার অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি আহত হন এবং পরবর্তীতে তাকে নিউইয়র্কে প্রত্যর্পণ করা হয় এবং নিউইয়র্কের এক আদালত তাঁকে ৮৬ বছরের কারাদণ্ড-র সাজা দেয়। বতর্মানে তিনি টেক্সাসের একটি জেলে বন্দি রয়েছেন।সংবাদ সংস্থা কে উদ্ধৃত করে পুলিশ জানিয়েছে ওই ব্যক্তি জেরার সময় যে আরবি শব্দ ব্যবহার করেছিলেন তার মানে বোন, সে কারনে তাঁদের ধারনা হয় যে সে তাঁর বোনের মুক্তি চেয়ে এই কাজ করছে। কিন্তু পরে জানা যায় ওই দুষ্কৃতী আফিয়ার দাদা নয়। আমেরিকার প্রথম সারির সব সংবাদমাধ্যম-ই প্রাথমিক ভাবে ওই ব্যক্তিকে আফিয়ার ভাই বলেই সম্বোধন করে। পরে তাঁরা সংশোধন করে জানায় আফিয়ার ভাই আমেরিকাতেই হিউস্টনে রয়েছেন। এ খবর জানিয়েছেন আফিয়ার আইনজীবী।

জানুয়ারি ১৬, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 19
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • ...
  • 35
  • 36
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

দিল্লিতে বিতর্কিত মিছিল ঘিরে সুপ্রিম কোর্টে মামলা, কেন্দ্র ও পুলিশকে নোটিস, কিন্তু কেন তড়িঘড়ি শুনানি নয়?

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে প্রস্তাবিত একটি প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হওয়া মামলায় কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস পাঠিয়েছে শীর্ষ আদালত। তবে মিছিলের আগেই মামলাটির জরুরি শুনানি করার আবেদন মানেনি আদালত।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ মামলাটির পরবর্তী শুনানি ১০ সেপ্টেম্বর ধার্য করেছে। ছাত্র আন্দোলন সংক্রান্ত অন্য মামলাগুলির সঙ্গে এই মামলাটিও শোনা হবে বলে জানিয়েছে আদালত।প্রস্তাবিত মিছিলের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত দিল্লি পুলিশ আধিকারিক রাজেন্দ্র সিং। তাঁর দাবি, দেশের রাজধানীর স্পর্শকাতর এলাকায় বড় জমায়েত বা প্রতিবাদ মিছিলের আগে প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা উচিত।আবেদনকারীর আইনজীবী রিজান আহমেদ আদালতে জানান, আয়োজকদের পক্ষ থেকে এখনও মিছিলের অনুমতির জন্য কোনও আবেদন করা হয়নি বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন। তিনি মিছিলের আগে মামলাটির শুনানি করার জন্য বার বার আবেদন জানান। কিন্তু বেঞ্চ ৩ সেপ্টেম্বরের আগে মামলাটি শুনতে রাজি হয়নি।আইনজীবী আদালতে আরও জানান, আগামী সপ্তাহে দিল্লিতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন রয়েছে। সেই সময় রাজধানীতে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা উপস্থিত থাকবেন। সেই পরিস্থিতিতে বড় জমায়েত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। মিছিলটি কয়েক দিন পিছিয়ে দেওয়ার আবেদনও জানান।তবে প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে দেন, আগে থেকেই কোনও অঘটন ঘটবে বলে ধরে নেওয়ার কারণ নেই। তাঁর বক্তব্য, আদালত এই মুহূর্তে ধরে নেবে যে প্রত্যেকে শান্তিপূর্ণ আচরণ করবেন। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবেই, এমন জোরালো পরিস্থিতিও আদালতের সামনে নেই বলে জানান তিনি।এর পর আইনজীবী দাবি করেন, আগের একটি আন্দোলনে হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কোনও দুষ্কৃতী বা উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তির কারণে পরিস্থিতি খারাপ হয়ে যেতে পারে বলেও তিনি আদালতে জানান।আবেদনকারীর আইনজীবী আরও অভিযোগ করেন, পুলিশ মিছিলে বাধা দিলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সামনে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে। তিনি দাবি করেন, সংগঠনটি আইনি বিধি মানছে না এবং প্রয়োজনীয় অনুমতিও নিচ্ছে না।এই বক্তব্যের পর প্রধান বিচারপতি জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়টি মূলত সরকার ও পুলিশের দায়িত্ব। আবেদনকারীকে তাঁর উদ্বেগ কেন্দ্রীয় সরকার অথবা দিল্লি সরকারের কাছে জানাতে বলেন তিনি। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বলেও স্পষ্ট করেন প্রধান বিচারপতি।মিছিলের আয়োজক সংগঠনকে মামলায় পক্ষভুক্ত করা নিয়েও সমস্যা রয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়। আইনজীবীর দাবি, সংগঠনটির কোনও নথিভুক্ত অফিস বা লেটারহেড নেই। ফলে তাদের সরাসরি মামলার পক্ষ করা সম্ভব হচ্ছে না।শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস পাঠিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে ৫ সেপ্টেম্বরের প্রস্তাবিত মিছিলের আগেই মামলাটির শুনানি করার আবেদন গ্রহণ করেনি বেঞ্চ। ফলে মিছিলের আগে প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।

আগস্ট ৩১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

২০ বছরের মহাকাব্যের শেষ! হঠাৎই জাতীয় দলকে বিদায় মেসির, স্তব্ধ ফুটবল বিশ্ব

কয়েক দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত সেই আশঙ্কাই সত্যি হল। আর্জেন্টিনার জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিলেন ফুটবলের মহাতারকা লিওনেল মেসি। দেশের জার্সিতে প্রায় দুই দশকের দীর্ঘ যাত্রার পর এবার আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন তিনি।মেসির অবসর নিয়ে কয়েক দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। বাবার মৃত্যুর পর তিনি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। ফুটবল থেকেও তাঁর মন কিছুটা সরে গিয়েছিল বলে আলোচনা শুরু হয়। যদিও তাঁর সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে অবসরের কোনও স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। ইন্টার মায়ামির হয়ে মাত্র কয়েক দিন আগেই চারটি গোল করেছিলেন মেসি। সেই ম্যাচে তাঁর দল সাত-শূন্য ব্যবধানে জয় পায়।তার পরেও আচমকাই এল বড় ঘোষণা। মেসি জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের ফাইনালের পর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে দীর্ঘ সময় চিন্তাভাবনা করেছেন। শেষ পর্যন্ত জাতীয় দল থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। নিজের সবটুকু দিয়ে আর্জেন্টিনার হয়ে খেলেছেন বলেও জানিয়েছেন এই তারকা।মেসির এই সিদ্ধান্ত মানে আর্জেন্টিনার ফুটবলের একটি দীর্ঘ অধ্যায়ের অবসান। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের জার্সিতে একের পর এক স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন তিনি। কখনও সাফল্য এসেছে, কখনও এসেছে হতাশা। একাধিকবার বিশ্বকাপের স্বপ্নভঙ্গ হলেও শেষ পর্যন্ত ২০২২ সালে সেই অধরা ট্রফি নিজের হাতে তুলেছিলেন মেসি।আর্জেন্টিনার হয়ে তাঁর আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়েছিল ২০০৫ সালের ১৭ অগস্ট হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে। দীর্ঘ কেরিয়ারে দেশের হয়ে শতাধিক গোল করেছেন তিনি। বিশ্বকাপে ছবার অংশ নিয়েছেন। ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি দুবার বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও পেয়েছেন।বিশ্বকাপের মঞ্চেও মেসির একাধিক নজির রয়েছে। সবচেয়ে বেশি বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলার রেকর্ড তাঁর দখলে। বিশ্বকাপে একাধিক ম্যাচে গোল ও সহায়তার মাধ্যমে দলকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন তিনি। টানা নয়টি বিশ্বকাপের ম্যাচে গোল করার নজিরও রয়েছে তাঁর নামে।মেসির আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে শুধু সাফল্য নয়, রয়েছে দীর্ঘ লড়াইয়ের ইতিহাসও। একসময় কোপা আমেরিকার ফাইনালে পরপর ব্যর্থতা তাঁকে ভেঙে দিয়েছিল। কিন্তু সেই হতাশা কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনাকে কোপা আমেরিকা এবং বিশ্বকাপ জিতিয়েছেন তিনি।এবার সেই জাতীয় দলকেই বিদায় জানালেন মেসি। তাঁর সিদ্ধান্তে আর্জেন্টিনার ফুটবলে যে বিশাল শূন্যতা তৈরি হবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে দেশের জার্সিতে তাঁর অধ্যায় শেষ হলেও ক্লাব ফুটবলে এখনও তাঁকে মাঠে দেখা যেতে পারে। ফলে মেসির ফুটবলযাত্রা পুরোপুরি শেষ হচ্ছে না, শেষ হচ্ছে শুধু আর্জেন্টিনার জার্সিতে তাঁর মহাকাব্যিক অধ্যায়।

আগস্ট ৩১, ২০২৬
কলকাতা

অভয়ার মামলায় বড় স্বস্তি নির্মলের, জামিন পেলেন প্রাক্তন বিধায়ক! তবু এখনই জেলমুক্তি নয়

অভয়ার মামলায় জামিন পেলেন পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ। একই দিনে জামিন পেয়েছেন অভয়ার প্রতিবেশী কাকু সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়ও। তবে জামিন পেলেও এখনই জেল থেকে বেরতে পারবেন না নির্মল। কারণ, তোলাবাজি ও লটারি সংক্রান্ত অন্য দুই মামলায় তাঁর জেল হেফাজতের নির্দেশ আগে থেকেই রয়েছে।১৩ অগস্ট বালাসোর থেকে গ্রেপ্তার হওয়ার পর অভয়ার মামলায় নির্মল ঘোষকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। মোট ১৫ দিন পুলিশ হেফাজতে থাকার পর আরও দুদিনের হেফাজত শেষ করে সোমবার তাঁকে আদালতে তোলা হয়। পুলিশ ফের তাঁকে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানায়। তবে সেই আবেদন খারিজ করে আদালত নির্মলকে জামিন দেয়।অস্ত্র আইনের একটি মামলাতেও নির্মলকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করেছিল পুলিশ। সেই আবেদনও আদালত খারিজ করে দিয়েছে। ফলে অভয়ার মামলায় আপাতত স্বস্তি পেলেন প্রাক্তন বিধায়ক।অন্য দিকে, সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়কেও হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করেছিল পুলিশ। আদালত সেই আবেদন খারিজ করে তাঁকেও জামিন দিয়েছে। আদালতে সঞ্জীবের আইনজীবী অভয়ার বাবার পুরনো একটি ভিডিয়োর বক্তব্য তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, সেই ভিডিয়োয় অভয়ার বাবা জানিয়েছিলেন, ঘটনার দিন সঞ্জীব তাঁর সঙ্গে একই গাড়িতে ছিলেন।পালটা অভয়ার বাবার আইনজীবী দাবি করেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী এই ধরনের ভিডিয়ো ক্লিপ আদালতে গ্রহণযোগ্য নয়। দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর সঞ্জীবকে জামিন দেয় আদালত। এদিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন অভয়ার বাবা শেখররঞ্জন দেবনাথ। তবে তিনি কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি।আর জি করের ঘটনার পর অভয়ার দেহ দ্রুত সৎকার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। সেই সময় পানিহাটির তৎকালীন বিধায়ক নির্মল ঘোষ তাঁর অনুগামীদের নিয়ে শ্মশানে উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগ ওঠে, তাঁর নির্দেশেই দ্রুত দাহকার্য করা হয়েছিল। পরিবারের সম্মতি এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র নিয়ে সেই সময়ও নানা প্রশ্ন উঠেছিল।রাজ্যে পালাবদলের পর এই ঘটনা নিয়ে নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। তদন্তে দ্রুত সৎকারের কারণ এবং সেই সময় কারা কী ভূমিকা নিয়েছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনায় নির্মল ঘোষের পাশাপাশি পানিহাটির ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সোমনাথ দে এবং প্রাক্তন কাউন্সিলর সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়ের নামও সামনে এসেছে।তবে অভয়ার মামলায় আদালতের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তে নির্মল ঘোষ ও সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় দুজনেই আপাতত জামিন পেয়েছেন। নির্মলের ক্ষেত্রে অবশ্য অন্য মামলায় জেল হেফাজতের নির্দেশ থাকায় অভয়ার মামলায় জামিন পেলেও এখনই তাঁর জেলমুক্তির সম্ভাবনা নেই।

আগস্ট ৩১, ২০২৬
কলকাতা

১৪ বছর পর আদালতে বিস্ফোরক দাবি! বরুণ বিশ্বাস খুনে প্রথম বার প্রাক্তন মন্ত্রীর নাম বাবার মুখে

সুটিয়ার প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাস খুনের ১৪ বছর কেটে গিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা সেই মামলায় সোমবার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য গ্রহণ হল। বনগাঁ ফাস্ট ট্র্যাক আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারকের এজলাসে সাক্ষ্য দেন বরুণের বাবা জগদীশ চন্দ্র বিশ্বাস।বয়সের ভারে এখন ঠিকমতো হাঁটতে পারেন না জগদীশবাবু। সেই অবস্থাতেই ছেলের খুনের মামলায় সাক্ষ্য দিতে আদালতে হাজির হন তিনি। তাঁর সাক্ষ্য ঘিরেই নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। আদালতে প্রথম বার বরুণ বিশ্বাসের খুনের ঘটনায় ষড়যন্ত্রের অভিযোগে তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের নাম উল্লেখ করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন সরকারি আইনজীবী।উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটার সুটিয়ায় বরুণ বিশ্বাসকে ২০১২ সালের ৫ জুলাই খুন করা হয়। তাঁর দাদার অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছিল। এই মামলায় মোট ৭৬ জন সাক্ষী রয়েছেন। এর আগে ৩৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছিল। সোমবার ৩৮ নম্বর সাক্ষী হিসেবে আদালতে নিজের বক্তব্য জানান বরুণের বাবা।এই মামলায় এখনও পর্যন্ত আট জন গ্রেফতার হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে এক জনের বিচার কিশোর আদালতে হয়েছে এবং তাঁর সাজাও হয়েছে। এক জনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে ছয় জনের বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া চলছে।সম্প্রতি বরুণ বিশ্বাসের পরিবারের সদস্যরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেন। পরিবারকে সঠিক বিচারের আশ্বাস দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। মামলায় নতুন করে বিশেষ সরকারি আইনজীবীও নিয়োগ করা হয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই এ দিন বরুণের বাবার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হল।আদালতে বিচারক নিজে বরুণের বাবার সামনে বসে তাঁর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। সাক্ষ্য গ্রহণের পর বিশেষ সরকারি আইনজীবী দেবরঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, বরুণের বাবা আদালতে দাবি করেছেন, তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ষড়যন্ত্র করে তাঁর ছেলেকে খুন করিয়েছেন। কয়েক জনের কাছ থেকে তিনি এই কথা জানতে পেরেছিলেন বলেও আদালতে জানিয়েছেন বলে দাবি সরকারি আইনজীবীর।সরকারি আইনজীবীর আরও বক্তব্য, বরুণ বিশ্বাসকে যে গুলি চালিয়েছিল, তার বিচার কিশোর আদালতে হয়েছে এবং সাজাও হয়েছে। তবে এই ঘটনায় আরও যারা ষড়যন্ত্রে যুক্ত বলে অভিযোগ, তাঁদের বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া এখনও চলছে। দ্রুত মামলার নিষ্পত্তি হবে বলে তাঁরা আশাবাদী।অন্য দিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী নির্মাল্য সাহা জানান, বরুণের বাবার সাক্ষ্য গ্রহণে তাঁরা সহযোগিতা করেছেন। তাঁর দাবি, এ দিনই প্রথম আদালতে বরুণের বাবা এক প্রভাবশালী প্রাক্তন মন্ত্রীর নাম করেছেন। এর আগে পুলিশ বা সিআইডির কাছে তিনি এই নাম জানিয়েছিলেন কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে আসামিপক্ষও বিচারপ্রক্রিয়ার উপর আস্থা রাখছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী।১৪ বছর ধরে চলা এই মামলায় বরুণ বিশ্বাসের বাবার সাক্ষ্য তাই বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে আদালতে করা অভিযোগের সত্যতা এখনও বিচারাধীন। সাক্ষ্য, নথি এবং অন্যান্য প্রমাণ খতিয়ে দেখার পরই মামলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।

আগস্ট ৩১, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের অফিসে ফের পুলিশ-দমকল! পাঁচ-ছ’তলায় কী মিলল, কেন সন্তুষ্ট নন আধিকারিকরা?

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে সোমবার ফের পৌঁছলেন পুলিশ ও দমকলের আধিকারিকেরা। অফিসের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা ঠিক রয়েছে কি না, তা সরেজমিনে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বৃহস্পতিবারের পর সোমবার ফের পুলিশ আধিকারিকদের উপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।দমকলের আধিকারিকেরা জানান, নিয়ম মেনেই অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা পরীক্ষা করা হচ্ছে। সাততলা ভবনটির একতলা থেকে শুরু করে প্রতিটি তলায় গিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে পাঁচ ও ছতলার অফিসে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ঠিক রয়েছে কি না, তা বিস্তারিত ভাবে পরীক্ষা করা হচ্ছে।দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, পরীক্ষার সময় কয়েকটি ব্যবস্থাপনা নিয়ে আধিকারিকেরা পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন। অভিযোগ, স্প্রিঙ্কলার ব্যবহার করা যায়নি। অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করেছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এমনকি আগুনের সতর্কবার্তা দেওয়ার অ্যালার্মও বাজেনি বলে জানা গিয়েছে।দমকলের এক আধিকারিক জানান, এই ধরনের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা প্রয়োজন। ভবনের প্রতিটি তলায় একই ধরনের ব্যবস্থা রয়েছে কি না এবং জরুরি পরিস্থিতিতে সেগুলি কার্যকর থাকবে কি না, সেটিই মূলত পরীক্ষা করা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, সাততলা ভবনটির বিভিন্ন তলায় অগ্নিনিরাপত্তার ব্যবস্থা রয়েছে। তবে পাঁচ ও ছতলায় থাকা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আধিকারিকদের কিছুটা অসন্তোষ রয়েছে। পরীক্ষার পর প্রয়োজনীয় ত্রুটি সংশোধনের বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।অন্য দিকে, এই ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসেবে দেখছে তৃণমূল। দলের বিধায়ক কুণাল ঘোষের দাবি, বিজেপি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাজনৈতিক ভাবে চাপে রাখার চেষ্টা করছে। তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে থাকা নেতা-কর্মীদেরও নানা ভাবে নিশানা করা হচ্ছে।বিজেপির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার অবশ্য পাল্টা আক্রমণ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এতদিন এমন অবস্থানে ছিলেন যেন তিনি সকলের ঊর্ধ্বে। এখন প্রশাসনিক পদক্ষেপ শুরু হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবারও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে পুলিশ গিয়েছিল। বেআইনি বিলবোর্ড খোলার বিষয়কে কেন্দ্র করে সে দিন সেখানে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। তার কয়েক দিনের মধ্যেই ফের পুলিশ ও দমকলের আধিকারিকেরা অফিসে পৌঁছনোয় স্বাভাবিক ভাবেই নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

আগস্ট ৩১, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপুরে জঙ্গলে নেহরুর মূর্তি! ২৪ ঘণ্টার ‘ডেডলাইন’ কংগ্রেসের, বিজেপির পালটা দাবি—‘চোরা তৃণমূলীরাই দায়ী’

দুর্গাপুর, ৩০ আগস্ট: রাজনৈতিক মতাদর্শের লড়াই এবার পৌঁছে গেল দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর মূর্তি ঘিরে বিতর্কে। দুর্গাপুরের একটি মেডিটেশন সেন্টারের সামনে থেকে নেহরুর বিশাল মূর্তি ক্রেনের সাহায্যে তুলে পাশের জঙ্গলে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছে কংগ্রেস। তাদের অভিযোগের তির বিজেপির দিকে। যদিও সেই অভিযোগ সরাসরি খারিজ করে বিজেপির স্থানীয় বিধায়ক পালটা দাবি করেছেন, এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে কংগ্রেসেরই একটি অংশ এবং চোরা তৃণমূলীরা।দুর্গাপুরের হর্ষবর্ধন প্রাইমারি স্কুলের পাশে একটি মেডিটেশন সেন্টারের সামনে দীর্ঘদিন ধরে পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর একটি বড় মূর্তি ছিল। কংগ্রেসের অভিযোগ, শুক্রবার সেখানে রাখিবন্ধন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানের জন্য জায়গা তৈরি করতেই ক্রেন এনে নেহরুর মূর্তিটি সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে সেটি স্কুল সংলগ্ন জঙ্গলের মধ্যে ফেলে রাখা হয় বলে অভিযোগ।মূর্তি সরিয়ে ফেলার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়। কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্ব ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে এবং প্রশাসনের কাছে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায়। তাদের প্রশ্ন, দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী এবং স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতার মূর্তির সঙ্গে এমন আচরণ কেন করা হল?জেলা কংগ্রেস সভাপতি দেবেশ চক্রবর্তী ঘটনাটির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে প্রশাসনকে কার্যত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। তাঁর দাবি, ক্রেনের সাহায্যে নেহরুর মূর্তি উপড়ে নিয়ে গিয়ে জঙ্গলে ফেলে দেওয়া হয়েছে এবং সেই জায়গায় পরবর্তীতে রাখিবন্ধন অনুষ্ঠান করা হয়েছে। তাঁর আরও অভিযোগ, অনুষ্ঠানে দুর্গাপুর পূর্বের বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিও ছিল।Press ReleaseThe Pradesh Congress strongly condemns the desecration of the statue of the countrys first Prime Minister, Pandit Jawaharlal Nehru; Shri @subhankar_cong demands the immediate reinstallation of the statue and the arrest of the culprits.Kolkata, August 30, 2026: pic.twitter.com/SImtSOHvX8 West Bengal Congress (@INCWestBengal) August 30, 2026দেবেশ চক্রবর্তীর বক্তব্য, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নেহরুর মূর্তিকে যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে পূর্বের জায়গায় পুনঃস্থাপন করতে হবে। তা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে কংগ্রেস।তবে কংগ্রেসের এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন দুর্গাপুর পূর্বের বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর পালটা অভিযোগ, কংগ্রেসেরই একটি অংশ গোপনে তৃণমূলে যোগ দিয়েছে এবং সেই চোরা তৃণমূলীরাই নেহরুর মূর্তি সরিয়ে দেওয়ার সঙ্গে যুক্ত।বিজেপি বিধায়কের দাবি, ঘটনার দায় বিজেপির উপর চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির সঙ্গে এই ঘটনার কোনও সম্পর্ক নেই। বরং কারা মূর্তিটি সরিয়েছে, তা তদন্ত করে প্রকৃত সত্য সামনে আনা উচিত।নিজের বক্তব্যের পক্ষে অতীতের একটি ঘটনারও উল্লেখ করেন চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, দুর্গাপুরের এভিএল কার্যালয়ের সামনে একাধিক ইউনিয়ন অফিস ভাঙার সময় তাঁর হস্তক্ষেপেই রাজীব গান্ধীর মূর্তিটি রক্ষা পেয়েছিল। ফলে বিজেপি কখনও রাজনৈতিক নেতাদের মূর্তি ভাঙচুরকে সমর্থন করে না বলেও তাঁর দাবি।চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, নেহরুর মূর্তি ভাঙার ঘটনায় বিজেপির কোনও ভূমিকা নেই। বরং যারা এই কাজ করেছে, তাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতেও তাঁর দল রয়েছে।এদিকে, ঘটনাটি নিয়ে এবার সরব হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসও। ৩০ আগস্ট প্রকাশিত এক বিবৃতিতে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার নেহরুর মূর্তি সরিয়ে জঙ্গলে ফেলে দেওয়ার ঘটনাকে তীব্র নিন্দা করেছেন।শুভঙ্কর সরকারের বক্তব্য, নেহরু শুধু কংগ্রেসের নেতা ছিলেন নাতিনি ছিলেন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী, স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং আধুনিক ভারত নির্মাণের অন্যতম প্রধান স্থপতি। তাঁর মূর্তি এভাবে সরিয়ে জঙ্গলে ফেলে দেওয়া শুধুমাত্র একটি মূর্তির অবমাননা নয়, বরং দেশের ইতিহাস ও স্বাধীনতা সংগ্রামের ঐতিহ্যের প্রতিও অসম্মান।তবে এই ঘটনার পিছনে কোন রাজনৈতিক দলের হাত রয়েছে, তা নিয়ে সরাসরি কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছতে নারাজ প্রদেশ কংগ্রেস। দলের দাবি, প্রশাসন ও পুলিশ নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করুক এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিক।প্রদেশ কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অবিলম্বে নেহরুর মূর্তি পূর্বের স্থানে পুনঃস্থাপনের পাশাপাশি ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে, দাবি পূরণ না হলে বৃহত্তর গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নামবে কংগ্রেস।ফলে দুর্গাপুরে নেহরুর মূর্তি ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন রাজনৈতিক চাপানউতোর। একদিকে কংগ্রেসের অভিযোগের নিশানায় বিজেপি, অন্যদিকে বিজেপির পালটা অভিযোগ তৃণমূলের দিকে। মূর্তি কে সরাল, কেন সরানো হল এবং ঘটনাটির পিছনে আসল কারণ কীএই প্রশ্নগুলির উত্তর এখন পুলিশের তদন্তের দিকেই তাকিয়ে।

আগস্ট ৩০, ২০২৬
কলকাতা

জনতার দরবারে মুখ্যমন্ত্রী, এবার সরাসরি আমলা-পুলিশের কাছে অভিযোগ! সপ্তাহে দু’দিন খুলছে দরজা

সরকারি পরিষেবা নিয়ে অভিযোগ বা সমস্যা হলে এবার থেকে সাধারণ মানুষ সরাসরি উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন। এই মর্মে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য সরকার। সপ্তাহে দুদিন নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণ মানুষের জন্য সরকারি অফিস খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহের মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাধারণ মানুষ সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করতে পারবেন। এর জন্য আগে থেকে কোনও অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার প্রয়োজন হবে না। ওই দুই দিন আধিকারিকদের সাধারণ মানুষের অভিযোগ ও সমস্যার কথা শুনতে হবে।এই সময়ে আধিকারিকদের যাতে বাইরে সরকারি কাজে যেতে না হয়, সেই বিষয়েও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়ে অফিসে উপস্থিত থেকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা করাকেই অগ্রাধিকার দিতে হবে তাঁদের।সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের সরকারি ই-মেইল এবং মোবাইল নম্বরও প্রকাশ করতে হবে। অফিসে এমন জায়গায় এই তথ্য রাখতে হবে, যাতে সহজেই তা সাধারণ মানুষের নজরে আসে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দফতর বা বিভাগের সরকারি ওয়েবসাইটেও ওই তথ্য স্পষ্টভাবে প্রকাশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।নতুন ব্যবস্থার আওতায় একাধিক স্তরের সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করার সুযোগ থাকবে। বিভাগীয় কমিশনার, জেলা শাসক, পুর কমিশনার, উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান আধিকারিক, অতিরিক্ত জেলা শাসক, মহকুমা শাসক এবং সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের মতো আধিকারিকদের কাছে সাধারণ মানুষ নিজেদের সমস্যার কথা জানাতে পারবেন।পুরসভার নির্বাহী আধিকারিক থেকে শুরু করে পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকদের কাছেও অভিযোগ জানানো যাবে। পুলিশ প্রশাসনের ক্ষেত্রে মহাপরিচালক, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, মহাপরিদর্শক, পুলিশ কমিশনার, উপমহাপরিদর্শক, পুলিশ সুপার, উপপুলিশ কমিশনার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক এবং থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ থাকবে।বন দফতরের ক্ষেত্রেও একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের সঙ্গে সাধারণ মানুষের সরাসরি যোগাযোগের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রধান মুখ্য বনপাল, অতিরিক্ত প্রধান মুখ্য বনপাল, মুখ্য বনপাল, বিভাগীয় বন আধিকারিক, অতিরিক্ত বিভাগীয় বন আধিকারিক এবং বনাঞ্চল আধিকারিকদের কাছেও অভিযোগ জানানো যাবে।রবিবার মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল এই নির্দেশিকা জারি করেছেন। নতুন নির্দেশ কার্যকর হচ্ছে কি না এবং সরকারি আধিকারিকেরা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা করছেন কি না, তা খতিয়ে দেখবে রাজ্যের কর্মীবর্গ দফতর।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রতি শনিবার সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শোনার জন্য জনতার দরবারে বসেন। এবার সরকারি পরিষেবা সংক্রান্ত সমস্যার দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে সেই ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরেও সাধারণ মানুষের সরাসরি অভিযোগ জানানোর সুযোগ তৈরি করা হল।

আগস্ট ৩০, ২০২৬
দেশ

উত্তম-সত্যজিৎ স্মরণে মোদি, বাংলার দুই কিংবদন্তিকে শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর

বাংলা চলচ্চিত্রের দুই কিংবদন্তি অভিনেতা উত্তম কুমার এবং পরিচালক সত্যজিৎ রায়কে স্মরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাংলা সিনেমার ইতিহাসে তাঁদের অবদান এবং ভারতীয় চলচ্চিত্রকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের ভূমিকার কথা তুলে ধরে শ্রদ্ধা জানালেন তিনি।উত্তম কুমার শুধু বাংলা ছবির জনপ্রিয় নায়ক ছিলেন না, তিনি বাঙালির সাংস্কৃতিক আবেগেরও অন্যতম প্রতীক। তাঁর অভিনয়, ব্যক্তিত্ব এবং পর্দায় উপস্থিতি কয়েক দশক ধরে দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। বাংলা চলচ্চিত্রে তাঁর সঙ্গে সুচিত্রা সেনের জুটি আজও কিংবদন্তির মর্যাদা পায়। তাঁর অভিনীত একাধিক ছবি বাংলা সিনেমার স্বর্ণযুগের স্মারক হয়ে রয়েছে। সেই কারণেই উত্তম কুমারের নাম উচ্চারিত হলেই বাঙালির নস্টালজিয়ায় ফিরে আসে এক বিশেষ সময়।অন্যদিকে সত্যজিৎ রায় ছিলেন ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নির্মাতা। তাঁর সৃষ্টিশীলতা শুধু বাংলা বা ভারতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র জগতেও তিনি তৈরি করেছিলেন নিজের স্বতন্ত্র পরিচয়। পথের পাঁচালী থেকে শুরু করে একাধিক কালজয়ী ছবির মাধ্যমে তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্রকে বিশ্বদর্শকের কাছে নতুনভাবে তুলে ধরেন। তাঁর নির্মাণশৈলী, গল্প বলার ধরন এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি আজও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের কাছে অনুপ্রেরণা।প্রধানমন্ত্রীর এই স্মরণে উঠে এসেছে বাংলা সংস্কৃতির দুই ভিন্ন ধারার দুই মহীরুহের অবদানের কথাই। একজন অভিনয়ের জাদুতে দর্শকের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছিলেন, অন্যজন ক্যামেরার ভাষায় ভারতীয় জীবনের গল্পকে বিশ্বমঞ্চে পৌঁছে দিয়েছিলেন।উত্তম কুমার ও সত্যজিৎ রায়ের সৃষ্টির প্রভাব প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে টিকে রয়েছে। সময় বদলেছে, বদলেছে চলচ্চিত্রের ভাষাও। কিন্তু তাঁদের কাজের আবেদন এখনও অমলিন। প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধাজ্ঞাপন তাই কেবল দুই শিল্পীকে স্মরণ নয়, বাংলা চলচ্চিত্রের সেই গৌরবময় অধ্যায়ের প্রতিও এক সম্মান প্রদর্শন।রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে লিখেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর #MannKiBaat-এর অনুষ্ঠানে উঠে এলেন বাংলার মহানায়ক উত্তম কুমার। আপামর বাঙালির কাছে এ এক গর্বের মুহূর্ত, আবেগের মুহূর্ত।আগামী ৩ সেপ্টেম্বর বাংলা চলচ্চিত্র জগতের মহানায়ক উত্তম কুমারের ১০০তম জন্মবার্ষিকী। এই ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেভাবে ভারতীয় ও বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি শিল্পী উত্তম কুমারের অনন্য প্রতিভা, অভিনয় দক্ষতা, কাজের প্রতি নিষ্ঠা ও কালজয়ী অবদানকে স্মরণ করলেন, তা নিঃসন্দেহে বাংলার মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যায়।উত্তম কুমার শুধু বাংলা চলচ্চিত্রের মহানায়কই ননতিনি বাঙালির আবেগ, সংস্কৃতি, স্মৃতি ও আত্মপরিচয়ের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাঁর অভিনয়, তাঁর ব্যক্তিত্ব, তাঁর সৃষ্ট চরিত্র আজও প্রজন্মের পর প্রজন্মকে মুগ্ধ করে।বাংলার সংস্কৃতি ও বাংলার গৌরবকে জাতীয় মঞ্চে যে সম্মান প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন, তার জন্য তাঁকে জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।

আগস্ট ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal