• ২০ বৈশাখ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৫ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

RBI

রাজ্য

তোলা না দেওয়ায় গাছে বেঁধে কাপড় ব্যবসায়ীকে মারধর

পাঁচ লক্ষ টাকা তোলা না দেওয়ায় গাছে বেঁধে এক কাপড় ব্যবসায়ীকে মারধর এবং সালিশি করে গ্রাম ছাড়া করার অভিযোগ উঠলো স্থানীয় একদল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে কালিয়াচক থানার ফতেখানি এলাকায়। এই ঘটনায় আক্রান্ত ব্যবসায়ীর পরিবার কালিয়াচক থানার দ্বারস্থ হলেও চারদিন পরে পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ। অবশেষে বুধবার ওই ব্যবসায়ী দম্পতি সমস্ত ঘটনার বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ জানালেন পুলিশ সুপারের কাছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মালদার পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব। এদিকে কালিয়াচকের ওই ব্যবসায়ীর ওপর আক্রমণ এবং পাঁচ লক্ষ টাকা তোলাবাজির ঘটনায় রীতিমতো অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন জেলার সর্ববৃহৎ ব্যবসায়ীদের সংগঠন মালদা মার্চেন্ট চেম্বার অফ কমার্সের কর্মকর্তারা। সংশ্লিষ্ট সংগঠনের সভাপতি জয়ন্ত কুন্ডু জানিয়েছেন, এই ধরনের ঘটনার আমরা তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। বারবার যদি ব্যবসায়ীদের ওপর দুষ্কৃতীদের হামলা নেমে আসে, তাহলে আমরা যাব কোথায়। অবিলম্বে পুলিশ সুপার যাতে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করে, সেই আবেদন জানাচ্ছি। এদিকে পুলিশকে অভিযোগে কালিয়াচক থানার ফতেখানি এলাকার পোশাক ব্যবসায়ী মহম্মদ রহিম বিশ্বাস জানিয়েছেন, পুরনো একটি মামলার ঘটনায় গত শনিবার এলাকার এক কুখ্যাত দুষ্কৃতী জহরুল খান এবং তার দলবল তাকে বাড়ির সামনে থেকে তুলে নিয়ে যায়। তাদের একটি ডেরায় তাঁকে গাছে বেঁধে ব্যাপক মারধর করা হয়। এরপর পাঁচ লক্ষ টাকার তোলা চাওয়া হয়। সেই টাকা না দেওয়ায় আশেপাশের আরও কিছু সাগরেদদের জুটিয়ে সালিশি ডাকা হয়। সেই সালিশির মাধ্যমে তাদের পরিবারকে গ্রাম ছাড়া করার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। আর এই ঘটনার পর থেকেই গত চারদিন ধরেই ওই ব্যবসায়ী পরিবার নিজের বাড়ি ছেড়ে অন্য এক আত্মীয়ের বাড়িতে আত্মগোপন হয়ে রয়েছেন। এমনকি ফতেখানি স্ট্যান্ডের কাছে ওই ব্যবসায়ী তার নিজের পোশাকে শোরুম খুলতে পারছেন না।

জুন ১৮, ২০২৫
দেশ

বাড়িতে ২ হাজার টাকার নোট আছে? এটা না করলেই পস্তাতে হবে

বহুদিন ধরে বাজারে খুব একটা দেখা যাচ্ছিল না, কানাঘুষোও চলছিল বিস্তর। অবশেষে রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া ঘোষণা করে দিল। ফের হইচই দেশজুড়ে।এনডিএ সরকারের দ্বিতীয় দফায় নোট বাতিল ঘোষণা হল। এবার ২ হাজার টাকা নোট বাতিলের বড়সড় ঘোষণা করল ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। আরবিআই জানিয়েছে, বাজার থেকে ২ হাজার টাকার নোট তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২ হাজার টাকার নোট ব্যাঙ্কে জমা করা যাবে। ওই সময়ের মধ্যে ব্যাঙ্কে গিয়ে ২০০০ টাকার নোট বদলাতে পারবেন সাধারণ মানুষ৷ আগামী ২৩ মে থেকে ব্যাঙ্কগুলিতে এই সুবিধা মিলবে৷ তবে একবারে ২০০০ টাকার নোটে ২০ হাজার টাকার বেশি বদলানো যাবে না। এই নোটের বৈধতা থাকবে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।অবশ্য ইতিমধ্যে আরবিআই ব্যাঙ্কগুলিকে ২ হাজার টাকার নোট দেওয়া বন্ধ করার পরামর্শ দিয়েছে। ২০১৮-১৯ -তেই ২০০০ টাকার নোট ছাপানো বন্ধ করে দিয়েছিল আরবিআই৷ এই নোট বাতিল অনেকটাই পূর্ব পরিকল্পিত।২০১৬-তে নোট বন্দিতে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাজার থেকে তুলে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে ২হাজার নোট বাজারে নিয়ে আসে আরবিআই। ৫০০ টাকার নতুন নোট ছাড়লেও ১হাজার টাকার নোট বাজারেই আনেনি আরবিআই। এবার গোলাপি রংয়ের ২ হাজার টাকার নোট তুলে দিচ্ছে আরবিআই। নোটবন্দির পর ছিল উত্তরপ্রদেশের নির্বাচন। সামনের ২০২৪-এ লোকসভা নির্বাচন।

মে ১৯, ২০২৩
দেশ

আরবিআই-র অনুমোদনহীন এই ব্যাঙ্ক গুলি থেকে টাকা তোলায় বিধিনিষেধ, আপনি কি ওই ব্যাঙ্ক গুলির গ্রাহক?

ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক বৃহস্পতিবার জানিয়েছে যে, দুটি বাঙ্কের আর্থিক অবস্তার অবনতির দিকে নজর রেখে আপাতত ছয় মাস ওই দুই ব্যাঙ্কের লেনদেনের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে।উত্তরপ্রদেশের দুটি সমবায় ব্যাঙ্কের আর্থিক অবস্থার অবনতির পরিপ্রেক্ষিতে টাকা তোলা সহ একাধিক বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। এই দুই ব্যাঙ্ক হল লক্ষ্ণৌ আরবান কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক এবং আরবান কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক লিমিটেড, সীতাপুর। ব্যাঙ্কিং নিয়ন্ত্রণ আইনের অধীনে এই বিধিনিষেধ ছয় মাসের জন্য আপাতত বলবৎ থাকবে।ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক একটি বিবৃতি জারী করে বলেছে, লক্ষ্ণৌ আরবান কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের গ্রাহকরা ৩০,০০০ টাকার বেশি তুলতে পারবেন না। আরবান কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের ক্ষেত্রে টাকা তোলার সীমা গ্রাহক প্রতি ৫০,০০০ টাকা।জানা গেছে যে, এই দুটি ব্যাঙ্ক-ই আরবিআই-এর অনুমোদন হীন। ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই দুই ব্যাঙ্ক কোনওরকম ঋণ দিতে পারবে না, কোনও সংস্থা তে বিনিয়োগ করতে পারবে না, কোনও দায় বহন করতে পারে না ... সহ একাধিক বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে এই দুই ব্যাঙ্কের ওপর।

জুলাই ২৯, ২০২২
দেশ

Booster Dose: করোনার বাড়বাড়ন্তের মধ্যেই আজ থেকে শুরু বুস্টার ডোজ

নতুন বছরের শুরুতেই ছোটদের ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। আর এবার টিকাকরণের আরও এক নতুন পর্যায় শুরু হচ্ছে। সোমবার থেকে দেশজুড়ে শুরু বুস্টার ডোজ বা প্রিকশন ডোজ দেওয়ার পর্ব। গত বছরের শেষে করোনার ভ্যাকসিনের এই তৃতীয় ডোজ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ, সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে সেই প্রক্রিয়া।মূলত চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, যাঁরা করোনার প্রথম সারির যোদ্ধা হিসেবে চিহ্নিত, তাঁদের এই প্রিকশন ডোজ দেওয়া হবে। এ ছাড়া ৬০ বছরের বেশি বয়স হলে ও কো-মর্বিডিটি অর্থাৎ ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপের মতো কোনও অসুস্থতা থাকলে তাঁদের এই প্রিকশন ডোজ দেওয়া হবে। এখনও পর্যন্ত সব প্রাপ্তবয়স্কদের কবে প্রিকশন ডোজ দেওয়া হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।এ বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের নির্দেশিকায় স্পষ্ট করে কিছু বলা হয়নি। গত বছর মে মাসে জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছিল, প্রথম টিকা নেওয়া পর যাঁরা কোভিড পজিটিভ হয়েছেন, তাঁদের দ্বিতীয় টিকা নিতে অন্তত তিন মাস অপেক্ষা করতে হবে। কিন্তু তৃতীয় টিকা সংক্রান্ত নির্দেশিকায় এ ব্যাপারে কিছু বলা নেই। ফলে চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে এ নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।মন্ত্রকের নির্দেশিকা অনুযায়ী, তৃতীয় টিকা নেওয়ার জন্য আগে থেকে কোউইন অ্যাপে নাম নথিভুক্ত করার প্রয়োজন নেই। টিকাদান কেন্দ্রে গিয়ে নাম নথিভুক্ত করালেই এই বুস্টার টিকা পাওয়া যাবে। স্বাস্থ্যকর্মী, প্রথম সারির কর্মীরা ছাড়া ষাটোর্ধ্ব যে সব ব্যক্তির হাইপার টেনশন, ডায়বেটিস এবং অন্য কোন অসুখ রয়েছে, তাঁরা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এই টিকা নিতে পারবেন।স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, দ্বিতীয় টিকা নেওয়ার অন্তত ৯ মাস পর এই বুস্টার টিকা নেওয়া যাবে। প্রথম এবং দ্বিতীয় টিকার মতোই তৃতীয় টিকা এক হতে হবে। কোনও মিশ্রণ চলবে না। অর্থাৎ যাঁরা কোভ্যাকসিন নিয়েছেন, তাঁদের ওই টিকাই নিতে হবে। আবার যাঁরা কোভিশিল্ড নিয়েছেন, তাঁদেরও তৃতীয় টিকা কোভিশিল্ডেরই নিতে হবে।

জানুয়ারি ১০, ২০২২
দেশ

RBI Governor: ৩ বছর মেয়াদবৃদ্ধি আরবিআই গভর্নরের

রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার গভর্নর পদে আরও তিন বছর থাকছেন শক্তিকান্ত দাস। আরবিআই গভর্নর হিসাবে পুনর্নিযুক্ত হলেন তিনি।শুক্রবার ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর শক্তিকান্ত দাসের কার্যকালের মেয়াদ আরও তিন বছর বাড়ানোর ঘোষণা করে কেন্দ্র। একটি সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মন্ত্রিসভার নিয়োগ কমিটি ১০ ডিসেম্বর, ২০২১ সালের পরে তিন বছরের জন্য বা পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত শক্তিকান্ত দাসকে আরবিআই গভর্নর হিসাবে পুনর্নিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে।আগামী ১০ ডিসেম্বর সংশ্লিষ্ট পদে তাঁর চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শুক্রবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিয়োগ সংক্রান্ত কমিটি জানায়, আগামী ৩ বছরের জন্য-ও শক্তিকান্ত দাসকে রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর পদে পুনরায় নিয়োগ করা হল। মোদি সরকারের আমলে শক্তিকান্ত দাসই প্রথম আরবিআই গভর্নর যাঁর মেয়াদ বাড়ানো হল।অর্থ মন্ত্রকের অর্থনৈতিক বিষয়ক বিভাগের সচিব ছিলেন শক্তিকান্ত দাস। তাছাড়া অর্থ, কর, শিল্প ও পরিকাঠামো ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) থেকে নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এনডিবি) এবং এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি)-এ ভারতের বিকল্প গভর্নর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন শক্তিকান্ত। এহেন শক্তিকান্ত দাস গত ২০১৮ সালের ১১ ডিসেম্বর তিন বছরের জন্য ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংকের প্রধান হিসাবে নিযুক্ত হন।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
রাজ্য

রেশনের খাদ্যসামগ্রী পাচারের অভিযোগে গ্রেফতার দুই, চাঞ্চল্য পূর্ব বর্ধমানে

রেশনের খাদ্যসামগ্রী পাচারের অভিযোগে ডিলারসহ ২ জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। উদ্ধার হয়েছে ১০টি বস্তায় ভর্তি ৫ কুইন্টল চাল ও ৮টি বস্তায় ভর্তি ৪ কুইন্টাল গম। ধৃতরা হলেন ডিলার তুলসীরঞ্জন মুখোপাধ্যায় ও মোটর ভ্যান চালক তাপস দাস। প্রথমজনের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের ভাতরের এওড়া গ্রামে। অপর ধৃত ভাতারের আড়া গ্রামের বাসিন্দা। ভাতার থানার পুলিশ বুধবার সন্ধ্যায় তাদের গ্রেফতার করে। বাজেয়াপ্ত করা হয়ে উদ্ধার হওয়া খাদ্য সামগ্রী। স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে পুলিশ। দুই ধৃতকেই বৃহস্পতিবার পেশ করে বর্ধমান আদালতে। ভারপ্রাপ্ত সিজেএম দুই ধৃতের জামিন নামাঞ্জুর করে বিচারবিভাগীয় হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন । পুলিশ জানিয়েছে, গোপন সুত্রে বুধবার সন্ধ্যায় পুলিশ খবর পায় এওড়া গ্রামের রেশন ডিলার তুলসিরঞ্জন মুখোপাধ্যায় রেশনের বেশ কিছু খাদ্য সামগ্রী পাচার করছে। সেই খবর পেয়েই পুলিশ সেখানে হানা দেয়। পুলিশ পৌঁছানোর আগেই তাপস দাসের মোটরভ্যানে রেশনের ১০ বস্তা চাল ও ৮ বস্তা গম লোড করে ফেলেছিল ডিলার। পুলিশ হাতেনাতে তাদের ধরে ফেলে। খবর পেয়ে ব্লক খাদ্য আধিকারিক দয়াময় গোস্বামীও ঘটনাস্থলে পৌঁছান । পুলিশ দুজনকে থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। জেরায় খাদ্যসামগ্রী পাচারের কথা কবুল করার পরেই পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে তাদের গ্রেফতার করে। পুলিশ সূত্রে খবর, খোলা বাজারে চড়া দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে রেশনের খাদ্য সামগ্রী পাচার করা হচ্ছিল।

জুলাই ২২, ২০২১
ব্যবসা

Bank's Profit: করোনা অতিমারিতেও ব্যাংকের রেকর্ড লাভ

২০২০-২১ অর্থবর্ষে দেশের ব্যাংকিং বিভাগ করোনা অতিমারিতেও রেকর্ড লাভ করেছে। যখন দেশের বাকি সমস্ত সংস্থা এই অতিমারিতে অর্থনৈতিক ভাবে বিপর্যস্ত, সেই পরিপ্রেক্ষিতে এই ফলাফল খুবই আশাব্যঞ্জক। ওই অর্থবর্ষে বাঙ্কিং বিভাগ ১,০২,২৫২ কোটি টাকা লাভ করেছে, যা গত অর্থবর্ষের ১৮,০০০ কোটি টাকার মোট লোকসানের তুলনায় বেশ ভাল বলেই মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।মোট মুনাফার ৫০% এসেছে প্রধান দুইটি ব্যাংক এইচডিএফসি এবং স্টেট বাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া থেকে। এইচডিএফসি বাঙ্ক ৩১,১১৬ কোটি টাকা যা প্রায় মোট লাভের ৩০% এবং গত অর্থবর্ষের তুলনায় ১৮% বেশী। দেশের সর্ববৃহৎ ঋণ প্রদানকারী ব্যাংক স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া ২০,৪১০ কোটি টাকা লাভের কথা ঘোষণা করেছে, যা গত অর্থবর্ষের তুলনায় ২০% বেশী। তৃতীয় সর্বোচ্চ স্থানে আইসিআইসিআই ব্যাংক, তারা ১৬,১৯২ টাকা লাভ করে, যা আগের অর্থবর্ষের প্রায় দ্বিগুন। সরকারি ব্যাংকগুলি (পিএসবি) ঋণদানের ক্ষেত্রে ধীরগতির নীতি অবলম্বন করায় বেসরকারী ব্যাংকগুলিরও বাজারের শেয়ার বৃদ্ধি পেয়েছে।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে ১৭ জুলাই জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষাসবচেয়ে বড় ব্যাপার বেসরকারি ব্যাংকগুলি গত পাঁচ বছরে এই প্রথম সম্মিলিত ভাবে নিট লাভ করেছে। সারকারি অধিগৃহীত ব্যাংকের মধ্যে মাত্র দুটি ব্যাংক যথাক্রমে পাঞ্জাব ও সিন্ধ ব্যাংক এবং সেন্ট্রাল ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া-তে এই বছরে নিট লোকসান হয়েছে।বেসরকারী ক্ষেত্রে ইয়েস ব্যাংক ৩,৪৬২ কোটি টাকার নিট লোকসান করে লাল তালিকাভুক্ত হয়েছে। তারা বিগত বছরের মত একই ধারা অব্যহত রেখেছে। লাল তালিকাভুক্ত হওয়ার কারণ, তারা বিগত বছরের ন্যায় কম লোকসান করেছে।আরও পড়ুনঃ বর্ধমানের কোভিড ফিল্ড হাসপাতালের বিশেষ টিকাকরণ কর্মসূচিসারকারি অধিগৃহীত ব্যাংকের এই সাফল্যের মুল কারন, রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া ব্যাংকগুলিকে বাধ্য করেছিল সর্বোচ্চ ১০টি আনাদায়ী ঋণ গ্রহীতার ঋণের টাকা উদ্ধার করার জন্য। তারপর তারা পরবর্তী ৪০টি অনাদায়ী ঋণ গ্রহীতার থেকে ঋণের টাকা উদ্ধার করে তাদের দেউলিয়ার ঘোষণা থেকে নিরস্ত করে।রেটিং এজেন্সি আইসিআরএ রিপোর্ট অনুসারে, চলতি বছরের লাভের মুল কারণ হল সরকারি ব্যাংকের বন্ড-এ ব্যাপক বিনিয়োগ। রেটিং এজেন্সিটি আরও জানিয়েছে, এসবিআই ছাড়া বন্ড বিক্রয় থেকে লাভ অন্যান্য সমস্ত সরকারি ব্যাংকের কর-পূর্বের মুনাফা বেড়েছে। আরও পড়ুনঃ কাঞ্চনের বিরুদ্ধে এফআইআর স্ত্রী পিঙ্কিরসুদের হার কমে গেলে সরকারী বন্ডের মূল্য বৃদ্ধি পায়। সুদের হার কম রাখার জন্য আরবিআইয়ের আগ্রাসী পদক্ষেপে সুদের আয় হ্রাস পেয়েছে তবে ট্রেজারি আয়ের ক্ষেত্রে প্রচুর লাভ দিয়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরটি দশটি সরকারী ব্যাংকের একত্রীকরণ করে চারটি ব্যাংকে পরিণত করার জন্য বিশেষ ভাবে উল্লেখ্য।ব্যাংকগুলির ব্যালান্স শিটগুলিতে মহামারির প্রভাব এখনও সেইভাবে প্রতিফলিত না হওয়ার কারণ ঋণগ্রহীতাদের ঋণখেলাপি অনেকাংশেই আটকানো গিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।আরও পড়ুনঃ পুরসভার কর্মী বদলিতে বিধায়কের সম্মতি! শোরগোল বর্ধমানে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে আরবিআই ব্যাংকগুলিকে নির্দেশ দেয় যেন তারা ঋণগ্রহীতাদের আরও এক বছর সময় দিয়ে ঋণ পুনরুদ্ধার করতে। বৃহত্তর কর্পোরেট অ্যাকাউন্টগুলির ওপর যাতে এর প্রভাব কোন ভাবেই না পড়ে সেই দিকেও খেয়াল রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ব্যাংকগুলি আতিমারির কারণে ঋণখেলাপি হয়ে ভবিষ্যতে লোকসানের প্রত্যাশা করছেনা না।

জুন ২৬, ২০২১
কলকাতা

জ্বর নেমেছে দিলীপ ঘোষের, কো মর্বিডিটি না থাকায় স্বস্তি

করোনায় আক্রান্ত হয়ে শুক্রবারই রাত দশটা নাগাদ সল্টলেকের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি হন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। হাসপাতাল সূত্রে খবর, শনিবার সকালে অনেক ভাল আছেন দিলীপ ঘোষ। জ্বর অনেকটাই কমেছে। শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা স্বাভাবিক রয়েছে। বিজেপি রাজ্য সভাপতির শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনক নয় বলে জানানো হয়েছে হাসপাতালের তরফ থেকে। কারণ , কোনও কোমর্বিডিটি নেই বিজেপির রাজ্য সভাপতির। আপাতত চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ বলবিন্দরকে মুক্তি না দিলে আজ নবান্নের সামনে অনশনে বসবেন স্ত্রী ও পুত্র জানা গিয়েছে, গত তিনদিন ধরেই হালকা জ্বরে ভুগছিলেন তিনি। অসুস্থ থাকায় বাতিল করেছিলেন একাধিক দলীয় কর্মসূচিও।শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকদের পরামর্শে তাঁর করোনা পরীক্ষা করানো হলে সেই রিপোর্ট পজিটিভ আসে। ১০২ ডিগ্রি জ্বর থাকায় তাঁকে শুক্রবার এইচডিইউতে ভর্তি করা হয়। তাঁর আক্রান্ত হওয়ার খবরে রীতিমতো চিন্তায় বিজেপিকর্মী সমর্থকরা।

অক্টোবর ১৭, ২০২০

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

হার মানলেন না মমতা! পরাজয়ের পরেই বড় ঘোষণা, কালই সাংবাদিক বৈঠক

বিধানসভা নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। হেরে গিয়েছেন দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই পরিস্থিতিতে আগামীকাল মঙ্গলবার কালীঘাটের বাসভবনে সাংবাদিক বৈঠক ডেকেছেন তিনি। বিকেল চারটেয় এই বৈঠক হবে বলে জানা গিয়েছে। সেখানে উপস্থিত থাকবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও।প্রায় পনেরো বছর রাজ্যে ক্ষমতায় থাকার পর এই প্রথমবার বড় পরাজয়ের মুখে পড়ল তৃণমূল। অন্যদিকে বিজেপি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে। ভবানীপুর কেন্দ্রে প্রায় পনেরো হাজারের বেশি ভোটে হেরে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু এই কেন্দ্রই নয়, রাজ্যের একাধিক জায়গায় তৃণমূল পরাজিত হয়েছে। মুর্শিদাবাদ, কলকাতা এবং পূর্ব বর্ধমানের মতো এলাকাতেও বিজেপি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।এর মধ্যেই সোমবার বিকেলে গণনাকেন্দ্রে গিয়ে উত্তেজনার মুখে পড়েন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শাখাওয়াত মেমোরিয়াল গণনাকেন্দ্রে দলের এজেন্টকে বের করে দেওয়ার খবর পেয়ে তিনি হঠাৎই সেখানে পৌঁছে যান। কয়েক ঘণ্টা পর বেরিয়ে এসে তিনি গুরুতর অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, তাঁকে মারধর করা হয়েছে এবং জোর করে হারানো হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রায় একশোটি আসনে ভোট লুঠ হয়েছে।এই ঘটনার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। মমতার এই অভিযোগকে সমর্থন করেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, নির্বাচন কমিশনের সহায়তায় ভোটে কারচুপি হয়েছে এবং বহু আসন ছিনতাই করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আগামীকালের সাংবাদিক বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

মে ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মমতার দুর্গেই ভাঙল ঘাঁটি! ভবানীপুরে বিশাল ব্যবধানে শুভেন্দুর জয়

দীর্ঘদিন ধরে ভবানীপুরে লড়াই করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এবারের নির্বাচনে সেই কেন্দ্রেই বড় ধাক্কা খেলেন তিনি। কুড়ি রাউন্ড গণনা শেষে প্রায় ১৫ হাজার ১১৪ ভোটে তাঁকে পরাজিত করলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। এর ফলে নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুর থেকেও জয়ী হলেন শুভেন্দু।ভবানীপুরে ভোটগণনা ঘিরে দিনভর উত্তেজনা ছিল। গণনার মাঝপথে নিজেই কেন্দ্রে পৌঁছে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, ভোট গণনায় কারচুপি হচ্ছে। যদিও সেই অভিযোগের মধ্যেই গণনা চলতে থাকে। রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ স্পষ্ট হয়ে যায় ফলাফল। দেখা যায়, ২০ রাউন্ড শেষে শুভেন্দু অধিকারী পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৪৬৩ ভোট, আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পেয়েছেন ৫৮ হাজার ৩৪৯ ভোট।নির্বাচনের আগেই শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন, তিনি ধীরে ধীরে ব্যবধান বাড়িয়ে শেষ পর্যন্ত জিতবেন। তাঁর সেই পূর্বাভাসই যেন মিলল বাস্তবে। শুরুতে কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও পরের রাউন্ডগুলোতে ব্যবধান কমিয়ে শেষে এগিয়ে যান তিনি এবং জয় নিশ্চিত করেন।জয়ী হওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারী প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানান। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, তাঁকে জোর করে হারানো হয়েছে এবং ভোট লুঠ করা হয়েছে। তিনি জানান, এই লড়াই এখানেই শেষ নয়, তিনি আবার ফিরে আসবেন।শুধু ভবানীপুর নয়, নন্দীগ্রামেও জয় পেয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় তৃণমূলের অবস্থানও এই নির্বাচনে দুর্বল হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের মত।

মে ০৪, ২০২৬
দেশ

তামিলনাড়ুতে বড় চমক! অভিনেতা বিজয়ের দলে ভর করে বদলে গেল রাজনীতি

তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনে শুরু থেকেই যে ট্রেন্ড দেখা গিয়েছিল, দিনের শেষে সেই ছবিই প্রায় একই রইল। গোটা দেশকে চমকে দিয়ে এগিয়ে রয়েছে অভিনেতা থেকে রাজনীতিতে আসা জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখর, যিনি থলপতি বিজয় নামে পরিচিত। তাঁর দল ক্ষমতার দিকে এগোচ্ছে।এই ফলাফলের ফলে দীর্ঘদিনের ডিএমকে এবং এআইডিএমকে-র রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। এরই মধ্যে খবর, নিজের কেন্দ্র কোলাথুরে হেরে গিয়েছেন ডিএমকে নেতা এবং বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিজয়ের দলের প্রার্থী।ভোটগণনার শুরুতেই স্ট্যালিন নিজের পরিচয় থেকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ সরিয়ে দিয়েছিলেন। বিকেলের খবর অনুযায়ী, বিজয়ের দল বেশ কয়েকটি আসনে জয় পেয়েছে এবং বহু আসনে এগিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে শাসক দল অনেক কম আসনে এগিয়ে আছে।তামিলনাড়ুতে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন নির্দিষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা। সেই লক্ষ্যের দিকেই এগোচ্ছে বিজয়ের দল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শরিক দলগুলির সমর্থন পেলে সহজেই সরকার গঠন করতে পারেন তিনি।অন্য দলগুলির মধ্যেও কিছু আসনে লড়াই চলছে। তবে সামগ্রিক ছবিতে স্পষ্ট, তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নতুন শক্তির উত্থান হয়েছে। দীর্ঘদিনের পরিচিত রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যেতে চলেছে।এখন দেখার, শেষ ফলাফল কী দাঁড়ায় এবং নতুন সরকার গঠনের জন্য কী ধরনের জোট তৈরি হয়।

মে ০৪, ২০২৬
কলকাতা

“জোর করে হারানো হয়েছে”—কার বিরুদ্ধে তোপ মমতার?

গণনাকেন্দ্র থেকে বেরিয়ে এসে বড় অভিযোগ করলেন তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিকেলে তিনি শাখাওয়াত মেমোরিয়াল গণনাকেন্দ্রে পৌঁছেছিলেন। সেই সময় থেকেই সেখানে উত্তেজনা তৈরি হয়।গণনার শুরুতে এগিয়ে থাকলেও পরে পরিস্থিতি বদলাতে থাকে। রাউন্ড যত এগোয়, ততই ব্যবধান কমতে থাকে এবং বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী এগিয়ে যান।এই পরিস্থিতির মধ্যেই বিকেলে গণনাকেন্দ্রে পৌঁছান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তাঁর উপস্থিতি ঘিরে উত্তেজনা বাড়ে। পরে রাতের দিকে তিনি গণনাকেন্দ্র থেকে বেরিয়ে আসেন।সাংবাদিকদের সামনে তিনি অভিযোগ করেন, ভোট লুঠ হয়েছে। তাঁকে মারধর করা হয়েছে বলেও দাবি করেন। তাঁর কথায়, জোর করে তাঁকে হারানো হয়েছে। তবে তিনি আবার ফিরে আসবেন বলেও জানান।এদিকে রাত পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভবানীপুর কেন্দ্রে একাধিক রাউন্ড গণনার পর শুভেন্দু অধিকারী এগিয়ে রয়েছেন। গণনা তখনও চলছিল।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেরিয়ে আসার সময় তাঁকে ঘিরে স্লোগান শোনা যায়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নিরাপত্তাকর্মীরা তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যান। এরপর তিনি কালীঘাটের উদ্দেশে রওনা দেন।গণনা এখনও চলছে। এই পরিস্থিতিতে ভবানীপুরের লড়াই আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

মে ০৪, ২০২৬
দেশ

বাংলার ফল নিয়ে বড় মন্তব্য! কেন কর্মীদের ধন্যবাদ দিলেন মোদি?

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়ের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। দুজনেই এই জয়ের কৃতিত্ব দিয়েছেন দলের কর্মীদের পরিশ্রম, ত্যাগ এবং মানুষের সমর্থনকে।প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, এই ফলাফল মানুষের শক্তির জয় এবং সুশাসনের প্রতি মানুষের বিশ্বাসের প্রতিফলন। তিনি বাংলার ভোটারদের ধন্যবাদ জানান। তাঁর আশ্বাস, নতুন সরকার মানুষের আশা পূরণে কাজ করবে এবং সবার জন্য উন্নয়ন ও সম্মান নিশ্চিত করবে।অন্যদিকে অমিত শাহ বলেন, এই জয় সহজে আসেনি। বহু কর্মী সংগ্রাম করেছেন, কষ্ট সহ্য করেছেন, তবেই এই ফল এসেছে। অনেক পরিবার নানা সমস্যার মধ্যেও দলের পাশে থেকেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ পথ পেরিয়ে এই জায়গায় পৌঁছানো গেছে। এই যাত্রায় যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন বা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তাঁদের প্রতি তিনি শ্রদ্ধা জানান। বাংলার মানুষের এই রায় তাঁদের প্রতিও শ্রদ্ধার নিদর্শন বলে তিনি মনে করেন।এই জয়ের জন্য দলের সর্বভারতীয় সভাপতি, রাজ্য নেতৃত্ব এবং কর্মীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি। মোদি ও শাহ দুজনেই জানিয়েছেন, এই জয় শুধু রাজনীতির নয়, বরং বাংলার উন্নয়ন ও নতুন পথচলার সূচনা।

মে ০৪, ২০২৬
দেশ

“ভয় আর তোষণের বিরুদ্ধে রায়!” বাংলার ফল নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য শাহর

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ভালো ফলের ইঙ্গিত মিলতেই প্রতিক্রিয়া জানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি এই ফলকে ঐতিহাসিক জয় বলে দাবি করেছেন। তাঁর মতে, বাংলার মানুষ ভয় এবং তোষণের রাজনীতির বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে।সোমবার তিনি একাধিক বার্তায় বাংলার মানুষকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, এই ফল মানুষের স্পষ্ট বার্তা, যারা ভয় দেখায় এবং বিশেষ সুবিধার রাজনীতি করে, তাদের মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে।তিনি আরও বলেন, এই জয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বের উপর মানুষের আস্থার প্রতিফলন। তৃণমূলের ভয়ভিত্তিক রাজনীতির বিরুদ্ধে মানুষ ভোট দিয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।অমিত শাহ বলেন, গঙ্গার উৎস থেকে গঙ্গাসাগর পর্যন্ত এখন বিজেপির শক্তি ছড়িয়ে পড়েছে। এই জয় দলের অসংখ্য কর্মীর ত্যাগ, সংগ্রাম এবং আত্মবলিদানের ফল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি বলেন, বহু পরিবার নানা অত্যাচার সহ্য করেও দলের পতাকা ছাড়েনি। এই জয় সেই সব মানুষের ধৈর্য এবং বিশ্বাসেরও জয়। দীর্ঘদিনের সংগ্রামের পথে যারা প্রাণ হারিয়েছেন বা কষ্ট সহ্য করেছেন, তাঁদের প্রতিও তিনি শ্রদ্ধা জানান।শাহর দাবি, বাংলার মানুষ এই ফলের মাধ্যমে সেই সব কর্মীদের প্রতি সম্মান জানিয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বিরোধীদের কটাক্ষ করে বলেন, অনুপ্রবেশ এবং তোষণের রাজনীতি যারা করেছে, তাদের মানুষ শিক্ষা দিয়েছে।তিনি আরও বলেন, বাংলার মানুষ যে ভরসা দেখিয়েছে, তা পূরণ করার চেষ্টা করবে বিজেপি। দিনরাত কাজ করে বাংলার উন্নয়ন ঘটানো এবং সোনার বাংলা গড়ার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।এদিকে ভোটের ট্রেন্ড অনুযায়ী বিজেপি বেশ কিছু আসনে এগিয়ে রয়েছে এবং কিছু আসনে জয়ও পেয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূলও কয়েকটি আসনে জয় পেয়েছে এবং কিছু জায়গায় লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।তবে ট্রেন্ডে দেখা যাচ্ছে, তৃণমূলের অনেক মন্ত্রীই পিছিয়ে রয়েছেন। এতে শাসক দলের জন্য চাপ তৈরি হয়েছে। সিঙ্গুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রেও বিজেপি এগিয়ে রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে বাংলার রাজনৈতিক ছবি দ্রুত বদলাচ্ছে। এখনও গণনা চলছে, তাই শেষ ফলাফল কী হবে, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে।

মে ০৪, ২০২৬
রাজ্য

মেয়ের ন্যায়বিচারের লড়াই থেকে ভোটে জয়! পানিহাটিতে চমক রত্নার

পানিহাটি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রায় বাইশ হাজার ভোটে জয়ী হয়েছেন রত্না দেবনাথ। জয়ের পরেই তিনি মেয়ের ন্যায়বিচারের লড়াই আরও জোরদার করার বার্তা দিয়েছেন। তাঁর এই জয়কে ঘিরে এলাকায় উচ্ছ্বাসের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।জয়ের পর রত্না দেবনাথ বলেন, এই জয় পানিহাটির মানুষের জয়। তাঁর কথায়, এই ফল তাঁর মেয়ের জন্য ন্যায়বিচারের লড়াইকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে। তিনি বিশ্বাস করেন, একদিন বিচার অবশ্যই মিলবে।ফল ঘোষণার পরই তাঁর বাড়ির সামনে ভিড় জমায় দলীয় কর্মী ও সমর্থকরা। আবির খেলায় মেতে ওঠেন সবাই। আনন্দ উদযাপনের ছবি ধরা পড়ে চারদিকে।নির্বাচনের সময় নানা কটূক্তি ও সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। তবু সাধারণ মানুষের সমর্থনই তাঁকে শক্তি দিয়েছে বলে জানান তিনি। এলাকার অনেকেই মনে করেন, ব্যক্তিগত শোককে শক্তিতে বদলে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার জন্যই মানুষ তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছে।অন্যদিকে বিরোধী পক্ষের অভিযোগ, প্রচারের সময় নানা বাধার মুখে পড়তে হয়েছিল প্রার্থীকে। মানসিক চাপ তৈরির চেষ্টাও হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত মানুষই সব অপপ্রচারের জবাব দিয়েছে বলে তাঁদের মত।এই জয়ের মুহূর্তে রত্না দেবনাথ তাঁর সাফল্য পানিহাটির মানুষকে উৎসর্গ করেছেন।

মে ০৪, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশি বাজির বাজারে চমক! বিজেপি এগিয়ে, তবু টাকার স্রোত তৃণমূলের দিকে কেন?

ভোটের উত্তাপে ফুটছে বাংলা। রাজনৈতিক লড়াই এখন শুধু রাজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও তা নিয়ে চলছে আলোচনা ও হিসেবনিকেশ। নির্বাচনের ফলাফল কী হতে পারে, তা নিয়ে অনলাইনে শুরু হয়েছে বিভিন্ন পূর্বাভাস। সেই সঙ্গে বেড়েছে বাজির অঙ্কও। লক্ষ লক্ষ টাকার বাজি ধরা হচ্ছে, যা নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন অনেকে।সূত্রের খবর, আমেরিকার একটি জনপ্রিয় পূর্বাভাসভিত্তিক প্ল্যাটফর্মে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত প্রায় আটচল্লিশ লক্ষ ডলারের বাজি ধরা হয়েছে, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় চল্লিশ কোটি টাকার কাছাকাছি। সেই বাজারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জয়ের দৌড়ে সামান্য এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। সেখানে বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা ধরা হয়েছে প্রায় ছাপ্পান্ন শতাংশ। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সম্ভাবনা রয়েছে প্রায় তেতাল্লিশ শতাংশ। বাম ও কংগ্রেস বা অন্যান্য দলগুলির সম্ভাবনা এক শতাংশেরও কম।তবে এই ছবিটা শুরু থেকে এমন ছিল না। এপ্রিলের গোড়ার দিকে ওই প্ল্যাটফর্মে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে ছিল। তখন তাদের সম্ভাবনা ছিল প্রায় পঁচাত্তর থেকে আশি শতাংশ। প্রথম দফার ভোটের পর ছবিটা বদলাতে শুরু করে এবং বিজেপি এগিয়ে যায়। এরপর আবার একসময় তৃণমূলের পক্ষে বিপুল অঙ্কের টাকা জমা পড়ে। কিন্তু দ্বিতীয় দফার ভোটের পর আবার বিজেপি এগিয়ে যায়।তবে সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, শতাংশের হিসাবে বিজেপি এগিয়ে থাকলেও মোট লেনদেনের পরিমাণে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে। তৃণমূলের পক্ষে লেনদেন হয়েছে প্রায় আঠারো লক্ষ ডলার, আর বিজেপির ক্ষেত্রে তা প্রায় এগারো লক্ষ ডলার। বিশ্লেষকদের মতে, অনেকেই হয়তো তৃণমূলের হার নিয়ে বাজি ধরছেন, অথবা বড় বিনিয়োগকারীরা একসঙ্গে বিপুল টাকা বিজেপির জয়ের উপর লগ্নি করছেন, যার ফলে শতাংশের হিসেব বদলে যাচ্ছে।অন্যদিকে দেশের বাজির বাজার আবার অন্য ছবি দেখাচ্ছে। দিল্লির বাজির বাজারের হিসেব অনুযায়ী তৃণমূল কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। তাদের মতে, তৃণমূল পেতে পারে একশো ছেচল্লিশ থেকে একশো ঊনপঞ্চাশটি আসন, আর বিজেপি পেতে পারে একশো চল্লিশ থেকে একশো তেতাল্লিশটি আসন।এদিকে এ বারের নির্বাচনে ভোটদানের হারও রেকর্ড ছুঁয়েছে। প্রথম দফায় ভোট পড়েছে প্রায় তিরানব্বই শতাংশের বেশি। দ্বিতীয় দফায় তা ছিল একানব্বই দশমিক একচল্লিশ শতাংশ। যা দেশের নির্বাচনী ইতিহাসে বিরল ঘটনা। এখন সবার নজর ফলাফলের দিকে।

মে ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal